সাম্প্রতিক প্রশ্ন

a 2টি
b 3টি
c 4টি
d 5টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩টি প্রদত্ত তথ্য: P = a, b Q = b, c R = 3, 4 ধরি, প্রথম সেট P = a, b দ্বিতীয় সেট Q = b, c তৃতীয় সেট R = 3, 4 অতএব, P ∩ Q = a, b ∩ b, c = b এখন (P ∩ Q) ∪ R = b ∪ 3, 4 সুতরাং উপাদানগুলো হলো b, 3, 4 সুতরাং, উপাদানগুলোর মোট সংখ্যা গণনা করে পাই মোট উপাদান = ৩টি উত্তর: ৩টি
a ভিটামিন-সি
b ভিটামিন-এ
c ভিটামিন-ডি
d ভিটামিন-ই
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভিটামিন-সি ১. কেন সঠিক: ভিটামিন-সি পানিতে অত্যন্ত দ্রবণীয় একটি পুষ্টি উপাদান যা মানবদেহে জমা থাকে না। অতিরিক্ত মাত্রা শরীরের তরলের মাধ্যমে প্রস্রাবের সাথে বের হয়ে যায় বলে এর নিয়মিত ঘাটতি পূরণের প্রয়োজন হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: প্রধান ধারণা: দ্রাব্যতা অনুসারে ভিটামিন প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত, যথা ফ্যাট সলিউবল বা চর্বিতে দ্রবণীয় এবং ওয়াটার সলিউবল বা পানিতে দ্রবণীয়। কার্যপ্রণালি: ভিটামিন-সি অণুতে পোলার হাইড্রোক্সিল গ্রুপ থাকার কারণে এটি পানির অণুর সাথে হাইড্রোজেন বন্ধন গঠন করে সহজেই দ্রবীভূত হতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লেবু বা কমলার রস পানিতে গুলিয়ে শরবত তৈরি করলে ভিটামিন-সি সম্পূর্ণভাবে পানিতে মিশে যায়। ব্যাখ্যা: এটি ভিটামিনটির জলীয় দ্রবণীয়তার ধর্মকে সরাসরি প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: শাকসবজি অনেকক্ষণ পানিতে সিদ্ধ করলে রান্নার পানির সাথে ভিটামিন-সি চলে যায়। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত পানিতে রান্না করলে পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন লিক করে পুষ্টিমান নষ্ট হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন-সি — এটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক উত্তর কারণ এটি পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। B) ভিটামিন-এ — এটি ফ্যাট সলিউবল বা চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা যকৃতে জমা থাকে। C) ভিটামিন-ডি — এটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা রোদ থেকে ত্বকে সংশ্লেষিত হয়। D) ভিটামিন-ই — এটি ফ্যাট সলিউবল ভিটামিন যা লিপিড মেমব্রেন সুরক্ষায় কাজ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন মনে রাখার জন্য বি এবং সি (B and C) এই দুটি বর্ণ মনে রাখবে। বাকি ভিটামিনগুলো সাধারণত চর্বিতে দ্রবণীয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই ভিটামিনের দ্রাব্যতা সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। ভিটামিন বি কমপ্লেক্স এবং ভিটামিন সি হলো পানিতে দ্রবণীয়।
a dias
b daias
c dais
d deis
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) dais কেন সঠিক: - dais শব্দটি এমন একটি উঁচু মঞ্চকে বোঝায় যেখানে দাঁড়িয়ে বক্তারা বক্তৃতা দেন বা সম্মানীয় ব্যক্তিরা বসেন। - প্রদত্ত ইংরেজি শব্দটির সঠিক বানান এবং অর্থ এই প্রশ্নটির জন্য পুরোপুরি উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) dias — এটি বানান ভুলের কারণে সঠিক উত্তর নয় কারণ সঠিক বানানটি হলো dais। B) daias — এটি একটি বানানগত ভুল রূপ যার কোনো বাস্তব ইংরেজি অর্থ নেই। C) dais — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর যা বক্তৃতার উঁচু মঞ্চ বোঝায়। D) deis — এটি একটি ভুল বানান এবং প্রাচীন রূপ যা আধুনিক ইংরেজি অভিধানে এই অর্থে গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: dais বানানটি মনে রাখার জন্য শেষের দিকে i এবং s পাশাপাশি থাকে এভাবে মনে রাখতে পারো।
