a মনসামঙ্গল
b চণ্ডীমঙ্গল
c অন্নদামঙ্গল
d ধর্মমঙ্গল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অন্নদামঙ্গল ১. কেন সঠিক: - অন্নদামঙ্গল কাব্যে ভবানন্দ মজুমদারের বংশের ইতিহাস এবং নদিয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের পূর্বপুরুষদের কথা থাকায় এটি ঐতিহাসিক চরিত্র বা ঐতিহাসিক উপাদান সমৃদ্ধ মঙ্গলকাব্যের মর্যাদা পেয়েছে। - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার শেষ উল্লেখযোগ্য কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর এটি রচনা করেন এবং এতে সমসাময়িক রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর অষ্টাদশ শতকের বিশিষ্ট কবি এবং নদিয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভার কবি ছিলেন। - এই কাব্যটি তিনটি খণ্ড নিয়ে গঠিত, যার নাম অন্নদা মহিমা, বিদ্যাসুন্দর এবং মানসিংহ বা ভবানন্দ উপাখ্যান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্যের মানসিংহ উপাখ্যান অংশ। ব্যাখ্যা: এই অংশে ঐতিহাসিক চরিত্র রাজা মানসিংহ এবং বাংলার বারো ভুঁইয়াদের মধ্যকার সংঘর্ষের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের অন্নদামঙ্গল কাব্য। ব্যাখ্যা: এই কাব্যের ভবানন্দ উপাখ্যানে নদিয়ার রাজবংশের আদি পুরুষের উত্থানের ইতিহাস পাওয়া যায়, যা ঐতিহাসিক তথ্যের ওপর নির্ভরশীল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনসামঙ্গল — এটি সর্পদেবী মনসার পূজা প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত এবং এতে কোনো ঐতিহাসিক চরিত্রের উপস্থিতি নেই। B) চণ্ডীমঙ্গল — এটি দেবী চণ্ডীর মহিমা প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত কাল্পনিক ও পৌরাণিক উপাখ্যান নির্ভর কাব্য। D) ধর্মমঙ্গল — এটি লাউসেনের বীরত্ব এবং ধর্ম ঠাকুরের পূজা প্রচারের কাহিনি নিয়ে রচিত, যেখানে ঐতিহাসিকতার চেয়ে বীরত্বগাথা বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - অন্নদামঙ্গল কাব্যে রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের বংশের ইতিহাস ও মানসিংহের অভিযানের কথা আছে, তাই এটি ঐতিহাসিক চরিত্র বা উপাদান সমৃদ্ধ মঙ্গলকাব্য। - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যগুলোর মধ্যে একমাত্র ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গলেই মুঘল আমলের ঐতিহাসিক পটভূমি ও চরিত্রের স্পষ্ট ছোঁয়া পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরকে রায়গুণাকর উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন নদিয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্র। - মঙ্গলকাব্য ধারার শেষ কবি হিসেবে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0