a কবিরাজ
b সম্রাট
c জ্ঞানী
d মানুষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কবিরাজ ১. কেন সঠিক: - নিত্য পুরুষবাচক শব্দ এমন শব্দকে বোঝায় যা সবসময় পুরুষ বা নরবাচক অর্থ প্রকাশ করে এবং এর কোনো স্ত্রীবাচক রূপ হয় না। - কবিরাজ শব্দটি দিয়ে এমন চিকিৎসককে বোঝায় যিনি আয়ুর্বেদ চিকিৎসা করেন এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে সর্বদা পুরুষবাচক শব্দ হিসেবে গণ্য হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কিছু শব্দ এমন থাকে যা সর্বদা পুরুষবাচক বা সর্বদা স্ত্রীবাচক হয়। - নিত্য পুরুষবাচক শব্দের ক্ষেত্রে কোনো স্ত্রীবাচক প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীবাচক শব্দ তৈরি করা যায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারোগা ব্যাখ্যা: দারোগা শব্দটি একটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দ, যার কোনো স্ত্রীবাচক রূপ নেই। উদাহরণ ২: কৃতদার ব্যাখ্যা: কৃতদার শব্দটি কেবল পুরুষের ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয় এবং এটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দের একটি আদর্শ উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবিরাজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দ। B) সম্রাট — এই অপশনটি ভুল কারণ সম্রাট শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হলো সম্রাজ্ঞী। C) জ্ঞানী — এই অপশনটি ভুল কারণ জ্ঞানী শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হলো জ্ঞানবতী বা জ্ঞানদীপ্তা। D) মানুষ — এই অপশনটি ভুল কারণ মানুষ একটি উভলিঙ্গ শব্দ যা নারী ও পুরুষ উভয়কেই বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যেসকল শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ ব্যাকরণগতভাবে প্রচলিত নেই বা তৈরি করা যায় না, সেগুলোকে নিত্য পুরুষবাচক হিসেবে মনে রাখবে। - কবিরাজ, দারোগা, ঢাকি, কৃতদার এই শব্দগুলো নিত্য পুরুষবাচক শব্দের সাধারণ উদাহরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য পুরুষবাচক ও নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দের ক্ষেত্রে সতীন, এয়ো, সধবা, গর্ভধারিণী ইত্যাদি শব্দগুলো ভালোভাবে মনে রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0