বাংলাদেশ  সিভিল সার্ভিস (BCS)

৩৫ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ২০১৫

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (200)

a ৭টি
b ৯টি
c ১১টি
d ১৩টি
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭টি ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা সাতটি। উচ্চারণের সময় মুখবিবর সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকে এবং ধ্বনিটি অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে, তাই একে স্বরধ্বনি বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা স্বরধ্বনির সংখ্যা সাতটি। এই মৌলিক স্বরধ্বনিগুলো হলো অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা। এগুলো উচ্চারণের সময় মুখে কোনো প্রকার বাধা পায় না এবং এদের আর ভাঙা যায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম ব্যাখ্যা: আম শব্দটিতে আ একটি মৌলিক স্বরধ্বনি যা শব্দের আদিতে বসেছে। উদাহরণ ২: ইট ব্যাখ্যা: ইট শব্দটিতে ই একটি মৌলিক স্বরধ্বনি যা স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭টি — এই অপশনটি সঠিক কারণ ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা সাতটি। B) ৯টি — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা নয়টি নয়, বরং সাতটি। C) ১১টি — এই অপশনটি ভুল কারণ এগারোটি হলো বাংলা বর্ণমালার মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা, মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা নয়। D) ১৩টি — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় তেরোটি স্বরবর্ণ কখনো ছিল না। ৫. মনে রাখার টিপস: মৌলিক স্বরধ্বনি মনে রাখার কৌশল হলো সাত সংখ্যাটি মনে রাখা এবং বর্ণ ও ধ্বনির পার্থক্য মাথায় রাখা। স্বরবর্ণ এগারোটি হলেও মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্বরবর্ণের সংখ্যা এবং মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যার মধ্যে প্যাঁচ লাগানো হয়। বর্ণ বললে এগারোটি বলতে হবে এবং ধ্বনি বললে সাতটি বলতে হবে।
a পরশু
b পরের ধন
c কোকিল
d পার্শ্ববর্তী
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পরশু ১. কেন সঠিক: - 'পরশ্ব' একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ আগামী কাল বা বিগত কালের পরের দিন অর্থাৎ পরশু। - বাংলা ভাষা ও শব্দার্থের বিচারে 'পরশ্ব' এবং 'পরশু' সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ: - সংস্কৃত 'পরশ্ব' শব্দটি প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে আধুনিক বাংলায় 'পরশু' রূপে এসেছে। - এটি বিশেষ করে সময় নির্দেশক একটি শব্দ হিসেবে বাক্য ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি পরশু দিন ঢাকা যাব। ব্যাখ্যা: এখানে 'পরশু' শব্দটি আগামী কালকের পরের দিন অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: পরশু সে আমার সাথে দেখা করেছিল। ব্যাখ্যা: এখানে 'পরশু' শব্দটি গত কালের আগের দিন বা বিগত দিনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরশু — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি 'পরশ্ব' শব্দের সমার্থক রূপ। B) পরের ধন — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি একটি বাগধারা যার অর্থ অন্যের সম্পদ বা পরধন। C) কোকিল — এই অপশনটি ভুল কারণ কোকিল হলো একটি পাখি বিশেষ এবং এর সাথে পরশ্ব শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই। D) পার্শ্ববর্তী — এই অপশনটি ভুল কারণ পার্শ্ববর্তী শব্দের অর্থ কাছাকাছি বা নিকটবর্তী স্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - তালব্য শ যুক্ত পরশ্ব এবং দন্ত স যুক্ত পরশু একই অর্থ প্রকাশ করে। - সময় বোঝাতে এই শব্দ দুটিকে সমার্থক হিসেবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম ও তদ্ভব শব্দের রূপান্তর প্রায়ই আসে। - শব্দের মূল অর্থ মনে রাখতে বাংলা এবং সংস্কৃত রূপের মিলগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
a প্রথমটি অশুদ্ধ, দ্বিতীয়টি শুদ্ধ
b দুটোই অশুদ্ধ
c প্রথমটি শুদ্ধ, দ্বিতীয়টি অশুদ্ধ
d দুটোই শুদ্ধ
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুটোই অশুদ্ধ কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যে পুরষ্কার বানানটি ভুল কারণ এর সঠিক রূপ পুরস্কার। অপরিস্কার বানানটিও ভুল কারণ এর সঠিক রূপ অপরিষ্কার। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বানান নিয়মে বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে র-এর পর বিসর্গ যুক্ত হয় না। তাই পুঃ+কার যুক্ত হয়ে পুরস্কার হয়, যেখানে কোনো মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয় না। অন্যদিকে অপরিষ্কার শব্দটিতে পরি উপসর্গের পর কা্র যুক্ত হলে মূর্ধন্য ষ বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথমটি অশুদ্ধ, দ্বিতীয়টি শুদ্ধ — এই অপশন ভুল কারণ প্রদত্ত বাক্যের দুটি শব্দই বানানগতভাবে ভুল রয়েছে। B) দুটোই শুদ্ধ — এই অপশন ভুল কারণ প্রদত্ত বাক্যের পুরস্কার এবং অপরিষ্কার উভয় শব্দই ভুল বানানে লেখা হয়েছে। C) প্রথমটি শুদ্ধ, দ্বিতীয়টি অশুদ্ধ — এই অপশন ভুল কারণ প্রথম শব্দটিতে র-এর পরে ভুল করে মূর্ধন্য ষ ব্যবহার করা হয়েছে। D) দুটোই শুদ্ধ — এই অপশন ভুল কারণ বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী দুটি শব্দই সংশোধন করার প্রয়োজন রয়েছে। মনে রাখার টিপস: পুরস্কার বানানে কোনো মূর্ধন্য ষ নেই এবং অপরিষ্কার বানানে র-কার এর পরে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়। বিসর্গ সন্ধির এই নিয়মটি মনে রাখলে এই ধরনের বানান ভুল এড়ানো সম্ভব।
a লুইপা
b শবরপা
c ভুসুকুপা
d কাহ্নপা
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কাহ্নপা ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদের কবিদের মধ্যে সর্বাধিক সংখ্যক পদ রচনা করেছেন আচার্য কাহ্নপা। তিনি মোট ১৩টি পদ রচনা করেছিলেন যার মধ্যে ১টি পদ বর্তমানে পাওয়া যায়নি। - চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাচর্য বিনিশ্চয় পুথিটি আবিষ্কার করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য ও সাহিত্য নিদর্শন যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা উপলব্ধির প্রকাশ। - ড. সুকুমার সেন এবং বিশেষজ্ঞদের মতে চর্যাপদে মোট ২৪ জন বা পদকর্তার নাম পাওয়া যায় যাদের মধ্যে কাহ্নপা সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাহ্নপার পদ সংখ্যা তেরোটি ব্যাখ্যা: চর্যাপদ গবেষকদের মতে কাহ্নপা চর্যাপদের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সর্বাধিক পদ রচয়িতা কবি। উদাহরণ ২: ভুসুকুপা আটটি পদ রচনা করেছেন ব্যাখ্যা: কাহ্নপার পরেই সর্বাধিক অর্থাৎ আটটি পদ রচনা করে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন ভুসুকুপা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লুইপা — লুইপা চর্যাপদের প্রথম পদটির রচয়িতা এবং তিনি মোট দুটি পদ রচনা করেছেন। B) শবরপা — শবরপা চর্যাপদে মোট দুটি পদ রচনা করেছেন যা এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে মেলে না। C) ভুসুকুপা — ভুসুকুপা চর্যাপদে দ্বিতীয় সর্বাধিক আটটি পদ রচনা করেছেন কিন্তু সবচেয়ে বেশি নয়। D) কাহ্নপা — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি চর্যাপদে সর্বাধিক তেরোটি পদ রচনা করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদের জন্য মনে রাখো কাহ্নপার সংখ্যা তেরো। - কবিদের পদের সংখ্যা মনে রাখতে লুইপা দুই, ভুসুকুপা আট এবং কাহ্নপা তেরো এই ক্রমটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের প্রথম পদটি রচনা করেছেন লুইপা এবং এর রাগ ছিল পটমঞ্জরী। - চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদ পাওয়া গেছে কাহ্নপার এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদ পাওয়া গেছে ভুসুকুপার।
a পদার্থের নিউক্লিয়াসে প্রােটন ও নিউট্রন থাকে
b প্রােটন ধনাত্মক আধানযুক্ত
c ইলেকট্রন ঋণাত্মক আধানযুক্ত
d ইলেকট্রন পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভিতরে অবস্থান করে
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইলেকট্রন পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভিতরে অবস্থান করে ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি মূলত সাধারণ বিজ্ঞান বিষয়ক হলেও বাংলা ভাষার বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান বা বিজ্ঞান অংশের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ। - এই বাক്യംটি সত্য নয় কারণ ইলেকট্রন পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভিতরে অবস্থান করে না, বরং ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট কক্ষপথে চারদিকে ঘোরে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই প্রশ্নটি কোনো ব্যাকরণ বা সাহিত্য বিষয়ের নয়, এটি মূলত পদার্থের গঠনসংক্রান্ত সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্ন। - পরমাণুর গঠন অনুযায়ী, পরমাণুর কেন্দ্রস্থলে থাকে নিউক্লিয়াস এবং নিউক্লিয়াসের ভেতরে থাকে প্রোটন ও নিউট্রন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পানির অণু গঠিত হয় হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন দ্বারা। ব্যাখ্যা: এটি পদার্থের গাঠনিক রূপের আরেকটি বৈজ্ঞানিক সত্য তথ্য। উদাহরণ ২: সোডিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন থাকে। ব্যাখ্যা: এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসের গঠন বোঝাতে সঠিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদার্থের নিউক্লিয়াসে প্রােটন ও নিউট্রন থাকে — এই তথ্যটি সম্পূর্ণ সত্য কারণ পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন একত্রে অবস্থান করে। B) প্রােটন ধনাত্মক আধানযুক্ত — এই তথ্যটি সত্য কারণ প্রোটন হলো ধনাত্মক চার্জযুক্ত কণা। C) ইলেকট্রন ঋণাত্মক আধানযুক্ত — এই তথ্যটি সত্য কারণ ইলেকট্রন ঋণাত্মক চার্জযুক্ত কণা হিসেবে পরিচিত। D) ইলেকট্রন পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভিতরে অবস্থান করে — এই তথ্যটি মিথ্যা এবং ভুল, কারণ ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের বাইরে কক্ষপথে ঘোরে। ৫. মনে রাখার টিপস: - পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে প্রোটন ও নিউট্রন, আর বাইরে ঘুরে বেড়ায় ঋণাত্মক ইলেকট্রন। - এই সহজ নিয়মটি মনে রাখলেই পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরমাণুর মৌলিক কণাগুলোর আধান বা চার্জ এবং অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে। - এই ধরনের নেতিবাচক প্রশ্ন সমাধানের সময় প্রতিটি অপশন ভালোভাবে পড়ে সত্য ও অসত্য তথ্য আলাদা করতে হবে।
a দ্বিগু
b দ্বন্দ্ব
c কর্মধারয়
d বহুব্রীহি
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - জর্জ সাহেব শব্দটিতে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলন ঘটেছে যেখানে সাহেব প্রধান পদ এবং জর্জ তার বিশেষণের কাজ করছে। - কর্মধারয় সমাসে সাধারণত পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতিভাত হয় এবং এখানে সাহেব পদটির অর্থই মূলত প্রধান হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং পূর্বপদে বিশেষণ ও পরপদে বিশেষ্য অথবা দুটিই বিশেষ্য পদ থাকে তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে গঠিত কর্মধারয় সমাসের ক্ষেত্রে সাধারণ নিয়মে ব্যাসবাক্য করতে হয় যিনি সাহেব তিনিই জর্জ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জজ সাহেব ব্যাখ্যা: এটি কর্মধারয় সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ যেখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের সম্পর্ক রয়েছে। উদাহরণ ২: পল্টু বাবু ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও নামের আগে উপাধি বা বিশেষ পদ বসে কর্মধারয় সমাস গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায় এবং পূর্বপদ সংখ্যাবাচক হয় যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে কিন্তু এখানে সাহেব পদের অর্থ প্রধান। D) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায় যা এখানে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো পদের আগে উপাধি বা পদবীবাচক শব্দ থাকলে এবং সাহেব বাবু মশাই যুক্ত থাকলে তা সাধারণত কর্মধারয় সমাস হয়। - কর্মধারয় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো এর ব্যাসবাক্যে সাধারণত যিনি তিনি বা যা তা ব্যবহার করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপমিত ও রূপক কর্মধারয় সমাসের পাশাপাশি সাধারণ কর্মধারয় সমাসের এই ব্যতিক্রমী নিয়মগুলো প্রায়ই আসে। - বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে গঠিত সমাসগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a দ্বীপ + আয়ন
b দ্বিপ + অনট
c দ্বীপ + অয়ন
d দ্বীপ + অনট
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দ্বীপ + অয়ন ১. কেন সঠিক: - দ্বীপ শব্দের অন্তস্থিত প এর অ এবং অয়ন শব্দের আদিতে থাকা অ মিলে আ ধ্বনির সৃষ্টি হয়েছে। - সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অ বা আ এর পরে অ বা আ থাকলে উভয় মিলে আ হয় এবং তা পরবর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যেখানে পূর্বপদের শেষ ধ্বনি এবং পরপদের প্রথম ধ্বনির মিলনে নতুন ধ্বনি তৈরি হয়। - সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন, অর্থাৎ দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে যা উচ্চারণের দ্রুততা ও মাধুর্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিম + অচল = হিমাচল ব্যাখ্যা: এখানে ম এর অ এবং অ এর অ মিলে আ হয়েছে। উদাহরণ ২: মহা + আলয় = মহাশয় ব্যাখ্যা: এখানে মহা এর আ এবং আলয় এর আ মিলে আ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বীপ + আয়ন — এখানে আয়ন শব্দে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) দ্বিপ + অনট — দ্বিপ শব্দের অর্থ হাতি এবং অনট প্রত্যয় সাধিত শব্দ এখানে প্রযোজ্য নয়। D) দ্বীপ + অনট — অনট একটি কৃৎ প্রত্যয় যা এই শব্দের ক্ষেত্রে সঠিক সন্ধি গঠনে সহায়তা করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - দ্বৈপায়ন শব্দ ভাঙলে শেষাংশে অয়ন পাবে এবং প এর সঙ্গে যুক্ত অ ধ্বনিটি খেয়াল রাখবে। - স্বরসন্ধির দীর্ঘত্ব প্রাপ্তির নিয়মগুলো বারবার চর্চা করলে এই ধরনের সন্ধি সহজে চেনা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের অয়ন প্রত্যয়যুক্ত সন্ধি যেমন দোলন বা সায়ন পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে আসে। - শব্দের মূল বানান এবং প্রত্যয়ের রূপ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে এই ভুল এড়ানো সম্ভব।
a মতিন
b আলফ্রেড মহান
c সুন জু
d কৌটিল্য
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুন জু ১. কেন সঠিক: 'দ্য আর্ট অফ ওয়ার' বা যুদ্ধের শিল্প প্রাচীন চীনের একটি বিখ্যাত সামরিক গ্রন্থ। খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে চীনের প্রাচীন সামরিক কৌশলবিদ সুন জু এই অমর গ্রন্থটি রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সুন জু ছিলেন প্রাচীন চীনের একজন বিখ্যাত সামরিক জেনারেল ও কৌশলবিদ। এই গ্রন্থটিতে রণকৌশল এবং যুদ্ধের বিভিন্ন কূটনীতি অত্যন্ত সুনিপুণভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র। ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন ভারতের রাজনীতি ও অর্থনীতির ওপর রচিত একটি প্রখ্যাত গ্রন্থ। উদাহরণ ২: ম্যাকিয়াভেলির দ্য প্রিন্স। ব্যাখ্যা: এটি রাষ্ট্রদর্শন ও রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে রচিত পশ্চিমা বিশ্বের একটি বিখ্যাত গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মতিন — ইনি এই বিশ্বখ্যাত প্রাচীন সামরিক গ্রন্থের রচয়িতা নন। B) আলফ্রেড মহান — ইনি মার্কিন নৌবাহিনীর একজন ইতিহাসবিদ ছিলেন, এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। C) সুন জু — এটি সঠিক উত্তর। D) কৌটিল্য — ইনি প্রাচীন ভারতের অর্থশাস্ত্র গ্রন্থের রচয়িতা, দ্য আর্ট অফ ওয়ারের নন। ৫ মনে রাখার টিপস: যুদ্ধ জয়ের কৌশল শেখার জন্য 'সুন জু' নামের প্রাচীন চীনা সেনাপতির বইটি মনে রাখতে হবে। প্রাচীন সামরিক গ্রন্থ বললেই সুন জু এবং তাঁর 'দ্য আর্ট অফ ওয়ার' নামটি মাথায় আনতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্বসাহিত্য ও প্রাচীন গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। এই ধরনের প্রশ্ন কমন পেতে বিশ্ববিখ্যাত গ্রন্থ এবং তাদের লেখকদের নাম তালিকা করে মুখস্থ করতে হবে।
a প্রলয়
b নিঃশ্বাস
c খন্ডিত
d অনুপম
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) খন্ডিত ১. কেন সঠিক: - খন্ডিত শব্দটি গঠিত হয়েছে খন্ড শব্দের সঙ্গে ইত প্রত্যয় যোগ করে, যা কৃৎ বা তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়মে সাধিত। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দ গঠনের উৎস বা প্রত্যয় চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে মূল শব্দ ও প্রত্যয় আলাদা করার নিয়ম জানতে হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - প্রত্যয় হলো এমন কিছু বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা ধাতু বা শব্দের পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে। - খন্ড বিশেষ্য বা মূল শব্দের সঙ্গে ইত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত খন্ডিত শব্দটি একটি প্রত্যয়সাধিত শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঠিত ব্যাখ্যা: পঠ ধাতু বা পাঠ শব্দের সঙ্গে ইত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পঠিত শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ফলিত ব্যাখ্যা: ফল শব্দের সঙ্গে ইত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ফলিত শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা প্রত্যয়সাধিত শব্দের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রলয় — এটি প্র উপসর্গ যোগে গঠিত একটি শব্দ, যা প্রত্যয়সাধিত নয় বরং উপসর্গযুক্ত শব্দ। B) নিঃশ্বাস — এটি নিস্ উপসর্গ এবং শ্বাস পদের মিলনে বা সন্ধির নিয়মে সাধিত শব্দ, প্রত্যয়ের সাহায্যে গঠিত নয়। D) অনুপম — এটি অন উপসর্গ বা নঞ তৎপুরুষ সমাস দ্বারা গঠিত শব্দ, যা প্রত্যয়সাধিত শব্দের অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শব্দের শেষে ইত, ত, মান, আন ইত্যাদি অংশ থাকলে তা সাধারণত প্রত্যয়সাধিত শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়। - মূল শব্দ বা ধাতু চেনার অভ্যাস রাখলে পরীক্ষার হলে খুব সহজেই সঠিক উত্তরটি বের করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ, প্রত্যয় এবং সন্ধির পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - শব্দ বিশ্লেষণ করার সময় প্রথমে উপসর্গ এবং পরে প্রত্যয় বা সন্ধির নিয়মগুলো আলাদা করে দেখতে হয়।
a যােগ্যতা
b আসক্তি
c আকাঙ্ক্ষা
d আসত্তি
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আসক্তি ১. কেন সঠিক: আসক্তি কোনো বাক্যের গুণ বা বৈশিষ্ট্য নয়। প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি মূলত একটি বিভ্রান্তিকর শব্দ, যার প্রকৃত ব্যাকরণিক রূপ হওয়া উচিত ছিল আসত্তি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: একটি সার্থক বাক্যের প্রধান তিনটি গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকা আবশ্যক, যথা আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা। আসক্তি বলতে নেশা বা মোহ বোঝায়, যা বাক্যের ব্যাকরণগত বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ অসংগতিপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাল আমি ঢাকা যাব। ব্যাখ্যা: এটি একটি সম্পূর্ণ সার্থক বাক্য কারণ এতে আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা তিনটি গুণই বিদ্যমান রয়েছে। উদাহরণ ২: বর্ষায় নদীগুলো জলে ভরে যায়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যের পদগুলো সুবিন্যস্তভাবে সাজানো থাকায় এর পূর্ণ অর্থ প্রকাশ পেয়েছে এবং এটি আসত্তির নিয়ম মেনেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যােগ্যতা — এটি বাক্যের একটি অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য যার অর্থ বাক্যের পদগুলোর অর্থগত ও ভাবগত মিল। B) আসক্তি — এটি বাক্যের বৈশিষ্ট্য নয় বরং একটি মানসিক অবস্থা বা নেশা বোঝায়। C) আকাঙ্ক্ষা — এটি বাক্যের একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য যার অর্থ বাক্য পদের পর পদ শোনার ইচ্ছা। D) আসত্তি — এটি বাক্যের একটি মূল বৈশিষ্ট্য যার সঠিক অর্থ বাক্যের পদগুলোকে যথাস্থানে সাজিয়ে রাখা। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যের তিন বৈশিষ্ট্য মনে রাখার সহজ কৌশল হলো আ আ য অর্থাৎ আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা। আসক্তি শব্দটি এই তালিকার বাইরে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরীক্ষায় প্রায়ই আসক্তি এবং আসত্তি শব্দের সূক্ষ্ম পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। আসত্তি অর্থ নৈকট্য বা পদগুলোর সাজানো বিন্যাস এবং আসক্তি অর্থ প্রবল আকর্ষণ বা মোহ।
a সৈয়দ আলাওল
b দীনবন্ধু মিত্র
c জৈনুদ্দিন
d অমিয় দেব
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সৈয়দ আলাওল ১. কেন সঠিক: হপ্ত পয়কর বা সাত পুতুল সপ্তপয়কর কাব্যটি মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার শ্রেষ্ঠ কবি সৈয়দ আলাওলের একটি অমর সৃষ্টি। ফয়েজী ফার্সি ভাষায় রচিত হপ্ত পয়কর বা সেহ পয়কর অবলম্বনে কবি এই বাংলা কাব্যটি রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সৈয়দ আলাওল সপ্তদশ শতকের রোমান্টিক ধারার অন্যতম প্রধান কবি যিনি আরাকান রাজসভার পৃষ্ঠপোষকতায় সাহিত্য সাধনা করেছিলেন। তার বিখ্যাত অন্যান্য কাব্যের মধ্যে পদ্মাবতী, সয়ফুল মুলুক বদিউজ্জামান ও সিকান্দারনামা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ্মাবতী ব্যাখ্যা: এটি কবি সৈয়দ আলাওলের সবচেয়ে বিখ্যাত ও জনপ্রিয় অনুবাদ কাব্য যা মালিক মোহাম্মদ জায়সির পদুমাবত অবলম্বনে রচিত। উদাহরণ ২: সয়ফুল মুলুক বদিউজ্জামান ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ আলাওলের একটি বিখ্যাত প্রণয়মূলক কাব্য যা মধ্যযুগের মধ্যপ্রাচ্যের লোককাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ আলাওল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কবিই হপ্ত পয়কর কাব্যটি রচনা করেছিলেন। B) দীনবন্ধু মিত্র — তিনি আধুনিক যুগের বিখ্যাত নাট্যকার এবং তার বিখ্যাত নাটক নীলদর্পণ। C) জৈনুদ্দিন — তিনি মধ্যযুগের কবি এবং তার বিখ্যাত কাব্য রসুল বিজয়। D) অমিয় দেব — তিনি আধুনিক কালের একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও গবেষক যিনি মধ্যযুগের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: সৈয়দ আলাওল সপ্তদশ শতকের কবি এবং তার নামের সঙ্গে হপ্ত পয়কর কাব্যটি মনে রাখতে হবে। মধ্যযুগের ফার্সি কাব্যের বাংলা অনুবাদক হিসেবে আলাওলের নাম সবচেয়ে বেশি স্মরণীয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের কবি ও তাদের কাব্যগুলোর নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সৈয়দ আলাওল কোন রাজসভার কবি ছিলেন, এই তথ্যটি চাকরির পরীক্ষায় খুব গুরুত্বপূর্ণ।
a নােনতা
b লাবণ্য
c লবণাক্ত
d ললিত
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নোনতা ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে যে শব্দটির কথা বলা হয়েছে তা সম্ভবত মুদ্রণপ্রমাদ বা টাইপিং ভুলের কারণে 'বণ’ বা 'লবণ' হতে পারে। লবণ শব্দের বিশেষ্য রূপ হলো নোনতা, যা লবণের ভাব বা স্বাদ প্রকাশ করে। শব্দের অর্থ ও রূপান্তর প্রক্রিয়ায় বিশেষ্য পদের গঠনের মাধ্যমে এই রূপটি তৈরি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিশেষ্য পদ হলো সেই পদ যা কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, ধর্ম, গুণ বা অবস্থার নাম বোঝায়। লবণ একটি বিশেষ্য পদ যার অর্থ নুন, আর এর বিশেষ্য বা গুণবাচক রূপ হলো নোনতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মিষ্টি ব্যাখ্যা: মিষ্টি হলো মিষ্টতা শব্দের বিশেষ্য রূপ যা কোনো কিছুর সুস্বাদু ভাব বোঝায়। উদাহরণ ২: তিক্ততা ব্যাখ্যা: তিক্ত শব্দটির বিশেষ্য রূপ হলো তিক্ততা যা তিতা স্বাদের ভাব প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নোনতা — লবণ শব্দের সঠিক বিশেষ্য বা ভাববাচক রূপ হিসেবে এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। B) লাবণ্য — এটি লাবণ্যময় শব্দের মূল বিশেষ্য পদ যার অর্থ সৌন্দর্য বা কান্তি। C) লবণাক্ত — এটি লবণ থেকে উৎপন্ন একটি বিশেষণ পদ যা লবণের উপস্থিতি বোঝায়। D) ললিত — এটি একটি বিশেষণ পদ যার অর্থ সুন্দর, মনোরম বা কোমল। ৫. মনে রাখার টিপস: বিশেষ্য পদ চেনার সময় শব্দের দ্বারা কোনো নাম, গুণ বা অবস্থাকে নির্দেশ করা হচ্ছে কি না তা খেয়াল রাখতে হবে। শব্দের গঠন রূপ পরিবর্তনের সময় বিশেষ্য ও বিশেষণের পার্থক্য মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দরূপ পরিবর্তনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বিশেষ্য থেকে বিশেষণ এবং বিশেষণ থেকে বিশেষ্য পদ রূপান্তরের নিয়মগুলো ভালো করে অনুশীলন করতে হবে।
a আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
b শওকত ওসমান
c শহীদুল জহির
d শওকত আলী
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ১. কেন সঠিক: 'মিলির হাতে স্টেনগান' গল্পটির রচয়িতা বাংলাদেশের কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ছাত্র সমাজের সাহসী ভূমিকা এই গল্পের মূল প্রেক্ষাপট। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বিংশ শতাব্দীর ষাট ও সত্তরের দশকের অন্যতম প্রধান ও শক্তিশালী বাংলা কথাসাহিত্যিক। তাঁর গল্পে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের সংগ্রাম, রাজনীতি ও সমাজ বাস্তবতার নিখুঁত চিত্র ফুটে ওঠে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'চিলেকোঠার সেপাই' ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে লেখা। উদাহরণ ২: 'খোয়ারি' ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটি অত্যন্ত প্রশংসিত ও জনপ্রিয় ছোটগল্প। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি 'মিলির হাতে স্টেনগান' গল্পের রচয়িতা। B) শওকত ওসমান — তিনি বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও গল্পকার হলেও এই গল্পের লেখক নন, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'জননী'। C) শহীদুল জহির — তিনি জাদুবাস্তবতার লেখক, তাঁর বিখ্যাত গল্প 'আদমজী নগর' ও 'জীবন এবং রাজনৈতিক বাস্তবতার'। D) শওকত আলী — তিনি একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হলেও এই গল্পটি তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'দক্ষিণায়নের দিন'। ৫. মনে রাখার টিপস: ইলিয়াস সাহেবের হাতেই মিলির স্টেনগান মানায়, কারণ তিনি মুক্তিযুদ্ধের গল্পে অনন্য। লেখক নামের সাথে গল্পটির নাম মিলিয়ে পড়লে পরীক্ষার হলে সহজে মনে পড়বে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের মুক্তিযদ্ধভিত্তিক ছোটগল্পগুলোর মধ্যে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রচনা। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের নাম ও রচনার ধরন প্রায়ই আসে।
a ভােক্তার কল্যাণ
b ক্রয়কৃত পণ্য
c ভােগ্যপণ্য
d ক্রেতার গুণাগুণ
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভোগ্যপণ্য ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি 'Consumer goods' শব্দের উপযুক্ত এবং প্রমিত বাংলা পরিভাষা হলো ভোগ্যপণ্য। - যে সমস্ত পণ্য সরাসরি চূড়ান্ত ভোক্তারা তাদের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য ক্রয় করে, তাকে অর্থনীতি ও বাণিজ্য পরিভাষায় ভোগ্যপণ্য বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি পারিভাষিক শব্দ বা Terminology-এর অন্তর্গত একটি প্রশ্ন। - ইংরেজি প্রশাসনিক, বাণিজ্যিক বা বৈজ্ঞানিক পরিভাষার ভাবার্থ ঠিক রেখে যখন বাংলায় রূপান্তর করা হয়, তাকে পারিভাষিক শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Raw material ব্যাখ্যা: এর উপযুক্ত বাংলা পরিভাষা হলো কাঁচামাল, যা উৎপাদনের মূল উপাদান। উদাহরণ ২: Balance sheet ব্যাখ্যা: এর উপযুক্ত বাংলা পরিভাষা হলো উদ্বৃত্তপত্র, যা হিসাববিজ্ঞানে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভােক্তার কল্যাণ — এটি Consumer goods-এর পরিভাষা নয়, এটি Consumer welfare-এর কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। B) ক্রয়কৃত পণ্য — এটি সাধারণ বাক্যাংশ, নির্দিষ্ট কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা অর্থনৈতিক পারিভাষিক শব্দ নয়। D) ক্রেতার গুণাগুণ — এটি Consumer goods-এর পরিভাষা হতে পারে না কারণ এখানে goods মানে পণ্য আর গুণাগুণ মানে গুণ। ৫ মনে রাখার টিপস: - Consumer অর্থ ভোক্তা বা ক্রেতা এবং Goods অর্থ পণ্য বা মাল। - তাই Consumer goods শব্দটিকে সরাসরি একত্রে ভোগ্যপণ্য হিসেবে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় ইংরেজি বাণিজ্যিক পরিভাষা থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে প্রাতিষ্ঠানিক ও অর্থনৈতিক পরিভাষার দিকে বেশি নজর দিতে হবে।
a শােনা
b বুদ্ধি
c চক্ষু
d অন্ধকার
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চক্ষু ১. কেন সঠিক: শব্দটি একটি সাদৃশ্য বা অনুষঙ্গমূলক প্রশ্ন। শব্দ দিয়ে যেমন কানে শোনা হয়, তেমনি আলো দিয়ে চোখ বা চক্ষু দিয়ে দেখা হয়। এখানে ইন্দ্রিয় এবং তার অনুভূতির বিষয়বস্তুর পারস্পরিক সম্পর্ক নির্দেশ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ এবং প্রমিত শব্দভাণ্ডার সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন। ভাষার শব্দার্থগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে জ্ঞান ও ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য বিষyuের পারস্পরিক মিল এখানে প্রধান হিসেবে কাজ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নাসিকা : গন্ধ ব্যাখ্যা: নাক দিয়ে যেমন গন্ধ নেওয়া হয়, তেমনি ইন্দ্রিয়ের সঙ্গে তার কাজের সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: জিহ্বা : স্বাদ ব্যাখ্যা: জিভ বা জিহ্বা দিয়ে যেমন স্বাদ গ্রহণ করা হয়, এটিও অঙ্গ ও তার অনুভূতির একটি উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শোনা — শব্দ দিয়ে শোনা বোঝায়, কিন্তু আলোর সঙ্গে সরাসরি শোনার কোনো শারীরিক বা প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই। B) বুদ্ধি — বুদ্ধি মস্তিষ্কের কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা আলো শব্দের সঙ্গে সরাসরি সাদৃশ্যপূর্ণ নয়। D) অন্ধকার — অন্ধকার আলোর বিপরীতার্থক শব্দ, কিন্তু এখানে বিপরীত শব্দ চাওয়া হয়নি বরং অঙ্গ ও অনুভূতির অনুষঙ্গ চাওয়া হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: এই ধরনের সাদৃশ্যমূলক প্রশ্নে প্রথমে প্রথম জোড়ার ভেতরের সম্পর্ক বের করতে হবে। অঙ্গ এবং তার কাজের মাধ্যম কী, তা মিলিয়ে দ্বিতীয় জোড়ার উত্তর খুঁজতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সাদৃশ্য প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই ইন্দ্রিয় এবং তাদের কাজের বিষয়গুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a স্বশুর
b শশুর
c শ্বসুর
d শ্বশুর
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শ্বশুর ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী স্বামীর পিতাকে বোঝাতে শ্বশুর বানানটিতে তালব্য শ এবং ব-ফলা ব্যবহৃত হয়। - শব্দের শুরুতে শ এবং ব-ফলার যুক্তরূপ সঠিক বানানের জন্য অপরিহার্য। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - তৎসম শব্দের প্রমিত রূপ রক্ষার্থে বাংলা একাডেমি নির্দিষ্ট বানান প্রবর্তন করেছে। - এই শব্দটিতে ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে ব-ফলার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শশ্রু ব্যাখ্যা: শশ্রু শব্দের অর্থ দাড়ি, এটিও একটি প্রমিত বানান। উদাহরণ ২: শ্বশুরবাড়ি ব্যাখ্যা: শ্বশুর শব্দের সাথে বাড়ি যুক্ত হয়ে এই নতুন প্রমিত শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বশুর — এই বানানে ব-ফলার ভুল প্রয়োগ ঘটেছে কারণ স-এর নিচে ব-ফলা হয় না। B) শশুর — এই বানানে প্রথম বর্ণে ব-ফলা অনুপস্থিত রয়েছে যা প্রমিত বানানরীতিবিরোধী। C) শ্বসুর — এই বানানে শেষের দিকে উ-কার ব্যবহারের নিয়ম ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। D) শ্বশুর — এটি সঠিক বানান এবং বাংলা একাডেমি কর্তৃক অনুমোদিত রূপ। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্বামীর পিতাকে মনে রাখতে শ্বশুরের প্রথম বর্ণে শ এর সাথে ব-ফলা এবং শেষে র যুক্ত হয় তা মনে রাখবে। - বানানের ভুল এড়াতে প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুশীলন করতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানান প্রায়ই আসে। - বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়ম অনুসরণ করে এই ধরনের প্রশ্ন সমাধান করতে হবে।
a প্রতিযােগিতা
b শ্রদ্ধাঞ্জলী
c গোত
d প্রতিযোগীতা
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রতিযোগিতা ১. কেন সঠিক: - প্রতিযোগিতা শব্দটি প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী গঠিত হয়েছে যেখানে প্রতি prefixes এবং যোগিতা প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। - বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান নিয়মে অনেক সংস্কৃত শব্দের মূল বানান অপরিবর্তিত রাখা হয় এবং এখানে দীর্ঘ ঈ কারের পরিবর্তে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে সংস্কৃত প্রাকৃত নিয়ম এবং বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করতে হয়। - ই-কারান্ত বা উ-কারান্ত উপসর্গের পর ক ষ স থাকলে কিংবা বিশেষ নিয়মে শব্দের শেষে হ্রস্ব ই কার বা হ্রস্ব উ কার ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রতিদ্বন্দ্বিতা ব্যাখ্যা: প্রতিযোগিতা শব্দের মতোই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শব্দটিতেও হ্রস্ব ই কার ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: পরিমিতি ব্যাখ্যা: শব্দের শেষের বর্ণে হ্রস্ব ই কার ব্যবহারের নিয়ম এখানেও প্রযোজ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিযােগিতা — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর এবং বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক রূপ। B) শ্রদ্ধাঞ্জলী — ভুল কারণ অঞ্জলি যুক্ত শব্দে হ্রস্ব ই কার হয়, তাই শুদ্ধ বানান শ্রদ্ধাঞ্জলি। C) গোত — ভুল বানান কারণ এটি কোনো অর্থপূর্ণ প্রমিত বাংলা শব্দ নয়। D) প্রতিযোগীতা — ভুল কারণ এখানে প্রতিযোগিতায় দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - অঞ্জলি শব্দযুক্ত শব্দে যেমন শ্রদ্ধাঞ্জলি ও গীতাঞ্জলি সবসময় হ্রস্ব ই কার হয়। - প্রতিযোগিতা শব্দে প্রতিযোগী শব্দের সাথে তা প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় ই কার হ্রস্ব ই কারে রূপান্তরিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতায় দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করা একটি সাধারণ ভুল যা বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - অঞ্জলি, মণীষী, মন্ত্রী পরিষদ ইত্যাদি বানানগুলোর ক্ষেত্রে হ্রস্ব ই কার ব্যবহারের নিয়ম বারবার চর্চা করতে হবে।
a দেবেশ রায়ের তিস্তাপাড়ের বৃত্তান্ত’
b শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়ের ‘যাও পাখি’
c সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের পূর্ব-পশ্চিম
d অভিজিৎ সেনের বহুচণ্ডালের হাড়’
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দেবেশ রায়ের 'তিস্তাপাড়ের বৃত্তান্ত' ১. কেন সঠিক: - 'তিস্তাপাড়ের বৃত্তান্ত' উপন্যাসে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধোত্তর সময়ের তিস্তা নদীপাড়ের মানুষের জীবনযাত্রা ও সামাজিক সংকটের বাস্তব চিত্র অঙ্কিত হয়েছে। - দেবেশ রায় এই উপন্যাসের মাধ্যমে ১৯৪৭ সালের দেশভাগ এবং পরবর্তী সময়ে নদীর গতিপ্রকৃতি পরিবর্তনের ফলে তিস্তাপাড়ের মানুষের জীবন সংগ্রামের দীর্ঘ ইতিহাস তুলে ধরেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দেবেশ রায় বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও গল্পকার যিনি মূলত উত্তরবঙ্গের তিস্তা নদী তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষের জীবন নিয়ে সাহিত্য রচনা করেছেন। - তিস্তাপাড়ের বৃত্তান্ত একটি বিখ্যাত আঞ্চলভিত্তিক উপন্যাস যা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধোত্তর রাজনৈতিক ও সামাজিক পটভূমির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শহীদুল জহিরের 'জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা' ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধোত্তর সময়ের গ্রামীণ জীবনের ওপর রচিত একটি অনন্য উপন্যাস। উদাহরণ ২: আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের 'চিলেকোঠার সেপাই' ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে ঊনসত্তরের গণঅভুথান থেকে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের প্রেক্ষাপট অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেবেশ রায়ের 'তিস্তাপাড়ের বৃত্তান্ত' — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি মুক্তিযুদ্ধোত্তর সময়ের পটভূমিতে রচিত আঞ্চলভিত্তিক উপন্যাস। B) শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের 'যাও পাখি' — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পটভূমিতে রচিত একটি পারিবারিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধোত্তর সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের 'পূর্ব-পশ্চিম' — এই উপন্যাসে মূলত বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাপটে দেশভাগ এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রাককাল পর্যন্ত সময়কাল প্রধানত চিত্রিত হয়েছে। D) অভিজিৎ সেনের 'বহুচণ্ডালের হাড়' — এটি পশ্চিমবঙ্গের প্রান্তিক মানুষের জীবন ও লোকসংস্কৃতির ওপর রচিত একটি উপন্যাস, যা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধোত্তর সময়ের চিত্র তুলে ধরে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - দেবেশ রায় মানেই তিস্তা নদী এবং তিস্তাপাড়ের বৃত্তান্ত মানেই মুক্তিযুদ্ধোত্তর সময়ের নদীপাড়ের মানুষের দুঃখগাথা। - পশ্চিমবঙ্গের লেখক হলেও দেবেশ রায়ের উপন্যাসের মূল নাড়াজোড় বা পটভূমি বাংলাদেশ এবং উত্তরবঙ্গের তিস্তা অববাহিকা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আঞ্চলিক উপন্যাস বা নদীকেন্দ্রিক উপন্যাসের পটভূমি প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - লেখকের নামের সঙ্গে তাঁর প্রধান সৃষ্টি এবং উপন্যাসের পটভূমি মিলিয়ে পড়ার অভ্যাস করতে হবে।
a আবুল হাসান
b সােমেন চন্দ
c হুমায়ুন কবির
d কল্যাণ মিত্র
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সােমেন চন্দ ১. কেন সঠিক: - সোমেন চন্দ ১৯৪২ সালের আটই মার্চ ঢাকায় ফ্যাসিবাদবিরোধী লেখক ও শিল্পী সংঘের সম্মেলনে যাওয়ার পথে পুলক নামক একদল আততায়ীর হাতে নিহত হন। - বাংলা সাহিত্যে প্রথম শহীদ লেখক হিসেবে সোমেন চন্দ ঐতিহাসিক এক নাম এবং তাঁর মৃত্যু বাংলা প্রগতিশীল সাহিত্য আন্দোলনে এক বড় ধাক্কা ছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সোমেন চন্দ ছিলেন বাংলা সাহিত্যের মার্কসবাদী ধারার একজন প্রতিভাবান ও তরুণ কথাসাহিত্যিক যিনি মূলত ছোটগল্প লিখে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। - তাঁর বিখ্যাত ইঁদুর ছোটগল্পটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত এবং বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে যা সমাজের নিচুতলার মানুষের সংগ্রামের চিত্র তুলে ধরে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইঁদুর গল্প ব্যাখ্যা: এটি সোমেন চদের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সমাজসচেতন একটি ছোটগল্প। উদাহরণ ২: বর্ধিষ্ণু গল্পগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এটি সোমেন চদের মৃত্যুর পর প্রকাশিত তাঁর লেখার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল হাসান — ইনি বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট আধুনিক কবি ও সাংবাদিক যিনি ১৯৭৫ সালে লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। B) সােমেন চন্দ — সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৯৪২ সালে ঢাকায় আততায়ীর হাতে নিহত হন। C) হুমায়ুন কবির — ইনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি দার্শনিক, রাজনীতিবিদ ও সাহিত্যিক যিনি ১৯৬৯ সালে দিল্লিতে মৃত্যুবরণ করেন। D) কল্যাণ মিত্র — ইনি একজন বাঙালি নাট্যকার ও সাহিত্যিক যিনি কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেছেন এবং আততায়ীর হাতে ঢাকায় নিহত হননি। ৫ মনে রাখার টিপস: - সোমেন চন্দ ও ঢাকা এবং আততায়ী শব্দ তিনটি একত্রে মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর চিরস্থায়ীভাবে মনে থাকবে। - ১৯৪২ সাল এবং শহীদ লেখক সোমেন চন্দ এই দুটি তথ্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সর্বদা মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা সাহিত্যের প্রথম শহীদ লেখক কে এই প্রশ্নটি বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - প্রগতিশীল লেখক আন্দোলনের ইতিহাস এবং বিশ শতকের চল্লিশের দশকের সাহিত্যিকদের পরিচিতি থেকে এ ধরনের প্রশ্ন করা হয়।
a আবুল হাসান
b মহাদেব সাহা
c আবুল হােসেন
d নির্মলেন্দু গুণ
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নির্মলেন্দু গুণ ১. কেন সঠিক: - ‘হুলিয়া’ কবিতাটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রখ্যাত কবি নির্মলেন্দু গুণ। - এটি মূলত ষাট ও সত্তরের দশকের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং তৎকালীন গ্রামীণ জীবনের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নির্মলেন্দু গুণ ১৯৪৫ সালের ২১ জুন নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার কাশবন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর কবিতায় প্রেম, দ্রোহ, রাজনীতি এবং সাধারণ মানুষের সংগ্রামের চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘হুলিয়া’ কবিতার বিখ্যাত পক্তি: ‘হুলিয়া মাথায় নিয়ে আমি ঘুরে বেড়াই এ-বাংলায়।’ ব্যাখ্যা: এই পঙক্তির মাধ্যমে তৎকালীন রাজনৈতিক নিপীড়ন ও কবির পালিয়ে বেড়ানোর বাস্তব চিত্র প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: নির্মলেন্দু গুণের অপর একটি বিখ্যাত কবিতা ‘চৈত্রের ভালোবাসা’। ব্যাখ্যা: এটি কবির অন্যতম জনপ্রিয় প্রেমের কবিতা, যা তাঁর বহুমুখী প্রতিভার পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল হাসান — ইনি ষাটের দশকের একজন বিশিষ্ট কবি হলেও ‘হুলিয়া’ কবিতার রচয়িতা নন, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘রাজা যায় রাজা আসে’। B) মহাদেব সাহা — ইনি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত প্রেমের কবি হলেও ‘হুলিয়া’ কবিতাটি তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত বই ‘চাই দীর্ঘ জীবন’। C) আবুল হোসেন — ইনি একজন প্রথিতযশা আধুনিক কবি হলেও ‘হুলিয়া’ কবিতার সঙ্গে তাঁর কোনো সাহিত্যিক সম্পৃক্ততা নেই। D) নির্মলেন্দু গুণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ ‘হুলিয়া’ তাঁরই অমর সৃষ্টি এবং এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। ৫ মনে রাখার টিপস: - নির্মলেন্দু গুণ মানেই দ্রোহ আর প্রেমের এক অপূর্ব সংমিশ্রণ এবং তাঁর বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতা হলো ‘হুলিয়া’। - কবি নির্মলেন্দু গুণের নাম মনে রাখতে ‘হুলিয়া’ কবিতাটিকে তাঁর প্রধান সাহিত্যকীর্তি হিসেবে মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নির্মলেন্দু গুণের কবিতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে ‘হুলিয়া’ ও ‘স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো’ কবিতা দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে কবির শ্রেষ্ঠ রচনাগুলোর নাম তালিকাভুক্ত করে পড়লে সহজে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
a আলমগীর কবির
b তারেক মাসুদ
c হুমায়ুন আহমেদ
d শেখ নিয়ামত আলী
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তারেক মাসুদ ১. কেন সঠিক: - ‘মাটির ময়না’ (The Clay Bird) চলচ্চিত্রের নির্মাতা বা পরিচালক হলেন খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ। - এটি বাংলাদেশের অত্যন্ত প্রশংসিত এবং আন্তর্জাতিকভাবে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারপ্রাপ্ত একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। ২. সাহিত্য ও চলচ্চিত্র ব্যাখ্যা: - তারেক মাসুদ বাংলাদেশের স্বাধীনধারার চলচ্চিত্রের এক প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিত্ব। - ‘মাটির ময়না’ চলচ্চিত্রটি ২০০২ সালে মুক্তি পায় এবং কান চলচ্চিত্র উৎসবে ফিপরেসি আন্তর্জাতিক সমালোচক পুরস্কার লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘মুক্তির গান’ ব্যাখ্যা: এটি তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ পরিচালিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্য চলচ্চিত্র। উদাহরণ ২: ‘রানওয়ে’ ব্যাখ্যা: এটি তারেক মাসুদ পরিচালিত অপর একটি আলোচিত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র যা চরমপন্থা ও সামাজিক ইস্যু নিয়ে নির্মিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলমগীর কবির — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার ও চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের পুরোধা হলেও এই চলচ্চিত্রের নির্মাতা নন। C) হুমায়ুন আহমেদ — তিনি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হলেও ‘মাটির ময়না’ চলচ্চিত্রটি তার পরিচালিত নয়। D) শেখ নিয়ামত আলী — তিনি ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’ চলচ্চিত্রের সহ-নির্মাতা হলেও ‘মাটির ময়না’ চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - মাটির ময়না আকাশে ওড়ে আর তারেক মাসুদ এটি ক্যামেরায় ধরে রাখেন। এভাবে চলচ্চিত্রটির নির্মাতার নাম সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ‘মাটির ময়না’ কান চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রথম বাংলাদেশি চলচ্চিত্র। - বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ও নির্মাতা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a শাহ আবদুল করিম
b শেখ ওয়াহিদ
c রাধারমন
d কুদুস বয়াতি
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) শেখ ওয়াহিদ কেন সঠিক: এই জনপ্রিয় লোকসংগীতটির মূল রচয়িতা হিসেবে মরমী কবি শেখ ওয়াহিদের নাম স্বীকৃত ও প্রামাণিক তথ্য হিসেবে পরিগণিত হয়। বিভিন্ন লোকসংস্কৃতি চর্চায় ও গবেষণায় এই গানটির গীতিকার হিসেবে শেখ ওয়াহিদ এর নামই সঠিকভাবে নথিভুক্ত রয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা লোকসাহিত্যে মরমী ও বাউল গান মানুষের অন্তরের গভীর ভাব এবং প্রেমের আকুলতা প্রকাশের এক অনন্য মাধ্যম হিসেবে কাজ করে থাকে। এই ধরনের গানে মানবপ্রেমের মধ্য দিয়ে ঈশ্বরপ্রেম বা আধ্যাত্মিক সাধনার গভীর ভাবপ্রকাশ ফুটিয়ে তোলার এক সুপ্রাচীন ঐতিহ্য লক্ষ্য করা যায়। উদাহরণস্বরূপ, হাসন রাজার লোকগান কিংবা লালন সাঁইয়ের বাউল গান এই ধারারই অত্যন্ত উজ্জ্বল ও শিল্পসমৃদ্ধ সাহিত্যিক নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) শাহ আবদুল করিম — ইনি ভাটি অঞ্চলের বিখ্যাত বাউল গান রচয়িতা হলেও এই নির্দিষ্ট গানটির গীতিকার নন। খ) শেখ ওয়াহিদ — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। গ) রাধারমন — ইনি ধামাইল গানের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত হলেও এই গানটির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ঘ) কুদুস বয়াতি — ইনি প্রখ্যাত গ্রামীণ বয়াতি হলেও এই গানটির রচয়িতা হিসেবে তাঁর নাম ইতিহাসে পাওয়া যায় না। মনে রাখার টিপস: বুড়ি হইলাম তোর কারণে গানটির সঙ্গে শেখ ওয়াহিদের নাম মনে রাখতে বুড়ি এবং ওয়াহিদ এই দুটি শব্দ একসঙ্গে জোড়া লাগিয়ে পড়বে। লোকগানের শিল্পীর নাম মনে রাখার জন্য গানটির প্রথম লাইন এবং গীতিকারের নাম খাতায় লিখে বারবার অনুশীলন করা সবচেয়ে ভালো উপায়।
a বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
b মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
c শেখ হাসিনা
d এ. কে. ফজলুল হক
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১. কেন সঠিক: - সমাপ্ত আত্মজীবনী হলো হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। - এই গ্রন্থে বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবনের নানা সংগ্রাম, রাজনৈতিক চেতনা এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের নেপথ্য ইতিহাসের এক অনন্য দলিল তুলে ধরেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু রাজনৈতিক নেতাই নন, তিনি বাংলা সাহিত্যের আত্মজীবনী ধারায় এক অনন্য সংযোজন করে গেছেন। - তাঁর রচিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়াচীন বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অসমাপ্ত আত্মজীবনী ব্যাখ্যা: এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত প্রথম প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ, যা ২০১২ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: কারাগাররে রোজনামচা ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর কারাজীবনের দিনলিপি নিয়ে রচিত আরেকটি ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক গ্রন্থ, যা ২০১৭ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ সমাপ্ত আত্মজীবনী তাঁরই লেখা একটি অমর সাহিত্যকর্ম। B) মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী — ইনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা হলেও এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন। C) শেখ হাসিনা — ইনি বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী এবং বঙ্গবন্ধুর তনয়া হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটি তাঁর নিজের রচিত নয়। D) এ. কে. ফজলুল হক — ইনি বাংলার এক প্রখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং শেরেবাংলা নামে পরিচিত, কিন্তু এই গ্রন্থের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থগুলোর নামের সাথে আত্মজীবনী বা রোজনামচা শব্দ যুক্ত থাকে। - অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং সমাপ্ত আত্মজীবনী সংক্রান্ত প্রশ্নগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বঙ্গবন্ধু রচিত গ্রন্থগুলোর প্রকাশসাল এবং বিষয়বস্তু ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
a দৈন্যতা সর্বদা মহত্বের পরিচায়ক নয়
b দৈন্যতা সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয়
c দৈন্য সর্বদা মহত্বের পরিচায়ক নয়
d দৈন্য সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয়
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দৈন্য সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয় ১. কেন সঠিক: - বাক্যটিতে দৈন্য এবং মহত্ত্ব দুটি শুদ্ধ শব্দ একসঙ্গে ব্যবহার করা হয়েছে। - দৈন্য শব্দের অর্থ দীনতা বা দরিদ্রতা এবং মহত্ত্ব শব্দের অর্থ মহান হওয়া গুণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিশেষ্য পদের সঙ্গে অতিরিক্ত প্রত্যয় যুক্ত করে দ্বিরুক্ত বা ভুল ভাববাচক শব্দ তৈরি করা যায় না। - দীন শব্দের সঙ্গে য ফলা যুক্ত করে দৈন্য বা দীনতা লেখা যায়, কিন্তু দীনতা ও দৈন্য একসঙ্গে শুদ্ধ হলেও দৈন্যতা শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারিদ্র্য মানুষকে অনেক সময় কঠোর করে তোলে ব্যাখ্যা: দারিদ্র্য একটি শুদ্ধ শব্দ, এর সঙ্গে অতিরিক্ত তা প্রত্যয় যুক্ত করে দারিদ্র্যতা লেখা সম্পূর্ণ ভুল। উদাহরণ ২: তার মহানুভবতা আমাদের মুগ্ধ করেছে ব্যাখ্যা: মহৎ শব্দের সঙ্গে ত্ব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মহত্ত্ব এবং মহানুভব শব্দের সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মহানুভবতা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৈন্যতা সর্বদা মহত্বের পরিচায়ক নয় — এখানে দৈন্যতা এবং মহত্ব দুটি শব্দই বানানগত ও প্রত্যয়গতভাবে ভুল। B) দৈন্যতা সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয় — এখানে মহত্ত্ব সঠিক হলেও দৈন্যতা শব্দটি অতিরিক্ত তা প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার কারণে ভুল। C) দৈন্য সর্বদা মহত্বের পরিচায়ক নয় — এখানে দৈন্য সঠিক হলেও মহত্ব শব্দটিতে ত এর নিচে হসন্ত বা অতিরিক্ত বর্ণজনিত বানান ভুল রয়েছে। D) সঠিক অপশন — এই অপশনটিতে দৈন্য এবং মহত্ত্ব উভয় শব্দই বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - দৈন্য অথবা দারিদ্র্য একা বসলে শুদ্ধ হয়, এদের সঙ্গে অতিরিক্ত তা যুক্ত করলে দ্বিরুক্ত দোষে দুষ্ট হয়। - মহৎ শব্দের সঠিক রূপ মহত্ত্ব, তাই লেখার সময় হ এর নিচে ত যুক্ত বর্ণ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দৈন্যতা বনাম দৈন্য এবং মহত্ব বনাম মহত্ত্ব সংক্রান্ত বাক্যশুদ্ধি আসে। - ব্যাকরণগত শুদ্ধির ক্ষেত্রে প্রত্যয় যুক্ত করার নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a অনুলােম-প্রতিলােম
b নশ্বর-শাশ্বত
c গরিষ্ঠ-লঘিষ্ঠ
d হৃষ্ট-পুষ্ট
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হৃষ্ট-পুষ্ট ১. কেন সঠিক: - 'হৃষ্ট' এবং 'পুষ্ট' শব্দ দুটি বিপরীতার্থক নয়, বরং সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। - 'হৃষ্ট' অর্থ আনন্দিত বা প্রফুল্ল এবং 'পুষ্ট' অর্থ পুষ্টিযুক্ত বা পরিপুষ্ট, যা একত্রে সুস্থ ও সবল বোঝাতে জোড়ায় ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - শব্দজোড় বা পদ জোড় হলো এমন কিছু শব্দ যা পাশাপাশি বসে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে এবং এদের মধ্যে কিছু জোড় বিপরীতার্থক হয়। - প্রদত্ত প্রশ্নে তিনটি অপশনে বিপরীতার্থক শব্দের জোড় রয়েছে কিন্তু শেষ অপশনটিতে সমার্থক বা পরিপূরক শব্দের জোড় ব্যবহার করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চেনা-জানা ব্যাখ্যা: এটি বিপরীতার্থক শব্দ নয়, বরং সমার্থক বা পরিচিতি অর্থে ব্যবহৃত একটি শব্দজোড়। উদাহরণ ২: হাসি-খুশি ব্যাখ্যা: এটিও বিপরীতার্থক শব্দ নয়, আনন্দ বোঝাতে সমার্থক শব্দ দুটি জোড় হিসেবে বসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুলোম-প্রতিলোম — এই শব্দ জোড়টি পরস্পর বিপরীতার্থক কারণ অনুলোম মানে অনুকূল এবং প্রতিলোম মানে প্রতিকূল। B) নশ্বর-শাশ্বত — এই শব্দ জোড়টি পরস্পর বিপরীতার্থক কারণ নশ্বর মানে যার বিনাশ আছে এবং শাশ্বত মানে যা চিরন্তন। C) গরিষ্ঠ-লঘিষ্ঠ — এই শব্দ জোড়টি পরস্পর বিপরীতার্থক কারণ গরিষ্ঠ মানে সবচেয়ে বড় এবং লঘিষ্ঠ মানে সবচেয়ে ছোট। D) হৃষ্ট-পুষ্ট — এই অপশনটি সঠিক কারণ হৃষ্ট ও পুষ্ট বিপরীতার্থক নয়, বরং সমার্থক বা পরিপূরক শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: - হৃষ্ট-পুষ্ট মানে একসাথে সুস্থ ও মোটা-সোটা বোঝায়, তাই এরা বন্ধু বা সমার্থক শব্দ, শত্রু বা বিপরীত শব্দ নয়। - পরীক্ষার হলে শব্দ দুটির অর্থ আলাদা করে চিন্তা করলে বিপরীত না সমার্থক তা সহজেই ধরা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দজোড়কে বিপরীতার্থক শব্দের সাথে মিলিয়ে প্রশ্ন করা হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য প্রতিটি শব্দের আলাদা অর্থ জানা অত্যন্ত জরুরি।
a মনীষী
b মনিষি
c মনীষি
d মনিষী
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মনীষী ১. কেন সঠিক: মনীষী শব্দটি প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী ম, দন্ত ন, দীর্ঘ ই কার, মূর্ধন্য ষ এবং দীর্ঘ ই কার দিয়ে গঠিত। এর অর্থ জ্ঞানী ব্যক্তি, প্রাজ্ঞ বা মনস্বী। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী সংস্কৃত তৎসম শব্দে ই বা ঈ কার এবং উ বা ঊ কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। মনীষী একটি তৎসম শব্দ যেখানে প্রথম বর্ণে ই কার এবং শেষ বর্ণে ঈ কার যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরীক্ষা ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে নিয়ম অনুযায়ী ই কার ও দীর্ঘ ই কার ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: মন্ত্রী ব্যাখ্যা: পদমর্যাদা বা বিশেষ শব্দের ক্ষেত্রে অন্তে দীর্ঘ ই কার ব্যবহারের নিয়মের এটি একটি সঠিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনীষী — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক বানান এবং প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী গঠিত। B) মনিষি — এই বানানে শেষ বর্ণে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। C) মনীষি — এই বানানে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ই কার এবং শেষ বর্ণে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করা হয়েছে। D) মনিষী — এই বানানে প্রথম বর্ণে দন্ত ন এর পরিবর্তে মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে। ৫ মনে রাখার টিপস: মনীষী বানানে মনে রাখবে প্রথমে হ্রস্ব ই কার এবং শেষে দীর্ঘ ই কার বসে। তৎসম শব্দ হিসেবে এর বানানের রূপ সবসময় নির্দিষ্ট থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানান প্রায়ই আসে। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ধরনের বানান আয়ত্ত করা সম্ভব।
a কানাহরি দত্ত
b ভারতচন্দ্র
c মানিক দত্ত
d দাশু রায়
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দাশু রায় ১. কেন সঠিক: - দাশু রায় মঙ্গলকাব্যের কবি নন, তিনি উনিশ শতকের একজন বিখ্যাত পাচালি রচয়িতা। - মঙ্গলকাব্য ধারার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই কারণ মঙ্গলকাব্য মূলত মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ ধারা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রধান ধারা হলো মঙ্গলকাব্য যা মূলত দেবদেবীর মহিমা প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত হতো। - রামপ্রসাদ সেন বা দাশু রায় পরবর্তী যুগের কবি, তাই তারা মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্তর্ভুক্ত নন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত মঙ্গলকাব্য এবং এর রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর। উদাহরণ ২: মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর চণ্ডীমঙ্গল ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানাহরি দত্ত — ইনি মধ্যযুগের মনসামঙ্গল কাব্যের একজন অন্যতম কবি হিসেবে পরিচিত। B) ভারতচন্দ্র — ইনি অন্নদামঙ্গল কাব্য রচনা করে মঙ্গলকাব্য ধারার সমাপ্তি ঘটিয়েছেন। C) মানিক দত্ত — ইনি মনসামঙ্গল কাব্যের প্রাচীনতম কবিদের মধ্যে একজন হিসেবে স্বীকৃত। D) দাশু রায় — ইনি মঙ্গলকাব্যের কবি নন বরং উনিশ শতকের একজন প্রখ্যাত পাচালি ও গানের কবি। ৫ মনে রাখার টিপস: - মঙ্গলকাব্যের কবিদের মনে রাখতে কানাহরি, ভারত ও মানিক এই নামগুলো মাথায় রাখতে পারো। - দাশু রায় পাচালি গানের জন্য বিখ্যাত, তাই তিনি মঙ্গলকাব্যের কবি নন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের শেষ কবি হিসেবে ভারতচন্দ্রকে মনে রাখা চাকরির পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি। - পাচালি সাহিত্য ও মঙ্গলকাব্য ধারা সম্পূর্ণ আলাদা দুটি সময়কাল ও রূপকে নির্দেশ করে।
a জন ক্লার্ক মার্শম্যান
b উইলিয়াম কেরি
c জর্জ আব্রাহাম গ্রিয়ার্সন
d ডেভিড হেয়ার
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জন ক্লার্ক মার্শম্যান ১. কেন সঠিক: - সমাচার দর্পণ ১৮১৮ সালে প্রকাশিত বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র। - এই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন বিশিষ্ট ব্রিটিশ সাংবাদিক ও ইতিহাসবিদ জন ক্লার্ক মার্শম্যান। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীরামপুর ব্যাপ্টিস্ট মিশনের উদ্যোগে সমাচার দর্পণ পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়। - বাংলা গদ্যের বিকাশ এবং সংবাদপত্রের ইতিহাসে এই পত্রিকার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিগদর্শন ব্যাখ্যা: সমাচার দর্পণ প্রকাশের আগে ১৮১৮ সালে জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় প্রকাশিত প্রথম মাসিক পত্রিকা। উদাহরণ ২: সংবাদ প্রভাকর ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত বাংলা ভাষার অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদপত্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জন ক্লার্ক মার্শম্যান — ইনি সমাচার দর্পণ পত্রিকার প্রথম সফল ও প্রামাণিক সম্পাদক ছিলেন। B) উইলিয়াম কেরি — ইনি শ্রীরামপুর মিশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বাংলা গদ্যচর্চায় অবদান রাখলেও এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। C) জর্জ আব্রাহাম গ্রিয়ার্সন — ইনি বিখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও সার্ভে অব ইন্ডিয়ার কর্মকর্তা ছিলেন, সমাচার দর্পণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। D) ডেভিড হেয়ার — ইনি বাংলার শিক্ষা বিস্তার ও হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন, সংবাদপত্র সম্পাদক ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: - সমাচার দর্পণের সম্পাদক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো মার্শম্যান সাহেবের দর্পণ। - প্রথম সংবাদপত্র প্রকাশের ক্ষেত্রে মার্শম্যান নামটি সর্বদাই অগ্রগণ্য। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমাচার দর্পণ প্রকাশিত হয় ১৮১৮ সালের ২৩শে মে শ্রীরামপুর থেকে। - বাংলা সংবাদপত্র ও সাময়িকী থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
a স্মৃতি কথামালা
b আত্মকথা
c আত্মচরিত
d আমার কথা
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আত্মচরিত ১. কেন সঠিক: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একমাত্র আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হলো আত্মচরিত। - এটি তাঁর মৃত্যুর পর ১৮৯১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এতে তাঁর জীবনের নানা ঘটনার পরিচয় পাওয়া যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর হলেন বাংলা গদ্যের পজনক এবং ঊনবিংশ শতকের প্রধান সামাজিক সংস্কারক। - তাঁর রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো বেতালপঞ্চবিংশতি, শকুন্তলা, সীতার বনবাস এবং বর্ণমালা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভ্রান্তিবিলাস ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একটি বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ যা শেক্সপিআরের কমেডি অফ এররস অবলম্বনে রচিত। উদাহরণ ২: কথামালা ব্যাখ্যা: এটি তাঁর রচিত একটি জনপ্রিয় অনুবাদ গ্রন্থ যা ঈশপের ফবলস অবলম্বনে নীতিশিক্ষা মূলক গল্পের সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্মৃতি কথামালা — এই নামে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের কোনো মৌলিক বা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ নেই। B) আত্মকথা — এটি পন্ডিত শিবনাথ শাস্ত্রীর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ, বিদ্যাসাগরের নয়। D) আমার কথা — এটি কোনো বিখ্যাত সাহিত্যিকের আত্মজীবনীর সঠিক নাম নয়, যা বিদ্যাসাগরের সঙ্গে সম্পর্কিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদ্যাসাগরের চরিত্র ছিল দৃঢ় ও স্পষ্ট, তাই তিনি নিজের জীবনচরিত লিখেছেন আত্মচরিত নামে। - আত্মচরিত শব্দটি বিদ্যাসাগরের নামের সঙ্গে যুক্ত করলেই সঠিক উত্তর পাওয়া যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আত্মজীবনী ও আত্মকথার মধ্যে পার্থক্য মনে রাখা জরুরি কারণ বিভিন্ন লেখকের আত্মজীবনী প্রায়ই গুলিয়ে যায়। - বাংলা গদ্যের ইতিহাস থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদ্যাসাগরের রচনা সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a খুলনার দক্ষিণ ডিহি
b ছােটনাগপুর মালভূমি
c যশােরের কেশবপুর
d কুষ্টিয়ার শিলাইদহ
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) খুলনার দক্ষিণ ডিহি ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বংশপরিচয় ও আদিবসতি সংক্রান্ত। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্বপুরুষের আদিবসতি ছিল খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার দক্ষিণ ডিহি গ্রামে। এই বিষয়টি কবিগুরুর পারিবারিক ইতিহাস এবং তাঁর পিতৃবংশ ও মাতৃকুলের সঙ্গে খুলনার সংযোগের কারণে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, নাট্যকার, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক। তাঁর পূর্বপুরুষেরা মূলত খুলনার দক্ষিণ ডিহি থেকে পরবর্তীকালে কলকাতার জোড়াসাঁকোয় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। এছাড়া তাঁর স্ত্রী মৃণালিনী দেবীর পৈতৃক নিবাসও ছিল এই খুলনার দক্ষিণ ডিহি গ্রামে, যা তাঁর জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুষ্টিয়ার শিলাইদহ ব্যাখ্যা: শিলাইদহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জমিদারি দেখাশোনার প্রধান কেন্দ্র ছিল যেখানে তিনি তাঁর বিখ্যাত অনেক সাহিত্যকর্ম রচনা করেছেন। উদাহরণ ২: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর ব্যাখ্যা: শাহজাদপুরও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জমিদারি এলাকার অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং এখানেও তিনি দীর্ঘদিন বসবাস করে সাহিত্যচর্চা করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খুলনার দক্ষিণ ডিহি — এটি সঠিক উত্তর কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্বপুরুষের আদিবসতি এই অঞ্চলেই ছিল। B) ছোটনাগপুর মালভূমি — এটি ভুল অপশন কারণ এই অঞ্চলের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বংশপরিচয়ের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। C) যশােরের কেশবপুর — এটি ভুল কারণ এটি কবিগুরুর পূর্বপুরুষের আদিবসতি নয়, যদিও এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মস্থানের নিকটবর্তী এলাকা। D) কুষ্টিয়ার শিলাইদহ — এটি ভুল কারণ শিলাইদহ তাঁর আদিবসতি নয়, বরং তাঁর জমিদারি পরিচালনার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ও আবাসস্থল ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের পূর্বপুরুষের আদিবসতি মনে রাখতে মনে রাখুন পুরুষ মানে পুরুষ মানুষ আর দক্ষিণ ডিহি হলো কবির পৈতৃক শেকড়। পৈতৃক শেকড় বা পূর্বপুরুষের আসল ঠিকানা খুঁজতে হলে খুলনার দক্ষিণ ডিহি মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে। এই ধরনের প্রশ্নে জন্মস্থান জোড়াসাঁকো এবং আদিবসতি দক্ষিণ ডিহি গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a প্রবােধ চন্দ্র সেন
b প্রমথ চৌধুরী
c প্রমথনাথ বিশি
d প্রদ্যুম্ন মিত্র
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - 'তেল নুন লকড়ি' প্রমথ চৌধুরী রচিত একটি বিখ্যাত প্রমন্থ সংকলন বা প্রবন্ধগ্রন্থ। - এটি মূলত তাঁর চিন্তাশীল ও মননশীল প্রবন্ধের একটি সংকলন যা বাংলা গদ্যে নতুন ধারা এনেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলতি গদ্যরীতির প্রবর্তক এবং বীরবল ছদ্মনামের জন্য সর্বাধিক পরিচিত। - তাঁর সাহিত্যিক অবদান বাংলা প্রবন্ধ সাহিত্যকে গুরুগম্ভীর ভাব থেকে মুক্ত করে লঘু ও তীক্ষ্ণ বুদ্ধিবৃত্তিক রূপ দিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'বীরবলের হালখাতা' ব্যাখ্যা: এটিও প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ। উদাহরণ ২: 'চটকদার কাহিনী' ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর আরও একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রবােধ চন্দ্র সেন — ইনি একজন প্রখ্যাত ছন্দবিদ ও সাহিত্য গবেষক হলেও আলোচ্য গ্রন্থটি তাঁর রচিত নয়। B) প্রমথ চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। C) প্রমথনাথ বিশি — ইনি একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সমালোচক হলেও এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন। D) প্রদ্যুম্ন মিত্র — ইনি এই গ্রন্থের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো উল্লেখযোগ্য লেখক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ মনে রাখার জন্য 'বীরবলের তেল নুন' এই সূত্রটি মনে রাখতে পারো। - বীরবল ছদ্মনামের আড়ালেই তিনি সমাজ ও জীবনের নানা দিক নিয়ে প্রবন্ধ লিখেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম এবং তাঁর প্রবন্ধগ্রন্থ বারবার আসে। - 'সবুজ পত্র' পত্রিকার সম্পাদনার মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্যে চলতি রীতির আন্দোলন গড়ে তোলেন।
a কৃষ্ণকুমারী
b সধবার একাদশী
c শর্মিষ্ঠা
d নীলদর্পণ
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কৃষ্ণকুমারী কেন সঠিক: - এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক। - এই নাটকে রাজপ্রাসাদের ষড়যন্ত্র এবং পরিণামে রাজকুমারীর আত্মহত্যার মাধ্যমে গভীর ট্রাজেডির রূপায়ন ঘটেছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নাটকটি ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি ঐতিহাসিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত। - সংস্কৃত বা পাশ্চাত্য নাট্যরীতির প্রভাবে রচিত হলেও এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে প্রথম পূর্ণাঙ্গ ট্রাজেডি হিসেবে স্বীকৃত। - এই নাটকের প্রধান চরিত্রগুলি হলো অভিমন্যু, মদনিকা, রাজর্ষি ভীমসিংহ এবং রাজকুমারী কৃষ্ণকুমারী। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কৃষ্ণকুমারী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। - B) সধবার একাদশী — এটি দিনবন্ধু মিত্র রচিত একটি সামাজিক প্রহসন, কোনো ট্রাজেডি নাটক নয়। - C) শর্মিষ্ঠা — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাটক হলেও এটি প্রথম সার্থক পৌরাণিক কমেডি বা রোমান্টিক নাটক, ট্রাজেডি নয়। - D) নীলদর্পণ — এটি দীনবন্ধু মিত্র রচিত একটি বিখ্যাত নাটক যা নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের ওপর ভিত্তি করে লেখা রাজনৈতিক ও সামাজিক নাটক। মনে রাখার টিপস: - মধুসূদন দত্তের প্রথম নাটক শর্মিষ্ঠা হলেও প্রথম সার্থক ট্রাজেডি হলো কৃষ্ণকুমারী।
a রােমান্সমূলক উপন্যাস
b ঐতিহাসিক উপন্যাস
c বিয়ােগান্তক নাটক
d সামাজিক উপন্যাস
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রোমান্সমূলক উপন্যাস ১. কেন সঠিক: - 'পাল কুণ্ডলা' একটি রোমান্সমূলক উপন্যাস যার মূল সুর প্রেম ও কল্পনাভিত্তিক কাহিনীর ওপর প্রতিষ্ঠিত। - এই উপন্যাসে বাস্তব জীবনের কঠিন সামাজিক সংকটের চেয়ে আবেগ এবং প্রেমের প্রকাশ বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'পাল কুণ্ডলা' উপন্যাসের রচয়িতা সম্পর্কে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে এবং এটি রোমান্টিক ধারার একটি পরিচিত কাজ। - বাংলা উপন্যাসের বিকাশ ধারায় রোমান্সমূলক উপন্যাসের ক্ষেত্রে প্রেম ও কল্পনার অপূর্ব মিশ্রণ লক্ষ্য করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত সামাজিক ও পারিবারিক উপন্যাস যেখানে পরকীয়া প্রেমের পরিণতি দেখানো হয়েছে। উদাহরণ ২: কপালকুণ্ডলা ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই বিখ্যাত উপন্যাসটি রোমান্সমূলক উপন্যাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোমান্সমূলক উপন্যাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রশ্নোক্ত সাহিত্যকর্মটি রোমান্টিক ধারার উপন্যাস। B) ঐতিহাসিক উপন্যাস — এটি সঠিক নয় কারণ ঐতিহাসিক উপন্যাসের প্রধান ভিত্তি ইতিহাস ও সত্য ঘটনা হলেও এটি সম্পূর্ণ কল্পনামূলক রোমান্স। C) বিয়োগান্তক নাটক — এটি ভুল কারণ নাটক এবং উপন্যাস সম্পূর্ণ দুটি ভিন্ন সাহিত্যরূপ। D) সামাজিক উপন্যাস — এটি সঠিক নয় কারণ সামাজিক উপন্যাসে সমাজের বাস্তব চিত্র ও সমস্যা ফুটিয়ে তোলা হয় যা এখানে প্রধান নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রোমান্সমূলক উপন্যাস মনে রাখার জন্য কল্পনার জগত এবং প্রেমের উপাখ্যানগুলো মাথায় রাখবে। - উপন্যাসের নাম এবং লেখকের ধারা মিলিয়ে পড়লে বিভ্রান্তি দূর হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মূল ধারার পাশাপাশি রোমান্টিক ধারার উপন্যাসগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়বে।
a “কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও?
