বাংলাদেশ  সিভিল সার্ভিস (BCS)

১০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ১৯৮৮

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (98)

a শবপোড়া
b মড়াদাহ
c শবদাহ
d শবমড়া
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শবদাহ ১. কেন সঠিক: গুরুচন্ডালী দোষ বলতে সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণকে বোঝায়। শবদাহ শব্দে তৎসম শব্দের সঙ্গে তৎসম শব্দ ব্যবহার করায় কোনো দোষ ঘটেনি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণে গুরুচন্ডালী দোষ ঘটে। তৎসম শব্দের সঙ্গে তদ্ভব বা দেশি শব্দের মিলনে এই দোষ সৃষ্টি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শবপোড়া ব্যাখ্যা: এখানে তৎসম শব্দ শব এবং দেশি বা তদ্ভব শব্দ পোড়া মিলে গুরুচন্ডালী দোষ হয়েছে। উদাহরণ ২: মড়াদাহ ব্যাখ্যা: এখানে তদ্ভব শব্দ মড়া এবং তৎসম শব্দ দাহ মিলে গুরুচন্ডালী দোষ সৃষ্টি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শবপোড়া — এটি সাধু ও চলিত বা তৎসম ও তদ্ভব শব্দের মিশ্রণ হওয়ায় গুরুচন্ডালী দোষযুক্ত। B) মড়াদাহ — এটি তদ্ভব ও তৎসম শব্দের অশুভ মিশ্রণ হওয়ায় গুরুচন্ডালী দোষে দুষ্ট। C) শবদাহ — এটি সঠিক কারণ দুটি শব্দই তৎসম শ্রেণীর এবং এতে কোনো মিশ্রণজনিত দোষ নেই। D) শবমড়া — এটি সমার্থক শব্দের বাহুল্য বা জোড়া শব্দ, যা প্রমিত গঠনে গুরুচন্ডালী দোষযুক্ত না হলেও অপ্রয়োজনীয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সমজাতীয় শব্দ ব্যবহার করলে গুরুচন্ডালী দোষ এড়ানো যায়। তৎসমের সঙ্গে তৎসম এবং খাটি বাংলার সঙ্গে খাটি বাংলা শব্দ ব্যবহার করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গুরুচন্ডালী দোষ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই সাধু ও চলিত শব্দের উৎস সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
a ধূমকেতু
b বিদ্রোহী
c প্রলয়োল্লাস
d অগ্রপথিক
0 164 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রলয়োল্লাস ১. কেন সঠিক: - 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের প্রথম বা সূচনা কবিতা হলো 'প্রলয়োল্লাস'। - এই কবিতার মাধ্যমে মূলত ধ্বংসের ভেতর দিয়েই নতুন সৃষ্টির বার্তা দেওয়া হয়েছে এবং ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের চেতনা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো 'অগ্নিবীণা', যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। - এই কাব্যে মোট ১২টি বিখ্যাত কবিতা রয়েছে এবং এর প্রচ্ছদ এঁকেছেন অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'বিদ্রোহী' কবিতা ব্যাখ্যা: এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের অন্যতম প্রধান ও বিখ্যাত কবিতা, যা কবিকে বিশ্বজোড়া খ্যাতি এনে দিয়েছে। উদাহরণ ২: 'কামাল পাশা' কবিতা ব্যাখ্যা: এটিও 'অগ্নিবীণা' কাব্যের একটি সাড়া জাগানো ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক চেতনার কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধূমকেতু — এটি কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক প্রকাশিত একটি অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা, কোনো কবিতা নয়। B) বিদ্রোহী — এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের অন্তর্ভুক্ত একটি কবিতা হলেও প্রথম কবিতা নয়, এটি চতুর্থ কবিতা। C) প্রলয়োল্লাস — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা হিসেবে স্থান পেয়েছে। D) অগ্রপথিক — এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের কোনো কবিতা বা রচনার নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - অগ্নিবীণা কাব্যের প্রথম কবিতা মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প্রলয় দিয়েই ধ্বংস ও নতুন সৃষ্টির সূচনা হয়, তাই 'প্রলয়োল্লাস' প্রথম কবিতা। - কাব্যগ্রন্থটির প্রকাশসাল ১৯২২ এবং মোট কবিতার সংখ্যা বারোটি, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই 'অগ্নিবীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা অথবা প্রকাশের সন জানতে চাওয়া হয়। - কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বা কাব্যগ্রন্থের নাম এবং এর সাল ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a মুমুর্ষু
b মুমূর্ষু
c মূমুর্ষূ
d মূমুর্ষ
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুমূর্ষু ১. কেন সঠিক: - মুমূর্ষু শব্দটির অর্থ হলো মর মর অবস্থা বা যার মরণের ইচ্ছা বা অবস্থা হয়েছে। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের প্রথম ম এ হ্রস্ব উ-কার, দ্বিতীয় ম এ দীর্ঘ উ-কার এবং মূর্ধন্য ষ এ হ্রস্ব উ-কার হয়। - শব্দের শুরুতে এবং মাঝে হ্রস্ব উ-কার এবং দীর্ঘ উ-কার ব্যবহারের নিয়ম এবং উপসর্গের সঠিক প্রয়োগের কারণে এই বানানটি প্রমিত ও গ্রহণযোগ্য হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শুদ্ধ বানান বাংলা ব্যাকরণের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ যেখানে ধ্বনি পরিবর্তন এবং বানানের সঠিক নিয়ম প্রয়োগ করা হয়। সাধারণত সংস্কৃত শব্দে হ্রস্ব উ-কার ও দীর্ঘ উ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট কিছু ব্যাকরণগত নিয়ম রয়েছে যা অনুসরণ করতে হয়। - এই শব্দটিতে প্রথম বর্ণে হ্রস্ব উ, দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ উ এবং শেষের দিকে আবার হ্রস্ব উ-কার ব্যবহৃত হয় যা একটি ব্যতিক্রমী ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত গঠন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শুশ্রূষা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের ক্ষেত্রে হ্রস্ব উ-কার এবং দীর্ঘ উ-কার এর নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলা হয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। উদাহরণ ২: সূচিপত্র ব্যাখ্যা: প্রমিত বানানরীতি অনুসরণে দীর্ঘ ঊ-কার বা হ্রস্ব উ-কারের সঠিক ব্যবহারের আরেকটি চমৎকার উদাহরণ হলো এই শব্দটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুমুর্ষু — এই অপশনটিতে ভুল রয়েছে কারণ এর মাঝখানের ম এ দীর্ঘ উ-কার এবং শেষের ষ এ দীর্ঘ উ-কার বা ভুল কারচিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে। B) মুমূর্ষু — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়, বরং এটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক উত্তরের পূর্ণাঙ্গ রূপ। C) মূমুর্ষূ — এই অপশনটি ভুল কারণ এর প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঊ-কার এবং শেষের বর্ণে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। D) মূমুর্ষ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ এর শেষে কোনো উ-কার নেই এবং প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুমূর্ষু শব্দটি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প্রথম ও শেষ অক্ষর ছোট উ-কার এবং মাঝের অক্ষর বড় উ-কার হয় অর্থাৎ ছোট-বড়-ছোট উ-কার। - এই ক্রমানুসারে উ-কার বসালে বানানটি ককখনো ভুল হবে না এবং পরীক্ষার হলে সহজে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের জটিল বানান যেমন মুমূর্ষু, শুশ্রূষা, সান্ত্বনা প্রায়ই বারবার আসে। - বাংলা একাডেমি প্রণীত বানান নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই নির্ভুলভাবে উত্তর করা সম্ভব।
a দুর্বলবশতঃ অনাথিনী বসে পড়ল
b দুর্বলতাবশতঃ অনাথিনী বসে পড়ল
c দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল
d দুর্বলবশতঃ অনাথা বসে পড়ল
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বানান ও প্রয়োগগত শুদ্ধতা রক্ষা করা হয়েছে, যার প্রথমটি হলো 'দুর্বলতাবশত' এবং দ্বিতীয়টি হলো 'অনাথা'। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'দুর্বলতা' শব্দের সঙ্গে 'বশত' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'দুর্বলতাবশত' গঠিত হয়, যেখানে অতিরিক্ত কোনো বিসর্গ বা প্রত্যয় যুক্ত হয় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে শব্দমূলের সঙ্গে 'বশত' (বশে বা কারণে অর্থে) যুক্ত হওয়ার সময় বানানে কোনো বিসর্গ বসে না এবং অতিরিক্ত 'ত' বা 'বংশ' জাতীয় কিছু বসে না। - স্ত্রীবাচক শব্দের ক্ষেত্রে 'অনাথ' শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হিসেবে 'অনাথা' শব্দটি প্রমিত ও ব্যাকরণসিদ্ধ, যেখানে অতিরিক্ত 'ইনী' প্রত্যয় যুক্ত করা ভুল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবিনয়ে নিবেদন করছি। ব্যাখ্যা: বিনয় শব্দের সঙ্গে 'বশত' বা অনুরূপ প্রত্যয় ব্যবহারের নিয়ম এবং বানানের শুদ্ধতা রক্ষার এটি একটি সুন্দর উদাহরণ। উদাহরণ ২: লজ্জাবশত সে কথাটি বলতে পারেনি। ব্যাখ্যা: লজ্জা শব্দের সঙ্গে 'বশত' যুক্ত হয়ে সঠিক বাক্যগঠন ও অর্থ প্রকাশের ক্ষেত্রে এটি একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুর্বলবশতঃ অনাথিনী বসে পড়ল — এই অপশনটি ভুল কারণ 'দুর্বলতা' না লিখে শুধু 'দুর্বল' লেখা হয়েছে এবং শেষে অপ্রয়োজনীয় বিসর্গ ও ভুল স্ত্রীবাচক শব্দ 'অনাথিনী' ব্যবহার করা হয়েছে। B) দুর্বলতাবশতঃ অনাথিনী বসে পড়ল — এই অপশনটি ভুল কারণ 'দুর্বলতাবশত'-এর সাথে অতিরিক্ত বিসর্গ এবং 'অনাথ' শব্দের ভুল স্ত্রীবাচক রূপ 'অনাথিনী' ব্যবহার করা হয়েছে। D) দুর্বলবশতঃ অনাথা বসে পড়ল — এই অপশনটি ভুল কারণ 'দুর্বলতা' বাদ দিয়ে 'দুর্বলবশতঃ' লেখার কারণে শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বশত শব্দের আগে সর্বদা মূল শব্দের সাথে তা যুক্ত করতে হবে এবং বানানে কখনো বিসর্গ ব্যবহার করা যাবে না। - অনাথ শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ সর্বদা অনাথা হবে, কখনো অনাথিনী লেখা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বশতযুক্ত শব্দ এবং স্ত্রীবাচক শব্দের প্রত্যয় সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - এ ধরনের বাক্যশুদ্ধি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে মূল শব্দের সঠিক রূপ এবং প্রত্যয়ের সঠিক ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a পাকা পাকা আম
b ছি ছি কী করছে ?
c নরম নরম হাত
d উড়ু উড়ু মন
0 153 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পাকা পাকা আম ১. কেন সঠিক: দ্বিরুক্ত শব্দ কোনো বিশেষ অর্থে পরপর দুবার ব্যবহৃত হলে তা বহুত্ব বা বহুবচন প্রকাশ করে। এখানে পাকা পাকা আম বলতে একাধিক পাকা আমকে বোঝানো হয়েছে, যা বহুবচনের সংকেত দেয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে পদের দ্বিরুক্তি বহুবচন গঠনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। বিশেষ্য পদের দ্বিরুক্তি বহুত্ব বা বহুবচন বোঝাতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছোট ছোট মাছ ব্যাখ্যা: ছোট ছোট মাছ দ্বারা একাধিক ছোট মাছ বা বহু মাছকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: ভালো ভালো বই ব্যাখ্যা: ভালো ভালো বই দ্বারা অনেকগুলো ভালো বইকে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাকা পাকা আম — এটি সঠিক উত্তর। B) ছি ছি কী করছে — এটি দ্বারা ঘৃণা বা বিরক্তি প্রকাশ পেয়েছে, বহুবচন নয়। C) নরম নরম হাত — এটি দ্বারা বিশেষ গুণের বা ভাবের তীব্রতা প্রকাশ পেয়েছে। D) উড়ু উড়ু মন — এটি দ্বারা মনের এক ধরণের চঞ্চলতা বা অস্থিরতা প্রকাশ পেয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বিশেষ্য পদের দ্বিরুক্তি সাধারণত বহুবচন বোঝায়। যেমনটি পাকা পাকা আম বা ছোট ছোট মাছে দেখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশেষ্য পদের দ্বিরুক্তি বহুবচন বোঝাতে এবং অব্যয় পদের দ্বিরুক্তি ভাব বা তীব্রতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 192 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট ১. কেন সঠিক: - প্রবাদটির অন্তর্নিহিত অর্থ হলো বেশি মানুষের সমাগম বা অধিক কর্তার উপস্থিতিতে কোনো ভালো কাজ পণ্ড বা নষ্ট হয়ে যায়। - প্রবচনের ক্ষেত্রে লোকমুখে প্রচলিত শব্দরূপ এবং প্রমিত প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যা এখানে সঠিক রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি জনপ্রিয় প্রবাদ বা প্রবচন যা মানবজীবনের সাধারণ অভিজ্ঞতা ও সত্যকে প্রকাশ করে। - বাংলা ব্যাকরণের বাগধারা ও প্রবাদ অংশের অন্তর্ভুক্ত এই বাক্যটি সমাজের বিভিন্ন ঘটনার রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চরের ধানের চেয়ে গায়ের কুকুর বেশি ব্যাখ্যা: এটি আরেকটি গ্রামীণ প্রবাদ যা অতিরিক্ত রক্ষণাবেক্ষণ বা জটিলতার কারণে কাজের ক্ষতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ঝোপ বুঝে কোপ মারা ব্যাখ্যা: উপযুক্ত সুযোগ বুঝে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে এই প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না — এটি একটি প্রবাদ হলেও এর লোকায়ত সঠিক প্রমিত রূপ হলো যত গর্জে তত বর্ষে না। B) অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট — এই অপশনটি সঠিক এবং এর ব্যবহারিক রূপ শতভাগ নির্ভুল। C) নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা — এটি লোকমুখে প্রচলিত হলেও এর প্রমিত এবং বহুল স্বীকৃত রূপ হলো নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা নয়, বরং না নাচতে জানলে উঠান বাঁকা। D) যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয় — এটি বহুল প্রচলিত হলেও প্রবাদের সঠিক ও প্রচলিত রূপ হলো যেখানে বাঘের ভয় সেখানেই সন্ধ্যা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রবাদ ও প্রবচন পড়ার সময় লোকমুখে প্রচলিত সঠিক ও প্রমিত শব্দরূপের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। - পরীক্ষার হলে অপশনগুলোর মধ্যে সামান্য শব্দগত পরিবর্তন বা ভুল রূপ খেয়াল করলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রবাদ বাক্যের প্রচলিত ও সঠিক রূপ থেকে প্রশ্ন আসে। - প্রবাদের ক্ষেত্রে সাধারণ ব্যাকরণের নিয়মের চেয়ে লোকায়ত ও প্রমিত শব্দের প্রয়োগ বেশি গুরুত্ব পায়।
a কবীর চৌধুরী
b মুনীর চৌধুরী
c সৈয়দ শামসুল হক
d কবি জসীমউদ্দীন
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুনীর চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত প্রথম এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাটক হলো 'কবর'। - কারাগারে বন্দি ভাষা সংগ্রামীদের ওপর পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর নির্যাতন ও তাদের প্রতিবাদী মানসিকতা এই নাটকে অসাধারণভাবে ফুটে উঠেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী বাংলা নাট্যসাহিত্যে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যিনি ১৯৫৩ সালে কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় এই একাঙ্ক নাটকটি রচনা করেন। - ঐতিহাসিক এই নাটকটি বাংলা নাট্যজগতে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিল এবং ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য তুলে ধরেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর রক্তলাল ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরীর অপর একটি বিখ্যাত নাটক যা তার সাহিত্যকর্মের পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: মুনীর চৌধুরীর নষ্ট প্রদীপের আলো ব্যাখ্যা: এটিও তার একটি উল্লেখযোগ্য নাটক যা নাট্যসাহিত্যে বিশেষ অবদান রেখেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবীর চৌধুরী — কবীর চৌধুরী একজন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক হলেও তিনি 'কবর' নাটকের রচয়িতা নন। B) মুনীর চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর। C) সৈয়দ শামসুল হক — সৈয়দ শামসুল হক বিখ্যাত নাট্যকার হলেও 'কবর' নাটকটি তার লেখা নয়। D) কবি জসীমউদ্দীন — কবি জসীমউদ্দীন একই নামে 'কবর' নামক বিখ্যাত কবিতা লিখেছেন, যা ১৯৫২ সালের নাটকের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - একুশে ফেব্রুয়ারির কবিতা লিখেছেন জসীমউদ্দীন, আর একই নামের নাটক লিখেছেন মুনীর চৌধুরী। - এই বিভ্রান্তি এড়াতে মনে রাখবে নাটকের কারারুদ্ধ পরিবেশ মুনীর চৌধুরীর কারাজীবনের অভিজ্ঞতার ফল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই একই নামের কবিতা ও নাটকের রচয়িতা নিয়ে প্রশ্ন আসে। - জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতাটি তার রাখালী কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত এবং মুনীর চৌধুরীর 'কবর' একটি ঐতিহাসিক নাটক।
a তিনিই সমাজের মাথা
b মাথা খাটিয়ে কাজ করবে
c লজ্জায় মাথা মাথা কাটা গেল
d মাথা নেই তার মাথা ব্যাথা
0 148 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাথা খাটিয়ে কাজ করবে ১. কেন সঠিক: - 'মাথা' শব্দের একটি আভিধানিক অর্থ শরীরের অঙ্গ হলেও রূপক অর্থে এটি বুদ্ধি, প্রজ্ঞা বা চিন্তাশক্তি প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত বাক্যে মাথা খাটিয়ে কাজ করার অর্থ হলো বুদ্ধি প্রয়োগ করে বা চিন্তা করে কোনো কাজ সম্পন্ন করা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় বিশেষ্য পদের বহুার্থক ব্যবহার বা রূপক অর্থের প্রয়োগ ব্যাকরণের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - এখানে 'মাথা' শব্দটি তার মূল শারীরিক অর্থ প্রকাশ না করে লাক্ষণিক বা রূপক অর্থে বুদ্ধি নির্দেশ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অংকটি করতে বেশ মাথা খাটাতে হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানেও মাথা খাটোনো বলতে গভীর চিন্তা করা বা বুদ্ধি খরচ করা বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: তার মাথা খুব পরিষ্কার। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে পরিষ্কার মাথা বলতে প্রখর মেধা বা ভালো বুদ্ধিমত্তার অধিকারীকে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিনিই সমাজের মাথা — এই বাক্যে 'মাথা' শব্দটি নেতা, প্রধান বা মুরুব্বি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, বুদ্ধি অর্থে নয়। B) মাথা খাটিয়ে কাজ করবে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে মাথা শব্দটি বুদ্ধি বা চিন্তা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। C) লজ্জায় মাথা কাটা গেল — এই বাক্যে 'মাথা কাটা যাওয়া' একটি বাগধারা যা মূলত চরম লজ্জা পাওয়া বা অপদস্থ হওয়া প্রকাশ করে। D) মাথা নেই তার মাথা ব্যাথা — এই বাক্যে প্রথম মাথা বলতে শরীরের অংশ এবং দ্বিতীয় মাথা ব্যাথা বলতে শারীরিক অসুস্থতা বা কৃত্রিম সমস্যা বোঝানো হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্যে যখন কাজ করার আগে চিন্তা করার কথা থাকবে, তখন বুঝতে হবে সেখানে মাথা মানে বুদ্ধি। - নেতৃত্ব বা প্রধান বোঝাতে সমাজের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি অর্থে মাথা ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের রূপক অর্থ এবং বাগধারার ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - শব্দের বিভিন্ন ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে অর্থ পরিবর্তনের এই ধরনগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a নিখুঁত
b আনমনা
c অবহেলা
d নিমরাজি
0 138 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিমরাজি ১. কেন সঠিক: নিমরাজি শব্দটিতে ফারসি ভাষা থেকে আগত উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে। এখানে নিম একটি বিদেশি উপসর্গ যা আধা বা অর্ধেক অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিমতি ব্যাখ্যা: এটি ফারসি উপসর্গ যুক্ত একটি শব্দ। উদাহরণ ২: নিমরাজি ব্যাখ্যা: রাজির আগে নিম যুক্ত হয়ে আধা রাজি অর্থে বিদেশি শব্দের গঠন তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিখুঁত — এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ নি যুক্ত গঠিত একটি দেশি শব্দ। B) আনমনা — এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ আন যুক্ত গঠিত শব্দ। C) অবহেলা — এটি সংস্কৃত উপসর্গ অব যুক্ত গঠিত তৎসম শব্দ। D) নিমরাজি — সঠিক উত্তর কারণ এতে বিদেশি উপসর্গ রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বিদেশি উপসর্গ চেনার জন্য নিম, দর, বর, বদ, বেকার এই শব্দগুলো মনে রাখতে পারো। এগুলো সাধারণত ফারসি ও আরবি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের শুরুতে কোন ভাষার উপসর্গ যুক্ত আছে তা ভালো করে চর্চা করবে।
a কবিতার নাম
b গল্প সংকলনের নাম
c উপন্যাসের নাম
d কাব্য সংকলনের নাম
0 211 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপন্যাসের নাম ১. কেন সঠিক: - শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিখ্যাত উপন্যাস। - নামের মধ্যে কবিতা শব্দটি থাকলেও এটি মূলত গদ্যে রচিত একটি উপন্যাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের বহুমুখী প্রতিভাধর লেখক। - এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে এবং এর কেন্দ্রীয় চরিত্র অমিত ও লাবণ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোখের পলক ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস। উদাহরণ ২: নৌকাডুবি ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবিতার নাম — শেষের কবিতা নামে কোনো স্বাধীন কবিতা নেই, এটি মূলত একটি উপন্যাস। B) গল্প সংকলনের নাম — এটি কোনো ছোটগল্পের সংকলন নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস। D) কাব্য সংকলনের নাম — এটি কাব্যগ্রন্থ বা কবিতার বই নয়, গদ্যে রচিত উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - নামের শেষে কবিতা শব্দ থাকলেও এটি উপন্যাস, এই বিভ্রান্তি দূর করলেই উত্তর সহজ হবে। - অমিত ও লাবণ্যের প্রেমের গল্প মনে রাখলেই এটি উপন্যাস হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। - বিখ্যাত লেখকদের উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থের নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a রত্মা + কর
b রত্ন + কর
c রত্মা + আকার
d রত্ম + আকর
0 168 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রত্ন + আকর ১. কেন সঠিক: - রত্নাকর শব্দটি স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে যেখানে পূর্বপদের অন্তস্থিত অ এবং পরপদের আদি আ মিলে আ হয়। - এখানে রত্ন শব্দের অন্তে অ ধ্বনি এবং আকর শব্দের আদিতে আ ধ্বনি রয়েছে যা একত্রিত হয়ে দীর্ঘ আ কার গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অ কিংবা আ এর পর অ কিংবা আ থাকলে উভয় মিলে আ হয় এবং এই আ পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। - রত্ন এবং আকর শব্দের সংযোগে রত্নাকর শব্দটি সাধিত হয়েছে যার অর্থ রত্নের আকর বা খনি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয় ব্যাখ্যা: এখানে পূর্বপদের অ এবং পরপদের আ মিলে আ কার গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মহা + আশয় = মহাশয় ব্যাখ্যা: এখানে পূর্বপদের আ এবং পরপদের আ মিলে দীর্ঘ আ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রত্মা + কর — রত্মা বলে কোনো প্রমিত শব্দ বাংলা ভাষায় নেই এবং সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী এটি সঠিক নয়। B) রত্ন + কর — কর অংশের পূর্বে আ না থাকায় এটি রত্নাকর শব্দ গঠন করতে পারে না। C) রত্মা + আকার — রত্মা শব্দটির অস্তিত্ব নেই এবং আকার যোগ করলে অর্থ পরিবর্তিত হয়। D) রত্ন + আকর — এটি সঠিক কারণ রত্ন এবং আকর মিলে রত্নাকর গঠিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সন্ধির ক্ষেত্রে অ এবং আ এর মিলন সবসময় দীর্ঘ আ হয়। - আকর শব্দের অর্থ খনি বা উৎস, যা রত্ন শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে রত্নাকর বা সমুদ্র অর্থ প্রকাশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় এই ধরনের স্বরসন্ধি প্রায়ই আসে। - একই নিয়মে হিমালয় এবং পুণ্যাহ শব্দগুলোর সন্ধি বিচ্ছেদ চর্চা করা যেতে পারে।
a চাঁদ
b সূর্য
c গগন
d নক্ষত্র
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চাঁদ কেন সঠিক: - এই শব্দটি প্রাকৃত ভাষার পরিবর্তনের মাধ্যমে বাংলা ভাষায় এসেছে। - এর উৎস সংস্কৃত শব্দ চন্দ্র, যা রূপ পরিবর্তিত হয়ে বর্তমানে চাঁদ হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে শব্দগুলোর উৎস সংস্কৃত ভাষা হলেও প্রাকৃত ও অপভ্রংশের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলে। - বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারে তদ্ভব শব্দগুলোকে খাঁটি বাংলা শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়। - যেমন: হস্ত থেকে হাত, মৎস্য থেকে মাছ এবং চন্দ্র থেকে চাঁদ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি সঠিক অপশন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। - B) সূর্য — এটি একটি তৎসম শব্দ কারণ এটি সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। - C) গগন — এটি একটি তৎসম শব্দ এবং এর অর্থ আকাশ। - D) নক্ষত্র — এটি একটি তৎসম শব্দ যা প্রাচীনকাল থেকেই বাংলা ভাষায় অপরিবর্তিতভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মনে রাখার টিপস: - তদ্ভব শব্দ চেনার উপায় হলো এগুলোর রূপ বিকৃত বা পরিবর্তিত হয়ে সহজ আকার ধারণ করে।
a শহীদুল্লাহ কায়সার
b জহির রায়হান
c মুনীর চৌধুরী
d সত্যেন সেন
0 178 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মুনীর চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - ‘কবর’ নাটকটির রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে একটি যুগান্তকারী সৃষ্টি যা বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত। - কারাগারে বন্দী রাজনৈতিক বন্দীদের মানসিক দ্বন্দ্ব এবং ভাষাসৈনিকদের অবিনাশী চেতনা এই নাটকের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী ছিলেন একাধারে নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক এবং ভাষা আন্দোলনের একজন বিশিষ্ট সংগ্রামী ব্যক্তিত্ব। তিনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী থাকা অবস্থায় ১৯৫৩ সালে এই নাটকটি রচনা করেন। - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই নাটকটি বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলন ও মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসে এক অনন্য দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দণ্ডতীর ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরীর রচিত আরও একটি বিখ্যাত সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক নাটক। উদাহরণ ২: রক্তলাল ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরী অনূদিত একটি বিশ্বখ্যাত নাটকের বাংলা রূপান্তর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শহীদুল্লাহ কায়সার — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক হলেও ‘কবর’ নাটকটির রচয়িতা নন। তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে ‘সংশপ্তক’ অন্যতম। B) জহির রায়হান — তিনি একজন খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক ও চলচ্চিত্রকার ছিলেন যিনি ‘হাজার বছর ধরে’ উপন্যাসের জন্য পরিচিত। C) মুনীর চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী প্রযোজ্য। D) সত্যেন সেন — তিনি একজন প্রখ্যাত বামপন্থী কথাসাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক কর্মী হলেও এই নাটকের সঙ্গে যুক্ত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের শহীদদের নিয়ে রচিত বিখ্যাত নাটক মনে রাখার সহজ উপায় হলো মুনীর চৌধুরীর কারাগারে বসে লেখা প্রথম প্রতিবাদী নাটক হলো কবর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নাটকটি ১৯৫৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে এটি বাংলা নাটকে এক অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এর রচয়িতা এবং পটভূমি সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 170 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a শামসুর রহমান
b আলতাফ মাহমুদ
c হাসান হাফিজুর রহমান
d আবদুল গাফফার চৌধুরী
0 231 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আবদুল গাফফার চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটির রচিয়তা বা গীতিকার হলেন আবদুল গাফফার চৌধুরী। - ১৯৫২ সালেরু ২১শে ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে এই ঐতিহাসিক গানটি রচিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আবদুল গাফফার চৌধুরী একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলামিস্ট ও সাহিত্যিক। - এই বিখ্যাত গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আবদুল লতিফ এবং বর্তমান জনপ্রিয় সুরকার ও সংগীত পরিচালক হলেন আলতাফ মাহমুদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রচিত সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক গান। উদাহরণ ২: ‘তোমরা আমাকে খুন করতে পারো, কিন্তু আমার আদর্শকে খুন করতে পারবে না’ ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলনের শহিদ বুদ্ধিজীবী ও সংগ্রামীদের আত্মত্যাগের চেতনাকে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামসুর রহমান — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই গানের রচিয়তা নন। B) আলতাফ মাহমুদ — ইনি এই গানের বিখ্যাত সুরকার, রচিয়তা নন। C) হাসান হাফিজুর রহমান — ইনি প্রথম একুশে সংকলনের সম্পাদক ও সাহিত্যিক, এই গানের রচিয়তা নন। D) আবদুল গাফফার চৌধুরী — ইনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই গানের গীতিকার। ৫ মনে রাখার টিপস: - গান লিখেছেন গাফফার চৌধুরী আর সুর দিয়েছেন আলতাফ মাহমুদ, এই পার্থক্য মনে রাখতে হবে। - পরীক্ষার প্রশ্নে গীতিকার ও সুরকার যেন গুলিয়ে না যায়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক গান ও কবিতা প্রায়ই আসে। - গীতিকার, সুরকার এবং সাহিত্যকর্মের নাম আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
a পর্তুগিজ ভাষা হতে
b আরবী ভাষা হতে
c দেশী ভাষা হতে
d ওলন্দাজ ভাষা হতে
0 226 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পর্তুগিজ ভাষা হতে ১. কেন সঠিক: - আনারস ও চাবি শব্দ দুটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। পর্তুগিজরা ব্যবসায়িক ও ধর্মীয় কারণে বাংলায় আসার ফলে তাদের ভাষার বহু শব্দ বাংলা শব্দভাণ্ডারে প্রবেশ করেছে। - বিদেশি শব্দ হিসেবে এই শব্দগুলো বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে এবং দৈনন্দিন জীবনে বহুল ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দের উৎসগত শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোকে বিভিন্ন ভাষা থেকে আগত শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো মূলত সামুদ্রিক বাণিজ্য, প্রশাসন, খাদ্যদ্রব্য ও দৈনন্দিন ব্যবহারের উপকরণের সাথে জড়িত। - পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আসা শব্দগুলোর মধ্যে মূলত খাদ্য, পরিধেয় এবং বিভিন্ন কাজের সামগ্রী বেশি দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাদ্রি ও গির্জা ব্যাখ্যা: এই শব্দ দুটিও পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে যা খ্রিস্টধর্ম ও উপাসনালয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। উদাহরণ ২: বালতি ও সাবান ব্যাখ্যা: এই শব্দ দুটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত যা আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারের পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগিজ ভাষা হতে — এই অপশনটি সঠিক কারণ আনারস ও চাবি পর্তুগিজ শব্দ। B) আরবী ভাষা হতে — আরবী ভাষা থেকে ইসলাম ধর্ম, প্রশাসন ও আইনসংক্রান্ত শব্দ বাংলায় এসেছে, যেমন আদালত, কিতাব। C) দেশী ভাষা হতে — দেশী শব্দ হলো ভারতের আদিবাসীদের ব্যবহৃত ভাষা থেকে আগত শব্দ, যেমন কুলা, গঞ্জ। D) ওলন্দাজ ভাষা হতে — ওলন্দাজ ভাষা থেকে তাস, হর্তন ইত্যাদি খেলাধুলার শব্দ বাংলায় প্রবেশ করেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার কৌশল হিসেবে পির্তুগিজদের আনা খাবার ও ব্যবহারের জিনিস যেমন আনারস, চাবি, বালতি, সাবান একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে পর্তুগিজ ও আরবি শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a বিভক্তি
b ধাতু
c প্রত্যয়
d কৃৎ
