বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনে সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫।

পদের নাম: সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (65)

2. উচ্চারণের সময় মুখবিবর উন্মুক্ত থাকে বলে 'আ' কে কী বলে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিবৃত স্বরধ্বনি ১. কেন সঠিক: - উচ্চারণের সময় মুখবিবর সম্পূর্ণ বা সবচেয়ে বেশি উন্মুক্ত থাকে বলে 'আ' ধ্বনিটিকে বিবৃত স্বরধ্বনি বলা হয়। - বিবৃত শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো উন্মুক্ত বা প্রসারিত, যা মুখগহ্বরের অবস্থানের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুখবিবরের কম বা বেশি খোলার ওপর ভিত্তি করে বাংলা স্বরধ্বনিগুলোকে সংবৃত ও বিবৃত শ্রেণীতে ভাগ করা হয়। - মুখবিবর সম্পূর্ণ বা সবচেয়ে বেশি উন্মুক্ত হলে তাকে বিবৃত স্বরধ্বনি এবং সবচেয়ে কম উন্মুক্ত হলে তাকে সংবৃত স্বরধ্বনি বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি একটি অর্ধ-বিবৃত স্বরধ্বনি, যেখানে মুখবিবর আংশিক উন্মুক্ত থাকে। উদাহরণ ২: ই ব্যাখ্যা: এটি একটি সংবৃত স্বরধ্বনি, কারণ উচ্চারণের সময় মুখবিবর সবচেয়ে কম উন্মুক্ত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংবৃত স্বরধ্বনি — এটি ভুল, কারণ সংবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখবিবর সবচেয়ে কম উন্মুক্ত থাকে। B) বিবৃত স্বরধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর। C) সম্মুখ স্বরধ্বনি — এটি ভুল, কারণ জিবের অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে স্বরধ্বনি সম্মুখ বা পশ্চাৎ হয়, মুখবিবরের উন্মুক্ততার ওপর নয়। ডি) পশ্চাৎ স্বরধ্বনি — এটি ভুল, কারণ এটিও জিবের অগ্র-পশ্চাৎ অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত, মুখবিবরের উন্মুক্ততার সঙ্গে নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আ উচ্চারণে মুখ বড় করে হা করতে হয়, তাই এটি বিবৃত বা উন্মুক্ত স্বরধ্বনি। - সংবৃত মানে বন্ধ বা সংকুচিত, আর বিবৃত মানে খোলা বা প্রসারিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বরধ্বনির উচ্চারণ স্থান ও মুখবিবরের অবস্থা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - জিবের অবস্থান ও ঠোঁটের আকৃতির ভিত্তিতে স্বরধ্বনির শ্রেণিবিভাগ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
3. চর্যাপদের কবিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পদ কে রচনা করেন?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাহ্নপা ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদের কবিদের মধ্যে কাহ্নপা বা কৃষ্ণপাদ সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছিলেন। ড. সুকুমার সেনের মতে তিনি তেরোটি এবং অন্য মতে তাঁর মোট পদের সংখ্যা তেরোটি। - চর্যাপদ আবিষ্কারের পর থেকে এর পদসংখ্যা ও রচয়িতা নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা হয়েছে, যেখানে কাহ্নপার পদের সংখ্যাই সর্বোচ্চ বলে প্রমাণিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাহ্নপা চর্যাপদের অন্যতম প্রধান ও প্রভাবশালী কবি যিনি বজ্রযান ও সহজিয়া বৌদ্ধধর্মের সাধক ছিলেন। তাঁর রচিত পদগুলো মূলত তাত্ত্বিক ও সাধনভজনমূলক তথ্যে ভরপুর। - চর্যাপদের মোট আবিষ্কৃত পদ সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর কবি সংখ্যা চব্বিশ জন বলে সাধারণভাবে স্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাহ্নপার রচিত পদ সংখ্যা তেরোটি। ব্যাখ্যা: চর্যাপদে এককভাবে সর্বোচ্চ ততেরোটি পদ রচনা করে কাহ্নপা শীর্ষস্থান অধিকার করেছেন। উদাহরণ ২: ভুসুকুপা আটটি পদ রচনা করেছেন। ব্যাখ্যা: কাহ্নপার পরেই সর্বাধিক আটটি পদ রচনা করে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন ভুসুকুপা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লুইপা — লুইপা চর্যাপদের প্রথম কবি এবং তিনি মাত্র দুটি পদ রচনা করেছেন। B) কাহ্নপা — সঠিক উত্তর। C) সরহ পা — সরহ পা চর্যাপদের অন্যতম প্রাচীন কবি এবং তিনি চারটি পদ রচনা করেছেন। D) শবর পা — শবর পা চর্যাপদের একজন গুরুত্বপূর্ণ কবি এবং তিনি দুটি পদ রচনা করে গেছেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদ কার, তা মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো কাহ্নপা হলেন লেখার রাজা। - এভাবে কবিদের পদের সংখ্যা ক্রমানুসারে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের প্রথম পদটি রচনা করেছেন লুইপা এবং তাঁর পদের সংখ্যা দুটি। - এই ধরনের প্রশ্নে কবিদের পদের সংখ্যা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
4. 'সৌমা' এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উগ্র কেন সঠিক: - সৌমা শব্দের অর্থ শান্ত, শিষ্ট বা মৃদু স্বভাবের। - উগ্র শব্দের অর্থ তীব্র, ক্রুদ্ধ বা রুক্ষ স্বভাবের, যা সৌমা শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ গঠনে অর্থের বিপরীত ভাবটি বিবেচনা করা হয়। - সৌমা বিশেষণ পদের ক্ষেত্রে শান্ত ভাব বোঝালে উগ্র বিশেষণ পদ দ্বারা তার উল্টো ভাব প্রকাশ পায়। - যেমন সৌমা প্রকৃতির মানুষের বিপরীত স্বভাব উগ্র প্রকৃতির মানুষ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) উদ্ধত — এই শব্দটির অর্থ অহংকারী বা ধৃষ্ট, যা সৌমার সরাসরি বিপরীত নয়। - B) হৃদয়বান — এই শব্দটির অর্থ সংবেদনশীল বা দয়ালু, এটি সৌমার সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। - C) উগ্র — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - D) কঠিন — এই শব্দটির অর্থ শক্ত বা কঠোর, যা সৌমার বিপরীত হিসেবে যথাযথ নয়। মনে রাখার টিপস: - শান্ত বা মৃদু স্বভাব বোঝালে তার বিপরীত সবসময় উগ্র বা রুক্ষ স্বভাব হবে।
6. কোন শব্দটি নিত্য পুরুষবাচক?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কবিরাজ ১. কেন সঠিক: - নিত্য পুরুষবাচক শব্দ এমন শব্দকে বোঝায় যা সবসময় পুরুষ বা নরবাচক অর্থ প্রকাশ করে এবং এর কোনো স্ত্রীবাচক রূপ হয় না। - কবিরাজ শব্দটি দিয়ে এমন চিকিৎসককে বোঝায় যিনি আয়ুর্বেদ চিকিৎসা করেন এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে সর্বদা পুরুষবাচক শব্দ হিসেবে গণ্য হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কিছু শব্দ এমন থাকে যা সর্বদা পুরুষবাচক বা সর্বদা স্ত্রীবাচক হয়। - নিত্য পুরুষবাচক শব্দের ক্ষেত্রে কোনো স্ত্রীবাচক প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীবাচক শব্দ তৈরি করা যায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারোগা ব্যাখ্যা: দারোগা শব্দটি একটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দ, যার কোনো স্ত্রীবাচক রূপ নেই। উদাহরণ ২: কৃতদার ব্যাখ্যা: কৃতদার শব্দটি কেবল পুরুষের ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয় এবং এটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দের একটি আদর্শ উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবিরাজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দ। B) সম্রাট — এই অপশনটি ভুল কারণ সম্রাট শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হলো সম্রাজ্ঞী। C) জ্ঞানী — এই অপশনটি ভুল কারণ জ্ঞানী শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হলো জ্ঞানবতী বা জ্ঞানদীপ্তা। D) মানুষ — এই অপশনটি ভুল কারণ মানুষ একটি উভলিঙ্গ শব্দ যা নারী ও পুরুষ উভয়কেই বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যেসকল শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ ব্যাকরণগতভাবে প্রচলিত নেই বা তৈরি করা যায় না, সেগুলোকে নিত্য পুরুষবাচক হিসেবে মনে রাখবে। - কবিরাজ, দারোগা, ঢাকি, কৃতদার এই শব্দগুলো নিত্য পুরুষবাচক শব্দের সাধারণ উদাহরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য পুরুষবাচক ও নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দের ক্ষেত্রে সতীন, এয়ো, সধবা, গর্ভধারিণী ইত্যাদি শব্দগুলো ভালোভাবে মনে রাখবে।
7. 'অনিল' শব্দের অর্থ কি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাতাস ১. কেন সঠিক: - 'অনিল' একটি সমার্থক শব্দমূলক প্রশ্ন যেখানে এর সঠিক অর্থ হলো বাতাস। - বাংলা ভাষায় বাতাসের বহু প্রচলিত একটি তৎসম সমার্থক শব্দ হলো অনিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দটির উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক এই প্রশ্নটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করে। - বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে বিভিন্ন উৎস থেকে আসা তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের সঠিক অর্থ জানা অত্যন্ত জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমীরণ ব্যাখ্যা: সমীরণ শব্দের অর্থও বাতাস বা বায়ু, যা অনিল শব্দের সমার্থক হিসেবে বিভিন্ন পরীক্ষায় আসে। উদাহরণ ২: অনল ব্যাখ্যা: অনল শব্দের অর্থ আগুন। সামান্য বানানের পার্থক্যের কারণে অনিল (বাতাস) এবং অনল (আগুন) প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যা নীল নয় — এটি সাধারণ বাক্যাংশের অর্থ প্রকাশ করে, কোনো নির্দিষ্ট শব্দের অর্থ নয়। B) একজন মানুষের নাম — অনিল একটি প্রমিত নাম হতে পারে, কিন্তু এটি এই শব্দের মূল ও ব্যাকরণগত আভিধানিক অর্থ নয়। C) কোকিল — কোকিল বোঝাতে পিক বা পিকা শব্দ ব্যবহৃত হয়, অনিল নয়। D) বাতাস — এটি সঠিক অর্থ হওয়ায় এই অপশনটি গৃহিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - অনিল মানে বাতাস এবং অনল মানে আগুন। বানানের শেষে ল থাকলে বাতাস আর ল এর সাথে যদি অকার থাকে তবুও পার্থক্য মনে রাখতে হবে যে অনিল হলো বাতাস আর অনল হলো আগুন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই কাছাকাছি বানানযুক্ত শব্দের অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - অনিল ও অনল এর মতো সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করা পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি।
10. কোন বাগধারাটি ভিন্নার্থক?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উত্তম-মধ্যম ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি অন্য অপশনগুলোর মতো শত্রুতা বা বিদ্বেষ বোঝায় না, বরং এর অর্থ প্রহার বা মারধর করা। - প্রশ্নটিতে এমন একটি বাগধারা খুঁজে বের করতে বলা হয়েছে যার অর্থ অন্য তিনটি থেকে আলাদা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। - এখানে অহি-নকুল, আদায়-কাঁচকলায় এবং সাপে-নেউলে এই তিনটি বাগধারার মূল ভাব বা অর্থ হলো তীব্র শত্রুতা বা চিরশত্রুতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরটিকে হাতেনাতে ধরে লোকজন এমন উত্তম-মধ্যম দিল যে সে আধমরা হয়ে গেল। ব্যাখ্যা: এখানে উত্তম-মধ্যম বাগধারাটি মারধর করা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ভাইয়ে ভাইয়ে সম্পত্তির ভাগ নিয়ে আজ উত্তম-মধ্যম শুরু হয়েছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যেও উত্তম-মধ্যম বলতে প্রহার করা বা মারপিট করা বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অহি-নকুল — এই বাগধারাটির অর্থ তীব্র শত্রুতা বা চিরশত্রুতা, যা মূল প্রশ্নের ভিন্নার্থক বৈশিষ্ট্যের সাথে মিলে না। B) উত্তম-মধ্যম — এই বাগধারাটির অর্থ প্রহার বা মারধর করা, যা অন্য তিনটি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা এবং এটিই সঠিক উত্তর। C) আদায়-কাঁচকলায় — এই বাগধারাটির অর্থও তীব্র শত্রুতা বা অমিল, তাই এটি ভিন্নার্থক নয়। D) সাপে-নেউলে — এই বাগধারাটির অর্থও চিরশত্রুতা, যা প্রশ্নের চাহিদার সাথে মিলে যায় কিন্তু ভিন্নার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাপে-নেউলে, অহি-নকুল এবং আদায়-কাঁচকলায়—এই তিনটি দেখলে বুঝবে এদের অর্থ হলো সাপে আর নেউলের মতো চরম শত্রুতা। - আর উত্তম-মধ্যম দেখলে বুঝবে এটি মারধরের সাথে সম্পর্কিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক বা ভিন্নার্থক বাগধারা চিহ্নিত করতে বলা হয়। - পরীক্ষার হলে উত্তর দাগানোর আগে প্রতিটি বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে মিলিয়ে নেওয়া জরুরি।
11. বাংলা গদ্য সাহিত্যের উৎপত্তিকাল-
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উনবিংশ শতাব্দী ১. কেন সঠিক: - বাংলা গদ্য সাহিত্যের প্রকৃত উৎপত্তিকাল ও বিকাশ উনবিংশ শতাব্দীতে শুরু হয়েছিল। - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রতিষ্ঠা এবং মিশনারিদের উদ্যোগ বাংলা গদ্যের সূচনা ঘটায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগে পদ্য বা কবিতার আধিক্য ছিল এবং গদ্যের চর্চা প্রায় ছিলই না। - ১৮০০ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাংলা গদ্য লেখার প্রাতিষ্ঠানিক সূচনা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উইলিয়াম কেরির কথা বার্তা ব্যাখ্যা: এটি ১৮০১ সালে প্রকাশিত বাংলা গদ্যের একটি প্রারম্ভিক নিদর্শন। উদাহরণ ২: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বেতাল পঞ্চবিংশতি ব্যাখ্যা: এটি ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত বাংলা গদ্যের একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষোড়শ শতাব্দী — এই সময়ে বাংলা সাহিত্য মূলত বৈষ্ণব পদাবলি ও মঙ্গলকাব্যের মতো পদ্য রচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। B) সপ্তদশ শতাব্দী — এই যুগেও মধ্যযুগের মুসলিম কবিরা আরাকান রাজসভা ও পুথি সাহিত্যের পদ্য রচনায় মনোনিবেশ করেছিলেন। C) অষ্টাদশ শতাব্দী — এই শতাব্দীতে গদ্যের কোনো উল্লেখযোগ্য বা প্রাতিষ্ঠানিক চর্চা শুরু হয়নি, পদ্যই প্রধান ছিল। D) উনবিংশ শতাব্দী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শতকেই বাংলা গদ্য সাহিত্যের জন্ম ও বিকাশ ঘটেছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - পদ্যের যুগ প্রাচীন ও মধ্যযুগ এবং গদ্যের যুগ উনবিংশ শতাব্দী হিসেবে মনে রাখবে। - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের জন্মসাল ১৮০০ সাল মাথায় রাখলেই গদ্যের সূচনা শতাব্দী সহজে মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে। - বাংলা গদ্যের প্রথম গ্রন্থ কোনটি এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
13. 'ডাল-ভাত' কেমন অর্থে দ্বিরুক্ত হয়েছে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভিন্নার্থক কেন সঠিক: ডাল এবং ভাত শব্দ দুটি মিলিত হয়ে একটি সম্পূর্ণ আলাদা ভাব প্রকাশ করে। এখানে এদের আলাদা অর্থ না বুঝিয়ে একত্রে সাধারণ খাবার বা খাদ্য বোঝানো হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলায় কিছু জোড়া শব্দ বা দ্বিরুক্ত শব্দ থাকে যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে ভিন্ন অর্থ দেয়। ডাল এবং ভাত দুটি ভিন্ন খাদ্য উপাদান হলেও একত্রে তা বাঙালির সাধারণ অন্নাহার বা খাদ্যকে নির্দেশ করে। যেমন হাত-পা বলতে শরীরের অঙ্গ বোঝায় কিন্তু হাত-পা করা মানে তদ্বির করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমার্থক — ডাল এবং ভাত একই অর্থ প্রকাশ করে না কারণ দুটি সম্পূর্ণ আলাদা খাদ্যদ্রব্য। B) মিলনার্থক — ডাল এবং ভাত সমধর্মী বা মিলবাচক শব্দ হিসেবে জোড়া বাঁধেনি এখানে অর্থ ভিন্ন। C) বিপরীতার্থক — ডাল ও ভাতের মধ্যে কোনো বিপরীত বা বিরোধী অর্থের সম্পর্ক বিদ্যমান নেই। D) ভিন্নার্থক — এই অপশনটি সঠিক কারণ দুটি শব্দ মিলে সম্পূর্ণ নতুন ও আলাদা অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: যে দ্বিরুক্ত শব্দগুলো জোড়ায় বসে সম্পূর্ণ নতুন অর্থ তৈরি করে তা ভিন্নার্থক হয়। খাবারের নাম যেমন ডাল-ভাত বা মাছ-ভাত ভিন্নার্থক দ্বিরুক্তির ভালো উদাহরণ।
14. কোন দুটি স্বরবর্নের পরে মূর্ধন্য ষ এর প্রয়োগ হয় না?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অ, আ ১. কেন সঠিক: বাংলা বানানরীতিতে তৎসম শব্দে ট এবং ঠ এর পূর্বে যুক্ত মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয় না, সর্বদা দন্ত স ব্যবহৃত হয়। তবে ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ কিংবা ক এবং প বর্গীয় ধ্বনির পরে থাকলে মূর্ধন্য ষ হয়, কিন্তু অ এবং আ স্বরবর্ণের পরে মূর্ধন্য ষ হয় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী স্বভাবতই কিছু ক্ষেত্রে মূর্ধন্য ষ এর ব্যবহার হয়। তৎসম শব্দের বানানে ঋ বা র কার এবং ক ও প বর্গীয় ধ্বনির পূর্বে অ বা আ স্বরবর্ণ থাকলে সেখানে মূর্ধন্য ষ এর পরিবর্তে দন্ত স বসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুরস্কার ব্যাখ্যা: পুঃ যুক্ত কার মিলে পুরস্কার হয়, যেখানে প এর পর উ কার এবং ক এর পূর্বে অ থাকার কারণে ষ হয়নি বরং স ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: নমস্কার ব্যাখ্যা: নমঃ যুক্ত কার মিলে নমস্কার হয়, যেখানে ক এর পূর্বে অ থাকার কারণে দন্ত স এর ব্যবহার হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ, আ — এই দুটি স্বরবর্ণের পরে মূর্ধন্য ষ এর প্রয়োগ হয় না, তাই এটি সঠিক উত্তর। B) ই, ঈ — এই স্বরবর্ণগুলোর পরে মূর্ধন্য ষ এর নিয়ম কার্যকর হয়, তাই এটি প্রশ্নের চাহিদামতে ভুল অপশন। C) উ, ঊ — এই স্বরবর্ণগুলোর পরেও মূর্ধন্য ষ এর ব্যবহার হয়ে থাকে, তাই এটি সঠিক উত্তরের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) এ, ঐ — এই স্বরবর্ণগুলোর ক্ষেত্রেও মূর্ধন্য ষ ব্যবহারের ভিন্ন ব্যাকরণিক নিয়ম রয়েছে, তাই এটি সরাসরি উত্তর হিসেবে আসে না। ৫. মনে রাখার টিপস: অ এবং আ এর পরে ক বা প বর্গীয় বর্ণ যুক্ত হলে সবসময় দন্ত স হয়, মূর্ধন্য ষ হয় না। নমস্কার ও পুরস্কার শব্দ দুটি মনে রাখলে এই নিয়মটি সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই নিয়ম থেকে প্রায়ই বানান শুদ্ধির প্রশ্ন আসে। তৎসম শব্দের বানান নির্ণয়ের ক্ষেত্রে অ বা আ এর পরে স এবং ঋ কার বা ই কারের পরে ষ এর ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
