বাংলাদেশ  সিভিল সার্ভিস (BCS)

৪৯ তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ২০২৫।

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

1. পারিভাষিক শব্দ বলতে বোঝায়-
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিষয়গত সুনির্দিষ্ট অর্থবোধক শব্দ ১. কেন সঠিক: - পারিভাষিক শব্দ হলো এমন শব্দ যা বিশেষ কোনো জ্ঞানশাখা, বিজ্ঞান বা প্রযুক্তিতে নির্দিষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। - সাধারণ শব্দের মতো এর একাধিক অর্থ বা অর্থের অস্পষ্টতা থাকে না, বরং প্রতিটি ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট পরিভাষা নির্ধারিত থাকে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ মূলত কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের বিশেষ অর্থ বোঝাতে ব্যবহৃত প্রমিত শব্দভান্ডার। - এটি ভাষার ভাবপ্রকাশকে সুনির্দিষ্ট ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Constitution শব্দের পারিভাষিক রূপ সংবিধান। ব্যাখ্যা: রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক আইন বোঝাতে এটি একটি সুনির্দিষ্ট পারিভাষিক শব্দ। উদাহরণ ২: Audit শব্দের পারিভাষিক রূপ নিরীক্ষা। ব্যাখ্যা: আর্থিক হিসাবপত্র পরীক্ষা করার বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করতে এই শব্দটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংরেজি শব্দের বাংলা রূপান্তর — সব ইংরেজি শব্দের বাংলা রূপান্তরই পারিভাষিক শব্দ নয়, সাধারণ শব্দও হতে পারে। B) বিদেশি শব্দের অনুবাদ — বিদেশি শব্দের যেকোনো সাধারণ অনুবাদ পারিভাষিক শব্দের সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে না। C) বিষয়গত সুনির্দিষ্ট অর্থবোধক শব্দ — এটি সঠিক কারণ পারিভাষিক শব্দ সবসময় নির্দিষ্ট বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে। D) ব্যবহারিক প্রয়োজনে নবনির্মিত শব্দ — নবনির্মিত সব শব্দই পারিভাষিক শব্দ হিসেবে স্বীকৃতি পায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - পারিভাষিক শব্দ মানেই হলো নির্দিষ্ট বিষয়ের সুনির্দিষ্ট পরিভাষা। - সাধারণ অনুবাদের চেয়ে পরিভাষার অর্থ অনেক বেশি নির্দিষ্ট ও প্রযুক্তিগত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত ইংরেজি শব্দের সঠিক পারিভাষিক রূপ জানতে চাওয়া হয়। - ব্যাকরণের এই অংশটি থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
2. কোন শব্দটি প্রত্যয় যোগে গঠিত?
Created 1 week ago | Updated 34 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডাক্তারখানা ১. কেন সঠিক: ডাক্তারখানা শব্দটি গঠিত হয়েছে ডাক্তার এবং খানা শব্দের মিলনে। এখানে খানা একটি প্রত্যয় বা তদ্ধিত প্রত্যয় হিসেবে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রত্যয় হলো শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠনের প্রক্রিয়া। ডাক্তারখানা একটি তদ্ধিত প্রত্যয়যুক্ত শব্দ যেখানে স্থানবাচক প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৈঠকখানা ব্যাখ্যা: বৈঠক শব্দের সাথে খানা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্থানবাচক শব্দ গঠন করেছে। উদাহরণ ২: বায়াজানখানা ব্যাখ্যা: এটিও প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি পরিচিত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডাক্তারখানা — এটি প্রত্যয় যোগে গঠিত সঠিক উত্তর। B) হাসপাতাল — এটি একটি সমাসবদ্ধ বা ভিন্ন উৎস থেকে আসা শব্দ। C) আকাশছোঁয়া — এটি সমাসবদ্ধ শব্দ। D) গুণমান — এটি প্রত্যয় বা অন্য প্রক্রিয়ায় গঠিত হলেও নির্দিষ্ট নিয়মের বাইরে। ৫. মনে রাখার টিপস: খানার মতো স্থানবাচক প্রত্যয় চেনার মাধ্যমে সহজেই এমন শব্দ মনে রাখা যায়। শব্দ গঠন প্রক্রিয়া খেয়াল রাখলে উত্তর সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় ও সমাস প্রায়ই একসাথে গুলিয়ে ফেলা হয়। শব্দের মূল অংশ এবং প্রত্যয় আলাদা করতে পারলে সঠিক উত্তর চিহ্নিত করা সহজ হয়।
3. 'স্বাধীন' শব্দের ব্যাসবাক্য কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্ব-এর অধীন ১. কেন সঠিক: 'স্বাধীন' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো স্ব-এর অধীন। এখানে 'স্ব' মানে নিজের এবং 'অধীন' মানে নিয়ন্ত্রণে থাকা, যা মিলে নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকাকে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি একটি বিশেষ নিয়মে সাধিত সমাস বা প্রাদি সমাসের অন্তর্ভুক্ত। সংস্করণের প্রাদি সমাসের নিয়মে 'স্ব' এর সঙ্গে 'অধীন' যুক্ত হয়ে এই তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্বায়ত্তশাসন ব্যাখ্যা: নিজের স্বত্ব বা অধিকারের শাসন বোঝাতে এই সমাস ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: স্বয়ংক্রিয় ব্যাখ্যা: নিজে নিজেই চলে যা বোঝাতে এই শব্দটি গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বীয়-এর অধীন — ব্যাকরণগতভাবে 'স্বীয়' শব্দটি এখানে মূল সংস্কৃত রূপের সঙ্গে সরাসরি মেলে না। প্রমিত রীতিতে 'স্ব' ব্যবহার করা হয়। B) সত্তার অধীন — সত্তা অর্থ অস্তিত্ব, যা 'স্বাধীন' শব্দের প্রকৃত ভাব বা ব্যুৎপত্তিগত অর্থের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) স্বতের-অধীন — 'স্বত' শব্দটি স্বাধীন শব্দের সঠিক ব্যাকরণগত অংশ বা মূল রূপ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বাধীন শব্দের প্রথম অংশ 'স্ব' এবং শেষের অংশ 'অধীন' মনে রাখলেই সঠিক ব্যাসবাক্যটি সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমাস নির্ণয় বা ব্যাসবাক্য থেকে প্রশ্ন আসে, তাই শব্দের মূল রূপ চেনা জরুরি।
4. কাজী নজরুল ইসলামের কোন উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র জাহাঙ্গীর?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কুহেলিকা ১. কেন সঠিক: - কাজী নজরুল ইসলামের কুহেলিকা উপন্যাসের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক ও বিদ্রোহী চরিত্র হলো জাহাঙ্গীর। - এই উপন্যাসের মাধ্যমে লেখক তৎকালীন রাজনৈতিক আন্দোলন ও তরুণ সমাজের বিপ্লবকে ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মূলত বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি তিনটি উপন্যাস রচনা করেছেন। - তাঁর রচিত তিনটি উপন্যাস হলো বাঁধন-হারা, মৃত্যুক্ষুধা এবং কুহেলিকা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাস ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যেখানে দরিয়া ও মেজবদির মতো চরিত্র রয়েছে। উদাহরণ ২: বাঁধন-হারা উপন্যাস ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং পত্রযোগাযোগ বা চিঠির মাধ্যমে রচিত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাঁধন-হারা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম উপন্যাস হলেও এর কেন্দ্রীয় চরিত্র জাহাঙ্গীর নয়। B) মৃত্যুক্ষুধা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের জীবন নিয়ে লেখা উপন্যাস, যেখানে জাহাঙ্গীর চরিত্রটি নেই। D) শিউলিমালা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন, কোনো উপন্যাস নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের তিনটি উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বাঁধন-হারা মৃত্যুক্ষুধা নিবারণ করতে কুহেলিকা ভেদ করতে হয়। - এখান থেকে বাঁধন-হারা, মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা এই তিনটি উপন্যাসের নাম সহজেই মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাসের নাম ও চরিত্রগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। - বিদ্রোহী চরিত্রের জন্য কুহেলিকা উপন্যাসের জাহাঙ্গীর চরিত্রটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
5. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শব্দের শুরুতে মাত্রা যুক্ত 'এ'-কার ব্যবহার করতেন কেন?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 'অ্যা' উচ্চারণ বোঝাতে ১. কেন সঠিক: - বাংলা বর্ণমালায় 'এ' একটি মাত্রাহীন বর্ণ, যা শব্দের শুরুতে বসলে অনেক সময় বিবৃত বা অ-কারান্ত বা অ্যা-কারান্ত উচ্চারণ নির্দেশ করে। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা বানানের প্রমিত রূপায়নে এবং উচ্চারণের সঠিক রূপ বোঝানোর জন্য শব্দের শুরুতে মাত্রা যুক্ত 'এ'-কার ব্যবহার করতেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান এবং প্রমিত বানানরীতির সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ব্যাকরণগত ও সাহিত্যিক প্রসঙ্গ। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা বানান সংস্কারের ক্ষেত্রে উচ্চারণকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছিলেন এবং ছড়ার ছন্দে বা গদ্যে বিবৃত স্বরধ্বনি বোঝানোর এই বিশেষ রীতি প্রবর্তন করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে 'এ'-কার মাত্রা যুক্ত করে বিবৃত উচ্চারণ নির্দেশ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: একা ব্যাখ্যা: শব্দের শুরুতে 'এ'-কার ব্যবহার করে সঠিক উচ্চারণ স্পষ্ট করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 'এ'-কার মাত্রা যুক্ত বলে — এই অপশনটি ভুল কারণ 'এ' বর্ণটি নিজেই মাত্রাহীন হলেও এর কারচিহ্ন বা একার লেখার সময় মাত্রা ব্যবহার করা হয় কি না তা এই প্রশ্নের মূল উদ্দেশ্য নয়। B) 'এ' মাত্রাহীন বর্ণ বলে — এটি একটি সাধারণ ব্যাকরণগত তথ্য হলেও এটি রবীন্দ্রনাথের মাত্রা যুক্ত 'এ'-কার ব্যবহারের মূল কারণ নয়। C) 'এ' উচ্চারণ বোঝাতে — এটি আংশিক সত্য হলেও রবীন্দ্রনাথ বিশেষভাবে বিবৃত 'অ্যা' উচ্চারণ বোঝাতেই এই বিশেষ পদ্ধতি ব্যবহার করতেন। D) 'অ্যা' উচ্চারণ বোঝাতে — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ বিবৃত উচ্চারণ স্পষ্ট করার জন্যই এই রীতি আনা হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের বানানরীতিতে শব্দের শুরুতে মাত্রা যুক্ত 'এ'-কার দেখলে বুঝতে হবে সেটি বিবৃত বা অ্যা-কারান্ত উচ্চারণ বোঝানোর জন্যই ব্যবহার করা হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বানান সংস্কারে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান এবং বাংলা বর্ণমালার মাত্রা ও মাত্রাহীন বর্ণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
6. মধুসূদন দত্তের পূর্ববর্তী গুরুত্বপূর্ণ কবি কে?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১. কেন সঠিক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী ও সার্থক কবি। তাঁর আবির্ভাবের ঠিক আগের যুগে বাংলা কবিতায় যাঁদের অবদান সবচেয়ে বেশি, তাঁদের মধ্যে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত অন্যতম প্রধান। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত কবি ও সাংবাদিক। তাঁকে আধুনিক বাংলা কবিতার প্রস্তুতি পর্বের বা মধুসূদন-পূর্ব যুগের শ্রেষ্ঠ কবি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা। ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমে তিনি বহু তরুণ কবিকে সাহিত্যচর্চায় উৎসাহিত করেছিলেন। উদাহরণ ২: কবিওয়ালা ও পাচালি গানের সংগ্রহ। ব্যাখ্যা: তিনি প্রাচীন ও মধ্যযুগের কবিওয়ালাদের জীবন ও সাহিত্য নিয়ে প্রথম গবেষণা ও সংকলন করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মধুসূদন দত্তের পরবর্তী যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক ও নোবেলজয়ী কবি। B) ইসমাইল হোসেন সিরাজী — ইসমাইল হোসেন সিরাজী বিংশ শতাব্দীর একজন মুসলিম সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক। D) কায়কোবাদ — কায়কোবাদ মহাকাব্য রচয়িতা হলেও তিনি মধুসূদন দত্তের পূর্ববর্তী কবি নন, বরং পরবর্তী যুগের কবি। ৫ মনে রাখার টিপস: মধুসূদনের আগে গুপ্তযুগ ছিল। এভাবে মনে রাখতে পারো যে মধুসূদন দত্তের পূর্ববর্তী গুরুত্বপূর্ণ কবি হলেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয় কারণ তিনি প্রাচীন ও আধুনিক যুগের সংযোগ স্থাপন করেছিলেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে।
7. 'উৎক্ষেপণ' শব্দের 'উৎ' উপসর্গ কোন অর্থ ধারণ করছে?
Created 1 week ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঊর্ধ্ব ১. কেন সঠিক: 'উৎক্ষেপণ' শব্দটিতে 'উৎ' উপসর্গটি উপরে বা ঊর্ধ্ব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। কোনো কিছুকে নিচে থেকে উপরে ছোঁড়া বা নিক্ষেপ করা বোঝাতে এই উপসর্গ যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটায়। 'উৎ' একটি সংস্কৃত উপসর্গ যা সাধারণত উচ্চতা, শ্রেষ্ঠত্ব, উৎকর্ষ এবং ঊর্ধ্ব বা উপরে অর্থে শব্দের পূর্বে বসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উৎকর্ষ ব্যাখ্যা: এখানে 'উৎ' উপসর্গটি উর্ধ্ব বা উৎকর্ষের বিকাশ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: উদ্ঘাটন ব্যাখ্যা: এখানে 'উৎ' উপসর্গটি কোনো কিছু উন্মোচন বা উপরে তোলার অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জোর — 'উৎ' উপসর্গটি কোনো ক্ষেত্রে জোর বা তীব্রতা প্রকাশ করে না, তাই এটি ভুল। C) আড়াল — আড়াল বা ঢাকা অর্থ প্রকাশ করার জন্য 'উৎ' উপসর্গ ব্যবহার করা হয় না। D) গতি — গতি বোঝাতে 'উৎ' উপসর্গ ব্যবহার করা হয় না, এটি মূলত ঊর্ধ্ব বা উচ্চতা প্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: 'উৎ' মানেই উপরে বা ঊর্ধ্ব। যেমন কোনো কিছু উৎক্ষেপণ করা মানে উপরে ছোঁড়া। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের অর্থ বুঝে উপসর্গ চিহ্নিত করার অভ্যাস করতে হবে।
8. 'এ কাজ করতে আমি বদ্ধ পরিকর' এখানে 'পরিকর' শব্দের অর্থ কী?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রতিশ্রুত ১. কেন সঠিক: - 'বদ্ধ পরিকর' একটি বহুল ব্যবহৃত বাগধারা ও বিশেষ বাক্যাংশ, যার অর্থ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বা কোনো কাজের জন্য বিশেষভাবে প্রতিশ্রুত। - বাক্যে 'পরিকর' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ কোমর বাঁধা হলেও, 'বদ্ধ পরিকর' একত্রে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে যার মূল অর্থ দাঁড়ায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়া। ২. ব্যাকরণ ও শব্দার্থ ব্যাখ্যা: - এটি মূলত শব্দার্থ ও বাগধারা সংক্রান্ত প্রশ্ন, যেখানে শব্দের প্রচলিত ও রূপক অর্থ বিবেচনা করতে হয়। - 'পরিকর' শব্দের আক্ষরিক অর্থ কোমর বাঁধা, আর 'বদ্ধ পরিকর' মানে কোমর বেঁধে বা দৃঢ়ভাবে কোনো কাজের জন্য প্রস্তুত বা প্রতিশ্রুত হওয়া। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেশ গঠনের কাজে আমরা সবাই বদ্ধ পরিকর। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'বদ্ধ পরিকর' শব্দগুচ্ছটি দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বা প্রতিশ্রুত হওয়া অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: দুর্নীতি দমনে সরকার বদ্ধ পরিকর। ব্যাখ্যা: এখানেও কোনো নির্দিষ্ট কাজে দৃঢ়সংকল্পবদ্ধ হওয়া বোঝাতে 'বদ্ধ পরিকর' ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাস — এই শব্দটি বিশেষ বা নিজস্ব অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা 'পরিকর' শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) প্রতিজ্ঞা — এটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ, কিন্তু 'বদ্ধ পরিকর' সম্পূর্ণ মিলে একটি বিশেষণ পদ হিসেবে কাজ করে। C) কোমর — এটি 'পরিকর' শব্দের আক্ষরিক উৎস হলেও, 'বদ্ধ পরিকর' সমগ্র পদের অর্থ নির্দেশ করতে সরাসরি 'কোমর' অর্থ এখানে প্রযোজ্য নয়। D) প্রতিশ্রুত — এটি সঠিক কারণ 'বদ্ধ পরিকর' সমগ্র পদটি প্রতিশ্রুত বা সংকল্পবদ্ধ অর্থ প্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - 'বদ্ধ পরিকর' দেখলে মনে রাখবে এর অর্থ কোমর বেঁধে নামা বা কোনো কিছুর জন্য প্রতিশ্রুত হওয়া। - পরীক্ষার হলে আক্ষরিক অর্থের চেয়ে বাক্যের সামগ্রিক ভাবার্থের ওপর বেশি জোর দেবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দ ও বাগধারার ভেতরের সূক্ষ্ম অর্থ থেকে প্রশ্ন আসে। - শব্দের মূল উৎস এক হলেও বিশেষ বাক্যাংশ বা বাগধারায় তার অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যেতে পারে, যা সতর্কতার সঙ্গে মনে রাখতে হবে।
9. কোন শব্দটি বিসর্গসন্ধির মাধ্যমে গঠিত?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নীরব কেন সঠিক: ১. এই শব্দটিতে বিসর্গের ব্যবহার রয়েছে যা সন্ধি সাধিত হওয়ার সময় স্পষ্ট বোঝা যায়। ২. বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী নি এর সাথে রব যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বিসর্গ সন্ধি হলো বিসর্গের সাথে স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনজনিত পরিবর্তন। ২. এখানে বিসর্গ নিয়মানুযায়ী পরিবর্তিত হয়ে দীর্ঘ ঈকার ও রেফ যুক্ত রূপ নিয়েছে। ৩. যেমন নি যোগ রব সমান নীরব এবং নি যোগ রোগ সমান নীরোগ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীরব — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং মূল উত্তর। B) উজ্জ্বল — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে যার সঠিক ভাঙন উত যোগ জ্বল। C) মনোভীষ্ট — এটি সঠিক বানান নয় বরং সঠিক শব্দটি হলো মনোভিষ্ট বা মনোপূত। D) সংগ্রাম — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে যার সঠিক ভাঙন সম যোগ গ্রাম। মনে রাখার টিপস: ১. শব্দের মাঝে বিসর্গ বা রেফ থাকলে এবং তা ভাঙলে নি যোগ শব্দ পাওয়া গেলে তা বিসর্গ সন্ধি হয়। ২. বিসর্গ সন্ধি চেনার জন্য শব্দের গঠন ও সন্ধি বিচ্ছেদ ভালোভাবে মুখস্থ করতে হবে।
10. 'পরিবার থেকেই শিক্ষা শুরু' এখানে 'থেকে' শব্দের সাথে যুক্ত 'ই' এর ব্যাকরণিক পরিচয় কী?
Created 1 week ago | Updated 12 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বলক কেন সঠিক: এখানে 'থেকে' শব্দের সাথে যুক্ত 'ই' বর্ণটি বাক্যে জোর বা নিপাতনে ব্যবহৃত হয়েছে। শব্দের বা পদের অর্থকে জোরালো করতে এবং বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করতে এটি ব্যবহৃত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ বা ধ্বনি শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে অর্থের ওপর বিশেষ জোর দেয় সেগুলোকে বলক বা নিপাত বা উদ্যোতক বলা হয়। বাংলা ব্যাকরণে 'ই', 'তো', 'গো' ইত্যাদি বর্ণ বা শব্দাংশ প্রায়ই বলক হিসেবে শব্দের পরে বসে। যেমন: আমিই কাজটি করেছি, এখানে 'ই' বলক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপসর্গ — উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয় সূচক শব্দ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে। এখানে 'ই' শব্দের পূর্বে না বসে পরে যুক্ত হয়েছে এবং নতুন কোনো শব্দ তৈরি করেনি। B) প্রত্যয় — প্রত্যয় হলো শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হওয়া এমন কিছু ধ্বনি যা নতুন শব্দ বা পদ গঠন করে। এখানে 'ই' কোনো নতুন শব্দ বা পদ গঠন করার জন্য যুক্ত হয়নি। C) ধাতু — ধাতু হলো ক্রিয়াপদের মূল অংশ যা থেকে ক্রিয়া গঠিত হয়। এখানে 'ই' কোনো ক্রিয়ার মূল বা ধাতু নয়। D) বলক — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'ই' এখানে বিশেষ জোর বা বলক প্রকাশ করেছে। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দের পরে 'ই' বা 'তো' যুক্ত হয়ে যদি বাক্যের ওপর বিশেষ জোর বোঝায় তবে চোখ বন্ধ করে তাকে বলক বা উদ্যোতক দাগিয়ে দেবে। মনে রাখবে বলক শব্দটির অর্থই হলো কোনো কিছুর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া বা চাপ সৃষ্টি করা।
11. চর্যাপদের খণ্ডিত পদগুলো তিব্বতি থেকে প্রাচীন বাংলায় রূপান্তর করেন-
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সুকুমার সেন ১. কেন সঠিক: চর্যাপদের মূল পুথিটি নেপালের রাজদরবার থেকে আবিষ্কৃত হওয়ার পর এর তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার করেন প্রাবন্ধিক ও গবেষক প্রবোধচন্দ্র বাগচী। পরবর্তীতে তিব্বতি ভাষায় প্রাপ্ত চর্যাপদের খণ্ডিত বা অবশিষ্টাংশের পদগুলো তিব্বতি থেকে প্রাচীন বাংলায় রূপান্তর করেন বিশিষ্ট ভাষাতাত্ত্বিক ও সাহিত্য ইতিহাসবিদ ড. সুকুমার সেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ড. সুকুমার সেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস রচনায় এক যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছেন এবং তিনি প্রাচীন বাংলার ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করেন। চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য বা পদ সংকলন, যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের দ্বারা রচিত হয়েছিল এবং এটি সন্ধ্যাভাষায় লিখিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের টিকাকার মুনিদত্ত। ব্যাখ্যা: মুনিদত্ত চর্যাপদের সংস্কৃত টীকা রচনা করেছিলেন যার নাম চর্যাশ্চর্যবিনিশ্চয়। উদাহরণ ২: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন উদ্ধারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — তিনি চর্যাপদের ভাষা ও উৎপত্তি নিয়ে গবেষণা করে ১৯২৬ সালে ওডিবিএল গ্রন্থ রচনা করেন কিন্তু তিব্বতি থেকে রূপান্তর করেননি। B) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — তিনি চর্যাপদের মূল আবিষ্কারক এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে প্রকাশ করেন। C) রাজেন্দ্রলাল মিত্র — তিনি নেপালের রাজদরবারের সংস্কৃত ও বৌদ্ধ পুথির তালিকা প্রস্তুত ও সংগ্রহে ভূমিকা রাখলেও চর্যাপদের পদ তিব্বতি থেকে রূপান্তর করেননি। D) সুকুমার সেন — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনেই রয়েছে এবং তিনিই তিব্বতি থেকে খণ্ডিত পদ রূপান্তর করেন। ৫. মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আর তিব্বতি থেকে খণ্ডিত পদ রূপান্তর করেন সুকুমার সেন। নাম দুটি মনে রাখতে সুকুমার ও সুপ্রাচীন এই মিলটি খেয়াল রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের পদ সংখ্যা নিয়ে পরীক্ষ্তায় প্রশ্ন আসে যেখানে ড. সুকুমার সেনের মতে পদের সংখ্যা হলো ছেচল্লিশটি এবং আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে সাড়ে ছেচল্লিশটি। চর্যাপদের ভাষার রূপকার ও তিব্বতি অনুবাদকের নাম আলাদাভাবে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
12. 'মৃগয়া' শব্দের মৃগ বলতে কি বোঝানো হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পশু কেন সঠিক: ১. মৃগয়া শব্দের মূল অর্থ হলো শিকার করা এবং মৃগ শব্দের প্রাচীন ও মূল অর্থ হলো যেকোনো বন্য পশু। ২. বাংলা ব্যাকরণ ও অভিধান অনুসারে মৃগ বলতে কেবল হরিণকে বোঝায় না, বরং সাধারণ অর্থে যেকোনো শিকারযোগ্য পশুকে বোঝানো হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. শব্দার্থের সংকীর্ণীকরণ প্রক্রিয়ায় মৃগ শব্দটি আগে যেকোনো পশুকে বোঝালেও পরে নির্দিষ্ট করে হরিণকে বোঝাতে শুরু করেছে। ২. প্রাচীন বাংলা সাহিত্য ও কাব্যে রাজাদের শিকার উৎসব বোঝাতে মৃগয়া শব্দটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। ৩. যেমন মহাভারত বা অন্যান্য পৌরাণিক কাহিনীতে রাজাদের বনবিহারে গিয়ে মৃগয়া বা পশু শিকার করার অনেক উল্লেখ পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বানর — বানর একটি নির্দিষ্ট প্রাণী এবং মৃগয়া শব্দের সাথে এর কোনো ঐতিহাসিক বা শাব্দিক মিল নেই। B) সিংহ — সিংহ একটি বন্য পশু হলেও মৃগ শব্দের সাধারণ বা ব্যাপক অর্থে সিংহকে বোঝানো হয় না। C) পশু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয় এবং অন্য কোনো ভুল কারণ এখানে নেই। D) বন — বন হলো সেই স্থান যেখানে শিকার করা হয়, কিন্তু মৃগ বলতে স্থান বোঝায় না বরং শিকার করা জীবকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: ১. মৃগয়া মানে শিকার আর মৃগ মানে পশু এই সম্পর্কটি মনে রাখলে উত্তর সহজেই অনুমান করা যাবে। ২. মৃগ শব্দটির প্রাচীন অর্থ মাথায় রাখলে হরিণ এবং সাধারণ পশুর পার্থক্য পরিষ্কার হয়ে যায়।
13. ভাষার অর্থযুক্ত ক্ষুদ্রতম একক কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রূপমূল ১. কেন সঠিক: ভাষার অর্থবোধক বা অর্থযুক্ত ক্ষুদ্রতম একক হলো রূপমূল। রূপমূল হলো ব্যাকরণে শব্দের ক্ষুদ্রাংশ যা নির্দিষ্ট অর্থ বহন করে এবং নতুন শব্দ গঠনে সাহায্য করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রূপমূল হলো ভাষার এমন একটি ক্ষুদ্রতম একক যার নিজস্ব অর্থ আছে এবং যা বিভাজ্য নয়। এটি ধ্বনিমূলের চেয়ে আলাদা কারণ ধ্বনিমূলের নিজস্ব কোনো অর্থ থাকে না, কিন্তু রূপমূলের অর্থ থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফুল + তলা = ফুলতলা ব্যাখ্যা: এখানে ফুল এবং তলা দুটি পৃথক রূপমূল, যা একত্রিত হয়ে নতুন অর্থপূর্ণ শব্দ তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: হাত + কাটা = হাতকাটা ব্যাখ্যা: হাত এবং কাটা উভয়ই স্বাধীন রূপমূল হিসেবে কাজ করে শব্দ গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্ষর — অক্ষর হলো বাক্যের বা উচ্চারণের একক, যার অর্থ থাকাও বাধ্যতামূলক নয়। C) শব্দ — শব্দ হলো রূপমূলের চেয়ে বড় একক, যা এক বা একাধিক রূপমূল নিয়ে গঠিত হয়। D) বর্গ — বর্গ হলো শব্দের গুচ্ছ বা বাক্যের অংশ, এটি ভাষার ক্ষুদ্রতম একক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: অর্থযুক্ত ক্ষুদ্রতম একক বললে উত্তর হবে রূপমূল আর ধ্বনিভিত্তিক ক্ষুদ্রতম একক বললে উত্তর হবে ধ্বনিমূল। এই দুটি বিষয় পরীক্ষার হলে সবসময় আলাদা করে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রূপমূল এবং ধ্বনিমূল সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। রূপমূলের ইংরেজি রূপ হলো Morpheme আর ধ্বনিমূলের ইংরেজি Phoneme।
14. 'কম দামে কেনা বেশী দামে বেচা আমাদের স্বাধীনতা' - বইটির লেখক কে?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আবুল মনসুর আহমেদ ১. কেন সঠিক: - 'কম দামে কেনা বেশী দামে বেচা আমাদের স্বাধীনতা' হলো বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ আবুল মনসুর আহমেদের লেখা একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যঙ্গরচনা ও প্রবন্ধ সংকলন। - এই বইটিতে তৎকালীন রাজনীতির নানা অসঙ্গতি, সুবিধাবাদী মনোভাব এবং সমাজজীবনের বিভিন্ন কদর্য দিক অত্যন্ত শ্লেষাত্মক ও বুদ্ধিদীপ্ত ভাষায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আবুল মনসুর আহমেদ বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ যিনি মূলত তার রাজনৈতিক ব্যঙ্গাত্মক রচনার জন্য বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছিলেন। - তার সাহিত্যকর্মে সমসাময়িক রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট এবং ক্ষমতাশালীদের আত্মঘাতী চরিত্র ব্যঙ্গ ও রূপকের মাধ্যমে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে উন্মোচিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আয়না ব্যাখ্যা: এটি আবুল মনসুর আহমেদের অপর একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক গল্পগ্রন্থ, যেখানে তৎকালীন বাঙালি সমাজের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। উদাহরণ ২: ফুড কনফারেন্স ব্যাখ্যা: এটি লেখকের আরেকটি ব্যঙ্গাত্মক রচনা যা রাজনৈতিক ও সামাজিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে এক অনন্য সাহিত্যিক প্রতিবাদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল কালাম শামসুদ্দীন — ইনি একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সাহিত্যিক হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন, তাই এই অপশনটি ভুল। B) আবুল মনসুর আহমেদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে লেখকের নাম এবং গ্রন্থ মিলে গেছে। C) শামসুদ্দিন আবুল কালাম — ইনি একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক যিনি মূলত গ্রামীণ জীবনভিত্তিক উপন্যাস ও গল্পের জন্য পরিচিত, তবে এই বইটির সঙ্গে তিনি সম্পর্কিত নন। D) এস ওয়াজেদ আলী — ইনি প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক যিনি মূলত মননশীল ও সমাজসচেতন প্রবন্ধ রচনার জন্য পরিচিত, কিন্তু আলোচ্য গ্রন্থটি তার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রাজনীতিবিদ ও সাংবাদিক আবুল মনসুর আহমেদের ব্যঙ্গাত্মক রচনাগুলো সমাজের আয়না স্বরূপ, তাই 'কম দামে কেনা বেশী দামে বেচা আমাদের স্বাধীনতা' দেখলে আবুল মনসুর আহমেদের নাম মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আবুল মনসুর আহমেদের ব্যঙ্গরচনার নাম ও লেখক প্রায়ই আসে, তাই তার প্রধান গ্রন্থগুলো মনে রাখা জরুরি।
15. ফররুখ আহমদের গ্রন্থ কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হরফের ছড়া ১. কেন সঠিক: ফররুখ আহমদ বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত মুসলিম রেনেসাঁস কবি। তাঁর রচিত শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে 'হরফের ছড়া' একটি অন্যতম জনপ্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার রায়পুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মূলত ইসলামিক আদর্শ, ঐতিহ্য ও মানবতাবাদের কবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য 'সাত সাগরের মাঝি'। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখির বাসা ব্যাখ্যা: এটি ফররুখ আহমদের লেখা একটি বিখ্যাত শিশুতোষ ও কিশোর উপযোগী ছড়ার বই। উদাহরণ ২: হাতেম তাই ব্যাখ্যা: এটিও ফররুখ আহমদের রচিত একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যা শিশুদের নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হরফের ছড়া — এটি ফররুখ আহমদের লেখা সঠিক শিশুতোষ গ্রন্থ। B) বর্ণশিক্ষা — এই নামের কোনো বিখ্যাত গ্রন্থ ফররুখ আহমদের রচিত নয়। C) বর্ণপরিচয় — এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত বাংলা ভাষার অন্যতম আদি ও মৌলিক পাঠ্যপুস্তক। D) সহজ ছড়া — এই শিরোনামে একাধিক লেখকের রচনা থাকলেও এটি ফররুখ আহমদের গ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ফররুখ আহমদের শিশুতোষ গ্রন্থ মনে রাখার জন্য হরফ বা বর্ণমালা সংক্রান্ত তাঁর ছড়ার বইটি বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি ফররুখ আহমদের শিশুতোষ গ্রন্থ এবং সাত সাগরের মাঝি কাব্যগ্রন্থ সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম ও শিশুতোষ গ্রন্থগুলো আলাদাভাবে নোট করে পড়া উচিত।
16. 'শিক্ষককে বুঝতে হবে শিক্ষার্থী কী চায়' এই বাক্যে
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) একবচন ও বহুবচন উভয়ই বোঝাতে ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে 'শিক্ষার্থী' শব্দটি জাতিবাচক বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যা কোনো নির্দিষ্ট একজন বা একাধিক ব্যক্তিকে না বুঝিয়ে সমগ্র ছাত্রসমাজকে নির্দেশ করে। - বাংলায় নির্দিষ্ট কোনো পদের সঙ্গে যখন কোনো বিশেষ প্রত্যয় বা শব্দ যুক্ত না করে সাধারণভাবে পুরো শ্রেণিকে বোঝানো হয়, তখন তা একবচন ও বহুবচন উভয় অর্থই প্রকাশ করতে পারে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের বচন প্রকরণে বিশেষ্য পদের সাধারণ রূপ অনেক সময় প্রসঙ্গের ওপর নির্ভর করে এক বা একাধিক উভয় অর্থ প্রকাশ করতে পারে। - জাতিবাচক বা শ্রেণিবাচক বিশেষ্য একবচনে ব্যবহৃত হলেও তা দিয়ে পুরো জাতি বা শ্রেণি তথা বহু প্রাণীকে বোঝানো সম্ভব হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষ মরণশীল। ব্যাখ্যা: এখানে 'মানুষ' শব্দটি একবচন হলেও তা পৃথিবীর সকল মানুষকে বা সমগ্র মানবজাতিকে (বহুবচন অর্থে) বোঝায়। উদাহরণ ২: গরুকে ঘাস খেতে দাও। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'গরু' শব্দটি দিয়ে নির্দিষ্ট একটি গরুকে না বুঝিয়ে সমগ্র গরু জাতিকে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথমটি একবচন, পরেরটি বহুবচন বোঝাতে — এই বাক্যে দুটি শব্দই বাহ্যিকভাবে একবচনে রয়েছে কিন্তু উভয়েই শ্রেণি বোঝায়, তাই এই অপশন সঠিক নয়। B) বহুবচন বোঝাতে — শুধু বহুবচন বোঝালে এখানে 'শিক্ষার্থীরা' বা 'সব শিক্ষার্থী' শব্দ ব্যবহার করা হতো, তাই এটি ভুল। D) একবচন বোঝাতে — শুধু নির্দিষ্ট একজন শিক্ষার্থীকে না বুঝিয়ে সমগ্র ছাত্রসমাজকে বোঝানো হয়েছে, তাই শুধুমাত্র একবচন বলা ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যে যখন কোনো বিশেষ্য পদ পুরো জাতিকে বা শ্রেণিকে নির্দেশ করে, তখন তা ব্যাকরণগতভাবে একবচন হলেও অর্থগতভাবে এক এবং বহু উভয়কেই বোঝাতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বচন নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বাক্যের অর্থ এবং পদের অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে বিবেচনা করতে হবে।
17. কোন ধ্বনি পরিবর্তনটি যথাযথ নয়?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংগীত > গীতিকা ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে কোন ধ্বনি পরিবর্তনটি যথাযথ নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে। অপশন সি তে সংগীত শব্দের সঙ্গে গীতিকা শব্দটিকে ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণের মতো করে দেখানো হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। সংগীত এবং গীতিকা দুটি ভিন্ন শব্দ, কোনোটিই ধ্বনি পরিবর্তনের মাধ্যমে অপরটিতে রূপান্তরিত হয়নি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ধ্বনি পরিবর্তন বলতে মুখের ভাষার সহজীকরণের জন্য শব্দের ভেতরের ধ্বনির পরিবর্তন, লোপ বা আগমনকে বোঝায়। যেমন স্বরসঙ্গতি, অভিশুতি, বিষমীভবন ইত্যাদি ধ্বনি পরিবর্তনের বিভিন্ন নিয়ম রয়েছে। সংগীত থেকে গীতিকা কোনো ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়ম মেনে আসেনি, এটি একটি শব্দের সঙ্গে সম্পূর্ণ ভিন্ন আরেকটি শব্দের তুলনা মাত্র। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অলাবু > লাউ ব্যাখ্যা: এটি ধ্বনি পরিবর্তনের একটি নিয়মের উদাহরণ যেখানে আদি স্বরলোপ ঘটেছে। উদাহরণ ২: ধ্যৈর্য > ধৈর্য ব্যাখ্যা: এটি ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মে মধ্য স্বরলোপ বা বর্ণ পরিবর্তনের একটি উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্রন্দন > কাঁদা — এটি ধ্বনি পরিবর্তনের একটি সঠিক রূপ যেখানে নাসিক্যীভবন ও স্বর পরিবর্তনের মাধ্যমে ক্রন্দন শব্দ কাঁদা রূপ লাভ করেছে। B) অঞ্চল > আঁচল — এটি ধ্বনি পরিবর্তনের একটি সঠিক উদাহরণ যেখানে অনুনাসিকতার প্রভাবে অ ধ্বনি আ তে রূপান্তরিত হয়েছে। C) সংগীত > গীতিকা — এটি কোনো ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ নয় কারণ এটি দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ। D) দন্ত > দাঁত — এটি ধ্বনি পরিবর্তনের সঠিক উদাহরণ যেখানে নাসিক্যীভবন এবং স্বর পরিবর্তনের মাধ্যমে দন্ত শব্দ দাঁত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: ধ্বনি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে মূল শব্দ থেকে প্রাকৃতিকভাবে যে পরিবর্তিত রূপটি আসে সেটিই সঠিক ধ্বনি পরিবর্তন। দুটি আলাদা অর্থবোধক বা ভিন্ন শব্দ কখনো ধ্বনি পরিবর্তনের রূপ হতে পারে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি পরিবর্তনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই কোন শব্দ থেকে কোন শব্দটি ধ্বনি পরিবর্তনের মাধ্যমে এসেছে তা মুখস্থ করার চেয়ে নিয়মগুলো বুঝে পড়া বেশি কার্যকর।
18. সত্যকে স্বীকার করতে অনেক ব্যক্তিরাই চায়না। ' - এখানে ভুল ঘটেছে -
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বানান ও বচনের ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে দুটি ভুল রয়েছে, যার প্রথমটি বানানগত এবং দ্বিতীয়টি বচনগত। - 'চায়না' শব্দটি ভুল, এর সঠিক বানান হলো 'চাহে না' বা একসাথে লিখলে 'চায় না' (না বোধক অব্যয় আলাদা হবে)। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্যশুদ্ধির নিয়মানুযায়ী বহুবচন বোঝাতে 'ব্যক্তি' শব্দের সাথে 'গণ', 'বর্গ' বা 'বৃন্দ' যুক্ত হয়, কিন্তু 'ব্যক্তিরা' বহুবচন সঠিক নয়। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী না-বাচক অব্যয় সবসময় পদের সাথে আলাদাভাবে বসে, তাই 'চায়না' না লিখে 'চায় না' লেখা প্রমিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সকল ছাত্ররা ক্লাসে উপস্থিত আছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'সকল' এবং 'ছাত্ররা' একসাথে ব্যবহার করায় বাহুল্য বা বচনঘটিত ভুল হয়েছে, সঠিক রূপ হবে সকল ছাত্র ক্লাসে উপস্থিত আছে। উদাহরণ ২: আমি কাজটি করি নাই। ব্যাখ্যা: এখানে না-বাচক অব্যয় 'নাই' আলাদাভাবে বসেছে যা বাক্যটিকে বানান ও অর্থের দিক থেকে শুদ্ধ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বানান ও প্রত্যয়ের — বাক্যে কোনো প্রত্যয়ঘটিত ভুল নেই, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। B) অর্থ ও বচনের — বাক্যের অর্থ অস্পষ্ট নয়, বরং ব্যাকরণগত রূপ ভুল রয়েছে। C) অর্থ ও প্রত্যয়ের — এখানে অর্থের কোনো পরিবর্তন ঘটেনি এবং প্রত্যয়ের কোনো ব্যবহার নেই। D) বানান ও বচনের — বাক্যটিতে 'চায়না' বানান ভুল এবং 'ব্যক্তিরাই' বচনের নিয়ম লঙ্ঘন করেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: না-বাচক শব্দ সবসময় আলাদা লেখার অভ্যাস করো। বচনের দ্বিত্ব বা অতিরিক্ত বহুবচন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বাক্যে বহুবচন গঠনে শব্দের দ্বিরুক্তি বা অতিরিক্ত বহুবচন সূচক শব্দ ব্যবহার বাহুল্য দোষ সৃষ্টি করে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যশুদ্ধি থেকে প্রায়ই বচন ও বানান সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
19. আহমদ শরীফের মতে মধ্যযুগে চণ্ডীদাস নামে কতজন কবি ছিলেন?
