a তিতাস একটি নদীর নাম
b বিষাদসিন্ধু
c জোছনা ও জননীর গল্প
d পথের পাঁচালী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জোছনা ও জননীর গল্প ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের ধরন হলো উপন্যাস, নাটক ও ছোটগল্প। জোছনা ও জননীর গল্প উপন্যাসটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিশাল ক্যানভাসের ঐতিহাসিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং এর আগের ঐতিহাসিক ঘটনাবলি অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জোছনা ও জননীর গল্প উপন্যাসের রচিয়তা কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক হুমায়ূন আহমেদ। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রামাণ্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যা ২০০৪ সালে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের দিনগুলি ব্যাখ্যা: এটি জাহানারা ইমাম রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য গ্রন্থ। উদাহরণ ২: আগুনের পরশমণি ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি জনপ্রিয় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিতাস একটি নদীর নাম — এটি অদ্বৈত মল্লবর্মণ রচিত একটি বিখ্যাত আঞ্চলিক উপন্যাস, যা মালো সম্প্রদায়ের জীবন নিয়ে লেখা এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। B) বিষাদসিন্ধু — এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক উপন্যাস, যা মূলত কারবালার বিষাদময় ঘটনা অবলম্বনে রচিত এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। C) জোছনা ও জননীর গল্প — এটি সঠিক উত্তর। D) পথের পাঁচালী — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস, যা গ্রামীণ জীবন ও অপু দুর্গার শৈশব নিয়ে রচিত এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: হুমায়ূন আহমেদের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে জোছনা ও জননীর গল্প এবং আগুনের পরশমণি সবচেয়ে বেশি পরিচিত। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের নাম মনে রাখতে হুমায়ূন আহমেদের ঐতিহাসিক উপন্যাসগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস ও নাটকের নাম এবং রচয়িতাদের নাম জিজ্ঞাসা করা হয়। তাই হুমায়ূন আহমেদ, সেলিনা হোসেন এবং শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0