a কুমিল্লা
b পতিসর
c সাভার
d খুলনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পতিসর ১. কেন সঠিক: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার পারিবারিক জমিদারির দেখভালের দায়িত্ব নিয়ে তৎকালীন নদীয়া ও বর্তমান কুষ্টিয়ার শিলাইদহের পাশাপাশি নওগাঁ জেলার পতিসরেও দীর্ঘদিন অবস্থান করেছিলেন। - বাংলাদেশের এই অঞ্চলগুলোতে অবস্থানকালে তিনি গ্রামীণ বাংলার প্রকৃতি ও মানুষের জীবন খুব কাছ থেকে অবলোকন করেছিলেন যা তার সাহিত্যে গভীরভাবে প্রভাব ফেলেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৯১ সাল থেকে শিলাহিদহ, পতিসর এবং শাহজাদপুর এই তিন অঞ্চলে জমিদারির কাজে নিয়মিত যাতায়াত ও বসবাস করতেন। - এই জনপদের পটভূমিতেই তিনি রচনা করেছিলেন তার বিখ্যাত অনেক ছোটগল্প ও কবিতা যেখানে বাংলার গ্রামীণ জীবনের চিত্র ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোনার তরী ব্যাখ্যা: শিলাইদহে অবস্থানকালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পদ্মার বুকে বসে এই বিখ্যাত কবিতাটি রচনা করেছিলেন। উদাহরণ ২: ছোটগল্পগুচ্ছ ব্যাখ্যা: পতিসর ও শিলাইদহে কাটানো দিনগুলোর অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি পোস্টমাস্টার ও কাবুলিওয়ালা এর মতো অমর সৃষ্টিগুলো রচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুমিল্লা — এই অঞ্চলে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জমিদারির কোনো কাচারিবাড়ি বা স্থায়ী বসতি ছিল না। B) পতিসর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। C) সাভার — এই অঞ্চলে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো ঐতিহাসিক জমিদারির জমি বা স্থায়ী বসবাসের তথ্য পাওয়া যায় না। D) খুলনা — খুলনা অঞ্চল বা দক্ষিণডিহিতে তার পৈত্রিক সূত্রে শ্বশুরবাড়ি ও আত্মীয়দের যাতায়াত থাকলেও এটি তার মূল জমিদারির অংশ ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের জমিদারির প্রধান তিনটি কেন্দ্র মনে রাখার সূত্র হলো শি-পা-শা যার অর্থ শিলাইদহ, পতিসর ও শাহজাদপুর। - এই তিনটি স্থানের বাইরে অন্য কোনো অঞ্চল থাকলে তা সাধারণত জমিদারির সঙ্গে সম্পর্কিত হবে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই রবীন্দ্রনাথের জমিদারির অঞ্চল ও সেখান থেকে রচিত সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - শিলাইদহ কুষ্টিয়ায়, পতিসর নওগাঁয় এবং শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ জেলায় অবস্থিত এই ভৌগোলিক অবস্থানগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0