Created 1 week ago | Updated 56 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ ১. কেন সঠিক: ডক্টর আহমদ শরীফ মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট গবেষক ও সম্পাদক। তার মতে বাংলা মধ্যযুগের চণ্ডীদাস নামে মোট তিনজন পৃথক কবি ছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের চণ্ডীদাস সমস্যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অত্যন্ত আলোচিত একটি বিষয়। আহমদ শরীফের মতে এই তিনজন কবি হলেন মহাাজন চণ্ডীদাস, দ্বিজ চণ্ডীদাস ও দীন চণ্ডীদাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য ব্যাখ্যা: এটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত একটি বিখ্যাত মধ্যযুগের নিদর্শন। উদাহরণ ২: পদাবলি সাহিত্য ব্যাখ্যা: চণ্ডীদাস মূলত পদাবলি রচনার জন্য মধ্যযুগে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 2 — এই সংখ্যাটি আহমদ শরীফের মতানুসারে সঠিক নয় কারণ তিনি দুইজন কবির কথা বলেননি। B) 3 — এই অপশনটি সঠিক এবং আহমদ শরীফের গবেষণা অনুযায়ী মধ্যযুগে চণ্ডীদাস নামের তিনজন কবির অস্তিত্বের কথা বলা হয়েছে। C) 4 — চারজন কবির কথা অন্য কোনো গবেষক বললেও আহমদ শরীফের মতে সংখ্যাটি চার নয়। D) 5 — পাঁচজন চণ্ডীদাস কবির কথা বাংলা সাহিত্য গবেষণায় গ্রহণযোগ্য কোনো প্রধান মতবাদ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: আহমদ শরীফ নামটিতে তিনটি বর্ণভিত্তিক শব্দ রয়েছে এবং তার মতে চণ্ডীদাস কবিও তিনজন। এই কৌশলটি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সংখ্যাটি সহজে মনে রাখা সম্ভব হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের পদাবলি সাহিত্যের আদি ও অকৃত্রিম কবি হলেন চণ্ডীদাস। চণ্ডীদাস সমস্যা সম্পর্কিত এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
20. ধ্বনি ও বর্ণের পার্থক্য কোথায়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইন্দ্রিয় গ্রাহ্যে ১. কেন সঠিক: ধ্বনি হলো মুখের উচ্চারিত আওয়াজ যা কানে শোনা যায় এবং বর্ণ হলো সেই ধ্বনির লিখিত রূপ যা চোখে দেখা যায়। এই মৌলিক পার্থক্যের কারণেই ধ্বনি ও বর্ণের মূল ফারাকটি মূলত ইন্দ্রিয় গ্রাহ্যতার স্তরে নিহিত রয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ভাষার মৌলিক উপাদান হলো ধ্বনি যা কান দিয়ে গ্রহণ করা হয় এবং এর লিখিত রূপ হলো বর্ণ যা চোখ দিয়ে দেখা হয়। ব্যাকরণের নিয়মানুসারে ধ্বনি হলো উৎপাদিত শব্দ এবং বর্ণ হলো তার প্রতিচ্ছবি বা প্রতীক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক একটি ধ্বনি বা বর্ণ যখন আমরা মুখে উচ্চারণ করি তখন তা কান দিয়ে শুনি। ব্যাখ্যা: এটি শ্রবণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে অনুভূত হয় বলে এটি ধ্বনি হিসেবে গণ্য হয়। উদাহরণ ২: ক লেখার পর যখন আমরা তা দেখি তখন তা বর্ণ হয়। ব্যাখ্যা: এটি দর্শনেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে অনুভূত হয় বলে একে বর্ণ বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লেখার ধরনে — ধ্বনির কোনো লেখার ধরন থাকে না কারণ ধ্বনি শুধু উচ্চারিত হয় এবং বর্ণ লেখা হয়। B) উচ্চারণের বিশিষ্টতায় — উচ্চারণ ভেদে ধ্বনির ভিন্নতা থাকতে পারে কিন্তু এটি মূল পার্থক্যের প্রধান ক্ষেত্র নয়। C) সংখ্যাগত পরিমাণে — বাংলা বর্ণমালায় বর্ণ নির্দিষ্ট হলেও ধ্বনির সংখ্যা ও প্রকরণ সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। D) ইন্দ্রিয় গ্রাহ্যে — ধ্বনি শোনা যায় কান দিয়ে আর বর্ণ দেখা যায় চোখ দিয়ে যা এদের মূল পার্থক্য নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: কান দিয়ে শোনা যায় ধ্বনি এবং চোখ দিয়ে দেখা যায় বর্ণ এই বিষয়টি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে। ইন্দ্রিয় দিয়ে অনুভবের ভিন্নতাই হলো এদের আসল পার্থক্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি ও বর্ণ সম্পর্কিত প্রশ্নে ইন্দ্রিয় গ্রাহ্যতার বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়। ধ্বনি শ্রুতিগ্রাহ্য এবং বর্ণ দর্শনগ্রাহ্য এই মূল সূত্রটি মনে রাখতে হবে।
21. 'তিনি কথা শুনে ঘুমাতে পারলেন না' বাক্যটির অস্ত্যর্থক রূপ কী হবে?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তিনি কথা শুনে জেগে রইলেন ১. কেন সঠিক: - বাক্য রূপান্তরের নিয়মানুযায়ী মূল বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে নেতিবাচক বাক্যকে অস্ত্যর্থক বা ইতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করতে হয়। - প্রদত্ত বাক্যে 'ঘুমাতে পারলেন না' অংশটি না-বোধক বা নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করছে, যার অস্ত্যর্থক রূপ হলো 'জেগে রইলেন'। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাক্য রূপান্তর বলতে অর্থের পরিবর্তন না করে বাক্যের কাঠামোগগত পরিবর্তন বোঝায়। - নেতিবাচক বাক্য থেকে অস্ত্যর্থক বাক্যে রূপান্তর করার সময় ক্রিয়াপদের বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করতে হয় এবং না বা নি বা নেই বোধক অব্যয় বাদ দিতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি একা থাকতে পারি না ব্যাখ্যা: এই নেতিবাচক বাক্যটির অস্ত্যর্থক রূপ হবে আমি সঙ্গ পছন্দ করি। উদাহরণ ২: সে মিথ্যা বলে না ব্যাখ্যা: এই নেতিবাচক বাক্যটির অস্ত্যর্থক রূপ হবে সে সর্বদা সত্য বলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিনি কথা না শুনে ঘুমাতে পারলেন না — এই অপশনে না-বোধক শব্দ রয়ে গেছে, তাই এটি অস্ত্যর্থক রূপ হয়নি। B) তিনি কথা না শুনে ঘুমাতে পারলেন — এই অপশনে মূল বাক্যের অর্থের পরিবর্তন ঘটেছে এবং ঘুমাতে পারার কথা বলা হয়েছে। C) তিনি জেগে রইলেন কথা না শুনে — এই অপশনে কথার অর্থ ও গঠনের বিন্যাস ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) তিনি কথা শুনে জেগে রইলেন — এটি সঠিক অস্ত্যর্থক রূপ কারণ এখানে না-বোধক পদের বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্য রূপান্তরের সময় খেয়াল রাখবে যেন মূল অর্থের কোনো পরিবর্তন না ঘটে এবং না-বোধক শব্দ তুলে দিয়ে তার বিপরীতার্থক শব্দ বসাতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রায়ই না-বোধক বাক্যকে হ্যাঁ-বোধক বা অস্ত্যর্থক বাক্যে রূপান্তর করতে বলা হয়। এক্ষেত্রে বিপরীত শব্দ চেনার দক্ষতা অত্যন্ত জরুরি।
22. The play "Englishmen for My Money" was written by
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) William Haughton কেন সঠিক: এই নাটকটি উইলিয়াম হaughton এর সবচেয়ে বিখ্যাত কমেডি নাটক হিসেবে পরিচিত। এটি ষোড়শ শতকের শেষের দিকে রচিত হয়েছিল এবং এটি শহরের জীবন নিয়ে লেখা প্রথম দিকের কমেডিগুলোর একটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Christopher Marlowe — তিনি এই নাটকটি লেখেননি, তিনি মূলত ট্রাজেডি নাটক লেখার জন্য বিখ্যাত যেমন ডক্টর ফস্টাস। B) Thoman Kyd — তিনি এই নাটকটির রচয়িতা নন, তার সবচেয়ে বিখ্যাত কাজের নাম দ্য স্প্যানিশ ট্রাজেডি। C) William Haughton — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি তার লেখা নাটক। D) Ben Johnson — তিনি এই নাটকের লেখক নন, তিনি বিখ্যাত জোভাল কমেডি লেখার জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: টাকার সাথে হaughton নামটি মনে রাখলে ইংরেজী ফর মাই মানি নাটকটির লেখক মনে রাখা সহজ হবে।
23. Which sentence is correct?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The picture was hung on the wall কেন সঠিক: ১. ঝুলানো অর্থে hang verb এর সঠিক past participle রূপ হলো hung এবং passive voice এ was এর পর hung ব্যবহৃত হয়েছে। ২. দেওয়ালের ছবি বা কাপড় ঝুলানোর ক্ষেত্রে hang এর V৩ রূপ হিসেবে hung শতভাগ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। ৩. বাক্যটির গঠন Passive হওয়ায় auxiliary verb এর সাথে সঠিক V৩ বসানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The picture was hanged on the wall — এখানে hanged ব্যবহার করা হয়েছে যা ফাঁসি দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, বস্তুর ক্ষেত্রে নয়। B) The picture had hanged on the wall — এখানে past perfect tense এর গঠন ভুল এবং hanged শব্দটি বস্তু ঝুলানোর জন্য ভুল। C) The picture was hunged on the wall — ইংরেজিতে hunged বলে কোনো শব্দ বা verb এর সঠিক রূপ নেই। D) এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: ফাঁসি দেওয়া বোঝালে hanged হবে এবং কোনো ছবি বা বস্তু ঝুলানো বোঝালে তার past form সবসময় hung হবে।
24. Which gender is the noun 'neighbor'?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Common কেন সঠিক: 'neighbor' শব্দটি দিয়ে পুরুষ এবং নারী উভয় প্রতিবেশীকে বোঝানো হয়। তাই এটি Common gender এর অন্তর্ভুক্ত। এটি কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গ প্রকাশ করে না। সব সমজাতীয় শব্দের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Masculine — এটি শুধু পুরুষ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না কারণ নারী প্রতিবেশীও থাকতে পারে। B) Feminine — এটি শুধু নারী বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না কারণ পুরুষ প্রতিবেশীও হতে পারে। C) Neuter — এটি শুধু জড় পদার্থ বোঝায়, কিন্তু প্রতিবেশী মানুষ তাই এটি ভুল। D) Common — এটি সঠিক কারণ এটি নারী ও পুরুষ উভয়কেই বোঝায়। মনে রাখার টিপস: যসব শব্দ দিয়ে পুরুষ বা নারী উভয়কেই বোঝায়, সেগুলোকে Common gender বলে।
25. Fill in the blanks with appropriate words. 'Selina knocked it ______ the park with her performance in culinary art'
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) out of কেন সঠিক: এখানে একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিওম ব্যবহার করা হয়েছে। যার অর্থ অত্যন্ত চমৎকার বা অসাধারণ কিছু করা। সেলিনার রান্নার পারফরম্যান্স সবার মন জয় করে নিয়েছে। তাই এখানে সঠিক শূন্যস্থান পূরণ হবে out of দিয়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) art — এটি বাক্যের অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং কোনো প্রবাদ গঠন করে না। B) out of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) inside — এটি বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যায় এবং ভুল অর্থ প্রকাশ করে। D) off — এটি বসালে সঠিক ইডিওম গঠিত হয় না এবং ব্যাকরণগতভাবে বেমানান। মনে রাখার টিপস: নক আউট অফ দ্য পার্ক একটি বিখ্যাত ইডিওম যা অসাধারণ সাফল্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
26. Select the sentence in which 'better' is an adverb
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয় ও ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Parts of Speech) সঠিক উত্তর: B) Sound travels better in water than in air কেন সঠিক: - এখানে 'better' শব্দটি 'travels' ভার্বকে মডিফাই করছে, তাই এটি একটি অ্যাডভার্ব। - এটি 'ভালোভাবে' অর্থে ক্রিয়া সম্পাদনের পদ্ধতি প্রকাশ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He joined the gym to better his health — এখানে 'better' একটি ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ উন্নতি করা। B) Sound travels better in water than in air — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে 'better' ভার্বকে মডিফাই করে অ্যাডভার্ব হয়েছে। C) It's hard to decide which one is better — এখানে 'better' একটি অ্যাডজেক্টিভ যা আগের কোনো নাউনের তুলনা বোঝাচ্ছে। D) We're helping for better weather tomorrow — এখানে 'better' একটি অ্যাডজেক্টিভ যা 'weather' নাউনটিকে মডিফাই করছে। মনে রাখার টিপস: ভার্ব সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিলে সেটি অ্যাডভার্ব হয়, আর নাউন সম্পর্কে তথ্য দিলে সেটি অ্যাডজেক্টিভ হয়।
27. Pick the correctly spelt word
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Conscientious কেন সঠিক: শব্দটিতে সঠিক বানান বিন্যাস হিসেবে 'science' শব্দের শেষে 'tious' যুক্ত হয়েছে। এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দ যার অর্থ বিবেকবান বা কতর্ব্যপরায়ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Conscintious — এই বানানে 't' এর আগের 'i' এবং 'o' বর্ণ দুটি সঠিকভাবে লেখা হয়নি। B) Consientious — এই বানানের মাঝে প্রয়োজনীয় 'c' বর্ণটি বাদ পড়ে গেছে। C) Concientious — এই বানানে সঠিক বানান গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় 's' বর্ণটি অনুপস্থিত রয়েছে। D) Conscientious — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং আদর্শ ইংরেজি বানানের নিয়ম মেনে গঠিত। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে প্রথমে 'Con' এবং মাঝে 'science' লিখে শেষে 'tious' যোগ করতে পারো।
28. A person who leaves his/her own country to settle permanently in another is called a/an
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Emigrant কেন সঠিক: Emigrant শব্দটি এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি নিজের দেশ স্থায়ীভাবে ছেড়ে অন্য কোনো দেশে বসতি স্থাপন করেন। এখানে নিজের দেশ ত্যাগ করার ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Immigrant — এই শব্দটির অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যিনি অন্য দেশ থেকে এসে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। B) Expatriate — এই শব্দটির অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যিনি কাজের জন্য বা অন্য কারণে সাময়িক বা দীর্ঘ সময় ধরে বিদেশে থাকেন কিন্তু স্থায়ীভাবে অভিবাসী হন না। C) Emigrant — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে পুনরায় আলোচনা করা হলো না। D) Migrant — এই শব্দটির অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যিনি কাজের সন্ধানে বা অন্য কারণে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বা এক দেশ থেকে অন্য দেশে ঘন ঘন যাতায়াত করেন। মনে রাখার টিপস: Exile বা Emigrant শব্দের শুরু হয় E দিয়ে, যার মানে এক্সিট বা বের হয়ে যাওয়া, অর্থাৎ নিজের দেশ থেকে বের হয়ে যাওয়া।
29. Choose the synonym for 'fright':
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Apprehension কেন সঠিক: 'Fright' শব্দের বাংলা অর্থ হলো ভয় বা আতঙ্ক। 'Apprehension' শব্দের অর্থও ভবিষ্যতে কোনো খারাপ কিছু ঘটার আশঙ্কা বা ভয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Placidity — এর অর্থ প্রশান্তি বা স্থিরতা, যা ভয়ের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি অবস্থা। B) Composure — এর অর্থ মনের স্থিরতা বা আত্মসংযম, যা ভীতিকর পরিস্থিতির বিপরীত। C) Apprehension — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Equanimity — এর অর্থ মনের সমভাব বা ধৈর্য, যা ভয়ের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: 'Fright' এবং 'Apprehension' দুটি শব্দই মনের ভয় বা আশঙ্কা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
30. Who wrote "A Vindication of the Rights of Women"?
Created 1 week ago | Updated 8 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Mary Wollstonecraft Godwin কেন সঠিক: ১৭৯২ সালে প্রকাশিত এই বিখ্যাত নারীবাদী গ্রন্থটির মূল রচয়িতা হলেন মেরি ওলস্টোনক্রাফট গডউইন। তিনি ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী নারী অধিকার কর্মী ও দার্শনিক হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। নারীশিক্ষার পক্ষে এটি অত্যন্ত জোরালো একটি ঐতিহাসিক সাহিত্যকর্ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Claire Clairmont — তিনি বিখ্যাত কবি বায়রনের প্রেমিকা এবং মেরি শেলীর সৎবোন ছিলেন, এই বইটির লেখক নন। B) Marry Wollstonecraft — এটি মূল লেখকের নামের বানান ভুল রূপ, তাই সঠিক নাম হিসেবে সি অপশনটি গ্রহণ করা হয়েছে। C) Mary Wollstonecraft Godwin — তিনি এই বিখ্যাত গ্রন্থটির সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ নামধারী রচয়িতা। D) Mary Shelley — তিনি মেরি ওলস্টোনক্রাফটের কন্যা এবং ফ্রাঙ্কেনস্টাইন উপন্যাসের লেখিকা, এই বইটির নন। মনে রাখার টিপস: নারী অধিকারের পক্ষে প্রথম কথা বলা এই বইটির লেখক মেরি ওলস্টোনক্রাফট গডউইন, যিনি ফ্রাঙ্কেনস্টাইন লেখিকা মেরি শেলীর মা।
31. 'Someone sneezed loudly at the back of the hall'. In this sentence the verb 'sneezed' is
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) Intransitive কেন সঠিক: এই বাক্যে 'sneezed' ভারْبটির পরে কোনো অবজেক্ট বা কর্ম নেই। এটি নিজেই নিজের অর্থ সম্পূর্ণ করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) Causative - কজেটিভ ভার্ব হতে হলে অন্য কাউকে দিয়ে কাজ করানোর অর্থ থাকতে হয়, যা এখানে নেই। খ) Intransitive - এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। গ) Transitive - ট্রানজিটিভ ভার্ব হতে হলে বাক্যে একটি অবজেক্ট বা কর্ম থাকতে হয়। ঘ) Factitive - ফ্যাকটিটিভ ভার্ব হতে হলে অবজেক্ট ছাড়াও অতিরিক্ত পরিপূরক বা কমপ্লিমেন্ট লাগে। মনে রাখার টিপস: যে ভার্বকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় না, সেটাই ইনট্রানজিটিভ ভার্ব।
32. "... I cannot but conclude the Bulk of your Natives, to be the most pernicious race of little odious vermin that Nature ever suffered to crawl upon the surface of the Earth"- the statement occurs in
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Gulliver's Travels কেন সঠিক: - উক্তিটি বিখ্যাত আইরিশ লেখক জোনাথন সুইফটের লেখা 'Gulliver's Travels' উপন্যাসের চতুর্থ খণ্ডের একটি অংশ। - ব্রবডিংগ্যাগ দেশের রাজা মানবজাতিকে তুচ্ছ ও ক্ষতিকর বলে মূল্যায়ন করে এই মন্তব্যটি করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Robinson Crusoe — এটি ড্যানিয়েল ডিফোর লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা মূলত জাহাজডুবি ও একা বেঁচে থাকার রোমাঞ্চকর গল্পের ওপর রচিত। B) Gulliver's Travels — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো ভুল ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। C) C) A Doll's House — এটি হেনরিক ইবসেনের লেখা একটি সমাজবাস্তবতাবাদী নাটক, যা নারী অধিকার ও পারিবারিক সম্পর্ক নিয়ে রচিত। D) D) Vanity Fair — এটি উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারে-র লেখা একটি উপন্যাস, যা উনিশ শতকের ব্রিটিশ সমাজের ভণ্ডামি ও লোভ তুলে ধরেছে। মনে রাখার টিপস: মানবজাতিকে ক্ষতিকর ও ক্ষুদ্র কীট (vermin) হিসেবে ব্যঙ্গ করার বিখ্যাত উক্তিটি জোনাথন সুইফটের 'Gulliver's Travels' উপন্যাসের সঙ্গে সম্পর্কিত।
33. The novel 'Wuthering Heights' was penned by the author under the penname
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Ellise Belle কেন সঠিক: এমিলি ব্রন্টি তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'ওয়াদারিং হাইটস' প্রকাশ করার সময় পুরুষালি ছদ্মনাম ব্যবহার করেছিলেন। তিনি তাঁর প্রকৃত পরিচয়ের পরিবর্তে 'Ellise Belle' ছদ্মনামটি বেছে নিয়েছিলেন। সে যুগে নারী লেখকদের লেখার স্বীকৃতি পেতে অনেক সময় ছদ্মনাম ব্যবহার করতে হতো। এই ছদ্মনামটি তাঁর আসল নামের আদ্যক্ষরের সাথে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ellise Bellet — এটি সামান্য বানান পরিবর্তনের কারণে ভুল অপশন হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। B) Ellise Belle — এটি সঠিক উত্তর কারণ ঔপন্যাসিক এই নামেই বইটি প্রকাশ করেছিলেন। C) Ellis Bell — এটি অন্য একটি বানান যা মূল ছদ্মনামের সাথে মেলে না। D) Una Blis — এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি নাম যা এই উপন্যাসের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: এমিলি ব্রন্টির ছদ্মনাম মনে রাখতে 'ই' অক্ষরটি দিয়ে শুরু নাম এবং শেষ নামের মিল খেয়াল রাখবে।
34. 'After lunch we went for a leisurely stroll'. Here 'leisurely' is a/an
Created 1 week ago | Updated 58 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) adjective কেন সঠিক: এখানে leisurely শব্দটি stroll নামক noun-টির ঠিক পূর্বে বসে সেটির দোষ বা অবস্থা প্রকাশ করছে। Noun-কে modify করায় এটি একটি adjective হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adverb — এটি verb-কে modify করছে না, বরং একটি noun-কে বিশেষিত করছে তাই এটি adverb নয়। B) adjective — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। C) noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না, তাই এটি noun হতে পারে না। D) conjunction — এটি দুটি শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করার কাজ করছে না, তাই এটি conjunction নয়। মনে রাখার টিপস: noun-এর আগে বসে যদি তার অবস্থা বোঝায়, তবে অনেক শব্দে ly থাকা সত্ত্বেও সেগুলো adjective হয়।
35. "Rubaiyat of Khayyam" is attributed to
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Edward Fitzgerald কেন সঠিক: - ফারসি কবি ওমর খৈয়ামের রুবাইয়াত বা চতুষ্পদী কবিতাগুলো ইংরেজিতে অনুবাদ করে বিশ্ববাসীর কাছে পরিচিত করেন এডওয়ার্ড ফিটজেরাল্ড। - ১৮৫৯ সালে তাঁর এই বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় এবং এটি ইংরেজি সাহিত্যের একটি ধ্রুপদী অনুবাদকর্ম হিসেবে সমাদৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Edward Fitzgerald — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ওমর খৈয়ামের রুবাইয়াত ইংরেজিতে সফলভাবে অনুবাদ করেছিলেন। B) William Fitzgerald — এটি ভুল নাম, উইলিয়াম ফিটজেরাল্ড নামে এই সাহিত্যকর্মের সাথে পরিচিত কোনো অনুবাদক নেই। C) Thomas Fitzgerald — এটি ভুল নাম, থমাস ফিটজেরাল্ড এই কাব্যগ্রন্থের অনুবাদক নন। D) Scott Fitzgerald — এফ স্কট ফিটজাকর্ড হলেন 'দ্য গ্রেট গ্যাটসবি' উপন্যাসের মার্কিন ঔপন্যাসিক, রুবাইয়াতের সাথে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: ওমর খৈয়ামের রুবাইয়াত বা কবিতা ই (E) দিয়ে শুরু করা এডওয়ার্ড ফিটজেরাল্ড (Edward Fitzgerald) ইংরেজিতে রূপান্তর করেছিলেন।
36. Identify the word that can be used as both singular and plural
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) cannon কেন সঠিক: cannon শব্দটি এমন একটি বিশেষ বিশেষ্য যা একবচন এবং বহুবচন উভয় ক্ষেত্রেই একই রকম থাকে। এর সাথে অতিরিক্ত কোনো এস বা ইএস যুক্ত করতে হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) light — light শব্দটি সাধারণত uncountable noun হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর বহুবচন lights হতে পারে। B) shot — shot শব্দটির সাধারণ বহুবচন হলো shots তাই এটি এক ও বহুবচনে রূপ বদলায়। C) criterion — criterion হলো একটি বিদেশি শব্দ যার বহুবচন হলো criteria। D) cannon — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর বহুবচন রূপ হিসেবে cannon বা cannons উভয়ই চলে কিন্তু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অপরিবর্তিত থাকে। মনে রাখার টিপস: কিছু প্রাণি ও যুদ্ধাস্ত্রের নাম যেমন cannon, deer, sheep একবচন ও বহুবচনে একই থাকে।
37. 'They talked about going on a vacation' Here 'going' is a/an
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) gerund কেন সঠিক: ১. প্রদত্ত বাক্যে going শব্দটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ করেছে। ২. এটি preposition about এর object হিসেবে বসেছে। ৩. verb এবং noun এর দ্বৈত কাজ করায় এটি একটি gerund. বাকি অপশন কেন ভুল: A) participle — এটি noun এর কাজ না করে adjective এর কাজ করে। B) infinitive — এটি to + verb এর মূল রূপ নিয়ে গঠিত হয়। C) verbal noun — এটি article এবং of এর মাঝে বসে নির্দিষ্ট noun হয়। D) gerund — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Preposition এর ঠিক পরেই verb এর সাথে ing দেখলে সেটি চোখ বন্ধ করে gerund দাগাবে।
38. 'We know that the earth is a planet' The underlined part is a/an
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Noun clause কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'that the earth is a planet' অংশটি প্রধান verb 'know'-এর অবজেক্ট বা কর্ম হিসেবে কাজ করছে। - transitive verb-এর পর কী বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করলে যে clause পাওয়া যায়, তা Noun clause হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Principal clause — এটি স্বাধীন বা প্রধান খণ্ডবাক্য নয়, বরং মূল বাক্যের উপর নির্ভরশীল একটি অধীন খণ্ডবাক্য। B) Adverbial clause — এটি কোনো verb, adjective বা adverb-কে সময়, স্থান বা কারণ প্রকাশ করে মডিফাই করছে না। C) Adjective clause — এটি বাক্যের কোনো noun বা pronoun-কে মডিফাই করছে না, তাই এটি Adjective clause নয়। D) Noun clause — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি বাক্যে object-এর কাজ সম্পন্ন করছে। মনে রাখার টিপস: principal clause-এর verb-কে কী বা whom প্রশ্ন করে উত্তর পেলে সেই subordinate clause-টি সবসময় Noun clause হয়।
39. 'We work every day except Friday'. In this sentence 'except' is a/an-
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) preposition কেন সঠিক: except শব্দটি এখানে Friday নাউনের আগে বসে বাক্যের বাকি অংশের সাথে তার সম্পর্ক বুঝিয়ে দিয়েছে। noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করায় এটি preposition। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করছে না। B) noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না, বরং সম্পর্ক স্থাপন করছে। C) preposition — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) pronoun — এটি কোনো noun-এর পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দ যদি noun বা pronoun-এর আগে বসে সময় বা স্থান নির্দেশ করে এবং সম্পর্ক বোঝায়, তবে তা preposition হয়।
40. The idiom 'icing on the cake' means -
Created 1 week ago | Updated 35 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) An attractive but unnecessary addition কেন সঠিক: আইসিং অন দ্য কেক একটি পরিচিত ইংরেজি ইডিয়ম যার শাব্দিক অর্থ কেকের ওপরের মিষ্টি প্রলেপ। এটি এমন কোনো সুন্দর বা লাভজনক বিষয়কে বোঝায় যা পরিস্থিতিকে আরও ভালো করে তোলে কিন্তু তা মূলত অপ্রয়োজনীয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A slice of the cake — এটি কোনো রূপক অর্থ প্রকাশ করে না বরং কেকের একটি বাস্তব টুকরো বোঝায়। B) An attractive but unnecessary addition — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ইডিয়মের আসল রূপক অর্থ প্রকাশ করে। C) An attractive and essential enhancement — এখানে অতিরিক্ত বিষয়টিকে অপরিহার্য বলা হয়েছে যা ভুল কারণ এটি অপ্রয়োজনীয়। D) An attractive service — এটি কোনো সেবা বা পরিষেবার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: কেক এমনিতেই সুস্বাদু, তাই তার ওপরের আইসিং বা ক্রিম অতিরিক্ত সৌন্দর্য বাড়ালেও তা বেঁচে থাকার জন্য জরুরি নয়।
41. Identify the correct passive form. "People thought that the despot was corrupt"
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The despot was thought to be corrupt কেন সঠিক: Active voice-এর Principal clause-টি Past Indefinite Tense-এ থাকায় Passive করার সময় Subject-এর পরে was এবং মূল Verb-এর Past Participle বসে। এছাড়া দোসরের Subordinate clause-টি অপরিবর্তিত থাকে এবং Complex sentence-কে এভাবে সহজে Passive করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The despot is thought to be corrupt — প্রদত্ত বাক্যের Tense পরিবর্তন করে Present করা হয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত। B) It was thought that the despot was corrupt — এটি একটি impersonal passive, কিন্তু মূল বাক্যের Subject-কে সামনে এনে করা নিয়মটি এখানে প্রয়োগ করা হয়নি। C) The despot was thought to be corrupt — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) The despot had been thought to be corrupt — এখানে Past Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল বাক্যের Tense-এর সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: People thought বা They believed জাতীয় Complex sentence-কে Passive করার সময় প্রধান Subject-এর পর Tense অনুযায়ী was বা were এবং verb-এর past participle বসাতে হয়।
42. একটি সমান্তর ধারার 4র্থ (চতুর্থ) এবং 12তম পদের যোগফল 20। ঐ ধারার প্রথম 15 পদের যোগফল কত?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫০ প্রদত্ত তথ্য: সমান্তর ধারার চতুর্থ পদের মান সমান্তর ধারার দ্বাদশ পদের মান ধরি, ধারার প্রথম পদ সমান ক ধারার সাধারণ অন্তর সমান খ অতএব, চতুর্থ পদ সমান ক + ৩খ দ্বাদশ পদ সমান ক + ১১খ শর্তমতে চতুর্থ পদ + দ্বাদশ পদ সমান ২০ সুতরাং, ক + ৩খ + ক + ১১খ সমান ২০ ২ক + ১৪খ সমান ২০ ক + ৭খ সমান ১০ উত্তর: প্রথম পনেরো পদের সমষ্টি সমান ১৫ ÷ ২ × (২ক + (১৫ − ১)খ) সমান ১৫ ÷ ২ × (২ক + ১৪খ) সমান ১৫ ÷ ২ × ২০ সমান ১৫০
43. একটি থলিতে ৩টি সবুজ এবং ২ট লাল বল আছে। অপর একটি থলিতে ২টি সবুজ এবং ৫টি লাল বল আছে। নিরপেক্ষভাবে প্রত্যেক থলি থেকে একটি করে বল তোলা হল। দুইটি বলের মধ্যে অন্তত একটি সবুজ হওয়ার সম্ভাবনা কত?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
দেওয়া আছে: ১ম থলি: সবুজ বল = ৩টি লাল বল = ২টি মোট বল = ৩ + ২ = ৫টি ২য় থলি: সবুজ বল = ২টি লাল বল = ৫টি মোট বল = ২ + ৫ = ৭টি সমাধান: "কমপক্ষে/অন্তত একটি সবুজ বল" পাওয়ার সম্ভাবনা বের করার সহজ উপায় হলো— ১ থেকে "কোনোটিই সবুজ নয় (অর্থাৎ দুটিই লাল)" হওয়ার সম্ভাবনা বিয়োগ করা। ধাপ ১: ১ম থলি থেকে লাল বল পাওয়ার সম্ভাবনা: P(১ম বল লাল) = ২/৫ ধাপ ২: ২য় থলি থেকে লাল বল পাওয়ার সম্ভাবনা: P(২য় বল লাল) = ৫/৭ ধাপ ৩: দুটি বলই লাল হওয়ার সম্ভাবনা: P(দুটিই লাল) = (২/৫) × (৫/৭) = ১০/৩৫ = ২/৭ ধাপ ৪: অন্তত একটি সবুজ বল হওয়ার সম্ভাবনা: P(অন্তত ১টি সবুজ) = ১ − P(দুটিই লাল) = ১ − (২/৭) = (৭ − ২) / ৭ = ৫/৭ উত্তর: 5/7 (বা প্রায় 0.714)
44. একটি ত্রিভুজের প্রথম কোণ দ্বিতীয় কোণের অর্ধেক, তৃতীয় কোণ অপর দুই কোণের বিয়োগফলের তিনগুণ। দ্বিতীয় কোণটি কত ডিগ্রী?
