a স্বরবৃত্ত
b মাত্রাবৃত্ত
c অক্ষরবৃত্ত
d গদ্যছন্দ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্বরবৃত্ত ১. কেন সঠিক: ছড়ার ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর ধ্বনিপ্রবাহ বা লয় দ্রুত এবং এর মাত্রা গণনার নিয়ম অন্যান্য ছন্দের চেয়ে আলাদা। স্বরবৃত্ত ছন্দে শব্দের আদি স্বরধ্বনির ওপর ঝোঁক বা জোর পড়ে এবং দল বা অক্ষরগুলো সাধারণত স্বরান্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ছান্দসিক সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত স্বরবৃত্ত ছন্দকে ছড়ার ছন্দ বা দলবৃত্ত ছন্দ হিসেবে অভিহিত করেছেন। বাংলা লোকসাহিত্যে প্রচলিত ছড়া, রূপকথা এবং ধাঁধাঁয় মূলত এই স্বরবৃত্ত ছন্দের বহুল ব্যবহার দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আয় রে ছুটে আয়, / ছোট নদী পার হয়া। ব্যাখ্যা: এটি স্বরবৃত্ত ছন্দের একটি পঙ্‌ক্তি যেখানে দ্রুত লয় এবং প্রতি চরণে নির্দিষ্ট স্বরধ্বনি বা ঝোঁক বজায় রয়েছে। উদাহরণ ২: খোকা ঘুমাল পাড়া জুড়ালো, / বর্গী এল দেশে। ব্যাখ্যা: এটি ঐতিহ্যবাহী শিশুতোষ ছড়া, যা স্বরবৃত্ত ছন্দের নিয়ম মেনে রচিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরবৃত্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ ছড়ার ছন্দ বলতে স্বরবৃত্ত ছন্দকে বোঝানো হয়। B) মাত্রাবৃত্ত — এটি রবীন্দ্রযুগের বাংলা কবিতার একটি ধ্রুপদী ছন্দ, যার লয় মন্থর এবং এর মাত্রা গণনার পদ্ধতি আলাদা। C) অক্ষরবৃত্ত — এটি পয়ার বা অমিত্রাক্ষর কবিতার প্রধান ছন্দ, যা মধ্যযুগের বাংলা কাব্যে এবং আধুনিক কাব্যে গম্ভীর ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়। D) গদ্যছন্দ — এটি আধুনিক যুগের ছন্দ যার কোনো নির্দিষ্ট মাত্রার বাধ্যবাধকতা নেই এবং এটি গদ্যের মতো প্রবাহিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ছড়ার ছন্দ মানেই দ্রুত লয় এবং লোকসাহিত্য। মনে রাখবে ছড়া পড়া হয় দ্রুত গতিতে, তাই এর ছন্দ স্বরবৃত্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ছন্দ প্রধানত তিন প্রকার যথা স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত এবং অক্ষরবৃত্ত। ছড়ার ছন্দকে স্বরবৃত্তের পাশাপাশি দলবৃত্ত বা চোয়াড়ে ছন্দও বলা হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0