বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC) অধীন সহকারী পরিচালক পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫।

পদের নাম: সহকারী পরিচালক (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

4. ‘ক্ষ’ যুক্তবর্ণটির মধ্যে রয়েছে -
Created 3 weeks ago | Updated 11 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ষ্ + ণ ১. কেন সঠিক: যুক্তবর্ণটি হলো ক্ষ, যা মূলত মূর্ধন্য ষ এবং মূর্ধন্য ণ এর সমন্বয়ে গঠিত। বাংলা বর্ণমালায় কিছু যুক্তবর্ণ তাদের গঠনগত রূপের চেয়ে ভিন্ন বর্ণের সংযোগে তৈরি হয়, যার মধ্যে এটি অন্যতম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে যুক্তবর্ণ বিশ্লেষণ একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যেখানে ধ্বনি ও বর্ণের রূপভেদ শেখানো হয়। এই যুক্তবর্ণটিতে প্রথমে হসন্তযুক্ত মূর্ধন্য ষ ধ্বনি এবং পরে মূর্ধন্য ণ ধ্বনি যুক্ত হয়ে প্রমিত রূপ লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উষ্ণ ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে ষ এবং ণ এর যুক্তরূপ ব্যবহৃত হয়েছে যা মূল নিয়মের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। উদাহরণ ২: কৃষ্ণ ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও একই নিয়মে মূর্ধন্য ষ এর সঙ্গে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়ে প্রমিত বানান গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষ + অ — এটি কোনো যুক্তবর্ণ নয় বরং একটি ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণের যুক্তরূপ। B) ষ + ন — এটি এই নির্দিষ্ট যুক্তবর্ণের সঠিক উপাদান নয় কারণ এখানে দন্ত্য ন ব্যবহৃত হয় না। C) অ + ষ — এটি বর্ণমালার সঠিক সংযোগ বা যুক্তবর্ণের গঠনের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। D) ষ্ + ণ — এটি সঠিক কারণ এই যুক্তবর্ণটি মূর্ধন্য ষ এবং মূর্ধন্য ণ এর সংযোগে তৈরি হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ক্ষ যুক্তবর্ণটি দেখলেই মনে রাখবে এটি ক এবং ষ নয়, বরং এটি বিশেষ ক্ষেত্রে ষ এবং ণ এর যোগফল। পরীক্ষায় ভুল এড়াতে মূর্ধন্য ষ এবং মূর্ধন্য ণ এর এই ব্যতিক্রমী সংযোগটি ভালোভাবে চর্চা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ব্যতিক্রমী যুক্তবর্ণের সঠিক বিশ্লেষণ জানতে চাওয়া হয়। যুক্তবর্ণের ক্ষেত্রে হসন্তযুক্ত প্রথম বর্ণ এবং পরের বর্ণ কোনটি তা নিখুঁতভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
5. 'কোকিল' এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 54 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কলকণ্ঠ ১. কেন সঠিক: - 'কোকিল' শব্দের একটি সুন্দর ও কাব্যিক সমার্থক শব্দ হলো 'কলকণ্ঠ', কারণ কোকিল অত্যন্ত মধুর সুরে গান গায়। - 'কলকণ্ঠ' শব্দের অর্থ যার কণ্ঠ থেকে মধুর বা কলকল ধ্বনি নির্গত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ, যা ভিন্ন বানান ও উচ্চারণের হলেও অর্থের দিক থেকে প্রায় সমান বা একই ভাব প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে কোকিল শব্দের বহু সমার্থক শব্দ রয়েছে যা কাব্য সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পিক ব্যাখ্যা: পিক হলো কোকিলের আরেকটি অত্যন্ত পরিচিত ও বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: পরভৃত ব্যাখ্যা: পরভৃত শব্দের অর্থ হলো যা অন্যের দ্বারা প্রতিপালিত হয়, আর কোকিল অন্য পাখির বাসায় ডিম পাড়ে বলে একে পরভৃত বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মই — মই কোনো সমার্থক শব্দ নয়, এটি ধান ভাজার বা কৃষিকাজে ব্যবহারের অথবা ওপরে ওঠার একটি বস্তুবাচক উপকরণ। B) বিহু — বিহু হলো ভারতের আসাম রাজ্যের একটি বিখ্যাত লোকউৎসব ও নৃত্যকলা। D) ইন্দু — ইন্দু হলো চন্দ্র বা চাঁদের একটি সুন্দর সমার্থক শব্দ, কোকিলের নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যার কণ্ঠ মিষ্টি ও কলকল শব্দে ভরা, সেই হলো কলকণ্ঠ বা কোকিল। - কোকিলের অন্যান্য সমার্থক শব্দ যেমন পিক এবং পরভৃত মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পাখির সমার্থক শব্দ হিসেবে কোকিল, পিক ও পরভৃত প্রায়ই একসাথে বা বিকল্প হিসেবে আসে। - চন্দ্র বা চাঁদের সমার্থক শব্দ হিসেবে ইন্দু শব্দটি বহুবার পরীক্ষায় এসেছে।
7. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার রচিত কোন নাটকটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেন
Created 3 weeks ago | Updated 36 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বসন্ত ১. কেন সঠিক: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার বসন্ত নাটকটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন। - বসন্ত নাটকের নিবেদনে নজরুলের প্রতি রবীন্দ্রনাথের গভীর স্নেহ ও শ্রদ্ধার প্রকাশ ঘটেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বসন্ত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিশেষ ঋতুনাট্য যা প্রকৃতি ও যৌবনের জয়গানে মুখরিত। - এই নাটকটি প্রকাশের পর রবীন্দ্রনাথ এটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করে বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রক্তকরবী নাটক। ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রতীকধর্মী নাটক যেখানে যান্ত্রিক সভ্যতার বিরুদ্ধে মানবজীবনের জয়গান গাওয়া হয়েছে। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটি নজরুল বিপ্লব ও দ্রোহের বাণী প্রচারের জন্য বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিসর্জন — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ঐতিহাসিক ও ট্র্যাজিক নাটক যা রাজা গোবিন্দমাণিক্যের প্রেক্ষাপটে রচিত এবং এটি নজরুলকে উৎসর্গ করা হয়নি। B) ডাকঘর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রতীকধর্মী নাটক যা অমল চরিত্রের আত্মিক মুক্তির কথা বলে এবং এটি নজরুলকে উৎসর্গ করা হয়নি। C) বসন্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ রবীন্দ্রনাথ এই নাটকটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন। D) অচলায়তন — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রূপকধর্মী নাটক যা অন্ধ সংস্কার ও গোঁড়ামির বিরুদ্ধে রচিত এবং এটি নজরুলকে উৎসর্গ করা হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের ঋতুভিত্তিক নাটক বসন্ত এবং নজরুলের বিদ্রোহী সত্তা মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে বসন্ত নাটকটি নজরুলকে দেওয়া হয়েছিল। - রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের সাহিত্যিক সম্পর্কের কথা মনে রাখলে এই প্রশ্নটি সহজে সমাধান করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন সাহিত্যিক কাকে বই বা নাটক উৎসর্গ করেছেন তা জানতে চাওয়া হয়। - রবীন্দ্রনাথের নাটকগুলোর নাম এবং তাদের মূল বার্তাগুলো ভালোভাবে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
8. কোন বানানটি অশুদ্ধ
Created 3 weeks ago | Updated 26 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তিরষ্কার ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে তিরষ্কার শব্দটি অশুদ্ধ কারণ এর শুদ্ধ রূপ হলো তিরস্কার। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী বিসর্গ সন্ধির নিয়মে শব্দের শেষে থাকা বিসর্গ ক বা প এর পূর্বে থাকলে বিসর্গের পর স বসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অ বা আ ধ্বনির পর বিসর্গ এবং তার পরে ক, খ, প বা ফ থাকলে বিসর্গের স্থানে স হয়। - এই নিয়মের কারণে আঃ যোগ কার সমান আবিষ্কার, পরিঃ যোগ কার সমান পরিষ্কার এবং পুরঃ যোগ কার সমান পুরস্কার হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নমস্কার ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির নিয়মে নমঃ যোগ কার সমান নমস্কার হয় যেখানে ক এর পূর্বে স বসেছে। উদাহরণ ২: ভস্মস্কার ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও একই নিয়মে বিসর্গের পরে ক আসার কারণে স যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবিষ্কার — এটি একটি শুদ্ধ বানান যা বিসর্গ সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে। B) পরিষ্কার — এটি একটি শুদ্ধ বানান যা প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক। C) তিরষ্কার — এটি একটি অশুদ্ধ বানান কারণ এর সঠিক রূপটি হলো তিরস্কার। D) পুরস্কার — এটি একটি শুদ্ধ বানান যা বিসর্গ সন্ধির নিয়ম মেনে লেখা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - আবি, পরি এবং পুর শব্দের পরে কার থাকলে মূর্ধন্য ষ হয় না বরং দন্ত স হয়। - তির শব্দের পরেও কার যুক্ত হলে দন্ত স বসবে কিন্তু বিসর্গ লোপ পাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধির এই নিয়মটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - আবিষ্কার, পরিষ্কার ও পুরস্কার বানানে মূর্ধন্য ষ না লিখে দন্ত স লিখতে হয়।
9. মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বন্দী শিবির থেকে ১. কেন সঠিক: - 'বন্দী শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থটি সরাসরি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। - কবি শামসুর রাহমান ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের অবরুদ্ধ ঢাকায় অবস্থানকালে পরাধীনতার যন্ত্রণা, প্রতিবাদ এবং মুক্তির আকুলতা এই কাব্যে তুলে ধরেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই কাব্যগ্রন্থটির রচিয়তা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমান। - ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম নির্যাতন ও বাঙালির সশস্ত্র প্রতিরোধ এই কাব্যের প্রধান আলোচ্য বিষয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মৃতি মাত্র একাত্তর ব্যাখ্যা: এটিও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম, যা যুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে। উদাহরণ ২: নিষিদ্ধ প্রদীপ্ত পদাবলী ব্যাখ্যা: এই সাহিত্যকর্মেও মুক্তিযুদ্ধের সময়কার অবরুদ্ধ পরিবেশ ও সংগ্রামের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বন্দী শিবির থেকে — এটি সঠিক উত্তর। B) নেকড়ে অরণ্য — এটি শহীদুল জহিরের একটি উপন্যাস, যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। C) জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা — এটি শহীদুল জহিরের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। D) প্রিয়যোদ্ধা প্রিয়তম — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কোনো প্রমিত কাব্যগ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শামসুর রাহমান অবরুদ্ধ ঢাকায় বন্দী থেকেও কলমের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন করেছিলেন। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে ঢাকার 'বন্দী শিবির থেকে' কবি শামসুর রাহমান স্বাধীনতার কবিতা লিখেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই আসে। - শামসুর রাহমানের 'বন্দী শিবির থেকে' এবং 'উদ্ভিন্ন উল্লাস' উভয়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
10. 'নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?' উক্তিটি করেছেন
Created 3 weeks ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারতচন্দ্র রায় ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত প্রবাদতুল্য উক্তিটি অষ্টাদশ শতাব্দীর বিশিষ্ট কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণপাকরের অন্নদামঙ্গল কাব্যের বিদ্যাসুন্দর উপাখ্যান অংশের অন্তর্ভুক্ত। - এর অর্থ হলো বড় কোনো বিপদ বা দুর্যোগ ঘটলে সাধারণ বা ছোটরাও তার দায় থেকে রক্ষা পায় না এবং এর প্রভাব সবার ওপর পড়ে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভারতচন্দ্র রায় অষ্টাদশ শতকের মধ্যযুগের শেষভাগের কবি এবং তিনি নদীয়া জেলার পেড়ো বা ভুরসুট গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। - মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের সভাকবি হিসেবে তিনি রায়গুণাকর উপাধিতে ভূষিত হন এবং তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি অন্নদামঙ্গল কাব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘর পোড়ার গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পায়। ব্যাখ্যা: আগের কোনো বড় বিপদের অভিজ্ঞতা থাকলে মানুষ পরবর্তী সময়ে যেকোনো সাধারণ বিষয়কেও বিপদজনক মনে করে। উদাহরণ ২: সরোবরের জল শুকোলে পদ্মফুলেরও অস্তিত্ব বিপন্ন হয়। ব্যাখ্যা: প্রধান বা বড় কোনো অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার ওপর নির্ভরশীল ছোটরাও ধ্বংস হয়ে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — তিনি ষোড়শ শতকের মধ্যযুগের কবি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্য চণ্ডীমঙ্গল, যেখানে এই উক্তিটি পাওয়া যায় না। B) ভারতচন্দ্র রায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। C) চণ্ডীদাস — তিনি পদাবলী সাহিত্যের আদি যুগের কবি এবং শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বা পদাবলীতে এই উদ্ধৃতিটি নেই। D) বড়ু চণ্ডীদাস — তিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা এবং এই প্রবাদতুল্য উক্তিটি তাঁর কাব্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ভারতের দেবালয়ে নগর পুড়লে কেমন হয় তা মনে রাখলে ভারতচন্দ্র রায়ের এই বিখ্যাত প্রবাদমূলক উক্তিটি সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের কবি ভারতচন্দ্র রায়ের অন্নদামঙ্গল কাব্য এবং এর বিভিন্ন চরিত্র বা পঙ্‌ক্তি সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
11. মীর মশাররফ হোসেনের 'মোসলেম বীরত্ব' কোন ধরনের গ্রন্থ?
Created 3 weeks ago | Updated 53 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাব্যগ্রন্থ ১. কেন সঠিক: - মীর মশাররফ হোসেনের 'মোসলেম বীরত্ব' একটি ঐতিহাসিক ও বীরত্বগাথা কাব্যামূলক রচনা, যা বাংলা সাহিত্যে কাব্যগ্রন্থ হিসেবে পরিচিত। - মুসলমান বীরদের গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্য কাব্যের ছন্দে ফুটিয়ে তোলার জন্যই তিনি এটি রচনা করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মীর মশাররফ হোসেন বাংলা গদ্য ও উপন্যাসের ক্ষেত্রে অত্যন্ত প্রথিতযশা হলেও তিনি কবিতা ও কাব্যগ্রন্থও রচনা করেছেন। - বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের রচয়িতা হিসেবে তিনি সর্বাধিক পরিচিত হলেও তাঁর সাহিত্যিক পরিধি নাটক, প্রবন্ধ ও কাব্যেও বিস্তৃত ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মীর মশাররফ হোসেন রচিত 'বিষাদ সিন্ধু' ব্যাখ্যা: এটি তাঁর অমর সৃষ্টি এবং একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস, যা কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত। উদাহরণ ২: মীর মশাররফ হোসেন রচিত 'জমির চাষ' ব্যাখ্যা: এটি তাঁর একটি মননশীল ও কৃষিউপযোগী রচনা, যা প্রবন্ধ বা উপদেশমূলক সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — মোসলেম বীরত্ব কোনো গদ্যধর্মী দীর্ঘ কথাসাহিত্য বা উপন্যাস নয়, এটি মূলত পদ্য বা কাব্যাংশ। C) প্রবন্ধ — এটি কোনো তত্ত্বমূলক বা সমালোচনামূলক গবেষণাধর্মী প্রবন্ধ গ্রন্থ নয়। D) নাটক — মীর মশাররফ হোসেন 'জমীদার দর্পণ' বা 'বেহুলা গীতাভিনয়' এর মতো নাটক লিখলেও 'মোসলেম বীরত্ব' নাটক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত উপন্যাস বিষাদ সিন্ধু আর কাব্যগ্রন্থ মোসলেম বীরত্ব—এভাবে আলাদা করে মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মীর মশাররফ হোসেনের উপন্যাস ও নাটকের পাশাপাশি তাঁর কাব্যগ্রন্থ থেকেও প্রশ্ন আসে।
13. 'রাজমিস্ত্রী' শব্দের ব্যাসবাক্য-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মিস্ত্রীর রাজা ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দটি একটি বিশেষ নিয়মে সাধিত তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যেখানে সাধারণ নিয়মের বিপরীত অর্থ প্রকাশ পায়। - মিস্ত্রীদের মধ্যে যিনি শ্রেষ্ঠ বা প্রধান, তাকে বোঝাতে এই ব্যাসবাক্য ব্যবহার করা হয় এবং ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি ষষ্টি তৎপুরুষ সমাস। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের ষষ্টি বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায়, তাকে ষষ্টি তৎপুরুষ সমাস বলে। - এই বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হিসেবে ব্যাসবাক্যের পদ দুটি স্থান পরিবর্তন করে সমস্তপদ গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজ্য ব্যাখ্যা: রাজাদের যজ্ঞ বোঝাতে এই সমাসের নিয়ম অনুযায়ী সমস্তপদ রাজ্য হয়। উদাহরণ ২: দেশান্তর ব্যাখ্যা: অন্য দেশ বোঝাতে এই সমাসের রূপান্তর ঘটে এবং এটি কর্মধারয় সমাসের নিয়ম অনুসরণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজার মিস্ত্রী — এটি স্বাভাবিক নিয়ম হলেও প্রশ্নে চাওয়া অর্থের সঙ্গে ব্যাকরণগতভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) রাজ যে মিস্ত্রী — এটি কর্মধারয় সমাসের ব্যাসবাক্য যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) মিস্ত্রী যার রাজা — এটি বহুব্রীহি সমাসের ব্যাসবাক্য গঠনের কাঠামো যা এখানে সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শ্রেষ্ঠত্ব বোঝাতে যখন কোনো পেশা বা জাতির নামের সঙ্গে রাজা যুক্ত হয়, তখন ব্যাসবাক্য লেখার সময় পদের ক্রম উল্টে দিতে হয়। - রাজমিস্ত্রী শব্দের ক্ষেত্রে মিস্ত্রী শব্দটিকে প্রথমে এনে মিস্ত্রীর রাজা লিখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যতিক্রমী সমাস প্রায়ই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। - তাই সমস্তপদ ও ব্যাসবাক্যের পদের অবস্থান ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে।
14. 'বার্ষিক' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বর্ষ + ষ্ণিক ১. কেন সঠিক: - 'বার্ষিক' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো বর্ষ যোগ ষ্ণিক। এখানে বর্ষ শব্দের সঙ্গে কালবাচক বা সম্বন্ধ অর্থে ষ্ণিক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বার্ষিক শব্দটি গঠিত হয়েছে। - প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় শব্দের আদি স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটে থাকে, যাকে ব্যাকরণের ভাষায় গুণ বা বৃদ্ধি বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়মানুযায়ী বিশেষ্য পদের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যখন বিশেষণ পদ গঠিত হয়, তখন অনেক সময় শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন হয়। বর্ষ শব্দের ব-এর অধস্থিত অর্-এর প্রভাবে ষ্ণিক প্রত্যয় যোগে বার্ষিক গঠিত হয়। - এখানে ষ্ণিক প্রত্যয়ের 'ষ্ণ' এবং 'ক' ইৎ বা লুপ্ত হয় এবং মূল অংশ হিসেবে 'ইক' যুক্ত থাকে, যা শব্দের শেষে ধ্বনিগত পরিবর্তন সাধন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বর্ষ যোগ ষ্ণিক = বার্ষিক ব্যাখ্যা: এটি কালবাচক অর্থে ব্যবহৃত একটি সাধারণ শব্দ যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। উদাহরণ ২: পক্ষ যোগ ষ্ণিক = পাখিক ব্যাখ্যা: একই প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দের আদি স্বর পরিবর্তনের আরেকটি চমৎকার উদাহরণ এটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্ষ + ষ্ণিক — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং ব্যাকরণসম্মত নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। B) বর্ষা + ষ্ণিক — বর্ষা শব্দটির সঙ্গে এই নিয়মে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বার্ষিক গঠিত হয় না, তাই এটি ভুল। C) বরষ + ইক — বরষ হলো বর্ষ শব্দের পরিবর্তিত বা তদ্ভব রূপ, যার সঙ্গে সরাসরি এই প্রত্যয় যুক্ত হয় না। D) ব + ষ্ণিক — ব কোনো অর্থপূর্ণ প্রাতিপদিক বা শব্দমূল নয়, তাই এর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বার্ষিক শব্দ দেখলে মূল শব্দ হিসেবে বর্ষ এবং প্রত্যয় হিসেবে ষ্ণিক নির্ধারণ করবে। আদি স্বরের পরিবর্তন মনে রাখলে এই ধরনের প্রত্যয় নির্ণয় করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন বা বৃদ্ধি সংক্রান্ত নিয়মগুলো খুব ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
15. 'ডেঙ্গু' শব্দের উৎস ভাষা-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্প্যানিশ ১. কেন সঠিক: 'ডেঙ্গু' শব্দটি স্প্যানিশ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। স্প্যানিশ শব্দ 'ডেঙ্গু' (Dengue) মূলত কোনো অসুস্থতাকে বোঝাতে প্রথমে ব্যবহার করা হয়নি, বরং এটি একটি নির্দিষ্ট আচরণ বা ভঙ্গি বোঝাতে ব্যবহৃত হতো। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দের উৎস বা শব্দার্থ বিষয়ক একটি ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ। ডেঙ্গু একটি বিদেশি শব্দ যা বাংলা ভাষা তার নিজস্ব শব্দভান্ডারে গ্রহণ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হারিকেন ব্যাখ্যা: এটি একটি ইংরেজি শব্দ যা বাংলায় বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: আলপিন ব্যাখ্যা: এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ যা বাংলা ভাষায় বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্প্যানিশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডেঙ্গু শব্দটি স্প্যানিশ ভাষা থেকে এসেছে। B) ইংরেজি — ইংরেজি ভাষা থেকে অনেক শব্দ বাংলায় আসলেও ডেঙ্গু ইংরেজি শব্দ নয়। C) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে বেশ কিছু শব্দ বাংলায় এসেছে তবে ডেঙ্গু তাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। D) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে কিছু প্রশাসনিক ও সামরিক শব্দ বাংলায় আসলেও এটি তুর্কি শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ডেঙ্গু একটি জ্বর এবং জ্বর হলে মানুষ দুর্বল হয়ে পড়ে। স্প্যানিশ ভাষায় ডেঙ্গু শব্দের অর্থ লম্ফঝম্ফ বা খামখেয়ালি চালচলন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস প্রায়ই আসে। বিভিন্ন ভাষা যেমন আরবি, ফারসি, পর্তুগিজ ও ইংরেজি থেকে আসা প্রচলিত শব্দগুলো ভালো করে পড়তে হবে।
16. ‘Ethics’ শব্দের সঠিক পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নীতিশাস্ত্র ১. কেন সঠিক: - ‘Ethics’ একটি ইংরেজি শব্দ যার বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো নীতিশাস্ত্র। - এটি দর্শনশাস্ত্রের একটি শাখা যা মানুষের নৈতিকতা, ভালো-মন্দ, আচরণ এবং কর্তব্য নির্ধারণের নিয়মাবলী নিয়ে আলোচনা করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্র বা বিজ্ঞানে নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং যার বাংলা রূপ মূল ইংরেজি শব্দের ভাব ও অর্থ সঠিকভাবে প্রকাশ করে। - প্রশাসনিক, আইনি, সাহিত্যিক এবং দাপ্তরিক কাজে সঠিক পারিভাষিক শব্দের ব্যবহার ভাষার সৌন্দর্য ও নির্ভুলতা রক্ষা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Morality ব্যাখ্যা: Morality শব্দের পারিভাষিক অর্থ হলো নৈতিকতা, যা Ethics শব্দের কাছাকাছি হলেও Ethics একটি প্রাতিষ্ঠানিক শাস্ত্র বা নীতিবিদ্যাকে বোঝায়। উদাহরণ ২: Philosophy ব্যাখ্যা: Philosophy শব্দের পারিভাষিক অর্থ হলো দর্শন, যার একটি শাখা হলো এই নীতিশাস্ত্র বা Ethics। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তথ্যচিত্র — এই শব্দটি ইংরেজি Documentary শব্দের পারিভাষিক রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা কোনো বাস্তব ঘটনার ওপর নির্মিত চলচ্চিত্রকে বোঝায়। B) ব্রতকথা — এটি লোকসাহিত্যের একটি বিশেষ শাখা যেখানে লৌকিক আচার-অনুষ্ঠান ও দেবদেবীর পূজার ইতিহাস বা কাহিনি বর্ণিত থাকে। C) তথ্যকথা — এটি কোনো নির্দিষ্ট বা প্রমিত পারিভাষিক শব্দ নয় এবং এর মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট কোনো ইংরেজি পদের ভাব প্রকাশ পায় না। D) নীতিশাস্ত্র — এটি সঠিক পারিভাষিক শব্দ যা সরাসরি Ethics শব্দের অর্থ বহন করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - Ethics মানে নীতি বা আচরণবিধি, তাই এর সঙ্গে শাস্ত্র বা বিদ্যা যুক্ত হয়ে নীতিশাস্ত্র হয়েছে। - ইংরেজি ই শব্দ দিয়ে শুরু পারিভাষিক শব্দগুলোর ক্ষেত্রে বাংলা অভিধানের প্রমিত রূপগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষা দ্রুত উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি শব্দের সঠিক বাংলা পরিভাষা প্রায়ই আসে। - আইন, দর্শন ও প্রশাসন সম্পর্কিত ইংরেজি শব্দগুলোর বাংলা পরিভাষা আলাদা করে নোট করে পড়া উচিত।
17. 'পঞ্চপাণ্ডব' বলা হয়-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তিরিশের কবিদের ১. কেন সঠিক: বাংলা কবিতায় আধুনিকতার সূচনা করা পাঁচজন প্রথিতযশা কবিকে একত্রে 'পঞ্চপাণ্ডব' বলা হয়। এই পাঁচ কবি হলেন বুদ্ধদেব বসু, বিষ্ণু দে, জীবনানন্দ দাশ, অমিয় চক্রবর্তী ও সুধীন্দ্রনাথ দত্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: তিরিশের দশক ছিল বাংলা কবিতার ইতিহাসে আধুনিকতার স্বর্ণযুগ। এই কবিরা ইউরোপীয় আধুনিকতা ও প্রতীকবাদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বাংলা কবিতায় নতুন মাত্রা যোগ করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জীবনানন্দ দাশ ব্যাখ্যা: তিনি তিরিশের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি যিনি রূপসী বাংলার রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন। উদাহরণ ২: বুদ্ধদেব বসু ব্যাখ্যা: তিনি আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রবক্তা এবং কবিতা পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিরিশের কবিদের — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই পাঁচ কবি তিরিশের দশকের আধুনিকতার প্রতিনিধি। B) চল্লিশের কবিদের — চল্লিশের দশকে রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকটের কবিরা আবির্ভূত হয়েছিলেন, এদের পঞ্চপাণ্ডব বলা হয় না। C) রবীন্দ্রযুগের কবিদের — রবীন্দ্রযুগের কবিরা মূলত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন এবং তাদের পরিধি ভিন্ন। D) পঞ্চাশের কবিদের — পঞ্চাশের দশকের কবি যেমন শামসুর রাহমান ও আল মাহমুদ ভিন্ন ধারার আধুনিকতার প্রতিনিধিত্ব করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: পঞ্চপাণ্ডব মানে মহাভারতের পাঁচ ভাইয়ের মতো বাংলা কবিতার পাঁচ আধুনিক দিকপাল। কবিদের নাম মনে রাখার সহজ সূত্র হলো বু-বি-জি-অ-সু অর্থাৎ বুদ্ধদেব, বিষ্ণু, জীবনানন্দ, অমিয় ও সুধীন্দ্রনাথ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তিরিশের পাঁচ কবির নাম বা পঞ্চপাণ্ডব সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। মনে রাখতে হবে তিরিশের কবিরা রবীন্দ্রপ্রভাব থেকে বেরিয়ে স্বতন্ত্র কাব্যধারা সৃষ্টি করেছিলেন।
18. 'গভীরে নিশীথে প্রকৃতি সুপ্ত' এখানে 'নিশীথে' কোন পদ?
Created 3 weeks ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিশেষ্য ১. কেন সঠিক: - বাক্যে 'নিশীথে' শব্দটি নির্দিষ্ট একটি সময় বা কাল বোঝাচ্ছে এবং এটি বাক্যের ভেতরে স্বাধীনভাবে নাম পদ হিসেবে অবস্থান করেছে। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যে শব্দ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, স্থান, ভাব বা গুণের নাম বোঝায় তাকে বিশেষ্য পদ বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদ প্রধানত ছয় প্রকার যথা সংজ্ঞাবাচক, জাতিবাচক, বস্তুবাচক, সমষ্টিবাচক, গুণবাচক ও ভাববাচক বিশেষ্য। - কাল বা সময়বাচক শব্দ বাক্যে ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে কখনো বিশেষ্য আবার কখনো ক্রিয়াবিশেষণ হতে পারে, তবে এখানে 'নিশীথে' স্বাধীনভাবে বিশেষ্য পদ হিসেবে কাজ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রভাতে সূর্য ওঠে। ব্যাখ্যা: এখানে 'প্রভাতে' একটি নির্দিষ্ট সময়ের নাম বোঝানো হয়েছে বিধায় এটি বিশেষ্য পদ। উদাহরণ ২: বসন্তে কোকিল ডাকে। ব্যাখ্যা: এখানে 'বসন্তে' একটি ঋতুর নাম বা সময় নির্দেশ করায় এটি বিশেষ্য পদ হিসেবে গণ্য হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাম বিশেষণ — নাম বিশেষণ বিশেষ্য পদের দোষ, গুণ, অবস্থা বা পরিমাণ বোঝায়, কিন্তু 'নিশীথে' কোনো পদের দোষ বা গুণ বোঝাচ্ছে না। B) বিশেষ্য — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর সপক্ষে যথাযথ ব্যাকরণগত যুক্তি বিদ্যমান। C) ভাব বিশেষণ — ভাব বিশেষণ ক্রিয়া বা অন্য কোনো পদকে বিশেষিত করে, কিন্তু এখানে 'নিশীথে' নিজে একটি স্বতন্ত্র নাম পদ। D) সর্বনাম — সর্বনাম পদ বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু 'নিশীথে' কোনো শব্দের বদলি হিসেবে বসেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো কাল, সময় বা বারবাচক শব্দ যদি বাক্যে সরাসরি কোনো কিছুর নাম হিসেবে আসে, তবে তা সাধারণত বিশেষ্য পদ হয়। - সময় বা কালের নাম চেনার সময় মনে রাখবে যে এগুলো কোনো না কোনো নির্দিষ্ট সময়ের পরিচয় বহন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সময়বাচক শব্দগুলো প্রায়ই ক্রিয়াবিশেষণ বা বিশেষ্য হিসেবে বিভ্রান্তি তৈরি করে, তাই বাক্যের প্রয়োগ ভালো করে খেয়াল করতে হবে। - এই ধরনের পদ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের অর্থ এবং বাক্যে তার অবস্থান বিবেচনা করা জরুরি।
19. 'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়' - চরণটির রচয়িতা -
Created 3 weeks ago | Updated 39 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়, কে বাঁচিতে চায়' চরণটি কবি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত 'পদ্মাবতী' কাব্য বা তাঁর ঐতিহাসিক কবিতা 'পদ্মাবতী'র অন্তর্গত নয়, বরং এটি তাঁর বিখ্যাত 'পদ্মাবতী' নাটকের উৎসর্গপত্রে বা তাঁর প্রথম সার্থক কাব্যগ্রন্থ 'পদ্মাবতী' প্রকাশের পূর্বে রচিত বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি নয়, এটি তাঁর 'পদ্মাবতী' কাব্যগ্রন্থের নয় বরং তাঁর প্রথম কাব্য 'পদ্মাবতী' (১৮৫৮) উৎসর্গপত্রে বা তাঁর 'পদ্মাবতী' নাটকের জন্য নয়, বরং এটি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'পদ্মাবতী'র প্রণেতা রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি কালজয়ী পঙ্‌ক্তি যা মূলত পরাধীনতার গ্লানি থেকে মুক্তির আকুলতা প্রকাশ করে। - এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তিটির সম্পূর্ণ রূপ হলো 'স্বাধীনতা-হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে, কে বাঁচিতে চায়? দাসত্বশৃঙ্খল বল কে পরিবে পায়?' যা বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন ও চেতনায় দারুণভাবে প্রেরণা জুগিয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯ শতকের বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক যিনি মূলত ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের শিষ্য বা প্রভাবে সাহিত্য সাধনা শুরু করেছিলেন এবং বাংলা কবিতায় দেশপ্রেমের প্রথম বার্তা নিয়ে এসেছিলেন। - তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো 'পদ্মাবতী' (১৮৫৮), 'কর্মদেবী' (১৮৬২), 'শূরসেনী' (১৮২২ নয়, ১৮৬৮ হবে) এবং 'কাঞ্চীপুরাণ' (১৯৭৯ নয়, ১৮৭৯), যা মধ্যযুগের বীরত্বগাথা ও দেশপ্রেমের ভাবনায় সমৃদ্ধ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'স্বাধীনতাহীনতা কে বাঁচিতে চায়' চরণটির মূল উৎস রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মাবতী কাব্য। ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের সূচনাতেই কবি পরাধীন জাতির করুণ অবস্থার চিত্র এঁকেছেন এবং স্বাধীনতার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। উদাহরণ ২: কবি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেশপ্রেমমূলক কবিতা। ব্যাখ্যা: তাঁর কাব্যে দেশপ্রেম ও পরাধীনতার বিরুদ্ধে দ্রোহের সুর স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে যা বাংলা সাহিত্যে নবজাগরণ এনেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — তিনি যুগসন্ধিকালের কবি ও সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক হলেও এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা নন। B) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি দেশপ্রেমের কবিতা লিখলেও 'বৃত্রসংহার' তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য, আলোচ্য পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা তিনি নন। C) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনিই এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তিটি রচনা করেছেন। D) মধুসূদন দত্ত — তিনি মহাকবি ও মেঘনাদবধ কাব্যের রচয়িতা হলেও এই নির্দিষ্ট পঙ্‌ক্তিটির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্বাধীনতা হীনতার কথা মনে এলেই মনে রাখবে রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম কারণ তিনি প্রথম বাংলা সাহিত্যে স্বাধীনতার জয়গান গেয়েছেন। - রঙ্গলাল মানেই মনে রাখবে পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার গান এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্য পদ্মাবতী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই চরণটি প্রায়ই আসে এবং এর রচয়িতা হিসেবে রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম বহুবার বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষায় এসেছে। - একই নিয়মে বিভিন্ন কবির বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি ও তার উৎস ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে যেন পরীক্ষক যতই ঘুরিয়ে প্রশ্ন করুন না কেন উত্তর দিতে পারো।
20. 'শূন্যপুরাণ' কাব্য কার রচনা?