Created 1 week ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের প্রথম কোণ দ্বিতীয় কোণের অর্ধেক তৃতীয় কোণ অপর দুই কোণের বিয়োগফলের তিনগুণ ধরি, দ্বিতীয় কোণটি = ক ডিগ্রি প্রথম কোণটি = ক ÷ ২ ডিগ্রি অতএব, তৃতীয় কোণ = ৩ × (ক − (ক ÷ ২)) ডিগ্রি তৃতীয় কোণ = ৩ × (ক ÷ ২) ডিগ্রি সুতরাং, ক + (ক ÷ ২) + (৩ক ÷ ২) = ১৮০ ডিগ্রি ২ক + ক + ৩ক = ৩৬০ ডিগ্রি উত্তর: ৬ক = ৩৬০ ডিগ্রি অর্থাৎ ক = ৬০ ডিগ্রি
45. x² + 6x - 27 < 0 অসমতাটির সমাধান সেট নিচের কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (- ৯, ৩) প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো x² + ৬x − ২৭ < ০ ধরি, রাশিটিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে অতএব, x² + ৯x − ৩x − ২৭ < ০ সুতরাং, x(x + ৯) − ৩(x + ৯) < ০ উত্তর: (- ৯, ৩)
46. ১৫ মিটার লম্বা একটি স্কেলের এক প্রান্তে ১০ কেজি ওজন বাঁধা রয়েছে। একই প্রান্ত থেকে স্কেলের দৈর্ঘ্যের ৩ : ২ অনুপাতে একটি পেরেক লাগানো আছে। অপর প্রান্তে কত কেজি ওজন দিলে স্কেলের ভারসাম্য থাকবে?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: স্কেলের মোট দৈর্ঘ্য = ১৫ মিটার এক প্রান্তে বাঁধা ওজন = ১০ কেজি পেরেকটি প্রথম প্রান্ত থেকে স্কেলের দৈর্ঘ্যের ৩ : ২ অনুপাতে অবস্থিত ধরি, প্রথম প্রান্ত থেকে পেরেকের দূরত্ব = ১৫ × (৩ ÷ (৩ + ২)) মিটার দূরত্ব হিসাব করলে পাওয়া যায়, ১৫ × (৩ ÷ ৫) = ৯ মিটার বাকি দূরত্ব বা অপর প্রান্তের বাহু = ১৫ − ৯ = ৬ মিটার অতএব, প্রথম দিকের ভ্রামক = ১০ কেজি × ৯ মিটার = ৯০ একক অপর দিকের ভ্রামক = (অপর প্রান্তের ওজন) × ৬ মিটার ভারসাম্য বজায় রাখতে উভয় দিকের ভ্রামক সমান হতে হবে সুতরাং, ৬ × (অপর প্রান্তের ওজন) = ৯০ অপর প্রান্তের ওজন = ৯০ ÷ ৬ = ১৫ কেজি উত্তর: ১৫ কেজি
47. নিচের ধারার পরবর্তী সংখ্যা কোনটি? ১, √৯ , ৫, √৪৯
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ প্রদত্ত তথ্য: ধারার পদগুলো হলো ১, √৯, ৫, √৪৯ ধরি, প্রথম পদ = ১ = √১ দ্বিতীয় পদ = √৯ = ৩ অতএব, প্রথম পদের বর্গমূলের মান = ১ দ্বিতীয় পদের বর্গমূলের মান = ৩ সুতরাং, পদগুলোর স্বাভাবিক সংখ্যাগুলোর বর্গমূল লক্ষ্য করলে দেখা যায় বিজোড় সংখ্যার ধারাবাহিকতা রয়েছে উত্তর: ৯
48. যদি গতকাল শুক্রবার হতো, তাহলে আজ থেকে ৮১তম দিন কি বার হবে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বুধবার প্রদত্ত তথ্য: গতকাল শুক্রবার ছিল ধরি, আজ হলো শনিবার ৮১ দিন পর কি বার হবে তা বের করতে হবে অতএব, ৮১ সংখ্যাটিকে সপ্তাহের মোট দিন ৭ দিয়ে ভাগ করতে হবে ৮১ কে ৭ দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ থাকে ৪ শনিবারের সাথে ৪ দিন যোগ করতে হবে সুতরাং, শনিবারের পর চারদিন হলো রবিবার, সোমবার, মঙ্গলবার এবং বুধবার উত্তর: বুধবার
49. ax + by = a²; bx - ay = ab; এই সহ-সমীকরণের (x, y) এর সমাধান কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 58 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (a, 0) প্রدত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো ax + by = a² দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো bx − ay = ab ধরি, প্রথম সমীকরণকে a দ্বারা এবং দ্বিতীয় সমীকরণকে b দ্বারা গুণ করি a²x + aby = a³ এবং b²x − aby = ab² অতএব, দুটি সমীকরণ যোগ করে পাই, a²x + b²x = a³ + ab² সুতরাং, x(a² + b²) = a(a² + b²) বা, x = a উত্তর: (a, 0)
50. একটি ট্রেন প্রতি সেকেন্ডে 100 ফুট বেগে চলছে। এক ব্যক্তির বন্দুকের গুলির বেগ সেকেন্ডে 200 ফুট। উক্ত ব্যক্তি চলন্ত ট্রেনের 300 ফুট সামনে একটা লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে কত সেকেন্ড পর তা লক্ষ্যকে আঘাত করবে?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ প্রদত্ত তথ্য: ট্রেনের বেগ প্রতি সেকেন্ডে ১০০ ফুট গুলির বেগ প্রতি সেকেন্ডে ২০০ ফুট লক্ষ্যবস্তুর দূরত্ব ৩০০ ফুট সামনে ধরি, ট্রেনের সাপেক্ষে গুলির আপেক্ষিক বেগ = গুলির বেগ − ট্রেনের বেগ অতএব, আপেক্ষিক বেগ = ২০০ ফুট − ১০০ ফুট সুতরাং আপেক্ষিক বেগ = প্রতি সেকেন্ডে ১০০ ফুট সুতরাং, লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত করতে সময় লাগবে = দূরত্ব ÷ আপেক্ষিক বেগ উত্তর: ৩০০ ফুট ÷ প্রতি সেকেন্ডে ১০০ ফুট = ১ সেকেন্ড
51. একটি ঘনকের সম্পূর্ণ পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল 48 বর্গমিটার। ঘনকটির কর্ণের দৈর্ঘ্য কত?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২√৬ মিটার প্রদত্ত তথ্য: ঘনকের সম্পূর্ণ পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল = ৪৮ বর্গমিটার ধরি, ঘনকের একটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার ঘনকের সম্পূর্ণ পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল = ৬ × (বাহুর দৈর্ঘ্য)^২ ঘনকের কর্ণের দৈর্ঘ্য = √৩ × বাহুর দৈর্ঘ্য অতএব, ৬ × ক^২ = ৪৮ ক^২ = ৪৮ ÷ ৬ = ৮ সুতরাং, ক = √৮ = ২√২ মিটার কর্ণের দৈর্ঘ্য = √৩ × ২√২ = ২√৬ মিটার উত্তর: ২√৬ মিটার
52. একটি গুণোত্তর ধারার পঞ্চম পদটি ৩২ ও অষ্টম পদটি ২৫৬ হলে উক্ত ধারার সাধারণ অনুপাত কত?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২ প্রদত্ত তথ্য: গুণোত্তর ধারার পঞ্চম পদ = ৩২ অষ্টম পদ = ২৫৬ ধরি, ধারার প্রথম পদ = ক সাধারণ অনুপাত = র অতএব, পঞ্চম পদ = ক × র টু দি পাওয়ার ৪ = ৩২ অষ্টম পদ = ক × র টু দি পাওয়ার ৭ = ২৫৬ সুতরাং, (ক × র টু দি পাওয়ার ৭) ÷ (ক × র টু দি পাওয়ার ৪) = ২৫৬ ÷ ৩২ র টু দি পাওয়ার ৩ = ৮ উত্তর: র = ২
53. দুইটি সংখ্যার ল.সা.গু 4x² + 12x² - 16x - 48, গ.সা.গু 2x + 4। একটি সংখ্যা 4x² + 20x + 24 হলে অপরটি
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২(x^২ − ৪) প্রদত্ত তথ্য: ল.সা.গু = ৪x^৩ + ১২x^২ − ১৬x − ৪৮ (প্রশ্নে x^৩ ধরে সমাধান করতে হবে) গ.সা.গু = ২x + ৪ একটি সংখ্যা = ৪x^২ + ২০x + ২৪ ধরি, অপর সংখ্যাটি = ক আমরা জানি, সংখ্যা দুটির গুণফল = ল.সা.গু × গ.সা.গু অতএব, প্রথম সংখ্যা × অপর সংখ্যা = (৪x^৩ + ১২x^২ − ১৬x − ৪৮) × (২x + ৪) (৪x^২ + ২০x + ২৪) × ক = (৪x^৩ + ১২x^২ − ১৬x − ৪৮) × (২x + ৪) দ্বিতীয় হিসাব: উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই, ৪(x + ৩)(x + ২)(x − ২) × ২(x + ২) = ৪(x + ৩)(x + ২)(স্বরূপ) × ক সুতরাং, ক = [৪(x + ৩)(x + ২)(x − ২) × ২(x + ২)] ÷ [৪(x + ৩)(x + ২)] ক = ২(x + ২)(x − ২) উত্তর: ২(x^২ − ৪)
54. ১ জন লোক ১টি কলা ১ মিনিটে খেতে পারে। তাহলে ৫ জন লোকের ৫টি কলা খেতে কত মিনিট সময় লাগবে?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ প্রদত্ত তথ্য: ১ জন লোক ১টি কলা খেতে সময় নেয় ১ মিনিট ৫ জন লোকের জন্য কলার সংখ্যা ৫টি ধরি, প্রথম লোক খায় ১টি কলা দ্বিতীয় লোক খায় ১টি কলা তৃতীয় লোক খায় ১টি কলা চতুর্থ লোক খায় ১টি কলা অতএব, পঞ্চম লোক খায় ১টি কলা সবাই একসাথে কলা খাওয়া শুরু করে সুতরাং, প্রথম মিনিটে প্রত্যেকে নিজ নিজ কলা শেষ করে উত্তর: ১ মিনিট
55. যদি M = {a, b, 1, 2} এবং N = {1, 2} হয়, তবে N - M এর মান কত?
Created 1 week ago | Updated 5 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রদত্ত তথ্য: সেটের মান M = a, b, ১, ২ সেটের মান N = ১, ২ ধরি, বাদ সেট বা অন্তর সেট বের করতে হবে N সেটের উপাদান থেকে M সেটের উপাদান বাদ দিতে হবে অতএব, N সেটের উপাদানগুলো হলো ১ এবং ২ M সেটের উপাদানগুলোতেও ১ এবং ২ আছে সুতরাং, N সেটের কোনো উপাদান বাকি থাকে না উত্তর:
56. একটি লোহার গোলক গলিয়ে কয়টি সমান আয়তনের গোলক তৈরি সম্ভব যাদের প্রত্যেকের ব্যাসার্ধ বড় গোলকটির অর্ধেক?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮ প্রদত্ত তথ্য: বড় লোহার গোলক গলিয়ে সমান আয়তনের ছোট গোলক তৈরি করতে হবে ছোট গোলকগুলির প্রত্যেকের ব্যাসার্ধ বড় গোলকটির অর্ধেক ধরি, বড় গোলকটির ব্যাসার্ধ = r ছোট গোলকটির ব্যাসার্ধ = r ÷ ২ অতএব, বড় গোলকটির আয়তন = (৪ ÷ ৩) × পাই × r এর কিউব ছোট গোলকটির আয়তন = (৪ ÷ ৩) × পাই × (r ÷ ২) এর কিউব সুতরাং, ছোট গোলকটির আয়তন = (১ ÷ ৮) × বড় গোলকটির আয়তন উত্তর: ৮ টি
57. একটি বই ১০% ক্ষতিতে বিক্রি করা হইল। বিক্রয়মূল্য ৬০ টাকা বেশি হলে ৫% লাভ হত। বইটির ক্রয়মূল্য কত?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪০০ প্রদত্ত তথ্য: বইটির প্রথম বিক্রয়মূল্য ১০% ক্ষতিতে বইটির দ্বিতীয় বিক্রয়মূল্য ৫% লাভে বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য ৬০ টাকা বেশি ধরি, বইটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ১০% ক্ষতিতে প্রথম বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ১০ = ৯০ টাকা ৫% লাভে দ্বিতীয় বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ৫ = ১০৫ টাকা অতএব, বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য = ১০৫ − ৯০ = ১৫ টাকা পার্থক্য ১৫ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা পার্থক্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ ÷ ১৫ টাকা সুতরাং, পার্থক্য ৬০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ × ৬০ ÷ ১৫ টাকা উত্তর: ৪০০ টাকা
58. logₓ4 = - 2 হলে x = কত?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1/2 সমীকরণ: logₓ 4 = −2 লগারিদমের নিয়ম অনুযায়ী: x⁻² = 4 ⇒ 1 / x² = 4 ⇒ x² = 1/4 ⇒ x = √(1/4) ⇒ x = 1/2 (বা 0.5) (লগের ভিত্তি ঋণাত্মক হয় না বলে x = −1/2 গ্রহণযোগ্য নয়) উত্তর: x = 1/2
59. একটা বাক্সে ৪টা লাল, ৩টা নীল, ২টা হলুদ ও ১টা সবুজ বল আছে। কমপক্ষে কয়টা বল উঠালে সেখানে অন্তত একটা লাল বল থাকবেই?
Created 1 week ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭ প্রদত্ত তথ্য: বাক্সে লাল বল আছে ৪টি বাক্সে অন্যান্য বল আছে নীল ৩টি, হলুদ ২টি এবং সবুজ ১টি ধরি, বক্সে লাল বাদে মোট অন্য রঙের বল আছে = ৩ + ২ + ১ = ৬টি আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যেন অন্তত একটি লাল বল ওঠে অতএব, প্রথম ৬টি বল তুললে এমন হতে পারে যে তার একটিও লাল নয় অর্থাৎ, সব কটি নীল, হলুদ ও সবুজ বল উঠে আসতে পারে সুতরাং, ভাগ্য সবচেয়ে খারাপ হলেও ৭ম বলটি তুললে সেখানে নিশ্চিতভাবেই অন্তত একটি লাল বল থাকবে উত্তর: ৭
60. PQR ত্রিভুজের ∠Q = 90° এবং ∠P = 2 ∠R হলে নিচের কোনটি সঠিক?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) PR = 2PQ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ PQR একটি সমকোণী ত্রিভুজ যার কোণ Q সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রি কোণ P এর মান কোণ R এর দ্বিগুণ ধরি, কোণ R এর মান = x ডিগ্রি কোণ P এর মান = ২x ডিগ্রি অতএব, ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি কোণ P + কোণ কোণ Q + কোণ R = ১৮০ ডিগ্রি ২x + ৯০ ডিগ্রি + x = ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, ৩x = ১৮০ ডিগ্রি − ৯০ ডিগ্রি ৩x = ৯০ ডিগ্রি x = ৩০ ডিগ্রি অতএব, কোণ R = ৩০ ডিগ্রি কোণ P = ৬০ ডিগ্রি আমরা জানি ত্রিভুজের ত্রিশ ডিগ্রি কোণের বিপরীত বাহু অতিভুজের অর্ধেক সুতরাং, PQ বাহু হলো ত্রিশ ডিগ্রি কোণের বিপরীত বাহু এবং PR হলো অতিভুজ PQ = (১ ÷ ২) × PR উত্তর: PR = 2PQ
61. বিশ্বের প্রথম জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) UNTSO কেন সঠিক: - জাতিসংঘের প্রথম শান্তিরক্ষী মিশন হলো ইউএনটিএসও বা জাতিসংঘ ট্রুশ সুপারভিশন অর্গানাইজেশন। - এটি ১৯৪৮ সালের মে মাসে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNOSOM — এটি সোমালিয়ায় মোতায়েনকৃত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশন, যা প্রথম শান্তিরক্ষী বাহিনী নয়। B) UNMOGIP — এটি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার কাশ্মীর সীমান্তে নিয়োজিত শান্তিরক্ষী মিশন, যা ১৯৪৯ সালে গঠিত হয়। C) UNTSO — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, যা ১৯৪৮ সালে গঠিত বিশ্বের প্রথম জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী। D) UNEF-1 — এটি সুয়েজ সংকট নিরসনে ১৯৫৬ সালে গঠিত প্রথম সশস্ত্র জাতিসংঘ জরুরি বাহিনী। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের প্রথম শান্তিরক্ষী বাহিনী হলো ইউএনটিএসও, যা ১৯৪৭ সালে ইসরায়েল ফিলিস্তিন সংকটের পর ১৯৪৮ সালে গঠিত হয়।
62. বাংলাদেশের সংবিধানের আলোকে নিম্নের কোন অধিকারটি মৌলিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত নয়?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শিক্ষার অধিকার কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬ থেকে ৪৪ অনুচ্ছেদে মোট ১৮টি মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। - শিক্ষার অধিকার সরাসরি মৌলিক অধিকার হিসেবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত নয়, এটি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বা ১৭ অনুচ্ছেদের শিক্ষার সাথে সম্পর্কিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক-স্বাধীনতার অধিকার — এটি সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য একটি স্বীকৃত মৌলিক অধিকার। B) শিক্ষার অধিকার — এটি মৌলিক অধিকারের সরাসরি অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) সভা সমাবেশের অধিকার — এটি সংবিধানের ৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নাগরিকদের প্রদত্ত একটি মৌলিক অধিকার। D) ধর্মচর্চার অধিকার — এটি সংবিধানের ৪১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রতিটি নাগরিকের জন্য নিশ্চিত করা একটি মৌলিক অধিকার। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের তৃতীয় ভাগে থাকা বাক-স্বাধীনতা, সভা-সমাবেশ ও ধর্মচর্চার অধিকারগুলো মৌলিক অধিকার হলেও শিক্ষার অধিকার মৌলিক অধিকারের সরাসরি তালিকায় নেই।
63. তুরস্কের বিচ্ছিন্নতাবাদী দল Kurdistan Workers Party বা PKK এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
Created 1 week ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আবদুল্লাহ ওজালান কেন সঠিক: - আবদুল্লাহ ওজালান ১৯৭৮ সালে কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি বা পিকেকে প্রতিষ্ঠা করেন। - তিনি কুর্দি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের একজন প্রখ্যাত নেতা এবং বর্তমানে কারাবন্দী আছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জালাল তালাবানী — তিনি ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং পিইউকে বা প্যাট্রিয়টিক ইউনিয়ন অব কুর্দিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা, পিকেকে-র নন। B) আবদুল্লাহ ওজালান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং তিনি পিকেকে দলের প্রতিষ্ঠাতা। C) মাজলুম আবদি — তিনি সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস বা এসডিএফ-এর প্রধান সেনাপতি, পিকেকে-র প্রতিষ্ঠাতা নন। D) মাসুদ বারজানী — তিনি ইরাকি কুর্দিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং কেডিপি বা কুর্দিস্তান ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা। মনে রাখার টিপস: তুরস্কের কুর্দি নেতা আবদুল্লাহ ওজালানকে পিকেকে দলের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে মনে রাখতে হবে।
64. চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সংস্কার বিষয়ে ঐকমত্যের অন্যতম প্রস্তাব কি?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও সমসাময়িক সাধারণ জ্ঞান সঠিক উত্তর: A) দ্বি-স্তর বিশিষ্ট সংসদ কেন সঠিক: - চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী রাষ্ট্রীয় সংস্কার ভাবনায় সংসদীয় ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও প্রতিনিধিত্বমূলক করতে দ্বি-স্তর বিশিষ্ট সংসদের প্রস্তাব এসেছে। - এই ব্যবস্থায় উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষ চালুর মাধ্যমে ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের নীতিনির্ধারণে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বি-স্তর বিশিষ্ট সংসদ - এই উত্তরটি সঠিক কারণ এটি সংসদীয় সংস্কারের অন্যতম প্রধান একটি প্রস্তাব। B) সংসদের আসন বৃদ্ধি - এটি কাঠামোগত সংস্কারের অংশ হলেও সামগ্রিক শাসনব্যবস্থার ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার মূল প্রস্তাব এটি নয়। C) সংরক্ষিত নারী আসন বাতিল - নারীদের প্রতিনিধিত্বের পদ্ধতি পরিবর্তন বা সরাসরি নির্বাচনের দাবি থাকলেও এটি সংসদের মূল স্তর পরিবর্তনের সংস্কার প্রস্তাব নয়। D) পি আর (PR) চালু করা - এটি নির্বাচন পদ্ধতি পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা দ্বি-স্তর বিশিষ্ট সংসদ ব্যবস্থার মূল কাঠامোগত রূপের সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: চব্বিশের পর সংসদের সংস্কার মানেই মাথায় রাখতে হবে উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষ নিয়ে গঠিত দ্বি-স্তর বিশিষ্ট সংসদ ব্যবস্থার কথা।
65. বাংলাদেশের জাতীয় দিবস কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 5 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৬ মার্চ কেন সঠিক: ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল এবং এদিন থেকেই আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়। এটি আমাদের জাতীয় দিবস হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হয়। ২৬ মার্চ আমাদের আত্মত্যাগের গৌরবময় দিন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ মার্চ — এটি আমাদের সঠিক উত্তর এবং এটি আমাদের জাতীয় ও স্বাধীনতা দিবস। B) ২১ শে ফেব্রুয়ারি — এটি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। C) ১৬ ডিসেম্বর — এটি আমাদের মহান বিজয় দিবস। D) ৫ আগস্ট — এটি সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের একটি বিশেষ দিন। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতা অর্জিত হয় ২৬ মার্চ, আর বিজয় অর্জিত হয় ১৬ ডিসেম্বর।
66. প্রাচীন কালে কোন দেশে সিভিল সার্ভিসের ধারনা প্রথম উদ্ভাবন হয়?
Created 1 week ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চীন কেন সঠিক: - প্রাচীন চীনে হান রাজবংশের সময় সরকারি কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য মেধার ভিত্তিতে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রচলন করা হয়। - প্রশাসনিক কাজে দক্ষ ও শিক্ষিত জনবল নিশ্চিত করতে প্রাচীন বিশ্বেও তারা এই সুসংগঠিত সিভিল সার্ভিস ব্যবস্থার সূচনা করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশর — প্রাচীন মিশরে শক্তিশালী আমলাতন্ত্র ও পিরামিড তৈরির মতো প্রকৌশল ব্যবস্থা থাকলেও আধুনিক সিভিল সার্ভিসের প্রাতিষ্ঠানিক ধারণা সেখানে প্রথম উদ্ভাবিত হয়নি। B) গ্রীস — প্রাচীন গ্রীসের এথেন্সে সরাসরি গণতন্ত্র ও লটারির মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচনের প্রচলন ছিল, যা সিভিল সার্ভিস ব্যবস্থার সঙ্গে মেলে না। C) চীন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) রোম — প্রাচীন রোমে বিশাল সাম্রাজ্য পরিচালনার জন্য আইন ও প্রশাসন ব্যবস্থা উন্নত থাকলেও সিভিল সার্ভিসের মেধাভিত্তিক ধারণা সেখানে প্রথম শুরু হয়নি। মনে রাখার টিপস: বিশ্বে প্রথম সিভিল সার্ভিস বা পরীক্ষা চালুর ইতিহাস খুঁজতে গেলে প্রাচীন চীনের হান রাজবংশের কথা মনে রাখতে হবে।
67. লর্ড কর্নওয়ালিস ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল হওয়ার পূর্বে কোন ভূমিকায় ছিলেন?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্রিটিশ বাহিনীর প্রধান। কেন সঠিক: - লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৭৫ থেকে ১৭৮৩ সাল পর্যন্ত চলা যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্রিটিশ বাহিনীর অন্যতম প্রধান সেনাপতি ছিলেন। - ১৭৮১ সালে ইয়র্কটাউনের যুদ্ধে আমেরিকান ও ফরাসি যৌথ বাহিনীর কাছে পরাজয়ের পর তিনি ভারতে গভর্নর জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রিটেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রী। — লর্ড কর্নওয়ালিস কখনোই ব্রিটেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেননি। B) ফ্রান্সে ব্রিটেনের রাষ্ট্রদূত। — তিনি গভর্নর জেনারেল হওয়ার পর পরবর্তী জীবনে ফ্রান্সে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, পূর্বে নয়। D) কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য — এই পদের সঙ্গে লর্ড কর্নওয়ালিসের ঐতিহাসিক পরিচয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধে আমেরিকার কাছে হেরে যাওয়া ব্রিটিশ সেনাপতি কর্নওয়ালিসই পরবর্তীতে ভারতে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করেছিলেন।
68. বাংলাদেশের ওয়ারেন্ট অফ প্রিসিডেন্স অনুযায়ী সর্ব প্রথম কে অবস্থান করেন?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাষ্ট্রপতি কেন সঠিক: - বাংলাদেশের ওয়ারেন্ট অফ প্রিসিডেন্স অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি হলেন প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদাধিকারী ব্যক্তি। - রাষ্ট্রীয় প্রটোকল বা পদমর্যাদার ক্রমানুসারে রাষ্ট্রপতির অবস্থান সবার উপরে নির্ধারিত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রধানমন্ত্রী — প্রধানমন্ত্রী সরকারপ্রধান হলেও ওয়ারেন্ট অফ প্রিসিডেন্স অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পরেই তার অবস্থান। B) রাষ্ট্রপতি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ওয়ারেন্ট অফ প্রিসিডেন্স অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদার শীর্ষে অবস্থিত। C) প্রধান উপদেষ্টা — তত্ত্বাবধায়ক সরকার বা বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রধান উপদেষ্টার পদ সৃষ্টি হলেও তা রাষ্ট্রপতির নিচে অবস্থান করে। D) প্রধান বিচারপতি — বিচার বিভাগের প্রধান হলেও ওয়ারেন্ট অফ প্রিসিডেন্স অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রপতির নিচে অবস্থান করেন। মনে রাখার টিপস: রাষ্ট্র প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি সর্বদা ওয়ারেন্ট অফ প্রিসিডেন্সের তালিকার একদম শীর্ষে অবস্থান করেন।
69. জিএসপি (GSP) এর পূর্ণরূপ কী?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Generalized System of Preference কেন সঠিক: জিএসপি হলো উন্নত দেশগুলো কর্তৃক উন্নয়নশীল দেশের পণ্যের ওপর শুল্ক ছাড় বা সুবিধা প্রদানের একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থা। এটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়মের আওতায় রপ্তানি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এই বিশেষ সুবিধার মাধ্যমে দরিদ্র দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হয়। এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বৈষম্য কমাতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Generalized System of Preference — এটি সঠিক উত্তর এবং বাণিজ্য সংক্রান্ত সুবিধা বোঝায়। B) Global System of Positioning — এটি ভুল কারণ এটি জিপিএস বা স্যাটেলাইটভিত্তিক অবস্থান নির্ণয় বোঝায়। C) Global Strategic Partnership — এটি ভুল কারণ এটি আন্তর্জাতিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব বোঝায়। D) Government Support Program — এটি ভুল কারণ এটি সরকারি সহায়তা কর্মসূচি বোঝায়। মনে রাখার টিপস: বাণিজ্য ও শুল্ক সুবিধার কথা থাকলে সবসময় প্রেফারেন্স বা পছন্দের সুবিধা কথাটি মনে রাখবে।
70. নিম্নোক্ত কোন রাষ্ট্রটি সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন বা (SCO) এর সদস্য নয়?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আজারবাইজান কেন সঠিক: - সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন বা এসসিও এর বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র নয় আজারবাইজান, এটি এই সংস্থার একটি সংলাপ অংশীদার মাত্র। - ভৌগোলিক ও কৌশলগত কারণে এই রাষ্ট্রটি এসসিও এর মূল পূর্ণাঙ্গ সদস্য তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আজারবাইজান — এটি এসসিও এর পূর্ণাঙ্গ সদস্য নয়, বরং এর বর্তমান মর্যাদা হলো ডায়ালগ পার্টনার বা সংলাপ অংশীদার। B) ভারত — ভারত ২০১৭ সালে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন এর পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ লাভ করে। C) পাকিস্তান — ভারতসহ একই সাথে ২০১৭ সালে পাকিস্তানও এই আন্তর্জাতিক সংস্থার পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ লাভ করে। D) ইরান — ইরান ২০২৩ সালে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন এর নবম পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করে। মনে রাখার টিপস: এসসিও এর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার ভারত ও পাকিস্তান এবং মধ্যপ্রাচ্যের ইরান রয়েছে, কিন্তু আজারবাইজান এর পূর্ণাঙ্গ সদস্য নয়।
71. গ্রিনল্যান্ড নিচের কোন রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডেমিার্ক কেন সঠিক: - গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ এবং এটি ভৌগোলিক দিক থেকে উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত হলেও রাজনৈতিকভাবে ইউরোপের দেশ ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অংশ। - ডেনমার্কের মূল ভূখণ্ডের অধীনে থাকলেও গ্রিনল্যান্ড নিজস্ব অভ্যন্তরীণ বিষয়ে পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন ভোগ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুইডেন — এটি ইউরোপের একটি স্বাধীন দেশ এবং এর সঙ্গে গ্রিনল্যান্ডের কোনো রাজনৈতিক বা ভূখণ্ডগত অন্তর্ভুক্তি নেই। B) ডেমিার্কে — এটি সঠিক উত্তর এবং গ্রিনল্যান্ড রাজনৈতিকভাবে এই দেশেরই একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। C) নরওয়ে — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ার একটি দেশ এবং ঐতিহাসিকভাবে কিছু দাবি থাকলেও বর্তমানে গ্রিনল্যান্ড নরওয়ের অন্তর্ভুক্ত নয়। D) ফিনল্যান্ড — এটি ইউরোপের একটি উত্তরভাগের দেশ এবং গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে এর কোনো রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: আয়তনে বিশাল হলেও উত্তর মেরুর এই শীতল দ্বীপটি শাসন করে ক্ষুদ্র ইউরোপীয় দেশ ডেনমার্ক।
72. চীন, ভারত ও বাংলাদেশের প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্র নদী, চীন বা তিব্বতে কী নামে পরিচিত?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইয়ারলুং সাংপো কেন সঠিক: ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বতের হিমালয় অঞ্চলের মানসসরোবর হ্রদের কাছে উৎপন্ন হয়ে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়েছে। চীন বা তিব্বত অঞ্চলে এই বিশাল নদটি স্থানীয়ভাবে ইয়ারলুং সাংপো বা সংপো নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইয়াংসি — এটি চীনের দীর্ঘতম নদী যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অববাহিকা দিয়ে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়েছে। B) লিজিয়াং — এটি চীনের গুয়াংজি অঞ্চলের একটি ছোট ও জনপ্রিয় পর্যটন নদী। C) হুয়াইহি — এটি চীনের উত্তরাঞ্চলের একটি প্রধান নদী যা ইয়াংসি ও পীত নদীর মাঝখানে অবস্থিত। D) ইয়ারলুং সাংপো — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: তিব্বতের বরফ গলা পানি থেকে জন্ম নেওয়া ব্রহ্মপুত্রকে তিব্বতে সাংপো নামে ডাকা হয়।
73. আশিস নন্দী, শশী থারুর প্রমুখ লেখকের মতে দ্বি- জাতি তত্ত্বের প্রথম প্রবক্তা কোন সংগঠনটি?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুসলিম লীগ কেন সঠিক: - আশিস নন্দী ও শশী থারুরসহ অনেক গবেষকের মতে, পাকিস্তান সৃষ্টির বীজ এবং দ্বি-জাতি তত্ত্বের রাজনৈতিক ভিত্তি মুসলিম লীগ প্রথম প্রতিষ্ঠা করে। - ব্রিটিশ ভারতের রাজনীতিতে ধর্মের ভিত্তিতে পৃথক রাষ্ট্র গঠনের দাবি আনুষ্ঠানিকভাবে এই দল থেকেই জোরালোভাবে উত্থাপন করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জমিয়তে-ই-হিন্দ — এটি একটি জাতীয়তাবাদী দল ছিল যা অবিভক্ত ভারতের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল এবং দ্বি-জাতি তত্ত্বের বিরোধিতা করেছিল। B) সর্ব ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস — এই রাজনৈতিক দল সবসময় অখণ্ড ভারতের ধারণার পক্ষে ছিল এবং ধর্মীয় বিভাজনের ভিত্তিতে পাকিস্তান দাবির বিরোধিতা করেছিল। C) আর. এস. এস — এটি একটি হিন্দু জাতীয়তাবাদী সংগঠন হলেও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ব্রিটিশ আমলে দ্বি-জাতি তত্ত্বের প্রবক্তা হিসেবে পরিচিত নয়। D) মুসলিম লীগ — এই সংগঠনটিই ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবে দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে আলাদা মুসলিম রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক দাবি তোলে। মনে রাখার টিপস: দ্বি-জাতি তত্ত্বের প্রবক্তা মানেই ধর্মভিত্তিক রাজনীতি এবং পাকিস্তান দাবির সাথে জড়িত মুসলিম লীগ।
74. নিম্নোক্ত কোন দেশটি 'Five Eyes' ভুক্ত নয়?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্রান্স কেন সঠিক: - ফাইভ আইজ হলো পাঁচটি ইংরেজিভাষী দেশের একটি গোয়েন্দা জোট। - ফ্রান্স এই জোটে অন্তর্ভুক্ত নয়, তবে তারা অনেক সময় গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানে সহযোগিতা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্ট্রেলিয়া — এটি ফাইভ আইজ জোটের একটি সদস্য দেশ। B) ফ্রান্স — এটি এই জোটের সদস্য নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। C) নিউজিল্যান্ড — এটি ফাইভ আইজ জোটের অন্যতম সদস্য দেশ। D) কানাডা — এটিও ফাইভ আইজ গোয়েন্দা জোটের একটি সদস্য দেশ। মনে রাখার টিপস: ফাইভ আইজ জোটে শুধু ইংরেজিভাষী পাঁচটি দেশ (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড) আছে, তাই ফ্রান্স এর বাইরে।
75. ODS (Ozone Depleting Substances) এর ব্যবহার কমানোর জন্য কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মন্ট্রিল প্রোটোকল কেন সঠিক: - ওজন স্তর ক্ষয়কারী উপাদান যেমন সিএফসি গ্যাসের ব্যবহার হ্রাসের জন্য ১৯৮৭ সালে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - এটি পরিবেশ সুরক্ষার ইতিহাসে সবচেয়ে সফল ও বিশ্বব্যাপী অনুমোদিত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিয়োটো প্রোটোকল — এটি গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ও বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণের সাথে সম্পর্কিত, ওজন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থের সাথে নয়। B) মন্ট্রিল প্রোটোকল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ওজন স্তর ক্ষয়কারী উপাদান নিয়ন্ত্রণের জন্য নির্দিষ্ট চুক্তি। C) রামসার কনভেনশন — এটি বিশ্বজুড়ে জলাভূমি ও তার জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য স্বাক্ষরিত আন্তর্জাতিক চুক্তি। D) প্যারিস চুক্তি — এটি বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার লক্ষ্যে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক চুক্তি। মনে রাখার টিপস: ওজন স্তর বা ওজোন গ্যাসের নাম দেখলে মনে রাখবে মন্ট্রিল প্রোটোকল।
76. বাংলাদেশের জুলাই বিপ্লবের শহীদ আবু সাঈদ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় কেন সঠিক: - জুলাই বিপ্লবের অন্যতম প্রধান শহীদ আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের দ্বাদশ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। - ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনে রংপুরে পুলিশের গুলিতে তিনি শাহাদাত বরণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় — এটি দেশের প্রাচীন ও প্রধান বিশ্ববিদ্যালয় হলেও শহীদ আবু সাঈদ এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ছিলেন না। B) রংপুর বিশ্ববিদ্যালয় — এই নামে কোনো সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নেই, রংপুরে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়টির সঠিক নাম বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়। C) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় — এটি দেশের অন্যতম প্রাচীন আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হলেও শহীদ আবু সাঈদ এখানে পড়াশোনা করেননি। D) বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ শহীদ আবু সাঈদ রংপুরে অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই শিক্ষার্থী ছিলেন। মনে রাখার টিপস: রংপুরের শহীদ আবু সাঈদ রংপুরেরই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন।
77. বাংলাদেশ ICCPR এর স্বাক্ষরকারী একটি দেশ। ICCPR এর পূর্ণরূপ কী?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) International Covenant on Civil and Political Rights কেন সঠিক: এই আন্তর্জাতিক চুক্তিটি নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সুরক্ষার জন্য জাতিসংঘের মাধ্যমে প্রণয়ন করা হয়েছে। তাই এর অফিশিয়াল নামে Conference শব্দের পরিবর্তে Covenant শব্দটি ব্যবহার করা হয়। আর এখানে Civil এবং Political Rights এর মাঝে on প্রিপজিশন বসেছে। সঠিক নিয়মে এটি একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি বা প্রعهد বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) International Conference on Civil and Political Rights — এখানে Covenant শব্দের জায়গায় ভুল করে Conference লেখা হয়েছে। B) International Conference of Civil and Political Rights — এখানে Covenant এর বদলে Conference এবং on এর বদলে of ব্যবহার করা হয়েছে। C) International Covenant on Civil and Political Rights — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর প্রতিটি শব্দ আন্তর্জাতিক সনদের সাথে হুবহু মিলে যায়। D) International Covenant of Civil and Political Rights — এখানে on প্রিপজিশনের জায়গায় ভুল করে of ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের মানবাধিকার সংক্রান্ত চুক্তির ক্ষেত্রে সাধারণত Covenant শব্দটি ব্যবহৃত হয়, তাই Conference নয় বরং Covenant মনে রাখতে হবে।
78. বাংলাদেশের রাজনীতি সম্পর্কে একজন আমেরিকান ঐতিহাসিক মন্তব্য করেছেন; 'বাংলাদেশের রাজনীতি ব্যক্তিত্বকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়, ধারনা বা প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নয়' এই ঐতিহাসিক নাম কি?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লরেন্স জিরিং কেন সঠিক: - আমেরিকান রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক গবেষক লরেন্স জিরিং বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে এই ঐতিহাসিক মন্তব্য করেছেন। - তাঁর মতে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নীতি বা আদর্শের চেয়ে ব্যক্তি বা নেতার ক্যারিজমা বেশি প্রাধান্য পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এন্থনি মাসকারেনহাস — তিনি একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ সাংবাদিক ও লেখক যিনি একাত্তরের গণহত্যা নিয়ে বাংলাদেশ আন্ডার এ সেবাসিয়ান বই লিখেছেন। B) লরেঞ্জ লিফশুলজ — তিনি একজন মার্কিন সাংবাদিক ও গবেষক যিনি বাংলাদেশ ও বিশেষ করে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ড নিয়ে গবেষণা করেছেন। C) হেনরি কিসিঞ্জার — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানের পক্ষে কূটনৈতিক অবস্থান নিয়েছিলেন। D) লরেন্স জিরিং — তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ব্যক্তিত্বকেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা নিয়ে এই মন্তব্য করেছেন এবং এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশি রাজনীতির ব্যক্তি-কেন্দ্রিকতা জিরো বা শূন্যের কোঠায় রেখে বিচার করেছিলেন ঐতিহাসিক লরেন্স জিরিং।
79. সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের ইংরেজি নাম কী?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The House of the Nation কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪ এর ক অনুযায়ী জাতীয় সংসদের ইংরেজি নাম The House of the Nation নির্ধারিত হয়েছে। - এটি সরাসরি সাংবিধানিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত নাম হওয়ায় অন্যান্য ইংরেজি প্রতিশব্দ এখানে প্রযোজ্য নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Parliament — এটি সংসদের সাধারণ ইংরেজি পরিভাষা হলেও সাংবিধানিক প্রাতিষ্ঠানিক নাম নয়। B) The House of the Nation — এটি বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের নির্দিষ্ট ও সঠিক ইংরেজি নাম। C) National Parliament — এটি আক্ষরিক অনুবাদ হলেও দেশের সংবিধান স্বীকৃত আনুষ্ঠানিক নাম নয়। D) Legislature — এটি আইনসভার সাধারণ শ্রেণিবাচক বা তাত্ত্বিক নাম, কোনো নির্দিষ্ট সংসদের নাম নয়। মনে রাখার টিপস: সংবিধান অনুযায়ী জাতির ঘর বা সংসদ হলো দ্য হাউজ অব দ্য নেশন।
80. ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ইন্দাস ওয়াটার ট্রিট (IWT) কোন সালে স্বাক্ষরিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৬০ কেন সঠিক: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সিন্ধু নদী পানি বণ্টন চুক্তি বা ইন্দাস ওয়াটার ট্রিট ১৯৬০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে করা হয়েছিল। বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় পাকিস্তানের করাচি শহরে এই ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর সম্পন্ন হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে প্রধান নদীগুলোর পানি ব্যবহার সংক্রান্ত বিরোধের স্থায়ী সমাধান করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৮ — এই সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন পানির চুক্তি হয়েছিল, যা চূড়ান্ত ইন্দাস ওয়াটার ট্রিট ছিল না। B) ১৯৭৪ — এই সালটি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সিন্ধু চুক্তি স্বাক্ষরের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। C) ১৯৬৫ — এই সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বড় যুদ্ধ হয়েছিল, কিন্তু সিন্ধু চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। D) ১৯৬০ — এই অপশনটি সঠিক কারণ চুক্তিটি এই সালেই স্বাক্ষরিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: সিন্ধু চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছিল ১৯৬০ সালে, যেখানে বিশ্বব্যাংক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছিল।
81. 'কেবল আয়ের অভাব নয়, বরং সামর্থ্যের অভাবই দারিদ্রের মূল কারন' অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন কোন গ্রন্থে এই যুক্তি তুলে ধরেন?
