বাংলাদেশ  সিভিল সার্ভিস (BCS)

৪৮ তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ২০২৫।

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

1. বাক্যের অন্তর্গত শব্দের পারস্পরিক সম্পর্ক ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 58 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কারক ১. কেন সঠিক: বাক্যের অন্তর্গত বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে ক্রিয়া পদের যে সম্পর্ক তাকে কারক বলে। কারক শব্দের অর্থ যা ক্রিয়া সম্পাদন করে এবং এটি বাক্যের পদগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক বোঝাতে সাহায্য করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যে ব্যবহৃত ক্রিয়া পদের সঙ্গে অন্যান্য পদের ছয় ধরনের সম্পর্ককে কারক বলা হয়। এটি বাক্য গঠনে পদের পারস্পরিক অন্বয় রক্ষা করতে ব্যাকরণের রূপমূলতত্ত্বে আলোচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাছে ফল ধরেছে। ব্যাখ্যা: এখানে গাছে অধিকরণ কারক কারণ এটি ক্রিয়ার আধার বোঝাচ্ছে। উদাহরণ ২: বাবা আমাকে একটি কলম দিয়েছেন। ব্যাখ্যা: এখানে আমাকে হলো গৌণ কর্ম এবং কলম হলো মুখ্য কর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সন্ধি — সন্ধি হলো দুটি ধ্বনির মিলন, শব্দের পারস্পরিক সম্পর্কের সঙ্গে এর সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। B) পদ — পদ হলো বাক্যে ব্যবহৃত প্রত্যেকটি শব্দ, তবে এটি শুধু শব্দের পরিচয় দেয় সম্পর্কের নির্দিষ্ট রূপ বোঝায় না। C) কাল — কাল হলো ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সময়, যা পারস্পরিক সম্পর্ক নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যে কারক চেনার সহজ উপায় হলো ক্রিয়া পদকে প্রশ্ন করা, যেমন কে বা কারা দিয়ে প্রশ্ন করলে কর্তকারক পাওয়া যায়। ক্রিয়া পদের সঙ্গে অন্যান্য পদের সম্পর্ক এবং ক্রিয়ার সম্পাদনই হলো কারক নির্ণয়ের মূল ভিত্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে তাই বাক্যের ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে কারক নির্ণয় করার কৌশল আয়ত্ত করা জরুরি। একই নিয়মে কর্তকারক, কর্মকারক ও অন্যান্য কারকগুলো আলাদা করতে হয়।
2. ইসমাইল হোসেন সিরাজীর কোন কাব্যটি বাজেয়াপ্ত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অনল প্রবাহ ১. কেন সঠিক: - 'অনল প্রবাহ' কাব্যগ্রন্থটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় তীব্র দেশপ্রেমমূলক রচনার কারণে তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল। - ইসমাইল হোসেন সিরাজী এই কাব্যের মাধ্যমে ভারতবাসীর মধ্যে স্বাধীনতার স্পৃহা ও জাগরণ সৃষ্টি করতে চেয়েছিলেন, যা ব্রিটিশ শাসকদের ভীত করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ইসমাইল হোসেন সিরাজী ছিলেন বিশ শতকের প্রারম্ভের অন্যতম মুসলিম জাতীয়তাবাদী কবি, ঔপন্যাসিক ও প্রবন্ধকার যিনি সিরাজগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর সাহিত্যকর্মে প্যান ইসলামবাদ, স্বদেশপ্রেম এবং ব্রিটিশ বিরোধিতার সুর অত্যন্ত জোরালোভাবে ফুটে উঠেছিল যা সমকালীন রাজনীতিতে দারুণ প্রভাব ফেলেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুলের 'বিষের বাঁশি' ব্যাখ্যা: ব্রিটিশ সরকার এই কাব্যগ্রন্থটিও রাজদ্রোহিতার অভিযোগে বাজেয়াপ্ত করেছিল। উদাহরণ ২: কবি জসীমউদ্দীনের 'রাখাল ছেলে' ব্যাখ্যা: এটি তাঁর বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ তবে এটি ব্রিটিশ বিরোধীতার কারণে বাজেয়াপ্ত হয়নি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 'অনল প্রবাহ' — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্যগ্রন্থটিই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। B) 'আকাঙ্ক্ষা' — এটি ইসমাইল হোসেন সিরাজীর কোনো বাজেয়াপ্ত করা কাব্যগ্রন্থ নয়। C) 'উদ্বোধন' — এটি তাঁর কোনো বিখ্যাত বাজেয়াপ্ত কাব্যগ্রন্থ হিসেবে পরিচিত নয়। D) 'নব উদ্দীপনা' — এটিও ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হওয়া কোনো গ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ইসমাইল হোসেন সিরাজীর 'অনল প্রবাহ' মানে আগুনের স্রোত যা ব্রিটিশদের পুড়িয়ে দিয়েছিল, তাই এটি বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন কোন সাহিত্যিক বা কাব্যগ্রন্থ ব্রিটিশ আমলে বাজেয়াপ্ত হয়েছিল তা জানতে চাওয়া হয়। একইভাবে নজরুলের 'ভাঙার গান' ও 'প্রलय্লশিখা' বাজেয়াপ্ত হওয়ার ইতিহাস ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
3. ক্রিয়াপদের মূল অংশকে কী বলে?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধাতু ১. কেন সঠিক: ক্রিয়াপদের মূল অংশকে ধাতু বলা হয়। ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় বা বিভক্তি যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ ক্রিয়াপদ গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব মূল শব্দ বা শব্দমূল থেকে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়, তাকে ধাতু বলে। ধাতু মূলত তিন প্রকার, যথা মৌলিক ধাতু, সাধিত ধাতু এবং সংযোগমূলক ধাতু। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পড় + আ = পড়া ব্যাখ্যা: এখানে 'পড়' হলো ধাতু এবং এর সঙ্গে 'আ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ বা ক্রিয়াবাচক শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: কর্ + য়া = করা ব্যাখ্যা: এখানে 'কর্' হলো মূল ধাতু যা থেকে বিভিন্ন ক্রিয়াপদ তৈরি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্ম — কর্ম হলো বাক্যের সেই অংশ যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, এটি ক্রিয়ার মূল অংশ নয়। B) ধাতু — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক্রিয়াপদের মূল অংশকে ধাতু বলা হয়। C) প্রত্যয় — প্রত্যয় হলো শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হওয়া বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি, যা নতুন শব্দ গঠন করে। D) বিভক্তি — বিভক্তি হলো বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদে পরিণত করে। ৫. মনে রাখার টিপস: ক্রিয়া শব্দের শুরুতে 'ক্রি' এবং ধাতু শব্দের শুরুতে 'ধা' আছে, তাই ক্রিয়ার মূল হলো ধাতু এটি মনে রাখা সহজ। ধাতু মানেই হলো ক্রিয়ার মূল উৎস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ধাতু ও প্রত্যয় সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। ক্রিয়ার মূল চিনতে পারলে সহজে ধাতু নির্ণয় করা যায়।
4. ছড়ার ছন্দকে কী বলে?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্বরবৃত্ত ১. কেন সঠিক: ছড়ার ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর ধ্বনিপ্রবাহ বা লয় দ্রুত এবং এর মাত্রা গণনার নিয়ম অন্যান্য ছন্দের চেয়ে আলাদা। স্বরবৃত্ত ছন্দে শব্দের আদি স্বরধ্বনির ওপর ঝোঁক বা জোর পড়ে এবং দল বা অক্ষরগুলো সাধারণত স্বরান্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ছান্দসিক সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত স্বরবৃত্ত ছন্দকে ছড়ার ছন্দ বা দলবৃত্ত ছন্দ হিসেবে অভিহিত করেছেন। বাংলা লোকসাহিত্যে প্রচলিত ছড়া, রূপকথা এবং ধাঁধাঁয় মূলত এই স্বরবৃত্ত ছন্দের বহুল ব্যবহার দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আয় রে ছুটে আয়, / ছোট নদী পার হয়া। ব্যাখ্যা: এটি স্বরবৃত্ত ছন্দের একটি পঙ্‌ক্তি যেখানে দ্রুত লয় এবং প্রতি চরণে নির্দিষ্ট স্বরধ্বনি বা ঝোঁক বজায় রয়েছে। উদাহরণ ২: খোকা ঘুমাল পাড়া জুড়ালো, / বর্গী এল দেশে। ব্যাখ্যা: এটি ঐতিহ্যবাহী শিশুতোষ ছড়া, যা স্বরবৃত্ত ছন্দের নিয়ম মেনে রচিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরবৃত্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ ছড়ার ছন্দ বলতে স্বরবৃত্ত ছন্দকে বোঝানো হয়। B) মাত্রাবৃত্ত — এটি রবীন্দ্রযুগের বাংলা কবিতার একটি ধ্রুপদী ছন্দ, যার লয় মন্থর এবং এর মাত্রা গণনার পদ্ধতি আলাদা। C) অক্ষরবৃত্ত — এটি পয়ার বা অমিত্রাক্ষর কবিতার প্রধান ছন্দ, যা মধ্যযুগের বাংলা কাব্যে এবং আধুনিক কাব্যে গম্ভীর ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়। D) গদ্যছন্দ — এটি আধুনিক যুগের ছন্দ যার কোনো নির্দিষ্ট মাত্রার বাধ্যবাধকতা নেই এবং এটি গদ্যের মতো প্রবাহিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ছড়ার ছন্দ মানেই দ্রুত লয় এবং লোকসাহিত্য। মনে রাখবে ছড়া পড়া হয় দ্রুত গতিতে, তাই এর ছন্দ স্বরবৃত্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ছন্দ প্রধানত তিন প্রকার যথা স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত এবং অক্ষরবৃত্ত। ছড়ার ছন্দকে স্বরবৃত্তের পাশাপাশি দলবৃত্ত বা চোয়াড়ে ছন্দও বলা হয়।
5. কোনটি বিশেষণ?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সৎ ১. কেন সঠিক: - যে পদ দ্বারা কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ প্রকাশ করা হয়, তাকে বিশেষণ পদ বলে। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সৎ শব্দটি দ্বারা মানুষের গুণের প্রকাশ ঘটে, যা বিশেষ্য পদের দোষ-গুণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষণের সংজ্ঞা অনুযায়ী যে শব্দ বিশেষ্য বা সর্বনামের দশ দিক নির্দেশ করে তা বিশেষণ। - সৎ শব্দটি সাধারণত মানুষের চরিত্র বা নৈতিকতার গুণ প্রকাশ করতে বিশেষ্যের পূর্বে বসে তার রূপ ফুটিয়ে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভালো ছেলে ব্যাখ্যা: এখানে ভালো শব্দটি ছেলে বিশেষ্যের গুণ প্রকাশ করায় এটি বিশেষণ পদ হয়েছে। উদাহরণ ২: লাল শাড়ি ব্যাখ্যা: এখানে লাল শব্দটি শাড়ি বিশেষ্যের রঙ বা অবস্থা নির্দেশ করায় এটি বিশেষণ পদ হিসেবে কাজ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৎ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি গুণবাচক বিশেষণ। B) একতা — এটি একটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ, কোনো বিশেষণ নয়। C) দর্শন — এটি দেখা বা দেখার ভাব প্রকাশকারী একটি বিশেষ্য পদ। D) জনতা — এটি একটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্য পদ যা বহু মানুষের সমাবেশ বোঝায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দ শোনার পর যদি মনে প্রশ্ন জাগে কেমন বা কতটুকু, তবে সেটি বিশেষণ হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। - সৎ মানুষের গুণ বোঝায় বলে এটি নিশ্চিতভাবেই বিশেষণ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পদ নির্ণয় থেকে প্রশ্ন আসে, তাই বিশেষ্যের গুণবাচক রূপ চেনার অভ্যাস রাখতে হবে। - বিশেষ্য ও বিশেষণের পার্থক্য বুঝতে শব্দের মূল অর্থ ও বাক্যে তার ব্যবহার লক্ষ করতে হবে।
6. 'ইউসুফ-জোলেখা'র কবি শাহ মুহম্মদ সগীরের জন্ম কোথায়?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চট্টগ্রাম ১. কেন সঠিক: - ইউসুফ-জোলেখা কাব্যের রচিয়তা শাহ মুহম্মদ সগীর চট্টগ্রামের আদি নিবাসী ছিলেন। - সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে তিনি এই কাব্য রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শাহ মুহম্মদ সগীর মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। - ইউসুফ-জোলেখা বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি রচিত প্রণয়োপাখ্যান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দৌলত উজির বাহরাম খান ব্যাখ্যা: তিনি ষোল শতকের চট্টগ্রাম অঞ্চলের একজন বিখ্যাত মধ্যযুগীয় কবি। উদাহরণ ২: আলাওল ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের আরেক বিশিষ্ট কবি আলাওলও চট্টগ্রামের পটিয়ার জোবায়রা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বগুড়া — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা যা শাহ মুহম্মদ সগীরের জন্মস্থান নয়। B) সিলেট — শাহ আবদুল করিম বা হাসন রাজার জন্মস্থান হলেও শাহ মুহম্মদ সগীরের জন্মস্থান এটি নয়। C) নদীয়া — শ্রীচৈতন্যের জন্মস্থান নদীয়া হলেও এই কবির জন্মস্থান এখানে নয়। D) চট্টগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ কবি চট্টগ্রামের সন্তান ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সগীর শব্দের সঙ্গে চট্টগ্রামের উপকূলীয় অঞ্চলের প্রাচীন সাহিত্যধারার সংযোগ মনে রাখতে পারো। - মধ্যযুগের অধিকাংশ পুথি সাহিত্য চট্টগ্রামের কবিদের মাধ্যমে পুষ্ট হয়েছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ইউসুফ-জোলেখা কোন যুগের সাহিত্য তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে (মধ্যযুগ)। - কবি কার রাজত্বকালে কাব্য রচনা করেন তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
7. শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সারা দেশে দিবসটি উদযাপন করা হবে। ১. কেন সঠিক: এই বাক্যটিতে বাহুল্য দোষ নেই এবং শব্দের যথাযথ ব্যবহার হয়েছে। সারা এবং দেশব্যাপী দুটি শব্দ একই অর্থ প্রকাশ করে একসাথে বসলে বাহুল্য দোষ ঘটে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে বাহুল্য দোষ একটি প্রধান ত্রুটি। একই অর্থে দুটি শব্দ পাশাপাশি ব্যবহার না করে একটি ব্যবহার করা প্রমিত বাংলার নিয়ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সব ছাত্ররা ক্লাসে উপস্থিত আছে। ব্যাখ্যা: এটি ভুল বাক্য কারণ সব এবং ছাত্ররা একসাথে বহুবচন বোঝায়, শুদ্ধ রূপ হবে সব ছাত্র ক্লাসে উপস্থিত আছে। উদাহরণ ২: লজ্জায় সে হেঁট মাথা হলো। ব্যাখ্যা: এটি ভুল বাক্য কারণ হেঁট মাথা অর্থ নিচের দিকে মাথা, শুদ্ধ রূপ হবে লজ্জায় সে অধোবদন হলো বা মাথা হেঁট করল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সারা দেশব্যাপী দিবসটি উদযাপন করা হবে — এই বাক্যে সারা এবং দেশব্যাপী শব্দ দুটি একসাথে ব্যবহৃত হয়ে বাহুল্য দোষ ঘটিয়েছে। B) সারা দেশে দিবসটি উদযাপন করা হবে — এই বাক্যটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ ও প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে। C) দেশব্যাপী দিবসটি উদযাপন করা হবে — এই বাক্যটিতে বাহুল্য নেই এবং এটিও ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ, তবে প্রদত্ত উত্তরে B অপশনটিকে মূল হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। D) সারা দেশে দিবসটি উদযাপন করা হবে — এই অপশনটি B অপশনের সাথে হুবহু মিলে গেছে এবং এটিও ব্যাকরণগতভাবে একটি শুদ্ধ বাক্য। ৫. মনে রাখার টিপস: সারা এবং ব্যাপী একই সাথে বাক্যে ব্যবহার করা যাবে না। যেকোনো একটি ব্যবহার করলেই বাক্য শুদ্ধ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে বাহুল্য দোষ থেকে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন আসে। সমার্থক শব্দ একসাথে ব্যবহার করার প্রবণতা বর্জন করতে হবে।
9. Transparency শব্দের বাংলা পরিভাষা কী?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্বচ্ছতা ১. কেন সঠিক: Transparency একটি ইংরেজি পারিভাষিক শব্দ যার বাংলা আভিধানিক অর্থ স্বচ্ছতা বা প্রকাশ্যবাদিতা। প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজে দুর্নীতি রোধ এবং কাজের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য স্বচ্ছতা শব্দটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি পারিভাষিক শব্দ বিষয়ক প্রশ্ন। পারিভাষিক শব্দ হলো বিশেষ ভাব বা অর্থের প্রকাশে ব্যবহৃত নির্দিষ্ট শব্দ যা সাধারণত প্রশাসন, বিজ্ঞান, সাহিত্য ও আইনগত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। বাংলা ভাষা সমৃদ্ধ করার জন্য ইংরেজি বা অন্যান্য ভাষার ভাবানুবাদ করে এসব শব্দ নির্ধারণ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Accountability শব্দের পরিভাষা জবাবদিহিতা। ব্যাখ্যা: এটি প্রশাসনিক স্বচ্ছতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক শব্দ। উদাহরণ ২: Corruption শব্দের পরিভাষা দুর্নীতি। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের অন্তরায় হিসেবে পরিচিত একটি বহুল ব্যবহৃত দাপ্তরিক ও সামাজিক পারিভাষিক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যথার্থতা — এই শব্দটি Accuracy শব্দের পরিভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয় যা তথ্যের সঠিকতা বোঝাতে আসে। B) নির্ভরযোগ্যতা — এই শব্দটি Reliability শব্দের পরিভাষা যা কোনো বিষuesর ওপর আস্থার দিক নির্দেশ করে। C) স্বচ্ছতা — এটি মূল ইংরেজি শব্দ Transparency এর সঠিক পরিভাষা যা প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজে ব্যবহৃত হয়। D) দুর্নীতিদমন — এই দীর্ঘ ও যৌগিক শব্দটি Anti-corruption শব্দের পরিভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: Transparency শব্দের মূল অর্থ স্বচ্ছ কাচ যার মধ্যে দিয়ে সব পরিষ্কার দেখা যায়। প্রশাসনিক ক্ষেত্রে এর অর্থ হলো সবকিছু প্রকাশ্য রাখা বা স্বচ্ছতা বজায় রাখা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় দাপ্তরিক পরিভাষা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই সরকারি ও প্রশাসনিক কাজে ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দের বাংলা রূপগুলো নিয়মিত চর্চা করা জরুরি।
10. 'তিনি কথা বললেন না।' বাক্যটির অস্থিবাচক রূপ কী হবে?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তিনি চুপ করে থাকলেন। ১. কেন সঠিক: - 'তিনি কথা বললেন না' বাক্যটি নেতিবাচক বা না-বোধক বাক্যের উদাহরণ, কারণ এতে 'না' বোধক অব্যয় ব্যবহার করা হয়েছে। - বাক্যটির অস্থিবাচক বা হ্যাঁ-বোধক রূপ করতে হলে অর্থের কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে নেতিবাচক শব্দ বাদ দিয়ে সমার্থক বা বিপরীতার্থক শব্দের সাহায্যে হ্যাঁ-বোধক ভাব আনতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্য রূপান্তর হলো অর্থের পরিবর্তন না করে বাক্যের গঠন পরিবর্তন করা। - নেতিবাচক বাক্যকে অস্থিবাচক বাক্যে রূপান্তর করার সময় মূল ক্রিয়ার বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করতে হয় এবং না-বোধক শব্দ তুলে দিতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি যাব না। ব্যাখ্যা: এর অস্থিবাচক রূপ হলো আমি অনুপস্থিত থাকব অথবা আমি অস্বীকার করলাম। উদাহরণ ২: সে মিথ্যা বলে না। ব্যাখ্যা: এর অস্থিবাচক রূপ হলো সে সর্বদা সত্য কথা বলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিনি কথা বলতে চাইলেন না। — এই অপশনটিতে 'না' যুক্ত রয়েছে, ফলে এটি একটি নেতিবাচক বাক্য রয়ে গেছে। B) তিনি কথা না বলে থাকতে পারলেন না। — এই অপশনটিতে একাধিক 'না' যুক্ত রয়েছে এবং এটি অর্থের দিক থেকে মূল বাক্যের রূপান্তর হলেও গঠনগতভাবে অস্থিবাচক নয়। C) তিনি নীরব থাকতে চেষ্টা করলেন। — এই অপশনটি হ্যাঁ-বোধক হলেও মূল বাক্যের মূল সুর বা ভাব পুরোপুরি প্রকাশ করে না, কারণ তিনি চুপ ছিলেন আর চেষ্টা করেছিলেন দুটি ভিন্ন অর্থ বহন করে। D) তিনি চুপ করে থাকলেন। — এই অপশনটি নেতিবাচক ভাবকে হ্যাঁ-বোধক বা অস্থিবাচকে সফলভাবে রূপান্তর করেছে এবং মূল অর্থের সাথে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্য রূপান্তরের সময় মনে রাখতে হবে যে বাক্যের রূপ বদলাবে কিন্তু অর্থের কোনো পরিবর্তন হবে না। নেতিবাচক থেকে অস্থিবাচক করার সময় 'না' বাদ দিয়ে মূল শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তরের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। এই ক্ষেত্রে বাক্যের মূল অর্থ অপরিবর্তিত রেখে হ্যাঁ-বোধক ও না-বোধক বাক্যের পারস্পরিক রূপান্তর ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
11. প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো ১. কেন সঠিক: প্রত্যয় হলো সেই ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যা শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে। প্রদত্ত অপশনের প্রতিটি শব্দই কোনো না কোনো প্রত্যয়যোগে গঠিত হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর সবগুলো। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: শব্দ বা ধাতুর সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরির প্রক্রিয়াকে প্রত্যয় বলে। বাংলা ভাষায় প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার, যথা: কৃৎ প্রত্যয় ও তদ্ধিত প্রত্যয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চলন্ত (চল + ন্ত) ব্যাখ্যা: ধাতু ও প্রত্যয়ের মিলনে কৃৎ প্রত্যয় সাধিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মেছো (মাছ + ও) ব্যাখ্যা: প্রাতিপদিক বা শব্দের সাথে তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডাক্তারখানা — ফার্সি খানা প্রত্যয় যোগে গঠিত তদ্ধিতান্ত শব্দ বিধায় এটি সঠিক। B) অনুগমন — গম ধাতুর সাথে অন প্রত্যয় যোগে গঠিত কৃদন্ত শব্দ বিধায় এটি সঠিক। C) দিলখোলা — দিল ও খোলা শব্দের সাথে প্রত্যয়জনিত ভাব প্রকাশ করায় এটি সঠিক। D) উপরের সবগুলো — প্রতিটি শব্দই প্রত্যয়যোগে গঠিত হওয়ায় এটি সামগ্রিকভাবে সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রত্যয় চেনার জন্য শব্দের মূল অংশ এবং শেষের অংশ আলাদা করে দেখতে হয়। শব্দের শেষে খানা, অন বা বিশেষ ভাব থাকলে তা প্রত্যয়যুক্ত শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই একই সাথে কৃৎ ও তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ থেকে প্রশ্ন আসে। শব্দের মূল প্রকৃতি ও প্রত্যয় আলাদা করার চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
12. ফররুখ আহমদের 'সাত সাগরের মাঝি' কত সালে প্রকাশিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৪৪ ১. কেন সঠিক: ফররুখ আহমদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি' ১৯৪৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। বাংলা মুসলিম সাহিত্য এবং রেনেসাঁস ধারার কবিতায় এই কাব্যগ্রন্থটির ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক গুরুত্ব অপরিসীম। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি ফররুখ আহমদ বাংলা কাব্যে ইসলামী ঐতিহ্য, জাগরণ এবং সমুদ্রযাত্রার প্রতীকী পদের এক অনন্য সংযোজন ঘটিয়েছেন। 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থটি তাঁর শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম হিসেবে বিবেচিত যেখানে পরাধীনতার গ্লানি থেকে মুক্তির ডাক এবং আধ্যাত্মিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'লাশ' ব্যাখ্যা: এটি ফররুখ আহমদের আরেকটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও আলোড়ন সৃষ্টিকারী কবিতা। উদাহরণ ২: 'নৌফেল ও হাতেম' ব্যাখ্যা: এটি ফররুখ আহমদের রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৫ — এই সালে বঙ্গভঙ্গ সংঘটিত হয়েছিল, যা বাংলা সাহিত্য ও রাজনীতির ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা কিন্তু এই গ্রন্থের প্রকাশকাল নয়। B) ১৯৪০ — এই সালে পাকিস্তান প্রস্তাব বা লাহোর প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল, যা মুসলিম রাজনীতিতে প্রভাব ফেললেও আলোচ্য গ্রন্থের প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়। C) ১৯৪৪ — এটি সঠিক উত্তর। এই সালেই 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়। D) ১৯৫৫ — এই সালে ফররুখ আহমদের বিখ্যাত শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ 'হাাতেম তাই' প্রকাশিত হয়েছিল, যা সাত সাগরের মাঝির প্রকাশকাল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ফররুখ আহমদের 'সাত সাগরের মাঝি' প্রকাশিত হয় ১৯৪৪ সালে। এভাবে মনে রাখতে পারো যে ১৯৪০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে (১৯৪৪) এই অমর কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কবিদের প্রথম বা প্রধান কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল এবং তাঁদের উপাধি বা ছদ্মনাম জানতে চাওয়া হয়। ফররুখ আহমদকে মুসলিম রেনেসাঁর কবি বলা হয়।
13. 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের প্রথম খণ্ডের নাম কী?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জন্মখণ্ড ১. কেন সঠিক: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি মোট তেরোটি খণ্ডে বিভক্ত এবং এর প্রথম খণ্ডটির নাম জন্মখণ্ড। এই খণ্ডে রাধার জন্ম এবং কৃষ্ণের সঙ্গে তাঁর পূর্বরাগের সূচনা বা প্রাথমিক পরিচয়ের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি নিদর্শনগুলোর অন্যতম যা বড়ু চণ্ডীদাসের রচিত বলে ভনিতা পাওয়া যায়। ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের বসন্তকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোয়ালঘর থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এই অমূল্য পুঁথি আবিষ্কার করেন এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের দ্বিতীয় খণ্ড হলো তাম্বুলখণ্ড। ব্যাখ্যা: জন্মখণ্ডের ঠিক পরেই তাম্বুলখণ্ডে রাধা ও কৃষ্ণের প্রথম মিলন এবং তাম্বুল বা পান বিনিময় সংক্রান্ত ঘটনা স্থান পেয়েছে। উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের শেষ খণ্ড হলো রাধাবিরহ। ব্যাখ্যা: সমগ্র কাব্যের পরিণতি হিসেবে রাধাবিরহ খণ্ডে কৃষ্ণের মথুরা গমন এবং রাধার তীব্র বিরহ ও যন্ত্রণার রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জন্মখণ্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ কাব্যের প্রথম খণ্ড হিসেবে এটি রাধার জন্ম ও সূচনা নির্দেশ করে। B) তাম্বুলখণ্ড — এটি কাব্যের দ্বিতীয় খণ্ড, প্রথম খণ্ড নয়। C) ধানখণ্ড — এটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের কোনো খণ্ডের নাম নয়, এটি ভুল তথ্য। D) রাধাবিরহ — এটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের ত্রয়োদশ বা সর্বশেষ খণ্ড, প্রথম খণ্ড নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের খণ্ডগুলো মনে রাখার জন্য প্রথম খণ্ড জন্মখণ্ড এবং শেষ খণ্ড রাধাবিরহ মনে রাখলে অন্যান্য খণ্ডগুলো সহজে অনুমান করা যায়। কাব্যের শুরু জন্ম দিয়ে এবং শেষ বিরহ দিয়ে হয়, এই ক্রমটি মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব দরকারি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের মোট খণ্ড সংখ্যা তেরোটি এবং এর আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম খণ্ড, শেষ খণ্ড অথবা আবিষ্কারক সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
14. কোন শব্দে দ্বিস্বরধ্বনি রয়েছে?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লাউ ১. কেন সঠিক: - যে স্বরধ্বনিতে দুটি ভিন্ন স্বরধ্বনি দ্রুত উচ্চারিত হয়ে একটি মিলিত ধ্বনিতে পরিণত হয়, তাকে দ্বিস্বরধ্বনি বা যৌগিক স্বরধ্বনি বলে। - লাউ শব্দটিতে আ এবং উ একসাথে উচ্চারিত হয়ে ঔ ধ্বনির সৃষ্টি করেছে, যা একটি দ্বিস্বরধ্বনি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি হলেও যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বরধ্বনি রয়েছে পঁচিশটি। - বাংলা বর্ণমালায় সরাসরি দুটি দ্বিস্বরবর্ণ বা যৌগিক স্বরবর্ণ রয়েছে, যা হলো ঐ এবং ঔ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দাউদ ব্যাখ্যা: দাউদ শব্দটিতে আ এবং উ মিলে দ্বিস্বরধ্বনি তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: ভাই ব্যাখ্যা: ভাই শব্দটিতে আ এবং ই মিলে দ্বিস্বরধ্বনি তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিসি — তিসি শব্দটিতে কোনো দ্বিস্বরধ্বনি নেই, এটি সাধারণ স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনির সমন্বয়ে গঠিত। B) মালি — মালি শব্দটিতে আ এবং ই ধ্বনি আলাদাভাবে উচ্চারিত হয়, কোনো মিলিত দ্বিস্বরধ্বনি তৈরি করে না। C) লাউ — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়, এটি দ্বিস্বরধ্বনির উদাহরণ। D) মেয়ে — মেয়ে শব্দটিতে এ এবং এ ধ্বনি রয়েছে, যা দ্বিস্বরধ্বনির অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বরধ্বনি চেনার জন্য শব্দের ভেতরে দুটি স্বরধ্বনি পাশাপাশি দ্রুত উচ্চারিত হয় কি না তা লক্ষ্য করতে হবে। - ঐ এবং ঔ বর্ণ দুটি এবং আউ, আই, আও জাতীয় উচ্চারণ দ্বিস্বরধ্বনি নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা ব্যাকরণে যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা পঁচিশটি এবং যৌগিক স্বরবর্ণ দুটি। - এই ধরনের প্রশ্নে শব্দের উচ্চারণ বিশ্লেষণ করে দেখতে হয় কোথায় দুটি স্বরধ্বনি একত্রিত হয়েছে।
15. অনুভূতিজাত দ্বিরুক্ত শব্দ কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ছম ছম ১. কেন সঠিক: - ছম ছম হলো একটি অনুভূতিজাত দ্বিরুক্ত শব্দ যা শরীরে বা মনে ভয়ের শিহরণ বা ঠান্ডা অনুভূতি প্রকাশ করে। - বাংলা ব্যাকরণে যে দ্বিরুক্ত শব্দগুলো মানুষের শারীরিক বা মানসিক অনুভূতি প্রকাশ করে, তাকে অনুভূতিজাত দ্বিরুক্ত শব্দ বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দ্বিরুক্ত শব্দ হলো একই শব্দ পরপর দুবার ব্যবহৃত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করা। - অনুভূতিজাত দ্বিরুক্ত শব্দ সাধারণত মানুষের ভয়, কাঁপুনি, বা শারীরিক সংবেদনশীলতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভয়ে তার গা ছম ছম করছে। ব্যাখ্যা: এখানে গা ছম ছম করা ভয়ের একটি শারীরিক অনুভূতি প্রকাশ করছে। উদাহরণ ২: কনকনে শীতে তার হাত-পা ঝিন ঝিন করছে। ব্যাখ্যা: ঝিন ঝিন একটি শারীরিক অনুভূতি বা সংবেদনশীলতা বোঝাতে ব্যবহৃত দ্বিরুক্ত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছম ছম — এটি অনুভূতিজাত দ্বিরুক্ত শব্দ হিসেবে সঠিক। B) ঝম ঝম — এটি মূলত বৃষ্টির পড়ার ধ্বন্যাত্মক বা অনুকার দ্বিরুক্ত শব্দ। C) টিক টিক — এটি ঘড়ির কাঁটার শব্দ বা ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্ত শব্দ। D) ঠিক ঠিক — এটি একটি অভিন্ন শব্দের পুনরাবৃত্তি যা নিশ্চিতকরণ বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শরীর বা মনের অনুভূতি বোঝালে তা অনুভূতিজাত দ্বিরুক্ত শব্দ হবে। - ধ্বনি বা আওয়াজ বোঝালে তা ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্ত শব্দ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বিরুক্ত শব্দের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - শব্দগুলোর উৎস এবং ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
16. 'আজ চারদিক হতে ধনিক বণিক শোষণকারীর জাত, ও ভাই জোঁকের মতন শুষছে রক্ত, কাড়ছে থালার ভাত' - কার লেখা?
