a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c গোলাম মোস্তফা
d সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - উদ্ধৃত চরণটি বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সাম্যবাদী ও প্রতিবাদী কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। - কবিতায় ধনিক শ্রেণী ও বণিকদের দ্বারা সাধারণ মানুষের ওপর চালানো শোষণ এবং তাদের রক্ত চুষে খাওয়ার বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি তাঁর লেখায় সবসময় শোষিত মানুষের পক্ষে এবং শোষকদের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। - তাঁর কবিতায় সমাজের ধনী ও দরিদ্রের বৈষম্য, পুঁজিবাদী ব্যবস্থার নিষ্ঠুরতা এবং শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের বিষয়টি জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার কৈফিয়ত ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অন্যতম বিখ্যাত প্রতিবাদী কবিতা, যেখানে সমাজের নানা অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে কবির ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: সাম্যবাদী ব্যাখ্যা: এই কবিতায় কবি মানুষের ভেদাভেদ ভুলে সব মানুষকে সমান হিসেবে দেখার কথা বলেছেন এবং ধনী-দরিদ্রের বৈষম্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মানবতাবাদী সাহিত্যিক হলেও এই ধরণের সরাসরি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক শোষণের বিদ্রোহী ভাষা তাঁর রচনায় ভিন্ন ঢঙে প্রকাশিত হয়েছে। B) কাজী নজরুল ইসলাম — সঠিক উত্তর, তাই এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। C) গোলাম মোস্তফা — গোলাম মোস্তফা মূলত ইসলামী ঐতিহ্য ও ভাবধারার কবিতা এবং মহাকাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত, এই ধরনের রাজনৈতিক শোষণবিরোধী পংক্তি তাঁর নয়। D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত হলেও তাঁর কবিতায় শোষিত মানুষের পক্ষে এমন সরাসরি রাজনৈতিক স্লোগানধর্মী উচ্চারণ দেখা যায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাম্যবাদী ও শোষক শ্রেণীর বিরুদ্ধে সরাসরি ক্ষোভ প্রকাশ এবং জোঁকের মতো রক্ত চুষে খাওয়ার কথা থাকলে চোখ বন্ধ করে কাজী নজরুল ইসলামকে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদ্রোহী কবির সাম্যবাদী, শ্রমিক ও কৃষকদের অধিকারভিত্তিক কবিতার লাইন প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0