Created 1 week ago | Updated 35 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Development as Freedom কেন সঠিক: - নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন এই গ্রন্থে দেখিয়েছেন যে মানুষের দারিদ্র্য কেবল আয়ের স্বল্পতা নয়, বরং মৌলিক সক্ষমতা ও সুযোগের অভাব। - তিনি যুক্তি দেন যে শিক্ষার অভাব, স্বাস্থ্যসেবার অনুপস্থিতি এবং স্বাধীনতা না থাকাই মূলত মানব উন্নয়নের প্রধান বাধা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Development as Freedom — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্রন্থেই অমর্ত্য সেন সক্ষমতাভিত্তিক দারিদ্র্য তত্ত্ব উপস্থাপন করেছেন। B) Women and Human Development — এটি নারী উন্নয়ন ও লিঙ্গ বৈষম্য নিয়ে লেখা অমর্ত্য সেনের আরেকটি বিখ্যাত গ্রন্থ, যা সামগ্রিক দারিদ্র্য তত্ত্বের মূল আলোচ্য নয়। C) Development Environment and Power — এটি অমর্ত্য সেনের মূল গ্রন্থ নয় এবং পরিবেশ ও ক্ষমতা সম্পর্কিত এই শিরোনামটি তার প্রধান অর্থনৈতিক তত্ত্বের সাথে মেলে না। D) Development through Disposition — এটি অমর্ত্য সেনের কোনো প্রামাণ্য বা স্বীকৃত গ্রন্থ নয়, বরং এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। মনে রাখার টিপস: অমর্ত্য সেনের নামের সাথে স্বাধীনতা বা freedom শব্দটি যুক্ত থাকলেই ধরে নেবেন এটি Development as Freedom গ্রন্থ এবং সক্ষমতা তত্ত্বের সাথে সম্পর্কিত।
82. কেপ ভারদ (Cape Verde) দ্বীপ রাষ্ট্রটি কোথায় অবস্থিত?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পশ্চিম আফ্রিকা কেন সঠিক: - কেপ ভারদ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র যা ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে পশ্চিম আফ্রিকার অন্তর্ভুক্ত। - এটি আফ্রিকার মূল ভূখণ্ডের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত একটি দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গলফ অফ গিনি — এটি মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকার দক্ষিণের একটি উপসাগর, যেখানে কেপ ভারদ অবস্থিত নয়। B) ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া — এটি প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত ফ্রান্সের একটি সামুদ্রিক অঞ্চল, যা পশ্চিম আফ্রিকায় অবস্থিত নয়। C) দক্ষিণ আফ্রিকা — এটি আফ্রিকার সর্বদক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত একটি দেশ, যা কেপ ভারদের ভৌগোলিক অবস্থান নয়। D) পশ্চিম আফ্রিকা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং কেপ ভারদ এই অঞ্চলেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: কেপ ভারদ নামটির সাথে আটলান্টিক মহাসাগরের পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলের অবস্থান মনে রাখুন।
83. নিম্নোক্ত কোন ভারতীয় রাজ্যের বাংলাদেশের সাথে কোন ভূমি সীমানা নেই?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাগাল্যান্ড কেন সঠিক: - ভারতের মোট পাঁচটি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমান্ত রয়েছে। - নাগাল্যান্ড ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি রাজ্য হলেও এর সাথে বাংলাদেশের কোনো ভূমি সীমানা নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাগাল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের কোনো সীমানা নেই। B) মিজোরাম — এটি ভুল অপশন কারণ এই ভারতীয় রাজ্যটির সাথে বাংলাদেশের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। C) মেঘালয় — এটি ভুল অপশন কারণ এই ভারতীয় রাজ্যটির সাথে বাংলাদেশের সরাসরি ভূমি সীমানা রয়েছে। D) আসাম — এটি ভুল অপশন কারণ এই ভারতীয় রাজ্যটির সাথেও বাংলাদেশের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের সাথে সীমান্ত থাকা ভারতীয় রাজ্য পাঁচটি মনে রাখুন এভাবে- আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মিজোরাম ও পশ্চিমবঙ্গ। এর বাইরে থাকা রাজ্যগুলো সীমান্তবর্তী নয়।
84. নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন বা সামরিক জোট কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৪৯ কেন সঠিক: - নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন বা ন্যাটো একটি সামরিক জোট যা ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়। - এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল যৌথ প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করা এবং শীতল যুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব প্রতিহত করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৩৯ — এই সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়েছিল, যা ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সাথে সম্পর্কিত নয়। B) ১৯৪৩ — এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একটি মধ্যবর্তী বছর, যখন তেহরান সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল কিন্তু ন্যাটো গঠিত হয়নি। C) ১৯৪৯ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই উত্তর আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। D) ১৯৬০ — এই সালে কোনো সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি অন্য একটি ঐতিহাসিক সময়কাল। মনে রাখার টিপস: ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৯ সালে এবং এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
85. সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর করে যাওয়া পাকিস্তানের উপ প্রধান মন্ত্রী ও পররাষ্ট্র মন্ত্রী, ইসহাক দার পাকিস্তানের কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পাকিস্তান মুসলিম লীগ (নওয়াজ) কেন সঠিক: - ইসহাক দার পাকিস্তানের প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ (নওয়াজ) বা পিএমএল-এন এর একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা। - তিনি নওয়াজ শরিফ পরিবারের ঘনিষ্ঠ এবং বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাকিস্তান পিপলস পার্টি (PPP) — এটি একটি পৃথক রাজনৈতিক দল যার নেতৃত্ব দেন বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি এবং এর আদর্শ ভিন্ন। B) পাকিস্তান তেহরিকে ইনসাফ (PTI) — এটি ইমরান খানের প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল এবং ইসহাক দার এই দলের সাথে যুক্ত নন। C) পাকিস্তান মুসলিম লীগ (নওয়াজ) — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের ঘরে এর রাজনৈতিক অবস্থান ব্যাখ্যা করা হয়েছে। D) জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তান — এটি একটি ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল এবং ইসহাক দার এই দলের সদস্য নন। মনে রাখার টিপস: ইসহাক দার এবং নওয়াজ শরিফ একই দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ (নওয়াজ) এর সাথে যুক্ত।
86. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা পালন করে সাংস্কৃতিক সংগঠন 'তমদ্দুন মজলিস'। তমদ্দুন মজলিস- এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবুল কাশেম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিভাগের শিক্ষক ছিলেন?
Created 1 week ago | Updated 35 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পদার্থ বিজ্ঞান কেন সঠিক: অধ্যাপক আবুল কাশেম ১৯৪৭ সালের পহেলা সেপ্টেম্বর সাংস্কৃতিক সংগঠন তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের একজন প্রথিতযশা অধ্যাপক ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রসায়ন — অধ্যাপক আবুল কাশেম রসায়ন বিভাগের শিক্ষক ছিলেন না, তাই এই অপশনটি ভুল। B) পদার্থ বিজ্ঞান — তিনি পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ছিলেন এবং এই উত্তরটি সঠিক। C) অর্থনীতি — তিনি অর্থনীতি বিভাগের সাথে যুক্ত ছিলেন না, তাই এটি ভুল। D) ইসলামী শিক্ষা — তিনি ইসলামী শিক্ষা বিভাগের শিক্ষক ছিলেন না, তাই এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: তমদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠাতা আবুল কাশেম বিজ্ঞান বিষয়ে পড়াতেন এবং তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ছিলেন।
87. বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রেস কাউন্সিল কেন সঠিক: - বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল একটি আধ্যাত্মিক বা সংবিধিবদ্ধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা যা প্রিন্ট মিডিয়ার মানোন্নয়ন ও নৈতিকতা রক্ষায় কাজ করে। - দেশের সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের আচরণবিধি তদারকি করার জন্য ১৯৭৪ সালে এই স্বাধীন প্রতিষ্ঠানটি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তথ্য মন্ত্রণালয় — এটি গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা নয়, বরং সরকারের একটি নীতিনির্ধারক ও প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় মাত্র। B) বাংলাদেশ টেলিভিশন — এটি একটি রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম বা টেলিভিশন চ্যানেল, কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা নয়। C) বিটিআরসি — এটি মূলত টেলিযোগাযোগ, ইন্টারনেট ও ইলেকট্রনিক যোগাযোগের নিয়ন্ত্রক সংস্থা, প্রিন্ট মিডিয়ার নয়। D) প্রেস কাউন্সিল — এটি প্রিন্ট গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের নৈতিকতা নিয়ন্ত্রণের একমাত্র সংবিধিবদ্ধ সংস্থা। মনে রাখার টিপস: প্রেস মানে সংবাদমাধ্যম আর কাউন্সিল মানে পরিষদ, তাই প্রিন্ট মিডিয়ার নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলো প্রেস কাউন্সিল।
88. ভাষা-পরিবার অনুযায়ী সাঁওতাল জনগোষ্ঠী প্রধানত কোন পরিবার ভুক্ত?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অস্ট্রিক-অস্ট্রো এশিয়াটিক (মুন্ডা) কেন সঠিক: - সাঁওতাল জনগোষ্ঠী ভাষাতাত্ত্বিক বিচারে অস্ট্রিক ভাষা পরিবারের মুন্ডা উপশাখার অন্তর্গত। - বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে ভাষা ও সংস্কৃতির দিক থেকে সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষা পরিবারের প্রধান প্রতিনিধি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইন্দো-আর্য — এটি বাংলা, হিন্দি ও সংস্কৃতসহ দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান মূলধারার ভাষাগুলোর পরিবার, সাঁওতালদের ভাষা নয়। B) অস্ট্রিক-অস্ট্রো এশিয়াটিক (মুন্ডা) — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর ভাষা এই পরিবারের অন্তর্গত। C) দ্রাবিড় — এটি দক্ষিণ ভারতের ভাষা পরিবার যেমন তামিল ও তেলেগু এবং বাংলাদেশের ওঁরাও ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ভাষা। D) তিব্বত-বর্মী — এটি চাকমা, মারমা ও গারোসহ পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা পরিবার। মনে রাখার টিপস: সাঁওতালদের ভাষা মুন্ডা ভাষার অন্তর্ভুক্ত এবং মুন্ডা ভাষা অস্ট্রিক পরিবারের অংশ।
89. হালিমা ইয়াকুব কোন দেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সিঙ্গাপুর কেন সঠিক: - হালিমা ইয়াকুব ২০১৭ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সিঙ্গাপুরের অষ্টম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। - তিনি দেশটির ইতিহাসের প্রথম নারী রাষ্ট্রপতি ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রুনাই — এই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান হলেন সুলতান হাসানাল বোলকিয়াহ। B) মালয়েশিয়া — এই দেশের বর্তমান রাজা বা রাষ্ট্রপ্রধান সুলতান ইব্রাহিম ইবনুল ইস্কান্দার। C) সিঙ্গাপুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই দেশেরই রাষ্ট্রপতি ছিলেন। D) তানজানিয়া — এই দেশের বর্তমান রাষ্ট্রপতির নাম সামিয়া সুলহু হাসান। মনে রাখার টিপস: সিঙ্গাপুরের প্রথম নারী রাষ্ট্রপতির নামের সাথে 'হালিমা' শব্দটি মনে রাখলেই উত্তরটি সহজে চেনা যায়।
90. Demographic Dividend বলতে কী বোঝায়?
Created 1 week ago | Updated 35 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কর্মক্ষম বয়স গোষ্ঠীর অনুপাত বৃদ্ধি। কেন সঠিক: - ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতিক লভ্যাংশ বলতে সাধারণত ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বৃদ্ধি এবং নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর অনুপাত হ্রাস পাওয়ার অবস্থাকে বোঝায়। - এই সময়ে দেশের উৎপাদনশীলতা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ত্বরান্বিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস — এটি স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের নির্দেশক হলেও ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের মূল অর্থনৈতিক ধারণাকে সরাসরি ব্যাখ্যা করে না। B) জনসংখ্যার শূন্যের কোটায় আনা — এটি একটি অবাস্তব ও অসম্ভব জনমিতিক অবস্থা, যা জনমিতিক লভ্যাংশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) জনসংখ্যার অধিকাংশ বেকার — জনমিতিক লভ্যাংশে কর্মক্ষম মানুষের অনুপাত বেশি থাকে, বেকারত্ব এর মূল বৈশিষ্ট্য বা কাম্য বিষয় নয়। D) কর্মক্ষম বয়স গোষ্ঠীর অনুপাত বৃদ্ধি — এটি ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সঠিক ও মূল বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞা। মনে রাখার টিপস: ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড মানে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি, যা অর্থনীতিতে বাড়তি সুফল বা লভ্যাংশ বয়ে আনে।
91. নিম্নোক্ত কোন দেশটি ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (EU) সদস্য নয়?
Created 1 week ago | Updated 58 seconds ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) সুইজারল্যান্ড কেন সঠিক: - সুইজারল্যান্ড ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) সদস্য নয় এবং তারা রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ দেশ হিসেবে পরিচিত। - দেশটি ইইউর সদস্য না হলেও শেনজেন চুক্তির অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় যাতায়াতে সদস্য দেশের মতো সুবিধা ভোগ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুলগেরিয়া — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র। B) হাঙ্গেরি — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র। C) পোল্যান্ড — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র। D) সুইজারল্যান্ড — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয়, এটি একটি নিরপেক্ষ দেশ। মনে রাখার টিপস: ইউরোপের ধনী ও নিরপেক্ষ দেশ সুইজারল্যান্ড কখনো ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হতে চায়নি।
92. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রেসিডেন্ট জাপানে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপের অনুমোদন করেছিলেন?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হ্যারি এস. ট্রুম্যান কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ১৯৪৫ সালে জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক বোমা ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান। - তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের মৃত্যুর পর হ্যারি এস. ট্রুম্যান যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হ্যারি এস. ট্রুম্যান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি জাপানে পারমাণবিক হামলার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছিলেন। B) ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট — তিনি যুদ্ধ চলাকালীন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন কিন্তু ১৯৪৫ সালের এপ্রিল মাসে পারমাণবিক বোমা হামলার আগেই মৃত্যুবরণ করেন। C) রিচার্ড নিক্সন — তিনি অনেক পরের মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় দায়িত্ব পালন করেছিলেন। D) জর্জ ডব্লিউ বুশ — তিনি একবিংশ শতকের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ পরিচালনা করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: ট্রুম্যানের নামটির সাথে বোমা ফেলার সিদ্ধান্ত মনে রাখতে পারেন এভাবে যে ট্রু বা সত্য ঘটনার সমাপ্তি টেনেছিলেন হ্যারি এস ট্রুম্যান।
93. ১৯১১ বঙ্গভঙ্গ রদের পর ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য ব্রিটিশ সরকারের কাছে দেনদরবার করার ক্ষেত্রে কোন নেতা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্যার সলিমুল্লাহ কেন সঠিক: - ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হওয়ার পর পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জোরালো দাবি তোলেন নবাব স্যার সলিমুল্লাহ। - তাঁর নেতৃত্ব ও অবিরাম দেনদরবারের ফলেই ১৯১২ সালে নাথান কমিশন গঠিত হয় এবং ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাকিম আজমল খান — তিনি ভারতের একজন বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামী ও ইউনানি চিকিৎসক ছিলেন, কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মূল দেনদরবারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। B) শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক — তিনি পরবর্তীকালে বাংলার প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা ও মুখ্যমন্ত্রী হলেও, ১৯১১ সালের পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক দাবিতে স্যার সলিমুল্লাহ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। C) স্যার সলিমুল্লাহ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ তিনি ঢাকার নবাব হিসেবে ব্রিটিশ সরকারের কাছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মূল দাবি উপস্থাপন করেছিলেন। D) স্যার আব্দুর রহিম — তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি আইনবিদ ও রাজনীতিবিদ ছিলেন, তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রধান উদ্যোগটি স্যার সলিমুল্লাহ নিয়েছিলেন। মনে রাখার টিপস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মূল দাবিদার ও স্থপতি হলেন ঢাকার নবাব স্যার সলিমুল্লাহ।
94. বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সংখ্যক চা বাগান রয়েছে কোন জেলায়?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মৌলভীবাজার কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট চা বাগানের সিংহভাগই মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত। - দেশের বৃহত্তম ও ঐতিহ্যবাহী শ্রীমঙ্গল এই জেলারই অংশ হওয়ায় এখানে চা বাগানের সংখ্যা সর্বোচ্চ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেট — সিলেটে অনেক চা বাগান থাকলেও তা মৌলভীবাজার জেলার চেয়ে পরিমাণে কম। B) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রামে কিছু চা বাগান রয়েছে, তবে মৌলভীবাজারের মতো এত বেশি সংখ্যক নয়। C) মৌলভীবাজার — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এখানেই সর্বাধিক চা বাগান আছে। D) পঞ্চগড় — পঞ্চগড়ে সমতল ভূমিতে চা চাষ হলেও মোট বাগানের সংখ্যা মৌলভীবাজারের তুলনায় অনেক কম। মনে রাখার টিপস: মৌলভীবাজারে মৌমাছির মতো চা গাছের সারি বেশি, তাই চা বাগানে এই জেলা সবার শীর্ষে।
95. পাকিস্তানের ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে ছিলেন?
Created 1 week ago | Updated 35 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিচারপতি সাত্তার কেন সঠিক: - পাকিস্তানের ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন পরিচালনার জন্য বিচারপতি আবদুস সাত্তার দেশটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - তার অধীনেই পাকিস্তানের ইতিহাসে একমাত্র সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় যেখানে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিচারপতি সাত্তার — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৯৭০ সালের নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন। B) বিচারপতি সায়েম — তিনি পরবর্তীতে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, ১৯৭০ সালের নির্বাচন কমিশনার ছিলেন না। C) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী — তিনি বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন, নির্বাচন কমিশনার ছিলেন না। D) বিচারপতি হামিদুর রহমান — তিনি পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এবং তার নেতৃত্বাধীন কমিশন শিক্ষা কমিশনের রিপোর্ট পেশ করেছিল। মনে রাখার টিপস: সত্তরের নির্বাচন মানেই সাত্তার, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে আবদুস সাত্তার ১৯৭০ সালের নির্বাচন পরিচালনা করেছিলেন।
96. আয়নাঘর কী?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গোপন কারাগার কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের সমসাময়িক রাজনীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের আলোচনায় উঠে আসা একটি কুখ্যাত গোপন আটককেন্দ্রের নাম। - আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্বারা বলপূর্বক গুম হওয়া ব্যক্তিদের বিচারবহির্ভূতভাবে এই স্থানে আটকে রাখা হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি হলিউড মুভি — এটি কোনো চলচ্চিত্র বা সিনেমার নাম নয়, বরং বাস্তব জীবনের একটি অন্ধকার অধ্যায়। B) পরিবেশবান্ধব কৃষিকাজ — এটি কোনো টেকসই বা পরিবেশবান্ধব কৃষি পদ্ধতি নয়, বরং এটি একটি মানবতাবিরোধী আটককেন্দ্র। C) গোপন কারাগার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এটি বলপূর্বক গুম হওয়া ব্যক্তিদের আটকে রাখার গোপন স্থান হিসেবে পরিচিত। D) স্বচ্ছ কামরা — এটি কোনো কাঁচের তৈরি স্বচ্ছ ঘর নয়, বরং এটি বাইরের পৃথিবী থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন এবং অন্ধকার একটি বন্দিশালা। মনে রাখার টিপস: আয়নাঘর শব্দটি শুনলেই বুঝবে এটি কোনো সাধারণ ঘর নয়, বরং গুম হওয়া ব্যক্তিদের রাখার একটি গোপন কারাগার।
97. আফিম যুদ্ধ কোন দুইটি দেশের মধ্যে সংঘটিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চীন ও ইংল্যান্ড কেন সঠিক: - ঊনবিংশ শতাব্দীতে চীনে আফিম চোরাচালান বন্ধ করাকে কেন্দ্র করে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়। - প্রথম আফিম যুদ্ধটি ১৮৩৯ থেকে ১৮৪২ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ সাম্রাজ্য ও কিং রাজবংশের চীনের মধ্যে লড়াই হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন ও আফগানিস্তান — আফিম উৎপাদনে আফগানিস্তান পরিচিত হলেও এই ঐতিহাসিক যুদ্ধের সঙ্গে দেশটির কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। B) চীন ও ইংল্যান্ড — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ ব্রিটিশ বণিকরা ভারতে উৎপাদিত আফিম চীনে অবৈধভাবে বিক্রি করত। C) ইংল্যান্ড ও আফগানিস্তান — উনিশ শতকে ব্রিটিশদের সঙ্গে আফগানিস্তানের যুদ্ধ হলেও তা আফিম যুদ্ধ নামে পরিচিত নয়। D) চীন ও রাশিয়া — এই ঐতিহাসিক যুদ্ধের সঙ্গে রাশিয়ার কোনো সরাসরি সামরিক সংঘাতের ইতিহাস নেই। মনে রাখার টিপস: আফিম যুদ্ধের সঙ্গে ইংল্যান্ডের বণিক ও চীনের সাম্রাজ্য জড়িত ছিল, তাই ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে চীনের এই সংঘাত মনে রাখুন।
98. নিম্নোক্ত কোন দেশ বা অঞ্চল জাতিসংঘের সদস্য দেশ নয়?
Created 1 week ago | Updated 7 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ওয়েস্টার্ন সাহারা কেন সঠিক: ওয়েস্টার্ন সাহারা জাতিসংঘের কোনো স্বাধীন সদস্য রাষ্ট্র নয়। এটি মূলত একটি বিতর্কিত অঞ্চল যার বেশিরভাগ অংশ মরক্কোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূর্ব তিমুর — এটি ২০০২ সালে জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য পদ লাভ করে। B) দক্ষিণ সুদান — এটি ২০১১ সালে স্বাধীনতা লাভ করে জাতিসংঘের সদস্য হয়। C) ওয়েস্টার্ন সাহারা — এটি জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র নয় এবং এর রাজনৈতিক স্বীকৃতি অমীমাংসিত। D) সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক — এটি জাতিসংঘের একটি দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত সদস্য রাষ্ট্র। মনে রাখার টিপস: আফ্রিকা মহাদেশের বিতর্কিত অঞ্চল ওয়েস্টার্ন সাহারা এখনো জাতিসংঘের সদস্য পদ পায়নি।
99. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ কোন চুক্তির মাধ্যমে সমাপ্ত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভার্সাই চুক্তি কেন সঠিক: ১৯১৯ সালের ২৮শে জুন ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদে এই ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মাধ্যমেই মূলত প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে এবং মিত্রশক্তি বিজয়ী হয়। পরাজিত জার্মানির ওপর এই চুক্তির মাধ্যমে কঠোর শর্ত ও জরিমানা আরোপ করা হয়েছিল। এই চুক্তির ফলেই বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন দেশ ও সীমানার সৃষ্টি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিস শান্তি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলেও কোনো নির্দিষ্ট প্যারিস চুক্তি দ্বারা প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়নি। এটি ছিল শান্তি আলোচনার একটি বৃহত্তর প্রক্রিয়া। B) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) জেনেভা চুক্তি সাধারণত যুদ্ধবন্দী ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সম্পর্কিত বিষয়ের সাথে যুক্ত। D) রোম চুক্তি ১৯৫৭ সালে স্বাক্ষরিত হয়, যা ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায় গঠন করেছিল। মনে রাখার টিপস: ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমেই প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটেছিল, এটি সাল ১৯১৯ মনে রাখবে।
100. কোন যান্ত্রিক গিয়ারের চাকা ছোট হলে সংযুক্ত অবস্থায় বড়টির চেয়ে ছোট চাকাটি কিভাবে ঘুরবে?
