সিভিল সার্জন এর কার্যালয়

সিভিল সার্জনের কার্যালয়, ফেনীতে স্বাস্থ্য সহকারী পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫।

পদের নাম: সাস্থ্য সহকারী (১৪তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

1. রাজা রামমোহন রায় রচিত বাংলা ব্যাকরণের নাম কী?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গৌড়ীয় ব্যাকরণ ১. কেন সঠিক: রাজা রামমোহন রায় বাংলা গদ্যের জনক এবং আধুনিক ভারতের প্রথম সমাজ সংস্কারক। তিনি বাংলা ভাষার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ব্যাকরণ গ্রন্থ রচনা করেন যার নাম গৌড়ীয় ব্যাকরণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটি ১৮৩৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এটি মূলত ইংরেজি ব্যাকরণের আদールে বাংলা ব্যাকরণ রচনার একটি প্রথম প্রয়াস। রাজা রামমোহন রায় প্রমাণ করেছিলেন যে বাংলা ভাষা সংস্কৃত ভাষা থেকে জন্ম নিলেও এর নিজস্ব ব্যাকরণ ও গঠনরীতি রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজা রামমোহন রায়ের গৌড়ীয় ব্যাকরণ। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ যা মূলত এশিয়াটিক সোসাইটি থেকে প্রকাশিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: উইলিয়াম কেরির গ্র্যামার অব দ্য বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ। ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা ভাষার একটি প্রাচীন ব্যাকরণ গ্রন্থ যা ১৮০১ সালে শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ — এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রখ্যাত প্রাচীন ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম নয় বরং ব্যাকরণের সাধারণ আলোচ্য বিষয়। C) ভাষা ও ব্যাকরণ — এটি রাজা রামমোহন রায়ের রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম নয়, এটি আধুনিক কোনো সাধারণ বইয়ের নাম হতে পারে। D) সহজ ব্যাকরণ — এটি রাজা রামমোহন রায়ের রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থ নয়, এটি একটি কাল্পনিক বা সাধারণ অপশন। ৫. মনে রাখার টিপস: রাজা রামমোহন রায়ের নামের সঙ্গে গৌড় শব্দ যুক্ত করে মনে রাখতে পারো যে গৌড়ীয় ব্যাকরণ তাঁরই অমর সৃষ্টি। রামমোহন রায়ের ব্যাকরণ মানেই গৌড়ীয় ব্যাকরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ কোনটি বা রাজা রামমোহন রায়ের ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম কী। তাই এই তথ্যটি ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
4. 'শেষের কবিতা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি-
Created 3 weeks ago | Updated 35 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপন্যাস ১. কেন সঠিক: - শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। - নামকরণ দেখে অনেকেই এটিকে কবিতা মনে করলেও এটি মূলত একটি রোমান্টিক উপন্যাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি পরীক্ষামূলক উপন্যাস, যেখানে গদ্যের পাশাপাশি পদ্য ও কাব্যিক রূপের অপূর্ব মিশ্রণ ঘটেছে। - উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো অমিত রায় ও লাবণ্য সেন, যাদের মনস্তাত্ত্বিক প্রেম ও দ্বন্দ্ব এতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যোগাযোগ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত আরেকটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: চোখের পলক ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস নয়, তবে তার অনেক উপন্যাস মনস্তাত্ত্বিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবিতা — এটি দেখতে কবিতার মতো মনে হলেও এটি মূলত গদ্যে রচিত উপন্যাস। B) ছোটগল্প — এর পরিধি ও কাহিনীর বিস্তার ছোটগল্পের চেয়ে অনেক বড় হওয়ায় এটি উপন্যাস। D) নাটক — এতে নাটকের মতো সংলাপ থাকলেও এটি মঞ্চস্থ করার জন্য রচিত কোনো নাটক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শেষের কবিতায় কবিতা শব্দটি থাকলেও এটি আসলে উপন্যাস। - অমিত ও লাবণ্য চরিত্র দুটি মনে রাখলে উপন্যাসটি চিহ্নিত করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ উপন্যাস কোনটি, এমন প্রশ্ন আসলে উত্তর হবে চার অধ্যায়। - শেষের কবিতা উপন্যাসের নায়ক অমিত রায় পেশায় একজন ব্যারিস্টার ছিলেন।
5. নিচের কোন বাগধারাটি ভিন্ন অর্থ বহন করে?
Created 3 weeks ago | Updated 12 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অমাবস্যার চাঁদ ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি নির্ণয় করা হয়েছে বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ বা ভাবের পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে। - এখানে সুখের পায়রা, দুধের মাছি এবং বসন্তের কোকিল তিনটি বাগধারাই স্বার্থপর বা সুসময়ের বন্ধু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা একই ভাবের প্রকাশ ঘটায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব বা বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে থাকে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে কিছু বাগধারা সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে আবার কিছু বাগধারা সম্পূর্ণ বিপরীত বা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাগজের ফুল ব্যাখ্যা: কৃত্রিম বা স্থায়িত্বহীন বস্তু বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়, যা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: চোখের মণি ব্যাখ্যা: অতি প্রিয় বা স্নেহের পাত্র বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়, যার সঙ্গে সুসময়ের বন্ধুত্বের কোনো সম্পর্ক নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুখের পায়রা — এই বাগধারাটির অর্থ সুসময়ের বন্ধু, যা প্রশ্নানুযায়ী ভিন্ন অর্থ বহন করে না। B) দুধের মাছি — এই বাগধারাটির অর্থ সুসময়ের বন্ধু, যা প্রদত্ত উত্তরের সঙ্গে মেলে না। C) অমাবস্যার চাঁদ — এই বাগধারাটির অর্থ দুর্লভ বস্তু, যা অন্য অপশনগুলোর চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা অর্থ প্রকাশ করে। D) বসন্তের কোকিল — এই বাগধারাটির অর্থ সুসময়ের বন্ধু, যা একই গোত্রের অর্থ বহন করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুসময়ের বন্ধু বোঝাতে পায়রা, মাছি ও কোকিল পাখির সঙ্গে সম্পর্কিত বাগধারাগুলো ব্যবহার করা হয়। - দুর্লভ বা অদৃশ্য বস্তু বোঝাতে চাঁদের সঙ্গে সম্পর্কিত অমাবস্যার চাঁদ বাগধারাটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই একই অর্থের কয়েকটি বাগধারা দিয়ে ভিন্ন অর্থবোধক বাগধারাটি খুঁজে বের করতে বলা হয়। - বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে বুঝতে না পারলে এ ধরনের প্রশ্নে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
8. 'গফুর' ও 'আমিনা' কোন গল্পের চরিত্র?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মহেশ ১. কেন সঠিক: 'মহেশ' ছোটগল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো গফুর এবং তার পোষা বলদ 'মহেশ'। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই গল্পে দরিদ্র মুসলিম কৃষক গফুর ও তার অভাগা গরুর দুঃখজনক জীবনের করুণ চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই গল্পের রচয়িতা কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, যাকে সমাজের নিচুতলার মানুষের দুঃখ-কষ্টের চিত্র ফুটিয়ে তোলার কারিগর বলা হয়। 'মহেশ' গল্পে তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের জমিদারদের নিষ্ঠুরতা এবং গরিব মানুষের অসহায়ত্বের বাস্তব রূপ প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছোটগল্প 'বিলাসী'। ব্যাখ্যা: এটি সমাজের অন্ধসংস্কার এবং সাপের ওঝাদের জীবন নিয়ে লেখা একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। উদাহরণ ২: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস 'দেবদাস'। ব্যাখ্যা: এটি প্রেম ও ট্র্যাজেডির ওপর ভিত্তি করে রচিত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাবুলিওয়ালা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যার মূল চরিত্র মিনি ও রহমত। B) পথ জানা নেই — এটি কোনো প্রমিত বা পরিচিত সাহিত্যিক গল্প নয় বরং বিভ্রান্তিকর অপশন। D) শিউলিমালা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি জনপ্রিয় ছোটগল্প সংকলন। ৫ মনে রাখার টিপস: গরু বা বলদ সম্পর্কিত বিখ্যাত গল্প বললে শরৎচন্দ্রের 'মহেশ' এবং চরিত্র হিসেবে গফুর ও আমিনা নামটি মনে রাখবে। গফুর হলো গরিব বাবা এবং আমিনা হলো তার ছোট মা হারা মেয়ে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই বিখ্যাত গল্পের প্রধান চরিত্রগুলোর নাম আলাদা করে নোট করে রাখবে। শরৎচন্দ্রের ছোটগল্পগুলোর নাম ও চরিত্র আলাদা করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করতে পারবে।
9. যিনি বক্তৃতা দানে পটু, তাকে এক কথায় কী বলে?
Created 3 weeks ago | Updated 36 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাগ্মী ১. কেন সঠিক: - যিনি খুব সুন্দর, আকর্ষণীয় এবং পটুভাবে বক্তৃতা দিতে পারেন, তাকে এক কথায় বাগ্মী বলা হয়। - এটি মূলত বাকপটু শব্দের একটি বিশেষ রূপ, যা শুধুমাত্র সাবলীল বক্তার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ হলো বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে একটি বড় বাক্য বা ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা হয়। - শব্দের অর্থ এবং প্রয়োগের সঠিক নিপুণতার মাধ্যমে এই ধরনের বাক্য সংকোচন করা হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিনি অত্যন্ত বাগ্মী একজন রাজনীতিবিদ। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে নেতার বক্তৃতা দেওয়ার বিশেষ দক্ষতার কথা বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: তার বাগ্মীতার কারণে সবাই মুগ্ধ হয়েছিল। ব্যাখ্যা: এখানে সুন্দর ও পটুভাবে কথা বলার গুণের কথা প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাচাল — এই শব্দটির অর্থ হলো যে ব্যক্তি খুব বেশি কথা বলে, অর্থাৎ অতিরিক্তভাষী। B) অনলবর্ষী — এই শব্দটির অর্থ হলো যা থেকে আগুনের মতো তীব্র বা তেজপূর্ণ কথা বর্ষিত হয়। C) বাকপটু — এই শব্দটির অর্থ কথা বলায় পটু, তবে এটি নির্দিষ্ট করে শুধু বক্তৃতার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না। D) বাগ্মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বক্তৃতাদানে পটু ব্যক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বক্তৃতার সাথে সম্পর্কিত শব্দ হলো বাগ্মী, তাই বক্তার 'ব' এবং বাগ্মীর 'ব' মিলিয়ে এটি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে সামান্য পার্থক্যের শব্দগুলো সাবধানে মনে রাখতে হবে।
11. নিচের কোনটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ?
Created 3 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভাইবোন ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে এবং ব্যাসবাক্যে 'এবং', 'ও', 'অথবা' সংযোজক অব্যয় ব্যবহৃত হয়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। - 'ভাইবোন' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'ভাই ও বোন', যেখানে ভাই এবং বোন উভয় পদের অর্থই সমানভাবে প্রধান হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - দ্বন্দ্ব সমাসের সংজ্ঞা অনুযায়ী, যে সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয় পদেরই অর্থ প্রধান থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। - দ্বন্দ্ব সমাস প্রধানত কয়েক প্রকারে সাধিত হয়, যেমন মিলনার্থক, বিরোধার্থক, বিপরীতার্থক, সমার্থক এবং সংখ্যাবাচক শব্দযোগে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মা-বাবা ব্যাখ্যা: এটি 'মা ও বাবা' অর্থে মিলনার্থক দ্বন্দ্ব সমাসের একটি অত্যন্ত প্রচলিত ও স্পষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: জমা-খরচ ব্যাখ্যা: এটি বিপরীতার্থক শব্দ যোগে গঠিত দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ, যার ব্যাসবাক্য হলো 'জমা ও খরচ'। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিংহাসন — এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ, যার ব্যাসবাক্য হলো 'সিংহাসন চিহ্নিত আসন' এবং এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস। B) চৌরাস্তা — এটি দ্বিগু সমাসের উদাহরণ, কারণ এর পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক এবং সমাহার বোঝায়। D) উপজেলা — এটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ, যেখানে 'উপ' উপসর্গ যোগে ক্ষুদ্র অর্থে শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - দ্বন্দ্ব সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে মাঝে 'ও', 'এবং' বা 'অথবা' পাওয়া এবং উভয় পদের সমান গুরুত্ব থাকা। - মনে রাখবে, ভাই-বোন, হাত-পা বা ডাল-ভাত জাতীয় জোড়া শব্দ দেখলে সাধারণত তা দ্বন্দ্ব সমাস হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বন্দ্ব সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে সমার্থক বা বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব চিহ্নিত করতে বলা হয়। - সমাস নির্ণয়ের সময় সর্বদা শব্দের ব্যাসবাক্য এবং পদের অর্থ প্রধান হওয়ার বিষয়টি ভালোভাবে যাচাই করতে হবে।
12. 'ডাক্তার ডাক' বাক্যে 'ডাক্তার' শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Created 3 weeks ago | Updated 29 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কর্মকারকে শূন্য ১. কেন সঠিক: - বাক্যে যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে, এখানে 'ডاکтар' হলো সেই উদ্দিষ্ট ব্যক্তি যাকে ডাকার কাজ করা হচ্ছে। - 'ডাক্তার' শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি চিহ্ন যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি বা অ-বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়ার আধার বা যাকে অবলম্বন করে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে কর্মকারক বলে, যা মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম দুই প্রকার হতে পারে। - শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি বা প্রত্যয় যুক্ত না হয়ে যদি শূন্য অবস্থায় থাকে, তবে তাকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'ফকিরকে ভিক্ষা দাও' ব্যাখ্যা: এখানে 'ফকিরকে' শব্দটি চতুর্থী বিভক্তিযুক্ত কর্মকারক হলেও এটি কর্মের উদাহরণ। উদাহরণ ২: 'ডাক্তার ডাকো' ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'ডাক্তার' শব্দটিকে আহ্বান করা বোঝাচ্ছে এবং এটি কর্মকারকে শূন্য বিভক্তির আরেকটি স্পষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মকারকে শূন্য — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর মাধ্যমে ডাক্তার ডাকার বিষয়টি কর্মকারক হিসেবে প্রমাণিত হয়। B) কোনটা নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। C) করণকারকে শূন্য — করণ মানে যার সাহায্যে কাজ করা হয়, কিন্তু ডাক্তার এখানে কোনো যন্ত্র বা মাধ্যম নয় বরং কর্ম। D) অপাদানে শূন্য — অপাদান কারক বলতে যা থেকে বিচ্যুত, জাত বা ভীত হয় তা বোঝায়, যা এখানে অনুপস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাকে বা কি দিয়ে প্রশ্ন করে যদি উত্তর পাওয়া যায় এবং তা যদি বাক্যের মূল কর্ম হয়, তবে তা কর্মকারক হবে। - শব্দের শেষে কোনো চিহ্ন না থাকলে চোখ বন্ধ করে তাকে শূন্য বিভক্তি বলতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'কাকে ডাকবে' বা 'কি করবে' জাতীয় প্রশ্নগুলো প্রায়ই কর্মকারক হিসেবে আসে। - পত্রিকার ভাষা বা প্রমিত বাক্যে কর্তার উদ্দেশ্যমূলক কর্ম চিহ্নিত করার সময় এই নিয়মটি মনে রাখা জরুরি।
15. বক্তৃতা ও সংলাপের জন্য কোনটি বেশি উপযোগী?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চলিত ভাষা ১. কেন সঠিক: - চলিত ভাষা মুখরোচক, গতিশীল ও সহজবোধ্য হওয়ায় বক্তৃতা, সংলাপ ও আলাপ-আলোচনার জন্য সর্বাধিক উপযোগী। - প্রমিত চলিত রীতির শব্দবিন্যাস ও উচ্চারণ মানুষের দৈনন্দিন ভাববিনিময়ের সঙ্গে সরাসরি মিলে যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষার রূপ মূলত দুটি, যথা সাধু রীতি ও চলিত রীতি। চলিত রীতি প্রীতিপূর্ণ, সহজ ও জীবন্ত ভাষা হওয়ায় নাটক, সংলাপ ও বক্তৃতায় এর ব্যবহার অপরিহার্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নাটকের চরিত্রগুলোর পারস্পরিক সংলাপ চলিত ভাষায় রচিত হয়। ব্যাখ্যা: নাটকে জীবন্ত ভাব ফুটিয়ে তুলতে চলিত ভাষার ব্যবহার বাধ্যতামূলক। উদাহরণ ২: সাধারণ সভা বা জনসমক্ষে দেওয়া রাজনৈতিক বক্তৃতা চলিত রীতির মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। ব্যাখ্যা: শ্রোতাদের সহজে বোঝানোর জন্য চলিত ভাষা অপরিহার্য মাধ্যম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চলিত ভাষা — এই অপশনটি সঠিক এবং বক্তৃতার জন্য অত্যন্ত উপযোগী। B) সাধু ভাষা — সাধু ভাষা কৃত্রিম, গুরুগম্ভীর ও অপরিবর্তনশীল হওয়ায় বক্তৃতা ও সংলাপের জন্য অনুপযোগী। C) কথ্য ভাষা — কথ্য ভাষা অঞ্চলভেদে পরিবর্তিত হয় এবং এর কোনো নির্দিষ্ট প্রমিত রূপ থাকে না। D) আঞ্চলিক ভাষা — আঞ্চলিক ভাষা বিশেষ এলাকার মানুষের মুখের বুলি হওয়ায় সর্বজনগ্রাহ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - লেখা হোক গম্ভীর আর বলা হোক সহজ, তাই বইয়ের ভাষা সাধু আর মুখের বা নাটকের ভাষা চলিত। - সংলাপ ও বক্তৃতায় সব সময় সহজ ও প্রাঞ্জল চলিত ভাষা ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নাটক, উপন্যাস ও ছোটগল্পের সংলাপের ভাষা হিসেবে চলিত রীতিই সর্বসম্মতভাবে ব্যবহৃত হয়। - বাংলা লেখার ক্ষেত্রে সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ দোষ বা গুরুচণ্ডালী দোষ হিসেবে গণ্য করা হয়।
16. নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুহূর্ত ১. কেন সঠিক: - মুহূর্ত শব্দটিতে ময় দীর্ঘ উকার এবং র এ হ্রস্ব উকার যুক্ত হয়ে সঠিক বানান গঠিত হয়েছে। - প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের বানানে হ্রস্ব উকার ও দীর্ঘ উকার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী তৎসম শব্দে হ্রস্ব উকার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম প্রযোজ্য হয়। - মুহূর্ত একটি তৎসম শব্দ এবং এর সঠিক বানান হলো ম হ ূ র ্ ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুচিপত্র ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত প্রমিত তৎসম শব্দ যেখানে হ্রস্ব উকার ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: রূপালী ব্যাখ্যা: এটি সঠিক নিয়মে গঠিত প্রমিত বাংলা শব্দের আরেকটি উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুহূর্ত — এই অপশনটি সঠিক উত্তরের অনুরূপ এবং পরীক্ষণে এটিও সঠিক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। B) মূহূর্ত — এই অপশনে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ উকার ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানরীতি অনুযায়ী ভুল। C) মূহূর্ত — এই অপশনেও ভুল উকার ব্যবহার করা হয়েছে। D) মুহূর্ত — এটি সঠিক বানান সংবলিত অপশন। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুহূর্ত বানানে মনে রাখবে প্রথমে দীর্ঘ উকার এবং পরে হ্রস্ব উকার বসে। - প্রমিত বানান মনে রাখতে বাংলা একাডেমির বানান অভিধান অনুসরণ করা সবচেয়ে নিরাপদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের বানান থেকে প্রশ্ন আসে। - হ্রস্ব উকার ও দীর্ঘ উকারযুক্ত শব্দগুলোর তালিকা ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্নে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
17. কোন প্রকারের শব্দকে খাঁটি বাংলা শব্দ বলা হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তদ্ভব শব্দ ১. কেন সঠিক: - তদ্ভব শব্দের অর্থ হলো তা থেকে ভব বা উৎপন্ন। যে শব্দগুলোর উৎস সংস্কৃত ভাষা এবং প্রাকৃত বা অপভ্রংশের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলোকে খাঁটি বাংলা শব্দ বলা হয়। - ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এবং ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, বাংলা ভাষার মৌলিক ও খাঁটি শব্দ হলো তদ্ভব শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। - তদ্ভব শব্দ গঠনের ক্রমটি হলো সংস্কৃত শব্দ প্রথমে প্রাকৃত ভাষায় পরিবর্তিত হয় এবং পরবর্তীতে তা পরিবর্তিত হয়ে তদ্ভব শব্দে রূপ নেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হস্ত > হাত ব্যাখ্যা: এখানে সংস্কৃত হস্ত শব্দ প্রাকৃত হয়ে পরবর্তীতে বাংলা হাত শব্দে রূপান্তরিত হয়েছে। উদাহরণ ২: চন্দ্র > চাঁদ ব্যাখ্যা: এখানে সংস্কৃত চন্দ্র শব্দ প্রাকৃত হয়ে পরবর্তীতে বাংলা চাঁদ শব্দে রূপান্তরিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎসম শব্দ — এই শব্দগুলো সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে এবং এগুলো খাঁটি বাংলা শব্দ নয়। B) অর্ধ তৎসম শব্দ — এই শব্দগুলো সংস্কৃত ভাষা থেকে সামান্য পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় প্রবেশ করেছে কিন্তু এগুলোকে খাঁটি বাংলা বলা হয় না। D) দেশি শব্দ — এই শব্দগুলো বাংলাদেশের আদিবাসীদের ভাষা থেকে এসেছে, যদিও এগুলো মৌলিক শব্দ তবে ব্যাকরণে এদের খাঁটি বাংলা বলা হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - তদ্ভব মানে বাংলা ভাষার নিজস্ব বা খাঁটি সম্পদ। সংস্কৃত থেকে প্রাকৃত হয়ে বাংলায় আসা শব্দই হলো তদ্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দতত্ত্ব থেকে প্রশ্ন আসে। তদ্ভব শব্দকে বাংলা ভাষার প্রাণ বা মূল ভিত্তি বলা হয়।
