a হর্ষবর্ধন
b গোবিন্দদাস
c রামাই পণ্ডিত
d বিপ্রদাস
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রামাই পণ্ডিত ১. কেন সঠিক: 'শূন্যপুরাণ' বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের নাথ সাহিত্য ধারার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাচীন নিদর্শন। এই কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে রামাই পণ্ডিতের নাম প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্যে বিশেষভাবে স্বীকৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শূন্যপুরাণ কাব্যটি বৌদ্ধ ধর্মের সহজিয়া মতবাদ এবং নাথ ধর্মের আচারের সঙ্গে সম্পর্কিত। এতে প্রাচীন বাংলার সমাজ সংস্কৃতি ও ধর্মের রূপ ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি বড়ু চণ্ডীদাসের রচনা। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলির আদি নিদর্শন। উদাহরণ ২: ময়নামতির গান কাব্যটি মীনানাথ ও গোপীচন্দ্রের কাহিনী নিয়ে রচিত। ব্যাখ্যা: এটি নাথ সাহিত্য ধারার একটি অন্যতম প্রধান নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হর্ষবর্ধন — হর্ষবর্ধন প্রাচীন ভারতের একজন বিখ্যাত রাজা ও নাট্যকার ছিলেন যিনি বাংলায় শূন্যপুরাণ রচনা করেননি। B) গোবিন্দদাস — গোবিন্দদাস একজন প্রখ্যাত বৈষ্ণব পদকর্তা ছিলেন যিনি শূন্যপুরাণের মতো ধর্মীয় কাব্য রচনা করেননি। C) রামাই পণ্ডিত — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি শূন্যপুরাণের রচয়িতা হিসেবে মধ্যযুগের সাহিত্যে পরিচিত। D) বিপ্রদাস — বিপ্রদাস পিপিলাই মনসামঙ্গল কাব্যের একজন বিশিষ্ট কবি ছিলেন যিনি শূন্যপুরাণ লেখেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: শূন্য শব্দটির সঙ্গে শূন্যে ভাসার বা শূন্যতার ধারণা মেলে আর শূন্য হাতে পণ্ডিত মানুষের কাছে যাওয়ার কথা মনে রাখতে পারো। শূন্যপুরাণ দেখলেই রামাই পণ্ডিতের নাম মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শূন্যপুরাণ কোন যুগের রচনা এবং এর রচয়িতা কে, এই প্রশ্নটি বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য মধ্যযুগের কবি ও তাদের বিখ্যাত কাব্যগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0