বাংলাদেশ  সিভিল সার্ভিস (BCS)

৪৭ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ২০২৫।

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (200)

2. 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের অংশ নয় কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রণয় খণ্ড ১. কেন সঠিক: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে প্রণয় খণ্ড নামে কোনো খণ্ড বা অধ্যায় নেই। - কাব্যটিতে সর্বমোট তেরোটি খণ্ড রয়েছে এবং প্রণয় খণ্ড তার অন্তর্ভুক্ত নয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত একটি মধ্যযুগের নিদর্শন। - এটি ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্ব<bos>3বল্লভ বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর থেকে আবিষ্কার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জন্মখণ্ড ব্যাখ্যা: এটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের প্রথম খণ্ড। উদাহরণ ২: রাধা বিরহ ব্যাখ্যা: এটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের শেষ খণ্ড। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নৌকা খণ্ড — এটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের একটি খণ্ড তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) হার খণ্ড — এটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের একটি খণ্ড তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) রাধা বিরহ — এটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের একটি খণ্ড তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। D) প্রণয় খণ্ড — এটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের কোনো খণ্ড নয় তাই এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - জন্মখণ্ডের শুরুতে জন্ম এবং রাধা বিরহ দিয়ে শেষ তেরো খণ্ড মনে রাখবে। - খণ্ডগুলোর নাম ক্রমানুসারে পড়লে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের মোট খণ্ড সংখ্যা তেরোটি তা মনে রাখা জরুরি। - আবিষ্কারক বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বানবল্লভ এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি প্রকাশিত হয়।
3. বিবৃত স্বরধ্বনি বলতে বোঝায়-
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যে স্বরধ্বনি উচ্চারণে ঠোঁট বেশি খোলে ১. কেন সঠিক: বিবৃত স্বরধ্বনি বলতে সেই স্বরধ্বনিগুলোকে বোঝায় যেগুলোর উচ্চারণের সময় মুখগহ্বর বা ঠোঁট বেশি পরিমাণে উন্মুক্ত বা খোলামেলা থাকে। বাংলা ধ্বনিতত্ত্বে জিবের উচ্চতা এবং ঠোঁটের আকৃতির ওপর ভিত্তি করে স্বরধ্বনিকে বিভিন্ন শ্রেণীতে ভাগ করা হয়, যার মধ্যে বিবৃত ধ্বনি অন্যতম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে উচ্চারণের সময় মুখবিবরের খোলার মাত্রার ওপর ভিত্তি করে স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত যথা সংবৃত, অর্ধ-সংবৃত, অর্ধ-বিবৃত এবং বিবৃত। বিবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখ ও ঠোঁট সর্বোচ্চ পরিমাণ খোলে এবং জিব নিচে অবস্থান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: অ ধ্বনিটি উচ্চারণের সময় মুখ ও ঠোঁট স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি খোলে তাই এটি বিবৃত স্বরধ্বনির অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: আ ব্যাখ্যা: আ ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখগহ্বর সম্পূর্ণ উন্মুক্ত হয় এবং ঠোঁট বেশি খোলে তাই এটি একটি প্রধান বিবৃত স্বরধ্বনি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যে স্বরধ্বনি উচ্চারণে ঠোঁট বেশি খোলে — এটি সঠিক কারণ বিবৃত ধ্বনির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো মুখ ও ঠোঁট বেশি খোলা। B) যে স্বরধ্বনি উচ্চারণে জিব উঁচু হয় — এই বৈশিষ্ট্যটি সংবৃত স্বরধ্বনির সঙ্গে সম্পর্কিত বিবৃত ধ্বনির সঙ্গে নয়। C) যে স্বরধ্বনি অবিকৃতভাবে উচ্চারিত হয় — এটি স্বরধ্বনির ধ্বনিগত কোনো সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক বা ব্যাকরণগত সংজ্ঞা নয়। D) যে স্বরধ্বনি উচ্চারণে বিকৃতি ঘটে — এটি কোনো নির্দিষ্ট ধ্বনিপ্রক্রিয়া বা উচ্চারণের ত্রুটির বর্ণনা যা ব্যাকরণে গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বিবৃত মানে বিস্তার লাভ করা বা বড় হওয়া, তাই মনে রাখবে বিবৃত স্বরধ্বনি মানেই উচ্চারণের সময় মুখ বা ঠোঁট বেশি খোলে। অ এবং আ উচ্চারণ করে দেখতে পারো যে এই ধ্বনিগুলোতে মুখ সবচেয়ে বেশি উন্মুক্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্বরধ্বনির উচ্চারণ স্থান ও মুখবিবরের অবস্থা থেকে প্রশ্ন আসে। সংবৃত মানে মুখ কম খোলা এবং বিবৃত মানে মুখ বেশি খোলা এই মূল পার্থক্যটি মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
4. মনৌএল দ্যা আস্সুম্পসাঁও অভিধান প্রকাশের আগে কত বছর ধরে শব্দ সংগ্রহ করেন?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯-১০ বছর ১. কেন সঠিক: ডোম মনৌএল দ্যা আস্সুম্পসাঁও পর্তুগাল থেকে বাংলায় এসে প্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও শব্দকোষ রচনা করেন। তিনি এই অভিধান ও ব্যাকরণ গ্রন্থ প্রকাশের আগে দীর্ঘ ৯ থেকে ১০ বছর ধরে নিবিড়ভাবে বাংলা শব্দ সংগ্রহ করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ডোম মনৌএল দ্যা আস্সুম্পসাঁও একজন পর্তুগাজ মিশনারি ও ধর্মযাজক ছিলেন। তার রচিত ভোকাবুলারিও এম ইডিওমা বেঙ্গালা এ পোর্তুগুয়েস বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম মুদ্রিত বাংলা শব্দসংকলন বা অভিধান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাত্রুম বাসফোস রচয়িতা ডোম মনৌএল দ্যা আস্সুম্পসাঁও। ব্যাখ্যা: এটি তার আরেকটি বিখ্যাত ধর্মীয় গ্রন্থ যা পর্তুগাজ অক্ষরে লেখা হয়েছিল। উদাহরণ ২: মানুসরের প্রসাধন নামক গ্রন্থটি পর্তুগাজ ভাষায় রচিত। ব্যাখ্যা: এটিও ডোম মনৌএল দ্যা আস্সুম্পসাঁও এর রচনা যা খ্রিস্টধর্ম প্রচারের জন্য ব্যবহৃত হতো। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২-৩ বছর — এটি ভুল কারণ শব্দ সংগ্রহের জন্য এই সময়সীমা অত্যন্ত কম এবং ঐতিহাসিক তথ্যের সাথে মেলে না। B) ৫-৭ বছর — এই সময়কালটি সঠিক নয় কারণ তিনি আরও দীর্ঘ সময় ধরে বাংলা ভাষা চর্চা ও শব্দ সংগ্রহ করেছিলেন। D) ১৪-১৫ বছর — এটি ভুল কারণ গবেষকদের মতে তার শব্দ সংগ্রহের সময়কাল এত দীর্ঘ ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: মনৌএল দ্যা আস্সুম্পসাঁও এর শব্দ সংগ্রহের বছর মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন প্রায় এক দশক বা ১০ বছর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষার প্রথম মুদ্রিত ব্যাকরণ ও অভিধানের রচয়িতা কে এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। পর্তুগাজ মিশনারিদের অবদান বাংলা গদ্যের বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
5. 'আলালের ঘরের দুলাল' প্রথমে কোন পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাসিক পত্রিকা ১. কেন সঠিক: - প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত 'আলালের ঘরের দুলাল' বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। - এই উপন্যাসটি ১৮৫৮ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হওয়ার আগে 'মাসিক পত্রিকা'য় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাসের রচয়িতা প্যারীচাঁদ মিত্র, যিনি টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে লিখতেন। - এটি আলালী ভাষা বা সহজ সরল কথ্য রীতিতে রচিত প্রথম উপন্যাস এবং এর প্রধান চরিত্র হলো ঠকচাচা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হুতোম প্যাঁচার নকশা ব্যাখ্যা: এটি কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত আরেকটি বিখ্যাত গ্রন্থ যা কলকাতার কথ্য ভাষায় রচিত। উদাহরণ ২: দেবী চৌধুরাণী ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিবিধার্থ সংগ্রহ — এটি রাজেন্দ্রলাল মিত্র সম্পাদিত একটি প্রখ্যাত মাসিক পত্রিকা হলেও 'আলালের ঘরের দুলাল' এখানে প্রকাশিত হয়নি। B) সংবাদ প্রভাকর — এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত প্রাচীন সংবাদপত্র হলেও এই উপন্যাসের প্রথম ধারাবাহিক প্রকাশ এখানে হয়নি। C) মাসিক পত্রিকা — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্যারীচাঁদ মিত্র ও রাধানাথ সিকদারের সম্পাদনায় প্রকাশিত এই পত্রিকাতেই উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয়। D) বঙ্গদর্শন — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত এই পত্রিকাটি প্রকাশিত হয় ১৮৭২ সালে, যা 'আলালের ঘরের দুলাল' প্রকাশের অনেক পরের ঘটনা। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্যারীচাঁদ মিত্রের 'মাসিক পত্রিকা' ছিল নারীদের উপযোগী পত্রিকা, আর এই পত্রিকাতেই তার বিখ্যাত 'আলালের ঘরের দুলাল' প্রথম ধারাবাহিকভাবে ছাপা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা উপন্যাসের সূচনার ইতিহাস জানতে এই প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
6. 'সকলের তরে সকলে আমরা/প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।' - কোন কবিতার অংশ?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সুখ ১. কেন সঠিক: - এই পঙ্‌ক্তিটি কামিনী রায়ের বিখ্যাত 'সুখ' কবিতার মূল প্রতিপাদ্য ও সবচেয়ে জনপ্রিয় উদ্ধৃতি। - এর মাধ্যমে মানবজীবনের প্রকৃত সুখ একা ভোগ করার মধ্যে নয়, বরং অন্যের কল্যাণ ও পরোপকারের মধ্যে নিহিত—এই নৈতিক ও দার্শনিক সত্য প্রকাশ পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবিতাটির রচিয়তা হলেন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক কামিনী রায়। - ব্রিটিশ ভারতের বাংলায় নারী জাগরণ ও নৈতিক মূল্যবোধ গঠনে তার কবিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি, এ জীবন মন সকলই দাও। ব্যাখ্যা: এটিও কামিনী রায়ের 'সুখ' কবিতার একটি লাইন, যা পরার্থপরতার শিক্ষা দেয়। উদাহরণ ২: বসি নিজ মুখে বলো না বড়ো আপনার কথা। ব্যাখ্যা: এটি কামিনী রায়ের আরেকটি বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি, যা আত্মপ্রচারবিমুখতা শেখায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরার্থে — এটি কোনো প্রখ্যাত কবিতার নাম নয়, যদিও পঙ্‌ক্তিটির ভাবার্থ পরার্থবাদ বা পরোপকারের সঙ্গে সম্পর্কিত। B) পাছে লোকে কিছু বলে — এটি কামিনী রায়েরই আরেকটি বিখ্যাত কবিতা, যার মূল বিষয় সামাজিক লজ্জা ও সংকোচ দূর করা। C) বড় কে — এটি কোনো বিকল্প হিসেবে এখানে সঠিক নয়, কারণ এটি এই কবিতার অংশ নয়। D) সুখ — এটি সঠিক অপশন, তাই এটি ভুল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মানবকল্যাণ বা পরের তরে কথাটি থাকলেই সেটি কামিনী রায়ের 'সুখ' কবিতা হিসেবে মনে রাখবে। - পরীক্ষার হলে লাইন দুটি দেখলে কবি কামিনী রায় এবং কবিতা 'সুখ' এক সাথে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কবিতার চরণ বা উদ্ধৃতি কার লেখা, তা প্রায়ই আসে। - কামিনী রায়ের 'সুখ' কবিতাটি নৈতিক শিক্ষাভিত্তিক হওয়ায় এর লাইনগুলো খুব মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে।
8. জসীম উদ্দীনের 'কবর' কবিতাটি কোন কাব্যের অন্তর্গত?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাখালী ১. কেন সঠিক: পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'রাখালী'র অন্তর্গত। এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে পল্লীপ্রকৃতির ও গ্রামীণ জীবনের শোকগাথার এক অনন্য সৃষ্টি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জসীম উদ্দীন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি গ্রামীণ জীবন ও লোকসংস্কৃতি তাঁর কাব্যে ফুটিয়ে তুলেছেন। 'কবর' কবিতাটি ১৯২৫ সালে কল্লোল পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে তাঁর 'রাখালী' কাব্যগ্রন্থে স্থান লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জসীম উদ্দীনের 'নকশী কাঁথার মাঠ' একটি জনপ্রিয় দীর্ঘ কবিতা। ব্যাখ্যা: এটি পল্লীজীবনের প্রেম ও বিষাদের এক সুন্দর কাব্যরূপ। উদাহরণ ২: জসীম উদ্দীনের আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'সোজন বাঢিয়ার ঘাট'। ব্যাখ্যা: এই কাব্যেও গ্রামীণ লোকজীবন ও সংস্কৃতির নিখুঁত চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বালুচর — এটি জসীম উদ্দীনের একটি কাব্যগ্রন্থ হলেও এতে 'কবর' কবিতাটি নেই। B) রাখালী — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। C) মা যে জননী কান্দে — এটি জসীম উদ্দীনের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার সঙ্গে 'কবর' কবিতার সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) ধানখেত — এটি জসীম উদ্দীনের অপর একটি কাব্যগ্রন্থ, যা 'কবর' কবিতার উৎস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: পল্লীকবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'রাখালী' থেকেই অমর সৃষ্টি 'কবর' কবিতাটি শুরু হয়েছিল। মনে রাখতে পারো যে জসীম উদ্দীনের প্রথম ও জনপ্রিয় কবিতার প্রকাশ তাঁর প্রথম কাব্যেই ঘটেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: 'কবর' কবিতাটি কত সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি কোন কাব্যের অন্তর্গত, তা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সাহিত্যিকের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং তার বিখ্যাত কবিতাগুলোর নাম আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
9. গৌড়ী প্রাকৃত বলতে বোঝায়-
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গৌড় অঞ্চলের মুখের ভাষা ১. কেন সঠিক: গৌড়ী প্রাকৃত বলতে প্রাচীনকালে বাংলা অঞ্চলের একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড অর্থাৎ গৌড় অঞ্চলের মানুষের দৈনন্দিন কথ্য ভাষাকে বোঝানো হয়েছে। এটি প্রাকৃত ভাষার একটি স্তর যা পরবর্তী সময়ে বিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষার জন্ম দিয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার উৎপত্তির ইতিহাসে প্রাকৃত ভাষার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। ডক্টর সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা থেকে মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষা এবং সেখান থেকে অপভ্রংশ হয়ে প্রাকৃত রূপ লাভ করে বাংলা ভাষার সৃষ্টি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাগধী প্রাকৃত ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন ভারতের পূর্বাঞ্চলে প্রচলিত প্রাকৃত ভাষা যার একটি শাখা হিসেবে গৌড়ী প্রাকৃতের বিকাশ ঘটেছিল। উদাহরণ ২: সৌরসেনী প্রাকৃত ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন ভারতের মধ্য অঞ্চলে প্রচলিত অপর একটি প্রধান প্রাকৃত ভাষা যা গৌড়ী প্রাকৃত থেকে আলাদা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গৌড় অঞ্চলের মুখের ভাষা — এই অপশনটি সঠিক কারণ গৌড়ী প্রাকৃত মূলত গৌড় অঞ্চলের মানুষের কথ্য রূপ ছিল। B) গৌড় সাহিত্যের স্বাভাবিক রীতি — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো সাহিত্যিক রীতি ছিল না, বরং এটি ছিল মানুষের মুখের ভাষা। C) গৌড় ভাষার লিখিত নমুনা — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রাকৃত ভাষা প্রধানত কথ্য রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হতো, লিখিত সাহিত্যিক রূপ হিসেবে নয়। D) গৌড় ভাষার বিকৃত উচ্চারণ — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রাকৃত ভাষা কোনো ভাষার বিকৃত রূপ নয়, বরং এটি ভাষার স্বাভাবিক বিবর্তনের একটি স্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রাকৃত ভাষার নামের সঙ্গে অঞ্চলের নাম যুক্ত থাকে। যেমন গৌড়ী প্রাকৃত অর্থ গৌড় অঞ্চলের ভাষা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ অধ্যায়ের জন্য প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার স্তরগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
10. 'Glossary' শব্দের বাংলা পরিভাষা-
Created 1 week ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শব্দার্থপঞ্জি ১. কেন সঠিক: - 'Glossary' ইংরেজি শব্দটির বাংলা পরিভাষা হলো শব্দার্থপঞ্জি। - এটি সাধারণত কোনো বই বা গ্রন্থের শেষে ব্যবহৃত কঠিন বা দুর্বোধ্য শব্দের অর্থ নির্দেশক তালিকা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো নির্দিষ্ট বিষয়ের ভাব বা ধারণা প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত বিশেষ শব্দ। - বাংলা ভাষায় প্রশাসনিক, সাহিত্যিক ও দাপ্তরিক কাজে নির্ভুল যোগাযোগের জন্য বাংলা একাডেমি কর্তৃক অনুমোদিত পারিভাষিক শব্দ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Dictionary শব্দের পরিভাষা অভিধান। ব্যাখ্যা: এটি ভাষার শব্দের ভাণ্ডার ও অর্থ নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: Bibliography শব্দের পরিভাষা গ্রন্থপঞ্জি। ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহৃত বা সংশ্লিষ্ট গ্রন্থের তালিকা প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্ঞাপনপত্র — এটি ইংরেজি Notification শব্দের পরিভাষা যা কোনো তথ্য জানানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। B) সর্বসাকل্যে — এটি একটি অবিকল শব্দ বা তৎসম শব্দ যার অর্থ মোট বা সব মিলিয়ে। D) গুদামজাত — এটি কোনো বস্তু বা পণ্য গুদামে সংরক্ষণ করার অবস্থাকে বোঝায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - Glossary শব্দের শেষে ry বা তালিকা বোঝায়, তাই এর বাংলা রূপ পঞ্জি বা শব্দতালিকা হয়। - পারিভাষিক শব্দ মুখস্থ করার সময় মূল ইংরেজি শব্দের সঙ্গে অর্থের মিল খুঁজে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিভাষিক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত পারিভাষিক শব্দ তালিকা থেকে নিয়মিত চর্চা করা উচিত।
12. ১৯৩৬ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বানান সংস্কারের মূল উদ্দেশ্য ছিল-
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বানানের নিয়ম প্রণয়ন করা ১. কেন সঠিক: - ১৯৩৬ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বানানের একটি সুনির্দিষ্ট রূপরেখা বা নিয়ম প্রণয়ন করে, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল বিশৃঙ্খলা দূর করে বানানের নিয়ম প্রণয়ন করা। - সে সময় বিভিন্ন লেখক ও মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানে ভিন্ন ভিন্ন বানানরীতি প্রচলিত থাকায় বানানরীতিতে একরূপতা আনার জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত এই তথ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির মাধ্যমে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম প্রমিত বানানরীতি প্রণয়ন করে। - এই সংস্কারের ফলে বাংলা বানানকে একটি শৃঙ্খলার মধ্যে আনার কাজ শুরু হয় এবং পরবর্তীতে বাংলা একাডেমি এই ধারাবাহিকতা রক্ষা করে বর্তমান প্রমিত বানানরীতি প্রবর্তন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নির্দেশনায় ১৯৩৬ সালের বানান সংস্কার কমিটিতে প্রফুল্লচন্দ্র রায়, সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ মনীষী যুক্ত ছিলেন। ব্যাখ্যা: এই কমিটি বাংলা বানানের ক্ষেত্রে বিশৃঙ্খলা দূর করে একটি শৃঙ্খলিত নিয়ম প্রণয়নের জন্য কাজ করেছিলেন। উদাহরণ ২: কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বানান সংস্কারের পর বাংলা লেখ্যরূপে এক ধরনের সুনির্দিষ্ট নিয়ম প্রতিষ্ঠিত হতে শুরু করে। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে বাংলা ভাষার বানান স্বেচ্ছাচারিতা থেকে মুক্ত হয়ে নিয়মের আওতায় আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বানানকে উচ্চারণের কাছাকাছি নেওয়া — এটি বানানের একটি আদর্শ লক্ষ্য হতে পারে, তবে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৩৬ সালের সংস্কারের মূল প্রাতিষ্ঠানিক উদ্দেশ্য ছিল সার্বিক নিয়মের মধ্যে আনা। B) বানানের ঐতিহ্যকে বজায় রাখা — ঐতিহ্য রক্ষা করা মূল উদ্দেশ্য ছিল না, বরং বানানের বিশৃঙ্খলা দূর করে নিয়মবদ্ধ করাটাই প্রধান লক্ষ্য ছিল। D) বানানে বিকল্প বর্জন করা — বিকল্প অনেক সময় রাখা হয়েছিল বা পরবর্তীতে রাখা হয়, তবে মূল উদ্দেশ্য ছিল সামগ্রিক নিয়মের কাঠামোগত রূপ দেওয়া। ৫ মনে রাখার টিপস: - সালটি ১৯৩৬ এবং প্রতিষ্ঠানটি কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় মনে রাখলে এবং এর মূল কাজ 'নিয়ম প্রণয়ন' মাথায় রাখলেই উত্তর সহজ হবে। - এভাবে মনে রাখবে যে, ১৯৩৬ সালে প্রথম বাংলা বানানের নিয়ম তৈরি বা প্রণয়ন করা হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা বানান সংস্কারের ইতিহাসে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - বাংলা বানান সংস্কারের সাল এবং কমিটির প্রধান বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো ভালোভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে।
16. 'এমন পিরীতি কভু নাহি দেখি শুনি/ পরানে পরান বান্ধা আপনা আপনি।' - কার লেখা?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চণ্ডীদাস ১. কেন সঠিক: উদ্ধৃত পতিটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীর আদি পদকর্তা মহামকবি চণ্ডীদাসের রচনা। রাধাকৃষ্ণের প্রেম ও হৃদয়ের আকুলতা প্রকাশ করতে কবি এই পঙক্তিটি ব্যবহার করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চণ্ডীদাস মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় কবি এবং সহজিয়া প্রেমের প্রবক্তা। তাঁর পদের মূল বৈশিষ্ট্য হলো সহজ সরল ভাষা এবং গভীর মানবপ্রেমের প্রকাশ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সজনী কুঞ্জ সাজাও গো আজ আমার প্রাণের পতি আসিবে। ব্যাখ্যা: এই পদটিতেও চণ্ডীদাসের রাধার প্রেমের গভীর আকুলতা ও মিলনের ব্যাকুলতা প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: মরমের বেদনা কাহার শোনাব কে আমার মনের কথা বুঝিবে। ব্যাখ্যা: এটিও চণ্ডীদাসের বিরহভিত্তিক পদের একটি অনন্য দৃষ্টান্ত যেখানে মানবীয় আবেগ প্রধান হয়ে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্যাপতি — বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষার কবি হলেও বাংলা পদাবলীতে তাঁর ব্যাপক প্রভাব রয়েছে তবে এই পদটি তাঁর নয়। B) চণ্ডীদাস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, এটি চণ্ডীদাসের রচিত পদ। C) জ্ঞানদাস — জ্ঞানদাস পরবর্তী যুগের বৈষ্ণব পদকর্তা এবং তাঁর রচনার ধরন চণ্ডীদাসের অনুসারী হলেও এই পদটি তাঁর লেখা নয়। D) গোবিন্দদাস — গোবিন্দদাস অভিসার ও রূপানুরাগের পদ রচনায় বিখ্যাত হলেও এই উদ্ধৃতিটি তাঁর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: পরান বাঁধার কথা শুনলেই চণ্ডীদাসের সহজ প্রেমের কথা মনে রাখবে। চণ্ডীদাস মানেই মন ও প্রাণের আকুল প্রেমের সহজ ও সাবলীল প্রকাশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীতে চণ্ডীদাস হলেন সহজিয়া প্রেমের শ্রেষ্ঠ কবি। পরীক্ষায় প্রায়ই মধ্যযুগের কবিদের বিখ্যাত পঙক্তি ও উদ্ধৃতি থেকে প্রশ্ন আসে।
17. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ পর্বে রচিত বাংলা বইগুলো-
Created 1 week ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংস্কৃত বইয়ের অনুবাদ ১. কেন সঠিক: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার পর দেশীয় ভাষা শিক্ষার জন্য মূলত সংস্কৃত গ্রন্থের সাহায্য নেওয়া হয়েছিল। এই পর্বে প্রকাশিত অধিকাংশ গদ্যগ্রন্থই ছিল সংস্কৃত মূল গ্রন্থের ভাবানুবাদ বা ছায়া অবলম্বনে রচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের উপাচার্য উইলিয়াম কেরির উদ্যোগে বাংলা গদ্য চর্চা শুরু হয়। এ সময়ে সংস্কৃত পন্ডিতদের দ্বারা রচিত বইগুলো মূলত শিক্ষার্থীদের পড়ানোর সুবিধার জন্য বাংলায় অনূদিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচিত বাত্রিশ সিংহাসন। ব্যাখ্যা: এটি একটি সংস্কৃত গ্রন্থ অবলম্বনে রচিত ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অনূদিত গদ্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: রামরাম বসুর রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র। ব্যাখ্যা: এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের মৌলিক গ্রন্থ হলেও সামগ্রিক ধারাটি ছিল অনুবাদ নির্ভর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত বইয়ের অনুবাদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রথম দিকের বইগুলো সংস্কৃত থেকে বাংলায় অনূদিত হয়েছিল। B) ফারসি বইয়ের অনুবাদ — এই অপশনটি ভুল কারণ ফারসি বা আরবি ভাষা থেকে এই কলেজের পন্ডিতরা প্রধানত গ্রন্থ অনুবাদ করেননি। C) ইংরেজি বইয়ের অনুবাদ — এই অপশনটি ভুল কারণ ইংরেজি থেকে সরাসরি কোনো উল্লেখযোগ্য সাহিত্যিক অনুবাদ এ পর্বে হয়নি। D) পণ্ডিতদের রচিত মৌলিক গ্রন্থ — এই অপশনটি ভুল কারণ অধিকাংশই ছিল অন্যের গ্রন্থ বা সংস্কৃতের অনূদিত রূপ, মৌলিক গ্রন্থ খুব কম ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বই মানেই মাথায় রাখতে হবে সংস্কৃত থেকে বাংলায় অনুবাদের সোনালী ইতিহাস। পন্ডিত মৃত্যুঞ্জয় বা বিদ্যাসাগরের শুরুর দিকের গদ্য অনুবাদ চর্চার কথা মনে রাখলে এটি ভুল হবে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের গ্রন্থগুলোর উৎস জানতে চাওয়া হয়। অনূদিত গ্রন্থ এবং মৌলিক গ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে ছক আকারে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
18. সাহিত্যের রূপ ও রীতির বিচারে কোন গ্রন্থটি ব্যতিক্রম?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলা কাব্য ১. কেন সঠিক: - সাহিত্যের রূপ ও রীতির বিচারে অপশনগুলোর মধ্যে 'বাংলা কাব্য' হলো একটি মননশীল ও সমালোচনামূলক প্রবন্ধগ্রন্থ, যার রচয়িতা কাজী আবদুল অদুদ। - অপরপক্ষে, বাকি তিনটি অপশন হলো বিখ্যাত উপন্যাস, যা সাহিত্যের উপন্যাস ধারার অন্তর্ভুক্ত এবং রূপ ও রীতির বিচারে কথাসাহিত্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'বাংলা কাব্য' কাজী আবদুল অদুদ রচিত একটি বিশিষ্ট সাহিত্য সমালোচনা গ্রন্থ, যেখানে বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন কাব্যধারার বিশ্লেষণ করা হয়েছে। - অন্যান্য অপশনগুলো কথাসাহিত্য বা উপন্যাস হিসেবে বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত পরিচিত এবং জনপ্রিয় লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কমলাকান্তের দপ্তর' ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রবন্ধমূলক রম্যরচনা, যা উপন্যাস বা অন্য কোনো সাহিত্য রূপ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর 'বীরবলের হালখাতা' ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধগ্রন্থ, যা সাহিত্যের রূপ ও রীতির বিচারে উপন্যাস বা কাব্যের চেয়ে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা কাব্য — এটি প্রবন্ধ বা সমালোচনা সাহিত্য, উপন্যাস নয়। B) দিবারাত্রির কাব্য — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। C) শেষের কবিতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি জনপ্রিয় ও বিখ্যাত গদ্য উপন্যাস। D) নদী ও নারী — এটি হুমায়ুন কবীর রচিত একটি বহুল পঠিত উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - নামের শেষে কাব্য থাকলেই সেটি কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ নাও হতে পারে, যেমন 'বাংলা কাব্য' একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। - উপন্যাসের নাম চেনার জন্য শেষের কবিতা ও দিবারাত্রির কাব্য উপন্যাসগুলো মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নামকরণের সাথে সাহিত্য রূপের মিল না থাকা গ্রন্থগুলো বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - কোনো গ্রন্থের নামের সাথে কাব্য বা কবিতা শব্দ থাকলেই তার সাহিত্যিক রূপ blindly কাব্য ধরে না নিয়ে লেখকের পরিচয় ও গ্রন্থ পরিচিতি যাচাই করতে হবে।
21. 'ব্যাং' শব্দটি ং দিয়ে লিখতে হবে, কারণ-
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঙ- এর হসন্ত উচ্চারণ ং হবে ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের অন্তে বা মধ্যে উঁ ধ্বনির অর্থাৎ হসন্ত 'ঙ'-এর উচ্চারণ বোঝাতে অনুস্বার 'ং' ব্যবহার করা হয়। 'ব্যাং' শব্দটিতে উঁ ধ্বনির হসন্ত উচ্চারণ প্রকাশ করার জন্যই 'ঙ'-এর পরিবর্তে 'ং' ব্যবহার করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় উ-বর্গীয় ধ্বনি হিসেবে 'ঙ' একটি স্বতন্ত্র বর্ণ হলেও এর হসন্ত রূপটি শব্দের শেষে অনুস্বার বা 'ং' হিসেবে লেখা হয়। বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী শব্দের অন্তে হসন্তযুক্ত উঁ ধ্বনি লিখতে অনুস্বার ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রং ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও হসন্ত উঁ ধ্বনি বোঝাতে 'ঙ'-এর পরিবর্তে 'ং' ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সং ব্যাখ্যা: এখানেও অন্ত্য উঁ ধ্বনির উচ্চারণ রক্ষার্থে অনুস্বার বা 'ং' যুক্ত করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঙ- এর হসন্ত উচ্চারণ ং হবে — এটি সঠিক কারণ শব্দের শেষে উঁ ধ্বনি বোঝাতে অনুস্বার লেখা হয়। B) ্যা-এর পর ং হয় — এটি ভুল কারণ অনুস্বার ব্যবহারের সঙ্গে স্বরবর্ণ বা কারচিহ্নের কোনো সরাসরি নির্দিষ্ট ব্যাকরণিক শর্ত নেই। C) ং বাংলা ভাষার নিজস্ব বর্ণ — এটি ভুল কারণ অনুস্বার একটি পরাধীন ধ্বনি বা বর্ণসংকেত, যা স্বরবর্ণের সাহায্য ছাড়া একা উচ্চারিত হতে পারে না। D) ব্যাং একটি একাক্ষর শব্দ — এটি ভুল কারণ একাক্ষর শব্দ হওয়া অনুস্বার ব্যবহারের মূল ব্যাকরণিক কারণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে উঁ ধ্বনি উচ্চারিত হলে সেখানে 'ঙ' না লিখে 'ং' লিখতে হয়। রং, সং, ব্যাং, ঢং শব্দগুলোতে এই নিয়ম প্রযোজ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বানানে অনুস্বার এবং উ-এর ব্যবহার নিয়ে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। শব্দের শেষে উঁ ধ্বনি থাকলে সব সময় অনুস্বার লিখতে হবে, এই নিয়মটি মনে রাখতে হবে।
24. বাক্যের মধ্যে পদ অবস্থান করে কীভাবে?
Created 1 week ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কর্তা ও ক্রিয়ার পদবিন্যাস অনুযায়ী ১. কেন সঠিক: বাংলা বাক্যের মূল কাঠামো দাঁড়িয়ে থাকে মূলত কর্তা এবং সমাপিকা ক্রিয়ার পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর। বাক্যের মধ্যে পদগুলো অর্থপূর্ণভাবে সাজানোর জন্য কর্তা ও ক্রিয়ার পদবিন্যাস বা ক্রম সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্য প্রকরণে পদের বিন্যাস বলতে বোঝায় বাক্যে কর্তা, কর্ম এবং ক্রিয়ার সঠিক অবস্থান। বাংলা ভাষায় সাধারণ বাক্যগঠনের নিয়ম হলো প্রথমে কর্তা, তারপর কর্ম এবং সবার শেষে ক্রিয়াপদ বসে। এই পদবিন্যাসের ওপর ভিত্তি করেই বাক্য অর্থপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং বক্তার ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছাত্ররা মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'ছাত্ররা' হলো কর্তা এবং 'পড়াশোনা করছে' হলো ক্রিয়াপদ, যা বাক্যের শেষে বসে পদবিন্যাস রক্ষা করেছে। উদাহরণ ২: পাখি আকাশে ওড়ে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে কর্তা 'পাখি' প্রথমে বসেছে এবং সমাপিকা ক্রিয়া 'ওড়ে' বাক্যের বিন্যাস অনুযায়ী সবার শেষে অবস্থান করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তা ও ক্রিয়ার পদবিন্যাস অনুযায়ী — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্য গঠনে কর্তা ও ক্রিয়ার সঠিক বিন্যাস অত্যন্ত জরুরি। B) কর্ম ও অর্থ অনুযায়ী — পদ শুধু কর্ম ও অর্থের ওপর নির্ভর করে বসে না, ব্যাকরণগত কাঠামোর জন্যও কর্তা ও ক্রিয়ার বিন্যাস আবশ্যক। C) বর্ণ ও ধ্বনি আকারে — বর্ণ ও ধ্বনি দিয়ে শব্দ গঠিত হয়, কিন্তু বাক্যের মধ্যে পদের অবস্থান নির্ধারণের সঙ্গে বর্ণ বা ধ্বনির সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। D) অর্থহীন পদের পরিচয় নিয়ে — বাক্যের পদগুলো কখনো অর্থহীন হয় না, বরং পূর্ণ অর্থ প্রকাশের জন্যই পদগুলো একটি নির্দিষ্ট নিয়মে বসে। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্য তৈরি মানেই কর্তা আর ক্রিয়ার সঠিক মেলবন্ধন। মনে রাখবে, বাংলা বাক্যের সাধারণ গঠন হলো কর্তা, কর্ম এবং সবার শেষে ক্রিয়া। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য প্রকরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বাক্যের পদবিন্যাস এবং কারকের অবস্থান ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
26. কোন আলঙ্কারকে ঐতিহাসিক চরিত্র আছে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অন্নদামঙ্গল ১. কেন সঠিক: - অন্নদামঙ্গল কাব্যে ভবানন্দ মজুমদারের বংশের ইতিহাস এবং নদিয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের পূর্বপুরুষদের কথা থাকায় এটি ঐতিহাসিক চরিত্র বা ঐতিহাসিক উপাদান সমৃদ্ধ মঙ্গলকাব্যের মর্যাদা পেয়েছে। - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার শেষ উল্লেখযোগ্য কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর এটি রচনা করেন এবং এতে সমসাময়িক রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর অষ্টাদশ শতকের বিশিষ্ট কবি এবং নদিয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভার কবি ছিলেন। - এই কাব্যটি তিনটি খণ্ড নিয়ে গঠিত, যার নাম অন্নদা মহিমা, বিদ্যাসুন্দর এবং মানসিংহ বা ভবানন্দ উপাখ্যান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্যের মানসিংহ উপাখ্যান অংশ। ব্যাখ্যা: এই অংশে ঐতিহাসিক চরিত্র রাজা মানসিংহ এবং বাংলার বারো ভুঁইয়াদের মধ্যকার সংঘর্ষের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের অন্নদামঙ্গল কাব্য। ব্যাখ্যা: এই কাব্যের ভবানন্দ উপাখ্যানে নদিয়ার রাজবংশের আদি পুরুষের উত্থানের ইতিহাস পাওয়া যায়, যা ঐতিহাসিক তথ্যের ওপর নির্ভরশীল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনসামঙ্গল — এটি সর্পদেবী মনসার পূজা প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত এবং এতে কোনো ঐতিহাসিক চরিত্রের উপস্থিতি নেই। B) চণ্ডীমঙ্গল — এটি দেবী চণ্ডীর মহিমা প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত কাল্পনিক ও পৌরাণিক উপাখ্যান নির্ভর কাব্য। D) ধর্মমঙ্গল — এটি লাউসেনের বীরত্ব এবং ধর্ম ঠাকুরের পূজা প্রচারের কাহিনি নিয়ে রচিত, যেখানে ঐতিহাসিকতার চেয়ে বীরত্বগাথা বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - অন্নদামঙ্গল কাব্যে রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের বংশের ইতিহাস ও মানসিংহের অভিযানের কথা আছে, তাই এটি ঐতিহাসিক চরিত্র বা উপাদান সমৃদ্ধ মঙ্গলকাব্য। - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যগুলোর মধ্যে একমাত্র ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গলেই মুঘল আমলের ঐতিহাসিক পটভূমি ও চরিত্রের স্পষ্ট ছোঁয়া পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরকে রায়গুণাকর উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন নদিয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্র। - মঙ্গলকাব্য ধারার শেষ কবি হিসেবে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
27. কোন কাব্যে অলাওল ব্যক্তিগত জীবনের কথা লিখেছেন?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পদ্মাবতী ১. কেন সঠিক: - মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি সৈয়দ আলাওল তাঁর 'পদ্মাবতী' কাব্যে নিজস্ব ব্যক্তিগত জীবনের কিছু কথা ও পৃষ্ঠপোষকদের পরিচয় তুলে ধরেছেন। - মহাকবি মালিক মোহাম্মদ জায়সির 'পদুমাবত' অবলম্বনে রচিত এই কাব্যে কবির ব্যক্তিজীবনের নানা দুঃখ-কষ্ট ও আরাকান রাজসভার ইতিহাস স্থান পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ আলাওল সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজসভার সবচেয়ে প্রখ্যাত ও বহুমুখী প্রতিভাসম্পন্ন বাঙালি কবি। - তাঁর বিখ্যাত কাব্য 'পদ্মাবতী' ছাড়াও 'সপ্তপয়কর', 'সৈফুলমুলক বদিউজ্জামান', 'সিকান্দারনামা' ও 'তোহফা' কাব্য বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলাওলের পদ্মাবতী ব্যাখ্যা: এই মহাকাব্যের শেষাংশে কবি নিজের জন্ম, বংশপরিচয় এবং আরাকান রাজসভায় আসার ব্যক্তিগত ইতিহাস সবিস্তারে বর্ণনা করেছেন। উদাহরণ ২: মধ্যযুগের কবিদের আত্মপরিচয় ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের অনেক কবি তাঁদের কাব্যের শুরুতে বা শেষে ভনিতা কিংবা আত্মপরিচয়ের মাধ্যমে নিজ জীবনের ঐতিহাসিক তথ্য প্রদান করতেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মাবতী — এই কাব্যে কবি তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের কথা ও পৃষ্ঠপোষক মাগন ঠাকুরের কথা সবিস্তারে লিখেছেন। B) হপ্ত পয়কর — এটি নিযামী গানজভীর ফার্সি কাব্যের অনুবাদ এবং এতে ব্যক্তিগত জীবন নয়, বরং রোমান্টিক ও নৈতিক কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। C) সেকেন্দার নামা — এটিও ফার্সি কাব্যের অনুবাদ এবং এতে গ্রিক বীর সিকান্দারের যুদ্ধ ও বিজয় অভিযানের কাহিনী রয়েছে। D) সয়ফুলমূলক — এটি একটি প্রণয়োপাখ্যানমূলক অনূদিত কাব্য যেখানে রাজকুমার সাইফুলমুলকের কাল্পনিক প্রেমের কাহিনী বর্ণনা করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - আলাওলের আত্মজীবনীমূলক তথ্যের জন্য 'পদ্মাবতী' কাব্যটি মনে রাখতে হবে। - মধ্যযুগের যে কয়টি কাব্যে কবির ব্যক্তিগত জীবনের ছোঁয়া পাওয়া যায়, তার মধ্যে পদ্মাবতী অন্যতম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি আলাওলের আত্মজীবনীমূলক রচনা কোনটি, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। - আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি হিসেবে আলাওল এবং তাঁর অনূদিত কাব্যগুলোর নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
29. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসে কোন জীবনদর্শনের রূপায়ণ ঘটেছে?
Created 1 week ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অস্তিত্ববাদ ১. কেন সঠিক: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসে মানুষের নিঃসঙ্গতা, অস্তিত্বের সংকট এবং নৈতিক দায়িত্ববোধের চরম প্রকাশ ঘটেছে। - উপন্যাসের মূল চরিত্র আরেফ একজন স্কুলশিক্ষক, যিনি একটি আকস্মিক খুনের ঘটনার মধ্য দিয়ে নিজের অস্তিত্ব এবং মূল্যবোধের মুখোমুখি হন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা উপন্যাসে মনস্তাত্ত্বিক ধারা এবং অস্তিত্ববাদী দর্শনের প্রবক্তা হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। - ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে বাহ্যিক ঘটনার চেয়ে ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও আত্মোপলব্ধি প্রধান হয়ে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'লালসালু' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি সমাজজীবনের অন্ধবিশ্বাস ও কপটতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের এক অনন্য সাহিত্যিক দলিল। উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'কাঁদো নদী কাঁদো' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসেও মানুষের একক অস্তিত্ব এবং জীবনের ট্র্যাজিক পরিণতি গভীরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাক্সবাদ — এই উপন্যাসের মূল সুর শ্রেণি সংগ্রাম বা সমাজ বিপ্লব নয়, বরং ব্যক্তির মনস্তত্ত্ব ও অস্তিত্বের সংকট। B) বাস্তববাদ — উপন্যাসটিতে বাস্তব জীবনের চিত্র থাকলেও এর মূল দর্শন মনস্তাত্ত্বিক ও অস্তিত্ববাদী চেতনাকে ধারণ করে। D) পরাবাস্তববাদ — এই রচনায় অবাস্তব বা স্বপ্নের কোনো মিশ্রণ নেই, বরং এটি বাস্তব জীবনের কঠিন মানসিক দ্বন্দ্বভিত্তিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাসের মূল সুর হলো অস্তিত্ববাদ ও মনস্তত্ত্ব। - 'চাঁদের অমাবস্যা' মানে ব্যক্তির ভেতরকার অন্ধকার ও অস্তিত্বের সন্ধান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসের প্রকাশকাল হলো ১৯৬৪ সাল এবং এর প্রধান চরিত্র আরেফ। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের দর্শনভিত্তিক উপন্যাসের নাম প্রায়ই জিজ্ঞাসা করা হয়।
31. 'হরফের ছড়া' কার লেখা বর্ণশিক্ষার বই?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফররুখ আহমদ ১. কেন সঠিক: - 'হরফের ছড়া' হলো বিশিষ্ট কবি ফররুখ আহমদ রচিত শিশুদের জন্য লেখা একটি বর্ণশিক্ষার বই। - এই গ্রন্থে ছড়ার ছন্দে বাংলা বর্ণমালা ও শব্দ গঠনের দারুণ উপস্থাপন করা হয়েছে যা শিশুমনে ভাষা শেখার আগ্রহ তৈরি করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ফররুখ আহমদ বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান মুসলিম কবি ও সনেটকার। - তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে 'সাত সাগরের মাঝি' ও 'পাখির বাসা' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখির বাসা ব্যাখ্যা: এটি ফররুখ আহমদ রচিত শিশুদের জন্য লেখা একটি বিখ্যাত ছড়ার বই। উদাহরণ ২: হাতেম তাই ব্যাখ্যা: এটিও কবি ফররুখ আহমদ রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ও শিশুতোষ রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি বাংলা বর্ণশিক্ষার প্রাথমিক বই 'বর্ণপরিচয়' রচনা করেছেন, 'হরফের ছড়া' নয়। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী কবি, 'হরফের ছড়া' তাঁর কোনো বর্ণশিক্ষার বই নয়। C) ফররুখ আহমদ — এই অপশনটি সঠিক এবং তাঁর রচিত শিশুসাহিত্য এটি। D) বন্দে আলী মিঞা — ইনি বিখ্যাত 'ময়নামতির চর' কাব্যের রচয়িতা, 'হরফের ছড়া' তাঁর লেখা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ছোটদের জন্য লেখা 'হরফের ছড়া' দেখলে মনে রাখবে এর কারিগর ইসলামী জাগরণের কবি ফররুখ আহমদ। - বর্ণশিক্ষার বই হিসেবে বিদ্যাসাগরের 'বর্ণপরিচয়' যেমন বিখ্যাত, তেমনি ছড়ার বই হিসেবে ফররুখ আহমদের 'হরফের ছড়া' স্মরণীয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শিশুসাহিত্যিক হিসেবে ফররুখ আহমদের ছড়ার বইগুলোর নাম প্রায়ই আসে। - কবি ফররুখ আহমদের জন্মঝিনাইদহ জেলায় এবং তাঁকে মুসলিম রেনেসাঁসের কবি বলা হয়।
32. 'রক্তকরবী' নাটকের অন্তর্গত বিষয় কী?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পুঁজিবাদের নেতিবাচক প্রভাব দেখানো ১. কেন সঠিক: - এই নাটকে ধনতান্ত্রিক বা পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থার অমানবিক রূপ এবং মানুষের যান্ত্রিক জীবন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - যক্ষপুরীর রাজা ও সর্দারদের মাধ্যমে মানুষের চেয়ে সম্পদের লোভ ও শোষণকে বড় করে তোলার বিষয়টি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নাটকটির রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৬ সালে। - এই প্রতীকধর্মী নাটকে মানুষের মুক্তি ও প্রেমের জয়গান গাওয়া হয়েছে যান্ত্রিক সভ্যতার বিরুদ্ধে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'মুক্তধারা' নাটক। ব্যাখ্যা: এটিও একটি প্রতীকধর্মী নাটক যেখানে যন্ত্রসভ্যতার বিরুদ্ধে মানুষের অধিকার ও স্বাধীনতার সংগ্রামের কথা বলা হয়েছে। উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'বহিপীর' নাটক। ব্যাখ্যা: এটি সামাজিক ও ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে প্রতিবাদের একটি বিখ্যাত নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নতুনদের জয়গান গাওয়া — রক্তকরবী নাটকের মূল বিষয় এটি নয়, বরং এটি মূলত যান্ত্রিকতা ও শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের নাটক। B) সামন্তবাদের বিলুপ্তি দেখানো — নাটকটির মূল প্রেক্ষাপট সামন্তবাদ নয়, বরং আধুনিক পুঁজিবাদী ও যান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা। C) শ্রমিকদের অপ্রাপ্তি তুলে ধরা — শ্রমিকদের যন্ত্রণার কথা থাকলেও সামগ্রিকভাবে এটি পুঁজিবাদের সার্বিক নেতিবাচক প্রভাবের রূপক। D) পুঁজিবাদের নেতিবাচক প্রভাব দেখানো — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ নাটকটিতে পুঁজিবাদের আগ্রাসন দেখানো হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - রক্তকরবী নাটক মানেই রবীন্দ্রনাথম ঠাকুরের লেখা পুঁজিবাদ ও যন্ত্রসভ্যতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের এক অনন্য প্রতীকী শিল্পকর্ম। - রবীন্দ্রনাথের প্রতীকী নাটক মনে রাখতে রক্তকরবী, মুক্তধারা এবং রাজা এই তিনটি নাম একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতীকী নাটকগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - রক্তকরবী নাটকের প্রকাশকাল এবং এর মূল ভাব বা প্রতীকার্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
33. মীর মোশাররফ হোসেন সম্পর্কে কোন তথ্যটি যথার্থ নয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিবি কুলসুম তার প্রথম স্ত্রী ১. কেন সঠিক: - মীর মোশাররফ হোসেনের প্রথম স্ত্রীর নাম বিবি কুলসুম নয়, বরং তার প্রথম স্ত্রীর নাম আজিিজুন্নেসা বা বিবি কুলসুম নয় মোিনা খাতুন। তবে তার পত্নী সংক্রান্ত তথ্যে বিবি কুলসুম নামটি সঠিক নয়। - প্রশ্নটিতে কোনটি যথার্থ নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে, আর মীর মোশাররফ হোসেনের প্রথম স্ত্রীর নাম বিবি কুলসুম এই তথ্যটি ভুল হওয়ায় অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মীর মোশাররফ হোসেন বাংলা গদ্যসাহিত্যের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ ও ঔপন্যাসিক। তিনি ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়ার রাজহীপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর মারা যান। - তার বিখ্যাত উপন্যাস বিষাদ সিন্ধু মহাকাব্যিক ঢঙে রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস যা তিনটি খণ্ডে সমাপ্ত হয়েছে। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু উপন্যাস ব্যাখ্যা: এটি মীর মোশাররফ হোসেনের সর্বশ্রেষ্ঠ ও তিন খণ্ডে বিভক্ত অমর সাহিত্যকীর্তি। উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ নাটক ব্যাখ্যা: নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রচিত মীর মোশাররফ হোসেনের একটি বিখ্যাত নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিন খণ্ডে 'বিষাদ সিন্ধু' রচনা করেন — এই তথ্যটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসটি মহরমের ইতিহাস নিয়ে তিনটি খণ্ডে রচিত হয়েছে। B) নিজের জীবনী রচনা করেন — মীর মোশাররফ হোসেন আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ কুলসুম জীবনী ও আমার জীবনী রচনা করেছেন। C) জমিদারি দেখাশোনা করেছেন — তিনি কিছুকাল নবাব পরিবারে জমিদারি দেখাশোনার কাজ করেছেন যা তার কর্মজীবনের একটি অংশ। D) বিবি কুলসুম তার প্রথম স্ত্রী — এই তথ্যটি সঠিক নয় কারণ তার প্রথম স্ত্রীর নাম আজিজুন্নেসা এবং বিবি কুলসুম তার প্রথম স্ত্রী নন, তাই এটিই সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: মীর মোশাররফ হোসেনের প্রথম স্ত্রীর নাম আজিজুন্নেসা এবং তার আত্মজীবনীর নাম আমার জীবনী। বিষাদ সিন্ধু তিনটি খণ্ডে বিভক্ত ইমাম হোসেনের শাহাদাতকে কেন্দ্র করে রচিত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মীর মোশাররফ হোসেনের প্রথম গদ্যগ্রন্থ রত্নাবলী এবং প্রথম নাটক বসূতী। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তার রচিত উপন্যাস, নাটক ও আত্মজীবনী থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
34. জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুর পর কোন কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রূপসী বাংলা ১. কেন সঠিক: জীবনানন্দ দাশ ১৯৫৪ সালের ২২ অক্টোবর মারা যান এবং তার মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থে বাংলার প্রকৃতি ও রূপের চিত্র অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জীবনানন্দ দাশ বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি ও লেখক। রূপসী বাংলা তার মৃত্যুর পর আবিষ্কৃত এবং প্রকাশিত একটি অনন্য প্রকৃতির কাব্যগ্রন্থ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেলা অবেলা কালবেলা ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুর পর প্রকাশিত আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: মহাপৃথিবী ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের জীবদ্দশায় প্রকাশিত অন্যতম প্রধান কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঝরা পালক — এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ এবং এটি ১৯২৭ সালে তার জীবদ্দশায় প্রকাশিত হয়। B) রূপসী বাংলা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি তার মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়েছিল। C) সাতটি তারার তিমির — এটি জীবনানন্দ দাশের জীবদ্দশায় প্রকাশিত একটি কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়। D) বনলতা সেন — এটি জীবনানন্দ দাশের জীবদ্দশায় প্রকাশিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৪২ সালে প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুর পর প্রকাশিত প্রধান কাব্য হলো রূপসী বাংলা। মৃত্যুর পরের রূপ মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ঝরা পালক এবং মৃত্যুর পর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ রূপসী বাংলা। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
35. 'তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম না হইব কেন?' - কোন উপন্যাসে আছে?
Created 1 week ago | Updated 5 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্কিমচন্দ্রের 'কপালকুণ্ডলা' ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত প্রবাদতুল্য উক্তিটি বাংলা উপন্যাসের আদিগুরু বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কপালকুণ্ডলা' উপন্যাসের একটি অত্যন্ত পরিচিত সংলাপ। - উপন্যাসের প্রধান চরিত্র নবকুমারকে উদ্দেশ্য করে কাপালিকের মুখে বা কপালকুণ্ডলার পারিপার্শ্বিক প্রসঙ্গে এই ধরনের মানবজীবনের গভীর সত্য প্রকাশ পায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত। - 'কপালকুণ্ডলা' তাঁর দ্বিতীয় এবং একটি রোমান্টিক উপন্যাস, যা প্রকাশিত হয় ১৮৬৬ সালে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'দুর্গেশনন্দিনী' বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটি ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে আধুনিক উপন্যাসের যুগ শুরু হয়। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বিষবৃক্ষ' একটি সামাজিক উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে দেশীয় সমাজের পরকীয়া প্রেম ও তার পরিণতি তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্রের 'কপালকুণ্ডলা' — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উপন্যাসের সঙ্গেই এই বিখ্যাত সংলাপটি সরাসরি যুক্ত আছে। B) রবীন্দ্রনাথের 'গোরা' — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বৃহত্তম ও শ্রেষ্ঠ সামাজিক উপন্যাস, যার মূল বিষয়বস্তু ভারতীয় জাতীয়তাবাদ ও ধর্মীয় গোঁড়ামি। C) শরৎচন্দ্রের 'চরিত্রহীন' — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত সমাজভিত্তিক উপন্যাস যেখানে নরনারীর জটিল প্রেম ও চরিত্র বিশ্লেষণ করা হয়েছে। D) বিভূতিভূষণের 'আরণ্যক' — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি প্রকৃতিভিত্তিক অরণ্যজীবন নির্ভর উপন্যাস যার পটভূমি ছিল মহিষাদলের জঙ্গল। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসের প্রবাদতুল্য সংলাপগুলো পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। - 'তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম না হইব কেন' উক্তিটি দেখলে চোখ বুজে বঙ্কিমচন্দ্রের রোমান্টিক উপন্যাস কপালকুণ্ডলা দাগাবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো নবকুমার ও মতিবিবি বা কাপালিক। - একই রকমভাবে বঙ্কিমচন্দ্রের অন্যান্য উপন্যাসের বিখ্যাত চরিত্র ও সংলাপগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভালোভাবে পড়তে হবে।
36. 'ঢাকা প্রকাশ' সাপ্তাহিক পত্রিকাটির প্রথম সম্পাদক কে?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার ১. কেন সঠিক: 'ঢাকা প্রকাশ' বাংলার একটি প্রাচীন ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাপ্তাহিক পত্রিকা। এই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১৮৬১ সালের চৌঠা মার্চ ঢাকা থেকে 'ঢাকা প্রকাশ' পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকার প্রথম প্রণেতা বা উদ্যোক্তা ছিলেন পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এবং এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাচার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকের একটি বিখ্যাত সাপ্তাহিক পত্রিকা যা ১৮১৮ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বঙ্গদূত ব্যাখ্যা: এটি ১৮২৯ সালে প্রকাশিত একটি ঐতিহাসিক সাপ্তাহিক পত্রিকা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি 'ঢাকা প্রকাশ' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন। B) সিকান্দর আবু জাফর — তিনি ষাটের দশকের বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা 'সমকাল'-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন। C) রামানন্দ চট্টোপাধ্যায় — তিনি বিখ্যাত মাসিক পত্রিকা 'প্রবাসী' এবং 'মডার্ন রিভিউ' এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। D) শামসুর রহমান — তিনি বাংলাদেশের প্রথিতযশা কবি এবং জীবনের বিভিন্ন সময়ে সাংবাদিকতা পেশার সাথে যুক্ত ছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: ঢাকা প্রকাশের প্রথম সম্পাদক কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার, এটি মনে রাখতে ঢাকা প্রকাশের 'ঢ' এবং কৃষ্ণচন্দ্রের 'ক' যুক্ত করে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সাংবাদিকতা ও পত্রিকার ইতিহাস থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই প্রথম প্রকাশিত পত্রিকা ও সম্পাদকদের নাম ভালোভাবে পড়তে হবে।
37. A speech made without any previous thought, preparation or practice is called a/an-
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Extempore speech কেন সঠিক: এই ধরনের বক্তব্য বা বক্তৃতা কোনো রকম পূর্বপ্রস্তুতি বা চিন্তা ছাড়াই তাৎক্ষণিকভাবে প্রদান করা হয়। ইংরেজিতে পূর্বপ্রস্তুতিহীন বক্তব্যকে এক কথায় এক্সটেম্পোর স্পিচ বলা হয়। এটি বক্তার তাৎক্ষণিক বুদ্ধিমত্তা ও দক্ষতার প্রকাশ ঘটায়। এই শব্দের মূল অর্থই হলো বিনা প্রস্তুতিতে কিছু বলা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rousing speech — এটি এমন একটি আবেগময় ভাষণ যা শ্রোতাদের মনে প্রচণ্ড উৎসাহ, উদ্দীপনা বা উত্তেজনার সৃষ্টি করে। B) Extempore speech — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় এবং এটি পূর্বপ্রস্তুতিহীন বক্তব্যকে বোঝায়। C) Maiden speech — এটি মূলত কোনো ব্যক্তির জীবনে দেওয়া প্রথম সরকারি বক্তব্য বা ভাষণকে নির্দেশ করে। D) Free speech — এটি কোনো পূর্বপ্রস্তুতিহীন বক্তব্য নয়, বরং এটি সরকারের সেন্সরশিপ ছাড়াই মানুষের স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশের অধিকারকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: এক্সটেম্পোর শব্দটির অর্থ হলো তাৎক্ষণিক, তাই বিনা প্রস্তুতির ভাষণ মানেই এক্সটেম্পোর স্পিচ।
38. Which one has the identical singular and plural form?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Dice কেন সঠিক: Dice শব্দটি এমন একটি বিশেষ ইংরেজি শব্দ যার একবচন এবং বহুবচন রূপ সম্পূর্ণ এক। তাই বাক্য বা ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে এটি singular বা plural উভয় হিসেবেই ব্যবহৃত হতে পারে। ডাইস শব্দটি খেলার ছক্কা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এই শব্দের ক্ষেত্রে আলাদা করে কোনো s বা es যুক্ত হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Memorandum — এটি একটি singular শব্দ এবং এর সঠিক plural রূপ হলো Memoranda। B) Stimulus — এটি একটি singular শব্দ এবং এর সঠিক plural রূপ হলো Stimuli। C) Dice — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো রূপ প্রযোজ্য নয়। D) Oasis — এটি একটি singular শব্দ এবং এর সঠিক plural রূপ হলো Oases। মনে রাখার টিপস: কিছু শব্দের একবচন ও বহুবচন একই থাকে, যেমন- Dice, Sheep, Deer ইত্যাদি।
39. Select the sentence in which 'fast' is adverb:
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Don't drive so fast! কেন সঠিক: এখানে fast শব্দটি drive ভার্বটিকে মডিফাই করছে এবং কীভাবে ড্রাইভ করতে নিষেধ করা হচ্ছে তার মাত্রা বোঝাচ্ছে। ভার্বকে বিশেষিত করার কারণে এই বাক্যে fast একটি অ্যাডভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: B) Technology is expanding at fast pace. — এখানে fast শব্দটি pace নাউনের আগে বসে তাকে মডিফাই করায় এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ। C) Usashi went on a 24-hour fast to detox — এখানে fast শব্দটি একটি নাউন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ উপবাস। D) Muslims fast during Ramadan. — এখানে fast শব্দটি সরাসরি কাজ বোঝাচ্ছে তাই এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়াপদ। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দ যখন ভার্বকে মডিফাই করে তখন তা অ্যাডভার্ব হয়, নাউনের আগে বসলে অ্যাডজেক্টিভ হয় এবং একা নাউনের কাজ করলে নাউন হয়।
40. 'It was a cowardly attack on a defenseless man.' Here 'cowardly' is/an ___
Created 1 week ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) adjective কেন সঠিক: এখানে cowardly শব্দটি attack নামক নাউনটির ঠিক আগে বসে তার দোষ বা গুণ প্রকাশ করেছে। ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী নাউনের দোষ বা গুণ প্রকাশকারী শব্দকে adjective বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adverb — এটি কোনো ভার্ব, অ্যাডজেক্টিভ বা অন্য অ্যাডজেক্টিভকেmodify করে না, তাই এটি অ্যাডভার্ব নয়। B) adjective — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নাউনকে বিশেষিত করেছে। C) noun — এটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা জায়গার নাম বোঝায় না, তাই এটি নাউন নয়। D) conjunction — এটি দুটি শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করার কাজ করে না, তাই এটি কনজাংশন নয়। মনে রাখার টিপস: সাধারণত noun-এর সাথে -ly যুক্ত হলে তা adjective হয়, যেমন- cowardly, friendly।
41. 'The river flows past the village' Here 'past' is a/an-
Created 1 week ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) preposition কেন সঠিক: - 'past' শব্দটি এখানে একটি noun (the village) এর পূর্বে বসে নদী এবং গ্রামের মধ্যে সম্বন্ধ প্রকাশ করেছে। - noun বা pronoun এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সাথে যে শব্দ সম্পর্ক তৈরি করে তা preposition হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু এখানে 'past' কোনো নাম বোঝাচ্ছে না বরং সম্পর্ক নির্দেশ করছে। B) verb — verb হলো কাজের নাম, কিন্তু এখানে 'past' কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝাচ্ছে না। C) adverb — adverb সাধারণত verb, adjective বা অন্য adverb কে modify করে, কিন্তু এখানে 'past' তা করছে না। D) preposition — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে 'past' একটি noun এর পূর্বে বসে preposition হিসেবে কাজ করেছে। মনে রাখার টিপস: noun বা pronoun এর ঠিক আগে বসে যদি দিক বা অবস্থান বোঝায়, তবে সেটি সাধারণত preposition হয়।
42. 'Ihana sleeps only four hours a night.' In this sentence the verb 'sleeps' is-
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Intransitive কেন সঠিক: এই বাক্যে 'sleeps' ভারบটির পর কোনো অবজেক্ট নেই এবং কর্তা নিজেই ঘুমানোর কাজ সম্পন্ন করছে। intransitive বা অকর্মক verb-এর কোনো অবজেক্ট থাকে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Causative — এই ভার্বটি অন্য কাউকে দিয়ে কোনো কাজ করায় না, কারণ এখানে কর্তা নিজেই ঘুমায়। C) Transitive — এই ভার্বটির কোনো অবজেক্ট নেই, তাই এটি সকর্মক বা transitive হতে পারে না। D) Factitive — এই ভার্বটি কোনো ফ্যাক্টিভ বা দ্বিকর্মক ভার্ব নয় যা অবজেক্টের অতিরিক্ত পরিপূরক গ্রহণ করে। মনে রাখার টিপস: যে ভার্বকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে কোনো উত্তর পাওয়া যায় না, সেটাই অকর্মক বা intransitive verb.
43. 'He started teaching Hamlet.' Here 'teaching' is a/an-
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Gerund কেন সঠিক: এখানে 'teaching' শব্দটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে বাক্যে object এর কাজ করেছে এবং noun এর ভূমিকা পালন করেছে। Verb এর এই noun এর মতো কাজ করার ধর্মকে Gerund বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Participle — এটি adjective বা verb এর কাজ করে, কিন্তু এখানে এটি noun হিসেবে বসেছে। B) Infinitive — এটি সাধারণত to + verb হয়, যা এই বাক্যে নেই। C) Verbal noun — এটি noun হলেও এর আগে the এবং পরে of থাকার নিয়ম থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত। D) Gerund — এটি সঠিক কারণ এটি verb থেকে উৎপন্ন হয়ে noun এর কাজ সম্পন্ন করেছে। মনে রাখার টিপস: Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি একই সাথে verb এবং noun এর কাজ করে, তবে তাকে Gerund বলে।
44. Fill in the blank with the appropriate preposition: 'She was married ___ rich man'.
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to কেন সঠিক: ১. ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিবাহ বা সম্বন্ধ বোঝাতে 'married' শব্দের পরে 'to' প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়। ২. এখানে কোনো ব্যক্তির সাথে অন্য কারো বিয়ে হওয়া বোঝাচ্ছে, তাই সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে 'to' বসবে। ৩. বাংলা অর্থ দাঁড়ালায় সে একজন ধনী ব্যক্তিকে বিয়ে করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — 'married with' গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং প্রথাগত ইংরেজি ব্যবহারে এটি গৃহীত হয় না। B) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) of — 'married of' এর কোনো অর্থ হয় না এবং এটি বাক্যটিকে অর্থহীন করে তোলে। D) off — 'married off' একটি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ পাত্রস্থ করা, যা এই শূন্যস্থানের জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বিয়ে হওয়া বোঝালে সবসময় 'married' এর পরে 'to' প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
45. Which gender is the word 'sibling'?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Common কেন সঠিক: 'Sibling' শব্দটি দিয়ে ভাই বা বোন উভয়কেই বোঝানো হয়। তাই এটি কমন জেন্ডার বা উভয়লিঙ্গ হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Masculine — এটি পুরুষবাচক জেন্ডার বোঝায়, কিন্তু sibling দ্বারা শুধু ভাই বোঝায় না। B) Feminine — এটি স্ত্রীবাচক জেন্ডার বোঝায়, কিন্তু sibling দ্বারা শুধু বোন বোঝায় না। C) Neuter — এটি অচেতন বস্তু বোঝায়, কিন্তু sibling একজন জীবিত মানুষ। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ দিয়ে পুরুষ বা নারী উভয়কেই বোঝায়, তাকে Common Gender বলে।
46. Find out the correctly spelt word:
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Reminiscence কেন সঠিক: শব্দটির সঠিক বানান হলো আর-ই-এম-আই-এন-আই-এস-সি-ই-এন-সি-ই যার অর্থ স্মৃতিচারণ। এখানে মাঝের অংশে 'nis' এবং শেষের অংশে 'scence' যুক্ত হয়ে সঠিক রূপ গঠন করেছে। এটি একটি বহুল ব্যবহৃত কঠিন ইংরেজি বানান যা নিয়ম মেনে গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Reminiscence — এটি সঠিক বানান হওয়ায় এই অপশনটি বিজয়ী হয়েছে এবং এর গঠন সম্পূর্ণ নির্ভুল। B) Reminescence — বানানটিতে শেষের দিকে 'scence' এর পরিবর্তে ভুলভাবে 'cence' ব্যবহার করা হয়েছে। C) Remeniscene — বানানটির শুরুর দিকে 'remi' এর বদলে ভুলভাবে 'reme' এবং শেষে ভুল বানান রয়েছে। D) Renunicence — এটি সম্পূর্ণ একটি ভুল শব্দ এবং এর বানান মূল শব্দের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: শব্দটিকে রেমি (Remi), নিস (nis) এবং সেন্স (cence) এই তিন ভাগে ভাগ করে সহজে মনে রাখা যায়।
47. The idiom 'Smell a rat' means to ___
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) suspect something wrong কেন সঠিক: এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ ইঁদুরের গন্ধ পাওয়া হলেও এর ভাবার্থ হলো কোনো কিছুতে গণ্ডগোল বা সমস্যা আছে বলে সন্দেহ করা। সাধারণত কোনো বিপজ্জনক বা অসৎ কাজের আভাস পেলেই মানুষ এই প্রবাদটি ব্যবহার করে থাকে। ইংরেজি ভাষাভাষী মানুষরা গোপনে কিছু রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঘুরছে বুঝতে পারলে এটি বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) detect bad smell — এটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ ইডিয়মটির ভাবার্থ কোনো দুর্গন্ধ শোঁকা বোঝায় না। B) be in a bad mood — এটি ভুল কারণ মেজাজ খারাপ থাকাকে এই প্রবাদটি দ্বারা প্রকাশ করা হয় না। C) suspect something wrong — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) see hidden meaning — এটি ভুল কারণ কোনো গোপন অর্থ খোঁজার সাথে এই ইডিয়মের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: বাড়িতে ইঁদুর লুকিয়ে থাকলে যেমন সন্দেহ হয়, তেমনি কোনো অসৎ কাজের গন্ধ পেলে সন্দেহ করাকেই 'Smell a rat' বলে।
48. Select the synonym for 'inclement'.
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Rough কেন সঠিক: Inclement শব্দের অর্থ হলো আবহাওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর, নির্মম বা প্রতিকূল। এর সাথে Rough বা রুক্ষ প্রকৃতির অর্থের মিল রয়েছে। তাই সঠিক সমার্থক শব্দ হলো Rough। এটি মূলত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Affable — এর অর্থ হলো অমায়িক বা বন্ধুবৎসল, যা inclement শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Mild — এর অর্থ হলো মৃদু বা শান্ত, যা inclement শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) Rough — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Genial — এর অর্থ হলো হাসিখুশি বা বন্ধুভাবাপন্ন, যা inclement শব্দের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: Inclement weather মানে খারাপ বা রুক্ষ আবহাওয়া, এভাবে Rough শব্দের সাথে মিলিয়ে মনে রাখা যায়।
49. Tell me frankly why you did this. The underlined part is a/ an___
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Noun clause কেন সঠিক: - আন্ডারলাইন করা অংশটি প্রধান ক্লজ বা verb (tell)-এর object হিসেবে কাজ করেছে এবং কী (what) প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে। - এটি একটি subordinate clause যা একটি Noun-এর কাজ সম্পন্ন করায় Noun clause হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adjective clause — এটি কোনো noun বা pronoun-কে modify করে না, তাই এটি সঠিক নয়। B) Adverbial phrase — এটি কোনো single word নয় বরং verb বা adjective-কে modify করে না এবং এতে finite verb আছে। C) Adverbial clause — এটি সময়, কারণ বা স্থান নির্দেশ করে verb-কে modify করছে না। D) Noun clause — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি object-এর কাজ করেছে। মনে রাখার টিপস: principal clause-এর verb-কে কি বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করে উত্তর পেলে তা Noun clause হয়।
50. The prefix 'non' can be added to ___
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Partisan কেন সঠিক: Prefix 'non' সাধারণত কোনো বিশেষ গুণ, দল বা মতবাদকে অস্বীকার করতে ব্যবহৃত হয়। Partisan শব্দের পূর্বে non যুক্ত হয়ে non-partisan শব্দ গঠিত হয় যার অর্থ নিরপেক্ষ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Office — এই শব্দের পূর্বে non যুক্ত হয় না। এর সঠিক রূপ বোঝাতে off-office ব্যবহার করা হয়। B) Regular — এই শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে non নয় বরং ir যুক্ত হয়ে irregular হয়। D) Obey — এই শব্দের পূর্বে non যুক্ত হয় না। এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে dis যুক্ত হয়ে disobey হয়। মনে রাখার টিপস: কোনো রাজনৈতিক দল বা নির্দিষ্ট মতাদর্শ বোঝায় এমন শব্দের আগে সাধারণত non ব্যবহার করে নিরপেক্ষ বোঝানো হয়।
51. Identify the correct passive form: 'I heard her sing.'
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) She was heard to sing by me. কেন সঠিক: - Active বাক্যে hear, see, watch ইত্যাদির পর bare infinitive থাকলে Passive করার সময় তার আগে to যুক্ত করতে হয়। - প্রদত্ত বাক্যের Object 'her'-কে Subject হিসেবে এনে 'She was heard to sing by me' লেখা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She was heard sing by me. — এখানে bare infinitive এর পূর্বে প্রয়োজনীয় 'to' ব্যবহার করা হয়নি। B) She was heard to be sung by me. — এখানে অর্থ পরিবর্তিত হয়ে ভুল Passive গঠন তৈরি হয়েছে। C) She was heard sung by me. — এখানে 'sing' ভার্বটিকে সঠিক Infinitive রূপে রাখা হয়নি। D) She was heard to sing by me. — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক Passive রূপ। মনে রাখার টিপস: Hear এর পর bare infinitive থাকলে Passive করার সময় verb এর আগে to বসাতে হয়।
52. Which sentence is correct?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) One of my sisters is a nurse. কেন সঠিক: ১. "One of" এর পরে সবসময় plural noun বসে, তাই "sister" না হয়ে "sisters" হবে। ২. এখানে মূল subject হলো "One" যা singular, তাই verb হিসেবে "are" এর বদলে "is" বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) One of my sisters are a nurse — এখানে plural subject ভেবে ভুল করে verb "are" ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ আসল subject হলো "One" যা singular। B) One of my sister is a nurse — এখানে "One of" এর পরে noun কে singular রাখা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং "sisters" হওয়া উচিত ছিল। C) One of my sisters is a nurse — এটি সঠিক অপশন এবং সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলা হয়েছে। D) One of my sister's are a nurse — এখানে apostrophe ব্যবহার করে noun ভুলভাবে possessive করা হয়েছে এবং verb ও ভুল দেওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: "One of the" এর পরে noun বহুবচন হয় কিন্তু verb একবচন হয়।
53. Select the right determiner: 'She works as ___ FBI analyst.'
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) an কেন সঠিক: ১. শূন্যস্থানের পরের শব্দটি হলো FBI যার শুরুতে F অক্ষরটি একটি consonant হলেও এর উচ্চারণ করার সময় প্রথমে এ স্বরধ্বনি আসে। ২. ইংরেজি উচ্চারণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো শব্দের শুরুতে স্বরধ্বনি উচ্চারিত হলে তার পূর্বে an বসে। ৩. এখানে FBI একটি an-taking consonant sound শব্দ হিসেবে গণ্য হয়। ৪. তাই নিয়ম অনুযায়ী এখানে সঠিক determiner হবে an। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — শব্দের শুরুতে consonant sound থাকলে a বসে কিন্তু এখানে vowel sound উচ্চারিত হয়। B) an — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) the — নির্দিষ্ট করে কোনো বিশেষ FBI analyst বোঝাতে the বসে কিন্তু এখানে সাধারণ পদ বোঝানো হয়েছে। D) none — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দের প্রথম অক্ষর consonant হলেও উচ্চারণের সময় যদি স্বরধ্বনি বা vowel sound আগে আসে তবে a না বসিয়ে an বসাতে হবে।
54. 'We met Medha carrying a bouquet of red roses.' Here 'carrying' is a/an ___
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) participle কেন সঠিক: carrying শব্দটি এখানে noun এবং adjective উভয় কাজ করছে এবং Medha noun-টিকে বিশেষিত করছে। এটি verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে সরাসরি adjective-এর কাজ করায় এটি participle। বাকি অপশন কেন ভুল: A) gerund — এটি noun ও verb-এর কাজ করে, কিন্তু এখানে এটি সরাসরি adjective-এর কাজ করছে। B) infinitive — এটি verb-এর সাথে to যোগে গঠিত হয়, যা এখানে নেই। C) verbal noun — এটি noun-এর মতো কাজ করে এবং এর পূর্বে the ও পরে of বসে, যা এখানে অনুপস্থিত। D) participle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: noun-এর ঠিক পরে ing যুক্ত verb যদি সেই noun-কে বিশেষিত করে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে participle দাগাবে।
55. 'Five years have passed since his father died'. Identify the correct simple form of the sentence from the following options:
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) His father died five years ago. কেন সঠিক: মূল বাক্যে since যুক্ত Complex sentence কে Simple করতে হলে since এর আগের Present Indefinite Tense টিকে Past Indefinite Tense এ রূপান্তর করতে হয়। পাশাপাশি সময়ের উল্লেখ থাকায় বাক্যটিতে ago ব্যবহার করে সঠিক Simple sentence গঠন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) His father has died five years ago — অতীত নির্দেশক শব্দ থাকায় Present Perfect Tense ব্যবহার করা ভুল। B) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) His father has died for five years — মরার মতো একটি নির্দিষ্ট মুহূর্তের কাজ Perfect Tense এ দীর্ঘ সময় ধরে চলতে পারে না। D) His father died since five years — নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে since ব্যবহার না করে ago বা অন্য সঠিক preposition ব্যবহার করতে হয়। মনে রাখার টিপস: Complex বাক্যের since যুক্ত অংশকে Simple করার সময় Past Indefinite Tense ব্যবহার করতে হয় এবং শেষে ago বসে।
56. Choose the antonym of 'controversy':
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Unanimity কেন সঠিক: controversy শব্দের অর্থ হলো বিতর্ক বা মতবিরোধ। অন্যদিকে unanimity শব্দের অর্থ হলো সর্বসম্মত ঐক্য বা মতের মিল। তাই এটি মূল শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Contention — এর অর্থ বিতর্ক বা প্রতিযোগিতা, যা controversy শব্দের সমার্থক। B) Bickering — এর অর্থ ঝগড়া বা কথা কাটাকাটি, যা controversy শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। C) Unanimity — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Dispute — এর অর্থ বিরোধ বা বিবাদ, যা controversy শব্দের সমার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: Controversy মানে অনেক মত, আর Unanimity মানে সবার একমত।
57. 'For God's sake hold your tongue, and let me love.' This line is taken from the poem ___
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The Canonization কেন সঠিক: এই বিখ্যাত কবিতাটি সপ্তদশ শতাব্দীর বিশিষ্ট মেটাফিজিক্যাল কবি জন ডানের লেখা। কবিতাটির শুরুতেই বক্তা তার বিরক্তিকর বন্ধুকে চুপ করতে বলছেন যেন তিনি প্রেমে মন দিতে পারেন। জন ডানের অনেক কবিতায় এই ধরনের নাটকীয় ও মুখের ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। এই লাইনটি ইংরেজি সাহিত্য প্রেমীদের কাছে তার মেটাফিজিক্যাল রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To His Coy Mistress — এটি অ্যান্ড্রু মার্ভেলের লেখা একটি বিখ্যাত কবিতা যার মূল সুর ছিল সময়কে কাজে লাগিয়ে প্রেম নিবেদন করা। B) The Canonization — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। C) The Definition of Love — এটিও অ্যান্ড্রু মার্ভেলের লেখা একটি কবিতা যেখানে তিনি অসম্ভব প্রেমের গভীর রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন। D) The Sun Rising — এটি জন ডানের আরেকটি বিখ্যাত কবিতা যেখানে সূর্যকে প্রেমিক যুগলের ঘরে উঁকি না দেওয়ার জন্য তিরস্কার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: জন ডানের কবিতার শুরুতেই মুখ বন্ধ রাখার আকূতি দেখলে চোখ বন্ধ করে 'The Canonization' দাগিয়ে দেবে।
58. The one-act play 'Riders to the Sea' was written by ___
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) J. M. Synge কেন সঠিক: জে এম সিঞ্জ বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার ও সাহিত্যিক। তাঁর লেখা 'রাইডার্স টু দ্য সি' একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ক্লাসিক একাঙ্ক নাটক। আকস্মিক সমুদ্র দুর্ঘটনা এই নাটকের মূল উপজীব্য বিষয়। আইরিশ ড্রামাথিক আন্দোলনের তিনি একজন অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) G. B. Shaw — জর্জ বার্ন শ মূলত রাজনৈতিক ও সমাজ সংস্কারমূলক পূর্ণাঙ্গ নাটক লেখার জন্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত। B) John Galsworthy — জন গলসওয়ার্দি তাঁর সমাজ সচেতন উপন্যাস ও বাস্তববাদী নাটকের জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। C) J. M. Synge — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Oscar Wilde — অস্কার ওয়াইল্ড তাঁর হাস্যরসাত্মক নাটক এবং চমৎকার উইটপূর্ণ রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: সমুদ্রের ঢেউ এবং আইরিশ নাটক মনে এলে সবার আগে জে এম সিঞ্জের নাম মাথায় রাখবে।
59. 'Neither a borrower nor a lender be, For loan oft loses both itself and friend.' This extract is taken form Shakespeare's play ___
Created 1 week ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Hamlet কেন সঠিক: - উক্তিটি শেক্সপিয়রের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি হ্যামলেট নাটকের চরিত্র পলোনিয়াসের বিখ্যাত উপদেশমূলক সংলাপ। - নাটকের প্রথম অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে পোলোনিয়াস তাঁর পুত্র লিয়ারটেসকে ফ্রান্স যাত্রার সময় এই পরামর্শটি দিয়েছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Macbeth — এটি শেক্সপিয়রের একটি প্রধান ট্র্যাজেডি এবং এর বিষয়বস্তু রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ ও ক্ষমতার মোহ, ঋণ বা বন্ধুত্বের এই বিখ্যাত সংলাপটি এখানে নেই। B) King Lear — এটি শেক্সপিয়রের পারিবারিক সম্পর্ক ও অন্ধ অহংকার সম্পর্কিত ট্র্যাজেডি, যেখানে এই বিশেষ উদ্ধৃতিটি পাওয়া যায় না। C) Measure for Measure — এটি শেক্সপিয়রের একটি বিখ্যাত সমস্যা নাটক এবং নৈতিকতা ও ন্যায়বিচার এর মূল বিষয়, তাই এই উক্তিটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Hamlet — এই নাটকের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও জনপ্রিয় উদ্ধৃতি হলো ঋণ ও বন্ধুত্বের সম্পর্ক নিয়ে করা এই উপদেশমূলক বাণীটি। মনে রাখার টিপস: পিতা পলোনিয়াস পুত্র লিয়ারটেসকে হ্যামলেট নাটকে যে উপদেশ দিয়েছিলেন, তার প্রথম অংশই হলো ঋণ না করা ও ঋণ না দেওয়া বিষয়ক এই বিখ্যাত উক্তি।
60. Who composed the elegiac poem 'Thyrsis'?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Matthew Arnold কেন সঠিক: - 'Thyrsis' কবিতাটি বিখ্যাত ভিক্টোরিয়ান কবি ম্যাথু আর্নল্ডের লেখা একটি প্রখ্যাত শোকগাথা বা এলিজিয়াটিক কবিতা। - তিনি তাঁর বন্ধু ও কবি আর্থার হিউ ক্লাউফ-এর মৃত্যুর শোকে অক্সফোর্ডের গ্রামীণ প্রকৃতির পটভূমিতে এই কবিতাটি রচনা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Thomas Gray — এই কবি 'Elegy Written in a Country Churchyard' রচনার জন্য বিখ্যাত, 'Thyrsis' এর জন্য নয়। B) Matthew Arnold — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। C) John Milton — এই কবি বন্ধু এডওয়ার্ড কিং-এর স্মরণে 'Lycidas' নামে অন্য একটি বিখ্যাত শোকগাথা রচনা করেছিলেন। D) P. B. Shelley — এই কবি জন কিটসের স্মরণে 'Adonais' নামক শোকগাথা লিখেছিলেন, 'Thyrsis' লেখেননি। মনে রাখার টিপস: ম্যাথু আর্নল্ডের দুটি বিখ্যাত শোকগাথা হলো 'Thyrsis' এবং 'Scholar Gipsy'।
61. Who is the writer of the famous essay 'Tradition and the Individual Talent'?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) T. S. Eliot কেন সঠিক: টি এস এলিয়ট বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ কবি, নাট্যকার ও সাহিত্য সমালোচক। এই বিখ্যাত প্রবন্ধটি ১৯১৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং আধুনিক সাহিত্য সমালোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই প্রবন্ধে এলিয়ট সাহিত্যিক ঐতিহ্য এবং কবির স্বাতন্ত্র্য বা ব্যক্তিত্বের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) George Orwell — তিনি মূলত ডিস্টোপিয়ান উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত, যার মধ্যে নাইন্টিন এইটি ফোর অন্যতম। B) Aldous Leonard Huxley — তিনি একজন ইংরেজ লেখক যিনি ব্রেভ নিউ ওয়ার্ল্ড উপন্যাসের জন্য বেশি পরিচিত। C) Francis bacon — তিনি আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রবক্তা এবং বিখ্যাত প্রাবন্ধিক হলেও এই প্রবন্ধটি তার লেখা নয়। মনে রাখার টিপস: টি এস এলিয়টের নাম মনে রাখলেই Tradition and the Individual Talent প্রবন্ধটির কথা মাথায় আসবে।
62. 'Our sweetest songs are those that tell of saddest thought.' - This oft-quoted line occurs in Shelley's notable poem ___
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) To a Skylark কেন সঠিক: - লাইনটি পার্সি বিশি শেলির বিখ্যাত কবিতা 'To a Skylark' থেকে নেওয়া হয়েছে। - এই বিখ্যাত পংক্তিতে পাখির মধুর গানের সাথে মানুষের দুঃখ-বেদনা ও জীবনদর্শনের গভীর মিল দেখানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To a Skylark — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবিতাটিতেই আলোচ্য বিখ্যাত পংক্তিটি রয়েছে। B) Ode to the West Wind — এটি পার্সি বিশি শেলির আরেকটি বিখ্যাত ওড, তবে এখানে এই পংক্তিটি নেই। C) Adonais — এটি শেলির লেখা জন কিটসের মৃত্যুর ওপর রচিত একটি বিখ্যাত এলিজি বা শোককাব্য। D) The Cloud — এটি প্রকৃতির রূপ নিয়ে লেখা শেলির একটি জনপ্রিয় কবিতা, যার বিষয়বস্তু ও পংক্তি আলাদা। মনে রাখার টিপস: শেলির পাখির গান বা 'Skylark' শুনলে মিষ্টি বা 'sweetest' গান এবং দুঃখের ভাবনার কথা মনে রাখবে।
63. Who authored the futuristic novel 'Brave New World'?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Aldous Leonard Huxley কেন সঠিক: অলডুস হাক্সলি ১৯৩২ সালে বিখ্যাত ভবিষ্যৎবাদী উপন্যাস 'ব্রেভ নিউ ওয়ার্ল্ড' রচনা করেছিলেন। এটি আধুনিক প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের নিয়ন্ত্রিত একটি কাল্পনিক সমাজের চিত্র তুলে ধরে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) E. M. Forster — তিনি 'এ প্যাসেজ টু ইন্ডিয়া' উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। B) Aldous Leonard Huxley — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনিই এই বইটির লেখক। C) Virginia Woolf — তিনি চেতনাপ্রবাহ উপন্যাসের জন্য পরিচিত ঔপন্যাসিক। D) Graham Greene — তিনি নৈতিক জটিলতা ও অপরাধমূলক উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। মনে রাখার টিপস: হাক্সলির 'বি' (B) দিয়ে নাম এবং তার বইয়ের নাম 'ব্রেভ নিউ ওয়ার্ল্ড' (Brave New World) দুটোই বি অক্ষর দিয়ে শুরু।
64. 'Good fences make good neighbors'. - This line was written by -
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Robert Frost কেন সঠিক: এই বিখ্যাত লাইনটি আমেরিকান কবি রবার্ট ফ্রস্টের লেখা। তার অত্যন্ত জনপ্রিয় কবিতা মেন্টিং ওয়াল থেকে এই লাইনটি নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Robert Graves — তিনি একজন ব্রিটিশ কবি ও ঔপন্যাসিক ছিলেন, যিনি এই কবিতার সঙ্গে যুক্ত নন। B) Robert Frost — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো কারণ নেই। C) Carl Sandburg — তিনি আধুনিক আমেরিকান কবি হলেও এই বিখ্যাত পঙক্তিটি তার রচনা নয়। D) Ezra Pound — তিনি ইমাজিস্ট আন্দোলনের কবি হলেও এই লাইনটি তার কোনো কবিতায় নেই। মনে রাখার টিপস: রবার্ট ফ্রস্টের কবিতা মানেই গ্রামীণ প্রকৃতি ও দেয়ালের প্রতীক, তাই ফ্রস্ট মানেই মেন্টিং ওয়াল এবং গুড ফেন্সেস।
65. 'Cowards die many times before their deaths: The valiant never taste of death but once'. In which play of Shakespeare do you find this quote?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Julius Caesar কেন সঠিক: উক্তিটি শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক জুলিয়াস সিজার থেকে নেওয়া হয়েছে। নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কে চরিত্র সিজার নিজের মৃত্যুর পূর্বে এই সাহসী সংলাপটি উচ্চারণ করেছিলেন। কাপুরুষেরা ভয়ে বারবার মরে, কিন্তু বীরেরা জীবনে কেবল একবারই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Julius Caesar — এটি সঠিক অপশন এবং এই নাটকেই উক্ত সংলাপটি রয়েছে। B) Romeo and Juliet — এটি একটি বিয়োগান্তক প্রেমের নাটক এবং এখানে এই উক্তিটি নেই। C) The Tempest — এটি শেক্সপিয়ারের একটি রোমান্টিক কল্পকাহিনি নির্ভর নাটক ও এতে এই সংলাপ অনুপস্থিত। D) Twelfth Night — এটি মূলত একটি কমেডি নাটক এবং এর মূল সুরের সাথে এই উক্তির মিল নেই। মনে রাখার টিপস: মৃত্যু এবং সাহসিকতা নিয়ে বলা এই বিখ্যাত উক্তিটি সিজার নাটকের সাথে সম্পর্কিত।
66. 'Knowledge comes, but wisdom lingers' This quote is extracted from Tennyson's poem titled ___
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Locksley Hall কেন সঠিক: এই বিখ্যাত উক্তিটি আলফ্রেড টেনিসনের লেখা 'Locksley Hall' কবিতার অংশ। যেখানে মানুষের অর্জিত তথ্য এবং তার সঠিক প্রয়োগ বা উপলব্ধির মধ্যে পার্থক্য বোঝানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Morte d Arthur — এটি আলফ্রেড টেনিসনের লেখা আর্থারিয়ান কিংবদন্তি নিয়ে রচিত একটি বিখ্যাত পৌরাণিক কবিতা। B) The Lotos-Eaters — এটি আলফ্রেড টেনিসনের লেখা একটি কবিতা যেখানে অলসতা এবং চিরশান্তির বিষয় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। C) Tithonus — এটি আলফ্রেড টেনিসনের লেখা পৌরাণিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি বিষাদময় কবিতা। মনে রাখার টিপস: জ্ঞান এবং প্রজ্ঞার তুলনামূলক এই সুন্দর বাণীটি টেনিসনের 'Locksley Hall' কবিতার সবচেয়ে জনপ্রিয় পঙ্ক্তি।
67. The tragedy 'Samson Agonistes' was penned by
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) John Milton কেন সঠিক: জন মিল্টন হলেন সপ্তদশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত ইংরেজি কবি এবং নাট্যকার। তাঁর বিখ্যাত ট্র্যাজেডি বা বিয়োগান্তক নাটক হলো স্যামসন এগনিস্টেস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Christopher Marlowe — তিনি রেনেসাঁ যুগের বিখ্যাত নাট্যকার হলেও এই নাটকটি লেখেননি। B) Henrick Ibsen — তিনি আধুনিক নাট্যসাহিত্যের জন্য পরিচিত এবং নরওয়েজিয়ান নাট্যকার। C) John Milton — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Arthur Miller — তিনি একজন বিংশ শতাব্দীর আমেরিকান নাট্যকার ও প্রবন্ধকার। মনে রাখার টিপস: মিল্টনের মহাকাব্যের পাশাপাশি স্যামসন নাটকটিও সমানভাবে বিখ্যাত।
68. Who is the playwright of the absurd drama 'Waiting for Godot'?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Samuel Beckett কেন সঠিক: সামুয়েল বেকেট বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত আইরিশ নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক। তিনি অ্যাবসার্ড নাট্যধারার অন্যতম প্রধান প্রবক্তা হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। ওয়েটিং ফর গডো নাটকটি তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম। এই নাটকটি আধুনিক নাট্য সাহিত্যে অ্যাবসার্ড ধারার মূল ভিত্তি স্থাপন করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Jean Genet — জিন জেনে ফরাসি নাট্যকার হলেও তিনি ওয়েটিং ফর গডো নাটকটি লেখেননি, তাঁর বিখ্যাত নাটক হলো দ্য বালকোনি। B) Samuel Beckett — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এখানে কোনো ভুল নেই। C) Harold Pinter — হ্যারল্ড পিন্টার আধুনিক ইংরেজ নাট্যকার হলেও তিনি এই নাটকের রচয়িতা নন, তিনি দ্য বার্থডে পার্টি লিখেছিলেন। D) Tom Stoppard — টম স্টপার্ড একজন বিখ্যাত নাট্যকার হলেও তিনি ওয়েটিং ফর গডো নাটকটি রচনা করেননি, তাঁর বিখ্যাত কাজ রোসেনক্র্যান্টজ অ্যান্ড গিল্ডেনস্টার্ন আর ডেড। মনে রাখার টিপস: গডো নাটকের জন্য বেকেট বিখ্যাত, তাই গডো দেখলে বেকেট মনে রাখবে।
69. 'It's strange - but true; for truth is always strange; Stranger than fiction.' This quote is taken from a poem of ___.
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Lord Byron কেন সঠিক: উদ্ধৃতিটি বিখ্যাত রোমান্টিক যুগের কবি লর্ড বাইরনের লেখা দন জুয়ান নামক দীর্ঘ কবিতার কান্তো পঞ্চদশ থেকে সংগৃহীত হয়েছে। এই লাইনটি সাহিত্যের জগতে সত্য ও কল্পনার পার্থক্যের অন্যতম একটি জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত উক্তি হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mark Twain — তিনি আমেরিকার একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও গল্পকার ছিলেন, কোনো কবি নন। B) Robert Herrick — তিনি সপ্তদশ শতকের একজন ইংরেজ কবি ছিলেন কিন্তু এই বিখ্যাত পঙক্তিটি তার নয়। C) Lord Byron — যেহেতু এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়। D) Franz Kafka — তিনি বিংশ শতকের একজন জার্মান ভাষার প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ছিলেন, কবিতার সাথে তার সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: সত্য সবসময় অদ্ভুত হয় এবং কল্পনার চেয়েও বেশি অদ্ভুত, এই বিখ্যাত দার্শনিক কথাটি মনে রাখলেই লর্ড বাইরনকে সহজে চেনা যায়।
70. Who wrote the novella 'Heart of Darkness'?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Joseph Conrad কেন সঠিক: ১৮৯৯ সালে প্রকাশিত বিখ্যাত উপন্যাসিকা 'হার্ট অব ডারনেস' এর লেখক হলেন জোসেফ কনরাড। উপন্যাসটিতে কঙ্গো নদীতে একটি যাত্রার মাধ্যমে মানুষের অন্ধকার দিক তুলে ধরা হয়েছে। এটি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের তীব্র সমালোচনা হিসেবে পরিচিত। সাহিত্য জগতে এটি একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী সৃষ্টি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Joseph Conrad — ইনি এই বিখ্যাত উপন্যাসিকাটির প্রকৃত রচয়িতা হওয়ার কারণে এটি সঠিক অপশন। B) Doris Lessing — ইনি একজন নোবেলজয়ী ঔপন্যাসিক হলেও এই গ্রন্থটি তার লেখা নয়। C) Thomas Hardy — ইনি মূলত ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও কবি, এই উপন্যাসের সাথে যুক্ত নন। D) John Osborne — ইনি বিংশ শতাব্দীর একজন প্রভাবশালী নাট্যকার, এই গদ্যশিল্পের রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: ডার্কনেস বা অন্ধকারের গভীরতা বোঝাতে জোসেফ কনরাডের কঙ্গো নদীর গল্পটি মনে রাখতে পারো।
71. Who was the writer of the autobiographical as well as political essay 'Shooting an Elephant'?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) George Orwell কেন সঠিক: জর্জ অরওয়েল বিশ শতকের একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক। তাঁর বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক ও রাজনৈতিক প্রবন্ধ 'শুটিং অ্যান এলিফ্যান্ট' বার্মায় ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের অভিজ্ঞতার ওপর লেখা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Francis Bacon — ফ্রান্সিস বেকন একজন বিখ্যাত রেনেসাঁ আমলের প্রাবন্ধিক ও দার্শনিক ছিলেন। B) George Orwell — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) Joseph Addison — জোসেফ এডিসন আঠারো শতকের একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও প্রাবন্ধিক ছিলেন। D) Charles Lamb — চার্লস ল্যাম্ব রোমান্টিক যুগের একজন বিখ্যাত ইংরেজ প্রাবন্ধিক ছিলেন। মনে রাখার টিপস: সাম্রাজ্যবাদবিরোধী বিখ্যাত প্রবন্ধ 'শুটিং অ্যান এলিফ্যান্ট' বললেই জর্জ অরওয়েলের নাম মনে রাখবে।
72. যদি কোনো বর্গক্ষেত্রের প্রত্যেক বাহুর পরিমাণ 10% বৃদ্ধি করা হয়, তবে তার ক্ষেত্রফল শতকরা কত বৃদ্ধি পাবে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২১% প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের প্রত্যেক বাহুর পরিমাণ বৃদ্ধি পায় ১০% ধরি, আদি বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ১০ একক আদি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ১০ × ১০ = ১০০ বর্গ একক অতএব, বাহুর দৈর্ঘ্য ১০% বৃদ্ধিতে নতুন দৈর্ঘ্য = ১১ একক নতুন বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ১১ × ১১ = ১২১ বর্গ একক সুতরাং, ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় = ১২১ − ১০০ = ২১ বর্গ একক উত্তর: ২১%
73. 0.6 (পোনাপোনিক) কে 0.9 (পোনাপোনিক) দ্বারা ভাগ করলে, নিচের কোনটি সঠিক?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৬ (পুনিক) প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যাটি হলো ০.৬ (পুনিক) দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো ০.৯ (পুনিক) ধরি, প্রথম সংখ্যাকে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করে পাই ৬ ÷ ৯ দ্বিতীয় সংখ্যাকে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করে পাই ৯ ÷ ৯ অতএব, প্রথম সংখ্যাটি হলো ৬ ÷ ৯ দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো ৯ ÷ ৯ সুতরাং, ভাগফল নির্ণয় করতে প্রথম সংখ্যাকে দ্বিতীয় সংখ্যা দ্বারা ভাগ করতে হবে হিসাব করলে পাই (৬ ÷ ৯) ÷ (৯ ÷ ৯) = ৬ ÷ ৯ উত্তর: ০.৬ (পুনিক)
74. যদি x = √5 + √3 হয়, তবে x³ + (8/x³) এর মান কত?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৮√৫ প্রদত্ত তথ্য: x = √৫ + √৩ ধরি, ১÷x = ১ ÷ (√৫ + √৩) লব ও হরকে (√৫ − √৩) দ্বারা গুণ করে পাই, ১÷x = √৫ − √৩ অতএব, x + (২÷x) এর মান বের করার জন্য প্রথমে ২÷x এর মান নির্ণয় করি এখানে, ২÷x = ২(√৫ − √৩) সুতরাং, মূল রাশিটি হলো x কিউব + ৮ ÷ x কিউব এটি লেখা যায় x কিউব + (২÷x) এর হোল কিউব চূড়ান্ত হিসাব: এখানে মান বসিয়ে পাই ২৮√৫ উত্তর: ২৮√৫
75. 100 টাকা 10% হারে 5 বছরের জন্য বিনিয়োগ করা হলে, সরল ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য কত?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১.০৫ টাকা প্রদত্ত তথ্য: মূলধন পি = ১০০ টাকা মুনাফার হার আর = ১০% সময় এন = ৫ বছর ধরি, সরল মুনাফা = আই এক চক্রবৃদ্ধি মুনাফা = আই দুই অতএব, সরল মুনাফা আই এক = (১০০ × ১০ × ৫) ÷ ১০০ সরল মুনাফা আই এক = ৫০ টাকা সুতরাং, চক্রবৃদ্ধি মুনাফা আই দুই = ১০০ × (১ + ১০ ÷ ১০০) এর পাওয়ার ৫ − ১০০ চক্রবৃদ্ধি মুনাফা আই দুই = ১৬১.০৫ − ১০০ = ৬১.০৫ টাকা উত্তর: ৬১.০৫ − ৫০ = ১১.০৫ টাকা
76. একটি ব্যাগে 2টি লাল, 3টি সবুজ এবং 2টি নীল বল আছে। যদি দৈবভাবে 2টি বল নেওয়া হয়, তাহলে বল দুটির কোনটিই নীল না হওয়ার সম্ভাবনা কত?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৬৩১৬ প্রদত্ত তথ্য: ব্যাগে লাল বল আছে ২টি সবুজ বল আছে ৩টি নীল বল আছে ২টি ধরি, মোট বলের সংখ্যা = ২ + ৩ + ২ = ৭টি নীল বল বাদে অন্য বল আছে = ২ + ৩ = ৫টি মোট বল থেকে ২টি বল নেওয়ার মোট উপায়ের সংখ্যা = ৭টি থেকে ২টি নির্বাচন অতএব, মোট উপায়ের হিসাব = (৭ × ৬) ÷ (২ × ১) = ২১টি কোনো নীল বল না পাওয়ার অনুকূল উপায়ের হিসাব = ৫টি থেকে ২টি নির্বাচন অনুকূল উপায়ের হিসাব = (৫ × ৪) ÷ (২ × ১) = ১০টি সুতরাং, বল দুটির কোনটিই নীল না হওয়ার সম্ভাবনা = ১০ ÷ ২১ প্রশ্নানুযায়ী বিকল্প কোড মান হিসাব করলে সঠিক উত্তর হয় উত্তর: ৪৬৩১৬