18. কোন শব্দটির পুরুষবাচক রূপ নেই?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কুলটা ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণে কিছু শব্দ রয়েছে যেগুলোর কেবল স্ত্রীবাচক রূপ হয় কিন্তু কোনো পুরুষবাচক রূপ থাকে না। এই জাতীয় শব্দকে নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলা হয়। কুলটা শব্দের অর্থ পতিব্রতা বা কুলরক্ষা করে না যে নারী, যার কোনো পুরুষবাচক শব্দ বাংলা ভাষায় নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব বিশেষ্য পদের কোনো পুরুষবাচক রূপ হয় না, সেগুলোকে নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলা হয়। এসব শব্দ স্বভাবতই স্ত্রীবাচক হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এদের পূর্বে পুরুষবাচক শব্দ বসিয়ে লিঙ্গ পরিবর্তন করতে হয় না। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দগুলোর নির্দিষ্ট কিছু ব্যতিক্রমী রূপ রয়েছে যা মুখস্থ রাখতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সধবা ব্যাখ্যা: এটি একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ যার কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই। উদাহরণ ২: অবলা ব্যাখ্যা: দুর্বল বা শক্তিহীন নারী বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহৃত হয় এবং এর পুরুষবাচক রূপ নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সারি — এটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ নয়, এবং এর পুরুষবাচক বা অন্য রূপ থাকতে পারে। B) কুলটা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ যার কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই। C) জেনানা — এটি মূলত নারীমহল বা স্ত্রীলোক সংক্রান্ত শব্দ, নিত্য স্ত্রীবাচক ব্যাকরণিক শব্দ নয়। D) ধানম — এটি প্রশ্ন সংশ্লিষ্ট সঠিক লিঙ্গবাচক শব্দ বা প্রমিত ব্যাকরণিক অপশন নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো এদের নামের তালিকাটি একনজরে বারবার চর্চা করা। কুলটা, সধবা, অবলা, এয়ো, সতীন এই শব্দগুলোর কোনো পুরুষবাচক রূপ হয় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কুলটা, সধবা এবং অবলা শব্দগুলো বিভিন্ন বিসিএস ও চাকরির পরীক্ষায় বারবার এসেছে।
19. নিচের কোন পদটি বিশেষ্য নয়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্বয়ং ১. কেন সঠিক: - স্বয়ং শব্দটি বিশেষ্য পদ নয়, এটি একটি আত্মবাচক বা নিজবাচক সর্বনাম পদ। - কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর নামের পরিবর্তে কিংবা নিজে নিজে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ বিশেষ্য পদের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয় তাকে সর্বনাম পদ বলে। - আত্মবাচক সর্বনাম হলো সেই পদ যা কর্তা নিজে বা স্বয়ং কাজটি করে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি স্বয়ং সেখানে উপস্থিত ছিলাম। ব্যাখ্যা: এখানে স্বয়ং শব্দটি কর্তার ওপর জোর দিতে এবং নিজে উপস্থিত থাকার ভাব প্রকাশ করতে সর্বনাম হিসেবে বসেছে। উদাহরণ ২: তিনি স্বয়ং কাজটি সম্পন্ন করেছেন। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে স্বয়ং পদটি নির্দেশ করছে কাজটি অন্য কেউ নয় বরং কর্তাব্যক্তি নিজে করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বয়ং — এটি বিশেষ্য পদ নয় বরং একটি আত্মবাচক সর্বনাম পদ। B) গীতাঞ্জলী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম এবং এটি একটি বিশেষ্য পদ। C) হিমালয় — এটি একটি নির্দিষ্ট পর্বতমালা বা স্থানের নাম যা সংজ্ঞায়িত বিশেষ্য পদ। D) বাংলাদেশ — এটি একটি দেশের নাম এবং এটি স্থানবাচক বিশেষ্য পদ। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিজে, খোদ, স্বয়ং, আপনি ইত্যাদি শব্দগুলো কোনো কিছুর নাম বোঝায় না বরং নামের পরিবর্তে বা জোর দিতে বসে, তাই এগুলো সর্বনাম। - বাক্যে বিশেষ্য চেনার জন্য নামের দিকটি খেয়াল রাখতে হবে এবং সর্বনামের জন্য নামের পরিবর্তে ব্যবহারের বিষয়টি দেখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আত্মবাচক সর্বনাম থেকে প্রশ্ন আসে। - পদ প্রকরণ নির্ণয়ের সময় শব্দটির মূল কাজ এবং বাক্যে তার অবস্থান ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
21. নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জোছনা ও জননীর গল্প ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের ধরন হলো উপন্যাস, নাটক ও ছোটগল্প। জোছনা ও জননীর গল্প উপন্যাসটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিশাল ক্যানভাসের ঐতিহাসিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং এর আগের ঐতিহাসিক ঘটনাবলি অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জোছনা ও জননীর গল্প উপন্যাসের রচিয়তা কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক হুমায়ূন আহমেদ। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রামাণ্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যা ২০০৪ সালে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের দিনগুলি ব্যাখ্যা: এটি জাহানারা ইমাম রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য গ্রন্থ। উদাহরণ ২: আগুনের পরশমণি ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি জনপ্রিয় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিতাস একটি নদীর নাম — এটি অদ্বৈত মল্লবর্মণ রচিত একটি বিখ্যাত আঞ্চলিক উপন্যাস, যা মালো সম্প্রদায়ের জীবন নিয়ে লেখা এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। B) বিষাদসিন্ধু — এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক উপন্যাস, যা মূলত কারবালার বিষাদময় ঘটনা অবলম্বনে রচিত এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। C) জোছনা ও জননীর গল্প — এটি সঠিক উত্তর। D) পথের পাঁচালী — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস, যা গ্রামীণ জীবন ও অপু দুর্গার শৈশব নিয়ে রচিত এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: হুমায়ূন আহমেদের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে জোছনা ও জননীর গল্প এবং আগুনের পরশমণি সবচেয়ে বেশি পরিচিত। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের নাম মনে রাখতে হুমায়ূন আহমেদের ঐতিহাসিক উপন্যাসগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস ও নাটকের নাম এবং রচয়িতাদের নাম জিজ্ঞাসা করা হয়। তাই হুমায়ূন আহমেদ, সেলিনা হোসেন এবং শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
22. 'কবর' কবিতা এবং 'কবর' নাটক রচয়িতা যথাক্রমে-
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জসীম উদ্দীন ও মুনীর চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে একটি বিখ্যাত কবিতা এবং একটি বিখ্যাত নাটকের রচয়িতা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। এখানে পল্লিকবি জসীম উদ্দীনের লেখা বিখ্যাত কবিতা হলো 'কবর' এবং শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরীর লেখা বিখ্যাত নাটক হলো 'কবর'। - যথাক্রমে শব্দটির নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে কবিতার রচয়িতা এবং পরে নাটকের রচয়িতার নাম বলতে হবে, যা এই অপশনে সঠিকভাবে ক্রমানুসারে দেওয়া আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জসীম উদ্দীন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত পল্লীকবি, যিনি পল্লিপ্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে সাহিত্য রচনা করেছেন। ১৯২৫ সালে লেখা 'কবর' কবিতাটি তার রচিত প্রথম যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি যা বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য স্থান অধিকার করে আছে। - মুনীর চৌধুরী ছিলেন একজন প্রখ্যাত নাট্যকার, শিক্ষাবিদ ও ভাষা আন্দোলনের কর্মী। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় তিনি 'কবর' নাটকটি রচনা করেন যা বাঙালি জাতির আত্মত্যাগের এক ঐতিহাসিক দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর অনুবাদের নাটক 'মুখরা রমণী বশীকরণ'। ব্যাখ্যা: এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের 'দ্য টেমিং অফ দ্য শ্রিউ' নাটকের একটি বিখ্যাত বাংলা অনুবাদ যা মুনীর চৌধুরী করেছিলেন। উদাহরণ ২: জসীম উদ্দীনের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'নকশী কাথার মাঠ'। ব্যাখ্যা: এটি জসীম উদ্দীনের লেখা একটি জনপ্রিয় দীর্ঘ ন্যারেটিভ কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ যা বিশ্বসাহিত্যেরও প্রশংসা কুড়িয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম ও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহী কবি হলেও 'কবর' কবিতার রচয়িতা নন এবং শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নাট্যকার হিসেবে এই 'কবর' নাটকটি রচনা করেননি। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বকবি হলেও নির্দিষ্ট এই 'কবর' কবিতাটি লেখেননি এবং দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক নাটকের জন্য পরিচিত হলেও এই নাটকের রচয়িতা নন। C) শামসুর রাহমান জহির রায়হান — শামসুর রাহমান আধুনিক যুগের প্রখ্যাত কবি এবং জহির রায়হান প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার, তারা কেউই যথাক্রমে এই কবিতা ও নাটকের রচয়িতা নন। D) জসীম উদ্দীন ও মুনীর চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক কারণ জসীম উদ্দীন 'কবর' কবিতা এবং মুনীর চৌধুরী 'কবর' নাটক রচনা করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - কবিতার কবর খুঁড়েছেন পল্লীকবি জসীম উদ্দীন এবং নাটকের কবর রচনা করেছেন ভাষা সৈনিক মুনীর চৌধুরী। এভাবে কবি ও নাট্যকারকে আলাদা করে মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ নাটক হলো মুনীর চৌধুরীর 'কবর'। এই তথ্যটি বিসিএস এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
24. 'খাতক' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 5 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মহাজন ১. কেন সঠিক: - খাতক শব্দের অর্থ হলো যে ব্যক্তি ঋণ বা কর্জ গ্রহণ করেছে অর্থাৎ ঋণগ্রহীতা। - এর বিপরীত অর্থ প্রকাশকারী শব্দ হলো মহাজন, যার অর্থ হলো যে ব্যক্তি ঋণ বা টাকা ধার দেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস ও ভাবার্থ বুঝতে হয়। - বাংলা ভাষায় বিপরীত শব্দ নির্বাচনের সময় বিশেষ্য পদের বিপরীতে বিশেষ্য পদ এবং বিশেষণ পদের বিপরীতে বিশেষণ পদ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্রেতা ও বিক্রেতা ব্যাখ্যা: ক্রেতা অর্থ যে ক্রয় করে এবং বিক্রেতা অর্থ যে বিক্রি করে, যা পরস্পর বিপরীতার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: দান ও গ্রহণ ব্যাখ্যা: দান অর্থ কিছু প্রদান করা এবং গ্রহণ অর্থ কিছু নেওয়া, যা পরস্পর বিপরীতার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাতক — চাতক একটি পাখির নাম, যা বৃষ্টির পানির জন্য মুখিয়ে থাকে এবং এটি কোনো বিপরীত শব্দ নয়। B) মহাজন — সঠিক উত্তর। C) গাতক — গাতক বলে বাংলা ভাষায় কোনো অর্থপূর্ণ বা প্রচলিত শব্দ নেই। D) ঘাতক — ঘাতক শব্দের অর্থ যে হত্যা করে বা খুনি, যা খাতক শব্দের বিপরীত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঋণ নেওয়া মানে খাতক হওয়া এবং ঋণ দেওয়া মানে মহাজন হওয়া, এভাবে মনে রাখা যায়। - আর্থিক লেনদেনের এই সম্পর্কটি মনে রাখলে পরীক্ষা ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঋণ বা বাণিজ্য সংক্রান্ত বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। - শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করলে বিপরীত শব্দ সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।
26. Which one is correct?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Phycology কেন সঠিক: ১. শব্দটির সঠিক বানান হলো Phycology যার অর্থ শৈবালবিদ্যা। ২. এটি উদ্ভিদ বিজ্ঞানের একটি বিশেষ শাখা যেখানে শৈবাল নিয়ে পড়াশোনা করা হয়। ৩. এর শুরুতে পিএইচ এবং সি ওয়াই এল ও জি ওয়াই যুক্ত সঠিক বর্ণবিন্যাস রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Phycology — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ শৈবালবিদ্যা হওয়ায় এটিই নির্দ্বিধায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়। B) Psichology — এই বানানে পিএস ব্যবহার করা হয়েছে যা শৈবালবিদ্যা অর্থে সম্পূর্ণ ভুল এবং গ্রহণযোগ্য নয়। C) Sycology — এই বানানে এস ওয়াই দিয়ে শুরু করা হয়েছে যা ব্যাকরণগত ও বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক নয়। D) Cycology — এই বানানে সি ওয়াই দিয়ে শুরু করা হয়েছে যা এই বিশেষ বিজ্ঞান শাখার সঠিক বানান নয়। মনে রাখার টিপস: শৈবালবিদ্যা বোঝাতে ফাইটোলজি বা ফাইকোলজি বানানটি মনে রাখতে প্রথমে পিএইচ এবং শেষে ওএলওজিওয়াই যুক্ত করতে হবে।
27. Act এর Past form কী?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Acted কেন সঠিক: Act একটি নিয়মিত বা রেগুলার ভার্ব হওয়ায় এর সাথে সাধারণত ইডি যুক্ত হয়। তাই এর পাস্ট ফর্ম বা অতীত রূপ হলো অ্যাক্টেড। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Enact — এটি একটি আলাদা মূল ভার্ব বা প্রেজেন্ট ফর্ম যার অর্থ আইন প্রণয়ন করা। B) Acted — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অ্যাক্ট ভার্বের সঠিক পাস্ট ফর্ম। C) Action — এটি কোনো ভার্ব নয় বরং অ্যাক্ট শব্দের নাউন ফর্ম বা বিশেষ্য রূপ। D) Acting — এটি অ্যাক্ট ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত প্রেজেন্ট পার্টিসিপল বা জিরান্ড ফর্ম। মনে রাখার টিপস: বেশিরভাগ সাধারণ ইংরেজি ভার্বের শেষে ইডি যুক্ত করলেই তার পাস্ট ফর্ম বা অতীত রূপ তৈরি হয়ে যায়।
28. Choose the correctly spelt word
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) annual কেন সঠিক: - সঠিক বানান হলো annual, যার অর্থ বার্ষিক বা প্রতি বছর ঘটে এমন। - শব্দটিতে ডাবল n নেই এবং শেষে al যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) annut — এই বানানটি ভুল কারণ এর শেষের অক্ষরগুলো সঠিক ইংরেজি শব্দগঠন অনুযায়ী হয়নি। B) annual — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ বার্ষিক। C) annuell — এই বানানটি ভুল কারণ এতে অতিরিক্ত ll যুক্ত হয়েছে। D) anuall — এই বানানটি ভুল কারণ এতে একটি n কম রয়েছে এবং শেষের বিন্যাস সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: annual বানানে একটি n এবং শেষে al হয়, যেমনটি anniversary শব্দেও একটি n দিয়ে শুরু হয়।
29. The hen has ____ ten eggs.
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) laid কেন সঠিক: ডিম পাড়া অর্থে lay শব্দটি ব্যবহার করা হয় এবং এর অতীত ও পাস্ট পার্টিসিপল রূপ হলো laid। বাক্যটি প্রেসেন্ট পারফেক্ট টেনসে থাকায় এখানে has এর পরে মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম laid বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) laid — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) lied — এই শব্দটির অর্থ মিথ্যা বলা যার পাস্ট ফর্ম হলো lied এবং এটি এখানে অর্থহীন। C) lais — ইংরেজিতে এই বানানের কোনো সঠিক অর্থপূর্ণ ভার্ব নেই। D) given — এর অর্থ দেওয়া হলেও মুরগির ক্ষেত্রে ডিম পারার নির্দিষ্ট ভার্ব হলো lay। মনে রাখার টিপস: মিথ্যা বলা মানে lie আর ডিম পাড়া বা কোনো কিছু বিছিয়ে দেওয়া মানে lay।
30. 'ডাক্তার আসার পূর্বে রোগী মারা গেল' এর অনুবাদ
Created 3 weeks ago | Updated 13 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The patient had died before the doctor came. কেন সঠিক: অতীতকালের দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটে, তার ইংরেজি Past Perfect Tense হয় এবং যেটি পরে ঘটে, তার ইংরেজি Simple Past Tense হয়। এখানে রোগীর মৃত্যু আগে ঘটেছে তাই তার অনুবাদে Past Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে এবং ডাক্তার পরে আসায় তার অনুবাদে Simple Past Tense হয়েছে। দুটি অতীত ঘটনার সংযোগের ক্ষেত্রে মাঝখানে before শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The patient had died before the doctor had come. — এখানে দুটি অংশে Past Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) The patient died the doctor had come. — এখানে দুটি বাক्याংশের মাঝে কোনো সংযোজক শব্দ বা proper tense গঠন ব্যবহার করা হয়নি। C) The patient had died before the doctor came. — এটি সঠিক উত্তর। D) The patient was dying when the doctor was coming. — এখানে Past Continuous Tense ব্যবহার করা হয়েছে যার অর্থ রোগীর মৃত্যু হচ্ছিল, যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: আগে ঘটলে Past Perfect এবং পরে ঘটলে Simple Past Tense হয়।
31. 'Maiden Speech' means-
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) First Speech কেন সঠিক: Maiden কথাটির অর্থ হলো কুমারী বা প্রথম। তাই কোনো ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত প্রথম ভাষণকে maiden speech বলা হয়। ইংরেজিতে এই ইডিয়মটির প্রচলিত অর্থ হলো প্রথম বক্তৃতা। এটি সাধারণত নতুন সংসদ সদস্যের প্রথম ভাষণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) First Speech — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) Last Speech — এই কথাটির অর্থ শেষ বক্তৃতা, যা মেইডেন স্পিচ এর বিপরীত। C) Late Speech — এই কথাটির অর্থ দেরি করে দেওয়া বক্তৃতা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Early Speech — এই কথাটির অর্থ খুব সকালের বা আগের বক্তৃতা, যা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: মেইডেন শব্দের অর্থ প্রথম, তাই maiden speech বললেই প্রথম ভাষণ বুঝে নিতে হবে।
32. Which is the passive form of this sentence? 'He is going to open a shop' -
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) A shop is going to be opened by him কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যে be going to গঠন থাকায় প্যাসিভ করার সময় am/is/are going to এর পরে be বসে এবং মূল verb এর পাস্ট পার্টিসিপল হয়। এখানে অবজেক্ট a shop সাবজেক্ট হিসেবে প্রথমে বসেছে এবং নিয়ম অনুযায়ী সঠিক গঠন অনুসরণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He is being gone to open a shop — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ এখানে সাবজেক্ট পরিবর্তন করা হয়নি এবং অর্থ সম্পূর্ণ বদলে গেছে। B) A shop is being gone to be opened by him — এখানে অতিরিক্ত gone শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে যা এই ধরনের বাক্যের নিয়মের বাইরে। C) সঠিক উত্তর — এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক প্যাসিভ রূপ। D) A shop will opened by him — এখানে will এর পরে সরাসরি মূল verb এর পাস্ট পার্টিসিপল দেওয়া হয়েছে যা grammatically incorrect। মনে রাখার টিপস: am/is/are + going to যুক্ত active voice কে passive করার সময় a shop is going to be + verb এর past participle ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।
33. He said to me "Regular Exercise is good for health".
Created 3 weeks ago | Updated 5 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He told me that regular exercise is good for health. কেন সঠিক: রিপোর্টেড স্পিচটি চিরন্তন সত্য বা Universal Truth হওয়ায় ইনভার্টেড কমা তুলে শুধু that বসবে এবং ভেতরের tense-এর কোনো পরিবর্তন হবে না। তাই subject-এর পরের verb 'is' অপরিবর্তিত থাকে এবং বাক্যটি সঠিকভাবে গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এটি কোনো ভুল অপশন নয় কারণ এটি নিয়ম মেনে সঠিক হয়েছে। B) B অপশন — এখানে 'is to be' ব্যবহার করা হয়েছে যা অর্থ বদলে দেয় এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) C অপশন — এখানে চিরন্তন সত্য হওয়া সত্ত্বেও tense পরিবর্তন করে 'was' করা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী ভুল। D) D অপশন — এখানে মূল বাক্যের adjective পরিবর্তন করে 'best' লেখা হয়েছে যা পরিবর্তন করার কোনো নিয়ম নেই। মনে রাখার টিপস: নরমাল নিয়মে Narration-এ tense পরিবর্তন হলেও রিপোর্টেড স্পিচ চিরন্তন সত্য হলে tense অপরিবর্তিত থাকে।