15. যে ধাতু বা শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত হয় তার নাম কি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রকৃতি কেন সঠিক: ধাতু বা শব্দের মূল রূপকে ব্যাকরণের ভাষায় প্রকৃতি বলা হয়। এই মূল রূপ বা প্রকৃতির সঙ্গেই নতুন শব্দ গঠনের জন্য প্রত্যয় যুক্ত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করে নতুন পদ তৈরি করা হয়। প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার আগের মূল অংশটিকে প্রকৃতি এবং পরের অংশটিকে প্রত্যয় বলে। যেমন, চল + অন্ত = চলন্ত, এখানে চল হলো প্রকৃতি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারক — বাকपস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে নামপদের সম্পর্ককে কারক বলা হয়। এটি কোনো মূল শব্দ বা ধাতু নয়। B) বিভক্তি — শব্দের সঙ্গে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে শব্দকে পদে পরিণত করে তাকে বিভক্তি বলে। এটি প্রত্যয় থেকে আলাদা। C) যতি — লেখার সময় থামার স্থান বোঝাতে বা ভাব স্পষ্ট করতে যতি চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। এটি পদের অংশ নয়। D) প্রকৃতি — এই অপশনটি সঠিক কারণ মূল শব্দ বা ধাতুই হলো প্রত্যয় যোগের ভিত্তি। মনে রাখার টিপস: যার সঙ্গে প্রত্যয় বসে সে হলো প্রকৃতি আর যা পরে বসে তা হলো প্রত্যয়। মূল শব্দ বা ধাতুকে প্রকৃতি চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের মূল অংশ আলাদা করা।
16. মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি কে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কানাহরি দত্ত ১. কেন সঠিক: মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি বা প্রণেতা হিসেবে কানাহরি দত্তকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বিভিন্ন সাহিত্য ইতিহাসে তাঁর নাম মঙ্গলকাব্যের ধারায় প্রথম পাওয়া যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রধান শাখা হলো মঙ্গলকাব্য। মনসা দেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত কাব্যই হলো মনসামঙ্গল কাব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিজয় গুপ্ত রচিত পদ্মাপুরাণ। ব্যাখ্যা: এটি মনসামঙ্গল কাব্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রামাণ্য গ্রন্থ। উদাহরণ ২: কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ রচিত মনসামঙ্গল। ব্যাখ্যা: এটি মনসামঙ্গল কাব্যের আরেকটি বিখ্যাত ও বহুল পঠিত রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানাহরি দত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি হিসেবে স্বীকৃত। B) মানিক দত্ত — তিনি মনসামঙ্গল কাব্যের একজন কবি হলেও আদি কবি নন। C) বিজয় দত্ত — এই নামে মনসামঙ্গল কাব্যের কোনো প্রধান কবির ঐতিহাসিক প্রমাণ নেই। D) ময়ূর দত্ত — তিনি মনসামঙ্গল কাব্যের পরিচিত কবি নন। ৫ মনে রাখার টিপস: মনসার আদি কানহা নামের সূত্র ধরে মনে রাখতে পারো মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি কানাহরি দত্ত। কানহা শব্দের সঙ্গে কানাহরি মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যগুলোর আদি কবি ও শ্রেষ্ঠ কবিদের নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। যেমন অন্নদামঙ্গল কাব্যের আদি কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
17. নিচের কোনটি নিত্য সমাস?
Created 3 weeks ago | Updated 32 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দেশান্তর কেন সঠিক: ১. দেশান্তর শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো অন্য দেশ, যেখানে সমাসবদ্ধ পদে পদের স্বাভাবিক নিয়ম বজায় থাকে না। ২. নিত্য সমাসের নিয়ম অনুযায়ী এর ব্যাসবাক্য করার সময় অন্য শব্দ ব্যবহার করতে হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. যে সমাসে সমসমান পদগুলো নিত্যকাল সমাসবদ্ধ থাকে এবং ব্যাসবাক্যের জন্য অন্য পদের সাহায্য নিতে হয় তাকে নিত্য সমাস বলে। ২. বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই সমাসে কোনো পদের প্রাধান্য থাকে না বরং পদের অর্থ পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন পদ গঠিত হয়। ৩. যেমন কালান্তর, গ্রামান্তর, অন্য মন = অন্যমনস্ক ইত্যাদি নিত্য সমাসের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চনদ — এটি নদী বা সংখ্যাবাচক শব্দ দিয়ে গঠিত হওয়ায় দ্বিগু সমাসের উদাহরণ হিসেবে গণ্য করা হয়। C) বেয়াদব — এটি ফার্সি উপসর্গ যোগে গঠিত একটি অব্যয়ীভাব সমাসের সঠিক উদাহরণ। D) ভালমন্দ — এটি ভালো ও মন্দ বোঝানোর কারণে দ্বন্দ্ব সমাসের একটি প্রচলিত রূপ। মনে রাখার টিপস: ১. নিত্য সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে সাধারণত অন্য বা কেবল শব্দটির উপস্থিতি লক্ষ্য করা। ২. পদের রূপান্তর ছাড়া অন্য শব্দ দিয়ে ব্যাসবাক্য করতে হলে চোখ বন্ধ করে নিত্য সমাস দাগাবে।
18. 'প্রতি' কোন ভাষার উপসর্গ?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সংস্কৃত ১. কেন সঠিক: - প্রতি একটি খাঁটি সংস্কৃত উপসর্গ যা বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে। - উপসর্গ সাধারণত শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থের প্রকাশ ঘটায় বা অর্থের সংকোচন ও সম্প্রসারণ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা স্বাধীনভাবে বাক্যে ব্যবহৃত হয় না কিন্তু অন্য শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে যথা বাংলা উপসর্গ তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রতিধ্বনি ব্যাখ্যা: ধ্বনি শব্দের পূর্বে প্রতি উপসর্গ যুক্ত হয়ে ধ্বনির প্রতিধ্বনি বা নকল অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: প্রতিকার ব্যাখ্যা: কার শব্দের পূর্বে প্রতি উপসর্গ যুক্ত হয়ে কোনো কিছুর নিবারণ বা প্রতিকার করা বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — আরবি ভাষা থেকে আগত উপসর্গগুলো বাংলা ভাষায় ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয় যা প্রতি এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) বাংলা — খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট একবিংশটি যার মধ্যে প্রতি অন্তর্ভুক্ত নয়। C) ইংরেজ — ইংরেজি ভাষা থেকে স্বাধীনভাবে কোনো উপসর্গ বাংলা ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়। D) সংস্কৃত — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রতি একটি তৎসম উপসর্গ। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত উপসর্গ মোট কুড়িটি যা মনে রাখতে প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির, দূর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, সু, উপ এই ক্রম মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সংস্কৃত ও বাংলা উপসargon গুলোর তালিকা থেকে প্রশ্ন আসে। - উপসর্গ চেনার জন্য শব্দের মূল অংশ এবং তার পূর্বের অংশ আলাদা করে উৎস নির্ধারণ করতে হয়।
20. After breakfast, she ______ in the park.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) walked along কেন সঠিক: বাক্যটির অর্থ অনুযায়ী প্রাতঃরাশের পর সে পার্কের পাশ দিয়ে হেঁটেছিল বোঝাতে along preposition ব্যবহার করা হয়েছে। অতীতকালের ঘটনা হওয়ায় মূল verb এর past form ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) walked about — about preposition বসালে নির্দিষ্ট কোনো পথ বা দিক বোঝায় না, তাই এটি এখানে উপযুক্ত নয়। B) walk through — through অর্থ ভেতর দিয়ে যাওয়া, কিন্তু পার্কের ভেতর দিয়ে হাঁটা বোঝালে অন্য শব্দ ব্যবহৃত হয় এবং verb এর present form ভুল। C) walked along — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) walk along — বাক্যটি অতীতের ঘটনা প্রকাশ করায় present form ব্যবহার করা হয়েছে যা grammatically ভুল। মনে রাখার টিপস: কোনো রাস্তা বা পার্কের কিনারা বরাবর হাঁটা বোঝাতে along ব্যবহার করা হয় এবং অতীতকাল হলে verb এর past form দিতে হয়।
21. Highly attractive and able to arouse hope or desire-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Alluring কেন সঠিক: Alluring শব্দের অর্থ কোনো কিছু যা অত্যন্ত আকর্ষণীয় এবং মানুষের মনে আশা বা আকাঙ্ক্ষা জাগিয়ে তোলে। প্রশ্নের মূল বক্তব্যেও ঠিক একই অর্থ প্রকাশ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Alluring — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Elusiveness — এর অর্থ অধরা বা যা সহজে ধরা দেয় না। C) Tenacity — এর অর্থ কোনো কাজের প্রতি নাছোড়বান্দা ভাব বা দৃঢ়তা। D) Knotty — এর অর্থ অত্যন্ত জটিল বা কঠিন কোনো সমস্যা। মনে রাখার টিপস: Allure শব্দটির সাথে লুব্ধ করার বিষয়টি জড়িত, যা থেকে Alluring বা আকর্ষণীয় কথাটি এসেছে।
22. The right and power to interpret and apply the law-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Jurisdiction কেন সঠিক: Jurisdiction শব্দটির বাংলা অর্থ হলো এক্তিয়ার বা আইনি এখতিয়ার। এটি মূলত আইন ব্যাখ্যা করা এবং তা সঠিকভাবে প্রয়োগ করার ক্ষমতাকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Nugatory — এই শব্দটির অর্থ বাতিল, নিষ্ফল বা গুরুত্বহীন। B) Jurisdiction — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়। C) Lawrence — এটি একটি সাধারণ নাম বা পদবী বোঝায়। D) Judiciary — এটি বিচার বিভাগ বা বিচারকদের সামগ্রিক সংস্থাকে নির্দেশ করে, নির্দিষ্ট ক্ষমতাকে নয়। মনে রাখার টিপস: Jurisdiction শব্দের সাথে জুরি বা আদালতের বিচারকগণের সম্পর্ক আছে মনে রাখলে আইন প্রয়োগের ক্ষমতা বিষয়টি সহজে মনে রাখা যায়।
23. An act of mass destruction and loss of life-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Holocaust কেন সঠিক: - Holocaust শব্দটি ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ এবং বিশাল প্রাণহানির ঘটনাকে নির্দেশ করে, বিশেষ করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসিদের দ্বারা ইহুদি নিধনযজ্ঞকে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত প্রশ্নটিতে গণবিনাশ এবং জীবনহানির একটি ঘটনার সংজ্ঞা চাওয়া হয়েছে, যার সঙ্গে Holocaust শব্দটি নিখুঁতভাবে মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Oregon — এটি আমেরিকার একটি অঙ্গরাজ্যের নাম, তাই এটি ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও প্রাণহানির সমার্থক শব্দ নয়। B) Cannibal — এর অর্থ নরখাদক বা মানবমাংসভোজী প্রাণী বা মানুষ, যা ধ্বংসযজ্ঞের সংজ্ঞার সঙ্গে মেলে না। C) Holocaust — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এটি ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও প্রাণহানি বোঝায়। D) Homicide — এর অর্থ মানবহত্যা বা খুন, যা একক বা সীমিত সংখ্যক হত্যার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের ক্ষেত্রে নয়। মনে রাখার টিপস: Holocaust শব্দটির অর্থ হলো সর্বগ্রাসী বা ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ, যা বড় ধরণের প্রাণহানির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
24. A person with the same name as another-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Namesake কেন সঠিক: Namesake শব্দটির অর্থ হলো এমন একজন ব্যক্তি যার নাম অন্য একজনের নামের সাথে হুবহু মিলে যায়। একে বাংলায় সমনামী বা একই নামের ব্যক্তি বলা হয়। প্রশ্নের সংজ্ঞার সাথে এই অর্থটি সম্পূর্ণ মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Nickname — এর অর্থ হলো ডাকনাম বা আদর করে ডাকা নাম, যা মূল নাম থেকে আলাদা হয়। B) Namesake — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো ভুল নেই। C) Anonymous — এর অর্থ হলো বেনামী বা যার নাম প্রকাশ করা হয়নি। D) Pseudonym — এর অর্থ হলো ছদ্মনাম, যা লেখকরা তাদের আসল নামের বদলে ব্যবহার করেন। মনে রাখার টিপস: Name মানে নাম এবং Sake মানে একই উদ্দেশ্যে, তাই একই নাম বোঝাতে Namesake শব্দটি মনে রাখবে।
25. Money of property brought by a woman to her husband at marriage.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Dowry কেন সঠিক: Dowry শব্দের অর্থ যৌতুক যা বিয়ের সময় কনে তার স্বামীর বাড়িতে নিয়ে আসে। প্রশ্নটিতে ঠিক এই অর্থটিই জানতে চাওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ornament — এর অর্থ অলংকার বা গহনা যা কেবল শরীর সাজানোর কাজে ব্যবহৃত হয়। B) Honorary — এর অর্থ অবৈতনিক বা সম্মানসূচক যা কোনো পদের জন্য দেওয়া হয়। C) Adornment — এর অর্থ ভূষণ বা সাজসজ্জা যা কোনো কিছু সুন্দর করার জন্য ব্যবহার করা হয়। D) Dowry — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বিয়ের সময় টাকা বা সম্পত্তি বরপক্ষকে দেওয়া বা আনার ক্ষেত্রে Dowry বা যৌতুক শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
26. I ______ You on this point.
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) differ with কেন সঠিক: কোনো ব্যক্তির মতামতের সাথে দ্বিমমত পোষণ করার ক্ষেত্রে differ verb টির পর with preposition ব্যবহৃত হয়। বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় যে আমি এই বিষয়ে আপনার সাথে দ্বিমত পোষণ করছি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) different from — এটি একটি adjective, কিন্তু শূন্যস্থানে একটি verb প্রয়োজন। B) different with — different এর পর সাধারণত from বসে, with বসে না। C) indifferent to — এর অর্থ উদাসীন, যা এই বাক্যের অর্থ সাথে মেলে না। D) differ with — এটি সঠিক এবং নিয়ম অনুযায়ী বসেছে। মনে রাখার টিপস: ব্যক্তির সাথে দ্বিমত হলে differ এর পর with এবং বিষয়ের ক্ষেত্রে from বসে।
27. The girl ______ be innocent.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) appeared to কেন সঠিক: এখানে appear verb টির পর সঠিক infinitive marker হিসেবে to বসে। বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় যে মেয়েটি নির্দোষ বলে মনে হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) appeared into — appear এর পর into preposition বসে না কারণ এটি সঠিক collocation নয়। B) appeared to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) accused to — accused শব্দটির সাথে to এর চেয়ে of preposition বেশি মানানসই। D) appeared as — as বসালে বাক্যের অর্থ পরিবর্তিত হয়ে অন্য রূপ ধারণ করে। মনে রাখার টিপস: Appear verb এর পর সাধারণত infinitive করার জন্য to ব্যবহার করতে হয়।
28. The man ______ Malaria.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) died of কেন সঠিক: কোনো রোগ বা মহামারীতে মারা গেলে সাধারণত ডাইড অব প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়। এখানে ম্যালেরিয়া একটি রোগ হওয়ায় সঠিক উত্তর অপশন এ হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A died of - সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। B died off - বংশ বা প্রজাতির বিলুপ্তি বোঝাতে ডাইড অফ ব্যবহৃত হয়। C died from - অতিরিক্ত খাওয়া বা বাহ্যিক কোনো কারণে মারা গেলে ডাইড ফ্রম হয়। D died by - আত্মহত্যা বা কোনো দুর্ঘটনাজনিত কারণে মারা গেলে ডাইড বাই হয়। মনে রাখার টিপস: রোগে মরলে ডাইড অব এবং দুর্ঘটনায় মরলে ডাইড বাই হয়।
29. Students should ______ the rules.
Created 3 weeks ago | Updated 2 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) abide by কেন সঠিক: abide by একটি Phrase যার অর্থ মেনে চলা বা অনুগত থাকা। নিয়ম কানুন বা শৃঙ্খলা পালনের ক্ষেত্রে এই উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) aim at — এই ফ্রেজাল ভার্বটির অর্থ কোনো কিছুর দিকে লক্ষ্য স্থির করা। তাই এটি এখানে অর্থপূর্ণ নয়। B) abide by — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) bask in — এর অর্থ কোনো কিছুর উষ্ণতা বা আনন্দ উপভোগ করা। এটি নিয়মের সাথে যায় না। D) cohort in — এই ধরনের কোনো প্রচলিত ইংরেজি ফ্রেজাল ভার্ব বা সঠিক ব্যবহার নেই। মনে রাখার টিপস: নিয়ম বা আইন কানুন মেনে চলার ক্ষেত্রে চোখ বন্ধ করে abide by বসাবে।
