প্রশ্নের বর্ণনা

a বেশি
b কম
c সমান
d দ্বিগুণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কম ১. কেন সঠিক: তারের প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল যত বেশি হয়, তার মধ্য দিয়ে ইলেকট্রনগুলোর প্রবাহ তত সহজ হয় এবং রোধ তত হ্রাস পায়। মোটা তারের ক্ষেত্রফল বেশি থাকায় ইলেকট্রন চলাচলে বাধা কম পায়, ফলে এর রোধ চিকন তারের তুলনায় কম হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পরিবাহীর রোধ তারের দৈর্ঘ্যের সমানুপাতিক এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের ব্যাস্তানুপাতিক। সূত্র বা তত্ত্ব: আর সমানুপাতিক এল ভাগ এ, যেখানে আর হলো রোধ, এল হলো দৈর্ঘ্য, এবং এ হলো প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল। কার্যপ্রণালি: মোটা তারের ক্ষেত্রফলের মান বেশি হওয়ায় তা রোধের মান কমিয়ে দেয়। বাস্তব প্রয়োগ: বাড়ির বৈদ্যুতিক সংযোগে অধিক কারেন্ট বহনের জন্য মোটা তার ব্যবহার করা হয় যাতে রোধ কম থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পানির পাইপের ক্ষেত্রে মোটা পাইপ দিয়ে পানি সহজে ও বেশি পরিমাণে প্রবাহিত হতে পারে। ব্যাখ্যা: মোটা তারের ক্ষেত্রেও ইলেকট্রন বা বিদ্যুৎ ঠিক একইভাবে কম বাধায় প্রবাহিত হয়। উদাহরণ ২: একটি সরু রাস্তা দিয়ে লোকজন চলাচলে যেমন বেশি কষ্ট হয়, তেমনি প্রশস্ত রাস্তা দিয়ে সহজে চলাচল করা যায়। ব্যাখ্যা: চিকন তার সরু রাস্তার মতো বেশি বাধা সৃষ্টি করে, আর মোটা তার প্রশস্ত রাস্তার মতো সহজে বিদ্যুৎ পরিবহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেশি — এটি ভুল কারণ মোটা তারের ক্ষেত্রফল বেশি থাকায় এর রোধ কম হয়, বেশি হতে পারে না। B) কম — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক্ষেত্রফল বাড়লে পরিবাহীর রোধ কমে যায়। C) সমান — এটি ভুল কারণ একই উপাদানের তৈরি হলেও তারের ব্যাস বা ক্ষেত্রফল ভিন্ন হলে রোধ কখনো সমান হতে পারে না। D) দ্বিগুণ — এটি ভুল কারণ ক্ষেত্রফল দ্বিগুণ হলে রোধ অর্ধেক হয়ে যায়, দ্বিগুণ হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: মোটা তার মানে চওড়া রাস্তা, আর চওড়া রাস্তায় যানজট বা বাধা কম থাকে। তাই মনে রাখবে, তার যত মোটাই হবে, তার রোধ ততটাই কমে যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় ওহমের সূত্রের ব্যবহার হিসেবে প্রায়ই আসে। পরীক্ষায় প্রায়ই ঘুরিয়ে প্রশ্ন আসে যে তারের দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ করলে বা ব্যাসার্ধ পরিবর্তন করলে রোধ কীভাবে পরিবর্তিত হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a অক্সিজেন ও গ্লুকোজ
b অক্সিজেন ও রক্তের আমিষ
c ইউরিয়া ও গ্লুকোজ
d এমাইনো এসিড ও কার্বন ডাই অক্সাইড