b “অগ্নিগ্রাসী বিশ্বত্রাসি জাগুক আবার আত্মদান”
c “প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে তাই হেরি তায় সকল খানে”?
d “কি আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে নদীর কূলে”
0 138 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) “অগ্নিগ্রাসী বিশ্বত্রাসি জাগুক আবার আত্মদান” কেন সঠিক: - এই পংক্তিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো রচনা থেকে সংকলিত নয়। - এটি মূলত বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত বিপ্লবী কবিতা প্রলয়োল্লাস এর অন্তর্গত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কাজী নজরুল ইসলামের লেখার ধরণ এবং সুর সম্পূর্ণ আলাদা। - রবীন্দ্রনাথের কবিতায় সাধারণত বিশ্বপ্রকৃতি, প্রেম, আধ্যাত্মিকতা এবং শান্ত দার্শনিক সুর প্রকাশ পায়। - নজরুলের কবিতায় বিপ্লব, ধ্বংসের মধ্য দিয়ে নতুন সৃষ্টির বারতা এবং শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সুর জোরালোভাবে ফুটে ওঠে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) “কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও? — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা বিখ্যাত বাঁশরি কাব্যের একটি পংক্তি। - C) “প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে তাই হেরি তায় সকল খানে” — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতবিতান গ্রন্থের একটি জনপ্রিয় আধ্যাত্মিক গান। - D) “কি আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে নদীর কূলে” — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রকৃতির রূপবৈচিত্র্য নিয়ে লেখা একটি সুন্দর কাব্যপংক্তি। মনে রাখার টিপস: - অগ্নিগ্রাসী বা বিশ্বত্রাস শব্দের মতো বিপ্লবী শব্দগুলো সাধারণত কাজী নজরুল ইসলামের লেখার সাথে বেশি মিলে যায়।
a আমাণে গতার সহচারী
b রামায়ণে লক্ষণের প্রণয়প্রার্থী নারী
c মহাভারতে দুর্যোধনের স্ত্রী
d মহাভারতে পাঁচ ভাইয়ের একক স্ত্রী
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মহাভারতে পাঁচ ভাইয়ের একক স্ত্রী ১. কেন সঠিক: মহাভারতের আদিপর্বে বর্ণিত হয়েছে যে পাণ্ডব পাঁচ ভাই অর্থাৎ যুধিষ্ঠির, ভীম, অর্জুনা, নকুল ও সহদেব যৌথভাবে দ্রৌপদীকে বিবাহ করেছিলেন। দ্রৌপদীর অন্য নাম কৃষ্ণা, পাঞ্চালী ও যাজ্ঞসেনী, যিনি পাঁচ পাণ্ডবের একমাত্র যৌথ বা একক স্ত্রী হিসেবে মহাকাব্যে পরিচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহাকাব্য মহাভারত প্রাচীন ভারতের দুটি প্রধান সংস্কৃত মহাকাব্যের অন্যতম, যার রচয়িতা ঋষি বেদব্যাস। দ্রৌপদী চরিত্রটি মহাভারতের মূল কাহিনীর চালিকাশক্তি এবং তাঁর অপমান কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দ্রৌপদী পাঁচ পাণ্ডবের মহিষী হিসেবে স্বয়ম্বর সভায় অর্জুনের দ্বারা জয়ী হলেও পরবর্তীতে মায়ের আদেশে পাঁচ ভাইয়ের স্ত্রী হন। ব্যাখ্যা: এই ঘটনাটি মহাভারতের যৌথ পরিবারের সামাজিক প্রেক্ষাপট এবং মাতৃতান্ত্রিক প্রভাবের একটি ঐতিহাসিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: কুন্তী দেবীর একটি বাক্যের কারণে পাঁচ ভাই যৌথভাবে দ্রৌপদীকে পত্নী হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। ব্যাখ্যা: মাতৃভক্তির এমন চরম বহিঃপ্রকাশ এবং বচনের মর্যাদা রক্ষার অনন্য দৃষ্টান্ত মহাভারতেই কেবল দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমাণে গতার সহচারী — এই অপশনটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক এবং বাংলা সাহিত্যে বা পুরাণে এর কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। B) রামায়ণে লক্ষণের প্রণয়প্রার্থী নারী — রামায়ণে লক্ষণের প্রতি অনুরক্ত কোনো প্রধান নারী চরিত্রের নাম দ্রৌপদী বা দোপণী নয়। C) মহাভারতে দুর্যোধনের স্ত্রী — মহাভারতে দুর্যোধনের স্ত্রীর নাম ভানুমতী, দ্রৌপদী নন। D) মহাভারতে পাঁচ ভাইয়ের একক স্ত্রী — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি মহাভারতের মূল কাহিনীর সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: মহাভারতের পঞ্চপাণ্ডবের সঙ্গে দ্রৌপদীর নাম সব সময় মনে রাখবে কারণ পাঁচ ভাইয়ের এক স্ত্রী হিসেবে তিনি মহাভারতে অনন্য। দ্রৌপদীর অপর নাম পাঞ্চালী, যা তাঁর দেশ অর্থাৎ পাঞ্চাল রাজ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মহাভারতের নারী চরিত্র ও তাঁদের স্বামী বা পরিচয় সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। মূল চরিত্র যেমন দ্রৌপদী, কুন্তী ও গান্ধারীর পরিচয় ভালোভাবে আয়ত্ত করলে মহাভারত সম্পর্কিত যেকোনো উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব।
a ঠোটের পরশে পান লাল হল
b পানের পরশে ঠোট লাল হল
c অস্তাচলগামী সূর্যের আভায় মুখ রক্তিম দেখা গেল
d অস্তাচলগামী সূর্য ও মুখ একই রকম লাল হয়ে গেল
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঠোটের পরশে পান লাল হল ১. কেন সঠিক: - এই চরণে পানের প্রভাবে অধর বা ঠোঁটের লাল হয়ে যাওয়ার কাব্যিক প্রকাশ ঘটেছে। - পানের সাথে চুন ও খয়ের খাওয়ার ফলে ঠোঁট লাল বা রক্তিম হয়ে ওঠে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি প্রাচীন সাহিত্যিক উদ্ধৃতি বা পদাবলীর অংশ বিশেষ। - বৈষ্ণব পদাবলী বা মধ্যযুগের কাব্যে নায়িকার রূপবর্ণনায় এই ধরনের অলংকারবহুল ভাষার ব্যবহার দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চরণে নূপুর বাজে। ব্যাখ্যা: এটি নাচের সময় পায়ের শব্দ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: অঙ্গে অলংকার শোভে। ব্যাখ্যা: এটি সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য শরীরে গহনা পরার কাব্যিক প্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঠোটের পরশে পান লাল হল — এটি মূল পদের ভাবার্থের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। B) পানের পরশে ঠোট লাল হল — এটি পানের সাথে ঠোঁটের সম্পর্ক উল্টোভাবে উপস্থাপন করে, যা সঠিক নয়। C) অস্তাচলগামী সূর্যের আভায় মুখ রক্তিম দেখা গেল — এটি সূর্যাস্তের প্রাকৃতিক দৃশ্য বোঝায়, যা পানের পংক্তির সাথে সম্পর্কিত নয়। D) অস্তাচলগামী সূর্য ও মুখ একই রকম লাল হয়ে গেল — এটি রূপক তুলনা হলেও পানের লাল হওয়ার কাব্যাংশের অর্থ প্রকাশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - তাম্বুল শব্দের অর্থ পান এবং অধর শব্দের অর্থ ঠোঁট। - এই শব্দার্থ জানলে পদের মূল অর্থ সহজে অনুমান করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন ও মধ্যযুগের কাব্যাংশের অর্থ প্রায়ই আসে। - অপরিচিত পংক্তির ক্ষেত্রে কঠিন শব্দগুলোর অর্থ আলাদা করে বুঝে নিতে হবে।
a 4
b 7
c 2
d 9
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 2 ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি মূলত বুদ্ধিমত্তা বা গাণিতিক যান্ত্রিকতা সম্পর্কিত হলেও এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সাধারণ মানসিক দক্ষতা অংশের অন্তর্ভুক্ত। - প্রশ্নবোধক স্থানে ২ সংখ্যাটি বসবে কারণ এটি নির্দিষ্ট গাণিতিক বিন্যাস বা প্যাটার্ন অনুসরণ করে সঠিক মান নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই ধরনের মানসিক দক্ষতার প্রশ্নগুলোতে সাধারণত সংখ্যাগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক, যোগ, বিয়োগ, গুণ বা ভাগের নিয়ম কাজ করে। - প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে একমাত্র সি অপশনের সংখ্যাটিই নির্দিষ্ট শর্ত বা প্যাটার্ন পূর্ণ করতে সক্ষম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ৩, ৬, ৯, ১২ ধারার পরবর্তী সংখ্যাটি কত ব্যাখ্যা: প্রতিটি পদের সাথে ৩ যোগ করে পরবর্তী পদ নির্ণয় করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ২, ৪, ৮, ১৬ ধারার পরবর্তী সংখ্যাটি কত ব্যাখ্যা: প্রতিটি পদকে ২ দ্বারা গুণ করে পরবর্তী পদ নির্ণয় করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 4 — এটি নির্দিষ্ট নিয়মের সঙ্গে মিলছে না এবং সঠিক ফলাফল প্রদান করে না। B) 7 — এটি গাণিতিক বিন্যাসের শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হয়। C) 2 — এটি সঠিক উত্তর যা শর্ত পূরণ করে। D) 9 — এটি অতিরিক্ত বা অপ্রাসঙ্গিক সংখ্যা যা প্যাটার্ন নষ্ট করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মানসিক দক্ষতার প্রশ্ন সমাধানের সময় প্রথমে সংখ্যাগুলোর মধ্যকার ব্যবধান বা অনুপাত বের করতে হবে। - কোনো শর্টকাট প্রয়োগের আগে পুরো ধারা বা ছক ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানসিক দক্ষতা অংশে এমন গাণিতিক পাজল প্রায়ই আসে। - নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে কম সময়ে এই ধরনের সমস্যার সঠিক সমাধান করা সম্ভব।
a নিরঞ্জনের রুম্মা
b গুপিচন্দ্রের সন্ন্যাস
c দোহাকোষ
d ময়নামতির গান
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দোহাকোষ ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক নিদর্শন হলো চর্যাপদ। চর্যাপদের পাশাপাশি প্রাচীন যুগের আরও কিছু ধর্মীয় ও তাত্ত্বিক রচনার অস্তিত্ব পাওয়া যায়, যার মধ্যে বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত 'দোহাকোষ' অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ। প্রশ্নটিতে প্রাচীন যুগের নিদর্শন হিসেবে চর্যাপদের উল্লেখ না থাকায়, প্রাপ্ত অপশনগুলোর মধ্যে পন্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক আবিষ্কৃত এবং বৌদ্ধ ধর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত 'দোহাকোষ' হলো প্রাচীন যুগের অন্যতম প্রাচীন ও প্রামাণিক একটি সাহিত্যিক নিদর্শন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ ধরা হয় ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালকে। এই যুগের একমাত্র নিশ্চিত নিদর্শন ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাচর্যবিনিশ্চয় বা চর্যাপদ আবিষ্কার করেন। চর্যাপদের পাশাপাশি তান্ত্রিক বৌদ্ধ ধর্মের চর্চা ও সাধনপদ্ধতি নিয়ে রচিত হয়েছিল দোহাকোষ, চর্যাগীতি এবং ডাকার্ণব জাতীয় কিছু গ্রন্থ, যা বাংলা ভাষার আদি রূপ ও বিকাশ সম্পর্কে ধারণা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সারাহপার দোহাকোষ ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন যুগের বৌদ্ধ সাধক সারাহপা কর্তৃক রচিত একটি বিখ্যাত দোহা সংকলন, যা প্রাচীন বাংলা ভাষার রূপ বুঝতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: কৃষ্ণপাদের দোহাকোষ ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন যুগের অপর এক সাধক কৃষ্ণপাদ বা কৃষ্ণাচাৰ্য পদের রচিত দোহা সংকলন, যা প্রাচীন যুগের সাহিত্য ও সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিরঞ্জনের রুম্মা — এটি মধ্যযুগের ধর্মমঙ্গল কাব্যধারার অন্তর্গত রামাই পণ্ডিত রচিত একটি পুথি, যা প্রাচীন যুগের নিদর্শন নয়। B) গুপিচন্দ্রের সন্ন্যাস — এটি মধ্যযুগের নাথ সাহিত্য ধারার অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত গান বা গাথা, যা প্রাচীন যুগের রচনা নয়। C) দোহাকোষ — এটি সঠিক উত্তর। D) ময়নামতির গান — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের নাথ সাহিত্যের একটি বিশেষ রচনা, যা প্রাচীন যুগের আওতাভুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রাচীন যুগের নিদর্শন মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে যে, চর্যাপদের পাশাপাশি দোহাকোষ, ডাকার্ণব ও প্রাকৃত পৈঙ্গল প্রাচীন যুগের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের দোহা বা পদ মানেই তা প্রাচীন যুগের তাত্ত্বিক সাহিত্যকর্ম হিসেবে গণ্য করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রাপ্ত নিদর্শন চর্যাপদ এবং এর ভাষা অবহট্ঠ বা সান্ধ্য ভাষা নামে পরিচিত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন যুগের অন্যান্য সাহিত্য নিদর্শন হিসেবে দোহাকোষ ও ডাকার্ণব সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a সলিল
b উদক
c জলধি
d নীর
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জলধি ১. কেন সঠিক: - 'জলধি' শব্দের সঠিক অর্থ হলো সমুদ্র বা সাগর, যা পানির আধার বোঝায়। - প্রশ্নানুসারে কোনটি পানির বা জলের সমার্থক নয়, তা নির্ণয় করতে বলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক বা প্রতিশব্দ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। - 'জল' শব্দের সঙ্গে 'ধি' (ধারণ করা) যুক্ত হয়ে সমুদ্র বা 'জলধি' গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বারিধি ব্যাখ্যা: এটিও সমুদ্রের একটি সমার্থক শব্দ, যার অর্থ পানির আধার। উদাহরণ ২: পয়োনিধি ব্যাখ্যা: এটিও সমুদ্র বা সাগর অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং জলের সমার্থক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সলিল — এটি জলের একটি অত্যন্ত প্রচলিত সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তরের চাহিদা পূরণ করে না। B) উদক — এটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আসা জলের একটি চমৎকার সমার্থক শব্দ। C) জলধি — এটি সমুদ্র বা সাগর অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা সরাসরি জল বা পানির সমার্থক শব্দ নয়। D) নীর — এটিও জলের অন্যতম একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - শব্দের শেষে 'ধি' বা 'নিধি' থাকলে সাধারণত তা সমুদ্রকে বোঝায়, যা জল থেকে আলাদা। - 'জল' শব্দের সমার্থকগুলোর সঙ্গে 'ধি' বা 'ধিরাজ' যুক্ত থাকলে তা সমুদ্রের প্রতিশব্দ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পানির সমার্থক শব্দগুলোর সঙ্গে 'ধি' বা 'নিধি' যুক্ত হলে তা সমুদ্রের সমার্থক শব্দে পরিণত হয়। - পরীক্ষার হলে শব্দের মূল অর্থ এবং শেষাংশের পরিবর্তন ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে।
a amazingly
b shockingly
c steadily
d rapidly
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) rapidly কেন সঠিক: - Exponentially শব্দের অর্থ হলো জ্যামিতিক হারে বা খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া। - প্রদত্ত বাক্যে ঢাকার শব্দের মাত্রা খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে বোঝাতে rapidly শব্দটি নিখুঁতভাবে মানানসই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) amazingly — এর অর্থ বিস্ময়করভাবে, যা শব্দের তীব্র বা দ্রুত বৃদ্ধির বৈজ্ঞানিক বা বাস্তবসম্মত হার প্রকাশ করে না। B) shockingly — এর অর্থ গভীরভাবে মর্মাহত করার মতো, যা এখানে শব্দের মাত্রা বৃদ্ধির গতির চেয়ে আবেগকে বেশি প্রকাশ করে। C) steadily — এর অর্থ স্থিতিশীল বা ধীরস্থিরভাবে, যা শব্দের মাত্রা হু হু করে বাড়ার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) rapidly — এর অর্থ দ্রুতগতিতে, যা exponentially শব্দের সমার্থক হিসেবে এখানে সম্পূর্ণ সঠিক। মনে রাখার টিপস: Exponentially বৃদ্ধি মানেই হলো দ্রুত বা rapidly বৃদ্ধি পাওয়া।
a Mister
b Mistress
c Master
d Mastery
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Master কেন সঠিক: Master শব্দটি noun হিসেবে মনিব বা প্রভু বোঝালেও এটি verb হিসেবে কোনো বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করা বা নিয়ন্ত্রণ করা অর্থে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। ইংরেজি ব্যাকরণে একই শব্দ বিভিন্ন Parts of Speech হিসেবে কাজ করতে পারে এবং Master তার মধ্যে একটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mister — এটি একটি title বা উপাধি যা পুরুষদের নামের আগে সম্মান সূচক হিসেবে বসে এবং কখনো verb হয় না। B) Mistress — এটি একটি noun যা গৃহকর্ত্রী বা প্রভুপত্নী বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এর কোনো verb রূপ নেই। C) Master — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না। D) Mastery — শব্দের শেষে ry যুক্ত থাকায় এটি একটি noun যা কোনো বিষয়ে পূর্ণ দক্ষতাকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ দিয়ে কোনো কাজ করা বোঝায় বা কোনো কিছু আয়ত্ত করার অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে verb হিসেবে চেনা যায়।
a record
b time frame
c written records
d written analysis
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) written records কেন সঠিক: এখানে 'minutes of the meeting' বলতে সভার কার্যবিবরণী বা লিখিত দলিলকে বোঝানো হয়েছে। ইংরেজি পরিভাষায় আনুষ্ঠানিক সভার লিখিত বিবরণ বোঝাতে 'written records' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) record — এটি সঠিক হলেও বহুবচন এবং 'written records' এর মতো সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে না। B) time frame — এটি দিয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা বোঝায় যা সভার কার্যবিবরণীর সাথে মেলে না। C) written records — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) written analysis — এটি দিয়ে কোনো বিষয়ের লিখিত বিশ্লেষণ বোঝায়, যা সভার কার্যবিবরণী নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বাক্যে 'minutes' শব্দটি সময় না বুঝিয়ে সভার লিখিত বিবরণ বা কার্যবিবরণী অর্থে ব্যবহৃত হয়।
a These
b Those
c Thus
d That
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) That কেন সঠিক: - শূন্যস্থানের পরের নাউনটি (song) একবচন এবং এর পূর্বে 'amazing' বিশেষণটি থাকায় নির্দিষ্ট ও একবচন নির্দেশক Demonstrative Pronoun হিসেবে 'That' ব্যবহৃত হয়েছে। - দূরবর্তী কোনো একক বস্তুকে নির্দেশ করতে Singular Noun-এর পূর্বে 'That' বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) These — এটি plural form, তাই singular noun 'song'-এর পূর্বে বসতে পারে না। B) Those — এটি plural form, তাই singular noun 'song'-এর পূর্বে বসতে পারে না। C) Thus — এটি একটি Adverb, যার অর্থ 'এইভাবে', তাই noun-এর পূর্বে determiners হিসেবে বসে না। D) That — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি singular noun-এর পূর্বে বসে। মনে রাখার টিপস: শূন্যস্থানের পরের nounটি একবচন হলে This বা That বসবে, আর বহুবচন হলে These বা Those বসবে।
a Record of rules
b Procedures
c Summary of rules
d Problems
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Record of rules কেন সঠিক: protocol শব্দটির শাব্দিক অর্থ হলো নিয়মকানুন বা প্রটোকল বা নিয়মের দলিল। এখানে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু নিয়মের কথা বলা হয়েছে। তাই এর সঠিক অর্থ হলো নিয়মের রেকর্ড বা তালিকা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Record of rules — এটি সঠিক কারণ protocol শব্দের মূল অর্থ নিয়মের দলিল। B) Procedures — এটি কাজের প্রক্রিয়া বোঝায় কিন্তু প্রটোকল সরাসরি কেবল প্রক্রিয়া নয়। C) Summary of rules — এটি নিয়মের সারসংক্ষেপ বোঝায় যা প্রটোকলের পূর্ণাঙ্গ রূপ নয়। D) Problems — এটি সমস্যা নির্দেশ করে যা প্রটোকল শব্দের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: protocol শব্দ দেখলে সবসময় নিয়ম বা বিধিমালার রেকর্ড কথাটি মনে রাখবে।
a an epic poem
b a novella
c a one-act play
d a theatrical adaptation of a poem
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a one-act play কেন সঠিক: এটি বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার জে জে সিংট এর লেখা একটি জনপ্রিয় একক অংকের নাটক। নাটকের পুরো কাহিনীটি একটিমাত্র দৃশ্যে এবং খুব অল্প সময়ে সমাপ্ত হয়েছে। এতে আয়ারল্যান্ডের এক মাছধরা পরিবারের ট্র্যাজেডি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এটি বিশ্ব সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ট্র্যাজেডি হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an epic poem — এটি কোনো মহাকাব্যিক কবিতা নয়, কারণ এটি মঞ্চে অভিনয় করার জন্য রচিত একটি নাটক। B) a novella — এটি কোনো ছোট উপন্যাস নয়, বরং এটি দৃশ্যকাব্য বা নাটক হিসেবে রচিত হয়েছে। C) a one-act play — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) a theatrical adaptation of a poem — এটি কোনো কবিতার নাটকীয় রূপান্তর নয়, এটি একটি মৌলিক নাটক। মনে রাখার টিপস: জে জে সিংট এর 'Riders to the Sea' নাটকটি একটি মাত্র অংকে শেষ হয় বলে এটি এক অঙ্কের নাটক।
a Dylan Thomas
b Ezra Pound
c W. H. Audeno
d W. B. Yeats
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) W. B. Yeats কেন সঠিক: ডব্লিউ বি ইয়েটস আইরিশ সাহিত্যের একজন অত্যন্ত বিখ্যাত কবি ও নাট্যকার। তাঁর বিখ্যাত কবিতা দ্য লেক আইল অফ ইনিসফ্রি উনিশ শতকের শেষ দিকে প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dylan Thomas — ডিলান থমাস একজন ওয়েলশ কবি ছিলেন যিনি মূলত আধুনিক যুগের নানা জটিল ও ভাববাদী কবিতা রচনার জন্য বেশি পরিচিত। B) Ezra Pound — এজরা পাউন্ড একজন মার্কিন কবি ও সমালোচক যিনি আধুনিকতাবাদী কাব্য আন্দোলনের অন্যতম প্রধান রূপকার ছিলেন। C) W. H. Audeno — ডব্লিউ এইচ অডেন একজন ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত আমেরিকান কবি যিনি বিশ শতকের রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকটের নানা দিক ফুটিয়ে তুলেছেন। D) W. B. Yeats — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এই কবি তার গ্রামবাংলার নিসর্গ প্রেমের জন্য বিখ্যাত। মনে রাখার টিপস: ইনিসফ্রি একটি শান্ত দ্বীপের নাম আর ইয়েটস শান্ত প্রকৃতির কবি হিসেবে এটি লিখেছেন।
a increases (বৃদ্ধি করা)
b emphasizes (জোড় দেওয়া)
c encourages (উৎসাহ দেওয়া)
d involves (সম্পৃক্ত করা)
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) increases (বৃদ্ধি করা) কেন সঠিক: বাক্যটির অর্থ হলো মোটা হওয়া মানেই সরাসরি মৃত্যু নয়, তবে এটি মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এখানে 'risk' বা ঝুঁকি বাড়ানোর ক্ষেত্রে 'increases' শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত ও অর্থপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) increases — এটি সঠিক উত্তর। B) emphasizes — এর অর্থ জোর দেওয়া, যা ঝুঁকির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) encourages — এর অর্থ উৎসাহ দেওয়া, যা নেতিবাচক ঝুঁকির সাথে যায় না। D) involves — এর অর্থ সম্পৃক্ত করা, যা এখানে অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: ঝুঁকি বা সম্ভাবনা বেশি হওয়া বোঝালে সবসময় increases বা বাড়ানো শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
a to discriminate
b disintegrate
c differentiate
d dislocate
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) disintegrate কেন সঠিক: ১৮ শতকে ঔরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর মুঘল সাম্রাজ্যের পতন ও ভাঙন শুরু হয়েছিল। এই ঐতিহাসিক ঘটনার সাথে সামঞ্জস্য রেখে সঠিক ইংরেজি শব্দ হিসেবে disintegrate ব্যবহৃত হয়। শব্দটির অর্থ ভেঙে যাওয়া বা টুকরো টুকরো হয়ে যাওয়া। বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এই শব্দটি নিখুঁতভাবে মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) discriminate — এর অর্থ বৈষম্য করা, যা মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের ইতিহাসের সাথে মানানসই নয়। B) disintegrate — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল নেই। C) differentiate — এর অর্থ পার্থক্য করা, যা সাম্রাজ্যের পতনের এই বাক্যে অর্থ প্রকাশ করে না। D) dislocate — এর অর্থ স্থানচ্যুত করা, যা একটি বিশাল সাম্রাজ্যের পতনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মুঘল সাম্রাজ্যের পতন বোঝাতে ভেঙে যাওয়ার ইংরেজি শব্দ disintegrate মনে রাখবে।
a a Jew
b a Roman
c a Turk
d a Moor
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a Moor কেন সঠিক: শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি ওথেলো নাটকের মূল চরিত্র ওথেলো উত্তর আফ্রিকার মরোক্কোর একজন মুর বা কৃষ্ণাঙ্গ সামরিক সেনাপতি ছিলেন। নাটকে তাকে বারবার দ্য মুর অফ ভেনিস হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a Jew — শেক্সপিয়ারের দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস নাটকের শাইলক চরিত্রটি একজন ইহুদি ছিলেন, ওথেলো নন। B) a Roman — শেক্সপিয়ারের জুলিয়াস সিজার বা অ্যান্টনি অ্যান্ড ক্লিওপেট্রা নাটকগুলো রোমান সাম্রাজ্যের ইতিহাস নিয়ে রচিত। C) a Turk — নাটকে তুর্কিরা শত্রু পক্ষ হিসেবে উপস্থিত থাকলেও প্রধান চরিত্র ওথেলো নিজে তুর্কি ছিলেন না। D) a Moor — এই অপশনটি সঠিক কারণ নাটকের প্রধান চরিত্র ওথেলো নিজেই একজন মুর সম্প্রদায়ের মানুষ ছিলেন। মনে রাখার টিপস: ওথেলো নাটকের মূল চরিত্র ওথেলোকে সবসময় দ্য মুর অফ ভেনিস বলা হয়, তাই উত্তর হবে মুর।
a Sweet: Sour
b Injure: Incapacitate
c Stout: Weak
d Hook: Crook
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Injure: Incapacitate কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে শব্দের জোড়ার সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে, যেখানে দ্বিতীয় শব্দটি প্রথম শব্দটির পরবর্তী বা তীব্রতর ধাপ প্রকাশ করে। - আঘাত করা (Harm) থেকে ক্ষতি হওয়া (Damage) এবং আহত করা (Injure) থেকে পঙ্গু বা অক্ষম করা (Incapacitate) হলো একই তীব্রতার ক্রম বা মাত্রাগত রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sweet: Sour — এটি মিষ্টি ও টক, যা একে অপরের বিপরীতার্থক শব্দ এবং প্রশ্নের মাত্রাগত সম্পর্কের সাথে মিলে না। B) Injure: Incapacitate — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। C) Stout: Weak — এটি শক্ত বা শক্তিশালী এবং দুর্বল, যা সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থের শব্দ। D) Hook: Crook — এটি হুক এবং কাস্তে আকৃতির বস্তু, যা সমার্থক বা যন্ত্রবিশেষের নাম কিন্তু তীব্রতার ধাপ নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দের তীব্রতা বা মাত্রার ক্রম মনে রাখবে, যেমন ছোট ক্ষতি থেকে বড় ক্ষতি বা হালকা আঘাত থেকে গুরুতর অক্ষমতা।
a in the beginning
b at the height
c at the end
d in the confrontation
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) at the height কেন সঠিক: কাহিনীর মূল দ্বন্দ্ব বা উত্তেজনার সবচেয়ে তীব্র মুহূর্তকে ক্লাইম্যাক্স বলা হয়। এটি গল্পের মোড় ঘুরিয়ে দেয় এবং গল্পের শীর্ষবিন্দু প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in the beginning — গল্পের শুরুকে ইন্ট্রোডাকশন বা সূচনা বলা হয়, ক্লাইম্যাক্স নয়। B) at the height — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক্লাইম্যাক্স মানেই উত্তেজনার শীর্ষবিন্দু। C) at the end — গল্পের শেষ অংশকে রেজলিউশন বা সমাপ্তি বলা হয়। D) in the confrontation — এটি সংঘাতের পর্যায়, যা ক্লাইম্যাক্সের দিকে নিয়ে যায় মাত্র। মনে রাখার টিপস: পাহাড়ের চূড়াকে পিক বা হাইট বলা হয়, আর গল্পের চূড়াকে ক্লাইম্যাক্স বলা হয়।
a had
b might
c have
d Would
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) had কেন সঠিক: এটি তৃতীয় Conditional sentence এর নিয়ম যেখানে past unreal past বোঝানো হয়েছে। প্রথম অংশে could have এর সাথে verb এর past participle থাকায় অপর অংশে had বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had — এটি সঠিক উত্তর কারণ Perfect conditional গঠনে subject এর পরে had বসেছে। B) might — এখানে বসেছে could have, তাই একই সাথে আরেকটি modal verb বসে বাক্য গঠন করা ভুল। C) have — এটি present tense নির্দেশ করে, কিন্তু মূল বাক্যে past perfect এর অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। D) Would — এখানে বাক্যের অর্থ এবং নিয়ম অনুযায়ী দুটি modal verb একসাথে ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: Third conditional বাক্যে if এর পরে সবসময় had এবং মূল verb এর past participle বসে।
a Noun
b Adjective
c Adverb
d Preposition
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Adjective কেন সঠিক: এখানে disagreeable শব্দটি man নামক Noun-টির দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে। যে শব্দ কোনো Noun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে তাকে Adjective বলে। disagreeable শব্দটির আগে 'a' এবং 'rather' বসে এটিকে আরও স্পষ্ট করেছে। এটি বাক্যে Noun-এর ঠিক পূর্বে বসে Adjective-এর কাজ সম্পন্ন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Noun — Noun হলো কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম, কিন্তু এখানে disagreeable কোনো নাম বোঝাচ্ছে না। B) Adjective — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) Adverb — Adverb সাধারণত Verb, Adjective বা অন্য কোনো Adverb-কে modify করে, কিন্তু এখানে এটি man-কে বোঝাচ্ছে। D) Preposition — Preposition Noun বা Pronoun-এর আগে বসে সম্পর্ক বোঝায়, কিন্তু এখানে সেরকম কোনো কাজ হয়নি। মনে রাখার টিপস: noun কেমন বা কী প্রকৃতির তা জানতে 'how' বা কেমন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় সেটিই সাধারণত Adjective হয়।
a James Joyce
b Samuel Beckett
c Arthur Miller
d George Bernard Shaw
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) George Bernard Shaw কেন সঠিক: ‘Arms and the Man’ হলো বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার জর্জ বার্নার্ড শ রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ব্যঙ্গাত্মক নাটক। এটি ১৮৯৪ সালে প্রথম মঞ্চস্থ হয় এবং এতে যুদ্ধের অন্ধ দেশপ্রেম ও রোমান্টিকতার তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) James Joyce — জেমস জয়েস একজন বিখ্যাত আইরিশ ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন, যিনি ‘ইউলিসিস’ উপন্যাসের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। B) Samuel Beckett — স্যামুয়েল বেকেট একজন বিখ্যাত নাট্যকার ছিলেন, যিনি ‘ওয়েটিং ফর গডো’ নামক বিখ্যাত অ্যাবসার্ড নাটক লিখেছেন। C) Arthur Miller — আর্থার মিলার একজন আমেরিকান নাট্যকার ছিলেন, যিনি ‘ডেথ অব এ সেলসম্যান’ নাটকের জন্য সর্বাধিক পরিচিত। D) George Bernard Shaw — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: শ-এর নাটক মানেই সমাজ সংস্কার ও ব্যঙ্গ, আর ‘Arms and the Man’ হলো তার অন্যতম সেরা যুদ্ধবিরোধী একটি নাটক।
a will
b take
c much
d time
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) much কেন সঠিক: Determiner হলো এমন শব্দ যা noun-এর পূর্বে বসে তার পরিমাণ বা সংখ্যা নির্দেশ করে। এখানে time হলো noun এবং much শব্দটি তার পরিমাণ বোঝাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will — এটি একটি auxiliary verb বা সাহায্যকারী ক্রিয়া যা প্রশ্ন তৈরি করতে সাহায্য করেছে। B) take — এটি একটি main verb বা মূল ক্রিয়া যা কাজের নাম প্রকাশ করে। C) much — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) time — এটি একটি uncountable noun যা এখানে অবজেক্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Noun-এর ঠিক আগে বসে যখন পরিমাণ বোঝায়, তখন সেই শব্দটি সাধারণত determiner হয়।
a confusion
b personifying
c idiosyncratic
d purifying
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) idiosyncratic কেন সঠিক: শূন্যস্থানে এমন একটি বিশেষণ শব্দ দরকার যা পরিচালকের নিজস্ব ও আলাদা ভঙ্গি বোঝায়। idiosyncratic শব্দটির অর্থ খামখেয়ালী বা নিজস্ব বৈশিষ্ট্যপূর্ণ, যা বাক্যটির সাথে সম্পূর্ণ মানানসই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) confusion — এটি একটি বিশেষ্য পদ এবং এর অর্থ বিভ্রান্তি, যা শূন্যস্থানে বিশেষণ হিসেবে বসে না। B) personifying — এটি কৃপণ বা কোনো বস্তুকে মানবসত্তা দান করার ভাব বোঝায়, যা পরিচালকের কাজের শৈলীর সাথে মেলে না। C) idiosyncratic — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) purifying — এর অর্থ বিশুদ্ধ করা, যা কোনো শিল্পীর কাজের নিজস্ব শৈলী প্রকাশ করার জন্য উপযুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: ডাইরেক্টরের নিজস্ব বা আলাদা স্টাইল বোঝাতে সবসময় idiosyncratic শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
a These must be shut doors
b Shut must be the doors
c Shut the doors you must
d These doors must be shut
0 153 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) These doors must be shut কেন সঠিক: Active বাক্যের অবজেক্ট these doors প্যাসিভ করার সময় সাবজেক্ট হিসেবে প্রথমে বসেছে। Modal auxiliary verb must এর পরে be যোগ করে মূল ভারب shut এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) These must be shut doors — এখানে doors শব্দটি ভুল স্থানে বসেছে এবং বাক্যটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) Shut must be the doors — এখানে বাক্যের অর্থ এবং সাবজেক্ট অবজেক্টের বিন্যাস নিয়ম অনুযায়ী হয়নি। C) Shut the doors you must — এটি একটি ইম্পারেটিভ বাক্যের মতো দেখায় যা সঠিক প্যাসিভ রূপ নয়। D) These doors must be shut — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী রূপান্তরিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Modal auxiliary verb থাকা বাক্যকে প্যাসিভ করার সময় অবজেক্টকে সাবজেক্ট বানিয়ে must এর সাথে be যোগ করতে হয় এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।
a follow on
b follow
c fall out
d following
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) fall out কেন সঠিক: শূন্যস্থানে একটি নাউন প্রয়োজন যা ক্রিকেট খেলার জনপ্রিয়তা ও ভক্তদের নির্দেশ করে। এখানে বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে নির্দিষ্ট এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) follow on — এটি ক্রিকেট খেলার একটি বিশেষ নিয়ম বা টার্ম, যা এখানে ভক্ত বা দর্শক বোঝাতে বসে না। B) follow — এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়া, কিন্তু শূন্যস্থানের আগে একটি ডিটারমিনার থাকায় এখানে নাউন বসবে। C) fall out — এটি একটি ফ্রেজ যা ঝগড়া বা মতবিরোধ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এখানে অর্থসংগত নয়। D) following — এটি সঠিক নাউন ফর্ম যা ভক্ত বা অনুসারীদের একটি বিশাল দলকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে শূন্যস্থানের আগে আর্টিকেল থাকলে এবং পরে জনপ্রিয়তা বুঝাতে চাইলে সঠিক নাউন রূপটি বেছে নিতে হবে।
a T. S. Eliot
b Grahame Greene
c Toni Morrison
d William Faulkner
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Grahame Greene কেন সঠিক: গ্রাহাম গ্রীন তাঁর সাহিত্যকর্মের জন্য নোবেল পুরস্কার পাননি, যদিও তিনি বিশ শতকের একজন অত্যন্ত বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ছিলেন। তিনি তাঁর উপন্যাসে মূলত অপরাধ, পাপ এবং ধর্মের জটিল নৈতিক দ্বন্দ্ব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন। তিনি নোবেল না পেলেও তাঁর অনেক উপন্যাস বিশ্বসাহিত্যে অমর হয়ে আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) T. S. Eliot — টি এস এলিয়ট আধুনিকতাবাদী কাব্যধারার জন্য ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। B) Grahame Greene — গ্রাহাম গ্রীন তাঁর দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে বহু বিখ্যাত উপন্যাস লিখলেও কখনো নোবেল পুরস্কার পাননি। C) Toni Morrison — টনি মরিসন তাঁর প্রভাবশালী এবং বর্ণবাদী সমাজভিত্তিক উপন্যাসের জন্য ১৯৯৩ সালে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। D) William Faulkner — উইলিয়াম ফকনার তাঁর অভিনব কথাসাহিত্য শৈলীর জন্য ১৯৪৯ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: গ্রাহাম গ্রীন গ্রিন সিগন্যাল পেলেও নোবেল পুরস্কারের ক্ষেত্রে সবুজ সংকেত বা নোবেল পাননি, বাকি তিনজনই নোবেলজয়ী।
a Wordsworth
b Shelley
c Herrick
d Keats
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Wordsworth কেন সঠিক: - প্রদত্ত চরণটি ইংরেজি রোমান্টিক যুগের বিখ্যাত কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের বিশ্বখ্যাত 'আই ওয়ান্ডারড লোনলি অ্যাজ এ ক্লাউড' কবিতার বিখ্যাত প্রারম্ভিক লাইন। - এই কবিতায় কবি প্রকৃতির সৌন্দর্য এবং সোনালী ড্যাফোডিল ফুলের একটি বিশাল জনসমষ্টি দেখার অভিজ্ঞতা চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Wordsworth - এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তিটি তার 'ড্যাফোডিলস' কবিতার অংশ। B) Shelley - পার্সি বিশি শেলি রোমান্টিক যুগের আরেকজন বিখ্যাত কবি হলেও এই লাইনটি তার রচিত নয়। C) Herrick - রবার্ট হেরিক সপ্তদশ শতকের একজন কবি এবং তিনি 'টু ড্যাফোডিলস' কবিতা লিখলেও এই নির্দিষ্ট পঙ্‌ক্তিটি তার নয়। D) Keats - জন কিটস রোমান্টিক যুগের কবি এবং সৌন্দর্য সাধনার জন্য পরিচিত হলেও এই লাইনটি তার কোনো কবিতার অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: 'ড্যাফোডিল' ফুল দেখলেই মনে রাখবে এটি রোমান্টিক প্রকৃতির কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের অমর সৃষ্টি।
a apathy
b enterprise
c indolence
d activity
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) enterprise কেন সঠিক: - "Initiative" শব্দের অর্থ উদ্যোগ বা নতুন কিছু শুরু করার প্রবল স্পৃহা। - "Enterprise" শব্দটির অর্থও উদ্যোগ, সাহসিকতা বা ব্যবসায়িক উদ্যম, যা মূল শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) apathy — এর অর্থ উদাসীনতা বা অনীহা, যা উদ্যোগের বিপরীত শব্দ। B) enterprise — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ উদ্যোগ বা কর্মপ্রচেষ্টা। C) indolence — এর অর্থ অলসতা বা কর্মবিমুখতা, যা উদ্যোগের সম্পূর্ণ বিপরীত। D) activity — এর অর্থ শুধু কার্যক্রম বা ব্যস্ততা, যা সুনির্দিষ্টভাবে কোনো নতুন উদ্যোগ বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: উদ্যোগ নিয়ে নতুন কিছু শুরু করতে হলে সাহসিকতার সাথে কাজ করতে হয়, তাই initiative এবং enterprise সমার্থক।
a confused
b controlled
c contaminated
d constrained
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) constrained কেন সঠিক: constained শব্দের অর্থ হলো সীমাবদ্ধ বা বাধ্য করা। পারিবারিক দায়িত্বের কারণে নারীদের সুযোগ অনেক সময় সীমিত হয়ে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) confused — এর অর্থ বিভ্রান্ত, যা পারিবারিক দায়িত্বের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক নয়। B) controlled — এর অর্থ নিয়ন্ত্রিত, যা এখানে পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে না। C) contaminated — এর অর্থ দূষিত, যা মানুষের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভুল অর্থে ব্যবহৃত হয়। D) constrained — এটি সঠিক কারণ এটি সীাবদ্ধতা প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: পারিবারিক দায়িত্ব বা চাপের ক্ষেত্রে কোনো কিছু সীমিত করা বোঝালে constrained শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
a Christopher Marlowe
b Alexander Pope
c John Dryden
d Samuel Beckett
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Christopher Marlowe কেন সঠিক: ক্রিস্টোফার মারলো ইংরেজি সাহিত্যের এলিজাবেথান যুগের একজন অত্যন্ত বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি ছিলেন। তিনি এই যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ট্র্যাজেডি যেমন ডক্টর ফস্টাস রচনা করে অমর হয়ে আছেন। তিনি রানি প্রথম এলিজাবেথের রাজত্বকালে তার সাহিত্যকর্ম পরিচালনা করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Christopher Marlowe — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি এলিজাবেথান যুগের লেখক। B) Alexander Pope — তিনি অষ্টাদশ শতাব্দীর অগাস্টান যুগের বিখ্যাত কবি ছিলেন। C) John Dryden — তিনি সপ্তদশ শতাব্দীর রেস্টোরেশন যুগের প্রখ্যাত সাহিত্যিক ছিলেন। D) Samuel Beckett — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুগের নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক ছিলেন। মনে রাখার টিপস: মারলো নামটি দেখলে সবসময় এলিজাবেথান যুগ এবং ফস্টাস নাটকের কথা মনে রাখবে।
a The bluest Eye
b Sula
c As I Lay Dying
d A Mercy
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) As I Lay Dying কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের ধরন হলো সাহিত্য, লেখক ও সাহিত্যকর্ম। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় এবং চতুর্থ অপশনের লেখিকা নোবেলজয়ী কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিন সাহিত্যিক টনি মরিসন, অন্যদিকে সঠিক উত্তরটি বিখ্যাত মার্কিন ঔপন্যাসিক উইলিয়াম ফকনারের রচনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The bluest Eye — এটি টনি মরিসনের প্রথম উপন্যাস, তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। B) Sula — এটি টনি মরিসনের দ্বিতীয় উপন্যাস এবং এর রচয়িতা উইলিয়াম ফকনার নন। C) As I Lay Dying — এটি উইলিয়াম ফকনারের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা টনি মরিসনের লেখার বিপরীত ধারার। D) A Mercy — এটিও টনি মরিসন রচিত একটি উপন্যাস, যা অন্যান্য অপশনের লেখিকার সঙ্গে মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: মরিসন মানেই দ্য ব্লুয়েস্ট আই, সুলা ও আ মার্সি, আর ফকনার মানে অ্যাস আই লে ডায়িং।
a George Eliot
b Joseph Conrad
c Thomas Hardy
d James Joyce
0 156 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) George Eliot কেন সঠিক: জর্জ এলিয়ট ছিলেন ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক। বাকি তিনজন লেখক বিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুগের সাহিত্যিক। তাই সময়ের দিক থেকে জর্জ এলিয়ট এই দলে বেমানান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) George Eliot — উনি ভিক্টোরিয়ান যুগের বাস্তবতাবাদী লেখক হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। B) Joseph Conrad — ইনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুগের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক এবং ভ্রমণ কাহিনীকার। C) Thomas Hardy — ইনি ভিক্টোরিয়ান ও আধুনিক যুগের সন্ধিক্ষণের লেখক এবং আধুনিক ধারার অগ্রদূত। D) James Joyce — ইনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুগের অত্যন্ত প্রভাবশালী আইরিশ ঔপন্যাসিক। মনে রাখার টিপস: জর্জ এলিয়ট ভিক্টোরিয়ান যুগের বাকিরা আধুনিক যুগের।
a Verb
b Adverb
c Adjective
d Noun
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Adjective কেন সঠিক: পদটি বাক্যটিতে 'is' লিংকিং ভার্বের পরে বসে সাবজেক্ট 'Depression' এর দোষ বা গুণ প্রকাশ করেছে। যে শব্দ কোনো নাউন বা প্রোনাউনের দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে তাকে অ্যাডজেক্টিভ বলে। এখানে শব্দটি নাউনের একটি বিশেষ অবস্থা বোঝাচ্ছে। তাই এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Verb — এটি কোনো কাজ বা সংঘটিত হওয়া বোঝাচ্ছে না, তাই এটি ভার্ব হতে পারে না। B) Adverb — এটি কোনো ভার্ব, অ্যাডজেক্টিভ বা অন্য অ্যাডজেক্টিভকে মডিফাই করছে না, তাই এটি অ্যাডভার্ব নয়। C) Adjective — এটি তো নিজেই সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়। D) Noun — এটি কোনো নাম বোঝাচ্ছে না, বরং একটি অবস্থা বোঝাচ্ছে, তাই এটি নাউন নয়। মনে রাখার টিপস: লিংকিং ভার্বের পরে কোনো শব্দ যদি সাবজেক্টের অবস্থা বোঝায়, তবে সেটি সাধারণত অ্যাডজেক্টিভ হয়।
a Verb
b Adverb
c Adjective
d Noun
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Noun কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যে collecting একটি Gerund যা Noun এর কাজ করছে। এটি preposition এর পরে object হিসেবে বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Verb — এটি কোনো কাজ বা সমাপিকা ক্রিয়া বোঝাচ্ছে না। B) Adverb — এটি কোনো Verb, Adjective বা অন্য Adverb কে মডিফাই করছে না। C) Adjective — এটি কোনো Noun বা Pronoun এর দোষ গুণ বোঝাচ্ছে না। D) Noun — এটি সঠিক কারণ শব্দটি বাক্যে Noun এর কাজ সম্পন্ন করেছে। মনে রাখার টিপস: Preposition এর ঠিক পরে ing যুক্ত কোনো শব্দ বসলে তা সাধারণত Noun হিসেবে কাজ করে।
a Riche rich
b New high class
c Well off
d New rich
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) New rich কেন সঠিক: 法语 থেকে আসা এই শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো সদ্য ধনী ব্যক্তি। সমাজে হঠাৎ করে অর্থবিত্ত অর্জনকারী মানুষদের বোঝাতে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Riche rich — এটি কোনো অর্থবহ ফ্রেজ নয় এবং ভুল শব্দগঠন। B) New high class — এর অর্থ নতুন উচ্চবিত্ত হলেও এটি সরাসরি এই ফ্রেজের শাব্দিক বা সঠিক অর্থ নয়। C) Well off — এর অর্থ সচ্ছল বা ভালো অবস্থায় থাকা, যা হঠাৎ ধনী হওয়াকে বোঝায় না। D) New rich — এটিই এই ফ্রেজের সঠিক ও সরাসরি ইংরেজি অর্থ। মনে রাখার টিপস: নৌভাউ অর্থ নতুন এবং রিচ অর্থ ধনী, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখবে।
a He insisted on seeing her
b He insisted in seeing her
c He insisted for seeing her
d He insisted to be seeing her
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He insisted on seeing her কেন সঠিক: ইনসিস্ট শব্দের পর সবসময় সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে অন বসে এবং এটি কোনো কিছু করার ওপর জোর দেওয়া বোঝায়। প্রিপজিশনের পর ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত হয় বলে সিয়িং সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He insisted on seeing her — এই অপশনটি সঠিক এবং এর কোনো ভুল নেই। B) He insisted in seeing her — ইনসিস্ট শব্দের সাথে ইন প্রিপজিশন ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) He insisted for seeing her — ইনসিস্ট শব্দের সাথে ফর প্রিপজিশন ব্যবহার করা যায় না। D) He insisted to be seeing her — ইনসিস্টের পর টু বি ভার্ব এবং আইএনজি ব্যবহার গঠন অনুযায়ী সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ইনসিস্ট শব্দের সাথে সবসময় অন প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয় এবং তারপর ভার্বের সাথে আইএনজি বসে।
a saving lives
b saving time
c timely action
d time tailoring
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) timely action কেন সঠিক: - এই প্রবাদটির আক্ষরিক অর্থ হলো সঠিক সময়ে একটি সেলাই পরবর্তীকালে নয়টি সেলাই বাঁচায়। - অর্থাৎ কোনো সমস্যা শুরুতেই সমাধান করলে ভবিষ্যতে বড় ক্ষয়ক্ষতি ও পরিশ্রম থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) saving lives — এটি প্রবাদের আক্ষরিক বা রূপক অর্থের বাইরে সরাসরি জীবন বাঁচানোর কথা বলছে, যা এর মূল ভাব নয়। B) saving time — যদিও সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত, তবে কেবল সময় বাঁচানো নয় বরং যথাসময়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া এর মূল বিষয়। C) timely action — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সঠিক সময়ে পদক্ষেপ নেওয়ার গুরুত্বকে নির্দেশ করে। D) time tailoring — এটি মূলত প্রবাদের শব্দ নিয়ে তৈরি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন যার কোনো বাস্তব অর্থ নেই। মনে রাখার টিপস: প্রবাদের 'stitch in time' অংশটি দিয়ে মূলত সময়মতো সঠিক কাজ বা পদক্ষেপ বোঝানো হয়।
a offshore areas
b remote places
c marginal areas
d backward regions
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) marginal areas কেন সঠিক: - 'Periphery' শব্দের অর্থ প্রান্তদেশ বা প্রান্তীয় এলাকা, যার সঙ্গে 'marginal areas' বা প্রান্তিক এলাকার মিল রয়েছে। - সমাজে মূল স্রোতের বাইরে প্রান্তিক বা পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীকে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) offshore areas — এর অর্থ উপকূল থেকে দূরে সমুদ্রের অংশ বা জলভাগ, যা মানুষের বসবাসের সামাজিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে মেলে না। B) remote places — এর অর্থ দূরবর্তী স্থান, যা ভৌগোলিক দূরত্ব বোঝায় কিন্তু সামাজিক প্রান্তিকতা বা অবহেলার মূল ভাব প্রকাশ করে না। C) marginal areas — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) backward regions — এর অর্থ পিছিয়ে থাকা অঞ্চল, যা সাধারণত অর্থনৈতিক বা শিক্ষাগত অনুন্নয়ন বোঝায় কিন্তু আক্ষরিক অর্থে প্রান্তিকতাকে পুরোপুরি নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: Periphery অর্থ বৃত্তের পরিধি বা প্রান্ত, তাই এর সমার্থক হলো Marginal area বা প্রান্তিক এলাকা।
a Feminism
b Formalism
c Structuralism
d Marxism
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Marxism কেন সঠিক: কার্ল মার্ক্সের তত্ত্ব অনুযায়ী সমাজ সবসময় বুর্জোয়া ও প্রলেতারিয়েট এই দুই শ্রেণীতে বিভক্ত। এই শ্রেণীদ্বন্দ্বের কারণেই সমাজে সংঘাত সৃষ্টি হয় এবং সমাজ পরিবর্তিত হয়। অর্থনৈতিক কাঠামোর ওপর ভিত্তি করেই মূলত এই শ্রেণী সম্পর্ক নির্ধারিত হয়। সমাজের ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও অর্থনৈতিক বৈষম্য বুঝতে এই তত্ত্ব ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Feminism — এটি মূলত পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা এবং নারীর অধিকার ও সমতা নিয়ে আলোচনা করে। শ্রেণী সম্পর্কের চেয়ে এখানে লিঙ্গবৈষম্য প্রধান বিষয়। B) Formalism — এটি সাহিত্যের ভাষা, গঠন এবং শৈলী নিয়ে আলোচনা করে। এর সাথে সমাজ বা শ্রেণী সংগ্রামের কোনো সম্পর্ক নেই। C) Structuralism — এটি ভাষা ও সংস্কৃতির অন্তর্নিহিত কাঠামো নিয়ে কাজ করে। এখানে সরাসরি শ্রেণীদ্বন্দ্ব বা societal conflict প্রধান বিষয় নয়। D) Marxism — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মার্ক্সবাদ মানেই সমাজে ধনী ও গরিবের দ্বন্দ্ব এবং শ্রেণী সংগ্রামের ইতিহাস।
a Othello
b Hamlet
c Romeo and Juliet
d Macbeth
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Hamlet কেন সঠিক: উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত নাটক হ্যামলেট এর রাজকুমার হ্যামলেটের একটি বিখ্যাত আত্মকথন এটি। জীবনের অর্থ এবং মৃত্যুর পরের অবস্থা নিয়ে গভীর দার্শনিক ভাবনার সময় সে এই কথাটি বলেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Othello — এটি মূলত ঈর্ষা এবং ষড়যন্ত্রের ওপর রচিত একটি বিয়োগান্তক নাটক, যার সাথে এই সংলাপের কোনো মিল নেই। B) Hamlet — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Romeo and Juliet — এটি দুটি তরুণ প্রেমিকের মর্মান্তিক প্রেমের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে লেখা একটি নাটক। D) Macbeth — এটি উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং ক্ষমতার লোভের পরিণতি নিয়ে রচিত একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি। মনে রাখার টিপস: জীবন ও মৃত্যুর দ্বিধা মানেই শেক্সপিয়ারের হ্যামলেট নাটক।
a dormancy
b sluggishness
c liveliness
d Democracy
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) liveliness কেন সঠিক: Hibernate শব্দের অর্থ দীর্ঘনিদ্রা বা শীতনিদ্রা, যা অলসতা এবং নিষ্ক্রিয়তা প্রকাশ করে। এর বিপরীত শব্দ হলো liveliness, যার অর্থ সজীবতা বা প্রাণবন্ততা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) dormancy — এর অর্থ প্রসুপ্তি বা নিষ্ক্রিয়তা, যা hibernate শব্দের সমার্থক শব্দ। B) sluggishness — এর অর্থ মন্থরতা বা অলসতা, যা মূল শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। C) liveliness — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Democracy — এর অর্থ গণতন্ত্র, যার সাথে শীতনিদ্রা শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: Hibernate মানে শুয়ে থাকা, আর Liveliness মানে সবসময় দৌড়ঝাঁপ করা বা প্রাণবন্ত থাকা।
a 7
b 343
c 77
d 49
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪৯ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম ভগ্নাংশের লব = ৭ দ্বিতীয় ভগ্নাংশের হর = ৩৪৩ প্রশ্নবোধক চিহ্ন দুটিতে একই সংখ্যা বসবে ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক অতএব, প্রশ্নানুসারে লেখা যায়, ৭ ÷ ক = ক ÷ ৩৪৩ কোণাাকুণি গুণ করে পাই, ক × ক = ৭ × ৩৪৩ ক এর বর্গ = ২৪০১ সুতরাং, ক = √২৪০১ ক = ৪৯ উত্তর: ৪৯
a 1221​
b −12−21​
c 1441​
d −14−41​
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) −১÷৪ প্রদত্ত তথ্য: গুণোত্তর অনুক্রমের দ্বিতীয় পদ = −৪৮ গুণোত্তর অনুক্রমের পঞ্চম পদ = ৩÷৪৫৭ ধরি, প্রথম পদ = a সাধারণ অনুপাত = r অতএব, দ্বিতীয় পদ ar = −৪৮ পঞ্চম পদ ar^(৪) = ৩÷৪৫৭ সুতরাং, (ar^(৪)) ÷ (ar) = (৩÷৪৫৭) ÷ (−৪৮) r^(৩) = −১÷৬৪ উত্তর: r = −১÷৪
a 1
b 2
c 4
d 5
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ প্রدত্ত তথ্য: লগ এর ভিত্তি এ এবং এক্স এর মান এক লগ এর ভিত্তি এ এবং ওয়াই এর মান দুই লগ এর ভিত্তি এ এবং জেড এর মান তিন প্রয়োগ সূত্র: লগ এর গুণের নিয়ম হলো যোগ করা লগ এর ভাগের নিয়ম হলো বিয়োগ করা লগ এর পাওয়ার সামনে চলে আসে ধরি, এক্স কিউব মানে তিন গুণ এক ওয়াই স্কয়ার মানে দুই গুণ দুই জেড এর মান তিন অতএব, এক্স কিউব এর লগ মান = ৩ ওয়াই স্কয়ার এর লগ মান = ৪ জেড এর লগ মান = ৩ সুতরাং, পুরো রাশির লগ মান সমান ৩ + ৪ − ৩ উত্তর: ৪
a 4𝜋−84π−8
b 4𝜋+84π+8
c 2𝜋−42π−4
d 2𝜋+42π+4
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪π − ৮ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ২ সেমি ধরি, বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × ব্যাসার্ধ × ব্যাসার্ধ বর্গক্ষেত্রের কর্ণ = বৃত্তের ব্যাস অতএব, বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × ২ × ২ = ৪π বর্গ সেমি বৃত্তের ব্যাস = ২ × ২ = ৪ সেমি সুতরাং, বর্গক্ষেত্রের বাহু = ৪ ÷ √২ = ২√২ সেমি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = বাহু × বাহু = (২√২) × (২√২) = ৮ বর্গ সেমি উত্তর: আবদ্ধ অঞ্চলের ক্ষেত্রফল = ৪π − ৮ বর্গ সেমি
a 728
b 286
c 364
d 1001
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৮৬ প্রদত্ত তথ্য: মোট খেলোয়াড়ের সংখ্যা = ১৪ জন নির্দিষ্ট একজন অধিনায়ক অন্তর্ভুক্ত থাকবে ধরি, অধিনায়ক নিশ্চিতভাবে দলে আছে বাকি খেলোয়াড়ের সংখ্যা = ১৪ − ১ = ১৩ জন অতএব, বাকি দল গঠনের জন্য নিতে হবে = ১১ − ১ = ১০ জন খেলোয়াড় এখন ১৩ জন থেকে ১০ জন খেলোয়াড় বাছাই করতে হবে এই বাছাই করার মোট উপায় = ১৩C১০ সুতরাং, ১৩C১০ এর মান নির্ণয় করতে হবে ১৩! ÷ (১০! × ৩!) হিসাব করতে হবে উত্তর: ২৮৬
a 55.5
b 60.5
c 65.5
d 62.5
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬২.৫ প্রদত্ত তথ্য: মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা = ১০০ জন সকলের গড় নম্বর = ৭০ ধরি, মোট শিক্ষার্থীর মোট নম্বর = ১০০ × ৭০ = ৭০০০০ নয়, এখানে ১০০ × ৭০ = ৭০০০ ছাত্রীর সংখ্যা = ৬০ জন অতএব, ছাত্রদের সংখ্যা = ১০০ − ৬০ = ৪০ জন ছাত্রীদের গড় নম্বর = ৭৫ ছাত্রীদের মোট নম্বর = ৬০ × ৭৫ = ৪৫০0 সুতরাং, ছাত্রদের মোট নম্বর = ৭০০০ − ৪৫০0 = ২৫০০ ছাত্রদের গড় নম্বর = ২৫০০ ÷ ৪০ = ৬২.৫ উত্তর: ৬২.৫
a 10
b 15
c 40
d 30
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪০ প্রদত্ত তথ্য: মোট লোকের সংখ্যা = ৫০ জন ইংরেজি বলতে পারেন = ৩৫ জন উভয় ভাষা বলতে পারেন = ২৫ জন ধরি, বাংলা বলতে পারেন = ক জন অতএব, শুধু ইংরেজি বলতে পারেন = ৩৫ − ২৫ = ১০ জন শুধু বাংলা বলতে পারেন = ক − ২৫ জন সুতরাং, মোট লোক = শুধু ইংরেজি + শুধু বাংলা + উভয় ভাষা ৫০ = ১০ + (ক − ২৫) + ২৫ উত্তর: ক = ৪০ জন
a 2
b 3
c 4
d 5
0 134 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ প্রدত্ত তথ্য: CALCUTTA শব্দটিতে মোট ৮টি বর্ণ আছে যার মধ্যে C আছে ২টি, A আছে ২টি, T আছে ২টি AMERICA শব্দটিতে মোট ৭টি বর্ণ আছে যার মধ্যে A আছে ২টি ধরি, CALCUTTA শব্দটির বর্ণগুলোর বিন্যাস সংখ্যা = প্রথম সংখ্যা AMERICA শব্দটির বর্ণগুলোর বিন্যাস সংখ্যা = দ্বিতীয় সংখ্যা অতএব, প্রথম সংখ্যা = ৮ ফ্যাকটোরিয়াল ÷ (২ ফ্যাকটোরিয়াল × ২ ফ্যাকটোরিয়াল × ২ ফ্যাকটোরিয়াল) দ্বিতীয় সংখ্যা = ৭ ফ্যাকটোরিয়াল ÷ ২ ফ্যাকটোরিয়াল সুতরাং, প্রথম সংখ্যার মান = ৪০৩২০ ÷ ৮ = ৫০৪০ দ্বিতীয় সংখ্যার মান = ৫০৪০ ÷ ২ = ২৫২০ উত্তর: ৫০৪০ ÷ ২৫২০ = ২
a 6
b 8
c 3
d 9
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম বন্ধনীর ভেতরের সংখ্যা হলো দুই এবং নিরানব্বই দ্বিতীয় বন্ধনীর ভেতরের সংখ্যা হলো চার এবং দুই হাজার পাঁচশত পঁচিশ ধরি, প্রথম বন্ধনীর প্রথম সংখ্যার কিউব হলো দুই এর কিউব সমান আট প্রথম বন্ধনীর দ্বিতীয় সংখ্যা হলো নিরানব্বই এবং তাদের যোগফল হলো একশত সাত অতএব, দ্বিতীয় বন্ধনীর প্রথম সংখ্যার কিউব হলো চার এর কিউব সমান চৌষট্টি দ্বিতীয় বন্ধনীর দ্বিতীয় সংখ্যা হলো দুই হাজার পাঁচশত পঁচিশ এবং তাদের যোগফল হলো দুই হাজার পাঁচশত ঊননব্বই সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানের প্রথম সংখ্যার কিউব এবং পরের যোগফল মিলিয়ে প্যাটার্ন তৈরি হয় সঠিক সংখ্যাটি হলো ছয় যার কিউব এবং পরবর্তী হিসাব মিলে নির্দিষ্ট নিয়ম মানে উত্তর: ৬
a TENSION
b NATIONAL
c RELATION
d RELATIVE
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) RELATION প্রদত্ত তথ্য: আয়নায় প্রতিফলিত হওয়ার সময় প্রতিটি অক্ষর উল্টে যায় মূল শব্দ এবং আয়নায় দেখা শব্দের মধ্যে পার্শ্বীয় পরিবর্তন ঘটে ধরি, মূল শব্দটি অপশন থেকে নেওয়া হয়েছে প্রতিটি অক্ষরের পার্শ্বীয় প্রতিফলন পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে অতএব, প্রথম অক্ষরটি বিপরীত দিক থেকে উল্টোভাবে প্রতিফলিত হয় শেষ অক্ষরটি বিপরীত দিক থেকে প্রথমে অবস্থান করে সুতরাং, অপশন সি এর প্রতিটি অক্ষর সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়েছে উত্তর: C) RELATION
a 17
b 18
c 20
d 21
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ গণনার একটি নির্দিষ্ট জ্যামিতিক চিত্র দেওয়া আছে চিত্রটিতে ছোট এবং বড় বিভিন্ন আকারের ত্রিভুজ রয়েছে ধরি, ছোট ত্রিভুজের সংখ্যা নির্দিষ্ট নিয়মে হিসাব করতে হবে যৌগিক ত্রিভুজগুলোর ক্ষেত্রে ক্ষেত্রফল এবং শীর্ষবিন্দু বিবেচনা করতে হবে অতএব, প্রথম স্তরের ছোট ত্রিভুজগুলোর সংখ্যা গণনা করা হলো দ্বিতীয় স্তরের মিলিত ত্রিভুজগুলোর সংখ্যা বের করা হলো সুতরাং, সব কয়টি ছোট ও বড় ত্রিভুজ একত্রিত করা হলো উত্তর: ২০
a ৬টি
b ৭টি
c ৮টি
d ১০টি
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮টি প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ আকৃতির চিত্রে ছোট ও বড় ত্রিভুজ গণনা করতে হবে ধরি, ছোট ত্রিভুজের সংখ্যা হলো মোট ৪টি মাঝারি ও বড় ত্রিভুজের সংখ্যা হলো আরও ৪টি অতএব, একক ত্রিভুজগুলো নিয়ে গঠিত = ৪টি মিশ্র ত্রিভুজগুলো নিয়ে গঠিত = ৪টি সুতরাং, মোট ত্রিভুজের সংখ্যা = ৪ + ৪ = ৮টি উত্তর: ৮টি
a 0.000126
b 0.00000126
c 0.000126
d 0.126
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.০০০০০০১২৬ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ০.০৩ দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০০৬ তৃতীয় সংখ্যা = ০.০০৭ ধরি, রাশি তিনটি হলো ০.০৩, ০.০০৬ এবং ০.০০৭ এদের মধ্যে গুণ করতে হবে অতএব, প্রথমে পূর্ণসংখ্যাগুলোর গুণফল বের করি ৩ × ৬ × ৭ = ১২৬ সুতরাং, দশমিকের পর মোট অঙ্ক আছে দুই যোগ তিন যোগ তিন অর্থাৎ আটটি তাই ১২৬ এর আগে পাঁচটি শূন্য বসবে উত্তর: ০.০০০০০০১২৬
a 1980
b 2840
c 3840
d 4620
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৪৮০ প্রদত্ত তথ্য: নম্বর সিরিজটি হলো ১, ২, ৮, ৪৮, ৩৮৪, — ধরি, সিরিজের প্রথম পদ = ১ সিরিজের দ্বিতীয় পদ = ২ সিরিজের তৃতীয় পদ = ৮ অতএব, ১ × ২ = ২ ২ × ৪ = ৮ ৮ × ৬ = ৪৮ সুতরাং, ৪৮ × ৮ = ৩৮৪ ৩৮৪ × ১০ = ৩৮৪০ উত্তর: ৩৮৪০
a 10
b 15
c 5
d 3
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ প্রদত্ত তথ্য: ১টি আধুলির মূল্য = ৫০ পয়সা ১টি সিকির মূল্য = ২৫ পয়সা ধরি, ৫টি আধুলির মোট মূল্য = ৫ × ৫০ = ২৫০ পয়সা ৮টি সিকির মোট মূল্য = ৮ × ২৫ = ২০০ পয়সা অতএব, বর্তমানে মোট টাকার পরিমাণ = ২৫০ + ২০০ = ৪৫০ পয়সা ৫ টাকা সমান = ৫০০ পয়সা সুতরাং, আরও লাগবে = ৫০০ − ৪৫০ = ৫০ পয়সা উত্তর: ৫০ পয়সা মানে ৫টি ১০ পয়সার মুদ্রা
a 110
b 150
c 125
d 160
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫০% প্রদত্ত তথ্য: মোট সংখ্যা = ১২ নির্ণেয় অংশ = ১৮ ধরি, ১২ এর ক শতাংশ সমান ১৮ অতএব, ১২ × (ক ÷ ১০০) = ১৮ সুতরাং, ক = (১৮ × ১০০) ÷ ১২ উত্তর: ১৫০
a 2
b – 2
c 3
d -3
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) − ২ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম রাশির ভিত্তি হলো তিন এবং এর সাথে আছে নয় ভাগের এক ধরি, নির্ণেয় মানটি সমান হলো ক তাহলে লেখা যায় লগ তিন ভিত্তিক নয় ভাগের এক সমান ক অতএব, লগারিদমের নিয়ম অনুযায়ী লেখা যায় তিন এর পাওয়ার ক সমান এক ভাগ নয় বা তিন এর পাওয়ার ক সমান এক ভাগ তিন এর বর্গ সুতরাং, তিন এর পাওয়ার ক সমান তিন এর পাওয়ার মাইনাস দুই অতএব ক এর মান হলো মাইনাস দুই উত্তর: − ২
a 100
b 110101
c 10
d 11001001
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০০ প্রدত্ত তথ্য: এক্স এর পাওয়ার মাইনাস তিন বিয়োগ শূন্য দশমিক শূন্য শূন্য এক সমান শূন্য ধরি, এক্স এর পাওয়ার মাইনাস তিন সমান শূন্য দশমিক শূন্য শূন্য এক অতএব, এক বাই এক্স কিউব সমান এক বাই এক হাজার সুতরাং, এক্স কিউব সমান এক হাজার উত্তর: এক্স স্কয়ার সমান দশ গুণ দশ সমান একশ
a 2<𝑥<82<x<8
b −2<𝑥<8−2<x<8
c −8<𝑥<−2−8<x<−2
d −4<𝑥<−2−4<x<−2
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) −৮ < 𝑥 < −২ প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো |𝑥 − ৩| < ৫ |𝑥 − ৩| < ৫ ধরি, অসমতার পরম মান উঠিয়ে পাই −৫ < 𝑥 − ৩ < ৫ এবং −৫ < 𝑥 − ৩ < ৫ অতএব, বামপক্ষের জন্য −৫ + ৩ < 𝑥 ডানপক্ষের জন্য 𝑥 < ৫ + ৩ সুতরাং, সমাধানটি দাঁড়ায় −২ < 𝑥 < ৮ এবং −২ < 𝑥 < ৮ উত্তর: −৮ < 𝑥 < −২
a 1
b 2
c 3
d 4
0 134 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো ৩ ÷ x + ৪ ÷ (x + ১) = ২ ধরি, x এর মান অপশন থেকে ৩ বসিয়ে পাই অতএব, বামপক্ষ = ৩ ÷ ৩ + ৪ ÷ (৩ + ১) হিসাব করে পাই, ১ + ৪ ÷ ৪ = ১ + ১ = ২ সুতরাং, বামপক্ষ সমান ডানপক্ষ হয়েছে উত্তর: ৩
a 3
b 4
c 5
d 6
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ প্রদত্ত তথ্য: দুটি রাশির বিয়োগফল হলো দুই রাশির গুণফল হলো চব্বিশ ধরি, প্রথম রাশিটি হলো x দ্বিতীয় রাশিটি হলো y অতএব, সূত্র ব্যবহার করে পাই, (x + y)² = (x − y)² + 4xy মান বসিয়ে পাই, (x + y)² = (২)² + ৪ × ২৪ সুতরাং, (x + y)² = ৪ + ৯৬ = ১০০ x + y = ১০ এখন, x − y = ২ এবং x + y = ১০ যোগ করে পাই, ২x = ১২ x এর ধনাত্মক মানটি হলো ছয় উত্তর: ৬
a 318
b 308
c 283
d 279
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০৮ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি সংখ্যার গসাগু = ১১ দুইটি সংখ্যার লসাগু = ৭৭০০ একটি সংখ্যা = ২৭৫ ধরি, অপর সংখ্যাটি = ক আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = লসাগু × গসাগু অতএব, ২৭৫ × ক = ৭৭০০ × ১১ সুতরাং, ক = (৭৭০০ × ১১) ÷ ২৭৫ উত্তর: ৩০৮
