বিভিন্ন অধিদপ্তর ও পরিদপ্তর

ভূমি জরিপ অধিদপ্তরে যাঁচ মোহরার পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: যাচ মোহরার (২০তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (90)

a বিন্দু
b ত্রিবিন্দু
c বিকল্পচিহ্ন
d কোলন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিন্দু ১. কেন সঠিক: শব্দসংক্ষেপ বা কোনো শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ প্রকাশ করতে এবং ক্রমনির্দেশ বা সংখ্যার পর যতিচিহ্ন হিসেবে বিন্দু ব্যবহৃত হয়। বাংলা ব্যাকরণে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর যতিচিহ্নের প্রবর্তন ও ব্যবহার সুনির্দিষ্ট করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বাক্য বা বাক्याংশের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্নের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিন্দু চিহ্নটি সাধারণত কোনো শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ বোঝাতে কিংবা ক্রমিক সংখ্যা বা বর্ণ দিয়ে তালিকা প্রস্তুত করার সময় ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ব্যাখ্যা: এখানে ডক্টর শব্দটির সংক্ষিপ্ত রূপ বোঝাতে বিন্দু ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ব্যাখ্যা: এখানে ক্রমিক নম্বর নির্দেশ করার জন্য বিন্দুর ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিন্দু — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি শব্দসংক্ষেপ ও ক্রমনির্দেশে ব্যবহৃত হয়। B) ত্রিবিন্দু — কোনো লেখার অংশ বাদ দেওয়া হয়েছে বা অসম্পূর্ণ রাখা হয়েছে তা বোঝাতে ত্রিবিন্দু ব্যবহৃত হয়। C) বিকল্পচিহ্ন — দুটি শব্দের যেকোনো একটি বেছে নিতে বা বিকল্প বোঝাতে বিকল্পচিহ্ন ব্যবহৃত হয়। D) কোলন — একটি পূর্ণ বাক্যের পর অন্য বাক্যের অবতারণা করতে বা উদাহরণ দিতে কোলন ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নামের সংক্ষিপ্ত রূপ লেখার সময় বা এক, দুই, তিন লেখার পর যে ছোট ফোঁটা বা ডট ব্যবহার করা হয় তাকেই বিন্দু বলা হয়। এটি ক্রম মনে রাখতে সাহায্য করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোন যতিচিহ্ন কত সেকেন্ড থামতে হয় এবং এর কাজ কী, তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a কানাই
b গেঁয়ো
c চোরা
d বেতো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চোরা ১. কেন সঠিক: 'অবজ্ঞা' বা তুচ্ছতা প্রকাশ করতে বাংলা ভাষায় কিছু উপসর্গ বা শব্দাংশ শব্দের পূর্বে বসে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। এখানে 'চোরা' শব্দটি সাধারণ অর্থে চোর না বুঝিয়ে, কোনো কিছুর ভেজাল, গোপন দোষ কিংবা অবজ্ঞা বা নগ্নতা বোঝাতে উপসর্গ বা বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে কিছু শব্দ নিজস্ব মূল অর্থ পরিবর্তন করে উপসর্গ বা বিশেষণের মতো অবজ্ঞা, ক্ষুদ্রতা কিংবা তুচ্ছতা প্রকাশ করে। শব্দের এই বিশেষ প্রয়োগ বাক্যের contextos বা প্রসঙ্গের ওপর নির্ভর করে ভাবার্থ প্রকাশ করে এবং বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরা হাসি ব্যাখ্যা: এখানে হাসিটি স্বাভাবিক নয়, বরং গোপন বা অবজ্ঞাসূচক মনোভাব প্রকাশ করতে চোরা শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: চোরাালি ব্যাখ্যা: গোপন বা ভেজাল গলি বোঝাতে বা তুচ্ছ অর্থে এই শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানাই — এটি সাধারণত কৃষ্ণের একটি নাম বা গ্রামীণ নাম বোঝায়, যা অবজ্ঞা অর্থে ব্যবহৃত হয় না। B) গেঁয়ো — এটি গ্রাম্য বা অপ্রধূমিক কোনো বৈশিষ্ট্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, অবজ্ঞা অর্থে প্রধানত চোরা শব্দটি এখানে প্রযোজ্য। D) বেতো — এটি বাত রোগাক্রান্ত বা দুর্বল কোনো অবস্থাকে নির্দেশ করে, অবজ্ঞা অর্থে এটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: চোরা মানেই সবসময় চোর নয়, কখনো কখনো এটি গোপন অবস্থা বা অবজ্ঞার ভাব প্রকাশ করে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের এই বিশেষ ভাবার্থ বা প্রয়োগগুলো ভালোভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দের আভিধানিক অর্থের বাইরেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রমিত ও বিশেষ প্রয়োগমূলক প্রশ্ন আসে। বাক্যের ভাবার্থ বুঝে শব্দের সঠিক অর্থ নির্ণয় করার অভ্যাস রাখতে হবে।
a নিখুঁত
b আনমন
c অবহেলা
d নিমরাজি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিমরাজি ১. কেন সঠিক: - নিমরাজি শব্দটি গঠিত হয়েছে ফারসি ভাষা থেকে আগত নিম উপসর্গ এবং রাজি শব্দের মিলনে। - এখানে নিম একটি বিদেশি উপসর্গ যা আধা বা অর্ধেকের কম অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন বা সংকোচন ঘটায়। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয় যথা বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিমখরম ব্যাখ্যা: এটি একটি ফারসি উপসর্গযুক্ত শব্দ যেখানে নিম উপসর্গটি খারাপ বা অকৃতজ্ঞ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: নিমরাজি ব্যাখ্যা: এটি একটি ফারসি উপসর্গযুক্ত শব্দ যেখানে নিম উপসর্গটি অর্ধেক বা কম রাজি হওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিখুঁত — এটি একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ নি দ্বারা গঠিত শব্দ। B) আনমন — এটি একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ আন দ্বারা গঠিত শব্দ। C) অবহেলা — এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ অব দ্বারা গঠিত শব্দ। D) নিমরাজি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে বিদেশি বা ফারসি উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদেশি উপসর্গ মনে রাখার সহজ উপায় হলো ফারসি, আরবি ও ইংরেজি উপসর্গগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখা। - নিম, বর, বদ, কম, হদর, ফি হলো প্রধান ফারসি উপসর্গ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ চিহ্নিত করতে বলা হয়। - শব্দের উৎস বুঝতে পারলে উপসর্গ সহজে আলাদা করা যায়।
a প্রত্যয়
b বিভক্তি
c বলক
d উপসর্গ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপসর্গ ১. কেন সঠিক: - উপসর্গ শব্দের বা ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, তাই এটি কখনো শব্দের শেষে যুক্ত হয় না। - বাংলা ব্যাকরণে যেসব শব্দাংশ শব্দের শেষে বসে, সেগুলো হলো প্রত্যয় ও বিভক্তি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো এক বা একাধিক ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যা স্বাধীন পদ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে না এবং শব্দের শুরুতে বসে অর্থের পরিবর্তন ঘটায়। - বাংলা ভাষায় উপসর্গ প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত, যেমন খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্র + হার = প্রহার ব্যাখ্যা: এখানে প্র হলো উপসর্গ যা হার শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: পরি + পূর্ণ = পরিপূর্ণ ব্যাখ্যা: এখানে পরি উপসর্গটি পূর্ণ শব্দের শুরুতে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রত্যয় — প্রত্যয় শব্দের মূল বা প্রকৃতির পরে যুক্ত হয়, তাই এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে মিলে না। B) বিভক্তি — বিভক্তি শব্দের শেষে বা কারক বোঝাতে পদের সাথে যুক্ত হয়, তাই এটি শব্দের শেষে বসে। C) বলক — বলক বা নিপাতনে সিদ্ধ শব্দাংশ কখনো শব্দের ওপর জোর দিতে শেষে বসে, যা এই প্রাঙ্গণে প্রযোজ্য। D) উপসর্গ — উপসর্গ শব্দের শুরুতে বসে, তাই এটি শব্দের শেষে যুক্ত হয় না এবং এটিই সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - উপসর্গ থাকে উ (উপরে বা প্রথমে), তাই উপসর্গ বসে শব্দের শুরুতে। - প্রত্যয় ও বিভক্তি বসে শব্দের শেষে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে এবং এর নিজস্ব কোনো অর্থ নেই। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ ও প্রত্যয় সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই অবস্থান ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a বিশেষণ
b বিশেষ্য
c সর্বনাম
d অব্যয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশেষণ ১. কেন সঠিক: - ‘মহাজাগতিক’ শব্দটি বিশেষ্য পদের পূর্বে বসে তার দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করায় এটি বিশেষণ পদ। - বিশেষ্য পদ ‘মহাজাগতিক’ মূলত গঠিত হয়েছে মহা এবং জগৎ শব্দের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে, যা বিশেষণের কাজ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ কোনো বিশেষ্য, সর্বনাম বা ক্রিয়ার দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ পদ বলে। - বিশেষ্য পদকে বিশেষণ করার সময় শব্দের শেষে সাধারণত ইিক বা স্কীয় প্রত্যয় যুক্ত হয়, যেমন জগৎ থেকে মহাজাগতিক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাজাগতিক রশ্মি আমাদের পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে এসে পৌঁছায়। ব্যাখ্যা: এখানে রশ্মি বিশেষ্য পদের গুণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করায় মহাজাগতিক শব্দটি বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: বিজ্ঞানীরা মহাজাগতিক রহস্য উদঘাটনে নিরলস গবেষণা করে যাচ্ছেন। ব্যাখ্যা: এখানে রহস্য বিশেষ্যের বিশেষ অবস্থা বা ধরণ বোঝাতে মহাজাগতিক বিশেষণ পদটি বসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষণ — সঠিক উত্তর কারণ এটি বিশেষ্যের দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে। B) বিশেষ্য — ভুল কারণ বিশেষ্য হলো কোনো কিছুর নাম, অথচ মহাজাগতিক কোনো নির্দিষ্ট নাম নয় বরং গুণ বা অবস্থা। C) সর্বনাম — ভুল কারণ সর্বনাম পদের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে হয়নি। D) অব্যয় — ভুল কারণ অব্যয়ের কোনো পরিবর্তন হয় না এবং এটি পদের সংযোগ ঘটায়, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শব্দের শেষে ইক বা স্কীয় প্রত্যয় দেখলে সাধারণত সেটিকে বিশেষণ পদ হিসেবে ধরে নিতে পারেন। - বাক্যে বিশেষ্য পদের ঠিক আগে বসে কেমন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সাধারণত বিশেষণ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের রূপান্তর থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মূল শব্দ বিশেষ্য হলেও তার সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে তা বিশেষণ পদে রূপ নিতে পারে, এই বিষয়টি খেয়াল রাখবেন।
a লালন শাহ
b হাসন রাজা
c পাগলা কানাই
d রাধারমণ দত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লালন শাহ ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটি মূলত বাংলা সাহিত্য ও লোকসাহিত্য ধারার অন্তর্গত। 'আমার ঘরের চাবি পরের হাতে' গানটির রচয়িতা হলেন বাউল সম্রাট লালন শাহ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: লালন শাহ বাংলা বাউল গানের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও প্রখ্যাত সাধক ও গীতিকার। তার গানে মানবতাবাদ, আধ্যাত্মিকতা এবং দেহতত্ত্বের গভীর রূপ প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে। ব্যাখ্যা: এটি লালন শাহের অন্যতম জনপ্রিয় একটি দার্শনিক ও মরমি গান। উদাহরণ ২: খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়। ব্যাখ্যা: এটিও লালন শাহের বিখ্যাত একটি আধ্যাত্মিক দেহতাত্ত্বিক গান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লালন শাহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বিখ্যাত গানটির গীতিকার তিনিই। B) হাসন রাজা — তিনি সিলেটের মরমী কবি ও জমিদার ছিলেন, কিন্তু এই গানের রচয়িতা নন। C) পাগলা কানাই — তিনি ঝিনাইদহের লোককবি ও মরমী সাধক ছিলেন, এই গানের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নেই। D) রাধারমণ দত্ত — তিনি সিলেটের ধামাইল গানের প্রবর্ক ও বৈষ্ণব পদকর্তা, এই গানের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: ঘরের চাবি কার হাতে তা জানতে হলে আমাদের মরমি সাধক লালন শাহের গান স্মরণ করতে হবে। বাউল সম্রাট লালনের প্রায় সব গানেই আত্মতত্ত্ব ও দেহতত্ত্বের সন্ধান মেলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লালন শাহের গান ও তার পংক্তি প্রায়ই আসে। লোকসাহিত্যের ক্ষেত্রে বাউল গান ও এর রচয়িতাদের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ক্রিয়ারূপ হ্রস্বতর
b বিশেষ্যের আধিক্য
c ক্রিয়ারূপ দীর্ঘ
d অনুসর্গ হ্রস্বতর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্রিয়ারূপ দীর্ঘ ১. কেন সঠিক: সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদের রূপ পূর্ণাঙ্গ ও দীর্ঘ হয়, যা চলিত রীতিতে সংক্ষিপ্ত রূপ ধারণ করে। ভাষা ব্যবহারের এই রীতিতে ক্রিয়াপদের প্রাচীন ও ব্যাকরণগত পূর্ণ গঠন বজায় থাকে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সাধু রীতি হলো বাংলা ভাষার প্রমিত ও মার্জিত লিখিত রূপ, যা তৎসম শব্দবহুল এবং ব্যাকরণের নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করে। এই রীতিতে ক্রিয়াপদের বিভক্তি দীর্ঘ ও ষ্পষ্ট হয়, যেমন করিয়াছ, বলিয়াছিল, খাইতেছি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তাহারা মাঠে খেলি তেছে। ব্যাখ্যা: এখানে খেলি তেছে ক্রিয়াপদটি দীর্ঘ রূপ ধারণ করেছে, যা সাধু রীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য। উদাহরণ ২: নদীটি বহিয়া যাইতেছে। ব্যাখ্যা: বহিয়া এবং যাইতেছে ক্রিয়াপদ দুটি দীর্ঘাকারে ব্যবহৃত হয়েছে, যা সাধু রীতির ব্যাকরণিক নিয়ম নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্রিয়ারূপ হ্রস্বতর — এটি সাধু রীতির নয়, বরং চলিত রীতির ক্রিয়ারূপের প্রধান বৈশিষ্ট্য। B) বিশেষ্যের আধিক্য — সাধু রীতিতে বিশেষ্যের আধিক্যের চেয়ে তৎসম শব্দের ও ক্রিয়ার পূর্ণরূপের আধিক্য বেশি লক্ষ্য করা যায়। D) অনুসর্গ হ্রস্বতর — সাধু রীতিতে অনুসর্গ ও সর্বনামের রূপও দীর্ঘ হয়, হ্রস্বতর হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: সাধু মানে সব বড়, তাই সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের রূপ সবসময় দীর্ঘ বা বড় হয়। চলিত রীতিতে সবকিছু ছোট বা হ্রস্বতর হয়ে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদ ও অনুসর্গ দীর্ঘ এবং চলিত রীতিতে তা সংক্ষিপ্ত বা হ্রস্বতর হয়, এই মূল সূত্রটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a কর্নেল
b মুমূর্ষু
c সংগীত
d আড়ষ্ট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আড়ষ্ট ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটি বাংলা বানান শুদ্ধি বিষয়ক ব্যাকরণের অন্তর্ভুক্ত। আড়ষ্ট শব্দটি ভুল কারণ এখানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করা হয়েছে যেখানে দন্ত ন বা ট বর্গীয় ধ্বনির আগের নিয়মানুযায়ী অন্য বর্ণ হওয়ার কথা, সঠিক বানান হলো আড়ষ্ট যেখানে ট-এর সাথে যুক্ত বর্ণে ভুল ছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করতে হয়। তদ্ভব বা বিদেশি শব্দে মূর্ধন্য ণ-এর ব্যবহার হয় না এবং যুক্তবর্ণের ক্ষেত্রে সঠিক বর্ণমালা নির্বাচন করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নষ্ট ব্যাখ্যা: এটি একটি শুদ্ধ তৎসম শব্দ যেখানে ট-এর সাথে মূর্ধন্য ষ যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: কষ্ট ব্যাখ্যা: এটিও একটি সঠিক তৎসম শব্দ যেখানে ট-এর সাথে ষ যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্নেল — এটি একটি সঠিক বিদেশি শব্দ এবং এর বানান প্রমিত রীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ ঠিক আছে। B) মুমূর্ষু — এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শুদ্ধ বানান যেখানে প্রথম উ-কার এবং দ্বিতীয় উ-কার সঠিক নিয়মে ব্যবহৃত হয়েছে। C) সংগীত — বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সংঘটিত বা সংগীত শব্দে অনুস্বর ব্যবহার করা সঠিক। D) আড়ষ্ট — এটি অশুদ্ধ বানান কারণ এর সঠিক রূপ হলো আড়ষ্ট, তাই এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: বানান শেখার সময় তৎসম ও বিদেশি শব্দের বানান আলাদা করে চর্চা করতে হবে। নিয়মিত প্রমিত বানানের তালিকা অনুশীলন করলে পরীক্ষার হলে ভুল এড়ানো সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি শব্দ এবং তৎসম শব্দের বানান থেকে প্রশ্ন আসে। যুক্তবর্ণের সঠিক রূপ চেনার জন্য নিয়মিত শব্দার্থ ও বানান চর্চা করা অত্যন্ত জরুরি।
a রাস্তা
b দেখেশুনে
c হবে
d পার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দেখেশুনে ১. কেন সঠিক: - বাক্যে 'দেখেশুনে' পদটি ক্রিয়ার সম্পাদনের ধরণ ও মাধ্যম প্রকাশ করছে এবং ক্রিয়াকে বিশেষভাবে মডিফাই করছে। - বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী ক্রিয়াপদ কীভাবে, কখন বা কী উপায়ে সম্পাদিত হয় তা নির্দেশকারী পদকে ক্রিয়াবিশেষণ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে পদ ক্রিয়া সম্পাদনের সময়, স্থান, রীতি বা কারণ নির্দেশ করে তাকে ক্রিয়াবিশেষণ পদ বলে। - প্রদত্ত বাক্যে 'পার হবে' হলো সমাপিকা ক্রিয়া এবং 'দেখেশুনে' হলো সেই ক্রিয়া সম্পন্ন করার পদ্ধতি বা রীতি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধীরে ধীরে চলো। ব্যাখ্যা: এখানে 'ধীরে ধীরে' পদটি চলার ধরণ বোঝাচ্ছে তাই এটি ক্রিয়াবিশেষণ। উদাহরণ ২: বৃষ্টিতে ভিজে এসো না। ব্যাখ্যা: এখানে আসার নিষেধের কারণ ও পদ্ধতি বোঝাতে 'ভিজে' পদটি ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে কাজ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাস্তা — এটি একটি বিশেষ্য পদ কারণ এটি দ্বারা একটি স্থান বা পথকে বোঝানো হয়েছে। B) দেখেশুনে — সঠিক উত্তর, কারণ এটি ক্রিয়া সম্পাদনের রীতি বা ধরণ নির্দেশক ক্রিয়াবিশেষণ। C) হবে — এটি একটি সমাপিকা ক্রিয়া পদ যা বাক্যটির সমাপ্তি ঘটিয়েছে। D) পার — এটি মূল ক্রিয়ার অংশ বা ধাতুরূপ যা 'হবে' ক্রিয়ার সাথে যুক্ত হয়ে যুক্ত ক্রিয়া গঠন করেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্যের ক্রিয়াপদকে কীভাবে বা কেমন করে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই মূলত ক্রিয়াবিশেষণ পদ। - যেমন: কীভাবে রাস্তা পার হবে উত্তর হলো দেখেশুনে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যের পদ নির্ণয় প্রায়ই আসে, তাই ক্রিয়া ও ক্রিয়াবিশেষণের পার্থক্য ভালো করে চর্চা করবে। - অব্যয় পদ বা বিশেষণের সাথে ক্রিয়াবিশেষণের রূপগত মিল থাকলেও বাক্যে তার কাজ বুঝতে হবে।
a নয়-ছয়
b কনকচাঁপা
c সেতার
d ত্রিফলা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নয়-ছয় ১. কেন সঠিক: যে সমাসে দুটি পদেরই অর্থ প্রধান থাকে এবং সমাস করার পর সংযোজক অব্যয় লুপ্ত হয়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। নয়-ছয় শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো নয় ও ছয়, যা অপচয় বা অনর্থক খরচ করা অর্থে দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: দ্বন্দ্ব সমাসে সাধারণত এবং, ও, কিম্বা ইত্যাদি সংযোজক অব্যয় ব্যবহৃত হয়। এখানে দুটি বিশেষ্য পদ মিলে একটি সমাসবদ্ধ পদ গঠন করেছে এবং উভয় পদের অর্থই সমানভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জমা-খরচ ব্যাখ্যা: এটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য হলো জমা ও খরচ। উদাহরণ ২: ভাই-বোন ব্যাখ্যা: এটি দ্বন্দ্ব সমাসের আরেকটি উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য হলো ভাই ও বোন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নয়-ছয় - এটি দ্বন্দ্ব সমাসের সঠিক উদাহরণ। B) কনকচাঁপা - এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য কনক বা স্বর্ণের মতো চাঁপা। C) সেতার - এটি বহুত্রী সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য তিনটি তার আছে যার। D) ত্রিফলা - এটি দ্বিগু সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য তিন ফলের সমাহার। ৫. মনে রাখার টিপস: যে সমাসে মাঝখানে এবং, ও, কিম্বা থাকে এবং উভয় পদের অর্থ সমানভাবে প্রধান হয়, তাকে চোখ বন্ধ করে দ্বন্দ্ব সমাস হিসেবে চিনে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমাস নির্ণয়ের জন্য শব্দের ব্যাসবাক্য ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। সংখ্যাবাচক শব্দ সামনে থাকলে সাধারণত দ্বিগু সমাস হলেও অর্থ ভিন্ন হলে তা বহুত্রী বা অন্য সমাস হতে পারে।
a ষোড়শ
b ষোড়শী
c ১৬শ
d ষোলই
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ষোড়শী ১. কেন সঠিক: - সাধারণ পূরণবাচক শব্দের সঙ্গে স্ত্রীবাচক প্রত্যয় যুক্ত করে নারীরবাচক রূপ গঠন করা হয়। - ষোড়শ শব্দের স্ত্রীবাচক বা নারীরবাচক রূপ হলো ষোড়শী যা একজন ষোলো বছর বয়সী মেয়েকে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সংখ্যাবাচক শব্দের যে রূপ দ্বারা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর ক্রমিক অবস্থান বা সিরিয়াল বোঝায় তাকে পূরণবাচক শব্দ বলে। - সাধারণ পূরণবাচক শব্দের শেষে ঈ-প্রত্যয় বা আ-প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ বা নারীরবাচক রূপ তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঞ্চমী ব্যাখ্যা: পঞ্চম শব্দের সঙ্গে ঈ-প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পঞ্চমীর নারীরবাচক পূরণবাচক রূপ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: দশমী ব্যাখ্যা: দশ শব্দের সাধারণ পূরণবাচক রূপের সঙ্গে ঈ-প্রত্যয় যোগ করে দশমী নারীরবাচক রূপ তৈরি করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষোড়শ — এটি সাধারণ পূরণবাচক শব্দের পুংলিঙ্গ বা সাধারণ রূপ, যা নারীরবাচক রূপ নয়। B) ষোড়শী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ১৬শ — এটি সংখ্যা ও সংক্ষিপ্ত চিহ্নের সাহায্যে গঠিত পূরণবাচক রূপ, কোনো নারীরবাচক শব্দ নয়। D) ষোলই — এটি কোনো তারিখ বা মাস বোঝাতে ব্যবহৃত শব্দ, পূরণবাচক বা নারীরবাচক রূপ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পূরণবাচক শব্দের নারীরবাচক রূপ চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ-কার বা আ-কার খোঁজা। - সংখ্যাবাচক রূপের সঙ্গে স্ত্রীবাচক প্রত্যয় যোগ করলে তা নারীরবাচক পূরণবাচকে রূপান্তরিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংখ্যাবাচক ও পূরণবাচক শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - পুংলিঙ্গবাচক পূরণবাচকের সঙ্গে ঈ-প্রত্যয় যুক্ত করার নিয়মটি ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।
a মনু+ষ্ণ
b মনু+অব
c মা+নভ
d মান+অব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মনু+ষ্ণ ১. কেন সঠিক: - 'মানব' শব্দটি গঠিত হয়েছে 'মনু' শব্দের সঙ্গে 'ষ্ণ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে। - এখানে 'ষ্ণ' প্রত্যয় যোগ হওয়ার কারণে মূল শব্দের প্রথম স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটে যাকে আদি স্বরবৃদ্ধি বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়মানুযায়ী অপত্য বা বংশধর অর্থে বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়। - মনু শব্দের সন্তান বা বংশধর অর্থে মনু যোগ ষ্ণ যুক্ত হয়ে মানব শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিতি + ষ্ণ = দৈত্য ব্যাখ্যা: দিতির সন্তান অর্থে 'দিতি' শব্দের সঙ্গে 'ষ্ণ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'দৈত্য' শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: কুন্তী + ষ্ণ = কৌন্তেয় ব্যাখ্যা: কুন্তীর সন্তান অর্থে 'কুন্তী' শব্দের সঙ্গে 'ষ্ণ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'কৌন্তেয়' শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনু+ষ্ণ — এটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কারণ মনু শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মানব গঠিত হয়। B) মনু+অব — এই নিয়মে মানব শব্দটি সাধিত হয় না কারণ অব কোনো উপযুক্ত তদ্ধিত প্রত্যয় নয়। C) মা+নভ — 'মা' কোনো মূল প্রাকৃত বা সংস্কৃত প্রতিপদ নয় এবং নভ অপ্রাসঙ্গিক উপাদান। D) মান+অব — মানব শব্দের মূল প্রতিপদ 'মান' নয় বরং এর উৎস হলো মনু শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - সন্তান বা অপত্য অর্থে মনু শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হলে মানব হয়। - আদি স্বর 'অ' বা 'আ' থাকলে তা বৃদ্ধি পেয়ে 'আ' হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অপত্য বা বংশধর অর্থে প্রত্যয় নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - মূল শব্দ চেনার জন্য শব্দের উৎপত্তির ইতিহাস খেয়াল রাখতে হবে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
d মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: বাংলা কাব্য সাহিত্যে মধ্যযুগের গণ্ডি পেরিয়ে আধুনিকতার ছোঁয়া আনার জন্য মাইকেল মধুসূদন দত্তকে আধুনিকতার জনক বলা হয়। তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেট প্রবর্তন করে বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বসাহিত্যের সমকক্ষ করে তোলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য রচনা করেন। তার লেখনীর মাধ্যমে বাংলা কাব্যে ট্র্যাজেডির সার্থক রূপায়ন ঘটে এবং বিষয়বস্তু ও ফর্মে আধুনিকতার সূচনা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত এবং এর মাধ্যমে আধুনিক বাংলা কাব্যের পথচলা শুরু হয়। উদাহরণ ২: চতুর্দশপদী কবিতাবলী ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যে সনেটের প্রথম সফল প্রয়োগ, যা মধুসূদন দত্ত ইতালীয় সনেটের আদলে বাংলায় প্রবর্তন করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা এবং আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি হলেও কাব্য সাহিত্যের আধুনিকতার জনক নন। B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক, কাব্য সাহিত্যের সঙ্গে তার মূল পরিচিতি নেই। C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি আধুনিক গদ্যরীতির জনক ও সমাজ সংস্কারক, কাব্য সাহিত্যের আধুনিকতার সঙ্গে তার ভূমিকা সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলা কাব্যে প্রথম আধুনিকতা এনেছেন যিনি, তার নামের সঙ্গে 'মাইকেল' শব্দ যুক্ত আছে। মধুসূদন দত্ত মানেই আধুনিক কাব্যের রূপকার ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবক্তা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা গদ্যের জনক (ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর) এবং কাব্যের আধুনিকতার জনকের (মাইকেল মধুসূদন দত্ত) প্রশ্ন আসে। এই দুটি বিষয় গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a ধ্বনিতত্ব
b শব্দতত্ত্ব
c বাক্যতত্ত্ব
d অর্থতত্ত্ব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাক্যতত্ত্ব ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে মূলত একটি অসঙ্গতি রয়েছে কারণ প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে বাক্যতত্ত্বকে নির্দেশ করা হয়েছে, যা আসলে বাংলা ব্যাকরণের মূল আলোচ্য বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত। বাংলা ব্যাকরণের মূল আলোচ্য বিষয় চারটি এবং বাক্যতত্ত্ব তার অন্যতম প্রধান একটি অংশ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার ব্যাকরণকে প্রধানত চারটি ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। এই চারটি ভাগ হলো ধ্বনিতত্ত্ব, শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব এবং অর্থতত্ত্ব। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাক্যতত্ত্ব ব্যাকরণের একটি মূল আলোচ্য বিষয়। ব্যাখ্যা: বাক্যের গঠন, বাক্যের প্রকারভেদ এবং কারক ইত্যাদি বিষয় বাক্যতত্ত্বে আলোচনা করা হয়। উদাহরণ ২: ধ্বনিতত্ত্ব ব্যাকরণের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়। ব্যাখ্যা: ধ্বনির উচ্চারণ, ধ্বনির পরিবর্তন এবং বর্ণমালা নিয়ে ধ্বনিতত্ত্বে আলোচনা করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনিতত্ত্ব — এটি বাংলা ব্যাকরণের একটি প্রধান আলোচ্য বিষয়, তাই এটি উত্তর হতে পারে না। B) শব্দতত্ত্ব — এটি বাংলা ব্যাকরণের একটি প্রধান আলোচ্য বিষয়, তাই এটি উত্তর হতে পারে না। C) বাক্যতত্ত্ব — এটি ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় হলেও প্রশ্ন বা উত্তরের অসঙ্গতির কারণে এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। D) অর্থতত্ত্ব — এটি বাংলা ব্যাকরণের একটি প্রধান আলোচ্য বিষয়, তাই এটি উত্তর হতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় মনে রাখার সহজ উপায় হলো ধ্বনি, শব্দ, বাক্য ও অর্থ এই চারটি মূল শব্দ মনে রাখা। ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে ব্যাকরণের মূল বিষয় চারটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়গুলো কোনটির মধ্যে কী আলোচনা করা হয় তা ভালোভাবে পড়তে হবে। রূপতত্ত্বের অপর নাম শব্দতত্ত্ব এবং এর আলোচ্য বিষয়গুলো বারবার পরীক্ষায় আসে।
a পুর+কার
b পুরস্+কার
c পুরঃ+কার