a Taxpayer’s Identification Number
b Turnover Number
c Total in Number
d Total Illitaracy Number
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Taxpayer’s Identification Number কেন সঠিক: - এটি করদাতাদের পরিচিতি নম্বর যা জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে প্রদান করা হয়। - বৈধভাবে কর দেওয়ার জন্য এটি একটি অপরিহার্য ইউনিক নম্বর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Taxpayer’s Identification Number — এটি করদাতার সঠিক পরিচিতি নম্বর নির্দেশ করে বিধায় সঠিক উত্তর। B) Turnover Number — এটি ব্যবসার লেনদেন বা আবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত, করদাতা পরিচিতির সঙ্গে নয়। C) Total in Number — এটি কোনো গাণিতিক বা সংখ্যাগত মোট পরিমাণ বোঝায়, যা ট্যাক্সের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) Total Illitaracy Number — এটি নিরক্ষরতার মোট সংখ্যা বোঝায়, যা সম্পূর্ণ অর্থহীন এবং অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: ট্যাক্স বা কর পরিশোধকারী ব্যক্তির আইডি বোঝাতে Taxpayer শব্দটি মনে রাখলেই সঠিক উত্তরটি সহজে চিনে নেওয়া যায়।
a পুর+কার
b পুরস্+কার
c পুরঃ+কার
d পুরণ+কার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পুরঃ+কার ১. কেন সঠিক: - এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম, যেখানে বিসর্গের পর ক, খ, প বা ফ থাকলে বিসর্গ স্থানে দন্ত স হয়। - এখানে পুরঃ বিসর্গের সঙ্গে কার যোগ হয়ে বিসর্গটি দন্ত স এ রূপান্তরিত হয়ে পুরস্কার গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী অ বা আ কারের পর বিসর্গ এবং তার পরে ক, খ, প বা ফ থাকলে বিসর্গের পরিবর্তে দন্ত স হয়। - এই নিয়মের অধীনে পুরঃ যোগ কার মিলে পুরস্কার শব্দটির সৃষ্টি হয়, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নমঃ+কার = নমস্কার ব্যাখ্যা: অ কারের পর বিসর্গ এবং তার পরে ক থাকায় বিসর্গ দন্ত স এ পরিণত হয়েছে। উদাহরণ ২: ভাঃ+কর = ভাস্কর ব্যাখ্যা: এখানেও বিসর্গ সন্ধির নিয়মে বিসর্গের পরিবর্তে দন্ত স যুক্ত হয়ে ভাস্কর শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুর+কার — এই গঠনে কোনো সন্ধির নিয়ম বা প্রমিত ব্যাকরণ অনুসরণ করা হয়নি। B) পুরস্+কার — বিসর্গ সন্ধিতে সরাসরি হসন্তযুক্ত স যুক্ত হয় না, বরং বিসর্গ পরিবর্তন হয়ে স আসে। D) পুরণ+কার — এখানে মূল শব্দের বানান ও সন্ধির নিয়মের সঙ্গে কোনো মিল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিসর্গের পরে ক থাকলে বিসর্গ স এ রূপান্তর করার নিয়মটি মনে রাখবে। - পুরস্কার এবং নমস্কার শব্দ দুটি একই নিয়মের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় একসঙ্গে চর্চা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধি থেকে বিসিএস ও অন্যান্য চাকরীর পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন হয়ে থাকে। - বানরীতি ও সন্ধি একসঙ্গে শেখার জন্য এই ধরনের শব্দ বেশি করে অনুশীলন করতে হবে।
a বিন্দু
b ত্রিবিন্দু
c বিকল্পচিহ্ন
d কোলন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিন্দু ১. কেন সঠিক: শব্দসংক্ষেপ বা কোনো শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ প্রকাশ করতে এবং ক্রমনির্দেশ বা সংখ্যার পর যতিচিহ্ন হিসেবে বিন্দু ব্যবহৃত হয়। বাংলা ব্যাকরণে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর যতিচিহ্নের প্রবর্তন ও ব্যবহার সুনির্দিষ্ট করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বাক্য বা বাক्याংশের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্নের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিন্দু