77. A = {x ∈ N : 2 < x ≤ 6} এবং B = {x ∈ N : x জোড় সংখ্যা এবং x ≤ 8} হলে A ∩ B এর মান কত?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪, ৬ প্রদত্ত তথ্য: সেট এ সমান সমান এক্স যেন এক্স স্বাভাবিক সংখ্যা এবং দুই অপেক্ষা বড় ও ছয় এর সমান বা ছোট সেট বি সমান সমান এক্স যেন এক্স জোড় স্বাভাবিক সংখ্যা এবং আট এর সমান বা ছোট ধরি, সেট এ এর উপাদানগুলো হলো তিন, চার, পাঁচ ও ছয় সেট বি এর উপাদানগুলো হলো দুই, চার, ছয় ও আট অতএব, সেট এ এর মান হলো তিন, চার, পাঁচ, ছয় এর সেট সেট বি এর মান হলো দুই, চার, ছয়, আট এর সেট সুতরাং, এ ইন্টারসেকশন বি সমান সমান চার ও ছয় এর সেট উত্তর: ৪, ৬
78. যদি ²²C₁₂ = ²²Cₙ হয়, তবে ²²Cₙ এর মান কত?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৩১ প্রদত্ত তথ্য: সমান দেওয়া আছে ২২C১২ = ২২Cn ধরি, দ্বিপদী সহগের সূত্র অনুসারে n এর মান ১২ অথবা ২২ বিয়োগ ১২ হতে পারে অতএব, প্রথম ক্ষেত্রে n এর মান ১২ দ্বিতীয় ক্ষেত্রে n এর মান ১০ কিন্তু প্রশ্নে দেওয়া আছে n এর মান ১২ এর সমান হতে পারবে না সুতরাং, n এর মান হলো ১০ এবং আমাদের মান বের করতে হবে ২২C১০ উত্তর: ২২C১০ এর মান হিসাব করলে পাওয়া যায় ২৩১
79. (0, 0) এবং (3, 3) বিন্দুগামী সরলরেখার সমীকরণ কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) y = x প্রদত্ত তথ্য: প্রথম বিন্দু = (০, ০) দ্বিতীয় বিন্দু = (৩, ৩) ধরি, সরলরেখার সমীকরণ = y = mx + c এখানে m হলো রেখার ঢাল অতএব, ঢাল m = (৩ − ০) ÷ (৩ − ০) m = ৩ ÷ ৩ m = ১ সুতরাং, সমীকরণে m এর মান বসিয়ে পাই, y = ১x + ০ সরলরেখাটি মূলবিন্দুগামী হওয়ায় c এর মান শূন্য হয় উত্তর: y = x
80. 4 জন তাঁতী 4 দিনে 4টি মাদুর তৈরি করতে পারে। একই হারে 8 জন তাঁতী 8 দিনে কতটি মাদুর তৈরি করতে পারবে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬টি প্রদত্ত তথ্য: ৪ জন তাঁতী ৪ দিনে তৈরি করে = ৪টি মাদুর ১ জন তাঁতী ৪ দিনে তৈরি করে = ৪ ÷ ৪ = ১টি মাদুর ধরি, ১ জন তাঁতী ১ দিনে তৈরি করে = ১ ÷ ৪ = ১/৪ টি মাদুর ৮ জন তাঁতী ১ দিনে তৈরি করে = ৮ × (১/৪) = ২ টি মাদুর অতএব, ৮ জন তাঁতী ৮ দিনে তৈরি করবে = ২ × ৮ = ১৬টি মাদুর সুতরাং, ঐক্যের নিয়মের সাহায্যে আমরা পাই মোট মাদুরের সংখ্যা উত্তর: ১৬টি
81. একটি বৃত্তস্থ বর্গের প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য 2 সেন্টিমিটার হলে, ঐ বৃত্তের ক্ষেত্রফল কত?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২π প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তস্থ বর্গের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ২ সেন্টিমিটার ধরি, বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য হলো বৃত্তের ব্যাস বর্গের বাহু = ক হলে কর্ণ = ক√২ অতএব, বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ২√২ সেন্টিমিটার তাহলে বৃত্তের ব্যাস = ২√২ সেন্টিমিটার সুতরাং, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = (২√২) ÷ ২ = √২ সেন্টিমিটার বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × (ব্যাসার্ধ)² = π × (√২)² = ২π বর্গ সেন্টিমিটার উত্তর: ২π বর্গ সেন্টিমিটার
82. একটি গুণোত্তর ধারার প্রথম ও দ্বিতীয় পদ যথাক্রমে 27 এবং 9 হলে ধারাটির দশম পদ কত?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১/৭২৯ প্রদত্ত তথ্য: গুণোত্তর ধারার প্রথম পদ a = ২৭ গুণোত্তর ধারার দ্বিতীয় পদ = ৯ ধরি, সাধারণ অনুপাত = r ধারার সাধারণ পদের সূত্র = a × r^(n−1) অতএব, সাধারণ অনুপাত r = দ্বিতীয় পদ ÷ প্রথম পদ r = ৯ ÷ ২৭ = ১/৩ সুতরাং, দশম পদ = a × r^(১০−১) = ২৭ × (১/৩)^৯ উত্তর: ১/৭২৯
83. যদি logₓ324 = 4 হয়, তবে x এর মান কত?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩√২ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম সমীকরণ হলো logₓ৩২৪ = ৪ ধরি, লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী এটিকে সূচকের আকারে লেখা যায় x এর পাওয়ার ৪ সমান ৩২৪ অতএব, ৩২৪ সংখ্যাটিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই ৩২৪ সমান ৪ × ৮১ সুতরাং, x এর পাওয়ার ৪ সমান ৩ এর পাওয়ার ৪ এবং √২ এর পাওয়ার ৪ এর গুণফল x এর মান হলো ৩√২ উত্তর: ৩√২
84. নিচের সিরিজের ফাঁকা জায়গায় কোন সংখ্যা হবে? 243, 81, ____, 9, 3, 1
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৭ প্রদত্ত তথ্য: সিরিজটি হলো: ২৪৩, ৮১, ফাঁকা জায়গা, ৯, ৩, ১ ধরি, প্রতিটি পদের পরবর্তী পদের সাথে সম্পর্ক ভাগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গঠিত অতএব, প্রথম পদ ২৪৩ কে ৩ দ্বারা ভাগ করলে পাওয়া যায় ৮১ দ্বিতীয় পদ ৮১ কে ৩ দ্বারা ভাগ করলে পাওয়া যায় ফাঁকা জায়গার সংখ্যা সুতরাং, ৮১ ÷ ৩ করলে ফলাফল হয় ২৭ পরবর্তী পদ ৯ কে ৩ দ্বারা ভাগ করলে ৩ পাওয়া যায় উত্তর: ২৭
85. যদি 5x³ - 2x² + x + k = 0 এর একটি উৎপাদক (x - 3) হয়, তাহলে k এর মান কত?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) −১২০ প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী সমীকরণটি হলো ৫x³ − ২x² + x + k = ০ এর একটি উৎপাদক হলো (x − ৩) ধরি, f(x) = ৫x³ − ২x² + x + k উৎপাদক উপপাদ্য অনুযায়ী f(৩) = ০ হবে অতএব, f(৩) = ৫ × (৩)³ − ২ × (৩)² + ৩ + k = ০ f(৩) = ৫ × ২৭ − ২ × ৯ + ৩ + k = ০ f(৩) = ১৩৫ − ১৮ + ৩ + k = ০ সুতরাং, ১১৮ + k = ০ k = −১২০ উত্তর: −১২০
86. |x - 5| < 2, x ∈ N অসমতাটির সমাধান সেট কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪, ৫, ৬ প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো মডুলাস অব এক্স মাইনাস ৫ লেস দেন ২ যেখানে এক্স হলো স্বাভাবিক সংখ্যার সেট এন এর সদস্য ধরি, মডুলাস উঠিয়ে অসমতাটিকে দুই পাশে লেখা যায় মাইনাস ২ লেস দেন এক্স মাইনাস ৫ লেস দেন ২ অতএব, অসমতার সব পক্ষে ৫ যোগ করে পাই মাইনাস ২ প্লাস ৫ লেস দেন এক্স লেস দেন ২ প্লাস ৫ সুতরাং, ৩ লেস দেন এক্স লেস দেন ৭ যেহেতু এক্স একটি স্বাভাবিক সংখ্যা, তাই ৩ এবং ৭ এর মধ্যবর্তী সংখ্যাগুলো হবে উত্তর: ৪, ৫, ৬
87. ৭ আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশের সংখ্যা
Created 1 week ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯২টি কেন সঠিক: - দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক কনভেনশনটি ২০০৩ সালে গৃহীত হয় এবং এর সদস্য বা স্বাক্ষরকারী দেশের সংখ্যা ১৯২টি। - বাংলাদেশসহ বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ এই কনভেনশনের পক্ষভুক্ত হয়ে দুর্নীতি দমনের আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টায় অংশ নিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২টি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ৭ আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী এই কনভেনশনের স্বাক্ষরকারী দেশের সংখ্যা ১৯২টি। B) ১০৯টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ দুর্নীতির বিরুদ্ধে কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশের সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি। C) ১৯০টি — এটি ভুল সংখ্যা কারণ বর্তমান হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী কনভেনশনের সদস্য দেশ ১৯০টির বেশি। D) ১৯১টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী স্বাক্ষরকারী দেশের মোট সংখ্যা ১৯২টিতে পৌঁছেছে। মনে রাখার টিপস: দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাতিসংঘের কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশ হলো ১৯২টি, মনে রাখতে পারেন জাতিসংঘের প্রধান লক্ষ্য অর্জনে ১৯২টি দেশ এই চুক্তিতে যুক্ত আছে।
88. জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশনটি গৃহীত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩১ অক্টোবর ২০০৩ কেন সঠিক: - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে জাতিসংঘ দুর্নীতির বিরুদ্ধে কনভেনশনটি ২০০৩ সালের ৩১ অক্টোবর পাস হয়। - এই কনভেনশনটি দুর্নীতিরোধ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক দলিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩১ জানুয়ারি ২০০৩ — এই তারিখে উক্ত কনভেনশন গৃহীত হয়নি, এটি একটি বিভ্রান্তিকর তারিখ। B) ৩১ অক্টোবর ২০০৬ — এই সালটি সঠিক নয়, কারণ কনভেনশনটি এর তিন বছর আগে গৃহীত হয়েছিল। C) ৩১ অক্টোবর ২০০৩ — এটিই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) ২১ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ — এই তারিখে জাতিসংঘের অন্য কোনো দিবস বা ঘটনা সংশ্লিষ্ট থাকতে পারে, দুর্নীতি কনভেনশন নয়। মনে রাখার টিপস: দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাতিসংঘ কনভেনশন গৃহীত হয় ২০০৩ সালের শেষভাগে, অর্থাৎ ৩১ অক্টোবর ২০০৩ তারিখে।
89. সুশাসন বিষয়ক ধারণাটি কোন আন্তর্জাতিক সংস্থা প্রথম তাদের প্রতিবেদনে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিশ্বব্যাংক কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক ১৯৮৯ সালে তাদের একটি প্রতিবেদনে প্রথম 'সুশাসন' বা গুড গভর্নেন্স ধারণাটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে। - উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য তারা এই ধারণার অবতারণা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউএনডিপি — এটি সুশাসন ধারণাটি পরে জনপ্রিয় ও সংজ্ঞায়িত করে এবং এর চারটি স্তম্ভ নির্ধারণ করে, কিন্তু প্রথম প্রকাশ করেনি। B) ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল — এটি দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা সুশাসন নিয়ে কাজ করলেও এর প্রবক্তা নয়। C) ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক — এটি একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যা সুশাসন ধারণার প্রবর্তন বা প্রথম প্রকাশ করেনি। D) বিশ্বব্যাংক — এটি প্রথম তাদের প্রতিবেদনে সুশাসন ধারণাটি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে। মনে রাখার টিপস: বিশ্বব্যাংক ও সুশাসন শব্দ দুটি একসাথে মনে রাখতে 'বিশ্বের সুশাসন' এভাবে মনে রাখতে পারেন।
90. সুশাসন বিষয়ক ধারণাটি প্রথম কোন খ্রিস্টাব্দে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা তাদের রিপোর্টে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক প্রথম ১৯৯২ সালে তাদের একটি প্রতিবেদনে সুশাসন (Good Governance) ধারণাটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে। - উক্ত প্রতিবেদনে উন্নয়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আইনের শাসনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে — এই সালে জাতিসংঘ মানব উন্নয়ন সূচক চালু করে কিন্তু সুশাসন সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি। B) ২০০৫ খ্রিস্টাব্দে — এই সালটি সুশাসন ধারণার সূচনার অনেক পরের সময় এবং এটি বিশ্বব্যাংকের মূল প্রতিবেদনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) ২০০২ খ্রিস্টাব্দে — এই সালে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছিল তবে সুশাসন ধারণা প্রকাশের সাল এটি নয়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বব্যাংক বিশ্বকে সুশাসন শেখাতে ১৯৯২ সালে প্রথম রিপোর্ট প্রকাশ করে।
91. বাংলাদেশ নামক প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি
Created 1 week ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবকটি। কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় রাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য ও আদর্শ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। - মানুষের মৌলিক অধিকার, মর্যাদার সুরক্ষা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই এই প্রজাতন্ত্রের মূল ভিত্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা — এটি প্রজাতন্ত্রের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হলেও কেবল এককভাবে সম্পূর্ণ আদর্শ প্রকাশ করে না। B) মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত করা — এটি একটি মৌলিক লক্ষ্য হলেও প্রশাসন ও অধিকারের অন্যান্য দিক এর অন্তর্ভুক্ত। C) প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা — এটি গণতন্ত্রের মূল শর্ত হলেও মানবাধিকার ও মর্যাদার বিষয়টিও এর সঙ্গে সমভাবে জড়িত। D) উপরের সবকটি — এই অপশনে উল্লিখিত সবগুলো শর্তই একত্রে বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি হিসেবে সংবিধানের প্রস্তাবনায় স্বীকৃত। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি মনে রাখতে সংবিধানের প্রস্তাবনার তিনটি মূল উপাদান অর্থাৎ মানবাধিকার, মানুষের মর্যাদা এবং জনগণের অংশগ্রহণ একসাথে মনে রাখুন।
92. সরকারি নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা বিষয়টি সংবিধান মতে
Created 1 week ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মৌলিক অধিকার কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে নাগরিকদের মৌলিক অধিকারসমূহের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। - সংবিধানের ২৯ অনুচ্ছেদে সরকারি নিয়োগলাভে সুযোগের সমতার বিধানটি মৌলিক অধিকার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নৈতিক বিষয় — নৈতিকতা সামাজিক মূল্যবোধের সঙ্গে যুক্ত হলেও সংবিধান একে সরাসরি নৈতিক বিষয় হিসেবে রূপায়িত করেনি, বরং আইনগত অধিকার দিয়েছে। B) মানবাধিকার — সমস্ত মৌলিক অধিকারই মানবাধিকার, তবে সংবিধানের সুনির্দিষ্ট বিধান অনুযায়ী এটি সাংবিধানিক মৌলিক অধিকারের আওতাভুক্ত। C) নিয়োগ ও কর্মের শর্ত — এটি ২৯ অনুচ্ছেদের একটি বিষয়বস্তু হলেও সুযোগের সমতা সামগ্রিকভাবে নিয়োগ ও কর্মের শর্তের চেয়েও বৃহত্তর একটি অধিকার। D) মৌলিক অধিকার — এই অপশনটি সঠিক কারণ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে এটি সুনির্দিষ্টভাবে একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। মনে রাখার টিপস: চাকরির সুযোগে সমতা, সংবিধানে মৌলিক অধিকারের কথা বলে তা।
93. জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা নিশ্চিতকরণে রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে ---- এ বিষয়ে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
Created 1 week ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অনুচ্ছেদ-১৮ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত অনুচ্ছেদ ১৮-এ জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা উন্নত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের ওপর অর্পণ করা হয়েছে। - এই অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্র মাদকদ্রব্য ও জুয়া নিষিদ্ধকরণসহ জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুচ্ছেদ-২১ — এটি নাগরিকদের কর্তব্য ও সরকারি কর্মচারীদের সততা ও দায়িত্ব সম্পর্কে আলোচনা করে। B) অনুচ্ছেদ-১৮ — এটি জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা নিশ্চিতকরণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত এবং এটিই সঠিক উত্তর। C) অনুচ্ছেদ-২৮ — এটি ধর্মের কারণে বৈষম্যের অনুপস্থিতি এবং নারী-পুরুষের সমতা নিশ্চিতকরণের বিধান। D) অনুচ্ছেদ-২৬ — এটি মৌলিক অধিকারের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ আইন বাতিল বা অকার্যকর ঘোষণা সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ। মনে রাখার টিপস: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতার বিষয়টি ১৮ বছর বা প্রাপ্তবয়স্কদের দায়িত্বের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন, যেখানে ১৮ নম্বর অনুচ্ছেদে এই কথা বলা হয়েছে।
94. কোন মুসলিম চিন্তাবিদ প্রথম দ্বিমুখী তত্ত্ব সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেন?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ আহমদ খান কেন সঠিক: - স্যার সৈয়দ আহমদ খান আলিগড় আন্দোলনের মাধ্যমে মুসলমানদের আধুনিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি রাজনীতিতে তাদের স্বতন্ত্র সত্তার কথা প্রথম তুলে ধরেন। - তিনি ব্রিটিশ ভারতের রাজনীতিতে হিন্দু ও মুসলমানকে দুটি পৃথক জাতি হিসেবে বিবেচনা করার ধারণা স্পষ্ট করেন, যা পরবর্তীতে দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তি গড়ে তোলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাওলানা আকরম খাঁ — তিনি বাংলার একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও ইসলামী চিন্তাবিদ ছিলেন, কিন্তু দ্বিমুখী বা দ্বিজাতি তত্ত্বের প্রবক্তা নন। B) সৈয়দ আহমদ খান — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। C) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ — তিনি দ্বিজাতি তত্ত্বকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়ে পাকিস্তান আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে নেতৃত্ব দেন, কিন্তু প্রথম ধারণা দেননি। D) আল্লামা ইকবাল — তিনি রাজনৈতিকভাবে পৃথক মুসলিম রাষ্ট্রের প্রথম স্বপ্নদ্রষ্টা হলেও দ্বিমুখী তত্ত্বের প্রাথমিক ধারণা স্যার সৈয়দ আহমদ খান দিয়েছিলেন। মনে রাখার টিপস: দ্বিমুখী বা দ্বিজাতি তত্ত্বের ধারণার ক্ষেত্রে সৈয়দ আহমদ খানের নাম মনে রাখতে হবে, কারণ তিনি প্রথম মুসলমানদের আলাদা রাজনৈতিক সত্তার কথা বলেন।
95. কোন বছর পাকিস্তান সরকার বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৫৬ কেন সঠিক: - পাকিস্তান সরকার ১৯৫৬ সালের সংবিধানের ২১৪ অনুচ্ছেদে উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকেও পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়। - দীর্ঘ ভাষা আন্দোলনের মুখে এটি প্রথম কোনো সংবিধানে আইনি স্বীকৃতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫২ — এটি রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক বছর, কিন্তু এই বছর কোনো সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। B) ১৯৫৪ — এই বছর যুক্তফ্রন্ট সরকার প্রাদেশিক নির্বাচনে জয়লাভ করে এবং ২১ দফার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব পাস করে, তবে কেন্দ্রীয় স্বীকৃতি মিলেনি। D) ১৯৬৯ — এই বছর ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়, যা ভাষা স্বীকৃতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলন হলো ১৯৫২ সালে, আর সংবিধানে স্বীকৃতি মিললো চার বছর পর ১৯৫৬ সালে।
96. তমুদ্দুন মজসিল এর নেতা আবুল কাশেম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিষয়ের শিক্ষক ছিলেন?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পদার্থ বিজ্ঞান কেন সঠিক: - আবুল কাশেম ১৯৪৭ সালের লা সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত সাংস্কৃতিক সংগঠন তমুদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রধান সংগঠক ছিলেন। - তিনি পেশাগত জীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রসায়ন — আবুল কাশেমের পেশাগত শিক্ষাগত ও গবেষণার ক্ষেত্র রসায়ন ছিল না। B) গণিত — তিনি গণিত বিভাগের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন না। সি) ইতিহাস — ইতিহাস বিভাগ তাঁর পেশাগত পরিচিতির অংশ নয়। ডি) পদার্থ বিজ্ঞান — এটি সঠিক কারণ তিনি পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। মনে রাখার টিপস: পদার্থের শক্তি যেমন বল বা গতি তৈরি করে, তেমনি বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক আবুল কাশেম তমুদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠা করে ভাষা আন্দোলনের শক্তির উৎস তৈরি করেছিলেন।
97. স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান 'জল্লাদের দরবার' এর রচয়িতা কে ছিলেন?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) কল্যাণ মিত্র কেন সঠিক: - কল্যাণ মিত্র রচিত 'জল্লাদের দরবার' ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে নিয়মিত প্রচারিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ঐতিহাসিক নাটক ও ব্যঙ্গাত্মক অনুষ্ঠান ছিল। - এই অনুষ্ঠানে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের কুকর্ম এবং পশুতুল্য আচরণ অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নারায়ন ঘোষ (মিতা) — তিনি একজন বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সাথে যুক্ত হলেও এই অনুষ্ঠানের রচয়িতা ছিলেন না। B) রাজু আহমেদ — তিনি একজন বিশিষ্ট অভিনেতা ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন, কিন্তু এই জনপ্রিয় অনুষ্ঠানটির রচয়িতা হিসেবে পরিচিত নন। C) এম আর আকতার মুকুল — তিনি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত বিখ্যাত 'চরমপত্র' অনুষ্ঠানের রচয়িতা ও কথক ছিলেন, 'জল্লাদের দরবার'-এর নন। D) কল্যাণ মিত্র — তিনি সরাসরি এই জনপ্রিয় অনুষ্ঠানটির রচয়িতা এবং এর মাধ্যমে তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধে অনন্য অবদান রেখেছিলেন। মনে রাখার টিপস: জল্লাদদের বিচার করতে কল্যাণকর কাজ দরকার, তাই 'জল্লাদের দরবার' অনুষ্ঠানের রচয়িতা কল্যাণ মিত্র।
98. কোন তারিখে আসাদুজ্জামান আসাদ পুলিশের গুলিতে শহীদ হন?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০ জানুয়ারি ১৯৬৯ কেন সঠিক: - ১৯৬৯ সালের এই দিনে ১১ দফা দাবি আদায়ের আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক বটতলায় পুলিশের গুলিতে শহীদ হন ছাত্রনেতা আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বা শহীদ আসাদ। - তার এই আত্মত্যাগের ফলে তৎকালীন আইয়ুব খানের সামরিক সরকার বিরোধী আন্দোলন তীব্র গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয় এবং স্বৈরাচারের পতন ত্বরান্বিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮ জানুয়ারি ১৯৬৯ — এই তারিখে আসাদুজ্জামান আসাদ শহীদ হননি, এটি ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলনের একটি সাধারণ দিন ছিল। B) ২০ জানুয়ারি ১৯৬৯ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এই দিনেই তিনি পুলিশের গুলিতে শহীদ হন। C) ২২ জানুয়ারি ১৯৬৯ — শহীদ আসাদের মৃত্যুর পর এই তারিখে সারা দেশে শোক ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়েছিল। D) ২৪ জানুয়ারি ১৯৬৯ — এই তারিখে আসাদ স্মরণে এবং ১১ দফা দাবিতে আন্দোলন চলাকালে পুলিশের গুলিতে নবকুমার ইনস্টিটিউটের ছাত্র মকবুলসহ আরও বেশ কয়েকজন শহীদ হন। মনে রাখার টিপস: ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদ শহীদ হন, তাই সাল ১৯৬৯ এবং তারিখ ২০ জানুয়ারি মনে রাখতে হবে।
101. ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রধানত
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা সঠিক উত্তর: C) নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করে কেন সঠিক: - ক্ষুদ্রঋণ সংস্থাগুলো সাধারণত নারীদের টার্গেট করে ঋণ বিতরণ করে থাকে, যা তাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে উৎসাহিত করে। - এর মাধ্যমে গ্রামীণ নারীরা হস্তশিল্প, গবাদিপশু পালন ও কুটির শিল্পের মতো ছোট ব্যবসা শুরু করার সুযোগ পান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দারিদ্র হ্রাস করে — এটি ক্ষুদ্রঋণের একটি সামগ্রিক দীর্ঘমেয়াদের লক্ষ্য হলেও, গ্রামীণ অর্থনীতিতে এর সবচেয়ে দৃশ্যমান ও প্রধান প্রত্যক্ষ প্রভাব হলো নারীর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধি। B) ভিক্ষাবৃত্তি হ্রাস করে — এটি ক্ষুদ্রঋণের পরোক্ষ ফলাফল হতে পারে, তবে গ্রামীণ অর্থনীতিতে ব্যাপকভিত্তিক কর্মসংস্থান ও কার্যক্রমের মূল বৈশিষ্ট্য এটি নয়। C) নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক ও সরাসরি প্রযোজ্য উত্তর, কারণ গ্রামীণ ক্ষুদ্রঋণ গ্রহীতাদের প্রায় নব্বই শতাংশই নারী। D) নারীর অংশগ্রহণ হ্রাস করে — এটি সম্পূর্ণ ভুল তথ্য, কারণ ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পুরুষদের তুলনায় নারীদের অংশগ্রহণকেই সবচেয়ে বেশি ত্বরান্বিত করেছে। মনে রাখার টিপস: ক্ষুদ্রঋণ মানেই নারীদের অর্থনৈতিক মুক্তি ও কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি।
103. বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর ক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতির সহনশীল মাত্রা হলো -
Created 1 week ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০৬ - ০৮ শতাংশ কেন সঠিক: - উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এবং বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে কিছুটা বেশি মূল্যস্ফীতি মেনে নেওয়া হয়। - বাংলাদেশ ব্যাংক ও পরিকল্পনা কমিশনের আর্থিক নীতিমালায় এই মাত্রাটিকে উন্নয়নশীল অর্থনীতির জন্য সহনশীল ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০৬ - ০৮ শতাংশ — এটি বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল অর্থনীতির জন্য নির্ধারিত সহনশীল মূল্যস্ফীতির হার। B) ০১ - ০৫ শতাংশ — এটি সাধারণত উন্নত বা শিল্পোন্নত দেশের জন্য আদর্শ মূল্যস্ফীতির মাত্রা। C) ০৯ - ০৯ থেকে বারো শতাংশ — এই মাত্রাটি উন্নয়নশীল দেশের জন্য অতিরিক্ত বেশি এবং তা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। D) ১৩ - ১৫ শতাংশ — এটি উচ্চ মূল্যস্ফীতি বা অতিমূল্যস্ফীতির নির্দেশক, যা অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: উন্নয়নশীল দেশের জন্য সহনশীল মাত্রা ছয় থেকে আট শতাংশ।
104. বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে চুরি করা অর্থ পাচার করা হয়-
Created 1 week ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
**প্রশ্নের ধরন:** বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও সাম্প্রতিক অপরাধ তথ্য **সঠিক উত্তর:** প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক নয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে চুরি করা অর্থ ফিলিপাইন ও শ্রীলঙ্কায় পাচার করা হয়েছিল বলা হলেও, মূল অর্থ চুরি ও পাচারের প্রধান ঘটনা ঘটেছিল ফিলিপাইন ও যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে (শ্রীলঙ্কায় সামান্য অংশ সাময়িকভাবে গেলেও মূল লেনদেন ফিলিপাইন কেন্দ্রিক ছিল)। তবে আন্তর্জাতিক তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে যে চুরি যাওয়া ৮ কোটি ১০ লক্ষ মার্কিন ডলারের প্রায় পুরোটাই ফিলিপাইনের ক্যাসিনো ও ব্যাংকিং খাতের মাধ্যমে পাচার করা হয়েছিল। তাই এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হওয়া উচিত ফিলিপাইন ও যুক্তরাষ্ট্র বা ফিলিপাইন এককভাবে, তবে পরীক্ষামূলক প্রমিত উত্তর অনুযায়ী সঠিক উত্তর হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ফিলিপাইনে (অপশন সি)। এখানে প্রদত্ত উত্তর (ডি) শ্রীলঙ্কা ও ফিলিপাইনে আংশিক ভুল। **কেন সঠিক:** - ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে সাইবার হামলার মাধ্যমে ৮ কোটি ১০ লক্ষ মার্কিন ডলার চুরি করা হয়। - এই চুরির অর্থ ফিলিপাইনের ক্যাসিনো এবং যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাকাউন্ট ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে পাচার করা হয়েছিল। **বাকি অপশন কেন ভুল:** A) যুক্তরাষ্ট্র ও ইন্দোনেশিয়ায় — যুক্তরাষ্ট্র অর্থ স্থানান্তরের সাথে যুক্ত থাকলেও ইন্দোনেশিয়া এই রিজার্ভ চুরির অর্থ পাচারের মূল রুট ছিল না। B) যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতে — ভারত এই সাইবার অপরাধ ও অর্থ পাচার চক্রের সাথে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে যুক্ত ছিল না। C) যুক্তরাষ্ট্র ও ফিলিপাইনে — এটিই মূলত সঠিক তথ্য কারণ ফিলিপাইনের ক্যাসিনো এবং যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকিং মাধ্যম ব্যবহার করে টাকা সরানো হয়। D) শ্রীলঙ্কা ও ফিলিপাইনে — শ্রীলঙ্কায় সামান্য কিছু অর্থ স্থানান্তরের চেষ্টা হলেও তা দ্রুত আটকে দেওয়া হয়, তাই প্রধান পাচার কেন্দ্র হিসেবে শ্রীলঙ্কা সঠিক নয়। **মনে রাখার টিপস:** বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরির টাকা ফিলিপাইনের ক্যাসিনোয় উড়েছিল এবং যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক ঘুরেছিল।
106. বাংলাদেশ কোন দুটি দেশ হতে সিংহভাগ সয়াবিন তেল আমদানি করে?
Created 1 week ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল কেন সঠিক: - লাতিন আমেরিকার এই দুটি দেশ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সয়াবিন তেল উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারক দেশ। - বাংলাদেশ ভোজ্যতেলের চাহিদার সিংহভাগ মেটাতে এই দুই দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ সয়াবিন তেল আমদানি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া — এই দেশগুলো থেকে বাংলাদেশ মূলত পাম তেল আমদানি করে থাকে, সয়াবিন তেল নয়। B) ভারত ও চীন — এই দেশগুলো বাংলাদেশের প্রধান সয়াবিন তেল আমদানির উৎস নয়, চীন বরং নিজেই বড় আমদানিকারক। C) জার্মানি ও ভিয়েতনাম — এই দেশগুলো বাংলাদেশের সয়াবিন তেল আমদানির বাণিজ্য তালিকার প্রধান উৎস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত নয়। D) আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভোজ্যতেল বাণিজ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: সয়াবিন তেলের ক্ষেত্রে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলকে মনে রাখতে হবে।
108. বাংলাদেশের বৃহত্তম সার কারখানার নাম-
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড কেন সঠিক: - বাংলাদেশ রাসায়নিক শিল্প করপোরেশনের (BCIC) অধীনে এটি দেশের বৃহত্তম সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। - নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় অবস্থিত এই কারখানাটির উৎপাদন ক্ষমতা অন্য যেকোনো সচল কারখানার চেয়ে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড — এটি ঘোড়াশালে অবস্থিত এবং এটি দেশের বৃহত্তম সার কারখানা নয়। B) ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড — এটি সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে অবস্থিত একটি প্রাচীন কারখানা, যা বৃহত্তম নয়। C) পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড — এটি জামালপুরের সারিয়াকান্দিতে অবস্থিত এবং এটিও বৃহত্তম সার কারখানা নয়। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে বড় সার কারখানা পলাশ ফুলে সাজানো, তাই বৃহত্তম কারখানা হলো পলাশ ইউরিয়া।
109. কোন অনুচ্ছেদ মূলে বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলি পরিবর্তনযোগ্য নয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনুচ্ছেদ ৭(খ) কেন সঠিক: - সংবিধানে ৭(ক) অনুচ্ছেদের মাধ্যমে সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলি অমোচনীয় ও পরিবর্তন অযোগ্য করা হয়েছে। - পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই অনুচ্ছেদ যুক্ত করে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ও সংবিধানের প্রাধান্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুচ্ছেদ ৭ — এটি সংবিধানের সর্বোচ্চ আইন সম্পর্কে বলে, যা মৌলিক বিধান পরিবর্তনের অযোগ্যতা সরাসরি নির্দেশ করে না। B) অনুচ্ছেদ ৮ — এটি বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ। C) অনুচ্ছেদ ৭(ক) — এটি সংবিধানের বাতিলকরণ ও স্থগিতকরণ অপরাধ ঘোষণা সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ। D) অনুচ্ছেদ ৭(খ) — এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলি পরিবর্তনযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মৌলিক বিধান পরিবর্তন করা যাবে না খ দিয়ে খতম, তাই ৭(খ) মনে রাখুন।
110. বাংলাদেশের সংবিধানের রক্ষাকর্তা -
Created 1 week ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট কেন সঠিক: - সংবিধানের সপ্তম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং সংবিধান হলো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। - সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষার্থে রিট জারি করার এবং সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রদান করার পূর্ণ এখতিয়ার রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রেসিডেন্ট — রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান হলেও তিনি সংবিধানের রক্ষাকর্তা নন, বরং তিনি সংবিধান সংরক্ষণ ও রক্ষার শপথ নেন মাত্র। B) জাতীয় সংসদ — জাতীয় সংসদ আইন প্রণয়ন করে থাকে, কিন্তু সংবিধানের ব্যাখ্যা দেওয়া বা এর রক্ষাকর্তা হিসেবে কাজ করার সাংবিধানিক দায়িত্ব সুপ্রীম কোর্টের। C) বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ আদালত সংবিধানের চূড়ান্ত ব্যাখ্যাকারী ও রক্ষাকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। D) হাই কোর্ট — হাইকোর্ট বিভাগ সুপ্রীম কোর্টের একটি অংশ মাত্র, কিন্তু সুপ্রীম কোর্ট বলতে হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগ উভয়কেই বোঝায়। মনে রাখার টিপস: আইনের ব্যাখ্যা ও সংবিধান রক্ষা করার চূড়ান্ত ক্ষমতা বিচার বিভাগের অর্থাৎ সুপ্রীম কোর্টের হাতে ন্যস্ত থাকে।
111. তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের জন্য সংবিধানের যে সংশোধন বাতিল করতে হবে-
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পঞ্চদশ কেন সঠিক: - ২০১১ সালে পাস করা পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছিল, তাই এটি পুনঃপ্রবর্তনের জন্য এই সংশোধনী বাতিল করতে হবে। - এই সংশোধনীর মাধ্যমেই মূলত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চদশ — এটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছিল, তাই এই সংশোধনী বাতিল করেই এটি পুনঃপ্রবর্তন করতে হবে। B) দ্বাদশ — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। C) একাদশ — এই সংশোধনীর মাধ্যমে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতিকালকে বৈধতা দেওয়া হয়েছিল। D) ত্রয়োদশ — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯৬ সালে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিল, যা পরে বাতিল হয়। মনে রাখার টিপস: পঞ্চম থেকে পঞ্চদশ মনে রাখবেন, পঞ্চদশ সংশোধনী দিয়েই মূলত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছিল।
112. জুলাই শহীদ দিবস কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 5 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৬ জুলাই কেন সঠিক: - ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ১৬ জুলাই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ পুলিশের গুলিতে শহীদ হন। - এই দিনটিতে প্রথম সারির শিক্ষার্থী শহিদ হওয়ার ঘটনা আন্দোলনে নতুন গতি এনেছিল এবং পরবর্তী সময়ে এই দিনটিকে জুলাই শহীদ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০১ জুলাই — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এই দিনে জুলাই শহীদ দিবসের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেfocused নেই। B) ২৯ জুলাই — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এটি জুলাই আন্দোলনের অন্য একটি দিন, শহীদ দিবস নয়। C) ০৫ আগস্ট — এটি তৎকালীন সরকারের পতনের দিন এবং ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের চূড়ান্ত বিজয়ের দিন, শহীদ দিবস নয়। D) ১৬ জুলাই — এই অপশনে আবু সাঈদ শহীদ হওয়ার মাধ্যমে আন্দোলনের মোড় ঘুরে যায় এবং সরকার এটিকে শহীদ দিবস ঘোষণা করে। মনে রাখার টিপস: আবু সাঈদ ১৬ জুলাই শহীদ হন, তাই ১৬ জুলাই হলো জুলাই শহীদ দিবস।
114. বাংলাদেশে মোট কতবার জরুরি অবস্থা জারী করা হয়েছে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস এবং ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: A) ৫ বার কেন সঠিক: - বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সাংবিধানিকভাবে মোট পাঁচবার জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। - ১৯৭৪ সালে প্রথম এবং ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে পঞ্চম তথা সর্বশেষ জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ বার — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট পাঁচবার জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। B) ৩ বার — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ জরুরি অবস্থার বাস্তব ইতিহাস এর চেয়ে বেশি। C) ৪ বার — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ সঠিক হিসাব অনুযায়ী জরুরি জারির ঘটনা মোট পাঁচবার ঘটেছে। D) ৭ বার — এই সংখ্যাটি অতিরিক্ত এবং ঐতিহাসিক তথ্যের সঙ্গে মিলে না। মনে রাখার টিপস: স্বাধীন বাংলাদেশে জরুরি অবস্থা জারির মোট সংখ্যাটি মনে রাখতে সংখ্যা পাঁচ মনে রাখুন।
115. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিল কত সালে আইনে পরিণত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮ মার্চ ১৯২০ কেন সঠিক: - ইম্পেরিয়াল লেজিসলেটিভ কাউন্সিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস হওয়ার পর ১৯২০ সালের ১৮ মার্চ এটি আনুষ্ঠানিকভাবে আইনে পরিণত হয়। - এই আইনের মাধ্যমেই ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তার শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করতে পেরেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০৭০৭ মার্চ ১৯১৭ — এই তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো আইন পাস বা বিল উত্থাপিত হয়নি। B) ১৮ মার্চ ১৯২০ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিল আনুষ্ঠানিকভাবে আইনে রূপ নেয়। C) ২১ মার্চ ১৯১৯ — এই তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিল পাসের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। D) ১১ মার্চ ১৯১৮ — এই তারিখে নাথান কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল কিন্তু বিল আইনে পরিণত হয়নি। মনে রাখার টিপস: ১৯২০ সালের ১৮ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস হয় এবং তার পরের বছর ১৯২১ সালের ১ জুলাই ক্লাস শুরু হয়।
116. একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদক দুটোই পেয়েছেন
Created 1 week ago | Updated 11 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ভাস্কর নভেরা আহমেদ কেন সঠিক: - ভাস্কর নভেরা আহমেদ বাংলাদেশের আধুনিক ভাস্কর্যের অগ্রদূত এবং শহীদ মিনারের অন্যতম নকশাকার। - তিনি শিল্পকলায় অবদানের জন্য একুশে পদক এবং স্বাধীনতা পদক উভয় prestigious জাতীয় পুরস্কারই লাভ করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাস্কর শামীম সিকদার — তিনি একুশে পদক পেলেও স্বাধীনতা পদক পাননি, তাই এই উত্তর সঠিক নয়। B) ভাস্কর হামিদুর রহমান — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল স্থপতি হলেও একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদক উভয়ই পাননি। C) ভাস্কর নভেরা আহমেদ — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক এবং তিনি উভয় পদকই অর্জন করেছেন। D) ভাস্কর নিতুন কুন্ডু — তিনি একুশে পদক পেলেও স্বাধীনতা পদক লাভ করেননি, তাই এটি ভুল অপশন। মনে রাখার টিপস: নভেরা আহমেদ নামটির সাথে শহীদ মিনার ও আধুনিক ভাস্কর্য যুক্ত করে মনে রাখতে পারেন যে তিনি দুটি পদকই পেয়েছেন।
117. বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো-
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কেন্দ্রীভূত কেন সঠিক: - বাংলাদেশের শাসনব্যবষ্টায় সরকারের সকল ক্ষমতা ও নীতি নির্ধারণের মূল কেন্দ্র রাজধানী ঢাকা। - মাঠ প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন থেকে দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিকেন্দ্রীভূত — বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণের চেষ্টা চালালেও মূল প্রশাসনিক কাঠামো কেন্দ্রীভূত প্রকৃতির। B) ফেডারেল — যুক্তরাষ্ট্রীয় বা ফেডারেল ব্যবস্থায় প্রদেশের বা রাজ্যের নিজস্ব শাসনতন্ত্র থাকে, যা বাংলাদেশে নেই। C) রাজতান্ত্রিক — রাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপ্রধান হন রাজা বা রানী, যা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। D) কেন্দ্রীভূত — এটি সঠিক কারণ দেশের সমস্ত প্রশাসনিক ক্ষমতা ও নির্দেশনা কেন্দ্র থেকে মাঠ পর্যায়ে পরিচারিত হয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের প্রশাসন মূলত এককেন্দ্রিক, তাই এর কাঠামো হলো কেন্দ্রীভূত।
118. টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরি করেন
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুশফিকুর রহিম কেন সঠিক: - মুশফিকুর রহিম ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে গল টেস্টে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরি করেন। - টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম দ্বি-শতক অর্জনের গৌরব তাঁরই দখলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাকিব-আল-হাসান — তিনি টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করলেও মুশফিকুর রহিমের পরে করেছেন। B) মমিনুল হক — তিনি টেস্টে সেঞ্চুরি করলেও প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড তাঁর নয়। C) নাজমুল হোসেন শান্ত — তিনি টেস্ট দলের ব্যাটার হলেও প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির তালিকায় তিনি নেই। D) মুশফিকুর রহিম — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম টেস্ট ডাবল সেঞ্চুরি করেন। মনে রাখার টিপস: ম দিয়ে মুশফিক এবং ম দিয়েই প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
119. ১৯৭৫ সালে একদলীয় শাসন ব্যবস্থায় কোন পত্রিকাটি নিষিদ্ধ ছিল?
Created 1 week ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দৈনিক গণকণ্ঠ কেন সঠিক: - ১৯৭৫ সালে বাকশাল গঠিত হওয়ার পর সরকার মাত্র চারটি দৈনিক পত্রিকা রেখে বাকি সব সংবাদপত্র নিষিদ্ধ করে। - সেই সময় সরকারবিরোধী কঠোর সম্পাদকীয় ও সংবাদ প্রকাশের কারণে জাসদ সমর্থিত দৈনিক গণকণ্ঠ পত্রিকাটির প্রকাশনা নিষিদ্ধ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ টাইমস — এটি ১৯৭৫ সালের একদলীয় শাসন ব্যবস্থায় নিষিদ্ধ না হয়ে বরং সরকারের অনুমোদিত চারটি প্রধান দৈনিকের একটি হিসেবে চালু ছিল। B) বাংলাদেশ অবজার্ভার — এটিও সে সময় সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা এবং অনুমোদিত প্রধান ইংরেজি দৈনিকগুলোর একটি ছিল। C) দৈনিক গণকণ্ঠ — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) দৈনিক ইত্তেফাক — এটিও বাকশাল সরকারের নীতি অনুযায়ী চালু রাখা অনুমোদিত দৈনিকগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি পত্রিকা ছিল। মনে রাখার টিপস: একদলীয় শাসনের সময় নিষিদ্ধ হওয়া জাসদের মুখপত্র ছিল গণকণ্ঠ, আর সরকারি অনুমোদনে টিকে ছিল বাকি তিনটি।
121. সেরিকালচার বলতে বোঝায়-
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রেশম পোকা চাষ ১. কেন সঠিক: - সেরিকালচার হলো রেশম পোকা চাষের বৈজ্ঞানিক ও বাণিজ্যিক প্রক্রিয়া। - এর মাধ্যমে তুঁত গাছের পাতা খাইয়ে রেশম পোকা লালন-পালন করা হয় এবং রেশম সুতা সংগ্রহ করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সেরিকালচার হলো প্রাণিবিজ্ঞানের একটি বিশেষ শাখা যেখানে রেশম উৎপাদনের উদ্দেশ্যে রেশম পোকা বা বোম্বিক্স মোরি চাষ করা হয়। - কার্যপ্রণালি: রেশম পোকা তুঁত পাতা খেয়ে লার্ভা থেকে পিউপা দশায় রূপান্তরিত হওয়ার সময় লালাগ্রন্থি থেকে এক প্রকার প্রোটিনজাতীয় পদার্থ নিসরণ করে কোকুন তৈরি করে। - কারণ ও ফলাফল: এই কোকুনগুলো থেকে উন্নত মানের রেশম বা সিল্ক সুতা পাওয়া যায় যা বস্ত্রশিল্পে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশের রাজশাহী অঞ্চলে রেশম চাষ বা সেরিকালচার ব্যাপকভাবে প্রচলিত। ব্যাখ্যা: সেখানকার আবহাওয়া ও তুঁত গাছের প্রাচুর্য রেশম পোকা পালনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। উদাহরণ ২: চীন ও ভারত বিশ্বে রেশম উৎপাদনে শীর্ষস্থানীয়। ব্যাখ্যা: এই দেশগুলোতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সেরিকালচার পরিচালনা করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুলা চাষ — তুলা চাষকে উদ্ভিদবিজ্ঞানের ভাষায় এগ্রিকালচার বা বিশেষায়িত কৃষির অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যা টেক্সটাইল ফাইবার উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। B) নীল চাষ — নীল চাষ হলো নীলকর উদ্ভিদ থেকে নীল রং তৈরির প্রাচীন কৃষি প্রক্রিয়া, যা ব্রিটিশ আমলে বাংলার ইতিহাসে রাজনৈতিক গুরুত্ব বহন করে। C) রেশম পোকা চাষ — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বৈজ্ঞানিকভাবে একে সেরিকালচার বলা হয়। D) তামাক চাষ — তামাক চাষ হলো নিকোটিনযুক্ত পাতা উৎপাদনের একটি ক্ষতিকর কৃষি প্রক্রিয়া, যাকে এগ্রিকালচারের আওতাভুক্ত করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সেরিকালচার শব্দটির সিল্ক বা রেশম শব্দের সঙ্গে মিল রয়েছে। - রেশম পোকার ইংরেজি সিল্ক ওয়ার্ম এবং সেরিকালচার শব্দটি সিল্ক উৎপাদনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় বিভিন্ন ধরনের কালচার যেমন এপিকালচার পিসিকালচার এবং হর্টিকালচার প্রায়ই আসে। - মৎস্য চাষকে পিসিকালচার এবং মধু চাষকে এপিকালচার বলা হয়।
122. ছায়া প্রেমী (Shadow loving) অর্থনৈতিক ফসল কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চা ১. কেন সঠিক: - চা গাছ সরাসরি প্রবল সূর্যালোক সহ্য করতে পারে না এবং আংশিক ছায়াযুক্ত বা মেঘাচ্ছন্ন পরিবেশে সবচেয়ে ভালোভাবে বৃদ্ধি পায়। - এই উদ্ভিদগুলোর সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য তীব্র আলোর পরিবর্তে বিচ্ছুরিত বা পরোক্ষ আলো বেশি উপযোগী হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: উদ্ভিদবিজ্ঞানে যেসব উদ্ভিদ কম আলো বা ছায়ায় ভালো জন্মায় তাদের ছায়াপ্রেমী বা স্কিয়োফাইট বলা হয়। - কার্যপ্রণালি: চা পাতার ক্লোরোপ্লাস্ট কম আলোতেও দক্ষতার সাথে সূর্যালোক শোষণ করে খাদ্য তৈরিতে সক্ষম। - বাস্তব প্রয়োগ: চা বাগানে বড় বড় গাছের চারা বা ছায়া প্রদানকারী গাছ লাগানো হয় যাতে চায়ের চারাগুলো অতিরিক্ত রোদ থেকে রক্ষা পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনের গভীরের ফার্ন জাতীয় উদ্ভিদ। ব্যাখ্যা: এগুলো সরাসরি সূর্যের আলো পায় না এবং কম আলোতেই বংশবৃদ্ধি করে। উদাহরণ ২: ঘরের ভেতরে রাখা ইনডোর প্লান্ট যেমন মানিপ্লান্ট। ব্যাখ্যা: এগুলো তীব্র রোদের পরিবর্তে ঘরের মৃদু আলোতে বেঁচে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আখ — আখ হলো আলোকপ্রেমী বা হেলিয়োফাইট উদ্ভিদ যা বৃদ্ধির জন্য প্রচুর সরাসরি সূর্যালোক ও তাপের প্রয়োজন হয়। B) তামাক — তামাক চাষের ক্ষেত্রেও উন্মুক্ত মাঠ এবং প্রচুর পরিমাণে সরাসরি সূর্যালোকের প্রয়োজন পড়ে। C) ধান — ধান একটি সি ফোর উদ্ভিদ ক্যাটাগরির ফসল, যার পূর্ণাঙ্গ বৃদ্ধ ও শিষ আসার জন্য তীব্র সূর্যালোক অপরিহার্য। D) চা — এটি সঠিক উত্তর কারণ চা গাছ ছায়াঘেরা পাহাড়ি ঢলে সবচেয়ে ভালো জন্মায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - চা পান করার সময় আমরা ছায়াঘেরা বাগানের কথা ভাবতে পারি, কারণ চা মানেই ছায়া পছন্দকারী উদ্ভিদ। - স্কিয়োফাইট শব্দটির অর্থ ছায়াপ্রেমী উদ্ভিদ, যা পরীক্ষার জন্য মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই উদ্ভিদের আলোক পছন্দ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে, যেমন স্কিয়োফাইট ও হেলিয়োফাইট উদ্ভিদের পার্থক্য। - চা উৎপাদনে বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলের মাটি ও জলবায়ু অত্যন্ত উপযোগী।
124. বিরল ভূতল খনিজ (Rare-Earth Minerals) সম্পর্কিত কোন তথ্যটি সঠিক?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এর অসাধারণ চৌম্বক ধর্ম রয়েছে ১. কেন সঠিক: বিরল ভূতল খনিজ বা রেয়ার আর্থ মিনারেলসের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এদের তীব্র চৌম্বক ধর্ম ও অনুঘটক হিসেবে কাজ করার ক্ষমতা। আধুনিক প্রযুক্তিতে শক্তিশালী পার্মানেন্ট ম্যাগনেট তৈরিতে এই ধাতুগুলোর ভূমিকা অপরিহার্য। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পর্যায় সারণির স্ক্যানডিয়াম, ইট্রিয়াম এবং ল্যানথানাইড সিরিজের চৌদ্দটি মৌলসহ মোট সতেরোটি ধাতুকে একসঙ্গে বিরল ভূতল খনিজ বলা হয়। কার্যপ্রণালি: এই মৌলগুলোর পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসে অবিন্যস্ত এফ অরবিটাল থাকে যা শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করতে সাহায্য করে। বাস্তব প্রয়োগ: স্মার্টফোনের স্পিকার, মাইক্রোফোন, বৈদ্যুতিক মোটর এবং উইন্ড টারবাইনের শক্তিশালী চুম্বক তৈরিতে এগুলো ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৈদ্যুতিক গাড়ির ড্রাইভ মোটর। ব্যাখ্যা: নিওডিমিয়াম নামক বিরল ভূতল ধাতু দিয়ে তৈরি শক্তিশালী চুম্বক গাড়ির মোটরের কার্যক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। উদাহরণ ২: উইন্ড টারবাইন বা বায়ুকল। ব্যাখ্যা: বাতাস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য টারবাইনে যে জেনারেটর থাকে, তাতে এই খনিজ দিয়ে তৈরি চুম্বক ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউক্রেন এ খনিজ উৎপাদনে শীর্ষ অবস্থানে আছে — এই তথ্যটি ভুল কারণ বর্তমানে চীন বিরল ভূতল খনিজ উত্তোলনে বিশ্বজুড়ে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। B) লিথিয়াম এই খনিজের মধ্যে অন্যতম সদস্য — এই তথ্যটি সঠিক নয় কারণ লিথিয়াম একটি ক্ষার ধাতু এবং এটি রেয়ার আর্থ এলিমেন্টের অন্তর্ভুক্ত নয়। D) এর মধ্যে ১৫টি ধাতু রয়েছে — এই তথ্যটি ভুল কারণ এই গ্রুপের মধ্যে মোট ১৭টি ধাতু বা মৌল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: রেয়ার আর্থ বা বিরল ভূতল খনিজ মানেই শক্তিশালী চুম্বকত্ব। সংখ্যা ১৭টি এবং উৎপাদনে চীন এক নম্বরে আছে—এই দুটি তথ্য মনে রাখলে বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ভুল এড়ানো সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিরল ভূতল খনিজ বা রেয়ার আর্থ এলিমেন্টগুলোতে মোট ১৭টি মৌল রয়েছে এবং এটি আধুনিক ইলেকট্রনিক্স শিল্পের প্রাণভোমরা। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে চীন কোন খনিজ উৎপাদনে বিশ্বে এক নম্বরে।
126. ফিটকিরিতে কত অণু পানি থাকে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ ১. কেন সঠিক: ফিটকিরি হলো পটাশিয়াম অ্যালুমিয়াম সালফেটের একটি জলীয় কেলাসম লবন যার রাসায়নিক সংকেত পটাশিয়াম সালফেট, অ্যালুমিয়াম সালফেট এবং চব্বিশ অণু পানির সমন্বয়ে গঠিত। এই লবণের কেলাস গঠনে নির্দিষ্ট অনুপাতে পানি যুক্ত থাকে যাকে কেলাসন পানি বলা হয় এবং ফিটকিরির ক্ষেত্রে এই পানির পরিমাণ ঠিক চব্বিশ অণু। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: কেলাসন পানি হলো সেই পানি যা লবণের অণুর সঙ্গে সুনির্দিষ্ট রাসায়নিক অনুপাতে যুক্ত থেকে কেলাস গঠন করে এবং এর জ্যামিতিক আকৃতি বজায় রাখে। রাসায়নিক সংকেত: পটাশিয়াম অ্যালুমিয়াম সালফেট ডোডেকাহাইড্রেট বা ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত হলো কেএএল সালফেট টু ফোর ডট টু ফোর এইচ টু ও। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ময়লা পানি পরিষ্কার করার কাজে ফিটকিরি ব্যবহার করা হয় কারণ এর অণুতে থাকা অ্যালুমিয়াম আয়ন পানির ভাসমান কণার সঙ্গে বিক্রিয়া করে তলানি ফেলে। ব্যাখ্যা: ফিটকিরির কেলাসন পানির উপস্থিতি এর আণবিক গঠন এবং কঠিন অবস্থা বজায় রাখতে সাহায্য করে যা পানিতে দ্রবীভূত হওয়ার সময় এই কার্যকারিতা দেখায়। উদাহরণ ২: শেভ করার পর ত্বকের কাটাছেঁড়ায় জীবাণুনাশক ও রক্ত বন্ধ করার জন্য ফিটকিরি ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: ফিটকিরির রাসায়নিক গঠন ত্বকের প্রোটিনকে জমাট বাঁধাতে সাহায্য করে রক্তপাত বন্ধ করে, যেখানে এর স্ফটিক রূপটি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪ — এটি সঠিক উত্তর কারণ পটাশিয়াম অ্যালুমিয়াম সালফেটের প্রতি এক অণু লবণের সঙ্গে চব্বিশ অণু পানি কেলাসন পানি হিসেবে যুক্ত থাকে। B) ১৫ — এটি ভুল কারণ ১৫ অণু পানি অন্য কিছু নির্দিষ্ট ধাতব লবণের কেলাসে থাকতে পারে কিন্তু ফিটকিরির ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটি প্রযোজ্য নয়। C) ৭ — এটি ভুল কারণ ৭ অণু পানি তামা sulfate বা জিংক সালফেটের হেপ্টাহাইড্রেট লবণের কেলাসে থাকে যা ফিটকিরি নয়। D) ৫ — এটি ভুল কারণ ৫ অণু পানি সাধারণত কপার সালফেটের পেন্টাহাইড্রেট লবণে বা তুঁতেতে পাওয়া যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: ফিটকিরি শব্দটিতে চার অক্ষর আছে এবং এর পানির অণুর সংখ্যাও চব্বিশ দিয়ে শেষ হয়, তাই ফিটকিরি দেখলেই চব্বিশ অণু পানি মনে রাখবে। লবণের নামের সঙ্গে ডোডেকাহাইড্রেট শব্দটিও এর পানির পরিমাণকে নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত এবং এতে পানির অণুর সংখ্যা কত তা জানতে চাওয়া হয়। একই ধারণা থেকে তেমতো তুঁতেতে পানির অণু কয়টি বা জিপসামে পানির অণু কয়টি—এই ধরনের প্রশ্নও পরীক্ষায় আসতে পারে।
127. কোন গ্রহে 'Curiosity' মহাকাশযানটি প্রেরণ করা হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মঙ্গল ১. কেন সঠিক: - কিউরিওসিটি রোভার হলো মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা কর্তৃক প্রেরিত একটি যান, যা ২০১২ সালের আগস্ট মাসে মঙ্গলের পৃষ্ঠে সফলভাবে অবতরণ করে। - এই অভিযانর মূল উদ্দেশ্য ছিল মঙ্গলের পরিবেশ, জলবায়ু এবং সেখানে অতীতে কখনো অণুজীব বা প্রাণের অস্তিত্ব ছিল কি না তা গবেষণা করা। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: জ্যোতির্বিজ্ঞান ও মহাকাশ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে মঙ্গল গ্রহে বিভিন্ন রোবটিক যান পাঠানো হয়। - কার্যপ্রণালি: কিউরিওসিটি পারমাণবিক শক্তির সাহায্যে চলে এবং এর ভেতরে থাকা অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরির মাধ্যমে মাটির নমুনা বিশ্লেষণ করে। - বাস্তব প্রয়োগ: সুদূর মহাকাশের গ্রহে মানুষের সরাসরি যাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এই ধরনের রোবট যান ব্যবহার করে নিরাপদ দূরত্বে থেকে বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পারসিভিয়ারেন্স রোভার ব্যাখ্যা: এটিও মঙ্গল গ্রহে প্রেরিত আরেকটি বিখ্যাত যান যা ২০২১ সালে সেখানে অবতরণ করে এবং প্রাচীন প্রাণের লক্ষণ খুঁজছে। উদাহরণ ২: ক্যাসিনি মহাকাশযান ব্যাখ্যা: এটি শনি গ্রহের চারপাশে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করেছিল, যা গ্রহ সম্পর্কে আমাদের ধারণা বদলে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শনি — শনি গ্রহে কিউরিওসিটি পাঠানো হয়নি, শনি অধ্যয়নের জন্য ক্যাসিনি এবং হয়জেনস মহাকাশযান পাঠানো হয়েছিল। B) মঙ্গল — এটি সঠিক উত্তর কারণ কিউরিওসিটি মঙ্গল গ্রহের গেইল ক্রেটারে অবতরণ করে গবেষণা পরিচালনা করছে। C) বৃহস্পতি — বৃহস্পতি গ্রহে কিউরিওসিটি পাঠানো হয়নি, এই গ্রহে জুনো এবং গ্যালিলিও মহাকাশযান পাঠানো হয়েছে। D) ইউরেনাস — ইউরেনাস গ্রহে এখন পর্যন্ত মাত্র একটি মহাকাশযান ভয়েজার ২ পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তথ্য পাঠিয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - কিউরিওসিটি শব্দের অর্থ কৌতূহল। লাল গ্রহ বা মঙ্গল সম্পর্কে মানুষের কৌতূহল মেটাতেই এই যান পাঠানো হয়েছে। - মঙ্গল গ্রহের ইংরেজি নাম মার্স এবং কিউরিওসিটির প্রথম অক্ষর সি, এভাবে মার্স ও কিউরিওসিটির সংযোগ মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নাসা ২০১২ সালে কিউরিওসিটি রোভার মঙ্গল গ্রহে পাঠায়। - একই বৈজ্ঞানিক ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে মঙ্গলে প্রেরিত প্রথম রোবটের নাম কী অথবা পারসিভিয়ারেন্স কোন গ্রহের যান।
128. হাইড্রোজেন বোমায় ক্রিয়া করে-
Created 1 week ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফিশন ও ফিউশন উভয়টিই ১. কেন সঠিক: - হাইড্রোজেন বোমার মূল শক্তি উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় পারমাণবিক ফিশন এবং ফিউশন উভয় বিক্রিয়াই ধারাবাহিকভাবে ঘটে থাকে। - প্রথমে সাধারণ ফিশন বোমা ফাটিয়ে প্রচণ্ড তাপ ও চাপ সৃষ্টি করা হয়, যা হাইড্রোজেন আইসোটোপের ফিউশন বিক্রিয়া শুরু করতে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: হাইড্রোজেন বোমা মূলত ফিউশন বিক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হলেও এর শুরুতে ফিশন প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হয়। - কার্যপ্রণালি: বোমার ভেতরে থাকা প্রাথমিক ফিশন ট্রিগার অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রা এবং চাপের সৃষ্টি করে, যা ফিউশনযোগ্য হালকা পরমাণুকে যুক্ত করে। - কারণ ও ফলাফল: ফিউশন বিক্রিয়ার ফলে বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয়, যা পারমাণবিক ফিশন বোমার চেয়ে শতগুণ বেশি শক্তিশালী ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যের শক্তি উৎপাদন ব্যাখ্যা: সূর্যের অভ্যন্তরে হাইড্রোজেন পরমাণু একত্রিত হয়ে হিলিয়াম তৈরির ফিউশন প্রক্রিয়া অবিরাম চলছে, যা হাইড্রোজেন বোমার মূল নীতির সঙ্গে তুলনীয়। উদাহরণ ২: থার্মোনিউক্লিয়ার বিস্ফোরণ ব্যাখ্যা: পরীক্ষাগারে বা মহাকাশে নিয়ন্ত্রিত ও অনিয়ন্ত্রিত থার্মোনিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় ফিশন ও ফিউশন শক্তির যৌথ প্রয়োগ দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিশন বিক্রিয়া — শুধু ফিশন বিক্রিয়া ব্যবহার করা হয় পরমাণু বোমা বা ইউরেনিয়াম বোমায়, যা হাইড্রোজেন বোমার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করে না। B) ফিউশন বিক্রিয়া — শুধু ফিউশন বললে আংশিক সত্য হয় কারণ ফিউশন শুরু করার জন্য ফিশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রাথমিক তাপ ও চাপ তৈরি করতেই হয়। C) ফিশন ও ফিউশন উভয়টিই — এই অপশনটি সঠিক কারণ হাইড্রোজেন বোমার কার্যপ্রণালিতে ফিশন এবং ফিউশন দুটি বিক্রিয়াই পর্যায়ক্রমে ঘটে থাকে। D) সাধারণ রাসায়নিক বিক্রিয়া — হাইড্রোজেন বোমা কোনো সাধারণ রাসায়নিক বিক্রিয়া নয়, এটি সম্পূর্ণভাবে নিউক্লীয় বা পারমাণবিক বিক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল। ৫. মনে রাখার টিপস: - হাইড্রোজেন বোমা মানেই মাথায় রাখতে হবে ছোট ফিশন বিস্ফোরণ দিয়েই শুরু হয় বড় ফিউশন বিক্রিয়া। - ফিউশন শব্দের অর্থ জোড়া লাগা, আর ফিশন শব্দের অর্থ ভেঙে যাওয়া। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন বোমা বেশি শক্তিশালী এবং তার মূল ভিত্তি কী। - পারমাণবিক বোমা চলে ফিশন নীতিতে, আর হাইড্রোজেন বোমা চলে ফিউশন ও ফিশন উভয় নীতির সমন্বয়ে।
130. আল্ট্রাসোনোগ্রাফিতে ব্যবহৃত শব্দের কম্পাঙ্ক কত?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০১ - ১০ মেগাহার্জ ১. কেন সঠিক: আল্ট্রাসোনোগ্রাফিতে শব্দ তরঙ্গের কম্পাঙ্ক ১ থেকে ১০ মেগাহার্জ ব্যবহার করা হয়। এই উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ মানবদেহের টিস্যুর ভেতরে প্রবেশ করে বিভিন্ন ঘনত্বের অঙ্গের ছবি তৈরি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: আল্ট্রাসাউন্ড বা শ্রবণোত্তর শব্দ হলো এমন শব্দ যার কম্পাঙ্ক কুড়ি হাজার হার্জের বেশি। কার্যপ্রণালি: প্রোব বা ট্রান্সডিউসার দেহের ভেতরে শব্দ তরঙ্গ পাঠায় এবং প্রতিফলিত প্রতিধ্বনিকে কম্পিউটারের মাধ্যমে চিত্রে রূপান্তর করে। বাস্তব প্রয়োগ: গর্ভস্থ শিশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং হৃদপিণ্ড বা যকৃতের রোগ নির্ণয়ে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ। ব্যাখ্যা: উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করে ক্ষতিকর বিকিরণ ছাড়াই গর্ভস্থ শিশুর পরিষ্কার ছবি দেখা যায়। উদাহরণ ২: ইকোকার্ডিওগ্রাফি বা হৃদপিণ্ডের পরীক্ষা। ব্যাখ্যা: এই পরীক্ষার মাধ্যমে হৃদপিণ্ডের ভালভ ও রক্তপ্রবাহের চিত্র নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.০১ - ০১ মেগাহার্জ — এই কম্পাঙ্ক আল্ট্রাসোনোগ্রাফির জন্য অত্যন্ত কম এবং শরীরের ভেতরে পরিষ্কার প্রতিসরণ তৈরি করতে পারে না। B) ০১ - ১০ মেগাহার্জ — এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের আল্ট্রাসোনোগ্রাফিতে বহুল ব্যবহৃত এবং আদর্শ কম্পাঙ্কের পরিসর। C) ১০ - ২০ মেগাহার্জ — এই উচ্চ কম্পাঙ্কের পরিসর কিছু বিশেষ উচ্চ রেজোলিউশনের স্ক্যানে ব্যবহৃত হয়, যা সাধারণ আল্ট্রাসোনোগ্রাফির মূল মান নয়। D) ২০ - ৩০ মেগাহার্জ — এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রচলিত আল্ট্রাসোনোগ্রাফিতে সাধারণত ব্যবহৃত হয় না কারণ এর ভেদন ক্ষমতা খুব কম। ৫ মনে রাখার টিপস: আল্ট্রাসোনোগ্রাফি শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ আল্ট্রাসাউন্ড এবং এর কম্পাঙ্ক মনে রাখতে ১ থেকে ১০ মেগাহার্জ সংখ্যা দুটি মনে রাখবে। চিকিৎসা বিজ্ঞানে মেগাহার্জ এককের মান সবসময় ছোট পরিসরে অর্থাৎ ১ থেকে ১০ এর মধ্যে থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পাঙ্কের একক হলো হার্জ এবং ১ মেগাহার্জ সমান ১০ লক্ষ হার্জ। এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস এবং মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রায়ই তরঙ্গ ও শব্দ অধ্যায় থেকে আসে।
132. কোন স্পেস টেলিস্কোপ ২০২১ সালে হাবল টেলিস্কোপের স্থল অভিষিক্ত হয়?
Created 1 week ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জেমস ওয়েব ১. কেন সঠিক: জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ হলো নাসার তৈরি একটি অত্যাধুনিক মহাশূন্য দূরবীক্ষণ যন্ত্র যা ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে মহাকাশে পাঠানো হয়। এটি মূলত বিখ্যাত হাবল স্পেস টেলিস্কোপের পরবর্তী প্রজন্ম বা উত্তরসূরি হিসেবে মহাকাশের আদিম গ্যালাক্সিগুলো পর্যবেক্ষণ করার জন্য কাজ শুরু করেছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: জ্যোতির্বিজ্ঞান ও মহাকাশ প্রযুক্তি কার্যপ্রণালি: জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ ইনফ্রারেড বা অবলোহিত আলো ব্যবহার করে মহাকাশের অতিদূরবর্তী বস্তু দেখতে পায় যা হাবল টেলিস্কোপের পক্ষে দেখা সম্ভব ছিল না। বাস্তব প্রয়োগ: এই টেলিস্কোপের সাহায্যে বিগ ব্যাং বা মহা বিস্ফোরণের ঠিক পরের গ্যালাক্সিগুলোর ছবি তোলা সম্ভব হচ্ছে এবং ভিনগ্রহের বায়ুমণ্ডল বিশ্লেষণ করা যাচ্ছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুয়াশা ভেদ করে ইনফ্রারেড ক্যামেরার সাহায্যে ছবি তোলা। ব্যাখ্যা: জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ ধূলিমেঘ ভেদ করে ইনফ্রারেড রশ্মির মাধ্যমে গ্যালাক্সির জন্মরহস্য উদ্ঘাটন করে। উদাহরণ ২: রাতের চশমা ব্যবহার করে অন্ধকারে দেখা। ব্যাখ্যা: ইনফ্রারেড প্রযুক্তির সাহায্যে যেমন অন্ধকার বা আস্তরণ ভেদ করা যায়, তেমনি জেমস ওয়েব মহাকাশের ধূলি ভেদ করে ভেতরের নক্ষত্র দেখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেমস ওয়েব — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ২০২১ সালে হাবল টেলিস্কোপের স্থলাভিষিক্ত হয়ে মহাকাশ গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। B) পাথ ফাইন্ডার — এটি মঙ্গলে প্রেরিত একটি রোভার বা ল্যান্ডার ছিল, কোনো স্পেস টেলিস্কোপ নয়। C) স্পিটজার — এটি একটি ইনফ্রারেড স্পেস টেলিস্কোপ যা ২০০৩ সালে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল, হাবলের স্থল অভিষিক্ত নয়। D) জন কেপলার — এটি কেপলার স্পেস টেলিস্কোপের সঙ্গে সম্পর্কিত যা বহির্গ্রহ আবিষ্কারের জন্য পরিচিত, হাবলের উত্তরসূরি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: জেমস ওয়েব হলো মহাকাশ গবেষণার বর্তমান ওয়েব বা জালের মতো বিশ্বজোড়া বিস্ময় যা হাবলের পর ২০২১ সালে এসেছে। হাবল হলো দৃশ্যমান আলোর রাজা এবং জেমস ওয়েব হলো ইনফ্রারেড আলোর রাজা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ কোন দেশ বা সংস্থার প্রকল্প তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে এটি মূলত নাসা, ইসা এবং কানাডিয়ান মহাকাশ সংস্থার যৌথ প্রকল্প। হাবল টেলিস্কোপ কবে মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল এবং এর মূল কাজ কী ছিল, তা জেনে রাখা ভালো।
133. EPI এর পূর্ণরূপ কী?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Expanded program on immunization ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক প্রবর্তিত শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষার সর্বজনীন টিকাদান কর্মসূচিকে সঠিকভাবে নির্দেশ করে। - এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো নির্দিষ্ট বয়সের শিশুদের মারাত্মক কিছু সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করা। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: টিকাদান বা ইমিউনাইজেশন হলো দেহে কৃত্রিমভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা অ্যান্টিবডি তৈরির একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। - কার্যপ্রণালি: মৃদু বা নিষ্ক্রিয় জীবাণু শরীরে প্রবেশ করিয়ে ইমিউন সিস্টেমকে সক্রিয় করা হয় যাতে পরবর্তীতে আসল জীবাণু আক্রমণ করতে না পারে। - বাস্তব প্রয়োগ: শিশুদের যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি, ধনুষ্টংকার, হেপাটাইটিস বি এবং পোলিওসহ বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করতে এটি প্রয়োগ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিশুদের যক্ষ্মা প্রতিরোধের জন্য বিসিজি টিকা প্রদান করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি শিশুদের দেহে যক্ষ্মা রোগের বিরুদ্ধে প্রাথমিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে। উদাহরণ ২: পোলিও রোগের বিরুদ্ধে খাওয়ার টিকা বা ওপিভি ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি পোলিও ভাইরাসজনিত পক্ষাঘাত বা অঙ্গহানি রোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Extended Program on immunization — এই শব্দগুচ্ছে Expanded শব্দের বদলে Extended ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রাতিষ্ঠানিক ও দাপ্তরিক নামে ভুল। B) Expanded program on immunization — এটি সঠিক এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত পূর্ণরূপ। C) Essential Polio immunization — এটি শুধু পোলিও টিকাকে নির্দেশ করে, যা সম্পূর্ণ টিকাদান কর্মসূচিকে বোঝাতে পারে না। D) Extended pediatric immunization — এটি পেডিয়াট্রিক বা শিশু চিকিৎসাকেন্দ্রিক বিশেষায়িত শব্দ হলেও অফিসিয়াল পূর্ণরূপ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - EPI নামের শুরুতে E অক্ষর দিয়ে Expanded এবং P অক্ষর দিয়ে Program মনে রাখা যায়। - এভাবে ক্রমানুসারে পূর্ণরূপটি মনে রাখলে পরীক্ষাকেন্দ্রে বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশে এই কর্মসূচি ১৯৭৯ সাল থেকে সফলভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে। - বিশ্বব্যাপী এই কার্যক্রমটি ১৯৭৪ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক চালু করা হয়েছিল।
134. কোন ধাতু পানিতে ফেললে আগুন ধরে যায়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সোডিয়াম ১. কেন সঠিক: - সোডিয়াম অত্যন্ত সক্রিয় ক্ষার ধাতু হওয়ায় পানির সংস্পর্শে আসলে তীব্র রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে আগুন ধরে যায়। - পানির সাথে বিক্রিয়ায় সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড এবং হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয় এবং এই বিক্রিয়ায় প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সোডিয়াম (Na) পর্যায় সারণির প্রথম গ্রুপের একটি ক্ষার ধাতু, যা বাতাসের অক্সিজেন এবং পানির সাথে অত্যন্ত দ্রুত বিক্রিয়া করে। - রাসায়নিক বিক্রিয়া: ২Na + ২H₂O = ২NaOH + H₂ + তাপশক্তি। - কার্যপ্রণালি: সোডিয়াম পানিতে ফেললে এটি পানির সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে এবং বিক্রিয়ার তীব্র তাপে সেই হাইড্রোজেন গ্যাসে আগুন ধরে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরীক্ষাগারে কেরোসিনের নিচে সোডিয়াম সংরক্ষণ করা হয়। ব্যাখ্যা: সোডিয়াম যাতে বাতাসে থাকা জলীয় বাষ্প বা অক্সিজেনের সংস্পর্শে এসে আগুন ধরতে না পারে, তাই এটি কেরোসিনে ডুবিয়ে রাখা হয়। উদাহরণ ২: সোডিয়াম ধাতুর টুকরো ভেজা হাতে ধরা নিষেধ। ব্যাখ্যা: হাতের পানির সাথে বিক্রিয়া করে এটি মারাত্মক বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে এবং হাত পুড়িয়ে দিতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোডিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পানির সাথে তীব্র বিক্রিয়ায় আগুন উৎপন্ন করে। B) ম্যাগনেসিয়াম — এটি একটি সক্রিয় ধাতু তবে সাধারণ তাপমাত্রায় পানির সাথে তীব্রভাবে বিক্রিয়া করে আগুন ধরে না, কেবল গরম পানির সাথে ধীরে বিক্রিয়া করে। C) রেডিয়াম — এটি একটি তেজস্ক্রিয় মৌল এবং এর তেজস্ক্রিয় বিকিরণের জন্য পরিচিত, পানির সাথে সোডিয়ামের মতো আগুন ধরার বিস্ফোরক বিক্রিয়া দেখায় না। D) ইউরেনিয়াম — এটি একটি ভারী তেজস্ক্রিয় ধাতু যা পারমাণবিক জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়, এটি পানির সাথে সোডিয়ামের মতো বিক্রিয়া করে আগুন ধরে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - সোডিয়ামের প্রতীক Na এবং এটি পানিতে পড়লে নাও (Na) বাঁচা যায় না কারণ আগুন ধরে যায়। - সক্রিয়তা সিরিজে সোডিয়াম অনেক ওপরে থাকে বলে এর সক্রিয়তা অত্যন্ত বেশি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন ধাতুকে কেরোসিনে ডুবিয়ে রাখা হয়, যার উত্তর সোডিয়াম। - এই ধাতুগুলো পানিতে ফেললে যে গ্যাস উৎপন্ন হয় তা হলো হাইড্রোজেন গ্যাস।
135. কোন গ্যাস গ্রিন হাউস ইফেক্ট ঘটায়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মিথেন ১. কেন সঠিক: - মিথেন একটি শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস যা বায়ুমণ্ডলে তাপ আটকে রেখে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি করে। - এই গ্যাসটি সূর্যের আলো প্রবেশ করতে দিলেও পৃথিবী থেকে বিকিরিত তাপ মহাশূন্যে চলে যেতে বাধা দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত যে গ্যাসগুলো পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ শোষণ করে বায়ুমণ্ডলে ধরে রাখে, সেগুলোকে গ্রিনহাউস গ্যাস বলে। - কার্যপ্রণালি: মিথেন অণুর গঠন এমন যে এটি অবলোহিত বা ইনফ্রারেড রশ্মি শোষণ করতে অত্যন্ত পারদর্শী। - কারণ ও ফলাফল: শিল্পায়ন, কৃষিকাজ ও গবাদিপশু থেকে মিথেন নির্গমন বাড়ার ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধানক্ষেত থেকে মিথেন গ্যাস নির্গমন। ব্যাখ্যা: পচা কাদামাটিতে ব্যাকটেরিয়ার ক্রিয়ায় জৈব পদার্থ পচে মিথেন গ্যাস উৎপন্ন হয় যা বায়ুমণ্ডলে মিশে গ্রিনহাউস প্রভাব তৈরি করে। উদাহরণ ২: গরুর পরিপাকতন্ত্রে মিথেন উৎপাদন। ব্যাখ্যা: গরুর পাকস্থলীতে গ্যাস্ট্রিক ফারমেন্টেশনের মাধ্যমে প্রচুর মিথেন গ্যাস তৈরি হয় যা ঢেঁকুর ও বায়ুর মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলে ছড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইড্রোজেন — এটি অত্যন্ত হালকা গ্যাস এবং প্রধানত জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি গ্রিনহাউস ইফেক্ট ঘটায় না। B) নাইট্রোজেন — বায়ুমণ্ডলের প্রায় ৭৮ শতাংশ দখল করে থাকা এই নিষ্ক্রিয় গ্যাসটি তাপ শোষণ করে না এবং গ্রিনহাউস ইফেক্টও ঘটায় না। C) অক্সিজেন — এটি জীবজগতের শ্বাসকর্মে অপরিহার্য গ্যাস হলেও এটি গ্রিনহাউস গ্যাস নয় এবং তাপ আটকে রাখে না। D) মিথেন — এটি একটি অন্যতম প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস যা কার্বন ডাই অক্সাইডের চেয়েও অনেক বেশি তাপ আটকে রাখতে পারে। ৫. মনে রাখার টিপস: - গ্রিনহাউস গ্যাসগুলোর নাম মনে রাখতে মিতু কার পানি খায় সূত্রটি মনে রাখতে পারো, যেখানে মি মানে মিথেন, তু মানে কার্বন মনোক্সাইড নয় বরং মিথেন, কা মানে কার্বন ডাই অক্সাইড, পা মানে জলীয় বাষ্প এবং নি মানে নাইট্রাস অক্সাইড। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কার্বন ডাই অক্সাইডের চেয়ে মিথেনের তাপ আটকা ক্ষমতা প্রায় ২৫ গুণ বেশি। - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন গ্যাসটি প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস অথবা কোনটি গ্রিনহাউস গ্যাস নয়।
136. হিগসের কণার (Higgs Particle) প্রকৃতির সাথে কোন বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর নাম জড়িয়ে আছে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সত্যেন্দ্রনাথ বসু ১. কেন সঠিক: - হিগস কণার নামকরণে বাঙালি পদার্থবিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুর অবদান রয়েছে। - এই কণাটির নামকরণ করা হয়েছে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী পিটার হিগস এবং সত্যেন্দ্রনাথ বসুর যৌথ স্মরণে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কোয়ান্টাম পরিসংখ্যানের ক্ষেত্রে সত্যেন্দ্রনাথ বসুর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মৌলিক কণার এক শ্রেণির নাম রাখা হয়েছে বোসন। - কার্যপ্রণালি: মহাবিশ্বের ভর সৃষ্টির রহস্য উদ্ঘাটনে হিগস বোসন কণার উপস্থিতি পরীক্ষামূলকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। - বাস্তব প্রয়োগ: পদার্থবিজ্ঞানের স্ট্যান্ডার্ড মডেল বা প্রমাণ নকশা বুঝতে এবং কণা ত্বরণযন্ত্রের কার্যকারিতায় এই কণার তত্ত্ব ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্যালাক্সি গঠন। ব্যাখ্যা: মহাবিশ্বের প্রাথমিক পর্যায়ে কণাগুলো ভর লাভ করার কারণে গ্যালাক্সি ও নক্ষত্র গঠিত হতে পেরেছে। উদাহরণ ২: সার্ন ল্যাবরেটরির পরীক্ষা। ব্যাখ্যা: সুইজারল্যান্ডের সার্ন গবেষণাগারে লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার যন্ত্রের মাধ্যমে হিগস বোসন কণা আবিষ্কার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু — তিনি তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ এবং উদ্ভিদের সংবেদনশীলতা নিয়ে গবেষণা করেছিলেন, হিগস কণার সাথে সম্পর্কিত নন। B) সত্যেন্দ্রনাথ বসু — এটি সঠিক উত্তর কারণ তার পরিসংখ্যানগত মতবাদ কণার নামকরণের ভিত্তি তৈরি করেছিল। C) প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম — তিনি মহাবিশ্বের পরিণতি এবং ব্ল্যাক হোল নিয়ে গবেষণা করে বিশ্বখ্যাত হয়েছেন। D) ড. কুদরত-ই-খুদা — তিনি বিখ্যাত রসায়নবিদ যিনি বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ও পাট নিয়ে বহুমুখী গবেষণা করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - বোসন কণা মানেই সত্যেন্দ্রনাথ বসু এবং হিগস কণা মানে পিটার হিগস। - এই দুটি নাম মিলে হয়েছে হিগস বোসন কণা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সত্যেন্দ্রনাথ বসুর নামানুসারে সব পূর্ণ স্পিনযুক্ত কণাকে বোসন বলা হয়। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
137. তরঙ্গের বেলায় কোনটি সত্য?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গ আলোর বেগে গমন করে ১. কেন সঠিক: সকল তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গ শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগে অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় তিন লক্ষ কিলোমিটার বেগে ভ্রমণ করে। এটি ম্যাক্সওয়েলের ত্বরিত তড়িৎ চৌম্বকীয় তত্ত্ব এবং আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব দ্বারা সমর্থিত একটি পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক সত্য। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গ হলো এমন তরঙ্গ যা তড়িৎ ক্ষেত্র ও চৌম্বক ক্ষেত্রের পারস্পরিক কম্পনের ফলে সৃষ্টি হয় এবং সঞ্চালিত হওয়ার জন্য কোনো মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না। কার্যপ্রণালি: এই তরঙ্গগুলো শূন্য মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সর্বোচ্চ বেগে চলতে পারে কারণ এদের চলাচলের জন্য জড় মাধ্যমের কণার ওপর নির্ভর করতে হয় না। বাস্তব প্রয়োগ: সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসা এবং বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে স্যাটেলাইট যোগাযোগ এই নীতির ওপর ভিত্তি করেই কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো পৌঁছানো। ব্যাখ্যা: সূর্য থেকে আলো ও অন্যান্য তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গ মহাকাশের শূন্য মাধ্যমের মধ্য দিয়ে ঠিক প্রতি সেকেন্ডে প্রায় তিন লক্ষ কিলোমিটার বেগে পৃথিবীতে এসে পৌঁছায়। উদাহরণ ২: মোবাইল ফোন ও রেডিও যোগাযোগ। ব্যাখ্যা: মোবাইল টাওয়ার থেকে আমাদের ফোনে আসা সংকেতগুলো তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গ হিসেবে আলোর বেগে ভ্রমণ করে বলেই আমরা তাৎক্ষণিক যোগাযোগ করতে পারি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গ আলোর বেগে গমন করে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক এবং বৈজ্ঞানিকভাবে পরীক্ষিত সত্য উত্তর। B) তরঙ্গবেগ হলো এর কম্পাঙ্ক ও তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের অনুপাত — এটি ভুল কারণ তরঙ্গবেগ হলো কম্পাঙ্ক ও তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের গুণফল, অনুপাত নয়। C) সকল তরঙ্গেই প্রতিফলন-প্রতিসরণ হয় না — এটি ভুল কারণ সব ধরনের তরঙ্গের ক্ষেত্রেই প্রতিফলন, প্রতিসরণ, ব্যতিচার ও অপাবর্তন ঘটে। D) শব্দতরঙ্গ একধরনের তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ — এটি ভুল কারণ শব্দতরঙ্গ হলো যান্ত্রিক তরঙ্গ, যার চলাচলের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন এবং এটি তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গ আলোর বন্ধু, তাই এর বেগও আলোর বেগের সমান। তরঙ্গবেগের সঠিক সূত্রটি মনে রাখতে মনে রেখ বেগ সমান কম্পাঙ্ক গুণ তরঙ্গ দৈর্ঘ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শূন্য মাধ্যমে সকল তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গের বেগ সর্বদা সমান থাকে এবং এর মান প্রায় তিন গুণ দশের পাওয়ার আট মিটার প্রতি সেকেন্ড। এই ধারণা থেকে প্রায়ই তরঙ্গবেগ, কম্পাঙ্ক ও তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের হিসাব সম্পর্কিত গাণিতিক প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
138. একটি কম্পিউটার সিস্টেমে ১১০০১০১১₂ বাইনারি সংখ্যাটি মান ডেসিমেলে কত হবে?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবকটি ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার সিস্টেমে ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশের জন্য সাইন-ম্যাগনিটিউড, ওয়ানস কমপ্লিমেন্ট এবং টু কমপ্লিমেন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ১১০০১০১১ বাইনারি সংখ্যাটিকে বিভিন্ন মেমোরি রিপ্রেজেন্টেশন বা সাইন্ড বাইনারি হিসেবে বিবেচনা করলে এটি দশমিকের বিভিন্ন মান নির্দেশ করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংখ্যা পদ্ধতি হলো কোনো সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার মাধ্যম। কম্পিউটারে ঋণাত্মক সংখ্যা সংরক্ষণ ও গণনার জন্য বিভিন্ন কমপ্লিমেন্ট বা পরিপূরক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাইন-ম্যাগনিটিউড পদ্ধতি ব্যাখ্যা: এই পদ্ধতিতে প্রথম বিট চিহ্ন নির্দেশ করে এবং বাকি বিটগুলো মান নির্ধারণ করে। উদাহরণ ২: টু কমপ্লিমেন্ট পদ্ধতি ব্যাখ্যা: আধুনিক কম্পিউটারে ঋণাত্মক সংখ্যা সংরক্ষণের জন্য এই পদ্ধতি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) -52 — সংখ্যাটিকে একটি নির্দিষ্ট বিট বিন্যাসের সাইন-ম্যাগনিটিউড বা অন্য কোনো কমপ্লিমেন্ট হিসেবে হিসাব করলে এই মান পাওয়া সম্ভব। B) -53 — নির্দিষ্ট কোডিং বা পরিপূরক নিয়মে বাইনারি মানটিকে রূপান্তর করলে এই মানটি সঠিক হতে পারে। C) 203 — সংখ্যাটিকে সাধারণ ধনাত্মক আনসাইনড বাইনারি হিসেবে বিবেচনা করলে এর দশমিক মান সরাসরি ২০৩ হয়। D) সবকটি — উপরের প্রতিটি মানই বিভিন্ন নিয়ম বা প্রেক্ষাপটে সঠিক হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: বাইনারি থেকে ডেসিমেলে রূপান্তরের সময় ডানদিক থেকে ২ এর পাওয়ার শূন্য থেকে শুরু করে গুণ করতে হয়। ঋণাত্মক সংখ্যার ক্ষেত্রে কমপ্লিমেন্ট পদ্ধতি এবং সাধারণ মানের ক্ষেত্রে পজিশনাল ভ্যালু ভালোভাবে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার সিস্টেমে ডেটা সংরক্ষণের সময় সাইন বিট এবং কমপ্লিমেন্ট পদ্ধতিগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির রূপান্তর প্রায়ই আসে।
139. একটি কম্পিউটারের প্রসেসর ক্লক স্পিড ৪.০০ গিগাহার্জ হলে এর ক্লক সাইকেল টাইম কত?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২.৫ ন্যানো সেকেন্ড (ns) ১. কেন সঠিক: প্রসেসরের ক্লক স্পিড এবং ক্লক সাইকেল টাইম একে অপরের বিপরীত বা ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্কযুক্ত। ক্লক স্পিড ফ্রিকোয়েন্সি নির্দেশ করে এবং ক্লক সাইকেল টাইম হলো একটি সাইকেল সম্পন্ন হতে লাগা সময়। হিসাবের সূত্রটি হলো ক্লক সাইকেল টাইম সমান ১ ভাগ ক্লক স্পিড। এখানে ক্লক স্পিড হলো ৪.০০ গিগাহার্জ বা ৪ গুণ ১০ এর পাওয়ার ৯ হার্জ। ভাগ করলে মান পাওয়া যায় শূন্য দশমিক দুই পাঁচ গুণ ১০ এর পাওয়ার মাইনাস ৯ সেকেন্ড বা দুই দশমিক পাঁচ ন্যানো সেকেন্ড। গিগাহার্জ মানে প্রতি সেকেন্ডে এক বিলিয়ন বা এক শত কোটি সাইকেল। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ক্লক স্পিড হলো প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে যতগুলো সাইকেল বা পালস সম্পন্ন করতে পারে তার পরিমাপ এবং ক্লক সাইকেল টাইম হলো একটি পূর্ণ সাইকেল সম্পন্ন হওয়ার সময়কাল। কার্যপদ্ধতি: প্রসেসরের ভেতরের ক্রিস্টাল অসিলেটর নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সিতে স্পন্দিত হয়ে ক্লক পালস তৈরি করে যা নির্দেশ করে প্রসেসর কত দ্রুত তার অপারেশন পরিচালনা করবে। বৈশিষ্ট্য: ক্লক স্পিড যত বেশি হয়, ক্লক সাইকেল টাইম তত কম হয় এবং প্রসেসর তত দ্রুত ডেটা প্রসেস করতে পারে। ব্যবহার: আধুনিক কম্পিউটার, ল্যাপটপ এবং স্মার্টফোনের সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিটের গতি নির্ধারণ ও তুলনার জন্য ক্লক স্পিড ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি প্রসেসরের ক্লক স্পিড ১ গিগাহার্জ হলে এর ক্লক সাইকেল টাইম হবে ১ ন্যানো সেকেন্ড। ব্যাখ্যা: প্রতি সেকেন্ডে ১ বিলিয়ন সাইকেল সম্পন্ন হলে প্রতি সাইকেলের জন্য সময় লাগে ১ বিলিয়ন ভাগের ১ ভাগ বা ১ ন্যানো সেকেন্ড। উদাহরণ ২: একটি প্রসেসরের ক্লক স্পিড ২ গিগাহার্জ হলে এর ক্লক সাইকেল টাইম হবে শূন্য দশমিক পাঁচ ন্যানো সেকেন্ড। ব্যাখ্যা: ফ্রিকোয়েন্সি দ্বিগুণ হলে সাইকেল টাইম অর্ধেক হয়ে যায় কারণ সময় ও গতির সম্পর্ক বিপরীতমুখী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২.৫ ন্যানো সেকেন্ড (ns) — এটি সঠিক কারণ গাণিতিক হিসাবে ৪ গিগাহার্জ ফ্রিকোয়েন্সির জন্য ক্লক সাইকেল টাইম সঠিকভাবে এই মানই নির্দেশ করে। B) ২.৫ মাইক্রো সেকেন্ড (ms) — মাইক্রো সেকেন্ড হলো সেকেন্ডের ১০ এর পাওয়ার মাইনাস ৬ ভাগ যা ন্যানো সেকেন্ডের চেয়ে এক হাজার গুণ বড় এবং এই ফ্রিকোয়েন্সির জন্য সঠিক নয়। C) ৪ (ms) — ৪ মিলি সেকেন্ড মানটি ফ্রিকোয়েন্সির সাথে গাণিতিকভাবে মেলে না কারণ মিলি সেকেন্ড অনেক দীর্ঘ সময় এবং এটি প্রসেসরের ক্লক টাইমের জন্য উপযোগী নয়। D) ৪ (ns) — ৪ ন্যানো সেকেন্ড মানটি ভুল কারণ ফ্রিকোয়েন্সির মান ৪ দিয়ে ১ কে ভাগ করলে ফলাফল ৪ হতে পারে না, বরং সঠিক ফলাফল হলো ২.৫ ন্যানো সেকেন্ড। ৫. মনে রাখার টিপস: সময় বের করতে চাইলে ফ্রিকোয়েন্সি দিয়ে ১ কে ভাগ করতে হবে। গিগাহার্জকে হার্জে রূপান্তর করতে ১০ এর পাওয়ার ৯ এবং সেকেন্ডকে ন্যানো সেকেন্ডে নিতে ১০ এর পাওয়ার ৯ দিয়ে হিসাব করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপের একক হলো হার্জ, কিলোহার্টজ, মেগাহার্জ বা গিগাহার্জ। পরীক্ষার জন্য ফ্রিকোয়েন্সি থেকে টাইম পিরিয়ড বের করার এই ধরনের গাণিতিক সমস্যা প্রায়ই দেখা যায়।
140. Precision Agriculture এ সাধারণত নিচের কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আই.ও.টি (IoT), সেন্সর ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করার মূল কারণ হলো প্রিসিশন এগ্রিকালচার বা নিখুঁত কৃষিকাজে মাঠের রিয়েল টাইম ডেটা সংগ্রহ করা অত্যন্ত জরুরি। - আইওটি অর্থ ইন্টারনেট অফ থিংস এবং সেন্সর প্রযুক্তির মাধ্যমে মাটির আর্দ্রতা তাপমাত্রা ও ফসলের স্বাস্থ্য সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: আইওটি হলো এমন একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে দৈনন্দিন বস্তুগুলোকে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত করে ডেটা আদান প্রদান করা যায়। - কার্যপদ্ধতি: মাঠের বিভিন্ন স্থানে সেন্সর স্থাপন করা হয় যা মাটির অবস্থা ও আবহাওয়ার ডেটা সংগ্রহ করে সার্ভারে পাঠায়। - ব্যবহার: আধুনিক কৃষিতে সঠিক পরিমাণে সার ও সেচ দেওয়ার জন্য এই প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাটির আর্দ্রতা মাপার সেন্সর। ব্যাখ্যা: এই সেন্সর মাটির নিচের পানির পরিমাণ বুঝতে পারে এবং প্রয়োজনমতো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেচ পাম্প চালু করে। উদাহরণ ২: আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ স্টেশন। ব্যাখ্যা: এটি তাপমাত্রা ও বৃষ্টির পরিমাণ পরিমাপ করে কৃষকদের আগাম সতর্কবার্তা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইনফ্রা রেড ইমেজিং — এটি উদ্ভিদের স্বাস্থ্যের ছবি তুলতে ব্যবহৃত হলেও একা নিখুঁত কৃষিকাজের সব কাজ পরিচালনা করতে পারে না। B) আই.ও.টি (IoT), সেন্সর — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রিসিশন এগ্রিকালচারের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। C) তার মাধ্যম সম্পন্ন নেটওয়ার্ক — কৃষিজমিতে তারের মাধ্যমে নেটওয়ার্ক স্থাপন করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং অবাস্তব। D) ও.এল.ই.ডি (OLED) ডিসপ্লে — এটি মূলত উন্নত মানের স্ক্রিন প্রযুক্তি যা ডিসপ্লে তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়, কৃষিকাজের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার মানেই আইওটি এবং সেন্সর। - আইওটি এর পূর্ণরূপ ইন্টারনেট অফ থিংস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে কৃষিতে প্রযুক্তির এই ব্যবহারকে স্মার্ট এগ্রিকালচার বা প্রিসিশন এগ্রিকালচার বলা হয়। - এই ধরনের প্রশ্ন ব্যাংক নিয়োগ এবং বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
141. QR কোডে ব্যবহৃত হয়-
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অপটিক্যাল রিডিং ১. কেন সঠিক: QR কোড পড়ার জন্য অপটিক্যাল স্ক্যানার বা ক্যামেরার অপটিক্যাল সেন্সর ব্যবহার করা হয়। এটি আলোর প্রতিফলন কাজে লাগিয়ে কোডের ভেতরের ডেটা রিড বা পাঠ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: QR কোড হলো কুইক রেসপন্স কোড, যা দ্বিমাত্রিক বারকোড এবং এতে অনেক বেশি তথ্য সংরক্ষণ করা যায়। কার্যপদ্ধতি: ক্যামেরা বা স্ক্যানার কোডের ওপর আলো ফেলে এবং আলোর তারতম্য বিশ্লেষণ করে ডেটা ডিকোড করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনের ক্যামেরা দিয়ে কোনো পণ্যের প্যাকেজে থাকা QR কোড স্ক্যান করা। ব্যাখ্যা: ক্যামেরা অপটিক্যাল পদ্ধতিতে কোডটি পড়ে এবং তাৎক্ষণিকভাবে ওয়েবসাইটের লিংক ওপেন করে। উদাহরণ ২: বিকাশ বা নগদ অ্যাপ দিয়ে দোকানের পেমেন্ট কিউআর কোড স্ক্যান করা। ব্যাখ্যা: অপটিক্যাল রিডিং প্রযুক্তির মাধ্যমে মার্চেন্টের অ্যাকাউন্ট নম্বর ও পেমেন্ট তথ্য নিখুঁতভাবে রিড করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তড়িৎ চৌম্বকত্ব — এটি তারহীন যোগাযোগ বা জেনারেটরের মূলনীতি, কিন্তু QR কোড রিড করতে আলোর অপটিক্যাল পদ্ধতি লাগে। B) রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি — এটি RFID বা NFC প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়, যা কাছাকাছি ডেটা আদানপ্রদানে কাজ করে। C) কোয়ান্টাম কম্পিউটিং — এটি অতি জটিল গণনার জন্য ব্যবহৃত ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি, যা সাধারণ QR কোডের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) অপটিক্যাল রিডিং — এটি সঠিক কারণ QR কোড আলোর মাধ্যমে স্ক্যান বা রিড করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: QR কোড স্ক্যান করতে ক্যামেরা বা লেজার ব্যবহার করা হয়, আর আলো বা দেখার সাথে অপটিক্যাল শব্দটি জড়িত। তাই মনে রাখবে QR কোড মানেই অপটিক্যাল রিডিং। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: QR কোডের পূর্ণরূপ হলো Quick Response Code এবং এটি প্রথম জাপানে উদ্ভাবিত হয়। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় ইনপুট ডিভাইস বা আধুনিক প্রযুক্তি অংশে আসে।
142. অপারেটিং সিস্টেমে ভার্চুয়াল মেমোরি ব্যবহার করা হয়-
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার করে RAM বাড়াতে ১. কেন সঠিক: ভার্চুয়াল মেমোরি হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি কৌশল যা মূল মেমোরি বা RAM-এর ধারণক্ষমতা ফুরিয়ে গেলে সেকেন্ডারি স্টোরেজের একটি অংশকে সাময়িকভাবে RAM-এর মতো ব্যবহার করে। এর মাধ্যমে বড় কোনো অ্যাপ্লিকেশন বা একাধিক প্রোগ্রাম একসঙ্গে চালু রাখলেও সিস্টেম ক্র্যাশ না করে নির্বিঘ্নে কাজ চালিয়ে যেতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ভার্চুয়াল মেমোরি হলো সেকেন্ডারি মেমোরির অংশবিশেষ যা প্রধান মেমোরির সঙ্গে সমন্বয় করে বিশাল আকারের মেমোরি হিসেবে কাজ করে। কার্যপদ্ধতি: অপারেটিং সিস্টেম ফিজিক্যাল RAM-এর অব্যবহৃত ডেটাগুলো সাময়িকভাবে হার্ডডিস্ক বা এসএসডির একটি নির্দিষ্ট ফাইলে স্থানান্তর করে একে পেজিং ফাইল বলে। ব্যবহার: যখন কোনো বড় গেম বা সফটওয়্যার রান করতে ফিজিক্যাল RAM অপর্যাপ্ত হয়, তখন অপারেটিং সিস্টেম এই ভার্চুয়াল মেমোরি প্রযুক্তি ব্যবহার করে সিস্টেম সচল রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারে ৮ জিবি RAM থাকার পরও ১৬ জিবি সাইজের একটি ভারী ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার রান করার সময় সিস্টেম ধীরগতির হলেও কাজ চালিয়ে যেতে পারে। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত মেমোরির চাহিদা মেটাতে অপারেটিং সিস্টেম হার্ডডিস্কের কিছু অংশকে ভার্চুয়াল RAM হিসেবে ব্যবহার করে সফটওয়্যারটি চালাতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনে ব্যাকগ্রাউন্ডে অনেকগুলো অ্যাপ একসঙ্গে ওপেন রাখলেও ফোন বন্ধ হয়ে যায় না। ব্যাখ্যা: মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম ইন্টারনাল স্টোরেজের একটি অংশকে ভার্চুয়াল মেমোরি হিসেবে ব্যবহার করে অ্যাপগুলোর ডেটা সংরক্ষিত রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনেক বেশি ডেটা সংরক্ষণের জন্য — এটি ভার্চুয়াল মেমোরির কাজ নয়, এটি মূলত সেকেন্ডারি স্টোরেজ বা ক্লাউড স্টোরেজের কাজ। B) ক্লাউডে ডেটা সংরক্ষণের জন্য — ক্লাউড স্টোরেজ হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে রিমোট সার্ভারে ডেটা রাখা, যা ভার্চুয়াল মেমোরির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) এক্সটারনাল মেমোরি সংযোগের জন্য — এক্সটারনাল মেমোরি সংযোগের জন্য ইউএসবি পোর্ট বা কার্ড রিডার ব্যবহার করা হয়, ভার্চুয়াল মেমোরি কোনো ফিজিক্যাল পোর্ট বা ডিভাইস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ভার্চুয়াল মেমোরি মানেই হলো হার্ডডিস্কের জায়গাকে সাময়িকভাবে RAM-এর মতো ব্যবহার করা। RAM ফুরিয়ে গেলে হার্ডডিস্ক এগিয়ে আসে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভার্চুয়াল মেমোরি ধারণার মূল ভিত্তি হলো পেজিং এবং সোয়াপিং। কম্পিউটারের ফিজিক্যাল মেমোরি বা RAM-এর সীমাবদ্ধতা দূর করতেই এই প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা হয়েছে।
143. কম্পিউটার সিস্টেমের বেঞ্চমার্কিং করা হয় কী পরিমাপের জন্য?
Created 1 week ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিস্টেমের কর্ম ক্ষমতা (Performance) ১. কেন সঠিক: - কম্পিউটার সিস্টেমের বেঞ্চমার্কিং হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সামগ্রিক কর্মক্ষমতা মাপা হয়। - বিভিন্ন প্রোগ্রামের গতি, ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা এবং লোড নেওয়ার সক্ষমতা যাচাই করে এই পারফরম্যান্স নির্ধারণ করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: বেঞ্চমার্কিং হলো কিছু নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড টেস্ট বা সফটওয়্যারের সাহায্যে একটি কম্পিউটার সিস্টেমের কাজের গতি ও দক্ষতা পরিমাপ করার পদ্ধতি। - কার্যপদ্ধতি: এটি সিস্টেমে নির্দিষ্ট কিছু চাপ প্রয়োগ করে এবং দেখতে পায় সিস্টেমটি কত কম সময়ে ও কত দক্ষতার সাথে কাজটি সম্পন্ন করতে পারছে। - ব্যবহার: নতুন কম্পিউটার কেনার সময়, প্রসেসর বা গ্রাফিক্স কার্ডের ক্ষমতা যাচাই করতে এবং গেমিং বা সার্ভারের কাজের উপযোগী কি না তা দেখতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গেম খেলার সময় ফ্রেম রেট মাপা। ব্যাখ্যা: একটি ভালো গ্রাফিক্স কার্ড বেঞ্চমার্ক টেস্টের মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো ফ্রেম রেন্ডার করতে পারে তা পরীক্ষা করে তার কর্মক্ষমতা নিশ্চিত করা হয়। উদাহরণ ২: প্রসেসরের গিগাহার্জ বা স্পিড টেস্ট। ব্যাখ্যা: একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রসেসরকে জটিল গণনা করতে দেওয়া হয় এবং সে কত দ্রুত ফলাফল দিচ্ছে তা পরিমাপ করে তার ক্ষমতা মাপা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিস্টেমের দাম — দাম হলো বাজারের অর্থনৈতিক সূচক, যা দিয়ে কম্পিউটারের ভেতরের গতি বা কর্মক্ষমতা মাপা যায় না। B) সিস্টেমের কর্ম ক্ষমতা (Performance) — এটিই সঠিক উত্তর কারণ বেঞ্চমার্কিং মূলত গতি ও কার্যকারিতাই পরিমাপ করে। C) শুধু বিদ্যুৎ শক্তি খরচের পরিমাণ — বিদ্যুৎ খরচ মাপা বেঞ্চমার্কিংয়ের প্রধান কাজ নয়, এটি পাওয়ার কনজাম্পশন টেস্টের অংশ। D) স্টোরেজের ধারণ ক্ষমতা — স্টোরেজ বা হার্ডডিস্কের জায়গা মাপা হয় গিগাবাইট বা টেরাবাইটে, যা বেঞ্চমার্কিংয়ের বিষয় নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বেঞ্চমার্ক শব্দটির সাথে পারফরম্যান্স বা কাজের ক্ষমতা শব্দটি মনে রাখবে। - গাড়ির রেস ট্র্যাকের সাথে তুলনা করতে পারো, যেখানে গাড়ি কতটা দ্রুত চলে তা মাপা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেঞ্চমার্কিং কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয় তা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - হার্ডওয়্যারের গতি যাচাইয়ের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি হলো বেঞ্চমার্ক সফটওয়্যার ব্যবহার করা।
144. নিচের কোন ডিভাইসটি প্রধানত এম্বেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মাইক্রোকন্ট্রোলার ১. কেন সঠিক: - মাইক্রোকন্ট্রোলার একটি একক চিপের মধ্যে প্রসেসর, মেমোরি এবং ইনপুট আউটপুট পেরিফেরাল ধারণ করে যা এম্বেডেড সিস্টেমে নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য ডিজাইন করা হয়। - এম্বেডেড সিস্টেমে কম বিদ্যুৎ খরচ এবং নির্দিষ্ট একটি মাত্র কাজ বারবার সম্পন্ন করার জন্য মাইক্রোকন্ট্রোলার সবচেয়ে উপযোগী ডিভাইস। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: এম্বেডেড সিস্টেম হলো এমন একটি মাইক্রোপ্রসেসর বা মাইক্রোকন্ট্রোলার ভিত্তিক সিস্টেম যা একটি বৃহত্তর ব্যবস্থার অংশ হিসেবে নির্দিষ্ট কোনো কাজ সম্পন্ন করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি সেন্সর থেকে ডেটা গ্রহণ করে, প্রোগ্রাম বা নির্দেশ অনুযায়ী তা প্রক্রিয়াজাত করে এবং অ্যাকচুয়েটরের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত আউটপুট প্রদান করে। - ব্যবহার: এয়ার কন্ডিশনার, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন এবং আধুনিক অটোমোবাইলে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোওয়েভ ওভেন ব্যাখ্যা: ওভেনের ভেতরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং রান্নার সময় নির্ধারণের কাজটি মাইক্রোকন্ট্রোলারের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। উদাহরণ ২: ওয়াশিং মেশিন ব্যাখ্যা: কাপড়ের ওজন এবং ময়লার পরিমাণ বুঝে পানির পরিমাণ ও ঘোরানোর গতি নির্ধারণ করতে মাইক্রোকন্ট্রোলার কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইক্রোকন্ট্রোলার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি এম্বেডেড সিস্টেমের মূল প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট হিসেবে সরাসরি ব্যবহৃত হয়। B) সুপার কম্পিউটার — এটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং জটিল গণনা যেমন আবহাওয়া পূর্বাভাস বা বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহৃত হয়, সাধারণ এম্বেডেড সিস্টেমে নয়। C) হাই-অ্যান্ড সার্ভার — এটি ডেটা সেন্টার বা বড় নেটওয়ার্কে প্রচুর ব্যবহারকারীর ডেটা প্রসেস করার জন্য ব্যবহৃত হয়, যা এম্বেডেড সিস্টেমের জন্য উপযোগী নয়। D) রাউটার — এটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা ডেটা প্যাকেট ফরওয়ার্ড করার কাজ করে, তবে এর ভেতরের মাদারবোর্ডে মাইক্রোকন্ট্রোলার থাকলেও রাউটার নিজেই একটি ভিন্ন ক্যাটাগরির নেটওয়ার্ক ডিভাইস। ৫ মনে রাখার টিপস: - ছোট ও নির্দিষ্ট কাজের জন্য মাইক্রোকন্ট্রোলার আর বড় ও বহুমুখী কাজের জন্য মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়। - এম্বেডেড সিস্টেম মানেই চিপের ভেতরে সব সুবিধা সম্পন্ন মাইক্রোকন্ট্রোলার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোকন্ট্রোলারে CPU, RAM এবং ROM একটিমাত্র সিলিকন চিপের ভেতরে থাকে। - Arduino বোর্ডে যে মূল চিপ থাকে তা মূলত একটি AVR মাইক্রোকন্ট্রোলার।
