a বালুচর
b রাখালী
c মা যে জননী কান্দে
d ধানখেত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাখালী ১. কেন সঠিক: পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'রাখালী'র অন্তর্গত। এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে পল্লীপ্রকৃতির ও গ্রামীণ জীবনের শোকগাথার এক অনন্য সৃষ্টি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জসীম উদ্দীন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি গ্রামীণ জীবন ও লোকসংস্কৃতি তাঁর কাব্যে ফুটিয়ে তুলেছেন। 'কবর' কবিতাটি ১৯২৫ সালে কল্লোল পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে তাঁর 'রাখালী' কাব্যগ্রন্থে স্থান লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জসীম উদ্দীনের 'নকশী কাঁথার মাঠ' একটি জনপ্রিয় দীর্ঘ কবিতা। ব্যাখ্যা: এটি পল্লীজীবনের প্রেম ও বিষাদের এক সুন্দর কাব্যরূপ। উদাহরণ ২: জসীম উদ্দীনের আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'সোজন বাঢিয়ার ঘাট'। ব্যাখ্যা: এই কাব্যেও গ্রামীণ লোকজীবন ও সংস্কৃতির নিখুঁত চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বালুচর — এটি জসীম উদ্দীনের একটি কাব্যগ্রন্থ হলেও এতে 'কবর' কবিতাটি নেই। B) রাখালী — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। C) মা যে জননী কান্দে — এটি জসীম উদ্দীনের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার সঙ্গে 'কবর' কবিতার সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) ধানখেত — এটি জসীম উদ্দীনের অপর একটি কাব্যগ্রন্থ, যা 'কবর' কবিতার উৎস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: পল্লীকবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'রাখালী' থেকেই অমর সৃষ্টি 'কবর' কবিতাটি শুরু হয়েছিল। মনে রাখতে পারো যে জসীম উদ্দীনের প্রথম ও জনপ্রিয় কবিতার প্রকাশ তাঁর প্রথম কাব্যেই ঘটেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: 'কবর' কবিতাটি কত সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি কোন কাব্যের অন্তর্গত, তা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সাহিত্যিকের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং তার বিখ্যাত কবিতাগুলোর নাম আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0