a শঙ্খনীল কারাগার
b নুরজাহান
c লাল নীল দীপাবলি
d হিমু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লাল নীল দীপাবলি ১. কেন সঠিক: - লাল নীল দীপাবলি হলো বিশিষ্ট লেখক ও প্রাবন্ধিক ড. হুমায়ুন আজাদের লেখা কিশোরদের জন্য রচিত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস। - প্রশ্নটিতে হুমায়ুন আজাদের একটি নির্দিষ্ট সাহিত্যকর্মের নাম জানতে চাওয়া হয়েছে, যার সঠিক রূপ হলো এই গ্রন্থটি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. হুমায়ুন আজাদ ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন অন্যতম প্রাবন্ধিক, ভাষাবিজ্ঞানী, ঔপন্যাসিক ও কবি। - লাল নীল দীপাবলি গ্রন্থটি শিশু-কিশোরদের উপযোগী করে অত্যন্ত সহজ ও আকর্ষণীয় ভাষায় বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস তুলে ধরার এক অনন্য প্রয়াস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কত নদী মীন ব্যাখ্যা: এটিও ড. হুমায়ুন আজাদ রচিত শিশু-কিশোরদের জন্য বাংলা ভাষার ইতিহাস বিষয়ক একটি বিখ্যাত গ্রন্থ। উদাহরণ ২: ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না ব্যাখ্যা: এটি ড. হুমায়ুন আজাদ রচিত একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ, যা তার সাহিত্যকর্মের বহুমুখিতা প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শঙ্খনীল কারাগার — এই উপন্যাসটির রচিয়তা হুমায়ুন আজাদ নন, এটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের বিখ্যাত একটি উপন্যাস। B) নুরজাহান — এই উপন্যাসটির রচিয়তা হুমায়ুন আজাদ নন, এটি প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও কবি ইমদাদুল হক মিলনের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। C) লাল নীল দীপাবলি — এটি সঠিক উত্তর এবং ড. হুমায়ুন আজাদের রচিত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থ। D) হিমু — এই চরিত্র ও উপন্যাসগুলোর স্রষ্টা হুমায়ুন আজাদ নন, এটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের অমর একটি সৃষ্টি। ৫ মনে রাখার টিপস: - হুমায়ুন আজাদের কিশোর সাহিত্য মনে রাখার সহজ উপায় হলো তার বইগুলোর নামের ভিন্নতা খেয়াল করা, যেমন লাল নীল দীপাবলি হলো সাহিত্যের ইতিহাস এবং কত নদী মীন হলো ভাষার ইতিহাস। - নামের মিল থাকা সত্ত্বেও হুমায়ূন আহমেদ এবং হুমায়ুন আজাদ সম্পূর্ণ ভিন্ন দুই লেখক, তাই তাদের বই গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হুমায়ুন আজাদের লাল নীল দীপাবলি এবং কত নদী মীন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখক পরিচিতি পড়ার সময় মূল ধারার লেখার পাশাপাশি শিশু-কিশোর সাহিত্য বা বিশেষ ধারার গ্রন্থগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0