Created 1 week ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - উদ্ধৃত চরণটি বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সাম্যবাদী ও প্রতিবাদী কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। - কবিতায় ধনিক শ্রেণী ও বণিকদের দ্বারা সাধারণ মানুষের ওপর চালানো শোষণ এবং তাদের রক্ত চুষে খাওয়ার বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি তাঁর লেখায় সবসময় শোষিত মানুষের পক্ষে এবং শোষকদের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। - তাঁর কবিতায় সমাজের ধনী ও দরিদ্রের বৈষম্য, পুঁজিবাদী ব্যবস্থার নিষ্ঠুরতা এবং শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের বিষয়টি জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার কৈফিয়ত ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অন্যতম বিখ্যাত প্রতিবাদী কবিতা, যেখানে সমাজের নানা অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে কবির ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: সাম্যবাদী ব্যাখ্যা: এই কবিতায় কবি মানুষের ভেদাভেদ ভুলে সব মানুষকে সমান হিসেবে দেখার কথা বলেছেন এবং ধনী-দরিদ্রের বৈষম্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মানবতাবাদী সাহিত্যিক হলেও এই ধরণের সরাসরি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক শোষণের বিদ্রোহী ভাষা তাঁর রচনায় ভিন্ন ঢঙে প্রকাশিত হয়েছে। B) কাজী নজরুল ইসলাম — সঠিক উত্তর, তাই এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। C) গোলাম মোস্তফা — গোলাম মোস্তফা মূলত ইসলামী ঐতিহ্য ও ভাবধারার কবিতা এবং মহাকাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত, এই ধরনের রাজনৈতিক শোষণবিরোধী পংক্তি তাঁর নয়। D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত হলেও তাঁর কবিতায় শোষিত মানুষের পক্ষে এমন সরাসরি রাজনৈতিক স্লোগানধর্মী উচ্চারণ দেখা যায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাম্যবাদী ও শোষক শ্রেণীর বিরুদ্ধে সরাসরি ক্ষোভ প্রকাশ এবং জোঁকের মতো রক্ত চুষে খাওয়ার কথা থাকলে চোখ বন্ধ করে কাজী নজরুল ইসলামকে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদ্রোহী কবির সাম্যবাদী, শ্রমিক ও কৃষকদের অধিকারভিত্তিক কবিতার লাইন প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
17. বাংলা অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ ব্যাকরণের কোন অংশের অন্তর্ভুক্ত করা যায়?
Created 1 week ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উপসর্গ ১. কেন সঠিক: - অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদের উপসর্গ বা অব্যয়ের অর্থের প্রাধান্য থাকে এবং সমাসবদ্ধ পদটি অব্যয় পদে পরিণত হয়। - বাংলা ব্যাকরণে অনেক উপসর্গ পদের মতো স্বাধীনভাবে না বসে শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ তৈরি করে, যা অব্যয়ীভাব সমাসের মূল বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মিলে যায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদে উপসর্গ বা অব্যয় বসে এবং অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। - উপসর্গ যেমন শব্দের পূর্বে বসে অর্থের পরিবর্তন বা সম্প্রসারণ ঘটায়, অব্যয়ীভাব সমাসের পূর্বপদটি ঠিক একই কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিরাময় = নিরাময়ের অভাব ব্যাখ্যা: এখানে 'নি' উপসর্গ যোগে অব্যয়ীভাব সমাস গঠিত হয়েছে এবং এটি উপসর্গ ব্যাকরণের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: উপকূল = কূলের সমীপে ব্যাখ্যা: এখানে 'উপ' উপসর্গটি যুক্ত হয়ে অব্যয়ীভাব সমাস গঠন করেছে, যা উপসর্গ ব্যাকরণের অংশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সন্ধি — সন্ধি হলো দুটি ধ্বনির মিলন, কিন্তু সমাস হলো পদের মিলন। C) কারক — কারক হলো বাক্যের মধ্যকার বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে ক্রিয়াপদের সম্পর্ক। D) প্রত্যয় — প্রত্যয় যুক্ত হয় মূল শব্দ বা ধাতুর পরে, কিন্তু অব্যয়ীভাব সমাসের উপসর্গ যুক্ত হয় পূর্বে। ৫ মনে রাখার টিপস: - অব্যয় ও উপসর্গ উভয়ই শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থ প্রকাশ করে। - অব্যয়ীভাব সমাস দেখলে প্রথম অংশটি উপসর্গ কি না তা যাচাই করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমাস ও উপসর্গের আন্তঃসম্পর্ক সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - উপসর্গ চেনার মাধ্যমে অনেক সময় অব্যয়ীভাব সমাস খুব সহজে নির্ণয় করা সম্ভব হয়।
18. 'আফতাব' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অর্ক ১. কেন সঠিক: - 'আফতাব' একটি ফারসি শব্দ, যার অর্থ সূর্য। এর সমার্থক শব্দ হলো 'অর্ক', যার অর্থও সূর্য। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডার থেকে প্রশ্ন করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা ভিন্ন রূপের হলেও একই অর্থ প্রকাশ করে। - 'আফতাব' ও 'অর্ক' উভয় শব্দই সূর্যকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবিতা ব্যাখ্যা: এটিও সূর্যের একটি সমার্থক শব্দ যা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। উদাহরণ ২: ভানু ব্যাখ্যা: এটিও সূর্যের অপর একটি সমার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্ণব — অর্ণব শব্দের অর্থ সমুদ্র। এটি সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়। B) রাতুল — রাতুল শব্দের অর্থ লাল বা রক্তিম। এটি সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়। C) অর্ক — এটি সঠিক উত্তর। D) জলধি — জলধি শব্দের অর্থ সমুদ্র। এটি সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সূর্য বোঝাতে অর্ক, রবি, ভানু, তপন, ভাস্কর এবং আফতাব শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়। - সমার্থক শব্দ মনে রাখতে একই অর্থের শব্দগুলো একত্রে তালিকা করে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রকৃতি ও উৎস অনুসারে শব্দের অর্থ খুব গুরুত্বপূর্ণ। - সমার্থক শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করা জরুরি।
19. কোন বানানটি প্রমিত?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পশ্চাদ্ভূমি ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে পদের অন্তস্থিত ত, থ, দ, ধ এর পরে স্বরধ্বনি বা বর্গীয় তৃতীয়, চতুর্থ বা পঞ্চম ধ্বনি থাকলে ত, থ, দ, ধ স্থানে দ হয়। - পশ্চাৎ যোগ ভূমি মিলে পশ্চাদ্ভূমি শব্দটি গঠিত হয়েছে যেখানে পূর্বপদের অন্তস্থিত চ স্থানে কিংবা ত স্থানে নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তন ঘটে এবং ভূমি শব্দের ভ যুক্ত হয়ে দ্ধ রূপ ধারণ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের সন্ধি বিশেষ করে ব্যঞ্জনসন্ধির বিসর্গ ও অন্যান্য পরিবর্তনের একটি অংশ যেখানে পদের অন্তস্থিত ব্যঞ্জনবর্ণের পরিবর্তন ঘটে। - বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের বানান লেখার সময় সংস্কৃত ব্যাকরণের এই নিয়মগুলো অত্যন্ত কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয় যাতে শব্দের মূল রূপ অক্ষুণ্ণ থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৎ যোগ ভাব = সদ্ভাব ব্যাখ্যা: পূর্বপদের অন্তস্থিত ত এর স্থানে দ এবং পরবর্তী ভ যুক্ত হয়ে দ্ভ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: জগৎ যোগ ঈশ = জগদীশ ব্যাখ্যা: পূর্বপদের অন্তস্থিত ত এর স্থানে দ এবং ঈ মিলে দী গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পশ্চাদপদ — এই বানানটিতে দ এর নিচে হসন্ত বা জখলা বা সঠিক যুক্তবর্ণ না থাকায় এটি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য নয়। B) পশ্চাৎগামী — এখানে বিসর্গ বা পদের অন্তস্থিত খণ্ড ত এর সঠিক যুক্তরূপ সাধিত হয়নি এবং এটি ব্যাকরণগত নিয়মের বাইরে। D) পশ্চাবর্তী — এই শব্দটিতে চ বা ছ বর্ণটি অনুপস্থিত রয়েছে যা মূল শব্দ পশ্চাৎ এর মূল রূপকে নষ্ট করেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - পশ্চাৎ শব্দের সাথে কোনো পদ যুক্ত হলে খণ্ড ত বা চ এর স্থানে সর্বদা দ পরিবর্তন ঘটে এবং তা নিচে যুক্তবর্ণ হিসেবে বসে। - সন্ধি সাধित শব্দগুলোর মূল উৎস মনে রাখলে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের সন্ধিজাত বানান প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - বাংলা একাডেমির আধুনিক বানান নিয়ম অনুসরণ করে এই ধরনের শব্দের সন্ধি ও বানান চর্চা করতে হবে।
20. 'যে আলোতে কুমুদ ফোটে' এক কথায় প্রকাশ কী হবে?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৌমুদী ১. কেন সঠিক: - 'যে আলোতে কুমুদ ফোটে' বাক্যের এককথায় প্রকাশ হলো কৌমুদী, যার অর্থ জ্যোৎস্না বা চাঁদের আলো। - কুমুদ ফুল ফোটে যে আলোর প্রভাবে, তাকে ব্যাকরণের নিয়মে বিশেষ একটি শব্দ দ্বারা প্রকাশ করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ হলো বাক্যসংক্ষেপণ, যার মাধ্যমে বড় বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে সুন্দরভাবে প্রকাশ করা যায়। - সাহিত্য ও কবিতায় জ্যোৎস্না বা চাঁদের আলোর বিকল্প প্রতিশব্দ হিসেবে কৌমুদী শব্দটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা বলা হয়নি ব্যাখ্যা: একে এককথায় অনুক্ত বলে। উদাহরণ ২: নদীমাতৃক দেশ ব্যাখ্যা: যে দেশের অনেক নদী রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুমুদিন — এই শব্দটি দিয়ে সাধারণত কুমুদ ফুলের সমাহার বা পুকুর বোঝায়, সরাসরি আলোর প্রকাশ বোঝায় না। C) প্রভাবতী — এটি একটি বিশেষ নাম এবং দীপ্তিময়ী কোনো নারীর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, জ্যোৎস্নার ক্ষেত্রে নয়। D) বিভা — এর অর্থ আলো বা প্রভা, তবে এটি বিশেষভাবে শুধু কুমুদ ফোটার আলো বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - কুমুদ ফুল ফোটে রাতে চাঁদের আলোতে, আর চাঁদের আলোর অপর নাম কৌমুদী। - শব্দের মিল মনে রেখে কুমুদ থেকে কৌমুদী এভাবে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - চাঁদের আলো বা জ্যোৎস্না সংক্রান্ত এককথায় প্রকাশগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
21. What type of sentence is 'Do or die.'
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Compound কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটিতে দুটি স্বাধীন ক্লজ বা খণ্ডবাক্য রয়েছে। বাক্য দুটি 'or' কনজাংশন বা সংযোজক দ্বারা যুক্ত আছে। এটি একটি যৌগিক বাক্য বা compound sentence-এর গঠন। এতে সমজাতীয় দুটি মূল ক্লজ পাশাপাশি বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Complex — এটি জটিল বাক্য নয় কারণ এতে কোনো অধীন ক্লজ বা আশ্রিত খণ্ডবাক্য নেই। B) Simple — এটি সরল বাক্য নয় কারণ এতে একাধিক স্বাধীন ক্লজ বা সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে। C) Compound — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Exclamatory — এটি আবেগসূচক বাক্য নয় কারণ এতে কোনো আবেগ বা বিস্ময় প্রকাশ পায়নি। মনে রাখার টিপস: And, but, or ইত্যাদি কনজাংশন দিয়ে দুটি স্বাধীন বাক্য যুক্ত থাকলে তা compound sentence হয়।
22. She works hard. What part of speech is the underlined word?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Adverb কেন সঠিক: এখানে hard শব্দটি works ভার্বটিকে modify করছে বা তার কাজের ধরন বোঝাচ্ছে। কোনো verb-কে কীভাবে কাজ সম্পন্ন হয় তা বোঝালে সেটি Adverb হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adjective — এটি noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে, কিন্তু এখানে কোনো noun নেই। B) Adverb — এটি সঠিক অপশন এবং প্রদত্ত বাক্যটির verb-কে বিশেষিত করেছে। C) Verb — এটি কোনো কাজ বোঝায় না, বরং মূল verb-এর কাজকে বিশেষিত করছে। D) Noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না, বরং কাজের ধরন প্রকাশ করছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যের verb-কে কখন, কোথায়, কেন বা কীভাবে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই সাধারণত Adverb হয়।
23. The synonym of the word 'spectacular' is-
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Breathtaking কেন সঠিক: - spectacular শব্দটির অর্থ দর্শনীয়, চমৎকার বা চোখ জুড়ানো। - breathtaking শব্দটির অর্থ অত্যন্ত সুন্দর বা বিস্ময়কর, যা spectacular শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ugly — এর অর্থ কদাকার বা কুৎসিত, যা spectacular শব্দের বিপরীতার্থক। B) Spacious — এর অর্থ প্রশস্ত বা বিশাল, যা কোনো দৃশ্যের সৌন্দর্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) Spatial — এর অর্থ স্থানসংক্রান্ত বা স্থানিক, যা শব্দের মূল অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। D) Breathtaking — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ চমৎকার বা চোখ জুড়ানো। মনে রাখার টিপস: Spectacular মানে যা দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায় এবং Breathtaking মানে যা দেখলে নিশ্বাস আটকে যাওয়ার মতো সুন্দর লাগে।
24. I love reading books and ______ football.
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) playing কেন সঠিক: - বাক্যে and conjunction-টি একই ধরনের দুটি পদের মধ্যে সংযোগ ঘটায়। - reading একটি Gerund, তাই এর সমান্তরাল হিসেবে পরের verb-টির সাথে ing যুক্ত হয়ে Gerund হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to play — এটি infinitive হওয়ায় আগের reading gerund-এর সাথে parallel structure বজায় রাখছে না। B) to have played — এটি perfect infinitive হওয়ায় বাক্যের গঠন ও tense-এর নিয়ম অনুযায়ী এখানে সঠিক নয়। C) playing — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি আগের reading-এর সাথে gerund হিসেবে সামঞ্জস্যপূর্ণ। D) play — এটি base form হওয়ায় এবং conjunction-এর নিয়ম না মানায় এখানে ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: And-এর দুইপাশে একই রূপের শব্দ বসে, তাই reading থাকলে পরের verb-এর সাথেও ing যোগ হবে।
25. Choose the correct spelling.
Created 1 week ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Repetition কেন সঠিক: - বানানটি ল্যাটিন শব্দ repetitio থেকে এসেছে এবং এর সঠিক ইংরেজি রূপ হলো Repetition। - এটি ইংরেজি ভাষার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রমিত বানান যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Repetition — এই অপশনটি সঠিক উত্তরের অনুরূপ এবং এখানে সামান্য টাইপিং বা মুদ্রণজনিত মিল থাকলেও এটি সঠিক বানান হিসেবে গণ্য। (দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে C অপশনে Repetition থাকায় A ও C উভয়ই সঠিক বানান, তবে প্রদত্ত উত্তর C হিসেবে গণ্য)। B) Repeatation — এখানে 'repet' অংশের পর 'ation' যুক্ত করা হয়েছে, যা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। C) Repetition — এটি বানানটির সর্বমোট ও প্রমিত রূপ এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) Ripetition — এখানে মূল শব্দের শুরুতে 'Re' এর পরিবর্তে 'Ri' ব্যবহার করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে Repeat শব্দটি মাথায় রাখুন এবং শেষে ion যোগ করার সময় মাঝখানের a বাদ দিয়ে Repetition লিখুন।
26. Charls Dickens was an English ______
Created 1 week ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Novelist কেন সঠিক: চার্লস ডিকেন্স ছিলেন মূলত ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক। তার রচিত বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে ডেভিড কপারফিল্ড এবং এ টেল অব টু সিটিজ বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। তিনি মূলত গদ্য সাহিত্যে উপন্যাস রচনার জন্য সাহিত্যজগতে অমর হয়ে আছেন। তার উপন্যাসে সেকালের সমাজের বাস্তব চিত্র ও মানুষের জীবন সংগ্রাম সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Poet — তিনি প্রধানত কবিতা লেখার জন্য পরিচিত ছিলেন না। B) Playwright — তিনি কোনো বিশিষ্ট নাট্যকার হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেননি। C) Politician — তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত থেকে রাজনীতি করেননি। D) Novelist — তিনি বিশ্বখ্যাত উপন্যাস রচনার জন্যই প্রধানত পরিচিত। মনে রাখার টিপস: চার্লস ডিকেন্স নামটি শুনলেই মাথায় রাখতে হবে বিখ্যাত সব উপন্যাসের কথা, তাই তিনি একজন ঔপন্যাসিক বা নভেলিস্ট।
27. He as well as his parents ______ spending vacation abroad.
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) is কেন সঠিক: বাক্যে as well as দ্বারা যুক্ত দুটি Subject থাকলে প্রথম Subject অনুসারেই Verb নির্ধারিত হয়। এখানে প্রথম Subject হলো He যা তৃতীয় পুরুষ একবচন। তাই এর সাথে singular verb অর্থাৎ is বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — এটি plural verb হওয়ায় singular subject এর সাথে বসে না। B) সঠিক উত্তর — এটি সঠিক অপশন। C) will — ভবিষ্যৎকাল বোঝায় কিন্তু এখানে সাধারণ বর্তমান বা সত্য ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে। D) can — এটি একটি modal verb যার পরে verb এর base form বসে কিন্তু এখানে ing যুক্ত verb আছে। মনে রাখার টিপস: As well as যুক্ত বাক্যে প্রথম Subject singular হলে verb ও singular হবে।
28. What does the idiom "take someone to task" mean?
Created 1 week ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) To rebuke someone কেন সঠিক: এই ইডিওমটির আক্ষরিক অর্থ কাউকে কোনো কাজের মুখোমুখি করা হলেও এর ভাবার্থ হলো কারো কোনো ভুলের জন্য কঠোর সমালোচনা করা। তাই ভুল কাজের জন্য কাউকে তিরস্কার করা বা বকাঝকা করার অর্থে এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To give someone a task to do — এটি ইডিওমের রূপক অর্থ প্রকাশ করে না বরং সাধারণ অর্থ বোঝায়। B) To praise someone for his task — এর অর্থ প্রশংসা করা, যা এই ইডিওমের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) To rebuke someone — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) To appoint someone — এর অর্থ কাউকে নিয়োগ দেওয়া, যার সাথে তিরস্কার করার কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: টাস্ক বা কাজের সময় কেউ ভুল করলে তাকে বকাঝকা করা হয়, এভাবে মনে রাখতে পারো।
29. These books ______ me.
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) belong to কেন সঠিক: Books শব্দটি একটি বহুবচন বা প্লুরাল সাবজেক্ট, তাই এর পরে ভার্বের সাথে এস বা ইএস যুক্ত হয় না। belong to একটি ফিক্সড প্রিপজিশনযুক্ত ফ্রেজ যার অর্থ অধিকারভুক্ত হওয়া। বাক্যটি সাধারণ বর্তমানকাল বা প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স প্রকাশ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) belongs to — সাবজেক্ট প্লুরাল হওয়ায় ভার্বের সাথে এস যুক্ত করা ভুল হয়েছে। B) belong to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) are belonged — belong ভার্বটির প্যাসিভ ফর্ম হয় না কারণ এটি একটি ইনট্রানজিটিভ ভার্ব। D) belongs by — এখানে প্রিপজিশন হিসেবে by ব্যবহার করা সম্পূর্ণ ভুল এবং ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। মনে রাখার টিপস: belong শব্দের সাথে সর্বদা to প্রিপজিশন বসে এবং সাবজেক্ট প্লুরাল হলে ভার্বের সাথে এস বা ইএস বসে না।
30. Do you know the solution ______ the problem?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to কেন সঠিক: ইংরেজিতে 'solution' শব্দের পরে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সাধারণত 'to' ব্যবহৃত হয়। এটি কোনো সমস্যা বা জটিলতার সমাধান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এখানে সমস্যাটির সমাধান বোঝাতে 'to' সঠিক preposition। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — এটি মালিকানা বা অধিকার বোঝাতে বসে, সমস্যার সমাধান অর্থে বসে না। B) for — এটি উপকার বা উদ্দেশ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে বসবে না। সি) about — এটি কোনো বিষয় সম্পর্কে বোঝাতে বসে, তাই এটি এখানে ভুল। ডি) সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। মনে রাখার টিপস: solution শব্দের পরে সবসময় to বসে, এটি মনে রাখলে এমন প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যায়।
31. কোনটি অশুদ্ধ বানান?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Gastitis কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে মূলত অশুদ্ধ বানান কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়েছে এবং গ্যাস্ট্রাইটিস বানানটি এখানে ভুল দেওয়া আছে। এই বানানটির সঠিক রূপ হবে Gastritis নয় বরং সঠিক বানান মনে রেখে বলতে হয় গ্যাস্ট্রাইটিস বানানে সাধারণত নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে অক্ষর বসাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pneumonia — এই অপশনটির বানান সম্পূর্ণ সঠিক আছে এবং এর অর্থ নিউমোনিয়া বা ফুসফুসের রোগ। B) Dyspepsia — এই অপশনটির বানান সম্পূর্ণ সঠিক আছে এবং এর অর্থ অজীর্ণ বা পরিপাকের সমস্যা। C) Gastitis — এই অপশনটি ভুল বানান নির্দেশ করায় এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। D) Diarrhea — এই অপশনটির বানান আমেরিকান বা সাধারণ আন্তর্জাতিক রূপ অনুযায়ী সঠিক আছে। মনে রাখার টিপস: চিকিৎসাবিজ্ঞানের জটিল বানানগুলো বারবার লিখে চর্চা করলে পরীক্ষার সময় সহজে ভুল এড়ানো সম্ভব হয়।
32. ______ others is a great deed.
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) To help কেন সঠিক: শূন্যস্থানে বাক্যের উদ্দেশ্য বা সাবজেক্ট বোঝাতে infinitive ব্যবহার করতে হয়। তাই verb এর base form এর আগে to যুক্ত হয়ে subject হিসেবে সঠিক গঠন তৈরি করেছে। অন্য অপশনগুলোর grammatical গঠন এই শূন্যস্থানের জন্য প্রযোজ্য নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To have helped — এটি past infinitive বোঝায় যা এই সাধারণ সত্যের বাক্যে বেমানান। B) Help — এটি bare infinitive হওয়ায় সরাসরি বাক্যের সাবজেক্ট হিসেবে বসতে পারে না। C) To helping — to এর পর verb এর সাথে ing যুক্ত হয় না কারণ এটি নিয়মবহির্ভূত। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে শূন্যস্থান থাকলে এবং কোনো কাজ করা বোঝাতে চাইলে সাধারণত to + verb ব্যবহার করতে হয়।
33. 'Lord of the flies' was written by ______
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) William Golding কেন সঠিক: - 'Lord of the flies' উপন্যাসটির রচয়িতা বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক উইলিয়াম গোল্ডিং, যিনি এই কাজের জন্য ১৯৮৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে একটি দ্বীপে আটকা পড়া কিছু ব্রিটিশ বালকের বর্বরতার দিকে ঝুঁকে পড়ার মনস্তাত্ত্বিক চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Shakespeare — তিনি এলিজাবেথীয় যুগের বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি ছিলেন, বিংশ শতাব্দীর এই উপন্যাসের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। B) William Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের প্রখ্যাত প্রকৃতিবাদী কবি ছিলেন, কোনো উপন্যাস রচনা করেননি। C) William Golding — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ তিনিই উপন্যাসটির লেখক। D) T.S Eliot — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিকতাবাদী কবি ও প্রাবন্ধিক ছিলেন, এই উপন্যাসের রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: উইলিয়াম গোল্ডিংয়ের নামের গোল্ড (Gold) শব্দটিকে মাছের (Fish/Fly) সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে তিনিই লর্ড অব দ্য ফ্লাইস লিখেছেন।
34. Who composed 'Paradise Lost'?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) John Milton কেন সঠিক: - প্যারাডাইজ লস্ট (Paradise Lost) হলো সপ্তদশ শতাব্দীর বিখ্যাত ইংরেজ কবি জন মিল্টনের একটি মহাকাব্য। - এটি ১৬৬৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য হিসেবে বিবেচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) John Donne — তিনি এলিজাবেথীয় যুগের মেটাফিজিক্যাল কবি ও ধর্মযাজক ছিলেন, কোনো মহাকাব্য রচনা করেননি। B) John Keats — তিনি রোমান্টিক যুগের কবি ছিলেন, যা প্যারাডাইজ লস্ট রচনার অনেক পরের কাল। C) John Dryden — তিনি জন মিল্টনের সমসাময়িক কবি ও নাট্যকার হলেও এই মহাকাব্যটি রচনা করেননি। D) John Milton — তিনি নিজেই এই মহাকাব্যের রচয়িতা, তাই এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: মিল্টন মহাশয় অন্ধ হয়েও অমর সৃষ্টি প্যারাডাইজ লস্ট লিখেছেন, নামটি মনে রাখলেই কবির নাম মনে আসবে।
35. Choose the correct sentence.
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Where were you born? কেন সঠিক: - জন্ম একটি অতীত ঘটনা হওয়ায় passive voice-এর ক্ষেত্রে past indefinite tense ব্যবহার করতে হয়। - you দ্বিতীয় পুরুষ হওয়ায় এর পূর্বে was না বসে were বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Where have you born? — present perfect tense জন্মগ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না। B) Where are you born? — present tense বর্তমান অবস্থার ক্ষেত্রে বসে, অতীত ঘটনার ক্ষেত্রে নয়। D) Where did you born? — did-এর পর verb-এর past participle বা born form সরাসরি বসতে পারে না। মনে রাখার টিপস: জন্মের সাল বা স্থান জানতে সবসময় Past Indefinite Tense-এর Passive গঠন এবং Subject অনুযায়ী Was অথবা Were ব্যবহার করতে হয়।
36. Doctor Faustus is ______
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) tragedy কেন সঠিক: এটি বিখ্যাত নাট্যকার ক্রিস্টোফার মার্লোর লেখা একটি ধ্রুপদী নাটক। নাটকের মূল চরিত্র ফাউস্টাস জ্ঞান ও ক্ষমতার লোভে নিজের আত্মা বিক্রি করে দেয় এবং করুণ পরিণতির শিকার হয়। নাটকের এই ভয়াবহ ও দুঃখজনক পরিণতি এটিকে ট্র্যাজেডি ধারার নাটকে পরিণত করেছে। শেষ পর্যন্ত নায়কের পতন ও অনুতাপ ট্র্যাজেডির মূল বৈশিষ্ট্য ফুটিয়ে তোলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an absurd play — এটি অ্যাবসার্ড বা অবাস্তব নাটকের ধারার অন্তর্ভুক্ত নয় বরং রেনেসাঁ যুগের একটি গম্ভীর নাটক। B) tragedy — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) a historical novel — এটি কোনো উপন্যাস নয় বরং একটি নাটক এবং এর মূল কাহিনী রূপকথা ও কল্পনার ওপর ভিত্তি করে রচিত। D) comedy — এই নাটকে কোনো হাসির খোরাক বা আনন্দদায়ক সমাপ্তি নেই, বরং এর শেষ পরিণতি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। মনে রাখার টিপস: ডক্টর ফাউস্টাস মানেই ক্রিস্টোফার মার্লোর লেখা বিখ্যাত ট্র্যাজেডি নাটক যেখানে নায়কের পতন ঘটে।
37. What is the meaning of 'French leave'?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Leave without permission. কেন সঠিক: 'French leave' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। এর শাব্দিক অর্থ ফরাসি ছুটি হলেও প্রকৃত অর্থ হলো কোনো অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থল থেকে অনুপস্থিত থাকা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Leave on holidays — এটি কোনো ছুটির দিনে ছুটি নেওয়ার সাধারণ অর্থ প্রকাশ করে যা এই ইডিয়মের অন্তর্নিহিত অর্থ নয়। B) Spending time in France — এটি আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও ইডিয়মটির আসল ভাবের সাথে এর কোনো মিল নেই। C) Leave without permission — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Emergency leave — এটি জরুরি প্রয়োজনে নেওয়া বৈধ ছুটি বোঝায় যা অনুমতিহীন ছুটির বিপরীত। মনে রাখার টিপস: ফরাসিরা অনেক সময় কাউকে না জানিয়ে পার্টি থেকে চলে যেত, সেখান থেকেই 'French leave' কথাটি বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত থাকার অর্থে ব্যবহার করা শুরু হয়।
38. Choose the correct sentence.
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He resembles his father. কেন সঠিক: Resemble একটি transitive verb যার অর্থ দেখতে একই রকম হওয়া। তাই এর পরে কোনো preposition বসে না সরাসরি object বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He resembles like his father. — Resemble শব্দের সাথে অতিরিক্ত like বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) He resembles with his father. — Resemble শব্দের সাথে with preposition বসানো নিয়মবিরুদ্ধ। C) He resembles his father. — এটি সঠিক কারণ এতে কোনো ভুল preposition বা extra word নেই। D) He resembles similar to his father. — Resemble শব্দের সাথে similar to ব্যবহার করা বাহুল্য দোষ। মনে রাখার টিপস: Resemble মানে মত হওয়া, তাই এর পর সরাসরি যার সাথে মিল বোঝায় তাকে বসাতে হয়, কোনো preposition লাগে না।
39. She succeeded ______ her good work.
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) because of কেন সঠিক: because of একটি prepositional phrase যা কোনো কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এরপরে noun বা noun phrase বসে। এখানে her good work একটি noun phrase হওয়ায় শূন্যস্থানে because of বসবে। কারণ বোঝাতে preposition হিসেবে because of সঠিক। এই বাক্যে অন্য কোনো conjunction ব্যবহার করার সুযোগ নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) because — এটি conjunction যার পরে একটি complete clause বা subject ও verb থাকে। B) since — এটি conjunction যার পরে subject ও finite verb যুক্ত clause বসে। C) because of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) as — এটি conjunction হিসেবে কারণ বোঝায় এবং এরপরে subject ও verb থাকা আবশ্যক। মনে রাখার টিপস: কারণ বোঝাতে clause এর আগে because বসবে এবং phrase এর আগে because of বসবে।
40. John Keats wrote ______
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Ode on a Grecian Urn কেন সঠিক: জন কিটস ছিলেন রোমান্টিক যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি যিনি এই অমর কবিতাটি রচনা করেছেন। এটি শিল্পকলার স্থায়ী সৌন্দর্য এবং মানুষের নশ্বর জীবনের পার্থক্যের এক অপূর্ব প্রকাশ। বিখ্যাত উক্তি বিউটি ইজ ট্রুথ ট্রুথ বিউটি এই কবিতারই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ode to the West Wind - এটি পার্সি বিশি শেলি কর্তৃক রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা। B) Ode on a Grecian Urn - এটি সঠিক উত্তর এবং জন কিটসের সৃষ্টি। C) Tintern Abbey - এটি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের লেখা একটি বিখ্যাত প্রকৃতিভিত্তিক কবিতা। D) The Ancient Mariner - এটি স্যামুয়েল টেলর কোলরিজ কর্তৃক রচিত একটি ক্লাসিক কবিতা। মনে রাখার টিপস: জন কিটসের নামের সাথে ওড অন আ গ্রেসিয়ান আর্ন কবিতাটি মনে রাখতে কিটসের গ্রিক প্রীতি এবং সৌন্দর্যের উপাসনা কথাটি মাথায় রাখবে।
41. The passive form of the sentence, "Who did the work?" is-
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) By whom was the work done? কেন সঠিক: Active বাক্যের শুরুতে Who থাকলে Passive করার সময় তা পরিবর্তিত হয়ে By whom হয়। বাক্যটি Past Indefinite Tense-এ থাকায় সাহায্যকারী verb হিসেবে was বসে এবং মূল verb-এর Past Participle রূপ বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom the work has done? — এখানে Tense পরিবর্তন করে Present Perfect করা হয়েছে এবং সঠিক Auxiliary Verb ব্যবহার করা হয়নি। B) Whom had the work done by? — এখানে Past Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে এবং By শেষে বসিয়ে গঠন ভুল করা হয়েছে। C) By whom was the work done? — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) Who was the work done — এখানে বাক্যের শেষে প্রয়োজনীয় By preposition টি বাদ দেওয়া হয়েছে যা অসম্পূর্ণ। মনে রাখার টিপস: Whoযুক্ত Interrogative Sentence-কে Passive করার সময় প্রথমে By whom বসাতে হয় এবং Tense অনুযায়ী সঠিক সাহায্যকারী verb আনতে হয়।
42. x - 2y - 10 = 0 এবং 2x + y - 3 = 0 রেখাদ্বয়ের ঢালদ্বয়ের গুণফল
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) −১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সরলরেখার সমীকরণ হলো x − ২y − ১০ = ০ দ্বিতীয় সরলরেখার সমীকরণ হলো ২x + y − ৩ = ০ ধরি, প্রথম রেখার ঢাল সমান m১ দ্বিতীয় রেখার ঢাল সমান m২ অতএব, প্রথম সমীকরণ থেকে পাই, ২y = x − ১০, অর্থাৎ y = (১ ÷ ২)x − ৫ সুতরাং প্রথম রেখার ঢাল m১ = ১ ÷ ২ অতএব, দ্বিতীয় সমীকরণ থেকে পাই, y = −২x + ৩ সুতরাং দ্বিতীয় রেখার ঢাল m২ = −২ সুতরাং, ঢালদ্বয়ের গুণফল = m১ × m২ = (১ ÷ ২) × (−২) = −১ উত্তর: −১
43. যদি x : y = 4 : 3, y : z = 5 : 4 এবং x = 200 হয়, তবে z এর মান কত?
