a লেখার ধরনে
b উচ্চারণের বিশিষ্টতায়
c সংখ্যাগত পরিমাণে
d ইন্দ্রিয় গ্রাহ্যে
0 17 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইন্দ্রিয় গ্রাহ্যে ১. কেন সঠিক: ধ্বনি হলো মুখের উচ্চারিত আওয়াজ যা কানে শোনা যায় এবং বর্ণ হলো সেই ধ্বনির লিখিত রূপ যা চোখে দেখা যায়। এই মৌলিক পার্থক্যের কারণেই ধ্বনি ও বর্ণের মূল ফারাকটি মূলত ইন্দ্রিয় গ্রাহ্যতার স্তরে নিহিত রয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ভাষার মৌলিক উপাদান হলো ধ্বনি যা কান দিয়ে গ্রহণ করা হয় এবং এর লিখিত রূপ হলো বর্ণ যা চোখ দিয়ে দেখা হয়। ব্যাকরণের নিয়মানুসারে ধ্বনি হলো উৎপাদিত শব্দ এবং বর্ণ হলো তার প্রতিচ্ছবি বা প্রতীক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক একটি ধ্বনি বা বর্ণ যখন আমরা মুখে উচ্চারণ করি তখন তা কান দিয়ে শুনি। ব্যাখ্যা: এটি শ্রবণেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে অনুভূত হয় বলে এটি ধ্বনি হিসেবে গণ্য হয়। উদাহরণ ২: ক লেখার পর যখন আমরা তা দেখি তখন তা বর্ণ হয়। ব্যাখ্যা: এটি দর্শনেন্দ্রিয়ের মাধ্যমে অনুভূত হয় বলে একে বর্ণ বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লেখার ধরনে — ধ্বনির কোনো লেখার ধরন থাকে না কারণ ধ্বনি শুধু উচ্চারিত হয় এবং বর্ণ লেখা হয়। B) উচ্চারণের বিশিষ্টতায় — উচ্চারণ ভেদে ধ্বনির ভিন্নতা থাকতে পারে কিন্তু এটি মূল পার্থক্যের প্রধান ক্ষেত্র নয়। C) সংখ্যাগত পরিমাণে — বাংলা বর্ণমালায় বর্ণ নির্দিষ্ট হলেও ধ্বনির সংখ্যা ও প্রকরণ সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। D) ইন্দ্রিয় গ্রাহ্যে — ধ্বনি শোনা যায় কান দিয়ে আর বর্ণ দেখা যায় চোখ দিয়ে যা এদের মূল পার্থক্য নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: কান দিয়ে শোনা যায় ধ্বনি এবং চোখ দিয়ে দেখা যায় বর্ণ এই বিষয়টি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে। ইন্দ্রিয় দিয়ে অনুভবের ভিন্নতাই হলো এদের আসল পার্থক্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি ও বর্ণ সম্পর্কিত প্রশ্নে ইন্দ্রিয় গ্রাহ্যতার বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়। ধ্বনি শ্রুতিগ্রাহ্য এবং বর্ণ দর্শনগ্রাহ্য এই মূল সূত্রটি মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0