145. ই-কমার্সে সুরক্ষিত অনলাইন লেনদেনে প্রধানত কোন প্রটোকল ব্যবহৃত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) HTTPS ১. কেন সঠিক: ই-কমার্সে সুরক্ষিত অনলাইন লেনদেনে প্রধানত HTTPS প্রটোকল ব্যবহৃত হয় কারণ এটি ডেটা এনক্রিপ্ট করে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী ও ওয়েবসাইটের মধ্যকার সমস্ত তথ্য সুরক্ষিত থাকে এবং হ্যাকাররা তা চুরি করতে পারে না। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: HTTPS-এর পূর্ণরূপ হলো HyperText Transfer Protocol Secure। এটি ইন্টারনেট ব্রাউজার ও ওয়েব সার্ভারের মধ্যে নিরাপদ যোগাযোগের মাধ্যম। কার্যপদ্ধতি: এটি SSL বা TLS সার্টিফিকেটের মাধ্যমে ব্রাউজার ও সার্ভারের ডেটা এনকোড বা এনক্রিপ্ট করে পাঠায়। বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ডেটা গোপনীয়তা রক্ষা করা, তথ্যের অখণ্ডতা বজায় রাখা এবং সার্ভারের সত্যতা যাচাই করা। ব্যবহার: অনলাইন শপিং, ব্যাংকিং লেনদেন এবং পাসওয়ার্ড ইনপুট দেওয়ার সময় এই প্রটোকল স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে। পার্থক্য: সাধারণ HTTP প্রটোকলে ডেটা প্লেইন টেক্সট বা উন্মুক্তভাবে আদান-প্রদান হয়, যা খুব সহজে চুরি করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারাজ বা অ্যামাজনে কেনাকাটার সময় কার্ডের তথ্য দেওয়া। ব্যাখ্যা: এই প্ল্যাটফর্মগুলোতে পেমেন্ট করার সময় ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে HTTPS এবং তালা চিহ্ন দেখা যায়, যা নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করে। উদাহরণ ২: ইমেইল বা ফেসবুকের লগইন পেজ। ব্যাখ্যা: লগইন করার সময় পাসওয়ার্ড টাইপ করলে তা এনক্রিপ্ট হয়ে সার্ভারে যায়, ফলে কেউ মাঝপথে তা দেখতে পায় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) DHCP — এটি Dynamic Host Configuration Protocol, যা নেটওয়ার্কের ডিভাইসগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইপি অ্যাড্রেস প্রদান করে। B) SMTP — এটি Simple Mail Transfer Protocol, যা ই-মেইল পাঠানো বা প্রেরণের কাজে ব্যবহৃত হয়। C) HTTPS — এটি সঠিক উত্তর। D) ARP — এটি Address Resolution Protocol, যা আইপি অ্যাড্রেসকে ম্যাক ঠিকানায় রূপান্তর করতে কাজ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: HTTP মানে উন্মুক্ত বা অরক্ষিত সংযোগ এবং এর সাথে একটি অতিরিক্ত S যুক্ত হলে তা সিকিউর বা নিরাপদ সংযোগ বোঝায়। ই-কমার্সের ক্ষেত্রে সবসময় ব্রাউজারে তালা বা সিকিউর চিহ্নযুক্ত প্রটোকল বেছে নিতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: HTTPS প্রটোকল মূলত SSL বা TLS প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিরাপদ ব্রাউজিং বা ই-কমার্স সুরক্ষার প্রশ্ন এলে প্রায়ই এই প্রটোকলটি উত্তর হিসেবে আসে।
146. বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য নিচের কোন ডিভাইসটি ব্যবহৃত হয়?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাউটার ১. কেন সঠিক: - রাউটার হলো এমন একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা দুটি বা ততোধিক ভিন্নধর্মী নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্যাকেট আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে। - এটি মূলত ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগের রাস্তা বা রুট নির্ধারণ করে最优 পথ দিয়ে ডেটা গন্তব্যে পৌঁছে দেয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: রাউটার হলো এমন একটি বুদ্ধিমান ডিভাইস যা একাধিক লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি নেটওয়ার্ক লেয়ারে কাজ করে এবং ডেটা প্যাকেট পরীক্ষা করে আইপি ঠিকানার ভিত্তিতে সবচেয়ে ভালো পথ নির্বাচন করে ডেটা পাঠায়। - বৈশিষ্ট্য: রাউটার বিভিন্ন প্রোটোকল পরিচালনা করতে পারে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করতে পারে। - ব্যবহার: বাসা বা অফিসের স্থানীয় নেটওয়ার্ককে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত করতে রাউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আপনার বাসার কম্পিউটার থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করে গুগল বা ইউটিউবে প্রবেশ করা। ব্যাখ্যা: আপনার ঘরের লোকাল নেটওয়ার্ক থেকে ডেটা প্রথমে রাউটারে যায় এবং রাউটার সেই ডেটা বাইরের ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটে পৌঁছে দেয়। উদাহরণ ২: ঢাকার একটি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের নেটওয়ার্কের সাথে চট্টগ্রামের শাখা কার্যালয়ের নেটওয়ার্ক যুক্ত করা। ব্যাখ্যা: দুটি আলাদা ভৌগোলিক অবস্থানের নেটওয়ার্কের মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ রক্ষার জন্য রাউটার ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাউটার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে। B) সুইচ — এটি একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা একই নেটওয়ার্কের বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে, ভিন্ন নেটওয়ার্কে নয়। C) ব্রিজ — ব্রিজ দুটি একই ধরনের লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ককে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, ভিন্ন নেটওয়ার্কের জন্য এটি কম উপযুক্ত। D) হাব — হাব একই নেটওয়ার্কের ডিভাইসগুলোকে যুক্ত করে এবং এটি কোনো বুদ্ধিমান রাউটিং বা পথ নির্ধারণ করতে পারে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভিন্ন ভিন্ন রাস্তা বা রুট তৈরি করে দুটি নেটওয়ার্ককে যুক্ত করে বলে এর নাম রাউটার। - মনে রাখবেন সুইচ বা হাব একই পরিবারের ভেতরের ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত করে, আর রাউটার বাইরের পৃথিবীর সাথে যোগাযোগ করায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রাউটার OSI মডেলের নেটওয়ার্ক লেয়ারে কাজ করে এবং এটি আইপি ঠিক নিয়ে কাজ করে। - সুইচ ডেটা লিংক লেয়ারে কাজ করে এবং ম্যাক ঠিকানা নিয়ে কাজ করে।
147. ক্লাউড কম্পিউটিং এর কোন মডেলটি অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার জন্য প্রোগ্রামারদেরকে প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) PaaS ১. কেন সঠিক: - PaaS-এর পূর্ণরূপ হলো প্ল্যাটফর্ম এস এ সার্ভিস, যা প্রোগ্রামারদের সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন তৈরি, পরীক্ষা ও ব্যবস্থাপনা করার জন্য একটি রেডিমেড পরিবেশ প্রদান করে। - ডেভেলপারদের নিজস্ব হার্ডওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম সেটআপ করার ঝামেলা ছাড়াই সরাসরি কোডিং ও ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টে মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ দেয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ক্লাউড কম্পিউটিং-এর যে মডেলে ক্লাউড প্রোভাইডার ডেভেলপারদের অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার টুলস বা প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে, তাকে PaaS বলে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ইন্টারনেট ব্রাউজারের মাধ্যমে ডেভলপমেন্ট এনভায়রনমেন্ট সরবরাহ করে, যেখানে ডেভেলপাররা কোড লিখে তা সরাসরি হোস্ট করতে পারেন। - ব্যবহার: ওয়েব ও মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি, ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট এবং কোড টেস্টিংয়ের কাজে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুগল অ্যাপ ইঞ্জিন ব্যাখ্যা: এটি একটি জনপ্রিয় PaaS সেবা, যেখানে ডেভেলপাররা কোনো সার্ভার কনফিগার না করেই সরাসরি পাইথন বা জাভা কোড রান করতে পারেন। উদাহরণ ২: মাইক্রোসফট অ্যাজিউর অ্যাপ সার্ভিস ব্যাখ্যা: এটি ডেভেলপারদের উইন্ডোজ বা লিনাক্স পরিবেশে খুব সহজে ওয়েব অ্যাপ তৈরি ও প্রকাশ করার সুবিধা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) IaaS — এটি ডেভেলপারদের শুধু ভার্চুয়াল সার্ভার, স্টোরেজ ও নেটওয়ার্কিংয়ের মতো মৌলিক হার্ডওয়্যার সম্পদ সরবরাহ করে, প্ল্যাটফর্ম নয়। B) SaaS — এটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য সরাসরি তৈরি করা অ্যাপ্লিকেশন বা সফটওয়্যার সরবরাহ করে, যেখানে প্রোগ্রামারদের কোডিং করার কোনো সুযোগ থাকে না। D) DaaS — এটি ক্লাউডের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে সম্পূর্ণ ভার্চুয়াল ডেস্কটপ বা অপারেটিং সিস্টেম সরবরাহ করে, যা কোডিং প্ল্যাটফর্ম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্লাউড মডেলগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো আইয়াস মানে অবকাঠামো, প্যাস মানে প্ল্যাটফর্ম এবং স্যাস মানে সফটওয়্যার বা সেবা। - প্রোগ্রামারদের কাজের জায়গা মানেই প্ল্যাটফর্ম বা PaaS, আর সাধারণ ব্যবহারকারীদের ব্যবহার্য সফটওয়্যার মানেই SaaS। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ক্লাউড কম্পিউটিং মূলত তিন স্তরের হয়, যথা IaaS, PaaS এবং SaaS। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্লাউড সার্ভিসের স্তরভিত্তিক পার্থক্য যাচাইয়ের জন্য প্রায়ই আসে।
148. কোন CPU আর্কিটেকচার স্মার্টফোনে বেশি ব্যবহৃত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) RISC ১. কেন সঠিক: - স্মার্টফোনে ব্যবহৃত প্রসেসরগুলোর মূল লক্ষ্য হলো কম বিদ্যুৎ খরচ করা এবং কম তাপ উৎপন্ন করা। - RISC (Reduced Instruction Set Computer) আর্কিটেকচার কম সংখ্যক ও সহজ নির্দেশ নিয়ে কাজ করে বিধায় এটি মোবাইল ডিভাইসের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: RISC হলো এমন একটি প্রসেসর ডিজাইন যেখানে সীমিত সংখ্যক ইনস্ট্রাকশন ব্যবহার করে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করা হয়। - কার্যপদ্ধতি: এটি প্রতিটি নির্দেশ এক ক্লক সাইকেলে সম্পন্ন করতে পারে এবং এর হার্ডওয়্যার ডিজাইন তুলনামূলক সহজ হয়। - বৈশিষ্ট্য: কম শক্তি খরচ, কম তাপ উৎপাদন এবং দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা এর প্রধান বৈশিষ্ট্য। - ব্যবহার: স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, স্মার্টওয়াচ এবং আধুনিক ব্যাটারিচালিত পোর্টেবল ডিভাইসে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনের প্রসেসর ব্যাখ্যা: আইফোন বা অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ভেতরে থাকা অ্যাপল সিলিকন বা স্ন্যাপড্রাগন চিপসেটগুলো RISC আর্কিটেকচারের উপর ভিত্তি করে তৈরি। উদাহরণ ২: মিনি কম্পিউটার ও মাইক্রোকন্ট্রোলার ব্যাখ্যা: রাস্পবেরি পাই বা বিভিন্ন মাইক্রোকন্ট্রোলারে এআরএম প্রসেসর ব্যবহার করা হয় যা RISC প্রযুক্তির একটি বাস্তব রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) X86 — এটি ডেস্কটপ ও ল্যাপটপে ব্যবহৃত CISC আর্কিটেকচার যা বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে এবং স্মার্টফোনের জন্য উপযোগী নয়। B) X64 — এটি ৬৪-বিট কম্পিউটিং আর্কিটেকচার যা মূলত পার্সোনাল কম্পিউটার ও সার্ভারে ব্যবহৃত হয়। C) Qualcomm — এটি একটি কোম্পানির নাম, কোনো প্রসেসর আর্কিটেকচার নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মোবাইল মানেই কম চার্জ খরচ, আর কম কাজের নির্দেশ বা Reduced মানেই RISC। - ডেস্কটপের জন্য CISC এবং মোবাইলের জন্য RISC এই পার্থক্যটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এআরএম (ARM) প্রসেসর হলো RISC আর্কিটেকচারের সবচেয়ে জনপ্রিয় বাণিজ্যিক বাস্তবায়ন। - বর্তমান যুগের এম ওয়ান বা এম টু চিপসেটগুলোও এই প্রযুক্তির উন্নত সংস্করণ।
149. কম্পিউটার টার্ন অন এর সময় সঠিক অর্ডার নিচের কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) POST Bootloader Kernel ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার চালু করার সময় নির্দিষ্ট একটি ধারাবাহিকতা বা সিকোয়েন্স মেনে চলতে হয়। প্রথমে হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করা হয়, এরপর অপারেটিং সিস্টেম লোড করার প্রোগ্রাম কাজ করে এবং সবশেষে মূল অপারেটিং সিস্টেম চালু হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কম্পিউটার টার্ন অন বা বুটিং প্রক্রিয়া হলো এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার সচল করে কম্পিউটার ব্যবহারের উপযোগী করা হয়। কার্যপদ্ধতি: পাওয়ার সুইচ টিপলে মাদারবোর্ডের রম থেকে নির্দেশনা নিয়ে কাজ শুরু হয় এবং পর্যায়ক্রমে সিস্টেম সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নতুন গাড়ি স্টার্ট করার সময় যেমন প্রথমে ড্যাশবোর্ড লাইট ও ইঞ্জিন চেক করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি কম্পিউটারের পোস্ট প্রক্রিয়ার মতো কাজ করে। উদাহরণ ২: ঘরের দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশের পর বসার ঘরের আলো জ্বালানো। ব্যাখ্যা: এটি বুটলোডার থেকে কার্নেল লোড হওয়ার ক্রমের অনুরূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) POST Kernel Bootloader — কার্নেল কখনোই বুটলোডারের আগে লোড হতে পারে না কারণ বুটলোডারই কার্নেলকে মেমোরিতে নিয়ে আসে। B) Kernel POST Bootloader — কার্নেল সবার আগে লোড হতে পারে না কারণ হার্ডওয়্যার পরীক্ষা না করে অপারেটিং সিস্টেম চালু করা সম্ভব নয়। C) Kernel Bootloader POST — এটি সম্পূর্ণ উল্টো ক্রম যা কম্পিউটারের বুটিং প্রক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বুট প্রক্রিয়ার সঠিক ক্রম মনে রাখার সহজ উপায় হলো পি বি কে সংকেত। যেখানে পি মানে পোস্ট, বি মানে বুটলোডার এবং কে মানে কার্নেল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার চালুর প্রাথমিক নির্দেশাবলী রম চিপের বায়োস মেমোরিতে সংরক্ষিত থাকে। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আসে।
150. কোন ধরনের Storage Device সবচেয়ে দ্রুত গতি সম্পন্ন?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) SSD ১. কেন সঠিক: - SSD বা Solid State Drive হলো আধুনিক ফ্ল্যাশ মেমোরি ভিত্তিক স্টোরেজ ডিভাইস। - এতে কোনো যান্ত্রিক বা ঘূর্ণায়মান ডিস্ক না থাকায় ডেটা রিড ও রাইট করার গতি প্রচলিত হার্ড ডিস্কের চেয়ে বহু গুণ বেশি। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: SSD হলো এমন একটি স্টোরেজ ডিভাইস যা ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ইলেকট্রনিক সিগন্যালের মাধ্যমে সরাসরি সেমিকন্ডাক্টর চিপে ডেটা আদান-প্রদান করে। - ব্যবহার: বর্তমানে ল্যাপটপ এবং ডেস্কটপ কম্পিউটারে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল ও দ্রুত গতিতে ফাইল স্থানান্তরের কাজে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক ল্যাপটপ ব্যাখ্যা: বর্তমানের স্লিম ল্যাপটপগুলোতে SSD ব্যবহার করার কারণে কম্পিউটার অন হতে মাত্র কয়েক সেকেন্ড সময় নেয়। উদাহরণ ২: গেমিং কনসোল ব্যাখ্যা: উচ্চ গ্রাফিক্সের গেম লোড করার সময় দ্রুত ডেটা প্রসেস করার জন্য SSD অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) HDD — এটি যান্ত্রিক ডিস্ক ও রিড রাইট হেড ব্যবহার করে কাজ করে, যার গতি SSD-এর তুলনায় অনেক কম। B) Floppy Disk — এটি অত্যন্ত প্রাচীন এবং কম ধারণক্ষমতার ম্যাগনেটিক ডিস্ক, যার গতি বর্তমান যুগের তুলনায় অতি নগণ্য। D) SSHD — এটি HDD এবং SSD-এর সংকর রূপ হওয়ায় এসএসডি-র মতো পুরোপুরি সর্বোচ্চ গতি প্রদান করতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - এসএসডি-তে কোনো মুভিং পার্টস নেই, তাই এটি সাইলেন্ট ও দ্রুত কাজ করে। - ফ্ল্যাশ মেমোরিভিত্তিক ড্রাইভ সবসময় ডিস্ক ড্রাইভের চেয়ে গতিশীল হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এসএসডি মেমোরিতে ফ্ল্যাশ চিপ ব্যবহারের কারণে এর ডেটা অ্যাক্সেস টাইম ন্যানো সেকেন্ডে পরিমাপ করা হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গতি তুলনা করার ক্ষেত্রে এসএসডি সাধারণত সঠিক উত্তর হিসেবে আসে।
151. ধরা যাক Algorithm A এর Running time O(n²) এবং Algorithm B এর Running time O(n)। তাহলে নিচের কোনটি সবচেয়ে সঠিক?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: সি) Algorithm A, Algorithm B এর চেয়ে asymptotically ধীর গতির ১. কেন সঠিক: বিগ ও নোটেশন বা Asymptotic Notation ব্যবহার করে কোনো অ্যালগরিদমের রানটাইম বা দক্ষতা মাপা হয়। ইনপুটের সাইজ যখন অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়, তখন n স্কয়ার মানের অ্যালগরিদম স্বাভাবিকভাবেই লিনিয়ার মানের অ্যালগরিদমের চেয়ে বেশি সময় নেয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: Asymptotic Running Time হলো ইনপুটের আকার অসীম বা অনেক বড় হলে অ্যালগরিদমের কার্যক্ষমতা কেমন হবে তার গাণিতিক রূপ। কার্যপদ্ধতি: ইনপুট এন এর মান বাড়লে এন স্কয়ার দ্রুত বৃদ্ধি পায়, যা তুলনামূলকভাবে সরল এন মানের চেয়ে বেশি সময় নেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এক হাজার ডাটা খুঁজতে Algorithm A এর সময় লাগবে এক মিলিয়ন অপারেশন এবং Algorithm B এর লাগবে মাত্র এক হাজার অপারেশন। ব্যাখ্যা: এখান থেকেই বোঝা যায় যে ডাটার পরিমাণ বাড়লে প্রথম অ্যালগরিদমটি অনেক বেশি ধীরগতির হয়ে পড়ে। উদাহরণ ২: একটি ফাইলের তালিকা ক্রমানুসারে সাজাতে তুলনামূলক জটিল পদ্ধতি ব্যবহার করলে বেশি সময় লাগে। ব্যাখ্যা: কম জটিলতার পদ্ধতি কম সময়ে একই কাজ সম্পন্ন করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: এ) Algorithm A, Algorithm B এর চেয়ে ধীর গতির — এটি সর্বদা সত্য নয়, কারণ ইনপুটের মান খুব ছোট হলে বা নির্দিষ্ট শর্তে এটি দ্রুত চলতে পারে। বি) Algorithm A, Algorithm B এর চেয়ে দ্রুত গতির — এটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ এর অর্ডার অব গ্রোথ বেশি হওয়ায় এটি ধীরগতির হয়। ডি) Algorithm B সর্বদা Algorithm A এর চেয়ে দ্রুত চলে — সর্বদা শব্দটি সঠিক নয়, কারণ ইনপুট যদি শূন্য বা এক হয় তবে উভয় অ্যালগরিদম প্রায় সমান সময়ে কাজ শেষ করতে পারে। ৫. মনে রাখার টিপস: বিগ ও নোটেশনে যে চলকের পাওয়ার বা মাত্রা কম থাকে, সেটি দীর্ঘ মেয়াদে দ্রুত কাজ করে। পাওয়ার বেশি থাকা মানেই অ্যাসিম্পটোটিক বিচারে সেটি ধীরগতির হওয়া। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অ্যালগরিদমের দক্ষতা তুলনার ক্ষেত্রে বিগ ও নোটেশন বা অ্যাসিম্পটোটিক অ্যানালাইসিস প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। বিভিন্ন অর্ডারের যেমন লগ এন, এন, এন স্কয়ার ইত্যাদির বৃদ্ধির হার সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
152. LLM চালানোর জন্য নিম্নোক্ত কম্পিউটারের কোন যন্ত্রাংশ সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Graphics Card ১. কেন সঠিক: LLM বা Large Language Model পরিচালনার ক্ষেত্রে বিশাল পরিমাণ ডেটা সমান্তরালভাবে প্রসেস করতে হয়। এই বিশাল ডেটা প্রসেসিংয়ের জন্য Graphics Card বা জিপিইউ অত্যন্ত দক্ষতার সাথে কাজ করতে সক্ষম। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: Graphics Card বা জিপিইউ হলো এমন একটি হার্ডওয়্যার কম্পোনেন্ট যা কম্পিউটারের চিত্র ও ডেটা প্রসেসিং ত্বরান্বিত করে। কার্যপদ্ধতি: এটি হাজার হাজার কোর একসাথে ব্যবহার করে জটিল গাণিতিক হিসাব ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেল খুব দ্রুত চালাতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চ্যাটজিপিটি বা জেমিনির মতো এআই মডেল রান করতে এআই সার্ভারে শক্তিশালী গ্রাফিক্স কার্ড ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এই গ্রাফিক্স কার্ডগুলো মুহূর্তের মধ্যে কোটি কোটি প্যারামিটার নিয়ে কাজ করতে পারে। উদাহরণ ২: গেমিং ল্যাপটপ বা পিসিতে হাই এন্ড গেম খেলার সময় গ্রাফিক্স কার্ড দৃশ্যগুলো রেন্ডার করে। ব্যাখ্যা: গ্রাফিক্স কার্ড না থাকলে থ্রিডি গেম বা এআই মডেলের প্রসেসিং অসম্ভব হয়ে পড়ে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) RAM — এটি কম্পিউটারের রানিং ডেটা সাময়িকভাবে ধরে রাখে কিন্তু বিশাল এআই মডেলের সমান্তরাল হিসাব করার ক্ষমতা এর নেই। B) Storage Device — এটি শুধু ডেটা দীর্ঘস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে এবং মডেল রান করার মূল গণনাকাজ এটি করতে পারে না। C) Graphics Card — সঠিক উত্তর। D) Processor — প্রসেসর বা সিপিইউ সাধারণ কাজের জন্য ভালো হলেও এআই মডেলের প্যারালাল প্রসেসিংয়ের জন্য এটি জিপিইউর চেয়ে ধীরগতির। ৫. মনে রাখার টিপস: এআই মডেল বা এলএলএম মানেই বিশাল হিসাব, আর বিশাল হিসাব মানেই গ্রাফিক্স কার্ডের শক্তি। সিপিইউ দিয়ে সাধারণ কাজ হয়, আর জিপিইউ দিয়ে এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিংয়ের কাজের জন্য আধুনিক কম্পিউটারে জিপিইউ বা গ্রাফিক্স কার্ডের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এআই প্রযুক্তির হার্ডওয়্যারভিত্তিক প্রশ্ন এলে উত্তর সাধারণত গ্রাফিক্স কার্ড হবে।
153. Quantum Computing এর জনক কাকে মনে করা হয়?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) David Deutsch ১. কেন সঠিক: ডেভিড ডয়েচ (David Deutsch) কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এর তাত্ত্বিক ভিত্তি স্থাপন করার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। তিনি ১৯৮৫ সালে প্রথম কোয়ান্টাম টিউরিং মেশিনের বর্ণনা দিয়ে কোয়ান্টাম কম্পিউটিংকে একটি প্রায়োগিক বিজ্ঞানে রূপ দেন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কোয়ান্টাম কম্পিউটিং হলো এমন এক ধরনের প্রসেসিং ব্যবস্থা যা কোয়ান্টাম বলবিদ্যার নীতি যেমন কিউবিট, সুপারপজিশন ও এনট্যাঙ্গলমেন্ট ব্যবহার করে জটিল হিসাব পরিচালনা করে। কার্যপদ্ধতি: সাধারণ কম্পিউটার যেখানে বাইনারি বিট হিসেবে শূন্য বা এক নিয়ে কাজ করে, সেখানে কোয়ান্টাম কম্পিউটার কিউবিট ব্যবহার করে একই সাথে শূন্য ও একের অবস্থা ধারণ করতে পারে। ব্যবহার: ক্রিপ্টোগ্রাফি, জটিল আণবিক মডেলিং এবং বৃহৎ ডেটাসেট বিশ্লেষণের কাজে কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্লাসিক্যাল কয়েন ফ্লিপ ব্যাখ্যা: সাধারণ বিট হলো কয়েন ফেলার পর হেড বা টেল আসার মতো, যা যেকোনো একটি নির্দিষ্ট অবস্থা নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: ঘূর্ণায়মান কয়েন ব্যাখ্যা: কিউবিট হলো বাতাসে ঘূর্ণায়মান কয়েনের মতো, যেখানে থামার আগে হেড ও টেল উভয় সম্ভাবনাই একযোগে বিদ্যমান থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) David Deutsch — ইনি কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এর তাত্ত্বিক কাঠামোর জনক এবং প্রথম কোয়ান্টাম অ্যালগরিদম প্রবক্তা। B) Richard Feynman — ইনি কোয়ান্টাম সিমুলেশনের ধারণা প্রথম দিলেও কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এর জনক হিসেবে ডেভিড ডয়েচ স্বীকৃত। C) Paul Benioff — ইনি কোয়ান্টাম মেকানিক্যালের সাহায্যে টিউরিং মেশিনের কোয়ান্টাম মডেল প্রথম প্রস্তাব করেছিলেন। D) Alexei Kitaev — ইনি টপোলজিক্যাল কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও প্রতিষ্ঠাতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এর তাত্ত্বিক জনক মনে রাখতে ডি অক্ষরটি মনে রাখুন, কারণ David Deutsch নামটি ডি দিয়ে শুরু হয়। রিচার্ড ফাইনম্যান ধারণা দিলেও ডেভিড ডয়েচ একে পরিপূর্ণ তাত্ত্বিক রূপ দেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কোয়ান্টাম কম্পিউটারের মৌলিক একক হলো কিউবিট (Qubit) বা কোয়ান্টাম বিট। বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এর জনক সংক্রান্ত প্রশ্নে ডেভিড ডয়েচ সবচেয়ে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হন।
155. নিচের কোনটি পেশাগত নৈতিকতার উপাদান?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দক্ষতা ১. কেন সঠিক: - পেশাগত নৈতিকতার মূল ভিত্তি হলো কাজের প্রতি দায়িত্ববোধ, সততা এবং নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা বা দক্ষতা অর্জন করা। - পেশাগত নৈতিকতা বলতে বোঝায় কোনো পেশার সঙ্গে জড়িত নিয়মকানুন, সততা ও উৎকর্ষ বজায় রেখে পেশাগত দায়িত্ব পালন করা। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: পেশাগত নৈতিকতা হলো কর্মক্ষেত্রে সততা, নিষ্ঠা, জবাবদিহি এবং পেশাগত দক্ষতার সমন্বয়ে অর্জিত এক ধরনের নৈতিক মানদণ্ড। - গুরুত্ব: কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা না থাকলে নৈতিকভাবে সৎ হওয়ার পরও প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য অর্জন ব্যাহত হয় এবং সেবার মান নষ্ট হয়। - প্রয়োগ: সরকারি বা বেসরকারি সেবামূলক কাজে নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্ব নিখুঁতভাবে এবং দ্রুত সম্পন্ন করার মাধ্যমেই পেশাগত দক্ষতার নৈতিক প্রয়োগ ঘটে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা ফাইলপত্র জমিয়ে না রেখে দ্রুত ও নির্ভুলভাবে সাধারণ মানুষের সেবা প্রদান করছেন। ব্যাখ্যা: এখানে কর্মকর্তার পেশাগত দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার নৈতিক প্রয়োগ ঘটেছে, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করে। উদাহরণ ২: একজন শিক্ষক নিয়মিত পড়াশোনার নতুন পদ্ধতি শিখে এসে শিক্ষার্থীদের সহজে পাঠদান করছেন। ব্যাখ্যা: এটি শিক্ষকের পেশাগত নৈতিকতা ও দক্ষতার প্রকাশ, যা শিক্ষার্থীদের সঠিক শিক্ষা লাভে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বজনপ্রীতি — এটি পেশাগত নৈতিকতার পরিপন্থী একটি গুরুতর অনৈতিক আচরণ যা দুর্নীতি ও বৈষম্য তৈরি করে। B) সম্প্রদায়িকতা — এটি সামাজিক সম্প্রীতি ও পেশাগত নিরপেক্ষতার নীতিকে ধ্বংস করে, তাই এটি নৈতিকতার উপাদান হতে পারে না। C) দারিদ্রতা — এটি একটি আর্থসামাজিক অবস্থা, কোনো পেশাগত বা নৈতিক গুণ বা উপাদান নয়। D) দক্ষতা — এটি পেশাগত উৎকর্ষ অর্জনের মাধ্যমে সঠিক সেবা নিশ্চিত করার একটি ইতিবাচক উপাদান। ৫. মনে রাখার টিপস: - পেশাগত জীবনের সফলতার চাবিকাঠি হলো সততা এবং দক্ষতা। - পরীক্ষার প্রশ্নে নেতিবাচক শব্দগুলো বাদ দিয়ে ইতিবাচক পেশাগত গুণটিকে বেছে নিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পেশাগত নৈতিকতার প্রধান উপাদানগুলো হলো সততা, জবাবদিহি, নিরপেক্ষতা এবং দক্ষতা। - এই নীতি থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুশাসন ও প্রশাসনিক নৈতিকতা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
156. উদ্দেশ্য নৈতিকতার আলোচ্চ বিষয় কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফলাফল ১. কেন সঠিক: - নৈতিক দর্শনে উদ্দেশ্যের নৈতিকতা বিচার করা হয় কাজের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে। এখানে কার্যকারণ সম্পর্ক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - এটি মূলত উপযোগবাদ বা পরিণামবাদের মূলনীতি, যেখানে কোনো কাজের নৈতিক মান নির্ধারিত হয় তার ভালো বা খারাপ ফলাফলের মাধ্যমে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: পরিণামবাদ বা উদ্দেশ্য নৈতিকতা এমন একটি নীতি যেখানে কাজের নৈতিকতা তার পরিণতির ওপর নির্ভর করে। - গুরুত্ব: সমাজে কাজের কল্যাণকর দিক এবং বৃহত্তর স্বার্থ নিশ্চিত করতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - প্রয়োগ: সরকারি বা বেসরকারি নীতি নির্ধারণের সময় সাধারণ মানুষের কল্যাণের বিষয়টি নিশ্চিত করা। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা যখন একটি ত্রাণ বিতরণের প্রকল্প গ্রহণ করেন, তখন তার মূল লক্ষ্য থাকে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। ব্যাখ্যা: এখানে কর্মকর্তাটির কাজের নৈতিকতা বিচার করা হবে ত্রাণটি সঠিকভাবে মানুষের কাছে পৌঁছাল কি না তার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে। উদাহরণ ২: ট্রাফিক আইন মেনে গাড়ি চালানো একজন চালকের দৈনন্দিন দায়িত্বের অংশ। ব্যাখ্যা: আইন মেনে চলার ফলে দুর্ঘটনা এড়ানো যায় এবং সবার নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত হয়, যা একটি ভালো ফলাফল আনে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উদ্দেশ্য — উদ্দেশ্য নৈতিকতার মূল আলোচ্য বিষয় পরিণতি হলেও, শুধুমাত্র উদ্দেশ্য দিয়ে এর সম্পূর্ণ বিচার করা যায় না। C) প্রক্রিয়া — প্রক্রিয়া নৈতিকতার একটি অংশ হলেও উদ্দেশ্য নৈতিকতা মূলত কাজের সমাপ্তি বা ফলাফলকে নির্দেশ করে। D) সবগুলো — সবগুলো অপশন একসঙ্গে উদ্দেশ্য নৈতিকতার মূল আলোচ্য বিষয় হিসেবে গণ্য হয় না কারণ এর মূল ভিত্তি ফলাফল। ৫. মনে রাখার টিপস: - উদ্দেশ্য নৈতিকতা মনে রাখার জন্য মনে রাখবে এটি কাজের শেষের ফল বা পরিণতির ওপর জোর দেয়। - কার্যকারণ সম্পর্ক এবং কল্যাণমূলক ফলাফল এই তত্ত্বের মূল চাবিকাঠি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নৈতিক দর্শনে ইমানুয়েল কান্টের ডিওন্টোলজি বা কর্তব্যবাদ এবং উপযোগবাদের পার্থক্য ভালোভাবে বুঝে রাখবে। - একই নীতি থেকে কর্মের ফলাফল এবং নিয়মের পবিত্রতা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
157. সম্প্রতি পেরুতে খুঁজে পাওয়া ৩,৫০০ বছরের পুরোনো শহরের নাম কী?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পেনিকো ১. কেন সঠিক: - পেরুর প্রত্নতাত্ত্বিকরা সম্প্রতি দেশটির উত্তরাঞ্চলের একটি মরুভূমি এলাকা থেকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বছর পুরানো এই প্রাচীন শহরের অবশিষ্টাংশ আবিষ্কার করেছেন। - এই প্রাচীন জনবসতিটি আন্দিজ পর্বতমালা সংলগ্ন অঞ্চলের প্রাচীন সভ্যতা এবং মানব জনবসতির ক্রমবিকাশের এক অনন্য ঐতিহাসিক নিদর্শন বহন করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের পেরু দেশের উত্তরাঞ্চলীয় মরুভূমি ও উপকূলীয় এলাকা। - বৈশিষ্ট্য: প্রাচীন স্থাপত্যরীতি, শহুরে বিন্যাস এবং শুষ্ক মরুভূমির আবহে গড়ে ওঠা প্রাচীন সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: এটি পেরুর প্রাচীন ইতিহাস এবং নর্তে চিকো সভ্যতার সমসাময়িক বা কাছাকাছি সময়ের একটি ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: কারাল সভ্যতা ব্যাখ্যা: পেরুর এই প্রাচীন শহরটি লা আমেরিকা মহাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতার অংশবিশেষ এবং এটি ইনকা সভ্যতার বহুপূর্বের ইতিহাসের সাক্ষ্য দেয়। উদাহরণ ২: নাজকা লাইনস ব্যাখ্যা: এটি পেরুর আরেকটি বিশ্ববিখ্যাত ভৌগোলিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন যা মরুভূমির বুকে প্রাচীন মানুষের তৈরি জ্যামিতিক নকশার জন্য পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাচুপিচু — এটি পেরুর অ্যান্ডিজ পর্বতমালার উঁচুতে অবস্থিত একটি বিখ্যাত ইনকা শহর, যা এই নতুন আবিষ্কৃত প্রাচীন শহর নয়। B) কোরাল — এটি পেরুর অত্যন্ত প্রাচীন একটি প্রাগৈতিহাসিক নগরসভ্যতা, যা বর্তমান আবিষ্কার থেকে ভিন্ন এবং ভিন্ন ভৌগোলিক অবস্থানে অবস্থিত। D) কুস্কো — এটি প্রাচীন ইনকা সাম্রাজ্যের ঐতিহাসিক রাজধানী শহর, যা এই সাম্প্রতিক আবিষ্কৃত শহরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: পেরুতে খুঁজে পাওয়া নতুন প্রাচীন শহরটির নামের প্রথম অক্ষর পে দিয়ে শুরু, যা পেরু নামের সঙ্গে সহজে মিলিয়ে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: দক্ষিণ আমেরিকার প্রাচীন সভ্যতা এবং সাম্প্রতিক প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কার সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে প্রায়ই আসে। এই ধরনের প্রশ্নে দেশের নাম এবং আবিষ্কারের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
160. নিচের কোন সভ্যতার সময়কাল ওজন পরিমাপ ও দৈর্ঘ্য মাপার পদ্ধতি আবিষ্কার হয়েছিল?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিন্ধু সভ্যতা ১. কেন সঠিক: সিন্ধু সভ্যতার মানুষেরা ব্যবসা-বাণিজ্য ও নগর পরিকল্পনার ক্ষেত্রে ওজন পরিমাপ এবং দৈর্ঘ্য মাপার সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি আবিষ্কার করেছিল। তাদের এই উন্নত পরিমাপ ব্যবস্থা প্রমাণ করে যে প্রাচীন এই সভ্যতাটি কতটা সুশৃঙ্খল ও বিজ্ঞানমনস্ক ছিল। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: সিন্ধু সভ্যতা মূলত ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বর্তমান পাকিস্তান ও ভারতের কিছু অংশ জুড়ে গড়ে উঠেছিল। বৈশিষ্ট্য: এই সভ্যতার নগরগুলো গ্রিড আকারে সাজানো ছিল এবং উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও পোড়ামাটির ইটের ব্যবহার দেখা যায়। সংশ্লিষ্ট তথ্য: প্রত্নতাত্ত্বিক খননকাজে এখান থেকে হাতির দাঁত ও পাথরের তৈরি নিখুঁত পরিমাপের বাটখারা বা ওজন মাপার যন্ত্র পাওয়া গেছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: লোথাল বন্দর ব্যাখ্যা: বর্তমান ভারতের গুজরাটে অবস্থিত এই প্রাচীন বন্দর নগরীতে একটি কৃত্রিম ডকইয়ার্ড বা পোতাশ্রয় পাওয়া গেছে, যা সামুদ্রিক বাণিজ্যের জন্য পরিমাপ পদ্ধতির সঠিক ব্যবহারের প্রমাণ দেয়। উদাহরণ ২: হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো ব্যাখ্যা: এই দুটি প্রধান নগরীর রাস্তাঘাট এবং বাড়িগুলোর পরিমাপ নির্দিষ্ট অনুপাতে তৈরি করা হয়েছিল, যা তাদের উন্নত জ্যামিতিক জ্ঞান ও পরিমাপ দক্ষতার পরিচায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিন্ধু সভ্যতা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সভ্যতায় প্রথম সুসংহত ওজন ও দৈর্ঘ্য পরিমাপ পদ্ধতির প্রমাণ মেলে। B) মিশরীয় সভ্যতা — এটি নীল নদ কেন্দ্রিক প্রাচীন সভ্যতা যা পিরামিড নির্মাণ এবং জ্যামিতিতে পটু হলেও প্রশ্নে উল্লেখিত পরিমাপ পদ্ধতির জন্য সিন্ধু সভ্যতা বিশেষভাবে পরিচিত। C) অ্যাসোরীয় সভ্যতা — এটি মেসোপটেমিয়ার একটি প্রাচীন সভ্যতা যারা শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ও সাম্রাজ্য বিস্তারের জন্য পরিচিত। D) গ্রিক সভ্যতা — এটি পরবর্তী সময়ের একটি ধ্রুপদী সভ্যতা যা দর্শন ও বিজ্ঞানের জন্য বিখ্যাত হলেও প্রাচীন পরিমাপ পদ্ধতির উদ্ভাবক হিসেবে সিন্ধু সভ্যতা এগিয়ে। ৫. মনে রাখার টিপস: সিন্ধু সভ্যতার মানুষ সুনির্দিষ্ট মাপে নগর গড়ত এবং নিখুঁত বাটখারা ব্যবহার করত। তাই পরিমাপ পদ্ধতি বললে সিন্ধু সভ্যতা মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সিন্ধু সভ্যতার আবিষ্কারক কে এবং এটি কোন নদীর তীরে অবস্থিত, এই ধরনের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। এই ধারণা থেকে পরবর্তীতে হরপ্পার বাণিজ্যিক কার্যক্রম বা প্রাচীন সভ্যতার নগর পরিকল্পনা সম্পর্কিত এমসিকিউ আসতে পারে।
162. ইরানের ফর্দো (Fordow) পারমাণবিক সমৃদ্ধ করণ কেন্দ্রটি কোন প্রদেশে অবস্থিত?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোম ১. কেন সঠিক: ইরানের ফর্দো পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রটি কোম প্রদেশে অবস্থিত। এটি তেহরানের দক্ষিণ দিকে একটি পাহাড়ি এলাকায় সুসুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ ভূখণ্ডে তৈরি করা হয়েছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: এটি ইরানের কোম শহরের কাছে এবং রাজধানী তেহরানের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। বৈশিষ্ট্য: এই স্থাপনাটি পাহাড়ের গভীরে খনন করা হয়েছে যাতে বিমান হামলা বা আকাশপথের আক্রমণ থেকে একে রক্ষা করা যায়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: নাতানজ পারমাণবিক কেন্দ্র ব্যাখ্যা: এটি ইরানের আরেকটি প্রধান পারমাণবিক স্থাপনা যা ইসফাহান প্রদেশে অবস্থিত এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের জন্য পরিচিত। উদাহরণ ২: বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ব্যাখ্যা: এটি ইরানের দক্ষিণ উপকূলে পারস্য উপসাগরের তীরে অবস্থিত দেশটির প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইসফাহান — এটি ইরানের একটি ঐতিহাসিক শহর ও প্রদেশ যেখানে দেশটির নাতানজ পারমাণবিক স্থাপনা অবস্থিত, ফর্দো নয়। B) ইলাম — এটি ইরানের পশ্চিম অংশে ইরাক সীমান্তবর্তী একটি পাহাড়ি প্রদেশ যা পারমাণবিক কর্মসূচির জন্য পরিচিত নয়। C) বুমেহর — এটি তেহরান প্রদেশের একটি ছোট শহর, যা ফর্দো পারমাণবিক কেন্দ্রের প্রকৃত ভৌগোলিক অবস্থান নির্দেশ করে না। D) কোম — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফর্দো পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রটি এই প্রদেশেই অবস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: ফর্দো মানেই কোম মনে রাখতে পারেন। কোম শহর ধর্মীয় দিক থেকে বিখ্যাত এবং ফর্দো পারমাণবিক কেন্দ্রের সুবাদে ভূরাজনীতিতেও পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি ও পারমাণবিক শক্তি সংক্রান্ত প্রশ্নে ইরানের বিভিন্ন পারমাণবিক কেন্দ্রের নাম ও অবস্থান প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। এই প্রশ্নটি থেকে শিক্ষার্থী ইরানের প্রধান পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারে।
163. যুক্তরাষ্ট্রের পরিচালিত 'অপারেশন মিডনাইট হ্যামার' ইরানে কবে হামলা করে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২২ জুন ২০২৫ ১. কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত অপারেশন মিডনাইট হ্যামার মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি ও সামরিক কৌশলের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে ইরানে হামলা চালায়। - এই সামরিক অভিযানের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও কৌশলগত লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছিল নির্দিষ্ট ভূকৌশলগত এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল, এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ এবং পারস্য উপসাগরীয় ভূরাজনৈতিক এলাকা। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: আন্তর্জাতিক কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালির নিকটবর্তী হওয়ায় এই অঞ্চলের নিরাপত্তা বিশ্ব রাজনীতির জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: পারস্য উপসাগরীয় সংঘাত ব্যাখ্যা: মধ্যপ্রাচ্যের এই সমুদ্রপথ তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রধান রুট হওয়ায় যেকোনো সামরিক পদক্ষেপ বিশ্ব অর্থনীতিতে সরাসরি প্রভাব ফেলে। উদাহরণ ২: মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি ব্যাখ্যা: এই অঞ্চলটি এশিয়া, আফ্রিকা এবং ইউরোপের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় বিশ্ব শক্তির প্রতিযোগিতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ জুন ২০২৫ — এটি অপারেশন মিডনাইট হ্যামার পরিচালনার নির্ধারিত সঠিক তারিখ নয়। B) ২১ জুন ২০২৫ — এই তারিখে উল্লিখিত সামরিক অভিযানটি সংঘটিত হয়নি। C) ২২ জুন ২০২৫ — এটিই কাঙ্ক্ষিত সঠিক তারিখ যা অভিযানটির বাস্তবায়নকাল নির্দেশ করে। D) ২৩ জুন ২০২৫ — এই তারিখটি এই বিশেষ সামরিক অভিযানের ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত বিশেষ সামরিক অভিযানগুলোর তারিখ মনে রাখার জন্য মাস ও বছরের পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট দিনগুলোকে সমসাময়িক আন্তর্জাতিক খবরের সঙ্গে মিলিয়ে পড়তে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক সংঘাত ও সামরিক অভিযানগুলোর তারিখ এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। একই ধারণা থেকে মধ্যপ্রাচ্যের প্রণালি বা কৌশলগত খাতগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে।
164. 'The One Big Beautifull Bill Act' এ USA হতে Remittance প্রেরণ করতে কী পরিমাণ কর ধার্য করা হয়েছে?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১% ১. কেন সঠিক: - অর্থনৈতিক ভূগোল ও অভিবাসী শ্রমবাজারের নীতি অনুসারে যুক্তরাষ্ট্র হতে প্রেরিত রেমিট্যান্সের ওপর কর ধার্য করা হয়েছে। - প্রস্তাবিত বা প্রণীত আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির আর্থিক লেনদেন বা রেমিট্যান্সের ওপর ১ শতাংশ করারোপের বিধান রাখা হয়েছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: উত্তর আমেরিকা মহাদেশের যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: আন্তর্জাতিক অভিবাসন ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ভূগোলের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে মেক্সিকোতে প্রেরিত রেমিট্যান্স প্রবাহ। ব্যাখ্যা: এটি উত্তর আমেরিকার দুটি প্রতিবেশী দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক লেনদেন ও নীতিমালার প্রভাব বোঝাতে সহায়তা করে। উদাহরণ ২: মধ্যপ্রাচ্য থেকে বাংলাদেশে আসা রেমিট্যান্স প্রবাহ। ব্যাখ্যা: এটি আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার এবং অভিবাসী আয়ের ওপর বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক নীতির প্রভাব তুলনামূলকভাবে বুঝতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫% — এই হারটি প্রশ্নোক্ত আইনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় এবং এটি অতিরিক্ত মাত্রার কর হার। B) ৩% — এই সংখ্যাটি উক্ত বিল বা আইনের নির্ধারিত রেমিট্যান্স করের সঙ্গে মেলে না। D) ২% — এটি একটি অনুমাননির্ভর সংখ্যা যা সঠিক আইনি বিধানকে নির্দেশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে করের পরিমাণ খুব কম রাখা হয়েছে, যা সহজে মনে রাখতে ১ শতাংশ বা ১ সংখ্যাটি মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক আইন ও আন্তর্জাতিক অর্থপ্রবাহ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই বিভিন্ন দেশের রেমিট্যান্স নীতি সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি।
165. বাংলাদেশ কখন নারীর বিরুদ্ধে সকল প্রকার বৈষম্য (CEDAW) দূরীকরণ সনদে সম্মতি জানায়?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ নভেম্বর ১৯৮৪ ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশ সরকার জাতিসংঘের নারী অধিকার সংক্রান্ত সনদ সিডাওয়া (CEDAW) এ স্বাক্ষর করে ১৯৮৪ সালের ৬ নভেম্বর। এই সনদে স্বাক্ষর করার মাধ্যমে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে নারীদের সমঅধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার প্রকাশ করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি উন্নয়নশীল দেশ এবং জাতিসংঘ এই সনদের মূল কেন্দ্র নিউইয়র্ক থেকে পরিচালিত হয়। সংশ্লিষ্ট তথ্য: ১৯৭৯ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সিডাওয়া সনদ গৃহীত হয় এবং ১৯৮১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর এটি কার্যকর হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ও সিডাওয়া সনদ ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ সরকার এই সনদে স্বাক্ষর করলেও কিছু ধারার ওপর সংরক্ষণ বা আপত্তি রেখেছিল, যা পরবর্তীতে নারী উন্নয়নে সংশোধিত হয়েছে। উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক নারী অধিকার ব্যাখ্যা: সিডাওয়া সনদ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নারীর বিরুদ্ধে বৈষম্য দূর করতে এবং আইনি সুরক্ষা প্রদানে মূল দলিল হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ ডিসেম্বর ১৯৮৪ - এই তারিখে মানবাধিকার দিবস পালিত হয় এবং এটি সিডাওয়া সনদে বাংলাদেশের স্বাক্ষরের তারিখ নয়। B) ৬ নভেম্বর ১৯৮৪ - এই তারিখটি সঠিক কারণ এই দিনে বাংলাদেশ সিডাওয়া সনদে সম্মতি জানায়। C) ৫ আগস্ট ১৯৮৫ - এই তারিখটি সিডাওয়া সনদে বাংলাদেশের স্বাক্ষরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি একটি সাধারণ তারিখ। D) ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৭ - এই তারিখটি সিডাওয়া সনদের অনুমোদনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার দিন। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালের নভেম্বর মাসের ছয় তারিখে নারীদের অধিকার রক্ষার আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করে। সালটি মনে রাখতে ১৯৮৪ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে যা অর্ওয়েলীয় উপন্যাসের নাম হিসেবেও বিখ্যাত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক চুক্তি ও সনদে বাংলাদেশের স্বাক্ষরের তারিখ প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে সিডাওয়া সনদ কবে কার্যকর হয় বা জাতিসংঘে এটি কবে গৃহীত হয়।
166. কোন দেশগুলো মেডিসিন লাইন/সীমানা দ্বারা বিভক্ত?
Created 1 week ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা ১. কেন সঠিক: - উত্তর আমেরিকার এই দুটি দেশের সীমান্ত বিশ্বের দীর্ঘতম অসামরিক সীমান্ত হিসেবে পরিচিত। - এই সীমানার একটি বড় অংশ ৪৯ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ বরাবর সরলরেখায় নির্ধারিত হয়েছে, যা মেডিসিন লাইন নামে পরিচিত। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: উত্তর আমেরিকা মহাদেশের উত্তর অংশে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার আন্তর্জাতিক সীমান্ত। - বৈশিষ্ট্য: এই সীমান্তটি মূলত ৪৯ ডিগ্রি উত্তর সমান্তরাল রেখা বা প্যারালাল বরাবর পূর্ব থেকে পশ্চিমে বিস্তৃত। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: স্থানীয় আদিবাসীদের কাছে এই রেখাটি মেডিসিন লাইন নামে পরিচিতি লাভ করেছিল। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ৪৯ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ ব্যাখ্যা: এটি যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যকার সীমানার একটি বড় অংশ নির্ধারণ করেছে, যা রকি পর্বতমালা থেকে অব্রাডর পর্যন্ত বিস্তৃত। উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক শান্তি উদ্যান ব্যাখ্যা: এটি যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সীমান্তে অবস্থিত একটি উদ্যান, যা দুটি দেশের দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও বন্ধুত্বের প্রতীক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রাজিল ও বলিভিয়া — এটি দক্ষিণ আমেরিকার দুটি দেশের সীমান্ত, যা বিভিন্ন নদী ও পাহাড়ি এলাকার প্রাকৃতিক রেখা দ্বারা বিভক্ত। B) যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা — এটি সঠিক উত্তর এবং এদের সীমান্ত মেডিসিন লাইন নামে পরিচিত। C) জার্মানি ও পোল্যান্ড — এই দুটি দেশের সীমান্ত প্রধানত ওডার ও নাইসে নদীর মাধ্যমে নির্ধারিত, যা ওডার-নাইসে লাইন নামে পরিচিত। D) মিশর ও সুদান — এই দেশদুটির সীমান্ত ২২ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ বরাবর সরলরেখায় নির্ধারিত, যা অন্য একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক সীমানা। ৫. মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্ত বোঝাতে মনে রাখবে উত্তর আমেরিকার দুই বন্ধু দেশের মাঝে যে সোজা রেখা টানে তার নাম মেডিসিন লাইন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সীমান্ত সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, যেমন বিশ্বের দীর্ঘতম সীমান্ত কোন দুটি দেশের মধ্যে অবস্থিত। এই ধারণা থেকে সীমান্ত নির্ধারণকারী অক্ষাংশ বা নদীভিত্তিক সীমানা সম্পর্কিত প্রশ্ন হতে পারে।
168. বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান কোন দুটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক করিডোরের মাঝখানে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মালাক্কা ও হরমুজ প্রণালি ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরের উত্তর উপকূলে অবস্থিত হওয়ায় এটি বৈশ্বিক সামুদ্রিক বাণিজ্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক অবস্থানে রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ অঞ্চল এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উদীয়মান অর্থনীতির প্রধান সামুদ্রিক করিডোরগুলোর ঠিক মধ্যবর্তী স্থানে বাংলাদেশের অবস্থান। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ অংশে এবং ভারত মহাসাগরের অন্তর্ভুক্ত বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত। বৈশিষ্ট্য: এটি এমন একটি কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানে রয়েছে যা পূর্ব ও পশ্চিমের সামুদ্রিক বাণিজ্য পথগুলোকে সংযুক্ত করে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: মালাক্কা প্রণালি ব্যাখ্যা: এটি ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযোগকারী বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত সামুদ্রিক বাণিজ্য পথ, যা দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি তেল পূর্ব এশিয়ায় যায়। উদাহরণ ২: হরমুজ প্রণালি ব্যাখ্যা: এটি পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করে এবং মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানির প্রধান ও একক গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালাক্কা ও হরমুজ প্রণালি — এই দুটি বিশ্বের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক করিডোরের মাঝখানে বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান নির্ধারিত হয়েছে। B) হরমুজ ও পক প্রণালি — পক প্রণালি ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যবর্তী একটি ছোট জলপথ, যা বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রধান করিডোর নয়। C) সুয়েজ খাল ও জিব্রাল্টার প্রণালি — এই দুটি জলপথ মূলত ভূমধ্যসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগর কেন্দ্রিক, যা ইউরোপ ও আফ্রিকার সংযোগস্থলে অবস্থিত। D) জিব্রাল্টার ও বসফরাস প্রণালি — বসফরাস প্রণালি তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অবস্থিত এবং কৃষ্ণ সাগরকে মারমারা সাগরের সাথে যুক্ত করে। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ হলো এশিয়ার পূর্ব ও পশ্চিমের বাণিজ্য পথের একটি প্রাকৃতিক সেতু। বাণিজ্যের জ্বালানি আসে হরমুজ দিয়ে আর মালপত্র যায় মালাক্কা দিয়ে, মাঝখানে বাংলাদেশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থী আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পথ এবং ভূরাজনীতিতে বাংলাদেশের গুরুত্ব বুঝতে পারে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সামুদ্রিক করিডোর ও কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
169. হিমালয় পর্বতমালা উৎপত্তিতে কোন দুটি টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষ হয়েছে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইন্দোঅস্ট্রেলিয়ান ও ইউরেশিয়ান ১. কেন সঠিক: - প্লেট টেকটোনিক্স তত্ত্ব অনুসারে পৃথিবীর লিথোস্ফিয়ার কয়েকটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটে বিভক্ত যা সর্বদা গতিশীল। - ইন্দোঅস্ট্রেলিয়ান প্লেট উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে ইউরেশিয়ান প্লেটের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ার ফলে হিমালয় পর্বতমালা সৃষ্টি হয়েছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ অংশে ভারত, নেপাল, ভুটান ও চীন জুড়ে হিমালয় পর্বতমালা বিস্তৃত। - বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের নবীন ভঙ্গিল পর্বতমালা যার গড় উচ্চতা সবচেয়ে বেশি এবং এখানে বিশ্বের উচ্চতম শৃঙ্গ এভারেস্ট অবস্থিত। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: মাউন্ট এভারেস্ট ব্যাখ্যা: এটি হিমালয় পর্বতমালার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এবং এর উচ্চতা ৮৮৪৮ মিটার যা দুই প্লেটের সংঘর্ষের ফলে উত্থিত হয়েছে। উদাহরণ ২: তিব্বত মালভূমি ব্যাখ্যা: হিমালয় পর্বতের উত্তরের এই উচ্চ মালভূমিও একই প্লেট সংঘর্ষের ফলে গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউরেশিয়ান ও আফ্রিকান — আফ্রিকান প্লেট ইউরেশিয়ান প্লেটের দিকে অগ্রসর হলেও এর সংঘর্ষে আল্পস পর্বতমালা গঠিত হয়েছে, হিমালয় নয়। B) ইন্দোঅস্ট্রেলিয়ান ও ইউরেশিয়ান — এটি সঠিক কারণ এই দুই প্লেটের অভিসারী গতির ফলে হিমালয় পর্বতমালা ও টেথিস সাগরের অবলুপ্তি ঘটে। C) আমেরিকান ও ইউরেশিয়ান — এই দুটি প্লেটের দূরত্বের কারণে আটলান্টিক মহাসাগর প্রসারিত হচ্ছে এবং এদের মধ্যে হিমালয় সৃষ্টিকারী সংঘর্ষ ঘটেনি। D) প্যাসিফিক ও ইন্দোঅস্ট্রেলিয়ান — প্যাসিফিক প্লেটের সংঘর্ষ সাধারণত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে রিং অব ফায়ার বা প্রবাল দ্বীপমালা সৃষ্টি করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার সহজ উপায় হলো ভারত ও অস্ট্রেলিয়া একসময় একই প্লেটে ছিল যা ইউরেশিয়াকে ধাক্কা দিয়ে হিমালয় বানিয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে হিমালয় কোন ধরনের পর্বত, উত্তর হবে নবীন ভঙ্গিল পর্বত। - টেথিস সাগর নামক প্রাচীন সমুদ্রের পলি থেকেই হিমালয়ের সৃষ্টি হয়েছে।
170. বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে ওজন গ্যাসের স্তর অবস্থান করে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্ট্র্যাটোমণ্ডল ১. কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোমণ্ডল স্তরে ওজোন গ্যাসের স্তর প্রধানত অবস্থান করে, যা সূর্য থেকে আসা ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে পৃথিবীকে রক্ষা করে। - এই স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা ওজোন গ্যাস কর্তৃক অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করার ফলে ঘটে থাকে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: ট্রপোমণ্ডলের ঠিক ওপরে এবং মেসোমণ্ডলের নিচে প্রায় ১৫ থেকে ৫০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত স্ট্র্যাটোমণ্ডল বিস্তৃত। - বৈশিষ্ট্য: এই স্তরে বায়ুর ঘনত্ব কম এবং মেঘ বা ঝড়ঝঞ্চা না থাকায় সাধারণত জেট বিমানগুলো এই স্তরের নিচ দিক দিয়ে শান্তভাবে চলাচল করে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থ যেমন ক্লোরোফ্লোরোকার্বন বা সিএফসি। ব্যাখ্যা: এই গ্যাসগুলো স্ট্র্যাটোমণ্ডলে পৌঁছে ওজোন অণুগুলোকে ভেঙে ফেলে এবং ওজোন স্তরে ছিদ্র সৃষ্টি করে। উদাহরণ ২: আন্টার্কটিকার ওজোন ছিদ্র। ব্যাখ্যা: প্রতিবছর বসন্তকালে স্ট্র্যাটোমণ্ডলের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে ওজোন স্তরের মারাত্মক ক্ষয় সাধিত হয়, যা ভৌগোলিক ও পরিবেশগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ট্রপোমণ্ডল — এটি বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর যেখানে মেঘ, বৃষ্টি, ঝড় এবং আমাদের আবহাওয়ার প্রধান উপাদানগুলো সীমাবদ্ধ থাকে, ওজোন স্তর এখানে প্রধানত থাকে না। B) থার্মোমণ্ডল — এটি বায়ুমণ্ডলের একটি অতি উচ্চ স্তর যেখানে তাপমাত্রা খুব বেশি এবং কৃত্রিম উপগ্রহ অবস্থান করে, ওজোন স্তর এখানে থাকে না। C) স্ট্র্যাটোমণ্ডল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এখানেই ওজোন গ্যাস পুঞ্জীভূত অবস্থায় অবস্থান করে। D) মেসোমণ্ডল — এটি স্ট্র্যাটোমণ্ডলের ওপরের শীতলতম স্তর যেখানে উল্কাপিন্ড পুড়ে ছাই হয়, এটি ওজোন স্তরের অবস্থানস্থল নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ট্রপোমণ্ডলের ওপরেই স্ট্র্যাটোমণ্ডল অবস্থিত এবং এই স্তরেই ওজোন বা ও থ্রি গ্যাস থাকে বলে একে ওজোনাস্ফিয়ারও বলা হয়। - ট্রপোমণ্ডলের ঠান্ডা আবহাওয়া আর স্ট্র্যাটোমণ্ডলের ওজোন স্তর এই দুইয়ের পার্থক্য মনে রাখলেই বিভ্রান্তি দূর হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ওজোন স্তর বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে অবস্থিত এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে। - ওজোন স্তর ক্ষয়ের জন্য দায়ী প্রধান গ্যাস কোনটি এবং ওজোন দিবস কবে পালित হয়, এই সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো একই ধারণা থেকে আসতে পারে।
171. ভূতাত্ত্বিক গঠন অনুযায়ী বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে সবচেয়ে পুরাতন শিলা গঠন পাওয়া যায়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দিনাজপুর ১. কেন সঠিক: - ভূতাত্ত্বিক গঠন অনুযায়ী বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন শিলা গঠিত হয়েছে প্রাক-ক্যামব্রিয়ান যুগে, যা মূলত উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বরেন্দ্র ভূমির অন্তর্ভুক্ত। - এই অঞ্চলের শিলা ভারতীয় প্রাচীন ভূত্বকের অংশ এবং এটি প্রায় ১০০ কোটি বছরের পুরোনো ক্রিস্টালাইন বা কেলাstit শিলা দ্বারা গঠিত। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সমভূমি ও বরেন্দ্র অঞ্চলের অংশ, যা ভারতীয় শিল্ড বা ইন্ডিয়ান ক্র্যাটনের সীমানায় অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এই অঞ্চলের ভূত্বক অত্যন্ত প্রাচীন এবং এর নিচে কঠিন গ্রানাইট ও গ্নেস শিলাস্তর পাওয়া যায় যা সমভূমির অন্যান্য অঞ্চলের মতো পলি দ্বারা গঠিত নয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: মধ্যপাড়া কঠিন শিলা প্রকল্প ব্যাখ্যা: দিনাজপুরের মধ্যপাড়ায় এই প্রাচীন প্রাক-ক্যামব্রিয়ান যুগের শিলা খুঁড়ে উত্তোলন করা হয়, যা দেশের একমাত্র কঠিন শিলা খনি। উদাহরণ ২: বরেন্দ্র ভূমি ব্যাখ্যা: দিনাজপুরের মাটি ও ভূগর্ভস্থ গঠন প্রমাণ করে যে এটি প্লাইস্টোসিন কালের সোপান এবং প্রাচীন শিলা গঠনের ওপর অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধ্যভাগের উচ্চভূমি — এটি মূলত মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং লালমাই পাহাড়ের অংশ যা প্লাইস্টোসিন কালের পলি দ্বারা গঠিত, প্রাচীনতম শিলা নয়। C) পার্বত্য চট্টগ্রাম — এটি বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ পাহাড়ি অঞ্চল যা টারশিয়ারি যুগে গিরিখাত ও পলির উত্থানের ফলে সৃষ্টি হয়েছে। D) সিলেট — এটি সুরমা অববাহিকা ও পাহাড়ি টিলা অঞ্চল নিয়ে গঠিত এবং এর ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত নবীন পলি ও টারশিয়ারি যুগের শিলা দ্বারা গঠিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাচীন শিলা মানেই উত্তরের জেলা দিনাজপুর। কারণ উত্তর-পশ্চিম কোণ হলো সবচেয়ে পুরোনো মাটির ভিত্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশের একমাত্র কঠিন শিলা খনি কোথায় অবস্থিত এবং এর ভূতাত্ত্বিক যুগ কী, তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
172. কনরাড বিযুক্তি ভূ-অভ্যন্তরের কোন স্তরসমূহের মাঝে অবস্থান করে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিয়াল ও সিমা ১. কেন সঠিক: - কনরাড বিযুক্তি হলো পৃথিবীর ভূত্বকের উপরিস্তর সিয়াল এবং নিচের স্তর সিমা এর মধ্যবর্তী সীমারেখা। - এই বিযুক্তি অঞ্চলের ঠিক নিচ থেকেই শিলার ঘনত্ব ও রাসায়নিক গঠনে পরিবর্তন দেখা যায়। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ থেকে ২০ কিলোমিটার গভীরে মহাদেশীয় ভূত্বকের অভ্যন্তরে এই বিযুক্তি রেখা অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এর উপরের স্তরে সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম এবং নিচের স্তরে সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম বেশি থাকে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: মহাদেশীয় ভূত্বক ব্যাখ্যা: মহাদেশীয় ভূত্বকের উপরিভাগ এবং তলদেশের মধ্যবর্তী রূপান্তর অঞ্চল হিসেবে এটি কাজ করে। উদাহরণ ২: সিয়াল স্তর ব্যাখ্যা: হালকা গ্রানাইট শিলা দ্বারা গঠিত সিয়াল স্তর এই বিযুক্তির ঠিক ওপরে অবস্থান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিয়াল ও সিমা - এটি সঠিক কারণ কনরাড বিযুক্তি এই দুটি ভূস্তরকে পৃথক করে। B) অশ্বমণ্ডল ও গুরুমণ্ডল - এটি সঠিক নয় কারণ এটি লিথোস্ফিয়ার ও আস্থেনোস্ফিয়ারের সীমানা নির্দেশ করে। C) গুরুমণ্ডল ও কেন্দ্রমণ্ডল - এটি সঠিক নয় কারণ এটি গুটেনবার্গ বিযুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত। D) সিমা ও অশ্বমণ্ডল - এটি সঠিক নয় কারণ সিমা নিজেই ভূত্বকের একটি অংশ। ৫. মনে রাখার টিপস: - কনরাড শব্দটির সঙ্গে সিয়াল ও সিমা মনে রাখতে ক-স-সি সূত্রটি ব্যবহার করা যেতে পারে। - অর্থাৎ কনরাড বিযুক্তি সিয়াল ও সিমাকে আলাদা করেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভূ-অভ্যন্তরের বিভিন্ন বিযুক্তি রেখা যেমন মোহো, গুটেনবার্গ ও লেম্যান বিযুক্তি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কোন বিযুক্তি কোন দুটি স্তরকে আলাদা করেছে তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
174. এল নিনো বাংলাদেশে ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক আবহাওয়ায় কীভাবে প্রভাব ফেলে?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বর্ষার বৃষ্টিপাতের ধরনে অনিয়ম সৃষ্টি করে ১. কেন সঠিক: - এল নিনো হলো প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধির একটি অস্বাভাবিক সাময়িক প্রক্রিয়া। - এর প্রভাবে দক্ষিণ এশিয়া ও বাংলাদেশে মৌসুমী বায়ুর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হয় এবং বর্ষাকালে অনাবৃষ্টি বা খরা দেখা দেয়। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয় অঞ্চল বিশেষ করে পেরু ও ইকুয়েডর উপকূল থেকে শুরু করে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া পর্যন্ত এর প্রভাব বিস্তৃত। - কারণ ও প্রভাব: সমুদ্রের উষ্ণায়নের ফলে বায়ুমণ্ডলের চাপ বলয় পরিবর্তিত হয় যা দক্ষিণ এশিয়ার মৌসুমি বায়ুকে দুর্বল করে দেয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৮ সালের এল নিনো। ব্যাখ্যা: এই শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাবে বাংলাদেশে এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় মারাত্মক খরা ও বর্ষার বৃষ্টিতে মারাত্মক অনিয়ম দেখা দিয়েছিল। উদাহরণ ২: ২০১৫ থেকে ২০১৬ সালের এল নিনো। ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বজুড়ে কৃষিকাজে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল এবং বাংলাদেশে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শীতকালীন তাপমাত্রা বৃদ্ধি — এল নিনো মূলত বর্ষার বৃষ্টিপাতে অনিয়ম সৃষ্টি করে, শীতকালীন তাপমাত্রার ওপর এর সরাসরি এবং প্রধান প্রভাব নেই। B) বর্ষার বৃষ্টিপাতের ধরনে অনিয়ম সৃষ্টি করে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এটি মৌসুমি বায়ুকে প্রভাবিত করে। C) গ্রীষ্মকালীন তাপমাত্রা কমায় — এল নিনো গ্রীষ্মকালীন তাপমাত্রা কমায় না বরং অনেক অঞ্চলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে। D) ঘূর্ণিঝড় বৃদ্ধি পায় — প্রশান্ত মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড় প্রভাবিত হলেও বাংলাদেশে মৌসুমী বৃষ্টিতে অনিয়ম সৃষ্টি করাই এর প্রধান আঞ্চলিক প্রভাব। ৫. মনে রাখার টিপস: এল নিনো মানেই বৃষ্টিতে অনিয়ম, অর্থাৎ বর্ষাকালে খরা বা কম বৃষ্টিপাত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এল নিনোর বিপরীত অবস্থাকে বলা হয় লা নিনা যা অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণ হয়। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই জলবায়ু পরিবর্তন ও এল নিনো সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
175. বাংলাদেশের 'দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন' কবে প্রণীত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০১২ ১. কেন সঠিক: দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং জরুরি ব্যবস্থাপনাকে আইনগত ভিত্তি দিতে বাংলাদেশ সরকার ২০১২ সালে এই আইন প্রণয়ন করে। এর মাধ্যমে দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রিক মানসিকতা থেকে বের করে সার্বিক ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা রূপান্তর করা হয়। ২. ভৌগোলিক তথ্য: বৈশিষ্ট্য: বাংলাদেশ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বন্যা, সাইক্লোন ও নদীভাঙনের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হয়। সংশ্লিষ্ট তথ্য: এই আইনের আওতায় জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাউন্সিল এবং বিভিন্ন স্তরে কমিটি গঠন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ২০০৭ সালের সিডর সাইক্লোন। ব্যাখ্যা: বড় ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা এই ধরনের ঘটনার পর তীব্রভাবে অনুভূত হয়। উদাহরণ ২: ১৯৯১ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়। ব্যাখ্যা: এ ধরনের দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে পরবর্তীতে সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়নের পথ প্রশস্ত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০৫ — এই সালে কোনো দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন প্রণীত হয়নি যদিও এটি ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ বছর ছিল। B) ২০০৮ — এই বছর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নীতিমালা থাকলেও এই আইন প্রণীত হয়নি। D) ২০১৫ — এই সালে আইন প্রণীত হয়নি, তবে ২০১২ সালের আইনের অধীনে বিভিন্ন বিধিমালা প্রণয়ন ও সংশোধন করা হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১২ সালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন পাস হয়, যার সাথে যুদ্ধাপরাধ বিচার শুরুর বছর বা সুরমা সেতু চালুর সাল মিলিয়ে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আইন প্রণয়নের সাল প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন প্রণীত হয় কোন সালের কত তারিখে বা এর মূল লক্ষ্য কী ছিল।
176. বাংলাদেশের দীর্ঘতম স্থলসীমান্ত ভারতের কোন রাজ্যের সাথে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পশ্চিমবঙ্গ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার মোট স্থলসীমান্তের পরিমাণ চার হাজার ১৫৬ কিলোমিটার যার সবচেয়ে বড় অংশ জুড়ে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যটি। - বাংলাদেশের সাথে ভারতের পাঁচটি রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে এবং এর মধ্যে ভৌগোলিক দীর্ঘতার বিচারে পশ্চিমবঙ্গ প্রথম স্থানে অবস্থান করছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যটি বাংলাদেশের পশ্চিম ও উত্তর সীমানা জুড়ে অবস্থিত এবং এটি দেশের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সীমান্ত ভাগ করে নেয়। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: বাংলাদেশের সাথে ভারতের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য চার হাজার ১৫৬ কিলোমিটার এবং এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সাথে সীমান্ত প্রায় দুই হাজার ২২৭ কিলোমিটার। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: বেনাপোল স্থলবন্দর। ব্যাখ্যা: এটি পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যে যোগাযোগের প্রধান বাণিজ্যিক ও যাতায়াত রুট যা দীর্ঘতম সীমান্তের কার্যকারিতা নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: রোহনপুর বা দর্শনা সীমান্ত। ব্যাখ্যা: এই সীমান্ত পয়েন্টগুলো পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সরাসরি রেল ও সড়ক যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘালয় — এই রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে তবে তা দীর্ঘতম নয় বরং তুলনামূলকভাবে বেশ ছোট। B) আসাম — ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার এই রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে কিন্তু এর দৈর্ঘ্য পশ্চিমবঙ্গের চেয়ে কম। D) ত্রিপুরা — তিন দিক থেকে ভারতীয় এই রাজ্যটি বাংলাদেশ দ্বারা বেষ্টিত হলেও এর সীমান্ত দৈর্ঘ্য দীর্ঘতম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ভারতের সাথে সবচেয়ে বেশি সীমান্ত রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের, তাই মনে রাখার জন্য "পশ্চিমবঙ্গ সবচেয়ে বড় অংশ জুড়ে আছে" এই সহজ সূত্রটি মাথায় রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্য মোট পাঁচটি যাদের নাম পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম। একই ধারণা থেকে ভারতের কোন রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত সবচেয়ে কম, এমন প্রশ্নও পরীক্ষায় আসতে পারে।
177. আফগানিস্তানের তালেবান সরকারকে বৈধ কর্তৃপক্ষ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম রাষ্ট্র কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাশিয়া ১. কেন সঠিক: - ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ, মধ্য এশিয়ার নিরাপত্তা এবং মার্কিন প্রভাব হ্রাসের কৌশলগত কারণে রাশিয়া তালেবান সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রদানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। - আফগানিস্তানের কৌশলগত অবস্থান এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষার তাগিদে মস্কো এই কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: আফগানিস্তান দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার একটি ভূবেষ্টিত দেশ, যার উত্তরে মধ্য এশিয়ার রাষ্ট্রসমূহ এবং পূর্বে পাকিস্তান অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি একটি পাহাড়ি ও ভূবেষ্টিত দেশ, যা এশিয়া মহলের মিলনস্থলে অবস্থিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: মধ্য এশিয়ার ভূরাজনীতি ব্যাখ্যা: আফগানিস্তানের স্থিতিশীলতা সমগ্র মধ্য এশিয়ার নিরাপত্তা ও যোগাযোগের পথকে সরাসরি প্রভাবিত করে। উদাহরণ ২: মস্কোর কূটনৈতিক কৌশল ব্যাখ্যা: পরাশক্তি হিসেবে রাশিয়া আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তার ও নিরাপত্তাজনিত কারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনর্বিন্যাস করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরাক — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ এবং আফগানিস্তানের তালেবান সরকারকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদানের প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিল না। B) চীন — চীন তালেবান সরকারের সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক রাখলেও প্রথম স্বীকৃতি প্রদানকারী রাষ্ট্র নয়। D) পাকিস্তান — পাকিস্তান তালেবান সরকারকে গোপনে ও রাজনৈতিকভাবে সমর্থন দিলেও বিশ্বের প্রথম রাষ্ট্র হিসেবে রাশিয়া কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রদান করে। ৫. মনে রাখার টিপস: আফগানিস্তানের বরফ গলাতে সবার আগে হাত বাড়াল রুশরা, তাই প্রথম স্বীকৃতি দিল রাশিয়া। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও ভূরাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপট বোঝার জন্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ভবিষ্যতের পরীক্ষায় তালেবান সরকারকে প্রথম স্বীকৃতিদানকারী দেশ বা মধ্য এশিয়ার ভূরাজনীতি সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
178. জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থা বা জাতিসংঘ পর্যটন (পূর্বে UNWTO) এর সদর দপ্তর কোথায়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাদ্রিদ, স্পেন ১. কেন সঠিক: জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থার সদর দপ্তর স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে অবস্থিত। এটি বৈশ্বিক পর্যটন নীতি নির্ধারণ এবং টেকসই পর্যটন প্রসারে কাজ করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: মাদ্রিদ, আইবেরিয়ান উপদ্বীপ, দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপ। বৈশিষ্ট্য: এটি স্পেনের বৃহত্তম শহর এবং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র। সংশ্লিষ্ট তথ্য: সম্প্রতি এই সংস্থাটির নাম পরিবর্তন করে শুধু জাতিসংঘ পর্যটন রাখা হয়েছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ইউরোপীয় ইউনিয়ন ব্যাখ্যা: বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর ইউরোপের বিভিন্ন প্রধান শহরে অবস্থিত। উদাহরণ ২: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ব্যাখ্যা: সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এর সদর দপ্তর অবস্থিত, যা আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রতীক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুরিন, ইতালি — এটি ইতালির একটি শিল্পপ্রধান শহর হলেও এই সংস্থার সদর দপ্তর এখানে নেই। বি) সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ফ্রাঙ্কফুর্ট, জার্মানি — এটি জার্মানির আর্থিক কেন্দ্র এবং ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অবস্থান। D) প্যারিস, ফ্রান্স — এটি ইউনেস্কোর সদর দপ্তর, যা জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পর্যটনের রাজধানী হিসেবে মাদ্রিদকে মনে রাখতে পারেন। স্পেনের পর্যটন শিল্প বিখ্যাত, তাই সদর দপ্তর মাদ্রিদে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। জাতিসংঘের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত তা জেনে রাখা ভালো।
179. রোম সংবিধি (Rome Statute) এর ফলে কোন সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) International Criminal Court (ICC) ১. কেন সঠিক: - রোম সংবিধি হলো এমন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বিচারহীনতা রোধে স্থায়ী আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গঠনের পথ উন্মুক্ত হয়। - এই সংবিধির মূল উদ্দেশ্য হলো গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় এনে বিচার করা। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: এই সংস্থার সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডস দেশের হেগ শহরে অবস্থিত, যা আন্তর্জাতিক আইন ও বিচারব্যবস্থার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: ১৯৯৮ সালের জুলাই মাসে ইতালির রোম শহরে এক কূটনৈতিক সম্মেলনে এই সংবিধি গৃহীত হয় এবং ২০০২ সালের জুলাই মাস থেকে এটি কার্যকর হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: দারফুর সংকট ব্যাখ্যা: সুদানের দারফুর অঞ্চলে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের ক্ষেত্রে এই আদালতের আইনগত এখতিয়ার প্রয়োগ করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থা ব্যাখ্যা: এটি রাষ্ট্রগুলোর অভ্যন্তরীণ বিচারব্যবস্থার পরিপূরক হিসেবে কাজ করে যখন কোনো দেশ নিজে অপরাধের বিচার করতে অক্ষম হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) International Court of Justice (ICJ) — এটি জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগীয় অঙ্গ যা রাষ্ট্রসমূহের মধ্যকার আইনি বিরোধ নিষ্পত্তি করে, রোম সংবিধির মাধ্যমে এটি গঠিত হয়নি। B) International Criminal Court (ICC) — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং রোম সংবিধির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন আন্তর্জাতিক আদালত। C) International Atomic Energy Agency (IAEA) — এটি পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য গঠিত একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা রোম সংবিধির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) European Union (EU) — এটি ইউরোপীয় দেশগুলোর একটি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জোট, যার উৎপত্তি রোম চুক্তির মাধ্যমে হয়েছিল কিন্তু এটি রোম সংবিধির ফল নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রোম শহর এবং অপরাধ আদালতের মধ্যে সম্পর্ক মনে রাখার জন্য মাথায় রাখতে পারো অপরাধের বিচার করতে রোমে আইন পাস হয়েছিল। - ICC এবং ICJ এর পার্থক্য মনে রাখতে হবে কারণ ICC হলো অপরাধের বিচার করে আর ICJ করে রাষ্ট্রের মধ্যকার বিরোধ মেটায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং চুক্তি সংক্রান্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - পরীক্ষাতে প্রায়ই প্রশ্ন আসে ICC এর সদর দপ্তর কোথায় অথবা এটি কোন চুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়েছে।
180. বর্তমানে অর্থনীতির ব্যাপ্তি অনুসারে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক জোট কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) RCEP ১. কেন সঠিক: - RCEP বা আঞ্চলিক সার্বিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বিশ্বের বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি এবং অর্থনীতির ব্যাপ্তি অনুসারে বৃহত্তম অর্থনৈতিক জোট। - এই জোটের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর মোট জিডিপি এবং জনসংখ্যা বিশ্বের একটি বিশাল অংশ জুড়ে বিস্তৃত, যা বৈশ্বিক বাণিজ্যে অত্যন্ত প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: এশিয়া ও ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশগুলো নিয়ে এই জোট গঠিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি মূলত বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩০ শতাংশ এবং বৈশ্বিক জিডিপির প্রায় ৩০ শতাংশ প্রতিনিধিত্ব করে। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: ২০২০ সালের ১৫ নভেম্বর ১০টি আসিয়ানি দেশ এবং তাদের ৫টি মুক্ত বাণিজ্য অংশীদার দেশের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: আসিয়ানভুক্ত দেশসমূহ ব্যাখ্যা: সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের মতো শক্তিশালী অর্থনীতিগুলো এই জোটের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: চীন ও জাপান ব্যাখ্যা: এশিয়ার অর্থনৈতিক পরাশক্তি হিসেবে চীন ও জাপানের অন্তর্ভুক্তি এই জোটকে বৈশ্বিক বাণিজ্যে অনন্য অবস্থান দিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) EU — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যা ইউরোপের দেশগুলোর একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট হলেও RCEP এর মতো বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক জোট নয়। B) WTO — এটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা, যা কোনো অর্থনৈতিক জোট নয় বরং বৈশ্বিক বাণিজ্যের নিয়মকানুন তদারককারী আন্তর্জাতিক সংস্থা। C) RCEP — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বর্তমানে অর্থনীতির ব্যাপ্তি ও সদস্য দেশের জিডিপির দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক জোট। D) AU — এটি আফ্রিকান ইউনিয়ন, যা আফ্রিকার দেশগুলোর একটি মহাদেশীয় সংস্থা এবং এর অর্থনৈতিক ব্যাপ্তি RCEP এর তুলনায় অনেক কম। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিশ্বে অর্থনৈতিক ব্যাপ্তিতে সবচেয়ে বড় জোট হলো RCEP, যেখানে মনে রাখতে পারেন এশিয়ার দেশগুলোর বাণিজ্যর ক্ষেত্রে এটি রাজা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা এবং বৃহত্তম অর্থনৈতিক জোটের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। - RCEP এর পূর্ণরূপ এবং এর সদস্য সংখ্যা কত, তা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
181. UNOPS এর পূর্ণরূপ কী?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) United Nations Office for Project Service ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত অঙ্গসংস্থাকে নির্দেশ করে যা বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়ন করে থাকে। - এটি মূলত অবকাঠামো নির্মাণ, জনসক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন জরুরি সেবামূলক প্রকল্প পরিচালনার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নে কাজ করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: এই সংস্থার প্রধান কার্যালয় ডেনমার্কের কোপেনহেগেন শহরে অবস্থিত এবং এটি বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন উন্নয়নশীল অঞ্চলে কাজ পরিচালনা করে। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: এটি জাতিসংঘের এমন একটি অঙ্গসংস্থা যা কোনো সদস্যরাষ্ট্রের সরাসরি অনুদানের পরিবর্তে নিজস্ব সেবামূলক প্রকল্পের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ করে পরিচালিত হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশসমূহে স্কুল ও হাসপাতাল নির্মাণ। ব্যাখ্যা: এই ধরনের প্রকল্প পরিচালনার মাধ্যমে সংস্থাটি সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের জনজীবন স্বাভাবিক করতে সরাসরি ভূমিকা রাখে। উদাহরণ ২: প্রাকৃতিক দুর্যোগকবলিত এলাকায় জরুরি ত্রাণ ও অবকাঠামো পুনর্বাসন। ব্যাখ্যা: এটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে টেকসই স্থাপনা নির্মাণ করে ভবিষ্যতে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) United Nations Organization for peace and Security — এমন নামে জাতিসংঘের কোনো আনুষ্ঠানিক ও স্বাধীন সংস্থা বা কার্যালয় নেই। B) United Nations Office for Public Service — সরকারি সেবার মানোন্নয়নে জাতিসংঘের সরাসরি এমন কোনো নির্দিষ্ট কার্যালয় নেই। C) United Nations Office for Project Service — এটি সঠিক উত্তর যা প্রকল্পের বাস্তবায়ন ও পরিচালনার কাজ করে। D) United Nations Operations and planning system — এটি জাতিসংঘের প্রকল্প ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবহৃত কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা প্রাতিষ্ঠানিক নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - UNOPS নামের শেষ অংশ সার্ভিস এবং প্রজেক্ট শব্দ দুটি মনে রাখলেই এর মূল কাজ অর্থাৎ প্রকল্প সেবা প্রদান বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের পূর্ণরূপ এবং তাদের প্রধান কার্যালয়ের অবস্থান প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - জাতিসংঘের বিভিন্ন অঙ্গসংস্থা যেমন ইউএনডিপি, ইউনেস্কো এবং ইউএনওপিএস এর কাজের পরিধি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি।
183. Climate Vulnerable Form (CVF) কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০০৯ ১. কেন সঠিক: জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষা এবং বৈশ্বিক মঞ্চে জোরালো কণ্ঠস্বর তোলার জন্য এই জোট গঠিত হয়। মালদ্বীপের তৎকালীন রাষ্ট্রপতির উদ্যোগে কোপ ১৫ জলবায়ু সম্মেলনের প্রাক্কালে এই ফোরাম আত্মপ্রকাশ করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের চরম ঝুঁকিতে থাকা এশিয়া, আফ্রিকা, ক্যারিবীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশসমূহ। বৈশিষ্ট্য: এটি মূলত জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি স্বেচ্ছাসেবী ও সহযোগিতামূলক মঞ্চ। সংশ্লিষ্ট তথ্য: সূচনার সময় এর সদস্য সংখ্যা ১১ হলেও বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বাংলাদেশ এই ফোরামের একটি সক্রিয় ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ব্যাখ্যা: ভৌগোলিক অবস্থান ও নদীমাতৃক গঠনগত কারণে বাংলাদেশ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও চরম আবহাওয়ার সর্বাধিক ঝুঁকিতে থাকায় এই ফোরামের নেতৃত্বমূলক ভূমিকা পালন করে আসছে। উদাহরণ ২: মালদ্বীপ ব্যাখ্যা: দ্বীপ রাষ্ট্র হওয়ায় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সম্পূর্ণ নিমজ্জিত হওয়ার আশঙ্কায় থাকা মালদ্বীপ এই ফোরাম গঠনের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০৮ — এই সালে সিভিএফ গঠনের কোনো প্রাথমিক বা আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। B) ২০০৯ — এটি সঠিক বছর কারণ এই সালেই ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত জলবায়ু সম্মেলনে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। C) ২০১১ — এই সালটি সিভিএফ প্রতিষ্ঠার বছর নয়, বরং এটি এই জোটের কার্যক্রম বিস্তারের একটি পরবর্তী বছর। D) ২০১০ — এই সালে সিভিএফের প্রথম ministerial বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল, কিন্তু প্রতিষ্ঠার বছর এটি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর রক্ষার আন্দোলন শুরু হয় ২০০৯ সালে। সংখ্যাটি মনে রাখতে ২০০৯ সালের কোপেনহেগেন জলবায়ু সম্মেলনের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সিভিএফ প্রতিষ্ঠার সাল এবং এর প্রথম চেয়ারপারসন দেশ সম্পর্কে প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংকের পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। একই ধারণা থেকে সিভিএফের বর্তমান বা প্রথম সভাপতি দেশ কোনটি, এমন প্রশ্নও হতে পারে।
185. কিয়োটো প্রটোকলের বিষয়বস্তু কী?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস ১. কেন সঠিক: - কিয়োটো প্রটোকল মূলত শিল্পোন্নত দেশগুলোর গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের আইনি বাধ্যবাধকতা তৈরি করার জন্য আন্তর্জাতিক একটি চুক্তি। - বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইড ও অন্যান্য ক্ষতিকর গ্যাসের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা নিয়ন্ত্রণের জন্য এই প্রটোকল করা হয়। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: জাপানের কিয়োটো শহরে ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর চুক্তিটি গৃহীত হয় এবং ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কার্যকর হয়। - কারণ ও প্রভাব: জীবাশ্ম জ্বালানির মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার ও শিল্পায়নের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করা এর মূল প্রভাব। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: এই চুক্তিটি জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের সাথে যুক্ত। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশসমূহ ব্যাখ্যা: এই দেশগুলো কিয়োটো প্রটোকলের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য যৌথভাবে গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর কার্যকর নীতিমালা বাস্তবায়ন করেছে। উদাহরণ ২: কানাডার কিয়োটো প্রটোকল থেকে সরে দাঁড়ানো ব্যাখ্যা: পরবর্তীতে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হওয়ায় এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষার্থে কানাডা ২০১১ সালে এই চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওজনস্তরের ক্ষয় হ্রাস — এটি ক্লোরোফ্লোরো কার্বন নিয়ন্ত্রণের সাথে সম্পর্কিত, যার জন্য মন্ট্রিল প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়েছিল। B) গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস — এটি সঠিক এবং কিয়োটো প্রটোকলের মূল লক্ষ্য ছিল। C) জীববৈচিত্র্যের সুরক্ষা — এটি ১৯৯২ সালের রিও কনভেনশন এবং জীববৈচিত্র্য কনভেনশনের প্রধান বিষয়বস্তু। D) জৈব নিরাপত্তা — এটি কার্টাজেনা প্রটোকলের সাথে সম্পর্কিত যা জীবপ্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহারের ওপর জোর দেয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কিয়োটো মানেই জলবায়ু রক্ষা এবং গ্রিন হাউস গ্যাস কমানোর চুক্তি। - অক্ষর মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন কিয়োটো প্রটোকল মানে গ্যাস কমানোর প্রটোকল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কিয়োটো প্রটোকলের সাল এবং এর মূল বিষয় প্রায়ই আসে। - মন্ট্রিল প্রটোকল এবং কিয়োটো প্রটোকলের পার্থক্য নিয়ে প্রায়ই বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন করা হয়।
186. প্রতি ৩০° দ্রাঘিমার স্থানান্তরে সময়ের ব্যবধান কত মিনিট হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২০ মিনিট ১. কেন সঠিক: পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্বে নিজের মেরureখার ওপর আবর্তনের সময় ৩৬০ ডিগ্রি দ্রাঘিমা অতিক্রম করতে সময় নেয় ২৪ ঘণ্টা বা ১৪৪০ মিনিট। এই হিসাব অনুযায়ী প্রতি ১ ডিগ্রি দ্রাঘিমা পার্থক্যের জন্য সময়ের ব্যবধান হয় ৪ মিনিট এবং ৩০ ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য সময় লাগে ১২০ মিনিট। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ ও সময় নির্ণয় সংক্রান্ত ভূগোলের মৌলিক হিসাব। বৈশিষ্ট্য: দ্রাঘিমার পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করেই পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের স্থানীয় সময় নির্ধারণ করা হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: গ্রীনউইচ মানের সঙ্গে কোনো স্থানের দ্রাঘিমা ৩০ ডিগ্রি পূর্ব হলে সময় দুই ঘণ্টা বা ১২০ মিনিট এগিয়ে থাকে। ব্যাখ্যা: পূর্ব দিকের স্থান সূর্য আগে দেখায় তাই দ্রাঘিমা বাড়লে সময় যোগ করতে হয়। উদাহরণ ২: গ্রীনউইচ মানের সঙ্গে কোনো স্থানের দ্রাঘিমা ৩০ ডিগ্রি পশ্চিম হলে সময় দুই ঘণ্টা বা ১২০ মিনিট পিছিয়ে থাকে। ব্যাখ্যা: পশ্চিম দিকের স্থান সূর্য পরে দেখায় তাই দ্রাঘিমা পশ্চিমমুখী হলে সময় বিয়োগ করতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ মিনিট — এই সময়ের ব্যবধান পাওয়া যায় যখন দ্রাঘিমা পার্থক্য হয় ৩ ডিগ্রি এবং এটি সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না। B) ৩০ মিনিট — এই সময়ের ব্যবধানের জন্য দ্রাঘিমা পার্থক্য হতে হবে ৭.৫ ডিগ্রি যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। C) ৬০ মিনিট — ৬০ মিনিট বা ১ ঘণ্টা সময়ের ব্যবধান হয় ১৫ ডিগ্রি দ্রাঘিমা পার্থক্যের কারণে যা এখানে চাওয়া হয়নি। D) ১২০ মিনিট — এটি সঠিক কারণ ৩০ কে ৪ দিয়ে গুণ করলে ১২০ মিনিট বা ২ ঘণ্টা পাওয়া যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রতি ১ ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য ৪ মিনিট সময় পরিবর্তিত হয়। ৩০ ডিগ্রির জন্য হিসাব করতে হবে ৩০ গুণ ৪ সমান ১২০ মিনিট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই নিয়ম ব্যবহার করে পৃথিবীর যে কোনো দুটি স্থানের দ্রাঘিমা জানা থাকলে সহজেই সময়ের পার্থক্য বের করা যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দ্রাঘিমা থেকে সময় বের করার অংক বা এমসিকিউ আসে।
187. Seed : Sapling : : Egg : ?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Chick প্রদত্ত তথ্য: বীজ থেকে গাছের চারা জন্ম নেয় ডিম থেকে পাখির বাচ্চা জন্ম নেয় ধরি, Seed হলো বীজের পূর্ণাঙ্গ রূপ এবং Sapling হলো তার প্রথম অবস্থা Egg হলো ডিমের পূর্ণাঙ্গ রূপ এবং Chick হলো তার প্রথম অবস্থা অতএব, বীজ বা Seed এর সাথে চারা গাছ বা Sapling এর যে সম্পর্ক ডিম বা Egg এর সাথে বাচ্চার বা Chick এর সেই একই সম্পর্ক সুতরাং, সঠিক বিকল্পটি হলো Chick কারণ এটি ডিম ফোটার পরের প্রথম অবস্থা বোঝায় উত্তর: D) Chick
188. A যদি B এর সাথে খাপ খায় যেমনভাবে C, D এর সাথে, তাহলে নিচের জোড়াগুলোর মধ্যে কোন জোড়া যুক্তিযুক্তভাবে খাপ খায়?
Created 1 week ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) খাদ্য যেমন খাবারের জন্য, পানি তেমনি পান করার জন্য। প্রদত্ত তথ্য: A এবং B এর মধ্যে একটি সুনির্দিষ্ট কার্যগত সম্পর্ক রয়েছে C এবং D এর মধ্যেও ঠিক একই রকম কার্যগত সম্পর্ক থাকতে হবে ধরি, প্রথম বস্তুটি হলো একটি প্রয়োজনীয় উপাদান দ্বিতীয় বস্তুটি হলো সেই উপাদানের প্রধান কাজ বা ব্যবহার অতএব, খাদ্য আমাদের ক্ষুধা নিবারণ ও পুষ্টির জন্য প্রয়োজন পানি আমাদের তৃষ্ণা নিবারণ ও পানের জন্য প্রয়োজন সুতরাং, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র চতুর্থ জোড়ায় এই সঠিক কার্যগত মিল পাওয়া যায় উত্তর: D) খাদ্য যেমন খাবারের জন্য, পানি তেমনি পান করার জন্য।
190. প্রদত্ত চিত্রে ত্রিভুজের সংখ্যা নির্ণয় করুন?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ গণনা সংক্রান্ত একটি জ্যামিতিক চিত্র দেওয়া আছে যেখানে একটি বড় ত্রিভুজের ভেতর ছোট ছোট ত্রিভুজ বিন্যস্ত রয়েছে ধরি, একক ত্রিভুজের সংখ্যা = ক সংযুক্ত ত্রিভুজের সংখ্যা = খ বড় ত্রিভুজের সংখ্যা = গ অতএব, ছোট একক ত্রিভুজগুলো গণনা করে পাই ৯টি মাঝারি আকারের সংযুক্ত ত্রিভুজগুলো গণনা করে পাই ৬টি সবশেষ বাইরের সবচেয়ে বড় ত্রিভুজটি হলো ১টি সুতরাং, মোট ত্রিভুজের সংখ্যা নির্ণয়ের জন্য সব অংশ যোগ করতে হবে হিসাবটি দাঁড়ায় ৯ + ৬ + ১ উত্তর: ১৬
193. একজন ব্যক্তি ৪ মাইল উত্তরে, ১২ মাইল পূর্বে এবং তারপরে ১২ মাইল উত্তরের ভ্রমণ করেন। তিনি শুরুর বিন্দু থেকে কত দূরে আছেন?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০ মাইল প্রদত্ত তথ্য: ব্যক্তিটি প্রথমে উত্তরে গেল ৪ মাইল তারপরে পূর্বে গেল ১২ মাইল এরপরে আবার উত্তরে গেল ১২ মাইল ধরি, শুরুর বিন্দু থেকে উত্তর দিকের মোট দূরত্ব = ৪ মাইল + ১২ মাইল = ১৬ মাইল পূর্ব দিকের মোট দূরত্ব = ১২ মাইল অতএব, সমকোণী ত্রিভুজের লম্ব = ১৬ মাইল সমকোণী ত্রিভুজের ভূমি = ১২ মাইল সুতরাং, অতিভুজ বা দূরত্বের বর্গ = (১৬ × ১৬) + (১২ × ১২) দূরত্বের বর্গ = ২৫৬ + ১৪৪ = ৪০০ উত্তর: √৪০০ = ২০ মাইল
195. প্রশ্নবোধক চিহ্নিত ঘরে কোন সংখ্যাটি বসবে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ প্রদত্ত তথ্য: প্যাটার্নের প্রথম সারির সংখ্যাগুলোর যোগফল বের করতে হবে প্যাটার্নের দ্বিতীয় সারির সংখ্যাগুলোর নিয়ম দেখতে হবে ধরি, প্রথম সারির সংখ্যাগুলোর মান = ক এবং খ দ্বিতীয় সারির সংখ্যাগুলোর মান = গ এবং ঘ অতএব, প্রথম সারির হিসাব = ৫ + ৩ = ৮ দ্বিতীয় সারির হিসাব = ৬ + ২ = ৮ সুতরাং, প্রশ্নবোধক চিহ্নের ঘরের মান হবে ৮ উত্তর: ৮
196. নিচের ছবিগুলোর পাশের প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে কোন বিকল্পটি বসবে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম চিত্রে কিছু সংখ্যা দেওয়া আছে দ্বিতীয় চিত্রেও কিছু সংখ্যা দেওয়া আছে তৃতীয় চিত্রে প্রশ্নবোধক চিহ্ন আছে ধরি, প্রথম চিত্রের ওপরের সংখ্যা দুটি = ৫ এবং ৪ নিচের সংখ্যা দুটি = ৩ এবং ২ অতএব, প্রথম চিত্রে হিসাব করে পাই (৫ + ৪) ÷ ৩ = ৩ দ্বিতীয় চিত্রে হিসাব করে পাই (৬ + ৬) ÷ ৪ = ৩ সুতরাং, তৃতীয় চিত্রে হিসাব করে পাই (৭ + ৫) ÷ ৪ = ৩ উত্তর: ৩
197. যখন দুটি বস্তু সংঘর্ষ হয় এবং তারা একসাথে লেগে থাকে, তখন তাকে কোন ধরনের সংঘর্ষ বলে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্লাস্টিক সংঘর্ষ প্রদত্ত তথ্য: দুটি বস্তুর মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে সংঘর্ষের পর বস্তু দুটি একসাথে লেগে থাকে ধরি, সংঘর্ষের আগের গতিবেগ ভিন্ন থাকে সংঘর্ষের পরের গতিবেগ এক হয়ে যায় অতএব, গতিশক্তি সম্পূর্ণরূপে সংরক্ষিত থাকে না ভরবেগ সবসময় সংরক্ষিত থাকে সুতরাং, এই ধরনের সংঘর্ষকে প্লাস্টিক সংঘর্ষ বা পূর্ণ অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ বলা হয় উত্তর: প্লাস্টিক সংঘর্ষ
198. একটি গিয়ার ট্রেনে তিনটি গিয়ার আছে; গিয়ার 'এ' এর ১২টি দাঁত, গিয়ার 'বি' এর ৩৬টি দাঁত এবং গিয়ার 'সি' এর ২৪টি দাঁত আছে। যদি গিয়ার 'এ' কে ঘড়ির কাঁটা যেদিকে ঘোরে সেদিকে ঘোরানো হয়, তাহলে গিয়ার 'সি' কোন দিকে ঘুরবে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঘড়ির কাঁটার দিকে প্রদত্ত তথ্য: গিয়ার ট্রেনে তিনটি গিয়ার আছে যথাক্রমে এ, বি এবং সি গিয়ার এ এর দাঁত সংখ্যা বারো, বি এর ছত্রিশ এবং সি এর চব্বিশ গিয়ার এ ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরে ধরি, গিয়ার এ এর ঘূর্ণনের দিক হলো প্রথম গিয়ারের দিক গিয়ার বি যুক্ত আছে এ এর সাথে গিয়ার সি যুক্ত আছে বি এর সাথে অতএব, প্রথম গিয়ার এ যদি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরে তবে তার সাথে যুক্ত দ্বিতীয় গিয়ার বি ঘুরবে বিপরীত দিকে এবং দ্বিতীয় গিয়ার বি এর সাথে যুক্ত তৃতীয় গিয়ার সি ঘুরবে আবার বিপরীত দিকে সুতরাং, গিয়ার এ এর বিপরীত হলো গিয়ার বি এর দিক এবং গিয়ার বি এর বিপরীত হলো গিয়ার সি এর দিক উত্তর: ঘড়ির কাঁটার দিকে
199. নিম্নে উল্লিখিত শব্দগুলোর মধ্যে কোন বানানটি সঠিক খুঁজে বের করুন?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Rendezvous প্রদত্ত তথ্য: মানসিক দক্ষতা পরীক্ষার ইংরেজি বানან শুদ্ধিকরণ সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন অপশনগুলোতে Rendezvous শব্দের বিভিন্ন বানান দেওয়া আছে ধরি, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সঠিক ইংরেজি বানান হলো নির্দিষ্ট একটি শব্দ যেখানে ফ্রেঞ্চ উৎসের এই শব্দটি সঠিকভাবে বিন্যস্ত থাকে অতএব, প্রথম অপশনের বানানটি ভুল কারণ এর শেষে সঠিক অক্ষর নেই তৃতীয় ও চতুর্থ অপশনের বানানগুলোও নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয় সুতরাং, দ্বিতীয় অপশনের বানানটিতে সমস্ত অক্ষর যথাযথভাবে সাজানো আছে উত্তর: B) Rendezvous
200. হাত, চোখ ও মস্তিষ্কের কার্যাবলি এতটাই ----- যে শৈশব কালের প্রথম দিকে হাতের ব্যবহার সম্পূর্ণ বিকাশকে ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করে। উপরের ফাঁকা জায়গাগুলো নিম্নে উল্লিখিত জোড়াশব্দ দিয়ে পূরণ করুন।
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত-প্রত্যক্ষমূলক। প্রদত্ত তথ্য: মানুষের হাত, চোখ ও মস্তিষ্কের কাজের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর এবং এটি শৈশবের বিকাশকে ত্বরান্বিত করে। প্রশ্নটিতে উপযুক্ত জোড়াশব্দ দিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করতে বলা হয়েছে। ধরি, প্রথম শূন্যস্থানের উপযুক্ত শব্দ = ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত দ্বিতীয় শূন্যস্থানের উপযুক্ত শব্দ = প্রত্যক্ষমূলক অতএব, প্রদত্ত বাক্যটির প্রথম অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ শব্দ হলো ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত বাক্যটির শেষ অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ শব্দ হলো প্রত্যক্ষমূলক সুতরাং, অপشن গুলোর মধ্যে ডি নম্বর অপশনটি বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। উত্তর: D) ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত-প্রত্যক্ষমূলক।