0 146 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অক্সিজেন ও গ্লুকোজ ১. কেন সঠিক: আমাদের দেহকোষ প্রতিনিয়ত শক্তি উৎপাদনের জন্য রক্ত থেকে অক্সিজেন এবং গ্লুকোজ গ্রহণ করে। কোষের ভেতরে শসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই গ্লুকোজ অক্সিজেনের উপস্থিতিতে ভেঙে শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: কোষীয় শসন হলো এমন একটি জৈবিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে জীবকোষ অক্সিজেন ব্যবহার করে খাদ্যরস বা গ্লুকোজ জারিত করে শক্তি উৎপন্ন করে। কার্যপ্রণালি: রক্ত হৃদপিণ্ডের মাধ্যমে পাম্প হয়ে ধমনীর সাহায্যে প্রতিটি টিস্যু ও কোষে অক্সিজেন এবং খাদ্য উপাদান পৌঁছে দেয়। কোষের মাইটোকন্ড্রিয়া এই অক্সিজেন ও গ্লুকোজ ব্যবহার করে শক্তি বা এটিপি উৎপন্ন করে এবং উপজাত হিসেবে কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যায়ামের সময় পেশিকোষে অতিরিক্ত শক্তির প্রয়োজন হয়। এই কারণে রক্ত থেকে পেশিকোষ দ্রুত অক্সিজেন ও গ্লুকোজ শোষণ করে কাজ সচল রাখে। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে কাজের মাত্রা বাড়লে কোষের পুষ্টি ও অক্সিজেন চাহিদা কীভাবে বৃদ্ধি পায়। উদাহরণ ২: দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকলে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা কমে যায় এবং কোষে শক্তি উৎপাদন ব্যাহত হয়। ব্যাখ্যা: এর ফলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে কারণ কোষগুলো পর্যাপ্ত গ্লুকোজ ও অক্সিজেন ব্যবহার করে শক্তি তৈরি করতে পারে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সিজেন ও গ্লুকোজ — এটি সঠিক কারণ কোষের বেঁচে থাকা এবং শক্তি উৎপাদনের জন্য এই দুটি উপাদান অপরিহার্য। B) অক্সিজেন ও রক্তের আমিষ — অক্সিজেন সঠিক হলেও রক্তের আমিষ বা প্রোটিন সরাসরি কোষে শক্তি উৎপাদনের প্রধান জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। C) ইউরিয়া ও গ্লুকোজ — গ্লুকোজ সঠিক হলেও ইউরিয়া হলো শরীরের বর্জ্য পদার্থ যা রক্ত থেকে কোষে যায় না বরং কোষ থেকে রক্তে আসে। D) এমাইনো এসিড ও কার্বন ডাই অক্সাইড — এমাইনো এসিড কোষের গঠনের জন্য প্রয়োজন হতে পারে তবে কার্বন ডাই অক্সাইড কোষে গ্রহণের বস্তু নয় বরং বর্জ্য পদার্থ হিসেবে কোষ থেকে রক্তে আসে। ৫ মনে রাখার টিপস: দেহকোষের কাজ হলো শক্তি তৈরি করা। শক্তি তৈরির মূল কাঁচামাল হলো জ্বালানি অর্থাৎ গ্লুকোজ এবং আগুন জ্বালানোর বাতাসের মতো অর্থাৎ অক্সিজেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি মানবদেহের পরিপাক ও রক্তসংবহন তন্ত্রের সমন্বিত কাজের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। পরীক্ষায় প্রায়ই আসে যে কোষীয় শসনের মূল উপাদানগুলো কী কী।
a বিদ্যুৎ এর অপচয় কম হয়
b পথে কমে গিয়েও প্রয়োজনীয় ভোল্টেজ বজায় থাকে
c অধিক বিদ্যুৎ প্রবাহ পাওয়া যায়
d প্রয়োজন মত ভোল্টেজ কমিয়ে ব্যবহার করা যায়
0 162 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিদ্যুৎ এর অপচয় কম হয় ১. কেন সঠিক: - বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে অনেক দূরে বিদ্যুৎ সরবরাহের সময় লাইনে রোধের কারণে কিছু শক্তি তাপ হিসেবে অপচয় হয়। - ভোল্টেজ বাড়ালে প্রবাহমাত্রা কমে যায় এবং কম প্রবাহমাত্রার কারণে জুলের তাপীয় ফল অনুযায়ী শক্তির অপচয় সর্বনিম্ন হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বৈদ্যুতিক