Created 3 weeks ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রামাই পণ্ডিত ১. কেন সঠিক: 'শূন্যপুরাণ' বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের নাথ সাহিত্য ধারার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাচীন নিদর্শন। এই কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে রামাই পণ্ডিতের নাম প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্যে বিশেষভাবে স্বীকৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শূন্যপুরাণ কাব্যটি বৌদ্ধ ধর্মের সহজিয়া মতবাদ এবং নাথ ধর্মের আচারের সঙ্গে সম্পর্কিত। এতে প্রাচীন বাংলার সমাজ সংস্কৃতি ও ধর্মের রূপ ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি বড়ু চণ্ডীদাসের রচনা। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলির আদি নিদর্শন। উদাহরণ ২: ময়নামতির গান কাব্যটি মীনানাথ ও গোপীচন্দ্রের কাহিনী নিয়ে রচিত। ব্যাখ্যা: এটি নাথ সাহিত্য ধারার একটি অন্যতম প্রধান নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হর্ষবর্ধন — হর্ষবর্ধন প্রাচীন ভারতের একজন বিখ্যাত রাজা ও নাট্যকার ছিলেন যিনি বাংলায় শূন্যপুরাণ রচনা করেননি। B) গোবিন্দদাস — গোবিন্দদাস একজন প্রখ্যাত বৈষ্ণব পদকর্তা ছিলেন যিনি শূন্যপুরাণের মতো ধর্মীয় কাব্য রচনা করেননি। C) রামাই পণ্ডিত — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি শূন্যপুরাণের রচয়িতা হিসেবে মধ্যযুগের সাহিত্যে পরিচিত। D) বিপ্রদাস — বিপ্রদাস পিপিলাই মনসামঙ্গল কাব্যের একজন বিশিষ্ট কবি ছিলেন যিনি শূন্যপুরাণ লেখেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: শূন্য শব্দটির সঙ্গে শূন্যে ভাসার বা শূন্যতার ধারণা মেলে আর শূন্য হাতে পণ্ডিত মানুষের কাছে যাওয়ার কথা মনে রাখতে পারো। শূন্যপুরাণ দেখলেই রামাই পণ্ডিতের নাম মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শূন্যপুরাণ কোন যুগের রচনা এবং এর রচয়িতা কে, এই প্রশ্নটি বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য মধ্যযুগের কবি ও তাদের বিখ্যাত কাব্যগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখা জরুরি।
22. 'রাজা যায় রাজা আসে' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা -
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আবুল হাসান ১. কেন সঠিক: 'রাজা যায় রাজা আসে' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রথিতযশা কবি আবুল হাসান। এটি তাঁর অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা কবিতায় বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি আবুল হাসান ছিলেন বাংলা আধুনিক কবিতার তিরিশোত্তর ধারার পরবর্তী প্রজন্মের একজন শক্তিমান কবি। তাঁর প্রকৃত নাম আবুল হোসেন মিয়া হলেও তিনি সাহিত্যজগতে আবুল হাসান নামেই সমধিক পরিচিত ও বিখ্যাত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'রাজা যায় রাজা আসে' (কাব্যগ্রন্থ) ব্যাখ্যা: এটি কবি আবুল হাসানের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং এর জন্য তিনি বাংলা সাহিত্যের পাঠকমহলে স্থায়ী আসন লাভ করেন। উদাহরণ ২: 'selectedValue' বা অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ যেমন 'যে তুমি হরণ করো' ব্যাখ্যা: এটিও কবি আবুল হাসানের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর কাব্যপ্রতিভার পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল হোসেন — ইনি প্রখ্যাত কবি ও প্রাবন্ধিক হলেও 'রাজা যায় রাজা আসে' তাঁর কাব্যগ্রন্থ নয়। B) আবুল হাসান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁরই রচিত। C) আবুল ফজল — ইনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবী হলেও তিনি এই কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন। D) শামসুর রাহমান — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার প্রধান কবি হলেও আলোচ্য কাব্যগ্রন্থটি তাঁর রচিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: 'রাজা যায় রাজা আসে' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা মনে রাখতে হাসান নামের শক্তিমান কবির কথা স্মরণ করতে হবে। হাসান রাজার মতো বড় কবি যিনি দ্রুত চলে গেছেন কিন্তু তাঁর কবিতা অমর হয়ে আছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি আবুল হাসানের প্রথম কাব্যগ্রন্থ হিসেবে 'রাজা যায় রাজা আসে' বারবার আসে। কবি আবুল হাসান ১৯৭২ সালে এই কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশ করেন এবং তিনি রূপালীর জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
23. ‘প্রতীচী’ শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রাচ্য ১. কেন সঠিক: 'প্রতীচী' শব্দটির অর্থ পশ্চিম দিক বা পশ্চিমাঞ্চল। এর ঠিক বিপরীত বা প্রতিকূল অর্থ প্রকাশ করে পূর্ব দিক বা পূর্বাঞ্চল, যার সঠিক শব্দ হলো 'প্রাচ্য'। বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের ভৌগোলিক বা দিক নির্দেশক অর্থ মিল রেখেই সঠিক উত্তরটি নির্ধারণ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দের ভাণ্ডারে দিকবাচক শব্দের বিপরীত দিকবাচক শব্দের ব্যবহারের মাধ্যমে বিপরীতার্থক শব্দ গঠিত হয়। প্রতীচী শব্দের অর্থ পশ্চিম এবং প্রাচ্য শব্দের অর্থ পূর্ব। বাংলা ব্যাকরণে দিক, কাল বা অবস্থার বিপরীতার্থক শব্দগুলো প্রায়শই জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উদীচী ব্যাখ্যা: উদীচী শব্দের অর্থ উত্তর দিক, যা প্রতীচীর মতো অন্য একটি দিকবাচক শব্দ। উদাহরণ ২: অবাচী ব্যাখ্যা: অবাচী শব্দের অর্থ দক্ষিণ দিক, যা দিকবাচক বিপরীত শব্দের আরেকটি সুন্দর উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রান — প্রান শব্দের অর্থ জীবন বা আত্মা, যা দিকবাচক বা প্রতীচী শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) প্রাচ্য — সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ পূর্ব দিক যা পশ্চিম বা প্রতীচীর বিপরীত। C) মিলন — মিলন শব্দের অর্থ একত্র হওয়া, যার বিপরীত শব্দ হলো বিচ্ছেদ। D) ত্যাগ — ত্যাগ শব্দের অর্থ বর্জন করা, যার বিপরীত শব্দ হলো গ্রহণ। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রতীচী মানে পশ্চিম এবং প্রাচ্য মানে পূর্ব মনে রাখতে হবে। সূর্যের উদয় প্রাচ্যে এবং অস্ত প্রতীচীতে হয় এই নিয়মটি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: দিকবাচক বিপরীত শব্দ যেমন প্রাচ্য ও প্রতীচী প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। পূর্ব-পশ্চিম, উত্তর-দক্ষিণ বা এদের সংস্কৃত রূপগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
24. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'বিড়াল' কি ধরণের রচনা?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রবন্ধ ১. কেন সঠিক: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'বিড়াল' একটি বিখ্যাত সামাজিক ও দার্শনিক প্রবন্ধ, যা ১৮৭৭ সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। - এই রচনাটিতে লেখক একটি সাধারণ বিড়াল ও একজন চোরের কথোপকথনের মাধ্যমে সমাজের নানা অসংগতি, বৈষম্য এবং নৈতিকতার দ্বিমুখী রূপ তুলে ধরেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত। - 'বিড়াল' প্রবন্ধটি তাঁর 'কমলাকান্তের দপ্তর' নামক বিখ্যাত রম্য রচনা সংকলনের অন্তর্ভুক্ত একটি অনন্য সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কমলাকান্তের দপ্তর ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত রম্য রচনা সংকলন, যার মধ্যে 'বিড়াল' প্রবন্ধটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। উদাহরণ ২: কমলাকান্তের পত্রে ব্যাখ্যা: এটিও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি ব্যঙ্গাত্মক ও সমাজসচেতন রচনা, যা লেখকের মননশীল চিন্তার পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'বিষবৃক্ষ' ও 'কপালকুণ্ডলা'র মতো বিখ্যাত উপন্যাস লিখেছেন, কিন্তু 'বিড়াল' কোনো উপন্যাস নয়। B) কবিতা — 'বিড়াল' কোনো পদ্য বা ছন্দবদ্ধ কবিতা নয়, এটি গদ্যে রচিত একটি গভীর মননশীল সাহিত্যকর্ম। C) গল্প — বাংলা ছোটগল্পের জনক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আর বঙ্কিমচন্দ্রের 'বিড়াল' আকারে ছোট হলেও এটি মূলত একটি প্রতীকী প্রবন্ধ। D) প্রবন্ধ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি লেখকের সমাজচিন্তা ও দর্শনের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কমলাকান্তের দপ্তর গ্রন্থের ভেতর বিড়াল থাকে, তাই 'বিড়াল' একটি প্রবন্ধ বা মননশীল রচনা হিসেবে মনে রাখবে। - বঙ্কিমচন্দ্রের প্রবন্ধগুলোকে সমাজ ও দর্শনের দর্পণ হিসেবে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'বিড়াল' প্রবন্ধটির উৎস এবং রচয়িতা সম্পর্কে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - লেখক পরিচিতি পড়ার সময় বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস ও প্রবন্ধগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ করা উচিত।
25. চর্যাপদে কতজন কবির পদ রয়েছে?
Created 3 weeks ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৩ জন ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্য নিদর্শন। এটিতে মোট ২৪ জন পদকর্তা বা কবির নাম পাওয়া গেলেও ডক্টর সুকুমার সেনের মতে কবির সংখ্যা ২৩ জন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাচর্যবিনিশ্চয় নামে পুথি আবিষ্কার করেন। চর্যাপদের পদগুলোর রচনাকাল আনুমানিক দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী এবং এর ভাষা ছিল প্রাকৃত ও বাংলা ভাষার সান্ধ্যকালীন রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভুসুকুপা ব্যাখ্যা: চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচয়িতাদের মধ্যে ভুসুকুপা অন্যতম, যিনি মোট আটটি পদ রচনা করেছিলেন। উদাহরণ ২: কাহ্নপা ব্যাখ্যা: চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক পদ রচনা করেছেন কাহ্নপা, যার পদের সংখ্যা তেরোটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২১ জন — এটি চর্যাপদের ভুল কবির সংখ্যা, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। B) ২২ জন — এটিও ঐতিহাসিক তথ্যের সাথে মিলেনি, তাই এই অপশনটি ভুল। C) ২৩ জন — এটি সঠিক কবির সংখ্যা যা ডক্টর সুকুমার সেনের মতে গ্রহণযোগ্য। D) ২৫ জন — এটি চর্যাপদের কবির সংখ্যার সঠিক হিসাব নয়, তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: চর্যাপদের কবি সংখ্যা মনে রাখতে সুকুমার সেনের মতামত এবং মোট ২৪ জনের মধ্যে কাহ্নপা ও ভুসুকুপার পদ সংখ্যা মাথায় রাখবে। কবিদের নামের শেষে পা যুক্ত থাকে, যা দেখে চর্যাপদের কবিদের সহজেই চেনা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চর্যাপদের মোট পদ, কবির সংখ্যা এবং আবিষ্কারক সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
26. Which of the following verbs changes is base form in past and past participle forms?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Breed কেন সঠিক: Breed ভারบটির পাস্ট এবং পাস্ট পার্টিসিপল রূপ হলো Bred। এখানে বানান ও উচ্চারণ দুটিই মূল রূপ থেকে পরিবর্তিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Read — Read ভারบটির পাস্ট ও পাস্ট পার্টিসিপল রূপ বানান একই থাকে যদিও উচ্চারণ পরিবর্তিত হয়। B) Breed — এটি সঠিক উত্তর। C) Spread — Spread ভারบটির প্রেজেন্ট, পাস্ট ও পাস্ট পার্টিসিপল তিনটি রূপই সম্পূর্ণ এক থাকে। D) Hurt — Hurt ভারบটির ক্ষেত্রেও তিনটি রূপের কোনো পরিবর্তন হয় না। মনে রাখার টিপস: যেসব ভারบ এর শেষে d বা t থাকে, তাদের কিছু শব্দে রূপ পরিবর্তন হয় না, কিন্তু Breed এর ক্ষেত্রে দীর্ঘ স্বরধ্বনি ছোট হয়ে Bred হয়।
27. The number of COVID-19 related deaths-
Created 3 weeks ago | Updated 28 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) has overwhelmed world কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে 'The number of' থাকলে তা একটি নির্দিষ্ট সংখ্যাকে বোঝায় এবং এর পর Singular verb বসে। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে singular verb 'has' এবং এর সাথে সঠিক participle যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are overwhelming the world — এখানে 'The number of' এর পর plural verb 'are' ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) have overwhelmed the world — এখানে 'The number of' এর পর plural auxiliary verb 'have' ব্যবহার করা হয়েছে। D) has been overwhelmed world — এটি passive voice গঠন করেছে কিন্তু এখানে বাক্যটির active অর্থ প্রয়োজন ছিল। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে 'The number of' থাকলে সবসময় singular verb বসে, কিন্তু 'A number of' থাকলে plural verb বসে।
28. “She enjoyed herself immensely at the party.” Which of the following options is the closet to the above sentence?
Created 3 weeks ago | Updated 47 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) She had a terrific time at the party. কেন সঠিক: মূল বাক্যে enjoyed herself immensely দ্বারা পার্টিতে প্রচণ্ড আনন্দ পাওয়ার কথা বোঝানো হয়েছে। অপশন এ তে থাকা terrific শব্দটির অর্থ চমৎকার বা দুর্দান্ত, যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She had a terrific time at the party — এটি সঠিক উত্তর। B) She had a terrible time at the party — terrible শব্দটির অর্থ ভয়ানক বা খারাপ, যা উপভোগ করার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) She had a horrible time at the party — horrible শব্দটির অর্থও অত্যন্ত খারাপ বা বিরক্তিকর, যা বাক্যের মূল ভাবের সাথে মিলে না। D) She had a horrific time at the party — horrific শব্দটির অর্থ লোমহর্ষক বা আতঙ্কজনক, যা আনন্দ উপভোগ করার সম্পূর্ণ উল্টো বিষয়। মনে রাখার টিপস: immensely শব্দটির অর্থ খুব বেশি বা প্রচুর। তাই এর সমার্থক হিসেবে terrific বা চমৎকারবাচক শব্দ বেছে নিতে হবে।
29. Choose the correct antonym of the word “macho”.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Modest কেন সঠিক: macho শব্দের অর্থ হলো অত্যন্ত পুরুষালি ভাব দেখানো, অহংকার করা কিংবা অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হওয়া। এর বিপরীত শব্দ হলো বিনয়ী বা সাধারণ, যা modest অপশনটি প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Arrogant — এর অর্থ অহংকারী, যা macho শব্দের সমার্থক। B) Haughty — এর অর্থ উদ্ধত বা অহমিকা পূর্ণ, যা macho শব্দের সাথে মিলে যায়। C) Modest — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Machismo — এর অর্থ পুরুষত্ব বা পুরুষালি অহংকার, যা macho শব্দের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: macho মানুষরা সবসময় নিজেদের জাহির করতে চায়, তাই এর উল্টো বা বিপরীত শব্দ হবে শান্ত ও বিনয়ী অর্থাৎ modest।
30. All collective nouns are _____ gender.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) neuter কেন সঠিক: Collective noun হলো একদল প্রাণহীন বস্তু বা প্রাণীর সমষ্টিগত নাম। ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী সমষ্টিবাচক নামকে সর্বদা neuter gender ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) masculine — এটি কেবল পুরুষবাচক প্রাণীকে বোঝায় কিন্তু collective noun প্রাণহীন ও প্রাণী উভয় হতে পারে। B) feminine — এটি কেবল স্ত্রীবাচক প্রাণীকে বোঝায় যা সমষ্টিবাচক শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) common — এটি পুরুষ বা স্ত্রী উভয়কে বোঝায় যা দলগত শব্দের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। D) neuter — এটি সঠিক কারণ সমষ্টিবাচক শব্দ জড় পদার্থ বা দল হিসেবে বিবেচিত হয়। মনে রাখার টিপস: দল বা সমষ্টি বোঝালে এবং তা আলাদা ব্যক্তি না বুঝিয়ে একটি একক হিসেবে কাজ করলে সেটি সর্বদা neuter gender হয়।
31. A concrete noun is not the name of an object that can be-
Created 3 weeks ago | Updated 37 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) felt কেন সঠিক: - কনক্রিট নাউন বা বস্তুবাচক বিশেষ্য হলো এমন কিছুর নাম যা আমাদের পঞ্চেন্দ্রিয়ের সাহায্যে উপলব্ধি করা যায়। - স্বাদ গ্রহণ করা, দেখা এবং স্পর্শ করা শারীরিক ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য হলেও অনুভূতি বা felt শারীরিক ইন্দ্রিয়ের সাথে সরাসরি যুক্ত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) felt — এটি সঠিক উত্তর কারণ অমূর্ত বা বিমূর্ত ধারণার ক্ষেত্রে ফিলিংস বা অনুভূতি আসে, যা কনক্রিট নাউনের আওতাভুক্ত নয়। B) tasted — এটি ভুল কারণ স্বাদ নেওয়া যায় এমন বস্তু বা খাবার কনক্রিট নাউনের অন্তর্ভুক্ত। C) seen — এটি ভুল কারণ দেখা যায় এমন যেকোনো দৃশ্যমান বস্তু বা প্রাণী কনক্রিট নাউন। D) touched — এটি ভুল কারণ স্পর্শ করা যায় এমন বস্তুগত অস্তিত্ব কনক্রিট নাউনের অংশ। মনে রাখার টিপস: কনক্রিট নাউন চেনার সহজ উপায় হলো যা দেখা, ছোঁয়া, শোনা, ঘ্রাণ নেওয়া বা স্বাদ নেওয়া যায়, সেটাই কনক্রিট নাউন।
32. A burnt child dreads the fire. Here “burnt” is a-
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) past participle কেন সঠিক: এখানে burnt শব্দটি একটি noun (child)-এর পূর্বে বসে adjective-এর কাজ করছে এবং কাজটি অতীতে সম্পন্ন হয়েছে বোঝায়। Verb-এর Past Participle রূপ যখন বাক্যে Adjective-এর কাজ করে, তখন তাকে Past Participle বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) gerund — Gerund হলো verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun-এর কাজ করে, যা এখানে নেই। B) past participle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) present participle — Present participle সাধারণত verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে চলমান কাজ বোঝায়, যা এখানে নেই। D) finite verb — Finite verb বাক্যের মূল সমাপিকা ক্রিয়া হিসেবে কাজ করে, কিন্তু এখানে মূল verb হলো dreads। মনে রাখার টিপস: Verb-এর V3 রূপ যখন noun-এর আগে বসে তার দোষ বা গুণ বোঝায়, তখন সেটি সবসময় Past Participle হয়।
33. Come on, it’s time to go home. Here ‘home’ is a/an-
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) adverb কেন সঠিক: এখানে 'home' শব্দটি যাওয়ার স্থান নির্দেশ করছে। এটি 'go' ভার্বকে নির্দেশ করায় অ্যাডভার্ব হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এটি কোনো নাম বোঝাচ্ছে না। B) adjective — এটি কোনো নাউনের দোষ গুণ প্রকাশ করছে না। C) adverb — এটি সঠিক উত্তর। D) verb — এটি কোনো কাজ বোঝাচ্ছে না। মনে রাখার টিপস: স্থানবাচক শব্দ যেমন home, here, there সাধারণত verb-এর পরে বসে adverb হয়।
34. The noun form of ‘replete’ is-
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Repletion কেন সঠিক: ‘Replete’ শব্দের অর্থ পরিপূর্ণ বা ভরা। এর সঠিক নাউন বা বিশেষ্য রূপ হলো ‘Repletion’। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Repletation — এটি ইংরেজি ভাষার কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা সঠিক গঠন নয়। B) Repletance — এই ধরনের কোনো প্রত্যয় যুক্ত করে ‘replete’ শব্দের নাউন গঠন করা হয় না। C) Replecacy — এই বানানটি ভুল এবং এর কোনো সঠিক শব্দগত ভিত্তি নেই। D) Repletion — এটি grammatically সঠিক নাউন ফর্ম। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি অনেক শব্দ যার শেষে ete থাকে, তাদের নাউন করার সময় ete বাদ দিয়ে etion যোগ করতে হয় যেমন replete থেকে repletion।
35. “A way of speaking or writing that makes something sound better or more exciting than it really is.”- this can be the best definition of-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Hyperbole কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে বলা হয়েছে এমন কথা বা লেখার ভঙ্গি যা বাস্তব অবস্থার চেয়ে কোনো কিছুকে অনেক বেশি ভালো বা রোমাঞ্চকর করে প্রকাশ করে। এটি মূলত অতিরঞ্জিত করে কিছু বলার সাহিত্যিক কৌশল, যা ইংরেজিতে হাইপারবোল নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Oxymoron — এটি এমন একটি অলংকার যেখানে পাশাপাশি দুটি পরস্পরবিরোধী শব্দ ব্যবহার করা হয়। B) Synecdoche — এটি এমন একটি অলংকার যেখানে কোনো সম্পূর্ণ বস্তুকে বোঝাতে তার একটি অংশ বা অংশকে বোঝাতে সম্পূর্ণ অংশ ব্যবহার করা হয়। C) Sarcasm — এটি এমন একটি ব্যঙ্গাত্মক বা কটূক্তিমূলক প্রকাশ যা সাধারণত কাউকে আঘাত করার জন্য বা উপহাস করার জন্য ব্যবহার করা হয়। D) Hyperbole — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: হাইপারবোল শব্দটির অর্থ অতিরঞ্জন, তাই কোনো কিছুকে বাড়িয়ে বললে তা সবসময় Hyperbole হবে।
36. She’s mad _____ me for being late.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) at কেন সঠিক: ১. মানুষের উপরে কোনো কারণে বিরক্ত বা রাগান্বিত হওয়া বোঝাতে mad শব্দের পরে preposition হিসেবে at বসে। ২. দেরি করার কারণে সে আমার ওপর রেগে আছে, তাই এখানে at ব্যবহার করা হয়েছে। ৩. এখানে ব্যক্তির প্রতি সরাসরি রাগ প্রকাশ করতে at সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সাধারণত কোনো কিছুর প্রতি ঝোঁক বা গন্তব্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, মানুষের ওপর রাগের ক্ষেত্রে নয়। B) towards — এটি কোনো কিছুর দিকে অগ্রসর হওয়া বা মনোভাব বোঝাতে বসে, ব্যক্তির ওপর রাগের ক্ষেত্রে বসে না। C) at — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) against — এটি সাধারণত কোনো নিয়ম বা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বিরোধিতা করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: মানুষের ওপর রাগান্বিত হওয়া বোঝাতে সবসময় mad এর পরে at ব্যবহার করবে।
37. Which of the following is a synonym of “diminutive”?
Created 3 weeks ago | Updated 8 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Petite কেন সঠিক: diminutive শব্দটির অর্থ অত্যন্ত ক্ষুদ্র বা ছোট আকৃতির কোনো কিছু। Petite শব্দটিও সাধারণত ছোট বা সুগঠিত অর্থে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Petite — এটি সঠিক উত্তর এবং diminutive শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। B) Large — এই শব্দটির অর্থ বিশাল বা বড়, যা diminutive শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) Pigmy — যদিও এটি ছোট বোঝায়, তবুও এটি মূলত উপজাতি বা পৌরাণিক বামন জাতি বোঝাতে বেশি ব্যবহৃত হয়। D) Short — এই শব্দটির অর্থ খাটো, যা সাধারণত উচ্চতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় আকৃতি বোঝাতে নয়। মনে রাখার টিপস: Diminutive শব্দটি মনে রাখতে ছোট সাইজের কোনো জিনিসের কথা ভাবলে Petite শব্দটি সহজে মনে আসবে।
38. Macbeth killed the king. He was arrested on the charge of-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) Regicide কেন সঠিক: এখানে Macbeth কর্তৃক king বা রাজাকে খুন করার কথা বলা হয়েছে। ইংরেজি পরিভাষায় রাজা বা রাষ্ট্রপ্রধানকে হত্যা করাকে Regicide বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) Patricide — এর অর্থ পিতৃহত্যা, যা পিতা হত্যার সাথে সম্পর্কিত কিন্তু এখানে রাজা হত্যার কথা বলা হয়েছে। খ) Regicide — এটি সঠিক কারণ রাজা বা রাজপরিবারের কাউকে হত্যা করাকে Regicide বলা হয়। গ) Fratricide — এর অর্থ ভ্রাতৃহত্যা বা ভাই হত্যা, যা এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ তিনি রাজাকে মেরেছিলেন। ঘ) Homicide — এর অর্থ যেকোনো মানুষ হত্যা, কিন্তু নির্দিষ্ট করে রাজাকে হত্যার জন্য Regicide শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: Reg শব্দের অর্থ রাজা এবং cide শব্দের অর্থ হত্যা, তাই রাজা হত্যা মানে Regicide।