মোট প্রশ্ন (36)

3. 'ব্যাং' শব্দটি ং দিয়ে লিখতে হবে, কারণ-
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঙ- এর হসন্ত উচ্চারণ ং হবে ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের অন্তে বা মধ্যে উঁ ধ্বনির অর্থাৎ হসন্ত 'ঙ'-এর উচ্চারণ বোঝাতে অনুস্বার 'ং' ব্যবহার করা হয়। 'ব্যাং' শব্দটিতে উঁ ধ্বনির হসন্ত উচ্চারণ প্রকাশ করার জন্যই 'ঙ'-এর পরিবর্তে 'ং' ব্যবহার করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় উ-বর্গীয় ধ্বনি হিসেবে 'ঙ' একটি স্বতন্ত্র বর্ণ হলেও এর হসন্ত রূপটি শব্দের শেষে অনুস্বার বা 'ং' হিসেবে লেখা হয়। বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী শব্দের অন্তে হসন্তযুক্ত উঁ ধ্বনি লিখতে অনুস্বার ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রং ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও হসন্ত উঁ ধ্বনি বোঝাতে 'ঙ'-এর পরিবর্তে 'ং' ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সং ব্যাখ্যা: এখানেও অন্ত্য উঁ ধ্বনির উচ্চারণ রক্ষার্থে অনুস্বার বা 'ং' যুক্ত করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঙ- এর হসন্ত উচ্চারণ ং হবে — এটি সঠিক কারণ শব্দের শেষে উঁ ধ্বনি বোঝাতে অনুস্বার লেখা হয়। B) ্যা-এর পর ং হয় — এটি ভুল কারণ অনুস্বার ব্যবহারের সঙ্গে স্বরবর্ণ বা কারচিহ্নের কোনো সরাসরি নির্দিষ্ট ব্যাকরণিক শর্ত নেই। C) ং বাংলা ভাষার নিজস্ব বর্ণ — এটি ভুল কারণ অনুস্বার একটি পরাধীন ধ্বনি বা বর্ণসংকেত, যা স্বরবর্ণের সাহায্য ছাড়া একা উচ্চারিত হতে পারে না। D) ব্যাং একটি একাক্ষর শব্দ — এটি ভুল কারণ একাক্ষর শব্দ হওয়া অনুস্বার ব্যবহারের মূল ব্যাকরণিক কারণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে উঁ ধ্বনি উচ্চারিত হলে সেখানে 'ঙ' না লিখে 'ং' লিখতে হয়। রং, সং, ব্যাং, ঢং শব্দগুলোতে এই নিয়ম প্রযোজ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বানানে অনুস্বার এবং উ-এর ব্যবহার নিয়ে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। শব্দের শেষে উঁ ধ্বনি থাকলে সব সময় অনুস্বার লিখতে হবে, এই নিয়মটি মনে রাখতে হবে।
6. বাক্যের মধ্যে পদ অবস্থান করে কীভাবে?
Created 1 week ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কর্তা ও ক্রিয়ার পদবিন্যাস অনুযায়ী ১. কেন সঠিক: বাংলা বাক্যের মূল কাঠামো দাঁড়িয়ে থাকে মূলত কর্তা এবং সমাপিকা ক্রিয়ার পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর। বাক্যের মধ্যে পদগুলো অর্থপূর্ণভাবে সাজানোর জন্য কর্তা ও ক্রিয়ার পদবিন্যাস বা ক্রম সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্য প্রকরণে পদের বিন্যাস বলতে বোঝায় বাক্যে কর্তা, কর্ম এবং ক্রিয়ার সঠিক অবস্থান। বাংলা ভাষায় সাধারণ বাক্যগঠনের নিয়ম হলো প্রথমে কর্তা, তারপর কর্ম এবং সবার শেষে ক্রিয়াপদ বসে। এই পদবিন্যাসের ওপর ভিত্তি করেই বাক্য অর্থপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং বক্তার ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছাত্ররা মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'ছাত্ররা' হলো কর্তা এবং 'পড়াশোনা করছে' হলো ক্রিয়াপদ, যা বাক্যের শেষে বসে পদবিন্যাস রক্ষা করেছে। উদাহরণ ২: পাখি আকাশে ওড়ে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে কর্তা 'পাখি' প্রথমে বসেছে এবং সমাপিকা ক্রিয়া 'ওড়ে' বাক্যের বিন্যাস অনুযায়ী সবার শেষে অবস্থান করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তা ও ক্রিয়ার পদবিন্যাস অনুযায়ী — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্য গঠনে কর্তা ও ক্রিয়ার সঠিক বিন্যাস অত্যন্ত জরুরি। B) কর্ম ও অর্থ অনুযায়ী — পদ শুধু কর্ম ও অর্থের ওপর নির্ভর করে বসে না, ব্যাকরণগত কাঠামোর জন্যও কর্তা ও ক্রিয়ার বিন্যাস আবশ্যক। C) বর্ণ ও ধ্বনি আকারে — বর্ণ ও ধ্বনি দিয়ে শব্দ গঠিত হয়, কিন্তু বাক্যের মধ্যে পদের অবস্থান নির্ধারণের সঙ্গে বর্ণ বা ধ্বনির সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। D) অর্থহীন পদের পরিচয় নিয়ে — বাক্যের পদগুলো কখনো অর্থহীন হয় না, বরং পূর্ণ অর্থ প্রকাশের জন্যই পদগুলো একটি নির্দিষ্ট নিয়মে বসে। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্য তৈরি মানেই কর্তা আর ক্রিয়ার সঠিক মেলবন্ধন। মনে রাখবে, বাংলা বাক্যের সাধারণ গঠন হলো কর্তা, কর্ম এবং সবার শেষে ক্রিয়া। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য প্রকরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বাক্যের পদবিন্যাস এবং কারকের অবস্থান ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
8. কোন আলঙ্কারকে ঐতিহাসিক চরিত্র আছে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অন্নদামঙ্গল ১. কেন সঠিক: - অন্নদামঙ্গল কাব্যে ভবানন্দ মজুমদারের বংশের ইতিহাস এবং নদিয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের পূর্বপুরুষদের কথা থাকায় এটি ঐতিহাসিক চরিত্র বা ঐতিহাসিক উপাদান সমৃদ্ধ মঙ্গলকাব্যের মর্যাদা পেয়েছে। - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার শেষ উল্লেখযোগ্য কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর এটি রচনা করেন এবং এতে সমসাময়িক রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর অষ্টাদশ শতকের বিশিষ্ট কবি এবং নদিয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভার কবি ছিলেন। - এই কাব্যটি তিনটি খণ্ড নিয়ে গঠিত, যার নাম অন্নদা মহিমা, বিদ্যাসুন্দর এবং মানসিংহ বা ভবানন্দ উপাখ্যান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্যের মানসিংহ উপাখ্যান অংশ। ব্যাখ্যা: এই অংশে ঐতিহাসিক চরিত্র রাজা মানসিংহ এবং বাংলার বারো ভুঁইয়াদের মধ্যকার সংঘর্ষের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের অন্নদামঙ্গল কাব্য। ব্যাখ্যা: এই কাব্যের ভবানন্দ উপাখ্যানে নদিয়ার রাজবংশের আদি পুরুষের উত্থানের ইতিহাস পাওয়া যায়, যা ঐতিহাসিক তথ্যের ওপর নির্ভরশীল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনসামঙ্গল — এটি সর্পদেবী মনসার পূজা প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত এবং এতে কোনো ঐতিহাসিক চরিত্রের উপস্থিতি নেই। B) চণ্ডীমঙ্গল — এটি দেবী চণ্ডীর মহিমা প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত কাল্পনিক ও পৌরাণিক উপাখ্যান নির্ভর কাব্য। D) ধর্মমঙ্গল — এটি লাউসেনের বীরত্ব এবং ধর্ম ঠাকুরের পূজা প্রচারের কাহিনি নিয়ে রচিত, যেখানে ঐতিহাসিকতার চেয়ে বীরত্বগাথা বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - অন্নদামঙ্গল কাব্যে রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের বংশের ইতিহাস ও মানসিংহের অভিযানের কথা আছে, তাই এটি ঐতিহাসিক চরিত্র বা উপাদান সমৃদ্ধ মঙ্গলকাব্য। - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যগুলোর মধ্যে একমাত্র ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গলেই মুঘল আমলের ঐতিহাসিক পটভূমি ও চরিত্রের স্পষ্ট ছোঁয়া পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরকে রায়গুণাকর উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন নদিয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্র। - মঙ্গলকাব্য ধারার শেষ কবি হিসেবে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
9. কোন কাব্যে অলাওল ব্যক্তিগত জীবনের কথা লিখেছেন?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পদ্মাবতী ১. কেন সঠিক: - মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি সৈয়দ আলাওল তাঁর 'পদ্মাবতী' কাব্যে নিজস্ব ব্যক্তিগত জীবনের কিছু কথা ও পৃষ্ঠপোষকদের পরিচয় তুলে ধরেছেন। - মহাকবি মালিক মোহাম্মদ জায়সির 'পদুমাবত' অবলম্বনে রচিত এই কাব্যে কবির ব্যক্তিজীবনের নানা দুঃখ-কষ্ট ও আরাকান রাজসভার ইতিহাস স্থান পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ আলাওল সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজসভার সবচেয়ে প্রখ্যাত ও বহুমুখী প্রতিভাসম্পন্ন বাঙালি কবি। - তাঁর বিখ্যাত কাব্য 'পদ্মাবতী' ছাড়াও 'সপ্তপয়কর', 'সৈফুলমুলক বদিউজ্জামান', 'সিকান্দারনামা' ও 'তোহফা' কাব্য বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলাওলের পদ্মাবতী ব্যাখ্যা: এই মহাকাব্যের শেষাংশে কবি নিজের জন্ম, বংশপরিচয় এবং আরাকান রাজসভায় আসার ব্যক্তিগত ইতিহাস সবিস্তারে বর্ণনা করেছেন। উদাহরণ ২: মধ্যযুগের কবিদের আত্মপরিচয় ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের অনেক কবি তাঁদের কাব্যের শুরুতে বা শেষে ভনিতা কিংবা আত্মপরিচয়ের মাধ্যমে নিজ জীবনের ঐতিহাসিক তথ্য প্রদান করতেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মাবতী — এই কাব্যে কবি তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের কথা ও পৃষ্ঠপোষক মাগন ঠাকুরের কথা সবিস্তারে লিখেছেন। B) হপ্ত পয়কর — এটি নিযামী গানজভীর ফার্সি কাব্যের অনুবাদ এবং এতে ব্যক্তিগত জীবন নয়, বরং রোমান্টিক ও নৈতিক কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। C) সেকেন্দার নামা — এটিও ফার্সি কাব্যের অনুবাদ এবং এতে গ্রিক বীর সিকান্দারের যুদ্ধ ও বিজয় অভিযানের কাহিনী রয়েছে। D) সয়ফুলমূলক — এটি একটি প্রণয়োপাখ্যানমূলক অনূদিত কাব্য যেখানে রাজকুমার সাইফুলমুলকের কাল্পনিক প্রেমের কাহিনী বর্ণনা করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - আলাওলের আত্মজীবনীমূলক তথ্যের জন্য 'পদ্মাবতী' কাব্যটি মনে রাখতে হবে। - মধ্যযুগের যে কয়টি কাব্যে কবির ব্যক্তিগত জীবনের ছোঁয়া পাওয়া যায়, তার মধ্যে পদ্মাবতী অন্যতম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি আলাওলের আত্মজীবনীমূলক রচনা কোনটি, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। - আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি হিসেবে আলাওল এবং তাঁর অনূদিত কাব্যগুলোর নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
11. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসে কোন জীবনদর্শনের রূপায়ণ ঘটেছে?
Created 1 week ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অস্তিত্ববাদ ১. কেন সঠিক: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসে মানুষের নিঃসঙ্গতা, অস্তিত্বের সংকট এবং নৈতিক দায়িত্ববোধের চরম প্রকাশ ঘটেছে। - উপন্যাসের মূল চরিত্র আরেফ একজন স্কুলশিক্ষক, যিনি একটি আকস্মিক খুনের ঘটনার মধ্য দিয়ে নিজের অস্তিত্ব এবং মূল্যবোধের মুখোমুখি হন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা উপন্যাসে মনস্তাত্ত্বিক ধারা এবং অস্তিত্ববাদী দর্শনের প্রবক্তা হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। - ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে বাহ্যিক ঘটনার চেয়ে ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও আত্মোপলব্ধি প্রধান হয়ে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'লালসালু' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি সমাজজীবনের অন্ধবিশ্বাস ও কপটতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের এক অনন্য সাহিত্যিক দলিল। উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'কাঁদো নদী কাঁদো' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসেও মানুষের একক অস্তিত্ব এবং জীবনের ট্র্যাজিক পরিণতি গভীরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাক্সবাদ — এই উপন্যাসের মূল সুর শ্রেণি সংগ্রাম বা সমাজ বিপ্লব নয়, বরং ব্যক্তির মনস্তত্ত্ব ও অস্তিত্বের সংকট। B) বাস্তববাদ — উপন্যাসটিতে বাস্তব জীবনের চিত্র থাকলেও এর মূল দর্শন মনস্তাত্ত্বিক ও অস্তিত্ববাদী চেতনাকে ধারণ করে। D) পরাবাস্তববাদ — এই রচনায় অবাস্তব বা স্বপ্নের কোনো মিশ্রণ নেই, বরং এটি বাস্তব জীবনের কঠিন মানসিক দ্বন্দ্বভিত্তিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাসের মূল সুর হলো অস্তিত্ববাদ ও মনস্তত্ত্ব। - 'চাঁদের অমাবস্যা' মানে ব্যক্তির ভেতরকার অন্ধকার ও অস্তিত্বের সন্ধান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসের প্রকাশকাল হলো ১৯৬৪ সাল এবং এর প্রধান চরিত্র আরেফ। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের দর্শনভিত্তিক উপন্যাসের নাম প্রায়ই জিজ্ঞাসা করা হয়।
13. 'হরফের ছড়া' কার লেখা বর্ণশিক্ষার বই?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফররুখ আহমদ ১. কেন সঠিক: - 'হরফের ছড়া' হলো বিশিষ্ট কবি ফররুখ আহমদ রচিত শিশুদের জন্য লেখা একটি বর্ণশিক্ষার বই। - এই গ্রন্থে ছড়ার ছন্দে বাংলা বর্ণমালা ও শব্দ গঠনের দারুণ উপস্থাপন করা হয়েছে যা শিশুমনে ভাষা শেখার আগ্রহ তৈরি করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ফররুখ আহমদ বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান মুসলিম কবি ও সনেটকার। - তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে 'সাত সাগরের মাঝি' ও 'পাখির বাসা' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখির বাসা ব্যাখ্যা: এটি ফররুখ আহমদ রচিত শিশুদের জন্য লেখা একটি বিখ্যাত ছড়ার বই। উদাহরণ ২: হাতেম তাই ব্যাখ্যা: এটিও কবি ফররুখ আহমদ রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ও শিশুতোষ রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি বাংলা বর্ণশিক্ষার প্রাথমিক বই 'বর্ণপরিচয়' রচনা করেছেন, 'হরফের ছড়া' নয়। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী কবি, 'হরফের ছড়া' তাঁর কোনো বর্ণশিক্ষার বই নয়। C) ফররুখ আহমদ — এই অপশনটি সঠিক এবং তাঁর রচিত শিশুসাহিত্য এটি। D) বন্দে আলী মিঞা — ইনি বিখ্যাত 'ময়নামতির চর' কাব্যের রচয়িতা, 'হরফের ছড়া' তাঁর লেখা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ছোটদের জন্য লেখা 'হরফের ছড়া' দেখলে মনে রাখবে এর কারিগর ইসলামী জাগরণের কবি ফররুখ আহমদ। - বর্ণশিক্ষার বই হিসেবে বিদ্যাসাগরের 'বর্ণপরিচয়' যেমন বিখ্যাত, তেমনি ছড়ার বই হিসেবে ফররুখ আহমদের 'হরফের ছড়া' স্মরণীয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শিশুসাহিত্যিক হিসেবে ফররুখ আহমদের ছড়ার বইগুলোর নাম প্রায়ই আসে। - কবি ফররুখ আহমদের জন্মঝিনাইদহ জেলায় এবং তাঁকে মুসলিম রেনেসাঁসের কবি বলা হয়।
14. 'রক্তকরবী' নাটকের অন্তর্গত বিষয় কী?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পুঁজিবাদের নেতিবাচক প্রভাব দেখানো ১. কেন সঠিক: - এই নাটকে ধনতান্ত্রিক বা পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থার অমানবিক রূপ এবং মানুষের যান্ত্রিক জীবন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - যক্ষপুরীর রাজা ও সর্দারদের মাধ্যমে মানুষের চেয়ে সম্পদের লোভ ও শোষণকে বড় করে তোলার বিষয়টি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নাটকটির রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৬ সালে। - এই প্রতীকধর্মী নাটকে মানুষের মুক্তি ও প্রেমের জয়গান গাওয়া হয়েছে যান্ত্রিক সভ্যতার বিরুদ্ধে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'মুক্তধারা' নাটক। ব্যাখ্যা: এটিও একটি প্রতীকধর্মী নাটক যেখানে যন্ত্রসভ্যতার বিরুদ্ধে মানুষের অধিকার ও স্বাধীনতার সংগ্রামের কথা বলা হয়েছে। উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'বহিপীর' নাটক। ব্যাখ্যা: এটি সামাজিক ও ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে প্রতিবাদের একটি বিখ্যাত নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নতুনদের জয়গান গাওয়া — রক্তকরবী নাটকের মূল বিষয় এটি নয়, বরং এটি মূলত যান্ত্রিকতা ও শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের নাটক। B) সামন্তবাদের বিলুপ্তি দেখানো — নাটকটির মূল প্রেক্ষাপট সামন্তবাদ নয়, বরং আধুনিক পুঁজিবাদী ও যান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা। C) শ্রমিকদের অপ্রাপ্তি তুলে ধরা — শ্রমিকদের যন্ত্রণার কথা থাকলেও সামগ্রিকভাবে এটি পুঁজিবাদের সার্বিক নেতিবাচক প্রভাবের রূপক। D) পুঁজিবাদের নেতিবাচক প্রভাব দেখানো — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ নাটকটিতে পুঁজিবাদের আগ্রাসন দেখানো হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - রক্তকরবী নাটক মানেই রবীন্দ্রনাথম ঠাকুরের লেখা পুঁজিবাদ ও যন্ত্রসভ্যতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের এক অনন্য প্রতীকী শিল্পকর্ম। - রবীন্দ্রনাথের প্রতীকী নাটক মনে রাখতে রক্তকরবী, মুক্তধারা এবং রাজা এই তিনটি নাম একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতীকী নাটকগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - রক্তকরবী নাটকের প্রকাশকাল এবং এর মূল ভাব বা প্রতীকার্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
15. মীর মোশাররফ হোসেন সম্পর্কে কোন তথ্যটি যথার্থ নয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিবি কুলসুম তার প্রথম স্ত্রী ১. কেন সঠিক: - মীর মোশাররফ হোসেনের প্রথম স্ত্রীর নাম বিবি কুলসুম নয়, বরং তার প্রথম স্ত্রীর নাম আজিিজুন্নেসা বা বিবি কুলসুম নয় মোিনা খাতুন। তবে তার পত্নী সংক্রান্ত তথ্যে বিবি কুলসুম নামটি সঠিক নয়। - প্রশ্নটিতে কোনটি যথার্থ নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে, আর মীর মোশাররফ হোসেনের প্রথম স্ত্রীর নাম বিবি কুলসুম এই তথ্যটি ভুল হওয়ায় অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মীর মোশাররফ হোসেন বাংলা গদ্যসাহিত্যের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ ও ঔপন্যাসিক। তিনি ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়ার রাজহীপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর মারা যান। - তার বিখ্যাত উপন্যাস বিষাদ সিন্ধু মহাকাব্যিক ঢঙে রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস যা তিনটি খণ্ডে সমাপ্ত হয়েছে। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু উপন্যাস ব্যাখ্যা: এটি মীর মোশাররফ হোসেনের সর্বশ্রেষ্ঠ ও তিন খণ্ডে বিভক্ত অমর সাহিত্যকীর্তি। উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ নাটক ব্যাখ্যা: নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রচিত মীর মোশাররফ হোসেনের একটি বিখ্যাত নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিন খণ্ডে 'বিষাদ সিন্ধু' রচনা করেন — এই তথ্যটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসটি মহরমের ইতিহাস নিয়ে তিনটি খণ্ডে রচিত হয়েছে। B) নিজের জীবনী রচনা করেন — মীর মোশাররফ হোসেন আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ কুলসুম জীবনী ও আমার জীবনী রচনা করেছেন। C) জমিদারি দেখাশোনা করেছেন — তিনি কিছুকাল নবাব পরিবারে জমিদারি দেখাশোনার কাজ করেছেন যা তার কর্মজীবনের একটি অংশ। D) বিবি কুলসুম তার প্রথম স্ত্রী — এই তথ্যটি সঠিক নয় কারণ তার প্রথম স্ত্রীর নাম আজিজুন্নেসা এবং বিবি কুলসুম তার প্রথম স্ত্রী নন, তাই এটিই সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: মীর মোশাররফ হোসেনের প্রথম স্ত্রীর নাম আজিজুন্নেসা এবং তার আত্মজীবনীর নাম আমার জীবনী। বিষাদ সিন্ধু তিনটি খণ্ডে বিভক্ত ইমাম হোসেনের শাহাদাতকে কেন্দ্র করে রচিত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মীর মোশাররফ হোসেনের প্রথম গদ্যগ্রন্থ রত্নাবলী এবং প্রথম নাটক বসূতী। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তার রচিত উপন্যাস, নাটক ও আত্মজীবনী থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
16. জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুর পর কোন কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রূপসী বাংলা ১. কেন সঠিক: জীবনানন্দ দাশ ১৯৫৪ সালের ২২ অক্টোবর মারা যান এবং তার মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থে বাংলার প্রকৃতি ও রূপের চিত্র অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জীবনানন্দ দাশ বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি ও লেখক। রূপসী বাংলা তার মৃত্যুর পর আবিষ্কৃত এবং প্রকাশিত একটি অনন্য প্রকৃতির কাব্যগ্রন্থ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেলা অবেলা কালবেলা ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুর পর প্রকাশিত আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: মহাপৃথিবী ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের জীবদ্দশায় প্রকাশিত অন্যতম প্রধান কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঝরা পালক — এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ এবং এটি ১৯২৭ সালে তার জীবদ্দশায় প্রকাশিত হয়। B) রূপসী বাংলা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি তার মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়েছিল। C) সাতটি তারার তিমির — এটি জীবনানন্দ দাশের জীবদ্দশায় প্রকাশিত একটি কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়। D) বনলতা সেন — এটি জীবনানন্দ দাশের জীবদ্দশায় প্রকাশিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৪২ সালে প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুর পর প্রকাশিত প্রধান কাব্য হলো রূপসী বাংলা। মৃত্যুর পরের রূপ মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ঝরা পালক এবং মৃত্যুর পর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ রূপসী বাংলা। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
17. 'তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম না হইব কেন?' - কোন উপন্যাসে আছে?
Created 1 week ago | Updated 5 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্কিমচন্দ্রের 'কপালকুণ্ডলা' ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত প্রবাদতুল্য উক্তিটি বাংলা উপন্যাসের আদিগুরু বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কপালকুণ্ডলা' উপন্যাসের একটি অত্যন্ত পরিচিত সংলাপ। - উপন্যাসের প্রধান চরিত্র নবকুমারকে উদ্দেশ্য করে কাপালিকের মুখে বা কপালকুণ্ডলার পারিপার্শ্বিক প্রসঙ্গে এই ধরনের মানবজীবনের গভীর সত্য প্রকাশ পায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত। - 'কপালকুণ্ডলা' তাঁর দ্বিতীয় এবং একটি রোমান্টিক উপন্যাস, যা প্রকাশিত হয় ১৮৬৬ সালে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'দুর্গেশনন্দিনী' বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটি ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে আধুনিক উপন্যাসের যুগ শুরু হয়। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বিষবৃক্ষ' একটি সামাজিক উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে দেশীয় সমাজের পরকীয়া প্রেম ও তার পরিণতি তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্রের 'কপালকুণ্ডলা' — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উপন্যাসের সঙ্গেই এই বিখ্যাত সংলাপটি সরাসরি যুক্ত আছে। B) রবীন্দ্রনাথের 'গোরা' — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বৃহত্তম ও শ্রেষ্ঠ সামাজিক উপন্যাস, যার মূল বিষয়বস্তু ভারতীয় জাতীয়তাবাদ ও ধর্মীয় গোঁড়ামি। C) শরৎচন্দ্রের 'চরিত্রহীন' — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত সমাজভিত্তিক উপন্যাস যেখানে নরনারীর জটিল প্রেম ও চরিত্র বিশ্লেষণ করা হয়েছে। D) বিভূতিভূষণের 'আরণ্যক' — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি প্রকৃতিভিত্তিক অরণ্যজীবন নির্ভর উপন্যাস যার পটভূমি ছিল মহিষাদলের জঙ্গল। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসের প্রবাদতুল্য সংলাপগুলো পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। - 'তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম না হইব কেন' উক্তিটি দেখলে চোখ বুজে বঙ্কিমচন্দ্রের রোমান্টিক উপন্যাস কপালকুণ্ডলা দাগাবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো নবকুমার ও মতিবিবি বা কাপালিক। - একই রকমভাবে বঙ্কিমচন্দ্রের অন্যান্য উপন্যাসের বিখ্যাত চরিত্র ও সংলাপগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভালোভাবে পড়তে হবে।
18. 'ঢাকা প্রকাশ' সাপ্তাহিক পত্রিকাটির প্রথম সম্পাদক কে?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার ১. কেন সঠিক: 'ঢাকা প্রকাশ' বাংলার একটি প্রাচীন ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাপ্তাহিক পত্রিকা। এই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১৮৬১ সালের চৌঠা মার্চ ঢাকা থেকে 'ঢাকা প্রকাশ' পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকার প্রথম প্রণেতা বা উদ্যোক্তা ছিলেন পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এবং এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাচার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকের একটি বিখ্যাত সাপ্তাহিক পত্রিকা যা ১৮১৮ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বঙ্গদূত ব্যাখ্যা: এটি ১৮২৯ সালে প্রকাশিত একটি ঐতিহাসিক সাপ্তাহিক পত্রিকা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি 'ঢাকা প্রকাশ' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন। B) সিকান্দর আবু জাফর — তিনি ষাটের দশকের বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা 'সমকাল'-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন। C) রামানন্দ চট্টোপাধ্যায় — তিনি বিখ্যাত মাসিক পত্রিকা 'প্রবাসী' এবং 'মডার্ন রিভিউ' এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। D) শামসুর রহমান — তিনি বাংলাদেশের প্রথিতযশা কবি এবং জীবনের বিভিন্ন সময়ে সাংবাদিকতা পেশার সাথে যুক্ত ছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: ঢাকা প্রকাশের প্রথম সম্পাদক কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার, এটি মনে রাখতে ঢাকা প্রকাশের 'ঢ' এবং কৃষ্ণচন্দ্রের 'ক' যুক্ত করে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সাংবাদিকতা ও পত্রিকার ইতিহাস থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই প্রথম প্রকাশিত পত্রিকা ও সম্পাদকদের নাম ভালোভাবে পড়তে হবে।
19. 'Glossary' শব্দের বাংলা পরিভাষা-
Created 1 week ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শব্দার্থপঞ্জি ১. কেন সঠিক: - 'Glossary' ইংরেজি শব্দটির বাংলা পরিভাষা হলো শব্দার্থপঞ্জি। - এটি সাধারণত কোনো বই বা গ্রন্থের শেষে ব্যবহৃত কঠিন বা দুর্বোধ্য শব্দের অর্থ নির্দেশক তালিকা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো নির্দিষ্ট বিষয়ের ভাব বা ধারণা প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত বিশেষ শব্দ। - বাংলা ভাষায় প্রশাসনিক, সাহিত্যিক ও দাপ্তরিক কাজে নির্ভুল যোগাযোগের জন্য বাংলা একাডেমি কর্তৃক অনুমোদিত পারিভাষিক শব্দ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Dictionary শব্দের পরিভাষা অভিধান। ব্যাখ্যা: এটি ভাষার শব্দের ভাণ্ডার ও অর্থ নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: Bibliography শব্দের পরিভাষা গ্রন্থপঞ্জি। ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহৃত বা সংশ্লিষ্ট গ্রন্থের তালিকা প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্ঞাপনপত্র — এটি ইংরেজি Notification শব্দের পরিভাষা যা কোনো তথ্য জানানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। B) সর্বসাকل্যে — এটি একটি অবিকল শব্দ বা তৎসম শব্দ যার অর্থ মোট বা সব মিলিয়ে। D) গুদামজাত — এটি কোনো বস্তু বা পণ্য গুদামে সংরক্ষণ করার অবস্থাকে বোঝায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - Glossary শব্দের শেষে ry বা তালিকা বোঝায়, তাই এর বাংলা রূপ পঞ্জি বা শব্দতালিকা হয়। - পারিভাষিক শব্দ মুখস্থ করার সময় মূল ইংরেজি শব্দের সঙ্গে অর্থের মিল খুঁজে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিভাষিক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত পারিভাষিক শব্দ তালিকা থেকে নিয়মিত চর্চা করা উচিত।
20. 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের অংশ নয় কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রণয় খণ্ড ১. কেন সঠিক: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে প্রণয় খণ্ড নামে কোনো খণ্ড বা অধ্যায় নেই। - কাব্যটিতে সর্বমোট তেরোটি খণ্ড রয়েছে এবং প্রণয় খণ্ড তার অন্তর্ভুক্ত নয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত একটি মধ্যযুগের নিদর্শন। - এটি ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্ব<bos>3বল্লভ বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর থেকে আবিষ্কার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জন্মখণ্ড ব্যাখ্যা: এটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের প্রথম খণ্ড। উদাহরণ ২: রাধা বিরহ ব্যাখ্যা: এটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের শেষ খণ্ড। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নৌকা খণ্ড — এটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের একটি খণ্ড তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) হার খণ্ড — এটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের একটি খণ্ড তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) রাধা বিরহ — এটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের একটি খণ্ড তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। D) প্রণয় খণ্ড — এটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের কোনো খণ্ড নয় তাই এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - জন্মখণ্ডের শুরুতে জন্ম এবং রাধা বিরহ দিয়ে শেষ তেরো খণ্ড মনে রাখবে। - খণ্ডগুলোর নাম ক্রমানুসারে পড়লে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের মোট খণ্ড সংখ্যা তেরোটি তা মনে রাখা জরুরি। - আবিষ্কারক বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বানবল্লভ এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি প্রকাশিত হয়।
21. বিবৃত স্বরধ্বনি বলতে বোঝায়-
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যে স্বরধ্বনি উচ্চারণে ঠোঁট বেশি খোলে ১. কেন সঠিক: বিবৃত স্বরধ্বনি বলতে সেই স্বরধ্বনিগুলোকে বোঝায় যেগুলোর উচ্চারণের সময় মুখগহ্বর বা ঠোঁট বেশি পরিমাণে উন্মুক্ত বা খোলামেলা থাকে। বাংলা ধ্বনিতত্ত্বে জিবের উচ্চতা এবং ঠোঁটের আকৃতির ওপর ভিত্তি করে স্বরধ্বনিকে বিভিন্ন শ্রেণীতে ভাগ করা হয়, যার মধ্যে বিবৃত ধ্বনি অন্যতম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে উচ্চারণের সময় মুখবিবরের খোলার মাত্রার ওপর ভিত্তি করে স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত যথা সংবৃত, অর্ধ-সংবৃত, অর্ধ-বিবৃত এবং বিবৃত। বিবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখ ও ঠোঁট সর্বোচ্চ পরিমাণ খোলে এবং জিব নিচে অবস্থান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: অ ধ্বনিটি উচ্চারণের সময় মুখ ও ঠোঁট স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি খোলে তাই এটি বিবৃত স্বরধ্বনির অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: আ ব্যাখ্যা: আ ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখগহ্বর সম্পূর্ণ উন্মুক্ত হয় এবং ঠোঁট বেশি খোলে তাই এটি একটি প্রধান বিবৃত স্বরধ্বনি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যে স্বরধ্বনি উচ্চারণে ঠোঁট বেশি খোলে — এটি সঠিক কারণ বিবৃত ধ্বনির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো মুখ ও ঠোঁট বেশি খোলা। B) যে স্বরধ্বনি উচ্চারণে জিব উঁচু হয় — এই বৈশিষ্ট্যটি সংবৃত স্বরধ্বনির সঙ্গে সম্পর্কিত বিবৃত ধ্বনির সঙ্গে নয়। C) যে স্বরধ্বনি অবিকৃতভাবে উচ্চারিত হয় — এটি স্বরধ্বনির ধ্বনিগত কোনো সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক বা ব্যাকরণগত সংজ্ঞা নয়। D) যে স্বরধ্বনি উচ্চারণে বিকৃতি ঘটে — এটি কোনো নির্দিষ্ট ধ্বনিপ্রক্রিয়া বা উচ্চারণের ত্রুটির বর্ণনা যা ব্যাকরণে গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বিবৃত মানে বিস্তার লাভ করা বা বড় হওয়া, তাই মনে রাখবে বিবৃত স্বরধ্বনি মানেই উচ্চারণের সময় মুখ বা ঠোঁট বেশি খোলে। অ এবং আ উচ্চারণ করে দেখতে পারো যে এই ধ্বনিগুলোতে মুখ সবচেয়ে বেশি উন্মুক্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্বরধ্বনির উচ্চারণ স্থান ও মুখবিবরের অবস্থা থেকে প্রশ্ন আসে। সংবৃত মানে মুখ কম খোলা এবং বিবৃত মানে মুখ বেশি খোলা এই মূল পার্থক্যটি মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
22. মনৌএল দ্যা আস্সুম্পসাঁও অভিধান প্রকাশের আগে কত বছর ধরে শব্দ সংগ্রহ করেন?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯-১০ বছর ১. কেন সঠিক: ডোম মনৌএল দ্যা আস্সুম্পসাঁও পর্তুগাল থেকে বাংলায় এসে প্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও শব্দকোষ রচনা করেন। তিনি এই অভিধান ও ব্যাকরণ গ্রন্থ প্রকাশের আগে দীর্ঘ ৯ থেকে ১০ বছর ধরে নিবিড়ভাবে বাংলা শব্দ সংগ্রহ করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ডোম মনৌএল দ্যা আস্সুম্পসাঁও একজন পর্তুগাজ মিশনারি ও ধর্মযাজক ছিলেন। তার রচিত ভোকাবুলারিও এম ইডিওমা বেঙ্গালা এ পোর্তুগুয়েস বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম মুদ্রিত বাংলা শব্দসংকলন বা অভিধান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাত্রুম বাসফোস রচয়িতা ডোম মনৌএল দ্যা আস্সুম্পসাঁও। ব্যাখ্যা: এটি তার আরেকটি বিখ্যাত ধর্মীয় গ্রন্থ যা পর্তুগাজ অক্ষরে লেখা হয়েছিল। উদাহরণ ২: মানুসরের প্রসাধন নামক গ্রন্থটি পর্তুগাজ ভাষায় রচিত। ব্যাখ্যা: এটিও ডোম মনৌএল দ্যা আস্সুম্পসাঁও এর রচনা যা খ্রিস্টধর্ম প্রচারের জন্য ব্যবহৃত হতো। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২-৩ বছর — এটি ভুল কারণ শব্দ সংগ্রহের জন্য এই সময়সীমা অত্যন্ত কম এবং ঐতিহাসিক তথ্যের সাথে মেলে না। B) ৫-৭ বছর — এই সময়কালটি সঠিক নয় কারণ তিনি আরও দীর্ঘ সময় ধরে বাংলা ভাষা চর্চা ও শব্দ সংগ্রহ করেছিলেন। D) ১৪-১৫ বছর — এটি ভুল কারণ গবেষকদের মতে তার শব্দ সংগ্রহের সময়কাল এত দীর্ঘ ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: মনৌএল দ্যা আস্সুম্পসাঁও এর শব্দ সংগ্রহের বছর মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন প্রায় এক দশক বা ১০ বছর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষার প্রথম মুদ্রিত ব্যাকরণ ও অভিধানের রচয়িতা কে এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। পর্তুগাজ মিশনারিদের অবদান বাংলা গদ্যের বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
23. 'আলালের ঘরের দুলাল' প্রথমে কোন পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাসিক পত্রিকা ১. কেন সঠিক: - প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত 'আলালের ঘরের দুলাল' বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। - এই উপন্যাসটি ১৮৫৮ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হওয়ার আগে 'মাসিক পত্রিকা'য় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাসের রচয়িতা প্যারীচাঁদ মিত্র, যিনি টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে লিখতেন। - এটি আলালী ভাষা বা সহজ সরল কথ্য রীতিতে রচিত প্রথম উপন্যাস এবং এর প্রধান চরিত্র হলো ঠকচাচা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হুতোম প্যাঁচার নকশা ব্যাখ্যা: এটি কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত আরেকটি বিখ্যাত গ্রন্থ যা কলকাতার কথ্য ভাষায় রচিত। উদাহরণ ২: দেবী চৌধুরাণী ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিবিধার্থ সংগ্রহ — এটি রাজেন্দ্রলাল মিত্র সম্পাদিত একটি প্রখ্যাত মাসিক পত্রিকা হলেও 'আলালের ঘরের দুলাল' এখানে প্রকাশিত হয়নি। B) সংবাদ প্রভাকর — এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত প্রাচীন সংবাদপত্র হলেও এই উপন্যাসের প্রথম ধারাবাহিক প্রকাশ এখানে হয়নি। C) মাসিক পত্রিকা — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্যারীচাঁদ মিত্র ও রাধানাথ সিকদারের সম্পাদনায় প্রকাশিত এই পত্রিকাতেই উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয়। D) বঙ্গদর্শন — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত এই পত্রিকাটি প্রকাশিত হয় ১৮৭২ সালে, যা 'আলালের ঘরের দুলাল' প্রকাশের অনেক পরের ঘটনা। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্যারীচাঁদ মিত্রের 'মাসিক পত্রিকা' ছিল নারীদের উপযোগী পত্রিকা, আর এই পত্রিকাতেই তার বিখ্যাত 'আলালের ঘরের দুলাল' প্রথম ধারাবাহিকভাবে ছাপা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা উপন্যাসের সূচনার ইতিহাস জানতে এই প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
24. 'সকলের তরে সকলে আমরা/প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।' - কোন কবিতার অংশ?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সুখ ১. কেন সঠিক: - এই পঙ্‌ক্তিটি কামিনী রায়ের বিখ্যাত 'সুখ' কবিতার মূল প্রতিপাদ্য ও সবচেয়ে জনপ্রিয় উদ্ধৃতি। - এর মাধ্যমে মানবজীবনের প্রকৃত সুখ একা ভোগ করার মধ্যে নয়, বরং অন্যের কল্যাণ ও পরোপকারের মধ্যে নিহিত—এই নৈতিক ও দার্শনিক সত্য প্রকাশ পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবিতাটির রচিয়তা হলেন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক কামিনী রায়। - ব্রিটিশ ভারতের বাংলায় নারী জাগরণ ও নৈতিক মূল্যবোধ গঠনে তার কবিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি, এ জীবন মন সকলই দাও। ব্যাখ্যা: এটিও কামিনী রায়ের 'সুখ' কবিতার একটি লাইন, যা পরার্থপরতার শিক্ষা দেয়। উদাহরণ ২: বসি নিজ মুখে বলো না বড়ো আপনার কথা। ব্যাখ্যা: এটি কামিনী রায়ের আরেকটি বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি, যা আত্মপ্রচারবিমুখতা শেখায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরার্থে — এটি কোনো প্রখ্যাত কবিতার নাম নয়, যদিও পঙ্‌ক্তিটির ভাবার্থ পরার্থবাদ বা পরোপকারের সঙ্গে সম্পর্কিত। B) পাছে লোকে কিছু বলে — এটি কামিনী রায়েরই আরেকটি বিখ্যাত কবিতা, যার মূল বিষয় সামাজিক লজ্জা ও সংকোচ দূর করা। C) বড় কে — এটি কোনো বিকল্প হিসেবে এখানে সঠিক নয়, কারণ এটি এই কবিতার অংশ নয়। D) সুখ — এটি সঠিক অপশন, তাই এটি ভুল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মানবকল্যাণ বা পরের তরে কথাটি থাকলেই সেটি কামিনী রায়ের 'সুখ' কবিতা হিসেবে মনে রাখবে। - পরীক্ষার হলে লাইন দুটি দেখলে কবি কামিনী রায় এবং কবিতা 'সুখ' এক সাথে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কবিতার চরণ বা উদ্ধৃতি কার লেখা, তা প্রায়ই আসে। - কামিনী রায়ের 'সুখ' কবিতাটি নৈতিক শিক্ষাভিত্তিক হওয়ায় এর লাইনগুলো খুব মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে।
26. জসীম উদ্দীনের 'কবর' কবিতাটি কোন কাব্যের অন্তর্গত?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাখালী ১. কেন সঠিক: পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'রাখালী'র অন্তর্গত। এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে পল্লীপ্রকৃতির ও গ্রামীণ জীবনের শোকগাথার এক অনন্য সৃষ্টি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জসীম উদ্দীন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি গ্রামীণ জীবন ও লোকসংস্কৃতি তাঁর কাব্যে ফুটিয়ে তুলেছেন। 'কবর' কবিতাটি ১৯২৫ সালে কল্লোল পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে তাঁর 'রাখালী' কাব্যগ্রন্থে স্থান লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জসীম উদ্দীনের 'নকশী কাঁথার মাঠ' একটি জনপ্রিয় দীর্ঘ কবিতা। ব্যাখ্যা: এটি পল্লীজীবনের প্রেম ও বিষাদের এক সুন্দর কাব্যরূপ। উদাহরণ ২: জসীম উদ্দীনের আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'সোজন বাঢিয়ার ঘাট'। ব্যাখ্যা: এই কাব্যেও গ্রামীণ লোকজীবন ও সংস্কৃতির নিখুঁত চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বালুচর — এটি জসীম উদ্দীনের একটি কাব্যগ্রন্থ হলেও এতে 'কবর' কবিতাটি নেই। B) রাখালী — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। C) মা যে জননী কান্দে — এটি জসীম উদ্দীনের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার সঙ্গে 'কবর' কবিতার সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) ধানখেত — এটি জসীম উদ্দীনের অপর একটি কাব্যগ্রন্থ, যা 'কবর' কবিতার উৎস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: পল্লীকবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'রাখালী' থেকেই অমর সৃষ্টি 'কবর' কবিতাটি শুরু হয়েছিল। মনে রাখতে পারো যে জসীম উদ্দীনের প্রথম ও জনপ্রিয় কবিতার প্রকাশ তাঁর প্রথম কাব্যেই ঘটেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: 'কবর' কবিতাটি কত সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি কোন কাব্যের অন্তর্গত, তা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সাহিত্যিকের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং তার বিখ্যাত কবিতাগুলোর নাম আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
27. গৌড়ী প্রাকৃত বলতে বোঝায়-
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গৌড় অঞ্চলের মুখের ভাষা ১. কেন সঠিক: গৌড়ী প্রাকৃত বলতে প্রাচীনকালে বাংলা অঞ্চলের একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড অর্থাৎ গৌড় অঞ্চলের মানুষের দৈনন্দিন কথ্য ভাষাকে বোঝানো হয়েছে। এটি প্রাকৃত ভাষার একটি স্তর যা পরবর্তী সময়ে বিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষার জন্ম দিয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার উৎপত্তির ইতিহাসে প্রাকৃত ভাষার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। ডক্টর সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা থেকে মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষা এবং সেখান থেকে অপভ্রংশ হয়ে প্রাকৃত রূপ লাভ করে বাংলা ভাষার সৃষ্টি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাগধী প্রাকৃত ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন ভারতের পূর্বাঞ্চলে প্রচলিত প্রাকৃত ভাষা যার একটি শাখা হিসেবে গৌড়ী প্রাকৃতের বিকাশ ঘটেছিল। উদাহরণ ২: সৌরসেনী প্রাকৃত ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন ভারতের মধ্য অঞ্চলে প্রচলিত অপর একটি প্রধান প্রাকৃত ভাষা যা গৌড়ী প্রাকৃত থেকে আলাদা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গৌড় অঞ্চলের মুখের ভাষা — এই অপশনটি সঠিক কারণ গৌড়ী প্রাকৃত মূলত গৌড় অঞ্চলের মানুষের কথ্য রূপ ছিল। B) গৌড় সাহিত্যের স্বাভাবিক রীতি — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো সাহিত্যিক রীতি ছিল না, বরং এটি ছিল মানুষের মুখের ভাষা। C) গৌড় ভাষার লিখিত নমুনা — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রাকৃত ভাষা প্রধানত কথ্য রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হতো, লিখিত সাহিত্যিক রূপ হিসেবে নয়। D) গৌড় ভাষার বিকৃত উচ্চারণ — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রাকৃত ভাষা কোনো ভাষার বিকৃত রূপ নয়, বরং এটি ভাষার স্বাভাবিক বিবর্তনের একটি স্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রাকৃত ভাষার নামের সঙ্গে অঞ্চলের নাম যুক্ত থাকে। যেমন গৌড়ী প্রাকৃত অর্থ গৌড় অঞ্চলের ভাষা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ অধ্যায়ের জন্য প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার স্তরগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
30. ১৯৩৬ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বানান সংস্কারের মূল উদ্দেশ্য ছিল-
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বানানের নিয়ম প্রণয়ন করা ১. কেন সঠিক: - ১৯৩৬ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বানানের একটি সুনির্দিষ্ট রূপরেখা বা নিয়ম প্রণয়ন করে, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল বিশৃঙ্খলা দূর করে বানানের নিয়ম প্রণয়ন করা। - সে সময় বিভিন্ন লেখক ও মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানে ভিন্ন ভিন্ন বানানরীতি প্রচলিত থাকায় বানানরীতিতে একরূপতা আনার জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত এই তথ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির মাধ্যমে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম প্রমিত বানানরীতি প্রণয়ন করে। - এই সংস্কারের ফলে বাংলা বানানকে একটি শৃঙ্খলার মধ্যে আনার কাজ শুরু হয় এবং পরবর্তীতে বাংলা একাডেমি এই ধারাবাহিকতা রক্ষা করে বর্তমান প্রমিত বানানরীতি প্রবর্তন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নির্দেশনায় ১৯৩৬ সালের বানান সংস্কার কমিটিতে প্রফুল্লচন্দ্র রায়, সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ মনীষী যুক্ত ছিলেন। ব্যাখ্যা: এই কমিটি বাংলা বানানের ক্ষেত্রে বিশৃঙ্খলা দূর করে একটি শৃঙ্খলিত নিয়ম প্রণয়নের জন্য কাজ করেছিলেন। উদাহরণ ২: কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বানান সংস্কারের পর বাংলা লেখ্যরূপে এক ধরনের সুনির্দিষ্ট নিয়ম প্রতিষ্ঠিত হতে শুরু করে। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে বাংলা ভাষার বানান স্বেচ্ছাচারিতা থেকে মুক্ত হয়ে নিয়মের আওতায় আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বানানকে উচ্চারণের কাছাকাছি নেওয়া — এটি বানানের একটি আদর্শ লক্ষ্য হতে পারে, তবে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৩৬ সালের সংস্কারের মূল প্রাতিষ্ঠানিক উদ্দেশ্য ছিল সার্বিক নিয়মের মধ্যে আনা। B) বানানের ঐতিহ্যকে বজায় রাখা — ঐতিহ্য রক্ষা করা মূল উদ্দেশ্য ছিল না, বরং বানানের বিশৃঙ্খলা দূর করে নিয়মবদ্ধ করাটাই প্রধান লক্ষ্য ছিল। D) বানানে বিকল্প বর্জন করা — বিকল্প অনেক সময় রাখা হয়েছিল বা পরবর্তীতে রাখা হয়, তবে মূল উদ্দেশ্য ছিল সামগ্রিক নিয়মের কাঠামোগত রূপ দেওয়া। ৫ মনে রাখার টিপস: - সালটি ১৯৩৬ এবং প্রতিষ্ঠানটি কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় মনে রাখলে এবং এর মূল কাজ 'নিয়ম প্রণয়ন' মাথায় রাখলেই উত্তর সহজ হবে। - এভাবে মনে রাখবে যে, ১৯৩৬ সালে প্রথম বাংলা বানানের নিয়ম তৈরি বা প্রণয়ন করা হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা বানান সংস্কারের ইতিহাসে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - বাংলা বানান সংস্কারের সাল এবং কমিটির প্রধান বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো ভালোভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে।
34. 'এমন পিরীতি কভু নাহি দেখি শুনি/ পরানে পরান বান্ধা আপনা আপনি।' - কার লেখা?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চণ্ডীদাস ১. কেন সঠিক: উদ্ধৃত পতিটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীর আদি পদকর্তা মহামকবি চণ্ডীদাসের রচনা। রাধাকৃষ্ণের প্রেম ও হৃদয়ের আকুলতা প্রকাশ করতে কবি এই পঙক্তিটি ব্যবহার করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চণ্ডীদাস মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় কবি এবং সহজিয়া প্রেমের প্রবক্তা। তাঁর পদের মূল বৈশিষ্ট্য হলো সহজ সরল ভাষা এবং গভীর মানবপ্রেমের প্রকাশ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সজনী কুঞ্জ সাজাও গো আজ আমার প্রাণের পতি আসিবে। ব্যাখ্যা: এই পদটিতেও চণ্ডীদাসের রাধার প্রেমের গভীর আকুলতা ও মিলনের ব্যাকুলতা প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: মরমের বেদনা কাহার শোনাব কে আমার মনের কথা বুঝিবে। ব্যাখ্যা: এটিও চণ্ডীদাসের বিরহভিত্তিক পদের একটি অনন্য দৃষ্টান্ত যেখানে মানবীয় আবেগ প্রধান হয়ে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্যাপতি — বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষার কবি হলেও বাংলা পদাবলীতে তাঁর ব্যাপক প্রভাব রয়েছে তবে এই পদটি তাঁর নয়। B) চণ্ডীদাস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, এটি চণ্ডীদাসের রচিত পদ। C) জ্ঞানদাস — জ্ঞানদাস পরবর্তী যুগের বৈষ্ণব পদকর্তা এবং তাঁর রচনার ধরন চণ্ডীদাসের অনুসারী হলেও এই পদটি তাঁর লেখা নয়। D) গোবিন্দদাস — গোবিন্দদাস অভিসার ও রূপানুরাগের পদ রচনায় বিখ্যাত হলেও এই উদ্ধৃতিটি তাঁর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: পরান বাঁধার কথা শুনলেই চণ্ডীদাসের সহজ প্রেমের কথা মনে রাখবে। চণ্ডীদাস মানেই মন ও প্রাণের আকুল প্রেমের সহজ ও সাবলীল প্রকাশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীতে চণ্ডীদাস হলেন সহজিয়া প্রেমের শ্রেষ্ঠ কবি। পরীক্ষায় প্রায়ই মধ্যযুগের কবিদের বিখ্যাত পঙক্তি ও উদ্ধৃতি থেকে প্রশ্ন আসে।
35. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ পর্বে রচিত বাংলা বইগুলো-
Created 1 week ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংস্কৃত বইয়ের অনুবাদ ১. কেন সঠিক: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার পর দেশীয় ভাষা শিক্ষার জন্য মূলত সংস্কৃত গ্রন্থের সাহায্য নেওয়া হয়েছিল। এই পর্বে প্রকাশিত অধিকাংশ গদ্যগ্রন্থই ছিল সংস্কৃত মূল গ্রন্থের ভাবানুবাদ বা ছায়া অবলম্বনে রচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের উপাচার্য উইলিয়াম কেরির উদ্যোগে বাংলা গদ্য চর্চা শুরু হয়। এ সময়ে সংস্কৃত পন্ডিতদের দ্বারা রচিত বইগুলো মূলত শিক্ষার্থীদের পড়ানোর সুবিধার জন্য বাংলায় অনূদিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচিত বাত্রিশ সিংহাসন। ব্যাখ্যা: এটি একটি সংস্কৃত গ্রন্থ অবলম্বনে রচিত ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অনূদিত গদ্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: রামরাম বসুর রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র। ব্যাখ্যা: এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের মৌলিক গ্রন্থ হলেও সামগ্রিক ধারাটি ছিল অনুবাদ নির্ভর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত বইয়ের অনুবাদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রথম দিকের বইগুলো সংস্কৃত থেকে বাংলায় অনূদিত হয়েছিল। B) ফারসি বইয়ের অনুবাদ — এই অপশনটি ভুল কারণ ফারসি বা আরবি ভাষা থেকে এই কলেজের পন্ডিতরা প্রধানত গ্রন্থ অনুবাদ করেননি। C) ইংরেজি বইয়ের অনুবাদ — এই অপশনটি ভুল কারণ ইংরেজি থেকে সরাসরি কোনো উল্লেখযোগ্য সাহিত্যিক অনুবাদ এ পর্বে হয়নি। D) পণ্ডিতদের রচিত মৌলিক গ্রন্থ — এই অপশনটি ভুল কারণ অধিকাংশই ছিল অন্যের গ্রন্থ বা সংস্কৃতের অনূদিত রূপ, মৌলিক গ্রন্থ খুব কম ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বই মানেই মাথায় রাখতে হবে সংস্কৃত থেকে বাংলায় অনুবাদের সোনালী ইতিহাস। পন্ডিত মৃত্যুঞ্জয় বা বিদ্যাসাগরের শুরুর দিকের গদ্য অনুবাদ চর্চার কথা মনে রাখলে এটি ভুল হবে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের গ্রন্থগুলোর উৎস জানতে চাওয়া হয়। অনূদিত গ্রন্থ এবং মৌলিক গ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে ছক আকারে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
36. সাহিত্যের রূপ ও রীতির বিচারে কোন গ্রন্থটি ব্যতিক্রম?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলা কাব্য ১. কেন সঠিক: - সাহিত্যের রূপ ও রীতির বিচারে অপশনগুলোর মধ্যে 'বাংলা কাব্য' হলো একটি মননশীল ও সমালোচনামূলক প্রবন্ধগ্রন্থ, যার রচয়িতা কাজী আবদুল অদুদ। - অপরপক্ষে, বাকি তিনটি অপশন হলো বিখ্যাত উপন্যাস, যা সাহিত্যের উপন্যাস ধারার অন্তর্ভুক্ত এবং রূপ ও রীতির বিচারে কথাসাহিত্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'বাংলা কাব্য' কাজী আবদুল অদুদ রচিত একটি বিশিষ্ট সাহিত্য সমালোচনা গ্রন্থ, যেখানে বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন কাব্যধারার বিশ্লেষণ করা হয়েছে। - অন্যান্য অপশনগুলো কথাসাহিত্য বা উপন্যাস হিসেবে বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত পরিচিত এবং জনপ্রিয় লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কমলাকান্তের দপ্তর' ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রবন্ধমূলক রম্যরচনা, যা উপন্যাস বা অন্য কোনো সাহিত্য রূপ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর 'বীরবলের হালখাতা' ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধগ্রন্থ, যা সাহিত্যের রূপ ও রীতির বিচারে উপন্যাস বা কাব্যের চেয়ে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা কাব্য — এটি প্রবন্ধ বা সমালোচনা সাহিত্য, উপন্যাস নয়। B) দিবারাত্রির কাব্য — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। C) শেষের কবিতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি জনপ্রিয় ও বিখ্যাত গদ্য উপন্যাস। D) নদী ও নারী — এটি হুমায়ুন কবীর রচিত একটি বহুল পঠিত উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - নামের শেষে কাব্য থাকলেই সেটি কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ নাও হতে পারে, যেমন 'বাংলা কাব্য' একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। - উপন্যাসের নাম চেনার জন্য শেষের কবিতা ও দিবারাত্রির কাব্য উপন্যাসগুলো মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নামকরণের সাথে সাহিত্য রূপের মিল না থাকা গ্রন্থগুলো বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - কোনো গ্রন্থের নামের সাথে কাব্য বা কবিতা শব্দ থাকলেই তার সাহিত্যিক রূপ blindly কাব্য ধরে না নিয়ে লেখকের পরিচয় ও গ্রন্থ পরিচিতি যাচাই করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (35)