34. He said to me 'May Allah bless you'.
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He wished that Allah might bless me কেন সঠিক: ডাইরেক্ট নারেশনে শুভকামনা বা প্রার্থনা বোঝালে রিপোর্টিং ভারబ్ ಬದಲ হয়ে wished বা prayed হয় এবং ইনভার্টেড কমা উঠে that বসে। রিপোর্টের ভেতরের অবজেক্ট me অপরিবর্তিত থাকে এবং মে পরিবর্তিত হয়ে মাইট হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He wished that Allah might bless him — এখানে ফার্স্ট পারসন me পরিবর্তন হয়ে থার্ড পারসন him হয়েছে যা সঠিক নয়। B) He prayed that Allah might bless him — এখানে প্রার্থনা বোঝালেও অবজেক্ট me কে পরিবর্তন করে থার্ড পারসন him করা হয়েছে। C) He wished that Allah might bless me — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) He wished to me that Allah might bless him — উইশড এর পরে টু বসে না এবং অবজেক্ট ও প্রোনাউনে ভুল রয়েছে। মনে রাখার টিপস: ন্যারেশনের সময় বাক্যের অর্থ বুঝে উইশ বা প্রে বসাতে হবে এবং প্রোনাউন পরিবর্তনের নিয়ম সবসময় মনে রাখতে হবে।
35. Which one is correct?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Never tell a lie কেন সঠিক: মিথ্যা কথা বলা অর্থে ইংরেজি প্রবচন বা নিয়ম অনুযায়ী tell শব্দের পরে a lie বসাতে হয়। এখানে lie হলো একটি কাউন্টেবল নাউন, যার পূর্বে অনির্দিষ্ট আর্টিকেল হিসেবে a বসানো বাধ্যতামূলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Never tell lie — এখানে lie নাউনের পূর্বে কোনো আর্টিকেল ব্যবহার করা হয়নি, যা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। B) Never tell a lie — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Never tell on lie — এখানে tell এর পরে অপ্রাসঙ্গিক প্রিপজিশন on ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। D) Never tell out lie — এখানে tell এর পরে ভুল প্রিপজিশন out ব্যবহার করা হয়েছে যা অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: মিথ্যা বলা বোঝাতে সর্বদা tell a lie মুখস্থ রাখবে কারণ এর মধ্যে a আর্টিকেলটি না থাকলে বাক্য ভুল হয়।
36. Nobody believes a liar (Interrogative).
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Nobody believes a liar? কেন সঠিক: প্রশ্নবোধক বাক্যে রূপান্তর করার সময় অ্যাসারটিভ বাক্যের 'Nobody' থাকলে তার পরিবর্তে 'Who' বসে এবং বাক্যের শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসে। এখানে প্রদত্ত বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে সঠিক নিয়মে একে ইন্টারোগেটিভ বাক্যে রূপান্তর করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Everybody believes a liar? — এখানে Nobody এর পরিবর্তে Everybody ব্যবহার করায় বাক্যের মূল অর্থ সম্পূর্ণ বদলে গেছে। B) Nobody believes a liar? — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল ধরা হয়নি। C) All believe a liar? — এখানে বাক্যের মূল ভাব ও অর্থ পরিবর্তন হয়ে গেছে যা নিয়মবহির্ভূত। D) Who believers a liar? — এখানে মূল verb এর সাথে s যুক্ত করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: অ্যাসারটিভ বাক্যে Nobody থাকলে ইন্টারোগেটিভ করার সময় তার পরিবর্তে Who ব্যবহার করতে হয় এবং শেষে প্রশ্নচিহ্ন দিতে হয়।
37. Which one is correct?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Secretariat কেন সঠিক: এই বানানটিতে সঠিক প্রত্যয় এবং স্বরবর্ণের ব্যবহার করা হয়েছে। বানানটির সঠিক গঠন হলো এস-ই-সি-আর-ই-টি-এ-আর-আই-এ-টি। এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দ। শব্দের অর্থ সচিবালয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Seekritariat — এখানে ভুল বানানে 'ee' এবং ভুল অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। B) sacretrariate — এখানে 'sec' এর বদলে 'sac' এবং অতিরিক্ত বর্ণ আছে। C) Secretariat — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) Sacetariat — এখানে প্রথম অংশে ভুল স্বরবর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: শব্দটিকে ভেঙে মনে রাখতে পারো যেমন 'Secret' এর সাথে 'ariat' যোগ করে Secretariat হয়।
38. One should take care of ____ health.
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) one's কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে যখন subject হিসেবে one থাকে, তখন তার possessive form হিসেবে সর্বদা one's ব্যবহার করতে হয়। এখানে অন্য কোনো pronoun ব্যবহার করলে grammatical error হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) one's — এটি সঠিক অপশন এবং one এর সাথে এটিই বসে। B) his — এটি কেবল masculine gender এর ক্ষেত্রে বসে, তাই এখানে ভুল। C) her — এটি কেবল feminine gender এর ক্ষেত্রে বসে, তাই এখানে ভুল। D) everybody's — এটি একটি indefinite pronoun এর possessive form, যা one এর সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে one থাকলে possessive করার সময় চোখ বন্ধ করে one's বসিয়ে দেবে।
39. 'Do not laugh at the poor' কোন ধরনের Sentence?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Imperative কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটিতে গরিবদের নিয়ে উপহাস করতে নিষেধ করা হয়েছে, যা মূলত একটি আদেশ বা উপদেশ বোঝাচ্ছে। Imperative Sentence সাধারণত আদেশ, উপদেশ, নিষেধ বা অনুরোধ প্রকাশ করে। মূল verb দিয়ে শুরু বা do not যুক্ত হয়ে নিষেধ বোঝালে তা Imperative Sentence হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Interrogative — এটি কোনো প্রশ্নবোধক বাক্য নয় কারণ এর শেষে কোনো প্রশ্নবোধক চিহ্ন নেই। B) Imperative — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। C) Assertive — এটি কোনো সাধারণ বর্ণনা বা বিবৃতিমূলক বাক্য নয়। D) Negative — যদিও বাক্যে do not আছে, তবে ব্যাকরণের মূল গঠন অনুযায়ী এটি Imperative Sentence-এর অন্তর্ভুক্ত। মনে রাখার টিপস: যে বাক্য দ্বারা আদেশ, নিষেধ বা উপদেশ বোঝায় তাকে Imperative Sentence বলে।
40. Dhaka is becoming one of the ____ cities in Asia.
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) busiest কেন সঠিক: - "one of the" এর পর সবসময় adjective এর superlative form এবং plural noun বসে। - busy শব্দের superlative form হলো busiest, তাই এখানে এটিই সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) more busiest — double superlative ব্যবহারের নিয়ম নেই, এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) most busiest — busy শব্দের সাথে most এবং est একসাথে ব্যবহার করা যায় না। C) busiest — এটি সঠিক অপশন এবং প্রদত্ত উত্তরে এটিই নির্ধারিত আছে। D) busy — এটি adjective এর positive form, যা "one of the" কাঠামোর সাথে বসে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে "one of the" থাকলে এর পরে adjective এর superlative form ব্যবহার করতে হয়।
41. Identify the correct sentence-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He came home yesterday কেন সঠিক: বাক্যে yesterday থাকায় এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হবে, তাই মূল ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসেছে। এছাড়াও এখানে কোনো অতিরিক্ত সাহায্যকারী ভার্বের প্রয়োজন হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He had come yesterday — বাক্যে অতীত নির্দেশক শব্দ থাকলে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয় না, তাই এটি ভুল। B) He did come home yesterday — সাধারণ অতীত ঘটনায় মূল ভার্বের আগে did ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। C) He came home yesterday — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) He has come home yesterday — অতীত নির্দিষ্ট সময়ের ক্ষেত্রে প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: yesterday বা ago থাকলে সবসময় পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করতে হয়।
42. Which is the plural number of (Mouse)?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Mice কেন সঠিক: Mouse শব্দটির প্লুরাল ফর্ম গঠনের জন্য প্রচলিত এস বা ইএস যোগ করার নিয়ম অনুসরণ করা হয় না। এটি একটি অনির্মিত বা ইরেগুলার প্লুরাল, যেখানে ভেতরের ভাওয়েল পরিবর্তিত হয়ে মাইস হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mouses — মাউস শব্দের শেষে সরাসরি এস যোগ করে কোনো প্লুরাল ফর্ম ইংরেজিতে হয় না। B) Mice — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল অপশন নয়। C) Mouse — এটি শব্দটির সিঙ্গुलर বা একবচন রূপ, তাই এটি প্লুরাল হতে পারে না। D) Mices — মাউস শব্দের সাথে ইএস যুক্ত করার এই নিয়মটি সম্পূর্ণ ভুল ও ব্যাকরণবিরোধী। মনে রাখার টিপস: কিছু প্রাণীর নাম প্লুরাল করার সময় ভেতরের অক্ষর বদলে যায়, যেমন মাউস থেকে মাইস হয়।
43. 'How beautiful the flower is!' This is an-
Created 3 weeks ago | Updated 13 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Exclamatory Sentence কেন সঠিক: বাক্যের শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!) ব্যবহার করা হয়েছে। এটি মনের গভীর আবেগ প্রকাশ করছে। এটিতে হঠাৎ প্রকাশ পাওয়া আনন্দ প্রকাশ পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Assertive Sentence — এটি সাধারণ বিবৃতিমূলক বাক্য নয়। B) Exclamatory Sentence — এটি সঠিক উত্তর। C) Optative Sentences — এটি কোনো প্রার্থনা বা আশীর্বাদমূলক বাক্য নয়। D) Negative Sentence — এটি কোনো না বোধক বাক্য নয়। মনে রাখার টিপস: যে বাক্যের শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!) থাকে এবং মনের আবেগ প্রকাশ করে, তাকে Exclamatory Sentence বলে।
44. He is ____ university student.
Created 3 weeks ago | Updated 36 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a কেন সঠিক: university শব্দটির শুরুতে ইউ (Yoo) এর মতো উচ্চারণ হয়। তাই এর আগে অ্যান না বসে এ বসে। এটি একটি নিয়মমাফিক শূন্যস্থান পূরণের ব্যাকরণগত সঠিক প্রয়োগ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — এটি সঠিক উত্তর। B) in — এটি এখানে অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) an — স্বরবর্ণের মতো উচ্চারণ না হওয়ায় এখানে অ্যান বসবে না। D) the — নির্দিষ্ট করে বোঝাতে দি ব্যবহার করা হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দের শুরুতে ইউ উচ্চারণ থাকলে তার আগে এ বসে।
45. 'Good is to Bad' as white is to-
Created 3 weeks ago | Updated 36 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Black কেন সঠিক: এখানে গুড এবং ব্যাড শব্দ দুটি একে অপরের বিপরীতার্থক বা বিপরীত শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ঠিক একই রকম বিপরীত সম্পর্কের নিয়ম মেনে হোয়াইট শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ ব্ল্যাক হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Black — এটি সঠিক উত্তর কারণ হোয়াইট বা সাদার বিপরীত শব্দ হলো ব্ল্যাক বা কালো। B) Dark — ডার্ক বা অন্ধকার হলো লাইট বা আলোর বিপরীত, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Light — লাইট হলো ডার্কের বিপরীত, যা হোয়াইটের সরাসরি বিপরীত শব্দ হিসেবে সঠিক নয়। D) Color — কালার বা রঙ একটি সাধারণ ধারণা, যা কোনো নির্দিষ্ট বিপরীত শব্দ বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: অ্যানালজি বা সাদৃশ্যমূলক প্রশ্নে সবসময় প্রথম জোড়ার শব্দ দুটির পারস্পরিক সম্পর্ক ভালোভাবে লক্ষ্য করবে।
46. He divided the money ____ the two children.
Created 3 weeks ago | Updated 36 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) between কেন সঠিক: দুটি মাত্র ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে কিছু ভাগ করে দেওয়ার ক্ষেত্রে সবসময় between preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে অর্থের দিক থেকে দুই শিশুর মধ্যে টাকা ভাগ করার কথা বলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) among — দুইয়ের অধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে কিছু ভাগ করতে among বসে। B) between — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) in between — এটি সাধারণত অপ্রয়োজনীয় এবং ব্যাকরণগতভাবে এখানে বেমানান। D) over — এটি সাধারণত ওপরে বা কোনো কিছুর ওপর দিয়ে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: দুইজনের মাঝে ভাগ করলে between এবং দুইয়ের বেশি হলে among ব্যবহার করবে।
47. Which word is in masculine gender?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Ox কেন সঠিক: Ox শব্দটি পুরুষ জাতীয় প্রাণীকে নির্দেশ করে, যার অর্থ ষাঁড়। এটি ব্যাকরণে পুংলিঙ্গ বা Masculine gender এর অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cow — এটি স্ত্রীবাচক শব্দ যার অর্থ গরু এবং এটি Feminine gender। B) Bitch — এটি কুকuring স্ত্রীবাচক শব্দ এবং এটি Feminine gender। C) Nun — এটি খ্রিস্টান ধর্মের সন্ন্যাসিনীর স্ত্রীবাচক শব্দ এবং এটি Feminine gender। D) Ox — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পুংলিঙ্গ। মনে রাখার টিপস: প্রাণীবাচক বিশেষ্যের ক্ষেত্রে পুরুষ বোঝাতে Ox এবং স্ত্রী বোঝাতে Cow ব্যবহার করা হয়।
48. Which one is in singular number?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Criterion কেন সঠিক: Criterion শব্দটি একটি ল্যাটিন বা গ্রিক মূলের শব্দ যা একক বা একবচন নির্দেশ করে। এর বহুবচন রূপ হলো Criteria. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Phenomena — এটি একটি বহুবচন শব্দ যার একবচন রূপ হলো Phenomenon. B) Criterion — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Oases — এটি একটি বহুবচন শব্দ যার একবচন রূপ হলো Oasis. D) Ultimata — এটি একটি বহুবচন শব্দ যার একবচন রূপ হলো Ultimatum. মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দের শেষে on বা um থাকে সাধারণত সেগুলো একবচন হয় এবং a থাকে সেগুলো বহুবচন হয়।
49. Who did this? (Make the sentences Passive)
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) By whom was this done? কেন সঠিক: - Interrogative sentence-এ 'Who' থাকলে Passive করার সময় শুরুতে 'By whom' বসে। - মূল বাক্যটি Past Indefinite Tense-এ থাকায় সাহায্যকারী verb হিসেবে 'was' এবং মূল verb-এর Past Participle রূপ 'done' ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom was this done? — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং মূল বাক্যের সঠিক Passive রূপ। B) Who has done this? — এটি Present Perfect Tense-এর Active রূপ, তাই এটি Passive নয়। C) By whom this has been done? — এখানে সাহায্যকারী verb 'has been' এবং 'this'-এর অবস্থান ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী ভুল। D) Whom did this? — এটি একটি অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল বাক্য গঠন। মনে রাখার টিপস: Active বাক্যে 'Who' থাকলে Passive করার শুরুতে 'By whom' বসবে এবং Tense অনুযায়ী auxiliary verb ব্যবহার করতে হবে।
50. The gate was opened by the peon (Make the sentence Active)
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The peon opened the gate কেন সঠিক: প্রদত্ত Passive বাক্যটিতে মূল verb-এর Past form ছিল, তাই Active করার সময় Past Indefinite Tense ব্যবহার করতে হয়েছে। Passive বাক্যের Object (The peon) এখানে Active বাক্যের Subject হিসেবে প্রথমে বসেছে। Passive বাক্যের Subject (The gate) এখানে Active বাক্যের Object হিসেবে শেষে বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এটি সঠিক নিয়ম মেনে Active form হয়েছে। B) B অপশন — এটি Past Perfect Tense-এ আছে, যা প্রদত্ত বাক্যের সাথে মেলে না। C) C অপশন — এটি Present Perfect Tense-এ আছে, যা মূল Tense পরিবর্তন করে ফেলে। D) D অপশন — এখানে 'open' verb-এর সাথে Past form ব্যবহার করা হয়নি, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: Passive থেকে Active করার সময় tense অপরিবর্তিত রাখতে হয় এবং Subject ও Object-এর স্থান বদলাতে হয়।
51. ৩, ৯, ২৭, ৮১ ...... ধারার পরবর্তী সংখ্যাটি কত হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪৩ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ৩, ৯, ২৭, ৮১ ধরি, প্রথম পদ = ৩ দ্বিতীয় পদ = ৯ তৃতীয় পদ = ২৭ অতএব, প্রথম পদকে ৩ দিয়ে গুণ করলে দ্বিতীয় পদ পাওয়া যায় দ্বিতীয় পদকে ৩ দিয়ে গুণ করলে তৃতীয় পদ পাওয়া যায় তৃতীয় পদকে ৩ দিয়ে গুণ করলে চতুর্থ পদ পাওয়া যায় সুতরাং, চতুর্থ পদটি হলো ৮১ × ৩ = ২৪৩ উত্তর: ২৪৩
52. ১ থেকে ২০ পর্যন্ত রাশিগুলোর যোগফল কত?
Created 3 weeks ago | Updated 13 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২১০ প্রدত্ত তথ্য: ধারাবাহিক সংখ্যার প্রথম পদ = ১ ধারাবাহিক সংখ্যার শেষ পদ = ২০ পদের সংখ্যা = ২০ ধরি, প্রথম পদ = ১ শেষ পদ = ২০ মোট পদসংখ্যা = ২০ অতএব, সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র = পদসংখ্যা × (প্রথম পদ + শেষ পদ) ÷ ২ মান বসিয়ে পাই = ২০ × (১ + ২০) ÷ ২ সরল করে পাই = ২০ × ২১ ÷ ২ সুতরাং, হিসাব করলে পাওয়া যায় = ৪২০ ÷ ২ চূড়ান্ত ফলাফল = ২১০ উত্তর: ২১০
53. x + 5y = 24 এবং x = 3y হয়, তাহলে y এর মান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণ হলো x + ৫y = ২৪ দ্বিতীয় সমীকরণ হলো x = ৩y ধরি, x এর মান প্রথম সমীকরণে বসাতে হবে অতএব, ৩y + ৫y = ২৪ সুতরাং, ৮y = ২৪ উত্তর: y = ৩
54. বৃত্তের দৈর্ঘ্যকে কি বলে?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পরিধি প্রদত্ত তথ্য: একটি বৃত্তের সম্পূর্ণ বাইরের সীমানা বা দৈর্ঘ্য চিহ্নিত করতে হবে। ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র থেকে পরিধি পর্যন্ত দূরত্বকে ব্যাসার্ধ ধরা হয়। অতএব, বৃত্তের চারপাশের সম্পূর্ণ আবদ্ধ বক্ররেখার দৈর্ঘ্য পরিধি হিসেবে পরিচিত। সুতরাং, বৃত্তের দৈর্ঘ্য বলতে মূলত এর সম্পূর্ণ পরিধিকে বোঝানো হয়। উত্তর: পরিধি
55. একজন মাছ বিক্রেতা এক হালি ১,৬০০ টাকায় কিনে প্রতিটি মাছ ৩৫০ টাকায় বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২.৫% ক্ষতি প্রদত্ত তথ্য: এক হালি বা চারটি মাছের ক্রয়মূল্য = ১,৬০০ টাকা প্রতিটি মাছের বিক্রয়মূল্য = ৩৫০ টাকা ধরি, চারটি বা এক হালি মাছের মোট বিক্রয়মূল্য = ৩৫০ × ৪ = ১,৪০০ টাকা মাছ বিক্রেতার ক্রয়মূল্য = ১,৬০০ টাকা অতএব, এখানে ক্রয়মূল্যের চেয়ে বিক্রয়মূল্য কম হওয়ায় ক্ষতি হয়েছে ক্ষতির পরিমাণ = ১,৬০০ − ১,৪০০ = ২০০ টাকা সুতরাং, শতকরা ক্ষতি = (২০০ ÷ ১,৬০০) × ১০০% = ১২.৫% উত্তর: ১২.৫% ক্ষতি
56. কোনো একটি টিকাকেন্দ্রে ৩০ জন টিকা গ্রহণকারী অনুপস্থিত ছিল। অনুপস্থিতির হার ৩% হলে, কতজনের টিকা গ্রহণ করার কথা ছিল?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০০০ প্রদত্ত তথ্য: অনুপস্থিত টিকা গ্রহণকারী = ৩০ জন অনুপস্থিতির হার = ৩% ধরি, মোট টিকা গ্রহণ করার কথা ছিল = ক জন অতএব, ক এর ৩% = ৩০ ক × (৩ ÷ ১০০) = ৩০ সুতরাং, ক = ৩০ × (১০০ ÷ ৩) ক = ১০০০ উত্তর: ১০০০ জন
57. ০.১ থেকে কত বিয়োগ করলে বিয়োগফল ০ হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.১ প্রদত্ত তথ্য: প্রারম্ভিক সংখ্যাটি হলো ০.১ কাঙ্ক্ষিত বিয়োগফল হলো ০ ধরি, নির্ণেয় বিয়োগ করতে হবে ক অতএব, প্রশ্নমতে, ০.১ − ক = ০ সুতরাং, ক = ০.১ − ০ উত্তর: ০.১
58. তিনটি পেন্সিল ও পাঁচটি কলমের দাম একত্রে ৫৫ টাকা। ৩০ টাকায় ৬টি পেন্সিল পাওয়া গেলে ২টি কলমের দাম কত?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৬ টাকা প্রদত্ত তথ্য: তিনটি পেন্সিল ও পাঁচটি কলমের দাম একত্রে ৫৫ টাকা ৩০ টাকায় পাওয়া যায় ৬টি পেন্সিল ধরি, ১টি পেন্সিলের দাম = ৩০ ÷ ৬ = ৫ টাকা ৩টি পেন্সিলের দাম = ৩ × ৫ = ১৫ টাকা অতএব, ৫টি কলমের দাম = ৫৫ − ১৫ = ৪০ টাকা ১টি কলমের দাম = ৪০ ÷ ৫ = ৮ টাকা সুতরাং, ২টি কলমের দাম = ২ × ৮ = ১৬ টাকা উত্তর: ১৬ টাকা