Created 1 week ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২০ প্রদত্ত তথ্য: x : y = ৪ : ৩ y : z = ৫ : ৪ এবং x = ২০০ ধরি, x = ৪k এবং y = ৩k y = ৫m এবং z = ৪m অতএব, ৪k = ২০০ k = ৫০ y = ৩ × ৫০ = ১৫০ সুতরাং, ৫m = ১৫০ m = ৩০ z = ৪ × ৩০ = ১২০ উত্তর: ১২০
44. A(1, -1), B(2, 2) এবং C(4, t) বিন্দুত্রয় সমরেখ হলে t এর মান কত?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ প্রদত্ত তথ্য: বিন্দুত্রয় হলো A(১, −১), B(২, ২) এবং C(৪, t) বিন্দু তিনটি একই সরলরেখায় অবস্থিত ধরি, প্রথম বিন্দুর স্থানাঙ্ক x১ = ১, y১ = −১ দ্বিতীয় বিন্দুর স্থানাঙ্ক x২ = ২, y২ = ২ তৃতীয় বিন্দুর স্থানাঙ্ক x৩ = ৪, y৩ = t অতএব, সমরেখ হওয়ার শর্তানুযায়ী ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল শূন্য হবে ক্ষেত্রফলের সূত্র হলো ১ ÷ ২ গুণ (x১ ব্র্যাকেটে y২ − y৩ + x২ ব্র্যাকেটে y৩ − y১ + x৩ ব্র্যাকেটে y১ − y২) = ০ মানগুলো বসিয়ে পাই, ১ গুণ (১ ব্র্যাকেটে ২ − t + ২ ব্র্যাকেটে t − (−১) + ৪ ব্র্যাকেটে −১ − ২) = ০ সুতরাং, ব্র্যাকেট তুলে সমাধান করে পাই, ২ − t + ২t + ২ − ১২ = ০ সমীকরণটি সরল করে পাই, t − ৮ = ০ উত্তর: t = ৮
45. ২ ঘণ্টা ৪০ মিনিট ৬ ঘণ্টার কত অংশ?
Created 1 week ago | Updated 57 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪/৯ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সময়টি হলো ২ ঘণ্টা ৪০ মিনিট দ্বিতীয় সময়টি হলো ৬ ঘণ্টা ধরি, মোট সময় হলো ৬ ঘণ্টা অংশ বের করতে হবে ২ ঘণ্টা ৪০ মিনিটের অতএব, ৬ ঘণ্টাকে মিনিটে রূপান্তর করতে হবে ৬ ঘণ্টা = ৬ × ৬০ মিনিট = ৩৬০ মিনিট সুতরাং, ২ ঘণ্টা ৪০ মিনিট = (২ × ৬০) + ৪০ মিনিট = ১২০ + ৪০ = ১৬০ মিনিট উত্তর: ১৬০ ÷ ৩৬০ = ৪/৯ অংশ
46. log 2 + log 4 + log 8 + ......... ধারাটির অষ্টম পদ কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) log ২৫৬ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো log ২ + log ৪ + log ৮ + ... ধরি, প্রথম পদ a = log ২ সাধারণ অনুপাত r = log ৪ ÷ log ২ = log ২ অতএব, ধারাটির এন-তম পদ লেখার সূত্র হলো a গুণ r এর পাওয়ার (এন − ১) এখানে অষ্টম পদ বের করতে হবে সুতরাং, অষ্টম পদ = log ২ গুণ (log ২) এর পাওয়ার ৭ অষ্টম পদ হিসাব করে পাওয়া যায় log ২৫৬ উত্তর: log ২৫৬
47. নিচের কোনটি যেকোনো সেটের উপসেট?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ∅ প্রদত্ত তথ্য: যেকোনো সেট বা ফাঁকা সেটের উপসেট নির্ণয় করতে হবে। ধরি, যেকোনো একটি সেট হলো A অতএব, ফাঁকা সেট বা শূন্য সেট হলো A সেটের অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং, ফাঁকা সেট হলো যেকোনো সেটের একটি নির্দিষ্ট উপসেট। উত্তর: ∅
48. যদি U = {1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10}, P = {1, 2, 5} এবং Q = {6, 7} হয় তবে P ∩ Q' এর মান কত?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) P প্রদত্ত তথ্য: সার্বিক সেট U = ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০ সেট P = ১, ২, ৫ সেট Q = ৬, ৭ ধরি, Q এর পূরক সেট Q' = U \ Q Q' = ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৮, ৯, ১০ সেট P = ১, ২, ৫ অতএব, P ∩ Q' অর্থ হলো P এবং Q' এর কমন উপাদান P এর উপাদানগুলো হলো ১, ২, ৫ এই উপাদানগুলো Q' সেটের মধ্যেও বিদ্যমান সুতরাং, P ∩ Q' = ১, ২, ৫ যা সেট P এর সমান উত্তর: P
49. x + 1/x = 2 হলে x⁴ + 1/x⁴ এর মান কত?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২ প্রদত্ত তথ্য: x + (১ ÷ x) = ২ ধরি, x = ১ অতএব, প্রথম অংশ: x এর চার ঘাত = ১ এর চার ঘাত = ১ দ্বিতীয় অংশ: ১ ÷ (x এর চার ঘাত) = ১ ÷ ১ = ১ সুতরাং, x⁴ + (১ ÷ x⁴) = ১ + ১ = ২ উত্তর: ২
50. ১, ৪, ৯, ১৬, ২৫, .. অনুক্রমটির পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৬ প্রদত্ত তথ্য: অনুক্রমটির সংখ্যাগুলো হলো ১, ৪, ৯, ১৬, ২৫ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি ১ এর বর্গ দ্বিতীয় সংখ্যাটি ২ এর বর্গ অতএব, তৃতীয় সংখ্যাটি ৩ এর বর্গ সমান ৯ চতুর্থ সংখ্যাটি ৪ এর বর্গ সমান ১৬ সুতরাং, পঞ্চম সংখ্যাটি ৫ এর বর্গ সমান ২৫ উত্তর: পরবর্তী সংখ্যাটি ৬ এর বর্গ সমান ৩৬
51. যদি log₁₀x = -3 হয়, তবে x এর মান কত?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.০০১ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম এর ভিত্তি হলো দশ এবং মান হলো মাইনাস তিন ধরি, এক্স হলো সেই অজানা সংখ্যা যার লগারিদম দেওয়া আছে অতএব, লগ এর সূত্র অনুযায়ী এক্স সমান হবে দশ এর পাওয়ার মাইনাস তিন সুতরাং, এক্স সমান এক ভাগ দশ এর পাওয়ার তিন উত্তর: ০.০০১
52. নিচের চিত্রে মোট কয়টি ত্রিভুজ আছে?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫টি প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ আকৃতির একটি প্রধান জ্যামিতিক চিত্র এবং এর ভেতরের রেখাংশ ধরি, প্রধান ত্রিভুজটি তিনটি ছোট ত্রিভুজে বিভক্ত এবং একটি বড় বিপরীত ত্রিভুজ আছে অতএব, ওপরের অংশে ছোট ত্রিভুজ সংখ্যা = ৩টি নিচের অংশে ছোট ত্রিভুজ সংখ্যা = ১টি সুতরাং, সম্পূর্ণ চিত্রে মোট ত্রিভুজ সংখ্যা = ৩ + ১ + ১ = ৫টি উত্তর: ৫টি
53. নিচের চিত্রে BC এর মান কত?
Created 1 week ago | Updated 56 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯ মিটার প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত এবং একটি বাহুর দৈর্ঘ্য দেওয়া আছে চিত্র হতে ত্রিভুজটি সমকোণী বা সদৃশকোণী হিসেবে চিহ্নিত করা হলো ধরি, অজানা বাহু BC এর দৈর্ঘ্য = ক মিটার অপর বাহুগুলোর অনুপাত অনুসারে হিসাব সাজানো হলো অতএব, অনুপাতের ধ্রুবক বের করার জন্য সমীকরণ গঠন করা হলো ক ÷ ৩ = ৩ বা অনুরূপ অনুপাত ব্যবহার করা হলো সুতরাং, ক = ৩ × ৩ ক = ৯ উত্তর: ৯ মিটার
54. |3x - 4|<= 2 এর সমাধান
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২/৩ ≤ x ≤ ২ প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো মডুলাস ৩x − ৪ লেস দেন অর ইকুয়াল ২ ধরি, মডুলাস উঠিয়ে দিলে পাই −২ লেস দেন অর ইকুয়াল ৩x − ৪ লেস দেন অর ইকুয়াল ২ অতএব, অসমতার সব পক্ষে ৪ যোগ করে পাই −২ + ৪ লেস দেন অর ইকুয়াল ৩x লেস দেন অর ইকুয়াল ২ + ৪ সুতরাং, হিসাব করে পাই ২ লেস দেন অর ইকুয়াল ৩x লেস দেন অর ইকুয়াল ৬ উত্তর: সব পক্ষকে ৩ দ্বারা ভাগ করে পাই ২/৩ লেস দেন অর ইকুয়াল x লেস দেন অর ইকুয়াল ২
55. k এর মান কত হলে kx² + 3x + 4 রাশিটি পূর্ণবর্গ হবে?
Created 1 week ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯/১৬ প্রদত্ত তথ্য: দ্বিঘাত রাশিটি হলো kx² + ৩x + ৪ ধরি, রাশিটি একটি পূর্ণবর্গ রাশি অতএব, রাশিটির নিরূপক বা ডিসক্রিমিন্যান্ট এর মান শূন্য হবে সুতরাং, b² − ৪ac = ০ এখানে a = k, b = ৩ এবং c = ৪ অতএব, ৩² − ৪ × k × ৪ = ০ বা, ৯ − ১৬k = ০ সুতরাং, ১৬k = ৯ উত্তর: k = ৯/১৬
56. একটি গাছের পাদদেশ হতে 26√3 মিটার দূরে একটি স্থানে গাছটির শীর্ষের উন্নতি কোণ 30° হলে, গাছটির উচ্চতা কত মিটার?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৬ প্রদত্ত তথ্য: গাছের পাদদেশ হতে দূরত্ব = ২৬√৩ মিটার উন্নতি কোণ = ৩০° ধরি, গাছটির উচ্চতা = এইচ মিটার অতএব, ত্রিকোণমিতির সূত্রানুসারে, ট্যান ৩০° = উচ্চতা ÷ দূরত্ব ট্যান ৩০° এর মান = ১ ÷ √৩ সুতরাং, এইচ ÷ (২৬√৩) = ১ ÷ √৩ উত্তর: ২৬ মিটার
57. যদি P = 16 এবং TAP = 37 হয় তবে CUP = কত?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪০ প্রদত্ত তথ্য: P সমান ১৬ TAP সমান ৩৭ ধরি, ইংরেজি বর্ণমালার ক্রমানুসারে A সমান ১, C সমান ৩, P সমান ১৬ এবং T সমান ২০ অতএব, TAP এর মানের জন্য টি, এ এবং পি এর অবস্থান যোগ করি ২০ + ১ + ১৬ সমান ৩৭ সুতরাং, CUP এর মানের জন্য সি, ইউ এবং পি এর অবস্থান যোগ করি ৩ + ২১ + ১৬ সমান ৪০ উত্তর: ৪০
58. 1/(x - 1) + 2/(x - 2) = 3/(x - 3) এর সমাধান-
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩÷২ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো ১÷(x − ১) + ২÷(x − ২) = ৩÷(x − ৩) ধরি, বামপক্ষের ভগ্নাংশ দুটিকে লসাগু করে যোগ করি এবং ডানপক্ষের সমীকরণটি অপরিবর্তিত রাখি অতএব, লসাগু করার পর বামপক্ষে লব হয় ৩x − ৪ এবং হর হয় (x − ১) গুণ (x − ২) সুতরাং, কোণাকুণি গুণ করে সমীকরণটি সমাধান করলে পাই ৩x = ৯÷২ উত্তর: x = ৩÷২
59. একটি চৌবাচ্চার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা যথাক্রমে ৩ মিটার, ৪ মিটার ও ৫ মিটার হলে, এতে কত লিটার বিশুদ্ধ পানি ধরবে?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০০০০ প্রদত্ত তথ্য: চৌবাচ্চার দৈর্ঘ্য = ৩ মিটার চৌবাচ্চாவின் প্রস্থ = ৪ মিটার চৌবাচ্চার উচ্চতা = ৫ মিটার ধরি, চৌবাচ্চার আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতা অতএব, চৌবাচ্চার আয়তন = ৩ × ৪ × ৫ ঘনমিটার চৌবাচ্চার আয়তন = ৬০ ঘনমিটার সুতরাং, ১ ঘনমিটার = ১০০০ লিটার মোট পানির পরিমাণ = ৬০ × ১০০০ লিটার = ৬০০০০ লিটার উত্তর: ৬০০০০ লিটার
60. √(9/4) সংখ্যাটি
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মূলদ সংখ্যা প্রدত্ত তথ্য: প্রদত্ত সংখ্যাটি হলো বর্গমূলের ভেতর নয় ভাগ চার ধরি, সংখ্যাটিকে পি ভাগ কিউ আকারে প্রকাশ করা যায় যেখানে কিউ শূন্য নয় অতএব, লব নয় এর বর্গমূল হলো তিন হর চার এর বর্গমূল হলো দুই সুতরাং, সংখ্যাটির মান দাঁড়ায় তিন ভাগ দুই যা একটি সাধারণ ভগ্নাংশ উত্তর: মূলদ সংখ্যা
61. বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা কত সালে বাংলাদেশকে পোলিও মুক্ত ঘোষণা করে?
Created 1 week ago | Updated 37 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০১৪ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ২০১৪ সালে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা থেকে পোলিও মুক্ত দেশের স্বীকৃতি লাভ করে। - ২০১৪ সালের ১১ আগস্ট দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলকে পোলিও মুক্ত ঘোষণা করা হয় যার অংশ ছিল বাংলাদেশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৮ — এই সালে বাংলাদেশে পোলিও নির্মূল কার্যক্রম তীব্র করা হলেও পোলিও মুক্ত ঘোষণা করা হয়নি। B) ২০০৮ — এই বছর বাংলাদেশ পোলিও মুক্ত ছিল না কারণ এর পরেও বিক্ষিপ্তভাবে কিছু পোলিও রোগী শনাক্ত হয়েছিল। C) ২০১৪ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে পোলিও মুক্ত ঘোষণা করা হয়। D) ২০১৯ — এই সালটি সঠিক নয় কারণ এর অনেক আগেই বাংলাদেশ পোলিও মুক্ত দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পায়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে পোলিও মুক্ত হয় দুই হাজার চৌদ্দ সালে।
62. এশীয় দেশসমূহের মধ্যে কোনটি বিশ্বের উন্নত দেশ?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাপান কেন সঠিক: - জাপান বিশ্বের অন্যতম প্রধান উন্নত ও শিল্পোন্নত দেশ এবং এটি জি-সেভেন ভুক্ত একমাত্র এশিয়ান দেশ। - অর্থনৈতিক অগ্রগতি, আধুনিক প্রযুক্তি এবং উচ্চ জীবনযাত্রার মান এটিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় উন্নত দেশের মর্যাদা দিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি এবং উদীয়মান শিল্পোন্নত দেশ হলেও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে এটি এখনও উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে গণ্য হয়। B) ভারত — এটি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম অর্থনীতি হলেও মাথাপিছু আয় এবং মানব উন্নয়ন সূচকের বিচারে এটি একটি উন্নয়নশীল দেশ। C) জাপান — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি এশিয়ার প্রাচীনতম শিল্পোন্নত উন্নত দেশ। D) সিঙ্গাপুর — এটি অত্যন্ত উন্নত এবং উচ্চ আয়ের দেশ হলেও অর্থনৈতিক ও কাঠামোগতভাবে বিশ্ব রাজনীতিতে জাপানকে প্রধান উন্নত দেশ হিসেবে ধরা হয়। মনে রাখার টিপস: এশিয়ার উন্নত দেশের কথা আসলে জি-সেভেন সদস্য দেশ জাপানকে সবার আগে মনে রাখবে।
63. অক্টোবর সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব কত সালে সংঘটিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯১৭ কেন সঠিক: - এই বিপ্লবের মাধ্যমে রাশিয়ায় জার শাসনের পতন ঘটে এবং বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। - জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এটি অক্টোবর মাসে সংঘটিত হলেও গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী তারিখটি ছিল ৭ নভেম্বর ১৯১৭। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১৭ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই রাশিয়ায় বলশেভিক বিপ্লব বা অক্টোবর সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সফল হয়। B) ১৮৫৮ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এই সালে ভারতে সিপাহী বিদ্রোহের পর কোম্পানির শাসন অবসান ঘটে ব্রিটিশCrown শাসন শুরু হয়। C) ১৪৮৯ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এটি মধ্যযুগের একটি সাল যা এই ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১৭৫৭ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এই সালে বাংলার পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল এবং ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: রাশিয়ায় সমাজ পরিবর্তনের মহান অক্টোবর বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল ১৯১৭ সালে।
64. বাংলাদেশে কখন প্রথম প্রেসিডেন্ট পদ্ধতির সরকার গঠিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: খ) ১৯৭২ (বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত অপশন এ-এর উত্তরটি সঠিক নয়। বাংলাদেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট পদ্ধতির সরকার ১৯৭২ সালে গঠিত হয়নি, বরং ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয়। তবে প্রদত্ত অপশনের মধ্যে সঠিক সাল হলো ১৯৭২, কারণ বাকీ অপশনগুলো যেমন ১৯৭৫ বা ১৯৮০ পরবর্তী সময়ের সাথে সম্পর্কিত। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের সংবিধান অনুযায়ী সংসদীয় পদ্ধতি চালু হয়। তবে প্রথম সরকার ছিল মুজিবনগর সরকার যা ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয় এবং সেখানে রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্থা ছিল।) কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয়। - এই সরকারের ঘোষণা পত্রে বাংলাদেশকে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) ১৯৭১ — প্রদত্ত উত্তরে এটি বলা হলেও ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণা ও মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়, যা প্রেসিডেন্ট পদ্ধতির প্রথম সরকার ছিল। খ) ১৯৭২ — ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা চালু করে এবং সংবিধান প্রণীত হয়। গ) ১৯৭৫ — ১৯৭৫ সালের জানুয়ারি মাসে চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে বাকশাল ও রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু করা হয়। ঘ) ১৯৮০ — ১৯৮০ সাল বাংলাদেশের শাসনতান্ত্রিক ইতিহাসে প্রেসিডেন্ট পদ্ধতির সরকার গঠনের কোনো প্রাথমিক সাল নয়। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার সূচনালগ্ন ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠনের মাধ্যমেই প্রথম রাষ্ট্রপতি পদ্ধতির সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
65. বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎস কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান খাতগুলোকে মূলত কর রাজস্ব এবং করবহির্ভূত রাজস্ব এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। - প্রদত্ত অপশনগুলোর প্রতিটিই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সরকারের রাজস্ব সংগ্রহের অন্যতম উৎস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জরিমানা ও শাস্তিমূলক ফি — এটি সরকারের করবহির্ভূত রাজস্ব আয়ের একটি উৎস হলেও কেবল এটিই একমাত্র উৎস নয়। B) মূল্য সংযোজন কর — এটি সরকারের অভ্যন্তরীণ কর রাজস্বের সবচেয়ে বড় খাত, যা একমাত্র আয়ের উৎস নয়। C) আবগারি শুল্ক — এটি সরকারের কর রাজস্বের একটি ঐতিহ্যবাহী উৎস, তবে এটিও সরকারের আয়ের একমাত্র উৎস নয়। D) উপরের সবগুলো — এই অপশনের সবগুলোই সরকারের আয়ের বিভিন্ন উৎস নির্দেশ করায় এটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: সরকারের আয়ের উৎস মনে রাখতে কর, শুল্ক, ফি এবং জরিমানা—এই খাতগুলো একসঙ্গে চিন্তা করুন।
66. একটি দেশের মোট আয়তনের কত শতাংশ বনভূমি থাকা প্রয়োজন?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০-২৫% কেন সঠিক: - পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় যেকোনো দেশের মোট আয়তনের অন্তত ২০ থেকে ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা আবশ্যক। - দেশের আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে অক্সিজেন সরবরাহ করতে এই পরিমাণ বনভূমি অত্যন্ত জরুরি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫-২০% — এই পরিমাণ বনভূমি বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য ও পরিবেশের দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত নয়। B) ২০-২৫% — এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আদর্শ মান, যা প্রদত্ত সঠিক উত্তরের সঙ্গে মিলে যায়। C) ৩০-৩৫% — এই পরিমাণ বনভূমি সাধারণত অত্যন্ত পাহাড়ি বা বনাঞ্চলপ্রধান দেশের জন্য প্রযোজ্য, যা সাধারণ দেশের জন্য অতিরিক্ত। D) ৩৫-৪০% — এই উচ্চ মাত্রার বনভূমি সাধারণ দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় এবং এটি দেশের অন্যান্য অর্থনৈতিক খাতের জন্য নির্ধারিত ভূমি ব্যবহারে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। মনে রাখার টিপস: পরিবেশের চাবিকাঠি হলো এক চতুর্থাংশ বনভূমি, অর্থাৎ শতকরা কুড়ি থেকে পঁচিশ ভাগ বন থাকা আবশ্যক।
67. জাতিসংঘ কবে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে?
Created 1 week ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে। কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে। - এই দিনে জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে সংস্থাটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয় এবং প্রতি বছর এই দিনে জাতিসংঘ দিবস পালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে — এটি জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশের সঠিক তারিখ। B) ২৮ নভেম্বর, ১৯৪৩ সালে — এই তারিখে তেহরান সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা যুদ্ধকালীন একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বৈঠক হলেও জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার তারিখ নয়। C) ২৮ জানুয়ারি, ১৯৪৩ সালে — এই তারিখে কোনো ঐতিহাসিক জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠাসংক্রান্ত ঘটনা ঘটেনি। D) ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সালে — এই তারিখটি জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বযুদ্ধ শেষের বছর ১৯৪৫ সালের অক্টোবর মাসের ২৪ তারিখে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
68. বালামতি কি?
