a ঙ- এর হসন্ত উচ্চারণ ং হবে
b ্যা-এর পর ং হয়
c ং বাংলা ভাষার নিজস্ব বর্ণ
d ব্যাং একটি একাক্ষর শব্দ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঙ- এর হসন্ত উচ্চারণ ং হবে ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের অন্তে বা মধ্যে উঁ ধ্বনির অর্থাৎ হসন্ত 'ঙ'-এর উচ্চারণ বোঝাতে অনুস্বার 'ং' ব্যবহার করা হয়। 'ব্যাং' শব্দটিতে উঁ ধ্বনির হসন্ত উচ্চারণ প্রকাশ করার জন্যই 'ঙ'-এর পরিবর্তে 'ং' ব্যবহার করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় উ-বর্গীয় ধ্বনি হিসেবে 'ঙ' একটি স্বতন্ত্র বর্ণ হলেও এর হসন্ত রূপটি শব্দের শেষে অনুস্বার বা 'ং' হিসেবে লেখা হয়। বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী শব্দের অন্তে হসন্তযুক্ত উঁ ধ্বনি লিখতে অনুস্বার ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রং ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও হসন্ত উঁ ধ্বনি বোঝাতে 'ঙ'-এর পরিবর্তে 'ং' ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সং ব্যাখ্যা: এখানেও অন্ত্য উঁ ধ্বনির উচ্চারণ রক্ষার্থে অনুস্বার বা 'ং' যুক্ত করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঙ- এর হসন্ত উচ্চারণ ং হবে — এটি সঠিক কারণ শব্দের শেষে উঁ ধ্বনি বোঝাতে অনুস্বার লেখা হয়। B) ্যা-এর পর ং হয় — এটি ভুল কারণ অনুস্বার ব্যবহারের সঙ্গে স্বরবর্ণ বা কারচিহ্নের কোনো সরাসরি নির্দিষ্ট ব্যাকরণিক শর্ত নেই। C) ং বাংলা ভাষার নিজস্ব বর্ণ — এটি ভুল কারণ অনুস্বার একটি পরাধীন ধ্বনি বা বর্ণসংকেত, যা স্বরবর্ণের সাহায্য ছাড়া একা উচ্চারিত হতে পারে না। D) ব্যাং একটি একাক্ষর শব্দ — এটি ভুল কারণ একাক্ষর শব্দ হওয়া অনুস্বার ব্যবহারের মূল ব্যাকরণিক কারণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে উঁ ধ্বনি উচ্চারিত হলে সেখানে 'ঙ' না লিখে 'ং' লিখতে হয়। রং, সং, ব্যাং, ঢং শব্দগুলোতে এই নিয়ম প্রযোজ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বানানে অনুস্বার এবং উ-এর ব্যবহার নিয়ে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। শব্দের শেষে উঁ ধ্বনি থাকলে সব সময় অনুস্বার লিখতে হবে, এই নিয়মটি মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0