a স্বয়ং
b গীতাঞ্জলী
c হিমালয়
d বাংলাদেশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্বয়ং ১. কেন সঠিক: - স্বয়ং শব্দটি বিশেষ্য পদ নয়, এটি একটি আত্মবাচক বা নিজবাচক সর্বনাম পদ। - কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর নামের পরিবর্তে কিংবা নিজে নিজে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ বিশেষ্য পদের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয় তাকে সর্বনাম পদ বলে। - আত্মবাচক সর্বনাম হলো সেই পদ যা কর্তা নিজে বা স্বয়ং কাজটি করে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি স্বয়ং সেখানে উপস্থিত ছিলাম। ব্যাখ্যা: এখানে স্বয়ং শব্দটি কর্তার ওপর জোর দিতে এবং নিজে উপস্থিত থাকার ভাব প্রকাশ করতে সর্বনাম হিসেবে বসেছে। উদাহরণ ২: তিনি স্বয়ং কাজটি সম্পন্ন করেছেন। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে স্বয়ং পদটি নির্দেশ করছে কাজটি অন্য কেউ নয় বরং কর্তাব্যক্তি নিজে করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বয়ং — এটি বিশেষ্য পদ নয় বরং একটি আত্মবাচক সর্বনাম পদ। B) গীতাঞ্জলী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম এবং এটি একটি বিশেষ্য পদ। C) হিমালয় — এটি একটি নির্দিষ্ট পর্বতমালা বা স্থানের নাম যা সংজ্ঞায়িত বিশেষ্য পদ। D) বাংলাদেশ — এটি একটি দেশের নাম এবং এটি স্থানবাচক বিশেষ্য পদ। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিজে, খোদ, স্বয়ং, আপনি ইত্যাদি শব্দগুলো কোনো কিছুর নাম বোঝায় না বরং নামের পরিবর্তে বা জোর দিতে বসে, তাই এগুলো সর্বনাম। - বাক্যে বিশেষ্য চেনার জন্য নামের দিকটি খেয়াল রাখতে হবে এবং সর্বনামের জন্য নামের পরিবর্তে ব্যবহারের বিষয়টি দেখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আত্মবাচক সর্বনাম থেকে প্রশ্ন আসে। - পদ প্রকরণ নির্ণয়ের সময় শব্দটির মূল কাজ এবং বাক্যে তার অবস্থান ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0