a কর্মকারকে শূন্য
b কোনটা নয়
c করণকারকে শূন্য
d অপাদানে শূন্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কর্মকারকে শূন্য ১. কেন সঠিক: - বাক্যে যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে, এখানে 'ডاکтар' হলো সেই উদ্দিষ্ট ব্যক্তি যাকে ডাকার কাজ করা হচ্ছে। - 'ডাক্তার' শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি চিহ্ন যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি বা অ-বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়ার আধার বা যাকে অবলম্বন করে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে কর্মকারক বলে, যা মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম দুই প্রকার হতে পারে। - শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি বা প্রত্যয় যুক্ত না হয়ে যদি শূন্য অবস্থায় থাকে, তবে তাকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'ফকিরকে ভিক্ষা দাও' ব্যাখ্যা: এখানে 'ফকিরকে' শব্দটি চতুর্থী বিভক্তিযুক্ত কর্মকারক হলেও এটি কর্মের উদাহরণ। উদাহরণ ২: 'ডাক্তার ডাকো' ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'ডাক্তার' শব্দটিকে আহ্বান করা বোঝাচ্ছে এবং এটি কর্মকারকে শূন্য বিভক্তির আরেকটি স্পষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মকারকে শূন্য — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর মাধ্যমে ডাক্তার ডাকার বিষয়টি কর্মকারক হিসেবে প্রমাণিত হয়। B) কোনটা নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। C) করণকারকে শূন্য — করণ মানে যার সাহায্যে কাজ করা হয়, কিন্তু ডাক্তার এখানে কোনো যন্ত্র বা মাধ্যম নয় বরং কর্ম। D) অপাদানে শূন্য — অপাদান কারক বলতে যা থেকে বিচ্যুত, জাত বা ভীত হয় তা বোঝায়, যা এখানে অনুপস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাকে বা কি দিয়ে প্রশ্ন করে যদি উত্তর পাওয়া যায় এবং তা যদি বাক্যের মূল কর্ম হয়, তবে তা কর্মকারক হবে। - শব্দের শেষে কোনো চিহ্ন না থাকলে চোখ বন্ধ করে তাকে শূন্য বিভক্তি বলতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'কাকে ডাকবে' বা 'কি করবে' জাতীয় প্রশ্নগুলো প্রায়ই কর্মকারক হিসেবে আসে। - পত্রিকার ভাষা বা প্রমিত বাক্যে কর্তার উদ্দেশ্যমূলক কর্ম চিহ্নিত করার সময় এই নিয়মটি মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0