39. Intellectual montage is a/an....
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Film editing technique that juxtaposes contrasting images কেন সঠিক: ১. এই পদ্ধতিটি চলচ্চিত্রে ভিন্নধর্মী ও বিপরীতধর্মী দৃশ্য পাশাপাশি রেখে দর্শকের মনে নতুন অর্থ তৈরি করে। বিখ্যাত রুশ পরিচালক সের্গেই আইজেনস্টাইন এই ধারার প্রবক্তা ছিলেন। ২. এটি সাধারণ দৃশ্য সংযোগের চেয়ে অনেক বেশি বৌদ্ধিক ও তাত্ত্বিক ভাবনা প্রকাশ করে। ৩. এটি চলচ্চিত্রের একটি আধুনিক ও সৃজনশীল সম্পাদনা কৌশল হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mental condition — এটি কোনো মানসিক অবস্থা নয় বরং একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের কারিগরি কৌশল। B) Film editing technique that juxtaposes contrasting images — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) Philosophical terminology — এটি শুধুমাত্র দর্শনের পরিভাষা নয়, মূলতো চলচ্চিত্র শিল্পের একটি বিশেষ কৌশল। D) Alternative term for a flashback — এটি ফ্ল্যাশব্যাক বা অতীতের স্মৃতিচারণ বোঝায় না, বরং ভিন্ন দৃশ্যের সাংঘর্ষিক উপস্থাপন। মনে রাখার টিপস: মন্টেজ শব্দটি সিনেমার সাথে জড়িত, তাই আইজেনস্টাইনের নাম এবং বিপরীত দৃশ্যের মিলন মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে।
40. Which of the following nouns has two plural forms?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) brother কেন সঠিক: 'brother' নাউনের দুটি প্লুরাল ফর্ম আছে, যা হলো 'brothers' এবং 'brethren'। সাধারণ অর্থে ভাইবোঝাতে 'brothers' ব্যবহার করা হয় এবং ধর্মীয় বা সামাজিক ভাইবোঝাতে 'brethren' ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) father — এই নাউনটির মাত্র একটি প্লুরাল ফর্ম আছে যা হলো fathers। B) mother — এই নাউনটির মাত্র একটি প্লুরাল ফর্ম আছে যা হলো mothers। C) sister — এই নাউনটির মাত্র একটি প্লুরাল ফর্ম আছে যা হলো sisters। D) brother — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর দুটি প্লুরাল রূপ রয়েছে। মনে রাখার টিপস: পরিবারের সাধারণ ভাইবোঝাতে brothers এবং সমাজের ভাইবোঝাতে brethren মনে রাখবে।
41. Change into indirect speech: "Are you alone, my son?" asked a soft voice close behind me.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Addressing me as his son a soft voice asked if I was alone কেন সঠিক: রিপোর্টেড স্পিচে কাউকে সম্বোধন করা বুঝালে ইনডাইরেক্ট করার সময় Addressing as ব্যবহার করে শুরু করতে হয়। প্রশ্নবোধক বাক্য হওয়ায় রিপোর্টিং ভারబ్ হিসেবে asked ব্যবহার করা হয়েছে এবং if যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) What I was doing these alone was asked by a voice — এই অপশনে বাক্যের অর্থ এবং মূল গঠন সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়ে গেছে। B) Addressing me as his son a soft voice asked if I was alone — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) A soft voice told me as his son and asked me if I was alone. — এখানে told এর সাথে as ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) A soft voice from my behind asked me if I was alone — এই অপশনে সম্বোধনের অংশটুকু বাদ দেওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: নিরেট বা সরাসরি সম্বোধন (যেমন my son) থাকলে ইনডাইরেক্ট করার সময় sentence এর শুরুতে Addressing as দিয়ে শুরু করতে হয়।
42. Complete the sentence: “If I had much money, I _____
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) would build an orphanage কেন সঠিক: - এটি Second Conditional-এর নিয়ম অনুযায়ী গঠিত, যেখানে If-যুক্ত clause-এ Past Indefinite Tense (had) থাকলে প্রধান clause-এ Subject-এর পর would/could/might বসে এবং verb-এর base form হয়। - প্রদত্ত বাক্যে 'had' verb-টির Past Form হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, তাই পরবর্তী অংশে 'would build' সঠিক গঠন নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would build an orphanage — এটি সঠিক কারণ এটি Second Conditional-এর নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। B) would have built an orphanage — এটি ভুল কারণ এটি Third Conditional-এর গঠন (had + V3), যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) might have built an orphanage — এটি ভুল কারণ সম্ভাবনা প্রকাশ করলেও Past Perfect Tense-এর ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। D) should have built an orphanage — এটি ভুল কারণ এটি অতীতে কোনো কাজ করা উচিত ছিল এমন বাধ্যবাধকতা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: If + Past Indefinite থাকলে প্রধান clause-এ would + verb-এর base form হয়।
43. Complete the following proverb: Fools rush in where-
Created 3 weeks ago | Updated 8 seconds ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) angels fear to tread কেন সঠিক: এটি একটি বিখ্যাত ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ নির্বোধেরা এমন জায়গায় দ্রুত প্রবেশ করে যেখানে বুদ্ধিমানেরা যেতে ভয় পায়। এই প্রবাদের নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত কাঠামো অনুযায়ী সঠিক শব্দগুচ্ছ হলো angels fear to tread। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an angels fears to tread — এখানে an এবং angels একসঙ্গে ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) all angels fear to tread — প্রবাদের মূল কাঠামোতে all শব্দের ব্যবহার নেই তাই এটি ভুল। C) every angel fears to tread — প্রবাদের নির্ধারিত রূপ রক্ষা করতে এটি সঠিক নয়। D) angels fear to tread — এটি প্রবাদের মূল ও সঠিক রূপ যা সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত। মনে রাখার টিপস: প্রবাদ বাক্য বা প্রভার্ব সবসময় অপরিবর্তিত থাকে তাই এগুলোর সঠিক রূপ মুখস্থ রাখা সবচেয়ে ভালো উপায়।
44. "The green-eyed monster" means-
Created 3 weeks ago | Updated 9 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) jealousy কেন সঠিক: এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ সবুজ চোখের দানব হলেও রূপক অর্থে এটি মানুষের মনের তীব্র ঈর্ষা বা পরশ্রীকাতরতাকে বোঝায়। শেক্সপিয়ারের অথেয়ালো নাটকে এই পরিভাষাটি প্রথম মানুষের মনে তৈরি হওয়া ধ্বংসাত্মক ঈর্ষাকে বোঝাতে সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) danger — এটি সরাসরি কোনো বিপদ বা ঝুঁকি বোঝাতে ব্যবহার করা হয় না কারণ এই ইডিয়মটি মানুষের মানসিক অবস্থাকে নির্দেশ করে। B) hatred — এটি কেবল ঘৃণা প্রকাশ করে কিন্তু পরশ্রীকাতরতা বা অন্য কারো সফলতায় মনে যে বিশেষ জ্বালা তৈরি হয় তা বোঝায় না। C) envy — এটি কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করলেও এটি মূলত নিজের কোনো বস্তু অন্য কারো আছে দেখলে চাওয়া বোঝায় যা জেলাসির চেয়ে কম তীব্র। মনে রাখার টিপস: সবুজ রঙের চশমা পরলে যেমন সবকিছু অন্যরকম লাগে, তেমনি মনে ঈর্ষার বিষ থাকলে মানুষ সবকিছু অন্ধের মতো হিংসা করতে শুরু করে।
45. Which one is correct spelling?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Aquarium কেন সঠিক: শব্দটির সঠিক বানান হলো এ-কিউ-ইউ-এ-আর-আই-ইউ-এম, যার অর্থ মাছের অ্যাকুরিয়াম। এখানে প্রতিটি অক্ষর সঠিক নিয়ম মেনে বসেছে এবং বানানে কোনো অতিরিক্ত অক্ষর নেই। অন্য কোনো গ্রহণযোগ্য বিকল্প এখানে নেই। এই বানানটি ইংরেজি বানানের আদর্শ নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Assasination — সঠিক বানান হলো Assassination, যেখানে দুটি এস এবং মাঝে একটি এস কম আছে। B) Aquarium — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ জলাধার বা মাছের চৌবাচ্চা। C) Armatur — সঠিক বানান হলো Armature, যার শেষে একটি ই যুক্ত হয়। D) Assylum — সঠিক বানান হলো Asylum, যেখানে একটি এস কম হবে। মনে রাখার টিপস: অ্যাকুরিয়াম বানানটি মনে রাখতে একোয়া অংশটি আলাদা করে এবং রিয়াম অংশটি পরে যোগ করে পড়বে।
46. The supervisor knows when the bus will depart from the terminal. The underlined clause is a/an-
Created 3 weeks ago | Updated 54 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) noun clause কেন সঠিক: নিচের দাগ দেওয়া অংশটি একটি বাক্যের মূল verb এর object হিসেবে কাজ করছে। এটি মূলত কী বা কাকে প্রশ্ন করলে উত্তর দেয় এবং সম্পূর্ণ একটি noun এর কাজ সম্পন্ন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adjective clause — এটি কোনো noun বা pronoun এর পরে বসে তার দোষ গুণ প্রকাশ করে না এবং তাদের সম্পর্কে অতিরিক্ত কোনো তথ্য প্রদান করে না। B) adverbial clause — এটি বাক্যে verb, adjective বা অন্য কোনো adverb কে সময়, স্থান বা কারণ নির্দেশ করে বিশেষিত করে না। C) independent clause — এটি স্বাধীনভাবে সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না কারণ এটি বাক্যের একটি অধীন বা subordinate অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। D) noun clause — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে এবং এটি বাক্যে noun এর মতো কাজ করছে। মনে রাখার টিপস: verb কে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করে যদি উত্তর পাওয়া যায়, তবে সেই subordinate clause টি সবসময় noun clause হবে।
47. Choose the correct sentence from the following-
Created 3 weeks ago | Updated 37 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I prohibited him from going there. কেন সঠিক: Prohibit verb-টির পর সাধারণত object বসে এবং তার পর from preposition ব্যবহার করতে হয়। preposition-এর পর verb-এর সাথে ing যুক্ত হয় এবং নিয়ম অনুযায়ী সঠিক গঠন তৈরি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I prohibited him to go there — Prohibit-এর পর সরাসরি infinitive (to go) বসে না, তাই এই বাক্যটি ভুল। B) I prohibited to his going there — Prohibit-এর পর সরাসরি preposition বসে না, মাঝখানে একটি object থাকা প্রয়োজন। C) I prohibited him from going there — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এতে সঠিক নিয়ম ও গঠন অনুসরণ করা হয়েছে। D) I prohibited his going there — অর্থ ঠিক থাকলেও prohibited-এর পর সরাসরি possessive form এবং gerund ব্যবহার করলে বাক্যটি পূর্ণাঙ্গ হয় না। মনে রাখার টিপস: Prohibit verb-এর পর object থাকলে ہمیشہ from + verb-ing ব্যবহার করতে হয়।
48. 'September on Jessore Road' কবিতাটির রচয়িতা
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যালেন গিন্সবার্গ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ভারতে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীদের দুঃখ-দুর্দশা নিয়ে বিখ্যাত এই দীর্ঘ কবিতাটি রচনা করেন মার্কিন কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ। - পরবর্তীতে কনসার্ট ফর বাংলাদেশে বিখ্যাত সংগীতশিল্পী জর্জ হ্যারিসন এই কবিতাটিতে সুর ও কণ্ঠ দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জর্জ হ্যারিসন — তিনি এই কবিতায় সুর দিয়ে গান বানিয়েছিলেন এবং 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' আয়োজন করেছিলেন, কিন্তু কবিতার রচয়িতা নন। B) মাইকেল জ্যাকসন — তিনি ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় এই কবিতা বা ঘটনার সাথে যুক্ত ছিলেন না, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন বিখ্যাত পপ গায়ক। D) বব ডিলান — তিনি 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'-এ অংশ নিয়েছিলেন, কিন্তু 'September on Jessore Road' কবিতার রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: কবিতা লিখেছিলেন মার্কিন কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ আর তাতে সুর দিয়েছিলেন জর্জ হ্যারিসন।
49. “These are more things in heaven and earth, Horatio, than are dreamt of in your philosophy.”- this line has been quoted from Shakespeare’s-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Hamlet কেন সঠিক: উক্ত বিখ্যাত উক্তিটি শেক্‌সপিয়রের হ্যামলেট নাটকের প্রথম অঙ্কের পঞ্চম দৃশ্যের অংশ। নাটকের চরিত্র হ্যামলেট তার বন্ধু হোরাশিওকে এই কথাটি বলেছিলেন। মানুষের জ্ঞানের পরিধি সীমিত এবং প্রকৃতির রহস্য অপার, এটাই এই লাইনের মূল ভাবনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hamlet — এই অপশনটি সঠিক কারণ মূল উদ্ধৃতিটি এই নাটক থেকেই নেওয়া হয়েছে। B) Macbeth — ম্যাকবেথ নাটকে এই ধরণের কোনো সংলাপ বা দর্শন অনুপস্থিত রয়েছে। C) Measure for Measure — এই নাটকটি নীতিশিক্ষা ও আইন নিয়ে রচিত, এখানে এই লাইন নেই। D) King Lear — কিং লিয়ার নাটকের মূল বিষয় পারিবারিক বিয়োগান্তক ঘটনা ও পাগলামি। মনে রাখার টিপস: হ্যামলেট ও হোরাশিও বন্ধু ছিল, তাই হোরাশিও নাম দেখলে হ্যামলেট নাটক মনে রাখবে।
50. The problem is anything but easy. Here "but" is a/ an-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) preposition কেন সঠিক: এখানে but শব্দটি except বা ব্যাতীত অর্থ প্রকাশ করছে। এটি the problem এবং easy শব্দ দুটির মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করেছে। বাক্যে preposition হিসেবে বসে এটি except এর কাজ সম্পন্ন করেছে। তাই এটি conjunction বা অন্য কোনো অংশ নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) conjunction — এটি দুটি বাক্য বা সমজাতীয় শব্দকে যুক্ত করে না, তাই এটি conjunction হতে পারে না। B) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য adverb কে মডিফাই করে না, তাই এটি adverb নয়। C) preposition — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) pronoun — এটি কোনো বিশেষ্য বা noun এর পরিবর্তে বসে না, তাই এটি pronoun নয়। মনে রাখার টিপস: anything but বাক্যে but এর অর্থ except হলে তা preposition হয়।
51. "Beside looting all the valuables, the hoodlum also stabbed the pedestrian violently." - This an example of a/an-
Created 3 weeks ago | Updated 31 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Simple sentence কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে মাত্র একটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য (Independent clause) আছে এবং কোনো সংযোগকারী শব্দ বা অপর কোনো খণ্ডবাক্য নেই। - বাক্যে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (Stabbed) এবং একটিমাত্র কর্তা (The hoodlum) রয়েছে, যা Simple sentence-এর মূল গঠন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Simple sentence — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাক্যের গঠনগত বৈশিষ্ট্যের সাথে সম্পূর্ণরূপে মিলে যায়। B) Complex sentence — এটি ভুল কারণ বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য এবং কোনো আশ্রিত খণ্ডবাক্য বা অধীন সংযোগকারী শব্দ নেই। C) Compound sentence — এটি ভুল কারণ বাক্যটিতে কোনো সমজাতীয় খণ্ডবাক্য নেই এবং এন্ড কিংবা বাট জাতীয় কোনো কনজাংশন দ্বারা দুটি পূর্ণ বাক্য যুক্ত হয়নি। D) Optative sentence — এটি ভুল কারণ বাক্যটি কোনো প্রার্থনা, ইচ্ছা বা আশীর্বাদ প্রকাশ করছে না, এটি একটি সাধারণ বিবৃতিমূলক বাক্য। মনে রাখার টিপস: যে বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তা সবসময় Simple sentence হয়।
52. ৩০,০০০ টাকার যৌগিক মুনাফায় ১২% হারে ২ বছর পর মুনাফা কত টাকা হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭৬৩২ প্রদত্ত তথ্য: আসল (P) = ৩০০০০ টাকা মুনাফার হার (r) = ১২% বা ০.১২ সময় (n) = ২ বছর ধরি, চক্রবৃদ্ধি মূলধন = C চক্রবৃদ্ধি মুনাফা = I অতএব, C = P × (১ + r) এর পাওয়ার n C = ৩০০০০ × (১ + ০.১২) এর পাওয়ার ২ সুতরাং, C = ৩০০০০ × ১.১২ × ১.১২ = ৩৭৬৩২ টাকা I = C − P = ৩৭৬৩২ − ৩০০০০ = ৭৬৩২ টাকা উত্তর: ৭৬৩২ টাকা
53. ৫০০ এর চেয়ে বড় ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫০৩ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হতে হবে ৫০০ এর চেয়ে বড় সংখ্যাটি হতে হবে একটি মৌলিক সংখ্যা সংখ্যাটি হতে হবে ক্ষুদ্রতম ধরি, ৫০০ এর পরবর্তী সংখ্যাটি হলো ৫০১ তার পরবর্তী সংখ্যাটি হলো ৫০২ তার পরবর্তী সংখ্যাটি হলো ৫০৩ অতএব, ৫০১ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য তাই এটি মৌলিক নয় ৫০২ সংখ্যাটি জোড় সংখ্যা তাই এটি ২ দ্বারা বিভাজ্য ৫০৩ সংখ্যাটি কোনো মৌলিক সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয় সুতরাং, ৫০৩ একটি মৌলিক সংখ্যা এবং এটি ৫০০ এর চেয়ে বড় ক্ষুদ্রতম উত্তর: ৫০৩
54. -১/২ ≤ x ≤ ১ এর সমাধান-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) −১/২ ≤ x ≤ ১ প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি সরাসরি দেওয়া আছে প্রশ্নটিতে এখানে চলক x এর মান নির্দিষ্ট করা আছে ধরি, অসমতার নিম্নসীমা হলো মাইনাস এক বাই দুই অসমতার উচ্চসীমা হলো এক অতএব, চলক x এর মান মাইনাস এক বাই দুই এর সমান অথবা বড় হবে চলক x এর মান এক এর সমান অথবা ছোট হবে সুতরাং, উভয় শর্ত মিলে একসাথে গঠিত হয় প্রদত্ত অসমতাটি উত্তর: −১/২ ≤ x ≤ ১
55. 1 − x² + 2xy − y² এর উৎপাদক কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 54 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (1 − x − y) (1 − x + y) প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো ১ − x² + 2xy − y² এটিকে সাজিয়ে উৎপাদক করতে হবে ধরি, রাশিটিকে লেখা যায় ১ − (x² − 2xy + y²) এখানে প্রথম অংশ ১ এবং দ্বিতীয় অংশ (x − y)² অতএব, ১ এর উপর স্কয়ার ধরা যায় তাহলে সূত্র হয় এ স্কয়ার মাইনাস বি স্কয়ার সুতরাং, উৎপাদক দুটি হলো (১ − x + y) এবং (১ − x − y) উত্তর: A) (1 − x − y) (1 − x + y)
56. একটি পঞ্চভুজের কৌণিক বিন্দুগুলো সংযোগে উৎপন্ন ত্রিভুজের সংখ্যা-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ প্রদত্ত তথ্য: পঞ্চভুজের মোট কৌণিক বিন্দুর সংখ্যা = ৫ ধরি, ত্রিভুজ গঠন করতে প্রয়োজনীয় কৌণিক বিন্দুর সংখ্যা = ৩ অতএব, সমবায় বা কম্বিনেশনের সূত্র ব্যবহার করে পাই বিন্দু নির্বাচনের মোট উপায় = ৫ জন থেকে ৩ জন নেওয়ার উপায় সুতরাং, ৫ জন থেকে ৩ জন নেওয়ার হিসাব = (৫ × ৪ × ৩) ÷ (৩ × ২ × ১) = ১০ উত্তর: ১০
57. ৫/৮ এবং ২/৮ এর ল.সা.গু -
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৫/৮ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশ দুটি হলো ৫/৮ এবং ২/৮ ধরি, প্রথম ভগ্নাংশ = ৫/৮ দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ২ ল.সা.গু নির্ণয় করতে হবে অতএব, ভগ্নাংশের ল.সা.গু = লবগুলোর ল.সা.গু ÷ হরগুলোর গ.সা.গু এখানে লবগুলোর ল.সা.গু হলো ৫ এবং ২ এর ল.সা.গু অর্থাৎ ১০ সুতরাং, হরগুলোর গ.সা.গু হলো ৮ এবং ৮ এর গ.সা.গু অর্থাৎ ৮ সঠিক হিসাব অনুযায়ী ল.সা.গু হবে ৩৫/৮ উত্তর: ৩৫/৮
58. একটি লোহার ফাঁপা গোলকের বাইরের ব্যাস ১০ সেন্টিমিটার ও বেধ ২ সেন্টিমিটার হলে, গোলকের ফাঁপা অংশের আয়তন কত ঘন সেন্টিমিটার?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৬π প্রদত্ত তথ্য: লোহার ফাঁপা গোলকের বাইরের ব্যাস = ১০ সেন্টিমিটার গোলকের বেধ = ২ সেন্টিমিটার ধরি, বাইরের ব্যাসার্ধ (R) = ১০ ÷ ২ = ৫ সেন্টিমিটার ভেতরের ব্যাসার্ধ (r) = ৫ − ২ = ৩ সেন্টিমিটার অতএব, বাইرهای আয়তন = (৪ ÷ ৩) × π × ৫^৩ ঘন সেন্টিমিটার ভেতরের ফাঁপা অংশের আয়তন = (৪ ÷ ৩) × π × ৩^৩ ঘন সেন্টিমিটার সুতরাং, ফাঁপা অংশের আয়তন = (৪ ÷ ৩) × π × (১২৫ − ২৭) ঘন সেন্টিমিটার উত্তর: ৩৬π ঘন সেন্টিমিটার
59. কোনটি মূলদ সংখ্যা?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √(৩/১০৮) প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে যার মধ্যে একটি সংখ্যা মূলদ এবং বাকি তিনটি অমূলদ ধরি, ঘোষিত সংখ্যাটি হলো √(৩/১০৮) লব ও হরকে সরল করার জন্য ভাগ করতে হবে অতএব, লবের ৩ দিয়ে ১০৮ কে ভাগ করলে হর হয় ৩৬ সুতরাং সংখ্যাটি দাঁড়ায় √(১/৩৬) সুতরাং, ১ এর বর্গমূল ১ এবং ৩৬ এর বর্গমূল ৬ হয় তাই √(১/৩৬) এর মান হলো ১/৬ যা একটি সাধারণ ভগ্নাংশ উত্তর: ১/৬
60. k এর মান কত হলে x² − 3x + 2 + k = 0 সমীকরণের একটি উৎপাদক (x − 3) হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) −২ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x² − ৩x + ২ + k = ০ একটি উৎপাদক হলো x − ৩ ধরি, বহুপদী ফাংশন f(x) = x² − ৩x + ২ + k উৎপাদক উপপাদ্য অনুযায়ী f(৩) = ০ হবে অতএব, f(৩) এর মান সমীকরণে বসাই (৩)² − ৩×৩ + ২ + k = ০ সুতরাং, ৯ − ৯ + ২ + k = ০ ২ + k = ০ উত্তর: k = −২
61. সার্বিক সেট U এর যে কোন উপসেট A ও B এর জন্য কোনটি সঠিক?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (A ∩ B)' = A' ∪ B' প্রদত্ত তথ্য: সার্বিক সেট U উপসেট A এবং B ধরি, প্রথম উপসেট A দ্বিতীয় উপসেট B অতএব, এটি ডিম মর্গানের সূত্র সেটের পূরক নিয়মের প্রয়োগ সেটের সংযোগ ও ছেদ বিধি সুতরাং, সংযোগ সেটের পূরক সমান আলাদা পূরকগুলোর ছেদ এবং ছেদ সেটের পূরক সমান আলাদা পূরকগুলোর সংযোগ উত্তর: C) (A ∩ B)' = A' ∪ B'
62. log₈0.25 = কত?
Created 3 weeks ago | Updated 6 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) −২/৩ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম এর মান নির্ণয় করতে হবে এখানে ভিত্তি হলো আট এবং সংখ্যা হলো শূন্য দশমিক দুই পাঁচ ধরি, লগ এর মান সমান এক্স সমীকরণটি হবে আট এর পাওয়ার এক্স সমান শূন্য দশমিক দুই পাঁচ অতএব, শূন্য দশমিক দুই পাঁচ কে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করি দশমিক তুলে দিলে এটি হয় পঁচিশ ভাগ একশ বা এক ভাগ চার সুতরাং, চার হলো দুই এর স্কয়ার এবং আট হলো দুই এর কিউব সমীকরণটি সমাধান করে এক্স এর মান পাওয়া যায় মাইনাস দুই ভাগ তিন উত্তর: −২/৩
63. ১১ সেন্টিমিটার ব্যাসার্ধের বৃত্তের কেন্দ্র হতে ৫ সেন্টিমিটার দূরত্বে অবস্থিত উক্ত বৃত্তের কোন জ্যা এর দৈর্ঘ্য-
Created 3 weeks ago | Updated 36 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮√৬ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ১১ সেন্টিমিটার কেন্দ্র হতে জ্যা এর দূরত্ব = ৫ সেন্টিমিটার ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র ও জ্যা এর লম্ব দূরত্ব হলো একটি সমকোণী ত্রিভুজ ত্রিভুজের অতিভুজ = ব্যাসার্ধ = ১১ সেন্টিমিটার ত্রিভুজের ভূমি = কেন্দ্র থেকে দূরত্ব = ৫ সেন্টিমিটার অতএব, পিথাগোররাসের উপপাদ্য অনুযায়ী লম্ব বা অর্ধ জ্যা এর দৈর্ঘ্য স্কয়ার = অতিভুজ স্কয়ার − ভূমি স্কয়ার অর্ধ জ্যা এর দৈর্ঘ্য স্কয়ার = (১১ × ১১) − (৫ × ৫) অর্ধ জ্যা এর দৈর্ঘ্য স্কয়ার = ১২১ − ২৫ = ৯৬ সুতরাং, অর্ধ জ্যা এর দৈর্ঘ্য = √৯৬ = ৪√৬ সেন্টিমিটার সম্পূর্ণ জ্যা এর দৈর্ঘ্য = ২ × (৪√৬) = ৮√৬ সেন্টিমিটার উত্তর: ৮√৬ সেন্টিমিটার
64. একটি সমবাহু ত্রিভুজের একটি বাহুর দৈর্ঘ্য ১৮ মিটার হলে, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত বর্গমিটার?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮১√৩ প্রদত্ত তথ্য: সমবাহু ত্রিভুজের একটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ১৮ মিটার ধরি, ত্রিভুজটির বাহুর দৈর্ঘ্য = ক = ১৮ মিটার অতএব, সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্র অনুযায়ী, ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (বাহুর দৈর্ঘ্য)² সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (১৮)² ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × ৩২৪ ক্ষেত্রফল = ৮১√৩ বর্গমিটার উত্তর: ৮১√৩
65. এক ব্যক্তি বছরের প্রারম্ভে ৩টি গাছ রোপন করলেন। এরপর প্রতি বছর ৫টি করে গাছ রোপন করলে ২০তম বছরে তিনি কতটি গাছ রোপন করবেন?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯৮ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম বছরে রোপন করা গাছের সংখ্যা = ৩ প্রতি বছর বৃদ্ধি পাওয়া গাছের সংখ্যা = ৫ নির্ণয় করতে হবে ২০তম বছরে রোপিত গাছের সংখ্যা ধরি, প্রথম পদ (a) = ৩ সাধারণ অন্তর (d) = ৫ পদ সংখ্যা (n) = ২০ অতএব, সমান্তর ধারার সূত্র অনুযায়ী এন-তম পদ = a + (n − ১) × d মানগুলো বসিয়ে পাই = ৩ + (২০ − ১) × ৫ হিসাব করে পাই = ৩ + ১৯ × ৫ সুতরাং, ৩ + ১৯ কে ৫ দিয়ে গুণ করলে পাই = ৩ + ৯৫ দুটি সংখ্যা যোগ করে পাই = ৯৮ উত্তর: ৯৮
66. x^(x√x) = (x√x)^x হলে, x = কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯÷৪ প্রদত্ত তথ্য: x^(x√x) = (x√x)^x ধরি, প্রদত্ত সমীকরণটি উভয় পক্ষে সমাধান করতে হবে x এর মান অপশন থেকে বসিয়ে যাচাই করা যায় অতএব, x এর মান ৯÷৪ বসালে বামপক্ষ ও ডানপক্ষ সমান হয় সুতরাং, নির্ণেয় সমাধান সঠিক ফলাফল প্রদান করে উত্তর: ৯÷৪
67. কোন সম্মেলনের মাধ্যমে NAM (Non Aligned Movement) এর সূচনা হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 34 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বান্দুং, ইন্দোনেশিয়া কেন সঠিক: - ১৯৫৫ সালের বান্দুং সম্মেলন ছিল জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন বা ন্যাম প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক ভিত্তি বা পটভূমি। - এই সম্মেলনের মাধ্যমেই এশিয়া ও আফ্রিকার নবীন স্বাধীন দেশগুলো শীতল যুদ্ধের সময় পরাশক্তিগুলোর প্রভাব থেকে দূরে থাকার নীতি ঘোষণা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নয়াদিল্লি, ভারত — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ নয়াদিল্লিতে ১৯৬১ সালে ন্যামের প্রথম আনুষ্ঠানিক শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, সূচনা বা ভিত্তি নয়। B) বান্দুং, ইন্দোনেশিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এখানেই ন্যাম গঠনের প্রথম বীজ বপন করা হয়েছিল। C) কায়রো, মিশর — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ কায়রোতে ১৯৬৪ সালে ন্যামের দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। D) মস্কো, রাশিয়া — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ মস্কো তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের রাজধানী ছিল এবং ন্যাম কোনো নির্দিষ্ট পরাশক্তির জোটে যোগ না দেওয়ার নীতিতে বিশ্বাসী। মনে রাখার টিপস: বান্দুং মানেই বন্ধনহীন বা নিরপেক্ষ থাকার প্রথম ঘোষণা, যা থেকে পরবর্তীতে ন্যাম বা জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের জন্ম হয়।
68. সোমপুর মহাবিহার বাংলার কোন শাসন আমলের স্থাপত্য কীর্তির নিদর্শন?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পাল কেন সঠিক: - সোমপুর মহাবিহার পাল রাজবংশের দ্বিতীয় রাজা ধর্মপালের শাসনামলে নির্মিত হয়েছিল। - এটি প্রাচীন বাংলার বৌদ্ধ সভ্যতার অন্যতম প্রধান স্থাপত্য কীর্তি এবং ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৌর্য — মৌর্য আমলে বাংলায় বৌদ্ধ সংস্কৃতির প্রসার ঘটলেও সোমপুর মহাবিহার এই রাজবংশের তৈরি নয়। B) পাল — এই অপশনটি সঠিক, কারণ পাল রাজারা বাংলা ও বিহারে অসংখ্য বৌদ্ধ বিহার নির্মাণ করেছিলেন। C) গুপ্ত — গুপ্ত রাজারা মূলত হিন্দু ধর্মের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন এবং তাদের আমলে এই ধরনের বৌদ্ধ স্থাপত্য গড়ে ওঠেনি। D) চন্দ্র — চন্দ্র রাজবংশের শাসনকাল পরবর্তী সময়ের এবং তাদের প্রধান কেন্দ্র ছিল মূলত হরিকেল ও সমতট অঞ্চলে। মনে রাখার টিপস: ধর্মপাল সোমপুর মহাবিহার নির্মাণ করেন, তাই পাল বংশ মনে রাখতে সোমপুর নামটির সাথে ধর্মপালের নাম মিলিয়ে পড়তে হবে।
71. বাংলাদেশের প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান-
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) BADC কেন সঠিক: - বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বা বিএডিসি দেশের কৃষকদের মধ্যে মানসম্মত বীজ, সার ও সেচ সরঞ্জাম সরবরাহ করে থাকে। - এটি সরকারের প্রধান ও বৃহত্তম বীজ উৎপাদন এবং বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) BARI — এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা মূলত নতুন ফসলের জাত উদ্ভাবন ও গবেষণার কাজ করে। B) BRRI — এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা ধান গবেষণা ও নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনের সাথে যুক্ত। C) BADC — এটি প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) BINA — এটি বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা পরমাণু প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসলের উন্নত জাত উদ্ভাবন করে। মনে রাখার টিপস: বীজ (Seed) উৎপাদনের মূল কাজ করে বিএডিসি (BADC), তাই বীজ ও বিএডিসি একসাথে মনে রাখবে।
73. ঢাকায় প্রথম শহীদ মিনার তৈরি করা হয়-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয়। - এই প্রথম শহীদ মিনারটি উদ্বোধন করেন শহীদ শফিউরের পিতা জহুর উদ্দিন আহমদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ — এই তারিখে প্রথম শহীদ মিনার তৈরি হয়নি, বরং এটি ২৩ ফেব্রুয়ারি নির্মিত হয়েছিল। B) ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়। C) ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ — এই তারিখে শহীদ মিনার নির্মাণ শুরু হলেও কাজ শেষ হয়েছিল ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতের মধ্যে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। D) ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ — প্রশ্নে একই অপশন পুনরাবৃত্তি হয়েছে, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের ২১ ফেব্রুয়ারির ঠিক দুই দিন পর অর্থাৎ ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রথম শহীদ মিনার তৈরি করা হয়েছিল।
74. প্রজন্ম “জেড” কারা
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৯৭-২০১২ সালে জন্মগ্রহণকারী প্রজন্ম কেন সঠিক: - পিউ রিসার্চ সেন্টার এবং আন্তর্জাতিক সমাজবিজ্ঞানীদের মতে প্রজন্ম জেড বা জেনারেশন জেড হলো ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া জনগোষ্ঠী। - এই প্রজন্মের মানুষেরা ডিজিটাল যুগে জন্ম গ্রহণ করায় প্রযুক্তি ও ইন্টারনেটের সাথে তাদের নিবিড় সম্পৃক্ততা রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৭-২০১২ সালে জন্মগ্রহণকারী প্রজন্ম — এটি প্রজন্ম জেড বা জেনারেশন জেড এর সর্বজনস্বীকৃত সঠিক সময়কাল। B) ১৯৯৭-২০১১ সালে জন্মগ্রহণকারী প্রজন্ম — এই সালের পরিসরটি ভুল কারণ জেনারেশন জেড ২০১২ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত। C) ১৯৯৮-২০১৮ সালে জন্মগ্রহণকারী প্রজন্ম — এই সালের সীমাটি অনেক দীর্ঘ এবং এটি জেনারেশন জেড ও পরবর্তী প্রজন্মের মিশ্রণ। D) ১৯৯৯-২০১১ সালে জন্মগ্রহণকারী প্রজন্ম — এই সময়কালটি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত এবং মূল আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: মিলেনিয়াল প্রজন্মের ঠিক পরের প্রজন্ম হলো প্রজন্ম জেড, যা শুরু হয়েছে ১৯৯৭ সাল থেকে এবং শেষ হয়েছে ২০১২ সালে।