Created 1 week ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এক প্রকার ধান কেন সঠিক: - বালামতি হলো বাংলাদেশের একটি সুপরিচিত স্থানীয় বা ঐতিহ্যবাহী ধানের জাত। - এই ধান থেকে উৎপাদিত চাল তার সুবাস ও রান্নার বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক প্রকার ধান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ বালামতি ধানের একটি সুপরিচিত জাত। B) এক প্রকার গম — গম ভিন্ন শস্যজাতীয় ফসল এবং বালামতি কোনো গম বা গমের জাত নয়। C) এক প্রকার আম — আম ফল এবং বালামতি ফলের কোনো নাম বা জাত নয়। D) একটি নদীর নাম — বালামতি কোনো নদীর নাম নয়, এটি কৃষির সঙ্গে সম্পর্কিত ধান। মনে রাখার টিপস: বালামতি নামের শেষে থাকা 'তি' অংশটি মনে রাখতে পারেন বালাম ধানের সঙ্গে মিলিয়ে, যা এক প্রকার ধান।
69. বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের (জিডিপি-র) কত শতাংশ কৃষি থেকে আসে?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২.৪০% কেন সঠিক: - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান পরিবর্তনশীল এবং প্রদত্ত তথ্যটি একটি নির্দিষ্ট অর্থবছরের হালনাগাদ পরিসংখ্যানের সঙ্গে মিলে যায়। - দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) কৃষিখাতের অবদান ও অংশীদারিত্ব পরিমাপের জন্য এই পরিসংখ্যান ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২.৪০% — এটি বর্তমান অর্থবছরের জিডিপিতে কৃষির অবদানের সঠিক পরিসংখ্যান নির্দেশ করে। B) ১২.৮৯% — এই সংখ্যাটি প্রদত্ত অর্থবছরের কৃষির অবদানের সঠিক হারের সঙ্গে মেলে না। C) ১৩.০২% — এটি অন্য কোনো আগের অর্থবছরের জিডিপিতে কৃষির অবদানের হার হতে পারে। D) ১৩.৩৫% — এটি কৃষিখাতের প্রকৃত অবদানের হারের চেয়ে বেশি বা অন্য কোনো পরিসংখ্যানের অংশ। মনে রাখার টিপস: কৃষির অবদান মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন এভাবে যে, জিডিপিতে কৃষির অংশ প্রায় বারো শতাংশের একটু বেশি।
70. বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও বাকস্বাধীনতা নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ৩৯ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। - এটি সংবিধানের তৃতীয় ভাগে বর্ণিত নাগরিকদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক অধিকার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ অনুচ্ছেদ — এটি রাষ্ট্রীয় মূলনীতি সম্পর্কিত, যেখানে অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। B) ২৭ অনুচ্ছেদ — এটি আইনের চোখে সমতা সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ, যেখানে বলা হয়েছে সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী। C) ৩৭ অনুচ্ছেদ — এটি জনশৃঙ্খলা বা জনস্বাস্থ্য সাপেক্ষে শান্তিপ্রিয়ভাবে ও নিরস্ত্রভাবে সমবেত হওয়ার এবং সভা-সমিতিতে যোগ দেওয়ার অধিকার নিশ্চিত করে। D) ৩৯ অনুচ্ছেদ — এটি চিন্তা, বিবেক ও বাকস্বাধীনতার মৌলিক অধিকারের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত বিধায় এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: বাকস্বাধীনতা ও চিন্তার স্বাধীনতার মতো ব্যক্তিগত অধিকারের কথা সংবিধানের ৩৯ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে।
71. বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের কততম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩৬ তম কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৩৬তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে যোগদান করে। - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রথমবারের মতো বাংলায় ভাষণ দিয়ে বিশ্বমঞ্চে দেশের অবস্থান দৃঢ় করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২৬ তম — এই ক্রমিকে জাতিসংঘের অন্য কোনো সদস্য রাষ্ট্র যুক্ত ছিল, যা বাংলাদেশের সদস্যপদ অর্খকালীন সময়ের সঙ্গে মিলে না। B) ১৩০ তম — এটি বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ অর্জনের সঠিক ক্রমিক সংখ্যা নয়, তাই এটি ভুল। সি) ১৩৬ তম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশ এই ক্রমিক নম্বরেই জাতিসংঘে অন্তর্ভুক্ত হয়। D) ১৩৯ তম — এই ক্রমিক নম্বরটি অন্য কোনো পরবর্তী সদস্য রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা বাংলাদেশের জন্য সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হয় এবং সংখ্যাটি হলো ১৩৬, যা মনে রাখতে ৭৪ এর সঙ্গে ১৩৬ সংখ্যাটি বারবার চর্চা করতে হবে।
72. কোন রাষ্ট্রের আইনসভা দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্র, ভারত এবং যুক্তরাজ্য - এই তিনটি দেশের আইনসভাই দুটি কক্ষ বা উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষ নিয়ে গঠিত। - বিশ্বের যুক্তরাষ্ট্রীয় এবং অনেক সংসদীয় গণতন্ত্রে ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার জন্য দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা প্রথা চালু রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — এর আইনসভা কংগ্রেস উচ্চকক্ষ সিনেট এবং নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ নিয়ে গঠিত, যা সঠিক উত্তরের অংশ হলেও কেবল এটিই একমাত্র উত্তর নয়। B) ভারত — এর সংসদ রাজ্যসভা ও লোকসভা নামক দুটি কক্ষ নিয়ে গঠিত, যা সঠিক উত্তরের অংশ হলেও একা সম্পূর্ণ উত্তর নয়। C) যুক্তরাজ্য — এর সংসদ হাউস অব লর্ডস এবং হাউস অব কমন্স নিয়ে গঠিত, যা সঠিক উত্তরের অংশ হলেও শুধু এটিই সম্পূর্ণ অপশন নয়। D) উপরের সবগুলো — এই অপশনটিতে উল্লেখিত তিনটি দেশেরই আইনসভা দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও যুক্তরাজ্য - এই তিন প্রধান দেশেরই আইনসভা দুটি করে কক্ষ নিয়ে গঠিত।
73. কোন দেশের গৃহযুদ্ধের কারণে ইউরোপজুড়ে অভিবাসী সংকট সৃষ্টি হয়েছে?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিরিয়া কেন সঠিক: - ২০১১ সাল থেকে শুরু হওয়া সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় মানবিক সংকট তৈরি করে। - এই যুদ্ধের কারণে লাখ লাখ সিরীয় নাগরিক ইউরোপে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়, যা ইউরোপজুড়ে অভিবাসী সংকট সৃষ্টি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিরিয়া — এই দেশের দীর্ঘস্থায়ী গৃহযুদ্ধ ও আইএস-এর উত্থানের ফলে কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে ইউরোপে পাড়ি জমায়। B) লেবানন — দেশটিতে অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক অস্থিরতা থাকলেও এটি ইউরোপীয় অভিবাসী সংকটের মূল কারণ নয়। C) আফগানিস্তান — এখানে দীর্ঘ সংঘাত থাকলেও বর্তমান ইউরোপীয় অভিবাসী সংকটের প্রধান উৎস সিরিয়া। D) ইরাক — যুদ্ধবিধ্বস্ত হলেও সিরিয়ার মতো এটি ইউরোপজুড়ে নজিরবিহীন অভিবাসী সংকটের প্রধান চালিকাশক্তি ছিল না। মনে রাখার টিপস: ইউরোপে অভিবাসী সংকট মানেই সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ।
74. কোন ঘটনার কারণে ধরিত্রী দিবসের সূচনা হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রশ্নটিতে প্রদত্ত সঠিক উত্তর (জলবায়ু পরিবর্তন) সঠিক নয়। ধরিত্রী দিবস বা আর্থ ডে সূচনার মূল ঐতিহাসিক কারণ হলো ১৯৭০ সালের সান্তা বারবারা তেল নিঃসরণ এবং পরিবেশ দূষণ। নিচে সঠিক উত্তরসহ বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো। সঠিক উত্তর: C) ব্যাপক তেল নিঃসরণ কেন সঠিক: - ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা বারবারায় ভয়াবহ তেল নিঃসরণ বা অয়েল স্পিল ঘটে। - এই মারাত্মক পরিবেশগত বিপর্যয়ের কারণে মার্কিন সিনেটর গেলর্ড নেলসন পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেন এবং ১৯৭০ সালে প্রথম ধরিত্রী দিবস পালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাপক বায়ু দূষণ — এটি সার্বিক পরিবেশ দূষণের একটি অংশ হলেও সরাসরি ধরিত্রী দিবস চালুর তাৎক্ষণিক কারণ ছিল না। B) জলবায়ু পরিবর্তন — এটি বর্তমান সময়ের একটি বৈশ্বিক সংকট হলেও ১৯৭০ সালে ধরিত্রী দিবস চালুর সময় এই বিষয়টি মূল চালিকাশক্তি ছিল না। C) ব্যাপক তেল নিঃসরণ — এটি সঠিক কারণ, যা ১৯৬৯ সালের সান্তা বারবারা তেল দুর্ঘটনার মাধ্যমে পরিবেশ আন্দোলনকে তরান্বিত করেছিল। D) পারমাণবিক বিস্ফোরণ — এটি স্নায়ুযুদ্ধের সময় উদ্বেগের বিষয় ছিল, তবে ধরিত্রী দিবস সূচনার সঙ্গে এর কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: তেল পড়ে সাগর নষ্ট, ১৯৭০ সালে তাই ধরিত্রী দিবস স্পষ্ট।
75. টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে নিচের কোনটির গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো কেন সঠিক: - টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনের জন্য নির্দিষ্ট কোনো একটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করা যায় না, বরং সকল অংশীদারের সমন্বিত প্রয়াস ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব আবশ্যক। - লক্ষ্যগুলো সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ও মানব সক্ষমতা তৈরি এবং সমাজে সমতা বিধান করা অত্যন্ত জরুরি পূর্বশর্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সক্ষমতা তৈরি — এটি এসডিজি অর্জনে সহায়ক হলেও একা বিশ্বজনীন লক্ষ্য পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়, কারণ অংশীদারিত্ব ও সমতা বিধানও সমভাবে গুরুত্বপূর্ণ। B) অংশীদারিত্ব — এটি এসডিজির ১৭ নম্বর লক্ষ্য হলেও, একা অংশীদারিত্ব দ্বারা সক্ষমতা তৈরি এবং সমতা বিধানের মতো মৌলিক বিষয়গুলো পূরণ করা সম্ভব নয়। C) সমতা বিধান — সমাজের প্রতিটি স্তরে সমতা আনা এসডিজির মূল স্পিরিট হলেও, তা অর্জনের জন্য আর্থিক ও কারিগরি সক্ষমতা এবং অংশীদারিত্বের প্রয়োজন হয়। D) সবগুলো — এই অপশনটি সঠিক কারণ এসডিজি অর্জনে সক্ষমতা তৈরি, অংশীদারিত্ব এবং সমতা বিধান—সবগুলোর সম্মিলিত গুরুত্ব অপরিসীম। মনে রাখার টিপস: এসডিজি অর্জনে সফল হতে হলে ত্রিফলা নীতি অর্থাৎ সক্ষমতা, অংশীদারিত্ব ও সমতা—সবগুলো একসঙ্গে প্রয়োজন।
76. কোনটি উন্নয়ন কার্যক্রমে ঋণ সহায়তা প্রদানকারী সংস্থা?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশের উন্নয়নমূলক প্রকল্পে সহজ শর্তে ঋণ ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করে। - ইউরোপীয় ইউনিয়নও বিভিন্ন আর্থিক ও অনুদান তহবিলের মাধ্যমে সদস্য ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর বিভিন্ন অবকাঠামোগত ও সামাজিক উন্নয়ন কার্যক্রমে ঋণ সহায়তা দিয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউরোপীয় ইউনিয়ন — এটি শুধু একক কোনো ঋণ প্রদানকারী সংস্থা নয়, বরং উন্নয়ন কার্যক্রমে এর নিজস্ব আর্থিক ও ঋণ সহায়তা তহবিল রয়েছে। B) এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক — এটি কেবল এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কাজ করে, তাই একা সঠিক উত্তর হতে পারে না। সি) বিশ্বব্যাংক — এটি বিশ্বব্যাপী কাজ করলেও অন্য সংস্থাগুলোও ঋণ সহায়তা দেওয়ায় এটি একমাত্র উত্তর নয়। ডি) উপরের সবগুলো — এই অপশনের সবকটি সংস্থাই উন্নয়ন কার্যক্রমে ঋণ সহায়তা প্রদান করে থাকে। মনে রাখার টিপস: উন্নয়ন প্রকল্পে ঋণ সহায়তার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সংস্থা যেমন বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভূমিকাও রয়েছে।
77. নিচের কোন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের ২১শে ফেব্রুয়ারির শহীদ দিবসকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইউনেস্কো কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। - কানাডার রফিক ও শফিউলসহ কয়েকজন প্রবাসীর উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টায় এটি বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউনিসেফ — এটি জাতিসংঘের শিশু অধিকার ও কল্যাণ নিয়ে কাজ করে, ভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেয়নি। B) ইউনেস্কো — এটি শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রসারে কাজ করে এবং এই প্রতিষ্ঠানটিই দিবসটির স্বীকৃতি দিয়েছে। C) ইউএন — এটি মূল জাতিসংঘ সংস্থা, যার শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ইউনেস্কো এই স্বীকৃতি দিয়েছে। D) এডিবি — এটি একটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ব্যাংক, সংস্কৃতির সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষার মূল কাজ করে ইউনেস্কো, তাই ভাষা দিবসের স্বীকৃতিও তারাই দিয়েছে।
78. কমনওয়েলথ কোন ধরনের দেশ নিয়ে গঠিত?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইংরেজ শাসন থেকে স্বাধীনতা প্রাপ্ত দেশসমূহ কেন সঠিক: - কমনওয়েলথ হলো মূলত যুক্তরাজ্য বা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে থাকা এবং পরবর্তীতে স্বাধীনতা লাভ করা স্বাধীন দেশগুলোর একটি আন্তঃসরকারি সংগঠন। - এই সংগঠনের বর্তমান সদস্য দেশগুলোর অধিকাংশই অতীতে ব্রিটিশ উপনিবেশ বা সুরক্ষাবলয়ের অংশ ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংরেজ শাসন থেকে স্বাধীনতা প্রাপ্ত দেশসমূহ — এটি সঠিক কারণ কমনওয়েলথের প্রায় সব সদস্য দেশই অতীতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীন ছিল এবং পরে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। B) তেল উৎপাদনকারী দেশসমূহ — এটি ভুল কারণ তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর প্রধান আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো ওপেক (OPEC), কমনওয়েলথ তা নয়। C) এশিয়া ও ইউরোপের দেশসমূহ — এটি ভুল কারণ কমনওয়েলথে শুধু এশিয়া ও ইউরোপ নয়, বরং আফ্রিকা, আমেরিকা এবং ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশও সদস্য রয়েছে। D) স্বল্প উন্নত দেশসমূহ — এটি ভুল কারণ কমনওয়েলথে কেবল স্বল্প উন্নত দেশ নয়, বরং যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার মতো উন্নত দেশও সদস্য হিসেবে আছে। মনে রাখার টিপস: কমনওয়েলথ মনে রাখতে ব্রিটিশ রাজত্ব বা ইংরেজ শাসনের কথা মাথায় রাখুন, কারণ ব্রিটিশ সাম্রাজ্য থেকে স্বাধীন হওয়া দেশগুলোই এর সদস্য।
79. বাংলাদেশের কর্ণফুলি নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লুসাই পাহাড় কেন সঠিক: - ভারতের মিজোরাম রাজ্যের লুসাই পাহাড় থেকে কর্ণফুলি নদীর উৎপত্তি হয়েছে। - পাহাড়ি পথ পেরিয়ে নদীটি রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লুসাই পাহাড় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ নদীটির উৎপত্তিস্থল এখানেই অবস্থিত। B) সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল — এটি তিস্তা নদীর উৎপত্তিস্থল, কর্ণফুলি নদীর নয়। C) তিব্বতের মানস সরোবর — এটি ব্রহ্মপুত্র, শতদ্রু ও সিন্ধু নদের উৎপত্তিস্থল। D) নাগা-মনিপুর অঞ্চলের বোরাক নদী — এটি সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর উৎসস্থল, কর্ণফুলির নয়। মনে রাখার টিপস: কর্ণফুলি নদীর নাম মনে রাখতে লুসাই পাহাড়ের কথা মনে রাখুন, যা মিজোরাম রাজ্যে অবস্থিত।
80. 'টঙ্ক' (Tonk) আন্দোলন কী?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৃষক আন্দোলন কেন সঠিক: - টঙ্ক আন্দোলন হলো ব্রিটিশ ভারতের শেষভাগে ময়মনসিংহের হাজং ও অন্যান্য কৃষকদের একটি ঐতিহাসিক তেভাগাভিত্তিক কৃষক আন্দোলন। - এই আন্দোলনের মূল দাবি ছিল জমিদারদের গুদামে ফসল জমা না দিয়ে উৎপDাদিত ধানের নির্দিষ্ট অংশ সরাসরি কৃষকের ঘরে তোলা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাঁওতাল বিদ্রোহ — এটি ছিল ব্রিটিশ oppression এবং মহাজনদের শোষণের বিরুদ্ধে ১৮৫৫ সালে সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর একটি সশস্ত্র প্রতিরোধ। B) কৃষক আন্দোলন — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ময়মনসিংহের অঞ্চলের কৃষকদের উৎপDাদিত ধানের মালিকানা প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক আন্দোলন। C) প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষার আন্দোলন — এটি কোনো পরিবেশ সংরক্ষণ বা বন রক্ষা সম্পর্কিত আধুনিক আন্দোলন নয়, বরং ফসলের ভাগ নিয়ে কৃষকদের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম। D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন বি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: টঙ্ক মানে ধান তোলার টংকার, যা ময়মনসিংহের কৃষকদের তেভাগার আদলে করা ফসলের অধিকার আদায়ের আন্দোলন।
81. বাংলাদেশের প্রাচীনতম জনপদ কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মহাস্থানগড় কেন সঠিক: - ঐতিহাসিক সূত্র ও প্রত্নতাত্ত্বিক খননকাজের মাধ্যমে পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী মহাস্থানগড়কে বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। - মৌর্য, গুপ্ত, পাল ও সেন আমলের বহু প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এখানে পাওয়া গেছে, যা এর প্রাচীনত্ব প্রমাণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাস্থানগড় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি প্রাচীনতম পুণ্ড্রবর্ধন নগরের ধ্বংসাবশেষ। B) পাহাড়পুর — এটি একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার (সোমপুর মহাবিহার), যা মহাস্থানগড়ের তুলনায় অনেক পরের আমলের। C) ময়নামতি — এটি সমতট অঞ্চলের একটি প্রাচীন জনপদ ও বৌদ্ধ সভ্যতার কেন্দ্র, যা মহাস্থানগড়ের মতো প্রাচীন নয়। D) ওয়ারী বটেশ্বর — এটি আড়াই হাজার বছরের পুরোনো প্রাচীন দুর্গনগর ও সমৃদ্ধ সভ্যতা হলেও মহাস্থানগড়ের চেয়ে প্রাচীনতম হিসেবে স্বীকৃত নয়। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে পুরোনো বা প্রথম জনপদ মনে রাখতে "ম" দিয়ে মহাস্থানগড় মাথায় রাখবে, কারণ প্রাচীনত্বের দিক থেকে এটি সবার আগে।
82. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নাম কি?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কংগ্রেস কেন সঠিক: - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার আনুষ্ঠানিক নাম কংগ্রেস, যা একটি দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা। - এটি সিনেট এবং প্রতিনিধি পরিষদ এই দুটি কক্ষ নিয়ে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পার্লামেন্ট — এটি যুক্তরাজ্য, বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশের আইনসভার সাধারণ নাম হলেও মার্কিন আইনসভার নাম নয়। B) কংগ্রেস — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার সঠিক নাম, যা সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদ নিয়ে গঠিত। সি) সিনেট — এটি মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষের নাম, কিন্তু সম্পূর্ণ আইনসভাকে সিনেট বলা হয় না। D) কোনটিই নয় — যেহেতু বি অপশনটি সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা হলো 'কংগ্রেস', যার উচ্চকক্ষ 'সিনেট' এবং নিম্নকক্ষ 'প্রতিনিধি পরিষদ'।
83. বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় নিয়মতান্ত্রিক প্রধান কে?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাষ্ট্রপতি কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপ্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি এবং তিনি নামেমাত্র বা নিয়মতান্ত্রিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। - সরকারের প্রকৃত নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত থাকলেও রাষ্ট্রীয় সকল গুরুত্বপূর্ণ কাজ রাষ্ট্রপতির নামে পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রধানমন্ত্রী — তিনি সরকারের প্রধান এবং নির্বাহী ক্ষমতার প্রকৃত প্রয়োগকারী, তাই তিনি নিয়মতান্ত্রিক প্রধান নন। B) রাষ্ট্রপতি — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি নির্ভুল ও সংবিধানসম্মত। C) স্পিকার — তিনি জাতীয় সংসদের সভাপতি এবং সংসদ পরিচালনা করেন, রাষ্ট্রীয় বা সরকার ব্যবস্থার প্রধান নন। D) সংসদ সচিব — এটি সংসদীয় সচিবালয়ের প্রশাসনিক পদ, যা সরকার ব্যবস্থার প্রধান নির্ধারণের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: সরকার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী আর রাষ্ট্রপ্রধান বা নিয়মতান্ত্রিক প্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি।
84. প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তিতে কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভার্সাই চুক্তি কেন সঠিক: - প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটাতে এবং পরাজিত জার্মানির ওপর শর্তাদি আরোপ করতে ১৯১৯ সালের ২৮ জুন এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - এই চুক্তির মাধ্যমেই বিশ্বযুদ্ধের অবসান ঘটে এবং পরবর্তীতে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য লিগ অব নেশনস গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেভার্স চুক্তি — এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর উসমানীয় সাম্রাজ্যের বিভাজনের জন্য ১৯২০ সালে স্বাক্ষরিত হয়, যা সার্বিকভাবে যুদ্ধের সমাপ্তি চুক্তি নয়। B) লুজেন (Lausanne) চুক্তি — এটি তুরস্কের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ১৯২৩ সালে স্বাক্ষরিত হয় এবং সেভার্স চুক্তি বাতিল করে নতুন সীমানা নির্ধারণ করে। D) প্যারিস চুক্তি — এটি বিভিন্ন ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রধান সমাপ্তি চুক্তি হিসেবে ভার্সাই চুক্তিই সর্বাধিক পরিচিত। মনে রাখার টিপস: বিশ্বযুদ্ধ শেষ হলো ভার্সাই চুক্তি দিয়ে, মনে রাখতে হবে ১৯১৯ সাল।
85. জাতিসংঘের কোন সংস্থা বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার রোহিঙ্গা বিষয়ে মধ্যস্থতা করছে?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইউএনএইচসিআর (UNHCR) কেন সঠিক: - ইউএনএইচসিআর হলো জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা, যা বিশ্বজুড়ে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত ও শরণার্থীতে পরিণত হওয়া মানুষদের সুরক্ষা দেয়। - বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার রোহিঙ্গা সংকট একটি শরণার্থী ও মানবতাবাদী ইস্যু হওয়ায় এই সংস্থাটি মধ্যস্থতা ও ত্রাণ কার্যক্রমে প্রধান ভূমিকা পালন করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউএনডিপি (UNDP) — এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি, যা মূলত বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য বিমোচন ও টেকসই উন্নয়নের কাজ করে থাকে। B) ইউনিসেফ (UNICEF) — এটি জাতিসংঘের শিশু তহবিল, যা কেবল শিশুদের অধিকার, স্বাস্থ্য ও কল্যাণ নিয়ে কাজ করে থাকে। C) ইউএনএইচসিআর (UNHCR) — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) ইউনেস্কো (UNESCO) — এটি শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রসারে কাজ করা জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা। মনে রাখার টিপস: শরণার্থী সম্পর্কিত যেকোনো আন্তর্জাতিক সমস্যা বা মধ্যস্থতার কাজ মূলত ইউএনএইচসিআর সংস্থাটি করে থাকে।
87. বর্তমান বিশ্বের কতটি দেশ জাতিসংঘের সদস্য?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৩ কেন সঠিক: - জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর এবং বর্তমানে এর সদস্য রাষ্ট্র সংখ্যা মোট ১৯৩টি। - সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে ২০১১ সালের ১৪ জুলাই দক্ষিণ সুদান জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৩ — এই সংখ্যাটি জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য সংখ্যার সঙ্গে মিল নেই। B) ১৮৮ — এটি জাতিসংঘের সঠিক সদস্য সংখ্যা নয়। C) ১৯৩ — এটি জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য সংখ্যার সঠিক তথ্য। D) ১৯৭ — এটি জাতিসংঘের সদস্য সংখ্যার চেয়ে বেশি। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ১৯৩ টি দেশ নিয়ে জাতিসংঘ গঠিত। সংখ্যাটি মনে রাখতে ১৯৩ মনে রাখুন।
88. বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষা সর্বপ্রথম কত সালে শুরু হয়েছিল?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1973 কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস গঠিত হয় ১৯৭৩ সালে এবং প্রথম বিসিএস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালে। - যুদ্ধবিধ্বস্ত স্বাধীন বাংলাদেশে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মেধাভিত্তিক কর্মকর্তা নিয়োগের উদ্দেশ্যে এই পরীক্ষা চালু করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1973 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই প্রথম বিসিএস পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। B) 1974 — এটি ভুল কারণ এই সালে প্রথম পরীক্ষা হয়নি, এটি প্রথম পরীক্ষার পরবর্তী বছর। C) 1975 — এটি ভুল কারণ এই সালে বিসিএস পরীক্ষা শুরু হয়নি, এটি রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের বছর। D) 1976 — এটি ভুল কারণ এই সালটি প্রথম বিসিএস পরীক্ষার অনেক পরে। মনে রাখার টিপস: দেশ স্বাধীন হওয়ার ঠিক দুই বছর পর ১৯৭৩ সালে প্রথম বিসিএস পরীক্ষা শুরু হয়।
89. 'সাফটা' চুক্তি কত সালে সম্পাদিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০৪ কেন সঠিক: - সাফটা অর্থাৎ সাউথ এশিয়ান ফ্রি ট্রেড এরিয়া চুক্তিটি ২০০৪ সালের ৬ জানুয়ারি পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত দ্বাদশ সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হয়। - এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিটি পরবর্তীতে ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৮ — এই সালে সাফটা চুক্তি স্বাক্ষরিত বা কার্যকর হয়নি, বরং এটি সার্ক বাণিজ্য বৃদ্ধির একটি পরবর্তী উদ্যোগ। B) ২০০২ — এই সালে সাফটা চুক্তি সম্পাদিত হয়নি, তবে এই সময় চুক্তির খসড়া নিয়ে আলোচনা চলছিল। C) ২০০৪ — এই অপশনটি সঠিক কারণ চুক্তিটি এই সালেই আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পাদিত বা স্বাক্ষরিত হয়েছিল। D) ২০০৯ — এই সালে চুক্তিটি সম্পাদিত হয়নি, কারণ এর অনেক আগেই ২০০৬ সালে সাফটা কার্যকর করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: সাফটা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ২০০৪ সালে এবং কার্যকর হয় ২০০৬ সালে, সাল দুটি মনে রাখতে চার ও ছয়ের ক্রম মনে রাখুন।
90. বাংলাদেশের পোশাক সর্বাধিক কোন দেশে রপ্তানী করা হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্র একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার। - বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির একটি বিশাল অংশ একা যুক্তরাষ্ট্রেই যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — এটি একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির সর্ববৃহৎ গন্তব্য হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পোশাক রপ্তানি হলেও তা যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় কম। C) ফ্রান্স — ফ্রান্সে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি হয়, তবে এটি প্রধান রপ্তানি গন্তব্য নয়। D) জার্মানি — জার্মানি ইউরোপে বাংলাদেশের অন্যতম বড় বাজার হলেও সামগ্রিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের পেছনে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম বৃহৎ দেশ এবং আমাদের পোশাকের প্রধান ক্রেতা।
91. বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কখন গঠিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০৮ আগস্ট ২০২৪ কেন সঠিক: - ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ০৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়। - এই দিন বঙ্গভবনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও অন্যান্য উপদেষ্টাগণ শপথ গ্রহণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০৮ আগস্ট ২০২৪ — এই তারিখে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে ক্ষমতা গ্রহণ করেছিল। B) ১০ আগস্ট ২০২৪ — এটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের তারিখ নয়, বরং এই সময়ে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছিল। C) ১২ আগস্ট ২০২৪ — এই তারিখে সরকার গঠনের কোনো ঐতিহাসিক বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নেই, তাই এটি সঠিক নয়। D) ০৫ আগস্ট ২০২৪ — এই দিন ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটে এবং প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করে দেশত্যাগ করেন, যা সরকার গঠনের আগের দিন। মনে রাখার টিপস: পাচ আগস্ট পতন এবং তিন দিন পর অর্থাৎ আট আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শপথগ্রহণ, এভাবে মনে রাখা সহজ।
92. কে প্রথম 'গ্লোবাল ভিলেজ' ধারণাটির উপস্থাপন করেন?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হার্বাট মার্শাল ম্যাকলুহান কেন সঠিক: - তিনি ১৯৬২ এবং ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত তার বিখ্যাত গ্রন্থে বিশ্বকে একটি একক গ্রাম বা গ্লোবাল ভিলেজ হিসেবে কল্পনা করেন। - ইলেকট্রনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে সমগ্র পৃথিবী কীভাবে একটি সংযুক্ত সমাজে পরিণত হয়েছে, তিনি তা বোঝান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হার্বাট মার্শাল ম্যাকলুহান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি প্রথম গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি উপস্থাপন করেন। B) রবার্ট কিংসলে — এই নামে কোনো বিখ্যাত সমাজবিজ্ঞানী বা যোগাযোগতাত্ত্বিক নেই যিনি এই ধারণার সাথে যুক্ত। C) হেনরি জি. ম্যাকমিলান — ইনি গ্লোবাল ভিলেজ ধারণার প্রবক্তা নন, তাই এটি ভুল। D) ডব্লিউ জি. পেরি — ইনি শিক্ষাতত্ত্বের সাথে যুক্ত একজন ব্যক্তি, যোগাযোগ মাধ্যমের এই ধারণার সাথে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: ম্যাকলুহান নামের সাথে গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম শব্দটি মনে রাখুন।
94. বাংলাদেশের সংবিধানের নাম কি?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কেন সঠিক: - সংবিধানে দেশের নাম সুনির্দিষ্টভাবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ বলা হয়েছে এবং এটি দেশের সর্বোচ্চ আইন। - ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে এই নামসহ সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ সংবিধান — এটি সংবিধানের অনানুষ্ঠানিক ও অসম্পূর্ণ নাম, এর আনুষ্ঠানিক নাম এটি নয়। B) বাংলাদেশ সাংবিধানিক বিধিমালা — এটি কোনো দেশের সংবিধানের আনুষ্ঠানিক নাম হতে পারে না, এটি ভিন্ন কোনো নিয়মের নাম। C) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি আমাদের দেশের সংবিধানের একমাত্র আনুষ্ঠানিক ও আইনগত নাম। D) প্রজাতন্ত্র বাংলাদেশ সংবিধান — এই শব্দবিন্যাসটি ব্যাকরণগত ও আইনগতভাবে ভুল এবং সংবিধানের প্রস্তাবনায় ব্যবহৃত নাম নয়। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের আনুষ্ঠানিক নাম মনে রাখতে মূল শব্দের আগে গণপ্রজাতন্ত্রী কথাটি যুক্ত করতে হয়।
95. চীনের 'ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড' প্রকল্প কোন দেশসমূহের মধ্যে সংযোগ বৃদ্ধি করবে?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা কেন সঠিক: - এই প্রকল্পটি এশিয়া মহাদেশের সাথে ইউরোপ ও আফ্রিকার বাণিজ্য পথ ও অবকাঠামো সংযুক্ত করে। - সমুদ্রপথ ও স্থলপথের মাধ্যমে এই তিন মহাদেশের যোগাযোগ বৃদ্ধি করাই এর মূল লক্ষ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এশিয়া, ইউরোপ, আমেরিকা — আমেরিকা মহাদেশ এই প্রকল্পের প্রত্যক্ষ ভৌগোলিক রুটের অন্তর্ভুক্ত নয়। B) এশিয়া, আফ্রিকা, আরব — আরব কোনো মহাদেশ নয়, এটি এশিয়ার একটি অংশ। সি) এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা — অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ এই প্রকল্পের মূল ভূখণ্ডগত সংযোগের সাথে যুক্ত নয়। D) এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই তিন মহাদেশকে যুক্ত করার জন্যই প্রকল্পটি প্রণীত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: আঞ্চলিক সংযোগের ক্ষেত্রে তিন মহাদেশের নাম মনে রাখতে এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকা এই ক্রমানুসারে মনে রাখুন।
96. ১৯৭১ সালে সর্বপ্রথম কোন পত্রিকা পাকিস্তানী বাহিনীর গণহত্যার উপর ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং এর প্রতিবেদন প্রকাশ করে?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ডেইলি টেলিগ্রাফ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বর হত্যাযজ্ঞের ওপর ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং সর্বপ্রথম প্রতিবেদন তৈরি করেন। - লন্ডনের ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকা ওই প্রতিবেদনে অপারেশন সার্চলাইট এবং পাকিস্তানি গণহত্যার ভয়াবহ চিত্র বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক টাইমস — এটি আমেরিকার প্রখ্যাত পত্রিকা হলেও সাইমন ড্রিংয়ের ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের প্রথম গণহত্যা ও অপারেশন সার্চলাইটের ঐতিহাসিক প্রতিবেদনটি এই পত্রিকা প্রকাশ করেনি। B) দ্য ইনডিপেনডেন্ট — এটি যুক্তরাজ্যের বর্তমান সময়ের একটি পরিচিত সংবাদপত্র হলেও ১৯৭১ সালের মার্চে সাইমন ড্রিংয়ের প্রতিবেদন প্রকাশের সঙ্গে এই পত্রিকার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। C) ডেইলি টেলিগ্রাফ — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, এটিই সাইমন ড্রিংয়ের ঐতিহাসিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। D) ডেইলি মেইল — এটি যুক্তরাজ্যের আরেকটি জনপ্রিয় ট্যাবলয়েড পত্রিকা হলেও ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের গণহত্যা সম্পর্কিত সাইমন ড্রিংয়ের প্রথম প্রতিবেদনটি তারা প্রকাশ করেনি। মনে রাখার টিপস: সাইমন ড্রিং টেলিফোনের মাধ্যমে টেলিগ্রামে সংবাদ পাঠাতেন, এভাবে মনে রাখতে পারেন সাইমন ড্রিংয়ের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল ডেইলি টেলিগ্রাফ।
97. বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) -এর জন্য অর্থনীতিকে মোট কতটি প্রধান খাতে বিভক্ত করা হয়?
Created 1 week ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০৩টি কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জিডিপি গণনার সুবিধার্থে জাতীয় অর্থনীতিকে প্রধানত তিনটি খাতে বিভক্ত করা হয়। - খাত তিনটি হলো কৃষি, শিল্প এবং সেবা খাত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০৩টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ অর্থনীতি এই তিনটি প্রধান খাতে বিভক্ত। B) ১০টি — এটি ভুল কারণ দেশের জিডিপি উপখাতের সংখ্যা হতে পারে, কিন্তু প্রধান খাত ৩টি। C) ১৫টি — এটি ভুল কারণ অর্থনৈতিক খাত বা উপখাতের প্রচলিত শ্রেণিবিন্যাসের সাথে এই সংখ্যাটি মেলে না। D) ২০টি — এটি ভুল কারণ জিডিপির প্রধান খাতের ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: জিডিপির প্রধান খাত মনে রাখতে তিন অক্ষরের শব্দ 'কৃ-শি-সে' (কৃষি, শিল্প, সেবা) মনে রাখুন।
98. আন্তর্জাতিক ওজন দিবস (International Day for the Prevention of the Ozone Layer) কত তারিখে পালিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৬ সেপ্টেম্বর কেন সঠিক: - জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি বছর ১৬ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক ওজন স্তর রক্ষা দিবস পালিত হয়। - ১৯৮৭ সালের এই দিনে ওজোন স্তর ক্ষয়কারী উপাদান সম্পর্কিত মন্ট্রিল প্রোটোকল স্বাক্ষরিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২২ জুলাই — এই তারিখে আন্তর্জাতিক ওজন দিবসের কোনো ঐতিহাসিক বা পরিবেশগত আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নেই। B) ২৮ জুলাই — এই তারিখে বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস পালিত হয়, যা ওজন স্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ১৭ আগস্ট — এই তারিখে আন্তর্জাতিক ওজন দিবসের কোনো ঐতিহাসিক বা পরিবেশগত আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নেই। D) ১৬ সেপ্টেম্বর — এটি আন্তর্জাতিক ওজন দিবস পালনের নির্ধারিত সঠিক তারিখ। মনে রাখার টিপস: মন্ট্রিল প্রোটোকল স্বাক্ষরের দিন অর্থাৎ সেপ্টেম্বরের ১৬ তারিখকে ওজন দিবস হিসেবে মনে রাখা যায়।
99. মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে প্রবাসী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী সচিবালয় (সদর দপ্তর) কোথায় ছিল?
