a গাছপাকা
b বিদ্যালয়
c সিংহাসন
d দিলদরিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: বি) বিদ্যালয় ১. কেন সঠিক: বিদ্যালয় শব্দটি সমাসবদ্ধ নয়, এটি একটি সন্ধিজাত শব্দ। সমাস হলো অর্থের দিক থেকে সম্পর্কিত দুই বা ততোধিক পদের একপদীকরণ, যেখানে নতুন পদ গঠিত হয়। বিদ্যালয় শব্দটিকে ভাঙলে পাওয়া যায় বিদ্যা যোগ আলয়। এটি স্বরসন্ধির নিয়মে সাধিত একটি শব্দ, যেখানে অ বা আ কারের পর অ বা আ কার থাকলে উভয় মিলে আ কার হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন, অর্থাৎ দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। পক্ষান্তরে সমাস হলো পদের মিলন বা সংক্ষেপণ। বিদ্যালয় শব্দটিতে পদের কোনো মিলন ঘটেনি, বরং ধ্বনির মিলন বা সন্ধি ঘটেছে। তাই এটি সমাস নয়, সন্ধির উদাহরণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিমালয় ব্যাখ্যা: হিম যোগ আলয় সমান হিমালয়, এটি সন্ধির মাধ্যমে গঠিত হয়েছে এবং সমাসবদ্ধ পদ নয়। উদাহরণ ২: কথামৃত ব্যাখ্যা: কথা যোগ অমৃত সমান কথামৃত, এটিও সন্ধিজাত শব্দ এবং সমাস নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: এ) গাছপাকা - এটি মধ্যপদলুপি কর্মধারয় সমাস, যার ব্যাসবাক্য গাছ থেকে পাকা বা গাছে পাকা। বি) বিদ্যালয় - এটি সন্ধিজাত শব্দ এবং সমাসের নিয়মে গঠিত হয়নি, তাই এটি সঠিক উত্তর। সি) সিংহাসন - এটি মধ্যপদলুপি কর্মধারয় সমাস, যার ব্যাসবাক্য সিংহাসনযুক্ত আসন বা সিংহ চিহ্নিত আসন। ডি) দিলদরিয়া - এটি বহুব্রীহি সমাস, যার অর্থ যার দিল বা হৃদয় দরিয়ার মতো বিশাল। ৫. মনে রাখার টিপস: শব্দ দেখলে প্রথমে চিন্তা করবে সেটি সন্ধির নিয়মে হয়েছে নাকি পদের মিলনে হয়েছে। বিদ্যা যোগ আলয় বা হিম যোগ আলয় দেখলেই বুঝবে এগুলো সন্ধি, সমাস নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমাস ও সন্ধির মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করতে দেওয়া হয়। সন্ধি হলো ধ্বনির মিলন আর সমাস হলো পদের মিলন, এই মূল পার্থক্যটি মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0