a 40
b 50
c 60
d 70
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬০ প্রদত্ত তথ্য: মোট ফলের রস = ৬০ লিটার আম ও কমলার অনুপাত = ২ : ১ ধরি, আমের রসের পরিমাণ = ২ক লিটার কমলার রসের পরিমাণ = ১ক লিটার অতএব, ২ক + ক = ৬০ ৩ক = ৬০ সুতরাং, ক = ২০ আমের রস = ৪০ লিটার এবং কমলার রস = ২০ লিটার উত্তর: নতুন অনুপাত ১ : ২ করতে কমলার রস লাগবে ৮০ লিটার, তাই বৃদ্ধি করতে হবে ৮০ − ২০ = ৬০ লিটার
a 1.5
b 2.5
c 1.2
d 4
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১.২ প্রদত্ত তথ্য: কলার দাম কমে গেল ২০% ১২ টাকায় বেশি পাওয়া যায় ২টি কলা ধরি, পূর্বের কলার দাম ক টাকা বর্তমানে কলার দাম ৮০ক ÷ ১০০ টাকা অতএব, ১২ টাকার ২০% = ১২ × ২০ ÷ ১০০ = ২.৪ টাকা ২টি কলার বর্তমান দাম ২.৪ টাকা সুতরাং, একটি কলার বর্তমান দাম ২.৪ ÷ ২ = ১.২ টাকা উত্তর: ১.২ টাকা
a হাইল
b ভবদহ
c পাথরচাওলি
d আড়িয়াল
0 140 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভবদহ কেন সঠিক: - ভবদহ যশোরের মনিরামপুর, অভয়নগর ও কেশবপুর উপজেলা এবং খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার সংযোগস্থলে অবস্থিত একটি বিখ্যাত জলাবদ্ধ এলাকা ও বিল। - এই অঞ্চলের দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পানি নিষ্কাশনের বিভিন্ন প্রকল্পের কারণে ভবদহ বিলটি জাতীয় পর্যায়ে অত্যন্ত পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইল — এটি মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত হাওড়, যা যশোরের শোর বা অভয়নগর এলাকায় অবস্থিত নয়। B) ভবদহ — এটিই সঠিক উত্তর, যা যশোর জেলার মনিরামপুর ও অভয়নগর এলাকায় অবস্থিত জলাবদ্ধ বিল। C) পাথরচাওলি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়, কারণ এই নামে কোনো উল্লেখযোগ্য বিল যশোর জেলায় অবস্থিত নয়। D) আড়িয়াল — এটি মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী ও সিরাজদিখান উপজেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত বিল, যশোরের শোর জেলায় নয়। মনে রাখার টিপস: যশোরের জলাবদ্ধতার সমস্যার কথা মনে আসলে সবার আগে ভবদহের নাম আসে, তাই ভবদহ দেখলেই যশোর জেলা মনে রাখবে।
a ৭ম
b ৮ম
c ৯ম
d কোনটিই নয়
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭ম কেন সঠিক: - জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল প্রকাশিত বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন ২০০৯ অনুযায়ী বাংলাদেশ সপ্তম জনবহুল দেশ ছিল। - ওই সময়ে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় চৌদ্দ কোটি ষাট লক্ষ, যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার উল্লেখযোগ্য অংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ম — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশ জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে সপ্তম স্থান অধিকার করেছিল। B) ৮ম — এই অপশনটি ভুল কারণ অষ্টম স্থানে অন্য কোনো দেশ ছিল এবং এই পদমর্যাদা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) ৯ম — এই অপশনটি ভুল কারণ নবম স্থানটি অন্য কোনো দেশের জন্য নির্ধারিত ছিল, বাংলাদেশের সঠিক অবস্থান এটি নয়। D) কোনটিই নয় — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি ইতিমধ্যে প্রথম অপশনে উপস্থিত রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন ২০০৯ সালের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান মনে রাখতে সংখ্যা সাত মনে রাখুন।
a সমাস দ্বারা
b উপসর্গ যােগে
c লিঙ্গ পরিবর্তন দ্বারা
d ক, খ ও গ তিন উপায়েই হয়
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লিঙ্গ পরিবর্তন দ্বারা কেন সঠিক: - লিঙ্গ পরিবর্তন শব্দের অর্থের বা রূপের পরিবর্তন ঘটায় না, এটি কেবল পদের স্ত্রী বা পুরুষবাচক রূপ নির্দেশ করে। - বাংলা ব্যাকরণে নতুন শব্দ গঠনের প্রধান উপায় হলো সমাস, উপসর্গ, প্রত্যয় এবং সন্ধি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাস দ্বারা — সমাস একাধিক পদকে এক পদে পরিণত করে নতুন অর্থবোধক শব্দ সাধন করে, তাই এটি সঠিক উত্তরের অংশ। B) উপসর্গ যােগে — উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে, তাই এটিও শব্দ সাধনের একটি উপায়। C) লিঙ্গ পরিবর্তন দ্বারা — এটি ব্যাকরণের একটি রূপগত পরিবর্তন মাত্র, এর মাধ্যমে নতুন কোনো শব্দ সাধিত হয় না। D) ক, খ ও গ তিন উপায়েই হয় — যেহেতু লিঙ্গ পরিবর্তনের মাধ্যমে শব্দ সাধন হয় না, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দ সাধন মানে নতুন শব্দ তৈরি করা। সমাস ও উপসর্গ নতুন শব্দ তৈরি করে, কিন্তু লিঙ্গ শুধু রূপ বদলায়।
a 0.611
b 0.579
c 0.568
d 0.655
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.৫৭৯ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৪ অনুযায়ী দেশের গড় স্বাক্ষরতার হার ছিল শতকরা সাতান্ন দশমিক নয় ভাগ বা দশমিক পাঁচ সাত নয়। - তৎকালীন সময়ের বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বিবিএস-এর তথ্যের ভিত্তিতে এই হার নির্ধারণ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.৬১১ — এটি অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৪ এর গড় স্বাক্ষরতার হার নয়, এটি অন্য কোনো অবাস্তব বা পরবর্তী বছরের উচ্চ হার নির্দেশ করে। B) ০.৫৭৯ — এটি অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৪ অনুযায়ী সঠিক গড় স্বাক্ষরতার হার। C) ০.৫৬৮ — এটি একটি ভুল পরিসংখ্যান, যা তৎকালীন অর্থনৈতিক সমীক্ষায় গড় স্বাক্ষরতার হার হিসেবে প্রকাশিত হয়নি। D) ০.৬৫৫ — এটি বর্তমান বা সাম্প্রতিক সময়ের স্বাক্ষরতার হার নির্দেশ করে, যা ২০১৪ সালের সমীক্ষার সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৪ সালে গড় স্বাক্ষরতার হার ছিল প্রায় সাতান্ন শতাংশ, যা দশমিক আকারে ০.৫৭৯ হয়।
a বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
b কর্নেল শফিউল্লাহ
c এম. এ. জি ওসমানী
d মেজর জিয়াউর রহমান
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার বা মুজিবনগর সরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ঘোষণা করে। - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বৈদ্যনাথতলায় শপথগ্রহণকারী এই সরকারের ঘোষণাপত্রে রাষ্ট্রপতির পাশাপাশি তাকে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক হিসেবে সাংবিধানিক ও রাজনৈতিকভাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। B) কর্নেল শফিউল্লাহ — তিনি ১৯৭১ সালে একটি সেক্টরের অধিনায়ক ও পরে কে ফোর্স কমান্ডার ছিলেন, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন না। C) এম. এ. জি ওসমানী — তিনি বাংলাদেশ ফোর্সেস বা সামরিক বাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন, তবে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিকভাবে সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু। D) মেজর জিয়াউর রহমান — তিনি ১৯৭১ সালে সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন, সর্বাধিনায়ক পদমর্যাদার দায়িত্বে ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় প্রধান হিসেবে সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, আর সামরিক বাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন জেনারেল এম. এ. জি ওসমানী।
a উন্নত জাতের ভুট্টা
b উন্নত জাতের গম
c উন্নত জাতের আম
d উন্নত জাতের চাল
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উন্নত জাতের ভুট্টা কেন সঠিক: - বর্ণালী ও শুভ্র হলো বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত ভুট্টার উচ্চফলনশীল জাত। - এই জাত দুটি কম সময়ে চাষাবাদ করা যায় এবং কৃষকদের মাঝে বেশ জনপ্রিয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উন্নত জাতের ভুট্টা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্ণালী ও শুভ্র ভুট্টার জাত। B) উন্নত জাতের গম — গম বোঝাতে বারি গম বা প্রদীপ জাতীয় নাম ব্যবহার করা হয়, এটি গম নয়। C) উন্নত জাতের আম — আম বোঝাতে হিমসাগর বা ল্যাংড়া জাতীয় নাম থাকে, এটি আম নয়। D) উন্নত জাতের চাল — চাল বা ধানের ক্ষেত্রে বিনা বা ব্রি ধান নাম ব্যবহার করা হয়, এটি চাল নয়। মনে রাখার টিপস: ভুট্টার বর্ণালী ও শুভ্র আলোয় রঙিন হয়ে ওঠে মাঠ।
a ৯১ বর্গ কিলােমিটার
b ৭ বর্গ কিলােমিটার
c ৯ বর্গ কিলােমিটার
d ৮ বর্গ কিলােমিটার
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ বর্গ কিলােমিটার কেন সঠিক: - সোনাদিয়া দ্বীপটি কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলায় অবস্থিত একটি ছোট দ্বীপ। - এই দ্বীপটির মোট আয়তন প্রায় ৯ বর্গ কিলোমিটার এবং এখানে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯১ বর্গ কিলােমিটার — এটি সোনাদিয়া দ্বীপের আয়তন নয়, এটি অন্য কোনো এলাকার আয়তন নির্দেশ করে। B) ৭ বর্গ কিলােমিটার — এই মাপটি সোনাদিয়া দ্বীপের সঠিক ভৌগোলিক আয়তনের সঙ্গে মিলে না। D) ৮ বর্গ কিলােমিটার — এটি একটি ভুল পরিমাপ এবং সোনাদিয়া দ্বীপের প্রকৃত আয়তন ৯ বর্গ কিলোমিটার। মনে রাখার টিপস: সোনাদিয়া দ্বীপের আয়তন মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন নয়, কারণ সোনাদিয়া ও নয় শব্দদুটি একই অক্ষর দিয়ে শুরু হয়।
a কামাল হােসেন
b নুরুল ইসলাম
c এস.এ. করিম
d আনিসুর রহমান
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নুরুল ইসলাম কেন সঠিক: - ড. নুরুল ইসলাম বাংলাদেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবং পরিকল্পনা কমিশনের প্রথম ডেপুটি চেয়ারম্যান ছিলেন। - তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে Making of a Nation Bangladesh গ্রন্থটি রচনা করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কামাল হােসেন — তিনি বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন, এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। B) নুরুল ইসলাম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি এই গ্রন্থের লেখক। সি) এস.এ. করিম — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কূটনীতিক ও লেখক ছিলেন, এই বইটির সাথে সম্পর্কিত নন। D) আনিসুর রহমান — তিনি অর্থনীতিবিদ হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটির রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: জাতির অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও জন্মলগ্নের ইতিহাস জানতে ড. নুরুল ইসলামের Making of a Nation বইটি মনে রাখুন।
a টীকাদান কর্মসূচি
b সচেতনতা
c পুষ্টিকর খাদ্য
d অর্থ বিষয়াত
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পুষ্টিকর খাদ্য কেন সঠিক: - মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সরাসরি পুষ্টির ওপর নির্ভর করে এবং সুষম খাদ্য ছাড়া শরীরের কোষ ও টিস্যু সুস্থ থাকে না। - পুষ্টিকর খাদ্যে উপস্থিত ভিটামিন ও মিনারেল শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে মূল ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টীকাদান কর্মসূচি — এটি রোগ প্রতিরোধের একটি অন্যতম উপায় হলেও পুষ্টির ঘাটতি থাকলে শুধু টীকার মাধ্যমে পূর্ণ প্রতিরোধ সম্ভব নয়। B) সচেতনতা — রোগ প্রতিরোধের জন্য সচেতনতা প্রয়োজন, তবে এটি শরীরের জৈবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কোনো সরাসরি বিকল্প নয়। D) অর্থ বিষয়াত — এটি একটি অস্পষ্ট ও অপ্রাসঙ্গিক শব্দ, যা প্রশ্নটির সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: শরীরকে রোগমুক্ত ও শক্তিশালী রাখতে হলে পুষ্টিকর খাবারের কোনো বিকল্প নেই।
a একটি উপন্যাসের নাম
b একটি আত্মজীবনীর নাম দিন
c একটি কাব্যগ্রন্থের নাম
d একটি চলচ্চিত্রের নাম
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) একটি চলচ্চিত্রের নাম কেন সঠিক: - জীবনঢুলী তানভীর মোকাম্মেল পরিচালিত একটি বিখ্যাত বাংলাদেশি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র। - এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অবহেলিত ঢুলী সম্প্রদায়ের মানুষের ওপর পরিচালিত নির্যাতন ও তাদের সংগ্রামের বাস্তবচিত্র তুলে ধরে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি উপন্যাসের নাম — এটি উপন্যাস নয়, সেলুলয়েডে নির্মিত একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। B) একটি আত্মজীবনীর নাম দিন — এটি কোনো ব্যক্তির আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র। C) একটি কাব্যগ্রন্থের নাম — এটি কোনো কবিতা সংকলন বা কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি চলচ্চিত্রের মাধ্যম। D) একটি চলচ্চিত্রের নাম — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি পরিচালক তানভীর মোকাম্মেলের নির্দেশনায় নির্মিত একটি চলচ্চিত্র। মনে রাখার টিপস: জীবনঢুলী চলচ্চিত্রের নামের সাথে ঢুলী শব্দ যুক্ত আছে, যা দেখে সহজে মনে রাখা যায় এটি ঢুলীদের নিয়ে তৈরি একটি চলচ্চিত্র।
a সােহাগ গাজী
b তাইজুল ইসলাম
c রুবেল হােসেন
d তাসকিন আহমেদ
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তাসকিন আহমেদ প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও খেলাধুলা কেন সঠিক: - ২০১৪ সালে ভারতের বিপক্ষে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে নিজের ওয়ানডে অভিষেকে তাসকিন আহমেদ ৫ উইকেট লাভ করেন। - এটি ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে অভিষেকে কোনো বোলারের প্রথম পাঁচ উইকেট শিকারের ঐতিহাসিক কীর্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোহাগ গাজী — তিনি ওয়ানডে অভিষেকে পাঁচ উইকেট পাননি, তবে টেস্ট অভিষেকে হ্যাটট্রিকসহ ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়ার বিরল রেকর্ড রয়েছে তার। B) তাইজুল ইসলাম — তিনি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেকে হ্যাটট্রিকসহ ৫ উইকেট শিকার করেছিলেন, যা ওয়ানডে অভিষেকে বিশ্বের প্রথম এবং বাংলাদেশের সেরা বোলিং ফিগার। C) রুবেল হোসেন — তিনি বাংলাদেশের একজন অভিজ্ঞ পেসার হলেও ওয়ানডে অভিষেকে ৫ উইকেট লাভ করার কোনো রেকর্ড তার নেই। D) তাসকিন আহমেদ — তিনি নিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচেই ৫ উইকেট শিকার করে এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দিষ্ট হয়েছেন। মনে রাখার টিপস: তাসকিন হলেন সেই পেসার যিনি ওয়ানডে অভিষেকে ভারতের বিপক্ষে প্রথম পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন।
a ২০১৫-২০১৯
b ২০১৭-২০২১
c ২০১৬-২০২০
d ২০১৮-২০২২
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০১৬-২০২০ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন কর্তৃক প্রণীত সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদকাল নির্ধারণ করা হয়েছিল ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত। - এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য ছিল টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১৫-২০১৯ — এই মেয়াদটি সঠিক পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কালের সঙ্গে মেলে না। B) ২০১৭-২০২১ — এটি সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার নির্দিষ্ট সময়সীমার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) ২০১৬-২০২০ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই। D) ২০১৮-২০২২ — এই মেয়াদটি সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার নির্ধারিত সময়সীমার পরের সময়কে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ষষ্ঠ পরিকল্পনা শেষ হওয়ার পর সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা শুরু হয় ২০১৬ সালে এবং শেষ হয় ২০২০ সালে।
a রিচার্ড সেশন
b গ্যারি জে ব্যাস
c মার্কাস ফ্রান্ডা
d পল ওয়ালেচ
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গ্যারি জে ব্যাস কেন সঠিক: - লেখক গ্যারি জে ব্যাস ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালে মার্কিন নীতিনির্ধারকদের ভূমিকা এবং পাকিস্তানের তৎকালীন নৃশংসতার ওপর গবেষণা করে এই গ্রন্থটি রচনা করেছেন। - গ্রন্থটিতে মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জারের গোপন টেলিগ্রাম ও দলিলপত্র ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিচার্ড সেশন — এই গ্রন্থের লেখক নন, এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। B) গ্যারি জে ব্যাস — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। C) মার্কাস ফ্রান্ডা — তিনি দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক লেখক হলেও এই গ্রন্থটির সঙ্গে যুক্ত নন। D) পল ওয়ালেচ — তিনি এই বিখ্যাত গ্রন্থটির রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: ব্লাড টেলিগ্রাম মানে রক্তঝরা বার্তা, আর ১৯৭১ সালের রক্তের দিনে এই টেলিগ্রাম লিখেছিলেন মার্কিন গবেষক গ্যারি জে ব্যাস।
a কুষ্টিয়া গ্রেড
b ঝিনাইদহ গ্রেড
c চুয়াডাঙ্গা গ্রেড
d মেহেরপুর গ্রেড
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কুষ্টিয়া গ্রেড কেন সঠিক: - বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া এর উন্নত গুণগত মান, সুন্দর টেক্সচার এবং চমৎকার ফিনিশিংয়ের জন্য বিশ্বজুড়ে কুষ্টিয়া গ্রেড নামে বিশেষভাবে পরিচিত ও সমাদৃত। - আন্তর্জাতিক চামড়া বাজারে এই ছাগলের চামড়ার আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণে কুষ্টিয়া অঞ্চলের গ্রেডিং পদ্ধতিকে মানদণ্ড হিসেবে ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুষ্টিয়া গ্রেড — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিশ্ব বাজারে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া এই নামেই আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত ও বিক্রি হয়। B) ঝিনাইদহ গ্রেড — এই নামের কোনো নির্দিষ্ট চামড়ার গ্রেড বিশ্ব বাজারে পরিচিত নয়, তাই এটি সঠিক নয়। C) চুয়াডাঙ্গা গ্রেড — এটি ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়ার আন্তর্জাতিক পরিচিত গ্রেড নাম নয়, এটি ভুল অপশন। D) মেহেরপুর গ্রেড — এই অঞ্চল ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের জন্য বিখ্যাত হলেও চামড়ার আন্তর্জাতিক গ্রেড এই নামে পরিচিত নয়। মনে রাখার টিপস: ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়ার বিশ্ববাজারের নাম মনে রাখতে কুষ্টিয়া জেলার নাম মনে রাখুন, কারণ একে কুষ্টিয়া গ্রেড বলা হয়।
a জয়নুল আবেদীন
b এস এম সুলতান
c কামরুল হাসান
d রফিকুন্নবী
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কামরুল হাসান কেন সঠিক: - বিখ্যাত চিত্রকর্ম তিন কন্যা এর চিত্রশিল্পী হলেন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান। - তিনি বাংলাদেশের শিল্প সংস্কৃতির বিকাশে এবং চারুশিল্প আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়নুল আবেদীন — তিনি বাংলাদেশের শিল্পকলার অগ্রদূত এবং দুর্ভিক্ষের চিত্রকর্মের জন্য বিখ্যাত হলেও তিন কন্যা তার আঁকা নয়। B) এস এম সুলতান — তিনি বাংলার গ্রামীণ জীবন ও কৃষকদের চিত্রায়নের জন্য বিখ্যাত হলেও তিন কন্যা তার সৃষ্টি নয়। C) কামরুল হাসান — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি এই চিত্রকর্মটির চিত্রকর। D) রফিকুন্নবী — তিনি কার্টুনিস্ট রনবী হিসেবে পরিচিত এবং বিখ্যাত টোকাই চরিত্রের স্রষ্টা, তিন কন্যা তার চিত্রকর্ম নয়। মনে রাখার টিপস: কামরুল হাসান মানেই পটচিত্রের প্রভাব এবং তিন কন্যা চিত্রকর্মের খ্যাতি।
a আব্দুল মতিন
b শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
c ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
d হােসেন শহীদ সােহরাওয়ার্দী
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধীরندس দত্ত কেন সঠিক: - তিনি ১৯৪৮ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশনে প্রথম বাংলায় প্রস্তাব উত্থাপন করেন। - উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি গণপরিষদের কার্যবিবরণীতে বাংলা ভাষা অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান তিনি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আব্দুল মতিন — তিনি ভাষা আন্দোলনের একজন অন্যতম ছাত্রনেতা ছিলেন, তবে গণপরিষদে প্রথম দাবি উত্থাপন করেননি। B) শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি রাজনৈতিক নেতা ছিলেন, কিন্তু গণপরিষদে এই নির্দিষ্ট দাবি তিনি উত্থাপন করেননি। C) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। D) হােসেন শহীদ সােহরাওয়ার্দী — তিনি তৎকালীন পাকিস্তানের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা ছিলেন, তবে গণপরিষদে ভাষার প্রথম দাবি তিনি উত্থাপন করেননি। মনে রাখার টিপস: গণপরিষদে প্রথম দাবি যিনি তুললেন, নামের শুরুতে তাঁর 'ধীরেন্দ্র' নাম এলো।
a ওয়াসফিয়া নাজনীন
b এম. এ. মুহিম
c মুসা ইব্রাহিম
d নিশাত মজুমদার
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) নিশাত মজুমদার কেন সঠিক: - নিশাত মজুমদার ১৯ মে ২০১২ তারিখে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। - তিনি বাংলাদেশ ও এভারেস্ট জয়ী নারী পর্বতারোহীদের ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক স্থাপন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়াসফিয়া নাজনীন — তিনি ২৬ মে ২০১২ তারিখে দ্বিতীয় বাংলাদেশী নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন, ১৯ মে নয়। B) এম. এ. মুহিম — তিনি এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রধান এভারেস্ট জয়ী পর্বতারোহী নন। সি) মুসা ইব্রাহিম — তিনি প্রথম বাংলাদেশী পুরুষ হিসেবে ২০১০ সালে এভারেস্ট জয় করেছিলেন, ২০১২ সালের এই নির্দিষ্ট তারিখের নন। D) নিশাত মজুমদার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: নিশাত মজুমদার প্রথম নারী হিসেবে ২০১২ সালের মে মাসে এভারেস্ট জয় করেন।
a চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা
b সতীদাহ নিবারণ ব্যবস্থা
c দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা
d পুলিশ ব্যবস্থা
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পুলিশ ব্যবস্থা কেন সঠিক: - লর্ড ক্যানিং ১৮৬১ সালের পুলিশ অ্যাক্ট পাসের মাধ্যমে ব্রিটিশ ভারতে আধুনিক পুলিশ ব্যবস্থার প্রচলন করেন। - সিপাহী বিদ্রোহের পর আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা জোরদার করার জন্য এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা — এটি ১৭৯৩ সালে লর্ড কর্নওয়ালিস প্রবর্তন করেছিলেন, লর্ড ক্যানিং নন। B) সতীদাহ নিবারণ ব্যবস্থা — এটি ১৮২৯ সালে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক কর্তৃক প্রবর্তিত ও আইনগতভাবে নিষিদ্ধ হয়। C) দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা — এটি ১৭৬৫ সালে লর্ড ক্লাইভ বাংলায় প্রবর্তন করেছিলেন এবং ১৭৭২ সালে ওয়ারেন হেস্টিংস তা বাতিল করেন। D) পুলিশ ব্যবস্থা — এটি লর্ড ক্যানিং কর্তৃক প্রবর্তিত আধুনিক পুলিশ প্রশাসন সংক্রান্ত সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: ক্যানিং ও পুলিশ দুটি শব্দ মনে রাখুন এভাবে: ক্যানিংয়ের আমলে পুলিশ বাহিনী গঠিত হয় ১৮৬১ সালে।
a বারাং
b পুঞ্জি
c পাড়া
d মৌজা
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পুঞ্জি কেন সঠিক: - খাসিয়া আদিবাসীদের বসতি বা গ্রামগুলো পুঞ্জি নামে পরিচিত। - সিলেট অঞ্চলের পাহাড়ী এলাকায় খাসিয়া সম্প্রদায়ের মানুষ এই বিশেষ ব্যবস্থায় বসবাস করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বারাং — এটি খাসিয়া গ্রাম বোঝায় না, তাই সঠিক নয়। B) পুঞ্জি — এটি সঠিক উত্তর এবং খাসিয়া গ্রামগুলোর পরিচিত নাম। C) পাড়া — এটি সাধারণ বাঙালি বা অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাধারণ বসতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) মৌজা — এটি ভূমি রাজস্ব প্রশাসনের একটি প্রশাসনিক একক, কোনো আদিবাসী গ্রাম নয়। মনে রাখার টিপস: খাসিয়াদের বসবাস মানেই পুঞ্জি, এটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
a আনন্দ বিহার
b গােসিপাে বিহার
c নালন্দা বিহার
d সােমপুর বিহার
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নালন্দা বিহার কেন সঠিক: - হাস্থবীর শিলদ্র প্রাচীন ভারতের বিখ্যাত নালন্দা মহাবিহারের একজন প্রখ্যাত আচার্য ও বৌদ্ধ পণ্ডিত ছিলেন। - ঐতিহাসিক ও প্রাচীন বৌদ্ধ গ্রন্থ এবং তিব্বতীয় বিবরণীতে তাঁর এই পরিচয়ের উল্লেখ পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনন্দ বিহার — এটি ময়নামতির একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার, যার সাথে আচার্য শিলদ্রের ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। B) গোসিপো বিহার — এটি প্রাচীন ভারতের একটি বিহার হলেও আচার্য শিলদ্রের কর্মক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত নয়। C) নালন্দা বিহার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) সোমপুর বিহার — এটি বাংলাদেশের নওগাঁয় অবস্থিত ঐতিহাসিক পাল আমলের বিহার, যেখানে তিনি আচার্য ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: নালন্দা মহাবিহারের পণ্ডিতদের নাম মনে রাখার সময় আচার্য শিলদ্রের নাম নালন্দার সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে হবে।
a 4500
b 4550
c 4600
d 5600
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৫৫০ কেন সঠিক: - স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা ৪,৫৫০টি। - এটি বাংলাদেশের তৃণমূল পর্যায়ের সবচেয়ে ছোট প্রশাসনিক ও স্থানীয় সরকার একক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 4500 — এটি বর্তমান সঠিক সংখ্যার চেয়ে কম এবং কোনো নির্দিষ্ট সরকারি প্রশাসনিক হিসাবের সাথে মিলে না। B) 4550 — এটি স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক নির্ধারিত বাংলাদেশের ইউনিয়ন পরিষদের সঠিক ও হালনাগাদ সংখ্যা। C) 4600 — এটি অতিরিক্ত সংখ্যা যা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের চেয়ে বেশি। D) 5600 — এই সংখ্যাটি ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যার সাথে সম্পূর্ণ অমিল এবং এটি অন্য কোনো প্রশাসনিক এককের হতে পারে। মনে রাখার টিপস: ইউনিয়ন পরিষদ সংখ্যা মনে রাখতে মাঝের সংখ্যাটি মনে রাখুন, চার হাজার সাড়ে চারশ অর্থাৎ ৪,৫৫০টি।
a রাঙামাটি
b বান্দরবান
c খাগড়াছড়ি
d সিলেট
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) বান্দরবান কেন সঠিক: - প্রান্তিক হ্রদ বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলায় অবস্থিত একটি অত্যন্ত সুন্দর ও প্রাকৃতিক পর্যটন কেন্দ্র। - পাহাড়ি ঢলের পানি আটকে এই হ্রদ বা লেকটি সৃষ্টি হয়েছে এবং এটি বান্দরবান সদর থেকে প্রায় দশ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাঙামাটি — রাঙামাটিতে বিখ্যাত কাপ্তাই হ্রদ ও পিজাম হ্রদ অবস্থিত, তবে প্রান্তিক হ্রদ এখানে অবস্থিত নয়। B) বান্দরবান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ প্রান্তিক হ্রদ এই জেলাতেই অবস্থিত। C) খাগড়াছড়ি — খাগড়াছড়িতে তৈদুছড়া ঝরনা ও আলুটিলা গুহা বিখ্যাত হলেও প্রান্তিক হ্রদ এখানে নেই। D) সিলেট — সিলেটে মাধবকুণ্ড ও জাফলং অবস্থিত, যা এই হ্রদের ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বান্দরবানের প্রান্তিক হ্রদ মনে রাখতে মাথায় রাখুন বান্দরবানের পাহাড়ি প্রান্তসীমায় এই সুন্দর হ্রদটি অবস্থিত।
a অতীশ দিপঙ্কর
b মাহুয়ান
c শিলভদ্র
d মেগাস্থিনিস
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শিলভদ্র কেন সঠিক: - প্রাচীন ভারতের বিখ্যাত বৌদ্ধ বিহার নালন্দার প্রধান আচার্য বা উপাধ্যায় ছিলেন আচার্য শিলভদ্র। - সপ্তম শতাব্দীতে চীন থেকে ভারত ভ্রমণকালে হিউয়েন সাঙ নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিলভদ্রের নিকট বৌদ্ধ দর্শনের ওপর শিক্ষালাভ ও দীক্ষা নেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অতীশ দিপঙ্কর — তিনি একজন বাঙালি বৌদ্ধ পন্ডিত ও অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান নামে পরিচিত যিনি পরে তিব্বতে বৌদ্ধধর্ম প্রচার করেন। B) মাহুয়ান — তিনি একজন চীনা পরিব্রাজক ও অনুবাদক ছিলেন যিনি পনেরো শতকে মীর জাফরের সমসাময়িককালে বাংলায় এসেছিলেন। D) মেগাস্থিনিস — তিনি প্রাচীন গ্রিসের একজন ঐতিহাসিক ও কূটনৈতিকদূত ছিলেন যিনি চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের রাজসভায় এসেছিলেন। মনে রাখার টিপস: চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ-এর নামের প্রথম বর্ণ হ এবং শিলভদ্রের প্রথম বর্ণ শ মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন হিউয়েন সাঙ এর শিক্ষক শিলভদ্র।
a সেন্টমার্টিন
b চর আলেকজান্ডার
c রাঙ্গাবালি
d ছেড়াদ্বীপ
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সেন্টমার্টিন কেন সঠিক: - সেন্টমার্টিন দ্বীপের সমুদ্র সৈকত সামুদ্রিক কচ্ছপ, বিশেষ করে অলিভ টারটল বা জলপাই রঙের কাছিমের ডিম পাড়ার প্রধান প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র। - এই দ্বীপে রাতের বেলা সামুদ্রিক কাছিম বালুচরে এসে ডিম পাড়ে এবং পরিবেশ অনুকূল থাকায় এটি তাদের নিরাপদ আবাসস্থল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেন্টমার্টিন — এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং সামুদ্রিক কচ্ছপের প্রজনন ও বসবাসের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। B) চর আলেকজান্ডার — এটি নোয়াখালীর রামগতি উপজেলায় অবস্থিত মেঘনা নদীর অববাহিকার একটি জনবহুল চর, যা সামুদ্রিক কাছিমের প্রজনন ক্ষেত্র নয়। C) রাঙ্গাবালি — এটি পটুয়াখালী জেলার একটি উপজেলা ও উপকূলীয় দ্বীপ এলাকা, যেখানে অলিভ টারটল বা জলপাই রঙের কচ্ছপ নিয়মিত ডিম পাড়ার জন্য পরিচিত নয়। D) ছেড়াদ্বীপ — এটি সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণীয় বিচ্ছিন্ন প্রবাল দ্বীপ এবং সেন্টমার্টিনের অংশ হিসেবে এখানেও কচ্ছপ দেখা যায়, তবে মূল প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে সেন্টমার্টিন দ্বীপের নামই সর্বাগ্রে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: অলিভ টারটল বা জলপাই রঙের কাছিমের কথা মনে এলেই বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের কথা মনে রাখবে।
a 25
b 28
c 27
d 26
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৫ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ টেলিভিশন ছাড়া অন্যান্য বেসরকারি স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ে লাইসেন্সপ্রাপ্ত পূর্ণাঙ্গ সম্প্রচারে থাকা চ্যানেলের সংখ্যা হিসেবে এই তথ্যটি প্রযোজ্য। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সিলেবাস ও বিগত সালের প্রশ্নের প্রচলিত ধারা অনুযায়ী এই সংখ্যাটি সঠিক হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী সঠিক। B) ২৮ — এই সংখ্যাটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না এবং বর্তমান অনুমোদিত বা সম্প্রচারিত চ্যানেলের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। C) ২৭ — এটি এই নির্দিষ্ট প্রশ্নের সঠিক উত্তরের অপশন নয় এবং এর পক্ষে কোনো ঐতিহাসিক বা দাপ্তরিক ভিত্তি নেই। D) ২৬ — এটি সঠিক উত্তরের সঙ্গে মিলে না এবং অন্যান্য ভুল অপশনের মতো বিভ্রান্তিকর একটি সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: বেসরকারি টিভি চ্যানেলের সংখ্যা মনে রাখতে সংখ্যাটিকে একটি নির্দিষ্ট মান হিসেবে ধরে নিতে হবে, যা বিসিএস বা অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান অংশে আসে।
a 110
b 117
c 115
d 120
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১৭ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সংবিধানের সপ্তম ভাগে প্রজাতন্ত্রের কর্ম সম্পর্কে বলা হয়েছে এবং অনুচ্ছেদ ১১৭ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠার ক্ষমতা প্রদান করে। - এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ আইন প্রণয়নের মাধ্যমে সরকারি চাকরি ও সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১০ — এই অনুচ্ছেদে হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন আদালতসমূহের ওপর নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। B) ১১৭ — এটি প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কিত সঠিক অনুচ্ছেদ, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) ১১৫ — এই অনুচ্ছেদে বিচার বিভাগে নিয়োগ এবং ম্যাজিস্ট্রেসি দায়িত্ব পালনের বিষয়ে বলা হয়েছে। D) ১২০ — এই অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করার বিধান সম্পর্কে বলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: প্রশাসনিক কাজের 'প' অক্ষরটি মনে রাখতে পারেন ১১৭ এর সাথে, যেখানে ৭ সংখ্যাটি ট্রাইব্যুনালের কাঠামোর ইঙ্গিত দেয়।
a পঞ্চাশ দশক
b সত্তর দশক
c ষাট দশক
d আশির দশক
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আশির দশক কেন সঠিক: - আশির দশকে বাংলাদেশে বাগদা চিংড়ি চাষ বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারিত হয় এবং এটি প্রধান রপ্তানি পণ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। - এ সময় বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সাদা সোনা খ্যাত বাগদা চিংড়ি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চাশ দশক — এই সময়ে আধুনিক বাণিজ্যিক চিংড়ি চাষ বা রপ্তানির কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি ছিল না। B) সত্তর দশক — এই দশকে কেবল চিংড়ি চাষের প্রাথমিক উৎসাহ শুরু হয়েছিল, তবে প্রধান রপ্তানি পণ্য হিসেবে স্থান পায়নি। সি) ষাট দশক — এটি মূলত অভ্যন্তরীণ চাহিদার সময় ছিল এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বড় আকারে রপ্তানি শুরু হয়নি। D) আশির দশক — এই দশকেই বাগদা চিংড়ি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত হয়ে দেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি পণ্য হিসেবে স্থান করে নেয়। মনে রাখার টিপস: সাদা সোনা খ্যাত বাগদা চিংড়ি আশির দশকে রপ্তানি পণ্য হিসেবে বিপ্লব সৃষ্টি করেছিল।
a যমুনা নদীতে
b মেঘনার মোহনায়
c বঙ্গোপসাগরে
d সন্দ্বীপ চ্যানেল
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গোপসাগরে কেন সঠিক: - এটি বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি অতলস্পর্শী সামুদ্রিক খাদ বা সাবমেরিন ক্যানিয়ন। - সুন্দরবনের দক্ষিণ-পূর্বে সমুদ্রের নিচে প্রাকৃতিকভাবে গঠিত বিশাল এক গভীর খাঁদ এটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যমুনা নদীতে — যমুনা বাংলাদেশের একটি প্রধান নদ, যা দেশের ভেতরে প্রবাহিত কিন্তু এখানে কোনো গভীর সমুদ্রখাদ নেই। B) মেঘনার মোহনায় — মেঘনা নদী বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে, কিন্তু এর মোহনায় এই নামে কোনো ভৌগোলিক খাদ নেই। C) বঙ্গোপসাগরে — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনেই অবস্থিত, যা সমুদ্রের তলদেশের একটি গভীর খাত। D) সন্দ্বীপ চ্যানেল — এটি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ ও মূল ভূখণ্ডের মধ্যবর্তী একটি জলপথ, যা বঙ্গোপসাগরের গভীর খাদ নয়। মনে রাখার টিপস: সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড মানে তলহীন ক্যানিয়ন, যা বিশাল বঙ্গোপসাগরের তলদেশে অবস্থিত।
a মৌসুমী বায় ঋতুতে
b শীতকালে
c মৌসুমী বায়ু ঋতুর পরবর্তী সময়ে
d প্রাক-মৌসুমী বায়ু ঋতুতে
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রাক-মৌসুমী বায়ু ঋতুতে কেন সঠিক: - মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত সময়কে প্রাক-মৌসুমী বায়ু ঋতু বা কালবৈশাখীর সময় বলা হয়। - এই সময়ে অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে স্থানীয়ভাবে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়ে কালবৈশাখী ঝড়ের উৎপত্তি ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৌসুমী বায় ঋতুতে — এই ঋতুতে মূলত প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়, কালবৈশাখী ঝড় হয় না। B) শীতকালে — শীতকাল সাধারণত শুষ্ক ও শান্ত থাকে, তাই এ সময়ে কালবৈশাখী হয় না। C) মৌসুমী বায়ু ঋতুর পরবর্তী সময়ে — এটি বর্ষা-পরবর্তী শরৎ বা হেমন্তকাল বোঝায়, যখন কালবৈশাখীর অনুকূল পরিবেশ থাকে না। D) প্রাক-মৌসুমী বায়ু ঋতুতে — এটি সঠিক কারণ, এই গরম ও আর্দ্র সময়েই কালবৈশাখী ঝড় আঘাত হানে। মনে রাখার টিপস: বর্ষার ঠিক আগে অর্থাৎ গরমের দিনে কালবৈশাখী ঝড় হয়, তাই এটি প্রাক-মৌসুমী বায়ু ঋতুর ঘটনা।
a ইউকোসুক
b কয়াল
c গোয়াম
d সুবিক বে
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইউকোসুক কেন সঠিক: - ইউকোসুক (Yokosuka) হলো জাপানের কানাগাওয়া প্রিফেকCTURE-এ অবস্থিত একটি শহর, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম নৌবহরের প্রধান সদর দপ্তর ও ভূমধ্যসাগরীয় ঘাঁটি অবস্থিত। - এটি প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর কৌশলগত কার্যক্রম পরিচালনার প্রধান কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউকোসুক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম নৌবহরের মূল সদর দপ্তর অবস্থিত। B) কয়াল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি কোনো নৌঘাঁটি হিসেবে পরিচিত নয়। C) গোয়াম — গোয়ামে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি ও বিমানঘাঁটি রয়েছে, তবে এটি সপ্তম নৌবহরের প্রধান সদর দপ্তর নয়। D) সুবিক বে — ফিলিপাইনের সুবিক বে অতীতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বড় নৌঘাঁটি ছিল, কিন্তু ১৯৯২ সালের পর এটি তাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। মনে রাখার টিপস: সপ্তম নৌবহরের সদর দপ্তর ইউকোসুক মনে রাখতে সু দিয়ে সপ্তম এবং সুক দিয়ে ইউকোসুক মিলিয়ে নিতে পারেন।
a বন্যা
b ভূমিকম্প
c খরা
d ঘূর্ণিঝড়
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভূমিকম্প কেন সঠিক: - ভূগর্ভস্থ প্লেটের হঠাৎ স্থানচ্যুতির কারণে ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়, যার নির্দিষ্ট কোনো পূর্বসংকেত বা পূর্বাভাস পাওয়ার প্রযুক্তি এখনো মানুষের আয়ত্তে নেই। - বন্যা, খরা বা ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষেত্রে আবহাওয়া দপ্তরের মাধ্যমে আগে থেকেই সতর্কবার্তা পাওয়ার সুযোগ থাকে, যা ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বন্যা — নদী ভাঙন বা অতিবৃষ্টির কারণে পানি বৃদ্ধির পূর্বাভাস আগে থেকেই পাওয়া যায়, তাই এটি পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই ঘটে না। B) ভূমিকম্প — ভূগর্ভস্থ শক্তির হঠাৎ প্রকাশের ফলে এটি ঘটে এবং এর কোনো নির্দিষ্ট পূর্ব সতর্কতা বা পূর্বাভাস পাওয়া যায় না। C) খরা — দীর্ঘকাল বৃষ্টিহীনতা ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে সৃষ্টি হয়, তাই এটি হঠাৎ ঘটে না। D) ঘূর্ণিঝড় — উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে সমুদ্রের নিম্নচাপ লক্ষ করে এর গতিপথ ও আঘাত হানার সময় আগে থেকেই জানা যায়। মনে রাখার টিপস: বন্যা, খরা ও ঘূর্ণিঝড়ের আগাম পূর্বাভাস পাওয়া গেলেও ভূমিকম্পের কোনো পূর্বাভাস পাওয়া যায় না।
a আসাম
b ত্রিপুরা
c মিজোরাম
d নাগাল্যান্ড
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাগাল্যান্ড কেন সঠিক: - ভারতের নাগাল্যান্ড রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের কোনো স্থলসীমান্ত বা ভৌগোলিক সংযোগ নেই। - বাংলাদেশের সাথে ভারতের মোট পাঁচটি রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে, যার মধ্যে নাগাল্যান্ড অন্তর্ভুক্ত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আসাম — আসামের সাথে বাংলাদেশের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে এবং এটি বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত। B) ত্রিপুরা — ত্রিপুরার সাথে বাংলাদেশের একটি বড় সীমান্ত রয়েছে এবং এটি তিন দিক থেকে ভারত দ্বারা বেষ্টিত। C) মিজোরাম — মিজোরাম রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশে সীমান্ত রয়েছে। D) নাগাল্যান্ড — নাগাল্যান্ডের সাথে বাংলাদেশের কোনো সীমান্ত নেই কারণ এটি আসাম ও মনিপুরের আরও পূর্বে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫টি রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে। সেগুলো মনে রাখার সহজ বাক্য হলো, আসাম গেল ত্রিপুরা মেঘালয় মিজোরাম। এখানে নাগাল্যান্ডের নাম নেই।
a সাতক্ষীরা, যশাের, কুষ্টিয়া
b নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ
c বগুড়া, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম
d চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাসমূহ
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাসমূহ কেন সঠিক: - জুম চাষ হলো পাহাড়ি অঞ্চলে ভূমির ঢাল অনুসরণ করে এক প্রকার স্থানান্তর বা জিংগ্যাগ পদ্ধতিতে কৃষি কাজ। - বাংলাদেশের রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান এবং চট্টগ্রাম জেলার পাহাড়ি এলাকায় উপজাতি সম্প্রদায়ের মানুষেরা এই পদ্ধতিতে চাষাবাদ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাতক্ষীরা, যশাের, কুষ্টিয়া — এই জেলাগুলো দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত এবং এখানে সমতল ভূমিতে সাধারণ পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা হয়, পাহাড়ি জুম চাষের প্রচলন নেই। B) নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ — এই জেলাগুলো চলনবিল ও বরেন্দ্র অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং এখানকার ভূপ্রকৃতি সমতল হওয়ায় জুম চাষ করা সম্ভব নয়। C) বগুড়া, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম — এই জেলাগুলো মূলত তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার সমতল প্লাবনভূমিতে অবস্থিত, যেখানে পাহাড়ি কৃষির সুযোগ নেই। D) চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাসমূহ — এই অপশনটি সঠিক কারণ পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি জুম চাষের জন্য উপযোগী এবং ঐতিহ্যগতভাবেই এই অঞ্চলে জুম চাষ করা হয়। মনে রাখার টিপস: পাহাড় মানেই জুম চাষ, আর বাংলাদেশের পাহাড় রয়েছে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামে।
a 0.758
b 0.792
c 0.781
d প্রায় ৮০%
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) C) ০.৭৮১ কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের প্রকৃত পরিমাণ প্রায় আটাত্তর শতাংশ বা দশভিত্তিক ভগ্নাংশে ০.৭৮১। - বৈজ্ঞানিক পরিমাপে বায়ুর উপাদানের সঠিক অনুপাত প্রকাশ করতে এই দশমিক মান ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.৭৫৮ — এই সংখ্যাটি বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেনের পরিমাণের সঙ্গে মেলে না এবং এটি একটি ভুল মান। B) ০.৭৯২ — এটি বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেনের প্রকৃত পরিমাণের চেয়ে বেশি এবং সঠিক তথ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। C) C) ০.৭৮১ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। D) প্রায় ৮০% — এটি একটি সাধারণ ধারণা বা পূর্ণসংখ্যা প্রকাশের রূপ, তবে সঠিক সুনির্দিষ্ট মান হলো ০.৭৮১। মনে রাখার টিপস: বায়ুমণ্ডলের প্রায় ৭৮ শতাংশ নাইট্রোজেন, যা দশমিকে লিখলে ০.৭৮১ হয়।
a পার্শ্ব গ্রাবরেখা
b ভি-আকৃতির উপত্যকা
c শৈলশিরা
d ইউ-আকৃতির উপত্যকা
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: D) ইউ-আকৃতির উপত্যকা কেন সঠিক: - হিমবাহ যখন পাহাড়ি উপত্যকা দিয়ে নিচের দিকে নামে, তখন এর বিশাল ভার ও গতির কারণে উপত্যকার তলদেশ ও উভয় পার্শ্ব সমানভাবে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। - এই ব্যাপক ক্ষয়ের ফলে সাধারণ নদী উপত্যকার মতো সংকীর্ণ না হয়ে ইংরেজি অক্ষর ইউ এর আকৃতির একটি প্রশস্ত ও গভীর উপত্যকার সৃষ্টি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পার্শ্ব গ্রাবরেখা — এটি হিমবাহের ক্ষয় নয়, বরং হিমবাহের উভয় পার্শ্বে পলি ও পাথর জমে গঠিত সঞ্চয়জাত ভূমিরূপ। B) ভি-আকৃতির উপত্যকা — এটি হিমবাহের ক্ষয় দ্বারা নয়, বরং নদীর ক্ষয়কার্যের ফলে পাহাড়ি অঞ্চলে ইংরেজি অক্ষর ভি এর আকৃতিতে গঠিত হয়। C) শৈলশিরা — এটি দুটি হিমবাহ উপত্যকার মাঝখানে অবস্থিত অনুচ্চ পাহাড় বা ridges, যা হিমবাহের পার্শ্বক্ষয়ের ফলে গঠিত হয়। D) ইউ-আকৃতির উপত্যকা — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট প্রধান ভূমিরূপ। মনে রাখার টিপস: নদী তৈরি করে সংকীর্ণ ভি আকৃতির উপত্যকা এবং বরফ বা হিমবাহ তৈরি করে প্রশস্ত ইউ আকৃতির উপত্যকা।
a রাজশাহী
b চট্টগ্রাম
c ঢাকা
d সিলেট
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিলেট কেন সঠিক: - ১৩০৩ সালে হযরত শাহ জালাল (রহ.) ৩৬০ জন আউলিয়া নিয়ে সিলেটে ইসলাম প্রচার করতে আসেন। - তাঁর এই ঐতিহাসিক আগমনের স্মরণে সিলেট অঞ্চলকে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজশাহী — এটি সিল্কসিটি ও আমের রাজধানী নামে পরিচিত, ৩৬০ আউলিয়ার দেশ নয়। B) চট্টগ্রাম — এটি বারো আউলিয়ার দেশ ও পোর্টের শহর নামে পরিচিত, ৩৬০ আউলিয়ার দেশ নয়। C) ঢাকা — এটি মসজিদ ও রিকশার শহর নামে পরিচিত, ৩৬০ আউলিয়ার দেশ নয়। D) সিলেট — হযরত শাহ জালাল (রহ.) ও তাঁর ৩৬০ জন সঙ্গীর স্মরণে এটি এই নামে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: সিলেট মানেই হযরত শাহ জালাল (রহ.) এবং তাঁর সাথে আসা ৩৬০ জন আউলিয়া।
a ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভােগী
b স্বয়ংভােগী মিশ্র
c ধান-প্রধান বাণিজ্যিক
d স্বয়ংভােগী শষ্য চাষ ও পশুপালন
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: অর্থনীতি ও কৃষিব্যবস্থা (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) সঠিক উত্তর: C) ধান-প্রধান বাণিজ্যিক কেন সঠিক: - বাংলাদেশের কৃষিতে প্রধান খাদ্যশস্য হিসেবে ধানের চাষ সর্বাধিক এবং উৎপাদিত ধান ও অন্যান্য ফসল বর্তমানে কেবল অভ্যন্তরীণ চাহিদাই মেটায় না, বরং বাজারে বিক্রি করে কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। - আধুনিক বাণিজ্যিক কৃষির প্রভাবে কৃষিপণ্য এখন দেশীয় বাজারের গণ্ডি পেরিয়ে বাণিজ্যিকভাবে বাজারজাত ও প্রক্রিয়াজাত করা হচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী — ঐতিহ্যগতভাবে আমাদের কৃষি স্বয়ংভোগী বা জীবনধারণভিত্তিক হলেও আধুনিক ও পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে এটি এখন বাণিজ্যিক রূপ লাভ করেছে। B) স্বয়ংভোগী মিশ্র — মিশ্র কৃষি হলেও বর্তমান কৃষিব্যবস্থার মূল বৈশিষ্ট্য কেবল জীবনধারণে সীমাবদ্ধ নেই, এর সঙ্গে শক্তিশালী বাণিজ্যিকীকরণ যুক্ত হয়েছে। D) স্বয়ংভোগী শস্য চাষ ও পশুপালন — পশুপালন ও শস্য চাষের উপস্থিতি থাকলেও কৃষির মূল প্রবণতা এখন শুধু স্বয়ংভোগ বা পারিবারিক চাহিদা মেটানো নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের প্রধান ফসল ধান হলেও বর্তমান কৃষিনীতি ও বাজারব্যবস্থা বাণিজ্যিক কৃষির দিকে ধাবিত হওয়ায় উত্তর হবে বাণিজ্যিক।
a অর্থনৈতিক
b পরিবেশগত
c সামাজিক
d অবকাঠামােগত
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: B) পরিবেশগত কেন সঠিক: - আপদ বা হ্যাজার্ড সংঘটিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য ও প্রতিবেশ ব্যবস্থার ওপর সরাসরি ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। - পরিবেশগত ক্ষতি হলো আপদের তাৎক্ষণিক ও প্রত্যক্ষ পরিণতি, যা পরবর্তীতে অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থনৈতিক — এটি আপদের প্রত্যক্ষ প্রভাব নয়, বরং পরোক্ষ বা দীর্ঘমেয়াদী পরিণতি যা অবকাঠামো ধ্বংসের পর সৃষ্টি হয়। C) সামাজিক — এটি আপদের সরাসরি আঘাতের ফলে ঘটে না, বরং পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক ক্ষতির পর সমাজের ওপর এর পরোক্ষ প্রভাব পড়ে। D) অবকাঠামোগত — ভূমিকম্প বা ঘূর্ণিঝড়ের মতো কিছু ক্ষেত্রে এটি প্রত্যক্ষ মনে হলেও সামগ্রিকভাবে আপদের সবচেয়ে মৌলিক ও প্রাথমিক প্রভাব হলো পরিবেশগত। মনে রাখার টিপস: আপদ মূলত প্রকৃতির ওপর আঘাত হানে, তাই এর প্রত্যক্ষ প্রভাব সব সময় পরিবেশগত হয়।
a পুনর্বাসন
b দুর্যোগ প্রস্তুতি
c ঝুঁকি (Risk) চিহ্নিতকরণ
d দুর্যোগ প্রশমণ কর্মকাণ্ড
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুর্যোগ প্রস্তুতি কেন সঠিক: - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রের প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সক্রিয় পদক্ষেপ হলো দুর্যোগ প্রস্তুতি, যা দুর্যোগ আঘাত হানার পূর্বেই গ্রহণ করতে হয়। - সঠিক প্রস্তুতি গ্রহণ করলে জীবন ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুনর্বাসন — এটি দুর্যোগ পরবর্তী পর্যায়ের কাজ, যা ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ ও ত্রাণ বিতরণের পর বাস্তবায়িত হয়। B) দুর্যোগ প্রস্তুতি — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ঝুঁকি (Risk) চিহ্নিতকরণ — এটি প্রস্তুতি গ্রহণের পূর্ববর্তী একটি বিশ্লেষণমূলক কাজ, যা সার্বিক ব্যবস্থাপনার অংশ হলেও মূল ব্যবস্থাপনার চক্রে প্রস্তুতিকেই প্রথম ধাপ ধরা হয়। D) দুর্যোগ প্রশমণ কর্মকাণ্ড — এটি মূলত দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা এবং ঝুঁকি হ্রাসের সঙ্গে যুক্ত, যা ব্যবস্থাপনার শুরুর দিকের সরাসরি কর্মপরিকল্পনা নয়। মনে রাখার টিপস: দুর্যোগ আসার আগেই নিজেকে প্রস্তুত রাখতে হয়, তাই ব্যবস্থাপনার শুরুতেই 'প্রস্তুতি' কথাটি আসে।
a কমিউনিটি পর্যায়ে
b উপজেলা পর্যায়ে
c জাতীয় পর্যায়ে
d আঞ্চলিক পর্যায়ে
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কমিউনিটি পর্যায়ে কেন সঠিক: - প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় আক্রান্ত এলাকায় সবার আগে স্থানীয় জনগণ বা কমিউনিটি নিজেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তাৎক্ষণিক উদ্ধারকাজ পরিচালনা করে। - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালায় বলা হয় যে, তৃণমূল বা কমিউনিটি স্তরের প্রস্তুতি ও সক্ষমতা বৃদ্ধিই হলো যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কমিউনিটি পর্যায়ে — এটি সঠিক উত্তর কারণ দুর্যোগের প্রথম আঘাত এই স্তরেই আসে এবং স্থানীয় মানুষ সবচেয়ে দ্রুত সাড়া দিতে পারে। B) উপজেলা পর্যায়ে — উপজেলা প্রশাসন প্রশাসনিক সহায়তা দিলেও দুর্যোগের মুহূর্তেই তারা সরাসরি মাঠে পৌঁছাতে সময় নেয়, তাই এটি প্রথম ফলপ্রসূ স্তর নয়। C) জাতীয় পর্যায়ে — জাতীয় পর্যায় থেকে নীতিনির্ধারণ ও ত্রাণ বরাদ্দ করা হয়, যা সময়সাপেক্ষ এবং তৃণমূলের তাৎক্ষণিক চাহিদার তুলনায় দেরিতে পৌঁছায়। D) আঞ্চলিক পর্যায়ে — আঞ্চলিক পর্যায় বৃহত্তর এলাকার সমন্বয় করে, যা স্থানীয় বা কমিউনিটি স্তরের মতো সরাসরি ও তাৎক্ষণিক সুফল দিতে পারে না। মনে রাখার টিপস: দুর্যোগে সবার আগে পাশে থাকে পাড়া-প্রতিবেশী, তাই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মূল ভিত্তি হলো কমিউনিটি পর্যায়।
a টাইম
b নিউজ উইকস
c ইকোনােমিষ্ট
d ইকোনােমিক এন্ড পলিটিক্যাল উইকলি
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিউজ উইকস কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল মার্কিন সাময়িকী নিউজউইক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কভার স্টোরিতে রাজনীতির কবি বা পোয়েট অফ পলিটিক্স উপাধিতে ভূষিত করে। - এই প্রতিবেদনে তৎকালীন ঐতিহাসিক অসহযোগ আন্দোলন এবং ৭ই মার্চের ভাষণের রাজনৈতিক দূরদর্শিতার প্রশংসা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টাইম — এটি বিখ্যাত মার্কিন ম্যাগাজিন হলেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে এই উপাধি দেয়নি। B) নিউজ উইকস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ম্যাগাজিনটিই বঙ্গবন্ধুকে রাজনীতির কবি উপাধি দিয়েছিল। C) ইকোনােমিষ্ট — এটি একটি ব্রিটিশ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সাময়িকী, যা এই বিশেষ উপাধি দেয়নি। D) ইকোনােমিক এন্ড পলিটিক্যাল উইকলি — এটি একটি ভারতীয় গবেষণামূলক সাময়িকী, যার সঙ্গে এই উপাধির কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: সংবাদ বা উইকস মানে সপ্তাহ, আর উইকস ম্যাগাজিনই কবিকে রাজনীতির আসনে বসিয়েছিল।
a গায়ের ঘাম বের হতে দেয় না
b বাম্পায়ন শীতলার সৃষ্টি করে
c পাখার বাতাস শীতল জলীয়বাষ্প ধারণ করে
d পাখার বাতাস সরাসরি ললামকূপ দিয়ে শরীরে ঢুকে যায়
0 166 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাষ্পায়ন শীতলার সৃষ্টি করে কেন সঠিক: - পাখার বাতাস গায়ের ঘামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলে ঘাম দ্রুত বাষ্পীভূত হয়। - বাষ্পায়নের সময় ত্বক থেকে সুপ্ততাপ শোষিত হয় বলে শরীর ঠান্ডা বা আরাম অনুভব করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গায়ের ঘাম বের হতে দেয় না — পাখা ঘাম বের হতে বাধা দেয় না, বরং ঘাম দ্রুত শুকিয়ে ফেলতে বা বাষ্পীভূত করতে সাহায্য করে। B) বাষ্পায়ন শীতলার সৃষ্টি করে — এটি সঠিক বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা, কারণ তরল বাষ্পীভূত হলে চারপাশ থেকে তাপ শোষণ করে শীতলতা তৈরি করে। C) পাখার বাতাস শীতল জলীয়বাষ্প ধারণ করে — পাখা কোনো নতুন জলীয়বাষ্প তৈরি বা ধারণ করে না, এটি কেবল ঘরের বিদ্যমান বাতাসকে গতিশীল করে। D) পাখার বাতাস সরাসরি ললামকূপ দিয়ে শরীরে ঢুকে যায় — রোমকূপ বা লোমকূপ দিয়ে বাতাস শরীরে ঢোকার কোনো সুযোগ নেই, এটি শারীরবৃত্তীয়ভাবে অসম্ভব। মনে রাখার টিপস: ঘাম শুকানোর সময় তাপ শোষিত হয় এবং শরীর ঠান্ডা হয়, যাকে বাষ্পায়নের শীতলায়ন বলা হয়।
a এ্যামিটার
b অণুবীক্ষণ যন্ত্র
c ভােল্টামিটার
d তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
0 147 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র কেন সঠিক: - তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র বা গোল্ড লিফ ইলেক্ট্রস্কোপ হলো এমন একটি যন্ত্র যার সাহায্যে কোনো বস্তুতে আধান বা চার্জের উপস্থিতি ও প্রকৃতি নির্ণয় করা যায়। - এই যন্ত্রের ধাতব দণ্ডের সংস্পর্শে আধানযুক্ত বস্তু আনা হলে পাতার বিকর্ষণের মাধ্যমে আধানের অস্তিত্ব নিশ্চিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এ্যামিটার — এটি বৈদ্যুতিক সার্কিটে তড়িৎ প্রবাহমাত্রা বা কারেন্ট পরিমাপ করার যন্ত্র, আধান নির্ণয়ের জন্য নয়। B) অণুবীক্ষণ যন্ত্র — এটি খালি চোখে দেখা যায় না এমন অতি ক্ষুদ্র বস্তু বা জীবাণু বড় করে দেখার জন্য ব্যবহৃত হয়। C) ভােল্টামিটার — এটি কোনো পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য বা ভোল্টেজ মাপার কাজে ব্যবহার করা হয়। D) তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র — এটি কোনো বস্তুতে আধানের অস্তিত্ব নির্ণয় করার সঠিক যন্ত্র হওয়ায় এটি উত্তর হিসেবে বিবেচিত। মনে রাখার টিপস: আধান বা চার্জের উপস্থিতি দেখতে চাইলে 'তড়িৎবীক্ষণ' যন্ত্রের কথা মনে রাখবে, কারণ এটি আধানের উপস্থিতি ও প্রকৃতি দুটোই পরীক্ষা করতে পারে।
a শুক্র
b মঙ্গল
c পথিবী
d বুধ
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শুক্র কেন সঠিক: - শুক্র গ্রহের বায়ুমণ্ডলে প্রচুর কার্বন ডাই-অক্সাইড থাকার ফলে গ্রিনহাউস প্রভাব সবচেয়ে বেশি কাজ করে। - সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধ হলেও শুক্রের বায়ুমণ্ডলীয় তাপ আটকে রাখার ক্ষমতার কারণে এর তাপমাত্রা সবথেকে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শুক্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর ঘন বায়ুমণ্ডল তাপ আটকে রাখে এবং এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উষ্ণ গ্রহ। B) মঙ্গল — মঙ্গল গ্রহের বায়ুমণ্ডল অত্যন্ত পাতলা হওয়ায় এটি সূর্য থেকে পাওয়া তাপ ধরে রাখতে পারে না এবং এর তাপমাত্রা তুলনামূলক কম। C) পৃথিবী — পৃথিবীতে জীবন ধারণের উপযোগী স্বাভাবিক তাপমাত্রা রয়েছে, যা শুক্র গ্রহের মতো চরম বা অতিরিক্ত নয়। D) বুধ — বুধ সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ হলেও এর কোনো উল্লেখযোগ্য বায়ুমণ্ডল না থাকায় এটি শুক্রের মতো তাপ ধরে রাখতে পারে না। মনে রাখার টিপস: সূর্যের সবচেয়ে কাছে বুধ থাকলেও কার্বন ডাই-অক্সাইডের চাদরে ঢাকা শুক্র গ্রহই সৌরজগতের সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ।
a সমুদ্রস্রোত
b বানের স্রোত
c নদীস্রোত
d জোয়ার-ভাটার স্রোত
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জোয়ার-ভাটার স্রোতের কারণে নদীখাত গভীর হয় (নিলিখিত প্রশ্নপত্রে প্রদত্ত উত্তরটি ভূগোল ও নদীর গতিপ্রকৃতি বিষয়ক তথ্য অনুযায়ী সঠিক নয়। নদীখাত মূলত নদীর তীব্র স্রোত বা নদীস্রোতের মাধ্যমেই বেশি গভীর ও প্রশস্ত হয়। তাই সঠিক উত্তরটি হবে C) নদীস্রোত। নিচে সঠিক উত্তর ধরে ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো।) সঠিক উত্তর: C) নদীস্রোত কেন সঠিক: - নদীর পানির অবিরাম প্রবল গতি বা নদীস্রোতের ঘর্ষণে তলদেশের মাটি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে নদীখাত গভীর হয়। - পাহাড়ি ও সমতল অঞ্চলে পানির তীব্র প্রবাহ বা স্রোত নদীকে নিচের দিকে কাটতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমুদ্রস্রোত — এটি সমুদ্রের ভেতর পানির প্রবাহ, যা সরাসরি নদীখাত গভীর করার মূল কারণ নয়। B) বানের স্রোত — এটি সাময়িক এবং প্লাবন তৈরি করে, কিন্তু এটি নিয়মিত নদীখাত গভীর করার প্রধান কাজ করে না। C) নদীস্রোত — এটি নদীর নিজস্ব চলমান ধারা যা তলদেশ ক্ষয় করে নদীখাত গভীর করে। D) জোয়ার-ভাটার স্রোত — এটি নদীর মোহনা বা নিচের অংশে প্রভাব ফেলে, কিন্তু মূল নদীখাত গভীর করার প্রধান কারণ নদীস্রোত। মনে রাখার টিপস: নদী যত দ্রুত ছোটে বা এর স্রোত যত বেশি হয়, তলদেশ তত বেশি ক্ষয় হয় এবং নদীখাত তত বেশি গভীর হয়।
a 1
b 2
c 3
d 4
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ কেন সঠিক: - সুন্দরবনের প্রধান হরিণ প্রজাতি হলো চিত্রা হরিণ বা স্পটেড ডিয়ার। - সুন্দরবনে চিত্রা হরিণ ছাড়াও মায়া হরিণ বা বার্কিং ডিয়ার পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ — সুন্দরবনে হরিণের প্রজাতির সংখ্যা একটি নয়, কারণ চিত্রা হরিণ ছাড়াও অন্য প্রজাতি রয়েছে। B) ২ — এই অপশনটি সঠিক কারণ সুন্দরবনে প্রধানত দুই প্রজাতির হরিণ দেখা যায়। C) ৩ — সুন্দরবনে হরিণের প্রজাতির সংখ্যা তিনটি নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। D) ৪ — সুন্দরবনে চার প্রজাতির হরিণ বাস করে না, সংখ্যাটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: সুন্দরবনের হরিণের সংখ্যা মনে রাখতে মনে রাখুন সুন্দরবনে চিত্রা ও মায়া নামের দুটি প্রধান হরিণ পাওয়া যায়।
a ৪ অক্টোবর
b ২৯ জুন
c ১৩ অক্টোবর
d ১১ ফেব্রুয়ারি
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ অক্টোবর কেন সঠিক: - বিশ্বজুড়ে প্রাণীদের কল্যাণ ও অধিকার রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রতি বছর ৪ অক্টোবর বিশ্ব প্রাণী দিবস পালন করা হয়। - ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে ১৯৩১ সালে পরিবেশ বিজ্ঞানীদের এক সম্মেলনে এই দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ অক্টোবর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনটিতে বিশ্ব প্রাণী দিবস পালন করা হয়। B) ২৯ জুন — এটি কোনো বিশ্ব প্রাণী দিবসের তারিখ নয় এবং এই দিনে অন্য কোনো সাধারণ দিবস থাকতে পারে। C) ১৩ অক্টোবর — এটি আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস, যা প্রাণী দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১১ ফেব্রুয়ারি — এটি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নারী ও মেয়ে দিবস, প্রাণী দিবসের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: প্রাণী দিবসের শুরুর অক্ষর প্রা (৪ এর কাছাকাছি উচ্চারণ) এবং অক্টোবর মাসের চার তারিখের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো চার অক্টোবর।
a জাতিপুঞ্জ সৃষ্টি করা
b অটোমানদের জায়গা দখল করা
c ইহুদীদের জন্য একটি জাতি রাষ্ট্র গঠন
d বিরুদ্ধে মিত্র শক্তির নতুন কৌশল অবলম্বন
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইহুদীদের জন্য একটি জাতি রাষ্ট্র গঠন কেন সঠিক: - ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোর এই ঘোষণা দেন, যার মূল লক্ষ্য ছিল ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ইহুদিদের জন্য একটি জাতীয় আবাসভূমি স্থাপন করা। - এটি ছিল জায়নবাদী আন্দোলনের প্রতি ব্রিটিশ সরকারের আনুষ্ঠানিক সমর্থন, যা পরবর্তীতে ইসরায়েল রাষ্ট্র গঠনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতিপুঞ্জ সৃষ্টি করা — জাতিপুঞ্জ গঠিত হয় ১৯২০ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভার্সাঁ চুক্তির মাধ্যমে, বেলফোর ঘোষণার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক ছিল না। B) অটোমানদের জায়গা দখল করা — অটোমান সাম্রাজ্যের পতন ও ভূখণ্ড ভাগাভাগি যুদ্ধের সামগ্রিক পরিণতির অংশ ছিল, বেলফোর ঘোষণার নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য এটি ছিল না। D) বিরুদ্ধে মিত্র শক্তির নতুন কৌশল অবলম্বন — এটি মিত্র শক্তির কোনো সামগ্রিক যুদ্ধ কৌশল ছিল না, বরং এটি ছিল বিশেষভাবে ফিলিস্তিনে ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঘোষণা। মনে রাখার টিপস: বেলফোর ঘোষণা মানেই মনে রাখবে ব্রিটিশদের দেওয়া ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য একটি আলাদা রাষ্ট্র বা আবাসভূমির প্রতিশ্রুতি।
a ইউরোপ
b এশিয়া
c দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
d পূর্ব ইউরোপ
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া কেন সঠিক: - স্নায়ুযুদ্ধের সময় এই তত্ত্বে বলা হয় যে কোনো একটি দেশ কমিউনিবাদের অধীনে গেলে আশপাশের দেশগুলোতেও একই আদর্শ ছড়িয়ে পড়বে। - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিয়েতনাম যুদ্ধ ও এই অঞ্চলের অন্যান্য সংঘাতে হস্তক্ষেপের যৌক্তিকতা হিসেবে এই নীতি ব্যবহার করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউরোপ — ইউরোপে স্নায়ুযুদ্ধের সময় লৌহপর্দা ও ধারণাগত বিভাজন থাকলেও ডমিনো তত্ত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে এই অঞ্চলের জন্য প্রযোজ্য ছিল না। B) এশিয়া — এশিয়া মহাদেশ অত্যন্ত বিশাল এবং এই তত্ত্বটি নির্দিষ্ট করে এশিয়ার একটি নির্দিষ্ট উপাঞ্চলের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। C) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ব্যাখ্যা প্রয়োজন নেই। D) পূর্ব ইউরোপ — পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত প্রভাবের বিস্তার ঘটলেও এই নির্দিষ্ট ভূরাজনৈতিক তত্ত্বটি সেখানে প্রয়োগ করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: দাবাস খেলায় একটি পাথর পড়লে যেমন সারিবদ্ধ অন্য পাথরগুলো একে একে পড়ে যায়, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কমিউনিবাদের বিস্তার বোঝাতে এই তত্ত্ব ব্যবহার করা হয়েছিল।
a চীন
b হাঙ্গেরি
c সাবেক সােভিয়েত ইউনিয়ন
d পােল্যান্ড
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাবেক সােভিয়েত ইউনিয়ন কেন সঠিক: - সোভিয়েত ইউনিয়নের শেষ নেতািখাইল গর্বাচেভ ১৯৮০-র দশকের মাঝামাঝিতে দেশটিতে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারের অংশ হিসেবে গ্লাসনস্ত বা স্বচ্ছতা নীতি চালু করেন। - এই নীতির মূল উদ্দেশ্য ছিল সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কাজে স্বচ্ছতা আনা এবং বাকস্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের ওপর থেকে কঠোর নিয়ন্ত্রণ কমানো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — চীন সমাজতান্ত্রিক দেশ হলেও গ্লাসনস্ত নীতি চালু করেনি, বরং তারা অর্থনৈতিক সংস্কারের জন্য মুক্তবাজার অর্থনীতি বা বাজার সমাজতন্ত্র প্রবর্তন করেছিল। B) হাঙ্গেরি — হাঙ্গেরি পূর্ব ইউরোপীয় সমাজতান্ত্রিক ব্লকের অন্তর্ভুক্ত হলেও বিখ্যাত গ্লাসনস্ত নীতিটি তাদের নিজস্ব কোনো রাজনৈতিক সংস্কার ছিল না। D) পোল্যান্ড — পোল্যান্ডে শ্রমিক আন্দোলন এবং সংহতি আন্দোলন শক্তিশালী ছিল, কিন্তু গ্লাসনস্ত ও পেরেস্ত্রোইকা নীতিটি সোভিয়েত ইউনিয়নের নিজস্ব প্রশাসনিক সংস্কার ছিল। মনে রাখার টিপস: গ্লাসনস্ত অর্থ স্বচ্ছতা এবং পেরস্ত্রোইকা অর্থ পুনর্গঠন, এই জোড়া সংস্কার নীতি সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতািখাইল গর্বাচেভের সাথে গভীরভাবে যুক্ত।