d পুরণ+কার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পুরঃ+কার ১. কেন সঠিক: - এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম, যেখানে বিসর্গের পর ক, খ, প বা ফ থাকলে বিসর্গ স্থানে দন্ত স হয়। - এখানে পুরঃ বিসর্গের সঙ্গে কার যোগ হয়ে বিসর্গটি দন্ত স এ রূপান্তরিত হয়ে পুরস্কার গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী অ বা আ কারের পর বিসর্গ এবং তার পরে ক, খ, প বা ফ থাকলে বিসর্গের পরিবর্তে দন্ত স হয়। - এই নিয়মের অধীনে পুরঃ যোগ কার মিলে পুরস্কার শব্দটির সৃষ্টি হয়, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নমঃ+কার = নমস্কার ব্যাখ্যা: অ কারের পর বিসর্গ এবং তার পরে ক থাকায় বিসর্গ দন্ত স এ পরিণত হয়েছে। উদাহরণ ২: ভাঃ+কর = ভাস্কর ব্যাখ্যা: এখানেও বিসর্গ সন্ধির নিয়মে বিসর্গের পরিবর্তে দন্ত স যুক্ত হয়ে ভাস্কর শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুর+কার — এই গঠনে কোনো সন্ধির নিয়ম বা প্রমিত ব্যাকরণ অনুসরণ করা হয়নি। B) পুরস্+কার — বিসর্গ সন্ধিতে সরাসরি হসন্তযুক্ত স যুক্ত হয় না, বরং বিসর্গ পরিবর্তন হয়ে স আসে। D) পুরণ+কার — এখানে মূল শব্দের বানান ও সন্ধির নিয়মের সঙ্গে কোনো মিল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিসর্গের পরে ক থাকলে বিসর্গ স এ রূপান্তর করার নিয়মটি মনে রাখবে। - পুরস্কার এবং নমস্কার শব্দ দুটি একই নিয়মের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় একসঙ্গে চর্চা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধি থেকে বিসিএস ও অন্যান্য চাকরীর পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন হয়ে থাকে। - বানরীতি ও সন্ধি একসঙ্গে শেখার জন্য এই ধরনের শব্দ বেশি করে অনুশীলন করতে হবে।
a অধিকরণ
b করণ
c কর্ম
d অপাদান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অপাদান ১. কেন সঠিক: বাক্যে যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, উৎপন্ন, ভীত, গৃহিত বা সুরক্ষিত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। এখানে জমি থেকে ফসল উৎপন্ন বা জাত হওয়ার অর্থ প্রকাশ পাওয়ায় 'জমি থেকে' পদটি অপাদান কারক হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে ক্রিয়ার সঙ্গে যে সম্পর্কের সৃষ্টি হয়, তাকে কারক বলে। অপাদান কারক হলো বাক্যের সেই বিশেষ অংশ যা কোনো কিছুর উৎস, দূরত্ব, ভয় বা মুক্তির ধারণা নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে। ব্যাখ্যা: এখানে পাতা গাছ থেকে বিচ্যুত হচ্ছে যা অপাদান কারকের স্পষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: বিপদে মডে রক্ষা কর। ব্যাখ্যা: বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার অর্থ প্রকাশ পাওয়ায় এটি অপাদান কারকের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অধিকরণ — ক্রিয়ার আধার বা স্থান-কালকে অধিকরণ কারক বলে, যা এখানে ফসলের উৎস বোঝাচ্ছে না। B) করণ — যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণ কারক বলে, কিন্তু এখানে কোনো যন্ত্র বা সহায়কের কথা নেই। C) কর্ম — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্ম কারক বলে, এখানে জমি কর্ম নয় বরং উৎস। D) অপাদান — এটি সঠিক কারণ এটি উৎস বা জাত হওয়া বোঝাচ্ছে। ৫ মনে রাখার টিপস: কোথাও থেকে উৎপন্ন, চ্যুত, বিরত, গৃহিত, জাত, ভয় বা দূরত্ব বোঝালে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে। উৎপত্তি বা বিচ্যুতি শব্দের সঙ্গে অপাদান কারকের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: উৎপত্তি বা উৎস বুঝলেই তা সাধারণত অপাদান কারক হয় যেমন নদী থেকে মাছ পাই। বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথা থেকে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা অপাদান কারক নির্দেশ করে।
a বারিধি
b অবনী
c মহী
d ক্ষিতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বারিধি ১. কেন সঠিক: - বারিধি শব্দের অর্থ সমুদ্র, কারণ এখানে বারি শব্দের অর্থ পানি এবং ধি বা নিধি শব্দের অর্থ আধার বা ভান্ডার। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের মূল অর্থ ও প্রত্যয়ের যোগে গঠিত সমার্থক শব্দগুলোর মাধ্যমে সঠিক উত্তর নির্ণয় করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই সমস্ত শব্দ যাদের অর্থ প্রায় সমান বা একই রকম। - এই প্রশ্নটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ এবং সমার্থক শব্দের আওতাভুক্ত, যেখানে পানির বিভিন্ন উৎসের সঙ্গে আধারবাচক শব্দ যুক্ত হয়ে সমুদ্র বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পারাবার ব্যাখ্যা: পারাবার শব্দের অর্থ সমুদ্র, কারণ এর আক্ষরিক অর্থ পারের অবসান বা অপার জলরাশি। উদাহরণ ২: রত্নাকর ব্যাখ্যা: রত্নাকর শব্দের অর্থ সমুদ্র, কারণ সমুদ্রের তলদেশে নানা ধরনের রত্ন বা মূল্যবান সম্পদ জমা থাকে বলে একে রত্নাকর বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বারিধি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সমুদ্র। B) অবনী — এই অপশনটি ভুল কারণ অবনী শব্দের অর্থ পৃথিবী বা ধরা। C) মহী — এই অপশনটি ভুল কারণ মহী শব্দের অর্থ পৃথিবী বা বসুন্ধরা। D) ক্ষিতি — এই অপশনটি ভুল কারণ ক্ষিতি শব্দের অর্থ পৃথিবী বা মাটি। ৫. মনে রাখার টিপস: - পানির সমার্থক শব্দের শেষে ধি, নিধি, পারাবার বা কর যুক্ত থাকলে সাধারণত তা সমুদ্রের সমার্থক শব্দ হয়। - পৃথিবীর সমার্থক শব্দগুলোর সাথে সমুদ্রের সমার্থক শব্দগুলো গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমুদ্র এবং পৃথিবীর সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই অপশনে মিলিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করে। - পানির শব্দের শেষে ধি বা কার যোগ করার নিয়মটি মনে রাখলে সমুদ্রের সমার্থক শব্দ সহজে চিহ্নিত করা যায়।
a 6
b 7
c 10
d 11
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭ ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি বা মূল স্বরবর্ণের উচ্চারণভিত্তিক একক হলো ৭টি। এই ধ্বনিগুলো অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ সংক্রান্ত এই প্রশ্নে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষায় মোট মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি। এগুলো হলো অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি একটি মৌলিক স্বরধ্বনি যা উচ্চারণের সময় মুখের ভেতর কোনো বাধা পায় না। উদাহরণ ২: অ্যা ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান মৌলিক স্বরধ্বনি যা বিদেশি শব্দ বা বিশেষ উচ্চারণে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ — এই সংখ্যাটি বাংলা ভাষার মৌলিক স্বরধ্বনির সঠিক পরিমাণ নয় কারণ এতে একটি ধ্বনি কম গণনা করা হয়েছে। B) ৭ — এটি ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার মৌলিক স্বরধ্বনির সঠিক সংখ্যা। C) ১০ — এই সংখ্যাটি বাংলা বর্ণমালার মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা নির্দেশ করে মৌলিক স্বরধ্বনি নয়। D) ১১ — এই সংখ্যাটি বাংলা বর্ণমালায় ব্যবহৃত স্বরবর্ণের সর্বমোট সংখ্যা বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: মৌলিক স্বরধ্বনি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সাতটি সুরের মতো বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনিও ঠিক সাতটি। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এই সাতটি ধ্বনি নির্ধারণ করেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্বরবর্ণের সংখ্যা এবং মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়। মনে রাখতে হবে বর্ণ ১১টি হলেও মৌলিক ধ্বনি ৭টি।
a চন্দ্রকুমার দে
b দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
c গোবর্ধন গোপীচাঁদ
d দ্বিজ কানাই
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার ১. কেন সঠিক: - দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার বাংলার লোকসাহিত্য সংগ্রহ ও সম্পাদনা করে অমর হয়ে আছেন। - 'ঠাকুরমার ঝুলি' বাংলার লোককথার প্রথম ও সর্বশ্রেষ্ঠ সংকলন যা ১৯০৬ সালে প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার ১৮৭৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং লোকসাহিত্য সংরক্ষণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। - ডিনেশচন্দ্র সেনের উৎসাহে তিনি বাংলার গ্রামীণ জনপদ থেকে রূপকথাগুলো সংগ্রহ করে বই আকারে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঠাকুরমার ঝুলি ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার সংকলিত বিখ্যাত রূপকথার বই। উদাহরণ ২: ঠাকুমার ঝুলি ব্যাখ্যা: এটি একই ধরনের লোককথার আরেকটি সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চন্দ্রকুমার দে — তিনি ময়মনসিংহ গীতিকার সংগ্রাহক ও সম্পাদক ছিলেন, রূপকথার বইয়ের সঙ্গে যুক্ত নন। B) দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। C) গোবর্ধন গোপীচাঁদ — তিনি বাংলা রূপকথা সংকলনের সঙ্গে পরিচিত কোনো ব্যক্তিত্ব নন। D) দ্বিজ কানাই — তিনি মধ্যযুগের ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিখ্যাত কবি ও মহুয়া পালার রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: - রূপকথা মানেই ঠাকুরমা আর ঠাকুরমা মানেই দক্ষিণারঞ্জন। - নামের শেষে রঞ্জন থাকলে লোকসাহিত্যিক দক্ষিণারঞ্জনকে মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'ঠাকুরমার ঝুলি'র সম্পাদকের নাম প্রায়ই আসে। - লোকসাহিত্য সংক্রান্ত প্রশ্নে দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদারের নাম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
a নামাজ
b রোজা
c খোদা
d আদালত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আদালত ১. কেন সঠিক: - আদালত শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। এটি মূলত বিচারালয় বা ন্যায়বিচার সংক্রান্ত একটি প্রশাসনিক ও আইনি পরিভাষা। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয় যার মধ্যে আরবি শব্দ অন্যতম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ। - বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি, ফারসি, ইংরেজি, পর্তুগিজ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য যা বিভিন্ন যোগাযোগের মাধ্যমে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আইন ব্যাখ্যা: আইন শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি বিচার ব্যবস্থার সাথে জড়িত। উদাহরণ ২: কলম ব্যাখ্যা: কলম শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত যা দৈনন্দিন জীবনে বহুল ব্যবহৃত একটি বিদেশি শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নামাজ — এটি ফারসি শব্দ, আরবি শব্দ নয়। B) রোজা — এটি ফারসি শব্দ, আরবি শব্দ নয়। C) খোদা — এটি ফারসি শব্দ, আরবি শব্দ নয়। D) আদালত — এটি সঠিক আরবি শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধর্মীয় ও প্রাত্যহিক ফারসি শব্দের সাথে আইনি ও প্রশাসনিক আরবি শব্দগুলোর পার্থক্য মনে রাখা জরুরি। - আদালত, আইন, কলম, বাকি এগুলো সাধারণত আরবি শব্দ হিসেবে পরীক্ষায় বেশি আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আদালতে বিচার করা হয় বিধায় বিচার সংক্রান্ত অনেক শব্দ আরবি হয়ে থাকে। - বিদেশি শব্দ চেনার জন্য শব্দের উৎস ও প্রচলিত ব্যবহার ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a অনুকূল
b নিম্নে
c প্রযুক্তি
d সম্যগভাবে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সম্যগভাবে ১. কেন সঠিক: - অবলম্বনের 'অব' উপসর্গটি এখানে সম্যগভাবে বা ভালোভাবে অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে। - কোনো শব্দ বা ধাতুর পূর্বে উপসর্গ যুক্ত হয়ে তার অর্থের পূর্ণতা বা বিশেষত্ব বিধান করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটায়। - অব উপসর্গটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয় যেমন সম্যগভাবে, হীনতা, মন্দ, নিচে ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অবলোকন ব্যাখ্যা: এখানে অব উপসর্গটি সম্যগভাবে বা ভালোভাবে দেখা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: অবক্ষয় ব্যাখ্যা: এখানে অব উপসর্গটি হীনতা বা নিচের দিকে যাওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুকূল — এটি অব উপসর্গের নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত অর্থ নয়। B) নিম্নে — অব উপসর্গ কখনো নিচে অর্থে বসলেও এই নির্দিষ্ট শব্দে তা প্রযোজ্য নয়। C) প্রযুক্তি — এটি অব উপসর্গের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রচলিত অর্থ প্রকাশ করে না। D) সম্যগভাবে — এটি অবলম্বনের অব উপসর্গের সঠিক ব্যাকরণগত অর্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - অব উপসর্গটি ভালো বা সম্যক রূপ বোঝাতে শব্দে যুক্ত হতে পারে। - শব্দের মূল অর্থের গভীরতা বুঝতে উপসর্গের বিভিন্ন অর্থ মুখস্থ রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উপসর্গ চেনার জন্য শব্দ বিশ্লেষণ করার অভ্যাস করতে হবে। - বিসিএস পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই অর্থভিত্তিক ব্যবহার ভালো করে পড়তে হবে।
a ইহার আবশ্যাক নাই
b বুন্নো ওল, বাঘা তেঁতুল
c ইহা প্রমান হইয়াছে
d বুন্নো কচু, বাঘা তেঁতুল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বুন্নো কচু, বাঘা তেঁতুল ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি একটি অত্যন্ত পরিচিত বাংলা প্রবাদ প্রবচন, যা নিখুঁতভাবে বাংলা প্রমিত রূপ অনুসরণ করেছে। - এখানে সমকক্ষ বা শক্তিশালী দুই প্রতিপক্ষের মুখোমুখি অবস্থান বোঝাতে বুন্নো কচু ও বাঘা তেঁতুল প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্যশুদ্ধি এবং প্রবাদ প্রবচনের সঠিক ব্যবহারের একটি বহুল প্রচলিত প্রশ্ন। - প্রবাদ বাক্যের নির্দিষ্ট শব্দগুলো পরিবর্তন করা যায় না, তাই এর প্রমিত রূপটিই একমাত্র গ্রহণযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরে চোরে মাসতুতো ভাই ব্যাখ্যা: একই স্বভাবের বা সমগোত্রীয় দুই ব্যক্তির মিল বোঝাতে এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: যাকে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা ব্যাখ্যা: কারো প্রতি অপছন্দ থাকলে তার প্রতিটি কাজই খারাপ মনে হয় বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইহার আবশ্যাক নাই — এই বাক্যে বানান ভুল রয়েছে, সঠিক বানান হবে আবশ্যক। B) বুন্নো ওল, বাঘা তেঁতুল — প্রবাদের নিয়ম অনুযায়ী এখানে ওল হবে না, কচু হবে। C) ইহা প্রমান হইয়াছে — এখানে প্রমান শব্দটি ভুল, এর শুদ্ধ রূপ প্রমাণ হবে। D) বুন্নো কচু, বাঘা তেঁতুল — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রবাদটির প্রমিত রূপ। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রবাদ বাক্যের শব্দগুলো মুখস্থ রাখার সময় মূল উপাদান যেমন কচু ও তেঁতুল ভালোভাবে খেয়াল রাখবে। - বানান ভুলের ক্ষেত্রে প্রমান শব্দের জায়গায় প্রমাণ এবং আবশ্যাক এর জায়গায় আবশ্যক মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রবাদ প্রবচনের সঠিক রূপ প্রায়ই বাক্যশুদ্ধি হিসেবে আসে। - প্রবাদের নির্দিষ্ট শব্দ পরিবর্তন করলে তা ভুল বলে গণ্য হয়, তাই মূল পাঠ মনে রাখা জরুরি।
a বুদ্ধদেব বসু
b অমिय চক্রবর্তী
c সুকান্ত ভট্টাচার্য
d বিষ্ণু দে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুকান্ত ভট্টাচার্য ১. কেন সঠিক: 'ছাড়পত্র' হলো বাংলা সাহিত্যের মার্ক্সবাদী ধারার প্রখ্যাত তরুণ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যগ্রন্থে কবির তারুণ্যের দীপ্ত চেতনা, বিদ্রোহী সুর এবং শোষিত মানুষের পক্ষে সংগ্রামের শক্তিশালী বাণী প্রকাশ পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সুকান্ত ভট্টাচার্য ১৯২৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং মাত্র একুশ বছর বয়সে ১৯৪৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তার এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা কবিতায় দ্রোহ ও মিলনের এক অনন্য দলিল হিসেবে চিরকাল সমাদৃত হয়ে আসছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ছাড়পত্র। ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের ছাড়পত্র কবিতায় শৈশবের নিষ্পাপ মুক্তি এবং ভবিষ্যতের সংগ্রামী জীবনের এক দারুণ রূপায়ন দেখা যায়। উদাহরণ ২: সুকান্ত ভট্টাচার্যের আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ঘুম নেই। ব্যাখ্যা: ঘুম নেই কাব্যগ্রন্থে শ্রমজীবী মানুষের দুর্দশা এবং তাদের প্রতি কবির গভীর সহমর্মিতা ও প্রতিবাদের সুর ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধদেব বসু — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি ও ত্রিশের দশকের কবি হলেও ছাড়পত্র তার কাব্যগ্রন্থ নয়। B) অমিয় চক্রবর্তী — তিনি রবীন্দ্রোত্তর আধুনিক বাংলা কবিতার একজন বিশিষ্ট কবি ও বুদ্ধিজীবী হলেও এই গ্রন্থটি তার রচিত নয়। C) সুকান্ত ভট্টাচার্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর পক্ষে সাহিত্যিক তথ্য উপরে প্রদান করা হয়েছে। D) বিষ্ণু দে — তিনি কল্লোল যুগের মার্ক্সবাদী চেতনার বিশিষ্ট কবি হলেও ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থটি তার লেখা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: অল্প বয়সে মারা যাওয়া বিদ্রোহী কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যকে মনে রাখতে পারো ছাড়পত্র কবিতাটির মাধ্যমে। তারুণ্যের শক্তি ও প্রতিবাদী মনোভাব প্রকাশ পেলেই চোখ বন্ধ করে সুকান্ত ভট্টাচার্য ও তার ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থটিকে বেছে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুকান্ত ভট্টাচার্যের কাব্যগ্রন্থ ও জন্মমৃত্যু সাল খুব ঘন ঘন আসে। ছাড়পত্র, পূর্বাভাস, ঘুম নেই, হরতাল এবং ম_মিকা সুকান্ত ভট্টাচার্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ।
a সংস্কৃত ও পালি
b অহমিয়া ও ওড়িয়া
c নেপালি ও সিংহলি
d হিন্দি ও উর্দু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংস্কৃত ও পালি ১. কেন সঠিক: - ধ্রুপদি ভাষা বা ক্লাসিক্যাল ল্যাঙ্গুয়েজ হলো সেই প্রাচীন ভাষা, যার নিজস্ব সমৃদ্ধ সাহিত্য ও ইতিহাস রয়েছে এবং যা বর্তমান আধুনিক ভাষার উৎস হিসেবে কাজ করে। - ভারতীয় উপমহাদেশীয় প্রেক্ষাপটে প্রমিত বা ধ্রুপদি ভাষার স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রাচীন ভাষাগুলোর মধ্যে সংস্কৃত ও পালি ভাষা অন্যতম ভূমিকা পালন করে আসছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সংস্কৃত হলো ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের ভারতীয় শাখা থেকে উদ্ভূত একটি প্রাচীন ধ্রুপদি ভাষা, যা ভারতীয় উপমহাদেশের বহু ভাষার জননী। - পালি হলো একটি প্রাকৃত ভাষা যাতে প্রাচীন বৌদ্ধ ধর্মের ত্রিপিটক রচিত হয়েছে এবং এটি প্রাচীন ভারতের অন্যতম ধ্রুপদি ভাষা হিসেবে স্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংস্কৃত ভাষা ব্যাখ্যা: মহাভারত ও রামায়ণ মহাকাব্য সংস্কৃত ভাষায় রচিত হয়েছে, যা বিশ্বসাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। উদাহরণ ২: পালি ভাষা ব্যাখ্যা: বৌদ্ধ ধর্মের মূল ধর্মগ্রন্থ ত্রিপিটক পালি ভাষায় সংকলিত হয়েছিল, যা প্রাচীন পালি সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত ও পালি — এই অপশনটি সঠিক কারণ দুটি ভাষাই ধ্রুপদি ভাষার মর্যাদা ও ঐতিহাসিক প্রাচীনত্বের দিক থেকে পূর্ণাঙ্গ। B) অহমিয়া ও ওড়িয়া — অহমিয়া ও ওড়িয়া আধুনিক ভারতীয় আর্য ভাষা, তবে এগুলো সার্বিকভাবে প্রাচীন ধ্রুপদি ভাষার তালিকায় প্রধান জোড় হিসেবে বিবেচিত হয় না। C) নেপালি ও সিংহলি — নেপালি ও সিংহলি যথাক্রমে নেপাল ও শ্রীলঙ্কার প্রধান ভাষা হলেও এরা ধ্রুপদি ভাষার আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে সংস্কৃত বা পালির সমকক্ষ হিসেবে প্রাথমিক স্বীকৃত জোড় নয়। D) হিন্দি ও উর্দু — হিন্দি ও উর্দু দক্ষিণ এশিয়ার দুটি প্রধান আধুনিক যোগাযোগের ভাষা, যা মধ্যযুগের পর বিকাশ লাভ করেছে এবং প্রাচীন ধ্রুপদি ভাষার আদি উৎস হিসেবে পরিগণিত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাচীন ও ধ্রুপদি ভাষা মনে রাখতে সংস্কৃত মহাকাব্য এবং পালি ভাষায় বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থের কথা মাথায় রাখবে। - ধর্মীয় ও প্রাচীন সাহিত্যসমৃদ্ধ ভাষা হিসেবে সংস্কৃত ও পালি সবসময় একসঙ্গে ধ্রুপদি ভাষার আলোচনায় আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার ইতিহাস ও প্রাচীন উৎস সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - ভাষাগুলোর প্রাচীন নিদর্শন ও ধর্মীয় গ্রন্থের অবস্থান মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্নের সঠিক উত্তর সহজে নির্ণয় করা যায়।
a will purchase
b would purchase
c would have purchased
d have purchased
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) would purchase কেন সঠিক: - এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের নিয়ম অনুসরণ করে, যেখানে প্রথম অংশে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স থাকলে পরের অংশে সাবজেক্টের পর would বসে। - বাক্যের শেষে 'now' থাকার কারণে এটি বর্তমান সময়ের কাল্পনিক ফলাফল প্রকাশ করছে, তাই would এর পর মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will purchase — বাক্যটি সেকেন্ড কন্ডিশনাল হওয়ায় প্রথম অংশে পাস্ট টেন্সের পর এখানে will এর পরিবর্তে would বসবে। B) would purchase — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। C) would have purchased — এটি থার্ড কন্ডিশনালের নিয়ম, যা পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় কিন্তু এখানে ভার্বের পাস্ট ফর্ম আছে। D) have purchased — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা কন্ডিশনাল সেন্টেন্সের এই কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: If এর সাথে পাস্ট টেন্স (had) থাকলে অপর অংশে would এবং ভার্বের বেজ ফর্ম হয়।
a has
b are
c is
d have
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) have কেন সঠিক: - Either...or দ্বারা যুক্ত দুটি সাবজেক্টের মধ্যে শেষের সাবজেক্ট বা নিকটবর্তী সাবজেক্টটি প্লুরাল হলে ভার্বটিও প্লুরাল হয়। - এই বাক্যে নিকটবর্তী সাবজেক্ট হলো his friends যা প্লুরাল, তাই এর পরে plural verb হিসেবে have বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) has — এটি সিঙ্গुलर ভার্ব, যা প্লুরাল সাবজেক্ট his friends-এর সঙ্গে বসে না। B) are — এটি প্লুরাল ভার্ব হলেও মূল verb done-এর আগে present perfect টেন্স গঠনে have প্রয়োজন, are নয়। C) is — এটি সিঙ্গুলার ভার্ব এবং continuous টেন্সের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) have — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিকটবর্তী প্লুরাল সাবজেক্টের কারণে এখানে present perfect টেন্সের সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে have বসবে। মনে রাখার টিপস: Either...or যুক্ত বাক্যে ভার্ব সবসময় তার ঠিক আগের বা নিকটবর্তী সাবজেক্টকে অনুসরণ করে।
a The rich are not always happy.
b Rich are not always happy.
c The rich is not always happy.
d The rich is always happy.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The rich are not always happy. কেন সঠিক: - Adjective-এর পূর্বে The বসালে তা পুরো একটি শ্রেণಿಯನ್ನು বোঝায় এবং এটি Plural Common Noun হিসেবে গণ্য হয়। - Plural Subject হওয়ার কারণে এর সাথে Plural Verb (are) ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The rich are not always happy. — এটি সঠিক বাক্য, তাই এটি ভুল নয় বরং প্রদত্ত সঠিক উত্তর। B) Rich are not always happy. — Adjective-এর পূর্বে নির্দিষ্ট করে বোঝাতে The Article যুক্ত না করায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে। C) The rich is not always happy. — Plural Subject (The rich)-এর সাথে Singular Verb (is) ব্যবহার করার কারণে বাক্যটি ভুল হয়েছে। D) The rich is always happy. — এখানে Singular Verb (is) ব্যবহারের ভুল ছাড়াও মূল বাক্যের অর্থের সাথে অসংগতি রয়েছে। মনে রাখার টিপস: Adjective-এর আগে The বসালে তা পুরো জাতিকে বোঝায় এবং ভার্বটি সবসময় Plural হয়।
a take after
b look after
c takes after
d took up
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) takes after কেন সঠিক: - Take after একটি উপযুক্ত বাকধারা বা গ্রুপ ভার্ব, যার অর্থ কারও সাথে চেহারা বা স্বভাবে মিল থাকা। - বাক্যের সাবজেক্ট The girl একটি থার্ড পারসন সিঙ্গुलर নম্বর এবং বাক্যটি সাধারণ বর্তমানকালের হওয়ায় ভার্বের সাথে s যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) take after — বাক্যের সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হওয়ায় এখানে verb-এর সাথে s যুক্ত হওয়া আবশ্যক ছিল, যা এখানে নেই। B) look after — এই গ্রুপ ভার্বটির অর্থ দেখাশোনা করা, যা বাক্যের অর্থ অনুযায়ী এখানে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। C) takes after — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় এর যথার্থতা উল্লেখ করা হয়েছে। D) took up — এই গ্রুপ ভার্বটির অর্থ কোনো কাজ শুরু করা বা গ্রহণ করা, যা এখানে পুরোপুরি অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: পরিবারের কারো সাথে চেহারায় বা আচরণে মিল থাকলে take after ব্যবহার করতে হয়।
a braver
b brave
c bravery
d bravest
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) brave কেন সঠিক: - এখানে 'nation' হলো একটি নাউন এবং এর ঠিক আগে শূন্যস্থান থাকায় একটি অ্যাজেক্টিভ বা বিশেষণ বসবে। - 'brave' একটি অ্যাজেক্টিভ যা জাতির গুণ প্রকাশ করে, তাই এটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) braver — এটি অ্যাডজেক্টিভের কম্পারেটিভ ডিগ্রি, যা তুলনা করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় কিন্তু এখানে কোনো তুলনা নেই। B) brave — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পজিটিভ ডিগ্রি এবং সঠিক অ্যাজেক্টিভ। C) bravery — এটি একটি নাউন, যা এখানে বসালে ব্যাকরণগত ভুল হবে কারণ নাউনের আগে আরেকটি নাউন বা অ্যাজেক্টিভ বসে। D) bravest — এটি সুপারলেটিভ ডিগ্রি, যার পূর্বে সাধারণত 'the' বসে এবং এটি এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। মনে রাখার টিপস: নাউনের আগে শূন্যস্থান থাকলে সাধারণত সেখানে অ্যাজেক্টিভ বা বিশেষণ বসে।
a Slowly
b Rarely
c Suddenly
d Gradually
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Suddenly কেন সঠিক: - All at once একটি ইংরেজি প্রবাদপ্রতিম গ্রুপ ভার্ব বা ইডিওম। - এর অর্থ হলো হঠাৎ করে বা কোনো পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়া কোনো কিছু ঘটা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Slowly — এর অর্থ ধীরে ধীরে, যা 'All at once' এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Rarely — এর অর্থ কদাচিৎ বা খুব কম সময়, যা এই ইডিওমের সঙ্গে মেলে না। C) Suddenly — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ হঠাৎ বা আকস্মিক। D) Gradually — এর অর্থ ক্রমান্বয়ে বা ধীরে ধীরে, যা আকস্মিক ঘটনার বিপরীত। মনে রাখার টিপস: All (সবকিছু) at once (একবারে) ঘটে যাওয়া মানেই হলো Suddenly বা হঠাৎ ঘটে যাওয়া।
a Careful
b Watchful
c Wakeful
d Mindful
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Watchful কেন সঠিক: - 'Vigilant' শব্দটির অর্থ হলো অত্যন্ত সতর্ক, সজাগ বা প্রহরারত। - 'Watchful' শব্দটির অর্থও গভীর নজর রাখা বা সতর্ক থাকা, যা মূল শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Careful — এর অর্থ যত্নশীল বা সাবধান, যা কোনো কাজ নিখুতভাবে করার ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত হয়। B) Watchful — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ সতর্ক বা সজাগ। C) Wakeful — এর অর্থ নিদ্রাহীন বা জেগে থাকা, যা সর্বদা মানসিক সতর্কতার অর্থ প্রকাশ করে না। D) Mindful — এর অর্থ মননশীল বা সচেতন, যা মূলত কোনো বিষয়ে মনোযোগী হওয়া বোঝায়। মনে রাখার টিপস: Vigilant শব্দের মাঝে guard বা পাহারা দেওয়ার ভাব আছে, তাই Watchful বা পাহারা দেওয়ার মতো সতর্ক থাকা এর সঠিক সমার্থক।
a Allow
b Warn
c Restrict
d Prohibit
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Allow কেন সঠিক: - 'Forbid' শব্দের অর্থ কোনো কিছু নিষেধ করা বা বারণ করা। - 'Allow' শব্দের অর্থ অনুমতি দেওয়া বা সম্মত হওয়া, যা ফরবিড শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Allow - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ফরবিড শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ। B) Warn - এর অর্থ সতর্ক করা, যা ফরবিড শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। C) Restrict - এর অর্থ সীমিত বা সীমাবদ্ধ করা, যা ফরবিড শব্দের সমার্থক শব্দ। D) Prohibit - এর অর্থ নিষিদ্ধ করা, যা ফরবিড শব্দের সরাসরি সমার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: ফরবিড অর্থ মানা করা আর অ্যালাও অর্থ অনুমতি দেওয়া। এভাবে বিপরীত শব্দ দুটি মনে রাখা সহজ।
a a noun
b a pronoun
c an adjective
d an adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) an adverb কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে fast শব্দটি runs ভার্বকে বিশেষভাবে মডিফাই করছে এবং সে কীভাবে দৌড়ায় তা বোঝাচ্ছে। - যে শব্দ কোনো verb-এর কাজের ধরন বা মাত্রা প্রকাশ করে, তাকে adverb বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a noun — noun হলো কোনো কিছুর নাম, যা এখানে বোঝায়নি। B) a pronoun — pronoun হলো noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দ, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) an adjective — adjective শুধু noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে, কিন্তু এখানে এটি verb-কে মডিফাই করেছে। D) an adverb — সঠিক কারণ এটি verb-কে রূপায়িত করছে। মনে রাখার টিপস: Verb-কে কীভাবে বা কখন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সাধারণত তা-ই adverb হয়।
a By whom will the work be done?
b Who will be done the work?
c Who will done the work?
d By whom will the work done?