Created 1 week ago | Updated 12 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জোরে ১. কেন সঠিক: - ছোট গিয়ারের চাকাটি বড় চাকার তুলনায় বেশি গতিতে বা দ্রুত ঘোরে, কারণ গিয়ার অনুপাতের কারণে ছোট চাকার পরিধি কম হয়। - কৌণিক বেগের সংরক্ষণ এবং দাঁতের সংখ্যার অনুপাতের কারণে ছোট চাকাটি কম সময়ে বেশি পাক খায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: গিয়ার হলো এমন একটি যান্ত্রিক ব্যবস্থা যা ঘূর্ণন গতি এবং বল এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করে। - কার্যপ্রণালি: বড় গিয়ারে দাঁতের সংখ্যা বেশি থাকে এবং ছোট গিয়ারে দাঁতের সংখ্যা কম থাকে, তাই বড় চাকা এক পাক ঘুরলে ছোট চাকা একাধিক পাক ঘোরে। - কারণ ও ফলাফল: ছোট চাকায় ঘূর্ণন বেগ বা দ্রুতি বেশি হয়, কিন্তু এর টর্ক বা মোচড় বল বড় চাকার চেয়ে কম থাকে। - বাস্তব প্রয়োগ: সাইকেলের পেডেলের বড় চাকা ছোট চাকার সঙ্গে সংযুক্ত চেনকে ঘোরায়, ফলে পেডেল একবার ঘোরালে পেছনের ছোট চাকা অনেকবার ঘুরে দ্রুত গতিতে সাইকেল সামনের দিকে এগিয়ে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘড়ির ভেতরের সুক্ষ্ম গিয়ার মেকানিজম। ব্যাখ্যা: ঘড়িতে ছোট গিয়ারগুলো বড় গিয়ারের তুলনায় দ্রুত ঘুরে সেকেন্ডের কাঁটাকে সচল রাখে। উদাহরণ ২: মোটর গাড়ির গিয়ার বক্স। ব্যাখ্যা: গাড়ির গতি বাড়াতে ছোট গিয়ার ব্যবহার করা হয় যা ইঞ্জিন শ্যাফটকে দ্রুত ঘুরাতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আস্তে — ছোট চাকা ধীর গতিতে ঘোরে না, বরং এটি বড় চাকার চেয়ে বেশি গতিতে বা দ্রুত ঘোরে। B) জোরে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ছোট গিয়ার সর্বদা বড় গিয়ারের চেয়ে বেশি বেগে বা জোরে ঘোরে। C) একভাবে — বড় ও ছোট চাকার ঘূর্ণন বেগ কখনো সমান বা একভাবে হয় না কারণ তাদের আকার ও দাঁতের সংখ্যা ভিন্ন। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ছোট চাকা মানেই ছোট পরিধি এবং কম দাঁত, যার ফলে এর ঘূর্ণন গতি বা দ্রুতি সবসময় বেশি হবে। - বড় চাকা শক্তি বা টর্ক বাড়ায় আর ছোট চাকা গতি বা বেগ বাড়ায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - গিয়ার সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোতে সাধারণত গতি এবং বলের বিপরীত সম্পর্ক থেকে প্রশ্ন করা হয়। - একই ধারণা থেকে পরবর্তীতে গিয়ার অনুপাত এবং টর্ক সম্পর্কিত প্রশ্ন পরীক্ষাতে আসতে পারে।

মোট প্রশ্ন (21)

1. কোন শব্দটি বিসর্গসন্ধির মাধ্যমে গঠিত?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নীরব কেন সঠিক: ১. এই শব্দটিতে বিসর্গের ব্যবহার রয়েছে যা সন্ধি সাধিত হওয়ার সময় স্পষ্ট বোঝা যায়। ২. বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী নি এর সাথে রব যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বিসর্গ সন্ধি হলো বিসর্গের সাথে স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনজনিত পরিবর্তন। ২. এখানে বিসর্গ নিয়মানুযায়ী পরিবর্তিত হয়ে দীর্ঘ ঈকার ও রেফ যুক্ত রূপ নিয়েছে। ৩. যেমন নি যোগ রব সমান নীরব এবং নি যোগ রোগ সমান নীরোগ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীরব — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং মূল উত্তর। B) উজ্জ্বল — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে যার সঠিক ভাঙন উত যোগ জ্বল। C) মনোভীষ্ট — এটি সঠিক বানান নয় বরং সঠিক শব্দটি হলো মনোভিষ্ট বা মনোপূত। D) সংগ্রাম — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে যার সঠিক ভাঙন সম যোগ গ্রাম। মনে রাখার টিপস: ১. শব্দের মাঝে বিসর্গ বা রেফ থাকলে এবং তা ভাঙলে নি যোগ শব্দ পাওয়া গেলে তা বিসর্গ সন্ধি হয়। ২. বিসর্গ সন্ধি চেনার জন্য শব্দের গঠন ও সন্ধি বিচ্ছেদ ভালোভাবে মুখস্থ করতে হবে।
2. 'শিক্ষককে বুঝতে হবে শিক্ষার্থী কী চায়' এই বাক্যে
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) একবচন ও বহুবচন উভয়ই বোঝাতে ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে 'শিক্ষার্থী' শব্দটি জাতিবাচক বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যা কোনো নির্দিষ্ট একজন বা একাধিক ব্যক্তিকে না বুঝিয়ে সমগ্র ছাত্রসমাজকে নির্দেশ করে। - বাংলায় নির্দিষ্ট কোনো পদের সঙ্গে যখন কোনো বিশেষ প্রত্যয় বা শব্দ যুক্ত না করে সাধারণভাবে পুরো শ্রেণিকে বোঝানো হয়, তখন তা একবচন ও বহুবচন উভয় অর্থই প্রকাশ করতে পারে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের বচন প্রকরণে বিশেষ্য পদের সাধারণ রূপ অনেক সময় প্রসঙ্গের ওপর নির্ভর করে এক বা একাধিক উভয় অর্থ প্রকাশ করতে পারে। - জাতিবাচক বা শ্রেণিবাচক বিশেষ্য একবচনে ব্যবহৃত হলেও তা দিয়ে পুরো জাতি বা শ্রেণি তথা বহু প্রাণীকে বোঝানো সম্ভব হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষ মরণশীল। ব্যাখ্যা: এখানে 'মানুষ' শব্দটি একবচন হলেও তা পৃথিবীর সকল মানুষকে বা সমগ্র মানবজাতিকে (বহুবচন অর্থে) বোঝায়। উদাহরণ ২: গরুকে ঘাস খেতে দাও। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'গরু' শব্দটি দিয়ে নির্দিষ্ট একটি গরুকে না বুঝিয়ে সমগ্র গরু জাতিকে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথমটি একবচন, পরেরটি বহুবচন বোঝাতে — এই বাক্যে দুটি শব্দই বাহ্যিকভাবে একবচনে রয়েছে কিন্তু উভয়েই শ্রেণি বোঝায়, তাই এই অপশন সঠিক নয়। B) বহুবচন বোঝাতে — শুধু বহুবচন বোঝালে এখানে 'শিক্ষার্থীরা' বা 'সব শিক্ষার্থী' শব্দ ব্যবহার করা হতো, তাই এটি ভুল। D) একবচন বোঝাতে — শুধু নির্দিষ্ট একজন শিক্ষার্থীকে না বুঝিয়ে সমগ্র ছাত্রসমাজকে বোঝানো হয়েছে, তাই শুধুমাত্র একবচন বলা ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যে যখন কোনো বিশেষ্য পদ পুরো জাতিকে বা শ্রেণিকে নির্দেশ করে, তখন তা ব্যাকরণগতভাবে একবচন হলেও অর্থগতভাবে এক এবং বহু উভয়কেই বোঝাতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বচন নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বাক্যের অর্থ এবং পদের অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে বিবেচনা করতে হবে।
3. আহমদ শরীফের মতে মধ্যযুগে চণ্ডীদাস নামে কতজন কবি ছিলেন?
Created 1 week ago | Updated 56 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ ১. কেন সঠিক: ডক্টর আহমদ শরীফ মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট গবেষক ও সম্পাদক। তার মতে বাংলা মধ্যযুগের চণ্ডীদাস নামে মোট তিনজন পৃথক কবি ছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের চণ্ডীদাস সমস্যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অত্যন্ত আলোচিত একটি বিষয়। আহমদ শরীফের মতে এই তিনজন কবি হলেন মহাাজন চণ্ডীদাস, দ্বিজ চণ্ডীদাস ও দীন চণ্ডীদাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য ব্যাখ্যা: এটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত একটি বিখ্যাত মধ্যযুগের নিদর্শন। উদাহরণ ২: পদাবলি সাহিত্য ব্যাখ্যা: চণ্ডীদাস মূলত পদাবলি রচনার জন্য মধ্যযুগে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 2 — এই সংখ্যাটি আহমদ শরীফের মতানুসারে সঠিক নয় কারণ তিনি দুইজন কবির কথা বলেননি। B) 3 — এই অপশনটি সঠিক এবং আহমদ শরীফের গবেষণা অনুযায়ী মধ্যযুগে চণ্ডীদাস নামের তিনজন কবির অস্তিত্বের কথা বলা হয়েছে। C) 4 — চারজন কবির কথা অন্য কোনো গবেষক বললেও আহমদ শরীফের মতে সংখ্যাটি চার নয়। D) 5 — পাঁচজন চণ্ডীদাস কবির কথা বাংলা সাহিত্য গবেষণায় গ্রহণযোগ্য কোনো প্রধান মতবাদ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: আহমদ শরীফ নামটিতে তিনটি বর্ণভিত্তিক শব্দ রয়েছে এবং তার মতে চণ্ডীদাস কবিও তিনজন। এই কৌশলটি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সংখ্যাটি সহজে মনে রাখা সম্ভব হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের পদাবলি সাহিত্যের আদি ও অকৃত্রিম কবি হলেন চণ্ডীদাস। চণ্ডীদাস সমস্যা সম্পর্কিত এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
4. 'তিনি কথা শুনে ঘুমাতে পারলেন না' বাক্যটির অস্ত্যর্থক রূপ কী হবে?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তিনি কথা শুনে জেগে রইলেন ১. কেন সঠিক: - বাক্য রূপান্তরের নিয়মানুযায়ী মূল বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে নেতিবাচক বাক্যকে অস্ত্যর্থক বা ইতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করতে হয়। - প্রদত্ত বাক্যে 'ঘুমাতে পারলেন না' অংশটি না-বোধক বা নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করছে, যার অস্ত্যর্থক রূপ হলো 'জেগে রইলেন'। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাক্য রূপান্তর বলতে অর্থের পরিবর্তন না করে বাক্যের কাঠামোগগত পরিবর্তন বোঝায়। - নেতিবাচক বাক্য থেকে অস্ত্যর্থক বাক্যে রূপান্তর করার সময় ক্রিয়াপদের বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করতে হয় এবং না বা নি বা নেই বোধক অব্যয় বাদ দিতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি একা থাকতে পারি না ব্যাখ্যা: এই নেতিবাচক বাক্যটির অস্ত্যর্থক রূপ হবে আমি সঙ্গ পছন্দ করি। উদাহরণ ২: সে মিথ্যা বলে না ব্যাখ্যা: এই নেতিবাচক বাক্যটির অস্ত্যর্থক রূপ হবে সে সর্বদা সত্য বলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিনি কথা না শুনে ঘুমাতে পারলেন না — এই অপশনে না-বোধক শব্দ রয়ে গেছে, তাই এটি অস্ত্যর্থক রূপ হয়নি। B) তিনি কথা না শুনে ঘুমাতে পারলেন — এই অপশনে মূল বাক্যের অর্থের পরিবর্তন ঘটেছে এবং ঘুমাতে পারার কথা বলা হয়েছে। C) তিনি জেগে রইলেন কথা না শুনে — এই অপশনে কথার অর্থ ও গঠনের বিন্যাস ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) তিনি কথা শুনে জেগে রইলেন — এটি সঠিক অস্ত্যর্থক রূপ কারণ এখানে না-বোধক পদের বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্য রূপান্তরের সময় খেয়াল রাখবে যেন মূল অর্থের কোনো পরিবর্তন না ঘটে এবং না-বোধক শব্দ তুলে দিয়ে তার বিপরীতার্থক শব্দ বসাতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রায়ই না-বোধক বাক্যকে হ্যাঁ-বোধক বা অস্ত্যর্থক বাক্যে রূপান্তর করতে বলা হয়। এক্ষেত্রে বিপরীত শব্দ চেনার দক্ষতা অত্যন্ত জরুরি।
5. চর্যাপদের খণ্ডিত পদগুলো তিব্বতি থেকে প্রাচীন বাংলায় রূপান্তর করেন-
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সুকুমার সেন ১. কেন সঠিক: চর্যাপদের মূল পুথিটি নেপালের রাজদরবার থেকে আবিষ্কৃত হওয়ার পর এর তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার করেন প্রাবন্ধিক ও গবেষক প্রবোধচন্দ্র বাগচী। পরবর্তীতে তিব্বতি ভাষায় প্রাপ্ত চর্যাপদের খণ্ডিত বা অবশিষ্টাংশের পদগুলো তিব্বতি থেকে প্রাচীন বাংলায় রূপান্তর করেন বিশিষ্ট ভাষাতাত্ত্বিক ও সাহিত্য ইতিহাসবিদ ড. সুকুমার সেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ড. সুকুমার সেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস রচনায় এক যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছেন এবং তিনি প্রাচীন বাংলার ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করেন। চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য বা পদ সংকলন, যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের দ্বারা রচিত হয়েছিল এবং এটি সন্ধ্যাভাষায় লিখিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের টিকাকার মুনিদত্ত। ব্যাখ্যা: মুনিদত্ত চর্যাপদের সংস্কৃত টীকা রচনা করেছিলেন যার নাম চর্যাশ্চর্যবিনিশ্চয়। উদাহরণ ২: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন উদ্ধারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — তিনি চর্যাপদের ভাষা ও উৎপত্তি নিয়ে গবেষণা করে ১৯২৬ সালে ওডিবিএল গ্রন্থ রচনা করেন কিন্তু তিব্বতি থেকে রূপান্তর করেননি। B) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — তিনি চর্যাপদের মূল আবিষ্কারক এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে প্রকাশ করেন। C) রাজেন্দ্রলাল মিত্র — তিনি নেপালের রাজদরবারের সংস্কৃত ও বৌদ্ধ পুথির তালিকা প্রস্তুত ও সংগ্রহে ভূমিকা রাখলেও চর্যাপদের পদ তিব্বতি থেকে রূপান্তর করেননি। D) সুকুমার সেন — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনেই রয়েছে এবং তিনিই তিব্বতি থেকে খণ্ডিত পদ রূপান্তর করেন। ৫. মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আর তিব্বতি থেকে খণ্ডিত পদ রূপান্তর করেন সুকুমার সেন। নাম দুটি মনে রাখতে সুকুমার ও সুপ্রাচীন এই মিলটি খেয়াল রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের পদ সংখ্যা নিয়ে পরীক্ষ্তায় প্রশ্ন আসে যেখানে ড. সুকুমার সেনের মতে পদের সংখ্যা হলো ছেচল্লিশটি এবং আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে সাড়ে ছেচল্লিশটি। চর্যাপদের ভাষার রূপকার ও তিব্বতি অনুবাদকের নাম আলাদাভাবে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
6. পারিভাষিক শব্দ বলতে বোঝায়-
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিষয়গত সুনির্দিষ্ট অর্থবোধক শব্দ ১. কেন সঠিক: - পারিভাষিক শব্দ হলো এমন শব্দ যা বিশেষ কোনো জ্ঞানশাখা, বিজ্ঞান বা প্রযুক্তিতে নির্দিষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। - সাধারণ শব্দের মতো এর একাধিক অর্থ বা অর্থের অস্পষ্টতা থাকে না, বরং প্রতিটি ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট পরিভাষা নির্ধারিত থাকে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ মূলত কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের বিশেষ অর্থ বোঝাতে ব্যবহৃত প্রমিত শব্দভান্ডার। - এটি ভাষার ভাবপ্রকাশকে সুনির্দিষ্ট ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Constitution শব্দের পারিভাষিক রূপ সংবিধান। ব্যাখ্যা: রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক আইন বোঝাতে এটি একটি সুনির্দিষ্ট পারিভাষিক শব্দ। উদাহরণ ২: Audit শব্দের পারিভাষিক রূপ নিরীক্ষা। ব্যাখ্যা: আর্থিক হিসাবপত্র পরীক্ষা করার বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করতে এই শব্দটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংরেজি শব্দের বাংলা রূপান্তর — সব ইংরেজি শব্দের বাংলা রূপান্তরই পারিভাষিক শব্দ নয়, সাধারণ শব্দও হতে পারে। B) বিদেশি শব্দের অনুবাদ — বিদেশি শব্দের যেকোনো সাধারণ অনুবাদ পারিভাষিক শব্দের সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে না। C) বিষয়গত সুনির্দিষ্ট অর্থবোধক শব্দ — এটি সঠিক কারণ পারিভাষিক শব্দ সবসময় নির্দিষ্ট বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে। D) ব্যবহারিক প্রয়োজনে নবনির্মিত শব্দ — নবনির্মিত সব শব্দই পারিভাষিক শব্দ হিসেবে স্বীকৃতি পায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - পারিভাষিক শব্দ মানেই হলো নির্দিষ্ট বিষয়ের সুনির্দিষ্ট পরিভাষা। - সাধারণ অনুবাদের চেয়ে পরিভাষার অর্থ অনেক বেশি নির্দিষ্ট ও প্রযুক্তিগত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত ইংরেজি শব্দের সঠিক পারিভাষিক রূপ জানতে চাওয়া হয়। - ব্যাকরণের এই অংশটি থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
7. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শব্দের শুরুতে মাত্রা যুক্ত 'এ'-কার ব্যবহার করতেন কেন?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 'অ্যা' উচ্চারণ বোঝাতে ১. কেন সঠিক: - বাংলা বর্ণমালায় 'এ' একটি মাত্রাহীন বর্ণ, যা শব্দের শুরুতে বসলে অনেক সময় বিবৃত বা অ-কারান্ত বা অ্যা-কারান্ত উচ্চারণ নির্দেশ করে। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা বানানের প্রমিত রূপায়নে এবং উচ্চারণের সঠিক রূপ বোঝানোর জন্য শব্দের শুরুতে মাত্রা যুক্ত 'এ'-কার ব্যবহার করতেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান এবং প্রমিত বানানরীতির সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ব্যাকরণগত ও সাহিত্যিক প্রসঙ্গ। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা বানান সংস্কারের ক্ষেত্রে উচ্চারণকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছিলেন এবং ছড়ার ছন্দে বা গদ্যে বিবৃত স্বরধ্বনি বোঝানোর এই বিশেষ রীতি প্রবর্তন করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে 'এ'-কার মাত্রা যুক্ত করে বিবৃত উচ্চারণ নির্দেশ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: একা ব্যাখ্যা: শব্দের শুরুতে 'এ'-কার ব্যবহার করে সঠিক উচ্চারণ স্পষ্ট করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 'এ'-কার মাত্রা যুক্ত বলে — এই অপশনটি ভুল কারণ 'এ' বর্ণটি নিজেই মাত্রাহীন হলেও এর কারচিহ্ন বা একার লেখার সময় মাত্রা ব্যবহার করা হয় কি না তা এই প্রশ্নের মূল উদ্দেশ্য নয়। B) 'এ' মাত্রাহীন বর্ণ বলে — এটি একটি সাধারণ ব্যাকরণগত তথ্য হলেও এটি রবীন্দ্রনাথের মাত্রা যুক্ত 'এ'-কার ব্যবহারের মূল কারণ নয়। C) 'এ' উচ্চারণ বোঝাতে — এটি আংশিক সত্য হলেও রবীন্দ্রনাথ বিশেষভাবে বিবৃত 'অ্যা' উচ্চারণ বোঝাতেই এই বিশেষ পদ্ধতি ব্যবহার করতেন। D) 'অ্যা' উচ্চারণ বোঝাতে — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ বিবৃত উচ্চারণ স্পষ্ট করার জন্যই এই রীতি আনা হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের বানানরীতিতে শব্দের শুরুতে মাত্রা যুক্ত 'এ'-কার দেখলে বুঝতে হবে সেটি বিবৃত বা অ্যা-কারান্ত উচ্চারণ বোঝানোর জন্যই ব্যবহার করা হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বানান সংস্কারে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান এবং বাংলা বর্ণমালার মাত্রা ও মাত্রাহীন বর্ণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
8. কোন শব্দটি প্রত্যয় যোগে গঠিত?
Created 1 week ago | Updated 34 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডাক্তারখানা ১. কেন সঠিক: ডাক্তারখানা শব্দটি গঠিত হয়েছে ডাক্তার এবং খানা শব্দের মিলনে। এখানে খানা একটি প্রত্যয় বা তদ্ধিত প্রত্যয় হিসেবে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রত্যয় হলো শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠনের প্রক্রিয়া। ডাক্তারখানা একটি তদ্ধিত প্রত্যয়যুক্ত শব্দ যেখানে স্থানবাচক প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৈঠকখানা ব্যাখ্যা: বৈঠক শব্দের সাথে খানা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্থানবাচক শব্দ গঠন করেছে। উদাহরণ ২: বায়াজানখানা ব্যাখ্যা: এটিও প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি পরিচিত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডাক্তারখানা — এটি প্রত্যয় যোগে গঠিত সঠিক উত্তর। B) হাসপাতাল — এটি একটি সমাসবদ্ধ বা ভিন্ন উৎস থেকে আসা শব্দ। C) আকাশছোঁয়া — এটি সমাসবদ্ধ শব্দ। D) গুণমান — এটি প্রত্যয় বা অন্য প্রক্রিয়ায় গঠিত হলেও নির্দিষ্ট নিয়মের বাইরে। ৫. মনে রাখার টিপস: খানার মতো স্থানবাচক প্রত্যয় চেনার মাধ্যমে সহজেই এমন শব্দ মনে রাখা যায়। শব্দ গঠন প্রক্রিয়া খেয়াল রাখলে উত্তর সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় ও সমাস প্রায়ই একসাথে গুলিয়ে ফেলা হয়। শব্দের মূল অংশ এবং প্রত্যয় আলাদা করতে পারলে সঠিক উত্তর চিহ্নিত করা সহজ হয়।
9. 'উৎক্ষেপণ' শব্দের 'উৎ' উপসর্গ কোন অর্থ ধারণ করছে?
Created 1 week ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঊর্ধ্ব ১. কেন সঠিক: 'উৎক্ষেপণ' শব্দটিতে 'উৎ' উপসর্গটি উপরে বা ঊর্ধ্ব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। কোনো কিছুকে নিচে থেকে উপরে ছোঁড়া বা নিক্ষেপ করা বোঝাতে এই উপসর্গ যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটায়। 'উৎ' একটি সংস্কৃত উপসর্গ যা সাধারণত উচ্চতা, শ্রেষ্ঠত্ব, উৎকর্ষ এবং ঊর্ধ্ব বা উপরে অর্থে শব্দের পূর্বে বসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উৎকর্ষ ব্যাখ্যা: এখানে 'উৎ' উপসর্গটি উর্ধ্ব বা উৎকর্ষের বিকাশ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: উদ্ঘাটন ব্যাখ্যা: এখানে 'উৎ' উপসর্গটি কোনো কিছু উন্মোচন বা উপরে তোলার অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জোর — 'উৎ' উপসর্গটি কোনো ক্ষেত্রে জোর বা তীব্রতা প্রকাশ করে না, তাই এটি ভুল। C) আড়াল — আড়াল বা ঢাকা অর্থ প্রকাশ করার জন্য 'উৎ' উপসর্গ ব্যবহার করা হয় না। D) গতি — গতি বোঝাতে 'উৎ' উপসর্গ ব্যবহার করা হয় না, এটি মূলত ঊর্ধ্ব বা উচ্চতা প্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: 'উৎ' মানেই উপরে বা ঊর্ধ্ব। যেমন কোনো কিছু উৎক্ষেপণ করা মানে উপরে ছোঁড়া। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের অর্থ বুঝে উপসর্গ চিহ্নিত করার অভ্যাস করতে হবে।
10. কোন ধ্বনি পরিবর্তনটি যথাযথ নয়?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংগীত > গীতিকা ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে কোন ধ্বনি পরিবর্তনটি যথাযথ নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে। অপশন সি তে সংগীত শব্দের সঙ্গে গীতিকা শব্দটিকে ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণের মতো করে দেখানো হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। সংগীত এবং গীতিকা দুটি ভিন্ন শব্দ, কোনোটিই ধ্বনি পরিবর্তনের মাধ্যমে অপরটিতে রূপান্তরিত হয়নি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ধ্বনি পরিবর্তন বলতে মুখের ভাষার সহজীকরণের জন্য শব্দের ভেতরের ধ্বনির পরিবর্তন, লোপ বা আগমনকে বোঝায়। যেমন স্বরসঙ্গতি, অভিশুতি, বিষমীভবন ইত্যাদি ধ্বনি পরিবর্তনের বিভিন্ন নিয়ম রয়েছে। সংগীত থেকে গীতিকা কোনো ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়ম মেনে আসেনি, এটি একটি শব্দের সঙ্গে সম্পূর্ণ ভিন্ন আরেকটি শব্দের তুলনা মাত্র। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অলাবু > লাউ ব্যাখ্যা: এটি ধ্বনি পরিবর্তনের একটি নিয়মের উদাহরণ যেখানে আদি স্বরলোপ ঘটেছে। উদাহরণ ২: ধ্যৈর্য > ধৈর্য ব্যাখ্যা: এটি ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মে মধ্য স্বরলোপ বা বর্ণ পরিবর্তনের একটি উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্রন্দন > কাঁদা — এটি ধ্বনি পরিবর্তনের একটি সঠিক রূপ যেখানে নাসিক্যীভবন ও স্বর পরিবর্তনের মাধ্যমে ক্রন্দন শব্দ কাঁদা রূপ লাভ করেছে। B) অঞ্চল > আঁচল — এটি ধ্বনি পরিবর্তনের একটি সঠিক উদাহরণ যেখানে অনুনাসিকতার প্রভাবে অ ধ্বনি আ তে রূপান্তরিত হয়েছে। C) সংগীত > গীতিকা — এটি কোনো ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ নয় কারণ এটি দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ। D) দন্ত > দাঁত — এটি ধ্বনি পরিবর্তনের সঠিক উদাহরণ যেখানে নাসিক্যীভবন এবং স্বর পরিবর্তনের মাধ্যমে দন্ত শব্দ দাঁত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: ধ্বনি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে মূল শব্দ থেকে প্রাকৃতিকভাবে যে পরিবর্তিত রূপটি আসে সেটিই সঠিক ধ্বনি পরিবর্তন। দুটি আলাদা অর্থবোধক বা ভিন্ন শব্দ কখনো ধ্বনি পরিবর্তনের রূপ হতে পারে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি পরিবর্তনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই কোন শব্দ থেকে কোন শব্দটি ধ্বনি পরিবর্তনের মাধ্যমে এসেছে তা মুখস্থ করার চেয়ে নিয়মগুলো বুঝে পড়া বেশি কার্যকর।
11. ফররুখ আহমদের গ্রন্থ কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হরফের ছড়া ১. কেন সঠিক: ফররুখ আহমদ বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত মুসলিম রেনেসাঁস কবি। তাঁর রচিত শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে 'হরফের ছড়া' একটি অন্যতম জনপ্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার রায়পুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মূলত ইসলামিক আদর্শ, ঐতিহ্য ও মানবতাবাদের কবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য 'সাত সাগরের মাঝি'। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখির বাসা ব্যাখ্যা: এটি ফররুখ আহমদের লেখা একটি বিখ্যাত শিশুতোষ ও কিশোর উপযোগী ছড়ার বই। উদাহরণ ২: হাতেম তাই ব্যাখ্যা: এটিও ফররুখ আহমদের রচিত একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যা শিশুদের নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হরফের ছড়া — এটি ফররুখ আহমদের লেখা সঠিক শিশুতোষ গ্রন্থ। B) বর্ণশিক্ষা — এই নামের কোনো বিখ্যাত গ্রন্থ ফররুখ আহমদের রচিত নয়। C) বর্ণপরিচয় — এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত বাংলা ভাষার অন্যতম আদি ও মৌলিক পাঠ্যপুস্তক। D) সহজ ছড়া — এই শিরোনামে একাধিক লেখকের রচনা থাকলেও এটি ফররুখ আহমদের গ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ফররুখ আহমদের শিশুতোষ গ্রন্থ মনে রাখার জন্য হরফ বা বর্ণমালা সংক্রান্ত তাঁর ছড়ার বইটি বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি ফররুখ আহমদের শিশুতোষ গ্রন্থ এবং সাত সাগরের মাঝি কাব্যগ্রন্থ সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম ও শিশুতোষ গ্রন্থগুলো আলাদাভাবে নোট করে পড়া উচিত।
12. 'কম দামে কেনা বেশী দামে বেচা আমাদের স্বাধীনতা' - বইটির লেখক কে?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আবুল মনসুর আহমেদ ১. কেন সঠিক: - 'কম দামে কেনা বেশী দামে বেচা আমাদের স্বাধীনতা' হলো বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ আবুল মনসুর আহমেদের লেখা একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যঙ্গরচনা ও প্রবন্ধ সংকলন। - এই বইটিতে তৎকালীন রাজনীতির নানা অসঙ্গতি, সুবিধাবাদী মনোভাব এবং সমাজজীবনের বিভিন্ন কদর্য দিক অত্যন্ত শ্লেষাত্মক ও বুদ্ধিদীপ্ত ভাষায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আবুল মনসুর আহমেদ বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ যিনি মূলত তার রাজনৈতিক ব্যঙ্গাত্মক রচনার জন্য বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছিলেন। - তার সাহিত্যকর্মে সমসাময়িক রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট এবং ক্ষমতাশালীদের আত্মঘাতী চরিত্র ব্যঙ্গ ও রূপকের মাধ্যমে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে উন্মোচিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আয়না ব্যাখ্যা: এটি আবুল মনসুর আহমেদের অপর একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক গল্পগ্রন্থ, যেখানে তৎকালীন বাঙালি সমাজের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। উদাহরণ ২: ফুড কনফারেন্স ব্যাখ্যা: এটি লেখকের আরেকটি ব্যঙ্গাত্মক রচনা যা রাজনৈতিক ও সামাজিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে এক অনন্য সাহিত্যিক প্রতিবাদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল কালাম শামসুদ্দীন — ইনি একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সাহিত্যিক হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন, তাই এই অপশনটি ভুল। B) আবুল মনসুর আহমেদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে লেখকের নাম এবং গ্রন্থ মিলে গেছে। C) শামসুদ্দিন আবুল কালাম — ইনি একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক যিনি মূলত গ্রামীণ জীবনভিত্তিক উপন্যাস ও গল্পের জন্য পরিচিত, তবে এই বইটির সঙ্গে তিনি সম্পর্কিত নন। D) এস ওয়াজেদ আলী — ইনি প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক যিনি মূলত মননশীল ও সমাজসচেতন প্রবন্ধ রচনার জন্য পরিচিত, কিন্তু আলোচ্য গ্রন্থটি তার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রাজনীতিবিদ ও সাংবাদিক আবুল মনসুর আহমেদের ব্যঙ্গাত্মক রচনাগুলো সমাজের আয়না স্বরূপ, তাই 'কম দামে কেনা বেশী দামে বেচা আমাদের স্বাধীনতা' দেখলে আবুল মনসুর আহমেদের নাম মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আবুল মনসুর আহমেদের ব্যঙ্গরচনার নাম ও লেখক প্রায়ই আসে, তাই তার প্রধান গ্রন্থগুলো মনে রাখা জরুরি।
13. 'এ কাজ করতে আমি বদ্ধ পরিকর' এখানে 'পরিকর' শব্দের অর্থ কী?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রতিশ্রুত ১. কেন সঠিক: - 'বদ্ধ পরিকর' একটি বহুল ব্যবহৃত বাগধারা ও বিশেষ বাক্যাংশ, যার অর্থ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বা কোনো কাজের জন্য বিশেষভাবে প্রতিশ্রুত। - বাক্যে 'পরিকর' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ কোমর বাঁধা হলেও, 'বদ্ধ পরিকর' একত্রে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে যার মূল অর্থ দাঁড়ায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়া। ২. ব্যাকরণ ও শব্দার্থ ব্যাখ্যা: - এটি মূলত শব্দার্থ ও বাগধারা সংক্রান্ত প্রশ্ন, যেখানে শব্দের প্রচলিত ও রূপক অর্থ বিবেচনা করতে হয়। - 'পরিকর' শব্দের আক্ষরিক অর্থ কোমর বাঁধা, আর 'বদ্ধ পরিকর' মানে কোমর বেঁধে বা দৃঢ়ভাবে কোনো কাজের জন্য প্রস্তুত বা প্রতিশ্রুত হওয়া। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেশ গঠনের কাজে আমরা সবাই বদ্ধ পরিকর। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'বদ্ধ পরিকর' শব্দগুচ্ছটি দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বা প্রতিশ্রুত হওয়া অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: দুর্নীতি দমনে সরকার বদ্ধ পরিকর। ব্যাখ্যা: এখানেও কোনো নির্দিষ্ট কাজে দৃঢ়সংকল্পবদ্ধ হওয়া বোঝাতে 'বদ্ধ পরিকর' ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাস — এই শব্দটি বিশেষ বা নিজস্ব অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা 'পরিকর' শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) প্রতিজ্ঞা — এটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ, কিন্তু 'বদ্ধ পরিকর' সম্পূর্ণ মিলে একটি বিশেষণ পদ হিসেবে কাজ করে। C) কোমর — এটি 'পরিকর' শব্দের আক্ষরিক উৎস হলেও, 'বদ্ধ পরিকর' সমগ্র পদের অর্থ নির্দেশ করতে সরাসরি 'কোমর' অর্থ এখানে প্রযোজ্য নয়। D) প্রতিশ্রুত — এটি সঠিক কারণ 'বদ্ধ পরিকর' সমগ্র পদটি প্রতিশ্রুত বা সংকল্পবদ্ধ অর্থ প্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - 'বদ্ধ পরিকর' দেখলে মনে রাখবে এর অর্থ কোমর বেঁধে নামা বা কোনো কিছুর জন্য প্রতিশ্রুত হওয়া। - পরীক্ষার হলে আক্ষরিক অর্থের চেয়ে বাক্যের সামগ্রিক ভাবার্থের ওপর বেশি জোর দেবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দ ও বাগধারার ভেতরের সূক্ষ্ম অর্থ থেকে প্রশ্ন আসে। - শব্দের মূল উৎস এক হলেও বিশেষ বাক্যাংশ বা বাগধারায় তার অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যেতে পারে, যা সতর্কতার সঙ্গে মনে রাখতে হবে।
14. 'স্বাধীন' শব্দের ব্যাসবাক্য কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্ব-এর অধীন ১. কেন সঠিক: 'স্বাধীন' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো স্ব-এর অধীন। এখানে 'স্ব' মানে নিজের এবং 'অধীন' মানে নিয়ন্ত্রণে থাকা, যা মিলে নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকাকে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি একটি বিশেষ নিয়মে সাধিত সমাস বা প্রাদি সমাসের অন্তর্ভুক্ত। সংস্করণের প্রাদি সমাসের নিয়মে 'স্ব' এর সঙ্গে 'অধীন' যুক্ত হয়ে এই তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্বায়ত্তশাসন ব্যাখ্যা: নিজের স্বত্ব বা অধিকারের শাসন বোঝাতে এই সমাস ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: স্বয়ংক্রিয় ব্যাখ্যা: নিজে নিজেই চলে যা বোঝাতে এই শব্দটি গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বীয়-এর অধীন — ব্যাকরণগতভাবে 'স্বীয়' শব্দটি এখানে মূল সংস্কৃত রূপের সঙ্গে সরাসরি মেলে না। প্রমিত রীতিতে 'স্ব' ব্যবহার করা হয়। B) সত্তার অধীন — সত্তা অর্থ অস্তিত্ব, যা 'স্বাধীন' শব্দের প্রকৃত ভাব বা ব্যুৎপত্তিগত অর্থের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) স্বতের-অধীন — 'স্বত' শব্দটি স্বাধীন শব্দের সঠিক ব্যাকরণগত অংশ বা মূল রূপ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বাধীন শব্দের প্রথম অংশ 'স্ব' এবং শেষের অংশ 'অধীন' মনে রাখলেই সঠিক ব্যাসবাক্যটি সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমাস নির্ণয় বা ব্যাসবাক্য থেকে প্রশ্ন আসে, তাই শব্দের মূল রূপ চেনা জরুরি।
15. কাজী নজরুল ইসলামের কোন উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র জাহাঙ্গীর?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কুহেলিকা ১. কেন সঠিক: - কাজী নজরুল ইসলামের কুহেলিকা উপন্যাসের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক ও বিদ্রোহী চরিত্র হলো জাহাঙ্গীর। - এই উপন্যাসের মাধ্যমে লেখক তৎকালীন রাজনৈতিক আন্দোলন ও তরুণ সমাজের বিপ্লবকে ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মূলত বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি তিনটি উপন্যাস রচনা করেছেন। - তাঁর রচিত তিনটি উপন্যাস হলো বাঁধন-হারা, মৃত্যুক্ষুধা এবং কুহেলিকা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাস ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যেখানে দরিয়া ও মেজবদির মতো চরিত্র রয়েছে। উদাহরণ ২: বাঁধন-হারা উপন্যাস ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং পত্রযোগাযোগ বা চিঠির মাধ্যমে রচিত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাঁধন-হারা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম উপন্যাস হলেও এর কেন্দ্রীয় চরিত্র জাহাঙ্গীর নয়। B) মৃত্যুক্ষুধা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের জীবন নিয়ে লেখা উপন্যাস, যেখানে জাহাঙ্গীর চরিত্রটি নেই। D) শিউলিমালা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন, কোনো উপন্যাস নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের তিনটি উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বাঁধন-হারা মৃত্যুক্ষুধা নিবারণ করতে কুহেলিকা ভেদ করতে হয়। - এখান থেকে বাঁধন-হারা, মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা এই তিনটি উপন্যাসের নাম সহজেই মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাসের নাম ও চরিত্রগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। - বিদ্রোহী চরিত্রের জন্য কুহেলিকা উপন্যাসের জাহাঙ্গীর চরিত্রটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
16. মধুসূদন দত্তের পূর্ববর্তী গুরুত্বপূর্ণ কবি কে?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১. কেন সঠিক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী ও সার্থক কবি। তাঁর আবির্ভাবের ঠিক আগের যুগে বাংলা কবিতায় যাঁদের অবদান সবচেয়ে বেশি, তাঁদের মধ্যে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত অন্যতম প্রধান। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত কবি ও সাংবাদিক। তাঁকে আধুনিক বাংলা কবিতার প্রস্তুতি পর্বের বা মধুসূদন-পূর্ব যুগের শ্রেষ্ঠ কবি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা। ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমে তিনি বহু তরুণ কবিকে সাহিত্যচর্চায় উৎসাহিত করেছিলেন। উদাহরণ ২: কবিওয়ালা ও পাচালি গানের সংগ্রহ। ব্যাখ্যা: তিনি প্রাচীন ও মধ্যযুগের কবিওয়ালাদের জীবন ও সাহিত্য নিয়ে প্রথম গবেষণা ও সংকলন করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মধুসূদন দত্তের পরবর্তী যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক ও নোবেলজয়ী কবি। B) ইসমাইল হোসেন সিরাজী — ইসমাইল হোসেন সিরাজী বিংশ শতাব্দীর একজন মুসলিম সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক। D) কায়কোবাদ — কায়কোবাদ মহাকাব্য রচয়িতা হলেও তিনি মধুসূদন দত্তের পূর্ববর্তী কবি নন, বরং পরবর্তী যুগের কবি। ৫ মনে রাখার টিপস: মধুসূদনের আগে গুপ্তযুগ ছিল। এভাবে মনে রাখতে পারো যে মধুসূদন দত্তের পূর্ববর্তী গুরুত্বপূর্ণ কবি হলেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয় কারণ তিনি প্রাচীন ও আধুনিক যুগের সংযোগ স্থাপন করেছিলেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে।
17. 'পরিবার থেকেই শিক্ষা শুরু' এখানে 'থেকে' শব্দের সাথে যুক্ত 'ই' এর ব্যাকরণিক পরিচয় কী?
