a ১৪ শতক
b ১৫ শতক
c ১৭ শতক
d ১৯ শতক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯ শতক ১. কেন সঠিক: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন। শতাব্দী গণনার নিয়মে কোনো সালের প্রথম বছর থেকে শেষ বছর পর্যন্ত সময়কালকে সেই শতক বলা হয়, তাই ১৮০১ থেকে ১৯০০ সাল পর্যন্ত সময়কাল হলো ১৯ শতক। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক শিল্পী এবং বাংলা উপন্যাসের পথপ্রদর্শক হিসেবে পরিচিত। তিনি বাংলা বর্ণমালাকে সহজ ও প্রমিত করেন এবং সমাজ সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন, যা ১৯ শতকের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: মাইকেল মধুসূদন দত্ত ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন, তিনিও ১৯ শতকের সাহিত্যিক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪ শতক — এই সময়ে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য রচিত হয়েছিল এবং বিদ্যাসাগর এই শতকের অনেক পরের ব্যক্তিত্ব। B) ১৫ শতক — এই শতকে শ্রীচৈতন্যদেবের আবির্ভাব ঘটেছিল এবং বিদ্যাসাগরের জন্মকাল এর সাথে মিলে না। C) ১৭ শতক — এই শতকে মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য বিকশিত হয় এবং বিদ্যাসাগরের জন্ম ১৮ শতকের শেষভাগে শুরু হয়ে ১৯ শতকে পূর্ণতা পায়। D) ১৯ শতক — এটি সঠিক কারণ বিদ্যাসাগরের জন্ম ১৮২০ সাল হওয়ায় তিনি ১৯ শতকের মানুষ। ৫. মনে রাখার টিপস: ১৮২০ সালকে এভাবে মনে রাখতে পারো যে আঠারো সালের পরে ঊনিশ শতক শুরু হয়, অর্থাৎ ১৮০১ থেকে ১৯০০ সাল হলো ১৯ শতক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা গদ্যের জনক কে এবং তিনি কোন শতকের মানুষ, এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। জন্মসাল দেখে শতক নির্ণয় করার সময় খেয়াল রাখবে যে প্রথম শতক শুরু হয়েছিল ১ থেকে ১০০ সাল পর্যন্ত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0