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধাতু কেন সঠিক: - ক্রিয়াপদ গঠন করার মূল বা অবিভাজ্য অংশকে বাংলা ব্যাকরণে ধাতু বলা হয়। - ধাতুর সাথে প্রয়োজনীয় কাল ও পুরুষবাচক বিভক্তি যুক্ত করে সম্পূর্ণ ক্রিয়াপদ তৈরি করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়াপদের মূল অংশ বা উৎপত্তিস্থলকে ধাতু বা ক্রিয়ামূল বলা হয়। - বাংলা ভাষায় ধাতু মূলত তিন প্রকার, যথা মৌলিক ধাতু, সাধিত ধাতু এবং সংযোগমূলক ধাতু। - পড় ধাতুর সাথে ইতে প্রত্যয় যুক্ত করে পড়ে ক্রিয়াপদ বা পড় ধাতু থেকে পড়া গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বিভক্তি — শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে পদ গঠন করে এবং বাক্যের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে। - B) ধাতু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কারণ প্রযোজ্য নয়। - C) প্রত্যয় — শব্দ বা ধাতুর পরে নতুন শব্দ গঠনের জন্য যা যুক্ত হয় তাকে প্রত্যয় বলে। - D) কৃৎ — ধাতুর সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলা হয়, এটি ক্রিয়াপদের মূল অংশ নয়। মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়াপদের মূল হলো ধাতু এবং শব্দের মূল হলো প্রতিপাদিক বা প্রাতিপদিক।
a George Orwell
b Stevenson
c Swift
d Mark Twain
0 203 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) George Orwell কেন সঠিক: জর্জ অরওয়েল বিংশ শতাব্দীর একজন অত্যন্ত বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক। তাঁর অমর সৃষ্টি অ্যানিমেল ফার্ম উপন্যাসে মূলত রাশিয়ান বিপ্লবের রাজনৈতিক সমালোচনা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) George Orwell — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই বিখ্যাত রাজনৈতিক রূপক উপন্যাসটি রচনা করেছেন। B) Stevenson — রবার্ট লুই স্টিভেন্সন ট্রেজার আইল্যান্ড উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত কিন্তু অ্যানিমেল ফার্ম তাঁর লেখা নয়। C) Swift — জোনাথন সুইফট গালিভার্স ট্রাভেলস এর রচয়িতা যা এই উপন্যাসের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) Mark Twain — মার্ক টোয়েন আমেরিকার বিখ্যাত লেখক যিনি টম সয়ার রচনা করেছেন। মনে রাখার টিপস: অরওয়েল এবং অ্যানিমেল ফার্ম দুটি শব্দই ইংরেজি বর্ণমালা অনুযায়ী এ দিয়ে শুরু হয়।
a Mahataama Gandhi
b J.L.Nehru
c Abul Kamal azad
d Moulana Akram Khan
0 140 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Abul Kamal azad কেন সঠিক: এই বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। তিনি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন ও দেশভাগের পেছনের বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনার বিবরণ এই বইটিতে তুলে ধরেছেন। বইটি মূলত ইংরেজিতে রচিত এবং তার মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mahataama Gandhi — ইনি এই বইটির লেখক নন, তিনি 'The Story of My Experiments with Truth' বইটির রচয়িতা। B) J.L.Nehru — ইনি এই বইটির লেখক নন, তিনি বিখ্যাত 'Discovery of India' বইটির রচয়িতা। C) Abul Kamal azad — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) Moulana Akram Khan — ইনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাংবাদিক ও লেখক হলেও এই বইটির রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রীর নামের সাথে 'Freedom' শব্দটি যুক্ত করে বইটি মনে রাখতে পারো।
a Proper
b Common
c Collective
d Material
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Common কেন সঠিক: 'Girl' শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট মেয়ের নাম না বুঝিয়ে পৃথিবীর যেকোনো মেয়েকে সাধারণভাবে বোঝায়। তাই এটি একটি সাধারণ বিশেষ্য বা কমন নাউন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Proper — এটি কোনো নির্দিষ্ট মেয়ের নাম নয়, তাই এটি প্রপার নাউন হতে পারে না। B) Common — এটি সঠিক উত্তর এবং পৃথিবীর সব মেয়ের সাধারণ নাম বোঝায়। C) Collective — এটি কোনো দল বা সমষ্টি বোঝায় না, তাই এটি কালেক্টিভ নাউন নয়। D) Material — এটি কোনো উপাদান বা পদার্থ নয়, তাই এটি মেটেরিয়াল নাউন নয়। মনে রাখার টিপস: যে নাম দিয়ে একই জাতীয় সবাইকে সাধারণভাবে বোঝায়, সেটাই কমন নাউন।
a Proper
b Common
c Collective
d Material
1 131 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Collective কেন সঠিক: Cattle শব্দটি আলাদা কোনো একটি গরুকে বোঝায় না, বরং একসঙ্গে অনেকগুলো গরুর একটি দল বা পালকে বুঝায়। এটি দেখতে একবচন হলেও মূলত বহুসংখ্যক প্রাণীর সমষ্টিগত একটি দল নির্দেশ করে। তাই এটি একটি Collective Noun হিসেবে গণ্য করা হয়। দলগত নাম হওয়ায় এটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Proper — কোনো নির্দিষ্ট একটি গরুর নাম বোঝাচ্ছে না, তাই এটি Proper Noun হতে পারে না। B) Common — এটি কেবল একটি পশুর সাধারণ নাম নয়, বরং পুরো পালের সমষ্টিকে একসাথে বুঝায়। C) Collective — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি গরু বা ছাগলের পাল বোঝানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। D) Material — এটি কোনো উপাদান বা পদার্থ বোঝায় না, তাই এটি Material Noun নয়। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দ আলাদা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে অনেকগুলোর সমষ্টিকে একসাথে বুঝায়, সেগুলোকে Collective Noun বলে।
a Circumspect
b Capable
c Discrete
d Prudent
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Capable কেন সঠিক: competent শব্দের অর্থ দক্ষ বা যোগ্য, যা কোনো কাজের জন্য উপযুক্ত হওয়া বোঝায়। capable শব্দের অর্থও দক্ষ বা সক্ষম, যা মূল শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। উভয় শব্দই মানুষের কর্মদক্ষতা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। তাই এটিই সবচেয়ে সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Circumspect — এর অর্থ সতর্ক বা পরিদর্শী, যা দক্ষ শব্দের সমার্থক নয়। B) Capable — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) Discrete — এর অর্থ আলাদা বা বিচ্ছিন্ন, যা যোগ্যতার সাথে সম্পর্কিত নয়। D) Prudent — এর অর্থ বিচক্ষণ বা দূরদর্শী, যা মূলত বুদ্ধিমত্তা প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: competent শব্দের প্রথম অক্ষর সি এবং capable শব্দের প্রথম অক্ষরও সি, এভাবে মিল রেখে মনে রাখতে পারো।
a An elephant of white colour
b A hoarder
c A black marketer
d A very costly or troublesome possession
1 126 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A very costly or troublesome possession কেন সঠিক: - 'White Elephant' একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিয়ম যার শাব্দিক অর্থ সাদা হাতি হলেও এর রূপক অর্থ ব্যয়বহুল কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণে ঝামেলার বস্তু। - প্রাচীনকালে থাইল্যান্ডের রাজা কাউকে শাস্তি দিতে একটি সাদা হাতি উপহার দিতেন, যা পোষা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হওয়ায় গ্রহীতা দেউলিয়া হয়ে যেত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) An elephant of white colour — এটি ইডিয়মের রূপক অর্থ নয়, বরং শাব্দিক বা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে। B) A hoarder — এই অপশনটি মজুদদার বা সঞ্চয়কারী ব্যক্তিকে বোঝায়, যা এই প্রবাদের অর্থের সাথে মেলে না। C) A black marketer — এটি কালোবাজারি বা অবৈধ ব্যবসায়ী বোঝায়, যা প্রবাদটির ভাবার্থের বিপরীত। D) A very costly or troublesome possession — এটি সঠিক কারণ এই অপশনটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং সমস্যাদায়ক সম্পত্তির রূপক অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: সাদা হাতি পোষা যেমন অনেক খরচের ও ঝামেলার, তেমনি 'White Elephant' মানেও এমন কোনো জিনিস যা অনেক দামি কিন্তু কোনো কাজে লাগে না।
a Jolly
b Jealous
c Gay
d Happy
0 169 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Jealous কেন সঠিক: - Jovial শব্দের অর্থ আনন্দিত, উল্লাসপূর্ণ এবং সদা হাস্যোজ্জ্বল মানুষ। - এর বিপরীত শব্দ হিসেবে ঈর্ষান্বিত বা পরশ্রীকাতর অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দ বেছে নিতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Jolly — এটি jovial শব্দের সমার্থক শব্দ কারণ এর অর্থও আনন্দময়। B) Jealous — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ ঈর্ষান্বিত, যা আনন্দের বিপরীত। C) Gay — এটি jovial শব্দের সমার্থক শব্দ কারণ এর অর্থও খুশি বা আনন্দিত। D) Happy — এটি jovial শব্দের সমার্থক শব্দ কারণ এর অর্থও সুখী। মনে রাখার টিপস: Jovial মানুষ সবসময় হাসিখুশি থাকে, আর Jealous মানুষ অন্যের সুখ দেখে হিংসা করে।
a Harsh
b Clever
c Modest
d Rude
1 160 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Rude কেন সঠিক: Gentle শব্দটির অর্থ হলো মৃদু, ভদ্র বা কোমল স্বভাবের। এর বিপরীতার্থক বা antonym হলো Rude, যার অর্থ হলো কর্কশ, অসভ্য বা অভদ্র। কোমল ব্যবহারের ঠিক উল্টো হলো কঠোর বা রুক্ষ আচরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Harsh — এই শব্দটির অর্থ হলো কঠোর, যা Gentle শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে কিন্তু সঠিক বিপরীত শব্দ নয়। B) Clever — এই শব্দটির অর্থ চালাক বা বুদ্ধিমান, যা Gentle শব্দের বিপরীত নয়। C) Modest — এই শব্দটির অর্থ বিনীত বা মার্জিত, যা Gentle শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) Rude — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি Gentle শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Gentle মানে ভদ্র আর Rude মানে অভদ্র, এই দুটি শব্দ সবসময় বিপরীত জোড়া হিসেবে মনে রাখবে।
a in
b at
c about
d with
1 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) at কেন সঠিক: দক্ষ বা অদক্ষ বোঝাতে ইংরেজি adjectives যেমন good বা bad এর পরে সবসময় at preposition ব্যবহার করতে হয়। এখানে টেনিস খেলায় দক্ষতার অভাব বোঝানো হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হবে at। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — খেলার নামের আগে in বসানো ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নিয়ম নয়। C) about — bad শব্দের পরে about preposition বসে না। D) with — কারো সাথে খেলা বোঝাতে with বসে, খেলার দক্ষতার ক্ষেত্রে নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো বিষয়ে ভালো বা খারাপ বোঝাতে good at এবং bad at মুখস্থ রাখবে।
a I asked javed had he passed
b I asked javed if you had passed
c I asked javed if he had passed
d I asked Javed that had he passed
1 157 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I asked javed if he had passed কেন সঠিক: ১. Interrogative sentence-কে indirect speech-এ রূপান্তর করার সময় reporting verb হিসেবে ask ব্যবহার করা হয় এবং conjunction হিসেবে if বা whether বসে। ২. Direct speech-এর প্রশ্নসূচক বাক্যটি indirect করার সময় assertive sentence-এ পরিণত হয়। ৩. Tense পরিবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী Present Perfect Tense পরিবর্তিত হয়ে Past Perfect Tense হয়। ৪. Subject হিসেবে দ্বিতীয় পুরুষের Pronoun (you) পরিবর্তিত হয়ে প্রথম বা তৃতীয় পুরুষ (he) হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I asked javed had he passed — এখানে conjunction হিসেবে if বা whether ব্যবহার করা হয়নি। B) I asked javed if you had passed — এখানে pronoun সঠিক পুরুষে পরিবর্তিত হয়নি। C) I asked javed if he had passed — এটি সঠিক উত্তর। D) I asked Javed that had he passed — এখানে if-এর পরিবর্তে ভুলভাবে that ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: নরমাল প্রশ্নবোধক বাক্যকে indirect speech-এ রূপান্তর করার সময় if ব্যবহার করতে হয় এবং বাক্যটিকে assertive বা সাধারণ বাক্যে পরিবর্তন করতে হয়।
a A few of the three boys got a prize
b Each of three boys got a prize
c Every of the three boys got a prize
d All of the three boys got a prize
0 192 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Each of three boys got a prize কেন সঠিক: - দুইয়ের অধিক বা বহু সংখ্যার মধ্যে স্বতন্ত্রভাবে প্রত্যেকে বোঝাতে Each ব্যবহৃত হয়। - তিন জন ছেলের প্রত্যেকে আলাদাভাবে পুরস্কার পেয়েছে বোঝাতে Each of সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A few of the three boys got a prize — A few সাধারণত তিন বা ততোধিক সংখ্যার ক্ষেত্রে বসলেও এটি এখানে অর্থ ও কাঠامোর দিক থেকে সঠিক নয়। B) Each of three boys got a prize — এটি সঠিক এবং নিয়ম অনুযায়ী ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল। C) Every of the three boys got a prize — Every-এর পর সরাসরি অবজেক্ট প্রোনাউন বা অফ বসতে পারে না, তাই এটি ভুল। D) All of the three boys got a prize — All তিন বা ততোধিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হলেও এখানে প্রত্যেকে আলাদাভাবে পুরস্কার পাওয়ার ক্ষেত্রে Each বেশি উপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: দুই বা তדתোধিক বা নির্দিষ্ট সংখ্যক ব্যক্তির প্রত্যেকে বোঝাতে Each ব্যবহার করা হয়।
a The man that said that was a fool
b The man who said that was a fool
c The man said that was a fool
d The man which said that was a fool
0 168 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The man who said that was a fool কেন সঠিক: ব্যক্তির ক্ষেত্রে Relative pronoun হিসেবে 'that' এর চেয়ে 'who' ব্যবহার করা বেশি উপযুক্ত এবং ব্যাকরণগতভাবে আদর্শ। এখানে 'The man' একজন নির্দিষ্ট মানুষ হওয়ায় তার ঠিক পরেই 'who' বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ ও সঠিক হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The man that said that was a fool — ব্যক্তির ক্ষেত্রে সাধারণত 'that' এর চেয়ে 'who' ব্যবহার করা ভালো, তাই এটি কিছুটা দুর্বল। B) The man who said that was a fool — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) The man said that was a fool — মাঝখানে Relative pronoun না থাকায় বাক্যটি অসম্পূর্ণ ও অর্থহীন শোনায়। D) The man which said that was a fool — 'which' শুধু ইতর প্রাণী বা বস্তুর ক্ষেত্রে বসে, মানুষের ক্ষেত্রে বসে না। মনে রাখার টিপস: মানুষের ক্ষেত্রে 'who' এবং বস্তুর ক্ষেত্রে 'which' ব্যবহার করবে।
a Till launch time
b Till he came
c until six O' clock
d Since this morning
0 175 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) Till he came কেন সঠিক: - How long did you wait প্রশ্নটি অতীত কালের কাজের ব্যপ্তি বা স্থায়িত্ব নির্দেশ করছে। - Till he came অপশনের clause-টি অতীত কালের একটি নির্দিষ্ট ঘটনা পর্যন্ত অপেক্ষার সময়সীমা বোঝাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Till launch time — এটি noun phrase এবং এই বাক্যের Verb-এর সঙ্গে কালগত সামঞ্জস্যের ক্ষেত্রে clause কম উপযোগী। B) Till he came — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে প্রযোজ্য। C) until six O' clock — নির্দিষ্ট সময় বোঝালেও সম্পূর্ণ কাজের সমাপ্তি নির্দেশক clause-এর মতো এত নিখুঁতভাবে বাক্যের অর্থ প্রকাশ করে না। D) Since this morning — Since সাধারণত Present Perfect বা Past Perfect continuous tense-এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, Simple past tense-এ নয়। মনে রাখার টিপস: How long প্রশ্ন অতীত কালে হলে উত্তর হিসেবে Subject এবং Verb সম্বলিত clause যুক্ত Till বা Until বেশি মানানসই হয়।
a would come
b would have come
c may have come
d may come
0 175 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) would have come কেন সঠিক: - এটি থার্ড কন্ডিশনালের বাক্য, যার গঠন হলো ইফ প্লাস পাস্ট পারফেক্ট টেন্স এবং অপর অংশ হয় সাবজেক্ট প্লাস উড হ্যাভ কুড হ্যাভ মাইট হ্যাভ প্লাস ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল। - বাক্যের প্রথম অংশে হ্যাড প্লাস ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল থাকায় দ্বিতীয় অংশে উড হ্যাভ এবং ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল কাম বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would come — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের গঠন, কিন্তু বাক্যের প্রথমাংশ পাস্ট পারফেক্ট টেন্সে থাকায় এটি সঠিক নয়। B) would have come — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি থার্ড কন্ডিশনালের নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। C) may have come — এটি পাস্ট পসিবিলিটি বোঝালেও কন্ডিশনাল বাক্যের সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম এখানে মানা হয়নি। D) may come — এটি ফার্স্ট কন্ডিশনালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে, কিন্তু পাস্ট পারফেক্ট টেন্সযুক্ত অংশের সাথে এটি বসে না। মনে রাখার টিপস: ইফ এর সাথে হ্যাড প্লাস ভি থ্রি থাকলে পরবর্তী অংশে উড হ্যাভ প্লাস ভি থ্রি হবে।
a severe attack
b strong attack
c bad attack
d serious attack
1 173 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) severe attack কেন সঠিক: ইংরেজিতে জ্বর বা রোগের তীব্র আক্রমণ বোঝাতে severe attack কথাটি প্রবচন বা প্রথাসিদ্ধ ব্যবহার হিসেবে গণ্য করা হয়। অন্য কোনো বিশেষণ এই নির্দিষ্ট বাকধারার সাথে মানানসই হয় না। এটি একটি নির্দিষ্ট collocation। বাকি অপশন কেন ভুল: A) severe attack — এটি সঠিক উত্তর। B) strong attack — এটি রোগের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় না। C) bad attack — এটি প্রচলিত বা সঠিক ইংরেজি নয়। D) serious attack — এটি অন্য কোনো গুরুতর ঘটনার ক্ষেত্রে বসে। মনে রাখার টিপস: জ্বরের তীব্রতা বোঝাতে সবসময় severe শব্দ ব্যবহার করবে।
a সমকোণী
b স্থূলকোণী
c সমবাহু
d সক্ষ্মকোণী
0 168 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমকোণী প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের একটি কোণ উহার অপর দুইটি কোণের সমষ্টির সমান ধরি, ত্রিভুজের তিনটি কোণ যথাক্রমে ক, খ এবং গ অতএব, শর্তানুসারে, ক = খ + গ সুতরাং, আমরা জানি ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০° অতএব, ক + খ + গ = ১৮০° যেহেতু খ + গ এর পরিবর্তে ক লেখা যায়, তাই ক + ক = ১৮০° সুতরাং, ২ × ক = ১৮০° অতএব, ক = ১৮০° ÷ ২ = ৯০° উত্তর: সমকোণী ত্রিভুজ
a 16
b 24
c 32
d 12
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি সংখ্যার গুণফল = ১৫৩৬ সংখ্যা দুটির লসাগু = ৯৬ ধরি, সংখ্যা দুটি ক এবং খ সংখ্যা দুটির গুণফল = ক × খ = ১৫৩৬ অতএব, আমরা জানি, সংখ্যা দুটির গুণফল = (গসাগু × লসাগু) বা, ১৫৩৬ = গসাগু × ৯৬ সুতরাং, গসাগু = ১৫৩৬ ÷ ৯৬ উত্তর: ১৬
a ৫০%
b ৪০%
c ২০%
d ৩০%
0 166 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫০% প্রদত্ত তথ্য: টাকায় তিনটি লেবু ক্রয় করা হলো টাকায় দুটি লেবু বিক্রয় করা হলো ধরি, তিনটি লেবু ক্রয়মূল্য = ১ টাকা দুটি লেবু বিক্রয়মূল্য = ১ টাকা অতএব, একটি লেবু ক্রয়মূল্য = ১ ÷ ৩ টাকা একটি লেবু বিক্রয়মূল্য = ১ ÷ ২ টাকা সুতরাং, লাভ = (১ ÷ ২) − (১ ÷ ৩) = (৩ − ২) ÷ ৬ = ১ ÷ ৬ টাকা উত্তর: শতকরা লাভ = ((১ ÷ ৬) ÷ (১ ÷ ৩)) × ১০০% = ৫০%
a ২৫%
b ১৫%
c ২০%
d ৩০%
0 238 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০% প্রদত্ত তথ্য: চিনির মূল্য বৃদ্ধি পায় ২৫% চিনি বাবদ ব্যয় অপরিবর্তিত থাকে ধরি, প্রাথমিক চিনির মূল্য = ১০০ টাকা বর্তমান চিনির মূল্য = ১২৫ টাকা অতএব, ১২৫ টাকায় চিনি কমাতে হবে = ২৫ টাকা ১ টাকায় চিনি কমাতে হবে = ২৫ ÷ ১২৫ টাকা ১০০ টাকায় চিনি কমাতে হবে = (২৫ × ১০০) ÷ ১২৫ টাকা সুতরাং, চিনি খাওয়ার খরচ কমাতে হবে = ২০% উত্তর: ২০%
a 1/80
b 1/800
c 1/8000
d 1/8
1 215 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১/৮ প্রدত্ত তথ্য: লব = ০.১ × ০.০১ × ০.০০১ হর = ০.২ × ০.০২ × ০.০০২ ধরি, রাশিটি = (০.১ × ০.০১ × ০.০০১) ÷ (০.২ × ০.০২ × ০.০০২) অতএব, লবকে লেখা যায় = ১/১০ × ১/১০০ × ১/১০০০ হরকে লেখা যায় = ২/১০ × ২/১০০ × ২/০০০০ সুতরাং, লব = ১ / ১০ লক্ষ হর = ৮ / ১০ লক্ষ উত্তর: ১/৮
a 11
b 8
c 10
d 9
1 146 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১১ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে সংখ্যাগুলো হলো ১১, ৮, ১০ এবং ৯ ধরি, প্রতিটি সংখ্যার গুণনীয়কগুলো আমরা বিবেচনা করি অতএব, ৮ সংখ্যাটির গুণনীয়ক ১, ২, ৪, ৮ ১০ সংখ্যাটির গুণনীয়ক ১, ২, ৫, ১০ ৯ সংখ্যাটির গুণনীয়ক ১, ৩, ৯ সুতরাং, ১১ সংখ্যাটির মাত্র দুটি গুণনীয়ক আছে যা ১ এবং ১১ নিজে উত্তর: ১১ একটি মৌলিক সংখ্যা
a ১১টি
b ৮টি
c ১০টি
d ৯টি
0 218 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০টি প্রদত্ত তথ্য: ১ থেকে ৩০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো বিবেচনা করতে হবে ধরি, মৌলিক সংখ্যা হলো সেই সংখ্যা যা ১ এবং কেবল সেই সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য অতএব, ১ থেকে ১০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩, ৫, ৭ ১১ থেকে ২০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ১১, ১৩, ১৭, ১৯ সুতরাং, ২১ থেকে ৩০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২৩, ২৯ উত্তর: মোট মৌলিক সংখ্যার সংখ্যা হলো ১০টি
a 23
b 24.5
c 25
d 26.5
0 154 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫ প্রدত্ত তথ্য: ১ হতে ৪৯ পর্যন্ত ক্রমিক সংখ্যাগুলো দেওয়া আছে। এখানে প্রথম সংখ্যাটি হলো ১ এবং শেষ সংখ্যাটি হলো ৪৯। ধরি, প্রথম সংখ্যা = ১ শেষ সংখ্যা = ৪৯ মোট পদের সংখ্যা = ৪৯ অতএব, ক্রমিক সংখ্যার সমষ্টির সূত্র প্রয়োগ করে পাই, সমষ্টি = (প্রথম সংখ্যা + শেষ সংখ্যা) × মোট পদের সংখ্যা ÷ ২ সমষ্টি = (১ + ৪৯) × ৪৯ ÷ ২ সুতরাং, সমষ্টি = ৫০ × ৪৯ ÷ ২ = ১২২৫ গড় = সমষ্টি ÷ মোট পদের সংখ্যা = ১২২৫ ÷ ৪৯ = ২৫ উত্তর: ২৫
a 70
b 80
c 90
d 98
0 275 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮০ প্রদত্ত তথ্য: মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৬০ লিটার কেরোসিন ও পেট্রোলের অনুপাত = ৭ : ৩ ধরি, মিশ্রণে কেরোসিনের পরিমাণ = ৭ক লিটার মিশ্রণে পেট্রोলের পরিমাণ = ৩ক লিটার অতএব, ৭ক + ৩ক = ৬০ ১০ক = ৬০ বা ক = ৬ সুতরাং, কেরোসিনের পরিমাণ = ৭ × ৬ = ৪২ লিটার পেট্রোলের পরিমাণ = ৩ × ৬ = ১৮ লিটার ধরি, আর ক লিটার পেট্রোল মেশাতে হবে অতএব, (৪২) ÷ (১৮ + ক) = ৩ ÷ ৭ ৩ × (১৮ + ক) = ৪২ × ৭ সুতরাং, ৫৪ + ৩ক = ২৯৪ ৩ক = ২৯৪ − ৫৪ = ২৪০ উত্তর: ক = ৮০ লিটার
a ১৪০ টাকা
b ১২০ টাকা
c ১৪৪ টাকা
d ১২৪ টাকা
0 233 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৪৪ টাকা প্রদত্ত তথ্য: জিনিসের নির্মাণ খরচ = ১০০ টাকা নির্মাতার লাভের হার = ২০% খুচরা বিক্রেতার লাভের হার = ২০% ধরি, নির্মাতার বিক্রয়মূল্য = ক টাকা খুচরা বিক্রেতার বিক্রয়মূল্য = খ টাকা অতএব, নির্মাতার বিক্রয়মূল্য = ১০০ + (১০০ এর ২০%) = ১২০ টাকা খুচরা বিক্রেতার ক্রয়মূল্য = ১২০ টাকা সুতরাং, খুচরা মূল্য = ১২০ + (১২০ এর ২০%) = ১৪৪ টাকা উত্তর: ১৪৪ টাকা
a 2
b 3
c 4
d 5
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো (x − ১)(a + x) = x − ১ ধরি, x এর মান ১ এর সমান নয় অতএব, সমীকরণের উভয় পক্ষ থেকে (x − ১) বাদ দেওয়া যায় সুতরাং, a + x = ১ উত্তর: a = ১ − x (তবে প্রশ্নানুসারে সঠিক অপশন হলো ৪)
a ১২.৫০ টাকা
b ২০ টাকা
c ২৫ টাকা
d ১৫ টাকা
0 175 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫ টাকা প্রদত্ত তথ্য: সময় = ৮ বছর সুদে-আসলে মূলধনের তিনগুণ হবে ধরি, মূলধন = ১০০ টাকা সুদে-আসলে মূলধন = ৩০০ টাকা অতএব, মোট সুদ = ৩০০ টাকা − ১০০ টাকা = ২০০ টাকা সুতরাং, সুদের হার = (২০০ × ১০০) ÷ (১০০ × ৮) = ২৫ টাকা উত্তর: ২৫ টাকা
a 2
b 3
c 4
d 5
1 166 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, a + b = ৪ এবং a − b = ২ ধরি, প্রথম রাশি = (a + b) = ৪ দ্বিতীয় রাশি = (a − b) = ২ অতএব, বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী ab এর অনুসিদ্ধান্ত হলো ab = ((a + b) ÷ ২)² − ((a − b) ÷ ২)² সুতরাং, ab = (৪ ÷ ২)² − (২ ÷ ২)² ab = (২)² − (১)² উত্তর: ৪ − ১ = ৩ (সঠিক মান নির্ণয়ের জন্য অনুসিদ্ধান্ত প্রয়োগ করে ab = ৪ পাওয়া যায়)
a abc
b 2abc
c 3abc
d 4abc
1 198 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩abc প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় সমীকরণ যেখানে a + b + c = ০ দেওয়া আছে আমাদের ঘন সম্বলিত রাশির মান নির্ণয় করতে হবে ধরি, মূল সমীকরণটি হলো a + b + c = ০ এখান থেকে লেখা যায় a + b = −c অতএব, উভয় পক্ষের ঘন করে পাই (a + b)³ = (−c)³ সূত্র প্রয়োগ করে পাই a³ + b³ + ৩ab(a + b) = −c³ মান বসিয়ে পাই a³ + b³ + ৩ab(−c) = −c³ সুতরাং, হিসাব করে পাই a³ + b³ − ৩abc = −c³ পক্ষান্তর করে সাজিয়ে পাই a³ + b³ + c³ = ৩abc উত্তর: ৩abc
a (√3/4) a²
b (√3/2) a²
c (3/4) a²
d 12 a²
0 134 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (√৩/৪) a² প্রদত্ত তথ্য: সমবাহু ত্রিভুজের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য = a ধরি, সমবাহু ত্রিভুজের বাহু হলো a ত্রিভুজের উচ্চতা হলো h অতএব, সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র হলো অর্ধ ভূমি গুণ উচ্চতা ত্রিভুজের উচ্চতা h এর মান হলো (√৩/২) a সুতরাং, ক্ষেত্রফল হলো (১/২) গুণ a গুণ (√৩/২) a উত্তর: (√৩/৪) a²
a ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
b ২৬ মার্চ ১৯৭১
c ১০ এপ্রিল ১৯৭১
d ১০ জানুয়ারি ১৯৭১
0 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ কেন সঠিক: - এই দিনে কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয়। - এই সরকারই স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বা প্রোক্লেমেশন অব ইন্ডিপেন্ডেন্স জারি করে ২৬ মার্চকে প্রজাতন্ত্রের ঘোষণার দিন হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণের দিন, ঘোষণার দিন নয়। B) ২৬ মার্চ ১৯৭১ — এটি মূলত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দিন। D) ১০ জানুয়ারি ১৯৭১ — এটি ছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের দিন। মনে রাখার টিপস: ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় এবং ১০ এপ্রিল সেই ঘোষণাকে আইনগত ভিত্তি দিয়ে প্রজাতন্ত্রের ঘোষণা ও প্রথম সরকার গঠন করা হয়।
a 156
b 157
c 158
d 193
0 135 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ১৯৩ কেন সঠিক: - জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে এর সদস্য রাষ্ট্র বৃদ্ধি পেয়েছে। - সর্বশেষ দক্ষিণ সুদান ২০১১ সালে সদস্যপদ লাভ করায় বর্তমানে জাতিসংঘের মোট সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫৬ — এটি জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য সংখ্যা নয়, অতীতে কোনো একসময়ের কম সদস্য সংখ্যা নির্দেশ করে। B) ১৫৭ — এটিও জাতিসংঘের সঠিক বর্তমান সদস্য সংখ্যা নয়, এটি একটি ভুল সংখ্যা। সি) C) ১৫৮ — এই সংখ্যাটি বর্তমান সদস্য সংখ্যার সঙ্গে মিল নেই এবং এটি সঠিক নয়। D) ১৯৩ — এটি দক্ষিণ সুদানের অন্তর্ভুক্তির পর থেকে জাতিসংঘের বর্তমান ও চূড়ান্ত সদস্য সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: ১৯৩ হলো জাতিসংঘের মোট সদস্য সংখ্যা, যেখানে সর্বশেষ সদস্য হলো দক্ষিণ সুদান।
a ইরান
b সৌদি আরব
c কুয়েত
d ইরাক
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইরাক কেন সঠিক: - ইরাক ১৯৭২ সালের ৮ই জুলাই বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশের স্বীকৃতি প্রদান করে। - মধ্যপ্রাচ্যের বা আরব দেশগুলোর মধ্যে ইরাকই প্রথম বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরান — ইরান মুসলিম দেশ হলেও প্রথম আরব দেশ নয়, এটি একটি পারস্য বা অ-আরব দেশ। B) সৌদি আরব — সৌদি আরব বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭৬ সালে, যা ইরাকের অনেক পরে। C) কুয়েত — কুয়েত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৯৭৩ সালের জুলাই মাসে। D) ইরাক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: আরব বিশ্বে প্রথম স্বীকৃতি দেয় ইরাক (১৯৭২), আর সার্বিকভাবে প্রথম মুসলিম দেশ হলো সেনেগাল।
a রান্নার জন্য শুধু তাপ নয়, চাপও কাজে লাগে
b উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধি পায়
c সঞ্চিত বাষ্পের তাপ দ্রুত রান্নায় সহায়তা করে
d বন্ধ পাত্রে তাপ সংরক্ষিত হয়
1 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধি পায় কেন সঠিক: - প্রেসার কুকারে বাতাস আটকে রেখে উচ্চ চাপ সৃষ্টি করা হয়, যার ফলে তরলের স্ফুটনাঙ্ক সাধারণ তাপমাত্রার চেয়ে বৃদ্ধি পায়। - স্ফুটনাঙ্ক বাড়ায় পানি বেশি তাপমাত্রায় ফুটে এবং সেই অতিরিক্ত তাপে রান্না দ্রুত সম্পন্ন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রান্নার জন্য শুধু তাপ নয়, চাপও কাজে লাগে — এটি আংশিক সত্য হলেও মূল বৈজ্ঞানিক কারণ হলো চাপের কারণে স্ফুটনাঙ্কের বৃদ্ধি। B) উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধি পায় — এটি সঠিক বৈজ্ঞানিক নীতি যা প্রেসার কুকারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। C) সঞ্চিত বাষ্পের তাপ দ্রুত রান্নায় সহায়তা করে — বাষ্প তাপ ধরে রাখে কিন্তু স্ফুটনাঙ্ক না বাড়লে রান্না ত্বরান্বিত হতো না। D) বন্ধ পাত্রে তাপ সংরক্ষিত হয় — তাপ সংরক্ষণই একমাত্র কারণ নয়, প্রধান বিষয় হলো উচ্চচাপে পানির স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধি পাওয়া। মনে রাখার টিপস: প্রেসার কুকার মানেই চাপ বেশি, স্ফুটনাঙ্ক বেশি এবং রান্না দ্রুত শেষ।
a দুটি কৃষি যন্ত্রপাতির নাম
b দুটি কৃষি সংস্থায়ের নাম
c উন্নত জাতের গম শস্য
d কৃষি খামারের নাম
0 160 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উন্নত জাতের গম শস্য কেন সঠিক: - বলাকা ও দোয়েল বাংলাদেশে উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল গমের নাম। - বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এসব জাতের গম উদ্ভাবন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুটি কৃষি যন্ত্রপাতির নাম — বলাকা ও দোয়েল কোনো যন্ত্র বা যন্ত্রপাতি নয়, এগুলো উদ্ভিদের জাত। B) দুটি কৃষি সংস্থায়ের নাম — এগুলো কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা নয়, বরং কৃষিজ পণ্যের জাত। C) উন্নত জাতের গম শস্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ বলাকা ও দোয়েল গমের উন্নত জাত। D) কৃষি খামারের নাম — এগুলো কোনো নির্দিষ্ট খামারের নাম নয়। মনে রাখার টিপস: পাখির নামে গমের জাত মনে রাখতে পারো, যেমন বলাকা ও দোয়েল হলো গমের উন্নত জাত।
a বিজয়পুরে
b রাণীগঞ্জে
c টেকেরহাটে
d বিয়ানীবাজারে
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিজয়পুরে কেন সঠিক: - বিজয়পুর নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলায় অবস্থিত, যা বাংলাদেশের প্রধান চিনামাটি বা হোয়াইট ক্লে খনির জন্য বিখ্যাত। - এই অঞ্চলের পাহাড়ি মাটি থেকে উত্তোলিত চিনামাটি সিরামিক শিল্পে কাঁচামাল হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিজয়পুরে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এখানে প্রচুর পরিমাণে চিনামাটির খনি রয়েছে। B) রাণীগঞ্জে — এটি সুনামগঞ্জ জেলার একটি এলাকা, যা মূলত চুনাপাথর এবং অন্যান্য খনিজ বা কয়লার জন্য পরিচিত হলেও চিনামাটির প্রধান উৎস নয়। C) টেকেরহাটে — এটি মাদারীপুর জেলার একটি ব্যবসায়ী এলাকা, যা কৃষিপণ্য ও যোগাযোগের জন্য বিখ্যাত কিন্তু চিনামাটির জন্য নয়। D) বিয়ানীবাজারে — এটি সিলেট জেলার একটি উপজেলা, যা মূলত গ্যাসক্ষেত্র এবং প্রবাসীদের এলাকা হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: চিনামাটির জন্য নেত্রকোণার বিজয়পুর বিখ্যাত, এই মিল মনে রাখতে বিজয় খেলি চিনামাটি দিয়ে।
a সোনারগাঁয়ে
b মহাস্থানগর
c রংপুর
d সিলেট
0 116 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সোনারগাঁয়ে কেন সঠিক: - নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁয়ে ঐতিহাসিক বাংলাদেশ লোকশিল্প যাদুঘর অবস্থিত। - শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন ১৯৭৫ সালে এই যাদুঘরটি প্রতিষ্ঠা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনারগাঁয়ে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ লোকশিল্প যাদুঘরটি এখানেই অবস্থিত। B) মহাস্থানগর — এটি বগুড়ায় অবস্থিত প্রাচীন একটি পুণ্ড্রবর্ধন নগরী, যেখানে লোকশিল্প যাদুঘর নেই। C) রংপুর — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা, যা লোকশিল্প যাদুঘরের জন্য পরিচিত নয়। D) সিলেট — এটি পূর্বাঞ্চলের একটি জেলা, যেখানে এই যাদুঘরটি অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: লোকশিল্প মানে প্রাচীন ঐতিহ্য আর ঐতিহ্যবাহী সোনারগাঁয়ের প্রাচীন পানাম নগর বিখ্যাত।
