সাম্প্রতিক প্রশ্ন

a কানাই
b গেঁয়ো
c চোরা
d বেতো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চোরা ১. কেন সঠিক: 'অবজ্ঞা' বা তুচ্ছতা প্রকাশ করতে বাংলা ভাষায় কিছু উপসর্গ বা শব্দাংশ শব্দের পূর্বে বসে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। এখানে 'চোরা' শব্দটি সাধারণ অর্থে চোর না বুঝিয়ে, কোনো কিছুর ভেজাল, গোপন দোষ কিংবা অবজ্ঞা বা নগ্নতা বোঝাতে উপসর্গ বা বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে কিছু শব্দ নিজস্ব মূল অর্থ পরিবর্তন করে উপসর্গ বা বিশেষণের মতো অবজ্ঞা, ক্ষুদ্রতা কিংবা তুচ্ছতা প্রকাশ করে। শব্দের এই বিশেষ প্রয়োগ বাক্যের contextos বা প্রসঙ্গের ওপর নির্ভর করে ভাবার্থ প্রকাশ করে এবং বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরা হাসি ব্যাখ্যা: এখানে হাসিটি স্বাভাবিক নয়, বরং গোপন বা অবজ্ঞাসূচক মনোভাব প্রকাশ করতে চোরা শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: চোরাালি ব্যাখ্যা: গোপন বা ভেজাল গলি বোঝাতে বা তুচ্ছ অর্থে এই শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানাই — এটি সাধারণত কৃষ্ণের একটি নাম বা গ্রামীণ নাম বোঝায়, যা অবজ্ঞা অর্থে ব্যবহৃত হয় না। B) গেঁয়ো — এটি গ্রাম্য বা অপ্রধূমিক কোনো বৈশিষ্ট্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, অবজ্ঞা অর্থে প্রধানত চোরা শব্দটি এখানে প্রযোজ্য। D) বেতো — এটি বাত রোগাক্রান্ত বা দুর্বল কোনো অবস্থাকে নির্দেশ করে, অবজ্ঞা অর্থে এটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: চোরা মানেই সবসময় চোর নয়, কখনো কখনো এটি গোপন অবস্থা বা অবজ্ঞার ভাব প্রকাশ করে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের এই বিশেষ ভাবার্থ বা প্রয়োগগুলো ভালোভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দের আভিধানিক অর্থের বাইরেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রমিত ও বিশেষ প্রয়োগমূলক প্রশ্ন আসে। বাক্যের ভাবার্থ বুঝে শব্দের সঠিক অর্থ নির্ণয় করার অভ্যাস রাখতে হবে।
a সিসমোমিটার
b ক্যালরিমিটার
c ব্যারোমিটার
d ক্রোনোমিটার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিসমোমিটার ১. কেন সঠিক: - সিসমোমিটার এমন একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র যা ভূগর্ভস্থ কম্পন বা ভূমিকম্পের তীব্রতা ও স্থায়িত্ব অত্যন্ত নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে পারে। - এটি মূলত জড়তার নীতির ওপর কাজ করে যেখানে যন্ত্রের ভারী অংশটি স্থির থাকে এবং ভূকম্পনের সময় চারপাশের কাঠামো কেঁপে ওঠে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সিসমোগ্রাফ বা সিসমোমিটার হলো এমন একটি যন্ত্র যা পৃথিবীর পৃষ্ঠের সিসমিক তরঙ্গ বা কম্পন রেকর্ড করে। - কার্যপ্রণালি: ভূকম্পন শুরু হলে যন্ত্রের সংবেদী কলম বা ডিজিটাল সেন্সর ঘূর্ণায়মান কাগজের ওপর বা কম্পিউটারে তরঙ্গের গ্রাফ তৈরি করে যাকে সিসমোগ্রাম বলে। - বাস্তব প্রয়োগ: ভূকম্পনবিদ্যা বা সিসমোলজিতে এই যন্ত্রের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল বা এপিসেন্টার নির্ণয় করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রিখটার স্কেলে মাত্রা নির্ধারণ ব্যাখ্যা: সিসমোমিটার থেকে প্রাপ্ত উপাত্তের ওপর ভিত্তি করে রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের শক্তি বা মাত্রা মাপা হয়। উদাহরণ ২: সুনামি পূর্বাভাস ব্যবস্থা ব্যাখ্যা: সমুদ্রের তলদেশের সিসমোমিটার উপকূলবর্তী অঞ্চলে আকস্মিক কম্পন শনাক্ত করে সুনামির আগাম বার্তা দিতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিসমোমিটার — এটি ভূমিকম্প পরিমাপ করার সঠিক যন্ত্র এবং এর মাধ্যমে সিসমিক তরঙ্গ রেকর্ড করা হয়। B) ক্যালরিমিটার — এটি কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া বা শারীরিক প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন বা শোষিত তাপের