শক্তি প্রেরণের সময় লাইনে শক্তি ক্ষয় রোধের জন্য উচ্চ বিভব পার্থক্য বা হাই ভোল্টেজ ব্যবহার করা হয়। - সূত্র বা তত্ত্ব: শক্তির অপচয় সংক্রান্ত জুলের সূত্র অনুযায়ী পরিবাহীতে উৎপন্ন তাপ হলো H = (I^2) × R × t, যেখানে I হলো বিদ্যুৎ প্রবাহ এবং R হলো রোধ। - কার্যপ্রণালি: পাওয়ার বা ক্ষমতা ধ্রুব রেখে ভোল্টেজ ভি বাড়ালে বিদ্যুৎ প্রবাহ আই কমে যায় এবং প্রবাহ কমলে আই স্কয়ার আর এর মানও দ্রুত হ্রাস পায়। - বাস্তব প্রয়োগ: জাতীয় গ্রিডের মাধ্যমে সাবস্টেশন থেকে সাবস্টেশনে এবং দূরদূরান্তে বিদ্যুৎ প্রেরণের সময় গ্রিড লাইনগুলোতে হাই ভোল্টেজ বা উচ্চ ভোল্টেজ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পানির পাইপের ভেতর দিয়ে খুব বেশি বেগে পানি পাঠালে পাইপের ঘর্ষণে শক্তি ক্ষয় হয়, তেমনি তারের মধ্য দিয়ে বেশি কারেন্ট গেলে তাপ ক্ষয় হয়। ব্যাখ্যা: কারেন্ট বা প্রবাহমাত্রা কমিয়ে দিলে পাইপের ঘর্ষণের মতো তারের ভেতর শক্তি ক্ষয়ের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। উদাহরণ ২: মোবাইল চার্জারের এডাপ্টার ঘরের সাধারণ ভোল্টেজ কমিয়ে নিরাপদ মানে নামিয়ে আনে। ব্যাখ্যা: দূর থেকে উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ এনে তা প্রয়োজন অনুযায়ী ট্রান্সফরমারের মাধ্যমে কমিয়ে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্যুৎ এর অপচয় কম হয় — এটি সঠিক কারণ হাই ভোল্টেজ ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্যই হলো লাইনে জুলের সূত্রে তাপীয় অপচয় কমানো। B) পথে কমে গিয়েও প্রয়োজনীয় ভোল্টেজ বজায় থাকে — ভোল্টেজ কমানোর জন্য হাই ভোল্টেজ ব্যবহার করা হয় না, বরং অপচয় রোধ করতে করা হয়। C) অধিক বিদ্যুৎ প্রবাহ পাওয়া যায় — হাই ভোল্টেজে বিদ্যুৎ প্রবাহ বা কারেন্ট আসলে কমে যায়, বাড়ে না। D) প্রয়োজন মত ভোল্টেজ কমিয়ে ব্যবহার করা যায় — এটি ট্রান্সফরমারের কাজ, কেবল হাই ভোল্টেজ ব্যবহারের মূল বৈজ্ঞানিক কারণ এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে, হাই ভোল্টেজ মানে কম কারেন্ট, আর কম কারেন্ট মানে কম তাপ অপচয় ও বেশি সাশ্রয়। - পরিবাহীর রোধ নির্দিষ্ট থাকলে বিদ্যুৎ প্রবাহ কমিয়ে দিলেই শক্তির অপচয় সবচেয়ে কম হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিদ্যুৎ প্রেরণে জুলের সূত্রে তাপ উৎপাদনের ক্ষেত্রে কারেন্টের মানের ওপর বর্গের প্রভাব থাকে। - এই ধরনের প্রশ্নে প্রায়ই ট্রান্সফরমার এবং জুলের তাপীয় সূত্র সম্পর্কিত গাণিতিক ও তাত্ত্বিক প্রশ্ন বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতায় আসে।
a সূর্যরশ্মি
b পীট কয়লা
c পেট্রল
d প্রাকৃতিক গ্যাস