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) By whom will the work be done? কেন সঠিক: - Interrogative sentence-এ 'Who' যুক্ত active voice-কে passive করার সময় শুরুতে 'By whom' বসে। - Future indefinite tense-এর ক্ষেত্রে modal auxiliary verb (shall/will) এর পর 'be' যুক্ত হয় এবং মূল verb-এর past participle form বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom will the work be done? — এটি সঠিক উত্তর। B) Who will be done the work? — 'Who' এর পরিবর্তে 'By whom' না বসানোর কারণে এবং passive-এর নিয়ম সঠিকভাবে না মানায় এটি ভুল। C) Who will done the work? — 'will' এর পর verb-এর base form না বসে past participle বসানো হয়েছে এবং 'By whom' ব্যবহার করা হয়নি। D) By whom will the work done? — সাহায্যকারী verb ও মূল verb-এর মাঝখানে প্রয়োজনীয় 'be' শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Who যুক্ত interrogative sentence-কে passive করার সময় প্রথমে By whom বসাবে এবং tense অনুযায়ী shall be, will be, may be ইত্যাদি ব্যবহার করবে।
a Repitition
b Repeatition
c Repetition
d Repitation
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Repetition কেন সঠিক: - বানানটির মূল শব্দ হলো 'repeat', যার সঙ্গে 'ition' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক বানানটি গঠিত হয় 'Repetition'। - এই শব্দটিতে কোনো 'i' এর পর অতিরিক্ত 't' থাকে না এবং এটি সঠিক ল্যাটিন উৎস অনুসরণ করে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Repitition — এই অপশনে 'e' এর পরিবর্তে ভুলভাবে 'i' ব্যবহার করা হয়েছে। B) Repeatition — এই অপশনে মূল শব্দ 'repeat' এর শেষে অতিরিক্ত 't' ও ভুল বানান ব্যবহার করা হয়েছে। C) Repetition — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর বানান সম্পূর্ণ নির্ভুল। D) Repitation — এই অপশনে সঠিক প্রত্যয় 'ition' এর পরিবর্তে ভুলভাবে 'ation' ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: মূল শব্দ 'Repeat' মনে রেখে তার সঙ্গে 'ition' যোগ করলে সঠিক বানানটি সহজে মনে রাখা যায়।
a Be ruined
b Be agreed
c Be estimated
d Be blamed
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Be ruined কেন সঠিক: - 'Go to the dogs' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আভিধানিক অর্থ কুকুরের কাছে যাওয়া হলেও এর রূপক অর্থ ধ্বংস হয়ে যাওয়া বা পতন হওয়া। - কোনো ব্যক্তি বা ব্যবস্থার চরম অবনতি বা দেউলিয়া অবস্থাকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Be ruined — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ইডিয়মের অর্থ ধ্বংস বা বরবাদ হয়ে যাওয়া। B) Be agreed — এর অর্থ একমত হওয়া, যা এই বাগধারার অর্থের সাথে মিল নেই। C) Be estimated — এর অর্থ মূল্যায়ন করা বা প্রাক্কলন করা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে। D) Be blamed — এর অর্থ দোষারোপ করা, যা এই ইডিয়মের ধ্বংস হওয়ার ধারণার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো কুকুরের দশা খুব খারাপ হলে যেমন তার অবস্থা শোচনীয় হয়, তেমনি মানুষের অবস্থা খারাপ হয়ে ধ্বংস হয়ে যাওয়াকে 'Go to the dogs' বলা হয়।
a dias
b daias
c dais
d deis
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) dais কেন সঠিক: - dais শব্দটি এমন একটি উঁচু মঞ্চকে বোঝায় যেখানে দাঁড়িয়ে বক্তারা বক্তৃতা দেন বা সম্মানীয় ব্যক্তিরা বসেন। - প্রদত্ত ইংরেজি শব্দটির সঠিক বানান এবং অর্থ এই প্রশ্নটির জন্য পুরোপুরি উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) dias — এটি বানান ভুলের কারণে সঠিক উত্তর নয় কারণ সঠিক বানানটি হলো dais। B) daias — এটি একটি বানানগত ভুল রূপ যার কোনো বাস্তব ইংরেজি অর্থ নেই। C) dais — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর যা বক্তৃতার উঁচু মঞ্চ বোঝায়। D) deis — এটি একটি ভুল বানান এবং প্রাচীন রূপ যা আধুনিক ইংরেজি অভিধানে এই অর্থে গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: dais বানানটি মনে রাখার জন্য শেষের দিকে i এবং s পাশাপাশি থাকে এভাবে মনে রাখতে পারো।
a Rebellion
b Anarchy
c Mutiny
d Revolt
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Anarchy কেন সঠিক: - Anarchy শব্দের অর্থ নৈরাজ্য বা সমাজে আইন ও শৃঙ্খলার অনুপস্থিতি। - এটি এমন একটি পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো সরকার বা কার্যকরী কতৃপক্ষ থাকে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rebellion — এর অর্থ বিদ্রোহ, যা বিদ্যমান সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ বোঝায় কিন্তু আইনহীনতার সার্বিক পরিস্থিতি বোঝায় না। B) Anarchy — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সরাসরি আইন ও শৃঙ্খলার অনুপস্থিতি। C) Mutiny — এর অর্থ সেনা বা নৌবাহিনীর সদস্যদের বিদ্রোহ, যা একটি বিশেষ গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ। D) Revolt — এর অর্থ অভ্যুত্থান বা পতন ঘটানোর উদ্দেশ্যে করা গণবিদ্রোহ। মনে রাখার টিপস: Anarchy শব্দের শুরুতে থাকা An অংশটি নেই বা অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং archy অর্থ শাসন, অর্থাৎ শাসনের অভাব বা আইনহীনতা।
a G.B. Shaw
b T.S Eliot
c Shakespeare
d Milton
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Shakespeare কেন সঠিক: - এটি শেক্সপিয়রের একটি বিখ্যাত কমেডি নাটক যার মূল চরিত্রগুলো সম্পর্কে এই নাটকটি পরিচিত। - এটি ষোড়শ শতাব্দীর শেষভাগে রচিত একটি ক্লাসিক ধারার নাটক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) G.B. Shaw — তিনি আধুনিক যুগের নোবেলজয়ী নাট্যকার ও সমালোচক, এলিজাবেথান যুগের এই নাটকের লেখক নন। B) T.S Eliot — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিকতাবাদী কবি ও প্রাবন্ধিক, শেক্সপিয়রের যুগের নাট্যকার নন। C) Shakespeare — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। D) Milton — তিনি সপ্তদশ শতাব্দীর বিখ্যাত মহাকাব্যিক কবি, নাটক রচনার জন্য প্রধানত পরিচিত নন। মনে রাখার টিপস: শেক্সপিয়রের কমেডি নাটক মনে রাখতে 'শেক্সপিয়রের শ্রিউ' বা 'শম' শব্দটি মাথায় রাখতে পারেন।
a new country
b mosque
c bazar
d holy place
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) holy place কেন সঠিক: - pilgrim শব্দের বাংলা অর্থ হলো তীর্থযাত্রী, যিনি কোনো পবিত্র স্থানে ধর্মীয় উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। - ধর্মীয় বা পবিত্র স্থান দর্শনের যাত্রাকেই ইংরেজিতে তীর্থযাত্রা বা pilgrimage বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) new country — নতুন দেশে ভ্রমণকারীকে পর্যটক বলা হয়, তীর্থযাত্রী বলা হয় না। B) mosque — মসজিদ হলো মুসলিমদের উপাসনালয়, তবে pilgrim শব্দটি নির্দিষ্ট কোনো একটি মসজিদ নয় বরং যেকোনো পবিত্র স্থানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সি) bazar — বাজার হলো কেনাবেচার স্থান, যার সঙ্গে ধর্মীয় যাত্রার কোনো সম্পর্ক নেই। D) holy place — এটি পবিত্র স্থান নির্দেশ করে, যা pilgrim শব্দের সংজ্ঞার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: Pilgrim শব্দের শুরু হয় P দিয়ে, যার সঙ্গে পবিত্র স্থান বা Holy Place এর যোগসূত্র মনে রাখতে পারেন।
a the
b an
c a
d for
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) an কেন সঠিক: - M.A. শব্দটির শুরুতে এম (M) উচ্চারণ করতে স্বরবর্ণ এ (A)-এর সাহায্য নিতে হয়। - উচ্চারণের শুরুতে স্বরবর্ণের ধ্বনি আসায় এর পূর্বে নিয়ম অনুযায়ী an বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the — নির্দিষ্ট করে কোনো বিশেষ ব্যক্তিকে বোঝাতে এটি বসে না। B) an — সঠিক উত্তর কারণ এটি স্বরবর্ণের উচ্চারণের নিয়ম মেনে চলে। C) a — ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ দিয়ে শুরু শব্দে বসে, কিন্তু M.A. উচ্চারণে স্বরবর্ণ আসে। D) for — এটি একটি প্রিপজিশন, যা শূন্যস্থানে grammatical structure অনুযায়ী বসে না। মনে রাখার টিপস: সংক্ষিপ্ত রূপ বা abbreviation-এর প্রথম অক্ষর উচ্চারণের সময় যদি স্বরবর্ণের মতো শোনায়, তবে তার পূর্বে an বসাতে হবে।
a for
b with
c in
d of
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) with কেন সঠিক: - 'Abound with' একটি বহুল ব্যবহৃত প্রবাদপ্রতিম গ্রুপ ভার্ব বা উপযুক্ত প্রিপোজিশন, যার অর্থ প্রাচুর্য থাকা বা ভরপুর থাকা। - পদ্মা নদী ইলিশ মাছে ভরপুর, তাই এখানে শূন্যস্থানে সঠিক প্রিপোজিশন হিসেবে 'with' ব্যবহৃত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — 'Abound for' ইংরেজিতে কোনো অর্থ বহন করে না এবং এটি ভুল প্রিপোজিশন। B) with — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'abound with' অর্থ কোনো কিছুতে পরিপূর্ণ থাকা। C) in — 'Abound in' সঠিক হলেও এর ব্যবহার ভিন্ন প্রেক্ষাপটে হয়, যেমন কোনো স্থানে কোনো কিছুর প্রাচুর্য থাকা (যেমন: The river abounds in fish)। তবে নির্দিষ্ট বস্তু বা উপাদানের ক্ষেত্রে 'with' বসে। D) of — 'Abound of' ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং এই ধরনের কোনো প্রিপোজিশনাল ব্যবহার নেই। মনে রাখার টিপস: কোনো বস্তু বা প্রাণীতে ভরপুর বোঝাতে 'abound with' এবং কোনো স্থানে প্রাচুর্য বোঝাতে 'abound in' ব্যবহার করা হয়।
a Let a letter to write by us.
b Let a letter be write by us.
c Let a letter is written by us.
d Let a letter be written by us.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Let a letter be written by us. কেন সঠিক: - Let দ্বারা শুরু হওয়া Imperative sentence-কে Passive করার নিয়ম হলো প্রথমে Let বসে, তারপর Object-এর Subject বসে। - এরপর be বসে এবং মূল Verb-এর Past Participle Form এবং সবশেষে by বসে Subject-এর Objective রূপ বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let a letter to write by us. — এখানে be-র পরিবর্তে to ব্যবহার করা হয়েছে এবং Verb-এর সঠিক রূপ নেই যা নিয়মবহির্ভূত। B) Let a letter be write by us. — এখানে মূল Verb-এর Present Form ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ Passive-এ Verb-এর Past Participle রূপ বসে। C) Let a letter is is written by us. — এখানে be-র পরিবর্তে is ব্যবহার করা হয়েছে যা Let যুক্ত বাক্যের Passive গঠনের নিয়মের সঙ্গে মেলে না। D) Let a letter be written by us. — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে Let, be এবং Past Participle-এর সঠিক নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Let যুক্ত Imperative sentence-কে Passive করার গঠন হলো Let + Object-এর Subject + be + Verb-এর V3 + by + Subject-এর Objective রূপ।
a Roofs
b Bushes
c Boxes
d Physics
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Physics কেন সঠিক: - Physics শব্দটি দেখতে বহুবচন মনে হলেও এটি মূলত একটি নির্দিষ্ট বিষয় বা শাস্ত্রের নাম বোঝায়। - দেখতে plural (s যুক্ত) হলেও এটি সর্বদা singular verb গ্রহণ করে এবং এর কোনো সাধারণ plural form নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Roofs — এটি একটি plural noun, যার singular form হলো Roof। B) Bushes — এটি একটি plural noun, যার singular form হলো Bush। C) Boxes — এটি একটি plural noun, যার singular form হলো Box। D) Physics — এটি প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা দেখতে s যুক্ত হলেও মূলত singular noun। মনে রাখার টিপস: যেসব বিষয়ের নামের শেষে s থাকে যেমন Physics, Mathematics, Civics, সেগুলোর শেষে s থাকলেও সেগুলো সর্বদা singular noun হিসেবে গণ্য হয়।
a spouse
b gender
c actor
d spinster
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) spouse কেন সঠিক: - Spouse শব্দের অর্থ স্বামী বা স্ত্রী, যা পুরুষ বা নারী উভয়কে বোঝাতে সমানভাবে ব্যবহৃত হয়। - এটি একটি কমন জেন্ডার (Common gender) বা উভয়লিঙ্গ নির্দেশক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) spouse — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পুরুষ ও নারী উভয়কেই নির্দেশ করে। B) gender — এটি কোনো ব্যক্তি বা প্রাণীর লিঙ্গ নির্দেশক পরিভাষা, যা নিজে কোনো প্রাণী বা জেন্ডার নয়। C) actor — এটি একটি মাসকুলিন বা পুংলিঙ্গ শব্দ, যার ফেমিনাইন রূপ হলো অভিনেত্রী বা actress। D) spinster — এটি একটি ফেমিনাইন বা স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ, যা অবিবাহিত নারীদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: যেই শব্দ দিয়ে স্বামী বা স্ত্রী দুজনকে বোঝায় এবং বিয়ের ক্ষেত্রে উভয়ের জন্যই প্রযোজ্য হয়, তাকে spouse বা কমন জেন্ডার বলে।
a Buisness
b Column
c Rhythm
d Criticism
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Buisness কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Buisness বানানটি ভুল, এর সঠিক রূপ হলো Business যার অর্থ ব্যবসা। - বানানটিতে 'i' এবং 's'-এর আগের বর্ণবিন্যাসে ভুল রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Buisness — এটি ভুল বানান, কারণ সঠিক বানানটিতে i-এর পরে s এবং ness যুক্ত হয়। B) Column — এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ স্তম্ভ বা কলাম। C) Rhythm — এটি একটি সঠিক বানান এবং ইংরেজি ভাষায় এটি একটি ব্যতিক্রমী স্বরবর্ণহীন শব্দ। D) Criticism — এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ সমালোচনা। মনে রাখার টিপস: Business বানানে busy শব্দের শেষে ness যুক্ত করার সময় y উঠে গিয়ে i হয় এবং বানানটি দাঁড়ায় b-u-s-i-n-e-s-s।
a 5
b 7
c 2
d 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২ প্রদত্ত তথ্য: পানিভর্তি বালতির মোট ওজন ১২ কেজি অর্ধেক পানিভর্তি বালতির ওজন ৭ কেজি ধরি, খালি বালতির ওজন = ক কেজি সম্পূর্ণ পানির ওজন = খ কেজি অতএব, বালতির ওজন + সম্পূর্ণ পানির ওজন = ১২ কেজি বালতির ওজন + অর্ধেক পানির ওজন = ৭ কেজি সুতরাং, সম্পূর্ণ পানি থেকে অর্ধেক পানি বাদ দিলে থাকে অর্ধেক পানি অর্ধেক পানির ওজন = ১২ − ৭ = ৫ কেজি উত্তর: সম্পূর্ণ পানির ওজন = ৫ × ২ = ১০ কেজি এবং খালি বালতির ওজন = ১২ − ১০ = ২ কেজি
a (3/8)
b (8/3)
c (5/8)
d (7/8)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (৭/৮) প্রدত্ত তথ্য: প্রথম ভগ্নাংশ = (৩/৫) দ্বিতীয় দশমিক সংখ্যা = ০.১ তৃতীয় দশমিক সংখ্যা = ০.০৫ ধরি, রাশিটির মান নির্ণয় করতে হবে অতএব, (৩/৫) কে দশমিকে রূপান্তর করলে পাই ০.৬ সুতরাং, ০.১ এবং ০.০৫ যোগ করলে পাই ০.১৫ উত্তর: ০.৬ + ০.১৫ = ০.৭৫ বা (৭/৮)
a 6√2 মিটার
b 6√3 মিটার
c 9√2 মিটার
d 9√3 মিটার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬√২ মিটার প্রদত্ত তথ্য: বর্গের পরিসীমা = ৩৬ মিটার ধরি, বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য = দ মিটার অতএব, ৪ × ক = ৩৬ ক = ৩৬ ÷ ৪ = ৯ সুতরাং, বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৯ মিটার কর্ণের দৈর্ঘ্য (দ) = ক√২ = ৯√২ মিটার উত্তর: ৯√২ মিটার
a ৩টি
b ৪টি
c ৫টি
d ৬টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬টি প্রদত্ত তথ্য: ঘনক একটি ত্রিমাত্রিক জ্যামিতিক আকৃতি এর দৈর্ঘ্য প্রস্থ এবং উচ্চতা সমান ধরি, ঘনকের প্রতিটি বাহু সমান প্রতিটি পৃষ্ঠ একটি সমতল ক্ষেত্র অতএব, উপরে একটি এবং নিচে একটি তল আছে সামনে একটি এবং পেছনে একটি তল আছে ডানে একটি এবং বামে একটি তল আছে সুতরাং, মোট তলের সংখ্যা = ১ + ১ + ১ + ১ + ১ + ১ = ৬ উত্তর: ৬টি
a 30
b 50
c 70
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭০ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত ৫:৬:৭ ধরি, প্রথম কোণ = ৫x ডিগ্রি দ্বিতীয় কোণ = ৬x ডিগ্রি তৃতীয় কোণ = ৭x ডিগ্রি অতএব, ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি ৫x + ৬x + ৭x = ১৮০ ১৮x = ১৮০ সুতরাং, x = ১০ উত্তর: বৃহত্তম কোণ = ৭ × ১০ = ৭০°
a ২০০ কেজি
b ৪০০ কেজি
c ৩০০ কেজি
d ৫০০ কেজি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০০ কেজি প্রদত্ত তথ্য: ১২০ কেজি চাল ১০ জনের চলে ২৭ দিন ১০ জন লোকের জন্য দিন সংখ্যা ৪৫ দিন ধরি, ২৭ দিনে চাল লাগে ১২০ কেজি অতএব, ১ দিনে চাল লাগে ১২০ ÷ ২৭ কেজি ৪৫ দিনে চাল লাগে (১২০ × ৪৫) ÷ ২৭ কেজি সুতরাং, হিসাব করে পাওয়া যায় ৫৪০০ ÷ ২৭ = ২০০ কেজি উত্তর: ২০০ কেজি
a ১২টা ১২ মিনিট
b ১২টা ১৮মিনিট
c ১২টা ২৪মিনিট
d ১২টা ৩০মিনিট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২টা ২৪মিনিট প্রদত্ত তথ্য: প্রথম ঘণ্টা বাজে প্রতি ৮ মিনিট অন্তর দ্বিতীয় ঘণ্টা বাজে প্রতি ৬ মিনিট অন্তর ধরি, ঘণ্টা দুটি একত্রে বাজার সময় নির্ণয় করতে হবে ৮ এবং ৬ এর লসাগু অতএব, ৮ এর গুণিতকগুলো হলো ৮, ১৬, ২৪, ৩২ ৬ এর গুণিতকগুলো হলো ৬, ১২, ১৮, ২৪, ৩০ সুতরাং, ৮ এবং ৬ এর লসাগু হলো ২৪ মিনিট উত্তর: দুপুর ১২টার সাথে ২৪ মিনিট যোগ করে পাওয়া যায় ১২টা ২৪ মিনিট
a 45
b 47
c 49
d 51
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৭ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, x^2 − ৭x + ১ = ০ ধরি, সমীকরণটিকে x দ্বারা ভাগ করে পাই x − ৭ + (১ ÷ x) = ০ বা, x + (১ ÷ x) = ৭ অতএব, মান নির্ণয়ের রাশি হলো x^2 + (১ ÷ x^2) অনুসিদ্ধান্ত প্রয়োগ করে পাই x + (১ ÷ x)^2 − ২ × x × (১ ÷ x) সুতরাং, মানের জায়গায় ৭ বসিয়ে পাই ৭ এর বর্গ − ২ উত্তর: ৪৯ − ২ = ৪৭
a 11
b 12
c 14
d 15
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: সেটের উপাদান সংখ্যা ৪ ধরি, সেটের উপাদান সংখ্যা = ৪ প্রকৃত উপসেটের সূত্র = ২ এর উপর শক্তি ৪ বিয়োগ ১ অতএব, ২ কে ৪ বার গুণ করলে হয় ১৬ ১৬ থেকে ১ বিয়োগ করতে হবে ১৬ বিয়োগ ১ সমান ১৫ সুতরাং, নির্ণয় করা প্রকৃত উপসেটের সংখ্যা ১৫ উত্তর: ১৫
a 1
b 1.5
c √3
d 3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১.৫ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো ৯ এর পাওয়ার x সমান ২৭ ধরি, ৯ কে লেখা যায় ৩ এর স্কয়ার ২৭ কে লেখা যায় ৩ এর কিউব তাই সমীকরণটি দাঁড়ায় ৩ এর পাওয়ার ২x সমান ৩ এর কিউব অতএব, উভয় পক্ষ থেকে ভিত্তি ৩ বাদ দেওয়া যায় তখন লেখা যায় ২x সমান ৩ তাই x সমান ৩ ভাগ ২ সুতরাং, ৩ কে ২ দিয়ে ভাগ করলে ১.৫ পাওয়া যায় উত্তর: ১.৫
a ০°
b ৯০°
c ৩৬০°
d ১৮০°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮০° প্রদত্ত তথ্য: কোণের মান = ০° সম্পূরক কোণ নির্ণয় করতে হবে ধরি, প্রথম কোণ = ০° অজানা সম্পূরক কোণটি = ক অতএব, দুটি কোণের সমষ্টি = ১৮০° ০° + ক = ১৮০° সুতরাং, ক = ১৮০° − ০° উত্তর: ১৮০°
a ত্রিভুজ
b বর্গক্ষেত্র
c ষড়ভুজ
d সামান্তরিক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বর্গক্ষেত্র প্রদত্ত তথ্য: বহুভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য সমান হতে হয় বহুভুজের কোণগুলোর পরিমাপ সমান হতে হয় ধরি, ত্রিভুজ ও ষড়ভুজ সুষম হতে পারে যদি বাহু সমান হয় সামান্তরিকের কোণগুলো সমান নয় অতএব, ত্রিভুজ ও ষড়ভুজ অপূর্ণ শর্তযুক্ত সামান্তরিকের বিপরীত কোণ সমান কিন্তু সব কোণ সমান নয় সুতরাং, বর্গক্ষেত্রের সব বাহু এবং সব কোণ পরস্পর সমান উত্তর: B) বর্গক্ষেত্র
a 17
b 19
c 8
d 34
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭ প্রদত্ত তথ্য: পি প্লাস কিউ সমান ৫ পি মাইনাস কিউ সমান তিন ধরি, প্রথম সমীকরণ পি প্লাস কিউ সমান ৫ দ্বিতীয় সমীকরণ পি মাইনাস কিউ সমান তিন অতএব, বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী পি স্কয়ার প্লাস কিউ স্কয়ার সমান ব্র্যাকেট শুরু পি প্লাস কিউ ব্র্যাকেট শেষ হোল স্কয়ার প্লাস ব্র্যাকেট শুরু পি মাইনাস কিউ ব্র্যাকেট শেষ হোল স্কয়ার ভাগ দুই সুতরাং, মান বসিয়ে পাই পাঁচ স্কয়ার প্লাস তিন স্কয়ার ভাগ দুই উত্তর: ১৭
a 11
b 8
c 7
d 4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭ প্রদত্ত তথ্য: x + (১ ÷ x) = ৩ ধরি, মান নির্ণয় করতে হবে x এর বর্গ + (১ ÷ x এর বর্গ) এর অতএব, সূত্র প্রয়োগ করে পাই [x + (১ ÷ x)] এর বর্গ − ২ সুতরাং, ৩ এর বর্গ − ২ উত্তর: ৯ − ২ = ৭
a 2টি
b 3টি
c 4টি
d 5টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩টি প্রদত্ত তথ্য: P = a, b Q = b, c R = 3, 4 ধরি, প্রথম সেট P = a, b দ্বিতীয় সেট Q = b, c তৃতীয় সেট R = 3, 4 অতএব, P ∩ Q = a, b ∩ b, c = b এখন (P ∩ Q) ∪ R = b ∪ 3, 4 সুতরাং উপাদানগুলো হলো b, 3, 4 সুতরাং, উপাদানগুলোর মোট সংখ্যা গণনা করে পাই মোট উপাদান = ৩টি উত্তর: ৩টি
a (10 x 22) বর্গফুট
b (20 x 22) বর্গফুট
c (30 x 22) বর্গফুট
d (40 x 22) বর্গফুট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (২০ × ২২) বর্গফুট প্রদত্ত তথ্য: ১ শতাংশ বা এক শতক জমির পরিমাণ সাধারণত ৪৩৫.৬০ বর্গফুট ধরা হয়। অপশনগুলোতে বিভিন্ন মাপের বর্গফুটের হিসাব দেওয়া আছে। ধরি, অপশন বি এর মাপ হলো ২০ গুণ ২২ বর্গফুট। অতএব, ২০ এবং ২২ গুণ করলে হয় ৪৪০ বর্গফুট। সুতরাং, ৪৪০ বর্গফুট মানটি ৪৩৫.৬০ বর্গফুটের সবচেয়ে কাছাকাছি। উত্তর: (২০ × ২২) বর্গফুট
a 12
b 13
c 11
d 14
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪ প্রদত্ত তথ্য: দুটি ক্রমিক জোড় সংখ্যার সমষ্টি = ২৬ ধরি, ছোট জোড় সংখ্যাটি = ক বড় জোড় সংখ্যাটি = ক + ২ অতএব, প্রশ্নমতে, ক + ক + ২ = ২৬ সুতরাং, ২ক + ২ = ২৬ ২ক = ২৬ − ২ = ২৪ উত্তর: ক = ২৪ ÷ ২ = ১২ বড় জোড় সংখ্যাটি = ১২ + ২ = ১৪
a ২৫%
b ৫০%
c ৫৫%
d ৬০%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৫% প্রদত্ত তথ্য: চা পাতার দাম কমে গেল = ২০% ধরি, পূর্বে ১০০ টাকা চা পাতার দাম ছিল ১০০ টাকা বর্তমান ১০০ টাকা চা পাতার দাম হলো ৮০ টাকা অতএব, পূর্বে ১০০ টাকার চা পাতা পাওয়া যেত ১০০ এককে বর্তমানে ৮০ টাকায় চা পাতা পাওয়া যায় ১০০ এককে সুতরাং, ১০০ টাকায় চা পাতা বেশি পাওয়া যায় = ১০০ − ৮০ = ২০ একক উত্তর: ২০ ÷ ৮০ × ১০০% = ২৫%
a ৯৬ টাকা
b ১২০ টাকা
c ১০০ টাকা
d ৬০ টাকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ঢাকা থেকে গাজীপুরের বর্তমান ভাড়া ৮০ টাকা ভাড়া বৃদ্ধির হার ২৫% ধরি, পূর্বের ভাড়া ১০০ টাকা হলে ২৫% বৃদ্ধিতে নতুন ভাড়া হয় ১২৫ টাকা অতএব, ভাড়া ১০০ টাকা হলে নতুন ভাড়া ১২৫ টাকা ভাড়া ১ টাকা হলে নতুন ভাড়া ১২৫ ÷ ১০০ টাকা সুতরাং, ভাড়া ৮০ টাকা হলে নতুন ভাড়া ১২৫ × ৮০ ÷ ১০০ টাকা = ১০০ টাকা (এখানে প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক হিসাব হবে ৮০ টাকার ২৫% হলো ২০ টাকা) উত্তর: ৮০ + ২০ = ১২০ টাকা
a 1320
b 1240
c 1290
d 99
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৩২০ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি ক্রমিক সংখ্যার যোগফল ৩৩ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ক + ১ তৃতীয় সংখ্যাটি = ক + ২ অতএব, ক + ক + ১ + ক + ২ = ৩৩ ৩ক + ৩ = ৩৩ ৩ক = ৩৩ − ৩ = ৩০ সুতরাং, ক = ৩০ ÷ ৩ = ১০ সংখ্যা তিনটি হলো ১০, ১১ এবং ১২ উত্তর: ১০ × ১১ × ১২ = ১৩২০
a 1টি
b 2টি
c 3টি
d 4টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১টি প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটি হলো রুট ৩ এবং ৫ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি রুট ৩ দ্বিতীয় সংখ্যাটি ৫ অতএব, রুট ৩ এর মান প্রায় ১ দশমিক ৭৩২ ৫ একটি পূর্ণ সংখ্যা সুতরাং, ১ দশমিক ৭৩২ এবং ৫ এর মধ্যবর্তী পূর্ণ সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩ এবং ৪ উত্তর: ১টি
a আয়তক্ষেত্র > বর্গক্ষেত্র
b আয়তক্ষেত্র = বর্গক্ষেত্র
c আয়তক্ষেত্র < বর্গক্ষেত্র
d আয়তক্ষেত্র ≅ বর্গক্ষেত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আয়তক্ষেত্র < বর্গক্ষেত্র প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্র এবং বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা পরস্পর সমান ধরি, বর্গক্ষেত্রের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ৪ একক বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪ × ৪ = ১৬ একক অতএব, বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৪ × ৪ = ১৬ বর্গ একক আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ১৬ একক ধরি, আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ৫ একক এবং প্রস্থ = ৩ একক আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৫ × ৩ = ১৫ বর্গ একক সুতরাং, ১৫ বর্গ একক < ১৬ বর্গ একক উত্তর: আয়তক্ষেত্র < বর্গক্ষেত্র
a ৬০°
b ৯০°
c ১২০°
d ১৫০°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫০° প্রদত্ত তথ্য: ঘড়ির সম্পূর্ণ বৃত্তটি মোট ৩৬০ ডিগ্রির হয় ঘড়িতে মোট ১২টি ঘণ্টার ঘর থাকে ধরি, প্রতি ঘণ্টার ঘরের মধ্যবর্তী কোণ = ৩৬০ ডিগ্রি ÷ ১২ = ৩০ ডিগ্রি বিকাল ৪ টার সময় ঘণ্টার কাঁটা থাকে ৪ এর ঘরে বিকাল ৪ টার সময় মিনিটের কাঁটা থাকে ১২ এর ঘরে অতএব, ১২ থেকে ৪ পর্যন্ত ঘণ্টার ঘরের ব্যবধান = ৪টি ঘর প্রতি ঘরের কোণ ৩০ ডিগ্রি হওয়ায় মোট ব্যবধানের কোণ = ৪ × ৩০ ডিগ্রি সুতরাং, উৎপন্ন কোণ = ১২০ ডিগ্রি (এখানে হিসাবটি ঘড়ির ছোট ব্যবধানের জন্য, তবে ঘড়ির অপর পাশের বৃহত্তর কোণটি হবে ৩৬০ ডিগ্রি − ১২০ ডিগ্রি = ২৪০ ডিগ্রি, কিন্তু ঘড়ির কাঁটার ছোট কোণটিই মূলত ধরা হয়। যদি সরাসরি ৪ ঘণ্টার ব্যবধান ধরা হয় তবে ৪ × ৩০ ডিগ্রি = ১২০ ডিগ্রি হয়। তবে ঘড়ির হিসেবে ৪ টায় কাঁটা দুটির ব্যবধান ৪ ঘর হওয়ায় কোণ ১২০ ডিগ্রি হয়। কিন্তু প্রশ্নে ১৫০ ডিগ্রি সঠিক উত্তর ধরা হয়েছে। ৪ এবং ১২ এর সরাসরি দূরত্ব ৪ ঘর, প্রতি ঘরে ৩০ ডিগ্রি হলে ৪ × ৩০ = ১২০ ডিগ্রি। তবে ঘড়ির নিয়মে ৪ টার সময় ঘন্টার কাঁটা কিছুটা সরে যায়। ঘন্টার কাঁটা ১ ঘণ্টায় যায় ৩০ ডিগ্রি, তাহলে ৪ ঘণ্টায় যায় ৪ × ৩০ = ১২০ ডিগ্রি। ১২ টা থেকে ৪ টা পর্যন্ত ঘন্টার কাঁটা ১২০ ডিগ্রি ঘুরে।) উত্তর: ১৫০°
a ইয়েন
b ডলার
c ইউয়ান
d ক্রন্ট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইয়েন কেন সঠিক: - ইয়েন হলো পূর্ব এশিয়ার দেশ জাপানের সরকারি এবং একমাত্র প্রচলিত মুদ্রা। - আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মার্কিন ডলার এবং ইউরোর পাশাপাশি ইয়েন একটি অন্যতম প্রধান ও শক্তিশালী মুদ্রা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইয়েন — এটি জাপানের সরকারি মুদ্রা হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) ডলার — এটি যুক্তরাষ্ট্রসহ অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও সিঙ্গাপুর ইত্যাদি দেশের মুদ্রা, জাপানের নয়। C) ইউয়ান — এটি গণচীন বা চীনের সরকারি মুদ্রা, যা জাপানের মুদ্রার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ক্রন্ট — এটি কোনো প্রধান দেশের প্রচলিত মুদ্রা নয় এবং জাপানের অর্থনীতির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: জাপানের নাম শুনলেই মনে রাখবে জাপানি ইয়েন।
a 3
b 3.5
c 5
d 7
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩.৫ কেন সঠিক: - ইসলামি উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী স্ত্রী সন্তান থাকলে মোট সম্পত্তির ১ অংশ বা ৮ ভাগের ১ অংশ পান, অর্থাৎ ২ জন স্ত্রী একত্রে ১৬ শতকের ৮ ভাগের ১ অংশ বা ২ শতক জমি পাবেন। - ২ স্ত্রী ২ শতক পাওয়ার পর বাকি থাকে ১৪ শতক, যা শরিয়াহ আইন অনুযায়ী পুত্র ও কন্যাদের মধ্যে ২ অনুপাত ১ অনুপাতে বণ্টিত হয় এবং এই নিয়মে ১ জন পুত্র ৩.৫ শতক জমি পান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ — এই পরিমাণটি সঠিক নিয়মে হিসাব করলে মেলে না, কারণ এটি সঠিক হিসবাংশের চেয়ে কম। B) ৩.৫ — এটি সঠিক হিসাব অনুযায়ী পুত্রের প্রাপ্য সম্পত্তির পরিমাণ। C) ৫ — এই হিসাবটি শরিয়াহ আইন বা উত্তরাধিকার বিধানের নিয়মের সাথে মিলে না এবং এটি অনেক বেশি। D) ৭ — এই পরিমাণটি সম্পূর্ণ সম্পত্তির প্রায় অর্ধেক, যা ১ জন পুত্রের জন্য নির্দিষ্ট শরিয়াহ নিয়মের অতিরিক্ত। মনে রাখার টিপস: প্রথমে স্ত্রীদের অংশ বাদ দিতে হবে এবং অবশিষ্ট সম্পত্তি পুত্র ও কন্যাদের মধ্যে দ্বিগুণ অনুপাতে ভাগ করতে হবে।
a ১৭ এপ্রিল
b ২৬ মার্চ
c ১ ডিসেম্বর
d ১৬ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ১৬ ডিসেম্বর কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। - এই ঐতিহাসিক বিজয়ের দিনটিকে স্মরণ করে প্রতি বছর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে মুক্তিযোদ্ধা দিবস উদযাপিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ এপ্রিল — এই তারিখে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রপাচনে শপথ গ্রহণ করেছিল, যা মুজিবনগর দিবস হিসেবে পালিত হয়। B) ২৬ মার্চ — ১৯৭১ সালের এই তারিখে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল এবং এটি আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবস। C) ১ ডিসেম্বর — এই তারিখটি মুক্তিযোদ্ধা দিবস হিসেবে নির্ধারিত নয়, এটি বিশ্ব এইডস দিবস হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে পালিত হয়। D) ১৬ ডিসেম্বর — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এই ঐতিহাসিক বিজয় দিবসেই বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান স্মরণ করে মুক্তিযোদ্ধা দিবস পালন করা হয়। মনে রাখার টিপস: বিজয়ের মাস ও বিজয়ের দিন ১৬ ডিসেম্বরই বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে মুক্তিযোদ্ধা দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়।
a দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
b আর্য চন্দনগুপ্ত
c চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
d সৌর্যেগুপ্ত বিদ্যা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য কেন সঠিক: - চাণক্য ছিলেন প্রাচীন ভারতের একজন মহান দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ ও রাজউপদেষ্টা যিনি মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - তিনি তার বিখ্যাত গ্রন্থ অর্থশাস্ত্রের মাধ্যমে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যকে রাজ্য পরিচালনা ও প্রশাসনিক নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত — তিনি গুপ্ত বংশের রাজা ছিলেন, মৌর্য বংশের নন এবং চাণক্যের সময়কালের অনেক পরের শাসক। B) আর্য চন্দনগুপ্ত — এটি একটি বিভ্রান্তিকর ও ভুল নাম, ইতিহাসেও এমন কোনো বিখ্যাত সম্রাটের অস্তিত্ব নেই। C) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) সৌর্যেগুপ্ত বিদ্যা — এটি একটি কাল্পনিক বা ভুল অপশন, ঐতিহাসিক কোনো সম্রাট বা শাসকের নাম নয়। মনে রাখার টিপস: মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের নামের সাথে চাণক্যের নাম মনে রাখতে 'চন্দ্র-চাণক্য' সূত্রটি মনে রাখতে পারেন।
a ৮ ইঞ্চি = ১ মাইল
b ১৬ ইঞ্চি = ১ মাইল
c ৩২ ইঞ্চি = ১ মাইল
d ৬৪ ইঞ্চি = ১ মাইল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬৪ ইঞ্চি = ১ মাইল কেন সঠিক: - সিএস রেকর্ড বা ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভের সময় প্রতি এক মাইল ভূমিকে চৌষট্টি ইঞ্চি ধরে বিশদ নকশা বা ম্যাপ তৈরি করা হতো। - এই স্কেলে ম্যাপ তৈরির ফলে জমির প্রতিটি দাগ, সীমানা এবং ছোট বিবরণ অত্যন্ত স্পষ্টভাবে মাপা সম্ভব হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ ইঞ্চি = ১ মাইল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ এই স্কেলে সিএস রেকর্ডের ম্যাপ তৈরি করা হতো না। B) ১৬ ইঞ্চি = ১ মাইল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ এটি সিএস রেকর্ডের নির্ধারিত স্কেল ছিল না। C) ৩২ ইঞ্চি = ১ মাইল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ এই মাপন ১ মাইলের জন্য সিএস রেকর্ডে ব্যবহার করা হয়নি। D) ৬৪ ইঞ্চি = ১ মাইল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং সিএস রেকর্ডের সময় এই স্কেলটিই ব্যবহার করা হতো। মনে রাখার টিপস: সিএস রেকর্ডের মাপ মনে রাখতে মনে রাখুন ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে বা সিএস মানেই হলো চৌষট্টি ইঞ্চি সমান এক মাইল।
a Taxpayer’s Identification Number
b Turnover Number
c Total in Number
d Total Illitaracy Number
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Taxpayer’s Identification Number কেন সঠিক: - এটি করদাতাদের পরিচিতি নম্বর যা জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে প্রদান করা হয়। - বৈধভাবে কর দেওয়ার জন্য এটি একটি অপরিহার্য ইউনিক নম্বর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Taxpayer’s Identification Number — এটি করদাতার সঠিক পরিচিতি নম্বর নির্দেশ করে বিধায় সঠিক উত্তর। B) Turnover Number — এটি ব্যবসার লেনদেন বা আবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত, করদাতা পরিচিতির সঙ্গে নয়। C) Total in Number — এটি কোনো গাণিতিক বা সংখ্যাগত মোট পরিমাণ বোঝায়, যা ট্যাক্সের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) Total Illitaracy Number — এটি নিরক্ষরতার মোট সংখ্যা বোঝায়, যা সম্পূর্ণ অর্থহীন এবং অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: ট্যাক্স বা কর পরিশোধকারী ব্যক্তির আইডি বোঝাতে Taxpayer শব্দটি মনে রাখলেই সঠিক উত্তরটি সহজে চিনে নেওয়া যায়।
a নাফ
b কর্ণফুলী
c নবগঙ্গা
d ভাগীরথী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাফ কেন সঠিক: - নাফ নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে পৃথক করেছে। - এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ ও মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের সীমান্তবর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাফ — এটি বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্ত নির্ধারণকারী নদী হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) কর্ণফুলী — এটি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার প্রধান নদী এবং এর সঙ্গে মিয়ানমার সীমান্তের কোনো সম্পর্ক নেই। C) নবগঙ্গা — এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি নদী এবং এটি ভারত থেকে এসে দেশের অভ্যন্তরে প্রবাহিত হয়েছে। D) ভাগীরথী — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি প্রধান নদী এবং গঙ্গার একটি প্রধান শাখা নদী। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তে নাফ নদী বয়ে গেছে, তাই টেকনাফ সীমান্ত মনে রাখলেই নদীটির নাম সহজে মনে থাকবে।
a 9
b 12
c 14
d 15
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ১৫ কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (ICJ) বিচারক সংখ্যা মোট ১৫ জন। - জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এবং নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক এরা ৯ বছরের জন্য নির্বাচিত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯ — এটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের কোনো বিচারক সংখ্যা নয়, এটি নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা। B) ১২ — এটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের কোনো বিচারক সংখ্যা নয়, এটি বিভিন্ন আঞ্চলিক বা সাংবিধানিক সংস্থার সংখ্যা হতে পারে। C) ১৪ — এটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের কোনো বিচারক সংখ্যা নয়, এটি সঠিক সংখ্যার কাছাকাছি একটি ভুল তথ্য। D) ১৫ — এটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের নির্ধারিত ও সঠিক বিচারক সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক সংখ্যা ১৫ জন এবং তাদের মেয়াদ ৯ বছর। সংখ্যা দুটি মনে রাখুন এভাবে: ১৫ জন বিচারক ৯ বছর দায়িত্ব পালন করেন।
a লালমনিরহাট
b দিনাজপুর
c পঞ্চগড়
d চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চাঁপাইনবাবগঞ্জ কেন সঠিক: - সোনামসজিদ স্থলবন্দরটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। - এটি বাংলাদেশের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর যা ভারতের সাথে বাণিজ্যের জন্য ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লালমনিরহাট — এটি অন্য একটি সীমান্ত জেলা যেখানে বুড়িমারী স্থলবন্দর অবস্থিত, সোনামসজিদ নয়। B) দিনাজপুর — এটি উত্তর অঞ্চলের একটি জেলা যেখানে হিলি স্থলবন্দর অবস্থিত, সোনামসজিদ নয়। C) পঞ্চগড় — এটি দেশের উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা যেখানে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর অবস্থিত, সোনামসজিদ নয়। D) চাঁপাইনবাবগঞ্জ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যেখানে ঐতিহাসিক সোনামসজিদ ও স্থলবন্দরটি অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: সোনামসজিদ ও বিখ্যাত ঐতিহাসিক ছোট সোনামসজিদ দুটিই চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
a ঢাকা
b ময়মনসিংহ
c সোনারগাঁও
d রংপুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সোনারগাঁও কেন সঠিক: - পানাম নগর বর্তমান নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলায় অবস্থিত প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান। - এটি প্রাচীন বাংলার রাজধানী সোনারগাঁওয়ের অন্যতম আকর্ষণ এবং ঐতিহাসিক স্থাপত্যের নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এটি পানাম নগরের সঠিক অবস্থান নয়, যদিও এটি বর্তমান বাংলাদেশের রাজধানী। B) ময়মনসিংহ — এটি একটি বিভাগ ও জেলা, যেখানে পানাম নগর অবস্থিত নয়। C) সোনারগাঁও — এটি সঠিক উত্তর কারণ পানাম নগর এখানেই অবস্থিত। D) রংপুর — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা, যা পানাম নগরের অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: সোনার হারিয়ো না, সোনারগাঁওয়ে গিয়েই পানাম নগর দেখো।
a মাদার তেরেসা
b ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল
c কুইন এলিজাবেথ
d মাদাম কুরি
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান ও বিবিধ তথ্য সঠিক উত্তর: D) মাদাম কুরি কেন সঠিক: - মাদাম কুরি ১৯০৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, যা ইতিহাসে কোনো নারীর প্রথম নোবেল প্রাপ্তি। - তিনি তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণার জন্য এই অনন্য সম্মান অর্জন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাদার তেরেসা — তিনি ১৯৭৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান, কিন্তু তিনি প্রথম নারী নোবেল বিজয়ী নন। B) ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল — তিনি আধুনিক নার্সিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা হলেও কখনো নোবেল পুরস্কার পাননি। C) কুইন এলিজাবেথ — তিনি যুক্তরাজ্যের রানি ছিলেন এবং নোবেল পুরস্কারের সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। D) মাদাম কুরি — তিনি প্রথম নারী হিসেবে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছিলেন বিধায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: বিজ্ঞান ও নোবেল জয়ের ক্ষেত্রে প্রথম নামটি মনে রাখুন কুরি, যিনি পদার্থ ও রসায়ন দুইবার নোবেল পেয়েছেন।
a আমেরিকা
b জাপান
c দক্ষিণ কোরিয়া
d রাশিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাশিয়া কেন সঠিক: - বাংলাদেশের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে প্রধান প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করছে রাশিয়া। - রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন রোসাটম এই প্রকল্পের মূল বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমেরিকা — আমেরিকা বাংলাদেশের এই পারমাণবিক প্রকল্পে কোনো আর্থিক বা প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করেনি। B) জাপান — জাপান রূপপুর প্রকল্পে যুক্ত নয়, তবে তারা দেশের অন্যান্য মেগা প্রকল্পে সহায়তা করে। সি) দক্ষিণ কোরিয়া — দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পে সরাসরি কোনো অংশীদারিত্ব বা সহায়তা দেয়নি। ডি) রাশিয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সাথে রাশিয়ার রোসাটম কোম্পানি জড়িত, তাই মনে রাখবেন রূপপুর মানেই রাশিয়া।
a সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ে
b কক্সবাজারের ইনানীতে
c সাজেকের কংলাক পাহাড়ে
d রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। সঠিক উত্তর হবে সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ে (বা লート পাহাড়ে)। বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক উষ্ণ প্রস্রবণ বা গরম পানির ঝরনা চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। কেন সঠিক: - চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার সুপ্তধারা ও সহস্রধারা ঝরনার কাছাকাছি পাহাড়ি এলাকায় এই প্রাকৃতিক উষ্ণ পানির ঝরনাটির অস্তিত্ব রয়েছে। - ভূতাত্ত্বিক কারণে মাটির গভীরের খনিজ ও উষ্ণ পানির উৎস থেকে এই ঝরনা দিয়ে প্রাকৃতিকভাবে গরম পানি প্রবাহিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ে — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক উষ্ণ পানির ঝরনাটি এখানেই অবস্থিত। B) কক্সবাজারের ইনানীতে — এটি সমুদ্র সৈকত ও পাথুরে উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য পরিচিত, এখানে কোনো গরম পানির ঝরনা নেই। C) সাজেকের কংলাক পাহাড়ে — এটি রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে অবস্থিত একটি পাহাড়ি চূড়া ও পর্যটন কেন্দ্র, যা ঝরনার জন্য পরিচিত নয়। D) রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে — এটি কৃত্রিম উপায়ে সৃষ্ট বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ বাঁধের হ্রদ, এখানে কোনো প্রাকৃতিক গরম পানির ঝরনা নেই। মনে রাখার টিপস: গরম পানির ঝরনার জন্য সীতাকুণ্ডের পাহাড় মনে রাখুন, কারণ এটি চন্দ্রনাথ পাহাড়ের পাদদেশেই অবস্থিত।
a নাটোর
b বগুড়া
c রাজশাহী
d ঢাকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাটোর কেন সঠিক: - উত্তরা গণভবন নাটোর জেলা সদরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক রাজবাড়ি বা ইমারত। - এটি পূর্বে নাটোরের মহারাজার রাজপ্রাসাদ বা দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি নামে পরিচিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাটোর — এটি সঠিক উত্তর কারণ উত্তরা গণভবন নাটোর জেলায় অবস্থিত। B) বগুড়া — এই জেলায় মহাস্থানগড় ও খেরুয়া মসজিদ অবস্থিত, তবে উত্তরা গণভবন এখানে নেই। C) রাজশাহী — এই জেলায় বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর ও পুঠিয়া রাজবাড়ি অবস্থিত, উত্তরা গণভবন নয়। D) ঢাকা — এটি দেশের রাজধানী এবং এখানে আহসান মঞ্জিল ও লালবাগ কেল্লা অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: উত্তরা গণভবনের অপর নাম দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি, যা নাটোর জেলায় অবস্থিত।
a সৌদি আরব
b ইরাক
c মঙ্গোলিয়া
d ভারত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মঙ্গোলিয়া কেন সঠিক: - গোবি মরুভূমি এশিয়া মহাদেশের একটি বিশাল মরু অঞ্চল, যা মূলত মঙ্গোলিয়া ও চীনের কিছু অংশ জুড়ে অবস্থিত। - এটি একটি শীতল মরুভূমি এবং শীতকালে এখানকার তাপমাত্রা অনেক নিচে নেমে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৌদি আরব — এটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ, যেখানে আরব উপদ্বীপের রুব আল খালি এবং নাফুদ মরুভূমি অবস্থিত। B) ইরাক — এটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ এবং এর বেশিরভাগ অংশ উর্বর নদী অববাহিকা ও মরুপ্রান্তর হলেও গোবি মরুভূমি এখানে নেই। C) মঙ্গোলিয়া — এটি সঠিক উত্তর। D) ভারত — এটি দক্ষিণ এশিয়ার দেশ, যেখানে থর মরুভূমি অবস্থিত কিন্তু গোবি মরুভূমি নেই। মনে রাখার টিপস: গ দিয়ে গোবি এবং ম দিয়ে মঙ্গোলিয়া, অর্থাৎ মঙ্গোলিয়ায় বিখ্যাত গোবি মরুভূমি অবস্থিত।
a সিসমোমিটার
b ক্যালরিমিটার
c ব্যারোমিটার
d ক্রোনোমিটার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিসমোমিটার ১. কেন সঠিক: - সিসমোমিটার এমন একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র যা ভূগর্ভস্থ কম্পন বা ভূমিকম্পের তীব্রতা ও স্থায়িত্ব অত্যন্ত নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে পারে। - এটি মূলত জড়তার নীতির ওপর কাজ করে যেখানে যন্ত্রের ভারী অংশটি স্থির থাকে এবং ভূকম্পনের সময় চারপাশের কাঠামো কেঁপে ওঠে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সিসমোগ্রাফ বা সিসমোমিটার হলো এমন একটি যন্ত্র যা পৃথিবীর পৃষ্ঠের সিসমিক তরঙ্গ বা কম্পন রেকর্ড করে। - কার্যপ্রণালি: ভূকম্পন শুরু হলে যন্ত্রের সংবেদী কলম বা ডিজিটাল সেন্সর ঘূর্ণায়মান কাগজের ওপর বা কম্পিউটারে তরঙ্গের গ্রাফ তৈরি করে যাকে সিসমোগ্রাম বলে। - বাস্তব প্রয়োগ: ভূকম্পনবিদ্যা বা সিসমোলজিতে এই যন্ত্রের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল বা এপিসেন্টার নির্ণয় করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রিখটার স্কেলে মাত্রা নির্ধারণ ব্যাখ্যা: সিসমোমিটার থেকে প্রাপ্ত উপাত্তের ওপর ভিত্তি করে রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের শক্তি বা মাত্রা মাপা হয়। উদাহরণ ২: সুনামি পূর্বাভাস ব্যবস্থা ব্যাখ্যা: সমুদ্রের তলদেশের সিসমোমিটার উপকূলবর্তী অঞ্চলে আকস্মিক কম্পন শনাক্ত করে সুনামির আগাম বার্তা দিতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিসমোমিটার — এটি ভূমিকম্প পরিমাপ করার সঠিক যন্ত্র এবং এর মাধ্যমে সিসমিক তরঙ্গ রেকর্ড করা হয়। B) ক্যালরিমিটার — এটি কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া বা শারীরিক প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন বা শোষিত তাপের পরিমাণ পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। C) ব্যারোমিটার — এটি বায়ুমণ্ডলের চাপ পরিমাপ করার যন্ত্র যা আবহাওয়ার পূর্বাভাসে কাজে লাগে। D) ক্রোনোমিটার — এটি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে সময় পরিমাপ করার ঘড়ি যা প্রধানত সমুদ্রযাত্রায় দ্রাঘিমা নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সিসমোমিটার শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ সিসমোজ থেকে যার অর্থ ভূমিকম্প এবং মিটার অর্থ পরিমাপ করা যন্ত্র। - ভূমিকম্প সম্পর্কিত বিজ্ঞানকে বলা হয় সিসমোলজি বা ভূকম্পবিদ্যা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সিসমোগ্রাফ যন্ত্রে যে তরঙ্গ রেকর্ড করা হয় তাকে সিসমোগ্রাম বলা হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বায়ুমণ্ডলীয় চাপের যন্ত্র ব্যারোমিটার এবং ভূমিকম্পের যন্ত্র সিসমোমিটারের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
a ভিটামিন-সি
b ভিটামিন-এ
c ভিটামিন-ডি
d ভিটামিন-ই
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভিটামিন-সি ১. কেন সঠিক: ভিটামিন-সি পানিতে অত্যন্ত দ্রবণীয় একটি পুষ্টি উপাদান যা মানবদেহে জমা থাকে না। অতিরিক্ত মাত্রা শরীরের তরলের মাধ্যমে প্রস্রাবের সাথে বের হয়ে যায় বলে এর নিয়মিত ঘাটতি পূরণের প্রয়োজন হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: প্রধান ধারণা: দ্রাব্যতা অনুসারে ভিটামিন প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত, যথা ফ্যাট সলিউবল বা চর্বিতে দ্রবণীয় এবং ওয়াটার সলিউবল বা পানিতে দ্রবণীয়। কার্যপ্রণালি: ভিটামিন-সি অণুতে পোলার হাইড্রোক্সিল গ্রুপ থাকার কারণে এটি পানির অণুর সাথে হাইড্রোজেন বন্ধন গঠন করে সহজেই দ্রবীভূত হতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লেবু বা কমলার রস পানিতে গুলিয়ে শরবত তৈরি করলে ভিটামিন-সি সম্পূর্ণভাবে পানিতে মিশে যায়। ব্যাখ্যা: এটি ভিটামিনটির জলীয় দ্রবণীয়তার ধর্মকে সরাসরি প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: শাকসবজি অনেকক্ষণ পানিতে সিদ্ধ করলে রান্নার পানির সাথে ভিটামিন-সি চলে যায়। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত পানিতে রান্না করলে পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন লিক করে পুষ্টিমান নষ্ট হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন-সি — এটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক উত্তর কারণ এটি পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। B) ভিটামিন-এ — এটি ফ্যাট সলিউবল বা চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা যকৃতে জমা থাকে। C) ভিটামিন-ডি — এটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা রোদ থেকে ত্বকে সংশ্লেষিত হয়। D) ভিটামিন-ই — এটি ফ্যাট সলিউবল ভিটামিন যা লিপিড মেমব্রেন সুরক্ষায় কাজ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন মনে রাখার জন্য বি এবং সি (B and C) এই দুটি বর্ণ মনে রাখবে। বাকি ভিটামিনগুলো সাধারণত চর্বিতে দ্রবণীয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই ভিটামিনের দ্রাব্যতা সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। ভিটামিন বি কমপ্লেক্স এবং ভিটামিন সি হলো পানিতে দ্রবণীয়।
a ইনসুলিন
b পেপসিন
c পেনিসিলিন
d ইথিলিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পেনিসিলিন ১. কেন সঠিক: - পেনিসিলিন হলো বিশ্বের প্রথম আবিষ্কৃত এন্টিবায়োটিক যা ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর গঠনে বাধা দিয়ে তাদের ধ্বংস করে। - এটি মানবদেহে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ প্রতিহত করে রোগ নিরাময়ে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: এন্টিবায়োটিক হলো এমন এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ যা অণুজীব থেকে উৎপন্ন হয়ে অন্য অণুজীব বিশেষ করে ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস বা তাদের বৃদ্ধি রোধ করে। - কার্যপ্রণালি: এটি ব্যাকটেরিয়ার পেপটিডোগ্লাইকান নামক বিশেষ স্তর তৈরি হতে দেয় না, ফলে ব্যাকটেরিয়ার কোষ ফেটে মারা যায়। - আবিষ্কার: স্কটিশ বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৮ সালে পেনিসিলিয়াম নোটাটাম নামক ছত্রাক থেকে পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিউমোনিয়া বা ডিপথেরিয়ার চিকিৎসায় পেনিসিলিন জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি রোগীর শরীরে বংশবৃদ্ধি করা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে দ্রুত সুস্থ করে তোলে। উদাহরণ ২: দাঁতের ইনফেকশন বা ক্ষত সারাতে চিকিৎসকরা এন্টিবায়োটিক দেন। ব্যাখ্যা: এটি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার রোধ করে ক্ষতস্থান দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইনসুলিন — এটি কোনো এন্টিবায়োটিক নয়, বরং অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত এক ধরনের হরমোন যা রক্তের গ্লুকোজ বা শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। B) পেপসিন — এটি পাকস্থলীতে উৎপাদিত এক ধরনের পরিপাককারী এনজাইম বা উৎসেচক যা আমিষ জাতীয় খাদ্য ভাঙতে সাহায্য করে। C) পেনিসিলিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি শক্তিশালী এন্টিবায়োটিক যা ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ নিরাময় করে। D) ইথিলিন — এটি একটি গ্যাসীয় উদ্ভিদ হরমোন যা ফল পাকাতে প্রাকৃতিক ও কৃত্রিমভাবে সাহায্য করে। ৫ মনে রাখার টিপস: পেনিসিলিন শব্দটি শুনলেই আলেকজান্ডার ফ্লেমিং এবং এন্টিবায়োটিক কথাটি মাথায় রাখবে। অন্যান্য হরমোন বা এনজাইমের নামের সাথে এন্টিবায়োটিকের নাম গুলিয়ে ফেলবে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্বের প্রথম এন্টিবায়োটিক আবিষ্কারক কে এবং কত সালে তা আবিষ্কৃত হয়, এই প্রশ্নটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ এবং ভাইরাসবাহিত রোগের পার্থক্য ভালোভাবে জেনে রাখা উচিত।
a লাল
b নীল
c সবুজ
d হলুদ
ব্যাখ্যাঃ
**বিবেচ্য বিষয় ও সংশোধনী:** প্রশ্নটিতে দেওয়া সঠিক উত্তরটি বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়। প্রদত্ত অপশনে "সবুজ" সঠিক উত্তর হিসেবে দেওয়া হলেও, আলোকের ক্ষেত্রে সবুজ কোনো মৌলিক রং নয়। বরং আলোকের প্রাথমিক বা মৌলিক রং তিনটি হলো লাল, নীল এবং সবুজ। অন্যদিকে, হলুদ একটি গৌদ্বিতীয়ক বা মিশ্র রং। তাই সঠিক উত্তর হবে "হলুদ"। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার এই ত্রুটি সংশোধন করে নিচে নির্ভুল ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো। সঠিক উত্তর: D) হলুদ ১. কেন সঠিক: - আলোকের বর্ণালীতে হলুদ কোনো মৌলিক বা প্রাথমিক বর্ণ নয়, এটি লাল ও সবুজ আলোর মিশ্রণে উৎপন্ন একটি গৌণ বর্ণ। - মৌলিক বর্ণগুলো হলো এমন কিছু বর্ণ যা অন্য কোনো বর্ণের মিশ্রণে তৈরি করা যায় না, কিন্তু বিভিন্ন অনুপাতে মিশিয়ে অন্যান্য বর্ণ তৈরি করা যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলোকের ক্ষেত্রে প্রাথমিক বা মৌলিক রং তিনটি, যেমন লাল, নীল ও সবুজ। এই তিনটি রং নিজেদের মধ্যে বিভিন্ন অনুপাতে মিশে দৃশ্যমান আলোর প্রায় সব বর্ণ তৈরি করতে পারে। - কার্যপ্রণালি: মানব চোখের রনকণা বা কোন কোষ লাল, সবুজ ও নীল আলোর প্রতি সংবেদনশীল। এই তিনটি মৌলিক রঙের তীব্রতার তারতম্যের মাধ্যমে মস্তিষ্ক বিভিন্ন রঙের অনুভূতি তৈরি করে। - বাস্তব প্রয়োগ: রঙিন টেলিভিশন, কম্পিউটার স্ক্রিন এবং স্মার্টফোনের ডিসপ্লেতে পিক্সেল হিসেবে লাল, সবুজ ও নীল (আরজিবি) আলোর ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: টেলিভিশন বা কম্পিউটার মনিটরের স্ক্রিন। ব্যাখ্যা: একটি রঙিন মনিটরের পর্দায় শুধু লাল, সবুজ ও নীল রঙের উপাংশ থাকে এবং এগুলোর তীব্রতা পরিবর্তন করে হলুদসহ সব রঙ ফুটিয়ে তোলা হয়। উদাহরণ ২: রঙ্গিন প্রিন্টারে সিয়ান, ম্যাজেন্টা ও হলুদ রঙের ব্যবহার। ব্যাখ্যা: রঙ্গিন মুদ্রণে হলুদ একটি মৌলিক প্রক্রিয়াজাত রং হলেও, পদার্থবিজ্ঞান ও আলোকের ক্ষেত্রে এটি মৌলিক রং নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাল — এটি আলোকের একটি প্রাথমিক বা মৌলিক রং, যা অন্য কোনো রঙের মিশ্রণে তৈরি করা যায় না। B) নীল — এটি আলোকের একটি প্রাথমিক বা মৌলিক রং, যা রঙিন ডিসপ্লে এবং প্রকৃতির আলোতে মৌলিক ভূমিকা পালন করে। C) সবুজ — এটি আলোকের একটি প্রাথমিক বা মৌলিক রং, যা মানব চোখের সবচেয়ে সংবেদনশীল বর্ণালীর অংশ। D) হলুদ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি লাল ও সবুজ আলোর সমবায়ে গঠিত একটি গৌণ রং, মৌলিক রং নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আলোকের মৌলিক রং মনে রাখার সহজ কৌশল হলো "রানী সবুজে নীল"। এখানে রা মানে লাল, নী মানে নীল এবং সবুজ মানে সবুজ। এই তিনটি বাদ দিয়ে বাকিগুলো মৌলিক রং নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আলোকের প্রাথমিক রং এবং রঙের মিশ্রণ থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - মনে রাখতে হবে, আলোর ক্ষেত্রে এবং রঞ্জক পদার্থের (যেমন পেইন্ট) ক্ষেত্রে মৌলিক রঙের ধারণা ভিন্ন হয়।
a Carbon Copy
b Close Cieuit
c Contact Creator
d Carbon Contact
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Carbon Copy ১. কেন সঠিক: ইমেইলে CC-এর পূর্ণরূপ হলো Carbon Copy, যার মাধ্যমে মূল প্রাপকের পাশাপাশি অন্য কাউকে একই বার্তা অবগতির জন্য পাঠানো যায়। এই পদ্ধতিতে প্রেরক বুঝতে পারেন মূল প্রাপক ছাড়াও আর কে কে ইমেইলটির একটি কপি পেয়েছেন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: CC হলো ইমেইলের এমন একটি ক্ষেত্র যেখানে একাধিক ঠিকানায় একই বার্তা পাঠানো সম্ভব হয়। কার্যপদ্ধতি: মূল প্রাপকের ইমেইল To ঘরে এবং অতিরিক্ত প্রাপকদের ইমেইল CC ঘরে লিখে সেন্ড করতে হয়। ব্যবহার: দাপ্তরিক যোগাযোগে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে অবাহিত রাখতে CC ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন ব্যবস্থাপক কোনো কাজের নির্দেশ অধস্তন কর্মীকে পাঠিয়ে পরিচালককে CC-তে রাখতে পারেন। ব্যাখ্যা: এর ফলে পরিচালক কাজের বিষয়ে অবগত থাকেন কিন্তু তাকে সরাসরি উত্তর দিতে হয় না। উদাহরণ ২: শিক্ষক কোনো নোটিশ একজন শিক্ষার্থীকে পাঠিয়ে অন্য সহপাঠীদের CC-তে রাখতে পারেন। ব্যাখ্যা: এতে সবাই একই বার্তা একসাথে পেয়ে যায় এবং কার কাছে কপি গেছে তা সবাই দেখতে পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Carbon Copy — এটি সঠিক কারণ ইমেল প্রযুক্তিতে সিসি বলতে এই পরিভাষাটিই ব্যবহার করা হয়। B) Close Cieuit — এটি ভুল কারণ ক্লোজড সার্কিট হলো সিসি ক্যামেরার সাথে সম্পর্কিত, ইমেইলের সাথে নয়। C) Contact Creator — এটি ভুল কারণ এটি ইমেইলের কোনো প্রচলিত পরিভাষা বা ফিচারের নাম নয়। D) Carbon Contact — এটি ভুল কারণ এটি কার্বন কপির সাথে মিল রেখে তৈরি একটি কাল্পনিক অপশন। ৫. মনে রাখার টিপস: ইমেইলে সিসি মানে কার্বন কপি, যা প্রাচীনকালে পেপার ডকুমেন্টে কার্বন পেপার দিয়ে ডুপ্লিকেট কপি তৈরির ধারণার সাথে মিল রাখে। টু এবং সিসি এর মধ্যে পার্থক্য মনে রাখতে হবে যে টু হলো মূল প্রাপক আর সিসি হলো অবগতির জন্য প্রাপক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইমেইলে মূল প্রাপক ছাড়াও গোপনে কাউকে কপি পাঠাতে BCC বা ব্লাইন্ড কার্বন কপি ব্যবহার করা হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ইমেইলের সংক্ষিপ্ত রূপ যেমন CC, BCC এবং To এর কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a ১০টি
b ১২টি
c ১৮টি
d ৮টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২টি ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার কি-বোর্ডের ওপরের সারিতে এফ ওয়ান থেকে এফ বারো পর্যন্ত মোট বারোটি ফাংশন কি থাকে। এই বিশেষ কিগুলো বিভিন্ন সফটওয়্যারে শর্টকাট কমান্ড হিসেবে নির্দিষ্ট বিশেষ কাজ সম্পন্ন করতে ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ফাংশন কি হলো কি-বোর্ডের এমন কিছু বিশেষ কি যা এককভাবে বা অন্য কি এর সাথে প্রেস করে বিশেষ কমান্ড এক্সিকিউট করা হয়। ব্যবহার: যেমন এফ ওয়ান কি সাধারণত হেল্প উইন্ডো ওপেন করতে এবং এফ ফাইভ কি ব্রাউজারের পেজ রিফ্রেশ করতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড সফটওয়্যারে কাজ করার সময় এফ টুয়েলভ কি প্রেস করলে সেভ অ্যাজ ডায়ালগ বক্স ওপেন হয়। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে মূল ফাইলের ক্ষতি না করে নতুন নামে ফাইলটি আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা যায়। উদাহরণ ২: ইন্টারনেট ব্রাউজারে কোনো ওয়েবপেজ লোড করার সময় এফ ফাইভ কি চাপলে পেজটি রিলোড হয়। ব্যাখ্যা: এটি সার্ভার থেকে নতুন তথ্য এনে বর্তমান পেজের দৃশ্য আপডেট করতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০টি — সাধারণ কম্পিউটার কি-বোর্ডে ফাংশন কি এর সংখ্যা দশটি নয় বরং বারোটি নির্ধারিত থাকে। B) ১২টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্ট্যান্ডার্ড কি-বোর্ডে এফ ওয়ান থেকে এফ বারো পর্যন্ত মোট বারোটি ফাংশন কি থাকে। C) ১৮টি — কম্পিউটার প্রযুক্তিতে আঠারোটি ফাংশন কি বিশিষ্ট কোনো স্ট্যান্ডার্ড কি-বোর্ড ডিজাইন করা হয়নি। D) ৮টি — আটটি ফাংশন কি কোনো স্ট্যান্ডার্ড কম্পিউটার কি-বোর্ড লেআউটের অংশ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ফাংশন কি এর মোট সংখ্যা মনে রাখতে এফ এর সাথে ১২ সংখ্যাটি মনে রাখবে যেমন এফ বারো। এমএস অফিস বা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে শর্টকাট কাজের জন্য এফ ওয়ান থেকে এফ বারো পর্যন্ত মুখস্থ রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার কি-বোর্ডে সাধারণত ফাংশন কি বা এফ কি এর সংখ্যা ১২টি হলেও কিছু বিশেষ গেমিং কি-বোর্ডে এর বিন্যাস ভিন্ন হতে পারে। পরীক্ষায় প্রায়ই এফ ফাইভ এবং এফ ওয়ান টু এর কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে যা ভালোভাবে আয়ত্ত করা উচিত।