পরিমাণ পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। C) ব্যারোমিটার — এটি বায়ুমণ্ডলের চাপ পরিমাপ করার যন্ত্র যা আবহাওয়ার পূর্বাভাসে কাজে লাগে। D) ক্রোনোমিটার — এটি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে সময় পরিমাপ করার ঘড়ি যা প্রধানত সমুদ্রযাত্রায় দ্রাঘিমা নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সিসমোমিটার শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ সিসমোজ থেকে যার অর্থ ভূমিকম্প এবং মিটার অর্থ পরিমাপ করা যন্ত্র। - ভূমিকম্প সম্পর্কিত বিজ্ঞানকে বলা হয় সিসমোলজি বা ভূকম্পবিদ্যা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সিসমোগ্রাফ যন্ত্রে যে তরঙ্গ রেকর্ড করা হয় তাকে সিসমোগ্রাম বলা হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বায়ুমণ্ডলীয় চাপের যন্ত্র ব্যারোমিটার এবং ভূমিকম্পের যন্ত্র সিসমোমিটারের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
a লালমনিরহাট
b দিনাজপুর
c পঞ্চগড়
d চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চাঁপাইনবাবগঞ্জ কেন সঠিক: - সোনামসজিদ স্থলবন্দরটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। - এটি বাংলাদেশের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর যা ভারতের সাথে বাণিজ্যের জন্য ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লালমনিরহাট — এটি অন্য একটি সীমান্ত জেলা যেখানে বুড়িমারী স্থলবন্দর অবস্থিত, সোনামসজিদ নয়। B) দিনাজপুর — এটি উত্তর অঞ্চলের একটি জেলা যেখানে হিলি স্থলবন্দর অবস্থিত, সোনামসজিদ নয়। C) পঞ্চগড় — এটি দেশের উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা যেখানে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর অবস্থিত, সোনামসজিদ নয়। D) চাঁপাইনবাবগঞ্জ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যেখানে ঐতিহাসিক সোনামসজিদ ও স্থলবন্দরটি অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: সোনামসজিদ ও বিখ্যাত ঐতিহাসিক ছোট সোনামসজিদ দুটিই চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
a লালন শাহ
b হাসন রাজা
c পাগলা কানাই
d রাধারমণ দত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লালন শাহ ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটি মূলত বাংলা সাহিত্য ও লোকসাহিত্য ধারার অন্তর্গত। 'আমার ঘরের চাবি পরের হাতে' গানটির রচয়িতা হলেন বাউল সম্রাট লালন শাহ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: লালন শাহ বাংলা বাউল গানের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও প্রখ্যাত সাধক ও গীতিকার। তার গানে মানবতাবাদ, আধ্যাত্মিকতা এবং দেহতত্ত্বের গভীর রূপ প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে। ব্যাখ্যা: এটি লালন শাহের অন্যতম জনপ্রিয় একটি দার্শনিক ও মরমি গান। উদাহরণ ২: খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়। ব্যাখ্যা: এটিও লালন শাহের বিখ্যাত একটি আধ্যাত্মিক দেহতাত্ত্বিক গান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লালন শাহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বিখ্যাত গানটির গীতিকার তিনিই। B) হাসন রাজা — তিনি সিলেটের মরমী কবি ও জমিদার ছিলেন, কিন্তু এই গানের রচয়িতা নন। C) পাগলা কানাই — তিনি ঝিনাইদহের লোককবি ও মরমী সাধক ছিলেন, এই গানের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নেই। D) রাধারমণ দত্ত — তিনি সিলেটের ধামাইল গানের প্রবর্ক ও বৈষ্ণব পদকর্তা, এই গানের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: ঘরের চাবি কার হাতে তা জানতে হলে আমাদের মরমি সাধক লালন শাহের গান স্মরণ করতে হবে। বাউল সম্রাট লালনের প্রায় সব গানেই আত্মতত্ত্ব ও দেহতত্ত্বের সন্ধান মেলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লালন শাহের গান ও তার পংক্তি প্রায়ই আসে। লোকসাহিত্যের ক্ষেত্রে বাউল গান ও এর রচয়িতাদের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ২৫%