Created 1 week ago | Updated 12 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বলক কেন সঠিক: এখানে 'থেকে' শব্দের সাথে যুক্ত 'ই' বর্ণটি বাক্যে জোর বা নিপাতনে ব্যবহৃত হয়েছে। শব্দের বা পদের অর্থকে জোরালো করতে এবং বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করতে এটি ব্যবহৃত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ বা ধ্বনি শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে অর্থের ওপর বিশেষ জোর দেয় সেগুলোকে বলক বা নিপাত বা উদ্যোতক বলা হয়। বাংলা ব্যাকরণে 'ই', 'তো', 'গো' ইত্যাদি বর্ণ বা শব্দাংশ প্রায়ই বলক হিসেবে শব্দের পরে বসে। যেমন: আমিই কাজটি করেছি, এখানে 'ই' বলক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপসর্গ — উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয় সূচক শব্দ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে। এখানে 'ই' শব্দের পূর্বে না বসে পরে যুক্ত হয়েছে এবং নতুন কোনো শব্দ তৈরি করেনি। B) প্রত্যয় — প্রত্যয় হলো শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হওয়া এমন কিছু ধ্বনি যা নতুন শব্দ বা পদ গঠন করে। এখানে 'ই' কোনো নতুন শব্দ বা পদ গঠন করার জন্য যুক্ত হয়নি। C) ধাতু — ধাতু হলো ক্রিয়াপদের মূল অংশ যা থেকে ক্রিয়া গঠিত হয়। এখানে 'ই' কোনো ক্রিয়ার মূল বা ধাতু নয়। D) বলক — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'ই' এখানে বিশেষ জোর বা বলক প্রকাশ করেছে। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দের পরে 'ই' বা 'তো' যুক্ত হয়ে যদি বাক্যের ওপর বিশেষ জোর বোঝায় তবে চোখ বন্ধ করে তাকে বলক বা উদ্যোতক দাগিয়ে দেবে। মনে রাখবে বলক শব্দটির অর্থই হলো কোনো কিছুর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া বা চাপ সৃষ্টি করা।
18. 'মৃগয়া' শব্দের মৃগ বলতে কি বোঝানো হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পশু কেন সঠিক: ১. মৃগয়া শব্দের মূল অর্থ হলো শিকার করা এবং মৃগ শব্দের প্রাচীন ও মূল অর্থ হলো যেকোনো বন্য পশু। ২. বাংলা ব্যাকরণ ও অভিধান অনুসারে মৃগ বলতে কেবল হরিণকে বোঝায় না, বরং সাধারণ অর্থে যেকোনো শিকারযোগ্য পশুকে বোঝানো হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. শব্দার্থের সংকীর্ণীকরণ প্রক্রিয়ায় মৃগ শব্দটি আগে যেকোনো পশুকে বোঝালেও পরে নির্দিষ্ট করে হরিণকে বোঝাতে শুরু করেছে। ২. প্রাচীন বাংলা সাহিত্য ও কাব্যে রাজাদের শিকার উৎসব বোঝাতে মৃগয়া শব্দটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। ৩. যেমন মহাভারত বা অন্যান্য পৌরাণিক কাহিনীতে রাজাদের বনবিহারে গিয়ে মৃগয়া বা পশু শিকার করার অনেক উল্লেখ পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বানর — বানর একটি নির্দিষ্ট প্রাণী এবং মৃগয়া শব্দের সাথে এর কোনো ঐতিহাসিক বা শাব্দিক মিল নেই। B) সিংহ — সিংহ একটি বন্য পশু হলেও মৃগ শব্দের সাধারণ বা ব্যাপক অর্থে সিংহকে বোঝানো হয় না। C) পশু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয় এবং অন্য কোনো ভুল কারণ এখানে নেই। D) বন — বন হলো সেই স্থান যেখানে শিকার করা হয়, কিন্তু মৃগ বলতে স্থান বোঝায় না বরং শিকার করা জীবকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: ১. মৃগয়া মানে শিকার আর মৃগ মানে পশু এই সম্পর্কটি মনে রাখলে উত্তর সহজেই অনুমান করা যাবে। ২. মৃগ শব্দটির প্রাচীন অর্থ মাথায় রাখলে হরিণ এবং সাধারণ পশুর পার্থক্য পরিষ্কার হয়ে যায়।
19. সত্যকে স্বীকার করতে অনেক ব্যক্তিরাই চায়না। ' - এখানে ভুল ঘটেছে -
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বানান ও বচনের ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে দুটি ভুল রয়েছে, যার প্রথমটি বানানগত এবং দ্বিতীয়টি বচনগত। - 'চায়না' শব্দটি ভুল, এর সঠিক বানান হলো 'চাহে না' বা একসাথে লিখলে 'চায় না' (না বোধক অব্যয় আলাদা হবে)। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্যশুদ্ধির নিয়মানুযায়ী বহুবচন বোঝাতে 'ব্যক্তি' শব্দের সাথে 'গণ', 'বর্গ' বা 'বৃন্দ' যুক্ত হয়, কিন্তু 'ব্যক্তিরা' বহুবচন সঠিক নয়। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী না-বাচক অব্যয় সবসময় পদের সাথে আলাদাভাবে বসে, তাই 'চায়না' না লিখে 'চায় না' লেখা প্রমিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সকল ছাত্ররা ক্লাসে উপস্থিত আছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'সকল' এবং 'ছাত্ররা' একসাথে ব্যবহার করায় বাহুল্য বা বচনঘটিত ভুল হয়েছে, সঠিক রূপ হবে সকল ছাত্র ক্লাসে উপস্থিত আছে। উদাহরণ ২: আমি কাজটি করি নাই। ব্যাখ্যা: এখানে না-বাচক অব্যয় 'নাই' আলাদাভাবে বসেছে যা বাক্যটিকে বানান ও অর্থের দিক থেকে শুদ্ধ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বানান ও প্রত্যয়ের — বাক্যে কোনো প্রত্যয়ঘটিত ভুল নেই, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। B) অর্থ ও বচনের — বাক্যের অর্থ অস্পষ্ট নয়, বরং ব্যাকরণগত রূপ ভুল রয়েছে। C) অর্থ ও প্রত্যয়ের — এখানে অর্থের কোনো পরিবর্তন ঘটেনি এবং প্রত্যয়ের কোনো ব্যবহার নেই। D) বানান ও বচনের — বাক্যটিতে 'চায়না' বানান ভুল এবং 'ব্যক্তিরাই' বচনের নিয়ম লঙ্ঘন করেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: না-বাচক শব্দ সবসময় আলাদা লেখার অভ্যাস করো। বচনের দ্বিত্ব বা অতিরিক্ত বহুবচন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বাক্যে বহুবচন গঠনে শব্দের দ্বিরুক্তি বা অতিরিক্ত বহুবচন সূচক শব্দ ব্যবহার বাহুল্য দোষ সৃষ্টি করে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যশুদ্ধি থেকে প্রায়ই বচন ও বানান সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
20. ধ্বনি ও বর্ণের পার্থক্য কোথায়?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইন্দ্রিয় গ্রাহ্যে ১. কেন সঠিক: ধ্বনি হলো মুখের উচ্চারিত আওয়াজ যা কানে শোনা যায় এবং বর্ণ হলো সেই ধ্বনির লিখিত রূপ যা চোখে দেখা যায়। এই মৌলিক পার্থক্যের কারণেই ধ্বনি ও বর্ণের মূল ফারাকটি মূলত ইন্দ্রিয় গ্রাহ্যতার স্তরে নিহিত রয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ভাষার মৌলিক উপাদান হলো ধ্বনি যা কান দিয়ে গ্রহণ করা হয় এবং এর লিখিত রূপ হলো বর্ণ যা চোখ দিয়ে দেখা হয়। ব্যাকরণের নিয়মানুসারে ধ্বনি হলো উৎপাদিত শব্দ এবং বর্ণ হলো তার প্রতিচ্ছবি বা প্রতীক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক একটি ধ্বনি বা বর্ণ যখন আমরা মুখে উচ্চারণ করি তখন তা কান দিয়ে শুনি। ব্যাখ্যা: এটি শ্রবণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে অনুভূত হয় বলে এটি ধ্বনি হিসেবে গণ্য হয়। উদাহরণ ২: ক লেখার পর যখন আমরা তা দেখি তখন তা বর্ণ হয়। ব্যাখ্যা: এটি দর্শনেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে অনুভূত হয় বলে একে বর্ণ বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লেখার ধরনে — ধ্বনির কোনো লেখার ধরন থাকে না কারণ ধ্বনি শুধু উচ্চারিত হয় এবং বর্ণ লেখা হয়। B) উচ্চারণের বিশিষ্টতায় — উচ্চারণ ভেদে ধ্বনির ভিন্নতা থাকতে পারে কিন্তু এটি মূল পার্থক্যের প্রধান ক্ষেত্র নয়। C) সংখ্যাগত পরিমাণে — বাংলা বর্ণমালায় বর্ণ নির্দিষ্ট হলেও ধ্বনির সংখ্যা ও প্রকরণ সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। D) ইন্দ্রিয় গ্রাহ্যে — ধ্বনি শোনা যায় কান দিয়ে আর বর্ণ দেখা যায় চোখ দিয়ে যা এদের মূল পার্থক্য নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: কান দিয়ে শোনা যায় ধ্বনি এবং চোখ দিয়ে দেখা যায় বর্ণ এই বিষয়টি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে। ইন্দ্রিয় দিয়ে অনুভবের ভিন্নতাই হলো এদের আসল পার্থক্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি ও বর্ণ সম্পর্কিত প্রশ্নে ইন্দ্রিয় গ্রাহ্যতার বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়। ধ্বনি শ্রুতিগ্রাহ্য এবং বর্ণ দর্শনগ্রাহ্য এই মূল সূত্রটি মনে রাখতে হবে।
21. ভাষার অর্থযুক্ত ক্ষুদ্রতম একক কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রূপমূল ১. কেন সঠিক: ভাষার অর্থবোধক বা অর্থযুক্ত ক্ষুদ্রতম একক হলো রূপমূল। রূপমূল হলো ব্যাকরণে শব্দের ক্ষুদ্রাংশ যা নির্দিষ্ট অর্থ বহন করে এবং নতুন শব্দ গঠনে সাহায্য করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রূপমূল হলো ভাষার এমন একটি ক্ষুদ্রতম একক যার নিজস্ব অর্থ আছে এবং যা বিভাজ্য নয়। এটি ধ্বনিমূলের চেয়ে আলাদা কারণ ধ্বনিমূলের নিজস্ব কোনো অর্থ থাকে না, কিন্তু রূপমূলের অর্থ থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফুল + তলা = ফুলতলা ব্যাখ্যা: এখানে ফুল এবং তলা দুটি পৃথক রূপমূল, যা একত্রিত হয়ে নতুন অর্থপূর্ণ শব্দ তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: হাত + কাটা = হাতকাটা ব্যাখ্যা: হাত এবং কাটা উভয়ই স্বাধীন রূপমূল হিসেবে কাজ করে শব্দ গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্ষর — অক্ষর হলো বাক্যের বা উচ্চারণের একক, যার অর্থ থাকাও বাধ্যতামূলক নয়। C) শব্দ — শব্দ হলো রূপমূলের চেয়ে বড় একক, যা এক বা একাধিক রূপমূল নিয়ে গঠিত হয়। D) বর্গ — বর্গ হলো শব্দের গুচ্ছ বা বাক্যের অংশ, এটি ভাষার ক্ষুদ্রতম একক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: অর্থযুক্ত ক্ষুদ্রতম একক বললে উত্তর হবে রূপমূল আর ধ্বনিভিত্তিক ক্ষুদ্রতম একক বললে উত্তর হবে ধ্বনিমূল। এই দুটি বিষয় পরীক্ষার হলে সবসময় আলাদা করে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রূপমূল এবং ধ্বনিমূল সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। রূপমূলের ইংরেজি রূপ হলো Morpheme আর ধ্বনিমূলের ইংরেজি Phoneme।

মোট প্রশ্ন (20)

1. Fill in the blanks with appropriate words. 'Selina knocked it ______ the park with her performance in culinary art'
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) out of কেন সঠিক: এখানে একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিওম ব্যবহার করা হয়েছে। যার অর্থ অত্যন্ত চমৎকার বা অসাধারণ কিছু করা। সেলিনার রান্নার পারফরম্যান্স সবার মন জয় করে নিয়েছে। তাই এখানে সঠিক শূন্যস্থান পূরণ হবে out of দিয়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) art — এটি বাক্যের অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং কোনো প্রবাদ গঠন করে না। B) out of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) inside — এটি বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যায় এবং ভুল অর্থ প্রকাশ করে। D) off — এটি বসালে সঠিক ইডিওম গঠিত হয় না এবং ব্যাকরণগতভাবে বেমানান। মনে রাখার টিপস: নক আউট অফ দ্য পার্ক একটি বিখ্যাত ইডিওম যা অসাধারণ সাফল্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
2. 'They talked about going on a vacation' Here 'going' is a/an
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) gerund কেন সঠিক: ১. প্রদত্ত বাক্যে going শব্দটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ করেছে। ২. এটি preposition about এর object হিসেবে বসেছে। ৩. verb এবং noun এর দ্বৈত কাজ করায় এটি একটি gerund. বাকি অপশন কেন ভুল: A) participle — এটি noun এর কাজ না করে adjective এর কাজ করে। B) infinitive — এটি to + verb এর মূল রূপ নিয়ে গঠিত হয়। C) verbal noun — এটি article এবং of এর মাঝে বসে নির্দিষ্ট noun হয়। D) gerund — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Preposition এর ঠিক পরেই verb এর সাথে ing দেখলে সেটি চোখ বন্ধ করে gerund দাগাবে।
3. 'After lunch we went for a leisurely stroll'. Here 'leisurely' is a/an
Created 1 week ago | Updated 58 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) adjective কেন সঠিক: এখানে leisurely শব্দটি stroll নামক noun-টির ঠিক পূর্বে বসে সেটির দোষ বা অবস্থা প্রকাশ করছে। Noun-কে modify করায় এটি একটি adjective হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adverb — এটি verb-কে modify করছে না, বরং একটি noun-কে বিশেষিত করছে তাই এটি adverb নয়। B) adjective — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। C) noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না, তাই এটি noun হতে পারে না। D) conjunction — এটি দুটি শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করার কাজ করছে না, তাই এটি conjunction নয়। মনে রাখার টিপস: noun-এর আগে বসে যদি তার অবস্থা বোঝায়, তবে অনেক শব্দে ly থাকা সত্ত্বেও সেগুলো adjective হয়।
4. 'We know that the earth is a planet' The underlined part is a/an
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Noun clause কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'that the earth is a planet' অংশটি প্রধান verb 'know'-এর অবজেক্ট বা কর্ম হিসেবে কাজ করছে। - transitive verb-এর পর কী বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করলে যে clause পাওয়া যায়, তা Noun clause হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Principal clause — এটি স্বাধীন বা প্রধান খণ্ডবাক্য নয়, বরং মূল বাক্যের উপর নির্ভরশীল একটি অধীন খণ্ডবাক্য। B) Adverbial clause — এটি কোনো verb, adjective বা adverb-কে সময়, স্থান বা কারণ প্রকাশ করে মডিফাই করছে না। C) Adjective clause — এটি বাক্যের কোনো noun বা pronoun-কে মডিফাই করছে না, তাই এটি Adjective clause নয়। D) Noun clause — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি বাক্যে object-এর কাজ সম্পন্ন করছে। মনে রাখার টিপস: principal clause-এর verb-কে কী বা whom প্রশ্ন করে উত্তর পেলে সেই subordinate clause-টি সবসময় Noun clause হয়।
5. 'Someone sneezed loudly at the back of the hall'. In this sentence the verb 'sneezed' is
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) Intransitive কেন সঠিক: এই বাক্যে 'sneezed' ভারْبটির পরে কোনো অবজেক্ট বা কর্ম নেই। এটি নিজেই নিজের অর্থ সম্পূর্ণ করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) Causative - কজেটিভ ভার্ব হতে হলে অন্য কাউকে দিয়ে কাজ করানোর অর্থ থাকতে হয়, যা এখানে নেই। খ) Intransitive - এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। গ) Transitive - ট্রানজিটিভ ভার্ব হতে হলে বাক্যে একটি অবজেক্ট বা কর্ম থাকতে হয়। ঘ) Factitive - ফ্যাকটিটিভ ভার্ব হতে হলে অবজেক্ট ছাড়াও অতিরিক্ত পরিপূরক বা কমপ্লিমেন্ট লাগে। মনে রাখার টিপস: যে ভার্বকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় না, সেটাই ইনট্রানজিটিভ ভার্ব।
6. Select the sentence in which 'better' is an adverb
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয় ও ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Parts of Speech) সঠিক উত্তর: B) Sound travels better in water than in air কেন সঠিক: - এখানে 'better' শব্দটি 'travels' ভার্বকে মডিফাই করছে, তাই এটি একটি অ্যাডভার্ব। - এটি 'ভালোভাবে' অর্থে ক্রিয়া সম্পাদনের পদ্ধতি প্রকাশ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He joined the gym to better his health — এখানে 'better' একটি ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ উন্নতি করা। B) Sound travels better in water than in air — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে 'better' ভার্বকে মডিফাই করে অ্যাডভার্ব হয়েছে। C) It's hard to decide which one is better — এখানে 'better' একটি অ্যাডজেক্টিভ যা আগের কোনো নাউনের তুলনা বোঝাচ্ছে। D) We're helping for better weather tomorrow — এখানে 'better' একটি অ্যাডজেক্টিভ যা 'weather' নাউনটিকে মডিফাই করছে। মনে রাখার টিপস: ভার্ব সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিলে সেটি অ্যাডভার্ব হয়, আর নাউন সম্পর্কে তথ্য দিলে সেটি অ্যাডজেক্টিভ হয়।
7. The play "Englishmen for My Money" was written by
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) William Haughton কেন সঠিক: এই নাটকটি উইলিয়াম হaughton এর সবচেয়ে বিখ্যাত কমেডি নাটক হিসেবে পরিচিত। এটি ষোড়শ শতকের শেষের দিকে রচিত হয়েছিল এবং এটি শহরের জীবন নিয়ে লেখা প্রথম দিকের কমেডিগুলোর একটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Christopher Marlowe — তিনি এই নাটকটি লেখেননি, তিনি মূলত ট্রাজেডি নাটক লেখার জন্য বিখ্যাত যেমন ডক্টর ফস্টাস। B) Thoman Kyd — তিনি এই নাটকটির রচয়িতা নন, তার সবচেয়ে বিখ্যাত কাজের নাম দ্য স্প্যানিশ ট্রাজেডি। C) William Haughton — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি তার লেখা নাটক। D) Ben Johnson — তিনি এই নাটকের লেখক নন, তিনি বিখ্যাত জোভাল কমেডি লেখার জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: টাকার সাথে হaughton নামটি মনে রাখলে ইংরেজী ফর মাই মানি নাটকটির লেখক মনে রাখা সহজ হবে।
8. Which sentence is correct?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The picture was hung on the wall কেন সঠিক: ১. ঝুলানো অর্থে hang verb এর সঠিক past participle রূপ হলো hung এবং passive voice এ was এর পর hung ব্যবহৃত হয়েছে। ২. দেওয়ালের ছবি বা কাপড় ঝুলানোর ক্ষেত্রে hang এর V৩ রূপ হিসেবে hung শতভাগ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। ৩. বাক্যটির গঠন Passive হওয়ায় auxiliary verb এর সাথে সঠিক V৩ বসানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The picture was hanged on the wall — এখানে hanged ব্যবহার করা হয়েছে যা ফাঁসি দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, বস্তুর ক্ষেত্রে নয়। B) The picture had hanged on the wall — এখানে past perfect tense এর গঠন ভুল এবং hanged শব্দটি বস্তু ঝুলানোর জন্য ভুল। C) The picture was hunged on the wall — ইংরেজিতে hunged বলে কোনো শব্দ বা verb এর সঠিক রূপ নেই। D) এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: ফাঁসি দেওয়া বোঝালে hanged হবে এবং কোনো ছবি বা বস্তু ঝুলানো বোঝালে তার past form সবসময় hung হবে।
9. A person who leaves his/her own country to settle permanently in another is called a/an
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Emigrant কেন সঠিক: Emigrant শব্দটি এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি নিজের দেশ স্থায়ীভাবে ছেড়ে অন্য কোনো দেশে বসতি স্থাপন করেন। এখানে নিজের দেশ ত্যাগ করার ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Immigrant — এই শব্দটির অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যিনি অন্য দেশ থেকে এসে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। B) Expatriate — এই শব্দটির অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যিনি কাজের জন্য বা অন্য কারণে সাময়িক বা দীর্ঘ সময় ধরে বিদেশে থাকেন কিন্তু স্থায়ীভাবে অভিবাসী হন না। C) Emigrant — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে পুনরায় আলোচনা করা হলো না। D) Migrant — এই শব্দটির অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যিনি কাজের সন্ধানে বা অন্য কারণে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বা এক দেশ থেকে অন্য দেশে ঘন ঘন যাতায়াত করেন। মনে রাখার টিপস: Exile বা Emigrant শব্দের শুরু হয় E দিয়ে, যার মানে এক্সিট বা বের হয়ে যাওয়া, অর্থাৎ নিজের দেশ থেকে বের হয়ে যাওয়া।
10. Which gender is the noun 'neighbor'?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Common কেন সঠিক: 'neighbor' শব্দটি দিয়ে পুরুষ এবং নারী উভয় প্রতিবেশীকে বোঝানো হয়। তাই এটি Common gender এর অন্তর্ভুক্ত। এটি কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গ প্রকাশ করে না। সব সমজাতীয় শব্দের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Masculine — এটি শুধু পুরুষ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না কারণ নারী প্রতিবেশীও থাকতে পারে। B) Feminine — এটি শুধু নারী বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না কারণ পুরুষ প্রতিবেশীও হতে পারে। C) Neuter — এটি শুধু জড় পদার্থ বোঝায়, কিন্তু প্রতিবেশী মানুষ তাই এটি ভুল। D) Common — এটি সঠিক কারণ এটি নারী ও পুরুষ উভয়কেই বোঝায়। মনে রাখার টিপস: যসব শব্দ দিয়ে পুরুষ বা নারী উভয়কেই বোঝায়, সেগুলোকে Common gender বলে।
11. Choose the synonym for 'fright':
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Apprehension কেন সঠিক: 'Fright' শব্দের বাংলা অর্থ হলো ভয় বা আতঙ্ক। 'Apprehension' শব্দের অর্থও ভবিষ্যতে কোনো খারাপ কিছু ঘটার আশঙ্কা বা ভয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Placidity — এর অর্থ প্রশান্তি বা স্থিরতা, যা ভয়ের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি অবস্থা। B) Composure — এর অর্থ মনের স্থিরতা বা আত্মসংযম, যা ভীতিকর পরিস্থিতির বিপরীত। C) Apprehension — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Equanimity — এর অর্থ মনের সমভাব বা ধৈর্য, যা ভয়ের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: 'Fright' এবং 'Apprehension' দুটি শব্দই মনের ভয় বা আশঙ্কা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
12. Who wrote "A Vindication of the Rights of Women"?
Created 1 week ago | Updated 8 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Mary Wollstonecraft Godwin কেন সঠিক: ১৭৯২ সালে প্রকাশিত এই বিখ্যাত নারীবাদী গ্রন্থটির মূল রচয়িতা হলেন মেরি ওলস্টোনক্রাফট গডউইন। তিনি ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী নারী অধিকার কর্মী ও দার্শনিক হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। নারীশিক্ষার পক্ষে এটি অত্যন্ত জোরালো একটি ঐতিহাসিক সাহিত্যকর্ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Claire Clairmont — তিনি বিখ্যাত কবি বায়রনের প্রেমিকা এবং মেরি শেলীর সৎবোন ছিলেন, এই বইটির লেখক নন। B) Marry Wollstonecraft — এটি মূল লেখকের নামের বানান ভুল রূপ, তাই সঠিক নাম হিসেবে সি অপশনটি গ্রহণ করা হয়েছে। C) Mary Wollstonecraft Godwin — তিনি এই বিখ্যাত গ্রন্থটির সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ নামধারী রচয়িতা। D) Mary Shelley — তিনি মেরি ওলস্টোনক্রাফটের কন্যা এবং ফ্রাঙ্কেনস্টাইন উপন্যাসের লেখিকা, এই বইটির নন। মনে রাখার টিপস: নারী অধিকারের পক্ষে প্রথম কথা বলা এই বইটির লেখক মেরি ওলস্টোনক্রাফট গডউইন, যিনি ফ্রাঙ্কেনস্টাইন লেখিকা মেরি শেলীর মা।
13. Pick the correctly spelt word
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Conscientious কেন সঠিক: শব্দটিতে সঠিক বানান বিন্যাস হিসেবে 'science' শব্দের শেষে 'tious' যুক্ত হয়েছে। এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দ যার অর্থ বিবেকবান বা কতর্ব্যপরায়ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Conscintious — এই বানানে 't' এর আগের 'i' এবং 'o' বর্ণ দুটি সঠিকভাবে লেখা হয়নি। B) Consientious — এই বানানের মাঝে প্রয়োজনীয় 'c' বর্ণটি বাদ পড়ে গেছে। C) Concientious — এই বানানে সঠিক বানান গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় 's' বর্ণটি অনুপস্থিত রয়েছে। D) Conscientious — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং আদর্শ ইংরেজি বানানের নিয়ম মেনে গঠিত। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে প্রথমে 'Con' এবং মাঝে 'science' লিখে শেষে 'tious' যোগ করতে পারো।
14. The novel 'Wuthering Heights' was penned by the author under the penname
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Ellise Belle কেন সঠিক: এমিলি ব্রন্টি তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'ওয়াদারিং হাইটস' প্রকাশ করার সময় পুরুষালি ছদ্মনাম ব্যবহার করেছিলেন। তিনি তাঁর প্রকৃত পরিচয়ের পরিবর্তে 'Ellise Belle' ছদ্মনামটি বেছে নিয়েছিলেন। সে যুগে নারী লেখকদের লেখার স্বীকৃতি পেতে অনেক সময় ছদ্মনাম ব্যবহার করতে হতো। এই ছদ্মনামটি তাঁর আসল নামের আদ্যক্ষরের সাথে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ellise Bellet — এটি সামান্য বানান পরিবর্তনের কারণে ভুল অপশন হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। B) Ellise Belle — এটি সঠিক উত্তর কারণ ঔপন্যাসিক এই নামেই বইটি প্রকাশ করেছিলেন। C) Ellis Bell — এটি অন্য একটি বানান যা মূল ছদ্মনামের সাথে মেলে না। D) Una Blis — এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি নাম যা এই উপন্যাসের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: এমিলি ব্রন্টির ছদ্মনাম মনে রাখতে 'ই' অক্ষরটি দিয়ে শুরু নাম এবং শেষ নামের মিল খেয়াল রাখবে।
15. Identify the word that can be used as both singular and plural
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) cannon কেন সঠিক: cannon শব্দটি এমন একটি বিশেষ বিশেষ্য যা একবচন এবং বহুবচন উভয় ক্ষেত্রেই একই রকম থাকে। এর সাথে অতিরিক্ত কোনো এস বা ইএস যুক্ত করতে হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) light — light শব্দটি সাধারণত uncountable noun হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর বহুবচন lights হতে পারে। B) shot — shot শব্দটির সাধারণ বহুবচন হলো shots তাই এটি এক ও বহুবচনে রূপ বদলায়। C) criterion — criterion হলো একটি বিদেশি শব্দ যার বহুবচন হলো criteria। D) cannon — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর বহুবচন রূপ হিসেবে cannon বা cannons উভয়ই চলে কিন্তু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অপরিবর্তিত থাকে। মনে রাখার টিপস: কিছু প্রাণি ও যুদ্ধাস্ত্রের নাম যেমন cannon, deer, sheep একবচন ও বহুবচনে একই থাকে।
16. 'We work every day except Friday'. In this sentence 'except' is a/an-
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) preposition কেন সঠিক: except শব্দটি এখানে Friday নাউনের আগে বসে বাক্যের বাকি অংশের সাথে তার সম্পর্ক বুঝিয়ে দিয়েছে। noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করায় এটি preposition। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করছে না। B) noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না, বরং সম্পর্ক স্থাপন করছে। C) preposition — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) pronoun — এটি কোনো noun-এর পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দ যদি noun বা pronoun-এর আগে বসে সময় বা স্থান নির্দেশ করে এবং সম্পর্ক বোঝায়, তবে তা preposition হয়।
17. The idiom 'icing on the cake' means -
Created 1 week ago | Updated 35 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) An attractive but unnecessary addition কেন সঠিক: আইসিং অন দ্য কেক একটি পরিচিত ইংরেজি ইডিয়ম যার শাব্দিক অর্থ কেকের ওপরের মিষ্টি প্রলেপ। এটি এমন কোনো সুন্দর বা লাভজনক বিষয়কে বোঝায় যা পরিস্থিতিকে আরও ভালো করে তোলে কিন্তু তা মূলত অপ্রয়োজনীয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A slice of the cake — এটি কোনো রূপক অর্থ প্রকাশ করে না বরং কেকের একটি বাস্তব টুকরো বোঝায়। B) An attractive but unnecessary addition — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ইডিয়মের আসল রূপক অর্থ প্রকাশ করে। C) An attractive and essential enhancement — এখানে অতিরিক্ত বিষয়টিকে অপরিহার্য বলা হয়েছে যা ভুল কারণ এটি অপ্রয়োজনীয়। D) An attractive service — এটি কোনো সেবা বা পরিষেবার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: কেক এমনিতেই সুস্বাদু, তাই তার ওপরের আইসিং বা ক্রিম অতিরিক্ত সৌন্দর্য বাড়ালেও তা বেঁচে থাকার জন্য জরুরি নয়।
18. Identify the correct passive form. "People thought that the despot was corrupt"
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The despot was thought to be corrupt কেন সঠিক: Active voice-এর Principal clause-টি Past Indefinite Tense-এ থাকায় Passive করার সময় Subject-এর পরে was এবং মূল Verb-এর Past Participle বসে। এছাড়া দোসরের Subordinate clause-টি অপরিবর্তিত থাকে এবং Complex sentence-কে এভাবে সহজে Passive করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The despot is thought to be corrupt — প্রদত্ত বাক্যের Tense পরিবর্তন করে Present করা হয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত। B) It was thought that the despot was corrupt — এটি একটি impersonal passive, কিন্তু মূল বাক্যের Subject-কে সামনে এনে করা নিয়মটি এখানে প্রয়োগ করা হয়নি। C) The despot was thought to be corrupt — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) The despot had been thought to be corrupt — এখানে Past Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল বাক্যের Tense-এর সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: People thought বা They believed জাতীয় Complex sentence-কে Passive করার সময় প্রধান Subject-এর পর Tense অনুযায়ী was বা were এবং verb-এর past participle বসাতে হয়।
19. "Rubaiyat of Khayyam" is attributed to
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Edward Fitzgerald কেন সঠিক: - ফারসি কবি ওমর খৈয়ামের রুবাইয়াত বা চতুষ্পদী কবিতাগুলো ইংরেজিতে অনুবাদ করে বিশ্ববাসীর কাছে পরিচিত করেন এডওয়ার্ড ফিটজেরাল্ড। - ১৮৫৯ সালে তাঁর এই বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় এবং এটি ইংরেজি সাহিত্যের একটি ধ্রুপদী অনুবাদকর্ম হিসেবে সমাদৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Edward Fitzgerald — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ওমর খৈয়ামের রুবাইয়াত ইংরেজিতে সফলভাবে অনুবাদ করেছিলেন। B) William Fitzgerald — এটি ভুল নাম, উইলিয়াম ফিটজেরাল্ড নামে এই সাহিত্যকর্মের সাথে পরিচিত কোনো অনুবাদক নেই। C) Thomas Fitzgerald — এটি ভুল নাম, থমাস ফিটজেরাল্ড এই কাব্যগ্রন্থের অনুবাদক নন। D) Scott Fitzgerald — এফ স্কট ফিটজাকর্ড হলেন 'দ্য গ্রেট গ্যাটসবি' উপন্যাসের মার্কিন ঔপন্যাসিক, রুবাইয়াতের সাথে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: ওমর খৈয়ামের রুবাইয়াত বা কবিতা ই (E) দিয়ে শুরু করা এডওয়ার্ড ফিটজেরাল্ড (Edward Fitzgerald) ইংরেজিতে রূপান্তর করেছিলেন।
20. "... I cannot but conclude the Bulk of your Natives, to be the most pernicious race of little odious vermin that Nature ever suffered to crawl upon the surface of the Earth"- the statement occurs in
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Gulliver's Travels কেন সঠিক: - উক্তিটি বিখ্যাত আইরিশ লেখক জোনাথন সুইফটের লেখা 'Gulliver's Travels' উপন্যাসের চতুর্থ খণ্ডের একটি অংশ। - ব্রবডিংগ্যাগ দেশের রাজা মানবজাতিকে তুচ্ছ ও ক্ষতিকর বলে মূল্যায়ন করে এই মন্তব্যটি করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Robinson Crusoe — এটি ড্যানিয়েল ডিফোর লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা মূলত জাহাজডুবি ও একা বেঁচে থাকার রোমাঞ্চকর গল্পের ওপর রচিত। B) Gulliver's Travels — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো ভুল ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। C) C) A Doll's House — এটি হেনরিক ইবসেনের লেখা একটি সমাজবাস্তবতাবাদী নাটক, যা নারী অধিকার ও পারিবারিক সম্পর্ক নিয়ে রচিত। D) D) Vanity Fair — এটি উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারে-র লেখা একটি উপন্যাস, যা উনিশ শতকের ব্রিটিশ সমাজের ভণ্ডামি ও লোভ তুলে ধরেছে। মনে রাখার টিপস: মানবজাতিকে ক্ষতিকর ও ক্ষুদ্র কীট (vermin) হিসেবে ব্যঙ্গ করার বিখ্যাত উক্তিটি জোনাথন সুইফটের 'Gulliver's Travels' উপন্যাসের সঙ্গে সম্পর্কিত।

মোট প্রশ্ন (19)

1. একটি থলিতে ৩টি সবুজ এবং ২ট লাল বল আছে। অপর একটি থলিতে ২টি সবুজ এবং ৫টি লাল বল আছে। নিরপেক্ষভাবে প্রত্যেক থলি থেকে একটি করে বল তোলা হল। দুইটি বলের মধ্যে অন্তত একটি সবুজ হওয়ার সম্ভাবনা কত?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
দেওয়া আছে: ১ম থলি: সবুজ বল = ৩টি লাল বল = ২টি মোট বল = ৩ + ২ = ৫টি ২য় থলি: সবুজ বল = ২টি লাল বল = ৫টি মোট বল = ২ + ৫ = ৭টি সমাধান: "কমপক্ষে/অন্তত একটি সবুজ বল" পাওয়ার সম্ভাবনা বের করার সহজ উপায় হলো— ১ থেকে "কোনোটিই সবুজ নয় (অর্থাৎ দুটিই লাল)" হওয়ার সম্ভাবনা বিয়োগ করা। ধাপ ১: ১ম থলি থেকে লাল বল পাওয়ার সম্ভাবনা: P(১ম বল লাল) = ২/৫ ধাপ ২: ২য় থলি থেকে লাল বল পাওয়ার সম্ভাবনা: P(২য় বল লাল) = ৫/৭ ধাপ ৩: দুটি বলই লাল হওয়ার সম্ভাবনা: P(দুটিই লাল) = (২/৫) × (৫/৭) = ১০/৩৫ = ২/৭ ধাপ ৪: অন্তত একটি সবুজ বল হওয়ার সম্ভাবনা: P(অন্তত ১টি সবুজ) = ১ − P(দুটিই লাল) = ১ − (২/৭) = (৭ − ২) / ৭ = ৫/৭ উত্তর: 5/7 (বা প্রায় 0.714)
2. x² + 6x - 27 < 0 অসমতাটির সমাধান সেট নিচের কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (- ৯, ৩) প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো x² + ৬x − ২৭ < ০ ধরি, রাশিটিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে অতএব, x² + ৯x − ৩x − ২৭ < ০ সুতরাং, x(x + ৯) − ৩(x + ৯) < ০ উত্তর: (- ৯, ৩)
3. ১৫ মিটার লম্বা একটি স্কেলের এক প্রান্তে ১০ কেজি ওজন বাঁধা রয়েছে। একই প্রান্ত থেকে স্কেলের দৈর্ঘ্যের ৩ : ২ অনুপাতে একটি পেরেক লাগানো আছে। অপর প্রান্তে কত কেজি ওজন দিলে স্কেলের ভারসাম্য থাকবে?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: স্কেলের মোট দৈর্ঘ্য = ১৫ মিটার এক প্রান্তে বাঁধা ওজন = ১০ কেজি পেরেকটি প্রথম প্রান্ত থেকে স্কেলের দৈর্ঘ্যের ৩ : ২ অনুপাতে অবস্থিত ধরি, প্রথম প্রান্ত থেকে পেরেকের দূরত্ব = ১৫ × (৩ ÷ (৩ + ২)) মিটার দূরত্ব হিসাব করলে পাওয়া যায়, ১৫ × (৩ ÷ ৫) = ৯ মিটার বাকি দূরত্ব বা অপর প্রান্তের বাহু = ১৫ − ৯ = ৬ মিটার অতএব, প্রথম দিকের ভ্রামক = ১০ কেজি × ৯ মিটার = ৯০ একক অপর দিকের ভ্রামক = (অপর প্রান্তের ওজন) × ৬ মিটার ভারসাম্য বজায় রাখতে উভয় দিকের ভ্রামক সমান হতে হবে সুতরাং, ৬ × (অপর প্রান্তের ওজন) = ৯০ অপর প্রান্তের ওজন = ৯০ ÷ ৬ = ১৫ কেজি উত্তর: ১৫ কেজি
4. ax + by = a²; bx - ay = ab; এই সহ-সমীকরণের (x, y) এর সমাধান কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 58 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (a, 0) প্রدত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো ax + by = a² দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো bx − ay = ab ধরি, প্রথম সমীকরণকে a দ্বারা এবং দ্বিতীয় সমীকরণকে b দ্বারা গুণ করি a²x + aby = a³ এবং b²x − aby = ab² অতএব, দুটি সমীকরণ যোগ করে পাই, a²x + b²x = a³ + ab² সুতরাং, x(a² + b²) = a(a² + b²) বা, x = a উত্তর: (a, 0)
5. একটি ট্রেন প্রতি সেকেন্ডে 100 ফুট বেগে চলছে। এক ব্যক্তির বন্দুকের গুলির বেগ সেকেন্ডে 200 ফুট। উক্ত ব্যক্তি চলন্ত ট্রেনের 300 ফুট সামনে একটা লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে কত সেকেন্ড পর তা লক্ষ্যকে আঘাত করবে?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ প্রদত্ত তথ্য: ট্রেনের বেগ প্রতি সেকেন্ডে ১০০ ফুট গুলির বেগ প্রতি সেকেন্ডে ২০০ ফুট লক্ষ্যবস্তুর দূরত্ব ৩০০ ফুট সামনে ধরি, ট্রেনের সাপেক্ষে গুলির আপেক্ষিক বেগ = গুলির বেগ − ট্রেনের বেগ অতএব, আপেক্ষিক বেগ = ২০০ ফুট − ১০০ ফুট সুতরাং আপেক্ষিক বেগ = প্রতি সেকেন্ডে ১০০ ফুট সুতরাং, লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত করতে সময় লাগবে = দূরত্ব ÷ আপেক্ষিক বেগ উত্তর: ৩০০ ফুট ÷ প্রতি সেকেন্ডে ১০০ ফুট = ১ সেকেন্ড
6. একটি ঘনকের সম্পূর্ণ পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল 48 বর্গমিটার। ঘনকটির কর্ণের দৈর্ঘ্য কত?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২√৬ মিটার প্রদত্ত তথ্য: ঘনকের সম্পূর্ণ পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল = ৪৮ বর্গমিটার ধরি, ঘনকের একটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার ঘনকের সম্পূর্ণ পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল = ৬ × (বাহুর দৈর্ঘ্য)^২ ঘনকের কর্ণের দৈর্ঘ্য = √৩ × বাহুর দৈর্ঘ্য অতএব, ৬ × ক^২ = ৪৮ ক^২ = ৪৮ ÷ ৬ = ৮ সুতরাং, ক = √৮ = ২√২ মিটার কর্ণের দৈর্ঘ্য = √৩ × ২√২ = ২√৬ মিটার উত্তর: ২√৬ মিটার
7. যদি গতকাল শুক্রবার হতো, তাহলে আজ থেকে ৮১তম দিন কি বার হবে?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বুধবার প্রদত্ত তথ্য: গতকাল শুক্রবার ছিল ধরি, আজ হলো শনিবার ৮১ দিন পর কি বার হবে তা বের করতে হবে অতএব, ৮১ সংখ্যাটিকে সপ্তাহের মোট দিন ৭ দিয়ে ভাগ করতে হবে ৮১ কে ৭ দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ থাকে ৪ শনিবারের সাথে ৪ দিন যোগ করতে হবে সুতরাং, শনিবারের পর চারদিন হলো রবিবার, সোমবার, মঙ্গলবার এবং বুধবার উত্তর: বুধবার
8. নিচের ধারার পরবর্তী সংখ্যা কোনটি? ১, √৯ , ৫, √৪৯
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ প্রদত্ত তথ্য: ধারার পদগুলো হলো ১, √৯, ৫, √৪৯ ধরি, প্রথম পদ = ১ = √১ দ্বিতীয় পদ = √৯ = ৩ অতএব, প্রথম পদের বর্গমূলের মান = ১ দ্বিতীয় পদের বর্গমূলের মান = ৩ সুতরাং, পদগুলোর স্বাভাবিক সংখ্যাগুলোর বর্গমূল লক্ষ্য করলে দেখা যায় বিজোড় সংখ্যার ধারাবাহিকতা রয়েছে উত্তর: ৯
9. একটি সমান্তর ধারার 4র্থ (চতুর্থ) এবং 12তম পদের যোগফল 20। ঐ ধারার প্রথম 15 পদের যোগফল কত?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫০ প্রদত্ত তথ্য: সমান্তর ধারার চতুর্থ পদের মান সমান্তর ধারার দ্বাদশ পদের মান ধরি, ধারার প্রথম পদ সমান ক ধারার সাধারণ অন্তর সমান খ অতএব, চতুর্থ পদ সমান ক + ৩খ দ্বাদশ পদ সমান ক + ১১খ শর্তমতে চতুর্থ পদ + দ্বাদশ পদ সমান ২০ সুতরাং, ক + ৩খ + ক + ১১খ সমান ২০ ২ক + ১৪খ সমান ২০ ক + ৭খ সমান ১০ উত্তর: প্রথম পনেরো পদের সমষ্টি সমান ১৫ ÷ ২ × (২ক + (১৫ − ১)খ) সমান ১৫ ÷ ২ × (২ক + ১৪খ) সমান ১৫ ÷ ২ × ২০ সমান ১৫০
10. একটি ত্রিভুজের প্রথম কোণ দ্বিতীয় কোণের অর্ধেক, তৃতীয় কোণ অপর দুই কোণের বিয়োগফলের তিনগুণ। দ্বিতীয় কোণটি কত ডিগ্রী?