a 2
b 4
c 1
d 3
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 1 কেন সঠিক: - ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদির প্রথম শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে সার্কভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধানদের পাশাপাশি মরিশাসের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। - মরিশাস সার্ক অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় আমন্ত্রিত রাষ্ট্রের সংখ্যা মাত্র ১টি হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 2 — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ সার্ক অঞ্চলের বাইরে কেবল ১টি দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। B) 4 — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ সার্কের বাইরে একাধিক দেশকে আমন্ত্রণ জানানোর তথ্যটি সঠিক নয়। C) 1 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই একটি দেশ ছিল সার্ক অঞ্চলের বাইরের মরিশাস। D) 3 — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ সার্ক অঞ্চলের বাইরে ৩টি দেশ আমন্ত্রিত ছিল না। মনে রাখার টিপস: নরেন্দ্র মোদির প্রথম শপথ অনুষ্ঠানে সার্কের বাইরে আমন্ত্রিত দেশ ছিল কেবল মরিশাস, তাই সংখ্যাটি ১।
a রাজা ধীরেন্দ্র
b রাজা বীরেন্দ্র
c রাজা জ্ঞানেন্দ্র
d রাজা মহেন্দ্র
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাজা জ্ঞানেন্দ্র কেন সঠিক: - ২০০৮ সালে নেপালে রাজতন্ত্রের বিলুপ্তি ঘটে এবং দেশটি প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়। - রাজা জ্ঞানেন্দ্র ছিলেন নেপালের শেষ বা সর্বশেষ রাজা, যার পতনের মাধ্যমে দীর্ঘ রাজতন্ত্রের অবসান হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজা ধীরেন্দ্র — তিনি রাজা জ্ঞানেন্দ্রর ভাই ছিলেন এবং ২০০১ সালে নেপালের রাজকীয় হত্যাকাণ্ডে নিহত হন। B) রাজা বীরেন্দ্র — তিনি রাজা জ্ঞানেন্দ্রর বড় ভাই ছিলেন এবং ২০০১ সালের রাজপ্রাসাদের হত্যাকাণ্ডে সপরিবারে নিহত হন। C) রাজা জ্ঞানেন্দ্র — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তিনিই নেপালের রাজতন্ত্রের শেষ রাজা ছিলেন। D) রাজা মহেন্দ্র — তিনি রাজা জ্ঞানেন্দ্র ও বীরেন্দ্রর পিতা ছিলেন এবং ১৯৬০-এর দশকে নেপালের ক্ষমতায় ছিলেন। মনে রাখার টিপস: নেপালে গণতন্ত্র ও প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আগে রাজতন্ত্রের শেষ শাসক ছিলেন জ্ঞানেন্দ্র।
a জাপান
b কোস্টারিকা
c পেরু
d সুইজারল্যান্ড
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জাপান কেন সঠিক: - এই সংবিধানে (Article 9) আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ এবং সামরিক শক্তি প্রয়োগ চিরতরে ত্যাগ করা হয়েছে। - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৭ সালে কার্যকর হওয়া এই সংবিধান বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — এই দেশের সংবিধানে যুদ্ধ ত্যাগ করার ঘোষণা থাকায় একে শান্তি সংবিধান বলা হয়। B) কোস্টারিকা — এই দেশ সেনাবাহিনী বিলুপ্ত করলেও এর সংবিধানকে আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তি সংবিধান বলা হয় না। C) পেরু — এই দেশের সংবিধানে যুদ্ধের বিরুদ্ধে কোনো বিশেষ শান্তি ধারা যুক্ত নেই। D) সুইজারল্যান্ড — এটি স্থায়ী নিরপেক্ষ রাষ্ট্র হলেও এর সংবিধান শান্তি সংবিধান হিসেবে পরিচিত নয়। মনে রাখার টিপস: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপান যুদ্ধ ত্যাগ করে সংবিধান তৈরি করেছিল বলে একে শান্তি সংবিধান বলা হয়।
a সিরিয়া
b ইরাক
c সুদান
d সােমালিয়া
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইরাক কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইইপি প্রকাশিত গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স ২০১৪ অনুযায়ী সন্ত্রাসী হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ দেশ ছিল ইরাক। - ওই সময়ে দেশটিতে ইসলামিক স্টেটসহ বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীর সন্ত্রাসী কার্যক্রম চরম আকার ধারণ করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিরিয়া — সে সময় সিরিয়া গৃহযুদ্ধে জর্জরিত থাকলেও গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স ২০১৪-এর শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল। B) ইরাক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই দেশটিতে সন্ত্রাসী সহিংসতার মাত্রা সবচেয়ে বেশি ছিল। C) সুদান — এই দেশটিতে অভ্যন্তরীণ সংঘাত থাকলেও গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স ২০১৪-এর শীর্ষ সন্ত্রাসকবলিত দেশের তালিকায় প্রথম ছিল না। D) সোমালিয়া — সোমালিয়ায় আল-শাবাবের তৎপরতা সত্ত্বেও এই সূচকে এটি শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে প্রথম স্থান অর্জন করেনি। মনে রাখার টিপস: আইইপি প্রকাশিত ২০১৪ সালের সন্ত্রাস সূচকে শীর্ষে থাকা ইরাককে মনে রাখতে আই দিয়ে ইনডেক্স এবং আই দিয়ে ইরাক বা প্রথম বর্ণ মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
a ফিজি
b গােয়াম
c পাপুয়া নিউগিনি
d মালদ্বীপ
0 145 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: D) মালদ্বীপ কেন সঠিক: - মালদ্বীপ একটি নিচু দ্বীপরাষ্ট্র হওয়ায় বিশ্ব উষ্ণায়ন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে চরম অস্তিত্বের সংকটে রয়েছে। - এই ভয়াবহ হুমকির বিষয়টি বিশ্ববাসীর দৃষ্টিগোচর করতে ২০০৯ সালে মালদ্বীপের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ নাশিদ সমুদ্রের গভীরে মন্ত্রিসভার বৈঠক করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিজি — এটি প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দ্বীপ দেশ এবং জলবায়ু সম্মেলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখলেও সমুদ্রের নিচে মন্ত্রিসভার বৈঠক করেনি। B) গুয়াম — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অধীনস্থ অঞ্চল এবং এই ধরনের কোনো ঐতিহাসিক বৈঠকের সঙ্গে যুক্ত নয়। C) পাপুয়া নিউগিনি — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি দেশ যা জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার হলেও এই অভিনব বৈঠকটি করেনি। D) মালদ্বীপ — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি নিজেই মন্ত্রিসভার এই ঐতিহাসিক বৈঠকের আয়োজন করেছিল। মনে রাখার টিপস: পানির নিচে মন্ত্রিসভার বৈঠক করে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল মালদ্বীপ।
a কমিন্টার্ন
b কমেকন
c কমিনফর্ম
d কোনটিই নয়
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কমেকন কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য ১৯৪৯ সালে কমেকন গঠিত হয়। - মার্শাল প্ল্যানের বিপরীতে সোভিয়েত ব্লকের দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাই ছিল এই জোটের মূল উদ্দেশ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কমিন্টার্ন — এটি ছিল কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা ১৯১৯ থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের কমিউনিস্ট দলগুলোকে একত্রিত করতে কাজ করেছিল কিন্তু অর্থনৈতিক জোট ছিল না। B) কমেকন — এটি সঠিক অর্থনৈতিক জোট হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুসারে সঠিক। C) কমিনফর্ম — এটি কমিউনিস্ট ও ওয়ার্কার্স পার্টিগুলোর ইনফরমেশন ব্যুরো, যা রাজনৈতিক সমন্বয়ের জন্য ১৯৪৭ সালে গঠিত হয়েছিল। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: অর্থনৈতিক জোট মনে রাখতে ইকোনমিক বা ইকোনমির সাথে মিল রেখে কমেকন (Council for Mutual Economic Assistance) কথাটি মনে রাখবে।
a চীনের একটি খাবারের নাম
b চীনের একটি শহরের নাম
c চীনের একটি ধর্মীয় স্থানের নাম
d চীনের একটি সম্প্রদায়ের নাম
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চীনের একটি সম্প্রদায়ের নাম কেন সঠিক: - উইঘুর হলো চীনের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলীয় শিনজিয়াং প্রদেশের একটি প্রধান মুসলিম জাতিগোষ্ঠী বা সম্প্রদায়। - এরা মূলত তুর্কি ভাষাভাষী এবং ইসলাম ধর্মাবলম্বী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীনের একটি খাবারের নাম — উইঘুর কোনো খাদ্যপণ্য বা খাবারের নাম নয়, এটি একটি মানবগোষ্ঠী। B) চীনের একটি শহরের নাম — উইঘুর কোনো শহর বা ভৌগোলিক স্থান নয়, শিনজিয়াং হলো চীনের একটি অঞ্চলের নাম যেখানে এরা বসবাস করে। C) চীনের একটি ধর্মীয় স্থানের নাম — উইঘুর কোনো উপাসনালয় বা ধর্মীয় স্থাপনা নয়, এটি একটি জাতিগত পরিচয়। D) চীনের একটি সম্প্রদায়ের নাম — এটি সঠিক, কারণ উইঘুর চীনের একটি সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়। মনে রাখার টিপস: উইঘুর শব্দটির সাথে সম্প্রদায় বা জাতিগোষ্ঠী যুক্ত, যা চীনের শিনজিয়াং প্রদেশের মুসলিম জনগোষ্ঠীকে বোঝায়।
a ব্রাসেলস
b জেনেভা
c লন্ডন
d প্যারিস
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) জেনেভা *প্রদত্ত উত্তর সংশোধন: প্রশ্নে সঠিক উত্তর লন্ডন দেওয়া থাকলেও প্রকৃত ও নির্ভুল উত্তর হলো জেনেভা। ডব্লিউআইপিও (WIPO) এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।* কেন সঠিক: - ডব্লিউআইপিও (WIPO) হলো বিশ্ব মেধা সম্পত্তি সংস্থা, যার প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত। - এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক মেধা সম্পত্তি সুরক্ষায় জেনেভা থেকে এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রাসেলস — এটি বেলজিয়ামের রাজধানী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর, তাই এটি সঠিক নয়। B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং ডব্লিউআইপিও এর সঠিক সদর দপ্তর। C) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এখানে আন্তর্জাতিক মারিটাইম অর্গানাইজেশন বা আইএমও এর সদর দপ্তর অবস্থিত। D) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কো বা ওএইসিডির সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: মেধা সম্পত্তি রক্ষা করতে জেনি নামের কেউ জেনেভায় অফিস খুলেছে, এভাবে WIPO এর সদর দপ্তর জেনেভা মনে রাখতে পারো।
a জাপান
b আফগানিস্তান
c ভারত
d চীন
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চীন কেন সঠিক: - ২০১৩ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই মেগা প্রকল্পের ঘোষণা দেন, যা বর্তমান বিশ্বে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ নামে পরিচিত। - প্রাচীন সিল্ক রোডের ঐতিহাসিক বাণিজ্যিক পথ পুনরুজ্জীবিত করে এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করাই এর মূল লক্ষ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — এটি এই প্রকল্পের প্রবক্তা নয়, তবে এশিয়ার অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে বিভিন্ন দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থায়ন করে থাকে। B) আফগানিস্তান — এটি প্রাচীন সিল্ক রোডের একটি ভৌগোলিক অংশ হলেও এই আধুনিক বৈশ্বিক মেগা প্রকল্পের প্রবক্তা নয়। C) ভারত — ভারতের সঙ্গে এই প্রকল্পের ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতা রয়েছে এবং দেশটি এই উদ্যোগে অংশ নেয়নি। D) চীন — এই অপশনটি সঠিক কারণ চীন ২০১৩ সালে এই প্রকল্প প্রস্তাব করে বৈশ্বিক বাণিজ্যের বিস্তার ঘটাতে কাজ করছে। মনে রাখার টিপস: সিল্ক বা রেশম উৎপাদনের জন্য চীন বিশ্ববিখ্যাত, তাই নিউ সিল্ক রোড প্রকল্পের প্রবক্তাও চীন।
a ইউরিয়া এবং এএসপি
b টিএসপি এবং এএসপি
c ইউরিয়া
d ডিএপি
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইউরিয়া এবং এএসপি কেন সঠিক: - ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ (এনজিএফএফ) মূলত ইউরিয়া সার উৎপাদনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হলেও এর পাশাপাশি অ্যামোনিয়াম সালফেট বা এএসপি সারও উৎপাদন করে থাকে। - এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ সার কারখানা, যা প্রাকৃতিক গ্যাসকে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে এই দুটি সার উৎপাদন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউরিয়া এবং এএসপি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কারখানা থেকে এই দুটি সারই উৎপাদিত হয়। B) টিএসপি এবং এএসপি — টিএসপি সার এই কারখানায় উৎপাদিত হয় না, এটি উৎপাদিত হয় টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ এ। C) ইউরিয়া — শুধুমাত্র ইউরিয়া বললে উত্তর অসম্পূর্ণ হয়, কারণ এই কারখানা ইউরিয়ার পাশাপাশি এএসপি সারও উৎপাদন করে। D) ডিএপি — ডিএপি সার উৎপাদনের জন্য আলাদা কারখানা রয়েছে, এটি এই কারখানার উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে পড়ে না। মনে রাখার টিপস: ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরির উৎপাদিত সার মনে রাখতে ইউরিয়া ও এএসপি এই দুটি নামের প্রথম অংশ বা মূল উৎপাদিত পণ্য মাথায় রাখুন।
a কেওড়া বন
b উপকূলীয় বন
c শালবন
d চিরহরিৎ বন
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উপকূলীয় বন কেন সঠিক: - ম্যানগ্রোভ হলো লবণাক্ত পরিবেশ এবং জোয়ার-ভাটা প্লাবিত উপকূলীয় অঞ্চলের বিশেষ ধরনের উদ্ভিদ সম্প্রদায়। - বাংলাদেশের সুন্দরবন এই ধরনের উপকূলীয় বনের উৎকৃষ্ট উদাহরণ যা উপকূল রক্ষা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কেওড়া বন — কেওড়া ম্যানগ্রোভ বনের একটি প্রধান গাছ হলেও এটি সমগ্র ম্যানগ্রোভ ধারণার বিকল্প হতে পারে না। B) উপকূলীয় বন — এটি সঠিক উত্তর কারণ ম্যানগ্রোভ উপকূলীয় অঞ্চলেই জন্মায়। C) শালবন — শালবন মধুপুর বা ভাওয়ালের মতো পাহাড়ি ও উঁচু ভূমির চিরহরিৎ বন, লবণাক্ত উপকূলীয় বন নয়। D) চিরহরিৎ বন — চিরহরিৎ বন মূলত পাহাড়ি অঞ্চলে দেখা যায় যেখানে সারা বছর পাতা থাকে, জোয়ার-ভাটার লবণাক্ততা থাকে না। মনে রাখার টিপস: ম্যান মানে মানুষ নয়, ম্যানগ্রোভ মানেই সমুদ্র উপকূলের লবণাক্ত বনাঞ্চল বা সুন্দরবন।
a 5
b 8
c 4
d 7
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 8 প্রশ্নের ধরন: পরিবেশ ও আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান। কেন সঠিক: - ১৯৮৯ সালে কার্যকর হওয়া ওজনস্তর ক্ষয়কারী পদার্থ সংক্রান্ত মন্ট্রিল প্রটোকলটি এ পর্যন্ত মোট ৮ বার সংশোধন করা হয়েছে। - বিভিন্ন নতুন ক্ষয়কারী পদার্থ নিষিদ্ধ করা এবং লক্ষ্যমাত্রা কঠোর করার জন্য এই সংশোধনীগুলো আনা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 5 — এই সংখ্যাটি মন্ট্রিল প্রটোকলের সংশোধনীর প্রকৃত সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। B) 8 — এটি সঠিক উত্তর কারণ মন্ট্রিল প্রটোকল মোট ৮ বার সংশোধিত হয়েছে। C) 4 — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ প্রটোকলটি এর চেয়ে অনেক বেশিবার সংশোধিত হয়েছে। D) 7 — এই সংখ্যাটিও ভুল কারণ সর্বশেষ সংশোধনসহ মোট সংখ্যাটি ৮। মনে রাখার টিপস: মন্ট্রিল প্রটোকল এবং সংশোধনীর সংখ্যা মনে রাখতে মনে রাখুন, ওজনস্তর রক্ষার এই চুক্তিতে মোট আটটি সংশোধনী আনা হয়েছে।
a জাতিসংঘের যুদ্ধ মােকাবেলা সংক্রান্ত চুক্তি সময়
b জাতিসংঘের শিশু অধিকার বিষয়ক চুক্তি
c জাতিসংঘের নারী অধিকার বিষয়ক প্রটোকল
d জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি কেন সঠিক: - এটি ২০০০ সালের জানুয়ারি মাসে গৃহীত এবং ২০০৩ সাল থেকে কার্যকর হওয়া একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশগত চুক্তি। - এই প্রটোকলের মূল লক্ষ্য জিনগতভাবে পরিবর্তিত জীবের (GMO) এক দেশ থেকে অন্য দেশে স্থানান্তর নিয়ন্ত্রণ করে জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতিসংঘের যুদ্ধ মোকাবেলা সংক্রান্ত চুক্তি সময় — এটি যুদ্ধের নিয়মাবলী বা অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত কোনো চুক্তি নয়। B) জাতিসংঘের শিশু অধিকার বিষয়ক চুক্তি — এটি শিশুদের অধিকার ও সুরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি, যার সাথে কার্টাগেনা প্রটোকল সম্পর্কিত নয়। C) জাতিসংঘের নারী অধিকার বিষয়ক প্রটোকল — এটি নারীদের সুরক্ষা বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় জীবপ্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করার সাথে যুক্ত। মনে রাখার টিপস: কার্টাগেনা বললেই মাথায় রাখবে জীব নিরাপত্তা এবং পরিবেশ রক্ষার জৈব প্রযুক্তিগত চুক্তি।
a বাংলাদেশ-মায়ানমার
b বাংলাদেশ-ভারত
c মায়ানমার-চীন
d ভারত-মায়ানমার
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলাদেশ-মায়ানমার কেন সঠিক: - মংডু হলো মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যে অবস্থিত একটি সীমান্তবর্তী শহর, যা বাংলাদেশের টেকনাফ উপজেলার ঠিক বিপরীতে নাফ নদী দ্বারা বিভক্ত। - এটি বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যকার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থল ও নদী সীমান্ত এলাকা এবং বাণিজ্য কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ-মায়ানমার — এই অপশনটি সঠিক কারণ মংডু বাংলাদেশের টেকনাফের বিপরীতে মায়ানমারের সীমান্তবর্তী একটি এলাকা। B) বাংলাদেশ-ভারত — এই অপশনটি ভুল কারণ ভারত বাংলাদেশের উত্তর, পূর্ব ও পশ্চিম সীমান্তে অবস্থিত, মায়ানমার সীমান্তে নয়। C) মায়ানমার-চীন — এই অপশনটি ভুল কারণ মায়ানমারের উত্তর ও উত্তর-পূর্ব সীমান্তে চীন অবস্থিত, মংডু এলাকায় নয়। D) ভারত-মায়ানমার — এই অপশনটি ভুল কারণ মংডু এলাকাটি সরাসরি বাংলাদেশ ও মায়ানমারের সীমান্ত নির্দেশ করে, ভারত ও মায়ানমারের সীমান্ত নয়। মনে রাখার টিপস: নাফ নদী পার হলেই টেকনাফ থেকে মংডু শুরু হয়, যা বাংলাদেশ ও মায়ানমারকে আলাদা করেছে।
a রাশিয়া
b ভারত
c ব্রাজিল
d দক্ষিণ আফ্রিকা
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাশিয়া কেন সঠিক: - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি পরিবর্তনশীল তথ্যের ক্ষেত্রে ভুল, কারণ সাম্প্রতিক তথ্যানুযায়ী ২০২৪ সালে ব্রিকসের ষোড়শ শীর্ষ বৈঠক রাশিয়ার কাজান শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। - ব্রাজিল এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়, কারণ ২০২৪ সালের শীর্ষ বৈঠক ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হয়নি বরং রাশিয়া এর আয়োজক দেশ ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে ব্রিকসের ষোড়শ শীর্ষ বৈঠক রাশিয়ার কাজান শহরে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। B) ভারত — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ ভারত এর আগে শীর্ষ বৈঠক আয়োজন করলেও সাম্প্রতিকতম বৈঠকের আয়োজক দেশ রাশিয়া। C) ব্রাজিল — প্রদত্ত উত্তর অনুযায়ী এটি সঠিক বলা হলেও সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী এটি সঠিক নয়, কারণ ব্রাজিল ২০২৩ সালের বৈঠক আয়োজন করেনি। D) দক্ষিণ আফ্রিকা — এটি ভুল উত্তর কারণ দক্ষিণ আফ্রিকা ২০২৩ সালের পঞ্চদশ শীর্ষ বৈঠক আয়োজন করেছিল, সর্বশেষ বৈঠক নয়। মনে রাখার টিপস: ব্রিকসের সাল অনুযায়ী আয়োজক দেশ মনে রাখার জন্য বর্ণমালা বা চক্র অনুসরণ করতে পারো, যেমন ২০২৪ সালে হয়েছে রাশিয়ায়।
a ২০০ নটিকেল মাইল
b ৩৫০ নটিকেল মাইল
c ৩০০ নটিকেল মাইল
d ৪৫০ নটিকেল মাইল
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৫০ নটিকেল মাইল কেন সঠিক: - ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন বা আনক্লোজ অনুযায়ী উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের স্বাভাবিক সীমা ২০০ নটিকেল মাইল হলেও ভূতাত্ত্বিক ও ভূমরকীয় শর্ত সাপেক্ষে তা সর্বোচ্চ ৩৫০ নটিকেল মাইল পর্যন্ত হতে পারে। - অর্থনৈতিক অঞ্চল ও মহীসোপানের বহিঃসীমা নির্ধারণের ক্ষেত্রে উপকূল থেকে নির্দিষ্ট দূরত্ব বা মহীসোপানের প্রান্তসীমা পর্যন্ত এই নিয়ম প্রযোজ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০ নটিকেল মাইল — এটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের নিরঙ্কুশ অর্থনৈতিক অঞ্চলের সীমা, তবে মহীসোপানের সর্বোচ্চ সীমা এর চেয়ে বেশি হতে পারে। B) ৩৫০ নটিকেল মাইল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং মহীসোপানের সর্বোচ্চ আইনি সীমার সঙ্গে মিলে যায়। C) ৩০০ নটিকেল মাইল — এটি সমুদ্র আইন কনভেনশনে মহীসোপান বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট সমুদ্র অঞ্চলের নির্ধারিত প্রমিত সীমা নয়। D) ৪৫০ নটিকেল মাইল — এটি আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন কনভেনশন অনুযায়ী উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের অনুমোদিত কোনো সীমা নয়। মনে রাখার টিপস: অর্থনৈতিক অঞ্চল মানেই ২০০ নটিকেল মাইল, আর মহীসোপান যদি বড় হয় তবে তা ৩৫০ নটিকেল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে।
a যুক্ত অবস্থার চাইতে কম
b যুক্ত অবস্থার চাইতে অধিক
c যুক্ত অবস্থার সমান
d কোনটিই সঠিক নয়
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যুক্ত অবস্থার চাইতে অধিক ১. কেন সঠিক: বিচ্ছিন্ন অবস্থায় একটি পরমাণু স্বাধীন এবং এককভাবে থাকে বলে এর অভ্যন্তরীণ শক্তি বেশি থাকে। পরমাণু যখন অন্য পরমাণুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে অণু বা যৌগ গঠন করে, তখন শক্তি নির্গত হয় এবং স্থিতিশীলতা অর্জন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: প্রকৃতিতে প্রতিটি সিস্টেম সর্বনিম্ন শক্তি এবং সর্বোচ্চ স্থিতিশীলতা অর্জন করতে চায়। পরমাণু যখন বিচ্ছিন্ন থাকে, তখন তাদের মধ্যে আকর্ষণ বা স্থিতিশীলতা না থাকায় তাদের বিভব শক্তি বেশি থাকে। কার্যপ্রণালি: রাসায়নিক বন্ধন গঠনের সময় পরমাণুগুলো শক্তি বিকিরণ করে এবং কম শক্তির স্তরে নেমে আসে। ফলে যুক্ত বা আবদ্ধ অবস্থার মোট শক্তি বিচ্ছিন্ন অবস্থার চেয়ে কমে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাইড্রোজেন পরমাণু ব্যাখ্যা: দুটি বিচ্ছিন্ন হাইড্রোজেন পরমাণুর মোট শক্তির চেয়ে একটি হাইড্রোজেন অণু গঠনের পর মোট শক্তি কম হয়, কারণ বন্ধন গঠনের সময় অতিরিক্ত শক্তি মুক্ত হয়। উদাহরণ ২: সোডিয়াম ও ক্লোরিন বিক্রিয়া ব্যাখ্যা: বিচ্ছিন্ন সোডিয়াম ও ক্লোরিন পরমাণুর শক্তির মাত্রা বেশি থাকে, কিন্তু যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ক্লোরাইড লবণ তৈরির সময় তারা শক্তি ছেড়ে দিয়ে কম শক্তির স্থিতিশীল অবস্থা অর্জন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্ত অবস্থার চাইতে কম — এই উত্তরটি ভুল কারণ বিচ্ছিন্ন পরমাণু অধিক শক্তিসম্পন্ন হয় এবং যুক্ত হলে শক্তি কমে যায়। B) যুক্ত অবস্থার চাইতে অধিক — এই উত্তরটি সঠিক কারণ মুক্ত বা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পরমাণুর শক্তি বেশি থাকে। C) যুক্ত অবস্থার সমান — এই উত্তরটি ভুল কারণ বন্ধন গঠনের সময় শক্তি নির্গত বা শোষিত হয়, ফলে শক্তি সমান থাকতে পারে না। D) কোনটিই সঠিক নয় — এই উত্তরটি ভুল কারণ অপশন বি সঠিক উত্তর হিসেবে উপস্থিত রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বাধীন বা একা থাকলে মানুষের যেমন তেজ বা শক্তি বেশি থাকে, তেমনি বিচ্ছিন্ন পরমাণুও বেশি শক্তি ধারণ করে। যুক্ত বা মিলে গেলে শক্তি কমে শান্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রাসায়নিক বন্ধন গঠনের মূল চালিকাশক্তি হলো শক্তি কমানো এবং স্থিতিশীলতা অর্জন করা। এই ধারণা থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বন্ধন শক্তি এবং স্থিতিশীলতা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a স্যাংগার ও পলিং
b লুই পাস্তুর ও ওয়াটসন
c ওয়াটসন ও ক্রিক
d পলিং ও ক্রিক
0 140 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ওয়াটসন ও ক্রিক ১. কেন সঠিক: জেমস ওয়াটসন এবং ফ্রান্সিস ক্রিক ১৯৫৩ সালে ডি এন এ অণুর ত্রিমাত্রিক দ্বি-হেলিক্স বা পেঁচানো সিঁড়ির মতো গঠন আবিষ্কার করেন। এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের ফলে জীববিজ্ঞানে বংশগতির ধারা এবং জিনের কার্যপ্রণালি স্পষ্টভাবে বোঝা সম্ভব হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ডি এন এ হলো ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড, যা সমস্ত জীবদেহের জিনগত তথ্য বহন করে এবং বংশপরম্পরায় বৈশিষ্ট্য রক্ষা করে। কার্যপ্রণালি: ডি এন এ অণু দুটি পলিনুক্লিওটাইড চেইন নিয়ে গঠিত, যা একে অপরের বিপরীত দিকে পেঁচিয়ে দ্বৈত সর্পিল বা দ্বি-হেলিক্স গঠন তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাতা-পিতার শারীরিক বা মানসিক বৈশিষ্ট্য সন্তানের মধ্যে স্থানান্তরিত হওয়া। ব্যাখ্যা: ডি এন এ অণুর মধ্যে থাকা জিনগত কোড বা নির্দেশাবলি বংশপরম্পরায় বৈশিষ্ট্যগুলো সঠিকভাবে ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: অপরাধী শনাক্তকরণ বা ফরেনসিক ডি এন এ টেস্ট। ব্যাখ্যা: প্রতিটি মানুষের ডি এন এ গঠন অনন্য হওয়ায় এই প্রযুক্তির মাধ্যমে অপরাধী বা নিখোঁজ ব্যক্তিকে নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্যাংগার ও পলিং — ফ্রেডরিক স্যাংগার ইনসুলিনের গঠন এবং পলিনাস পলিং প্রোটিনের আলফা হ্যালিক্স গঠন আবিষ্কার করেন। B) লুই পাস্তুর ও ওয়াটসন — লুই পাস্তুর জলাতঙ্কের টিকা এবং পাস্তুরাইজেশন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন, যা ডি এন এর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ওয়াটসন ও ক্রিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ তারা যৌথভাবে ডি এন এ অণুর দ্বি-হেলিক্স কাঠামো আবিষ্কারের জন্য নোবেল পুরস্কার পান। D) পলিং ও ক্রিক — পলিনাস পলিং ডি এন এ কাঠামোর কাছাকাছি পৌঁছালেও শেষ পর্যন্ত ওয়াটসন ও ক্রিক সঠিক মডেল উপস্থাপন করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: ডি এন এ কাঠামোর জনক মনে রাখার সহজ উপায় হলো ওয়াটার ক্রিস্টাল বা সংক্ষেপে ওয়াটসন ও ক্রিক নাম দুটি একসাথে মনে রাখা। জীববিজ্ঞানের এই মৌলিক আবিষ্কারটি ১৯৫৩ সালে হয়েছিল এবং এর জন্য তারা ১৯৬২ সালে নোবেল পুরস্কার পান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ডি এন এ অণুতে অ্যাডিনিন সবসময় থাইমিনের সঙ্গে এবং গুয়ানিন সাইটোসিনের সঙ্গে জোড়া বাঁধে। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীববিজ্ঞানের জিন ও বংশগতি অধ্যায় থেকে বারবার আসে।
a লৌহ
b আমিষ
c আয়ােডিন
d কোনটি না
0 138 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আমিষ ১. কেন সঠিক: - হিমোগ্লোবিন হলো রক্তে অক্সিজেন পরিবহনে সাহায্যকারী একটি বিশেষ জটিল আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় পদার্থ। - এটি মূলত গ্লোবিন নামক প্রোটিন এবং হিম নামক লৌহঘটিত রঞ্জক পদার্থ নিয়ে গঠিত। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: হিমোগ্লোবিন হলো মেরুদণ্ডী প্রাণীর লোহিত রক্তকণিকায় অবস্থিত একটি লৌহঘটিত প্রোটিন যা ফুসফুস থেকে শরীরের সব কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করে। - কার্যপ্রণালি: এটি ফুসফুসে অক্সিজেনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন গঠন করে এবং শরীরের টিস্যুতে পৌঁছে অক্সিজেন ছেড়ে দেয়। - বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের শরীরে হিমোগ্লোবিনের সঠিক মাত্রা বজায় থাকলে কোষে পর্যাপ্ত শক্তি উৎপাদিত হয় এবং ক্লান্তি দূর হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুস্থ মানুষের রক্তে হিমোগ্লোবিন ব্যাখ্যা: একজন সুস্থ পূর্ণবয়স্ক পুরুষের রক্তে হিমোগ্লোবিনের স্বাভাবিক পরিমাণ প্রতি ডেসিলিটারে ১৩ থেকে ১৮ গ্রাম এবং নারীদের ক্ষেত্রে ১২ থেকে ১৬ গ্রাম। উদাহরণ ২: রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া ব্যাখ্যা: খাদ্যে আমিষ বা আয়রনের ঘাটতি হলে হিমোগ্লোবিনের উৎপাদন কমে যায়, ফলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয় এবং শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লৌহ — হিমোগ্লোবিনে লৌহ বা আয়রন একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে উপস্থিত থাকে, তবে সম্পূর্ণ হিমোগ্লোবিন পদার্থটি শুধুমাত্র লৌহ নয়, বরং এটি একটি আমিষজাতীয় যৌগ। B) আমিষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ হিমোগ্লোবিন মূলত একটি প্রোটিন বা আমিষ জাতীয় পদার্থ। C) আয়ােডিন — এটি থাইরয়েড হরমোন তৈরির জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি খনিজ উপাদান, যা হিমোগ্লোবিনের গঠনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) কোনটি না — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি অপশন বি তে স্পষ্টভাবে বিদ্যমান রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: হিমোগ্লোবিন শব্দের শেষে প্রোটিনের অংশ 'গ্লোবিন' যুক্ত আছে যা থেকে সহজে মনে রাখা যায় এটি আমিষ জাতীয় পদার্থ। তবে এর মধ্যে আয়রন বা লৌহও একটি বিশেষ অংশ হিসেবে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে মানবদেহের কোন উপাদান অক্সিজেন বহন করে বা হিমোগ্লোবিন কোন জাতীয় পদার্থ। হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজ অক্সিজেন পরিবহন করা এবং এর অভাবে অ্যানিমিয়া রোগ হয়।
a ঘোড়া
b বলগা হরিণ
c উট
d খেচর
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উট ১. কেন সঠিক: মরুভূমির চরম আবহাওয়া ও বালুকাময় মাটিতে সহজে চলাচল এবং বেঁচে থাকার ক্ষমতার জন্য উটকে মরুভূমির জাহাজ বলা হয়। এর শারীরবৃত্তীয় বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি দীর্ঘ সময় জল ও খাদ্য ছাড়াই মরুভূমিতে টিকে থাকতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: এটি প্রাণিবিজ্ঞানের একটি অভিযোজন প্রক্রিয়া, যেখানে জীব পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে শারীরিক পরিবর্তন ঘটায়। কার্যপ্রণালি: উটের পিঠের কুঁজে চর্বি জমা থাকে, যা বিপাক ক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং প্রয়োজনে জল সরবরাহ করে। কারণ ও ফলাফল: উটের চওড়া ও নরম পায়ের পাতা বালিতে ডুবে যাওয়া রোধ করে এবং নাসারন্ধ্র বালুঝড় থেকে রক্ষা করতে বন্ধ করা যায়। বাস্তব প্রয়োগ: মরুভূমির যাযাবর সম্প্রদায় পণ্য ও মানুষ পরিবহনের জন্য উটকে প্রধান বাহন হিসেবে ব্যবহার করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উটের চোখের দীর্ঘ ও ঘন দুটি পলক এবং বিশেষ পর্দা থাকে। ব্যাখ্যা: এটি প্রচণ্ড বালুঝড়ের সময় বালুকণা থেকে চোখকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রাখে। উদাহরণ ২: উটের রক্তকণিকা ডিম্বাকৃতির এবং এরা শরীরের জলশূন্যতা সহ্য করতে পারে। ব্যাখ্যা: এর ফলে শরীরের জলের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলেও রক্ত ঘন হয়ে চলাচলে কোনো বাধা সৃষ্টি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঘোড়া — এটি প্রধানত তৃণভূমি বা নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের দ্রুতগামী প্রাণী, যার পায়ের খুর মরুভূমির বালির জন্য উপযোগী নয়। B) বলগা হরিণ — এটি সুমেরু অঞ্চলের তীব্র ঠান্ডা ও বরফাবৃত এলাকার প্রাণী, যা মরুভূমির গরম ও শুষ্ক আবহাওয়ায় বাঁচতে পারে না। C) উট — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা মরুভূমির চরম পরিবেশের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে অভিযোজিত একটি প্রাণী। D) খেচর — এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রাণীর নাম নয়, বরং এটি আকাশচারী বা ওড়ার ক্ষমতা সম্পন্ন প্রাণীদের সাধারণ শ্রেণিবাচক শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: মরুভূমির বালুকাময় মহাসমুদ্রে একমাত্র উটই নির্বিঘ্নে জাহাজ বা নৌকার মতো চলতে পারে। তাই বালির জাহাজের সঙ্গে উটের পিঠের কুঁজ এবং পায়ের পাতার রূপ মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মরুভূমির প্রাণীদের অতিরিক্ত জল সংরক্ষণের জন্য ঘাম কম হয় এবং মলমূত্র অত্যন্ত ঘন হয়। এই প্রশ্নটি থেকে বিবর্তন ও অভিযোজন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে।
a ঐচ্ছিক
b বিশেষ ধরনের চিক
c অনৈচ্ছিক
d বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক ১. কেন সঠিক: - হৃৎপিণ্ডের পেশি বা কার্ডিয়াক পেশি হলো একধরনের বিশেষ পেশি যা মানুষের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে কাজ করে না। - এটি দেখতে অনেকটা ঐচ্ছিক পেশির মতো ডোরাকাটা হলেও এর কার্যপদ্ধতি অনৈচ্ছিক পেশির মতো সারাজীবন নিজে নিজেই চলতে থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মানবদেহের পেশি প্রধানত তিন প্রকার, যথা ঐচ্ছিক পেশি, অনৈচ্ছিক পেশি এবং কার্ডিয়াক বা হৃদপেশি। - কার্যপ্রণালি: হৃৎপিণ্ডের পেশিগুলো বিশেষ ধরনের বৈদ্যুতিক সিগন্যালের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংকুচিত ও প্রসারিত হয়। - কারণ ও ফলাফল: এই বিশেষ গঠনের কারণে হৃৎপিণ্ড জন্মের পর থেকে মৃত্যু পর্যন্ত কখনো ক্লান্ত না হয়ে নিয়মিত রক্ত পাম্প করতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সুস্থ মানুষের হৃৎপিণ্ড দিনে প্রায় এক লক্ষ বার নিজে থেকেই স্পন্দিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে এই পেশি মানুষের ইচ্ছার অধীন নয় এবং এটি সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে। উদাহরণ ২: ঘুমানোর সময় বা অজ্ঞান অবস্থায়ও আমাদের হৃৎপিণ্ড সচল থাকে। ব্যাখ্যা: এই বিশেষ অনৈচ্ছিক বৈশিষ্ট্যের কারণেই মস্তিষ্ক ও দেহের অন্যান্য অঙ্গে রক্ত ও অক্সিজেন সরবরাহ অবাহত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঐচ্ছিক — কারণ এই পেশি আমাদের ইচ্ছামতো চালনা করা যায় না, যেমন হাত বা পায়ের পেশি। B) বিশেষ ধরনের চিকন — কারণ হৃৎপিণ্ডের পেশি তন্তু সম্পূর্ণ চিকন বা মসৃণ পেশির মতো নয়, বরং এর গঠন বেশ জটিল। C) অনৈচ্ছিক — কারণ সাধারণ অনৈচ্ছিক পেশি মসৃণ হয়, কিন্তু হৃৎপিণ্ড বিশেষ গঠনে তৈরি হওয়ায় এটিকে কেবল অনৈচ্ছিক বলা যথেষ্ট নয়। D) বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক — কারণ এটি গঠনগতভাবে ডোরাকাটা হলেও কাজের দিক থেকে অনৈচ্ছিক এবং ক্লান্তহীনভাবে কাজ করার বিশেষ ক্ষমতা রাখে। ৫. মনে রাখার টিপস: - হৃৎপিণ্ড হলো শরীরের একমাত্র পাম্প মেশিন যা কখনো বিশ্রাম নেয় না। - মনে রাখবে, হৃৎপিণ্ডের পেশি দেখতে ঐচ্ছিক পেশির মতো হলেও কাজ করে অনৈচ্ছিক পেশির নিয়মে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কার্ডিয়াক পেশি কোন অঙ্গ গঠন করে। - এই প্রশ্নটি থেকে হৃৎপিণ্ডের গঠন, পেশির প্রকারভেদ এবং মানবদেহের সংবহনতন্ত্র সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য জেনে রাখা জরুরি।
a 2
b 4
c 3
d 5
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ ১. কেন সঠিক: আবরণী টিস্যু বা এপিথেলিয়াল টিস্যু মূলত কোষের আকৃতি, অবস্থান এবং কাজের প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত। এই টিস্যুগুলো দেহের বিভিন্ন অঙ্গের বাইরে আবরণ তৈরি করে এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোকে সুরক্ষা প্রদান করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: আবরণী টিস্যু হলো সেই টিস্যু যা দেহের মুক্ত পৃষ্ঠতল ঢেকে রাখে বা অভ্যন্তরীণ অঙ্গের গহ্বরকে আস্তরণ দিয়ে সুরক্ষা দেয়। কার্যপ্রণালি: কোষগুলোর বিন্যাস ও গঠনের ভিন্নতার কারণে এগুলো বিভিন্ন স্থানে শোষণ, ক্ষরণ এবং সুরক্ষার কাজ ভিন্নভাবে পরিচালনা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ত্বকের বাইরের স্তর ব্যাখ্যা: এটি স্কোয়ামাস বা আইসাকার আবরণী টিস্যু দ্বারা গঠিত যা আমাদের দেহকে জীবাণু ও আঘাত থেকে রক্ষা করে। উদাহরণ ২: অন্ত্রের অভ্যন্তরীণ আস্তরণ ব্যাখ্যা: এটি কলামনার বা স্তম্ভাকার আবরণী টিস্যু দ্বারা গঠিত যা খাদ্য থেকে পুষ্টি উপাদান শোষণ করতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ আবরণী টিস্যুর ধরন দুটি নয়, কাজের প্রকৃতি ও আকৃতিভেদে এরা মূলত তিন ধরনের হয়। B) ৪ — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ জীববিজ্ঞানের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী মূল আবরণী টিস্যু চারটি নয়, প্রধান প্রকারভেদ তিনটি। C) ৩ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি কোষের আকৃতি ও কাজের ভিত্তিতে স্কোয়ামাস, কিউবায়ডাল ও কলামনার টিস্যুকে নির্দেশ করে। D) ৫ — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ আবরণী টিস্যুর প্রধান গঠনগত ধরন পাঁচটি নয়, বরং মূল প্রকারভেদ তিনটি। ৫ মনে রাখার টিপস: আবরণী টিস্যুর প্রধান প্রকারভেদ মনে রাখার জন্য স্কোয়ামাস, কিউবায়ডাল ও কলামনার এই তিনটি নাম ছন্দে মনে রাখতে পারো। কোষের আকৃতি আইসাকার, ঘনাকার ও স্তম্ভাকার হওয়ায় এদের প্রধান তিনটি রূপ সহজে চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় কোষ ও টিস্যু অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই ধারণা থেকে টিস্যুর কাজ বা কোন অঙ্গে কোন ধরনের টিস্যু থাকে সে সম্পর্কিত প্রশ্নও পরীক্ষায় আসতে পারে।
a 𝐶𝑎𝐶𝑂3CaCO3​
b 𝑁𝐻4𝐻𝐶𝑂3NH4​HCO3​
c 𝑁𝑎𝐻𝐶𝑂3NaHCO3​
d (𝑁𝐻4)2𝐶𝑂3(NH4​)2​CO3​
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) NaHCO3 ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সোডিয়াম বাইকার্বোনেট বা বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত নির্দেশ করে যা বেকিং পাউডারের মূল উপাদান। - এটি একটি মৃদু ক্ষারকীয় পদার্থ যা এসিডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বেকিং পাউডার হলো সোডিয়াম বাইকার্বোনেট এবং একটি কঠিন ভোজ্য এসিডের মিশ্রণ যা রান্নার সময় ফুলে উঠতে সাহায্য করে। - রাসায়নিক বিক্রিয়া: শুষ্ক অবস্থায় এদের মধ্যে কোনো বিক্রিয়া হয় না কিন্তু পানি যোগ করলে সোডিয়াম বাইকার্বোনেট এসিডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কেক বা রুটি তৈরিতে বেকিং পাউডার ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: উৎপাদিত কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস আটার ভেতরে বুদ্বুদ তৈরি করে এবং কেক বা রুটি নরম ও ফোলা হতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: পেটে এসিডিটি হলে অ্যান্টাসিড হিসেবে সোডিয়াম বাইকার্বোনেট খাওয়া হয়। ব্যাখ্যা: এটি পাকস্থলীর অতিরিক্ত হাইড্রোক্লোরিক এসিডকে প্রশমিত করে দ্রুত স্বস্তি দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) CaCO3 - এটি ক্যালসিয়াম কার্বোনেট বা চুনাপাথরের রাসায়নিক সংকেত যা বেকিং পাউডার নয়। B) NH4HCO3 - এটি অ্যামোনিয়াম বাইকার্বোনেটের সংকেত যা বেকিং পাউডার তৈরিতে ব্যবহৃত হয় না। C) NaHCO3 - এটি সঠিক উত্তর এবং সোডিয়াম বাইকার্বোনেটের রাসায়নিক সংকেত। D) (NH4)2CO3 - এটি অ্যামোনিয়াম কার্বোনেটের রাসায়নিক সংকেত যা বেকিং পাউডার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বেকিং পাউডারের মূল উপাদান হলো সোডিয়াম বাইকার্বোনেট এবং এর সংকেতে সোডিয়াম, হাইড্রোজেন, কার্বন ও অক্সিজেন থাকে। - সং মনে রাখার জন্য সোডিয়াম মানে Na এবং বাইকার্বোনেট মানে HCO3 একত্রে NaHCO3 এভাবে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেকিং পাউডার ও বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত প্রায়ই আসে। - সোডিয়াম বাইকার্বোনেটের বাণিজ্যিক নাম বেকিং সোডা এবং এর সঙ্গে মৃদু এসিড মেশালে তাকে বেকিং পাউডার বলা হয়।
a এসিড নির্দেশক
b ক্ষার নির্দেশক রাকাত
c এসিড ও ক্ষার নির্দেশক
d এসিড, ক্ষার ও নিরপেক্ষতা নির্দেশক
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) এসিড, ক্ষার ও নিরপেক্ষতা নির্দেশক ১. কেন সঠিক: - pH স্কেল মূলত কোনো দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়নের সক্রিয়তার ঋণাত্মক লোগারিদম। এটি কোনো দ্রবণ এসিডীয়, ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ তা নিখুঁতভাবে পরিমাপ করে। - শূন্য থেকে চৌদ্দ পর্যন্ত বিস্তৃত এই স্কেলে সাত হলো নিরপেক্ষ বিন্দু, যার নিচে এসিড এবং ওপরে ক্ষার নির্দেশিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: pH হলো পোটেনশিয়াল অব হাইড্রোজেন, যা দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন ঘনমাত্রা নির্দেশ করে। - সূত্র বা তত্ত্ব: পিএইচ নির্ণয়ের সূত্রটি হলো পিএইচ সমান মাইনাস লগারিদম হাইড্রোজেন আয়ন ঘনমাত্রা। - কার্যপ্রণালি: দ্রবণে এসিডের পরিমাণ বাড়লে পিএইচ কমে যায় এবং ক্ষারের পরিমাণ বাড়লে পিএইচ বেড়ে যায়। - বাস্তব প্রয়োগ: কৃষিকাজে মাটির উর্বরতা রক্ষা এবং মানবদেহের রক্ত ও পাকস্থলীর এসিডের ভারসাম্য রক্ষায় পিএইচ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিশুদ্ধ পানির পিএইচ ঠিক সাত। ব্যাখ্যা: এটি নির্দেশ করে যে বিশুদ্ধ পানি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ এবং এতে এসিড বা ক্ষার কোনোটিরই আধিক্য নেই। উদাহরণ ২: লেবুর রসের পিএইচ দুই থেকে তিনের মধ্যে থাকে। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে লেবুর রস একটি শক্তিশালী এসিডীয় পদার্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এসিড নির্দেশক — এটি শুধু এসিড নির্দেশ করে না, বরং ক্ষার ও নিরপেক্ষ অবস্থাও পরিমাপ করে। B) ক্ষার নির্দেশক রাকাত — এটি শুধুমাত্র ক্ষার নির্দেশ করে না, বরং এসিড ও নিরপেক্ষতার পরিমাপও এর অন্তর্ভুক্ত। C) এসিড ও ক্ষার নির্দেশক — এই অপশনে নিরপেক্ষতার বিষয়টি বাদ পড়েছে, যা পিএইচ স্কেলের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। D) এসিড, ক্ষার ও নিরপেক্ষতা নির্দেশক — এই অপশনটি সম্পূর্ণ এবং সঠিক কারণ এটি সবকটি অবস্থা একসঙ্গে প্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - পিএইচ স্কেলের মান শূন্য থেকে চৌদ্দ পর্যন্ত হয়। - সাত হলো নিরপেক্ষ, সাতের নিচে এসিড এবং সাতের ওপরে ক্ষার মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানবদেহের রক্তের স্বাভাবিক পিএইচ মান হলো সাত দশমিক চার। - এই টপিক থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মাটির পিএইচ বা রাসায়নিক পদার্থের প্রকৃতি সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
a বেকেরেল রশ্মি
b X – রশ্মির
c গামা রশ্মি
d বিটা-রশ্মি
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) X – রশ্মির ১. কেন সঠিক: - গোয়েন্দা বিভাগে চোরাচালান ধরতে বা গোপন বস্তু শনাক্ত করতে এক্স-রশ্মি বা এক্স-রে ব্যবহার করা হয়। - এই রশ্মি মানবদেহ বা ভারী পদার্থের ভেতর ভেদ করে যেতে পারলেও বিভিন্ন পদার্থের ঘনত্বের ওপর ভিত্তি করে ভিন্ন চিত্র তৈরি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: এক্স-রশ্মি হলো এক প্রকার উচ্চ শক্তির তড়িচ্চুম্বকীয় বিকিরণ যা দৃশ্যমান আলোর চেয়ে অনেক কম তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিশিষ্ট। - কার্যপ্রণালি: এক্স-রশ্মি কোনো বস্তুর মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় ঘন বস্তুতে বেশি বাধা পায় এবং হালকা বস্তুতে কম বাধা পায়, ফলে একটি পরিষ্কার প্রতিচ্ছবি পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিমানবন্দরে লাগেজ স্ক্যানিং ব্যাখ্যা: বিমানবন্দরের নিরাপত্তা তল্লাশীতে এক্স-রশ্মি ব্যবহার করে ব্যাগের ভেতরের ধাতব বা নিষিদ্ধ বস্তু সহজে শনাক্ত করা হয়। উদাহরণ ২: মানুষের শরীরের ভাঙা হাড় নির্ণয় ব্যাখ্যা: চিকিৎসাবিজ্ঞানে মানবদেহের ভেতরের ভাঙা হাড় বা ফাটল দেখতে এক্স-রশ্মি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেকেরেল রশ্মি — বেকেরেল রশ্মি মূলত তেজস্ক্রিয় বিকিরণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা গোয়েন্দা কাজে লাগেজ স্ক্যানে ব্যবহৃত হয় না। B) X – রশ্মির — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর ভেদন ক্ষমতা লাগেজ ও গোপন বস্তু পরীক্ষার জন্য উপযুক্ত। C) গামা রশ্মি — গামা রশ্মি অত্যন্ত শক্তিশালী তেজস্ক্রিয় রশ্মি যা মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এবং গোয়েন্দা বিভাগে ব্যবহৃত হয় না। D) বিটা-রশ্মি — বিটা রশ্মি হলো ইলেকট্রন কণার স্রোত যার ভেদন ক্ষমতা কম এবং এটি গোয়েন্দা বিভাগে ব্যবহৃত হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: চোখ দিয়ে যা দেখা যায় না, ব্যাগের ভেতর তা দেখতে এক্স-রে বা এক্স-রশ্মি ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এক্স-রশ্মি আবিষ্কার করেন উইলহেলম কনরাড রন্টজেন, যা পদার্থবিজ্ঞানে প্রথম নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
a ভয়েস টেলিফোনি
b মােবাইল টিভি
c ভিডিও কল
d ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা ১. কেন সঠিক: - মোবাইল কমিউনিকেশনে চতুর্থ প্রজন্ম বা ফোরজি প্রযুক্তির মূল বিপ্লব হলো উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা বা মোবাইল ব্রডব্যান্ড নিশ্চিত করা। - আগের প্রজন্মের তুলনায় এতে ডেটা ট্রান্সফার রেট বা গতি বহুগুণ বেশি পাওয়া যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ফোরজি বা চতুর্থ প্রজন্ম হলো মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থার এমন একটি প্রযুক্তি যা প্যাকেট সুইচিং নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ওএফডিএমএ এবং মাল্টি-ইনপুট মাল্টি-আউটপুট প্রযুক্তির সাহায্যে একই সময়ে অনেক ব্যবহারকারীকে একসাথে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে। - বৈশিষ্ট্য: এর সর্বনিম্ন গতি সাধারণত প্রতি সেকেন্ডে কয়েক মেগাবাইট থেকে শুরু করে গিগাবাইট পর্যন্ত হতে পারে এবং এতে আইপি ভিত্তিক ভয়েস কল সমর্থন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনে ইউটিউব বা নেটফ্লিক্স থেকে কোনো ধরনের বাফারিং বা থেমে যাওয়া ছাড়াই ফুল এইচডি বা ফোরকে ভিডিও স্ট্রিমিং করা। ব্যাখ্যা: এই কাজের জন্য ফোরজির উচ্চ ব্যান্ডউইথ ও দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা সরাসরি ভূমিকা পালন করে। উদাহরণ ২: জুম বা গুগল মিট অ্যাপ ব্যবহার করে ল্যাগ বা দেরি ছাড়াই হাই ডেফিনেশন গ্রুপ ভিডিও কনফারেন্সিং সম্পন্ন করা। ব্যাখ্যা: ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা থাকার কারণে বিপুল পরিমাণ ডেটা খুব কম সময়ে আপলোড ও ডাউনলোড করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভয়েস টেলিফোনি — ভয়েস টেলিফোনি বা কথা বলার সুবিধা টুজি বা সেকেন্ড জেনারেশন প্রযুক্তিতেই প্রথম প্রবর্তিত হয়েছিল। B) মোবাইল টিভি — মোবাইল টিভি বা ভিডিও স্ট্রিমিং সুবিধা থ্রিজি প্রযুক্তির সময় থেকেই ব্যাপকভাবে চালু হয়েছিল। C) ভিডিও কল — ভিডিও কল করার সুবিধাটি থ্রিজি বা থার্ড জেনারেশন প্রযুক্তির একটি প্রধান ও মৌলিক বৈশিষ্ট্য ছিল। D) ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা — এটি থ্রিজির তুলনায় ফোরজি প্রযুক্তির সবচেয়ে অতিরিক্ত ও স্বতন্ত্র বড় বৈশিষ্ট্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - টুজি মানে হলো টেক্সট বা এসএমএস, থ্রিজি মানে হলো ইন্টারনেট ব্রাউজিং ও ভিডিও কল, আর ফোরজি মানে হলো হাই-স্পিড ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা। - ফোরজির ক্ষেত্রে এলটিই বা লং টার্ম ইভলিউশন শব্দটি ব্রডব্যান্ড গতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ফোরজি প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আইপি বা ইন্টারনেট প্রোটোকল ভিত্তিক নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়। - ফোরজি প্রযুক্তির বাণিজ্যিক ব্যবহার প্রথম দক্ষিণ কোরিয়ায় শুরু হয়েছিল।
a Bill Gates
b Andrew S Grove
c Tim Cook
d Lawrence J. Ellison
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Lawrence J. Ellison ১. কেন সঠিক: - লরেন্স জোসেফ এলিসন বা ল্যারি এলিসন ১৯৭৭ সালে ওরাসেল কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা করেন। - এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম সফটওয়্যার কোম্পানি যা মূলত ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের জন্য বিখ্যাত। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ওরাসেল কর্পোরেশন হলো আমেরিকার একটি বহুজাতিক কম্পিউটার প্রযুক্তি কর্পোরেশন। - কার্যপদ্ধতি: এটি এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার, ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম এবং ডেটাবেজ সিস্টেম তৈরি ও সরবরাহ করে থাকে। - ব্যবহার: বড় বড় প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক এবং সরকারি সংস্থায় বিশাল পরিমাণ উপাত্ত বা ডেটা নিরাপদে সংরক্ষণের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাংক ব্যবস্থার ডেটা সংরক্ষণ। ব্যাখ্যা: দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের কোটি কোটি লেনদেনের হিসাব নির্ভুলভাবে ধরে রাখতে ওরাসেল ডেটাবেজ ব্যবহার করে। উদাহরণ ২: ইআরপি সফটওয়্যার। ব্যাখ্যা: বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের মানবসম্পদ, হিসাববিজ্ঞান এবং উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ওরাসেলের অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bill Gates — বিল গেটস ওরাসেল কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা নন, তিনি মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা। B) Andrew S Grove — অ্যান্ড্রু এস গ্রোভ ওরাসেলের প্রতিষ্ঠাতা নন, তিনি ইন্টেল কর্পোরেশনের দীর্ঘকালীন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ছিলেন। C) Tim Cook — টিম কুক ওরাসেলের প্রতিষ্ঠাতা নন, তিনি বর্তমানে অ্যাপল ইনকরপোরেটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। D) Lawrence J. Ellison — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৯৭৭ সালে এই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - ওরাসেল মানেই ল্যারি এলিসন। মনে রাখার জন্য এলিসন নামের প্রথম অক্ষর এল এবং ওরাসেলের ও অক্ষর মিলিয়ে নিতে পারেন। - মাইক্রোসফট হলো বিল গেটস, আর ওরাসেল হলো ল্যারি এলিসন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ওরাসেল কর্পোরেশন ডেটাবেজ প্রযুক্তির জন্য বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহীদের নাম প্রায়ই আসে।
a IOS
b Android
c Windows phone
d Symbian
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Android ১. কেন সঠিক: অ্যান্ড্রয়েড একটি ওপেন সোর্স প্ল্যাটফর্ম যার সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত। ডেভেলপাররা এই কোড নিজের প্রয়োজনমতো পরিবর্তন ও কাস্টমাইজ করতে পারেন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন সফটওয়্যার যার সোর্স কোড জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে এবং বিনামূল্যে পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করা যায়। বৈশিষ্ট্য: এটি লিনাক্স কার্নেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এবং এতে থার্ড পার্টি অ্যাপ ইনস্টল করার সম্পূর্ণ স্বাধীনতা থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্যামসাং গ্যালাক্সি স্মার্টফোন। ব্যাখ্যা: স্যামসাং তাদের নিজেদের ইউজার ইন্টারফেস ব্যবহারের জন্য অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম কাস্টমাইজ করে থাকে। উদাহরণ ২: শাওমি রেডমি স্মার্টফোন। ব্যাখ্যা: শাওমি অ্যান্ড্রয়েড কোড পরিবর্তন করে তাদের নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে বাজারে সরবরাহ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) IOS — এটি অ্যাপল কোম্পানির একটি ক্লোজড সোর্স বা প্রোপ্রিটারি অপারেটিং সিস্টেম যা শুধু তাদের ডিভাইসেই ব্যবহার করা যায়। B) Android — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সম্পূর্ণ ওপেন সোর্স প্ল্যাটফর্ম। C) Windows phone — এটি মাইক্রোসফটের একটি বন্ধ বা ক্লোজড সোর্স মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম ছিল যা বর্তমানে অপ্রচলিত। D) Symbian — এটি নোকিয়ার একটি ঐতিহাসিক ক্লোজড সোর্স মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম যা এখন আর ব্যবহৃত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: অ্যান্ড্রয়েড মানেই উন্মুক্ত বা ওপেন সোর্স। অ্যাপল আইওএস মানেই বন্ধ বা ক্লোজড সোর্স সিস্টেম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের মূল কার্নেল হলো লিনাক্স। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ওপেন সোর্স ও ক্লোজড সোর্স অপারেটিং সিস্টেমের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
a 2004
b 2003
c 2006
d 2008
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 2006 ১. কেন সঠিক: টুইটার আনুষ্ঠানিকভাবে ২১ মার্চ ২০০৬ সালে যাত্রা শুরু করে। এটি একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং এবং মাইক্রোব্লগিং সাইট যেখানে ব্যবহারকারীরা ছোট বার্তা বা পোস্ট আদান প্রদান করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: টুইটার হলো একটি অনলাইন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম যা মাইক্রোব্লগিং সার্ভিস প্রদান করে। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারীরা টেক্সট, ছবি ও ভিডিও সম্বলিত ছোট বার্তা পোস্ট করে যা টুইট নামে পরিচিত এবং অন্যের পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানায়। বৈশিষ্ট্য: পোস্টের দৈর্ঘ্য সীমিত থাকে এবং হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে নির্দিষ্ট বিষয়ে আলোচনা খুঁজে পাওয়া যায়। ব্যবহার: বিশ্বজুড়ে সংবাদ প্রচার, মত প্রকাশ এবং বিপণনের কাজে এই মাধ্যমটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রেকিং নিউজ ব্যাখ্যা: বিশ্বজুড়ে কোনো জরুরি বা সাম্প্রতিক খবর গণমাধ্যমের আগে টুইটারে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। উদাহরণ ২: ট্রেন্ডিং টপিক ব্যাখ্যা: নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে ব্যবহারকারীদের ব্যাপক আলোচনার মাধ্যমে তা টুইটারে ট্রেন্ড হিসেবে তালিকার শীর্ষে চলে আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 2004 — এই সালে ফেসবুক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যা টুইটারের প্রতিষ্ঠার বছর নয়। B) 2003 — এই সালে লিঙ্কডইন প্রতিষ্ঠিত হয়, যা পেশাজীবীদের জন্য একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। D) 2008 — এই সালে অনেক সামাজিক মাধ্যম জনপ্রিয় হলেও টুইটার এর দুই বছর আগেই চালু হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: ফেসবুক চালুর দুই বছর পর অর্থাৎ ২০০৬ সালে টুইটার যাত্রা শুরু করে। টুইটারের লোগোতে নীল রঙের পাখি ব্যবহার করা হয় এবং এর প্রথম নাম ছিল টুইটার ডটকম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: টুইটারের প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক ডরসি, ইভান উইলিয়ামস, বিজ স্টোন এবং নোয়া গ্লাস। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রতিষ্ঠার সালগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
a Data Definition Language
b Query Language
c Data Manipulation Language
d উপরের সবগুলােই
0 149 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলােই ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উত্তর হিসেবে C কে চিহ্নিত করা হলেও, এটি একটি ভুল উত্তর। সঠিক উত্তর হবে D কারণ ডেটাবেজ ল্যাংগুয়েজ বা ডাটাবেজ ভাষা মূলত তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত। - এই তিনটি ভাগ হলো ডেটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ, কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ এবং ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ, যা ডেটাবেজ পরিচালনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার ভাষা যা ডেটাবেজে ডেটা তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন এবং পুনরুদ্ধার করার জন্য ব্যবহৃত হয়। - কার্যপদ্ধতি: এই ভাষা ব্যবহার করে ডেটাবেজ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বা ব্যবহারকারী ডেটাবেজের সাথে যোগাযোগ করেন এবং বিভিন্ন কমান্ডের মাধ্যমে ডেটা প্রসেস করেন। - ব্যবহার: এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, এবং ই-কমার্স সিস্টেমে বিশাল পরিমাণ ডেটা নিরাপদে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডেটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বা DDL ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহার করে ডেটাবেজের স্ট্রাকচার বা কাঠামো তৈরি করা হয়, যেমন নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য CREATE কমান্ড ব্যবহার করা। উদাহরণ ২: ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বা DML ব্যাখ্যা: এটি দিয়ে ডেটাবেজের টেবিলের ভেতরের ডেটা নিয়ে কাজ করা হয়, যেমন নতুন ডেটা যোগ করার জন্য INSERT কমান্ড ব্যবহার করা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Data Definition Language — এটি সঠিক হলেও ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের একমাত্র অংশ নয়, কারণ এর সাথে কুয়েরি এবং ম্যানিপুলেশন ভাষাও ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের অন্তর্ভুক্ত। B) Query Language — এটিও সঠিক ডেটাবেজ ভাষা যা দিয়ে ডেটাবেজ থেকে তথ্য খোঁজা হয়, তবে এটি একা সমগ্র ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ নির্দেশ করে না। C) Data Manipulation Language — প্রদত্ত উত্তরে এটিকে সঠিক বলা হলেও এটি ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের একটি সাব-সেট বা অংশ মাত্র, সম্পূর্ণ ডেটাবেজ ভাষা নয়। D) উপরের সবগুলােই — এটিই প্রকৃত সঠিক উত্তর কারণ DDL, QL এবং DML সবগুলো মিলেই ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ গঠিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তিন ডি এর সমাহার মনে রাখা, যেখানে ডিডিএল, ডিকিউএল এবং ডিএমএল অন্তর্ভুক্ত। - পূর্ণরূপগুলো ভালো করে মনে রাখবে যেমন DDL মানে ডেটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এবং DML মানে ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের প্রকারভেদ বা এসকিউএল কমান্ড সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। - এসকিউএল বা স্ট্রাকচার্ড কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ এই সবগুলো ল্যাঙ্গুয়েজের সমন্বয়ে গঠিত একটি পূর্ণাঙ্গ ডেটাবেজ ভাষা।
a Magnetic Ink Character Reader
b Magnetic Ink Case Reader
c Magnetic Ink Code Reader
d কোনটিই নয়
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Magnetic Ink Character Recognition ১. কেন সঠিক: MICR হলো একটি বিশেষ ইনপুট ডিভাইস প্রযুক্তি যার পূর্ণরূপ Magnetic Ink Character Recognition। এটি চৌম্বকীয় কালি দিয়ে মুদ্রিত বিশেষ অক্ষর বা কোড অত্যন্ত দ্রুত ও নির্ভুলভাবে পড়তে সক্ষম। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: চৌম্বকীয় কালি দিয়ে লেখা অক্ষর শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত ইনপুট প্রযুক্তিকে MICR বলা হয়। কার্যপদ্ধতি: এই প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত বিশেষ কালিতে আয়রন অক্সাইড থাকে, যা চুম্বকায়িত করে অক্ষরের আকৃতি রিডারের মাধ্যমে স্ক্যান করা হয়। ব্যবহার: ব্যাংক খাতের চেক প্রসেসিং এবং লেনদেনের নথিপত্র দ্রুত ও নিরাপদভাবে যাচাই করতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাংকের চেক বই। ব্যাখ্যা: চেকের নিচের অংশে এমআইসিআর প্রযুক্তির সাহায্যে ব্যাংকের রাউটিং নম্বর ও অ্যাকাউন্ট নম্বর প্রিন্ট করা থাকে, যা দ্রুত স্ক্যান করা যায়। উদাহরণ ২: আর্থিক লেনদেনের দলিল। ব্যাখ্যা: জালিয়াতি রোধ এবং দ্রুত কোটি কোটি চেক স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রসেস করতে এই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Magnetic Ink Character Reader — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্ট্যান্ডার্ড পরিভাষা হিসেবে একে অনেক সময় রিডারও বলা হয়। B) Magnetic Ink Case Reader — কেস বা কেস রিডার বলে কোনো তথ্যপ্রযুক্তি শব্দ বা মানসম্মত পূর্ণরূপ নেই। C) Magnetic Ink Code Reader — কোড রিডার বলতে বারকিড বা কিউআর কোড রিডার বোঝায়, এটি এমআইসিআর-এর সঠিক নাম নয়। D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: MICR-এর ক্ষেত্রে মনে রাখবে এটি কালির চুম্বকত্ব নিয়ে কাজ করে। শব্দটি মনে রাখার সহজ সূত্র হলো এম-এ-জি-এন-ই-টি-আই-সি আই-এন-কে সি-এইচ-এ-আর-অ্যান্ড-সি-টি-ই-আর। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাংকিং খাতে ব্যবহৃত প্রযুক্তি হিসেবে MICR প্রায়ই আসে। কাগজের নথিপত্র ও চেক স্বয়ংক্রিয়করণের ক্ষেত্রে ওএমআর বা বারকোডের পাশাপাশি এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
a Read-out
b Read from
c Read
d উপরের সবগুলােই
0 126 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Read from ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার মেমোরি বা স্টোরেজ ডিভাইস থেকে সংরক্ষিত উপাত্ত বা ডাটা খুঁজে বের করে তা প্রসেসর বা অন্য কোনো অংশে স্থানান্তরের প্রক্রিয়াকে মেমোরি অপারেশন বলা হয়। এই প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট ঠিকানা বা অ্যাড্রেস ব্যবহার করে ডাটা সংগ্রহ করা হয়, যাকে কম্পিউটার আর্কিটেকচারের ভাষায় Read from বা মেমোরি থেকে ডাটা রিড করা বোঝায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: মেমোরি বা স্টোরেজ ডিভাইস থেকে সংরক্ষিত তথ্য পুনরুদ্ধার করার প্রক্রিয়াকে রিড অপারেশন বা মেমোরি থেকে ডাটা সংগ্রহ বলা হয়। কার্যপদ্ধতি: প্রসেসর মেমোরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেস বাস ব্যবহার করে লোকেশন নির্ধারণ করে এবং কন্ট্রোল সিগন্যালের মাধ্যমে ডাটা রিড বা পাঠ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হার্ড ডিস্ক বা এসএসডি থেকে কোনো গান বা ভিডিও ফাইল ওপেন করা। ব্যাখ্যা: ফাইলটি যখন চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়, তখন সিস্টেম স্টোরেজ ডিভাইস থেকে ডাটা রিড করে মেমোরিতে নিয়ে আসে। উদাহরণ ২: র‍্যাম থেকে ক্যাশ মেমোরিতে ডাটা স্থানান্তর করা। ব্যাখ্যা: প্রসেসরের দ্রুত কাজ করার জন্য র‍্যামে থাকা সংরক্ষিত নির্দেশনাগুলো রিড করে প্রসেসরের কাছাকাছি আনা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Read-out — এটি সাধারণত কোনো যন্ত্রের ডিসপ্লে বা আউটপুট ডিভাইস থেকে ফলাফল প্রদর্শনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি মেমোরি রিড করার প্রথাগত নাম এটি নয়। B) Read from — এটি সঠিক উত্তর কারণ মেমোরি বা উৎস থেকে ডাটা উত্তোলনের ক্ষেত্রে ফ্রম বা উৎস নির্দেশ করার জন্য এই পরিভাষাটি ব্যবহৃত হয়। C) Read — এটি একটি সাধারণ ক্রিয়া যা ডাটা পড়ার কাজ বোঝায়, তবে মেমোরি থেকে উত্তোলনের সুনির্দিষ্ট পদ্ধতিগত নাম হিসেবে রিড ফ্রম বা রিড অপারেশন বেশি উপযোগী। D) উপরের সবগুলাই — যেহেতু সব অপশন প্রযুক্তিগতভাবে মেমোরি উত্তোলনের সঠিক পরিভাষা নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: মেমোরি থেকে ডাটা আনতে হলে উৎস থেকে আনতে হয়, তাই উৎস বোঝাতে From শব্দটি যুক্ত থাকে। রিড মানে পড়া বা দেখা, আর রিড ফ্রম মানে কোনো নির্দিষ্ট উৎস বা মেমোরি থেকে পড়ে নেওয়া। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার মেমোরিতে মূলত দুটি প্রধান অপারেশন পরিচালিত হয়, একটি হলো রিড বা ডাটা পড়া এবং অন্যটি হলো রাইট বা ডাটা লেখা। নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নে মেমোরি অপারেশন সম্পর্কিত বিভিন্ন কাজের সঠিক ইংরেজি পরিভাষা প্রায়ই পরীক্ষণে আসে।