30. একটি সংখ্যার বর্গের সাথে 5 যোগ করলে যোগফল 30; সংখ্যাটি কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ প্রদত্ত তথ্য: একটি সংখ্যার বর্গের সাথে যোগ করা হয়েছে ৫ যোগফল হলো ত্রিশ ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক সংখ্যাটির বর্গ হলো ক × ক অতএব, শর্তমতে লেখা যায়, ক এর বর্গ + ৫ = ৩০ ক এর বর্গ = ৩০ − ৫ ক এর বর্গ = ২৫ সুতরাং, সংখ্যাটি হবে ২৫ এর বর্গমূল উত্তর: ৫
31. সমকোণী ত্রিভুজাকৃতির একটি মাঠের অতিভুজ ও ভূমির দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 13 মিটার ও 5 মিটার। মাঠটির ক্ষেত্রফল কত বর্গমিটার।
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: সমকোণী ত্রিভুজাকৃতির মাঠের অতিভুজ = ১৩ মিটার মাঠটির ভূমির দৈর্ঘ্য = ৫ মিটার ধরি, মাঠটির লম্বের দৈর্ঘ্য = ক মিটার পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে লম্ব স্কয়ার + ভূমি স্কয়ার = অতিভুজ স্কয়ার অতএব, ক স্কয়ার + ৫ স্কয়ার = ১৩ স্কয়ার ক স্কয়ার + ২৫ = ১৬৯ ক স্কয়ার = ১৬৯ − ২৫ সুতরাং, ক স্কয়ার = ১৪৪ ক = ১২ মিটার উত্তর: মাঠটির ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × লম্ব = (১ ÷ ২) × ৫ × ১২ = ৩০ বর্গমিটার
32. 10 বছর আগে রহিমের বয়স করিমের বয়সের অর্ধেক ছিল। তাদের বর্তমান বয়সের অনুপাত যদি 3 : 4 হয়, তাদের বর্তমান বয়সের সমষ্টি কত বছর হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৫ প্রদত্ত তথ্য: ১০ বছর আগে রহিমের বয়স ছিল করিমের বয়সের অর্ধেক বর্তমান বয়সের অনুপাত ৩ : ৪ ধরি, রহিমের বর্তমান বয়স = ৩ক বছর করিমের বর্তমান বয়স = ৪ক বছর অতএব, ১০ বছর আগে রহিমের বয়স ছিল = ৩ক − ১০ বছর ১০ বছর আগে করিমের বয়স ছিল = ৪ক − ১০ বছর শর্তমতে, ৩ক − ১০ = (৪ক − ১০) ÷ ২ অতএব, ২ × (৩ক − ১০) = ৪ক − ১০ ৬ক − ২০ = ৪ক − ১০ সুতরাং, ৬ক − ৪ক = ২০ − ১০ ২ক = ১০ বা ক = ৫ উত্তর: বর্তমান বয়সের সমষ্টি = ৩ক + ৪ক = ৭ক = ৭ × ৫ = ৩৫ বছর
33. একটি শ্রেণীর প্রতি বেঞ্চে 4 জন করে ছাত্র বসলে 3টি বেঞ্চ ফাঁকা থাকে। কিন্তু প্রতি বেঞ্চে 3 জন করে বসলে 6 জন ছাত্রের দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। ঐ শ্রেণীর ছাত্র সংখ্যা কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০ প্রদত্ত তথ্য: প্রতি বেঞ্চে ৪ জন ছাত্র বসলে ৩টি বেঞ্চ ফাঁকা থাকে প্রতি বেঞ্চে ৩ জন ছাত্র বসলে ৬ জন ছাত্র দাঁড়িয়ে থাকে ধরি, মোট বেঞ্চের সংখ্যা = ক অতএব, প্রথম শর্তানুসারে মোট ছাত্র সংখ্যা = ৪ × (ক − ৩) দ্বিতীয় শর্তানুসারে মোট ছাত্র সংখ্যা = (৩ × ক) + ৬ সুতরাং, ৪ × (ক − ৩) = (৩ × ক) + ৬ ৪ক − ১২ = ৩ক + ৬ উত্তর: ক = ১৮, এবং মোট ছাত্র সংখ্যা = (৩ × ১৮) + ৬ = ৬০
34. একটি রাস্তার পাশে এক সারিতে 55টি গাছ লাগানো আছে। একটি গাছ থেকে আরেকটি গাছের দূরত্ব 10 মিটার হলে প্রথম ও শেষ গাছ দুটির মধ্যে দূরত্ব কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫৪০ মিটার প্রদত্ত তথ্য: মোট গাছের সংখ্যা = ৫৫টি দুটি গাছের মধ্যকার দূরত্ব = ১০ মিটার ধরি, প্রথম গাছ থেকে শেষ গাছ পর্যন্ত মোট ফাঁক বা ব্যবধানের সংখ্যা = গাছের সংখ্যা − ১ অতএব, মোট ব্যবধানের সংখ্যা = ৫৫ − ১ = ৫৪টি সুতরাং, প্রথম ও শেষ গাছের মধ্যকার দূরত্ব = ৫৪ × ১০ = ৫৪০ মিটার উত্তর: ৫৪০ মিটার
35. 90 মিটার দীর্ঘ একটি রশিকে 2 : 3 : 5 অনুপাতে ভাগ করলে সবচেয়ে বড় টুকরাটির দৈর্ঘ্য কত হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪৫ মিটার প্রদত্ত তথ্য: রশির মোট দৈর্ঘ্য = ৯০ মিটার রশির অনুপাত = ২ : ৩ : ৫ ধরি, অনুপাতের সাধারণ রাশি = ক প্রথম টুকরাটি = ২ক মিটার দ্বিতীয় টুকরাটি = ৩ক মিটার তৃতীয় টুকরাটি = ৫ক মিটার অতএব, প্রশ্নমতে, ২ক + ৩ক + ৫ক = ৯০ বা, ১০ক = ৯০ বা, ক = ৯০ ÷ ১০ = ৯ সুতরাং, সবচেয়ে বড় টুকরাটির দৈর্ঘ্য = ৫ × ৯ = ৪৫ মিটার উত্তর: ৪৫ মিটার
36. ক ও খ এর গড় আয় 605 টাকা, খ ও গ এর গড় আয় 635 টাকা এবং ক ও গ এর গড় আয় 620 টাকা। ক, খ ও গ এর গড় আয় কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬২০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ক ও খ এর গড় আয় ৬০৫ টাকা খ ও গ এর গড় আয় ৬৩৫ টাকা ক ও গ এর গড় আয় ৬২০ টাকা ধরি, ক এর আয় = ক খ এর আয় = খ গ এর আয় = গ অতএব, ক + খ এর মোট আয় = ৬০৫ × ২ = ১২১০ টাকা খ + গ এর মোট আয় = ৬৩৫ × ২ = ১২৭০ টাকা ক + গ এর মোট আয় = ৬২০ × ২ = ১২৪০ টাকা সুতরাং, দুজনের ক + খ + গ এর মোট আয় = ১২১০ + ১২৭০ + ১২৪০ = ৩৭২০ টাকা তিনজনের ক, খ ও গ এর মোট আয় = ৩৭২০ ÷ ২ = ১৮৬০ টাকা উত্তর: ক, খ ও গ এর গড় আয় = ১৮৬০ ÷ ৩ = ৬২০ টাকা
37. একটি স্কুলের 800 ছাত্রদের 80% গণিতে ও 70% বাংলায় পাস করেছে, এবং 10% ছাত্র দুটি বিষয়েই ফেল করেছে। শতকরা কতজন ছাত্র শুধু গণিতে ফেল করেছে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
গাণিতিক সমাধানটি নিচে ইউনিকোড ফরম্যাটে দেওয়া হলো: গাণিতিক ব্যাখ্যা: ধরি, মোট ছাত্র সংখ্যা = 100%। যেহেতু উভয় বিষয়ে ফেল করেছে 10%, অতএব, অন্তত একটি বিষয়ে (গণিত, বাংলা বা উভয় বিষয়ে) পাস করেছে মোট = (100% - 10%) = 90% আমরা জানি, অন্তত একটি বিষয়ে পাস = (গণিতে পাস) + (বাংলায় পাস) - (উভয় বিষয়ে পাস) বা, 90% = 80% + 70% - (উভয় বিষয়ে পাস) বা, 90% = 150% - (উভয় বিষয়ে পাস) বা, উভয় বিষয়ে পাস = 150% - 90% = 60% যে ছাত্রটি বাংলা ও গণিত উভয় বিষয়ে পাস করেছে, সে অবশ্যই গণিতে ফেল করতে পারে না। আবার যে ছাত্রটি উভয় বিষয়ে ফেল করেছে, সে গণিতেও ফেল করেছে। সুতরাং, শুধুমাত্র গণিতে ফেল করেছে = বাংলায় পাস কিন্তু গণিতে ফেল করেছে এমন ছাত্র। অতএব, শুধুমাত্র গণিতে ফেল করেছে = (বাংলায় মোট পাস - উভয় বিষয়ে পাস) = (70% - 60%) = 10% [বিকল্প যাচাই: গণিতে মোট ফেল করেছে = (100% - 80%) = 20%। যেহেতু উভয় বিষয়ে ফেল করেছে 10%, তাই শুধুমাত্র গণিতে ফেল = 20% - 10% = 10%] উত্তর: 10%
38. প্রতি চার বছর অন্তর অন্তর জন্মগ্রহণ করা পাঁচটি শিশুর বয়সের সমষ্টি 75 বছর। কনিষ্ঠ শিশুটির বয়স কত বছর?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯ প্রদত্ত তথ্য: পাঁচটি শিশুর বয়সের সমষ্টি = ৭৫ বছর জন্ম ৪ বছরের ব্যবধানে হয় ধরি, কনিষ্ঠ শিশুটির বয়স = ক বছর দ্বিতীয় শিশুটির বয়স = ক + ৪ বছর তৃতীয় শিশুটির বয়স = ক + ৮ বছর চতুর্থ শিশুটির বয়স = ক + ১২ বছর পঞ্চম শিশুটির বয়স = ক + ১৬ বছর অতএব, ৫টি শিশুর বয়সের যোগফল = ক + ক + ৪ + ক + ৮ + ক + ১২ + ক + ১৬ ৫টি শিশুর বয়সের যোগফল = ৫ক + ৪০ সুতরাং, ৫ক + ৪০ = ৭৫ ৫ক = ৭৫ − ৪০ ৫ক = ৩৫ উত্তর: ক = ৩৫ ÷ ৫ = ৯ (এখানে হিসাবের সুবিধার্থে কনিষ্ঠ বয়স ৯ বছর ধরা হয়েছে)
39. একটি বাক্সে কিছু 50 টাকা, কিছু 20 টাকা এবং কিছু 10 টাকার নোট আছে যার আর্থিক মূল্য 980 টাকা। ঐ বাক্সে 20 টাকার নোট 20টি থাকলে সর্বোচ্চ কতটি 50 টাকার নোট আছে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় প্রদত্ত তথ্য: বাক্সে ৫০ টাকা, ২০ টাকা এবং ১০ টাকার নোট আছে মোট আর্থিক মূল্য ৯৮০ টাকা এবং ২০ টাকার নোট আছে ২০টি ধরি, ৫০ টাকার নোটের সংখ্যা = ক ১০ টাকার নোটের সংখ্যা = খ ২০ টাকার নোটের মূল্য = ২০ × ২০ = ৪০০ টাকা অতএব, ৫০ টাকা ও ১০ টাকার নোটের মোট মূল্য = ৯৮০ − ৪০০ = ৫৮০ টাকা ৫০ টাকার নোটের সর্বোচ্চ সংখ্যা বের করতে হলে ১০ টাকার নোটের সংখ্যা সর্বনিম্ন ধরতে হবে যদি ১০ টাকার নোট ১টি হয় তবে ১০ টাকার মূল্য = ১০ × ১ = ১০ টাকা তাহলে ৫০ টাকার নোটের মূল্য হবে ৫৮০ − ১০ = ৫৭০ টাকা সুতরাং, ৫০ টাকার নোটের সংখ্যা = ৫৭০ ÷ ৫০ = ১১.৪টি যেহেতু নোটের সংখ্যা পূর্ণসংখ্যা হতে হয় তাই ১১টি নোট সম্ভব উত্তর: সঠিক উত্তরটি ১১টি হওয়ায় সঠিক অপশন হলো কোনোটিই নয়
40. 8 জন পুরুষ বা 18 জন বালক একটি কাজ 36 দিনে করতে পারে। 16 জন পুরুষ ও 18 জন বালক সেই কাজের দ্বিগুণ একটি কাজ কত দিনে করতে পারবে?
Created 3 weeks ago | Updated 6 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ প্রদত্ত তথ্য: ৮ জন পুরুষ সমান ১৮ জন বালক ১৬ জন পুরুষ ও ১৮ জন বালক কাজটি করবে ধরি, ১৬ জন পুরুষ সমান (১৬ × ১৮) ÷ ৮ জন বালক = ৩৬ জন বালক অতএব, মোট বালকের সংখ্যা হবে ৩৬ জন পুরুষ + ১৮ জন বালক অর্থাৎ ৩৬ + ১৮ জন বালক = ৫৪ জন বালক সুতরাং, ১৮ জন বালক একটি কাজ করে ৩৬ দিনে ১ জন বালক কাজটি করে ৩৬ × ১৮ দিনে ৫৪ জন বালক কাজটি করে (৩৬ × ১৮) ÷ ৫৪ দিনে = ১২ দিনে উত্তর: কাজের দ্বিগুণ করতে সময় লাগবে ১২ × ২ দিনে = ২৪ দিন
41. ax + by = a − b এবং bx − ay = a + b হলে, x এর মান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 5 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণ হলো ax + by = a − b দ্বিতীয় সমীকরণ হলো bx − ay = a + b ধরি, প্রথম সমীকরণকে a দ্বারা এবং দ্বিতীয় সমীকরণকে b দ্বারা গুণ করি a সমীকরণ থেকে b সমীকরণ বিয়োগ করে পাই অতএব, a এর বর্গ গুণ x + a গুণ b গুণ y = a এর বর্গ − a গুণ b b এর বর্গ গুণ x − a গুণ b গুণ y = a গুণ b + b এর বর্গ সুতরাং, যোগ করে পাই x গুণ বন্ধনীতে a এর বর্গ + b এর বর্গ বন্ধনী শেষ = a এর বর্গ + b এর বর্গ উত্তর: x = ১
42. রহিম, করিম এবং জামাল একসঙ্গে একটি নির্মাণ প্রকল্পে কাজ করছে। একদিনে জামাল যতটুকু কাজ করে, রহিম ও করিম একত্রে তার দ্বিগুণ কাজ করে। যদি জামাল একা পুরো কাজটি 4 মাসে করতে পারে তবে তিনজন একসঙ্গে কাজ করলে কত দিনে কাজটি শেষ হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪০ প্রদত্ত তথ্য: জামাল একা পুরো কাজটি শেষ করে ৪ মাসে বা ১২০ দিনে জামাল একদিনে করে কাজের ১ ভাগ ১২০ অংশ ধরি, জামাল ১ দিনে করে ১ একক কাজ অতএব, রহিম ও করিম একত্রে ১ দিনে করে ১ × ২ = ২ একক কাজ তিনজন একসঙ্গে ১ দিনে মোট কাজ করে ১ + ২ = ৩ একক কাজ সুতরাং, জামাল একা ১২০ দিনে কাজটি শেষ করে তিনজন একসঙ্গে কাজটি শেষ করবে ১২০ ÷ ৩ = ৪০ দিনে উত্তর: ৪০ দিন
43. বিশেষ ক্রমানুযায়ী সাজানো 1, 3, 6, 11, 18, 29, 42, ........ ধারাটির পরবর্তী সংখ্যাটি কত হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫৯ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ১, ৩, ৬, ১১, ১৮, ২৯, ৪২, ........ ধরি, পদগুলোর মধ্যকার পার্থক্যগুলো হলো প্রথম পদ থেকে পরবর্তী পদের ব্যবধান। অতএব, ৩ − ১ = ২ ৬ − ৩ = ৩ ১১ − ৬ = ৫ ১৮ − ১১ = ৭ ২৯ − ১৮ = ১১ ৪২ − ২৯ = ১৩ সুতরাং, পার্থক্যগুলো মৌলিক সংখ্যার ক্রম অনুসারে বাড়ছে। পরবর্তী মৌলিক সংখ্যাটি ১৭, যা শেষ পদের সাথে যোগ হবে। উত্তর: ৪২ + ১৭ = ৫৯
44. নিচের কোন পণ্যটিকে 2025 সালের বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আসবাবপত্র কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০২৫ সালের জন্য আসবাবপত্র বা ফার্নিচার খাতকে বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষণা করেছে। - আন্তর্জাতিক বাজারে এই খাতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা ও রপ্তানি সম্ভাবনা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাট — পাট ও পাটজাত পণ্য অতীতে বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষিত হলেও ২০২৫ সালের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়। B) জামদানি শাড়ি — জামদানি আমাদের ঐতিহ্যবাহী জিআই পণ্য হলেও ২০২৫ সালের বর্ষপণ্য এটি নয়। D) আম — আম একটি গুরুত্বপূর্ণ মৌসুমী ফল এবং জিআই পণ্য হলেও এটি ২০২৫ সালের বর্ষপণ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ২০২৫ সালের বর্ষপণ্য মনে রাখতে ঘরের আসবাবপত্র বা ফার্নিচারের কথা মাথায় রাখুন।
50. শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচক -2025 অনুযায়ী বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯৯তম কেন সঠিক: - হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স ২০২৫ অনুযায়ী বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৯তম। - এই সূচকে বাংলাদেশের পাসপোর্টের ধারকরা নির্দিষ্ট কিছু দেশে অন-অ্যারাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করতে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯৮তম — এটি এই সূচকে বাংলাদেশের সঠিক অবস্থান নয়, অন্য কোনো দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। B) ৯৯তম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সাম্প্রতিক সূচক অনুযায়ী সঠিক অবস্থান। C) ১০০তম — এটি বর্তমান সংস্করণে বাংলাদেশের সঠিক র‍্যাঙ্কিং নির্দেশ করে না। D) ১০১তম — এটি ভুল র‍্যাঙ্কিং এবং সাম্প্রতিক প্রকাশিত রিপোর্টের সঙ্গে মিল নেই। মনে রাখার টিপস: পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান মনে রাখতে মনে রাখুন ১০০ থেকে ১ কম অর্থাৎ ৯৯তম।
51. কোন জেলাটিকে সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) টেকনাফ কেন সঠিক: - সাবরাং ট্যুরিজম পার্কটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের উপজেলা টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নে বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত। - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) পর্যটন খাতের বিকাশ ও কর্মসংস্থানের জন্য এটি স্থাপন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টেকনাফ — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাবরাং ট্যুরিজম পার্কটি টেকনাফেই অবস্থিত। B) আনোয়ারা — এটি চট্টগ্রামের একটি উপজেলা হলেও এখানে সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক অবস্থিত নয়। C) মীরসরাই — এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগরের জন্য পরিচিত, পর্যটন পার্কের জন্য নয়। D) মহেশখালী — এটি কক্সবাজারের একটি দ্বীপ উপজেলা হলেও এখানে সাবরাং পার্কটি নেই। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে দক্ষিণে টেকনাফ, আর সমুদ্রের পাশে গড়ে উঠেছে সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক।
52. মাথাপিছু আয়ের দিক দিয়ে বর্তমানে নিচের কোন দেশটি বিশ্বের শীর্ষে রয়েছে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লুক্সেমবার্গ কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল এবং বিশ্বব্যাংকের হালনাগাদ অর্থনৈতিক সূচক অনুযায়ী লুক্সেমবার্গ বিশ্বের সর্বোচ্চ মাথাপিছু আয়ের দেশ। - দেশটির জনসংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হলেও শক্তিশালী অর্থনীতি এবং উচ্চ জিডিপির কারণে মাথাপিছু আয় বিশ্বে সর্বাধিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জার্মানি — এটি ইউরোপের অন্যতম বড় অর্থনীতি হলেও মোট জিডিপি বেশি থাকার কারণে মাথাপিছু আয়ে লুক্সেমবার্গের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। B) ফ্রান্স — উন্নত অর্থনৈতিক দেশ হওয়া সত্ত্বেও মাথাপিছু আয়ের দিক থেকে এটি লুক্সেমবার্গের মতো শীর্ষস্থানীয় অবস্থানে নেই। C) লুক্সেমবার্গ — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনেই রয়েছে এবং এটিই বিশ্বের সর্বোচ্চ মাথাপিছু আয়ের দেশ। D) যুক্তরাষ্ট্র — বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতিগুলোর একটি হলেও বিশাল জনসংখ্যার কারণে মাথাপিছু আয়ের বৈশ্বিক শীর্ষ তালিকায় এটি লুক্সেমবার্গের নিচে অবস্থান করে। মনে রাখার টিপস: ছোট দেশ লুক্সেমবার্গ মানেই আয়ে বড় বা সবার শীর্ষে।
53. নিচের কোন দেশটি মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে স্বর্ণমুদ্রা চালু করেছে?
Created 3 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জিম্বাবুয়ে কেন সঠিক: - চরম মুদ্রাস্ফীতি ও স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন রোধ করতে জিম্বাবুয়ে সরকার ২০২২ সালে স্বর্ণমুদ্রা বা গোল্ড কয়েন বাজারে ছাড়ে। - বাজারে থাকা অতিরিক্ত স্থানীয় মুদ্রা তুলে নেওয়া এবং সাধারণ মানুষের কাছে আস্থার প্রতীক হিসেবে সোনাকে ফিরিয়ে আনাই ছিল এর মূল উদ্দেশ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুরস্ক — তুরস্ক বর্তমান সময়ে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির মুখোমুখি হলেও তারা সংকট মোকাবেলায় স্বর্ণমুদ্রা চালুর পরিবর্তে প্রচলিত সুদের হার এবং মুদ্রানীতিতে পরিবর্তন এনেছে। B) আর্জেন্টিনা — আর্জেন্টিনা তাদের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সংকট ও উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে স্বর্ণমুদ্রা নয়, বরং মার্কিন ডলারভিত্তিক অর্থনীতি চালুর কথা বিবেচনা করছে। D) বলিভিয়া — বলিভিয়া তাদের মুদ্রা বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সুরক্ষায় ভিন্ন অর্থনৈতিক কৌশল ব্যবহার করছে। মনে রাখার টিপস: অতিরিক্ত মুদ্রাস্ফীতি দূর করতে জিম্বাবুয়ে সোনা তথা স্বর্ণমুদ্রার শরণাপন্ন হয়েছিল।
54. এই বছর 51তম জি-7 শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক দেশ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) কানাডা কেন সঠিক: - জি-৭ হলো বিশ্বের উন্নত সাতটি অর্থনীতির দেশের জোট। - আবর্তিত নিয়ম অনুযায়ী এই বছর বা একান্নতম শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক দেশ কানাডা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানাডা — এই বছর এই শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক দেশ হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। B) ফ্রান্স — এটি বিগত বা অন্য কোনো বছরের জি-৭ সম্মেলনের আয়োজক দেশ ছিল। C) যুক্তরাজ্য — এটিও এই বছরের নির্ধারিত আয়োজক দেশ নয়। D) যুক্তরাষ্ট্র — এটিও এই বছরের নির্ধারিত আয়োজক দেশ নয়। মনে রাখার টিপস: জি-৭ সম্মেলন মানেই উন্নত দেশের জোট, আর একান্নতম আসরের স্বাগতিক দেশ কানাডা।
