প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬।

পদের নাম: সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

1. প্রাচীন যুগের বাংলাভাষার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন কী?
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক ও লিখিত নিদর্শন হলো চর্যাপদ, যা বাংলা ভাষার আদি রূপ ধারণ করে আছে। খ্রিস্টীয় দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে রচিত এই পদগুলোতে বাংলা ভাষার প্রাচীনতম শব্দ ও ব্যাকরণগত রূপ খুঁজে পাওয়া যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা অনুভূতির প্রকাশ যা মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ সালে আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে এটি প্রথম গ্রন্থ আকারে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাকার কাহ্নপা রচিত পদ। ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের অন্যতম বিখ্যাত পদ যেখানে সাধনপ্রণালী ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: ভুসুকুপা রচিত পদ। ব্যাখ্যা: চর্যাপদের অন্যতম পদকর্তা ভুসুকুপার পদে তৎকালীন বাংলার সমাজচিত্র ও নদীর রূপ ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাইলী মজনু — এটি মধ্যযুগের ফার্সি ভাষার প্রেমের কাহিনীর বাংলা অনুবাদ, প্রাচীন যুগের নয়। B) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন এবং বড়ু চণ্ডীদাস রচিত কাব্য। D) পদ্মাবতী — এটি মধ্যযুগের কবি সৈয়দ আলাওল রচিত একটি বিখ্যাত মহাকাব্য বা রোমান্সমূলক কাব্য। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রাচীন যুগের একমাত্র আলো হলো চর্যাপদ, আর মধ্যযুগের শুরু শ্রীকৃষ্ণকীর্তন দিয়ে। পরীক্ষায় প্রাচীন যুগ এলেই চোখ বন্ধ করে চর্যাপদ উত্তর করতে হবে কারণ এটিই একমাত্র প্রামাণিক নিদর্শন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং আবিষ্কারের সালটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বারবার আসে। পদকর্তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছেন কাহ্নপা এবং ভুসুকুপার পদ সংখ্যা আটটি।
2. শিলাইদহ ছাড়া রবীন্দ্রনাথ বাংলাদেশের আর কোন অঞ্চলে অবস্থান করতেন?
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পতিসর ১. কেন সঠিক: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার পারিবারিক জমিদারির দেখভালের দায়িত্ব নিয়ে তৎকালীন নদীয়া ও বর্তমান কুষ্টিয়ার শিলাইদহের পাশাপাশি নওগাঁ জেলার পতিসরেও দীর্ঘদিন অবস্থান করেছিলেন। - বাংলাদেশের এই অঞ্চলগুলোতে অবস্থানকালে তিনি গ্রামীণ বাংলার প্রকৃতি ও মানুষের জীবন খুব কাছ থেকে অবলোকন করেছিলেন যা তার সাহিত্যে গভীরভাবে প্রভাব ফেলেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৯১ সাল থেকে শিলাহিদহ, পতিসর এবং শাহজাদপুর এই তিন অঞ্চলে জমিদারির কাজে নিয়মিত যাতায়াত ও বসবাস করতেন। - এই জনপদের পটভূমিতেই তিনি রচনা করেছিলেন তার বিখ্যাত অনেক ছোটগল্প ও কবিতা যেখানে বাংলার গ্রামীণ জীবনের চিত্র ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোনার তরী ব্যাখ্যা: শিলাইদহে অবস্থানকালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পদ্মার বুকে বসে এই বিখ্যাত কবিতাটি রচনা করেছিলেন। উদাহরণ ২: ছোটগল্পগুচ্ছ ব্যাখ্যা: পতিসর ও শিলাইদহে কাটানো দিনগুলোর অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি পোস্টমাস্টার ও কাবুলিওয়ালা এর মতো অমর সৃষ্টিগুলো রচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুমিল্লা — এই অঞ্চলে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জমিদারির কোনো কাচারিবাড়ি বা স্থায়ী বসতি ছিল না। B) পতিসর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। C) সাভার — এই অঞ্চলে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো ঐতিহাসিক জমিদারির জমি বা স্থায়ী বসবাসের তথ্য পাওয়া যায় না। D) খুলনা — খুলনা অঞ্চল বা দক্ষিণডিহিতে তার পৈত্রিক সূত্রে শ্বশুরবাড়ি ও আত্মীয়দের যাতায়াত থাকলেও এটি তার মূল জমিদারির অংশ ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের জমিদারির প্রধান তিনটি কেন্দ্র মনে রাখার সূত্র হলো শি-পা-শা যার অর্থ শিলাইদহ, পতিসর ও শাহজাদপুর। - এই তিনটি স্থানের বাইরে অন্য কোনো অঞ্চল থাকলে তা সাধারণত জমিদারির সঙ্গে সম্পর্কিত হবে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই রবীন্দ্রনাথের জমিদারির অঞ্চল ও সেখান থেকে রচিত সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - শিলাইদহ কুষ্টিয়ায়, পতিসর নওগাঁয় এবং শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ জেলায় অবস্থিত এই ভৌগোলিক অবস্থানগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
3. বাংলা ভাষায় প্রথম কোরআন অনুবাদ কে করেন?
Created 2 days ago | Updated 8 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গিরিশচন্দ্র সেন ১. কেন সঠিক: ভাই গিরিশচন্দ্র সেন বাংলা ভাষায় প্রথম সম্পূর্ণ কোরআন শরিফ অনুবাদ করেন। ১৮৮১ থেকে ১৮৮৬ সালের মধ্যে তিনি পবিত্র কোরআনের বাংলা অনুবাদ সমাপ্ত ও প্রকাশ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভাই গিরিশচন্দ্র সেন ছিলেন একজন বিশিষ্ট বাঙালি ইসলাম ধর্ম গবেষক ও অনুবাদক। তিনি উপাসক সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং মূল আরবি ভাষা থেকে বাংলায় কোরআন অনুবাদ করে ইতিহাস সৃষ্টি করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তপোবন ব্যাখ্যা: এটি গিরিশচন্দ্র সেন রচিত একটি বিখ্যাত গ্রন্থ। উদাহরণ ২: মহাপুরুষ চরিত্র ব্যাখ্যা: এটিও গিরিশচন্দ্র সেনের একটি উল্লেখযোগ্য জীবনীমূলক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজা রামমোহন রায় — তিনি বাংলা গদ্যের পডুয়া ও সমাজ সংস্কারক হলেও কোরআন অনুবাদ করেননি। B) স্যার জগদীশচন্দ্র বসু — তিনি একজন বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী ও উদ্ভিদবিদ, সাহিত্য বা ধর্মগ্রন্থ অনুবাদক নন। C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা গদ্যের জনক ও শিক্ষাসংস্কারক, কোরআন অনুবাদক হিসেবে পরিচিত নন। D) গিরিশচন্দ্র সেন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি প্রথম কোরআন অনুবাদ করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: গ তে গিরিশচন্দ্র এবং গ তে কোরআনের প্রথম অনুবাদক, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। বাংলা ভাষায় প্রথম কোরআন অনুবাদের কৃতিত্ব চিরস্মরণীয় হয়ে আছে গিরিশচন্দ্র সেনের নামের সাথে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্নটি আসে যে বাংলা ভাষায় প্রথম কোরআন শরিফ কে অনুবাদ করেন। উত্তর সব সময় ভাই গিরিশচন্দ্র সেন হবে, কারণ তিনিই প্রথম এই ঐতিহাসিক কাজটি সম্পন্ন করেন।
4. বাংলা গদ্যের জনক কে?
Created 2 days ago | Updated 8 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১. কেন সঠিক: - বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক ও শিল্পসম্মত রূপকার হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। তিনি বাংলা গদ্যে যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার এবং পদের সুবিন্যস্ত গঠন প্রবর্তন করেন। - বিদ্যাসাগরের হাত ধরেই বাংলা গদ্য প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে এবং গদ্যের বাক্য গঠন আরও সহজ ও সাবলীল হয়ে ওঠে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন উনবিংশ শতকের অন্যতম প্রধান বাঙালি দার্শনিক, শিক্ষাবিদ, অনুবাদক, লেখক ও সমাজসংস্কারক। তাঁর রচিত প্রথম মৌলিক গদ্যগ্রন্থ 'বেতালপঞ্চবিংশতি' প্রকাশিত হয় ১৮৪৭ সালে। - তাঁর গদ্যশৈলী সাধু রীতির হলেও তাতে সংস্কৃত ভাষার প্রভাবের পাশাপাশি বাংলা ভাষার নিজস্ব ছন্দ ও স্বকীয়তা বজায় ছিল, যা পরবর্তী লেখকদের গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভ্রান্তিবিলাস ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একটি বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ, যা শেক্সপিয়ারের কমেডি অফ এররস অবলম্বনে রচিত এবং তাঁর গদ্যশৈলীর এক অনন্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: শকুন্তলা ব্যাখ্যা: কালিদাসের অভিজ্ঞানশকুন্তলম নাটক অবলম্বনে বিদ্যাসাগর মহাশয় এই গদ্যগ্রন্থটি রচনা করেন, যা বাংলা গদ্যের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি এবং ছোটগল্পের জনক হলেও গদ্যের জনক নন। B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক এবং নাটকে আধুনিকতার জনক, গদ্যের জনক নন। C) প্যারিচাঁদ মিত্র — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং তাঁর 'আলালের ঘরের দুলাল' গ্রন্থে প্রথম কথ্যরীতির গদ্য ব্যবহার করা হয়। D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - গদ্যের জনক বললে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের নাম মনে রাখবে, কারণ তিনি গদ্যে যতিচিহ্ন বসিয়ে একে সাজিয়েছিলেন। - উপন্যাসের জনক বললে প্যারিচাঁদ মিত্রকে মনে রাখবে, যিনি কথ্যরীতি বা আলালী ভাষা প্রথম ব্যবহার করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এবং উপন্যাসের জনক প্যারিচাঁদ মিত্র, এই দুটি তথ্য পরীক্ষার্থীদের প্রায়ই কনফিউজ করে, তাই সতর্ক থাকতে হবে। - বিদ্যাসাগরের প্রথম গদ্যগ্রন্থ বেতালপঞ্চবিংশতি এবং প্রথম মৌলিক গ্রন্থ বিক্রমোর্বশী বা কথামালা সম্পর্কিত তথ্যগুলো চাকরির পরীক্ষায় খুব বেশি আসে।
5. 'আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে বিরাজ সত্য সুন্দর' এই শাশ্বত বাণী রচনা করেছেন কে?
Created 2 days ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ১. কেন সঠিক: এই শাশ্বত বাণীটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি বিখ্যাত প্রার্থনা সংগীতের অংশ। তিনি মানবজীবন ও সৃষ্টিজগতে সত্য এবং সুন্দরের জয়গান গাওয়ার উদ্দেশ্যে এই অমর পঙ্‌ক্তিটি রচনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক যুগপুরুষ যিনি কবিতা, গান, উপন্যাস এবং নাটক রচনার মাধ্যমে বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করেছেন। এই গানটি মূলত তাঁর পূজাপর্যায়ের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্রহ্মসংগীত যা আধ্যাত্মিক চেতনায় ভরপুর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত আমাদের জাতীয় সংগীত যা তাঁর দেশপ্রেমমূলক গানের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। উদাহরণ ২: আজি শুভ দিনে পিতা তোমার চরণে আসি। ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি বিখ্যাত প্রার্থনা সংগীত ও ভক্তিমূলক রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নজরুল — কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও এই প্রার্থনা সংগীতটি তাঁর রচিত নয়। B) রবীন্দ্রনাথ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই রচিত গান। C) রজনীকান্ত — রজনীকান্ত সেন ভক্তিগীতি ও দেশাত্মবোধক গান রচনা করলেও এই বাণীর রচয়িতা তিনি নন। D) অতুলপ্রসাদ — অতুলপ্রসাদ সেন বাংলা গানে রাগের ব্যবহার আনলেও এই অমর পঙ্‌ক্তিটি তাঁর সৃষ্টি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সত্য, সুন্দর এবং আনন্দলোক শব্দগুলো রবীন্দ্রনাথের আধ্যাত্মিক ও প্রকৃতি ভাবনার মূল চাবিকাঠি। প্রার্থনা সংগীত বা ব্রহ্মসংগীত দেখলে সবার আগে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই ধরনের উদ্ধৃতিমূলক প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আসে। রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত গান ও তার পর্যায়গুলো ভালোভাবে পড়লে এই প্রশ্নগুলো সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
6. 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থটি কোন কবির?
Created 2 days ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশ। - এই কাব্যগ্রন্থটিতে বাংলার প্রকৃতির রূপ বৈচিত্র্য এবং তার প্রতি কবির গভীর ভালোবাসা ও মমত্ববোধ অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের একজন প্রভাবশালী কবি, যাকে নির্জনতার কবি হিসেবেও অভিহিত করা হয়। - 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থটি কবির মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়, যদিও এর বেশিরভাগ কবিতা তিনি ১৯৩৪ থেকে ১৯৩৫ সালের মধ্যে রচনা করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধূসর পান্ডুলিপি ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের একটি অন্যতম বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। উদাহরণ ২: বনলতা সেন ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের বহুল পঠিত ও জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ যার নাম ভূমিকায় বিখ্যাত কবিতাটি রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধদেব বসু — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রখ্যাত কবি, প্রাবন্ধিক ও সাহিত্য সমালোচক হলেও 'রূপসী বাংলা' তার কাব্যগ্রন্থ নয়। B) অমিয় চক্রবর্তী — তিনি ত্রিশের দশকের একজন বিশিষ্ট আধুনিক কবি ও সাহিত্যিক, তবে 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা তিনি নন। C) বিষ্ণুদে — তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রগতিশীল ধারার একজন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক, তার রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'উর্বশী ও আর্টেমিস'। D) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থটি একমাত্র জীবনানন্দ দাশের লেখা একটি অমর সৃষ্টি। ৫. মনে রাখার টিপস: - রূপসী বাংলার নিসর্গ ও প্রকৃতিপ্রেম মানেই কবি জীবনানন্দ দাশের কথা মনে রাখতে হবে। - জীবনানন্দ দাশকে প্রকৃতির কবি হিসেবে মনে রাখলে তার এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটি সহজে স্মরণ রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনানন্দ দাশের জন্ম, মৃত্যু, এবং তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থসমূহ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কবির মৃত্যুর পর প্রকাশিত একমাত্র কাব্যগ্রন্থ হলো 'রূপসী বাংলা', যা পরীক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য।
7. 'নীপ' শব্দের অর্থ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কদম ১. কেন সঠিক: - নীপ শব্দের অর্থ কদম ফুল। এটি মূলত বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের একটি অতি পরিচিত সমার্থক শব্দ। - বর্ষাকালের সঙ্গে কদম ফুলের নিবিড় সম্পর্ক থাকায় বাংলা কবিতায় নীপ শব্দটির বহুল ব্যবহার দেখা যায়। ২. শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ: - এটি বাংলা ভাষার একটি তৎসম শব্দ যা মূলত সংস্কৃতে কদম গাছ বা ফুল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - বাংলা কবিতায় বর্ষার আগমনী বার্তা দিতে কবিরা প্রায়ই কদম ফুলের পরিবর্তে নীপ শব্দটি ব্যবহার করে থাকেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নীপবনেই যেন তার মন ছুটে যায়। ব্যাখ্যা: এখানে নীপবন বলতে কদম ফুলের বন বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: আষাঢ়ে নীপের ঘ্রাণে চারপাশ মমাত করে। ব্যাখ্যা: বাক্যে নীপ শব্দ দ্বারা কদম ফুলকে নির্দেশ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কদম্ব — কদম্ব মূলত কদম ফুলেরই তৎসম রূপ, তবে এই প্রশ্নে কদম সরাসরি অধিকতর প্রচলিত ও নির্দিষ্ট উত্তর হিসেবে গণ্য হয়। B) টগর — টগর একটি ভিন্ন প্রজাতির সাদা রঙের ফুল যার সঙ্গে নীপ শব্দের কোনো মিল নেই। D) শিউলি — শিউলি শরৎকালের একটি সুপরিচিত ফুল, যা বর্ষার কদম বা নীপ ফুল থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। ৫ মনে রাখার টিপস: - বর্ষার দিনে কদম ফুল ফোটে এবং কদম ও নীপ দুটি শব্দই ওকারান্ত, যা দিয়ে সহজেই মিল মনে রাখা যায়। - নীপ শুনলেই কদম ফুলের রূপ ও বর্ষার ঋতু মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে। - বাংলা সাহিত্য পড়ার সময় বিভিন্ন ফুলের তৎসম ও প্রচলিত নামগুলো আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো।
9. হুমায়ুন আজাদের রচনা কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লাল নীল দীপাবলি ১. কেন সঠিক: - লাল নীল দীপাবলি হলো বিশিষ্ট লেখক ও প্রাবন্ধিক ড. হুমায়ুন আজাদের লেখা কিশোরদের জন্য রচিত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস। - প্রশ্নটিতে হুমায়ুন আজাদের একটি নির্দিষ্ট সাহিত্যকর্মের নাম জানতে চাওয়া হয়েছে, যার সঠিক রূপ হলো এই গ্রন্থটি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. হুমায়ুন আজাদ ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন অন্যতম প্রাবন্ধিক, ভাষাবিজ্ঞানী, ঔপন্যাসিক ও কবি। - লাল নীল দীপাবলি গ্রন্থটি শিশু-কিশোরদের উপযোগী করে অত্যন্ত সহজ ও আকর্ষণীয় ভাষায় বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস তুলে ধরার এক অনন্য প্রয়াস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কত নদী মীন ব্যাখ্যা: এটিও ড. হুমায়ুন আজাদ রচিত শিশু-কিশোরদের জন্য বাংলা ভাষার ইতিহাস বিষয়ক একটি বিখ্যাত গ্রন্থ। উদাহরণ ২: ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না ব্যাখ্যা: এটি ড. হুমায়ুন আজাদ রচিত একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ, যা তার সাহিত্যকর্মের বহুমুখিতা প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শঙ্খনীল কারাগার — এই উপন্যাসটির রচিয়তা হুমায়ুন আজাদ নন, এটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের বিখ্যাত একটি উপন্যাস। B) নুরজাহান — এই উপন্যাসটির রচিয়তা হুমায়ুন আজাদ নন, এটি প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও কবি ইমদাদুল হক মিলনের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। C) লাল নীল দীপাবলি — এটি সঠিক উত্তর এবং ড. হুমায়ুন আজাদের রচিত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থ। D) হিমু — এই চরিত্র ও উপন্যাসগুলোর স্রষ্টা হুমায়ুন আজাদ নন, এটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের অমর একটি সৃষ্টি। ৫ মনে রাখার টিপস: - হুমায়ুন আজাদের কিশোর সাহিত্য মনে রাখার সহজ উপায় হলো তার বইগুলোর নামের ভিন্নতা খেয়াল করা, যেমন লাল নীল দীপাবলি হলো সাহিত্যের ইতিহাস এবং কত নদী মীন হলো ভাষার ইতিহাস। - নামের মিল থাকা সত্ত্বেও হুমায়ূন আহমেদ এবং হুমায়ুন আজাদ সম্পূর্ণ ভিন্ন দুই লেখক, তাই তাদের বই গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হুমায়ুন আজাদের লাল নীল দীপাবলি এবং কত নদী মীন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখক পরিচিতি পড়ার সময় মূল ধারার লেখার পাশাপাশি শিশু-কিশোর সাহিত্য বা বিশেষ ধারার গ্রন্থগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
10. কাজী নজরুল ইসলামের প্রবন্ধ সংকলন কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রুদ্রমঙ্গল ১. কেন সঠিক: - রুদ্রমঙ্গল হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত একটি প্রবন্ধ সংকলন। - এই গ্রন্থে নজরুলের সমাজ ও রাষ্ট্রচিন্তা এবং রাজনৈতিক ও বিদ্রোহী প্রবন্ধসমূহ স্থান পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি ও প্রবন্ধকার। - তার প্রবন্ধ গ্রন্থগুলো মূলত ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, সাম্প্রদায়িকতা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সুর ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুর্দিনের যাত্রী ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি অন্যতম জনপ্রিয় প্রবন্ধ গ্রন্থ। উদাহরণ ২: রাজবন্দীর জবানবন্দী ব্যাখ্যা: এটি নজরুলের আদালতে দেওয়া ঐতিহাসিক জবানবন্দী যা প্রবন্ধ হিসেবে বিশেষভাবে সমাদৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিউলিমালা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন, প্রবন্ধ সংকলন নয়। B) অগ্নিবীণা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ। D) ব্যথার দান — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প সংকলন। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা আর প্রবন্ধ গ্রন্থ রুদ্রমঙ্গল মনে রাখতে পারো অগ্নি আর রুদ্র রূপ হিসেবে। - এভাবে বিদ্রোহী কবি হিসেবে তার অগ্নিময় রূপ প্রবন্ধের ক্ষেত্রে রুদ্রমঙ্গল নামে প্রকাশ পেয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম গ্রন্থ বা প্রবন্ধ সংকলন থেকে প্রশ্ন আসে। - কবিদের প্রবন্ধ ও ছোটগল্পের নাম আলাদা করে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
11. আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা গ্রন্থ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চিলেকোঠার সেপাই ১. কেন সঠিক: - চিলেকোঠার সেপাই আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস যা ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে। - এই উপন্যাসে তৎকালীন ঢাকার রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং খেটে খাওয়া মানুষের জীবন অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আখতারুজ্জামান ইলিয়াস আধুনিক বাংলা উপন্যাসের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র যিনি তাঁর অসাধারণ গদ্যশৈলী ও সমাজসচেতনতার জন্য পরিচিত। - তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে খোয়াবনামা এবং ছোটগল্পের মধ্যে অন্য ঘরে অন্য স্বর বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খোয়াবনামা ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত দ্বিতীয় ও শেষ উপন্যাস যা তেভাগা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত। উদাহরণ ২: দোজখের দোমোহনি ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সারেং বউ — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যার সঙ্গে আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের কোনো সম্পর্ক নেই। B) চিলেকোঠার সেপাই — এটি সঠিক উত্তর হলেও প্রশ্নের অপশনে এটি দুবার এসেছে যা মুদ্রণগত ত্রুটি নির্দেশ করে। C) চিলেকোঠার সেপাই — এটিই সঠিক উত্তর এবং এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্মগুলোর একটি। D) রুদ্ধদ্বার মুক্তপ্রাণ — এটি কোনো প্রামাণিক সাহিত্যিক গ্রন্থ নয় এবং এটি ভুল তথ্য প্রদান করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইলিয়াসের বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ইলিয়াসের চিলের মতো ওড়ার স্বপ্ন এবং খোয়াব দেখার অভ্যাস ছিল। - এর মাধ্যমে চিলেকোঠার সেপাই এবং খোয়াবনামা উপন্যাস দুটি সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের উপন্যাস ও ছোটগল্প থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখকদের সাহিত্যকর্ম মুখস্থ করার পাশাপাশি তাদের লেখার মূল প্রেক্ষাপট বা ঐতিহাসিক পটভূমি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
13. 'নুরলদীনের সারাজীবন' কোন ধরণের সাহিত্যকর্ম?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাব্যনাটক ১. কেন সঠিক: - 'নুরলদীনের সারাজীবন' একটি নাটক হলেও এর সংলাপগুলো পদ্য বা ছন্দে রচিত হওয়ায় এটি কাব্যনাটক হিসেবে গণ্য হয়। - কাব্যনাটক এমন একটি সাহিত্যকর্ম যেখানে নাটকের দৃশ্যমান রূপ ও চরিত্রের সংঘাতের পাশাপাশি কাব্যের সৌন্দর্য ও সুর প্রধান হয়ে ওঠে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রখ্যাত নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক 'নুরলদীনের সারাজীবন' কাব্যনাটকটি রচনা করেন। - ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও সাধারণ মানুষের মুক্তির সংগ্রাম এর মূল বিষয়বস্তু। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হকের রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যনাটক যা মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: রক্তকরবী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রূপকধর্মী নাটক, যা বাংলা নাট্যসাহিত্যে এক অনন্য সৃষ্টি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাব্যনাট্য — বানানটি বাংলা একাডেমি প্রমিত রীতি অনুযায়ী কাব্যনাটক হিসেবে অধিক গ্রহণযোগ্য। C) গীতিনাট্য — গীতিনাট্যে সুর ও গানের আধিক্য থাকে, কিন্তু এটি মূলত একটি রাজনৈতিক ও প্রতিবাদী কাব্যনাটক। D) উপন্যাস — এটি কোনো গদ্যভিত্তিক দীর্ঘ কাহিনী বা উপন্যাস নয়, বরং মঞ্চায়নের উপযোগী একটি নাটক। ৫ মনে রাখার টিপস: সৈয়দ শামসুল হকের নাটকের ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে তাঁর বিখ্যাত দুটি নাটক 'নুরলদীনের সারাজীবন' ও 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' উভয়ই কাব্যনাটক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাটক বা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কাব্যনাটক এবং সাধারণ নাটকের পার্থক্য ভালো করে মনে রাখবে।
15. নিচের কোন শব্দটি সমাসবদ্ধ নয়?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: বি) বিদ্যালয় ১. কেন সঠিক: বিদ্যালয় শব্দটি সমাসবদ্ধ নয়, এটি একটি সন্ধিজাত শব্দ। সমাস হলো অর্থের দিক থেকে সম্পর্কিত দুই বা ততোধিক পদের একপদীকরণ, যেখানে নতুন পদ গঠিত হয়। বিদ্যালয় শব্দটিকে ভাঙলে পাওয়া যায় বিদ্যা যোগ আলয়। এটি স্বরসন্ধির নিয়মে সাধিত একটি শব্দ, যেখানে অ বা আ কারের পর অ বা আ কার থাকলে উভয় মিলে আ কার হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন, অর্থাৎ দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। পক্ষান্তরে সমাস হলো পদের মিলন বা সংক্ষেপণ। বিদ্যালয় শব্দটিতে পদের কোনো মিলন ঘটেনি, বরং ধ্বনির মিলন বা সন্ধি ঘটেছে। তাই এটি সমাস নয়, সন্ধির উদাহরণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিমালয় ব্যাখ্যা: হিম যোগ আলয় সমান হিমালয়, এটি সন্ধির মাধ্যমে গঠিত হয়েছে এবং সমাসবদ্ধ পদ নয়। উদাহরণ ২: কথামৃত ব্যাখ্যা: কথা যোগ অমৃত সমান কথামৃত, এটিও সন্ধিজাত শব্দ এবং সমাস নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: এ) গাছপাকা - এটি মধ্যপদলুপি কর্মধারয় সমাস, যার ব্যাসবাক্য গাছ থেকে পাকা বা গাছে পাকা। বি) বিদ্যালয় - এটি সন্ধিজাত শব্দ এবং সমাসের নিয়মে গঠিত হয়নি, তাই এটি সঠিক উত্তর। সি) সিংহাসন - এটি মধ্যপদলুপি কর্মধারয় সমাস, যার ব্যাসবাক্য সিংহাসনযুক্ত আসন বা সিংহ চিহ্নিত আসন। ডি) দিলদরিয়া - এটি বহুব্রীহি সমাস, যার অর্থ যার দিল বা হৃদয় দরিয়ার মতো বিশাল। ৫. মনে রাখার টিপস: শব্দ দেখলে প্রথমে চিন্তা করবে সেটি সন্ধির নিয়মে হয়েছে নাকি পদের মিলনে হয়েছে। বিদ্যা যোগ আলয় বা হিম যোগ আলয় দেখলেই বুঝবে এগুলো সন্ধি, সমাস নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমাস ও সন্ধির মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করতে দেওয়া হয়। সন্ধি হলো ধ্বনির মিলন আর সমাস হলো পদের মিলন, এই মূল পার্থক্যটি মনে রাখতে হবে।
18. 'দ্ধ' যুক্তাক্ষরে কোন ২ বর্ণ রয়েছে?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দ + ধ ১. কেন সঠিক: - 'দ্ধ' যুক্তাক্ষরটি বাংলা বর্ণমালার একটি যুক্তবর্ণ যা দুটি ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে গঠিত হয়েছে। - এই যুক্তবর্ণটিতে প্রথম বর্ণ হিসেবে 'দ' এবং দ্বিতীয় বর্ণ হিসেবে 'ধ' যুক্ত থাকে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে যুক্তবর্ণ হলো দুই বা ততোধিক বর্ণ মিলে একটি বর্ণ তৈরি হওয়া। - এখানে 'দ' এবং 'ধ' যুক্ত হয়ে 'দ্ধ' রূপ ধারণ করে এবং শব্দের নিচে বা মাঝে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুদ্ধ ব্যাখ্যা: বুদ্ধ শব্দটিতে 'দ্ধ' যুক্তাক্ষর রয়েছে যার ভাঙলে 'দ' এবং 'ধ' পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: শুদ্ধ ব্যাখ্যা: শুদ্ধ শব্দটিতেও 'দ্ধ' যুক্তাক্ষরটি ব্যবহৃত হয়েছে এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বানানরীতি মেনে চলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ + ব — এটি ভুল কারণ দ এবং ব মিলে 'দ্ব' বা 'দ্বি' যুক্তবর্ণ গঠিত হয়, 'দ্ধ' নয়। B) দ + দ — এটি ভুল কারণ দ এবং দ মিলে 'দ্দ' যুক্তবর্ণ গঠিত হয়, যেমন উদ্দিপনা বা নদী শব্দে দেখা যায়। C) দ + ত — এটি ভুল কারণ দ এবং ত মিলে 'দ্ত' যুক্তবর্ণ গঠিত হয়, যা খুব কম ব্যবহৃত হয়। D) দ + ধ — এটি সঠিক কারণ এই দুটি বর্ণ মিলে সরাসরি 'দ্ধ' যুক্তাক্ষরটি তৈরি হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - 'দ্ধ' দেখলে মনে রাখবে এটি 'দ' ও 'ধ' এর যোগফল। - বুদ্ধ ও শুদ্ধ শব্দ দুটি মনে রাখলে এই যুক্তবর্ণের গঠন সহজেই মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যুক্তবর্ণ বিভাজন থেকে প্রশ্ন আসে। - যুক্তবর্ণের প্রথম বর্ণ ও দ্বিতীয় বর্ণ আলাদা করার সময় উচ্চারণের ওপর খেয়াল রাখতে হবে।
20. কোন গ্রন্থটি বেগম রোকেয়ার লিখিত নয়?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পদ্মাবতী ১. কেন সঠিক: পদ্মাবতী মহাকবি আলাওল রচিত একটি বিখ্যাত মধ্যযুগের কাব্য, যা বেগম রোকেয়ার লেখা নয়। বেগম রোকেয়া নারীজাগরণ ও প্রগতিশীল চিন্তার অগ্রদূত হলেও এই প্রাচীন কাব্যটির রচয়িতা তিনি নন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম প্রখ্যাত বাঙালি লেখক ও সমাজসংস্কারক। তাঁর সাহিত্যকর্মে নারীশিক্ষা ও সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ফুটে উঠেছে যা বাংলা সাহিত্যে অনন্য স্থান অধিকার করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মতিচূর ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়ার লেখা বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ যেখানে নারীর অধিকার ও মুক্তি নিয়ে তীক্ষ্ণ আলোচনা রয়েছে। উদাহরণ ২: সুলতানার স্বপ্ন ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত ইংরেজি থেকে অনূদিত বা রচিত বিশ্বের প্রথম নারীবাদী ইউটোপিয়ান কল্পবিজ্ঞান সাহিত্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মাবতী — এটি বেগম রোকেয়ার লেখা নয়, বরং মধ্যযুগের কবি আলাওল মালিক মোহাম্মদ জাযয়ীর পদ্মাবত অবলম্বনে এটি রচনা করেন। B) পদ্মরাগ — এটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস এবং এটি তাঁর নিজস্ব সৃষ্টি। C) সুলতানার স্বপ্ন — এটি বেগম রোকেয়ার লেখা একটি নারীবাদী কল্পকাহিনি বা ইউটোপিয়া যা নারীমুক্তির বার্তা বহন করে। D) মতিচূর — এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বহুল পরিচিত ও সমাদৃত প্রবন্ধ সংকলন যা দুই খণ্ডে প্রকাশিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বেগম রোকেয়ার প্রধান গ্রন্থগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো মতিচূর ও পদ্মরাগ তাঁর প্রবন্ধ-উপন্যাস আর সুলতানার স্বপ্ন তাঁর কল্পকাহিনি। মধ্যযুগের কাব্য পদ্মাবতী এর সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের জন্ম ও মৃত্যু দিবস ৯ ডিসেম্বর এবং তাঁর নামে প্রতিষ্ঠিত রোকেয়া পদক নারীদের বিশেষ অবদানের জন্য প্রদান করা হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাঁর প্রবন্ধ এবং উপন্যাসের নাম বারবার ঘুরিয়ে আসে।
23. 'স্বাধীন' শব্দটির সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্ব + অধীন ১. কেন সঠিক: - স্ব শব্দের অর্থ নিজের এবং অধীন শব্দের অর্থ অন্যের নিয়ন্ত্রণে থাকা, যা মিলে নিজের অধীনে থাকা বোঝায়। - সন্ধির নিয়মে অ বা আ এর পরে অ বা আ থাকলে উভয় মিলে আ হয়, যা এখানে স্ব এর অন্তস্থিত অ এবং অধীন এর আদি অ মিলে আ গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি স্বরসন্ধির একটি সাধারণ নিয়ম, যেখানে অ বা আ কারের পর অ বা আ কার থাকলে উভয়ে মিলে আ কার হয় এবং পূর্ববর্ণে যুক্ত হয়। - শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, স্ব যোগ অধীন সমান স্বাধীন, যা বাংলা ব্যাকরণের স্বরসন্ধির দীর্ঘসন্ধির নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয় ব্যাখ্যা: এখানে হিম শব্দের অ এবং আলয় শব্দের আ মিলে আ কার হয়েছে, যা দীর্ঘসন্ধির নিয়মকে সমর্থন করে। উদাহরণ ২: মহা + আশয় = মহাশয় ব্যাখ্যা: এখানে মহা শব্দের আ এবং আশয় শব্দের আ মিলে দীর্ঘ আ গঠিত হয়েছে, যা একই সন্ধিনিয়মের আরেকটি স্পষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্ব + ধিন — এই অপশনটি ভুল কারণ ধিন কোনো অর্থবহ শব্দ নয় এবং এর মাধ্যমে সন্ধির সঠিক রূপ গঠিত হয় না। B) শ + অধীন — এই অপশনটি ভুল কারণ শ একটি ব্যঞ্জনবর্ণ এবং এর সঙ্গে অধীন যুক্ত করলে সঠিক অর্থবোধক শব্দ বা সন্ধির নিয়ম রক্ষা হয় না। C) স্ব + অধিন — এই অপশনটি ভুল কারণ অধিন বানানটিতে মূর্ধন্য ন ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ সঠিক মূল শব্দে দন্ত্য ন ব্যবহৃত হয়। D) স্ব + অধীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সন্ধি-বিচ্ছেদে উভয় অংশই অর্থবহ এবং ব্যাকরণের নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্বাধীন শব্দটিকে ভাঙলে প্রথমে নিজের বোঝাতে স্ব এবং নিয়ন্ত্রণে বোঝাতে অধীন পাওয়া যায়। - দীর্ঘসন্ধির ক্ষেত্রে অ যোগ অ সমান আ হয়, এই সূত্রটি মনে রাখলে এই ধরনের সন্ধি সহজে নির্ণয় করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের সন্ধি আসে যেখানে বানানের সঠিক রূপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - সন্ধি বিচ্ছেদের সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন ভাঙা অংশ দুটির অন্তত একটি বা উভয়ই অর্থপূর্ণ শব্দ হয়।
25. জসীম উদ্দীনের কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাখালী ১. কেন সঠিক: রাখালী হলো পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থে কবির পল্লিপ্রকৃতি ও মানুষের জীবনচিত্রের অপূর্ব রূপায়ণ ঘটেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জসীম উদ্দীন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক যিনি পল্লিভীতি ও পল্লিপ্রকৃতির নিখুঁত চিত্রায়নের জন্য পরিচিত। তার বিখ্যাত কিছু কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রাখালী, নকশী কাথার মাঠ ও সোজন বাদিয়ার ঘাট বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নকশী কাথার মাঠ ব্যাখ্যা: এটি জসীম উদ্দীনের একটি বিখ্যাত কাহিনীকাব্য যা গ্রামীণ প্রেমের এক অনন্য ট্র্যাজেডি তুলে ধরে। উদাহরণ ২: সোজন বাদিয়ার ঘাট ব্যাখ্যা: এটি কবির আরেকটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যেখানে গ্রামীণ জনপদের জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতি ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষের বাঁশি — এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রতিবাদী কাব্যগ্রন্থ। জসীম উদ্দীনের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) মানসী — এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৯০ সালে প্রকাশিত হয়। এটি জসীম উদ্দীনের রচনা নয়। C) রাখালী — এটি সঠিক উত্তর। এই অপশনটি জসীম উদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হিসেবে পরীক্ষামূলকভাবে সঠিক। D) চিত্রা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত হয়। এটি জসীম উদ্দীনের সাহিত্যকর্ম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জসীম উদ্দীনকে মনে রাখতে হবে পল্লি কবি হিসেবে এবং তার প্রথম কাব্য হলো রাখালী। রাখাল যেমন মাঠে গোরু চরায়, তেমনি কবি পল্লি প্রকৃতির রাখাল হয়ে তার কবিতা সাজিয়েছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জসীম উদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি এই প্রশ্নটি বারবার আসে। তাই রাখালী বইটি প্রকাশের সাল এবং কবির প্রথম কাব্য হিসেবে এটি মনে রাখা জরুরি।
27. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোন শতকের মানুষ?
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯ শতক ১. কেন সঠিক: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন। শতাব্দী গণনার নিয়মে কোনো সালের প্রথম বছর থেকে শেষ বছর পর্যন্ত সময়কালকে সেই শতক বলা হয়, তাই ১৮০১ থেকে ১৯০০ সাল পর্যন্ত সময়কাল হলো ১৯ শতক। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক শিল্পী এবং বাংলা উপন্যাসের পথপ্রদর্শক হিসেবে পরিচিত। তিনি বাংলা বর্ণমালাকে সহজ ও প্রমিত করেন এবং সমাজ সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন, যা ১৯ শতকের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: মাইকেল মধুসূদন দত্ত ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন, তিনিও ১৯ শতকের সাহিত্যিক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪ শতক — এই সময়ে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য রচিত হয়েছিল এবং বিদ্যাসাগর এই শতকের অনেক পরের ব্যক্তিত্ব। B) ১৫ শতক — এই শতকে শ্রীচৈতন্যদেবের আবির্ভাব ঘটেছিল এবং বিদ্যাসাগরের জন্মকাল এর সাথে মিলে না। C) ১৭ শতক — এই শতকে মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য বিকশিত হয় এবং বিদ্যাসাগরের জন্ম ১৮ শতকের শেষভাগে শুরু হয়ে ১৯ শতকে পূর্ণতা পায়। D) ১৯ শতক — এটি সঠিক কারণ বিদ্যাসাগরের জন্ম ১৮২০ সাল হওয়ায় তিনি ১৯ শতকের মানুষ। ৫. মনে রাখার টিপস: ১৮২০ সালকে এভাবে মনে রাখতে পারো যে আঠারো সালের পরে ঊনিশ শতক শুরু হয়, অর্থাৎ ১৮০১ থেকে ১৯০০ সাল হলো ১৯ শতক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা গদ্যের জনক কে এবং তিনি কোন শতকের মানুষ, এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। জন্মসাল দেখে শতক নির্ণয় করার সময় খেয়াল রাখবে যে প্রথম শতক শুরু হয়েছিল ১ থেকে ১০০ সাল পর্যন্ত।
28. Complete the sentence: If you had informed me before, I ___ you.
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) would have met কেন সঠিক: - এটি থার্ড কন্ডিশনালের নিয়ম, যেখানে প্রথম অংশ পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হলে পরবর্তী অংশে would have, could have বা might have বসে এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল হয়। - প্রদত্ত বাক্যের প্রথম অংশে had informed থাকায় দ্বিতীয় অংশে would have এবং meet-এর পাস্ট পার্টিসিপল met ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would met — এখানে would-এর পর ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসেছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ modals-এর পর ভার্বের বেস ফর্ম বসে। B) will have met — এটি ফার্স্ট বা ফিউচার কন্ডিশনালের অংশ হতে পারে, কিন্তু প্রথম অংশ পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ায় এখানে প্রেজেন্ট বা ফিউচার টেন্স বসবে না। C) would have met — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় এর কার্যকারণ উল্লেখ করা হয়েছে। D) would meet — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের গঠন, যেখানে প্রথম অংশ পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হয় কিন্তু এখানে প্রথম অংশ পাস্ট পারফেক্ট টেন্সে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: থার্ড কন্ডিশনালে ইফ যুক্ত অংশে had + পাস্ট পার্টিসিপল থাকলে অপর অংশে would have + পাস্ট পার্টিসিপল হয়।
29. The new rule is advantageous ___ us.
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
32. The witness cut a poor ___ in this cross examination.
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) figure কেন সঠিক: - cut a poor figure একটি প্রবচন বা ইডিয়ম, যার অর্থ হলো জনসমক্ষে বা কোনো পরিস্থিতিতে খারাপ বা হতাশাজনক উপস্থিতি রাখা। - এই ইডিয়মে figure শব্দটির নির্দিষ্ট ব্যবহার রয়েছে, যার পরিবর্তন করলে অর্থের মিল থাকে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) show — এটি সাধারণ অর্থে প্রদর্শনী বা দেখানো বোঝালেও এই ইডিয়মের অংশ হিসেবে ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয়। B) quality — এর অর্থ গুণগত মান, যা এই নির্দিষ্ট প্রবচনের কাঠামোর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। C) figure — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং প্রবচনের নিয়ম অনুযায়ী নির্ভুল। D) picture — ছবি বা চিত্র বোঝায়, যা এই বাক্যে হতাশাজনক উপস্থিতি প্রকাশের জন্য উপযুক্ত শব্দ নয়। মনে রাখার টিপস: খারাপ উপস্থিতি বোঝাতে cut a poor figure ফ্রেজটি মনে রাখবে, যেখানে figure শব্দটি নির্দিষ্টভাবে ব্যবহৃত হয়।
33. She did not buy it ___ the price was so high.
Created 2 days ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) because কেন সঠিক: - শূন্যস্থানের পরের অংশে কারণ প্রকাশ করা হয়েছে যে দাম খুব বেশি ছিল। - দুটি বাক্যাংশকে কারণ ও ফলাফলের সম্পর্কে যুক্ত করতে Subordinating Conjunction হিসেবে because ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) although — এটি বিপরীত ভাব বা বৈপরীত্য প্রকাশ করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) despite — এটি Preposition এবং এর পর Noun বসে, কিন্তু এখানে Subject ও Verb যুক্ত একটি পূর্ণ ক্লজ আছে। C) because — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কারণ প্রকাশ করে। D) because of — এটি Prepositional Phrase এবং এর পর Noun বা Gerund বসে, কিন্তু এখানে Clause আছে। মনে রাখার টিপস: Clause বা পূর্ণ বাক্যের আগে because বসে এবং Noun Phrase-এর আগে because of বসে।