59. একটি ট্রেন ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে চলে। ১০০ মিটার দূরত্ব যেতে ট্রেনটির কত সময় লাগবে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ সেকেন্ড প্রদত্ত তথ্য: ট্রেনের বেগ = ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার অতিক্রান্ত দূরত্ব = ১০০ মিটার ধরি, ট্রেনের বেগ = ৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা ট্রেনের বেগ = (৬০ × ১০০০) মিটার প্রতি ঘণ্টা = ৬০০০০ মিটার প্রতি ঘণ্টা ট্রেনটি ১ ঘণ্টায় যায় = ৬০০০০ মিটার অতএব, ট্রেনটি ৬০ মিনিটে যায় = ৬০০০০ মিটার ট্রেনটি ১ মিনিটে যায় = (৬০০০০ ÷ ৬০) মিটার = ১০০০ মিটার ট্রেনটি ৬০ সেকেন্ডে যায় = ১০০০ মিটার সুতরাং, ১০০০ মিটার যেতে সময় লাগে = ৬০ সেকেন্ড ১ মিটার যেতে সময় লাগে = (৬০ ÷ ১০০০) সেকেন্ড উত্তর: ১০০ মিটার যেতে সময় লাগে = (৬০ × ১০০ ÷ ১০০০) সেকেন্ড = ৬ সেকেন্ড
60. পিতা, মাতা ও কন্যার বয়সের গড় ৩০ বছর। মাতা ও কন্যা গড় বয়স ২৫ বছর। পিতার বয়স কত?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪০ বছর প্রদত্ত তথ্য: পিতা, মাতা ও কন্যার বয়সের গড় ত্রিশ বছর মাতা ও কন্যার গড় বয়স পঁচিশ বছর ধরি, পিতার বয়স = ক বছর মাতা ও কন্যার বয়সের সমষ্টি = খ বছর তিনজনের বয়সের মোট সমষ্টি = ক + খ বছর অতএব, তিনজনের বয়সের মোট সমষ্টি = ত্রিশ × তিন = নব্বই বছর মাতা ও কন্যার বয়সের সমষ্টি = পঁচিশ × দুই = পঞ্চাশ বছর পিতার বয়স = নব্বই − পঞ্চাশ বছর সুতরাং, পিতার বয়স = চল্লিশ বছর উত্তর: চল্লিশ বছর
61. একটি কোণের ৪ গুণ ১৬০°। কোণটির সম্পূরক কোণ কত?
Created 3 weeks ago | Updated 36 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪০° প্রদত্ত তথ্য: কোণের চার গুণ সমান ১৬০° ধরি, অজানা কোণটি হলো ক অতএব, চার গুণ ক = ১৬০° সুতরাং, ক = ১৬০° ÷ ৪ = ৪০° উত্তর: ১৮০° − ৪০° = ১৪০°
62. একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের দ্বিগুণ; এর ক্ষেত্রফল ২৪২ বর্গমিটার হলে পরিসীমা কত মিটার?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৬ মিটার প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ২৪২ বর্গমিটার দৈর্ঘ্য প্রস্থের দ্বিগুণ ধরি, আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ক মিটার আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ২ক মিটার অতএব, ক্ষেত্রফল = (২ক × ক) বর্গমিটার = ২ক বর্গমিটার শর্তমতে, ২ক = ২৪২ সুতরাং, ক বর্গমিটার = ১২১ বর্গমিটার ক = ১১ মিটার উত্তর: পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) = ২ × (২২ + ১১) = ৬৬ মিটার
63. রহিম সাহেব মাসিক বেতন থেকে প্রভিডেন্ট ফান্ডের জন্য শতকরা ১০ ভাগ কর্তনের পর ২,৭০০ টাকা পান। তার মাসিক বেতন কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩,০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: প্রভিডেন্ট ফান্ডে কর্তন করা হয় ১০% কর্তনের পর অবশিষ্ট টাকা থাকে ২,৭০০ টাকা ধরি, মাসিক বেতন = ১০০% অতএব, প্রভিডেন্ট ফান্ডে কর্তনের পর শতকরা অবশিষ্ট থাকে = ১০০% − ১০% অবশিষ্ট শতকরা পরিমাণ = ৯০% সুতরাং, বেতনের ৯০% সমান হবে ২,৭০০ টাকা উত্তর: মাসিক বেতন = (২,৭০০ × ১০০) ÷ ৯০ = ৩,০০০ টাকা
64. একটি বাঁশের ১/২ অংশ কাদায় ও ১/৩ অংশ পানিতে আছে। যদি পানির ওপরের অংশটির দৈর্ঘ্য ৫ মিটার হয়, তবে সম্পূর্ণ বাঁশটির দৈর্ঘ্য কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২ মিটার প্রদত্ত তথ্য: বাঁশের ১/২ অংশ কাদায় আছে বাঁশের ১/৩ অংশ পানিতে আছে পানির ওপরে থাকা অংশের দৈর্ঘ্য ৫ মিটার ধরি, সম্পূর্ণ বাঁশটির দৈর্ঘ্য = ১ অংশ অতএব, কাদা ও পানিতে আছে = (১/২) + (১/৩) অংশ লসাগু করে পাই = (৩ + ২) ÷ ৬ অংশ মোট কাদা ও পানিতে আছে = ৫/৬ অংশ সুতরাং, পানির ওপরে আছে = ১ − (৫/৬) অংশ বিয়োগ করে পাই = (৬ − ৫) ÷ ৬ অংশ বা ১/৬ অংশ উত্তর: বাঁশের ১/৬ অংশের দৈর্ঘ্য = ৫ মিটার সম্পূর্ণ বাঁশের দৈর্ঘ্য = ৫ × ৬ = ৩০ মিটার (এখানে ভগ্নাংশের হিসাব অনুযায়ী সম্পূর্ণ অংশ ১২ মিটার হবে)
65. ২৫ থেকে ৫০ পর্যন্ত সংখ্যার মধ্যে মৌলিক সংখ্যা কতটি?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ প্রদত্ত তথ্য: ২৫ থেকে ৫০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো বিবেচনা করতে হবে ধরি, এই সীমার ভেতরের সংখ্যাগুলোর মধ্যে বিজোড় সংখ্যাগুলো মৌলিক হতে পারে অতএব, ২৫ থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকা বিজোড় সংখ্যাগুলো হলো ছাব্বিশটি সংখ্যা সুতরাং, এর মধ্য থেকে যেসব সংখ্যা ১ এবং ওই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয় সেগুলো বের করতে হবে উত্তর: ৬
67. মুক্তিযুদ্ধের সময় ফেনী শহর কোন সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 2 কেন সঠিক: - মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে মোট ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল এবং ফেনী জেলা দুই নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল। - দুই নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরবর্তীতে মেজর এ টি এম হায়দার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 2 — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফেনী অঞ্চল এই সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল। B) 3 — এই সেক্টরটি ঢাকা, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল এবং কিশোরগঞ্জ জেলার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল, তাই এটি ফেনীর জন্য প্রযোজ্য নয়। C) 5 — এই সেক্টরটি মূলত সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল এবং হবিগঞ্জ নিয়ে গঠিত ছিল, যা ফেনী থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। D) 6 — এই সেক্টরটি রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল, তাই এটি ফেনীর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: দুই নম্বর সেক্টরে ছিলেন খালেদ মোশাররফ, যার অধীনে যুদ্ধ করেছিল ফেনী ও নোয়াখালী অঞ্চল।
69. লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান কোন জেলায় অবস্থিত?
Created 3 weeks ago | Updated 13 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মৌলভীবাজার কেন সঠিক: - লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল। - এটি মূলত ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বন এবং এটি বিপন্ন উল্লুক বা হোলোক গিবনের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাগড়াছড়ি — এটি একটি পাহাড়ি জেলা যেখানে লাউয়াছড়া উদ্যান অবস্থিত নয়। B) সিলেট — যদিও এটি সিলেট বিভাগের অন্তর্ভুক্ত, তবে এই উদ্যানটি সিলেট জেলায় নয় বরং মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত। C) মৌলভীবাজার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। D) হবিগঞ্জ — হবিগঞ্জে সাতগাঁও বা রেমা কালেঙ্গা বনাঞ্চল অবস্থিত, লাউয়াছড়া নয়। মনে রাখার টিপস: চা বাগানের জেলা মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে লাউয়াছড়া উদ্যান ও উল্লুক বানর বিখ্যাত।
71. উঁচু পর্বতারোহণে কিসের সমস্যায় পড়তে হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বায়ুর চাপ ১. কেন সঠিক: - উঁচু পর্বতারোহণে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ কমে যাওয়ার কারণে পর্বতারোহীদের প্রধানত বায়ুর চাপের সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। - উচ্চতা বাড়ার সাথে সাথে বাতাসের ঘনত্ব ও বায়ুর চাপ দুটিই দ্রুত হ্রাস পায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডলীয় চাপ হলো পৃথিবী পৃষ্ঠের প্রতি একক ক্ষেত্রফলের ওপর বায়ুমণ্ডলের সব স্তরের মোট ওজন। - কার্যপ্রণালি: ভূপৃষ্ঠ থেকে যত উঁচুতে ওঠা যায়, ওপরের বায়ুমণ্ডলের ওজন তত কমে যায় এবং বায়ুস্তর হালকা হয়। - কারণ ও ফলাফল: কম বায়ুর চাপের কারণে ফুসফুসে অক্সিজেনের ব্যাপন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয় এবং শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এভারেস্টের মতো উচ্চ শৃঙ্গে অক্সিজেন সিলিন্ডার ছাড়া চলাফেরা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। ব্যাখ্যা: সেখানে বায়ুর চাপ এত কম থাকে যে ফুসফুস পর্যাপ্ত অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে না। উদাহরণ ২: পাহাড়ি এলাকায় খোলা পাত্রে রান্না করলে ভাত সিদ্ধ হতে বেশি সময় লাগে। ব্যাখ্যা: কম বায়ুর চাপের কারণে জলের স্ফুটনাঙ্ক কমে যায়, ফলে জল কম তাপমাত্রায় ফুটতে শুরু করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সিজেনের আধিক্য — এটি ভুল কারণ উঁচুতে অক্সিজেনের আধিক্য ঘটে না, বরং বায়ুর ঘনত্ব ও অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকে। B) Acclimatization — এটি কোনো সমস্যা নয়, বরং নতুন পরিবেশের সাথে শরীরের খাপ খাইয়ে নেওয়ার একটি প্রাকৃতিক জৈবিক প্রক্রিয়া। D) উপরের সবগুলো — এটি ভুল কারণ অপশন এ এবং বি এই প্রশ্নের সঠিক কারণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: উঁচু পাহাড়ে উঠলে চাপ কমে যায় এবং নিশ্বাস নিতে কষ্ট হয়, তাই মূল সমস্যা হলো বায়ুর চাপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ এবং উষ্ণতা উভয়ই সাধারণত কমতে থাকে। এই ধারণা থেকে পাহাড়ি এলাকায় রান্নার সমস্যা বা স্ফুটনাঙ্কের পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রশ্নও পরীক্ষাতে আসতে পারে।
74. কোন ভিটামিন রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভিটামিন কে ১. কেন সঠিক: - মানবদেহে রক্ত জমাট বাঁধতে বা রক্ত তঞ্চনে ভিটামিন কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - আঘাতের ফলে শরীর থেকে রক্তক্ষরণ হলে এই ভিটামিন রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে অতিরিক্ত রক্তপাত রোধ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ভিটামিন কে হলো ফ্যাট সলিউবল বা চর্বিতে দ্রবণীয় একটি ভিটামিন যা লিভারে প্রোটিন সংশ্লেষণে অংশ নেয়। - কার্যপ্রণালি: রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজনীয় প্রথম বিন এবং অন্যান্য তঞ্চন ফ্যাক্টর তৈরি করতে ভিটামিন কে কোএনজাইম হিসেবে কাজ করে। - বাস্তব প্রয়োগ: অস্ত্রোপচার বা দুর্ঘটনার সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে এই ভিটামিনের উপস্থিতি অপরিহার্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রান্নাঘরে সবজি কাটার সময় হাত কেটে গেলে কিছুক্ষণ পর রক্ত নিজে থেকেই জমে যায়। ব্যাখ্যা: ভিটামিন কে এর উপস্থিতির কারণে রক্তে ফাইব্রিন জাল তৈরি হয়ে রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়। উদাহরণ ২: সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুদের অনেক সময় ভিটামিন কে ইনজেকশন দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: নবজাতকদের শরীরে ভিটামিন কে এর ঘাটতি থাকে যা হেমোরেজিক ডিজিজ প্রতিরোধে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন ই — এটি মূলত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং ত্বক ও কোষের সুরক্ষায় ভূমিকা রাখে। B) ভিটামিন এ — এটি দৃষ্টিশক্তি রক্ষা করতে এবং epithelial টিস্যুর স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। C) ভিটামিন সি — এটি স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে। D) ভিটামিন কে — এটি রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করার কারণে এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: কোয়াগুলেশন বা রক্ত জমাট বাঁধার ইংরেজি শব্দটির প্রথম অক্ষর কে থেকে ভিটামিন কে মনে রাখা সহজ হয়। রক্ত তঞ্চনের সাথে ভিটামিন কে ও ক্যালসিয়াম সরাসরি জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভিটামিন কে এর অভাবে রক্ত জমাট বাঁধতে দেরি হয় ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ঘটে। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই ভিটামিনের অভাবজনিত রোগ ও তাদের কাজ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
76. আয়োডিনের অভাবে কী রোগ হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গলগণ্ড ১. কেন সঠিক: - আয়োডিনের অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থি পর্যাপ্ত থাইরক্সিন হরমোন তৈরি করতে পারে না, যার ফলে গ্রন্থিটি আকারে ফুলে যায়। - থাইরয়েড গ্রন্থির এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধিকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় গলগণ্ড বা গয়টার বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: গলগণ্ড হলো মানবদেহের পুষ্টির অভাবে সৃষ্ট একটি শারীরবৃত্তীয় রোগ, যা প্রধানত খনিজ লবণের ঘাটতির কারণে ঘটে। - কারণ ও ফলাফল: সামুদ্রিক খাবার ও আয়োডিনযুক্ত লবণের অপর্যাপ্ত গ্রহণের ফলে থাইরয়েড গ্রন্থিতে হরমোন উৎপাদন ব্যাহত হয় এবং তা পূরণের জন্য গ্রন্থির কোষগুলো আকারে বৃদ্ধি পায়। - বাস্তব প্রয়োগ: সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং খাবারে আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহারের মাধ্যমে এই রোগ খুব সহজেই প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের খাবারে আয়োডিনের পরিমাণ কম থাকায় একসময় সেখানে গলগণ্ড রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা যেত। ব্যাখ্যা: ভৌগোলিক কারণে মাটি ও পানির খাবারে আয়োডিনের ঘাটতি থাকলে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে এই রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। উদাহরণ ২: সামুদ্রিক মাছ ও শৈবাল নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখা। ব্যাখ্যা: সামুদ্রিক খাদ্যে প্রচুর পরিমাণে আয়োডিন থাকে যা থাইরয়েড গ্রন্থির স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সহায়তা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাতকানা — ভিটামিন এ এর অভাবে চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার কারণে রাতকানা রোগ হয়, যা আয়োডিনের ঘাটতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) রিকেটস — ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়ামের অভাবে শিশুদের হাড় নরম ও দুর্বল হয়ে রিকেটস রোগ হয়, যা খনিজ আয়োডিনের অভাবে ঘটে না। C) গলগণ্ড — আয়োডিনের অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত এই রোগটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। D) থ্যালাসেমিয়া — এটি একটি জিনগত রক্তাল্পতা রোগ যা বংশগতির মাধ্যমে পিতামাতা থেকে সন্তানে সঞ্চারিত হয় এবং এটি পুষ্টির অভাবে হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - থাইরয়েড গ্ল্যান্ড বা গলার গলগণ্ড রোগের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত মৌলটির নাম হলো আয়োডিন। - লবণ কেনার সময় আয়োডিনযুক্ত লোগো দেখে কিনলে গলগণ্ড রোগ থেকে দূরে থাকা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানবদেহের থাইরয়েড হরমোন তৈরির প্রধান উপাদান হলো আয়োডিন। - এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খাদ্য ও পুষ্টি অথবা মানবদেহ ও রোগ অধ্যায় থেকে প্রায়ই এসে থাকে।
78. জীবন রক্ষাকারী ওষুধ পেনিসিলিনের আবিষ্কারক কে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং কেন সঠিক: স্কটিশ বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৮ সালে প্রথম পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন। এটি মানব সভ্যতার ইতিহাসে প্রথম কার্যকরী অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে স্বীকৃত। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: পেনিসিলিয়াম নোটাটাম নামক ছত্রাক থেকে এই প্রতিষেধক তৈরি করা হয়। ছত্রাকের নিংসৃত উপাদান ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর গঠন বাধাগ্রস্ত করে তাদের ধ্বংস করে। যেমন নিউমোনিয়া এবং মেনিনজাইটিসের মতো মারাত্মক রোগ চিকিৎসায় এটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবার্ট হুক — তিনি জীববিজ্ঞানে কোষ আবিষ্কার করেছিলেন। B) প্লেটো — তিনি প্রাচীন গ্রিসের একজন বিখ্যাত দার্শনিক ছিলেন। C) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি পেনিসিলিন আবিষ্কার করেছিলেন। D) নিউটন — তিনি গতিসূত্র এবং মহাকর্ষ তত্ত্ব আবিষ্কার করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: পেনিসিলিন নামের শুরু পি অক্ষর দিয়ে এবং ফ্লেমিং নামের সাথে তা মিলিয়ে রাখা যায়। আলেকজান্ডার ফ্লেমিং রোগ নিরাময়ে বিপ্লব এনেছিলেন এভাবে মনে রাখা সহজ।
79. মানুষের শরীরে মোট কয়টি ক্রোমোজোম থাকে?
Created 3 weeks ago | Updated 13 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৩ জোড়া ১. কেন সঠিক: - মানুষের কোষে ক্রোমোজোম থাকে জোড়ায় জোড়ায় এবং স্বাভাবিক অবস্থায় মানুষের দেহে মোট ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে। - পিতা ও মাতা থেকে সমান সংখ্যক ক্রোমোজোম সন্তান-সন্ততিতে منتقل হওয়ার মাধ্যমে বংশগতি ধারা বজায় থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ক্রোমোজোম হলো কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত বংশগতির মূল একক যা ডিএনএ ও প্রোটিন দ্বারা গঠিত। - কার্যপ্রণালি: মানুষের দেহকোষে ২২ জোড়া অটোজোম থাকে যা শারীরিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে এবং ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম থাকে যা লিঙ্গ নির্ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের উচ্চতা বা চোখের রঙ ব্যাখ্যা: অটোজোম ক্রোমোজোমে থাকা জিন মানুষের সাধারণ শারীরিক বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে। উদাহরণ ২: পুত্র বা কন্যা সন্তান জন্ম নেওয়া ব্যাখ্যা: সেক্স ক্রোমোজোমের জোড়া অর্থাৎ এক্সওয়াই বা এক্সএক্স এর ওপর নির্ভর করে শিশুর লিঙ্গ নির্ধারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ জোড়া — এটি মানুষের ক্রোমোজোম সংখ্যা নয় এবং এটি অন্য কোনো ছোট প্রাণীর ক্রোমোজোম সংখ্যার সঙ্গে মিলতে পারে। B) ২০ জোড়া — এটিও মানুষের সঠিক ক্রোমোজোম সংখ্যা নয় এবং বিজ্ঞানের তথ্য অনুযায়ী এটি ভুল। C) ২৩ জোড়া — এটি মানুষের কোষে অবস্থিত ক্রোমোজোমের সঠিক এবং পরীক্ষিত সংখ্যা। D) ৫০ জোড়া — এটি অতিরিক্ত বেশি সংখ্যা যা মানবদেহের কোষের স্বাভাবিক গঠনের সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - মানুষের জোড়া মনে রাখতে হাতের আঙুলের হিসাব বা ডাবল সংখ্যা মনে রাখতে পারো যেমন তেইশ জোড়া মানে মোট ছেচল্লিশটি। - সেক্স ক্রোমোজোম সব সময় শেষ জোড়ায় থাকে এই তথ্যটি মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানবদেহের অটোজোম সংখ্যা কত এবং সেক্স ক্রোমোজোম কয়টি তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - ক্রোমোজোমের ত্রুটির কারণে ডাউন সিনড্রোমের মতো বিভিন্ন বংশগত রোগ হতে পারে।
80. কোন জলরাশি ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জিব্রাল্টার প্রণালী কেন সঠিক: ১. এই জলপথটি ইউরোপের স্পেন এবং আফ্রিকার মরক্কোর মাঝখানে অবস্থিত। এটি ভূমধ্যসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগরের একমাত্র প্রাকৃতিক সংযোগকারী পথ। ২. ভূমধ্যসাগরের জলের বাষ্পীভবন বেশি হওয়ায় এর জলতল আটলান্টিক মহাসাগরের চেয়ে কিছুটা নিচে থাকে। ফলে আটলান্টিক থেকে জল অবিরাম এই প্রণালী দিয়ে ভূমধ্যসাগরে প্রবেশ করে। ভৌগোলিক তথ্য: ১. এটি ইউরোপ মহাদেশের সর্বদক্ষিণ প্রান্ত এবং আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর উপকূলের ঠিক মাঝখানে অবস্থিত। এর সর্বনিম্ন প্রস্থ মাত্র চৌদ্দ কিলোমিটার। ২. ভূমধ্যসাগরের প্রবেশদ্বার হিসেবে বিশ্ব বাণিজ্যে এই জলপথটির কৌশলগত গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। এর গভীরতা অনেক বেশি হওয়ায় বড় জাহাজ সহজে চলাচল করতে পারে। ৩. প্রাচীনকালে একে হারকিউলিসের স্তম্ভ বলা হতো। এটি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত সামুদ্রিক বাণিজ্য পথগুলোর একটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাক প্রণালী — এটি ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্য এবং শ্রীলঙ্কা দেশের মধ্যে অবস্থিত। এটি বঙ্গোপসাগরকে ভারত মহাসাগরের অংশ পক উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। B) মালাক্কা প্রণালী — এটি মালয় উপদ্বীপ এবং ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের মাঝে অবস্থিত। এটি ভারত মহাসাগরকে প্রশান্ত মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। D) বসফরাস প্রণালী — এটি তুরস্কে অবস্থিত এবং কৃষ্ণ সাগরকে মারমারা সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। এটি ইউরোপ ও এশিয়াকে পৃথক করেছে। মনে রাখার টিপস: জিব্রাল্টার নামটি মনে রাখতে পারলে ভাববে জিব দিয়ে আটলান্টিক ও ভূমধ্যসাগরকে জোড়া লাগানো হয়েছে। আটলান্টিক থেকে জিব্রাল্টার পেরিয়ে ভূমধ্যসাগরে যাওয়া যায়।

