a উপন্যাস
b কবিতা
c গল্প
d প্রবন্ধ
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রবন্ধ ১. কেন সঠিক: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'বিড়াল' একটি বিখ্যাত সামাজিক ও দার্শনিক প্রবন্ধ, যা ১৮৭৭ সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। - এই রচনাটিতে লেখক একটি সাধারণ বিড়াল ও একজন চোরের কথোপকথনের মাধ্যমে সমাজের নানা অসংগতি, বৈষম্য এবং নৈতিকতার দ্বিমুখী রূপ তুলে ধরেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত। - 'বিড়াল' প্রবন্ধটি তাঁর 'কমলাকান্তের দপ্তর' নামক বিখ্যাত রম্য রচনা সংকলনের অন্তর্ভুক্ত একটি অনন্য সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কমলাকান্তের দপ্তর ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত রম্য রচনা সংকলন, যার মধ্যে 'বিড়াল' প্রবন্ধটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। উদাহরণ ২: কমলাকান্তের পত্রে ব্যাখ্যা: এটিও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি ব্যঙ্গাত্মক ও সমাজসচেতন রচনা, যা লেখকের মননশীল চিন্তার পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'বিষবৃক্ষ' ও 'কপালকুণ্ডলা'র মতো বিখ্যাত উপন্যাস লিখেছেন, কিন্তু 'বিড়াল' কোনো উপন্যাস নয়। B) কবিতা — 'বিড়াল' কোনো পদ্য বা ছন্দবদ্ধ কবিতা নয়, এটি গদ্যে রচিত একটি গভীর মননশীল সাহিত্যকর্ম। C) গল্প — বাংলা ছোটগল্পের জনক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আর বঙ্কিমচন্দ্রের 'বিড়াল' আকারে ছোট হলেও এটি মূলত একটি প্রতীকী প্রবন্ধ। D) প্রবন্ধ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি লেখকের সমাজচিন্তা ও দর্শনের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কমলাকান্তের দপ্তর গ্রন্থের ভেতর বিড়াল থাকে, তাই 'বিড়াল' একটি প্রবন্ধ বা মননশীল রচনা হিসেবে মনে রাখবে। - বঙ্কিমচন্দ্রের প্রবন্ধগুলোকে সমাজ ও দর্শনের দর্পণ হিসেবে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'বিড়াল' প্রবন্ধটির উৎস এবং রচয়িতা সম্পর্কে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - লেখক পরিচিতি পড়ার সময় বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস ও প্রবন্ধগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ করা উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0