b ৫০%
c ৫৫%
d ৬০%
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৫% প্রদত্ত তথ্য: চা পাতার দাম কমে গেল = ২০% ধরি, পূর্বে ১০০ টাকা চা পাতার দাম ছিল ১০০ টাকা বর্তমান ১০০ টাকা চা পাতার দাম হলো ৮০ টাকা অতএব, পূর্বে ১০০ টাকার চা পাতা পাওয়া যেত ১০০ এককে বর্তমানে ৮০ টাকায় চা পাতা পাওয়া যায় ১০০ এককে সুতরাং, ১০০ টাকায় চা পাতা বেশি পাওয়া যায় = ১০০ − ৮০ = ২০ একক উত্তর: ২০ ÷ ৮০ × ১০০% = ২৫%
a Repitition
b Repeatition
c Repetition
d Repitation
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Repetition কেন সঠিক: - বানানটির মূল শব্দ হলো 'repeat', যার সঙ্গে 'ition' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক বানানটি গঠিত হয় 'Repetition'। - এই শব্দটিতে কোনো 'i' এর পর অতিরিক্ত 't' থাকে না এবং এটি সঠিক ল্যাটিন উৎস অনুসরণ করে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Repitition — এই অপশনে 'e' এর পরিবর্তে ভুলভাবে 'i' ব্যবহার করা হয়েছে। B) Repeatition — এই অপশনে মূল শব্দ 'repeat' এর শেষে অতিরিক্ত 't' ও ভুল বানান ব্যবহার করা হয়েছে। C) Repetition — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর বানান সম্পূর্ণ নির্ভুল। D) Repitation — এই অপশনে সঠিক প্রত্যয় 'ition' এর পরিবর্তে ভুলভাবে 'ation' ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: মূল শব্দ 'Repeat' মনে রেখে তার সঙ্গে 'ition' যোগ করলে সঠিক বানানটি সহজে মনে রাখা যায়।
a Be ruined
b Be agreed
c Be estimated
d Be blamed
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Be ruined কেন সঠিক: - 'Go to the dogs' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আভিধানিক অর্থ কুকুরের কাছে যাওয়া হলেও এর রূপক অর্থ ধ্বংস হয়ে যাওয়া বা পতন হওয়া। - কোনো ব্যক্তি বা ব্যবস্থার চরম অবনতি বা দেউলিয়া অবস্থাকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Be ruined — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ইডিয়মের অর্থ ধ্বংস বা বরবাদ হয়ে যাওয়া। B) Be agreed — এর অর্থ একমত হওয়া, যা এই বাগধারার অর্থের সাথে মিল নেই। C) Be estimated — এর অর্থ মূল্যায়ন করা বা প্রাক্কলন করা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে। D) Be blamed — এর অর্থ দোষারোপ করা, যা এই ইডিয়মের ধ্বংস হওয়ার ধারণার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো কুকুরের দশা খুব খারাপ হলে যেমন তার অবস্থা শোচনীয় হয়, তেমনি মানুষের অবস্থা খারাপ হয়ে ধ্বংস হয়ে যাওয়াকে 'Go to the dogs' বলা হয়।
a রাস্তা
b দেখেশুনে
c হবে
d পার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দেখেশুনে ১. কেন সঠিক: - বাক্যে 'দেখেশুনে' পদটি ক্রিয়ার সম্পাদনের ধরণ ও মাধ্যম প্রকাশ করছে এবং ক্রিয়াকে বিশেষভাবে মডিফাই করছে। - বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী ক্রিয়াপদ কীভাবে, কখন বা কী উপায়ে সম্পাদিত হয় তা নির্দেশকারী পদকে ক্রিয়াবিশেষণ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে পদ ক্রিয়া সম্পাদনের সময়, স্থান, রীতি বা কারণ নির্দেশ করে তাকে ক্রিয়াবিশেষণ পদ বলে। - প্রদত্ত বাক্যে 'পার হবে' হলো সমাপিকা ক্রিয়া এবং 'দেখেশুনে' হলো সেই ক্রিয়া সম্পন্ন করার পদ্ধতি বা রীতি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধীরে ধীরে চলো। ব্যাখ্যা: এখানে 'ধীরে ধীরে' পদটি চলার ধরণ বোঝাচ্ছে তাই এটি ক্রিয়াবিশেষণ। উদাহরণ ২: বৃষ্টিতে ভিজে এসো না। ব্যাখ্যা: এখানে আসার নিষেধের কারণ ও পদ্ধতি বোঝাতে 'ভিজে' পদটি ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে কাজ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাস্তা — এটি একটি বিশেষ্য পদ কারণ এটি দ্বারা একটি স্থান বা পথকে