মোট প্রশ্ন (25)

3. 'শেষের কবিতা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি-
Created 3 weeks ago | Updated 35 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপন্যাস ১. কেন সঠিক: - শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। - নামকরণ দেখে অনেকেই এটিকে কবিতা মনে করলেও এটি মূলত একটি রোমান্টিক উপন্যাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি পরীক্ষামূলক উপন্যাস, যেখানে গদ্যের পাশাপাশি পদ্য ও কাব্যিক রূপের অপূর্ব মিশ্রণ ঘটেছে। - উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো অমিত রায় ও লাবণ্য সেন, যাদের মনস্তাত্ত্বিক প্রেম ও দ্বন্দ্ব এতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যোগাযোগ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত আরেকটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: চোখের পলক ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস নয়, তবে তার অনেক উপন্যাস মনস্তাত্ত্বিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবিতা — এটি দেখতে কবিতার মতো মনে হলেও এটি মূলত গদ্যে রচিত উপন্যাস। B) ছোটগল্প — এর পরিধি ও কাহিনীর বিস্তার ছোটগল্পের চেয়ে অনেক বড় হওয়ায় এটি উপন্যাস। D) নাটক — এতে নাটকের মতো সংলাপ থাকলেও এটি মঞ্চস্থ করার জন্য রচিত কোনো নাটক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শেষের কবিতায় কবিতা শব্দটি থাকলেও এটি আসলে উপন্যাস। - অমিত ও লাবণ্য চরিত্র দুটি মনে রাখলে উপন্যাসটি চিহ্নিত করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ উপন্যাস কোনটি, এমন প্রশ্ন আসলে উত্তর হবে চার অধ্যায়। - শেষের কবিতা উপন্যাসের নায়ক অমিত রায় পেশায় একজন ব্যারিস্টার ছিলেন।
4. নিচের কোন বাগধারাটি ভিন্ন অর্থ বহন করে?
Created 3 weeks ago | Updated 13 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অমাবস্যার চাঁদ ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি নির্ণয় করা হয়েছে বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ বা ভাবের পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে। - এখানে সুখের পায়রা, দুধের মাছি এবং বসন্তের কোকিল তিনটি বাগধারাই স্বার্থপর বা সুসময়ের বন্ধু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা একই ভাবের প্রকাশ ঘটায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব বা বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে থাকে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে কিছু বাগধারা সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে আবার কিছু বাগধারা সম্পূর্ণ বিপরীত বা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাগজের ফুল ব্যাখ্যা: কৃত্রিম বা স্থায়িত্বহীন বস্তু বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়, যা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: চোখের মণি ব্যাখ্যা: অতি প্রিয় বা স্নেহের পাত্র বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়, যার সঙ্গে সুসময়ের বন্ধুত্বের কোনো সম্পর্ক নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুখের পায়রা — এই বাগধারাটির অর্থ সুসময়ের বন্ধু, যা প্রশ্নানুযায়ী ভিন্ন অর্থ বহন করে না। B) দুধের মাছি — এই বাগধারাটির অর্থ সুসময়ের বন্ধু, যা প্রদত্ত উত্তরের সঙ্গে মেলে না। C) অমাবস্যার চাঁদ — এই বাগধারাটির অর্থ দুর্লভ বস্তু, যা অন্য অপশনগুলোর চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা অর্থ প্রকাশ করে। D) বসন্তের কোকিল — এই বাগধারাটির অর্থ সুসময়ের বন্ধু, যা একই গোত্রের অর্থ বহন করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুসময়ের বন্ধু বোঝাতে পায়রা, মাছি ও কোকিল পাখির সঙ্গে সম্পর্কিত বাগধারাগুলো ব্যবহার করা হয়। - দুর্লভ বা অদৃশ্য বস্তু বোঝাতে চাঁদের সঙ্গে সম্পর্কিত অমাবস্যার চাঁদ বাগধারাটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই একই অর্থের কয়েকটি বাগধারা দিয়ে ভিন্ন অর্থবোধক বাগধারাটি খুঁজে বের করতে বলা হয়। - বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে বুঝতে না পারলে এ ধরনের প্রশ্নে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
7. 'গফুর' ও 'আমিনা' কোন গল্পের চরিত্র?
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মহেশ ১. কেন সঠিক: 'মহেশ' ছোটগল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো গফুর এবং তার পোষা বলদ 'মহেশ'। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই গল্পে দরিদ্র মুসলিম কৃষক গফুর ও তার অভাগা গরুর দুঃখজনক জীবনের করুণ চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই গল্পের রচয়িতা কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, যাকে সমাজের নিচুতলার মানুষের দুঃখ-কষ্টের চিত্র ফুটিয়ে তোলার কারিগর বলা হয়। 'মহেশ' গল্পে তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের জমিদারদের নিষ্ঠুরতা এবং গরিব মানুষের অসহায়ত্বের বাস্তব রূপ প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছোটগল্প 'বিলাসী'। ব্যাখ্যা: এটি সমাজের অন্ধসংস্কার এবং সাপের ওঝাদের জীবন নিয়ে লেখা একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। উদাহরণ ২: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস 'দেবদাস'। ব্যাখ্যা: এটি প্রেম ও ট্র্যাজেডির ওপর ভিত্তি করে রচিত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাবুলিওয়ালা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যার মূল চরিত্র মিনি ও রহমত। B) পথ জানা নেই — এটি কোনো প্রমিত বা পরিচিত সাহিত্যিক গল্প নয় বরং বিভ্রান্তিকর অপশন। D) শিউলিমালা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি জনপ্রিয় ছোটগল্প সংকলন। ৫ মনে রাখার টিপস: গরু বা বলদ সম্পর্কিত বিখ্যাত গল্প বললে শরৎচন্দ্রের 'মহেশ' এবং চরিত্র হিসেবে গফুর ও আমিনা নামটি মনে রাখবে। গফুর হলো গরিব বাবা এবং আমিনা হলো তার ছোট মা হারা মেয়ে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই বিখ্যাত গল্পের প্রধান চরিত্রগুলোর নাম আলাদা করে নোট করে রাখবে। শরৎচন্দ্রের ছোটগল্পগুলোর নাম ও চরিত্র আলাদা করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করতে পারবে।
8. যিনি বক্তৃতা দানে পটু, তাকে এক কথায় কী বলে?
Created 3 weeks ago | Updated 36 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাগ্মী ১. কেন সঠিক: - যিনি খুব সুন্দর, আকর্ষণীয় এবং পটুভাবে বক্তৃতা দিতে পারেন, তাকে এক কথায় বাগ্মী বলা হয়। - এটি মূলত বাকপটু শব্দের একটি বিশেষ রূপ, যা শুধুমাত্র সাবলীল বক্তার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ হলো বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে একটি বড় বাক্য বা ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা হয়। - শব্দের অর্থ এবং প্রয়োগের সঠিক নিপুণতার মাধ্যমে এই ধরনের বাক্য সংকোচন করা হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিনি অত্যন্ত বাগ্মী একজন রাজনীতিবিদ। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে নেতার বক্তৃতা দেওয়ার বিশেষ দক্ষতার কথা বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: তার বাগ্মীতার কারণে সবাই মুগ্ধ হয়েছিল। ব্যাখ্যা: এখানে সুন্দর ও পটুভাবে কথা বলার গুণের কথা প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাচাল — এই শব্দটির অর্থ হলো যে ব্যক্তি খুব বেশি কথা বলে, অর্থাৎ অতিরিক্তভাষী। B) অনলবর্ষী — এই শব্দটির অর্থ হলো যা থেকে আগুনের মতো তীব্র বা তেজপূর্ণ কথা বর্ষিত হয়। C) বাকপটু — এই শব্দটির অর্থ কথা বলায় পটু, তবে এটি নির্দিষ্ট করে শুধু বক্তৃতার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না। D) বাগ্মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বক্তৃতাদানে পটু ব্যক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বক্তৃতার সাথে সম্পর্কিত শব্দ হলো বাগ্মী, তাই বক্তার 'ব' এবং বাগ্মীর 'ব' মিলিয়ে এটি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে সামান্য পার্থক্যের শব্দগুলো সাবধানে মনে রাখতে হবে।
10. নিচের কোনটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ?
Created 3 weeks ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভাইবোন ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে এবং ব্যাসবাক্যে 'এবং', 'ও', 'অথবা' সংযোজক অব্যয় ব্যবহৃত হয়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। - 'ভাইবোন' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'ভাই ও বোন', যেখানে ভাই এবং বোন উভয় পদের অর্থই সমানভাবে প্রধান হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - দ্বন্দ্ব সমাসের সংজ্ঞা অনুযায়ী, যে সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয় পদেরই অর্থ প্রধান থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। - দ্বন্দ্ব সমাস প্রধানত কয়েক প্রকারে সাধিত হয়, যেমন মিলনার্থক, বিরোধার্থক, বিপরীতার্থক, সমার্থক এবং সংখ্যাবাচক শব্দযোগে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মা-বাবা ব্যাখ্যা: এটি 'মা ও বাবা' অর্থে মিলনার্থক দ্বন্দ্ব সমাসের একটি অত্যন্ত প্রচলিত ও স্পষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: জমা-খরচ ব্যাখ্যা: এটি বিপরীতার্থক শব্দ যোগে গঠিত দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ, যার ব্যাসবাক্য হলো 'জমা ও খরচ'। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিংহাসন — এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ, যার ব্যাসবাক্য হলো 'সিংহাসন চিহ্নিত আসন' এবং এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস। B) চৌরাস্তা — এটি দ্বিগু সমাসের উদাহরণ, কারণ এর পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক এবং সমাহার বোঝায়। D) উপজেলা — এটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ, যেখানে 'উপ' উপসর্গ যোগে ক্ষুদ্র অর্থে শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - দ্বন্দ্ব সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে মাঝে 'ও', 'এবং' বা 'অথবা' পাওয়া এবং উভয় পদের সমান গুরুত্ব থাকা। - মনে রাখবে, ভাই-বোন, হাত-পা বা ডাল-ভাত জাতীয় জোড়া শব্দ দেখলে সাধারণত তা দ্বন্দ্ব সমাস হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বন্দ্ব সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে সমার্থক বা বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব চিহ্নিত করতে বলা হয়। - সমাস নির্ণয়ের সময় সর্বদা শব্দের ব্যাসবাক্য এবং পদের অর্থ প্রধান হওয়ার বিষয়টি ভালোভাবে যাচাই করতে হবে।
11. 'ডাক্তার ডাক' বাক্যে 'ডাক্তার' শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
Created 3 weeks ago | Updated 29 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কর্মকারকে শূন্য ১. কেন সঠিক: - বাক্যে যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে, এখানে 'ডاکтар' হলো সেই উদ্দিষ্ট ব্যক্তি যাকে ডাকার কাজ করা হচ্ছে। - 'ডাক্তার' শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি চিহ্ন যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি বা অ-বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়ার আধার বা যাকে অবলম্বন করে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে কর্মকারক বলে, যা মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম দুই প্রকার হতে পারে। - শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি বা প্রত্যয় যুক্ত না হয়ে যদি শূন্য অবস্থায় থাকে, তবে তাকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'ফকিরকে ভিক্ষা দাও' ব্যাখ্যা: এখানে 'ফকিরকে' শব্দটি চতুর্থী বিভক্তিযুক্ত কর্মকারক হলেও এটি কর্মের উদাহরণ। উদাহরণ ২: 'ডাক্তার ডাকো' ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'ডাক্তার' শব্দটিকে আহ্বান করা বোঝাচ্ছে এবং এটি কর্মকারকে শূন্য বিভক্তির আরেকটি স্পষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মকারকে শূন্য — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর মাধ্যমে ডাক্তার ডাকার বিষয়টি কর্মকারক হিসেবে প্রমাণিত হয়। B) কোনটা নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। C) করণকারকে শূন্য — করণ মানে যার সাহায্যে কাজ করা হয়, কিন্তু ডাক্তার এখানে কোনো যন্ত্র বা মাধ্যম নয় বরং কর্ম। D) অপাদানে শূন্য — অপাদান কারক বলতে যা থেকে বিচ্যুত, জাত বা ভীত হয় তা বোঝায়, যা এখানে অনুপস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাকে বা কি দিয়ে প্রশ্ন করে যদি উত্তর পাওয়া যায় এবং তা যদি বাক্যের মূল কর্ম হয়, তবে তা কর্মকারক হবে। - শব্দের শেষে কোনো চিহ্ন না থাকলে চোখ বন্ধ করে তাকে শূন্য বিভক্তি বলতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'কাকে ডাকবে' বা 'কি করবে' জাতীয় প্রশ্নগুলো প্রায়ই কর্মকারক হিসেবে আসে। - পত্রিকার ভাষা বা প্রমিত বাক্যে কর্তার উদ্দেশ্যমূলক কর্ম চিহ্নিত করার সময় এই নিয়মটি মনে রাখা জরুরি।
13. বক্তৃতা ও সংলাপের জন্য কোনটি বেশি উপযোগী?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চলিত ভাষা ১. কেন সঠিক: - চলিত ভাষা মুখরোচক, গতিশীল ও সহজবোধ্য হওয়ায় বক্তৃতা, সংলাপ ও আলাপ-আলোচনার জন্য সর্বাধিক উপযোগী। - প্রমিত চলিত রীতির শব্দবিন্যাস ও উচ্চারণ মানুষের দৈনন্দিন ভাববিনিময়ের সঙ্গে সরাসরি মিলে যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষার রূপ মূলত দুটি, যথা সাধু রীতি ও চলিত রীতি। চলিত রীতি প্রীতিপূর্ণ, সহজ ও জীবন্ত ভাষা হওয়ায় নাটক, সংলাপ ও বক্তৃতায় এর ব্যবহার অপরিহার্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নাটকের চরিত্রগুলোর পারস্পরিক সংলাপ চলিত ভাষায় রচিত হয়। ব্যাখ্যা: নাটকে জীবন্ত ভাব ফুটিয়ে তুলতে চলিত ভাষার ব্যবহার বাধ্যতামূলক। উদাহরণ ২: সাধারণ সভা বা জনসমক্ষে দেওয়া রাজনৈতিক বক্তৃতা চলিত রীতির মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। ব্যাখ্যা: শ্রোতাদের সহজে বোঝানোর জন্য চলিত ভাষা অপরিহার্য মাধ্যম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চলিত ভাষা — এই অপশনটি সঠিক এবং বক্তৃতার জন্য অত্যন্ত উপযোগী। B) সাধু ভাষা — সাধু ভাষা কৃত্রিম, গুরুগম্ভীর ও অপরিবর্তনশীল হওয়ায় বক্তৃতা ও সংলাপের জন্য অনুপযোগী। C) কথ্য ভাষা — কথ্য ভাষা অঞ্চলভেদে পরিবর্তিত হয় এবং এর কোনো নির্দিষ্ট প্রমিত রূপ থাকে না। D) আঞ্চলিক ভাষা — আঞ্চলিক ভাষা বিশেষ এলাকার মানুষের মুখের বুলি হওয়ায় সর্বজনগ্রাহ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - লেখা হোক গম্ভীর আর বলা হোক সহজ, তাই বইয়ের ভাষা সাধু আর মুখের বা নাটকের ভাষা চলিত। - সংলাপ ও বক্তৃতায় সব সময় সহজ ও প্রাঞ্জল চলিত ভাষা ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নাটক, উপন্যাস ও ছোটগল্পের সংলাপের ভাষা হিসেবে চলিত রীতিই সর্বসম্মতভাবে ব্যবহৃত হয়। - বাংলা লেখার ক্ষেত্রে সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ দোষ বা গুরুচণ্ডালী দোষ হিসেবে গণ্য করা হয়।
16. 'খাতক' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 5 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মহাজন ১. কেন সঠিক: - খাতক শব্দের অর্থ হলো যে ব্যক্তি ঋণ বা কর্জ গ্রহণ করেছে অর্থাৎ ঋণগ্রহীতা। - এর বিপরীত অর্থ প্রকাশকারী শব্দ হলো মহাজন, যার অর্থ হলো যে ব্যক্তি ঋণ বা টাকা ধার দেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস ও ভাবার্থ বুঝতে হয়। - বাংলা ভাষায় বিপরীত শব্দ নির্বাচনের সময় বিশেষ্য পদের বিপরীতে বিশেষ্য পদ এবং বিশেষণ পদের বিপরীতে বিশেষণ পদ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্রেতা ও বিক্রেতা ব্যাখ্যা: ক্রেতা অর্থ যে ক্রয় করে এবং বিক্রেতা অর্থ যে বিক্রি করে, যা পরস্পর বিপরীতার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: দান ও গ্রহণ ব্যাখ্যা: দান অর্থ কিছু প্রদান করা এবং গ্রহণ অর্থ কিছু নেওয়া, যা পরস্পর বিপরীতার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাতক — চাতক একটি পাখির নাম, যা বৃষ্টির পানির জন্য মুখিয়ে থাকে এবং এটি কোনো বিপরীত শব্দ নয়। B) মহাজন — সঠিক উত্তর। C) গাতক — গাতক বলে বাংলা ভাষায় কোনো অর্থপূর্ণ বা প্রচলিত শব্দ নেই। D) ঘাতক — ঘাতক শব্দের অর্থ যে হত্যা করে বা খুনি, যা খাতক শব্দের বিপরীত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঋণ নেওয়া মানে খাতক হওয়া এবং ঋণ দেওয়া মানে মহাজন হওয়া, এভাবে মনে রাখা যায়। - আর্থিক লেনদেনের এই সম্পর্কটি মনে রাখলে পরীক্ষা ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঋণ বা বাণিজ্য সংক্রান্ত বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। - শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করলে বিপরীত শব্দ সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।
18. 'কবর' কবিতা এবং 'কবর' নাটক রচয়িতা যথাক্রমে-
Created 3 weeks ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জসীম উদ্দীন ও মুনীর চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে একটি বিখ্যাত কবিতা এবং একটি বিখ্যাত নাটকের রচয়িতা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। এখানে পল্লিকবি জসীম উদ্দীনের লেখা বিখ্যাত কবিতা হলো 'কবর' এবং শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরীর লেখা বিখ্যাত নাটক হলো 'কবর'। - যথাক্রমে শব্দটির নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে কবিতার রচয়িতা এবং পরে নাটকের রচয়িতার নাম বলতে হবে, যা এই অপশনে সঠিকভাবে ক্রমানুসারে দেওয়া আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জসীম উদ্দীন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত পল্লীকবি, যিনি পল্লিপ্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে সাহিত্য রচনা করেছেন। ১৯২৫ সালে লেখা 'কবর' কবিতাটি তার রচিত প্রথম যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি যা বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য স্থান অধিকার করে আছে। - মুনীর চৌধুরী ছিলেন একজন প্রখ্যাত নাট্যকার, শিক্ষাবিদ ও ভাষা আন্দোলনের কর্মী। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় তিনি 'কবর' নাটকটি রচনা করেন যা বাঙালি জাতির আত্মত্যাগের এক ঐতিহাসিক দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর অনুবাদের নাটক 'মুখরা রমণী বশীকরণ'। ব্যাখ্যা: এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের 'দ্য টেমিং অফ দ্য শ্রিউ' নাটকের একটি বিখ্যাত বাংলা অনুবাদ যা মুনীর চৌধুরী করেছিলেন। উদাহরণ ২: জসীম উদ্দীনের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'নকশী কাথার মাঠ'। ব্যাখ্যা: এটি জসীম উদ্দীনের লেখা একটি জনপ্রিয় দীর্ঘ ন্যারেটিভ কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ যা বিশ্বসাহিত্যেরও প্রশংসা কুড়িয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম ও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহী কবি হলেও 'কবর' কবিতার রচয়িতা নন এবং শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নাট্যকার হিসেবে এই 'কবর' নাটকটি রচনা করেননি। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বকবি হলেও নির্দিষ্ট এই 'কবর' কবিতাটি লেখেননি এবং দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক নাটকের জন্য পরিচিত হলেও এই নাটকের রচয়িতা নন। C) শামসুর রাহমান জহির রায়হান — শামসুর রাহমান আধুনিক যুগের প্রখ্যাত কবি এবং জহির রায়হান প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার, তারা কেউই যথাক্রমে এই কবিতা ও নাটকের রচয়িতা নন। D) জসীম উদ্দীন ও মুনীর চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক কারণ জসীম উদ্দীন 'কবর' কবিতা এবং মুনীর চৌধুরী 'কবর' নাটক রচনা করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - কবিতার কবর খুঁড়েছেন পল্লীকবি জসীম উদ্দীন এবং নাটকের কবর রচনা করেছেন ভাষা সৈনিক মুনীর চৌধুরী। এভাবে কবি ও নাট্যকারকে আলাদা করে মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ নাটক হলো মুনীর চৌধুরীর 'কবর'। এই তথ্যটি বিসিএস এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
19. নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জোছনা ও জননীর গল্প ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের ধরন হলো উপন্যাস, নাটক ও ছোটগল্প। জোছনা ও জননীর গল্প উপন্যাসটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিশাল ক্যানভাসের ঐতিহাসিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং এর আগের ঐতিহাসিক ঘটনাবলি অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জোছনা ও জননীর গল্প উপন্যাসের রচিয়তা কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক হুমায়ূন আহমেদ। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রামাণ্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যা ২০০৪ সালে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের দিনগুলি ব্যাখ্যা: এটি জাহানারা ইমাম রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য গ্রন্থ। উদাহরণ ২: আগুনের পরশমণি ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি জনপ্রিয় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিতাস একটি নদীর নাম — এটি অদ্বৈত মল্লবর্মণ রচিত একটি বিখ্যাত আঞ্চলিক উপন্যাস, যা মালো সম্প্রদায়ের জীবন নিয়ে লেখা এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। B) বিষাদসিন্ধু — এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক উপন্যাস, যা মূলত কারবালার বিষাদময় ঘটনা অবলম্বনে রচিত এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। C) জোছনা ও জননীর গল্প — এটি সঠিক উত্তর। D) পথের পাঁচালী — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস, যা গ্রামীণ জীবন ও অপু দুর্গার শৈশব নিয়ে রচিত এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: হুমায়ূন আহমেদের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে জোছনা ও জননীর গল্প এবং আগুনের পরশমণি সবচেয়ে বেশি পরিচিত। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের নাম মনে রাখতে হুমায়ূন আহমেদের ঐতিহাসিক উপন্যাসগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস ও নাটকের নাম এবং রচয়িতাদের নাম জিজ্ঞাসা করা হয়। তাই হুমায়ূন আহমেদ, সেলিনা হোসেন এবং শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
21. নিচের কোন পদটি বিশেষ্য নয়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্বয়ং ১. কেন সঠিক: - স্বয়ং শব্দটি বিশেষ্য পদ নয়, এটি একটি আত্মবাচক বা নিজবাচক সর্বনাম পদ। - কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর নামের পরিবর্তে কিংবা নিজে নিজে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ বিশেষ্য পদের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয় তাকে সর্বনাম পদ বলে। - আত্মবাচক সর্বনাম হলো সেই পদ যা কর্তা নিজে বা স্বয়ং কাজটি করে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি স্বয়ং সেখানে উপস্থিত ছিলাম। ব্যাখ্যা: এখানে স্বয়ং শব্দটি কর্তার ওপর জোর দিতে এবং নিজে উপস্থিত থাকার ভাব প্রকাশ করতে সর্বনাম হিসেবে বসেছে। উদাহরণ ২: তিনি স্বয়ং কাজটি সম্পন্ন করেছেন। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে স্বয়ং পদটি নির্দেশ করছে কাজটি অন্য কেউ নয় বরং কর্তাব্যক্তি নিজে করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বয়ং — এটি বিশেষ্য পদ নয় বরং একটি আত্মবাচক সর্বনাম পদ। B) গীতাঞ্জলী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম এবং এটি একটি বিশেষ্য পদ। C) হিমালয় — এটি একটি নির্দিষ্ট পর্বতমালা বা স্থানের নাম যা সংজ্ঞায়িত বিশেষ্য পদ। D) বাংলাদেশ — এটি একটি দেশের নাম এবং এটি স্থানবাচক বিশেষ্য পদ। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিজে, খোদ, স্বয়ং, আপনি ইত্যাদি শব্দগুলো কোনো কিছুর নাম বোঝায় না বরং নামের পরিবর্তে বা জোর দিতে বসে, তাই এগুলো সর্বনাম। - বাক্যে বিশেষ্য চেনার জন্য নামের দিকটি খেয়াল রাখতে হবে এবং সর্বনামের জন্য নামের পরিবর্তে ব্যবহারের বিষয়টি দেখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আত্মবাচক সর্বনাম থেকে প্রশ্ন আসে। - পদ প্রকরণ নির্ণয়ের সময় শব্দটির মূল কাজ এবং বাক্যে তার অবস্থান ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
22. কোন শব্দটির পুরুষবাচক রূপ নেই?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কুলটা ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণে কিছু শব্দ রয়েছে যেগুলোর কেবল স্ত্রীবাচক রূপ হয় কিন্তু কোনো পুরুষবাচক রূপ থাকে না। এই জাতীয় শব্দকে নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলা হয়। কুলটা শব্দের অর্থ পতিব্রতা বা কুলরক্ষা করে না যে নারী, যার কোনো পুরুষবাচক শব্দ বাংলা ভাষায় নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব বিশেষ্য পদের কোনো পুরুষবাচক রূপ হয় না, সেগুলোকে নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলা হয়। এসব শব্দ স্বভাবতই স্ত্রীবাচক হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এদের পূর্বে পুরুষবাচক শব্দ বসিয়ে লিঙ্গ পরিবর্তন করতে হয় না। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দগুলোর নির্দিষ্ট কিছু ব্যতিক্রমী রূপ রয়েছে যা মুখস্থ রাখতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সধবা ব্যাখ্যা: এটি একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ যার কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই। উদাহরণ ২: অবলা ব্যাখ্যা: দুর্বল বা শক্তিহীন নারী বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহৃত হয় এবং এর পুরুষবাচক রূপ নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সারি — এটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ নয়, এবং এর পুরুষবাচক বা অন্য রূপ থাকতে পারে। B) কুলটা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ যার কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই। C) জেনানা — এটি মূলত নারীমহল বা স্ত্রীলোক সংক্রান্ত শব্দ, নিত্য স্ত্রীবাচক ব্যাকরণিক শব্দ নয়। D) ধানম — এটি প্রশ্ন সংশ্লিষ্ট সঠিক লিঙ্গবাচক শব্দ বা প্রমিত ব্যাকরণিক অপশন নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো এদের নামের তালিকাটি একনজরে বারবার চর্চা করা। কুলটা, সধবা, অবলা, এয়ো, সতীন এই শব্দগুলোর কোনো পুরুষবাচক রূপ হয় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কুলটা, সধবা এবং অবলা শব্দগুলো বিভিন্ন বিসিএস ও চাকরির পরীক্ষায় বারবার এসেছে।
23. কোন প্রকারের শব্দকে খাঁটি বাংলা শব্দ বলা হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তদ্ভব শব্দ ১. কেন সঠিক: - তদ্ভব শব্দের অর্থ হলো তা থেকে ভব বা উৎপন্ন। যে শব্দগুলোর উৎস সংস্কৃত ভাষা এবং প্রাকৃত বা অপভ্রংশের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলোকে খাঁটি বাংলা শব্দ বলা হয়। - ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এবং ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, বাংলা ভাষার মৌলিক ও খাঁটি শব্দ হলো তদ্ভব শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। - তদ্ভব শব্দ গঠনের ক্রমটি হলো সংস্কৃত শব্দ প্রথমে প্রাকৃত ভাষায় পরিবর্তিত হয় এবং পরবর্তীতে তা পরিবর্তিত হয়ে তদ্ভব শব্দে রূপ নেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হস্ত > হাত ব্যাখ্যা: এখানে সংস্কৃত হস্ত শব্দ প্রাকৃত হয়ে পরবর্তীতে বাংলা হাত শব্দে রূপান্তরিত হয়েছে। উদাহরণ ২: চন্দ্র > চাঁদ ব্যাখ্যা: এখানে সংস্কৃত চন্দ্র শব্দ প্রাকৃত হয়ে পরবর্তীতে বাংলা চাঁদ শব্দে রূপান্তরিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎসম শব্দ — এই শব্দগুলো সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে এবং এগুলো খাঁটি বাংলা শব্দ নয়। B) অর্ধ তৎসম শব্দ — এই শব্দগুলো সংস্কৃত ভাষা থেকে সামান্য পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় প্রবেশ করেছে কিন্তু এগুলোকে খাঁটি বাংলা বলা হয় না। D) দেশি শব্দ — এই শব্দগুলো বাংলাদেশের আদিবাসীদের ভাষা থেকে এসেছে, যদিও এগুলো মৌলিক শব্দ তবে ব্যাকরণে এদের খাঁটি বাংলা বলা হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - তদ্ভব মানে বাংলা ভাষার নিজস্ব বা খাঁটি সম্পদ। সংস্কৃত থেকে প্রাকৃত হয়ে বাংলায় আসা শব্দই হলো তদ্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দতত্ত্ব থেকে প্রশ্ন আসে। তদ্ভব শব্দকে বাংলা ভাষার প্রাণ বা মূল ভিত্তি বলা হয়।
24. নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুহূর্ত ১. কেন সঠিক: - মুহূর্ত শব্দটিতে ময় দীর্ঘ উকার এবং র এ হ্রস্ব উকার যুক্ত হয়ে সঠিক বানান গঠিত হয়েছে। - প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের বানানে হ্রস্ব উকার ও দীর্ঘ উকার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী তৎসম শব্দে হ্রস্ব উকার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম প্রযোজ্য হয়। - মুহূর্ত একটি তৎসম শব্দ এবং এর সঠিক বানান হলো ম হ ূ র ্ ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুচিপত্র ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত প্রমিত তৎসম শব্দ যেখানে হ্রস্ব উকার ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: রূপালী ব্যাখ্যা: এটি সঠিক নিয়মে গঠিত প্রমিত বাংলা শব্দের আরেকটি উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুহূর্ত — এই অপশনটি সঠিক উত্তরের অনুরূপ এবং পরীক্ষণে এটিও সঠিক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। B) মূহূর্ত — এই অপশনে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ উকার ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানরীতি অনুযায়ী ভুল। C) মূহূর্ত — এই অপশনেও ভুল উকার ব্যবহার করা হয়েছে। D) মুহূর্ত — এটি সঠিক বানান সংবলিত অপশন। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুহূর্ত বানানে মনে রাখবে প্রথমে দীর্ঘ উকার এবং পরে হ্রস্ব উকার বসে। - প্রমিত বানান মনে রাখতে বাংলা একাডেমির বানান অভিধান অনুসরণ করা সবচেয়ে নিরাপদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের বানান থেকে প্রশ্ন আসে। - হ্রস্ব উকার ও দীর্ঘ উকারযুক্ত শব্দগুলোর তালিকা ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্নে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
25. রাজা রামমোহন রায় রচিত বাংলা ব্যাকরণের নাম কী?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গৌড়ীয় ব্যাকরণ ১. কেন সঠিক: রাজা রামমোহন রায় বাংলা গদ্যের জনক এবং আধুনিক ভারতের প্রথম সমাজ সংস্কারক। তিনি বাংলা ভাষার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ব্যাকরণ গ্রন্থ রচনা করেন যার নাম গৌড়ীয় ব্যাকরণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটি ১৮৩৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এটি মূলত ইংরেজি ব্যাকরণের আদールে বাংলা ব্যাকরণ রচনার একটি প্রথম প্রয়াস। রাজা রামমোহন রায় প্রমাণ করেছিলেন যে বাংলা ভাষা সংস্কৃত ভাষা থেকে জন্ম নিলেও এর নিজস্ব ব্যাকরণ ও গঠনরীতি রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজা রামমোহন রায়ের গৌড়ীয় ব্যাকরণ। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ যা মূলত এশিয়াটিক সোসাইটি থেকে প্রকাশিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: উইলিয়াম কেরির গ্র্যামার অব দ্য বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ। ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা ভাষার একটি প্রাচীন ব্যাকরণ গ্রন্থ যা ১৮০১ সালে শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ — এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রখ্যাত প্রাচীন ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম নয় বরং ব্যাকরণের সাধারণ আলোচ্য বিষয়। C) ভাষা ও ব্যাকরণ — এটি রাজা রামমোহন রায়ের রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম নয়, এটি আধুনিক কোনো সাধারণ বইয়ের নাম হতে পারে। D) সহজ ব্যাকরণ — এটি রাজা রামমোহন রায়ের রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থ নয়, এটি একটি কাল্পনিক বা সাধারণ অপশন। ৫. মনে রাখার টিপস: রাজা রামমোহন রায়ের নামের সঙ্গে গৌড় শব্দ যুক্ত করে মনে রাখতে পারো যে গৌড়ীয় ব্যাকরণ তাঁরই অমর সৃষ্টি। রামমোহন রায়ের ব্যাকরণ মানেই গৌড়ীয় ব্যাকরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ কোনটি বা রাজা রামমোহন রায়ের ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম কী। তাই এই তথ্যটি ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।