75. বাংলাদেশ কবে New Development Bank এর সদস্যপদ লাভ করে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০২১ সালে কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ব্রিকস প্রতিষ্ঠিত নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা এনডিবি এর সদস্যপদ লাভ করে। - এর মাধ্যমে বাংলাদেশ এই আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০২১ সালে — এই বছরে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সদস্যপদ লাভ করে। B) ২০২২ সালে — এই বছরে বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করেনি, কারণ ব্যাংকটির কার্যক্রম ২০২১ সালেই শুরু হয়েছিল। C) ২০২৩ সালে — এই সালটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশ আরও আগেই ব্যাংকের সদস্যপদ পেয়েছিল। D) ২০২৪ সালে — এটি সঠিক সাল নয়, এই সময়ে বাংলাদেশ সদস্য হওয়ার পরিবর্তে ব্যাংকের কার্যক্রমে সক্রিয় অংশ নেয়। মনে রাখার টিপস: ব্রিকস ব্যাংক বা এনডিবি এর সদস্য বাংলাদেশ হয় করোনার সময় অর্থাৎ ২০২১ সালে।
77. বাংলাদেশের ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট মোট কয়টি উচ্চফলনশীল ধানের উদ্ভাবন করেছে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২১টি কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উচ্চফলনশীল ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে। - সাম্প্রতিক হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত মোট ১২১টি উচ্চফলনশীল ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩৩টি — এটি সঠিক নয় কারণ বর্তমানে এই সংখ্যাটি প্রযোজ্য নয়, এটি অন্য কোনো কৃষি প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবিত জাতের সাথে মিলে যেতে পারে। B) ১২৬টি — এটি একটি ভুল সংখ্যা, যা বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত মোট জাতের সঠিক পরিমাপের সাথে মেলে না। C) ১২১টি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত মোট উচ্চফলনশীল ধানের সংখ্যা। D) ১০১৯টি — এটি সঠিক নয়, কারণ বিগত বছরগুলোতে উদ্ভাবিত জাতের সংখ্যা কম ছিল এবং বর্তমানে এই সংখ্যা অনেক আগেই অতিক্রম করেছে। মনে রাখার টিপস: ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) এর উদ্ভাবিত ধানের মোট জাত মনে রাখতে সংখ্যাটি ১২১ মনে রাখুন।
78. বাংলাদেশে ঘোষিত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩০টি কেন সঠিক: - পেট্রোবাংলার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের মোট সংখ্যা ৩০টি। - সর্বশেষ ৩০তম গ্যাসক্ষেত্রটি ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় অবস্থিত ভোলা উত্তর গ্যাসক্ষেত্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৭টি — এটি একটি ভুল তথ্য এবং বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। B) ৫৭টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় এবং এটি জ্বালানি খাতের বাস্তব তথ্যের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। C) ৫৯টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশে এত সংখ্যক গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়নি। D) ৩০টি — এটি পেট্রোবাংলার প্রামাণিক হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সঠিক সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা মনে রাখতে ৩০ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যার সর্বশেষটি ভোলা জেলায় অবস্থিত।
84. বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: C) ৭ মার্চ ১৯৭৩ কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের সংবিধান অনুযায়ী স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ৭ মার্চ ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত হয়। - এই নির্বাচনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৩ — এই তারিখে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল বা তারিখ। B) ৭ জানুয়ারি ১৯৭৩ — এই তারিখে কোনো জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। C) ৭ মার্চ ১৯৭৩ — এটি সঠিক উত্তর, এই দিনেই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। D) ৭ এপ্রিল ১৯৭৩ — এই তারিখে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল তারিখ। মনে রাখার টিপস: ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের দিনটিকে মনে রেখে याद রাখতে পারো যে, ঠিক এর পরের বছরগুলোতে ৭ই মার্চেই ১৯৭৩ সালে প্রথম নির্বাচন হয়।
85. বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারী অনুষ্ঠিত হয় কোন সালে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৭৪ কেন সঠিক: - স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ও ১৯৭০ সালের পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার এই আদমশুমারি পরিচালনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭২ — এই বছর বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান প্রণীত ও গৃহীত হয়, কোনো আদমশুমারি হয়নি। B) ১৯৭৫ — এই বছর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, আদমশুমারি হয়নি। C) ১৯৭৪ — এটিই সঠিক উত্তর, যা এই অপশনেও নির্দেশ করা হয়েছে। D) ১৯৭৬ — এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় আদমশুমারি অনুষ্ঠানের সাল, প্রথমটি নয়। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঠিক তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৭৪ সালে দেশের প্রথম আদমশুমারি হয়।
86. আলুর একটি জাতের নাম-
Created 3 weeks ago | Updated 57 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডায়মন্ড কেন সঠিক: - ডায়মন্ড বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ও বহুল চাষকৃত একটি উচ্চফলনশীল জাতের আলু। - এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত বা পরীক্ষিত যা সারা দেশে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডায়মন্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি আলু চাষের নাম। B) রূপালী — এটি আলুর কোনো পরিচিত জাত নয়, এটি সাধারণত ইলিশ মাছ বা অন্য কোনো বিষয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত। C) ড্রামহেড — এটি বাঁধাকপির একটি বিখ্যাত জাতের নাম, আলুর জাত নয়। D) ব্রিসাইল — এটি আলুর কোনো জাত নয়, এটি একটি ভৌগোলিক বা অন্য কোনো বিষয়ের নাম হতে পারে। মনে রাখার টিপস: আলু খেতে অনেক সুস্বাদু, তাই আলুর একটি জনপ্রিয় জাতের নাম মনে রাখতে হবে হীরা বা ডায়মন্ড।
88. কোন আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি পরিমাণে হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লাল ১. কেন সঠিক: - দৃশ্যমান আলোর লাল অংশে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি পরিমাণে হয় কারণ উদ্ভিদের ক্লোরোফিল অণু এই তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো সবচেয়ে ভালোভাবে শোষণ করতে পারে। - আলোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় ক্লোরোফিল লাল এবং নীল আলো শোষণ করে খাদ্য তৈরি করলেও লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সালোকসংশ্লেষণ এমন একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে পানি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে গ্লুকোজ তৈরি করে। - কার্যপ্রণালি: উদ্ভিদের পাতায় থাকা ক্লোরোপ্লাস্ট নামক প্লাস্টিডের ভেতরে ক্লোরোফিল রঞ্জক পদার্থ থাকে যা সৌরশক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর করে। - কারণ ও ফলাফল: লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ৬৫০ থেকে ৭০০ ন্যানোমিটারের মধ্যে থাকে যা উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: - উদাহরণ ১: সবুজ উদ্ভিদকে যদি কাঁচের লাল আলোতে রাখা হয় তবে এর বৃদ্ধি এবং খাদ্য তৈরির হার অন্য আলোর তুলনায় সবচেয়ে দ্রুত হয়। - ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে লাল আলো উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে। - উদাহরণ ২: গ্রিনহাউসে কৃত্রিম উপায়ে উদ্ভিদের দ্রুত বৃদ্ধির জন্য লাল আলোর ব্যবহার করা হয়। - ব্যাখ্যা: এই কৃত্রিম ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে রাখা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেগুনী — বেগুনী আলোতে সালোকসংশ্লেষণের হার খুবই কম হয় কারণ এই আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য উদ্ভিদের জন্য কম উপযোগী। B) নীল — নীল আলোতেও সালোকসংশ্লেষণ ভালো হয় তবে লাল আলোর পরেই এর স্থান, তাই এটি সর্বোচ্চ হারের উত্তর নয়। C) লাল — এটি সঠিক কারণ লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সর্বোচ্চ পরিমাণে সংঘটিত হয়। D) হলুদ — হলুদ আলো উদ্ভিদের ক্লোরোফিল রঞ্জক দ্বারা প্রায় শোষিতই হয় না, তাই এতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে কম হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সালোকসংশ্লেষণে লাল আলো সবচেয়ে সেরা এই কথাটি মনে রাখতে লাল রঙের প্রথম অক্ষর ল দিয়ে লালের সাথে সেরা শব্দটি মনে রাখতে পারেন। - উদ্ভিদের রঞ্জক পদার্থগুলো দৃশ্যমান আলোর বিভিন্ন অংশ শোষণ করলেও লাল এবং নীল আলোর গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - দৃশ্যমান আলোর কোন বর্ণালীতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি হয় এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে কম হয়, যার উত্তর হবে সবুজ আলো।
89. কলায বিদ্যমান প্রধান জৈব এসিড কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ম্যালিক এসিড ১. কেন সঠিক: - কাঁচা ও পাকা কলায় প্রধানত ম্যালিক এসিড নামক জৈব এসিড বিদ্যমান থাকে যা কলার স্বাদ ও অম্লতা নির্ধারণ করে। - জৈব এসিড উদ্ভিদের বিপাকীয় ক্রিয়ার স্বাভাবিক উপজাত হিসেবে কলার কোষে সঞ্চিত থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: উদ্ভিদ কোষে বিভিন্ন ধরনের অর্গানিক এসিড বা জৈব এসিড থাকে যা ফল পাকতে সাহায্য করে এবং পুষ্টিগুণ বৃদ্ধি করে। - কার্যপ্রণালি: কলা পাকড়ার সাথে সাথে শর্করা ভেঙে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজে রূপান্তরিত হয় এবং এসিডের মাত্রা পরিবর্তিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আপেল ব্যাখ্যা: আপেলের প্রধান জৈব এসিড হলো ম্যালিক এসিড, যা কলার সাথে এর রাসায়নিক উপাদানের মিল দেখায়। উদাহরণ ২: লেবু ব্যাখ্যা: লেবুতে সাইট্রিক এসিড থাকে, যা কলার ম্যালিক এসিড থেকে ভিন্ন প্রকৃতির অম্লতা প্রদান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সালিক এসিড — এটি পালং শাক ও টমেটোতে বেশি থাকে, কলার প্রধান এসিড এটি নয়। B) ম্যালিক এসিড — এটি কলার প্রধান জৈব এসিড এবং সঠিক উত্তর হিসেবে প্রমাণিত। C) এসিটিক এসিড — এটি ভিনেগারের মূল উপাদান, যা ফলমূলের প্রধান জৈব এসিড নয়। D) ল্যাকটিক এসিড — এটি টক দই এবং পেশিতে ক্লান্তি সৃষ্টির জন্য দায়ী, কলায় থাকে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - কলা ও আপেলে পাওয়া যায় ম্যালিক এসিড, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে এম ফর ম্যালিক এবং এম ফর অ্যাপেল বা বানানা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিভিন্ন ফলে কোন এসিড থাকে তা বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি টপিক।
91. কোনটি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট রোগ নয়?
Created 3 weeks ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হেপাটাইটিস ১. কেন সঠিক: হেপাটাইটিস কোনো ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট রোগ নয়, এটি মূলত হেপাটাইটিস ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়ে থাকে। ভাইরাসজনিত কারণে যকৃতে প্রদাহ সৃষ্টি হয় এবং একে হেপাটাইটিস বা জন্ডিস বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: অণুজীববিজ্ঞানের শ্রেণিবিভাগে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি জীবাণু। কারণ ও ফলাফল: ব্যাকটেরিয়া এককোষী প্রোকারিওটিক জীব হলেও ভাইরাস অকোষীয় এবং কেবল পোষকদেহের ভেতরে বংশবৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হেপাটাইটিস বি ভাইরাস রক্তের মাধ্যমে ছড়ায় এবং এটি দীর্ঘমেয়াদী যকৃতের ক্ষতি করে। ব্যাখ্যা: ভাইরাস মানুষের কোষের ভেতরে প্রবেশ করে সংখ্যাবৃদ্ধি করে এবং রোগ সৃষ্টি করে। উদাহরণ ২: টাইফয়েড সালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে অন্ত্রে আক্রমণ করে। ব্যাখ্যা: ব্যাকটেরিয়া দেহে প্রবেশ করে বিষাক্ত পদার্থ তৈরি করে এবং তীব্র জ্বর ঘটায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হেপাটাইটিস — এটি ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট রোগ, তাই এটি সঠিক উত্তর। B) গনোরিয়া — এটি নাইসেইরিয়া গনোরি নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট একটি যৌনবাহিত রোগ। C) কুষ্ঠ — এটি মাইকোক্যাবটেরিয়াম লেপ্রি নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট স্নায়ু ও ত্বকের রোগ। D) টাইফয়েড জ্বর — এটি সালমোনেলা টাইফি নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট খাদ্য ও পানিবাহিত রোগ। ৫ মনে রাখার টিপস: ব্যাকটেরিয়া গঠিত রোগগুলো মনে রাখতে গনোরিয়া, কুষ্ঠ ও টাইফয়েড নামের সঙ্গে ব্যাকটেরিয়া যুক্ত করবে। ভাইরাসজনিত রোগগুলো আলাদা করে মনে রাখবে যেমন হেপাটাইটিস, এইডস ও পোলিও। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসবাহিত রোগ আলাদা করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। জীবাণুর ধরন ভালো করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
92. ভূ-পৃষ্ঠে কোন ধাতু সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আছে?
Created 3 weeks ago | Updated 29 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অ্যালুমিনিয়াম ১. কেন সঠিক: - ভূত্বকে বা ভূ-পৃষ্ঠে প্রাপ্ত ধাতুগুলোর মধ্যে অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি, যার শতকরা হার প্রায় আট শতাংশ। এটি মূলত প্রকৃতিতে বিভিন্ন যৌগের আকারে যেমন বক্সাইট হিসেবে অবস্থান করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ভূ-ত্বক হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বাইরের কঠিন স্তর, যা বিভিন্ন মৌল এবং খনিজ পদার্থ দিয়ে গঠিত। - রাসায়নিক সংকেত: অ্যালুমিনিয়ামের প্রতীক হলো এএল এবং পারমাণবিক সংখ্যা তেরো। - বাস্তব প্রয়োগ: হালকা ও মজবুত হওয়ার কারণে বিমান তৈরিতে এবং বিদ্যুৎ পরিবহনে অ্যালুমিনিয়ামের বহুল ব্যবহার দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রান্নার কাজে ব্যবহৃত ফয়েল পেপার। ব্যাখ্যা: এটি পাতলা অ্যালুমিনিয়াম শিট দিয়ে তৈরি হয় যা তাপ ধরে রাখতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: ঘরের জানালা ও দরজার থাই গ্লাস ফ্রেম। ব্যাখ্যা: অ্যালুমিনিয়াম সহজে মরিচা ধরে না এবং হালকা বলে এগুলো গৃহ নির্মাণে জনপ্রিয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যালুমিনিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভূত্বকে এর পরিমাণ অন্য ধাতুর তুলনায় সর্বাধিক। B) লোহা — এটি ভূত্বকে দ্বিতীয় সর্বাধিক প্রাপ্ত ধাতু হলেও অ্যালুমিনিয়ামের চেয়ে পরিমাণে কম থাকে। C) তামা — এটি একটি কম পরিমাণ প্রাপ্ত ধাতু যা বৈদ্যুতিক তারে ব্যবহৃত হয় কিন্তু ভূত্বকে এর শতকরা হার অনেক কম। D) জিংক — এটি প্রকৃতিতে আকরিক হিসেবে পাওয়া গেলেও ভূ-পৃষ্ঠে এর উপস্থিতি অ্যালুমিনিয়াম ও লোহার চেয়ে অনেক কম। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভূ-পৃষ্ঠের মৌলের ক্ষেত্রে মনে রাখবে, অধাতু হলে অক্সিজেন প্রথম, আর ধাতু হলে অ্যালুমিনিয়াম প্রথম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভূত্বকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা মৌল হলো অক্সিজেন এবং সবচেয়ে বেশি থাকা ধাতু হলো অ্যালুমিনিয়াম।
94. লোহা মাধ্যমে শব্দ বাতাসের তুলনায় কত গুণ দ্রুত চলে?
Created 3 weeks ago | Updated 57 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮ গুণ ১. কেন সঠিক: বাতাসের তুলনায় লোহায় শব্দের গতি অনেক বেশি কারণ লোহা একটি কঠিন মাধ্যম এবং এর ঘনত্ব ও স্থিতিস্থাপকতা বাতাসের চেয়ে অনেক আলাদা। কঠিন পদার্থের অণুগুলো বাতাসের অণুর চেয়ে খুব কাছাকাছি থাকে, ফলে কম্পন অতি দ্রুত এক অণু থেকে অন্য অণুতে স্থানান্তরিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: শব্দের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতি, বিশেষ করে তার স্থিতিস্থাপকতা এবং ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে। কার্যপ্রণালি: কঠিন মাধ্যমে কণার পারস্পরিক দূরত্ব কম থাকায় শব্দের তরঙ্গ দ্রুত সঞ্চালিত হতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রেললাইনে কান পাতলে ট্রেন আসার অনেক আগেই শব্দ শোনা যায়। ব্যাখ্যা: লোহা বা ইস্পাতের তৈরি রেললাইনের মধ্য দিয়ে শব্দ বাতাসের চেয়ে অনেক দ্রুত আমাদের কানে পৌঁছায়। উদাহরণ ২: পানির নিচে ডুবুরি বা জলজ প্রাণীর শব্দ শোনার অভিজ্ঞতা। ব্যাখ্যা: তরল মাধ্যমেও শব্দের বেগ বাতাসের চেয়ে বেশি হয়, যা মাধ্যম ভেদে শব্দের পার্থক্যের প্রমাণ দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ গুণ — এটি বৈজ্ঞানিকভাবে লোহায় শব্দের আপেক্ষিক বেগের সঠিক মান নয়। B) ১৮ গুণ — এটি বাতাসের তুলনায় লোহায় শব্দের বেগের আদর্শ এবং পরীক্ষিত সঠিক মান। C) ১৫ গুণ — এটি প্রশ্নের প্রদত্ত উত্তর হলেও, সাধারণ পদার্থবিজ্ঞান অনুযায়ী সঠিক মান প্রায় ১৮ গুণ। D) ১২ গুণ — এটি বাতাসের সাপেক্ষে লোহার ক্ষেত্রে শব্দের বেগের পরিমাপের সাথে মিলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: বাতাসে শব্দের বেগ প্রায় ৩৩২ মিটার প্রতি সেকেন্ড এবং লোহায় প্রায় ৫৯৫০ মিটার প্রতি সেকেন্ড। এই দুইয়ের অনুপাত হিসাব করলে মানটি প্রায় ১৮ গুণ পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন এবং এটি শূন্যস্থানের মধ্য দিয়ে চলতে পারে না। বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের বেগের ক্রম হলো কঠিন মাধ্যম, তারপর তরল মাধ্যম এবং সবশেষে বায়বীয় মাধ্যম।
96. স্বর্ণ গলাতে কোন কোন এসিডের মিশ্রণ ব্যবহৃত হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: রসায়ন (ধাতু ও অধাতু, অম্ল ও ক্ষার) সঠিক উত্তর: C) HCl, HNO₃ ১. কেন সঠিক: - স্বর্ণ বা সোনা একটি অত্যন্ত নিষ্ক্রিয় ধাতু। সাধারণ এসিড যেমন হাইড্রোক্লোরিক এসিড বা নাইট্রিক এসিড একা সোনাকে গলাতে পারে না। - হাইড্রোক্লোরিক এসিড এবং নাইট্রিক এসিডের তিন অনুপাত এক মিশ্রণকে রাজত্ব বা একোয়া রেজিয়া বলে। এই মিশ্রণ সোনাকে দ্রবীভূত করতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রাজত্ব বা একোয়া রেজিয়া হলো তিন ভাগ গারো হাইড্রোক্লোরিক এসিড এবং এক ভাগ গারো নাইট্রিক এসিডের তাজা মিশ্রণ। - রাসায়নিক বিক্রিয়া: এই দুই এসিডের বিক্রিয়ায় অত্যন্ত শক্তিশালী জারণ ক্ষমতা সম্পন্ন পরমাণু ক্লোরিন উৎপন্ন হয়। - কার্যপ্রণালি: উৎপাদিত ক্লোরিন সোনার সাথে বিক্রিয়া করে দ্রবণীয় অরোরাস ক্লোরাইড বা টেট্রাক্লোরোঅরিক এসিড উৎপন্ন করে। - বাস্তব প্রয়োগ: স্বর্ণকারগণ গহনা প্রস্তুত করার সময় সোনা পরিষ্কার করতে এবং পুরনো সোনা গলিয়ে নতুন রূপ দিতে একোয়া রেজিয়া ব্যবহার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গহনা কারখানায় পুরনো সোনার গহনা গলিয়ে পুনরায় নকশা তৈরি করা। ব্যাখ্যা: গহনার নিখুঁত ওজন মাপতে এবং সোনা আলাদা করতে এই এসিডের মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: পরীক্ষাগারে বিশুদ্ধ সোনা নিষ্কাশন ও বিশ্লেষণ। ব্যাখ্যা: খনি থেকে উত্তোলিত মিশ্র ধাতু থেকে বিশুদ্ধ সোনা আলাদা করার প্রক্রিয়ায় একোয়া রেজিয়া ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) H₂SO₄, HCl — সালফিউরিক এসিড এবং হাইড্রোক্লোরিক এসিডের এই মিশ্রণ রাজত্ব নয় এবং এটি সোনাকে গলাতে পারে না। B) H₂SO₄, HNO₃ — সালফিউরিক এসিড এবং নাইট্রিক এসিডের মিশ্রণ নাইট্রেশনের কাজে ব্যবহৃত হয়, সোনা গলাতে নয়। C) HCl, HNO₃ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নির্দিষ্ট মিশ্রণটি সোনা ও প্লাটিনামের মতো নিষ্ক্রিয় ধাতু দ্রবীভূত করতে পারে। D) উপরের যে কোনোটি — প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে শুধু সি নম্বর সঠিক হওয়ায় এই অপশনটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: - একোয়া রেজিয়ায় এসিড দুটির অনুপাত মনে রাখার সহজ উপায় হলো তিন অনুপাত এক এবং হাইড্রোক্লোরিক এসিডের পরিমাণ বেশি থাকে। - রাজত্ব বা অম্লরাজ মানে এসিডের রাজা, যা সোনা ও প্লাটিনামকে দ্রবীভূত করতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - একোয়া রেজিয়া তৈরিতে হাইড্রোক্লোরিক এসিড এবং নাইট্রিক এসিডের অনুপাত কত, তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - সোনা ছাড়া আর কোন ধাতু একোয়া রেজিয়ায় দ্রবীভূত হয়, এই প্রশ্ন থেকে প্লাটিনামের নামও জেনে রাখা ভালো।
97. একটি বড় মাপের ভূমিকম্পের পর কী ঘটার সম্ভাবনা থাকে?
Created 3 weeks ago | Updated 30 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সুনামি কেন সঠিক: মহাসাগরের তলদেশে বড় মাপের ভূমিকম্প হলে আকস্মিক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এই আলোড়নের ফলে জলরাশি উত্তাল হয়ে বিশাল ঢেউ আকারে উপকূলের দিকে ছুটে আসে। ভৌগোলিক তথ্য: সুনামির উৎস সাধারণত প্রশান্ত মহাসাগরের অগ্নিবলয় অঞ্চলে বেশি দেখা যায়। এটি জাপানি শব্দ যার অর্থ সমুদ্রের তীরের ঢেউ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জলোচ্ছ্বাস — জোয়ার বা বায়ুপ্রবাহের কারণে নদীর মোহনায় জলের উচ্চতা সাময়িকভাবে বৃদ্ধি পায়। B) বন্যা — অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত বা নদী উপচে পড়ে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের সৃষ্টি হয়। C) ঘূর্ণিঝড় — এটি নিম্নচাপের ফলে বায়ুমণ্ডলে সৃষ্টি হয় এবং এর সাথে সরাসরি ভূগর্ভস্থ কম্পনের সম্পর্ক নেই। D) সুনামি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়নি। মনে রাখার টিপস: ভূকম্পন মানেই সমুদ্রের নিচে বড় ঢেউ বা সুনামি। জলের নিচে ভূমিধস বা ভূমিকম্প হলে সুনামি অবধারিত।
98. কোন আন্তর্জাতিক চুক্তি বাংলাদেশকে জলবায়ু অভিযোজন/ কূটনীতি (Climate Diplomacy) সংক্রান্ত তহবিল পেতে সাহায্য করে?
Created 3 weeks ago | Updated 31 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্যারিস চুক্তি কেন সঠিক: ১. এই আন্তর্জাতিক চুক্তির মাধ্যমে উন্নত দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা করতে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে আর্থিক সাহায্য প্রদান করে থাকে। ২. বাংলাদেশ জলবায়ু ঝুকিপূর্ণ দেশ হওয়ায় এই চুক্তির আওতায় গঠিত জলবায়ু তহবিল এবং গ্রিন ক্লাইমেট ফাণ্ড থেকে সহজেই আর্থিক সহায়তা ও অনুদান পেতে পারে। ভৌগোলিক তথ্য: ১. বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় অবস্থিত একটি বদ্বীপ রাষ্ট্র যার ভৌগোলিক অবস্থান ক্রান্তীয় অঞ্চলে এবং এর আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার। ২. এই দেশের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের কারণে উপকূলীয় অঞ্চল বারবার ঘূর্ণিঝড় ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হয়। ৩. উদাহরণস্বরূপ, বাংলাদেশ সরকার জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফাণ্ড গঠন করে প্যারিস চুক্তির লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অর্থায়ন পরিচালনা করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিস চুক্তি — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী অর্থায়নের প্রধান আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামো হিসেবে কাজ করে। B) ন্যাটো — এটি একটি সামরিক জোট এবং এর মূল কাজ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করা, যার সাথে জলবায়ু অর্থায়নের কোনো সম্পর্ক নেই। C) G-7 সম্মেলন — এটি বিশ্বের প্রধান উন্নত অর্থনীতিগুলোর একটি রাজনৈতিক ফোরাম, যা জলবায়ু কূটনীতিতে আলোচনা করলেও সরাসরি তহবিল বিতরণের চুক্তি নয়। D) ASEAN — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর একটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংস্থা, যা বাংলাদেশের জলবায়ু তহবিল প্রাপ্তির সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: জলবায়ু পরিবর্তন মানেই প্যারিস চুক্তি মনে রাখবে, কারণ এটি বিশ্বের সব দেশকে পরিবেশ রক্ষা ও তহবিল পেতে সাহায্য করার সবচেয়ে বড় চুক্তি।
99. বাংলাদেশের জলবায়ু কী ধরনের?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্রান্তীয় ও মৌসুমী জলবায়ু কেন সঠিক: বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ক্রান্তীয় অঞ্চলে হওয়ায় এখানকার জলবায়ুতে ক্রান্তীয় অঞ্চলের তীব্র উষ্ণতা ও আর্দ্রতার প্রভাব স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়। দক্ষিণ এশিয়ার মৌসুমী বায়ুর প্রধান প্রভাবাধীন থাকার কারণে বাংলাদেশের জলবায়ুতে ঋতু পরিবর্তন ও বৃষ্টিপাতের ক্ষেত্রে মৌসুমী বায়ুর ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। ভৌগোলিক তথ্য: বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ অংশে কর্কটক্রান্তি রেখার কাছাকাছি অবস্থিত যার মোট আয়তন এক লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার পাঁচশত সাতাশি বর্গকিলোমিটার। এখানকার জলবায়ুর প্রধান বিশেষত্ব হলো বছরের অধিকাংশ সময় উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া এবং বর্ষাকালে মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়া। আবহাওয়ার এই বিশেষ প্রকৃতির কারণে বাংলাদেশে মূলত ছয়টি ঋতু পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয় এবং গ্রীষ্মকাল ও বর্ষাকাল এর প্রধান রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় জলবায়ু — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলাদেশের জলবায়ুতে উপক্রান্তীয় অঞ্চলের চেয়ে মৌসুমী বায়ুর প্রভাব অনেক বেশি প্রবল। B) ক্রান্তীয় ও মৌসুমী জলবায়ু — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের জলবায়ুতে এই দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্যেরই পরিপূর্ণ ও বাস্তব প্রভাব রয়েছে। C) উপক্রান্তীয় জলবায়ু — এটি ভুল কারণ শুধু উপক্রান্তীয় জলবায়ু বললে মৌসুমী বায়ুর প্রভাব এবং ক্রান্তীয় অঞ্চলের উষ্ণতা সম্পূর্ণভাবে বাদ পড়ে যায়। D) অর্ধ ক্রান্তীয় জলবায়ু — এই অপশনটি ভৌগোলিক সংজ্ঞার সাথে মেলে না কারণ বাংলাদেশের জলবায়ু পুরোপুরি ক্রান্তীয় এবং মৌসুমী প্রকৃতির। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ নামটি মাথায় আসলে দুটি কথা মনে রাখবে, একটি হলো ক্রান্তীয় অবস্থান এবং অন্যটি হলো মৌসুমী বায়ুর বৃষ্টিপাত।
100. নীল নদের পানি নিয়ে দ্বন্দ্ব কোন দুই দেশের?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মিশর ও ইথিওপিয়া কেন সঠিক: ১. ইথিওপিয়ায় নীল নদের ওপর বিশাল গ্র্যান্ড ইথিওপিয়ান রেনেসাঁ বাঁধ নির্মাণের ফলে পানির প্রবাহ নিয়ে তীব্র দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়েছে। ২. মিশরের কৃষিকাজ ও পানীয় জলের প্রধান উৎস নীল নদ হওয়ায় দেশটি এই বাঁধের কারণে নিজেদের পানির নিরাপত্তা নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। ভৌগোলিক তথ্য: ১. নীল নদ পূর্ব আফ্রিকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভূমধ্যসাগরে পড়েছে এবং এটি বিশ্বের দীর্ঘতম নদী হিসেবে পরিচিত। ২. এই নদীর অববাহিকায় প্রায় ১১টি দেশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা কোটি কোটি মানুষের জীবনযাত্রার প্রধান চালিকাশক্তি। ৩. নীল নদের প্রায় পঁচাশি শতাংশ জলের প্রধান উৎস ইথিওপিয়ার পাহাড়ি অঞ্চল থেকে প্রবাহিত ব্লু নীল বা নীল নদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশর ও ইথিওপিয়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ নীল নদের জল বণ্টন ও বাঁধ নির্মাণ নিয়ে মূলত এই দুটি দেশের মধ্যেই মূল বিরোধ চলছে। B) সোমালিয়া ও মিশর — এই অপশনটি ভুল কারণ সোমালিয়া নীল নদের অববাহিকাভুক্ত দেশ নয় এবং মিশরের সাথে তাদের জলের কোনো সরাসরি দ্বন্দ্ব নেই। C) কেনিয়া ও তানজানিয়া — এই অপশনটি ভুল কারণ এই দেশগুলো হোয়াইট নীল নদের অংশীদার হলেও জল নিয়ে তাদের সাথে মিশরের প্রধান রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব নেই। D) লিবিয়া ও উগান্ডা — এই অপশনটি ভুল কারণ লিবিয়া সাহারা মরুভূমি অঞ্চলের দেশ এবং উগান্ডার সাথে মিশরের জল নিয়ে বর্তমান কোনো বড় দ্বন্দ্ব নেই। মনে রাখার টিপস: নীল নদের জল নিয়ে বিরোধ মানেই ইথিওপিয়ার বাঁধ আর মিশরের জল সংকট, তাই মনে রাখবে মিশর ও ইথিওপিয়া।

মোট প্রশ্ন (25)

1. 'কোকিল' এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 54 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কলকণ্ঠ ১. কেন সঠিক: - 'কোকিল' শব্দের একটি সুন্দর ও কাব্যিক সমার্থক শব্দ হলো 'কলকণ্ঠ', কারণ কোকিল অত্যন্ত মধুর সুরে গান গায়। - 'কলকণ্ঠ' শব্দের অর্থ যার কণ্ঠ থেকে মধুর বা কলকল ধ্বনি নির্গত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ, যা ভিন্ন বানান ও উচ্চারণের হলেও অর্থের দিক থেকে প্রায় সমান বা একই ভাব প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে কোকিল শব্দের বহু সমার্থক শব্দ রয়েছে যা কাব্য সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পিক ব্যাখ্যা: পিক হলো কোকিলের আরেকটি অত্যন্ত পরিচিত ও বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: পরভৃত ব্যাখ্যা: পরভৃত শব্দের অর্থ হলো যা অন্যের দ্বারা প্রতিপালিত হয়, আর কোকিল অন্য পাখির বাসায় ডিম পাড়ে বলে একে পরভৃত বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মই — মই কোনো সমার্থক শব্দ নয়, এটি ধান ভাজার বা কৃষিকাজে ব্যবহারের অথবা ওপরে ওঠার একটি বস্তুবাচক উপকরণ। B) বিহু — বিহু হলো ভারতের আসাম রাজ্যের একটি বিখ্যাত লোকউৎসব ও নৃত্যকলা। D) ইন্দু — ইন্দু হলো চন্দ্র বা চাঁদের একটি সুন্দর সমার্থক শব্দ, কোকিলের নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যার কণ্ঠ মিষ্টি ও কলকল শব্দে ভরা, সেই হলো কলকণ্ঠ বা কোকিল। - কোকিলের অন্যান্য সমার্থক শব্দ যেমন পিক এবং পরভৃত মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পাখির সমার্থক শব্দ হিসেবে কোকিল, পিক ও পরভৃত প্রায়ই একসাথে বা বিকল্প হিসেবে আসে। - চন্দ্র বা চাঁদের সমার্থক শব্দ হিসেবে ইন্দু শব্দটি বহুবার পরীক্ষায় এসেছে।
2. 'গভীরে নিশীথে প্রকৃতি সুপ্ত' এখানে 'নিশীথে' কোন পদ?
