সাম্প্রতিক প্রশ্ন

a Careful
b Watchful
c Wakeful
d Mindful
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Watchful কেন সঠিক: - 'Vigilant' শব্দটির অর্থ হলো অত্যন্ত সতর্ক, সজাগ বা প্রহরারত। - 'Watchful' শব্দটির অর্থও গভীর নজর রাখা বা সতর্ক থাকা, যা মূল শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Careful — এর অর্থ যত্নশীল বা সাবধান, যা কোনো কাজ নিখুতভাবে করার ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত হয়। B) Watchful — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ সতর্ক বা সজাগ। C) Wakeful — এর অর্থ নিদ্রাহীন বা জেগে থাকা, যা সর্বদা মানসিক সতর্কতার অর্থ প্রকাশ করে না। D) Mindful — এর অর্থ মননশীল বা সচেতন, যা মূলত কোনো বিষয়ে মনোযোগী হওয়া বোঝায়। মনে রাখার টিপস: Vigilant শব্দের মাঝে guard বা পাহারা দেওয়ার ভাব আছে, তাই Watchful বা পাহারা দেওয়ার মতো সতর্ক থাকা এর সঠিক সমার্থক।
a নাফ
b কর্ণফুলী
c নবগঙ্গা
d ভাগীরথী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাফ কেন সঠিক: - নাফ নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে পৃথক করেছে। - এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ ও মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের সীমান্তবর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাফ — এটি বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্ত নির্ধারণকারী নদী হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) কর্ণফুলী — এটি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার প্রধান নদী এবং এর সঙ্গে মিয়ানমার সীমান্তের কোনো সম্পর্ক নেই। C) নবগঙ্গা — এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি নদী এবং এটি ভারত থেকে এসে দেশের অভ্যন্তরে প্রবাহিত হয়েছে। D) ভাগীরথী — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি প্রধান নদী এবং গঙ্গার একটি প্রধান শাখা নদী। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তে নাফ নদী বয়ে গেছে, তাই টেকনাফ সীমান্ত মনে রাখলেই নদীটির নাম সহজে মনে থাকবে।
a 3
b 3.5
c 5
d 7
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩.৫ কেন সঠিক: - ইসলামি উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী স্ত্রী সন্তান থাকলে মোট সম্পত্তির ১ অংশ বা ৮ ভাগের ১ অংশ পান, অর্থাৎ ২ জন স্ত্রী একত্রে ১৬ শতকের ৮ ভাগের ১ অংশ বা ২ শতক জমি পাবেন। - ২ স্ত্রী ২ শতক পাওয়ার পর বাকি থাকে ১৪ শতক, যা শরিয়াহ আইন অনুযায়ী পুত্র ও কন্যাদের মধ্যে ২ অনুপাত ১ অনুপাতে বণ্টিত হয় এবং এই নিয়মে ১ জন পুত্র ৩.৫ শতক জমি পান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ — এই পরিমাণটি সঠিক নিয়মে হিসাব করলে মেলে না, কারণ এটি সঠিক হিসবাংশের চেয়ে কম। B) ৩.৫ — এটি সঠিক হিসাব অনুযায়ী পুত্রের প্রাপ্য সম্পত্তির পরিমাণ। C) ৫ — এই হিসাবটি শরিয়াহ আইন বা উত্তরাধিকার বিধানের নিয়মের সাথে মিলে না এবং এটি অনেক বেশি। D) ৭ — এই পরিমাণটি সম্পূর্ণ সম্পত্তির প্রায় অর্ধেক, যা ১ জন পুত্রের জন্য নির্দিষ্ট শরিয়াহ নিয়মের অতিরিক্ত। মনে রাখার টিপস: প্রথমে স্ত্রীদের অংশ বাদ দিতে হবে এবং অবশিষ্ট সম্পত্তি পুত্র ও কন্যাদের মধ্যে দ্বিগুণ অনুপাতে ভাগ করতে হবে।
a ধ্বনিতত্ব
b শব্দতত্ত্ব
c বাক্যতত্ত্ব
d অর্থতত্ত্ব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাক্যতত্ত্ব ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে মূলত একটি অসঙ্গতি রয়েছে কারণ প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে বাক্যতত্ত্বকে নির্দেশ করা হয়েছে, যা আসলে বাংলা ব্যাকরণের মূল আলোচ্য বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত। বাংলা ব্যাকরণের মূল আলোচ্য বিষয় চারটি এবং বাক্যতত্ত্ব তার অন্যতম প্রধান একটি অংশ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার ব্যাকরণকে প্রধানত চারটি ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। এই চারটি ভাগ হলো ধ্বনিতত্ত্ব, শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব এবং অর্থতত্ত্ব। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাক্যতত্ত্ব ব্যাকরণের একটি মূল আলোচ্য বিষয়। ব্যাখ্যা: বাক্যের গঠন, বাক্যের প্রকারভেদ এবং কারক ইত্যাদি বিষয় বাক্যতত্ত্বে আলোচনা করা হয়। উদাহরণ ২: ধ্বনিতত্ত্ব ব্যাকরণের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়। ব্যাখ্যা: ধ্বনির উচ্চারণ, ধ্বনির পরিবর্তন এবং বর্ণমালা নিয়ে ধ্বনিতত্ত্বে আলোচনা করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনিতত্ত্ব — এটি বাংলা ব্যাকরণের একটি প্রধান আলোচ্য বিষয়, তাই এটি উত্তর হতে পারে না। B) শব্দতত্ত্ব — এটি বাংলা ব্যাকরণের একটি প্রধান আলোচ্য বিষয়, তাই এটি উত্তর হতে পারে না। C) বাক্যতত্ত্ব — এটি ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় হলেও প্রশ্ন বা উত্তরের অসঙ্গতির কারণে এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। D) অর্থতত্ত্ব — এটি বাংলা ব্যাকরণের একটি প্রধান আলোচ্য বিষয়, তাই এটি উত্তর হতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় মনে রাখার সহজ উপায় হলো ধ্বনি, শব্দ, বাক্য ও অর্থ এই চারটি মূল শব্দ মনে রাখা। ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে ব্যাকরণের মূল বিষয় চারটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়গুলো কোনটির মধ্যে কী আলোচনা করা হয় তা ভালোভাবে পড়তে হবে। রূপতত্ত্বের অপর নাম শব্দতত্ত্ব এবং এর আলোচ্য বিষয়গুলো বারবার পরীক্ষায় আসে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
d মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: বাংলা কাব্য সাহিত্যে মধ্যযুগের গণ্ডি পেরিয়ে আধুনিকতার ছোঁয়া আনার জন্য মাইকেল মধুসূদন দত্তকে আধুনিকতার জনক বলা হয়। তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেট প্রবর্তন করে বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বসাহিত্যের সমকক্ষ করে তোলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য রচনা করেন। তার লেখনীর মাধ্যমে বাংলা কাব্যে ট্র্যাজেডির সার্থক রূপায়ন ঘটে এবং বিষয়বস্তু ও ফর্মে আধুনিকতার সূচনা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত এবং এর মাধ্যমে আধুনিক বাংলা কাব্যের পথচলা শুরু হয়। উদাহরণ ২: চতুর্দশপদী কবিতাবলী ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যে সনেটের প্রথম সফল প্রয়োগ, যা মধুসূদন দত্ত ইতালীয় সনেটের আদলে বাংলায় প্রবর্তন করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা এবং আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি হলেও কাব্য সাহিত্যের আধুনিকতার জনক নন। B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক, কাব্য সাহিত্যের সঙ্গে তার মূল পরিচিতি নেই। C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি আধুনিক গদ্যরীতির জনক ও সমাজ সংস্কারক, কাব্য সাহিত্যের আধুনিকতার সঙ্গে তার ভূমিকা সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলা কাব্যে প্রথম আধুনিকতা এনেছেন যিনি, তার নামের সঙ্গে 'মাইকেল' শব্দ যুক্ত আছে। মধুসূদন দত্ত মানেই আধুনিক কাব্যের রূপকার ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবক্তা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা গদ্যের জনক (ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর) এবং কাব্যের আধুনিকতার জনকের (মাইকেল মধুসূদন দত্ত) প্রশ্ন আসে। এই দুটি বিষয় গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a 1320
b 1240
c 1290
d 99
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৩২০ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি ক্রমিক সংখ্যার যোগফল ৩৩ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ক + ১ তৃতীয় সংখ্যাটি = ক + ২ অতএব, ক + ক + ১ + ক + ২ = ৩৩ ৩ক + ৩ = ৩৩ ৩ক = ৩৩ − ৩ = ৩০ সুতরাং, ক = ৩০ ÷ ৩ = ১০ সংখ্যা তিনটি হলো ১০, ১১ এবং ১২ উত্তর: ১০ × ১১ × ১২ = ১৩২০
a ৯৬ টাকা
b ১২০ টাকা
c ১০০ টাকা
d ৬০ টাকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ঢাকা থেকে গাজীপুরের বর্তমান ভাড়া ৮০ টাকা ভাড়া বৃদ্ধির হার ২৫% ধরি, পূর্বের ভাড়া ১০০ টাকা হলে ২৫% বৃদ্ধিতে নতুন ভাড়া হয় ১২৫ টাকা অতএব, ভাড়া ১০০ টাকা হলে নতুন ভাড়া ১২৫ টাকা ভাড়া ১ টাকা হলে নতুন ভাড়া ১২৫ ÷ ১০০ টাকা সুতরাং, ভাড়া ৮০ টাকা হলে নতুন ভাড়া ১২৫ × ৮০ ÷ ১০০ টাকা = ১০০ টাকা (এখানে প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক হিসাব হবে ৮০ টাকার ২৫% হলো ২০ টাকা) উত্তর: ৮০ + ২০ = ১২০ টাকা
