a 1905
b 1940
c 1944
d 1955
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৪৪ ১. কেন সঠিক: ফররুখ আহমদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি' ১৯৪৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। বাংলা মুসলিম সাহিত্য এবং রেনেসাঁস ধারার কবিতায় এই কাব্যগ্রন্থটির ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক গুরুত্ব অপরিসীম। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি ফররুখ আহমদ বাংলা কাব্যে ইসলামী ঐতিহ্য, জাগরণ এবং সমুদ্রযাত্রার প্রতীকী পদের এক অনন্য সংযোজন ঘটিয়েছেন। 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থটি তাঁর শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম হিসেবে বিবেচিত যেখানে পরাধীনতার গ্লানি থেকে মুক্তির ডাক এবং আধ্যাত্মিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'লাশ' ব্যাখ্যা: এটি ফররুখ আহমদের আরেকটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও আলোড়ন সৃষ্টিকারী কবিতা। উদাহরণ ২: 'নৌফেল ও হাতেম' ব্যাখ্যা: এটি ফররুখ আহমদের রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৫ — এই সালে বঙ্গভঙ্গ সংঘটিত হয়েছিল, যা বাংলা সাহিত্য ও রাজনীতির ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা কিন্তু এই গ্রন্থের প্রকাশকাল নয়। B) ১৯৪০ — এই সালে পাকিস্তান প্রস্তাব বা লাহোর প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল, যা মুসলিম রাজনীতিতে প্রভাব ফেললেও আলোচ্য গ্রন্থের প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়। C) ১৯৪৪ — এটি সঠিক উত্তর। এই সালেই 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়। D) ১৯৫৫ — এই সালে ফররুখ আহমদের বিখ্যাত শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ 'হাাতেম তাই' প্রকাশিত হয়েছিল, যা সাত সাগরের মাঝির প্রকাশকাল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ফররুখ আহমদের 'সাত সাগরের মাঝি' প্রকাশিত হয় ১৯৪৪ সালে। এভাবে মনে রাখতে পারো যে ১৯৪০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে (১৯৪৪) এই অমর কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কবিদের প্রথম বা প্রধান কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল এবং তাঁদের উপাধি বা ছদ্মনাম জানতে চাওয়া হয়। ফররুখ আহমদকে মুসলিম রেনেসাঁর কবি বলা হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0