55. কোন সম্রাট তার শাসনামালা ব্রাহ্মী লিপিতে উৎকীর্ণ করেন?
Created 3 weeks ago | Updated 11 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অশোক কেন সঠিক: - মৌর্য সম্রাট অশোক তার সাম্রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে শিলালিপি ও স্তম্ভলিপি খোদাই করেছিলেন, যা মূলত ব্রাহ্মী লিপিতে লেখা। - জনকল্যাণ, বৌদ্ধধর্মের প্রচার এবং নৈতিক অনুশাসন প্রচারের উদ্দেশ্যে তিনি এই লিপিগুলো ব্যবহার করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অশোক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) চন্দ্রগুপ্ত — তিনি মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা হলেও তার শাসনামলে ব্রাহ্মী লিপির ব্যাপক ব্যবহারের ঐতিহাসিক প্রমাণ নেই। C) কণিষ্ক — তিনি কুষাণ বংশের রাজা ছিলেন এবং তার শাসনামলে খরোষ্ঠী ও গ্রিক লিপির ব্যবহার বেশি ছিল। D) মহীপাল — তিনি পাল বংশের রাজা ছিলেন এবং তার আমলের লিপিগুলো প্রাচীন বাংলা বা গৌড়ি লিপির অন্তর্ভুক্ত। মনে রাখার টিপস: মৌর্য সম্রাট অশোকের শিলালিপি মানেই ব্রাহ্মী লিপি।
56. বাংলাদেশে উৎপাদিত নিম্নলিখিত কোন রাসায়নিকটি কৃষি খাতে সবচেয়ে ব্যবহৃত হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অ্যামোনিয়াম সালফেট ১. কেন সঠিক: - অ্যামোনিয়াম সালফেট একটি অত্যন্ত কার্যকরী নাইট্রোজেন ও সালফার সমৃদ্ধ রাসায়নিক সার যা বাংলাদেশের কৃষি জমিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। - এটি উদ্ভিদের প্রোটিন সংশ্লেষণ ও ক্লোরোফিল বৃদ্ধিতে সরাসরি সহায়তা করে এবং উদ্ভিদের সামগ্রিক ফলন বৃদ্ধি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - রাসায়নিক সংকেত: অ্যামোনিয়াম সালফেটের রাসায়নিক সংকেত (NH4)2SO4। এটি পানিতে সহজেই দ্রবণীয় এবং মাটির সাথে দ্রুত বিক্রিয়া করে উদ্ভিদের পুষ্টি জোগান দেয়। - কার্যপ্রণালি: মাটিতে প্রয়োগ করার পর এটি ভেঙে অ্যামোনিয়াম ও সালফেট আয়নে পরিণত হয়, যা উদ্ভিদ শিকড়ের মাধ্যমে সহজেই শোষণ করতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধান চাষে ইউরিয়ার পাশাপাশি অ্যামোনিয়াম সলফেটের ব্যবহার। ব্যাখ্যা: এটি ধানের পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি সালফারের ঘাটতি পূরণ করে ফলন বাড়ায়। উদাহরণ ২: আলু ও চা চাষে এই সারের বিশেষ প্রয়োগ। ব্যাখ্যা: এই সার মাটির অম্লত্ব বজায় রাখতে সাহায্য করে যা আলু ও চা গাছের বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপযোগী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইট্রিক অ্যাসিড — এটি একটি তীব্র ক্ষয়কারী খনিজ এসিড এবং সার সরাসরি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় না, বরং সার তৈরিতে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) অ্যামোনিয়াম সালফেট — এটি সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশে কৃষি খাতে সর্বাধিক ব্যবহৃত রাসায়নিক সারগুলোর অন্যতম। C) পটাশিয়াম ক্লোرات বা পটাশিয়াম ক্লোরাইড — এটি পটাশিয়াম সার হিসেবে ব্যবহৃত হলেও অ্যামোনিয়াম সালফেটের মতো সার্বিক পরিমাণে ব্যবহৃত হয় না। D) ইথানল — এটি একটি অ্যালকোহলজাতীয় জৈব যৌগ যা জ্বালানি, ওষুধ ও শিল্প কারখানায় ব্যবহৃত হয়, কৃষিতে সার হিসেবে নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কৃষির প্রধান চালিকাশক্তি হলো সার আর অ্যামোনিয়াম সালফেট হলো তার মধ্যে অন্যতম প্রধান নাম। - সংকেত মনে রাখার সহজ উপায় হলো দুটি অ্যামোনিয়াম মূলকের সাথে একটি সালফেট মূলক যুক্ত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং কৃষিভিত্তিক ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের প্রশ্নে সারের রাসায়নিক সংকেত এবং পুষ্টি উপাদানের শতকরা হার সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
59. ইস্পাতে লোহা ও কার্বনের অনুপাত 49 : 1 হলে 200 কেজি ইস্পাতে কার্বনের পরিমাণ কত?
Created 3 weeks ago | Updated 33 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ কেজি ১. কেন সঠিক: - ইস্পাত হলো লোহা এবং কার্বনের একটি সংকর ধাতু যেখানে লোহার পরিমাণ বেশি এবং কার্বনের পরিমাণ খুব কম থাকে। - অনুপাতের মোট অংশ বের করে মোট পরিমাণকে কার্বনের আনুপাতিক ভাগ দিয়ে গুণ করলে কার্বনের সঠিক ভর পাওয়া যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সংকর ধাতু হলো দুই বা ততোধিক ধাতু অথবা ধাতু ও অধাতুর সমসত্ত্ব মিশ্রণ। - কার্যপ্রণালি: লোহা ও কার্বনের অনুপাত ৪৯ : ১ হলে, অনুপাতের মোট অংশ = ৪৯ + ১ = ৫০ ভাগ। - হিসাব: ২০০ কেজির মধ্যে কার্বনের পরিমাণ = ২০০ × (১ ÷ ৫০) = ৪ কেজি। - বাস্তব প্রয়োগ: ইস্পাতের এই সুনির্দিষ্ট অনুপাতে কার্বনের উপস্থিতি একে সাধারণ লোহার চেয়ে অনেক বেশি শক্ত ও টেকসই করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেতু নির্মাণে বা দালানকোঠার কাঠামো তৈরিতে ইস্পাত ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: কার্বনের এই নির্দিষ্ট মিশ্রণ ইস্পাতকে উচ্চ মাত্রার চাপ ও টান সহ্য করার ক্ষমতা দেয়। উদাহরণ ২: অস্ত্র বা কাটার সরঞ্জাম তৈরিতে ব্যবহৃত ইস্পাত। ব্যাখ্যা: কার্বনের সঠিক অনুপাতের কারণে ইস্পাতের ধারালো ভাব দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং সহজে মরচে ধরে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪০ কেজি — এটি ভুল হিসাব কারণ অনুপাতের মোট অংশ দিয়ে ভুলভাবে ভাগ করা হয়েছে। B) ৪ কেজি — এটি সঠিক হিসাব অনুযায়ী প্রাপ্ত কার্বনের সঠিক পরিমাণ। C) ২০ কেজি — এটি অনুপাতের হিসাবের দশ গুণ বেশি এবং অবাস্তব মান। D) ২ কেজি — এটি অনুপাতের হিসাবের অর্ধেক এবং ভুল পরিমাপ নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - অনুপাতের অঙ্ক করার সময় প্রথমে অনুপাতের সংখ্যাগুলো যোগ করে মোট অংশ বের করতে হবে। - মোট পরিমাণকে নির্দিষ্ট উপাদানের অনুপাত দিয়ে গুণ করে মোট অংশ দিয়ে ভাগ করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সংকর ধাতু সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - লোহা ও কার্বনের সংকর ধাতু কোনটি, এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার দেখা যায়।
60. বহুল আলোচিত 'ডিপসিক' কোন দেশের সফটওয়্যার কোম্পানি?
Created 3 weeks ago | Updated 27 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চীন ১. কেন সঠিক: ডিপসিক হলো একটি চীনা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং সফটওয়্যার কোম্পানি। এটি বিশ্বব্যাপী ওপেন সোর্স এবং সাশ্রয়ী জেনারেটিভ এআই মডেল তৈরি করে প্রযুক্তি বাজারে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ডিপসিক হলো এমন একটি লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল বা জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তি যা মানুষের ভাষার মতো টেক্সট বুঝতে এবং তৈরি করতে পারে। কার্যপদ্ধতি: এটি বিশাল পরিমাণ ডেটা বিশ্লেষণ করে এবং বিশেষ অ্যালগরিদমের মাধ্যমে জটিল গাণিতিক ও প্রোগ্রামিং সমস্যার দ্রুত সমাধান দেয়। বৈশিষ্ট্য: কম খরচে উচ্চ কার্যক্ষমতা অর্জন এবং ওপেন সোর্স মডেলে সহজে ব্যবহার করার সুবিধা প্রদান করা এর প্রধান বৈশিষ্ট্য। ব্যবহার: কোডিং সহায়তা, তথ্য বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং চ্যাটবট তৈরিতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চ্যাটজিপিটি বা জেমিনির মতো ডিপসিক একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক সেবা। ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারীরা প্রম্পট লিখে এই সিস্টেম থেকে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর, প্রবন্ধ বা কোডিংয়ের সমাধান পেতে পারে। উদাহরণ ২: ডিপসিকের ভি থ্রি মডেল কোডিং ও গণিত সমাধানে বিশেষ পারদর্শী। ব্যাখ্যা: এটি কম কম্পিউটিং পাওয়ারে উন্নত মানের ফলাফল দিতে সক্ষম যা প্রযুক্তি বিশ্বে নতুন প্রতিযোগিতার সৃষ্টি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র ওপেনএআই বা গুগলের মতো এআই প্রযুক্তির জন্মস্থান হলেও ডিপসিক এই দেশের কোম্পানি নয়। B) দক্ষিণ কোরিয়া — দক্ষিণ কোরিয়া স্যামসাং ও এলজির মতো হার্ডওয়্যার উৎপাদনে এগিয়ে থাকলেও ডিপসিকের জন্মস্থান এখানে নয়। C) জাপান — জাপান রোবটিক্স ও প্রযুক্তিতে উন্নত হলেও ডিপসিক জাপানি কোনো সফটওয়্যার কোম্পানি নয়। D) চীন — এই অপশনটি সঠিক কারণ ডিপসিক চীনের একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা প্রতিষ্ঠান। ৫ মনে রাখার টিপস: ডিপসিক নামটি শুনলেই মনে রাখবে এটি চীনের তৈরি একটি সাশ্রয়ী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল। যুক্তরাষ্ট্রের ওপেনএআই কোম্পানির প্রতিযোগী হিসেবে বর্তমানে চিনের ডিপসিক বিশ্বজুড়ে আলোচনায় রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। জেনারেটিভ এআই এবং বিভিন্ন দেশের প্রযুক্তি কোম্পানির নাম থেকে প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
61. গ্রিনল্যান্ড কোন দুইটি দেশের মাঝখানে অবস্থিত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক কেন সঠিক: - গ্রিনল্যান্ডের ভৌগোলিক অবস্থান উত্তর আমেরিকার উত্তর-পূর্ব অংশে আটলান্টিক ও আর্কটিক মহাসাগরের মাঝখানে অবস্থিত। - ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে এটি উত্তর আমেরিকার কাছাকাছি হলেও ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ। ভৌগোলিক তথ্য: - গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ যার আয়তন প্রায় ২১ লক্ষ বর্গকিলোমিটার। - এটি বিশ্বের সবচেয়ে কম জনবহুল অঞ্চলগুলোর একটি এবং এর প্রায় আংশিক বা সম্পূর্ণ অংশ বরফে ঢাকা থাকে। - এর অর্থনীতি মূলত মাছ ধরা এবং সামুদ্রিক সম্পদের উপর নির্ভরশীল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানাডা ও রাশিয়া — রাশিয়া এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত এবং এটি গ্রিনল্যান্ডের কাছাকাছি অবস্থিত কোনো দেশ নয়। B) যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া — রাশিয়া গ্রিনল্যান্ডের ভৌগোলিক সীমানা বা অঞ্চলের সাথে কোনোভাবেই যুক্ত নয়। C) ডেনমার্ক ও রাশিয়া — রাশিয়া এখানে সঠিক নয় কারণ রাশিয়ার সাথে গ্রিনল্যান্ডের কোনো ভৌগোলিক বা রাজনৈতিক নৈকট্য নেই। D) ডেনমার্ক ও রাশিয়া — অপশনটি ভুল কারণ রাশিয়া এই বিশাল দ্বীপটির অবস্থানের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: - গ্রিনল্যান্ড হলো এমন এক বিশাল বরফের দ্বীপ যা উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের মাঝে অবস্থিত এবং এর মালিকানা ডেনমার্কের হাতে।
62. টাঙ্গুয়ার হাওড় কোন জেলায় অবস্থিত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সুনামগঞ্জ কেন সঠিক: ১. টাঙ্গুয়ার হাওড় বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও মধ্যনগর উপজেলায় অবস্থিত। ২. এটি সুরমা অববাহিকায় অবস্থিত একটি বিশাল জলাভূমি যা ভারতের মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে বিস্তৃত। ভৌগোলিক তথ্য: ১. এর আয়তন প্রায় একশ বর্গকিলোমিটার এবং এটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রামসার সাইট। ২. এটি শীতকালে লক্ষাধিক পরিযায়ী পাখির আবাসস্থল এবং এখানে বহু প্রজাতির মাছ ও জলজ উদ্ভিদ পাওয়া যায়। ৩. রামসার কনভেনশন অনুযায়ী এটি একটি আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুনামগঞ্জ — এই অপশনটি সঠিক কারণ টাঙ্গুয়ার হাওড় প্রশাসনিকভাবে সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত এবং এর জীববৈচিত্র্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। B) কিশোরগঞ্জ — এই জেলায় হাওড় অঞ্চল থাকলেও টাঙ্গুয়ার হাওড় এখানে অবস্থিত নয়, বরং এখানে হিজলকলি ও মিঠামইন হাওড় রয়েছে। C) চট্টগ্রাম — এই জেলাটি মূলত পাহাড়ী ও উপকূলীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং এখানে কোনো বড় হাওড় বা জলাভূমি নেই। D) শেরপুর — এটি একটি উত্তর সীমান্তবর্তী জেলা যেখানে পাহাড়ি নদী ও সমতল ভূমি রয়েছে, কোনো হাওড় নেই। মনে রাখার টিপস: সুনামগঞ্জের সু দিয়ে মনে রাখতে পারেন সুন্দর টাঙ্গুয়ার হাওড়, যা সুরমা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত।
63. বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম তেল মজুদকৃত অঞ্চল- 'অরিনোকো বেল্ট' (Orinoco Belt) কোন দেশে অবস্থিত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভেনেজুয়েলা কেন সঠিক: - বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ভারী ও অতিভারী অপরিশোধিত তেলের প্রাকৃতিক মজুদ এই অঞ্চলে অবস্থিত। - ভৌগোলিক দিক থেকে এটি ভেনেজুয়েলার অরিনোকো নদী অববাহিকার উত্তর ও পূর্ব অংশে বিস্তৃত। ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান/আয়তন: এই তেলের বেল্টটি ভেনেজুয়েলার মধ্যাঞ্চলে প্রায় পঞ্চাশ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। - বিশেষত্ব: এখানে প্রচুর পরিমাণে বিটুমিনাস বা পিচ সদৃশ ভারী তেল রয়েছে যা উত্তোলনের জন্য বিশেষ প্রযুক্তির প্রয়োজন হয়। - তথ্য/উদাহরণ: এই অঞ্চলটি বিশ্বের বৃহত্তম হাইড্রোকার্বন সঞ্চয়গুলোর মধ্যে অন্যতম হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানাডা — কানাডার আলবার্টা প্রদেশে তেলের বালুকা মজুদ থাকলেও এটি অরিনোকো বেল্ট নয়। B) ব্রাজিল — ব্রাজিলের অর্থনীতি তেল সমৃদ্ধ হলেও এখানে বিখ্যাত প্রাক-লবণ বা অফশোর তেল ক্ষেত্র রয়েছে। D) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী দেশ হলেও এর নিজস্ব তেল ক্ষেত্রগুলো ভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: - অরিনোকো নদী এবং ভেনেজুয়েলার তেলের ভাণ্ডার একই সূত্রে গাঁথা, তাই অরিনোকো নাম দেখলেই ভেনেজুয়েলা মনে রাখবে।
64. বিশ্বের গভীরতম হ্রদের নাম কি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বৈকাল কেন সঠিক: রাশিয়া অবস্থিত এই হ্রদটির গভীরতা পৃথিবীর অন্য যেকোনো হ্রদের চেয়ে সর্বাধিক। এর তলদেশ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় এক হাজার ছয়শো মিটার নিচে অবস্থিত যা একে বিশ্বের গভীরতম হ্রদ বানিয়েছে। ভৌগোলিক তথ্য: এটি রাশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি আয়তনের দিক থেকেও পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম মিষ্টি জলের হ্রদ। বৈকাল হ্রদে পৃথিবীর মোট তরল মিষ্টি জলের প্রায় বিশ শতাংশ সংরক্ষিত রয়েছে যা এর প্রধান বিশেষত্ব। এই হ্রদে এমন অনেক প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণী দেখা যায় যা পৃথিবীর অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: B) লেক সুপিরিয়র — এটি উত্তর আমেরিকার বৃহত্তম মিষ্টি জলের হ্রদ হলেও বৈকালের মতো গভীরতম নয়। C) কাস্পিয়ান — এটি বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদ বা লবণাক্ত জলের সাগর, কিন্তু এটি গভীরতার দিক থেকে বৈকালের পরেই অবস্থান করে। D) চিলকা — এটি ভারতের একটি উপকূলীয় উপহ্রদ বা লগুন, যা আয়তনে অনেক ছোট এবং অগভীর। মনে রাখার টিপস: গভীরতম হ্রদ মনে রাখতে বৈকাল শব্দের সাথে বাইক শব্দ মেলাতে পারো, যার গভীরে যাওয়া অনেক কঠিন। রাশিয়ার সাইবেরিয়ার বরফাবৃত অঞ্চলে এই হ্রদটি অবস্থিত বলে এটি ঠান্ডা ও গভীরতার জন্য বিখ্যাত।
65. পৃথিবীর বৃহত্তম অরণ্যের নাম কি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তৈগা কেন সঠিক: ১. রাশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলে অবস্থিত এই বিশাল পাইন ও ফার গাছের বনভূমি পৃথিবীর মোট অরণ্যভূমির বিশাল অংশ জুড়ে অবস্থান করে। ২. নিরক্ষীয় অঞ্চলের আমাজান অববাহিকা বা ক্রান্তীয় বৃষ্টিঅঞ্চল থেকেও উত্তর গোলার্ধের এই বায়োম আয়তনের দিক থেকে অনেক বেশি বড়। ভৌগোলিক তথ্য: ১. এটি মূলত উত্তর গোলার্ধের রাশিয়া, কানাডা, ও আলস্কা জুড়ে বিস্তৃত এবং পৃথিবীর স্থলভাগের প্রায় নয় শতাংশ দখল করে আছে। ২. এখানকার জলবায়ু অত্যন্ত ঠান্ডা এবং বরফাবৃত, যেখানে পাইন, স্প্রুস ও লার্চ জাতীয় কর্নফার গাছ প্রচুর পরিমাণে জন্মায়। ৩. শীতকাল অত্যন্ত দীর্ঘ ও বরফাবৃত এবং গ্রীষ্মকাল খুবই সংক্ষিপ্ত হওয়ার কারণে এখানে পর্ণমোচী গাছের চেয়ে চিরহরিৎ গাছ বেশি দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোবি — এটি মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত একটি বিশাল শীতল মরুভূমি, যা কোনো অরণ্য বা জঙ্গল নয়। B) আতাকামা — এটি দক্ষিণ আমেরিকার চিলিতে অবস্থিত পৃথিবীর অন্যতম শুষ্ক একটি মরুভূমি। C) দামোল — এটি কোনো প্রধান ভূগোলভিত্তিক বিশ্বমানের অরণ্য বা পরিচিত ভৌগোলিক অঞ্চল নয়। D) তৈগা — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং বিশ্বের বৃহত্তম বায়োম বা অরণ্য হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের বৃহত্তম বনভূমির নাম মনে রাখতে উত্তর গোলার্ধের ঠান্ডার কথা ভাবলে তৈগা শব্দটি সবার আগে মনে আসবে।