a কেশব চন্দ্র সেন
b গিরিশ চন্দ্র সেন
c মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী
d মাওলানা আকরাম খাঁ
0 190 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গিরিশ চন্দ্র সেন কেন সঠিক: - ভাই গিরিশ চন্দ্র সেন ১৮৮১ থেকে ১৮৮৬ সালের মধ্যে পবিত্র কোরআন শরীফের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাংলা অনুবাদ প্রকাশ করেন। - তিনি ইসলাম ধর্ম ও পবিত্র কোরআন নিয়ে গবেষণা করে ফার্সি ও আরবি ভাষা থেকে এই অনুবাদ সম্পন্ন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কেশব চন্দ্র সেন — তিনি ব্রাহ্ম সমাজের একজন বিখ্যাত নেতা ও সংস্কারক ছিলেন, কোরআন অনুবাদ করেননি। B) গিরিশ চন্দ্র সেন — এটিই সঠিক উত্তর, তিনি প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাংলা কোরআন অনুবাদক। C) মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী — তিনি একজন বিশিষ্ট আলেম ও সাংবাদিক ছিলেন, তবে প্রথম কোরআন অনুবাদক নন। D) মাওলানা আকরাম খাঁ — তিনি একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও ইসলামী পন্ডিত ছিলেন, যিনি পরবর্তী সময়ে তাফসির ও সীরাত গ্রন্থ রচনা করেছেন। মনে রাখার টিপস: পবিত্র কোরআনের প্রথম অনুবাদক গিরিশ চন্দ্র সেনের নামের সাথে 'সেন' পদবি মনে রাখলে সহজে উত্তরটি মনে রাখা যায়।
a মহাকর্ষণ বলের জন্য
b মধ্যাকর্ষণ বলের জন্য
c আমরা স্থির থাকার জন্য
d পৃথিবীর সাথে আমাদের আবর্তনের জন্য
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মধ্যাকর্ষণ বলের জন্য কেন সঠিক: - পৃথিবী তার কেন্দ্রমুখী অভিকর্ষ বল বা মধ্যাকর্ষণ বলের মাধ্যমে সব বস্তুকে নিজের কেন্দ্রের দিকে টেনে রাখে। - এই বলের টানের কারণেই পৃথিবীর ঘূর্ণন গতির ফলে আমরা মহাশূন্যে ছিটকে পড়ে যাই না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাকর্ষণ বলের জন্য — মহাকর্ষণ বল সার্বজনীন হলেও, পৃথিবীর ক্ষেত্রে আমাদের ওপর সরাসরি আকর্ষণকারী বলটি মধ্যাকর্ষণ বা অভিকর্ষ বল হিসেবে কাজ করে। B) মধ্যাকর্ষণ বলের জন্য — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই বলের প্রভাবেই আমরা পৃথিবীর সাথে লেগে থাকি। C) আমরা স্থির থাকার জন্য — পৃথিবী নিজ অক্ষে অবিরাম ঘুরছে, তাই আমরা কখনোই স্থির অবস্থায় নেই। D) পৃথিবীর সাথে আমাদের আবর্তনের জন্য — আবর্তন ঘটলেও প্রধান রক্ষাকারী বল হিসেবে মধ্যাকর্ষণ বলই কাজ করে। মনে রাখার টিপস: মাটিতে আটকে রাখার আকর্ষণই মধ্যাকর্ষণ।
a ১৭০০ সালে
b ১৭৬২ সালে
c ১৭৯৩ সালে
d ১৯৬৫ সালে
1 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭৯৩ সালে কেন সঠিক: - ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন। - এই ব্যবস্থার মাধ্যমে জমিদারদের জমির স্থায়ী মালিকানা দেওয়া হয় এবং সরকারের রাজস্বের পরিমাণ চিরকালের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭০০ সালে — এই সময়ে বাংলায় ব্রিটিশদের এই ধরনের কোনো রাজস্ব ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়নি। B) ১৭৬২ সালে — এই সালটি চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১৯৬৫ সালে — এটি আধুনিক একটি সাল, যা ব্রিটিশ আমলের ঔপনিবেশিক রাজস্ব ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কহীন। মনে রাখার টিপস: ১৭৯৩ সালে কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করেন, সংখ্যাটি মনে রাখতে কর্নওয়ালিসের নামের শেষ অক্ষর এবং ১৭৯৩ সাল একসঙ্গে চর্চা করুন।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b বিষ্ণু দে
c সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
d বুদ্ধদেব বসু
1 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: সাহিত্য, লেখক ও সাহিত্যকর্ম সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেন সঠিক: - নোবেলজয়ী কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই সর্বপ্রথম টি.এস এলিয়টের কবিতা বাংলায় অনুবাদ করেন। - তিনি এলিয়টের বিখ্যাত কবিতা দ্য জার্নি অব দ্য মেজাই বাংলায় অনুবাদ করে আধুনিক বাংলা সাহিত্যে এর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি টি.এস এলিয়টের কবিতার প্রথম অনুবাদক এবং সঠিক উত্তর। B) বিষ্ণু দে — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার একজন বিশিষ্ট কবি হলেও এলিয়টের কবিতার প্রথম অনুবাদক নন। C) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — ইনি এলিয়টের লেখার দ্বারা প্রভাবিত হলেও প্রথম অনুবাদক হিসেবে পরিগণিত হন না। D) বুদ্ধদেব বসু — ইনি আধুনিকতাবাদী লেখক ও সম্পাদক হলেও প্রথম অনুবাদক নন। মনে রাখার টিপস: টি.এস এলিয়টের প্রথম অনুবাদক হিসেবে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম মনে রাখতে হবে।
a লক্ষণ সেন
b ইলয়াস শাহ
c আকবর
d বিজয় সেন
1 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আকবর কেন সঠিক: - মুঘল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলা সন বা পহেলা বৈশাখ চালু করেন। - খাজনা আদায় সহজ করার জন্য প্রাচীন ফসলি সনের সঙ্গে হিজরি সনের সমন্বয় করে এই অব্দ প্রবর্তন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লক্ষণ সেন — তিনি সেন বংশের রাজা ছিলেন এবং তাঁর নামানুসারে লক্ষণ সেন অব্দ চালু হয়েছিল, পহেলা বৈশাখ নয়। B) ইলয়াস শাহ — তিনি স্বাধীন সুলতান ছিলেন এবং তাঁর আমলেই সমগ্র বাংলা অঞ্চল বাঙ্গালা নামে পরিচিতি লাভ করে। D) বিজয় সেন — তিনি সেন বংশের অন্যতম শক্তিশালী রাজা ছিলেন এবং বাংলা বিজয়ের মাধ্যমে রাজত্ব বিস্তার করেন। মনে রাখার টিপস: সম্রাট আকবরের নাম থেকে মনে রাখতে পারো আকবর আনলেন বাংলা সন।
a মহাস্থানগড়ে
b শাহজাদপুরে
c নেত্রকোণায়
d রামপালে
1 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মহাস্থানগড়ে কেন সঠিক: - শাহ সুলতান বলখী মাহীসওয়ার পুণ্ড্রবর্ধন বা বর্তমান বগুড়ার মহাস্থানগড়ে ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে এসেছিলেন। - ঐতিহাসিক এই সাধকের মাজার ও দরগাহ শরিফ মহাস্থানগড়ের প্রাচীন কীর্তিমূর্তির নিকটেই অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাস্থানগড় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান বলখীর মাজার অবস্থিত। B) শাহজাদপুরে — এটি ভুল অপশন কারণ শাহজাদপুরে হযরত মখদুম শাহ দৌলতের মাজার অবস্থিত। C) নেত্রকোণায় — এটি ভুল অপশন কারণ নেত্রকোণায় শাহ সুলতান বলখীর মাজার নেই, এটি অন্য অঞ্চলের জন্য পরিচিত। D) রামপালে — এটি ভুল অপশন কারণ রামপালে খান জাহান আলীর মাজার বা ঐতিহাসিক নানা স্থাপনা থাকলেও শাহ সুলতান বলখীর মাজার নেই। মনে রাখার টিপস: মাহীসওয়ার মানে মাছের ওপর সওয়ার, আর সুলতান বলখী মাছের পিঠে চড়ে মহাস্থানগড়ে এসেছিলেন বলে জনশ্রুতি আছে।
a ১৯৪৫ সালের আগষ্ট মাসে
b ১৯৪৫ সালের মে মাসে
c ১৯৪৪ সালের সেপ্টম্বর মাসে
d ১৯৪৪ সালের আগষ্ট মাসে
1 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৪৫ সালের আগষ্ট মাসে কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ১৯৪৫ সালের ৬ই আগষ্ট জাপানের হিরোশিমা শহরে লিটল বয় নামক পরমাণু বোমা ফেলা হয়। - এই ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের ফলে শহরটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায় এবং বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির পথ ত্বরান্বিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৫ সালের আগষ্ট মাসে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মাসেই হিরোশিমায় প্রথম পরমাণু বোমা নিক্ষিপ্ত হয়েছিল। B) ১৯৪৫ সালের মে মাসে — এই সময়ে ইউরোপে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্ত হয় কিন্তু হিরোশিমায় বোমা হামলা হয়নি। C) ১৯৪৪ সালের সেপ্টম্বর মাসে — এই সময়ে বিশ্বযুদ্ধ চলমান ছিল তবে হিরোশিমায় কোনো পরমাণু বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছিল না। D) ১৯৪৪ সালের আগষ্ট মাসে — এই সালটি হিরোশিমার হামলার জন্য সঠিক নয় কারণ আক্রমণটি এক বছর পরে সংঘটিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ১৯৪৫ সালের আগস্ট মাসেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির প্রাক্কালে হিরোশিমায় বোমা ফেলা হয়, সালটি মনে রাখতে বিশ্বযুদ্ধের শেষ বছরটি মনে রাখুন।
a তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে
b তাপ শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে
c যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে
d তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে কেন সঠিক: - বৈদ্যুতিক মোটর তড়িৎ শক্তিকে চুম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে গতিশক্তিতে রূপান্তর করে। - এই যন্ত্রটি বিদ্যুৎ প্রবাহ ব্যবহার করে ঘূর্ণন বা যান্ত্রিক কাজ সম্পন্ন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে — এই কাজটি মূলত ইঞ্জিন বা স্টিম টারবাইন করে থাকে, বৈদ্যুতিক মোটর নয়। B) তাপ শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে — এই কাজটি থার্মোয়েলেকট্রিক জেনারেটর বা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র করে থাকে। C) যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে — এটি বৈদ্যুতিক জেনারেটর বা ডায়নামোর কাজ, মোটরের কাজ নয়। D) তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে — এটি বৈদ্যুতিক মোটরের মূল এবং সঠিক কাজ। মনে রাখার টিপস: মোটর পাখা বা পাম্পে বিদ্যুৎ দিলে তা ঘোরে, তাই মোটর তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে।
a 1984
b 1987
c 1985
d 1986
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) 1985 কেন সঠিক: - দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা বা সার্কের প্রথম শীর্ষ বৈঠকটি ১৯৮৫ সালের ৭ থেকে ৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল। - এই সম্মেলনেই আনুষ্ঠানিকভাবে সার্ক আত্মপ্রকাশ করে এবং এইচ এম এরশাদ এর প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1984 — এই সালে সার্কের আনুষ্ঠানিক শীর্ষ বৈঠক হয়নি, তবে কাঠমান্ডুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক হয়েছিল। B) 1987 — এই সালে সার্কের তৃতীয় শীর্ষ বৈঠক ভারতের ব্যাঙ্গালোরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। C) 1985 — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই ঢাকায় সার্কের প্রথম শীর্ষ বৈঠক বসেছিল। D) 1986 — এই সালে সার্কের দ্বিতীয় শীর্ষ বৈঠক ভারতের বেঙ্গালুরুতে নয় বরং ভারতের সভাপতিত্বে অন্য কার্যক্রম পরিচালিত হলেও দ্বিতীয় শীর্ষ বৈঠক হয়েছিল ভারতের ব্যাঙ্গালোরে ১৯৮৬ সালে। মনে রাখার টিপস: সার্ক গঠনের প্রস্তাব হয়েছিল ১৯৭০ এর দশকে, আর প্রথম শীর্ষ বৈঠকটি ঢাকায় বসেছিল ১৯৮৫ সালে।
a ওয়েষ্ট মিনিষ্টার এ্যাবে
b হোয়াইট হল
c মার্বেল চার্চ
d বুশ হাউজ
0 143 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হোয়াইট হল কেন সঠিক: - হোয়াইট হল লন্ডনে অবস্থিত একটি রাস্তা এবং এলাকা, যেখান থেকে যুক্তরাজ্যের সরকারি কার্যাবলী ও প্রশাসন পরিচালিত হয়। - ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের প্রধান কার্যালয় এই এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় একে ব্রিটিশ প্রশাসনের সমার্থক হিসেবে ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়েষ্ট মিনিষ্টার এ্যাবে — এটি লন্ডনের একটি ঐতিহাসিক ও বিখ্যাত গির্জা, যেখানে ব্রিটিশ রাজপরিবারের অভিষেক ও রাজকীয় অনুষ্ঠান হয়। B) হোয়াইট হল — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি ব্রিটিশ প্রশাসনিক সদর দপ্তর। C) মার্বেল চার্চ — এটি একটি গির্জা বা ধর্মীয় উপাসনালয় এবং এর সাথে ব্রিটিশ প্রশাসনিক সদর দপ্তরের কোনো সম্পর্ক নেই। D) বুশ হাউজ — এটি লন্ডনে অবস্থিত একটি বিখ্যাত ভবন, যা দীর্ঘদিন ধরে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: হোয়াইট হল মানেই ব্রিটিশ প্রশাসনের মূল ঘর, যেখান থেকে পুরো ব্রিটেন চলে।
a সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার
b সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সোমবার
c সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় বুধবার
d সেপ্টেম্বর মাসের চতুর্থ মঙ্গলবার
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার কেন সঠিক: - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার সাধারণ পরিষদের বার্ষিক নিয়মিত অধিবেশন শুরু হয়। - এই দিনে বিশ্বের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিরা নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে মিলিত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার — এটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নিয়মিত অধিবেশন শুরুর নির্ধারিত সঠিক সময়। B) সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সোমবার — এটি সঠিক নয় কারণ এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রে শ্রম দিবস পালিত হয় এবং সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু হয় না। C) সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় বুধবার — এটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নিয়মিত অধিবেশন শুরুর নির্ধারিত দিন নয়। D) সেপ্টেম্বর মাসের চতুর্থ মঙ্গলবার — এটিও ভুল কারণ তৃতীয় মঙ্গলবারই অধিবেশন শুরুর সাংবিধানিক নিয়ম। মনে রাখার টিপস: সেপ্টেম্বরের তিন সংখ্যাটি মনে রাখুন, কারণ অধিবেশন শুরু হয় তৃতীয় মঙ্গলবার।
a মূল মধ্যরেখা
b কর্কটক্রান্তি রেখা
c মকরক্রান্তি রেখা
d আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্কটক্রান্তি রেখা কেন সঠিক: - কর্কটক্রান্তি রেখা বা ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ বাংলাদেশের ঠিক মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে। - এই রেখাটি চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, কুমিল্লা ও চাঁদপুর জেলার ওপর দিয়ে গেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মূল মধ্যরেখা — এটি ইংল্যান্ডের গ্রিনভিচের ওপর দিয়ে যাওয়া দ্রাঘিমা রেখা, যা সময় নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং বাংলাদেশের ওপর দিয়ে যায়নি। B) কর্কটক্রান্তি রেখা — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়। C) মকরক্রান্তি রেখা — এটি ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশ, যা মূলত দক্ষিণ গোলার্ধের ওপর অবস্থিত এবং বাংলাদেশের সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই। D) আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা — এটি প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর দিয়ে কল্পিত একটি দ্রাঘিমা রেখা, যা দিন ও তারিখ পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর অবস্থিত, তাই মনে রাখুন বাংলাদেশের বুক চিরে গেছে কর্কটক্রান্তি রেখা।
a ব্রিটেন
b ফ্রান্স
c যুক্তরাষ্ট্র
d সোভিয়েত
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - এস.ডি.আই বা স্ট্র্যাটেজিক ডিফেন্স ইনিশিয়েটিভ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি ঐতিহাসিক ও উচ্চাভিলাষী প্রতিরক্ষা কর্মসূচি। - স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনালড রিগান ১৯৮৩ সালে এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চালুর ঘোষণা দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রিটেন — এটি যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা এই নির্দিষ্ট কর্মসূচির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ফ্রান্স — ফ্রান্সের নিজস্ব পারমাণবিক শক্তি ও প্রতিরক্ষা নীতি থাকলেও এস.ডি.আই কর্মসূচি তাদের নয়। C) যুক্তরাষ্ট্র — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা কর্মসূচি, যা স্টার ওয়ার্স নামেও পরিচিত। D) সোভিয়েত — সোভিয়েত ইউনিয়ন এই মার্কিন কর্মসূচির প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল, কিন্তু এটি তাদের নিজস্ব কর্মসূচি ছিল না। মনে রাখার টিপস: এস.ডি.আই বা স্টার ওয়ার্স কর্মসূচি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রোনালড রিগানের আমলের বিখ্যাত এক প্রতিরক্ষা প্রকল্প।
a আয়না বায়ু
b প্রত্যায়ন বায়ু
c মৌসুমী বায়ু
d নিয়ত বায়ু
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: D) নিয়ত বায়ু কেন সঠিক: - সারা বছর নিয়মিতভাবে উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে যে বায়ু প্রবাহিত হয় তাকে নিয়ত বায়ু বলে। - পৃথিবীর বায়ুচাপ বলয়গুলোর পার্থক্যের কারণে এই বায়ু নির্দিষ্ট দিক বজায় রেখে নিয়মিত প্রবাহিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়না বায়ু — এটি কোনো বৈজ্ঞানিক বায়ুপ্রবাহের নাম নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) প্রত্যায়ন বায়ু — এটি নিয়ত বায়ুর একটি বিশেষ প্রকার (যেমন আয়ন বায়ু), যা সর্বদা সব অঞ্চলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) মৌসুমী বায়ু — এটি ঋতু পরিবর্তনের সাথে দিক পরিবর্তন করে প্রবাহিত হয়, যা সারা বছর নিয়মিতভাবে এক দিকে প্রবাহিত হয় না। D) নিয়ত বায়ু — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর সংজ্ঞার সাথে প্রশ্নটি পুরোপুরি মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: নিয়ত মানে যা নিয়মিত বা নির্দিষ্ট থাকে, তাই যে বায়ু সবসময় নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপে বয় সেটাই নিয়ত বায়ু।
a বাবর
b হুমায়ুন
c আকবর
d জাহাঙ্গীর
0 174 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: B) হুমায়ুন কেন সঠিক: - মুঘল সম্রাট হুমায়ুন ১৫৩৮ সালে গৌড় দখল করার পর বাংলার নাম রাখেন জান্নাতবাদ। - সে সময় তিনি এই অঞ্চলের নামকরণ করে একে স্বর্গরাজ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাবর — তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা হলেও বাংলার নামকরণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। C) আকবর — তিনি বাংলা জয় করে সুবাহ বা প্রদেশ হিসেবে গঠন করলেও জান্নাতবাদ নাম দেননি। D) জাহাঙ্গীর — তার নামানুসারে বাংলার রাজধানী ঢাকার নাম জাহাঙ্গীরনগর রাখা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: হুমায়ুন মানে স্বর্গীয়, তাই তিনি বাংলাকে 'জান্নাতবাদ' (স্বর্গ) নাম দিয়েছিলেন।
a পেয়ারা
b কলা
c পেঁপে
d জামরুল
0 214 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কলা কেন সঠিক: - অগ্নিশ্বর, কানাইবাসী, মোহনবাঁসী ও বীটজব বাংলাদেশের জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী কলার জাত। - এসব জাতের কলা তাদের সুস্বাদু স্বাদ এবং পুষ্টিগুণের জন্য কৃষকদের মাঝে ব্যাপকভাবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পেয়ারা — পেয়ারার জনপ্রিয় জাতগুলোর মধ্যে কাঞ্চন, পিয়ারা ও মুক্তা উল্লেখযোগ্য, যা কলার জাত নয়। B) কলা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। C) পেঁপে — পেঁপের পরিচিত জাতগুলোর মধ্যে রাজশাহী ও শাহী উল্লেখযোগ্য, যা কলার জাত নয়। D) জামরুল — জামরুলের পরিচিত জাতগুলোর মধ্যে থাই ও কাটিমন উল্লেখযোগ্য, যা কলার জাত নয়। মনে রাখার টিপস: অগ্নিশ্বর, কানাইবাসী ও মোহনবাঁসী নামগুলো শুনলেই বুঝবেন এগুলো ঐতিহ্যবাহী কলার জাত।
a ইরান
b ইরাক
c মিশর
d সিরিয়া
0 167 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইরাক কেন সঠিক: - প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার ব্যাবিলন নগরীতে এটি নির্মিত হয়েছিল, যার বর্তমান ভৌগোলিক অবস্থান ইরাকে। - এটি প্রাচীন বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের একটি এবং রাজা দ্বিতীয় নবূগদনিস্বারের শাসনামলে এটি নির্মিত হয় বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরান — এটি প্রাচীন পারস্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল, যেখানে ব্যাবিলন সভ্যতা গড়ে ওঠেনি। B) ইরাক — এটি সঠিক উত্তর। C) মিশর — এটি প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার জন্মস্থান এবং পিরামিডের জন্য পরিচিত, ব্যাবিলনের উদ্যান এখানে ছিল না। D) সিরিয়া — এটি প্রাচীন লেভান্ট অঞ্চলের অংশ এবং এর ইতিহাস ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ইরাকের প্রাচীন নাম মেসোপটেমিয়া, আর মেসোপটেমিয়ার বিখ্যাত নিদর্শন হলো ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান।
a শামীম সিকদার
b সৈয়দ আব্দুল্লাহ খান
c হামিদুজ্জামান খান
d আব্দুস সুলতান
0 162 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হামিদুজ্জামান খান কেন সঠিক: - প্রখ্যাত ভাস্কর হামিদুজ্জামান খানের শিল্পকর্ম ১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিক গেমসের আন্তর্জাতিক ভাস্কর্য প্রদর্শনীতে স্থান পায়। - তার এই শিল্পকর্ম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের শিল্পকলার প্রতিনিধিত্ব করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামীম সিকদার — তিনি দেশের একজন প্রখ্যাত ভাস্কর হলেও সিউল অলিম্পিকের এই প্রদর্শনীতে তার শিল্পকর্ম স্থান পায়নি। B) সৈয়দ আব্দুল্লাহ খান — তিনি এই নির্দিষ্ট অলিম্পিক প্রদর্শনীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। C) হামিদুজ্জামান খান — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) আব্দুস সুলতান — তিনি এই আন্তর্জাতিক ভাস্কর্য প্রদর্শনীতে অংশ নেননি। মনে রাখার টিপস: সিউল অলিম্পিকে ভাস্কর্য প্রদর্শনের ক্ষেত্রে হামিদুজ্জামান খানের নাম মনে রাখবে।
a নিউইয়র্ক
b ওয়াশিংটন ডিসি
c জেনেভা
d হেগ
0 158 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ওয়াশিংটন ডিসি কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি বিশ্বসংস্থা এবং এর মূল সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি শহরে অবস্থিত। - বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সদর দপ্তর একই শহরে অবস্থিত হওয়ায় এটি অর্থনীতি বিষয়ক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের সদর দপ্তর, আইএমএফের নয়। B) ওয়াশিংটন ডিসি — এটি আইএমএফের সঠিক সদর দপ্তর। C) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং ডব্লিউটিও (WTO)-এর সদর দপ্তর। D) হেগ — এটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ)-এর সদর দপ্তর। মনে রাখার টিপস: টাকা-পয়সা ও মুদ্রার হিসাব রাখার বড় সংস্থাগুলোর (বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ) সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
a ইংরেজ
b পর্তুগিজ
c ফরাসি
d ডাচ
0 177 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পর্তুগিজ কেন সঠিক: - ১৫০০ শতকের শেষভাগে পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো দা গামা সমুদ্রপথ আবিষ্কারের পর ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে তারাই প্রথম বাংলায় বাণিজ্য করতে আসে। - ১৫১৮ সালে পর্তুগিজরা চট্টগ্রাম বন্দরে বাণিজ্যকভাবে প্রথম আগমন করে এবং বাংলায় তাদের বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংরেজ — ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠনের মাধ্যমে ইংরেজরা পর্তুগিজদের অনেক পরে ১৬০০ শতকের শুরুতে বাংলায় আসে। B) পর্তুগিজ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) ফরাসি — ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সপ্তদশ শতাব্দীর শেষভাগে বাংলায় বাণিজ্য করতে আসে, যা পর্তুগিজদের অনেক পরে। D) ডাচ — নেদারল্যান্ডসের ডাচ বণিকরা সপ্তদশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বাংলায় বাণিজ্য বিস্তার করে, যা পর্তুগিজদের পরে ঘটেছিল। মনে রাখার টিপস: ইউরোপীয়দের মধ্যে বাংলায় আসার ক্রম মনে রাখার সহজ ছন্দ হলো প-ও-ই-ড-ফ অর্থাৎ প্রথমে পর্তুগিজ, ওলন্দাজ বা ডাচ, ইংরেজ এবং সবশেষে ফরাসি।
a ইতালি
b স্পেন
c তুরস্ক
d গ্রীস
0 165 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তুরস্ক কেন সঠিক: - প্রাচীন ঐতিহাসিক ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কের আনাতুলিয়া অঞ্চলের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত ছিল। - হোমারের ইলিয়াড মহাকাব্যে বর্ণিত ট্রোজান যুদ্ধের ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে এটি বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইতালি — এটি দক্ষিণ ইউরোপের একটি দেশ, যার সঙ্গে ট্রয় নগরীর ঐতিহাসিক ভৌগোলিক অবস্থান মিলে না। B) স্পেন — এটি দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের দেশ, যা প্রাচীন ট্রয় নগরীর অবস্থান থেকে সম্পূর্ণ দূরে অবস্থিত। C) তুরস্ক — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। D) গ্রীস — গ্রিকরা ট্রয় আক্রমণ করলেও ট্রয় নগরী নিজে গ্রিসে নয়, বর্তমান তুরস্কের মাটিতে অবস্থিত ছিল। মনে রাখার টিপস: ট্রয় নগরী নিয়ে বিখ্যাত যুদ্ধ হয়েছিল, যার নায়ক ছিলেন আকিলিস; আর এই ট্রয় বর্তমানে তুরস্কে অবস্থিত।
a রিয়াদ
b জেদ্দা
c দামেস্ক
d মক্কা
0 152 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জেদ্দা কেন সঠিক: - ইসলামী সম্মেলন সংস্থার (OIC) বর্তমান সচিবালয় সৌদি আরবের জেদ্দা শহরে অবস্থিত। - ১৯৬৯ সালে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই জেদ্দায় এর প্রধান সচিবালয় পরিচালিত হয়ে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিয়াদ — এটি সৌদি আরবের রাজধানী হলেও ওআইসি সচিবালয়ের অবস্থান এখানে নয়। B) জেদ্দা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ওআইসি সচিবালয় এই শহরে অবস্থিত। C) দামেস্ক — এটি সিরিয়ার রাজধানী এবং এর সঙ্গে ওআইসি সচিবালয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। D) মক্কা — এটি পবিত্র নগরী হলেও ওআইসি সচিবালয় এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: ওআইসি সচিবালয় সৌদি আরবের বন্দর নগরী জেদ্দায় অবস্থিত, রাজধানী রিয়াদে নয়।
a ড.রমেশচনদ্র মজুমদার
b ড.মাহমুদ হাসান
c ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন
d স্যার এ এফ রহমান
0 285 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) স্যার এ এফ রহমান কেন সঠিক: - স্যার এ এফ রহমান হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙালি ও উপমহাদেশীয় উপাচার্য। - তিনি ১৯৩৪ সাল থেকে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন, তবে প্রথম বাঙালি বা উপমহাদেশীয় নন। B) ড. মাহমুদ হাসান — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন উপাচার্য ছিলেন, তবে প্রথম উপমহাদেশের নাগরিক নন। C) ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তবে প্রথম নন। D) স্যার এ এফ রহমান — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: উপমহাদেশের মানুষ হিসেবে প্রথম রহমান সাহেব (স্যার এ এফ রহমান) ঢাবির উপাচার্য হন।
a কাশাভুবু
b প্যাট্রিক লুমুম্বা
c শোম্বে
d মবুতু
0 222 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্যাট্রিক লুমুম্বা কেন সঠিক: - প্যাট্রিক লুমুম্বা বেলজিয়ামের ঔপনিবেশিক শাসন থেকে কঙ্গোর স্বাধীনতা অর্জনে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং দেশটির প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। - সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রামের কারণে তাকে কঙ্গোর স্বাধীনতা ও মুক্তির আন্দোলনের চিরস্মরণীয় প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাশাভুবু — জোসেফ কাশাভুবু কঙ্গোর প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন, তবে তিনি সরাসরি মুক্তির লড়াইয়ের প্রধান সংগ্রামী বা বিপ্লবী নেতা ছিলেন না। B) প্যাট্রিক লুমুম্বা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ তিনি কঙ্গোকে বিদেশি শাসন থেকে মুক্ত করার লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। C) শোম্বে — মোইসে শোম্বে কঙ্গোর কাটঙ্গা প্রদেশের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ছিলেন এবং সাম্রাজ্যবাদী শক্তির সঙ্গে যুক্ত থেকে লুমুম্বার বিরুদ্ধে ভূমিকা রেখেছিলেন। D) মবুতু — মবুতু সিসে সেকো দীর্ঘকাল কঙ্গো শাসন করলেও তিনি লুমুম্বাকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিলেন এবং ঔপনিবেশিক শক্তির মিত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন। মনে রাখার টিপস: কঙ্গোর মুক্তির লড়াই মানেই প্যাট্রিক লুমুম্বা, যিনি দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতীক।
a আয়োডিন
b লৌহ
c ভিটামিন
d ক্যালসিয়াম
0 159 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লৌহ কেন সঠিক: - কচু শাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন বা লৌহ থাকে যা মানবদেহে রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সহায়তা করে। - এটি রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া রোগ প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকরী একটি পুষ্টিকর শাক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়োডিন — আয়োডিন প্রধানত সামুদ্রিক মাছ, আয়োডিনযুক্ত লবণ ও শৈবালে বেশি থাকে, কচু শাকে এর পরিমাণ খুব কম। B) লৌহ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ কচু শাকে অন্য যেকোনো উপাদানের চেয়ে লোহা বা আয়রনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে। C) ভিটামিন — কচু শাকে ভিটামিন এ, বি ও সি থাকলেও এই শাকটি মূলত লৌহের শ্রেষ্ঠ উৎস হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। D) ক্যালসিয়াম — ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁতের জন্য প্রয়োজনীয় হলেও কচু শাকে ক্যালসিয়ামের চেয়ে লোহা বা আয়রনের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি থাকে। মনে রাখার টিপস: রক্ত শূন্যতা দূর করতে শাকসবজির মধ্যে কচু শাকের জুড়ি নেই কারণ এতে সবচেয়ে বেশি লৌহ থাকে।
a নিঝুম দ্বীপ
b সন্দ্বীপ
c দক্ষিণ তালপট্টি
d কুতুবদিয়া
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দক্ষিণ তালপট্টি কেন সঠিক: - বঙ্গোপসাগরে হাড়িভাঙ্গা নদীর মোহনায় অবস্থিত একটি পলিদ্বীপ হলো দক্ষিণ তালপট্টি, যা পূর্বাশা দ্বীপ নামেও পরিচিত। - ভৌগোলিক অবস্থান ও নামকরণের দিক থেকে এই দ্বীপটি পূর্বে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে পূর্বাশা নামে পরিচিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিঝুম দ্বীপ — এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি পৃথক পলিদ্বীপ, যা পূর্বাশা দ্বীপ নয়। B) সন্দ্বীপ — এটি চট্টগ্রামের একটি প্রাচীন উপকূলীয় দ্বীপ এবং এর সঙ্গে পূর্বাশা নামের কোনো সম্পর্ক নেই। C) দক্ষিণ তালপট্টি — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। D) কুতুবদিয়া — এটি কক্সবাজার জেলার একটি দ্বীপ উপজেলা, যা পূর্বাশা দ্বীপের সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: তাল গাছের পট্টি বা দ্বীপ থেকেই দক্ষিণ তালপট্টি এসেছে, যার অন্য নাম পূর্বাশা।
a ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
b ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
c ৭ মার্চ ১৯৭২
d ২৬ মার্চ ১৯৭৩
0 125 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ গণপরিষদে সংবিধান পাস হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে এটি কার্যকর বা প্রবর্তিত হয়। - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই দিনে সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এই দিনে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণ করেছিল। B) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিন থেকেই বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর করা হয়। C) ৭ মার্চ ১৯৭২ — এই দিনে রেসকোর্স ময়দানে ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। D) ২৬ মার্চ ১৯৭৩ — এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্বাধীনতা দিবসের সাল, সংবিধান প্রবর্তনের তারিখ নয়। মনে রাখার টিপস: বিজয় দিবসের দিনেই অর্থাৎ ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে দেশের সংবিধান কার্যকর করা হয়েছিল।
a এদের মূলে অনেক বায়ুকুঠুরী আছে
b এদের কান্ড পাতার তুলনায় হালকা