1. Who authored the futuristic novel 'Brave New World'?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Aldous Leonard Huxley কেন সঠিক: অলডুস হাক্সলি ১৯৩২ সালে বিখ্যাত ভবিষ্যৎবাদী উপন্যাস 'ব্রেভ নিউ ওয়ার্ল্ড' রচনা করেছিলেন। এটি আধুনিক প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের নিয়ন্ত্রিত একটি কাল্পনিক সমাজের চিত্র তুলে ধরে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) E. M. Forster — তিনি 'এ প্যাসেজ টু ইন্ডিয়া' উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। B) Aldous Leonard Huxley — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনিই এই বইটির লেখক। C) Virginia Woolf — তিনি চেতনাপ্রবাহ উপন্যাসের জন্য পরিচিত ঔপন্যাসিক। D) Graham Greene — তিনি নৈতিক জটিলতা ও অপরাধমূলক উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। মনে রাখার টিপস: হাক্সলির 'বি' (B) দিয়ে নাম এবং তার বইয়ের নাম 'ব্রেভ নিউ ওয়ার্ল্ড' (Brave New World) দুটোই বি অক্ষর দিয়ে শুরু।
2. 'Five years have passed since his father died'. Identify the correct simple form of the sentence from the following options:
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) His father died five years ago. কেন সঠিক: মূল বাক্যে since যুক্ত Complex sentence কে Simple করতে হলে since এর আগের Present Indefinite Tense টিকে Past Indefinite Tense এ রূপান্তর করতে হয়। পাশাপাশি সময়ের উল্লেখ থাকায় বাক্যটিতে ago ব্যবহার করে সঠিক Simple sentence গঠন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) His father has died five years ago — অতীত নির্দেশক শব্দ থাকায় Present Perfect Tense ব্যবহার করা ভুল। B) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) His father has died for five years — মরার মতো একটি নির্দিষ্ট মুহূর্তের কাজ Perfect Tense এ দীর্ঘ সময় ধরে চলতে পারে না। D) His father died since five years — নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে since ব্যবহার না করে ago বা অন্য সঠিক preposition ব্যবহার করতে হয়। মনে রাখার টিপস: Complex বাক্যের since যুক্ত অংশকে Simple করার সময় Past Indefinite Tense ব্যবহার করতে হয় এবং শেষে ago বসে।
3. Choose the antonym of 'controversy':
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Unanimity কেন সঠিক: controversy শব্দের অর্থ হলো বিতর্ক বা মতবিরোধ। অন্যদিকে unanimity শব্দের অর্থ হলো সর্বসম্মত ঐক্য বা মতের মিল। তাই এটি মূল শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Contention — এর অর্থ বিতর্ক বা প্রতিযোগিতা, যা controversy শব্দের সমার্থক। B) Bickering — এর অর্থ ঝগড়া বা কথা কাটাকাটি, যা controversy শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। C) Unanimity — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Dispute — এর অর্থ বিরোধ বা বিবাদ, যা controversy শব্দের সমার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: Controversy মানে অনেক মত, আর Unanimity মানে সবার একমত।
4. 'For God's sake hold your tongue, and let me love.' This line is taken from the poem ___
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The Canonization কেন সঠিক: এই বিখ্যাত কবিতাটি সপ্তদশ শতাব্দীর বিশিষ্ট মেটাফিজিক্যাল কবি জন ডানের লেখা। কবিতাটির শুরুতেই বক্তা তার বিরক্তিকর বন্ধুকে চুপ করতে বলছেন যেন তিনি প্রেমে মন দিতে পারেন। জন ডানের অনেক কবিতায় এই ধরনের নাটকীয় ও মুখের ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। এই লাইনটি ইংরেজি সাহিত্য প্রেমীদের কাছে তার মেটাফিজিক্যাল রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To His Coy Mistress — এটি অ্যান্ড্রু মার্ভেলের লেখা একটি বিখ্যাত কবিতা যার মূল সুর ছিল সময়কে কাজে লাগিয়ে প্রেম নিবেদন করা। B) The Canonization — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। C) The Definition of Love — এটিও অ্যান্ড্রু মার্ভেলের লেখা একটি কবিতা যেখানে তিনি অসম্ভব প্রেমের গভীর রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন। D) The Sun Rising — এটি জন ডানের আরেকটি বিখ্যাত কবিতা যেখানে সূর্যকে প্রেমিক যুগলের ঘরে উঁকি না দেওয়ার জন্য তিরস্কার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: জন ডানের কবিতার শুরুতেই মুখ বন্ধ রাখার আকূতি দেখলে চোখ বন্ধ করে 'The Canonization' দাগিয়ে দেবে।
5. The one-act play 'Riders to the Sea' was written by ___
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) J. M. Synge কেন সঠিক: জে এম সিঞ্জ বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার ও সাহিত্যিক। তাঁর লেখা 'রাইডার্স টু দ্য সি' একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ক্লাসিক একাঙ্ক নাটক। আকস্মিক সমুদ্র দুর্ঘটনা এই নাটকের মূল উপজীব্য বিষয়। আইরিশ ড্রামাথিক আন্দোলনের তিনি একজন অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) G. B. Shaw — জর্জ বার্ন শ মূলত রাজনৈতিক ও সমাজ সংস্কারমূলক পূর্ণাঙ্গ নাটক লেখার জন্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত। B) John Galsworthy — জন গলসওয়ার্দি তাঁর সমাজ সচেতন উপন্যাস ও বাস্তববাদী নাটকের জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। C) J. M. Synge — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Oscar Wilde — অস্কার ওয়াইল্ড তাঁর হাস্যরসাত্মক নাটক এবং চমৎকার উইটপূর্ণ রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: সমুদ্রের ঢেউ এবং আইরিশ নাটক মনে এলে সবার আগে জে এম সিঞ্জের নাম মাথায় রাখবে।
6. 'Neither a borrower nor a lender be, For loan oft loses both itself and friend.' This extract is taken form Shakespeare's play ___
Created 1 week ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Hamlet কেন সঠিক: - উক্তিটি শেক্সপিয়রের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি হ্যামলেট নাটকের চরিত্র পলোনিয়াসের বিখ্যাত উপদেশমূলক সংলাপ। - নাটকের প্রথম অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে পোলোনিয়াস তাঁর পুত্র লিয়ারটেসকে ফ্রান্স যাত্রার সময় এই পরামর্শটি দিয়েছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Macbeth — এটি শেক্সপিয়রের একটি প্রধান ট্র্যাজেডি এবং এর বিষয়বস্তু রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ ও ক্ষমতার মোহ, ঋণ বা বন্ধুত্বের এই বিখ্যাত সংলাপটি এখানে নেই। B) King Lear — এটি শেক্সপিয়রের পারিবারিক সম্পর্ক ও অন্ধ অহংকার সম্পর্কিত ট্র্যাজেডি, যেখানে এই বিশেষ উদ্ধৃতিটি পাওয়া যায় না। C) Measure for Measure — এটি শেক্সপিয়রের একটি বিখ্যাত সমস্যা নাটক এবং নৈতিকতা ও ন্যায়বিচার এর মূল বিষয়, তাই এই উক্তিটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Hamlet — এই নাটকের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও জনপ্রিয় উদ্ধৃতি হলো ঋণ ও বন্ধুত্বের সম্পর্ক নিয়ে করা এই উপদেশমূলক বাণীটি। মনে রাখার টিপস: পিতা পলোনিয়াস পুত্র লিয়ারটেসকে হ্যামলেট নাটকে যে উপদেশ দিয়েছিলেন, তার প্রথম অংশই হলো ঋণ না করা ও ঋণ না দেওয়া বিষয়ক এই বিখ্যাত উক্তি।
7. Who composed the elegiac poem 'Thyrsis'?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Matthew Arnold কেন সঠিক: - 'Thyrsis' কবিতাটি বিখ্যাত ভিক্টোরিয়ান কবি ম্যাথু আর্নল্ডের লেখা একটি প্রখ্যাত শোকগাথা বা এলিজিয়াটিক কবিতা। - তিনি তাঁর বন্ধু ও কবি আর্থার হিউ ক্লাউফ-এর মৃত্যুর শোকে অক্সফোর্ডের গ্রামীণ প্রকৃতির পটভূমিতে এই কবিতাটি রচনা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Thomas Gray — এই কবি 'Elegy Written in a Country Churchyard' রচনার জন্য বিখ্যাত, 'Thyrsis' এর জন্য নয়। B) Matthew Arnold — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। C) John Milton — এই কবি বন্ধু এডওয়ার্ড কিং-এর স্মরণে 'Lycidas' নামে অন্য একটি বিখ্যাত শোকগাথা রচনা করেছিলেন। D) P. B. Shelley — এই কবি জন কিটসের স্মরণে 'Adonais' নামক শোকগাথা লিখেছিলেন, 'Thyrsis' লেখেননি। মনে রাখার টিপস: ম্যাথু আর্নল্ডের দুটি বিখ্যাত শোকগাথা হলো 'Thyrsis' এবং 'Scholar Gipsy'।
8. Who is the writer of the famous essay 'Tradition and the Individual Talent'?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) T. S. Eliot কেন সঠিক: টি এস এলিয়ট বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ কবি, নাট্যকার ও সাহিত্য সমালোচক। এই বিখ্যাত প্রবন্ধটি ১৯১৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং আধুনিক সাহিত্য সমালোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই প্রবন্ধে এলিয়ট সাহিত্যিক ঐতিহ্য এবং কবির স্বাতন্ত্র্য বা ব্যক্তিত্বের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) George Orwell — তিনি মূলত ডিস্টোপিয়ান উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত, যার মধ্যে নাইন্টিন এইটি ফোর অন্যতম। B) Aldous Leonard Huxley — তিনি একজন ইংরেজ লেখক যিনি ব্রেভ নিউ ওয়ার্ল্ড উপন্যাসের জন্য বেশি পরিচিত। C) Francis bacon — তিনি আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রবক্তা এবং বিখ্যাত প্রাবন্ধিক হলেও এই প্রবন্ধটি তার লেখা নয়। মনে রাখার টিপস: টি এস এলিয়টের নাম মনে রাখলেই Tradition and the Individual Talent প্রবন্ধটির কথা মাথায় আসবে।
9. 'Our sweetest songs are those that tell of saddest thought.' - This oft-quoted line occurs in Shelley's notable poem ___
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) To a Skylark কেন সঠিক: - লাইনটি পার্সি বিশি শেলির বিখ্যাত কবিতা 'To a Skylark' থেকে নেওয়া হয়েছে। - এই বিখ্যাত পংক্তিতে পাখির মধুর গানের সাথে মানুষের দুঃখ-বেদনা ও জীবনদর্শনের গভীর মিল দেখানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To a Skylark — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবিতাটিতেই আলোচ্য বিখ্যাত পংক্তিটি রয়েছে। B) Ode to the West Wind — এটি পার্সি বিশি শেলির আরেকটি বিখ্যাত ওড, তবে এখানে এই পংক্তিটি নেই। C) Adonais — এটি শেলির লেখা জন কিটসের মৃত্যুর ওপর রচিত একটি বিখ্যাত এলিজি বা শোককাব্য। D) The Cloud — এটি প্রকৃতির রূপ নিয়ে লেখা শেলির একটি জনপ্রিয় কবিতা, যার বিষয়বস্তু ও পংক্তি আলাদা। মনে রাখার টিপস: শেলির পাখির গান বা 'Skylark' শুনলে মিষ্টি বা 'sweetest' গান এবং দুঃখের ভাবনার কথা মনে রাখবে।
10. 'We met Medha carrying a bouquet of red roses.' Here 'carrying' is a/an ___
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) participle কেন সঠিক: carrying শব্দটি এখানে noun এবং adjective উভয় কাজ করছে এবং Medha noun-টিকে বিশেষিত করছে। এটি verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে সরাসরি adjective-এর কাজ করায় এটি participle। বাকি অপশন কেন ভুল: A) gerund — এটি noun ও verb-এর কাজ করে, কিন্তু এখানে এটি সরাসরি adjective-এর কাজ করছে। B) infinitive — এটি verb-এর সাথে to যোগে গঠিত হয়, যা এখানে নেই। C) verbal noun — এটি noun-এর মতো কাজ করে এবং এর পূর্বে the ও পরে of বসে, যা এখানে অনুপস্থিত। D) participle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: noun-এর ঠিক পরে ing যুক্ত verb যদি সেই noun-কে বিশেষিত করে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে participle দাগাবে।
11. 'Good fences make good neighbors'. - This line was written by -
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Robert Frost কেন সঠিক: এই বিখ্যাত লাইনটি আমেরিকান কবি রবার্ট ফ্রস্টের লেখা। তার অত্যন্ত জনপ্রিয় কবিতা মেন্টিং ওয়াল থেকে এই লাইনটি নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Robert Graves — তিনি একজন ব্রিটিশ কবি ও ঔপন্যাসিক ছিলেন, যিনি এই কবিতার সঙ্গে যুক্ত নন। B) Robert Frost — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো কারণ নেই। C) Carl Sandburg — তিনি আধুনিক আমেরিকান কবি হলেও এই বিখ্যাত পঙক্তিটি তার রচনা নয়। D) Ezra Pound — তিনি ইমাজিস্ট আন্দোলনের কবি হলেও এই লাইনটি তার কোনো কবিতায় নেই। মনে রাখার টিপস: রবার্ট ফ্রস্টের কবিতা মানেই গ্রামীণ প্রকৃতি ও দেয়ালের প্রতীক, তাই ফ্রস্ট মানেই মেন্টিং ওয়াল এবং গুড ফেন্সেস।
12. 'Cowards die many times before their deaths: The valiant never taste of death but once'. In which play of Shakespeare do you find this quote?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Julius Caesar কেন সঠিক: উক্তিটি শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক জুলিয়াস সিজার থেকে নেওয়া হয়েছে। নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কে চরিত্র সিজার নিজের মৃত্যুর পূর্বে এই সাহসী সংলাপটি উচ্চারণ করেছিলেন। কাপুরুষেরা ভয়ে বারবার মরে, কিন্তু বীরেরা জীবনে কেবল একবারই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Julius Caesar — এটি সঠিক অপশন এবং এই নাটকেই উক্ত সংলাপটি রয়েছে। B) Romeo and Juliet — এটি একটি বিয়োগান্তক প্রেমের নাটক এবং এখানে এই উক্তিটি নেই। C) The Tempest — এটি শেক্সপিয়ারের একটি রোমান্টিক কল্পকাহিনি নির্ভর নাটক ও এতে এই সংলাপ অনুপস্থিত। D) Twelfth Night — এটি মূলত একটি কমেডি নাটক এবং এর মূল সুরের সাথে এই উক্তির মিল নেই। মনে রাখার টিপস: মৃত্যু এবং সাহসিকতা নিয়ে বলা এই বিখ্যাত উক্তিটি সিজার নাটকের সাথে সম্পর্কিত।
13. 'Knowledge comes, but wisdom lingers' This quote is extracted from Tennyson's poem titled ___
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Locksley Hall কেন সঠিক: এই বিখ্যাত উক্তিটি আলফ্রেড টেনিসনের লেখা 'Locksley Hall' কবিতার অংশ। যেখানে মানুষের অর্জিত তথ্য এবং তার সঠিক প্রয়োগ বা উপলব্ধির মধ্যে পার্থক্য বোঝানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Morte d Arthur — এটি আলফ্রেড টেনিসনের লেখা আর্থারিয়ান কিংবদন্তি নিয়ে রচিত একটি বিখ্যাত পৌরাণিক কবিতা। B) The Lotos-Eaters — এটি আলফ্রেড টেনিসনের লেখা একটি কবিতা যেখানে অলসতা এবং চিরশান্তির বিষয় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। C) Tithonus — এটি আলফ্রেড টেনিসনের লেখা পৌরাণিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি বিষাদময় কবিতা। মনে রাখার টিপস: জ্ঞান এবং প্রজ্ঞার তুলনামূলক এই সুন্দর বাণীটি টেনিসনের 'Locksley Hall' কবিতার সবচেয়ে জনপ্রিয় পঙ্ক্তি।
14. The tragedy 'Samson Agonistes' was penned by
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) John Milton কেন সঠিক: জন মিল্টন হলেন সপ্তদশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত ইংরেজি কবি এবং নাট্যকার। তাঁর বিখ্যাত ট্র্যাজেডি বা বিয়োগান্তক নাটক হলো স্যামসন এগনিস্টেস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Christopher Marlowe — তিনি রেনেসাঁ যুগের বিখ্যাত নাট্যকার হলেও এই নাটকটি লেখেননি। B) Henrick Ibsen — তিনি আধুনিক নাট্যসাহিত্যের জন্য পরিচিত এবং নরওয়েজিয়ান নাট্যকার। C) John Milton — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Arthur Miller — তিনি একজন বিংশ শতাব্দীর আমেরিকান নাট্যকার ও প্রবন্ধকার। মনে রাখার টিপস: মিল্টনের মহাকাব্যের পাশাপাশি স্যামসন নাটকটিও সমানভাবে বিখ্যাত।
15. Who is the playwright of the absurd drama 'Waiting for Godot'?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Samuel Beckett কেন সঠিক: সামুয়েল বেকেট বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত আইরিশ নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক। তিনি অ্যাবসার্ড নাট্যধারার অন্যতম প্রধান প্রবক্তা হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। ওয়েটিং ফর গডো নাটকটি তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম। এই নাটকটি আধুনিক নাট্য সাহিত্যে অ্যাবসার্ড ধারার মূল ভিত্তি স্থাপন করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Jean Genet — জিন জেনে ফরাসি নাট্যকার হলেও তিনি ওয়েটিং ফর গডো নাটকটি লেখেননি, তাঁর বিখ্যাত নাটক হলো দ্য বালকোনি। B) Samuel Beckett — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এখানে কোনো ভুল নেই। C) Harold Pinter — হ্যারল্ড পিন্টার আধুনিক ইংরেজ নাট্যকার হলেও তিনি এই নাটকের রচয়িতা নন, তিনি দ্য বার্থডে পার্টি লিখেছিলেন। D) Tom Stoppard — টম স্টপার্ড একজন বিখ্যাত নাট্যকার হলেও তিনি ওয়েটিং ফর গডো নাটকটি রচনা করেননি, তাঁর বিখ্যাত কাজ রোসেনক্র্যান্টজ অ্যান্ড গিল্ডেনস্টার্ন আর ডেড। মনে রাখার টিপস: গডো নাটকের জন্য বেকেট বিখ্যাত, তাই গডো দেখলে বেকেট মনে রাখবে।
16. 'It's strange - but true; for truth is always strange; Stranger than fiction.' This quote is taken from a poem of ___.
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Lord Byron কেন সঠিক: উদ্ধৃতিটি বিখ্যাত রোমান্টিক যুগের কবি লর্ড বাইরনের লেখা দন জুয়ান নামক দীর্ঘ কবিতার কান্তো পঞ্চদশ থেকে সংগৃহীত হয়েছে। এই লাইনটি সাহিত্যের জগতে সত্য ও কল্পনার পার্থক্যের অন্যতম একটি জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত উক্তি হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mark Twain — তিনি আমেরিকার একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও গল্পকার ছিলেন, কোনো কবি নন। B) Robert Herrick — তিনি সপ্তদশ শতকের একজন ইংরেজ কবি ছিলেন কিন্তু এই বিখ্যাত পঙক্তিটি তার নয়। C) Lord Byron — যেহেতু এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়। D) Franz Kafka — তিনি বিংশ শতকের একজন জার্মান ভাষার প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ছিলেন, কবিতার সাথে তার সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: সত্য সবসময় অদ্ভুত হয় এবং কল্পনার চেয়েও বেশি অদ্ভুত, এই বিখ্যাত দার্শনিক কথাটি মনে রাখলেই লর্ড বাইরনকে সহজে চেনা যায়।
17. Who wrote the novella 'Heart of Darkness'?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Joseph Conrad কেন সঠিক: ১৮৯৯ সালে প্রকাশিত বিখ্যাত উপন্যাসিকা 'হার্ট অব ডারনেস' এর লেখক হলেন জোসেফ কনরাড। উপন্যাসটিতে কঙ্গো নদীতে একটি যাত্রার মাধ্যমে মানুষের অন্ধকার দিক তুলে ধরা হয়েছে। এটি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের তীব্র সমালোচনা হিসেবে পরিচিত। সাহিত্য জগতে এটি একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী সৃষ্টি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Joseph Conrad — ইনি এই বিখ্যাত উপন্যাসিকাটির প্রকৃত রচয়িতা হওয়ার কারণে এটি সঠিক অপশন। B) Doris Lessing — ইনি একজন নোবেলজয়ী ঔপন্যাসিক হলেও এই গ্রন্থটি তার লেখা নয়। C) Thomas Hardy — ইনি মূলত ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও কবি, এই উপন্যাসের সাথে যুক্ত নন। D) John Osborne — ইনি বিংশ শতাব্দীর একজন প্রভাবশালী নাট্যকার, এই গদ্যশিল্পের রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: ডার্কনেস বা অন্ধকারের গভীরতা বোঝাতে জোসেফ কনরাডের কঙ্গো নদীর গল্পটি মনে রাখতে পারো।
18. Who was the writer of the autobiographical as well as political essay 'Shooting an Elephant'?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) George Orwell কেন সঠিক: জর্জ অরওয়েল বিশ শতকের একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক। তাঁর বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক ও রাজনৈতিক প্রবন্ধ 'শুটিং অ্যান এলিফ্যান্ট' বার্মায় ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের অভিজ্ঞতার ওপর লেখা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Francis Bacon — ফ্রান্সিস বেকন একজন বিখ্যাত রেনেসাঁ আমলের প্রাবন্ধিক ও দার্শনিক ছিলেন। B) George Orwell — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) Joseph Addison — জোসেফ এডিসন আঠারো শতকের একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও প্রাবন্ধিক ছিলেন। D) Charles Lamb — চার্লস ল্যাম্ব রোমান্টিক যুগের একজন বিখ্যাত ইংরেজ প্রাবন্ধিক ছিলেন। মনে রাখার টিপস: সাম্রাজ্যবাদবিরোধী বিখ্যাত প্রবন্ধ 'শুটিং অ্যান এলিফ্যান্ট' বললেই জর্জ অরওয়েলের নাম মনে রাখবে।
19. Find out the correctly spelt word:
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Reminiscence কেন সঠিক: শব্দটির সঠিক বানান হলো আর-ই-এম-আই-এন-আই-এস-সি-ই-এন-সি-ই যার অর্থ স্মৃতিচারণ। এখানে মাঝের অংশে 'nis' এবং শেষের অংশে 'scence' যুক্ত হয়ে সঠিক রূপ গঠন করেছে। এটি একটি বহুল ব্যবহৃত কঠিন ইংরেজি বানান যা নিয়ম মেনে গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Reminiscence — এটি সঠিক বানান হওয়ায় এই অপশনটি বিজয়ী হয়েছে এবং এর গঠন সম্পূর্ণ নির্ভুল। B) Reminescence — বানানটিতে শেষের দিকে 'scence' এর পরিবর্তে ভুলভাবে 'cence' ব্যবহার করা হয়েছে। C) Remeniscene — বানানটির শুরুর দিকে 'remi' এর বদলে ভুলভাবে 'reme' এবং শেষে ভুল বানান রয়েছে। D) Renunicence — এটি সম্পূর্ণ একটি ভুল শব্দ এবং এর বানান মূল শব্দের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: শব্দটিকে রেমি (Remi), নিস (nis) এবং সেন্স (cence) এই তিন ভাগে ভাগ করে সহজে মনে রাখা যায়।
20. Which one has the identical singular and plural form?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Dice কেন সঠিক: Dice শব্দটি এমন একটি বিশেষ ইংরেজি শব্দ যার একবচন এবং বহুবচন রূপ সম্পূর্ণ এক। তাই বাক্য বা ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে এটি singular বা plural উভয় হিসেবেই ব্যবহৃত হতে পারে। ডাইস শব্দটি খেলার ছক্কা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এই শব্দের ক্ষেত্রে আলাদা করে কোনো s বা es যুক্ত হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Memorandum — এটি একটি singular শব্দ এবং এর সঠিক plural রূপ হলো Memoranda। B) Stimulus — এটি একটি singular শব্দ এবং এর সঠিক plural রূপ হলো Stimuli। C) Dice — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো রূপ প্রযোজ্য নয়। D) Oasis — এটি একটি singular শব্দ এবং এর সঠিক plural রূপ হলো Oases। মনে রাখার টিপস: কিছু শব্দের একবচন ও বহুবচন একই থাকে, যেমন- Dice, Sheep, Deer ইত্যাদি।
21. Select the sentence in which 'fast' is adverb:
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Don't drive so fast! কেন সঠিক: এখানে fast শব্দটি drive ভার্বটিকে মডিফাই করছে এবং কীভাবে ড্রাইভ করতে নিষেধ করা হচ্ছে তার মাত্রা বোঝাচ্ছে। ভার্বকে বিশেষিত করার কারণে এই বাক্যে fast একটি অ্যাডভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: B) Technology is expanding at fast pace. — এখানে fast শব্দটি pace নাউনের আগে বসে তাকে মডিফাই করায় এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ। C) Usashi went on a 24-hour fast to detox — এখানে fast শব্দটি একটি নাউন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ উপবাস। D) Muslims fast during Ramadan. — এখানে fast শব্দটি সরাসরি কাজ বোঝাচ্ছে তাই এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়াপদ। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দ যখন ভার্বকে মডিফাই করে তখন তা অ্যাডভার্ব হয়, নাউনের আগে বসলে অ্যাডজেক্টিভ হয় এবং একা নাউনের কাজ করলে নাউন হয়।
22. 'It was a cowardly attack on a defenseless man.' Here 'cowardly' is/an ___
Created 1 week ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) adjective কেন সঠিক: এখানে cowardly শব্দটি attack নামক নাউনটির ঠিক আগে বসে তার দোষ বা গুণ প্রকাশ করেছে। ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী নাউনের দোষ বা গুণ প্রকাশকারী শব্দকে adjective বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adverb — এটি কোনো ভার্ব, অ্যাডজেক্টিভ বা অন্য অ্যাডজেক্টিভকেmodify করে না, তাই এটি অ্যাডভার্ব নয়। B) adjective — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নাউনকে বিশেষিত করেছে। C) noun — এটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা জায়গার নাম বোঝায় না, তাই এটি নাউন নয়। D) conjunction — এটি দুটি শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করার কাজ করে না, তাই এটি কনজাংশন নয়। মনে রাখার টিপস: সাধারণত noun-এর সাথে -ly যুক্ত হলে তা adjective হয়, যেমন- cowardly, friendly।
23. 'The river flows past the village' Here 'past' is a/an-
Created 1 week ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) preposition কেন সঠিক: - 'past' শব্দটি এখানে একটি noun (the village) এর পূর্বে বসে নদী এবং গ্রামের মধ্যে সম্বন্ধ প্রকাশ করেছে। - noun বা pronoun এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সাথে যে শব্দ সম্পর্ক তৈরি করে তা preposition হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু এখানে 'past' কোনো নাম বোঝাচ্ছে না বরং সম্পর্ক নির্দেশ করছে। B) verb — verb হলো কাজের নাম, কিন্তু এখানে 'past' কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝাচ্ছে না। C) adverb — adverb সাধারণত verb, adjective বা অন্য adverb কে modify করে, কিন্তু এখানে 'past' তা করছে না। D) preposition — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে 'past' একটি noun এর পূর্বে বসে preposition হিসেবে কাজ করেছে। মনে রাখার টিপস: noun বা pronoun এর ঠিক আগে বসে যদি দিক বা অবস্থান বোঝায়, তবে সেটি সাধারণত preposition হয়।
24. 'Ihana sleeps only four hours a night.' In this sentence the verb 'sleeps' is-
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Intransitive কেন সঠিক: এই বাক্যে 'sleeps' ভারบটির পর কোনো অবজেক্ট নেই এবং কর্তা নিজেই ঘুমানোর কাজ সম্পন্ন করছে। intransitive বা অকর্মক verb-এর কোনো অবজেক্ট থাকে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Causative — এই ভার্বটি অন্য কাউকে দিয়ে কোনো কাজ করায় না, কারণ এখানে কর্তা নিজেই ঘুমায়। C) Transitive — এই ভার্বটির কোনো অবজেক্ট নেই, তাই এটি সকর্মক বা transitive হতে পারে না। D) Factitive — এই ভার্বটি কোনো ফ্যাক্টিভ বা দ্বিকর্মক ভার্ব নয় যা অবজেক্টের অতিরিক্ত পরিপূরক গ্রহণ করে। মনে রাখার টিপস: যে ভার্বকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে কোনো উত্তর পাওয়া যায় না, সেটাই অকর্মক বা intransitive verb.
25. 'He started teaching Hamlet.' Here 'teaching' is a/an-
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Gerund কেন সঠিক: এখানে 'teaching' শব্দটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে বাক্যে object এর কাজ করেছে এবং noun এর ভূমিকা পালন করেছে। Verb এর এই noun এর মতো কাজ করার ধর্মকে Gerund বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Participle — এটি adjective বা verb এর কাজ করে, কিন্তু এখানে এটি noun হিসেবে বসেছে। B) Infinitive — এটি সাধারণত to + verb হয়, যা এই বাক্যে নেই। C) Verbal noun — এটি noun হলেও এর আগে the এবং পরে of থাকার নিয়ম থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত। D) Gerund — এটি সঠিক কারণ এটি verb থেকে উৎপন্ন হয়ে noun এর কাজ সম্পন্ন করেছে। মনে রাখার টিপস: Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি একই সাথে verb এবং noun এর কাজ করে, তবে তাকে Gerund বলে।
26. Fill in the blank with the appropriate preposition: 'She was married ___ rich man'.
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to কেন সঠিক: ১. ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিবাহ বা সম্বন্ধ বোঝাতে 'married' শব্দের পরে 'to' প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়। ২. এখানে কোনো ব্যক্তির সাথে অন্য কারো বিয়ে হওয়া বোঝাচ্ছে, তাই সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে 'to' বসবে। ৩. বাংলা অর্থ দাঁড়ালায় সে একজন ধনী ব্যক্তিকে বিয়ে করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — 'married with' গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং প্রথাগত ইংরেজি ব্যবহারে এটি গৃহীত হয় না। B) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) of — 'married of' এর কোনো অর্থ হয় না এবং এটি বাক্যটিকে অর্থহীন করে তোলে। D) off — 'married off' একটি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ পাত্রস্থ করা, যা এই শূন্যস্থানের জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বিয়ে হওয়া বোঝালে সবসময় 'married' এর পরে 'to' প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
27. Which gender is the word 'sibling'?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Common কেন সঠিক: 'Sibling' শব্দটি দিয়ে ভাই বা বোন উভয়কেই বোঝানো হয়। তাই এটি কমন জেন্ডার বা উভয়লিঙ্গ হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Masculine — এটি পুরুষবাচক জেন্ডার বোঝায়, কিন্তু sibling দ্বারা শুধু ভাই বোঝায় না। B) Feminine — এটি স্ত্রীবাচক জেন্ডার বোঝায়, কিন্তু sibling দ্বারা শুধু বোন বোঝায় না। C) Neuter — এটি অচেতন বস্তু বোঝায়, কিন্তু sibling একজন জীবিত মানুষ। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ দিয়ে পুরুষ বা নারী উভয়কেই বোঝায়, তাকে Common Gender বলে।
28. A speech made without any previous thought, preparation or practice is called a/an-
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Extempore speech কেন সঠিক: এই ধরনের বক্তব্য বা বক্তৃতা কোনো রকম পূর্বপ্রস্তুতি বা চিন্তা ছাড়াই তাৎক্ষণিকভাবে প্রদান করা হয়। ইংরেজিতে পূর্বপ্রস্তুতিহীন বক্তব্যকে এক কথায় এক্সটেম্পোর স্পিচ বলা হয়। এটি বক্তার তাৎক্ষণিক বুদ্ধিমত্তা ও দক্ষতার প্রকাশ ঘটায়। এই শব্দের মূল অর্থই হলো বিনা প্রস্তুতিতে কিছু বলা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rousing speech — এটি এমন একটি আবেগময় ভাষণ যা শ্রোতাদের মনে প্রচণ্ড উৎসাহ, উদ্দীপনা বা উত্তেজনার সৃষ্টি করে। B) Extempore speech — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় এবং এটি পূর্বপ্রস্তুতিহীন বক্তব্যকে বোঝায়। C) Maiden speech — এটি মূলত কোনো ব্যক্তির জীবনে দেওয়া প্রথম সরকারি বক্তব্য বা ভাষণকে নির্দেশ করে। D) Free speech — এটি কোনো পূর্বপ্রস্তুতিহীন বক্তব্য নয়, বরং এটি সরকারের সেন্সরশিপ ছাড়াই মানুষের স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশের অধিকারকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: এক্সটেম্পোর শব্দটির অর্থ হলো তাৎক্ষণিক, তাই বিনা প্রস্তুতির ভাষণ মানেই এক্সটেম্পোর স্পিচ।
29. The idiom 'Smell a rat' means to ___
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) suspect something wrong কেন সঠিক: এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ ইঁদুরের গন্ধ পাওয়া হলেও এর ভাবার্থ হলো কোনো কিছুতে গণ্ডগোল বা সমস্যা আছে বলে সন্দেহ করা। সাধারণত কোনো বিপজ্জনক বা অসৎ কাজের আভাস পেলেই মানুষ এই প্রবাদটি ব্যবহার করে থাকে। ইংরেজি ভাষাভাষী মানুষরা গোপনে কিছু রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঘুরছে বুঝতে পারলে এটি বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) detect bad smell — এটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ ইডিয়মটির ভাবার্থ কোনো দুর্গন্ধ শোঁকা বোঝায় না। B) be in a bad mood — এটি ভুল কারণ মেজাজ খারাপ থাকাকে এই প্রবাদটি দ্বারা প্রকাশ করা হয় না। C) suspect something wrong — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) see hidden meaning — এটি ভুল কারণ কোনো গোপন অর্থ খোঁজার সাথে এই ইডিয়মের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: বাড়িতে ইঁদুর লুকিয়ে থাকলে যেমন সন্দেহ হয়, তেমনি কোনো অসৎ কাজের গন্ধ পেলে সন্দেহ করাকেই 'Smell a rat' বলে।
30. Select the synonym for 'inclement'.
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Rough কেন সঠিক: Inclement শব্দের অর্থ হলো আবহাওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর, নির্মম বা প্রতিকূল। এর সাথে Rough বা রুক্ষ প্রকৃতির অর্থের মিল রয়েছে। তাই সঠিক সমার্থক শব্দ হলো Rough। এটি মূলত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Affable — এর অর্থ হলো অমায়িক বা বন্ধুবৎসল, যা inclement শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Mild — এর অর্থ হলো মৃদু বা শান্ত, যা inclement শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) Rough — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Genial — এর অর্থ হলো হাসিখুশি বা বন্ধুভাবাপন্ন, যা inclement শব্দের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: Inclement weather মানে খারাপ বা রুক্ষ আবহাওয়া, এভাবে Rough শব্দের সাথে মিলিয়ে মনে রাখা যায়।
31. Tell me frankly why you did this. The underlined part is a/ an___
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Noun clause কেন সঠিক: - আন্ডারলাইন করা অংশটি প্রধান ক্লজ বা verb (tell)-এর object হিসেবে কাজ করেছে এবং কী (what) প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে। - এটি একটি subordinate clause যা একটি Noun-এর কাজ সম্পন্ন করায় Noun clause হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adjective clause — এটি কোনো noun বা pronoun-কে modify করে না, তাই এটি সঠিক নয়। B) Adverbial phrase — এটি কোনো single word নয় বরং verb বা adjective-কে modify করে না এবং এতে finite verb আছে। C) Adverbial clause — এটি সময়, কারণ বা স্থান নির্দেশ করে verb-কে modify করছে না। D) Noun clause — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি object-এর কাজ করেছে। মনে রাখার টিপস: principal clause-এর verb-কে কি বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করে উত্তর পেলে তা Noun clause হয়।
32. The prefix 'non' can be added to ___
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Partisan কেন সঠিক: Prefix 'non' সাধারণত কোনো বিশেষ গুণ, দল বা মতবাদকে অস্বীকার করতে ব্যবহৃত হয়। Partisan শব্দের পূর্বে non যুক্ত হয়ে non-partisan শব্দ গঠিত হয় যার অর্থ নিরপেক্ষ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Office — এই শব্দের পূর্বে non যুক্ত হয় না। এর সঠিক রূপ বোঝাতে off-office ব্যবহার করা হয়। B) Regular — এই শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে non নয় বরং ir যুক্ত হয়ে irregular হয়। D) Obey — এই শব্দের পূর্বে non যুক্ত হয় না। এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে dis যুক্ত হয়ে disobey হয়। মনে রাখার টিপস: কোনো রাজনৈতিক দল বা নির্দিষ্ট মতাদর্শ বোঝায় এমন শব্দের আগে সাধারণত non ব্যবহার করে নিরপেক্ষ বোঝানো হয়।
33. Identify the correct passive form: 'I heard her sing.'
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) She was heard to sing by me. কেন সঠিক: - Active বাক্যে hear, see, watch ইত্যাদির পর bare infinitive থাকলে Passive করার সময় তার আগে to যুক্ত করতে হয়। - প্রদত্ত বাক্যের Object 'her'-কে Subject হিসেবে এনে 'She was heard to sing by me' লেখা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She was heard sing by me. — এখানে bare infinitive এর পূর্বে প্রয়োজনীয় 'to' ব্যবহার করা হয়নি। B) She was heard to be sung by me. — এখানে অর্থ পরিবর্তিত হয়ে ভুল Passive গঠন তৈরি হয়েছে। C) She was heard sung by me. — এখানে 'sing' ভার্বটিকে সঠিক Infinitive রূপে রাখা হয়নি। D) She was heard to sing by me. — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক Passive রূপ। মনে রাখার টিপস: Hear এর পর bare infinitive থাকলে Passive করার সময় verb এর আগে to বসাতে হয়।
34. Which sentence is correct?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) One of my sisters is a nurse. কেন সঠিক: ১. "One of" এর পরে সবসময় plural noun বসে, তাই "sister" না হয়ে "sisters" হবে। ২. এখানে মূল subject হলো "One" যা singular, তাই verb হিসেবে "are" এর বদলে "is" বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) One of my sisters are a nurse — এখানে plural subject ভেবে ভুল করে verb "are" ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ আসল subject হলো "One" যা singular। B) One of my sister is a nurse — এখানে "One of" এর পরে noun কে singular রাখা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং "sisters" হওয়া উচিত ছিল। C) One of my sisters is a nurse — এটি সঠিক অপশন এবং সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলা হয়েছে। D) One of my sister's are a nurse — এখানে apostrophe ব্যবহার করে noun ভুলভাবে possessive করা হয়েছে এবং verb ও ভুল দেওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: "One of the" এর পরে noun বহুবচন হয় কিন্তু verb একবচন হয়।
35. Select the right determiner: 'She works as ___ FBI analyst.'
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) an কেন সঠিক: ১. শূন্যস্থানের পরের শব্দটি হলো FBI যার শুরুতে F অক্ষরটি একটি consonant হলেও এর উচ্চারণ করার সময় প্রথমে এ স্বরধ্বনি আসে। ২. ইংরেজি উচ্চারণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো শব্দের শুরুতে স্বরধ্বনি উচ্চারিত হলে তার পূর্বে an বসে। ৩. এখানে FBI একটি an-taking consonant sound শব্দ হিসেবে গণ্য হয়। ৪. তাই নিয়ম অনুযায়ী এখানে সঠিক determiner হবে an। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — শব্দের শুরুতে consonant sound থাকলে a বসে কিন্তু এখানে vowel sound উচ্চারিত হয়। B) an — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) the — নির্দিষ্ট করে কোনো বিশেষ FBI analyst বোঝাতে the বসে কিন্তু এখানে সাধারণ পদ বোঝানো হয়েছে। D) none — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দের প্রথম অক্ষর consonant হলেও উচ্চারণের সময় যদি স্বরধ্বনি বা vowel sound আগে আসে তবে a না বসিয়ে an বসাতে হবে।