Created 1 week ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের প্রথম কোণ দ্বিতীয় কোণের অর্ধেক তৃতীয় কোণ অপর দুই কোণের বিয়োগফলের তিনগুণ ধরি, দ্বিতীয় কোণটি = ক ডিগ্রি প্রথম কোণটি = ক ÷ ২ ডিগ্রি অতএব, তৃতীয় কোণ = ৩ × (ক − (ক ÷ ২)) ডিগ্রি তৃতীয় কোণ = ৩ × (ক ÷ ২) ডিগ্রি সুতরাং, ক + (ক ÷ ২) + (৩ক ÷ ২) = ১৮০ ডিগ্রি ২ক + ক + ৩ক = ৩৬০ ডিগ্রি উত্তর: ৬ক = ৩৬০ ডিগ্রি অর্থাৎ ক = ৬০ ডিগ্রি
11. PQR ত্রিভুজের ∠Q = 90° এবং ∠P = 2 ∠R হলে নিচের কোনটি সঠিক?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) PR = 2PQ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ PQR একটি সমকোণী ত্রিভুজ যার কোণ Q সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রি কোণ P এর মান কোণ R এর দ্বিগুণ ধরি, কোণ R এর মান = x ডিগ্রি কোণ P এর মান = ২x ডিগ্রি অতএব, ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি কোণ P + কোণ কোণ Q + কোণ R = ১৮০ ডিগ্রি ২x + ৯০ ডিগ্রি + x = ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, ৩x = ১৮০ ডিগ্রি − ৯০ ডিগ্রি ৩x = ৯০ ডিগ্রি x = ৩০ ডিগ্রি অতএব, কোণ R = ৩০ ডিগ্রি কোণ P = ৬০ ডিগ্রি আমরা জানি ত্রিভুজের ত্রিশ ডিগ্রি কোণের বিপরীত বাহু অতিভুজের অর্ধেক সুতরাং, PQ বাহু হলো ত্রিশ ডিগ্রি কোণের বিপরীত বাহু এবং PR হলো অতিভুজ PQ = (১ ÷ ২) × PR উত্তর: PR = 2PQ
12. দুইটি সংখ্যার ল.সা.গু 4x² + 12x² - 16x - 48, গ.সা.গু 2x + 4। একটি সংখ্যা 4x² + 20x + 24 হলে অপরটি
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২(x^২ − ৪) প্রদত্ত তথ্য: ল.সা.গু = ৪x^৩ + ১২x^২ − ১৬x − ৪৮ (প্রশ্নে x^৩ ধরে সমাধান করতে হবে) গ.সা.গু = ২x + ৪ একটি সংখ্যা = ৪x^২ + ২০x + ২৪ ধরি, অপর সংখ্যাটি = ক আমরা জানি, সংখ্যা দুটির গুণফল = ল.সা.গু × গ.সা.গু অতএব, প্রথম সংখ্যা × অপর সংখ্যা = (৪x^৩ + ১২x^২ − ১৬x − ৪৮) × (২x + ৪) (৪x^২ + ২০x + ২৪) × ক = (৪x^৩ + ১২x^২ − ১৬x − ৪৮) × (২x + ৪) দ্বিতীয় হিসাব: উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই, ৪(x + ৩)(x + ২)(x − ২) × ২(x + ২) = ৪(x + ৩)(x + ২)(স্বরূপ) × ক সুতরাং, ক = [৪(x + ৩)(x + ২)(x − ২) × ২(x + ২)] ÷ [৪(x + ৩)(x + ২)] ক = ২(x + ২)(x − ২) উত্তর: ২(x^২ − ৪)
13. যদি M = {a, b, 1, 2} এবং N = {1, 2} হয়, তবে N - M এর মান কত?
Created 1 week ago | Updated 5 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রদত্ত তথ্য: সেটের মান M = a, b, ১, ২ সেটের মান N = ১, ২ ধরি, বাদ সেট বা অন্তর সেট বের করতে হবে N সেটের উপাদান থেকে M সেটের উপাদান বাদ দিতে হবে অতএব, N সেটের উপাদানগুলো হলো ১ এবং ২ M সেটের উপাদানগুলোতেও ১ এবং ২ আছে সুতরাং, N সেটের কোনো উপাদান বাকি থাকে না উত্তর:
14. একটি লোহার গোলক গলিয়ে কয়টি সমান আয়তনের গোলক তৈরি সম্ভব যাদের প্রত্যেকের ব্যাসার্ধ বড় গোলকটির অর্ধেক?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮ প্রদত্ত তথ্য: বড় লোহার গোলক গলিয়ে সমান আয়তনের ছোট গোলক তৈরি করতে হবে ছোট গোলকগুলির প্রত্যেকের ব্যাসার্ধ বড় গোলকটির অর্ধেক ধরি, বড় গোলকটির ব্যাসার্ধ = r ছোট গোলকটির ব্যাসার্ধ = r ÷ ২ অতএব, বড় গোলকটির আয়তন = (৪ ÷ ৩) × পাই × r এর কিউব ছোট গোলকটির আয়তন = (৪ ÷ ৩) × পাই × (r ÷ ২) এর কিউব সুতরাং, ছোট গোলকটির আয়তন = (১ ÷ ৮) × বড় গোলকটির আয়তন উত্তর: ৮ টি
15. একটা বাক্সে ৪টা লাল, ৩টা নীল, ২টা হলুদ ও ১টা সবুজ বল আছে। কমপক্ষে কয়টা বল উঠালে সেখানে অন্তত একটা লাল বল থাকবেই?
Created 1 week ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭ প্রদত্ত তথ্য: বাক্সে লাল বল আছে ৪টি বাক্সে অন্যান্য বল আছে নীল ৩টি, হলুদ ২টি এবং সবুজ ১টি ধরি, বক্সে লাল বাদে মোট অন্য রঙের বল আছে = ৩ + ২ + ১ = ৬টি আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যেন অন্তত একটি লাল বল ওঠে অতএব, প্রথম ৬টি বল তুললে এমন হতে পারে যে তার একটিও লাল নয় অর্থাৎ, সব কটি নীল, হলুদ ও সবুজ বল উঠে আসতে পারে সুতরাং, ভাগ্য সবচেয়ে খারাপ হলেও ৭ম বলটি তুললে সেখানে নিশ্চিতভাবেই অন্তত একটি লাল বল থাকবে উত্তর: ৭
16. একটি বই ১০% ক্ষতিতে বিক্রি করা হইল। বিক্রয়মূল্য ৬০ টাকা বেশি হলে ৫% লাভ হত। বইটির ক্রয়মূল্য কত?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪০০ প্রদত্ত তথ্য: বইটির প্রথম বিক্রয়মূল্য ১০% ক্ষতিতে বইটির দ্বিতীয় বিক্রয়মূল্য ৫% লাভে বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য ৬০ টাকা বেশি ধরি, বইটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ১০% ক্ষতিতে প্রথম বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ১০ = ৯০ টাকা ৫% লাভে দ্বিতীয় বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ৫ = ১০৫ টাকা অতএব, বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য = ১০৫ − ৯০ = ১৫ টাকা পার্থক্য ১৫ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা পার্থক্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ ÷ ১৫ টাকা সুতরাং, পার্থক্য ৬০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ × ৬০ ÷ ১৫ টাকা উত্তর: ৪০০ টাকা
17. ১ জন লোক ১টি কলা ১ মিনিটে খেতে পারে। তাহলে ৫ জন লোকের ৫টি কলা খেতে কত মিনিট সময় লাগবে?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ প্রদত্ত তথ্য: ১ জন লোক ১টি কলা খেতে সময় নেয় ১ মিনিট ৫ জন লোকের জন্য কলার সংখ্যা ৫টি ধরি, প্রথম লোক খায় ১টি কলা দ্বিতীয় লোক খায় ১টি কলা তৃতীয় লোক খায় ১টি কলা চতুর্থ লোক খায় ১টি কলা অতএব, পঞ্চম লোক খায় ১টি কলা সবাই একসাথে কলা খাওয়া শুরু করে সুতরাং, প্রথম মিনিটে প্রত্যেকে নিজ নিজ কলা শেষ করে উত্তর: ১ মিনিট
18. একটি গুণোত্তর ধারার পঞ্চম পদটি ৩২ ও অষ্টম পদটি ২৫৬ হলে উক্ত ধারার সাধারণ অনুপাত কত?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২ প্রদত্ত তথ্য: গুণোত্তর ধারার পঞ্চম পদ = ৩২ অষ্টম পদ = ২৫৬ ধরি, ধারার প্রথম পদ = ক সাধারণ অনুপাত = র অতএব, পঞ্চম পদ = ক × র টু দি পাওয়ার ৪ = ৩২ অষ্টম পদ = ক × র টু দি পাওয়ার ৭ = ২৫৬ সুতরাং, (ক × র টু দি পাওয়ার ৭) ÷ (ক × র টু দি পাওয়ার ৪) = ২৫৬ ÷ ৩২ র টু দি পাওয়ার ৩ = ৮ উত্তর: র = ২
19. logₓ4 = - 2 হলে x = কত?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1/2 সমীকরণ: logₓ 4 = −2 লগারিদমের নিয়ম অনুযায়ী: x⁻² = 4 ⇒ 1 / x² = 4 ⇒ x² = 1/4 ⇒ x = √(1/4) ⇒ x = 1/2 (বা 0.5) (লগের ভিত্তি ঋণাত্মক হয় না বলে x = −1/2 গ্রহণযোগ্য নয়) উত্তর: x = 1/2

মোট প্রশ্ন (39)

1. বিশ্বের প্রথম জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) UNTSO কেন সঠিক: - জাতিসংঘের প্রথম শান্তিরক্ষী মিশন হলো ইউএনটিএসও বা জাতিসংঘ ট্রুশ সুপারভিশন অর্গানাইজেশন। - এটি ১৯৪৮ সালের মে মাসে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNOSOM — এটি সোমালিয়ায় মোতায়েনকৃত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশন, যা প্রথম শান্তিরক্ষী বাহিনী নয়। B) UNMOGIP — এটি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার কাশ্মীর সীমান্তে নিয়োজিত শান্তিরক্ষী মিশন, যা ১৯৪৯ সালে গঠিত হয়। C) UNTSO — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, যা ১৯৪৮ সালে গঠিত বিশ্বের প্রথম জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী। D) UNEF-1 — এটি সুয়েজ সংকট নিরসনে ১৯৫৬ সালে গঠিত প্রথম সশস্ত্র জাতিসংঘ জরুরি বাহিনী। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের প্রথম শান্তিরক্ষী বাহিনী হলো ইউএনটিএসও, যা ১৯৪৭ সালে ইসরায়েল ফিলিস্তিন সংকটের পর ১৯৪৮ সালে গঠিত হয়।
2. নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন বা সামরিক জোট কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৪৯ কেন সঠিক: - নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন বা ন্যাটো একটি সামরিক জোট যা ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়। - এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল যৌথ প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করা এবং শীতল যুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব প্রতিহত করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৩৯ — এই সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়েছিল, যা ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সাথে সম্পর্কিত নয়। B) ১৯৪৩ — এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একটি মধ্যবর্তী বছর, যখন তেহরান সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল কিন্তু ন্যাটো গঠিত হয়নি। C) ১৯৪৯ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই উত্তর আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। D) ১৯৬০ — এই সালে কোনো সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি অন্য একটি ঐতিহাসিক সময়কাল। মনে রাখার টিপস: ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৯ সালে এবং এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
3. সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর করে যাওয়া পাকিস্তানের উপ প্রধান মন্ত্রী ও পররাষ্ট্র মন্ত্রী, ইসহাক দার পাকিস্তানের কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পাকিস্তান মুসলিম লীগ (নওয়াজ) কেন সঠিক: - ইসহাক দার পাকিস্তানের প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ (নওয়াজ) বা পিএমএল-এন এর একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা। - তিনি নওয়াজ শরিফ পরিবারের ঘনিষ্ঠ এবং বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাকিস্তান পিপলস পার্টি (PPP) — এটি একটি পৃথক রাজনৈতিক দল যার নেতৃত্ব দেন বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি এবং এর আদর্শ ভিন্ন। B) পাকিস্তান তেহরিকে ইনসাফ (PTI) — এটি ইমরান খানের প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল এবং ইসহাক দার এই দলের সাথে যুক্ত নন। C) পাকিস্তান মুসলিম লীগ (নওয়াজ) — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের ঘরে এর রাজনৈতিক অবস্থান ব্যাখ্যা করা হয়েছে। D) জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তান — এটি একটি ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল এবং ইসহাক দার এই দলের সদস্য নন। মনে রাখার টিপস: ইসহাক দার এবং নওয়াজ শরিফ একই দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ (নওয়াজ) এর সাথে যুক্ত।
4. বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রেস কাউন্সিল কেন সঠিক: - বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল একটি আধ্যাত্মিক বা সংবিধিবদ্ধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা যা প্রিন্ট মিডিয়ার মানোন্নয়ন ও নৈতিকতা রক্ষায় কাজ করে। - দেশের সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের আচরণবিধি তদারকি করার জন্য ১৯৭৪ সালে এই স্বাধীন প্রতিষ্ঠানটি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তথ্য মন্ত্রণালয় — এটি গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা নয়, বরং সরকারের একটি নীতিনির্ধারক ও প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় মাত্র। B) বাংলাদেশ টেলিভিশন — এটি একটি রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম বা টেলিভিশন চ্যানেল, কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা নয়। C) বিটিআরসি — এটি মূলত টেলিযোগাযোগ, ইন্টারনেট ও ইলেকট্রনিক যোগাযোগের নিয়ন্ত্রক সংস্থা, প্রিন্ট মিডিয়ার নয়। D) প্রেস কাউন্সিল — এটি প্রিন্ট গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের নৈতিকতা নিয়ন্ত্রণের একমাত্র সংবিধিবদ্ধ সংস্থা। মনে রাখার টিপস: প্রেস মানে সংবাদমাধ্যম আর কাউন্সিল মানে পরিষদ, তাই প্রিন্ট মিডিয়ার নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলো প্রেস কাউন্সিল।
5. ১৯১১ বঙ্গভঙ্গ রদের পর ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য ব্রিটিশ সরকারের কাছে দেনদরবার করার ক্ষেত্রে কোন নেতা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্যার সলিমুল্লাহ কেন সঠিক: - ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হওয়ার পর পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জোরালো দাবি তোলেন নবাব স্যার সলিমুল্লাহ। - তাঁর নেতৃত্ব ও অবিরাম দেনদরবারের ফলেই ১৯১২ সালে নাথান কমিশন গঠিত হয় এবং ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাকিম আজমল খান — তিনি ভারতের একজন বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামী ও ইউনানি চিকিৎসক ছিলেন, কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মূল দেনদরবারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। B) শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক — তিনি পরবর্তীকালে বাংলার প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা ও মুখ্যমন্ত্রী হলেও, ১৯১১ সালের পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক দাবিতে স্যার সলিমুল্লাহ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। C) স্যার সলিমুল্লাহ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ তিনি ঢাকার নবাব হিসেবে ব্রিটিশ সরকারের কাছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মূল দাবি উপস্থাপন করেছিলেন। D) স্যার আব্দুর রহিম — তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি আইনবিদ ও রাজনীতিবিদ ছিলেন, তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রধান উদ্যোগটি স্যার সলিমুল্লাহ নিয়েছিলেন। মনে রাখার টিপস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মূল দাবিদার ও স্থপতি হলেন ঢাকার নবাব স্যার সলিমুল্লাহ।
6. পাকিস্তানের ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে ছিলেন?
Created 1 week ago | Updated 35 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিচারপতি সাত্তার কেন সঠিক: - পাকিস্তানের ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন পরিচালনার জন্য বিচারপতি আবদুস সাত্তার দেশটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - তার অধীনেই পাকিস্তানের ইতিহাসে একমাত্র সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় যেখানে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিচারপতি সাত্তার — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৯৭০ সালের নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন। B) বিচারপতি সায়েম — তিনি পরবর্তীতে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, ১৯৭০ সালের নির্বাচন কমিশনার ছিলেন না। C) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী — তিনি বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন, নির্বাচন কমিশনার ছিলেন না। D) বিচারপতি হামিদুর রহমান — তিনি পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এবং তার নেতৃত্বাধীন কমিশন শিক্ষা কমিশনের রিপোর্ট পেশ করেছিল। মনে রাখার টিপস: সত্তরের নির্বাচন মানেই সাত্তার, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে আবদুস সাত্তার ১৯৭০ সালের নির্বাচন পরিচালনা করেছিলেন।
7. আয়নাঘর কী?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গোপন কারাগার কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের সমসাময়িক রাজনীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের আলোচনায় উঠে আসা একটি কুখ্যাত গোপন আটককেন্দ্রের নাম। - আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্বারা বলপূর্বক গুম হওয়া ব্যক্তিদের বিচারবহির্ভূতভাবে এই স্থানে আটকে রাখা হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি হলিউড মুভি — এটি কোনো চলচ্চিত্র বা সিনেমার নাম নয়, বরং বাস্তব জীবনের একটি অন্ধকার অধ্যায়। B) পরিবেশবান্ধব কৃষিকাজ — এটি কোনো টেকসই বা পরিবেশবান্ধব কৃষি পদ্ধতি নয়, বরং এটি একটি মানবতাবিরোধী আটককেন্দ্র। C) গোপন কারাগার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এটি বলপূর্বক গুম হওয়া ব্যক্তিদের আটকে রাখার গোপন স্থান হিসেবে পরিচিত। D) স্বচ্ছ কামরা — এটি কোনো কাঁচের তৈরি স্বচ্ছ ঘর নয়, বরং এটি বাইরের পৃথিবী থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন এবং অন্ধকার একটি বন্দিশালা। মনে রাখার টিপস: আয়নাঘর শব্দটি শুনলেই বুঝবে এটি কোনো সাধারণ ঘর নয়, বরং গুম হওয়া ব্যক্তিদের রাখার একটি গোপন কারাগার।
8. আফিম যুদ্ধ কোন দুইটি দেশের মধ্যে সংঘটিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চীন ও ইংল্যান্ড কেন সঠিক: - ঊনবিংশ শতাব্দীতে চীনে আফিম চোরাচালান বন্ধ করাকে কেন্দ্র করে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়। - প্রথম আফিম যুদ্ধটি ১৮৩৯ থেকে ১৮৪২ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ সাম্রাজ্য ও কিং রাজবংশের চীনের মধ্যে লড়াই হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন ও আফগানিস্তান — আফিম উৎপাদনে আফগানিস্তান পরিচিত হলেও এই ঐতিহাসিক যুদ্ধের সঙ্গে দেশটির কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। B) চীন ও ইংল্যান্ড — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ ব্রিটিশ বণিকরা ভারতে উৎপাদিত আফিম চীনে অবৈধভাবে বিক্রি করত। C) ইংল্যান্ড ও আফগানিস্তান — উনিশ শতকে ব্রিটিশদের সঙ্গে আফগানিস্তানের যুদ্ধ হলেও তা আফিম যুদ্ধ নামে পরিচিত নয়। D) চীন ও রাশিয়া — এই ঐতিহাসিক যুদ্ধের সঙ্গে রাশিয়ার কোনো সরাসরি সামরিক সংঘাতের ইতিহাস নেই। মনে রাখার টিপস: আফিম যুদ্ধের সঙ্গে ইংল্যান্ডের বণিক ও চীনের সাম্রাজ্য জড়িত ছিল, তাই ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে চীনের এই সংঘাত মনে রাখুন।
9. নিম্নোক্ত কোন দেশ বা অঞ্চল জাতিসংঘের সদস্য দেশ নয়?
Created 1 week ago | Updated 7 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ওয়েস্টার্ন সাহারা কেন সঠিক: ওয়েস্টার্ন সাহারা জাতিসংঘের কোনো স্বাধীন সদস্য রাষ্ট্র নয়। এটি মূলত একটি বিতর্কিত অঞ্চল যার বেশিরভাগ অংশ মরক্কোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূর্ব তিমুর — এটি ২০০২ সালে জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য পদ লাভ করে। B) দক্ষিণ সুদান — এটি ২০১১ সালে স্বাধীনতা লাভ করে জাতিসংঘের সদস্য হয়। C) ওয়েস্টার্ন সাহারা — এটি জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র নয় এবং এর রাজনৈতিক স্বীকৃতি অমীমাংসিত। D) সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক — এটি জাতিসংঘের একটি দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত সদস্য রাষ্ট্র। মনে রাখার টিপস: আফ্রিকা মহাদেশের বিতর্কিত অঞ্চল ওয়েস্টার্ন সাহারা এখনো জাতিসংঘের সদস্য পদ পায়নি।
10. বাংলাদেশের জাতীয় দিবস কোনটি?
Created 1 week ago | Updated 5 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৬ মার্চ কেন সঠিক: ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল এবং এদিন থেকেই আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়। এটি আমাদের জাতীয় দিবস হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হয়। ২৬ মার্চ আমাদের আত্মত্যাগের গৌরবময় দিন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ মার্চ — এটি আমাদের সঠিক উত্তর এবং এটি আমাদের জাতীয় ও স্বাধীনতা দিবস। B) ২১ শে ফেব্রুয়ারি — এটি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। C) ১৬ ডিসেম্বর — এটি আমাদের মহান বিজয় দিবস। D) ৫ আগস্ট — এটি সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের একটি বিশেষ দিন। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতা অর্জিত হয় ২৬ মার্চ, আর বিজয় অর্জিত হয় ১৬ ডিসেম্বর।
11. 'কেবল আয়ের অভাব নয়, বরং সামর্থ্যের অভাবই দারিদ্রের মূল কারন' অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন কোন গ্রন্থে এই যুক্তি তুলে ধরেন?
