a তিনি কথা বলতে চাইলেন না।
b তিনি কথা না বলে থাকতে পারলেন না।
c তিনি নীরব থাকতে চেষ্টা করলেন।
d তিনি চুপ করে থাকলেন।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তিনি চুপ করে থাকলেন। ১. কেন সঠিক: - 'তিনি কথা বললেন না' বাক্যটি নেতিবাচক বা না-বোধক বাক্যের উদাহরণ, কারণ এতে 'না' বোধক অব্যয় ব্যবহার করা হয়েছে। - বাক্যটির অস্থিবাচক বা হ্যাঁ-বোধক রূপ করতে হলে অর্থের কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে নেতিবাচক শব্দ বাদ দিয়ে সমার্থক বা বিপরীতার্থক শব্দের সাহায্যে হ্যাঁ-বোধক ভাব আনতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্য রূপান্তর হলো অর্থের পরিবর্তন না করে বাক্যের গঠন পরিবর্তন করা। - নেতিবাচক বাক্যকে অস্থিবাচক বাক্যে রূপান্তর করার সময় মূল ক্রিয়ার বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করতে হয় এবং না-বোধক শব্দ তুলে দিতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি যাব না। ব্যাখ্যা: এর অস্থিবাচক রূপ হলো আমি অনুপস্থিত থাকব অথবা আমি অস্বীকার করলাম। উদাহরণ ২: সে মিথ্যা বলে না। ব্যাখ্যা: এর অস্থিবাচক রূপ হলো সে সর্বদা সত্য কথা বলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিনি কথা বলতে চাইলেন না। — এই অপশনটিতে 'না' যুক্ত রয়েছে, ফলে এটি একটি নেতিবাচক বাক্য রয়ে গেছে। B) তিনি কথা না বলে থাকতে পারলেন না। — এই অপশনটিতে একাধিক 'না' যুক্ত রয়েছে এবং এটি অর্থের দিক থেকে মূল বাক্যের রূপান্তর হলেও গঠনগতভাবে অস্থিবাচক নয়। C) তিনি নীরব থাকতে চেষ্টা করলেন। — এই অপশনটি হ্যাঁ-বোধক হলেও মূল বাক্যের মূল সুর বা ভাব পুরোপুরি প্রকাশ করে না, কারণ তিনি চুপ ছিলেন আর চেষ্টা করেছিলেন দুটি ভিন্ন অর্থ বহন করে। D) তিনি চুপ করে থাকলেন। — এই অপশনটি নেতিবাচক ভাবকে হ্যাঁ-বোধক বা অস্থিবাচকে সফলভাবে রূপান্তর করেছে এবং মূল অর্থের সাথে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্য রূপান্তরের সময় মনে রাখতে হবে যে বাক্যের রূপ বদলাবে কিন্তু অর্থের কোনো পরিবর্তন হবে না। নেতিবাচক থেকে অস্থিবাচক করার সময় 'না' বাদ দিয়ে মূল শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তরের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। এই ক্ষেত্রে বাক্যের মূল অর্থ অপরিবর্তিত রেখে হ্যাঁ-বোধক ও না-বোধক বাক্যের পারস্পরিক রূপান্তর ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0