চিহ্নটি সাধারণত কোনো শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ বোঝাতে কিংবা ক্রমিক সংখ্যা বা বর্ণ দিয়ে তালিকা প্রস্তুত করার সময় ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ব্যাখ্যা: এখানে ডক্টর শব্দটির সংক্ষিপ্ত রূপ বোঝাতে বিন্দু ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ব্যাখ্যা: এখানে ক্রমিক নম্বর নির্দেশ করার জন্য বিন্দুর ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিন্দু — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি শব্দসংক্ষেপ ও ক্রমনির্দেশে ব্যবহৃত হয়। B) ত্রিবিন্দু — কোনো লেখার অংশ বাদ দেওয়া হয়েছে বা অসম্পূর্ণ রাখা হয়েছে তা বোঝাতে ত্রিবিন্দু ব্যবহৃত হয়। C) বিকল্পচিহ্ন — দুটি শব্দের যেকোনো একটি বেছে নিতে বা বিকল্প বোঝাতে বিকল্পচিহ্ন ব্যবহৃত হয়। D) কোলন — একটি পূর্ণ বাক্যের পর অন্য বাক্যের অবতারণা করতে বা উদাহরণ দিতে কোলন ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নামের সংক্ষিপ্ত রূপ লেখার সময় বা এক, দুই, তিন লেখার পর যে ছোট ফোঁটা বা ডট ব্যবহার করা হয় তাকেই বিন্দু বলা হয়। এটি ক্রম মনে রাখতে সাহায্য করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোন যতিচিহ্ন কত সেকেন্ড থামতে হয় এবং এর কাজ কী, তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ইনসুলিন
b পেপসিন
c পেনিসিলিন
d ইথিলিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পেনিসিলিন ১. কেন সঠিক: - পেনিসিলিন হলো বিশ্বের প্রথম আবিষ্কৃত এন্টিবায়োটিক যা ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর গঠনে বাধা দিয়ে তাদের ধ্বংস করে। - এটি মানবদেহে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ প্রতিহত করে রোগ নিরাময়ে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: এন্টিবায়োটিক হলো এমন এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ যা অণুজীব থেকে উৎপন্ন হয়ে অন্য অণুজীব বিশেষ করে ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস বা তাদের বৃদ্ধি রোধ করে। - কার্যপ্রণালি: এটি ব্যাকটেরিয়ার পেপটিডোগ্লাইকান নামক বিশেষ স্তর তৈরি হতে দেয় না, ফলে ব্যাকটেরিয়ার কোষ ফেটে মারা যায়। - আবিষ্কার: স্কটিশ বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৮ সালে পেনিসিলিয়াম নোটাটাম নামক ছত্রাক থেকে পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিউমোনিয়া বা ডিপথেরিয়ার চিকিৎসায় পেনিসিলিন জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি রোগীর শরীরে বংশবৃদ্ধি করা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে দ্রুত সুস্থ করে তোলে। উদাহরণ ২: দাঁতের ইনফেকশন বা ক্ষত সারাতে চিকিৎসকরা এন্টিবায়োটিক দেন। ব্যাখ্যা: এটি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার রোধ করে ক্ষতস্থান দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইনসুলিন — এটি কোনো এন্টিবায়োটিক নয়, বরং অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত এক ধরনের হরমোন যা রক্তের গ্লুকোজ বা শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। B) পেপসিন — এটি পাকস্থলীতে উৎপাদিত এক ধরনের পরিপাককারী এনজাইম বা উৎসেচক যা আমিষ জাতীয় খাদ্য ভাঙতে সাহায্য করে। C) পেনিসিলিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি শক্তিশালী এন্টিবায়োটিক যা ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ নিরাময় করে। D) ইথিলিন — এটি একটি গ্যাসীয় উদ্ভিদ হরমোন যা ফল পাকাতে প্রাকৃতিক ও কৃত্রিমভাবে সাহায্য করে। ৫ মনে রাখার টিপস: পেনিসিলিন শব্দটি শুনলেই আলেকজান্ডার ফ্লেমিং এবং এন্টিবায়োটিক কথাটি মাথায় রাখবে। অন্যান্য হরমোন বা এনজাইমের নামের সাথে এন্টিবায়োটিকের নাম গুলিয়ে ফেলবে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্বের প্রথম এন্টিবায়োটিক আবিষ্কারক কে এবং কত সালে তা আবিষ্কৃত হয়, এই প্রশ্নটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ এবং ভাইরাসবাহিত রোগের পার্থক্য ভালোভাবে জেনে রাখা উচিত।