Created 1 week ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) থিয়েটার রোড, কলকাতা কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন প্রবাসী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর সরকার) প্রধান কার্যালয় বা সচিবালয় ভারতের কলকাতার থিয়েটার রোডে অবস্থিত ছিল। - এই কার্যালয় থেকেই দেশের ভেতর ও বাইরের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা, কূটনৈতিক কার্যক্রম এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুজিবনগর — এটি ছিল প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের শপথ গ্রহণ এবং প্রথম রাজধানী, কিন্তু প্রধান সচিবালয় বা সদর দপ্তর সেখানে ছিল না। B) থিয়েটার রোড, কলকাতা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) করিমগঞ্জ — এটি ভারতের আসামের একটি সীমান্তবর্তী অঞ্চল, যার সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সরকারের সদর দপ্তরের কোনো সম্পর্ক নেই। D) বেনাপোল — এটি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর ও রণাঙ্গন হলেও এটি সরকারের অস্থায়ী সচিবালয় ছিল না। মনে রাখার টিপস: সরকারের শপথ মুজিবনগরে হলেও দাপ্তরিক কাজ চলত কলকাতার থিয়েটার রোড থেকে।
100. নিচের কোনটি বাংলাদেশের শিল্প সংক্রান্ত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড নয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মাছ চাষ কেন সঠিক: - মাছ চাষ কৃষিজাত বা মৎস্য খাতের অন্তর্ভুক্তি এবং এটি সরাসরি প্রাথমিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয়। - শিল্প সংক্রান্ত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বলতে প্রক্রিয়াজাতকরণ, উৎপাদন বা ম্যানুফ্যাকচারিং খাতকে বোঝানো হয়, যা মাছ চাষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাছ চাষ — এটি শিল্প খাত নয়, বরং এটি কৃষির একটি উপখাত বা মৎস্য সম্পদ খাতের প্রাথমিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। B) বস্ত্র — এটি দেশের অন্যতম প্রধান উৎপাদনমুখী ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প খাত, যা শিল্প সংক্রান্ত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্তর্ভুক্ত। C) পাট — পাট থেকে বিভিন্ন পণ্য তৈরি করা হয় এবং পাটকলগুলো দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প খাতের অংশ। D) সিমেন্ট — কাঁচামাল প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে নির্মাণসামগ্রী প্রস্তুত করার একটি অন্যতম প্রধান প্রস্তুতকারক শিল্প। মনে রাখার টিপস: সরাসরি প্রকৃতি থেকে উৎপাদিত বা আহরিত পণ্য যেমন মাছ ও ফসল হলো কৃষি খাত, আর কারখানায় প্রক্রিয়াজাত পণ্য হলো শিল্প খাত।

মোট প্রশ্ন (20)

1. 'আফতাব' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অর্ক ১. কেন সঠিক: - 'আফতাব' একটি ফারসি শব্দ, যার অর্থ সূর্য। এর সমার্থক শব্দ হলো 'অর্ক', যার অর্থও সূর্য। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডার থেকে প্রশ্ন করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা ভিন্ন রূপের হলেও একই অর্থ প্রকাশ করে। - 'আফতাব' ও 'অর্ক' উভয় শব্দই সূর্যকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবিতা ব্যাখ্যা: এটিও সূর্যের একটি সমার্থক শব্দ যা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। উদাহরণ ২: ভানু ব্যাখ্যা: এটিও সূর্যের অপর একটি সমার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্ণব — অর্ণব শব্দের অর্থ সমুদ্র। এটি সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়। B) রাতুল — রাতুল শব্দের অর্থ লাল বা রক্তিম। এটি সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়। C) অর্ক — এটি সঠিক উত্তর। D) জলধি — জলধি শব্দের অর্থ সমুদ্র। এটি সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সূর্য বোঝাতে অর্ক, রবি, ভানু, তপন, ভাস্কর এবং আফতাব শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়। - সমার্থক শব্দ মনে রাখতে একই অর্থের শব্দগুলো একত্রে তালিকা করে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রকৃতি ও উৎস অনুসারে শব্দের অর্থ খুব গুরুত্বপূর্ণ। - সমার্থক শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করা জরুরি।
2. 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের প্রথম খণ্ডের নাম কী?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জন্মখণ্ড ১. কেন সঠিক: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি মোট তেরোটি খণ্ডে বিভক্ত এবং এর প্রথম খণ্ডটির নাম জন্মখণ্ড। এই খণ্ডে রাধার জন্ম এবং কৃষ্ণের সঙ্গে তাঁর পূর্বরাগের সূচনা বা প্রাথমিক পরিচয়ের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি নিদর্শনগুলোর অন্যতম যা বড়ু চণ্ডীদাসের রচিত বলে ভনিতা পাওয়া যায়। ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের বসন্তকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোয়ালঘর থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এই অমূল্য পুঁথি আবিষ্কার করেন এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের দ্বিতীয় খণ্ড হলো তাম্বুলখণ্ড। ব্যাখ্যা: জন্মখণ্ডের ঠিক পরেই তাম্বুলখণ্ডে রাধা ও কৃষ্ণের প্রথম মিলন এবং তাম্বুল বা পান বিনিময় সংক্রান্ত ঘটনা স্থান পেয়েছে। উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের শেষ খণ্ড হলো রাধাবিরহ। ব্যাখ্যা: সমগ্র কাব্যের পরিণতি হিসেবে রাধাবিরহ খণ্ডে কৃষ্ণের মথুরা গমন এবং রাধার তীব্র বিরহ ও যন্ত্রণার রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জন্মখণ্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ কাব্যের প্রথম খণ্ড হিসেবে এটি রাধার জন্ম ও সূচনা নির্দেশ করে। B) তাম্বুলখণ্ড — এটি কাব্যের দ্বিতীয় খণ্ড, প্রথম খণ্ড নয়। C) ধানখণ্ড — এটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের কোনো খণ্ডের নাম নয়, এটি ভুল তথ্য। D) রাধাবিরহ — এটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের ত্রয়োদশ বা সর্বশেষ খণ্ড, প্রথম খণ্ড নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের খণ্ডগুলো মনে রাখার জন্য প্রথম খণ্ড জন্মখণ্ড এবং শেষ খণ্ড রাধাবিরহ মনে রাখলে অন্যান্য খণ্ডগুলো সহজে অনুমান করা যায়। কাব্যের শুরু জন্ম দিয়ে এবং শেষ বিরহ দিয়ে হয়, এই ক্রমটি মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব দরকারি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের মোট খণ্ড সংখ্যা তেরোটি এবং এর আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম খণ্ড, শেষ খণ্ড অথবা আবিষ্কারক সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
3. ইসমাইল হোসেন সিরাজীর কোন কাব্যটি বাজেয়াপ্ত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অনল প্রবাহ ১. কেন সঠিক: - 'অনল প্রবাহ' কাব্যগ্রন্থটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় তীব্র দেশপ্রেমমূলক রচনার কারণে তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল। - ইসমাইল হোসেন সিরাজী এই কাব্যের মাধ্যমে ভারতবাসীর মধ্যে স্বাধীনতার স্পৃহা ও জাগরণ সৃষ্টি করতে চেয়েছিলেন, যা ব্রিটিশ শাসকদের ভীত করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ইসমাইল হোসেন সিরাজী ছিলেন বিশ শতকের প্রারম্ভের অন্যতম মুসলিম জাতীয়তাবাদী কবি, ঔপন্যাসিক ও প্রবন্ধকার যিনি সিরাজগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর সাহিত্যকর্মে প্যান ইসলামবাদ, স্বদেশপ্রেম এবং ব্রিটিশ বিরোধিতার সুর অত্যন্ত জোরালোভাবে ফুটে উঠেছিল যা সমকালীন রাজনীতিতে দারুণ প্রভাব ফেলেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুলের 'বিষের বাঁশি' ব্যাখ্যা: ব্রিটিশ সরকার এই কাব্যগ্রন্থটিও রাজদ্রোহিতার অভিযোগে বাজেয়াপ্ত করেছিল। উদাহরণ ২: কবি জসীমউদ্দীনের 'রাখাল ছেলে' ব্যাখ্যা: এটি তাঁর বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ তবে এটি ব্রিটিশ বিরোধীতার কারণে বাজেয়াপ্ত হয়নি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 'অনল প্রবাহ' — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্যগ্রন্থটিই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। B) 'আকাঙ্ক্ষা' — এটি ইসমাইল হোসেন সিরাজীর কোনো বাজেয়াপ্ত করা কাব্যগ্রন্থ নয়। C) 'উদ্বোধন' — এটি তাঁর কোনো বিখ্যাত বাজেয়াপ্ত কাব্যগ্রন্থ হিসেবে পরিচিত নয়। D) 'নব উদ্দীপনা' — এটিও ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হওয়া কোনো গ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ইসমাইল হোসেন সিরাজীর 'অনল প্রবাহ' মানে আগুনের স্রোত যা ব্রিটিশদের পুড়িয়ে দিয়েছিল, তাই এটি বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন কোন সাহিত্যিক বা কাব্যগ্রন্থ ব্রিটিশ আমলে বাজেয়াপ্ত হয়েছিল তা জানতে চাওয়া হয়। একইভাবে নজরুলের 'ভাঙার গান' ও 'প্রलय্লশিখা' বাজেয়াপ্ত হওয়ার ইতিহাস ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
4. ছড়ার ছন্দকে কী বলে?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্বরবৃত্ত ১. কেন সঠিক: ছড়ার ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর ধ্বনিপ্রবাহ বা লয় দ্রুত এবং এর মাত্রা গণনার নিয়ম অন্যান্য ছন্দের চেয়ে আলাদা। স্বরবৃত্ত ছন্দে শব্দের আদি স্বরধ্বনির ওপর ঝোঁক বা জোর পড়ে এবং দল বা অক্ষরগুলো সাধারণত স্বরান্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ছান্দসিক সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত স্বরবৃত্ত ছন্দকে ছড়ার ছন্দ বা দলবৃত্ত ছন্দ হিসেবে অভিহিত করেছেন। বাংলা লোকসাহিত্যে প্রচলিত ছড়া, রূপকথা এবং ধাঁধাঁয় মূলত এই স্বরবৃত্ত ছন্দের বহুল ব্যবহার দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আয় রে ছুটে আয়, / ছোট নদী পার হয়া। ব্যাখ্যা: এটি স্বরবৃত্ত ছন্দের একটি পঙ্‌ক্তি যেখানে দ্রুত লয় এবং প্রতি চরণে নির্দিষ্ট স্বরধ্বনি বা ঝোঁক বজায় রয়েছে। উদাহরণ ২: খোকা ঘুমাল পাড়া জুড়ালো, / বর্গী এল দেশে। ব্যাখ্যা: এটি ঐতিহ্যবাহী শিশুতোষ ছড়া, যা স্বরবৃত্ত ছন্দের নিয়ম মেনে রচিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরবৃত্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ ছড়ার ছন্দ বলতে স্বরবৃত্ত ছন্দকে বোঝানো হয়। B) মাত্রাবৃত্ত — এটি রবীন্দ্রযুগের বাংলা কবিতার একটি ধ্রুপদী ছন্দ, যার লয় মন্থর এবং এর মাত্রা গণনার পদ্ধতি আলাদা। C) অক্ষরবৃত্ত — এটি পয়ার বা অমিত্রাক্ষর কবিতার প্রধান ছন্দ, যা মধ্যযুগের বাংলা কাব্যে এবং আধুনিক কাব্যে গম্ভীর ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়। D) গদ্যছন্দ — এটি আধুনিক যুগের ছন্দ যার কোনো নির্দিষ্ট মাত্রার বাধ্যবাধকতা নেই এবং এটি গদ্যের মতো প্রবাহিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ছড়ার ছন্দ মানেই দ্রুত লয় এবং লোকসাহিত্য। মনে রাখবে ছড়া পড়া হয় দ্রুত গতিতে, তাই এর ছন্দ স্বরবৃত্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ছন্দ প্রধানত তিন প্রকার যথা স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত এবং অক্ষরবৃত্ত। ছড়ার ছন্দকে স্বরবৃত্তের পাশাপাশি দলবৃত্ত বা চোয়াড়ে ছন্দও বলা হয়।
5. কোনটি বিশেষণ?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সৎ ১. কেন সঠিক: - যে পদ দ্বারা কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ প্রকাশ করা হয়, তাকে বিশেষণ পদ বলে। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সৎ শব্দটি দ্বারা মানুষের গুণের প্রকাশ ঘটে, যা বিশেষ্য পদের দোষ-গুণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষণের সংজ্ঞা অনুযায়ী যে শব্দ বিশেষ্য বা সর্বনামের দশ দিক নির্দেশ করে তা বিশেষণ। - সৎ শব্দটি সাধারণত মানুষের চরিত্র বা নৈতিকতার গুণ প্রকাশ করতে বিশেষ্যের পূর্বে বসে তার রূপ ফুটিয়ে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভালো ছেলে ব্যাখ্যা: এখানে ভালো শব্দটি ছেলে বিশেষ্যের গুণ প্রকাশ করায় এটি বিশেষণ পদ হয়েছে। উদাহরণ ২: লাল শাড়ি ব্যাখ্যা: এখানে লাল শব্দটি শাড়ি বিশেষ্যের রঙ বা অবস্থা নির্দেশ করায় এটি বিশেষণ পদ হিসেবে কাজ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৎ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি গুণবাচক বিশেষণ। B) একতা — এটি একটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ, কোনো বিশেষণ নয়। C) দর্শন — এটি দেখা বা দেখার ভাব প্রকাশকারী একটি বিশেষ্য পদ। D) জনতা — এটি একটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্য পদ যা বহু মানুষের সমাবেশ বোঝায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দ শোনার পর যদি মনে প্রশ্ন জাগে কেমন বা কতটুকু, তবে সেটি বিশেষণ হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। - সৎ মানুষের গুণ বোঝায় বলে এটি নিশ্চিতভাবেই বিশেষণ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পদ নির্ণয় থেকে প্রশ্ন আসে, তাই বিশেষ্যের গুণবাচক রূপ চেনার অভ্যাস রাখতে হবে। - বিশেষ্য ও বিশেষণের পার্থক্য বুঝতে শব্দের মূল অর্থ ও বাক্যে তার ব্যবহার লক্ষ করতে হবে।
6. বাংলা অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ ব্যাকরণের কোন অংশের অন্তর্ভুক্ত করা যায়?
Created 1 week ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উপসর্গ ১. কেন সঠিক: - অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদের উপসর্গ বা অব্যয়ের অর্থের প্রাধান্য থাকে এবং সমাসবদ্ধ পদটি অব্যয় পদে পরিণত হয়। - বাংলা ব্যাকরণে অনেক উপসর্গ পদের মতো স্বাধীনভাবে না বসে শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ তৈরি করে, যা অব্যয়ীভাব সমাসের মূল বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মিলে যায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদে উপসর্গ বা অব্যয় বসে এবং অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। - উপসর্গ যেমন শব্দের পূর্বে বসে অর্থের পরিবর্তন বা সম্প্রসারণ ঘটায়, অব্যয়ীভাব সমাসের পূর্বপদটি ঠিক একই কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিরাময় = নিরাময়ের অভাব ব্যাখ্যা: এখানে 'নি' উপসর্গ যোগে অব্যয়ীভাব সমাস গঠিত হয়েছে এবং এটি উপসর্গ ব্যাকরণের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: উপকূল = কূলের সমীপে ব্যাখ্যা: এখানে 'উপ' উপসর্গটি যুক্ত হয়ে অব্যয়ীভাব সমাস গঠন করেছে, যা উপসর্গ ব্যাকরণের অংশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সন্ধি — সন্ধি হলো দুটি ধ্বনির মিলন, কিন্তু সমাস হলো পদের মিলন। C) কারক — কারক হলো বাক্যের মধ্যকার বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে ক্রিয়াপদের সম্পর্ক। D) প্রত্যয় — প্রত্যয় যুক্ত হয় মূল শব্দ বা ধাতুর পরে, কিন্তু অব্যয়ীভাব সমাসের উপসর্গ যুক্ত হয় পূর্বে। ৫ মনে রাখার টিপস: - অব্যয় ও উপসর্গ উভয়ই শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থ প্রকাশ করে। - অব্যয়ীভাব সমাস দেখলে প্রথম অংশটি উপসর্গ কি না তা যাচাই করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমাস ও উপসর্গের আন্তঃসম্পর্ক সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - উপসর্গ চেনার মাধ্যমে অনেক সময় অব্যয়ীভাব সমাস খুব সহজে নির্ণয় করা সম্ভব হয়।
7. কোন বানানটি প্রমিত?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পশ্চাদ্ভূমি ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে পদের অন্তস্থিত ত, থ, দ, ধ এর পরে স্বরধ্বনি বা বর্গীয় তৃতীয়, চতুর্থ বা পঞ্চম ধ্বনি থাকলে ত, থ, দ, ধ স্থানে দ হয়। - পশ্চাৎ যোগ ভূমি মিলে পশ্চাদ্ভূমি শব্দটি গঠিত হয়েছে যেখানে পূর্বপদের অন্তস্থিত চ স্থানে কিংবা ত স্থানে নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তন ঘটে এবং ভূমি শব্দের ভ যুক্ত হয়ে দ্ধ রূপ ধারণ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের সন্ধি বিশেষ করে ব্যঞ্জনসন্ধির বিসর্গ ও অন্যান্য পরিবর্তনের একটি অংশ যেখানে পদের অন্তস্থিত ব্যঞ্জনবর্ণের পরিবর্তন ঘটে। - বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের বানান লেখার সময় সংস্কৃত ব্যাকরণের এই নিয়মগুলো অত্যন্ত কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয় যাতে শব্দের মূল রূপ অক্ষুণ্ণ থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৎ যোগ ভাব = সদ্ভাব ব্যাখ্যা: পূর্বপদের অন্তস্থিত ত এর স্থানে দ এবং পরবর্তী ভ যুক্ত হয়ে দ্ভ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: জগৎ যোগ ঈশ = জগদীশ ব্যাখ্যা: পূর্বপদের অন্তস্থিত ত এর স্থানে দ এবং ঈ মিলে দী গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পশ্চাদপদ — এই বানানটিতে দ এর নিচে হসন্ত বা জখলা বা সঠিক যুক্তবর্ণ না থাকায় এটি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য নয়। B) পশ্চাৎগামী — এখানে বিসর্গ বা পদের অন্তস্থিত খণ্ড ত এর সঠিক যুক্তরূপ সাধিত হয়নি এবং এটি ব্যাকরণগত নিয়মের বাইরে। D) পশ্চাবর্তী — এই শব্দটিতে চ বা ছ বর্ণটি অনুপস্থিত রয়েছে যা মূল শব্দ পশ্চাৎ এর মূল রূপকে নষ্ট করেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - পশ্চাৎ শব্দের সাথে কোনো পদ যুক্ত হলে খণ্ড ত বা চ এর স্থানে সর্বদা দ পরিবর্তন ঘটে এবং তা নিচে যুক্তবর্ণ হিসেবে বসে। - সন্ধি সাধित শব্দগুলোর মূল উৎস মনে রাখলে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের সন্ধিজাত বানান প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - বাংলা একাডেমির আধুনিক বানান নিয়ম অনুসরণ করে এই ধরনের শব্দের সন্ধি ও বানান চর্চা করতে হবে।
8. 'আজ চারদিক হতে ধনিক বণিক শোষণকারীর জাত, ও ভাই জোঁকের মতন শুষছে রক্ত, কাড়ছে থালার ভাত' - কার লেখা?
Created 1 week ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - উদ্ধৃত চরণটি বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সাম্যবাদী ও প্রতিবাদী কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। - কবিতায় ধনিক শ্রেণী ও বণিকদের দ্বারা সাধারণ মানুষের ওপর চালানো শোষণ এবং তাদের রক্ত চুষে খাওয়ার বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি তাঁর লেখায় সবসময় শোষিত মানুষের পক্ষে এবং শোষকদের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। - তাঁর কবিতায় সমাজের ধনী ও দরিদ্রের বৈষম্য, পুঁজিবাদী ব্যবস্থার নিষ্ঠুরতা এবং শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের বিষয়টি জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার কৈফিয়ত ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অন্যতম বিখ্যাত প্রতিবাদী কবিতা, যেখানে সমাজের নানা অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে কবির ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: সাম্যবাদী ব্যাখ্যা: এই কবিতায় কবি মানুষের ভেদাভেদ ভুলে সব মানুষকে সমান হিসেবে দেখার কথা বলেছেন এবং ধনী-দরিদ্রের বৈষম্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মানবতাবাদী সাহিত্যিক হলেও এই ধরণের সরাসরি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক শোষণের বিদ্রোহী ভাষা তাঁর রচনায় ভিন্ন ঢঙে প্রকাশিত হয়েছে। B) কাজী নজরুল ইসলাম — সঠিক উত্তর, তাই এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। C) গোলাম মোস্তফা — গোলাম মোস্তফা মূলত ইসলামী ঐতিহ্য ও ভাবধারার কবিতা এবং মহাকাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত, এই ধরনের রাজনৈতিক শোষণবিরোধী পংক্তি তাঁর নয়। D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত হলেও তাঁর কবিতায় শোষিত মানুষের পক্ষে এমন সরাসরি রাজনৈতিক স্লোগানধর্মী উচ্চারণ দেখা যায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাম্যবাদী ও শোষক শ্রেণীর বিরুদ্ধে সরাসরি ক্ষোভ প্রকাশ এবং জোঁকের মতো রক্ত চুষে খাওয়ার কথা থাকলে চোখ বন্ধ করে কাজী নজরুল ইসলামকে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদ্রোহী কবির সাম্যবাদী, শ্রমিক ও কৃষকদের অধিকারভিত্তিক কবিতার লাইন প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
9. অনুভূতিজাত দ্বিরুক্ত শব্দ কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ছম ছম ১. কেন সঠিক: - ছম ছম হলো একটি অনুভূতিজাত দ্বিরুক্ত শব্দ যা শরীরে বা মনে ভয়ের শিহরণ বা ঠান্ডা অনুভূতি প্রকাশ করে। - বাংলা ব্যাকরণে যে দ্বিরুক্ত শব্দগুলো মানুষের শারীরিক বা মানসিক অনুভূতি প্রকাশ করে, তাকে অনুভূতিজাত দ্বিরুক্ত শব্দ বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দ্বিরুক্ত শব্দ হলো একই শব্দ পরপর দুবার ব্যবহৃত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করা। - অনুভূতিজাত দ্বিরুক্ত শব্দ সাধারণত মানুষের ভয়, কাঁপুনি, বা শারীরিক সংবেদনশীলতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভয়ে তার গা ছম ছম করছে। ব্যাখ্যা: এখানে গা ছম ছম করা ভয়ের একটি শারীরিক অনুভূতি প্রকাশ করছে। উদাহরণ ২: কনকনে শীতে তার হাত-পা ঝিন ঝিন করছে। ব্যাখ্যা: ঝিন ঝিন একটি শারীরিক অনুভূতি বা সংবেদনশীলতা বোঝাতে ব্যবহৃত দ্বিরুক্ত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছম ছম — এটি অনুভূতিজাত দ্বিরুক্ত শব্দ হিসেবে সঠিক। B) ঝম ঝম — এটি মূলত বৃষ্টির পড়ার ধ্বন্যাত্মক বা অনুকার দ্বিরুক্ত শব্দ। C) টিক টিক — এটি ঘড়ির কাঁটার শব্দ বা ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্ত শব্দ। D) ঠিক ঠিক — এটি একটি অভিন্ন শব্দের পুনরাবৃত্তি যা নিশ্চিতকরণ বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শরীর বা মনের অনুভূতি বোঝালে তা অনুভূতিজাত দ্বিরুক্ত শব্দ হবে। - ধ্বনি বা আওয়াজ বোঝালে তা ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্ত শব্দ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বিরুক্ত শব্দের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - শব্দগুলোর উৎস এবং ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
10. বাক্যের অন্তর্গত শব্দের পারস্পরিক সম্পর্ক ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 58 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কারক ১. কেন সঠিক: বাক্যের অন্তর্গত বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে ক্রিয়া পদের যে সম্পর্ক তাকে কারক বলে। কারক শব্দের অর্থ যা ক্রিয়া সম্পাদন করে এবং এটি বাক্যের পদগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক বোঝাতে সাহায্য করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যে ব্যবহৃত ক্রিয়া পদের সঙ্গে অন্যান্য পদের ছয় ধরনের সম্পর্ককে কারক বলা হয়। এটি বাক্য গঠনে পদের পারস্পরিক অন্বয় রক্ষা করতে ব্যাকরণের রূপমূলতত্ত্বে আলোচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাছে ফল ধরেছে। ব্যাখ্যা: এখানে গাছে অধিকরণ কারক কারণ এটি ক্রিয়ার আধার বোঝাচ্ছে। উদাহরণ ২: বাবা আমাকে একটি কলম দিয়েছেন। ব্যাখ্যা: এখানে আমাকে হলো গৌণ কর্ম এবং কলম হলো মুখ্য কর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সন্ধি — সন্ধি হলো দুটি ধ্বনির মিলন, শব্দের পারস্পরিক সম্পর্কের সঙ্গে এর সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। B) পদ — পদ হলো বাক্যে ব্যবহৃত প্রত্যেকটি শব্দ, তবে এটি শুধু শব্দের পরিচয় দেয় সম্পর্কের নির্দিষ্ট রূপ বোঝায় না। C) কাল — কাল হলো ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সময়, যা পারস্পরিক সম্পর্ক নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যে কারক চেনার সহজ উপায় হলো ক্রিয়া পদকে প্রশ্ন করা, যেমন কে বা কারা দিয়ে প্রশ্ন করলে কর্তকারক পাওয়া যায়। ক্রিয়া পদের সঙ্গে অন্যান্য পদের সম্পর্ক এবং ক্রিয়ার সম্পাদনই হলো কারক নির্ণয়ের মূল ভিত্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে তাই বাক্যের ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে কারক নির্ণয় করার কৌশল আয়ত্ত করা জরুরি। একই নিয়মে কর্তকারক, কর্মকারক ও অন্যান্য কারকগুলো আলাদা করতে হয়।
11. ফররুখ আহমদের 'সাত সাগরের মাঝি' কত সালে প্রকাশিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৪৪ ১. কেন সঠিক: ফররুখ আহমদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি' ১৯৪৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। বাংলা মুসলিম সাহিত্য এবং রেনেসাঁস ধারার কবিতায় এই কাব্যগ্রন্থটির ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক গুরুত্ব অপরিসীম। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি ফররুখ আহমদ বাংলা কাব্যে ইসলামী ঐতিহ্য, জাগরণ এবং সমুদ্রযাত্রার প্রতীকী পদের এক অনন্য সংযোজন ঘটিয়েছেন। 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থটি তাঁর শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম হিসেবে বিবেচিত যেখানে পরাধীনতার গ্লানি থেকে মুক্তির ডাক এবং আধ্যাত্মিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'লাশ' ব্যাখ্যা: এটি ফররুখ আহমদের আরেকটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও আলোড়ন সৃষ্টিকারী কবিতা। উদাহরণ ২: 'নৌফেল ও হাতেম' ব্যাখ্যা: এটি ফররুখ আহমদের রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৫ — এই সালে বঙ্গভঙ্গ সংঘটিত হয়েছিল, যা বাংলা সাহিত্য ও রাজনীতির ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা কিন্তু এই গ্রন্থের প্রকাশকাল নয়। B) ১৯৪০ — এই সালে পাকিস্তান প্রস্তাব বা লাহোর প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল, যা মুসলিম রাজনীতিতে প্রভাব ফেললেও আলোচ্য গ্রন্থের প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়। C) ১৯৪৪ — এটি সঠিক উত্তর। এই সালেই 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়। D) ১৯৫৫ — এই সালে ফররুখ আহমদের বিখ্যাত শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ 'হাাতেম তাই' প্রকাশিত হয়েছিল, যা সাত সাগরের মাঝির প্রকাশকাল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ফররুখ আহমদের 'সাত সাগরের মাঝি' প্রকাশিত হয় ১৯৪৪ সালে। এভাবে মনে রাখতে পারো যে ১৯৪০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে (১৯৪৪) এই অমর কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কবিদের প্রথম বা প্রধান কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল এবং তাঁদের উপাধি বা ছদ্মনাম জানতে চাওয়া হয়। ফররুখ আহমদকে মুসলিম রেনেসাঁর কবি বলা হয়।
12. Transparency শব্দের বাংলা পরিভাষা কী?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্বচ্ছতা ১. কেন সঠিক: Transparency একটি ইংরেজি পারিভাষিক শব্দ যার বাংলা আভিধানিক অর্থ স্বচ্ছতা বা প্রকাশ্যবাদিতা। প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজে দুর্নীতি রোধ এবং কাজের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য স্বচ্ছতা শব্দটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি পারিভাষিক শব্দ বিষয়ক প্রশ্ন। পারিভাষিক শব্দ হলো বিশেষ ভাব বা অর্থের প্রকাশে ব্যবহৃত নির্দিষ্ট শব্দ যা সাধারণত প্রশাসন, বিজ্ঞান, সাহিত্য ও আইনগত ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। বাংলা ভাষা সমৃদ্ধ করার জন্য ইংরেজি বা অন্যান্য ভাষার ভাবানুবাদ করে এসব শব্দ নির্ধারণ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Accountability শব্দের পরিভাষা জবাবদিহিতা। ব্যাখ্যা: এটি প্রশাসনিক স্বচ্ছতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক শব্দ। উদাহরণ ২: Corruption শব্দের পরিভাষা দুর্নীতি। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের অন্তরায় হিসেবে পরিচিত একটি বহুল ব্যবহৃত দাপ্তরিক ও সামাজিক পারিভাষিক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যথার্থতা — এই শব্দটি Accuracy শব্দের পরিভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয় যা তথ্যের সঠিকতা বোঝাতে আসে। B) নির্ভরযোগ্যতা — এই শব্দটি Reliability শব্দের পরিভাষা যা কোনো বিষuesর ওপর আস্থার দিক নির্দেশ করে। C) স্বচ্ছতা — এটি মূল ইংরেজি শব্দ Transparency এর সঠিক পরিভাষা যা প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজে ব্যবহৃত হয়। D) দুর্নীতিদমন — এই দীর্ঘ ও যৌগিক শব্দটি Anti-corruption শব্দের পরিভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: Transparency শব্দের মূল অর্থ স্বচ্ছ কাচ যার মধ্যে দিয়ে সব পরিষ্কার দেখা যায়। প্রশাসনিক ক্ষেত্রে এর অর্থ হলো সবকিছু প্রকাশ্য রাখা বা স্বচ্ছতা বজায় রাখা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় দাপ্তরিক পরিভাষা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই সরকারি ও প্রশাসনিক কাজে ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দের বাংলা রূপগুলো নিয়মিত চর্চা করা জরুরি।
13. ক্রিয়াপদের মূল অংশকে কী বলে?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধাতু ১. কেন সঠিক: ক্রিয়াপদের মূল অংশকে ধাতু বলা হয়। ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় বা বিভক্তি যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ ক্রিয়াপদ গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব মূল শব্দ বা শব্দমূল থেকে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়, তাকে ধাতু বলে। ধাতু মূলত তিন প্রকার, যথা মৌলিক ধাতু, সাধিত ধাতু এবং সংযোগমূলক ধাতু। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পড় + আ = পড়া ব্যাখ্যা: এখানে 'পড়' হলো ধাতু এবং এর সঙ্গে 'আ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ বা ক্রিয়াবাচক শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: কর্ + য়া = করা ব্যাখ্যা: এখানে 'কর্' হলো মূল ধাতু যা থেকে বিভিন্ন ক্রিয়াপদ তৈরি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্ম — কর্ম হলো বাক্যের সেই অংশ যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, এটি ক্রিয়ার মূল অংশ নয়। B) ধাতু — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক্রিয়াপদের মূল অংশকে ধাতু বলা হয়। C) প্রত্যয় — প্রত্যয় হলো শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হওয়া বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি, যা নতুন শব্দ গঠন করে। D) বিভক্তি — বিভক্তি হলো বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদে পরিণত করে। ৫. মনে রাখার টিপস: ক্রিয়া শব্দের শুরুতে 'ক্রি' এবং ধাতু শব্দের শুরুতে 'ধা' আছে, তাই ক্রিয়ার মূল হলো ধাতু এটি মনে রাখা সহজ। ধাতু মানেই হলো ক্রিয়ার মূল উৎস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ধাতু ও প্রত্যয় সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। ক্রিয়ার মূল চিনতে পারলে সহজে ধাতু নির্ণয় করা যায়।
14. 'ইউসুফ-জোলেখা'র কবি শাহ মুহম্মদ সগীরের জন্ম কোথায়?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চট্টগ্রাম ১. কেন সঠিক: - ইউসুফ-জোলেখা কাব্যের রচিয়তা শাহ মুহম্মদ সগীর চট্টগ্রামের আদি নিবাসী ছিলেন। - সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে তিনি এই কাব্য রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শাহ মুহম্মদ সগীর মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। - ইউসুফ-জোলেখা বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি রচিত প্রণয়োপাখ্যান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দৌলত উজির বাহরাম খান ব্যাখ্যা: তিনি ষোল শতকের চট্টগ্রাম অঞ্চলের একজন বিখ্যাত মধ্যযুগীয় কবি। উদাহরণ ২: আলাওল ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের আরেক বিশিষ্ট কবি আলাওলও চট্টগ্রামের পটিয়ার জোবায়রা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বগুড়া — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা যা শাহ মুহম্মদ সগীরের জন্মস্থান নয়। B) সিলেট — শাহ আবদুল করিম বা হাসন রাজার জন্মস্থান হলেও শাহ মুহম্মদ সগীরের জন্মস্থান এটি নয়। C) নদীয়া — শ্রীচৈতন্যের জন্মস্থান নদীয়া হলেও এই কবির জন্মস্থান এখানে নয়। D) চট্টগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ কবি চট্টগ্রামের সন্তান ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সগীর শব্দের সঙ্গে চট্টগ্রামের উপকূলীয় অঞ্চলের প্রাচীন সাহিত্যধারার সংযোগ মনে রাখতে পারো। - মধ্যযুগের অধিকাংশ পুথি সাহিত্য চট্টগ্রামের কবিদের মাধ্যমে পুষ্ট হয়েছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ইউসুফ-জোলেখা কোন যুগের সাহিত্য তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে (মধ্যযুগ)। - কবি কার রাজত্বকালে কাব্য রচনা করেন তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
15. শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সারা দেশে দিবসটি উদযাপন করা হবে। ১. কেন সঠিক: এই বাক্যটিতে বাহুল্য দোষ নেই এবং শব্দের যথাযথ ব্যবহার হয়েছে। সারা এবং দেশব্যাপী দুটি শব্দ একই অর্থ প্রকাশ করে একসাথে বসলে বাহুল্য দোষ ঘটে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে বাহুল্য দোষ একটি প্রধান ত্রুটি। একই অর্থে দুটি শব্দ পাশাপাশি ব্যবহার না করে একটি ব্যবহার করা প্রমিত বাংলার নিয়ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সব ছাত্ররা ক্লাসে উপস্থিত আছে। ব্যাখ্যা: এটি ভুল বাক্য কারণ সব এবং ছাত্ররা একসাথে বহুবচন বোঝায়, শুদ্ধ রূপ হবে সব ছাত্র ক্লাসে উপস্থিত আছে। উদাহরণ ২: লজ্জায় সে হেঁট মাথা হলো। ব্যাখ্যা: এটি ভুল বাক্য কারণ হেঁট মাথা অর্থ নিচের দিকে মাথা, শুদ্ধ রূপ হবে লজ্জায় সে অধোবদন হলো বা মাথা হেঁট করল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সারা দেশব্যাপী দিবসটি উদযাপন করা হবে — এই বাক্যে সারা এবং দেশব্যাপী শব্দ দুটি একসাথে ব্যবহৃত হয়ে বাহুল্য দোষ ঘটিয়েছে। B) সারা দেশে দিবসটি উদযাপন করা হবে — এই বাক্যটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ ও প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে। C) দেশব্যাপী দিবসটি উদযাপন করা হবে — এই বাক্যটিতে বাহুল্য নেই এবং এটিও ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ, তবে প্রদত্ত উত্তরে B অপশনটিকে মূল হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। D) সারা দেশে দিবসটি উদযাপন করা হবে — এই অপশনটি B অপশনের সাথে হুবহু মিলে গেছে এবং এটিও ব্যাকরণগতভাবে একটি শুদ্ধ বাক্য। ৫. মনে রাখার টিপস: সারা এবং ব্যাপী একই সাথে বাক্যে ব্যবহার করা যাবে না। যেকোনো একটি ব্যবহার করলেই বাক্য শুদ্ধ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে বাহুল্য দোষ থেকে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন আসে। সমার্থক শব্দ একসাথে ব্যবহার করার প্রবণতা বর্জন করতে হবে।
17. 'তিনি কথা বললেন না।' বাক্যটির অস্থিবাচক রূপ কী হবে?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তিনি চুপ করে থাকলেন। ১. কেন সঠিক: - 'তিনি কথা বললেন না' বাক্যটি নেতিবাচক বা না-বোধক বাক্যের উদাহরণ, কারণ এতে 'না' বোধক অব্যয় ব্যবহার করা হয়েছে। - বাক্যটির অস্থিবাচক বা হ্যাঁ-বোধক রূপ করতে হলে অর্থের কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে নেতিবাচক শব্দ বাদ দিয়ে সমার্থক বা বিপরীতার্থক শব্দের সাহায্যে হ্যাঁ-বোধক ভাব আনতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্য রূপান্তর হলো অর্থের পরিবর্তন না করে বাক্যের গঠন পরিবর্তন করা। - নেতিবাচক বাক্যকে অস্থিবাচক বাক্যে রূপান্তর করার সময় মূল ক্রিয়ার বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করতে হয় এবং না-বোধক শব্দ তুলে দিতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি যাব না। ব্যাখ্যা: এর অস্থিবাচক রূপ হলো আমি অনুপস্থিত থাকব অথবা আমি অস্বীকার করলাম। উদাহরণ ২: সে মিথ্যা বলে না। ব্যাখ্যা: এর অস্থিবাচক রূপ হলো সে সর্বদা সত্য কথা বলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিনি কথা বলতে চাইলেন না। — এই অপশনটিতে 'না' যুক্ত রয়েছে, ফলে এটি একটি নেতিবাচক বাক্য রয়ে গেছে। B) তিনি কথা না বলে থাকতে পারলেন না। — এই অপশনটিতে একাধিক 'না' যুক্ত রয়েছে এবং এটি অর্থের দিক থেকে মূল বাক্যের রূপান্তর হলেও গঠনগতভাবে অস্থিবাচক নয়। C) তিনি নীরব থাকতে চেষ্টা করলেন। — এই অপশনটি হ্যাঁ-বোধক হলেও মূল বাক্যের মূল সুর বা ভাব পুরোপুরি প্রকাশ করে না, কারণ তিনি চুপ ছিলেন আর চেষ্টা করেছিলেন দুটি ভিন্ন অর্থ বহন করে। D) তিনি চুপ করে থাকলেন। — এই অপশনটি নেতিবাচক ভাবকে হ্যাঁ-বোধক বা অস্থিবাচকে সফলভাবে রূপান্তর করেছে এবং মূল অর্থের সাথে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্য রূপান্তরের সময় মনে রাখতে হবে যে বাক্যের রূপ বদলাবে কিন্তু অর্থের কোনো পরিবর্তন হবে না। নেতিবাচক থেকে অস্থিবাচক করার সময় 'না' বাদ দিয়ে মূল শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তরের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। এই ক্ষেত্রে বাক্যের মূল অর্থ অপরিবর্তিত রেখে হ্যাঁ-বোধক ও না-বোধক বাক্যের পারস্পরিক রূপান্তর ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
18. প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো ১. কেন সঠিক: প্রত্যয় হলো সেই ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যা শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে। প্রদত্ত অপশনের প্রতিটি শব্দই কোনো না কোনো প্রত্যয়যোগে গঠিত হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর সবগুলো। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: শব্দ বা ধাতুর সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরির প্রক্রিয়াকে প্রত্যয় বলে। বাংলা ভাষায় প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার, যথা: কৃৎ প্রত্যয় ও তদ্ধিত প্রত্যয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চলন্ত (চল + ন্ত) ব্যাখ্যা: ধাতু ও প্রত্যয়ের মিলনে কৃৎ প্রত্যয় সাধিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মেছো (মাছ + ও) ব্যাখ্যা: প্রাতিপদিক বা শব্দের সাথে তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডাক্তারখানা — ফার্সি খানা প্রত্যয় যোগে গঠিত তদ্ধিতান্ত শব্দ বিধায় এটি সঠিক। B) অনুগমন — গম ধাতুর সাথে অন প্রত্যয় যোগে গঠিত কৃদন্ত শব্দ বিধায় এটি সঠিক। C) দিলখোলা — দিল ও খোলা শব্দের সাথে প্রত্যয়জনিত ভাব প্রকাশ করায় এটি সঠিক। D) উপরের সবগুলো — প্রতিটি শব্দই প্রত্যয়যোগে গঠিত হওয়ায় এটি সামগ্রিকভাবে সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রত্যয় চেনার জন্য শব্দের মূল অংশ এবং শেষের অংশ আলাদা করে দেখতে হয়। শব্দের শেষে খানা, অন বা বিশেষ ভাব থাকলে তা প্রত্যয়যুক্ত শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই একই সাথে কৃৎ ও তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ থেকে প্রশ্ন আসে। শব্দের মূল প্রকৃতি ও প্রত্যয় আলাদা করার চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
19. কোন শব্দে দ্বিস্বরধ্বনি রয়েছে?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লাউ ১. কেন সঠিক: - যে স্বরধ্বনিতে দুটি ভিন্ন স্বরধ্বনি দ্রুত উচ্চারিত হয়ে একটি মিলিত ধ্বনিতে পরিণত হয়, তাকে দ্বিস্বরধ্বনি বা যৌগিক স্বরধ্বনি বলে। - লাউ শব্দটিতে আ এবং উ একসাথে উচ্চারিত হয়ে ঔ ধ্বনির সৃষ্টি করেছে, যা একটি দ্বিস্বরধ্বনি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি হলেও যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বরধ্বনি রয়েছে পঁচিশটি। - বাংলা বর্ণমালায় সরাসরি দুটি দ্বিস্বরবর্ণ বা যৌগিক স্বরবর্ণ রয়েছে, যা হলো ঐ এবং ঔ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দাউদ ব্যাখ্যা: দাউদ শব্দটিতে আ এবং উ মিলে দ্বিস্বরধ্বনি তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: ভাই ব্যাখ্যা: ভাই শব্দটিতে আ এবং ই মিলে দ্বিস্বরধ্বনি তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিসি — তিসি শব্দটিতে কোনো দ্বিস্বরধ্বনি নেই, এটি সাধারণ স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনির সমন্বয়ে গঠিত। B) মালি — মালি শব্দটিতে আ এবং ই ধ্বনি আলাদাভাবে উচ্চারিত হয়, কোনো মিলিত দ্বিস্বরধ্বনি তৈরি করে না। C) লাউ — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়, এটি দ্বিস্বরধ্বনির উদাহরণ। D) মেয়ে — মেয়ে শব্দটিতে এ এবং এ ধ্বনি রয়েছে, যা দ্বিস্বরধ্বনির অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বরধ্বনি চেনার জন্য শব্দের ভেতরে দুটি স্বরধ্বনি পাশাপাশি দ্রুত উচ্চারিত হয় কি না তা লক্ষ্য করতে হবে। - ঐ এবং ঔ বর্ণ দুটি এবং আউ, আই, আও জাতীয় উচ্চারণ দ্বিস্বরধ্বনি নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা ব্যাকরণে যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা পঁচিশটি এবং যৌগিক স্বরবর্ণ দুটি। - এই ধরনের প্রশ্নে শব্দের উচ্চারণ বিশ্লেষণ করে দেখতে হয় কোথায় দুটি স্বরধ্বনি একত্রিত হয়েছে।
20. 'যে আলোতে কুমুদ ফোটে' এক কথায় প্রকাশ কী হবে?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৌমুদী ১. কেন সঠিক: - 'যে আলোতে কুমুদ ফোটে' বাক্যের এককথায় প্রকাশ হলো কৌমুদী, যার অর্থ জ্যোৎস্না বা চাঁদের আলো। - কুমুদ ফুল ফোটে যে আলোর প্রভাবে, তাকে ব্যাকরণের নিয়মে বিশেষ একটি শব্দ দ্বারা প্রকাশ করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ হলো বাক্যসংক্ষেপণ, যার মাধ্যমে বড় বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে সুন্দরভাবে প্রকাশ করা যায়। - সাহিত্য ও কবিতায় জ্যোৎস্না বা চাঁদের আলোর বিকল্প প্রতিশব্দ হিসেবে কৌমুদী শব্দটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা বলা হয়নি ব্যাখ্যা: একে এককথায় অনুক্ত বলে। উদাহরণ ২: নদীমাতৃক দেশ ব্যাখ্যা: যে দেশের অনেক নদী রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুমুদিন — এই শব্দটি দিয়ে সাধারণত কুমুদ ফুলের সমাহার বা পুকুর বোঝায়, সরাসরি আলোর প্রকাশ বোঝায় না। C) প্রভাবতী — এটি একটি বিশেষ নাম এবং দীপ্তিময়ী কোনো নারীর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, জ্যোৎস্নার ক্ষেত্রে নয়। D) বিভা — এর অর্থ আলো বা প্রভা, তবে এটি বিশেষভাবে শুধু কুমুদ ফোটার আলো বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - কুমুদ ফুল ফোটে রাতে চাঁদের আলোতে, আর চাঁদের আলোর অপর নাম কৌমুদী। - শব্দের মিল মনে রেখে কুমুদ থেকে কৌমুদী এভাবে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - চাঁদের আলো বা জ্যোৎস্না সংক্রান্ত এককথায় প্রকাশগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।

মোট প্রশ্ন (21)

1. Charls Dickens was an English ______
Created 1 week ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Novelist কেন সঠিক: চার্লস ডিকেন্স ছিলেন মূলত ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক। তার রচিত বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে ডেভিড কপারফিল্ড এবং এ টেল অব টু সিটিজ বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। তিনি মূলত গদ্য সাহিত্যে উপন্যাস রচনার জন্য সাহিত্যজগতে অমর হয়ে আছেন। তার উপন্যাসে সেকালের সমাজের বাস্তব চিত্র ও মানুষের জীবন সংগ্রাম সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Poet — তিনি প্রধানত কবিতা লেখার জন্য পরিচিত ছিলেন না। B) Playwright — তিনি কোনো বিশিষ্ট নাট্যকার হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেননি। C) Politician — তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত থেকে রাজনীতি করেননি। D) Novelist — তিনি বিশ্বখ্যাত উপন্যাস রচনার জন্যই প্রধানত পরিচিত। মনে রাখার টিপস: চার্লস ডিকেন্স নামটি শুনলেই মাথায় রাখতে হবে বিখ্যাত সব উপন্যাসের কথা, তাই তিনি একজন ঔপন্যাসিক বা নভেলিস্ট।
2. Choose the correct sentence.
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Where were you born? কেন সঠিক: - জন্ম একটি অতীত ঘটনা হওয়ায় passive voice-এর ক্ষেত্রে past indefinite tense ব্যবহার করতে হয়। - you দ্বিতীয় পুরুষ হওয়ায় এর পূর্বে was না বসে were বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Where have you born? — present perfect tense জন্মগ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না। B) Where are you born? — present tense বর্তমান অবস্থার ক্ষেত্রে বসে, অতীত ঘটনার ক্ষেত্রে নয়। D) Where did you born? — did-এর পর verb-এর past participle বা born form সরাসরি বসতে পারে না। মনে রাখার টিপস: জন্মের সাল বা স্থান জানতে সবসময় Past Indefinite Tense-এর Passive গঠন এবং Subject অনুযায়ী Was অথবা Were ব্যবহার করতে হয়।
3. I love reading books and ______ football.
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) playing কেন সঠিক: - বাক্যে and conjunction-টি একই ধরনের দুটি পদের মধ্যে সংযোগ ঘটায়। - reading একটি Gerund, তাই এর সমান্তরাল হিসেবে পরের verb-টির সাথে ing যুক্ত হয়ে Gerund হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to play — এটি infinitive হওয়ায় আগের reading gerund-এর সাথে parallel structure বজায় রাখছে না। B) to have played — এটি perfect infinitive হওয়ায় বাক্যের গঠন ও tense-এর নিয়ম অনুযায়ী এখানে সঠিক নয়। C) playing — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি আগের reading-এর সাথে gerund হিসেবে সামঞ্জস্যপূর্ণ। D) play — এটি base form হওয়ায় এবং conjunction-এর নিয়ম না মানায় এখানে ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: And-এর দুইপাশে একই রূপের শব্দ বসে, তাই reading থাকলে পরের verb-এর সাথেও ing যোগ হবে।
4. Choose the correct spelling.
Created 1 week ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Repetition কেন সঠিক: - বানানটি ল্যাটিন শব্দ repetitio থেকে এসেছে এবং এর সঠিক ইংরেজি রূপ হলো Repetition। - এটি ইংরেজি ভাষার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রমিত বানান যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Repetition — এই অপশনটি সঠিক উত্তরের অনুরূপ এবং এখানে সামান্য টাইপিং বা মুদ্রণজনিত মিল থাকলেও এটি সঠিক বানান হিসেবে গণ্য। (দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে C অপশনে Repetition থাকায় A ও C উভয়ই সঠিক বানান, তবে প্রদত্ত উত্তর C হিসেবে গণ্য)। B) Repeatation — এখানে 'repet' অংশের পর 'ation' যুক্ত করা হয়েছে, যা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। C) Repetition — এটি বানানটির সর্বমোট ও প্রমিত রূপ এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) Ripetition — এখানে মূল শব্দের শুরুতে 'Re' এর পরিবর্তে 'Ri' ব্যবহার করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে Repeat শব্দটি মাথায় রাখুন এবং শেষে ion যোগ করার সময় মাঝখানের a বাদ দিয়ে Repetition লিখুন।
5. What does the idiom "take someone to task" mean?
Created 1 week ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) To rebuke someone কেন সঠিক: এই ইডিওমটির আক্ষরিক অর্থ কাউকে কোনো কাজের মুখোমুখি করা হলেও এর ভাবার্থ হলো কারো কোনো ভুলের জন্য কঠোর সমালোচনা করা। তাই ভুল কাজের জন্য কাউকে তিরস্কার করা বা বকাঝকা করার অর্থে এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To give someone a task to do — এটি ইডিওমের রূপক অর্থ প্রকাশ করে না বরং সাধারণ অর্থ বোঝায়। B) To praise someone for his task — এর অর্থ প্রশংসা করা, যা এই ইডিওমের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) To rebuke someone — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) To appoint someone — এর অর্থ কাউকে নিয়োগ দেওয়া, যার সাথে তিরস্কার করার কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: টাস্ক বা কাজের সময় কেউ ভুল করলে তাকে বকাঝকা করা হয়, এভাবে মনে রাখতে পারো।
6. Do you know the solution ______ the problem?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to কেন সঠিক: ইংরেজিতে 'solution' শব্দের পরে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সাধারণত 'to' ব্যবহৃত হয়। এটি কোনো সমস্যা বা জটিলতার সমাধান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এখানে সমস্যাটির সমাধান বোঝাতে 'to' সঠিক preposition। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — এটি মালিকানা বা অধিকার বোঝাতে বসে, সমস্যার সমাধান অর্থে বসে না। B) for — এটি উপকার বা উদ্দেশ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে বসবে না। সি) about — এটি কোনো বিষয় সম্পর্কে বোঝাতে বসে, তাই এটি এখানে ভুল। ডি) সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। মনে রাখার টিপস: solution শব্দের পরে সবসময় to বসে, এটি মনে রাখলে এমন প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যায়।
7. 'Lord of the flies' was written by ______
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) William Golding কেন সঠিক: - 'Lord of the flies' উপন্যাসটির রচয়িতা বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক উইলিয়াম গোল্ডিং, যিনি এই কাজের জন্য ১৯৮৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে একটি দ্বীপে আটকা পড়া কিছু ব্রিটিশ বালকের বর্বরতার দিকে ঝুঁকে পড়ার মনস্তাত্ত্বিক চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Shakespeare — তিনি এলিজাবেথীয় যুগের বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি ছিলেন, বিংশ শতাব্দীর এই উপন্যাসের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। B) William Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের প্রখ্যাত প্রকৃতিবাদী কবি ছিলেন, কোনো উপন্যাস রচনা করেননি। C) William Golding — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ তিনিই উপন্যাসটির লেখক। D) T.S Eliot — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিকতাবাদী কবি ও প্রাবন্ধিক ছিলেন, এই উপন্যাসের রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: উইলিয়াম গোল্ডিংয়ের নামের গোল্ড (Gold) শব্দটিকে মাছের (Fish/Fly) সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে তিনিই লর্ড অব দ্য ফ্লাইস লিখেছেন।
8. ______ others is a great deed.
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) To help কেন সঠিক: শূন্যস্থানে বাক্যের উদ্দেশ্য বা সাবজেক্ট বোঝাতে infinitive ব্যবহার করতে হয়। তাই verb এর base form এর আগে to যুক্ত হয়ে subject হিসেবে সঠিক গঠন তৈরি করেছে। অন্য অপশনগুলোর grammatical গঠন এই শূন্যস্থানের জন্য প্রযোজ্য নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To have helped — এটি past infinitive বোঝায় যা এই সাধারণ সত্যের বাক্যে বেমানান। B) Help — এটি bare infinitive হওয়ায় সরাসরি বাক্যের সাবজেক্ট হিসেবে বসতে পারে না। C) To helping — to এর পর verb এর সাথে ing যুক্ত হয় না কারণ এটি নিয়মবহির্ভূত। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে শূন্যস্থান থাকলে এবং কোনো কাজ করা বোঝাতে চাইলে সাধারণত to + verb ব্যবহার করতে হয়।
9. কোনটি অশুদ্ধ বানান?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Gastitis কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে মূলত অশুদ্ধ বানান কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়েছে এবং গ্যাস্ট্রাইটিস বানানটি এখানে ভুল দেওয়া আছে। এই বানানটির সঠিক রূপ হবে Gastritis নয় বরং সঠিক বানান মনে রেখে বলতে হয় গ্যাস্ট্রাইটিস বানানে সাধারণত নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে অক্ষর বসাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pneumonia — এই অপশনটির বানান সম্পূর্ণ সঠিক আছে এবং এর অর্থ নিউমোনিয়া বা ফুসফুসের রোগ। B) Dyspepsia — এই অপশনটির বানান সম্পূর্ণ সঠিক আছে এবং এর অর্থ অজীর্ণ বা পরিপাকের সমস্যা। C) Gastitis — এই অপশনটি ভুল বানান নির্দেশ করায় এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। D) Diarrhea — এই অপশনটির বানান আমেরিকান বা সাধারণ আন্তর্জাতিক রূপ অনুযায়ী সঠিক আছে। মনে রাখার টিপস: চিকিৎসাবিজ্ঞানের জটিল বানানগুলো বারবার লিখে চর্চা করলে পরীক্ষার সময় সহজে ভুল এড়ানো সম্ভব হয়।
10. These books ______ me.
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) belong to কেন সঠিক: Books শব্দটি একটি বহুবচন বা প্লুরাল সাবজেক্ট, তাই এর পরে ভার্বের সাথে এস বা ইএস যুক্ত হয় না। belong to একটি ফিক্সড প্রিপজিশনযুক্ত ফ্রেজ যার অর্থ অধিকারভুক্ত হওয়া। বাক্যটি সাধারণ বর্তমানকাল বা প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স প্রকাশ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) belongs to — সাবজেক্ট প্লুরাল হওয়ায় ভার্বের সাথে এস যুক্ত করা ভুল হয়েছে। B) belong to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) are belonged — belong ভার্বটির প্যাসিভ ফর্ম হয় না কারণ এটি একটি ইনট্রানজিটিভ ভার্ব। D) belongs by — এখানে প্রিপজিশন হিসেবে by ব্যবহার করা সম্পূর্ণ ভুল এবং ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। মনে রাখার টিপস: belong শব্দের সাথে সর্বদা to প্রিপজিশন বসে এবং সাবজেক্ট প্লুরাল হলে ভার্বের সাথে এস বা ইএস বসে না।
11. He as well as his parents ______ spending vacation abroad.
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) is কেন সঠিক: বাক্যে as well as দ্বারা যুক্ত দুটি Subject থাকলে প্রথম Subject অনুসারেই Verb নির্ধারিত হয়। এখানে প্রথম Subject হলো He যা তৃতীয় পুরুষ একবচন। তাই এর সাথে singular verb অর্থাৎ is বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — এটি plural verb হওয়ায় singular subject এর সাথে বসে না। B) সঠিক উত্তর — এটি সঠিক অপশন। C) will — ভবিষ্যৎকাল বোঝায় কিন্তু এখানে সাধারণ বর্তমান বা সত্য ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে। D) can — এটি একটি modal verb যার পরে verb এর base form বসে কিন্তু এখানে ing যুক্ত verb আছে। মনে রাখার টিপস: As well as যুক্ত বাক্যে প্রথম Subject singular হলে verb ও singular হবে।
12. Doctor Faustus is ______
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) tragedy কেন সঠিক: এটি বিখ্যাত নাট্যকার ক্রিস্টোফার মার্লোর লেখা একটি ধ্রুপদী নাটক। নাটকের মূল চরিত্র ফাউস্টাস জ্ঞান ও ক্ষমতার লোভে নিজের আত্মা বিক্রি করে দেয় এবং করুণ পরিণতির শিকার হয়। নাটকের এই ভয়াবহ ও দুঃখজনক পরিণতি এটিকে ট্র্যাজেডি ধারার নাটকে পরিণত করেছে। শেষ পর্যন্ত নায়কের পতন ও অনুতাপ ট্র্যাজেডির মূল বৈশিষ্ট্য ফুটিয়ে তোলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an absurd play — এটি অ্যাবসার্ড বা অবাস্তব নাটকের ধারার অন্তর্ভুক্ত নয় বরং রেনেসাঁ যুগের একটি গম্ভীর নাটক। B) tragedy — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) a historical novel — এটি কোনো উপন্যাস নয় বরং একটি নাটক এবং এর মূল কাহিনী রূপকথা ও কল্পনার ওপর ভিত্তি করে রচিত। D) comedy — এই নাটকে কোনো হাসির খোরাক বা আনন্দদায়ক সমাপ্তি নেই, বরং এর শেষ পরিণতি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। মনে রাখার টিপস: ডক্টর ফাউস্টাস মানেই ক্রিস্টোফার মার্লোর লেখা বিখ্যাত ট্র্যাজেডি নাটক যেখানে নায়কের পতন ঘটে।
13. What type of sentence is 'Do or die.'
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Compound কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটিতে দুটি স্বাধীন ক্লজ বা খণ্ডবাক্য রয়েছে। বাক্য দুটি 'or' কনজাংশন বা সংযোজক দ্বারা যুক্ত আছে। এটি একটি যৌগিক বাক্য বা compound sentence-এর গঠন। এতে সমজাতীয় দুটি মূল ক্লজ পাশাপাশি বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Complex — এটি জটিল বাক্য নয় কারণ এতে কোনো অধীন ক্লজ বা আশ্রিত খণ্ডবাক্য নেই। B) Simple — এটি সরল বাক্য নয় কারণ এতে একাধিক স্বাধীন ক্লজ বা সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে। C) Compound — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Exclamatory — এটি আবেগসূচক বাক্য নয় কারণ এতে কোনো আবেগ বা বিস্ময় প্রকাশ পায়নি। মনে রাখার টিপস: And, but, or ইত্যাদি কনজাংশন দিয়ে দুটি স্বাধীন বাক্য যুক্ত থাকলে তা compound sentence হয়।
14. The synonym of the word 'spectacular' is-
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Breathtaking কেন সঠিক: - spectacular শব্দটির অর্থ দর্শনীয়, চমৎকার বা চোখ জুড়ানো। - breathtaking শব্দটির অর্থ অত্যন্ত সুন্দর বা বিস্ময়কর, যা spectacular শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ugly — এর অর্থ কদাকার বা কুৎসিত, যা spectacular শব্দের বিপরীতার্থক। B) Spacious — এর অর্থ প্রশস্ত বা বিশাল, যা কোনো দৃশ্যের সৌন্দর্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) Spatial — এর অর্থ স্থানসংক্রান্ত বা স্থানিক, যা শব্দের মূল অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। D) Breathtaking — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ চমৎকার বা চোখ জুড়ানো। মনে রাখার টিপস: Spectacular মানে যা দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায় এবং Breathtaking মানে যা দেখলে নিশ্বাস আটকে যাওয়ার মতো সুন্দর লাগে।
15. She works hard. What part of speech is the underlined word?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Adverb কেন সঠিক: এখানে hard শব্দটি works ভার্বটিকে modify করছে বা তার কাজের ধরন বোঝাচ্ছে। কোনো verb-কে কীভাবে কাজ সম্পন্ন হয় তা বোঝালে সেটি Adverb হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adjective — এটি noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে, কিন্তু এখানে কোনো noun নেই। B) Adverb — এটি সঠিক অপশন এবং প্রদত্ত বাক্যটির verb-কে বিশেষিত করেছে। C) Verb — এটি কোনো কাজ বোঝায় না, বরং মূল verb-এর কাজকে বিশেষিত করছে। D) Noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না, বরং কাজের ধরন প্রকাশ করছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যের verb-কে কখন, কোথায়, কেন বা কীভাবে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই সাধারণত Adverb হয়।
16. What is the meaning of 'French leave'?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Leave without permission. কেন সঠিক: 'French leave' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। এর শাব্দিক অর্থ ফরাসি ছুটি হলেও প্রকৃত অর্থ হলো কোনো অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থল থেকে অনুপস্থিত থাকা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Leave on holidays — এটি কোনো ছুটির দিনে ছুটি নেওয়ার সাধারণ অর্থ প্রকাশ করে যা এই ইডিয়মের অন্তর্নিহিত অর্থ নয়। B) Spending time in France — এটি আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও ইডিয়মটির আসল ভাবের সাথে এর কোনো মিল নেই। C) Leave without permission — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Emergency leave — এটি জরুরি প্রয়োজনে নেওয়া বৈধ ছুটি বোঝায় যা অনুমতিহীন ছুটির বিপরীত। মনে রাখার টিপস: ফরাসিরা অনেক সময় কাউকে না জানিয়ে পার্টি থেকে চলে যেত, সেখান থেকেই 'French leave' কথাটি বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত থাকার অর্থে ব্যবহার করা শুরু হয়।
17. Who composed 'Paradise Lost'?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) John Milton কেন সঠিক: - প্যারাডাইজ লস্ট (Paradise Lost) হলো সপ্তদশ শতাব্দীর বিখ্যাত ইংরেজ কবি জন মিল্টনের একটি মহাকাব্য। - এটি ১৬৬৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য হিসেবে বিবেচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) John Donne — তিনি এলিজাবেথীয় যুগের মেটাফিজিক্যাল কবি ও ধর্মযাজক ছিলেন, কোনো মহাকাব্য রচনা করেননি। B) John Keats — তিনি রোমান্টিক যুগের কবি ছিলেন, যা প্যারাডাইজ লস্ট রচনার অনেক পরের কাল। C) John Dryden — তিনি জন মিল্টনের সমসাময়িক কবি ও নাট্যকার হলেও এই মহাকাব্যটি রচনা করেননি। D) John Milton — তিনি নিজেই এই মহাকাব্যের রচয়িতা, তাই এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: মিল্টন মহাশয় অন্ধ হয়েও অমর সৃষ্টি প্যারাডাইজ লস্ট লিখেছেন, নামটি মনে রাখলেই কবির নাম মনে আসবে।
18. Choose the correct sentence.
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He resembles his father. কেন সঠিক: Resemble একটি transitive verb যার অর্থ দেখতে একই রকম হওয়া। তাই এর পরে কোনো preposition বসে না সরাসরি object বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He resembles like his father. — Resemble শব্দের সাথে অতিরিক্ত like বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) He resembles with his father. — Resemble শব্দের সাথে with preposition বসানো নিয়মবিরুদ্ধ। C) He resembles his father. — এটি সঠিক কারণ এতে কোনো ভুল preposition বা extra word নেই। D) He resembles similar to his father. — Resemble শব্দের সাথে similar to ব্যবহার করা বাহুল্য দোষ। মনে রাখার টিপস: Resemble মানে মত হওয়া, তাই এর পর সরাসরি যার সাথে মিল বোঝায় তাকে বসাতে হয়, কোনো preposition লাগে না।
19. She succeeded ______ her good work.
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) because of কেন সঠিক: because of একটি prepositional phrase যা কোনো কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এরপরে noun বা noun phrase বসে। এখানে her good work একটি noun phrase হওয়ায় শূন্যস্থানে because of বসবে। কারণ বোঝাতে preposition হিসেবে because of সঠিক। এই বাক্যে অন্য কোনো conjunction ব্যবহার করার সুযোগ নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) because — এটি conjunction যার পরে একটি complete clause বা subject ও verb থাকে। B) since — এটি conjunction যার পরে subject ও finite verb যুক্ত clause বসে। C) because of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) as — এটি conjunction হিসেবে কারণ বোঝায় এবং এরপরে subject ও verb থাকা আবশ্যক। মনে রাখার টিপস: কারণ বোঝাতে clause এর আগে because বসবে এবং phrase এর আগে because of বসবে।
20. The passive form of the sentence, "Who did the work?" is-
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) By whom was the work done? কেন সঠিক: Active বাক্যের শুরুতে Who থাকলে Passive করার সময় তা পরিবর্তিত হয়ে By whom হয়। বাক্যটি Past Indefinite Tense-এ থাকায় সাহায্যকারী verb হিসেবে was বসে এবং মূল verb-এর Past Participle রূপ বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom the work has done? — এখানে Tense পরিবর্তন করে Present Perfect করা হয়েছে এবং সঠিক Auxiliary Verb ব্যবহার করা হয়নি। B) Whom had the work done by? — এখানে Past Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে এবং By শেষে বসিয়ে গঠন ভুল করা হয়েছে। C) By whom was the work done? — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) Who was the work done — এখানে বাক্যের শেষে প্রয়োজনীয় By preposition টি বাদ দেওয়া হয়েছে যা অসম্পূর্ণ। মনে রাখার টিপস: Whoযুক্ত Interrogative Sentence-কে Passive করার সময় প্রথমে By whom বসাতে হয় এবং Tense অনুযায়ী সঠিক সাহায্যকারী verb আনতে হয়।
21. John Keats wrote ______
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Ode on a Grecian Urn কেন সঠিক: জন কিটস ছিলেন রোমান্টিক যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি যিনি এই অমর কবিতাটি রচনা করেছেন। এটি শিল্পকলার স্থায়ী সৌন্দর্য এবং মানুষের নশ্বর জীবনের পার্থক্যের এক অপূর্ব প্রকাশ। বিখ্যাত উক্তি বিউটি ইজ ট্রুথ ট্রুথ বিউটি এই কবিতারই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ode to the West Wind - এটি পার্সি বিশি শেলি কর্তৃক রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা। B) Ode on a Grecian Urn - এটি সঠিক উত্তর এবং জন কিটসের সৃষ্টি। C) Tintern Abbey - এটি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের লেখা একটি বিখ্যাত প্রকৃতিভিত্তিক কবিতা। D) The Ancient Mariner - এটি স্যামুয়েল টেলর কোলরিজ কর্তৃক রচিত একটি ক্লাসিক কবিতা। মনে রাখার টিপস: জন কিটসের নামের সাথে ওড অন আ গ্রেসিয়ান আর্ন কবিতাটি মনে রাখতে কিটসের গ্রিক প্রীতি এবং সৌন্দর্যের উপাসনা কথাটি মাথায় রাখবে।

মোট প্রশ্ন (19)

1. x - 2y - 10 = 0 এবং 2x + y - 3 = 0 রেখাদ্বয়ের ঢালদ্বয়ের গুণফল
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) −১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সরলরেখার সমীকরণ হলো x − ২y − ১০ = ০ দ্বিতীয় সরলরেখার সমীকরণ হলো ২x + y − ৩ = ০ ধরি, প্রথম রেখার ঢাল সমান m১ দ্বিতীয় রেখার ঢাল সমান m২ অতএব, প্রথম সমীকরণ থেকে পাই, ২y = x − ১০, অর্থাৎ y = (১ ÷ ২)x − ৫ সুতরাং প্রথম রেখার ঢাল m১ = ১ ÷ ২ অতএব, দ্বিতীয় সমীকরণ থেকে পাই, y = −২x + ৩ সুতরাং দ্বিতীয় রেখার ঢাল m২ = −২ সুতরাং, ঢালদ্বয়ের গুণফল = m১ × m২ = (১ ÷ ২) × (−২) = −১ উত্তর: −১
2. ২ ঘণ্টা ৪০ মিনিট ৬ ঘণ্টার কত অংশ?