0 152 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সূর্যরশ্মি ১. কেন সঠিক: - সূর্যরশ্মি বা সৌরশক্তি হলো এমন একটি শক্তির উৎস যা কখনো ফুরিয়ে যায় না এবং প্রাকৃতিকভাবে ক্রমাগত পুর্ন উৎপাদিত হয়। - পৃথিবীর সমস্ত শক্তির মূল উৎস হলো সূর্য, যা ব্যবহার করে পরিবেশের ক্ষতি না করে অফুরন্ত বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদন করা সম্ভব। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে শক্তি উৎস বারবার ব্যবহার করা সত্ত্বেও ফুরিয়ে যায় না এবং অফুরন্ত সরবরাহ পাওয়া যায় তাকে নবায়নযোগ্য শক্তি বলে। - কার্যপ্রণালি: সূর্য থেকে আসা ফোটন কণা সৌর প্যানেলের ওপর পড়ে এবং ফোটোভোল্টেইক কোট প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রন মুক্ত করে সরাসরি বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। - বাস্তব প্রয়োগ: বাসাবাড়ির ছাদের সোলার প্যানেল, সোলার সেচ পাম্প এবং সৌর বিদ্যብ চালিত স্ট্রিট লাইট নবায়নযোগ্য শক্তির চমৎকার ব্যবহার। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৌর ক্যালকুলেটর ব্যাখ্যা: পকেটের ছোট ক্যালকুলেটরগুলো সূর্যরশ্মি বা ঘরের কৃত্রিম আলো ব্যবহার করে ব্যাটারি ছাড়াই সচল থাকে। উদাহরণ ২: সৌর প্যানেল চালিত গৃহস্থালি বিদ্যুৎ ব্যাখ্যা: দিনের আলো সৌর প্যানেল সংগ্রহ করে ব্যাটারিতে জমায় যা রাতের বেলায় ঘরের বাতি ও পাখা চালাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সূর্যরশ্মি — এটি একটি অফুরন্ত এবং নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস যা পরিবেশবান্ধব। B) পীট কয়লা — এটি জীবাশ্ম জ্বালানি এবং দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে তৈরি হওয়ায় সীমিত ও অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। C) পেট্রল — এটি খনিজ তেল বা পেট্রোলিয়াম থেকে উৎপাদিত হয় এবং একবার পুড়িয়ে ফেললে তা পুনরায় তৈরি হয় না। D) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি ভূগর্ভে প্রাকৃতিকভাবে সঞ্চিত একটি জীবাশ্ম জ্বালানি যা সীমিত এবং দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রকৃতি থেকে যা বারবার পাওয়া যায় এবং কখনো ফুরোয় না তা হলো নবায়নযোগ্য শক্তি যেমন সূর্য, বাতাস ও পানি। - কয়লা, তেল ও গ্যাস হলো জীবাশ্ম জ্বালানি যা কোটি বছর ধরে তৈরি হয় এবং একবার শেষ হলে আর পাওয়া যায় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই নবায়নযোগ্য ও অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎসের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। - বায়ুশক্তি, জোয়ারভাটা শক্তি এবং বায়োগ্যাসও নবায়নযোগ্য শক্তির অন্তর্ভুক্ত।
a মাঝে মাঝে পানির উপর নাক তুলে
b পানিতে অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন বিশ্লিষ্ট করে
c পটকার মধ্যে জমানো বাতাস হতে
d পানির মধ্যে দ্রবীভূত বাতাস হতে
0 143 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পানির মধ্যে দ্রবীভূত বাতাস হতে ১. কেন সঠিক: - মাছ জলজ প্রাণী হওয়ায় বাতাস থেকে সরাসরি অক্সিজেন নিতে পারে না, বরং পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন ফুলকার মাধ্যমে গ্রহণ করে। - পানির অণুর মাঝে যে অক্সিজেন দ্রবীভূত থাকে, মাছের ফুলকা সেই গ্যাসীয় অক্সিজেন রক্তে শোষণ করে এবং কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ফুলকা হলো জলজ প্রাণীর শ্বাস অঙ্গ যা পানির সংস্পর্শে এসে অক্সিজেন শোষণ করে। - কার্যপ্রণালি: মাছ মুখ দিয়ে পানি গ্রহণ করে এবং সেই পানি ফুলকার ওপর দিয়ে চালনা করার সময় ফুলকার রক্তনালী দ্রবীভূত অক্সিজেন শোষণ করে নেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ্যাকুরিয়ামের মাছের জন্য অক্সিজেন পাম্প ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: পাম্পটি পানিতে বাতাস বা অক্সিজেন দ্রবীভূত করতে সাহায্য করে যাতে মাছ সহজেই শ্বাস নিতে পারে। উদাহরণ ২: নদী বা পুকুরের পানি নাড়াচাড়া করা বা ঢেউ খেলা। ব্যাখ্যা: এর ফলে বায়ুমণ্ডল থেকে বাতাস পানির সাথে মিশে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাঝে মাঝে পানির উপর নাক তুলে — মাছের নাক বা ফুসফুস নেই, তাই তারা পানির উপরে উঠে বাতাস থেকে সরাসরি শ্বাস নিতে পারে না। B) পানিতে অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন বিশ্লিষ্ট করে — মাছ রাসায়নিকভাবে পানি ভেঙে অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন আলাদা করতে পারে না, তারা শুধু দ্রবীভূত অক্সিজেন নেয়। C) পটকার মধ্যে জমানো বাতাস হতে — মাছের পটকা সাঁতার কাটতে ও দেহ ভাসিয়ে রাখতে সাহায্য করে, শ্বাসকার্য চালাতে সাহায্য করে না। D) পানির মধ্যে দ্রবীভূত বাতাস হতে — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং মাছের প্রকৃত শ্বাসপ্রশ্বাস প্রক্রিয়া। ৫ মনে রাখার টিপস: - মাছ জলে বাস করে তাই জলের অক্সিজেনই তার প্রাণ। ফুলকা হলো সেই জাদুকরী ছাঁকনি যা জল থেকে অক্সিজেন আলাদা করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জলজ প্রাণীদের শ্বাস অঙ্গের নাম ফুলকা এবং ডাঙ্গার প্রাণীদের ফুসফুস। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে।
a লাল, হলুদ, সবুজ
b লাল, কমলা , বেগুণী
c হলুদ, সবুজ , নীল
d লাল, আসমানী, সবুজ
0 137 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লাল, আসমানী, সবুজ ১. কেন সঠিক: - লাল, আসমানী বা সায়ান এবং সবুজ বর্ণকে আলোর প্রাথমিক বা মুখ্য বর্ণ বলা হয়। - এই তিনটি বর্ণ নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশ্রিত করলে দৃশ্যমান আলোর অন্যান্য সব বর্ণ তৈরি করা সম্ভব। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলোর মুখ্য বর্ণ হলো এমন কিছু নির্দিষ্ট রঙের আলো যা অন্য কোনো রঙের মিশ্রণে তৈরি করা যায় না, কিন্তু এদের বিভিন্ন অনুপাতে মিশিয়ে অন্যান্য সব রঙ তৈরি করা যায়। - কার্যপ্রণালি: আমাদের চোখের কোন কোষ এই তিনটি প্রাথমিক বর্ণের প্রতি বিশেষভাবে সংবেদনশীল এবং মস্তিষ্ক এই সংকেতগুলোকে একসাথে করে রঙিন অনুভূতি তৈরি করে। - বাস্তব প্রয়োগ: রঙিন টেলিভিশন, কম্পিউটার ও মোবাইল ফোনের স্ক্রিন বা ডিসপ্লেতে পিক্সেল হিসেবে লাল, সবুজ ও নীল বা আসমানী আলোর ক্ষুদ্র বিন্দু ব্যবহার করে সব ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রঙিন টেলিভিশন বা কম্পিউটারের মনিটর। ব্যাখ্যা: একটি রঙিন ডিসপ্লের প্রতিটি ক্ষুদ্র অংশে লাল, সবুজ ও আসমানী আলোর তীব্রতা পরিবর্তন করে লক্ষ লক্ষ ভিন্ন রঙ প্রদর্শন করা হয়। উদাহরণ ২: থিয়েটার বা মঞ্চের রঙিন আলোকসজ্জা। ব্যাখ্যা: মঞ্চে বিভিন্ন রঙের