a ষোড়শ শতাব্দী
b সপ্তদশ শতাব্দী
c অষ্টাদশ শতাব্দী
d উনবিংশ শতাব্দী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উনবিংশ শতাব্দী ১. কেন সঠিক: - বাংলা গদ্য সাহিত্যের প্রকৃত উৎপত্তিকাল ও বিকাশ উনবিংশ শতাব্দীতে শুরু হয়েছিল। - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রতিষ্ঠা এবং মিশনারিদের উদ্যোগ বাংলা গদ্যের সূচনা ঘটায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগে পদ্য বা কবিতার আধিক্য ছিল এবং গদ্যের চর্চা প্রায় ছিলই না। - ১৮০০ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাংলা গদ্য লেখার প্রাতিষ্ঠানিক সূচনা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উইলিয়াম কেরির কথা বার্তা ব্যাখ্যা: এটি ১৮০১ সালে প্রকাশিত বাংলা গদ্যের একটি প্রারম্ভিক নিদর্শন। উদাহরণ ২: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বেতাল পঞ্চবিংশতি ব্যাখ্যা: এটি ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত বাংলা গদ্যের একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষোড়শ শতাব্দী — এই সময়ে বাংলা সাহিত্য মূলত বৈষ্ণব পদাবলি ও মঙ্গলকাব্যের মতো পদ্য রচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। B) সপ্তদশ শতাব্দী — এই যুগেও মধ্যযুগের মুসলিম কবিরা আরাকান রাজসভা ও পুথি সাহিত্যের পদ্য রচনায় মনোনিবেশ করেছিলেন। C) অষ্টাদশ শতাব্দী — এই শতাব্দীতে গদ্যের কোনো উল্লেখযোগ্য বা প্রাতিষ্ঠানিক চর্চা শুরু হয়নি, পদ্যই প্রধান ছিল। D) উনবিংশ শতাব্দী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শতকেই বাংলা গদ্য সাহিত্যের জন্ম ও বিকাশ ঘটেছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - পদ্যের যুগ প্রাচীন ও মধ্যযুগ এবং গদ্যের যুগ উনবিংশ শতাব্দী হিসেবে মনে রাখবে। - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের জন্মসাল ১৮০০ সাল মাথায় রাখলেই গদ্যের সূচনা শতাব্দী সহজে মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে। - বাংলা গদ্যের প্রথম গ্রন্থ কোনটি এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0