a Taskbar
b Menu bar
c Notification area
d Web browser
0 134 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Web browser ১. কেন সঠিক: ইন্টারনেট বা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে প্রবেশ করে বিভিন্ন ওয়েবসাইট দেখার জন্য ওয়েব ব্রাউজার একটি অপরিহার্য সফটওয়্যার। এটি ইন্টারনেটের ডেটা ব্যবহারকারী উপযোগী গ্রাফিক্যাল পেজে রূপান্তর করে, যা ব্রাউজার ছাড়া সহজে সম্ভব নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ওয়েব ব্রাউজার হলো এমন একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, যা ব্যবহারকারীকে ইন্টারনেটের ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের বিভিন্ন পাতা বা ওয়েবপেজ দেখতে সাহায্য করে। কার্যপদ্ধতি: এটি ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কমান্ড নিয়ে রিমোট সার্ভার থেকে এইচটিটিপি প্রোটোকলের মাধ্যমে তথ্য এনে স্ক্রিনে প্রদর্শন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুগল ক্রোম বা মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহার করে ইউটিউব বা ফেসবুক ব্রাউজ করা। ব্যাখ্যা: এই সফটওয়্যারগুলো না থাকলে সরাসরি ওয়েবসাইটের ঠিকানা লিখে ইন্টারনেটে প্রবেশ করা অত্যন্ত জটিল হতো। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনে সাফাডী ব্রাউজার ব্যবহার করে সংবাদ পড়া। ব্যাখ্যা: ব্রাউজার ইন্টারনেটের অদৃশ্য ডেটাকে আমাদের পড়ার উপযোগী দৃশ্যমান রূপ দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Taskbar — এটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি উপাদান, যা চলমান অ্যাপগুলো পরিচালনা করতে সাহায্য করে কিন্তু ইন্টারনেটে প্রবেশের প্রধান মাধ্যম নয়। B) Menu bar — এটি যেকোনো সফটওয়্যারের ইন্টারফেসের অংশ বিশেষ, যা বিভিন্ন কমান্ডের তালিকা দেখায় কিন্তু নিজে ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারে না। C) Notification area — এটি অপারেটিং সিস্টেমের টাস্কবারের একটি অংশ, যা সিস্টেমের সময় ও বিভিন্ন বার্তার নোটিফিকেশন দেখায়। ৫. মনে রাখার টিপস: ইন্টারনেটে প্রবেশ করতে গেলে দরজার মতো একটি মাধ্যম দরকার, আর সেটি হলো ব্রাউজার। ব্রাউজার হলো উইন্ডো বা জানালার মতো, যা দিয়ে ইন্টারনেটের বিশাল দুনিয়া দেখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জনপ্রিয় কয়েকটি ওয়েব ব্রাউজারের নাম হলো গুগল ক্রোম, মজিলা ফায়ারফক্স, মাইক্রোসফট এজ এবং সাফারি। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোনটি সিস্টেম সফটওয়্যার এবং কোনটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, সেক্ষেত্রে ব্রাউজার সবসময় অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
a ekanei.com
b google.com
c Olx.com
d Amazon.com
0 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) google.com ১. কেন সঠিক: - google.com একটি বিশ্বখ্যাত সার্চ ইঞ্জিন ওয়েবসাইট, যা তথ্য খোঁজার জন্য ব্যবহৃত হয়। - এটি কোনো পণ্য কেনা-বেচার ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: সার্চ ইঞ্জিন এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে নির্দিষ্ট তথ্য খুঁজে বের করতে সাহায্য করে। - ব্যবহার: ইন্টারনেটে কোনো তথ্য, ছবি বা ভিডিও খুঁজতে গুগল ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: amazon.com ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুজাতিক ই-কমার্স সাইট যার মাধ্যমে সরাসরি পণ্য কেনা-বেচা করা যায়। উদাহরণ ২: olx.com ব্যাখ্যা: এটি একটি অনলাইন ক্লাসিফাইড মার্কেটপ্লেস যেখানে ব্যবহারকারীরা নিজেদের মধ্যে পুরনো বা নতুন পণ্য কেনা-বেচা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ekanei.com — এটি বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ই-কমার্স ও কেনা-বেচার ক্লাসিফাইড সাইট ছিল, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) google.com — এটি একটি সার্চ ইঞ্জিন এবং তথ্য খোঁজার মাধ্যম, কেনা-বেচার সাইট নয়। C) Olx.com — এটি একটি আন্তর্জাতিক কেনা-বেচার প্ল্যাটফর্ম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। D) Amazon.com — এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ই-কমার্স ও কেনা-বেচার সাইট, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - গুগল হলো তথ্যের সমুদ্র (সার্চ ইঞ্জিন), আর আমাজন বা ওএলএক্স হলো বাজারের দোকান (কেনা-বেচা)। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সার্চ ইঞ্জিন এবং ই-কমার্স সাইটের মধ্যে পার্থক্য প্রায়ই নিয়োগ পরীক্ষায় আসে।
a অর্থ সাশ্রয়
b স্থানের সাশ্রয়
c সময় সাশ্রয়
d উপরের সবকটি
0 164 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবকটি ১. কেন সঠিক: - কম্পিউটার নেটওয়ার্কে রিসোর্স বা ডিভাইস শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের খরচ, স্থান এবং সময় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। - সেন্ট্রাল প্রিন্টার বা স্টোরেজ ব্যবহারের ফলে প্রতিটি ইউজারের জন্য আলাদা ডিভাইস ক্রয়ের প্রয়োজন হয় না। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: কম্পিউটার নেটওয়ার্ক হলো এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে একাধিক কম্পিউটার ও পেরিফেরাল ডিভাইস পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত থাকে। - কার্যপদ্ধতি: কেন্দ্রীয় একটি সার্ভার বা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত ডিভাইসগুলো নিজেদের মধ্যে ডেটা ও হার্ডওয়্যার রিসোর্স আদান-প্রদান করে। - ব্যবহার: অফিস আদালতে একটি মাত্র প্রিন্টার পুরো নেটওয়ার্কের সব কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত করে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অফিস নেটওয়ার্কে একটি মাত্র লেজার প্রিন্টার সংযুক্ত করা। ব্যাখ্যা: প্রতিষ্ঠানের দশটি কম্পিউটারের জন্য আলাদা দশটি প্রিন্টার না কিনে একটি প্রিন্টার নেটওয়ার্কে শেয়ার করলে আর্থিক সাশ্রয় হয়। উদাহরণ ২: নেটওয়ার্ক স্টোরেজ বা ফাইল সার্ভার ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: সবার কম্পিউটারে আলাদা হার্ডডিস্কের পরিবর্তে একটি সেন্ট্রাল ড্রাইভ ব্যবহার করলে স্থানের সাশ্রয় ঘটে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থ সাশ্রয় — এটি সঠিক হলেও অন্য অপশনগুলোও সঠিক হওয়ায় এটি এককভাবে সম্পূর্ণ উত্তর নয়। B) স্থানের সাশ্রয় — একাধিক ডিভাইস না রেখে একটিমাত্র ডিভাইস শেয়ার করার ফলে অফিস কক্ষে অনেক স্থান বেঁচে যায়। C) সময় সাশ্রয় — একই কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব হওয়ায় এটিও সঠিক, তবে অন্যান্য সুবিধাও এর সঙ্গে যুক্ত। D) উপরের সবকটি — নেটওয়ার্কে ডিভাইস শেয়ার করার ফলে অর্থ, স্থান এবং সময় তিনটিরই সাশ্রয় ঘটে, তাই এটি সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - নেটওয়ার্কের মূল লক্ষ্য হলো রিসোর্স শেয়ারিং, যার প্রধান সুবিধাগুলো হলো অর্থ, স্থান এবং সময়ের সাশ্রয়। - একে একসাথে বলা যায় খরছ কমাও, জায়গা বাঁচাও এবং সময় বাঁচাও নীতি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নেটওয়ার্কের সুবিধা ও পেরিফেরাল শেয়ারিং সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - হার্ডওয়্যার শেয়ারিং বলতে মূলত প্রিন্টার, স্ক্যানার ও এক্সটার্নাল ড্রাইভ শেয়ার করাকে বোঝায়।
a নির্ধারিত ফাইল কপি করা
b আগের প্রােগ্রামে ফিরে যাওয়া
c সর্বশেষ পরিবর্তন Undo করা
d কোনটিই নয়
0 148 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনটিই নয় (প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এখানে সঠিক, কারণ আসল ব্যাকআপ প্রোগ্রাম হলো ফাইল বা ডাটা নিরাপদে সংরক্ষণ করা) ১. কেন সঠিক: - ব্যাকআপ প্রোগ্রাম বলতে কোনো নির্দিষ্ট ফাইল কপি করা, আগের প্রোগ্রামে ফিরে যাওয়া বা সর্বশেষ পরিবর্তন আনডু করা বোঝায় না। - ব্যাকআপ হলো কম্পিউটার সিস্টেমের মূল ডাটা বা ফাইলের একটি অতিরিক্ত অনুলিপি বা কপি অন্য কোনো নিরাপদ স্থানে সংরক্ষণ করা, যেন মূল ডাটা নষ্ট হলে তা পুনরুদ্ধার করা যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ব্যাকআপ সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম হলো এমন একটি বিশেষ অ্যাপ্লিকেশন যা কম্পিউটারের ফাইল, ফোল্ডার বা ডাটাবেজের অনুলিপি তৈরি করে ভিন্ন কোনো ড্রাইভ, এক্সটার্নাল হার্ডডিস্ক বা ক্লাউডে সংরক্ষণ করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি নির্ধারিত ডাটা স্ক্যান করে এবং ব্যবহারকারীর নিদের্শ অনুযায়ী সেগুলোর একটি জিপ বা নিরাপদ ফাইল কপি তৈরি করে অন্য স্থানে পাঠায়। - ব্যবহার: হার্ডওয়্যার নষ্ট হওয়া, ভাইরাস আক্রমণ বা ফাইল মুছে যাওয়ার মতো দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ব্যাকআপ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুগলের ক্লাউড ড্রাইভে ফোনের ছবি ও কন্টাক্ট সেভ করে রাখা। ব্যাখ্যা: ফোনের ডাটা হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হলে গুগল ড্রাইভ থেকে ব্যাকআপ ফাইলের মাধ্যমে সেই ডাটা আবার ফিরিয়ে আনা যায়। উদাহরণ ২: কম্পিউটারের গুরুত্বপূর্ণ অফিশিয়াল ফাইল একটি এক্সটার্নাল পেনড্রাইভে কপি করে রাখা। ব্যাখ্যা: কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক নষ্ট হলেও পেনড্রাইভের ব্যাকআপ থেকে ফাইলগুলো নিরাপদ থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নির্ধারিত ফাইল কপি করা — এটি ব্যাকআপের একটি অংশ মাত্র, কিন্তু ব্যাকআপ প্রক্রিয়ায় শুধু কপি করা ছাড়াও ডাটা জিপ করা, রিস্টোর করার ব্যবস্থা এবং সময় নির্ধারণের কাজ থাকে। B) আগের প্রোগ্রামে ফিরে যাওয়া — এটি সিস্টেম রিস্টোর বা সফটওয়্যার ডাউনগ্রেড করার কাজ, ব্যাকআপ প্রোগ্রাম সরাসরি আগের প্রোগ্রামে ফিরিয়ে নেয় না। C) সর্বশেষ পরিবর্তন Undo করা — এটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা অন্যান্য এডিটিং সফটওয়্যারের একটি কমান্ড, যা ব্যাকআপ প্রোগ্রামের মূল কাজ নয়। D) কোনটিই নয় — ব্যাকআপ প্রোগ্রামের আসল কাজ হলো ডাটার নিরাপদ অনুলিপি সংরক্ষণ করা, যা উপরের অপশনগুলোর কোনোটির সঙ্গেই পুরোপুরি মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাকআপ মানে হলো নিরপত্তার জন্য মূল ফাইলের অতিরিক্ত কপি তৈরি করে রাখা। - পরীক্ষার হলে কোনো নির্দিষ্ট কমান্ড যেমন আন্ডু বা রিডু-কে ব্যাকআপের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ডাটা সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে নিয়মিত ব্যাকআপ রাখা অত্যন্ত জরুরি। - রিমোট সার্ভার বা ক্লাউডে ডাটা ব্যাকআপ রাখাকে ক্লাউড ব্যাকআপ বলা হয়।
a আলুমিনিইয়াম
b প্লাসটিক
c সিলিকন
d কোনটিই নয়
0 147 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সিলিকন ১. কেন সঠিক: কম্পিউটারের মূল মেমরী বা প্রসেসর তৈরিতে সিলিকন সেমিকন্ডাক্টর উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়। সিলিকন অর্ধপরিবাহী হওয়ায় এটি প্রয়োজনমতো বিদ্যুৎ প্রবাহিত করতে বা রোধ করতে পারে যা কম্পিউটারের লজিক গেট তৈরিতে অপরিহার্য। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: সিলিকন হলো একটি অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর উপাদান যা আধুনিক ইলেকট্রনিক্স শিল্পে মাইক্রোচিপ তৈরিতে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: সিলিকনের সাথে বিভিন্ন ভেজাল মিশিয়ে পি টাইপ ও এন টাইপ সেমিকন্ডাক্টর তৈরি করে ট্রানজিস্টর ও ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট গঠন করা হয়। বৈশিষ্ট্য: সিলিকন খুব সহজে চিপ আকারে কাটা যায় এবং এটি উচ্চ তাপমাত্রায়ও 안정ভাবে কাজ করতে সক্ষম। ব্যবহার: র‍্যাম, রম, মাইক্রোপ্রসেসর এবং বিভিন্ন মাদারবোর্ডের আইসি তৈরিতে সিলিকন ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুঠোফোনের প্রসেসর ব্যাখ্যা: আমাদের স্মার্টফোনের ভেতরে থাকা স্ন্যাপড্রাগন বা অ্যাপল বায়োনিক চিপ সিলিকন দিয়েই তৈরি করা হয়। উদাহরণ ২: কম্পিউটার মাদারবোর্ড ব্যাখ্যা: কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে থাকা র‍্যাম এবং প্রসেসরের মূল চিপগুলো সিলিকন ওয়েফারের ওপর তৈরি করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলুমিনিইয়াম — অ্যালুমিনিয়াম একটি ভালো পরিবাহী ধাতু যা ফয়েল বা তার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি সেমিকন্ডাক্টর বা কম্পিউটারের মূল মেমরী তৈরির উপাদান নয়। B) প্লাসটিক — প্লাস্টিক একটি কুপরিবাহী পদার্থ যা মূলত বৈদ্যুতিক তারের আবরণ বা কেসিং তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, মেমরী চিপ তৈরিতে নয়। D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর সিলিকন অপশনে উপস্থিত রয়েছে, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: কম্পিউটারের চিপ মানেই সিলিকন এবং এই কারণেই যুক্তরাষ্ট্রর বিখ্যাত প্রযুক্তি অঞ্চলের নাম রাখা হয়েছে সিলিকন ভ্যালি। অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টরের রাজা বলা হয় সিলিকনকে, যা মেমরী ও প্রসেসরের মূল ভিত্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত প্রথম সেমিকন্ডাক্টর উপাদান ছিল জার্মেনিয়াম, তবে বর্তমানে সিলিকন সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা আইসি তৈরিতে প্রধানত কী ব্যবহৃত হয়, যার উত্তর সিলিকন।
a প্রাতিপদিক
b অপিনিহিতি
c অভিশ্রুতি
d ধ্বনি- বিপর্যয়
0 163 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রাতিপদিক ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে বাংলা ব্যাকরণের একটি রূপতাত্ত্বিক বিষয় আসা সত্ত্বেও, এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞান এবং আইসিটি বা কম্পিউটার বিজ্ঞানের বাংলা ভাষা প্রক্রিয়াকরণ অংশের সঙ্গে সম্পর্কিত। - প্রাতিপদিক হলো বিভক্তিহীন শব্দমূল বা নামশব্দ, যা ধ্বনি-পরিবর্তনের কোনো প্রক্রিয়া বা উদাহরণ নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ধ্বনি-পরিবর্তন হলো শব্দের উচ্চারণের সুবিধার জন্য বা অন্য কোনো কারণে শব্দের আদি, মধ্য বা অন্ত্য ধ্বনির পরিবর্তন ঘটার প্রক্রিয়া। - কার্যপদ্ধতি: মানুষের মুখে ভাষা ব্যবহারের সময় উচ্চারণের ত্রুটি বা সহজকরণের জন্য ধ্বনি পরিবর্তিত হয়, যা প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপিনিহিতির উদাহরণ ব্যাখ্যা: আজি থেকে আইজ, যেখানে ই-কার উচ্চারণের আগেই চলে এসেছে। উদাহরণ ২: অভিশ্রুতির উদাহরণ ব্যাখ্যা: শুনিয়া থেকে শুনে, যা অপিনিহিতির পরবর্তী রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাতিপদিক — এটি ধ্বনি-পরিবর্তনের কোনো প্রক্রিয়া বা উদাহরণ নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর। B) অপিনিহিতি — এটি একটি সুপরিচিত ধ্বনি-পরিবর্তনের প্রক্রিয়া, যেখানে পরের ই-কার বা উ-কার আগে উচ্চারিত হয়। C) অভিশ্রুতি — এটি ধ্বনি-পরিবর্তনের একটি মাধ্যম, যেখানে অপিনিহিতির পরবর্তী পরিবর্তিত রূপ প্রকাশ পায়। D) ধ্বনি- বিপর্যয় — এটি শব্দের ভেতর দুটি ধ্বনির পরস্পর স্থান পরিবর্তন করার একটি ধ্বনি-পরিবর্তনের প্রক্রিয়া। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধ্বনি পরিবর্তনের প্রধান রূপগুলো হলো অপিনিহিতি, অভিশ্রুতি ও ধ্বনি-বিপর্যয়। - প্রাতিপদিক হলো শব্দের মূল রূপ, তাই এটি ধ্বনি পরিবর্তনের ভেতর পড়ে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি পরিবর্তন এবং রূপতত্ত্ব অংশ থেকে আইসিটি ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণে এই ব্যাকরণগত নিয়মগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a Input
b Output
c উভয়েই
d কোনটিই নয়
0 152 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Input ১. কেন সঠিক: স্ক্যানার হলো একটি ইনপুট ডিভাইস কারণ এটি কোনো কাগজের ওপর থাকা ছবি বা টেক্সটকে কম্পিউটারের বোধগম্য ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে। এই যন্ত্রটি বহিরাগত শারীরিক বা অ্যানালগ তথ্য গ্রহণ করে তা প্রসেসিংয়ের জন্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: স্ক্যানার হলো এমন একটি ইলেকট্রনিক পেরিফেরাল ডিভাইস যা আলোক রশ্মির সাহায্যে কোনো দৃশ্যমান বস্তু বা দলিল স্ক্যান করে কম্পিউটারে পাঠায়। কার্যপদ্ধতি: এটি কাগজের ডকুমেন্টের ওপর আলো ফেলে প্রতিফলিত আলোর তীব্রতা পরিমাপ করে একটি ডিজিটাল ইমেজ বা ফাইল তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছবি বা ডকুমেন্ট স্ক্যান করে কম্পিউটারে সংরক্ষণ করা। ব্যাখ্যা: পাসপোর্টের ছবি বা কোনো পুরোনো কাগজ স্ক্যানারে রেখে ডিজিটাল কপি বা পিডিএফ ফাইলে রূপান্তর করা হয়। উদাহরণ ২: ব্যাংকে চেক প্রসেসিং বা ওএমআর শিট মূল্যায়ন। ব্যাখ্যা: স্ক্যানারের প্রযুক্তি ব্যবহার করে খুব দ্রুত পরীক্ষার খাতা বা ব্যাংকের চেক রিড করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Input — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্ক্যানার তথ্য কম্পিউটারের ভেতরে প্রবেশ করায়। B) Output — এই অপশন ভুল কারণ স্ক্যানার কোনো ফলাফল প্রদর্শন বা মুদ্রণ করে না, যেমনটি মনিটর বা প্রিন্টার করে। C) উভয়েই — এই অপশন ভুল কারণ স্ক্যানার কখনো আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে না, এটি সম্পূর্ণভাবে ইনপুট ডিভাইস। D) কোনটিই নয় — এই অপশন ভুল কারণ সঠিক উত্তর প্রথম অপশনেই বিদ্যমান রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: যেসব যন্ত্র দিয়ে কম্পিউটারে তথ্য প্রবেশ করানো হয়, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস। স্ক্যানার কাগজ থেকে তথ্য নিয়ে কম্পিউটারে দেয়, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই একটি ইনপুট ডিভাইস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার পরীক্ষায় প্রায়ই ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। প্রিন্টার হলো আউটপুট ডিভাইস, আর স্ক্যানার হলো ইনপুট ডিভাইস।
a RAM
b Terminal
c Clipboard
d Hard Disk
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Clipboard ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসে কোনো টেক্সট, ছবি বা ফাইল কপি (Copy) বা কাট (Cut) করার পর তা সাময়িকভাবে যে স্থানে জমা থাকে তাকে ক্লিপবোর্ড বলে। এটি অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ মেমোরি এলাকা, যা পরবর্তী পেস্ট (Paste) কমান্ড না দেওয়া পর্যন্ত ডেটা সংরক্ষণ করে রাখে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ক্লিপবোর্ড হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি অস্থায়ী স্টোরেজ এলাকা, যা কাট বা কপি করা ডেটা ধরে রাখে। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী যখন কোনো ডেটা নির্বাচন করে কপি বা কাট করেন, তখন সিস্টেম সেই ডেটা ক্লিপবোর্ডে স্থানান্তরিত করে এবং পেস্ট করার সময় তা গন্তব্য স্থানে যুক্ত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে একটি প্যারাগ্রাফ সিলেক্ট করে কন্ট্রোল এবং সি চেপে কপি করার পর অন্য একটি ডকুমেন্টে কন্ট্রোল এবং ভি চেপে তা বসানো। ব্যাখ্যা: কপি করার পর প্যারাগ্রাফটি ক্লিপবোর্ডে জমা থাকে এবং পেস্ট করার মাধ্যমে ক্লিপবোর্ড থেকে তা নতুন ডকুমেন্টে স্থানান্তরিত হয়। উদাহরণ ২: কোনো ওয়েবপেজ থেকে একটি ছবি কপি করে ফটোশপে নিয়ে আসা। ব্যাখ্যা: ওয়েবপেজ থেকে কপি করা ছবিটি ক্লিপবোর্ডে সংরক্ষিত হয়, যা পরে ফটোশপে পেস্ট করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) RAM — এটি রেন্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি, যা কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় সমস্ত চলমান প্রোগ্রাম ও ডেটা নিয়ে কাজ করে, কিন্তু ক্লিপবোর্ড হলো এর ভেতরের একটি নির্দিষ্ট অস্থায়ী অংশ। B) Terminal — এটি কমান্ড লাইন ইন্টারফেস, যার মাধ্যমে টেক্সটভিত্তিক কমান্ড লিখে অপারেটিং সিস্টেমের সাথে যোগাযোগ করা হয় এবং ডেটা সংরক্ষণের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) Hard Disk — এটি স্থায়ী ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত প্রধান মেমোরি বা স্টোরেজ ডিভাইস, যেখানে ক্লিপবোর্ডের মতো অস্থায়ী বা ক্ষণস্থায়ী ডেটা রাখা হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: ক্লিপবোর্ডকে একটি কাগজের ক্লিপবোর্ডের সাথে তুলনা করা যায়, যেখানে যেকোনো কাগজ সাময়িকভাবে আটকে রাখা হয়। কাট বা কপি করলেই ডেটা প্রথমে ক্লিপবোর্ডে জমা হয় এবং পেস্ট কমান্ডের মাধ্যমে তা নির্দিষ্ট স্থানে বসে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার বা স্মার্টফোনে একাধিক আইটেম ক্লিপবোর্ডে ধরে রাখার জন্য উইন্ডোজ ভি লোগো কি এবং ভি একসাথে চাপতে হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে কাট বা কপি করা ডেটা কোথায় থাকে, যার উত্তর সবসময় ক্লিপবোর্ড হবে।
a Super Computer
b Server
c Network
d Enterprise
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Network ১. কেন সঠিক: একাধিক পারসনাল কম্পিউটার বা পিসি (Personal Computer) পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তথ্য, ডেটা এবং রিসোর্স বা সম্পদ শেয়ার করার যে ব্যবস্থা গড়ে তোলে, তাকে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলা হয়। একটি কম্পিউটারকে অন্য কম্পিউটারের সঙ্গে ক্যাবল বা ওয়্যারলেস মাধ্যমে সংযুক্ত করার মাধ্যমেই নেটওয়ার্কের মূল অবকাঠামো তৈরি হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: দুই বা ততোধিক কম্পিউটার বা ডিভাইস একসঙ্গে যুক্ত হয়ে নিজেদের মধ্যে ডেটা ও পেরিফেরাল ডিভাইস আদান-প্রদান করার ব্যবস্থাকে নেটওয়ার্ক বলে। কার্যপদ্ধতি: নেটওয়ার্কের মাধ্যমে একটি কম্পিউটার অন্য কম্পিউটারের ফাইল ব্যবহার করতে পারে এবং প্রিন্টার বা ইন্টারনেট সংযোগের মতো ডিভাইসগুলো একসঙ্গে শেয়ার করতে পারে। বৈশিষ্ট্য: ডেটা শেয়ারিং, রিসোর্স শেয়ারিং, কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ এবং দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা এর প্রধান বৈশিষ্ট্য। ব্যবহার: অফিস আদালত, ব্যাংক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বাসা বাড়িতে কম্পিউটারগুলো যুক্ত করে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ল্যান (LAN) তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি অফিসে থাকা দশটি কম্পিউটার ও একটি প্রিন্টারকে ক্যাবলের মাধ্যমে যুক্ত করা। ব্যাখ্যা: এই সংযোগের ফলে যেকোনো কম্পিউটার থেকে প্রিন্সিপাল প্রিন্ট কমান্ড দেওয়া যায় এবং সবাই মিলে প্রিন্টারটি ব্যবহার করতে পারে। উদাহরণ ২: ঘরের দুটি ল্যাপটপ এবং একটি স্মার্টফোন একই ওয়াইফাই রাউটারের সঙ্গে যুক্ত করা। ব্যাখ্যা: এই সংযোগের মাধ্যমে ডিভাইসগুলোর মধ্যে ফাইল আদান-প্রদান করা এবং ইন্টারনেট ব্রাউজ করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Super Computer — সুপার কম্পিউটার হলো অত্যন্ত শক্তিশালী ও দ্রুতগতির বিশেষায়িত কম্পিউটার, যা পারসনাল কম্পিউটার যুক্ত করে তৈরি করা যায় না। B) Server — সার্ভার হলো একটি শক্তিশালী কম্পিউটার যা নেটওয়ার্কের অন্যান্য ক্লায়েন্ট কম্পিউটারকে সেবা প্রদান করে, তাই এটি পিসি যুক্ত করার ফল নয় বরং নেটওয়ার্কের একটি অংশ। D) Enterprise — এন্টারপ্রাইজ বলতে একটি বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়, যা কোনো নির্দিষ্ট কম্পিউটার ডিভাইস বা নেটওয়ার্কের প্রযুক্তিগত নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: দুই বা ততোধিক ডিভাইস বা পিসি একসঙ্গে কানেক্ট করলেই নেটওয়ার্ক গঠিত হয়। নেটওয়ার্কের প্রধান কাজ হলো ইনফরমেশন বা তথ্য শেয়ার করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার নেটওয়ার্কের ভৌগোলিক বিস্তৃতির ওপর ভিত্তি করে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন ল্যান (LAN), ম্যান (MAN), ওয়ান (WAN) এবং প্যান (PAN)। বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নেটওয়ার্ক ডিভাইস ও টপোলজি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a মানুষের আচরণের মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা প্রদান
b মানুষের জীবনের সফলতার দিকগুলাে আলােচনা
c সমাজে বসবাসকারী মানুষের আচরণ ব্যাখ্যা
d সমাজে বসবাসকারী মানুষের আচরণের আলােচনা ও মূল্যায়ন
0 125 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সমাজে বসবাসকারী মানুষের আচরণের আলােচনা ও মূল্যায়ন ১. কেন সঠিক: - নীতিবিদ্যা মূলত মানুষের আচরণের ভালো-মন্দ, উচিত-অনুচিত এবং ন্যায়-অন্যায় দিকগুলো নিয়ে আলোচনা ও মূল্যায়ন করে। এটি কেবল মানুষের কাজ কেমন তা দেখে ক্ষান্ত হয় না, বরং তা নৈতিক মাপকাঠিতে কতটা গ্রহণযোগ্য তার বিচার করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: নীতিবিদ্যা হলো দর্শনের একটি শাখা যা মানুষের নৈতিক আচরণ ও মূল্যবোধের মানদণ্ড নির্ধারণ করে। - গুরুত্ব: এটি সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং মানুষকে সঠিক ও ভুলের মধ্যে পার্থক্য করতে সহায়তা করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে কোনো সহকর্মীকে অন্যায়ভাবে সুবিধা না দিয়ে নিয়মের মধ্যে থেকে সেবা প্রদান করা। ব্যাখ্যা: এটি নীতিবিদ্যার মূল্যায়নের অংশ, যেখানে সততা ও কর্তব্যের যথাযথ প্রয়োগ ঘটে। উদাহরণ ২: রাস্তা কুড়িয়ে পাওয়া টাকা প্রকৃত মালিকের কাছে ফেরত দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি মানুষের আচরণকে নৈতিকভাবে মূল্যায়ন করার একটি বাস্তব বহিঃপ্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানুষের আচরণের মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা প্রদান — এটি মনোবিজ্ঞানের কাজ, নীতিবিদ্যার নয় কারণ নীতিবিদ্যা মূল্যায়ন করে আর মনোবিজ্ঞান প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করে। B) মানুষের জীবনের সফলতার দিকগুলাে আলােচনা — এটি ক্যারিয়ার বিষয়ক আলোচনা, যা নৈতিকতার পরিমাপক বা মূল আলোচ্য বিষয় নয়। C) সমাজে বসবাসকারী মানুষের আচরণ ব্যাখ্যা — এটি সমাজবিজ্ঞানের আলোচ্য বিষয়, যা কেবল ঘটনা বর্ণনা করে কিন্তু নৈতিক মূল্যায়ন করে না। D) সমাজে বসবাসকারী মানুষের আচরণের আলােচনা ও মূল্যায়ন — এটি নীতিবিদ্যার সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ পরিধি নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নীতিবিদ্যা মানেই হলো আচরণ নিয়ে আলোচনা এবং তা ভালো কি মন্দ তার মূল্যায়ন করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নীতিবিদ্যার মূল কাজ হলো আচরণের নৈতিক মূল্যায়ন করা। এই ধারণা থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a ঐচ্ছিক ক্রিয়া
b অনৈচ্ছিক ক্রিয়া
c ইচ্ছা নিরপেক্ষ ক্রিয়া
d ক ও গ নামক ক্রিয়া
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঐচ্ছিক ক্রিয়া ১. কেন সঠিক: - নীতিবিদ্যা মূলত মানুষের নৈতিক আচরণ, ভালো-মন্দের বিচার এবং কর্তব্যের মানদণ্ড নিয়ে আলোচনা করে। - মানুষের যে কাজের পেছনে নিজস্ব ইচ্ছা, বিবেক, স্বাধীনতা এবং নৈতিক দায়বদ্ধতা থাকে, তাকেই নীতিবিদ্যা আলোচনার বিষয়বস্তু হিসেবে গ্রহণ করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: ঐচ্ছিক ক্রিয়া হলো সেই কাজ যা মানুষ সজ্ঞান মনে, জেনেবুঝে এবং স্বাধীন ইচ্ছার ভিত্তিতে সম্পাদন করে। - গুরুত্ব: নৈতিকতার মূল ভিত্তি হলো মানুষের বিবেক ও স্বাধীন ইচ্ছা, যার মাধ্যমে সে ভালো ও মন্দের পার্থক্য বুঝতে পারে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন চাকরিজীবী ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ঘুষ গ্রহণ না করে সততার সঙ্গে নিজের দায়িত্ব পালন করলেন। ব্যাখ্যা: এটি একটি সচেতন ও ঐচ্ছিক নৈতিক ক্রিয়া, যা সততা ও কর্তব্যপরায়ণতার বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। উদাহরণ ২: পরীক্ষার হলে একজন শিক্ষার্থী সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অসদুপায় অবলম্বন থেকে বিরত থাকল। ব্যাখ্যা: এই সিদ্ধান্তটি তার নিজস্ব নৈতিক ইচ্ছা ও মূলবোধের পরিচায়ক, যা নীতিবিদ্যার আওতাভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঐচ্ছিক ক্রিয়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ নীতিবিদ্যা মানুষের বিবেকপ্রসূত ও স্বাধীন কাজের মূল্যায়ন করে। B) অনৈচ্ছিক ক্রিয়া — এই অপশনটি ভুল কারণ শ্বাসপ্রশ্বাস বা চোখের পলক ফেলার মতো অনৈচ্ছিক কাজের সঙ্গে কোনো নৈতিক দায়িত্ব বা বিচার জড়িত থাকে না। C) ইচ্ছা নিরপেক্ষ ক্রিয়া — এই অপশনটি ভুল কারণ যে কাজের পেছনে মানুষের নিজস্ব ইচ্ছা বা নিয়ন্ত্রণ থাকে না, তার জন্য তাকে নৈতিকভাবে দায়ী করা যায় না। D) ক ও গ নামক ক্রিয়া — এই অপশনটি ভুল কারণ ইচ্ছা নিরপেক্ষ ক্রিয়া নীতিবিদ্যার আলোচ্য বিষয় হতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - নীতিবিদ্যার আলোচ্য বিষয় মনে রাখতে কেবল একটি কথা মাথায় রাখবে, যেখানে ইচ্ছা ও বিবেক আছে, সেখানেই নৈতিকতা আছে। - অনৈচ্ছিক বা জৈবিক কাজের কোনো নৈতিক মূল্য নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নীতিবিদ্যার মূল পরিধি হলো মানুষের বুদ্ধিদীপ্ত ও স্বাধীন কর্ম। - পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি ঘুরিয়ে আসে যে কোন কাজের জন্য মানুষকে নৈতিকভাবে দায়ী করা যায়।
a মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড
b শুধুমাত্র মানুষের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যাদি নির্ধারণের দিক নির্দেশনা
c সমাজ জীবনে মানুষের সুখী হওয়ার প্রয়ােজনীয় মনােভাব
d মানুষের সঙ্গে মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণ
0 166 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড ১. কেন সঠিক: সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো মূল্যবোধ মানুষের ভেতরের নৈতিক চেতনাকে জাগায় এবং তার দৈনন্দিন বাহ্যিক আচরণকে সঠিক পথে পরিচালনা করে। সংশ্লিষ্ট নৈতিক নীতি বা মূল্যবোধের পরিচয় হলো এটি সমাজের এমন কিছু আদর্শ বা মানদণ্ড, যা মানুষকে ভালো ও মন্দের পার্থক্য বুঝতে সাহায্য করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: মূল্যবোধ হলো সমাজের মানুষের দ্বারা গৃহীত কিছু বিশ্বাস, আদর্শ ও মানদণ্ড, যা মানুষের আচরণ ও জীবনযাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করে। গুরুত্ব: এটি সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে, পারস্পরিক আস্থা তৈরি করতে এবং মানুষের নৈতিক চরিত্র গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রয়োগ: বাস্তব জীবনে সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও দায়িত্ববোধের চর্চার মাধ্যমে ব্যক্তিগত ও সামাজিক মূল্যবোধের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা সম্ভব। সম্ভাব্য প্রভাব: সঠিক মূল্যবোধের চর্চা সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমায় এবং একটি শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও মানবিক সমাজ গঠনে সহায়তা করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া মানি ব্যাগ প্রকৃত মালিকের কাছে ফেরত দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি সততা ও নৈতিক মূল্যবোধের প্রয়োগ, যা মানুষকে লোভ সংবরণ করে সঠিক ও ন্যায়সংগত আচরণ করতে শেখায়। উদাহরণ ২: চাকরির ইন্টারভিউতে স্বজনপ্রীতি না করে যোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচিত করা। ব্যাখ্যা: এটি নিরপেক্ষতা ও ন্যায়বিচারের মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ, যা প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড — এটি সঠিক কারণ মূল্যবোধ মানুষের সামগ্রিক আচরণকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালিত করে। B) শুধুমাত্র মানুষের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যাদি নির্ধারণের দিক নির্দেশনা — এই অপশনটি ভুল কারণ মূল্যবোধ কেবল প্রাতিষ্ঠানিক কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনের সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। C) সমাজ জীবনে মানুষের সুখী হওয়ার প্রয়ােজনীয় মনােভাব — এটি ভুল কারণ মূল্যবোধ কেবল সুখের মানসিকতা নয়, এটি মানুষের কর্তব্য, দায়িত্ব ও নৈতিক আদর্শের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। D) মানুষের সঙ্গে মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণ — এটি আংশিক সত্য হলেও সংকীর্ণ, কারণ মূল্যবোধ শুধু সম্পর্কের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ না থেকে মানুষের সার্বিক জীবনদর্শন ও আচরণকে নির্ধারণ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: মূল্যবোধ মানেই হলো মানুষের ভেতরের ভালো নীতি যা তার বাহ্যিক আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে। পরীক্ষায় মূল্যবোধসংক্রান্ত প্রশ্ন আসলে খেয়াল করবে কোনটি মানুষের সামগ্রিক আচরণ ও আদর্শের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সম্পর্কিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মূল্যবোধ ব্যক্তির আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং সমাজকে সুসংহত রাখে। একই নীতি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সামাজিক মূল্যবোধ এবং আইনগত মূল্যবোধের পার্থক্যের ওপর প্রশ্ন আসতে পারে।
a আইনের শাসন
b নৈতিকতা
c সাম্য
d উপরের সবগুলাে
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলাে ১. কেন সঠিক: সামাজিক মূল্যবোধ হলো সমাজের মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক, আচার-আচরণ এবং জীবনযাত্রাকে পরিচালিত করার নৈতিক মানদণ্ড। একটি সুস্থ ও সুশৃঙ্খল সমাজ গঠনে একক কোনো উপাদানের ওপর নির্ভর করা যায় না, বরং একাধিক মৌলিক স্তম্ভ সম্মিলিতভাবে সামাজিক মূল্যবোধকে ভিত্তি প্রদান করে। এখানে আইনের শাসন, নৈতিকতা এবং সাম্য - এই তিনটি উপাদানই পরস্পরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে। এই সম্মিলিত উপাদানগুলোই সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে এবং মানুষের পারস্পরিক বিশ্বাস ও শৃঙ্খলার ভিত মজবুত করে তোলে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: সামাজিক মূল্যবোধ হলো সমাজের দীর্ঘকাল ধরে গড়ে ওঠা আদর্শ, বিশ্বাস এবং আচরণের সমষ্টি যা মানুষকে ভালো-মন্দের তফাত বুঝতে শেখায়। গুরুত্ব: এটি সমাজে বিশৃঙ্খলা রোধ করে, পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখে এবং নাগরিকদের দায়িত্বশীল ও সংবেদনশীল হতে উদ্বুদ্ধ করে। প্রয়োগ: সমাজে সবার অধিকার সমানভাবে রক্ষা করা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে নৈতিক অবস্থান নেওয়ার মাধ্যমে এর প্রয়োগ ঘটে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাস্তায় ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং লাইনে দাঁড়িয়ে সেবা গ্রহণ করা। ব্যাখ্যা: এটি আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং অন্য নাগরিকের অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের উৎকৃষ্ট উদাহরণ, যা সামাজিক মূল্যবোধের অংশ। উদাহরণ ২: কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর ধর্ম, বর্ণ বা লিঙ্গ বিবেচনা না করে সমান সুযোগ প্রদান করা। ব্যাখ্যা: এটি সাম্য এবং নৈতিকতার বাস্তব প্রয়োগ, যা সমাজে পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ তৈরি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইনের শাসন — এটি সামাজিক মূল্যবোধের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হলেও কেবল এককভাবে তা সম্পূর্ণ সামাজিক মূল্যবোধ গঠন করতে পারে না। B) নৈতিকতা — নৈতিকতা ব্যক্তিগত ও সামাজিক মূল্যবোধের প্রাণকেন্দ্র হলেও একা এটি সমাজের কাঠামোগত সমতা বা আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারে না। C) সাম্য — সমাজে বৈষম্য দূর করতে সাম্য অপরিহার্য, তবে আইনের শাসন ও নৈতিকতা ছাড়া একা সাম্য সমাজকে শৃঙ্খলিত রাখতে পারে না। D) উপরের সবগুলাে — আইনের শাসন, নৈতিকতা এবং সাম্য - এই তিনটি উপাদান মিলে সামাজিক মূল্যবোধের পূর্ণাঙ্গ ভিত্তি তৈরি করে, তাই এটি সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: সামাজিক মূল্যবোধ একটি বহুস্তর বিশিষ্ট ধারণা যেখানে একক কোনো নীতি কাজ করে না। তাই প্রশ্নটিতে যখন আইনের শাসন, নৈতিকতা এবং সাম্য পৃথকভাবে অপশনে থাকে, তখন সেগুলোর সম্মিলিত রূপটিই সঠিক উত্তর হিসেবে বেছে নিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সামাজিক মূল্যবোধের ভিত্তি সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোতে প্রায়ই একাধিক সঠিক উপাদান একসঙ্গে থাকে। তাই একক কোনো অপশন না বেছে সামগ্রিক উপাদানগুলো বিবেচনা করার দক্ষতা অর্জন করতে হবে। একই নীতি থেকে সুশাসন ও নাগরিক দায়িত্ব সম্পর্কিত প্রশ্নও পরীক্ষায় আসতে পারে।
a মত প্রকাশের স্বাধীনতা
b প্রশাসনের নিরপেক্ষতা
c নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা
d নিরপেক্ষ আইন ব্যবস্থা
0 129 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মত প্রকাশের স্বাধীনতা ১. কেন সঠিক: - সুশাসনের অন্যতম মূল ভিত্তি হলো নাগরিকদের মতামত প্রকাশের অবাধ সুযোগ, যা সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করে। - এটি এমন একটি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, যা সাধারণ মানুষকে নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে এবং সরকারের ভুলত্রুটি ধরিয়ে দিতে উদ্বুদ্ধ করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: মত প্রকাশের স্বাধীনতা হলো প্রতিটি নাগরিকের এমন একটি মৌলিক অধিকার, যার মাধ্যমে তারা ভয়হীনভাবে নিজেদের চিন্তা ও মতামত প্রকাশ করতে পারে। - গুরুত্ব: এটি সমাজে স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা করে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে জনমত গঠনে জোরালো ভূমিকা রাখে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: - উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির লক্ষণ দেখলে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো বা সহকর্মীদের সাথে আলোচনা করা। - ব্যাখ্যা: এটি মত প্রকাশের স্বাধীনতার সঠিক প্রয়োগ, যা প্রতিষ্ঠানের ভেতরে সুশাসন বজায় রাখতে সাহায্য করে। - উদাহরণ ২: স্থানীয় উন্নয়নে কোনো জনবিরোধী প্রকল্প হাতে নেওয়া হলে এলাকাবাসী হিসেবে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানানো ও মতামত তুলে ধরা। - ব্যাখ্যা: নাগরিক অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে জনস্বার্থ রক্ষা করা এবং প্রশাসনকে সঠিক পথে পরিচালিত করার এটি একটি নৈতিক দায়িত্ব। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মত প্রকাশের স্বাধীনতা — এটি সুশাসনের অন্যতম প্রধান পূর্বশর্ত যা নাগরিকদের অধিকার নিশ্চিত করে। B) প্রশাসনের নিরপেক্ষতা — এটি সুশাসনের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলেও মত প্রকাশের স্বাধীনতা ছাড়া এককভাবে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। C) নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা — এটি আইনের শাসন নিশ্চিত করার শর্ত, তবে এটি সুশাসনের সামগ্রিক প্রক্রিয়ার একটি অংশ মাত্র। D) নিরপেক্ষ আইন ব্যবস্থা — এটি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যম, কিন্তু সুশাসনের পূর্বশর্ত হিসেবে জনগণের অংশগ্রহণের স্বাধীনতা বেশি মৌলিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুশাসন মানে জনগণের অংশগ্রহণ এবং জবাবদিহি। জনগণের অংশগ্রহণের প্রধান মাধ্যম হলো মত প্রকাশের স্বাধীনতা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুশাসনের পূর্বশর্ত আসলে নাগরিকের অংশগ্রহণের দিকটিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের মূল স্তম্ভ কয়টি এবং কী কী, তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - একই নীতি থেকে প্রশাসন কীভাবে জবাবদিহিমূলক হতে পারে, সে সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a শাসনের সামাজিক দিক
b সুশাসনের অর্থনৈতিক দিক
c সুশাসনের মূল্যবােধের দিক
d সুশাসনের গণতান্ত্রিক দিক
0 130 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুশাসনের অর্থনৈতিক দিক ১. কেন সঠিক: সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাসমূহ মূলত দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা বিস্তার, স্বাস্থ্য উন্নতকরণ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। এই লক্ষ্যগুলো অর্জনের জন্য সুশাসনের অর্থনৈতিক দিক অর্থাৎ সম্পদের সঠিক বন্টন, অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা ও কার্যকর নীতি নির্ধারণের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: সুশাসনের অর্থনৈতিক দিক বলতে সরকারি সম্পদের সুষম বন্টন, দুর্নীতি দমন এবং জনকল্যাণে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনাকে বোঝায়। প্রয়োগ: রাষ্ট্রীয় তহবিল ব্যবহারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সততা বজায় রাখা এবং উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এর মূল প্রয়োগ। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরকারি উন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহার করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রাস্তাঘাট নির্মাণ করা। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের অর্থনৈতিক দিকের প্রয়োগ, যেখানে সম্পদের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা পায়। উদাহরণ ২: সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভাতা বিতরণে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা দুর্নীতি না করে প্রকৃত গরিব মানুষের কাছে টাকা পৌঁছে দেওয়া। ব্যাখ্যা: এই আচরণটি অর্থনৈতিক সুশাসন ও নৈতিক দায়িত্ববোধের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাসনের সামাজিক দিক — এই দিকটি মূলত সামাজিক সাম্য ও অধিকারের কথা বলে, যা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যের মূল অর্থনৈতিক ভিত্তির সঙ্গে সরাসরি মেলে না। B) সুশাসনের অর্থনৈতিক দিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। C) সুশাসনের মূল্যবোধের দিক — এটি সার্বিক নৈতিকতার অংশ হলেও নির্দিষ্টভাবে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যের অর্থনৈতিক অর্জনের সঙ্গে খাপ খায় না। D) সুশাসনের গণতান্ত্রিক দিক — গণতন্ত্র রাজনৈতিক অধিকারের সঙ্গে যুক্ত, কিন্তু সহস্রাব্দ লক্ষ্যমাত্রা মূলত অর্থনৈতিক উন্নয়নের ওপর প্রতিষ্ঠিত। ৫ মনে রাখার টিপস: সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বা এমডিজি মূলত দারিদ্র্য ও ক্ষুধার মতো অর্থনৈতিক সমস্যা দূর করার সঙ্গে যুক্ত। তাই এই লক্ষ্য অর্জনে সুশাসনের অর্থনৈতিক দিকটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সুশাসনের অর্থনৈতিক দিক এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার পারস্পরিক সম্পর্ক সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা আবশ্যক। একই নীতি থেকে সুশাসনের উপাদান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ নিয়ে অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে।
a ধারা ৭
b ধারা ৩৭
c ধারা ২৭
d ধারা ৪৭
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধারা ২৭ ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতা এবং সমাসীনতার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। - সংশ্লিষ্ট নৈতিক নীতি বা মূল্যবোধ হলো ন্যায়বিচার, সাম্য এবং মানবাধিকার, যা গণতন্ত্র ও সুশাসনের ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে কাজ করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: আইনের চোখে সব নাগরিক সমান বলতে বোঝায় ধনী-গরিব, ক্ষমতাশালী বা সাধারণ নাগরিক নির্বিশেষে আইনের প্রয়োগ সবার জন্য সমান হবে। - গুরুত্ব: এটি সমাজে বৈষম্য দূর করে, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে এবং নাগরিকদের মধ্যে আস্থার পরিবেশ তৈরি করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরকারি অফিসে সেবা নেওয়ার সময় কোনো সুপারিশ বা ঘুষ না দিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে স্বাভাবিক নিয়মে সেবা গ্রহণ করা। ব্যাখ্যা: এটি আইনের শাসন এবং সবার জন্য সমান সুযোগ বা সাম্যের নীতির বাস্তব প্রয়োগ। উদাহরণ ২: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বা কর্মক্ষেত্রে মেধার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা এবং আত্মীয়করণের ঊর্ধ্বে থেকে সবার প্রতি সমান আচরণ করা। ব্যাখ্যা: এটি পক্ষপাতহীন মনোভাব এবং নৈতিক মূল্যবোধের সঠিক চর্চা নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধারা ৭ — এটি সংবিধানের প্রাধান্য এবং প্রজাতন্ত্রের মালিকানা জনগণের মর্মে ঘোষণা করে, যা আইনের সমতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। B) ধারা ৩৭ — এটি জনসমাবেশ ও শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণের স্বাধীনতার অধিকার নিশ্চিত করে, যা সমতার অধিকারের আওতাভুক্ত নয়। D) ধারা ৪৭ — এটি নির্দিষ্ট কিছু আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে সংবিধানের কিছু বিধানের প্রয়োগের ক্ষেত্রে সংরক্ষণ সম্পর্কিত, যা সমতা নির্দেশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংবিধানে মৌলিক অধিকার শুরু হয় ছাব্বিশ ধারা থেকে এবং ২৭ ধারায় বলা হয়েছে আইনের চোখে সবাই সমান, তাই ২৭ মানে সবার জন্য সমান সুযোগ। - সাম্য এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মূল চাবিকাঠি হলো সংবিধানের এই ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আইনের শাসন এবং সমতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সংবিধানের এই ধারাটি বারবার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - একই নীতি থেকে সংবিধানে প্রদত্ত অন্যান্য মৌলিক অধিকার যেমন বাকস্বাধীনতা বা চলাচলের স্বাধীনতার ধারা সংক্রান্ত প্রশ্নও আসতে পারে।
a টেকসই উন্নয়ন
b ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন
c সাংস্কৃতিক উন্নয়ন
d উপরের কোনটিই নয়
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) টেকসই উন্নয়ন ১. কেন সঠিক: - জোহানেসবার্গ প্ল্যান অব ইমপ্লিমেন্টেশন মূলত পরিবেশগত সুরক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব আরোপ করে। - সুশাসনের সঙ্গে পরিবেশগত দায়িত্ব এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকার রক্ষা ওতপ্রোতভাবে জড়িত, যা টেকসই উন্নয়নের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: পরিবেশগত দায়িত্ব হলো বর্তমান প্রজন্মের এমন এক নৈতিক কর্তব্য, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ নিশ্চিত করে। - গুরুত্ব: সুশাসন কেবল মানুষের অধিকার রক্ষা করে না, বরং প্রকৃতি ও পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে নীতিনির্ধারকদের বাধ্য করে। - প্রয়োগ: সরকারি ও বেসরকারি নীতি প্রণয়নে পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব বিশ্লেষণ করে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা উচিত। - সম্ভাব্য প্রভাব: এর ফলে প্রাকৃতিক সম্পদের অপচয় রোধ হয় এবং সমাজ দীর্ঘমেয়াদে একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ লাভ করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো কারখানা স্থাপনের সময় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিক পদ্ধতি গ্রহণ করা এবং পরিবেশ আইন কঠোরভাবে মেনে চলা। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের স্বচ্ছতা ও পরিবেশগত দায়িত্বের সঠিক প্রয়োগ নির্দেশ করে, যা সমাজের সবার কল্যাণ নিশ্চিত করে। উদাহরণ ২: দৈনন্দিন জীবনে প্লাস্টিক ও অপচয়যোগ্য দ্রব্যের ব্যবহার কমানো এবং বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত হওয়া। ব্যাখ্যা: এটি নাগরিক দায়িত্ব ও টেকসই উন্নয়নের প্রতি ব্যক্তিগত অঙ্গীকারের বাস্তব প্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টেকসই উন্নয়ন — এই বিকল্পটি সঠিক কারণ জোহানেসবার্গ ঘোষণাপত্র মানবকল্যাণ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় টেকসই উন্নয়নকে সুশাসনের মূল শর্ত হিসেবে ধরেছে। B) ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন — এটি একটি নির্দিষ্ট খাতের উন্নয়ন নির্দেশ করে, যা সার্বজনীন সুশাসন ও আন্তর্জাতিক নীতিমালার মূল লক্ষ্য নয়। C) সাংস্কৃতিক উন্নয়ন — সংস্কৃতির বিকাশ গুরুত্বপূর্ণ হলেও আন্তর্জাতিক নীতমালায় সুশাসনের সঙ্গে সরাসরি পরিবেশ ও উন্নয়নের প্রশ্নটি অধিক গুরুত্ব পায়। D) উপরের কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর প্রথম অপশনে বিদ্যমান, তাই এই বিকল্পটি অপ্রাসঙ্গিক ও ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - জোহানেসবার্গ সম্মেলন মানেই মাথায় রাখতে হবে পরিবেশ এবং টেকসই উন্নয়নের কথা। - সুশাসন ও পরিবেশ একে অপরের পরিপূরক, যেখানে ভবিষ্যতের সুদিন নিশ্চিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আন্তর্জাতিক দলিলে সুশাসনের সঙ্গে পরিবেশ ও উন্নয়নের সম্পর্ক প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। - টেকসই উন্নয়ন ও সুশাসন সম্পর্কিত অন্যান্য আন্তর্জাতিক সম্মেলনগুলোর মূল প্রতিপাদ্য ভালো করে পড়তে হবে।
a জাতিসংঘ
b বিশ্বব্যাংক
c এউ এন.ডি.পি
d আই.এম.এফ
0 209 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিশ্বব্যাংক ১. কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক ১৯৮৯ সালে তাদের একটি প্রতিবেদনে আফ্রিকাস ডেভেলপমেন্ট ক্রাইসিস ইন এ ক্রিটিক্যাল পার্সপেক্টিভ শীর্ষক দলিলে প্রথম সুশাসন বা গুড গভর্ন্যান্স শব্দটি ব্যবহার করে এবং এর সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে। - সুশাসন বলতে এমন একটি শাসনব্যবস্থাকে বোঝায় যা জনগণের উন্নয়ন, আইনের শাসন এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি নিশ্চিত করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন হলো রাষ্ট্র পরিচালনার এমন একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রক্রিয়া যেখানে জনগণের অধিকার ও আইনের শাসন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায়। - গুরুত্ব: সুশাসন প্রতিষ্ঠা ছাড়া দুর্নীতি রোধ, সম্পদের সঠিক ব্যবহার এবং সমাজের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। - প্রয়োগ: সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানি দায়িত্ব পালনের সময় স্বজনপ্রীতি পরিহার করে মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন করতে হবে। - সম্ভাব্য প্রভাব: সুশাসন নিশ্চিত হলে জনসেবায় স্বচ্ছতা বাড়ে এবং সাধারণ মানুষ রাষ্ট্রের প্রতি আস্থাশীল হয়। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কোনো প্রভাব না খাটিয়ে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে যোগ্য প্রতিষ্ঠানকে কাজ দিলেন। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের মূলনীতি স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার বাস্তব প্রয়োগ, যা প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনগণের আস্থা বাড়ায়। উদাহরণ ২: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো অনুদান আসার পর কর্তৃপক্ষ যদি নির্দিষ্ট বোর্ডে তার হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করে। ব্যাখ্যা: এটি জবাবদিহি ও সততার উৎকৃষ্ট উদাহরণ, যা অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতিসংঘ — জাতিসংঘ মানবাধিকার ও সার্বিক উন্নয়নে কাজ করলেও সুশাসন শব্দটি প্রথম সংজ্ঞায়িত ও প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক। B) বিশ্বব্যাংক — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১৯৮৯ সালের প্রতিবেদনে তারা সর্বপ্রথম সুশাসনের ধারণাটি আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাখ্যা করে। C) এউ এন.ডি.পি — জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপি পরবর্তীতে সুশাসনের উপাদান যেমন অংশগ্রহণ ও জবাবদিহি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছে, তবে সূচনাকারী সংস্থা বিশ্বব্যাংক। D) আই.এম.এফ — আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল মূলত বৈশ্বিক আর্থিক স্থিতিশীলতা ও ঋণ প্রদান নিয়ে কাজ করে, সুশাসনের প্রথম ব্যাখ্যাদাতা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিশ্বব্যাংক হলো অর্থনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক উন্নয়নের রূপকার, তাই সুশাসনের ধারণাটি প্রথম তারাই দিয়েছে এটি মনে রাখতে হবে। - সুশাসনের মূল স্তম্ভগুলো হলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আইনের শাসন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসন প্রতিষ্ঠার মূল শর্ত হলো দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং জনগণের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো। - একই নীতি থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে সুশাসনের প্রধান উপাদান কয়টি বা কোন সংস্থা সুশাসনের উপাদান নির্ধারণ করেছে।
a সামাজিক অবক্ষয়ের
b মূল্যবোধ অবক্ষয়ের
c সুশাসনের
d শিক্ষার গুণগতমানের
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুশাসনের ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো সংবাদমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে কাজ করে এবং সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে। - সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান শর্ত হলো তথ্য অধিকার, স্বচ্ছতা এবং সরকারের কাজের জবাবদিহি, যা একটি নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী গণমাধ্যম ছাড়া অর্জন করা সম্ভব নয়। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যা অংশগ্রহণমূলক, consensus-oriented বা ঐকমত্যভিত্তিক, জবাবদিহিমূলক, স্বচ্ছ, দায়িত্বশীল, কার্যকর এবং আইনের শাসন দ্বারা পরিচালিত। - গুরুত্ব: সুশাসন দুর্নীতি হ্রাস করে, নাগরিক অধিকার সুরক্ষা করে এবং দেশের টেকসই উন্নয়নে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: - উদাহরণ ১: কোনো সরকারি সংস্থায় দুর্নীতির সংবাদ সাহসিকতার সঙ্গে প্রকাশ করা এবং এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে শাস্তির আওতায় আনতে বাধ্য করা। - ব্যাখ্যা: এটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সুশাসনের জবাবদিহি নীতির বাস্তব প্রয়োগ, যা রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনে। - উদাহরণ ২: নীতি নির্ধারণী প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের মতামত ও সমস্যা গণমাধ্যমে তুলে ধরা যাতে নীতিনির্ধারকরা জনকল্যাণমূলক সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন। - ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের অংশগ্রহণমূলক এবং স্বচ্ছতা নীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সামাজিক অবক্ষয়ের — সামাজিক অবক্ষয় মূলত নৈতিক মূল্যবোধের পতন, পারিবারিক শিক্ষার অভাব এবং সংস্কৃতির সংকটের সঙ্গে যুক্ত, যা সুশাসনের মতো সরাসরি প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) মূল্যবোধ অবক্ষয়ের — মূল্যবোধ অবক্ষয় হলো মানুষের নৈতিক বিচারবুদ্ধি ও সততার হ্রাস পাওয়ার ফল, যা মূলত সামাজিকীকরণ ও পারিবারিক শিক্ষার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়। D) শিক্ষার গুণগতমানের — শিক্ষার গুণগতমান নির্ভর করে উপযুক্ত শিক্ষক নিয়োগ, আধুনিক পাঠ্যক্রম এবং প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামোর ওপর, যা সরাসরি গণমাধ্যমের কাঠামোর অধীন নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - গণমাধ্যম শব্দটির সঙ্গে সুশাসনের জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা কথাটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। - পরীক্ষার প্রশ্নে গণমাধ্যম দেখলেই সুশাসন বা গণতন্ত্রের কার্যকারিতা বিকল্প হিসেবে খোঁজা উচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের মূল উপাদানগুলো যেমন স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আইনের শাসন ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - এই নীতি থেকে ব্যাংক বা বিসিএস পরীক্ষায় বিভিন্ন পরিস্থিতিভিত্তিক প্রশ্ন আসতে পারে।
a ছেড়া অংশটুকু ধরে রাখার চেষ্টা করবেন
b বিয়ে বাড়ী ছেড়ে চলে যাবেন
c পােশাকের ঘেঁড়া অংশটুকু যেভাবে আছে সেভাবে রাখবেন
d আপনার কাছাকাছি যারা আছেন তাদের পরামর্শ নেবেন
0 159 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ছেড়া অংশটুকু ধরে রাখার চেষ্টা করবেন ১. কেন সঠিক: - সামাজিক অনুষ্ঠানে হঠাৎ পোশাক ছিঁড়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা বুদ্ধিমানের কাজ। - এটি তাৎক্ষণিক সমস্যা সমাধান এবং আত্মমর্যাদা রক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি মার্জিত আচরণ। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: পরিস্থিতিভিত্তিক বুদ্ধিমত্তা এবং আত্মসংযম হলো এমন একটি গুণ, যা যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে শান্ত থেকে সম্মানজনক সমাধান খুঁজতে সাহায্য করে। - প্রয়োগ: অপ্রত্যাশিত কোনো সমস্যা তৈরি হলে ঘাবড়ে না গিয়ে ঠান্ডা মাথায় তার তাৎক্ষণিক ও শালীন সমাধান বের করতে হবে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ আপনার শার্টের বোতাম খুলে গেল এবং সেলাই আলগা হয়ে গেল। ব্যাখ্যা: তাৎক্ষণিকভাবে সেফটিপিন ব্যবহার করে বা অন্য কোনো উপায়ে তা ঠিক করে মিটিংয়ে যোগ দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। উদাহরণ ২: পরীক্ষার হলে হঠাৎ কলম কাজ করা বন্ধ করে দিল এবং আপনার কাছে অতিরিক্ত কলম নেই। ব্যাখ্যা: আতঙ্কিত না হয়ে তাৎক্ষণিকভাবে শিক্ষকের সহায়তা নেওয়া বা পাশের বন্ধুর সাহায্য চাওয়া উচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছেড়া অংশটুকু ধরে রাখার চেষ্টা করবেন — এটি সঠিক কারণ এটি তাৎক্ষণিক লজ্জাকর পরিস্থিতি থেকে বাঁচার সবচেয়ে দ্রুত ও মার্জিত উপায়। B) বিয়ে বাড়ী ছেড়ে চলে যাবেন — এটি চরম মাত্রাতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া যা হীনম্মন্যতা এবং সামাজিক মেলামেশার অভাব নির্দেশ করে। C) পােশাকের ঘেঁড়া অংশটুকু যেভাবে আছে সেভাবে রাখবেন — এটি অসচেতনতা এবং নিজের বাহ্যিক রূপ ও শালীনতার প্রতি চরম উদাসীনতা প্রকাশ করে। D) আপনার কাছাকাছি যারা আছেন তাদের পরামর্শ নেবেন — পোশাক ছেড়ার মতো ব্যক্তিগত সমস্যায় অন্যের পরামর্শ নেওয়ার চেয়ে নিজের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া বেশি জরুরি। ৫. মনে রাখার টিপস: - অপ্রত্যাশিত সামাজিক বা ব্যক্তিগত সংকট তৈরি হলে ভেঙে না পড়ে তাৎক্ষণিকভাবে মার্জিত ও শালীন উপায়ে তা সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নৈতিকতা ও মূল্যবোধের প্রশ্নে যেকোনো বিপদে আত্মসংযম এবং পরিস্থিতি মোকাবিলার মানসিকতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

মোট প্রশ্ন (39)

a আবুল হাসান
b সােমেন চন্দ
c হুমায়ুন কবির
d কল্যাণ মিত্র
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সােমেন চন্দ ১. কেন সঠিক: - সোমেন চন্দ ১৯৪২ সালের আটই মার্চ ঢাকায় ফ্যাসিবাদবিরোধী লেখক ও শিল্পী সংঘের সম্মেলনে যাওয়ার পথে পুলক নামক একদল আততায়ীর হাতে নিহত হন। - বাংলা সাহিত্যে প্রথম শহীদ লেখক হিসেবে সোমেন চন্দ ঐতিহাসিক এক নাম এবং তাঁর মৃত্যু বাংলা প্রগতিশীল সাহিত্য আন্দোলনে এক বড় ধাক্কা ছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সোমেন চন্দ ছিলেন বাংলা সাহিত্যের মার্কসবাদী ধারার একজন প্রতিভাবান ও তরুণ কথাসাহিত্যিক যিনি মূলত ছোটগল্প লিখে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। - তাঁর বিখ্যাত ইঁদুর ছোটগল্পটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত এবং বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে যা সমাজের নিচুতলার মানুষের সংগ্রামের চিত্র তুলে ধরে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইঁদুর গল্প ব্যাখ্যা: এটি সোমেন চদের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সমাজসচেতন একটি ছোটগল্প। উদাহরণ ২: বর্ধিষ্ণু গল্পগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এটি সোমেন চদের মৃত্যুর পর প্রকাশিত তাঁর লেখার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল হাসান — ইনি বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট আধুনিক কবি ও সাংবাদিক যিনি ১৯৭৫ সালে লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। B) সােমেন চন্দ — সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৯৪২ সালে ঢাকায় আততায়ীর হাতে নিহত হন। C) হুমায়ুন কবির — ইনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি দার্শনিক, রাজনীতিবিদ ও সাহিত্যিক যিনি ১৯৬৯ সালে দিল্লিতে মৃত্যুবরণ করেন। D) কল্যাণ মিত্র — ইনি একজন বাঙালি নাট্যকার ও সাহিত্যিক যিনি কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেছেন এবং আততায়ীর হাতে ঢাকায় নিহত হননি। ৫ মনে রাখার টিপস: - সোমেন চন্দ ও ঢাকা এবং আততায়ী শব্দ তিনটি একত্রে মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর চিরস্থায়ীভাবে মনে থাকবে। - ১৯৪২ সাল এবং শহীদ লেখক সোমেন চন্দ এই দুটি তথ্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সর্বদা মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা সাহিত্যের প্রথম শহীদ লেখক কে এই প্রশ্নটি বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - প্রগতিশীল লেখক আন্দোলনের ইতিহাস এবং বিশ শতকের চল্লিশের দশকের সাহিত্যিকদের পরিচিতি থেকে এ ধরনের প্রশ্ন করা হয়।
a রােমান্সমূলক উপন্যাস
b ঐতিহাসিক উপন্যাস
c বিয়ােগান্তক নাটক
d সামাজিক উপন্যাস
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রোমান্সমূলক উপন্যাস ১. কেন সঠিক: - 'পাল কুণ্ডলা' একটি রোমান্সমূলক উপন্যাস যার মূল সুর প্রেম ও কল্পনাভিত্তিক কাহিনীর ওপর প্রতিষ্ঠিত। - এই উপন্যাসে বাস্তব জীবনের কঠিন সামাজিক সংকটের চেয়ে আবেগ এবং প্রেমের প্রকাশ বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'পাল কুণ্ডলা' উপন্যাসের রচয়িতা সম্পর্কে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে এবং এটি রোমান্টিক ধারার একটি পরিচিত কাজ। - বাংলা উপন্যাসের বিকাশ ধারায় রোমান্সমূলক উপন্যাসের ক্ষেত্রে প্রেম ও কল্পনার অপূর্ব মিশ্রণ লক্ষ্য করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত সামাজিক ও পারিবারিক উপন্যাস যেখানে পরকীয়া প্রেমের পরিণতি দেখানো হয়েছে। উদাহরণ ২: কপালকুণ্ডলা ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই বিখ্যাত উপন্যাসটি রোমান্সমূলক উপন্যাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোমান্সমূলক উপন্যাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রশ্নোক্ত সাহিত্যকর্মটি রোমান্টিক ধারার উপন্যাস। B) ঐতিহাসিক উপন্যাস — এটি সঠিক নয় কারণ ঐতিহাসিক উপন্যাসের প্রধান ভিত্তি ইতিহাস ও সত্য ঘটনা হলেও এটি সম্পূর্ণ কল্পনামূলক রোমান্স। C) বিয়োগান্তক নাটক — এটি ভুল কারণ নাটক এবং উপন্যাস সম্পূর্ণ দুটি ভিন্ন সাহিত্যরূপ। D) সামাজিক উপন্যাস — এটি সঠিক নয় কারণ সামাজিক উপন্যাসে সমাজের বাস্তব চিত্র ও সমস্যা ফুটিয়ে তোলা হয় যা এখানে প্রধান নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রোমান্সমূলক উপন্যাস মনে রাখার জন্য কল্পনার জগত এবং প্রেমের উপাখ্যানগুলো মাথায় রাখবে। - উপন্যাসের নাম এবং লেখকের ধারা মিলিয়ে পড়লে বিভ্রান্তি দূর হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মূল ধারার পাশাপাশি রোমান্টিক ধারার উপন্যাসগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়বে।
a “কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও?
b “অগ্নিগ্রাসী বিশ্বত্রাসি জাগুক আবার আত্মদান”
c “প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে তাই হেরি তায় সকল খানে”?