আলো তৈরি করতে লাল, সবুজ ও আসমানী বা নীল আলোর প্রজেক্টর একসাথে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাল, হলুদ, সবুজ — হলুদ কোনো প্রাথমিক বর্ণ নয়, এটি লাল ও সবুজ আলোর মিশ্রণে তৈরি হয়। B) লাল, কমলা, বেগুণী — কমলা ও বেগুনি বর্ণগুলো প্রাথমিক বর্ণ নয় এবং এগুলো অন্যান্য রঙের মিশ্রণে উৎপন্ন হয়। C) হলুদ, সবুজ, নীল — এই অপশনে হলুদ ও নীল রঙের উপস্থিতি রয়েছে, যা আলোর ক্ষেত্রে সঠিক মুখ্য বর্ণ সেট গঠন করে না। D) লাল, আসমানী, সবুজ — এটি আলোর তিনটি সঠিক মুখ্য বর্ণ নির্দেশ করে যা দিয়ে অন্য সব বর্ণ সৃষ্টি করা যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - আলোর মুখ্য বর্ণ মনে রাখার সহজ উপায় হলো রাআসব (লাল, আসমানী, সবুজ)। - অন্যদিকে রঞ্জক পদার্থ বা রঙের ক্ষেত্রে প্রাথমিক বর্ণগুলো আলাদা হয়, যা আলোর সাথে গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আলোর প্রাথমিক বর্ণ এবং রঞ্জক পদার্থের প্রাথমিক বর্ণ নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মনে রাখতে হবে আলোর প্রাথমিক বর্ণ তিনটি, আর রঙের ক্ষেত্রে প্রাথমিক বর্ণ হলো লাল, নীল ও হলুদ।
a তামার দন্ড ও দস্তার পাত
b তামার পাত ও দস্তার পাত
c কার্বন দন্ড ও দস্তার কৌটা
d তামার দন্ড ও দস্তার কৌটা
0 142 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কার্বন দন্ড ও দস্তার কৌটা ১. কেন সঠিক: সাধারণ ড্রাইসেল বা লেকল্যান্স সেল হলো একটি প্রাথমিক কোষ যেখানে রাসায়নিক শক্তি সরাসরি বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। এই সেলে কার্বন দন্ড অ্যানোড বা ধনাত্মক ইলেকট্রোড হিসেবে এবং দস্তার কৌটা ক্যাথোড বা ঋণাত্মক ইলেকট্রোড হিসেবে কাজ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ড্রাইসেল এক ধরণের পোর্টেবল গ্যালভানিক সেল যেখানে তরল Electrolyte এর পরিবর্তে আর্দ্র পেস্ট ব্যবহার করা হয়। কার্যপ্রণালি: দস্তার কৌটার ভেতরে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড এবং ম্যাঙ্গানিজ ডাইঅক্সাইডের পেস্ট থাকে এবং এর মাঝে কার্বন দন্ডটি স্থাপন করা হয়। রাসায়নিক বিক্রিয়া: দস্তা জারিত হয়ে ইলেকট্রন ত্যাগ করে এবং সেই ইলেকট্রন কার্বন দন্ডের মাধ্যমে বাহ্যিক সার্কিটে প্রবাহিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেয়ালঘড়ি এবং পোর্টেবল টর্চলাইট। ব্যাখ্যা: এসব যন্ত্রে শক্তি সরবরাহের জন্য ড্রাইসেল ব্যবহার করা হয় কারণ এটি সহজে বহনযোগ্য এবং লিক হয় না। উদাহরণ ২: টিভি বা এসি রিমোট কন্ট্রোল। ব্যাখ্যা: রিমোটের ভেতরে থাকা ছোট ড্রাইসেলগুলো কম ভোল্টেজ উৎপন্ন করে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামার দন্ড ও দস্তার পাত — তামা সাধারণ ড্রাইসেলে প্রধান ইলেকট্রোড হিসেবে ব্যবহৃত হয় না, কারণ দস্তা এবং কার্বনের তড়িৎ রাসায়নিক বিভব এখানে উপযোগী। B) তামার পাত ও দস্তার পাত — সাধারণ ড্রাইসেলে পাত বা প্লেট নয় বরং দস্তার কৌটা এবং কার্বন দন্ড ব্যবহার করা হয়। D) তামার দন্ড ও দস্তার কৌটা — ড্রাইসেলে তামার দন্ডের কোনো স্থান নেই, এর পরিবর্তে উচ্চ পরিবাহী ও