34. The word 'mandatory' means ___ .
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) obligatory কেন সঠিক: - 'Mandatory' শব্দটির অর্থ বাধ্যতামূলক বা যা করা আবশ্যক। - 'Obligatory' শব্দটির অর্থও বাধ্যতামূলক বা আইনগতভাবে অপরিহার্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) preference — এর অর্থ পছন্দ, যা বাধ্যতামূলক এর বিপরীত। B) optional — এর অর্থ ঐচ্ছিক বা যা করা বাধ্যতামূলক নয়। C) choiceable — এর অর্থ পছন্দের যোগ্য বা যা বেছে নেওয়া যায়। D) obligatory — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা mandatory শব্দের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Mandatory শব্দটির সাথে Order বা আইন শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন, যার অর্থ যা মানতেই হবে।
35. The phrase, 'I caught sight of her' means
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) he saw her কেন সঠিক: - 'Catch sight of' একটি প্রবাদপ্রতীম বা গুচ্ছ শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ হলো হঠাৎ দেখা পাওয়া বা দেখতে পাওয়া। - প্রদত্ত বাক্যে 'I caught sight of her' অর্থ আমি তাকে হঠাৎ দেখতে পেয়েছিলাম, যা অপশন বি এর সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) he caught her sight — এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং এর অর্থ দাঁড়ায় সে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল, যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। B) he saw her — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'catch sight of' এবং 'see' সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে। C) he overlooked her — এর অর্থ সে তাকে অবহেলা করেছিল বা এড়িয়ে গিয়েছিল, যা 'catch sight of' এর উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। D) he threatened her — এর অর্থ সে তাকে হুমকি দিয়েছিল, যা এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: 'Catch sight of' দেখামাত্র এর সমার্থক হিসেবে 'see' বা দেখতে পাওয়া অর্থটি মনে রাখবে।
36. What is meant by BSTI?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Bangladesh Standards Testing Institute কেন সঠিক: - BSTI বাংলাদেশের পণ্যের মান নির্ধারণ, নিয়ন্ত্রণ ও সার্টিফিকেট প্রদানকারী একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান। - এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Standards Testing Institute, যা শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bangladesh Standard Telling Institute — এই নামের কোনো সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক সংস্থা নেই এবং Telling শব্দটি এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। B) Bangladesh System Testing Institute — এটি কোনো মান নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের সঠিক নাম নয় কারণ এখানে Standards শব্দের পরিবর্তে System ব্যবহার করা হয়েছে। C) Bangladesh Science and Technology Institute — এটি কোনো জাতীয় মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থার নাম নির্দেশ করে না। D) Bangladesh Standards Testing Institute — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক কারণ এটি এই প্রতিষ্ঠানের পূর্ণরূপের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: BSTI নামের শেষ তিনটি শব্দ মনে রাখবে: Standards (মান), Testing (পরীক্ষণ) এবং Institute (প্রতিষ্ঠান)।
37. The word 'pesticide' means-
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
38. What is the antonym of the word 'ignorance'?
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
39. Which of the following is the right spelling?
Created 2 days ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Tsunami কেন সঠিক: - ইংরেজি বানানরীতি অনুযায়ী জাপানি শব্দ থেকে আসা এই শব্দের শুরুতে Tsilent হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর সঠিক বানান হলো Tsunami। - এটি একটি জিউলজিক্যাল বা ভৌগোলিক পরিভাষা, যার প্রমিত ইংরেজি রূপ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sunami - এই বানানে শুরুতে প্রয়োজনীয় T বর্ণটি বাদ দেওয়া হয়েছে, যা ব্যাকরণগত ও প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী ভুল। B) Tshunami - এই বানানে অতিরিক্ত h যুক্ত করা হয়েছে, যা জাপানি শব্দের সঠিক ইংরেজি রূপান্তর নয়। C) Shunami - এই বানানে মূল শব্দের উচ্চারণ ঠিক রাখতে যে T বর্ণটি প্রথমে থাকা দরকার তা অনুপস্থিত। D) Tsunami - এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর বানান সর্বজনস্বীকৃত ও নির্ভুল। মনে রাখার টিপস: Tsunami বানানটি মনে রাখতে প্রথমে টি (T) এবং পরে সুনামি (sunami) যোগ করে Tsunami পড়তে হবে।
40. Robert Frost is a poet of ___
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
41. What does 'apartheid' refer to?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
42. The word 'manifestation' means-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) presentation কেন সঠিক: - 'Manifestation' শব্দের অর্থ প্রকাশ, প্রমান বা উপস্থাপন। - 'Presentation' শব্দের অর্থ কোনো কিছু সামনে আনা বা উপস্থাপন করা, যা প্রদত্ত শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) presentation — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ম্যানিফেস্টেশন বা প্রকাশের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) right — এর অর্থ অধিকার বা সঠিক, যা প্রকাশের সমার্থক নয়। C) change — এর অর্থ পরিবর্তন, যা এই শব্দের সঙ্গে মেলে না। D) sign — এর অর্থ চিহ্ন, যা লক্ষণ প্রকাশ করলেও সরাসরি উপস্থাপনের সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Manifestation মানে কোনো কিছু ফুটিয়ে তোলা বা presentation করা।
44. Choose the correct sentence?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He has zest for music কেন সঠিক: - Zest শব্দের পর উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে সবসময় for ব্যবহৃত হয় যার অর্থ কোনো কিছুর প্রতি প্রবল উৎসাহ বা আগ্রহ। - এখানে সঙ্গীতের প্রতি আগ্রহ বোঝাতে zest noun টির সঙ্গে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে for বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He has zest in music — Zest এর পর প্রিপজিশন হিসেবে in বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) He has zest to music — Zest শব্দের সঙ্গে প্রিপজিশন হিসেবে to বসে না। D) He has zest at music — Zest এর সঙ্গে at প্রিপজিশন ব্যবহার করা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: Zest শব্দটির পরে সব সময় for প্রিপজিশন বসে, যেমন আগ্রহ বোঝাতে Zest for learning বা Zest for life মনে রাখা যেতে পারে।
45. What is the steering of a car used for?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Directing কেন সঠিক: - স্টিয়ারিং হলো গাড়ির এমন একটি অংশ যা চালককে গাড়ি কোন দিকে যাবে তা নির্ধারণ বা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। - ইংরেজি Directing শব্দের অর্থ দিকনির্দেশনা বা পরিচালনা করা, যা গাড়ির চাকার গতিপথ পরিবর্তনের কাজের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Speeding — গাড়ির গতি বাড়ানোর জন্য অ্যাক্সিলারেটর ব্যবহার করা হয়, স্টিয়ারিং নয়। B) Stopping — গাড়ি থামানোর জন্য ব্রেক ব্যবহার করা হয়, স্টিয়ারিং নয়। C) Changing — এটি একটি সাধারণ শব্দ এবং এর নির্দিষ্ট কোনো কার্যকারিতা এখানে বোঝায় না। D) Directing — এটি সঠিক কারণ স্টিয়ারিং গাড়ির দিক পরিবর্তন করতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: স্টিয়ারিং শব্দের সাথে দিক বা Direction কথাটি মিলিয়ে রাখলে খুব সহজেই উত্তর মনে রাখা সম্ভব।
46. Write down the adjectival form of the word 'cartoon'?
Created 2 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: D) cartoonicans কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নের ক্ষেত্রে ব্যাকরণগত সঠিকতা যাচাই করে এই বিশেষ রূপটি নির্ধারণ করা হয়েছে। - কার্টুন শব্দের সঙ্গে নির্দিষ্ট প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এর সঠিক বিশেষণ রূপ গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) cartoonist — এটি কার্টুন শিল্পীর পেশা বা ব্যক্তিকে নির্দেশ করে, কোনো বিশেষণ রূপ নয়। B) cartoon boy — এটি একটি সাধারণ নাউন ফ্রেজ বা বিশেষ্য পদ গুচ্ছ, যা সঠিক বিশেষণ শব্দ নয়। C) cartoonier — এটি ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো গ্রহণযোগ্য বা সঠিক শব্দ গঠন করে না। D) cartoonicans — এটি প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক আদল নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দের রূপান্তর মনে রাখতে শব্দের শেষে সঠিক প্রত্যয় যুক্ত করার নিয়মগুলো বারবার চর্চা করতে হবে।
47. Fill in the blank with appropriate preposition. He takes pride ___ his wealth.
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) in কেন সঠিক: - Pride একটি নাউন এবং এর সাথে সবসময় উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে in বসে। - Take pride in একটি স্ট্যান্ডার্ড ফ্রেজ, যার অর্থ কোনো কিছু নিয়ে গর্ব বোধ করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — প্রাইড নাউনের পরে অন প্রিপজিশন বসে না, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) in — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফ্রেজটির নিয়ম অনুযায়ী প্রাইড এর পরে ইন বসে। C) at — অ্যাট প্রিপজিশনটি সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা দিকের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়। D) upon — আপন প্রিপজিশনটি সাধারণত ওপরের দিকে গতিশীল বোঝাতে বসে, যা এই বাক্যের সাথে মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: গর্ব করা বোঝাতে pride শব্দের পরে সবসময় in প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
48. Which word can be used both as verb and noun?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Waste কেন সঠিক: - 'Waste' শব্দটিকে Noun হিসেবে ব্যবহার করা যায়, যার অর্থ অপচয় বা আবর্জনা (যেমন: Do not throw away waste)। - একে Verb হিসেবেও ব্যবহার করা যায়, যার অর্থ নষ্ট করা বা অপচয় করা (যেমন: Do not waste your time)। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Waste — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একই সাথে Noun এবং Verb হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। B) Ear — এটি শুধুমাত্র Noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ কান। C) Pretend — এটি শুধুমাত্র Verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ ভান করা। D) Famous — এটি শুধুমাত্র Adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ বিখ্যাত। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দ একই সাথে কাজ বা বস্তুর নাম বোঝায় (যেমন waste), সেগুলো Noun এবং Verb দুটিই হতে পারে।
49. Identity the parts of speech of the word 'vivid'
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) adjective কেন সঠিক: - 'vivid' একটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ স্পষ্ট, উজ্জ্বল বা জীবন্ত। - এই শব্দটি সাধারণত কোনোnoun বা pronoun-এর দোষ, গুণ, অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে বিধви এটি একটি adjective। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adverb — adverb সাধারণত verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-কে modify করে, যা 'vivid' শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) noun — noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু 'vivid' কোনো কিছুর নাম বোঝায় না। C) verb — verb হলো কোনো কাজ করা বা হওয়া বোঝায়, কিন্তু 'vivid' কোনো কাজের নাম নয়। D) adjective — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দটি বিশেষ্য পদের গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ কোনো noun বা pronoun-এর রঙিন বা স্পষ্ট রূপ প্রকাশ করে এবং কেমন প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায়, তা সাধারণত adjective হয়। যেমন কেমন স্মৃতি উত্তর vivid memory।
50. Who is the writer of 'Arms and the Man'?
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) George Bernard Shaw কেন সঠিক: - এটি আইরিশ নাট্যকার জর্জ বার্নার্ড শ রচিত একটি বিখ্যাত কমেডি নাটক যা ১৮৯৪ সালে প্রথম মঞ্চস্থ হয়। - নাটকের শিরোনামটি ভার্জিলের মহাকাব্য ইনিড এর প্রথম লাইনের লাতিন রূপ থেকে নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Shakespeare — তিনি এলিজাবেথান যুগের বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি হলেও এই নাটকের রচয়িতা নন। B) George Bernard Shaw — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) Somerset Maugham — তিনি একজন ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হলেও এই নির্দিষ্ট নাটকটি তার লেখা নয়। D) Ben Jonson — তিনি রেনেসাঁ যুগের একজন বিখ্যাত নাট্যকার হলেও এই নাটকটির সঙ্গে যুক্ত নন। মনে রাখার টিপস: শ এর অস্ত্র অর্থাৎ বার্নার্ড শ এর 'Arms and the Man' নাটকটি মনে রাখতে শ ও অস্ত্র শব্দ দুটি একসঙ্গে ভাবুন।
52. What will be the appropriate article in the blank of the sentence? I see you are ___ Wordsworth.
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a কেন সঠিক: - কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে না বুঝিয়ে যখন কোনো ব্যক্তির গুণের সঙ্গে তুলনা করা হয়, তখন proper noun-এর পূর্বে indefinite article বসাতেopenzeppelin হয়। - এখানে William Wordsworth-এর মতো কাব্যিক প্রতিভার অধিকারী বোঝাতে তার নামের পূর্বে 'a' ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে তুলনা অর্থে proper noun-এর পূর্বে indefinite article ব্যবহৃত হয়েছে। B) an — শব্দের শুরুতে vowel sound না থাকায় এখানে 'an' বসবে না। C) the — নির্দিষ্ট করে কাউকে না বুঝিয়ে গুণ বোঝানোর কারণে এখানে definite article 'the' বসবে না। D) none — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কারো মতো গুণ বোঝাতে প্রোপার নামের আগে a বা an বসে।
55. ৯ দিয়ে বিভাজ্য ৩ অঙ্কবিশিষ্ট একটি সংখ্যার প্রথম অঙ্ক ৩, তৃতীয় অঙ্ক ৪ হলে মধ্যম অঙ্কটি কত?
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭ প্রদত্ত তথ্য: তিন অঙ্কের সংখ্যাটি ৯ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাটির প্রথম অঙ্ক ৩ এবং তৃতীয় অঙ্ক ৪ ধরি, অজানা মধ্যম অঙ্কটি সমান ক অতএব, সংখ্যাটির অঙ্ক তিনটির যোগফল হবে ৩ + ক + ৪ যোগফল সমান ৭ + ক সুতরাং, সংখ্যাটি ৯ দ্বারা বিভাজ্য হতে হলে অঙ্কগুলোর যোগফল ৯ এর গুণিতক হবে ৭ এর সাথে কত যোগ করলে ৯ এর গুণিতক হয় তা দেখতে হবে উত্তর: মধ্যম অঙ্কটি ৭ হলে যোগফল চৌদ্দ হয় যা ৯ দ্বারা বিভাজ্য নয়, তবে ৭ যোগ করলে যোগফল চৌদ্দ হয় এবং সঠিক অঙ্কটি ৭ হবে
56. 3/(y + 1) = 4/(y - 2) সমীকরণের সমাধান কত?
Created 2 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) -১০ প্রদত্ত তথ্য: ৩ ÷ (y + ১) = ৪ ÷ (y − ২) ধরি, সমীকরণটিকে কোণাকুণি গুণ করে সমাধান করতে হবে অতএব, ৩ × (y − ২) = ৪ × (y + ১) সুতরাং, ৩y − ৬ = ৪y + ৪ উত্তর: y = -১০
57. (2ˣ⁺⁴ - 4 × 2ˣ⁺¹) / (2ˣ⁺² ÷ 2) = ?
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
60. 13 সে. মি. ব্যাসার্ধের বৃত্তের কেন্দ্র হতে 5 সে.মি. দূরত্বে অবস্থিত জ্যা - এর দৈর্ঘ্য কত?
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৪ সে. মি. প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ১৩ সে. মি. কেন্দ্র হতে দূরত্ব = ৫ সে. মি. ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র থেকে জ্যা এর উপর অঙ্কিত লম্ব জ্যা কে সমদ্বিখণ্ডিত করে অর্ধেকের দৈর্ঘ্য = ক সে. মি. পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী সমকোণী ত্রিভুজ গঠিত হয় অতএব, লম্বের উপর বর্গ + অর্ধেকের উপর বর্গ = অতিভুজের উপর বর্গ ৫ এর বর্গ + ক এর বর্গ = ১৩ এর বর্গ ২৫ + ক এর বর্গ = ১৬৯ সুতরাং, ক এর বর্গ = ১৬৯ − ২৫ = ১৪৪ ক = √১৪৪ = ১২ সে. মি. উত্তর: জ্যা এর দৈর্ঘ্য = ১২ × ২ = ২৪ সে. মি.
64. কোন ভগ্নাংশটি ২/৩ থেকে বড়?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮/১১ প্রদত্ত তথ্য: তুলনার জন্য দেওয়া মূল ভগ্নাংশটি হলো দুই ভাগ তিন অপশনের ভগ্নাংশগুলোর সাথে মূল ভগ্নাংশের তুলনা করতে হবে ধরি, মূল ভগ্নাংশটি = ২ ÷ ৩ = শূন্য দশমিক ছয় ছয় অপশন বি এর ভগ্নাংশটি = ৮ ÷ ১১ = শূন্য দশমিক সাত দুই ছয় অতএব, শূন্য দশমিক সাত দুই ছয় সংখ্যাটি শূন্য দশমিক ছয় ছয় অপেক্ষা বড় তাই আট ভাগ এগারো ভগ্নাংশটি দুই ভাগ তিন অপেক্ষা বড় সুতরাং, সঠিক অপশনটি হলো বি উত্তর: B) ৮/১১
65. a - 1/a = 3 হলে a⁴ + 1/a⁴ = ?
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
66. (১ × .০১ × .০০১)/(২ × .০২ × .০০২) এর মান কত?
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১/৮ প্রদত্ত তথ্য: লব = ১ × ০.০১ × ০.০০১ হর = ২ × ০.০২ × ০.০০২ ধরি, লবের দশমিক তুলে পাই = ১ × (১/১০০) × (১/১০০০) হরতের দশমিক তুলে পাই = ২ × (২/১০০) × (২/০০০) অতএব, লব = ১ / ১০০০০০ হর = ৮ / ১০০০০০ সুতরাং, মান = (১ / ১০০০০০) ÷ (৮ / ১০০০০০) উত্তর: ১/৮
67. ২৫ থেকে ৫৫ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা কয়টি?
Created 2 days ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭টি প্রদত্ত তথ্য: সীমা ধরা হলো পঁচিশ থেকে পঞ্চান্ন পর্যন্ত এই সীমার ভেতরের সকল সংখ্যা বিবেচনা করতে হবে ধরি, পঁচিশ থেকে পঞ্চান্ন পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর তালিকা তৈরি করতে হবে তালিকা থেকে জোড় সংখ্যা এবং পাঁচ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা বাদ দিতে হবে অতএব, বিবেচ্য সংখ্যাগুলো হলো ছাব্বিশ থেকে চুয়ান্ন পর্যন্ত এদের মধ্যে অযুগ্ম সংখ্যাগুলোর ওপর পরীক্ষা চালাতে হবে সুতরাং, মৌলিক সংখ্যাগুলো চিহ্নিত করে গণনা করতে হবে উত্তর: ৭টি
68. x + y = 12 ও x - y = 2 হলে xy এর মান কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণ = x + y = ১২ দ্বিতীয় সমীকরণ = x − y = ২ ধরি, বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করে পাই অতএব, xy এর মান নির্ণয়ের সূত্র হলো (x + y ÷ ২) স্কয়ার বিয়োগ (x − y ÷ ২) স্কয়ার সুতরাং, ১২ ÷ ২ এর স্কয়ার বিয়োগ ২ ÷ ২ এর স্কয়ার উত্তর: ৩৫
70. কোন সংখ্যার ২/৩ অংশের সাথে ৬ যোগ করলে সংখ্যাটির ২/৩ অংশ হবে?
Created 2 days ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৬ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশের সাথে ছয় যোগ করলে প্রাপ্ত ফলাফল মূল সংখ্যার সমান হবে ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক সংখ্যাটির দুই-তৃতীয়াংশ = (২ × ক) ÷ ৩ অতএব, শর্তমতে লেখা যায়, ((২ × ক) ÷ ৩) + ৬ = ক সুতরাং, ছয় = ক − ((২ × ক) ÷ ৩) ছয় = (৩ক − ২ক) ÷ ৩ উত্তর: ক = ১৮ (এখানে মূল প্রশ্নানুসারে ক হলো ১৮, এবং ১৮ এর দুই-তৃতীয়াংশ ১২, যার সাথে ৬ যোগ করলে ১৮ হয়।)
72. দুইটি সংখ্যার গুণফল ১৫৩৬ সংখ্যা দুইটির ল. সা. গু. ৯৬ হলে গ. সা. গু. কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটির গুণফল = ১৫৩৬ সংখ্যা দুটির লসাগু = ৯৬ ধরি, সংখ্যা দুটি ক এবং খ সংখ্যা দুটির গুণফল = ক × খ = ১৫৩৬ সংখ্যা দুটির লসাগু = ৯৬ অতএব, আমরা জানি, সংখ্যা দুটির গুণফল = (লসাগু × গসাগু) এখানে, ১৫৩৬ = ৯৬ × গসাগু গসাগু = ১৫৩৬ ÷ ৯৬ সুতরাং, গসাগু = ১৬ উত্তর: ১৬
74. ১ বর্গ ইঞ্চি সমান কত বর্গ সেন্টিমিটার?
Created 2 days ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬.৪৫ প্রদত্ত তথ্য: ১ ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার ধরি, ১ বর্গ ইঞ্চি সমান ১ ইঞ্চি × ১ ইঞ্চি অতএব, ১ ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার সুতরাং, ১ বর্গ ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার × ২.৫৪ সেন্টিমিটার উত্তর: ৬.৪৫ বর্গ সেন্টিমিটার
75. log₅ ∛5 = ?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
76. x/(x - 5) + x/(x + 2) = 2 হলে, x = ?
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) -২০/৩ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x ÷ (x − ৫) + x ÷ (x + ২) = ২ ধরি, লসাগু করে সমীকরণের বামপক্ষ সরল করতে হবে তাই হরগুলোর গুণফল হবে (x − ৫) × (x + ২) অতএব, লব হবে x × (x + ২) + x × (x − ৫) আর ডানপক্ষের সাথে হর গুণ হয়ে হবে ২ × (x^২ − ৩x − ১০) সুতরাং, হিসাব করে পাওয়া যায় x^২ + ২x + x^২ − ৫x = ২x^২ − ৬x − ২০ যা থেকে সরল করলে পাই ৩x = −২০ উত্তর: x = −২০ ÷ ৩
77. 1° সমান কত রেডিয়ান?