a আমেরিকা
b জাপান
c দক্ষিণ কোরিয়া
d রাশিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাশিয়া কেন সঠিক: - বাংলাদেশের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে প্রধান প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করছে রাশিয়া। - রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন রোসাটম এই প্রকল্পের মূল বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমেরিকা — আমেরিকা বাংলাদেশের এই পারমাণবিক প্রকল্পে কোনো আর্থিক বা প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করেনি। B) জাপান — জাপান রূপপুর প্রকল্পে যুক্ত নয়, তবে তারা দেশের অন্যান্য মেগা প্রকল্পে সহায়তা করে। সি) দক্ষিণ কোরিয়া — দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পে সরাসরি কোনো অংশীদারিত্ব বা সহায়তা দেয়নি। ডি) রাশিয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সাথে রাশিয়ার রোসাটম কোম্পানি জড়িত, তাই মনে রাখবেন রূপপুর মানেই রাশিয়া।
a প্রত্যয়
b বিভক্তি
c বলক
d উপসর্গ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপসর্গ ১. কেন সঠিক: - উপসর্গ শব্দের বা ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, তাই এটি কখনো শব্দের শেষে যুক্ত হয় না। - বাংলা ব্যাকরণে যেসব শব্দাংশ শব্দের শেষে বসে, সেগুলো হলো প্রত্যয় ও বিভক্তি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো এক বা একাধিক ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যা স্বাধীন পদ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে না এবং শব্দের শুরুতে বসে অর্থের পরিবর্তন ঘটায়। - বাংলা ভাষায় উপসর্গ প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত, যেমন খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্র + হার = প্রহার ব্যাখ্যা: এখানে প্র হলো উপসর্গ যা হার শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: পরি + পূর্ণ = পরিপূর্ণ ব্যাখ্যা: এখানে পরি উপসর্গটি পূর্ণ শব্দের শুরুতে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রত্যয় — প্রত্যয় শব্দের মূল বা প্রকৃতির পরে যুক্ত হয়, তাই এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে মিলে না। B) বিভক্তি — বিভক্তি শব্দের শেষে বা কারক বোঝাতে পদের সাথে যুক্ত হয়, তাই এটি শব্দের শেষে বসে। C) বলক — বলক বা নিপাতনে সিদ্ধ শব্দাংশ কখনো শব্দের ওপর জোর দিতে শেষে বসে, যা এই প্রাঙ্গণে প্রযোজ্য। D) উপসর্গ — উপসর্গ শব্দের শুরুতে বসে, তাই এটি শব্দের শেষে যুক্ত হয় না এবং এটিই সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - উপসর্গ থাকে উ (উপরে বা প্রথমে), তাই উপসর্গ বসে শব্দের শুরুতে। - প্রত্যয় ও বিভক্তি বসে শব্দের শেষে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে এবং এর নিজস্ব কোনো অর্থ নেই। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ ও প্রত্যয় সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই অবস্থান ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a Allow
b Warn
c Restrict
d Prohibit
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Allow কেন সঠিক: - 'Forbid' শব্দের অর্থ কোনো কিছু নিষেধ করা বা বারণ করা। - 'Allow' শব্দের অর্থ অনুমতি দেওয়া বা সম্মত হওয়া, যা ফরবিড শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Allow - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ফরবিড শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ। B) Warn - এর অর্থ সতর্ক করা, যা ফরবিড শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। C) Restrict - এর অর্থ সীমিত বা সীমাবদ্ধ করা, যা ফরবিড শব্দের সমার্থক শব্দ। D) Prohibit - এর অর্থ নিষিদ্ধ করা, যা ফরবিড শব্দের সরাসরি সমার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: ফরবিড অর্থ মানা করা আর অ্যালাও অর্থ অনুমতি দেওয়া। এভাবে বিপরীত শব্দ দুটি মনে রাখা সহজ।

Showing 71-80 results of 100 questions