Created 1 week ago | Updated 35 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Development as Freedom কেন সঠিক: - নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন এই গ্রন্থে দেখিয়েছেন যে মানুষের দারিদ্র্য কেবল আয়ের স্বল্পতা নয়, বরং মৌলিক সক্ষমতা ও সুযোগের অভাব। - তিনি যুক্তি দেন যে শিক্ষার অভাব, স্বাস্থ্যসেবার অনুপস্থিতি এবং স্বাধীনতা না থাকাই মূলত মানব উন্নয়নের প্রধান বাধা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Development as Freedom — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্রন্থেই অমর্ত্য সেন সক্ষমতাভিত্তিক দারিদ্র্য তত্ত্ব উপস্থাপন করেছেন। B) Women and Human Development — এটি নারী উন্নয়ন ও লিঙ্গ বৈষম্য নিয়ে লেখা অমর্ত্য সেনের আরেকটি বিখ্যাত গ্রন্থ, যা সামগ্রিক দারিদ্র্য তত্ত্বের মূল আলোচ্য নয়। C) Development Environment and Power — এটি অমর্ত্য সেনের মূল গ্রন্থ নয় এবং পরিবেশ ও ক্ষমতা সম্পর্কিত এই শিরোনামটি তার প্রধান অর্থনৈতিক তত্ত্বের সাথে মেলে না। D) Development through Disposition — এটি অমর্ত্য সেনের কোনো প্রামাণ্য বা স্বীকৃত গ্রন্থ নয়, বরং এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। মনে রাখার টিপস: অমর্ত্য সেনের নামের সাথে স্বাধীনতা বা freedom শব্দটি যুক্ত থাকলেই ধরে নেবেন এটি Development as Freedom গ্রন্থ এবং সক্ষমতা তত্ত্বের সাথে সম্পর্কিত।
12. চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সংস্কার বিষয়ে ঐকমত্যের অন্যতম প্রস্তাব কি?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও সমসাময়িক সাধারণ জ্ঞান সঠিক উত্তর: A) দ্বি-স্তর বিশিষ্ট সংসদ কেন সঠিক: - চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী রাষ্ট্রীয় সংস্কার ভাবনায় সংসদীয় ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও প্রতিনিধিত্বমূলক করতে দ্বি-স্তর বিশিষ্ট সংসদের প্রস্তাব এসেছে। - এই ব্যবস্থায় উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষ চালুর মাধ্যমে ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের নীতিনির্ধারণে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বি-স্তর বিশিষ্ট সংসদ - এই উত্তরটি সঠিক কারণ এটি সংসদীয় সংস্কারের অন্যতম প্রধান একটি প্রস্তাব। B) সংসদের আসন বৃদ্ধি - এটি কাঠামোগত সংস্কারের অংশ হলেও সামগ্রিক শাসনব্যবস্থার ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার মূল প্রস্তাব এটি নয়। C) সংরক্ষিত নারী আসন বাতিল - নারীদের প্রতিনিধিত্বের পদ্ধতি পরিবর্তন বা সরাসরি নির্বাচনের দাবি থাকলেও এটি সংসদের মূল স্তর পরিবর্তনের সংস্কার প্রস্তাব নয়। D) পি আর (PR) চালু করা - এটি নির্বাচন পদ্ধতি পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা দ্বি-স্তর বিশিষ্ট সংসদ ব্যবস্থার মূল কাঠامোগত রূপের সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: চব্বিশের পর সংসদের সংস্কার মানেই মাথায় রাখতে হবে উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষ নিয়ে গঠিত দ্বি-স্তর বিশিষ্ট সংসদ ব্যবস্থার কথা।
13. তুরস্কের বিচ্ছিন্নতাবাদী দল Kurdistan Workers Party বা PKK এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
Created 1 week ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আবদুল্লাহ ওজালান কেন সঠিক: - আবদুল্লাহ ওজালান ১৯৭৮ সালে কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি বা পিকেকে প্রতিষ্ঠা করেন। - তিনি কুর্দি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের একজন প্রখ্যাত নেতা এবং বর্তমানে কারাবন্দী আছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জালাল তালাবানী — তিনি ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং পিইউকে বা প্যাট্রিয়টিক ইউনিয়ন অব কুর্দিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা, পিকেকে-র নন। B) আবদুল্লাহ ওজালান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং তিনি পিকেকে দলের প্রতিষ্ঠাতা। C) মাজলুম আবদি — তিনি সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস বা এসডিএফ-এর প্রধান সেনাপতি, পিকেকে-র প্রতিষ্ঠাতা নন। D) মাসুদ বারজানী — তিনি ইরাকি কুর্দিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং কেডিপি বা কুর্দিস্তান ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা। মনে রাখার টিপস: তুরস্কের কুর্দি নেতা আবদুল্লাহ ওজালানকে পিকেকে দলের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে মনে রাখতে হবে।
14. বাংলাদেশের সংবিধানের আলোকে নিম্নের কোন অধিকারটি মৌলিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত নয়?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শিক্ষার অধিকার কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬ থেকে ৪৪ অনুচ্ছেদে মোট ১৮টি মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। - শিক্ষার অধিকার সরাসরি মৌলিক অধিকার হিসেবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত নয়, এটি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বা ১৭ অনুচ্ছেদের শিক্ষার সাথে সম্পর্কিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক-স্বাধীনতার অধিকার — এটি সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য একটি স্বীকৃত মৌলিক অধিকার। B) শিক্ষার অধিকার — এটি মৌলিক অধিকারের সরাসরি অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) সভা সমাবেশের অধিকার — এটি সংবিধানের ৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নাগরিকদের প্রদত্ত একটি মৌলিক অধিকার। D) ধর্মচর্চার অধিকার — এটি সংবিধানের ৪১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রতিটি নাগরিকের জন্য নিশ্চিত করা একটি মৌলিক অধিকার। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের তৃতীয় ভাগে থাকা বাক-স্বাধীনতা, সভা-সমাবেশ ও ধর্মচর্চার অধিকারগুলো মৌলিক অধিকার হলেও শিক্ষার অধিকার মৌলিক অধিকারের সরাসরি তালিকায় নেই।
15. জিএসপি (GSP) এর পূর্ণরূপ কী?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Generalized System of Preference কেন সঠিক: জিএসপি হলো উন্নত দেশগুলো কর্তৃক উন্নয়নশীল দেশের পণ্যের ওপর শুল্ক ছাড় বা সুবিধা প্রদানের একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থা। এটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়মের আওতায় রপ্তানি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এই বিশেষ সুবিধার মাধ্যমে দরিদ্র দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হয়। এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বৈষম্য কমাতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Generalized System of Preference — এটি সঠিক উত্তর এবং বাণিজ্য সংক্রান্ত সুবিধা বোঝায়। B) Global System of Positioning — এটি ভুল কারণ এটি জিপিএস বা স্যাটেলাইটভিত্তিক অবস্থান নির্ণয় বোঝায়। C) Global Strategic Partnership — এটি ভুল কারণ এটি আন্তর্জাতিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব বোঝায়। D) Government Support Program — এটি ভুল কারণ এটি সরকারি সহায়তা কর্মসূচি বোঝায়। মনে রাখার টিপস: বাণিজ্য ও শুল্ক সুবিধার কথা থাকলে সবসময় প্রেফারেন্স বা পছন্দের সুবিধা কথাটি মনে রাখবে।
16. নিম্নোক্ত কোন রাষ্ট্রটি সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন বা (SCO) এর সদস্য নয়?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আজারবাইজান কেন সঠিক: - সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন বা এসসিও এর বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র নয় আজারবাইজান, এটি এই সংস্থার একটি সংলাপ অংশীদার মাত্র। - ভৌগোলিক ও কৌশলগত কারণে এই রাষ্ট্রটি এসসিও এর মূল পূর্ণাঙ্গ সদস্য তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আজারবাইজান — এটি এসসিও এর পূর্ণাঙ্গ সদস্য নয়, বরং এর বর্তমান মর্যাদা হলো ডায়ালগ পার্টনার বা সংলাপ অংশীদার। B) ভারত — ভারত ২০১৭ সালে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন এর পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ লাভ করে। C) পাকিস্তান — ভারতসহ একই সাথে ২০১৭ সালে পাকিস্তানও এই আন্তর্জাতিক সংস্থার পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ লাভ করে। D) ইরান — ইরান ২০২৩ সালে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন এর নবম পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করে। মনে রাখার টিপস: এসসিও এর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার ভারত ও পাকিস্তান এবং মধ্যপ্রাচ্যের ইরান রয়েছে, কিন্তু আজারবাইজান এর পূর্ণাঙ্গ সদস্য নয়।
17. চীন, ভারত ও বাংলাদেশের প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্র নদী, চীন বা তিব্বতে কী নামে পরিচিত?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইয়ারলুং সাংপো কেন সঠিক: ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বতের হিমালয় অঞ্চলের মানসসরোবর হ্রদের কাছে উৎপন্ন হয়ে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়েছে। চীন বা তিব্বত অঞ্চলে এই বিশাল নদটি স্থানীয়ভাবে ইয়ারলুং সাংপো বা সংপো নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইয়াংসি — এটি চীনের দীর্ঘতম নদী যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অববাহিকা দিয়ে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়েছে। B) লিজিয়াং — এটি চীনের গুয়াংজি অঞ্চলের একটি ছোট ও জনপ্রিয় পর্যটন নদী। C) হুয়াইহি — এটি চীনের উত্তরাঞ্চলের একটি প্রধান নদী যা ইয়াংসি ও পীত নদীর মাঝখানে অবস্থিত। D) ইয়ারলুং সাংপো — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: তিব্বতের বরফ গলা পানি থেকে জন্ম নেওয়া ব্রহ্মপুত্রকে তিব্বতে সাংপো নামে ডাকা হয়।
18. নিম্নোক্ত কোন দেশটি 'Five Eyes' ভুক্ত নয়?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্রান্স কেন সঠিক: - ফাইভ আইজ হলো পাঁচটি ইংরেজিভাষী দেশের একটি গোয়েন্দা জোট। - ফ্রান্স এই জোটে অন্তর্ভুক্ত নয়, তবে তারা অনেক সময় গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানে সহযোগিতা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্ট্রেলিয়া — এটি ফাইভ আইজ জোটের একটি সদস্য দেশ। B) ফ্রান্স — এটি এই জোটের সদস্য নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। C) নিউজিল্যান্ড — এটি ফাইভ আইজ জোটের অন্যতম সদস্য দেশ। D) কানাডা — এটিও ফাইভ আইজ গোয়েন্দা জোটের একটি সদস্য দেশ। মনে রাখার টিপস: ফাইভ আইজ জোটে শুধু ইংরেজিভাষী পাঁচটি দেশ (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড) আছে, তাই ফ্রান্স এর বাইরে।
19. বাংলাদেশ ICCPR এর স্বাক্ষরকারী একটি দেশ। ICCPR এর পূর্ণরূপ কী?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) International Covenant on Civil and Political Rights কেন সঠিক: এই আন্তর্জাতিক চুক্তিটি নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সুরক্ষার জন্য জাতিসংঘের মাধ্যমে প্রণয়ন করা হয়েছে। তাই এর অফিশিয়াল নামে Conference শব্দের পরিবর্তে Covenant শব্দটি ব্যবহার করা হয়। আর এখানে Civil এবং Political Rights এর মাঝে on প্রিপজিশন বসেছে। সঠিক নিয়মে এটি একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি বা প্রعهد বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) International Conference on Civil and Political Rights — এখানে Covenant শব্দের জায়গায় ভুল করে Conference লেখা হয়েছে। B) International Conference of Civil and Political Rights — এখানে Covenant এর বদলে Conference এবং on এর বদলে of ব্যবহার করা হয়েছে। C) International Covenant on Civil and Political Rights — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর প্রতিটি শব্দ আন্তর্জাতিক সনদের সাথে হুবহু মিলে যায়। D) International Covenant of Civil and Political Rights — এখানে on প্রিপজিশনের জায়গায় ভুল করে of ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের মানবাধিকার সংক্রান্ত চুক্তির ক্ষেত্রে সাধারণত Covenant শব্দটি ব্যবহৃত হয়, তাই Conference নয় বরং Covenant মনে রাখতে হবে।
20. বাংলাদেশের ওয়ারেন্ট অফ প্রিসিডেন্স অনুযায়ী সর্ব প্রথম কে অবস্থান করেন?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাষ্ট্রপতি কেন সঠিক: - বাংলাদেশের ওয়ারেন্ট অফ প্রিসিডেন্স অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি হলেন প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদাধিকারী ব্যক্তি। - রাষ্ট্রীয় প্রটোকল বা পদমর্যাদার ক্রমানুসারে রাষ্ট্রপতির অবস্থান সবার উপরে নির্ধারিত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রধানমন্ত্রী — প্রধানমন্ত্রী সরকারপ্রধান হলেও ওয়ারেন্ট অফ প্রিসিডেন্স অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পরেই তার অবস্থান। B) রাষ্ট্রপতি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ওয়ারেন্ট অফ প্রিসিডেন্স অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদার শীর্ষে অবস্থিত। C) প্রধান উপদেষ্টা — তত্ত্বাবধায়ক সরকার বা বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রধান উপদেষ্টার পদ সৃষ্টি হলেও তা রাষ্ট্রপতির নিচে অবস্থান করে। D) প্রধান বিচারপতি — বিচার বিভাগের প্রধান হলেও ওয়ারেন্ট অফ প্রিসিডেন্স অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রপতির নিচে অবস্থান করেন। মনে রাখার টিপস: রাষ্ট্র প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি সর্বদা ওয়ারেন্ট অফ প্রিসিডেন্সের তালিকার একদম শীর্ষে অবস্থান করেন।
21. নিম্নোক্ত কোন দেশটি ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (EU) সদস্য নয়?
Created 1 week ago | Updated 1 minute ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) সুইজারল্যান্ড কেন সঠিক: - সুইজারল্যান্ড ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) সদস্য নয় এবং তারা রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ দেশ হিসেবে পরিচিত। - দেশটি ইইউর সদস্য না হলেও শেনজেন চুক্তির অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় যাতায়াতে সদস্য দেশের মতো সুবিধা ভোগ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুলগেরিয়া — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র। B) হাঙ্গেরি — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র। C) পোল্যান্ড — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র। D) সুইজারল্যান্ড — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয়, এটি একটি নিরপেক্ষ দেশ। মনে রাখার টিপস: ইউরোপের ধনী ও নিরপেক্ষ দেশ সুইজারল্যান্ড কখনো ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হতে চায়নি।
22. ODS (Ozone Depleting Substances) এর ব্যবহার কমানোর জন্য কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মন্ট্রিল প্রোটোকল কেন সঠিক: - ওজন স্তর ক্ষয়কারী উপাদান যেমন সিএফসি গ্যাসের ব্যবহার হ্রাসের জন্য ১৯৮৭ সালে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - এটি পরিবেশ সুরক্ষার ইতিহাসে সবচেয়ে সফল ও বিশ্বব্যাপী অনুমোদিত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিয়োটো প্রোটোকল — এটি গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ও বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণের সাথে সম্পর্কিত, ওজন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থের সাথে নয়। B) মন্ট্রিল প্রোটোকল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ওজন স্তর ক্ষয়কারী উপাদান নিয়ন্ত্রণের জন্য নির্দিষ্ট চুক্তি। C) রামসার কনভেনশন — এটি বিশ্বজুড়ে জলাভূমি ও তার জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য স্বাক্ষরিত আন্তর্জাতিক চুক্তি। D) প্যারিস চুক্তি — এটি বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার লক্ষ্যে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক চুক্তি। মনে রাখার টিপস: ওজন স্তর বা ওজোন গ্যাসের নাম দেখলে মনে রাখবে মন্ট্রিল প্রোটোকল।
23. আশিস নন্দী, শশী থারুর প্রমুখ লেখকের মতে দ্বি- জাতি তত্ত্বের প্রথম প্রবক্তা কোন সংগঠনটি?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুসলিম লীগ কেন সঠিক: - আশিস নন্দী ও শশী থারুরসহ অনেক গবেষকের মতে, পাকিস্তান সৃষ্টির বীজ এবং দ্বি-জাতি তত্ত্বের রাজনৈতিক ভিত্তি মুসলিম লীগ প্রথম প্রতিষ্ঠা করে। - ব্রিটিশ ভারতের রাজনীতিতে ধর্মের ভিত্তিতে পৃথক রাষ্ট্র গঠনের দাবি আনুষ্ঠানিকভাবে এই দল থেকেই জোরালোভাবে উত্থাপন করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জমিয়তে-ই-হিন্দ — এটি একটি জাতীয়তাবাদী দল ছিল যা অবিভক্ত ভারতের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল এবং দ্বি-জাতি তত্ত্বের বিরোধিতা করেছিল। B) সর্ব ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস — এই রাজনৈতিক দল সবসময় অখণ্ড ভারতের ধারণার পক্ষে ছিল এবং ধর্মীয় বিভাজনের ভিত্তিতে পাকিস্তান দাবির বিরোধিতা করেছিল। C) আর. এস. এস — এটি একটি হিন্দু জাতীয়তাবাদী সংগঠন হলেও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ব্রিটিশ আমলে দ্বি-জাতি তত্ত্বের প্রবক্তা হিসেবে পরিচিত নয়। D) মুসলিম লীগ — এই সংগঠনটিই ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবে দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে আলাদা মুসলিম রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক দাবি তোলে। মনে রাখার টিপস: দ্বি-জাতি তত্ত্বের প্রবক্তা মানেই ধর্মভিত্তিক রাজনীতি এবং পাকিস্তান দাবির সাথে জড়িত মুসলিম লীগ।
24. গ্রিনল্যান্ড নিচের কোন রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডেমিার্ক কেন সঠিক: - গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ এবং এটি ভৌগোলিক দিক থেকে উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত হলেও রাজনৈতিকভাবে ইউরোপের দেশ ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অংশ। - ডেনমার্কের মূল ভূখণ্ডের অধীনে থাকলেও গ্রিনল্যান্ড নিজস্ব অভ্যন্তরীণ বিষয়ে পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন ভোগ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুইডেন — এটি ইউরোপের একটি স্বাধীন দেশ এবং এর সঙ্গে গ্রিনল্যান্ডের কোনো রাজনৈতিক বা ভূখণ্ডগত অন্তর্ভুক্তি নেই। B) ডেমিার্কে — এটি সঠিক উত্তর এবং গ্রিনল্যান্ড রাজনৈতিকভাবে এই দেশেরই একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। C) নরওয়ে — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ার একটি দেশ এবং ঐতিহাসিকভাবে কিছু দাবি থাকলেও বর্তমানে গ্রিনল্যান্ড নরওয়ের অন্তর্ভুক্ত নয়। D) ফিনল্যান্ড — এটি ইউরোপের একটি উত্তরভাগের দেশ এবং গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে এর কোনো রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: আয়তনে বিশাল হলেও উত্তর মেরুর এই শীতল দ্বীপটি শাসন করে ক্ষুদ্র ইউরোপীয় দেশ ডেনমার্ক।
25. প্রাচীন কালে কোন দেশে সিভিল সার্ভিসের ধারনা প্রথম উদ্ভাবন হয়?
Created 1 week ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চীন কেন সঠিক: - প্রাচীন চীনে হান রাজবংশের সময় সরকারি কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য মেধার ভিত্তিতে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রচলন করা হয়। - প্রশাসনিক কাজে দক্ষ ও শিক্ষিত জনবল নিশ্চিত করতে প্রাচীন বিশ্বেও তারা এই সুসংগঠিত সিভিল সার্ভিস ব্যবস্থার সূচনা করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশর — প্রাচীন মিশরে শক্তিশালী আমলাতন্ত্র ও পিরামিড তৈরির মতো প্রকৌশল ব্যবস্থা থাকলেও আধুনিক সিভিল সার্ভিসের প্রাতিষ্ঠানিক ধারণা সেখানে প্রথম উদ্ভাবিত হয়নি। B) গ্রীস — প্রাচীন গ্রীসের এথেন্সে সরাসরি গণতন্ত্র ও লটারির মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচনের প্রচলন ছিল, যা সিভিল সার্ভিস ব্যবস্থার সঙ্গে মেলে না। C) চীন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) রোম — প্রাচীন রোমে বিশাল সাম্রাজ্য পরিচালনার জন্য আইন ও প্রশাসন ব্যবস্থা উন্নত থাকলেও সিভিল সার্ভিসের মেধাভিত্তিক ধারণা সেখানে প্রথম শুরু হয়নি। মনে রাখার টিপস: বিশ্বে প্রথম সিভিল সার্ভিস বা পরীক্ষা চালুর ইতিহাস খুঁজতে গেলে প্রাচীন চীনের হান রাজবংশের কথা মনে রাখতে হবে।
26. লর্ড কর্নওয়ালিস ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল হওয়ার পূর্বে কোন ভূমিকায় ছিলেন?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্রিটিশ বাহিনীর প্রধান। কেন সঠিক: - লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৭৫ থেকে ১৭৮৩ সাল পর্যন্ত চলা যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্রিটিশ বাহিনীর অন্যতম প্রধান সেনাপতি ছিলেন। - ১৭৮১ সালে ইয়র্কটাউনের যুদ্ধে আমেরিকান ও ফরাসি যৌথ বাহিনীর কাছে পরাজয়ের পর তিনি ভারতে গভর্নর জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রিটেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রী। — লর্ড কর্নওয়ালিস কখনোই ব্রিটেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেননি। B) ফ্রান্সে ব্রিটেনের রাষ্ট্রদূত। — তিনি গভর্নর জেনারেল হওয়ার পর পরবর্তী জীবনে ফ্রান্সে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, পূর্বে নয়। D) কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য — এই পদের সঙ্গে লর্ড কর্নওয়ালিসের ঐতিহাসিক পরিচয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধে আমেরিকার কাছে হেরে যাওয়া ব্রিটিশ সেনাপতি কর্নওয়ালিসই পরবর্তীতে ভারতে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করেছিলেন।
27. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ কোন চুক্তির মাধ্যমে সমাপ্ত হয়?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভার্সাই চুক্তি কেন সঠিক: ১৯১৯ সালের ২৮শে জুন ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদে এই ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মাধ্যমেই মূলত প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে এবং মিত্রশক্তি বিজয়ী হয়। পরাজিত জার্মানির ওপর এই চুক্তির মাধ্যমে কঠোর শর্ত ও জরিমানা আরোপ করা হয়েছিল। এই চুক্তির ফলেই বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন দেশ ও সীমানার সৃষ্টি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিস শান্তি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলেও কোনো নির্দিষ্ট প্যারিস চুক্তি দ্বারা প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়নি। এটি ছিল শান্তি আলোচনার একটি বৃহত্তর প্রক্রিয়া। B) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) জেনেভা চুক্তি সাধারণত যুদ্ধবন্দী ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সম্পর্কিত বিষয়ের সাথে যুক্ত। D) রোম চুক্তি ১৯৫৭ সালে স্বাক্ষরিত হয়, যা ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায় গঠন করেছিল। মনে রাখার টিপস: ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমেই প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটেছিল, এটি সাল ১৯১৯ মনে রাখবে।
28. সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের ইংরেজি নাম কী?
Created 1 week ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The House of the Nation কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪ এর ক অনুযায়ী জাতীয় সংসদের ইংরেজি নাম The House of the Nation নির্ধারিত হয়েছে। - এটি সরাসরি সাংবিধানিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত নাম হওয়ায় অন্যান্য ইংরেজি প্রতিশব্দ এখানে প্রযোজ্য নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Parliament — এটি সংসদের সাধারণ ইংরেজি পরিভাষা হলেও সাংবিধানিক প্রাতিষ্ঠানিক নাম নয়। B) The House of the Nation — এটি বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের নির্দিষ্ট ও সঠিক ইংরেজি নাম। C) National Parliament — এটি আক্ষরিক অনুবাদ হলেও দেশের সংবিধান স্বীকৃত আনুষ্ঠানিক নাম নয়। D) Legislature — এটি আইনসভার সাধারণ শ্রেণিবাচক বা তাত্ত্বিক নাম, কোনো নির্দিষ্ট সংসদের নাম নয়। মনে রাখার টিপস: সংবিধান অনুযায়ী জাতির ঘর বা সংসদ হলো দ্য হাউজ অব দ্য নেশন।
29. বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সংখ্যক চা বাগান রয়েছে কোন জেলায়?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মৌলভীবাজার কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট চা বাগানের সিংহভাগই মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত। - দেশের বৃহত্তম ও ঐতিহ্যবাহী শ্রীমঙ্গল এই জেলারই অংশ হওয়ায় এখানে চা বাগানের সংখ্যা সর্বোচ্চ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেট — সিলেটে অনেক চা বাগান থাকলেও তা মৌলভীবাজার জেলার চেয়ে পরিমাণে কম। B) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রামে কিছু চা বাগান রয়েছে, তবে মৌলভীবাজারের মতো এত বেশি সংখ্যক নয়। C) মৌলভীবাজার — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এখানেই সর্বাধিক চা বাগান আছে। D) পঞ্চগড় — পঞ্চগড়ে সমতল ভূমিতে চা চাষ হলেও মোট বাগানের সংখ্যা মৌলভীবাজারের তুলনায় অনেক কম। মনে রাখার টিপস: মৌলভীবাজারে মৌমাছির মতো চা গাছের সারি বেশি, তাই চা বাগানে এই জেলা সবার শীর্ষে।
30. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রেসিডেন্ট জাপানে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপের অনুমোদন করেছিলেন?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হ্যারি এস. ট্রুম্যান কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ১৯৪৫ সালে জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক বোমা ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান। - তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের মৃত্যুর পর হ্যারি এস. ট্রুম্যান যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হ্যারি এস. ট্রুম্যান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি জাপানে পারমাণবিক হামলার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছিলেন। B) ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট — তিনি যুদ্ধ চলাকালীন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন কিন্তু ১৯৪৫ সালের এপ্রিল মাসে পারমাণবিক বোমা হামলার আগেই মৃত্যুবরণ করেন। C) রিচার্ড নিক্সন — তিনি অনেক পরের মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় দায়িত্ব পালন করেছিলেন। D) জর্জ ডব্লিউ বুশ — তিনি একবিংশ শতকের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ পরিচালনা করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: ট্রুম্যানের নামটির সাথে বোমা ফেলার সিদ্ধান্ত মনে রাখতে পারেন এভাবে যে ট্রু বা সত্য ঘটনার সমাপ্তি টেনেছিলেন হ্যারি এস ট্রুম্যান।
31. বাংলাদেশের জুলাই বিপ্লবের শহীদ আবু সাঈদ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় কেন সঠিক: - জুলাই বিপ্লবের অন্যতম প্রধান শহীদ আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের দ্বাদশ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। - ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনে রংপুরে পুলিশের গুলিতে তিনি শাহাদাত বরণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় — এটি দেশের প্রাচীন ও প্রধান বিশ্ববিদ্যালয় হলেও শহীদ আবু সাঈদ এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ছিলেন না। B) রংপুর বিশ্ববিদ্যালয় — এই নামে কোনো সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নেই, রংপুরে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়টির সঠিক নাম বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়। C) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় — এটি দেশের অন্যতম প্রাচীন আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হলেও শহীদ আবু সাঈদ এখানে পড়াশোনা করেননি। D) বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ শহীদ আবু সাঈদ রংপুরে অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই শিক্ষার্থী ছিলেন। মনে রাখার টিপস: রংপুরের শহীদ আবু সাঈদ রংপুরেরই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন।
32. Demographic Dividend বলতে কী বোঝায়?
Created 1 week ago | Updated 35 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কর্মক্ষম বয়স গোষ্ঠীর অনুপাত বৃদ্ধি। কেন সঠিক: - ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতিক লভ্যাংশ বলতে সাধারণত ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বৃদ্ধি এবং নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর অনুপাত হ্রাস পাওয়ার অবস্থাকে বোঝায়। - এই সময়ে দেশের উৎপাদনশীলতা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ত্বরান্বিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস — এটি স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের নির্দেশক হলেও ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের মূল অর্থনৈতিক ধারণাকে সরাসরি ব্যাখ্যা করে না। B) জনসংখ্যার শূন্যের কোটায় আনা — এটি একটি অবাস্তব ও অসম্ভব জনমিতিক অবস্থা, যা জনমিতিক লভ্যাংশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) জনসংখ্যার অধিকাংশ বেকার — জনমিতিক লভ্যাংশে কর্মক্ষম মানুষের অনুপাত বেশি থাকে, বেকারত্ব এর মূল বৈশিষ্ট্য বা কাম্য বিষয় নয়। D) কর্মক্ষম বয়স গোষ্ঠীর অনুপাত বৃদ্ধি — এটি ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সঠিক ও মূল বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞা। মনে রাখার টিপস: ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড মানে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি, যা অর্থনীতিতে বাড়তি সুফল বা লভ্যাংশ বয়ে আনে।
33. হালিমা ইয়াকুব কোন দেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সিঙ্গাপুর কেন সঠিক: - হালিমা ইয়াকুব ২০১৭ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সিঙ্গাপুরের অষ্টম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। - তিনি দেশটির ইতিহাসের প্রথম নারী রাষ্ট্রপতি ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রুনাই — এই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান হলেন সুলতান হাসানাল বোলকিয়াহ। B) মালয়েশিয়া — এই দেশের বর্তমান রাজা বা রাষ্ট্রপ্রধান সুলতান ইব্রাহিম ইবনুল ইস্কান্দার। C) সিঙ্গাপুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই দেশেরই রাষ্ট্রপতি ছিলেন। D) তানজানিয়া — এই দেশের বর্তমান রাষ্ট্রপতির নাম সামিয়া সুলহু হাসান। মনে রাখার টিপস: সিঙ্গাপুরের প্রথম নারী রাষ্ট্রপতির নামের সাথে 'হালিমা' শব্দটি মনে রাখলেই উত্তরটি সহজে চেনা যায়।
34. ভাষা-পরিবার অনুযায়ী সাঁওতাল জনগোষ্ঠী প্রধানত কোন পরিবার ভুক্ত?
Created 1 week ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অস্ট্রিক-অস্ট্রো এশিয়াটিক (মুন্ডা) কেন সঠিক: - সাঁওতাল জনগোষ্ঠী ভাষাতাত্ত্বিক বিচারে অস্ট্রিক ভাষা পরিবারের মুন্ডা উপশাখার অন্তর্গত। - বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে ভাষা ও সংস্কৃতির দিক থেকে সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষা পরিবারের প্রধান প্রতিনিধি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইন্দো-আর্য — এটি বাংলা, হিন্দি ও সংস্কৃতসহ দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান মূলধারার ভাষাগুলোর পরিবার, সাঁওতালদের ভাষা নয়। B) অস্ট্রিক-অস্ট্রো এশিয়াটিক (মুন্ডা) — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর ভাষা এই পরিবারের অন্তর্গত। C) দ্রাবিড় — এটি দক্ষিণ ভারতের ভাষা পরিবার যেমন তামিল ও তেলেগু এবং বাংলাদেশের ওঁরাও ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ভাষা। D) তিব্বত-বর্মী — এটি চাকমা, মারমা ও গারোসহ পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা পরিবার। মনে রাখার টিপস: সাঁওতালদের ভাষা মুন্ডা ভাষার অন্তর্ভুক্ত এবং মুন্ডা ভাষা অস্ট্রিক পরিবারের অংশ।
35. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা পালন করে সাংস্কৃতিক সংগঠন 'তমদ্দুন মজলিস'। তমদ্দুন মজলিস- এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবুল কাশেম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিভাগের শিক্ষক ছিলেন?
Created 1 week ago | Updated 35 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পদার্থ বিজ্ঞান কেন সঠিক: অধ্যাপক আবুল কাশেম ১৯৪৭ সালের পহেলা সেপ্টেম্বর সাংস্কৃতিক সংগঠন তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের একজন প্রথিতযশা অধ্যাপক ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রসায়ন — অধ্যাপক আবুল কাশেম রসায়ন বিভাগের শিক্ষক ছিলেন না, তাই এই অপশনটি ভুল। B) পদার্থ বিজ্ঞান — তিনি পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ছিলেন এবং এই উত্তরটি সঠিক। C) অর্থনীতি — তিনি অর্থনীতি বিভাগের সাথে যুক্ত ছিলেন না, তাই এটি ভুল। D) ইসলামী শিক্ষা — তিনি ইসলামী শিক্ষা বিভাগের শিক্ষক ছিলেন না, তাই এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: তমদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠাতা আবুল কাশেম বিজ্ঞান বিষয়ে পড়াতেন এবং তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ছিলেন।
36. নিম্নোক্ত কোন ভারতীয় রাজ্যের বাংলাদেশের সাথে কোন ভূমি সীমানা নেই?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাগাল্যান্ড কেন সঠিক: - ভারতের মোট পাঁচটি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমান্ত রয়েছে। - নাগাল্যান্ড ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি রাজ্য হলেও এর সাথে বাংলাদেশের কোনো ভূমি সীমানা নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাগাল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের কোনো সীমানা নেই। B) মিজোরাম — এটি ভুল অপশন কারণ এই ভারতীয় রাজ্যটির সাথে বাংলাদেশের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। C) মেঘালয় — এটি ভুল অপশন কারণ এই ভারতীয় রাজ্যটির সাথে বাংলাদেশের সরাসরি ভূমি সীমানা রয়েছে। D) আসাম — এটি ভুল অপশন কারণ এই ভারতীয় রাজ্যটির সাথেও বাংলাদেশের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের সাথে সীমান্ত থাকা ভারতীয় রাজ্য পাঁচটি মনে রাখুন এভাবে- আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মিজোরাম ও পশ্চিমবঙ্গ। এর বাইরে থাকা রাজ্যগুলো সীমান্তবর্তী নয়।
37. কেপ ভারদ (Cape Verde) দ্বীপ রাষ্ট্রটি কোথায় অবস্থিত?
Created 1 week ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পশ্চিম আফ্রিকা কেন সঠিক: - কেপ ভারদ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র যা ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে পশ্চিম আফ্রিকার অন্তর্ভুক্ত। - এটি আফ্রিকার মূল ভূখণ্ডের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত একটি দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গলফ অফ গিনি — এটি মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকার দক্ষিণের একটি উপসাগর, যেখানে কেপ ভারদ অবস্থিত নয়। B) ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া — এটি প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত ফ্রান্সের একটি সামুদ্রিক অঞ্চল, যা পশ্চিম আফ্রিকায় অবস্থিত নয়। C) দক্ষিণ আফ্রিকা — এটি আফ্রিকার সর্বদক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত একটি দেশ, যা কেপ ভারদের ভৌগোলিক অবস্থান নয়। D) পশ্চিম আফ্রিকা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং কেপ ভারদ এই অঞ্চলেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: কেপ ভারদ নামটির সাথে আটলান্টিক মহাসাগরের পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলের অবস্থান মনে রাখুন।
38. ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ইন্দাস ওয়াটার ট্রিট (IWT) কোন সালে স্বাক্ষরিত হয়?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৬০ কেন সঠিক: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সিন্ধু নদী পানি বণ্টন চুক্তি বা ইন্দাস ওয়াটার ট্রিট ১৯৬০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে করা হয়েছিল। বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় পাকিস্তানের করাচি শহরে এই ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর সম্পন্ন হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে প্রধান নদীগুলোর পানি ব্যবহার সংক্রান্ত বিরোধের স্থায়ী সমাধান করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৮ — এই সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন পানির চুক্তি হয়েছিল, যা চূড়ান্ত ইন্দাস ওয়াটার ট্রিট ছিল না। B) ১৯৭৪ — এই সালটি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সিন্ধু চুক্তি স্বাক্ষরের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। C) ১৯৬৫ — এই সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বড় যুদ্ধ হয়েছিল, কিন্তু সিন্ধু চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। D) ১৯৬০ — এই অপশনটি সঠিক কারণ চুক্তিটি এই সালেই স্বাক্ষরিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: সিন্ধু চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছিল ১৯৬০ সালে, যেখানে বিশ্বব্যাংক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছিল।
39. বাংলাদেশের রাজনীতি সম্পর্কে একজন আমেরিকান ঐতিহাসিক মন্তব্য করেছেন; 'বাংলাদেশের রাজনীতি ব্যক্তিত্বকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়, ধারনা বা প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নয়' এই ঐতিহাসিক নাম কি?
Created 1 week ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লরেন্স জিরিং কেন সঠিক: - আমেরিকান রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক গবেষক লরেন্স জিরিং বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে এই ঐতিহাসিক মন্তব্য করেছেন। - তাঁর মতে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নীতি বা আদর্শের চেয়ে ব্যক্তি বা নেতার ক্যারিজমা বেশি প্রাধান্য পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এন্থনি মাসকারেনহাস — তিনি একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ সাংবাদিক ও লেখক যিনি একাত্তরের গণহত্যা নিয়ে বাংলাদেশ আন্ডার এ সেবাসিয়ান বই লিখেছেন। B) লরেঞ্জ লিফশুলজ — তিনি একজন মার্কিন সাংবাদিক ও গবেষক যিনি বাংলাদেশ ও বিশেষ করে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ড নিয়ে গবেষণা করেছেন। C) হেনরি কিসিঞ্জার — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানের পক্ষে কূটনৈতিক অবস্থান নিয়েছিলেন। D) লরেন্স জিরিং — তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ব্যক্তিত্বকেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা নিয়ে এই মন্তব্য করেছেন এবং এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশি রাজনীতির ব্যক্তি-কেন্দ্রিকতা জিরো বা শূন্যের কোঠায় রেখে বিচার করেছিলেন ঐতিহাসিক লরেন্স জিরিং।

মোট প্রশ্ন (1)

1. কোন যান্ত্রিক গিয়ারের চাকা ছোট হলে সংযুক্ত অবস্থায় বড়টির চেয়ে ছোট চাকাটি কিভাবে ঘুরবে?
Created 1 week ago | Updated 12 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জোরে ১. কেন সঠিক: - ছোট গিয়ারের চাকাটি বড় চাকার তুলনায় বেশি গতিতে বা দ্রুত ঘোরে, কারণ গিয়ার অনুপাতের কারণে ছোট চাকার পরিধি কম হয়। - কৌণিক বেগের সংরক্ষণ এবং দাঁতের সংখ্যার অনুপাতের কারণে ছোট চাকাটি কম সময়ে বেশি পাক খায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: গিয়ার হলো এমন একটি যান্ত্রিক ব্যবস্থা যা ঘূর্ণন গতি এবং বল এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করে। - কার্যপ্রণালি: বড় গিয়ারে দাঁতের সংখ্যা বেশি থাকে এবং ছোট গিয়ারে দাঁতের সংখ্যা কম থাকে, তাই বড় চাকা এক পাক ঘুরলে ছোট চাকা একাধিক পাক ঘোরে। - কারণ ও ফলাফল: ছোট চাকায় ঘূর্ণন বেগ বা দ্রুতি বেশি হয়, কিন্তু এর টর্ক বা মোচড় বল বড় চাকার চেয়ে কম থাকে। - বাস্তব প্রয়োগ: সাইকেলের পেডেলের বড় চাকা ছোট চাকার সঙ্গে সংযুক্ত চেনকে ঘোরায়, ফলে পেডেল একবার ঘোরালে পেছনের ছোট চাকা অনেকবার ঘুরে দ্রুত গতিতে সাইকেল সামনের দিকে এগিয়ে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘড়ির ভেতরের সুক্ষ্ম গিয়ার মেকানিজম। ব্যাখ্যা: ঘড়িতে ছোট গিয়ারগুলো বড় গিয়ারের তুলনায় দ্রুত ঘুরে সেকেন্ডের কাঁটাকে সচল রাখে। উদাহরণ ২: মোটর গাড়ির গিয়ার বক্স। ব্যাখ্যা: গাড়ির গতি বাড়াতে ছোট গিয়ার ব্যবহার করা হয় যা ইঞ্জিন শ্যাফটকে দ্রুত ঘুরাতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আস্তে — ছোট চাকা ধীর গতিতে ঘোরে না, বরং এটি বড় চাকার চেয়ে বেশি গতিতে বা দ্রুত ঘোরে। B) জোরে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ছোট গিয়ার সর্বদা বড় গিয়ারের চেয়ে বেশি বেগে বা জোরে ঘোরে। C) একভাবে — বড় ও ছোট চাকার ঘূর্ণন বেগ কখনো সমান বা একভাবে হয় না কারণ তাদের আকার ও দাঁতের সংখ্যা ভিন্ন। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ছোট চাকা মানেই ছোট পরিধি এবং কম দাঁত, যার ফলে এর ঘূর্ণন গতি বা দ্রুতি সবসময় বেশি হবে। - বড় চাকা শক্তি বা টর্ক বাড়ায় আর ছোট চাকা গতি বা বেগ বাড়ায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - গিয়ার সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোতে সাধারণত গতি এবং বলের বিপরীত সম্পর্ক থেকে প্রশ্ন করা হয়। - একই ধারণা থেকে পরবর্তীতে গিয়ার অনুপাত এবং টর্ক সম্পর্কিত প্রশ্ন পরীক্ষাতে আসতে পারে।