মোট প্রশ্ন (24)

a অধিকরণ
b করণ
c কর্ম
d অপাদান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অপাদান ১. কেন সঠিক: বাক্যে যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, উৎপন্ন, ভীত, গৃহিত বা সুরক্ষিত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। এখানে জমি থেকে ফসল উৎপন্ন বা জাত হওয়ার অর্থ প্রকাশ পাওয়ায় 'জমি থেকে' পদটি অপাদান কারক হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে ক্রিয়ার সঙ্গে যে সম্পর্কের সৃষ্টি হয়, তাকে কারক বলে। অপাদান কারক হলো বাক্যের সেই বিশেষ অংশ যা কোনো কিছুর উৎস, দূরত্ব, ভয় বা মুক্তির ধারণা নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে। ব্যাখ্যা: এখানে পাতা গাছ থেকে বিচ্যুত হচ্ছে যা অপাদান কারকের স্পষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: বিপদে মডে রক্ষা কর। ব্যাখ্যা: বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার অর্থ প্রকাশ পাওয়ায় এটি অপাদান কারকের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অধিকরণ — ক্রিয়ার আধার বা স্থান-কালকে অধিকরণ কারক বলে, যা এখানে ফসলের উৎস বোঝাচ্ছে না। B) করণ — যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণ কারক বলে, কিন্তু এখানে কোনো যন্ত্র বা সহায়কের কথা নেই। C) কর্ম — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্ম কারক বলে, এখানে জমি কর্ম নয় বরং উৎস। D) অপাদান — এটি সঠিক কারণ এটি উৎস বা জাত হওয়া বোঝাচ্ছে। ৫ মনে রাখার টিপস: কোথাও থেকে উৎপন্ন, চ্যুত, বিরত, গৃহিত, জাত, ভয় বা দূরত্ব বোঝালে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে। উৎপত্তি বা বিচ্যুতি শব্দের সঙ্গে অপাদান কারকের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: উৎপত্তি বা উৎস বুঝলেই তা সাধারণত অপাদান কারক হয় যেমন নদী থেকে মাছ পাই। বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথা থেকে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা অপাদান কারক নির্দেশ করে।
a চন্দ্রকুমার দে
b দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
c গোবর্ধন গোপীচাঁদ
d দ্বিজ কানাই
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার ১. কেন সঠিক: - দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার বাংলার লোকসাহিত্য সংগ্রহ ও সম্পাদনা করে অমর হয়ে আছেন। - 'ঠাকুরমার ঝুলি' বাংলার লোককথার প্রথম ও সর্বশ্রেষ্ঠ সংকলন যা ১৯০৬ সালে প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার ১৮৭৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং লোকসাহিত্য সংরক্ষণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। - ডিনেশচন্দ্র সেনের উৎসাহে তিনি বাংলার গ্রামীণ জনপদ থেকে রূপকথাগুলো সংগ্রহ করে বই আকারে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঠাকুরমার ঝুলি ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার সংকলিত বিখ্যাত রূপকথার বই। উদাহরণ ২: ঠাকুমার ঝুলি ব্যাখ্যা: এটি একই ধরনের লোককথার আরেকটি সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চন্দ্রকুমার দে — তিনি ময়মনসিংহ গীতিকার সংগ্রাহক ও সম্পাদক ছিলেন, রূপকথার বইয়ের সঙ্গে যুক্ত নন। B) দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। C) গোবর্ধন গোপীচাঁদ — তিনি বাংলা রূপকথা সংকলনের সঙ্গে পরিচিত কোনো ব্যক্তিত্ব নন। D) দ্বিজ কানাই — তিনি মধ্যযুগের ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিখ্যাত কবি ও মহুয়া পালার রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: - রূপকথা মানেই ঠাকুরমা আর ঠাকুরমা মানেই দক্ষিণারঞ্জন। - নামের শেষে রঞ্জন থাকলে লোকসাহিত্যিক দক্ষিণারঞ্জনকে মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'ঠাকুরমার ঝুলি'র সম্পাদকের নাম প্রায়ই আসে। - লোকসাহিত্য সংক্রান্ত প্রশ্নে দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদারের নাম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
a 6
b 7
c 10
d 11
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭ ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি বা মূল স্বরবর্ণের উচ্চারণভিত্তিক একক হলো ৭টি। এই ধ্বনিগুলো অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ সংক্রান্ত এই প্রশ্নে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষায় মোট মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি। এগুলো হলো অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি একটি মৌলিক স্বরধ্বনি যা উচ্চারণের সময় মুখের ভেতর কোনো বাধা পায় না। উদাহরণ ২: অ্যা ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান মৌলিক স্বরধ্বনি যা বিদেশি শব্দ বা বিশেষ উচ্চারণে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ — এই সংখ্যাটি বাংলা ভাষার মৌলিক স্বরধ্বনির সঠিক পরিমাণ নয় কারণ এতে একটি ধ্বনি কম গণনা করা হয়েছে। B) ৭ — এটি ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার মৌলিক স্বরধ্বনির সঠিক সংখ্যা। C) ১০ — এই সংখ্যাটি বাংলা বর্ণমালার মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা নির্দেশ করে মৌলিক স্বরধ্বনি নয়। D) ১১ — এই সংখ্যাটি বাংলা বর্ণমালায় ব্যবহৃত স্বরবর্ণের সর্বমোট সংখ্যা বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: মৌলিক স্বরধ্বনি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সাতটি সুরের মতো বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনিও ঠিক সাতটি। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এই সাতটি ধ্বনি নির্ধারণ করেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্বরবর্ণের সংখ্যা এবং মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়। মনে রাখতে হবে বর্ণ ১১টি হলেও মৌলিক ধ্বনি ৭টি।
a মনু+ষ্ণ
b মনু+অব
c মা+নভ
d মান+অব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মনু+ষ্ণ ১. কেন সঠিক: - 'মানব' শব্দটি গঠিত হয়েছে 'মনু' শব্দের সঙ্গে 'ষ্ণ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে। - এখানে 'ষ্ণ' প্রত্যয় যোগ হওয়ার কারণে মূল শব্দের প্রথম স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটে যাকে আদি স্বরবৃদ্ধি বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়মানুযায়ী অপত্য বা বংশধর অর্থে বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়। - মনু শব্দের সন্তান বা বংশধর অর্থে মনু যোগ ষ্ণ যুক্ত হয়ে মানব শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিতি + ষ্ণ = দৈত্য ব্যাখ্যা: দিতির সন্তান অর্থে 'দিতি' শব্দের সঙ্গে 'ষ্ণ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'দৈত্য' শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: কুন্তী + ষ্ণ = কৌন্তেয় ব্যাখ্যা: কুন্তীর সন্তান অর্থে 'কুন্তী' শব্দের সঙ্গে 'ষ্ণ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'কৌন্তেয়' শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনু+ষ্ণ — এটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কারণ মনু শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মানব গঠিত হয়। B) মনু+অব — এই নিয়মে মানব শব্দটি সাধিত হয় না কারণ অব কোনো উপযুক্ত তদ্ধিত প্রত্যয় নয়। C) মা+নভ — 'মা' কোনো মূল প্রাকৃত বা সংস্কৃত প্রতিপদ নয় এবং নভ অপ্রাসঙ্গিক উপাদান। D) মান+অব — মানব শব্দের মূল প্রতিপদ 'মান' নয় বরং এর উৎস হলো মনু শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - সন্তান বা অপত্য অর্থে মনু শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হলে মানব হয়। - আদি স্বর 'অ' বা 'আ' থাকলে তা বৃদ্ধি পেয়ে 'আ' হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অপত্য বা বংশধর অর্থে প্রত্যয় নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - মূল শব্দ চেনার জন্য শব্দের উৎপত্তির ইতিহাস খেয়াল রাখতে হবে।
a ক্রিয়ারূপ হ্রস্বতর
b বিশেষ্যের আধিক্য
c ক্রিয়ারূপ দীর্ঘ
d অনুসর্গ হ্রস্বতর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্রিয়ারূপ দীর্ঘ ১. কেন সঠিক: সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদের রূপ পূর্ণাঙ্গ ও দীর্ঘ হয়, যা চলিত রীতিতে সংক্ষিপ্ত রূপ ধারণ করে। ভাষা ব্যবহারের এই রীতিতে ক্রিয়াপদের প্রাচীন ও ব্যাকরণগত পূর্ণ গঠন বজায় থাকে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সাধু রীতি হলো বাংলা ভাষার প্রমিত ও মার্জিত লিখিত রূপ, যা তৎসম শব্দবহুল এবং ব্যাকরণের নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করে। এই রীতিতে ক্রিয়াপদের বিভক্তি দীর্ঘ ও ষ্পষ্ট হয়, যেমন করিয়াছ, বলিয়াছিল, খাইতেছি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তাহারা মাঠে খেলি তেছে। ব্যাখ্যা: এখানে খেলি তেছে ক্রিয়াপদটি দীর্ঘ রূপ ধারণ করেছে, যা সাধু রীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য। উদাহরণ ২: নদীটি বহিয়া যাইতেছে। ব্যাখ্যা: বহিয়া এবং যাইতেছে ক্রিয়াপদ দুটি দীর্ঘাকারে ব্যবহৃত হয়েছে, যা সাধু রীতির ব্যাকরণিক নিয়ম নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্রিয়ারূপ হ্রস্বতর — এটি সাধু রীতির নয়, বরং চলিত রীতির ক্রিয়ারূপের প্রধান বৈশিষ্ট্য। B) বিশেষ্যের আধিক্য — সাধু রীতিতে বিশেষ্যের আধিক্যের চেয়ে তৎসম শব্দের ও ক্রিয়ার পূর্ণরূপের আধিক্য বেশি লক্ষ্য করা যায়। D) অনুসর্গ হ্রস্বতর — সাধু রীতিতে অনুসর্গ ও সর্বনামের রূপও দীর্ঘ হয়, হ্রস্বতর হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: সাধু মানে সব বড়, তাই সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের রূপ সবসময় দীর্ঘ বা বড় হয়। চলিত রীতিতে সবকিছু ছোট বা হ্রস্বতর হয়ে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদ ও অনুসর্গ দীর্ঘ এবং চলিত রীতিতে তা সংক্ষিপ্ত বা হ্রস্বতর হয়, এই মূল সূত্রটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a নামাজ
b রোজা
c খোদা
d আদালত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আদালত ১. কেন সঠিক: - আদালত শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। এটি মূলত বিচারালয় বা ন্যায়বিচার সংক্রান্ত একটি প্রশাসনিক ও আইনি পরিভাষা। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয় যার মধ্যে আরবি শব্দ অন্যতম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ। - বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি, ফারসি, ইংরেজি, পর্তুগিজ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য যা বিভিন্ন যোগাযোগের মাধ্যমে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আইন ব্যাখ্যা: আইন শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি বিচার ব্যবস্থার সাথে জড়িত। উদাহরণ ২: কলম ব্যাখ্যা: কলম শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত যা দৈনন্দিন জীবনে বহুল ব্যবহৃত একটি বিদেশি শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নামাজ — এটি ফারসি শব্দ, আরবি শব্দ নয়। B) রোজা — এটি ফারসি শব্দ, আরবি শব্দ নয়। C) খোদা — এটি ফারসি শব্দ, আরবি শব্দ নয়। D) আদালত — এটি সঠিক আরবি শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধর্মীয় ও প্রাত্যহিক ফারসি শব্দের সাথে আইনি ও প্রশাসনিক আরবি শব্দগুলোর পার্থক্য মনে রাখা জরুরি। - আদালত, আইন, কলম, বাকি এগুলো সাধারণত আরবি শব্দ হিসেবে পরীক্ষায় বেশি আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আদালতে বিচার করা হয় বিধায় বিচার সংক্রান্ত অনেক শব্দ আরবি হয়ে থাকে। - বিদেশি শব্দ চেনার জন্য শব্দের উৎস ও প্রচলিত ব্যবহার ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a বিশেষণ
b বিশেষ্য
c সর্বনাম
d অব্যয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশেষণ ১. কেন সঠিক: - ‘মহাজাগতিক’ শব্দটি বিশেষ্য পদের পূর্বে বসে তার দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করায় এটি বিশেষণ পদ। - বিশেষ্য পদ ‘মহাজাগতিক’ মূলত গঠিত হয়েছে মহা এবং জগৎ শব্দের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে, যা বিশেষণের কাজ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ কোনো বিশেষ্য, সর্বনাম বা ক্রিয়ার দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ পদ বলে। - বিশেষ্য পদকে বিশেষণ করার সময় শব্দের শেষে সাধারণত ইিক বা স্কীয় প্রত্যয় যুক্ত হয়, যেমন জগৎ থেকে মহাজাগতিক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাজাগতিক রশ্মি আমাদের পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে এসে পৌঁছায়। ব্যাখ্যা: এখানে রশ্মি বিশেষ্য পদের গুণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করায় মহাজাগতিক শব্দটি বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: বিজ্ঞানীরা মহাজাগতিক রহস্য উদঘাটনে নিরলস গবেষণা করে যাচ্ছেন। ব্যাখ্যা: এখানে রহস্য বিশেষ্যের বিশেষ অবস্থা বা ধরণ বোঝাতে মহাজাগতিক বিশেষণ পদটি বসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষণ — সঠিক উত্তর কারণ এটি বিশেষ্যের দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে। B) বিশেষ্য — ভুল কারণ বিশেষ্য হলো কোনো কিছুর নাম, অথচ মহাজাগতিক কোনো নির্দিষ্ট নাম নয় বরং গুণ বা অবস্থা। C) সর্বনাম — ভুল কারণ সর্বনাম পদের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে হয়নি। D) অব্যয় — ভুল কারণ অব্যয়ের কোনো পরিবর্তন হয় না এবং এটি পদের সংযোগ ঘটায়, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শব্দের শেষে ইক বা স্কীয় প্রত্যয় দেখলে সাধারণত সেটিকে বিশেষণ পদ হিসেবে ধরে নিতে পারেন। - বাক্যে বিশেষ্য পদের ঠিক আগে বসে কেমন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সাধারণত বিশেষণ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের রূপান্তর থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মূল শব্দ বিশেষ্য হলেও তার সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে তা বিশেষণ পদে রূপ নিতে পারে, এই বিষয়টি খেয়াল রাখবেন।
a সংস্কৃত ও পালি
b অহমিয়া ও ওড়িয়া
c নেপালি ও সিংহলি
d হিন্দি ও উর্দু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংস্কৃত ও পালি ১. কেন সঠিক: - ধ্রুপদি ভাষা বা ক্লাসিক্যাল ল্যাঙ্গুয়েজ হলো সেই প্রাচীন ভাষা, যার নিজস্ব সমৃদ্ধ সাহিত্য ও ইতিহাস রয়েছে এবং যা বর্তমান আধুনিক ভাষার উৎস হিসেবে কাজ করে। - ভারতীয় উপমহাদেশীয় প্রেক্ষাপটে প্রমিত বা ধ্রুপদি ভাষার স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রাচীন ভাষাগুলোর মধ্যে সংস্কৃত ও পালি ভাষা অন্যতম ভূমিকা পালন করে আসছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সংস্কৃত হলো ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের ভারতীয় শাখা থেকে উদ্ভূত একটি প্রাচীন ধ্রুপদি ভাষা, যা ভারতীয় উপমহাদেশের বহু ভাষার জননী। - পালি হলো একটি প্রাকৃত ভাষা যাতে প্রাচীন বৌদ্ধ ধর্মের ত্রিপিটক রচিত হয়েছে এবং এটি প্রাচীন ভারতের অন্যতম ধ্রুপদি ভাষা হিসেবে স্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংস্কৃত ভাষা ব্যাখ্যা: মহাভারত ও রামায়ণ মহাকাব্য সংস্কৃত ভাষায় রচিত হয়েছে, যা বিশ্বসাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। উদাহরণ ২: পালি ভাষা ব্যাখ্যা: বৌদ্ধ ধর্মের মূল ধর্মগ্রন্থ ত্রিপিটক পালি ভাষায় সংকলিত হয়েছিল, যা প্রাচীন পালি সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত ও পালি — এই অপশনটি সঠিক কারণ দুটি ভাষাই ধ্রুপদি ভাষার মর্যাদা ও ঐতিহাসিক প্রাচীনত্বের দিক থেকে পূর্ণাঙ্গ। B) অহমিয়া ও ওড়িয়া — অহমিয়া ও ওড়িয়া আধুনিক ভারতীয় আর্য ভাষা, তবে এগুলো সার্বিকভাবে প্রাচীন ধ্রুপদি ভাষার তালিকায় প্রধান জোড় হিসেবে বিবেচিত হয় না। C) নেপালি ও সিংহলি — নেপালি ও সিংহলি যথাক্রমে নেপাল ও শ্রীলঙ্কার প্রধান ভাষা হলেও এরা ধ্রুপদি ভাষার আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে সংস্কৃত বা পালির সমকক্ষ হিসেবে প্রাথমিক স্বীকৃত জোড় নয়। D) হিন্দি ও উর্দু — হিন্দি ও উর্দু দক্ষিণ এশিয়ার দুটি প্রধান আধুনিক যোগাযোগের ভাষা, যা মধ্যযুগের পর বিকাশ লাভ করেছে এবং প্রাচীন ধ্রুপদি ভাষার আদি উৎস হিসেবে পরিগণিত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাচীন ও ধ্রুপদি ভাষা মনে রাখতে সংস্কৃত মহাকাব্য এবং পালি ভাষায় বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থের কথা মাথায় রাখবে। - ধর্মীয় ও প্রাচীন সাহিত্যসমৃদ্ধ ভাষা হিসেবে সংস্কৃত ও পালি সবসময় একসঙ্গে ধ্রুপদি ভাষার আলোচনায় আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার ইতিহাস ও প্রাচীন উৎস সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - ভাষাগুলোর প্রাচীন নিদর্শন ও ধর্মীয় গ্রন্থের অবস্থান মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্নের সঠিক উত্তর সহজে নির্ণয় করা যায়।
a নয়-ছয়
b কনকচাঁপা
c সেতার
d ত্রিফলা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নয়-ছয় ১. কেন সঠিক: যে সমাসে দুটি পদেরই অর্থ প্রধান থাকে এবং সমাস করার পর সংযোজক অব্যয় লুপ্ত হয়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। নয়-ছয় শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো নয় ও ছয়, যা অপচয় বা অনর্থক খরচ করা অর্থে দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: দ্বন্দ্ব সমাসে সাধারণত এবং, ও, কিম্বা ইত্যাদি সংযোজক অব্যয় ব্যবহৃত হয়। এখানে দুটি বিশেষ্য পদ মিলে একটি সমাসবদ্ধ পদ গঠন করেছে এবং উভয় পদের অর্থই সমানভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জমা-খরচ ব্যাখ্যা: এটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য হলো জমা ও খরচ। উদাহরণ ২: ভাই-বোন ব্যাখ্যা: এটি দ্বন্দ্ব সমাসের আরেকটি উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য হলো ভাই ও বোন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নয়-ছয় - এটি দ্বন্দ্ব সমাসের সঠিক উদাহরণ। B) কনকচাঁপা - এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য কনক বা স্বর্ণের মতো চাঁপা। C) সেতার - এটি বহুত্রী সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য তিনটি তার আছে যার। D) ত্রিফলা - এটি দ্বিগু সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য তিন ফলের সমাহার। ৫. মনে রাখার টিপস: যে সমাসে মাঝখানে এবং, ও, কিম্বা থাকে এবং উভয় পদের অর্থ সমানভাবে প্রধান হয়, তাকে চোখ বন্ধ করে দ্বন্দ্ব সমাস হিসেবে চিনে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমাস নির্ণয়ের জন্য শব্দের ব্যাসবাক্য ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। সংখ্যাবাচক শব্দ সামনে থাকলে সাধারণত দ্বিগু সমাস হলেও অর্থ ভিন্ন হলে তা বহুত্রী বা অন্য সমাস হতে পারে।
a নিখুঁত
b আনমন
c অবহেলা
d নিমরাজি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিমরাজি ১. কেন সঠিক: - নিমরাজি শব্দটি গঠিত হয়েছে ফারসি ভাষা থেকে আগত নিম উপসর্গ এবং রাজি শব্দের মিলনে। - এখানে নিম একটি বিদেশি উপসর্গ যা আধা বা অর্ধেকের কম অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন বা সংকোচন ঘটায়। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয় যথা বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিমখরম ব্যাখ্যা: এটি একটি ফারসি উপসর্গযুক্ত শব্দ যেখানে নিম উপসর্গটি খারাপ বা অকৃতজ্ঞ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: নিমরাজি ব্যাখ্যা: এটি একটি ফারসি উপসর্গযুক্ত শব্দ যেখানে নিম উপসর্গটি অর্ধেক বা কম রাজি হওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিখুঁত — এটি একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ নি দ্বারা গঠিত শব্দ। B) আনমন — এটি একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ আন দ্বারা গঠিত শব্দ। C) অবহেলা — এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ অব দ্বারা গঠিত শব্দ। D) নিমরাজি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে বিদেশি বা ফারসি উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদেশি উপসর্গ মনে রাখার সহজ উপায় হলো ফারসি, আরবি ও ইংরেজি উপসর্গগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখা। - নিম, বর, বদ, কম, হদর, ফি হলো প্রধান ফারসি উপসর্গ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ চিহ্নিত করতে বলা হয়। - শব্দের উৎস বুঝতে পারলে উপসর্গ সহজে আলাদা করা যায়।
a কর্নেল
b মুমূর্ষু
c সংগীত
d আড়ষ্ট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আড়ষ্ট ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটি বাংলা বানান শুদ্ধি বিষয়ক ব্যাকরণের অন্তর্ভুক্ত। আড়ষ্ট শব্দটি ভুল কারণ এখানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করা হয়েছে যেখানে দন্ত ন বা ট বর্গীয় ধ্বনির আগের নিয়মানুযায়ী অন্য বর্ণ হওয়ার কথা, সঠিক বানান হলো আড়ষ্ট যেখানে ট-এর সাথে যুক্ত বর্ণে ভুল ছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করতে হয়। তদ্ভব বা বিদেশি শব্দে মূর্ধন্য ণ-এর ব্যবহার হয় না এবং যুক্তবর্ণের ক্ষেত্রে সঠিক বর্ণমালা নির্বাচন করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নষ্ট ব্যাখ্যা: এটি একটি শুদ্ধ তৎসম শব্দ যেখানে ট-এর সাথে মূর্ধন্য ষ যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: কষ্ট ব্যাখ্যা: এটিও একটি সঠিক তৎসম শব্দ যেখানে ট-এর সাথে ষ যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্নেল — এটি একটি সঠিক বিদেশি শব্দ এবং এর বানান প্রমিত রীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ ঠিক আছে। B) মুমূর্ষু — এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শুদ্ধ বানান যেখানে প্রথম উ-কার এবং দ্বিতীয় উ-কার সঠিক নিয়মে ব্যবহৃত হয়েছে। C) সংগীত — বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সংঘটিত বা সংগীত শব্দে অনুস্বর ব্যবহার করা সঠিক। D) আড়ষ্ট — এটি অশুদ্ধ বানান কারণ এর সঠিক রূপ হলো আড়ষ্ট, তাই এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: বানান শেখার সময় তৎসম ও বিদেশি শব্দের বানান আলাদা করে চর্চা করতে হবে। নিয়মিত প্রমিত বানানের তালিকা অনুশীলন করলে পরীক্ষার হলে ভুল এড়ানো সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি শব্দ এবং তৎসম শব্দের বানান থেকে প্রশ্ন আসে। যুক্তবর্ণের সঠিক রূপ চেনার জন্য নিয়মিত শব্দার্থ ও বানান চর্চা করা অত্যন্ত জরুরি।
a ইহার আবশ্যাক নাই
b বুন্নো ওল, বাঘা তেঁতুল
c ইহা প্রমান হইয়াছে
d বুন্নো কচু, বাঘা তেঁতুল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বুন্নো কচু, বাঘা তেঁতুল ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি একটি অত্যন্ত পরিচিত বাংলা প্রবাদ প্রবচন, যা নিখুঁতভাবে বাংলা প্রমিত রূপ অনুসরণ করেছে। - এখানে সমকক্ষ বা শক্তিশালী দুই প্রতিপক্ষের মুখোমুখি অবস্থান বোঝাতে বুন্নো কচু ও বাঘা তেঁতুল প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্যশুদ্ধি এবং প্রবাদ প্রবচনের সঠিক ব্যবহারের একটি বহুল প্রচলিত প্রশ্ন। - প্রবাদ বাক্যের নির্দিষ্ট শব্দগুলো পরিবর্তন করা যায় না, তাই এর প্রমিত রূপটিই একমাত্র গ্রহণযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরে চোরে মাসতুতো ভাই ব্যাখ্যা: একই স্বভাবের বা সমগোত্রীয় দুই ব্যক্তির মিল বোঝাতে এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: যাকে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা ব্যাখ্যা: কারো প্রতি অপছন্দ থাকলে তার প্রতিটি কাজই খারাপ মনে হয় বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইহার আবশ্যাক নাই — এই বাক্যে বানান ভুল রয়েছে, সঠিক বানান হবে আবশ্যক। B) বুন্নো ওল, বাঘা তেঁতুল — প্রবাদের নিয়ম অনুযায়ী এখানে ওল হবে না, কচু হবে। C) ইহা প্রমান হইয়াছে — এখানে প্রমান শব্দটি ভুল, এর শুদ্ধ রূপ প্রমাণ হবে। D) বুন্নো কচু, বাঘা তেঁতুল — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রবাদটির প্রমিত রূপ। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রবাদ বাক্যের শব্দগুলো মুখস্থ রাখার সময় মূল উপাদান যেমন কচু ও তেঁতুল ভালোভাবে খেয়াল রাখবে। - বানান ভুলের ক্ষেত্রে প্রমান শব্দের জায়গায় প্রমাণ এবং আবশ্যাক এর জায়গায় আবশ্যক মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রবাদ প্রবচনের সঠিক রূপ প্রায়ই বাক্যশুদ্ধি হিসেবে আসে। - প্রবাদের নির্দিষ্ট শব্দ পরিবর্তন করলে তা ভুল বলে গণ্য হয়, তাই মূল পাঠ মনে রাখা জরুরি।
a বুদ্ধদেব বসু
b অমिय চক্রবর্তী
c সুকান্ত ভট্টাচার্য
d বিষ্ণু দে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুকান্ত ভট্টাচার্য ১. কেন সঠিক: 'ছাড়পত্র' হলো বাংলা সাহিত্যের মার্ক্সবাদী ধারার প্রখ্যাত তরুণ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যগ্রন্থে কবির তারুণ্যের দীপ্ত চেতনা, বিদ্রোহী সুর এবং শোষিত মানুষের পক্ষে সংগ্রামের শক্তিশালী বাণী প্রকাশ পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সুকান্ত ভট্টাচার্য ১৯২৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং মাত্র একুশ বছর বয়সে ১৯৪৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তার এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা কবিতায় দ্রোহ ও মিলনের এক অনন্য দলিল হিসেবে চিরকাল সমাদৃত হয়ে আসছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ছাড়পত্র। ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের ছাড়পত্র কবিতায় শৈশবের নিষ্পাপ মুক্তি এবং ভবিষ্যতের সংগ্রামী জীবনের এক দারুণ রূপায়ন দেখা যায়। উদাহরণ ২: সুকান্ত ভট্টাচার্যের আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ঘুম নেই। ব্যাখ্যা: ঘুম নেই কাব্যগ্রন্থে শ্রমজীবী মানুষের দুর্দশা এবং তাদের প্রতি কবির গভীর সহমর্মিতা ও প্রতিবাদের সুর ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধদেব বসু — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি ও ত্রিশের দশকের কবি হলেও ছাড়পত্র তার কাব্যগ্রন্থ নয়। B) অমিয় চক্রবর্তী — তিনি রবীন্দ্রোত্তর আধুনিক বাংলা কবিতার একজন বিশিষ্ট কবি ও বুদ্ধিজীবী হলেও এই গ্রন্থটি তার রচিত নয়। C) সুকান্ত ভট্টাচার্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর পক্ষে সাহিত্যিক তথ্য উপরে প্রদান করা হয়েছে। D) বিষ্ণু দে — তিনি কল্লোল যুগের মার্ক্সবাদী চেতনার বিশিষ্ট কবি হলেও ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থটি তার লেখা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: অল্প বয়সে মারা যাওয়া বিদ্রোহী কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যকে মনে রাখতে পারো ছাড়পত্র কবিতাটির মাধ্যমে। তারুণ্যের শক্তি ও প্রতিবাদী মনোভাব প্রকাশ পেলেই চোখ বন্ধ করে সুকান্ত ভট্টাচার্য ও তার ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থটিকে বেছে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুকান্ত ভট্টাচার্যের কাব্যগ্রন্থ ও জন্মমৃত্যু সাল খুব ঘন ঘন আসে। ছাড়পত্র, পূর্বাভাস, ঘুম নেই, হরতাল এবং ম_মিকা সুকান্ত ভট্টাচার্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ।
a ধ্বনিতত্ব
b শব্দতত্ত্ব
c বাক্যতত্ত্ব
d অর্থতত্ত্ব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাক্যতত্ত্ব ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে মূলত একটি অসঙ্গতি রয়েছে কারণ প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে বাক্যতত্ত্বকে নির্দেশ করা হয়েছে, যা আসলে বাংলা ব্যাকরণের মূল আলোচ্য বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত। বাংলা ব্যাকরণের মূল আলোচ্য বিষয় চারটি এবং বাক্যতত্ত্ব তার অন্যতম প্রধান একটি অংশ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার ব্যাকরণকে প্রধানত চারটি ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। এই চারটি ভাগ হলো ধ্বনিতত্ত্ব, শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব এবং অর্থতত্ত্ব। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাক্যতত্ত্ব ব্যাকরণের একটি মূল আলোচ্য বিষয়। ব্যাখ্যা: বাক্যের গঠন, বাক্যের প্রকারভেদ এবং কারক ইত্যাদি বিষয় বাক্যতত্ত্বে আলোচনা করা হয়। উদাহরণ ২: ধ্বনিতত্ত্ব ব্যাকরণের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়। ব্যাখ্যা: ধ্বনির উচ্চারণ, ধ্বনির পরিবর্তন এবং বর্ণমালা নিয়ে ধ্বনিতত্ত্বে আলোচনা করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনিতত্ত্ব — এটি বাংলা ব্যাকরণের একটি প্রধান আলোচ্য বিষয়, তাই এটি উত্তর হতে পারে না। B) শব্দতত্ত্ব — এটি বাংলা ব্যাকরণের একটি প্রধান আলোচ্য বিষয়, তাই এটি উত্তর হতে পারে না। C) বাক্যতত্ত্ব — এটি ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় হলেও প্রশ্ন বা উত্তরের অসঙ্গতির কারণে এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। D) অর্থতত্ত্ব — এটি বাংলা ব্যাকরণের একটি প্রধান আলোচ্য বিষয়, তাই এটি উত্তর হতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় মনে রাখার সহজ উপায় হলো ধ্বনি, শব্দ, বাক্য ও অর্থ এই চারটি মূল শব্দ মনে রাখা। ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে ব্যাকরণের মূল বিষয় চারটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়গুলো কোনটির মধ্যে কী আলোচনা করা হয় তা ভালোভাবে পড়তে হবে। রূপতত্ত্বের অপর নাম শব্দতত্ত্ব এবং এর আলোচ্য বিষয়গুলো বারবার পরীক্ষায় আসে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
d মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: বাংলা কাব্য সাহিত্যে মধ্যযুগের গণ্ডি পেরিয়ে আধুনিকতার ছোঁয়া আনার জন্য মাইকেল মধুসূদন দত্তকে আধুনিকতার জনক বলা হয়। তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেট প্রবর্তন করে বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বসাহিত্যের সমকক্ষ করে তোলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য রচনা করেন। তার লেখনীর মাধ্যমে বাংলা কাব্যে ট্র্যাজেডির সার্থক রূপায়ন ঘটে এবং বিষয়বস্তু ও ফর্মে আধুনিকতার সূচনা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত এবং এর মাধ্যমে আধুনিক বাংলা কাব্যের পথচলা শুরু হয়। উদাহরণ ২: চতুর্দশপদী কবিতাবলী ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যে সনেটের প্রথম সফল প্রয়োগ, যা মধুসূদন দত্ত ইতালীয় সনেটের আদলে বাংলায় প্রবর্তন করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা এবং আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি হলেও কাব্য সাহিত্যের আধুনিকতার জনক নন। B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক, কাব্য সাহিত্যের সঙ্গে তার মূল পরিচিতি নেই। C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি আধুনিক গদ্যরীতির জনক ও সমাজ সংস্কারক, কাব্য সাহিত্যের আধুনিকতার সঙ্গে তার ভূমিকা সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলা কাব্যে প্রথম আধুনিকতা এনেছেন যিনি, তার নামের সঙ্গে 'মাইকেল' শব্দ যুক্ত আছে। মধুসূদন দত্ত মানেই আধুনিক কাব্যের রূপকার ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবক্তা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা গদ্যের জনক (ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর) এবং কাব্যের আধুনিকতার জনকের (মাইকেল মধুসূদন দত্ত) প্রশ্ন আসে। এই দুটি বিষয় গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a প্রত্যয়
b বিভক্তি
c বলক
d উপসর্গ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপসর্গ ১. কেন সঠিক: - উপসর্গ শব্দের বা ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, তাই এটি কখনো শব্দের শেষে যুক্ত হয় না। - বাংলা ব্যাকরণে যেসব শব্দাংশ শব্দের শেষে বসে, সেগুলো হলো প্রত্যয় ও বিভক্তি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো এক বা একাধিক ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যা স্বাধীন পদ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে না এবং শব্দের শুরুতে বসে অর্থের পরিবর্তন ঘটায়। - বাংলা ভাষায় উপসর্গ প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত, যেমন খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্র + হার = প্রহার ব্যাখ্যা: এখানে প্র হলো উপসর্গ যা হার শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: পরি + পূর্ণ = পরিপূর্ণ ব্যাখ্যা: এখানে পরি উপসর্গটি পূর্ণ শব্দের শুরুতে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রত্যয় — প্রত্যয় শব্দের মূল বা প্রকৃতির পরে যুক্ত হয়, তাই এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে মিলে না। B) বিভক্তি — বিভক্তি শব্দের শেষে বা কারক বোঝাতে পদের সাথে যুক্ত হয়, তাই এটি শব্দের শেষে বসে। C) বলক — বলক বা নিপাতনে সিদ্ধ শব্দাংশ কখনো শব্দের ওপর জোর দিতে শেষে বসে, যা এই প্রাঙ্গণে প্রযোজ্য। D) উপসর্গ — উপসর্গ শব্দের শুরুতে বসে, তাই এটি শব্দের শেষে যুক্ত হয় না এবং এটিই সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - উপসর্গ থাকে উ (উপরে বা প্রথমে), তাই উপসর্গ বসে শব্দের শুরুতে। - প্রত্যয় ও বিভক্তি বসে শব্দের শেষে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে এবং এর নিজস্ব কোনো অর্থ নেই। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ ও প্রত্যয় সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই অবস্থান ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a কানাই
b গেঁয়ো
c চোরা
d বেতো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চোরা ১. কেন সঠিক: 'অবজ্ঞা' বা তুচ্ছতা প্রকাশ করতে বাংলা ভাষায় কিছু উপসর্গ বা শব্দাংশ শব্দের পূর্বে বসে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। এখানে 'চোরা' শব্দটি সাধারণ অর্থে চোর না বুঝিয়ে, কোনো কিছুর ভেজাল, গোপন দোষ কিংবা অবজ্ঞা বা নগ্নতা বোঝাতে উপসর্গ বা বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে কিছু শব্দ নিজস্ব মূল অর্থ পরিবর্তন করে উপসর্গ বা বিশেষণের মতো অবজ্ঞা, ক্ষুদ্রতা কিংবা তুচ্ছতা প্রকাশ করে। শব্দের এই বিশেষ প্রয়োগ বাক্যের contextos বা প্রসঙ্গের ওপর নির্ভর করে ভাবার্থ প্রকাশ করে এবং বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরা হাসি ব্যাখ্যা: এখানে হাসিটি স্বাভাবিক নয়, বরং গোপন বা অবজ্ঞাসূচক মনোভাব প্রকাশ করতে চোরা শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: চোরাালি ব্যাখ্যা: গোপন বা ভেজাল গলি বোঝাতে বা তুচ্ছ অর্থে এই শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানাই — এটি সাধারণত কৃষ্ণের একটি নাম বা গ্রামীণ নাম বোঝায়, যা অবজ্ঞা অর্থে ব্যবহৃত হয় না। B) গেঁয়ো — এটি গ্রাম্য বা অপ্রধূমিক কোনো বৈশিষ্ট্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, অবজ্ঞা অর্থে প্রধানত চোরা শব্দটি এখানে প্রযোজ্য। D) বেতো — এটি বাত রোগাক্রান্ত বা দুর্বল কোনো অবস্থাকে নির্দেশ করে, অবজ্ঞা অর্থে এটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: চোরা মানেই সবসময় চোর নয়, কখনো কখনো এটি গোপন অবস্থা বা অবজ্ঞার ভাব প্রকাশ করে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের এই বিশেষ ভাবার্থ বা প্রয়োগগুলো ভালোভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দের আভিধানিক অর্থের বাইরেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রমিত ও বিশেষ প্রয়োগমূলক প্রশ্ন আসে। বাক্যের ভাবার্থ বুঝে শব্দের সঠিক অর্থ নির্ণয় করার অভ্যাস রাখতে হবে।
a লালন শাহ
b হাসন রাজা
c পাগলা কানাই
d রাধারমণ দত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লালন শাহ ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটি মূলত বাংলা সাহিত্য ও লোকসাহিত্য ধারার অন্তর্গত। 'আমার ঘরের চাবি পরের হাতে' গানটির রচয়িতা হলেন বাউল সম্রাট লালন শাহ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: লালন শাহ বাংলা বাউল গানের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও প্রখ্যাত সাধক ও গীতিকার। তার গানে মানবতাবাদ, আধ্যাত্মিকতা এবং দেহতত্ত্বের গভীর রূপ প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে। ব্যাখ্যা: এটি লালন শাহের অন্যতম জনপ্রিয় একটি দার্শনিক ও মরমি গান। উদাহরণ ২: খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়। ব্যাখ্যা: এটিও লালন শাহের বিখ্যাত একটি আধ্যাত্মিক দেহতাত্ত্বিক গান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লালন শাহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বিখ্যাত গানটির গীতিকার তিনিই। B) হাসন রাজা — তিনি সিলেটের মরমী কবি ও জমিদার ছিলেন, কিন্তু এই গানের রচয়িতা নন। C) পাগলা কানাই — তিনি ঝিনাইদহের লোককবি ও মরমী সাধক ছিলেন, এই গানের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নেই। D) রাধারমণ দত্ত — তিনি সিলেটের ধামাইল গানের প্রবর্ক ও বৈষ্ণব পদকর্তা, এই গানের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: ঘরের চাবি কার হাতে তা জানতে হলে আমাদের মরমি সাধক লালন শাহের গান স্মরণ করতে হবে। বাউল সম্রাট লালনের প্রায় সব গানেই আত্মতত্ত্ব ও দেহতত্ত্বের সন্ধান মেলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লালন শাহের গান ও তার পংক্তি প্রায়ই আসে। লোকসাহিত্যের ক্ষেত্রে বাউল গান ও এর রচয়িতাদের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a রাস্তা
b দেখেশুনে
c হবে
d পার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দেখেশুনে ১. কেন সঠিক: - বাক্যে 'দেখেশুনে' পদটি ক্রিয়ার সম্পাদনের ধরণ ও মাধ্যম প্রকাশ করছে এবং ক্রিয়াকে বিশেষভাবে মডিফাই করছে। - বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী ক্রিয়াপদ কীভাবে, কখন বা কী উপায়ে সম্পাদিত হয় তা নির্দেশকারী পদকে ক্রিয়াবিশেষণ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে পদ ক্রিয়া সম্পাদনের সময়, স্থান, রীতি বা কারণ নির্দেশ করে তাকে ক্রিয়াবিশেষণ পদ বলে। - প্রদত্ত বাক্যে 'পার হবে' হলো সমাপিকা ক্রিয়া এবং 'দেখেশুনে' হলো সেই ক্রিয়া সম্পন্ন করার পদ্ধতি বা রীতি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধীরে ধীরে চলো। ব্যাখ্যা: এখানে 'ধীরে ধীরে' পদটি চলার ধরণ বোঝাচ্ছে তাই এটি ক্রিয়াবিশেষণ। উদাহরণ ২: বৃষ্টিতে ভিজে এসো না। ব্যাখ্যা: এখানে আসার নিষেধের কারণ ও পদ্ধতি বোঝাতে 'ভিজে' পদটি ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে কাজ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাস্তা — এটি একটি বিশেষ্য পদ কারণ এটি দ্বারা একটি স্থান বা পথকে বোঝানো হয়েছে। B) দেখেশুনে — সঠিক উত্তর, কারণ এটি ক্রিয়া সম্পাদনের রীতি বা ধরণ নির্দেশক ক্রিয়াবিশেষণ। C) হবে — এটি একটি সমাপিকা ক্রিয়া পদ যা বাক্যটির সমাপ্তি ঘটিয়েছে। D) পার — এটি মূল ক্রিয়ার অংশ বা ধাতুরূপ যা 'হবে' ক্রিয়ার সাথে যুক্ত হয়ে যুক্ত ক্রিয়া গঠন করেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্যের ক্রিয়াপদকে কীভাবে বা কেমন করে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই মূলত ক্রিয়াবিশেষণ পদ। - যেমন: কীভাবে রাস্তা পার হবে উত্তর হলো দেখেশুনে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যের পদ নির্ণয় প্রায়ই আসে, তাই ক্রিয়া ও ক্রিয়াবিশেষণের পার্থক্য ভালো করে চর্চা করবে। - অব্যয় পদ বা বিশেষণের সাথে ক্রিয়াবিশেষণের রূপগত মিল থাকলেও বাক্যে তার কাজ বুঝতে হবে।
a ষোড়শ
b ষোড়শী
c ১৬শ
d ষোলই
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ষোড়শী ১. কেন সঠিক: - সাধারণ পূরণবাচক শব্দের সঙ্গে স্ত্রীবাচক প্রত্যয় যুক্ত করে নারীরবাচক রূপ গঠন করা হয়। - ষোড়শ শব্দের স্ত্রীবাচক বা নারীরবাচক রূপ হলো ষোড়শী যা একজন ষোলো বছর বয়সী মেয়েকে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সংখ্যাবাচক শব্দের যে রূপ দ্বারা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর ক্রমিক অবস্থান বা সিরিয়াল বোঝায় তাকে পূরণবাচক শব্দ বলে। - সাধারণ পূরণবাচক শব্দের শেষে ঈ-প্রত্যয় বা আ-প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ বা নারীরবাচক রূপ তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঞ্চমী ব্যাখ্যা: পঞ্চম শব্দের সঙ্গে ঈ-প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পঞ্চমীর নারীরবাচক পূরণবাচক রূপ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: দশমী ব্যাখ্যা: দশ শব্দের সাধারণ পূরণবাচক রূপের সঙ্গে ঈ-প্রত্যয় যোগ করে দশমী নারীরবাচক রূপ তৈরি করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষোড়শ — এটি সাধারণ পূরণবাচক শব্দের পুংলিঙ্গ বা সাধারণ রূপ, যা নারীরবাচক রূপ নয়। B) ষোড়শী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ১৬শ — এটি সংখ্যা ও সংক্ষিপ্ত চিহ্নের সাহায্যে গঠিত পূরণবাচক রূপ, কোনো নারীরবাচক শব্দ নয়। D) ষোলই — এটি কোনো তারিখ বা মাস বোঝাতে ব্যবহৃত শব্দ, পূরণবাচক বা নারীরবাচক রূপ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পূরণবাচক শব্দের নারীরবাচক রূপ চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ-কার বা আ-কার খোঁজা। - সংখ্যাবাচক রূপের সঙ্গে স্ত্রীবাচক প্রত্যয় যোগ করলে তা নারীরবাচক পূরণবাচকে রূপান্তরিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংখ্যাবাচক ও পূরণবাচক শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - পুংলিঙ্গবাচক পূরণবাচকের সঙ্গে ঈ-প্রত্যয় যুক্ত করার নিয়মটি ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।
a পুর+কার
b পুরস্+কার
c পুরঃ+কার
d পুরণ+কার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পুরঃ+কার ১. কেন সঠিক: - এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম, যেখানে বিসর্গের পর ক, খ, প বা ফ থাকলে বিসর্গ স্থানে দন্ত স হয়। - এখানে পুরঃ বিসর্গের সঙ্গে কার যোগ হয়ে বিসর্গটি দন্ত স এ রূপান্তরিত হয়ে পুরস্কার গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী অ বা আ কারের পর বিসর্গ এবং তার পরে ক, খ, প বা ফ থাকলে বিসর্গের পরিবর্তে দন্ত স হয়। - এই নিয়মের অধীনে পুরঃ যোগ কার মিলে পুরস্কার শব্দটির সৃষ্টি হয়, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নমঃ+কার = নমস্কার ব্যাখ্যা: অ কারের পর বিসর্গ এবং তার পরে ক থাকায় বিসর্গ দন্ত স এ পরিণত হয়েছে। উদাহরণ ২: ভাঃ+কর = ভাস্কর ব্যাখ্যা: এখানেও বিসর্গ সন্ধির নিয়মে বিসর্গের পরিবর্তে দন্ত স যুক্ত হয়ে ভাস্কর শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুর+কার — এই গঠনে কোনো সন্ধির নিয়ম বা প্রমিত ব্যাকরণ অনুসরণ করা হয়নি। B) পুরস্+কার — বিসর্গ সন্ধিতে সরাসরি হসন্তযুক্ত স যুক্ত হয় না, বরং বিসর্গ পরিবর্তন হয়ে স আসে। D) পুরণ+কার — এখানে মূল শব্দের বানান ও সন্ধির নিয়মের সঙ্গে কোনো মিল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিসর্গের পরে ক থাকলে বিসর্গ স এ রূপান্তর করার নিয়মটি মনে রাখবে। - পুরস্কার এবং নমস্কার শব্দ দুটি একই নিয়মের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় একসঙ্গে চর্চা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধি থেকে বিসিএস ও অন্যান্য চাকরীর পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন হয়ে থাকে। - বানরীতি ও সন্ধি একসঙ্গে শেখার জন্য এই ধরনের শব্দ বেশি করে অনুশীলন করতে হবে।
a বিন্দু
b ত্রিবিন্দু
c বিকল্পচিহ্ন
d কোলন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিন্দু ১. কেন সঠিক: শব্দসংক্ষেপ বা কোনো শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ প্রকাশ করতে এবং ক্রমনির্দেশ বা সংখ্যার পর যতিচিহ্ন হিসেবে বিন্দু ব্যবহৃত হয়। বাংলা ব্যাকরণে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর যতিচিহ্নের প্রবর্তন ও ব্যবহার সুনির্দিষ্ট করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বাক্য বা বাক्याংশের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্নের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিন্দু চিহ্নটি সাধারণত কোনো শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ বোঝাতে কিংবা ক্রমিক সংখ্যা বা বর্ণ দিয়ে তালিকা প্রস্তুত করার সময় ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ব্যাখ্যা: এখানে ডক্টর শব্দটির সংক্ষিপ্ত রূপ বোঝাতে বিন্দু ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ব্যাখ্যা: এখানে ক্রমিক নম্বর নির্দেশ করার জন্য বিন্দুর ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিন্দু — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি শব্দসংক্ষেপ ও ক্রমনির্দেশে ব্যবহৃত হয়। B) ত্রিবিন্দু — কোনো লেখার অংশ বাদ দেওয়া হয়েছে বা অসম্পূর্ণ রাখা হয়েছে তা বোঝাতে ত্রিবিন্দু ব্যবহৃত হয়। C) বিকল্পচিহ্ন — দুটি শব্দের যেকোনো একটি বেছে নিতে বা বিকল্প বোঝাতে বিকল্পচিহ্ন ব্যবহৃত হয়। D) কোলন — একটি পূর্ণ বাক্যের পর অন্য বাক্যের অবতারণা করতে বা উদাহরণ দিতে কোলন ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নামের সংক্ষিপ্ত রূপ লেখার সময় বা এক, দুই, তিন লেখার পর যে ছোট ফোঁটা বা ডট ব্যবহার করা হয় তাকেই বিন্দু বলা হয়। এটি ক্রম মনে রাখতে সাহায্য করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোন যতিচিহ্ন কত সেকেন্ড থামতে হয় এবং এর কাজ কী, তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a বারিধি
b অবনী
c মহী
d ক্ষিতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বারিধি ১. কেন সঠিক: - বারিধি শব্দের অর্থ সমুদ্র, কারণ এখানে বারি শব্দের অর্থ পানি এবং ধি বা নিধি শব্দের অর্থ আধার বা ভান্ডার। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের মূল অর্থ ও প্রত্যয়ের যোগে গঠিত সমার্থক শব্দগুলোর মাধ্যমে সঠিক উত্তর নির্ণয় করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই সমস্ত শব্দ যাদের অর্থ প্রায় সমান বা একই রকম। - এই প্রশ্নটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ এবং সমার্থক শব্দের আওতাভুক্ত, যেখানে পানির বিভিন্ন উৎসের সঙ্গে আধারবাচক শব্দ যুক্ত হয়ে সমুদ্র বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পারাবার ব্যাখ্যা: পারাবার শব্দের অর্থ সমুদ্র, কারণ এর আক্ষরিক অর্থ পারের অবসান বা অপার জলরাশি। উদাহরণ ২: রত্নাকর ব্যাখ্যা: রত্নাকর শব্দের অর্থ সমুদ্র, কারণ সমুদ্রের তলদেশে নানা ধরনের রত্ন বা মূল্যবান সম্পদ জমা থাকে বলে একে রত্নাকর বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বারিধি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সমুদ্র। B) অবনী — এই অপশনটি ভুল কারণ অবনী শব্দের অর্থ পৃথিবী বা ধরা। C) মহী — এই অপশনটি ভুল কারণ মহী শব্দের অর্থ পৃথিবী বা বসুন্ধরা। D) ক্ষিতি — এই অপশনটি ভুল কারণ ক্ষিতি শব্দের অর্থ পৃথিবী বা মাটি। ৫. মনে রাখার টিপস: - পানির সমার্থক শব্দের শেষে ধি, নিধি, পারাবার বা কর যুক্ত থাকলে সাধারণত তা সমুদ্রের সমার্থক শব্দ হয়। - পৃথিবীর সমার্থক শব্দগুলোর সাথে সমুদ্রের সমার্থক শব্দগুলো গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমুদ্র এবং পৃথিবীর সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই অপশনে মিলিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করে। - পানির শব্দের শেষে ধি বা কার যোগ করার নিয়মটি মনে রাখলে সমুদ্রের সমার্থক শব্দ সহজে চিহ্নিত করা যায়।
a অনুকূল
b নিম্নে
c প্রযুক্তি
d সম্যগভাবে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সম্যগভাবে ১. কেন সঠিক: - অবলম্বনের 'অব' উপসর্গটি এখানে সম্যগভাবে বা ভালোভাবে অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে। - কোনো শব্দ বা ধাতুর পূর্বে উপসর্গ যুক্ত হয়ে তার অর্থের পূর্ণতা বা বিশেষত্ব বিধান করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটায়। - অব উপসর্গটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয় যেমন সম্যগভাবে, হীনতা, মন্দ, নিচে ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অবলোকন ব্যাখ্যা: এখানে অব উপসর্গটি সম্যগভাবে বা ভালোভাবে দেখা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: অবক্ষয় ব্যাখ্যা: এখানে অব উপসর্গটি হীনতা বা নিচের দিকে যাওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুকূল — এটি অব উপসর্গের নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত অর্থ নয়। B) নিম্নে — অব উপসর্গ কখনো নিচে অর্থে বসলেও এই নির্দিষ্ট শব্দে তা প্রযোজ্য নয়। C) প্রযুক্তি — এটি অব উপসর্গের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রচলিত অর্থ প্রকাশ করে না। D) সম্যগভাবে — এটি অবলম্বনের অব উপসর্গের সঠিক ব্যাকরণগত অর্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - অব উপসর্গটি ভালো বা সম্যক রূপ বোঝাতে শব্দে যুক্ত হতে পারে। - শব্দের মূল অর্থের গভীরতা বুঝতে উপসর্গের বিভিন্ন অর্থ মুখস্থ রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উপসর্গ চেনার জন্য শব্দ বিশ্লেষণ করার অভ্যাস করতে হবে। - বিসিএস পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই অর্থভিত্তিক ব্যবহার ভালো করে পড়তে হবে।

মোট প্রশ্ন (22)

a has
b are
c is
d have
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) have কেন সঠিক: - Either...or দ্বারা যুক্ত দুটি সাবজেক্টের মধ্যে শেষের সাবজেক্ট বা নিকটবর্তী সাবজেক্টটি প্লুরাল হলে ভার্বটিও প্লুরাল হয়। - এই বাক্যে নিকটবর্তী সাবজেক্ট হলো his friends যা প্লুরাল, তাই এর পরে plural verb হিসেবে have বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) has — এটি সিঙ্গुलर ভার্ব, যা প্লুরাল সাবজেক্ট his friends-এর সঙ্গে বসে না। B) are — এটি প্লুরাল ভার্ব হলেও মূল verb done-এর আগে present perfect টেন্স গঠনে have প্রয়োজন, are নয়। C) is — এটি সিঙ্গুলার ভার্ব এবং continuous টেন্সের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) have — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিকটবর্তী প্লুরাল সাবজেক্টের কারণে এখানে present perfect টেন্সের সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে have বসবে। মনে রাখার টিপস: Either...or যুক্ত বাক্যে ভার্ব সবসময় তার ঠিক আগের বা নিকটবর্তী সাবজেক্টকে অনুসরণ করে।
a Buisness
b Column
c Rhythm
d Criticism
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Buisness কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Buisness বানানটি ভুল, এর সঠিক রূপ হলো Business যার অর্থ ব্যবসা। - বানানটিতে 'i' এবং 's'-এর আগের বর্ণবিন্যাসে ভুল রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Buisness — এটি ভুল বানান, কারণ সঠিক বানানটিতে i-এর পরে s এবং ness যুক্ত হয়। B) Column — এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ স্তম্ভ বা কলাম। C) Rhythm — এটি একটি সঠিক বানান এবং ইংরেজি ভাষায় এটি একটি ব্যতিক্রমী স্বরবর্ণহীন শব্দ। D) Criticism — এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ সমালোচনা। মনে রাখার টিপস: Business বানানে busy শব্দের শেষে ness যুক্ত করার সময় y উঠে গিয়ে i হয় এবং বানানটি দাঁড়ায় b-u-s-i-n-e-s-s।
a Rebellion
b Anarchy
c Mutiny
d Revolt
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Anarchy কেন সঠিক: - Anarchy শব্দের অর্থ নৈরাজ্য বা সমাজে আইন ও শৃঙ্খলার অনুপস্থিতি। - এটি এমন একটি পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো সরকার বা কার্যকরী কতৃপক্ষ থাকে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rebellion — এর অর্থ বিদ্রোহ, যা বিদ্যমান সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ বোঝায় কিন্তু আইনহীনতার সার্বিক পরিস্থিতি বোঝায় না। B) Anarchy — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সরাসরি আইন ও শৃঙ্খলার অনুপস্থিতি। C) Mutiny — এর অর্থ সেনা বা নৌবাহিনীর সদস্যদের বিদ্রোহ, যা একটি বিশেষ গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ। D) Revolt — এর অর্থ অভ্যুত্থান বা পতন ঘটানোর উদ্দেশ্যে করা গণবিদ্রোহ। মনে রাখার টিপস: Anarchy শব্দের শুরুতে থাকা An অংশটি নেই বা অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং archy অর্থ শাসন, অর্থাৎ শাসনের অভাব বা আইনহীনতা।
a braver
b brave
c bravery
d bravest
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) brave কেন সঠিক: - এখানে 'nation' হলো একটি নাউন এবং এর ঠিক আগে শূন্যস্থান থাকায় একটি অ্যাজেক্টিভ বা বিশেষণ বসবে। - 'brave' একটি অ্যাজেক্টিভ যা জাতির গুণ প্রকাশ করে, তাই এটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) braver — এটি অ্যাডজেক্টিভের কম্পারেটিভ ডিগ্রি, যা তুলনা করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় কিন্তু এখানে কোনো তুলনা নেই। B) brave — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পজিটিভ ডিগ্রি এবং সঠিক অ্যাজেক্টিভ। C) bravery — এটি একটি নাউন, যা এখানে বসালে ব্যাকরণগত ভুল হবে কারণ নাউনের আগে আরেকটি নাউন বা অ্যাজেক্টিভ বসে। D) bravest — এটি সুপারলেটিভ ডিগ্রি, যার পূর্বে সাধারণত 'the' বসে এবং এটি এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। মনে রাখার টিপস: নাউনের আগে শূন্যস্থান থাকলে সাধারণত সেখানে অ্যাজেক্টিভ বা বিশেষণ বসে।
a The rich are not always happy.
b Rich are not always happy.
c The rich is not always happy.
d The rich is always happy.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The rich are not always happy. কেন সঠিক: - Adjective-এর পূর্বে The বসালে তা পুরো একটি শ্রেণಿಯನ್ನು বোঝায় এবং এটি Plural Common Noun হিসেবে গণ্য হয়। - Plural Subject হওয়ার কারণে এর সাথে Plural Verb (are) ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The rich are not always happy. — এটি সঠিক বাক্য, তাই এটি ভুল নয় বরং প্রদত্ত সঠিক উত্তর। B) Rich are not always happy. — Adjective-এর পূর্বে নির্দিষ্ট করে বোঝাতে The Article যুক্ত না করায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে। C) The rich is not always happy. — Plural Subject (The rich)-এর সাথে Singular Verb (is) ব্যবহার করার কারণে বাক্যটি ভুল হয়েছে। D) The rich is always happy. — এখানে Singular Verb (is) ব্যবহারের ভুল ছাড়াও মূল বাক্যের অর্থের সাথে অসংগতি রয়েছে। মনে রাখার টিপস: Adjective-এর আগে The বসালে তা পুরো জাতিকে বোঝায় এবং ভার্বটি সবসময় Plural হয়।
a take after
b look after
c takes after
d took up
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) takes after কেন সঠিক: - Take after একটি উপযুক্ত বাকধারা বা গ্রুপ ভার্ব, যার অর্থ কারও সাথে চেহারা বা স্বভাবে মিল থাকা। - বাক্যের সাবজেক্ট The girl একটি থার্ড পারসন সিঙ্গुलर নম্বর এবং বাক্যটি সাধারণ বর্তমানকালের হওয়ায় ভার্বের সাথে s যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) take after — বাক্যের সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হওয়ায় এখানে verb-এর সাথে s যুক্ত হওয়া আবশ্যক ছিল, যা এখানে নেই। B) look after — এই গ্রুপ ভার্বটির অর্থ দেখাশোনা করা, যা বাক্যের অর্থ অনুযায়ী এখানে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। C) takes after — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় এর যথার্থতা উল্লেখ করা হয়েছে। D) took up — এই গ্রুপ ভার্বটির অর্থ কোনো কাজ শুরু করা বা গ্রহণ করা, যা এখানে পুরোপুরি অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: পরিবারের কারো সাথে চেহারায় বা আচরণে মিল থাকলে take after ব্যবহার করতে হয়।
a Slowly
b Rarely
c Suddenly
d Gradually
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Suddenly কেন সঠিক: - All at once একটি ইংরেজি প্রবাদপ্রতিম গ্রুপ ভার্ব বা ইডিওম। - এর অর্থ হলো হঠাৎ করে বা কোনো পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়া কোনো কিছু ঘটা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Slowly — এর অর্থ ধীরে ধীরে, যা 'All at once' এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Rarely — এর অর্থ কদাচিৎ বা খুব কম সময়, যা এই ইডিওমের সঙ্গে মেলে না। C) Suddenly — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ হঠাৎ বা আকস্মিক। D) Gradually — এর অর্থ ক্রমান্বয়ে বা ধীরে ধীরে, যা আকস্মিক ঘটনার বিপরীত। মনে রাখার টিপস: All (সবকিছু) at once (একবারে) ঘটে যাওয়া মানেই হলো Suddenly বা হঠাৎ ঘটে যাওয়া।
a a noun
b a pronoun
c an adjective
d an adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) an adverb কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে fast শব্দটি runs ভার্বকে বিশেষভাবে মডিফাই করছে এবং সে কীভাবে দৌড়ায় তা বোঝাচ্ছে। - যে শব্দ কোনো verb-এর কাজের ধরন বা মাত্রা প্রকাশ করে, তাকে adverb বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a noun — noun হলো কোনো কিছুর নাম, যা এখানে বোঝায়নি। B) a pronoun — pronoun হলো noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দ, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) an adjective — adjective শুধু noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে, কিন্তু এখানে এটি verb-কে মডিফাই করেছে। D) an adverb — সঠিক কারণ এটি verb-কে রূপায়িত করছে। মনে রাখার টিপস: Verb-কে কীভাবে বা কখন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সাধারণত তা-ই adverb হয়।
a By whom will the work be done?
b Who will be done the work?
c Who will done the work?
d By whom will the work done?