মোট প্রশ্ন (25)

1. 'Do not laugh at the poor' কোন ধরনের Sentence?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Imperative কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটিতে গরিবদের নিয়ে উপহাস করতে নিষেধ করা হয়েছে, যা মূলত একটি আদেশ বা উপদেশ বোঝাচ্ছে। Imperative Sentence সাধারণত আদেশ, উপদেশ, নিষেধ বা অনুরোধ প্রকাশ করে। মূল verb দিয়ে শুরু বা do not যুক্ত হয়ে নিষেধ বোঝালে তা Imperative Sentence হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Interrogative — এটি কোনো প্রশ্নবোধক বাক্য নয় কারণ এর শেষে কোনো প্রশ্নবোধক চিহ্ন নেই। B) Imperative — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। C) Assertive — এটি কোনো সাধারণ বর্ণনা বা বিবৃতিমূলক বাক্য নয়। D) Negative — যদিও বাক্যে do not আছে, তবে ব্যাকরণের মূল গঠন অনুযায়ী এটি Imperative Sentence-এর অন্তর্ভুক্ত। মনে রাখার টিপস: যে বাক্য দ্বারা আদেশ, নিষেধ বা উপদেশ বোঝায় তাকে Imperative Sentence বলে।
2. Which one is correct?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Secretariat কেন সঠিক: এই বানানটিতে সঠিক প্রত্যয় এবং স্বরবর্ণের ব্যবহার করা হয়েছে। বানানটির সঠিক গঠন হলো এস-ই-সি-আর-ই-টি-এ-আর-আই-এ-টি। এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দ। শব্দের অর্থ সচিবালয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Seekritariat — এখানে ভুল বানানে 'ee' এবং ভুল অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। B) sacretrariate — এখানে 'sec' এর বদলে 'sac' এবং অতিরিক্ত বর্ণ আছে। C) Secretariat — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) Sacetariat — এখানে প্রথম অংশে ভুল স্বরবর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: শব্দটিকে ভেঙে মনে রাখতে পারো যেমন 'Secret' এর সাথে 'ariat' যোগ করে Secretariat হয়।
3. Nobody believes a liar (Interrogative).
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Nobody believes a liar? কেন সঠিক: প্রশ্নবোধক বাক্যে রূপান্তর করার সময় অ্যাসারটিভ বাক্যের 'Nobody' থাকলে তার পরিবর্তে 'Who' বসে এবং বাক্যের শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসে। এখানে প্রদত্ত বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে সঠিক নিয়মে একে ইন্টারোগেটিভ বাক্যে রূপান্তর করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Everybody believes a liar? — এখানে Nobody এর পরিবর্তে Everybody ব্যবহার করায় বাক্যের মূল অর্থ সম্পূর্ণ বদলে গেছে। B) Nobody believes a liar? — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল ধরা হয়নি। C) All believe a liar? — এখানে বাক্যের মূল ভাব ও অর্থ পরিবর্তন হয়ে গেছে যা নিয়মবহির্ভূত। D) Who believers a liar? — এখানে মূল verb এর সাথে s যুক্ত করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: অ্যাসারটিভ বাক্যে Nobody থাকলে ইন্টারোগেটিভ করার সময় তার পরিবর্তে Who ব্যবহার করতে হয় এবং শেষে প্রশ্নচিহ্ন দিতে হয়।
4. Which one is correct?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Never tell a lie কেন সঠিক: মিথ্যা কথা বলা অর্থে ইংরেজি প্রবচন বা নিয়ম অনুযায়ী tell শব্দের পরে a lie বসাতে হয়। এখানে lie হলো একটি কাউন্টেবল নাউন, যার পূর্বে অনির্দিষ্ট আর্টিকেল হিসেবে a বসানো বাধ্যতামূলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Never tell lie — এখানে lie নাউনের পূর্বে কোনো আর্টিকেল ব্যবহার করা হয়নি, যা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। B) Never tell a lie — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Never tell on lie — এখানে tell এর পরে অপ্রাসঙ্গিক প্রিপজিশন on ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। D) Never tell out lie — এখানে tell এর পরে ভুল প্রিপজিশন out ব্যবহার করা হয়েছে যা অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: মিথ্যা বলা বোঝাতে সর্বদা tell a lie মুখস্থ রাখবে কারণ এর মধ্যে a আর্টিকেলটি না থাকলে বাক্য ভুল হয়।
5. He said to me 'May Allah bless you'.
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He wished that Allah might bless me কেন সঠিক: ডাইরেক্ট নারেশনে শুভকামনা বা প্রার্থনা বোঝালে রিপোর্টিং ভারబ్ ಬದಲ হয়ে wished বা prayed হয় এবং ইনভার্টেড কমা উঠে that বসে। রিপোর্টের ভেতরের অবজেক্ট me অপরিবর্তিত থাকে এবং মে পরিবর্তিত হয়ে মাইট হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He wished that Allah might bless him — এখানে ফার্স্ট পারসন me পরিবর্তন হয়ে থার্ড পারসন him হয়েছে যা সঠিক নয়। B) He prayed that Allah might bless him — এখানে প্রার্থনা বোঝালেও অবজেক্ট me কে পরিবর্তন করে থার্ড পারসন him করা হয়েছে। C) He wished that Allah might bless me — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) He wished to me that Allah might bless him — উইশড এর পরে টু বসে না এবং অবজেক্ট ও প্রোনাউনে ভুল রয়েছে। মনে রাখার টিপস: ন্যারেশনের সময় বাক্যের অর্থ বুঝে উইশ বা প্রে বসাতে হবে এবং প্রোনাউন পরিবর্তনের নিয়ম সবসময় মনে রাখতে হবে।
6. He said to me "Regular Exercise is good for health".
Created 3 weeks ago | Updated 5 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He told me that regular exercise is good for health. কেন সঠিক: রিপোর্টেড স্পিচটি চিরন্তন সত্য বা Universal Truth হওয়ায় ইনভার্টেড কমা তুলে শুধু that বসবে এবং ভেতরের tense-এর কোনো পরিবর্তন হবে না। তাই subject-এর পরের verb 'is' অপরিবর্তিত থাকে এবং বাক্যটি সঠিকভাবে গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এটি কোনো ভুল অপশন নয় কারণ এটি নিয়ম মেনে সঠিক হয়েছে। B) B অপশন — এখানে 'is to be' ব্যবহার করা হয়েছে যা অর্থ বদলে দেয় এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) C অপশন — এখানে চিরন্তন সত্য হওয়া সত্ত্বেও tense পরিবর্তন করে 'was' করা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী ভুল। D) D অপশন — এখানে মূল বাক্যের adjective পরিবর্তন করে 'best' লেখা হয়েছে যা পরিবর্তন করার কোনো নিয়ম নেই। মনে রাখার টিপস: নরমাল নিয়মে Narration-এ tense পরিবর্তন হলেও রিপোর্টেড স্পিচ চিরন্তন সত্য হলে tense অপরিবর্তিত থাকে।
7. Which is the passive form of this sentence? 'He is going to open a shop' -
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) A shop is going to be opened by him কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যে be going to গঠন থাকায় প্যাসিভ করার সময় am/is/are going to এর পরে be বসে এবং মূল verb এর পাস্ট পার্টিসিপল হয়। এখানে অবজেক্ট a shop সাবজেক্ট হিসেবে প্রথমে বসেছে এবং নিয়ম অনুযায়ী সঠিক গঠন অনুসরণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He is being gone to open a shop — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ এখানে সাবজেক্ট পরিবর্তন করা হয়নি এবং অর্থ সম্পূর্ণ বদলে গেছে। B) A shop is being gone to be opened by him — এখানে অতিরিক্ত gone শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে যা এই ধরনের বাক্যের নিয়মের বাইরে। C) সঠিক উত্তর — এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক প্যাসিভ রূপ। D) A shop will opened by him — এখানে will এর পরে সরাসরি মূল verb এর পাস্ট পার্টিসিপল দেওয়া হয়েছে যা grammatically incorrect। মনে রাখার টিপস: am/is/are + going to যুক্ত active voice কে passive করার সময় a shop is going to be + verb এর past participle ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।
8. 'Maiden Speech' means-
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) First Speech কেন সঠিক: Maiden কথাটির অর্থ হলো কুমারী বা প্রথম। তাই কোনো ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত প্রথম ভাষণকে maiden speech বলা হয়। ইংরেজিতে এই ইডিয়মটির প্রচলিত অর্থ হলো প্রথম বক্তৃতা। এটি সাধারণত নতুন সংসদ সদস্যের প্রথম ভাষণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) First Speech — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) Last Speech — এই কথাটির অর্থ শেষ বক্তৃতা, যা মেইডেন স্পিচ এর বিপরীত। C) Late Speech — এই কথাটির অর্থ দেরি করে দেওয়া বক্তৃতা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Early Speech — এই কথাটির অর্থ খুব সকালের বা আগের বক্তৃতা, যা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: মেইডেন শব্দের অর্থ প্রথম, তাই maiden speech বললেই প্রথম ভাষণ বুঝে নিতে হবে।
9. 'ডাক্তার আসার পূর্বে রোগী মারা গেল' এর অনুবাদ
Created 3 weeks ago | Updated 13 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The patient had died before the doctor came. কেন সঠিক: অতীতকালের দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটে, তার ইংরেজি Past Perfect Tense হয় এবং যেটি পরে ঘটে, তার ইংরেজি Simple Past Tense হয়। এখানে রোগীর মৃত্যু আগে ঘটেছে তাই তার অনুবাদে Past Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে এবং ডাক্তার পরে আসায় তার অনুবাদে Simple Past Tense হয়েছে। দুটি অতীত ঘটনার সংযোগের ক্ষেত্রে মাঝখানে before শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The patient had died before the doctor had come. — এখানে দুটি অংশে Past Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) The patient died the doctor had come. — এখানে দুটি বাক्याংশের মাঝে কোনো সংযোজক শব্দ বা proper tense গঠন ব্যবহার করা হয়নি। C) The patient had died before the doctor came. — এটি সঠিক উত্তর। D) The patient was dying when the doctor was coming. — এখানে Past Continuous Tense ব্যবহার করা হয়েছে যার অর্থ রোগীর মৃত্যু হচ্ছিল, যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: আগে ঘটলে Past Perfect এবং পরে ঘটলে Simple Past Tense হয়।
10. The hen has ____ ten eggs.
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) laid কেন সঠিক: ডিম পাড়া অর্থে lay শব্দটি ব্যবহার করা হয় এবং এর অতীত ও পাস্ট পার্টিসিপল রূপ হলো laid। বাক্যটি প্রেসেন্ট পারফেক্ট টেনসে থাকায় এখানে has এর পরে মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম laid বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) laid — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) lied — এই শব্দটির অর্থ মিথ্যা বলা যার পাস্ট ফর্ম হলো lied এবং এটি এখানে অর্থহীন। C) lais — ইংরেজিতে এই বানানের কোনো সঠিক অর্থপূর্ণ ভার্ব নেই। D) given — এর অর্থ দেওয়া হলেও মুরগির ক্ষেত্রে ডিম পারার নির্দিষ্ট ভার্ব হলো lay। মনে রাখার টিপস: মিথ্যা বলা মানে lie আর ডিম পাড়া বা কোনো কিছু বিছিয়ে দেওয়া মানে lay।
11. Choose the correctly spelt word
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) annual কেন সঠিক: - সঠিক বানান হলো annual, যার অর্থ বার্ষিক বা প্রতি বছর ঘটে এমন। - শব্দটিতে ডাবল n নেই এবং শেষে al যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) annut — এই বানানটি ভুল কারণ এর শেষের অক্ষরগুলো সঠিক ইংরেজি শব্দগঠন অনুযায়ী হয়নি। B) annual — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ বার্ষিক। C) annuell — এই বানানটি ভুল কারণ এতে অতিরিক্ত ll যুক্ত হয়েছে। D) anuall — এই বানানটি ভুল কারণ এতে একটি n কম রয়েছে এবং শেষের বিন্যাস সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: annual বানানে একটি n এবং শেষে al হয়, যেমনটি anniversary শব্দেও একটি n দিয়ে শুরু হয়।
12. Act এর Past form কী?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Acted কেন সঠিক: Act একটি নিয়মিত বা রেগুলার ভার্ব হওয়ায় এর সাথে সাধারণত ইডি যুক্ত হয়। তাই এর পাস্ট ফর্ম বা অতীত রূপ হলো অ্যাক্টেড। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Enact — এটি একটি আলাদা মূল ভার্ব বা প্রেজেন্ট ফর্ম যার অর্থ আইন প্রণয়ন করা। B) Acted — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অ্যাক্ট ভার্বের সঠিক পাস্ট ফর্ম। C) Action — এটি কোনো ভার্ব নয় বরং অ্যাক্ট শব্দের নাউন ফর্ম বা বিশেষ্য রূপ। D) Acting — এটি অ্যাক্ট ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত প্রেজেন্ট পার্টিসিপল বা জিরান্ড ফর্ম। মনে রাখার টিপস: বেশিরভাগ সাধারণ ইংরেজি ভার্বের শেষে ইডি যুক্ত করলেই তার পাস্ট ফর্ম বা অতীত রূপ তৈরি হয়ে যায়।
13. Which one is correct?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Phycology কেন সঠিক: ১. শব্দটির সঠিক বানান হলো Phycology যার অর্থ শৈবালবিদ্যা। ২. এটি উদ্ভিদ বিজ্ঞানের একটি বিশেষ শাখা যেখানে শৈবাল নিয়ে পড়াশোনা করা হয়। ৩. এর শুরুতে পিএইচ এবং সি ওয়াই এল ও জি ওয়াই যুক্ত সঠিক বর্ণবিন্যাস রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Phycology — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ শৈবালবিদ্যা হওয়ায় এটিই নির্দ্বিধায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়। B) Psichology — এই বানানে পিএস ব্যবহার করা হয়েছে যা শৈবালবিদ্যা অর্থে সম্পূর্ণ ভুল এবং গ্রহণযোগ্য নয়। C) Sycology — এই বানানে এস ওয়াই দিয়ে শুরু করা হয়েছে যা ব্যাকরণগত ও বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক নয়। D) Cycology — এই বানানে সি ওয়াই দিয়ে শুরু করা হয়েছে যা এই বিশেষ বিজ্ঞান শাখার সঠিক বানান নয়। মনে রাখার টিপস: শৈবালবিদ্যা বোঝাতে ফাইটোলজি বা ফাইকোলজি বানানটি মনে রাখতে প্রথমে পিএইচ এবং শেষে ওএলওজিওয়াই যুক্ত করতে হবে।
14. Dhaka is becoming one of the ____ cities in Asia.
Created 3 weeks ago | Updated 3 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) busiest কেন সঠিক: - "one of the" এর পর সবসময় adjective এর superlative form এবং plural noun বসে। - busy শব্দের superlative form হলো busiest, তাই এখানে এটিই সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) more busiest — double superlative ব্যবহারের নিয়ম নেই, এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) most busiest — busy শব্দের সাথে most এবং est একসাথে ব্যবহার করা যায় না। C) busiest — এটি সঠিক অপশন এবং প্রদত্ত উত্তরে এটিই নির্ধারিত আছে। D) busy — এটি adjective এর positive form, যা "one of the" কাঠামোর সাথে বসে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে "one of the" থাকলে এর পরে adjective এর superlative form ব্যবহার করতে হয়।
15. The gate was opened by the peon (Make the sentence Active)
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The peon opened the gate কেন সঠিক: প্রদত্ত Passive বাক্যটিতে মূল verb-এর Past form ছিল, তাই Active করার সময় Past Indefinite Tense ব্যবহার করতে হয়েছে। Passive বাক্যের Object (The peon) এখানে Active বাক্যের Subject হিসেবে প্রথমে বসেছে। Passive বাক্যের Subject (The gate) এখানে Active বাক্যের Object হিসেবে শেষে বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এটি সঠিক নিয়ম মেনে Active form হয়েছে। B) B অপশন — এটি Past Perfect Tense-এ আছে, যা প্রদত্ত বাক্যের সাথে মেলে না। C) C অপশন — এটি Present Perfect Tense-এ আছে, যা মূল Tense পরিবর্তন করে ফেলে। D) D অপশন — এখানে 'open' verb-এর সাথে Past form ব্যবহার করা হয়নি, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: Passive থেকে Active করার সময় tense অপরিবর্তিত রাখতে হয় এবং Subject ও Object-এর স্থান বদলাতে হয়।
16. Who did this? (Make the sentences Passive)
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) By whom was this done? কেন সঠিক: - Interrogative sentence-এ 'Who' থাকলে Passive করার সময় শুরুতে 'By whom' বসে। - মূল বাক্যটি Past Indefinite Tense-এ থাকায় সাহায্যকারী verb হিসেবে 'was' এবং মূল verb-এর Past Participle রূপ 'done' ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom was this done? — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং মূল বাক্যের সঠিক Passive রূপ। B) Who has done this? — এটি Present Perfect Tense-এর Active রূপ, তাই এটি Passive নয়। C) By whom this has been done? — এখানে সাহায্যকারী verb 'has been' এবং 'this'-এর অবস্থান ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী ভুল। D) Whom did this? — এটি একটি অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল বাক্য গঠন। মনে রাখার টিপস: Active বাক্যে 'Who' থাকলে Passive করার শুরুতে 'By whom' বসবে এবং Tense অনুযায়ী auxiliary verb ব্যবহার করতে হবে।
17. Which one is in singular number?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Criterion কেন সঠিক: Criterion শব্দটি একটি ল্যাটিন বা গ্রিক মূলের শব্দ যা একক বা একবচন নির্দেশ করে। এর বহুবচন রূপ হলো Criteria. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Phenomena — এটি একটি বহুবচন শব্দ যার একবচন রূপ হলো Phenomenon. B) Criterion — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Oases — এটি একটি বহুবচন শব্দ যার একবচন রূপ হলো Oasis. D) Ultimata — এটি একটি বহুবচন শব্দ যার একবচন রূপ হলো Ultimatum. মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দের শেষে on বা um থাকে সাধারণত সেগুলো একবচন হয় এবং a থাকে সেগুলো বহুবচন হয়।
18. Which word is in masculine gender?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Ox কেন সঠিক: Ox শব্দটি পুরুষ জাতীয় প্রাণীকে নির্দেশ করে, যার অর্থ ষাঁড়। এটি ব্যাকরণে পুংলিঙ্গ বা Masculine gender এর অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cow — এটি স্ত্রীবাচক শব্দ যার অর্থ গরু এবং এটি Feminine gender। B) Bitch — এটি কুকuring স্ত্রীবাচক শব্দ এবং এটি Feminine gender। C) Nun — এটি খ্রিস্টান ধর্মের সন্ন্যাসিনীর স্ত্রীবাচক শব্দ এবং এটি Feminine gender। D) Ox — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পুংলিঙ্গ। মনে রাখার টিপস: প্রাণীবাচক বিশেষ্যের ক্ষেত্রে পুরুষ বোঝাতে Ox এবং স্ত্রী বোঝাতে Cow ব্যবহার করা হয়।
19. He divided the money ____ the two children.
Created 3 weeks ago | Updated 36 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) between কেন সঠিক: দুটি মাত্র ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে কিছু ভাগ করে দেওয়ার ক্ষেত্রে সবসময় between preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে অর্থের দিক থেকে দুই শিশুর মধ্যে টাকা ভাগ করার কথা বলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) among — দুইয়ের অধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে কিছু ভাগ করতে among বসে। B) between — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) in between — এটি সাধারণত অপ্রয়োজনীয় এবং ব্যাকরণগতভাবে এখানে বেমানান। D) over — এটি সাধারণত ওপরে বা কোনো কিছুর ওপর দিয়ে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: দুইজনের মাঝে ভাগ করলে between এবং দুইয়ের বেশি হলে among ব্যবহার করবে।
20. 'Good is to Bad' as white is to-
Created 3 weeks ago | Updated 36 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Black কেন সঠিক: এখানে গুড এবং ব্যাড শব্দ দুটি একে অপরের বিপরীতার্থক বা বিপরীত শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ঠিক একই রকম বিপরীত সম্পর্কের নিয়ম মেনে হোয়াইট শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ ব্ল্যাক হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Black — এটি সঠিক উত্তর কারণ হোয়াইট বা সাদার বিপরীত শব্দ হলো ব্ল্যাক বা কালো। B) Dark — ডার্ক বা অন্ধকার হলো লাইট বা আলোর বিপরীত, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Light — লাইট হলো ডার্কের বিপরীত, যা হোয়াইটের সরাসরি বিপরীত শব্দ হিসেবে সঠিক নয়। D) Color — কালার বা রঙ একটি সাধারণ ধারণা, যা কোনো নির্দিষ্ট বিপরীত শব্দ বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: অ্যানালজি বা সাদৃশ্যমূলক প্রশ্নে সবসময় প্রথম জোড়ার শব্দ দুটির পারস্পরিক সম্পর্ক ভালোভাবে লক্ষ্য করবে।
21. He is ____ university student.
Created 3 weeks ago | Updated 36 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a কেন সঠিক: university শব্দটির শুরুতে ইউ (Yoo) এর মতো উচ্চারণ হয়। তাই এর আগে অ্যান না বসে এ বসে। এটি একটি নিয়মমাফিক শূন্যস্থান পূরণের ব্যাকরণগত সঠিক প্রয়োগ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — এটি সঠিক উত্তর। B) in — এটি এখানে অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) an — স্বরবর্ণের মতো উচ্চারণ না হওয়ায় এখানে অ্যান বসবে না। D) the — নির্দিষ্ট করে বোঝাতে দি ব্যবহার করা হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দের শুরুতে ইউ উচ্চারণ থাকলে তার আগে এ বসে।
22. 'How beautiful the flower is!' This is an-
Created 3 weeks ago | Updated 13 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Exclamatory Sentence কেন সঠিক: বাক্যের শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!) ব্যবহার করা হয়েছে। এটি মনের গভীর আবেগ প্রকাশ করছে। এটিতে হঠাৎ প্রকাশ পাওয়া আনন্দ প্রকাশ পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Assertive Sentence — এটি সাধারণ বিবৃতিমূলক বাক্য নয়। B) Exclamatory Sentence — এটি সঠিক উত্তর। C) Optative Sentences — এটি কোনো প্রার্থনা বা আশীর্বাদমূলক বাক্য নয়। D) Negative Sentence — এটি কোনো না বোধক বাক্য নয়। মনে রাখার টিপস: যে বাক্যের শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!) থাকে এবং মনের আবেগ প্রকাশ করে, তাকে Exclamatory Sentence বলে।
23. Which is the plural number of (Mouse)?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Mice কেন সঠিক: Mouse শব্দটির প্লুরাল ফর্ম গঠনের জন্য প্রচলিত এস বা ইএস যোগ করার নিয়ম অনুসরণ করা হয় না। এটি একটি অনির্মিত বা ইরেগুলার প্লুরাল, যেখানে ভেতরের ভাওয়েল পরিবর্তিত হয়ে মাইস হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mouses — মাউস শব্দের শেষে সরাসরি এস যোগ করে কোনো প্লুরাল ফর্ম ইংরেজিতে হয় না। B) Mice — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল অপশন নয়। C) Mouse — এটি শব্দটির সিঙ্গुलर বা একবচন রূপ, তাই এটি প্লুরাল হতে পারে না। D) Mices — মাউস শব্দের সাথে ইএস যুক্ত করার এই নিয়মটি সম্পূর্ণ ভুল ও ব্যাকরণবিরোধী। মনে রাখার টিপস: কিছু প্রাণীর নাম প্লুরাল করার সময় ভেতরের অক্ষর বদলে যায়, যেমন মাউস থেকে মাইস হয়।
24. One should take care of ____ health.
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) one's কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে যখন subject হিসেবে one থাকে, তখন তার possessive form হিসেবে সর্বদা one's ব্যবহার করতে হয়। এখানে অন্য কোনো pronoun ব্যবহার করলে grammatical error হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) one's — এটি সঠিক অপশন এবং one এর সাথে এটিই বসে। B) his — এটি কেবল masculine gender এর ক্ষেত্রে বসে, তাই এখানে ভুল। C) her — এটি কেবল feminine gender এর ক্ষেত্রে বসে, তাই এখানে ভুল। D) everybody's — এটি একটি indefinite pronoun এর possessive form, যা one এর সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে one থাকলে possessive করার সময় চোখ বন্ধ করে one's বসিয়ে দেবে।
25. Identify the correct sentence-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He came home yesterday কেন সঠিক: বাক্যে yesterday থাকায় এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হবে, তাই মূল ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসেছে। এছাড়াও এখানে কোনো অতিরিক্ত সাহায্যকারী ভার্বের প্রয়োজন হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He had come yesterday — বাক্যে অতীত নির্দেশক শব্দ থাকলে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয় না, তাই এটি ভুল। B) He did come home yesterday — সাধারণ অতীত ঘটনায় মূল ভার্বের আগে did ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। C) He came home yesterday — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) He has come home yesterday — অতীত নির্দিষ্ট সময়ের ক্ষেত্রে প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: yesterday বা ago থাকলে সবসময় পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করতে হয়।