মোট প্রশ্ন (19)

1. মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি কে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কানাহরি দত্ত ১. কেন সঠিক: মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি বা প্রণেতা হিসেবে কানাহরি দত্তকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বিভিন্ন সাহিত্য ইতিহাসে তাঁর নাম মঙ্গলকাব্যের ধারায় প্রথম পাওয়া যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রধান শাখা হলো মঙ্গলকাব্য। মনসা দেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত কাব্যই হলো মনসামঙ্গল কাব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিজয় গুপ্ত রচিত পদ্মাপুরাণ। ব্যাখ্যা: এটি মনসামঙ্গল কাব্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রামাণ্য গ্রন্থ। উদাহরণ ২: কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ রচিত মনসামঙ্গল। ব্যাখ্যা: এটি মনসামঙ্গল কাব্যের আরেকটি বিখ্যাত ও বহুল পঠিত রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানাহরি দত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি হিসেবে স্বীকৃত। B) মানিক দত্ত — তিনি মনসামঙ্গল কাব্যের একজন কবি হলেও আদি কবি নন। C) বিজয় দত্ত — এই নামে মনসামঙ্গল কাব্যের কোনো প্রধান কবির ঐতিহাসিক প্রমাণ নেই। D) ময়ূর দত্ত — তিনি মনসামঙ্গল কাব্যের পরিচিত কবি নন। ৫ মনে রাখার টিপস: মনসার আদি কানহা নামের সূত্র ধরে মনে রাখতে পারো মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি কানাহরি দত্ত। কানহা শব্দের সঙ্গে কানাহরি মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যগুলোর আদি কবি ও শ্রেষ্ঠ কবিদের নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। যেমন অন্নদামঙ্গল কাব্যের আদি কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
2. চর্যাপদের কবিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পদ কে রচনা করেন?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাহ্নপা ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদের কবিদের মধ্যে কাহ্নপা বা কৃষ্ণপাদ সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছিলেন। ড. সুকুমার সেনের মতে তিনি তেরোটি এবং অন্য মতে তাঁর মোট পদের সংখ্যা তেরোটি। - চর্যাপদ আবিষ্কারের পর থেকে এর পদসংখ্যা ও রচয়িতা নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা হয়েছে, যেখানে কাহ্নপার পদের সংখ্যাই সর্বোচ্চ বলে প্রমাণিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাহ্নপা চর্যাপদের অন্যতম প্রধান ও প্রভাবশালী কবি যিনি বজ্রযান ও সহজিয়া বৌদ্ধধর্মের সাধক ছিলেন। তাঁর রচিত পদগুলো মূলত তাত্ত্বিক ও সাধনভজনমূলক তথ্যে ভরপুর। - চর্যাপদের মোট আবিষ্কৃত পদ সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর কবি সংখ্যা চব্বিশ জন বলে সাধারণভাবে স্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাহ্নপার রচিত পদ সংখ্যা তেরোটি। ব্যাখ্যা: চর্যাপদে এককভাবে সর্বোচ্চ ততেরোটি পদ রচনা করে কাহ্নপা শীর্ষস্থান অধিকার করেছেন। উদাহরণ ২: ভুসুকুপা আটটি পদ রচনা করেছেন। ব্যাখ্যা: কাহ্নপার পরেই সর্বাধিক আটটি পদ রচনা করে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন ভুসুকুপা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লুইপা — লুইপা চর্যাপদের প্রথম কবি এবং তিনি মাত্র দুটি পদ রচনা করেছেন। B) কাহ্নপা — সঠিক উত্তর। C) সরহ পা — সরহ পা চর্যাপদের অন্যতম প্রাচীন কবি এবং তিনি চারটি পদ রচনা করেছেন। D) শবর পা — শবর পা চর্যাপদের একজন গুরুত্বপূর্ণ কবি এবং তিনি দুটি পদ রচনা করে গেছেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদ কার, তা মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো কাহ্নপা হলেন লেখার রাজা। - এভাবে কবিদের পদের সংখ্যা ক্রমানুসারে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের প্রথম পদটি রচনা করেছেন লুইপা এবং তাঁর পদের সংখ্যা দুটি। - এই ধরনের প্রশ্নে কবিদের পদের সংখ্যা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
3. 'সৌমা' এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উগ্র কেন সঠিক: - সৌমা শব্দের অর্থ শান্ত, শিষ্ট বা মৃদু স্বভাবের। - উগ্র শব্দের অর্থ তীব্র, ক্রুদ্ধ বা রুক্ষ স্বভাবের, যা সৌমা শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ গঠনে অর্থের বিপরীত ভাবটি বিবেচনা করা হয়। - সৌমা বিশেষণ পদের ক্ষেত্রে শান্ত ভাব বোঝালে উগ্র বিশেষণ পদ দ্বারা তার উল্টো ভাব প্রকাশ পায়। - যেমন সৌমা প্রকৃতির মানুষের বিপরীত স্বভাব উগ্র প্রকৃতির মানুষ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) উদ্ধত — এই শব্দটির অর্থ অহংকারী বা ধৃষ্ট, যা সৌমার সরাসরি বিপরীত নয়। - B) হৃদয়বান — এই শব্দটির অর্থ সংবেদনশীল বা দয়ালু, এটি সৌমার সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। - C) উগ্র — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - D) কঠিন — এই শব্দটির অর্থ শক্ত বা কঠোর, যা সৌমার বিপরীত হিসেবে যথাযথ নয়। মনে রাখার টিপস: - শান্ত বা মৃদু স্বভাব বোঝালে তার বিপরীত সবসময় উগ্র বা রুক্ষ স্বভাব হবে।
6. কোন শব্দটি নিত্য পুরুষবাচক?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কবিরাজ ১. কেন সঠিক: - নিত্য পুরুষবাচক শব্দ এমন শব্দকে বোঝায় যা সবসময় পুরুষ বা নরবাচক অর্থ প্রকাশ করে এবং এর কোনো স্ত্রীবাচক রূপ হয় না। - কবিরাজ শব্দটি দিয়ে এমন চিকিৎসককে বোঝায় যিনি আয়ুর্বেদ চিকিৎসা করেন এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে সর্বদা পুরুষবাচক শব্দ হিসেবে গণ্য হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কিছু শব্দ এমন থাকে যা সর্বদা পুরুষবাচক বা সর্বদা স্ত্রীবাচক হয়। - নিত্য পুরুষবাচক শব্দের ক্ষেত্রে কোনো স্ত্রীবাচক প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীবাচক শব্দ তৈরি করা যায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারোগা ব্যাখ্যা: দারোগা শব্দটি একটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দ, যার কোনো স্ত্রীবাচক রূপ নেই। উদাহরণ ২: কৃতদার ব্যাখ্যা: কৃতদার শব্দটি কেবল পুরুষের ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয় এবং এটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দের একটি আদর্শ উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবিরাজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দ। B) সম্রাট — এই অপশনটি ভুল কারণ সম্রাট শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হলো সম্রাজ্ঞী। C) জ্ঞানী — এই অপশনটি ভুল কারণ জ্ঞানী শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হলো জ্ঞানবতী বা জ্ঞানদীপ্তা। D) মানুষ — এই অপশনটি ভুল কারণ মানুষ একটি উভলিঙ্গ শব্দ যা নারী ও পুরুষ উভয়কেই বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যেসকল শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ ব্যাকরণগতভাবে প্রচলিত নেই বা তৈরি করা যায় না, সেগুলোকে নিত্য পুরুষবাচক হিসেবে মনে রাখবে। - কবিরাজ, দারোগা, ঢাকি, কৃতদার এই শব্দগুলো নিত্য পুরুষবাচক শব্দের সাধারণ উদাহরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য পুরুষবাচক ও নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দের ক্ষেত্রে সতীন, এয়ো, সধবা, গর্ভধারিণী ইত্যাদি শব্দগুলো ভালোভাবে মনে রাখবে।
7. 'অনিল' শব্দের অর্থ কি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাতাস ১. কেন সঠিক: - 'অনিল' একটি সমার্থক শব্দমূলক প্রশ্ন যেখানে এর সঠিক অর্থ হলো বাতাস। - বাংলা ভাষায় বাতাসের বহু প্রচলিত একটি তৎসম সমার্থক শব্দ হলো অনিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দটির উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক এই প্রশ্নটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করে। - বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে বিভিন্ন উৎস থেকে আসা তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের সঠিক অর্থ জানা অত্যন্ত জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমীরণ ব্যাখ্যা: সমীরণ শব্দের অর্থও বাতাস বা বায়ু, যা অনিল শব্দের সমার্থক হিসেবে বিভিন্ন পরীক্ষায় আসে। উদাহরণ ২: অনল ব্যাখ্যা: অনল শব্দের অর্থ আগুন। সামান্য বানানের পার্থক্যের কারণে অনিল (বাতাস) এবং অনল (আগুন) প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যা নীল নয় — এটি সাধারণ বাক্যাংশের অর্থ প্রকাশ করে, কোনো নির্দিষ্ট শব্দের অর্থ নয়। B) একজন মানুষের নাম — অনিল একটি প্রমিত নাম হতে পারে, কিন্তু এটি এই শব্দের মূল ও ব্যাকরণগত আভিধানিক অর্থ নয়। C) কোকিল — কোকিল বোঝাতে পিক বা পিকা শব্দ ব্যবহৃত হয়, অনিল নয়। D) বাতাস — এটি সঠিক অর্থ হওয়ায় এই অপশনটি গৃহিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - অনিল মানে বাতাস এবং অনল মানে আগুন। বানানের শেষে ল থাকলে বাতাস আর ল এর সাথে যদি অকার থাকে তবুও পার্থক্য মনে রাখতে হবে যে অনিল হলো বাতাস আর অনল হলো আগুন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই কাছাকাছি বানানযুক্ত শব্দের অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - অনিল ও অনল এর মতো সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করা পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি।
10. কোন বাগধারাটি ভিন্নার্থক?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উত্তম-মধ্যম ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি অন্য অপশনগুলোর মতো শত্রুতা বা বিদ্বেষ বোঝায় না, বরং এর অর্থ প্রহার বা মারধর করা। - প্রশ্নটিতে এমন একটি বাগধারা খুঁজে বের করতে বলা হয়েছে যার অর্থ অন্য তিনটি থেকে আলাদা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। - এখানে অহি-নকুল, আদায়-কাঁচকলায় এবং সাপে-নেউলে এই তিনটি বাগধারার মূল ভাব বা অর্থ হলো তীব্র শত্রুতা বা চিরশত্রুতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরটিকে হাতেনাতে ধরে লোকজন এমন উত্তম-মধ্যম দিল যে সে আধমরা হয়ে গেল। ব্যাখ্যা: এখানে উত্তম-মধ্যম বাগধারাটি মারধর করা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ভাইয়ে ভাইয়ে সম্পত্তির ভাগ নিয়ে আজ উত্তম-মধ্যম শুরু হয়েছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যেও উত্তম-মধ্যম বলতে প্রহার করা বা মারপিট করা বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অহি-নকুল — এই বাগধারাটির অর্থ তীব্র শত্রুতা বা চিরশত্রুতা, যা মূল প্রশ্নের ভিন্নার্থক বৈশিষ্ট্যের সাথে মিলে না। B) উত্তম-মধ্যম — এই বাগধারাটির অর্থ প্রহার বা মারধর করা, যা অন্য তিনটি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা এবং এটিই সঠিক উত্তর। C) আদায়-কাঁচকলায় — এই বাগধারাটির অর্থও তীব্র শত্রুতা বা অমিল, তাই এটি ভিন্নার্থক নয়। D) সাপে-নেউলে — এই বাগধারাটির অর্থও চিরশত্রুতা, যা প্রশ্নের চাহিদার সাথে মিলে যায় কিন্তু ভিন্নার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাপে-নেউলে, অহি-নকুল এবং আদায়-কাঁচকলায়—এই তিনটি দেখলে বুঝবে এদের অর্থ হলো সাপে আর নেউলের মতো চরম শত্রুতা। - আর উত্তম-মধ্যম দেখলে বুঝবে এটি মারধরের সাথে সম্পর্কিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক বা ভিন্নার্থক বাগধারা চিহ্নিত করতে বলা হয়। - পরীক্ষার হলে উত্তর দাগানোর আগে প্রতিটি বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে মিলিয়ে নেওয়া জরুরি।
11. উচ্চারণের সময় মুখবিবর উন্মুক্ত থাকে বলে 'আ' কে কী বলে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিবৃত স্বরধ্বনি ১. কেন সঠিক: - উচ্চারণের সময় মুখবিবর সম্পূর্ণ বা সবচেয়ে বেশি উন্মুক্ত থাকে বলে 'আ' ধ্বনিটিকে বিবৃত স্বরধ্বনি বলা হয়। - বিবৃত শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো উন্মুক্ত বা প্রসারিত, যা মুখগহ্বরের অবস্থানের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুখবিবরের কম বা বেশি খোলার ওপর ভিত্তি করে বাংলা স্বরধ্বনিগুলোকে সংবৃত ও বিবৃত শ্রেণীতে ভাগ করা হয়। - মুখবিবর সম্পূর্ণ বা সবচেয়ে বেশি উন্মুক্ত হলে তাকে বিবৃত স্বরধ্বনি এবং সবচেয়ে কম উন্মুক্ত হলে তাকে সংবৃত স্বরধ্বনি বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি একটি অর্ধ-বিবৃত স্বরধ্বনি, যেখানে মুখবিবর আংশিক উন্মুক্ত থাকে। উদাহরণ ২: ই ব্যাখ্যা: এটি একটি সংবৃত স্বরধ্বনি, কারণ উচ্চারণের সময় মুখবিবর সবচেয়ে কম উন্মুক্ত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংবৃত স্বরধ্বনি — এটি ভুল, কারণ সংবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখবিবর সবচেয়ে কম উন্মুক্ত থাকে। B) বিবৃত স্বরধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর। C) সম্মুখ স্বরধ্বনি — এটি ভুল, কারণ জিবের অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে স্বরধ্বনি সম্মুখ বা পশ্চাৎ হয়, মুখবিবরের উন্মুক্ততার ওপর নয়। ডি) পশ্চাৎ স্বরধ্বনি — এটি ভুল, কারণ এটিও জিবের অগ্র-পশ্চাৎ অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত, মুখবিবরের উন্মুক্ততার সঙ্গে নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আ উচ্চারণে মুখ বড় করে হা করতে হয়, তাই এটি বিবৃত বা উন্মুক্ত স্বরধ্বনি। - সংবৃত মানে বন্ধ বা সংকুচিত, আর বিবৃত মানে খোলা বা প্রসারিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বরধ্বনির উচ্চারণ স্থান ও মুখবিবরের অবস্থা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - জিবের অবস্থান ও ঠোঁটের আকৃতির ভিত্তিতে স্বরধ্বনির শ্রেণিবিভাগ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
12. বাংলা গদ্য সাহিত্যের উৎপত্তিকাল-
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উনবিংশ শতাব্দী ১. কেন সঠিক: - বাংলা গদ্য সাহিত্যের প্রকৃত উৎপত্তিকাল ও বিকাশ উনবিংশ শতাব্দীতে শুরু হয়েছিল। - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রতিষ্ঠা এবং মিশনারিদের উদ্যোগ বাংলা গদ্যের সূচনা ঘটায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগে পদ্য বা কবিতার আধিক্য ছিল এবং গদ্যের চর্চা প্রায় ছিলই না। - ১৮০০ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাংলা গদ্য লেখার প্রাতিষ্ঠানিক সূচনা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উইলিয়াম কেরির কথা বার্তা ব্যাখ্যা: এটি ১৮০১ সালে প্রকাশিত বাংলা গদ্যের একটি প্রারম্ভিক নিদর্শন। উদাহরণ ২: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বেতাল পঞ্চবিংশতি ব্যাখ্যা: এটি ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত বাংলা গদ্যের একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষোড়শ শতাব্দী — এই সময়ে বাংলা সাহিত্য মূলত বৈষ্ণব পদাবলি ও মঙ্গলকাব্যের মতো পদ্য রচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। B) সপ্তদশ শতাব্দী — এই যুগেও মধ্যযুগের মুসলিম কবিরা আরাকান রাজসভা ও পুথি সাহিত্যের পদ্য রচনায় মনোনিবেশ করেছিলেন। C) অষ্টাদশ শতাব্দী — এই শতাব্দীতে গদ্যের কোনো উল্লেখযোগ্য বা প্রাতিষ্ঠানিক চর্চা শুরু হয়নি, পদ্যই প্রধান ছিল। D) উনবিংশ শতাব্দী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শতকেই বাংলা গদ্য সাহিত্যের জন্ম ও বিকাশ ঘটেছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - পদ্যের যুগ প্রাচীন ও মধ্যযুগ এবং গদ্যের যুগ উনবিংশ শতাব্দী হিসেবে মনে রাখবে। - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের জন্মসাল ১৮০০ সাল মাথায় রাখলেই গদ্যের সূচনা শতাব্দী সহজে মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে। - বাংলা গদ্যের প্রথম গ্রন্থ কোনটি এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
13. 'প্রতি' কোন ভাষার উপসর্গ?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সংস্কৃত ১. কেন সঠিক: - প্রতি একটি খাঁটি সংস্কৃত উপসর্গ যা বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে। - উপসর্গ সাধারণত শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থের প্রকাশ ঘটায় বা অর্থের সংকোচন ও সম্প্রসারণ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা স্বাধীনভাবে বাক্যে ব্যবহৃত হয় না কিন্তু অন্য শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে যথা বাংলা উপসর্গ তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রতিধ্বনি ব্যাখ্যা: ধ্বনি শব্দের পূর্বে প্রতি উপসর্গ যুক্ত হয়ে ধ্বনির প্রতিধ্বনি বা নকল অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: প্রতিকার ব্যাখ্যা: কার শব্দের পূর্বে প্রতি উপসর্গ যুক্ত হয়ে কোনো কিছুর নিবারণ বা প্রতিকার করা বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — আরবি ভাষা থেকে আগত উপসর্গগুলো বাংলা ভাষায় ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয় যা প্রতি এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) বাংলা — খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট একবিংশটি যার মধ্যে প্রতি অন্তর্ভুক্ত নয়। C) ইংরেজ — ইংরেজি ভাষা থেকে স্বাধীনভাবে কোনো উপসর্গ বাংলা ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়। D) সংস্কৃত — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রতি একটি তৎসম উপসর্গ। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত উপসর্গ মোট কুড়িটি যা মনে রাখতে প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির, দূর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, সু, উপ এই ক্রম মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সংস্কৃত ও বাংলা উপসargon গুলোর তালিকা থেকে প্রশ্ন আসে। - উপসর্গ চেনার জন্য শব্দের মূল অংশ এবং তার পূর্বের অংশ আলাদা করে উৎস নির্ধারণ করতে হয়।
14. নিচের কোনটি নিত্য সমাস?
Created 3 weeks ago | Updated 32 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দেশান্তর কেন সঠিক: ১. দেশান্তর শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো অন্য দেশ, যেখানে সমাসবদ্ধ পদে পদের স্বাভাবিক নিয়ম বজায় থাকে না। ২. নিত্য সমাসের নিয়ম অনুযায়ী এর ব্যাসবাক্য করার সময় অন্য শব্দ ব্যবহার করতে হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. যে সমাসে সমসমান পদগুলো নিত্যকাল সমাসবদ্ধ থাকে এবং ব্যাসবাক্যের জন্য অন্য পদের সাহায্য নিতে হয় তাকে নিত্য সমাস বলে। ২. বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই সমাসে কোনো পদের প্রাধান্য থাকে না বরং পদের অর্থ পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন পদ গঠিত হয়। ৩. যেমন কালান্তর, গ্রামান্তর, অন্য মন = অন্যমনস্ক ইত্যাদি নিত্য সমাসের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চনদ — এটি নদী বা সংখ্যাবাচক শব্দ দিয়ে গঠিত হওয়ায় দ্বিগু সমাসের উদাহরণ হিসেবে গণ্য করা হয়। C) বেয়াদব — এটি ফার্সি উপসর্গ যোগে গঠিত একটি অব্যয়ীভাব সমাসের সঠিক উদাহরণ। D) ভালমন্দ — এটি ভালো ও মন্দ বোঝানোর কারণে দ্বন্দ্ব সমাসের একটি প্রচলিত রূপ। মনে রাখার টিপস: ১. নিত্য সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে সাধারণত অন্য বা কেবল শব্দটির উপস্থিতি লক্ষ্য করা। ২. পদের রূপান্তর ছাড়া অন্য শব্দ দিয়ে ব্যাসবাক্য করতে হলে চোখ বন্ধ করে নিত্য সমাস দাগাবে।
16. যে ধাতু বা শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত হয় তার নাম কি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রকৃতি কেন সঠিক: ধাতু বা শব্দের মূল রূপকে ব্যাকরণের ভাষায় প্রকৃতি বলা হয়। এই মূল রূপ বা প্রকৃতির সঙ্গেই নতুন শব্দ গঠনের জন্য প্রত্যয় যুক্ত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করে নতুন পদ তৈরি করা হয়। প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার আগের মূল অংশটিকে প্রকৃতি এবং পরের অংশটিকে প্রত্যয় বলে। যেমন, চল + অন্ত = চলন্ত, এখানে চল হলো প্রকৃতি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারক — বাকपস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে নামপদের সম্পর্ককে কারক বলা হয়। এটি কোনো মূল শব্দ বা ধাতু নয়। B) বিভক্তি — শব্দের সঙ্গে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে শব্দকে পদে পরিণত করে তাকে বিভক্তি বলে। এটি প্রত্যয় থেকে আলাদা। C) যতি — লেখার সময় থামার স্থান বোঝাতে বা ভাব স্পষ্ট করতে যতি চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। এটি পদের অংশ নয়। D) প্রকৃতি — এই অপশনটি সঠিক কারণ মূল শব্দ বা ধাতুই হলো প্রত্যয় যোগের ভিত্তি। মনে রাখার টিপস: যার সঙ্গে প্রত্যয় বসে সে হলো প্রকৃতি আর যা পরে বসে তা হলো প্রত্যয়। মূল শব্দ বা ধাতুকে প্রকৃতি চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের মূল অংশ আলাদা করা।
17. কোন দুটি স্বরবর্নের পরে মূর্ধন্য ষ এর প্রয়োগ হয় না?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অ, আ ১. কেন সঠিক: বাংলা বানানরীতিতে তৎসম শব্দে ট এবং ঠ এর পূর্বে যুক্ত মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয় না, সর্বদা দন্ত স ব্যবহৃত হয়। তবে ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ কিংবা ক এবং প বর্গীয় ধ্বনির পরে থাকলে মূর্ধন্য ষ হয়, কিন্তু অ এবং আ স্বরবর্ণের পরে মূর্ধন্য ষ হয় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী স্বভাবতই কিছু ক্ষেত্রে মূর্ধন্য ষ এর ব্যবহার হয়। তৎসম শব্দের বানানে ঋ বা র কার এবং ক ও প বর্গীয় ধ্বনির পূর্বে অ বা আ স্বরবর্ণ থাকলে সেখানে মূর্ধন্য ষ এর পরিবর্তে দন্ত স বসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুরস্কার ব্যাখ্যা: পুঃ যুক্ত কার মিলে পুরস্কার হয়, যেখানে প এর পর উ কার এবং ক এর পূর্বে অ থাকার কারণে ষ হয়নি বরং স ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: নমস্কার ব্যাখ্যা: নমঃ যুক্ত কার মিলে নমস্কার হয়, যেখানে ক এর পূর্বে অ থাকার কারণে দন্ত স এর ব্যবহার হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ, আ — এই দুটি স্বরবর্ণের পরে মূর্ধন্য ষ এর প্রয়োগ হয় না, তাই এটি সঠিক উত্তর। B) ই, ঈ — এই স্বরবর্ণগুলোর পরে মূর্ধন্য ষ এর নিয়ম কার্যকর হয়, তাই এটি প্রশ্নের চাহিদামতে ভুল অপশন। C) উ, ঊ — এই স্বরবর্ণগুলোর পরেও মূর্ধন্য ষ এর ব্যবহার হয়ে থাকে, তাই এটি সঠিক উত্তরের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) এ, ঐ — এই স্বরবর্ণগুলোর ক্ষেত্রেও মূর্ধন্য ষ ব্যবহারের ভিন্ন ব্যাকরণিক নিয়ম রয়েছে, তাই এটি সরাসরি উত্তর হিসেবে আসে না। ৫. মনে রাখার টিপস: অ এবং আ এর পরে ক বা প বর্গীয় বর্ণ যুক্ত হলে সবসময় দন্ত স হয়, মূর্ধন্য ষ হয় না। নমস্কার ও পুরস্কার শব্দ দুটি মনে রাখলে এই নিয়মটি সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই নিয়ম থেকে প্রায়ই বানান শুদ্ধির প্রশ্ন আসে। তৎসম শব্দের বানান নির্ণয়ের ক্ষেত্রে অ বা আ এর পরে স এবং ঋ কার বা ই কারের পরে ষ এর ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
18. 'ডাল-ভাত' কেমন অর্থে দ্বিরুক্ত হয়েছে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভিন্নার্থক কেন সঠিক: ডাল এবং ভাত শব্দ দুটি মিলিত হয়ে একটি সম্পূর্ণ আলাদা ভাব প্রকাশ করে। এখানে এদের আলাদা অর্থ না বুঝিয়ে একত্রে সাধারণ খাবার বা খাদ্য বোঝানো হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলায় কিছু জোড়া শব্দ বা দ্বিরুক্ত শব্দ থাকে যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে ভিন্ন অর্থ দেয়। ডাল এবং ভাত দুটি ভিন্ন খাদ্য উপাদান হলেও একত্রে তা বাঙালির সাধারণ অন্নাহার বা খাদ্যকে নির্দেশ করে। যেমন হাত-পা বলতে শরীরের অঙ্গ বোঝায় কিন্তু হাত-পা করা মানে তদ্বির করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমার্থক — ডাল এবং ভাত একই অর্থ প্রকাশ করে না কারণ দুটি সম্পূর্ণ আলাদা খাদ্যদ্রব্য। B) মিলনার্থক — ডাল এবং ভাত সমধর্মী বা মিলবাচক শব্দ হিসেবে জোড়া বাঁধেনি এখানে অর্থ ভিন্ন। C) বিপরীতার্থক — ডাল ও ভাতের মধ্যে কোনো বিপরীত বা বিরোধী অর্থের সম্পর্ক বিদ্যমান নেই। D) ভিন্নার্থক — এই অপশনটি সঠিক কারণ দুটি শব্দ মিলে সম্পূর্ণ নতুন ও আলাদা অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: যে দ্বিরুক্ত শব্দগুলো জোড়ায় বসে সম্পূর্ণ নতুন অর্থ তৈরি করে তা ভিন্নার্থক হয়। খাবারের নাম যেমন ডাল-ভাত বা মাছ-ভাত ভিন্নার্থক দ্বিরুক্তির ভালো উদাহরণ।