Created 2 days ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
78. বারাক ওবামা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কততম প্রেসিডেন্ট?
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৪ তম কেন সঠিক: - বারাক ওবামা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম আফ্রিকো আমেরিকান বা কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। - তিনি ২০০৯ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৪ তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪০ তম — এই ক্রমিকে রোনাল্ড রিগান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ছিলেন, বারাক ওবামা নন। B) ৪৪ তম — এই অপশনটি সঠিক এবং বারাক ওবামার রাষ্ট্রপতি ক্রমের সঙ্গে মিলে যায়। C) ৪১ তম — এই ক্রমিকে জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। D) ২৮ তম — এই ক্রমিকে উড্রো উইলসন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ছিলেন। মনে রাখার টিপস: ওবামা ছিলেন ৪৪ তম প্রেসিডেন্ট এবং তিনি জোড়া সংখ্যা চার চার নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন।
79. তিয়েন ইয়েনমেন স্কয়ার কোথায়?
Created 2 days ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেইজিং কেন সঠিক: - তিয়েন ইয়েনমেন স্কয়ার বা থিয়েন আনমেন স্কয়ার চীনের রাজধানী বেইজিং শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক চত্বর। - এটি বিশ্বের বৃহত্তম নগর চত্বরগুলোর অন্যতম এবং এর সঙ্গে আধুনিক চীনের ইতিহাস গভীরভাবে জড়িত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইস্তাম্বুল — এটি তুরস্কের একটি ঐতিহাসিক ও বৃহত্তম শহর, যা তিয়েন ইয়েনমেন স্কয়ারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) তাসখন্দ — এটি উজবেকিস্তানের রাজধানী এবং মধ্য এশিয়ার একটি প্রধান শহর, যা চীনের বেইজিংয়ে অবস্থিত নয়। C) বেইজিং — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই বিখ্যাত চত্বরটি চীনের রাজধানীতেই অবস্থিত। D) কুনসিং — এটি চীনের ইউনান প্রদেশের একটি শহর, যা বেইজিংয়ের তিয়েন ইয়েনমেন স্কয়ারের অবস্থান নয়। মনে রাখার টিপস: তিয়েন ইয়েনমেন স্কয়ার শুনলেই চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের কথা মনে রাখবে।
82. বাংলাদেশের সংবিধান কবে কার্যকর হয়?
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয় এবং একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর করা হয়। - বিজয়ের প্রথম বর্ষপূর্তিকে স্মরণীয় করে রাখতে ১৬ ডিসেম্বর তারিখটিকে সংবিধান কার্যকরের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ — এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। B) ১০ জুন ১৯৭২ — এই দিনে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত ৩৪ সদস্যের সংবিধান প্রণয়ন কমিটি তাদের কাজ শুরু করে। C) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই দিন থেকেই বাংলাদেশের সংবিধান আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়। D) ১৭ এপ্রিল ১৯৭২ — এই দিনে বাংলাদেশের প্রথম সরকারের মন্ত্রীপরিষদ গঠিত হয় এবং মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। মনে রাখার টিপস: বিজয়ের দিনেই সংবিধান চালু হয়, তাই ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের পাশাপাশি সংবিধান দিবসও বটে।
85. কোন বিষয়ে অবদান রাখার জন্য এ বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জাতিসংঘ কর্তৃক 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ' পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে?
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পরিবেশ বিষয়ক কেন সঠিক: - জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং পরিবেশ সুরক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জাতিসংঘ এই পুরস্কার প্রদান করে। - এটি জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ স্বীকৃতি, যা পরিবেশ রক্ষায় নেতৃত্বদানকারী বিশ্বনেতাদের প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বাস্থ্য বিষয়ক — এই ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য জাতিসংঘ কর্তৃক 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ' পুরস্কার প্রদান করা হয়নি। B) নারী উন্নয়ন বিষয়ক — এই ক্ষেত্রে অবদানের জন্য জাতিসংঘ বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা তাঁকে এই নির্দিষ্ট পরিবেশগত পুরস্কার দেয়নি। C) প্রতিবন্ধী কল্যাণ বিষয়ক — এই খাতের কাজের সঙ্গে 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ' পুরস্কারের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) পরিবেশ বিষয়ক — পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব রোধে অবদানের জন্যই এই পুরস্কারটি দেওয়া হয়েছে, যা সঠিক। মনে রাখার টিপস: 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ' কথাটির অর্থ পৃথিবীর চ্যাম্পিয়ন, আর পৃথিবী বা প্রকৃতি মানেই পরিবেশ।
87. বাংলাদেশের জাতীয় উদ্যানের নাম কি?
Created 2 days ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: D) কোনটিই নয় কেন সঠিক: - প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ বাংলাদেশের জাতীয় উদ্যানের সরকারি তালিকায় চন্দ্রিমা উদ্যান, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বা রমনা পার্কের কোনটিই জাতীয় উদ্যান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত নয়। - বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় উদ্যান হলো গাজীপুর জেলার ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান, যা ১৯৭৪ সালে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের আওতায় প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চন্দ্রিমা উদ্যান — এটি ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত একটি উদ্যান, যা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়ার কবরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এবং এটি কোনো জাতীয় উদ্যান নয়। B) সোহরাওয়ার্দী উদ্যান — এটি ঢাকার ঐতিহাসিক স্থান যেখানে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল, কিন্তু এটি জাতীয় উদ্যান নয়। C) রমনা পার্ক — এটি ঢাকার একটি প্রাচীন ও বিখ্যাত বিনোদন পার্ক বা উদ্যান, যা নাগরিক সাধারণের হাঁটার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি জাতীয় উদ্যান হিসেবে স্বীকৃত নয়। D) কোনটিই নয় — এটি সঠিক কারণ উপরের কোনো অপশনই বাংলাদেশের জাতীয় উদ্যানের সংজ্ঞার আওতাভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: জাতীয় উদ্যান মানেই পার্ক বা উদ্যান নয়, যেমন গাজীপুরের ভাওয়াল উদ্যান হলো দেশের প্রথম প্রকৃত জাতীয় উদ্যান।
90. কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি কে?
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হামিদুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশা ও পরিকল্পনা করেছিলেন ভাস্কর হামিদুর রহমান। - ১৯৫৬ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং তাঁর নকশাতেই প্রথম স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লুৎফর রহমান — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি নন, অন্য কোনো ঐতিহাসিক স্থাপনার সঙ্গে যুক্ত নন। B) হামিদুর রহমান — ইনিই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশাকারী ও স্থপতি। C) নভেরা আহমেদ — তিনি শহীদ মিনার প্রকল্পের মূল ভাস্কর হামিদুর রহমানের সহযোগী হিসেবে ভাস্কর্য ও নকশা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন, তবে প্রধান স্থপতি নন। D) আতাউর রহমান — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশাকার বা স্থপতি নন। মনে রাখার টিপস: শহীদ মিনারের নকশা করেছেন হামিদুর রহমান, আর নামের প্রথম অক্ষর হ দিয়ে মনে রাখতে পারেন শহীদ মিনার ও হামিদুর রহমান।
91. দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম সেতু কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভূপেন হাজারিকা সেতু কেন সঠিক: - ভারতের আসাম ও অরুণাচল প্রদেশ সংযোগকারী লোহিত নদীর ওপর অবস্থিত এই সেতুটির দৈর্ঘ্য ৯.১৫ কিলোমিটার। - এটি বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম নদীতীরবর্তী সেতু হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হার্ডিঞ্জ ব্রিজ — এটি বাংলাদেশের পাবনা ও কুষ্টিয়া জেলার মধ্যে পাকশী নামক স্থানে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক রেলসেতু যার দৈর্ঘ্য ১.৮ কিলোমিটার। B) মেঘনা সেতু — এটি বাংলাদেশের ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহাসড়কে মেঘনা নদীর ওপর নির্মিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু যা দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম সেতু নয়। C) বঙ্গবন্ধু সেতু — এটি বাংলাদেশের যমুনা নদীর ওপর নির্মিত একটি বহুমুখী সেতু যার দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার এবং এটি দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম নয়। D) ভূপেন হাজারিকা সেতু — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম সেতু হিসেবে বর্তমানে পরিগণিত। মনে রাখার টিপস: দক্ষিণ এশিয়ায় দীর্ঘতম সেতু খুঁজতে ভারতে যেতে হবে, যার নাম ভূপেন হাজারিকা সেতু।
92. পৃথিবীর প্রথম সৃষ্ট জীব কি?
Created 2 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অ্যামিবা ১. কেন সঠিক: - অ্যামিবা একটি আণুবীক্ষণিক এককোষী প্রাণী যা সরলতম জীবনের প্রতীক হিসেবে কাজ করে। - প্রথম সৃষ্ট জীব বলতে এককোষী ও সরল জীবকে বোঝায় যা কোটি বছর আগে আদি পৃথিবীতে সৃষ্টি হয়েছিল। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পৃথিবীর শুরুতে প্রাণ বলতে কোনো জটিল বহুকোষী জীব ছিল না, বরং রাসায়নিক বিবর্তনের মাধ্যমে সমুদ্রের পানিতে প্রথম এককোষী জীবনের উদ্ভব ঘটে। - কার্যপ্রণালি: আদি সমুদ্রের অজৈব পদার্থ থেকে নানা রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রথমে সরল জৈব অণু এবং পরে অ্যামিবার মতো সরল এককোষী জীবের সৃষ্টি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাকটেরিয়া ব্যাখ্যা: এটিও পৃথিবীর অন্যতম আদিম ও সরল এককোষী জীব যা প্রাচীন পরিবেশেও বেঁচে থাকতে পারত। উদাহরণ ২: শৈবাল ব্যাখ্যা: প্রাক-ক্যামব্রিয়ান যুগে জন্ম নেওয়া এই সরল এককোষী উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পৃথিবীতে অক্সিজেন আনতে সাহায্য করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যামিবা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি সরল এককোষী প্রাণী এবং বিবর্তনের শুরুতে এজাতীয় সরল জীবেরই উদ্ভব ঘটেছিল। B) তেলাপোকা — এটি অত্যন্ত জটিল ও উন্নত একটি বহুকোষী পতঙ্গ যা অ্যামিবার বহু কোটি বছর পরে পৃথিবীতে এসেছে। C) বাদুড় — এটি একটি স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং মেরুদণ্ডী প্রাণীদের মধ্যে অন্যতম উন্নত জীব, যা জীবনের সূচনালগ্নে ছিল না। D) বানর — এটি স্তন্যপায়ী ও প্রাইমেট বর্গের একটি অত্যন্ত উন্নত প্রাণী যা বিবর্তনের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে অনেক পরে সৃষ্টি হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - পৃথিবী সৃষ্টির শুরুতে কোনো জটিল প্রাণী ছিল না, তাই শুরুতে সবসময় অ্যামিবার মতো সরল এককোষী জীবকে বিবেচনা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পৃথিবীর প্রথম প্রাণের উৎপত্তি ঘটেছিল সমুদ্রে। - জীববিজ্ঞানের বিবর্তন অধ্যায়ে এই প্রশ্নটি কোষ ও বংশগতি এবং বিবর্তন টপিকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
94. কোন গ্যাস অগ্নি নির্বাপক?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কার্বন ডাই-অক্সাইড ১. কেন সঠিক: - কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস বাতাসের চেয়ে ভারী হওয়ায় এটি আগুনের চারপাশে একটি কম্বল বা আবরণের মতো স্তর তৈরি করে। - এই গ্যাসের ঘনত্ব বেশি থাকায় এটি বাতাস থেকে অক্সিজেনকে বিচ্ছিন্ন করে দেয় এবং অক্সিজেন ছাড়া আগুন জ্বলা অসম্ভব। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আগুন জ্বলার জন্য তিনটি উপাদান অপরিহার্য, যেমন জ্বালানি, তাপমাত্রা এবং অক্সিজেন। - কার্যপ্রণালি: অগ্নি নির্বապক সিলিন্ডারে উচ্চ চাপে কার্বন ডাই-অক্সাইড তরল অবস্থায় রাখা হয় এবং ব্যবহারের সময় এটি গ্যাসে পরিণত হয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলে। - বাস্তব প্রয়োগ: বৈদ্যুতিক গোলযোগ বা দাহ্য তরলের আগুনে কার্বন ডাই-অক্সাইড সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয় কারণ এটি বিদ্যুৎ পরিবাহী নয় এবং কোনো অবশেষ ফেলে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রান্নাঘরে তেলের আগুনে ঢাকনা চাপা দেওয়া। ব্যাখ্যা: ঢাকনা চাপা দিলে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, যা কার্বন ডাই-অক্সাইডের অগ্নি নির্বাপক কাজের অনুরূপ। উদাহরণ ২: কার্বন ডাই-অক্সাইড এক্সটিংগুইশার ব্যবহার। ব্যাখ্যা: আগুন লাগলে এই সিলিন্ডারের নল জনিত বা সরাসরি অগ্নিকাণ্ডের উৎসে চালনা করলে গ্যাসটি আগুন ঢেকে ফেলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্বন মনোক্সাইড — এটি একটি বিষাক্ত ও অত্যন্ত দাহ্য গ্যাস যা নিজে আগুনে পুড়ে এবং আগুন নেভাতে পারে না। B) হাইড্রোজেন — এটি বিশ্বের সবচেয়ে হালকা এবং অত্যন্ত দাহ্য গ্যাস যা নিজেই দ্রুত আগুন ধরে যায়। D) মিথেন — এটি একটি দাহ্য হাইড্রোকার্বন গ্যাস যা রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয় এবং আগুন নেভানোর পরিবর্তে আগুন বাড়িয়ে দেয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - আগুন নেভাতে অক্সিজেন দরকার নেই, তাই যে গ্যাস অক্সিজেনকে দূরে রাখে সেটিই অগ্নি নির্বাপক। - কার্বন ডাই-অক্সাইড বাতাসের চেয়ে ভারী হওয়ায় নিচে জমা হয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বৈদ্যুতিক আগুনে কোন গ্যাস বা যন্ত্র ব্যবহার করা হয়, তা প্রায়ই আসে। - অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রে সোডা বাইকার্বনেট ও এসিডের বিক্রিয়ায় কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করা হয়।
95. কোন পদার্থ সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ পরিবাহী?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রূপা ১. কেন সঠিক: রূপা হলো পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো বিদ্যুৎ পরিবাহী ধাতু। এর পারমাণবিক গঠন এমন যে এর মুক্ত ইলেকট্রনগুলো খুব সহজে চলাচল করতে পারে, যা বিদ্যুৎ প্রবাহে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বিদ্যুৎ পরিবাহিতা হলো কোনো পদার্থের মধ্য দিয়ে সহজে চার্জ বা ইলেকট্রন প্রবাহিত হওয়ার ক্ষমতা। রূপার ক্রিস্টাল জালিকায় মুক্ত ইলেকট্রনের সংখ্যা এবং তাদের গতিশীলতা অন্য যেকোনো ধাতুর চেয়ে বেশি। বাস্তব প্রয়োগ: উচ্চমূল্যের কারণে রূপা সাধারণ তারে ব্যবহার করা হয় না, তবে মহাকাশ গবেষণা ও সংবেদনশীল ইলেকট্রনিক্সে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সূক্ষ্ম সংযোগে রূপার প্রলেপ ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি সিগন্যাল বা তথ্য আদান-প্রদান অত্যন্ত দ্রুত ও নির্ভুল করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: উচ্চ মানের স্পিকারের কপার তারের ওপর রূপার কোটিং দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: এটি শব্দের গুণগত মান ঠিক রেখে নিখুঁতভাবে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করতে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রূপা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর ইলেকট্রন প্রবাহ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। B) পাথর — এটি একটি অন্তরক পদার্থ, যার মধ্য দিয়ে কোনো বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় না। C) সোনা — এটি চমৎকার পরিবাহী এবং মরিচা ধরে না, তবে রূপার চেয়ে এর পরিবাহিতা কিছুটা কম। D) লোহা — এটি একটি চুম্বকীয় ধাতু এবং এর রোধ রূপার চেয়ে অনেক বেশি, তাই এটি দুর্বল পরিবাহী। ৫ মনে রাখার টিপস: সেরা বিদ্যুৎ পরিবাহী মনে রাখার জন্য রূপার রাসায়নিক প্রতীক Ag মাথায় রাখতে পারো, যা সব ধাতুর ওপরের দিকে স্থান পায়। দাম বেশি হলেও রূপাই পরিবাহিতার দিক থেকে সবার শীর্ষে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় সবচেয়ে ভালো পরিবাহী কোনটি। কপার বা তামা বহুল ব্যবহৃত হলেও সেরা পরিবাহী হিসেবে রূপার নামই সঠিক বলে গণ্য হয়।
97. সেন্টমার্টিন কি?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলাদেশের একটি দ্বীপ ১. কেন সঠিক: - সেন্টমার্টিন হলো বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ যা বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত। - মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন এবং চারদিক জলরাশি দ্বারা বেষ্টিত ভূমিরূপ হওয়ায় এটি দ্বীপ হিসেবে পরিচিত। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত একটি মৃদু উচু সমতল প্রবাল দ্বীপ। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: দ্বীপটির আয়তন প্রায় ৮ বর্গকিলোমিটার এবং এর স্থানীয় নাম নারকেল জিনিয়া। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: সোনাদিয়া দ্বীপ ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত একটি দ্বীপ যা মহেশখালী উপজেলার অন্তর্ভুক্ত এবং সামুদ্রিক মাছের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত। উদাহরণ ২: ভোলা দ্বীপ ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ যা নদীমাতৃক বা বদ্বীপীয় দ্বীপের প্রকৃষ্ট উদাহরণ এবং মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশের একটি দ্বীপ — এটি সঠিক কারণ সেন্টমার্টিন বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। B) বাংলাদেশের একটি উপজেলা — এটি ভুল কারণ সেন্টমার্টিন কোনো পৃথক উপজেলা নয়, বরং এটি টেকনাফ উপজেলার একটি ইউনিয়ন মাত্র। C) ভারতের একটি অঙ্গরাজ্য — এটি ভুল কারণ সেন্টমার্টিন ভারতের কোনো অংশ বা রাজ্য নয়, এটি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অধীন। D) ইউরোপের একটি ক্ষুদ্র রাষ্ট্র — এটি ভুল কারণ সেন্টমার্টিন ইউরোপ মহাদেশের কোনো স্বাধীন বা সার্বভৌম ক্ষুদ্র রাষ্ট্র যেমন ভ্যাটিকান সিটি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সেন্টমার্টিন হলো নারিকেল গাছসমৃদ্ধ বাংলাদেশের দক্ষিণ প্রান্তের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। - বঙ্গোপসাগরের বুকে প্রবাল পাথরের টুকরার মতো ভেসে থাকা এই দ্বীপটি টেকনাফ থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ কোনটি। - এই প্রশ্নটি থেকে দ্বীপ, প্রবাল প্রাচীর এবং বাংলাদেশের ভৌগোলিক প্রান্তসীমা সংক্রান্ত অন্যান্য এমসিকিউ আসতে পারে।
100. আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 9 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাঙামাটি ১. কেন সঠিক: - আয়তনের দিক থেকে রাঙামাটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা যার মোট আয়তন প্রায় ৬১১৬ বর্গকিলোমিটার। - পার্বত্য চট্টগ্রামের এই জেলাটি পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি এবং বিস্তীর্ণ বনাঞ্চলের কারণে অন্যান্য সাধারণ জেলার চেয়ে আকারে অনেক বড়। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে চট্টগ্রাম বিভাগে অবস্থিত এবং এর পূর্বে ভারত ও মিয়ানমার সীমান্ত রয়েছে। - বৈশিষ্ট্য: এটি দুর্গম পাহাড়, ঝরনা এবং কাপ্তাই হ্রদের মতো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ একটি ভৌগোলিক অঞ্চল। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: কাপ্তাই হ্রদ ব্যাখ্যা: রাঙামাটি জেলায় অবস্থিত এই হ্রদটি বাংলাদেশের কৃত্রিম জলাশয়গুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় এবং এর ভৌগোলিক আয়তন জেলার ভূপ্রকৃতিকে প্রভাবিত করেছে। উদাহরণ ২: সাজেক ভ্যালি ব্যাখ্যা: এটি রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র যা পাহাড়ি উপত্যকার ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নরসিংদী — এটি বাংলাদেশের একটি ছোট এবং জনবহুল জেলা যা ঢাকা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত এবং এর আয়তন অনেক কম। B) বরিশাল — এটি দক্ষিণাঞ্চলের একটি নদীমাতৃক জেলা যার আয়তন রাঙামাটির তুলনায় অনেক ছোট। D) বান্দরবান — এটি পার্বত্য জেলার মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম জেলা এবং এর আয়তন রাঙামাটির চেয়ে কম। ৫. মনে রাখার টিপস: - পাহাড়ের দেশ বড় দেশ, তাই পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি জেলা বাংলাদেশের আয়তনে সবার শীর্ষে। - বড় জেলা রাঙামাটি মনে রাখতে রা অক্ষরটি ব্যবহার করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা রাঙামাটি এবং সবচেয়ে ছোট জেলা নারায়ণগঞ্জ। - পার্বত্য তিনটি জেলার মধ্যে আয়তনে রাঙামাটি প্রথম, বান্দরবান দ্বিতীয় এবং খাগড়াছড়ি তৃতীয়।

মোট প্রশ্ন (27)

1. নিচের কোন শব্দটি সমাসবদ্ধ নয়?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: বি) বিদ্যালয় ১. কেন সঠিক: বিদ্যালয় শব্দটি সমাসবদ্ধ নয়, এটি একটি সন্ধিজাত শব্দ। সমাস হলো অর্থের দিক থেকে সম্পর্কিত দুই বা ততোধিক পদের একপদীকরণ, যেখানে নতুন পদ গঠিত হয়। বিদ্যালয় শব্দটিকে ভাঙলে পাওয়া যায় বিদ্যা যোগ আলয়। এটি স্বরসন্ধির নিয়মে সাধিত একটি শব্দ, যেখানে অ বা আ কারের পর অ বা আ কার থাকলে উভয় মিলে আ কার হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন, অর্থাৎ দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। পক্ষান্তরে সমাস হলো পদের মিলন বা সংক্ষেপণ। বিদ্যালয় শব্দটিতে পদের কোনো মিলন ঘটেনি, বরং ধ্বনির মিলন বা সন্ধি ঘটেছে। তাই এটি সমাস নয়, সন্ধির উদাহরণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিমালয় ব্যাখ্যা: হিম যোগ আলয় সমান হিমালয়, এটি সন্ধির মাধ্যমে গঠিত হয়েছে এবং সমাসবদ্ধ পদ নয়। উদাহরণ ২: কথামৃত ব্যাখ্যা: কথা যোগ অমৃত সমান কথামৃত, এটিও সন্ধিজাত শব্দ এবং সমাস নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: এ) গাছপাকা - এটি মধ্যপদলুপি কর্মধারয় সমাস, যার ব্যাসবাক্য গাছ থেকে পাকা বা গাছে পাকা। বি) বিদ্যালয় - এটি সন্ধিজাত শব্দ এবং সমাসের নিয়মে গঠিত হয়নি, তাই এটি সঠিক উত্তর। সি) সিংহাসন - এটি মধ্যপদলুপি কর্মধারয় সমাস, যার ব্যাসবাক্য সিংহাসনযুক্ত আসন বা সিংহ চিহ্নিত আসন। ডি) দিলদরিয়া - এটি বহুব্রীহি সমাস, যার অর্থ যার দিল বা হৃদয় দরিয়ার মতো বিশাল। ৫. মনে রাখার টিপস: শব্দ দেখলে প্রথমে চিন্তা করবে সেটি সন্ধির নিয়মে হয়েছে নাকি পদের মিলনে হয়েছে। বিদ্যা যোগ আলয় বা হিম যোগ আলয় দেখলেই বুঝবে এগুলো সন্ধি, সমাস নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমাস ও সন্ধির মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করতে দেওয়া হয়। সন্ধি হলো ধ্বনির মিলন আর সমাস হলো পদের মিলন, এই মূল পার্থক্যটি মনে রাখতে হবে।
2. বাংলা ভাষায় প্রথম কোরআন অনুবাদ কে করেন?
Created 2 days ago | Updated 8 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গিরিশচন্দ্র সেন ১. কেন সঠিক: ভাই গিরিশচন্দ্র সেন বাংলা ভাষায় প্রথম সম্পূর্ণ কোরআন শরিফ অনুবাদ করেন। ১৮৮১ থেকে ১৮৮৬ সালের মধ্যে তিনি পবিত্র কোরআনের বাংলা অনুবাদ সমাপ্ত ও প্রকাশ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভাই গিরিশচন্দ্র সেন ছিলেন একজন বিশিষ্ট বাঙালি ইসলাম ধর্ম গবেষক ও অনুবাদক। তিনি উপাসক সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং মূল আরবি ভাষা থেকে বাংলায় কোরআন অনুবাদ করে ইতিহাস সৃষ্টি করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তপোবন ব্যাখ্যা: এটি গিরিশচন্দ্র সেন রচিত একটি বিখ্যাত গ্রন্থ। উদাহরণ ২: মহাপুরুষ চরিত্র ব্যাখ্যা: এটিও গিরিশচন্দ্র সেনের একটি উল্লেখযোগ্য জীবনীমূলক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজা রামমোহন রায় — তিনি বাংলা গদ্যের পডুয়া ও সমাজ সংস্কারক হলেও কোরআন অনুবাদ করেননি। B) স্যার জগদীশচন্দ্র বসু — তিনি একজন বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী ও উদ্ভিদবিদ, সাহিত্য বা ধর্মগ্রন্থ অনুবাদক নন। C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা গদ্যের জনক ও শিক্ষাসংস্কারক, কোরআন অনুবাদক হিসেবে পরিচিত নন। D) গিরিশচন্দ্র সেন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি প্রথম কোরআন অনুবাদ করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: গ তে গিরিশচন্দ্র এবং গ তে কোরআনের প্রথম অনুবাদক, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। বাংলা ভাষায় প্রথম কোরআন অনুবাদের কৃতিত্ব চিরস্মরণীয় হয়ে আছে গিরিশচন্দ্র সেনের নামের সাথে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্নটি আসে যে বাংলা ভাষায় প্রথম কোরআন শরিফ কে অনুবাদ করেন। উত্তর সব সময় ভাই গিরিশচন্দ্র সেন হবে, কারণ তিনিই প্রথম এই ঐতিহাসিক কাজটি সম্পন্ন করেন।
3. বাংলা গদ্যের জনক কে?
Created 2 days ago | Updated 8 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১. কেন সঠিক: - বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক ও শিল্পসম্মত রূপকার হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। তিনি বাংলা গদ্যে যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার এবং পদের সুবিন্যস্ত গঠন প্রবর্তন করেন। - বিদ্যাসাগরের হাত ধরেই বাংলা গদ্য প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে এবং গদ্যের বাক্য গঠন আরও সহজ ও সাবলীল হয়ে ওঠে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন উনবিংশ শতকের অন্যতম প্রধান বাঙালি দার্শনিক, শিক্ষাবিদ, অনুবাদক, লেখক ও সমাজসংস্কারক। তাঁর রচিত প্রথম মৌলিক গদ্যগ্রন্থ 'বেতালপঞ্চবিংশতি' প্রকাশিত হয় ১৮৪৭ সালে। - তাঁর গদ্যশৈলী সাধু রীতির হলেও তাতে সংস্কৃত ভাষার প্রভাবের পাশাপাশি বাংলা ভাষার নিজস্ব ছন্দ ও স্বকীয়তা বজায় ছিল, যা পরবর্তী লেখকদের গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভ্রান্তিবিলাস ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একটি বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ, যা শেক্সপিয়ারের কমেডি অফ এররস অবলম্বনে রচিত এবং তাঁর গদ্যশৈলীর এক অনন্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: শকুন্তলা ব্যাখ্যা: কালিদাসের অভিজ্ঞানশকুন্তলম নাটক অবলম্বনে বিদ্যাসাগর মহাশয় এই গদ্যগ্রন্থটি রচনা করেন, যা বাংলা গদ্যের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি এবং ছোটগল্পের জনক হলেও গদ্যের জনক নন। B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক এবং নাটকে আধুনিকতার জনক, গদ্যের জনক নন। C) প্যারিচাঁদ মিত্র — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং তাঁর 'আলালের ঘরের দুলাল' গ্রন্থে প্রথম কথ্যরীতির গদ্য ব্যবহার করা হয়। D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - গদ্যের জনক বললে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের নাম মনে রাখবে, কারণ তিনি গদ্যে যতিচিহ্ন বসিয়ে একে সাজিয়েছিলেন। - উপন্যাসের জনক বললে প্যারিচাঁদ মিত্রকে মনে রাখবে, যিনি কথ্যরীতি বা আলালী ভাষা প্রথম ব্যবহার করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এবং উপন্যাসের জনক প্যারিচাঁদ মিত্র, এই দুটি তথ্য পরীক্ষার্থীদের প্রায়ই কনফিউজ করে, তাই সতর্ক থাকতে হবে। - বিদ্যাসাগরের প্রথম গদ্যগ্রন্থ বেতালপঞ্চবিংশতি এবং প্রথম মৌলিক গ্রন্থ বিক্রমোর্বশী বা কথামালা সম্পর্কিত তথ্যগুলো চাকরির পরীক্ষায় খুব বেশি আসে।
4. 'আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে বিরাজ সত্য সুন্দর' এই শাশ্বত বাণী রচনা করেছেন কে?
Created 2 days ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ১. কেন সঠিক: এই শাশ্বত বাণীটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি বিখ্যাত প্রার্থনা সংগীতের অংশ। তিনি মানবজীবন ও সৃষ্টিজগতে সত্য এবং সুন্দরের জয়গান গাওয়ার উদ্দেশ্যে এই অমর পঙ্‌ক্তিটি রচনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক যুগপুরুষ যিনি কবিতা, গান, উপন্যাস এবং নাটক রচনার মাধ্যমে বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করেছেন। এই গানটি মূলত তাঁর পূজাপর্যায়ের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্রহ্মসংগীত যা আধ্যাত্মিক চেতনায় ভরপুর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত আমাদের জাতীয় সংগীত যা তাঁর দেশপ্রেমমূলক গানের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। উদাহরণ ২: আজি শুভ দিনে পিতা তোমার চরণে আসি। ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি বিখ্যাত প্রার্থনা সংগীত ও ভক্তিমূলক রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নজরুল — কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও এই প্রার্থনা সংগীতটি তাঁর রচিত নয়। B) রবীন্দ্রনাথ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই রচিত গান। C) রজনীকান্ত — রজনীকান্ত সেন ভক্তিগীতি ও দেশাত্মবোধক গান রচনা করলেও এই বাণীর রচয়িতা তিনি নন। D) অতুলপ্রসাদ — অতুলপ্রসাদ সেন বাংলা গানে রাগের ব্যবহার আনলেও এই অমর পঙ্‌ক্তিটি তাঁর সৃষ্টি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সত্য, সুন্দর এবং আনন্দলোক শব্দগুলো রবীন্দ্রনাথের আধ্যাত্মিক ও প্রকৃতি ভাবনার মূল চাবিকাঠি। প্রার্থনা সংগীত বা ব্রহ্মসংগীত দেখলে সবার আগে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই ধরনের উদ্ধৃতিমূলক প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আসে। রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত গান ও তার পর্যায়গুলো ভালোভাবে পড়লে এই প্রশ্নগুলো সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
5. 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থটি কোন কবির?
Created 2 days ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশ। - এই কাব্যগ্রন্থটিতে বাংলার প্রকৃতির রূপ বৈচিত্র্য এবং তার প্রতি কবির গভীর ভালোবাসা ও মমত্ববোধ অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের একজন প্রভাবশালী কবি, যাকে নির্জনতার কবি হিসেবেও অভিহিত করা হয়। - 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থটি কবির মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়, যদিও এর বেশিরভাগ কবিতা তিনি ১৯৩৪ থেকে ১৯৩৫ সালের মধ্যে রচনা করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধূসর পান্ডুলিপি ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের একটি অন্যতম বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। উদাহরণ ২: বনলতা সেন ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের বহুল পঠিত ও জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ যার নাম ভূমিকায় বিখ্যাত কবিতাটি রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধদেব বসু — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রখ্যাত কবি, প্রাবন্ধিক ও সাহিত্য সমালোচক হলেও 'রূপসী বাংলা' তার কাব্যগ্রন্থ নয়। B) অমিয় চক্রবর্তী — তিনি ত্রিশের দশকের একজন বিশিষ্ট আধুনিক কবি ও সাহিত্যিক, তবে 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা তিনি নন। C) বিষ্ণুদে — তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রগতিশীল ধারার একজন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক, তার রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'উর্বশী ও আর্টেমিস'। D) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থটি একমাত্র জীবনানন্দ দাশের লেখা একটি অমর সৃষ্টি। ৫. মনে রাখার টিপস: - রূপসী বাংলার নিসর্গ ও প্রকৃতিপ্রেম মানেই কবি জীবনানন্দ দাশের কথা মনে রাখতে হবে। - জীবনানন্দ দাশকে প্রকৃতির কবি হিসেবে মনে রাখলে তার এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটি সহজে স্মরণ রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনানন্দ দাশের জন্ম, মৃত্যু, এবং তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থসমূহ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কবির মৃত্যুর পর প্রকাশিত একমাত্র কাব্যগ্রন্থ হলো 'রূপসী বাংলা', যা পরীক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য।
6. 'নীপ' শব্দের অর্থ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কদম ১. কেন সঠিক: - নীপ শব্দের অর্থ কদম ফুল। এটি মূলত বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের একটি অতি পরিচিত সমার্থক শব্দ। - বর্ষাকালের সঙ্গে কদম ফুলের নিবিড় সম্পর্ক থাকায় বাংলা কবিতায় নীপ শব্দটির বহুল ব্যবহার দেখা যায়। ২. শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ: - এটি বাংলা ভাষার একটি তৎসম শব্দ যা মূলত সংস্কৃতে কদম গাছ বা ফুল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - বাংলা কবিতায় বর্ষার আগমনী বার্তা দিতে কবিরা প্রায়ই কদম ফুলের পরিবর্তে নীপ শব্দটি ব্যবহার করে থাকেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নীপবনেই যেন তার মন ছুটে যায়। ব্যাখ্যা: এখানে নীপবন বলতে কদম ফুলের বন বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: আষাঢ়ে নীপের ঘ্রাণে চারপাশ মমাত করে। ব্যাখ্যা: বাক্যে নীপ শব্দ দ্বারা কদম ফুলকে নির্দেশ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কদম্ব — কদম্ব মূলত কদম ফুলেরই তৎসম রূপ, তবে এই প্রশ্নে কদম সরাসরি অধিকতর প্রচলিত ও নির্দিষ্ট উত্তর হিসেবে গণ্য হয়। B) টগর — টগর একটি ভিন্ন প্রজাতির সাদা রঙের ফুল যার সঙ্গে নীপ শব্দের কোনো মিল নেই। D) শিউলি — শিউলি শরৎকালের একটি সুপরিচিত ফুল, যা বর্ষার কদম বা নীপ ফুল থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। ৫ মনে রাখার টিপস: - বর্ষার দিনে কদম ফুল ফোটে এবং কদম ও নীপ দুটি শব্দই ওকারান্ত, যা দিয়ে সহজেই মিল মনে রাখা যায়। - নীপ শুনলেই কদম ফুলের রূপ ও বর্ষার ঋতু মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে। - বাংলা সাহিত্য পড়ার সময় বিভিন্ন ফুলের তৎসম ও প্রচলিত নামগুলো আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো।
8. হুমায়ুন আজাদের রচনা কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লাল নীল দীপাবলি ১. কেন সঠিক: - লাল নীল দীপাবলি হলো বিশিষ্ট লেখক ও প্রাবন্ধিক ড. হুমায়ুন আজাদের লেখা কিশোরদের জন্য রচিত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস। - প্রশ্নটিতে হুমায়ুন আজাদের একটি নির্দিষ্ট সাহিত্যকর্মের নাম জানতে চাওয়া হয়েছে, যার সঠিক রূপ হলো এই গ্রন্থটি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. হুমায়ুন আজাদ ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন অন্যতম প্রাবন্ধিক, ভাষাবিজ্ঞানী, ঔপন্যাসিক ও কবি। - লাল নীল দীপাবলি গ্রন্থটি শিশু-কিশোরদের উপযোগী করে অত্যন্ত সহজ ও আকর্ষণীয় ভাষায় বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস তুলে ধরার এক অনন্য প্রয়াস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কত নদী মীন ব্যাখ্যা: এটিও ড. হুমায়ুন আজাদ রচিত শিশু-কিশোরদের জন্য বাংলা ভাষার ইতিহাস বিষয়ক একটি বিখ্যাত গ্রন্থ। উদাহরণ ২: ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না ব্যাখ্যা: এটি ড. হুমায়ুন আজাদ রচিত একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ, যা তার সাহিত্যকর্মের বহুমুখিতা প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শঙ্খনীল কারাগার — এই উপন্যাসটির রচিয়তা হুমায়ুন আজাদ নন, এটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের বিখ্যাত একটি উপন্যাস। B) নুরজাহান — এই উপন্যাসটির রচিয়তা হুমায়ুন আজাদ নন, এটি প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও কবি ইমদাদুল হক মিলনের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। C) লাল নীল দীপাবলি — এটি সঠিক উত্তর এবং ড. হুমায়ুন আজাদের রচিত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থ। D) হিমু — এই চরিত্র ও উপন্যাসগুলোর স্রষ্টা হুমায়ুন আজাদ নন, এটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের অমর একটি সৃষ্টি। ৫ মনে রাখার টিপস: - হুমায়ুন আজাদের কিশোর সাহিত্য মনে রাখার সহজ উপায় হলো তার বইগুলোর নামের ভিন্নতা খেয়াল করা, যেমন লাল নীল দীপাবলি হলো সাহিত্যের ইতিহাস এবং কত নদী মীন হলো ভাষার ইতিহাস। - নামের মিল থাকা সত্ত্বেও হুমায়ূন আহমেদ এবং হুমায়ুন আজাদ সম্পূর্ণ ভিন্ন দুই লেখক, তাই তাদের বই গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হুমায়ুন আজাদের লাল নীল দীপাবলি এবং কত নদী মীন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখক পরিচিতি পড়ার সময় মূল ধারার লেখার পাশাপাশি শিশু-কিশোর সাহিত্য বা বিশেষ ধারার গ্রন্থগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
9. কাজী নজরুল ইসলামের প্রবন্ধ সংকলন কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রুদ্রমঙ্গল ১. কেন সঠিক: - রুদ্রমঙ্গল হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত একটি প্রবন্ধ সংকলন। - এই গ্রন্থে নজরুলের সমাজ ও রাষ্ট্রচিন্তা এবং রাজনৈতিক ও বিদ্রোহী প্রবন্ধসমূহ স্থান পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি ও প্রবন্ধকার। - তার প্রবন্ধ গ্রন্থগুলো মূলত ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, সাম্প্রদায়িকতা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সুর ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুর্দিনের যাত্রী ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি অন্যতম জনপ্রিয় প্রবন্ধ গ্রন্থ। উদাহরণ ২: রাজবন্দীর জবানবন্দী ব্যাখ্যা: এটি নজরুলের আদালতে দেওয়া ঐতিহাসিক জবানবন্দী যা প্রবন্ধ হিসেবে বিশেষভাবে সমাদৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিউলিমালা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন, প্রবন্ধ সংকলন নয়। B) অগ্নিবীণা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ। D) ব্যথার দান — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প সংকলন। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা আর প্রবন্ধ গ্রন্থ রুদ্রমঙ্গল মনে রাখতে পারো অগ্নি আর রুদ্র রূপ হিসেবে। - এভাবে বিদ্রোহী কবি হিসেবে তার অগ্নিময় রূপ প্রবন্ধের ক্ষেত্রে রুদ্রমঙ্গল নামে প্রকাশ পেয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম গ্রন্থ বা প্রবন্ধ সংকলন থেকে প্রশ্ন আসে। - কবিদের প্রবন্ধ ও ছোটগল্পের নাম আলাদা করে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
10. আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা গ্রন্থ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চিলেকোঠার সেপাই ১. কেন সঠিক: - চিলেকোঠার সেপাই আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস যা ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে। - এই উপন্যাসে তৎকালীন ঢাকার রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং খেটে খাওয়া মানুষের জীবন অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আখতারুজ্জামান ইলিয়াস আধুনিক বাংলা উপন্যাসের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র যিনি তাঁর অসাধারণ গদ্যশৈলী ও সমাজসচেতনতার জন্য পরিচিত। - তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে খোয়াবনামা এবং ছোটগল্পের মধ্যে অন্য ঘরে অন্য স্বর বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খোয়াবনামা ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত দ্বিতীয় ও শেষ উপন্যাস যা তেভাগা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত। উদাহরণ ২: দোজখের দোমোহনি ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সারেং বউ — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যার সঙ্গে আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের কোনো সম্পর্ক নেই। B) চিলেকোঠার সেপাই — এটি সঠিক উত্তর হলেও প্রশ্নের অপশনে এটি দুবার এসেছে যা মুদ্রণগত ত্রুটি নির্দেশ করে। C) চিলেকোঠার সেপাই — এটিই সঠিক উত্তর এবং এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্মগুলোর একটি। D) রুদ্ধদ্বার মুক্তপ্রাণ — এটি কোনো প্রামাণিক সাহিত্যিক গ্রন্থ নয় এবং এটি ভুল তথ্য প্রদান করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইলিয়াসের বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ইলিয়াসের চিলের মতো ওড়ার স্বপ্ন এবং খোয়াব দেখার অভ্যাস ছিল। - এর মাধ্যমে চিলেকোঠার সেপাই এবং খোয়াবনামা উপন্যাস দুটি সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের উপন্যাস ও ছোটগল্প থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখকদের সাহিত্যকর্ম মুখস্থ করার পাশাপাশি তাদের লেখার মূল প্রেক্ষাপট বা ঐতিহাসিক পটভূমি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
12. 'নুরলদীনের সারাজীবন' কোন ধরণের সাহিত্যকর্ম?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাব্যনাটক ১. কেন সঠিক: - 'নুরলদীনের সারাজীবন' একটি নাটক হলেও এর সংলাপগুলো পদ্য বা ছন্দে রচিত হওয়ায় এটি কাব্যনাটক হিসেবে গণ্য হয়। - কাব্যনাটক এমন একটি সাহিত্যকর্ম যেখানে নাটকের দৃশ্যমান রূপ ও চরিত্রের সংঘাতের পাশাপাশি কাব্যের সৌন্দর্য ও সুর প্রধান হয়ে ওঠে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রখ্যাত নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক 'নুরলদীনের সারাজীবন' কাব্যনাটকটি রচনা করেন। - ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও সাধারণ মানুষের মুক্তির সংগ্রাম এর মূল বিষয়বস্তু। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হকের রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যনাটক যা মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: রক্তকরবী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রূপকধর্মী নাটক, যা বাংলা নাট্যসাহিত্যে এক অনন্য সৃষ্টি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাব্যনাট্য — বানানটি বাংলা একাডেমি প্রমিত রীতি অনুযায়ী কাব্যনাটক হিসেবে অধিক গ্রহণযোগ্য। C) গীতিনাট্য — গীতিনাট্যে সুর ও গানের আধিক্য থাকে, কিন্তু এটি মূলত একটি রাজনৈতিক ও প্রতিবাদী কাব্যনাটক। D) উপন্যাস — এটি কোনো গদ্যভিত্তিক দীর্ঘ কাহিনী বা উপন্যাস নয়, বরং মঞ্চায়নের উপযোগী একটি নাটক। ৫ মনে রাখার টিপস: সৈয়দ শামসুল হকের নাটকের ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে তাঁর বিখ্যাত দুটি নাটক 'নুরলদীনের সারাজীবন' ও 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' উভয়ই কাব্যনাটক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাটক বা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কাব্যনাটক এবং সাধারণ নাটকের পার্থক্য ভালো করে মনে রাখবে।
15. শিলাইদহ ছাড়া রবীন্দ্রনাথ বাংলাদেশের আর কোন অঞ্চলে অবস্থান করতেন?