d “কি আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে নদীর কূলে”
0 138 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) “অগ্নিগ্রাসী বিশ্বত্রাসি জাগুক আবার আত্মদান” কেন সঠিক: - এই পংক্তিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো রচনা থেকে সংকলিত নয়। - এটি মূলত বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত বিপ্লবী কবিতা প্রলয়োল্লাস এর অন্তর্গত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কাজী নজরুল ইসলামের লেখার ধরণ এবং সুর সম্পূর্ণ আলাদা। - রবীন্দ্রনাথের কবিতায় সাধারণত বিশ্বপ্রকৃতি, প্রেম, আধ্যাত্মিকতা এবং শান্ত দার্শনিক সুর প্রকাশ পায়। - নজরুলের কবিতায় বিপ্লব, ধ্বংসের মধ্য দিয়ে নতুন সৃষ্টির বারতা এবং শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সুর জোরালোভাবে ফুটে ওঠে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) “কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও? — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা বিখ্যাত বাঁশরি কাব্যের একটি পংক্তি। - C) “প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে তাই হেরি তায় সকল খানে” — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতবিতান গ্রন্থের একটি জনপ্রিয় আধ্যাত্মিক গান। - D) “কি আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে নদীর কূলে” — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রকৃতির রূপবৈচিত্র্য নিয়ে লেখা একটি সুন্দর কাব্যপংক্তি। মনে রাখার টিপস: - অগ্নিগ্রাসী বা বিশ্বত্রাস শব্দের মতো বিপ্লবী শব্দগুলো সাধারণত কাজী নজরুল ইসলামের লেখার সাথে বেশি মিলে যায়।
a আমাণে গতার সহচারী
b রামায়ণে লক্ষণের প্রণয়প্রার্থী নারী
c মহাভারতে দুর্যোধনের স্ত্রী
d মহাভারতে পাঁচ ভাইয়ের একক স্ত্রী
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মহাভারতে পাঁচ ভাইয়ের একক স্ত্রী ১. কেন সঠিক: মহাভারতের আদিপর্বে বর্ণিত হয়েছে যে পাণ্ডব পাঁচ ভাই অর্থাৎ যুধিষ্ঠির, ভীম, অর্জুনা, নকুল ও সহদেব যৌথভাবে দ্রৌপদীকে বিবাহ করেছিলেন। দ্রৌপদীর অন্য নাম কৃষ্ণা, পাঞ্চালী ও যাজ্ঞসেনী, যিনি পাঁচ পাণ্ডবের একমাত্র যৌথ বা একক স্ত্রী হিসেবে মহাকাব্যে পরিচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহাকাব্য মহাভারত প্রাচীন ভারতের দুটি প্রধান সংস্কৃত মহাকাব্যের অন্যতম, যার রচয়িতা ঋষি বেদব্যাস। দ্রৌপদী চরিত্রটি মহাভারতের মূল কাহিনীর চালিকাশক্তি এবং তাঁর অপমান কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দ্রৌপদী পাঁচ পাণ্ডবের মহিষী হিসেবে স্বয়ম্বর সভায় অর্জুনের দ্বারা জয়ী হলেও পরবর্তীতে মায়ের আদেশে পাঁচ ভাইয়ের স্ত্রী হন। ব্যাখ্যা: এই ঘটনাটি মহাভারতের যৌথ পরিবারের সামাজিক প্রেক্ষাপট এবং মাতৃতান্ত্রিক প্রভাবের একটি ঐতিহাসিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: কুন্তী দেবীর একটি বাক্যের কারণে পাঁচ ভাই যৌথভাবে দ্রৌপদীকে পত্নী হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। ব্যাখ্যা: মাতৃভক্তির এমন চরম বহিঃপ্রকাশ এবং বচনের মর্যাদা রক্ষার অনন্য দৃষ্টান্ত মহাভারতেই কেবল দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমাণে গতার সহচারী — এই অপশনটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক এবং বাংলা সাহিত্যে বা পুরাণে এর কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। B) রামায়ণে লক্ষণের প্রণয়প্রার্থী নারী — রামায়ণে লক্ষণের প্রতি অনুরক্ত কোনো প্রধান নারী চরিত্রের নাম দ্রৌপদী বা দোপণী নয়। C) মহাভারতে দুর্যোধনের স্ত্রী — মহাভারতে দুর্যোধনের স্ত্রীর নাম ভানুমতী, দ্রৌপদী নন। D) মহাভারতে পাঁচ ভাইয়ের একক স্ত্রী — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি মহাভারতের মূল কাহিনীর সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: মহাভারতের পঞ্চপাণ্ডবের সঙ্গে দ্রৌপদীর নাম সব সময় মনে রাখবে কারণ পাঁচ ভাইয়ের এক স্ত্রী হিসেবে তিনি মহাভারতে অনন্য। দ্রৌপদীর অপর নাম পাঞ্চালী, যা তাঁর দেশ অর্থাৎ পাঞ্চাল রাজ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মহাভারতের নারী চরিত্র ও তাঁদের স্বামী বা পরিচয় সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। মূল চরিত্র যেমন দ্রৌপদী, কুন্তী ও গান্ধারীর পরিচয় ভালোভাবে আয়ত্ত করলে মহাভারত সম্পর্কিত যেকোনো উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব।
a আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
b শওকত ওসমান
c শহীদুল জহির
d শওকত আলী
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ১. কেন সঠিক: 'মিলির হাতে স্টেনগান' গল্পটির রচয়িতা বাংলাদেশের কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ছাত্র সমাজের সাহসী ভূমিকা এই গল্পের মূল প্রেক্ষাপট। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বিংশ শতাব্দীর ষাট ও সত্তরের দশকের অন্যতম প্রধান ও শক্তিশালী বাংলা কথাসাহিত্যিক। তাঁর গল্পে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের সংগ্রাম, রাজনীতি ও সমাজ বাস্তবতার নিখুঁত চিত্র ফুটে ওঠে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'চিলেকোঠার সেপাই' ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে লেখা। উদাহরণ ২: 'খোয়ারি' ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটি অত্যন্ত প্রশংসিত ও জনপ্রিয় ছোটগল্প। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি 'মিলির হাতে স্টেনগান' গল্পের রচয়িতা। B) শওকত ওসমান — তিনি বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও গল্পকার হলেও এই গল্পের লেখক নন, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'জননী'। C) শহীদুল জহির — তিনি জাদুবাস্তবতার লেখক, তাঁর বিখ্যাত গল্প 'আদমজী নগর' ও 'জীবন এবং রাজনৈতিক বাস্তবতার'। D) শওকত আলী — তিনি একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হলেও এই গল্পটি তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'দক্ষিণায়নের দিন'। ৫. মনে রাখার টিপস: ইলিয়াস সাহেবের হাতেই মিলির স্টেনগান মানায়, কারণ তিনি মুক্তিযুদ্ধের গল্পে অনন্য। লেখক নামের সাথে গল্পটির নাম মিলিয়ে পড়লে পরীক্ষার হলে সহজে মনে পড়বে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের মুক্তিযদ্ধভিত্তিক ছোটগল্পগুলোর মধ্যে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রচনা। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের নাম ও রচনার ধরন প্রায়ই আসে।
a দৈন্যতা সর্বদা মহত্বের পরিচায়ক নয়
b দৈন্যতা সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয়
c দৈন্য সর্বদা মহত্বের পরিচায়ক নয়
d দৈন্য সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয়
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দৈন্য সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয় ১. কেন সঠিক: - বাক্যটিতে দৈন্য এবং মহত্ত্ব দুটি শুদ্ধ শব্দ একসঙ্গে ব্যবহার করা হয়েছে। - দৈন্য শব্দের অর্থ দীনতা বা দরিদ্রতা এবং মহত্ত্ব শব্দের অর্থ মহান হওয়া গুণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিশেষ্য পদের সঙ্গে অতিরিক্ত প্রত্যয় যুক্ত করে দ্বিরুক্ত বা ভুল ভাববাচক শব্দ তৈরি করা যায় না। - দীন শব্দের সঙ্গে য ফলা যুক্ত করে দৈন্য বা দীনতা লেখা যায়, কিন্তু দীনতা ও দৈন্য একসঙ্গে শুদ্ধ হলেও দৈন্যতা শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারিদ্র্য মানুষকে অনেক সময় কঠোর করে তোলে ব্যাখ্যা: দারিদ্র্য একটি শুদ্ধ শব্দ, এর সঙ্গে অতিরিক্ত তা প্রত্যয় যুক্ত করে দারিদ্র্যতা লেখা সম্পূর্ণ ভুল। উদাহরণ ২: তার মহানুভবতা আমাদের মুগ্ধ করেছে ব্যাখ্যা: মহৎ শব্দের সঙ্গে ত্ব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মহত্ত্ব এবং মহানুভব শব্দের সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মহানুভবতা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৈন্যতা সর্বদা মহত্বের পরিচায়ক নয় — এখানে দৈন্যতা এবং মহত্ব দুটি শব্দই বানানগত ও প্রত্যয়গতভাবে ভুল। B) দৈন্যতা সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয় — এখানে মহত্ত্ব সঠিক হলেও দৈন্যতা শব্দটি অতিরিক্ত তা প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার কারণে ভুল। C) দৈন্য সর্বদা মহত্বের পরিচায়ক নয় — এখানে দৈন্য সঠিক হলেও মহত্ব শব্দটিতে ত এর নিচে হসন্ত বা অতিরিক্ত বর্ণজনিত বানান ভুল রয়েছে। D) সঠিক অপশন — এই অপশনটিতে দৈন্য এবং মহত্ত্ব উভয় শব্দই বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - দৈন্য অথবা দারিদ্র্য একা বসলে শুদ্ধ হয়, এদের সঙ্গে অতিরিক্ত তা যুক্ত করলে দ্বিরুক্ত দোষে দুষ্ট হয়। - মহৎ শব্দের সঠিক রূপ মহত্ত্ব, তাই লেখার সময় হ এর নিচে ত যুক্ত বর্ণ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দৈন্যতা বনাম দৈন্য এবং মহত্ব বনাম মহত্ত্ব সংক্রান্ত বাক্যশুদ্ধি আসে। - ব্যাকরণগত শুদ্ধির ক্ষেত্রে প্রত্যয় যুক্ত করার নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
b মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
c শেখ হাসিনা
d এ. কে. ফজলুল হক
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১. কেন সঠিক: - সমাপ্ত আত্মজীবনী হলো হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। - এই গ্রন্থে বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবনের নানা সংগ্রাম, রাজনৈতিক চেতনা এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের নেপথ্য ইতিহাসের এক অনন্য দলিল তুলে ধরেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু রাজনৈতিক নেতাই নন, তিনি বাংলা সাহিত্যের আত্মজীবনী ধারায় এক অনন্য সংযোজন করে গেছেন। - তাঁর রচিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়াচীন বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অসমাপ্ত আত্মজীবনী ব্যাখ্যা: এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত প্রথম প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ, যা ২০১২ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: কারাগাররে রোজনামচা ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর কারাজীবনের দিনলিপি নিয়ে রচিত আরেকটি ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক গ্রন্থ, যা ২০১৭ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ সমাপ্ত আত্মজীবনী তাঁরই লেখা একটি অমর সাহিত্যকর্ম। B) মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী — ইনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা হলেও এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন। C) শেখ হাসিনা — ইনি বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী এবং বঙ্গবন্ধুর তনয়া হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটি তাঁর নিজের রচিত নয়। D) এ. কে. ফজলুল হক — ইনি বাংলার এক প্রখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং শেরেবাংলা নামে পরিচিত, কিন্তু এই গ্রন্থের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থগুলোর নামের সাথে আত্মজীবনী বা রোজনামচা শব্দ যুক্ত থাকে। - অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং সমাপ্ত আত্মজীবনী সংক্রান্ত প্রশ্নগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাম্প্রতিক প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বঙ্গবন্ধু রচিত গ্রন্থগুলোর প্রকাশসাল এবং বিষয়বস্তু ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
a শাহ আবদুল করিম
b শেখ ওয়াহিদ
c রাধারমন
d কুদুস বয়াতি
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) শেখ ওয়াহিদ কেন সঠিক: এই জনপ্রিয় লোকসংগীতটির মূল রচয়িতা হিসেবে মরমী কবি শেখ ওয়াহিদের নাম স্বীকৃত ও প্রামাণিক তথ্য হিসেবে পরিগণিত হয়। বিভিন্ন লোকসংস্কৃতি চর্চায় ও গবেষণায় এই গানটির গীতিকার হিসেবে শেখ ওয়াহিদ এর নামই সঠিকভাবে নথিভুক্ত রয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা লোকসাহিত্যে মরমী ও বাউল গান মানুষের অন্তরের গভীর ভাব এবং প্রেমের আকুলতা প্রকাশের এক অনন্য মাধ্যম হিসেবে কাজ করে থাকে। এই ধরনের গানে মানবপ্রেমের মধ্য দিয়ে ঈশ্বরপ্রেম বা আধ্যাত্মিক সাধনার গভীর ভাবপ্রকাশ ফুটিয়ে তোলার এক সুপ্রাচীন ঐতিহ্য লক্ষ্য করা যায়। উদাহরণস্বরূপ, হাসন রাজার লোকগান কিংবা লালন সাঁইয়ের বাউল গান এই ধারারই অত্যন্ত উজ্জ্বল ও শিল্পসমৃদ্ধ সাহিত্যিক নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) শাহ আবদুল করিম — ইনি ভাটি অঞ্চলের বিখ্যাত বাউল গান রচয়িতা হলেও এই নির্দিষ্ট গানটির গীতিকার নন। খ) শেখ ওয়াহিদ — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। গ) রাধারমন — ইনি ধামাইল গানের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত হলেও এই গানটির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ঘ) কুদুস বয়াতি — ইনি প্রখ্যাত গ্রামীণ বয়াতি হলেও এই গানটির রচয়িতা হিসেবে তাঁর নাম ইতিহাসে পাওয়া যায় না। মনে রাখার টিপস: বুড়ি হইলাম তোর কারণে গানটির সঙ্গে শেখ ওয়াহিদের নাম মনে রাখতে বুড়ি এবং ওয়াহিদ এই দুটি শব্দ একসঙ্গে জোড়া লাগিয়ে পড়বে। লোকগানের শিল্পীর নাম মনে রাখার জন্য গানটির প্রথম লাইন এবং গীতিকারের নাম খাতায় লিখে বারবার অনুশীলন করা সবচেয়ে ভালো উপায়।
a আলমগীর কবির
b তারেক মাসুদ
c হুমায়ুন আহমেদ
d শেখ নিয়ামত আলী
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তারেক মাসুদ ১. কেন সঠিক: - ‘মাটির ময়না’ (The Clay Bird) চলচ্চিত্রের নির্মাতা বা পরিচালক হলেন খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ। - এটি বাংলাদেশের অত্যন্ত প্রশংসিত এবং আন্তর্জাতিকভাবে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারপ্রাপ্ত একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। ২. সাহিত্য ও চলচ্চিত্র ব্যাখ্যা: - তারেক মাসুদ বাংলাদেশের স্বাধীনধারার চলচ্চিত্রের এক প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিত্ব। - ‘মাটির ময়না’ চলচ্চিত্রটি ২০০২ সালে মুক্তি পায় এবং কান চলচ্চিত্র উৎসবে ফিপরেসি আন্তর্জাতিক সমালোচক পুরস্কার লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘মুক্তির গান’ ব্যাখ্যা: এটি তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ পরিচালিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্য চলচ্চিত্র। উদাহরণ ২: ‘রানওয়ে’ ব্যাখ্যা: এটি তারেক মাসুদ পরিচালিত অপর একটি আলোচিত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র যা চরমপন্থা ও সামাজিক ইস্যু নিয়ে নির্মিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলমগীর কবির — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার ও চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের পুরোধা হলেও এই চলচ্চিত্রের নির্মাতা নন। C) হুমায়ুন আহমেদ — তিনি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হলেও ‘মাটির ময়না’ চলচ্চিত্রটি তার পরিচালিত নয়। D) শেখ নিয়ামত আলী — তিনি ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’ চলচ্চিত্রের সহ-নির্মাতা হলেও ‘মাটির ময়না’ চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - মাটির ময়না আকাশে ওড়ে আর তারেক মাসুদ এটি ক্যামেরায় ধরে রাখেন। এভাবে চলচ্চিত্রটির নির্মাতার নাম সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ‘মাটির ময়না’ কান চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রথম বাংলাদেশি চলচ্চিত্র। - বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ও নির্মাতা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a আবুল হাসান
b মহাদেব সাহা
c আবুল হােসেন
d নির্মলেন্দু গুণ
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নির্মলেন্দু গুণ ১. কেন সঠিক: - ‘হুলিয়া’ কবিতাটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রখ্যাত কবি নির্মলেন্দু গুণ। - এটি মূলত ষাট ও সত্তরের দশকের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং তৎকালীন গ্রামীণ জীবনের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নির্মলেন্দু গুণ ১৯৪৫ সালের ২১ জুন নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার কাশবন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর কবিতায় প্রেম, দ্রোহ, রাজনীতি এবং সাধারণ মানুষের সংগ্রামের চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘হুলিয়া’ কবিতার বিখ্যাত পক্তি: ‘হুলিয়া মাথায় নিয়ে আমি ঘুরে বেড়াই এ-বাংলায়।’ ব্যাখ্যা: এই পঙক্তির মাধ্যমে তৎকালীন রাজনৈতিক নিপীড়ন ও কবির পালিয়ে বেড়ানোর বাস্তব চিত্র প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: নির্মলেন্দু গুণের অপর একটি বিখ্যাত কবিতা ‘চৈত্রের ভালোবাসা’। ব্যাখ্যা: এটি কবির অন্যতম জনপ্রিয় প্রেমের কবিতা, যা তাঁর বহুমুখী প্রতিভার পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল হাসান — ইনি ষাটের দশকের একজন বিশিষ্ট কবি হলেও ‘হুলিয়া’ কবিতার রচয়িতা নন, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘রাজা যায় রাজা আসে’। B) মহাদেব সাহা — ইনি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত প্রেমের কবি হলেও ‘হুলিয়া’ কবিতাটি তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত বই ‘চাই দীর্ঘ জীবন’। C) আবুল হোসেন — ইনি একজন প্রথিতযশা আধুনিক কবি হলেও ‘হুলিয়া’ কবিতার সঙ্গে তাঁর কোনো সাহিত্যিক সম্পৃক্ততা নেই। D) নির্মলেন্দু গুণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ ‘হুলিয়া’ তাঁরই অমর সৃষ্টি এবং এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। ৫ মনে রাখার টিপস: - নির্মলেন্দু গুণ মানেই দ্রোহ আর প্রেমের এক অপূর্ব সংমিশ্রণ এবং তাঁর বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতা হলো ‘হুলিয়া’। - কবি নির্মলেন্দু গুণের নাম মনে রাখতে ‘হুলিয়া’ কবিতাটিকে তাঁর প্রধান সাহিত্যকীর্তি হিসেবে মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নির্মলেন্দু গুণের কবিতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে ‘হুলিয়া’ ও ‘স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো’ কবিতা দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে কবির শ্রেষ্ঠ রচনাগুলোর নাম তালিকাভুক্ত করে পড়লে সহজে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
a কৃষ্ণকুমারী
b সধবার একাদশী
c শর্মিষ্ঠা
d নীলদর্পণ
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কৃষ্ণকুমারী কেন সঠিক: - এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক। - এই নাটকে রাজপ্রাসাদের ষড়যন্ত্র এবং পরিণামে রাজকুমারীর আত্মহত্যার মাধ্যমে গভীর ট্রাজেডির রূপায়ন ঘটেছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নাটকটি ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি ঐতিহাসিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত। - সংস্কৃত বা পাশ্চাত্য নাট্যরীতির প্রভাবে রচিত হলেও এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে প্রথম পূর্ণাঙ্গ ট্রাজেডি হিসেবে স্বীকৃত। - এই নাটকের প্রধান চরিত্রগুলি হলো অভিমন্যু, মদনিকা, রাজর্ষি ভীমসিংহ এবং রাজকুমারী কৃষ্ণকুমারী। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কৃষ্ণকুমারী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। - B) সধবার একাদশী — এটি দিনবন্ধু মিত্র রচিত একটি সামাজিক প্রহসন, কোনো ট্রাজেডি নাটক নয়। - C) শর্মিষ্ঠা — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাটক হলেও এটি প্রথম সার্থক পৌরাণিক কমেডি বা রোমান্টিক নাটক, ট্রাজেডি নয়। - D) নীলদর্পণ — এটি দীনবন্ধু মিত্র রচিত একটি বিখ্যাত নাটক যা নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের ওপর ভিত্তি করে লেখা রাজনৈতিক ও সামাজিক নাটক। মনে রাখার টিপস: - মধুসূদন দত্তের প্রথম নাটক শর্মিষ্ঠা হলেও প্রথম সার্থক ট্রাজেডি হলো কৃষ্ণকুমারী।
a দেবেশ রায়ের তিস্তাপাড়ের বৃত্তান্ত’
b শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়ের ‘যাও পাখি’
c সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের পূর্ব-পশ্চিম
d অভিজিৎ সেনের বহুচণ্ডালের হাড়’
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দেবেশ রায়ের 'তিস্তাপাড়ের বৃত্তান্ত' ১. কেন সঠিক: - 'তিস্তাপাড়ের বৃত্তান্ত' উপন্যাসে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধোত্তর সময়ের তিস্তা নদীপাড়ের মানুষের জীবনযাত্রা ও সামাজিক সংকটের বাস্তব চিত্র অঙ্কিত হয়েছে। - দেবেশ রায় এই উপন্যাসের মাধ্যমে ১৯৪৭ সালের দেশভাগ এবং পরবর্তী সময়ে নদীর গতিপ্রকৃতি পরিবর্তনের ফলে তিস্তাপাড়ের মানুষের জীবন সংগ্রামের দীর্ঘ ইতিহাস তুলে ধরেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দেবেশ রায় বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও গল্পকার যিনি মূলত উত্তরবঙ্গের তিস্তা নদী তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষের জীবন নিয়ে সাহিত্য রচনা করেছেন। - তিস্তাপাড়ের বৃত্তান্ত একটি বিখ্যাত আঞ্চলভিত্তিক উপন্যাস যা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধোত্তর রাজনৈতিক ও সামাজিক পটভূমির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শহীদুল জহিরের 'জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা' ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধোত্তর সময়ের গ্রামীণ জীবনের ওপর রচিত একটি অনন্য উপন্যাস। উদাহরণ ২: আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের 'চিলেকোঠার সেপাই' ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে ঊনসত্তরের গণঅভুথান থেকে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের প্রেক্ষাপট অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেবেশ রায়ের 'তিস্তাপাড়ের বৃত্তান্ত' — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি মুক্তিযুদ্ধোত্তর সময়ের পটভূমিতে রচিত আঞ্চলভিত্তিক উপন্যাস। B) শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের 'যাও পাখি' — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পটভূমিতে রচিত একটি পারিবারিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধোত্তর সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের 'পূর্ব-পশ্চিম' — এই উপন্যাসে মূলত বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাপটে দেশভাগ এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রাককাল পর্যন্ত সময়কাল প্রধানত চিত্রিত হয়েছে। D) অভিজিৎ সেনের 'বহুচণ্ডালের হাড়' — এটি পশ্চিমবঙ্গের প্রান্তিক মানুষের জীবন ও লোকসংস্কৃতির ওপর রচিত একটি উপন্যাস, যা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধোত্তর সময়ের চিত্র তুলে ধরে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - দেবেশ রায় মানেই তিস্তা নদী এবং তিস্তাপাড়ের বৃত্তান্ত মানেই মুক্তিযুদ্ধোত্তর সময়ের নদীপাড়ের মানুষের দুঃখগাথা। - পশ্চিমবঙ্গের লেখক হলেও দেবেশ রায়ের উপন্যাসের মূল নাড়াজোড় বা পটভূমি বাংলাদেশ এবং উত্তরবঙ্গের তিস্তা অববাহিকা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আঞ্চলিক উপন্যাস বা নদীকেন্দ্রিক উপন্যাসের পটভূমি প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - লেখকের নামের সঙ্গে তাঁর প্রধান সৃষ্টি এবং উপন্যাসের পটভূমি মিলিয়ে পড়ার অভ্যাস করতে হবে।
a প্রতিযােগিতা
b শ্রদ্ধাঞ্জলী
c গোত
d প্রতিযোগীতা
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রতিযোগিতা ১. কেন সঠিক: - প্রতিযোগিতা শব্দটি প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী গঠিত হয়েছে যেখানে প্রতি prefixes এবং যোগিতা প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। - বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান নিয়মে অনেক সংস্কৃত শব্দের মূল বানান অপরিবর্তিত রাখা হয় এবং এখানে দীর্ঘ ঈ কারের পরিবর্তে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে সংস্কৃত প্রাকৃত নিয়ম এবং বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করতে হয়। - ই-কারান্ত বা উ-কারান্ত উপসর্গের পর ক ষ স থাকলে কিংবা বিশেষ নিয়মে শব্দের শেষে হ্রস্ব ই কার বা হ্রস্ব উ কার ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রতিদ্বন্দ্বিতা ব্যাখ্যা: প্রতিযোগিতা শব্দের মতোই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শব্দটিতেও হ্রস্ব ই কার ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: পরিমিতি ব্যাখ্যা: শব্দের শেষের বর্ণে হ্রস্ব ই কার ব্যবহারের নিয়ম এখানেও প্রযোজ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিযােগিতা — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর এবং বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক রূপ। B) শ্রদ্ধাঞ্জলী — ভুল কারণ অঞ্জলি যুক্ত শব্দে হ্রস্ব ই কার হয়, তাই শুদ্ধ বানান শ্রদ্ধাঞ্জলি। C) গোত — ভুল বানান কারণ এটি কোনো অর্থপূর্ণ প্রমিত বাংলা শব্দ নয়। D) প্রতিযোগীতা — ভুল কারণ এখানে প্রতিযোগিতায় দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - অঞ্জলি শব্দযুক্ত শব্দে যেমন শ্রদ্ধাঞ্জলি ও গীতাঞ্জলি সবসময় হ্রস্ব ই কার হয়। - প্রতিযোগিতা শব্দে প্রতিযোগী শব্দের সাথে তা প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় ই কার হ্রস্ব ই কারে রূপান্তরিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতায় দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করা একটি সাধারণ ভুল যা বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - অঞ্জলি, মণীষী, মন্ত্রী পরিষদ ইত্যাদি বানানগুলোর ক্ষেত্রে হ্রস্ব ই কার ব্যবহারের নিয়ম বারবার চর্চা করতে হবে।
a স্বশুর
b শশুর
c শ্বসুর
d শ্বশুর
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শ্বশুর ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী স্বামীর পিতাকে বোঝাতে শ্বশুর বানানটিতে তালব্য শ এবং ব-ফলা ব্যবহৃত হয়। - শব্দের শুরুতে শ এবং ব-ফলার যুক্তরূপ সঠিক বানানের জন্য অপরিহার্য। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - তৎসম শব্দের প্রমিত রূপ রক্ষার্থে বাংলা একাডেমি নির্দিষ্ট বানান প্রবর্তন করেছে। - এই শব্দটিতে ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে ব-ফলার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শশ্রু ব্যাখ্যা: শশ্রু শব্দের অর্থ দাড়ি, এটিও একটি প্রমিত বানান। উদাহরণ ২: শ্বশুরবাড়ি ব্যাখ্যা: শ্বশুর শব্দের সাথে বাড়ি যুক্ত হয়ে এই নতুন প্রমিত শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বশুর — এই বানানে ব-ফলার ভুল প্রয়োগ ঘটেছে কারণ স-এর নিচে ব-ফলা হয় না। B) শশুর — এই বানানে প্রথম বর্ণে ব-ফলা অনুপস্থিত রয়েছে যা প্রমিত বানানরীতিবিরোধী। C) শ্বসুর — এই বানানে শেষের দিকে উ-কার ব্যবহারের নিয়ম ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। D) শ্বশুর — এটি সঠিক বানান এবং বাংলা একাডেমি কর্তৃক অনুমোদিত রূপ। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্বামীর পিতাকে মনে রাখতে শ্বশুরের প্রথম বর্ণে শ এর সাথে ব-ফলা এবং শেষে র যুক্ত হয় তা মনে রাখবে। - বানানের ভুল এড়াতে প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুশীলন করতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানান প্রায়ই আসে। - বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়ম অনুসরণ করে এই ধরনের প্রশ্ন সমাধান করতে হবে।
a শােনা
b বুদ্ধি
c চক্ষু
d অন্ধকার
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চক্ষু ১. কেন সঠিক: শব্দটি একটি সাদৃশ্য বা অনুষঙ্গমূলক প্রশ্ন। শব্দ দিয়ে যেমন কানে শোনা হয়, তেমনি আলো দিয়ে চোখ বা চক্ষু দিয়ে দেখা হয়। এখানে ইন্দ্রিয় এবং তার অনুভূতির বিষয়বস্তুর পারস্পরিক সম্পর্ক নির্দেশ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ এবং প্রমিত শব্দভাণ্ডার সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন। ভাষার শব্দার্থগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে জ্ঞান ও ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য বিষyuের পারস্পরিক মিল এখানে প্রধান হিসেবে কাজ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নাসিকা : গন্ধ ব্যাখ্যা: নাক দিয়ে যেমন গন্ধ নেওয়া হয়, তেমনি ইন্দ্রিয়ের সঙ্গে তার কাজের সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: জিহ্বা : স্বাদ ব্যাখ্যা: জিভ বা জিহ্বা দিয়ে যেমন স্বাদ গ্রহণ করা হয়, এটিও অঙ্গ ও তার অনুভূতির একটি উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শোনা — শব্দ দিয়ে শোনা বোঝায়, কিন্তু আলোর সঙ্গে সরাসরি শোনার কোনো শারীরিক বা প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই। B) বুদ্ধি — বুদ্ধি মস্তিষ্কের কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা আলো শব্দের সঙ্গে সরাসরি সাদৃশ্যপূর্ণ নয়। D) অন্ধকার — অন্ধকার আলোর বিপরীতার্থক শব্দ, কিন্তু এখানে বিপরীত শব্দ চাওয়া হয়নি বরং অঙ্গ ও অনুভূতির অনুষঙ্গ চাওয়া হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: এই ধরনের সাদৃশ্যমূলক প্রশ্নে প্রথমে প্রথম জোড়ার ভেতরের সম্পর্ক বের করতে হবে। অঙ্গ এবং তার কাজের মাধ্যম কী, তা মিলিয়ে দ্বিতীয় জোড়ার উত্তর খুঁজতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সাদৃশ্য প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই ইন্দ্রিয় এবং তাদের কাজের বিষয়গুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ভােক্তার কল্যাণ
b ক্রয়কৃত পণ্য
c ভােগ্যপণ্য
d ক্রেতার গুণাগুণ
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভোগ্যপণ্য ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি 'Consumer goods' শব্দের উপযুক্ত এবং প্রমিত বাংলা পরিভাষা হলো ভোগ্যপণ্য। - যে সমস্ত পণ্য সরাসরি চূড়ান্ত ভোক্তারা তাদের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য ক্রয় করে, তাকে অর্থনীতি ও বাণিজ্য পরিভাষায় ভোগ্যপণ্য বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি পারিভাষিক শব্দ বা Terminology-এর অন্তর্গত একটি প্রশ্ন। - ইংরেজি প্রশাসনিক, বাণিজ্যিক বা বৈজ্ঞানিক পরিভাষার ভাবার্থ ঠিক রেখে যখন বাংলায় রূপান্তর করা হয়, তাকে পারিভাষিক শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Raw material ব্যাখ্যা: এর উপযুক্ত বাংলা পরিভাষা হলো কাঁচামাল, যা উৎপাদনের মূল উপাদান। উদাহরণ ২: Balance sheet ব্যাখ্যা: এর উপযুক্ত বাংলা পরিভাষা হলো উদ্বৃত্তপত্র, যা হিসাববিজ্ঞানে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভােক্তার কল্যাণ — এটি Consumer goods-এর পরিভাষা নয়, এটি Consumer welfare-এর কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। B) ক্রয়কৃত পণ্য — এটি সাধারণ বাক্যাংশ, নির্দিষ্ট কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা অর্থনৈতিক পারিভাষিক শব্দ নয়। D) ক্রেতার গুণাগুণ — এটি Consumer goods-এর পরিভাষা হতে পারে না কারণ এখানে goods মানে পণ্য আর গুণাগুণ মানে গুণ। ৫ মনে রাখার টিপস: - Consumer অর্থ ভোক্তা বা ক্রেতা এবং Goods অর্থ পণ্য বা মাল। - তাই Consumer goods শব্দটিকে সরাসরি একত্রে ভোগ্যপণ্য হিসেবে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় ইংরেজি বাণিজ্যিক পরিভাষা থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে প্রাতিষ্ঠানিক ও অর্থনৈতিক পরিভাষার দিকে বেশি নজর দিতে হবে।
a সলিল
b উদক
c জলধি
d নীর
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জলধি ১. কেন সঠিক: - 'জলধি' শব্দের সঠিক অর্থ হলো সমুদ্র বা সাগর, যা পানির আধার বোঝায়। - প্রশ্নানুসারে কোনটি পানির বা জলের সমার্থক নয়, তা নির্ণয় করতে বলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক বা প্রতিশব্দ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। - 'জল' শব্দের সঙ্গে 'ধি' (ধারণ করা) যুক্ত হয়ে সমুদ্র বা 'জলধি' গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বারিধি ব্যাখ্যা: এটিও সমুদ্রের একটি সমার্থক শব্দ, যার অর্থ পানির আধার। উদাহরণ ২: পয়োনিধি ব্যাখ্যা: এটিও সমুদ্র বা সাগর অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং জলের সমার্থক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সলিল — এটি জলের একটি অত্যন্ত প্রচলিত সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তরের চাহিদা পূরণ করে না। B) উদক — এটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আসা জলের একটি চমৎকার সমার্থক শব্দ। C) জলধি — এটি সমুদ্র বা সাগর অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা সরাসরি জল বা পানির সমার্থক শব্দ নয়। D) নীর — এটিও জলের অন্যতম একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - শব্দের শেষে 'ধি' বা 'নিধি' থাকলে সাধারণত তা সমুদ্রকে বোঝায়, যা জল থেকে আলাদা। - 'জল' শব্দের সমার্থকগুলোর সঙ্গে 'ধি' বা 'ধিরাজ' যুক্ত থাকলে তা সমুদ্রের প্রতিশব্দ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পানির সমার্থক শব্দগুলোর সঙ্গে 'ধি' বা 'নিধি' যুক্ত হলে তা সমুদ্রের সমার্থক শব্দে পরিণত হয়। - পরীক্ষার হলে শব্দের মূল অর্থ এবং শেষাংশের পরিবর্তন ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে।
a অনুলােম-প্রতিলােম
b নশ্বর-শাশ্বত
c গরিষ্ঠ-লঘিষ্ঠ
d হৃষ্ট-পুষ্ট
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হৃষ্ট-পুষ্ট ১. কেন সঠিক: - 'হৃষ্ট' এবং 'পুষ্ট' শব্দ দুটি বিপরীতার্থক নয়, বরং সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। - 'হৃষ্ট' অর্থ আনন্দিত বা প্রফুল্ল এবং 'পুষ্ট' অর্থ পুষ্টিযুক্ত বা পরিপুষ্ট, যা একত্রে সুস্থ ও সবল বোঝাতে জোড়ায় ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - শব্দজোড় বা পদ জোড় হলো এমন কিছু শব্দ যা পাশাপাশি বসে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে এবং এদের মধ্যে কিছু জোড় বিপরীতার্থক হয়। - প্রদত্ত প্রশ্নে তিনটি অপশনে বিপরীতার্থক শব্দের জোড় রয়েছে কিন্তু শেষ অপশনটিতে সমার্থক বা পরিপূরক শব্দের জোড় ব্যবহার করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চেনা-জানা ব্যাখ্যা: এটি বিপরীতার্থক শব্দ নয়, বরং সমার্থক বা পরিচিতি অর্থে ব্যবহৃত একটি শব্দজোড়। উদাহরণ ২: হাসি-খুশি ব্যাখ্যা: এটিও বিপরীতার্থক শব্দ নয়, আনন্দ বোঝাতে সমার্থক শব্দ দুটি জোড় হিসেবে বসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুলোম-প্রতিলোম — এই শব্দ জোড়টি পরস্পর বিপরীতার্থক কারণ অনুলোম মানে অনুকূল এবং প্রতিলোম মানে প্রতিকূল। B) নশ্বর-শাশ্বত — এই শব্দ জোড়টি পরস্পর বিপরীতার্থক কারণ নশ্বর মানে যার বিনাশ আছে এবং শাশ্বত মানে যা চিরন্তন। C) গরিষ্ঠ-লঘিষ্ঠ — এই শব্দ জোড়টি পরস্পর বিপরীতার্থক কারণ গরিষ্ঠ মানে সবচেয়ে বড় এবং লঘিষ্ঠ মানে সবচেয়ে ছোট। D) হৃষ্ট-পুষ্ট — এই অপশনটি সঠিক কারণ হৃষ্ট ও পুষ্ট বিপরীতার্থক নয়, বরং সমার্থক বা পরিপূরক শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: - হৃষ্ট-পুষ্ট মানে একসাথে সুস্থ ও মোটা-সোটা বোঝায়, তাই এরা বন্ধু বা সমার্থক শব্দ, শত্রু বা বিপরীত শব্দ নয়। - পরীক্ষার হলে শব্দ দুটির অর্থ আলাদা করে চিন্তা করলে বিপরীত না সমার্থক তা সহজেই ধরা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দজোড়কে বিপরীতার্থক শব্দের সাথে মিলিয়ে প্রশ্ন করা হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য প্রতিটি শব্দের আলাদা অর্থ জানা অত্যন্ত জরুরি।
a পরশু
b পরের ধন
c কোকিল
d পার্শ্ববর্তী
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পরশু ১. কেন সঠিক: - 'পরশ্ব' একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ আগামী কাল বা বিগত কালের পরের দিন অর্থাৎ পরশু। - বাংলা ভাষা ও শব্দার্থের বিচারে 'পরশ্ব' এবং 'পরশু' সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ: - সংস্কৃত 'পরশ্ব' শব্দটি প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে আধুনিক বাংলায় 'পরশু' রূপে এসেছে। - এটি বিশেষ করে সময় নির্দেশক একটি শব্দ হিসেবে বাক্য ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি পরশু দিন ঢাকা যাব। ব্যাখ্যা: এখানে 'পরশু' শব্দটি আগামী কালকের পরের দিন অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: পরশু সে আমার সাথে দেখা করেছিল। ব্যাখ্যা: এখানে 'পরশু' শব্দটি গত কালের আগের দিন বা বিগত দিনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরশু — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি 'পরশ্ব' শব্দের সমার্থক রূপ। B) পরের ধন — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি একটি বাগধারা যার অর্থ অন্যের সম্পদ বা পরধন। C) কোকিল — এই অপশনটি ভুল কারণ কোকিল হলো একটি পাখি বিশেষ এবং এর সাথে পরশ্ব শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই। D) পার্শ্ববর্তী — এই অপশনটি ভুল কারণ পার্শ্ববর্তী শব্দের অর্থ কাছাকাছি বা নিকটবর্তী স্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - তালব্য শ যুক্ত পরশ্ব এবং দন্ত স যুক্ত পরশু একই অর্থ প্রকাশ করে। - সময় বোঝাতে এই শব্দ দুটিকে সমার্থক হিসেবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম ও তদ্ভব শব্দের রূপান্তর প্রায়ই আসে। - শব্দের মূল অর্থ মনে রাখতে বাংলা এবং সংস্কৃত রূপের মিলগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
a ৭টি
b ৯টি
c ১১টি
d ১৩টি
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭টি ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা সাতটি। উচ্চারণের সময় মুখবিবর সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকে এবং ধ্বনিটি অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে, তাই একে স্বরধ্বনি বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা স্বরধ্বনির সংখ্যা সাতটি। এই মৌলিক স্বরধ্বনিগুলো হলো অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা। এগুলো উচ্চারণের সময় মুখে কোনো প্রকার বাধা পায় না এবং এদের আর ভাঙা যায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম ব্যাখ্যা: আম শব্দটিতে আ একটি মৌলিক স্বরধ্বনি যা শব্দের আদিতে বসেছে। উদাহরণ ২: ইট ব্যাখ্যা: ইট শব্দটিতে ই একটি মৌলিক স্বরধ্বনি যা স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭টি — এই অপশনটি সঠিক কারণ ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা সাতটি। B) ৯টি — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা নয়টি নয়, বরং সাতটি। C) ১১টি — এই অপশনটি ভুল কারণ এগারোটি হলো বাংলা বর্ণমালার মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা, মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা নয়। D) ১৩টি — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় তেরোটি স্বরবর্ণ কখনো ছিল না। ৫. মনে রাখার টিপস: মৌলিক স্বরধ্বনি মনে রাখার কৌশল হলো সাত সংখ্যাটি মনে রাখা এবং বর্ণ ও ধ্বনির পার্থক্য মাথায় রাখা। স্বরবর্ণ এগারোটি হলেও মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্বরবর্ণের সংখ্যা এবং মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যার মধ্যে প্যাঁচ লাগানো হয়। বর্ণ বললে এগারোটি বলতে হবে এবং ধ্বনি বললে সাতটি বলতে হবে।
a নিরঞ্জনের রুম্মা
b গুপিচন্দ্রের সন্ন্যাস
c দোহাকোষ
d ময়নামতির গান
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দোহাকোষ ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক নিদর্শন হলো চর্যাপদ। চর্যাপদের পাশাপাশি প্রাচীন যুগের আরও কিছু ধর্মীয় ও তাত্ত্বিক রচনার অস্তিত্ব পাওয়া যায়, যার মধ্যে বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত 'দোহাকোষ' অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ। প্রশ্নটিতে প্রাচীন যুগের নিদর্শন হিসেবে চর্যাপদের উল্লেখ না থাকায়, প্রাপ্ত অপশনগুলোর মধ্যে পন্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক আবিষ্কৃত এবং বৌদ্ধ ধর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত 'দোহাকোষ' হলো প্রাচীন যুগের অন্যতম প্রাচীন ও প্রামাণিক একটি সাহিত্যিক নিদর্শন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ ধরা হয় ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালকে। এই যুগের একমাত্র নিশ্চিত নিদর্শন ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাচর্যবিনিশ্চয় বা চর্যাপদ আবিষ্কার করেন। চর্যাপদের পাশাপাশি তান্ত্রিক বৌদ্ধ ধর্মের চর্চা ও সাধনপদ্ধতি নিয়ে রচিত হয়েছিল দোহাকোষ, চর্যাগীতি এবং ডাকার্ণব জাতীয় কিছু গ্রন্থ, যা বাংলা ভাষার আদি রূপ ও বিকাশ সম্পর্কে ধারণা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সারাহপার দোহাকোষ ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন যুগের বৌদ্ধ সাধক সারাহপা কর্তৃক রচিত একটি বিখ্যাত দোহা সংকলন, যা প্রাচীন বাংলা ভাষার রূপ বুঝতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: কৃষ্ণপাদের দোহাকোষ ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন যুগের অপর এক সাধক কৃষ্ণপাদ বা কৃষ্ণাচাৰ্য পদের রচিত দোহা সংকলন, যা প্রাচীন যুগের সাহিত্য ও সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিরঞ্জনের রুম্মা — এটি মধ্যযুগের ধর্মমঙ্গল কাব্যধারার অন্তর্গত রামাই পণ্ডিত রচিত একটি পুথি, যা প্রাচীন যুগের নিদর্শন নয়। B) গুপিচন্দ্রের সন্ন্যাস — এটি মধ্যযুগের নাথ সাহিত্য ধারার অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত গান বা গাথা, যা প্রাচীন যুগের রচনা নয়। C) দোহাকোষ — এটি সঠিক উত্তর। D) ময়নামতির গান — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের নাথ সাহিত্যের একটি বিশেষ রচনা, যা প্রাচীন যুগের আওতাভুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রাচীন যুগের নিদর্শন মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে যে, চর্যাপদের পাশাপাশি দোহাকোষ, ডাকার্ণব ও প্রাকৃত পৈঙ্গল প্রাচীন যুগের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের দোহা বা পদ মানেই তা প্রাচীন যুগের তাত্ত্বিক সাহিত্যকর্ম হিসেবে গণ্য করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রাপ্ত নিদর্শন চর্যাপদ এবং এর ভাষা অবহট্ঠ বা সান্ধ্য ভাষা নামে পরিচিত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন যুগের অন্যান্য সাহিত্য নিদর্শন হিসেবে দোহাকোষ ও ডাকার্ণব সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a প্রথমটি অশুদ্ধ, দ্বিতীয়টি শুদ্ধ
b দুটোই অশুদ্ধ
c প্রথমটি শুদ্ধ, দ্বিতীয়টি অশুদ্ধ
d দুটোই শুদ্ধ
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুটোই অশুদ্ধ কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যে পুরষ্কার বানানটি ভুল কারণ এর সঠিক রূপ পুরস্কার। অপরিস্কার বানানটিও ভুল কারণ এর সঠিক রূপ অপরিষ্কার। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বানান নিয়মে বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে র-এর পর বিসর্গ যুক্ত হয় না। তাই পুঃ+কার যুক্ত হয়ে পুরস্কার হয়, যেখানে কোনো মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয় না। অন্যদিকে অপরিষ্কার শব্দটিতে পরি উপসর্গের পর কা্র যুক্ত হলে মূর্ধন্য ষ বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথমটি অশুদ্ধ, দ্বিতীয়টি শুদ্ধ — এই অপশন ভুল কারণ প্রদত্ত বাক্যের দুটি শব্দই বানানগতভাবে ভুল রয়েছে। B) দুটোই শুদ্ধ — এই অপশন ভুল কারণ প্রদত্ত বাক্যের পুরস্কার এবং অপরিষ্কার উভয় শব্দই ভুল বানানে লেখা হয়েছে। C) প্রথমটি শুদ্ধ, দ্বিতীয়টি অশুদ্ধ — এই অপশন ভুল কারণ প্রথম শব্দটিতে র-এর পরে ভুল করে মূর্ধন্য ষ ব্যবহার করা হয়েছে। D) দুটোই শুদ্ধ — এই অপশন ভুল কারণ বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী দুটি শব্দই সংশোধন করার প্রয়োজন রয়েছে। মনে রাখার টিপস: পুরস্কার বানানে কোনো মূর্ধন্য ষ নেই এবং অপরিষ্কার বানানে র-কার এর পরে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়। বিসর্গ সন্ধির এই নিয়মটি মনে রাখলে এই ধরনের বানান ভুল এড়ানো সম্ভব।
a নােনতা
b লাবণ্য
c লবণাক্ত
d ললিত
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নোনতা ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে যে শব্দটির কথা বলা হয়েছে তা সম্ভবত মুদ্রণপ্রমাদ বা টাইপিং ভুলের কারণে 'বণ’ বা 'লবণ' হতে পারে। লবণ শব্দের বিশেষ্য রূপ হলো নোনতা, যা লবণের ভাব বা স্বাদ প্রকাশ করে। শব্দের অর্থ ও রূপান্তর প্রক্রিয়ায় বিশেষ্য পদের গঠনের মাধ্যমে এই রূপটি তৈরি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিশেষ্য পদ হলো সেই পদ যা কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, ধর্ম, গুণ বা অবস্থার নাম বোঝায়। লবণ একটি বিশেষ্য পদ যার অর্থ নুন, আর এর বিশেষ্য বা গুণবাচক রূপ হলো নোনতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মিষ্টি ব্যাখ্যা: মিষ্টি হলো মিষ্টতা শব্দের বিশেষ্য রূপ যা কোনো কিছুর সুস্বাদু ভাব বোঝায়। উদাহরণ ২: তিক্ততা ব্যাখ্যা: তিক্ত শব্দটির বিশেষ্য রূপ হলো তিক্ততা যা তিতা স্বাদের ভাব প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নোনতা — লবণ শব্দের সঠিক বিশেষ্য বা ভাববাচক রূপ হিসেবে এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। B) লাবণ্য — এটি লাবণ্যময় শব্দের মূল বিশেষ্য পদ যার অর্থ সৌন্দর্য বা কান্তি। C) লবণাক্ত — এটি লবণ থেকে উৎপন্ন একটি বিশেষণ পদ যা লবণের উপস্থিতি বোঝায়। D) ললিত — এটি একটি বিশেষণ পদ যার অর্থ সুন্দর, মনোরম বা কোমল। ৫. মনে রাখার টিপস: বিশেষ্য পদ চেনার সময় শব্দের দ্বারা কোনো নাম, গুণ বা অবস্থাকে নির্দেশ করা হচ্ছে কি না তা খেয়াল রাখতে হবে। শব্দের গঠন রূপ পরিবর্তনের সময় বিশেষ্য ও বিশেষণের পার্থক্য মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দরূপ পরিবর্তনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বিশেষ্য থেকে বিশেষণ এবং বিশেষণ থেকে বিশেষ্য পদ রূপান্তরের নিয়মগুলো ভালো করে অনুশীলন করতে হবে।
a যােগ্যতা
b আসক্তি
c আকাঙ্ক্ষা
d আসত্তি
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আসক্তি ১. কেন সঠিক: আসক্তি কোনো বাক্যের গুণ বা বৈশিষ্ট্য নয়। প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি মূলত একটি বিভ্রান্তিকর শব্দ, যার প্রকৃত ব্যাকরণিক রূপ হওয়া উচিত ছিল আসত্তি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: একটি সার্থক বাক্যের প্রধান তিনটি গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকা আবশ্যক, যথা আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা। আসক্তি বলতে নেশা বা মোহ বোঝায়, যা বাক্যের ব্যাকরণগত বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ অসংগতিপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাল আমি ঢাকা যাব। ব্যাখ্যা: এটি একটি সম্পূর্ণ সার্থক বাক্য কারণ এতে আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা তিনটি গুণই বিদ্যমান রয়েছে। উদাহরণ ২: বর্ষায় নদীগুলো জলে ভরে যায়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যের পদগুলো সুবিন্যস্তভাবে সাজানো থাকায় এর পূর্ণ অর্থ প্রকাশ পেয়েছে এবং এটি আসত্তির নিয়ম মেনেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যােগ্যতা — এটি বাক্যের একটি অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য যার অর্থ বাক্যের পদগুলোর অর্থগত ও ভাবগত মিল। B) আসক্তি — এটি বাক্যের বৈশিষ্ট্য নয় বরং একটি মানসিক অবস্থা বা নেশা বোঝায়। C) আকাঙ্ক্ষা — এটি বাক্যের একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য যার অর্থ বাক্য পদের পর পদ শোনার ইচ্ছা। D) আসত্তি — এটি বাক্যের একটি মূল বৈশিষ্ট্য যার সঠিক অর্থ বাক্যের পদগুলোকে যথাস্থানে সাজিয়ে রাখা। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যের তিন বৈশিষ্ট্য মনে রাখার সহজ কৌশল হলো আ আ য অর্থাৎ আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা। আসক্তি শব্দটি এই তালিকার বাইরে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরীক্ষায় প্রায়ই আসক্তি এবং আসত্তি শব্দের সূক্ষ্ম পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। আসত্তি অর্থ নৈকট্য বা পদগুলোর সাজানো বিন্যাস এবং আসক্তি অর্থ প্রবল আকর্ষণ বা মোহ।
a প্রলয়
b নিঃশ্বাস
c খন্ডিত
d অনুপম
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) খন্ডিত ১. কেন সঠিক: - খন্ডিত শব্দটি গঠিত হয়েছে খন্ড শব্দের সঙ্গে ইত প্রত্যয় যোগ করে, যা কৃৎ বা তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়মে সাধিত। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দ গঠনের উৎস বা প্রত্যয় চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে মূল শব্দ ও প্রত্যয় আলাদা করার নিয়ম জানতে হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - প্রত্যয় হলো এমন কিছু বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা ধাতু বা শব্দের পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে। - খন্ড বিশেষ্য বা মূল শব্দের সঙ্গে ইত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত খন্ডিত শব্দটি একটি প্রত্যয়সাধিত শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঠিত ব্যাখ্যা: পঠ ধাতু বা পাঠ শব্দের সঙ্গে ইত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পঠিত শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ফলিত ব্যাখ্যা: ফল শব্দের সঙ্গে ইত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ফলিত শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা প্রত্যয়সাধিত শব্দের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রলয় — এটি প্র উপসর্গ যোগে গঠিত একটি শব্দ, যা প্রত্যয়সাধিত নয় বরং উপসর্গযুক্ত শব্দ। B) নিঃশ্বাস — এটি নিস্ উপসর্গ এবং শ্বাস পদের মিলনে বা সন্ধির নিয়মে সাধিত শব্দ, প্রত্যয়ের সাহায্যে গঠিত নয়। D) অনুপম — এটি অন উপসর্গ বা নঞ তৎপুরুষ সমাস দ্বারা গঠিত শব্দ, যা প্রত্যয়সাধিত শব্দের অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শব্দের শেষে ইত, ত, মান, আন ইত্যাদি অংশ থাকলে তা সাধারণত প্রত্যয়সাধিত শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়। - মূল শব্দ বা ধাতু চেনার অভ্যাস রাখলে পরীক্ষার হলে খুব সহজেই সঠিক উত্তরটি বের করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ, প্রত্যয় এবং সন্ধির পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - শব্দ বিশ্লেষণ করার সময় প্রথমে উপসর্গ এবং পরে প্রত্যয় বা সন্ধির নিয়মগুলো আলাদা করে দেখতে হয়।
a মতিন
b আলফ্রেড মহান
c সুন জু
d কৌটিল্য
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুন জু ১. কেন সঠিক: 'দ্য আর্ট অফ ওয়ার' বা যুদ্ধের শিল্প প্রাচীন চীনের একটি বিখ্যাত সামরিক গ্রন্থ। খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে চীনের প্রাচীন সামরিক কৌশলবিদ সুন জু এই অমর গ্রন্থটি রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সুন জু ছিলেন প্রাচীন চীনের একজন বিখ্যাত সামরিক জেনারেল ও কৌশলবিদ। এই গ্রন্থটিতে রণকৌশল এবং যুদ্ধের বিভিন্ন কূটনীতি অত্যন্ত সুনিপুণভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র। ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন ভারতের রাজনীতি ও অর্থনীতির ওপর রচিত একটি প্রখ্যাত গ্রন্থ। উদাহরণ ২: ম্যাকিয়াভেলির দ্য প্রিন্স। ব্যাখ্যা: এটি রাষ্ট্রদর্শন ও রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে রচিত পশ্চিমা বিশ্বের একটি বিখ্যাত গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মতিন — ইনি এই বিশ্বখ্যাত প্রাচীন সামরিক গ্রন্থের রচয়িতা নন। B) আলফ্রেড মহান — ইনি মার্কিন নৌবাহিনীর একজন ইতিহাসবিদ ছিলেন, এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। C) সুন জু — এটি সঠিক উত্তর। D) কৌটিল্য — ইনি প্রাচীন ভারতের অর্থশাস্ত্র গ্রন্থের রচয়িতা, দ্য আর্ট অফ ওয়ারের নন। ৫ মনে রাখার টিপস: যুদ্ধ জয়ের কৌশল শেখার জন্য 'সুন জু' নামের প্রাচীন চীনা সেনাপতির বইটি মনে রাখতে হবে। প্রাচীন সামরিক গ্রন্থ বললেই সুন জু এবং তাঁর 'দ্য আর্ট অফ ওয়ার' নামটি মাথায় আনতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্বসাহিত্য ও প্রাচীন গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। এই ধরনের প্রশ্ন কমন পেতে বিশ্ববিখ্যাত গ্রন্থ এবং তাদের লেখকদের নাম তালিকা করে মুখস্থ করতে হবে।
a দ্বীপ + আয়ন
b দ্বিপ + অনট
c দ্বীপ + অয়ন
d দ্বীপ + অনট
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দ্বীপ + অয়ন ১. কেন সঠিক: - দ্বীপ শব্দের অন্তস্থিত প এর অ এবং অয়ন শব্দের আদিতে থাকা অ মিলে আ ধ্বনির সৃষ্টি হয়েছে। - সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অ বা আ এর পরে অ বা আ থাকলে উভয় মিলে আ হয় এবং তা পরবর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যেখানে পূর্বপদের শেষ ধ্বনি এবং পরপদের প্রথম ধ্বনির মিলনে নতুন ধ্বনি তৈরি হয়। - সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন, অর্থাৎ দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে যা উচ্চারণের দ্রুততা ও মাধুর্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিম + অচল = হিমাচল ব্যাখ্যা: এখানে ম এর অ এবং অ এর অ মিলে আ হয়েছে। উদাহরণ ২: মহা + আলয় = মহাশয় ব্যাখ্যা: এখানে মহা এর আ এবং আলয় এর আ মিলে আ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বীপ + আয়ন — এখানে আয়ন শব্দে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) দ্বিপ + অনট — দ্বিপ শব্দের অর্থ হাতি এবং অনট প্রত্যয় সাধিত শব্দ এখানে প্রযোজ্য নয়। D) দ্বীপ + অনট — অনট একটি কৃৎ প্রত্যয় যা এই শব্দের ক্ষেত্রে সঠিক সন্ধি গঠনে সহায়তা করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - দ্বৈপায়ন শব্দ ভাঙলে শেষাংশে অয়ন পাবে এবং প এর সঙ্গে যুক্ত অ ধ্বনিটি খেয়াল রাখবে। - স্বরসন্ধির দীর্ঘত্ব প্রাপ্তির নিয়মগুলো বারবার চর্চা করলে এই ধরনের সন্ধি সহজে চেনা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের অয়ন প্রত্যয়যুক্ত সন্ধি যেমন দোলন বা সায়ন পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে আসে। - শব্দের মূল বানান এবং প্রত্যয়ের রূপ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে এই ভুল এড়ানো সম্ভব।
a দ্বিগু
b দ্বন্দ্ব
c কর্মধারয়
d বহুব্রীহি
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - জর্জ সাহেব শব্দটিতে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলন ঘটেছে যেখানে সাহেব প্রধান পদ এবং জর্জ তার বিশেষণের কাজ করছে। - কর্মধারয় সমাসে সাধারণত পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতিভাত হয় এবং এখানে সাহেব পদটির অর্থই মূলত প্রধান হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং পূর্বপদে বিশেষণ ও পরপদে বিশেষ্য অথবা দুটিই বিশেষ্য পদ থাকে তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে গঠিত কর্মধারয় সমাসের ক্ষেত্রে সাধারণ নিয়মে ব্যাসবাক্য করতে হয় যিনি সাহেব তিনিই জর্জ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জজ সাহেব ব্যাখ্যা: এটি কর্মধারয় সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ যেখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের সম্পর্ক রয়েছে। উদাহরণ ২: পল্টু বাবু ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও নামের আগে উপাধি বা বিশেষ পদ বসে কর্মধারয় সমাস গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায় এবং পূর্বপদ সংখ্যাবাচক হয় যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে কিন্তু এখানে সাহেব পদের অর্থ প্রধান। D) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায় যা এখানে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো পদের আগে উপাধি বা পদবীবাচক শব্দ থাকলে এবং সাহেব বাবু মশাই যুক্ত থাকলে তা সাধারণত কর্মধারয় সমাস হয়। - কর্মধারয় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো এর ব্যাসবাক্যে সাধারণত যিনি তিনি বা যা তা ব্যবহার করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপমিত ও রূপক কর্মধারয় সমাসের পাশাপাশি সাধারণ কর্মধারয় সমাসের এই ব্যতিক্রমী নিয়মগুলো প্রায়ই আসে। - বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে গঠিত সমাসগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a পদার্থের নিউক্লিয়াসে প্রােটন ও নিউট্রন থাকে
b প্রােটন ধনাত্মক আধানযুক্ত
c ইলেকট্রন ঋণাত্মক আধানযুক্ত
d ইলেকট্রন পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভিতরে অবস্থান করে
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইলেকট্রন পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভিতরে অবস্থান করে ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি মূলত সাধারণ বিজ্ঞান বিষয়ক হলেও বাংলা ভাষার বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান বা বিজ্ঞান অংশের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ। - এই বাক്യംটি সত্য নয় কারণ ইলেকট্রন পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভিতরে অবস্থান করে না, বরং ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট কক্ষপথে চারদিকে ঘোরে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই প্রশ্নটি কোনো ব্যাকরণ বা সাহিত্য বিষয়ের নয়, এটি মূলত পদার্থের গঠনসংক্রান্ত সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্ন। - পরমাণুর গঠন অনুযায়ী, পরমাণুর কেন্দ্রস্থলে থাকে নিউক্লিয়াস এবং নিউক্লিয়াসের ভেতরে থাকে প্রোটন ও নিউট্রন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পানির অণু গঠিত হয় হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন দ্বারা। ব্যাখ্যা: এটি পদার্থের গাঠনিক রূপের আরেকটি বৈজ্ঞানিক সত্য তথ্য। উদাহরণ ২: সোডিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন থাকে। ব্যাখ্যা: এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসের গঠন বোঝাতে সঠিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদার্থের নিউক্লিয়াসে প্রােটন ও নিউট্রন থাকে — এই তথ্যটি সম্পূর্ণ সত্য কারণ পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন একত্রে অবস্থান করে। B) প্রােটন ধনাত্মক আধানযুক্ত — এই তথ্যটি সত্য কারণ প্রোটন হলো ধনাত্মক চার্জযুক্ত কণা। C) ইলেকট্রন ঋণাত্মক আধানযুক্ত — এই তথ্যটি সত্য কারণ ইলেকট্রন ঋণাত্মক চার্জযুক্ত কণা হিসেবে পরিচিত। D) ইলেকট্রন পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভিতরে অবস্থান করে — এই তথ্যটি মিথ্যা এবং ভুল, কারণ ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের বাইরে কক্ষপথে ঘোরে। ৫. মনে রাখার টিপস: - পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে প্রোটন ও নিউট্রন, আর বাইরে ঘুরে বেড়ায় ঋণাত্মক ইলেকট্রন। - এই সহজ নিয়মটি মনে রাখলেই পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরমাণুর মৌলিক কণাগুলোর আধান বা চার্জ এবং অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে। - এই ধরনের নেতিবাচক প্রশ্ন সমাধানের সময় প্রতিটি অপশন ভালোভাবে পড়ে সত্য ও অসত্য তথ্য আলাদা করতে হবে।
a লুইপা
b শবরপা
c ভুসুকুপা
d কাহ্নপা
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কাহ্নপা ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদের কবিদের মধ্যে সর্বাধিক সংখ্যক পদ রচনা করেছেন আচার্য কাহ্নপা। তিনি মোট ১৩টি পদ রচনা করেছিলেন যার মধ্যে ১টি পদ বর্তমানে পাওয়া যায়নি। - চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাচর্য বিনিশ্চয় পুথিটি আবিষ্কার করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য ও সাহিত্য নিদর্শন যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা উপলব্ধির প্রকাশ। - ড. সুকুমার সেন এবং বিশেষজ্ঞদের মতে চর্যাপদে মোট ২৪ জন বা পদকর্তার নাম পাওয়া যায় যাদের মধ্যে কাহ্নপা সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাহ্নপার পদ সংখ্যা তেরোটি ব্যাখ্যা: চর্যাপদ গবেষকদের মতে কাহ্নপা চর্যাপদের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সর্বাধিক পদ রচয়িতা কবি। উদাহরণ ২: ভুসুকুপা আটটি পদ রচনা করেছেন ব্যাখ্যা: কাহ্নপার পরেই সর্বাধিক অর্থাৎ আটটি পদ রচনা করে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন ভুসুকুপা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লুইপা — লুইপা চর্যাপদের প্রথম পদটির রচয়িতা এবং তিনি মোট দুটি পদ রচনা করেছেন। B) শবরপা — শবরপা চর্যাপদে মোট দুটি পদ রচনা করেছেন যা এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে মেলে না। C) ভুসুকুপা — ভুসুকুপা চর্যাপদে দ্বিতীয় সর্বাধিক আটটি পদ রচনা করেছেন কিন্তু সবচেয়ে বেশি নয়। D) কাহ্নপা — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি চর্যাপদে সর্বাধিক তেরোটি পদ রচনা করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদের জন্য মনে রাখো কাহ্নপার সংখ্যা তেরো। - কবিদের পদের সংখ্যা মনে রাখতে লুইপা দুই, ভুসুকুপা আট এবং কাহ্নপা তেরো এই ক্রমটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের প্রথম পদটি রচনা করেছেন লুইপা এবং এর রাগ ছিল পটমঞ্জরী। - চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদ পাওয়া গেছে কাহ্নপার এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদ পাওয়া গেছে ভুসুকুপার।
a সৈয়দ আলাওল
b দীনবন্ধু মিত্র
c জৈনুদ্দিন
d অমিয় দেব
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সৈয়দ আলাওল ১. কেন সঠিক: হপ্ত পয়কর বা সাত পুতুল সপ্তপয়কর কাব্যটি মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার শ্রেষ্ঠ কবি সৈয়দ আলাওলের একটি অমর সৃষ্টি। ফয়েজী ফার্সি ভাষায় রচিত হপ্ত পয়কর বা সেহ পয়কর অবলম্বনে কবি এই বাংলা কাব্যটি রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সৈয়দ আলাওল সপ্তদশ শতকের রোমান্টিক ধারার অন্যতম প্রধান কবি যিনি আরাকান রাজসভার পৃষ্ঠপোষকতায় সাহিত্য সাধনা করেছিলেন। তার বিখ্যাত অন্যান্য কাব্যের মধ্যে পদ্মাবতী, সয়ফুল মুলুক বদিউজ্জামান ও সিকান্দারনামা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ্মাবতী ব্যাখ্যা: এটি কবি সৈয়দ আলাওলের সবচেয়ে বিখ্যাত ও জনপ্রিয় অনুবাদ কাব্য যা মালিক মোহাম্মদ জায়সির পদুমাবত অবলম্বনে রচিত। উদাহরণ ২: সয়ফুল মুলুক বদিউজ্জামান ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ আলাওলের একটি বিখ্যাত প্রণয়মূলক কাব্য যা মধ্যযুগের মধ্যপ্রাচ্যের লোককাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ আলাওল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কবিই হপ্ত পয়কর কাব্যটি রচনা করেছিলেন। B) দীনবন্ধু মিত্র — তিনি আধুনিক যুগের বিখ্যাত নাট্যকার এবং তার বিখ্যাত নাটক নীলদর্পণ। C) জৈনুদ্দিন — তিনি মধ্যযুগের কবি এবং তার বিখ্যাত কাব্য রসুল বিজয়। D) অমিয় দেব — তিনি আধুনিক কালের একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও গবেষক যিনি মধ্যযুগের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: সৈয়দ আলাওল সপ্তদশ শতকের কবি এবং তার নামের সঙ্গে হপ্ত পয়কর কাব্যটি মনে রাখতে হবে। মধ্যযুগের ফার্সি কাব্যের বাংলা অনুবাদক হিসেবে আলাওলের নাম সবচেয়ে বেশি স্মরণীয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের কবি ও তাদের কাব্যগুলোর নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সৈয়দ আলাওল কোন রাজসভার কবি ছিলেন, এই তথ্যটি চাকরির পরীক্ষায় খুব গুরুত্বপূর্ণ।
a 4
b 7
c 2
d 9
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 2 ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি মূলত বুদ্ধিমত্তা বা গাণিতিক যান্ত্রিকতা সম্পর্কিত হলেও এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সাধারণ মানসিক দক্ষতা অংশের অন্তর্ভুক্ত। - প্রশ্নবোধক স্থানে ২ সংখ্যাটি বসবে কারণ এটি নির্দিষ্ট গাণিতিক বিন্যাস বা প্যাটার্ন অনুসরণ করে সঠিক মান নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই ধরনের মানসিক দক্ষতার প্রশ্নগুলোতে সাধারণত সংখ্যাগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক, যোগ, বিয়োগ, গুণ বা ভাগের নিয়ম কাজ করে। - প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে একমাত্র সি অপশনের সংখ্যাটিই নির্দিষ্ট শর্ত বা প্যাটার্ন পূর্ণ করতে সক্ষম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ৩, ৬, ৯, ১২ ধারার পরবর্তী সংখ্যাটি কত ব্যাখ্যা: প্রতিটি পদের সাথে ৩ যোগ করে পরবর্তী পদ নির্ণয় করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ২, ৪, ৮, ১৬ ধারার পরবর্তী সংখ্যাটি কত ব্যাখ্যা: প্রতিটি পদকে ২ দ্বারা গুণ করে পরবর্তী পদ নির্ণয় করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 4 — এটি নির্দিষ্ট নিয়মের সঙ্গে মিলছে না এবং সঠিক ফলাফল প্রদান করে না। B) 7 — এটি গাণিতিক বিন্যাসের শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হয়। C) 2 — এটি সঠিক উত্তর যা শর্ত পূরণ করে। D) 9 — এটি অতিরিক্ত বা অপ্রাসঙ্গিক সংখ্যা যা প্যাটার্ন নষ্ট করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মানসিক দক্ষতার প্রশ্ন সমাধানের সময় প্রথমে সংখ্যাগুলোর মধ্যকার ব্যবধান বা অনুপাত বের করতে হবে। - কোনো শর্টকাট প্রয়োগের আগে পুরো ধারা বা ছক ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানসিক দক্ষতা অংশে এমন গাণিতিক পাজল প্রায়ই আসে। - নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে কম সময়ে এই ধরনের সমস্যার সঠিক সমাধান করা সম্ভব।
a ঠোটের পরশে পান লাল হল
b পানের পরশে ঠোট লাল হল
c অস্তাচলগামী সূর্যের আভায় মুখ রক্তিম দেখা গেল
d অস্তাচলগামী সূর্য ও মুখ একই রকম লাল হয়ে গেল
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঠোটের পরশে পান লাল হল ১. কেন সঠিক: - এই চরণে পানের প্রভাবে অধর বা ঠোঁটের লাল হয়ে যাওয়ার কাব্যিক প্রকাশ ঘটেছে। - পানের সাথে চুন ও খয়ের খাওয়ার ফলে ঠোঁট লাল বা রক্তিম হয়ে ওঠে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি প্রাচীন সাহিত্যিক উদ্ধৃতি বা পদাবলীর অংশ বিশেষ। - বৈষ্ণব পদাবলী বা মধ্যযুগের কাব্যে নায়িকার রূপবর্ণনায় এই ধরনের অলংকারবহুল ভাষার ব্যবহার দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চরণে নূপুর বাজে। ব্যাখ্যা: এটি নাচের সময় পায়ের শব্দ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: অঙ্গে অলংকার শোভে। ব্যাখ্যা: এটি সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য শরীরে গহনা পরার কাব্যিক প্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঠোটের পরশে পান লাল হল — এটি মূল পদের ভাবার্থের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। B) পানের পরশে ঠোট লাল হল — এটি পানের সাথে ঠোঁটের সম্পর্ক উল্টোভাবে উপস্থাপন করে, যা সঠিক নয়। C) অস্তাচলগামী সূর্যের আভায় মুখ রক্তিম দেখা গেল — এটি সূর্যাস্তের প্রাকৃতিক দৃশ্য বোঝায়, যা পানের পংক্তির সাথে সম্পর্কিত নয়। D) অস্তাচলগামী সূর্য ও মুখ একই রকম লাল হয়ে গেল — এটি রূপক তুলনা হলেও পানের লাল হওয়ার কাব্যাংশের অর্থ প্রকাশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - তাম্বুল শব্দের অর্থ পান এবং অধর শব্দের অর্থ ঠোঁট। - এই শব্দার্থ জানলে পদের মূল অর্থ সহজে অনুমান করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন ও মধ্যযুগের কাব্যাংশের অর্থ প্রায়ই আসে। - অপরিচিত পংক্তির ক্ষেত্রে কঠিন শব্দগুলোর অর্থ আলাদা করে বুঝে নিতে হবে।
a মনীষী
b মনিষি
c মনীষি
d মনিষী