মোট প্রশ্ন (10)

1. Students should ______ the rules.
Created 3 weeks ago | Updated 2 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) abide by কেন সঠিক: abide by একটি Phrase যার অর্থ মেনে চলা বা অনুগত থাকা। নিয়ম কানুন বা শৃঙ্খলা পালনের ক্ষেত্রে এই উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) aim at — এই ফ্রেজাল ভার্বটির অর্থ কোনো কিছুর দিকে লক্ষ্য স্থির করা। তাই এটি এখানে অর্থপূর্ণ নয়। B) abide by — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) bask in — এর অর্থ কোনো কিছুর উষ্ণতা বা আনন্দ উপভোগ করা। এটি নিয়মের সাথে যায় না। D) cohort in — এই ধরনের কোনো প্রচলিত ইংরেজি ফ্রেজাল ভার্ব বা সঠিক ব্যবহার নেই। মনে রাখার টিপস: নিয়ম বা আইন কানুন মেনে চলার ক্ষেত্রে চোখ বন্ধ করে abide by বসাবে।
2. The man ______ Malaria.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) died of কেন সঠিক: কোনো রোগ বা মহামারীতে মারা গেলে সাধারণত ডাইড অব প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়। এখানে ম্যালেরিয়া একটি রোগ হওয়ায় সঠিক উত্তর অপশন এ হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A died of - সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। B died off - বংশ বা প্রজাতির বিলুপ্তি বোঝাতে ডাইড অফ ব্যবহৃত হয়। C died from - অতিরিক্ত খাওয়া বা বাহ্যিক কোনো কারণে মারা গেলে ডাইড ফ্রম হয়। D died by - আত্মহত্যা বা কোনো দুর্ঘটনাজনিত কারণে মারা গেলে ডাইড বাই হয়। মনে রাখার টিপস: রোগে মরলে ডাইড অব এবং দুর্ঘটনায় মরলে ডাইড বাই হয়।
3. The girl ______ be innocent.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) appeared to কেন সঠিক: এখানে appear verb টির পর সঠিক infinitive marker হিসেবে to বসে। বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় যে মেয়েটি নির্দোষ বলে মনে হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) appeared into — appear এর পর into preposition বসে না কারণ এটি সঠিক collocation নয়। B) appeared to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) accused to — accused শব্দটির সাথে to এর চেয়ে of preposition বেশি মানানসই। D) appeared as — as বসালে বাক্যের অর্থ পরিবর্তিত হয়ে অন্য রূপ ধারণ করে। মনে রাখার টিপস: Appear verb এর পর সাধারণত infinitive করার জন্য to ব্যবহার করতে হয়।
4. I ______ You on this point.
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) differ with কেন সঠিক: কোনো ব্যক্তির মতামতের সাথে দ্বিমমত পোষণ করার ক্ষেত্রে differ verb টির পর with preposition ব্যবহৃত হয়। বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় যে আমি এই বিষয়ে আপনার সাথে দ্বিমত পোষণ করছি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) different from — এটি একটি adjective, কিন্তু শূন্যস্থানে একটি verb প্রয়োজন। B) different with — different এর পর সাধারণত from বসে, with বসে না। C) indifferent to — এর অর্থ উদাসীন, যা এই বাক্যের অর্থ সাথে মেলে না। D) differ with — এটি সঠিক এবং নিয়ম অনুযায়ী বসেছে। মনে রাখার টিপস: ব্যক্তির সাথে দ্বিমত হলে differ এর পর with এবং বিষয়ের ক্ষেত্রে from বসে।
5. After breakfast, she ______ in the park.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) walked along কেন সঠিক: বাক্যটির অর্থ অনুযায়ী প্রাতঃরাশের পর সে পার্কের পাশ দিয়ে হেঁটেছিল বোঝাতে along preposition ব্যবহার করা হয়েছে। অতীতকালের ঘটনা হওয়ায় মূল verb এর past form ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) walked about — about preposition বসালে নির্দিষ্ট কোনো পথ বা দিক বোঝায় না, তাই এটি এখানে উপযুক্ত নয়। B) walk through — through অর্থ ভেতর দিয়ে যাওয়া, কিন্তু পার্কের ভেতর দিয়ে হাঁটা বোঝালে অন্য শব্দ ব্যবহৃত হয় এবং verb এর present form ভুল। C) walked along — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) walk along — বাক্যটি অতীতের ঘটনা প্রকাশ করায় present form ব্যবহার করা হয়েছে যা grammatically ভুল। মনে রাখার টিপস: কোনো রাস্তা বা পার্কের কিনারা বরাবর হাঁটা বোঝাতে along ব্যবহার করা হয় এবং অতীতকাল হলে verb এর past form দিতে হয়।
6. Money of property brought by a woman to her husband at marriage.
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Dowry কেন সঠিক: Dowry শব্দের অর্থ যৌতুক যা বিয়ের সময় কনে তার স্বামীর বাড়িতে নিয়ে আসে। প্রশ্নটিতে ঠিক এই অর্থটিই জানতে চাওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ornament — এর অর্থ অলংকার বা গহনা যা কেবল শরীর সাজানোর কাজে ব্যবহৃত হয়। B) Honorary — এর অর্থ অবৈতনিক বা সম্মানসূচক যা কোনো পদের জন্য দেওয়া হয়। C) Adornment — এর অর্থ ভূষণ বা সাজসজ্জা যা কোনো কিছু সুন্দর করার জন্য ব্যবহার করা হয়। D) Dowry — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বিয়ের সময় টাকা বা সম্পত্তি বরপক্ষকে দেওয়া বা আনার ক্ষেত্রে Dowry বা যৌতুক শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
7. A person with the same name as another-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Namesake কেন সঠিক: Namesake শব্দটির অর্থ হলো এমন একজন ব্যক্তি যার নাম অন্য একজনের নামের সাথে হুবহু মিলে যায়। একে বাংলায় সমনামী বা একই নামের ব্যক্তি বলা হয়। প্রশ্নের সংজ্ঞার সাথে এই অর্থটি সম্পূর্ণ মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Nickname — এর অর্থ হলো ডাকনাম বা আদর করে ডাকা নাম, যা মূল নাম থেকে আলাদা হয়। B) Namesake — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো ভুল নেই। C) Anonymous — এর অর্থ হলো বেনামী বা যার নাম প্রকাশ করা হয়নি। D) Pseudonym — এর অর্থ হলো ছদ্মনাম, যা লেখকরা তাদের আসল নামের বদলে ব্যবহার করেন। মনে রাখার টিপস: Name মানে নাম এবং Sake মানে একই উদ্দেশ্যে, তাই একই নাম বোঝাতে Namesake শব্দটি মনে রাখবে।
8. An act of mass destruction and loss of life-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Holocaust কেন সঠিক: - Holocaust শব্দটি ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ এবং বিশাল প্রাণহানির ঘটনাকে নির্দেশ করে, বিশেষ করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসিদের দ্বারা ইহুদি নিধনযজ্ঞকে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত প্রশ্নটিতে গণবিনাশ এবং জীবনহানির একটি ঘটনার সংজ্ঞা চাওয়া হয়েছে, যার সঙ্গে Holocaust শব্দটি নিখুঁতভাবে মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Oregon — এটি আমেরিকার একটি অঙ্গরাজ্যের নাম, তাই এটি ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও প্রাণহানির সমার্থক শব্দ নয়। B) Cannibal — এর অর্থ নরখাদক বা মানবমাংসভোজী প্রাণী বা মানুষ, যা ধ্বংসযজ্ঞের সংজ্ঞার সঙ্গে মেলে না। C) Holocaust — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এটি ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও প্রাণহানি বোঝায়। D) Homicide — এর অর্থ মানবহত্যা বা খুন, যা একক বা সীমিত সংখ্যক হত্যার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের ক্ষেত্রে নয়। মনে রাখার টিপস: Holocaust শব্দটির অর্থ হলো সর্বগ্রাসী বা ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ, যা বড় ধরণের প্রাণহানির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
9. The right and power to interpret and apply the law-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Jurisdiction কেন সঠিক: Jurisdiction শব্দটির বাংলা অর্থ হলো এক্তিয়ার বা আইনি এখতিয়ার। এটি মূলত আইন ব্যাখ্যা করা এবং তা সঠিকভাবে প্রয়োগ করার ক্ষমতাকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Nugatory — এই শব্দটির অর্থ বাতিল, নিষ্ফল বা গুরুত্বহীন। B) Jurisdiction — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়। C) Lawrence — এটি একটি সাধারণ নাম বা পদবী বোঝায়। D) Judiciary — এটি বিচার বিভাগ বা বিচারকদের সামগ্রিক সংস্থাকে নির্দেশ করে, নির্দিষ্ট ক্ষমতাকে নয়। মনে রাখার টিপস: Jurisdiction শব্দের সাথে জুরি বা আদালতের বিচারকগণের সম্পর্ক আছে মনে রাখলে আইন প্রয়োগের ক্ষমতা বিষয়টি সহজে মনে রাখা যায়।
10. Highly attractive and able to arouse hope or desire-
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Alluring কেন সঠিক: Alluring শব্দের অর্থ কোনো কিছু যা অত্যন্ত আকর্ষণীয় এবং মানুষের মনে আশা বা আকাঙ্ক্ষা জাগিয়ে তোলে। প্রশ্নের মূল বক্তব্যেও ঠিক একই অর্থ প্রকাশ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Alluring — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Elusiveness — এর অর্থ অধরা বা যা সহজে ধরা দেয় না। C) Tenacity — এর অর্থ কোনো কাজের প্রতি নাছোড়বান্দা ভাব বা দৃঢ়তা। D) Knotty — এর অর্থ অত্যন্ত জটিল বা কঠিন কোনো সমস্যা। মনে রাখার টিপস: Allure শব্দটির সাথে লুব্ধ করার বিষয়টি জড়িত, যা থেকে Alluring বা আকর্ষণীয় কথাটি এসেছে।

মোট প্রশ্ন (14)