c এদের কাণ্ডে অনেক বায়ুকুঠুরী আছে
d কোনটিই নয়
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এদের কাণ্ডে অনেক বায়ুকুঠুরী আছে কেন সঠিক: - জলজ উদ্ভিদের কাণ্ডে প্যারেনকাইমা টিস্যু বা এয়ারেনকাইমা থাকে যাতে প্রচুর বায়ুকুঠুরী বা বায়ুপ্রকোষ্ঠ থাকে। - এই বায়ুকুঠুরীগুলোতে বাতাস জমা থাকার কারণে কাণ্ড হালকা হয় এবং উদ্ভিদ সহজেই পানির ওপর ভাসতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এদের মূলে অনেক বায়ুকুঠুরী আছে — জলজ উদ্ভিদের মূলের প্রধান কাজ পানি ও খনিজ লবণ শোষণ করা এবং কাদায় আটকে থাকা, ভাসার জন্য মূলের বায়ুকুঠুরী মুখ্য ভূমিকা রাখে না। B) এদের কান্ড পাতার তুলনায় হালকা — কান্ড এমনিতেই পাতার তুলনায় ভারী হতে পারে, মূলত বায়ুকুঠুরির উপস্থিতিই হালকা হওয়ার মূল কারণ। C) এদের কাণ্ডে অনেক বায়ুকুঠুরী আছে — এটি সঠিক কারণ, যা উদ্ভিদকে সহজে পানিতে ভাসিয়ে রাখতে সাহায্য করে। D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন সি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: জলজ উদ্ভিদ ভাসার মূল চাবিকাঠি হলো কাণ্ডের বায়ুকুঠুরী বা এয়ারেনকাইমা।
a পেরেজ দ্য কুয়েলার
b কুর্টওয়ান্ডহইম
c ট্রাইগভে লাই
d উ থান্ট
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ট্রাইগভে লাই কেন সঠিক: - ট্রাইগভে লাই ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। - তিনি নরওয়ের একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিবিদ ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পেরেজ দ্য কুয়েলার — তিনি জাতিসংঘের পঞ্চম মহাসচিব ছিলেন, প্রথম নন। B) কুর্টওয়ান্ডহইম — তিনি জাতিসংঘের চতুর্থ মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। C) ট্রাইগভে লাই — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) উ থান্ট — তিনি জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব ছিলেন, প্রথম মহাসচিব নন। মনে রাখার টিপস: প্রথম মহাসচিব ট্রাইগভে লাই, নরওয়ের অধিবাসী ভাই।
a 1206
b 1310
c 1610
d 1526
0 126 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬১০ কেন সঠিক: - মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলে ১৬১০ সালে সুবেদার ইসলাম খান ঢাকা সুবাহ বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন। - এর পূর্বে বাংলার রাজধানী ছিল রাজমহল এবং তারও আগে বিভিন্ন সময়ে গৌড় বা সোনারগাঁও। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২০৬ — এই সালে বখতিয়ার খিলজী কর্তৃক নদিয়া জয় এবং বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত হয়, তখন ঢাকার কোনো অস্তিত্ব বা রাজধানী ছিল না। B) ১৩১০ — এই সালে বাংলায় স্বাধীন সুলতানি আমল চলমান ছিল এবং তখন সোনারগাঁও বা লক্ষণাবর্ত রাজধানী ছিল, ঢাকা নয়। C) ১৬১০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই প্রথম ঢাকা বাংলার রাজধানী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। D) ১৫২৬ — এই সালে ভারতের দিল্লিতে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বাবর প্রথম পানিপতের যুদ্ধে জয়লাভ করেন, বাংলার রাজধানীর সাথে এর সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ১৬১০ সালে ইসলাম খান ঢাকাকে রাজধানী বানান, তাই মনে রাখুন ষোল শ দশ সালে প্রথম এলো ঢাকা।
a শায়েস্তা খাঁ
b নওয়াব সলিমুল্লাহ
c মির্জা আহমেদ জান
d মির্জা গোলাম পীর
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মির্জা আহমেদ জান কেন সঠিক: - ঢাকার আর্মানিটোলায় অবস্থিত ঐতিহাসিক তারা মসজিদটি ১৮ শতকের প্রথমার্ধে মির্জা গোলাম পীর নির্মাণ করেছিলেন। - পরবর্তী সময়ে বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে মির্জা আহমেদ জান মসজিদটির সংস্কার ও সম্প্রসারণ করেন এবং এর গম্বুজে তারা নকশা যুক্ত করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শায়েস্তা খাঁ — তিনি মুঘল সুবাদার ছিলেন এবং তাঁর আমলে ঢাকায় বহু মসজিদ ও ইমারত নির্মিত হলেও তিনি তারা মসজিদ নির্মাণ করেননি। B) নওয়াব সলিমুল্লাহ — তিনি ঢাকার বিখ্যাত নওয়াব এবং শিক্ষা বিস্তার ও মুসলিম লীগের রাজনীতিতে অবদান রাখলেও এই মসজিদ নির্মাণ করেননি। D) মির্জা গোলাম পীর — তিনি এই মসজিদটি প্রথমে নির্মাণ করেছিলেন, কিন্তু পরীক্ষার বহু প্রচলিত ও সর্বজনগ্রাহ্য তথ্যানুযায়ী সংস্কারক হিসেবে মির্জা আহমেদ জানের নামই সঠিক উত্তর হিসেবে ধরা হয়। মনে রাখার টিপস: তারা মসজিদের সাথে মির্জা পরিবারের দুই সদস্য যুক্ত, প্রথম নির্মাণ করেন গোলাম পীর এবং সংস্কার করে বিখ্যাত করেন মির্জা আহমেদ জান।
a ১৯৪২ সালের নভেম্বর মাসে
b ১৯৪৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে
c ১৯৪৫ সালের এপ্রিল মাসে
d ১৯৪৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: C) ১৯৪৫ সালের এপ্রিল মাসে (শিক্ষক নোট: প্রদত্ত উত্তরটি ঐতিহাসিক তথ্যের দিক থেকে আংশিক ভুল। জার্মানি আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেছিল ১৯৪৫ সালের ৭ ও ৮ মে, এবং যুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয় ২ সেপ্টেম্বর। তবে এপ্রিল মাসের ৩০ তারিখে হিটলারের আত্মহত্যার পর জার্মানির পরাজয় ও আত্মসমর্পণ অবধারিত হয়ে পড়েছিল। পরীক্ষার বহুনির্বাচনী প্রশ্নের ক্ষেত্রে ১৯৪৫ সালের মে মাস সঠিক উত্তর হওয়ার কথা।) কেন সঠিক: - ১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল নাৎসি জার্মানির প্রধান এডলফ হিটলার বার্লিনে আত্মগল্প করেন। - হিটলারের মৃত্যুর পর জার্মানি মিত্রবাহিনীর কাছে বিনাশর্তে আত্মসমর্পণ করার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪২ সালের নভেম্বর মাসে — এই সময়ে যুদ্ধ চলমান ছিল এবং স্তালিনগ্রাদসহ বিভিন্ন রণাফঙে যুদ্ধ তীব্র আকার ধারণ করেছিল। B) ১৯৪৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে — এই সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে স্টার্লিনগ্রাদে জার্মান বাহিনী পরাজিত হয় কিন্তু আত্মসমর্পণ করেনি। C) ১৯৪৫ সালের এপ্রিল মাসে — এই সময়ে হিটলারের মৃত্যু এবং জার্মানির পতন নিশ্চিত হওয়ায় একে আত্মসমর্পণের কাছাকাছি সময় ধরা হয়। D) ১৯৪৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে — এই সময়ে জার্মানি নয়, বরং এশিয়ায় জাপান আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটেছিল। মনে রাখার টিপস: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয় ১৯৪৫ সালে, যেখানে জার্মানি মে মাসে এবং জাপান সেপ্টেম্বর মাসে আত্মসমর্পণ করে।
a পেট্রোলিয়াম
b কয়লা
c প্রাকৃতিক গ্যাস
d বায়োগ্যাস
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বায়োগ্যাস কেন সঠিক: - বায়োগ্যাস প্রাকৃতিকভাবে পচনশীল জৈব আবর্জনা যেমন গোবর ও উদ্ভিদের অবশিষ্টাংশ থেকে উৎপাদিত হয়। - এটি প্রাচীন মৃত জীবদেহ থেকে তৈরি হওয়া জীবাশ্ম জ্বালানি নয়, বরং একটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পেট্রোলিয়াম — এটি ভূগর্ভে লক্ষ কোটি বছর ধরে জমে থাকা জীবাশ্ম থেকে উৎপন্ন হয়, তাই এটি জীবাশ্ম জ্বালানি। B) কয়লা — এটি প্রাচীন উদ্ভিদের ভূগর্ভে চাপা পড়ে তৈরি হওয়া একটি প্রধান জীবাশ্ম জ্বালানি। C) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি খনিজ তেলের সাথে ভূগর্ভে প্রাপ্ত এক ধরনের জীবাশ্ম জ্বালানি। D) বায়োগ্যাস — এটি জীবন্ত বা পচনশীল জৈব পদার্থ থেকে উৎপাদিত নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জীবাশ্ম জ্বালানি নয়। মনে রাখার টিপস: বর্জ্য পদার্থ বা গোবর থেকে যা তৈরি হয় তা বায়োগ্যাস এবং এটি নবায়নযোগ্য, আর লক্ষ বছর আগের মাটির নিচে থাকা দেহাবশেষ হলো জীবাশ্ম জ্বালানি।
a ফিলিপাইন
b জাপান
c ইন্দোনেশিয়া
d থাইল্যান্ড
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জাপান কেন সঠিক: - জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদের জন্য এশীয় কোটায় প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশ জাপান এর মুখোমুখি হয়েছিল। - এই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জাপান জয়লাভ করে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যপদ লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিলিপাইন — এই নির্দিষ্ট নির্বাচনে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না। B) জাপান — এটি সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশ এই দেশের কাছে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরাজিত হয়েছিল। সি) ইন্দোনেশিয়া — এই নির্দিষ্ট নির্বাচনে বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে অংশ নেয়নি। ডি) থাইল্যান্ড — এটি এই নির্দিষ্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর তালিকায় ছিল না। মনে রাখার টিপস: নিরাপত্তা পরিষদের এশিয়ার আসনে বাংলাদেশের শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল জাপান।
a সোমপুর বিহার
b ধর্মপাল বিহার
c জগদ্দল বিহার
d শ্রী বিহার
1 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সোমপুর বিহার কেন সঠিক: - পাল বংশের রাজা ধর্মপাল অষ্টম শতকে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন এবং এর নাম দেন সোমপুর বিহার। - এটি প্রাচীন বাংলার অন্যতম প্রধান বৌদ্ধ বিহার এবং ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোমপুর বিহার — এটি পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের ঐতিহাসিক ও আসল নাম। B) ধর্মপাল বিহার — রাজা ধর্মপাল এই বিহারটি নির্মাণ করলেও এর নাম সোমপুর বিহার রাখা হয়েছিল। C) জগদ্দল বিহার — এটি পাল আমলের আরেকটি ভিন্ন বৌদ্ধ বিহার, যা নওগাঁ জেলার পত্নীতলায় অবস্থিত। D) শ্রী বিহার — এটি পাহাড়পুরের কোনো ঐতিহাসিক নাম নয়, প্রাচীন ইতিহাসে এই নামের বিহারের অস্তিত্ব নেই। মনে রাখার টিপস: পাহাড়পুর মানেই সোমপুর, মনে রাখুন পাহাড়ের ওপর সোনা ঝিলিক দেয়।
a রামাল্লা
b রাবাত
c বেনগাজি
d মরক্কো
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রামাল্লা কেন সঠিক: - পিএলও (PLO) বা প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের বর্তমান রাজনৈতিক সদর দপ্তর ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের রামাল্লা শহরে অবস্থিত। - ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনের প্রধান কার্যালয় ঐতিহাসিকভাবে বিভিন্ন স্থানে পরিবর্তিত হলেও বর্তমানে রামাল্লা থেকেই এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামাল্লা — এটি ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে অবস্থিত এবং বর্তমানে পিএলও-এর সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) রাবাত — এটি মরক্কোর রাজধানী, যা আরব লীগের সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত হলেও পিএলও-এর সদর দপ্তর নয়। C) বেনগাজি — এটি লিবিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও বন্দর শহর, যার সাথে পিএলও সদর দপ্তরের কোনো সম্পর্ক নেই। D) মরক্কো — এটি একটি উত্তর আফ্রিকান দেশ, কোনো শহর নয় এবং এটি পিএলও সদর দপ্তরের অবস্থানও নয়। মনে রাখার টিপস: প্যালেস্টাইনের রাজনৈতিক প্রাণকেন্দ্র রামাল্লাতেই পিএলও (PLO)-এর সদর দপ্তর অবস্থিত।
a মাঝে মাঝে পানির উপর নাক তুলে
b পানিতে অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন বিশ্লিষ্ট করে
c পটকার মধ্যে জমানো বাতাস হতে
d পানির মধ্যে দ্রবীভূত বাতাস হতে
0 153 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পানির মধ্যে দ্রবীভূত বাতাস হতে ১. কেন সঠিক: - মাছ জলজ প্রাণী হওয়ায় বাতাস থেকে সরাসরি অক্সিজেন নিতে পারে না, বরং পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন ফুলকার মাধ্যমে গ্রহণ করে। - পানির অণুর মাঝে যে অক্সিজেন দ্রবীভূত থাকে, মাছের ফুলকা সেই গ্যাসীয় অক্সিজেন রক্তে শোষণ করে এবং কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ফুলকা হলো জলজ প্রাণীর শ্বাস অঙ্গ যা পানির সংস্পর্শে এসে অক্সিজেন শোষণ করে। - কার্যপ্রণালি: মাছ মুখ দিয়ে পানি গ্রহণ করে এবং সেই পানি ফুলকার ওপর দিয়ে চালনা করার সময় ফুলকার রক্তনালী দ্রবীভূত অক্সিজেন শোষণ করে নেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ্যাকুরিয়ামের মাছের জন্য অক্সিজেন পাম্প ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: পাম্পটি পানিতে বাতাস বা অক্সিজেন দ্রবীভূত করতে সাহায্য করে যাতে মাছ সহজেই শ্বাস নিতে পারে। উদাহরণ ২: নদী বা পুকুরের পানি নাড়াচাড়া করা বা ঢেউ খেলা। ব্যাখ্যা: এর ফলে বায়ুমণ্ডল থেকে বাতাস পানির সাথে মিশে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাঝে মাঝে পানির উপর নাক তুলে — মাছের নাক বা ফুসফুস নেই, তাই তারা পানির উপরে উঠে বাতাস থেকে সরাসরি শ্বাস নিতে পারে না। B) পানিতে অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন বিশ্লিষ্ট করে — মাছ রাসায়নিকভাবে পানি ভেঙে অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন আলাদা করতে পারে না, তারা শুধু দ্রবীভূত অক্সিজেন নেয়। C) পটকার মধ্যে জমানো বাতাস হতে — মাছের পটকা সাঁতার কাটতে ও দেহ ভাসিয়ে রাখতে সাহায্য করে, শ্বাসকার্য চালাতে সাহায্য করে না। D) পানির মধ্যে দ্রবীভূত বাতাস হতে — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং মাছের প্রকৃত শ্বাসপ্রশ্বাস প্রক্রিয়া। ৫ মনে রাখার টিপস: - মাছ জলে বাস করে তাই জলের অক্সিজেনই তার প্রাণ। ফুলকা হলো সেই জাদুকরী ছাঁকনি যা জল থেকে অক্সিজেন আলাদা করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জলজ প্রাণীদের শ্বাস অঙ্গের নাম ফুলকা এবং ডাঙ্গার প্রাণীদের ফুসফুস। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে।
a লাল, হলুদ, সবুজ
b লাল, কমলা , বেগুণী
c হলুদ, সবুজ , নীল
d লাল, আসমানী, সবুজ
0 145 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লাল, আসমানী, সবুজ ১. কেন সঠিক: - লাল, আসমানী বা সায়ান এবং সবুজ বর্ণকে আলোর প্রাথমিক বা মুখ্য বর্ণ বলা হয়। - এই তিনটি বর্ণ নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশ্রিত করলে দৃশ্যমান আলোর অন্যান্য সব বর্ণ তৈরি করা সম্ভব। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলোর মুখ্য বর্ণ হলো এমন কিছু নির্দিষ্ট রঙের আলো যা অন্য কোনো রঙের মিশ্রণে তৈরি করা যায় না, কিন্তু এদের বিভিন্ন অনুপাতে মিশিয়ে অন্যান্য সব রঙ তৈরি করা যায়। - কার্যপ্রণালি: আমাদের চোখের কোন কোষ এই তিনটি প্রাথমিক বর্ণের প্রতি বিশেষভাবে সংবেদনশীল এবং মস্তিষ্ক এই সংকেতগুলোকে একসাথে করে রঙিন অনুভূতি তৈরি করে। - বাস্তব প্রয়োগ: রঙিন টেলিভিশন, কম্পিউটার ও মোবাইল ফোনের স্ক্রিন বা ডিসপ্লেতে পিক্সেল হিসেবে লাল, সবুজ ও নীল বা আসমানী আলোর ক্ষুদ্র বিন্দু ব্যবহার করে সব ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রঙিন টেলিভিশন বা কম্পিউটারের মনিটর। ব্যাখ্যা: একটি রঙিন ডিসপ্লের প্রতিটি ক্ষুদ্র অংশে লাল, সবুজ ও আসমানী আলোর তীব্রতা পরিবর্তন করে লক্ষ লক্ষ ভিন্ন রঙ প্রদর্শন করা হয়। উদাহরণ ২: থিয়েটার বা মঞ্চের রঙিন আলোকসজ্জা। ব্যাখ্যা: মঞ্চে বিভিন্ন রঙের আলো তৈরি করতে লাল, সবুজ ও আসমানী বা নীল আলোর প্রজেক্টর একসাথে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাল, হলুদ, সবুজ — হলুদ কোনো প্রাথমিক বর্ণ নয়, এটি লাল ও সবুজ আলোর মিশ্রণে তৈরি হয়। B) লাল, কমলা, বেগুণী — কমলা ও বেগুনি বর্ণগুলো প্রাথমিক বর্ণ নয় এবং এগুলো অন্যান্য রঙের মিশ্রণে উৎপন্ন হয়। C) হলুদ, সবুজ, নীল — এই অপশনে হলুদ ও নীল রঙের উপস্থিতি রয়েছে, যা আলোর ক্ষেত্রে সঠিক মুখ্য বর্ণ সেট গঠন করে না। D) লাল, আসমানী, সবুজ — এটি আলোর তিনটি সঠিক মুখ্য বর্ণ নির্দেশ করে যা দিয়ে অন্য সব বর্ণ সৃষ্টি করা যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - আলোর মুখ্য বর্ণ মনে রাখার সহজ উপায় হলো রাআসব (লাল, আসমানী, সবুজ)। - অন্যদিকে রঞ্জক পদার্থ বা রঙের ক্ষেত্রে প্রাথমিক বর্ণগুলো আলাদা হয়, যা আলোর সাথে গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আলোর প্রাথমিক বর্ণ এবং রঞ্জক পদার্থের প্রাথমিক বর্ণ নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মনে রাখতে হবে আলোর প্রাথমিক বর্ণ তিনটি, আর রঙের ক্ষেত্রে প্রাথমিক বর্ণ হলো লাল, নীল ও হলুদ।
a বিদ্যুৎ এর অপচয় কম হয়
b পথে কমে গিয়েও প্রয়োজনীয় ভোল্টেজ বজায় থাকে
c অধিক বিদ্যুৎ প্রবাহ পাওয়া যায়
d প্রয়োজন মত ভোল্টেজ কমিয়ে ব্যবহার করা যায়
0 173 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিদ্যুৎ এর অপচয় কম হয় ১. কেন সঠিক: - বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে অনেক দূরে বিদ্যুৎ সরবরাহের সময় লাইনে রোধের কারণে কিছু শক্তি তাপ হিসেবে অপচয় হয়। - ভোল্টেজ বাড়ালে প্রবাহমাত্রা কমে যায় এবং কম প্রবাহমাত্রার কারণে জুলের তাপীয় ফল অনুযায়ী শক্তির অপচয় সর্বনিম্ন হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বৈদ্যুতিক শক্তি প্রেরণের সময় লাইনে শক্তি ক্ষয় রোধের জন্য উচ্চ বিভব পার্থক্য বা হাই ভোল্টেজ ব্যবহার করা হয়। - সূত্র বা তত্ত্ব: শক্তির অপচয় সংক্রান্ত জুলের সূত্র অনুযায়ী পরিবাহীতে উৎপন্ন তাপ হলো H = (I^2) × R × t, যেখানে I হলো বিদ্যুৎ প্রবাহ এবং R হলো রোধ। - কার্যপ্রণালি: পাওয়ার বা ক্ষমতা ধ্রুব রেখে ভোল্টেজ ভি বাড়ালে বিদ্যুৎ প্রবাহ আই কমে যায় এবং প্রবাহ কমলে আই স্কয়ার আর এর মানও দ্রুত হ্রাস পায়। - বাস্তব প্রয়োগ: জাতীয় গ্রিডের মাধ্যমে সাবস্টেশন থেকে সাবস্টেশনে এবং দূরদূরান্তে বিদ্যুৎ প্রেরণের সময় গ্রিড লাইনগুলোতে হাই ভোল্টেজ বা উচ্চ ভোল্টেজ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পানির পাইপের ভেতর দিয়ে খুব বেশি বেগে পানি পাঠালে পাইপের ঘর্ষণে শক্তি ক্ষয় হয়, তেমনি তারের মধ্য দিয়ে বেশি কারেন্ট গেলে তাপ ক্ষয় হয়। ব্যাখ্যা: কারেন্ট বা প্রবাহমাত্রা কমিয়ে দিলে পাইপের ঘর্ষণের মতো তারের ভেতর শক্তি ক্ষয়ের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। উদাহরণ ২: মোবাইল চার্জারের এডাপ্টার ঘরের সাধারণ ভোল্টেজ কমিয়ে নিরাপদ মানে নামিয়ে আনে। ব্যাখ্যা: দূর থেকে উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ এনে তা প্রয়োজন অনুযায়ী ট্রান্সফরমারের মাধ্যমে কমিয়ে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্যুৎ এর অপচয় কম হয় — এটি সঠিক কারণ হাই ভোল্টেজ ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্যই হলো লাইনে জুলের সূত্রে তাপীয় অপচয় কমানো। B) পথে কমে গিয়েও প্রয়োজনীয় ভোল্টেজ বজায় থাকে — ভোল্টেজ কমানোর জন্য হাই ভোল্টেজ ব্যবহার করা হয় না, বরং অপচয় রোধ করতে করা হয়। C) অধিক বিদ্যুৎ প্রবাহ পাওয়া যায় — হাই ভোল্টেজে বিদ্যুৎ প্রবাহ বা কারেন্ট আসলে কমে যায়, বাড়ে না। D) প্রয়োজন মত ভোল্টেজ কমিয়ে ব্যবহার করা যায় — এটি ট্রান্সফরমারের কাজ, কেবল হাই ভোল্টেজ ব্যবহারের মূল বৈজ্ঞানিক কারণ এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে, হাই ভোল্টেজ মানে কম কারেন্ট, আর কম কারেন্ট মানে কম তাপ অপচয় ও বেশি সাশ্রয়। - পরিবাহীর রোধ নির্দিষ্ট থাকলে বিদ্যুৎ প্রবাহ কমিয়ে দিলেই শক্তির অপচয় সবচেয়ে কম হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিদ্যুৎ প্রেরণে জুলের সূত্রে তাপ উৎপাদনের ক্ষেত্রে কারেন্টের মানের ওপর বর্গের প্রভাব থাকে। - এই ধরনের প্রশ্নে প্রায়ই ট্রান্সফরমার এবং জুলের তাপীয় সূত্র সম্পর্কিত গাণিতিক ও তাত্ত্বিক প্রশ্ন বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতায় আসে।
a সূর্যরশ্মি
b পীট কয়লা
c পেট্রল
d প্রাকৃতিক গ্যাস
0 159 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সূর্যরশ্মি ১. কেন সঠিক: - সূর্যরশ্মি বা সৌরশক্তি হলো এমন একটি শক্তির উৎস যা কখনো ফুরিয়ে যায় না এবং প্রাকৃতিকভাবে ক্রমাগত পুর্ন উৎপাদিত হয়। - পৃথিবীর সমস্ত শক্তির মূল উৎস হলো সূর্য, যা ব্যবহার করে পরিবেশের ক্ষতি না করে অফুরন্ত বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদন করা সম্ভব। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে শক্তি উৎস বারবার ব্যবহার করা সত্ত্বেও ফুরিয়ে যায় না এবং অফুরন্ত সরবরাহ পাওয়া যায় তাকে নবায়নযোগ্য শক্তি বলে। - কার্যপ্রণালি: সূর্য থেকে আসা ফোটন কণা সৌর প্যানেলের ওপর পড়ে এবং ফোটোভোল্টেইক কোট প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রন মুক্ত করে সরাসরি বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। - বাস্তব প্রয়োগ: বাসাবাড়ির ছাদের সোলার প্যানেল, সোলার সেচ পাম্প এবং সৌর বিদ্যብ চালিত স্ট্রিট লাইট নবায়নযোগ্য শক্তির চমৎকার ব্যবহার। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৌর ক্যালকুলেটর ব্যাখ্যা: পকেটের ছোট ক্যালকুলেটরগুলো সূর্যরশ্মি বা ঘরের কৃত্রিম আলো ব্যবহার করে ব্যাটারি ছাড়াই সচল থাকে। উদাহরণ ২: সৌর প্যানেল চালিত গৃহস্থালি বিদ্যুৎ ব্যাখ্যা: দিনের আলো সৌর প্যানেল সংগ্রহ করে ব্যাটারিতে জমায় যা রাতের বেলায় ঘরের বাতি ও পাখা চালাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সূর্যরশ্মি — এটি একটি অফুরন্ত এবং নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস যা পরিবেশবান্ধব। B) পীট কয়লা — এটি জীবাশ্ম জ্বালানি এবং দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে তৈরি হওয়ায় সীমিত ও অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। C) পেট্রল — এটি খনিজ তেল বা পেট্রোলিয়াম থেকে উৎপাদিত হয় এবং একবার পুড়িয়ে ফেললে তা পুনরায় তৈরি হয় না। D) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি ভূগর্ভে প্রাকৃতিকভাবে সঞ্চিত একটি জীবাশ্ম জ্বালানি যা সীমিত এবং দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রকৃতি থেকে যা বারবার পাওয়া যায় এবং কখনো ফুরোয় না তা হলো নবায়নযোগ্য শক্তি যেমন সূর্য, বাতাস ও পানি। - কয়লা, তেল ও গ্যাস হলো জীবাশ্ম জ্বালানি যা কোটি বছর ধরে তৈরি হয় এবং একবার শেষ হলে আর পাওয়া যায় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই নবায়নযোগ্য ও অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎসের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। - বায়ুশক্তি, জোয়ারভাটা শক্তি এবং বায়োগ্যাসও নবায়নযোগ্য শক্তির অন্তর্ভুক্ত।
a যুক্তরাজ্য
b যুক্তরাষ্ট্র
c কোরিয়া
d কিউবা
0 142 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যুক্তরাষ্ট্র ১. কেন সঠিক: - নিকারাগুয়ার কন্ট্রা বিদ্রোহীরা মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ এর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সমর্থন এবং অর্থায়নে গঠিত ও পরিচালিত হয়েছিল। - স্নায়ুযুদ্ধের সময় লাতিন আমেরিকায় সমাজতন্ত্রের বিস্তার রোধ করার মার্কিন নীতির অংশ হিসেবে এই বিদ্রোহী বাহিনীকে অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আধুনিক রাজনীতি ও কূটনীতিতে পরাশক্তিগুলোর দ্বান্দ্বিক নীতি এবং প্রক্সি যুদ্ধের ধারণাটি বৈজ্ঞানিক সমাজবিজ্ঞান ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আওতাভুক্ত। - কারণ ও ফলাফল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই গোপন নীতির ফলে নিকারাগুয়ার অর্থনীতি ধ্বংস হয় এবং দীর্ঘস্থায়ী গৃহযুদ্ধে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্নায়ুযুদ্ধের সময় আফগানিস্তানে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মুজাহিদীনদের যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক সহায়তা প্রদান। ব্যাখ্যা: এটি পরাশক্তিগুলোর প্রক্সি যুদ্ধের একটি ঐতিহাসিক উদাহরণ যা বিশ্ব রাজনীতিতে প্রভাব ফেলেছিল। উদাহরণ ২: স্নায়ুযুদ্ধের সময় ভিয়েতনামে বিভিন্ন পক্ষের প্রতি পরাশক্তিগুলোর পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ সামরিক হস্তক্ষেপ। ব্যাখ্যা: আদর্শগত সংঘাতের কারণে কীভাবে ছোট দেশগুলো পরাশক্তির খেলার ঘুঁটি হয় তা এটি বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য সরাসরি নিকারাগুয়ার কন্ট্রা বিদ্রোহীদের সমর্থন দেয়নি, বরং তারা স্নায়ুযুদ্ধে সাধারণত মার্কিন নীতি কূটনৈতিকভাবে সমর্থন করত। B) যুক্তরাষ্ট্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ যুক্তরাষ্ট্র কন্ট্রা বিদ্রোহীদের অস্ত্র, অর্থ ও গোয়েন্দা সহায়তা প্রদান করেছিল। C) কোরিয়া — কোরিয়া নিজেই স্নায়ুযুদ্ধের সময় বিভক্ত একটি দেশ ছিল এবং আন্তর্জাতিক সংঘাতে তাদের এমন প্রক্সি যুদ্ধ পরিচালনার সামর্থ্য ছিল না। D) কিউবা — কিউবা নিজেই সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে নিকারাগুয়ার বামপন্থী সান্দিনিস্তা সরকারকে সমর্থন করেছিল, কন্ট্রা বিদ্রোহীদের নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিকারাগুয়ার সান্দিনিস্তা সরকার ছিল বামপন্থী এবং তাদের বিরোধিতাকারী কন্ট্রা বাহিনীকে পুঁজিবাদী পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি অংশে স্নায়ুযুদ্ধ এবং লাতিন আমেরিকার রাজনীতি সম্পর্কিত প্রশ্নে এই তথ্যটি প্রায়ই আসে। - কন্ট্রা বিদ্রোহী ও সান্দিনিস্তা সরকারের সংঘাত কোন দেশের সঙ্গে সম্পর্কিত, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a অক্সিজেন ও গ্লুকোজ
b অক্সিজেন ও রক্তের আমিষ
c ইউরিয়া ও গ্লুকোজ
d এমাইনো এসিড ও কার্বন ডাই অক্সাইড
0 152 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অক্সিজেন ও গ্লুকোজ ১. কেন সঠিক: আমাদের দেহকোষ প্রতিনিয়ত শক্তি উৎপাদনের জন্য রক্ত থেকে অক্সিজেন এবং গ্লুকোজ গ্রহণ করে। কোষের ভেতরে শসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই গ্লুকোজ অক্সিজেনের উপস্থিতিতে ভেঙে শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: কোষীয় শসন হলো এমন একটি জৈবিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে জীবকোষ অক্সিজেন ব্যবহার করে খাদ্যরস বা গ্লুকোজ জারিত করে শক্তি উৎপন্ন করে। কার্যপ্রণালি: রক্ত হৃদপিণ্ডের মাধ্যমে পাম্প হয়ে ধমনীর সাহায্যে প্রতিটি টিস্যু ও কোষে অক্সিজেন এবং খাদ্য উপাদান পৌঁছে দেয়। কোষের মাইটোকন্ড্রিয়া এই অক্সিজেন ও গ্লুকোজ ব্যবহার করে শক্তি বা এটিপি উৎপন্ন করে এবং উপজাত হিসেবে কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যায়ামের সময় পেশিকোষে অতিরিক্ত শক্তির প্রয়োজন হয়। এই কারণে রক্ত থেকে পেশিকোষ দ্রুত অক্সিজেন ও গ্লুকোজ শোষণ করে কাজ সচল রাখে। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে কাজের মাত্রা বাড়লে কোষের পুষ্টি ও অক্সিজেন চাহিদা কীভাবে বৃদ্ধি পায়। উদাহরণ ২: দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকলে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা কমে যায় এবং কোষে শক্তি উৎপাদন ব্যাহত হয়। ব্যাখ্যা: এর ফলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে কারণ কোষগুলো পর্যাপ্ত গ্লুকোজ ও অক্সিজেন ব্যবহার করে শক্তি তৈরি করতে পারে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সিজেন ও গ্লুকোজ — এটি সঠিক কারণ কোষের বেঁচে থাকা এবং শক্তি উৎপাদনের জন্য এই দুটি উপাদান অপরিহার্য। B) অক্সিজেন ও রক্তের আমিষ — অক্সিজেন সঠিক হলেও রক্তের আমিষ বা প্রোটিন সরাসরি কোষে শক্তি উৎপাদনের প্রধান জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। C) ইউরিয়া ও গ্লুকোজ — গ্লুকোজ সঠিক হলেও ইউরিয়া হলো শরীরের বর্জ্য পদার্থ যা রক্ত থেকে কোষে যায় না বরং কোষ থেকে রক্তে আসে। D) এমাইনো এসিড ও কার্বন ডাই অক্সাইড — এমাইনো এসিড কোষের গঠনের জন্য প্রয়োজন হতে পারে তবে কার্বন ডাই অক্সাইড কোষে গ্রহণের বস্তু নয় বরং বর্জ্য পদার্থ হিসেবে কোষ থেকে রক্তে আসে। ৫ মনে রাখার টিপস: দেহকোষের কাজ হলো শক্তি তৈরি করা। শক্তি তৈরির মূল কাঁচামাল হলো জ্বালানি অর্থাৎ গ্লুকোজ এবং আগুন জ্বালানোর বাতাসের মতো অর্থাৎ অক্সিজেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি মানবদেহের পরিপাক ও রক্তসংবহন তন্ত্রের সমন্বিত কাজের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। পরীক্ষায় প্রায়ই আসে যে কোষীয় শসনের মূল উপাদানগুলো কী কী।
a তামার দন্ড ও দস্তার পাত
b তামার পাত ও দস্তার পাত
c কার্বন দন্ড ও দস্তার কৌটা
d তামার দন্ড ও দস্তার কৌটা
0 147 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কার্বন দন্ড ও দস্তার কৌটা ১. কেন সঠিক: সাধারণ ড্রাইসেল বা লেকল্যান্স সেল হলো একটি প্রাথমিক কোষ যেখানে রাসায়নিক শক্তি সরাসরি বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। এই সেলে কার্বন দন্ড অ্যানোড বা ধনাত্মক ইলেকট্রোড হিসেবে এবং দস্তার কৌটা ক্যাথোড বা ঋণাত্মক ইলেকট্রোড হিসেবে কাজ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ড্রাইসেল এক ধরণের পোর্টেবল গ্যালভানিক সেল যেখানে তরল Electrolyte এর পরিবর্তে আর্দ্র পেস্ট ব্যবহার করা হয়। কার্যপ্রণালি: দস্তার কৌটার ভেতরে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড এবং ম্যাঙ্গানিজ ডাইঅক্সাইডের পেস্ট থাকে এবং এর মাঝে কার্বন দন্ডটি স্থাপন করা হয়। রাসায়নিক বিক্রিয়া: দস্তা জারিত হয়ে ইলেকট্রন ত্যাগ করে এবং সেই ইলেকট্রন কার্বন দন্ডের মাধ্যমে বাহ্যিক সার্কিটে প্রবাহিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেয়ালঘড়ি এবং পোর্টেবল টর্চলাইট। ব্যাখ্যা: এসব যন্ত্রে শক্তি সরবরাহের জন্য ড্রাইসেল ব্যবহার করা হয় কারণ এটি সহজে বহনযোগ্য এবং লিক হয় না। উদাহরণ ২: টিভি বা এসি রিমোট কন্ট্রোল। ব্যাখ্যা: রিমোটের ভেতরে থাকা ছোট ড্রাইসেলগুলো কম ভোল্টেজ উৎপন্ন করে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামার দন্ড ও দস্তার পাত — তামা সাধারণ ড্রাইসেলে প্রধান ইলেকট্রোড হিসেবে ব্যবহৃত হয় না, কারণ দস্তা এবং কার্বনের তড়িৎ রাসায়নিক বিভব এখানে উপযোগী। B) তামার পাত ও দস্তার পাত — সাধারণ ড্রাইসেলে পাত বা প্লেট নয় বরং দস্তার কৌটা এবং কার্বন দন্ড ব্যবহার করা হয়। D) তামার দন্ড ও দস্তার কৌটা — ড্রাইসেলে তামার দন্ডের কোনো স্থান নেই, এর পরিবর্তে উচ্চ পরিবাহী ও নিষ্ক্রিয় কার্বন দন্ড ব্যবহার করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ড্রাইসেলে দস্তা থাকে বাইরে কৌটা আকারে এবং কার্বন থাকে ঠিক মাঝখানে দন্ড হিসেবে। এটি মনে রাখার জন্য দস্তা হলো ধারক বা কৌটা এবং কার্বন হলো কেন্দ্র বা দন্ড এই নিয়মটি মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ড্রাইসেলে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড এবং ম্যাঙ্গানিজ ডাইঅক্সাইডের পেস্ট ইলেকট্রোলাইটে কাজ করে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে ড্রাইসেলের তড়িৎচালক বল কত, যার মান প্রায় ১.৫ ভোল্ট।
a তামা ও টিন
b তামা ও দস্তা
c তামা ও নিকেল
d তামা ও সিসা
0 150 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তামা ও দস্তা ১. কেন সঠিক: পিতল একটি সুপরিচিত সংকর ধাতু বা অ্যালয় যা মূলত তামা এবং দস্তার সমন্বয়ে তৈরি করা হয়। তামা এবং দস্তাকে নির্দিষ্ট অনুপাতে গলিয়ে এই সংকর ধাতু প্রস্তুত করা হয় যার গুণাবলী বিশুদ্ধ ধাতু থেকে আলাদা। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: দুই বা ততোধিক ধাতুর সমসত্ত্ব মিশ্রণকে সংকর ধাতু বা অ্যালয় বলা হয়। কার্যপ্রণালি: তামা ও দস্তার গলিত অবস্থাকে নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশিয়ে ঠান্ডা করার মাধ্যমে পিতল তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পিতলের তৈরি থালা বা বাটি। ব্যাখ্যা: পিতল দেখতে উজ্জ্বল ও টেকসই হওয়ায় এটি গৃহস্থালি সামগ্রী তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: পিতলের তৈরি বাদ্যযন্ত্র যেমন ট্রাম্পেট। ব্যাখ্যা: পিতলের অ্যাকোস্টিক গুণাগুণ ভালো থাকায় এটি সুর ও শব্দ তৈরিতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামা ও টিন — এটি ব্রোঞ্জ বা কাঁসা তৈরির উপাদান, পিতল তৈরির উপাদান নয়। B) তামা ও দস্তা — এটি পিতલ তৈরির সঠিক উপাদান হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। C) তামা ও নিকেল — এই দুটি ধাতু দিয়ে কুপ্রোনিকল তৈরি হয় যা কয়েন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। D) তামা ও সিসা — এই মিশ্রণটি প্লাম্বিং বা বিয়ারিং এর কাজে ব্যবহৃত বিশেষ ধাতব সংকর। ৫. মনে রাখার টিপস: পিতল মনে রাখার জন্য পিতামা শব্দটি মনে রাখতে পারো, যেখানে পিতে পিতল এবং তামা হলো এর প্রধান উপাদান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সংকর ধাতু সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। কাঁসা, পিতল এবং ব্রোঞ্জের উপাদানগুলোর অনুপাত ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

মোট প্রশ্ন (17)

a পাকা পাকা আম
b ছি ছি কী করছে ?