বোঝানো হয়েছে। B) দেখেশুনে — সঠিক উত্তর, কারণ এটি ক্রিয়া সম্পাদনের রীতি বা ধরণ নির্দেশক ক্রিয়াবিশেষণ। C) হবে — এটি একটি সমাপিকা ক্রিয়া পদ যা বাক্যটির সমাপ্তি ঘটিয়েছে। D) পার — এটি মূল ক্রিয়ার অংশ বা ধাতুরূপ যা 'হবে' ক্রিয়ার সাথে যুক্ত হয়ে যুক্ত ক্রিয়া গঠন করেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্যের ক্রিয়াপদকে কীভাবে বা কেমন করে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই মূলত ক্রিয়াবিশেষণ পদ। - যেমন: কীভাবে রাস্তা পার হবে উত্তর হলো দেখেশুনে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যের পদ নির্ণয় প্রায়ই আসে, তাই ক্রিয়া ও ক্রিয়াবিশেষণের পার্থক্য ভালো করে চর্চা করবে। - অব্যয় পদ বা বিশেষণের সাথে ক্রিয়াবিশেষণের রূপগত মিল থাকলেও বাক্যে তার কাজ বুঝতে হবে।
a ষোড়শ
b ষোড়শী
c ১৬শ
d ষোলই
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ষোড়শী ১. কেন সঠিক: - সাধারণ পূরণবাচক শব্দের সঙ্গে স্ত্রীবাচক প্রত্যয় যুক্ত করে নারীরবাচক রূপ গঠন করা হয়। - ষোড়শ শব্দের স্ত্রীবাচক বা নারীরবাচক রূপ হলো ষোড়শী যা একজন ষোলো বছর বয়সী মেয়েকে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সংখ্যাবাচক শব্দের যে রূপ দ্বারা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর ক্রমিক অবস্থান বা সিরিয়াল বোঝায় তাকে পূরণবাচক শব্দ বলে। - সাধারণ পূরণবাচক শব্দের শেষে ঈ-প্রত্যয় বা আ-প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ বা নারীরবাচক রূপ তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঞ্চমী ব্যাখ্যা: পঞ্চম শব্দের সঙ্গে ঈ-প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পঞ্চমীর নারীরবাচক পূরণবাচক রূপ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: দশমী ব্যাখ্যা: দশ শব্দের সাধারণ পূরণবাচক রূপের সঙ্গে ঈ-প্রত্যয় যোগ করে দশমী নারীরবাচক রূপ তৈরি করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষোড়শ — এটি সাধারণ পূরণবাচক শব্দের পুংলিঙ্গ বা সাধারণ রূপ, যা নারীরবাচক রূপ নয়। B) ষোড়শী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ১৬শ — এটি সংখ্যা ও সংক্ষিপ্ত চিহ্নের সাহায্যে গঠিত পূরণবাচক রূপ, কোনো নারীরবাচক শব্দ নয়। D) ষোলই — এটি কোনো তারিখ বা মাস বোঝাতে ব্যবহৃত শব্দ, পূরণবাচক বা নারীরবাচক রূপ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পূরণবাচক শব্দের নারীরবাচক রূপ চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ-কার বা আ-কার খোঁজা। - সংখ্যাবাচক রূপের সঙ্গে স্ত্রীবাচক প্রত্যয় যোগ করলে তা নারীরবাচক পূরণবাচকে রূপান্তরিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংখ্যাবাচক ও পূরণবাচক শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - পুংলিঙ্গবাচক পূরণবাচকের সঙ্গে ঈ-প্রত্যয় যুক্ত করার নিয়মটি ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।
a ঢাকা
b ময়মনসিংহ
c সোনারগাঁও
d রংপুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সোনারগাঁও কেন সঠিক: - পানাম নগর বর্তমান নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলায় অবস্থিত প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান। - এটি প্রাচীন বাংলার রাজধানী সোনারগাঁওয়ের অন্যতম আকর্ষণ এবং ঐতিহাসিক স্থাপত্যের নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এটি পানাম নগরের সঠিক অবস্থান নয়, যদিও এটি বর্তমান বাংলাদেশের রাজধানী। B) ময়মনসিংহ — এটি একটি বিভাগ ও জেলা, যেখানে পানাম নগর অবস্থিত নয়। C) সোনারগাঁও — এটি সঠিক উত্তর কারণ পানাম নগর এখানেই অবস্থিত। D) রংপুর — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা, যা পানাম নগরের অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: সোনার হারিয়ো না, সোনারগাঁওয়ে গিয়েই পানাম নগর দেখো।

Showing 81-90 results of 100 questions