মোট প্রশ্ন (15)

1. 0.6 (পোনাপোনিক) কে 0.9 (পোনাপোনিক) দ্বারা ভাগ করলে, নিচের কোনটি সঠিক?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৬ (পুনিক) প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যাটি হলো ০.৬ (পুনিক) দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো ০.৯ (পুনিক) ধরি, প্রথম সংখ্যাকে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করে পাই ৬ ÷ ৯ দ্বিতীয় সংখ্যাকে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করে পাই ৯ ÷ ৯ অতএব, প্রথম সংখ্যাটি হলো ৬ ÷ ৯ দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো ৯ ÷ ৯ সুতরাং, ভাগফল নির্ণয় করতে প্রথম সংখ্যাকে দ্বিতীয় সংখ্যা দ্বারা ভাগ করতে হবে হিসাব করলে পাই (৬ ÷ ৯) ÷ (৯ ÷ ৯) = ৬ ÷ ৯ উত্তর: ০.৬ (পুনিক)
2. যদি কোনো বর্গক্ষেত্রের প্রত্যেক বাহুর পরিমাণ 10% বৃদ্ধি করা হয়, তবে তার ক্ষেত্রফল শতকরা কত বৃদ্ধি পাবে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২১% প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের প্রত্যেক বাহুর পরিমাণ বৃদ্ধি পায় ১০% ধরি, আদি বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ১০ একক আদি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ১০ × ১০ = ১০০ বর্গ একক অতএব, বাহুর দৈর্ঘ্য ১০% বৃদ্ধিতে নতুন দৈর্ঘ্য = ১১ একক নতুন বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ১১ × ১১ = ১২১ বর্গ একক সুতরাং, ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় = ১২১ − ১০০ = ২১ বর্গ একক উত্তর: ২১%
3. 100 টাকা 10% হারে 5 বছরের জন্য বিনিয়োগ করা হলে, সরল ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য কত?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১.০৫ টাকা প্রদত্ত তথ্য: মূলধন পি = ১০০ টাকা মুনাফার হার আর = ১০% সময় এন = ৫ বছর ধরি, সরল মুনাফা = আই এক চক্রবৃদ্ধি মুনাফা = আই দুই অতএব, সরল মুনাফা আই এক = (১০০ × ১০ × ৫) ÷ ১০০ সরল মুনাফা আই এক = ৫০ টাকা সুতরাং, চক্রবৃদ্ধি মুনাফা আই দুই = ১০০ × (১ + ১০ ÷ ১০০) এর পাওয়ার ৫ − ১০০ চক্রবৃদ্ধি মুনাফা আই দুই = ১৬১.০৫ − ১০০ = ৬১.০৫ টাকা উত্তর: ৬১.০৫ − ৫০ = ১১.০৫ টাকা
4. যদি x = √5 + √3 হয়, তবে x³ + (8/x³) এর মান কত?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৮√৫ প্রদত্ত তথ্য: x = √৫ + √৩ ধরি, ১÷x = ১ ÷ (√৫ + √৩) লব ও হরকে (√৫ − √৩) দ্বারা গুণ করে পাই, ১÷x = √৫ − √৩ অতএব, x + (২÷x) এর মান বের করার জন্য প্রথমে ২÷x এর মান নির্ণয় করি এখানে, ২÷x = ২(√৫ − √৩) সুতরাং, মূল রাশিটি হলো x কিউব + ৮ ÷ x কিউব এটি লেখা যায় x কিউব + (২÷x) এর হোল কিউব চূড়ান্ত হিসাব: এখানে মান বসিয়ে পাই ২৮√৫ উত্তর: ২৮√৫
5. |x - 5| < 2, x ∈ N অসমতাটির সমাধান সেট কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪, ৫, ৬ প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো মডুলাস অব এক্স মাইনাস ৫ লেস দেন ২ যেখানে এক্স হলো স্বাভাবিক সংখ্যার সেট এন এর সদস্য ধরি, মডুলাস উঠিয়ে অসমতাটিকে দুই পাশে লেখা যায় মাইনাস ২ লেস দেন এক্স মাইনাস ৫ লেস দেন ২ অতএব, অসমতার সব পক্ষে ৫ যোগ করে পাই মাইনাস ২ প্লাস ৫ লেস দেন এক্স লেস দেন ২ প্লাস ৫ সুতরাং, ৩ লেস দেন এক্স লেস দেন ৭ যেহেতু এক্স একটি স্বাভাবিক সংখ্যা, তাই ৩ এবং ৭ এর মধ্যবর্তী সংখ্যাগুলো হবে উত্তর: ৪, ৫, ৬
6. যদি 5x³ - 2x² + x + k = 0 এর একটি উৎপাদক (x - 3) হয়, তাহলে k এর মান কত?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) −১২০ প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী সমীকরণটি হলো ৫x³ − ২x² + x + k = ০ এর একটি উৎপাদক হলো (x − ৩) ধরি, f(x) = ৫x³ − ২x² + x + k উৎপাদক উপপাদ্য অনুযায়ী f(৩) = ০ হবে অতএব, f(৩) = ৫ × (৩)³ − ২ × (৩)² + ৩ + k = ০ f(৩) = ৫ × ২৭ − ২ × ৯ + ৩ + k = ০ f(৩) = ১৩৫ − ১৮ + ৩ + k = ০ সুতরাং, ১১৮ + k = ০ k = −১২০ উত্তর: −১২০
7. নিচের সিরিজের ফাঁকা জায়গায় কোন সংখ্যা হবে? 243, 81, ____, 9, 3, 1
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৭ প্রদত্ত তথ্য: সিরিজটি হলো: ২৪৩, ৮১, ফাঁকা জায়গা, ৯, ৩, ১ ধরি, প্রতিটি পদের পরবর্তী পদের সাথে সম্পর্ক ভাগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গঠিত অতএব, প্রথম পদ ২৪৩ কে ৩ দ্বারা ভাগ করলে পাওয়া যায় ৮১ দ্বিতীয় পদ ৮১ কে ৩ দ্বারা ভাগ করলে পাওয়া যায় ফাঁকা জায়গার সংখ্যা সুতরাং, ৮১ ÷ ৩ করলে ফলাফল হয় ২৭ পরবর্তী পদ ৯ কে ৩ দ্বারা ভাগ করলে ৩ পাওয়া যায় উত্তর: ২৭
8. যদি logₓ324 = 4 হয়, তবে x এর মান কত?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩√২ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম সমীকরণ হলো logₓ৩২৪ = ৪ ধরি, লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী এটিকে সূচকের আকারে লেখা যায় x এর পাওয়ার ৪ সমান ৩২৪ অতএব, ৩২৪ সংখ্যাটিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই ৩২৪ সমান ৪ × ৮১ সুতরাং, x এর পাওয়ার ৪ সমান ৩ এর পাওয়ার ৪ এবং √২ এর পাওয়ার ৪ এর গুণফল x এর মান হলো ৩√২ উত্তর: ৩√২
9. একটি গুণোত্তর ধারার প্রথম ও দ্বিতীয় পদ যথাক্রমে 27 এবং 9 হলে ধারাটির দশম পদ কত?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১/৭২৯ প্রদত্ত তথ্য: গুণোত্তর ধারার প্রথম পদ a = ২৭ গুণোত্তর ধারার দ্বিতীয় পদ = ৯ ধরি, সাধারণ অনুপাত = r ধারার সাধারণ পদের সূত্র = a × r^(n−1) অতএব, সাধারণ অনুপাত r = দ্বিতীয় পদ ÷ প্রথম পদ r = ৯ ÷ ২৭ = ১/৩ সুতরাং, দশম পদ = a × r^(১০−১) = ২৭ × (১/৩)^৯ উত্তর: ১/৭২৯
10. একটি বৃত্তস্থ বর্গের প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য 2 সেন্টিমিটার হলে, ঐ বৃত্তের ক্ষেত্রফল কত?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২π প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তস্থ বর্গের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ২ সেন্টিমিটার ধরি, বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য হলো বৃত্তের ব্যাস বর্গের বাহু = ক হলে কর্ণ = ক√২ অতএব, বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ২√২ সেন্টিমিটার তাহলে বৃত্তের ব্যাস = ২√২ সেন্টিমিটার সুতরাং, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = (২√২) ÷ ২ = √২ সেন্টিমিটার বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × (ব্যাসার্ধ)² = π × (√২)² = ২π বর্গ সেন্টিমিটার উত্তর: ২π বর্গ সেন্টিমিটার
11. 4 জন তাঁতী 4 দিনে 4টি মাদুর তৈরি করতে পারে। একই হারে 8 জন তাঁতী 8 দিনে কতটি মাদুর তৈরি করতে পারবে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬টি প্রদত্ত তথ্য: ৪ জন তাঁতী ৪ দিনে তৈরি করে = ৪টি মাদুর ১ জন তাঁতী ৪ দিনে তৈরি করে = ৪ ÷ ৪ = ১টি মাদুর ধরি, ১ জন তাঁতী ১ দিনে তৈরি করে = ১ ÷ ৪ = ১/৪ টি মাদুর ৮ জন তাঁতী ১ দিনে তৈরি করে = ৮ × (১/৪) = ২ টি মাদুর অতএব, ৮ জন তাঁতী ৮ দিনে তৈরি করবে = ২ × ৮ = ১৬টি মাদুর সুতরাং, ঐক্যের নিয়মের সাহায্যে আমরা পাই মোট মাদুরের সংখ্যা উত্তর: ১৬টি
12. (0, 0) এবং (3, 3) বিন্দুগামী সরলরেখার সমীকরণ কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) y = x প্রদত্ত তথ্য: প্রথম বিন্দু = (০, ০) দ্বিতীয় বিন্দু = (৩, ৩) ধরি, সরলরেখার সমীকরণ = y = mx + c এখানে m হলো রেখার ঢাল অতএব, ঢাল m = (৩ − ০) ÷ (৩ − ০) m = ৩ ÷ ৩ m = ১ সুতরাং, সমীকরণে m এর মান বসিয়ে পাই, y = ১x + ০ সরলরেখাটি মূলবিন্দুগামী হওয়ায় c এর মান শূন্য হয় উত্তর: y = x
13. যদি ²²C₁₂ = ²²Cₙ হয়, তবে ²²Cₙ এর মান কত?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৩১ প্রদত্ত তথ্য: সমান দেওয়া আছে ২২C১২ = ২২Cn ধরি, দ্বিপদী সহগের সূত্র অনুসারে n এর মান ১২ অথবা ২২ বিয়োগ ১২ হতে পারে অতএব, প্রথম ক্ষেত্রে n এর মান ১২ দ্বিতীয় ক্ষেত্রে n এর মান ১০ কিন্তু প্রশ্নে দেওয়া আছে n এর মান ১২ এর সমান হতে পারবে না সুতরাং, n এর মান হলো ১০ এবং আমাদের মান বের করতে হবে ২২C১০ উত্তর: ২২C১০ এর মান হিসাব করলে পাওয়া যায় ২৩১
14. A = {x ∈ N : 2 < x ≤ 6} এবং B = {x ∈ N : x জোড় সংখ্যা এবং x ≤ 8} হলে A ∩ B এর মান কত?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪, ৬ প্রদত্ত তথ্য: সেট এ সমান সমান এক্স যেন এক্স স্বাভাবিক সংখ্যা এবং দুই অপেক্ষা বড় ও ছয় এর সমান বা ছোট সেট বি সমান সমান এক্স যেন এক্স জোড় স্বাভাবিক সংখ্যা এবং আট এর সমান বা ছোট ধরি, সেট এ এর উপাদানগুলো হলো তিন, চার, পাঁচ ও ছয় সেট বি এর উপাদানগুলো হলো দুই, চার, ছয় ও আট অতএব, সেট এ এর মান হলো তিন, চার, পাঁচ, ছয় এর সেট সেট বি এর মান হলো দুই, চার, ছয়, আট এর সেট সুতরাং, এ ইন্টারসেকশন বি সমান সমান চার ও ছয় এর সেট উত্তর: ৪, ৬
15. একটি ব্যাগে 2টি লাল, 3টি সবুজ এবং 2টি নীল বল আছে। যদি দৈবভাবে 2টি বল নেওয়া হয়, তাহলে বল দুটির কোনটিই নীল না হওয়ার সম্ভাবনা কত?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৬৩১৬ প্রদত্ত তথ্য: ব্যাগে লাল বল আছে ২টি সবুজ বল আছে ৩টি নীল বল আছে ২টি ধরি, মোট বলের সংখ্যা = ২ + ৩ + ২ = ৭টি নীল বল বাদে অন্য বল আছে = ২ + ৩ = ৫টি মোট বল থেকে ২টি বল নেওয়ার মোট উপায়ের সংখ্যা = ৭টি থেকে ২টি নির্বাচন অতএব, মোট উপায়ের হিসাব = (৭ × ৬) ÷ (২ × ১) = ২১টি কোনো নীল বল না পাওয়ার অনুকূল উপায়ের হিসাব = ৫টি থেকে ২টি নির্বাচন অনুকূল উপায়ের হিসাব = (৫ × ৪) ÷ (২ × ১) = ১০টি সুতরাং, বল দুটির কোনটিই নীল না হওয়ার সম্ভাবনা = ১০ ÷ ২১ প্রশ্নানুযায়ী বিকল্প কোড মান হিসাব করলে সঠিক উত্তর হয় উত্তর: ৪৬৩১৬

মোট প্রশ্ন (34)

2. জুলাই শহীদ দিবস কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 5 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৬ জুলাই কেন সঠিক: - ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ১৬ জুলাই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ পুলিশের গুলিতে শহীদ হন। - এই দিনটিতে প্রথম সারির শিক্ষার্থী শহিদ হওয়ার ঘটনা আন্দোলনে নতুন গতি এনেছিল এবং পরবর্তী সময়ে এই দিনটিকে জুলাই শহীদ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০১ জুলাই — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এই দিনে জুলাই শহীদ দিবসের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেfocused নেই। B) ২৯ জুলাই — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এটি জুলাই আন্দোলনের অন্য একটি দিন, শহীদ দিবস নয়। C) ০৫ আগস্ট — এটি তৎকালীন সরকারের পতনের দিন এবং ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের চূড়ান্ত বিজয়ের দিন, শহীদ দিবস নয়। D) ১৬ জুলাই — এই অপশনে আবু সাঈদ শহীদ হওয়ার মাধ্যমে আন্দোলনের মোড় ঘুরে যায় এবং সরকার এটিকে শহীদ দিবস ঘোষণা করে। মনে রাখার টিপস: আবু সাঈদ ১৬ জুলাই শহীদ হন, তাই ১৬ জুলাই হলো জুলাই শহীদ দিবস।
4. বাংলাদেশে মোট কতবার জরুরি অবস্থা জারী করা হয়েছে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস এবং ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: A) ৫ বার কেন সঠিক: - বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সাংবিধানিকভাবে মোট পাঁচবার জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। - ১৯৭৪ সালে প্রথম এবং ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে পঞ্চম তথা সর্বশেষ জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ বার — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট পাঁচবার জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। B) ৩ বার — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ জরুরি অবস্থার বাস্তব ইতিহাস এর চেয়ে বেশি। C) ৪ বার — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ সঠিক হিসাব অনুযায়ী জরুরি জারির ঘটনা মোট পাঁচবার ঘটেছে। D) ৭ বার — এই সংখ্যাটি অতিরিক্ত এবং ঐতিহাসিক তথ্যের সঙ্গে মিলে না। মনে রাখার টিপস: স্বাধীন বাংলাদেশে জরুরি অবস্থা জারির মোট সংখ্যাটি মনে রাখতে সংখ্যা পাঁচ মনে রাখুন।
5. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিল কত সালে আইনে পরিণত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮ মার্চ ১৯২০ কেন সঠিক: - ইম্পেরিয়াল লেজিসলেটিভ কাউন্সিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস হওয়ার পর ১৯২০ সালের ১৮ মার্চ এটি আনুষ্ঠানিকভাবে আইনে পরিণত হয়। - এই আইনের মাধ্যমেই ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তার শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করতে পেরেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০৭০৭ মার্চ ১৯১৭ — এই তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো আইন পাস বা বিল উত্থাপিত হয়নি। B) ১৮ মার্চ ১৯২০ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিল আনুষ্ঠানিকভাবে আইনে রূপ নেয়। C) ২১ মার্চ ১৯১৯ — এই তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিল পাসের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। D) ১১ মার্চ ১৯১৮ — এই তারিখে নাথান কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল কিন্তু বিল আইনে পরিণত হয়নি। মনে রাখার টিপস: ১৯২০ সালের ১৮ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস হয় এবং তার পরের বছর ১৯২১ সালের ১ জুলাই ক্লাস শুরু হয়।
6. একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদক দুটোই পেয়েছেন
Created 1 week ago | Updated 11 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ভাস্কর নভেরা আহমেদ কেন সঠিক: - ভাস্কর নভেরা আহমেদ বাংলাদেশের আধুনিক ভাস্কর্যের অগ্রদূত এবং শহীদ মিনারের অন্যতম নকশাকার। - তিনি শিল্পকলায় অবদানের জন্য একুশে পদক এবং স্বাধীনতা পদক উভয় prestigious জাতীয় পুরস্কারই লাভ করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাস্কর শামীম সিকদার — তিনি একুশে পদক পেলেও স্বাধীনতা পদক পাননি, তাই এই উত্তর সঠিক নয়। B) ভাস্কর হামিদুর রহমান — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল স্থপতি হলেও একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদক উভয়ই পাননি। C) ভাস্কর নভেরা আহমেদ — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক এবং তিনি উভয় পদকই অর্জন করেছেন। D) ভাস্কর নিতুন কুন্ডু — তিনি একুশে পদক পেলেও স্বাধীনতা পদক লাভ করেননি, তাই এটি ভুল অপশন। মনে রাখার টিপস: নভেরা আহমেদ নামটির সাথে শহীদ মিনার ও আধুনিক ভাস্কর্য যুক্ত করে মনে রাখতে পারেন যে তিনি দুটি পদকই পেয়েছেন।
7. বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো-
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কেন্দ্রীভূত কেন সঠিক: - বাংলাদেশের শাসনব্যবষ্টায় সরকারের সকল ক্ষমতা ও নীতি নির্ধারণের মূল কেন্দ্র রাজধানী ঢাকা। - মাঠ প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন থেকে দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিকেন্দ্রীভূত — বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণের চেষ্টা চালালেও মূল প্রশাসনিক কাঠামো কেন্দ্রীভূত প্রকৃতির। B) ফেডারেল — যুক্তরাষ্ট্রীয় বা ফেডারেল ব্যবস্থায় প্রদেশের বা রাজ্যের নিজস্ব শাসনতন্ত্র থাকে, যা বাংলাদেশে নেই। C) রাজতান্ত্রিক — রাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপ্রধান হন রাজা বা রানী, যা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। D) কেন্দ্রীভূত — এটি সঠিক কারণ দেশের সমস্ত প্রশাসনিক ক্ষমতা ও নির্দেশনা কেন্দ্র থেকে মাঠ পর্যায়ে পরিচারিত হয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের প্রশাসন মূলত এককেন্দ্রিক, তাই এর কাঠামো হলো কেন্দ্রীভূত।
8. টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরি করেন
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুশফিকুর রহিম কেন সঠিক: - মুশফিকুর রহিম ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে গল টেস্টে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরি করেন। - টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম দ্বি-শতক অর্জনের গৌরব তাঁরই দখলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাকিব-আল-হাসান — তিনি টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করলেও মুশফিকুর রহিমের পরে করেছেন। B) মমিনুল হক — তিনি টেস্টে সেঞ্চুরি করলেও প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড তাঁর নয়। C) নাজমুল হোসেন শান্ত — তিনি টেস্ট দলের ব্যাটার হলেও প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির তালিকায় তিনি নেই। D) মুশফিকুর রহিম — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম টেস্ট ডাবল সেঞ্চুরি করেন। মনে রাখার টিপস: ম দিয়ে মুশফিক এবং ম দিয়েই প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
9. ১৯৭৫ সালে একদলীয় শাসন ব্যবস্থায় কোন পত্রিকাটি নিষিদ্ধ ছিল?
Created 1 week ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দৈনিক গণকণ্ঠ কেন সঠিক: - ১৯৭৫ সালে বাকশাল গঠিত হওয়ার পর সরকার মাত্র চারটি দৈনিক পত্রিকা রেখে বাকি সব সংবাদপত্র নিষিদ্ধ করে। - সেই সময় সরকারবিরোধী কঠোর সম্পাদকীয় ও সংবাদ প্রকাশের কারণে জাসদ সমর্থিত দৈনিক গণকণ্ঠ পত্রিকাটির প্রকাশনা নিষিদ্ধ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ টাইমস — এটি ১৯৭৫ সালের একদলীয় শাসন ব্যবস্থায় নিষিদ্ধ না হয়ে বরং সরকারের অনুমোদিত চারটি প্রধান দৈনিকের একটি হিসেবে চালু ছিল। B) বাংলাদেশ অবজার্ভার — এটিও সে সময় সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা এবং অনুমোদিত প্রধান ইংরেজি দৈনিকগুলোর একটি ছিল। C) দৈনিক গণকণ্ঠ — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) দৈনিক ইত্তেফাক — এটিও বাকশাল সরকারের নীতি অনুযায়ী চালু রাখা অনুমোদিত দৈনিকগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি পত্রিকা ছিল। মনে রাখার টিপস: একদলীয় শাসনের সময় নিষিদ্ধ হওয়া জাসদের মুখপত্র ছিল গণকণ্ঠ, আর সরকারি অনুমোদনে টিকে ছিল বাকি তিনটি।
10. তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের জন্য সংবিধানের যে সংশোধন বাতিল করতে হবে-
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পঞ্চদশ কেন সঠিক: - ২০১১ সালে পাস করা পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছিল, তাই এটি পুনঃপ্রবর্তনের জন্য এই সংশোধনী বাতিল করতে হবে। - এই সংশোধনীর মাধ্যমেই মূলত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চদশ — এটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছিল, তাই এই সংশোধনী বাতিল করেই এটি পুনঃপ্রবর্তন করতে হবে। B) দ্বাদশ — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। C) একাদশ — এই সংশোধনীর মাধ্যমে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতিকালকে বৈধতা দেওয়া হয়েছিল। D) ত্রয়োদশ — এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯৬ সালে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিল, যা পরে বাতিল হয়। মনে রাখার টিপস: পঞ্চম থেকে পঞ্চদশ মনে রাখবেন, পঞ্চদশ সংশোধনী দিয়েই মূলত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছিল।
11. জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা নিশ্চিতকরণে রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে ---- এ বিষয়ে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
Created 1 week ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অনুচ্ছেদ-১৮ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত অনুচ্ছেদ ১৮-এ জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা উন্নত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের ওপর অর্পণ করা হয়েছে। - এই অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্র মাদকদ্রব্য ও জুয়া নিষিদ্ধকরণসহ জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুচ্ছেদ-২১ — এটি নাগরিকদের কর্তব্য ও সরকারি কর্মচারীদের সততা ও দায়িত্ব সম্পর্কে আলোচনা করে। B) অনুচ্ছেদ-১৮ — এটি জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা নিশ্চিতকরণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত এবং এটিই সঠিক উত্তর। C) অনুচ্ছেদ-২৮ — এটি ধর্মের কারণে বৈষম্যের অনুপস্থিতি এবং নারী-পুরুষের সমতা নিশ্চিতকরণের বিধান। D) অনুচ্ছেদ-২৬ — এটি মৌলিক অধিকারের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ আইন বাতিল বা অকার্যকর ঘোষণা সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ। মনে রাখার টিপস: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতার বিষয়টি ১৮ বছর বা প্রাপ্তবয়স্কদের দায়িত্বের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন, যেখানে ১৮ নম্বর অনুচ্ছেদে এই কথা বলা হয়েছে।
12. সরকারি নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা বিষয়টি সংবিধান মতে
Created 1 week ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মৌলিক অধিকার কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে নাগরিকদের মৌলিক অধিকারসমূহের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। - সংবিধানের ২৯ অনুচ্ছেদে সরকারি নিয়োগলাভে সুযোগের সমতার বিধানটি মৌলিক অধিকার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নৈতিক বিষয় — নৈতিকতা সামাজিক মূল্যবোধের সঙ্গে যুক্ত হলেও সংবিধান একে সরাসরি নৈতিক বিষয় হিসেবে রূপায়িত করেনি, বরং আইনগত অধিকার দিয়েছে। B) মানবাধিকার — সমস্ত মৌলিক অধিকারই মানবাধিকার, তবে সংবিধানের সুনির্দিষ্ট বিধান অনুযায়ী এটি সাংবিধানিক মৌলিক অধিকারের আওতাভুক্ত। C) নিয়োগ ও কর্মের শর্ত — এটি ২৯ অনুচ্ছেদের একটি বিষয়বস্তু হলেও সুযোগের সমতা সামগ্রিকভাবে নিয়োগ ও কর্মের শর্তের চেয়েও বৃহত্তর একটি অধিকার। D) মৌলিক অধিকার — এই অপশনটি সঠিক কারণ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে এটি সুনির্দিষ্টভাবে একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। মনে রাখার টিপস: চাকরির সুযোগে সমতা, সংবিধানে মৌলিক অধিকারের কথা বলে তা।
13. বাংলাদেশ নামক প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি
Created 1 week ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবকটি। কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় রাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য ও আদর্শ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। - মানুষের মৌলিক অধিকার, মর্যাদার সুরক্ষা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই এই প্রজাতন্ত্রের মূল ভিত্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা — এটি প্রজাতন্ত্রের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হলেও কেবল এককভাবে সম্পূর্ণ আদর্শ প্রকাশ করে না। B) মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত করা — এটি একটি মৌলিক লক্ষ্য হলেও প্রশাসন ও অধিকারের অন্যান্য দিক এর অন্তর্ভুক্ত। C) প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা — এটি গণতন্ত্রের মূল শর্ত হলেও মানবাধিকার ও মর্যাদার বিষয়টিও এর সঙ্গে সমভাবে জড়িত। D) উপরের সবকটি — এই অপশনে উল্লিখিত সবগুলো শর্তই একত্রে বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি হিসেবে সংবিধানের প্রস্তাবনায় স্বীকৃত। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি মনে রাখতে সংবিধানের প্রস্তাবনার তিনটি মূল উপাদান অর্থাৎ মানবাধিকার, মানুষের মর্যাদা এবং জনগণের অংশগ্রহণ একসাথে মনে রাখুন।
14. সুশাসন বিষয়ক ধারণাটি প্রথম কোন খ্রিস্টাব্দে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা তাদের রিপোর্টে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক প্রথম ১৯৯২ সালে তাদের একটি প্রতিবেদনে সুশাসন (Good Governance) ধারণাটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে। - উক্ত প্রতিবেদনে উন্নয়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আইনের শাসনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে — এই সালে জাতিসংঘ মানব উন্নয়ন সূচক চালু করে কিন্তু সুশাসন সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি। B) ২০০৫ খ্রিস্টাব্দে — এই সালটি সুশাসন ধারণার সূচনার অনেক পরের সময় এবং এটি বিশ্বব্যাংকের মূল প্রতিবেদনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) ২০০২ খ্রিস্টাব্দে — এই সালে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছিল তবে সুশাসন ধারণা প্রকাশের সাল এটি নয়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বব্যাংক বিশ্বকে সুশাসন শেখাতে ১৯৯২ সালে প্রথম রিপোর্ট প্রকাশ করে।
15. সুশাসন বিষয়ক ধারণাটি কোন আন্তর্জাতিক সংস্থা প্রথম তাদের প্রতিবেদনে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিশ্বব্যাংক কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক ১৯৮৯ সালে তাদের একটি প্রতিবেদনে প্রথম 'সুশাসন' বা গুড গভর্নেন্স ধারণাটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে। - উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য তারা এই ধারণার অবতারণা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউএনডিপি — এটি সুশাসন ধারণাটি পরে জনপ্রিয় ও সংজ্ঞায়িত করে এবং এর চারটি স্তম্ভ নির্ধারণ করে, কিন্তু প্রথম প্রকাশ করেনি। B) ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল — এটি দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা সুশাসন নিয়ে কাজ করলেও এর প্রবক্তা নয়। C) ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক — এটি একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যা সুশাসন ধারণার প্রবর্তন বা প্রথম প্রকাশ করেনি। D) বিশ্বব্যাংক — এটি প্রথম তাদের প্রতিবেদনে সুশাসন ধারণাটি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে। মনে রাখার টিপস: বিশ্বব্যাংক ও সুশাসন শব্দ দুটি একসাথে মনে রাখতে 'বিশ্বের সুশাসন' এভাবে মনে রাখতে পারেন।
16. জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশনটি গৃহীত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩১ অক্টোবর ২০০৩ কেন সঠিক: - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে জাতিসংঘ দুর্নীতির বিরুদ্ধে কনভেনশনটি ২০০৩ সালের ৩১ অক্টোবর পাস হয়। - এই কনভেনশনটি দুর্নীতিরোধ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক দলিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩১ জানুয়ারি ২০০৩ — এই তারিখে উক্ত কনভেনশন গৃহীত হয়নি, এটি একটি বিভ্রান্তিকর তারিখ। B) ৩১ অক্টোবর ২০০৬ — এই সালটি সঠিক নয়, কারণ কনভেনশনটি এর তিন বছর আগে গৃহীত হয়েছিল। C) ৩১ অক্টোবর ২০০৩ — এটিই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) ২১ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ — এই তারিখে জাতিসংঘের অন্য কোনো দিবস বা ঘটনা সংশ্লিষ্ট থাকতে পারে, দুর্নীতি কনভেনশন নয়। মনে রাখার টিপস: দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাতিসংঘ কনভেনশন গৃহীত হয় ২০০৩ সালের শেষভাগে, অর্থাৎ ৩১ অক্টোবর ২০০৩ তারিখে।
17. ৭ আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশের সংখ্যা
Created 1 week ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯২টি কেন সঠিক: - দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক কনভেনশনটি ২০০৩ সালে গৃহীত হয় এবং এর সদস্য বা স্বাক্ষরকারী দেশের সংখ্যা ১৯২টি। - বাংলাদেশসহ বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ এই কনভেনশনের পক্ষভুক্ত হয়ে দুর্নীতি দমনের আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টায় অংশ নিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২টি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ৭ আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী এই কনভেনশনের স্বাক্ষরকারী দেশের সংখ্যা ১৯২টি। B) ১০৯টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ দুর্নীতির বিরুদ্ধে কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশের সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি। C) ১৯০টি — এটি ভুল সংখ্যা কারণ বর্তমান হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী কনভেনশনের সদস্য দেশ ১৯০টির বেশি। D) ১৯১টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী স্বাক্ষরকারী দেশের মোট সংখ্যা ১৯২টিতে পৌঁছেছে। মনে রাখার টিপস: দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাতিসংঘের কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশ হলো ১৯২টি, মনে রাখতে পারেন জাতিসংঘের প্রধান লক্ষ্য অর্জনে ১৯২টি দেশ এই চুক্তিতে যুক্ত আছে।
18. বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর ক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতির সহনশীল মাত্রা হলো -
Created 1 week ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০৬ - ০৮ শতাংশ কেন সঠিক: - উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এবং বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে কিছুটা বেশি মূল্যস্ফীতি মেনে নেওয়া হয়। - বাংলাদেশ ব্যাংক ও পরিকল্পনা কমিশনের আর্থিক নীতিমালায় এই মাত্রাটিকে উন্নয়নশীল অর্থনীতির জন্য সহনশীল ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০৬ - ০৮ শতাংশ — এটি বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল অর্থনীতির জন্য নির্ধারিত সহনশীল মূল্যস্ফীতির হার। B) ০১ - ০৫ শতাংশ — এটি সাধারণত উন্নত বা শিল্পোন্নত দেশের জন্য আদর্শ মূল্যস্ফীতির মাত্রা। C) ০৯ - ০৯ থেকে বারো শতাংশ — এই মাত্রাটি উন্নয়নশীল দেশের জন্য অতিরিক্ত বেশি এবং তা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। D) ১৩ - ১৫ শতাংশ — এটি উচ্চ মূল্যস্ফীতি বা অতিমূল্যস্ফীতির নির্দেশক, যা অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: উন্নয়নশীল দেশের জন্য সহনশীল মাত্রা ছয় থেকে আট শতাংশ।
19. কোন বছর পাকিস্তান সরকার বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৫৬ কেন সঠিক: - পাকিস্তান সরকার ১৯৫৬ সালের সংবিধানের ২১৪ অনুচ্ছেদে উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকেও পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়। - দীর্ঘ ভাষা আন্দোলনের মুখে এটি প্রথম কোনো সংবিধানে আইনি স্বীকৃতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫২ — এটি রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক বছর, কিন্তু এই বছর কোনো সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। B) ১৯৫৪ — এই বছর যুক্তফ্রন্ট সরকার প্রাদেশিক নির্বাচনে জয়লাভ করে এবং ২১ দফার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব পাস করে, তবে কেন্দ্রীয় স্বীকৃতি মিলেনি। D) ১৯৬৯ — এই বছর ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়, যা ভাষা স্বীকৃতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলন হলো ১৯৫২ সালে, আর সংবিধানে স্বীকৃতি মিললো চার বছর পর ১৯৫৬ সালে।
20. তমুদ্দুন মজসিল এর নেতা আবুল কাশেম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিষয়ের শিক্ষক ছিলেন?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পদার্থ বিজ্ঞান কেন সঠিক: - আবুল কাশেম ১৯৪৭ সালের লা সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত সাংস্কৃতিক সংগঠন তমুদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রধান সংগঠক ছিলেন। - তিনি পেশাগত জীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রসায়ন — আবুল কাশেমের পেশাগত শিক্ষাগত ও গবেষণার ক্ষেত্র রসায়ন ছিল না। B) গণিত — তিনি গণিত বিভাগের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন না। সি) ইতিহাস — ইতিহাস বিভাগ তাঁর পেশাগত পরিচিতির অংশ নয়। ডি) পদার্থ বিজ্ঞান — এটি সঠিক কারণ তিনি পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। মনে রাখার টিপস: পদার্থের শক্তি যেমন বল বা গতি তৈরি করে, তেমনি বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক আবুল কাশেম তমুদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠা করে ভাষা আন্দোলনের শক্তির উৎস তৈরি করেছিলেন।
21. স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান 'জল্লাদের দরবার' এর রচয়িতা কে ছিলেন?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) কল্যাণ মিত্র কেন সঠিক: - কল্যাণ মিত্র রচিত 'জল্লাদের দরবার' ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে নিয়মিত প্রচারিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ঐতিহাসিক নাটক ও ব্যঙ্গাত্মক অনুষ্ঠান ছিল। - এই অনুষ্ঠানে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের কুকর্ম এবং পশুতুল্য আচরণ অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নারায়ন ঘোষ (মিতা) — তিনি একজন বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সাথে যুক্ত হলেও এই অনুষ্ঠানের রচয়িতা ছিলেন না। B) রাজু আহমেদ — তিনি একজন বিশিষ্ট অভিনেতা ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন, কিন্তু এই জনপ্রিয় অনুষ্ঠানটির রচয়িতা হিসেবে পরিচিত নন। C) এম আর আকতার মুকুল — তিনি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত বিখ্যাত 'চরমপত্র' অনুষ্ঠানের রচয়িতা ও কথক ছিলেন, 'জল্লাদের দরবার'-এর নন। D) কল্যাণ মিত্র — তিনি সরাসরি এই জনপ্রিয় অনুষ্ঠানটির রচয়িতা এবং এর মাধ্যমে তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধে অনন্য অবদান রেখেছিলেন। মনে রাখার টিপস: জল্লাদদের বিচার করতে কল্যাণকর কাজ দরকার, তাই 'জল্লাদের দরবার' অনুষ্ঠানের রচয়িতা কল্যাণ মিত্র।
22. কোন তারিখে আসাদুজ্জামান আসাদ পুলিশের গুলিতে শহীদ হন?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০ জানুয়ারি ১৯৬৯ কেন সঠিক: - ১৯৬৯ সালের এই দিনে ১১ দফা দাবি আদায়ের আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক বটতলায় পুলিশের গুলিতে শহীদ হন ছাত্রনেতা আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বা শহীদ আসাদ। - তার এই আত্মত্যাগের ফলে তৎকালীন আইয়ুব খানের সামরিক সরকার বিরোধী আন্দোলন তীব্র গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয় এবং স্বৈরাচারের পতন ত্বরান্বিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮ জানুয়ারি ১৯৬৯ — এই তারিখে আসাদুজ্জামান আসাদ শহীদ হননি, এটি ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলনের একটি সাধারণ দিন ছিল। B) ২০ জানুয়ারি ১৯৬৯ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এই দিনেই তিনি পুলিশের গুলিতে শহীদ হন। C) ২২ জানুয়ারি ১৯৬৯ — শহীদ আসাদের মৃত্যুর পর এই তারিখে সারা দেশে শোক ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়েছিল। D) ২৪ জানুয়ারি ১৯৬৯ — এই তারিখে আসাদ স্মরণে এবং ১১ দফা দাবিতে আন্দোলন চলাকালে পুলিশের গুলিতে নবকুমার ইনস্টিটিউটের ছাত্র মকবুলসহ আরও বেশ কয়েকজন শহীদ হন। মনে রাখার টিপস: ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদ শহীদ হন, তাই সাল ১৯৬৯ এবং তারিখ ২০ জানুয়ারি মনে রাখতে হবে।
25. ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রধানত
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা সঠিক উত্তর: C) নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করে কেন সঠিক: - ক্ষুদ্রঋণ সংস্থাগুলো সাধারণত নারীদের টার্গেট করে ঋণ বিতরণ করে থাকে, যা তাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে উৎসাহিত করে। - এর মাধ্যমে গ্রামীণ নারীরা হস্তশিল্প, গবাদিপশু পালন ও কুটির শিল্পের মতো ছোট ব্যবসা শুরু করার সুযোগ পান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দারিদ্র হ্রাস করে — এটি ক্ষুদ্রঋণের একটি সামগ্রিক দীর্ঘমেয়াদের লক্ষ্য হলেও, গ্রামীণ অর্থনীতিতে এর সবচেয়ে দৃশ্যমান ও প্রধান প্রত্যক্ষ প্রভাব হলো নারীর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধি। B) ভিক্ষাবৃত্তি হ্রাস করে — এটি ক্ষুদ্রঋণের পরোক্ষ ফলাফল হতে পারে, তবে গ্রামীণ অর্থনীতিতে ব্যাপকভিত্তিক কর্মসংস্থান ও কার্যক্রমের মূল বৈশিষ্ট্য এটি নয়। C) নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক ও সরাসরি প্রযোজ্য উত্তর, কারণ গ্রামীণ ক্ষুদ্রঋণ গ্রহীতাদের প্রায় নব্বই শতাংশই নারী। D) নারীর অংশগ্রহণ হ্রাস করে — এটি সম্পূর্ণ ভুল তথ্য, কারণ ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পুরুষদের তুলনায় নারীদের অংশগ্রহণকেই সবচেয়ে বেশি ত্বরান্বিত করেছে। মনে রাখার টিপস: ক্ষুদ্রঋণ মানেই নারীদের অর্থনৈতিক মুক্তি ও কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি।
27. কোন মুসলিম চিন্তাবিদ প্রথম দ্বিমুখী তত্ত্ব সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেন?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ আহমদ খান কেন সঠিক: - স্যার সৈয়দ আহমদ খান আলিগড় আন্দোলনের মাধ্যমে মুসলমানদের আধুনিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি রাজনীতিতে তাদের স্বতন্ত্র সত্তার কথা প্রথম তুলে ধরেন। - তিনি ব্রিটিশ ভারতের রাজনীতিতে হিন্দু ও মুসলমানকে দুটি পৃথক জাতি হিসেবে বিবেচনা করার ধারণা স্পষ্ট করেন, যা পরবর্তীতে দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তি গড়ে তোলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাওলানা আকরম খাঁ — তিনি বাংলার একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও ইসলামী চিন্তাবিদ ছিলেন, কিন্তু দ্বিমুখী বা দ্বিজাতি তত্ত্বের প্রবক্তা নন। B) সৈয়দ আহমদ খান — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। C) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ — তিনি দ্বিজাতি তত্ত্বকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়ে পাকিস্তান আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে নেতৃত্ব দেন, কিন্তু প্রথম ধারণা দেননি। D) আল্লামা ইকবাল — তিনি রাজনৈতিকভাবে পৃথক মুসলিম রাষ্ট্রের প্রথম স্বপ্নদ্রষ্টা হলেও দ্বিমুখী তত্ত্বের প্রাথমিক ধারণা স্যার সৈয়দ আহমদ খান দিয়েছিলেন। মনে রাখার টিপস: দ্বিমুখী বা দ্বিজাতি তত্ত্বের ধারণার ক্ষেত্রে সৈয়দ আহমদ খানের নাম মনে রাখতে হবে, কারণ তিনি প্রথম মুসলমানদের আলাদা রাজনৈতিক সত্তার কথা বলেন।
28. বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে চুরি করা অর্থ পাচার করা হয়-
Created 1 week ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
**প্রশ্নের ধরন:** বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও সাম্প্রতিক অপরাধ তথ্য **সঠিক উত্তর:** প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক নয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে চুরি করা অর্থ ফিলিপাইন ও শ্রীলঙ্কায় পাচার করা হয়েছিল বলা হলেও, মূল অর্থ চুরি ও পাচারের প্রধান ঘটনা ঘটেছিল ফিলিপাইন ও যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে (শ্রীলঙ্কায় সামান্য অংশ সাময়িকভাবে গেলেও মূল লেনদেন ফিলিপাইন কেন্দ্রিক ছিল)। তবে আন্তর্জাতিক তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে যে চুরি যাওয়া ৮ কোটি ১০ লক্ষ মার্কিন ডলারের প্রায় পুরোটাই ফিলিপাইনের ক্যাসিনো ও ব্যাংকিং খাতের মাধ্যমে পাচার করা হয়েছিল। তাই এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হওয়া উচিত ফিলিপাইন ও যুক্তরাষ্ট্র বা ফিলিপাইন এককভাবে, তবে পরীক্ষামূলক প্রমিত উত্তর অনুযায়ী সঠিক উত্তর হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ফিলিপাইনে (অপশন সি)। এখানে প্রদত্ত উত্তর (ডি) শ্রীলঙ্কা ও ফিলিপাইনে আংশিক ভুল। **কেন সঠিক:** - ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে সাইবার হামলার মাধ্যমে ৮ কোটি ১০ লক্ষ মার্কিন ডলার চুরি করা হয়। - এই চুরির অর্থ ফিলিপাইনের ক্যাসিনো এবং যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাকাউন্ট ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে পাচার করা হয়েছিল। **বাকি অপশন কেন ভুল:** A) যুক্তরাষ্ট্র ও ইন্দোনেশিয়ায় — যুক্তরাষ্ট্র অর্থ স্থানান্তরের সাথে যুক্ত থাকলেও ইন্দোনেশিয়া এই রিজার্ভ চুরির অর্থ পাচারের মূল রুট ছিল না। B) যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতে — ভারত এই সাইবার অপরাধ ও অর্থ পাচার চক্রের সাথে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে যুক্ত ছিল না। C) যুক্তরাষ্ট্র ও ফিলিপাইনে — এটিই মূলত সঠিক তথ্য কারণ ফিলিপাইনের ক্যাসিনো এবং যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকিং মাধ্যম ব্যবহার করে টাকা সরানো হয়। D) শ্রীলঙ্কা ও ফিলিপাইনে — শ্রীলঙ্কায় সামান্য কিছু অর্থ স্থানান্তরের চেষ্টা হলেও তা দ্রুত আটকে দেওয়া হয়, তাই প্রধান পাচার কেন্দ্র হিসেবে শ্রীলঙ্কা সঠিক নয়। **মনে রাখার টিপস:** বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরির টাকা ফিলিপাইনের ক্যাসিনোয় উড়েছিল এবং যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক ঘুরেছিল।
30. বাংলাদেশ কোন দুটি দেশ হতে সিংহভাগ সয়াবিন তেল আমদানি করে?
Created 1 week ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল কেন সঠিক: - লাতিন আমেরিকার এই দুটি দেশ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সয়াবিন তেল উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারক দেশ। - বাংলাদেশ ভোজ্যতেলের চাহিদার সিংহভাগ মেটাতে এই দুই দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ সয়াবিন তেল আমদানি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া — এই দেশগুলো থেকে বাংলাদেশ মূলত পাম তেল আমদানি করে থাকে, সয়াবিন তেল নয়। B) ভারত ও চীন — এই দেশগুলো বাংলাদেশের প্রধান সয়াবিন তেল আমদানির উৎস নয়, চীন বরং নিজেই বড় আমদানিকারক। C) জার্মানি ও ভিয়েতনাম — এই দেশগুলো বাংলাদেশের সয়াবিন তেল আমদানির বাণিজ্য তালিকার প্রধান উৎস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত নয়। D) আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভোজ্যতেল বাণিজ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: সয়াবিন তেলের ক্ষেত্রে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলকে মনে রাখতে হবে।
32. বাংলাদেশের বৃহত্তম সার কারখানার নাম-
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড কেন সঠিক: - বাংলাদেশ রাসায়নিক শিল্প করপোরেশনের (BCIC) অধীনে এটি দেশের বৃহত্তম সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। - নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় অবস্থিত এই কারখানাটির উৎপাদন ক্ষমতা অন্য যেকোনো সচল কারখানার চেয়ে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড — এটি ঘোড়াশালে অবস্থিত এবং এটি দেশের বৃহত্তম সার কারখানা নয়। B) ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড — এটি সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে অবস্থিত একটি প্রাচীন কারখানা, যা বৃহত্তম নয়। C) পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড — এটি জামালপুরের সারিয়াকান্দিতে অবস্থিত এবং এটিও বৃহত্তম সার কারখানা নয়। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে বড় সার কারখানা পলাশ ফুলে সাজানো, তাই বৃহত্তম কারখানা হলো পলাশ ইউরিয়া।
33. কোন অনুচ্ছেদ মূলে বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলি পরিবর্তনযোগ্য নয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনুচ্ছেদ ৭(খ) কেন সঠিক: - সংবিধানে ৭(ক) অনুচ্ছেদের মাধ্যমে সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলি অমোচনীয় ও পরিবর্তন অযোগ্য করা হয়েছে। - পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই অনুচ্ছেদ যুক্ত করে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ও সংবিধানের প্রাধান্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুচ্ছেদ ৭ — এটি সংবিধানের সর্বোচ্চ আইন সম্পর্কে বলে, যা মৌলিক বিধান পরিবর্তনের অযোগ্যতা সরাসরি নির্দেশ করে না। B) অনুচ্ছেদ ৮ — এটি বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ। C) অনুচ্ছেদ ৭(ক) — এটি সংবিধানের বাতিলকরণ ও স্থগিতকরণ অপরাধ ঘোষণা সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ। D) অনুচ্ছেদ ৭(খ) — এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলি পরিবর্তনযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মৌলিক বিধান পরিবর্তন করা যাবে না খ দিয়ে খতম, তাই ৭(খ) মনে রাখুন।
34. বাংলাদেশের সংবিধানের রক্ষাকর্তা -
Created 1 week ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট কেন সঠিক: - সংবিধানের সপ্তম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং সংবিধান হলো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। - সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষার্থে রিট জারি করার এবং সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রদান করার পূর্ণ এখতিয়ার রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রেসিডেন্ট — রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান হলেও তিনি সংবিধানের রক্ষাকর্তা নন, বরং তিনি সংবিধান সংরক্ষণ ও রক্ষার শপথ নেন মাত্র। B) জাতীয় সংসদ — জাতীয় সংসদ আইন প্রণয়ন করে থাকে, কিন্তু সংবিধানের ব্যাখ্যা দেওয়া বা এর রক্ষাকর্তা হিসেবে কাজ করার সাংবিধানিক দায়িত্ব সুপ্রীম কোর্টের। C) বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ আদালত সংবিধানের চূড়ান্ত ব্যাখ্যাকারী ও রক্ষাকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। D) হাই কোর্ট — হাইকোর্ট বিভাগ সুপ্রীম কোর্টের একটি অংশ মাত্র, কিন্তু সুপ্রীম কোর্ট বলতে হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগ উভয়কেই বোঝায়। মনে রাখার টিপস: আইনের ব্যাখ্যা ও সংবিধান রক্ষা করার চূড়ান্ত ক্ষমতা বিচার বিভাগের অর্থাৎ সুপ্রীম কোর্টের হাতে ন্যস্ত থাকে।

মোট প্রশ্ন (17)

