a লুইপা
b কাহ্নপা
c সরহ পা
d শবর পা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাহ্নপা ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদের কবিদের মধ্যে কাহ্নপা বা কৃষ্ণপাদ সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছিলেন। ড. সুকুমার সেনের মতে তিনি তেরোটি এবং অন্য মতে তাঁর মোট পদের সংখ্যা তেরোটি। - চর্যাপদ আবিষ্কারের পর থেকে এর পদসংখ্যা ও রচয়িতা নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা হয়েছে, যেখানে কাহ্নপার পদের সংখ্যাই সর্বোচ্চ বলে প্রমাণিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাহ্নপা চর্যাপদের অন্যতম প্রধান ও প্রভাবশালী কবি যিনি বজ্রযান ও সহজিয়া বৌদ্ধধর্মের সাধক ছিলেন। তাঁর রচিত পদগুলো মূলত তাত্ত্বিক ও সাধনভজনমূলক তথ্যে ভরপুর। - চর্যাপদের মোট আবিষ্কৃত পদ সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর কবি সংখ্যা চব্বিশ জন বলে সাধারণভাবে স্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাহ্নপার রচিত পদ সংখ্যা তেরোটি। ব্যাখ্যা: চর্যাপদে এককভাবে সর্বোচ্চ ততেরোটি পদ রচনা করে কাহ্নপা শীর্ষস্থান অধিকার করেছেন। উদাহরণ ২: ভুসুকুপা আটটি পদ রচনা করেছেন। ব্যাখ্যা: কাহ্নপার পরেই সর্বাধিক আটটি পদ রচনা করে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন ভুসুকুপা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লুইপা — লুইপা চর্যাপদের প্রথম কবি এবং তিনি মাত্র দুটি পদ রচনা করেছেন। B) কাহ্নপা — সঠিক উত্তর। C) সরহ পা — সরহ পা চর্যাপদের অন্যতম প্রাচীন কবি এবং তিনি চারটি পদ রচনা করেছেন। D) শবর পা — শবর পা চর্যাপদের একজন গুরুত্বপূর্ণ কবি এবং তিনি দুটি পদ রচনা করে গেছেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদ কার, তা মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো কাহ্নপা হলেন লেখার রাজা। - এভাবে কবিদের পদের সংখ্যা ক্রমানুসারে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের প্রথম পদটি রচনা করেছেন লুইপা এবং তাঁর পদের সংখ্যা দুটি। - এই ধরনের প্রশ্নে কবিদের পদের সংখ্যা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0