a তিরিশের কবিদের
b চল্লিশের কবিদের
c রবীন্দ্রযুগের কবিদের
d পঞ্চাশের কবিদের
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তিরিশের কবিদের ১. কেন সঠিক: বাংলা কবিতায় আধুনিকতার সূচনা করা পাঁচজন প্রথিতযশা কবিকে একত্রে 'পঞ্চপাণ্ডব' বলা হয়। এই পাঁচ কবি হলেন বুদ্ধদেব বসু, বিষ্ণু দে, জীবনানন্দ দাশ, অমিয় চক্রবর্তী ও সুধীন্দ্রনাথ দত্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: তিরিশের দশক ছিল বাংলা কবিতার ইতিহাসে আধুনিকতার স্বর্ণযুগ। এই কবিরা ইউরোপীয় আধুনিকতা ও প্রতীকবাদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বাংলা কবিতায় নতুন মাত্রা যোগ করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জীবনানন্দ দাশ ব্যাখ্যা: তিনি তিরিশের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি যিনি রূপসী বাংলার রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন। উদাহরণ ২: বুদ্ধদেব বসু ব্যাখ্যা: তিনি আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রবক্তা এবং কবিতা পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিরিশের কবিদের — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই পাঁচ কবি তিরিশের দশকের আধুনিকতার প্রতিনিধি। B) চল্লিশের কবিদের — চল্লিশের দশকে রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকটের কবিরা আবির্ভূত হয়েছিলেন, এদের পঞ্চপাণ্ডব বলা হয় না। C) রবীন্দ্রযুগের কবিদের — রবীন্দ্রযুগের কবিরা মূলত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন এবং তাদের পরিধি ভিন্ন। D) পঞ্চাশের কবিদের — পঞ্চাশের দশকের কবি যেমন শামসুর রাহমান ও আল মাহমুদ ভিন্ন ধারার আধুনিকতার প্রতিনিধিত্ব করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: পঞ্চপাণ্ডব মানে মহাভারতের পাঁচ ভাইয়ের মতো বাংলা কবিতার পাঁচ আধুনিক দিকপাল। কবিদের নাম মনে রাখার সহজ সূত্র হলো বু-বি-জি-অ-সু অর্থাৎ বুদ্ধদেব, বিষ্ণু, জীবনানন্দ, অমিয় ও সুধীন্দ্রনাথ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তিরিশের পাঁচ কবির নাম বা পঞ্চপাণ্ডব সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। মনে রাখতে হবে তিরিশের কবিরা রবীন্দ্রপ্রভাব থেকে বেরিয়ে স্বতন্ত্র কাব্যধারা সৃষ্টি করেছিলেন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0