a সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
b হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
c রাজেন্দ্রলাল মিত্র
d সুকুমার সেন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সুকুমার সেন ১. কেন সঠিক: চর্যাপদের মূল পুথিটি নেপালের রাজদরবার থেকে আবিষ্কৃত হওয়ার পর এর তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার করেন প্রাবন্ধিক ও গবেষক প্রবোধচন্দ্র বাগচী। পরবর্তীতে তিব্বতি ভাষায় প্রাপ্ত চর্যাপদের খণ্ডিত বা অবশিষ্টাংশের পদগুলো তিব্বতি থেকে প্রাচীন বাংলায় রূপান্তর করেন বিশিষ্ট ভাষাতাত্ত্বিক ও সাহিত্য ইতিহাসবিদ ড. সুকুমার সেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ড. সুকুমার সেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস রচনায় এক যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছেন এবং তিনি প্রাচীন বাংলার ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করেন। চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য বা পদ সংকলন, যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের দ্বারা রচিত হয়েছিল এবং এটি সন্ধ্যাভাষায় লিখিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের টিকাকার মুনিদত্ত। ব্যাখ্যা: মুনিদত্ত চর্যাপদের সংস্কৃত টীকা রচনা করেছিলেন যার নাম চর্যাশ্চর্যবিনিশ্চয়। উদাহরণ ২: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন উদ্ধারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — তিনি চর্যাপদের ভাষা ও উৎপত্তি নিয়ে গবেষণা করে ১৯২৬ সালে ওডিবিএল গ্রন্থ রচনা করেন কিন্তু তিব্বতি থেকে রূপান্তর করেননি। B) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — তিনি চর্যাপদের মূল আবিষ্কারক এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে প্রকাশ করেন। C) রাজেন্দ্রলাল মিত্র — তিনি নেপালের রাজদরবারের সংস্কৃত ও বৌদ্ধ পুথির তালিকা প্রস্তুত ও সংগ্রহে ভূমিকা রাখলেও চর্যাপদের পদ তিব্বতি থেকে রূপান্তর করেননি। D) সুকুমার সেন — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনেই রয়েছে এবং তিনিই তিব্বতি থেকে খণ্ডিত পদ রূপান্তর করেন। ৫. মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আর তিব্বতি থেকে খণ্ডিত পদ রূপান্তর করেন সুকুমার সেন। নাম দুটি মনে রাখতে সুকুমার ও সুপ্রাচীন এই মিলটি খেয়াল রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের পদ সংখ্যা নিয়ে পরীক্ষ্তায় প্রশ্ন আসে যেখানে ড. সুকুমার সেনের মতে পদের সংখ্যা হলো ছেচল্লিশটি এবং আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে সাড়ে ছেচল্লিশটি। চর্যাপদের ভাষার রূপকার ও তিব্বতি অনুবাদকের নাম আলাদাভাবে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0