নিষ্ক্রিয় কার্বন দন্ড ব্যবহার করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ড্রাইসেলে দস্তা থাকে বাইরে কৌটা আকারে এবং কার্বন থাকে ঠিক মাঝখানে দন্ড হিসেবে। এটি মনে রাখার জন্য দস্তা হলো ধারক বা কৌটা এবং কার্বন হলো কেন্দ্র বা দন্ড এই নিয়মটি মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ড্রাইসেলে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড এবং ম্যাঙ্গানিজ ডাইঅক্সাইডের পেস্ট ইলেকট্রোলাইটে কাজ করে। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে ড্রাইসেলের তড়িৎচালক বল কত, যার মান প্রায় ১.৫ ভোল্ট।
a স্যাংগার ও পলিং
b লুই পাস্তুর ও ওয়াটসন
c ওয়াটসন ও ক্রিক
d পলিং ও ক্রিক
0 132 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ওয়াটসন ও ক্রিক ১. কেন সঠিক: জেমস ওয়াটসন এবং ফ্রান্সিস ক্রিক ১৯৫৩ সালে ডি এন এ অণুর ত্রিমাত্রিক দ্বি-হেলিক্স বা পেঁচানো সিঁড়ির মতো গঠন আবিষ্কার করেন। এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের ফলে জীববিজ্ঞানে বংশগতির ধারা এবং জিনের কার্যপ্রণালি স্পষ্টভাবে বোঝা সম্ভব হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ডি এন এ হলো ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড, যা সমস্ত জীবদেহের জিনগত তথ্য বহন করে এবং বংশপরম্পরায় বৈশিষ্ট্য রক্ষা করে। কার্যপ্রণালি: ডি এন এ অণু দুটি পলিনুক্লিওটাইড চেইন নিয়ে গঠিত, যা একে অপরের বিপরীত দিকে পেঁচিয়ে দ্বৈত সর্পিল বা দ্বি-হেলিক্স গঠন তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাতা-পিতার শারীরিক বা মানসিক বৈশিষ্ট্য সন্তানের মধ্যে স্থানান্তরিত হওয়া। ব্যাখ্যা: ডি এন এ অণুর মধ্যে থাকা জিনগত কোড বা নির্দেশাবলি বংশপরম্পরায় বৈশিষ্ট্যগুলো সঠিকভাবে ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: অপরাধী শনাক্তকরণ বা ফরেনসিক ডি এন এ টেস্ট। ব্যাখ্যা: প্রতিটি মানুষের ডি এন এ গঠন অনন্য হওয়ায় এই প্রযুক্তির মাধ্যমে অপরাধী বা নিখোঁজ ব্যক্তিকে নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্যাংগার ও পলিং — ফ্রেডরিক স্যাংগার ইনসুলিনের গঠন এবং পলিনাস পলিং প্রোটিনের আলফা হ্যালিক্স গঠন আবিষ্কার করেন। B) লুই পাস্তুর ও ওয়াটসন — লুই পাস্তুর জলাতঙ্কের টিকা এবং পাস্তুরাইজেশন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন, যা ডি এন এর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ওয়াটসন ও ক্রিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ তারা যৌথভাবে ডি এন এ অণুর দ্বি-হেলিক্স কাঠামো আবিষ্কারের জন্য নোবেল পুরস্কার পান। D) পলিং ও ক্রিক — পলিনাস পলিং ডি এন এ কাঠামোর কাছাকাছি পৌঁছালেও শেষ পর্যন্ত ওয়াটসন ও ক্রিক সঠিক মডেল উপস্থাপন করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: ডি এন এ কাঠামোর জনক মনে রাখার সহজ উপায় হলো ওয়াটার ক্রিস্টাল বা সংক্ষেপে ওয়াটসন ও ক্রিক নাম দুটি একসাথে মনে রাখা। জীববিজ্ঞানের এই মৌলিক আবিষ্কারটি ১৯৫৩ সালে হয়েছিল এবং এর জন্য তারা ১৯৬২ সালে নোবেল পুরস্কার পান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ডি এন এ অণুতে অ্যাডিনিন সবসময় থাইমিনের সঙ্গে এবং গুয়ানিন সাইটোসিনের সঙ্গে জোড়া বাঁধে। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীববিজ্ঞানের জিন ও বংশগতি অধ্যায় থেকে বারবার আসে।