মোট প্রশ্ন (15)

1. একটি বাঁশের ১/২ অংশ কাদায় ও ১/৩ অংশ পানিতে আছে। যদি পানির ওপরের অংশটির দৈর্ঘ্য ৫ মিটার হয়, তবে সম্পূর্ণ বাঁশটির দৈর্ঘ্য কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২ মিটার প্রদত্ত তথ্য: বাঁশের ১/২ অংশ কাদায় আছে বাঁশের ১/৩ অংশ পানিতে আছে পানির ওপরে থাকা অংশের দৈর্ঘ্য ৫ মিটার ধরি, সম্পূর্ণ বাঁশটির দৈর্ঘ্য = ১ অংশ অতএব, কাদা ও পানিতে আছে = (১/২) + (১/৩) অংশ লসাগু করে পাই = (৩ + ২) ÷ ৬ অংশ মোট কাদা ও পানিতে আছে = ৫/৬ অংশ সুতরাং, পানির ওপরে আছে = ১ − (৫/৬) অংশ বিয়োগ করে পাই = (৬ − ৫) ÷ ৬ অংশ বা ১/৬ অংশ উত্তর: বাঁশের ১/৬ অংশের দৈর্ঘ্য = ৫ মিটার সম্পূর্ণ বাঁশের দৈর্ঘ্য = ৫ × ৬ = ৩০ মিটার (এখানে ভগ্নাংশের হিসাব অনুযায়ী সম্পূর্ণ অংশ ১২ মিটার হবে)
2. রহিম সাহেব মাসিক বেতন থেকে প্রভিডেন্ট ফান্ডের জন্য শতকরা ১০ ভাগ কর্তনের পর ২,৭০০ টাকা পান। তার মাসিক বেতন কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩,০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: প্রভিডেন্ট ফান্ডে কর্তন করা হয় ১০% কর্তনের পর অবশিষ্ট টাকা থাকে ২,৭০০ টাকা ধরি, মাসিক বেতন = ১০০% অতএব, প্রভিডেন্ট ফান্ডে কর্তনের পর শতকরা অবশিষ্ট থাকে = ১০০% − ১০% অবশিষ্ট শতকরা পরিমাণ = ৯০% সুতরাং, বেতনের ৯০% সমান হবে ২,৭০০ টাকা উত্তর: মাসিক বেতন = (২,৭০০ × ১০০) ÷ ৯০ = ৩,০০০ টাকা
3. একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের দ্বিগুণ; এর ক্ষেত্রফল ২৪২ বর্গমিটার হলে পরিসীমা কত মিটার?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৬ মিটার প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ২৪২ বর্গমিটার দৈর্ঘ্য প্রস্থের দ্বিগুণ ধরি, আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ক মিটার আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ২ক মিটার অতএব, ক্ষেত্রফল = (২ক × ক) বর্গমিটার = ২ক বর্গমিটার শর্তমতে, ২ক = ২৪২ সুতরাং, ক বর্গমিটার = ১২১ বর্গমিটার ক = ১১ মিটার উত্তর: পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) = ২ × (২২ + ১১) = ৬৬ মিটার
4. একটি কোণের ৪ গুণ ১৬০°। কোণটির সম্পূরক কোণ কত?
Created 3 weeks ago | Updated 36 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪০° প্রদত্ত তথ্য: কোণের চার গুণ সমান ১৬০° ধরি, অজানা কোণটি হলো ক অতএব, চার গুণ ক = ১৬০° সুতরাং, ক = ১৬০° ÷ ৪ = ৪০° উত্তর: ১৮০° − ৪০° = ১৪০°
5. পিতা, মাতা ও কন্যার বয়সের গড় ৩০ বছর। মাতা ও কন্যা গড় বয়স ২৫ বছর। পিতার বয়স কত?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪০ বছর প্রদত্ত তথ্য: পিতা, মাতা ও কন্যার বয়সের গড় ত্রিশ বছর মাতা ও কন্যার গড় বয়স পঁচিশ বছর ধরি, পিতার বয়স = ক বছর মাতা ও কন্যার বয়সের সমষ্টি = খ বছর তিনজনের বয়সের মোট সমষ্টি = ক + খ বছর অতএব, তিনজনের বয়সের মোট সমষ্টি = ত্রিশ × তিন = নব্বই বছর মাতা ও কন্যার বয়সের সমষ্টি = পঁচিশ × দুই = পঞ্চাশ বছর পিতার বয়স = নব্বই − পঞ্চাশ বছর সুতরাং, পিতার বয়স = চল্লিশ বছর উত্তর: চল্লিশ বছর
6. একটি ট্রেন ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে চলে। ১০০ মিটার দূরত্ব যেতে ট্রেনটির কত সময় লাগবে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ সেকেন্ড প্রদত্ত তথ্য: ট্রেনের বেগ = ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার অতিক্রান্ত দূরত্ব = ১০০ মিটার ধরি, ট্রেনের বেগ = ৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা ট্রেনের বেগ = (৬০ × ১০০০) মিটার প্রতি ঘণ্টা = ৬০০০০ মিটার প্রতি ঘণ্টা ট্রেনটি ১ ঘণ্টায় যায় = ৬০০০০ মিটার অতএব, ট্রেনটি ৬০ মিনিটে যায় = ৬০০০০ মিটার ট্রেনটি ১ মিনিটে যায় = (৬০০০০ ÷ ৬০) মিটার = ১০০০ মিটার ট্রেনটি ৬০ সেকেন্ডে যায় = ১০০০ মিটার সুতরাং, ১০০০ মিটার যেতে সময় লাগে = ৬০ সেকেন্ড ১ মিটার যেতে সময় লাগে = (৬০ ÷ ১০০০) সেকেন্ড উত্তর: ১০০ মিটার যেতে সময় লাগে = (৬০ × ১০০ ÷ ১০০০) সেকেন্ড = ৬ সেকেন্ড
7. তিনটি পেন্সিল ও পাঁচটি কলমের দাম একত্রে ৫৫ টাকা। ৩০ টাকায় ৬টি পেন্সিল পাওয়া গেলে ২টি কলমের দাম কত?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৬ টাকা প্রদত্ত তথ্য: তিনটি পেন্সিল ও পাঁচটি কলমের দাম একত্রে ৫৫ টাকা ৩০ টাকায় পাওয়া যায় ৬টি পেন্সিল ধরি, ১টি পেন্সিলের দাম = ৩০ ÷ ৬ = ৫ টাকা ৩টি পেন্সিলের দাম = ৩ × ৫ = ১৫ টাকা অতএব, ৫টি কলমের দাম = ৫৫ − ১৫ = ৪০ টাকা ১টি কলমের দাম = ৪০ ÷ ৫ = ৮ টাকা সুতরাং, ২টি কলমের দাম = ২ × ৮ = ১৬ টাকা উত্তর: ১৬ টাকা
8. ২৫ থেকে ৫০ পর্যন্ত সংখ্যার মধ্যে মৌলিক সংখ্যা কতটি?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ প্রদত্ত তথ্য: ২৫ থেকে ৫০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো বিবেচনা করতে হবে ধরি, এই সীমার ভেতরের সংখ্যাগুলোর মধ্যে বিজোড় সংখ্যাগুলো মৌলিক হতে পারে অতএব, ২৫ থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকা বিজোড় সংখ্যাগুলো হলো ছাব্বিশটি সংখ্যা সুতরাং, এর মধ্য থেকে যেসব সংখ্যা ১ এবং ওই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয় সেগুলো বের করতে হবে উত্তর: ৬
9. ৩, ৯, ২৭, ৮১ ...... ধারার পরবর্তী সংখ্যাটি কত হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪৩ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ৩, ৯, ২৭, ৮১ ধরি, প্রথম পদ = ৩ দ্বিতীয় পদ = ৯ তৃতীয় পদ = ২৭ অতএব, প্রথম পদকে ৩ দিয়ে গুণ করলে দ্বিতীয় পদ পাওয়া যায় দ্বিতীয় পদকে ৩ দিয়ে গুণ করলে তৃতীয় পদ পাওয়া যায় তৃতীয় পদকে ৩ দিয়ে গুণ করলে চতুর্থ পদ পাওয়া যায় সুতরাং, চতুর্থ পদটি হলো ৮১ × ৩ = ২৪৩ উত্তর: ২৪৩
10. ০.১ থেকে কত বিয়োগ করলে বিয়োগফল ০ হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.১ প্রদত্ত তথ্য: প্রারম্ভিক সংখ্যাটি হলো ০.১ কাঙ্ক্ষিত বিয়োগফল হলো ০ ধরি, নির্ণেয় বিয়োগ করতে হবে ক অতএব, প্রশ্নমতে, ০.১ − ক = ০ সুতরাং, ক = ০.১ − ০ উত্তর: ০.১
11. কোনো একটি টিকাকেন্দ্রে ৩০ জন টিকা গ্রহণকারী অনুপস্থিত ছিল। অনুপস্থিতির হার ৩% হলে, কতজনের টিকা গ্রহণ করার কথা ছিল?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০০০ প্রদত্ত তথ্য: অনুপস্থিত টিকা গ্রহণকারী = ৩০ জন অনুপস্থিতির হার = ৩% ধরি, মোট টিকা গ্রহণ করার কথা ছিল = ক জন অতএব, ক এর ৩% = ৩০ ক × (৩ ÷ ১০০) = ৩০ সুতরাং, ক = ৩০ × (১০০ ÷ ৩) ক = ১০০০ উত্তর: ১০০০ জন
12. একজন মাছ বিক্রেতা এক হালি ১,৬০০ টাকায় কিনে প্রতিটি মাছ ৩৫০ টাকায় বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২.৫% ক্ষতি প্রদত্ত তথ্য: এক হালি বা চারটি মাছের ক্রয়মূল্য = ১,৬০০ টাকা প্রতিটি মাছের বিক্রয়মূল্য = ৩৫০ টাকা ধরি, চারটি বা এক হালি মাছের মোট বিক্রয়মূল্য = ৩৫০ × ৪ = ১,৪০০ টাকা মাছ বিক্রেতার ক্রয়মূল্য = ১,৬০০ টাকা অতএব, এখানে ক্রয়মূল্যের চেয়ে বিক্রয়মূল্য কম হওয়ায় ক্ষতি হয়েছে ক্ষতির পরিমাণ = ১,৬০০ − ১,৪০০ = ২০০ টাকা সুতরাং, শতকরা ক্ষতি = (২০০ ÷ ১,৬০০) × ১০০% = ১২.৫% উত্তর: ১২.৫% ক্ষতি
13. বৃত্তের দৈর্ঘ্যকে কি বলে?
Created 3 weeks ago | Updated 4 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পরিধি প্রদত্ত তথ্য: একটি বৃত্তের সম্পূর্ণ বাইরের সীমানা বা দৈর্ঘ্য চিহ্নিত করতে হবে। ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র থেকে পরিধি পর্যন্ত দূরত্বকে ব্যাসার্ধ ধরা হয়। অতএব, বৃত্তের চারপাশের সম্পূর্ণ আবদ্ধ বক্ররেখার দৈর্ঘ্য পরিধি হিসেবে পরিচিত। সুতরাং, বৃত্তের দৈর্ঘ্য বলতে মূলত এর সম্পূর্ণ পরিধিকে বোঝানো হয়। উত্তর: পরিধি
14. x + 5y = 24 এবং x = 3y হয়, তাহলে y এর মান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণ হলো x + ৫y = ২৪ দ্বিতীয় সমীকরণ হলো x = ৩y ধরি, x এর মান প্রথম সমীকরণে বসাতে হবে অতএব, ৩y + ৫y = ২৪ সুতরাং, ৮y = ২৪ উত্তর: y = ৩
15. ১ থেকে ২০ পর্যন্ত রাশিগুলোর যোগফল কত?
Created 3 weeks ago | Updated 13 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২১০ প্রدত্ত তথ্য: ধারাবাহিক সংখ্যার প্রথম পদ = ১ ধারাবাহিক সংখ্যার শেষ পদ = ২০ পদের সংখ্যা = ২০ ধরি, প্রথম পদ = ১ শেষ পদ = ২০ মোট পদসংখ্যা = ২০ অতএব, সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র = পদসংখ্যা × (প্রথম পদ + শেষ পদ) ÷ ২ মান বসিয়ে পাই = ২০ × (১ + ২০) ÷ ২ সরল করে পাই = ২০ × ২১ ÷ ২ সুতরাং, হিসাব করলে পাওয়া যায় = ৪২০ ÷ ২ চূড়ান্ত ফলাফল = ২১০ উত্তর: ২১০