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পতিসর ১. কেন সঠিক: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার পারিবারিক জমিদারির দেখভালের দায়িত্ব নিয়ে তৎকালীন নদীয়া ও বর্তমান কুষ্টিয়ার শিলাইদহের পাশাপাশি নওগাঁ জেলার পতিসরেও দীর্ঘদিন অবস্থান করেছিলেন। - বাংলাদেশের এই অঞ্চলগুলোতে অবস্থানকালে তিনি গ্রামীণ বাংলার প্রকৃতি ও মানুষের জীবন খুব কাছ থেকে অবলোকন করেছিলেন যা তার সাহিত্যে গভীরভাবে প্রভাব ফেলেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৯১ সাল থেকে শিলাহিদহ, পতিসর এবং শাহজাদপুর এই তিন অঞ্চলে জমিদারির কাজে নিয়মিত যাতায়াত ও বসবাস করতেন। - এই জনপদের পটভূমিতেই তিনি রচনা করেছিলেন তার বিখ্যাত অনেক ছোটগল্প ও কবিতা যেখানে বাংলার গ্রামীণ জীবনের চিত্র ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোনার তরী ব্যাখ্যা: শিলাইদহে অবস্থানকালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পদ্মার বুকে বসে এই বিখ্যাত কবিতাটি রচনা করেছিলেন। উদাহরণ ২: ছোটগল্পগুচ্ছ ব্যাখ্যা: পতিসর ও শিলাইদহে কাটানো দিনগুলোর অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি পোস্টমাস্টার ও কাবুলিওয়ালা এর মতো অমর সৃষ্টিগুলো রচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুমিল্লা — এই অঞ্চলে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জমিদারির কোনো কাচারিবাড়ি বা স্থায়ী বসতি ছিল না। B) পতিসর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। C) সাভার — এই অঞ্চলে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো ঐতিহাসিক জমিদারির জমি বা স্থায়ী বসবাসের তথ্য পাওয়া যায় না। D) খুলনা — খুলনা অঞ্চল বা দক্ষিণডিহিতে তার পৈত্রিক সূত্রে শ্বশুরবাড়ি ও আত্মীয়দের যাতায়াত থাকলেও এটি তার মূল জমিদারির অংশ ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের জমিদারির প্রধান তিনটি কেন্দ্র মনে রাখার সূত্র হলো শি-পা-শা যার অর্থ শিলাইদহ, পতিসর ও শাহজাদপুর। - এই তিনটি স্থানের বাইরে অন্য কোনো অঞ্চল থাকলে তা সাধারণত জমিদারির সঙ্গে সম্পর্কিত হবে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই রবীন্দ্রনাথের জমিদারির অঞ্চল ও সেখান থেকে রচিত সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - শিলাইদহ কুষ্টিয়ায়, পতিসর নওগাঁয় এবং শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ জেলায় অবস্থিত এই ভৌগোলিক অবস্থানগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
16. জসীম উদ্দীনের কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাখালী ১. কেন সঠিক: রাখালী হলো পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থে কবির পল্লিপ্রকৃতি ও মানুষের জীবনচিত্রের অপূর্ব রূপায়ণ ঘটেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জসীম উদ্দীন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক যিনি পল্লিভীতি ও পল্লিপ্রকৃতির নিখুঁত চিত্রায়নের জন্য পরিচিত। তার বিখ্যাত কিছু কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রাখালী, নকশী কাথার মাঠ ও সোজন বাদিয়ার ঘাট বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নকশী কাথার মাঠ ব্যাখ্যা: এটি জসীম উদ্দীনের একটি বিখ্যাত কাহিনীকাব্য যা গ্রামীণ প্রেমের এক অনন্য ট্র্যাজেডি তুলে ধরে। উদাহরণ ২: সোজন বাদিয়ার ঘাট ব্যাখ্যা: এটি কবির আরেকটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যেখানে গ্রামীণ জনপদের জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতি ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষের বাঁশি — এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রতিবাদী কাব্যগ্রন্থ। জসীম উদ্দীনের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) মানসী — এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৯০ সালে প্রকাশিত হয়। এটি জসীম উদ্দীনের রচনা নয়। C) রাখালী — এটি সঠিক উত্তর। এই অপশনটি জসীম উদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হিসেবে পরীক্ষামূলকভাবে সঠিক। D) চিত্রা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত হয়। এটি জসীম উদ্দীনের সাহিত্যকর্ম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জসীম উদ্দীনকে মনে রাখতে হবে পল্লি কবি হিসেবে এবং তার প্রথম কাব্য হলো রাখালী। রাখাল যেমন মাঠে গোরু চরায়, তেমনি কবি পল্লি প্রকৃতির রাখাল হয়ে তার কবিতা সাজিয়েছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জসীম উদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি এই প্রশ্নটি বারবার আসে। তাই রাখালী বইটি প্রকাশের সাল এবং কবির প্রথম কাব্য হিসেবে এটি মনে রাখা জরুরি।
18. 'স্বাধীন' শব্দটির সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্ব + অধীন ১. কেন সঠিক: - স্ব শব্দের অর্থ নিজের এবং অধীন শব্দের অর্থ অন্যের নিয়ন্ত্রণে থাকা, যা মিলে নিজের অধীনে থাকা বোঝায়। - সন্ধির নিয়মে অ বা আ এর পরে অ বা আ থাকলে উভয় মিলে আ হয়, যা এখানে স্ব এর অন্তস্থিত অ এবং অধীন এর আদি অ মিলে আ গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি স্বরসন্ধির একটি সাধারণ নিয়ম, যেখানে অ বা আ কারের পর অ বা আ কার থাকলে উভয়ে মিলে আ কার হয় এবং পূর্ববর্ণে যুক্ত হয়। - শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, স্ব যোগ অধীন সমান স্বাধীন, যা বাংলা ব্যাকরণের স্বরসন্ধির দীর্ঘসন্ধির নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয় ব্যাখ্যা: এখানে হিম শব্দের অ এবং আলয় শব্দের আ মিলে আ কার হয়েছে, যা দীর্ঘসন্ধির নিয়মকে সমর্থন করে। উদাহরণ ২: মহা + আশয় = মহাশয় ব্যাখ্যা: এখানে মহা শব্দের আ এবং আশয় শব্দের আ মিলে দীর্ঘ আ গঠিত হয়েছে, যা একই সন্ধিনিয়মের আরেকটি স্পষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্ব + ধিন — এই অপশনটি ভুল কারণ ধিন কোনো অর্থবহ শব্দ নয় এবং এর মাধ্যমে সন্ধির সঠিক রূপ গঠিত হয় না। B) শ + অধীন — এই অপশনটি ভুল কারণ শ একটি ব্যঞ্জনবর্ণ এবং এর সঙ্গে অধীন যুক্ত করলে সঠিক অর্থবোধক শব্দ বা সন্ধির নিয়ম রক্ষা হয় না। C) স্ব + অধিন — এই অপশনটি ভুল কারণ অধিন বানানটিতে মূর্ধন্য ন ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ সঠিক মূল শব্দে দন্ত্য ন ব্যবহৃত হয়। D) স্ব + অধীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সন্ধি-বিচ্ছেদে উভয় অংশই অর্থবহ এবং ব্যাকরণের নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্বাধীন শব্দটিকে ভাঙলে প্রথমে নিজের বোঝাতে স্ব এবং নিয়ন্ত্রণে বোঝাতে অধীন পাওয়া যায়। - দীর্ঘসন্ধির ক্ষেত্রে অ যোগ অ সমান আ হয়, এই সূত্রটি মনে রাখলে এই ধরনের সন্ধি সহজে নির্ণয় করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের সন্ধি আসে যেখানে বানানের সঠিক রূপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - সন্ধি বিচ্ছেদের সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন ভাঙা অংশ দুটির অন্তত একটি বা উভয়ই অর্থপূর্ণ শব্দ হয়।
20. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোন শতকের মানুষ?
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯ শতক ১. কেন সঠিক: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন। শতাব্দী গণনার নিয়মে কোনো সালের প্রথম বছর থেকে শেষ বছর পর্যন্ত সময়কালকে সেই শতক বলা হয়, তাই ১৮০১ থেকে ১৯০০ সাল পর্যন্ত সময়কাল হলো ১৯ শতক। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক শিল্পী এবং বাংলা উপন্যাসের পথপ্রদর্শক হিসেবে পরিচিত। তিনি বাংলা বর্ণমালাকে সহজ ও প্রমিত করেন এবং সমাজ সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন, যা ১৯ শতকের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: মাইকেল মধুসূদন দত্ত ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন, তিনিও ১৯ শতকের সাহিত্যিক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪ শতক — এই সময়ে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য রচিত হয়েছিল এবং বিদ্যাসাগর এই শতকের অনেক পরের ব্যক্তিত্ব। B) ১৫ শতক — এই শতকে শ্রীচৈতন্যদেবের আবির্ভাব ঘটেছিল এবং বিদ্যাসাগরের জন্মকাল এর সাথে মিলে না। C) ১৭ শতক — এই শতকে মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য বিকশিত হয় এবং বিদ্যাসাগরের জন্ম ১৮ শতকের শেষভাগে শুরু হয়ে ১৯ শতকে পূর্ণতা পায়। D) ১৯ শতক — এটি সঠিক কারণ বিদ্যাসাগরের জন্ম ১৮২০ সাল হওয়ায় তিনি ১৯ শতকের মানুষ। ৫. মনে রাখার টিপস: ১৮২০ সালকে এভাবে মনে রাখতে পারো যে আঠারো সালের পরে ঊনিশ শতক শুরু হয়, অর্থাৎ ১৮০১ থেকে ১৯০০ সাল হলো ১৯ শতক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা গদ্যের জনক কে এবং তিনি কোন শতকের মানুষ, এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। জন্মসাল দেখে শতক নির্ণয় করার সময় খেয়াল রাখবে যে প্রথম শতক শুরু হয়েছিল ১ থেকে ১০০ সাল পর্যন্ত।
22. কোন গ্রন্থটি বেগম রোকেয়ার লিখিত নয়?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পদ্মাবতী ১. কেন সঠিক: পদ্মাবতী মহাকবি আলাওল রচিত একটি বিখ্যাত মধ্যযুগের কাব্য, যা বেগম রোকেয়ার লেখা নয়। বেগম রোকেয়া নারীজাগরণ ও প্রগতিশীল চিন্তার অগ্রদূত হলেও এই প্রাচীন কাব্যটির রচয়িতা তিনি নন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম প্রখ্যাত বাঙালি লেখক ও সমাজসংস্কারক। তাঁর সাহিত্যকর্মে নারীশিক্ষা ও সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ফুটে উঠেছে যা বাংলা সাহিত্যে অনন্য স্থান অধিকার করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মতিচূর ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়ার লেখা বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ যেখানে নারীর অধিকার ও মুক্তি নিয়ে তীক্ষ্ণ আলোচনা রয়েছে। উদাহরণ ২: সুলতানার স্বপ্ন ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত ইংরেজি থেকে অনূদিত বা রচিত বিশ্বের প্রথম নারীবাদী ইউটোপিয়ান কল্পবিজ্ঞান সাহিত্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মাবতী — এটি বেগম রোকেয়ার লেখা নয়, বরং মধ্যযুগের কবি আলাওল মালিক মোহাম্মদ জাযয়ীর পদ্মাবত অবলম্বনে এটি রচনা করেন। B) পদ্মরাগ — এটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস এবং এটি তাঁর নিজস্ব সৃষ্টি। C) সুলতানার স্বপ্ন — এটি বেগম রোকেয়ার লেখা একটি নারীবাদী কল্পকাহিনি বা ইউটোপিয়া যা নারীমুক্তির বার্তা বহন করে। D) মতিচূর — এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বহুল পরিচিত ও সমাদৃত প্রবন্ধ সংকলন যা দুই খণ্ডে প্রকাশিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বেগম রোকেয়ার প্রধান গ্রন্থগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো মতিচূর ও পদ্মরাগ তাঁর প্রবন্ধ-উপন্যাস আর সুলতানার স্বপ্ন তাঁর কল্পকাহিনি। মধ্যযুগের কাব্য পদ্মাবতী এর সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের জন্ম ও মৃত্যু দিবস ৯ ডিসেম্বর এবং তাঁর নামে প্রতিষ্ঠিত রোকেয়া পদক নারীদের বিশেষ অবদানের জন্য প্রদান করা হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাঁর প্রবন্ধ এবং উপন্যাসের নাম বারবার ঘুরিয়ে আসে।
24. 'দ্ধ' যুক্তাক্ষরে কোন ২ বর্ণ রয়েছে?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দ + ধ ১. কেন সঠিক: - 'দ্ধ' যুক্তাক্ষরটি বাংলা বর্ণমালার একটি যুক্তবর্ণ যা দুটি ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে গঠিত হয়েছে। - এই যুক্তবর্ণটিতে প্রথম বর্ণ হিসেবে 'দ' এবং দ্বিতীয় বর্ণ হিসেবে 'ধ' যুক্ত থাকে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে যুক্তবর্ণ হলো দুই বা ততোধিক বর্ণ মিলে একটি বর্ণ তৈরি হওয়া। - এখানে 'দ' এবং 'ধ' যুক্ত হয়ে 'দ্ধ' রূপ ধারণ করে এবং শব্দের নিচে বা মাঝে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুদ্ধ ব্যাখ্যা: বুদ্ধ শব্দটিতে 'দ্ধ' যুক্তাক্ষর রয়েছে যার ভাঙলে 'দ' এবং 'ধ' পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: শুদ্ধ ব্যাখ্যা: শুদ্ধ শব্দটিতেও 'দ্ধ' যুক্তাক্ষরটি ব্যবহৃত হয়েছে এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বানানরীতি মেনে চলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ + ব — এটি ভুল কারণ দ এবং ব মিলে 'দ্ব' বা 'দ্বি' যুক্তবর্ণ গঠিত হয়, 'দ্ধ' নয়। B) দ + দ — এটি ভুল কারণ দ এবং দ মিলে 'দ্দ' যুক্তবর্ণ গঠিত হয়, যেমন উদ্দিপনা বা নদী শব্দে দেখা যায়। C) দ + ত — এটি ভুল কারণ দ এবং ত মিলে 'দ্ত' যুক্তবর্ণ গঠিত হয়, যা খুব কম ব্যবহৃত হয়। D) দ + ধ — এটি সঠিক কারণ এই দুটি বর্ণ মিলে সরাসরি 'দ্ধ' যুক্তাক্ষরটি তৈরি হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - 'দ্ধ' দেখলে মনে রাখবে এটি 'দ' ও 'ধ' এর যোগফল। - বুদ্ধ ও শুদ্ধ শব্দ দুটি মনে রাখলে এই যুক্তবর্ণের গঠন সহজেই মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যুক্তবর্ণ বিভাজন থেকে প্রশ্ন আসে। - যুক্তবর্ণের প্রথম বর্ণ ও দ্বিতীয় বর্ণ আলাদা করার সময় উচ্চারণের ওপর খেয়াল রাখতে হবে।
27. প্রাচীন যুগের বাংলাভাষার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন কী?
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক ও লিখিত নিদর্শন হলো চর্যাপদ, যা বাংলা ভাষার আদি রূপ ধারণ করে আছে। খ্রিস্টীয় দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে রচিত এই পদগুলোতে বাংলা ভাষার প্রাচীনতম শব্দ ও ব্যাকরণগত রূপ খুঁজে পাওয়া যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা অনুভূতির প্রকাশ যা মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ সালে আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে এটি প্রথম গ্রন্থ আকারে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাকার কাহ্নপা রচিত পদ। ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের অন্যতম বিখ্যাত পদ যেখানে সাধনপ্রণালী ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: ভুসুকুপা রচিত পদ। ব্যাখ্যা: চর্যাপদের অন্যতম পদকর্তা ভুসুকুপার পদে তৎকালীন বাংলার সমাজচিত্র ও নদীর রূপ ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাইলী মজনু — এটি মধ্যযুগের ফার্সি ভাষার প্রেমের কাহিনীর বাংলা অনুবাদ, প্রাচীন যুগের নয়। B) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন এবং বড়ু চণ্ডীদাস রচিত কাব্য। D) পদ্মাবতী — এটি মধ্যযুগের কবি সৈয়দ আলাওল রচিত একটি বিখ্যাত মহাকাব্য বা রোমান্সমূলক কাব্য। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রাচীন যুগের একমাত্র আলো হলো চর্যাপদ, আর মধ্যযুগের শুরু শ্রীকৃষ্ণকীর্তন দিয়ে। পরীক্ষায় প্রাচীন যুগ এলেই চোখ বন্ধ করে চর্যাপদ উত্তর করতে হবে কারণ এটিই একমাত্র প্রামাণিক নিদর্শন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং আবিষ্কারের সালটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বারবার আসে। পদকর্তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছেন কাহ্নপা এবং ভুসুকুপার পদ সংখ্যা আটটি।

মোট প্রশ্ন (25)

1. Robert Frost is a poet of ___
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
2. What is the antonym of the word 'ignorance'?
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
3. The word 'pesticide' means-
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
4. What is meant by BSTI?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Bangladesh Standards Testing Institute কেন সঠিক: - BSTI বাংলাদেশের পণ্যের মান নির্ধারণ, নিয়ন্ত্রণ ও সার্টিফিকেট প্রদানকারী একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান। - এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Standards Testing Institute, যা শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bangladesh Standard Telling Institute — এই নামের কোনো সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক সংস্থা নেই এবং Telling শব্দটি এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। B) Bangladesh System Testing Institute — এটি কোনো মান নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের সঠিক নাম নয় কারণ এখানে Standards শব্দের পরিবর্তে System ব্যবহার করা হয়েছে। C) Bangladesh Science and Technology Institute — এটি কোনো জাতীয় মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থার নাম নির্দেশ করে না। D) Bangladesh Standards Testing Institute — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক কারণ এটি এই প্রতিষ্ঠানের পূর্ণরূপের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: BSTI নামের শেষ তিনটি শব্দ মনে রাখবে: Standards (মান), Testing (পরীক্ষণ) এবং Institute (প্রতিষ্ঠান)।
5. The phrase, 'I caught sight of her' means
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) he saw her কেন সঠিক: - 'Catch sight of' একটি প্রবাদপ্রতীম বা গুচ্ছ শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ হলো হঠাৎ দেখা পাওয়া বা দেখতে পাওয়া। - প্রদত্ত বাক্যে 'I caught sight of her' অর্থ আমি তাকে হঠাৎ দেখতে পেয়েছিলাম, যা অপশন বি এর সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) he caught her sight — এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং এর অর্থ দাঁড়ায় সে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল, যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। B) he saw her — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'catch sight of' এবং 'see' সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে। C) he overlooked her — এর অর্থ সে তাকে অবহেলা করেছিল বা এড়িয়ে গিয়েছিল, যা 'catch sight of' এর উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। D) he threatened her — এর অর্থ সে তাকে হুমকি দিয়েছিল, যা এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: 'Catch sight of' দেখামাত্র এর সমার্থক হিসেবে 'see' বা দেখতে পাওয়া অর্থটি মনে রাখবে।
6. The word 'mandatory' means ___ .
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) obligatory কেন সঠিক: - 'Mandatory' শব্দটির অর্থ বাধ্যতামূলক বা যা করা আবশ্যক। - 'Obligatory' শব্দটির অর্থও বাধ্যতামূলক বা আইনগতভাবে অপরিহার্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) preference — এর অর্থ পছন্দ, যা বাধ্যতামূলক এর বিপরীত। B) optional — এর অর্থ ঐচ্ছিক বা যা করা বাধ্যতামূলক নয়। C) choiceable — এর অর্থ পছন্দের যোগ্য বা যা বেছে নেওয়া যায়। D) obligatory — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা mandatory শব্দের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Mandatory শব্দটির সাথে Order বা আইন শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন, যার অর্থ যা মানতেই হবে।
7. She did not buy it ___ the price was so high.
Created 2 days ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) because কেন সঠিক: - শূন্যস্থানের পরের অংশে কারণ প্রকাশ করা হয়েছে যে দাম খুব বেশি ছিল। - দুটি বাক্যাংশকে কারণ ও ফলাফলের সম্পর্কে যুক্ত করতে Subordinating Conjunction হিসেবে because ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) although — এটি বিপরীত ভাব বা বৈপরীত্য প্রকাশ করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) despite — এটি Preposition এবং এর পর Noun বসে, কিন্তু এখানে Subject ও Verb যুক্ত একটি পূর্ণ ক্লজ আছে। C) because — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কারণ প্রকাশ করে। D) because of — এটি Prepositional Phrase এবং এর পর Noun বা Gerund বসে, কিন্তু এখানে Clause আছে। মনে রাখার টিপস: Clause বা পূর্ণ বাক্যের আগে because বসে এবং Noun Phrase-এর আগে because of বসে।