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মনীষী ১. কেন সঠিক: মনীষী শব্দটি প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী ম, দন্ত ন, দীর্ঘ ই কার, মূর্ধন্য ষ এবং দীর্ঘ ই কার দিয়ে গঠিত। এর অর্থ জ্ঞানী ব্যক্তি, প্রাজ্ঞ বা মনস্বী। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী সংস্কৃত তৎসম শব্দে ই বা ঈ কার এবং উ বা ঊ কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। মনীষী একটি তৎসম শব্দ যেখানে প্রথম বর্ণে ই কার এবং শেষ বর্ণে ঈ কার যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরীক্ষা ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে নিয়ম অনুযায়ী ই কার ও দীর্ঘ ই কার ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: মন্ত্রী ব্যাখ্যা: পদমর্যাদা বা বিশেষ শব্দের ক্ষেত্রে অন্তে দীর্ঘ ই কার ব্যবহারের নিয়মের এটি একটি সঠিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনীষী — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক বানান এবং প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী গঠিত। B) মনিষি — এই বানানে শেষ বর্ণে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। C) মনীষি — এই বানানে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ই কার এবং শেষ বর্ণে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করা হয়েছে। D) মনিষী — এই বানানে প্রথম বর্ণে দন্ত ন এর পরিবর্তে মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে। ৫ মনে রাখার টিপস: মনীষী বানানে মনে রাখবে প্রথমে হ্রস্ব ই কার এবং শেষে দীর্ঘ ই কার বসে। তৎসম শব্দ হিসেবে এর বানানের রূপ সবসময় নির্দিষ্ট থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানান প্রায়ই আসে। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ধরনের বানান আয়ত্ত করা সম্ভব।
a কানাহরি দত্ত
b ভারতচন্দ্র
c মানিক দত্ত
d দাশু রায়
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দাশু রায় ১. কেন সঠিক: - দাশু রায় মঙ্গলকাব্যের কবি নন, তিনি উনিশ শতকের একজন বিখ্যাত পাচালি রচয়িতা। - মঙ্গলকাব্য ধারার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই কারণ মঙ্গলকাব্য মূলত মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ ধারা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রধান ধারা হলো মঙ্গলকাব্য যা মূলত দেবদেবীর মহিমা প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত হতো। - রামপ্রসাদ সেন বা দাশু রায় পরবর্তী যুগের কবি, তাই তারা মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্তর্ভুক্ত নন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত মঙ্গলকাব্য এবং এর রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর। উদাহরণ ২: মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর চণ্ডীমঙ্গল ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানাহরি দত্ত — ইনি মধ্যযুগের মনসামঙ্গল কাব্যের একজন অন্যতম কবি হিসেবে পরিচিত। B) ভারতচন্দ্র — ইনি অন্নদামঙ্গল কাব্য রচনা করে মঙ্গলকাব্য ধারার সমাপ্তি ঘটিয়েছেন। C) মানিক দত্ত — ইনি মনসামঙ্গল কাব্যের প্রাচীনতম কবিদের মধ্যে একজন হিসেবে স্বীকৃত। D) দাশু রায় — ইনি মঙ্গলকাব্যের কবি নন বরং উনিশ শতকের একজন প্রখ্যাত পাচালি ও গানের কবি। ৫ মনে রাখার টিপস: - মঙ্গলকাব্যের কবিদের মনে রাখতে কানাহরি, ভারত ও মানিক এই নামগুলো মাথায় রাখতে পারো। - দাশু রায় পাচালি গানের জন্য বিখ্যাত, তাই তিনি মঙ্গলকাব্যের কবি নন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের শেষ কবি হিসেবে ভারতচন্দ্রকে মনে রাখা চাকরির পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি। - পাচালি সাহিত্য ও মঙ্গলকাব্য ধারা সম্পূর্ণ আলাদা দুটি সময়কাল ও রূপকে নির্দেশ করে।
a জন ক্লার্ক মার্শম্যান
b উইলিয়াম কেরি
c জর্জ আব্রাহাম গ্রিয়ার্সন
d ডেভিড হেয়ার
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জন ক্লার্ক মার্শম্যান ১. কেন সঠিক: - সমাচার দর্পণ ১৮১৮ সালে প্রকাশিত বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র। - এই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন বিশিষ্ট ব্রিটিশ সাংবাদিক ও ইতিহাসবিদ জন ক্লার্ক মার্শম্যান। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীরামপুর ব্যাপ্টিস্ট মিশনের উদ্যোগে সমাচার দর্পণ পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়। - বাংলা গদ্যের বিকাশ এবং সংবাদপত্রের ইতিহাসে এই পত্রিকার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিগদর্শন ব্যাখ্যা: সমাচার দর্পণ প্রকাশের আগে ১৮১৮ সালে জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় প্রকাশিত প্রথম মাসিক পত্রিকা। উদাহরণ ২: সংবাদ প্রভাকর ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত বাংলা ভাষার অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদপত্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জন ক্লার্ক মার্শম্যান — ইনি সমাচার দর্পণ পত্রিকার প্রথম সফল ও প্রামাণিক সম্পাদক ছিলেন। B) উইলিয়াম কেরি — ইনি শ্রীরামপুর মিশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বাংলা গদ্যচর্চায় অবদান রাখলেও এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। C) জর্জ আব্রাহাম গ্রিয়ার্সন — ইনি বিখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও সার্ভে অব ইন্ডিয়ার কর্মকর্তা ছিলেন, সমাচার দর্পণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। D) ডেভিড হেয়ার — ইনি বাংলার শিক্ষা বিস্তার ও হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন, সংবাদপত্র সম্পাদক ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: - সমাচার দর্পণের সম্পাদক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো মার্শম্যান সাহেবের দর্পণ। - প্রথম সংবাদপত্র প্রকাশের ক্ষেত্রে মার্শম্যান নামটি সর্বদাই অগ্রগণ্য। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমাচার দর্পণ প্রকাশিত হয় ১৮১৮ সালের ২৩শে মে শ্রীরামপুর থেকে। - বাংলা সংবাদপত্র ও সাময়িকী থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
a স্মৃতি কথামালা
b আত্মকথা
c আত্মচরিত
d আমার কথা
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আত্মচরিত ১. কেন সঠিক: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একমাত্র আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হলো আত্মচরিত। - এটি তাঁর মৃত্যুর পর ১৮৯১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এতে তাঁর জীবনের নানা ঘটনার পরিচয় পাওয়া যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর হলেন বাংলা গদ্যের পজনক এবং ঊনবিংশ শতকের প্রধান সামাজিক সংস্কারক। - তাঁর রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো বেতালপঞ্চবিংশতি, শকুন্তলা, সীতার বনবাস এবং বর্ণমালা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভ্রান্তিবিলাস ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একটি বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ যা শেক্সপিআরের কমেডি অফ এররস অবলম্বনে রচিত। উদাহরণ ২: কথামালা ব্যাখ্যা: এটি তাঁর রচিত একটি জনপ্রিয় অনুবাদ গ্রন্থ যা ঈশপের ফবলস অবলম্বনে নীতিশিক্ষা মূলক গল্পের সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্মৃতি কথামালা — এই নামে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের কোনো মৌলিক বা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ নেই। B) আত্মকথা — এটি পন্ডিত শিবনাথ শাস্ত্রীর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ, বিদ্যাসাগরের নয়। D) আমার কথা — এটি কোনো বিখ্যাত সাহিত্যিকের আত্মজীবনীর সঠিক নাম নয়, যা বিদ্যাসাগরের সঙ্গে সম্পর্কিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদ্যাসাগরের চরিত্র ছিল দৃঢ় ও স্পষ্ট, তাই তিনি নিজের জীবনচরিত লিখেছেন আত্মচরিত নামে। - আত্মচরিত শব্দটি বিদ্যাসাগরের নামের সঙ্গে যুক্ত করলেই সঠিক উত্তর পাওয়া যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আত্মজীবনী ও আত্মকথার মধ্যে পার্থক্য মনে রাখা জরুরি কারণ বিভিন্ন লেখকের আত্মজীবনী প্রায়ই গুলিয়ে যায়। - বাংলা গদ্যের ইতিহাস থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদ্যাসাগরের রচনা সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a খুলনার দক্ষিণ ডিহি
b ছােটনাগপুর মালভূমি
c যশােরের কেশবপুর
d কুষ্টিয়ার শিলাইদহ
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) খুলনার দক্ষিণ ডিহি ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বংশপরিচয় ও আদিবসতি সংক্রান্ত। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্বপুরুষের আদিবসতি ছিল খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার দক্ষিণ ডিহি গ্রামে। এই বিষয়টি কবিগুরুর পারিবারিক ইতিহাস এবং তাঁর পিতৃবংশ ও মাতৃকুলের সঙ্গে খুলনার সংযোগের কারণে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, নাট্যকার, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক। তাঁর পূর্বপুরুষেরা মূলত খুলনার দক্ষিণ ডিহি থেকে পরবর্তীকালে কলকাতার জোড়াসাঁকোয় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। এছাড়া তাঁর স্ত্রী মৃণালিনী দেবীর পৈতৃক নিবাসও ছিল এই খুলনার দক্ষিণ ডিহি গ্রামে, যা তাঁর জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুষ্টিয়ার শিলাইদহ ব্যাখ্যা: শিলাইদহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জমিদারি দেখাশোনার প্রধান কেন্দ্র ছিল যেখানে তিনি তাঁর বিখ্যাত অনেক সাহিত্যকর্ম রচনা করেছেন। উদাহরণ ২: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর ব্যাখ্যা: শাহজাদপুরও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জমিদারি এলাকার অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং এখানেও তিনি দীর্ঘদিন বসবাস করে সাহিত্যচর্চা করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খুলনার দক্ষিণ ডিহি — এটি সঠিক উত্তর কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্বপুরুষের আদিবসতি এই অঞ্চলেই ছিল। B) ছোটনাগপুর মালভূমি — এটি ভুল অপশন কারণ এই অঞ্চলের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বংশপরিচয়ের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। C) যশােরের কেশবপুর — এটি ভুল কারণ এটি কবিগুরুর পূর্বপুরুষের আদিবসতি নয়, যদিও এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মস্থানের নিকটবর্তী এলাকা। D) কুষ্টিয়ার শিলাইদহ — এটি ভুল কারণ শিলাইদহ তাঁর আদিবসতি নয়, বরং তাঁর জমিদারি পরিচালনার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ও আবাসস্থল ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের পূর্বপুরুষের আদিবসতি মনে রাখতে মনে রাখুন পুরুষ মানে পুরুষ মানুষ আর দক্ষিণ ডিহি হলো কবির পৈতৃক শেকড়। পৈতৃক শেকড় বা পূর্বপুরুষের আসল ঠিকানা খুঁজতে হলে খুলনার দক্ষিণ ডিহি মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে। এই ধরনের প্রশ্নে জন্মস্থান জোড়াসাঁকো এবং আদিবসতি দক্ষিণ ডিহি গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a প্রবােধ চন্দ্র সেন
b প্রমথ চৌধুরী
c প্রমথনাথ বিশি
d প্রদ্যুম্ন মিত্র
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - 'তেল নুন লকড়ি' প্রমথ চৌধুরী রচিত একটি বিখ্যাত প্রমন্থ সংকলন বা প্রবন্ধগ্রন্থ। - এটি মূলত তাঁর চিন্তাশীল ও মননশীল প্রবন্ধের একটি সংকলন যা বাংলা গদ্যে নতুন ধারা এনেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলতি গদ্যরীতির প্রবর্তক এবং বীরবল ছদ্মনামের জন্য সর্বাধিক পরিচিত। - তাঁর সাহিত্যিক অবদান বাংলা প্রবন্ধ সাহিত্যকে গুরুগম্ভীর ভাব থেকে মুক্ত করে লঘু ও তীক্ষ্ণ বুদ্ধিবৃত্তিক রূপ দিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'বীরবলের হালখাতা' ব্যাখ্যা: এটিও প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ। উদাহরণ ২: 'চটকদার কাহিনী' ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর আরও একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রবােধ চন্দ্র সেন — ইনি একজন প্রখ্যাত ছন্দবিদ ও সাহিত্য গবেষক হলেও আলোচ্য গ্রন্থটি তাঁর রচিত নয়। B) প্রমথ চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। C) প্রমথনাথ বিশি — ইনি একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সমালোচক হলেও এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন। D) প্রদ্যুম্ন মিত্র — ইনি এই গ্রন্থের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো উল্লেখযোগ্য লেখক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ মনে রাখার জন্য 'বীরবলের তেল নুন' এই সূত্রটি মনে রাখতে পারো। - বীরবল ছদ্মনামের আড়ালেই তিনি সমাজ ও জীবনের নানা দিক নিয়ে প্রবন্ধ লিখেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম এবং তাঁর প্রবন্ধগ্রন্থ বারবার আসে। - 'সবুজ পত্র' পত্রিকার সম্পাদনার মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্যে চলতি রীতির আন্দোলন গড়ে তোলেন।

মোট প্রশ্ন (35)

a offshore areas
b remote places
c marginal areas
d backward regions
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) marginal areas কেন সঠিক: - 'Periphery' শব্দের অর্থ প্রান্তদেশ বা প্রান্তীয় এলাকা, যার সঙ্গে 'marginal areas' বা প্রান্তিক এলাকার মিল রয়েছে। - সমাজে মূল স্রোতের বাইরে প্রান্তিক বা পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীকে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) offshore areas — এর অর্থ উপকূল থেকে দূরে সমুদ্রের অংশ বা জলভাগ, যা মানুষের বসবাসের সামাজিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে মেলে না। B) remote places — এর অর্থ দূরবর্তী স্থান, যা ভৌগোলিক দূরত্ব বোঝায় কিন্তু সামাজিক প্রান্তিকতা বা অবহেলার মূল ভাব প্রকাশ করে না। C) marginal areas — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) backward regions — এর অর্থ পিছিয়ে থাকা অঞ্চল, যা সাধারণত অর্থনৈতিক বা শিক্ষাগত অনুন্নয়ন বোঝায় কিন্তু আক্ষরিক অর্থে প্রান্তিকতাকে পুরোপুরি নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: Periphery অর্থ বৃত্তের পরিধি বা প্রান্ত, তাই এর সমার্থক হলো Marginal area বা প্রান্তিক এলাকা।
a Record of rules
b Procedures
c Summary of rules
d Problems
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Record of rules কেন সঠিক: protocol শব্দটির শাব্দিক অর্থ হলো নিয়মকানুন বা প্রটোকল বা নিয়মের দলিল। এখানে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু নিয়মের কথা বলা হয়েছে। তাই এর সঠিক অর্থ হলো নিয়মের রেকর্ড বা তালিকা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Record of rules — এটি সঠিক কারণ protocol শব্দের মূল অর্থ নিয়মের দলিল। B) Procedures — এটি কাজের প্রক্রিয়া বোঝায় কিন্তু প্রটোকল সরাসরি কেবল প্রক্রিয়া নয়। C) Summary of rules — এটি নিয়মের সারসংক্ষেপ বোঝায় যা প্রটোকলের পূর্ণাঙ্গ রূপ নয়। D) Problems — এটি সমস্যা নির্দেশ করে যা প্রটোকল শব্দের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: protocol শব্দ দেখলে সবসময় নিয়ম বা বিধিমালার রেকর্ড কথাটি মনে রাখবে।
a These
b Those
c Thus
d That
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) That কেন সঠিক: - শূন্যস্থানের পরের নাউনটি (song) একবচন এবং এর পূর্বে 'amazing' বিশেষণটি থাকায় নির্দিষ্ট ও একবচন নির্দেশক Demonstrative Pronoun হিসেবে 'That' ব্যবহৃত হয়েছে। - দূরবর্তী কোনো একক বস্তুকে নির্দেশ করতে Singular Noun-এর পূর্বে 'That' বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) These — এটি plural form, তাই singular noun 'song'-এর পূর্বে বসতে পারে না। B) Those — এটি plural form, তাই singular noun 'song'-এর পূর্বে বসতে পারে না। C) Thus — এটি একটি Adverb, যার অর্থ 'এইভাবে', তাই noun-এর পূর্বে determiners হিসেবে বসে না। D) That — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি singular noun-এর পূর্বে বসে। মনে রাখার টিপস: শূন্যস্থানের পরের nounটি একবচন হলে This বা That বসবে, আর বহুবচন হলে These বা Those বসবে।
a record
b time frame
c written records
d written analysis
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) written records কেন সঠিক: এখানে 'minutes of the meeting' বলতে সভার কার্যবিবরণী বা লিখিত দলিলকে বোঝানো হয়েছে। ইংরেজি পরিভাষায় আনুষ্ঠানিক সভার লিখিত বিবরণ বোঝাতে 'written records' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) record — এটি সঠিক হলেও বহুবচন এবং 'written records' এর মতো সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে না। B) time frame — এটি দিয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা বোঝায় যা সভার কার্যবিবরণীর সাথে মেলে না। C) written records — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) written analysis — এটি দিয়ে কোনো বিষয়ের লিখিত বিশ্লেষণ বোঝায়, যা সভার কার্যবিবরণী নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বাক্যে 'minutes' শব্দটি সময় না বুঝিয়ে সভার লিখিত বিবরণ বা কার্যবিবরণী অর্থে ব্যবহৃত হয়।
a amazingly
b shockingly
c steadily
d rapidly
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) rapidly কেন সঠিক: - Exponentially শব্দের অর্থ হলো জ্যামিতিক হারে বা খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া। - প্রদত্ত বাক্যে ঢাকার শব্দের মাত্রা খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে বোঝাতে rapidly শব্দটি নিখুঁতভাবে মানানসই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) amazingly — এর অর্থ বিস্ময়করভাবে, যা শব্দের তীব্র বা দ্রুত বৃদ্ধির বৈজ্ঞানিক বা বাস্তবসম্মত হার প্রকাশ করে না। B) shockingly — এর অর্থ গভীরভাবে মর্মাহত করার মতো, যা এখানে শব্দের মাত্রা বৃদ্ধির গতির চেয়ে আবেগকে বেশি প্রকাশ করে। C) steadily — এর অর্থ স্থিতিশীল বা ধীরস্থিরভাবে, যা শব্দের মাত্রা হু হু করে বাড়ার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) rapidly — এর অর্থ দ্রুতগতিতে, যা exponentially শব্দের সমার্থক হিসেবে এখানে সম্পূর্ণ সঠিক। মনে রাখার টিপস: Exponentially বৃদ্ধি মানেই হলো দ্রুত বা rapidly বৃদ্ধি পাওয়া।
a Christopher Marlowe
b Alexander Pope
c John Dryden
d Samuel Beckett
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Christopher Marlowe কেন সঠিক: ক্রিস্টোফার মারলো ইংরেজি সাহিত্যের এলিজাবেথান যুগের একজন অত্যন্ত বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি ছিলেন। তিনি এই যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ট্র্যাজেডি যেমন ডক্টর ফস্টাস রচনা করে অমর হয়ে আছেন। তিনি রানি প্রথম এলিজাবেথের রাজত্বকালে তার সাহিত্যকর্ম পরিচালনা করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Christopher Marlowe — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি এলিজাবেথান যুগের লেখক। B) Alexander Pope — তিনি অষ্টাদশ শতাব্দীর অগাস্টান যুগের বিখ্যাত কবি ছিলেন। C) John Dryden — তিনি সপ্তদশ শতাব্দীর রেস্টোরেশন যুগের প্রখ্যাত সাহিত্যিক ছিলেন। D) Samuel Beckett — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুগের নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক ছিলেন। মনে রাখার টিপস: মারলো নামটি দেখলে সবসময় এলিজাবেথান যুগ এবং ফস্টাস নাটকের কথা মনে রাখবে।
a confused
b controlled
c contaminated
d constrained
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) constrained কেন সঠিক: constained শব্দের অর্থ হলো সীমাবদ্ধ বা বাধ্য করা। পারিবারিক দায়িত্বের কারণে নারীদের সুযোগ অনেক সময় সীমিত হয়ে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) confused — এর অর্থ বিভ্রান্ত, যা পারিবারিক দায়িত্বের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক নয়। B) controlled — এর অর্থ নিয়ন্ত্রিত, যা এখানে পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে না। C) contaminated — এর অর্থ দূষিত, যা মানুষের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভুল অর্থে ব্যবহৃত হয়। D) constrained — এটি সঠিক কারণ এটি সীাবদ্ধতা প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: পারিবারিক দায়িত্ব বা চাপের ক্ষেত্রে কোনো কিছু সীমিত করা বোঝালে constrained শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
a Othello
b Hamlet
c Romeo and Juliet
d Macbeth
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Hamlet কেন সঠিক: উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত নাটক হ্যামলেট এর রাজকুমার হ্যামলেটের একটি বিখ্যাত আত্মকথন এটি। জীবনের অর্থ এবং মৃত্যুর পরের অবস্থা নিয়ে গভীর দার্শনিক ভাবনার সময় সে এই কথাটি বলেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Othello — এটি মূলত ঈর্ষা এবং ষড়যন্ত্রের ওপর রচিত একটি বিয়োগান্তক নাটক, যার সাথে এই সংলাপের কোনো মিল নেই। B) Hamlet — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Romeo and Juliet — এটি দুটি তরুণ প্রেমিকের মর্মান্তিক প্রেমের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে লেখা একটি নাটক। D) Macbeth — এটি উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং ক্ষমতার লোভের পরিণতি নিয়ে রচিত একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি। মনে রাখার টিপস: জীবন ও মৃত্যুর দ্বিধা মানেই শেক্সপিয়ারের হ্যামলেট নাটক।
a Feminism
b Formalism
c Structuralism
d Marxism
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Marxism কেন সঠিক: কার্ল মার্ক্সের তত্ত্ব অনুযায়ী সমাজ সবসময় বুর্জোয়া ও প্রলেতারিয়েট এই দুই শ্রেণীতে বিভক্ত। এই শ্রেণীদ্বন্দ্বের কারণেই সমাজে সংঘাত সৃষ্টি হয় এবং সমাজ পরিবর্তিত হয়। অর্থনৈতিক কাঠামোর ওপর ভিত্তি করেই মূলত এই শ্রেণী সম্পর্ক নির্ধারিত হয়। সমাজের ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও অর্থনৈতিক বৈষম্য বুঝতে এই তত্ত্ব ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Feminism — এটি মূলত পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা এবং নারীর অধিকার ও সমতা নিয়ে আলোচনা করে। শ্রেণী সম্পর্কের চেয়ে এখানে লিঙ্গবৈষম্য প্রধান বিষয়। B) Formalism — এটি সাহিত্যের ভাষা, গঠন এবং শৈলী নিয়ে আলোচনা করে। এর সাথে সমাজ বা শ্রেণী সংগ্রামের কোনো সম্পর্ক নেই। C) Structuralism — এটি ভাষা ও সংস্কৃতির অন্তর্নিহিত কাঠামো নিয়ে কাজ করে। এখানে সরাসরি শ্রেণীদ্বন্দ্ব বা societal conflict প্রধান বিষয় নয়। D) Marxism — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মার্ক্সবাদ মানেই সমাজে ধনী ও গরিবের দ্বন্দ্ব এবং শ্রেণী সংগ্রামের ইতিহাস।
a an epic poem
b a novella
c a one-act play
d a theatrical adaptation of a poem
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a one-act play কেন সঠিক: এটি বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার জে জে সিংট এর লেখা একটি জনপ্রিয় একক অংকের নাটক। নাটকের পুরো কাহিনীটি একটিমাত্র দৃশ্যে এবং খুব অল্প সময়ে সমাপ্ত হয়েছে। এতে আয়ারল্যান্ডের এক মাছধরা পরিবারের ট্র্যাজেডি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এটি বিশ্ব সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ট্র্যাজেডি হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an epic poem — এটি কোনো মহাকাব্যিক কবিতা নয়, কারণ এটি মঞ্চে অভিনয় করার জন্য রচিত একটি নাটক। B) a novella — এটি কোনো ছোট উপন্যাস নয়, বরং এটি দৃশ্যকাব্য বা নাটক হিসেবে রচিত হয়েছে। C) a one-act play — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) a theatrical adaptation of a poem — এটি কোনো কবিতার নাটকীয় রূপান্তর নয়, এটি একটি মৌলিক নাটক। মনে রাখার টিপস: জে জে সিংট এর 'Riders to the Sea' নাটকটি একটি মাত্র অংকে শেষ হয় বলে এটি এক অঙ্কের নাটক।
a saving lives
b saving time
c timely action
d time tailoring
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) timely action কেন সঠিক: - এই প্রবাদটির আক্ষরিক অর্থ হলো সঠিক সময়ে একটি সেলাই পরবর্তীকালে নয়টি সেলাই বাঁচায়। - অর্থাৎ কোনো সমস্যা শুরুতেই সমাধান করলে ভবিষ্যতে বড় ক্ষয়ক্ষতি ও পরিশ্রম থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) saving lives — এটি প্রবাদের আক্ষরিক বা রূপক অর্থের বাইরে সরাসরি জীবন বাঁচানোর কথা বলছে, যা এর মূল ভাব নয়। B) saving time — যদিও সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত, তবে কেবল সময় বাঁচানো নয় বরং যথাসময়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া এর মূল বিষয়। C) timely action — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সঠিক সময়ে পদক্ষেপ নেওয়ার গুরুত্বকে নির্দেশ করে। D) time tailoring — এটি মূলত প্রবাদের শব্দ নিয়ে তৈরি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন যার কোনো বাস্তব অর্থ নেই। মনে রাখার টিপস: প্রবাদের 'stitch in time' অংশটি দিয়ে মূলত সময়মতো সঠিক কাজ বা পদক্ষেপ বোঝানো হয়।
a He insisted on seeing her
b He insisted in seeing her
c He insisted for seeing her
d He insisted to be seeing her
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He insisted on seeing her কেন সঠিক: ইনসিস্ট শব্দের পর সবসময় সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে অন বসে এবং এটি কোনো কিছু করার ওপর জোর দেওয়া বোঝায়। প্রিপজিশনের পর ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত হয় বলে সিয়িং সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He insisted on seeing her — এই অপশনটি সঠিক এবং এর কোনো ভুল নেই। B) He insisted in seeing her — ইনসিস্ট শব্দের সাথে ইন প্রিপজিশন ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) He insisted for seeing her — ইনসিস্ট শব্দের সাথে ফর প্রিপজিশন ব্যবহার করা যায় না। D) He insisted to be seeing her — ইনসিস্টের পর টু বি ভার্ব এবং আইএনজি ব্যবহার গঠন অনুযায়ী সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ইনসিস্ট শব্দের সাথে সবসময় অন প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয় এবং তারপর ভার্বের সাথে আইএনজি বসে।
a Riche rich
b New high class
c Well off
d New rich
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) New rich কেন সঠিক: 法语 থেকে আসা এই শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো সদ্য ধনী ব্যক্তি। সমাজে হঠাৎ করে অর্থবিত্ত অর্জনকারী মানুষদের বোঝাতে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Riche rich — এটি কোনো অর্থবহ ফ্রেজ নয় এবং ভুল শব্দগঠন। B) New high class — এর অর্থ নতুন উচ্চবিত্ত হলেও এটি সরাসরি এই ফ্রেজের শাব্দিক বা সঠিক অর্থ নয়। C) Well off — এর অর্থ সচ্ছল বা ভালো অবস্থায় থাকা, যা হঠাৎ ধনী হওয়াকে বোঝায় না। D) New rich — এটিই এই ফ্রেজের সঠিক ও সরাসরি ইংরেজি অর্থ। মনে রাখার টিপস: নৌভাউ অর্থ নতুন এবং রিচ অর্থ ধনী, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখবে।
a dormancy
b sluggishness
c liveliness
d Democracy
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) liveliness কেন সঠিক: Hibernate শব্দের অর্থ দীর্ঘনিদ্রা বা শীতনিদ্রা, যা অলসতা এবং নিষ্ক্রিয়তা প্রকাশ করে। এর বিপরীত শব্দ হলো liveliness, যার অর্থ সজীবতা বা প্রাণবন্ততা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) dormancy — এর অর্থ প্রসুপ্তি বা নিষ্ক্রিয়তা, যা hibernate শব্দের সমার্থক শব্দ। B) sluggishness — এর অর্থ মন্থরতা বা অলসতা, যা মূল শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। C) liveliness — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Democracy — এর অর্থ গণতন্ত্র, যার সাথে শীতনিদ্রা শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: Hibernate মানে শুয়ে থাকা, আর Liveliness মানে সবসময় দৌড়ঝাঁপ করা বা প্রাণবন্ত থাকা।
a Verb
b Adverb
c Adjective
d Noun
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Noun কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যে collecting একটি Gerund যা Noun এর কাজ করছে। এটি preposition এর পরে object হিসেবে বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Verb — এটি কোনো কাজ বা সমাপিকা ক্রিয়া বোঝাচ্ছে না। B) Adverb — এটি কোনো Verb, Adjective বা অন্য Adverb কে মডিফাই করছে না। C) Adjective — এটি কোনো Noun বা Pronoun এর দোষ গুণ বোঝাচ্ছে না। D) Noun — এটি সঠিক কারণ শব্দটি বাক্যে Noun এর কাজ সম্পন্ন করেছে। মনে রাখার টিপস: Preposition এর ঠিক পরে ing যুক্ত কোনো শব্দ বসলে তা সাধারণত Noun হিসেবে কাজ করে।
a Verb
b Adverb
c Adjective
d Noun
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Adjective কেন সঠিক: পদটি বাক্যটিতে 'is' লিংকিং ভার্বের পরে বসে সাবজেক্ট 'Depression' এর দোষ বা গুণ প্রকাশ করেছে। যে শব্দ কোনো নাউন বা প্রোনাউনের দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে তাকে অ্যাডজেক্টিভ বলে। এখানে শব্দটি নাউনের একটি বিশেষ অবস্থা বোঝাচ্ছে। তাই এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Verb — এটি কোনো কাজ বা সংঘটিত হওয়া বোঝাচ্ছে না, তাই এটি ভার্ব হতে পারে না। B) Adverb — এটি কোনো ভার্ব, অ্যাডজেক্টিভ বা অন্য অ্যাডজেক্টিভকে মডিফাই করছে না, তাই এটি অ্যাডভার্ব নয়। C) Adjective — এটি তো নিজেই সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়। D) Noun — এটি কোনো নাম বোঝাচ্ছে না, বরং একটি অবস্থা বোঝাচ্ছে, তাই এটি নাউন নয়। মনে রাখার টিপস: লিংকিং ভার্বের পরে কোনো শব্দ যদি সাবজেক্টের অবস্থা বোঝায়, তবে সেটি সাধারণত অ্যাডজেক্টিভ হয়।
a George Eliot
b Joseph Conrad
c Thomas Hardy
d James Joyce
0 156 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) George Eliot কেন সঠিক: জর্জ এলিয়ট ছিলেন ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক। বাকি তিনজন লেখক বিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুগের সাহিত্যিক। তাই সময়ের দিক থেকে জর্জ এলিয়ট এই দলে বেমানান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) George Eliot — উনি ভিক্টোরিয়ান যুগের বাস্তবতাবাদী লেখক হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। B) Joseph Conrad — ইনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুগের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক এবং ভ্রমণ কাহিনীকার। C) Thomas Hardy — ইনি ভিক্টোরিয়ান ও আধুনিক যুগের সন্ধিক্ষণের লেখক এবং আধুনিক ধারার অগ্রদূত। D) James Joyce — ইনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুগের অত্যন্ত প্রভাবশালী আইরিশ ঔপন্যাসিক। মনে রাখার টিপস: জর্জ এলিয়ট ভিক্টোরিয়ান যুগের বাকিরা আধুনিক যুগের।
a The bluest Eye
b Sula
c As I Lay Dying
d A Mercy
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) As I Lay Dying কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের ধরন হলো সাহিত্য, লেখক ও সাহিত্যকর্ম। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় এবং চতুর্থ অপশনের লেখিকা নোবেলজয়ী কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিন সাহিত্যিক টনি মরিসন, অন্যদিকে সঠিক উত্তরটি বিখ্যাত মার্কিন ঔপন্যাসিক উইলিয়াম ফকনারের রচনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The bluest Eye — এটি টনি মরিসনের প্রথম উপন্যাস, তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। B) Sula — এটি টনি মরিসনের দ্বিতীয় উপন্যাস এবং এর রচয়িতা উইলিয়াম ফকনার নন। C) As I Lay Dying — এটি উইলিয়াম ফকনারের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা টনি মরিসনের লেখার বিপরীত ধারার। D) A Mercy — এটিও টনি মরিসন রচিত একটি উপন্যাস, যা অন্যান্য অপশনের লেখিকার সঙ্গে মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: মরিসন মানেই দ্য ব্লুয়েস্ট আই, সুলা ও আ মার্সি, আর ফকনার মানে অ্যাস আই লে ডায়িং।
a Noun
b Adjective
c Adverb
d Preposition
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Adjective কেন সঠিক: এখানে disagreeable শব্দটি man নামক Noun-টির দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে। যে শব্দ কোনো Noun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে তাকে Adjective বলে। disagreeable শব্দটির আগে 'a' এবং 'rather' বসে এটিকে আরও স্পষ্ট করেছে। এটি বাক্যে Noun-এর ঠিক পূর্বে বসে Adjective-এর কাজ সম্পন্ন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Noun — Noun হলো কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম, কিন্তু এখানে disagreeable কোনো নাম বোঝাচ্ছে না। B) Adjective — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) Adverb — Adverb সাধারণত Verb, Adjective বা অন্য কোনো Adverb-কে modify করে, কিন্তু এখানে এটি man-কে বোঝাচ্ছে। D) Preposition — Preposition Noun বা Pronoun-এর আগে বসে সম্পর্ক বোঝায়, কিন্তু এখানে সেরকম কোনো কাজ হয়নি। মনে রাখার টিপস: noun কেমন বা কী প্রকৃতির তা জানতে 'how' বা কেমন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় সেটিই সাধারণত Adjective হয়।
a Wordsworth
b Shelley
c Herrick
d Keats
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Wordsworth কেন সঠিক: - প্রদত্ত চরণটি ইংরেজি রোমান্টিক যুগের বিখ্যাত কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের বিশ্বখ্যাত 'আই ওয়ান্ডারড লোনলি অ্যাজ এ ক্লাউড' কবিতার বিখ্যাত প্রারম্ভিক লাইন। - এই কবিতায় কবি প্রকৃতির সৌন্দর্য এবং সোনালী ড্যাফোডিল ফুলের একটি বিশাল জনসমষ্টি দেখার অভিজ্ঞতা চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Wordsworth - এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তিটি তার 'ড্যাফোডিলস' কবিতার অংশ। B) Shelley - পার্সি বিশি শেলি রোমান্টিক যুগের আরেকজন বিখ্যাত কবি হলেও এই লাইনটি তার রচিত নয়। C) Herrick - রবার্ট হেরিক সপ্তদশ শতকের একজন কবি এবং তিনি 'টু ড্যাফোডিলস' কবিতা লিখলেও এই নির্দিষ্ট পঙ্‌ক্তিটি তার নয়। D) Keats - জন কিটস রোমান্টিক যুগের কবি এবং সৌন্দর্য সাধনার জন্য পরিচিত হলেও এই লাইনটি তার কোনো কবিতার অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: 'ড্যাফোডিল' ফুল দেখলেই মনে রাখবে এটি রোমান্টিক প্রকৃতির কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের অমর সৃষ্টি।
a apathy
b enterprise
c indolence
d activity
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) enterprise কেন সঠিক: - "Initiative" শব্দের অর্থ উদ্যোগ বা নতুন কিছু শুরু করার প্রবল স্পৃহা। - "Enterprise" শব্দটির অর্থও উদ্যোগ, সাহসিকতা বা ব্যবসায়িক উদ্যম, যা মূল শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) apathy — এর অর্থ উদাসীনতা বা অনীহা, যা উদ্যোগের বিপরীত শব্দ। B) enterprise — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ উদ্যোগ বা কর্মপ্রচেষ্টা। C) indolence — এর অর্থ অলসতা বা কর্মবিমুখতা, যা উদ্যোগের সম্পূর্ণ বিপরীত। D) activity — এর অর্থ শুধু কার্যক্রম বা ব্যস্ততা, যা সুনির্দিষ্টভাবে কোনো নতুন উদ্যোগ বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: উদ্যোগ নিয়ে নতুন কিছু শুরু করতে হলে সাহসিকতার সাথে কাজ করতে হয়, তাই initiative এবং enterprise সমার্থক।
a Mister
b Mistress
c Master
d Mastery
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Master কেন সঠিক: Master শব্দটি noun হিসেবে মনিব বা প্রভু বোঝালেও এটি verb হিসেবে কোনো বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করা বা নিয়ন্ত্রণ করা অর্থে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। ইংরেজি ব্যাকরণে একই শব্দ বিভিন্ন Parts of Speech হিসেবে কাজ করতে পারে এবং Master তার মধ্যে একটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mister — এটি একটি title বা উপাধি যা পুরুষদের নামের আগে সম্মান সূচক হিসেবে বসে এবং কখনো verb হয় না। B) Mistress — এটি একটি noun যা গৃহকর্ত্রী বা প্রভুপত্নী বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এর কোনো verb রূপ নেই। C) Master — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না। D) Mastery — শব্দের শেষে ry যুক্ত থাকায় এটি একটি noun যা কোনো বিষয়ে পূর্ণ দক্ষতাকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ দিয়ে কোনো কাজ করা বোঝায় বা কোনো কিছু আয়ত্ত করার অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে verb হিসেবে চেনা যায়।
a T. S. Eliot
b Grahame Greene
c Toni Morrison
d William Faulkner
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Grahame Greene কেন সঠিক: গ্রাহাম গ্রীন তাঁর সাহিত্যকর্মের জন্য নোবেল পুরস্কার পাননি, যদিও তিনি বিশ শতকের একজন অত্যন্ত বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ছিলেন। তিনি তাঁর উপন্যাসে মূলত অপরাধ, পাপ এবং ধর্মের জটিল নৈতিক দ্বন্দ্ব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন। তিনি নোবেল না পেলেও তাঁর অনেক উপন্যাস বিশ্বসাহিত্যে অমর হয়ে আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) T. S. Eliot — টি এস এলিয়ট আধুনিকতাবাদী কাব্যধারার জন্য ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। B) Grahame Greene — গ্রাহাম গ্রীন তাঁর দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে বহু বিখ্যাত উপন্যাস লিখলেও কখনো নোবেল পুরস্কার পাননি। C) Toni Morrison — টনি মরিসন তাঁর প্রভাবশালী এবং বর্ণবাদী সমাজভিত্তিক উপন্যাসের জন্য ১৯৯৩ সালে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। D) William Faulkner — উইলিয়াম ফকনার তাঁর অভিনব কথাসাহিত্য শৈলীর জন্য ১৯৪৯ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: গ্রাহাম গ্রীন গ্রিন সিগন্যাল পেলেও নোবেল পুরস্কারের ক্ষেত্রে সবুজ সংকেত বা নোবেল পাননি, বাকি তিনজনই নোবেলজয়ী।
a These must be shut doors
b Shut must be the doors
c Shut the doors you must
d These doors must be shut
0 153 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) These doors must be shut কেন সঠিক: Active বাক্যের অবজেক্ট these doors প্যাসিভ করার সময় সাবজেক্ট হিসেবে প্রথমে বসেছে। Modal auxiliary verb must এর পরে be যোগ করে মূল ভারب shut এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) These must be shut doors — এখানে doors শব্দটি ভুল স্থানে বসেছে এবং বাক্যটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) Shut must be the doors — এখানে বাক্যের অর্থ এবং সাবজেক্ট অবজেক্টের বিন্যাস নিয়ম অনুযায়ী হয়নি। C) Shut the doors you must — এটি একটি ইম্পারেটিভ বাক্যের মতো দেখায় যা সঠিক প্যাসিভ রূপ নয়। D) These doors must be shut — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী রূপান্তরিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Modal auxiliary verb থাকা বাক্যকে প্যাসিভ করার সময় অবজেক্টকে সাবজেক্ট বানিয়ে must এর সাথে be যোগ করতে হয় এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।
a confusion
b personifying
c idiosyncratic
d purifying
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) idiosyncratic কেন সঠিক: শূন্যস্থানে এমন একটি বিশেষণ শব্দ দরকার যা পরিচালকের নিজস্ব ও আলাদা ভঙ্গি বোঝায়। idiosyncratic শব্দটির অর্থ খামখেয়ালী বা নিজস্ব বৈশিষ্ট্যপূর্ণ, যা বাক্যটির সাথে সম্পূর্ণ মানানসই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) confusion — এটি একটি বিশেষ্য পদ এবং এর অর্থ বিভ্রান্তি, যা শূন্যস্থানে বিশেষণ হিসেবে বসে না। B) personifying — এটি কৃপণ বা কোনো বস্তুকে মানবসত্তা দান করার ভাব বোঝায়, যা পরিচালকের কাজের শৈলীর সাথে মেলে না। C) idiosyncratic — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) purifying — এর অর্থ বিশুদ্ধ করা, যা কোনো শিল্পীর কাজের নিজস্ব শৈলী প্রকাশ করার জন্য উপযুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: ডাইরেক্টরের নিজস্ব বা আলাদা স্টাইল বোঝাতে সবসময় idiosyncratic শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
a will
b take
c much
d time
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) much কেন সঠিক: Determiner হলো এমন শব্দ যা noun-এর পূর্বে বসে তার পরিমাণ বা সংখ্যা নির্দেশ করে। এখানে time হলো noun এবং much শব্দটি তার পরিমাণ বোঝাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will — এটি একটি auxiliary verb বা সাহায্যকারী ক্রিয়া যা প্রশ্ন তৈরি করতে সাহায্য করেছে। B) take — এটি একটি main verb বা মূল ক্রিয়া যা কাজের নাম প্রকাশ করে। C) much — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) time — এটি একটি uncountable noun যা এখানে অবজেক্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Noun-এর ঠিক আগে বসে যখন পরিমাণ বোঝায়, তখন সেই শব্দটি সাধারণত determiner হয়।
a James Joyce
b Samuel Beckett
c Arthur Miller
d George Bernard Shaw
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) George Bernard Shaw কেন সঠিক: ‘Arms and the Man’ হলো বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার জর্জ বার্নার্ড শ রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ব্যঙ্গাত্মক নাটক। এটি ১৮৯৪ সালে প্রথম মঞ্চস্থ হয় এবং এতে যুদ্ধের অন্ধ দেশপ্রেম ও রোমান্টিকতার তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) James Joyce — জেমস জয়েস একজন বিখ্যাত আইরিশ ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন, যিনি ‘ইউলিসিস’ উপন্যাসের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। B) Samuel Beckett — স্যামুয়েল বেকেট একজন বিখ্যাত নাট্যকার ছিলেন, যিনি ‘ওয়েটিং ফর গডো’ নামক বিখ্যাত অ্যাবসার্ড নাটক লিখেছেন। C) Arthur Miller — আর্থার মিলার একজন আমেরিকান নাট্যকার ছিলেন, যিনি ‘ডেথ অব এ সেলসম্যান’ নাটকের জন্য সর্বাধিক পরিচিত। D) George Bernard Shaw — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: শ-এর নাটক মানেই সমাজ সংস্কার ও ব্যঙ্গ, আর ‘Arms and the Man’ হলো তার অন্যতম সেরা যুদ্ধবিরোধী একটি নাটক।
a follow on
b follow
c fall out
d following
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) fall out কেন সঠিক: শূন্যস্থানে একটি নাউন প্রয়োজন যা ক্রিকেট খেলার জনপ্রিয়তা ও ভক্তদের নির্দেশ করে। এখানে বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে নির্দিষ্ট এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) follow on — এটি ক্রিকেট খেলার একটি বিশেষ নিয়ম বা টার্ম, যা এখানে ভক্ত বা দর্শক বোঝাতে বসে না। B) follow — এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়া, কিন্তু শূন্যস্থানের আগে একটি ডিটারমিনার থাকায় এখানে নাউন বসবে। C) fall out — এটি একটি ফ্রেজ যা ঝগড়া বা মতবিরোধ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এখানে অর্থসংগত নয়। D) following — এটি সঠিক নাউন ফর্ম যা ভক্ত বা অনুসারীদের একটি বিশাল দলকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে শূন্যস্থানের আগে আর্টিকেল থাকলে এবং পরে জনপ্রিয়তা বুঝাতে চাইলে সঠিক নাউন রূপটি বেছে নিতে হবে।
a had
b might
c have
d Would
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) had কেন সঠিক: এটি তৃতীয় Conditional sentence এর নিয়ম যেখানে past unreal past বোঝানো হয়েছে। প্রথম অংশে could have এর সাথে verb এর past participle থাকায় অপর অংশে had বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had — এটি সঠিক উত্তর কারণ Perfect conditional গঠনে subject এর পরে had বসেছে। B) might — এখানে বসেছে could have, তাই একই সাথে আরেকটি modal verb বসে বাক্য গঠন করা ভুল। C) have — এটি present tense নির্দেশ করে, কিন্তু মূল বাক্যে past perfect এর অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। D) Would — এখানে বাক্যের অর্থ এবং নিয়ম অনুযায়ী দুটি modal verb একসাথে ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: Third conditional বাক্যে if এর পরে সবসময় had এবং মূল verb এর past participle বসে।
a in the beginning
b at the height
c at the end
d in the confrontation
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) at the height কেন সঠিক: কাহিনীর মূল দ্বন্দ্ব বা উত্তেজনার সবচেয়ে তীব্র মুহূর্তকে ক্লাইম্যাক্স বলা হয়। এটি গল্পের মোড় ঘুরিয়ে দেয় এবং গল্পের শীর্ষবিন্দু প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in the beginning — গল্পের শুরুকে ইন্ট্রোডাকশন বা সূচনা বলা হয়, ক্লাইম্যাক্স নয়। B) at the height — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক্লাইম্যাক্স মানেই উত্তেজনার শীর্ষবিন্দু। C) at the end — গল্পের শেষ অংশকে রেজলিউশন বা সমাপ্তি বলা হয়। D) in the confrontation — এটি সংঘাতের পর্যায়, যা ক্লাইম্যাক্সের দিকে নিয়ে যায় মাত্র। মনে রাখার টিপস: পাহাড়ের চূড়াকে পিক বা হাইট বলা হয়, আর গল্পের চূড়াকে ক্লাইম্যাক্স বলা হয়।
a Sweet: Sour
b Injure: Incapacitate
c Stout: Weak
d Hook: Crook
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Injure: Incapacitate কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে শব্দের জোড়ার সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে, যেখানে দ্বিতীয় শব্দটি প্রথম শব্দটির পরবর্তী বা তীব্রতর ধাপ প্রকাশ করে। - আঘাত করা (Harm) থেকে ক্ষতি হওয়া (Damage) এবং আহত করা (Injure) থেকে পঙ্গু বা অক্ষম করা (Incapacitate) হলো একই তীব্রতার ক্রম বা মাত্রাগত রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sweet: Sour — এটি মিষ্টি ও টক, যা একে অপরের বিপরীতার্থক শব্দ এবং প্রশ্নের মাত্রাগত সম্পর্কের সাথে মিলে না। B) Injure: Incapacitate — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। C) Stout: Weak — এটি শক্ত বা শক্তিশালী এবং দুর্বল, যা সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থের শব্দ। D) Hook: Crook — এটি হুক এবং কাস্তে আকৃতির বস্তু, যা সমার্থক বা যন্ত্রবিশেষের নাম কিন্তু তীব্রতার ধাপ নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দের তীব্রতা বা মাত্রার ক্রম মনে রাখবে, যেমন ছোট ক্ষতি থেকে বড় ক্ষতি বা হালকা আঘাত থেকে গুরুতর অক্ষমতা।
a a Jew
b a Roman
c a Turk
d a Moor
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a Moor কেন সঠিক: শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি ওথেলো নাটকের মূল চরিত্র ওথেলো উত্তর আফ্রিকার মরোক্কোর একজন মুর বা কৃষ্ণাঙ্গ সামরিক সেনাপতি ছিলেন। নাটকে তাকে বারবার দ্য মুর অফ ভেনিস হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a Jew — শেক্সপিয়ারের দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস নাটকের শাইলক চরিত্রটি একজন ইহুদি ছিলেন, ওথেলো নন। B) a Roman — শেক্সপিয়ারের জুলিয়াস সিজার বা অ্যান্টনি অ্যান্ড ক্লিওপেট্রা নাটকগুলো রোমান সাম্রাজ্যের ইতিহাস নিয়ে রচিত। C) a Turk — নাটকে তুর্কিরা শত্রু পক্ষ হিসেবে উপস্থিত থাকলেও প্রধান চরিত্র ওথেলো নিজে তুর্কি ছিলেন না। D) a Moor — এই অপশনটি সঠিক কারণ নাটকের প্রধান চরিত্র ওথেলো নিজেই একজন মুর সম্প্রদায়ের মানুষ ছিলেন। মনে রাখার টিপস: ওথেলো নাটকের মূল চরিত্র ওথেলোকে সবসময় দ্য মুর অফ ভেনিস বলা হয়, তাই উত্তর হবে মুর।
a to discriminate
b disintegrate
c differentiate
d dislocate
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) disintegrate কেন সঠিক: ১৮ শতকে ঔরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর মুঘল সাম্রাজ্যের পতন ও ভাঙন শুরু হয়েছিল। এই ঐতিহাসিক ঘটনার সাথে সামঞ্জস্য রেখে সঠিক ইংরেজি শব্দ হিসেবে disintegrate ব্যবহৃত হয়। শব্দটির অর্থ ভেঙে যাওয়া বা টুকরো টুকরো হয়ে যাওয়া। বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এই শব্দটি নিখুঁতভাবে মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) discriminate — এর অর্থ বৈষম্য করা, যা মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের ইতিহাসের সাথে মানানসই নয়। B) disintegrate — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল নেই। C) differentiate — এর অর্থ পার্থক্য করা, যা সাম্রাজ্যের পতনের এই বাক্যে অর্থ প্রকাশ করে না। D) dislocate — এর অর্থ স্থানচ্যুত করা, যা একটি বিশাল সাম্রাজ্যের পতনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মুঘল সাম্রাজ্যের পতন বোঝাতে ভেঙে যাওয়ার ইংরেজি শব্দ disintegrate মনে রাখবে।
a increases (বৃদ্ধি করা)
b emphasizes (জোড় দেওয়া)
c encourages (উৎসাহ দেওয়া)
d involves (সম্পৃক্ত করা)
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) increases (বৃদ্ধি করা) কেন সঠিক: বাক্যটির অর্থ হলো মোটা হওয়া মানেই সরাসরি মৃত্যু নয়, তবে এটি মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এখানে 'risk' বা ঝুঁকি বাড়ানোর ক্ষেত্রে 'increases' শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত ও অর্থপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) increases — এটি সঠিক উত্তর। B) emphasizes — এর অর্থ জোর দেওয়া, যা ঝুঁকির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) encourages — এর অর্থ উৎসাহ দেওয়া, যা নেতিবাচক ঝুঁকির সাথে যায় না। D) involves — এর অর্থ সম্পৃক্ত করা, যা এখানে অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: ঝুঁকি বা সম্ভাবনা বেশি হওয়া বোঝালে সবসময় increases বা বাড়ানো শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
a Dylan Thomas
b Ezra Pound
c W. H. Audeno
d W. B. Yeats
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) W. B. Yeats কেন সঠিক: ডব্লিউ বি ইয়েটস আইরিশ সাহিত্যের একজন অত্যন্ত বিখ্যাত কবি ও নাট্যকার। তাঁর বিখ্যাত কবিতা দ্য লেক আইল অফ ইনিসফ্রি উনিশ শতকের শেষ দিকে প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dylan Thomas — ডিলান থমাস একজন ওয়েলশ কবি ছিলেন যিনি মূলত আধুনিক যুগের নানা জটিল ও ভাববাদী কবিতা রচনার জন্য বেশি পরিচিত। B) Ezra Pound — এজরা পাউন্ড একজন মার্কিন কবি ও সমালোচক যিনি আধুনিকতাবাদী কাব্য আন্দোলনের অন্যতম প্রধান রূপকার ছিলেন। C) W. H. Audeno — ডব্লিউ এইচ অডেন একজন ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত আমেরিকান কবি যিনি বিশ শতকের রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকটের নানা দিক ফুটিয়ে তুলেছেন। D) W. B. Yeats — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এই কবি তার গ্রামবাংলার নিসর্গ প্রেমের জন্য বিখ্যাত। মনে রাখার টিপস: ইনিসফ্রি একটি শান্ত দ্বীপের নাম আর ইয়েটস শান্ত প্রকৃতির কবি হিসেবে এটি লিখেছেন।

মোট প্রশ্ন (24)

a 55.5
b 60.5
c 65.5
d 62.5
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬২.৫ প্রদত্ত তথ্য: মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা = ১০০ জন সকলের গড় নম্বর = ৭০ ধরি, মোট শিক্ষার্থীর মোট নম্বর = ১০০ × ৭০ = ৭০০০০ নয়, এখানে ১০০ × ৭০ = ৭০০০ ছাত্রীর সংখ্যা = ৬০ জন অতএব, ছাত্রদের সংখ্যা = ১০০ − ৬০ = ৪০ জন ছাত্রীদের গড় নম্বর = ৭৫ ছাত্রীদের মোট নম্বর = ৬০ × ৭৫ = ৪৫০0 সুতরাং, ছাত্রদের মোট নম্বর = ৭০০০ − ৪৫০0 = ২৫০০ ছাত্রদের গড় নম্বর = ২৫০০ ÷ ৪০ = ৬২.৫ উত্তর: ৬২.৫
a 110
b 150
c 125
d 160
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫০% প্রদত্ত তথ্য: মোট সংখ্যা = ১২ নির্ণেয় অংশ = ১৮ ধরি, ১২ এর ক শতাংশ সমান ১৮ অতএব, ১২ × (ক ÷ ১০০) = ১৮ সুতরাং, ক = (১৮ × ১০০) ÷ ১২ উত্তর: ১৫০
a 10
b 15
c 5
d 3
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ প্রদত্ত তথ্য: ১টি আধুলির মূল্য = ৫০ পয়সা ১টি সিকির মূল্য = ২৫ পয়সা ধরি, ৫টি আধুলির মোট মূল্য = ৫ × ৫০ = ২৫০ পয়সা ৮টি সিকির মোট মূল্য = ৮ × ২৫ = ২০০ পয়সা অতএব, বর্তমানে মোট টাকার পরিমাণ = ২৫০ + ২০০ = ৪৫০ পয়সা ৫ টাকা সমান = ৫০০ পয়সা সুতরাং, আরও লাগবে = ৫০০ − ৪৫০ = ৫০ পয়সা উত্তর: ৫০ পয়সা মানে ৫টি ১০ পয়সার মুদ্রা
a 1980
b 2840
c 3840
d 4620
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৪৮০ প্রদত্ত তথ্য: নম্বর সিরিজটি হলো ১, ২, ৮, ৪৮, ৩৮৪, — ধরি, সিরিজের প্রথম পদ = ১ সিরিজের দ্বিতীয় পদ = ২ সিরিজের তৃতীয় পদ = ৮ অতএব, ১ × ২ = ২ ২ × ৪ = ৮ ৮ × ৬ = ৪৮ সুতরাং, ৪৮ × ৮ = ৩৮৪ ৩৮৪ × ১০ = ৩৮৪০ উত্তর: ৩৮৪০
a 7
b 343
c 77
d 49
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪৯ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম ভগ্নাংশের লব = ৭ দ্বিতীয় ভগ্নাংশের হর = ৩৪৩ প্রশ্নবোধক চিহ্ন দুটিতে একই সংখ্যা বসবে ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক অতএব, প্রশ্নানুসারে লেখা যায়, ৭ ÷ ক = ক ÷ ৩৪৩ কোণাাকুণি গুণ করে পাই, ক × ক = ৭ × ৩৪৩ ক এর বর্গ = ২৪০১ সুতরাং, ক = √২৪০১ ক = ৪৯ উত্তর: ৪৯
a 0.000126
b 0.00000126
c 0.000126
d 0.126
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.০০০০০০১২৬ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ০.০৩ দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০০৬ তৃতীয় সংখ্যা = ০.০০৭ ধরি, রাশি তিনটি হলো ০.০৩, ০.০০৬ এবং ০.০০৭ এদের মধ্যে গুণ করতে হবে অতএব, প্রথমে পূর্ণসংখ্যাগুলোর গুণফল বের করি ৩ × ৬ × ৭ = ১২৬ সুতরাং, দশমিকের পর মোট অঙ্ক আছে দুই যোগ তিন যোগ তিন অর্থাৎ আটটি তাই ১২৬ এর আগে পাঁচটি শূন্য বসবে উত্তর: ০.০০০০০০১২৬
a ৬টি
b ৭টি
c ৮টি
d ১০টি
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮টি প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ আকৃতির চিত্রে ছোট ও বড় ত্রিভুজ গণনা করতে হবে ধরি, ছোট ত্রিভুজের সংখ্যা হলো মোট ৪টি মাঝারি ও বড় ত্রিভুজের সংখ্যা হলো আরও ৪টি অতএব, একক ত্রিভুজগুলো নিয়ে গঠিত = ৪টি মিশ্র ত্রিভুজগুলো নিয়ে গঠিত = ৪টি সুতরাং, মোট ত্রিভুজের সংখ্যা = ৪ + ৪ = ৮টি উত্তর: ৮টি
a 17
b 18
c 20
d 21
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ গণনার একটি নির্দিষ্ট জ্যামিতিক চিত্র দেওয়া আছে চিত্রটিতে ছোট এবং বড় বিভিন্ন আকারের ত্রিভুজ রয়েছে ধরি, ছোট ত্রিভুজের সংখ্যা নির্দিষ্ট নিয়মে হিসাব করতে হবে যৌগিক ত্রিভুজগুলোর ক্ষেত্রে ক্ষেত্রফল এবং শীর্ষবিন্দু বিবেচনা করতে হবে অতএব, প্রথম স্তরের ছোট ত্রিভুজগুলোর সংখ্যা গণনা করা হলো দ্বিতীয় স্তরের মিলিত ত্রিভুজগুলোর সংখ্যা বের করা হলো সুতরাং, সব কয়টি ছোট ও বড় ত্রিভুজ একত্রিত করা হলো উত্তর: ২০
a TENSION
b NATIONAL
c RELATION
d RELATIVE
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) RELATION প্রদত্ত তথ্য: আয়নায় প্রতিফলিত হওয়ার সময় প্রতিটি অক্ষর উল্টে যায় মূল শব্দ এবং আয়নায় দেখা শব্দের মধ্যে পার্শ্বীয় পরিবর্তন ঘটে ধরি, মূল শব্দটি অপশন থেকে নেওয়া হয়েছে প্রতিটি অক্ষরের পার্শ্বীয় প্রতিফলন পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে অতএব, প্রথম অক্ষরটি বিপরীত দিক থেকে উল্টোভাবে প্রতিফলিত হয় শেষ অক্ষরটি বিপরীত দিক থেকে প্রথমে অবস্থান করে সুতরাং, অপশন সি এর প্রতিটি অক্ষর সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়েছে উত্তর: C) RELATION
a 6
b 8
c 3
d 9
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম বন্ধনীর ভেতরের সংখ্যা হলো দুই এবং নিরানব্বই দ্বিতীয় বন্ধনীর ভেতরের সংখ্যা হলো চার এবং দুই হাজার পাঁচশত পঁচিশ ধরি, প্রথম বন্ধনীর প্রথম সংখ্যার কিউব হলো দুই এর কিউব সমান আট প্রথম বন্ধনীর দ্বিতীয় সংখ্যা হলো নিরানব্বই এবং তাদের যোগফল হলো একশত সাত অতএব, দ্বিতীয় বন্ধনীর প্রথম সংখ্যার কিউব হলো চার এর কিউব সমান চৌষট্টি দ্বিতীয় বন্ধনীর দ্বিতীয় সংখ্যা হলো দুই হাজার পাঁচশত পঁচিশ এবং তাদের যোগফল হলো দুই হাজার পাঁচশত ঊননব্বই সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানের প্রথম সংখ্যার কিউব এবং পরের যোগফল মিলিয়ে প্যাটার্ন তৈরি হয় সঠিক সংখ্যাটি হলো ছয় যার কিউব এবং পরবর্তী হিসাব মিলে নির্দিষ্ট নিয়ম মানে উত্তর: ৬
a 2
b 3
c 4
d 5
0 134 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ প্রدত্ত তথ্য: CALCUTTA শব্দটিতে মোট ৮টি বর্ণ আছে যার মধ্যে C আছে ২টি, A আছে ২টি, T আছে ২টি AMERICA শব্দটিতে মোট ৭টি বর্ণ আছে যার মধ্যে A আছে ২টি ধরি, CALCUTTA শব্দটির বর্ণগুলোর বিন্যাস সংখ্যা = প্রথম সংখ্যা AMERICA শব্দটির বর্ণগুলোর বিন্যাস সংখ্যা = দ্বিতীয় সংখ্যা অতএব, প্রথম সংখ্যা = ৮ ফ্যাকটোরিয়াল ÷ (২ ফ্যাকটোরিয়াল × ২ ফ্যাকটোরিয়াল × ২ ফ্যাকটোরিয়াল) দ্বিতীয় সংখ্যা = ৭ ফ্যাকটোরিয়াল ÷ ২ ফ্যাকটোরিয়াল সুতরাং, প্রথম সংখ্যার মান = ৪০৩২০ ÷ ৮ = ৫০৪০ দ্বিতীয় সংখ্যার মান = ৫০৪০ ÷ ২ = ২৫২০ উত্তর: ৫০৪০ ÷ ২৫২০ = ২
a 10
b 15
c 40
d 30
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪০ প্রদত্ত তথ্য: মোট লোকের সংখ্যা = ৫০ জন ইংরেজি বলতে পারেন = ৩৫ জন উভয় ভাষা বলতে পারেন = ২৫ জন ধরি, বাংলা বলতে পারেন = ক জন অতএব, শুধু ইংরেজি বলতে পারেন = ৩৫ − ২৫ = ১০ জন শুধু বাংলা বলতে পারেন = ক − ২৫ জন সুতরাং, মোট লোক = শুধু ইংরেজি + শুধু বাংলা + উভয় ভাষা ৫০ = ১০ + (ক − ২৫) + ২৫ উত্তর: ক = ৪০ জন
a 1.5
b 2.5
c 1.2
d 4
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১.২ প্রদত্ত তথ্য: কলার দাম কমে গেল ২০% ১২ টাকায় বেশি পাওয়া যায় ২টি কলা ধরি, পূর্বের কলার দাম ক টাকা বর্তমানে কলার দাম ৮০ক ÷ ১০০ টাকা অতএব, ১২ টাকার ২০% = ১২ × ২০ ÷ ১০০ = ২.৪ টাকা ২টি কলার বর্তমান দাম ২.৪ টাকা সুতরাং, একটি কলার বর্তমান দাম ২.৪ ÷ ২ = ১.২ টাকা উত্তর: ১.২ টাকা
a 728
b 286
c 364
d 1001
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৮৬ প্রদত্ত তথ্য: মোট খেলোয়াড়ের সংখ্যা = ১৪ জন নির্দিষ্ট একজন অধিনায়ক অন্তর্ভুক্ত থাকবে ধরি, অধিনায়ক নিশ্চিতভাবে দলে আছে বাকি খেলোয়াড়ের সংখ্যা = ১৪ − ১ = ১৩ জন অতএব, বাকি দল গঠনের জন্য নিতে হবে = ১১ − ১ = ১০ জন খেলোয়াড় এখন ১৩ জন থেকে ১০ জন খেলোয়াড় বাছাই করতে হবে এই বাছাই করার মোট উপায় = ১৩C১০ সুতরাং, ১৩C১০ এর মান নির্ণয় করতে হবে ১৩! ÷ (১০! × ৩!) হিসাব করতে হবে উত্তর: ২৮৬
a 4𝜋−84π−8
b 4𝜋+84π+8
c 2𝜋−42π−4
d 2𝜋+42π+4
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪π − ৮ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ২ সেমি ধরি, বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × ব্যাসার্ধ × ব্যাসার্ধ বর্গক্ষেত্রের কর্ণ = বৃত্তের ব্যাস অতএব, বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × ২ × ২ = ৪π বর্গ সেমি বৃত্তের ব্যাস = ২ × ২ = ৪ সেমি সুতরাং, বর্গক্ষেত্রের বাহু = ৪ ÷ √২ = ২√২ সেমি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = বাহু × বাহু = (২√২) × (২√২) = ৮ বর্গ সেমি উত্তর: আবদ্ধ অঞ্চলের ক্ষেত্রফল = ৪π − ৮ বর্গ সেমি
a 1
b 2
c 4
d 5
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ প্রدত্ত তথ্য: লগ এর ভিত্তি এ এবং এক্স এর মান এক লগ এর ভিত্তি এ এবং ওয়াই এর মান দুই লগ এর ভিত্তি এ এবং জেড এর মান তিন প্রয়োগ সূত্র: লগ এর গুণের নিয়ম হলো যোগ করা লগ এর ভাগের নিয়ম হলো বিয়োগ করা লগ এর পাওয়ার সামনে চলে আসে ধরি, এক্স কিউব মানে তিন গুণ এক ওয়াই স্কয়ার মানে দুই গুণ দুই জেড এর মান তিন অতএব, এক্স কিউব এর লগ মান = ৩ ওয়াই স্কয়ার এর লগ মান = ৪ জেড এর লগ মান = ৩ সুতরাং, পুরো রাশির লগ মান সমান ৩ + ৪ − ৩ উত্তর: ৪
a 1221​
b −12−21​
c 1441​
d −14−41​
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) −১÷৪ প্রদত্ত তথ্য: গুণোত্তর অনুক্রমের দ্বিতীয় পদ = −৪৮ গুণোত্তর অনুক্রমের পঞ্চম পদ = ৩÷৪৫৭ ধরি, প্রথম পদ = a সাধারণ অনুপাত = r অতএব, দ্বিতীয় পদ ar = −৪৮ পঞ্চম পদ ar^(৪) = ৩÷৪৫৭ সুতরাং, (ar^(৪)) ÷ (ar) = (৩÷৪৫৭) ÷ (−৪৮) r^(৩) = −১÷৬৪ উত্তর: r = −১÷৪
a 2
b – 2
c 3
d -3
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) − ২ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম রাশির ভিত্তি হলো তিন এবং এর সাথে আছে নয় ভাগের এক ধরি, নির্ণেয় মানটি সমান হলো ক তাহলে লেখা যায় লগ তিন ভিত্তিক নয় ভাগের এক সমান ক অতএব, লগারিদমের নিয়ম অনুযায়ী লেখা যায় তিন এর পাওয়ার ক সমান এক ভাগ নয় বা তিন এর পাওয়ার ক সমান এক ভাগ তিন এর বর্গ সুতরাং, তিন এর পাওয়ার ক সমান তিন এর পাওয়ার মাইনাস দুই অতএব ক এর মান হলো মাইনাস দুই উত্তর: − ২
a 100
b 110101
c 10
d 11001001
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০০ প্রدত্ত তথ্য: এক্স এর পাওয়ার মাইনাস তিন বিয়োগ শূন্য দশমিক শূন্য শূন্য এক সমান শূন্য ধরি, এক্স এর পাওয়ার মাইনাস তিন সমান শূন্য দশমিক শূন্য শূন্য এক অতএব, এক বাই এক্স কিউব সমান এক বাই এক হাজার সুতরাং, এক্স কিউব সমান এক হাজার উত্তর: এক্স স্কয়ার সমান দশ গুণ দশ সমান একশ
a 2<𝑥<82<x<8
b −2<𝑥<8−2<x<8
c −8<𝑥<−2−8<x<−2
d −4<𝑥<−2−4<x<−2
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) −৮ < 𝑥 < −২ প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো |𝑥 − ৩| < ৫ |𝑥 − ৩| < ৫ ধরি, অসমতার পরম মান উঠিয়ে পাই −৫ < 𝑥 − ৩ < ৫ এবং −৫ < 𝑥 − ৩ < ৫ অতএব, বামপক্ষের জন্য −৫ + ৩ < 𝑥 ডানপক্ষের জন্য 𝑥 < ৫ + ৩ সুতরাং, সমাধানটি দাঁড়ায় −২ < 𝑥 < ৮ এবং −২ < 𝑥 < ৮ উত্তর: −৮ < 𝑥 < −২
a 1
b 2
c 3
d 4
0 134 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো ৩ ÷ x + ৪ ÷ (x + ১) = ২ ধরি, x এর মান অপশন থেকে ৩ বসিয়ে পাই অতএব, বামপক্ষ = ৩ ÷ ৩ + ৪ ÷ (৩ + ১) হিসাব করে পাই, ১ + ৪ ÷ ৪ = ১ + ১ = ২ সুতরাং, বামপক্ষ সমান ডানপক্ষ হয়েছে উত্তর: ৩
a 3
b 4
c 5
d 6
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ প্রদত্ত তথ্য: দুটি রাশির বিয়োগফল হলো দুই রাশির গুণফল হলো চব্বিশ ধরি, প্রথম রাশিটি হলো x দ্বিতীয় রাশিটি হলো y অতএব, সূত্র ব্যবহার করে পাই, (x + y)² = (x − y)² + 4xy মান বসিয়ে পাই, (x + y)² = (২)² + ৪ × ২৪ সুতরাং, (x + y)² = ৪ + ৯৬ = ১০০ x + y = ১০ এখন, x − y = ২ এবং x + y = ১০ যোগ করে পাই, ২x = ১২ x এর ধনাত্মক মানটি হলো ছয় উত্তর: ৬
a 318
b 308
c 283
d 279
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০৮ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি সংখ্যার গসাগু = ১১ দুইটি সংখ্যার লসাগু = ৭৭০০ একটি সংখ্যা = ২৭৫ ধরি, অপর সংখ্যাটি = ক আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = লসাগু × গসাগু অতএব, ২৭৫ × ক = ৭৭০০ × ১১ সুতরাং, ক = (৭৭০০ × ১১) ÷ ২৭৫ উত্তর: ৩০৮
a 40
b 50
c 60
d 70
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬০ প্রদত্ত তথ্য: মোট ফলের রস = ৬০ লিটার আম ও কমলার অনুপাত = ২ : ১ ধরি, আমের রসের পরিমাণ = ২ক লিটার কমলার রসের পরিমাণ = ১ক লিটার অতএব, ২ক + ক = ৬০ ৩ক = ৬০ সুতরাং, ক = ২০ আমের রস = ৪০ লিটার এবং কমলার রস = ২০ লিটার উত্তর: নতুন অনুপাত ১ : ২ করতে কমলার রস লাগবে ৮০ লিটার, তাই বৃদ্ধি করতে হবে ৮০ − ২০ = ৬০ লিটার

মোট প্রশ্ন (66)

a 25
b 28
c 27
d 26
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৫ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ টেলিভিশন ছাড়া অন্যান্য বেসরকারি স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ে লাইসেন্সপ্রাপ্ত পূর্ণাঙ্গ সম্প্রচারে থাকা চ্যানেলের সংখ্যা হিসেবে এই তথ্যটি প্রযোজ্য। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সিলেবাস ও বিগত সালের প্রশ্নের প্রচলিত ধারা অনুযায়ী এই সংখ্যাটি সঠিক হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী সঠিক। B) ২৮ — এই সংখ্যাটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না এবং বর্তমান অনুমোদিত বা সম্প্রচারিত চ্যানেলের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। C) ২৭ — এটি এই নির্দিষ্ট প্রশ্নের সঠিক উত্তরের অপশন নয় এবং এর পক্ষে কোনো ঐতিহাসিক বা দাপ্তরিক ভিত্তি নেই। D) ২৬ — এটি সঠিক উত্তরের সঙ্গে মিলে না এবং অন্যান্য ভুল অপশনের মতো বিভ্রান্তিকর একটি সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: বেসরকারি টিভি চ্যানেলের সংখ্যা মনে রাখতে সংখ্যাটিকে একটি নির্দিষ্ট মান হিসেবে ধরে নিতে হবে, যা বিসিএস বা অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান অংশে আসে।
a ওয়াসফিয়া নাজনীন
b এম. এ. মুহিম
c মুসা ইব্রাহিম
d নিশাত মজুমদার
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) নিশাত মজুমদার কেন সঠিক: - নিশাত মজুমদার ১৯ মে ২০১২ তারিখে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। - তিনি বাংলাদেশ ও এভারেস্ট জয়ী নারী পর্বতারোহীদের ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক স্থাপন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়াসফিয়া নাজনীন — তিনি ২৬ মে ২০১২ তারিখে দ্বিতীয় বাংলাদেশী নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন, ১৯ মে নয়। B) এম. এ. মুহিম — তিনি এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রধান এভারেস্ট জয়ী পর্বতারোহী নন। সি) মুসা ইব্রাহিম — তিনি প্রথম বাংলাদেশী পুরুষ হিসেবে ২০১০ সালে এভারেস্ট জয় করেছিলেন, ২০১২ সালের এই নির্দিষ্ট তারিখের নন। D) নিশাত মজুমদার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: নিশাত মজুমদার প্রথম নারী হিসেবে ২০১২ সালের মে মাসে এভারেস্ট জয় করেন।
a চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা
b সতীদাহ নিবারণ ব্যবস্থা
c দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা
d পুলিশ ব্যবস্থা
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পুলিশ ব্যবস্থা কেন সঠিক: - লর্ড ক্যানিং ১৮৬১ সালের পুলিশ অ্যাক্ট পাসের মাধ্যমে ব্রিটিশ ভারতে আধুনিক পুলিশ ব্যবস্থার প্রচলন করেন। - সিপাহী বিদ্রোহের পর আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা জোরদার করার জন্য এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা — এটি ১৭৯৩ সালে লর্ড কর্নওয়ালিস প্রবর্তন করেছিলেন, লর্ড ক্যানিং নন। B) সতীদাহ নিবারণ ব্যবস্থা — এটি ১৮২৯ সালে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক কর্তৃক প্রবর্তিত ও আইনগতভাবে নিষিদ্ধ হয়। C) দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা — এটি ১৭৬৫ সালে লর্ড ক্লাইভ বাংলায় প্রবর্তন করেছিলেন এবং ১৭৭২ সালে ওয়ারেন হেস্টিংস তা বাতিল করেন। D) পুলিশ ব্যবস্থা — এটি লর্ড ক্যানিং কর্তৃক প্রবর্তিত আধুনিক পুলিশ প্রশাসন সংক্রান্ত সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: ক্যানিং ও পুলিশ দুটি শব্দ মনে রাখুন এভাবে: ক্যানিংয়ের আমলে পুলিশ বাহিনী গঠিত হয় ১৮৬১ সালে।
a বারাং
b পুঞ্জি
c পাড়া
d মৌজা
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পুঞ্জি কেন সঠিক: - খাসিয়া আদিবাসীদের বসতি বা গ্রামগুলো পুঞ্জি নামে পরিচিত। - সিলেট অঞ্চলের পাহাড়ী এলাকায় খাসিয়া সম্প্রদায়ের মানুষ এই বিশেষ ব্যবস্থায় বসবাস করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বারাং — এটি খাসিয়া গ্রাম বোঝায় না, তাই সঠিক নয়। B) পুঞ্জি — এটি সঠিক উত্তর এবং খাসিয়া গ্রামগুলোর পরিচিত নাম। C) পাড়া — এটি সাধারণ বাঙালি বা অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাধারণ বসতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) মৌজা — এটি ভূমি রাজস্ব প্রশাসনের একটি প্রশাসনিক একক, কোনো আদিবাসী গ্রাম নয়। মনে রাখার টিপস: খাসিয়াদের বসবাস মানেই পুঞ্জি, এটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
a আনন্দ বিহার
b গােসিপাে বিহার
c নালন্দা বিহার
d সােমপুর বিহার
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নালন্দা বিহার কেন সঠিক: - হাস্থবীর শিলদ্র প্রাচীন ভারতের বিখ্যাত নালন্দা মহাবিহারের একজন প্রখ্যাত আচার্য ও বৌদ্ধ পণ্ডিত ছিলেন। - ঐতিহাসিক ও প্রাচীন বৌদ্ধ গ্রন্থ এবং তিব্বতীয় বিবরণীতে তাঁর এই পরিচয়ের উল্লেখ পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনন্দ বিহার — এটি ময়নামতির একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার, যার সাথে আচার্য শিলদ্রের ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। B) গোসিপো বিহার — এটি প্রাচীন ভারতের একটি বিহার হলেও আচার্য শিলদ্রের কর্মক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত নয়। C) নালন্দা বিহার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) সোমপুর বিহার — এটি বাংলাদেশের নওগাঁয় অবস্থিত ঐতিহাসিক পাল আমলের বিহার, যেখানে তিনি আচার্য ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: নালন্দা মহাবিহারের পণ্ডিতদের নাম মনে রাখার সময় আচার্য শিলদ্রের নাম নালন্দার সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে হবে।