1. কোন স্পেস টেলিস্কোপ ২০২১ সালে হাবল টেলিস্কোপের স্থল অভিষিক্ত হয়?
Created 1 week ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জেমস ওয়েব ১. কেন সঠিক: জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ হলো নাসার তৈরি একটি অত্যাধুনিক মহাশূন্য দূরবীক্ষণ যন্ত্র যা ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে মহাকাশে পাঠানো হয়। এটি মূলত বিখ্যাত হাবল স্পেস টেলিস্কোপের পরবর্তী প্রজন্ম বা উত্তরসূরি হিসেবে মহাকাশের আদিম গ্যালাক্সিগুলো পর্যবেক্ষণ করার জন্য কাজ শুরু করেছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: জ্যোতির্বিজ্ঞান ও মহাকাশ প্রযুক্তি কার্যপ্রণালি: জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ ইনফ্রারেড বা অবলোহিত আলো ব্যবহার করে মহাকাশের অতিদূরবর্তী বস্তু দেখতে পায় যা হাবল টেলিস্কোপের পক্ষে দেখা সম্ভব ছিল না। বাস্তব প্রয়োগ: এই টেলিস্কোপের সাহায্যে বিগ ব্যাং বা মহা বিস্ফোরণের ঠিক পরের গ্যালাক্সিগুলোর ছবি তোলা সম্ভব হচ্ছে এবং ভিনগ্রহের বায়ুমণ্ডল বিশ্লেষণ করা যাচ্ছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুয়াশা ভেদ করে ইনফ্রারেড ক্যামেরার সাহায্যে ছবি তোলা। ব্যাখ্যা: জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ ধূলিমেঘ ভেদ করে ইনফ্রারেড রশ্মির মাধ্যমে গ্যালাক্সির জন্মরহস্য উদ্ঘাটন করে। উদাহরণ ২: রাতের চশমা ব্যবহার করে অন্ধকারে দেখা। ব্যাখ্যা: ইনফ্রারেড প্রযুক্তির সাহায্যে যেমন অন্ধকার বা আস্তরণ ভেদ করা যায়, তেমনি জেমস ওয়েব মহাকাশের ধূলি ভেদ করে ভেতরের নক্ষত্র দেখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেমস ওয়েব — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ২০২১ সালে হাবল টেলিস্কোপের স্থলাভিষিক্ত হয়ে মহাকাশ গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। B) পাথ ফাইন্ডার — এটি মঙ্গলে প্রেরিত একটি রোভার বা ল্যান্ডার ছিল, কোনো স্পেস টেলিস্কোপ নয়। C) স্পিটজার — এটি একটি ইনফ্রারেড স্পেস টেলিস্কোপ যা ২০০৩ সালে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল, হাবলের স্থল অভিষিক্ত নয়। D) জন কেপলার — এটি কেপলার স্পেস টেলিস্কোপের সঙ্গে সম্পর্কিত যা বহির্গ্রহ আবিষ্কারের জন্য পরিচিত, হাবলের উত্তরসূরি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: জেমস ওয়েব হলো মহাকাশ গবেষণার বর্তমান ওয়েব বা জালের মতো বিশ্বজোড়া বিস্ময় যা হাবলের পর ২০২১ সালে এসেছে। হাবল হলো দৃশ্যমান আলোর রাজা এবং জেমস ওয়েব হলো ইনফ্রারেড আলোর রাজা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ কোন দেশ বা সংস্থার প্রকল্প তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে এটি মূলত নাসা, ইসা এবং কানাডিয়ান মহাকাশ সংস্থার যৌথ প্রকল্প। হাবল টেলিস্কোপ কবে মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল এবং এর মূল কাজ কী ছিল, তা জেনে রাখা ভালো।
4. ফিটকিরিতে কত অণু পানি থাকে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ ১. কেন সঠিক: ফিটকিরি হলো পটাশিয়াম অ্যালুমিয়াম সালফেটের একটি জলীয় কেলাসম লবন যার রাসায়নিক সংকেত পটাশিয়াম সালফেট, অ্যালুমিয়াম সালফেট এবং চব্বিশ অণু পানির সমন্বয়ে গঠিত। এই লবণের কেলাস গঠনে নির্দিষ্ট অনুপাতে পানি যুক্ত থাকে যাকে কেলাসন পানি বলা হয় এবং ফিটকিরির ক্ষেত্রে এই পানির পরিমাণ ঠিক চব্বিশ অণু। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: কেলাসন পানি হলো সেই পানি যা লবণের অণুর সঙ্গে সুনির্দিষ্ট রাসায়নিক অনুপাতে যুক্ত থেকে কেলাস গঠন করে এবং এর জ্যামিতিক আকৃতি বজায় রাখে। রাসায়নিক সংকেত: পটাশিয়াম অ্যালুমিয়াম সালফেট ডোডেকাহাইড্রেট বা ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত হলো কেএএল সালফেট টু ফোর ডট টু ফোর এইচ টু ও। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ময়লা পানি পরিষ্কার করার কাজে ফিটকিরি ব্যবহার করা হয় কারণ এর অণুতে থাকা অ্যালুমিয়াম আয়ন পানির ভাসমান কণার সঙ্গে বিক্রিয়া করে তলানি ফেলে। ব্যাখ্যা: ফিটকিরির কেলাসন পানির উপস্থিতি এর আণবিক গঠন এবং কঠিন অবস্থা বজায় রাখতে সাহায্য করে যা পানিতে দ্রবীভূত হওয়ার সময় এই কার্যকারিতা দেখায়। উদাহরণ ২: শেভ করার পর ত্বকের কাটাছেঁড়ায় জীবাণুনাশক ও রক্ত বন্ধ করার জন্য ফিটকিরি ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: ফিটকিরির রাসায়নিক গঠন ত্বকের প্রোটিনকে জমাট বাঁধাতে সাহায্য করে রক্তপাত বন্ধ করে, যেখানে এর স্ফটিক রূপটি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪ — এটি সঠিক উত্তর কারণ পটাশিয়াম অ্যালুমিয়াম সালফেটের প্রতি এক অণু লবণের সঙ্গে চব্বিশ অণু পানি কেলাসন পানি হিসেবে যুক্ত থাকে। B) ১৫ — এটি ভুল কারণ ১৫ অণু পানি অন্য কিছু নির্দিষ্ট ধাতব লবণের কেলাসে থাকতে পারে কিন্তু ফিটকিরির ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটি প্রযোজ্য নয়। C) ৭ — এটি ভুল কারণ ৭ অণু পানি তামা sulfate বা জিংক সালফেটের হেপ্টাহাইড্রেট লবণের কেলাসে থাকে যা ফিটকিরি নয়। D) ৫ — এটি ভুল কারণ ৫ অণু পানি সাধারণত কপার সালফেটের পেন্টাহাইড্রেট লবণে বা তুঁতেতে পাওয়া যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: ফিটকিরি শব্দটিতে চার অক্ষর আছে এবং এর পানির অণুর সংখ্যাও চব্বিশ দিয়ে শেষ হয়, তাই ফিটকিরি দেখলেই চব্বিশ অণু পানি মনে রাখবে। লবণের নামের সঙ্গে ডোডেকাহাইড্রেট শব্দটিও এর পানির পরিমাণকে নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত এবং এতে পানির অণুর সংখ্যা কত তা জানতে চাওয়া হয়। একই ধারণা থেকে তেমতো তুঁতেতে পানির অণু কয়টি বা জিপসামে পানির অণু কয়টি—এই ধরনের প্রশ্নও পরীক্ষায় আসতে পারে।
5. কোন গ্রহে 'Curiosity' মহাকাশযানটি প্রেরণ করা হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মঙ্গল ১. কেন সঠিক: - কিউরিওসিটি রোভার হলো মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা কর্তৃক প্রেরিত একটি যান, যা ২০১২ সালের আগস্ট মাসে মঙ্গলের পৃষ্ঠে সফলভাবে অবতরণ করে। - এই অভিযانর মূল উদ্দেশ্য ছিল মঙ্গলের পরিবেশ, জলবায়ু এবং সেখানে অতীতে কখনো অণুজীব বা প্রাণের অস্তিত্ব ছিল কি না তা গবেষণা করা। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: জ্যোতির্বিজ্ঞান ও মহাকাশ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে মঙ্গল গ্রহে বিভিন্ন রোবটিক যান পাঠানো হয়। - কার্যপ্রণালি: কিউরিওসিটি পারমাণবিক শক্তির সাহায্যে চলে এবং এর ভেতরে থাকা অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরির মাধ্যমে মাটির নমুনা বিশ্লেষণ করে। - বাস্তব প্রয়োগ: সুদূর মহাকাশের গ্রহে মানুষের সরাসরি যাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এই ধরনের রোবট যান ব্যবহার করে নিরাপদ দূরত্বে থেকে বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পারসিভিয়ারেন্স রোভার ব্যাখ্যা: এটিও মঙ্গল গ্রহে প্রেরিত আরেকটি বিখ্যাত যান যা ২০২১ সালে সেখানে অবতরণ করে এবং প্রাচীন প্রাণের লক্ষণ খুঁজছে। উদাহরণ ২: ক্যাসিনি মহাকাশযান ব্যাখ্যা: এটি শনি গ্রহের চারপাশে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করেছিল, যা গ্রহ সম্পর্কে আমাদের ধারণা বদলে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শনি — শনি গ্রহে কিউরিওসিটি পাঠানো হয়নি, শনি অধ্যয়নের জন্য ক্যাসিনি এবং হয়জেনস মহাকাশযান পাঠানো হয়েছিল। B) মঙ্গল — এটি সঠিক উত্তর কারণ কিউরিওসিটি মঙ্গল গ্রহের গেইল ক্রেটারে অবতরণ করে গবেষণা পরিচালনা করছে। C) বৃহস্পতি — বৃহস্পতি গ্রহে কিউরিওসিটি পাঠানো হয়নি, এই গ্রহে জুনো এবং গ্যালিলিও মহাকাশযান পাঠানো হয়েছে। D) ইউরেনাস — ইউরেনাস গ্রহে এখন পর্যন্ত মাত্র একটি মহাকাশযান ভয়েজার ২ পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তথ্য পাঠিয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - কিউরিওসিটি শব্দের অর্থ কৌতূহল। লাল গ্রহ বা মঙ্গল সম্পর্কে মানুষের কৌতূহল মেটাতেই এই যান পাঠানো হয়েছে। - মঙ্গল গ্রহের ইংরেজি নাম মার্স এবং কিউরিওসিটির প্রথম অক্ষর সি, এভাবে মার্স ও কিউরিওসিটির সংযোগ মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নাসা ২০১২ সালে কিউরিওসিটি রোভার মঙ্গল গ্রহে পাঠায়। - একই বৈজ্ঞানিক ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে মঙ্গলে প্রেরিত প্রথম রোবটের নাম কী অথবা পারসিভিয়ারেন্স কোন গ্রহের যান।
6. হাইড্রোজেন বোমায় ক্রিয়া করে-
Created 1 week ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফিশন ও ফিউশন উভয়টিই ১. কেন সঠিক: - হাইড্রোজেন বোমার মূল শক্তি উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় পারমাণবিক ফিশন এবং ফিউশন উভয় বিক্রিয়াই ধারাবাহিকভাবে ঘটে থাকে। - প্রথমে সাধারণ ফিশন বোমা ফাটিয়ে প্রচণ্ড তাপ ও চাপ সৃষ্টি করা হয়, যা হাইড্রোজেন আইসোটোপের ফিউশন বিক্রিয়া শুরু করতে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: হাইড্রোজেন বোমা মূলত ফিউশন বিক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হলেও এর শুরুতে ফিশন প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হয়। - কার্যপ্রণালি: বোমার ভেতরে থাকা প্রাথমিক ফিশন ট্রিগার অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রা এবং চাপের সৃষ্টি করে, যা ফিউশনযোগ্য হালকা পরমাণুকে যুক্ত করে। - কারণ ও ফলাফল: ফিউশন বিক্রিয়ার ফলে বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয়, যা পারমাণবিক ফিশন বোমার চেয়ে শতগুণ বেশি শক্তিশালী ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যের শক্তি উৎপাদন ব্যাখ্যা: সূর্যের অভ্যন্তরে হাইড্রোজেন পরমাণু একত্রিত হয়ে হিলিয়াম তৈরির ফিউশন প্রক্রিয়া অবিরাম চলছে, যা হাইড্রোজেন বোমার মূল নীতির সঙ্গে তুলনীয়। উদাহরণ ২: থার্মোনিউক্লিয়ার বিস্ফোরণ ব্যাখ্যা: পরীক্ষাগারে বা মহাকাশে নিয়ন্ত্রিত ও অনিয়ন্ত্রিত থার্মোনিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় ফিশন ও ফিউশন শক্তির যৌথ প্রয়োগ দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিশন বিক্রিয়া — শুধু ফিশন বিক্রিয়া ব্যবহার করা হয় পরমাণু বোমা বা ইউরেনিয়াম বোমায়, যা হাইড্রোজেন বোমার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করে না। B) ফিউশন বিক্রিয়া — শুধু ফিউশন বললে আংশিক সত্য হয় কারণ ফিউশন শুরু করার জন্য ফিশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রাথমিক তাপ ও চাপ তৈরি করতেই হয়। C) ফিশন ও ফিউশন উভয়টিই — এই অপশনটি সঠিক কারণ হাইড্রোজেন বোমার কার্যপ্রণালিতে ফিশন এবং ফিউশন দুটি বিক্রিয়াই পর্যায়ক্রমে ঘটে থাকে। D) সাধারণ রাসায়নিক বিক্রিয়া — হাইড্রোজেন বোমা কোনো সাধারণ রাসায়নিক বিক্রিয়া নয়, এটি সম্পূর্ণভাবে নিউক্লীয় বা পারমাণবিক বিক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল। ৫. মনে রাখার টিপস: - হাইড্রোজেন বোমা মানেই মাথায় রাখতে হবে ছোট ফিশন বিস্ফোরণ দিয়েই শুরু হয় বড় ফিউশন বিক্রিয়া। - ফিউশন শব্দের অর্থ জোড়া লাগা, আর ফিশন শব্দের অর্থ ভেঙে যাওয়া। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন বোমা বেশি শক্তিশালী এবং তার মূল ভিত্তি কী। - পারমাণবিক বোমা চলে ফিশন নীতিতে, আর হাইড্রোজেন বোমা চলে ফিউশন ও ফিশন উভয় নীতির সমন্বয়ে।
8. আল্ট্রাসোনোগ্রাফিতে ব্যবহৃত শব্দের কম্পাঙ্ক কত?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০১ - ১০ মেগাহার্জ ১. কেন সঠিক: আল্ট্রাসোনোগ্রাফিতে শব্দ তরঙ্গের কম্পাঙ্ক ১ থেকে ১০ মেগাহার্জ ব্যবহার করা হয়। এই উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ মানবদেহের টিস্যুর ভেতরে প্রবেশ করে বিভিন্ন ঘনত্বের অঙ্গের ছবি তৈরি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: আল্ট্রাসাউন্ড বা শ্রবণোত্তর শব্দ হলো এমন শব্দ যার কম্পাঙ্ক কুড়ি হাজার হার্জের বেশি। কার্যপ্রণালি: প্রোব বা ট্রান্সডিউসার দেহের ভেতরে শব্দ তরঙ্গ পাঠায় এবং প্রতিফলিত প্রতিধ্বনিকে কম্পিউটারের মাধ্যমে চিত্রে রূপান্তর করে। বাস্তব প্রয়োগ: গর্ভস্থ শিশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং হৃদপিণ্ড বা যকৃতের রোগ নির্ণয়ে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ। ব্যাখ্যা: উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করে ক্ষতিকর বিকিরণ ছাড়াই গর্ভস্থ শিশুর পরিষ্কার ছবি দেখা যায়। উদাহরণ ২: ইকোকার্ডিওগ্রাফি বা হৃদপিণ্ডের পরীক্ষা। ব্যাখ্যা: এই পরীক্ষার মাধ্যমে হৃদপিণ্ডের ভালভ ও রক্তপ্রবাহের চিত্র নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.০১ - ০১ মেগাহার্জ — এই কম্পাঙ্ক আল্ট্রাসোনোগ্রাফির জন্য অত্যন্ত কম এবং শরীরের ভেতরে পরিষ্কার প্রতিসরণ তৈরি করতে পারে না। B) ০১ - ১০ মেগাহার্জ — এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের আল্ট্রাসোনোগ্রাফিতে বহুল ব্যবহৃত এবং আদর্শ কম্পাঙ্কের পরিসর। C) ১০ - ২০ মেগাহার্জ — এই উচ্চ কম্পাঙ্কের পরিসর কিছু বিশেষ উচ্চ রেজোলিউশনের স্ক্যানে ব্যবহৃত হয়, যা সাধারণ আল্ট্রাসোনোগ্রাফির মূল মান নয়। D) ২০ - ৩০ মেগাহার্জ — এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রচলিত আল্ট্রাসোনোগ্রাফিতে সাধারণত ব্যবহৃত হয় না কারণ এর ভেদন ক্ষমতা খুব কম। ৫ মনে রাখার টিপস: আল্ট্রাসোনোগ্রাফি শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ আল্ট্রাসাউন্ড এবং এর কম্পাঙ্ক মনে রাখতে ১ থেকে ১০ মেগাহার্জ সংখ্যা দুটি মনে রাখবে। চিকিৎসা বিজ্ঞানে মেগাহার্জ এককের মান সবসময় ছোট পরিসরে অর্থাৎ ১ থেকে ১০ এর মধ্যে থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পাঙ্কের একক হলো হার্জ এবং ১ মেগাহার্জ সমান ১০ লক্ষ হার্জ। এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস এবং মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রায়ই তরঙ্গ ও শব্দ অধ্যায় থেকে আসে।
10. সেরিকালচার বলতে বোঝায়-
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রেশম পোকা চাষ ১. কেন সঠিক: - সেরিকালচার হলো রেশম পোকা চাষের বৈজ্ঞানিক ও বাণিজ্যিক প্রক্রিয়া। - এর মাধ্যমে তুঁত গাছের পাতা খাইয়ে রেশম পোকা লালন-পালন করা হয় এবং রেশম সুতা সংগ্রহ করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সেরিকালচার হলো প্রাণিবিজ্ঞানের একটি বিশেষ শাখা যেখানে রেশম উৎপাদনের উদ্দেশ্যে রেশম পোকা বা বোম্বিক্স মোরি চাষ করা হয়। - কার্যপ্রণালি: রেশম পোকা তুঁত পাতা খেয়ে লার্ভা থেকে পিউপা দশায় রূপান্তরিত হওয়ার সময় লালাগ্রন্থি থেকে এক প্রকার প্রোটিনজাতীয় পদার্থ নিসরণ করে কোকুন তৈরি করে। - কারণ ও ফলাফল: এই কোকুনগুলো থেকে উন্নত মানের রেশম বা সিল্ক সুতা পাওয়া যায় যা বস্ত্রশিল্পে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশের রাজশাহী অঞ্চলে রেশম চাষ বা সেরিকালচার ব্যাপকভাবে প্রচলিত। ব্যাখ্যা: সেখানকার আবহাওয়া ও তুঁত গাছের প্রাচুর্য রেশম পোকা পালনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। উদাহরণ ২: চীন ও ভারত বিশ্বে রেশম উৎপাদনে শীর্ষস্থানীয়। ব্যাখ্যা: এই দেশগুলোতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সেরিকালচার পরিচালনা করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুলা চাষ — তুলা চাষকে উদ্ভিদবিজ্ঞানের ভাষায় এগ্রিকালচার বা বিশেষায়িত কৃষির অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যা টেক্সটাইল ফাইবার উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। B) নীল চাষ — নীল চাষ হলো নীলকর উদ্ভিদ থেকে নীল রং তৈরির প্রাচীন কৃষি প্রক্রিয়া, যা ব্রিটিশ আমলে বাংলার ইতিহাসে রাজনৈতিক গুরুত্ব বহন করে। C) রেশম পোকা চাষ — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বৈজ্ঞানিকভাবে একে সেরিকালচার বলা হয়। D) তামাক চাষ — তামাক চাষ হলো নিকোটিনযুক্ত পাতা উৎপাদনের একটি ক্ষতিকর কৃষি প্রক্রিয়া, যাকে এগ্রিকালচারের আওতাভুক্ত করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সেরিকালচার শব্দটির সিল্ক বা রেশম শব্দের সঙ্গে মিল রয়েছে। - রেশম পোকার ইংরেজি সিল্ক ওয়ার্ম এবং সেরিকালচার শব্দটি সিল্ক উৎপাদনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় বিভিন্ন ধরনের কালচার যেমন এপিকালচার পিসিকালচার এবং হর্টিকালচার প্রায়ই আসে। - মৎস্য চাষকে পিসিকালচার এবং মধু চাষকে এপিকালচার বলা হয়।
11. EPI এর পূর্ণরূপ কী?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Expanded program on immunization ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক প্রবর্তিত শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষার সর্বজনীন টিকাদান কর্মসূচিকে সঠিকভাবে নির্দেশ করে। - এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো নির্দিষ্ট বয়সের শিশুদের মারাত্মক কিছু সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করা। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: টিকাদান বা ইমিউনাইজেশন হলো দেহে কৃত্রিমভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা অ্যান্টিবডি তৈরির একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। - কার্যপ্রণালি: মৃদু বা নিষ্ক্রিয় জীবাণু শরীরে প্রবেশ করিয়ে ইমিউন সিস্টেমকে সক্রিয় করা হয় যাতে পরবর্তীতে আসল জীবাণু আক্রমণ করতে না পারে। - বাস্তব প্রয়োগ: শিশুদের যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি, ধনুষ্টংকার, হেপাটাইটিস বি এবং পোলিওসহ বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করতে এটি প্রয়োগ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিশুদের যক্ষ্মা প্রতিরোধের জন্য বিসিজি টিকা প্রদান করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি শিশুদের দেহে যক্ষ্মা রোগের বিরুদ্ধে প্রাথমিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে। উদাহরণ ২: পোলিও রোগের বিরুদ্ধে খাওয়ার টিকা বা ওপিভি ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি পোলিও ভাইরাসজনিত পক্ষাঘাত বা অঙ্গহানি রোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Extended Program on immunization — এই শব্দগুচ্ছে Expanded শব্দের বদলে Extended ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রাতিষ্ঠানিক ও দাপ্তরিক নামে ভুল। B) Expanded program on immunization — এটি সঠিক এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত পূর্ণরূপ। C) Essential Polio immunization — এটি শুধু পোলিও টিকাকে নির্দেশ করে, যা সম্পূর্ণ টিকাদান কর্মসূচিকে বোঝাতে পারে না। D) Extended pediatric immunization — এটি পেডিয়াট্রিক বা শিশু চিকিৎসাকেন্দ্রিক বিশেষায়িত শব্দ হলেও অফিসিয়াল পূর্ণরূপ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - EPI নামের শুরুতে E অক্ষর দিয়ে Expanded এবং P অক্ষর দিয়ে Program মনে রাখা যায়। - এভাবে ক্রমানুসারে পূর্ণরূপটি মনে রাখলে পরীক্ষাকেন্দ্রে বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশে এই কর্মসূচি ১৯৭৯ সাল থেকে সফলভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে। - বিশ্বব্যাপী এই কার্যক্রমটি ১৯৭৪ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক চালু করা হয়েছিল।
12. কোন ধাতু পানিতে ফেললে আগুন ধরে যায়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সোডিয়াম ১. কেন সঠিক: - সোডিয়াম অত্যন্ত সক্রিয় ক্ষার ধাতু হওয়ায় পানির সংস্পর্শে আসলে তীব্র রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে আগুন ধরে যায়। - পানির সাথে বিক্রিয়ায় সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড এবং হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয় এবং এই বিক্রিয়ায় প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সোডিয়াম (Na) পর্যায় সারণির প্রথম গ্রুপের একটি ক্ষার ধাতু, যা বাতাসের অক্সিজেন এবং পানির সাথে অত্যন্ত দ্রুত বিক্রিয়া করে। - রাসায়নিক বিক্রিয়া: ২Na + ২H₂O = ২NaOH + H₂ + তাপশক্তি। - কার্যপ্রণালি: সোডিয়াম পানিতে ফেললে এটি পানির সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে এবং বিক্রিয়ার তীব্র তাপে সেই হাইড্রোজেন গ্যাসে আগুন ধরে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরীক্ষাগারে কেরোসিনের নিচে সোডিয়াম সংরক্ষণ করা হয়। ব্যাখ্যা: সোডিয়াম যাতে বাতাসে থাকা জলীয় বাষ্প বা অক্সিজেনের সংস্পর্শে এসে আগুন ধরতে না পারে, তাই এটি কেরোসিনে ডুবিয়ে রাখা হয়। উদাহরণ ২: সোডিয়াম ধাতুর টুকরো ভেজা হাতে ধরা নিষেধ। ব্যাখ্যা: হাতের পানির সাথে বিক্রিয়া করে এটি মারাত্মক বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে এবং হাত পুড়িয়ে দিতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোডিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পানির সাথে তীব্র বিক্রিয়ায় আগুন উৎপন্ন করে। B) ম্যাগনেসিয়াম — এটি একটি সক্রিয় ধাতু তবে সাধারণ তাপমাত্রায় পানির সাথে তীব্রভাবে বিক্রিয়া করে আগুন ধরে না, কেবল গরম পানির সাথে ধীরে বিক্রিয়া করে। C) রেডিয়াম — এটি একটি তেজস্ক্রিয় মৌল এবং এর তেজস্ক্রিয় বিকিরণের জন্য পরিচিত, পানির সাথে সোডিয়ামের মতো আগুন ধরার বিস্ফোরক বিক্রিয়া দেখায় না। D) ইউরেনিয়াম — এটি একটি ভারী তেজস্ক্রিয় ধাতু যা পারমাণবিক জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়, এটি পানির সাথে সোডিয়ামের মতো বিক্রিয়া করে আগুন ধরে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - সোডিয়ামের প্রতীক Na এবং এটি পানিতে পড়লে নাও (Na) বাঁচা যায় না কারণ আগুন ধরে যায়। - সক্রিয়তা সিরিজে সোডিয়াম অনেক ওপরে থাকে বলে এর সক্রিয়তা অত্যন্ত বেশি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন ধাতুকে কেরোসিনে ডুবিয়ে রাখা হয়, যার উত্তর সোডিয়াম। - এই ধাতুগুলো পানিতে ফেললে যে গ্যাস উৎপন্ন হয় তা হলো হাইড্রোজেন গ্যাস।
13. বিরল ভূতল খনিজ (Rare-Earth Minerals) সম্পর্কিত কোন তথ্যটি সঠিক?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এর অসাধারণ চৌম্বক ধর্ম রয়েছে ১. কেন সঠিক: বিরল ভূতল খনিজ বা রেয়ার আর্থ মিনারেলসের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এদের তীব্র চৌম্বক ধর্ম ও অনুঘটক হিসেবে কাজ করার ক্ষমতা। আধুনিক প্রযুক্তিতে শক্তিশালী পার্মানেন্ট ম্যাগনেট তৈরিতে এই ধাতুগুলোর ভূমিকা অপরিহার্য। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পর্যায় সারণির স্ক্যানডিয়াম, ইট্রিয়াম এবং ল্যানথানাইড সিরিজের চৌদ্দটি মৌলসহ মোট সতেরোটি ধাতুকে একসঙ্গে বিরল ভূতল খনিজ বলা হয়। কার্যপ্রণালি: এই মৌলগুলোর পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসে অবিন্যস্ত এফ অরবিটাল থাকে যা শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করতে সাহায্য করে। বাস্তব প্রয়োগ: স্মার্টফোনের স্পিকার, মাইক্রোফোন, বৈদ্যুতিক মোটর এবং উইন্ড টারবাইনের শক্তিশালী চুম্বক তৈরিতে এগুলো ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৈদ্যুতিক গাড়ির ড্রাইভ মোটর। ব্যাখ্যা: নিওডিমিয়াম নামক বিরল ভূতল ধাতু দিয়ে তৈরি শক্তিশালী চুম্বক গাড়ির মোটরের কার্যক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। উদাহরণ ২: উইন্ড টারবাইন বা বায়ুকল। ব্যাখ্যা: বাতাস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য টারবাইনে যে জেনারেটর থাকে, তাতে এই খনিজ দিয়ে তৈরি চুম্বক ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউক্রেন এ খনিজ উৎপাদনে শীর্ষ অবস্থানে আছে — এই তথ্যটি ভুল কারণ বর্তমানে চীন বিরল ভূতল খনিজ উত্তোলনে বিশ্বজুড়ে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। B) লিথিয়াম এই খনিজের মধ্যে অন্যতম সদস্য — এই তথ্যটি সঠিক নয় কারণ লিথিয়াম একটি ক্ষার ধাতু এবং এটি রেয়ার আর্থ এলিমেন্টের অন্তর্ভুক্ত নয়। D) এর মধ্যে ১৫টি ধাতু রয়েছে — এই তথ্যটি ভুল কারণ এই গ্রুপের মধ্যে মোট ১৭টি ধাতু বা মৌল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: রেয়ার আর্থ বা বিরল ভূতল খনিজ মানেই শক্তিশালী চুম্বকত্ব। সংখ্যা ১৭টি এবং উৎপাদনে চীন এক নম্বরে আছে—এই দুটি তথ্য মনে রাখলে বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ভুল এড়ানো সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিরল ভূতল খনিজ বা রেয়ার আর্থ এলিমেন্টগুলোতে মোট ১৭টি মৌল রয়েছে এবং এটি আধুনিক ইলেকট্রনিক্স শিল্পের প্রাণভোমরা। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে চীন কোন খনিজ উৎপাদনে বিশ্বে এক নম্বরে।
14. কোন গ্যাস গ্রিন হাউস ইফেক্ট ঘটায়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মিথেন ১. কেন সঠিক: - মিথেন একটি শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস যা বায়ুমণ্ডলে তাপ আটকে রেখে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি করে। - এই গ্যাসটি সূর্যের আলো প্রবেশ করতে দিলেও পৃথিবী থেকে বিকিরিত তাপ মহাশূন্যে চলে যেতে বাধা দেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত যে গ্যাসগুলো পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ শোষণ করে বায়ুমণ্ডলে ধরে রাখে, সেগুলোকে গ্রিনহাউস গ্যাস বলে। - কার্যপ্রণালি: মিথেন অণুর গঠন এমন যে এটি অবলোহিত বা ইনফ্রারেড রশ্মি শোষণ করতে অত্যন্ত পারদর্শী। - কারণ ও ফলাফল: শিল্পায়ন, কৃষিকাজ ও গবাদিপশু থেকে মিথেন নির্গমন বাড়ার ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধানক্ষেত থেকে মিথেন গ্যাস নির্গমন। ব্যাখ্যা: পচা কাদামাটিতে ব্যাকটেরিয়ার ক্রিয়ায় জৈব পদার্থ পচে মিথেন গ্যাস উৎপন্ন হয় যা বায়ুমণ্ডলে মিশে গ্রিনহাউস প্রভাব তৈরি করে। উদাহরণ ২: গরুর পরিপাকতন্ত্রে মিথেন উৎপাদন। ব্যাখ্যা: গরুর পাকস্থলীতে গ্যাস্ট্রিক ফারমেন্টেশনের মাধ্যমে প্রচুর মিথেন গ্যাস তৈরি হয় যা ঢেঁকুর ও বায়ুর মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলে ছড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইড্রোজেন — এটি অত্যন্ত হালকা গ্যাস এবং প্রধানত জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি গ্রিনহাউস ইফেক্ট ঘটায় না। B) নাইট্রোজেন — বায়ুমণ্ডলের প্রায় ৭৮ শতাংশ দখল করে থাকা এই নিষ্ক্রিয় গ্যাসটি তাপ শোষণ করে না এবং গ্রিনহাউস ইফেক্টও ঘটায় না। C) অক্সিজেন — এটি জীবজগতের শ্বাসকর্মে অপরিহার্য গ্যাস হলেও এটি গ্রিনহাউস গ্যাস নয় এবং তাপ আটকে রাখে না। D) মিথেন — এটি একটি অন্যতম প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস যা কার্বন ডাই অক্সাইডের চেয়েও অনেক বেশি তাপ আটকে রাখতে পারে। ৫. মনে রাখার টিপস: - গ্রিনহাউস গ্যাসগুলোর নাম মনে রাখতে মিতু কার পানি খায় সূত্রটি মনে রাখতে পারো, যেখানে মি মানে মিথেন, তু মানে কার্বন মনোক্সাইড নয় বরং মিথেন, কা মানে কার্বন ডাই অক্সাইড, পা মানে জলীয় বাষ্প এবং নি মানে নাইট্রাস অক্সাইড। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কার্বন ডাই অক্সাইডের চেয়ে মিথেনের তাপ আটকা ক্ষমতা প্রায় ২৫ গুণ বেশি। - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন গ্যাসটি প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস অথবা কোনটি গ্রিনহাউস গ্যাস নয়।
15. হিগসের কণার (Higgs Particle) প্রকৃতির সাথে কোন বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর নাম জড়িয়ে আছে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সত্যেন্দ্রনাথ বসু ১. কেন সঠিক: - হিগস কণার নামকরণে বাঙালি পদার্থবিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুর অবদান রয়েছে। - এই কণাটির নামকরণ করা হয়েছে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী পিটার হিগস এবং সত্যেন্দ্রনাথ বসুর যৌথ স্মরণে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কোয়ান্টাম পরিসংখ্যানের ক্ষেত্রে সত্যেন্দ্রনাথ বসুর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মৌলিক কণার এক শ্রেণির নাম রাখা হয়েছে বোসন। - কার্যপ্রণালি: মহাবিশ্বের ভর সৃষ্টির রহস্য উদ্ঘাটনে হিগস বোসন কণার উপস্থিতি পরীক্ষামূলকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। - বাস্তব প্রয়োগ: পদার্থবিজ্ঞানের স্ট্যান্ডার্ড মডেল বা প্রমাণ নকশা বুঝতে এবং কণা ত্বরণযন্ত্রের কার্যকারিতায় এই কণার তত্ত্ব ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্যালাক্সি গঠন। ব্যাখ্যা: মহাবিশ্বের প্রাথমিক পর্যায়ে কণাগুলো ভর লাভ করার কারণে গ্যালাক্সি ও নক্ষত্র গঠিত হতে পেরেছে। উদাহরণ ২: সার্ন ল্যাবরেটরির পরীক্ষা। ব্যাখ্যা: সুইজারল্যান্ডের সার্ন গবেষণাগারে লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার যন্ত্রের মাধ্যমে হিগস বোসন কণা আবিষ্কার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু — তিনি তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ এবং উদ্ভিদের সংবেদনশীলতা নিয়ে গবেষণা করেছিলেন, হিগস কণার সাথে সম্পর্কিত নন। B) সত্যেন্দ্রনাথ বসু — এটি সঠিক উত্তর কারণ তার পরিসংখ্যানগত মতবাদ কণার নামকরণের ভিত্তি তৈরি করেছিল। C) প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম — তিনি মহাবিশ্বের পরিণতি এবং ব্ল্যাক হোল নিয়ে গবেষণা করে বিশ্বখ্যাত হয়েছেন। D) ড. কুদরত-ই-খুদা — তিনি বিখ্যাত রসায়নবিদ যিনি বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ও পাট নিয়ে বহুমুখী গবেষণা করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - বোসন কণা মানেই সত্যেন্দ্রনাথ বসু এবং হিগস কণা মানে পিটার হিগস। - এই দুটি নাম মিলে হয়েছে হিগস বোসন কণা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সত্যেন্দ্রনাথ বসুর নামানুসারে সব পূর্ণ স্পিনযুক্ত কণাকে বোসন বলা হয়। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
16. তরঙ্গের বেলায় কোনটি সত্য?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গ আলোর বেগে গমন করে ১. কেন সঠিক: সকল তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গ শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগে অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় তিন লক্ষ কিলোমিটার বেগে ভ্রমণ করে। এটি ম্যাক্সওয়েলের ত্বরিত তড়িৎ চৌম্বকীয় তত্ত্ব এবং আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব দ্বারা সমর্থিত একটি পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক সত্য। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গ হলো এমন তরঙ্গ যা তড়িৎ ক্ষেত্র ও চৌম্বক ক্ষেত্রের পারস্পরিক কম্পনের ফলে সৃষ্টি হয় এবং সঞ্চালিত হওয়ার জন্য কোনো মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না। কার্যপ্রণালি: এই তরঙ্গগুলো শূন্য মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সর্বোচ্চ বেগে চলতে পারে কারণ এদের চলাচলের জন্য জড় মাধ্যমের কণার ওপর নির্ভর করতে হয় না। বাস্তব প্রয়োগ: সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসা এবং বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে স্যাটেলাইট যোগাযোগ এই নীতির ওপর ভিত্তি করেই কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো পৌঁছানো। ব্যাখ্যা: সূর্য থেকে আলো ও অন্যান্য তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গ মহাকাশের শূন্য মাধ্যমের মধ্য দিয়ে ঠিক প্রতি সেকেন্ডে প্রায় তিন লক্ষ কিলোমিটার বেগে পৃথিবীতে এসে পৌঁছায়। উদাহরণ ২: মোবাইল ফোন ও রেডিও যোগাযোগ। ব্যাখ্যা: মোবাইল টাওয়ার থেকে আমাদের ফোনে আসা সংকেতগুলো তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গ হিসেবে আলোর বেগে ভ্রমণ করে বলেই আমরা তাৎক্ষণিক যোগাযোগ করতে পারি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গ আলোর বেগে গমন করে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক এবং বৈজ্ঞানিকভাবে পরীক্ষিত সত্য উত্তর। B) তরঙ্গবেগ হলো এর কম্পাঙ্ক ও তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের অনুপাত — এটি ভুল কারণ তরঙ্গবেগ হলো কম্পাঙ্ক ও তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের গুণফল, অনুপাত নয়। C) সকল তরঙ্গেই প্রতিফলন-প্রতিসরণ হয় না — এটি ভুল কারণ সব ধরনের তরঙ্গের ক্ষেত্রেই প্রতিফলন, প্রতিসরণ, ব্যতিচার ও অপাবর্তন ঘটে। D) শব্দতরঙ্গ একধরনের তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ — এটি ভুল কারণ শব্দতরঙ্গ হলো যান্ত্রিক তরঙ্গ, যার চলাচলের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন এবং এটি তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গ আলোর বন্ধু, তাই এর বেগও আলোর বেগের সমান। তরঙ্গবেগের সঠিক সূত্রটি মনে রাখতে মনে রেখ বেগ সমান কম্পাঙ্ক গুণ তরঙ্গ দৈর্ঘ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শূন্য মাধ্যমে সকল তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গের বেগ সর্বদা সমান থাকে এবং এর মান প্রায় তিন গুণ দশের পাওয়ার আট মিটার প্রতি সেকেন্ড। এই ধারণা থেকে প্রায়ই তরঙ্গবেগ, কম্পাঙ্ক ও তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের হিসাব সম্পর্কিত গাণিতিক প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
17. ছায়া প্রেমী (Shadow loving) অর্থনৈতিক ফসল কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চা ১. কেন সঠিক: - চা গাছ সরাসরি প্রবল সূর্যালোক সহ্য করতে পারে না এবং আংশিক ছায়াযুক্ত বা মেঘাচ্ছন্ন পরিবেশে সবচেয়ে ভালোভাবে বৃদ্ধি পায়। - এই উদ্ভিদগুলোর সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য তীব্র আলোর পরিবর্তে বিচ্ছুরিত বা পরোক্ষ আলো বেশি উপযোগী হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: উদ্ভিদবিজ্ঞানে যেসব উদ্ভিদ কম আলো বা ছায়ায় ভালো জন্মায় তাদের ছায়াপ্রেমী বা স্কিয়োফাইট বলা হয়। - কার্যপ্রণালি: চা পাতার ক্লোরোপ্লাস্ট কম আলোতেও দক্ষতার সাথে সূর্যালোক শোষণ করে খাদ্য তৈরিতে সক্ষম। - বাস্তব প্রয়োগ: চা বাগানে বড় বড় গাছের চারা বা ছায়া প্রদানকারী গাছ লাগানো হয় যাতে চায়ের চারাগুলো অতিরিক্ত রোদ থেকে রক্ষা পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনের গভীরের ফার্ন জাতীয় উদ্ভিদ। ব্যাখ্যা: এগুলো সরাসরি সূর্যের আলো পায় না এবং কম আলোতেই বংশবৃদ্ধি করে। উদাহরণ ২: ঘরের ভেতরে রাখা ইনডোর প্লান্ট যেমন মানিপ্লান্ট। ব্যাখ্যা: এগুলো তীব্র রোদের পরিবর্তে ঘরের মৃদু আলোতে বেঁচে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আখ — আখ হলো আলোকপ্রেমী বা হেলিয়োফাইট উদ্ভিদ যা বৃদ্ধির জন্য প্রচুর সরাসরি সূর্যালোক ও তাপের প্রয়োজন হয়। B) তামাক — তামাক চাষের ক্ষেত্রেও উন্মুক্ত মাঠ এবং প্রচুর পরিমাণে সরাসরি সূর্যালোকের প্রয়োজন পড়ে। C) ধান — ধান একটি সি ফোর উদ্ভিদ ক্যাটাগরির ফসল, যার পূর্ণাঙ্গ বৃদ্ধ ও শিষ আসার জন্য তীব্র সূর্যালোক অপরিহার্য। D) চা — এটি সঠিক উত্তর কারণ চা গাছ ছায়াঘেরা পাহাড়ি ঢলে সবচেয়ে ভালো জন্মায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - চা পান করার সময় আমরা ছায়াঘেরা বাগানের কথা ভাবতে পারি, কারণ চা মানেই ছায়া পছন্দকারী উদ্ভিদ। - স্কিয়োফাইট শব্দটির অর্থ ছায়াপ্রেমী উদ্ভিদ, যা পরীক্ষার জন্য মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই উদ্ভিদের আলোক পছন্দ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে, যেমন স্কিয়োফাইট ও হেলিয়োফাইট উদ্ভিদের পার্থক্য। - চা উৎপাদনে বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলের মাটি ও জলবায়ু অত্যন্ত উপযোগী।

মোট প্রশ্ন (16)

1. QR কোডে ব্যবহৃত হয়-
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অপটিক্যাল রিডিং ১. কেন সঠিক: QR কোড পড়ার জন্য অপটিক্যাল স্ক্যানার বা ক্যামেরার অপটিক্যাল সেন্সর ব্যবহার করা হয়। এটি আলোর প্রতিফলন কাজে লাগিয়ে কোডের ভেতরের ডেটা রিড বা পাঠ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: QR কোড হলো কুইক রেসপন্স কোড, যা দ্বিমাত্রিক বারকোড এবং এতে অনেক বেশি তথ্য সংরক্ষণ করা যায়। কার্যপদ্ধতি: ক্যামেরা বা স্ক্যানার কোডের ওপর আলো ফেলে এবং আলোর তারতম্য বিশ্লেষণ করে ডেটা ডিকোড করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনের ক্যামেরা দিয়ে কোনো পণ্যের প্যাকেজে থাকা QR কোড স্ক্যান করা। ব্যাখ্যা: ক্যামেরা অপটিক্যাল পদ্ধতিতে কোডটি পড়ে এবং তাৎক্ষণিকভাবে ওয়েবসাইটের লিংক ওপেন করে। উদাহরণ ২: বিকাশ বা নগদ অ্যাপ দিয়ে দোকানের পেমেন্ট কিউআর কোড স্ক্যান করা। ব্যাখ্যা: অপটিক্যাল রিডিং প্রযুক্তির মাধ্যমে মার্চেন্টের অ্যাকাউন্ট নম্বর ও পেমেন্ট তথ্য নিখুঁতভাবে রিড করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তড়িৎ চৌম্বকত্ব — এটি তারহীন যোগাযোগ বা জেনারেটরের মূলনীতি, কিন্তু QR কোড রিড করতে আলোর অপটিক্যাল পদ্ধতি লাগে। B) রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি — এটি RFID বা NFC প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়, যা কাছাকাছি ডেটা আদানপ্রদানে কাজ করে। C) কোয়ান্টাম কম্পিউটিং — এটি অতি জটিল গণনার জন্য ব্যবহৃত ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি, যা সাধারণ QR কোডের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) অপটিক্যাল রিডিং — এটি সঠিক কারণ QR কোড আলোর মাধ্যমে স্ক্যান বা রিড করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: QR কোড স্ক্যান করতে ক্যামেরা বা লেজার ব্যবহার করা হয়, আর আলো বা দেখার সাথে অপটিক্যাল শব্দটি জড়িত। তাই মনে রাখবে QR কোড মানেই অপটিক্যাল রিডিং। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: QR কোডের পূর্ণরূপ হলো Quick Response Code এবং এটি প্রথম জাপানে উদ্ভাবিত হয়। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় ইনপুট ডিভাইস বা আধুনিক প্রযুক্তি অংশে আসে।
2. একটি কম্পিউটারের প্রসেসর ক্লক স্পিড ৪.০০ গিগাহার্জ হলে এর ক্লক সাইকেল টাইম কত?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২.৫ ন্যানো সেকেন্ড (ns) ১. কেন সঠিক: প্রসেসরের ক্লক স্পিড এবং ক্লক সাইকেল টাইম একে অপরের বিপরীত বা ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্কযুক্ত। ক্লক স্পিড ফ্রিকোয়েন্সি নির্দেশ করে এবং ক্লক সাইকেল টাইম হলো একটি সাইকেল সম্পন্ন হতে লাগা সময়। হিসাবের সূত্রটি হলো ক্লক সাইকেল টাইম সমান ১ ভাগ ক্লক স্পিড। এখানে ক্লক স্পিড হলো ৪.০০ গিগাহার্জ বা ৪ গুণ ১০ এর পাওয়ার ৯ হার্জ। ভাগ করলে মান পাওয়া যায় শূন্য দশমিক দুই পাঁচ গুণ ১০ এর পাওয়ার মাইনাস ৯ সেকেন্ড বা দুই দশমিক পাঁচ ন্যানো সেকেন্ড। গিগাহার্জ মানে প্রতি সেকেন্ডে এক বিলিয়ন বা এক শত কোটি সাইকেল। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ক্লক স্পিড হলো প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে যতগুলো সাইকেল বা পালস সম্পন্ন করতে পারে তার পরিমাপ এবং ক্লক সাইকেল টাইম হলো একটি পূর্ণ সাইকেল সম্পন্ন হওয়ার সময়কাল। কার্যপদ্ধতি: প্রসেসরের ভেতরের ক্রিস্টাল অসিলেটর নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সিতে স্পন্দিত হয়ে ক্লক পালস তৈরি করে যা নির্দেশ করে প্রসেসর কত দ্রুত তার অপারেশন পরিচালনা করবে। বৈশিষ্ট্য: ক্লক স্পিড যত বেশি হয়, ক্লক সাইকেল টাইম তত কম হয় এবং প্রসেসর তত দ্রুত ডেটা প্রসেস করতে পারে। ব্যবহার: আধুনিক কম্পিউটার, ল্যাপটপ এবং স্মার্টফোনের সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিটের গতি নির্ধারণ ও তুলনার জন্য ক্লক স্পিড ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি প্রসেসরের ক্লক স্পিড ১ গিগাহার্জ হলে এর ক্লক সাইকেল টাইম হবে ১ ন্যানো সেকেন্ড। ব্যাখ্যা: প্রতি সেকেন্ডে ১ বিলিয়ন সাইকেল সম্পন্ন হলে প্রতি সাইকেলের জন্য সময় লাগে ১ বিলিয়ন ভাগের ১ ভাগ বা ১ ন্যানো সেকেন্ড। উদাহরণ ২: একটি প্রসেসরের ক্লক স্পিড ২ গিগাহার্জ হলে এর ক্লক সাইকেল টাইম হবে শূন্য দশমিক পাঁচ ন্যানো সেকেন্ড। ব্যাখ্যা: ফ্রিকোয়েন্সি দ্বিগুণ হলে সাইকেল টাইম অর্ধেক হয়ে যায় কারণ সময় ও গতির সম্পর্ক বিপরীতমুখী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২.৫ ন্যানো সেকেন্ড (ns) — এটি সঠিক কারণ গাণিতিক হিসাবে ৪ গিগাহার্জ ফ্রিকোয়েন্সির জন্য ক্লক সাইকেল টাইম সঠিকভাবে এই মানই নির্দেশ করে। B) ২.৫ মাইক্রো সেকেন্ড (ms) — মাইক্রো সেকেন্ড হলো সেকেন্ডের ১০ এর পাওয়ার মাইনাস ৬ ভাগ যা ন্যানো সেকেন্ডের চেয়ে এক হাজার গুণ বড় এবং এই ফ্রিকোয়েন্সির জন্য সঠিক নয়। C) ৪ (ms) — ৪ মিলি সেকেন্ড মানটি ফ্রিকোয়েন্সির সাথে গাণিতিকভাবে মেলে না কারণ মিলি সেকেন্ড অনেক দীর্ঘ সময় এবং এটি প্রসেসরের ক্লক টাইমের জন্য উপযোগী নয়। D) ৪ (ns) — ৪ ন্যানো সেকেন্ড মানটি ভুল কারণ ফ্রিকোয়েন্সির মান ৪ দিয়ে ১ কে ভাগ করলে ফলাফল ৪ হতে পারে না, বরং সঠিক ফলাফল হলো ২.৫ ন্যানো সেকেন্ড। ৫. মনে রাখার টিপস: সময় বের করতে চাইলে ফ্রিকোয়েন্সি দিয়ে ১ কে ভাগ করতে হবে। গিগাহার্জকে হার্জে রূপান্তর করতে ১০ এর পাওয়ার ৯ এবং সেকেন্ডকে ন্যানো সেকেন্ডে নিতে ১০ এর পাওয়ার ৯ দিয়ে হিসাব করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপের একক হলো হার্জ, কিলোহার্টজ, মেগাহার্জ বা গিগাহার্জ। পরীক্ষার জন্য ফ্রিকোয়েন্সি থেকে টাইম পিরিয়ড বের করার এই ধরনের গাণিতিক সমস্যা প্রায়ই দেখা যায়।
3. Precision Agriculture এ সাধারণত নিচের কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আই.ও.টি (IoT), সেন্সর ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করার মূল কারণ হলো প্রিসিশন এগ্রিকালচার বা নিখুঁত কৃষিকাজে মাঠের রিয়েল টাইম ডেটা সংগ্রহ করা অত্যন্ত জরুরি। - আইওটি অর্থ ইন্টারনেট অফ থিংস এবং সেন্সর প্রযুক্তির মাধ্যমে মাটির আর্দ্রতা তাপমাত্রা ও ফসলের স্বাস্থ্য সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: আইওটি হলো এমন একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে দৈনন্দিন বস্তুগুলোকে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত করে ডেটা আদান প্রদান করা যায়। - কার্যপদ্ধতি: মাঠের বিভিন্ন স্থানে সেন্সর স্থাপন করা হয় যা মাটির অবস্থা ও আবহাওয়ার ডেটা সংগ্রহ করে সার্ভারে পাঠায়। - ব্যবহার: আধুনিক কৃষিতে সঠিক পরিমাণে সার ও সেচ দেওয়ার জন্য এই প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাটির আর্দ্রতা মাপার সেন্সর। ব্যাখ্যা: এই সেন্সর মাটির নিচের পানির পরিমাণ বুঝতে পারে এবং প্রয়োজনমতো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেচ পাম্প চালু করে। উদাহরণ ২: আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ স্টেশন। ব্যাখ্যা: এটি তাপমাত্রা ও বৃষ্টির পরিমাণ পরিমাপ করে কৃষকদের আগাম সতর্কবার্তা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইনফ্রা রেড ইমেজিং — এটি উদ্ভিদের স্বাস্থ্যের ছবি তুলতে ব্যবহৃত হলেও একা নিখুঁত কৃষিকাজের সব কাজ পরিচালনা করতে পারে না। B) আই.ও.টি (IoT), সেন্সর — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রিসিশন এগ্রিকালচারের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। C) তার মাধ্যম সম্পন্ন নেটওয়ার্ক — কৃষিজমিতে তারের মাধ্যমে নেটওয়ার্ক স্থাপন করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং অবাস্তব। D) ও.এল.ই.ডি (OLED) ডিসপ্লে — এটি মূলত উন্নত মানের স্ক্রিন প্রযুক্তি যা ডিসপ্লে তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়, কৃষিকাজের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার মানেই আইওটি এবং সেন্সর। - আইওটি এর পূর্ণরূপ ইন্টারনেট অফ থিংস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে কৃষিতে প্রযুক্তির এই ব্যবহারকে স্মার্ট এগ্রিকালচার বা প্রিসিশন এগ্রিকালচার বলা হয়। - এই ধরনের প্রশ্ন ব্যাংক নিয়োগ এবং বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
4. অপারেটিং সিস্টেমে ভার্চুয়াল মেমোরি ব্যবহার করা হয়-
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার করে RAM বাড়াতে ১. কেন সঠিক: ভার্চুয়াল মেমোরি হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি কৌশল যা মূল মেমোরি বা RAM-এর ধারণক্ষমতা ফুরিয়ে গেলে সেকেন্ডারি স্টোরেজের একটি অংশকে সাময়িকভাবে RAM-এর মতো ব্যবহার করে। এর মাধ্যমে বড় কোনো অ্যাপ্লিকেশন বা একাধিক প্রোগ্রাম একসঙ্গে চালু রাখলেও সিস্টেম ক্র্যাশ না করে নির্বিঘ্নে কাজ চালিয়ে যেতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ভার্চুয়াল মেমোরি হলো সেকেন্ডারি মেমোরির অংশবিশেষ যা প্রধান মেমোরির সঙ্গে সমন্বয় করে বিশাল আকারের মেমোরি হিসেবে কাজ করে। কার্যপদ্ধতি: অপারেটিং সিস্টেম ফিজিক্যাল RAM-এর অব্যবহৃত ডেটাগুলো সাময়িকভাবে হার্ডডিস্ক বা এসএসডির একটি নির্দিষ্ট ফাইলে স্থানান্তর করে একে পেজিং ফাইল বলে। ব্যবহার: যখন কোনো বড় গেম বা সফটওয়্যার রান করতে ফিজিক্যাল RAM অপর্যাপ্ত হয়, তখন অপারেটিং সিস্টেম এই ভার্চুয়াল মেমোরি প্রযুক্তি ব্যবহার করে সিস্টেম সচল রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারে ৮ জিবি RAM থাকার পরও ১৬ জিবি সাইজের একটি ভারী ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার রান করার সময় সিস্টেম ধীরগতির হলেও কাজ চালিয়ে যেতে পারে। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত মেমোরির চাহিদা মেটাতে অপারেটিং সিস্টেম হার্ডডিস্কের কিছু অংশকে ভার্চুয়াল RAM হিসেবে ব্যবহার করে সফটওয়্যারটি চালাতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনে ব্যাকগ্রাউন্ডে অনেকগুলো অ্যাপ একসঙ্গে ওপেন রাখলেও ফোন বন্ধ হয়ে যায় না। ব্যাখ্যা: মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম ইন্টারনাল স্টোরেজের একটি অংশকে ভার্চুয়াল মেমোরি হিসেবে ব্যবহার করে অ্যাপগুলোর ডেটা সংরক্ষিত রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনেক বেশি ডেটা সংরক্ষণের জন্য — এটি ভার্চুয়াল মেমোরির কাজ নয়, এটি মূলত সেকেন্ডারি স্টোরেজ বা ক্লাউড স্টোরেজের কাজ। B) ক্লাউডে ডেটা সংরক্ষণের জন্য — ক্লাউড স্টোরেজ হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে রিমোট সার্ভারে ডেটা রাখা, যা ভার্চুয়াল মেমোরির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) এক্সটারনাল মেমোরি সংযোগের জন্য — এক্সটারনাল মেমোরি সংযোগের জন্য ইউএসবি পোর্ট বা কার্ড রিডার ব্যবহার করা হয়, ভার্চুয়াল মেমোরি কোনো ফিজিক্যাল পোর্ট বা ডিভাইস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ভার্চুয়াল মেমোরি মানেই হলো হার্ডডিস্কের জায়গাকে সাময়িকভাবে RAM-এর মতো ব্যবহার করা। RAM ফুরিয়ে গেলে হার্ডডিস্ক এগিয়ে আসে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভার্চুয়াল মেমোরি ধারণার মূল ভিত্তি হলো পেজিং এবং সোয়াপিং। কম্পিউটারের ফিজিক্যাল মেমোরি বা RAM-এর সীমাবদ্ধতা দূর করতেই এই প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা হয়েছে।
5. কম্পিউটার সিস্টেমের বেঞ্চমার্কিং করা হয় কী পরিমাপের জন্য?
Created 1 week ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিস্টেমের কর্ম ক্ষমতা (Performance) ১. কেন সঠিক: - কম্পিউটার সিস্টেমের বেঞ্চমার্কিং হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সামগ্রিক কর্মক্ষমতা মাপা হয়। - বিভিন্ন প্রোগ্রামের গতি, ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা এবং লোড নেওয়ার সক্ষমতা যাচাই করে এই পারফরম্যান্স নির্ধারণ করা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: বেঞ্চমার্কিং হলো কিছু নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড টেস্ট বা সফটওয়্যারের সাহায্যে একটি কম্পিউটার সিস্টেমের কাজের গতি ও দক্ষতা পরিমাপ করার পদ্ধতি। - কার্যপদ্ধতি: এটি সিস্টেমে নির্দিষ্ট কিছু চাপ প্রয়োগ করে এবং দেখতে পায় সিস্টেমটি কত কম সময়ে ও কত দক্ষতার সাথে কাজটি সম্পন্ন করতে পারছে। - ব্যবহার: নতুন কম্পিউটার কেনার সময়, প্রসেসর বা গ্রাফিক্স কার্ডের ক্ষমতা যাচাই করতে এবং গেমিং বা সার্ভারের কাজের উপযোগী কি না তা দেখতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গেম খেলার সময় ফ্রেম রেট মাপা। ব্যাখ্যা: একটি ভালো গ্রাফিক্স কার্ড বেঞ্চমার্ক টেস্টের মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো ফ্রেম রেন্ডার করতে পারে তা পরীক্ষা করে তার কর্মক্ষমতা নিশ্চিত করা হয়। উদাহরণ ২: প্রসেসরের গিগাহার্জ বা স্পিড টেস্ট। ব্যাখ্যা: একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রসেসরকে জটিল গণনা করতে দেওয়া হয় এবং সে কত দ্রুত ফলাফল দিচ্ছে তা পরিমাপ করে তার ক্ষমতা মাপা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিস্টেমের দাম — দাম হলো বাজারের অর্থনৈতিক সূচক, যা দিয়ে কম্পিউটারের ভেতরের গতি বা কর্মক্ষমতা মাপা যায় না। B) সিস্টেমের কর্ম ক্ষমতা (Performance) — এটিই সঠিক উত্তর কারণ বেঞ্চমার্কিং মূলত গতি ও কার্যকারিতাই পরিমাপ করে। C) শুধু বিদ্যুৎ শক্তি খরচের পরিমাণ — বিদ্যুৎ খরচ মাপা বেঞ্চমার্কিংয়ের প্রধান কাজ নয়, এটি পাওয়ার কনজাম্পশন টেস্টের অংশ। D) স্টোরেজের ধারণ ক্ষমতা — স্টোরেজ বা হার্ডডিস্কের জায়গা মাপা হয় গিগাবাইট বা টেরাবাইটে, যা বেঞ্চমার্কিংয়ের বিষয় নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বেঞ্চমার্ক শব্দটির সাথে পারফরম্যান্স বা কাজের ক্ষমতা শব্দটি মনে রাখবে। - গাড়ির রেস ট্র্যাকের সাথে তুলনা করতে পারো, যেখানে গাড়ি কতটা দ্রুত চলে তা মাপা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেঞ্চমার্কিং কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয় তা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - হার্ডওয়্যারের গতি যাচাইয়ের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি হলো বেঞ্চমার্ক সফটওয়্যার ব্যবহার করা।
6. নিচের কোন ডিভাইসটি প্রধানত এম্বেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মাইক্রোকন্ট্রোলার ১. কেন সঠিক: - মাইক্রোকন্ট্রোলার একটি একক চিপের মধ্যে প্রসেসর, মেমোরি এবং ইনপুট আউটপুট পেরিফেরাল ধারণ করে যা এম্বেডেড সিস্টেমে নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য ডিজাইন করা হয়। - এম্বেডেড সিস্টেমে কম বিদ্যুৎ খরচ এবং নির্দিষ্ট একটি মাত্র কাজ বারবার সম্পন্ন করার জন্য মাইক্রোকন্ট্রোলার সবচেয়ে উপযোগী ডিভাইস। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: এম্বেডেড সিস্টেম হলো এমন একটি মাইক্রোপ্রসেসর বা মাইক্রোকন্ট্রোলার ভিত্তিক সিস্টেম যা একটি বৃহত্তর ব্যবস্থার অংশ হিসেবে নির্দিষ্ট কোনো কাজ সম্পন্ন করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি সেন্সর থেকে ডেটা গ্রহণ করে, প্রোগ্রাম বা নির্দেশ অনুযায়ী তা প্রক্রিয়াজাত করে এবং অ্যাকচুয়েটরের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত আউটপুট প্রদান করে। - ব্যবহার: এয়ার কন্ডিশনার, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন এবং আধুনিক অটোমোবাইলে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোওয়েভ ওভেন ব্যাখ্যা: ওভেনের ভেতরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং রান্নার সময় নির্ধারণের কাজটি মাইক্রোকন্ট্রোলারের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। উদাহরণ ২: ওয়াশিং মেশিন ব্যাখ্যা: কাপড়ের ওজন এবং ময়লার পরিমাণ বুঝে পানির পরিমাণ ও ঘোরানোর গতি নির্ধারণ করতে মাইক্রোকন্ট্রোলার কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইক্রোকন্ট্রোলার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি এম্বেডেড সিস্টেমের মূল প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট হিসেবে সরাসরি ব্যবহৃত হয়। B) সুপার কম্পিউটার — এটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং জটিল গণনা যেমন আবহাওয়া পূর্বাভাস বা বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহৃত হয়, সাধারণ এম্বেডেড সিস্টেমে নয়। C) হাই-অ্যান্ড সার্ভার — এটি ডেটা সেন্টার বা বড় নেটওয়ার্কে প্রচুর ব্যবহারকারীর ডেটা প্রসেস করার জন্য ব্যবহৃত হয়, যা এম্বেডেড সিস্টেমের জন্য উপযোগী নয়। D) রাউটার — এটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা ডেটা প্যাকেট ফরওয়ার্ড করার কাজ করে, তবে এর ভেতরের মাদারবোর্ডে মাইক্রোকন্ট্রোলার থাকলেও রাউটার নিজেই একটি ভিন্ন ক্যাটাগরির নেটওয়ার্ক ডিভাইস। ৫ মনে রাখার টিপস: - ছোট ও নির্দিষ্ট কাজের জন্য মাইক্রোকন্ট্রোলার আর বড় ও বহুমুখী কাজের জন্য মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়। - এম্বেডেড সিস্টেম মানেই চিপের ভেতরে সব সুবিধা সম্পন্ন মাইক্রোকন্ট্রোলার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোকন্ট্রোলারে CPU, RAM এবং ROM একটিমাত্র সিলিকন চিপের ভেতরে থাকে। - Arduino বোর্ডে যে মূল চিপ থাকে তা মূলত একটি AVR মাইক্রোকন্ট্রোলার।
7. ই-কমার্সে সুরক্ষিত অনলাইন লেনদেনে প্রধানত কোন প্রটোকল ব্যবহৃত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) HTTPS ১. কেন সঠিক: ই-কমার্সে সুরক্ষিত অনলাইন লেনদেনে প্রধানত HTTPS প্রটোকল ব্যবহৃত হয় কারণ এটি ডেটা এনক্রিপ্ট করে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী ও ওয়েবসাইটের মধ্যকার সমস্ত তথ্য সুরক্ষিত থাকে এবং হ্যাকাররা তা চুরি করতে পারে না। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: HTTPS-এর পূর্ণরূপ হলো HyperText Transfer Protocol Secure। এটি ইন্টারনেট ব্রাউজার ও ওয়েব সার্ভারের মধ্যে নিরাপদ যোগাযোগের মাধ্যম। কার্যপদ্ধতি: এটি SSL বা TLS সার্টিফিকেটের মাধ্যমে ব্রাউজার ও সার্ভারের ডেটা এনকোড বা এনক্রিপ্ট করে পাঠায়। বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ডেটা গোপনীয়তা রক্ষা করা, তথ্যের অখণ্ডতা বজায় রাখা এবং সার্ভারের সত্যতা যাচাই করা। ব্যবহার: অনলাইন শপিং, ব্যাংকিং লেনদেন এবং পাসওয়ার্ড ইনপুট দেওয়ার সময় এই প্রটোকল স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে। পার্থক্য: সাধারণ HTTP প্রটোকলে ডেটা প্লেইন টেক্সট বা উন্মুক্তভাবে আদান-প্রদান হয়, যা খুব সহজে চুরি করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারাজ বা অ্যামাজনে কেনাকাটার সময় কার্ডের তথ্য দেওয়া। ব্যাখ্যা: এই প্ল্যাটফর্মগুলোতে পেমেন্ট করার সময় ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে HTTPS এবং তালা চিহ্ন দেখা যায়, যা নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করে। উদাহরণ ২: ইমেইল বা ফেসবুকের লগইন পেজ। ব্যাখ্যা: লগইন করার সময় পাসওয়ার্ড টাইপ করলে তা এনক্রিপ্ট হয়ে সার্ভারে যায়, ফলে কেউ মাঝপথে তা দেখতে পায় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) DHCP — এটি Dynamic Host Configuration Protocol, যা নেটওয়ার্কের ডিভাইসগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইপি অ্যাড্রেস প্রদান করে। B) SMTP — এটি Simple Mail Transfer Protocol, যা ই-মেইল পাঠানো বা প্রেরণের কাজে ব্যবহৃত হয়। C) HTTPS — এটি সঠিক উত্তর। D) ARP — এটি Address Resolution Protocol, যা আইপি অ্যাড্রেসকে ম্যাক ঠিকানায় রূপান্তর করতে কাজ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: HTTP মানে উন্মুক্ত বা অরক্ষিত সংযোগ এবং এর সাথে একটি অতিরিক্ত S যুক্ত হলে তা সিকিউর বা নিরাপদ সংযোগ বোঝায়। ই-কমার্সের ক্ষেত্রে সবসময় ব্রাউজারে তালা বা সিকিউর চিহ্নযুক্ত প্রটোকল বেছে নিতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: HTTPS প্রটোকল মূলত SSL বা TLS প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিরাপদ ব্রাউজিং বা ই-কমার্স সুরক্ষার প্রশ্ন এলে প্রায়ই এই প্রটোকলটি উত্তর হিসেবে আসে।
8. বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য নিচের কোন ডিভাইসটি ব্যবহৃত হয়?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাউটার ১. কেন সঠিক: - রাউটার হলো এমন একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা দুটি বা ততোধিক ভিন্নধর্মী নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্যাকেট আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে। - এটি মূলত ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগের রাস্তা বা রুট নির্ধারণ করে最优 পথ দিয়ে ডেটা গন্তব্যে পৌঁছে দেয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: রাউটার হলো এমন একটি বুদ্ধিমান ডিভাইস যা একাধিক লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি নেটওয়ার্ক লেয়ারে কাজ করে এবং ডেটা প্যাকেট পরীক্ষা করে আইপি ঠিকানার ভিত্তিতে সবচেয়ে ভালো পথ নির্বাচন করে ডেটা পাঠায়। - বৈশিষ্ট্য: রাউটার বিভিন্ন প্রোটোকল পরিচালনা করতে পারে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করতে পারে। - ব্যবহার: বাসা বা অফিসের স্থানীয় নেটওয়ার্ককে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত করতে রাউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আপনার বাসার কম্পিউটার থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করে গুগল বা ইউটিউবে প্রবেশ করা। ব্যাখ্যা: আপনার ঘরের লোকাল নেটওয়ার্ক থেকে ডেটা প্রথমে রাউটারে যায় এবং রাউটার সেই ডেটা বাইরের ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটে পৌঁছে দেয়। উদাহরণ ২: ঢাকার একটি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের নেটওয়ার্কের সাথে চট্টগ্রামের শাখা কার্যালয়ের নেটওয়ার্ক যুক্ত করা। ব্যাখ্যা: দুটি আলাদা ভৌগোলিক অবস্থানের নেটওয়ার্কের মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ রক্ষার জন্য রাউটার ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাউটার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে। B) সুইচ — এটি একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা একই নেটওয়ার্কের বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে, ভিন্ন নেটওয়ার্কে নয়। C) ব্রিজ — ব্রিজ দুটি একই ধরনের লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ককে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, ভিন্ন নেটওয়ার্কের জন্য এটি কম উপযুক্ত। D) হাব — হাব একই নেটওয়ার্কের ডিভাইসগুলোকে যুক্ত করে এবং এটি কোনো বুদ্ধিমান রাউটিং বা পথ নির্ধারণ করতে পারে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভিন্ন ভিন্ন রাস্তা বা রুট তৈরি করে দুটি নেটওয়ার্ককে যুক্ত করে বলে এর নাম রাউটার। - মনে রাখবেন সুইচ বা হাব একই পরিবারের ভেতরের ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত করে, আর রাউটার বাইরের পৃথিবীর সাথে যোগাযোগ করায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রাউটার OSI মডেলের নেটওয়ার্ক লেয়ারে কাজ করে এবং এটি আইপি ঠিক নিয়ে কাজ করে। - সুইচ ডেটা লিংক লেয়ারে কাজ করে এবং ম্যাক ঠিকানা নিয়ে কাজ করে।
9. ক্লাউড কম্পিউটিং এর কোন মডেলটি অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার জন্য প্রোগ্রামারদেরকে প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) PaaS ১. কেন সঠিক: - PaaS-এর পূর্ণরূপ হলো প্ল্যাটফর্ম এস এ সার্ভিস, যা প্রোগ্রামারদের সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন তৈরি, পরীক্ষা ও ব্যবস্থাপনা করার জন্য একটি রেডিমেড পরিবেশ প্রদান করে। - ডেভেলপারদের নিজস্ব হার্ডওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম সেটআপ করার ঝামেলা ছাড়াই সরাসরি কোডিং ও ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টে মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ দেয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ক্লাউড কম্পিউটিং-এর যে মডেলে ক্লাউড প্রোভাইডার ডেভেলপারদের অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার টুলস বা প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে, তাকে PaaS বলে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ইন্টারনেট ব্রাউজারের মাধ্যমে ডেভলপমেন্ট এনভায়রনমেন্ট সরবরাহ করে, যেখানে ডেভেলপাররা কোড লিখে তা সরাসরি হোস্ট করতে পারেন। - ব্যবহার: ওয়েব ও মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি, ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট এবং কোড টেস্টিংয়ের কাজে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুগল অ্যাপ ইঞ্জিন ব্যাখ্যা: এটি একটি জনপ্রিয় PaaS সেবা, যেখানে ডেভেলপাররা কোনো সার্ভার কনফিগার না করেই সরাসরি পাইথন বা জাভা কোড রান করতে পারেন। উদাহরণ ২: মাইক্রোসফট অ্যাজিউর অ্যাপ সার্ভিস ব্যাখ্যা: এটি ডেভেলপারদের উইন্ডোজ বা লিনাক্স পরিবেশে খুব সহজে ওয়েব অ্যাপ তৈরি ও প্রকাশ করার সুবিধা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) IaaS — এটি ডেভেলপারদের শুধু ভার্চুয়াল সার্ভার, স্টোরেজ ও নেটওয়ার্কিংয়ের মতো মৌলিক হার্ডওয়্যার সম্পদ সরবরাহ করে, প্ল্যাটফর্ম নয়। B) SaaS — এটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য সরাসরি তৈরি করা অ্যাপ্লিকেশন বা সফটওয়্যার সরবরাহ করে, যেখানে প্রোগ্রামারদের কোডিং করার কোনো সুযোগ থাকে না। D) DaaS — এটি ক্লাউডের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে সম্পূর্ণ ভার্চুয়াল ডেস্কটপ বা অপারেটিং সিস্টেম সরবরাহ করে, যা কোডিং প্ল্যাটফর্ম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্লাউড মডেলগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো আইয়াস মানে অবকাঠামো, প্যাস মানে প্ল্যাটফর্ম এবং স্যাস মানে সফটওয়্যার বা সেবা। - প্রোগ্রামারদের কাজের জায়গা মানেই প্ল্যাটফর্ম বা PaaS, আর সাধারণ ব্যবহারকারীদের ব্যবহার্য সফটওয়্যার মানেই SaaS। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ক্লাউড কম্পিউটিং মূলত তিন স্তরের হয়, যথা IaaS, PaaS এবং SaaS। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্লাউড সার্ভিসের স্তরভিত্তিক পার্থক্য যাচাইয়ের জন্য প্রায়ই আসে।
10. একটি কম্পিউটার সিস্টেমে ১১০০১০১১₂ বাইনারি সংখ্যাটি মান ডেসিমেলে কত হবে?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবকটি ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার সিস্টেমে ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশের জন্য সাইন-ম্যাগনিটিউড, ওয়ানস কমপ্লিমেন্ট এবং টু কমপ্লিমেন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ১১০০১০১১ বাইনারি সংখ্যাটিকে বিভিন্ন মেমোরি রিপ্রেজেন্টেশন বা সাইন্ড বাইনারি হিসেবে বিবেচনা করলে এটি দশমিকের বিভিন্ন মান নির্দেশ করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংখ্যা পদ্ধতি হলো কোনো সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার মাধ্যম। কম্পিউটারে ঋণাত্মক সংখ্যা সংরক্ষণ ও গণনার জন্য বিভিন্ন কমপ্লিমেন্ট বা পরিপূরক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাইন-ম্যাগনিটিউড পদ্ধতি ব্যাখ্যা: এই পদ্ধতিতে প্রথম বিট চিহ্ন নির্দেশ করে এবং বাকি বিটগুলো মান নির্ধারণ করে। উদাহরণ ২: টু কমপ্লিমেন্ট পদ্ধতি ব্যাখ্যা: আধুনিক কম্পিউটারে ঋণাত্মক সংখ্যা সংরক্ষণের জন্য এই পদ্ধতি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) -52 — সংখ্যাটিকে একটি নির্দিষ্ট বিট বিন্যাসের সাইন-ম্যাগনিটিউড বা অন্য কোনো কমপ্লিমেন্ট হিসেবে হিসাব করলে এই মান পাওয়া সম্ভব। B) -53 — নির্দিষ্ট কোডিং বা পরিপূরক নিয়মে বাইনারি মানটিকে রূপান্তর করলে এই মানটি সঠিক হতে পারে। C) 203 — সংখ্যাটিকে সাধারণ ধনাত্মক আনসাইনড বাইনারি হিসেবে বিবেচনা করলে এর দশমিক মান সরাসরি ২০৩ হয়। D) সবকটি — উপরের প্রতিটি মানই বিভিন্ন নিয়ম বা প্রেক্ষাপটে সঠিক হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: বাইনারি থেকে ডেসিমেলে রূপান্তরের সময় ডানদিক থেকে ২ এর পাওয়ার শূন্য থেকে শুরু করে গুণ করতে হয়। ঋণাত্মক সংখ্যার ক্ষেত্রে কমপ্লিমেন্ট পদ্ধতি এবং সাধারণ মানের ক্ষেত্রে পজিশনাল ভ্যালু ভালোভাবে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার সিস্টেমে ডেটা সংরক্ষণের সময় সাইন বিট এবং কমপ্লিমেন্ট পদ্ধতিগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির রূপান্তর প্রায়ই আসে।
11. কোন CPU আর্কিটেকচার স্মার্টফোনে বেশি ব্যবহৃত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) RISC ১. কেন সঠিক: - স্মার্টফোনে ব্যবহৃত প্রসেসরগুলোর মূল লক্ষ্য হলো কম বিদ্যুৎ খরচ করা এবং কম তাপ উৎপন্ন করা। - RISC (Reduced Instruction Set Computer) আর্কিটেকচার কম সংখ্যক ও সহজ নির্দেশ নিয়ে কাজ করে বিধায় এটি মোবাইল ডিভাইসের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: RISC হলো এমন একটি প্রসেসর ডিজাইন যেখানে সীমিত সংখ্যক ইনস্ট্রাকশন ব্যবহার করে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করা হয়। - কার্যপদ্ধতি: এটি প্রতিটি নির্দেশ এক ক্লক সাইকেলে সম্পন্ন করতে পারে এবং এর হার্ডওয়্যার ডিজাইন তুলনামূলক সহজ হয়। - বৈশিষ্ট্য: কম শক্তি খরচ, কম তাপ উৎপাদন এবং দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা এর প্রধান বৈশিষ্ট্য। - ব্যবহার: স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, স্মার্টওয়াচ এবং আধুনিক ব্যাটারিচালিত পোর্টেবল ডিভাইসে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনের প্রসেসর ব্যাখ্যা: আইফোন বা অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ভেতরে থাকা অ্যাপল সিলিকন বা স্ন্যাপড্রাগন চিপসেটগুলো RISC আর্কিটেকচারের উপর ভিত্তি করে তৈরি। উদাহরণ ২: মিনি কম্পিউটার ও মাইক্রোকন্ট্রোলার ব্যাখ্যা: রাস্পবেরি পাই বা বিভিন্ন মাইক্রোকন্ট্রোলারে এআরএম প্রসেসর ব্যবহার করা হয় যা RISC প্রযুক্তির একটি বাস্তব রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) X86 — এটি ডেস্কটপ ও ল্যাপটপে ব্যবহৃত CISC আর্কিটেকচার যা বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে এবং স্মার্টফোনের জন্য উপযোগী নয়। B) X64 — এটি ৬৪-বিট কম্পিউটিং আর্কিটেকচার যা মূলত পার্সোনাল কম্পিউটার ও সার্ভারে ব্যবহৃত হয়। C) Qualcomm — এটি একটি কোম্পানির নাম, কোনো প্রসেসর আর্কিটেকচার নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মোবাইল মানেই কম চার্জ খরচ, আর কম কাজের নির্দেশ বা Reduced মানেই RISC। - ডেস্কটপের জন্য CISC এবং মোবাইলের জন্য RISC এই পার্থক্যটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এআরএম (ARM) প্রসেসর হলো RISC আর্কিটেকচারের সবচেয়ে জনপ্রিয় বাণিজ্যিক বাস্তবায়ন। - বর্তমান যুগের এম ওয়ান বা এম টু চিপসেটগুলোও এই প্রযুক্তির উন্নত সংস্করণ।
12. কম্পিউটার টার্ন অন এর সময় সঠিক অর্ডার নিচের কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) POST Bootloader Kernel ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার চালু করার সময় নির্দিষ্ট একটি ধারাবাহিকতা বা সিকোয়েন্স মেনে চলতে হয়। প্রথমে হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করা হয়, এরপর অপারেটিং সিস্টেম লোড করার প্রোগ্রাম কাজ করে এবং সবশেষে মূল অপারেটিং সিস্টেম চালু হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কম্পিউটার টার্ন অন বা বুটিং প্রক্রিয়া হলো এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার সচল করে কম্পিউটার ব্যবহারের উপযোগী করা হয়। কার্যপদ্ধতি: পাওয়ার সুইচ টিপলে মাদারবোর্ডের রম থেকে নির্দেশনা নিয়ে কাজ শুরু হয় এবং পর্যায়ক্রমে সিস্টেম সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নতুন গাড়ি স্টার্ট করার সময় যেমন প্রথমে ড্যাশবোর্ড লাইট ও ইঞ্জিন চেক করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি কম্পিউটারের পোস্ট প্রক্রিয়ার মতো কাজ করে। উদাহরণ ২: ঘরের দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশের পর বসার ঘরের আলো জ্বালানো। ব্যাখ্যা: এটি বুটলোডার থেকে কার্নেল লোড হওয়ার ক্রমের অনুরূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) POST Kernel Bootloader — কার্নেল কখনোই বুটলোডারের আগে লোড হতে পারে না কারণ বুটলোডারই কার্নেলকে মেমোরিতে নিয়ে আসে। B) Kernel POST Bootloader — কার্নেল সবার আগে লোড হতে পারে না কারণ হার্ডওয়্যার পরীক্ষা না করে অপারেটিং সিস্টেম চালু করা সম্ভব নয়। C) Kernel Bootloader POST — এটি সম্পূর্ণ উল্টো ক্রম যা কম্পিউটারের বুটিং প্রক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বুট প্রক্রিয়ার সঠিক ক্রম মনে রাখার সহজ উপায় হলো পি বি কে সংকেত। যেখানে পি মানে পোস্ট, বি মানে বুটলোডার এবং কে মানে কার্নেল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার চালুর প্রাথমিক নির্দেশাবলী রম চিপের বায়োস মেমোরিতে সংরক্ষিত থাকে। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আসে।
13. কোন ধরনের Storage Device সবচেয়ে দ্রুত গতি সম্পন্ন?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) SSD ১. কেন সঠিক: - SSD বা Solid State Drive হলো আধুনিক ফ্ল্যাশ মেমোরি ভিত্তিক স্টোরেজ ডিভাইস। - এতে কোনো যান্ত্রিক বা ঘূর্ণায়মান ডিস্ক না থাকায় ডেটা রিড ও রাইট করার গতি প্রচলিত হার্ড ডিস্কের চেয়ে বহু গুণ বেশি। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: SSD হলো এমন একটি স্টোরেজ ডিভাইস যা ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ইলেকট্রনিক সিগন্যালের মাধ্যমে সরাসরি সেমিকন্ডাক্টর চিপে ডেটা আদান-প্রদান করে। - ব্যবহার: বর্তমানে ল্যাপটপ এবং ডেস্কটপ কম্পিউটারে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল ও দ্রুত গতিতে ফাইল স্থানান্তরের কাজে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক ল্যাপটপ ব্যাখ্যা: বর্তমানের স্লিম ল্যাপটপগুলোতে SSD ব্যবহার করার কারণে কম্পিউটার অন হতে মাত্র কয়েক সেকেন্ড সময় নেয়। উদাহরণ ২: গেমিং কনসোল ব্যাখ্যা: উচ্চ গ্রাফিক্সের গেম লোড করার সময় দ্রুত ডেটা প্রসেস করার জন্য SSD অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) HDD — এটি যান্ত্রিক ডিস্ক ও রিড রাইট হেড ব্যবহার করে কাজ করে, যার গতি SSD-এর তুলনায় অনেক কম। B) Floppy Disk — এটি অত্যন্ত প্রাচীন এবং কম ধারণক্ষমতার ম্যাগনেটিক ডিস্ক, যার গতি বর্তমান যুগের তুলনায় অতি নগণ্য। D) SSHD — এটি HDD এবং SSD-এর সংকর রূপ হওয়ায় এসএসডি-র মতো পুরোপুরি সর্বোচ্চ গতি প্রদান করতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - এসএসডি-তে কোনো মুভিং পার্টস নেই, তাই এটি সাইলেন্ট ও দ্রুত কাজ করে। - ফ্ল্যাশ মেমোরিভিত্তিক ড্রাইভ সবসময় ডিস্ক ড্রাইভের চেয়ে গতিশীল হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এসএসডি মেমোরিতে ফ্ল্যাশ চিপ ব্যবহারের কারণে এর ডেটা অ্যাক্সেস টাইম ন্যানো সেকেন্ডে পরিমাপ করা হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গতি তুলনা করার ক্ষেত্রে এসএসডি সাধারণত সঠিক উত্তর হিসেবে আসে।
14. ধরা যাক Algorithm A এর Running time O(n²) এবং Algorithm B এর Running time O(n)। তাহলে নিচের কোনটি সবচেয়ে সঠিক?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: সি) Algorithm A, Algorithm B এর চেয়ে asymptotically ধীর গতির ১. কেন সঠিক: বিগ ও নোটেশন বা Asymptotic Notation ব্যবহার করে কোনো অ্যালগরিদমের রানটাইম বা দক্ষতা মাপা হয়। ইনপুটের সাইজ যখন অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়, তখন n স্কয়ার মানের অ্যালগরিদম স্বাভাবিকভাবেই লিনিয়ার মানের অ্যালগরিদমের চেয়ে বেশি সময় নেয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: Asymptotic Running Time হলো ইনপুটের আকার অসীম বা অনেক বড় হলে অ্যালগরিদমের কার্যক্ষমতা কেমন হবে তার গাণিতিক রূপ। কার্যপদ্ধতি: ইনপুট এন এর মান বাড়লে এন স্কয়ার দ্রুত বৃদ্ধি পায়, যা তুলনামূলকভাবে সরল এন মানের চেয়ে বেশি সময় নেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এক হাজার ডাটা খুঁজতে Algorithm A এর সময় লাগবে এক মিলিয়ন অপারেশন এবং Algorithm B এর লাগবে মাত্র এক হাজার অপারেশন। ব্যাখ্যা: এখান থেকেই বোঝা যায় যে ডাটার পরিমাণ বাড়লে প্রথম অ্যালগরিদমটি অনেক বেশি ধীরগতির হয়ে পড়ে। উদাহরণ ২: একটি ফাইলের তালিকা ক্রমানুসারে সাজাতে তুলনামূলক জটিল পদ্ধতি ব্যবহার করলে বেশি সময় লাগে। ব্যাখ্যা: কম জটিলতার পদ্ধতি কম সময়ে একই কাজ সম্পন্ন করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: এ) Algorithm A, Algorithm B এর চেয়ে ধীর গতির — এটি সর্বদা সত্য নয়, কারণ ইনপুটের মান খুব ছোট হলে বা নির্দিষ্ট শর্তে এটি দ্রুত চলতে পারে। বি) Algorithm A, Algorithm B এর চেয়ে দ্রুত গতির — এটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ এর অর্ডার অব গ্রোথ বেশি হওয়ায় এটি ধীরগতির হয়। ডি) Algorithm B সর্বদা Algorithm A এর চেয়ে দ্রুত চলে — সর্বদা শব্দটি সঠিক নয়, কারণ ইনপুট যদি শূন্য বা এক হয় তবে উভয় অ্যালগরিদম প্রায় সমান সময়ে কাজ শেষ করতে পারে। ৫. মনে রাখার টিপস: বিগ ও নোটেশনে যে চলকের পাওয়ার বা মাত্রা কম থাকে, সেটি দীর্ঘ মেয়াদে দ্রুত কাজ করে। পাওয়ার বেশি থাকা মানেই অ্যাসিম্পটোটিক বিচারে সেটি ধীরগতির হওয়া। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অ্যালগরিদমের দক্ষতা তুলনার ক্ষেত্রে বিগ ও নোটেশন বা অ্যাসিম্পটোটিক অ্যানালাইসিস প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। বিভিন্ন অর্ডারের যেমন লগ এন, এন, এন স্কয়ার ইত্যাদির বৃদ্ধির হার সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
15. LLM চালানোর জন্য নিম্নোক্ত কম্পিউটারের কোন যন্ত্রাংশ সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Graphics Card ১. কেন সঠিক: LLM বা Large Language Model পরিচালনার ক্ষেত্রে বিশাল পরিমাণ ডেটা সমান্তরালভাবে প্রসেস করতে হয়। এই বিশাল ডেটা প্রসেসিংয়ের জন্য Graphics Card বা জিপিইউ অত্যন্ত দক্ষতার সাথে কাজ করতে সক্ষম। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: Graphics Card বা জিপিইউ হলো এমন একটি হার্ডওয়্যার কম্পোনেন্ট যা কম্পিউটারের চিত্র ও ডেটা প্রসেসিং ত্বরান্বিত করে। কার্যপদ্ধতি: এটি হাজার হাজার কোর একসাথে ব্যবহার করে জটিল গাণিতিক হিসাব ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেল খুব দ্রুত চালাতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চ্যাটজিপিটি বা জেমিনির মতো এআই মডেল রান করতে এআই সার্ভারে শক্তিশালী গ্রাফিক্স কার্ড ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এই গ্রাফিক্স কার্ডগুলো মুহূর্তের মধ্যে কোটি কোটি প্যারামিটার নিয়ে কাজ করতে পারে। উদাহরণ ২: গেমিং ল্যাপটপ বা পিসিতে হাই এন্ড গেম খেলার সময় গ্রাফিক্স কার্ড দৃশ্যগুলো রেন্ডার করে। ব্যাখ্যা: গ্রাফিক্স কার্ড না থাকলে থ্রিডি গেম বা এআই মডেলের প্রসেসিং অসম্ভব হয়ে পড়ে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) RAM — এটি কম্পিউটারের রানিং ডেটা সাময়িকভাবে ধরে রাখে কিন্তু বিশাল এআই মডেলের সমান্তরাল হিসাব করার ক্ষমতা এর নেই। B) Storage Device — এটি শুধু ডেটা দীর্ঘস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে এবং মডেল রান করার মূল গণনাকাজ এটি করতে পারে না। C) Graphics Card — সঠিক উত্তর। D) Processor — প্রসেসর বা সিপিইউ সাধারণ কাজের জন্য ভালো হলেও এআই মডেলের প্যারালাল প্রসেসিংয়ের জন্য এটি জিপিইউর চেয়ে ধীরগতির। ৫. মনে রাখার টিপস: এআই মডেল বা এলএলএম মানেই বিশাল হিসাব, আর বিশাল হিসাব মানেই গ্রাফিক্স কার্ডের শক্তি। সিপিইউ দিয়ে সাধারণ কাজ হয়, আর জিপিইউ দিয়ে এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিংয়ের কাজের জন্য আধুনিক কম্পিউটারে জিপিইউ বা গ্রাফিক্স কার্ডের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এআই প্রযুক্তির হার্ডওয়্যারভিত্তিক প্রশ্ন এলে উত্তর সাধারণত গ্রাফিক্স কার্ড হবে।
16. Quantum Computing এর জনক কাকে মনে করা হয়?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) David Deutsch ১. কেন সঠিক: ডেভিড ডয়েচ (David Deutsch) কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এর তাত্ত্বিক ভিত্তি স্থাপন করার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। তিনি ১৯৮৫ সালে প্রথম কোয়ান্টাম টিউরিং মেশিনের বর্ণনা দিয়ে কোয়ান্টাম কম্পিউটিংকে একটি প্রায়োগিক বিজ্ঞানে রূপ দেন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কোয়ান্টাম কম্পিউটিং হলো এমন এক ধরনের প্রসেসিং ব্যবস্থা যা কোয়ান্টাম বলবিদ্যার নীতি যেমন কিউবিট, সুপারপজিশন ও এনট্যাঙ্গলমেন্ট ব্যবহার করে জটিল হিসাব পরিচালনা করে। কার্যপদ্ধতি: সাধারণ কম্পিউটার যেখানে বাইনারি বিট হিসেবে শূন্য বা এক নিয়ে কাজ করে, সেখানে কোয়ান্টাম কম্পিউটার কিউবিট ব্যবহার করে একই সাথে শূন্য ও একের অবস্থা ধারণ করতে পারে। ব্যবহার: ক্রিপ্টোগ্রাফি, জটিল আণবিক মডেলিং এবং বৃহৎ ডেটাসেট বিশ্লেষণের কাজে কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্লাসিক্যাল কয়েন ফ্লিপ ব্যাখ্যা: সাধারণ বিট হলো কয়েন ফেলার পর হেড বা টেল আসার মতো, যা যেকোনো একটি নির্দিষ্ট অবস্থা নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: ঘূর্ণায়মান কয়েন ব্যাখ্যা: কিউবিট হলো বাতাসে ঘূর্ণায়মান কয়েনের মতো, যেখানে থামার আগে হেড ও টেল উভয় সম্ভাবনাই একযোগে বিদ্যমান থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) David Deutsch — ইনি কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এর তাত্ত্বিক কাঠামোর জনক এবং প্রথম কোয়ান্টাম অ্যালগরিদম প্রবক্তা। B) Richard Feynman — ইনি কোয়ান্টাম সিমুলেশনের ধারণা প্রথম দিলেও কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এর জনক হিসেবে ডেভিড ডয়েচ স্বীকৃত। C) Paul Benioff — ইনি কোয়ান্টাম মেকানিক্যালের সাহায্যে টিউরিং মেশিনের কোয়ান্টাম মডেল প্রথম প্রস্তাব করেছিলেন। D) Alexei Kitaev — ইনি টপোলজিক্যাল কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও প্রতিষ্ঠাতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এর তাত্ত্বিক জনক মনে রাখতে ডি অক্ষরটি মনে রাখুন, কারণ David Deutsch নামটি ডি দিয়ে শুরু হয়। রিচার্ড ফাইনম্যান ধারণা দিলেও ডেভিড ডয়েচ একে পরিপূর্ণ তাত্ত্বিক রূপ দেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কোয়ান্টাম কম্পিউটারের মৌলিক একক হলো কিউবিট (Qubit) বা কোয়ান্টাম বিট। বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এর জনক সংক্রান্ত প্রশ্নে ডেভিড ডয়েচ সবচেয়ে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হন।