a লৌহ
b আমিষ
c আয়ােডিন
d কোনটি না
0 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আমিষ ১. কেন সঠিক: - হিমোগ্লোবিন হলো রক্তে অক্সিজেন পরিবহনে সাহায্যকারী একটি বিশেষ জটিল আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় পদার্থ। - এটি মূলত গ্লোবিন নামক প্রোটিন এবং হিম নামক লৌহঘটিত রঞ্জক পদার্থ নিয়ে গঠিত। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: হিমোগ্লোবিন হলো মেরুদণ্ডী প্রাণীর লোহিত রক্তকণিকায় অবস্থিত একটি লৌহঘটিত প্রোটিন যা ফুসফুস থেকে শরীরের সব কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করে। - কার্যপ্রণালি: এটি ফুসফুসে অক্সিজেনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন গঠন করে এবং শরীরের টিস্যুতে পৌঁছে অক্সিজেন ছেড়ে দেয়। - বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের শরীরে হিমোগ্লোবিনের সঠিক মাত্রা বজায় থাকলে কোষে পর্যাপ্ত শক্তি উৎপাদিত হয় এবং ক্লান্তি দূর হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুস্থ মানুষের রক্তে হিমোগ্লোবিন ব্যাখ্যা: একজন সুস্থ পূর্ণবয়স্ক পুরুষের রক্তে হিমোগ্লোবিনের স্বাভাবিক পরিমাণ প্রতি ডেসিলিটারে ১৩ থেকে ১৮ গ্রাম এবং নারীদের ক্ষেত্রে ১২ থেকে ১৬ গ্রাম। উদাহরণ ২: রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া ব্যাখ্যা: খাদ্যে আমিষ বা আয়রনের ঘাটতি হলে হিমোগ্লোবিনের উৎপাদন কমে যায়, ফলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয় এবং শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লৌহ — হিমোগ্লোবিনে লৌহ বা আয়রন একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে উপস্থিত থাকে, তবে সম্পূর্ণ হিমোগ্লোবিন পদার্থটি শুধুমাত্র লৌহ নয়, বরং এটি একটি আমিষজাতীয় যৌগ। B) আমিষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ হিমোগ্লোবিন মূলত একটি প্রোটিন বা আমিষ জাতীয় পদার্থ। C) আয়ােডিন — এটি থাইরয়েড হরমোন তৈরির জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি খনিজ উপাদান, যা হিমোগ্লোবিনের গঠনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) কোনটি না — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি অপশন বি তে স্পষ্টভাবে বিদ্যমান রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: হিমোগ্লোবিন শব্দের শেষে প্রোটিনের অংশ 'গ্লোবিন' যুক্ত আছে যা থেকে সহজে মনে রাখা যায় এটি আমিষ জাতীয় পদার্থ। তবে এর মধ্যে আয়রন বা লৌহও একটি বিশেষ অংশ হিসেবে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে মানবদেহের কোন উপাদান অক্সিজেন বহন করে বা হিমোগ্লোবিন কোন জাতীয় পদার্থ। হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজ অক্সিজেন পরিবহন করা এবং এর অভাবে অ্যানিমিয়া রোগ হয়।