c নরম নরম হাত
d উড়ু উড়ু মন
0 153 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পাকা পাকা আম ১. কেন সঠিক: দ্বিরুক্ত শব্দ কোনো বিশেষ অর্থে পরপর দুবার ব্যবহৃত হলে তা বহুত্ব বা বহুবচন প্রকাশ করে। এখানে পাকা পাকা আম বলতে একাধিক পাকা আমকে বোঝানো হয়েছে, যা বহুবচনের সংকেত দেয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে পদের দ্বিরুক্তি বহুবচন গঠনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। বিশেষ্য পদের দ্বিরুক্তি বহুত্ব বা বহুবচন বোঝাতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছোট ছোট মাছ ব্যাখ্যা: ছোট ছোট মাছ দ্বারা একাধিক ছোট মাছ বা বহু মাছকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: ভালো ভালো বই ব্যাখ্যা: ভালো ভালো বই দ্বারা অনেকগুলো ভালো বইকে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাকা পাকা আম — এটি সঠিক উত্তর। B) ছি ছি কী করছে — এটি দ্বারা ঘৃণা বা বিরক্তি প্রকাশ পেয়েছে, বহুবচন নয়। C) নরম নরম হাত — এটি দ্বারা বিশেষ গুণের বা ভাবের তীব্রতা প্রকাশ পেয়েছে। D) উড়ু উড়ু মন — এটি দ্বারা মনের এক ধরণের চঞ্চলতা বা অস্থিরতা প্রকাশ পেয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বিশেষ্য পদের দ্বিরুক্তি সাধারণত বহুবচন বোঝায়। যেমনটি পাকা পাকা আম বা ছোট ছোট মাছে দেখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশেষ্য পদের দ্বিরুক্তি বহুবচন বোঝাতে এবং অব্যয় পদের দ্বিরুক্তি ভাব বা তীব্রতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a মুমুর্ষু
b মুমূর্ষু
c মূমুর্ষূ
d মূমুর্ষ
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুমূর্ষু ১. কেন সঠিক: - মুমূর্ষু শব্দটির অর্থ হলো মর মর অবস্থা বা যার মরণের ইচ্ছা বা অবস্থা হয়েছে। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের প্রথম ম এ হ্রস্ব উ-কার, দ্বিতীয় ম এ দীর্ঘ উ-কার এবং মূর্ধন্য ষ এ হ্রস্ব উ-কার হয়। - শব্দের শুরুতে এবং মাঝে হ্রস্ব উ-কার এবং দীর্ঘ উ-কার ব্যবহারের নিয়ম এবং উপসর্গের সঠিক প্রয়োগের কারণে এই বানানটি প্রমিত ও গ্রহণযোগ্য হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শুদ্ধ বানান বাংলা ব্যাকরণের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ যেখানে ধ্বনি পরিবর্তন এবং বানানের সঠিক নিয়ম প্রয়োগ করা হয়। সাধারণত সংস্কৃত শব্দে হ্রস্ব উ-কার ও দীর্ঘ উ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট কিছু ব্যাকরণগত নিয়ম রয়েছে যা অনুসরণ করতে হয়। - এই শব্দটিতে প্রথম বর্ণে হ্রস্ব উ, দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ উ এবং শেষের দিকে আবার হ্রস্ব উ-কার ব্যবহৃত হয় যা একটি ব্যতিক্রমী ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত গঠন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শুশ্রূষা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের ক্ষেত্রে হ্রস্ব উ-কার এবং দীর্ঘ উ-কার এর নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলা হয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। উদাহরণ ২: সূচিপত্র ব্যাখ্যা: প্রমিত বানানরীতি অনুসরণে দীর্ঘ ঊ-কার বা হ্রস্ব উ-কারের সঠিক ব্যবহারের আরেকটি চমৎকার উদাহরণ হলো এই শব্দটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুমুর্ষু — এই অপশনটিতে ভুল রয়েছে কারণ এর মাঝখানের ম এ দীর্ঘ উ-কার এবং শেষের ষ এ দীর্ঘ উ-কার বা ভুল কারচিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে। B) মুমূর্ষু — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়, বরং এটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক উত্তরের পূর্ণাঙ্গ রূপ। C) মূমুর্ষূ — এই অপশনটি ভুল কারণ এর প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঊ-কার এবং শেষের বর্ণে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। D) মূমুর্ষ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ এর শেষে কোনো উ-কার নেই এবং প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুমূর্ষু শব্দটি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প্রথম ও শেষ অক্ষর ছোট উ-কার এবং মাঝের অক্ষর বড় উ-কার হয় অর্থাৎ ছোট-বড়-ছোট উ-কার। - এই ক্রমানুসারে উ-কার বসালে বানানটি ককখনো ভুল হবে না এবং পরীক্ষার হলে সহজে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের জটিল বানান যেমন মুমূর্ষু, শুশ্রূষা, সান্ত্বনা প্রায়ই বারবার আসে। - বাংলা একাডেমি প্রণীত বানান নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই নির্ভুলভাবে উত্তর করা সম্ভব।
a দুর্বলবশতঃ অনাথিনী বসে পড়ল
b দুর্বলতাবশতঃ অনাথিনী বসে পড়ল
c দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল
d দুর্বলবশতঃ অনাথা বসে পড়ল
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বানান ও প্রয়োগগত শুদ্ধতা রক্ষা করা হয়েছে, যার প্রথমটি হলো 'দুর্বলতাবশত' এবং দ্বিতীয়টি হলো 'অনাথা'। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'দুর্বলতা' শব্দের সঙ্গে 'বশত' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'দুর্বলতাবশত' গঠিত হয়, যেখানে অতিরিক্ত কোনো বিসর্গ বা প্রত্যয় যুক্ত হয় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে শব্দমূলের সঙ্গে 'বশত' (বশে বা কারণে অর্থে) যুক্ত হওয়ার সময় বানানে কোনো বিসর্গ বসে না এবং অতিরিক্ত 'ত' বা 'বংশ' জাতীয় কিছু বসে না। - স্ত্রীবাচক শব্দের ক্ষেত্রে 'অনাথ' শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হিসেবে 'অনাথা' শব্দটি প্রমিত ও ব্যাকরণসিদ্ধ, যেখানে অতিরিক্ত 'ইনী' প্রত্যয় যুক্ত করা ভুল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবিনয়ে নিবেদন করছি। ব্যাখ্যা: বিনয় শব্দের সঙ্গে 'বশত' বা অনুরূপ প্রত্যয় ব্যবহারের নিয়ম এবং বানানের শুদ্ধতা রক্ষার এটি একটি সুন্দর উদাহরণ। উদাহরণ ২: লজ্জাবশত সে কথাটি বলতে পারেনি। ব্যাখ্যা: লজ্জা শব্দের সঙ্গে 'বশত' যুক্ত হয়ে সঠিক বাক্যগঠন ও অর্থ প্রকাশের ক্ষেত্রে এটি একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুর্বলবশতঃ অনাথিনী বসে পড়ল — এই অপশনটি ভুল কারণ 'দুর্বলতা' না লিখে শুধু 'দুর্বল' লেখা হয়েছে এবং শেষে অপ্রয়োজনীয় বিসর্গ ও ভুল স্ত্রীবাচক শব্দ 'অনাথিনী' ব্যবহার করা হয়েছে। B) দুর্বলতাবশতঃ অনাথিনী বসে পড়ল — এই অপশনটি ভুল কারণ 'দুর্বলতাবশত'-এর সাথে অতিরিক্ত বিসর্গ এবং 'অনাথ' শব্দের ভুল স্ত্রীবাচক রূপ 'অনাথিনী' ব্যবহার করা হয়েছে। D) দুর্বলবশতঃ অনাথা বসে পড়ল — এই অপশনটি ভুল কারণ 'দুর্বলতা' বাদ দিয়ে 'দুর্বলবশতঃ' লেখার কারণে শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বশত শব্দের আগে সর্বদা মূল শব্দের সাথে তা যুক্ত করতে হবে এবং বানানে কখনো বিসর্গ ব্যবহার করা যাবে না। - অনাথ শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ সর্বদা অনাথা হবে, কখনো অনাথিনী লেখা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বশতযুক্ত শব্দ এবং স্ত্রীবাচক শব্দের প্রত্যয় সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - এ ধরনের বাক্যশুদ্ধি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে মূল শব্দের সঠিক রূপ এবং প্রত্যয়ের সঠিক ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a শবপোড়া
b মড়াদাহ
c শবদাহ
d শবমড়া
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শবদাহ ১. কেন সঠিক: গুরুচন্ডালী দোষ বলতে সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণকে বোঝায়। শবদাহ শব্দে তৎসম শব্দের সঙ্গে তৎসম শব্দ ব্যবহার করায় কোনো দোষ ঘটেনি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণে গুরুচন্ডালী দোষ ঘটে। তৎসম শব্দের সঙ্গে তদ্ভব বা দেশি শব্দের মিলনে এই দোষ সৃষ্টি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শবপোড়া ব্যাখ্যা: এখানে তৎসম শব্দ শব এবং দেশি বা তদ্ভব শব্দ পোড়া মিলে গুরুচন্ডালী দোষ হয়েছে। উদাহরণ ২: মড়াদাহ ব্যাখ্যা: এখানে তদ্ভব শব্দ মড়া এবং তৎসম শব্দ দাহ মিলে গুরুচন্ডালী দোষ সৃষ্টি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শবপোড়া — এটি সাধু ও চলিত বা তৎসম ও তদ্ভব শব্দের মিশ্রণ হওয়ায় গুরুচন্ডালী দোষযুক্ত। B) মড়াদাহ — এটি তদ্ভব ও তৎসম শব্দের অশুভ মিশ্রণ হওয়ায় গুরুচন্ডালী দোষে দুষ্ট। C) শবদাহ — এটি সঠিক কারণ দুটি শব্দই তৎসম শ্রেণীর এবং এতে কোনো মিশ্রণজনিত দোষ নেই। D) শবমড়া — এটি সমার্থক শব্দের বাহুল্য বা জোড়া শব্দ, যা প্রমিত গঠনে গুরুচন্ডালী দোষযুক্ত না হলেও অপ্রয়োজনীয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সমজাতীয় শব্দ ব্যবহার করলে গুরুচন্ডালী দোষ এড়ানো যায়। তৎসমের সঙ্গে তৎসম এবং খাটি বাংলার সঙ্গে খাটি বাংলা শব্দ ব্যবহার করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গুরুচন্ডালী দোষ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই সাধু ও চলিত শব্দের উৎস সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
a বিভক্তি
b ধাতু
c প্রত্যয়
d কৃৎ
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধাতু কেন সঠিক: - ক্রিয়াপদ গঠন করার মূল বা অবিভাজ্য অংশকে বাংলা ব্যাকরণে ধাতু বলা হয়। - ধাতুর সাথে প্রয়োজনীয় কাল ও পুরুষবাচক বিভক্তি যুক্ত করে সম্পূর্ণ ক্রিয়াপদ তৈরি করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়াপদের মূল অংশ বা উৎপত্তিস্থলকে ধাতু বা ক্রিয়ামূল বলা হয়। - বাংলা ভাষায় ধাতু মূলত তিন প্রকার, যথা মৌলিক ধাতু, সাধিত ধাতু এবং সংযোগমূলক ধাতু। - পড় ধাতুর সাথে ইতে প্রত্যয় যুক্ত করে পড়ে ক্রিয়াপদ বা পড় ধাতু থেকে পড়া গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বিভক্তি — শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে পদ গঠন করে এবং বাক্যের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে। - B) ধাতু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কারণ প্রযোজ্য নয়। - C) প্রত্যয় — শব্দ বা ধাতুর পরে নতুন শব্দ গঠনের জন্য যা যুক্ত হয় তাকে প্রত্যয় বলে। - D) কৃৎ — ধাতুর সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলা হয়, এটি ক্রিয়াপদের মূল অংশ নয়। মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়াপদের মূল হলো ধাতু এবং শব্দের মূল হলো প্রতিপাদিক বা প্রাতিপদিক।
a চাঁদ
b সূর্য
c গগন
d নক্ষত্র
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চাঁদ কেন সঠিক: - এই শব্দটি প্রাকৃত ভাষার পরিবর্তনের মাধ্যমে বাংলা ভাষায় এসেছে। - এর উৎস সংস্কৃত শব্দ চন্দ্র, যা রূপ পরিবর্তিত হয়ে বর্তমানে চাঁদ হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে শব্দগুলোর উৎস সংস্কৃত ভাষা হলেও প্রাকৃত ও অপভ্রংশের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলে। - বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারে তদ্ভব শব্দগুলোকে খাঁটি বাংলা শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়। - যেমন: হস্ত থেকে হাত, মৎস্য থেকে মাছ এবং চন্দ্র থেকে চাঁদ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি সঠিক অপশন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। - B) সূর্য — এটি একটি তৎসম শব্দ কারণ এটি সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। - C) গগন — এটি একটি তৎসম শব্দ এবং এর অর্থ আকাশ। - D) নক্ষত্র — এটি একটি তৎসম শব্দ যা প্রাচীনকাল থেকেই বাংলা ভাষায় অপরিবর্তিতভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মনে রাখার টিপস: - তদ্ভব শব্দ চেনার উপায় হলো এগুলোর রূপ বিকৃত বা পরিবর্তিত হয়ে সহজ আকার ধারণ করে।
a নিখুঁত
b আনমনা
c অবহেলা
d নিমরাজি
0 138 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিমরাজি ১. কেন সঠিক: নিমরাজি শব্দটিতে ফারসি ভাষা থেকে আগত উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে। এখানে নিম একটি বিদেশি উপসর্গ যা আধা বা অর্ধেক অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিমতি ব্যাখ্যা: এটি ফারসি উপসর্গ যুক্ত একটি শব্দ। উদাহরণ ২: নিমরাজি ব্যাখ্যা: রাজির আগে নিম যুক্ত হয়ে আধা রাজি অর্থে বিদেশি শব্দের গঠন তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিখুঁত — এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ নি যুক্ত গঠিত একটি দেশি শব্দ। B) আনমনা — এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ আন যুক্ত গঠিত শব্দ। C) অবহেলা — এটি সংস্কৃত উপসর্গ অব যুক্ত গঠিত তৎসম শব্দ। D) নিমরাজি — সঠিক উত্তর কারণ এতে বিদেশি উপসর্গ রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বিদেশি উপসর্গ চেনার জন্য নিম, দর, বর, বদ, বেকার এই শব্দগুলো মনে রাখতে পারো। এগুলো সাধারণত ফারসি ও আরবি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের শুরুতে কোন ভাষার উপসর্গ যুক্ত আছে তা ভালো করে চর্চা করবে।
a তিনিই সমাজের মাথা
b মাথা খাটিয়ে কাজ করবে
c লজ্জায় মাথা মাথা কাটা গেল
d মাথা নেই তার মাথা ব্যাথা
0 148 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাথা খাটিয়ে কাজ করবে ১. কেন সঠিক: - 'মাথা' শব্দের একটি আভিধানিক অর্থ শরীরের অঙ্গ হলেও রূপক অর্থে এটি বুদ্ধি, প্রজ্ঞা বা চিন্তাশক্তি প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত বাক্যে মাথা খাটিয়ে কাজ করার অর্থ হলো বুদ্ধি প্রয়োগ করে বা চিন্তা করে কোনো কাজ সম্পন্ন করা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় বিশেষ্য পদের বহুার্থক ব্যবহার বা রূপক অর্থের প্রয়োগ ব্যাকরণের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - এখানে 'মাথা' শব্দটি তার মূল শারীরিক অর্থ প্রকাশ না করে লাক্ষণিক বা রূপক অর্থে বুদ্ধি নির্দেশ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অংকটি করতে বেশ মাথা খাটাতে হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানেও মাথা খাটোনো বলতে গভীর চিন্তা করা বা বুদ্ধি খরচ করা বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: তার মাথা খুব পরিষ্কার। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে পরিষ্কার মাথা বলতে প্রখর মেধা বা ভালো বুদ্ধিমত্তার অধিকারীকে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিনিই সমাজের মাথা — এই বাক্যে 'মাথা' শব্দটি নেতা, প্রধান বা মুরুব্বি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, বুদ্ধি অর্থে নয়। B) মাথা খাটিয়ে কাজ করবে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে মাথা শব্দটি বুদ্ধি বা চিন্তা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। C) লজ্জায় মাথা কাটা গেল — এই বাক্যে 'মাথা কাটা যাওয়া' একটি বাগধারা যা মূলত চরম লজ্জা পাওয়া বা অপদস্থ হওয়া প্রকাশ করে। D) মাথা নেই তার মাথা ব্যাথা — এই বাক্যে প্রথম মাথা বলতে শরীরের অংশ এবং দ্বিতীয় মাথা ব্যাথা বলতে শারীরিক অসুস্থতা বা কৃত্রিম সমস্যা বোঝানো হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্যে যখন কাজ করার আগে চিন্তা করার কথা থাকবে, তখন বুঝতে হবে সেখানে মাথা মানে বুদ্ধি। - নেতৃত্ব বা প্রধান বোঝাতে সমাজের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি অর্থে মাথা ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের রূপক অর্থ এবং বাগধারার ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - শব্দের বিভিন্ন ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে অর্থ পরিবর্তনের এই ধরনগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 192 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট ১. কেন সঠিক: - প্রবাদটির অন্তর্নিহিত অর্থ হলো বেশি মানুষের সমাগম বা অধিক কর্তার উপস্থিতিতে কোনো ভালো কাজ পণ্ড বা নষ্ট হয়ে যায়। - প্রবচনের ক্ষেত্রে লোকমুখে প্রচলিত শব্দরূপ এবং প্রমিত প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যা এখানে সঠিক রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি জনপ্রিয় প্রবাদ বা প্রবচন যা মানবজীবনের সাধারণ অভিজ্ঞতা ও সত্যকে প্রকাশ করে। - বাংলা ব্যাকরণের বাগধারা ও প্রবাদ অংশের অন্তর্ভুক্ত এই বাক্যটি সমাজের বিভিন্ন ঘটনার রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চরের ধানের চেয়ে গায়ের কুকুর বেশি ব্যাখ্যা: এটি আরেকটি গ্রামীণ প্রবাদ যা অতিরিক্ত রক্ষণাবেক্ষণ বা জটিলতার কারণে কাজের ক্ষতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ঝোপ বুঝে কোপ মারা ব্যাখ্যা: উপযুক্ত সুযোগ বুঝে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে এই প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না — এটি একটি প্রবাদ হলেও এর লোকায়ত সঠিক প্রমিত রূপ হলো যত গর্জে তত বর্ষে না। B) অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট — এই অপশনটি সঠিক এবং এর ব্যবহারিক রূপ শতভাগ নির্ভুল। C) নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা — এটি লোকমুখে প্রচলিত হলেও এর প্রমিত এবং বহুল স্বীকৃত রূপ হলো নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা নয়, বরং না নাচতে জানলে উঠান বাঁকা। D) যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয় — এটি বহুল প্রচলিত হলেও প্রবাদের সঠিক ও প্রচলিত রূপ হলো যেখানে বাঘের ভয় সেখানেই সন্ধ্যা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রবাদ ও প্রবচন পড়ার সময় লোকমুখে প্রচলিত সঠিক ও প্রমিত শব্দরূপের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। - পরীক্ষার হলে অপশনগুলোর মধ্যে সামান্য শব্দগত পরিবর্তন বা ভুল রূপ খেয়াল করলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রবাদ বাক্যের প্রচলিত ও সঠিক রূপ থেকে প্রশ্ন আসে। - প্রবাদের ক্ষেত্রে সাধারণ ব্যাকরণের নিয়মের চেয়ে লোকায়ত ও প্রমিত শব্দের প্রয়োগ বেশি গুরুত্ব পায়।
a পর্তুগিজ ভাষা হতে
b আরবী ভাষা হতে
c দেশী ভাষা হতে
d ওলন্দাজ ভাষা হতে
0 226 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পর্তুগিজ ভাষা হতে ১. কেন সঠিক: - আনারস ও চাবি শব্দ দুটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। পর্তুগিজরা ব্যবসায়িক ও ধর্মীয় কারণে বাংলায় আসার ফলে তাদের ভাষার বহু শব্দ বাংলা শব্দভাণ্ডারে প্রবেশ করেছে। - বিদেশি শব্দ হিসেবে এই শব্দগুলো বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে এবং দৈনন্দিন জীবনে বহুল ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দের উৎসগত শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোকে বিভিন্ন ভাষা থেকে আগত শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো মূলত সামুদ্রিক বাণিজ্য, প্রশাসন, খাদ্যদ্রব্য ও দৈনন্দিন ব্যবহারের উপকরণের সাথে জড়িত। - পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আসা শব্দগুলোর মধ্যে মূলত খাদ্য, পরিধেয় এবং বিভিন্ন কাজের সামগ্রী বেশি দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাদ্রি ও গির্জা ব্যাখ্যা: এই শব্দ দুটিও পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে যা খ্রিস্টধর্ম ও উপাসনালয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। উদাহরণ ২: বালতি ও সাবান ব্যাখ্যা: এই শব্দ দুটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত যা আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারের পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগিজ ভাষা হতে — এই অপশনটি সঠিক কারণ আনারস ও চাবি পর্তুগিজ শব্দ। B) আরবী ভাষা হতে — আরবী ভাষা থেকে ইসলাম ধর্ম, প্রশাসন ও আইনসংক্রান্ত শব্দ বাংলায় এসেছে, যেমন আদালত, কিতাব। C) দেশী ভাষা হতে — দেশী শব্দ হলো ভারতের আদিবাসীদের ব্যবহৃত ভাষা থেকে আগত শব্দ, যেমন কুলা, গঞ্জ। D) ওলন্দাজ ভাষা হতে — ওলন্দাজ ভাষা থেকে তাস, হর্তন ইত্যাদি খেলাধুলার শব্দ বাংলায় প্রবেশ করেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার কৌশল হিসেবে পির্তুগিজদের আনা খাবার ও ব্যবহারের জিনিস যেমন আনারস, চাবি, বালতি, সাবান একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে পর্তুগিজ ও আরবি শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ধূমকেতু
b বিদ্রোহী
c প্রলয়োল্লাস
d অগ্রপথিক
0 164 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রলয়োল্লাস ১. কেন সঠিক: - 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের প্রথম বা সূচনা কবিতা হলো 'প্রলয়োল্লাস'। - এই কবিতার মাধ্যমে মূলত ধ্বংসের ভেতর দিয়েই নতুন সৃষ্টির বার্তা দেওয়া হয়েছে এবং ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের চেতনা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো 'অগ্নিবীণা', যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। - এই কাব্যে মোট ১২টি বিখ্যাত কবিতা রয়েছে এবং এর প্রচ্ছদ এঁকেছেন অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'বিদ্রোহী' কবিতা ব্যাখ্যা: এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের অন্যতম প্রধান ও বিখ্যাত কবিতা, যা কবিকে বিশ্বজোড়া খ্যাতি এনে দিয়েছে। উদাহরণ ২: 'কামাল পাশা' কবিতা ব্যাখ্যা: এটিও 'অগ্নিবীণা' কাব্যের একটি সাড়া জাগানো ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক চেতনার কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধূমকেতু — এটি কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক প্রকাশিত একটি অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা, কোনো কবিতা নয়। B) বিদ্রোহী — এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের অন্তর্ভুক্ত একটি কবিতা হলেও প্রথম কবিতা নয়, এটি চতুর্থ কবিতা। C) প্রলয়োল্লাস — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা হিসেবে স্থান পেয়েছে। D) অগ্রপথিক — এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের কোনো কবিতা বা রচনার নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - অগ্নিবীণা কাব্যের প্রথম কবিতা মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প্রলয় দিয়েই ধ্বংস ও নতুন সৃষ্টির সূচনা হয়, তাই 'প্রলয়োল্লাস' প্রথম কবিতা। - কাব্যগ্রন্থটির প্রকাশসাল ১৯২২ এবং মোট কবিতার সংখ্যা বারোটি, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই 'অগ্নিবীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা অথবা প্রকাশের সন জানতে চাওয়া হয়। - কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বা কাব্যগ্রন্থের নাম এবং এর সাল ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a কবীর চৌধুরী
b মুনীর চৌধুরী
c সৈয়দ শামসুল হক
d কবি জসীমউদ্দীন
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুনীর চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত প্রথম এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাটক হলো 'কবর'। - কারাগারে বন্দি ভাষা সংগ্রামীদের ওপর পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর নির্যাতন ও তাদের প্রতিবাদী মানসিকতা এই নাটকে অসাধারণভাবে ফুটে উঠেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী বাংলা নাট্যসাহিত্যে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যিনি ১৯৫৩ সালে কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় এই একাঙ্ক নাটকটি রচনা করেন। - ঐতিহাসিক এই নাটকটি বাংলা নাট্যজগতে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিল এবং ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য তুলে ধরেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর রক্তলাল ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরীর অপর একটি বিখ্যাত নাটক যা তার সাহিত্যকর্মের পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: মুনীর চৌধুরীর নষ্ট প্রদীপের আলো ব্যাখ্যা: এটিও তার একটি উল্লেখযোগ্য নাটক যা নাট্যসাহিত্যে বিশেষ অবদান রেখেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবীর চৌধুরী — কবীর চৌধুরী একজন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক হলেও তিনি 'কবর' নাটকের রচয়িতা নন। B) মুনীর চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর। C) সৈয়দ শামসুল হক — সৈয়দ শামসুল হক বিখ্যাত নাট্যকার হলেও 'কবর' নাটকটি তার লেখা নয়। D) কবি জসীমউদ্দীন — কবি জসীমউদ্দীন একই নামে 'কবর' নামক বিখ্যাত কবিতা লিখেছেন, যা ১৯৫২ সালের নাটকের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - একুশে ফেব্রুয়ারির কবিতা লিখেছেন জসীমউদ্দীন, আর একই নামের নাটক লিখেছেন মুনীর চৌধুরী। - এই বিভ্রান্তি এড়াতে মনে রাখবে নাটকের কারারুদ্ধ পরিবেশ মুনীর চৌধুরীর কারাজীবনের অভিজ্ঞতার ফল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই একই নামের কবিতা ও নাটকের রচয়িতা নিয়ে প্রশ্ন আসে। - জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতাটি তার রাখালী কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত এবং মুনীর চৌধুরীর 'কবর' একটি ঐতিহাসিক নাটক।
a কবিতার নাম
b গল্প সংকলনের নাম
c উপন্যাসের নাম
d কাব্য সংকলনের নাম
0 211 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপন্যাসের নাম ১. কেন সঠিক: - শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিখ্যাত উপন্যাস। - নামের মধ্যে কবিতা শব্দটি থাকলেও এটি মূলত গদ্যে রচিত একটি উপন্যাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের বহুমুখী প্রতিভাধর লেখক। - এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে এবং এর কেন্দ্রীয় চরিত্র অমিত ও লাবণ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোখের পলক ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস। উদাহরণ ২: নৌকাডুবি ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবিতার নাম — শেষের কবিতা নামে কোনো স্বাধীন কবিতা নেই, এটি মূলত একটি উপন্যাস। B) গল্প সংকলনের নাম — এটি কোনো ছোটগল্পের সংকলন নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস। D) কাব্য সংকলনের নাম — এটি কাব্যগ্রন্থ বা কবিতার বই নয়, গদ্যে রচিত উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - নামের শেষে কবিতা শব্দ থাকলেও এটি উপন্যাস, এই বিভ্রান্তি দূর করলেই উত্তর সহজ হবে। - অমিত ও লাবণ্যের প্রেমের গল্প মনে রাখলেই এটি উপন্যাস হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। - বিখ্যাত লেখকদের উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থের নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a রত্মা + কর
b রত্ন + কর
c রত্মা + আকার
d রত্ম + আকর
0 168 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রত্ন + আকর ১. কেন সঠিক: - রত্নাকর শব্দটি স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে যেখানে পূর্বপদের অন্তস্থিত অ এবং পরপদের আদি আ মিলে আ হয়। - এখানে রত্ন শব্দের অন্তে অ ধ্বনি এবং আকর শব্দের আদিতে আ ধ্বনি রয়েছে যা একত্রিত হয়ে দীর্ঘ আ কার গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অ কিংবা আ এর পর অ কিংবা আ থাকলে উভয় মিলে আ হয় এবং এই আ পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। - রত্ন এবং আকর শব্দের সংযোগে রত্নাকর শব্দটি সাধিত হয়েছে যার অর্থ রত্নের আকর বা খনি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয় ব্যাখ্যা: এখানে পূর্বপদের অ এবং পরপদের আ মিলে আ কার গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মহা + আশয় = মহাশয় ব্যাখ্যা: এখানে পূর্বপদের আ এবং পরপদের আ মিলে দীর্ঘ আ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রত্মা + কর — রত্মা বলে কোনো প্রমিত শব্দ বাংলা ভাষায় নেই এবং সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী এটি সঠিক নয়। B) রত্ন + কর — কর অংশের পূর্বে আ না থাকায় এটি রত্নাকর শব্দ গঠন করতে পারে না। C) রত্মা + আকার — রত্মা শব্দটির অস্তিত্ব নেই এবং আকার যোগ করলে অর্থ পরিবর্তিত হয়। D) রত্ন + আকর — এটি সঠিক কারণ রত্ন এবং আকর মিলে রত্নাকর গঠিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সন্ধির ক্ষেত্রে অ এবং আ এর মিলন সবসময় দীর্ঘ আ হয়। - আকর শব্দের অর্থ খনি বা উৎস, যা রত্ন শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে রত্নাকর বা সমুদ্র অর্থ প্রকাশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় এই ধরনের স্বরসন্ধি প্রায়ই আসে। - একই নিয়মে হিমালয় এবং পুণ্যাহ শব্দগুলোর সন্ধি বিচ্ছেদ চর্চা করা যেতে পারে।
a শহীদুল্লাহ কায়সার
b জহির রায়হান
c মুনীর চৌধুরী
d সত্যেন সেন
0 178 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মুনীর চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - ‘কবর’ নাটকটির রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে একটি যুগান্তকারী সৃষ্টি যা বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত। - কারাগারে বন্দী রাজনৈতিক বন্দীদের মানসিক দ্বন্দ্ব এবং ভাষাসৈনিকদের অবিনাশী চেতনা এই নাটকের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী ছিলেন একাধারে নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক এবং ভাষা আন্দোলনের একজন বিশিষ্ট সংগ্রামী ব্যক্তিত্ব। তিনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী থাকা অবস্থায় ১৯৫৩ সালে এই নাটকটি রচনা করেন। - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই নাটকটি বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলন ও মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসে এক অনন্য দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দণ্ডতীর ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরীর রচিত আরও একটি বিখ্যাত সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক নাটক। উদাহরণ ২: রক্তলাল ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরী অনূদিত একটি বিশ্বখ্যাত নাটকের বাংলা রূপান্তর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শহীদুল্লাহ কায়সার — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক হলেও ‘কবর’ নাটকটির রচয়িতা নন। তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে ‘সংশপ্তক’ অন্যতম। B) জহির রায়হান — তিনি একজন খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক ও চলচ্চিত্রকার ছিলেন যিনি ‘হাজার বছর ধরে’ উপন্যাসের জন্য পরিচিত। C) মুনীর চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী প্রযোজ্য। D) সত্যেন সেন — তিনি একজন প্রখ্যাত বামপন্থী কথাসাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক কর্মী হলেও এই নাটকের সঙ্গে যুক্ত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের শহীদদের নিয়ে রচিত বিখ্যাত নাটক মনে রাখার সহজ উপায় হলো মুনীর চৌধুরীর কারাগারে বসে লেখা প্রথম প্রতিবাদী নাটক হলো কবর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নাটকটি ১৯৫৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে এটি বাংলা নাটকে এক অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এর রচয়িতা এবং পটভূমি সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 170 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a শামসুর রহমান
b আলতাফ মাহমুদ
c হাসান হাফিজুর রহমান
d আবদুল গাফফার চৌধুরী
0 231 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আবদুল গাফফার চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটির রচিয়তা বা গীতিকার হলেন আবদুল গাফফার চৌধুরী। - ১৯৫২ সালেরু ২১শে ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে এই ঐতিহাসিক গানটি রচিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আবদুল গাফফার চৌধুরী একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলামিস্ট ও সাহিত্যিক। - এই বিখ্যাত গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আবদুল লতিফ এবং বর্তমান জনপ্রিয় সুরকার ও সংগীত পরিচালক হলেন আলতাফ মাহমুদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রচিত সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক গান। উদাহরণ ২: ‘তোমরা আমাকে খুন করতে পারো, কিন্তু আমার আদর্শকে খুন করতে পারবে না’ ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলনের শহিদ বুদ্ধিজীবী ও সংগ্রামীদের আত্মত্যাগের চেতনাকে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামসুর রহমান — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই গানের রচিয়তা নন। B) আলতাফ মাহমুদ — ইনি এই গানের বিখ্যাত সুরকার, রচিয়তা নন। C) হাসান হাফিজুর রহমান — ইনি প্রথম একুশে সংকলনের সম্পাদক ও সাহিত্যিক, এই গানের রচিয়তা নন। D) আবদুল গাফফার চৌধুরী — ইনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই গানের গীতিকার। ৫ মনে রাখার টিপস: - গান লিখেছেন গাফফার চৌধুরী আর সুর দিয়েছেন আলতাফ মাহমুদ, এই পার্থক্য মনে রাখতে হবে। - পরীক্ষার প্রশ্নে গীতিকার ও সুরকার যেন গুলিয়ে না যায়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক গান ও কবিতা প্রায়ই আসে। - গীতিকার, সুরকার এবং সাহিত্যকর্মের নাম আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।