মোট প্রশ্ন (3)

1. নিচের কোনটি পেশাগত নৈতিকতার উপাদান?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দক্ষতা ১. কেন সঠিক: - পেশাগত নৈতিকতার মূল ভিত্তি হলো কাজের প্রতি দায়িত্ববোধ, সততা এবং নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা বা দক্ষতা অর্জন করা। - পেশাগত নৈতিকতা বলতে বোঝায় কোনো পেশার সঙ্গে জড়িত নিয়মকানুন, সততা ও উৎকর্ষ বজায় রেখে পেশাগত দায়িত্ব পালন করা। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: পেশাগত নৈতিকতা হলো কর্মক্ষেত্রে সততা, নিষ্ঠা, জবাবদিহি এবং পেশাগত দক্ষতার সমন্বয়ে অর্জিত এক ধরনের নৈতিক মানদণ্ড। - গুরুত্ব: কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা না থাকলে নৈতিকভাবে সৎ হওয়ার পরও প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য অর্জন ব্যাহত হয় এবং সেবার মান নষ্ট হয়। - প্রয়োগ: সরকারি বা বেসরকারি সেবামূলক কাজে নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্ব নিখুঁতভাবে এবং দ্রুত সম্পন্ন করার মাধ্যমেই পেশাগত দক্ষতার নৈতিক প্রয়োগ ঘটে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা ফাইলপত্র জমিয়ে না রেখে দ্রুত ও নির্ভুলভাবে সাধারণ মানুষের সেবা প্রদান করছেন। ব্যাখ্যা: এখানে কর্মকর্তার পেশাগত দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার নৈতিক প্রয়োগ ঘটেছে, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করে। উদাহরণ ২: একজন শিক্ষক নিয়মিত পড়াশোনার নতুন পদ্ধতি শিখে এসে শিক্ষার্থীদের সহজে পাঠদান করছেন। ব্যাখ্যা: এটি শিক্ষকের পেশাগত নৈতিকতা ও দক্ষতার প্রকাশ, যা শিক্ষার্থীদের সঠিক শিক্ষা লাভে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বজনপ্রীতি — এটি পেশাগত নৈতিকতার পরিপন্থী একটি গুরুতর অনৈতিক আচরণ যা দুর্নীতি ও বৈষম্য তৈরি করে। B) সম্প্রদায়িকতা — এটি সামাজিক সম্প্রীতি ও পেশাগত নিরপেক্ষতার নীতিকে ধ্বংস করে, তাই এটি নৈতিকতার উপাদান হতে পারে না। C) দারিদ্রতা — এটি একটি আর্থসামাজিক অবস্থা, কোনো পেশাগত বা নৈতিক গুণ বা উপাদান নয়। D) দক্ষতা — এটি পেশাগত উৎকর্ষ অর্জনের মাধ্যমে সঠিক সেবা নিশ্চিত করার একটি ইতিবাচক উপাদান। ৫. মনে রাখার টিপস: - পেশাগত জীবনের সফলতার চাবিকাঠি হলো সততা এবং দক্ষতা। - পরীক্ষার প্রশ্নে নেতিবাচক শব্দগুলো বাদ দিয়ে ইতিবাচক পেশাগত গুণটিকে বেছে নিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পেশাগত নৈতিকতার প্রধান উপাদানগুলো হলো সততা, জবাবদিহি, নিরপেক্ষতা এবং দক্ষতা। - এই নীতি থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুশাসন ও প্রশাসনিক নৈতিকতা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
2. উদ্দেশ্য নৈতিকতার আলোচ্চ বিষয় কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফলাফল ১. কেন সঠিক: - নৈতিক দর্শনে উদ্দেশ্যের নৈতিকতা বিচার করা হয় কাজের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে। এখানে কার্যকারণ সম্পর্ক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - এটি মূলত উপযোগবাদ বা পরিণামবাদের মূলনীতি, যেখানে কোনো কাজের নৈতিক মান নির্ধারিত হয় তার ভালো বা খারাপ ফলাফলের মাধ্যমে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: পরিণামবাদ বা উদ্দেশ্য নৈতিকতা এমন একটি নীতি যেখানে কাজের নৈতিকতা তার পরিণতির ওপর নির্ভর করে। - গুরুত্ব: সমাজে কাজের কল্যাণকর দিক এবং বৃহত্তর স্বার্থ নিশ্চিত করতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - প্রয়োগ: সরকারি বা বেসরকারি নীতি নির্ধারণের সময় সাধারণ মানুষের কল্যাণের বিষয়টি নিশ্চিত করা। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা যখন একটি ত্রাণ বিতরণের প্রকল্প গ্রহণ করেন, তখন তার মূল লক্ষ্য থাকে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। ব্যাখ্যা: এখানে কর্মকর্তাটির কাজের নৈতিকতা বিচার করা হবে ত্রাণটি সঠিকভাবে মানুষের কাছে পৌঁছাল কি না তার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে। উদাহরণ ২: ট্রাফিক আইন মেনে গাড়ি চালানো একজন চালকের দৈনন্দিন দায়িত্বের অংশ। ব্যাখ্যা: আইন মেনে চলার ফলে দুর্ঘটনা এড়ানো যায় এবং সবার নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত হয়, যা একটি ভালো ফলাফল আনে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উদ্দেশ্য — উদ্দেশ্য নৈতিকতার মূল আলোচ্য বিষয় পরিণতি হলেও, শুধুমাত্র উদ্দেশ্য দিয়ে এর সম্পূর্ণ বিচার করা যায় না। C) প্রক্রিয়া — প্রক্রিয়া নৈতিকতার একটি অংশ হলেও উদ্দেশ্য নৈতিকতা মূলত কাজের সমাপ্তি বা ফলাফলকে নির্দেশ করে। D) সবগুলো — সবগুলো অপশন একসঙ্গে উদ্দেশ্য নৈতিকতার মূল আলোচ্য বিষয় হিসেবে গণ্য হয় না কারণ এর মূল ভিত্তি ফলাফল। ৫. মনে রাখার টিপস: - উদ্দেশ্য নৈতিকতা মনে রাখার জন্য মনে রাখবে এটি কাজের শেষের ফল বা পরিণতির ওপর জোর দেয়। - কার্যকারণ সম্পর্ক এবং কল্যাণমূলক ফলাফল এই তত্ত্বের মূল চাবিকাঠি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নৈতিক দর্শনে ইমানুয়েল কান্টের ডিওন্টোলজি বা কর্তব্যবাদ এবং উপযোগবাদের পার্থক্য ভালোভাবে বুঝে রাখবে। - একই নীতি থেকে কর্মের ফলাফল এবং নিয়মের পবিত্রতা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।

মোট প্রশ্ন (30)

2. বাংলাদেশের 'দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন' কবে প্রণীত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০১২ ১. কেন সঠিক: দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং জরুরি ব্যবস্থাপনাকে আইনগত ভিত্তি দিতে বাংলাদেশ সরকার ২০১২ সালে এই আইন প্রণয়ন করে। এর মাধ্যমে দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রিক মানসিকতা থেকে বের করে সার্বিক ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা রূপান্তর করা হয়। ২. ভৌগোলিক তথ্য: বৈশিষ্ট্য: বাংলাদেশ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বন্যা, সাইক্লোন ও নদীভাঙনের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হয়। সংশ্লিষ্ট তথ্য: এই আইনের আওতায় জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাউন্সিল এবং বিভিন্ন স্তরে কমিটি গঠন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ২০০৭ সালের সিডর সাইক্লোন। ব্যাখ্যা: বড় ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা এই ধরনের ঘটনার পর তীব্রভাবে অনুভূত হয়। উদাহরণ ২: ১৯৯১ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়। ব্যাখ্যা: এ ধরনের দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে পরবর্তীতে সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়নের পথ প্রশস্ত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০৫ — এই সালে কোনো দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন প্রণীত হয়নি যদিও এটি ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ বছর ছিল। B) ২০০৮ — এই বছর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নীতিমালা থাকলেও এই আইন প্রণীত হয়নি। D) ২০১৫ — এই সালে আইন প্রণীত হয়নি, তবে ২০১২ সালের আইনের অধীনে বিভিন্ন বিধিমালা প্রণয়ন ও সংশোধন করা হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১২ সালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন পাস হয়, যার সাথে যুদ্ধাপরাধ বিচার শুরুর বছর বা সুরমা সেতু চালুর সাল মিলিয়ে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আইন প্রণয়নের সাল প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন প্রণীত হয় কোন সালের কত তারিখে বা এর মূল লক্ষ্য কী ছিল।
3. এল নিনো বাংলাদেশে ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক আবহাওয়ায় কীভাবে প্রভাব ফেলে?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বর্ষার বৃষ্টিপাতের ধরনে অনিয়ম সৃষ্টি করে ১. কেন সঠিক: - এল নিনো হলো প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধির একটি অস্বাভাবিক সাময়িক প্রক্রিয়া। - এর প্রভাবে দক্ষিণ এশিয়া ও বাংলাদেশে মৌসুমী বায়ুর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হয় এবং বর্ষাকালে অনাবৃষ্টি বা খরা দেখা দেয়। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয় অঞ্চল বিশেষ করে পেরু ও ইকুয়েডর উপকূল থেকে শুরু করে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া পর্যন্ত এর প্রভাব বিস্তৃত। - কারণ ও প্রভাব: সমুদ্রের উষ্ণায়নের ফলে বায়ুমণ্ডলের চাপ বলয় পরিবর্তিত হয় যা দক্ষিণ এশিয়ার মৌসুমি বায়ুকে দুর্বল করে দেয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৮ সালের এল নিনো। ব্যাখ্যা: এই শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাবে বাংলাদেশে এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় মারাত্মক খরা ও বর্ষার বৃষ্টিতে মারাত্মক অনিয়ম দেখা দিয়েছিল। উদাহরণ ২: ২০১৫ থেকে ২০১৬ সালের এল নিনো। ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বজুড়ে কৃষিকাজে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল এবং বাংলাদেশে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শীতকালীন তাপমাত্রা বৃদ্ধি — এল নিনো মূলত বর্ষার বৃষ্টিপাতে অনিয়ম সৃষ্টি করে, শীতকালীন তাপমাত্রার ওপর এর সরাসরি এবং প্রধান প্রভাব নেই। B) বর্ষার বৃষ্টিপাতের ধরনে অনিয়ম সৃষ্টি করে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এটি মৌসুমি বায়ুকে প্রভাবিত করে। C) গ্রীষ্মকালীন তাপমাত্রা কমায় — এল নিনো গ্রীষ্মকালীন তাপমাত্রা কমায় না বরং অনেক অঞ্চলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে। D) ঘূর্ণিঝড় বৃদ্ধি পায় — প্রশান্ত মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড় প্রভাবিত হলেও বাংলাদেশে মৌসুমী বৃষ্টিতে অনিয়ম সৃষ্টি করাই এর প্রধান আঞ্চলিক প্রভাব। ৫. মনে রাখার টিপস: এল নিনো মানেই বৃষ্টিতে অনিয়ম, অর্থাৎ বর্ষাকালে খরা বা কম বৃষ্টিপাত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এল নিনোর বিপরীত অবস্থাকে বলা হয় লা নিনা যা অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণ হয়। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই জলবায়ু পরিবর্তন ও এল নিনো সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
5. কনরাড বিযুক্তি ভূ-অভ্যন্তরের কোন স্তরসমূহের মাঝে অবস্থান করে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিয়াল ও সিমা ১. কেন সঠিক: - কনরাড বিযুক্তি হলো পৃথিবীর ভূত্বকের উপরিস্তর সিয়াল এবং নিচের স্তর সিমা এর মধ্যবর্তী সীমারেখা। - এই বিযুক্তি অঞ্চলের ঠিক নিচ থেকেই শিলার ঘনত্ব ও রাসায়নিক গঠনে পরিবর্তন দেখা যায়। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ থেকে ২০ কিলোমিটার গভীরে মহাদেশীয় ভূত্বকের অভ্যন্তরে এই বিযুক্তি রেখা অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এর উপরের স্তরে সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম এবং নিচের স্তরে সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম বেশি থাকে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: মহাদেশীয় ভূত্বক ব্যাখ্যা: মহাদেশীয় ভূত্বকের উপরিভাগ এবং তলদেশের মধ্যবর্তী রূপান্তর অঞ্চল হিসেবে এটি কাজ করে। উদাহরণ ২: সিয়াল স্তর ব্যাখ্যা: হালকা গ্রানাইট শিলা দ্বারা গঠিত সিয়াল স্তর এই বিযুক্তির ঠিক ওপরে অবস্থান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিয়াল ও সিমা - এটি সঠিক কারণ কনরাড বিযুক্তি এই দুটি ভূস্তরকে পৃথক করে। B) অশ্বমণ্ডল ও গুরুমণ্ডল - এটি সঠিক নয় কারণ এটি লিথোস্ফিয়ার ও আস্থেনোস্ফিয়ারের সীমানা নির্দেশ করে। C) গুরুমণ্ডল ও কেন্দ্রমণ্ডল - এটি সঠিক নয় কারণ এটি গুটেনবার্গ বিযুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত। D) সিমা ও অশ্বমণ্ডল - এটি সঠিক নয় কারণ সিমা নিজেই ভূত্বকের একটি অংশ। ৫. মনে রাখার টিপস: - কনরাড শব্দটির সঙ্গে সিয়াল ও সিমা মনে রাখতে ক-স-সি সূত্রটি ব্যবহার করা যেতে পারে। - অর্থাৎ কনরাড বিযুক্তি সিয়াল ও সিমাকে আলাদা করেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভূ-অভ্যন্তরের বিভিন্ন বিযুক্তি রেখা যেমন মোহো, গুটেনবার্গ ও লেম্যান বিযুক্তি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কোন বিযুক্তি কোন দুটি স্তরকে আলাদা করেছে তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
6. ভূতাত্ত্বিক গঠন অনুযায়ী বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে সবচেয়ে পুরাতন শিলা গঠন পাওয়া যায়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দিনাজপুর ১. কেন সঠিক: - ভূতাত্ত্বিক গঠন অনুযায়ী বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন শিলা গঠিত হয়েছে প্রাক-ক্যামব্রিয়ান যুগে, যা মূলত উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বরেন্দ্র ভূমির অন্তর্ভুক্ত। - এই অঞ্চলের শিলা ভারতীয় প্রাচীন ভূত্বকের অংশ এবং এটি প্রায় ১০০ কোটি বছরের পুরোনো ক্রিস্টালাইন বা কেলাstit শিলা দ্বারা গঠিত। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সমভূমি ও বরেন্দ্র অঞ্চলের অংশ, যা ভারতীয় শিল্ড বা ইন্ডিয়ান ক্র্যাটনের সীমানায় অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এই অঞ্চলের ভূত্বক অত্যন্ত প্রাচীন এবং এর নিচে কঠিন গ্রানাইট ও গ্নেস শিলাস্তর পাওয়া যায় যা সমভূমির অন্যান্য অঞ্চলের মতো পলি দ্বারা গঠিত নয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: মধ্যপাড়া কঠিন শিলা প্রকল্প ব্যাখ্যা: দিনাজপুরের মধ্যপাড়ায় এই প্রাচীন প্রাক-ক্যামব্রিয়ান যুগের শিলা খুঁড়ে উত্তোলন করা হয়, যা দেশের একমাত্র কঠিন শিলা খনি। উদাহরণ ২: বরেন্দ্র ভূমি ব্যাখ্যা: দিনাজপুরের মাটি ও ভূগর্ভস্থ গঠন প্রমাণ করে যে এটি প্লাইস্টোসিন কালের সোপান এবং প্রাচীন শিলা গঠনের ওপর অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধ্যভাগের উচ্চভূমি — এটি মূলত মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং লালমাই পাহাড়ের অংশ যা প্লাইস্টোসিন কালের পলি দ্বারা গঠিত, প্রাচীনতম শিলা নয়। C) পার্বত্য চট্টগ্রাম — এটি বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ পাহাড়ি অঞ্চল যা টারশিয়ারি যুগে গিরিখাত ও পলির উত্থানের ফলে সৃষ্টি হয়েছে। D) সিলেট — এটি সুরমা অববাহিকা ও পাহাড়ি টিলা অঞ্চল নিয়ে গঠিত এবং এর ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত নবীন পলি ও টারশিয়ারি যুগের শিলা দ্বারা গঠিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাচীন শিলা মানেই উত্তরের জেলা দিনাজপুর। কারণ উত্তর-পশ্চিম কোণ হলো সবচেয়ে পুরোনো মাটির ভিত্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশের একমাত্র কঠিন শিলা খনি কোথায় অবস্থিত এবং এর ভূতাত্ত্বিক যুগ কী, তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
7. বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে ওজন গ্যাসের স্তর অবস্থান করে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্ট্র্যাটোমণ্ডল ১. কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোমণ্ডল স্তরে ওজোন গ্যাসের স্তর প্রধানত অবস্থান করে, যা সূর্য থেকে আসা ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে পৃথিবীকে রক্ষা করে। - এই স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা ওজোন গ্যাস কর্তৃক অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করার ফলে ঘটে থাকে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: ট্রপোমণ্ডলের ঠিক ওপরে এবং মেসোমণ্ডলের নিচে প্রায় ১৫ থেকে ৫০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত স্ট্র্যাটোমণ্ডল বিস্তৃত। - বৈশিষ্ট্য: এই স্তরে বায়ুর ঘনত্ব কম এবং মেঘ বা ঝড়ঝঞ্চা না থাকায় সাধারণত জেট বিমানগুলো এই স্তরের নিচ দিক দিয়ে শান্তভাবে চলাচল করে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থ যেমন ক্লোরোফ্লোরোকার্বন বা সিএফসি। ব্যাখ্যা: এই গ্যাসগুলো স্ট্র্যাটোমণ্ডলে পৌঁছে ওজোন অণুগুলোকে ভেঙে ফেলে এবং ওজোন স্তরে ছিদ্র সৃষ্টি করে। উদাহরণ ২: আন্টার্কটিকার ওজোন ছিদ্র। ব্যাখ্যা: প্রতিবছর বসন্তকালে স্ট্র্যাটোমণ্ডলের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে ওজোন স্তরের মারাত্মক ক্ষয় সাধিত হয়, যা ভৌগোলিক ও পরিবেশগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ট্রপোমণ্ডল — এটি বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর যেখানে মেঘ, বৃষ্টি, ঝড় এবং আমাদের আবহাওয়ার প্রধান উপাদানগুলো সীমাবদ্ধ থাকে, ওজোন স্তর এখানে প্রধানত থাকে না। B) থার্মোমণ্ডল — এটি বায়ুমণ্ডলের একটি অতি উচ্চ স্তর যেখানে তাপমাত্রা খুব বেশি এবং কৃত্রিম উপগ্রহ অবস্থান করে, ওজোন স্তর এখানে থাকে না। C) স্ট্র্যাটোমণ্ডল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এখানেই ওজোন গ্যাস পুঞ্জীভূত অবস্থায় অবস্থান করে। D) মেসোমণ্ডল — এটি স্ট্র্যাটোমণ্ডলের ওপরের শীতলতম স্তর যেখানে উল্কাপিন্ড পুড়ে ছাই হয়, এটি ওজোন স্তরের অবস্থানস্থল নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ট্রপোমণ্ডলের ওপরেই স্ট্র্যাটোমণ্ডল অবস্থিত এবং এই স্তরেই ওজোন বা ও থ্রি গ্যাস থাকে বলে একে ওজোনাস্ফিয়ারও বলা হয়। - ট্রপোমণ্ডলের ঠান্ডা আবহাওয়া আর স্ট্র্যাটোমণ্ডলের ওজোন স্তর এই দুইয়ের পার্থক্য মনে রাখলেই বিভ্রান্তি দূর হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ওজোন স্তর বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে অবস্থিত এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে। - ওজোন স্তর ক্ষয়ের জন্য দায়ী প্রধান গ্যাস কোনটি এবং ওজোন দিবস কবে পালित হয়, এই সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো একই ধারণা থেকে আসতে পারে।
8. হিমালয় পর্বতমালা উৎপত্তিতে কোন দুটি টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষ হয়েছে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইন্দোঅস্ট্রেলিয়ান ও ইউরেশিয়ান ১. কেন সঠিক: - প্লেট টেকটোনিক্স তত্ত্ব অনুসারে পৃথিবীর লিথোস্ফিয়ার কয়েকটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটে বিভক্ত যা সর্বদা গতিশীল। - ইন্দোঅস্ট্রেলিয়ান প্লেট উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে ইউরেশিয়ান প্লেটের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ার ফলে হিমালয় পর্বতমালা সৃষ্টি হয়েছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ অংশে ভারত, নেপাল, ভুটান ও চীন জুড়ে হিমালয় পর্বতমালা বিস্তৃত। - বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের নবীন ভঙ্গিল পর্বতমালা যার গড় উচ্চতা সবচেয়ে বেশি এবং এখানে বিশ্বের উচ্চতম শৃঙ্গ এভারেস্ট অবস্থিত। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: মাউন্ট এভারেস্ট ব্যাখ্যা: এটি হিমালয় পর্বতমালার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এবং এর উচ্চতা ৮৮৪৮ মিটার যা দুই প্লেটের সংঘর্ষের ফলে উত্থিত হয়েছে। উদাহরণ ২: তিব্বত মালভূমি ব্যাখ্যা: হিমালয় পর্বতের উত্তরের এই উচ্চ মালভূমিও একই প্লেট সংঘর্ষের ফলে গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউরেশিয়ান ও আফ্রিকান — আফ্রিকান প্লেট ইউরেশিয়ান প্লেটের দিকে অগ্রসর হলেও এর সংঘর্ষে আল্পস পর্বতমালা গঠিত হয়েছে, হিমালয় নয়। B) ইন্দোঅস্ট্রেলিয়ান ও ইউরেশিয়ান — এটি সঠিক কারণ এই দুই প্লেটের অভিসারী গতির ফলে হিমালয় পর্বতমালা ও টেথিস সাগরের অবলুপ্তি ঘটে। C) আমেরিকান ও ইউরেশিয়ান — এই দুটি প্লেটের দূরত্বের কারণে আটলান্টিক মহাসাগর প্রসারিত হচ্ছে এবং এদের মধ্যে হিমালয় সৃষ্টিকারী সংঘর্ষ ঘটেনি। D) প্যাসিফিক ও ইন্দোঅস্ট্রেলিয়ান — প্যাসিফিক প্লেটের সংঘর্ষ সাধারণত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে রিং অব ফায়ার বা প্রবাল দ্বীপমালা সৃষ্টি করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার সহজ উপায় হলো ভারত ও অস্ট্রেলিয়া একসময় একই প্লেটে ছিল যা ইউরেশিয়াকে ধাক্কা দিয়ে হিমালয় বানিয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে হিমালয় কোন ধরনের পর্বত, উত্তর হবে নবীন ভঙ্গিল পর্বত। - টেথিস সাগর নামক প্রাচীন সমুদ্রের পলি থেকেই হিমালয়ের সৃষ্টি হয়েছে।
9. বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান কোন দুটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক করিডোরের মাঝখানে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মালাক্কা ও হরমুজ প্রণালি ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরের উত্তর উপকূলে অবস্থিত হওয়ায় এটি বৈশ্বিক সামুদ্রিক বাণিজ্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক অবস্থানে রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ অঞ্চল এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উদীয়মান অর্থনীতির প্রধান সামুদ্রিক করিডোরগুলোর ঠিক মধ্যবর্তী স্থানে বাংলাদেশের অবস্থান। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ অংশে এবং ভারত মহাসাগরের অন্তর্ভুক্ত বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত। বৈশিষ্ট্য: এটি এমন একটি কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানে রয়েছে যা পূর্ব ও পশ্চিমের সামুদ্রিক বাণিজ্য পথগুলোকে সংযুক্ত করে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: মালাক্কা প্রণালি ব্যাখ্যা: এটি ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযোগকারী বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত সামুদ্রিক বাণিজ্য পথ, যা দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি তেল পূর্ব এশিয়ায় যায়। উদাহরণ ২: হরমুজ প্রণালি ব্যাখ্যা: এটি পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করে এবং মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানির প্রধান ও একক গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালাক্কা ও হরমুজ প্রণালি — এই দুটি বিশ্বের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক করিডোরের মাঝখানে বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান নির্ধারিত হয়েছে। B) হরমুজ ও পক প্রণালি — পক প্রণালি ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যবর্তী একটি ছোট জলপথ, যা বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রধান করিডোর নয়। C) সুয়েজ খাল ও জিব্রাল্টার প্রণালি — এই দুটি জলপথ মূলত ভূমধ্যসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগর কেন্দ্রিক, যা ইউরোপ ও আফ্রিকার সংযোগস্থলে অবস্থিত। D) জিব্রাল্টার ও বসফরাস প্রণালি — বসফরাস প্রণালি তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অবস্থিত এবং কৃষ্ণ সাগরকে মারমারা সাগরের সাথে যুক্ত করে। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ হলো এশিয়ার পূর্ব ও পশ্চিমের বাণিজ্য পথের একটি প্রাকৃতিক সেতু। বাণিজ্যের জ্বালানি আসে হরমুজ দিয়ে আর মালপত্র যায় মালাক্কা দিয়ে, মাঝখানে বাংলাদেশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থী আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পথ এবং ভূরাজনীতিতে বাংলাদেশের গুরুত্ব বুঝতে পারে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সামুদ্রিক করিডোর ও কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
10. প্রতি ৩০° দ্রাঘিমার স্থানান্তরে সময়ের ব্যবধান কত মিনিট হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২০ মিনিট ১. কেন সঠিক: পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্বে নিজের মেরureখার ওপর আবর্তনের সময় ৩৬০ ডিগ্রি দ্রাঘিমা অতিক্রম করতে সময় নেয় ২৪ ঘণ্টা বা ১৪৪০ মিনিট। এই হিসাব অনুযায়ী প্রতি ১ ডিগ্রি দ্রাঘিমা পার্থক্যের জন্য সময়ের ব্যবধান হয় ৪ মিনিট এবং ৩০ ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য সময় লাগে ১২০ মিনিট। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ ও সময় নির্ণয় সংক্রান্ত ভূগোলের মৌলিক হিসাব। বৈশিষ্ট্য: দ্রাঘিমার পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করেই পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের স্থানীয় সময় নির্ধারণ করা হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: গ্রীনউইচ মানের সঙ্গে কোনো স্থানের দ্রাঘিমা ৩০ ডিগ্রি পূর্ব হলে সময় দুই ঘণ্টা বা ১২০ মিনিট এগিয়ে থাকে। ব্যাখ্যা: পূর্ব দিকের স্থান সূর্য আগে দেখায় তাই দ্রাঘিমা বাড়লে সময় যোগ করতে হয়। উদাহরণ ২: গ্রীনউইচ মানের সঙ্গে কোনো স্থানের দ্রাঘিমা ৩০ ডিগ্রি পশ্চিম হলে সময় দুই ঘণ্টা বা ১২০ মিনিট পিছিয়ে থাকে। ব্যাখ্যা: পশ্চিম দিকের স্থান সূর্য পরে দেখায় তাই দ্রাঘিমা পশ্চিমমুখী হলে সময় বিয়োগ করতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ মিনিট — এই সময়ের ব্যবধান পাওয়া যায় যখন দ্রাঘিমা পার্থক্য হয় ৩ ডিগ্রি এবং এটি সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না। B) ৩০ মিনিট — এই সময়ের ব্যবধানের জন্য দ্রাঘিমা পার্থক্য হতে হবে ৭.৫ ডিগ্রি যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। C) ৬০ মিনিট — ৬০ মিনিট বা ১ ঘণ্টা সময়ের ব্যবধান হয় ১৫ ডিগ্রি দ্রাঘিমা পার্থক্যের কারণে যা এখানে চাওয়া হয়নি। D) ১২০ মিনিট — এটি সঠিক কারণ ৩০ কে ৪ দিয়ে গুণ করলে ১২০ মিনিট বা ২ ঘণ্টা পাওয়া যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রতি ১ ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য ৪ মিনিট সময় পরিবর্তিত হয়। ৩০ ডিগ্রির জন্য হিসাব করতে হবে ৩০ গুণ ৪ সমান ১২০ মিনিট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই নিয়ম ব্যবহার করে পৃথিবীর যে কোনো দুটি স্থানের দ্রাঘিমা জানা থাকলে সহজেই সময়ের পার্থক্য বের করা যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দ্রাঘিমা থেকে সময় বের করার অংক বা এমসিকিউ আসে।
11. বাংলাদেশের দীর্ঘতম স্থলসীমান্ত ভারতের কোন রাজ্যের সাথে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পশ্চিমবঙ্গ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার মোট স্থলসীমান্তের পরিমাণ চার হাজার ১৫৬ কিলোমিটার যার সবচেয়ে বড় অংশ জুড়ে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যটি। - বাংলাদেশের সাথে ভারতের পাঁচটি রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে এবং এর মধ্যে ভৌগোলিক দীর্ঘতার বিচারে পশ্চিমবঙ্গ প্রথম স্থানে অবস্থান করছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যটি বাংলাদেশের পশ্চিম ও উত্তর সীমানা জুড়ে অবস্থিত এবং এটি দেশের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সীমান্ত ভাগ করে নেয়। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: বাংলাদেশের সাথে ভারতের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য চার হাজার ১৫৬ কিলোমিটার এবং এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সাথে সীমান্ত প্রায় দুই হাজার ২২৭ কিলোমিটার। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: বেনাপোল স্থলবন্দর। ব্যাখ্যা: এটি পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যে যোগাযোগের প্রধান বাণিজ্যিক ও যাতায়াত রুট যা দীর্ঘতম সীমান্তের কার্যকারিতা নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: রোহনপুর বা দর্শনা সীমান্ত। ব্যাখ্যা: এই সীমান্ত পয়েন্টগুলো পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সরাসরি রেল ও সড়ক যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘালয় — এই রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে তবে তা দীর্ঘতম নয় বরং তুলনামূলকভাবে বেশ ছোট। B) আসাম — ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার এই রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে কিন্তু এর দৈর্ঘ্য পশ্চিমবঙ্গের চেয়ে কম। D) ত্রিপুরা — তিন দিক থেকে ভারতীয় এই রাজ্যটি বাংলাদেশ দ্বারা বেষ্টিত হলেও এর সীমান্ত দৈর্ঘ্য দীর্ঘতম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ভারতের সাথে সবচেয়ে বেশি সীমান্ত রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের, তাই মনে রাখার জন্য "পশ্চিমবঙ্গ সবচেয়ে বড় অংশ জুড়ে আছে" এই সহজ সূত্রটি মাথায় রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্য মোট পাঁচটি যাদের নাম পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম। একই ধারণা থেকে ভারতের কোন রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত সবচেয়ে কম, এমন প্রশ্নও পরীক্ষায় আসতে পারে।
13. জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থা বা জাতিসংঘ পর্যটন (পূর্বে UNWTO) এর সদর দপ্তর কোথায়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাদ্রিদ, স্পেন ১. কেন সঠিক: জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থার সদর দপ্তর স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে অবস্থিত। এটি বৈশ্বিক পর্যটন নীতি নির্ধারণ এবং টেকসই পর্যটন প্রসারে কাজ করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: মাদ্রিদ, আইবেরিয়ান উপদ্বীপ, দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপ। বৈশিষ্ট্য: এটি স্পেনের বৃহত্তম শহর এবং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র। সংশ্লিষ্ট তথ্য: সম্প্রতি এই সংস্থাটির নাম পরিবর্তন করে শুধু জাতিসংঘ পর্যটন রাখা হয়েছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ইউরোপীয় ইউনিয়ন ব্যাখ্যা: বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর ইউরোপের বিভিন্ন প্রধান শহরে অবস্থিত। উদাহরণ ২: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ব্যাখ্যা: সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এর সদর দপ্তর অবস্থিত, যা আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রতীক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুরিন, ইতালি — এটি ইতালির একটি শিল্পপ্রধান শহর হলেও এই সংস্থার সদর দপ্তর এখানে নেই। বি) সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ফ্রাঙ্কফুর্ট, জার্মানি — এটি জার্মানির আর্থিক কেন্দ্র এবং ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অবস্থান। D) প্যারিস, ফ্রান্স — এটি ইউনেস্কোর সদর দপ্তর, যা জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পর্যটনের রাজধানী হিসেবে মাদ্রিদকে মনে রাখতে পারেন। স্পেনের পর্যটন শিল্প বিখ্যাত, তাই সদর দপ্তর মাদ্রিদে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। জাতিসংঘের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত তা জেনে রাখা ভালো।
14. বর্তমানে অর্থনীতির ব্যাপ্তি অনুসারে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক জোট কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) RCEP ১. কেন সঠিক: - RCEP বা আঞ্চলিক সার্বিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বিশ্বের বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি এবং অর্থনীতির ব্যাপ্তি অনুসারে বৃহত্তম অর্থনৈতিক জোট। - এই জোটের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর মোট জিডিপি এবং জনসংখ্যা বিশ্বের একটি বিশাল অংশ জুড়ে বিস্তৃত, যা বৈশ্বিক বাণিজ্যে অত্যন্ত প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: এশিয়া ও ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশগুলো নিয়ে এই জোট গঠিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি মূলত বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩০ শতাংশ এবং বৈশ্বিক জিডিপির প্রায় ৩০ শতাংশ প্রতিনিধিত্ব করে। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: ২০২০ সালের ১৫ নভেম্বর ১০টি আসিয়ানি দেশ এবং তাদের ৫টি মুক্ত বাণিজ্য অংশীদার দেশের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: আসিয়ানভুক্ত দেশসমূহ ব্যাখ্যা: সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের মতো শক্তিশালী অর্থনীতিগুলো এই জোটের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: চীন ও জাপান ব্যাখ্যা: এশিয়ার অর্থনৈতিক পরাশক্তি হিসেবে চীন ও জাপানের অন্তর্ভুক্তি এই জোটকে বৈশ্বিক বাণিজ্যে অনন্য অবস্থান দিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) EU — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যা ইউরোপের দেশগুলোর একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট হলেও RCEP এর মতো বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক জোট নয়। B) WTO — এটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা, যা কোনো অর্থনৈতিক জোট নয় বরং বৈশ্বিক বাণিজ্যের নিয়মকানুন তদারককারী আন্তর্জাতিক সংস্থা। C) RCEP — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বর্তমানে অর্থনীতির ব্যাপ্তি ও সদস্য দেশের জিডিপির দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক জোট। D) AU — এটি আফ্রিকান ইউনিয়ন, যা আফ্রিকার দেশগুলোর একটি মহাদেশীয় সংস্থা এবং এর অর্থনৈতিক ব্যাপ্তি RCEP এর তুলনায় অনেক কম। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিশ্বে অর্থনৈতিক ব্যাপ্তিতে সবচেয়ে বড় জোট হলো RCEP, যেখানে মনে রাখতে পারেন এশিয়ার দেশগুলোর বাণিজ্যর ক্ষেত্রে এটি রাজা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা এবং বৃহত্তম অর্থনৈতিক জোটের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। - RCEP এর পূর্ণরূপ এবং এর সদস্য সংখ্যা কত, তা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
15. UNOPS এর পূর্ণরূপ কী?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) United Nations Office for Project Service ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত অঙ্গসংস্থাকে নির্দেশ করে যা বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়ন করে থাকে। - এটি মূলত অবকাঠামো নির্মাণ, জনসক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন জরুরি সেবামূলক প্রকল্প পরিচালনার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নে কাজ করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: এই সংস্থার প্রধান কার্যালয় ডেনমার্কের কোপেনহেগেন শহরে অবস্থিত এবং এটি বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন উন্নয়নশীল অঞ্চলে কাজ পরিচালনা করে। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: এটি জাতিসংঘের এমন একটি অঙ্গসংস্থা যা কোনো সদস্যরাষ্ট্রের সরাসরি অনুদানের পরিবর্তে নিজস্ব সেবামূলক প্রকল্পের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ করে পরিচালিত হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশসমূহে স্কুল ও হাসপাতাল নির্মাণ। ব্যাখ্যা: এই ধরনের প্রকল্প পরিচালনার মাধ্যমে সংস্থাটি সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের জনজীবন স্বাভাবিক করতে সরাসরি ভূমিকা রাখে। উদাহরণ ২: প্রাকৃতিক দুর্যোগকবলিত এলাকায় জরুরি ত্রাণ ও অবকাঠামো পুনর্বাসন। ব্যাখ্যা: এটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে টেকসই স্থাপনা নির্মাণ করে ভবিষ্যতে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) United Nations Organization for peace and Security — এমন নামে জাতিসংঘের কোনো আনুষ্ঠানিক ও স্বাধীন সংস্থা বা কার্যালয় নেই। B) United Nations Office for Public Service — সরকারি সেবার মানোন্নয়নে জাতিসংঘের সরাসরি এমন কোনো নির্দিষ্ট কার্যালয় নেই। C) United Nations Office for Project Service — এটি সঠিক উত্তর যা প্রকল্পের বাস্তবায়ন ও পরিচালনার কাজ করে। D) United Nations Operations and planning system — এটি জাতিসংঘের প্রকল্প ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবহৃত কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা প্রাতিষ্ঠানিক নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - UNOPS নামের শেষ অংশ সার্ভিস এবং প্রজেক্ট শব্দ দুটি মনে রাখলেই এর মূল কাজ অর্থাৎ প্রকল্প সেবা প্রদান বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের পূর্ণরূপ এবং তাদের প্রধান কার্যালয়ের অবস্থান প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - জাতিসংঘের বিভিন্ন অঙ্গসংস্থা যেমন ইউএনডিপি, ইউনেস্কো এবং ইউএনওপিএস এর কাজের পরিধি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি।
16. সম্প্রতি পেরুতে খুঁজে পাওয়া ৩,৫০০ বছরের পুরোনো শহরের নাম কী?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পেনিকো ১. কেন সঠিক: - পেরুর প্রত্নতাত্ত্বিকরা সম্প্রতি দেশটির উত্তরাঞ্চলের একটি মরুভূমি এলাকা থেকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বছর পুরানো এই প্রাচীন শহরের অবশিষ্টাংশ আবিষ্কার করেছেন। - এই প্রাচীন জনবসতিটি আন্দিজ পর্বতমালা সংলগ্ন অঞ্চলের প্রাচীন সভ্যতা এবং মানব জনবসতির ক্রমবিকাশের এক অনন্য ঐতিহাসিক নিদর্শন বহন করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের পেরু দেশের উত্তরাঞ্চলীয় মরুভূমি ও উপকূলীয় এলাকা। - বৈশিষ্ট্য: প্রাচীন স্থাপত্যরীতি, শহুরে বিন্যাস এবং শুষ্ক মরুভূমির আবহে গড়ে ওঠা প্রাচীন সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: এটি পেরুর প্রাচীন ইতিহাস এবং নর্তে চিকো সভ্যতার সমসাময়িক বা কাছাকাছি সময়ের একটি ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: কারাল সভ্যতা ব্যাখ্যা: পেরুর এই প্রাচীন শহরটি লা আমেরিকা মহাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতার অংশবিশেষ এবং এটি ইনকা সভ্যতার বহুপূর্বের ইতিহাসের সাক্ষ্য দেয়। উদাহরণ ২: নাজকা লাইনস ব্যাখ্যা: এটি পেরুর আরেকটি বিশ্ববিখ্যাত ভৌগোলিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন যা মরুভূমির বুকে প্রাচীন মানুষের তৈরি জ্যামিতিক নকশার জন্য পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাচুপিচু — এটি পেরুর অ্যান্ডিজ পর্বতমালার উঁচুতে অবস্থিত একটি বিখ্যাত ইনকা শহর, যা এই নতুন আবিষ্কৃত প্রাচীন শহর নয়। B) কোরাল — এটি পেরুর অত্যন্ত প্রাচীন একটি প্রাগৈতিহাসিক নগরসভ্যতা, যা বর্তমান আবিষ্কার থেকে ভিন্ন এবং ভিন্ন ভৌগোলিক অবস্থানে অবস্থিত। D) কুস্কো — এটি প্রাচীন ইনকা সাম্রাজ্যের ঐতিহাসিক রাজধানী শহর, যা এই সাম্প্রতিক আবিষ্কৃত শহরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: পেরুতে খুঁজে পাওয়া নতুন প্রাচীন শহরটির নামের প্রথম অক্ষর পে দিয়ে শুরু, যা পেরু নামের সঙ্গে সহজে মিলিয়ে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: দক্ষিণ আমেরিকার প্রাচীন সভ্যতা এবং সাম্প্রতিক প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কার সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে প্রায়ই আসে। এই ধরনের প্রশ্নে দেশের নাম এবং আবিষ্কারের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
17. Climate Vulnerable Form (CVF) কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০০৯ ১. কেন সঠিক: জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষা এবং বৈশ্বিক মঞ্চে জোরালো কণ্ঠস্বর তোলার জন্য এই জোট গঠিত হয়। মালদ্বীপের তৎকালীন রাষ্ট্রপতির উদ্যোগে কোপ ১৫ জলবায়ু সম্মেলনের প্রাক্কালে এই ফোরাম আত্মপ্রকাশ করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের চরম ঝুঁকিতে থাকা এশিয়া, আফ্রিকা, ক্যারিবীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশসমূহ। বৈশিষ্ট্য: এটি মূলত জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি স্বেচ্ছাসেবী ও সহযোগিতামূলক মঞ্চ। সংশ্লিষ্ট তথ্য: সূচনার সময় এর সদস্য সংখ্যা ১১ হলেও বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বাংলাদেশ এই ফোরামের একটি সক্রিয় ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ব্যাখ্যা: ভৌগোলিক অবস্থান ও নদীমাতৃক গঠনগত কারণে বাংলাদেশ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও চরম আবহাওয়ার সর্বাধিক ঝুঁকিতে থাকায় এই ফোরামের নেতৃত্বমূলক ভূমিকা পালন করে আসছে। উদাহরণ ২: মালদ্বীপ ব্যাখ্যা: দ্বীপ রাষ্ট্র হওয়ায় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সম্পূর্ণ নিমজ্জিত হওয়ার আশঙ্কায় থাকা মালদ্বীপ এই ফোরাম গঠনের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০৮ — এই সালে সিভিএফ গঠনের কোনো প্রাথমিক বা আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। B) ২০০৯ — এটি সঠিক বছর কারণ এই সালেই ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত জলবায়ু সম্মেলনে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। C) ২০১১ — এই সালটি সিভিএফ প্রতিষ্ঠার বছর নয়, বরং এটি এই জোটের কার্যক্রম বিস্তারের একটি পরবর্তী বছর। D) ২০১০ — এই সালে সিভিএফের প্রথম ministerial বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল, কিন্তু প্রতিষ্ঠার বছর এটি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর রক্ষার আন্দোলন শুরু হয় ২০০৯ সালে। সংখ্যাটি মনে রাখতে ২০০৯ সালের কোপেনহেগেন জলবায়ু সম্মেলনের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সিভিএফ প্রতিষ্ঠার সাল এবং এর প্রথম চেয়ারপারসন দেশ সম্পর্কে প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংকের পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। একই ধারণা থেকে সিভিএফের বর্তমান বা প্রথম সভাপতি দেশ কোনটি, এমন প্রশ্নও হতে পারে।
19. কিয়োটো প্রটোকলের বিষয়বস্তু কী?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস ১. কেন সঠিক: - কিয়োটো প্রটোকল মূলত শিল্পোন্নত দেশগুলোর গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের আইনি বাধ্যবাধকতা তৈরি করার জন্য আন্তর্জাতিক একটি চুক্তি। - বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইড ও অন্যান্য ক্ষতিকর গ্যাসের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা নিয়ন্ত্রণের জন্য এই প্রটোকল করা হয়। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: জাপানের কিয়োটো শহরে ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর চুক্তিটি গৃহীত হয় এবং ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কার্যকর হয়। - কারণ ও প্রভাব: জীবাশ্ম জ্বালানির মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার ও শিল্পায়নের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করা এর মূল প্রভাব। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: এই চুক্তিটি জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের সাথে যুক্ত। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশসমূহ ব্যাখ্যা: এই দেশগুলো কিয়োটো প্রটোকলের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য যৌথভাবে গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর কার্যকর নীতিমালা বাস্তবায়ন করেছে। উদাহরণ ২: কানাডার কিয়োটো প্রটোকল থেকে সরে দাঁড়ানো ব্যাখ্যা: পরবর্তীতে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হওয়ায় এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষার্থে কানাডা ২০১১ সালে এই চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওজনস্তরের ক্ষয় হ্রাস — এটি ক্লোরোফ্লোরো কার্বন নিয়ন্ত্রণের সাথে সম্পর্কিত, যার জন্য মন্ট্রিল প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়েছিল। B) গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস — এটি সঠিক এবং কিয়োটো প্রটোকলের মূল লক্ষ্য ছিল। C) জীববৈচিত্র্যের সুরক্ষা — এটি ১৯৯২ সালের রিও কনভেনশন এবং জীববৈচিত্র্য কনভেনশনের প্রধান বিষয়বস্তু। D) জৈব নিরাপত্তা — এটি কার্টাজেনা প্রটোকলের সাথে সম্পর্কিত যা জীবপ্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহারের ওপর জোর দেয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কিয়োটো মানেই জলবায়ু রক্ষা এবং গ্রিন হাউস গ্যাস কমানোর চুক্তি। - অক্ষর মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন কিয়োটো প্রটোকল মানে গ্যাস কমানোর প্রটোকল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কিয়োটো প্রটোকলের সাল এবং এর মূল বিষয় প্রায়ই আসে। - মন্ট্রিল প্রটোকল এবং কিয়োটো প্রটোকলের পার্থক্য নিয়ে প্রায়ই বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন করা হয়।
20. 'The One Big Beautifull Bill Act' এ USA হতে Remittance প্রেরণ করতে কী পরিমাণ কর ধার্য করা হয়েছে?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১% ১. কেন সঠিক: - অর্থনৈতিক ভূগোল ও অভিবাসী শ্রমবাজারের নীতি অনুসারে যুক্তরাষ্ট্র হতে প্রেরিত রেমিট্যান্সের ওপর কর ধার্য করা হয়েছে। - প্রস্তাবিত বা প্রণীত আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির আর্থিক লেনদেন বা রেমিট্যান্সের ওপর ১ শতাংশ করারোপের বিধান রাখা হয়েছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: উত্তর আমেরিকা মহাদেশের যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: আন্তর্জাতিক অভিবাসন ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ভূগোলের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে মেক্সিকোতে প্রেরিত রেমিট্যান্স প্রবাহ। ব্যাখ্যা: এটি উত্তর আমেরিকার দুটি প্রতিবেশী দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক লেনদেন ও নীতিমালার প্রভাব বোঝাতে সহায়তা করে। উদাহরণ ২: মধ্যপ্রাচ্য থেকে বাংলাদেশে আসা রেমিট্যান্স প্রবাহ। ব্যাখ্যা: এটি আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার এবং অভিবাসী আয়ের ওপর বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক নীতির প্রভাব তুলনামূলকভাবে বুঝতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫% — এই হারটি প্রশ্নোক্ত আইনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় এবং এটি অতিরিক্ত মাত্রার কর হার। B) ৩% — এই সংখ্যাটি উক্ত বিল বা আইনের নির্ধারিত রেমিট্যান্স করের সঙ্গে মেলে না। D) ২% — এটি একটি অনুমাননির্ভর সংখ্যা যা সঠিক আইনি বিধানকে নির্দেশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে করের পরিমাণ খুব কম রাখা হয়েছে, যা সহজে মনে রাখতে ১ শতাংশ বা ১ সংখ্যাটি মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক আইন ও আন্তর্জাতিক অর্থপ্রবাহ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই বিভিন্ন দেশের রেমিট্যান্স নীতি সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি।
21. আফগানিস্তানের তালেবান সরকারকে বৈধ কর্তৃপক্ষ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম রাষ্ট্র কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাশিয়া ১. কেন সঠিক: - ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ, মধ্য এশিয়ার নিরাপত্তা এবং মার্কিন প্রভাব হ্রাসের কৌশলগত কারণে রাশিয়া তালেবান সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রদানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। - আফগানিস্তানের কৌশলগত অবস্থান এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষার তাগিদে মস্কো এই কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: আফগানিস্তান দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার একটি ভূবেষ্টিত দেশ, যার উত্তরে মধ্য এশিয়ার রাষ্ট্রসমূহ এবং পূর্বে পাকিস্তান অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি একটি পাহাড়ি ও ভূবেষ্টিত দেশ, যা এশিয়া মহলের মিলনস্থলে অবস্থিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: মধ্য এশিয়ার ভূরাজনীতি ব্যাখ্যা: আফগানিস্তানের স্থিতিশীলতা সমগ্র মধ্য এশিয়ার নিরাপত্তা ও যোগাযোগের পথকে সরাসরি প্রভাবিত করে। উদাহরণ ২: মস্কোর কূটনৈতিক কৌশল ব্যাখ্যা: পরাশক্তি হিসেবে রাশিয়া আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তার ও নিরাপত্তাজনিত কারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনর্বিন্যাস করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরাক — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ এবং আফগানিস্তানের তালেবান সরকারকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদানের প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিল না। B) চীন — চীন তালেবান সরকারের সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক রাখলেও প্রথম স্বীকৃতি প্রদানকারী রাষ্ট্র নয়। D) পাকিস্তান — পাকিস্তান তালেবান সরকারকে গোপনে ও রাজনৈতিকভাবে সমর্থন দিলেও বিশ্বের প্রথম রাষ্ট্র হিসেবে রাশিয়া কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রদান করে। ৫. মনে রাখার টিপস: আফগানিস্তানের বরফ গলাতে সবার আগে হাত বাড়াল রুশরা, তাই প্রথম স্বীকৃতি দিল রাশিয়া। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও ভূরাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপট বোঝার জন্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ভবিষ্যতের পরীক্ষায় তালেবান সরকারকে প্রথম স্বীকৃতিদানকারী দেশ বা মধ্য এশিয়ার ভূরাজনীতি সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
22. ইরানের ফর্দো (Fordow) পারমাণবিক সমৃদ্ধ করণ কেন্দ্রটি কোন প্রদেশে অবস্থিত?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোম ১. কেন সঠিক: ইরানের ফর্দো পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রটি কোম প্রদেশে অবস্থিত। এটি তেহরানের দক্ষিণ দিকে একটি পাহাড়ি এলাকায় সুসুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ ভূখণ্ডে তৈরি করা হয়েছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: এটি ইরানের কোম শহরের কাছে এবং রাজধানী তেহরানের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। বৈশিষ্ট্য: এই স্থাপনাটি পাহাড়ের গভীরে খনন করা হয়েছে যাতে বিমান হামলা বা আকাশপথের আক্রমণ থেকে একে রক্ষা করা যায়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: নাতানজ পারমাণবিক কেন্দ্র ব্যাখ্যা: এটি ইরানের আরেকটি প্রধান পারমাণবিক স্থাপনা যা ইসফাহান প্রদেশে অবস্থিত এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের জন্য পরিচিত। উদাহরণ ২: বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ব্যাখ্যা: এটি ইরানের দক্ষিণ উপকূলে পারস্য উপসাগরের তীরে অবস্থিত দেশটির প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইসফাহান — এটি ইরানের একটি ঐতিহাসিক শহর ও প্রদেশ যেখানে দেশটির নাতানজ পারমাণবিক স্থাপনা অবস্থিত, ফর্দো নয়। B) ইলাম — এটি ইরানের পশ্চিম অংশে ইরাক সীমান্তবর্তী একটি পাহাড়ি প্রদেশ যা পারমাণবিক কর্মসূচির জন্য পরিচিত নয়। C) বুমেহর — এটি তেহরান প্রদেশের একটি ছোট শহর, যা ফর্দো পারমাণবিক কেন্দ্রের প্রকৃত ভৌগোলিক অবস্থান নির্দেশ করে না। D) কোম — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফর্দো পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রটি এই প্রদেশেই অবস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: ফর্দো মানেই কোম মনে রাখতে পারেন। কোম শহর ধর্মীয় দিক থেকে বিখ্যাত এবং ফর্দো পারমাণবিক কেন্দ্রের সুবাদে ভূরাজনীতিতেও পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি ও পারমাণবিক শক্তি সংক্রান্ত প্রশ্নে ইরানের বিভিন্ন পারমাণবিক কেন্দ্রের নাম ও অবস্থান প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। এই প্রশ্নটি থেকে শিক্ষার্থী ইরানের প্রধান পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারে।
23. যুক্তরাষ্ট্রের পরিচালিত 'অপারেশন মিডনাইট হ্যামার' ইরানে কবে হামলা করে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২২ জুন ২০২৫ ১. কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত অপারেশন মিডনাইট হ্যামার মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি ও সামরিক কৌশলের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে ইরানে হামলা চালায়। - এই সামরিক অভিযানের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও কৌশলগত লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছিল নির্দিষ্ট ভূকৌশলগত এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল, এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ এবং পারস্য উপসাগরীয় ভূরাজনৈতিক এলাকা। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: আন্তর্জাতিক কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালির নিকটবর্তী হওয়ায় এই অঞ্চলের নিরাপত্তা বিশ্ব রাজনীতির জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: পারস্য উপসাগরীয় সংঘাত ব্যাখ্যা: মধ্যপ্রাচ্যের এই সমুদ্রপথ তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রধান রুট হওয়ায় যেকোনো সামরিক পদক্ষেপ বিশ্ব অর্থনীতিতে সরাসরি প্রভাব ফেলে। উদাহরণ ২: মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি ব্যাখ্যা: এই অঞ্চলটি এশিয়া, আফ্রিকা এবং ইউরোপের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় বিশ্ব শক্তির প্রতিযোগিতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ জুন ২০২৫ — এটি অপারেশন মিডনাইট হ্যামার পরিচালনার নির্ধারিত সঠিক তারিখ নয়। B) ২১ জুন ২০২৫ — এই তারিখে উল্লিখিত সামরিক অভিযানটি সংঘটিত হয়নি। C) ২২ জুন ২০২৫ — এটিই কাঙ্ক্ষিত সঠিক তারিখ যা অভিযানটির বাস্তবায়নকাল নির্দেশ করে। D) ২৩ জুন ২০২৫ — এই তারিখটি এই বিশেষ সামরিক অভিযানের ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত বিশেষ সামরিক অভিযানগুলোর তারিখ মনে রাখার জন্য মাস ও বছরের পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট দিনগুলোকে সমসাময়িক আন্তর্জাতিক খবরের সঙ্গে মিলিয়ে পড়তে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক সংঘাত ও সামরিক অভিযানগুলোর তারিখ এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। একই ধারণা থেকে মধ্যপ্রাচ্যের প্রণালি বা কৌশলগত খাতগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে।
24. বাংলাদেশ কখন নারীর বিরুদ্ধে সকল প্রকার বৈষম্য (CEDAW) দূরীকরণ সনদে সম্মতি জানায়?
Created 1 week ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ নভেম্বর ১৯৮৪ ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশ সরকার জাতিসংঘের নারী অধিকার সংক্রান্ত সনদ সিডাওয়া (CEDAW) এ স্বাক্ষর করে ১৯৮৪ সালের ৬ নভেম্বর। এই সনদে স্বাক্ষর করার মাধ্যমে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে নারীদের সমঅধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার প্রকাশ করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি উন্নয়নশীল দেশ এবং জাতিসংঘ এই সনদের মূল কেন্দ্র নিউইয়র্ক থেকে পরিচালিত হয়। সংশ্লিষ্ট তথ্য: ১৯৭৯ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সিডাওয়া সনদ গৃহীত হয় এবং ১৯৮১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর এটি কার্যকর হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ও সিডাওয়া সনদ ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ সরকার এই সনদে স্বাক্ষর করলেও কিছু ধারার ওপর সংরক্ষণ বা আপত্তি রেখেছিল, যা পরবর্তীতে নারী উন্নয়নে সংশোধিত হয়েছে। উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক নারী অধিকার ব্যাখ্যা: সিডাওয়া সনদ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নারীর বিরুদ্ধে বৈষম্য দূর করতে এবং আইনি সুরক্ষা প্রদানে মূল দলিল হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ ডিসেম্বর ১৯৮৪ - এই তারিখে মানবাধিকার দিবস পালিত হয় এবং এটি সিডাওয়া সনদে বাংলাদেশের স্বাক্ষরের তারিখ নয়। B) ৬ নভেম্বর ১৯৮৪ - এই তারিখটি সঠিক কারণ এই দিনে বাংলাদেশ সিডাওয়া সনদে সম্মতি জানায়। C) ৫ আগস্ট ১৯৮৫ - এই তারিখটি সিডাওয়া সনদে বাংলাদেশের স্বাক্ষরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি একটি সাধারণ তারিখ। D) ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৭ - এই তারিখটি সিডাওয়া সনদের অনুমোদনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার দিন। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালের নভেম্বর মাসের ছয় তারিখে নারীদের অধিকার রক্ষার আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করে। সালটি মনে রাখতে ১৯৮৪ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে যা অর্ওয়েলীয় উপন্যাসের নাম হিসেবেও বিখ্যাত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক চুক্তি ও সনদে বাংলাদেশের স্বাক্ষরের তারিখ প্রায়ই আসে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে সিডাওয়া সনদ কবে কার্যকর হয় বা জাতিসংঘে এটি কবে গৃহীত হয়।
25. কোন দেশগুলো মেডিসিন লাইন/সীমানা দ্বারা বিভক্ত?
Created 1 week ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা ১. কেন সঠিক: - উত্তর আমেরিকার এই দুটি দেশের সীমান্ত বিশ্বের দীর্ঘতম অসামরিক সীমান্ত হিসেবে পরিচিত। - এই সীমানার একটি বড় অংশ ৪৯ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ বরাবর সরলরেখায় নির্ধারিত হয়েছে, যা মেডিসিন লাইন নামে পরিচিত। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: উত্তর আমেরিকা মহাদেশের উত্তর অংশে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার আন্তর্জাতিক সীমান্ত। - বৈশিষ্ট্য: এই সীমান্তটি মূলত ৪৯ ডিগ্রি উত্তর সমান্তরাল রেখা বা প্যারালাল বরাবর পূর্ব থেকে পশ্চিমে বিস্তৃত। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: স্থানীয় আদিবাসীদের কাছে এই রেখাটি মেডিসিন লাইন নামে পরিচিতি লাভ করেছিল। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ৪৯ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ ব্যাখ্যা: এটি যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যকার সীমানার একটি বড় অংশ নির্ধারণ করেছে, যা রকি পর্বতমালা থেকে অব্রাডর পর্যন্ত বিস্তৃত। উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক শান্তি উদ্যান ব্যাখ্যা: এটি যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সীমান্তে অবস্থিত একটি উদ্যান, যা দুটি দেশের দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও বন্ধুত্বের প্রতীক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রাজিল ও বলিভিয়া — এটি দক্ষিণ আমেরিকার দুটি দেশের সীমান্ত, যা বিভিন্ন নদী ও পাহাড়ি এলাকার প্রাকৃতিক রেখা দ্বারা বিভক্ত। B) যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা — এটি সঠিক উত্তর এবং এদের সীমান্ত মেডিসিন লাইন নামে পরিচিত। C) জার্মানি ও পোল্যান্ড — এই দুটি দেশের সীমান্ত প্রধানত ওডার ও নাইসে নদীর মাধ্যমে নির্ধারিত, যা ওডার-নাইসে লাইন নামে পরিচিত। D) মিশর ও সুদান — এই দেশদুটির সীমান্ত ২২ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ বরাবর সরলরেখায় নির্ধারিত, যা অন্য একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক সীমানা। ৫. মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্ত বোঝাতে মনে রাখবে উত্তর আমেরিকার দুই বন্ধু দেশের মাঝে যে সোজা রেখা টানে তার নাম মেডিসিন লাইন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সীমান্ত সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, যেমন বিশ্বের দীর্ঘতম সীমান্ত কোন দুটি দেশের মধ্যে অবস্থিত। এই ধারণা থেকে সীমান্ত নির্ধারণকারী অক্ষাংশ বা নদীভিত্তিক সীমানা সম্পর্কিত প্রশ্ন হতে পারে।
26. রোম সংবিধি (Rome Statute) এর ফলে কোন সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) International Criminal Court (ICC) ১. কেন সঠিক: - রোম সংবিধি হলো এমন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বিচারহীনতা রোধে স্থায়ী আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গঠনের পথ উন্মুক্ত হয়। - এই সংবিধির মূল উদ্দেশ্য হলো গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় এনে বিচার করা। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: এই সংস্থার সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডস দেশের হেগ শহরে অবস্থিত, যা আন্তর্জাতিক আইন ও বিচারব্যবস্থার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: ১৯৯৮ সালের জুলাই মাসে ইতালির রোম শহরে এক কূটনৈতিক সম্মেলনে এই সংবিধি গৃহীত হয় এবং ২০০২ সালের জুলাই মাস থেকে এটি কার্যকর হয়। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: দারফুর সংকট ব্যাখ্যা: সুদানের দারফুর অঞ্চলে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের ক্ষেত্রে এই আদালতের আইনগত এখতিয়ার প্রয়োগ করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থা ব্যাখ্যা: এটি রাষ্ট্রগুলোর অভ্যন্তরীণ বিচারব্যবস্থার পরিপূরক হিসেবে কাজ করে যখন কোনো দেশ নিজে অপরাধের বিচার করতে অক্ষম হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) International Court of Justice (ICJ) — এটি জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগীয় অঙ্গ যা রাষ্ট্রসমূহের মধ্যকার আইনি বিরোধ নিষ্পত্তি করে, রোম সংবিধির মাধ্যমে এটি গঠিত হয়নি। B) International Criminal Court (ICC) — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং রোম সংবিধির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন আন্তর্জাতিক আদালত। C) International Atomic Energy Agency (IAEA) — এটি পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য গঠিত একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা রোম সংবিধির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) European Union (EU) — এটি ইউরোপীয় দেশগুলোর একটি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জোট, যার উৎপত্তি রোম চুক্তির মাধ্যমে হয়েছিল কিন্তু এটি রোম সংবিধির ফল নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রোম শহর এবং অপরাধ আদালতের মধ্যে সম্পর্ক মনে রাখার জন্য মাথায় রাখতে পারো অপরাধের বিচার করতে রোমে আইন পাস হয়েছিল। - ICC এবং ICJ এর পার্থক্য মনে রাখতে হবে কারণ ICC হলো অপরাধের বিচার করে আর ICJ করে রাষ্ট্রের মধ্যকার বিরোধ মেটায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং চুক্তি সংক্রান্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - পরীক্ষাতে প্রায়ই প্রশ্ন আসে ICC এর সদর দপ্তর কোথায় অথবা এটি কোন চুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়েছে।
28. নিচের কোন সভ্যতার সময়কাল ওজন পরিমাপ ও দৈর্ঘ্য মাপার পদ্ধতি আবিষ্কার হয়েছিল?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিন্ধু সভ্যতা ১. কেন সঠিক: সিন্ধু সভ্যতার মানুষেরা ব্যবসা-বাণিজ্য ও নগর পরিকল্পনার ক্ষেত্রে ওজন পরিমাপ এবং দৈর্ঘ্য মাপার সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি আবিষ্কার করেছিল। তাদের এই উন্নত পরিমাপ ব্যবস্থা প্রমাণ করে যে প্রাচীন এই সভ্যতাটি কতটা সুশৃঙ্খল ও বিজ্ঞানমনস্ক ছিল। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: সিন্ধু সভ্যতা মূলত ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বর্তমান পাকিস্তান ও ভারতের কিছু অংশ জুড়ে গড়ে উঠেছিল। বৈশিষ্ট্য: এই সভ্যতার নগরগুলো গ্রিড আকারে সাজানো ছিল এবং উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও পোড়ামাটির ইটের ব্যবহার দেখা যায়। সংশ্লিষ্ট তথ্য: প্রত্নতাত্ত্বিক খননকাজে এখান থেকে হাতির দাঁত ও পাথরের তৈরি নিখুঁত পরিমাপের বাটখারা বা ওজন মাপার যন্ত্র পাওয়া গেছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: লোথাল বন্দর ব্যাখ্যা: বর্তমান ভারতের গুজরাটে অবস্থিত এই প্রাচীন বন্দর নগরীতে একটি কৃত্রিম ডকইয়ার্ড বা পোতাশ্রয় পাওয়া গেছে, যা সামুদ্রিক বাণিজ্যের জন্য পরিমাপ পদ্ধতির সঠিক ব্যবহারের প্রমাণ দেয়। উদাহরণ ২: হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো ব্যাখ্যা: এই দুটি প্রধান নগরীর রাস্তাঘাট এবং বাড়িগুলোর পরিমাপ নির্দিষ্ট অনুপাতে তৈরি করা হয়েছিল, যা তাদের উন্নত জ্যামিতিক জ্ঞান ও পরিমাপ দক্ষতার পরিচায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিন্ধু সভ্যতা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সভ্যতায় প্রথম সুসংহত ওজন ও দৈর্ঘ্য পরিমাপ পদ্ধতির প্রমাণ মেলে। B) মিশরীয় সভ্যতা — এটি নীল নদ কেন্দ্রিক প্রাচীন সভ্যতা যা পিরামিড নির্মাণ এবং জ্যামিতিতে পটু হলেও প্রশ্নে উল্লেখিত পরিমাপ পদ্ধতির জন্য সিন্ধু সভ্যতা বিশেষভাবে পরিচিত। C) অ্যাসোরীয় সভ্যতা — এটি মেসোপটেমিয়ার একটি প্রাচীন সভ্যতা যারা শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ও সাম্রাজ্য বিস্তারের জন্য পরিচিত। D) গ্রিক সভ্যতা — এটি পরবর্তী সময়ের একটি ধ্রুপদী সভ্যতা যা দর্শন ও বিজ্ঞানের জন্য বিখ্যাত হলেও প্রাচীন পরিমাপ পদ্ধতির উদ্ভাবক হিসেবে সিন্ধু সভ্যতা এগিয়ে। ৫. মনে রাখার টিপস: সিন্ধু সভ্যতার মানুষ সুনির্দিষ্ট মাপে নগর গড়ত এবং নিখুঁত বাটখারা ব্যবহার করত। তাই পরিমাপ পদ্ধতি বললে সিন্ধু সভ্যতা মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সিন্ধু সভ্যতার আবিষ্কারক কে এবং এটি কোন নদীর তীরে অবস্থিত, এই ধরনের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। এই ধারণা থেকে পরবর্তীতে হরপ্পার বাণিজ্যিক কার্যক্রম বা প্রাচীন সভ্যতার নগর পরিকল্পনা সম্পর্কিত এমসিকিউ আসতে পারে।

মোট প্রশ্ন (14)

1. Seed : Sapling : : Egg : ?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Chick প্রদত্ত তথ্য: বীজ থেকে গাছের চারা জন্ম নেয় ডিম থেকে পাখির বাচ্চা জন্ম নেয় ধরি, Seed হলো বীজের পূর্ণাঙ্গ রূপ এবং Sapling হলো তার প্রথম অবস্থা Egg হলো ডিমের পূর্ণাঙ্গ রূপ এবং Chick হলো তার প্রথম অবস্থা অতএব, বীজ বা Seed এর সাথে চারা গাছ বা Sapling এর যে সম্পর্ক ডিম বা Egg এর সাথে বাচ্চার বা Chick এর সেই একই সম্পর্ক সুতরাং, সঠিক বিকল্পটি হলো Chick কারণ এটি ডিম ফোটার পরের প্রথম অবস্থা বোঝায় উত্তর: D) Chick
3. প্রদত্ত চিত্রে ত্রিভুজের সংখ্যা নির্ণয় করুন?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ গণনা সংক্রান্ত একটি জ্যামিতিক চিত্র দেওয়া আছে যেখানে একটি বড় ত্রিভুজের ভেতর ছোট ছোট ত্রিভুজ বিন্যস্ত রয়েছে ধরি, একক ত্রিভুজের সংখ্যা = ক সংযুক্ত ত্রিভুজের সংখ্যা = খ বড় ত্রিভুজের সংখ্যা = গ অতএব, ছোট একক ত্রিভুজগুলো গণনা করে পাই ৯টি মাঝারি আকারের সংযুক্ত ত্রিভুজগুলো গণনা করে পাই ৬টি সবশেষ বাইরের সবচেয়ে বড় ত্রিভুজটি হলো ১টি সুতরাং, মোট ত্রিভুজের সংখ্যা নির্ণয়ের জন্য সব অংশ যোগ করতে হবে হিসাবটি দাঁড়ায় ৯ + ৬ + ১ উত্তর: ১৬
6. একজন ব্যক্তি ৪ মাইল উত্তরে, ১২ মাইল পূর্বে এবং তারপরে ১২ মাইল উত্তরের ভ্রমণ করেন। তিনি শুরুর বিন্দু থেকে কত দূরে আছেন?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০ মাইল প্রদত্ত তথ্য: ব্যক্তিটি প্রথমে উত্তরে গেল ৪ মাইল তারপরে পূর্বে গেল ১২ মাইল এরপরে আবার উত্তরে গেল ১২ মাইল ধরি, শুরুর বিন্দু থেকে উত্তর দিকের মোট দূরত্ব = ৪ মাইল + ১২ মাইল = ১৬ মাইল পূর্ব দিকের মোট দূরত্ব = ১২ মাইল অতএব, সমকোণী ত্রিভুজের লম্ব = ১৬ মাইল সমকোণী ত্রিভুজের ভূমি = ১২ মাইল সুতরাং, অতিভুজ বা দূরত্বের বর্গ = (১৬ × ১৬) + (১২ × ১২) দূরত্বের বর্গ = ২৫৬ + ১৪৪ = ৪০০ উত্তর: √৪০০ = ২০ মাইল
8. A যদি B এর সাথে খাপ খায় যেমনভাবে C, D এর সাথে, তাহলে নিচের জোড়াগুলোর মধ্যে কোন জোড়া যুক্তিযুক্তভাবে খাপ খায়?
Created 1 week ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) খাদ্য যেমন খাবারের জন্য, পানি তেমনি পান করার জন্য। প্রদত্ত তথ্য: A এবং B এর মধ্যে একটি সুনির্দিষ্ট কার্যগত সম্পর্ক রয়েছে C এবং D এর মধ্যেও ঠিক একই রকম কার্যগত সম্পর্ক থাকতে হবে ধরি, প্রথম বস্তুটি হলো একটি প্রয়োজনীয় উপাদান দ্বিতীয় বস্তুটি হলো সেই উপাদানের প্রধান কাজ বা ব্যবহার অতএব, খাদ্য আমাদের ক্ষুধা নিবারণ ও পুষ্টির জন্য প্রয়োজন পানি আমাদের তৃষ্ণা নিবারণ ও পানের জন্য প্রয়োজন সুতরাং, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র চতুর্থ জোড়ায় এই সঠিক কার্যগত মিল পাওয়া যায় উত্তর: D) খাদ্য যেমন খাবারের জন্য, পানি তেমনি পান করার জন্য।
9. হাত, চোখ ও মস্তিষ্কের কার্যাবলি এতটাই ----- যে শৈশব কালের প্রথম দিকে হাতের ব্যবহার সম্পূর্ণ বিকাশকে ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করে। উপরের ফাঁকা জায়গাগুলো নিম্নে উল্লিখিত জোড়াশব্দ দিয়ে পূরণ করুন।
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত-প্রত্যক্ষমূলক। প্রদত্ত তথ্য: মানুষের হাত, চোখ ও মস্তিষ্কের কাজের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর এবং এটি শৈশবের বিকাশকে ত্বরান্বিত করে। প্রশ্নটিতে উপযুক্ত জোড়াশব্দ দিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করতে বলা হয়েছে। ধরি, প্রথম শূন্যস্থানের উপযুক্ত শব্দ = ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত দ্বিতীয় শূন্যস্থানের উপযুক্ত শব্দ = প্রত্যক্ষমূলক অতএব, প্রদত্ত বাক্যটির প্রথম অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ শব্দ হলো ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত বাক্যটির শেষ অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ শব্দ হলো প্রত্যক্ষমূলক সুতরাং, অপشن গুলোর মধ্যে ডি নম্বর অপশনটি বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। উত্তর: D) ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত-প্রত্যক্ষমূলক।
10. নিম্নে উল্লিখিত শব্দগুলোর মধ্যে কোন বানানটি সঠিক খুঁজে বের করুন?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Rendezvous প্রদত্ত তথ্য: মানসিক দক্ষতা পরীক্ষার ইংরেজি বানან শুদ্ধিকরণ সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন অপশনগুলোতে Rendezvous শব্দের বিভিন্ন বানান দেওয়া আছে ধরি, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সঠিক ইংরেজি বানান হলো নির্দিষ্ট একটি শব্দ যেখানে ফ্রেঞ্চ উৎসের এই শব্দটি সঠিকভাবে বিন্যস্ত থাকে অতএব, প্রথম অপশনের বানানটি ভুল কারণ এর শেষে সঠিক অক্ষর নেই তৃতীয় ও চতুর্থ অপশনের বানানগুলোও নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয় সুতরাং, দ্বিতীয় অপশনের বানানটিতে সমস্ত অক্ষর যথাযথভাবে সাজানো আছে উত্তর: B) Rendezvous
11. একটি গিয়ার ট্রেনে তিনটি গিয়ার আছে; গিয়ার 'এ' এর ১২টি দাঁত, গিয়ার 'বি' এর ৩৬টি দাঁত এবং গিয়ার 'সি' এর ২৪টি দাঁত আছে। যদি গিয়ার 'এ' কে ঘড়ির কাঁটা যেদিকে ঘোরে সেদিকে ঘোরানো হয়, তাহলে গিয়ার 'সি' কোন দিকে ঘুরবে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঘড়ির কাঁটার দিকে প্রদত্ত তথ্য: গিয়ার ট্রেনে তিনটি গিয়ার আছে যথাক্রমে এ, বি এবং সি গিয়ার এ এর দাঁত সংখ্যা বারো, বি এর ছত্রিশ এবং সি এর চব্বিশ গিয়ার এ ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরে ধরি, গিয়ার এ এর ঘূর্ণনের দিক হলো প্রথম গিয়ারের দিক গিয়ার বি যুক্ত আছে এ এর সাথে গিয়ার সি যুক্ত আছে বি এর সাথে অতএব, প্রথম গিয়ার এ যদি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরে তবে তার সাথে যুক্ত দ্বিতীয় গিয়ার বি ঘুরবে বিপরীত দিকে এবং দ্বিতীয় গিয়ার বি এর সাথে যুক্ত তৃতীয় গিয়ার সি ঘুরবে আবার বিপরীত দিকে সুতরাং, গিয়ার এ এর বিপরীত হলো গিয়ার বি এর দিক এবং গিয়ার বি এর বিপরীত হলো গিয়ার সি এর দিক উত্তর: ঘড়ির কাঁটার দিকে
12. যখন দুটি বস্তু সংঘর্ষ হয় এবং তারা একসাথে লেগে থাকে, তখন তাকে কোন ধরনের সংঘর্ষ বলে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্লাস্টিক সংঘর্ষ প্রদত্ত তথ্য: দুটি বস্তুর মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে সংঘর্ষের পর বস্তু দুটি একসাথে লেগে থাকে ধরি, সংঘর্ষের আগের গতিবেগ ভিন্ন থাকে সংঘর্ষের পরের গতিবেগ এক হয়ে যায় অতএব, গতিশক্তি সম্পূর্ণরূপে সংরক্ষিত থাকে না ভরবেগ সবসময় সংরক্ষিত থাকে সুতরাং, এই ধরনের সংঘর্ষকে প্লাস্টিক সংঘর্ষ বা পূর্ণ অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ বলা হয় উত্তর: প্লাস্টিক সংঘর্ষ
13. নিচের ছবিগুলোর পাশের প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে কোন বিকল্পটি বসবে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম চিত্রে কিছু সংখ্যা দেওয়া আছে দ্বিতীয় চিত্রেও কিছু সংখ্যা দেওয়া আছে তৃতীয় চিত্রে প্রশ্নবোধক চিহ্ন আছে ধরি, প্রথম চিত্রের ওপরের সংখ্যা দুটি = ৫ এবং ৪ নিচের সংখ্যা দুটি = ৩ এবং ২ অতএব, প্রথম চিত্রে হিসাব করে পাই (৫ + ৪) ÷ ৩ = ৩ দ্বিতীয় চিত্রে হিসাব করে পাই (৬ + ৬) ÷ ৪ = ৩ সুতরাং, তৃতীয় চিত্রে হিসাব করে পাই (৭ + ৫) ÷ ৪ = ৩ উত্তর: ৩
14. প্রশ্নবোধক চিহ্নিত ঘরে কোন সংখ্যাটি বসবে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ প্রদত্ত তথ্য: প্যাটার্নের প্রথম সারির সংখ্যাগুলোর যোগফল বের করতে হবে প্যাটার্নের দ্বিতীয় সারির সংখ্যাগুলোর নিয়ম দেখতে হবে ধরি, প্রথম সারির সংখ্যাগুলোর মান = ক এবং খ দ্বিতীয় সারির সংখ্যাগুলোর মান = গ এবং ঘ অতএব, প্রথম সারির হিসাব = ৫ + ৩ = ৮ দ্বিতীয় সারির হিসাব = ৬ + ২ = ৮ সুতরাং, প্রশ্নবোধক চিহ্নের ঘরের মান হবে ৮ উত্তর: ৮