a 12
b 13
c 11
d 14
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪ প্রদত্ত তথ্য: দুটি ক্রমিক জোড় সংখ্যার সমষ্টি = ২৬ ধরি, ছোট জোড় সংখ্যাটি = ক বড় জোড় সংখ্যাটি = ক + ২ অতএব, প্রশ্নমতে, ক + ক + ২ = ২৬ সুতরাং, ২ক + ২ = ২৬ ২ক = ২৬ − ২ = ২৪ উত্তর: ক = ২৪ ÷ ২ = ১২ বড় জোড় সংখ্যাটি = ১২ + ২ = ১৪
a বারিধি
b অবনী
c মহী
d ক্ষিতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বারিধি ১. কেন সঠিক: - বারিধি শব্দের অর্থ সমুদ্র, কারণ এখানে বারি শব্দের অর্থ পানি এবং ধি বা নিধি শব্দের অর্থ আধার বা ভান্ডার। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের মূল অর্থ ও প্রত্যয়ের যোগে গঠিত সমার্থক শব্দগুলোর মাধ্যমে সঠিক উত্তর নির্ণয় করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই সমস্ত শব্দ যাদের অর্থ প্রায় সমান বা একই রকম। - এই প্রশ্নটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ এবং সমার্থক শব্দের আওতাভুক্ত, যেখানে পানির বিভিন্ন উৎসের সঙ্গে আধারবাচক শব্দ যুক্ত হয়ে সমুদ্র বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পারাবার ব্যাখ্যা: পারাবার শব্দের অর্থ সমুদ্র, কারণ এর আক্ষরিক অর্থ পারের অবসান বা অপার জলরাশি। উদাহরণ ২: রত্নাকর ব্যাখ্যা: রত্নাকর শব্দের অর্থ সমুদ্র, কারণ সমুদ্রের তলদেশে নানা ধরনের রত্ন বা মূল্যবান সম্পদ জমা থাকে বলে একে রত্নাকর বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বারিধি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সমুদ্র। B) অবনী — এই অপশনটি ভুল কারণ অবনী শব্দের অর্থ পৃথিবী বা ধরা। C) মহী — এই অপশনটি ভুল কারণ মহী শব্দের অর্থ পৃথিবী বা বসুন্ধরা। D) ক্ষিতি — এই অপশনটি ভুল কারণ ক্ষিতি শব্দের অর্থ পৃথিবী বা মাটি। ৫. মনে রাখার টিপস: - পানির সমার্থক শব্দের শেষে ধি, নিধি, পারাবার বা কর যুক্ত থাকলে সাধারণত তা সমুদ্রের সমার্থক শব্দ হয়। - পৃথিবীর সমার্থক শব্দগুলোর সাথে সমুদ্রের সমার্থক শব্দগুলো গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমুদ্র এবং পৃথিবীর সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই অপশনে মিলিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করে। - পানির শব্দের শেষে ধি বা কার যোগ করার নিয়মটি মনে রাখলে সমুদ্রের সমার্থক শব্দ সহজে চিহ্নিত করা যায়।
a the
b an
c a
d for
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) an কেন সঠিক: - M.A. শব্দটির শুরুতে এম (M) উচ্চারণ করতে স্বরবর্ণ এ (A)-এর সাহায্য নিতে হয়। - উচ্চারণের শুরুতে স্বরবর্ণের ধ্বনি আসায় এর পূর্বে নিয়ম অনুযায়ী an বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the — নির্দিষ্ট করে কোনো বিশেষ ব্যক্তিকে বোঝাতে এটি বসে না। B) an — সঠিক উত্তর কারণ এটি স্বরবর্ণের উচ্চারণের নিয়ম মেনে চলে। C) a — ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ দিয়ে শুরু শব্দে বসে, কিন্তু M.A. উচ্চারণে স্বরবর্ণ আসে। D) for — এটি একটি প্রিপজিশন, যা শূন্যস্থানে grammatical structure অনুযায়ী বসে না। মনে রাখার টিপস: সংক্ষিপ্ত রূপ বা abbreviation-এর প্রথম অক্ষর উচ্চারণের সময় যদি স্বরবর্ণের মতো শোনায়, তবে তার পূর্বে an বসাতে হবে।

Showing 51-60 results of 100 questions