a তিনি কথা না শুনে ঘুমাতে পারলেন না
b তিনি কথা না শুনে ঘুমাতে পারলেন
c তিনি জেগে রইলেন কথা না শুনে
d তিনি কথা শুনে জেগে রইলেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তিনি কথা শুনে জেগে রইলেন ১. কেন সঠিক: - বাক্য রূপান্তরের নিয়মানুযায়ী মূল বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে নেতিবাচক বাক্যকে অস্ত্যর্থক বা ইতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করতে হয়। - প্রদত্ত বাক্যে 'ঘুমাতে পারলেন না' অংশটি না-বোধক বা নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করছে, যার অস্ত্যর্থক রূপ হলো 'জেগে রইলেন'। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাক্য রূপান্তর বলতে অর্থের পরিবর্তন না করে বাক্যের কাঠামোগগত পরিবর্তন বোঝায়। - নেতিবাচক বাক্য থেকে অস্ত্যর্থক বাক্যে রূপান্তর করার সময় ক্রিয়াপদের বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করতে হয় এবং না বা নি বা নেই বোধক অব্যয় বাদ দিতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি একা থাকতে পারি না ব্যাখ্যা: এই নেতিবাচক বাক্যটির অস্ত্যর্থক রূপ হবে আমি সঙ্গ পছন্দ করি। উদাহরণ ২: সে মিথ্যা বলে না ব্যাখ্যা: এই নেতিবাচক বাক্যটির অস্ত্যর্থক রূপ হবে সে সর্বদা সত্য বলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিনি কথা না শুনে ঘুমাতে পারলেন না — এই অপশনে না-বোধক শব্দ রয়ে গেছে, তাই এটি অস্ত্যর্থক রূপ হয়নি। B) তিনি কথা না শুনে ঘুমাতে পারলেন — এই অপশনে মূল বাক্যের অর্থের পরিবর্তন ঘটেছে এবং ঘুমাতে পারার কথা বলা হয়েছে। C) তিনি জেগে রইলেন কথা না শুনে — এই অপশনে কথার অর্থ ও গঠনের বিন্যাস ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) তিনি কথা শুনে জেগে রইলেন — এটি সঠিক অস্ত্যর্থক রূপ কারণ এখানে না-বোধক পদের বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্য রূপান্তরের সময় খেয়াল রাখবে যেন মূল অর্থের কোনো পরিবর্তন না ঘটে এবং না-বোধক শব্দ তুলে দিয়ে তার বিপরীতার্থক শব্দ বসাতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রায়ই না-বোধক বাক্যকে হ্যাঁ-বোধক বা অস্ত্যর্থক বাক্যে রূপান্তর করতে বলা হয়। এক্ষেত্রে বিপরীত শব্দ চেনার দক্ষতা অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0