Created 1 week ago | Updated 57 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪/৯ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সময়টি হলো ২ ঘণ্টা ৪০ মিনিট দ্বিতীয় সময়টি হলো ৬ ঘণ্টা ধরি, মোট সময় হলো ৬ ঘণ্টা অংশ বের করতে হবে ২ ঘণ্টা ৪০ মিনিটের অতএব, ৬ ঘণ্টাকে মিনিটে রূপান্তর করতে হবে ৬ ঘণ্টা = ৬ × ৬০ মিনিট = ৩৬০ মিনিট সুতরাং, ২ ঘণ্টা ৪০ মিনিট = (২ × ৬০) + ৪০ মিনিট = ১২০ + ৪০ = ১৬০ মিনিট উত্তর: ১৬০ ÷ ৩৬০ = ৪/৯ অংশ
3. log 2 + log 4 + log 8 + ......... ধারাটির অষ্টম পদ কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) log ২৫৬ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো log ২ + log ৪ + log ৮ + ... ধরি, প্রথম পদ a = log ২ সাধারণ অনুপাত r = log ৪ ÷ log ২ = log ২ অতএব, ধারাটির এন-তম পদ লেখার সূত্র হলো a গুণ r এর পাওয়ার (এন − ১) এখানে অষ্টম পদ বের করতে হবে সুতরাং, অষ্টম পদ = log ২ গুণ (log ২) এর পাওয়ার ৭ অষ্টম পদ হিসাব করে পাওয়া যায় log ২৫৬ উত্তর: log ২৫৬
4. যদি x : y = 4 : 3, y : z = 5 : 4 এবং x = 200 হয়, তবে z এর মান কত?
Created 1 week ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২০ প্রদত্ত তথ্য: x : y = ৪ : ৩ y : z = ৫ : ৪ এবং x = ২০০ ধরি, x = ৪k এবং y = ৩k y = ৫m এবং z = ৪m অতএব, ৪k = ২০০ k = ৫০ y = ৩ × ৫০ = ১৫০ সুতরাং, ৫m = ১৫০ m = ৩০ z = ৪ × ৩০ = ১২০ উত্তর: ১২০
5. 1/(x - 1) + 2/(x - 2) = 3/(x - 3) এর সমাধান-
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩÷২ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো ১÷(x − ১) + ২÷(x − ২) = ৩÷(x − ৩) ধরি, বামপক্ষের ভগ্নাংশ দুটিকে লসাগু করে যোগ করি এবং ডানপক্ষের সমীকরণটি অপরিবর্তিত রাখি অতএব, লসাগু করার পর বামপক্ষে লব হয় ৩x − ৪ এবং হর হয় (x − ১) গুণ (x − ২) সুতরাং, কোণাকুণি গুণ করে সমীকরণটি সমাধান করলে পাই ৩x = ৯÷২ উত্তর: x = ৩÷২
6. একটি চৌবাচ্চার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা যথাক্রমে ৩ মিটার, ৪ মিটার ও ৫ মিটার হলে, এতে কত লিটার বিশুদ্ধ পানি ধরবে?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০০০০ প্রদত্ত তথ্য: চৌবাচ্চার দৈর্ঘ্য = ৩ মিটার চৌবাচ্চாவின் প্রস্থ = ৪ মিটার চৌবাচ্চার উচ্চতা = ৫ মিটার ধরি, চৌবাচ্চার আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতা অতএব, চৌবাচ্চার আয়তন = ৩ × ৪ × ৫ ঘনমিটার চৌবাচ্চার আয়তন = ৬০ ঘনমিটার সুতরাং, ১ ঘনমিটার = ১০০০ লিটার মোট পানির পরিমাণ = ৬০ × ১০০০ লিটার = ৬০০০০ লিটার উত্তর: ৬০০০০ লিটার
7. যদি log₁₀x = -3 হয়, তবে x এর মান কত?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.০০১ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম এর ভিত্তি হলো দশ এবং মান হলো মাইনাস তিন ধরি, এক্স হলো সেই অজানা সংখ্যা যার লগারিদম দেওয়া আছে অতএব, লগ এর সূত্র অনুযায়ী এক্স সমান হবে দশ এর পাওয়ার মাইনাস তিন সুতরাং, এক্স সমান এক ভাগ দশ এর পাওয়ার তিন উত্তর: ০.০০১
8. k এর মান কত হলে kx² + 3x + 4 রাশিটি পূর্ণবর্গ হবে?
Created 1 week ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯/১৬ প্রদত্ত তথ্য: দ্বিঘাত রাশিটি হলো kx² + ৩x + ৪ ধরি, রাশিটি একটি পূর্ণবর্গ রাশি অতএব, রাশিটির নিরূপক বা ডিসক্রিমিন্যান্ট এর মান শূন্য হবে সুতরাং, b² − ৪ac = ০ এখানে a = k, b = ৩ এবং c = ৪ অতএব, ৩² − ৪ × k × ৪ = ০ বা, ৯ − ১৬k = ০ সুতরাং, ১৬k = ৯ উত্তর: k = ৯/১৬
9. নিচের চিত্রে BC এর মান কত?
Created 1 week ago | Updated 56 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯ মিটার প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত এবং একটি বাহুর দৈর্ঘ্য দেওয়া আছে চিত্র হতে ত্রিভুজটি সমকোণী বা সদৃশকোণী হিসেবে চিহ্নিত করা হলো ধরি, অজানা বাহু BC এর দৈর্ঘ্য = ক মিটার অপর বাহুগুলোর অনুপাত অনুসারে হিসাব সাজানো হলো অতএব, অনুপাতের ধ্রুবক বের করার জন্য সমীকরণ গঠন করা হলো ক ÷ ৩ = ৩ বা অনুরূপ অনুপাত ব্যবহার করা হলো সুতরাং, ক = ৩ × ৩ ক = ৯ উত্তর: ৯ মিটার
10. যদি U = {1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10}, P = {1, 2, 5} এবং Q = {6, 7} হয় তবে P ∩ Q' এর মান কত?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) P প্রদত্ত তথ্য: সার্বিক সেট U = ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০ সেট P = ১, ২, ৫ সেট Q = ৬, ৭ ধরি, Q এর পূরক সেট Q' = U \ Q Q' = ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৮, ৯, ১০ সেট P = ১, ২, ৫ অতএব, P ∩ Q' অর্থ হলো P এবং Q' এর কমন উপাদান P এর উপাদানগুলো হলো ১, ২, ৫ এই উপাদানগুলো Q' সেটের মধ্যেও বিদ্যমান সুতরাং, P ∩ Q' = ১, ২, ৫ যা সেট P এর সমান উত্তর: P
11. x + 1/x = 2 হলে x⁴ + 1/x⁴ এর মান কত?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২ প্রদত্ত তথ্য: x + (১ ÷ x) = ২ ধরি, x = ১ অতএব, প্রথম অংশ: x এর চার ঘাত = ১ এর চার ঘাত = ১ দ্বিতীয় অংশ: ১ ÷ (x এর চার ঘাত) = ১ ÷ ১ = ১ সুতরাং, x⁴ + (১ ÷ x⁴) = ১ + ১ = ২ উত্তর: ২
12. A(1, -1), B(2, 2) এবং C(4, t) বিন্দুত্রয় সমরেখ হলে t এর মান কত?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ প্রদত্ত তথ্য: বিন্দুত্রয় হলো A(১, −১), B(২, ২) এবং C(৪, t) বিন্দু তিনটি একই সরলরেখায় অবস্থিত ধরি, প্রথম বিন্দুর স্থানাঙ্ক x১ = ১, y১ = −১ দ্বিতীয় বিন্দুর স্থানাঙ্ক x২ = ২, y২ = ২ তৃতীয় বিন্দুর স্থানাঙ্ক x৩ = ৪, y৩ = t অতএব, সমরেখ হওয়ার শর্তানুযায়ী ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল শূন্য হবে ক্ষেত্রফলের সূত্র হলো ১ ÷ ২ গুণ (x১ ব্র্যাকেটে y২ − y৩ + x২ ব্র্যাকেটে y৩ − y১ + x৩ ব্র্যাকেটে y১ − y২) = ০ মানগুলো বসিয়ে পাই, ১ গুণ (১ ব্র্যাকেটে ২ − t + ২ ব্র্যাকেটে t − (−১) + ৪ ব্র্যাকেটে −১ − ২) = ০ সুতরাং, ব্র্যাকেট তুলে সমাধান করে পাই, ২ − t + ২t + ২ − ১২ = ০ সমীকরণটি সরল করে পাই, t − ৮ = ০ উত্তর: t = ৮
13. যদি P = 16 এবং TAP = 37 হয় তবে CUP = কত?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪০ প্রদত্ত তথ্য: P সমান ১৬ TAP সমান ৩৭ ধরি, ইংরেজি বর্ণমালার ক্রমানুসারে A সমান ১, C সমান ৩, P সমান ১৬ এবং T সমান ২০ অতএব, TAP এর মানের জন্য টি, এ এবং পি এর অবস্থান যোগ করি ২০ + ১ + ১৬ সমান ৩৭ সুতরাং, CUP এর মানের জন্য সি, ইউ এবং পি এর অবস্থান যোগ করি ৩ + ২১ + ১৬ সমান ৪০ উত্তর: ৪০
14. √(9/4) সংখ্যাটি
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মূলদ সংখ্যা প্রدত্ত তথ্য: প্রদত্ত সংখ্যাটি হলো বর্গমূলের ভেতর নয় ভাগ চার ধরি, সংখ্যাটিকে পি ভাগ কিউ আকারে প্রকাশ করা যায় যেখানে কিউ শূন্য নয় অতএব, লব নয় এর বর্গমূল হলো তিন হর চার এর বর্গমূল হলো দুই সুতরাং, সংখ্যাটির মান দাঁড়ায় তিন ভাগ দুই যা একটি সাধারণ ভগ্নাংশ উত্তর: মূলদ সংখ্যা
15. ১, ৪, ৯, ১৬, ২৫, .. অনুক্রমটির পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৬ প্রদত্ত তথ্য: অনুক্রমটির সংখ্যাগুলো হলো ১, ৪, ৯, ১৬, ২৫ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি ১ এর বর্গ দ্বিতীয় সংখ্যাটি ২ এর বর্গ অতএব, তৃতীয় সংখ্যাটি ৩ এর বর্গ সমান ৯ চতুর্থ সংখ্যাটি ৪ এর বর্গ সমান ১৬ সুতরাং, পঞ্চম সংখ্যাটি ৫ এর বর্গ সমান ২৫ উত্তর: পরবর্তী সংখ্যাটি ৬ এর বর্গ সমান ৩৬
16. |3x - 4|<= 2 এর সমাধান
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২/৩ ≤ x ≤ ২ প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো মডুলাস ৩x − ৪ লেস দেন অর ইকুয়াল ২ ধরি, মডুলাস উঠিয়ে দিলে পাই −২ লেস দেন অর ইকুয়াল ৩x − ৪ লেস দেন অর ইকুয়াল ২ অতএব, অসমতার সব পক্ষে ৪ যোগ করে পাই −২ + ৪ লেস দেন অর ইকুয়াল ৩x লেস দেন অর ইকুয়াল ২ + ৪ সুতরাং, হিসাব করে পাই ২ লেস দেন অর ইকুয়াল ৩x লেস দেন অর ইকুয়াল ৬ উত্তর: সব পক্ষকে ৩ দ্বারা ভাগ করে পাই ২/৩ লেস দেন অর ইকুয়াল x লেস দেন অর ইকুয়াল ২
17. নিচের চিত্রে মোট কয়টি ত্রিভুজ আছে?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫টি প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ আকৃতির একটি প্রধান জ্যামিতিক চিত্র এবং এর ভেতরের রেখাংশ ধরি, প্রধান ত্রিভুজটি তিনটি ছোট ত্রিভুজে বিভক্ত এবং একটি বড় বিপরীত ত্রিভুজ আছে অতএব, ওপরের অংশে ছোট ত্রিভুজ সংখ্যা = ৩টি নিচের অংশে ছোট ত্রিভুজ সংখ্যা = ১টি সুতরাং, সম্পূর্ণ চিত্রে মোট ত্রিভুজ সংখ্যা = ৩ + ১ + ১ = ৫টি উত্তর: ৫টি
18. একটি গাছের পাদদেশ হতে 26√3 মিটার দূরে একটি স্থানে গাছটির শীর্ষের উন্নতি কোণ 30° হলে, গাছটির উচ্চতা কত মিটার?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৬ প্রদত্ত তথ্য: গাছের পাদদেশ হতে দূরত্ব = ২৬√৩ মিটার উন্নতি কোণ = ৩০° ধরি, গাছটির উচ্চতা = এইচ মিটার অতএব, ত্রিকোণমিতির সূত্রানুসারে, ট্যান ৩০° = উচ্চতা ÷ দূরত্ব ট্যান ৩০° এর মান = ১ ÷ √৩ সুতরাং, এইচ ÷ (২৬√৩) = ১ ÷ √৩ উত্তর: ২৬ মিটার
19. নিচের কোনটি যেকোনো সেটের উপসেট?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ∅ প্রদত্ত তথ্য: যেকোনো সেট বা ফাঁকা সেটের উপসেট নির্ণয় করতে হবে। ধরি, যেকোনো একটি সেট হলো A অতএব, ফাঁকা সেট বা শূন্য সেট হলো A সেটের অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং, ফাঁকা সেট হলো যেকোনো সেটের একটি নির্দিষ্ট উপসেট। উত্তর: ∅

মোট প্রশ্ন (40)

1. এশীয় দেশসমূহের মধ্যে কোনটি বিশ্বের উন্নত দেশ?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাপান কেন সঠিক: - জাপান বিশ্বের অন্যতম প্রধান উন্নত ও শিল্পোন্নত দেশ এবং এটি জি-সেভেন ভুক্ত একমাত্র এশিয়ান দেশ। - অর্থনৈতিক অগ্রগতি, আধুনিক প্রযুক্তি এবং উচ্চ জীবনযাত্রার মান এটিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় উন্নত দেশের মর্যাদা দিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি এবং উদীয়মান শিল্পোন্নত দেশ হলেও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে এটি এখনও উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে গণ্য হয়। B) ভারত — এটি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম অর্থনীতি হলেও মাথাপিছু আয় এবং মানব উন্নয়ন সূচকের বিচারে এটি একটি উন্নয়নশীল দেশ। C) জাপান — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি এশিয়ার প্রাচীনতম শিল্পোন্নত উন্নত দেশ। D) সিঙ্গাপুর — এটি অত্যন্ত উন্নত এবং উচ্চ আয়ের দেশ হলেও অর্থনৈতিক ও কাঠামোগতভাবে বিশ্ব রাজনীতিতে জাপানকে প্রধান উন্নত দেশ হিসেবে ধরা হয়। মনে রাখার টিপস: এশিয়ার উন্নত দেশের কথা আসলে জি-সেভেন সদস্য দেশ জাপানকে সবার আগে মনে রাখবে।
3. বাংলাদেশের সংবিধানের নাম কি?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কেন সঠিক: - সংবিধানে দেশের নাম সুনির্দিষ্টভাবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ বলা হয়েছে এবং এটি দেশের সর্বোচ্চ আইন। - ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে এই নামসহ সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ সংবিধান — এটি সংবিধানের অনানুষ্ঠানিক ও অসম্পূর্ণ নাম, এর আনুষ্ঠানিক নাম এটি নয়। B) বাংলাদেশ সাংবিধানিক বিধিমালা — এটি কোনো দেশের সংবিধানের আনুষ্ঠানিক নাম হতে পারে না, এটি ভিন্ন কোনো নিয়মের নাম। C) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি আমাদের দেশের সংবিধানের একমাত্র আনুষ্ঠানিক ও আইনগত নাম। D) প্রজাতন্ত্র বাংলাদেশ সংবিধান — এই শব্দবিন্যাসটি ব্যাকরণগত ও আইনগতভাবে ভুল এবং সংবিধানের প্রস্তাবনায় ব্যবহৃত নাম নয়। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের আনুষ্ঠানিক নাম মনে রাখতে মূল শব্দের আগে গণপ্রজাতন্ত্রী কথাটি যুক্ত করতে হয়।
4. চীনের 'ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড' প্রকল্প কোন দেশসমূহের মধ্যে সংযোগ বৃদ্ধি করবে?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা কেন সঠিক: - এই প্রকল্পটি এশিয়া মহাদেশের সাথে ইউরোপ ও আফ্রিকার বাণিজ্য পথ ও অবকাঠামো সংযুক্ত করে। - সমুদ্রপথ ও স্থলপথের মাধ্যমে এই তিন মহাদেশের যোগাযোগ বৃদ্ধি করাই এর মূল লক্ষ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এশিয়া, ইউরোপ, আমেরিকা — আমেরিকা মহাদেশ এই প্রকল্পের প্রত্যক্ষ ভৌগোলিক রুটের অন্তর্ভুক্ত নয়। B) এশিয়া, আফ্রিকা, আরব — আরব কোনো মহাদেশ নয়, এটি এশিয়ার একটি অংশ। সি) এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা — অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ এই প্রকল্পের মূল ভূখণ্ডগত সংযোগের সাথে যুক্ত নয়। D) এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই তিন মহাদেশকে যুক্ত করার জন্যই প্রকল্পটি প্রণীত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: আঞ্চলিক সংযোগের ক্ষেত্রে তিন মহাদেশের নাম মনে রাখতে এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকা এই ক্রমানুসারে মনে রাখুন।
5. ১৯৭১ সালে সর্বপ্রথম কোন পত্রিকা পাকিস্তানী বাহিনীর গণহত্যার উপর ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং এর প্রতিবেদন প্রকাশ করে?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ডেইলি টেলিগ্রাফ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বর হত্যাযজ্ঞের ওপর ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং সর্বপ্রথম প্রতিবেদন তৈরি করেন। - লন্ডনের ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকা ওই প্রতিবেদনে অপারেশন সার্চলাইট এবং পাকিস্তানি গণহত্যার ভয়াবহ চিত্র বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক টাইমস — এটি আমেরিকার প্রখ্যাত পত্রিকা হলেও সাইমন ড্রিংয়ের ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের প্রথম গণহত্যা ও অপারেশন সার্চলাইটের ঐতিহাসিক প্রতিবেদনটি এই পত্রিকা প্রকাশ করেনি। B) দ্য ইনডিপেনডেন্ট — এটি যুক্তরাজ্যের বর্তমান সময়ের একটি পরিচিত সংবাদপত্র হলেও ১৯৭১ সালের মার্চে সাইমন ড্রিংয়ের প্রতিবেদন প্রকাশের সঙ্গে এই পত্রিকার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। C) ডেইলি টেলিগ্রাফ — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, এটিই সাইমন ড্রিংয়ের ঐতিহাসিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। D) ডেইলি মেইল — এটি যুক্তরাজ্যের আরেকটি জনপ্রিয় ট্যাবলয়েড পত্রিকা হলেও ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের গণহত্যা সম্পর্কিত সাইমন ড্রিংয়ের প্রথম প্রতিবেদনটি তারা প্রকাশ করেনি। মনে রাখার টিপস: সাইমন ড্রিং টেলিফোনের মাধ্যমে টেলিগ্রামে সংবাদ পাঠাতেন, এভাবে মনে রাখতে পারেন সাইমন ড্রিংয়ের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল ডেইলি টেলিগ্রাফ।
6. বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) -এর জন্য অর্থনীতিকে মোট কতটি প্রধান খাতে বিভক্ত করা হয়?
Created 1 week ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০৩টি কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জিডিপি গণনার সুবিধার্থে জাতীয় অর্থনীতিকে প্রধানত তিনটি খাতে বিভক্ত করা হয়। - খাত তিনটি হলো কৃষি, শিল্প এবং সেবা খাত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০৩টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ অর্থনীতি এই তিনটি প্রধান খাতে বিভক্ত। B) ১০টি — এটি ভুল কারণ দেশের জিডিপি উপখাতের সংখ্যা হতে পারে, কিন্তু প্রধান খাত ৩টি। C) ১৫টি — এটি ভুল কারণ অর্থনৈতিক খাত বা উপখাতের প্রচলিত শ্রেণিবিন্যাসের সাথে এই সংখ্যাটি মেলে না। D) ২০টি — এটি ভুল কারণ জিডিপির প্রধান খাতের ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: জিডিপির প্রধান খাত মনে রাখতে তিন অক্ষরের শব্দ 'কৃ-শি-সে' (কৃষি, শিল্প, সেবা) মনে রাখুন।
7. আন্তর্জাতিক ওজন দিবস (International Day for the Prevention of the Ozone Layer) কত তারিখে পালিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৬ সেপ্টেম্বর কেন সঠিক: - জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি বছর ১৬ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক ওজন স্তর রক্ষা দিবস পালিত হয়। - ১৯৮৭ সালের এই দিনে ওজোন স্তর ক্ষয়কারী উপাদান সম্পর্কিত মন্ট্রিল প্রোটোকল স্বাক্ষরিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২২ জুলাই — এই তারিখে আন্তর্জাতিক ওজন দিবসের কোনো ঐতিহাসিক বা পরিবেশগত আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নেই। B) ২৮ জুলাই — এই তারিখে বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস পালিত হয়, যা ওজন স্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ১৭ আগস্ট — এই তারিখে আন্তর্জাতিক ওজন দিবসের কোনো ঐতিহাসিক বা পরিবেশগত আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নেই। D) ১৬ সেপ্টেম্বর — এটি আন্তর্জাতিক ওজন দিবস পালনের নির্ধারিত সঠিক তারিখ। মনে রাখার টিপস: মন্ট্রিল প্রোটোকল স্বাক্ষরের দিন অর্থাৎ সেপ্টেম্বরের ১৬ তারিখকে ওজন দিবস হিসেবে মনে রাখা যায়।
8. মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে প্রবাসী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী সচিবালয় (সদর দপ্তর) কোথায় ছিল?
Created 1 week ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) থিয়েটার রোড, কলকাতা কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন প্রবাসী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর সরকার) প্রধান কার্যালয় বা সচিবালয় ভারতের কলকাতার থিয়েটার রোডে অবস্থিত ছিল। - এই কার্যালয় থেকেই দেশের ভেতর ও বাইরের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা, কূটনৈতিক কার্যক্রম এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুজিবনগর — এটি ছিল প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের শপথ গ্রহণ এবং প্রথম রাজধানী, কিন্তু প্রধান সচিবালয় বা সদর দপ্তর সেখানে ছিল না। B) থিয়েটার রোড, কলকাতা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) করিমগঞ্জ — এটি ভারতের আসামের একটি সীমান্তবর্তী অঞ্চল, যার সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সরকারের সদর দপ্তরের কোনো সম্পর্ক নেই। D) বেনাপোল — এটি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর ও রণাঙ্গন হলেও এটি সরকারের অস্থায়ী সচিবালয় ছিল না। মনে রাখার টিপস: সরকারের শপথ মুজিবনগরে হলেও দাপ্তরিক কাজ চলত কলকাতার থিয়েটার রোড থেকে।
9. নিচের কোনটি বাংলাদেশের শিল্প সংক্রান্ত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড নয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মাছ চাষ কেন সঠিক: - মাছ চাষ কৃষিজাত বা মৎস্য খাতের অন্তর্ভুক্তি এবং এটি সরাসরি প্রাথমিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয়। - শিল্প সংক্রান্ত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বলতে প্রক্রিয়াজাতকরণ, উৎপাদন বা ম্যানুফ্যাকচারিং খাতকে বোঝানো হয়, যা মাছ চাষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাছ চাষ — এটি শিল্প খাত নয়, বরং এটি কৃষির একটি উপখাত বা মৎস্য সম্পদ খাতের প্রাথমিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। B) বস্ত্র — এটি দেশের অন্যতম প্রধান উৎপাদনমুখী ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প খাত, যা শিল্প সংক্রান্ত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্তর্ভুক্ত। C) পাট — পাট থেকে বিভিন্ন পণ্য তৈরি করা হয় এবং পাটকলগুলো দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প খাতের অংশ। D) সিমেন্ট — কাঁচামাল প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে নির্মাণসামগ্রী প্রস্তুত করার একটি অন্যতম প্রধান প্রস্তুতকারক শিল্প। মনে রাখার টিপস: সরাসরি প্রকৃতি থেকে উৎপাদিত বা আহরিত পণ্য যেমন মাছ ও ফসল হলো কৃষি খাত, আর কারখানায় প্রক্রিয়াজাত পণ্য হলো শিল্প খাত।
10. বর্তমান বিশ্বের কতটি দেশ জাতিসংঘের সদস্য?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৩ কেন সঠিক: - জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর এবং বর্তমানে এর সদস্য রাষ্ট্র সংখ্যা মোট ১৯৩টি। - সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে ২০১১ সালের ১৪ জুলাই দক্ষিণ সুদান জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৩ — এই সংখ্যাটি জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য সংখ্যার সঙ্গে মিল নেই। B) ১৮৮ — এটি জাতিসংঘের সঠিক সদস্য সংখ্যা নয়। C) ১৯৩ — এটি জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য সংখ্যার সঠিক তথ্য। D) ১৯৭ — এটি জাতিসংঘের সদস্য সংখ্যার চেয়ে বেশি। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ১৯৩ টি দেশ নিয়ে জাতিসংঘ গঠিত। সংখ্যাটি মনে রাখতে ১৯৩ মনে রাখুন।
11. কে প্রথম 'গ্লোবাল ভিলেজ' ধারণাটির উপস্থাপন করেন?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হার্বাট মার্শাল ম্যাকলুহান কেন সঠিক: - তিনি ১৯৬২ এবং ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত তার বিখ্যাত গ্রন্থে বিশ্বকে একটি একক গ্রাম বা গ্লোবাল ভিলেজ হিসেবে কল্পনা করেন। - ইলেকট্রনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে সমগ্র পৃথিবী কীভাবে একটি সংযুক্ত সমাজে পরিণত হয়েছে, তিনি তা বোঝান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হার্বাট মার্শাল ম্যাকলুহান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি প্রথম গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি উপস্থাপন করেন। B) রবার্ট কিংসলে — এই নামে কোনো বিখ্যাত সমাজবিজ্ঞানী বা যোগাযোগতাত্ত্বিক নেই যিনি এই ধারণার সাথে যুক্ত। C) হেনরি জি. ম্যাকমিলান — ইনি গ্লোবাল ভিলেজ ধারণার প্রবক্তা নন, তাই এটি ভুল। D) ডব্লিউ জি. পেরি — ইনি শিক্ষাতত্ত্বের সাথে যুক্ত একজন ব্যক্তি, যোগাযোগ মাধ্যমের এই ধারণার সাথে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: ম্যাকলুহান নামের সাথে গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম শব্দটি মনে রাখুন।
12. বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা কত সালে বাংলাদেশকে পোলিও মুক্ত ঘোষণা করে?
Created 1 week ago | Updated 37 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০১৪ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ২০১৪ সালে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা থেকে পোলিও মুক্ত দেশের স্বীকৃতি লাভ করে। - ২০১৪ সালের ১১ আগস্ট দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলকে পোলিও মুক্ত ঘোষণা করা হয় যার অংশ ছিল বাংলাদেশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৮ — এই সালে বাংলাদেশে পোলিও নির্মূল কার্যক্রম তীব্র করা হলেও পোলিও মুক্ত ঘোষণা করা হয়নি। B) ২০০৮ — এই বছর বাংলাদেশ পোলিও মুক্ত ছিল না কারণ এর পরেও বিক্ষিপ্তভাবে কিছু পোলিও রোগী শনাক্ত হয়েছিল। C) ২০১৪ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে পোলিও মুক্ত ঘোষণা করা হয়। D) ২০১৯ — এই সালটি সঠিক নয় কারণ এর অনেক আগেই বাংলাদেশ পোলিও মুক্ত দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পায়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে পোলিও মুক্ত হয় দুই হাজার চৌদ্দ সালে।
13. জাতিসংঘ কবে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে?
