a আবিষ্কার
b পরিষ্কার
c তিরষ্কার
d পুরস্কার
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তিরষ্কার ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে তিরষ্কার শব্দটি অশুদ্ধ কারণ এর শুদ্ধ রূপ হলো তিরস্কার। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী বিসর্গ সন্ধির নিয়মে শব্দের শেষে থাকা বিসর্গ ক বা প এর পূর্বে থাকলে বিসর্গের পর স বসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অ বা আ ধ্বনির পর বিসর্গ এবং তার পরে ক, খ, প বা ফ থাকলে বিসর্গের স্থানে স হয়। - এই নিয়মের কারণে আঃ যোগ কার সমান আবিষ্কার, পরিঃ যোগ কার সমান পরিষ্কার এবং পুরঃ যোগ কার সমান পুরস্কার হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নমস্কার ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির নিয়মে নমঃ যোগ কার সমান নমস্কার হয় যেখানে ক এর পূর্বে স বসেছে। উদাহরণ ২: ভস্মস্কার ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও একই নিয়মে বিসর্গের পরে ক আসার কারণে স যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবিষ্কার — এটি একটি শুদ্ধ বানান যা বিসর্গ সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে। B) পরিষ্কার — এটি একটি শুদ্ধ বানান যা প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক। C) তিরষ্কার — এটি একটি অশুদ্ধ বানান কারণ এর সঠিক রূপটি হলো তিরস্কার। D) পুরস্কার — এটি একটি শুদ্ধ বানান যা বিসর্গ সন্ধির নিয়ম মেনে লেখা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - আবি, পরি এবং পুর শব্দের পরে কার থাকলে মূর্ধন্য ষ হয় না বরং দন্ত স হয়। - তির শব্দের পরেও কার যুক্ত হলে দন্ত স বসবে কিন্তু বিসর্গ লোপ পাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধির এই নিয়মটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - আবিষ্কার, পরিষ্কার ও পুরস্কার বানানে মূর্ধন্য ষ না লিখে দন্ত স লিখতে হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0