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) By whom will the work be done? কেন সঠিক: - Interrogative sentence-এ 'Who' যুক্ত active voice-কে passive করার সময় শুরুতে 'By whom' বসে। - Future indefinite tense-এর ক্ষেত্রে modal auxiliary verb (shall/will) এর পর 'be' যুক্ত হয় এবং মূল verb-এর past participle form বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom will the work be done? — এটি সঠিক উত্তর। B) Who will be done the work? — 'Who' এর পরিবর্তে 'By whom' না বসানোর কারণে এবং passive-এর নিয়ম সঠিকভাবে না মানায় এটি ভুল। C) Who will done the work? — 'will' এর পর verb-এর base form না বসে past participle বসানো হয়েছে এবং 'By whom' ব্যবহার করা হয়নি। D) By whom will the work done? — সাহায্যকারী verb ও মূল verb-এর মাঝখানে প্রয়োজনীয় 'be' শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Who যুক্ত interrogative sentence-কে passive করার সময় প্রথমে By whom বসাবে এবং tense অনুযায়ী shall be, will be, may be ইত্যাদি ব্যবহার করবে।
a new country
b mosque
c bazar
d holy place
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) holy place কেন সঠিক: - pilgrim শব্দের বাংলা অর্থ হলো তীর্থযাত্রী, যিনি কোনো পবিত্র স্থানে ধর্মীয় উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। - ধর্মীয় বা পবিত্র স্থান দর্শনের যাত্রাকেই ইংরেজিতে তীর্থযাত্রা বা pilgrimage বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) new country — নতুন দেশে ভ্রমণকারীকে পর্যটক বলা হয়, তীর্থযাত্রী বলা হয় না। B) mosque — মসজিদ হলো মুসলিমদের উপাসনালয়, তবে pilgrim শব্দটি নির্দিষ্ট কোনো একটি মসজিদ নয় বরং যেকোনো পবিত্র স্থানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সি) bazar — বাজার হলো কেনাবেচার স্থান, যার সঙ্গে ধর্মীয় যাত্রার কোনো সম্পর্ক নেই। D) holy place — এটি পবিত্র স্থান নির্দেশ করে, যা pilgrim শব্দের সংজ্ঞার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: Pilgrim শব্দের শুরু হয় P দিয়ে, যার সঙ্গে পবিত্র স্থান বা Holy Place এর যোগসূত্র মনে রাখতে পারেন।
a G.B. Shaw
b T.S Eliot
c Shakespeare
d Milton
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Shakespeare কেন সঠিক: - এটি শেক্সপিয়রের একটি বিখ্যাত কমেডি নাটক যার মূল চরিত্রগুলো সম্পর্কে এই নাটকটি পরিচিত। - এটি ষোড়শ শতাব্দীর শেষভাগে রচিত একটি ক্লাসিক ধারার নাটক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) G.B. Shaw — তিনি আধুনিক যুগের নোবেলজয়ী নাট্যকার ও সমালোচক, এলিজাবেথান যুগের এই নাটকের লেখক নন। B) T.S Eliot — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিকতাবাদী কবি ও প্রাবন্ধিক, শেক্সপিয়রের যুগের নাট্যকার নন। C) Shakespeare — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। D) Milton — তিনি সপ্তদশ শতাব্দীর বিখ্যাত মহাকাব্যিক কবি, নাটক রচনার জন্য প্রধানত পরিচিত নন। মনে রাখার টিপস: শেক্সপিয়রের কমেডি নাটক মনে রাখতে 'শেক্সপিয়রের শ্রিউ' বা 'শম' শব্দটি মাথায় রাখতে পারেন।
a Careful
b Watchful
c Wakeful
d Mindful
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Watchful কেন সঠিক: - 'Vigilant' শব্দটির অর্থ হলো অত্যন্ত সতর্ক, সজাগ বা প্রহরারত। - 'Watchful' শব্দটির অর্থও গভীর নজর রাখা বা সতর্ক থাকা, যা মূল শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Careful — এর অর্থ যত্নশীল বা সাবধান, যা কোনো কাজ নিখুতভাবে করার ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত হয়। B) Watchful — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ সতর্ক বা সজাগ। C) Wakeful — এর অর্থ নিদ্রাহীন বা জেগে থাকা, যা সর্বদা মানসিক সতর্কতার অর্থ প্রকাশ করে না। D) Mindful — এর অর্থ মননশীল বা সচেতন, যা মূলত কোনো বিষয়ে মনোযোগী হওয়া বোঝায়। মনে রাখার টিপস: Vigilant শব্দের মাঝে guard বা পাহারা দেওয়ার ভাব আছে, তাই Watchful বা পাহারা দেওয়ার মতো সতর্ক থাকা এর সঠিক সমার্থক।
a will purchase
b would purchase
c would have purchased
d have purchased
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) would purchase কেন সঠিক: - এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের নিয়ম অনুসরণ করে, যেখানে প্রথম অংশে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স থাকলে পরের অংশে সাবজেক্টের পর would বসে। - বাক্যের শেষে 'now' থাকার কারণে এটি বর্তমান সময়ের কাল্পনিক ফলাফল প্রকাশ করছে, তাই would এর পর মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will purchase — বাক্যটি সেকেন্ড কন্ডিশনাল হওয়ায় প্রথম অংশে পাস্ট টেন্সের পর এখানে will এর পরিবর্তে would বসবে। B) would purchase — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। C) would have purchased — এটি থার্ড কন্ডিশনালের নিয়ম, যা পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় কিন্তু এখানে ভার্বের পাস্ট ফর্ম আছে। D) have purchased — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা কন্ডিশনাল সেন্টেন্সের এই কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: If এর সাথে পাস্ট টেন্স (had) থাকলে অপর অংশে would এবং ভার্বের বেজ ফর্ম হয়।
a Allow
b Warn
c Restrict
d Prohibit
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Allow কেন সঠিক: - 'Forbid' শব্দের অর্থ কোনো কিছু নিষেধ করা বা বারণ করা। - 'Allow' শব্দের অর্থ অনুমতি দেওয়া বা সম্মত হওয়া, যা ফরবিড শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Allow - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ফরবিড শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ। B) Warn - এর অর্থ সতর্ক করা, যা ফরবিড শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। C) Restrict - এর অর্থ সীমিত বা সীমাবদ্ধ করা, যা ফরবিড শব্দের সমার্থক শব্দ। D) Prohibit - এর অর্থ নিষিদ্ধ করা, যা ফরবিড শব্দের সরাসরি সমার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: ফরবিড অর্থ মানা করা আর অ্যালাও অর্থ অনুমতি দেওয়া। এভাবে বিপরীত শব্দ দুটি মনে রাখা সহজ।
a Repitition
b Repeatition
c Repetition
d Repitation
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Repetition কেন সঠিক: - বানানটির মূল শব্দ হলো 'repeat', যার সঙ্গে 'ition' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক বানানটি গঠিত হয় 'Repetition'। - এই শব্দটিতে কোনো 'i' এর পর অতিরিক্ত 't' থাকে না এবং এটি সঠিক ল্যাটিন উৎস অনুসরণ করে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Repitition — এই অপশনে 'e' এর পরিবর্তে ভুলভাবে 'i' ব্যবহার করা হয়েছে। B) Repeatition — এই অপশনে মূল শব্দ 'repeat' এর শেষে অতিরিক্ত 't' ও ভুল বানান ব্যবহার করা হয়েছে। C) Repetition — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর বানান সম্পূর্ণ নির্ভুল। D) Repitation — এই অপশনে সঠিক প্রত্যয় 'ition' এর পরিবর্তে ভুলভাবে 'ation' ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: মূল শব্দ 'Repeat' মনে রেখে তার সঙ্গে 'ition' যোগ করলে সঠিক বানানটি সহজে মনে রাখা যায়।
a Be ruined
b Be agreed
c Be estimated
d Be blamed
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Be ruined কেন সঠিক: - 'Go to the dogs' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আভিধানিক অর্থ কুকুরের কাছে যাওয়া হলেও এর রূপক অর্থ ধ্বংস হয়ে যাওয়া বা পতন হওয়া। - কোনো ব্যক্তি বা ব্যবস্থার চরম অবনতি বা দেউলিয়া অবস্থাকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Be ruined — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ইডিয়মের অর্থ ধ্বংস বা বরবাদ হয়ে যাওয়া। B) Be agreed — এর অর্থ একমত হওয়া, যা এই বাগধারার অর্থের সাথে মিল নেই। C) Be estimated — এর অর্থ মূল্যায়ন করা বা প্রাক্কলন করা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে। D) Be blamed — এর অর্থ দোষারোপ করা, যা এই ইডিয়মের ধ্বংস হওয়ার ধারণার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো কুকুরের দশা খুব খারাপ হলে যেমন তার অবস্থা শোচনীয় হয়, তেমনি মানুষের অবস্থা খারাপ হয়ে ধ্বংস হয়ে যাওয়াকে 'Go to the dogs' বলা হয়।
a dias
b daias
c dais
d deis
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) dais কেন সঠিক: - dais শব্দটি এমন একটি উঁচু মঞ্চকে বোঝায় যেখানে দাঁড়িয়ে বক্তারা বক্তৃতা দেন বা সম্মানীয় ব্যক্তিরা বসেন। - প্রদত্ত ইংরেজি শব্দটির সঠিক বানান এবং অর্থ এই প্রশ্নটির জন্য পুরোপুরি উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) dias — এটি বানান ভুলের কারণে সঠিক উত্তর নয় কারণ সঠিক বানানটি হলো dais। B) daias — এটি একটি বানানগত ভুল রূপ যার কোনো বাস্তব ইংরেজি অর্থ নেই। C) dais — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর যা বক্তৃতার উঁচু মঞ্চ বোঝায়। D) deis — এটি একটি ভুল বানান এবং প্রাচীন রূপ যা আধুনিক ইংরেজি অভিধানে এই অর্থে গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: dais বানানটি মনে রাখার জন্য শেষের দিকে i এবং s পাশাপাশি থাকে এভাবে মনে রাখতে পারো।
a the
b an
c a
d for
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) an কেন সঠিক: - M.A. শব্দটির শুরুতে এম (M) উচ্চারণ করতে স্বরবর্ণ এ (A)-এর সাহায্য নিতে হয়। - উচ্চারণের শুরুতে স্বরবর্ণের ধ্বনি আসায় এর পূর্বে নিয়ম অনুযায়ী an বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the — নির্দিষ্ট করে কোনো বিশেষ ব্যক্তিকে বোঝাতে এটি বসে না। B) an — সঠিক উত্তর কারণ এটি স্বরবর্ণের উচ্চারণের নিয়ম মেনে চলে। C) a — ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ দিয়ে শুরু শব্দে বসে, কিন্তু M.A. উচ্চারণে স্বরবর্ণ আসে। D) for — এটি একটি প্রিপজিশন, যা শূন্যস্থানে grammatical structure অনুযায়ী বসে না। মনে রাখার টিপস: সংক্ষিপ্ত রূপ বা abbreviation-এর প্রথম অক্ষর উচ্চারণের সময় যদি স্বরবর্ণের মতো শোনায়, তবে তার পূর্বে an বসাতে হবে।
a for
b with
c in
d of
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) with কেন সঠিক: - 'Abound with' একটি বহুল ব্যবহৃত প্রবাদপ্রতিম গ্রুপ ভার্ব বা উপযুক্ত প্রিপোজিশন, যার অর্থ প্রাচুর্য থাকা বা ভরপুর থাকা। - পদ্মা নদী ইলিশ মাছে ভরপুর, তাই এখানে শূন্যস্থানে সঠিক প্রিপোজিশন হিসেবে 'with' ব্যবহৃত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — 'Abound for' ইংরেজিতে কোনো অর্থ বহন করে না এবং এটি ভুল প্রিপোজিশন। B) with — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'abound with' অর্থ কোনো কিছুতে পরিপূর্ণ থাকা। C) in — 'Abound in' সঠিক হলেও এর ব্যবহার ভিন্ন প্রেক্ষাপটে হয়, যেমন কোনো স্থানে কোনো কিছুর প্রাচুর্য থাকা (যেমন: The river abounds in fish)। তবে নির্দিষ্ট বস্তু বা উপাদানের ক্ষেত্রে 'with' বসে। D) of — 'Abound of' ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং এই ধরনের কোনো প্রিপোজিশনাল ব্যবহার নেই। মনে রাখার টিপস: কোনো বস্তু বা প্রাণীতে ভরপুর বোঝাতে 'abound with' এবং কোনো স্থানে প্রাচুর্য বোঝাতে 'abound in' ব্যবহার করা হয়।
a Let a letter to write by us.
b Let a letter be write by us.
c Let a letter is written by us.
d Let a letter be written by us.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Let a letter be written by us. কেন সঠিক: - Let দ্বারা শুরু হওয়া Imperative sentence-কে Passive করার নিয়ম হলো প্রথমে Let বসে, তারপর Object-এর Subject বসে। - এরপর be বসে এবং মূল Verb-এর Past Participle Form এবং সবশেষে by বসে Subject-এর Objective রূপ বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let a letter to write by us. — এখানে be-র পরিবর্তে to ব্যবহার করা হয়েছে এবং Verb-এর সঠিক রূপ নেই যা নিয়মবহির্ভূত। B) Let a letter be write by us. — এখানে মূল Verb-এর Present Form ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ Passive-এ Verb-এর Past Participle রূপ বসে। C) Let a letter is is written by us. — এখানে be-র পরিবর্তে is ব্যবহার করা হয়েছে যা Let যুক্ত বাক্যের Passive গঠনের নিয়মের সঙ্গে মেলে না। D) Let a letter be written by us. — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে Let, be এবং Past Participle-এর সঠিক নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Let যুক্ত Imperative sentence-কে Passive করার গঠন হলো Let + Object-এর Subject + be + Verb-এর V3 + by + Subject-এর Objective রূপ।
a Roofs
b Bushes
c Boxes
d Physics
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Physics কেন সঠিক: - Physics শব্দটি দেখতে বহুবচন মনে হলেও এটি মূলত একটি নির্দিষ্ট বিষয় বা শাস্ত্রের নাম বোঝায়। - দেখতে plural (s যুক্ত) হলেও এটি সর্বদা singular verb গ্রহণ করে এবং এর কোনো সাধারণ plural form নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Roofs — এটি একটি plural noun, যার singular form হলো Roof। B) Bushes — এটি একটি plural noun, যার singular form হলো Bush। C) Boxes — এটি একটি plural noun, যার singular form হলো Box। D) Physics — এটি প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা দেখতে s যুক্ত হলেও মূলত singular noun। মনে রাখার টিপস: যেসব বিষয়ের নামের শেষে s থাকে যেমন Physics, Mathematics, Civics, সেগুলোর শেষে s থাকলেও সেগুলো সর্বদা singular noun হিসেবে গণ্য হয়।
a spouse
b gender
c actor
d spinster
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) spouse কেন সঠিক: - Spouse শব্দের অর্থ স্বামী বা স্ত্রী, যা পুরুষ বা নারী উভয়কে বোঝাতে সমানভাবে ব্যবহৃত হয়। - এটি একটি কমন জেন্ডার (Common gender) বা উভয়লিঙ্গ নির্দেশক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) spouse — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পুরুষ ও নারী উভয়কেই নির্দেশ করে। B) gender — এটি কোনো ব্যক্তি বা প্রাণীর লিঙ্গ নির্দেশক পরিভাষা, যা নিজে কোনো প্রাণী বা জেন্ডার নয়। C) actor — এটি একটি মাসকুলিন বা পুংলিঙ্গ শব্দ, যার ফেমিনাইন রূপ হলো অভিনেত্রী বা actress। D) spinster — এটি একটি ফেমিনাইন বা স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ, যা অবিবাহিত নারীদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: যেই শব্দ দিয়ে স্বামী বা স্ত্রী দুজনকে বোঝায় এবং বিয়ের ক্ষেত্রে উভয়ের জন্যই প্রযোজ্য হয়, তাকে spouse বা কমন জেন্ডার বলে।

মোট প্রশ্ন (23)

a ২০০ কেজি
b ৪০০ কেজি
c ৩০০ কেজি
d ৫০০ কেজি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০০ কেজি প্রদত্ত তথ্য: ১২০ কেজি চাল ১০ জনের চলে ২৭ দিন ১০ জন লোকের জন্য দিন সংখ্যা ৪৫ দিন ধরি, ২৭ দিনে চাল লাগে ১২০ কেজি অতএব, ১ দিনে চাল লাগে ১২০ ÷ ২৭ কেজি ৪৫ দিনে চাল লাগে (১২০ × ৪৫) ÷ ২৭ কেজি সুতরাং, হিসাব করে পাওয়া যায় ৫৪০০ ÷ ২৭ = ২০০ কেজি উত্তর: ২০০ কেজি
a ০°
b ৯০°
c ৩৬০°
d ১৮০°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮০° প্রদত্ত তথ্য: কোণের মান = ০° সম্পূরক কোণ নির্ণয় করতে হবে ধরি, প্রথম কোণ = ০° অজানা সম্পূরক কোণটি = ক অতএব, দুটি কোণের সমষ্টি = ১৮০° ০° + ক = ১৮০° সুতরাং, ক = ১৮০° − ০° উত্তর: ১৮০°
a 1
b 1.5
c √3
d 3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১.৫ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো ৯ এর পাওয়ার x সমান ২৭ ধরি, ৯ কে লেখা যায় ৩ এর স্কয়ার ২৭ কে লেখা যায় ৩ এর কিউব তাই সমীকরণটি দাঁড়ায় ৩ এর পাওয়ার ২x সমান ৩ এর কিউব অতএব, উভয় পক্ষ থেকে ভিত্তি ৩ বাদ দেওয়া যায় তখন লেখা যায় ২x সমান ৩ তাই x সমান ৩ ভাগ ২ সুতরাং, ৩ কে ২ দিয়ে ভাগ করলে ১.৫ পাওয়া যায় উত্তর: ১.৫
a 11
b 12
c 14
d 15
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: সেটের উপাদান সংখ্যা ৪ ধরি, সেটের উপাদান সংখ্যা = ৪ প্রকৃত উপসেটের সূত্র = ২ এর উপর শক্তি ৪ বিয়োগ ১ অতএব, ২ কে ৪ বার গুণ করলে হয় ১৬ ১৬ থেকে ১ বিয়োগ করতে হবে ১৬ বিয়োগ ১ সমান ১৫ সুতরাং, নির্ণয় করা প্রকৃত উপসেটের সংখ্যা ১৫ উত্তর: ১৫
a 45
b 47
c 49
d 51
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৭ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, x^2 − ৭x + ১ = ০ ধরি, সমীকরণটিকে x দ্বারা ভাগ করে পাই x − ৭ + (১ ÷ x) = ০ বা, x + (১ ÷ x) = ৭ অতএব, মান নির্ণয়ের রাশি হলো x^2 + (১ ÷ x^2) অনুসিদ্ধান্ত প্রয়োগ করে পাই x + (১ ÷ x)^2 − ২ × x × (১ ÷ x) সুতরাং, মানের জায়গায় ৭ বসিয়ে পাই ৭ এর বর্গ − ২ উত্তর: ৪৯ − ২ = ৪৭
a ১২টা ১২ মিনিট
b ১২টা ১৮মিনিট
c ১২টা ২৪মিনিট
d ১২টা ৩০মিনিট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২টা ২৪মিনিট প্রদত্ত তথ্য: প্রথম ঘণ্টা বাজে প্রতি ৮ মিনিট অন্তর দ্বিতীয় ঘণ্টা বাজে প্রতি ৬ মিনিট অন্তর ধরি, ঘণ্টা দুটি একত্রে বাজার সময় নির্ণয় করতে হবে ৮ এবং ৬ এর লসাগু অতএব, ৮ এর গুণিতকগুলো হলো ৮, ১৬, ২৪, ৩২ ৬ এর গুণিতকগুলো হলো ৬, ১২, ১৮, ২৪, ৩০ সুতরাং, ৮ এবং ৬ এর লসাগু হলো ২৪ মিনিট উত্তর: দুপুর ১২টার সাথে ২৪ মিনিট যোগ করে পাওয়া যায় ১২টা ২৪ মিনিট
a 5
b 7
c 2
d 1
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২ প্রদত্ত তথ্য: পানিভর্তি বালতির মোট ওজন ১২ কেজি অর্ধেক পানিভর্তি বালতির ওজন ৭ কেজি ধরি, খালি বালতির ওজন = ক কেজি সম্পূর্ণ পানির ওজন = খ কেজি অতএব, বালতির ওজন + সম্পূর্ণ পানির ওজন = ১২ কেজি বালতির ওজন + অর্ধেক পানির ওজন = ৭ কেজি সুতরাং, সম্পূর্ণ পানি থেকে অর্ধেক পানি বাদ দিলে থাকে অর্ধেক পানি অর্ধেক পানির ওজন = ১২ − ৭ = ৫ কেজি উত্তর: সম্পূর্ণ পানির ওজন = ৫ × ২ = ১০ কেজি এবং খালি বালতির ওজন = ১২ − ১০ = ২ কেজি
a 30
b 50
c 70
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭০ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত ৫:৬:৭ ধরি, প্রথম কোণ = ৫x ডিগ্রি দ্বিতীয় কোণ = ৬x ডিগ্রি তৃতীয় কোণ = ৭x ডিগ্রি অতএব, ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি ৫x + ৬x + ৭x = ১৮০ ১৮x = ১৮০ সুতরাং, x = ১০ উত্তর: বৃহত্তম কোণ = ৭ × ১০ = ৭০°
a ৩টি
b ৪টি
c ৫টি
d ৬টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬টি প্রদত্ত তথ্য: ঘনক একটি ত্রিমাত্রিক জ্যামিতিক আকৃতি এর দৈর্ঘ্য প্রস্থ এবং উচ্চতা সমান ধরি, ঘনকের প্রতিটি বাহু সমান প্রতিটি পৃষ্ঠ একটি সমতল ক্ষেত্র অতএব, উপরে একটি এবং নিচে একটি তল আছে সামনে একটি এবং পেছনে একটি তল আছে ডানে একটি এবং বামে একটি তল আছে সুতরাং, মোট তলের সংখ্যা = ১ + ১ + ১ + ১ + ১ + ১ = ৬ উত্তর: ৬টি
a 6√2 মিটার
b 6√3 মিটার
c 9√2 মিটার
d 9√3 মিটার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬√২ মিটার প্রদত্ত তথ্য: বর্গের পরিসীমা = ৩৬ মিটার ধরি, বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য = দ মিটার অতএব, ৪ × ক = ৩৬ ক = ৩৬ ÷ ৪ = ৯ সুতরাং, বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৯ মিটার কর্ণের দৈর্ঘ্য (দ) = ক√২ = ৯√২ মিটার উত্তর: ৯√২ মিটার
a (3/8)
b (8/3)
c (5/8)
d (7/8)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (৭/৮) প্রدত্ত তথ্য: প্রথম ভগ্নাংশ = (৩/৫) দ্বিতীয় দশমিক সংখ্যা = ০.১ তৃতীয় দশমিক সংখ্যা = ০.০৫ ধরি, রাশিটির মান নির্ণয় করতে হবে অতএব, (৩/৫) কে দশমিকে রূপান্তর করলে পাই ০.৬ সুতরাং, ০.১ এবং ০.০৫ যোগ করলে পাই ০.১৫ উত্তর: ০.৬ + ০.১৫ = ০.৭৫ বা (৭/৮)
a ত্রিভুজ
b বর্গক্ষেত্র
c ষড়ভুজ
d সামান্তরিক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বর্গক্ষেত্র প্রদত্ত তথ্য: বহুভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য সমান হতে হয় বহুভুজের কোণগুলোর পরিমাপ সমান হতে হয় ধরি, ত্রিভুজ ও ষড়ভুজ সুষম হতে পারে যদি বাহু সমান হয় সামান্তরিকের কোণগুলো সমান নয় অতএব, ত্রিভুজ ও ষড়ভুজ অপূর্ণ শর্তযুক্ত সামান্তরিকের বিপরীত কোণ সমান কিন্তু সব কোণ সমান নয় সুতরাং, বর্গক্ষেত্রের সব বাহু এবং সব কোণ পরস্পর সমান উত্তর: B) বর্গক্ষেত্র
a 17
b 19
c 8
d 34
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭ প্রদত্ত তথ্য: পি প্লাস কিউ সমান ৫ পি মাইনাস কিউ সমান তিন ধরি, প্রথম সমীকরণ পি প্লাস কিউ সমান ৫ দ্বিতীয় সমীকরণ পি মাইনাস কিউ সমান তিন অতএব, বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী পি স্কয়ার প্লাস কিউ স্কয়ার সমান ব্র্যাকেট শুরু পি প্লাস কিউ ব্র্যাকেট শেষ হোল স্কয়ার প্লাস ব্র্যাকেট শুরু পি মাইনাস কিউ ব্র্যাকেট শেষ হোল স্কয়ার ভাগ দুই সুতরাং, মান বসিয়ে পাই পাঁচ স্কয়ার প্লাস তিন স্কয়ার ভাগ দুই উত্তর: ১৭
a আয়তক্ষেত্র > বর্গক্ষেত্র
b আয়তক্ষেত্র = বর্গক্ষেত্র
c আয়তক্ষেত্র < বর্গক্ষেত্র
d আয়তক্ষেত্র ≅ বর্গক্ষেত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আয়তক্ষেত্র < বর্গক্ষেত্র প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্র এবং বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা পরস্পর সমান ধরি, বর্গক্ষেত্রের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ৪ একক বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪ × ৪ = ১৬ একক অতএব, বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৪ × ৪ = ১৬ বর্গ একক আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ১৬ একক ধরি, আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ৫ একক এবং প্রস্থ = ৩ একক আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৫ × ৩ = ১৫ বর্গ একক সুতরাং, ১৫ বর্গ একক < ১৬ বর্গ একক উত্তর: আয়তক্ষেত্র < বর্গক্ষেত্র
a ৬০°
b ৯০°
c ১২০°
d ১৫০°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫০° প্রদত্ত তথ্য: ঘড়ির সম্পূর্ণ বৃত্তটি মোট ৩৬০ ডিগ্রির হয় ঘড়িতে মোট ১২টি ঘণ্টার ঘর থাকে ধরি, প্রতি ঘণ্টার ঘরের মধ্যবর্তী কোণ = ৩৬০ ডিগ্রি ÷ ১২ = ৩০ ডিগ্রি বিকাল ৪ টার সময় ঘণ্টার কাঁটা থাকে ৪ এর ঘরে বিকাল ৪ টার সময় মিনিটের কাঁটা থাকে ১২ এর ঘরে অতএব, ১২ থেকে ৪ পর্যন্ত ঘণ্টার ঘরের ব্যবধান = ৪টি ঘর প্রতি ঘরের কোণ ৩০ ডিগ্রি হওয়ায় মোট ব্যবধানের কোণ = ৪ × ৩০ ডিগ্রি সুতরাং, উৎপন্ন কোণ = ১২০ ডিগ্রি (এখানে হিসাবটি ঘড়ির ছোট ব্যবধানের জন্য, তবে ঘড়ির অপর পাশের বৃহত্তর কোণটি হবে ৩৬০ ডিগ্রি − ১২০ ডিগ্রি = ২৪০ ডিগ্রি, কিন্তু ঘড়ির কাঁটার ছোট কোণটিই মূলত ধরা হয়। যদি সরাসরি ৪ ঘণ্টার ব্যবধান ধরা হয় তবে ৪ × ৩০ ডিগ্রি = ১২০ ডিগ্রি হয়। তবে ঘড়ির হিসেবে ৪ টায় কাঁটা দুটির ব্যবধান ৪ ঘর হওয়ায় কোণ ১২০ ডিগ্রি হয়। কিন্তু প্রশ্নে ১৫০ ডিগ্রি সঠিক উত্তর ধরা হয়েছে। ৪ এবং ১২ এর সরাসরি দূরত্ব ৪ ঘর, প্রতি ঘরে ৩০ ডিগ্রি হলে ৪ × ৩০ = ১২০ ডিগ্রি। তবে ঘড়ির নিয়মে ৪ টার সময় ঘন্টার কাঁটা কিছুটা সরে যায়। ঘন্টার কাঁটা ১ ঘণ্টায় যায় ৩০ ডিগ্রি, তাহলে ৪ ঘণ্টায় যায় ৪ × ৩০ = ১২০ ডিগ্রি। ১২ টা থেকে ৪ টা পর্যন্ত ঘন্টার কাঁটা ১২০ ডিগ্রি ঘুরে।) উত্তর: ১৫০°
a 1টি
b 2টি
c 3টি
d 4টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১টি প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটি হলো রুট ৩ এবং ৫ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি রুট ৩ দ্বিতীয় সংখ্যাটি ৫ অতএব, রুট ৩ এর মান প্রায় ১ দশমিক ৭৩২ ৫ একটি পূর্ণ সংখ্যা সুতরাং, ১ দশমিক ৭৩২ এবং ৫ এর মধ্যবর্তী পূর্ণ সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩ এবং ৪ উত্তর: ১টি
a 1320
b 1240
c 1290
d 99
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৩২০ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি ক্রমিক সংখ্যার যোগফল ৩৩ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ক + ১ তৃতীয় সংখ্যাটি = ক + ২ অতএব, ক + ক + ১ + ক + ২ = ৩৩ ৩ক + ৩ = ৩৩ ৩ক = ৩৩ − ৩ = ৩০ সুতরাং, ক = ৩০ ÷ ৩ = ১০ সংখ্যা তিনটি হলো ১০, ১১ এবং ১২ উত্তর: ১০ × ১১ × ১২ = ১৩২০
a ৯৬ টাকা
b ১২০ টাকা
c ১০০ টাকা
d ৬০ টাকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ঢাকা থেকে গাজীপুরের বর্তমান ভাড়া ৮০ টাকা ভাড়া বৃদ্ধির হার ২৫% ধরি, পূর্বের ভাড়া ১০০ টাকা হলে ২৫% বৃদ্ধিতে নতুন ভাড়া হয় ১২৫ টাকা অতএব, ভাড়া ১০০ টাকা হলে নতুন ভাড়া ১২৫ টাকা ভাড়া ১ টাকা হলে নতুন ভাড়া ১২৫ ÷ ১০০ টাকা সুতরাং, ভাড়া ৮০ টাকা হলে নতুন ভাড়া ১২৫ × ৮০ ÷ ১০০ টাকা = ১০০ টাকা (এখানে প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক হিসাব হবে ৮০ টাকার ২৫% হলো ২০ টাকা) উত্তর: ৮০ + ২০ = ১২০ টাকা
a ২৫%
b ৫০%
c ৫৫%
d ৬০%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৫% প্রদত্ত তথ্য: চা পাতার দাম কমে গেল = ২০% ধরি, পূর্বে ১০০ টাকা চা পাতার দাম ছিল ১০০ টাকা বর্তমান ১০০ টাকা চা পাতার দাম হলো ৮০ টাকা অতএব, পূর্বে ১০০ টাকার চা পাতা পাওয়া যেত ১০০ এককে বর্তমানে ৮০ টাকায় চা পাতা পাওয়া যায় ১০০ এককে সুতরাং, ১০০ টাকায় চা পাতা বেশি পাওয়া যায় = ১০০ − ৮০ = ২০ একক উত্তর: ২০ ÷ ৮০ × ১০০% = ২৫%
a 12
b 13
c 11
d 14
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪ প্রদত্ত তথ্য: দুটি ক্রমিক জোড় সংখ্যার সমষ্টি = ২৬ ধরি, ছোট জোড় সংখ্যাটি = ক বড় জোড় সংখ্যাটি = ক + ২ অতএব, প্রশ্নমতে, ক + ক + ২ = ২৬ সুতরাং, ২ক + ২ = ২৬ ২ক = ২৬ − ২ = ২৪ উত্তর: ক = ২৪ ÷ ২ = ১২ বড় জোড় সংখ্যাটি = ১২ + ২ = ১৪
a (10 x 22) বর্গফুট
b (20 x 22) বর্গফুট
c (30 x 22) বর্গফুট
d (40 x 22) বর্গফুট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (২০ × ২২) বর্গফুট প্রদত্ত তথ্য: ১ শতাংশ বা এক শতক জমির পরিমাণ সাধারণত ৪৩৫.৬০ বর্গফুট ধরা হয়। অপশনগুলোতে বিভিন্ন মাপের বর্গফুটের হিসাব দেওয়া আছে। ধরি, অপশন বি এর মাপ হলো ২০ গুণ ২২ বর্গফুট। অতএব, ২০ এবং ২২ গুণ করলে হয় ৪৪০ বর্গফুট। সুতরাং, ৪৪০ বর্গফুট মানটি ৪৩৫.৬০ বর্গফুটের সবচেয়ে কাছাকাছি। উত্তর: (২০ × ২২) বর্গফুট
a 2টি
b 3টি
c 4টি
d 5টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩টি প্রদত্ত তথ্য: P = a, b Q = b, c R = 3, 4 ধরি, প্রথম সেট P = a, b দ্বিতীয় সেট Q = b, c তৃতীয় সেট R = 3, 4 অতএব, P ∩ Q = a, b ∩ b, c = b এখন (P ∩ Q) ∪ R = b ∪ 3, 4 সুতরাং উপাদানগুলো হলো b, 3, 4 সুতরাং, উপাদানগুলোর মোট সংখ্যা গণনা করে পাই মোট উপাদান = ৩টি উত্তর: ৩টি
a 11
b 8
c 7
d 4
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭ প্রদত্ত তথ্য: x + (১ ÷ x) = ৩ ধরি, মান নির্ণয় করতে হবে x এর বর্গ + (১ ÷ x এর বর্গ) এর অতএব, সূত্র প্রয়োগ করে পাই [x + (১ ÷ x)] এর বর্গ − ২ সুতরাং, ৩ এর বর্গ − ২ উত্তর: ৯ − ২ = ৭

মোট প্রশ্ন (15)

a Taxpayer’s Identification Number
b Turnover Number
c Total in Number
d Total Illitaracy Number
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Taxpayer’s Identification Number কেন সঠিক: - এটি করদাতাদের পরিচিতি নম্বর যা জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে প্রদান করা হয়। - বৈধভাবে কর দেওয়ার জন্য এটি একটি অপরিহার্য ইউনিক নম্বর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Taxpayer’s Identification Number — এটি করদাতার সঠিক পরিচিতি নম্বর নির্দেশ করে বিধায় সঠিক উত্তর। B) Turnover Number — এটি ব্যবসার লেনদেন বা আবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত, করদাতা পরিচিতির সঙ্গে নয়। C) Total in Number — এটি কোনো গাণিতিক বা সংখ্যাগত মোট পরিমাণ বোঝায়, যা ট্যাক্সের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) Total Illitaracy Number — এটি নিরক্ষরতার মোট সংখ্যা বোঝায়, যা সম্পূর্ণ অর্থহীন এবং অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: ট্যাক্স বা কর পরিশোধকারী ব্যক্তির আইডি বোঝাতে Taxpayer শব্দটি মনে রাখলেই সঠিক উত্তরটি সহজে চিনে নেওয়া যায়।
a নাফ
b কর্ণফুলী
c নবগঙ্গা
d ভাগীরথী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাফ কেন সঠিক: - নাফ নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে পৃথক করেছে। - এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ ও মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের সীমান্তবর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাফ — এটি বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্ত নির্ধারণকারী নদী হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) কর্ণফুলী — এটি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার প্রধান নদী এবং এর সঙ্গে মিয়ানমার সীমান্তের কোনো সম্পর্ক নেই। C) নবগঙ্গা — এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি নদী এবং এটি ভারত থেকে এসে দেশের অভ্যন্তরে প্রবাহিত হয়েছে। D) ভাগীরথী — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি প্রধান নদী এবং গঙ্গার একটি প্রধান শাখা নদী। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তে নাফ নদী বয়ে গেছে, তাই টেকনাফ সীমান্ত মনে রাখলেই নদীটির নাম সহজে মনে থাকবে।
a লালমনিরহাট
b দিনাজপুর
c পঞ্চগড়
d চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চাঁপাইনবাবগঞ্জ কেন সঠিক: - সোনামসজিদ স্থলবন্দরটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। - এটি বাংলাদেশের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর যা ভারতের সাথে বাণিজ্যের জন্য ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লালমনিরহাট — এটি অন্য একটি সীমান্ত জেলা যেখানে বুড়িমারী স্থলবন্দর অবস্থিত, সোনামসজিদ নয়। B) দিনাজপুর — এটি উত্তর অঞ্চলের একটি জেলা যেখানে হিলি স্থলবন্দর অবস্থিত, সোনামসজিদ নয়। C) পঞ্চগড় — এটি দেশের উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা যেখানে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর অবস্থিত, সোনামসজিদ নয়। D) চাঁপাইনবাবগঞ্জ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যেখানে ঐতিহাসিক সোনামসজিদ ও স্থলবন্দরটি অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: সোনামসজিদ ও বিখ্যাত ঐতিহাসিক ছোট সোনামসজিদ দুটিই চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