Created 1 week ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে। কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে। - এই দিনে জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে সংস্থাটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয় এবং প্রতি বছর এই দিনে জাতিসংঘ দিবস পালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে — এটি জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশের সঠিক তারিখ। B) ২৮ নভেম্বর, ১৯৪৩ সালে — এই তারিখে তেহরান সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা যুদ্ধকালীন একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বৈঠক হলেও জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার তারিখ নয়। C) ২৮ জানুয়ারি, ১৯৪৩ সালে — এই তারিখে কোনো ঐতিহাসিক জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠাসংক্রান্ত ঘটনা ঘটেনি। D) ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সালে — এই তারিখটি জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বযুদ্ধ শেষের বছর ১৯৪৫ সালের অক্টোবর মাসের ২৪ তারিখে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
14. বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের (জিডিপি-র) কত শতাংশ কৃষি থেকে আসে?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২.৪০% কেন সঠিক: - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান পরিবর্তনশীল এবং প্রদত্ত তথ্যটি একটি নির্দিষ্ট অর্থবছরের হালনাগাদ পরিসংখ্যানের সঙ্গে মিলে যায়। - দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) কৃষিখাতের অবদান ও অংশীদারিত্ব পরিমাপের জন্য এই পরিসংখ্যান ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২.৪০% — এটি বর্তমান অর্থবছরের জিডিপিতে কৃষির অবদানের সঠিক পরিসংখ্যান নির্দেশ করে। B) ১২.৮৯% — এই সংখ্যাটি প্রদত্ত অর্থবছরের কৃষির অবদানের সঠিক হারের সঙ্গে মেলে না। C) ১৩.০২% — এটি অন্য কোনো আগের অর্থবছরের জিডিপিতে কৃষির অবদানের হার হতে পারে। D) ১৩.৩৫% — এটি কৃষিখাতের প্রকৃত অবদানের হারের চেয়ে বেশি বা অন্য কোনো পরিসংখ্যানের অংশ। মনে রাখার টিপস: কৃষির অবদান মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন এভাবে যে, জিডিপিতে কৃষির অংশ প্রায় বারো শতাংশের একটু বেশি।
15. বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের কততম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩৬ তম কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৩৬তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে যোগদান করে। - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রথমবারের মতো বাংলায় ভাষণ দিয়ে বিশ্বমঞ্চে দেশের অবস্থান দৃঢ় করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২৬ তম — এই ক্রমিকে জাতিসংঘের অন্য কোনো সদস্য রাষ্ট্র যুক্ত ছিল, যা বাংলাদেশের সদস্যপদ অর্খকালীন সময়ের সঙ্গে মিলে না। B) ১৩০ তম — এটি বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ অর্জনের সঠিক ক্রমিক সংখ্যা নয়, তাই এটি ভুল। সি) ১৩৬ তম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশ এই ক্রমিক নম্বরেই জাতিসংঘে অন্তর্ভুক্ত হয়। D) ১৩৯ তম — এই ক্রমিক নম্বরটি অন্য কোনো পরবর্তী সদস্য রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা বাংলাদেশের জন্য সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হয় এবং সংখ্যাটি হলো ১৩৬, যা মনে রাখতে ৭৪ এর সঙ্গে ১৩৬ সংখ্যাটি বারবার চর্চা করতে হবে।
16. বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও বাকস্বাধীনতা নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ৩৯ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। - এটি সংবিধানের তৃতীয় ভাগে বর্ণিত নাগরিকদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক অধিকার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ অনুচ্ছেদ — এটি রাষ্ট্রীয় মূলনীতি সম্পর্কিত, যেখানে অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। B) ২৭ অনুচ্ছেদ — এটি আইনের চোখে সমতা সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ, যেখানে বলা হয়েছে সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী। C) ৩৭ অনুচ্ছেদ — এটি জনশৃঙ্খলা বা জনস্বাস্থ্য সাপেক্ষে শান্তিপ্রিয়ভাবে ও নিরস্ত্রভাবে সমবেত হওয়ার এবং সভা-সমিতিতে যোগ দেওয়ার অধিকার নিশ্চিত করে। D) ৩৯ অনুচ্ছেদ — এটি চিন্তা, বিবেক ও বাকস্বাধীনতার মৌলিক অধিকারের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত বিধায় এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: বাকস্বাধীনতা ও চিন্তার স্বাধীনতার মতো ব্যক্তিগত অধিকারের কথা সংবিধানের ৩৯ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে।
17. একটি দেশের মোট আয়তনের কত শতাংশ বনভূমি থাকা প্রয়োজন?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০-২৫% কেন সঠিক: - পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় যেকোনো দেশের মোট আয়তনের অন্তত ২০ থেকে ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা আবশ্যক। - দেশের আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে অক্সিজেন সরবরাহ করতে এই পরিমাণ বনভূমি অত্যন্ত জরুরি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫-২০% — এই পরিমাণ বনভূমি বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য ও পরিবেশের দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত নয়। B) ২০-২৫% — এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আদর্শ মান, যা প্রদত্ত সঠিক উত্তরের সঙ্গে মিলে যায়। C) ৩০-৩৫% — এই পরিমাণ বনভূমি সাধারণত অত্যন্ত পাহাড়ি বা বনাঞ্চলপ্রধান দেশের জন্য প্রযোজ্য, যা সাধারণ দেশের জন্য অতিরিক্ত। D) ৩৫-৪০% — এই উচ্চ মাত্রার বনভূমি সাধারণ দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় এবং এটি দেশের অন্যান্য অর্থনৈতিক খাতের জন্য নির্ধারিত ভূমি ব্যবহারে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। মনে রাখার টিপস: পরিবেশের চাবিকাঠি হলো এক চতুর্থাংশ বনভূমি, অর্থাৎ শতকরা কুড়ি থেকে পঁচিশ ভাগ বন থাকা আবশ্যক।
18. বালামতি কি?
Created 1 week ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এক প্রকার ধান কেন সঠিক: - বালামতি হলো বাংলাদেশের একটি সুপরিচিত স্থানীয় বা ঐতিহ্যবাহী ধানের জাত। - এই ধান থেকে উৎপাদিত চাল তার সুবাস ও রান্নার বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক প্রকার ধান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ বালামতি ধানের একটি সুপরিচিত জাত। B) এক প্রকার গম — গম ভিন্ন শস্যজাতীয় ফসল এবং বালামতি কোনো গম বা গমের জাত নয়। C) এক প্রকার আম — আম ফল এবং বালামতি ফলের কোনো নাম বা জাত নয়। D) একটি নদীর নাম — বালামতি কোনো নদীর নাম নয়, এটি কৃষির সঙ্গে সম্পর্কিত ধান। মনে রাখার টিপস: বালামতি নামের শেষে থাকা 'তি' অংশটি মনে রাখতে পারেন বালাম ধানের সঙ্গে মিলিয়ে, যা এক প্রকার ধান।
19. বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎস কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান খাতগুলোকে মূলত কর রাজস্ব এবং করবহির্ভূত রাজস্ব এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। - প্রদত্ত অপশনগুলোর প্রতিটিই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সরকারের রাজস্ব সংগ্রহের অন্যতম উৎস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জরিমানা ও শাস্তিমূলক ফি — এটি সরকারের করবহির্ভূত রাজস্ব আয়ের একটি উৎস হলেও কেবল এটিই একমাত্র উৎস নয়। B) মূল্য সংযোজন কর — এটি সরকারের অভ্যন্তরীণ কর রাজস্বের সবচেয়ে বড় খাত, যা একমাত্র আয়ের উৎস নয়। C) আবগারি শুল্ক — এটি সরকারের কর রাজস্বের একটি ঐতিহ্যবাহী উৎস, তবে এটিও সরকারের আয়ের একমাত্র উৎস নয়। D) উপরের সবগুলো — এই অপশনের সবগুলোই সরকারের আয়ের বিভিন্ন উৎস নির্দেশ করায় এটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: সরকারের আয়ের উৎস মনে রাখতে কর, শুল্ক, ফি এবং জরিমানা—এই খাতগুলো একসঙ্গে চিন্তা করুন।
20. অক্টোবর সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব কত সালে সংঘটিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯১৭ কেন সঠিক: - এই বিপ্লবের মাধ্যমে রাশিয়ায় জার শাসনের পতন ঘটে এবং বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। - জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এটি অক্টোবর মাসে সংঘটিত হলেও গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী তারিখটি ছিল ৭ নভেম্বর ১৯১৭। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১৭ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই রাশিয়ায় বলশেভিক বিপ্লব বা অক্টোবর সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সফল হয়। B) ১৮৫৮ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এই সালে ভারতে সিপাহী বিদ্রোহের পর কোম্পানির শাসন অবসান ঘটে ব্রিটিশCrown শাসন শুরু হয়। C) ১৪৮৯ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এটি মধ্যযুগের একটি সাল যা এই ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১৭৫৭ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এই সালে বাংলার পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল এবং ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: রাশিয়ায় সমাজ পরিবর্তনের মহান অক্টোবর বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল ১৯১৭ সালে।
21. বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় নিয়মতান্ত্রিক প্রধান কে?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাষ্ট্রপতি কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপ্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি এবং তিনি নামেমাত্র বা নিয়মতান্ত্রিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। - সরকারের প্রকৃত নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত থাকলেও রাষ্ট্রীয় সকল গুরুত্বপূর্ণ কাজ রাষ্ট্রপতির নামে পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রধানমন্ত্রী — তিনি সরকারের প্রধান এবং নির্বাহী ক্ষমতার প্রকৃত প্রয়োগকারী, তাই তিনি নিয়মতান্ত্রিক প্রধান নন। B) রাষ্ট্রপতি — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি নির্ভুল ও সংবিধানসম্মত। C) স্পিকার — তিনি জাতীয় সংসদের সভাপতি এবং সংসদ পরিচালনা করেন, রাষ্ট্রীয় বা সরকার ব্যবস্থার প্রধান নন। D) সংসদ সচিব — এটি সংসদীয় সচিবালয়ের প্রশাসনিক পদ, যা সরকার ব্যবস্থার প্রধান নির্ধারণের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: সরকার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী আর রাষ্ট্রপ্রধান বা নিয়মতান্ত্রিক প্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি।
22. কোন ঘটনার কারণে ধরিত্রী দিবসের সূচনা হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রশ্নটিতে প্রদত্ত সঠিক উত্তর (জলবায়ু পরিবর্তন) সঠিক নয়। ধরিত্রী দিবস বা আর্থ ডে সূচনার মূল ঐতিহাসিক কারণ হলো ১৯৭০ সালের সান্তা বারবারা তেল নিঃসরণ এবং পরিবেশ দূষণ। নিচে সঠিক উত্তরসহ বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো। সঠিক উত্তর: C) ব্যাপক তেল নিঃসরণ কেন সঠিক: - ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা বারবারায় ভয়াবহ তেল নিঃসরণ বা অয়েল স্পিল ঘটে। - এই মারাত্মক পরিবেশগত বিপর্যয়ের কারণে মার্কিন সিনেটর গেলর্ড নেলসন পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেন এবং ১৯৭০ সালে প্রথম ধরিত্রী দিবস পালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাপক বায়ু দূষণ — এটি সার্বিক পরিবেশ দূষণের একটি অংশ হলেও সরাসরি ধরিত্রী দিবস চালুর তাৎক্ষণিক কারণ ছিল না। B) জলবায়ু পরিবর্তন — এটি বর্তমান সময়ের একটি বৈশ্বিক সংকট হলেও ১৯৭০ সালে ধরিত্রী দিবস চালুর সময় এই বিষয়টি মূল চালিকাশক্তি ছিল না। C) ব্যাপক তেল নিঃসরণ — এটি সঠিক কারণ, যা ১৯৬৯ সালের সান্তা বারবারা তেল দুর্ঘটনার মাধ্যমে পরিবেশ আন্দোলনকে তরান্বিত করেছিল। D) পারমাণবিক বিস্ফোরণ — এটি স্নায়ুযুদ্ধের সময় উদ্বেগের বিষয় ছিল, তবে ধরিত্রী দিবস সূচনার সঙ্গে এর কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: তেল পড়ে সাগর নষ্ট, ১৯৭০ সালে তাই ধরিত্রী দিবস স্পষ্ট।
23. টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে নিচের কোনটির গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো কেন সঠিক: - টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনের জন্য নির্দিষ্ট কোনো একটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করা যায় না, বরং সকল অংশীদারের সমন্বিত প্রয়াস ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব আবশ্যক। - লক্ষ্যগুলো সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ও মানব সক্ষমতা তৈরি এবং সমাজে সমতা বিধান করা অত্যন্ত জরুরি পূর্বশর্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সক্ষমতা তৈরি — এটি এসডিজি অর্জনে সহায়ক হলেও একা বিশ্বজনীন লক্ষ্য পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়, কারণ অংশীদারিত্ব ও সমতা বিধানও সমভাবে গুরুত্বপূর্ণ। B) অংশীদারিত্ব — এটি এসডিজির ১৭ নম্বর লক্ষ্য হলেও, একা অংশীদারিত্ব দ্বারা সক্ষমতা তৈরি এবং সমতা বিধানের মতো মৌলিক বিষয়গুলো পূরণ করা সম্ভব নয়। C) সমতা বিধান — সমাজের প্রতিটি স্তরে সমতা আনা এসডিজির মূল স্পিরিট হলেও, তা অর্জনের জন্য আর্থিক ও কারিগরি সক্ষমতা এবং অংশীদারিত্বের প্রয়োজন হয়। D) সবগুলো — এই অপশনটি সঠিক কারণ এসডিজি অর্জনে সক্ষমতা তৈরি, অংশীদারিত্ব এবং সমতা বিধান—সবগুলোর সম্মিলিত গুরুত্ব অপরিসীম। মনে রাখার টিপস: এসডিজি অর্জনে সফল হতে হলে ত্রিফলা নীতি অর্থাৎ সক্ষমতা, অংশীদারিত্ব ও সমতা—সবগুলো একসঙ্গে প্রয়োজন।
24. কোনটি উন্নয়ন কার্যক্রমে ঋণ সহায়তা প্রদানকারী সংস্থা?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশের উন্নয়নমূলক প্রকল্পে সহজ শর্তে ঋণ ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করে। - ইউরোপীয় ইউনিয়নও বিভিন্ন আর্থিক ও অনুদান তহবিলের মাধ্যমে সদস্য ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর বিভিন্ন অবকাঠামোগত ও সামাজিক উন্নয়ন কার্যক্রমে ঋণ সহায়তা দিয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউরোপীয় ইউনিয়ন — এটি শুধু একক কোনো ঋণ প্রদানকারী সংস্থা নয়, বরং উন্নয়ন কার্যক্রমে এর নিজস্ব আর্থিক ও ঋণ সহায়তা তহবিল রয়েছে। B) এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক — এটি কেবল এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কাজ করে, তাই একা সঠিক উত্তর হতে পারে না। সি) বিশ্বব্যাংক — এটি বিশ্বব্যাপী কাজ করলেও অন্য সংস্থাগুলোও ঋণ সহায়তা দেওয়ায় এটি একমাত্র উত্তর নয়। ডি) উপরের সবগুলো — এই অপশনের সবকটি সংস্থাই উন্নয়ন কার্যক্রমে ঋণ সহায়তা প্রদান করে থাকে। মনে রাখার টিপস: উন্নয়ন প্রকল্পে ঋণ সহায়তার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সংস্থা যেমন বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভূমিকাও রয়েছে।
25. নিচের কোন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের ২১শে ফেব্রুয়ারির শহীদ দিবসকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইউনেস্কো কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। - কানাডার রফিক ও শফিউলসহ কয়েকজন প্রবাসীর উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টায় এটি বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউনিসেফ — এটি জাতিসংঘের শিশু অধিকার ও কল্যাণ নিয়ে কাজ করে, ভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেয়নি। B) ইউনেস্কো — এটি শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রসারে কাজ করে এবং এই প্রতিষ্ঠানটিই দিবসটির স্বীকৃতি দিয়েছে। C) ইউএন — এটি মূল জাতিসংঘ সংস্থা, যার শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ইউনেস্কো এই স্বীকৃতি দিয়েছে। D) এডিবি — এটি একটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ব্যাংক, সংস্কৃতির সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষার মূল কাজ করে ইউনেস্কো, তাই ভাষা দিবসের স্বীকৃতিও তারাই দিয়েছে।
26. কমনওয়েলথ কোন ধরনের দেশ নিয়ে গঠিত?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইংরেজ শাসন থেকে স্বাধীনতা প্রাপ্ত দেশসমূহ কেন সঠিক: - কমনওয়েলথ হলো মূলত যুক্তরাজ্য বা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে থাকা এবং পরবর্তীতে স্বাধীনতা লাভ করা স্বাধীন দেশগুলোর একটি আন্তঃসরকারি সংগঠন। - এই সংগঠনের বর্তমান সদস্য দেশগুলোর অধিকাংশই অতীতে ব্রিটিশ উপনিবেশ বা সুরক্ষাবলয়ের অংশ ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংরেজ শাসন থেকে স্বাধীনতা প্রাপ্ত দেশসমূহ — এটি সঠিক কারণ কমনওয়েলথের প্রায় সব সদস্য দেশই অতীতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীন ছিল এবং পরে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। B) তেল উৎপাদনকারী দেশসমূহ — এটি ভুল কারণ তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর প্রধান আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো ওপেক (OPEC), কমনওয়েলথ তা নয়। C) এশিয়া ও ইউরোপের দেশসমূহ — এটি ভুল কারণ কমনওয়েলথে শুধু এশিয়া ও ইউরোপ নয়, বরং আফ্রিকা, আমেরিকা এবং ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশও সদস্য রয়েছে। D) স্বল্প উন্নত দেশসমূহ — এটি ভুল কারণ কমনওয়েলথে কেবল স্বল্প উন্নত দেশ নয়, বরং যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার মতো উন্নত দেশও সদস্য হিসেবে আছে। মনে রাখার টিপস: কমনওয়েলথ মনে রাখতে ব্রিটিশ রাজত্ব বা ইংরেজ শাসনের কথা মাথায় রাখুন, কারণ ব্রিটিশ সাম্রাজ্য থেকে স্বাধীন হওয়া দেশগুলোই এর সদস্য।
27. বাংলাদেশের কর্ণফুলি নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লুসাই পাহাড় কেন সঠিক: - ভারতের মিজোরাম রাজ্যের লুসাই পাহাড় থেকে কর্ণফুলি নদীর উৎপত্তি হয়েছে। - পাহাড়ি পথ পেরিয়ে নদীটি রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লুসাই পাহাড় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ নদীটির উৎপত্তিস্থল এখানেই অবস্থিত। B) সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল — এটি তিস্তা নদীর উৎপত্তিস্থল, কর্ণফুলি নদীর নয়। C) তিব্বতের মানস সরোবর — এটি ব্রহ্মপুত্র, শতদ্রু ও সিন্ধু নদের উৎপত্তিস্থল। D) নাগা-মনিপুর অঞ্চলের বোরাক নদী — এটি সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর উৎসস্থল, কর্ণফুলির নয়। মনে রাখার টিপস: কর্ণফুলি নদীর নাম মনে রাখতে লুসাই পাহাড়ের কথা মনে রাখুন, যা মিজোরাম রাজ্যে অবস্থিত।
28. 'টঙ্ক' (Tonk) আন্দোলন কী?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৃষক আন্দোলন কেন সঠিক: - টঙ্ক আন্দোলন হলো ব্রিটিশ ভারতের শেষভাগে ময়মনসিংহের হাজং ও অন্যান্য কৃষকদের একটি ঐতিহাসিক তেভাগাভিত্তিক কৃষক আন্দোলন। - এই আন্দোলনের মূল দাবি ছিল জমিদারদের গুদামে ফসল জমা না দিয়ে উৎপDাদিত ধানের নির্দিষ্ট অংশ সরাসরি কৃষকের ঘরে তোলা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাঁওতাল বিদ্রোহ — এটি ছিল ব্রিটিশ oppression এবং মহাজনদের শোষণের বিরুদ্ধে ১৮৫৫ সালে সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর একটি সশস্ত্র প্রতিরোধ। B) কৃষক আন্দোলন — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ময়মনসিংহের অঞ্চলের কৃষকদের উৎপDাদিত ধানের মালিকানা প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক আন্দোলন। C) প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষার আন্দোলন — এটি কোনো পরিবেশ সংরক্ষণ বা বন রক্ষা সম্পর্কিত আধুনিক আন্দোলন নয়, বরং ফসলের ভাগ নিয়ে কৃষকদের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম। D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন বি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: টঙ্ক মানে ধান তোলার টংকার, যা ময়মনসিংহের কৃষকদের তেভাগার আদলে করা ফসলের অধিকার আদায়ের আন্দোলন।
29. বাংলাদেশের প্রাচীনতম জনপদ কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মহাস্থানগড় কেন সঠিক: - ঐতিহাসিক সূত্র ও প্রত্নতাত্ত্বিক খননকাজের মাধ্যমে পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী মহাস্থানগড়কে বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। - মৌর্য, গুপ্ত, পাল ও সেন আমলের বহু প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এখানে পাওয়া গেছে, যা এর প্রাচীনত্ব প্রমাণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাস্থানগড় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি প্রাচীনতম পুণ্ড্রবর্ধন নগরের ধ্বংসাবশেষ। B) পাহাড়পুর — এটি একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার (সোমপুর মহাবিহার), যা মহাস্থানগড়ের তুলনায় অনেক পরের আমলের। C) ময়নামতি — এটি সমতট অঞ্চলের একটি প্রাচীন জনপদ ও বৌদ্ধ সভ্যতার কেন্দ্র, যা মহাস্থানগড়ের মতো প্রাচীন নয়। D) ওয়ারী বটেশ্বর — এটি আড়াই হাজার বছরের পুরোনো প্রাচীন দুর্গনগর ও সমৃদ্ধ সভ্যতা হলেও মহাস্থানগড়ের চেয়ে প্রাচীনতম হিসেবে স্বীকৃত নয়। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে পুরোনো বা প্রথম জনপদ মনে রাখতে "ম" দিয়ে মহাস্থানগড় মাথায় রাখবে, কারণ প্রাচীনত্বের দিক থেকে এটি সবার আগে।
30. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নাম কি?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কংগ্রেস কেন সঠিক: - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার আনুষ্ঠানিক নাম কংগ্রেস, যা একটি দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা। - এটি সিনেট এবং প্রতিনিধি পরিষদ এই দুটি কক্ষ নিয়ে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পার্লামেন্ট — এটি যুক্তরাজ্য, বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশের আইনসভার সাধারণ নাম হলেও মার্কিন আইনসভার নাম নয়। B) কংগ্রেস — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার সঠিক নাম, যা সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদ নিয়ে গঠিত। সি) সিনেট — এটি মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষের নাম, কিন্তু সম্পূর্ণ আইনসভাকে সিনেট বলা হয় না। D) কোনটিই নয় — যেহেতু বি অপশনটি সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা হলো 'কংগ্রেস', যার উচ্চকক্ষ 'সিনেট' এবং নিম্নকক্ষ 'প্রতিনিধি পরিষদ'।
31. কোন দেশের গৃহযুদ্ধের কারণে ইউরোপজুড়ে অভিবাসী সংকট সৃষ্টি হয়েছে?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিরিয়া কেন সঠিক: - ২০১১ সাল থেকে শুরু হওয়া সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় মানবিক সংকট তৈরি করে। - এই যুদ্ধের কারণে লাখ লাখ সিরীয় নাগরিক ইউরোপে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়, যা ইউরোপজুড়ে অভিবাসী সংকট সৃষ্টি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিরিয়া — এই দেশের দীর্ঘস্থায়ী গৃহযুদ্ধ ও আইএস-এর উত্থানের ফলে কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে ইউরোপে পাড়ি জমায়। B) লেবানন — দেশটিতে অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক অস্থিরতা থাকলেও এটি ইউরোপীয় অভিবাসী সংকটের মূল কারণ নয়। C) আফগানিস্তান — এখানে দীর্ঘ সংঘাত থাকলেও বর্তমান ইউরোপীয় অভিবাসী সংকটের প্রধান উৎস সিরিয়া। D) ইরাক — যুদ্ধবিধ্বস্ত হলেও সিরিয়ার মতো এটি ইউরোপজুড়ে নজিরবিহীন অভিবাসী সংকটের প্রধান চালিকাশক্তি ছিল না। মনে রাখার টিপস: ইউরোপে অভিবাসী সংকট মানেই সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ।
32. প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তিতে কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভার্সাই চুক্তি কেন সঠিক: - প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটাতে এবং পরাজিত জার্মানির ওপর শর্তাদি আরোপ করতে ১৯১৯ সালের ২৮ জুন এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - এই চুক্তির মাধ্যমেই বিশ্বযুদ্ধের অবসান ঘটে এবং পরবর্তীতে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য লিগ অব নেশনস গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেভার্স চুক্তি — এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর উসমানীয় সাম্রাজ্যের বিভাজনের জন্য ১৯২০ সালে স্বাক্ষরিত হয়, যা সার্বিকভাবে যুদ্ধের সমাপ্তি চুক্তি নয়। B) লুজেন (Lausanne) চুক্তি — এটি তুরস্কের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ১৯২৩ সালে স্বাক্ষরিত হয় এবং সেভার্স চুক্তি বাতিল করে নতুন সীমানা নির্ধারণ করে। D) প্যারিস চুক্তি — এটি বিভিন্ন ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রধান সমাপ্তি চুক্তি হিসেবে ভার্সাই চুক্তিই সর্বাধিক পরিচিত। মনে রাখার টিপস: বিশ্বযুদ্ধ শেষ হলো ভার্সাই চুক্তি দিয়ে, মনে রাখতে হবে ১৯১৯ সাল।
33. জাতিসংঘের কোন সংস্থা বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার রোহিঙ্গা বিষয়ে মধ্যস্থতা করছে?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইউএনএইচসিআর (UNHCR) কেন সঠিক: - ইউএনএইচসিআর হলো জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা, যা বিশ্বজুড়ে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত ও শরণার্থীতে পরিণত হওয়া মানুষদের সুরক্ষা দেয়। - বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার রোহিঙ্গা সংকট একটি শরণার্থী ও মানবতাবাদী ইস্যু হওয়ায় এই সংস্থাটি মধ্যস্থতা ও ত্রাণ কার্যক্রমে প্রধান ভূমিকা পালন করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউএনডিপি (UNDP) — এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি, যা মূলত বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য বিমোচন ও টেকসই উন্নয়নের কাজ করে থাকে। B) ইউনিসেফ (UNICEF) — এটি জাতিসংঘের শিশু তহবিল, যা কেবল শিশুদের অধিকার, স্বাস্থ্য ও কল্যাণ নিয়ে কাজ করে থাকে। C) ইউএনএইচসিআর (UNHCR) — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) ইউনেস্কো (UNESCO) — এটি শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রসারে কাজ করা জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা। মনে রাখার টিপস: শরণার্থী সম্পর্কিত যেকোনো আন্তর্জাতিক সমস্যা বা মধ্যস্থতার কাজ মূলত ইউএনএইচসিআর সংস্থাটি করে থাকে।
35. কোন রাষ্ট্রের আইনসভা দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্র, ভারত এবং যুক্তরাজ্য - এই তিনটি দেশের আইনসভাই দুটি কক্ষ বা উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষ নিয়ে গঠিত। - বিশ্বের যুক্তরাষ্ট্রীয় এবং অনেক সংসদীয় গণতন্ত্রে ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার জন্য দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা প্রথা চালু রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — এর আইনসভা কংগ্রেস উচ্চকক্ষ সিনেট এবং নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ নিয়ে গঠিত, যা সঠিক উত্তরের অংশ হলেও কেবল এটিই একমাত্র উত্তর নয়। B) ভারত — এর সংসদ রাজ্যসভা ও লোকসভা নামক দুটি কক্ষ নিয়ে গঠিত, যা সঠিক উত্তরের অংশ হলেও একা সম্পূর্ণ উত্তর নয়। C) যুক্তরাজ্য — এর সংসদ হাউস অব লর্ডস এবং হাউস অব কমন্স নিয়ে গঠিত, যা সঠিক উত্তরের অংশ হলেও শুধু এটিই সম্পূর্ণ অপশন নয়। D) উপরের সবগুলো — এই অপশনটিতে উল্লেখিত তিনটি দেশেরই আইনসভা দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও যুক্তরাজ্য - এই তিন প্রধান দেশেরই আইনসভা দুটি করে কক্ষ নিয়ে গঠিত।
36. বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষা সর্বপ্রথম কত সালে শুরু হয়েছিল?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1973 কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস গঠিত হয় ১৯৭৩ সালে এবং প্রথম বিসিএস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালে। - যুদ্ধবিধ্বস্ত স্বাধীন বাংলাদেশে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মেধাভিত্তিক কর্মকর্তা নিয়োগের উদ্দেশ্যে এই পরীক্ষা চালু করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1973 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই প্রথম বিসিএস পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। B) 1974 — এটি ভুল কারণ এই সালে প্রথম পরীক্ষা হয়নি, এটি প্রথম পরীক্ষার পরবর্তী বছর। C) 1975 — এটি ভুল কারণ এই সালে বিসিএস পরীক্ষা শুরু হয়নি, এটি রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের বছর। D) 1976 — এটি ভুল কারণ এই সালটি প্রথম বিসিএস পরীক্ষার অনেক পরে। মনে রাখার টিপস: দেশ স্বাধীন হওয়ার ঠিক দুই বছর পর ১৯৭৩ সালে প্রথম বিসিএস পরীক্ষা শুরু হয়।
37. 'সাফটা' চুক্তি কত সালে সম্পাদিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০৪ কেন সঠিক: - সাফটা অর্থাৎ সাউথ এশিয়ান ফ্রি ট্রেড এরিয়া চুক্তিটি ২০০৪ সালের ৬ জানুয়ারি পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত দ্বাদশ সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হয়। - এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিটি পরবর্তীতে ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৮ — এই সালে সাফটা চুক্তি স্বাক্ষরিত বা কার্যকর হয়নি, বরং এটি সার্ক বাণিজ্য বৃদ্ধির একটি পরবর্তী উদ্যোগ। B) ২০০২ — এই সালে সাফটা চুক্তি সম্পাদিত হয়নি, তবে এই সময় চুক্তির খসড়া নিয়ে আলোচনা চলছিল। C) ২০০৪ — এই অপশনটি সঠিক কারণ চুক্তিটি এই সালেই আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পাদিত বা স্বাক্ষরিত হয়েছিল। D) ২০০৯ — এই সালে চুক্তিটি সম্পাদিত হয়নি, কারণ এর অনেক আগেই ২০০৬ সালে সাফটা কার্যকর করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: সাফটা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ২০০৪ সালে এবং কার্যকর হয় ২০০৬ সালে, সাল দুটি মনে রাখতে চার ও ছয়ের ক্রম মনে রাখুন।
38. বাংলাদেশের পোশাক সর্বাধিক কোন দেশে রপ্তানী করা হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্র একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার। - বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির একটি বিশাল অংশ একা যুক্তরাষ্ট্রেই যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — এটি একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির সর্ববৃহৎ গন্তব্য হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পোশাক রপ্তানি হলেও তা যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় কম। C) ফ্রান্স — ফ্রান্সে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি হয়, তবে এটি প্রধান রপ্তানি গন্তব্য নয়। D) জার্মানি — জার্মানি ইউরোপে বাংলাদেশের অন্যতম বড় বাজার হলেও সামগ্রিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের পেছনে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম বৃহৎ দেশ এবং আমাদের পোশাকের প্রধান ক্রেতা।
39. বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কখন গঠিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০৮ আগস্ট ২০২৪ কেন সঠিক: - ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ০৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়। - এই দিন বঙ্গভবনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও অন্যান্য উপদেষ্টাগণ শপথ গ্রহণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০৮ আগস্ট ২০২৪ — এই তারিখে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে ক্ষমতা গ্রহণ করেছিল। B) ১০ আগস্ট ২০২৪ — এটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের তারিখ নয়, বরং এই সময়ে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছিল। C) ১২ আগস্ট ২০২৪ — এই তারিখে সরকার গঠনের কোনো ঐতিহাসিক বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নেই, তাই এটি সঠিক নয়। D) ০৫ আগস্ট ২০২৪ — এই দিন ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটে এবং প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করে দেশত্যাগ করেন, যা সরকার গঠনের আগের দিন। মনে রাখার টিপস: পাচ আগস্ট পতন এবং তিন দিন পর অর্থাৎ আট আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শপথগ্রহণ, এভাবে মনে রাখা সহজ।
40. বাংলাদেশে কখন প্রথম প্রেসিডেন্ট পদ্ধতির সরকার গঠিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: খ) ১৯৭২ (বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত অপশন এ-এর উত্তরটি সঠিক নয়। বাংলাদেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট পদ্ধতির সরকার ১৯৭২ সালে গঠিত হয়নি, বরং ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয়। তবে প্রদত্ত অপশনের মধ্যে সঠিক সাল হলো ১৯৭২, কারণ বাকీ অপশনগুলো যেমন ১৯৭৫ বা ১৯৮০ পরবর্তী সময়ের সাথে সম্পর্কিত। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের সংবিধান অনুযায়ী সংসদীয় পদ্ধতি চালু হয়। তবে প্রথম সরকার ছিল মুজিবনগর সরকার যা ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয় এবং সেখানে রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্থা ছিল।) কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয়। - এই সরকারের ঘোষণা পত্রে বাংলাদেশকে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) ১৯৭১ — প্রদত্ত উত্তরে এটি বলা হলেও ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণা ও মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়, যা প্রেসিডেন্ট পদ্ধতির প্রথম সরকার ছিল। খ) ১৯৭২ — ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা চালু করে এবং সংবিধান প্রণীত হয়। গ) ১৯৭৫ — ১৯৭৫ সালের জানুয়ারি মাসে চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে বাকশাল ও রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু করা হয়। ঘ) ১৯৮০ — ১৯৮০ সাল বাংলাদেশের শাসনতান্ত্রিক ইতিহাসে প্রেসিডেন্ট পদ্ধতির সরকার গঠনের কোনো প্রাথমিক সাল নয়। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার সূচনালগ্ন ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠনের মাধ্যমেই প্রথম রাষ্ট্রপতি পদ্ধতির সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।