a বানানকে উচ্চারণের কাছাকাছি নেওয়া
b বানানের ঐতিহ্যকে বজায় রাখা
c বানানের নিয়ম প্রণয়ন করা
d বানানে বিকল্প বর্জন করা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বানানের নিয়ম প্রণয়ন করা ১. কেন সঠিক: - ১৯৩৬ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বানানের একটি সুনির্দিষ্ট রূপরেখা বা নিয়ম প্রণয়ন করে, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল বিশৃঙ্খলা দূর করে বানানের নিয়ম প্রণয়ন করা। - সে সময় বিভিন্ন লেখক ও মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানে ভিন্ন ভিন্ন বানানরীতি প্রচলিত থাকায় বানানরীতিতে একরূপতা আনার জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত এই তথ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির মাধ্যমে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম প্রমিত বানানরীতি প্রণয়ন করে। - এই সংস্কারের ফলে বাংলা বানানকে একটি শৃঙ্খলার মধ্যে আনার কাজ শুরু হয় এবং পরবর্তীতে বাংলা একাডেমি এই ধারাবাহিকতা রক্ষা করে বর্তমান প্রমিত বানানরীতি প্রবর্তন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নির্দেশনায় ১৯৩৬ সালের বানান সংস্কার কমিটিতে প্রফুল্লচন্দ্র রায়, সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ মনীষী যুক্ত ছিলেন। ব্যাখ্যা: এই কমিটি বাংলা বানানের ক্ষেত্রে বিশৃঙ্খলা দূর করে একটি শৃঙ্খলিত নিয়ম প্রণয়নের জন্য কাজ করেছিলেন। উদাহরণ ২: কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বানান সংস্কারের পর বাংলা লেখ্যরূপে এক ধরনের সুনির্দিষ্ট নিয়ম প্রতিষ্ঠিত হতে শুরু করে। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে বাংলা ভাষার বানান স্বেচ্ছাচারিতা থেকে মুক্ত হয়ে নিয়মের আওতায় আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বানানকে উচ্চারণের কাছাকাছি নেওয়া — এটি বানানের একটি আদর্শ লক্ষ্য হতে পারে, তবে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৩৬ সালের সংস্কারের মূল প্রাতিষ্ঠানিক উদ্দেশ্য ছিল সার্বিক নিয়মের মধ্যে আনা। B) বানানের ঐতিহ্যকে বজায় রাখা — ঐতিহ্য রক্ষা করা মূল উদ্দেশ্য ছিল না, বরং বানানের বিশৃঙ্খলা দূর করে নিয়মবদ্ধ করাটাই প্রধান লক্ষ্য ছিল। D) বানানে বিকল্প বর্জন করা — বিকল্প অনেক সময় রাখা হয়েছিল বা পরবর্তীতে রাখা হয়, তবে মূল উদ্দেশ্য ছিল সামগ্রিক নিয়মের কাঠামোগত রূপ দেওয়া। ৫ মনে রাখার টিপস: - সালটি ১৯৩৬ এবং প্রতিষ্ঠানটি কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় মনে রাখলে এবং এর মূল কাজ 'নিয়ম প্রণয়ন' মাথায় রাখলেই উত্তর সহজ হবে। - এভাবে মনে রাখবে যে, ১৯৩৬ সালে প্রথম বাংলা বানানের নিয়ম তৈরি বা প্রণয়ন করা হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা বানান সংস্কারের ইতিহাসে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - বাংলা বানান সংস্কারের সাল এবং কমিটির প্রধান বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো ভালোভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0