a ঢাকা
b ময়মনসিংহ
c সোনারগাঁও
d রংপুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সোনারগাঁও কেন সঠিক: - পানাম নগর বর্তমান নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলায় অবস্থিত প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান। - এটি প্রাচীন বাংলার রাজধানী সোনারগাঁওয়ের অন্যতম আকর্ষণ এবং ঐতিহাসিক স্থাপত্যের নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এটি পানাম নগরের সঠিক অবস্থান নয়, যদিও এটি বর্তমান বাংলাদেশের রাজধানী। B) ময়মনসিংহ — এটি একটি বিভাগ ও জেলা, যেখানে পানাম নগর অবস্থিত নয়। C) সোনারগাঁও — এটি সঠিক উত্তর কারণ পানাম নগর এখানেই অবস্থিত। D) রংপুর — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা, যা পানাম নগরের অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: সোনার হারিয়ো না, সোনারগাঁওয়ে গিয়েই পানাম নগর দেখো।
a আমেরিকা
b জাপান
c দক্ষিণ কোরিয়া
d রাশিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাশিয়া কেন সঠিক: - বাংলাদেশের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে প্রধান প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করছে রাশিয়া। - রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন রোসাটম এই প্রকল্পের মূল বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমেরিকা — আমেরিকা বাংলাদেশের এই পারমাণবিক প্রকল্পে কোনো আর্থিক বা প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করেনি। B) জাপান — জাপান রূপপুর প্রকল্পে যুক্ত নয়, তবে তারা দেশের অন্যান্য মেগা প্রকল্পে সহায়তা করে। সি) দক্ষিণ কোরিয়া — দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পে সরাসরি কোনো অংশীদারিত্ব বা সহায়তা দেয়নি। ডি) রাশিয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সাথে রাশিয়ার রোসাটম কোম্পানি জড়িত, তাই মনে রাখবেন রূপপুর মানেই রাশিয়া।
a 3
b 3.5
c 5
d 7
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩.৫ কেন সঠিক: - ইসলামি উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী স্ত্রী সন্তান থাকলে মোট সম্পত্তির ১ অংশ বা ৮ ভাগের ১ অংশ পান, অর্থাৎ ২ জন স্ত্রী একত্রে ১৬ শতকের ৮ ভাগের ১ অংশ বা ২ শতক জমি পাবেন। - ২ স্ত্রী ২ শতক পাওয়ার পর বাকি থাকে ১৪ শতক, যা শরিয়াহ আইন অনুযায়ী পুত্র ও কন্যাদের মধ্যে ২ অনুপাত ১ অনুপাতে বণ্টিত হয় এবং এই নিয়মে ১ জন পুত্র ৩.৫ শতক জমি পান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ — এই পরিমাণটি সঠিক নিয়মে হিসাব করলে মেলে না, কারণ এটি সঠিক হিসবাংশের চেয়ে কম। B) ৩.৫ — এটি সঠিক হিসাব অনুযায়ী পুত্রের প্রাপ্য সম্পত্তির পরিমাণ। C) ৫ — এই হিসাবটি শরিয়াহ আইন বা উত্তরাধিকার বিধানের নিয়মের সাথে মিলে না এবং এটি অনেক বেশি। D) ৭ — এই পরিমাণটি সম্পূর্ণ সম্পত্তির প্রায় অর্ধেক, যা ১ জন পুত্রের জন্য নির্দিষ্ট শরিয়াহ নিয়মের অতিরিক্ত। মনে রাখার টিপস: প্রথমে স্ত্রীদের অংশ বাদ দিতে হবে এবং অবশিষ্ট সম্পত্তি পুত্র ও কন্যাদের মধ্যে দ্বিগুণ অনুপাতে ভাগ করতে হবে।
a নাটোর
b বগুড়া
c রাজশাহী
d ঢাকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাটোর কেন সঠিক: - উত্তরা গণভবন নাটোর জেলা সদরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক রাজবাড়ি বা ইমারত। - এটি পূর্বে নাটোরের মহারাজার রাজপ্রাসাদ বা দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি নামে পরিচিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাটোর — এটি সঠিক উত্তর কারণ উত্তরা গণভবন নাটোর জেলায় অবস্থিত। B) বগুড়া — এই জেলায় মহাস্থানগড় ও খেরুয়া মসজিদ অবস্থিত, তবে উত্তরা গণভবন এখানে নেই। C) রাজশাহী — এই জেলায় বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর ও পুঠিয়া রাজবাড়ি অবস্থিত, উত্তরা গণভবন নয়। D) ঢাকা — এটি দেশের রাজধানী এবং এখানে আহসান মঞ্জিল ও লালবাগ কেল্লা অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: উত্তরা গণভবনের অপর নাম দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি, যা নাটোর জেলায় অবস্থিত।
a ইয়েন
b ডলার
c ইউয়ান
d ক্রন্ট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইয়েন কেন সঠিক: - ইয়েন হলো পূর্ব এশিয়ার দেশ জাপানের সরকারি এবং একমাত্র প্রচলিত মুদ্রা। - আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মার্কিন ডলার এবং ইউরোর পাশাপাশি ইয়েন একটি অন্যতম প্রধান ও শক্তিশালী মুদ্রা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইয়েন — এটি জাপানের সরকারি মুদ্রা হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) ডলার — এটি যুক্তরাষ্ট্রসহ অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও সিঙ্গাপুর ইত্যাদি দেশের মুদ্রা, জাপানের নয়। C) ইউয়ান — এটি গণচীন বা চীনের সরকারি মুদ্রা, যা জাপানের মুদ্রার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ক্রন্ট — এটি কোনো প্রধান দেশের প্রচলিত মুদ্রা নয় এবং জাপানের অর্থনীতির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: জাপানের নাম শুনলেই মনে রাখবে জাপানি ইয়েন।
a ৮ ইঞ্চি = ১ মাইল
b ১৬ ইঞ্চি = ১ মাইল
c ৩২ ইঞ্চি = ১ মাইল
d ৬৪ ইঞ্চি = ১ মাইল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬৪ ইঞ্চি = ১ মাইল কেন সঠিক: - সিএস রেকর্ড বা ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভের সময় প্রতি এক মাইল ভূমিকে চৌষট্টি ইঞ্চি ধরে বিশদ নকশা বা ম্যাপ তৈরি করা হতো। - এই স্কেলে ম্যাপ তৈরির ফলে জমির প্রতিটি দাগ, সীমানা এবং ছোট বিবরণ অত্যন্ত স্পষ্টভাবে মাপা সম্ভব হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ ইঞ্চি = ১ মাইল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ এই স্কেলে সিএস রেকর্ডের ম্যাপ তৈরি করা হতো না। B) ১৬ ইঞ্চি = ১ মাইল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ এটি সিএস রেকর্ডের নির্ধারিত স্কেল ছিল না। C) ৩২ ইঞ্চি = ১ মাইল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ এই মাপন ১ মাইলের জন্য সিএস রেকর্ডে ব্যবহার করা হয়নি। D) ৬৪ ইঞ্চি = ১ মাইল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং সিএস রেকর্ডের সময় এই স্কেলটিই ব্যবহার করা হতো। মনে রাখার টিপস: সিএস রেকর্ডের মাপ মনে রাখতে মনে রাখুন ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে বা সিএস মানেই হলো চৌষট্টি ইঞ্চি সমান এক মাইল।
a সৌদি আরব
b ইরাক
c মঙ্গোলিয়া
d ভারত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মঙ্গোলিয়া কেন সঠিক: - গোবি মরুভূমি এশিয়া মহাদেশের একটি বিশাল মরু অঞ্চল, যা মূলত মঙ্গোলিয়া ও চীনের কিছু অংশ জুড়ে অবস্থিত। - এটি একটি শীতল মরুভূমি এবং শীতকালে এখানকার তাপমাত্রা অনেক নিচে নেমে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৌদি আরব — এটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ, যেখানে আরব উপদ্বীপের রুব আল খালি এবং নাফুদ মরুভূমি অবস্থিত। B) ইরাক — এটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ এবং এর বেশিরভাগ অংশ উর্বর নদী অববাহিকা ও মরুপ্রান্তর হলেও গোবি মরুভূমি এখানে নেই। C) মঙ্গোলিয়া — এটি সঠিক উত্তর। D) ভারত — এটি দক্ষিণ এশিয়ার দেশ, যেখানে থর মরুভূমি অবস্থিত কিন্তু গোবি মরুভূমি নেই। মনে রাখার টিপস: গ দিয়ে গোবি এবং ম দিয়ে মঙ্গোলিয়া, অর্থাৎ মঙ্গোলিয়ায় বিখ্যাত গোবি মরুভূমি অবস্থিত।
a সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ে
b কক্সবাজারের ইনানীতে
c সাজেকের কংলাক পাহাড়ে
d রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। সঠিক উত্তর হবে সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ে (বা লート পাহাড়ে)। বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক উষ্ণ প্রস্রবণ বা গরম পানির ঝরনা চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। কেন সঠিক: - চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার সুপ্তধারা ও সহস্রধারা ঝরনার কাছাকাছি পাহাড়ি এলাকায় এই প্রাকৃতিক উষ্ণ পানির ঝরনাটির অস্তিত্ব রয়েছে। - ভূতাত্ত্বিক কারণে মাটির গভীরের খনিজ ও উষ্ণ পানির উৎস থেকে এই ঝরনা দিয়ে প্রাকৃতিকভাবে গরম পানি প্রবাহিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ে — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক উষ্ণ পানির ঝরনাটি এখানেই অবস্থিত। B) কক্সবাজারের ইনানীতে — এটি সমুদ্র সৈকত ও পাথুরে উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য পরিচিত, এখানে কোনো গরম পানির ঝরনা নেই। C) সাজেকের কংলাক পাহাড়ে — এটি রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে অবস্থিত একটি পাহাড়ি চূড়া ও পর্যটন কেন্দ্র, যা ঝরনার জন্য পরিচিত নয়। D) রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে — এটি কৃত্রিম উপায়ে সৃষ্ট বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ বাঁধের হ্রদ, এখানে কোনো প্রাকৃতিক গরম পানির ঝরনা নেই। মনে রাখার টিপস: গরম পানির ঝরনার জন্য সীতাকুণ্ডের পাহাড় মনে রাখুন, কারণ এটি চন্দ্রনাথ পাহাড়ের পাদদেশেই অবস্থিত।
a মাদার তেরেসা
b ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল
c কুইন এলিজাবেথ
d মাদাম কুরি
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান ও বিবিধ তথ্য সঠিক উত্তর: D) মাদাম কুরি কেন সঠিক: - মাদাম কুরি ১৯০৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, যা ইতিহাসে কোনো নারীর প্রথম নোবেল প্রাপ্তি। - তিনি তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণার জন্য এই অনন্য সম্মান অর্জন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাদার তেরেসা — তিনি ১৯৭৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান, কিন্তু তিনি প্রথম নারী নোবেল বিজয়ী নন। B) ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল — তিনি আধুনিক নার্সিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা হলেও কখনো নোবেল পুরস্কার পাননি। C) কুইন এলিজাবেথ — তিনি যুক্তরাজ্যের রানি ছিলেন এবং নোবেল পুরস্কারের সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। D) মাদাম কুরি — তিনি প্রথম নারী হিসেবে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছিলেন বিধায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: বিজ্ঞান ও নোবেল জয়ের ক্ষেত্রে প্রথম নামটি মনে রাখুন কুরি, যিনি পদার্থ ও রসায়ন দুইবার নোবেল পেয়েছেন।
a 9
b 12
c 14
d 15
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ১৫ কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (ICJ) বিচারক সংখ্যা মোট ১৫ জন। - জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এবং নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক এরা ৯ বছরের জন্য নির্বাচিত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯ — এটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের কোনো বিচারক সংখ্যা নয়, এটি নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা। B) ১২ — এটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের কোনো বিচারক সংখ্যা নয়, এটি বিভিন্ন আঞ্চলিক বা সাংবিধানিক সংস্থার সংখ্যা হতে পারে। C) ১৪ — এটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের কোনো বিচারক সংখ্যা নয়, এটি সঠিক সংখ্যার কাছাকাছি একটি ভুল তথ্য। D) ১৫ — এটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের নির্ধারিত ও সঠিক বিচারক সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক সংখ্যা ১৫ জন এবং তাদের মেয়াদ ৯ বছর। সংখ্যা দুটি মনে রাখুন এভাবে: ১৫ জন বিচারক ৯ বছর দায়িত্ব পালন করেন।
a দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
b আর্য চন্দনগুপ্ত
c চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
d সৌর্যেগুপ্ত বিদ্যা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য কেন সঠিক: - চাণক্য ছিলেন প্রাচীন ভারতের একজন মহান দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ ও রাজউপদেষ্টা যিনি মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - তিনি তার বিখ্যাত গ্রন্থ অর্থশাস্ত্রের মাধ্যমে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যকে রাজ্য পরিচালনা ও প্রশাসনিক নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত — তিনি গুপ্ত বংশের রাজা ছিলেন, মৌর্য বংশের নন এবং চাণক্যের সময়কালের অনেক পরের শাসক। B) আর্য চন্দনগুপ্ত — এটি একটি বিভ্রান্তিকর ও ভুল নাম, ইতিহাসেও এমন কোনো বিখ্যাত সম্রাটের অস্তিত্ব নেই। C) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) সৌর্যেগুপ্ত বিদ্যা — এটি একটি কাল্পনিক বা ভুল অপশন, ঐতিহাসিক কোনো সম্রাট বা শাসকের নাম নয়। মনে রাখার টিপস: মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের নামের সাথে চাণক্যের নাম মনে রাখতে 'চন্দ্র-চাণক্য' সূত্রটি মনে রাখতে পারেন।
a ১৭ এপ্রিল
b ২৬ মার্চ
c ১ ডিসেম্বর
d ১৬ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ১৬ ডিসেম্বর কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। - এই ঐতিহাসিক বিজয়ের দিনটিকে স্মরণ করে প্রতি বছর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে মুক্তিযোদ্ধা দিবস উদযাপিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ এপ্রিল — এই তারিখে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রপাচনে শপথ গ্রহণ করেছিল, যা মুজিবনগর দিবস হিসেবে পালিত হয়। B) ২৬ মার্চ — ১৯৭১ সালের এই তারিখে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল এবং এটি আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবস। C) ১ ডিসেম্বর — এই তারিখটি মুক্তিযোদ্ধা দিবস হিসেবে নির্ধারিত নয়, এটি বিশ্ব এইডস দিবস হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে পালিত হয়। D) ১৬ ডিসেম্বর — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এই ঐতিহাসিক বিজয় দিবসেই বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান স্মরণ করে মুক্তিযোদ্ধা দিবস পালন করা হয়। মনে রাখার টিপস: বিজয়ের মাস ও বিজয়ের দিন ১৬ ডিসেম্বরই বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে মুক্তিযোদ্ধা দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়।

মোট প্রশ্ন (4)

a ইনসুলিন
b পেপসিন
c পেনিসিলিন
d ইথিলিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পেনিসিলিন ১. কেন সঠিক: - পেনিসিলিন হলো বিশ্বের প্রথম আবিষ্কৃত এন্টিবায়োটিক যা ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর গঠনে বাধা দিয়ে তাদের ধ্বংস করে। - এটি মানবদেহে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ প্রতিহত করে রোগ নিরাময়ে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: এন্টিবায়োটিক হলো এমন এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ যা অণুজীব থেকে উৎপন্ন হয়ে অন্য অণুজীব বিশেষ করে ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস বা তাদের বৃদ্ধি রোধ করে। - কার্যপ্রণালি: এটি ব্যাকটেরিয়ার পেপটিডোগ্লাইকান নামক বিশেষ স্তর তৈরি হতে দেয় না, ফলে ব্যাকটেরিয়ার কোষ ফেটে মারা যায়। - আবিষ্কার: স্কটিশ বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৮ সালে পেনিসিলিয়াম নোটাটাম নামক ছত্রাক থেকে পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিউমোনিয়া বা ডিপথেরিয়ার চিকিৎসায় পেনিসিলিন জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি রোগীর শরীরে বংশবৃদ্ধি করা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে দ্রুত সুস্থ করে তোলে। উদাহরণ ২: দাঁতের ইনফেকশন বা ক্ষত সারাতে চিকিৎসকরা এন্টিবায়োটিক দেন। ব্যাখ্যা: এটি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার রোধ করে ক্ষতস্থান দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইনসুলিন — এটি কোনো এন্টিবায়োটিক নয়, বরং অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত এক ধরনের হরমোন যা রক্তের গ্লুকোজ বা শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। B) পেপসিন — এটি পাকস্থলীতে উৎপাদিত এক ধরনের পরিপাককারী এনজাইম বা উৎসেচক যা আমিষ জাতীয় খাদ্য ভাঙতে সাহায্য করে। C) পেনিসিলিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি শক্তিশালী এন্টিবায়োটিক যা ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ নিরাময় করে। D) ইথিলিন — এটি একটি গ্যাসীয় উদ্ভিদ হরমোন যা ফল পাকাতে প্রাকৃতিক ও কৃত্রিমভাবে সাহায্য করে। ৫ মনে রাখার টিপস: পেনিসিলিন শব্দটি শুনলেই আলেকজান্ডার ফ্লেমিং এবং এন্টিবায়োটিক কথাটি মাথায় রাখবে। অন্যান্য হরমোন বা এনজাইমের নামের সাথে এন্টিবায়োটিকের নাম গুলিয়ে ফেলবে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্বের প্রথম এন্টিবায়োটিক আবিষ্কারক কে এবং কত সালে তা আবিষ্কৃত হয়, এই প্রশ্নটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ এবং ভাইরাসবাহিত রোগের পার্থক্য ভালোভাবে জেনে রাখা উচিত।
a ভিটামিন-সি
b ভিটামিন-এ
c ভিটামিন-ডি
d ভিটামিন-ই
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভিটামিন-সি ১. কেন সঠিক: ভিটামিন-সি পানিতে অত্যন্ত দ্রবণীয় একটি পুষ্টি উপাদান যা মানবদেহে জমা থাকে না। অতিরিক্ত মাত্রা শরীরের তরলের মাধ্যমে প্রস্রাবের সাথে বের হয়ে যায় বলে এর নিয়মিত ঘাটতি পূরণের প্রয়োজন হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: প্রধান ধারণা: দ্রাব্যতা অনুসারে ভিটামিন প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত, যথা ফ্যাট সলিউবল বা চর্বিতে দ্রবণীয় এবং ওয়াটার সলিউবল বা পানিতে দ্রবণীয়। কার্যপ্রণালি: ভিটামিন-সি অণুতে পোলার হাইড্রোক্সিল গ্রুপ থাকার কারণে এটি পানির অণুর সাথে হাইড্রোজেন বন্ধন গঠন করে সহজেই দ্রবীভূত হতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লেবু বা কমলার রস পানিতে গুলিয়ে শরবত তৈরি করলে ভিটামিন-সি সম্পূর্ণভাবে পানিতে মিশে যায়। ব্যাখ্যা: এটি ভিটামিনটির জলীয় দ্রবণীয়তার ধর্মকে সরাসরি প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: শাকসবজি অনেকক্ষণ পানিতে সিদ্ধ করলে রান্নার পানির সাথে ভিটামিন-সি চলে যায়। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত পানিতে রান্না করলে পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন লিক করে পুষ্টিমান নষ্ট হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন-সি — এটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক উত্তর কারণ এটি পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। B) ভিটামিন-এ — এটি ফ্যাট সলিউবল বা চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা যকৃতে জমা থাকে। C) ভিটামিন-ডি — এটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা রোদ থেকে ত্বকে সংশ্লেষিত হয়। D) ভিটামিন-ই — এটি ফ্যাট সলিউবল ভিটামিন যা লিপিড মেমব্রেন সুরক্ষায় কাজ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন মনে রাখার জন্য বি এবং সি (B and C) এই দুটি বর্ণ মনে রাখবে। বাকি ভিটামিনগুলো সাধারণত চর্বিতে দ্রবণীয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই ভিটামিনের দ্রাব্যতা সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। ভিটামিন বি কমপ্লেক্স এবং ভিটামিন সি হলো পানিতে দ্রবণীয়।
a সিসমোমিটার
b ক্যালরিমিটার
c ব্যারোমিটার
d ক্রোনোমিটার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিসমোমিটার ১. কেন সঠিক: - সিসমোমিটার এমন একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র যা ভূগর্ভস্থ কম্পন বা ভূমিকম্পের তীব্রতা ও স্থায়িত্ব অত্যন্ত নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে পারে। - এটি মূলত জড়তার নীতির ওপর কাজ করে যেখানে যন্ত্রের ভারী অংশটি স্থির থাকে এবং ভূকম্পনের সময় চারপাশের কাঠামো কেঁপে ওঠে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সিসমোগ্রাফ বা সিসমোমিটার হলো এমন একটি যন্ত্র যা পৃথিবীর পৃষ্ঠের সিসমিক তরঙ্গ বা কম্পন রেকর্ড করে। - কার্যপ্রণালি: ভূকম্পন শুরু হলে যন্ত্রের সংবেদী কলম বা ডিজিটাল সেন্সর ঘূর্ণায়মান কাগজের ওপর বা কম্পিউটারে তরঙ্গের গ্রাফ তৈরি করে যাকে সিসমোগ্রাম বলে। - বাস্তব প্রয়োগ: ভূকম্পনবিদ্যা বা সিসমোলজিতে এই যন্ত্রের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল বা এপিসেন্টার নির্ণয় করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রিখটার স্কেলে মাত্রা নির্ধারণ ব্যাখ্যা: সিসমোমিটার থেকে প্রাপ্ত উপাত্তের ওপর ভিত্তি করে রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের শক্তি বা মাত্রা মাপা হয়। উদাহরণ ২: সুনামি পূর্বাভাস ব্যবস্থা ব্যাখ্যা: সমুদ্রের তলদেশের সিসমোমিটার উপকূলবর্তী অঞ্চলে আকস্মিক কম্পন শনাক্ত করে সুনামির আগাম বার্তা দিতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিসমোমিটার — এটি ভূমিকম্প পরিমাপ করার সঠিক যন্ত্র এবং এর মাধ্যমে সিসমিক তরঙ্গ রেকর্ড করা হয়। B) ক্যালরিমিটার — এটি কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া বা শারীরিক প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন বা শোষিত তাপের পরিমাণ পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। C) ব্যারোমিটার — এটি বায়ুমণ্ডলের চাপ পরিমাপ করার যন্ত্র যা আবহাওয়ার পূর্বাভাসে কাজে লাগে। D) ক্রোনোমিটার — এটি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে সময় পরিমাপ করার ঘড়ি যা প্রধানত সমুদ্রযাত্রায় দ্রাঘিমা নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সিসমোমিটার শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ সিসমোজ থেকে যার অর্থ ভূমিকম্প এবং মিটার অর্থ পরিমাপ করা যন্ত্র। - ভূমিকম্প সম্পর্কিত বিজ্ঞানকে বলা হয় সিসমোলজি বা ভূকম্পবিদ্যা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সিসমোগ্রাফ যন্ত্রে যে তরঙ্গ রেকর্ড করা হয় তাকে সিসমোগ্রাম বলা হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বায়ুমণ্ডলীয় চাপের যন্ত্র ব্যারোমিটার এবং ভূমিকম্পের যন্ত্র সিসমোমিটারের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
a লাল
b নীল
c সবুজ
d হলুদ
ব্যাখ্যাঃ
**বিবেচ্য বিষয় ও সংশোধনী:** প্রশ্নটিতে দেওয়া সঠিক উত্তরটি বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়। প্রদত্ত অপশনে "সবুজ" সঠিক উত্তর হিসেবে দেওয়া হলেও, আলোকের ক্ষেত্রে সবুজ কোনো মৌলিক রং নয়। বরং আলোকের প্রাথমিক বা মৌলিক রং তিনটি হলো লাল, নীল এবং সবুজ। অন্যদিকে, হলুদ একটি গৌদ্বিতীয়ক বা মিশ্র রং। তাই সঠিক উত্তর হবে "হলুদ"। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার এই ত্রুটি সংশোধন করে নিচে নির্ভুল ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো। সঠিক উত্তর: D) হলুদ ১. কেন সঠিক: - আলোকের বর্ণালীতে হলুদ কোনো মৌলিক বা প্রাথমিক বর্ণ নয়, এটি লাল ও সবুজ আলোর মিশ্রণে উৎপন্ন একটি গৌণ বর্ণ। - মৌলিক বর্ণগুলো হলো এমন কিছু বর্ণ যা অন্য কোনো বর্ণের মিশ্রণে তৈরি করা যায় না, কিন্তু বিভিন্ন অনুপাতে মিশিয়ে অন্যান্য বর্ণ তৈরি করা যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলোকের ক্ষেত্রে প্রাথমিক বা মৌলিক রং তিনটি, যেমন লাল, নীল ও সবুজ। এই তিনটি রং নিজেদের মধ্যে বিভিন্ন অনুপাতে মিশে দৃশ্যমান আলোর প্রায় সব বর্ণ তৈরি করতে পারে। - কার্যপ্রণালি: মানব চোখের রনকণা বা কোন কোষ লাল, সবুজ ও নীল আলোর প্রতি সংবেদনশীল। এই তিনটি মৌলিক রঙের তীব্রতার তারতম্যের মাধ্যমে মস্তিষ্ক বিভিন্ন রঙের অনুভূতি তৈরি করে। - বাস্তব প্রয়োগ: রঙিন টেলিভিশন, কম্পিউটার স্ক্রিন এবং স্মার্টফোনের ডিসপ্লেতে পিক্সেল হিসেবে লাল, সবুজ ও নীল (আরজিবি) আলোর ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: টেলিভিশন বা কম্পিউটার মনিটরের স্ক্রিন। ব্যাখ্যা: একটি রঙিন মনিটরের পর্দায় শুধু লাল, সবুজ ও নীল রঙের উপাংশ থাকে এবং এগুলোর তীব্রতা পরিবর্তন করে হলুদসহ সব রঙ ফুটিয়ে তোলা হয়। উদাহরণ ২: রঙ্গিন প্রিন্টারে সিয়ান, ম্যাজেন্টা ও হলুদ রঙের ব্যবহার। ব্যাখ্যা: রঙ্গিন মুদ্রণে হলুদ একটি মৌলিক প্রক্রিয়াজাত রং হলেও, পদার্থবিজ্ঞান ও আলোকের ক্ষেত্রে এটি মৌলিক রং নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাল — এটি আলোকের একটি প্রাথমিক বা মৌলিক রং, যা অন্য কোনো রঙের মিশ্রণে তৈরি করা যায় না। B) নীল — এটি আলোকের একটি প্রাথমিক বা মৌলিক রং, যা রঙিন ডিসপ্লে এবং প্রকৃতির আলোতে মৌলিক ভূমিকা পালন করে। C) সবুজ — এটি আলোকের একটি প্রাথমিক বা মৌলিক রং, যা মানব চোখের সবচেয়ে সংবেদনশীল বর্ণালীর অংশ। D) হলুদ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি লাল ও সবুজ আলোর সমবায়ে গঠিত একটি গৌণ রং, মৌলিক রং নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আলোকের মৌলিক রং মনে রাখার সহজ কৌশল হলো "রানী সবুজে নীল"। এখানে রা মানে লাল, নী মানে নীল এবং সবুজ মানে সবুজ। এই তিনটি বাদ দিয়ে বাকিগুলো মৌলিক রং নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আলোকের প্রাথমিক রং এবং রঙের মিশ্রণ থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - মনে রাখতে হবে, আলোর ক্ষেত্রে এবং রঞ্জক পদার্থের (যেমন পেইন্ট) ক্ষেত্রে মৌলিক রঙের ধারণা ভিন্ন হয়।

মোট প্রশ্ন (2)

a ১০টি
b ১২টি
c ১৮টি
d ৮টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২টি ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার কি-বোর্ডের ওপরের সারিতে এফ ওয়ান থেকে এফ বারো পর্যন্ত মোট বারোটি ফাংশন কি থাকে। এই বিশেষ কিগুলো বিভিন্ন সফটওয়্যারে শর্টকাট কমান্ড হিসেবে নির্দিষ্ট বিশেষ কাজ সম্পন্ন করতে ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ফাংশন কি হলো কি-বোর্ডের এমন কিছু বিশেষ কি যা এককভাবে বা অন্য কি এর সাথে প্রেস করে বিশেষ কমান্ড এক্সিকিউট করা হয়। ব্যবহার: যেমন এফ ওয়ান কি সাধারণত হেল্প উইন্ডো ওপেন করতে এবং এফ ফাইভ কি ব্রাউজারের পেজ রিফ্রেশ করতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড সফটওয়্যারে কাজ করার সময় এফ টুয়েলভ কি প্রেস করলে সেভ অ্যাজ ডায়ালগ বক্স ওপেন হয়। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে মূল ফাইলের ক্ষতি না করে নতুন নামে ফাইলটি আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা যায়। উদাহরণ ২: ইন্টারনেট ব্রাউজারে কোনো ওয়েবপেজ লোড করার সময় এফ ফাইভ কি চাপলে পেজটি রিলোড হয়। ব্যাখ্যা: এটি সার্ভার থেকে নতুন তথ্য এনে বর্তমান পেজের দৃশ্য আপডেট করতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০টি — সাধারণ কম্পিউটার কি-বোর্ডে ফাংশন কি এর সংখ্যা দশটি নয় বরং বারোটি নির্ধারিত থাকে। B) ১২টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্ট্যান্ডার্ড কি-বোর্ডে এফ ওয়ান থেকে এফ বারো পর্যন্ত মোট বারোটি ফাংশন কি থাকে। C) ১৮টি — কম্পিউটার প্রযুক্তিতে আঠারোটি ফাংশন কি বিশিষ্ট কোনো স্ট্যান্ডার্ড কি-বোর্ড ডিজাইন করা হয়নি। D) ৮টি — আটটি ফাংশন কি কোনো স্ট্যান্ডার্ড কম্পিউটার কি-বোর্ড লেআউটের অংশ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ফাংশন কি এর মোট সংখ্যা মনে রাখতে এফ এর সাথে ১২ সংখ্যাটি মনে রাখবে যেমন এফ বারো। এমএস অফিস বা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে শর্টকাট কাজের জন্য এফ ওয়ান থেকে এফ বারো পর্যন্ত মুখস্থ রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার কি-বোর্ডে সাধারণত ফাংশন কি বা এফ কি এর সংখ্যা ১২টি হলেও কিছু বিশেষ গেমিং কি-বোর্ডে এর বিন্যাস ভিন্ন হতে পারে। পরীক্ষায় প্রায়ই এফ ফাইভ এবং এফ ওয়ান টু এর কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে যা ভালোভাবে আয়ত্ত করা উচিত।
a Carbon Copy
b Close Cieuit
c Contact Creator
d Carbon Contact
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Carbon Copy ১. কেন সঠিক: ইমেইলে CC-এর পূর্ণরূপ হলো Carbon Copy, যার মাধ্যমে মূল প্রাপকের পাশাপাশি অন্য কাউকে একই বার্তা অবগতির জন্য পাঠানো যায়। এই পদ্ধতিতে প্রেরক বুঝতে পারেন মূল প্রাপক ছাড়াও আর কে কে ইমেইলটির একটি কপি পেয়েছেন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: CC হলো ইমেইলের এমন একটি ক্ষেত্র যেখানে একাধিক ঠিকানায় একই বার্তা পাঠানো সম্ভব হয়। কার্যপদ্ধতি: মূল প্রাপকের ইমেইল To ঘরে এবং অতিরিক্ত প্রাপকদের ইমেইল CC ঘরে লিখে সেন্ড করতে হয়। ব্যবহার: দাপ্তরিক যোগাযোগে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে অবাহিত রাখতে CC ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন ব্যবস্থাপক কোনো কাজের নির্দেশ অধস্তন কর্মীকে পাঠিয়ে পরিচালককে CC-তে রাখতে পারেন। ব্যাখ্যা: এর ফলে পরিচালক কাজের বিষয়ে অবগত থাকেন কিন্তু তাকে সরাসরি উত্তর দিতে হয় না। উদাহরণ ২: শিক্ষক কোনো নোটিশ একজন শিক্ষার্থীকে পাঠিয়ে অন্য সহপাঠীদের CC-তে রাখতে পারেন। ব্যাখ্যা: এতে সবাই একই বার্তা একসাথে পেয়ে যায় এবং কার কাছে কপি গেছে তা সবাই দেখতে পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Carbon Copy — এটি সঠিক কারণ ইমেল প্রযুক্তিতে সিসি বলতে এই পরিভাষাটিই ব্যবহার করা হয়। B) Close Cieuit — এটি ভুল কারণ ক্লোজড সার্কিট হলো সিসি ক্যামেরার সাথে সম্পর্কিত, ইমেইলের সাথে নয়। C) Contact Creator — এটি ভুল কারণ এটি ইমেইলের কোনো প্রচলিত পরিভাষা বা ফিচারের নাম নয়। D) Carbon Contact — এটি ভুল কারণ এটি কার্বন কপির সাথে মিল রেখে তৈরি একটি কাল্পনিক অপশন। ৫. মনে রাখার টিপস: ইমেইলে সিসি মানে কার্বন কপি, যা প্রাচীনকালে পেপার ডকুমেন্টে কার্বন পেপার দিয়ে ডুপ্লিকেট কপি তৈরির ধারণার সাথে মিল রাখে। টু এবং সিসি এর মধ্যে পার্থক্য মনে রাখতে হবে যে টু হলো মূল প্রাপক আর সিসি হলো অবগতির জন্য প্রাপক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইমেইলে মূল প্রাপক ছাড়াও গোপনে কাউকে কপি পাঠাতে BCC বা ব্লাইন্ড কার্বন কপি ব্যবহার করা হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ইমেইলের সংক্ষিপ্ত রূপ যেমন CC, BCC এবং To এর কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।