Created 3 weeks ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিশেষ্য ১. কেন সঠিক: - বাক্যে 'নিশীথে' শব্দটি নির্দিষ্ট একটি সময় বা কাল বোঝাচ্ছে এবং এটি বাক্যের ভেতরে স্বাধীনভাবে নাম পদ হিসেবে অবস্থান করেছে। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যে শব্দ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, স্থান, ভাব বা গুণের নাম বোঝায় তাকে বিশেষ্য পদ বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদ প্রধানত ছয় প্রকার যথা সংজ্ঞাবাচক, জাতিবাচক, বস্তুবাচক, সমষ্টিবাচক, গুণবাচক ও ভাববাচক বিশেষ্য। - কাল বা সময়বাচক শব্দ বাক্যে ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে কখনো বিশেষ্য আবার কখনো ক্রিয়াবিশেষণ হতে পারে, তবে এখানে 'নিশীথে' স্বাধীনভাবে বিশেষ্য পদ হিসেবে কাজ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রভাতে সূর্য ওঠে। ব্যাখ্যা: এখানে 'প্রভাতে' একটি নির্দিষ্ট সময়ের নাম বোঝানো হয়েছে বিধায় এটি বিশেষ্য পদ। উদাহরণ ২: বসন্তে কোকিল ডাকে। ব্যাখ্যা: এখানে 'বসন্তে' একটি ঋতুর নাম বা সময় নির্দেশ করায় এটি বিশেষ্য পদ হিসেবে গণ্য হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাম বিশেষণ — নাম বিশেষণ বিশেষ্য পদের দোষ, গুণ, অবস্থা বা পরিমাণ বোঝায়, কিন্তু 'নিশীথে' কোনো পদের দোষ বা গুণ বোঝাচ্ছে না। B) বিশেষ্য — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর সপক্ষে যথাযথ ব্যাকরণগত যুক্তি বিদ্যমান। C) ভাব বিশেষণ — ভাব বিশেষণ ক্রিয়া বা অন্য কোনো পদকে বিশেষিত করে, কিন্তু এখানে 'নিশীথে' নিজে একটি স্বতন্ত্র নাম পদ। D) সর্বনাম — সর্বনাম পদ বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু 'নিশীথে' কোনো শব্দের বদলি হিসেবে বসেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো কাল, সময় বা বারবাচক শব্দ যদি বাক্যে সরাসরি কোনো কিছুর নাম হিসেবে আসে, তবে তা সাধারণত বিশেষ্য পদ হয়। - সময় বা কালের নাম চেনার সময় মনে রাখবে যে এগুলো কোনো না কোনো নির্দিষ্ট সময়ের পরিচয় বহন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সময়বাচক শব্দগুলো প্রায়ই ক্রিয়াবিশেষণ বা বিশেষ্য হিসেবে বিভ্রান্তি তৈরি করে, তাই বাক্যের প্রয়োগ ভালো করে খেয়াল করতে হবে। - এই ধরনের পদ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের অর্থ এবং বাক্যে তার অবস্থান বিবেচনা করা জরুরি।
3. 'শূন্যপুরাণ' কাব্য কার রচনা?
Created 3 weeks ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রামাই পণ্ডিত ১. কেন সঠিক: 'শূন্যপুরাণ' বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের নাথ সাহিত্য ধারার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাচীন নিদর্শন। এই কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে রামাই পণ্ডিতের নাম প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্যে বিশেষভাবে স্বীকৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শূন্যপুরাণ কাব্যটি বৌদ্ধ ধর্মের সহজিয়া মতবাদ এবং নাথ ধর্মের আচারের সঙ্গে সম্পর্কিত। এতে প্রাচীন বাংলার সমাজ সংস্কৃতি ও ধর্মের রূপ ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি বড়ু চণ্ডীদাসের রচনা। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলির আদি নিদর্শন। উদাহরণ ২: ময়নামতির গান কাব্যটি মীনানাথ ও গোপীচন্দ্রের কাহিনী নিয়ে রচিত। ব্যাখ্যা: এটি নাথ সাহিত্য ধারার একটি অন্যতম প্রধান নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হর্ষবর্ধন — হর্ষবর্ধন প্রাচীন ভারতের একজন বিখ্যাত রাজা ও নাট্যকার ছিলেন যিনি বাংলায় শূন্যপুরাণ রচনা করেননি। B) গোবিন্দদাস — গোবিন্দদাস একজন প্রখ্যাত বৈষ্ণব পদকর্তা ছিলেন যিনি শূন্যপুরাণের মতো ধর্মীয় কাব্য রচনা করেননি। C) রামাই পণ্ডিত — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি শূন্যপুরাণের রচয়িতা হিসেবে মধ্যযুগের সাহিত্যে পরিচিত। D) বিপ্রদাস — বিপ্রদাস পিপিলাই মনসামঙ্গল কাব্যের একজন বিশিষ্ট কবি ছিলেন যিনি শূন্যপুরাণ লেখেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: শূন্য শব্দটির সঙ্গে শূন্যে ভাসার বা শূন্যতার ধারণা মেলে আর শূন্য হাতে পণ্ডিত মানুষের কাছে যাওয়ার কথা মনে রাখতে পারো। শূন্যপুরাণ দেখলেই রামাই পণ্ডিতের নাম মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শূন্যপুরাণ কোন যুগের রচনা এবং এর রচয়িতা কে, এই প্রশ্নটি বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য মধ্যযুগের কবি ও তাদের বিখ্যাত কাব্যগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখা জরুরি।
5. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'বিড়াল' কি ধরণের রচনা?
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রবন্ধ ১. কেন সঠিক: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'বিড়াল' একটি বিখ্যাত সামাজিক ও দার্শনিক প্রবন্ধ, যা ১৮৭৭ সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। - এই রচনাটিতে লেখক একটি সাধারণ বিড়াল ও একজন চোরের কথোপকথনের মাধ্যমে সমাজের নানা অসংগতি, বৈষম্য এবং নৈতিকতার দ্বিমুখী রূপ তুলে ধরেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত। - 'বিড়াল' প্রবন্ধটি তাঁর 'কমলাকান্তের দপ্তর' নামক বিখ্যাত রম্য রচনা সংকলনের অন্তর্ভুক্ত একটি অনন্য সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কমলাকান্তের দপ্তর ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত রম্য রচনা সংকলন, যার মধ্যে 'বিড়াল' প্রবন্ধটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। উদাহরণ ২: কমলাকান্তের পত্রে ব্যাখ্যা: এটিও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি ব্যঙ্গাত্মক ও সমাজসচেতন রচনা, যা লেখকের মননশীল চিন্তার পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'বিষবৃক্ষ' ও 'কপালকুণ্ডলা'র মতো বিখ্যাত উপন্যাস লিখেছেন, কিন্তু 'বিড়াল' কোনো উপন্যাস নয়। B) কবিতা — 'বিড়াল' কোনো পদ্য বা ছন্দবদ্ধ কবিতা নয়, এটি গদ্যে রচিত একটি গভীর মননশীল সাহিত্যকর্ম। C) গল্প — বাংলা ছোটগল্পের জনক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আর বঙ্কিমচন্দ্রের 'বিড়াল' আকারে ছোট হলেও এটি মূলত একটি প্রতীকী প্রবন্ধ। D) প্রবন্ধ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি লেখকের সমাজচিন্তা ও দর্শনের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কমলাকান্তের দপ্তর গ্রন্থের ভেতর বিড়াল থাকে, তাই 'বিড়াল' একটি প্রবন্ধ বা মননশীল রচনা হিসেবে মনে রাখবে। - বঙ্কিমচন্দ্রের প্রবন্ধগুলোকে সমাজ ও দর্শনের দর্পণ হিসেবে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'বিড়াল' প্রবন্ধটির উৎস এবং রচয়িতা সম্পর্কে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - লেখক পরিচিতি পড়ার সময় বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস ও প্রবন্ধগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ করা উচিত।
6. ‘প্রতীচী’ শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রাচ্য ১. কেন সঠিক: 'প্রতীচী' শব্দটির অর্থ পশ্চিম দিক বা পশ্চিমাঞ্চল। এর ঠিক বিপরীত বা প্রতিকূল অর্থ প্রকাশ করে পূর্ব দিক বা পূর্বাঞ্চল, যার সঠিক শব্দ হলো 'প্রাচ্য'। বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের ভৌগোলিক বা দিক নির্দেশক অর্থ মিল রেখেই সঠিক উত্তরটি নির্ধারণ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দের ভাণ্ডারে দিকবাচক শব্দের বিপরীত দিকবাচক শব্দের ব্যবহারের মাধ্যমে বিপরীতার্থক শব্দ গঠিত হয়। প্রতীচী শব্দের অর্থ পশ্চিম এবং প্রাচ্য শব্দের অর্থ পূর্ব। বাংলা ব্যাকরণে দিক, কাল বা অবস্থার বিপরীতার্থক শব্দগুলো প্রায়শই জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উদীচী ব্যাখ্যা: উদীচী শব্দের অর্থ উত্তর দিক, যা প্রতীচীর মতো অন্য একটি দিকবাচক শব্দ। উদাহরণ ২: অবাচী ব্যাখ্যা: অবাচী শব্দের অর্থ দক্ষিণ দিক, যা দিকবাচক বিপরীত শব্দের আরেকটি সুন্দর উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রান — প্রান শব্দের অর্থ জীবন বা আত্মা, যা দিকবাচক বা প্রতীচী শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) প্রাচ্য — সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ পূর্ব দিক যা পশ্চিম বা প্রতীচীর বিপরীত। C) মিলন — মিলন শব্দের অর্থ একত্র হওয়া, যার বিপরীত শব্দ হলো বিচ্ছেদ। D) ত্যাগ — ত্যাগ শব্দের অর্থ বর্জন করা, যার বিপরীত শব্দ হলো গ্রহণ। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রতীচী মানে পশ্চিম এবং প্রাচ্য মানে পূর্ব মনে রাখতে হবে। সূর্যের উদয় প্রাচ্যে এবং অস্ত প্রতীচীতে হয় এই নিয়মটি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: দিকবাচক বিপরীত শব্দ যেমন প্রাচ্য ও প্রতীচী প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। পূর্ব-পশ্চিম, উত্তর-দক্ষিণ বা এদের সংস্কৃত রূপগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
7. ‘Ethics’ শব্দের সঠিক পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নীতিশাস্ত্র ১. কেন সঠিক: - ‘Ethics’ একটি ইংরেজি শব্দ যার বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো নীতিশাস্ত্র। - এটি দর্শনশাস্ত্রের একটি শাখা যা মানুষের নৈতিকতা, ভালো-মন্দ, আচরণ এবং কর্তব্য নির্ধারণের নিয়মাবলী নিয়ে আলোচনা করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্র বা বিজ্ঞানে নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং যার বাংলা রূপ মূল ইংরেজি শব্দের ভাব ও অর্থ সঠিকভাবে প্রকাশ করে। - প্রশাসনিক, আইনি, সাহিত্যিক এবং দাপ্তরিক কাজে সঠিক পারিভাষিক শব্দের ব্যবহার ভাষার সৌন্দর্য ও নির্ভুলতা রক্ষা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Morality ব্যাখ্যা: Morality শব্দের পারিভাষিক অর্থ হলো নৈতিকতা, যা Ethics শব্দের কাছাকাছি হলেও Ethics একটি প্রাতিষ্ঠানিক শাস্ত্র বা নীতিবিদ্যাকে বোঝায়। উদাহরণ ২: Philosophy ব্যাখ্যা: Philosophy শব্দের পারিভাষিক অর্থ হলো দর্শন, যার একটি শাখা হলো এই নীতিশাস্ত্র বা Ethics। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তথ্যচিত্র — এই শব্দটি ইংরেজি Documentary শব্দের পারিভাষিক রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা কোনো বাস্তব ঘটনার ওপর নির্মিত চলচ্চিত্রকে বোঝায়। B) ব্রতকথা — এটি লোকসাহিত্যের একটি বিশেষ শাখা যেখানে লৌকিক আচার-অনুষ্ঠান ও দেবদেবীর পূজার ইতিহাস বা কাহিনি বর্ণিত থাকে। C) তথ্যকথা — এটি কোনো নির্দিষ্ট বা প্রমিত পারিভাষিক শব্দ নয় এবং এর মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট কোনো ইংরেজি পদের ভাব প্রকাশ পায় না। D) নীতিশাস্ত্র — এটি সঠিক পারিভাষিক শব্দ যা সরাসরি Ethics শব্দের অর্থ বহন করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - Ethics মানে নীতি বা আচরণবিধি, তাই এর সঙ্গে শাস্ত্র বা বিদ্যা যুক্ত হয়ে নীতিশাস্ত্র হয়েছে। - ইংরেজি ই শব্দ দিয়ে শুরু পারিভাষিক শব্দগুলোর ক্ষেত্রে বাংলা অভিধানের প্রমিত রূপগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষা দ্রুত উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি শব্দের সঠিক বাংলা পরিভাষা প্রায়ই আসে। - আইন, দর্শন ও প্রশাসন সম্পর্কিত ইংরেজি শব্দগুলোর বাংলা পরিভাষা আলাদা করে নোট করে পড়া উচিত।
8. 'বার্ষিক' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বর্ষ + ষ্ণিক ১. কেন সঠিক: - 'বার্ষিক' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো বর্ষ যোগ ষ্ণিক। এখানে বর্ষ শব্দের সঙ্গে কালবাচক বা সম্বন্ধ অর্থে ষ্ণিক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বার্ষিক শব্দটি গঠিত হয়েছে। - প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় শব্দের আদি স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটে থাকে, যাকে ব্যাকরণের ভাষায় গুণ বা বৃদ্ধি বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়মানুযায়ী বিশেষ্য পদের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যখন বিশেষণ পদ গঠিত হয়, তখন অনেক সময় শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন হয়। বর্ষ শব্দের ব-এর অধস্থিত অর্-এর প্রভাবে ষ্ণিক প্রত্যয় যোগে বার্ষিক গঠিত হয়। - এখানে ষ্ণিক প্রত্যয়ের 'ষ্ণ' এবং 'ক' ইৎ বা লুপ্ত হয় এবং মূল অংশ হিসেবে 'ইক' যুক্ত থাকে, যা শব্দের শেষে ধ্বনিগত পরিবর্তন সাধন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বর্ষ যোগ ষ্ণিক = বার্ষিক ব্যাখ্যা: এটি কালবাচক অর্থে ব্যবহৃত একটি সাধারণ শব্দ যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। উদাহরণ ২: পক্ষ যোগ ষ্ণিক = পাখিক ব্যাখ্যা: একই প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দের আদি স্বর পরিবর্তনের আরেকটি চমৎকার উদাহরণ এটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্ষ + ষ্ণিক — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং ব্যাকরণসম্মত নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। B) বর্ষা + ষ্ণিক — বর্ষা শব্দটির সঙ্গে এই নিয়মে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বার্ষিক গঠিত হয় না, তাই এটি ভুল। C) বরষ + ইক — বরষ হলো বর্ষ শব্দের পরিবর্তিত বা তদ্ভব রূপ, যার সঙ্গে সরাসরি এই প্রত্যয় যুক্ত হয় না। D) ব + ষ্ণিক — ব কোনো অর্থপূর্ণ প্রাতিপদিক বা শব্দমূল নয়, তাই এর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বার্ষিক শব্দ দেখলে মূল শব্দ হিসেবে বর্ষ এবং প্রত্যয় হিসেবে ষ্ণিক নির্ধারণ করবে। আদি স্বরের পরিবর্তন মনে রাখলে এই ধরনের প্রত্যয় নির্ণয় করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন বা বৃদ্ধি সংক্রান্ত নিয়মগুলো খুব ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
9. 'রাজমিস্ত্রী' শব্দের ব্যাসবাক্য-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মিস্ত্রীর রাজা ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দটি একটি বিশেষ নিয়মে সাধিত তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যেখানে সাধারণ নিয়মের বিপরীত অর্থ প্রকাশ পায়। - মিস্ত্রীদের মধ্যে যিনি শ্রেষ্ঠ বা প্রধান, তাকে বোঝাতে এই ব্যাসবাক্য ব্যবহার করা হয় এবং ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি ষষ্টি তৎপুরুষ সমাস। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের ষষ্টি বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায়, তাকে ষষ্টি তৎপুরুষ সমাস বলে। - এই বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হিসেবে ব্যাসবাক্যের পদ দুটি স্থান পরিবর্তন করে সমস্তপদ গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজ্য ব্যাখ্যা: রাজাদের যজ্ঞ বোঝাতে এই সমাসের নিয়ম অনুযায়ী সমস্তপদ রাজ্য হয়। উদাহরণ ২: দেশান্তর ব্যাখ্যা: অন্য দেশ বোঝাতে এই সমাসের রূপান্তর ঘটে এবং এটি কর্মধারয় সমাসের নিয়ম অনুসরণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজার মিস্ত্রী — এটি স্বাভাবিক নিয়ম হলেও প্রশ্নে চাওয়া অর্থের সঙ্গে ব্যাকরণগতভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) রাজ যে মিস্ত্রী — এটি কর্মধারয় সমাসের ব্যাসবাক্য যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) মিস্ত্রী যার রাজা — এটি বহুব্রীহি সমাসের ব্যাসবাক্য গঠনের কাঠামো যা এখানে সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শ্রেষ্ঠত্ব বোঝাতে যখন কোনো পেশা বা জাতির নামের সঙ্গে রাজা যুক্ত হয়, তখন ব্যাসবাক্য লেখার সময় পদের ক্রম উল্টে দিতে হয়। - রাজমিস্ত্রী শব্দের ক্ষেত্রে মিস্ত্রী শব্দটিকে প্রথমে এনে মিস্ত্রীর রাজা লিখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যতিক্রমী সমাস প্রায়ই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। - তাই সমস্তপদ ও ব্যাসবাক্যের পদের অবস্থান ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে।
12. 'নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?' উক্তিটি করেছেন
Created 3 weeks ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারতচন্দ্র রায় ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত প্রবাদতুল্য উক্তিটি অষ্টাদশ শতাব্দীর বিশিষ্ট কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণপাকরের অন্নদামঙ্গল কাব্যের বিদ্যাসুন্দর উপাখ্যান অংশের অন্তর্ভুক্ত। - এর অর্থ হলো বড় কোনো বিপদ বা দুর্যোগ ঘটলে সাধারণ বা ছোটরাও তার দায় থেকে রক্ষা পায় না এবং এর প্রভাব সবার ওপর পড়ে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভারতচন্দ্র রায় অষ্টাদশ শতকের মধ্যযুগের শেষভাগের কবি এবং তিনি নদীয়া জেলার পেড়ো বা ভুরসুট গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। - মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের সভাকবি হিসেবে তিনি রায়গুণাকর উপাধিতে ভূষিত হন এবং তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি অন্নদামঙ্গল কাব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘর পোড়ার গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পায়। ব্যাখ্যা: আগের কোনো বড় বিপদের অভিজ্ঞতা থাকলে মানুষ পরবর্তী সময়ে যেকোনো সাধারণ বিষয়কেও বিপদজনক মনে করে। উদাহরণ ২: সরোবরের জল শুকোলে পদ্মফুলেরও অস্তিত্ব বিপন্ন হয়। ব্যাখ্যা: প্রধান বা বড় কোনো অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার ওপর নির্ভরশীল ছোটরাও ধ্বংস হয়ে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — তিনি ষোড়শ শতকের মধ্যযুগের কবি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্য চণ্ডীমঙ্গল, যেখানে এই উক্তিটি পাওয়া যায় না। B) ভারতচন্দ্র রায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। C) চণ্ডীদাস — তিনি পদাবলী সাহিত্যের আদি যুগের কবি এবং শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বা পদাবলীতে এই উদ্ধৃতিটি নেই। D) বড়ু চণ্ডীদাস — তিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা এবং এই প্রবাদতুল্য উক্তিটি তাঁর কাব্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ভারতের দেবালয়ে নগর পুড়লে কেমন হয় তা মনে রাখলে ভারতচন্দ্র রায়ের এই বিখ্যাত প্রবাদমূলক উক্তিটি সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের কবি ভারতচন্দ্র রায়ের অন্নদামঙ্গল কাব্য এবং এর বিভিন্ন চরিত্র বা পঙ্‌ক্তি সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
13. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার রচিত কোন নাটকটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেন
Created 3 weeks ago | Updated 36 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বসন্ত ১. কেন সঠিক: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার বসন্ত নাটকটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন। - বসন্ত নাটকের নিবেদনে নজরুলের প্রতি রবীন্দ্রনাথের গভীর স্নেহ ও শ্রদ্ধার প্রকাশ ঘটেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বসন্ত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিশেষ ঋতুনাট্য যা প্রকৃতি ও যৌবনের জয়গানে মুখরিত। - এই নাটকটি প্রকাশের পর রবীন্দ্রনাথ এটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করে বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রক্তকরবী নাটক। ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রতীকধর্মী নাটক যেখানে যান্ত্রিক সভ্যতার বিরুদ্ধে মানবজীবনের জয়গান গাওয়া হয়েছে। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটি নজরুল বিপ্লব ও দ্রোহের বাণী প্রচারের জন্য বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিসর্জন — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ঐতিহাসিক ও ট্র্যাজিক নাটক যা রাজা গোবিন্দমাণিক্যের প্রেক্ষাপটে রচিত এবং এটি নজরুলকে উৎসর্গ করা হয়নি। B) ডাকঘর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রতীকধর্মী নাটক যা অমল চরিত্রের আত্মিক মুক্তির কথা বলে এবং এটি নজরুলকে উৎসর্গ করা হয়নি। C) বসন্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ রবীন্দ্রনাথ এই নাটকটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন। D) অচলায়তন — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রূপকধর্মী নাটক যা অন্ধ সংস্কার ও গোঁড়ামির বিরুদ্ধে রচিত এবং এটি নজরুলকে উৎসর্গ করা হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের ঋতুভিত্তিক নাটক বসন্ত এবং নজরুলের বিদ্রোহী সত্তা মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে বসন্ত নাটকটি নজরুলকে দেওয়া হয়েছিল। - রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের সাহিত্যিক সম্পর্কের কথা মনে রাখলে এই প্রশ্নটি সহজে সমাধান করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন সাহিত্যিক কাকে বই বা নাটক উৎসর্গ করেছেন তা জানতে চাওয়া হয়। - রবীন্দ্রনাথের নাটকগুলোর নাম এবং তাদের মূল বার্তাগুলো ভালোভাবে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
14. 'পঞ্চপাণ্ডব' বলা হয়-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তিরিশের কবিদের ১. কেন সঠিক: বাংলা কবিতায় আধুনিকতার সূচনা করা পাঁচজন প্রথিতযশা কবিকে একত্রে 'পঞ্চপাণ্ডব' বলা হয়। এই পাঁচ কবি হলেন বুদ্ধদেব বসু, বিষ্ণু দে, জীবনানন্দ দাশ, অমিয় চক্রবর্তী ও সুধীন্দ্রনাথ দত্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: তিরিশের দশক ছিল বাংলা কবিতার ইতিহাসে আধুনিকতার স্বর্ণযুগ। এই কবিরা ইউরোপীয় আধুনিকতা ও প্রতীকবাদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বাংলা কবিতায় নতুন মাত্রা যোগ করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জীবনানন্দ দাশ ব্যাখ্যা: তিনি তিরিশের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি যিনি রূপসী বাংলার রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন। উদাহরণ ২: বুদ্ধদেব বসু ব্যাখ্যা: তিনি আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রবক্তা এবং কবিতা পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিরিশের কবিদের — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই পাঁচ কবি তিরিশের দশকের আধুনিকতার প্রতিনিধি। B) চল্লিশের কবিদের — চল্লিশের দশকে রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকটের কবিরা আবির্ভূত হয়েছিলেন, এদের পঞ্চপাণ্ডব বলা হয় না। C) রবীন্দ্রযুগের কবিদের — রবীন্দ্রযুগের কবিরা মূলত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন এবং তাদের পরিধি ভিন্ন। D) পঞ্চাশের কবিদের — পঞ্চাশের দশকের কবি যেমন শামসুর রাহমান ও আল মাহমুদ ভিন্ন ধারার আধুনিকতার প্রতিনিধিত্ব করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: পঞ্চপাণ্ডব মানে মহাভারতের পাঁচ ভাইয়ের মতো বাংলা কবিতার পাঁচ আধুনিক দিকপাল। কবিদের নাম মনে রাখার সহজ সূত্র হলো বু-বি-জি-অ-সু অর্থাৎ বুদ্ধদেব, বিষ্ণু, জীবনানন্দ, অমিয় ও সুধীন্দ্রনাথ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তিরিশের পাঁচ কবির নাম বা পঞ্চপাণ্ডব সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। মনে রাখতে হবে তিরিশের কবিরা রবীন্দ্রপ্রভাব থেকে বেরিয়ে স্বতন্ত্র কাব্যধারা সৃষ্টি করেছিলেন।
17. ‘ক্ষ’ যুক্তবর্ণটির মধ্যে রয়েছে -
Created 3 weeks ago | Updated 11 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ষ্ + ণ ১. কেন সঠিক: যুক্তবর্ণটি হলো ক্ষ, যা মূলত মূর্ধন্য ষ এবং মূর্ধন্য ণ এর সমন্বয়ে গঠিত। বাংলা বর্ণমালায় কিছু যুক্তবর্ণ তাদের গঠনগত রূপের চেয়ে ভিন্ন বর্ণের সংযোগে তৈরি হয়, যার মধ্যে এটি অন্যতম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে যুক্তবর্ণ বিশ্লেষণ একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যেখানে ধ্বনি ও বর্ণের রূপভেদ শেখানো হয়। এই যুক্তবর্ণটিতে প্রথমে হসন্তযুক্ত মূর্ধন্য ষ ধ্বনি এবং পরে মূর্ধন্য ণ ধ্বনি যুক্ত হয়ে প্রমিত রূপ লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উষ্ণ ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে ষ এবং ণ এর যুক্তরূপ ব্যবহৃত হয়েছে যা মূল নিয়মের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। উদাহরণ ২: কৃষ্ণ ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও একই নিয়মে মূর্ধন্য ষ এর সঙ্গে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়ে প্রমিত বানান গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষ + অ — এটি কোনো যুক্তবর্ণ নয় বরং একটি ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণের যুক্তরূপ। B) ষ + ন — এটি এই নির্দিষ্ট যুক্তবর্ণের সঠিক উপাদান নয় কারণ এখানে দন্ত্য ন ব্যবহৃত হয় না। C) অ + ষ — এটি বর্ণমালার সঠিক সংযোগ বা যুক্তবর্ণের গঠনের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। D) ষ্ + ণ — এটি সঠিক কারণ এই যুক্তবর্ণটি মূর্ধন্য ষ এবং মূর্ধন্য ণ এর সংযোগে তৈরি হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ক্ষ যুক্তবর্ণটি দেখলেই মনে রাখবে এটি ক এবং ষ নয়, বরং এটি বিশেষ ক্ষেত্রে ষ এবং ণ এর যোগফল। পরীক্ষায় ভুল এড়াতে মূর্ধন্য ষ এবং মূর্ধন্য ণ এর এই ব্যতিক্রমী সংযোগটি ভালোভাবে চর্চা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ব্যতিক্রমী যুক্তবর্ণের সঠিক বিশ্লেষণ জানতে চাওয়া হয়। যুক্তবর্ণের ক্ষেত্রে হসন্তযুক্ত প্রথম বর্ণ এবং পরের বর্ণ কোনটি তা নিখুঁতভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
19. কোন বানানটি অশুদ্ধ
Created 3 weeks ago | Updated 27 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তিরষ্কার ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে তিরষ্কার শব্দটি অশুদ্ধ কারণ এর শুদ্ধ রূপ হলো তিরস্কার। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী বিসর্গ সন্ধির নিয়মে শব্দের শেষে থাকা বিসর্গ ক বা প এর পূর্বে থাকলে বিসর্গের পর স বসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অ বা আ ধ্বনির পর বিসর্গ এবং তার পরে ক, খ, প বা ফ থাকলে বিসর্গের স্থানে স হয়। - এই নিয়মের কারণে আঃ যোগ কার সমান আবিষ্কার, পরিঃ যোগ কার সমান পরিষ্কার এবং পুরঃ যোগ কার সমান পুরস্কার হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নমস্কার ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির নিয়মে নমঃ যোগ কার সমান নমস্কার হয় যেখানে ক এর পূর্বে স বসেছে। উদাহরণ ২: ভস্মস্কার ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও একই নিয়মে বিসর্গের পরে ক আসার কারণে স যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবিষ্কার — এটি একটি শুদ্ধ বানান যা বিসর্গ সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে। B) পরিষ্কার — এটি একটি শুদ্ধ বানান যা প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক। C) তিরষ্কার — এটি একটি অশুদ্ধ বানান কারণ এর সঠিক রূপটি হলো তিরস্কার। D) পুরস্কার — এটি একটি শুদ্ধ বানান যা বিসর্গ সন্ধির নিয়ম মেনে লেখা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - আবি, পরি এবং পুর শব্দের পরে কার থাকলে মূর্ধন্য ষ হয় না বরং দন্ত স হয়। - তির শব্দের পরেও কার যুক্ত হলে দন্ত স বসবে কিন্তু বিসর্গ লোপ পাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধির এই নিয়মটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - আবিষ্কার, পরিষ্কার ও পুরস্কার বানানে মূর্ধন্য ষ না লিখে দন্ত স লিখতে হয়।
20. মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বন্দী শিবির থেকে ১. কেন সঠিক: - 'বন্দী শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থটি সরাসরি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। - কবি শামসুর রাহমান ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের অবরুদ্ধ ঢাকায় অবস্থানকালে পরাধীনতার যন্ত্রণা, প্রতিবাদ এবং মুক্তির আকুলতা এই কাব্যে তুলে ধরেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই কাব্যগ্রন্থটির রচিয়তা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমান। - ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম নির্যাতন ও বাঙালির সশস্ত্র প্রতিরোধ এই কাব্যের প্রধান আলোচ্য বিষয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মৃতি মাত্র একাত্তর ব্যাখ্যা: এটিও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম, যা যুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে। উদাহরণ ২: নিষিদ্ধ প্রদীপ্ত পদাবলী ব্যাখ্যা: এই সাহিত্যকর্মেও মুক্তিযুদ্ধের সময়কার অবরুদ্ধ পরিবেশ ও সংগ্রামের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বন্দী শিবির থেকে — এটি সঠিক উত্তর। B) নেকড়ে অরণ্য — এটি শহীদুল জহিরের একটি উপন্যাস, যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। C) জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা — এটি শহীদুল জহিরের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। D) প্রিয়যোদ্ধা প্রিয়তম — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কোনো প্রমিত কাব্যগ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শামসুর রাহমান অবরুদ্ধ ঢাকায় বন্দী থেকেও কলমের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন করেছিলেন। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে ঢাকার 'বন্দী শিবির থেকে' কবি শামসুর রাহমান স্বাধীনতার কবিতা লিখেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই আসে। - শামসুর রাহমানের 'বন্দী শিবির থেকে' এবং 'উদ্ভিন্ন উল্লাস' উভয়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
21. মীর মশাররফ হোসেনের 'মোসলেম বীরত্ব' কোন ধরনের গ্রন্থ?