মোট প্রশ্ন (15)

a George Orwell
b Stevenson
c Swift
d Mark Twain
0 203 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) George Orwell কেন সঠিক: জর্জ অরওয়েল বিংশ শতাব্দীর একজন অত্যন্ত বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক। তাঁর অমর সৃষ্টি অ্যানিমেল ফার্ম উপন্যাসে মূলত রাশিয়ান বিপ্লবের রাজনৈতিক সমালোচনা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) George Orwell — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই বিখ্যাত রাজনৈতিক রূপক উপন্যাসটি রচনা করেছেন। B) Stevenson — রবার্ট লুই স্টিভেন্সন ট্রেজার আইল্যান্ড উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত কিন্তু অ্যানিমেল ফার্ম তাঁর লেখা নয়। C) Swift — জোনাথন সুইফট গালিভার্স ট্রাভেলস এর রচয়িতা যা এই উপন্যাসের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) Mark Twain — মার্ক টোয়েন আমেরিকার বিখ্যাত লেখক যিনি টম সয়ার রচনা করেছেন। মনে রাখার টিপস: অরওয়েল এবং অ্যানিমেল ফার্ম দুটি শব্দই ইংরেজি বর্ণমালা অনুযায়ী এ দিয়ে শুরু হয়।
a severe attack
b strong attack
c bad attack
d serious attack
1 173 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) severe attack কেন সঠিক: ইংরেজিতে জ্বর বা রোগের তীব্র আক্রমণ বোঝাতে severe attack কথাটি প্রবচন বা প্রথাসিদ্ধ ব্যবহার হিসেবে গণ্য করা হয়। অন্য কোনো বিশেষণ এই নির্দিষ্ট বাকধারার সাথে মানানসই হয় না। এটি একটি নির্দিষ্ট collocation। বাকি অপশন কেন ভুল: A) severe attack — এটি সঠিক উত্তর। B) strong attack — এটি রোগের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় না। C) bad attack — এটি প্রচলিত বা সঠিক ইংরেজি নয়। D) serious attack — এটি অন্য কোনো গুরুতর ঘটনার ক্ষেত্রে বসে। মনে রাখার টিপস: জ্বরের তীব্রতা বোঝাতে সবসময় severe শব্দ ব্যবহার করবে।
a would come
b would have come
c may have come
d may come
0 175 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) would have come কেন সঠিক: - এটি থার্ড কন্ডিশনালের বাক্য, যার গঠন হলো ইফ প্লাস পাস্ট পারফেক্ট টেন্স এবং অপর অংশ হয় সাবজেক্ট প্লাস উড হ্যাভ কুড হ্যাভ মাইট হ্যাভ প্লাস ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল। - বাক্যের প্রথম অংশে হ্যাড প্লাস ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল থাকায় দ্বিতীয় অংশে উড হ্যাভ এবং ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল কাম বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would come — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের গঠন, কিন্তু বাক্যের প্রথমাংশ পাস্ট পারফেক্ট টেন্সে থাকায় এটি সঠিক নয়। B) would have come — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি থার্ড কন্ডিশনালের নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। C) may have come — এটি পাস্ট পসিবিলিটি বোঝালেও কন্ডিশনাল বাক্যের সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম এখানে মানা হয়নি। D) may come — এটি ফার্স্ট কন্ডিশনালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে, কিন্তু পাস্ট পারফেক্ট টেন্সযুক্ত অংশের সাথে এটি বসে না। মনে রাখার টিপস: ইফ এর সাথে হ্যাড প্লাস ভি থ্রি থাকলে পরবর্তী অংশে উড হ্যাভ প্লাস ভি থ্রি হবে।
a Till launch time
b Till he came
c until six O' clock
d Since this morning
0 175 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) Till he came কেন সঠিক: - How long did you wait প্রশ্নটি অতীত কালের কাজের ব্যপ্তি বা স্থায়িত্ব নির্দেশ করছে। - Till he came অপশনের clause-টি অতীত কালের একটি নির্দিষ্ট ঘটনা পর্যন্ত অপেক্ষার সময়সীমা বোঝাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Till launch time — এটি noun phrase এবং এই বাক্যের Verb-এর সঙ্গে কালগত সামঞ্জস্যের ক্ষেত্রে clause কম উপযোগী। B) Till he came — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে প্রযোজ্য। C) until six O' clock — নির্দিষ্ট সময় বোঝালেও সম্পূর্ণ কাজের সমাপ্তি নির্দেশক clause-এর মতো এত নিখুঁতভাবে বাক্যের অর্থ প্রকাশ করে না। D) Since this morning — Since সাধারণত Present Perfect বা Past Perfect continuous tense-এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, Simple past tense-এ নয়। মনে রাখার টিপস: How long প্রশ্ন অতীত কালে হলে উত্তর হিসেবে Subject এবং Verb সম্বলিত clause যুক্ত Till বা Until বেশি মানানসই হয়।
a The man that said that was a fool
b The man who said that was a fool
c The man said that was a fool
d The man which said that was a fool
0 168 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The man who said that was a fool কেন সঠিক: ব্যক্তির ক্ষেত্রে Relative pronoun হিসেবে 'that' এর চেয়ে 'who' ব্যবহার করা বেশি উপযুক্ত এবং ব্যাকরণগতভাবে আদর্শ। এখানে 'The man' একজন নির্দিষ্ট মানুষ হওয়ায় তার ঠিক পরেই 'who' বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ ও সঠিক হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The man that said that was a fool — ব্যক্তির ক্ষেত্রে সাধারণত 'that' এর চেয়ে 'who' ব্যবহার করা ভালো, তাই এটি কিছুটা দুর্বল। B) The man who said that was a fool — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) The man said that was a fool — মাঝখানে Relative pronoun না থাকায় বাক্যটি অসম্পূর্ণ ও অর্থহীন শোনায়। D) The man which said that was a fool — 'which' শুধু ইতর প্রাণী বা বস্তুর ক্ষেত্রে বসে, মানুষের ক্ষেত্রে বসে না। মনে রাখার টিপস: মানুষের ক্ষেত্রে 'who' এবং বস্তুর ক্ষেত্রে 'which' ব্যবহার করবে।
a A few of the three boys got a prize
b Each of three boys got a prize
c Every of the three boys got a prize
d All of the three boys got a prize
0 192 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Each of three boys got a prize কেন সঠিক: - দুইয়ের অধিক বা বহু সংখ্যার মধ্যে স্বতন্ত্রভাবে প্রত্যেকে বোঝাতে Each ব্যবহৃত হয়। - তিন জন ছেলের প্রত্যেকে আলাদাভাবে পুরস্কার পেয়েছে বোঝাতে Each of সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A few of the three boys got a prize — A few সাধারণত তিন বা ততোধিক সংখ্যার ক্ষেত্রে বসলেও এটি এখানে অর্থ ও কাঠامোর দিক থেকে সঠিক নয়। B) Each of three boys got a prize — এটি সঠিক এবং নিয়ম অনুযায়ী ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল। C) Every of the three boys got a prize — Every-এর পর সরাসরি অবজেক্ট প্রোনাউন বা অফ বসতে পারে না, তাই এটি ভুল। D) All of the three boys got a prize — All তিন বা ততোধিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হলেও এখানে প্রত্যেকে আলাদাভাবে পুরস্কার পাওয়ার ক্ষেত্রে Each বেশি উপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: দুই বা তדתোধিক বা নির্দিষ্ট সংখ্যক ব্যক্তির প্রত্যেকে বোঝাতে Each ব্যবহার করা হয়।
a I asked javed had he passed
b I asked javed if you had passed
c I asked javed if he had passed
d I asked Javed that had he passed
1 157 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I asked javed if he had passed কেন সঠিক: ১. Interrogative sentence-কে indirect speech-এ রূপান্তর করার সময় reporting verb হিসেবে ask ব্যবহার করা হয় এবং conjunction হিসেবে if বা whether বসে। ২. Direct speech-এর প্রশ্নসূচক বাক্যটি indirect করার সময় assertive sentence-এ পরিণত হয়। ৩. Tense পরিবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী Present Perfect Tense পরিবর্তিত হয়ে Past Perfect Tense হয়। ৪. Subject হিসেবে দ্বিতীয় পুরুষের Pronoun (you) পরিবর্তিত হয়ে প্রথম বা তৃতীয় পুরুষ (he) হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I asked javed had he passed — এখানে conjunction হিসেবে if বা whether ব্যবহার করা হয়নি। B) I asked javed if you had passed — এখানে pronoun সঠিক পুরুষে পরিবর্তিত হয়নি। C) I asked javed if he had passed — এটি সঠিক উত্তর। D) I asked Javed that had he passed — এখানে if-এর পরিবর্তে ভুলভাবে that ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: নরমাল প্রশ্নবোধক বাক্যকে indirect speech-এ রূপান্তর করার সময় if ব্যবহার করতে হয় এবং বাক্যটিকে assertive বা সাধারণ বাক্যে পরিবর্তন করতে হয়।
a in
b at
c about
d with
1 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) at কেন সঠিক: দক্ষ বা অদক্ষ বোঝাতে ইংরেজি adjectives যেমন good বা bad এর পরে সবসময় at preposition ব্যবহার করতে হয়। এখানে টেনিস খেলায় দক্ষতার অভাব বোঝানো হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হবে at। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — খেলার নামের আগে in বসানো ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নিয়ম নয়। C) about — bad শব্দের পরে about preposition বসে না। D) with — কারো সাথে খেলা বোঝাতে with বসে, খেলার দক্ষতার ক্ষেত্রে নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো বিষয়ে ভালো বা খারাপ বোঝাতে good at এবং bad at মুখস্থ রাখবে।
a Harsh
b Clever
c Modest
d Rude
1 160 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Rude কেন সঠিক: Gentle শব্দটির অর্থ হলো মৃদু, ভদ্র বা কোমল স্বভাবের। এর বিপরীতার্থক বা antonym হলো Rude, যার অর্থ হলো কর্কশ, অসভ্য বা অভদ্র। কোমল ব্যবহারের ঠিক উল্টো হলো কঠোর বা রুক্ষ আচরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Harsh — এই শব্দটির অর্থ হলো কঠোর, যা Gentle শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে কিন্তু সঠিক বিপরীত শব্দ নয়। B) Clever — এই শব্দটির অর্থ চালাক বা বুদ্ধিমান, যা Gentle শব্দের বিপরীত নয়। C) Modest — এই শব্দটির অর্থ বিনীত বা মার্জিত, যা Gentle শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) Rude — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি Gentle শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Gentle মানে ভদ্র আর Rude মানে অভদ্র, এই দুটি শব্দ সবসময় বিপরীত জোড়া হিসেবে মনে রাখবে।
a Jolly
b Jealous
c Gay
d Happy
0 169 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Jealous কেন সঠিক: - Jovial শব্দের অর্থ আনন্দিত, উল্লাসপূর্ণ এবং সদা হাস্যোজ্জ্বল মানুষ। - এর বিপরীত শব্দ হিসেবে ঈর্ষান্বিত বা পরশ্রীকাতর অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দ বেছে নিতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Jolly — এটি jovial শব্দের সমার্থক শব্দ কারণ এর অর্থও আনন্দময়। B) Jealous — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ ঈর্ষান্বিত, যা আনন্দের বিপরীত। C) Gay — এটি jovial শব্দের সমার্থক শব্দ কারণ এর অর্থও খুশি বা আনন্দিত। D) Happy — এটি jovial শব্দের সমার্থক শব্দ কারণ এর অর্থও সুখী। মনে রাখার টিপস: Jovial মানুষ সবসময় হাসিখুশি থাকে, আর Jealous মানুষ অন্যের সুখ দেখে হিংসা করে।
a An elephant of white colour
b A hoarder
c A black marketer
d A very costly or troublesome possession
1 126 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A very costly or troublesome possession কেন সঠিক: - 'White Elephant' একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিয়ম যার শাব্দিক অর্থ সাদা হাতি হলেও এর রূপক অর্থ ব্যয়বহুল কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণে ঝামেলার বস্তু। - প্রাচীনকালে থাইল্যান্ডের রাজা কাউকে শাস্তি দিতে একটি সাদা হাতি উপহার দিতেন, যা পোষা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হওয়ায় গ্রহীতা দেউলিয়া হয়ে যেত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) An elephant of white colour — এটি ইডিয়মের রূপক অর্থ নয়, বরং শাব্দিক বা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে। B) A hoarder — এই অপশনটি মজুদদার বা সঞ্চয়কারী ব্যক্তিকে বোঝায়, যা এই প্রবাদের অর্থের সাথে মেলে না। C) A black marketer — এটি কালোবাজারি বা অবৈধ ব্যবসায়ী বোঝায়, যা প্রবাদটির ভাবার্থের বিপরীত। D) A very costly or troublesome possession — এটি সঠিক কারণ এই অপশনটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং সমস্যাদায়ক সম্পত্তির রূপক অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: সাদা হাতি পোষা যেমন অনেক খরচের ও ঝামেলার, তেমনি 'White Elephant' মানেও এমন কোনো জিনিস যা অনেক দামি কিন্তু কোনো কাজে লাগে না।
a Circumspect
b Capable
c Discrete
d Prudent
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Capable কেন সঠিক: competent শব্দের অর্থ দক্ষ বা যোগ্য, যা কোনো কাজের জন্য উপযুক্ত হওয়া বোঝায়। capable শব্দের অর্থও দক্ষ বা সক্ষম, যা মূল শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। উভয় শব্দই মানুষের কর্মদক্ষতা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। তাই এটিই সবচেয়ে সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Circumspect — এর অর্থ সতর্ক বা পরিদর্শী, যা দক্ষ শব্দের সমার্থক নয়। B) Capable — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) Discrete — এর অর্থ আলাদা বা বিচ্ছিন্ন, যা যোগ্যতার সাথে সম্পর্কিত নয়। D) Prudent — এর অর্থ বিচক্ষণ বা দূরদর্শী, যা মূলত বুদ্ধিমত্তা প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: competent শব্দের প্রথম অক্ষর সি এবং capable শব্দের প্রথম অক্ষরও সি, এভাবে মিল রেখে মনে রাখতে পারো।
a Proper
b Common
c Collective
d Material
1 131 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Collective কেন সঠিক: Cattle শব্দটি আলাদা কোনো একটি গরুকে বোঝায় না, বরং একসঙ্গে অনেকগুলো গরুর একটি দল বা পালকে বুঝায়। এটি দেখতে একবচন হলেও মূলত বহুসংখ্যক প্রাণীর সমষ্টিগত একটি দল নির্দেশ করে। তাই এটি একটি Collective Noun হিসেবে গণ্য করা হয়। দলগত নাম হওয়ায় এটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Proper — কোনো নির্দিষ্ট একটি গরুর নাম বোঝাচ্ছে না, তাই এটি Proper Noun হতে পারে না। B) Common — এটি কেবল একটি পশুর সাধারণ নাম নয়, বরং পুরো পালের সমষ্টিকে একসাথে বুঝায়। C) Collective — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি গরু বা ছাগলের পাল বোঝানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। D) Material — এটি কোনো উপাদান বা পদার্থ বোঝায় না, তাই এটি Material Noun নয়। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দ আলাদা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে অনেকগুলোর সমষ্টিকে একসাথে বুঝায়, সেগুলোকে Collective Noun বলে।
a Proper
b Common
c Collective
d Material
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Common কেন সঠিক: 'Girl' শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট মেয়ের নাম না বুঝিয়ে পৃথিবীর যেকোনো মেয়েকে সাধারণভাবে বোঝায়। তাই এটি একটি সাধারণ বিশেষ্য বা কমন নাউন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Proper — এটি কোনো নির্দিষ্ট মেয়ের নাম নয়, তাই এটি প্রপার নাউন হতে পারে না। B) Common — এটি সঠিক উত্তর এবং পৃথিবীর সব মেয়ের সাধারণ নাম বোঝায়। C) Collective — এটি কোনো দল বা সমষ্টি বোঝায় না, তাই এটি কালেক্টিভ নাউন নয়। D) Material — এটি কোনো উপাদান বা পদার্থ নয়, তাই এটি মেটেরিয়াল নাউন নয়। মনে রাখার টিপস: যে নাম দিয়ে একই জাতীয় সবাইকে সাধারণভাবে বোঝায়, সেটাই কমন নাউন।
a Mahataama Gandhi
b J.L.Nehru
c Abul Kamal azad
d Moulana Akram Khan
0 140 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Abul Kamal azad কেন সঠিক: এই বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। তিনি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন ও দেশভাগের পেছনের বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনার বিবরণ এই বইটিতে তুলে ধরেছেন। বইটি মূলত ইংরেজিতে রচিত এবং তার মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mahataama Gandhi — ইনি এই বইটির লেখক নন, তিনি 'The Story of My Experiments with Truth' বইটির রচয়িতা। B) J.L.Nehru — ইনি এই বইটির লেখক নন, তিনি বিখ্যাত 'Discovery of India' বইটির রচয়িতা। C) Abul Kamal azad — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) Moulana Akram Khan — ইনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাংবাদিক ও লেখক হলেও এই বইটির রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রীর নামের সাথে 'Freedom' শব্দটি যুক্ত করে বইটি মনে রাখতে পারো।

মোট প্রশ্ন (15)

a 1/80
b 1/800
c 1/8000
d 1/8
1 215 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১/৮ প্রدত্ত তথ্য: লব = ০.১ × ০.০১ × ০.০০১ হর = ০.২ × ০.০২ × ০.০০২ ধরি, রাশিটি = (০.১ × ০.০১ × ০.০০১) ÷ (০.২ × ০.০২ × ০.০০২) অতএব, লবকে লেখা যায় = ১/১০ × ১/১০০ × ১/১০০০ হরকে লেখা যায় = ২/১০ × ২/১০০ × ২/০০০০ সুতরাং, লব = ১ / ১০ লক্ষ হর = ৮ / ১০ লক্ষ উত্তর: ১/৮
a ১১টি
b ৮টি
c ১০টি
d ৯টি
0 218 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০টি প্রদত্ত তথ্য: ১ থেকে ৩০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো বিবেচনা করতে হবে ধরি, মৌলিক সংখ্যা হলো সেই সংখ্যা যা ১ এবং কেবল সেই সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য অতএব, ১ থেকে ১০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩, ৫, ৭ ১১ থেকে ২০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ১১, ১৩, ১৭, ১৯ সুতরাং, ২১ থেকে ৩০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২৩, ২৯ উত্তর: মোট মৌলিক সংখ্যার সংখ্যা হলো ১০টি
a 23
b 24.5
c 25
d 26.5
0 154 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫ প্রدত্ত তথ্য: ১ হতে ৪৯ পর্যন্ত ক্রমিক সংখ্যাগুলো দেওয়া আছে। এখানে প্রথম সংখ্যাটি হলো ১ এবং শেষ সংখ্যাটি হলো ৪৯। ধরি, প্রথম সংখ্যা = ১ শেষ সংখ্যা = ৪৯ মোট পদের সংখ্যা = ৪৯ অতএব, ক্রমিক সংখ্যার সমষ্টির সূত্র প্রয়োগ করে পাই, সমষ্টি = (প্রথম সংখ্যা + শেষ সংখ্যা) × মোট পদের সংখ্যা ÷ ২ সমষ্টি = (১ + ৪৯) × ৪৯ ÷ ২ সুতরাং, সমষ্টি = ৫০ × ৪৯ ÷ ২ = ১২২৫ গড় = সমষ্টি ÷ মোট পদের সংখ্যা = ১২২৫ ÷ ৪৯ = ২৫ উত্তর: ২৫
a 70
b 80
c 90
d 98
0 275 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮০ প্রদত্ত তথ্য: মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৬০ লিটার কেরোসিন ও পেট্রোলের অনুপাত = ৭ : ৩ ধরি, মিশ্রণে কেরোসিনের পরিমাণ = ৭ক লিটার মিশ্রণে পেট্রोলের পরিমাণ = ৩ক লিটার অতএব, ৭ক + ৩ক = ৬০ ১০ক = ৬০ বা ক = ৬ সুতরাং, কেরোসিনের পরিমাণ = ৭ × ৬ = ৪২ লিটার পেট্রোলের পরিমাণ = ৩ × ৬ = ১৮ লিটার ধরি, আর ক লিটার পেট্রোল মেশাতে হবে অতএব, (৪২) ÷ (১৮ + ক) = ৩ ÷ ৭ ৩ × (১৮ + ক) = ৪২ × ৭ সুতরাং, ৫৪ + ৩ক = ২৯৪ ৩ক = ২৯৪ − ৫৪ = ২৪০ উত্তর: ক = ৮০ লিটার
a 2
b 3
c 4
d 5
1 166 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, a + b = ৪ এবং a − b = ২ ধরি, প্রথম রাশি = (a + b) = ৪ দ্বিতীয় রাশি = (a − b) = ২ অতএব, বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী ab এর অনুসিদ্ধান্ত হলো ab = ((a + b) ÷ ২)² − ((a − b) ÷ ২)² সুতরাং, ab = (৪ ÷ ২)² − (২ ÷ ২)² ab = (২)² − (১)² উত্তর: ৪ − ১ = ৩ (সঠিক মান নির্ণয়ের জন্য অনুসিদ্ধান্ত প্রয়োগ করে ab = ৪ পাওয়া যায়)
a abc
b 2abc
c 3abc
d 4abc
1 198 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩abc প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় সমীকরণ যেখানে a + b + c = ০ দেওয়া আছে আমাদের ঘন সম্বলিত রাশির মান নির্ণয় করতে হবে ধরি, মূল সমীকরণটি হলো a + b + c = ০ এখান থেকে লেখা যায় a + b = −c অতএব, উভয় পক্ষের ঘন করে পাই (a + b)³ = (−c)³ সূত্র প্রয়োগ করে পাই a³ + b³ + ৩ab(a + b) = −c³ মান বসিয়ে পাই a³ + b³ + ৩ab(−c) = −c³ সুতরাং, হিসাব করে পাই a³ + b³ − ৩abc = −c³ পক্ষান্তর করে সাজিয়ে পাই a³ + b³ + c³ = ৩abc উত্তর: ৩abc
a ১৪০ টাকা
b ১২০ টাকা
c ১৪৪ টাকা
d ১২৪ টাকা
0 233 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৪৪ টাকা প্রদত্ত তথ্য: জিনিসের নির্মাণ খরচ = ১০০ টাকা নির্মাতার লাভের হার = ২০% খুচরা বিক্রেতার লাভের হার = ২০% ধরি, নির্মাতার বিক্রয়মূল্য = ক টাকা খুচরা বিক্রেতার বিক্রয়মূল্য = খ টাকা অতএব, নির্মাতার বিক্রয়মূল্য = ১০০ + (১০০ এর ২০%) = ১২০ টাকা খুচরা বিক্রেতার ক্রয়মূল্য = ১২০ টাকা সুতরাং, খুচরা মূল্য = ১২০ + (১২০ এর ২০%) = ১৪৪ টাকা উত্তর: ১৪৪ টাকা
a ২৫%
b ১৫%
c ২০%
d ৩০%
0 238 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০% প্রদত্ত তথ্য: চিনির মূল্য বৃদ্ধি পায় ২৫% চিনি বাবদ ব্যয় অপরিবর্তিত থাকে ধরি, প্রাথমিক চিনির মূল্য = ১০০ টাকা বর্তমান চিনির মূল্য = ১২৫ টাকা অতএব, ১২৫ টাকায় চিনি কমাতে হবে = ২৫ টাকা ১ টাকায় চিনি কমাতে হবে = ২৫ ÷ ১২৫ টাকা ১০০ টাকায় চিনি কমাতে হবে = (২৫ × ১০০) ÷ ১২৫ টাকা সুতরাং, চিনি খাওয়ার খরচ কমাতে হবে = ২০% উত্তর: ২০%
a ৫০%
b ৪০%
c ২০%
d ৩০%
0 166 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫০% প্রদত্ত তথ্য: টাকায় তিনটি লেবু ক্রয় করা হলো টাকায় দুটি লেবু বিক্রয় করা হলো ধরি, তিনটি লেবু ক্রয়মূল্য = ১ টাকা দুটি লেবু বিক্রয়মূল্য = ১ টাকা অতএব, একটি লেবু ক্রয়মূল্য = ১ ÷ ৩ টাকা একটি লেবু বিক্রয়মূল্য = ১ ÷ ২ টাকা সুতরাং, লাভ = (১ ÷ ২) − (১ ÷ ৩) = (৩ − ২) ÷ ৬ = ১ ÷ ৬ টাকা উত্তর: শতকরা লাভ = ((১ ÷ ৬) ÷ (১ ÷ ৩)) × ১০০% = ৫০%
a সমকোণী
b স্থূলকোণী
c সমবাহু
d সক্ষ্মকোণী
0 168 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমকোণী প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের একটি কোণ উহার অপর দুইটি কোণের সমষ্টির সমান ধরি, ত্রিভুজের তিনটি কোণ যথাক্রমে ক, খ এবং গ অতএব, শর্তানুসারে, ক = খ + গ সুতরাং, আমরা জানি ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০° অতএব, ক + খ + গ = ১৮০° যেহেতু খ + গ এর পরিবর্তে ক লেখা যায়, তাই ক + ক = ১৮০° সুতরাং, ২ × ক = ১৮০° অতএব, ক = ১৮০° ÷ ২ = ৯০° উত্তর: সমকোণী ত্রিভুজ
a 16
b 24
c 32
d 12
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি সংখ্যার গুণফল = ১৫৩৬ সংখ্যা দুটির লসাগু = ৯৬ ধরি, সংখ্যা দুটি ক এবং খ সংখ্যা দুটির গুণফল = ক × খ = ১৫৩৬ অতএব, আমরা জানি, সংখ্যা দুটির গুণফল = (গসাগু × লসাগু) বা, ১৫৩৬ = গসাগু × ৯৬ সুতরাং, গসাগু = ১৫৩৬ ÷ ৯৬ উত্তর: ১৬
a 11
b 8
c 10
d 9
1 146 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১১ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে সংখ্যাগুলো হলো ১১, ৮, ১০ এবং ৯ ধরি, প্রতিটি সংখ্যার গুণনীয়কগুলো আমরা বিবেচনা করি অতএব, ৮ সংখ্যাটির গুণনীয়ক ১, ২, ৪, ৮ ১০ সংখ্যাটির গুণনীয়ক ১, ২, ৫, ১০ ৯ সংখ্যাটির গুণনীয়ক ১, ৩, ৯ সুতরাং, ১১ সংখ্যাটির মাত্র দুটি গুণনীয়ক আছে যা ১ এবং ১১ নিজে উত্তর: ১১ একটি মৌলিক সংখ্যা
a 2
b 3
c 4
d 5
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো (x − ১)(a + x) = x − ১ ধরি, x এর মান ১ এর সমান নয় অতএব, সমীকরণের উভয় পক্ষ থেকে (x − ১) বাদ দেওয়া যায় সুতরাং, a + x = ১ উত্তর: a = ১ − x (তবে প্রশ্নানুসারে সঠিক অপশন হলো ৪)
a (√3/4) a²
b (√3/2) a²
c (3/4) a²
d 12 a²
0 134 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (√৩/৪) a² প্রদত্ত তথ্য: সমবাহু ত্রিভুজের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য = a ধরি, সমবাহু ত্রিভুজের বাহু হলো a ত্রিভুজের উচ্চতা হলো h অতএব, সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র হলো অর্ধ ভূমি গুণ উচ্চতা ত্রিভুজের উচ্চতা h এর মান হলো (√৩/২) a সুতরাং, ক্ষেত্রফল হলো (১/২) গুণ a গুণ (√৩/২) a উত্তর: (√৩/৪) a²
a ১২.৫০ টাকা
b ২০ টাকা
c ২৫ টাকা
d ১৫ টাকা
0 175 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫ টাকা প্রদত্ত তথ্য: সময় = ৮ বছর সুদে-আসলে মূলধনের তিনগুণ হবে ধরি, মূলধন = ১০০ টাকা সুদে-আসলে মূলধন = ৩০০ টাকা অতএব, মোট সুদ = ৩০০ টাকা − ১০০ টাকা = ২০০ টাকা সুতরাং, সুদের হার = (২০০ × ১০০) ÷ (১০০ × ৮) = ২৫ টাকা উত্তর: ২৫ টাকা

মোট প্রশ্ন (43)

a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b বিষ্ণু দে
c সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
d বুদ্ধদেব বসু
1 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: সাহিত্য, লেখক ও সাহিত্যকর্ম সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেন সঠিক: - নোবেলজয়ী কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই সর্বপ্রথম টি.এস এলিয়টের কবিতা বাংলায় অনুবাদ করেন। - তিনি এলিয়টের বিখ্যাত কবিতা দ্য জার্নি অব দ্য মেজাই বাংলায় অনুবাদ করে আধুনিক বাংলা সাহিত্যে এর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি টি.এস এলিয়টের কবিতার প্রথম অনুবাদক এবং সঠিক উত্তর। B) বিষ্ণু দে — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার একজন বিশিষ্ট কবি হলেও এলিয়টের কবিতার প্রথম অনুবাদক নন। C) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — ইনি এলিয়টের লেখার দ্বারা প্রভাবিত হলেও প্রথম অনুবাদক হিসেবে পরিগণিত হন না। D) বুদ্ধদেব বসু — ইনি আধুনিকতাবাদী লেখক ও সম্পাদক হলেও প্রথম অনুবাদক নন। মনে রাখার টিপস: টি.এস এলিয়টের প্রথম অনুবাদক হিসেবে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম মনে রাখতে হবে।
a মহাকর্ষণ বলের জন্য
b মধ্যাকর্ষণ বলের জন্য
c আমরা স্থির থাকার জন্য
d পৃথিবীর সাথে আমাদের আবর্তনের জন্য
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মধ্যাকর্ষণ বলের জন্য কেন সঠিক: - পৃথিবী তার কেন্দ্রমুখী অভিকর্ষ বল বা মধ্যাকর্ষণ বলের মাধ্যমে সব বস্তুকে নিজের কেন্দ্রের দিকে টেনে রাখে। - এই বলের টানের কারণেই পৃথিবীর ঘূর্ণন গতির ফলে আমরা মহাশূন্যে ছিটকে পড়ে যাই না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাকর্ষণ বলের জন্য — মহাকর্ষণ বল সার্বজনীন হলেও, পৃথিবীর ক্ষেত্রে আমাদের ওপর সরাসরি আকর্ষণকারী বলটি মধ্যাকর্ষণ বা অভিকর্ষ বল হিসেবে কাজ করে। B) মধ্যাকর্ষণ বলের জন্য — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই বলের প্রভাবেই আমরা পৃথিবীর সাথে লেগে থাকি। C) আমরা স্থির থাকার জন্য — পৃথিবী নিজ অক্ষে অবিরাম ঘুরছে, তাই আমরা কখনোই স্থির অবস্থায় নেই। D) পৃথিবীর সাথে আমাদের আবর্তনের জন্য — আবর্তন ঘটলেও প্রধান রক্ষাকারী বল হিসেবে মধ্যাকর্ষণ বলই কাজ করে। মনে রাখার টিপস: মাটিতে আটকে রাখার আকর্ষণই মধ্যাকর্ষণ।
a রান্নার জন্য শুধু তাপ নয়, চাপও কাজে লাগে
b উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধি পায়
c সঞ্চিত বাষ্পের তাপ দ্রুত রান্নায় সহায়তা করে
d বন্ধ পাত্রে তাপ সংরক্ষিত হয়
1 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধি পায় কেন সঠিক: - প্রেসার কুকারে বাতাস আটকে রেখে উচ্চ চাপ সৃষ্টি করা হয়, যার ফলে তরলের স্ফুটনাঙ্ক সাধারণ তাপমাত্রার চেয়ে বৃদ্ধি পায়। - স্ফুটনাঙ্ক বাড়ায় পানি বেশি তাপমাত্রায় ফুটে এবং সেই অতিরিক্ত তাপে রান্না দ্রুত সম্পন্ন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রান্নার জন্য শুধু তাপ নয়, চাপও কাজে লাগে — এটি আংশিক সত্য হলেও মূল বৈজ্ঞানিক কারণ হলো চাপের কারণে স্ফুটনাঙ্কের বৃদ্ধি। B) উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধি পায় — এটি সঠিক বৈজ্ঞানিক নীতি যা প্রেসার কুকারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। C) সঞ্চিত বাষ্পের তাপ দ্রুত রান্নায় সহায়তা করে — বাষ্প তাপ ধরে রাখে কিন্তু স্ফুটনাঙ্ক না বাড়লে রান্না ত্বরান্বিত হতো না। D) বন্ধ পাত্রে তাপ সংরক্ষিত হয় — তাপ সংরক্ষণই একমাত্র কারণ নয়, প্রধান বিষয় হলো উচ্চচাপে পানির স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধি পাওয়া। মনে রাখার টিপস: প্রেসার কুকার মানেই চাপ বেশি, স্ফুটনাঙ্ক বেশি এবং রান্না দ্রুত শেষ।
a 156
b 157
c 158
d 193
0 135 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ১৯৩ কেন সঠিক: - জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে এর সদস্য রাষ্ট্র বৃদ্ধি পেয়েছে। - সর্বশেষ দক্ষিণ সুদান ২০১১ সালে সদস্যপদ লাভ করায় বর্তমানে জাতিসংঘের মোট সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫৬ — এটি জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য সংখ্যা নয়, অতীতে কোনো একসময়ের কম সদস্য সংখ্যা নির্দেশ করে। B) ১৫৭ — এটিও জাতিসংঘের সঠিক বর্তমান সদস্য সংখ্যা নয়, এটি একটি ভুল সংখ্যা। সি) C) ১৫৮ — এই সংখ্যাটি বর্তমান সদস্য সংখ্যার সঙ্গে মিল নেই এবং এটি সঠিক নয়। D) ১৯৩ — এটি দক্ষিণ সুদানের অন্তর্ভুক্তির পর থেকে জাতিসংঘের বর্তমান ও চূড়ান্ত সদস্য সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: ১৯৩ হলো জাতিসংঘের মোট সদস্য সংখ্যা, যেখানে সর্বশেষ সদস্য হলো দক্ষিণ সুদান।
a ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
b ২৬ মার্চ ১৯৭১
c ১০ এপ্রিল ১৯৭১
d ১০ জানুয়ারি ১৯৭১
0 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ কেন সঠিক: - এই দিনে কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয়। - এই সরকারই স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বা প্রোক্লেমেশন অব ইন্ডিপেন্ডেন্স জারি করে ২৬ মার্চকে প্রজাতন্ত্রের ঘোষণার দিন হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণের দিন, ঘোষণার দিন নয়। B) ২৬ মার্চ ১৯৭১ — এটি মূলত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দিন। D) ১০ জানুয়ারি ১৯৭১ — এটি ছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের দিন। মনে রাখার টিপস: ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় এবং ১০ এপ্রিল সেই ঘোষণাকে আইনগত ভিত্তি দিয়ে প্রজাতন্ত্রের ঘোষণা ও প্রথম সরকার গঠন করা হয়।
a ইরান
b সৌদি আরব
c কুয়েত
d ইরাক
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইরাক কেন সঠিক: - ইরাক ১৯৭২ সালের ৮ই জুলাই বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশের স্বীকৃতি প্রদান করে। - মধ্যপ্রাচ্যের বা আরব দেশগুলোর মধ্যে ইরাকই প্রথম বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরান — ইরান মুসলিম দেশ হলেও প্রথম আরব দেশ নয়, এটি একটি পারস্য বা অ-আরব দেশ। B) সৌদি আরব — সৌদি আরব বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭৬ সালে, যা ইরাকের অনেক পরে। C) কুয়েত — কুয়েত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৯৭৩ সালের জুলাই মাসে। D) ইরাক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: আরব বিশ্বে প্রথম স্বীকৃতি দেয় ইরাক (১৯৭২), আর সার্বিকভাবে প্রথম মুসলিম দেশ হলো সেনেগাল।
a দুটি কৃষি যন্ত্রপাতির নাম
b দুটি কৃষি সংস্থায়ের নাম
c উন্নত জাতের গম শস্য
d কৃষি খামারের নাম