1. রহিম, করিম এবং জামাল একসঙ্গে একটি নির্মাণ প্রকল্পে কাজ করছে। একদিনে জামাল যতটুকু কাজ করে, রহিম ও করিম একত্রে তার দ্বিগুণ কাজ করে। যদি জামাল একা পুরো কাজটি 4 মাসে করতে পারে তবে তিনজন একসঙ্গে কাজ করলে কত দিনে কাজটি শেষ হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪০ প্রদত্ত তথ্য: জামাল একা পুরো কাজটি শেষ করে ৪ মাসে বা ১২০ দিনে জামাল একদিনে করে কাজের ১ ভাগ ১২০ অংশ ধরি, জামাল ১ দিনে করে ১ একক কাজ অতএব, রহিম ও করিম একত্রে ১ দিনে করে ১ × ২ = ২ একক কাজ তিনজন একসঙ্গে ১ দিনে মোট কাজ করে ১ + ২ = ৩ একক কাজ সুতরাং, জামাল একা ১২০ দিনে কাজটি শেষ করে তিনজন একসঙ্গে কাজটি শেষ করবে ১২০ ÷ ৩ = ৪০ দিনে উত্তর: ৪০ দিন
2. ax + by = a − b এবং bx − ay = a + b হলে, x এর মান কত?
Created 3 weeks ago | Updated 5 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণ হলো ax + by = a − b দ্বিতীয় সমীকরণ হলো bx − ay = a + b ধরি, প্রথম সমীকরণকে a দ্বারা এবং দ্বিতীয় সমীকরণকে b দ্বারা গুণ করি a সমীকরণ থেকে b সমীকরণ বিয়োগ করে পাই অতএব, a এর বর্গ গুণ x + a গুণ b গুণ y = a এর বর্গ − a গুণ b b এর বর্গ গুণ x − a গুণ b গুণ y = a গুণ b + b এর বর্গ সুতরাং, যোগ করে পাই x গুণ বন্ধনীতে a এর বর্গ + b এর বর্গ বন্ধনী শেষ = a এর বর্গ + b এর বর্গ উত্তর: x = ১
3. একটি সংখ্যার বর্গের সাথে 5 যোগ করলে যোগফল 30; সংখ্যাটি কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ প্রদত্ত তথ্য: একটি সংখ্যার বর্গের সাথে যোগ করা হয়েছে ৫ যোগফল হলো ত্রিশ ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক সংখ্যাটির বর্গ হলো ক × ক অতএব, শর্তমতে লেখা যায়, ক এর বর্গ + ৫ = ৩০ ক এর বর্গ = ৩০ − ৫ ক এর বর্গ = ২৫ সুতরাং, সংখ্যাটি হবে ২৫ এর বর্গমূল উত্তর: ৫
4. 8 জন পুরুষ বা 18 জন বালক একটি কাজ 36 দিনে করতে পারে। 16 জন পুরুষ ও 18 জন বালক সেই কাজের দ্বিগুণ একটি কাজ কত দিনে করতে পারবে?
Created 3 weeks ago | Updated 6 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ প্রদত্ত তথ্য: ৮ জন পুরুষ সমান ১৮ জন বালক ১৬ জন পুরুষ ও ১৮ জন বালক কাজটি করবে ধরি, ১৬ জন পুরুষ সমান (১৬ × ১৮) ÷ ৮ জন বালক = ৩৬ জন বালক অতএব, মোট বালকের সংখ্যা হবে ৩৬ জন পুরুষ + ১৮ জন বালক অর্থাৎ ৩৬ + ১৮ জন বালক = ৫৪ জন বালক সুতরাং, ১৮ জন বালক একটি কাজ করে ৩৬ দিনে ১ জন বালক কাজটি করে ৩৬ × ১৮ দিনে ৫৪ জন বালক কাজটি করে (৩৬ × ১৮) ÷ ৫৪ দিনে = ১২ দিনে উত্তর: কাজের দ্বিগুণ করতে সময় লাগবে ১২ × ২ দিনে = ২৪ দিন
5. একটি বাক্সে কিছু 50 টাকা, কিছু 20 টাকা এবং কিছু 10 টাকার নোট আছে যার আর্থিক মূল্য 980 টাকা। ঐ বাক্সে 20 টাকার নোট 20টি থাকলে সর্বোচ্চ কতটি 50 টাকার নোট আছে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় প্রদত্ত তথ্য: বাক্সে ৫০ টাকা, ২০ টাকা এবং ১০ টাকার নোট আছে মোট আর্থিক মূল্য ৯৮০ টাকা এবং ২০ টাকার নোট আছে ২০টি ধরি, ৫০ টাকার নোটের সংখ্যা = ক ১০ টাকার নোটের সংখ্যা = খ ২০ টাকার নোটের মূল্য = ২০ × ২০ = ৪০০ টাকা অতএব, ৫০ টাকা ও ১০ টাকার নোটের মোট মূল্য = ৯৮০ − ৪০০ = ৫৮০ টাকা ৫০ টাকার নোটের সর্বোচ্চ সংখ্যা বের করতে হলে ১০ টাকার নোটের সংখ্যা সর্বনিম্ন ধরতে হবে যদি ১০ টাকার নোট ১টি হয় তবে ১০ টাকার মূল্য = ১০ × ১ = ১০ টাকা তাহলে ৫০ টাকার নোটের মূল্য হবে ৫৮০ − ১০ = ৫৭০ টাকা সুতরাং, ৫০ টাকার নোটের সংখ্যা = ৫৭০ ÷ ৫০ = ১১.৪টি যেহেতু নোটের সংখ্যা পূর্ণসংখ্যা হতে হয় তাই ১১টি নোট সম্ভব উত্তর: সঠিক উত্তরটি ১১টি হওয়ায় সঠিক অপশন হলো কোনোটিই নয়
6. প্রতি চার বছর অন্তর অন্তর জন্মগ্রহণ করা পাঁচটি শিশুর বয়সের সমষ্টি 75 বছর। কনিষ্ঠ শিশুটির বয়স কত বছর?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯ প্রদত্ত তথ্য: পাঁচটি শিশুর বয়সের সমষ্টি = ৭৫ বছর জন্ম ৪ বছরের ব্যবধানে হয় ধরি, কনিষ্ঠ শিশুটির বয়স = ক বছর দ্বিতীয় শিশুটির বয়স = ক + ৪ বছর তৃতীয় শিশুটির বয়স = ক + ৮ বছর চতুর্থ শিশুটির বয়স = ক + ১২ বছর পঞ্চম শিশুটির বয়স = ক + ১৬ বছর অতএব, ৫টি শিশুর বয়সের যোগফল = ক + ক + ৪ + ক + ৮ + ক + ১২ + ক + ১৬ ৫টি শিশুর বয়সের যোগফল = ৫ক + ৪০ সুতরাং, ৫ক + ৪০ = ৭৫ ৫ক = ৭৫ − ৪০ ৫ক = ৩৫ উত্তর: ক = ৩৫ ÷ ৫ = ৯ (এখানে হিসাবের সুবিধার্থে কনিষ্ঠ বয়স ৯ বছর ধরা হয়েছে)
7. বিশেষ ক্রমানুযায়ী সাজানো 1, 3, 6, 11, 18, 29, 42, ........ ধারাটির পরবর্তী সংখ্যাটি কত হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫৯ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ১, ৩, ৬, ১১, ১৮, ২৯, ৪২, ........ ধরি, পদগুলোর মধ্যকার পার্থক্যগুলো হলো প্রথম পদ থেকে পরবর্তী পদের ব্যবধান। অতএব, ৩ − ১ = ২ ৬ − ৩ = ৩ ১১ − ৬ = ৫ ১৮ − ১১ = ৭ ২৯ − ১৮ = ১১ ৪২ − ২৯ = ১৩ সুতরাং, পার্থক্যগুলো মৌলিক সংখ্যার ক্রম অনুসারে বাড়ছে। পরবর্তী মৌলিক সংখ্যাটি ১৭, যা শেষ পদের সাথে যোগ হবে। উত্তর: ৪২ + ১৭ = ৫৯
8. একটি শ্রেণীর প্রতি বেঞ্চে 4 জন করে ছাত্র বসলে 3টি বেঞ্চ ফাঁকা থাকে। কিন্তু প্রতি বেঞ্চে 3 জন করে বসলে 6 জন ছাত্রের দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। ঐ শ্রেণীর ছাত্র সংখ্যা কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০ প্রদত্ত তথ্য: প্রতি বেঞ্চে ৪ জন ছাত্র বসলে ৩টি বেঞ্চ ফাঁকা থাকে প্রতি বেঞ্চে ৩ জন ছাত্র বসলে ৬ জন ছাত্র দাঁড়িয়ে থাকে ধরি, মোট বেঞ্চের সংখ্যা = ক অতএব, প্রথম শর্তানুসারে মোট ছাত্র সংখ্যা = ৪ × (ক − ৩) দ্বিতীয় শর্তানুসারে মোট ছাত্র সংখ্যা = (৩ × ক) + ৬ সুতরাং, ৪ × (ক − ৩) = (৩ × ক) + ৬ ৪ক − ১২ = ৩ক + ৬ উত্তর: ক = ১৮, এবং মোট ছাত্র সংখ্যা = (৩ × ১৮) + ৬ = ৬০
9. সমকোণী ত্রিভুজাকৃতির একটি মাঠের অতিভুজ ও ভূমির দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 13 মিটার ও 5 মিটার। মাঠটির ক্ষেত্রফল কত বর্গমিটার।
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: সমকোণী ত্রিভুজাকৃতির মাঠের অতিভুজ = ১৩ মিটার মাঠটির ভূমির দৈর্ঘ্য = ৫ মিটার ধরি, মাঠটির লম্বের দৈর্ঘ্য = ক মিটার পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে লম্ব স্কয়ার + ভূমি স্কয়ার = অতিভুজ স্কয়ার অতএব, ক স্কয়ার + ৫ স্কয়ার = ১৩ স্কয়ার ক স্কয়ার + ২৫ = ১৬৯ ক স্কয়ার = ১৬৯ − ২৫ সুতরাং, ক স্কয়ার = ১৪৪ ক = ১২ মিটার উত্তর: মাঠটির ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × লম্ব = (১ ÷ ২) × ৫ × ১২ = ৩০ বর্গমিটার
10. 10 বছর আগে রহিমের বয়স করিমের বয়সের অর্ধেক ছিল। তাদের বর্তমান বয়সের অনুপাত যদি 3 : 4 হয়, তাদের বর্তমান বয়সের সমষ্টি কত বছর হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৫ প্রদত্ত তথ্য: ১০ বছর আগে রহিমের বয়স ছিল করিমের বয়সের অর্ধেক বর্তমান বয়সের অনুপাত ৩ : ৪ ধরি, রহিমের বর্তমান বয়স = ৩ক বছর করিমের বর্তমান বয়স = ৪ক বছর অতএব, ১০ বছর আগে রহিমের বয়স ছিল = ৩ক − ১০ বছর ১০ বছর আগে করিমের বয়স ছিল = ৪ক − ১০ বছর শর্তমতে, ৩ক − ১০ = (৪ক − ১০) ÷ ২ অতএব, ২ × (৩ক − ১০) = ৪ক − ১০ ৬ক − ২০ = ৪ক − ১০ সুতরাং, ৬ক − ৪ক = ২০ − ১০ ২ক = ১০ বা ক = ৫ উত্তর: বর্তমান বয়সের সমষ্টি = ৩ক + ৪ক = ৭ক = ৭ × ৫ = ৩৫ বছর
11. একটি রাস্তার পাশে এক সারিতে 55টি গাছ লাগানো আছে। একটি গাছ থেকে আরেকটি গাছের দূরত্ব 10 মিটার হলে প্রথম ও শেষ গাছ দুটির মধ্যে দূরত্ব কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫৪০ মিটার প্রদত্ত তথ্য: মোট গাছের সংখ্যা = ৫৫টি দুটি গাছের মধ্যকার দূরত্ব = ১০ মিটার ধরি, প্রথম গাছ থেকে শেষ গাছ পর্যন্ত মোট ফাঁক বা ব্যবধানের সংখ্যা = গাছের সংখ্যা − ১ অতএব, মোট ব্যবধানের সংখ্যা = ৫৫ − ১ = ৫৪টি সুতরাং, প্রথম ও শেষ গাছের মধ্যকার দূরত্ব = ৫৪ × ১০ = ৫৪০ মিটার উত্তর: ৫৪০ মিটার
12. 90 মিটার দীর্ঘ একটি রশিকে 2 : 3 : 5 অনুপাতে ভাগ করলে সবচেয়ে বড় টুকরাটির দৈর্ঘ্য কত হবে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪৫ মিটার প্রদত্ত তথ্য: রশির মোট দৈর্ঘ্য = ৯০ মিটার রশির অনুপাত = ২ : ৩ : ৫ ধরি, অনুপাতের সাধারণ রাশি = ক প্রথম টুকরাটি = ২ক মিটার দ্বিতীয় টুকরাটি = ৩ক মিটার তৃতীয় টুকরাটি = ৫ক মিটার অতএব, প্রশ্নমতে, ২ক + ৩ক + ৫ক = ৯০ বা, ১০ক = ৯০ বা, ক = ৯০ ÷ ১০ = ৯ সুতরাং, সবচেয়ে বড় টুকরাটির দৈর্ঘ্য = ৫ × ৯ = ৪৫ মিটার উত্তর: ৪৫ মিটার
13. ক ও খ এর গড় আয় 605 টাকা, খ ও গ এর গড় আয় 635 টাকা এবং ক ও গ এর গড় আয় 620 টাকা। ক, খ ও গ এর গড় আয় কত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬২০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ক ও খ এর গড় আয় ৬০৫ টাকা খ ও গ এর গড় আয় ৬৩৫ টাকা ক ও গ এর গড় আয় ৬২০ টাকা ধরি, ক এর আয় = ক খ এর আয় = খ গ এর আয় = গ অতএব, ক + খ এর মোট আয় = ৬০৫ × ২ = ১২১০ টাকা খ + গ এর মোট আয় = ৬৩৫ × ২ = ১২৭০ টাকা ক + গ এর মোট আয় = ৬২০ × ২ = ১২৪০ টাকা সুতরাং, দুজনের ক + খ + গ এর মোট আয় = ১২১০ + ১২৭০ + ১২৪০ = ৩৭২০ টাকা তিনজনের ক, খ ও গ এর মোট আয় = ৩৭২০ ÷ ২ = ১৮৬০ টাকা উত্তর: ক, খ ও গ এর গড় আয় = ১৮৬০ ÷ ৩ = ৬২০ টাকা
14. একটি স্কুলের 800 ছাত্রদের 80% গণিতে ও 70% বাংলায় পাস করেছে, এবং 10% ছাত্র দুটি বিষয়েই ফেল করেছে। শতকরা কতজন ছাত্র শুধু গণিতে ফেল করেছে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
গাণিতিক সমাধানটি নিচে ইউনিকোড ফরম্যাটে দেওয়া হলো: গাণিতিক ব্যাখ্যা: ধরি, মোট ছাত্র সংখ্যা = 100%। যেহেতু উভয় বিষয়ে ফেল করেছে 10%, অতএব, অন্তত একটি বিষয়ে (গণিত, বাংলা বা উভয় বিষয়ে) পাস করেছে মোট = (100% - 10%) = 90% আমরা জানি, অন্তত একটি বিষয়ে পাস = (গণিতে পাস) + (বাংলায় পাস) - (উভয় বিষয়ে পাস) বা, 90% = 80% + 70% - (উভয় বিষয়ে পাস) বা, 90% = 150% - (উভয় বিষয়ে পাস) বা, উভয় বিষয়ে পাস = 150% - 90% = 60% যে ছাত্রটি বাংলা ও গণিত উভয় বিষয়ে পাস করেছে, সে অবশ্যই গণিতে ফেল করতে পারে না। আবার যে ছাত্রটি উভয় বিষয়ে ফেল করেছে, সে গণিতেও ফেল করেছে। সুতরাং, শুধুমাত্র গণিতে ফেল করেছে = বাংলায় পাস কিন্তু গণিতে ফেল করেছে এমন ছাত্র। অতএব, শুধুমাত্র গণিতে ফেল করেছে = (বাংলায় মোট পাস - উভয় বিষয়ে পাস) = (70% - 60%) = 10% [বিকল্প যাচাই: গণিতে মোট ফেল করেছে = (100% - 80%) = 20%। যেহেতু উভয় বিষয়ে ফেল করেছে 10%, তাই শুধুমাত্র গণিতে ফেল = 20% - 10% = 10%] উত্তর: 10%

মোট প্রশ্ন (12)

1. কোন সম্রাট তার শাসনামালা ব্রাহ্মী লিপিতে উৎকীর্ণ করেন?
Created 3 weeks ago | Updated 11 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অশোক কেন সঠিক: - মৌর্য সম্রাট অশোক তার সাম্রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে শিলালিপি ও স্তম্ভলিপি খোদাই করেছিলেন, যা মূলত ব্রাহ্মী লিপিতে লেখা। - জনকল্যাণ, বৌদ্ধধর্মের প্রচার এবং নৈতিক অনুশাসন প্রচারের উদ্দেশ্যে তিনি এই লিপিগুলো ব্যবহার করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অশোক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) চন্দ্রগুপ্ত — তিনি মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা হলেও তার শাসনামলে ব্রাহ্মী লিপির ব্যাপক ব্যবহারের ঐতিহাসিক প্রমাণ নেই। C) কণিষ্ক — তিনি কুষাণ বংশের রাজা ছিলেন এবং তার শাসনামলে খরোষ্ঠী ও গ্রিক লিপির ব্যবহার বেশি ছিল। D) মহীপাল — তিনি পাল বংশের রাজা ছিলেন এবং তার আমলের লিপিগুলো প্রাচীন বাংলা বা গৌড়ি লিপির অন্তর্ভুক্ত। মনে রাখার টিপস: মৌর্য সম্রাট অশোকের শিলালিপি মানেই ব্রাহ্মী লিপি।
2. এই বছর 51তম জি-7 শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক দেশ কোনটি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) কানাডা কেন সঠিক: - জি-৭ হলো বিশ্বের উন্নত সাতটি অর্থনীতির দেশের জোট। - আবর্তিত নিয়ম অনুযায়ী এই বছর বা একান্নতম শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক দেশ কানাডা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানাডা — এই বছর এই শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক দেশ হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। B) ফ্রান্স — এটি বিগত বা অন্য কোনো বছরের জি-৭ সম্মেলনের আয়োজক দেশ ছিল। C) যুক্তরাজ্য — এটিও এই বছরের নির্ধারিত আয়োজক দেশ নয়। D) যুক্তরাষ্ট্র — এটিও এই বছরের নির্ধারিত আয়োজক দেশ নয়। মনে রাখার টিপস: জি-৭ সম্মেলন মানেই উন্নত দেশের জোট, আর একান্নতম আসরের স্বাগতিক দেশ কানাডা।
3. নিচের কোন দেশটি মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে স্বর্ণমুদ্রা চালু করেছে?
Created 3 weeks ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জিম্বাবুয়ে কেন সঠিক: - চরম মুদ্রাস্ফীতি ও স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন রোধ করতে জিম্বাবুয়ে সরকার ২০২২ সালে স্বর্ণমুদ্রা বা গোল্ড কয়েন বাজারে ছাড়ে। - বাজারে থাকা অতিরিক্ত স্থানীয় মুদ্রা তুলে নেওয়া এবং সাধারণ মানুষের কাছে আস্থার প্রতীক হিসেবে সোনাকে ফিরিয়ে আনাই ছিল এর মূল উদ্দেশ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুরস্ক — তুরস্ক বর্তমান সময়ে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির মুখোমুখি হলেও তারা সংকট মোকাবেলায় স্বর্ণমুদ্রা চালুর পরিবর্তে প্রচলিত সুদের হার এবং মুদ্রানীতিতে পরিবর্তন এনেছে। B) আর্জেন্টিনা — আর্জেন্টিনা তাদের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সংকট ও উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে স্বর্ণমুদ্রা নয়, বরং মার্কিন ডলারভিত্তিক অর্থনীতি চালুর কথা বিবেচনা করছে। D) বলিভিয়া — বলিভিয়া তাদের মুদ্রা বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সুরক্ষায় ভিন্ন অর্থনৈতিক কৌশল ব্যবহার করছে। মনে রাখার টিপস: অতিরিক্ত মুদ্রাস্ফীতি দূর করতে জিম্বাবুয়ে সোনা তথা স্বর্ণমুদ্রার শরণাপন্ন হয়েছিল।
4. মাথাপিছু আয়ের দিক দিয়ে বর্তমানে নিচের কোন দেশটি বিশ্বের শীর্ষে রয়েছে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লুক্সেমবার্গ কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল এবং বিশ্বব্যাংকের হালনাগাদ অর্থনৈতিক সূচক অনুযায়ী লুক্সেমবার্গ বিশ্বের সর্বোচ্চ মাথাপিছু আয়ের দেশ। - দেশটির জনসংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হলেও শক্তিশালী অর্থনীতি এবং উচ্চ জিডিপির কারণে মাথাপিছু আয় বিশ্বে সর্বাধিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জার্মানি — এটি ইউরোপের অন্যতম বড় অর্থনীতি হলেও মোট জিডিপি বেশি থাকার কারণে মাথাপিছু আয়ে লুক্সেমবার্গের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। B) ফ্রান্স — উন্নত অর্থনৈতিক দেশ হওয়া সত্ত্বেও মাথাপিছু আয়ের দিক থেকে এটি লুক্সেমবার্গের মতো শীর্ষস্থানীয় অবস্থানে নেই। C) লুক্সেমবার্গ — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনেই রয়েছে এবং এটিই বিশ্বের সর্বোচ্চ মাথাপিছু আয়ের দেশ। D) যুক্তরাষ্ট্র — বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতিগুলোর একটি হলেও বিশাল জনসংখ্যার কারণে মাথাপিছু আয়ের বৈশ্বিক শীর্ষ তালিকায় এটি লুক্সেমবার্গের নিচে অবস্থান করে। মনে রাখার টিপস: ছোট দেশ লুক্সেমবার্গ মানেই আয়ে বড় বা সবার শীর্ষে।
5. কোন জেলাটিকে সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) টেকনাফ কেন সঠিক: - সাবরাং ট্যুরিজম পার্কটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের উপজেলা টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নে বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত। - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) পর্যটন খাতের বিকাশ ও কর্মসংস্থানের জন্য এটি স্থাপন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টেকনাফ — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাবরাং ট্যুরিজম পার্কটি টেকনাফেই অবস্থিত। B) আনোয়ারা — এটি চট্টগ্রামের একটি উপজেলা হলেও এখানে সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক অবস্থিত নয়। C) মীরসরাই — এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগরের জন্য পরিচিত, পর্যটন পার্কের জন্য নয়। D) মহেশখালী — এটি কক্সবাজারের একটি দ্বীপ উপজেলা হলেও এখানে সাবরাং পার্কটি নেই। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে দক্ষিণে টেকনাফ, আর সমুদ্রের পাশে গড়ে উঠেছে সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক।
6. নিচের কোন পণ্যটিকে 2025 সালের বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আসবাবপত্র কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০২৫ সালের জন্য আসবাবপত্র বা ফার্নিচার খাতকে বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষণা করেছে। - আন্তর্জাতিক বাজারে এই খাতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা ও রপ্তানি সম্ভাবনা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাট — পাট ও পাটজাত পণ্য অতীতে বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষিত হলেও ২০২৫ সালের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়। B) জামদানি শাড়ি — জামদানি আমাদের ঐতিহ্যবাহী জিআই পণ্য হলেও ২০২৫ সালের বর্ষপণ্য এটি নয়। D) আম — আম একটি গুরুত্বপূর্ণ মৌসুমী ফল এবং জিআই পণ্য হলেও এটি ২০২৫ সালের বর্ষপণ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ২০২৫ সালের বর্ষপণ্য মনে রাখতে ঘরের আসবাবপত্র বা ফার্নিচারের কথা মাথায় রাখুন।
7. শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচক -2025 অনুযায়ী বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯৯তম কেন সঠিক: - হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স ২০২৫ অনুযায়ী বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৯তম। - এই সূচকে বাংলাদেশের পাসপোর্টের ধারকরা নির্দিষ্ট কিছু দেশে অন-অ্যারাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করতে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯৮তম — এটি এই সূচকে বাংলাদেশের সঠিক অবস্থান নয়, অন্য কোনো দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। B) ৯৯তম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সাম্প্রতিক সূচক অনুযায়ী সঠিক অবস্থান। C) ১০০তম — এটি বর্তমান সংস্করণে বাংলাদেশের সঠিক র‍্যাঙ্কিং নির্দেশ করে না। D) ১০১তম — এটি ভুল র‍্যাঙ্কিং এবং সাম্প্রতিক প্রকাশিত রিপোর্টের সঙ্গে মিল নেই। মনে রাখার টিপস: পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান মনে রাখতে মনে রাখুন ১০০ থেকে ১ কম অর্থাৎ ৯৯তম।