Created 3 weeks ago | Updated 53 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাব্যগ্রন্থ ১. কেন সঠিক: - মীর মশাররফ হোসেনের 'মোসলেম বীরত্ব' একটি ঐতিহাসিক ও বীরত্বগাথা কাব্যামূলক রচনা, যা বাংলা সাহিত্যে কাব্যগ্রন্থ হিসেবে পরিচিত। - মুসলমান বীরদের গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্য কাব্যের ছন্দে ফুটিয়ে তোলার জন্যই তিনি এটি রচনা করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মীর মশাররফ হোসেন বাংলা গদ্য ও উপন্যাসের ক্ষেত্রে অত্যন্ত প্রথিতযশা হলেও তিনি কবিতা ও কাব্যগ্রন্থও রচনা করেছেন। - বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের রচয়িতা হিসেবে তিনি সর্বাধিক পরিচিত হলেও তাঁর সাহিত্যিক পরিধি নাটক, প্রবন্ধ ও কাব্যেও বিস্তৃত ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মীর মশাররফ হোসেন রচিত 'বিষাদ সিন্ধু' ব্যাখ্যা: এটি তাঁর অমর সৃষ্টি এবং একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস, যা কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত। উদাহরণ ২: মীর মশাররফ হোসেন রচিত 'জমির চাষ' ব্যাখ্যা: এটি তাঁর একটি মননশীল ও কৃষিউপযোগী রচনা, যা প্রবন্ধ বা উপদেশমূলক সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — মোসলেম বীরত্ব কোনো গদ্যধর্মী দীর্ঘ কথাসাহিত্য বা উপন্যাস নয়, এটি মূলত পদ্য বা কাব্যাংশ। C) প্রবন্ধ — এটি কোনো তত্ত্বমূলক বা সমালোচনামূলক গবেষণাধর্মী প্রবন্ধ গ্রন্থ নয়। D) নাটক — মীর মশাররফ হোসেন 'জমীদার দর্পণ' বা 'বেহুলা গীতাভিনয়' এর মতো নাটক লিখলেও 'মোসলেম বীরত্ব' নাটক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত উপন্যাস বিষাদ সিন্ধু আর কাব্যগ্রন্থ মোসলেম বীরত্ব—এভাবে আলাদা করে মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মীর মশাররফ হোসেনের উপন্যাস ও নাটকের পাশাপাশি তাঁর কাব্যগ্রন্থ থেকেও প্রশ্ন আসে।
22. 'ডেঙ্গু' শব্দের উৎস ভাষা-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্প্যানিশ ১. কেন সঠিক: 'ডেঙ্গু' শব্দটি স্প্যানিশ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। স্প্যানিশ শব্দ 'ডেঙ্গু' (Dengue) মূলত কোনো অসুস্থতাকে বোঝাতে প্রথমে ব্যবহার করা হয়নি, বরং এটি একটি নির্দিষ্ট আচরণ বা ভঙ্গি বোঝাতে ব্যবহৃত হতো। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দের উৎস বা শব্দার্থ বিষয়ক একটি ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ। ডেঙ্গু একটি বিদেশি শব্দ যা বাংলা ভাষা তার নিজস্ব শব্দভান্ডারে গ্রহণ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হারিকেন ব্যাখ্যা: এটি একটি ইংরেজি শব্দ যা বাংলায় বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: আলপিন ব্যাখ্যা: এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ যা বাংলা ভাষায় বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্প্যানিশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডেঙ্গু শব্দটি স্প্যানিশ ভাষা থেকে এসেছে। B) ইংরেজি — ইংরেজি ভাষা থেকে অনেক শব্দ বাংলায় আসলেও ডেঙ্গু ইংরেজি শব্দ নয়। C) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে বেশ কিছু শব্দ বাংলায় এসেছে তবে ডেঙ্গু তাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। D) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে কিছু প্রশাসনিক ও সামরিক শব্দ বাংলায় আসলেও এটি তুর্কি শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ডেঙ্গু একটি জ্বর এবং জ্বর হলে মানুষ দুর্বল হয়ে পড়ে। স্প্যানিশ ভাষায় ডেঙ্গু শব্দের অর্থ লম্ফঝম্ফ বা খামখেয়ালি চালচলন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস প্রায়ই আসে। বিভিন্ন ভাষা যেমন আরবি, ফারসি, পর্তুগিজ ও ইংরেজি থেকে আসা প্রচলিত শব্দগুলো ভালো করে পড়তে হবে।
23. 'রাজা যায় রাজা আসে' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা -
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আবুল হাসান ১. কেন সঠিক: 'রাজা যায় রাজা আসে' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রথিতযশা কবি আবুল হাসান। এটি তাঁর অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা কবিতায় বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি আবুল হাসান ছিলেন বাংলা আধুনিক কবিতার তিরিশোত্তর ধারার পরবর্তী প্রজন্মের একজন শক্তিমান কবি। তাঁর প্রকৃত নাম আবুল হোসেন মিয়া হলেও তিনি সাহিত্যজগতে আবুল হাসান নামেই সমধিক পরিচিত ও বিখ্যাত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'রাজা যায় রাজা আসে' (কাব্যগ্রন্থ) ব্যাখ্যা: এটি কবি আবুল হাসানের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং এর জন্য তিনি বাংলা সাহিত্যের পাঠকমহলে স্থায়ী আসন লাভ করেন। উদাহরণ ২: 'selectedValue' বা অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ যেমন 'যে তুমি হরণ করো' ব্যাখ্যা: এটিও কবি আবুল হাসানের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর কাব্যপ্রতিভার পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল হোসেন — ইনি প্রখ্যাত কবি ও প্রাবন্ধিক হলেও 'রাজা যায় রাজা আসে' তাঁর কাব্যগ্রন্থ নয়। B) আবুল হাসান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁরই রচিত। C) আবুল ফজল — ইনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবী হলেও তিনি এই কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন। D) শামসুর রাহমান — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার প্রধান কবি হলেও আলোচ্য কাব্যগ্রন্থটি তাঁর রচিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: 'রাজা যায় রাজা আসে' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা মনে রাখতে হাসান নামের শক্তিমান কবির কথা স্মরণ করতে হবে। হাসান রাজার মতো বড় কবি যিনি দ্রুত চলে গেছেন কিন্তু তাঁর কবিতা অমর হয়ে আছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি আবুল হাসানের প্রথম কাব্যগ্রন্থ হিসেবে 'রাজা যায় রাজা আসে' বারবার আসে। কবি আবুল হাসান ১৯৭২ সালে এই কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশ করেন এবং তিনি রূপালীর জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
24. চর্যাপদে কতজন কবির পদ রয়েছে?
Created 3 weeks ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৩ জন ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্য নিদর্শন। এটিতে মোট ২৪ জন পদকর্তা বা কবির নাম পাওয়া গেলেও ডক্টর সুকুমার সেনের মতে কবির সংখ্যা ২৩ জন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাচর্যবিনিশ্চয় নামে পুথি আবিষ্কার করেন। চর্যাপদের পদগুলোর রচনাকাল আনুমানিক দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী এবং এর ভাষা ছিল প্রাকৃত ও বাংলা ভাষার সান্ধ্যকালীন রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভুসুকুপা ব্যাখ্যা: চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচয়িতাদের মধ্যে ভুসুকুপা অন্যতম, যিনি মোট আটটি পদ রচনা করেছিলেন। উদাহরণ ২: কাহ্নপা ব্যাখ্যা: চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক পদ রচনা করেছেন কাহ্নপা, যার পদের সংখ্যা তেরোটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২১ জন — এটি চর্যাপদের ভুল কবির সংখ্যা, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। B) ২২ জন — এটিও ঐতিহাসিক তথ্যের সাথে মিলেনি, তাই এই অপশনটি ভুল। C) ২৩ জন — এটি সঠিক কবির সংখ্যা যা ডক্টর সুকুমার সেনের মতে গ্রহণযোগ্য। D) ২৫ জন — এটি চর্যাপদের কবির সংখ্যার সঠিক হিসাব নয়, তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: চর্যাপদের কবি সংখ্যা মনে রাখতে সুকুমার সেনের মতামত এবং মোট ২৪ জনের মধ্যে কাহ্নপা ও ভুসুকুপার পদ সংখ্যা মাথায় রাখবে। কবিদের নামের শেষে পা যুক্ত থাকে, যা দেখে চর্যাপদের কবিদের সহজেই চেনা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চর্যাপদের মোট পদ, কবির সংখ্যা এবং আবিষ্কারক সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
25. 'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়' - চরণটির রচয়িতা -
Created 3 weeks ago | Updated 39 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়, কে বাঁচিতে চায়' চরণটি কবি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত 'পদ্মাবতী' কাব্য বা তাঁর ঐতিহাসিক কবিতা 'পদ্মাবতী'র অন্তর্গত নয়, বরং এটি তাঁর বিখ্যাত 'পদ্মাবতী' নাটকের উৎসর্গপত্রে বা তাঁর প্রথম সার্থক কাব্যগ্রন্থ 'পদ্মাবতী' প্রকাশের পূর্বে রচিত বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি নয়, এটি তাঁর 'পদ্মাবতী' কাব্যগ্রন্থের নয় বরং তাঁর প্রথম কাব্য 'পদ্মাবতী' (১৮৫৮) উৎসর্গপত্রে বা তাঁর 'পদ্মাবতী' নাটকের জন্য নয়, বরং এটি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'পদ্মাবতী'র প্রণেতা রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি কালজয়ী পঙ্‌ক্তি যা মূলত পরাধীনতার গ্লানি থেকে মুক্তির আকুলতা প্রকাশ করে। - এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তিটির সম্পূর্ণ রূপ হলো 'স্বাধীনতা-হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে, কে বাঁচিতে চায়? দাসত্বশৃঙ্খল বল কে পরিবে পায়?' যা বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন ও চেতনায় দারুণভাবে প্রেরণা জুগিয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯ শতকের বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক যিনি মূলত ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের শিষ্য বা প্রভাবে সাহিত্য সাধনা শুরু করেছিলেন এবং বাংলা কবিতায় দেশপ্রেমের প্রথম বার্তা নিয়ে এসেছিলেন। - তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো 'পদ্মাবতী' (১৮৫৮), 'কর্মদেবী' (১৮৬২), 'শূরসেনী' (১৮২২ নয়, ১৮৬৮ হবে) এবং 'কাঞ্চীপুরাণ' (১৯৭৯ নয়, ১৮৭৯), যা মধ্যযুগের বীরত্বগাথা ও দেশপ্রেমের ভাবনায় সমৃদ্ধ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'স্বাধীনতাহীনতা কে বাঁচিতে চায়' চরণটির মূল উৎস রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মাবতী কাব্য। ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের সূচনাতেই কবি পরাধীন জাতির করুণ অবস্থার চিত্র এঁকেছেন এবং স্বাধীনতার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। উদাহরণ ২: কবি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেশপ্রেমমূলক কবিতা। ব্যাখ্যা: তাঁর কাব্যে দেশপ্রেম ও পরাধীনতার বিরুদ্ধে দ্রোহের সুর স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে যা বাংলা সাহিত্যে নবজাগরণ এনেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — তিনি যুগসন্ধিকালের কবি ও সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক হলেও এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা নন। B) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি দেশপ্রেমের কবিতা লিখলেও 'বৃত্রসংহার' তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য, আলোচ্য পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা তিনি নন। C) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনিই এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তিটি রচনা করেছেন। D) মধুসূদন দত্ত — তিনি মহাকবি ও মেঘনাদবধ কাব্যের রচয়িতা হলেও এই নির্দিষ্ট পঙ্‌ক্তিটির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্বাধীনতা হীনতার কথা মনে এলেই মনে রাখবে রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম কারণ তিনি প্রথম বাংলা সাহিত্যে স্বাধীনতার জয়গান গেয়েছেন। - রঙ্গলাল মানেই মনে রাখবে পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার গান এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্য পদ্মাবতী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই চরণটি প্রায়ই আসে এবং এর রচয়িতা হিসেবে রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম বহুবার বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষায় এসেছে। - একই নিয়মে বিভিন্ন কবির বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি ও তার উৎস ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে যেন পরীক্ষক যতই ঘুরিয়ে প্রশ্ন করুন না কেন উত্তর দিতে পারো।

মোট প্রশ্ন (26)

1. “A way of speaking or writing that makes something sound better or more exciting than it really is.”- this can be the best definition of-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Hyperbole কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে বলা হয়েছে এমন কথা বা লেখার ভঙ্গি যা বাস্তব অবস্থার চেয়ে কোনো কিছুকে অনেক বেশি ভালো বা রোমাঞ্চকর করে প্রকাশ করে। এটি মূলত অতিরঞ্জিত করে কিছু বলার সাহিত্যিক কৌশল, যা ইংরেজিতে হাইপারবোল নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Oxymoron — এটি এমন একটি অলংকার যেখানে পাশাপাশি দুটি পরস্পরবিরোধী শব্দ ব্যবহার করা হয়। B) Synecdoche — এটি এমন একটি অলংকার যেখানে কোনো সম্পূর্ণ বস্তুকে বোঝাতে তার একটি অংশ বা অংশকে বোঝাতে সম্পূর্ণ অংশ ব্যবহার করা হয়। C) Sarcasm — এটি এমন একটি ব্যঙ্গাত্মক বা কটূক্তিমূলক প্রকাশ যা সাধারণত কাউকে আঘাত করার জন্য বা উপহাস করার জন্য ব্যবহার করা হয়। D) Hyperbole — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: হাইপারবোল শব্দটির অর্থ অতিরঞ্জন, তাই কোনো কিছুকে বাড়িয়ে বললে তা সবসময় Hyperbole হবে।
2. A concrete noun is not the name of an object that can be-
Created 3 weeks ago | Updated 37 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) felt কেন সঠিক: - কনক্রিট নাউন বা বস্তুবাচক বিশেষ্য হলো এমন কিছুর নাম যা আমাদের পঞ্চেন্দ্রিয়ের সাহায্যে উপলব্ধি করা যায়। - স্বাদ গ্রহণ করা, দেখা এবং স্পর্শ করা শারীরিক ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য হলেও অনুভূতি বা felt শারীরিক ইন্দ্রিয়ের সাথে সরাসরি যুক্ত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) felt — এটি সঠিক উত্তর কারণ অমূর্ত বা বিমূর্ত ধারণার ক্ষেত্রে ফিলিংস বা অনুভূতি আসে, যা কনক্রিট নাউনের আওতাভুক্ত নয়। B) tasted — এটি ভুল কারণ স্বাদ নেওয়া যায় এমন বস্তু বা খাবার কনক্রিট নাউনের অন্তর্ভুক্ত। C) seen — এটি ভুল কারণ দেখা যায় এমন যেকোনো দৃশ্যমান বস্তু বা প্রাণী কনক্রিট নাউন। D) touched — এটি ভুল কারণ স্পর্শ করা যায় এমন বস্তুগত অস্তিত্ব কনক্রিট নাউনের অংশ। মনে রাখার টিপস: কনক্রিট নাউন চেনার সহজ উপায় হলো যা দেখা, ছোঁয়া, শোনা, ঘ্রাণ নেওয়া বা স্বাদ নেওয়া যায়, সেটাই কনক্রিট নাউন।
3. Which of the following verbs changes is base form in past and past participle forms?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Breed কেন সঠিক: Breed ভারบটির পাস্ট এবং পাস্ট পার্টিসিপল রূপ হলো Bred। এখানে বানান ও উচ্চারণ দুটিই মূল রূপ থেকে পরিবর্তিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Read — Read ভারบটির পাস্ট ও পাস্ট পার্টিসিপল রূপ বানান একই থাকে যদিও উচ্চারণ পরিবর্তিত হয়। B) Breed — এটি সঠিক উত্তর। C) Spread — Spread ভারบটির প্রেজেন্ট, পাস্ট ও পাস্ট পার্টিসিপল তিনটি রূপই সম্পূর্ণ এক থাকে। D) Hurt — Hurt ভারบটির ক্ষেত্রেও তিনটি রূপের কোনো পরিবর্তন হয় না। মনে রাখার টিপস: যেসব ভারบ এর শেষে d বা t থাকে, তাদের কিছু শব্দে রূপ পরিবর্তন হয় না, কিন্তু Breed এর ক্ষেত্রে দীর্ঘ স্বরধ্বনি ছোট হয়ে Bred হয়।
4. Intellectual montage is a/an....
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Film editing technique that juxtaposes contrasting images কেন সঠিক: ১. এই পদ্ধতিটি চলচ্চিত্রে ভিন্নধর্মী ও বিপরীতধর্মী দৃশ্য পাশাপাশি রেখে দর্শকের মনে নতুন অর্থ তৈরি করে। বিখ্যাত রুশ পরিচালক সের্গেই আইজেনস্টাইন এই ধারার প্রবক্তা ছিলেন। ২. এটি সাধারণ দৃশ্য সংযোগের চেয়ে অনেক বেশি বৌদ্ধিক ও তাত্ত্বিক ভাবনা প্রকাশ করে। ৩. এটি চলচ্চিত্রের একটি আধুনিক ও সৃজনশীল সম্পাদনা কৌশল হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mental condition — এটি কোনো মানসিক অবস্থা নয় বরং একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের কারিগরি কৌশল। B) Film editing technique that juxtaposes contrasting images — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) Philosophical terminology — এটি শুধুমাত্র দর্শনের পরিভাষা নয়, মূলতো চলচ্চিত্র শিল্পের একটি বিশেষ কৌশল। D) Alternative term for a flashback — এটি ফ্ল্যাশব্যাক বা অতীতের স্মৃতিচারণ বোঝায় না, বরং ভিন্ন দৃশ্যের সাংঘর্ষিক উপস্থাপন। মনে রাখার টিপস: মন্টেজ শব্দটি সিনেমার সাথে জড়িত, তাই আইজেনস্টাইনের নাম এবং বিপরীত দৃশ্যের মিলন মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে।
5. Change into indirect speech: "Are you alone, my son?" asked a soft voice close behind me.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Addressing me as his son a soft voice asked if I was alone কেন সঠিক: রিপোর্টেড স্পিচে কাউকে সম্বোধন করা বুঝালে ইনডাইরেক্ট করার সময় Addressing as ব্যবহার করে শুরু করতে হয়। প্রশ্নবোধক বাক্য হওয়ায় রিপোর্টিং ভারబ్ হিসেবে asked ব্যবহার করা হয়েছে এবং if যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) What I was doing these alone was asked by a voice — এই অপশনে বাক্যের অর্থ এবং মূল গঠন সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়ে গেছে। B) Addressing me as his son a soft voice asked if I was alone — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) A soft voice told me as his son and asked me if I was alone. — এখানে told এর সাথে as ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) A soft voice from my behind asked me if I was alone — এই অপশনে সম্বোধনের অংশটুকু বাদ দেওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: নিরেট বা সরাসরি সম্বোধন (যেমন my son) থাকলে ইনডাইরেক্ট করার সময় sentence এর শুরুতে Addressing as দিয়ে শুরু করতে হয়।
6. Complete the sentence: “If I had much money, I _____
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) would build an orphanage কেন সঠিক: - এটি Second Conditional-এর নিয়ম অনুযায়ী গঠিত, যেখানে If-যুক্ত clause-এ Past Indefinite Tense (had) থাকলে প্রধান clause-এ Subject-এর পর would/could/might বসে এবং verb-এর base form হয়। - প্রদত্ত বাক্যে 'had' verb-টির Past Form হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, তাই পরবর্তী অংশে 'would build' সঠিক গঠন নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would build an orphanage — এটি সঠিক কারণ এটি Second Conditional-এর নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। B) would have built an orphanage — এটি ভুল কারণ এটি Third Conditional-এর গঠন (had + V3), যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) might have built an orphanage — এটি ভুল কারণ সম্ভাবনা প্রকাশ করলেও Past Perfect Tense-এর ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। D) should have built an orphanage — এটি ভুল কারণ এটি অতীতে কোনো কাজ করা উচিত ছিল এমন বাধ্যবাধকতা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: If + Past Indefinite থাকলে প্রধান clause-এ would + verb-এর base form হয়।
7. “She enjoyed herself immensely at the party.” Which of the following options is the closet to the above sentence?
Created 3 weeks ago | Updated 47 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) She had a terrific time at the party. কেন সঠিক: মূল বাক্যে enjoyed herself immensely দ্বারা পার্টিতে প্রচণ্ড আনন্দ পাওয়ার কথা বোঝানো হয়েছে। অপশন এ তে থাকা terrific শব্দটির অর্থ চমৎকার বা দুর্দান্ত, যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She had a terrific time at the party — এটি সঠিক উত্তর। B) She had a terrible time at the party — terrible শব্দটির অর্থ ভয়ানক বা খারাপ, যা উপভোগ করার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) She had a horrible time at the party — horrible শব্দটির অর্থও অত্যন্ত খারাপ বা বিরক্তিকর, যা বাক্যের মূল ভাবের সাথে মিলে না। D) She had a horrific time at the party — horrific শব্দটির অর্থ লোমহর্ষক বা আতঙ্কজনক, যা আনন্দ উপভোগ করার সম্পূর্ণ উল্টো বিষয়। মনে রাখার টিপস: immensely শব্দটির অর্থ খুব বেশি বা প্রচুর। তাই এর সমার্থক হিসেবে terrific বা চমৎকারবাচক শব্দ বেছে নিতে হবে।
8. All collective nouns are _____ gender.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) neuter কেন সঠিক: Collective noun হলো একদল প্রাণহীন বস্তু বা প্রাণীর সমষ্টিগত নাম। ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী সমষ্টিবাচক নামকে সর্বদা neuter gender ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) masculine — এটি কেবল পুরুষবাচক প্রাণীকে বোঝায় কিন্তু collective noun প্রাণহীন ও প্রাণী উভয় হতে পারে। B) feminine — এটি কেবল স্ত্রীবাচক প্রাণীকে বোঝায় যা সমষ্টিবাচক শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) common — এটি পুরুষ বা স্ত্রী উভয়কে বোঝায় যা দলগত শব্দের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। D) neuter — এটি সঠিক কারণ সমষ্টিবাচক শব্দ জড় পদার্থ বা দল হিসেবে বিবেচিত হয়। মনে রাখার টিপস: দল বা সমষ্টি বোঝালে এবং তা আলাদা ব্যক্তি না বুঝিয়ে একটি একক হিসেবে কাজ করলে সেটি সর্বদা neuter gender হয়।
9. Complete the following proverb: Fools rush in where-
Created 3 weeks ago | Updated 12 seconds ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) angels fear to tread কেন সঠিক: এটি একটি বিখ্যাত ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ নির্বোধেরা এমন জায়গায় দ্রুত প্রবেশ করে যেখানে বুদ্ধিমানেরা যেতে ভয় পায়। এই প্রবাদের নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত কাঠামো অনুযায়ী সঠিক শব্দগুচ্ছ হলো angels fear to tread। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an angels fears to tread — এখানে an এবং angels একসঙ্গে ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) all angels fear to tread — প্রবাদের মূল কাঠামোতে all শব্দের ব্যবহার নেই তাই এটি ভুল। C) every angel fears to tread — প্রবাদের নির্ধারিত রূপ রক্ষা করতে এটি সঠিক নয়। D) angels fear to tread — এটি প্রবাদের মূল ও সঠিক রূপ যা সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত। মনে রাখার টিপস: প্রবাদ বাক্য বা প্রভার্ব সবসময় অপরিবর্তিত থাকে তাই এগুলোর সঠিক রূপ মুখস্থ রাখা সবচেয়ে ভালো উপায়।
10. Which of the following nouns has two plural forms?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) brother কেন সঠিক: 'brother' নাউনের দুটি প্লুরাল ফর্ম আছে, যা হলো 'brothers' এবং 'brethren'। সাধারণ অর্থে ভাইবোঝাতে 'brothers' ব্যবহার করা হয় এবং ধর্মীয় বা সামাজিক ভাইবোঝাতে 'brethren' ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) father — এই নাউনটির মাত্র একটি প্লুরাল ফর্ম আছে যা হলো fathers। B) mother — এই নাউনটির মাত্র একটি প্লুরাল ফর্ম আছে যা হলো mothers। C) sister — এই নাউনটির মাত্র একটি প্লুরাল ফর্ম আছে যা হলো sisters। D) brother — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর দুটি প্লুরাল রূপ রয়েছে। মনে রাখার টিপস: পরিবারের সাধারণ ভাইবোঝাতে brothers এবং সমাজের ভাইবোঝাতে brethren মনে রাখবে।
11. Macbeth killed the king. He was arrested on the charge of-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) Regicide কেন সঠিক: এখানে Macbeth কর্তৃক king বা রাজাকে খুন করার কথা বলা হয়েছে। ইংরেজি পরিভাষায় রাজা বা রাষ্ট্রপ্রধানকে হত্যা করাকে Regicide বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) Patricide — এর অর্থ পিতৃহত্যা, যা পিতা হত্যার সাথে সম্পর্কিত কিন্তু এখানে রাজা হত্যার কথা বলা হয়েছে। খ) Regicide — এটি সঠিক কারণ রাজা বা রাজপরিবারের কাউকে হত্যা করাকে Regicide বলা হয়। গ) Fratricide — এর অর্থ ভ্রাতৃহত্যা বা ভাই হত্যা, যা এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ তিনি রাজাকে মেরেছিলেন। ঘ) Homicide — এর অর্থ যেকোনো মানুষ হত্যা, কিন্তু নির্দিষ্ট করে রাজাকে হত্যার জন্য Regicide শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: Reg শব্দের অর্থ রাজা এবং cide শব্দের অর্থ হত্যা, তাই রাজা হত্যা মানে Regicide।