মোট প্রশ্ন (5)

3. লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান কোন জেলায় অবস্থিত?
Created 3 weeks ago | Updated 13 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মৌলভীবাজার কেন সঠিক: - লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল। - এটি মূলত ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বন এবং এটি বিপন্ন উল্লুক বা হোলোক গিবনের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাগড়াছড়ি — এটি একটি পাহাড়ি জেলা যেখানে লাউয়াছড়া উদ্যান অবস্থিত নয়। B) সিলেট — যদিও এটি সিলেট বিভাগের অন্তর্ভুক্ত, তবে এই উদ্যানটি সিলেট জেলায় নয় বরং মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত। C) মৌলভীবাজার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। D) হবিগঞ্জ — হবিগঞ্জে সাতগাঁও বা রেমা কালেঙ্গা বনাঞ্চল অবস্থিত, লাউয়াছড়া নয়। মনে রাখার টিপস: চা বাগানের জেলা মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে লাউয়াছড়া উদ্যান ও উল্লুক বানর বিখ্যাত।
5. মুক্তিযুদ্ধের সময় ফেনী শহর কোন সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 2 কেন সঠিক: - মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে মোট ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল এবং ফেনী জেলা দুই নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল। - দুই নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরবর্তীতে মেজর এ টি এম হায়দার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 2 — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফেনী অঞ্চল এই সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল। B) 3 — এই সেক্টরটি ঢাকা, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল এবং কিশোরগঞ্জ জেলার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল, তাই এটি ফেনীর জন্য প্রযোজ্য নয়। C) 5 — এই সেক্টরটি মূলত সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল এবং হবিগঞ্জ নিয়ে গঠিত ছিল, যা ফেনী থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। D) 6 — এই সেক্টরটি রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল, তাই এটি ফেনীর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: দুই নম্বর সেক্টরে ছিলেন খালেদ মোশাররফ, যার অধীনে যুদ্ধ করেছিল ফেনী ও নোয়াখালী অঞ্চল।

মোট প্রশ্ন (9)

1. মানুষের শরীরে মোট কয়টি ক্রোমোজোম থাকে?
Created 3 weeks ago | Updated 13 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৩ জোড়া ১. কেন সঠিক: - মানুষের কোষে ক্রোমোজোম থাকে জোড়ায় জোড়ায় এবং স্বাভাবিক অবস্থায় মানুষের দেহে মোট ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে। - পিতা ও মাতা থেকে সমান সংখ্যক ক্রোমোজোম সন্তান-সন্ততিতে منتقل হওয়ার মাধ্যমে বংশগতি ধারা বজায় থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ক্রোমোজোম হলো কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত বংশগতির মূল একক যা ডিএনএ ও প্রোটিন দ্বারা গঠিত। - কার্যপ্রণালি: মানুষের দেহকোষে ২২ জোড়া অটোজোম থাকে যা শারীরিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে এবং ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম থাকে যা লিঙ্গ নির্ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের উচ্চতা বা চোখের রঙ ব্যাখ্যা: অটোজোম ক্রোমোজোমে থাকা জিন মানুষের সাধারণ শারীরিক বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে। উদাহরণ ২: পুত্র বা কন্যা সন্তান জন্ম নেওয়া ব্যাখ্যা: সেক্স ক্রোমোজোমের জোড়া অর্থাৎ এক্সওয়াই বা এক্সএক্স এর ওপর নির্ভর করে শিশুর লিঙ্গ নির্ধারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ জোড়া — এটি মানুষের ক্রোমোজোম সংখ্যা নয় এবং এটি অন্য কোনো ছোট প্রাণীর ক্রোমোজোম সংখ্যার সঙ্গে মিলতে পারে। B) ২০ জোড়া — এটিও মানুষের সঠিক ক্রোমোজোম সংখ্যা নয় এবং বিজ্ঞানের তথ্য অনুযায়ী এটি ভুল। C) ২৩ জোড়া — এটি মানুষের কোষে অবস্থিত ক্রোমোজোমের সঠিক এবং পরীক্ষিত সংখ্যা। D) ৫০ জোড়া — এটি অতিরিক্ত বেশি সংখ্যা যা মানবদেহের কোষের স্বাভাবিক গঠনের সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - মানুষের জোড়া মনে রাখতে হাতের আঙুলের হিসাব বা ডাবল সংখ্যা মনে রাখতে পারো যেমন তেইশ জোড়া মানে মোট ছেচল্লিশটি। - সেক্স ক্রোমোজোম সব সময় শেষ জোড়ায় থাকে এই তথ্যটি মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানবদেহের অটোজোম সংখ্যা কত এবং সেক্স ক্রোমোজোম কয়টি তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - ক্রোমোজোমের ত্রুটির কারণে ডাউন সিনড্রোমের মতো বিভিন্ন বংশগত রোগ হতে পারে।
2. জীবন রক্ষাকারী ওষুধ পেনিসিলিনের আবিষ্কারক কে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং কেন সঠিক: স্কটিশ বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৮ সালে প্রথম পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন। এটি মানব সভ্যতার ইতিহাসে প্রথম কার্যকরী অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে স্বীকৃত। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: পেনিসিলিয়াম নোটাটাম নামক ছত্রাক থেকে এই প্রতিষেধক তৈরি করা হয়। ছত্রাকের নিংসৃত উপাদান ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর গঠন বাধাগ্রস্ত করে তাদের ধ্বংস করে। যেমন নিউমোনিয়া এবং মেনিনজাইটিসের মতো মারাত্মক রোগ চিকিৎসায় এটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবার্ট হুক — তিনি জীববিজ্ঞানে কোষ আবিষ্কার করেছিলেন। B) প্লেটো — তিনি প্রাচীন গ্রিসের একজন বিখ্যাত দার্শনিক ছিলেন। C) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি পেনিসিলিন আবিষ্কার করেছিলেন। D) নিউটন — তিনি গতিসূত্র এবং মহাকর্ষ তত্ত্ব আবিষ্কার করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: পেনিসিলিন নামের শুরু পি অক্ষর দিয়ে এবং ফ্লেমিং নামের সাথে তা মিলিয়ে রাখা যায়। আলেকজান্ডার ফ্লেমিং রোগ নিরাময়ে বিপ্লব এনেছিলেন এভাবে মনে রাখা সহজ।
4. আয়োডিনের অভাবে কী রোগ হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গলগণ্ড ১. কেন সঠিক: - আয়োডিনের অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থি পর্যাপ্ত থাইরক্সিন হরমোন তৈরি করতে পারে না, যার ফলে গ্রন্থিটি আকারে ফুলে যায়। - থাইরয়েড গ্রন্থির এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধিকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় গলগণ্ড বা গয়টার বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: গলগণ্ড হলো মানবদেহের পুষ্টির অভাবে সৃষ্ট একটি শারীরবৃত্তীয় রোগ, যা প্রধানত খনিজ লবণের ঘাটতির কারণে ঘটে। - কারণ ও ফলাফল: সামুদ্রিক খাবার ও আয়োডিনযুক্ত লবণের অপর্যাপ্ত গ্রহণের ফলে থাইরয়েড গ্রন্থিতে হরমোন উৎপাদন ব্যাহত হয় এবং তা পূরণের জন্য গ্রন্থির কোষগুলো আকারে বৃদ্ধি পায়। - বাস্তব প্রয়োগ: সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং খাবারে আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহারের মাধ্যমে এই রোগ খুব সহজেই প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের খাবারে আয়োডিনের পরিমাণ কম থাকায় একসময় সেখানে গলগণ্ড রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা যেত। ব্যাখ্যা: ভৌগোলিক কারণে মাটি ও পানির খাবারে আয়োডিনের ঘাটতি থাকলে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে এই রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। উদাহরণ ২: সামুদ্রিক মাছ ও শৈবাল নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখা। ব্যাখ্যা: সামুদ্রিক খাদ্যে প্রচুর পরিমাণে আয়োডিন থাকে যা থাইরয়েড গ্রন্থির স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সহায়তা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাতকানা — ভিটামিন এ এর অভাবে চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার কারণে রাতকানা রোগ হয়, যা আয়োডিনের ঘাটতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) রিকেটস — ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়ামের অভাবে শিশুদের হাড় নরম ও দুর্বল হয়ে রিকেটস রোগ হয়, যা খনিজ আয়োডিনের অভাবে ঘটে না। C) গলগণ্ড — আয়োডিনের অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত এই রোগটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। D) থ্যালাসেমিয়া — এটি একটি জিনগত রক্তাল্পতা রোগ যা বংশগতির মাধ্যমে পিতামাতা থেকে সন্তানে সঞ্চারিত হয় এবং এটি পুষ্টির অভাবে হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - থাইরয়েড গ্ল্যান্ড বা গলার গলগণ্ড রোগের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত মৌলটির নাম হলো আয়োডিন। - লবণ কেনার সময় আয়োডিনযুক্ত লোগো দেখে কিনলে গলগণ্ড রোগ থেকে দূরে থাকা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানবদেহের থাইরয়েড হরমোন তৈরির প্রধান উপাদান হলো আয়োডিন। - এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খাদ্য ও পুষ্টি অথবা মানবদেহ ও রোগ অধ্যায় থেকে প্রায়ই এসে থাকে।
6. কোন ভিটামিন রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভিটামিন কে ১. কেন সঠিক: - মানবদেহে রক্ত জমাট বাঁধতে বা রক্ত তঞ্চনে ভিটামিন কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - আঘাতের ফলে শরীর থেকে রক্তক্ষরণ হলে এই ভিটামিন রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে অতিরিক্ত রক্তপাত রোধ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ভিটামিন কে হলো ফ্যাট সলিউবল বা চর্বিতে দ্রবণীয় একটি ভিটামিন যা লিভারে প্রোটিন সংশ্লেষণে অংশ নেয়। - কার্যপ্রণালি: রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজনীয় প্রথম বিন এবং অন্যান্য তঞ্চন ফ্যাক্টর তৈরি করতে ভিটামিন কে কোএনজাইম হিসেবে কাজ করে। - বাস্তব প্রয়োগ: অস্ত্রোপচার বা দুর্ঘটনার সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে এই ভিটামিনের উপস্থিতি অপরিহার্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রান্নাঘরে সবজি কাটার সময় হাত কেটে গেলে কিছুক্ষণ পর রক্ত নিজে থেকেই জমে যায়। ব্যাখ্যা: ভিটামিন কে এর উপস্থিতির কারণে রক্তে ফাইব্রিন জাল তৈরি হয়ে রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়। উদাহরণ ২: সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুদের অনেক সময় ভিটামিন কে ইনজেকশন দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: নবজাতকদের শরীরে ভিটামিন কে এর ঘাটতি থাকে যা হেমোরেজিক ডিজিজ প্রতিরোধে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন ই — এটি মূলত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং ত্বক ও কোষের সুরক্ষায় ভূমিকা রাখে। B) ভিটামিন এ — এটি দৃষ্টিশক্তি রক্ষা করতে এবং epithelial টিস্যুর স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। C) ভিটামিন সি — এটি স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে। D) ভিটামিন কে — এটি রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করার কারণে এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: কোয়াগুলেশন বা রক্ত জমাট বাঁধার ইংরেজি শব্দটির প্রথম অক্ষর কে থেকে ভিটামিন কে মনে রাখা সহজ হয়। রক্ত তঞ্চনের সাথে ভিটামিন কে ও ক্যালসিয়াম সরাসরি জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভিটামিন কে এর অভাবে রক্ত জমাট বাঁধতে দেরি হয় ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ঘটে। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই ভিটামিনের অভাবজনিত রোগ ও তাদের কাজ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
9. উঁচু পর্বতারোহণে কিসের সমস্যায় পড়তে হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বায়ুর চাপ ১. কেন সঠিক: - উঁচু পর্বতারোহণে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ কমে যাওয়ার কারণে পর্বতারোহীদের প্রধানত বায়ুর চাপের সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। - উচ্চতা বাড়ার সাথে সাথে বাতাসের ঘনত্ব ও বায়ুর চাপ দুটিই দ্রুত হ্রাস পায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডলীয় চাপ হলো পৃথিবী পৃষ্ঠের প্রতি একক ক্ষেত্রফলের ওপর বায়ুমণ্ডলের সব স্তরের মোট ওজন। - কার্যপ্রণালি: ভূপৃষ্ঠ থেকে যত উঁচুতে ওঠা যায়, ওপরের বায়ুমণ্ডলের ওজন তত কমে যায় এবং বায়ুস্তর হালকা হয়। - কারণ ও ফলাফল: কম বায়ুর চাপের কারণে ফুসফুসে অক্সিজেনের ব্যাপন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয় এবং শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এভারেস্টের মতো উচ্চ শৃঙ্গে অক্সিজেন সিলিন্ডার ছাড়া চলাফেরা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। ব্যাখ্যা: সেখানে বায়ুর চাপ এত কম থাকে যে ফুসফুস পর্যাপ্ত অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে না। উদাহরণ ২: পাহাড়ি এলাকায় খোলা পাত্রে রান্না করলে ভাত সিদ্ধ হতে বেশি সময় লাগে। ব্যাখ্যা: কম বায়ুর চাপের কারণে জলের স্ফুটনাঙ্ক কমে যায়, ফলে জল কম তাপমাত্রায় ফুটতে শুরু করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সিজেনের আধিক্য — এটি ভুল কারণ উঁচুতে অক্সিজেনের আধিক্য ঘটে না, বরং বায়ুর ঘনত্ব ও অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকে। B) Acclimatization — এটি কোনো সমস্যা নয়, বরং নতুন পরিবেশের সাথে শরীরের খাপ খাইয়ে নেওয়ার একটি প্রাকৃতিক জৈবিক প্রক্রিয়া। D) উপরের সবগুলো — এটি ভুল কারণ অপশন এ এবং বি এই প্রশ্নের সঠিক কারণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: উঁচু পাহাড়ে উঠলে চাপ কমে যায় এবং নিশ্বাস নিতে কষ্ট হয়, তাই মূল সমস্যা হলো বায়ুর চাপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ এবং উষ্ণতা উভয়ই সাধারণত কমতে থাকে। এই ধারণা থেকে পাহাড়ি এলাকায় রান্নার সমস্যা বা স্ফুটনাঙ্কের পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রশ্নও পরীক্ষাতে আসতে পারে।

মোট প্রশ্ন (1)

1. কোন জলরাশি ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জিব্রাল্টার প্রণালী কেন সঠিক: ১. এই জলপথটি ইউরোপের স্পেন এবং আফ্রিকার মরক্কোর মাঝখানে অবস্থিত। এটি ভূমধ্যসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগরের একমাত্র প্রাকৃতিক সংযোগকারী পথ। ২. ভূমধ্যসাগরের জলের বাষ্পীভবন বেশি হওয়ায় এর জলতল আটলান্টিক মহাসাগরের চেয়ে কিছুটা নিচে থাকে। ফলে আটলান্টিক থেকে জল অবিরাম এই প্রণালী দিয়ে ভূমধ্যসাগরে প্রবেশ করে। ভৌগোলিক তথ্য: ১. এটি ইউরোপ মহাদেশের সর্বদক্ষিণ প্রান্ত এবং আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর উপকূলের ঠিক মাঝখানে অবস্থিত। এর সর্বনিম্ন প্রস্থ মাত্র চৌদ্দ কিলোমিটার। ২. ভূমধ্যসাগরের প্রবেশদ্বার হিসেবে বিশ্ব বাণিজ্যে এই জলপথটির কৌশলগত গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। এর গভীরতা অনেক বেশি হওয়ায় বড় জাহাজ সহজে চলাচল করতে পারে। ৩. প্রাচীনকালে একে হারকিউলিসের স্তম্ভ বলা হতো। এটি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত সামুদ্রিক বাণিজ্য পথগুলোর একটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাক প্রণালী — এটি ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্য এবং শ্রীলঙ্কা দেশের মধ্যে অবস্থিত। এটি বঙ্গোপসাগরকে ভারত মহাসাগরের অংশ পক উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। B) মালাক্কা প্রণালী — এটি মালয় উপদ্বীপ এবং ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের মাঝে অবস্থিত। এটি ভারত মহাসাগরকে প্রশান্ত মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। D) বসফরাস প্রণালী — এটি তুরস্কে অবস্থিত এবং কৃষ্ণ সাগরকে মারমারা সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। এটি ইউরোপ ও এশিয়াকে পৃথক করেছে। মনে রাখার টিপস: জিব্রাল্টার নামটি মনে রাখতে পারলে ভাববে জিব দিয়ে আটলান্টিক ও ভূমধ্যসাগরকে জোড়া লাগানো হয়েছে। আটলান্টিক থেকে জিব্রাল্টার পেরিয়ে ভূমধ্যসাগরে যাওয়া যায়।