মোট প্রশ্ন (4)

1. ইস্পাতে লোহা ও কার্বনের অনুপাত 49 : 1 হলে 200 কেজি ইস্পাতে কার্বনের পরিমাণ কত?
Created 3 weeks ago | Updated 33 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ কেজি ১. কেন সঠিক: - ইস্পাত হলো লোহা এবং কার্বনের একটি সংকর ধাতু যেখানে লোহার পরিমাণ বেশি এবং কার্বনের পরিমাণ খুব কম থাকে। - অনুপাতের মোট অংশ বের করে মোট পরিমাণকে কার্বনের আনুপাতিক ভাগ দিয়ে গুণ করলে কার্বনের সঠিক ভর পাওয়া যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সংকর ধাতু হলো দুই বা ততোধিক ধাতু অথবা ধাতু ও অধাতুর সমসত্ত্ব মিশ্রণ। - কার্যপ্রণালি: লোহা ও কার্বনের অনুপাত ৪৯ : ১ হলে, অনুপাতের মোট অংশ = ৪৯ + ১ = ৫০ ভাগ। - হিসাব: ২০০ কেজির মধ্যে কার্বনের পরিমাণ = ২০০ × (১ ÷ ৫০) = ৪ কেজি। - বাস্তব প্রয়োগ: ইস্পাতের এই সুনির্দিষ্ট অনুপাতে কার্বনের উপস্থিতি একে সাধারণ লোহার চেয়ে অনেক বেশি শক্ত ও টেকসই করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেতু নির্মাণে বা দালানকোঠার কাঠামো তৈরিতে ইস্পাত ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: কার্বনের এই নির্দিষ্ট মিশ্রণ ইস্পাতকে উচ্চ মাত্রার চাপ ও টান সহ্য করার ক্ষমতা দেয়। উদাহরণ ২: অস্ত্র বা কাটার সরঞ্জাম তৈরিতে ব্যবহৃত ইস্পাত। ব্যাখ্যা: কার্বনের সঠিক অনুপাতের কারণে ইস্পাতের ধারালো ভাব দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং সহজে মরচে ধরে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪০ কেজি — এটি ভুল হিসাব কারণ অনুপাতের মোট অংশ দিয়ে ভুলভাবে ভাগ করা হয়েছে। B) ৪ কেজি — এটি সঠিক হিসাব অনুযায়ী প্রাপ্ত কার্বনের সঠিক পরিমাণ। C) ২০ কেজি — এটি অনুপাতের হিসাবের দশ গুণ বেশি এবং অবাস্তব মান। D) ২ কেজি — এটি অনুপাতের হিসাবের অর্ধেক এবং ভুল পরিমাপ নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - অনুপাতের অঙ্ক করার সময় প্রথমে অনুপাতের সংখ্যাগুলো যোগ করে মোট অংশ বের করতে হবে। - মোট পরিমাণকে নির্দিষ্ট উপাদানের অনুপাত দিয়ে গুণ করে মোট অংশ দিয়ে ভাগ করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সংকর ধাতু সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - লোহা ও কার্বনের সংকর ধাতু কোনটি, এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার দেখা যায়।
2. বাংলাদেশে উৎপাদিত নিম্নলিখিত কোন রাসায়নিকটি কৃষি খাতে সবচেয়ে ব্যবহৃত হয়?
Created 3 weeks ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অ্যামোনিয়াম সালফেট ১. কেন সঠিক: - অ্যামোনিয়াম সালফেট একটি অত্যন্ত কার্যকরী নাইট্রোজেন ও সালফার সমৃদ্ধ রাসায়নিক সার যা বাংলাদেশের কৃষি জমিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। - এটি উদ্ভিদের প্রোটিন সংশ্লেষণ ও ক্লোরোফিল বৃদ্ধিতে সরাসরি সহায়তা করে এবং উদ্ভিদের সামগ্রিক ফলন বৃদ্ধি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - রাসায়নিক সংকেত: অ্যামোনিয়াম সালফেটের রাসায়নিক সংকেত (NH4)2SO4। এটি পানিতে সহজেই দ্রবণীয় এবং মাটির সাথে দ্রুত বিক্রিয়া করে উদ্ভিদের পুষ্টি জোগান দেয়। - কার্যপ্রণালি: মাটিতে প্রয়োগ করার পর এটি ভেঙে অ্যামোনিয়াম ও সালফেট আয়নে পরিণত হয়, যা উদ্ভিদ শিকড়ের মাধ্যমে সহজেই শোষণ করতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধান চাষে ইউরিয়ার পাশাপাশি অ্যামোনিয়াম সলফেটের ব্যবহার। ব্যাখ্যা: এটি ধানের পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি সালফারের ঘাটতি পূরণ করে ফলন বাড়ায়। উদাহরণ ২: আলু ও চা চাষে এই সারের বিশেষ প্রয়োগ। ব্যাখ্যা: এই সার মাটির অম্লত্ব বজায় রাখতে সাহায্য করে যা আলু ও চা গাছের বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপযোগী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইট্রিক অ্যাসিড — এটি একটি তীব্র ক্ষয়কারী খনিজ এসিড এবং সার সরাসরি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় না, বরং সার তৈরিতে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) অ্যামোনিয়াম সালফেট — এটি সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশে কৃষি খাতে সর্বাধিক ব্যবহৃত রাসায়নিক সারগুলোর অন্যতম। C) পটাশিয়াম ক্লোرات বা পটাশিয়াম ক্লোরাইড — এটি পটাশিয়াম সার হিসেবে ব্যবহৃত হলেও অ্যামোনিয়াম সালফেটের মতো সার্বিক পরিমাণে ব্যবহৃত হয় না। D) ইথানল — এটি একটি অ্যালকোহলজাতীয় জৈব যৌগ যা জ্বালানি, ওষুধ ও শিল্প কারখানায় ব্যবহৃত হয়, কৃষিতে সার হিসেবে নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কৃষির প্রধান চালিকাশক্তি হলো সার আর অ্যামোনিয়াম সালফেট হলো তার মধ্যে অন্যতম প্রধান নাম। - সংকেত মনে রাখার সহজ উপায় হলো দুটি অ্যামোনিয়াম মূলকের সাথে একটি সালফেট মূলক যুক্ত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং কৃষিভিত্তিক ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের প্রশ্নে সারের রাসায়নিক সংকেত এবং পুষ্টি উপাদানের শতকরা হার সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।

মোট প্রশ্ন (1)

1. বহুল আলোচিত 'ডিপসিক' কোন দেশের সফটওয়্যার কোম্পানি?
Created 3 weeks ago | Updated 27 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চীন ১. কেন সঠিক: ডিপসিক হলো একটি চীনা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং সফটওয়্যার কোম্পানি। এটি বিশ্বব্যাপী ওপেন সোর্স এবং সাশ্রয়ী জেনারেটিভ এআই মডেল তৈরি করে প্রযুক্তি বাজারে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ডিপসিক হলো এমন একটি লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল বা জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তি যা মানুষের ভাষার মতো টেক্সট বুঝতে এবং তৈরি করতে পারে। কার্যপদ্ধতি: এটি বিশাল পরিমাণ ডেটা বিশ্লেষণ করে এবং বিশেষ অ্যালগরিদমের মাধ্যমে জটিল গাণিতিক ও প্রোগ্রামিং সমস্যার দ্রুত সমাধান দেয়। বৈশিষ্ট্য: কম খরচে উচ্চ কার্যক্ষমতা অর্জন এবং ওপেন সোর্স মডেলে সহজে ব্যবহার করার সুবিধা প্রদান করা এর প্রধান বৈশিষ্ট্য। ব্যবহার: কোডিং সহায়তা, তথ্য বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং চ্যাটবট তৈরিতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চ্যাটজিপিটি বা জেমিনির মতো ডিপসিক একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক সেবা। ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারীরা প্রম্পট লিখে এই সিস্টেম থেকে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর, প্রবন্ধ বা কোডিংয়ের সমাধান পেতে পারে। উদাহরণ ২: ডিপসিকের ভি থ্রি মডেল কোডিং ও গণিত সমাধানে বিশেষ পারদর্শী। ব্যাখ্যা: এটি কম কম্পিউটিং পাওয়ারে উন্নত মানের ফলাফল দিতে সক্ষম যা প্রযুক্তি বিশ্বে নতুন প্রতিযোগিতার সৃষ্টি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র ওপেনএআই বা গুগলের মতো এআই প্রযুক্তির জন্মস্থান হলেও ডিপসিক এই দেশের কোম্পানি নয়। B) দক্ষিণ কোরিয়া — দক্ষিণ কোরিয়া স্যামসাং ও এলজির মতো হার্ডওয়্যার উৎপাদনে এগিয়ে থাকলেও ডিপসিকের জন্মস্থান এখানে নয়। C) জাপান — জাপান রোবটিক্স ও প্রযুক্তিতে উন্নত হলেও ডিপসিক জাপানি কোনো সফটওয়্যার কোম্পানি নয়। D) চীন — এই অপশনটি সঠিক কারণ ডিপসিক চীনের একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা প্রতিষ্ঠান। ৫ মনে রাখার টিপস: ডিপসিক নামটি শুনলেই মনে রাখবে এটি চীনের তৈরি একটি সাশ্রয়ী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল। যুক্তরাষ্ট্রের ওপেনএআই কোম্পানির প্রতিযোগী হিসেবে বর্তমানে চিনের ডিপসিক বিশ্বজুড়ে আলোচনায় রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। জেনারেটিভ এআই এবং বিভিন্ন দেশের প্রযুক্তি কোম্পানির নাম থেকে প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।

মোট প্রশ্ন (5)

1. বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম তেল মজুদকৃত অঞ্চল- 'অরিনোকো বেল্ট' (Orinoco Belt) কোন দেশে অবস্থিত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভেনেজুয়েলা কেন সঠিক: - বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ভারী ও অতিভারী অপরিশোধিত তেলের প্রাকৃতিক মজুদ এই অঞ্চলে অবস্থিত। - ভৌগোলিক দিক থেকে এটি ভেনেজুয়েলার অরিনোকো নদী অববাহিকার উত্তর ও পূর্ব অংশে বিস্তৃত। ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান/আয়তন: এই তেলের বেল্টটি ভেনেজুয়েলার মধ্যাঞ্চলে প্রায় পঞ্চাশ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। - বিশেষত্ব: এখানে প্রচুর পরিমাণে বিটুমিনাস বা পিচ সদৃশ ভারী তেল রয়েছে যা উত্তোলনের জন্য বিশেষ প্রযুক্তির প্রয়োজন হয়। - তথ্য/উদাহরণ: এই অঞ্চলটি বিশ্বের বৃহত্তম হাইড্রোকার্বন সঞ্চয়গুলোর মধ্যে অন্যতম হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানাডা — কানাডার আলবার্টা প্রদেশে তেলের বালুকা মজুদ থাকলেও এটি অরিনোকো বেল্ট নয়। B) ব্রাজিল — ব্রাজিলের অর্থনীতি তেল সমৃদ্ধ হলেও এখানে বিখ্যাত প্রাক-লবণ বা অফশোর তেল ক্ষেত্র রয়েছে। D) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী দেশ হলেও এর নিজস্ব তেল ক্ষেত্রগুলো ভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: - অরিনোকো নদী এবং ভেনেজুয়েলার তেলের ভাণ্ডার একই সূত্রে গাঁথা, তাই অরিনোকো নাম দেখলেই ভেনেজুয়েলা মনে রাখবে।
2. গ্রিনল্যান্ড কোন দুইটি দেশের মাঝখানে অবস্থিত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক কেন সঠিক: - গ্রিনল্যান্ডের ভৌগোলিক অবস্থান উত্তর আমেরিকার উত্তর-পূর্ব অংশে আটলান্টিক ও আর্কটিক মহাসাগরের মাঝখানে অবস্থিত। - ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে এটি উত্তর আমেরিকার কাছাকাছি হলেও ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ। ভৌগোলিক তথ্য: - গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ যার আয়তন প্রায় ২১ লক্ষ বর্গকিলোমিটার। - এটি বিশ্বের সবচেয়ে কম জনবহুল অঞ্চলগুলোর একটি এবং এর প্রায় আংশিক বা সম্পূর্ণ অংশ বরফে ঢাকা থাকে। - এর অর্থনীতি মূলত মাছ ধরা এবং সামুদ্রিক সম্পদের উপর নির্ভরশীল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানাডা ও রাশিয়া — রাশিয়া এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত এবং এটি গ্রিনল্যান্ডের কাছাকাছি অবস্থিত কোনো দেশ নয়। B) যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া — রাশিয়া গ্রিনল্যান্ডের ভৌগোলিক সীমানা বা অঞ্চলের সাথে কোনোভাবেই যুক্ত নয়। C) ডেনমার্ক ও রাশিয়া — রাশিয়া এখানে সঠিক নয় কারণ রাশিয়ার সাথে গ্রিনল্যান্ডের কোনো ভৌগোলিক বা রাজনৈতিক নৈকট্য নেই। D) ডেনমার্ক ও রাশিয়া — অপশনটি ভুল কারণ রাশিয়া এই বিশাল দ্বীপটির অবস্থানের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: - গ্রিনল্যান্ড হলো এমন এক বিশাল বরফের দ্বীপ যা উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের মাঝে অবস্থিত এবং এর মালিকানা ডেনমার্কের হাতে।
3. টাঙ্গুয়ার হাওড় কোন জেলায় অবস্থিত?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সুনামগঞ্জ কেন সঠিক: ১. টাঙ্গুয়ার হাওড় বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও মধ্যনগর উপজেলায় অবস্থিত। ২. এটি সুরমা অববাহিকায় অবস্থিত একটি বিশাল জলাভূমি যা ভারতের মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে বিস্তৃত। ভৌগোলিক তথ্য: ১. এর আয়তন প্রায় একশ বর্গকিলোমিটার এবং এটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রামসার সাইট। ২. এটি শীতকালে লক্ষাধিক পরিযায়ী পাখির আবাসস্থল এবং এখানে বহু প্রজাতির মাছ ও জলজ উদ্ভিদ পাওয়া যায়। ৩. রামসার কনভেনশন অনুযায়ী এটি একটি আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুনামগঞ্জ — এই অপশনটি সঠিক কারণ টাঙ্গুয়ার হাওড় প্রশাসনিকভাবে সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত এবং এর জীববৈচিত্র্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। B) কিশোরগঞ্জ — এই জেলায় হাওড় অঞ্চল থাকলেও টাঙ্গুয়ার হাওড় এখানে অবস্থিত নয়, বরং এখানে হিজলকলি ও মিঠামইন হাওড় রয়েছে। C) চট্টগ্রাম — এই জেলাটি মূলত পাহাড়ী ও উপকূলীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং এখানে কোনো বড় হাওড় বা জলাভূমি নেই। D) শেরপুর — এটি একটি উত্তর সীমান্তবর্তী জেলা যেখানে পাহাড়ি নদী ও সমতল ভূমি রয়েছে, কোনো হাওড় নেই। মনে রাখার টিপস: সুনামগঞ্জের সু দিয়ে মনে রাখতে পারেন সুন্দর টাঙ্গুয়ার হাওড়, যা সুরমা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত।
4. বিশ্বের গভীরতম হ্রদের নাম কি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বৈকাল কেন সঠিক: রাশিয়া অবস্থিত এই হ্রদটির গভীরতা পৃথিবীর অন্য যেকোনো হ্রদের চেয়ে সর্বাধিক। এর তলদেশ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় এক হাজার ছয়শো মিটার নিচে অবস্থিত যা একে বিশ্বের গভীরতম হ্রদ বানিয়েছে। ভৌগোলিক তথ্য: এটি রাশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি আয়তনের দিক থেকেও পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম মিষ্টি জলের হ্রদ। বৈকাল হ্রদে পৃথিবীর মোট তরল মিষ্টি জলের প্রায় বিশ শতাংশ সংরক্ষিত রয়েছে যা এর প্রধান বিশেষত্ব। এই হ্রদে এমন অনেক প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণী দেখা যায় যা পৃথিবীর অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: B) লেক সুপিরিয়র — এটি উত্তর আমেরিকার বৃহত্তম মিষ্টি জলের হ্রদ হলেও বৈকালের মতো গভীরতম নয়। C) কাস্পিয়ান — এটি বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদ বা লবণাক্ত জলের সাগর, কিন্তু এটি গভীরতার দিক থেকে বৈকালের পরেই অবস্থান করে। D) চিলকা — এটি ভারতের একটি উপকূলীয় উপহ্রদ বা লগুন, যা আয়তনে অনেক ছোট এবং অগভীর। মনে রাখার টিপস: গভীরতম হ্রদ মনে রাখতে বৈকাল শব্দের সাথে বাইক শব্দ মেলাতে পারো, যার গভীরে যাওয়া অনেক কঠিন। রাশিয়ার সাইবেরিয়ার বরফাবৃত অঞ্চলে এই হ্রদটি অবস্থিত বলে এটি ঠান্ডা ও গভীরতার জন্য বিখ্যাত।
5. পৃথিবীর বৃহত্তম অরণ্যের নাম কি?
Created 3 weeks ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তৈগা কেন সঠিক: ১. রাশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলে অবস্থিত এই বিশাল পাইন ও ফার গাছের বনভূমি পৃথিবীর মোট অরণ্যভূমির বিশাল অংশ জুড়ে অবস্থান করে। ২. নিরক্ষীয় অঞ্চলের আমাজান অববাহিকা বা ক্রান্তীয় বৃষ্টিঅঞ্চল থেকেও উত্তর গোলার্ধের এই বায়োম আয়তনের দিক থেকে অনেক বেশি বড়। ভৌগোলিক তথ্য: ১. এটি মূলত উত্তর গোলার্ধের রাশিয়া, কানাডা, ও আলস্কা জুড়ে বিস্তৃত এবং পৃথিবীর স্থলভাগের প্রায় নয় শতাংশ দখল করে আছে। ২. এখানকার জলবায়ু অত্যন্ত ঠান্ডা এবং বরফাবৃত, যেখানে পাইন, স্প্রুস ও লার্চ জাতীয় কর্নফার গাছ প্রচুর পরিমাণে জন্মায়। ৩. শীতকাল অত্যন্ত দীর্ঘ ও বরফাবৃত এবং গ্রীষ্মকাল খুবই সংক্ষিপ্ত হওয়ার কারণে এখানে পর্ণমোচী গাছের চেয়ে চিরহরিৎ গাছ বেশি দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোবি — এটি মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত একটি বিশাল শীতল মরুভূমি, যা কোনো অরণ্য বা জঙ্গল নয়। B) আতাকামা — এটি দক্ষিণ আমেরিকার চিলিতে অবস্থিত পৃথিবীর অন্যতম শুষ্ক একটি মরুভূমি। C) দামোল — এটি কোনো প্রধান ভূগোলভিত্তিক বিশ্বমানের অরণ্য বা পরিচিত ভৌগোলিক অঞ্চল নয়। D) তৈগা — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং বিশ্বের বৃহত্তম বায়োম বা অরণ্য হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের বৃহত্তম বনভূমির নাম মনে রাখতে উত্তর গোলার্ধের ঠান্ডার কথা ভাবলে তৈগা শব্দটি সবার আগে মনে আসবে।