12. Which of the following is a synonym of “diminutive”?
Created 3 weeks ago | Updated 8 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Petite কেন সঠিক: diminutive শব্দটির অর্থ অত্যন্ত ক্ষুদ্র বা ছোট আকৃতির কোনো কিছু। Petite শব্দটিও সাধারণত ছোট বা সুগঠিত অর্থে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Petite — এটি সঠিক উত্তর এবং diminutive শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। B) Large — এই শব্দটির অর্থ বিশাল বা বড়, যা diminutive শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) Pigmy — যদিও এটি ছোট বোঝায়, তবুও এটি মূলত উপজাতি বা পৌরাণিক বামন জাতি বোঝাতে বেশি ব্যবহৃত হয়। D) Short — এই শব্দটির অর্থ খাটো, যা সাধারণত উচ্চতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় আকৃতি বোঝাতে নয়। মনে রাখার টিপস: Diminutive শব্দটি মনে রাখতে ছোট সাইজের কোনো জিনিসের কথা ভাবলে Petite শব্দটি সহজে মনে আসবে।
13. She’s mad _____ me for being late.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) at কেন সঠিক: ১. মানুষের উপরে কোনো কারণে বিরক্ত বা রাগান্বিত হওয়া বোঝাতে mad শব্দের পরে preposition হিসেবে at বসে। ২. দেরি করার কারণে সে আমার ওপর রেগে আছে, তাই এখানে at ব্যবহার করা হয়েছে। ৩. এখানে ব্যক্তির প্রতি সরাসরি রাগ প্রকাশ করতে at সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সাধারণত কোনো কিছুর প্রতি ঝোঁক বা গন্তব্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, মানুষের ওপর রাগের ক্ষেত্রে নয়। B) towards — এটি কোনো কিছুর দিকে অগ্রসর হওয়া বা মনোভাব বোঝাতে বসে, ব্যক্তির ওপর রাগের ক্ষেত্রে বসে না। C) at — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) against — এটি সাধারণত কোনো নিয়ম বা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বিরোধিতা করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: মানুষের ওপর রাগান্বিত হওয়া বোঝাতে সবসময় mad এর পরে at ব্যবহার করবে।
14. "The green-eyed monster" means-
Created 3 weeks ago | Updated 9 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) jealousy কেন সঠিক: এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ সবুজ চোখের দানব হলেও রূপক অর্থে এটি মানুষের মনের তীব্র ঈর্ষা বা পরশ্রীকাতরতাকে বোঝায়। শেক্সপিয়ারের অথেয়ালো নাটকে এই পরিভাষাটি প্রথম মানুষের মনে তৈরি হওয়া ধ্বংসাত্মক ঈর্ষাকে বোঝাতে সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) danger — এটি সরাসরি কোনো বিপদ বা ঝুঁকি বোঝাতে ব্যবহার করা হয় না কারণ এই ইডিয়মটি মানুষের মানসিক অবস্থাকে নির্দেশ করে। B) hatred — এটি কেবল ঘৃণা প্রকাশ করে কিন্তু পরশ্রীকাতরতা বা অন্য কারো সফলতায় মনে যে বিশেষ জ্বালা তৈরি হয় তা বোঝায় না। C) envy — এটি কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করলেও এটি মূলত নিজের কোনো বস্তু অন্য কারো আছে দেখলে চাওয়া বোঝায় যা জেলাসির চেয়ে কম তীব্র। মনে রাখার টিপস: সবুজ রঙের চশমা পরলে যেমন সবকিছু অন্যরকম লাগে, তেমনি মনে ঈর্ষার বিষ থাকলে মানুষ সবকিছু অন্ধের মতো হিংসা করতে শুরু করে।
15. The noun form of ‘replete’ is-
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Repletion কেন সঠিক: ‘Replete’ শব্দের অর্থ পরিপূর্ণ বা ভরা। এর সঠিক নাউন বা বিশেষ্য রূপ হলো ‘Repletion’। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Repletation — এটি ইংরেজি ভাষার কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা সঠিক গঠন নয়। B) Repletance — এই ধরনের কোনো প্রত্যয় যুক্ত করে ‘replete’ শব্দের নাউন গঠন করা হয় না। C) Replecacy — এই বানানটি ভুল এবং এর কোনো সঠিক শব্দগত ভিত্তি নেই। D) Repletion — এটি grammatically সঠিক নাউন ফর্ম। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি অনেক শব্দ যার শেষে ete থাকে, তাদের নাউন করার সময় ete বাদ দিয়ে etion যোগ করতে হয় যেমন replete থেকে repletion।
16. Come on, it’s time to go home. Here ‘home’ is a/an-
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) adverb কেন সঠিক: এখানে 'home' শব্দটি যাওয়ার স্থান নির্দেশ করছে। এটি 'go' ভার্বকে নির্দেশ করায় অ্যাডভার্ব হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এটি কোনো নাম বোঝাচ্ছে না। B) adjective — এটি কোনো নাউনের দোষ গুণ প্রকাশ করছে না। C) adverb — এটি সঠিক উত্তর। D) verb — এটি কোনো কাজ বোঝাচ্ছে না। মনে রাখার টিপস: স্থানবাচক শব্দ যেমন home, here, there সাধারণত verb-এর পরে বসে adverb হয়।
17. A burnt child dreads the fire. Here “burnt” is a-
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) past participle কেন সঠিক: এখানে burnt শব্দটি একটি noun (child)-এর পূর্বে বসে adjective-এর কাজ করছে এবং কাজটি অতীতে সম্পন্ন হয়েছে বোঝায়। Verb-এর Past Participle রূপ যখন বাক্যে Adjective-এর কাজ করে, তখন তাকে Past Participle বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) gerund — Gerund হলো verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun-এর কাজ করে, যা এখানে নেই। B) past participle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) present participle — Present participle সাধারণত verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে চলমান কাজ বোঝায়, যা এখানে নেই। D) finite verb — Finite verb বাক্যের মূল সমাপিকা ক্রিয়া হিসেবে কাজ করে, কিন্তু এখানে মূল verb হলো dreads। মনে রাখার টিপস: Verb-এর V3 রূপ যখন noun-এর আগে বসে তার দোষ বা গুণ বোঝায়, তখন সেটি সবসময় Past Participle হয়।
18. Choose the correct antonym of the word “macho”.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Modest কেন সঠিক: macho শব্দের অর্থ হলো অত্যন্ত পুরুষালি ভাব দেখানো, অহংকার করা কিংবা অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হওয়া। এর বিপরীত শব্দ হলো বিনয়ী বা সাধারণ, যা modest অপশনটি প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Arrogant — এর অর্থ অহংকারী, যা macho শব্দের সমার্থক। B) Haughty — এর অর্থ উদ্ধত বা অহমিকা পূর্ণ, যা macho শব্দের সাথে মিলে যায়। C) Modest — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Machismo — এর অর্থ পুরুষত্ব বা পুরুষালি অহংকার, যা macho শব্দের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: macho মানুষরা সবসময় নিজেদের জাহির করতে চায়, তাই এর উল্টো বা বিপরীত শব্দ হবে শান্ত ও বিনয়ী অর্থাৎ modest।
19. The number of COVID-19 related deaths-
Created 3 weeks ago | Updated 28 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) has overwhelmed world কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে 'The number of' থাকলে তা একটি নির্দিষ্ট সংখ্যাকে বোঝায় এবং এর পর Singular verb বসে। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে singular verb 'has' এবং এর সাথে সঠিক participle যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are overwhelming the world — এখানে 'The number of' এর পর plural verb 'are' ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) have overwhelmed the world — এখানে 'The number of' এর পর plural auxiliary verb 'have' ব্যবহার করা হয়েছে। D) has been overwhelmed world — এটি passive voice গঠন করেছে কিন্তু এখানে বাক্যটির active অর্থ প্রয়োজন ছিল। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে 'The number of' থাকলে সবসময় singular verb বসে, কিন্তু 'A number of' থাকলে plural verb বসে।
20. The supervisor knows when the bus will depart from the terminal. The underlined clause is a/an-
Created 3 weeks ago | Updated 54 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) noun clause কেন সঠিক: নিচের দাগ দেওয়া অংশটি একটি বাক্যের মূল verb এর object হিসেবে কাজ করছে। এটি মূলত কী বা কাকে প্রশ্ন করলে উত্তর দেয় এবং সম্পূর্ণ একটি noun এর কাজ সম্পন্ন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adjective clause — এটি কোনো noun বা pronoun এর পরে বসে তার দোষ গুণ প্রকাশ করে না এবং তাদের সম্পর্কে অতিরিক্ত কোনো তথ্য প্রদান করে না। B) adverbial clause — এটি বাক্যে verb, adjective বা অন্য কোনো adverb কে সময়, স্থান বা কারণ নির্দেশ করে বিশেষিত করে না। C) independent clause — এটি স্বাধীনভাবে সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না কারণ এটি বাক্যের একটি অধীন বা subordinate অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। D) noun clause — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে এবং এটি বাক্যে noun এর মতো কাজ করছে। মনে রাখার টিপস: verb কে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করে যদি উত্তর পাওয়া যায়, তবে সেই subordinate clause টি সবসময় noun clause হবে।
21. “These are more things in heaven and earth, Horatio, than are dreamt of in your philosophy.”- this line has been quoted from Shakespeare’s-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Hamlet কেন সঠিক: উক্ত বিখ্যাত উক্তিটি শেক্‌সপিয়রের হ্যামলেট নাটকের প্রথম অঙ্কের পঞ্চম দৃশ্যের অংশ। নাটকের চরিত্র হ্যামলেট তার বন্ধু হোরাশিওকে এই কথাটি বলেছিলেন। মানুষের জ্ঞানের পরিধি সীমিত এবং প্রকৃতির রহস্য অপার, এটাই এই লাইনের মূল ভাবনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hamlet — এই অপশনটি সঠিক কারণ মূল উদ্ধৃতিটি এই নাটক থেকেই নেওয়া হয়েছে। B) Macbeth — ম্যাকবেথ নাটকে এই ধরণের কোনো সংলাপ বা দর্শন অনুপস্থিত রয়েছে। C) Measure for Measure — এই নাটকটি নীতিশিক্ষা ও আইন নিয়ে রচিত, এখানে এই লাইন নেই। D) King Lear — কিং লিয়ার নাটকের মূল বিষয় পারিবারিক বিয়োগান্তক ঘটনা ও পাগলামি। মনে রাখার টিপস: হ্যামলেট ও হোরাশিও বন্ধু ছিল, তাই হোরাশিও নাম দেখলে হ্যামলেট নাটক মনে রাখবে।
22. Which one is correct spelling?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Aquarium কেন সঠিক: শব্দটির সঠিক বানান হলো এ-কিউ-ইউ-এ-আর-আই-ইউ-এম, যার অর্থ মাছের অ্যাকুরিয়াম। এখানে প্রতিটি অক্ষর সঠিক নিয়ম মেনে বসেছে এবং বানানে কোনো অতিরিক্ত অক্ষর নেই। অন্য কোনো গ্রহণযোগ্য বিকল্প এখানে নেই। এই বানানটি ইংরেজি বানানের আদর্শ নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Assasination — সঠিক বানান হলো Assassination, যেখানে দুটি এস এবং মাঝে একটি এস কম আছে। B) Aquarium — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ জলাধার বা মাছের চৌবাচ্চা। C) Armatur — সঠিক বানান হলো Armature, যার শেষে একটি ই যুক্ত হয়। D) Assylum — সঠিক বানান হলো Asylum, যেখানে একটি এস কম হবে। মনে রাখার টিপস: অ্যাকুরিয়াম বানানটি মনে রাখতে একোয়া অংশটি আলাদা করে এবং রিয়াম অংশটি পরে যোগ করে পড়বে।
23. Choose the correct sentence from the following-
Created 3 weeks ago | Updated 37 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I prohibited him from going there. কেন সঠিক: Prohibit verb-টির পর সাধারণত object বসে এবং তার পর from preposition ব্যবহার করতে হয়। preposition-এর পর verb-এর সাথে ing যুক্ত হয় এবং নিয়ম অনুযায়ী সঠিক গঠন তৈরি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I prohibited him to go there — Prohibit-এর পর সরাসরি infinitive (to go) বসে না, তাই এই বাক্যটি ভুল। B) I prohibited to his going there — Prohibit-এর পর সরাসরি preposition বসে না, মাঝখানে একটি object থাকা প্রয়োজন। C) I prohibited him from going there — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এতে সঠিক নিয়ম ও গঠন অনুসরণ করা হয়েছে। D) I prohibited his going there — অর্থ ঠিক থাকলেও prohibited-এর পর সরাসরি possessive form এবং gerund ব্যবহার করলে বাক্যটি পূর্ণাঙ্গ হয় না। মনে রাখার টিপস: Prohibit verb-এর পর object থাকলে ہمیشہ from + verb-ing ব্যবহার করতে হয়।
24. "Beside looting all the valuables, the hoodlum also stabbed the pedestrian violently." - This an example of a/an-
Created 3 weeks ago | Updated 31 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Simple sentence কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে মাত্র একটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য (Independent clause) আছে এবং কোনো সংযোগকারী শব্দ বা অপর কোনো খণ্ডবাক্য নেই। - বাক্যে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (Stabbed) এবং একটিমাত্র কর্তা (The hoodlum) রয়েছে, যা Simple sentence-এর মূল গঠন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Simple sentence — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাক্যের গঠনগত বৈশিষ্ট্যের সাথে সম্পূর্ণরূপে মিলে যায়। B) Complex sentence — এটি ভুল কারণ বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য এবং কোনো আশ্রিত খণ্ডবাক্য বা অধীন সংযোগকারী শব্দ নেই। C) Compound sentence — এটি ভুল কারণ বাক্যটিতে কোনো সমজাতীয় খণ্ডবাক্য নেই এবং এন্ড কিংবা বাট জাতীয় কোনো কনজাংশন দ্বারা দুটি পূর্ণ বাক্য যুক্ত হয়নি। D) Optative sentence — এটি ভুল কারণ বাক্যটি কোনো প্রার্থনা, ইচ্ছা বা আশীর্বাদ প্রকাশ করছে না, এটি একটি সাধারণ বিবৃতিমূলক বাক্য। মনে রাখার টিপস: যে বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তা সবসময় Simple sentence হয়।
25. 'September on Jessore Road' কবিতাটির রচয়িতা
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যালেন গিন্সবার্গ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ভারতে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীদের দুঃখ-দুর্দশা নিয়ে বিখ্যাত এই দীর্ঘ কবিতাটি রচনা করেন মার্কিন কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ। - পরবর্তীতে কনসার্ট ফর বাংলাদেশে বিখ্যাত সংগীতশিল্পী জর্জ হ্যারিসন এই কবিতাটিতে সুর ও কণ্ঠ দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জর্জ হ্যারিসন — তিনি এই কবিতায় সুর দিয়ে গান বানিয়েছিলেন এবং 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' আয়োজন করেছিলেন, কিন্তু কবিতার রচয়িতা নন। B) মাইকেল জ্যাকসন — তিনি ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় এই কবিতা বা ঘটনার সাথে যুক্ত ছিলেন না, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন বিখ্যাত পপ গায়ক। D) বব ডিলান — তিনি 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'-এ অংশ নিয়েছিলেন, কিন্তু 'September on Jessore Road' কবিতার রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: কবিতা লিখেছিলেন মার্কিন কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ আর তাতে সুর দিয়েছিলেন জর্জ হ্যারিসন।
26. The problem is anything but easy. Here "but" is a/ an-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) preposition কেন সঠিক: এখানে but শব্দটি except বা ব্যাতীত অর্থ প্রকাশ করছে। এটি the problem এবং easy শব্দ দুটির মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করেছে। বাক্যে preposition হিসেবে বসে এটি except এর কাজ সম্পন্ন করেছে। তাই এটি conjunction বা অন্য কোনো অংশ নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) conjunction — এটি দুটি বাক্য বা সমজাতীয় শব্দকে যুক্ত করে না, তাই এটি conjunction হতে পারে না। B) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য adverb কে মডিফাই করে না, তাই এটি adverb নয়। C) preposition — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) pronoun — এটি কোনো বিশেষ্য বা noun এর পরিবর্তে বসে না, তাই এটি pronoun নয়। মনে রাখার টিপস: anything but বাক্যে but এর অর্থ except হলে তা preposition হয়।

মোট প্রশ্ন (15)

1. একটি সমবাহু ত্রিভুজের একটি বাহুর দৈর্ঘ্য ১৮ মিটার হলে, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত বর্গমিটার?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮১√৩ প্রদত্ত তথ্য: সমবাহু ত্রিভুজের একটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ১৮ মিটার ধরি, ত্রিভুজটির বাহুর দৈর্ঘ্য = ক = ১৮ মিটার অতএব, সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্র অনুযায়ী, ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (বাহুর দৈর্ঘ্য)² সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (১৮)² ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × ৩২৪ ক্ষেত্রফল = ৮১√৩ বর্গমিটার উত্তর: ৮১√৩
2. সার্বিক সেট U এর যে কোন উপসেট A ও B এর জন্য কোনটি সঠিক?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (A ∩ B)' = A' ∪ B' প্রদত্ত তথ্য: সার্বিক সেট U উপসেট A এবং B ধরি, প্রথম উপসেট A দ্বিতীয় উপসেট B অতএব, এটি ডিম মর্গানের সূত্র সেটের পূরক নিয়মের প্রয়োগ সেটের সংযোগ ও ছেদ বিধি সুতরাং, সংযোগ সেটের পূরক সমান আলাদা পূরকগুলোর ছেদ এবং ছেদ সেটের পূরক সমান আলাদা পূরকগুলোর সংযোগ উত্তর: C) (A ∩ B)' = A' ∪ B'
3. ৫০০ এর চেয়ে বড় ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫০৩ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হতে হবে ৫০০ এর চেয়ে বড় সংখ্যাটি হতে হবে একটি মৌলিক সংখ্যা সংখ্যাটি হতে হবে ক্ষুদ্রতম ধরি, ৫০০ এর পরবর্তী সংখ্যাটি হলো ৫০১ তার পরবর্তী সংখ্যাটি হলো ৫০২ তার পরবর্তী সংখ্যাটি হলো ৫০৩ অতএব, ৫০১ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য তাই এটি মৌলিক নয় ৫০২ সংখ্যাটি জোড় সংখ্যা তাই এটি ২ দ্বারা বিভাজ্য ৫০৩ সংখ্যাটি কোনো মৌলিক সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয় সুতরাং, ৫০৩ একটি মৌলিক সংখ্যা এবং এটি ৫০০ এর চেয়ে বড় ক্ষুদ্রতম উত্তর: ৫০৩
4. ৫/৮ এবং ২/৮ এর ল.সা.গু -
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৫/৮ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশ দুটি হলো ৫/৮ এবং ২/৮ ধরি, প্রথম ভগ্নাংশ = ৫/৮ দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ২ ল.সা.গু নির্ণয় করতে হবে অতএব, ভগ্নাংশের ল.সা.গু = লবগুলোর ল.সা.গু ÷ হরগুলোর গ.সা.গু এখানে লবগুলোর ল.সা.গু হলো ৫ এবং ২ এর ল.সা.গু অর্থাৎ ১০ সুতরাং, হরগুলোর গ.সা.গু হলো ৮ এবং ৮ এর গ.সা.গু অর্থাৎ ৮ সঠিক হিসাব অনুযায়ী ল.সা.গু হবে ৩৫/৮ উত্তর: ৩৫/৮
5. 1 − x² + 2xy − y² এর উৎপাদক কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 54 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (1 − x − y) (1 − x + y) প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো ১ − x² + 2xy − y² এটিকে সাজিয়ে উৎপাদক করতে হবে ধরি, রাশিটিকে লেখা যায় ১ − (x² − 2xy + y²) এখানে প্রথম অংশ ১ এবং দ্বিতীয় অংশ (x − y)² অতএব, ১ এর উপর স্কয়ার ধরা যায় তাহলে সূত্র হয় এ স্কয়ার মাইনাস বি স্কয়ার সুতরাং, উৎপাদক দুটি হলো (১ − x + y) এবং (১ − x − y) উত্তর: A) (1 − x − y) (1 − x + y)
6. একটি লোহার ফাঁপা গোলকের বাইরের ব্যাস ১০ সেন্টিমিটার ও বেধ ২ সেন্টিমিটার হলে, গোলকের ফাঁপা অংশের আয়তন কত ঘন সেন্টিমিটার?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৬π প্রদত্ত তথ্য: লোহার ফাঁপা গোলকের বাইরের ব্যাস = ১০ সেন্টিমিটার গোলকের বেধ = ২ সেন্টিমিটার ধরি, বাইরের ব্যাসার্ধ (R) = ১০ ÷ ২ = ৫ সেন্টিমিটার ভেতরের ব্যাসার্ধ (r) = ৫ − ২ = ৩ সেন্টিমিটার অতএব, বাইرهای আয়তন = (৪ ÷ ৩) × π × ৫^৩ ঘন সেন্টিমিটার ভেতরের ফাঁপা অংশের আয়তন = (৪ ÷ ৩) × π × ৩^৩ ঘন সেন্টিমিটার সুতরাং, ফাঁপা অংশের আয়তন = (৪ ÷ ৩) × π × (১২৫ − ২৭) ঘন সেন্টিমিটার উত্তর: ৩৬π ঘন সেন্টিমিটার
7. ৩০,০০০ টাকার যৌগিক মুনাফায় ১২% হারে ২ বছর পর মুনাফা কত টাকা হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭৬৩২ প্রদত্ত তথ্য: আসল (P) = ৩০০০০ টাকা মুনাফার হার (r) = ১২% বা ০.১২ সময় (n) = ২ বছর ধরি, চক্রবৃদ্ধি মূলধন = C চক্রবৃদ্ধি মুনাফা = I অতএব, C = P × (১ + r) এর পাওয়ার n C = ৩০০০০ × (১ + ০.১২) এর পাওয়ার ২ সুতরাং, C = ৩০০০০ × ১.১২ × ১.১২ = ৩৭৬৩২ টাকা I = C − P = ৩৭৬৩২ − ৩০০০০ = ৭৬৩২ টাকা উত্তর: ৭৬৩২ টাকা
8. একটি পঞ্চভুজের কৌণিক বিন্দুগুলো সংযোগে উৎপন্ন ত্রিভুজের সংখ্যা-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ প্রদত্ত তথ্য: পঞ্চভুজের মোট কৌণিক বিন্দুর সংখ্যা = ৫ ধরি, ত্রিভুজ গঠন করতে প্রয়োজনীয় কৌণিক বিন্দুর সংখ্যা = ৩ অতএব, সমবায় বা কম্বিনেশনের সূত্র ব্যবহার করে পাই বিন্দু নির্বাচনের মোট উপায় = ৫ জন থেকে ৩ জন নেওয়ার উপায় সুতরাং, ৫ জন থেকে ৩ জন নেওয়ার হিসাব = (৫ × ৪ × ৩) ÷ (৩ × ২ × ১) = ১০ উত্তর: ১০
9. x^(x√x) = (x√x)^x হলে, x = কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯÷৪ প্রদত্ত তথ্য: x^(x√x) = (x√x)^x ধরি, প্রদত্ত সমীকরণটি উভয় পক্ষে সমাধান করতে হবে x এর মান অপশন থেকে বসিয়ে যাচাই করা যায় অতএব, x এর মান ৯÷৪ বসালে বামপক্ষ ও ডানপক্ষ সমান হয় সুতরাং, নির্ণেয় সমাধান সঠিক ফলাফল প্রদান করে উত্তর: ৯÷৪
10. -১/২ ≤ x ≤ ১ এর সমাধান-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) −১/২ ≤ x ≤ ১ প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি সরাসরি দেওয়া আছে প্রশ্নটিতে এখানে চলক x এর মান নির্দিষ্ট করা আছে ধরি, অসমতার নিম্নসীমা হলো মাইনাস এক বাই দুই অসমতার উচ্চসীমা হলো এক অতএব, চলক x এর মান মাইনাস এক বাই দুই এর সমান অথবা বড় হবে চলক x এর মান এক এর সমান অথবা ছোট হবে সুতরাং, উভয় শর্ত মিলে একসাথে গঠিত হয় প্রদত্ত অসমতাটি উত্তর: −১/২ ≤ x ≤ ১
11. কোনটি মূলদ সংখ্যা?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √(৩/১০৮) প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে যার মধ্যে একটি সংখ্যা মূলদ এবং বাকি তিনটি অমূলদ ধরি, ঘোষিত সংখ্যাটি হলো √(৩/১০৮) লব ও হরকে সরল করার জন্য ভাগ করতে হবে অতএব, লবের ৩ দিয়ে ১০৮ কে ভাগ করলে হর হয় ৩৬ সুতরাং সংখ্যাটি দাঁড়ায় √(১/৩৬) সুতরাং, ১ এর বর্গমূল ১ এবং ৩৬ এর বর্গমূল ৬ হয় তাই √(১/৩৬) এর মান হলো ১/৬ যা একটি সাধারণ ভগ্নাংশ উত্তর: ১/৬
12. k এর মান কত হলে x² − 3x + 2 + k = 0 সমীকরণের একটি উৎপাদক (x − 3) হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) −২ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x² − ৩x + ২ + k = ০ একটি উৎপাদক হলো x − ৩ ধরি, বহুপদী ফাংশন f(x) = x² − ৩x + ২ + k উৎপাদক উপপাদ্য অনুযায়ী f(৩) = ০ হবে অতএব, f(৩) এর মান সমীকরণে বসাই (৩)² − ৩×৩ + ২ + k = ০ সুতরাং, ৯ − ৯ + ২ + k = ০ ২ + k = ০ উত্তর: k = −২
13. log₈0.25 = কত?
Created 3 weeks ago | Updated 6 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) −২/৩ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম এর মান নির্ণয় করতে হবে এখানে ভিত্তি হলো আট এবং সংখ্যা হলো শূন্য দশমিক দুই পাঁচ ধরি, লগ এর মান সমান এক্স সমীকরণটি হবে আট এর পাওয়ার এক্স সমান শূন্য দশমিক দুই পাঁচ অতএব, শূন্য দশমিক দুই পাঁচ কে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করি দশমিক তুলে দিলে এটি হয় পঁচিশ ভাগ একশ বা এক ভাগ চার সুতরাং, চার হলো দুই এর স্কয়ার এবং আট হলো দুই এর কিউব সমীকরণটি সমাধান করে এক্স এর মান পাওয়া যায় মাইনাস দুই ভাগ তিন উত্তর: −২/৩
14. ১১ সেন্টিমিটার ব্যাসার্ধের বৃত্তের কেন্দ্র হতে ৫ সেন্টিমিটার দূরত্বে অবস্থিত উক্ত বৃত্তের কোন জ্যা এর দৈর্ঘ্য-
Created 3 weeks ago | Updated 36 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮√৬ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ১১ সেন্টিমিটার কেন্দ্র হতে জ্যা এর দূরত্ব = ৫ সেন্টিমিটার ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র ও জ্যা এর লম্ব দূরত্ব হলো একটি সমকোণী ত্রিভুজ ত্রিভুজের অতিভুজ = ব্যাসার্ধ = ১১ সেন্টিমিটার ত্রিভুজের ভূমি = কেন্দ্র থেকে দূরত্ব = ৫ সেন্টিমিটার অতএব, পিথাগোররাসের উপপাদ্য অনুযায়ী লম্ব বা অর্ধ জ্যা এর দৈর্ঘ্য স্কয়ার = অতিভুজ স্কয়ার − ভূমি স্কয়ার অর্ধ জ্যা এর দৈর্ঘ্য স্কয়ার = (১১ × ১১) − (৫ × ৫) অর্ধ জ্যা এর দৈর্ঘ্য স্কয়ার = ১২১ − ২৫ = ৯৬ সুতরাং, অর্ধ জ্যা এর দৈর্ঘ্য = √৯৬ = ৪√৬ সেন্টিমিটার সম্পূর্ণ জ্যা এর দৈর্ঘ্য = ২ × (৪√৬) = ৮√৬ সেন্টিমিটার উত্তর: ৮√৬ সেন্টিমিটার
15. এক ব্যক্তি বছরের প্রারম্ভে ৩টি গাছ রোপন করলেন। এরপর প্রতি বছর ৫টি করে গাছ রোপন করলে ২০তম বছরে তিনি কতটি গাছ রোপন করবেন?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯৮ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম বছরে রোপন করা গাছের সংখ্যা = ৩ প্রতি বছর বৃদ্ধি পাওয়া গাছের সংখ্যা = ৫ নির্ণয় করতে হবে ২০তম বছরে রোপিত গাছের সংখ্যা ধরি, প্রথম পদ (a) = ৩ সাধারণ অন্তর (d) = ৫ পদ সংখ্যা (n) = ২০ অতএব, সমান্তর ধারার সূত্র অনুযায়ী এন-তম পদ = a + (n − ১) × d মানগুলো বসিয়ে পাই = ৩ + (২০ − ১) × ৫ হিসাব করে পাই = ৩ + ১৯ × ৫ সুতরাং, ৩ + ১৯ কে ৫ দিয়ে গুণ করলে পাই = ৩ + ৯৫ দুটি সংখ্যা যোগ করে পাই = ৯৮ উত্তর: ৯৮

মোট প্রশ্ন (21)

2. প্রজন্ম “জেড” কারা
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৯৭-২০১২ সালে জন্মগ্রহণকারী প্রজন্ম কেন সঠিক: - পিউ রিসার্চ সেন্টার এবং আন্তর্জাতিক সমাজবিজ্ঞানীদের মতে প্রজন্ম জেড বা জেনারেশন জেড হলো ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া জনগোষ্ঠী। - এই প্রজন্মের মানুষেরা ডিজিটাল যুগে জন্ম গ্রহণ করায় প্রযুক্তি ও ইন্টারনেটের সাথে তাদের নিবিড় সম্পৃক্ততা রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৭-২০১২ সালে জন্মগ্রহণকারী প্রজন্ম — এটি প্রজন্ম জেড বা জেনারেশন জেড এর সর্বজনস্বীকৃত সঠিক সময়কাল। B) ১৯৯৭-২০১১ সালে জন্মগ্রহণকারী প্রজন্ম — এই সালের পরিসরটি ভুল কারণ জেনারেশন জেড ২০১২ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত। C) ১৯৯৮-২০১৮ সালে জন্মগ্রহণকারী প্রজন্ম — এই সালের সীমাটি অনেক দীর্ঘ এবং এটি জেনারেশন জেড ও পরবর্তী প্রজন্মের মিশ্রণ। D) ১৯৯৯-২০১১ সালে জন্মগ্রহণকারী প্রজন্ম — এই সময়কালটি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত এবং মূল আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: মিলেনিয়াল প্রজন্মের ঠিক পরের প্রজন্ম হলো প্রজন্ম জেড, যা শুরু হয়েছে ১৯৯৭ সাল থেকে এবং শেষ হয়েছে ২০১২ সালে।
3. কোন সম্মেলনের মাধ্যমে NAM (Non Aligned Movement) এর সূচনা হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 34 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বান্দুং, ইন্দোনেশিয়া কেন সঠিক: - ১৯৫৫ সালের বান্দুং সম্মেলন ছিল জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন বা ন্যাম প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক ভিত্তি বা পটভূমি। - এই সম্মেলনের মাধ্যমেই এশিয়া ও আফ্রিকার নবীন স্বাধীন দেশগুলো শীতল যুদ্ধের সময় পরাশক্তিগুলোর প্রভাব থেকে দূরে থাকার নীতি ঘোষণা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নয়াদিল্লি, ভারত — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ নয়াদিল্লিতে ১৯৬১ সালে ন্যামের প্রথম আনুষ্ঠানিক শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, সূচনা বা ভিত্তি নয়। B) বান্দুং, ইন্দোনেশিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এখানেই ন্যাম গঠনের প্রথম বীজ বপন করা হয়েছিল। C) কায়রো, মিশর — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ কায়রোতে ১৯৬৪ সালে ন্যামের দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। D) মস্কো, রাশিয়া — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ মস্কো তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের রাজধানী ছিল এবং ন্যাম কোনো নির্দিষ্ট পরাশক্তির জোটে যোগ না দেওয়ার নীতিতে বিশ্বাসী। মনে রাখার টিপস: বান্দুং মানেই বন্ধনহীন বা নিরপেক্ষ থাকার প্রথম ঘোষণা, যা থেকে পরবর্তীতে ন্যাম বা জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের জন্ম হয়।
6. সোমপুর মহাবিহার বাংলার কোন শাসন আমলের স্থাপত্য কীর্তির নিদর্শন?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পাল কেন সঠিক: - সোমপুর মহাবিহার পাল রাজবংশের দ্বিতীয় রাজা ধর্মপালের শাসনামলে নির্মিত হয়েছিল। - এটি প্রাচীন বাংলার বৌদ্ধ সভ্যতার অন্যতম প্রধান স্থাপত্য কীর্তি এবং ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৌর্য — মৌর্য আমলে বাংলায় বৌদ্ধ সংস্কৃতির প্রসার ঘটলেও সোমপুর মহাবিহার এই রাজবংশের তৈরি নয়। B) পাল — এই অপশনটি সঠিক, কারণ পাল রাজারা বাংলা ও বিহারে অসংখ্য বৌদ্ধ বিহার নির্মাণ করেছিলেন। C) গুপ্ত — গুপ্ত রাজারা মূলত হিন্দু ধর্মের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন এবং তাদের আমলে এই ধরনের বৌদ্ধ স্থাপত্য গড়ে ওঠেনি। D) চন্দ্র — চন্দ্র রাজবংশের শাসনকাল পরবর্তী সময়ের এবং তাদের প্রধান কেন্দ্র ছিল মূলত হরিকেল ও সমতট অঞ্চলে। মনে রাখার টিপস: ধর্মপাল সোমপুর মহাবিহার নির্মাণ করেন, তাই পাল বংশ মনে রাখতে সোমপুর নামটির সাথে ধর্মপালের নাম মিলিয়ে পড়তে হবে।
7. বাংলাদেশের ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট মোট কয়টি উচ্চফলনশীল ধানের উদ্ভাবন করেছে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২১টি কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উচ্চফলনশীল ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে। - সাম্প্রতিক হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত মোট ১২১টি উচ্চফলনশীল ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩৩টি — এটি সঠিক নয় কারণ বর্তমানে এই সংখ্যাটি প্রযোজ্য নয়, এটি অন্য কোনো কৃষি প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবিত জাতের সাথে মিলে যেতে পারে। B) ১২৬টি — এটি একটি ভুল সংখ্যা, যা বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত মোট জাতের সঠিক পরিমাপের সাথে মেলে না। C) ১২১টি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত মোট উচ্চফলনশীল ধানের সংখ্যা। D) ১০১৯টি — এটি সঠিক নয়, কারণ বিগত বছরগুলোতে উদ্ভাবিত জাতের সংখ্যা কম ছিল এবং বর্তমানে এই সংখ্যা অনেক আগেই অতিক্রম করেছে। মনে রাখার টিপস: ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) এর উদ্ভাবিত ধানের মোট জাত মনে রাখতে সংখ্যাটি ১২১ মনে রাখুন।
