a ২১ জন
b ২২ জন
c ২৩ জন
d ২৫ জন
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৩ জন ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্য নিদর্শন। এটিতে মোট ২৪ জন পদকর্তা বা কবির নাম পাওয়া গেলেও ডক্টর সুকুমার সেনের মতে কবির সংখ্যা ২৩ জন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাচর্যবিনিশ্চয় নামে পুথি আবিষ্কার করেন। চর্যাপদের পদগুলোর রচনাকাল আনুমানিক দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী এবং এর ভাষা ছিল প্রাকৃত ও বাংলা ভাষার সান্ধ্যকালীন রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভুসুকুপা ব্যাখ্যা: চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচয়িতাদের মধ্যে ভুসুকুপা অন্যতম, যিনি মোট আটটি পদ রচনা করেছিলেন। উদাহরণ ২: কাহ্নপা ব্যাখ্যা: চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক পদ রচনা করেছেন কাহ্নপা, যার পদের সংখ্যা তেরোটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২১ জন — এটি চর্যাপদের ভুল কবির সংখ্যা, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। B) ২২ জন — এটিও ঐতিহাসিক তথ্যের সাথে মিলেনি, তাই এই অপশনটি ভুল। C) ২৩ জন — এটি সঠিক কবির সংখ্যা যা ডক্টর সুকুমার সেনের মতে গ্রহণযোগ্য। D) ২৫ জন — এটি চর্যাপদের কবির সংখ্যার সঠিক হিসাব নয়, তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: চর্যাপদের কবি সংখ্যা মনে রাখতে সুকুমার সেনের মতামত এবং মোট ২৪ জনের মধ্যে কাহ্নপা ও ভুসুকুপার পদ সংখ্যা মাথায় রাখবে। কবিদের নামের শেষে পা যুক্ত থাকে, যা দেখে চর্যাপদের কবিদের সহজেই চেনা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চর্যাপদের মোট পদ, কবির সংখ্যা এবং আবিষ্কারক সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0