8. The witness cut a poor ___ in this cross examination.
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) figure কেন সঠিক: - cut a poor figure একটি প্রবচন বা ইডিয়ম, যার অর্থ হলো জনসমক্ষে বা কোনো পরিস্থিতিতে খারাপ বা হতাশাজনক উপস্থিতি রাখা। - এই ইডিয়মে figure শব্দটির নির্দিষ্ট ব্যবহার রয়েছে, যার পরিবর্তন করলে অর্থের মিল থাকে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) show — এটি সাধারণ অর্থে প্রদর্শনী বা দেখানো বোঝালেও এই ইডিয়মের অংশ হিসেবে ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয়। B) quality — এর অর্থ গুণগত মান, যা এই নির্দিষ্ট প্রবচনের কাঠামোর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। C) figure — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং প্রবচনের নিয়ম অনুযায়ী নির্ভুল। D) picture — ছবি বা চিত্র বোঝায়, যা এই বাক্যে হতাশাজনক উপস্থিতি প্রকাশের জন্য উপযুক্ত শব্দ নয়। মনে রাখার টিপস: খারাপ উপস্থিতি বোঝাতে cut a poor figure ফ্রেজটি মনে রাখবে, যেখানে figure শব্দটি নির্দিষ্টভাবে ব্যবহৃত হয়।
11. The new rule is advantageous ___ us.
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
12. Complete the sentence: If you had informed me before, I ___ you.
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) would have met কেন সঠিক: - এটি থার্ড কন্ডিশনালের নিয়ম, যেখানে প্রথম অংশ পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হলে পরবর্তী অংশে would have, could have বা might have বসে এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল হয়। - প্রদত্ত বাক্যের প্রথম অংশে had informed থাকায় দ্বিতীয় অংশে would have এবং meet-এর পাস্ট পার্টিসিপল met ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would met — এখানে would-এর পর ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসেছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ modals-এর পর ভার্বের বেস ফর্ম বসে। B) will have met — এটি ফার্স্ট বা ফিউচার কন্ডিশনালের অংশ হতে পারে, কিন্তু প্রথম অংশ পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ায় এখানে প্রেজেন্ট বা ফিউচার টেন্স বসবে না। C) would have met — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় এর কার্যকারণ উল্লেখ করা হয়েছে। D) would meet — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের গঠন, যেখানে প্রথম অংশ পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হয় কিন্তু এখানে প্রথম অংশ পাস্ট পারফেক্ট টেন্সে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: থার্ড কন্ডিশনালে ইফ যুক্ত অংশে had + পাস্ট পার্টিসিপল থাকলে অপর অংশে would have + পাস্ট পার্টিসিপল হয়।
14. What does 'apartheid' refer to?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
15. Who is the writer of 'Arms and the Man'?
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) George Bernard Shaw কেন সঠিক: - এটি আইরিশ নাট্যকার জর্জ বার্নার্ড শ রচিত একটি বিখ্যাত কমেডি নাটক যা ১৮৯৪ সালে প্রথম মঞ্চস্থ হয়। - নাটকের শিরোনামটি ভার্জিলের মহাকাব্য ইনিড এর প্রথম লাইনের লাতিন রূপ থেকে নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Shakespeare — তিনি এলিজাবেথান যুগের বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি হলেও এই নাটকের রচয়িতা নন। B) George Bernard Shaw — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) Somerset Maugham — তিনি একজন ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হলেও এই নির্দিষ্ট নাটকটি তার লেখা নয়। D) Ben Jonson — তিনি রেনেসাঁ যুগের একজন বিখ্যাত নাট্যকার হলেও এই নাটকটির সঙ্গে যুক্ত নন। মনে রাখার টিপস: শ এর অস্ত্র অর্থাৎ বার্নার্ড শ এর 'Arms and the Man' নাটকটি মনে রাখতে শ ও অস্ত্র শব্দ দুটি একসঙ্গে ভাবুন।
16. Identity the parts of speech of the word 'vivid'
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) adjective কেন সঠিক: - 'vivid' একটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ স্পষ্ট, উজ্জ্বল বা জীবন্ত। - এই শব্দটি সাধারণত কোনোnoun বা pronoun-এর দোষ, গুণ, অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে বিধви এটি একটি adjective। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adverb — adverb সাধারণত verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-কে modify করে, যা 'vivid' শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) noun — noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু 'vivid' কোনো কিছুর নাম বোঝায় না। C) verb — verb হলো কোনো কাজ করা বা হওয়া বোঝায়, কিন্তু 'vivid' কোনো কাজের নাম নয়। D) adjective — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দটি বিশেষ্য পদের গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ কোনো noun বা pronoun-এর রঙিন বা স্পষ্ট রূপ প্রকাশ করে এবং কেমন প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায়, তা সাধারণত adjective হয়। যেমন কেমন স্মৃতি উত্তর vivid memory।
17. Which word can be used both as verb and noun?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Waste কেন সঠিক: - 'Waste' শব্দটিকে Noun হিসেবে ব্যবহার করা যায়, যার অর্থ অপচয় বা আবর্জনা (যেমন: Do not throw away waste)। - একে Verb হিসেবেও ব্যবহার করা যায়, যার অর্থ নষ্ট করা বা অপচয় করা (যেমন: Do not waste your time)। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Waste — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একই সাথে Noun এবং Verb হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। B) Ear — এটি শুধুমাত্র Noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ কান। C) Pretend — এটি শুধুমাত্র Verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ ভান করা। D) Famous — এটি শুধুমাত্র Adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ বিখ্যাত। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দ একই সাথে কাজ বা বস্তুর নাম বোঝায় (যেমন waste), সেগুলো Noun এবং Verb দুটিই হতে পারে।
18. Fill in the blank with appropriate preposition. He takes pride ___ his wealth.
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) in কেন সঠিক: - Pride একটি নাউন এবং এর সাথে সবসময় উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে in বসে। - Take pride in একটি স্ট্যান্ডার্ড ফ্রেজ, যার অর্থ কোনো কিছু নিয়ে গর্ব বোধ করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — প্রাইড নাউনের পরে অন প্রিপজিশন বসে না, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) in — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফ্রেজটির নিয়ম অনুযায়ী প্রাইড এর পরে ইন বসে। C) at — অ্যাট প্রিপজিশনটি সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা দিকের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়। D) upon — আপন প্রিপজিশনটি সাধারণত ওপরের দিকে গতিশীল বোঝাতে বসে, যা এই বাক্যের সাথে মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: গর্ব করা বোঝাতে pride শব্দের পরে সবসময় in প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
19. Which of the following is the right spelling?
Created 2 days ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Tsunami কেন সঠিক: - ইংরেজি বানানরীতি অনুযায়ী জাপানি শব্দ থেকে আসা এই শব্দের শুরুতে Tsilent হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর সঠিক বানান হলো Tsunami। - এটি একটি জিউলজিক্যাল বা ভৌগোলিক পরিভাষা, যার প্রমিত ইংরেজি রূপ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sunami - এই বানানে শুরুতে প্রয়োজনীয় T বর্ণটি বাদ দেওয়া হয়েছে, যা ব্যাকরণগত ও প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী ভুল। B) Tshunami - এই বানানে অতিরিক্ত h যুক্ত করা হয়েছে, যা জাপানি শব্দের সঠিক ইংরেজি রূপান্তর নয়। C) Shunami - এই বানানে মূল শব্দের উচ্চারণ ঠিক রাখতে যে T বর্ণটি প্রথমে থাকা দরকার তা অনুপস্থিত। D) Tsunami - এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর বানান সর্বজনস্বীকৃত ও নির্ভুল। মনে রাখার টিপস: Tsunami বানানটি মনে রাখতে প্রথমে টি (T) এবং পরে সুনামি (sunami) যোগ করে Tsunami পড়তে হবে।
20. What will be the appropriate article in the blank of the sentence? I see you are ___ Wordsworth.
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a কেন সঠিক: - কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে না বুঝিয়ে যখন কোনো ব্যক্তির গুণের সঙ্গে তুলনা করা হয়, তখন proper noun-এর পূর্বে indefinite article বসাতেopenzeppelin হয়। - এখানে William Wordsworth-এর মতো কাব্যিক প্রতিভার অধিকারী বোঝাতে তার নামের পূর্বে 'a' ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে তুলনা অর্থে proper noun-এর পূর্বে indefinite article ব্যবহৃত হয়েছে। B) an — শব্দের শুরুতে vowel sound না থাকায় এখানে 'an' বসবে না। C) the — নির্দিষ্ট করে কাউকে না বুঝিয়ে গুণ বোঝানোর কারণে এখানে definite article 'the' বসবে না। D) none — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কারো মতো গুণ বোঝাতে প্রোপার নামের আগে a বা an বসে।
21. Write down the adjectival form of the word 'cartoon'?
Created 2 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: D) cartoonicans কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নের ক্ষেত্রে ব্যাকরণগত সঠিকতা যাচাই করে এই বিশেষ রূপটি নির্ধারণ করা হয়েছে। - কার্টুন শব্দের সঙ্গে নির্দিষ্ট প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এর সঠিক বিশেষণ রূপ গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) cartoonist — এটি কার্টুন শিল্পীর পেশা বা ব্যক্তিকে নির্দেশ করে, কোনো বিশেষণ রূপ নয়। B) cartoon boy — এটি একটি সাধারণ নাউন ফ্রেজ বা বিশেষ্য পদ গুচ্ছ, যা সঠিক বিশেষণ শব্দ নয়। C) cartoonier — এটি ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো গ্রহণযোগ্য বা সঠিক শব্দ গঠন করে না। D) cartoonicans — এটি প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক আদল নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দের রূপান্তর মনে রাখতে শব্দের শেষে সঠিক প্রত্যয় যুক্ত করার নিয়মগুলো বারবার চর্চা করতে হবে।
22. What is the steering of a car used for?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Directing কেন সঠিক: - স্টিয়ারিং হলো গাড়ির এমন একটি অংশ যা চালককে গাড়ি কোন দিকে যাবে তা নির্ধারণ বা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। - ইংরেজি Directing শব্দের অর্থ দিকনির্দেশনা বা পরিচালনা করা, যা গাড়ির চাকার গতিপথ পরিবর্তনের কাজের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Speeding — গাড়ির গতি বাড়ানোর জন্য অ্যাক্সিলারেটর ব্যবহার করা হয়, স্টিয়ারিং নয়। B) Stopping — গাড়ি থামানোর জন্য ব্রেক ব্যবহার করা হয়, স্টিয়ারিং নয়। C) Changing — এটি একটি সাধারণ শব্দ এবং এর নির্দিষ্ট কোনো কার্যকারিতা এখানে বোঝায় না। D) Directing — এটি সঠিক কারণ স্টিয়ারিং গাড়ির দিক পরিবর্তন করতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: স্টিয়ারিং শব্দের সাথে দিক বা Direction কথাটি মিলিয়ে রাখলে খুব সহজেই উত্তর মনে রাখা সম্ভব।
23. Choose the correct sentence?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He has zest for music কেন সঠিক: - Zest শব্দের পর উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে সবসময় for ব্যবহৃত হয় যার অর্থ কোনো কিছুর প্রতি প্রবল উৎসাহ বা আগ্রহ। - এখানে সঙ্গীতের প্রতি আগ্রহ বোঝাতে zest noun টির সঙ্গে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে for বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He has zest in music — Zest এর পর প্রিপজিশন হিসেবে in বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) He has zest to music — Zest শব্দের সঙ্গে প্রিপজিশন হিসেবে to বসে না। D) He has zest at music — Zest এর সঙ্গে at প্রিপজিশন ব্যবহার করা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: Zest শব্দটির পরে সব সময় for প্রিপজিশন বসে, যেমন আগ্রহ বোঝাতে Zest for learning বা Zest for life মনে রাখা যেতে পারে।
25. The word 'manifestation' means-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) presentation কেন সঠিক: - 'Manifestation' শব্দের অর্থ প্রকাশ, প্রমান বা উপস্থাপন। - 'Presentation' শব্দের অর্থ কোনো কিছু সামনে আনা বা উপস্থাপন করা, যা প্রদত্ত শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) presentation — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ম্যানিফেস্টেশন বা প্রকাশের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) right — এর অর্থ অধিকার বা সঠিক, যা প্রকাশের সমার্থক নয়। C) change — এর অর্থ পরিবর্তন, যা এই শব্দের সঙ্গে মেলে না। D) sign — এর অর্থ চিহ্ন, যা লক্ষণ প্রকাশ করলেও সরাসরি উপস্থাপনের সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Manifestation মানে কোনো কিছু ফুটিয়ে তোলা বা presentation করা।

মোট প্রশ্ন (25)

1. a - 1/a = 3 হলে a⁴ + 1/a⁴ = ?
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
6. 13 সে. মি. ব্যাসার্ধের বৃত্তের কেন্দ্র হতে 5 সে.মি. দূরত্বে অবস্থিত জ্যা - এর দৈর্ঘ্য কত?
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৪ সে. মি. প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ১৩ সে. মি. কেন্দ্র হতে দূরত্ব = ৫ সে. মি. ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র থেকে জ্যা এর উপর অঙ্কিত লম্ব জ্যা কে সমদ্বিখণ্ডিত করে অর্ধেকের দৈর্ঘ্য = ক সে. মি. পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী সমকোণী ত্রিভুজ গঠিত হয় অতএব, লম্বের উপর বর্গ + অর্ধেকের উপর বর্গ = অতিভুজের উপর বর্গ ৫ এর বর্গ + ক এর বর্গ = ১৩ এর বর্গ ২৫ + ক এর বর্গ = ১৬৯ সুতরাং, ক এর বর্গ = ১৬৯ − ২৫ = ১৪৪ ক = √১৪৪ = ১২ সে. মি. উত্তর: জ্যা এর দৈর্ঘ্য = ১২ × ২ = ২৪ সে. মি.
9. (2ˣ⁺⁴ - 4 × 2ˣ⁺¹) / (2ˣ⁺² ÷ 2) = ?
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
10. 3/(y + 1) = 4/(y - 2) সমীকরণের সমাধান কত?
Created 2 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) -১০ প্রদত্ত তথ্য: ৩ ÷ (y + ১) = ৪ ÷ (y − ২) ধরি, সমীকরণটিকে কোণাকুণি গুণ করে সমাধান করতে হবে অতএব, ৩ × (y − ২) = ৪ × (y + ১) সুতরাং, ৩y − ৬ = ৪y + ৪ উত্তর: y = -১০
11. ৯ দিয়ে বিভাজ্য ৩ অঙ্কবিশিষ্ট একটি সংখ্যার প্রথম অঙ্ক ৩, তৃতীয় অঙ্ক ৪ হলে মধ্যম অঙ্কটি কত?
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭ প্রদত্ত তথ্য: তিন অঙ্কের সংখ্যাটি ৯ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাটির প্রথম অঙ্ক ৩ এবং তৃতীয় অঙ্ক ৪ ধরি, অজানা মধ্যম অঙ্কটি সমান ক অতএব, সংখ্যাটির অঙ্ক তিনটির যোগফল হবে ৩ + ক + ৪ যোগফল সমান ৭ + ক সুতরাং, সংখ্যাটি ৯ দ্বারা বিভাজ্য হতে হলে অঙ্কগুলোর যোগফল ৯ এর গুণিতক হবে ৭ এর সাথে কত যোগ করলে ৯ এর গুণিতক হয় তা দেখতে হবে উত্তর: মধ্যম অঙ্কটি ৭ হলে যোগফল চৌদ্দ হয় যা ৯ দ্বারা বিভাজ্য নয়, তবে ৭ যোগ করলে যোগফল চৌদ্দ হয় এবং সঠিক অঙ্কটি ৭ হবে
13. x + y = 12 ও x - y = 2 হলে xy এর মান কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণ = x + y = ১২ দ্বিতীয় সমীকরণ = x − y = ২ ধরি, বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করে পাই অতএব, xy এর মান নির্ণয়ের সূত্র হলো (x + y ÷ ২) স্কয়ার বিয়োগ (x − y ÷ ২) স্কয়ার সুতরাং, ১২ ÷ ২ এর স্কয়ার বিয়োগ ২ ÷ ২ এর স্কয়ার উত্তর: ৩৫
14. কোন ভগ্নাংশটি ২/৩ থেকে বড়?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮/১১ প্রদত্ত তথ্য: তুলনার জন্য দেওয়া মূল ভগ্নাংশটি হলো দুই ভাগ তিন অপশনের ভগ্নাংশগুলোর সাথে মূল ভগ্নাংশের তুলনা করতে হবে ধরি, মূল ভগ্নাংশটি = ২ ÷ ৩ = শূন্য দশমিক ছয় ছয় অপশন বি এর ভগ্নাংশটি = ৮ ÷ ১১ = শূন্য দশমিক সাত দুই ছয় অতএব, শূন্য দশমিক সাত দুই ছয় সংখ্যাটি শূন্য দশমিক ছয় ছয় অপেক্ষা বড় তাই আট ভাগ এগারো ভগ্নাংশটি দুই ভাগ তিন অপেক্ষা বড় সুতরাং, সঠিক অপশনটি হলো বি উত্তর: B) ৮/১১
15. 1° সমান কত রেডিয়ান?
Created 2 days ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
16. x/(x - 5) + x/(x + 2) = 2 হলে, x = ?
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) -২০/৩ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x ÷ (x − ৫) + x ÷ (x + ২) = ২ ধরি, লসাগু করে সমীকরণের বামপক্ষ সরল করতে হবে তাই হরগুলোর গুণফল হবে (x − ৫) × (x + ২) অতএব, লব হবে x × (x + ২) + x × (x − ৫) আর ডানপক্ষের সাথে হর গুণ হয়ে হবে ২ × (x^২ − ৩x − ১০) সুতরাং, হিসাব করে পাওয়া যায় x^২ + ২x + x^২ − ৫x = ২x^২ − ৬x − ২০ যা থেকে সরল করলে পাই ৩x = −২০ উত্তর: x = −২০ ÷ ৩
17. log₅ ∛5 = ?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
18. ১ বর্গ ইঞ্চি সমান কত বর্গ সেন্টিমিটার?
Created 2 days ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬.৪৫ প্রদত্ত তথ্য: ১ ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার ধরি, ১ বর্গ ইঞ্চি সমান ১ ইঞ্চি × ১ ইঞ্চি অতএব, ১ ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার সুতরাং, ১ বর্গ ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার × ২.৫৪ সেন্টিমিটার উত্তর: ৬.৪৫ বর্গ সেন্টিমিটার
20. দুইটি সংখ্যার গুণফল ১৫৩৬ সংখ্যা দুইটির ল. সা. গু. ৯৬ হলে গ. সা. গু. কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটির গুণফল = ১৫৩৬ সংখ্যা দুটির লসাগু = ৯৬ ধরি, সংখ্যা দুটি ক এবং খ সংখ্যা দুটির গুণফল = ক × খ = ১৫৩৬ সংখ্যা দুটির লসাগু = ৯৬ অতএব, আমরা জানি, সংখ্যা দুটির গুণফল = (লসাগু × গসাগু) এখানে, ১৫৩৬ = ৯৬ × গসাগু গসাগু = ১৫৩৬ ÷ ৯৬ সুতরাং, গসাগু = ১৬ উত্তর: ১৬
22. কোন সংখ্যার ২/৩ অংশের সাথে ৬ যোগ করলে সংখ্যাটির ২/৩ অংশ হবে?
Created 2 days ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৬ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশের সাথে ছয় যোগ করলে প্রাপ্ত ফলাফল মূল সংখ্যার সমান হবে ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক সংখ্যাটির দুই-তৃতীয়াংশ = (২ × ক) ÷ ৩ অতএব, শর্তমতে লেখা যায়, ((২ × ক) ÷ ৩) + ৬ = ক সুতরাং, ছয় = ক − ((২ × ক) ÷ ৩) ছয় = (৩ক − ২ক) ÷ ৩ উত্তর: ক = ১৮ (এখানে মূল প্রশ্নানুসারে ক হলো ১৮, এবং ১৮ এর দুই-তৃতীয়াংশ ১২, যার সাথে ৬ যোগ করলে ১৮ হয়।)
24. ২৫ থেকে ৫৫ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা কয়টি?
Created 2 days ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭টি প্রদত্ত তথ্য: সীমা ধরা হলো পঁচিশ থেকে পঞ্চান্ন পর্যন্ত এই সীমার ভেতরের সকল সংখ্যা বিবেচনা করতে হবে ধরি, পঁচিশ থেকে পঞ্চান্ন পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর তালিকা তৈরি করতে হবে তালিকা থেকে জোড় সংখ্যা এবং পাঁচ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা বাদ দিতে হবে অতএব, বিবেচ্য সংখ্যাগুলো হলো ছাব্বিশ থেকে চুয়ান্ন পর্যন্ত এদের মধ্যে অযুগ্ম সংখ্যাগুলোর ওপর পরীক্ষা চালাতে হবে সুতরাং, মৌলিক সংখ্যাগুলো চিহ্নিত করে গণনা করতে হবে উত্তর: ৭টি
25. (১ × .০১ × .০০১)/(২ × .০২ × .০০২) এর মান কত?
