a 'এ'-কার মাত্রা যুক্ত বলে
b 'এ' মাত্রাহীন বর্ণ বলে
c 'এ' উচ্চারণ বোঝাতে
d 'অ্যা' উচ্চারণ বোঝাতে
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 'অ্যা' উচ্চারণ বোঝাতে ১. কেন সঠিক: - বাংলা বর্ণমালায় 'এ' একটি মাত্রাহীন বর্ণ, যা শব্দের শুরুতে বসলে অনেক সময় বিবৃত বা অ-কারান্ত বা অ্যা-কারান্ত উচ্চারণ নির্দেশ করে। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা বানানের প্রমিত রূপায়নে এবং উচ্চারণের সঠিক রূপ বোঝানোর জন্য শব্দের শুরুতে মাত্রা যুক্ত 'এ'-কার ব্যবহার করতেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান এবং প্রমিত বানানরীতির সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ব্যাকরণগত ও সাহিত্যিক প্রসঙ্গ। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা বানান সংস্কারের ক্ষেত্রে উচ্চারণকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছিলেন এবং ছড়ার ছন্দে বা গদ্যে বিবৃত স্বরধ্বনি বোঝানোর এই বিশেষ রীতি প্রবর্তন করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে 'এ'-কার মাত্রা যুক্ত করে বিবৃত উচ্চারণ নির্দেশ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: একা ব্যাখ্যা: শব্দের শুরুতে 'এ'-কার ব্যবহার করে সঠিক উচ্চারণ স্পষ্ট করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 'এ'-কার মাত্রা যুক্ত বলে — এই অপশনটি ভুল কারণ 'এ' বর্ণটি নিজেই মাত্রাহীন হলেও এর কারচিহ্ন বা একার লেখার সময় মাত্রা ব্যবহার করা হয় কি না তা এই প্রশ্নের মূল উদ্দেশ্য নয়। B) 'এ' মাত্রাহীন বর্ণ বলে — এটি একটি সাধারণ ব্যাকরণগত তথ্য হলেও এটি রবীন্দ্রনাথের মাত্রা যুক্ত 'এ'-কার ব্যবহারের মূল কারণ নয়। C) 'এ' উচ্চারণ বোঝাতে — এটি আংশিক সত্য হলেও রবীন্দ্রনাথ বিশেষভাবে বিবৃত 'অ্যা' উচ্চারণ বোঝাতেই এই বিশেষ পদ্ধতি ব্যবহার করতেন। D) 'অ্যা' উচ্চারণ বোঝাতে — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ বিবৃত উচ্চারণ স্পষ্ট করার জন্যই এই রীতি আনা হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের বানানরীতিতে শব্দের শুরুতে মাত্রা যুক্ত 'এ'-কার দেখলে বুঝতে হবে সেটি বিবৃত বা অ্যা-কারান্ত উচ্চারণ বোঝানোর জন্যই ব্যবহার করা হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বানান সংস্কারে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান এবং বাংলা বর্ণমালার মাত্রা ও মাত্রাহীন বর্ণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0