8. আলুর একটি জাতের নাম-
Created 3 weeks ago | Updated 57 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডায়মন্ড কেন সঠিক: - ডায়মন্ড বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ও বহুল চাষকৃত একটি উচ্চফলনশীল জাতের আলু। - এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত বা পরীক্ষিত যা সারা দেশে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডায়মন্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি আলু চাষের নাম। B) রূপালী — এটি আলুর কোনো পরিচিত জাত নয়, এটি সাধারণত ইলিশ মাছ বা অন্য কোনো বিষয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত। C) ড্রামহেড — এটি বাঁধাকপির একটি বিখ্যাত জাতের নাম, আলুর জাত নয়। D) ব্রিসাইল — এটি আলুর কোনো জাত নয়, এটি একটি ভৌগোলিক বা অন্য কোনো বিষয়ের নাম হতে পারে। মনে রাখার টিপস: আলু খেতে অনেক সুস্বাদু, তাই আলুর একটি জনপ্রিয় জাতের নাম মনে রাখতে হবে হীরা বা ডায়মন্ড।
10. বাংলাদেশে ঘোষিত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩০টি কেন সঠিক: - পেট্রোবাংলার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের মোট সংখ্যা ৩০টি। - সর্বশেষ ৩০তম গ্যাসক্ষেত্রটি ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় অবস্থিত ভোলা উত্তর গ্যাসক্ষেত্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৭টি — এটি একটি ভুল তথ্য এবং বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। B) ৫৭টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় এবং এটি জ্বালানি খাতের বাস্তব তথ্যের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। C) ৫৯টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশে এত সংখ্যক গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়নি। D) ৩০টি — এটি পেট্রোবাংলার প্রামাণিক হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সঠিক সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা মনে রাখতে ৩০ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যার সর্বশেষটি ভোলা জেলায় অবস্থিত।
11. বাংলাদেশ কবে New Development Bank এর সদস্যপদ লাভ করে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০২১ সালে কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ব্রিকস প্রতিষ্ঠিত নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা এনডিবি এর সদস্যপদ লাভ করে। - এর মাধ্যমে বাংলাদেশ এই আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০২১ সালে — এই বছরে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সদস্যপদ লাভ করে। B) ২০২২ সালে — এই বছরে বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করেনি, কারণ ব্যাংকটির কার্যক্রম ২০২১ সালেই শুরু হয়েছিল। C) ২০২৩ সালে — এই সালটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশ আরও আগেই ব্যাংকের সদস্যপদ পেয়েছিল। D) ২০২৪ সালে — এটি সঠিক সাল নয়, এই সময়ে বাংলাদেশ সদস্য হওয়ার পরিবর্তে ব্যাংকের কার্যক্রমে সক্রিয় অংশ নেয়। মনে রাখার টিপস: ব্রিকস ব্যাংক বা এনডিবি এর সদস্য বাংলাদেশ হয় করোনার সময় অর্থাৎ ২০২১ সালে।
12. ঢাকায় প্রথম শহীদ মিনার তৈরি করা হয়-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয়। - এই প্রথম শহীদ মিনারটি উদ্বোধন করেন শহীদ শফিউরের পিতা জহুর উদ্দিন আহমদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ — এই তারিখে প্রথম শহীদ মিনার তৈরি হয়নি, বরং এটি ২৩ ফেব্রুয়ারি নির্মিত হয়েছিল। B) ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়। C) ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ — এই তারিখে শহীদ মিনার নির্মাণ শুরু হলেও কাজ শেষ হয়েছিল ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতের মধ্যে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। D) ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ — প্রশ্নে একই অপশন পুনরাবৃত্তি হয়েছে, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের ২১ ফেব্রুয়ারির ঠিক দুই দিন পর অর্থাৎ ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রথম শহীদ মিনার তৈরি করা হয়েছিল।
15. বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারী অনুষ্ঠিত হয় কোন সালে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৭৪ কেন সঠিক: - স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ও ১৯৭০ সালের পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার এই আদমশুমারি পরিচালনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭২ — এই বছর বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান প্রণীত ও গৃহীত হয়, কোনো আদমশুমারি হয়নি। B) ১৯৭৫ — এই বছর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, আদমশুমারি হয়নি। C) ১৯৭৪ — এটিই সঠিক উত্তর, যা এই অপশনেও নির্দেশ করা হয়েছে। D) ১৯৭৬ — এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় আদমশুমারি অনুষ্ঠানের সাল, প্রথমটি নয়। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঠিক তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৭৪ সালে দেশের প্রথম আদমশুমারি হয়।
17. বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: C) ৭ মার্চ ১৯৭৩ কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের সংবিধান অনুযায়ী স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ৭ মার্চ ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত হয়। - এই নির্বাচনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৩ — এই তারিখে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল বা তারিখ। B) ৭ জানুয়ারি ১৯৭৩ — এই তারিখে কোনো জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। C) ৭ মার্চ ১৯৭৩ — এটি সঠিক উত্তর, এই দিনেই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। D) ৭ এপ্রিল ১৯৭৩ — এই তারিখে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল তারিখ। মনে রাখার টিপস: ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের দিনটিকে মনে রেখে याद রাখতে পারো যে, ঠিক এর পরের বছরগুলোতে ৭ই মার্চেই ১৯৭৩ সালে প্রথম নির্বাচন হয়।
21. বাংলাদেশের প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান-
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) BADC কেন সঠিক: - বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বা বিএডিসি দেশের কৃষকদের মধ্যে মানসম্মত বীজ, সার ও সেচ সরঞ্জাম সরবরাহ করে থাকে। - এটি সরকারের প্রধান ও বৃহত্তম বীজ উৎপাদন এবং বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) BARI — এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা মূলত নতুন ফসলের জাত উদ্ভাবন ও গবেষণার কাজ করে। B) BRRI — এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা ধান গবেষণা ও নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনের সাথে যুক্ত। C) BADC — এটি প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) BINA — এটি বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা পরমাণু প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসলের উন্নত জাত উদ্ভাবন করে। মনে রাখার টিপস: বীজ (Seed) উৎপাদনের মূল কাজ করে বিএডিসি (BADC), তাই বীজ ও বিএডিসি একসাথে মনে রাখবে।

মোট প্রশ্ন (9)

2. স্বর্ণ গলাতে কোন কোন এসিডের মিশ্রণ ব্যবহৃত হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: রসায়ন (ধাতু ও অধাতু, অম্ল ও ক্ষার) সঠিক উত্তর: C) HCl, HNO₃ ১. কেন সঠিক: - স্বর্ণ বা সোনা একটি অত্যন্ত নিষ্ক্রিয় ধাতু। সাধারণ এসিড যেমন হাইড্রোক্লোরিক এসিড বা নাইট্রিক এসিড একা সোনাকে গলাতে পারে না। - হাইড্রোক্লোরিক এসিড এবং নাইট্রিক এসিডের তিন অনুপাত এক মিশ্রণকে রাজত্ব বা একোয়া রেজিয়া বলে। এই মিশ্রণ সোনাকে দ্রবীভূত করতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রাজত্ব বা একোয়া রেজিয়া হলো তিন ভাগ গারো হাইড্রোক্লোরিক এসিড এবং এক ভাগ গারো নাইট্রিক এসিডের তাজা মিশ্রণ। - রাসায়নিক বিক্রিয়া: এই দুই এসিডের বিক্রিয়ায় অত্যন্ত শক্তিশালী জারণ ক্ষমতা সম্পন্ন পরমাণু ক্লোরিন উৎপন্ন হয়। - কার্যপ্রণালি: উৎপাদিত ক্লোরিন সোনার সাথে বিক্রিয়া করে দ্রবণীয় অরোরাস ক্লোরাইড বা টেট্রাক্লোরোঅরিক এসিড উৎপন্ন করে। - বাস্তব প্রয়োগ: স্বর্ণকারগণ গহনা প্রস্তুত করার সময় সোনা পরিষ্কার করতে এবং পুরনো সোনা গলিয়ে নতুন রূপ দিতে একোয়া রেজিয়া ব্যবহার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গহনা কারখানায় পুরনো সোনার গহনা গলিয়ে পুনরায় নকশা তৈরি করা। ব্যাখ্যা: গহনার নিখুঁত ওজন মাপতে এবং সোনা আলাদা করতে এই এসিডের মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: পরীক্ষাগারে বিশুদ্ধ সোনা নিষ্কাশন ও বিশ্লেষণ। ব্যাখ্যা: খনি থেকে উত্তোলিত মিশ্র ধাতু থেকে বিশুদ্ধ সোনা আলাদা করার প্রক্রিয়ায় একোয়া রেজিয়া ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) H₂SO₄, HCl — সালফিউরিক এসিড এবং হাইড্রোক্লোরিক এসিডের এই মিশ্রণ রাজত্ব নয় এবং এটি সোনাকে গলাতে পারে না। B) H₂SO₄, HNO₃ — সালফিউরিক এসিড এবং নাইট্রিক এসিডের মিশ্রণ নাইট্রেশনের কাজে ব্যবহৃত হয়, সোনা গলাতে নয়। C) HCl, HNO₃ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নির্দিষ্ট মিশ্রণটি সোনা ও প্লাটিনামের মতো নিষ্ক্রিয় ধাতু দ্রবীভূত করতে পারে। D) উপরের যে কোনোটি — প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে শুধু সি নম্বর সঠিক হওয়ায় এই অপশনটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: - একোয়া রেজিয়ায় এসিড দুটির অনুপাত মনে রাখার সহজ উপায় হলো তিন অনুপাত এক এবং হাইড্রোক্লোরিক এসিডের পরিমাণ বেশি থাকে। - রাজত্ব বা অম্লরাজ মানে এসিডের রাজা, যা সোনা ও প্লাটিনামকে দ্রবীভূত করতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - একোয়া রেজিয়া তৈরিতে হাইড্রোক্লোরিক এসিড এবং নাইট্রিক এসিডের অনুপাত কত, তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - সোনা ছাড়া আর কোন ধাতু একোয়া রেজিয়ায় দ্রবীভূত হয়, এই প্রশ্ন থেকে প্লাটিনামের নামও জেনে রাখা ভালো।
4. লোহা মাধ্যমে শব্দ বাতাসের তুলনায় কত গুণ দ্রুত চলে?
Created 3 weeks ago | Updated 57 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮ গুণ ১. কেন সঠিক: বাতাসের তুলনায় লোহায় শব্দের গতি অনেক বেশি কারণ লোহা একটি কঠিন মাধ্যম এবং এর ঘনত্ব ও স্থিতিস্থাপকতা বাতাসের চেয়ে অনেক আলাদা। কঠিন পদার্থের অণুগুলো বাতাসের অণুর চেয়ে খুব কাছাকাছি থাকে, ফলে কম্পন অতি দ্রুত এক অণু থেকে অন্য অণুতে স্থানান্তরিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: শব্দের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতি, বিশেষ করে তার স্থিতিস্থাপকতা এবং ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে। কার্যপ্রণালি: কঠিন মাধ্যমে কণার পারস্পরিক দূরত্ব কম থাকায় শব্দের তরঙ্গ দ্রুত সঞ্চালিত হতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রেললাইনে কান পাতলে ট্রেন আসার অনেক আগেই শব্দ শোনা যায়। ব্যাখ্যা: লোহা বা ইস্পাতের তৈরি রেললাইনের মধ্য দিয়ে শব্দ বাতাসের চেয়ে অনেক দ্রুত আমাদের কানে পৌঁছায়। উদাহরণ ২: পানির নিচে ডুবুরি বা জলজ প্রাণীর শব্দ শোনার অভিজ্ঞতা। ব্যাখ্যা: তরল মাধ্যমেও শব্দের বেগ বাতাসের চেয়ে বেশি হয়, যা মাধ্যম ভেদে শব্দের পার্থক্যের প্রমাণ দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ গুণ — এটি বৈজ্ঞানিকভাবে লোহায় শব্দের আপেক্ষিক বেগের সঠিক মান নয়। B) ১৮ গুণ — এটি বাতাসের তুলনায় লোহায় শব্দের বেগের আদর্শ এবং পরীক্ষিত সঠিক মান। C) ১৫ গুণ — এটি প্রশ্নের প্রদত্ত উত্তর হলেও, সাধারণ পদার্থবিজ্ঞান অনুযায়ী সঠিক মান প্রায় ১৮ গুণ। D) ১২ গুণ — এটি বাতাসের সাপেক্ষে লোহার ক্ষেত্রে শব্দের বেগের পরিমাপের সাথে মিলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: বাতাসে শব্দের বেগ প্রায় ৩৩২ মিটার প্রতি সেকেন্ড এবং লোহায় প্রায় ৫৯৫০ মিটার প্রতি সেকেন্ড। এই দুইয়ের অনুপাত হিসাব করলে মানটি প্রায় ১৮ গুণ পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন এবং এটি শূন্যস্থানের মধ্য দিয়ে চলতে পারে না। বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের বেগের ক্রম হলো কঠিন মাধ্যম, তারপর তরল মাধ্যম এবং সবশেষে বায়বীয় মাধ্যম।
5. কোন আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি পরিমাণে হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লাল ১. কেন সঠিক: - দৃশ্যমান আলোর লাল অংশে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি পরিমাণে হয় কারণ উদ্ভিদের ক্লোরোফিল অণু এই তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো সবচেয়ে ভালোভাবে শোষণ করতে পারে। - আলোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় ক্লোরোফিল লাল এবং নীল আলো শোষণ করে খাদ্য তৈরি করলেও লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সালোকসংশ্লেষণ এমন একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে পানি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে গ্লুকোজ তৈরি করে। - কার্যপ্রণালি: উদ্ভিদের পাতায় থাকা ক্লোরোপ্লাস্ট নামক প্লাস্টিডের ভেতরে ক্লোরোফিল রঞ্জক পদার্থ থাকে যা সৌরশক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর করে। - কারণ ও ফলাফল: লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ৬৫০ থেকে ৭০০ ন্যানোমিটারের মধ্যে থাকে যা উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: - উদাহরণ ১: সবুজ উদ্ভিদকে যদি কাঁচের লাল আলোতে রাখা হয় তবে এর বৃদ্ধি এবং খাদ্য তৈরির হার অন্য আলোর তুলনায় সবচেয়ে দ্রুত হয়। - ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে লাল আলো উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে। - উদাহরণ ২: গ্রিনহাউসে কৃত্রিম উপায়ে উদ্ভিদের দ্রুত বৃদ্ধির জন্য লাল আলোর ব্যবহার করা হয়। - ব্যাখ্যা: এই কৃত্রিম ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে রাখা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেগুনী — বেগুনী আলোতে সালোকসংশ্লেষণের হার খুবই কম হয় কারণ এই আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য উদ্ভিদের জন্য কম উপযোগী। B) নীল — নীল আলোতেও সালোকসংশ্লেষণ ভালো হয় তবে লাল আলোর পরেই এর স্থান, তাই এটি সর্বোচ্চ হারের উত্তর নয়। C) লাল — এটি সঠিক কারণ লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সর্বোচ্চ পরিমাণে সংঘটিত হয়। D) হলুদ — হলুদ আলো উদ্ভিদের ক্লোরোফিল রঞ্জক দ্বারা প্রায় শোষিতই হয় না, তাই এতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে কম হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সালোকসংশ্লেষণে লাল আলো সবচেয়ে সেরা এই কথাটি মনে রাখতে লাল রঙের প্রথম অক্ষর ল দিয়ে লালের সাথে সেরা শব্দটি মনে রাখতে পারেন। - উদ্ভিদের রঞ্জক পদার্থগুলো দৃশ্যমান আলোর বিভিন্ন অংশ শোষণ করলেও লাল এবং নীল আলোর গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - দৃশ্যমান আলোর কোন বর্ণালীতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি হয় এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে কম হয়, যার উত্তর হবে সবুজ আলো।
6. কোনটি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট রোগ নয়?
Created 3 weeks ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হেপাটাইটিস ১. কেন সঠিক: হেপাটাইটিস কোনো ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট রোগ নয়, এটি মূলত হেপাটাইটিস ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়ে থাকে। ভাইরাসজনিত কারণে যকৃতে প্রদাহ সৃষ্টি হয় এবং একে হেপাটাইটিস বা জন্ডিস বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: অণুজীববিজ্ঞানের শ্রেণিবিভাগে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি জীবাণু। কারণ ও ফলাফল: ব্যাকটেরিয়া এককোষী প্রোকারিওটিক জীব হলেও ভাইরাস অকোষীয় এবং কেবল পোষকদেহের ভেতরে বংশবৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হেপাটাইটিস বি ভাইরাস রক্তের মাধ্যমে ছড়ায় এবং এটি দীর্ঘমেয়াদী যকৃতের ক্ষতি করে। ব্যাখ্যা: ভাইরাস মানুষের কোষের ভেতরে প্রবেশ করে সংখ্যাবৃদ্ধি করে এবং রোগ সৃষ্টি করে। উদাহরণ ২: টাইফয়েড সালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে অন্ত্রে আক্রমণ করে। ব্যাখ্যা: ব্যাকটেরিয়া দেহে প্রবেশ করে বিষাক্ত পদার্থ তৈরি করে এবং তীব্র জ্বর ঘটায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হেপাটাইটিস — এটি ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট রোগ, তাই এটি সঠিক উত্তর। B) গনোরিয়া — এটি নাইসেইরিয়া গনোরি নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট একটি যৌনবাহিত রোগ। C) কুষ্ঠ — এটি মাইকোক্যাবটেরিয়াম লেপ্রি নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট স্নায়ু ও ত্বকের রোগ। D) টাইফয়েড জ্বর — এটি সালমোনেলা টাইফি নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট খাদ্য ও পানিবাহিত রোগ। ৫ মনে রাখার টিপস: ব্যাকটেরিয়া গঠিত রোগগুলো মনে রাখতে গনোরিয়া, কুষ্ঠ ও টাইফয়েড নামের সঙ্গে ব্যাকটেরিয়া যুক্ত করবে। ভাইরাসজনিত রোগগুলো আলাদা করে মনে রাখবে যেমন হেপাটাইটিস, এইডস ও পোলিও। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসবাহিত রোগ আলাদা করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। জীবাণুর ধরন ভালো করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
7. কলায বিদ্যমান প্রধান জৈব এসিড কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ম্যালিক এসিড ১. কেন সঠিক: - কাঁচা ও পাকা কলায় প্রধানত ম্যালিক এসিড নামক জৈব এসিড বিদ্যমান থাকে যা কলার স্বাদ ও অম্লতা নির্ধারণ করে। - জৈব এসিড উদ্ভিদের বিপাকীয় ক্রিয়ার স্বাভাবিক উপজাত হিসেবে কলার কোষে সঞ্চিত থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: উদ্ভিদ কোষে বিভিন্ন ধরনের অর্গানিক এসিড বা জৈব এসিড থাকে যা ফল পাকতে সাহায্য করে এবং পুষ্টিগুণ বৃদ্ধি করে। - কার্যপ্রণালি: কলা পাকড়ার সাথে সাথে শর্করা ভেঙে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজে রূপান্তরিত হয় এবং এসিডের মাত্রা পরিবর্তিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আপেল ব্যাখ্যা: আপেলের প্রধান জৈব এসিড হলো ম্যালিক এসিড, যা কলার সাথে এর রাসায়নিক উপাদানের মিল দেখায়। উদাহরণ ২: লেবু ব্যাখ্যা: লেবুতে সাইট্রিক এসিড থাকে, যা কলার ম্যালিক এসিড থেকে ভিন্ন প্রকৃতির অম্লতা প্রদান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সালিক এসিড — এটি পালং শাক ও টমেটোতে বেশি থাকে, কলার প্রধান এসিড এটি নয়। B) ম্যালিক এসিড — এটি কলার প্রধান জৈব এসিড এবং সঠিক উত্তর হিসেবে প্রমাণিত। C) এসিটিক এসিড — এটি ভিনেগারের মূল উপাদান, যা ফলমূলের প্রধান জৈব এসিড নয়। D) ল্যাকটিক এসিড — এটি টক দই এবং পেশিতে ক্লান্তি সৃষ্টির জন্য দায়ী, কলায় থাকে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - কলা ও আপেলে পাওয়া যায় ম্যালিক এসিড, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে এম ফর ম্যালিক এবং এম ফর অ্যাপেল বা বানানা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিভিন্ন ফলে কোন এসিড থাকে তা বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি টপিক।
8. ভূ-পৃষ্ঠে কোন ধাতু সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আছে?
Created 3 weeks ago | Updated 29 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অ্যালুমিনিয়াম ১. কেন সঠিক: - ভূত্বকে বা ভূ-পৃষ্ঠে প্রাপ্ত ধাতুগুলোর মধ্যে অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি, যার শতকরা হার প্রায় আট শতাংশ। এটি মূলত প্রকৃতিতে বিভিন্ন যৌগের আকারে যেমন বক্সাইট হিসেবে অবস্থান করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ভূ-ত্বক হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বাইরের কঠিন স্তর, যা বিভিন্ন মৌল এবং খনিজ পদার্থ দিয়ে গঠিত। - রাসায়নিক সংকেত: অ্যালুমিনিয়ামের প্রতীক হলো এএল এবং পারমাণবিক সংখ্যা তেরো। - বাস্তব প্রয়োগ: হালকা ও মজবুত হওয়ার কারণে বিমান তৈরিতে এবং বিদ্যুৎ পরিবহনে অ্যালুমিনিয়ামের বহুল ব্যবহার দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রান্নার কাজে ব্যবহৃত ফয়েল পেপার। ব্যাখ্যা: এটি পাতলা অ্যালুমিনিয়াম শিট দিয়ে তৈরি হয় যা তাপ ধরে রাখতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: ঘরের জানালা ও দরজার থাই গ্লাস ফ্রেম। ব্যাখ্যা: অ্যালুমিনিয়াম সহজে মরিচা ধরে না এবং হালকা বলে এগুলো গৃহ নির্মাণে জনপ্রিয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যালুমিনিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভূত্বকে এর পরিমাণ অন্য ধাতুর তুলনায় সর্বাধিক। B) লোহা — এটি ভূত্বকে দ্বিতীয় সর্বাধিক প্রাপ্ত ধাতু হলেও অ্যালুমিনিয়ামের চেয়ে পরিমাণে কম থাকে। C) তামা — এটি একটি কম পরিমাণ প্রাপ্ত ধাতু যা বৈদ্যুতিক তারে ব্যবহৃত হয় কিন্তু ভূত্বকে এর শতকরা হার অনেক কম। D) জিংক — এটি প্রকৃতিতে আকরিক হিসেবে পাওয়া গেলেও ভূ-পৃষ্ঠে এর উপস্থিতি অ্যালুমিনিয়াম ও লোহার চেয়ে অনেক কম। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভূ-পৃষ্ঠের মৌলের ক্ষেত্রে মনে রাখবে, অধাতু হলে অক্সিজেন প্রথম, আর ধাতু হলে অ্যালুমিনিয়াম প্রথম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভূত্বকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা মৌল হলো অক্সিজেন এবং সবচেয়ে বেশি থাকা ধাতু হলো অ্যালুমিনিয়াম।

মোট প্রশ্ন (4)

1. একটি বড় মাপের ভূমিকম্পের পর কী ঘটার সম্ভাবনা থাকে?
Created 3 weeks ago | Updated 30 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সুনামি কেন সঠিক: মহাসাগরের তলদেশে বড় মাপের ভূমিকম্প হলে আকস্মিক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এই আলোড়নের ফলে জলরাশি উত্তাল হয়ে বিশাল ঢেউ আকারে উপকূলের দিকে ছুটে আসে। ভৌগোলিক তথ্য: সুনামির উৎস সাধারণত প্রশান্ত মহাসাগরের অগ্নিবলয় অঞ্চলে বেশি দেখা যায়। এটি জাপানি শব্দ যার অর্থ সমুদ্রের তীরের ঢেউ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জলোচ্ছ্বাস — জোয়ার বা বায়ুপ্রবাহের কারণে নদীর মোহনায় জলের উচ্চতা সাময়িকভাবে বৃদ্ধি পায়। B) বন্যা — অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত বা নদী উপচে পড়ে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের সৃষ্টি হয়। C) ঘূর্ণিঝড় — এটি নিম্নচাপের ফলে বায়ুমণ্ডলে সৃষ্টি হয় এবং এর সাথে সরাসরি ভূগর্ভস্থ কম্পনের সম্পর্ক নেই। D) সুনামি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়নি। মনে রাখার টিপস: ভূকম্পন মানেই সমুদ্রের নিচে বড় ঢেউ বা সুনামি। জলের নিচে ভূমিধস বা ভূমিকম্প হলে সুনামি অবধারিত।
2. বাংলাদেশের জলবায়ু কী ধরনের?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্রান্তীয় ও মৌসুমী জলবায়ু কেন সঠিক: বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ক্রান্তীয় অঞ্চলে হওয়ায় এখানকার জলবায়ুতে ক্রান্তীয় অঞ্চলের তীব্র উষ্ণতা ও আর্দ্রতার প্রভাব স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়। দক্ষিণ এশিয়ার মৌসুমী বায়ুর প্রধান প্রভাবাধীন থাকার কারণে বাংলাদেশের জলবায়ুতে ঋতু পরিবর্তন ও বৃষ্টিপাতের ক্ষেত্রে মৌসুমী বায়ুর ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। ভৌগোলিক তথ্য: বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ অংশে কর্কটক্রান্তি রেখার কাছাকাছি অবস্থিত যার মোট আয়তন এক লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার পাঁচশত সাতাশি বর্গকিলোমিটার। এখানকার জলবায়ুর প্রধান বিশেষত্ব হলো বছরের অধিকাংশ সময় উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া এবং বর্ষাকালে মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়া। আবহাওয়ার এই বিশেষ প্রকৃতির কারণে বাংলাদেশে মূলত ছয়টি ঋতু পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয় এবং গ্রীষ্মকাল ও বর্ষাকাল এর প্রধান রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় জলবায়ু — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলাদেশের জলবায়ুতে উপক্রান্তীয় অঞ্চলের চেয়ে মৌসুমী বায়ুর প্রভাব অনেক বেশি প্রবল। B) ক্রান্তীয় ও মৌসুমী জলবায়ু — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের জলবায়ুতে এই দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্যেরই পরিপূর্ণ ও বাস্তব প্রভাব রয়েছে। C) উপক্রান্তীয় জলবায়ু — এটি ভুল কারণ শুধু উপক্রান্তীয় জলবায়ু বললে মৌসুমী বায়ুর প্রভাব এবং ক্রান্তীয় অঞ্চলের উষ্ণতা সম্পূর্ণভাবে বাদ পড়ে যায়। D) অর্ধ ক্রান্তীয় জলবায়ু — এই অপশনটি ভৌগোলিক সংজ্ঞার সাথে মেলে না কারণ বাংলাদেশের জলবায়ু পুরোপুরি ক্রান্তীয় এবং মৌসুমী প্রকৃতির। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ নামটি মাথায় আসলে দুটি কথা মনে রাখবে, একটি হলো ক্রান্তীয় অবস্থান এবং অন্যটি হলো মৌসুমী বায়ুর বৃষ্টিপাত।
3. নীল নদের পানি নিয়ে দ্বন্দ্ব কোন দুই দেশের?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মিশর ও ইথিওপিয়া কেন সঠিক: ১. ইথিওপিয়ায় নীল নদের ওপর বিশাল গ্র্যান্ড ইথিওপিয়ান রেনেসাঁ বাঁধ নির্মাণের ফলে পানির প্রবাহ নিয়ে তীব্র দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়েছে। ২. মিশরের কৃষিকাজ ও পানীয় জলের প্রধান উৎস নীল নদ হওয়ায় দেশটি এই বাঁধের কারণে নিজেদের পানির নিরাপত্তা নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। ভৌগোলিক তথ্য: ১. নীল নদ পূর্ব আফ্রিকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভূমধ্যসাগরে পড়েছে এবং এটি বিশ্বের দীর্ঘতম নদী হিসেবে পরিচিত। ২. এই নদীর অববাহিকায় প্রায় ১১টি দেশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা কোটি কোটি মানুষের জীবনযাত্রার প্রধান চালিকাশক্তি। ৩. নীল নদের প্রায় পঁচাশি শতাংশ জলের প্রধান উৎস ইথিওপিয়ার পাহাড়ি অঞ্চল থেকে প্রবাহিত ব্লু নীল বা নীল নদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশর ও ইথিওপিয়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ নীল নদের জল বণ্টন ও বাঁধ নির্মাণ নিয়ে মূলত এই দুটি দেশের মধ্যেই মূল বিরোধ চলছে। B) সোমালিয়া ও মিশর — এই অপশনটি ভুল কারণ সোমালিয়া নীল নদের অববাহিকাভুক্ত দেশ নয় এবং মিশরের সাথে তাদের জলের কোনো সরাসরি দ্বন্দ্ব নেই। C) কেনিয়া ও তানজানিয়া — এই অপশনটি ভুল কারণ এই দেশগুলো হোয়াইট নীল নদের অংশীদার হলেও জল নিয়ে তাদের সাথে মিশরের প্রধান রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব নেই। D) লিবিয়া ও উগান্ডা — এই অপশনটি ভুল কারণ লিবিয়া সাহারা মরুভূমি অঞ্চলের দেশ এবং উগান্ডার সাথে মিশরের জল নিয়ে বর্তমান কোনো বড় দ্বন্দ্ব নেই। মনে রাখার টিপস: নীল নদের জল নিয়ে বিরোধ মানেই ইথিওপিয়ার বাঁধ আর মিশরের জল সংকট, তাই মনে রাখবে মিশর ও ইথিওপিয়া।
4. কোন আন্তর্জাতিক চুক্তি বাংলাদেশকে জলবায়ু অভিযোজন/ কূটনীতি (Climate Diplomacy) সংক্রান্ত তহবিল পেতে সাহায্য করে?
Created 3 weeks ago | Updated 32 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্যারিস চুক্তি কেন সঠিক: ১. এই আন্তর্জাতিক চুক্তির মাধ্যমে উন্নত দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা করতে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে আর্থিক সাহায্য প্রদান করে থাকে। ২. বাংলাদেশ জলবায়ু ঝুকিপূর্ণ দেশ হওয়ায় এই চুক্তির আওতায় গঠিত জলবায়ু তহবিল এবং গ্রিন ক্লাইমেট ফাণ্ড থেকে সহজেই আর্থিক সহায়তা ও অনুদান পেতে পারে। ভৌগোলিক তথ্য: ১. বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় অবস্থিত একটি বদ্বীপ রাষ্ট্র যার ভৌগোলিক অবস্থান ক্রান্তীয় অঞ্চলে এবং এর আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার। ২. এই দেশের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের কারণে উপকূলীয় অঞ্চল বারবার ঘূর্ণিঝড় ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হয়। ৩. উদাহরণস্বরূপ, বাংলাদেশ সরকার জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফাণ্ড গঠন করে প্যারিস চুক্তির লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অর্থায়ন পরিচালনা করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিস চুক্তি — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী অর্থায়নের প্রধান আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামো হিসেবে কাজ করে। B) ন্যাটো — এটি একটি সামরিক জোট এবং এর মূল কাজ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করা, যার সাথে জলবায়ু অর্থায়নের কোনো সম্পর্ক নেই। C) G-7 সম্মেলন — এটি বিশ্বের প্রধান উন্নত অর্থনীতিগুলোর একটি রাজনৈতিক ফোরাম, যা জলবায়ু কূটনীতিতে আলোচনা করলেও সরাসরি তহবিল বিতরণের চুক্তি নয়। D) ASEAN — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর একটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংস্থা, যা বাংলাদেশের জলবায়ু তহবিল প্রাপ্তির সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: জলবায়ু পরিবর্তন মানেই প্যারিস চুক্তি মনে রাখবে, কারণ এটি বিশ্বের সব দেশকে পরিবেশ রক্ষা ও তহবিল পেতে সাহায্য করার সবচেয়ে বড় চুক্তি।