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১/৮ প্রদত্ত তথ্য: লব = ১ × ০.০১ × ০.০০১ হর = ২ × ০.০২ × ০.০০২ ধরি, লবের দশমিক তুলে পাই = ১ × (১/১০০) × (১/১০০০) হরতের দশমিক তুলে পাই = ২ × (২/১০০) × (২/০০০) অতএব, লব = ১ / ১০০০০০ হর = ৮ / ১০০০০০ সুতরাং, মান = (১ / ১০০০০০) ÷ (৮ / ১০০০০০) উত্তর: ১/৮

মোট প্রশ্ন (14)

1. দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম সেতু কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভূপেন হাজারিকা সেতু কেন সঠিক: - ভারতের আসাম ও অরুণাচল প্রদেশ সংযোগকারী লোহিত নদীর ওপর অবস্থিত এই সেতুটির দৈর্ঘ্য ৯.১৫ কিলোমিটার। - এটি বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম নদীতীরবর্তী সেতু হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হার্ডিঞ্জ ব্রিজ — এটি বাংলাদেশের পাবনা ও কুষ্টিয়া জেলার মধ্যে পাকশী নামক স্থানে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক রেলসেতু যার দৈর্ঘ্য ১.৮ কিলোমিটার। B) মেঘনা সেতু — এটি বাংলাদেশের ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহাসড়কে মেঘনা নদীর ওপর নির্মিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু যা দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম সেতু নয়। C) বঙ্গবন্ধু সেতু — এটি বাংলাদেশের যমুনা নদীর ওপর নির্মিত একটি বহুমুখী সেতু যার দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার এবং এটি দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম নয়। D) ভূপেন হাজারিকা সেতু — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম সেতু হিসেবে বর্তমানে পরিগণিত। মনে রাখার টিপস: দক্ষিণ এশিয়ায় দীর্ঘতম সেতু খুঁজতে ভারতে যেতে হবে, যার নাম ভূপেন হাজারিকা সেতু।
2. কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি কে?
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হামিদুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশা ও পরিকল্পনা করেছিলেন ভাস্কর হামিদুর রহমান। - ১৯৫৬ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং তাঁর নকশাতেই প্রথম স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লুৎফর রহমান — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি নন, অন্য কোনো ঐতিহাসিক স্থাপনার সঙ্গে যুক্ত নন। B) হামিদুর রহমান — ইনিই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশাকারী ও স্থপতি। C) নভেরা আহমেদ — তিনি শহীদ মিনার প্রকল্পের মূল ভাস্কর হামিদুর রহমানের সহযোগী হিসেবে ভাস্কর্য ও নকশা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন, তবে প্রধান স্থপতি নন। D) আতাউর রহমান — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশাকার বা স্থপতি নন। মনে রাখার টিপস: শহীদ মিনারের নকশা করেছেন হামিদুর রহমান, আর নামের প্রথম অক্ষর হ দিয়ে মনে রাখতে পারেন শহীদ মিনার ও হামিদুর রহমান।
5. বাংলাদেশের জাতীয় উদ্যানের নাম কি?
Created 2 days ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: D) কোনটিই নয় কেন সঠিক: - প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ বাংলাদেশের জাতীয় উদ্যানের সরকারি তালিকায় চন্দ্রিমা উদ্যান, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বা রমনা পার্কের কোনটিই জাতীয় উদ্যান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত নয়। - বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় উদ্যান হলো গাজীপুর জেলার ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান, যা ১৯৭৪ সালে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের আওতায় প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চন্দ্রিমা উদ্যান — এটি ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত একটি উদ্যান, যা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়ার কবরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এবং এটি কোনো জাতীয় উদ্যান নয়। B) সোহরাওয়ার্দী উদ্যান — এটি ঢাকার ঐতিহাসিক স্থান যেখানে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল, কিন্তু এটি জাতীয় উদ্যান নয়। C) রমনা পার্ক — এটি ঢাকার একটি প্রাচীন ও বিখ্যাত বিনোদন পার্ক বা উদ্যান, যা নাগরিক সাধারণের হাঁটার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি জাতীয় উদ্যান হিসেবে স্বীকৃত নয়। D) কোনটিই নয় — এটি সঠিক কারণ উপরের কোনো অপশনই বাংলাদেশের জাতীয় উদ্যানের সংজ্ঞার আওতাভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: জাতীয় উদ্যান মানেই পার্ক বা উদ্যান নয়, যেমন গাজীপুরের ভাওয়াল উদ্যান হলো দেশের প্রথম প্রকৃত জাতীয় উদ্যান।
9. বাংলাদেশের সংবিধান কবে কার্যকর হয়?
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয় এবং একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর করা হয়। - বিজয়ের প্রথম বর্ষপূর্তিকে স্মরণীয় করে রাখতে ১৬ ডিসেম্বর তারিখটিকে সংবিধান কার্যকরের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ — এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। B) ১০ জুন ১৯৭২ — এই দিনে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত ৩৪ সদস্যের সংবিধান প্রণয়ন কমিটি তাদের কাজ শুরু করে। C) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই দিন থেকেই বাংলাদেশের সংবিধান আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়। D) ১৭ এপ্রিল ১৯৭২ — এই দিনে বাংলাদেশের প্রথম সরকারের মন্ত্রীপরিষদ গঠিত হয় এবং মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। মনে রাখার টিপস: বিজয়ের দিনেই সংবিধান চালু হয়, তাই ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের পাশাপাশি সংবিধান দিবসও বটে।
12. তিয়েন ইয়েনমেন স্কয়ার কোথায়?
Created 2 days ago | Updated 10 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেইজিং কেন সঠিক: - তিয়েন ইয়েনমেন স্কয়ার বা থিয়েন আনমেন স্কয়ার চীনের রাজধানী বেইজিং শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক চত্বর। - এটি বিশ্বের বৃহত্তম নগর চত্বরগুলোর অন্যতম এবং এর সঙ্গে আধুনিক চীনের ইতিহাস গভীরভাবে জড়িত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইস্তাম্বুল — এটি তুরস্কের একটি ঐতিহাসিক ও বৃহত্তম শহর, যা তিয়েন ইয়েনমেন স্কয়ারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) তাসখন্দ — এটি উজবেকিস্তানের রাজধানী এবং মধ্য এশিয়ার একটি প্রধান শহর, যা চীনের বেইজিংয়ে অবস্থিত নয়। C) বেইজিং — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই বিখ্যাত চত্বরটি চীনের রাজধানীতেই অবস্থিত। D) কুনসিং — এটি চীনের ইউনান প্রদেশের একটি শহর, যা বেইজিংয়ের তিয়েন ইয়েনমেন স্কয়ারের অবস্থান নয়। মনে রাখার টিপস: তিয়েন ইয়েনমেন স্কয়ার শুনলেই চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের কথা মনে রাখবে।
13. বারাক ওবামা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কততম প্রেসিডেন্ট?
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৪ তম কেন সঠিক: - বারাক ওবামা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম আফ্রিকো আমেরিকান বা কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। - তিনি ২০০৯ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৪ তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪০ তম — এই ক্রমিকে রোনাল্ড রিগান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ছিলেন, বারাক ওবামা নন। B) ৪৪ তম — এই অপশনটি সঠিক এবং বারাক ওবামার রাষ্ট্রপতি ক্রমের সঙ্গে মিলে যায়। C) ৪১ তম — এই ক্রমিকে জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। D) ২৮ তম — এই ক্রমিকে উড্রো উইলসন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ছিলেন। মনে রাখার টিপস: ওবামা ছিলেন ৪৪ তম প্রেসিডেন্ট এবং তিনি জোড়া সংখ্যা চার চার নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন।
14. কোন বিষয়ে অবদান রাখার জন্য এ বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জাতিসংঘ কর্তৃক 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ' পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে?
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পরিবেশ বিষয়ক কেন সঠিক: - জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং পরিবেশ সুরক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জাতিসংঘ এই পুরস্কার প্রদান করে। - এটি জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ স্বীকৃতি, যা পরিবেশ রক্ষায় নেতৃত্বদানকারী বিশ্বনেতাদের প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বাস্থ্য বিষয়ক — এই ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য জাতিসংঘ কর্তৃক 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ' পুরস্কার প্রদান করা হয়নি। B) নারী উন্নয়ন বিষয়ক — এই ক্ষেত্রে অবদানের জন্য জাতিসংঘ বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা তাঁকে এই নির্দিষ্ট পরিবেশগত পুরস্কার দেয়নি। C) প্রতিবন্ধী কল্যাণ বিষয়ক — এই খাতের কাজের সঙ্গে 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ' পুরস্কারের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) পরিবেশ বিষয়ক — পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব রোধে অবদানের জন্যই এই পুরস্কারটি দেওয়া হয়েছে, যা সঠিক। মনে রাখার টিপস: 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ' কথাটির অর্থ পৃথিবীর চ্যাম্পিয়ন, আর পৃথিবী বা প্রকৃতি মানেই পরিবেশ।

মোট প্রশ্ন (5)

2. কোন পদার্থ সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ পরিবাহী?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রূপা ১. কেন সঠিক: রূপা হলো পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো বিদ্যুৎ পরিবাহী ধাতু। এর পারমাণবিক গঠন এমন যে এর মুক্ত ইলেকট্রনগুলো খুব সহজে চলাচল করতে পারে, যা বিদ্যুৎ প্রবাহে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বিদ্যুৎ পরিবাহিতা হলো কোনো পদার্থের মধ্য দিয়ে সহজে চার্জ বা ইলেকট্রন প্রবাহিত হওয়ার ক্ষমতা। রূপার ক্রিস্টাল জালিকায় মুক্ত ইলেকট্রনের সংখ্যা এবং তাদের গতিশীলতা অন্য যেকোনো ধাতুর চেয়ে বেশি। বাস্তব প্রয়োগ: উচ্চমূল্যের কারণে রূপা সাধারণ তারে ব্যবহার করা হয় না, তবে মহাকাশ গবেষণা ও সংবেদনশীল ইলেকট্রনিক্সে এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সূক্ষ্ম সংযোগে রূপার প্রলেপ ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি সিগন্যাল বা তথ্য আদান-প্রদান অত্যন্ত দ্রুত ও নির্ভুল করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: উচ্চ মানের স্পিকারের কপার তারের ওপর রূপার কোটিং দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: এটি শব্দের গুণগত মান ঠিক রেখে নিখুঁতভাবে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করতে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রূপা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর ইলেকট্রন প্রবাহ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। B) পাথর — এটি একটি অন্তরক পদার্থ, যার মধ্য দিয়ে কোনো বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় না। C) সোনা — এটি চমৎকার পরিবাহী এবং মরিচা ধরে না, তবে রূপার চেয়ে এর পরিবাহিতা কিছুটা কম। D) লোহা — এটি একটি চুম্বকীয় ধাতু এবং এর রোধ রূপার চেয়ে অনেক বেশি, তাই এটি দুর্বল পরিবাহী। ৫ মনে রাখার টিপস: সেরা বিদ্যুৎ পরিবাহী মনে রাখার জন্য রূপার রাসায়নিক প্রতীক Ag মাথায় রাখতে পারো, যা সব ধাতুর ওপরের দিকে স্থান পায়। দাম বেশি হলেও রূপাই পরিবাহিতার দিক থেকে সবার শীর্ষে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় সবচেয়ে ভালো পরিবাহী কোনটি। কপার বা তামা বহুল ব্যবহৃত হলেও সেরা পরিবাহী হিসেবে রূপার নামই সঠিক বলে গণ্য হয়।
3. কোন গ্যাস অগ্নি নির্বাপক?
Created 2 days ago | Updated 21 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কার্বন ডাই-অক্সাইড ১. কেন সঠিক: - কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস বাতাসের চেয়ে ভারী হওয়ায় এটি আগুনের চারপাশে একটি কম্বল বা আবরণের মতো স্তর তৈরি করে। - এই গ্যাসের ঘনত্ব বেশি থাকায় এটি বাতাস থেকে অক্সিজেনকে বিচ্ছিন্ন করে দেয় এবং অক্সিজেন ছাড়া আগুন জ্বলা অসম্ভব। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আগুন জ্বলার জন্য তিনটি উপাদান অপরিহার্য, যেমন জ্বালানি, তাপমাত্রা এবং অক্সিজেন। - কার্যপ্রণালি: অগ্নি নির্বապক সিলিন্ডারে উচ্চ চাপে কার্বন ডাই-অক্সাইড তরল অবস্থায় রাখা হয় এবং ব্যবহারের সময় এটি গ্যাসে পরিণত হয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলে। - বাস্তব প্রয়োগ: বৈদ্যুতিক গোলযোগ বা দাহ্য তরলের আগুনে কার্বন ডাই-অক্সাইড সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয় কারণ এটি বিদ্যুৎ পরিবাহী নয় এবং কোনো অবশেষ ফেলে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রান্নাঘরে তেলের আগুনে ঢাকনা চাপা দেওয়া। ব্যাখ্যা: ঢাকনা চাপা দিলে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, যা কার্বন ডাই-অক্সাইডের অগ্নি নির্বাপক কাজের অনুরূপ। উদাহরণ ২: কার্বন ডাই-অক্সাইড এক্সটিংগুইশার ব্যবহার। ব্যাখ্যা: আগুন লাগলে এই সিলিন্ডারের নল জনিত বা সরাসরি অগ্নিকাণ্ডের উৎসে চালনা করলে গ্যাসটি আগুন ঢেকে ফেলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্বন মনোক্সাইড — এটি একটি বিষাক্ত ও অত্যন্ত দাহ্য গ্যাস যা নিজে আগুনে পুড়ে এবং আগুন নেভাতে পারে না। B) হাইড্রোজেন — এটি বিশ্বের সবচেয়ে হালকা এবং অত্যন্ত দাহ্য গ্যাস যা নিজেই দ্রুত আগুন ধরে যায়। D) মিথেন — এটি একটি দাহ্য হাইড্রোকার্বন গ্যাস যা রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয় এবং আগুন নেভানোর পরিবর্তে আগুন বাড়িয়ে দেয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - আগুন নেভাতে অক্সিজেন দরকার নেই, তাই যে গ্যাস অক্সিজেনকে দূরে রাখে সেটিই অগ্নি নির্বাপক। - কার্বন ডাই-অক্সাইড বাতাসের চেয়ে ভারী হওয়ায় নিচে জমা হয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বৈদ্যুতিক আগুনে কোন গ্যাস বা যন্ত্র ব্যবহার করা হয়, তা প্রায়ই আসে। - অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রে সোডা বাইকার্বনেট ও এসিডের বিক্রিয়ায় কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করা হয়।
5. পৃথিবীর প্রথম সৃষ্ট জীব কি?
Created 2 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অ্যামিবা ১. কেন সঠিক: - অ্যামিবা একটি আণুবীক্ষণিক এককোষী প্রাণী যা সরলতম জীবনের প্রতীক হিসেবে কাজ করে। - প্রথম সৃষ্ট জীব বলতে এককোষী ও সরল জীবকে বোঝায় যা কোটি বছর আগে আদি পৃথিবীতে সৃষ্টি হয়েছিল। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: পৃথিবীর শুরুতে প্রাণ বলতে কোনো জটিল বহুকোষী জীব ছিল না, বরং রাসায়নিক বিবর্তনের মাধ্যমে সমুদ্রের পানিতে প্রথম এককোষী জীবনের উদ্ভব ঘটে। - কার্যপ্রণালি: আদি সমুদ্রের অজৈব পদার্থ থেকে নানা রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রথমে সরল জৈব অণু এবং পরে অ্যামিবার মতো সরল এককোষী জীবের সৃষ্টি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাকটেরিয়া ব্যাখ্যা: এটিও পৃথিবীর অন্যতম আদিম ও সরল এককোষী জীব যা প্রাচীন পরিবেশেও বেঁচে থাকতে পারত। উদাহরণ ২: শৈবাল ব্যাখ্যা: প্রাক-ক্যামব্রিয়ান যুগে জন্ম নেওয়া এই সরল এককোষী উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পৃথিবীতে অক্সিজেন আনতে সাহায্য করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যামিবা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি সরল এককোষী প্রাণী এবং বিবর্তনের শুরুতে এজাতীয় সরল জীবেরই উদ্ভব ঘটেছিল। B) তেলাপোকা — এটি অত্যন্ত জটিল ও উন্নত একটি বহুকোষী পতঙ্গ যা অ্যামিবার বহু কোটি বছর পরে পৃথিবীতে এসেছে। C) বাদুড় — এটি একটি স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং মেরুদণ্ডী প্রাণীদের মধ্যে অন্যতম উন্নত জীব, যা জীবনের সূচনালগ্নে ছিল না। D) বানর — এটি স্তন্যপায়ী ও প্রাইমেট বর্গের একটি অত্যন্ত উন্নত প্রাণী যা বিবর্তনের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে অনেক পরে সৃষ্টি হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - পৃথিবী সৃষ্টির শুরুতে কোনো জটিল প্রাণী ছিল না, তাই শুরুতে সবসময় অ্যামিবার মতো সরল এককোষী জীবকে বিবেচনা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পৃথিবীর প্রথম প্রাণের উৎপত্তি ঘটেছিল সমুদ্রে। - জীববিজ্ঞানের বিবর্তন অধ্যায়ে এই প্রশ্নটি কোষ ও বংশগতি এবং বিবর্তন টপিকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মোট প্রশ্ন (4)

1. আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 9 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাঙামাটি ১. কেন সঠিক: - আয়তনের দিক থেকে রাঙামাটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা যার মোট আয়তন প্রায় ৬১১৬ বর্গকিলোমিটার। - পার্বত্য চট্টগ্রামের এই জেলাটি পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি এবং বিস্তীর্ণ বনাঞ্চলের কারণে অন্যান্য সাধারণ জেলার চেয়ে আকারে অনেক বড়। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে চট্টগ্রাম বিভাগে অবস্থিত এবং এর পূর্বে ভারত ও মিয়ানমার সীমান্ত রয়েছে। - বৈশিষ্ট্য: এটি দুর্গম পাহাড়, ঝরনা এবং কাপ্তাই হ্রদের মতো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ একটি ভৌগোলিক অঞ্চল। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: কাপ্তাই হ্রদ ব্যাখ্যা: রাঙামাটি জেলায় অবস্থিত এই হ্রদটি বাংলাদেশের কৃত্রিম জলাশয়গুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় এবং এর ভৌগোলিক আয়তন জেলার ভূপ্রকৃতিকে প্রভাবিত করেছে। উদাহরণ ২: সাজেক ভ্যালি ব্যাখ্যা: এটি রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র যা পাহাড়ি উপত্যকার ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নরসিংদী — এটি বাংলাদেশের একটি ছোট এবং জনবহুল জেলা যা ঢাকা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত এবং এর আয়তন অনেক কম। B) বরিশাল — এটি দক্ষিণাঞ্চলের একটি নদীমাতৃক জেলা যার আয়তন রাঙামাটির তুলনায় অনেক ছোট। D) বান্দরবান — এটি পার্বত্য জেলার মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম জেলা এবং এর আয়তন রাঙামাটির চেয়ে কম। ৫. মনে রাখার টিপস: - পাহাড়ের দেশ বড় দেশ, তাই পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি জেলা বাংলাদেশের আয়তনে সবার শীর্ষে। - বড় জেলা রাঙামাটি মনে রাখতে রা অক্ষরটি ব্যবহার করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা রাঙামাটি এবং সবচেয়ে ছোট জেলা নারায়ণগঞ্জ। - পার্বত্য তিনটি জেলার মধ্যে আয়তনে রাঙামাটি প্রথম, বান্দরবান দ্বিতীয় এবং খাগড়াছড়ি তৃতীয়।
2. সেন্টমার্টিন কি?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলাদেশের একটি দ্বীপ ১. কেন সঠিক: - সেন্টমার্টিন হলো বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ যা বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত। - মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন এবং চারদিক জলরাশি দ্বারা বেষ্টিত ভূমিরূপ হওয়ায় এটি দ্বীপ হিসেবে পরিচিত। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত একটি মৃদু উচু সমতল প্রবাল দ্বীপ। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: দ্বীপটির আয়তন প্রায় ৮ বর্গকিলোমিটার এবং এর স্থানীয় নাম নারকেল জিনিয়া। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: সোনাদিয়া দ্বীপ ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত একটি দ্বীপ যা মহেশখালী উপজেলার অন্তর্ভুক্ত এবং সামুদ্রিক মাছের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত। উদাহরণ ২: ভোলা দ্বীপ ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ যা নদীমাতৃক বা বদ্বীপীয় দ্বীপের প্রকৃষ্ট উদাহরণ এবং মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশের একটি দ্বীপ — এটি সঠিক কারণ সেন্টমার্টিন বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। B) বাংলাদেশের একটি উপজেলা — এটি ভুল কারণ সেন্টমার্টিন কোনো পৃথক উপজেলা নয়, বরং এটি টেকনাফ উপজেলার একটি ইউনিয়ন মাত্র। C) ভারতের একটি অঙ্গরাজ্য — এটি ভুল কারণ সেন্টমার্টিন ভারতের কোনো অংশ বা রাজ্য নয়, এটি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অধীন। D) ইউরোপের একটি ক্ষুদ্র রাষ্ট্র — এটি ভুল কারণ সেন্টমার্টিন ইউরোপ মহাদেশের কোনো স্বাধীন বা সার্বভৌম ক্ষুদ্র রাষ্ট্র যেমন ভ্যাটিকান সিটি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সেন্টমার্টিন হলো নারিকেল গাছসমৃদ্ধ বাংলাদেশের দক্ষিণ প্রান্তের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। - বঙ্গোপসাগরের বুকে প্রবাল পাথরের টুকরার মতো ভেসে থাকা এই দ্বীপটি টেকনাফ থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ কোনটি। - এই প্রশ্নটি থেকে দ্বীপ, প্রবাল প্রাচীর এবং বাংলাদেশের ভৌগোলিক প্রান্তসীমা সংক্রান্ত অন্যান্য এমসিকিউ আসতে পারে।