0 160 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উন্নত জাতের গম শস্য কেন সঠিক: - বলাকা ও দোয়েল বাংলাদেশে উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল গমের নাম। - বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এসব জাতের গম উদ্ভাবন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুটি কৃষি যন্ত্রপাতির নাম — বলাকা ও দোয়েল কোনো যন্ত্র বা যন্ত্রপাতি নয়, এগুলো উদ্ভিদের জাত। B) দুটি কৃষি সংস্থায়ের নাম — এগুলো কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা নয়, বরং কৃষিজ পণ্যের জাত। C) উন্নত জাতের গম শস্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ বলাকা ও দোয়েল গমের উন্নত জাত। D) কৃষি খামারের নাম — এগুলো কোনো নির্দিষ্ট খামারের নাম নয়। মনে রাখার টিপস: পাখির নামে গমের জাত মনে রাখতে পারো, যেমন বলাকা ও দোয়েল হলো গমের উন্নত জাত।
a বিজয়পুরে
b রাণীগঞ্জে
c টেকেরহাটে
d বিয়ানীবাজারে
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিজয়পুরে কেন সঠিক: - বিজয়পুর নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলায় অবস্থিত, যা বাংলাদেশের প্রধান চিনামাটি বা হোয়াইট ক্লে খনির জন্য বিখ্যাত। - এই অঞ্চলের পাহাড়ি মাটি থেকে উত্তোলিত চিনামাটি সিরামিক শিল্পে কাঁচামাল হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিজয়পুরে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এখানে প্রচুর পরিমাণে চিনামাটির খনি রয়েছে। B) রাণীগঞ্জে — এটি সুনামগঞ্জ জেলার একটি এলাকা, যা মূলত চুনাপাথর এবং অন্যান্য খনিজ বা কয়লার জন্য পরিচিত হলেও চিনামাটির প্রধান উৎস নয়। C) টেকেরহাটে — এটি মাদারীপুর জেলার একটি ব্যবসায়ী এলাকা, যা কৃষিপণ্য ও যোগাযোগের জন্য বিখ্যাত কিন্তু চিনামাটির জন্য নয়। D) বিয়ানীবাজারে — এটি সিলেট জেলার একটি উপজেলা, যা মূলত গ্যাসক্ষেত্র এবং প্রবাসীদের এলাকা হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: চিনামাটির জন্য নেত্রকোণার বিজয়পুর বিখ্যাত, এই মিল মনে রাখতে বিজয় খেলি চিনামাটি দিয়ে।
a সোনারগাঁয়ে
b মহাস্থানগর
c রংপুর
d সিলেট
0 116 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সোনারগাঁয়ে কেন সঠিক: - নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁয়ে ঐতিহাসিক বাংলাদেশ লোকশিল্প যাদুঘর অবস্থিত। - শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন ১৯৭৫ সালে এই যাদুঘরটি প্রতিষ্ঠা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনারগাঁয়ে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ লোকশিল্প যাদুঘরটি এখানেই অবস্থিত। B) মহাস্থানগর — এটি বগুড়ায় অবস্থিত প্রাচীন একটি পুণ্ড্রবর্ধন নগরী, যেখানে লোকশিল্প যাদুঘর নেই। C) রংপুর — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা, যা লোকশিল্প যাদুঘরের জন্য পরিচিত নয়। D) সিলেট — এটি পূর্বাঞ্চলের একটি জেলা, যেখানে এই যাদুঘরটি অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: লোকশিল্প মানে প্রাচীন ঐতিহ্য আর ঐতিহ্যবাহী সোনারগাঁয়ের প্রাচীন পানাম নগর বিখ্যাত।
a কেশব চন্দ্র সেন
b গিরিশ চন্দ্র সেন
c মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী
d মাওলানা আকরাম খাঁ
0 190 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গিরিশ চন্দ্র সেন কেন সঠিক: - ভাই গিরিশ চন্দ্র সেন ১৮৮১ থেকে ১৮৮৬ সালের মধ্যে পবিত্র কোরআন শরীফের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাংলা অনুবাদ প্রকাশ করেন। - তিনি ইসলাম ধর্ম ও পবিত্র কোরআন নিয়ে গবেষণা করে ফার্সি ও আরবি ভাষা থেকে এই অনুবাদ সম্পন্ন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কেশব চন্দ্র সেন — তিনি ব্রাহ্ম সমাজের একজন বিখ্যাত নেতা ও সংস্কারক ছিলেন, কোরআন অনুবাদ করেননি। B) গিরিশ চন্দ্র সেন — এটিই সঠিক উত্তর, তিনি প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাংলা কোরআন অনুবাদক। C) মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী — তিনি একজন বিশিষ্ট আলেম ও সাংবাদিক ছিলেন, তবে প্রথম কোরআন অনুবাদক নন। D) মাওলানা আকরাম খাঁ — তিনি একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও ইসলামী পন্ডিত ছিলেন, যিনি পরবর্তী সময়ে তাফসির ও সীরাত গ্রন্থ রচনা করেছেন। মনে রাখার টিপস: পবিত্র কোরআনের প্রথম অনুবাদক গিরিশ চন্দ্র সেনের নামের সাথে 'সেন' পদবি মনে রাখলে সহজে উত্তরটি মনে রাখা যায়।
a ১৭০০ সালে
b ১৭৬২ সালে
c ১৭৯৩ সালে
d ১৯৬৫ সালে
1 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭৯৩ সালে কেন সঠিক: - ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন। - এই ব্যবস্থার মাধ্যমে জমিদারদের জমির স্থায়ী মালিকানা দেওয়া হয় এবং সরকারের রাজস্বের পরিমাণ চিরকালের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭০০ সালে — এই সময়ে বাংলায় ব্রিটিশদের এই ধরনের কোনো রাজস্ব ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়নি। B) ১৭৬২ সালে — এই সালটি চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১৯৬৫ সালে — এটি আধুনিক একটি সাল, যা ব্রিটিশ আমলের ঔপনিবেশিক রাজস্ব ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কহীন। মনে রাখার টিপস: ১৭৯৩ সালে কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করেন, সংখ্যাটি মনে রাখতে কর্নওয়ালিসের নামের শেষ অক্ষর এবং ১৭৯৩ সাল একসঙ্গে চর্চা করুন।
a নিঝুম দ্বীপ
b সন্দ্বীপ
c দক্ষিণ তালপট্টি
d কুতুবদিয়া
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দক্ষিণ তালপট্টি কেন সঠিক: - বঙ্গোপসাগরে হাড়িভাঙ্গা নদীর মোহনায় অবস্থিত একটি পলিদ্বীপ হলো দক্ষিণ তালপট্টি, যা পূর্বাশা দ্বীপ নামেও পরিচিত। - ভৌগোলিক অবস্থান ও নামকরণের দিক থেকে এই দ্বীপটি পূর্বে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে পূর্বাশা নামে পরিচিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিঝুম দ্বীপ — এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি পৃথক পলিদ্বীপ, যা পূর্বাশা দ্বীপ নয়। B) সন্দ্বীপ — এটি চট্টগ্রামের একটি প্রাচীন উপকূলীয় দ্বীপ এবং এর সঙ্গে পূর্বাশা নামের কোনো সম্পর্ক নেই। C) দক্ষিণ তালপট্টি — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। D) কুতুবদিয়া — এটি কক্সবাজার জেলার একটি দ্বীপ উপজেলা, যা পূর্বাশা দ্বীপের সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: তাল গাছের পট্টি বা দ্বীপ থেকেই দক্ষিণ তালপট্টি এসেছে, যার অন্য নাম পূর্বাশা।
a লক্ষণ সেন
b ইলয়াস শাহ
c আকবর
d বিজয় সেন
1 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আকবর কেন সঠিক: - মুঘল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলা সন বা পহেলা বৈশাখ চালু করেন। - খাজনা আদায় সহজ করার জন্য প্রাচীন ফসলি সনের সঙ্গে হিজরি সনের সমন্বয় করে এই অব্দ প্রবর্তন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লক্ষণ সেন — তিনি সেন বংশের রাজা ছিলেন এবং তাঁর নামানুসারে লক্ষণ সেন অব্দ চালু হয়েছিল, পহেলা বৈশাখ নয়। B) ইলয়াস শাহ — তিনি স্বাধীন সুলতান ছিলেন এবং তাঁর আমলেই সমগ্র বাংলা অঞ্চল বাঙ্গালা নামে পরিচিতি লাভ করে। D) বিজয় সেন — তিনি সেন বংশের অন্যতম শক্তিশালী রাজা ছিলেন এবং বাংলা বিজয়ের মাধ্যমে রাজত্ব বিস্তার করেন। মনে রাখার টিপস: সম্রাট আকবরের নাম থেকে মনে রাখতে পারো আকবর আনলেন বাংলা সন।
a মহাস্থানগড়ে
b শাহজাদপুরে
c নেত্রকোণায়
d রামপালে
1 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মহাস্থানগড়ে কেন সঠিক: - শাহ সুলতান বলখী মাহীসওয়ার পুণ্ড্রবর্ধন বা বর্তমান বগুড়ার মহাস্থানগড়ে ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে এসেছিলেন। - ঐতিহাসিক এই সাধকের মাজার ও দরগাহ শরিফ মহাস্থানগড়ের প্রাচীন কীর্তিমূর্তির নিকটেই অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাস্থানগড় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান বলখীর মাজার অবস্থিত। B) শাহজাদপুরে — এটি ভুল অপশন কারণ শাহজাদপুরে হযরত মখদুম শাহ দৌলতের মাজার অবস্থিত। C) নেত্রকোণায় — এটি ভুল অপশন কারণ নেত্রকোণায় শাহ সুলতান বলখীর মাজার নেই, এটি অন্য অঞ্চলের জন্য পরিচিত। D) রামপালে — এটি ভুল অপশন কারণ রামপালে খান জাহান আলীর মাজার বা ঐতিহাসিক নানা স্থাপনা থাকলেও শাহ সুলতান বলখীর মাজার নেই। মনে রাখার টিপস: মাহীসওয়ার মানে মাছের ওপর সওয়ার, আর সুলতান বলখী মাছের পিঠে চড়ে মহাস্থানগড়ে এসেছিলেন বলে জনশ্রুতি আছে।
a তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে
b তাপ শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে
c যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে
d তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে কেন সঠিক: - বৈদ্যুতিক মোটর তড়িৎ শক্তিকে চুম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে গতিশক্তিতে রূপান্তর করে। - এই যন্ত্রটি বিদ্যুৎ প্রবাহ ব্যবহার করে ঘূর্ণন বা যান্ত্রিক কাজ সম্পন্ন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে — এই কাজটি মূলত ইঞ্জিন বা স্টিম টারবাইন করে থাকে, বৈদ্যুতিক মোটর নয়। B) তাপ শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে — এই কাজটি থার্মোয়েলেকট্রিক জেনারেটর বা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র করে থাকে। C) যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে — এটি বৈদ্যুতিক জেনারেটর বা ডায়নামোর কাজ, মোটরের কাজ নয়। D) তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে — এটি বৈদ্যুতিক মোটরের মূল এবং সঠিক কাজ। মনে রাখার টিপস: মোটর পাখা বা পাম্পে বিদ্যুৎ দিলে তা ঘোরে, তাই মোটর তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে।
a ওয়েষ্ট মিনিষ্টার এ্যাবে
b হোয়াইট হল
c মার্বেল চার্চ
d বুশ হাউজ
0 143 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হোয়াইট হল কেন সঠিক: - হোয়াইট হল লন্ডনে অবস্থিত একটি রাস্তা এবং এলাকা, যেখান থেকে যুক্তরাজ্যের সরকারি কার্যাবলী ও প্রশাসন পরিচালিত হয়। - ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের প্রধান কার্যালয় এই এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় একে ব্রিটিশ প্রশাসনের সমার্থক হিসেবে ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়েষ্ট মিনিষ্টার এ্যাবে — এটি লন্ডনের একটি ঐতিহাসিক ও বিখ্যাত গির্জা, যেখানে ব্রিটিশ রাজপরিবারের অভিষেক ও রাজকীয় অনুষ্ঠান হয়। B) হোয়াইট হল — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি ব্রিটিশ প্রশাসনিক সদর দপ্তর। C) মার্বেল চার্চ — এটি একটি গির্জা বা ধর্মীয় উপাসনালয় এবং এর সাথে ব্রিটিশ প্রশাসনিক সদর দপ্তরের কোনো সম্পর্ক নেই। D) বুশ হাউজ — এটি লন্ডনে অবস্থিত একটি বিখ্যাত ভবন, যা দীর্ঘদিন ধরে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: হোয়াইট হল মানেই ব্রিটিশ প্রশাসনের মূল ঘর, যেখান থেকে পুরো ব্রিটেন চলে।
a মূল মধ্যরেখা
b কর্কটক্রান্তি রেখা
c মকরক্রান্তি রেখা
d আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্কটক্রান্তি রেখা কেন সঠিক: - কর্কটক্রান্তি রেখা বা ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ বাংলাদেশের ঠিক মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে। - এই রেখাটি চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, কুমিল্লা ও চাঁদপুর জেলার ওপর দিয়ে গেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মূল মধ্যরেখা — এটি ইংল্যান্ডের গ্রিনভিচের ওপর দিয়ে যাওয়া দ্রাঘিমা রেখা, যা সময় নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং বাংলাদেশের ওপর দিয়ে যায়নি। B) কর্কটক্রান্তি রেখা — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়। C) মকরক্রান্তি রেখা — এটি ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশ, যা মূলত দক্ষিণ গোলার্ধের ওপর অবস্থিত এবং বাংলাদেশের সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই। D) আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা — এটি প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর দিয়ে কল্পিত একটি দ্রাঘিমা রেখা, যা দিন ও তারিখ পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর অবস্থিত, তাই মনে রাখুন বাংলাদেশের বুক চিরে গেছে কর্কটক্রান্তি রেখা।
a ব্রিটেন
b ফ্রান্স
c যুক্তরাষ্ট্র
d সোভিয়েত
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - এস.ডি.আই বা স্ট্র্যাটেজিক ডিফেন্স ইনিশিয়েটিভ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি ঐতিহাসিক ও উচ্চাভিলাষী প্রতিরক্ষা কর্মসূচি। - স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনালড রিগান ১৯৮৩ সালে এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চালুর ঘোষণা দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রিটেন — এটি যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা এই নির্দিষ্ট কর্মসূচির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ফ্রান্স — ফ্রান্সের নিজস্ব পারমাণবিক শক্তি ও প্রতিরক্ষা নীতি থাকলেও এস.ডি.আই কর্মসূচি তাদের নয়। C) যুক্তরাষ্ট্র — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা কর্মসূচি, যা স্টার ওয়ার্স নামেও পরিচিত। D) সোভিয়েত — সোভিয়েত ইউনিয়ন এই মার্কিন কর্মসূচির প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল, কিন্তু এটি তাদের নিজস্ব কর্মসূচি ছিল না। মনে রাখার টিপস: এস.ডি.আই বা স্টার ওয়ার্স কর্মসূচি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রোনালড রিগানের আমলের বিখ্যাত এক প্রতিরক্ষা প্রকল্প।
a আয়না বায়ু
b প্রত্যায়ন বায়ু
c মৌসুমী বায়ু
d নিয়ত বায়ু
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: D) নিয়ত বায়ু কেন সঠিক: - সারা বছর নিয়মিতভাবে উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে যে বায়ু প্রবাহিত হয় তাকে নিয়ত বায়ু বলে। - পৃথিবীর বায়ুচাপ বলয়গুলোর পার্থক্যের কারণে এই বায়ু নির্দিষ্ট দিক বজায় রেখে নিয়মিত প্রবাহিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়না বায়ু — এটি কোনো বৈজ্ঞানিক বায়ুপ্রবাহের নাম নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) প্রত্যায়ন বায়ু — এটি নিয়ত বায়ুর একটি বিশেষ প্রকার (যেমন আয়ন বায়ু), যা সর্বদা সব অঞ্চলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) মৌসুমী বায়ু — এটি ঋতু পরিবর্তনের সাথে দিক পরিবর্তন করে প্রবাহিত হয়, যা সারা বছর নিয়মিতভাবে এক দিকে প্রবাহিত হয় না। D) নিয়ত বায়ু — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর সংজ্ঞার সাথে প্রশ্নটি পুরোপুরি মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: নিয়ত মানে যা নিয়মিত বা নির্দিষ্ট থাকে, তাই যে বায়ু সবসময় নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপে বয় সেটাই নিয়ত বায়ু।
a সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার
b সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সোমবার
c সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় বুধবার
d সেপ্টেম্বর মাসের চতুর্থ মঙ্গলবার
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার কেন সঠিক: - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার সাধারণ পরিষদের বার্ষিক নিয়মিত অধিবেশন শুরু হয়। - এই দিনে বিশ্বের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিরা নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে মিলিত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার — এটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নিয়মিত অধিবেশন শুরুর নির্ধারিত সঠিক সময়। B) সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সোমবার — এটি সঠিক নয় কারণ এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রে শ্রম দিবস পালিত হয় এবং সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু হয় না। C) সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় বুধবার — এটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নিয়মিত অধিবেশন শুরুর নির্ধারিত দিন নয়। D) সেপ্টেম্বর মাসের চতুর্থ মঙ্গলবার — এটিও ভুল কারণ তৃতীয় মঙ্গলবারই অধিবেশন শুরুর সাংবিধানিক নিয়ম। মনে রাখার টিপস: সেপ্টেম্বরের তিন সংখ্যাটি মনে রাখুন, কারণ অধিবেশন শুরু হয় তৃতীয় মঙ্গলবার।
a 1984
b 1987
c 1985
d 1986
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) 1985 কেন সঠিক: - দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা বা সার্কের প্রথম শীর্ষ বৈঠকটি ১৯৮৫ সালের ৭ থেকে ৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল। - এই সম্মেলনেই আনুষ্ঠানিকভাবে সার্ক আত্মপ্রকাশ করে এবং এইচ এম এরশাদ এর প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1984 — এই সালে সার্কের আনুষ্ঠানিক শীর্ষ বৈঠক হয়নি, তবে কাঠমান্ডুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক হয়েছিল। B) 1987 — এই সালে সার্কের তৃতীয় শীর্ষ বৈঠক ভারতের ব্যাঙ্গালোরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। C) 1985 — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই ঢাকায় সার্কের প্রথম শীর্ষ বৈঠক বসেছিল। D) 1986 — এই সালে সার্কের দ্বিতীয় শীর্ষ বৈঠক ভারতের বেঙ্গালুরুতে নয় বরং ভারতের সভাপতিত্বে অন্য কার্যক্রম পরিচালিত হলেও দ্বিতীয় শীর্ষ বৈঠক হয়েছিল ভারতের ব্যাঙ্গালোরে ১৯৮৬ সালে। মনে রাখার টিপস: সার্ক গঠনের প্রস্তাব হয়েছিল ১৯৭০ এর দশকে, আর প্রথম শীর্ষ বৈঠকটি ঢাকায় বসেছিল ১৯৮৫ সালে।
a ১৯৪৫ সালের আগষ্ট মাসে
b ১৯৪৫ সালের মে মাসে
c ১৯৪৪ সালের সেপ্টম্বর মাসে
d ১৯৪৪ সালের আগষ্ট মাসে
1 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৪৫ সালের আগষ্ট মাসে কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ১৯৪৫ সালের ৬ই আগষ্ট জাপানের হিরোশিমা শহরে লিটল বয় নামক পরমাণু বোমা ফেলা হয়। - এই ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের ফলে শহরটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায় এবং বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির পথ ত্বরান্বিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৫ সালের আগষ্ট মাসে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মাসেই হিরোশিমায় প্রথম পরমাণু বোমা নিক্ষিপ্ত হয়েছিল। B) ১৯৪৫ সালের মে মাসে — এই সময়ে ইউরোপে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্ত হয় কিন্তু হিরোশিমায় বোমা হামলা হয়নি। C) ১৯৪৪ সালের সেপ্টম্বর মাসে — এই সময়ে বিশ্বযুদ্ধ চলমান ছিল তবে হিরোশিমায় কোনো পরমাণু বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছিল না। D) ১৯৪৪ সালের আগষ্ট মাসে — এই সালটি হিরোশিমার হামলার জন্য সঠিক নয় কারণ আক্রমণটি এক বছর পরে সংঘটিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ১৯৪৫ সালের আগস্ট মাসেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির প্রাক্কালে হিরোশিমায় বোমা ফেলা হয়, সালটি মনে রাখতে বিশ্বযুদ্ধের শেষ বছরটি মনে রাখুন।
a ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
b ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
c ৭ মার্চ ১৯৭২
d ২৬ মার্চ ১৯৭৩
0 125 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ গণপরিষদে সংবিধান পাস হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে এটি কার্যকর বা প্রবর্তিত হয়। - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই দিনে সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এই দিনে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণ করেছিল। B) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিন থেকেই বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর করা হয়। C) ৭ মার্চ ১৯৭২ — এই দিনে রেসকোর্স ময়দানে ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। D) ২৬ মার্চ ১৯৭৩ — এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্বাধীনতা দিবসের সাল, সংবিধান প্রবর্তনের তারিখ নয়। মনে রাখার টিপস: বিজয় দিবসের দিনেই অর্থাৎ ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে দেশের সংবিধান কার্যকর করা হয়েছিল।
a ইরান
b ইরাক
c মিশর
d সিরিয়া
0 167 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইরাক কেন সঠিক: - প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার ব্যাবিলন নগরীতে এটি নির্মিত হয়েছিল, যার বর্তমান ভৌগোলিক অবস্থান ইরাকে। - এটি প্রাচীন বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের একটি এবং রাজা দ্বিতীয় নবূগদনিস্বারের শাসনামলে এটি নির্মিত হয় বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরান — এটি প্রাচীন পারস্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল, যেখানে ব্যাবিলন সভ্যতা গড়ে ওঠেনি। B) ইরাক — এটি সঠিক উত্তর। C) মিশর — এটি প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার জন্মস্থান এবং পিরামিডের জন্য পরিচিত, ব্যাবিলনের উদ্যান এখানে ছিল না। D) সিরিয়া — এটি প্রাচীন লেভান্ট অঞ্চলের অংশ এবং এর ইতিহাস ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ইরাকের প্রাচীন নাম মেসোপটেমিয়া, আর মেসোপটেমিয়ার বিখ্যাত নিদর্শন হলো ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান।
a শামীম সিকদার
b সৈয়দ আব্দুল্লাহ খান
c হামিদুজ্জামান খান
d আব্দুস সুলতান
0 162 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হামিদুজ্জামান খান কেন সঠিক: - প্রখ্যাত ভাস্কর হামিদুজ্জামান খানের শিল্পকর্ম ১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিক গেমসের আন্তর্জাতিক ভাস্কর্য প্রদর্শনীতে স্থান পায়। - তার এই শিল্পকর্ম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের শিল্পকলার প্রতিনিধিত্ব করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামীম সিকদার — তিনি দেশের একজন প্রখ্যাত ভাস্কর হলেও সিউল অলিম্পিকের এই প্রদর্শনীতে তার শিল্পকর্ম স্থান পায়নি। B) সৈয়দ আব্দুল্লাহ খান — তিনি এই নির্দিষ্ট অলিম্পিক প্রদর্শনীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। C) হামিদুজ্জামান খান — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) আব্দুস সুলতান — তিনি এই আন্তর্জাতিক ভাস্কর্য প্রদর্শনীতে অংশ নেননি। মনে রাখার টিপস: সিউল অলিম্পিকে ভাস্কর্য প্রদর্শনের ক্ষেত্রে হামিদুজ্জামান খানের নাম মনে রাখবে।
a নিউইয়র্ক
b ওয়াশিংটন ডিসি
c জেনেভা
d হেগ
0 158 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ওয়াশিংটন ডিসি কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি বিশ্বসংস্থা এবং এর মূল সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি শহরে অবস্থিত। - বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সদর দপ্তর একই শহরে অবস্থিত হওয়ায় এটি অর্থনীতি বিষয়ক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের সদর দপ্তর, আইএমএফের নয়। B) ওয়াশিংটন ডিসি — এটি আইএমএফের সঠিক সদর দপ্তর। C) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং ডব্লিউটিও (WTO)-এর সদর দপ্তর। D) হেগ — এটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ)-এর সদর দপ্তর। মনে রাখার টিপস: টাকা-পয়সা ও মুদ্রার হিসাব রাখার বড় সংস্থাগুলোর (বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ) সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
a ইংরেজ
b পর্তুগিজ
c ফরাসি
d ডাচ
0 177 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পর্তুগিজ কেন সঠিক: - ১৫০০ শতকের শেষভাগে পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো দা গামা সমুদ্রপথ আবিষ্কারের পর ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে তারাই প্রথম বাংলায় বাণিজ্য করতে আসে। - ১৫১৮ সালে পর্তুগিজরা চট্টগ্রাম বন্দরে বাণিজ্যকভাবে প্রথম আগমন করে এবং বাংলায় তাদের বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংরেজ — ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠনের মাধ্যমে ইংরেজরা পর্তুগিজদের অনেক পরে ১৬০০ শতকের শুরুতে বাংলায় আসে। B) পর্তুগিজ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) ফরাসি — ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সপ্তদশ শতাব্দীর শেষভাগে বাংলায় বাণিজ্য করতে আসে, যা পর্তুগিজদের অনেক পরে। D) ডাচ — নেদারল্যান্ডসের ডাচ বণিকরা সপ্তদশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বাংলায় বাণিজ্য বিস্তার করে, যা পর্তুগিজদের পরে ঘটেছিল। মনে রাখার টিপস: ইউরোপীয়দের মধ্যে বাংলায় আসার ক্রম মনে রাখার সহজ ছন্দ হলো প-ও-ই-ড-ফ অর্থাৎ প্রথমে পর্তুগিজ, ওলন্দাজ বা ডাচ, ইংরেজ এবং সবশেষে ফরাসি।
a ইতালি
b স্পেন
c তুরস্ক
d গ্রীস
0 165 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তুরস্ক কেন সঠিক: - প্রাচীন ঐতিহাসিক ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কের আনাতুলিয়া অঞ্চলের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত ছিল। - হোমারের ইলিয়াড মহাকাব্যে বর্ণিত ট্রোজান যুদ্ধের ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে এটি বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইতালি — এটি দক্ষিণ ইউরোপের একটি দেশ, যার সঙ্গে ট্রয় নগরীর ঐতিহাসিক ভৌগোলিক অবস্থান মিলে না। B) স্পেন — এটি দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের দেশ, যা প্রাচীন ট্রয় নগরীর অবস্থান থেকে সম্পূর্ণ দূরে অবস্থিত। C) তুরস্ক — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। D) গ্রীস — গ্রিকরা ট্রয় আক্রমণ করলেও ট্রয় নগরী নিজে গ্রিসে নয়, বর্তমান তুরস্কের মাটিতে অবস্থিত ছিল। মনে রাখার টিপস: ট্রয় নগরী নিয়ে বিখ্যাত যুদ্ধ হয়েছিল, যার নায়ক ছিলেন আকিলিস; আর এই ট্রয় বর্তমানে তুরস্কে অবস্থিত।
a রিয়াদ
b জেদ্দা
c দামেস্ক
d মক্কা
0 152 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জেদ্দা কেন সঠিক: - ইসলামী সম্মেলন সংস্থার (OIC) বর্তমান সচিবালয় সৌদি আরবের জেদ্দা শহরে অবস্থিত। - ১৯৬৯ সালে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই জেদ্দায় এর প্রধান সচিবালয় পরিচালিত হয়ে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিয়াদ — এটি সৌদি আরবের রাজধানী হলেও ওআইসি সচিবালয়ের অবস্থান এখানে নয়। B) জেদ্দা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ওআইসি সচিবালয় এই শহরে অবস্থিত। C) দামেস্ক — এটি সিরিয়ার রাজধানী এবং এর সঙ্গে ওআইসি সচিবালয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। D) মক্কা — এটি পবিত্র নগরী হলেও ওআইসি সচিবালয় এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: ওআইসি সচিবালয় সৌদি আরবের বন্দর নগরী জেদ্দায় অবস্থিত, রাজধানী রিয়াদে নয়।
a ড.রমেশচনদ্র মজুমদার
b ড.মাহমুদ হাসান
c ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন
d স্যার এ এফ রহমান
0 285 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) স্যার এ এফ রহমান কেন সঠিক: - স্যার এ এফ রহমান হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙালি ও উপমহাদেশীয় উপাচার্য। - তিনি ১৯৩৪ সাল থেকে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন, তবে প্রথম বাঙালি বা উপমহাদেশীয় নন। B) ড. মাহমুদ হাসান — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন উপাচার্য ছিলেন, তবে প্রথম উপমহাদেশের নাগরিক নন। C) ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তবে প্রথম নন। D) স্যার এ এফ রহমান — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: উপমহাদেশের মানুষ হিসেবে প্রথম রহমান সাহেব (স্যার এ এফ রহমান) ঢাবির উপাচার্য হন।
a কাশাভুবু
b প্যাট্রিক লুমুম্বা
c শোম্বে
d মবুতু
0 222 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্যাট্রিক লুমুম্বা কেন সঠিক: - প্যাট্রিক লুমুম্বা বেলজিয়ামের ঔপনিবেশিক শাসন থেকে কঙ্গোর স্বাধীনতা অর্জনে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং দেশটির প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। - সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রামের কারণে তাকে কঙ্গোর স্বাধীনতা ও মুক্তির আন্দোলনের চিরস্মরণীয় প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাশাভুবু — জোসেফ কাশাভুবু কঙ্গোর প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন, তবে তিনি সরাসরি মুক্তির লড়াইয়ের প্রধান সংগ্রামী বা বিপ্লবী নেতা ছিলেন না। B) প্যাট্রিক লুমুম্বা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ তিনি কঙ্গোকে বিদেশি শাসন থেকে মুক্ত করার লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। C) শোম্বে — মোইসে শোম্বে কঙ্গোর কাটঙ্গা প্রদেশের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ছিলেন এবং সাম্রাজ্যবাদী শক্তির সঙ্গে যুক্ত থেকে লুমুম্বার বিরুদ্ধে ভূমিকা রেখেছিলেন। D) মবুতু — মবুতু সিসে সেকো দীর্ঘকাল কঙ্গো শাসন করলেও তিনি লুমুম্বাকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিলেন এবং ঔপনিবেশিক শক্তির মিত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন। মনে রাখার টিপস: কঙ্গোর মুক্তির লড়াই মানেই প্যাট্রিক লুমুম্বা, যিনি দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতীক।
a আয়োডিন
b লৌহ
c ভিটামিন
d ক্যালসিয়াম
0 159 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লৌহ কেন সঠিক: - কচু শাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন বা লৌহ থাকে যা মানবদেহে রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সহায়তা করে। - এটি রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া রোগ প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকরী একটি পুষ্টিকর শাক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়োডিন — আয়োডিন প্রধানত সামুদ্রিক মাছ, আয়োডিনযুক্ত লবণ ও শৈবালে বেশি থাকে, কচু শাকে এর পরিমাণ খুব কম। B) লৌহ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ কচু শাকে অন্য যেকোনো উপাদানের চেয়ে লোহা বা আয়রনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে। C) ভিটামিন — কচু শাকে ভিটামিন এ, বি ও সি থাকলেও এই শাকটি মূলত লৌহের শ্রেষ্ঠ উৎস হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। D) ক্যালসিয়াম — ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁতের জন্য প্রয়োজনীয় হলেও কচু শাকে ক্যালসিয়ামের চেয়ে লোহা বা আয়রনের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি থাকে। মনে রাখার টিপস: রক্ত শূন্যতা দূর করতে শাকসবজির মধ্যে কচু শাকের জুড়ি নেই কারণ এতে সবচেয়ে বেশি লৌহ থাকে।
a বাবর
b হুমায়ুন
c আকবর
d জাহাঙ্গীর
0 174 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: B) হুমায়ুন কেন সঠিক: - মুঘল সম্রাট হুমায়ুন ১৫৩৮ সালে গৌড় দখল করার পর বাংলার নাম রাখেন জান্নাতবাদ। - সে সময় তিনি এই অঞ্চলের নামকরণ করে একে স্বর্গরাজ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাবর — তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা হলেও বাংলার নামকরণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। C) আকবর — তিনি বাংলা জয় করে সুবাহ বা প্রদেশ হিসেবে গঠন করলেও জান্নাতবাদ নাম দেননি। D) জাহাঙ্গীর — তার নামানুসারে বাংলার রাজধানী ঢাকার নাম জাহাঙ্গীরনগর রাখা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: হুমায়ুন মানে স্বর্গীয়, তাই তিনি বাংলাকে 'জান্নাতবাদ' (স্বর্গ) নাম দিয়েছিলেন।
a পেয়ারা
b কলা
c পেঁপে
d জামরুল
0 214 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কলা কেন সঠিক: - অগ্নিশ্বর, কানাইবাসী, মোহনবাঁসী ও বীটজব বাংলাদেশের জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী কলার জাত। - এসব জাতের কলা তাদের সুস্বাদু স্বাদ এবং পুষ্টিগুণের জন্য কৃষকদের মাঝে ব্যাপকভাবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পেয়ারা — পেয়ারার জনপ্রিয় জাতগুলোর মধ্যে কাঞ্চন, পিয়ারা ও মুক্তা উল্লেখযোগ্য, যা কলার জাত নয়। B) কলা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। C) পেঁপে — পেঁপের পরিচিত জাতগুলোর মধ্যে রাজশাহী ও শাহী উল্লেখযোগ্য, যা কলার জাত নয়। D) জামরুল — জামরুলের পরিচিত জাতগুলোর মধ্যে থাই ও কাটিমন উল্লেখযোগ্য, যা কলার জাত নয়। মনে রাখার টিপস: অগ্নিশ্বর, কানাইবাসী ও মোহনবাঁসী নামগুলো শুনলেই বুঝবেন এগুলো ঐতিহ্যবাহী কলার জাত।
a এদের মূলে অনেক বায়ুকুঠুরী আছে
b এদের কান্ড পাতার তুলনায় হালকা
