a নাম বিশেষণ
b বিশেষ্য
c ভাব বিশেষণ
d সর্বনাম
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিশেষ্য ১. কেন সঠিক: - বাক্যে 'নিশীথে' শব্দটি নির্দিষ্ট একটি সময় বা কাল বোঝাচ্ছে এবং এটি বাক্যের ভেতরে স্বাধীনভাবে নাম পদ হিসেবে অবস্থান করেছে। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যে শব্দ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, স্থান, ভাব বা গুণের নাম বোঝায় তাকে বিশেষ্য পদ বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদ প্রধানত ছয় প্রকার যথা সংজ্ঞাবাচক, জাতিবাচক, বস্তুবাচক, সমষ্টিবাচক, গুণবাচক ও ভাববাচক বিশেষ্য। - কাল বা সময়বাচক শব্দ বাক্যে ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে কখনো বিশেষ্য আবার কখনো ক্রিয়াবিশেষণ হতে পারে, তবে এখানে 'নিশীথে' স্বাধীনভাবে বিশেষ্য পদ হিসেবে কাজ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রভাতে সূর্য ওঠে। ব্যাখ্যা: এখানে 'প্রভাতে' একটি নির্দিষ্ট সময়ের নাম বোঝানো হয়েছে বিধায় এটি বিশেষ্য পদ। উদাহরণ ২: বসন্তে কোকিল ডাকে। ব্যাখ্যা: এখানে 'বসন্তে' একটি ঋতুর নাম বা সময় নির্দেশ করায় এটি বিশেষ্য পদ হিসেবে গণ্য হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাম বিশেষণ — নাম বিশেষণ বিশেষ্য পদের দোষ, গুণ, অবস্থা বা পরিমাণ বোঝায়, কিন্তু 'নিশীথে' কোনো পদের দোষ বা গুণ বোঝাচ্ছে না। B) বিশেষ্য — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর সপক্ষে যথাযথ ব্যাকরণগত যুক্তি বিদ্যমান। C) ভাব বিশেষণ — ভাব বিশেষণ ক্রিয়া বা অন্য কোনো পদকে বিশেষিত করে, কিন্তু এখানে 'নিশীথে' নিজে একটি স্বতন্ত্র নাম পদ। D) সর্বনাম — সর্বনাম পদ বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু 'নিশীথে' কোনো শব্দের বদলি হিসেবে বসেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো কাল, সময় বা বারবাচক শব্দ যদি বাক্যে সরাসরি কোনো কিছুর নাম হিসেবে আসে, তবে তা সাধারণত বিশেষ্য পদ হয়। - সময় বা কালের নাম চেনার সময় মনে রাখবে যে এগুলো কোনো না কোনো নির্দিষ্ট সময়ের পরিচয় বহন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সময়বাচক শব্দগুলো প্রায়ই ক্রিয়াবিশেষণ বা বিশেষ্য হিসেবে বিভ্রান্তি তৈরি করে, তাই বাক্যের প্রয়োগ ভালো করে খেয়াল করতে হবে। - এই ধরনের পদ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের অর্থ এবং বাক্যে তার অবস্থান বিবেচনা করা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0