c এদের কাণ্ডে অনেক বায়ুকুঠুরী আছে
d কোনটিই নয়
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এদের কাণ্ডে অনেক বায়ুকুঠুরী আছে কেন সঠিক: - জলজ উদ্ভিদের কাণ্ডে প্যারেনকাইমা টিস্যু বা এয়ারেনকাইমা থাকে যাতে প্রচুর বায়ুকুঠুরী বা বায়ুপ্রকোষ্ঠ থাকে। - এই বায়ুকুঠুরীগুলোতে বাতাস জমা থাকার কারণে কাণ্ড হালকা হয় এবং উদ্ভিদ সহজেই পানির ওপর ভাসতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এদের মূলে অনেক বায়ুকুঠুরী আছে — জলজ উদ্ভিদের মূলের প্রধান কাজ পানি ও খনিজ লবণ শোষণ করা এবং কাদায় আটকে থাকা, ভাসার জন্য মূলের বায়ুকুঠুরী মুখ্য ভূমিকা রাখে না। B) এদের কান্ড পাতার তুলনায় হালকা — কান্ড এমনিতেই পাতার তুলনায় ভারী হতে পারে, মূলত বায়ুকুঠুরির উপস্থিতিই হালকা হওয়ার মূল কারণ। C) এদের কাণ্ডে অনেক বায়ুকুঠুরী আছে — এটি সঠিক কারণ, যা উদ্ভিদকে সহজে পানিতে ভাসিয়ে রাখতে সাহায্য করে। D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন সি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: জলজ উদ্ভিদ ভাসার মূল চাবিকাঠি হলো কাণ্ডের বায়ুকুঠুরী বা এয়ারেনকাইমা।
a পেরেজ দ্য কুয়েলার
b কুর্টওয়ান্ডহইম
c ট্রাইগভে লাই
d উ থান্ট
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ট্রাইগভে লাই কেন সঠিক: - ট্রাইগভে লাই ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। - তিনি নরওয়ের একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিবিদ ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পেরেজ দ্য কুয়েলার — তিনি জাতিসংঘের পঞ্চম মহাসচিব ছিলেন, প্রথম নন। B) কুর্টওয়ান্ডহইম — তিনি জাতিসংঘের চতুর্থ মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। C) ট্রাইগভে লাই — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) উ থান্ট — তিনি জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব ছিলেন, প্রথম মহাসচিব নন। মনে রাখার টিপস: প্রথম মহাসচিব ট্রাইগভে লাই, নরওয়ের অধিবাসী ভাই।
a 1206
b 1310
c 1610
d 1526
0 126 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬১০ কেন সঠিক: - মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলে ১৬১০ সালে সুবেদার ইসলাম খান ঢাকা সুবাহ বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন। - এর পূর্বে বাংলার রাজধানী ছিল রাজমহল এবং তারও আগে বিভিন্ন সময়ে গৌড় বা সোনারগাঁও। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২০৬ — এই সালে বখতিয়ার খিলজী কর্তৃক নদিয়া জয় এবং বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত হয়, তখন ঢাকার কোনো অস্তিত্ব বা রাজধানী ছিল না। B) ১৩১০ — এই সালে বাংলায় স্বাধীন সুলতানি আমল চলমান ছিল এবং তখন সোনারগাঁও বা লক্ষণাবর্ত রাজধানী ছিল, ঢাকা নয়। C) ১৬১০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই প্রথম ঢাকা বাংলার রাজধানী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। D) ১৫২৬ — এই সালে ভারতের দিল্লিতে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বাবর প্রথম পানিপতের যুদ্ধে জয়লাভ করেন, বাংলার রাজধানীর সাথে এর সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ১৬১০ সালে ইসলাম খান ঢাকাকে রাজধানী বানান, তাই মনে রাখুন ষোল শ দশ সালে প্রথম এলো ঢাকা।
a শায়েস্তা খাঁ
b নওয়াব সলিমুল্লাহ
c মির্জা আহমেদ জান
d মির্জা গোলাম পীর
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মির্জা আহমেদ জান কেন সঠিক: - ঢাকার আর্মানিটোলায় অবস্থিত ঐতিহাসিক তারা মসজিদটি ১৮ শতকের প্রথমার্ধে মির্জা গোলাম পীর নির্মাণ করেছিলেন। - পরবর্তী সময়ে বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে মির্জা আহমেদ জান মসজিদটির সংস্কার ও সম্প্রসারণ করেন এবং এর গম্বুজে তারা নকশা যুক্ত করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শায়েস্তা খাঁ — তিনি মুঘল সুবাদার ছিলেন এবং তাঁর আমলে ঢাকায় বহু মসজিদ ও ইমারত নির্মিত হলেও তিনি তারা মসজিদ নির্মাণ করেননি। B) নওয়াব সলিমুল্লাহ — তিনি ঢাকার বিখ্যাত নওয়াব এবং শিক্ষা বিস্তার ও মুসলিম লীগের রাজনীতিতে অবদান রাখলেও এই মসজিদ নির্মাণ করেননি। D) মির্জা গোলাম পীর — তিনি এই মসজিদটি প্রথমে নির্মাণ করেছিলেন, কিন্তু পরীক্ষার বহু প্রচলিত ও সর্বজনগ্রাহ্য তথ্যানুযায়ী সংস্কারক হিসেবে মির্জা আহমেদ জানের নামই সঠিক উত্তর হিসেবে ধরা হয়। মনে রাখার টিপস: তারা মসজিদের সাথে মির্জা পরিবারের দুই সদস্য যুক্ত, প্রথম নির্মাণ করেন গোলাম পীর এবং সংস্কার করে বিখ্যাত করেন মির্জা আহমেদ জান।
a ১৯৪২ সালের নভেম্বর মাসে
b ১৯৪৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে
c ১৯৪৫ সালের এপ্রিল মাসে
d ১৯৪৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: C) ১৯৪৫ সালের এপ্রিল মাসে (শিক্ষক নোট: প্রদত্ত উত্তরটি ঐতিহাসিক তথ্যের দিক থেকে আংশিক ভুল। জার্মানি আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেছিল ১৯৪৫ সালের ৭ ও ৮ মে, এবং যুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয় ২ সেপ্টেম্বর। তবে এপ্রিল মাসের ৩০ তারিখে হিটলারের আত্মহত্যার পর জার্মানির পরাজয় ও আত্মসমর্পণ অবধারিত হয়ে পড়েছিল। পরীক্ষার বহুনির্বাচনী প্রশ্নের ক্ষেত্রে ১৯৪৫ সালের মে মাস সঠিক উত্তর হওয়ার কথা।) কেন সঠিক: - ১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল নাৎসি জার্মানির প্রধান এডলফ হিটলার বার্লিনে আত্মগল্প করেন। - হিটলারের মৃত্যুর পর জার্মানি মিত্রবাহিনীর কাছে বিনাশর্তে আত্মসমর্পণ করার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪২ সালের নভেম্বর মাসে — এই সময়ে যুদ্ধ চলমান ছিল এবং স্তালিনগ্রাদসহ বিভিন্ন রণাফঙে যুদ্ধ তীব্র আকার ধারণ করেছিল। B) ১৯৪৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে — এই সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে স্টার্লিনগ্রাদে জার্মান বাহিনী পরাজিত হয় কিন্তু আত্মসমর্পণ করেনি। C) ১৯৪৫ সালের এপ্রিল মাসে — এই সময়ে হিটলারের মৃত্যু এবং জার্মানির পতন নিশ্চিত হওয়ায় একে আত্মসমর্পণের কাছাকাছি সময় ধরা হয়। D) ১৯৪৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে — এই সময়ে জার্মানি নয়, বরং এশিয়ায় জাপান আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটেছিল। মনে রাখার টিপস: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয় ১৯৪৫ সালে, যেখানে জার্মানি মে মাসে এবং জাপান সেপ্টেম্বর মাসে আত্মসমর্পণ করে।
a পেট্রোলিয়াম
b কয়লা
c প্রাকৃতিক গ্যাস
d বায়োগ্যাস
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বায়োগ্যাস কেন সঠিক: - বায়োগ্যাস প্রাকৃতিকভাবে পচনশীল জৈব আবর্জনা যেমন গোবর ও উদ্ভিদের অবশিষ্টাংশ থেকে উৎপাদিত হয়। - এটি প্রাচীন মৃত জীবদেহ থেকে তৈরি হওয়া জীবাশ্ম জ্বালানি নয়, বরং একটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পেট্রোলিয়াম — এটি ভূগর্ভে লক্ষ কোটি বছর ধরে জমে থাকা জীবাশ্ম থেকে উৎপন্ন হয়, তাই এটি জীবাশ্ম জ্বালানি। B) কয়লা — এটি প্রাচীন উদ্ভিদের ভূগর্ভে চাপা পড়ে তৈরি হওয়া একটি প্রধান জীবাশ্ম জ্বালানি। C) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি খনিজ তেলের সাথে ভূগর্ভে প্রাপ্ত এক ধরনের জীবাশ্ম জ্বালানি। D) বায়োগ্যাস — এটি জীবন্ত বা পচনশীল জৈব পদার্থ থেকে উৎপাদিত নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জীবাশ্ম জ্বালানি নয়। মনে রাখার টিপস: বর্জ্য পদার্থ বা গোবর থেকে যা তৈরি হয় তা বায়োগ্যাস এবং এটি নবায়নযোগ্য, আর লক্ষ বছর আগের মাটির নিচে থাকা দেহাবশেষ হলো জীবাশ্ম জ্বালানি।
a ফিলিপাইন
b জাপান
c ইন্দোনেশিয়া
d থাইল্যান্ড
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জাপান কেন সঠিক: - জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদের জন্য এশীয় কোটায় প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশ জাপান এর মুখোমুখি হয়েছিল। - এই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জাপান জয়লাভ করে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যপদ লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিলিপাইন — এই নির্দিষ্ট নির্বাচনে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না। B) জাপান — এটি সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশ এই দেশের কাছে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরাজিত হয়েছিল। সি) ইন্দোনেশিয়া — এই নির্দিষ্ট নির্বাচনে বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে অংশ নেয়নি। ডি) থাইল্যান্ড — এটি এই নির্দিষ্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর তালিকায় ছিল না। মনে রাখার টিপস: নিরাপত্তা পরিষদের এশিয়ার আসনে বাংলাদেশের শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল জাপান।
a সোমপুর বিহার
b ধর্মপাল বিহার
c জগদ্দল বিহার
d শ্রী বিহার
1 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সোমপুর বিহার কেন সঠিক: - পাল বংশের রাজা ধর্মপাল অষ্টম শতকে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন এবং এর নাম দেন সোমপুর বিহার। - এটি প্রাচীন বাংলার অন্যতম প্রধান বৌদ্ধ বিহার এবং ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোমপুর বিহার — এটি পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের ঐতিহাসিক ও আসল নাম। B) ধর্মপাল বিহার — রাজা ধর্মপাল এই বিহারটি নির্মাণ করলেও এর নাম সোমপুর বিহার রাখা হয়েছিল। C) জগদ্দল বিহার — এটি পাল আমলের আরেকটি ভিন্ন বৌদ্ধ বিহার, যা নওগাঁ জেলার পত্নীতলায় অবস্থিত। D) শ্রী বিহার — এটি পাহাড়পুরের কোনো ঐতিহাসিক নাম নয়, প্রাচীন ইতিহাসে এই নামের বিহারের অস্তিত্ব নেই। মনে রাখার টিপস: পাহাড়পুর মানেই সোমপুর, মনে রাখুন পাহাড়ের ওপর সোনা ঝিলিক দেয়।
a রামাল্লা
b রাবাত
c বেনগাজি
d মরক্কো
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রামাল্লা কেন সঠিক: - পিএলও (PLO) বা প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের বর্তমান রাজনৈতিক সদর দপ্তর ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের রামাল্লা শহরে অবস্থিত। - ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনের প্রধান কার্যালয় ঐতিহাসিকভাবে বিভিন্ন স্থানে পরিবর্তিত হলেও বর্তমানে রামাল্লা থেকেই এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামাল্লা — এটি ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে অবস্থিত এবং বর্তমানে পিএলও-এর সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) রাবাত — এটি মরক্কোর রাজধানী, যা আরব লীগের সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত হলেও পিএলও-এর সদর দপ্তর নয়। C) বেনগাজি — এটি লিবিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও বন্দর শহর, যার সাথে পিএলও সদর দপ্তরের কোনো সম্পর্ক নেই। D) মরক্কো — এটি একটি উত্তর আফ্রিকান দেশ, কোনো শহর নয় এবং এটি পিএলও সদর দপ্তরের অবস্থানও নয়। মনে রাখার টিপস: প্যালেস্টাইনের রাজনৈতিক প্রাণকেন্দ্র রামাল্লাতেই পিএলও (PLO)-এর সদর দপ্তর অবস্থিত।

মোট প্রশ্ন (8)

a অক্সিজেন ও গ্লুকোজ
b অক্সিজেন ও রক্তের আমিষ
c ইউরিয়া ও গ্লুকোজ
d এমাইনো এসিড ও কার্বন ডাই অক্সাইড
0 152 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অক্সিজেন ও গ্লুকোজ ১. কেন সঠিক: আমাদের দেহকোষ প্রতিনিয়ত শক্তি উৎপাদনের জন্য রক্ত থেকে অক্সিজেন এবং গ্লুকোজ গ্রহণ করে। কোষের ভেতরে শসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই গ্লুকোজ অক্সিজেনের উপস্থিতিতে ভেঙে শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: কোষীয় শসন হলো এমন একটি জৈবিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে জীবকোষ অক্সিজেন ব্যবহার করে খাদ্যরস বা গ্লুকোজ জারিত করে শক্তি উৎপন্ন করে। কার্যপ্রণালি: রক্ত হৃদপিণ্ডের মাধ্যমে পাম্প হয়ে ধমনীর সাহায্যে প্রতিটি টিস্যু ও কোষে অক্সিজেন এবং খাদ্য উপাদান পৌঁছে দেয়। কোষের মাইটোকন্ড্রিয়া এই অক্সিজেন ও গ্লুকোজ ব্যবহার করে শক্তি বা এটিপি উৎপন্ন করে এবং উপজাত হিসেবে কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যায়ামের সময় পেশিকোষে অতিরিক্ত শক্তির প্রয়োজন হয়। এই কারণে রক্ত থেকে পেশিকোষ দ্রুত অক্সিজেন ও গ্লুকোজ শোষণ করে কাজ সচল রাখে। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে কাজের মাত্রা বাড়লে কোষের পুষ্টি ও অক্সিজেন চাহিদা কীভাবে বৃদ্ধি পায়। উদাহরণ ২: দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকলে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা কমে যায় এবং কোষে শক্তি উৎপাদন ব্যাহত হয়। ব্যাখ্যা: এর ফলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে কারণ কোষগুলো পর্যাপ্ত গ্লুকোজ ও অক্সিজেন ব্যবহার করে শক্তি তৈরি করতে পারে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সিজেন ও গ্লুকোজ — এটি সঠিক কারণ কোষের বেঁচে থাকা এবং শক্তি উৎপাদনের জন্য এই দুটি উপাদান অপরিহার্য। B) অক্সিজেন ও রক্তের আমিষ — অক্সিজেন সঠিক হলেও রক্তের আমিষ বা প্রোটিন সরাসরি কোষে শক্তি উৎপাদনের প্রধান জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। C) ইউরিয়া ও গ্লুকোজ — গ্লুকোজ সঠিক হলেও ইউরিয়া হলো শরীরের বর্জ্য পদার্থ যা রক্ত থেকে কোষে যায় না বরং কোষ থেকে রক্তে আসে। D) এমাইনো এসিড ও কার্বন ডাই অক্সাইড — এমাইনো এসিড কোষের গঠনের জন্য প্রয়োজন হতে পারে তবে কার্বন ডাই অক্সাইড কোষে গ্রহণের বস্তু নয় বরং বর্জ্য পদার্থ হিসেবে কোষ থেকে রক্তে আসে। ৫ মনে রাখার টিপস: দেহকোষের কাজ হলো শক্তি তৈরি করা। শক্তি তৈরির মূল কাঁচামাল হলো জ্বালানি অর্থাৎ গ্লুকোজ এবং আগুন জ্বালানোর বাতাসের মতো অর্থাৎ অক্সিজেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি মানবদেহের পরিপাক ও রক্তসংবহন তন্ত্রের সমন্বিত কাজের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। পরীক্ষায় প্রায়ই আসে যে কোষীয় শসনের মূল উপাদানগুলো কী কী।
a বিদ্যুৎ এর অপচয় কম হয়
b পথে কমে গিয়েও প্রয়োজনীয় ভোল্টেজ বজায় থাকে
c অধিক বিদ্যুৎ প্রবাহ পাওয়া যায়
d প্রয়োজন মত ভোল্টেজ কমিয়ে ব্যবহার করা যায়
0 173 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিদ্যুৎ এর অপচয় কম হয় ১. কেন সঠিক: - বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে অনেক দূরে বিদ্যুৎ সরবরাহের সময় লাইনে রোধের কারণে কিছু শক্তি তাপ হিসেবে অপচয় হয়। - ভোল্টেজ বাড়ালে প্রবাহমাত্রা কমে যায় এবং কম প্রবাহমাত্রার কারণে জুলের তাপীয় ফল অনুযায়ী শক্তির অপচয় সর্বনিম্ন হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বৈদ্যুতিক শক্তি প্রেরণের সময় লাইনে শক্তি ক্ষয় রোধের জন্য উচ্চ বিভব পার্থক্য বা হাই ভোল্টেজ ব্যবহার করা হয়। - সূত্র বা তত্ত্ব: শক্তির অপচয় সংক্রান্ত জুলের সূত্র অনুযায়ী পরিবাহীতে উৎপন্ন তাপ হলো H = (I^2) × R × t, যেখানে I হলো বিদ্যুৎ প্রবাহ এবং R হলো রোধ। - কার্যপ্রণালি: পাওয়ার বা ক্ষমতা ধ্রুব রেখে ভোল্টেজ ভি বাড়ালে বিদ্যুৎ প্রবাহ আই কমে যায় এবং প্রবাহ কমলে আই স্কয়ার আর এর মানও দ্রুত হ্রাস পায়। - বাস্তব প্রয়োগ: জাতীয় গ্রিডের মাধ্যমে সাবস্টেশন থেকে সাবস্টেশনে এবং দূরদূরান্তে বিদ্যুৎ প্রেরণের সময় গ্রিড লাইনগুলোতে হাই ভোল্টেজ বা উচ্চ ভোল্টেজ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পানির পাইপের ভেতর দিয়ে খুব বেশি বেগে পানি পাঠালে পাইপের ঘর্ষণে শক্তি ক্ষয় হয়, তেমনি তারের মধ্য দিয়ে বেশি কারেন্ট গেলে তাপ ক্ষয় হয়। ব্যাখ্যা: কারেন্ট বা প্রবাহমাত্রা কমিয়ে দিলে পাইপের ঘর্ষণের মতো তারের ভেতর শক্তি ক্ষয়ের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। উদাহরণ ২: মোবাইল চার্জারের এডাপ্টার ঘরের সাধারণ ভোল্টেজ কমিয়ে নিরাপদ মানে নামিয়ে আনে। ব্যাখ্যা: দূর থেকে উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ এনে তা প্রয়োজন অনুযায়ী ট্রান্সফরমারের মাধ্যমে কমিয়ে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্যুৎ এর অপচয় কম হয় — এটি সঠিক কারণ হাই ভোল্টেজ ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্যই হলো লাইনে জুলের সূত্রে তাপীয় অপচয় কমানো। B) পথে কমে গিয়েও প্রয়োজনীয় ভোল্টেজ বজায় থাকে — ভোল্টেজ কমানোর জন্য হাই ভোল্টেজ ব্যবহার করা হয় না, বরং অপচয় রোধ করতে করা হয়। C) অধিক বিদ্যুৎ প্রবাহ পাওয়া যায় — হাই ভোল্টেজে বিদ্যুৎ প্রবাহ বা কারেন্ট আসলে কমে যায়, বাড়ে না। D) প্রয়োজন মত ভোল্টেজ কমিয়ে ব্যবহার করা যায় — এটি ট্রান্সফরমারের কাজ, কেবল হাই ভোল্টেজ ব্যবহারের মূল বৈজ্ঞানিক কারণ এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে, হাই ভোল্টেজ মানে কম কারেন্ট, আর কম কারেন্ট মানে কম তাপ অপচয় ও বেশি সাশ্রয়। - পরিবাহীর রোধ নির্দিষ্ট থাকলে বিদ্যুৎ প্রবাহ কমিয়ে দিলেই শক্তির অপচয় সবচেয়ে কম হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিদ্যুৎ প্রেরণে জুলের সূত্রে তাপ উৎপাদনের ক্ষেত্রে কারেন্টের মানের ওপর বর্গের প্রভাব থাকে। - এই ধরনের প্রশ্নে প্রায়ই ট্রান্সফরমার এবং জুলের তাপীয় সূত্র সম্পর্কিত গাণিতিক ও তাত্ত্বিক প্রশ্ন বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতায় আসে।
a সূর্যরশ্মি
b পীট কয়লা
c পেট্রল
d প্রাকৃতিক গ্যাস
0 159 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সূর্যরশ্মি ১. কেন সঠিক: - সূর্যরশ্মি বা সৌরশক্তি হলো এমন একটি শক্তির উৎস যা কখনো ফুরিয়ে যায় না এবং প্রাকৃতিকভাবে ক্রমাগত পুর্ন উৎপাদিত হয়। - পৃথিবীর সমস্ত শক্তির মূল উৎস হলো সূর্য, যা ব্যবহার করে পরিবেশের ক্ষতি না করে অফুরন্ত বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদন করা সম্ভব। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে শক্তি উৎস বারবার ব্যবহার করা সত্ত্বেও ফুরিয়ে যায় না এবং অফুরন্ত সরবরাহ পাওয়া যায় তাকে নবায়নযোগ্য শক্তি বলে। - কার্যপ্রণালি: সূর্য থেকে আসা ফোটন কণা সৌর প্যানেলের ওপর পড়ে এবং ফোটোভোল্টেইক কোট প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রন মুক্ত করে সরাসরি বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। - বাস্তব প্রয়োগ: বাসাবাড়ির ছাদের সোলার প্যানেল, সোলার সেচ পাম্প এবং সৌর বিদ্যብ চালিত স্ট্রিট লাইট নবায়নযোগ্য শক্তির চমৎকার ব্যবহার। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৌর ক্যালকুলেটর ব্যাখ্যা: পকেটের ছোট ক্যালকুলেটরগুলো সূর্যরশ্মি বা ঘরের কৃত্রিম আলো ব্যবহার করে ব্যাটারি ছাড়াই সচল থাকে। উদাহরণ ২: সৌর প্যানেল চালিত গৃহস্থালি বিদ্যুৎ ব্যাখ্যা: দিনের আলো সৌর প্যানেল সংগ্রহ করে ব্যাটারিতে জমায় যা রাতের বেলায় ঘরের বাতি ও পাখা চালাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সূর্যরশ্মি — এটি একটি অফুরন্ত এবং নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস যা পরিবেশবান্ধব। B) পীট কয়লা — এটি জীবাশ্ম জ্বালানি এবং দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে তৈরি হওয়ায় সীমিত ও অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। C) পেট্রল — এটি খনিজ তেল বা পেট্রোলিয়াম থেকে উৎপাদিত হয় এবং একবার পুড়িয়ে ফেললে তা পুনরায় তৈরি হয় না। D) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি ভূগর্ভে প্রাকৃতিকভাবে সঞ্চিত একটি জীবাশ্ম জ্বালানি যা সীমিত এবং দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রকৃতি থেকে যা বারবার পাওয়া যায় এবং কখনো ফুরোয় না তা হলো নবায়নযোগ্য শক্তি যেমন সূর্য, বাতাস ও পানি। - কয়লা, তেল ও গ্যাস হলো জীবাশ্ম জ্বালানি যা কোটি বছর ধরে তৈরি হয় এবং একবার শেষ হলে আর পাওয়া যায় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই নবায়নযোগ্য ও অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎসের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। - বায়ুশক্তি, জোয়ারভাটা শক্তি এবং বায়োগ্যাসও নবায়নযোগ্য শক্তির অন্তর্ভুক্ত।
a যুক্তরাজ্য
b যুক্তরাষ্ট্র
c কোরিয়া
d কিউবা
0 142 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যুক্তরাষ্ট্র ১. কেন সঠিক: - নিকারাগুয়ার কন্ট্রা বিদ্রোহীরা মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ এর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সমর্থন এবং অর্থায়নে গঠিত ও পরিচালিত হয়েছিল। - স্নায়ুযুদ্ধের সময় লাতিন আমেরিকায় সমাজতন্ত্রের বিস্তার রোধ করার মার্কিন নীতির অংশ হিসেবে এই বিদ্রোহী বাহিনীকে অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আধুনিক রাজনীতি ও কূটনীতিতে পরাশক্তিগুলোর দ্বান্দ্বিক নীতি এবং প্রক্সি যুদ্ধের ধারণাটি বৈজ্ঞানিক সমাজবিজ্ঞান ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আওতাভুক্ত। - কারণ ও ফলাফল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই গোপন নীতির ফলে নিকারাগুয়ার অর্থনীতি ধ্বংস হয় এবং দীর্ঘস্থায়ী গৃহযুদ্ধে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্নায়ুযুদ্ধের সময় আফগানিস্তানে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মুজাহিদীনদের যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক সহায়তা প্রদান। ব্যাখ্যা: এটি পরাশক্তিগুলোর প্রক্সি যুদ্ধের একটি ঐতিহাসিক উদাহরণ যা বিশ্ব রাজনীতিতে প্রভাব ফেলেছিল। উদাহরণ ২: স্নায়ুযুদ্ধের সময় ভিয়েতনামে বিভিন্ন পক্ষের প্রতি পরাশক্তিগুলোর পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ সামরিক হস্তক্ষেপ। ব্যাখ্যা: আদর্শগত সংঘাতের কারণে কীভাবে ছোট দেশগুলো পরাশক্তির খেলার ঘুঁটি হয় তা এটি বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য সরাসরি নিকারাগুয়ার কন্ট্রা বিদ্রোহীদের সমর্থন দেয়নি, বরং তারা স্নায়ুযুদ্ধে সাধারণত মার্কিন নীতি কূটনৈতিকভাবে সমর্থন করত। B) যুক্তরাষ্ট্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ যুক্তরাষ্ট্র কন্ট্রা বিদ্রোহীদের অস্ত্র, অর্থ ও গোয়েন্দা সহায়তা প্রদান করেছিল। C) কোরিয়া — কোরিয়া নিজেই স্নায়ুযুদ্ধের সময় বিভক্ত একটি দেশ ছিল এবং আন্তর্জাতিক সংঘাতে তাদের এমন প্রক্সি যুদ্ধ পরিচালনার সামর্থ্য ছিল না। D) কিউবা — কিউবা নিজেই সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে নিকারাগুয়ার বামপন্থী সান্দিনিস্তা সরকারকে সমর্থন করেছিল, কন্ট্রা বিদ্রোহীদের নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিকারাগুয়ার সান্দিনিস্তা সরকার ছিল বামপন্থী এবং তাদের বিরোধিতাকারী কন্ট্রা বাহিনীকে পুঁজিবাদী পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি অংশে স্নায়ুযুদ্ধ এবং লাতিন আমেরিকার রাজনীতি সম্পর্কিত প্রশ্নে এই তথ্যটি প্রায়ই আসে। - কন্ট্রা বিদ্রোহী ও সান্দিনিস্তা সরকারের সংঘাত কোন দেশের সঙ্গে সম্পর্কিত, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a মাঝে মাঝে পানির উপর নাক তুলে
b পানিতে অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন বিশ্লিষ্ট করে
c পটকার মধ্যে জমানো বাতাস হতে
d পানির মধ্যে দ্রবীভূত বাতাস হতে
0 153 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পানির মধ্যে দ্রবীভূত বাতাস হতে ১. কেন সঠিক: - মাছ জলজ প্রাণী হওয়ায় বাতাস থেকে সরাসরি অক্সিজেন নিতে পারে না, বরং পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন ফুলকার মাধ্যমে গ্রহণ করে। - পানির অণুর মাঝে যে অক্সিজেন দ্রবীভূত থাকে, মাছের ফুলকা সেই গ্যাসীয় অক্সিজেন রক্তে শোষণ করে এবং কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ফুলকা হলো জলজ প্রাণীর শ্বাস অঙ্গ যা পানির সংস্পর্শে এসে অক্সিজেন শোষণ করে। - কার্যপ্রণালি: মাছ মুখ দিয়ে পানি গ্রহণ করে এবং সেই পানি ফুলকার ওপর দিয়ে চালনা করার সময় ফুলকার রক্তনালী দ্রবীভূত অক্সিজেন শোষণ করে নেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ্যাকুরিয়ামের মাছের জন্য অক্সিজেন পাম্প ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: পাম্পটি পানিতে বাতাস বা অক্সিজেন দ্রবীভূত করতে সাহায্য করে যাতে মাছ সহজেই শ্বাস নিতে পারে। উদাহরণ ২: নদী বা পুকুরের পানি নাড়াচাড়া করা বা ঢেউ খেলা। ব্যাখ্যা: এর ফলে বায়ুমণ্ডল থেকে বাতাস পানির সাথে মিশে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাঝে মাঝে পানির উপর নাক তুলে — মাছের নাক বা ফুসফুস নেই, তাই তারা পানির উপরে উঠে বাতাস থেকে সরাসরি শ্বাস নিতে পারে না। B) পানিতে অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন বিশ্লিষ্ট করে — মাছ রাসায়নিকভাবে পানি ভেঙে অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন আলাদা করতে পারে না, তারা শুধু দ্রবীভূত অক্সিজেন নেয়। C) পটকার মধ্যে জমানো বাতাস হতে — মাছের পটকা সাঁতার কাটতে ও দেহ ভাসিয়ে রাখতে সাহায্য করে, শ্বাসকার্য চালাতে সাহায্য করে না। D) পানির মধ্যে দ্রবীভূত বাতাস হতে — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং মাছের প্রকৃত শ্বাসপ্রশ্বাস প্রক্রিয়া। ৫ মনে রাখার টিপস: - মাছ জলে বাস করে তাই জলের অক্সিজেনই তার প্রাণ। ফুলকা হলো সেই জাদুকরী ছাঁকনি যা জল থেকে অক্সিজেন আলাদা করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জলজ প্রাণীদের শ্বাস অঙ্গের নাম ফুলকা এবং ডাঙ্গার প্রাণীদের ফুসফুস। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে।
a লাল, হলুদ, সবুজ
b লাল, কমলা , বেগুণী
c হলুদ, সবুজ , নীল
d লাল, আসমানী, সবুজ
0 145 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লাল, আসমানী, সবুজ ১. কেন সঠিক: - লাল, আসমানী বা সায়ান এবং সবুজ বর্ণকে আলোর প্রাথমিক বা মুখ্য বর্ণ বলা হয়। - এই তিনটি বর্ণ নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশ্রিত করলে দৃশ্যমান আলোর অন্যান্য সব বর্ণ তৈরি করা সম্ভব। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলোর মুখ্য বর্ণ হলো এমন কিছু নির্দিষ্ট রঙের আলো যা অন্য কোনো রঙের মিশ্রণে তৈরি করা যায় না, কিন্তু এদের বিভিন্ন অনুপাতে মিশিয়ে অন্যান্য সব রঙ তৈরি করা যায়। - কার্যপ্রণালি: আমাদের চোখের কোন কোষ এই তিনটি প্রাথমিক বর্ণের প্রতি বিশেষভাবে সংবেদনশীল এবং মস্তিষ্ক এই সংকেতগুলোকে একসাথে করে রঙিন অনুভূতি তৈরি করে। - বাস্তব প্রয়োগ: রঙিন টেলিভিশন, কম্পিউটার ও মোবাইল ফোনের স্ক্রিন বা ডিসপ্লেতে পিক্সেল হিসেবে লাল, সবুজ ও নীল বা আসমানী আলোর ক্ষুদ্র বিন্দু ব্যবহার করে সব ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রঙিন টেলিভিশন বা কম্পিউটারের মনিটর। ব্যাখ্যা: একটি রঙিন ডিসপ্লের প্রতিটি ক্ষুদ্র অংশে লাল, সবুজ ও আসমানী আলোর তীব্রতা পরিবর্তন করে লক্ষ লক্ষ ভিন্ন রঙ প্রদর্শন করা হয়। উদাহরণ ২: থিয়েটার বা মঞ্চের রঙিন আলোকসজ্জা। ব্যাখ্যা: মঞ্চে বিভিন্ন রঙের আলো তৈরি করতে লাল, সবুজ ও আসমানী বা নীল আলোর প্রজেক্টর একসাথে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাল, হলুদ, সবুজ — হলুদ কোনো প্রাথমিক বর্ণ নয়, এটি লাল ও সবুজ আলোর মিশ্রণে তৈরি হয়। B) লাল, কমলা, বেগুণী — কমলা ও বেগুনি বর্ণগুলো প্রাথমিক বর্ণ নয় এবং এগুলো অন্যান্য রঙের মিশ্রণে উৎপন্ন হয়। C) হলুদ, সবুজ, নীল — এই অপশনে হলুদ ও নীল রঙের উপস্থিতি রয়েছে, যা আলোর ক্ষেত্রে সঠিক মুখ্য বর্ণ সেট গঠন করে না। D) লাল, আসমানী, সবুজ — এটি আলোর তিনটি সঠিক মুখ্য বর্ণ নির্দেশ করে যা দিয়ে অন্য সব বর্ণ সৃষ্টি করা যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - আলোর মুখ্য বর্ণ মনে রাখার সহজ উপায় হলো রাআসব (লাল, আসমানী, সবুজ)। - অন্যদিকে রঞ্জক পদার্থ বা রঙের ক্ষেত্রে প্রাথমিক বর্ণগুলো আলাদা হয়, যা আলোর সাথে গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আলোর প্রাথমিক বর্ণ এবং রঞ্জক পদার্থের প্রাথমিক বর্ণ নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মনে রাখতে হবে আলোর প্রাথমিক বর্ণ তিনটি, আর রঙের ক্ষেত্রে প্রাথমিক বর্ণ হলো লাল, নীল ও হলুদ।
a তামার দন্ড ও দস্তার পাত
b তামার পাত ও দস্তার পাত
c কার্বন দন্ড ও দস্তার কৌটা
d তামার দন্ড ও দস্তার কৌটা
0 147 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কার্বন দন্ড ও দস্তার কৌটা ১. কেন সঠিক: সাধারণ ড্রাইসেল বা লেকল্যান্স সেল হলো একটি প্রাথমিক কোষ যেখানে রাসায়নিক শক্তি সরাসরি বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। এই সেলে কার্বন দন্ড অ্যানোড বা ধনাত্মক ইলেকট্রোড হিসেবে এবং দস্তার কৌটা ক্যাথোড বা ঋণাত্মক ইলেকট্রোড হিসেবে কাজ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ড্রাইসেল এক ধরণের পোর্টেবল গ্যালভানিক সেল যেখানে তরল Electrolyte এর পরিবর্তে আর্দ্র পেস্ট ব্যবহার করা হয়। কার্যপ্রণালি: দস্তার কৌটার ভেতরে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড এবং ম্যাঙ্গানিজ ডাইঅক্সাইডের পেস্ট থাকে এবং এর মাঝে কার্বন দন্ডটি স্থাপন করা হয়। রাসায়নিক বিক্রিয়া: দস্তা জারিত হয়ে ইলেকট্রন ত্যাগ করে এবং সেই ইলেকট্রন কার্বন দন্ডের মাধ্যমে বাহ্যিক সার্কিটে প্রবাহিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেয়ালঘড়ি এবং পোর্টেবল টর্চলাইট। ব্যাখ্যা: এসব যন্ত্রে শক্তি সরবরাহের জন্য ড্রাইসেল ব্যবহার করা হয় কারণ এটি সহজে বহনযোগ্য এবং লিক হয় না। উদাহরণ ২: টিভি বা এসি রিমোট কন্ট্রোল। ব্যাখ্যা: রিমোটের ভেতরে থাকা ছোট ড্রাইসেলগুলো কম ভোল্টেজ উৎপন্ন করে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামার দন্ড ও দস্তার পাত — তামা সাধারণ ড্রাইসেলে প্রধান ইলেকট্রোড হিসেবে ব্যবহৃত হয় না, কারণ দস্তা এবং কার্বনের তড়িৎ রাসায়নিক বিভব এখানে উপযোগী। B) তামার পাত ও দস্তার পাত — সাধারণ ড্রাইসেলে পাত বা প্লেট নয় বরং দস্তার কৌটা এবং কার্বন দন্ড ব্যবহার করা হয়। D) তামার দন্ড ও দস্তার কৌটা — ড্রাইসেলে তামার দন্ডের কোনো স্থান নেই, এর পরিবর্তে উচ্চ পরিবাহী ও নিষ্ক্রিয় কার্বন দন্ড ব্যবহার করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ড্রাইসেলে দস্তা থাকে বাইরে কৌটা আকারে এবং কার্বন থাকে ঠিক মাঝখানে দন্ড হিসেবে। এটি মনে রাখার জন্য দস্তা হলো ধারক বা কৌটা এবং কার্বন হলো কেন্দ্র বা দন্ড এই নিয়মটি মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ড্রাইসেলে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড এবং ম্যাঙ্গানিজ ডাইঅক্সাইডের পেস্ট ইলেকট্রোলাইটে কাজ করে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে ড্রাইসেলের তড়িৎচালক বল কত, যার মান প্রায় ১.৫ ভোল্ট।
a তামা ও টিন
b তামা ও দস্তা
c তামা ও নিকেল
d তামা ও সিসা
0 150 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তামা ও দস্তা ১. কেন সঠিক: পিতল একটি সুপরিচিত সংকর ধাতু বা অ্যালয় যা মূলত তামা এবং দস্তার সমন্বয়ে তৈরি করা হয়। তামা এবং দস্তাকে নির্দিষ্ট অনুপাতে গলিয়ে এই সংকর ধাতু প্রস্তুত করা হয় যার গুণাবলী বিশুদ্ধ ধাতু থেকে আলাদা। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: দুই বা ততোধিক ধাতুর সমসত্ত্ব মিশ্রণকে সংকর ধাতু বা অ্যালয় বলা হয়। কার্যপ্রণালি: তামা ও দস্তার গলিত অবস্থাকে নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশিয়ে ঠান্ডা করার মাধ্যমে পিতল তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পিতলের তৈরি থালা বা বাটি। ব্যাখ্যা: পিতল দেখতে উজ্জ্বল ও টেকসই হওয়ায় এটি গৃহস্থালি সামগ্রী তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: পিতলের তৈরি বাদ্যযন্ত্র যেমন ট্রাম্পেট। ব্যাখ্যা: পিতলের অ্যাকোস্টিক গুণাগুণ ভালো থাকায় এটি সুর ও শব্দ তৈরিতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামা ও টিন — এটি ব্রোঞ্জ বা কাঁসা তৈরির উপাদান, পিতল তৈরির উপাদান নয়। B) তামা ও দস্তা — এটি পিতલ তৈরির সঠিক উপাদান হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। C) তামা ও নিকেল — এই দুটি ধাতু দিয়ে কুপ্রোনিকল তৈরি হয় যা কয়েন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। D) তামা ও সিসা — এই মিশ্রণটি প্লাম্বিং বা বিয়ারিং এর কাজে ব্যবহৃত বিশেষ ধাতব সংকর। ৫. মনে রাখার টিপস: পিতল মনে রাখার জন্য পিতামা শব্দটি মনে রাখতে পারো, যেখানে পিতে পিতল এবং তামা হলো এর প্রধান উপাদান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সংকর ধাতু সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। কাঁসা, পিতল এবং ব্রোঞ্জের উপাদানগুলোর অনুপাত ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।