a 4500
b 4550
c 4600
d 5600
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৫৫০ কেন সঠিক: - স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা ৪,৫৫০টি। - এটি বাংলাদেশের তৃণমূল পর্যায়ের সবচেয়ে ছোট প্রশাসনিক ও স্থানীয় সরকার একক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 4500 — এটি বর্তমান সঠিক সংখ্যার চেয়ে কম এবং কোনো নির্দিষ্ট সরকারি প্রশাসনিক হিসাবের সাথে মিলে না। B) 4550 — এটি স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক নির্ধারিত বাংলাদেশের ইউনিয়ন পরিষদের সঠিক ও হালনাগাদ সংখ্যা। C) 4600 — এটি অতিরিক্ত সংখ্যা যা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের চেয়ে বেশি। D) 5600 — এই সংখ্যাটি ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যার সাথে সম্পূর্ণ অমিল এবং এটি অন্য কোনো প্রশাসনিক এককের হতে পারে। মনে রাখার টিপস: ইউনিয়ন পরিষদ সংখ্যা মনে রাখতে মাঝের সংখ্যাটি মনে রাখুন, চার হাজার সাড়ে চারশ অর্থাৎ ৪,৫৫০টি।
a রাঙামাটি
b বান্দরবান
c খাগড়াছড়ি
d সিলেট
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) বান্দরবান কেন সঠিক: - প্রান্তিক হ্রদ বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলায় অবস্থিত একটি অত্যন্ত সুন্দর ও প্রাকৃতিক পর্যটন কেন্দ্র। - পাহাড়ি ঢলের পানি আটকে এই হ্রদ বা লেকটি সৃষ্টি হয়েছে এবং এটি বান্দরবান সদর থেকে প্রায় দশ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাঙামাটি — রাঙামাটিতে বিখ্যাত কাপ্তাই হ্রদ ও পিজাম হ্রদ অবস্থিত, তবে প্রান্তিক হ্রদ এখানে অবস্থিত নয়। B) বান্দরবান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ প্রান্তিক হ্রদ এই জেলাতেই অবস্থিত। C) খাগড়াছড়ি — খাগড়াছড়িতে তৈদুছড়া ঝরনা ও আলুটিলা গুহা বিখ্যাত হলেও প্রান্তিক হ্রদ এখানে নেই। D) সিলেট — সিলেটে মাধবকুণ্ড ও জাফলং অবস্থিত, যা এই হ্রদের ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বান্দরবানের প্রান্তিক হ্রদ মনে রাখতে মাথায় রাখুন বান্দরবানের পাহাড়ি প্রান্তসীমায় এই সুন্দর হ্রদটি অবস্থিত।
a অতীশ দিপঙ্কর
b মাহুয়ান
c শিলভদ্র
d মেগাস্থিনিস
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শিলভদ্র কেন সঠিক: - প্রাচীন ভারতের বিখ্যাত বৌদ্ধ বিহার নালন্দার প্রধান আচার্য বা উপাধ্যায় ছিলেন আচার্য শিলভদ্র। - সপ্তম শতাব্দীতে চীন থেকে ভারত ভ্রমণকালে হিউয়েন সাঙ নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিলভদ্রের নিকট বৌদ্ধ দর্শনের ওপর শিক্ষালাভ ও দীক্ষা নেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অতীশ দিপঙ্কর — তিনি একজন বাঙালি বৌদ্ধ পন্ডিত ও অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান নামে পরিচিত যিনি পরে তিব্বতে বৌদ্ধধর্ম প্রচার করেন। B) মাহুয়ান — তিনি একজন চীনা পরিব্রাজক ও অনুবাদক ছিলেন যিনি পনেরো শতকে মীর জাফরের সমসাময়িককালে বাংলায় এসেছিলেন। D) মেগাস্থিনিস — তিনি প্রাচীন গ্রিসের একজন ঐতিহাসিক ও কূটনৈতিকদূত ছিলেন যিনি চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের রাজসভায় এসেছিলেন। মনে রাখার টিপস: চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ-এর নামের প্রথম বর্ণ হ এবং শিলভদ্রের প্রথম বর্ণ শ মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন হিউয়েন সাঙ এর শিক্ষক শিলভদ্র।
a সেন্টমার্টিন
b চর আলেকজান্ডার
c রাঙ্গাবালি
d ছেড়াদ্বীপ
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সেন্টমার্টিন কেন সঠিক: - সেন্টমার্টিন দ্বীপের সমুদ্র সৈকত সামুদ্রিক কচ্ছপ, বিশেষ করে অলিভ টারটল বা জলপাই রঙের কাছিমের ডিম পাড়ার প্রধান প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র। - এই দ্বীপে রাতের বেলা সামুদ্রিক কাছিম বালুচরে এসে ডিম পাড়ে এবং পরিবেশ অনুকূল থাকায় এটি তাদের নিরাপদ আবাসস্থল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেন্টমার্টিন — এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং সামুদ্রিক কচ্ছপের প্রজনন ও বসবাসের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। B) চর আলেকজান্ডার — এটি নোয়াখালীর রামগতি উপজেলায় অবস্থিত মেঘনা নদীর অববাহিকার একটি জনবহুল চর, যা সামুদ্রিক কাছিমের প্রজনন ক্ষেত্র নয়। C) রাঙ্গাবালি — এটি পটুয়াখালী জেলার একটি উপজেলা ও উপকূলীয় দ্বীপ এলাকা, যেখানে অলিভ টারটল বা জলপাই রঙের কচ্ছপ নিয়মিত ডিম পাড়ার জন্য পরিচিত নয়। D) ছেড়াদ্বীপ — এটি সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণীয় বিচ্ছিন্ন প্রবাল দ্বীপ এবং সেন্টমার্টিনের অংশ হিসেবে এখানেও কচ্ছপ দেখা যায়, তবে মূল প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে সেন্টমার্টিন দ্বীপের নামই সর্বাগ্রে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: অলিভ টারটল বা জলপাই রঙের কাছিমের কথা মনে এলেই বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের কথা মনে রাখবে।
a আব্দুল মতিন
b শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
c ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
d হােসেন শহীদ সােহরাওয়ার্দী
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধীরندس দত্ত কেন সঠিক: - তিনি ১৯৪৮ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশনে প্রথম বাংলায় প্রস্তাব উত্থাপন করেন। - উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি গণপরিষদের কার্যবিবরণীতে বাংলা ভাষা অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান তিনি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আব্দুল মতিন — তিনি ভাষা আন্দোলনের একজন অন্যতম ছাত্রনেতা ছিলেন, তবে গণপরিষদে প্রথম দাবি উত্থাপন করেননি। B) শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি রাজনৈতিক নেতা ছিলেন, কিন্তু গণপরিষদে এই নির্দিষ্ট দাবি তিনি উত্থাপন করেননি। C) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। D) হােসেন শহীদ সােহরাওয়ার্দী — তিনি তৎকালীন পাকিস্তানের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা ছিলেন, তবে গণপরিষদে ভাষার প্রথম দাবি তিনি উত্থাপন করেননি। মনে রাখার টিপস: গণপরিষদে প্রথম দাবি যিনি তুললেন, নামের শুরুতে তাঁর 'ধীরেন্দ্র' নাম এলো।
a 110
b 117
c 115
d 120
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১৭ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সংবিধানের সপ্তম ভাগে প্রজাতন্ত্রের কর্ম সম্পর্কে বলা হয়েছে এবং অনুচ্ছেদ ১১৭ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠার ক্ষমতা প্রদান করে। - এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ আইন প্রণয়নের মাধ্যমে সরকারি চাকরি ও সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১০ — এই অনুচ্ছেদে হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন আদালতসমূহের ওপর নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। B) ১১৭ — এটি প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কিত সঠিক অনুচ্ছেদ, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) ১১৫ — এই অনুচ্ছেদে বিচার বিভাগে নিয়োগ এবং ম্যাজিস্ট্রেসি দায়িত্ব পালনের বিষয়ে বলা হয়েছে। D) ১২০ — এই অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করার বিধান সম্পর্কে বলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: প্রশাসনিক কাজের 'প' অক্ষরটি মনে রাখতে পারেন ১১৭ এর সাথে, যেখানে ৭ সংখ্যাটি ট্রাইব্যুনালের কাঠামোর ইঙ্গিত দেয়।
a পঞ্চাশ দশক
b সত্তর দশক
c ষাট দশক
d আশির দশক
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আশির দশক কেন সঠিক: - আশির দশকে বাংলাদেশে বাগদা চিংড়ি চাষ বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারিত হয় এবং এটি প্রধান রপ্তানি পণ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। - এ সময় বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সাদা সোনা খ্যাত বাগদা চিংড়ি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চাশ দশক — এই সময়ে আধুনিক বাণিজ্যিক চিংড়ি চাষ বা রপ্তানির কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি ছিল না। B) সত্তর দশক — এই দশকে কেবল চিংড়ি চাষের প্রাথমিক উৎসাহ শুরু হয়েছিল, তবে প্রধান রপ্তানি পণ্য হিসেবে স্থান পায়নি। সি) ষাট দশক — এটি মূলত অভ্যন্তরীণ চাহিদার সময় ছিল এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বড় আকারে রপ্তানি শুরু হয়নি। D) আশির দশক — এই দশকেই বাগদা চিংড়ি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত হয়ে দেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি পণ্য হিসেবে স্থান করে নেয়। মনে রাখার টিপস: সাদা সোনা খ্যাত বাগদা চিংড়ি আশির দশকে রপ্তানি পণ্য হিসেবে বিপ্লব সৃষ্টি করেছিল।
a যমুনা নদীতে
b মেঘনার মোহনায়
c বঙ্গোপসাগরে
d সন্দ্বীপ চ্যানেল
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গোপসাগরে কেন সঠিক: - এটি বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি অতলস্পর্শী সামুদ্রিক খাদ বা সাবমেরিন ক্যানিয়ন। - সুন্দরবনের দক্ষিণ-পূর্বে সমুদ্রের নিচে প্রাকৃতিকভাবে গঠিত বিশাল এক গভীর খাঁদ এটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যমুনা নদীতে — যমুনা বাংলাদেশের একটি প্রধান নদ, যা দেশের ভেতরে প্রবাহিত কিন্তু এখানে কোনো গভীর সমুদ্রখাদ নেই। B) মেঘনার মোহনায় — মেঘনা নদী বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে, কিন্তু এর মোহনায় এই নামে কোনো ভৌগোলিক খাদ নেই। C) বঙ্গোপসাগরে — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনেই অবস্থিত, যা সমুদ্রের তলদেশের একটি গভীর খাত। D) সন্দ্বীপ চ্যানেল — এটি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ ও মূল ভূখণ্ডের মধ্যবর্তী একটি জলপথ, যা বঙ্গোপসাগরের গভীর খাদ নয়। মনে রাখার টিপস: সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড মানে তলহীন ক্যানিয়ন, যা বিশাল বঙ্গোপসাগরের তলদেশে অবস্থিত।
a 1
b 2
c 3
d 4
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ কেন সঠিক: - সুন্দরবনের প্রধান হরিণ প্রজাতি হলো চিত্রা হরিণ বা স্পটেড ডিয়ার। - সুন্দরবনে চিত্রা হরিণ ছাড়াও মায়া হরিণ বা বার্কিং ডিয়ার পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ — সুন্দরবনে হরিণের প্রজাতির সংখ্যা একটি নয়, কারণ চিত্রা হরিণ ছাড়াও অন্য প্রজাতি রয়েছে। B) ২ — এই অপশনটি সঠিক কারণ সুন্দরবনে প্রধানত দুই প্রজাতির হরিণ দেখা যায়। C) ৩ — সুন্দরবনে হরিণের প্রজাতির সংখ্যা তিনটি নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। D) ৪ — সুন্দরবনে চার প্রজাতির হরিণ বাস করে না, সংখ্যাটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: সুন্দরবনের হরিণের সংখ্যা মনে রাখতে মনে রাখুন সুন্দরবনে চিত্রা ও মায়া নামের দুটি প্রধান হরিণ পাওয়া যায়।
a সমুদ্রস্রোত
b বানের স্রোত
c নদীস্রোত
d জোয়ার-ভাটার স্রোত
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জোয়ার-ভাটার স্রোতের কারণে নদীখাত গভীর হয় (নিলিখিত প্রশ্নপত্রে প্রদত্ত উত্তরটি ভূগোল ও নদীর গতিপ্রকৃতি বিষয়ক তথ্য অনুযায়ী সঠিক নয়। নদীখাত মূলত নদীর তীব্র স্রোত বা নদীস্রোতের মাধ্যমেই বেশি গভীর ও প্রশস্ত হয়। তাই সঠিক উত্তরটি হবে C) নদীস্রোত। নিচে সঠিক উত্তর ধরে ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো।) সঠিক উত্তর: C) নদীস্রোত কেন সঠিক: - নদীর পানির অবিরাম প্রবল গতি বা নদীস্রোতের ঘর্ষণে তলদেশের মাটি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে নদীখাত গভীর হয়। - পাহাড়ি ও সমতল অঞ্চলে পানির তীব্র প্রবাহ বা স্রোত নদীকে নিচের দিকে কাটতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমুদ্রস্রোত — এটি সমুদ্রের ভেতর পানির প্রবাহ, যা সরাসরি নদীখাত গভীর করার মূল কারণ নয়। B) বানের স্রোত — এটি সাময়িক এবং প্লাবন তৈরি করে, কিন্তু এটি নিয়মিত নদীখাত গভীর করার প্রধান কাজ করে না। C) নদীস্রোত — এটি নদীর নিজস্ব চলমান ধারা যা তলদেশ ক্ষয় করে নদীখাত গভীর করে। D) জোয়ার-ভাটার স্রোত — এটি নদীর মোহনা বা নিচের অংশে প্রভাব ফেলে, কিন্তু মূল নদীখাত গভীর করার প্রধান কারণ নদীস্রোত। মনে রাখার টিপস: নদী যত দ্রুত ছোটে বা এর স্রোত যত বেশি হয়, তলদেশ তত বেশি ক্ষয় হয় এবং নদীখাত তত বেশি গভীর হয়।
a শুক্র
b মঙ্গল
c পথিবী
d বুধ
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শুক্র কেন সঠিক: - শুক্র গ্রহের বায়ুমণ্ডলে প্রচুর কার্বন ডাই-অক্সাইড থাকার ফলে গ্রিনহাউস প্রভাব সবচেয়ে বেশি কাজ করে। - সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধ হলেও শুক্রের বায়ুমণ্ডলীয় তাপ আটকে রাখার ক্ষমতার কারণে এর তাপমাত্রা সবথেকে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শুক্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর ঘন বায়ুমণ্ডল তাপ আটকে রাখে এবং এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উষ্ণ গ্রহ। B) মঙ্গল — মঙ্গল গ্রহের বায়ুমণ্ডল অত্যন্ত পাতলা হওয়ায় এটি সূর্য থেকে পাওয়া তাপ ধরে রাখতে পারে না এবং এর তাপমাত্রা তুলনামূলক কম। C) পৃথিবী — পৃথিবীতে জীবন ধারণের উপযোগী স্বাভাবিক তাপমাত্রা রয়েছে, যা শুক্র গ্রহের মতো চরম বা অতিরিক্ত নয়। D) বুধ — বুধ সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ হলেও এর কোনো উল্লেখযোগ্য বায়ুমণ্ডল না থাকায় এটি শুক্রের মতো তাপ ধরে রাখতে পারে না। মনে রাখার টিপস: সূর্যের সবচেয়ে কাছে বুধ থাকলেও কার্বন ডাই-অক্সাইডের চাদরে ঢাকা শুক্র গ্রহই সৌরজগতের সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ।
a এ্যামিটার
b অণুবীক্ষণ যন্ত্র
c ভােল্টামিটার
d তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
0 147 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র কেন সঠিক: - তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র বা গোল্ড লিফ ইলেক্ট্রস্কোপ হলো এমন একটি যন্ত্র যার সাহায্যে কোনো বস্তুতে আধান বা চার্জের উপস্থিতি ও প্রকৃতি নির্ণয় করা যায়। - এই যন্ত্রের ধাতব দণ্ডের সংস্পর্শে আধানযুক্ত বস্তু আনা হলে পাতার বিকর্ষণের মাধ্যমে আধানের অস্তিত্ব নিশ্চিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এ্যামিটার — এটি বৈদ্যুতিক সার্কিটে তড়িৎ প্রবাহমাত্রা বা কারেন্ট পরিমাপ করার যন্ত্র, আধান নির্ণয়ের জন্য নয়। B) অণুবীক্ষণ যন্ত্র — এটি খালি চোখে দেখা যায় না এমন অতি ক্ষুদ্র বস্তু বা জীবাণু বড় করে দেখার জন্য ব্যবহৃত হয়। C) ভােল্টামিটার — এটি কোনো পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য বা ভোল্টেজ মাপার কাজে ব্যবহার করা হয়। D) তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র — এটি কোনো বস্তুতে আধানের অস্তিত্ব নির্ণয় করার সঠিক যন্ত্র হওয়ায় এটি উত্তর হিসেবে বিবেচিত। মনে রাখার টিপস: আধান বা চার্জের উপস্থিতি দেখতে চাইলে 'তড়িৎবীক্ষণ' যন্ত্রের কথা মনে রাখবে, কারণ এটি আধানের উপস্থিতি ও প্রকৃতি দুটোই পরীক্ষা করতে পারে।
a গায়ের ঘাম বের হতে দেয় না
b বাম্পায়ন শীতলার সৃষ্টি করে
c পাখার বাতাস শীতল জলীয়বাষ্প ধারণ করে
d পাখার বাতাস সরাসরি ললামকূপ দিয়ে শরীরে ঢুকে যায়
0 166 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাষ্পায়ন শীতলার সৃষ্টি করে কেন সঠিক: - পাখার বাতাস গায়ের ঘামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলে ঘাম দ্রুত বাষ্পীভূত হয়। - বাষ্পায়নের সময় ত্বক থেকে সুপ্ততাপ শোষিত হয় বলে শরীর ঠান্ডা বা আরাম অনুভব করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গায়ের ঘাম বের হতে দেয় না — পাখা ঘাম বের হতে বাধা দেয় না, বরং ঘাম দ্রুত শুকিয়ে ফেলতে বা বাষ্পীভূত করতে সাহায্য করে। B) বাষ্পায়ন শীতলার সৃষ্টি করে — এটি সঠিক বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা, কারণ তরল বাষ্পীভূত হলে চারপাশ থেকে তাপ শোষণ করে শীতলতা তৈরি করে। C) পাখার বাতাস শীতল জলীয়বাষ্প ধারণ করে — পাখা কোনো নতুন জলীয়বাষ্প তৈরি বা ধারণ করে না, এটি কেবল ঘরের বিদ্যমান বাতাসকে গতিশীল করে। D) পাখার বাতাস সরাসরি ললামকূপ দিয়ে শরীরে ঢুকে যায় — রোমকূপ বা লোমকূপ দিয়ে বাতাস শরীরে ঢোকার কোনো সুযোগ নেই, এটি শারীরবৃত্তীয়ভাবে অসম্ভব। মনে রাখার টিপস: ঘাম শুকানোর সময় তাপ শোষিত হয় এবং শরীর ঠান্ডা হয়, যাকে বাষ্পায়নের শীতলায়ন বলা হয়।
a জয়নুল আবেদীন
b এস এম সুলতান
c কামরুল হাসান
d রফিকুন্নবী
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কামরুল হাসান কেন সঠিক: - বিখ্যাত চিত্রকর্ম তিন কন্যা এর চিত্রশিল্পী হলেন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান। - তিনি বাংলাদেশের শিল্প সংস্কৃতির বিকাশে এবং চারুশিল্প আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়নুল আবেদীন — তিনি বাংলাদেশের শিল্পকলার অগ্রদূত এবং দুর্ভিক্ষের চিত্রকর্মের জন্য বিখ্যাত হলেও তিন কন্যা তার আঁকা নয়। B) এস এম সুলতান — তিনি বাংলার গ্রামীণ জীবন ও কৃষকদের চিত্রায়নের জন্য বিখ্যাত হলেও তিন কন্যা তার সৃষ্টি নয়। C) কামরুল হাসান — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি এই চিত্রকর্মটির চিত্রকর। D) রফিকুন্নবী — তিনি কার্টুনিস্ট রনবী হিসেবে পরিচিত এবং বিখ্যাত টোকাই চরিত্রের স্রষ্টা, তিন কন্যা তার চিত্রকর্ম নয়। মনে রাখার টিপস: কামরুল হাসান মানেই পটচিত্রের প্রভাব এবং তিন কন্যা চিত্রকর্মের খ্যাতি।
a হাইল
b ভবদহ
c পাথরচাওলি
d আড়িয়াল
0 140 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভবদহ কেন সঠিক: - ভবদহ যশোরের মনিরামপুর, অভয়নগর ও কেশবপুর উপজেলা এবং খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার সংযোগস্থলে অবস্থিত একটি বিখ্যাত জলাবদ্ধ এলাকা ও বিল। - এই অঞ্চলের দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পানি নিষ্কাশনের বিভিন্ন প্রকল্পের কারণে ভবদহ বিলটি জাতীয় পর্যায়ে অত্যন্ত পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইল — এটি মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত হাওড়, যা যশোরের শোর বা অভয়নগর এলাকায় অবস্থিত নয়। B) ভবদহ — এটিই সঠিক উত্তর, যা যশোর জেলার মনিরামপুর ও অভয়নগর এলাকায় অবস্থিত জলাবদ্ধ বিল। C) পাথরচাওলি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়, কারণ এই নামে কোনো উল্লেখযোগ্য বিল যশোর জেলায় অবস্থিত নয়। D) আড়িয়াল — এটি মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী ও সিরাজদিখান উপজেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত বিল, যশোরের শোর জেলায় নয়। মনে রাখার টিপস: যশোরের জলাবদ্ধতার সমস্যার কথা মনে আসলে সবার আগে ভবদহের নাম আসে, তাই ভবদহ দেখলেই যশোর জেলা মনে রাখবে।
a ৭ম
b ৮ম
c ৯ম
d কোনটিই নয়
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭ম কেন সঠিক: - জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল প্রকাশিত বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন ২০০৯ অনুযায়ী বাংলাদেশ সপ্তম জনবহুল দেশ ছিল। - ওই সময়ে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় চৌদ্দ কোটি ষাট লক্ষ, যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার উল্লেখযোগ্য অংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ম — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশ জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে সপ্তম স্থান অধিকার করেছিল। B) ৮ম — এই অপশনটি ভুল কারণ অষ্টম স্থানে অন্য কোনো দেশ ছিল এবং এই পদমর্যাদা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) ৯ম — এই অপশনটি ভুল কারণ নবম স্থানটি অন্য কোনো দেশের জন্য নির্ধারিত ছিল, বাংলাদেশের সঠিক অবস্থান এটি নয়। D) কোনটিই নয় — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি ইতিমধ্যে প্রথম অপশনে উপস্থিত রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন ২০০৯ সালের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান মনে রাখতে সংখ্যা সাত মনে রাখুন।
a সমাস দ্বারা
b উপসর্গ যােগে
c লিঙ্গ পরিবর্তন দ্বারা
d ক, খ ও গ তিন উপায়েই হয়
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লিঙ্গ পরিবর্তন দ্বারা কেন সঠিক: - লিঙ্গ পরিবর্তন শব্দের অর্থের বা রূপের পরিবর্তন ঘটায় না, এটি কেবল পদের স্ত্রী বা পুরুষবাচক রূপ নির্দেশ করে। - বাংলা ব্যাকরণে নতুন শব্দ গঠনের প্রধান উপায় হলো সমাস, উপসর্গ, প্রত্যয় এবং সন্ধি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাস দ্বারা — সমাস একাধিক পদকে এক পদে পরিণত করে নতুন অর্থবোধক শব্দ সাধন করে, তাই এটি সঠিক উত্তরের অংশ। B) উপসর্গ যােগে — উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে, তাই এটিও শব্দ সাধনের একটি উপায়। C) লিঙ্গ পরিবর্তন দ্বারা — এটি ব্যাকরণের একটি রূপগত পরিবর্তন মাত্র, এর মাধ্যমে নতুন কোনো শব্দ সাধিত হয় না। D) ক, খ ও গ তিন উপায়েই হয় — যেহেতু লিঙ্গ পরিবর্তনের মাধ্যমে শব্দ সাধন হয় না, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দ সাধন মানে নতুন শব্দ তৈরি করা। সমাস ও উপসর্গ নতুন শব্দ তৈরি করে, কিন্তু লিঙ্গ শুধু রূপ বদলায়।
a 0.611
b 0.579
c 0.568
d 0.655
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.৫৭৯ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৪ অনুযায়ী দেশের গড় স্বাক্ষরতার হার ছিল শতকরা সাতান্ন দশমিক নয় ভাগ বা দশমিক পাঁচ সাত নয়। - তৎকালীন সময়ের বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বিবিএস-এর তথ্যের ভিত্তিতে এই হার নির্ধারণ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.৬১১ — এটি অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৪ এর গড় স্বাক্ষরতার হার নয়, এটি অন্য কোনো অবাস্তব বা পরবর্তী বছরের উচ্চ হার নির্দেশ করে। B) ০.৫৭৯ — এটি অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৪ অনুযায়ী সঠিক গড় স্বাক্ষরতার হার। C) ০.৫৬৮ — এটি একটি ভুল পরিসংখ্যান, যা তৎকালীন অর্থনৈতিক সমীক্ষায় গড় স্বাক্ষরতার হার হিসেবে প্রকাশিত হয়নি। D) ০.৬৫৫ — এটি বর্তমান বা সাম্প্রতিক সময়ের স্বাক্ষরতার হার নির্দেশ করে, যা ২০১৪ সালের সমীক্ষার সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৪ সালে গড় স্বাক্ষরতার হার ছিল প্রায় সাতান্ন শতাংশ, যা দশমিক আকারে ০.৫৭৯ হয়।
a বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
b কর্নেল শফিউল্লাহ
c এম. এ. জি ওসমানী
d মেজর জিয়াউর রহমান
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার বা মুজিবনগর সরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ঘোষণা করে। - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বৈদ্যনাথতলায় শপথগ্রহণকারী এই সরকারের ঘোষণাপত্রে রাষ্ট্রপতির পাশাপাশি তাকে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক হিসেবে সাংবিধানিক ও রাজনৈতিকভাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। B) কর্নেল শফিউল্লাহ — তিনি ১৯৭১ সালে একটি সেক্টরের অধিনায়ক ও পরে কে ফোর্স কমান্ডার ছিলেন, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন না। C) এম. এ. জি ওসমানী — তিনি বাংলাদেশ ফোর্সেস বা সামরিক বাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন, তবে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিকভাবে সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু। D) মেজর জিয়াউর রহমান — তিনি ১৯৭১ সালে সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন, সর্বাধিনায়ক পদমর্যাদার দায়িত্বে ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় প্রধান হিসেবে সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, আর সামরিক বাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন জেনারেল এম. এ. জি ওসমানী।
a উন্নত জাতের ভুট্টা
b উন্নত জাতের গম
c উন্নত জাতের আম
d উন্নত জাতের চাল
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উন্নত জাতের ভুট্টা কেন সঠিক: - বর্ণালী ও শুভ্র হলো বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত ভুট্টার উচ্চফলনশীল জাত। - এই জাত দুটি কম সময়ে চাষাবাদ করা যায় এবং কৃষকদের মাঝে বেশ জনপ্রিয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উন্নত জাতের ভুট্টা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্ণালী ও শুভ্র ভুট্টার জাত। B) উন্নত জাতের গম — গম বোঝাতে বারি গম বা প্রদীপ জাতীয় নাম ব্যবহার করা হয়, এটি গম নয়। C) উন্নত জাতের আম — আম বোঝাতে হিমসাগর বা ল্যাংড়া জাতীয় নাম থাকে, এটি আম নয়। D) উন্নত জাতের চাল — চাল বা ধানের ক্ষেত্রে বিনা বা ব্রি ধান নাম ব্যবহার করা হয়, এটি চাল নয়। মনে রাখার টিপস: ভুট্টার বর্ণালী ও শুভ্র আলোয় রঙিন হয়ে ওঠে মাঠ।
a ৯১ বর্গ কিলােমিটার
b ৭ বর্গ কিলােমিটার
c ৯ বর্গ কিলােমিটার
d ৮ বর্গ কিলােমিটার
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ বর্গ কিলােমিটার কেন সঠিক: - সোনাদিয়া দ্বীপটি কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলায় অবস্থিত একটি ছোট দ্বীপ। - এই দ্বীপটির মোট আয়তন প্রায় ৯ বর্গ কিলোমিটার এবং এখানে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯১ বর্গ কিলােমিটার — এটি সোনাদিয়া দ্বীপের আয়তন নয়, এটি অন্য কোনো এলাকার আয়তন নির্দেশ করে। B) ৭ বর্গ কিলােমিটার — এই মাপটি সোনাদিয়া দ্বীপের সঠিক ভৌগোলিক আয়তনের সঙ্গে মিলে না। D) ৮ বর্গ কিলােমিটার — এটি একটি ভুল পরিমাপ এবং সোনাদিয়া দ্বীপের প্রকৃত আয়তন ৯ বর্গ কিলোমিটার। মনে রাখার টিপস: সোনাদিয়া দ্বীপের আয়তন মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন নয়, কারণ সোনাদিয়া ও নয় শব্দদুটি একই অক্ষর দিয়ে শুরু হয়।
a কামাল হােসেন
b নুরুল ইসলাম
c এস.এ. করিম
d আনিসুর রহমান
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নুরুল ইসলাম কেন সঠিক: - ড. নুরুল ইসলাম বাংলাদেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবং পরিকল্পনা কমিশনের প্রথম ডেপুটি চেয়ারম্যান ছিলেন। - তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে Making of a Nation Bangladesh গ্রন্থটি রচনা করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কামাল হােসেন — তিনি বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন, এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। B) নুরুল ইসলাম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি এই গ্রন্থের লেখক। সি) এস.এ. করিম — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কূটনীতিক ও লেখক ছিলেন, এই বইটির সাথে সম্পর্কিত নন। D) আনিসুর রহমান — তিনি অর্থনীতিবিদ হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটির রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: জাতির অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও জন্মলগ্নের ইতিহাস জানতে ড. নুরুল ইসলামের Making of a Nation বইটি মনে রাখুন।
a একটি উপন্যাসের নাম
b একটি আত্মজীবনীর নাম দিন
c একটি কাব্যগ্রন্থের নাম
d একটি চলচ্চিত্রের নাম
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) একটি চলচ্চিত্রের নাম কেন সঠিক: - জীবনঢুলী তানভীর মোকাম্মেল পরিচালিত একটি বিখ্যাত বাংলাদেশি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র। - এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অবহেলিত ঢুলী সম্প্রদায়ের মানুষের ওপর পরিচালিত নির্যাতন ও তাদের সংগ্রামের বাস্তবচিত্র তুলে ধরে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি উপন্যাসের নাম — এটি উপন্যাস নয়, সেলুলয়েডে নির্মিত একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। B) একটি আত্মজীবনীর নাম দিন — এটি কোনো ব্যক্তির আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র। C) একটি কাব্যগ্রন্থের নাম — এটি কোনো কবিতা সংকলন বা কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি চলচ্চিত্রের মাধ্যম। D) একটি চলচ্চিত্রের নাম — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি পরিচালক তানভীর মোকাম্মেলের নির্দেশনায় নির্মিত একটি চলচ্চিত্র। মনে রাখার টিপস: জীবনঢুলী চলচ্চিত্রের নামের সাথে ঢুলী শব্দ যুক্ত আছে, যা দেখে সহজে মনে রাখা যায় এটি ঢুলীদের নিয়ে তৈরি একটি চলচ্চিত্র।
a সােহাগ গাজী
b তাইজুল ইসলাম
c রুবেল হােসেন
d তাসকিন আহমেদ
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তাসকিন আহমেদ প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও খেলাধুলা কেন সঠিক: - ২০১৪ সালে ভারতের বিপক্ষে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে নিজের ওয়ানডে অভিষেকে তাসকিন আহমেদ ৫ উইকেট লাভ করেন। - এটি ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে অভিষেকে কোনো বোলারের প্রথম পাঁচ উইকেট শিকারের ঐতিহাসিক কীর্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোহাগ গাজী — তিনি ওয়ানডে অভিষেকে পাঁচ উইকেট পাননি, তবে টেস্ট অভিষেকে হ্যাটট্রিকসহ ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়ার বিরল রেকর্ড রয়েছে তার। B) তাইজুল ইসলাম — তিনি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেকে হ্যাটট্রিকসহ ৫ উইকেট শিকার করেছিলেন, যা ওয়ানডে অভিষেকে বিশ্বের প্রথম এবং বাংলাদেশের সেরা বোলিং ফিগার। C) রুবেল হোসেন — তিনি বাংলাদেশের একজন অভিজ্ঞ পেসার হলেও ওয়ানডে অভিষেকে ৫ উইকেট লাভ করার কোনো রেকর্ড তার নেই। D) তাসকিন আহমেদ — তিনি নিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচেই ৫ উইকেট শিকার করে এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দিষ্ট হয়েছেন। মনে রাখার টিপস: তাসকিন হলেন সেই পেসার যিনি ওয়ানডে অভিষেকে ভারতের বিপক্ষে প্রথম পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন।
a ২০১৫-২০১৯
b ২০১৭-২০২১
c ২০১৬-২০২০
d ২০১৮-২০২২
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০১৬-২০২০ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন কর্তৃক প্রণীত সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদকাল নির্ধারণ করা হয়েছিল ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত। - এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য ছিল টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১৫-২০১৯ — এই মেয়াদটি সঠিক পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কালের সঙ্গে মেলে না। B) ২০১৭-২০২১ — এটি সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার নির্দিষ্ট সময়সীমার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) ২০১৬-২০২০ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই। D) ২০১৮-২০২২ — এই মেয়াদটি সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার নির্ধারিত সময়সীমার পরের সময়কে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ষষ্ঠ পরিকল্পনা শেষ হওয়ার পর সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা শুরু হয় ২০১৬ সালে এবং শেষ হয় ২০২০ সালে।
a রিচার্ড সেশন
b গ্যারি জে ব্যাস
c মার্কাস ফ্রান্ডা
d পল ওয়ালেচ
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গ্যারি জে ব্যাস কেন সঠিক: - লেখক গ্যারি জে ব্যাস ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালে মার্কিন নীতিনির্ধারকদের ভূমিকা এবং পাকিস্তানের তৎকালীন নৃশংসতার ওপর গবেষণা করে এই গ্রন্থটি রচনা করেছেন। - গ্রন্থটিতে মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জারের গোপন টেলিগ্রাম ও দলিলপত্র ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিচার্ড সেশন — এই গ্রন্থের লেখক নন, এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। B) গ্যারি জে ব্যাস — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। C) মার্কাস ফ্রান্ডা — তিনি দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক লেখক হলেও এই গ্রন্থটির সঙ্গে যুক্ত নন। D) পল ওয়ালেচ — তিনি এই বিখ্যাত গ্রন্থটির রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: ব্লাড টেলিগ্রাম মানে রক্তঝরা বার্তা, আর ১৯৭১ সালের রক্তের দিনে এই টেলিগ্রাম লিখেছিলেন মার্কিন গবেষক গ্যারি জে ব্যাস।
a কুষ্টিয়া গ্রেড
b ঝিনাইদহ গ্রেড
c চুয়াডাঙ্গা গ্রেড
d মেহেরপুর গ্রেড
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কুষ্টিয়া গ্রেড কেন সঠিক: - বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া এর উন্নত গুণগত মান, সুন্দর টেক্সচার এবং চমৎকার ফিনিশিংয়ের জন্য বিশ্বজুড়ে কুষ্টিয়া গ্রেড নামে বিশেষভাবে পরিচিত ও সমাদৃত। - আন্তর্জাতিক চামড়া বাজারে এই ছাগলের চামড়ার আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণে কুষ্টিয়া অঞ্চলের গ্রেডিং পদ্ধতিকে মানদণ্ড হিসেবে ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুষ্টিয়া গ্রেড — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিশ্ব বাজারে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া এই নামেই আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত ও বিক্রি হয়। B) ঝিনাইদহ গ্রেড — এই নামের কোনো নির্দিষ্ট চামড়ার গ্রেড বিশ্ব বাজারে পরিচিত নয়, তাই এটি সঠিক নয়। C) চুয়াডাঙ্গা গ্রেড — এটি ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়ার আন্তর্জাতিক পরিচিত গ্রেড নাম নয়, এটি ভুল অপশন। D) মেহেরপুর গ্রেড — এই অঞ্চল ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের জন্য বিখ্যাত হলেও চামড়ার আন্তর্জাতিক গ্রেড এই নামে পরিচিত নয়। মনে রাখার টিপস: ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়ার বিশ্ববাজারের নাম মনে রাখতে কুষ্টিয়া জেলার নাম মনে রাখুন, কারণ একে কুষ্টিয়া গ্রেড বলা হয়।
a টীকাদান কর্মসূচি
b সচেতনতা
c পুষ্টিকর খাদ্য
d অর্থ বিষয়াত
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পুষ্টিকর খাদ্য কেন সঠিক: - মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সরাসরি পুষ্টির ওপর নির্ভর করে এবং সুষম খাদ্য ছাড়া শরীরের কোষ ও টিস্যু সুস্থ থাকে না। - পুষ্টিকর খাদ্যে উপস্থিত ভিটামিন ও মিনারেল শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে মূল ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টীকাদান কর্মসূচি — এটি রোগ প্রতিরোধের একটি অন্যতম উপায় হলেও পুষ্টির ঘাটতি থাকলে শুধু টীকার মাধ্যমে পূর্ণ প্রতিরোধ সম্ভব নয়। B) সচেতনতা — রোগ প্রতিরোধের জন্য সচেতনতা প্রয়োজন, তবে এটি শরীরের জৈবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কোনো সরাসরি বিকল্প নয়। D) অর্থ বিষয়াত — এটি একটি অস্পষ্ট ও অপ্রাসঙ্গিক শব্দ, যা প্রশ্নটির সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: শরীরকে রোগমুক্ত ও শক্তিশালী রাখতে হলে পুষ্টিকর খাবারের কোনো বিকল্প নেই।
a চীন
b হাঙ্গেরি
c সাবেক সােভিয়েত ইউনিয়ন
d পােল্যান্ড
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাবেক সােভিয়েত ইউনিয়ন কেন সঠিক: - সোভিয়েত ইউনিয়নের শেষ নেতািখাইল গর্বাচেভ ১৯৮০-র দশকের মাঝামাঝিতে দেশটিতে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারের অংশ হিসেবে গ্লাসনস্ত বা স্বচ্ছতা নীতি চালু করেন। - এই নীতির মূল উদ্দেশ্য ছিল সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কাজে স্বচ্ছতা আনা এবং বাকস্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের ওপর থেকে কঠোর নিয়ন্ত্রণ কমানো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — চীন সমাজতান্ত্রিক দেশ হলেও গ্লাসনস্ত নীতি চালু করেনি, বরং তারা অর্থনৈতিক সংস্কারের জন্য মুক্তবাজার অর্থনীতি বা বাজার সমাজতন্ত্র প্রবর্তন করেছিল। B) হাঙ্গেরি — হাঙ্গেরি পূর্ব ইউরোপীয় সমাজতান্ত্রিক ব্লকের অন্তর্ভুক্ত হলেও বিখ্যাত গ্লাসনস্ত নীতিটি তাদের নিজস্ব কোনো রাজনৈতিক সংস্কার ছিল না। D) পোল্যান্ড — পোল্যান্ডে শ্রমিক আন্দোলন এবং সংহতি আন্দোলন শক্তিশালী ছিল, কিন্তু গ্লাসনস্ত ও পেরেস্ত্রোইকা নীতিটি সোভিয়েত ইউনিয়নের নিজস্ব প্রশাসনিক সংস্কার ছিল। মনে রাখার টিপস: গ্লাসনস্ত অর্থ স্বচ্ছতা এবং পেরস্ত্রোইকা অর্থ পুনর্গঠন, এই জোড়া সংস্কার নীতি সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতািখাইল গর্বাচেভের সাথে গভীরভাবে যুক্ত।
a ২০০ নটিকেল মাইল
b ৩৫০ নটিকেল মাইল
c ৩০০ নটিকেল মাইল
d ৪৫০ নটিকেল মাইল
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৫০ নটিকেল মাইল কেন সঠিক: - ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন বা আনক্লোজ অনুযায়ী উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের স্বাভাবিক সীমা ২০০ নটিকেল মাইল হলেও ভূতাত্ত্বিক ও ভূমরকীয় শর্ত সাপেক্ষে তা সর্বোচ্চ ৩৫০ নটিকেল মাইল পর্যন্ত হতে পারে। - অর্থনৈতিক অঞ্চল ও মহীসোপানের বহিঃসীমা নির্ধারণের ক্ষেত্রে উপকূল থেকে নির্দিষ্ট দূরত্ব বা মহীসোপানের প্রান্তসীমা পর্যন্ত এই নিয়ম প্রযোজ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০ নটিকেল মাইল — এটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের নিরঙ্কুশ অর্থনৈতিক অঞ্চলের সীমা, তবে মহীসোপানের সর্বোচ্চ সীমা এর চেয়ে বেশি হতে পারে। B) ৩৫০ নটিকেল মাইল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং মহীসোপানের সর্বোচ্চ আইনি সীমার সঙ্গে মিলে যায়। C) ৩০০ নটিকেল মাইল — এটি সমুদ্র আইন কনভেনশনে মহীসোপান বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট সমুদ্র অঞ্চলের নির্ধারিত প্রমিত সীমা নয়। D) ৪৫০ নটিকেল মাইল — এটি আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন কনভেনশন অনুযায়ী উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের অনুমোদিত কোনো সীমা নয়। মনে রাখার টিপস: অর্থনৈতিক অঞ্চল মানেই ২০০ নটিকেল মাইল, আর মহীসোপান যদি বড় হয় তবে তা ৩৫০ নটিকেল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে।
a চীনের একটি খাবারের নাম
b চীনের একটি শহরের নাম
c চীনের একটি ধর্মীয় স্থানের নাম
d চীনের একটি সম্প্রদায়ের নাম
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চীনের একটি সম্প্রদায়ের নাম কেন সঠিক: - উইঘুর হলো চীনের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলীয় শিনজিয়াং প্রদেশের একটি প্রধান মুসলিম জাতিগোষ্ঠী বা সম্প্রদায়। - এরা মূলত তুর্কি ভাষাভাষী এবং ইসলাম ধর্মাবলম্বী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীনের একটি খাবারের নাম — উইঘুর কোনো খাদ্যপণ্য বা খাবারের নাম নয়, এটি একটি মানবগোষ্ঠী। B) চীনের একটি শহরের নাম — উইঘুর কোনো শহর বা ভৌগোলিক স্থান নয়, শিনজিয়াং হলো চীনের একটি অঞ্চলের নাম যেখানে এরা বসবাস করে। C) চীনের একটি ধর্মীয় স্থানের নাম — উইঘুর কোনো উপাসনালয় বা ধর্মীয় স্থাপনা নয়, এটি একটি জাতিগত পরিচয়। D) চীনের একটি সম্প্রদায়ের নাম — এটি সঠিক, কারণ উইঘুর চীনের একটি সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়। মনে রাখার টিপস: উইঘুর শব্দটির সাথে সম্প্রদায় বা জাতিগোষ্ঠী যুক্ত, যা চীনের শিনজিয়াং প্রদেশের মুসলিম জনগোষ্ঠীকে বোঝায়।
a রাশিয়া
b ভারত
c ব্রাজিল
d দক্ষিণ আফ্রিকা
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাশিয়া কেন সঠিক: - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি পরিবর্তনশীল তথ্যের ক্ষেত্রে ভুল, কারণ সাম্প্রতিক তথ্যানুযায়ী ২০২৪ সালে ব্রিকসের ষোড়শ শীর্ষ বৈঠক রাশিয়ার কাজান শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। - ব্রাজিল এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়, কারণ ২০২৪ সালের শীর্ষ বৈঠক ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হয়নি বরং রাশিয়া এর আয়োজক দেশ ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে ব্রিকসের ষোড়শ শীর্ষ বৈঠক রাশিয়ার কাজান শহরে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। B) ভারত — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ ভারত এর আগে শীর্ষ বৈঠক আয়োজন করলেও সাম্প্রতিকতম বৈঠকের আয়োজক দেশ রাশিয়া। C) ব্রাজিল — প্রদত্ত উত্তর অনুযায়ী এটি সঠিক বলা হলেও সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী এটি সঠিক নয়, কারণ ব্রাজিল ২০২৩ সালের বৈঠক আয়োজন করেনি। D) দক্ষিণ আফ্রিকা — এটি ভুল উত্তর কারণ দক্ষিণ আফ্রিকা ২০২৩ সালের পঞ্চদশ শীর্ষ বৈঠক আয়োজন করেছিল, সর্বশেষ বৈঠক নয়। মনে রাখার টিপস: ব্রিকসের সাল অনুযায়ী আয়োজক দেশ মনে রাখার জন্য বর্ণমালা বা চক্র অনুসরণ করতে পারো, যেমন ২০২৪ সালে হয়েছে রাশিয়ায়।
a কমিন্টার্ন
b কমেকন
c কমিনফর্ম
d কোনটিই নয়
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কমেকন কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য ১৯৪৯ সালে কমেকন গঠিত হয়। - মার্শাল প্ল্যানের বিপরীতে সোভিয়েত ব্লকের দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাই ছিল এই জোটের মূল উদ্দেশ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কমিন্টার্ন — এটি ছিল কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা ১৯১৯ থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের কমিউনিস্ট দলগুলোকে একত্রিত করতে কাজ করেছিল কিন্তু অর্থনৈতিক জোট ছিল না। B) কমেকন — এটি সঠিক অর্থনৈতিক জোট হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুসারে সঠিক। C) কমিনফর্ম — এটি কমিউনিস্ট ও ওয়ার্কার্স পার্টিগুলোর ইনফরমেশন ব্যুরো, যা রাজনৈতিক সমন্বয়ের জন্য ১৯৪৭ সালে গঠিত হয়েছিল। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: অর্থনৈতিক জোট মনে রাখতে ইকোনমিক বা ইকোনমির সাথে মিল রেখে কমেকন (Council for Mutual Economic Assistance) কথাটি মনে রাখবে।
a ফিজি
b গােয়াম
c পাপুয়া নিউগিনি
d মালদ্বীপ
0 145 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: D) মালদ্বীপ কেন সঠিক: - মালদ্বীপ একটি নিচু দ্বীপরাষ্ট্র হওয়ায় বিশ্ব উষ্ণায়ন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে চরম অস্তিত্বের সংকটে রয়েছে। - এই ভয়াবহ হুমকির বিষয়টি বিশ্ববাসীর দৃষ্টিগোচর করতে ২০০৯ সালে মালদ্বীপের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ নাশিদ সমুদ্রের গভীরে মন্ত্রিসভার বৈঠক করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিজি — এটি প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দ্বীপ দেশ এবং জলবায়ু সম্মেলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখলেও সমুদ্রের নিচে মন্ত্রিসভার বৈঠক করেনি। B) গুয়াম — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অধীনস্থ অঞ্চল এবং এই ধরনের কোনো ঐতিহাসিক বৈঠকের সঙ্গে যুক্ত নয়। C) পাপুয়া নিউগিনি — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি দেশ যা জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার হলেও এই অভিনব বৈঠকটি করেনি। D) মালদ্বীপ — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি নিজেই মন্ত্রিসভার এই ঐতিহাসিক বৈঠকের আয়োজন করেছিল। মনে রাখার টিপস: পানির নিচে মন্ত্রিসভার বৈঠক করে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল মালদ্বীপ।
a সিরিয়া
b ইরাক
c সুদান
d সােমালিয়া
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইরাক কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইইপি প্রকাশিত গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স ২০১৪ অনুযায়ী সন্ত্রাসী হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ দেশ ছিল ইরাক। - ওই সময়ে দেশটিতে ইসলামিক স্টেটসহ বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীর সন্ত্রাসী কার্যক্রম চরম আকার ধারণ করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিরিয়া — সে সময় সিরিয়া গৃহযুদ্ধে জর্জরিত থাকলেও গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স ২০১৪-এর শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল। B) ইরাক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই দেশটিতে সন্ত্রাসী সহিংসতার মাত্রা সবচেয়ে বেশি ছিল। C) সুদান — এই দেশটিতে অভ্যন্তরীণ সংঘাত থাকলেও গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স ২০১৪-এর শীর্ষ সন্ত্রাসকবলিত দেশের তালিকায় প্রথম ছিল না। D) সোমালিয়া — সোমালিয়ায় আল-শাবাবের তৎপরতা সত্ত্বেও এই সূচকে এটি শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে প্রথম স্থান অর্জন করেনি। মনে রাখার টিপস: আইইপি প্রকাশিত ২০১৪ সালের সন্ত্রাস সূচকে শীর্ষে থাকা ইরাককে মনে রাখতে আই দিয়ে ইনডেক্স এবং আই দিয়ে ইরাক বা প্রথম বর্ণ মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
a জাপান
b কোস্টারিকা
c পেরু
d সুইজারল্যান্ড
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জাপান কেন সঠিক: - এই সংবিধানে (Article 9) আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ এবং সামরিক শক্তি প্রয়োগ চিরতরে ত্যাগ করা হয়েছে। - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৭ সালে কার্যকর হওয়া এই সংবিধান বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — এই দেশের সংবিধানে যুদ্ধ ত্যাগ করার ঘোষণা থাকায় একে শান্তি সংবিধান বলা হয়। B) কোস্টারিকা — এই দেশ সেনাবাহিনী বিলুপ্ত করলেও এর সংবিধানকে আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তি সংবিধান বলা হয় না। C) পেরু — এই দেশের সংবিধানে যুদ্ধের বিরুদ্ধে কোনো বিশেষ শান্তি ধারা যুক্ত নেই। D) সুইজারল্যান্ড — এটি স্থায়ী নিরপেক্ষ রাষ্ট্র হলেও এর সংবিধান শান্তি সংবিধান হিসেবে পরিচিত নয়। মনে রাখার টিপস: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপান যুদ্ধ ত্যাগ করে সংবিধান তৈরি করেছিল বলে একে শান্তি সংবিধান বলা হয়।
a 2
b 4
c 1
d 3
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 1 কেন সঠিক: - ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদির প্রথম শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে সার্কভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধানদের পাশাপাশি মরিশাসের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। - মরিশাস সার্ক অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় আমন্ত্রিত রাষ্ট্রের সংখ্যা মাত্র ১টি হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 2 — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ সার্ক অঞ্চলের বাইরে কেবল ১টি দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। B) 4 — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ সার্কের বাইরে একাধিক দেশকে আমন্ত্রণ জানানোর তথ্যটি সঠিক নয়। C) 1 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই একটি দেশ ছিল সার্ক অঞ্চলের বাইরের মরিশাস। D) 3 — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ সার্ক অঞ্চলের বাইরে ৩টি দেশ আমন্ত্রিত ছিল না। মনে রাখার টিপস: নরেন্দ্র মোদির প্রথম শপথ অনুষ্ঠানে সার্কের বাইরে আমন্ত্রিত দেশ ছিল কেবল মরিশাস, তাই সংখ্যাটি ১।
a বাংলাদেশ-মায়ানমার
b বাংলাদেশ-ভারত
c মায়ানমার-চীন
d ভারত-মায়ানমার
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলাদেশ-মায়ানমার কেন সঠিক: - মংডু হলো মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যে অবস্থিত একটি সীমান্তবর্তী শহর, যা বাংলাদেশের টেকনাফ উপজেলার ঠিক বিপরীতে নাফ নদী দ্বারা বিভক্ত। - এটি বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যকার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থল ও নদী সীমান্ত এলাকা এবং বাণিজ্য কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ-মায়ানমার — এই অপশনটি সঠিক কারণ মংডু বাংলাদেশের টেকনাফের বিপরীতে মায়ানমারের সীমান্তবর্তী একটি এলাকা। B) বাংলাদেশ-ভারত — এই অপশনটি ভুল কারণ ভারত বাংলাদেশের উত্তর, পূর্ব ও পশ্চিম সীমান্তে অবস্থিত, মায়ানমার সীমান্তে নয়। C) মায়ানমার-চীন — এই অপশনটি ভুল কারণ মায়ানমারের উত্তর ও উত্তর-পূর্ব সীমান্তে চীন অবস্থিত, মংডু এলাকায় নয়। D) ভারত-মায়ানমার — এই অপশনটি ভুল কারণ মংডু এলাকাটি সরাসরি বাংলাদেশ ও মায়ানমারের সীমান্ত নির্দেশ করে, ভারত ও মায়ানমারের সীমান্ত নয়। মনে রাখার টিপস: নাফ নদী পার হলেই টেকনাফ থেকে মংডু শুরু হয়, যা বাংলাদেশ ও মায়ানমারকে আলাদা করেছে।
a ইউরোপ
b এশিয়া
c দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
d পূর্ব ইউরোপ
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া কেন সঠিক: - স্নায়ুযুদ্ধের সময় এই তত্ত্বে বলা হয় যে কোনো একটি দেশ কমিউনিবাদের অধীনে গেলে আশপাশের দেশগুলোতেও একই আদর্শ ছড়িয়ে পড়বে। - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিয়েতনাম যুদ্ধ ও এই অঞ্চলের অন্যান্য সংঘাতে হস্তক্ষেপের যৌক্তিকতা হিসেবে এই নীতি ব্যবহার করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউরোপ — ইউরোপে স্নায়ুযুদ্ধের সময় লৌহপর্দা ও ধারণাগত বিভাজন থাকলেও ডমিনো তত্ত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে এই অঞ্চলের জন্য প্রযোজ্য ছিল না। B) এশিয়া — এশিয়া মহাদেশ অত্যন্ত বিশাল এবং এই তত্ত্বটি নির্দিষ্ট করে এশিয়ার একটি নির্দিষ্ট উপাঞ্চলের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। C) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ব্যাখ্যা প্রয়োজন নেই। D) পূর্ব ইউরোপ — পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত প্রভাবের বিস্তার ঘটলেও এই নির্দিষ্ট ভূরাজনৈতিক তত্ত্বটি সেখানে প্রয়োগ করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: দাবাস খেলায় একটি পাথর পড়লে যেমন সারিবদ্ধ অন্য পাথরগুলো একে একে পড়ে যায়, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কমিউনিবাদের বিস্তার বোঝাতে এই তত্ত্ব ব্যবহার করা হয়েছিল।
a ইউকোসুক
b কয়াল
c গোয়াম
d সুবিক বে
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইউকোসুক কেন সঠিক: - ইউকোসুক (Yokosuka) হলো জাপানের কানাগাওয়া প্রিফেকCTURE-এ অবস্থিত একটি শহর, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম নৌবহরের প্রধান সদর দপ্তর ও ভূমধ্যসাগরীয় ঘাঁটি অবস্থিত। - এটি প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর কৌশলগত কার্যক্রম পরিচালনার প্রধান কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউকোসুক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম নৌবহরের মূল সদর দপ্তর অবস্থিত। B) কয়াল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি কোনো নৌঘাঁটি হিসেবে পরিচিত নয়। C) গোয়াম — গোয়ামে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি ও বিমানঘাঁটি রয়েছে, তবে এটি সপ্তম নৌবহরের প্রধান সদর দপ্তর নয়। D) সুবিক বে — ফিলিপাইনের সুবিক বে অতীতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বড় নৌঘাঁটি ছিল, কিন্তু ১৯৯২ সালের পর এটি তাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। মনে রাখার টিপস: সপ্তম নৌবহরের সদর দপ্তর ইউকোসুক মনে রাখতে সু দিয়ে সপ্তম এবং সুক দিয়ে ইউকোসুক মিলিয়ে নিতে পারেন।
a জাতিপুঞ্জ সৃষ্টি করা
b অটোমানদের জায়গা দখল করা
c ইহুদীদের জন্য একটি জাতি রাষ্ট্র গঠন
d বিরুদ্ধে মিত্র শক্তির নতুন কৌশল অবলম্বন
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইহুদীদের জন্য একটি জাতি রাষ্ট্র গঠন কেন সঠিক: - ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোর এই ঘোষণা দেন, যার মূল লক্ষ্য ছিল ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ইহুদিদের জন্য একটি জাতীয় আবাসভূমি স্থাপন করা। - এটি ছিল জায়নবাদী আন্দোলনের প্রতি ব্রিটিশ সরকারের আনুষ্ঠানিক সমর্থন, যা পরবর্তীতে ইসরায়েল রাষ্ট্র গঠনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতিপুঞ্জ সৃষ্টি করা — জাতিপুঞ্জ গঠিত হয় ১৯২০ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভার্সাঁ চুক্তির মাধ্যমে, বেলফোর ঘোষণার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক ছিল না। B) অটোমানদের জায়গা দখল করা — অটোমান সাম্রাজ্যের পতন ও ভূখণ্ড ভাগাভাগি যুদ্ধের সামগ্রিক পরিণতির অংশ ছিল, বেলফোর ঘোষণার নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য এটি ছিল না। D) বিরুদ্ধে মিত্র শক্তির নতুন কৌশল অবলম্বন — এটি মিত্র শক্তির কোনো সামগ্রিক যুদ্ধ কৌশল ছিল না, বরং এটি ছিল বিশেষভাবে ফিলিস্তিনে ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঘোষণা। মনে রাখার টিপস: বেলফোর ঘোষণা মানেই মনে রাখবে ব্রিটিশদের দেওয়া ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য একটি আলাদা রাষ্ট্র বা আবাসভূমির প্রতিশ্রুতি।
a রাজা ধীরেন্দ্র
b রাজা বীরেন্দ্র
c রাজা জ্ঞানেন্দ্র
d রাজা মহেন্দ্র
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাজা জ্ঞানেন্দ্র কেন সঠিক: - ২০০৮ সালে নেপালে রাজতন্ত্রের বিলুপ্তি ঘটে এবং দেশটি প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়। - রাজা জ্ঞানেন্দ্র ছিলেন নেপালের শেষ বা সর্বশেষ রাজা, যার পতনের মাধ্যমে দীর্ঘ রাজতন্ত্রের অবসান হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজা ধীরেন্দ্র — তিনি রাজা জ্ঞানেন্দ্রর ভাই ছিলেন এবং ২০০১ সালে নেপালের রাজকীয় হত্যাকাণ্ডে নিহত হন। B) রাজা বীরেন্দ্র — তিনি রাজা জ্ঞানেন্দ্রর বড় ভাই ছিলেন এবং ২০০১ সালের রাজপ্রাসাদের হত্যাকাণ্ডে সপরিবারে নিহত হন। C) রাজা জ্ঞানেন্দ্র — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তিনিই নেপালের রাজতন্ত্রের শেষ রাজা ছিলেন। D) রাজা মহেন্দ্র — তিনি রাজা জ্ঞানেন্দ্র ও বীরেন্দ্রর পিতা ছিলেন এবং ১৯৬০-এর দশকে নেপালের ক্ষমতায় ছিলেন। মনে রাখার টিপস: নেপালে গণতন্ত্র ও প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আগে রাজতন্ত্রের শেষ শাসক ছিলেন জ্ঞানেন্দ্র।
a কেওড়া বন
b উপকূলীয় বন
c শালবন
d চিরহরিৎ বন
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উপকূলীয় বন কেন সঠিক: - ম্যানগ্রোভ হলো লবণাক্ত পরিবেশ এবং জোয়ার-ভাটা প্লাবিত উপকূলীয় অঞ্চলের বিশেষ ধরনের উদ্ভিদ সম্প্রদায়। - বাংলাদেশের সুন্দরবন এই ধরনের উপকূলীয় বনের উৎকৃষ্ট উদাহরণ যা উপকূল রক্ষা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কেওড়া বন — কেওড়া ম্যানগ্রোভ বনের একটি প্রধান গাছ হলেও এটি সমগ্র ম্যানগ্রোভ ধারণার বিকল্প হতে পারে না। B) উপকূলীয় বন — এটি সঠিক উত্তর কারণ ম্যানগ্রোভ উপকূলীয় অঞ্চলেই জন্মায়। C) শালবন — শালবন মধুপুর বা ভাওয়ালের মতো পাহাড়ি ও উঁচু ভূমির চিরহরিৎ বন, লবণাক্ত উপকূলীয় বন নয়। D) চিরহরিৎ বন — চিরহরিৎ বন মূলত পাহাড়ি অঞ্চলে দেখা যায় যেখানে সারা বছর পাতা থাকে, জোয়ার-ভাটার লবণাক্ততা থাকে না। মনে রাখার টিপস: ম্যান মানে মানুষ নয়, ম্যানগ্রোভ মানেই সমুদ্র উপকূলের লবণাক্ত বনাঞ্চল বা সুন্দরবন।
a ইউরিয়া এবং এএসপি
b টিএসপি এবং এএসপি
c ইউরিয়া
d ডিএপি
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইউরিয়া এবং এএসপি কেন সঠিক: - ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ (এনজিএফএফ) মূলত ইউরিয়া সার উৎপাদনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হলেও এর পাশাপাশি অ্যামোনিয়াম সালফেট বা এএসপি সারও উৎপাদন করে থাকে। - এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ সার কারখানা, যা প্রাকৃতিক গ্যাসকে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে এই দুটি সার উৎপাদন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউরিয়া এবং এএসপি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কারখানা থেকে এই দুটি সারই উৎপাদিত হয়। B) টিএসপি এবং এএসপি — টিএসপি সার এই কারখানায় উৎপাদিত হয় না, এটি উৎপাদিত হয় টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ এ। C) ইউরিয়া — শুধুমাত্র ইউরিয়া বললে উত্তর অসম্পূর্ণ হয়, কারণ এই কারখানা ইউরিয়ার পাশাপাশি এএসপি সারও উৎপাদন করে। D) ডিএপি — ডিএপি সার উৎপাদনের জন্য আলাদা কারখানা রয়েছে, এটি এই কারখানার উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে পড়ে না। মনে রাখার টিপস: ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরির উৎপাদিত সার মনে রাখতে ইউরিয়া ও এএসপি এই দুটি নামের প্রথম অংশ বা মূল উৎপাদিত পণ্য মাথায় রাখুন।
a রাজশাহী
b চট্টগ্রাম
c ঢাকা
d সিলেট
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিলেট কেন সঠিক: - ১৩০৩ সালে হযরত শাহ জালাল (রহ.) ৩৬০ জন আউলিয়া নিয়ে সিলেটে ইসলাম প্রচার করতে আসেন। - তাঁর এই ঐতিহাসিক আগমনের স্মরণে সিলেট অঞ্চলকে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজশাহী — এটি সিল্কসিটি ও আমের রাজধানী নামে পরিচিত, ৩৬০ আউলিয়ার দেশ নয়। B) চট্টগ্রাম — এটি বারো আউলিয়ার দেশ ও পোর্টের শহর নামে পরিচিত, ৩৬০ আউলিয়ার দেশ নয়। C) ঢাকা — এটি মসজিদ ও রিকশার শহর নামে পরিচিত, ৩৬০ আউলিয়ার দেশ নয়। D) সিলেট — হযরত শাহ জালাল (রহ.) ও তাঁর ৩৬০ জন সঙ্গীর স্মরণে এটি এই নামে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: সিলেট মানেই হযরত শাহ জালাল (রহ.) এবং তাঁর সাথে আসা ৩৬০ জন আউলিয়া।
a টাইম
b নিউজ উইকস
c ইকোনােমিষ্ট
d ইকোনােমিক এন্ড পলিটিক্যাল উইকলি
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিউজ উইকস কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল মার্কিন সাময়িকী নিউজউইক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কভার স্টোরিতে রাজনীতির কবি বা পোয়েট অফ পলিটিক্স উপাধিতে ভূষিত করে। - এই প্রতিবেদনে তৎকালীন ঐতিহাসিক অসহযোগ আন্দোলন এবং ৭ই মার্চের ভাষণের রাজনৈতিক দূরদর্শিতার প্রশংসা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টাইম — এটি বিখ্যাত মার্কিন ম্যাগাজিন হলেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে এই উপাধি দেয়নি। B) নিউজ উইকস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ম্যাগাজিনটিই বঙ্গবন্ধুকে রাজনীতির কবি উপাধি দিয়েছিল। C) ইকোনােমিষ্ট — এটি একটি ব্রিটিশ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সাময়িকী, যা এই বিশেষ উপাধি দেয়নি। D) ইকোনােমিক এন্ড পলিটিক্যাল উইকলি — এটি একটি ভারতীয় গবেষণামূলক সাময়িকী, যার সঙ্গে এই উপাধির কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: সংবাদ বা উইকস মানে সপ্তাহ, আর উইকস ম্যাগাজিনই কবিকে রাজনীতির আসনে বসিয়েছিল।
a জাতিসংঘের যুদ্ধ মােকাবেলা সংক্রান্ত চুক্তি সময়
b জাতিসংঘের শিশু অধিকার বিষয়ক চুক্তি
c জাতিসংঘের নারী অধিকার বিষয়ক প্রটোকল
d জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি কেন সঠিক: - এটি ২০০০ সালের জানুয়ারি মাসে গৃহীত এবং ২০০৩ সাল থেকে কার্যকর হওয়া একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশগত চুক্তি। - এই প্রটোকলের মূল লক্ষ্য জিনগতভাবে পরিবর্তিত জীবের (GMO) এক দেশ থেকে অন্য দেশে স্থানান্তর নিয়ন্ত্রণ করে জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতিসংঘের যুদ্ধ মোকাবেলা সংক্রান্ত চুক্তি সময় — এটি যুদ্ধের নিয়মাবলী বা অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত কোনো চুক্তি নয়। B) জাতিসংঘের শিশু অধিকার বিষয়ক চুক্তি — এটি শিশুদের অধিকার ও সুরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি, যার সাথে কার্টাগেনা প্রটোকল সম্পর্কিত নয়। C) জাতিসংঘের নারী অধিকার বিষয়ক প্রটোকল — এটি নারীদের সুরক্ষা বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় জীবপ্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করার সাথে যুক্ত। মনে রাখার টিপস: কার্টাগেনা বললেই মাথায় রাখবে জীব নিরাপত্তা এবং পরিবেশ রক্ষার জৈব প্রযুক্তিগত চুক্তি।
a 5
b 8
c 4
d 7
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 8 প্রশ্নের ধরন: পরিবেশ ও আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান। কেন সঠিক: - ১৯৮৯ সালে কার্যকর হওয়া ওজনস্তর ক্ষয়কারী পদার্থ সংক্রান্ত মন্ট্রিল প্রটোকলটি এ পর্যন্ত মোট ৮ বার সংশোধন করা হয়েছে। - বিভিন্ন নতুন ক্ষয়কারী পদার্থ নিষিদ্ধ করা এবং লক্ষ্যমাত্রা কঠোর করার জন্য এই সংশোধনীগুলো আনা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 5 — এই সংখ্যাটি মন্ট্রিল প্রটোকলের সংশোধনীর প্রকৃত সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। B) 8 — এটি সঠিক উত্তর কারণ মন্ট্রিল প্রটোকল মোট ৮ বার সংশোধিত হয়েছে। C) 4 — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ প্রটোকলটি এর চেয়ে অনেক বেশিবার সংশোধিত হয়েছে। D) 7 — এই সংখ্যাটিও ভুল কারণ সর্বশেষ সংশোধনসহ মোট সংখ্যাটি ৮। মনে রাখার টিপস: মন্ট্রিল প্রটোকল এবং সংশোধনীর সংখ্যা মনে রাখতে মনে রাখুন, ওজনস্তর রক্ষার এই চুক্তিতে মোট আটটি সংশোধনী আনা হয়েছে।
a জাপান
b আফগানিস্তান
c ভারত
d চীন
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চীন কেন সঠিক: - ২০১৩ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই মেগা প্রকল্পের ঘোষণা দেন, যা বর্তমান বিশ্বে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ নামে পরিচিত। - প্রাচীন সিল্ক রোডের ঐতিহাসিক বাণিজ্যিক পথ পুনরুজ্জীবিত করে এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করাই এর মূল লক্ষ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — এটি এই প্রকল্পের প্রবক্তা নয়, তবে এশিয়ার অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে বিভিন্ন দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থায়ন করে থাকে। B) আফগানিস্তান — এটি প্রাচীন সিল্ক রোডের একটি ভৌগোলিক অংশ হলেও এই আধুনিক বৈশ্বিক মেগা প্রকল্পের প্রবক্তা নয়। C) ভারত — ভারতের সঙ্গে এই প্রকল্পের ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতা রয়েছে এবং দেশটি এই উদ্যোগে অংশ নেয়নি। D) চীন — এই অপশনটি সঠিক কারণ চীন ২০১৩ সালে এই প্রকল্প প্রস্তাব করে বৈশ্বিক বাণিজ্যের বিস্তার ঘটাতে কাজ করছে। মনে রাখার টিপস: সিল্ক বা রেশম উৎপাদনের জন্য চীন বিশ্ববিখ্যাত, তাই নিউ সিল্ক রোড প্রকল্পের প্রবক্তাও চীন।
a ৪ অক্টোবর
b ২৯ জুন
c ১৩ অক্টোবর
d ১১ ফেব্রুয়ারি
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ অক্টোবর কেন সঠিক: - বিশ্বজুড়ে প্রাণীদের কল্যাণ ও অধিকার রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রতি বছর ৪ অক্টোবর বিশ্ব প্রাণী দিবস পালন করা হয়। - ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে ১৯৩১ সালে পরিবেশ বিজ্ঞানীদের এক সম্মেলনে এই দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ অক্টোবর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনটিতে বিশ্ব প্রাণী দিবস পালন করা হয়। B) ২৯ জুন — এটি কোনো বিশ্ব প্রাণী দিবসের তারিখ নয় এবং এই দিনে অন্য কোনো সাধারণ দিবস থাকতে পারে। C) ১৩ অক্টোবর — এটি আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস, যা প্রাণী দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১১ ফেব্রুয়ারি — এটি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নারী ও মেয়ে দিবস, প্রাণী দিবসের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: প্রাণী দিবসের শুরুর অক্ষর প্রা (৪ এর কাছাকাছি উচ্চারণ) এবং অক্টোবর মাসের চার তারিখের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো চার অক্টোবর।
a ব্রাসেলস
b জেনেভা
c লন্ডন
d প্যারিস
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) জেনেভা *প্রদত্ত উত্তর সংশোধন: প্রশ্নে সঠিক উত্তর লন্ডন দেওয়া থাকলেও প্রকৃত ও নির্ভুল উত্তর হলো জেনেভা। ডব্লিউআইপিও (WIPO) এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।* কেন সঠিক: - ডব্লিউআইপিও (WIPO) হলো বিশ্ব মেধা সম্পত্তি সংস্থা, যার প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত। - এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক মেধা সম্পত্তি সুরক্ষায় জেনেভা থেকে এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রাসেলস — এটি বেলজিয়ামের রাজধানী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর, তাই এটি সঠিক নয়। B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং ডব্লিউআইপিও এর সঠিক সদর দপ্তর। C) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এখানে আন্তর্জাতিক মারিটাইম অর্গানাইজেশন বা আইএমও এর সদর দপ্তর অবস্থিত। D) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কো বা ওএইসিডির সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: মেধা সম্পত্তি রক্ষা করতে জেনি নামের কেউ জেনেভায় অফিস খুলেছে, এভাবে WIPO এর সদর দপ্তর জেনেভা মনে রাখতে পারো।
a মৌসুমী বায় ঋতুতে
b শীতকালে
c মৌসুমী বায়ু ঋতুর পরবর্তী সময়ে
d প্রাক-মৌসুমী বায়ু ঋতুতে
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রাক-মৌসুমী বায়ু ঋতুতে কেন সঠিক: - মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত সময়কে প্রাক-মৌসুমী বায়ু ঋতু বা কালবৈশাখীর সময় বলা হয়। - এই সময়ে অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে স্থানীয়ভাবে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়ে কালবৈশাখী ঝড়ের উৎপত্তি ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৌসুমী বায় ঋতুতে — এই ঋতুতে মূলত প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়, কালবৈশাখী ঝড় হয় না। B) শীতকালে — শীতকাল সাধারণত শুষ্ক ও শান্ত থাকে, তাই এ সময়ে কালবৈশাখী হয় না। C) মৌসুমী বায়ু ঋতুর পরবর্তী সময়ে — এটি বর্ষা-পরবর্তী শরৎ বা হেমন্তকাল বোঝায়, যখন কালবৈশাখীর অনুকূল পরিবেশ থাকে না। D) প্রাক-মৌসুমী বায়ু ঋতুতে — এটি সঠিক কারণ, এই গরম ও আর্দ্র সময়েই কালবৈশাখী ঝড় আঘাত হানে। মনে রাখার টিপস: বর্ষার ঠিক আগে অর্থাৎ গরমের দিনে কালবৈশাখী ঝড় হয়, তাই এটি প্রাক-মৌসুমী বায়ু ঋতুর ঘটনা।
a বন্যা
b ভূমিকম্প
c খরা
d ঘূর্ণিঝড়
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভূমিকম্প কেন সঠিক: - ভূগর্ভস্থ প্লেটের হঠাৎ স্থানচ্যুতির কারণে ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়, যার নির্দিষ্ট কোনো পূর্বসংকেত বা পূর্বাভাস পাওয়ার প্রযুক্তি এখনো মানুষের আয়ত্তে নেই। - বন্যা, খরা বা ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষেত্রে আবহাওয়া দপ্তরের মাধ্যমে আগে থেকেই সতর্কবার্তা পাওয়ার সুযোগ থাকে, যা ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বন্যা — নদী ভাঙন বা অতিবৃষ্টির কারণে পানি বৃদ্ধির পূর্বাভাস আগে থেকেই পাওয়া যায়, তাই এটি পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই ঘটে না। B) ভূমিকম্প — ভূগর্ভস্থ শক্তির হঠাৎ প্রকাশের ফলে এটি ঘটে এবং এর কোনো নির্দিষ্ট পূর্ব সতর্কতা বা পূর্বাভাস পাওয়া যায় না। C) খরা — দীর্ঘকাল বৃষ্টিহীনতা ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে সৃষ্টি হয়, তাই এটি হঠাৎ ঘটে না। D) ঘূর্ণিঝড় — উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে সমুদ্রের নিম্নচাপ লক্ষ করে এর গতিপথ ও আঘাত হানার সময় আগে থেকেই জানা যায়। মনে রাখার টিপস: বন্যা, খরা ও ঘূর্ণিঝড়ের আগাম পূর্বাভাস পাওয়া গেলেও ভূমিকম্পের কোনো পূর্বাভাস পাওয়া যায় না।
a আসাম
b ত্রিপুরা
c মিজোরাম
d নাগাল্যান্ড
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাগাল্যান্ড কেন সঠিক: - ভারতের নাগাল্যান্ড রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের কোনো স্থলসীমান্ত বা ভৌগোলিক সংযোগ নেই। - বাংলাদেশের সাথে ভারতের মোট পাঁচটি রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে, যার মধ্যে নাগাল্যান্ড অন্তর্ভুক্ত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আসাম — আসামের সাথে বাংলাদেশের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে এবং এটি বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত। B) ত্রিপুরা — ত্রিপুরার সাথে বাংলাদেশের একটি বড় সীমান্ত রয়েছে এবং এটি তিন দিক থেকে ভারত দ্বারা বেষ্টিত। C) মিজোরাম — মিজোরাম রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশে সীমান্ত রয়েছে। D) নাগাল্যান্ড — নাগাল্যান্ডের সাথে বাংলাদেশের কোনো সীমান্ত নেই কারণ এটি আসাম ও মনিপুরের আরও পূর্বে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫টি রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে। সেগুলো মনে রাখার সহজ বাক্য হলো, আসাম গেল ত্রিপুরা মেঘালয় মিজোরাম। এখানে নাগাল্যান্ডের নাম নেই।
a সাতক্ষীরা, যশাের, কুষ্টিয়া
b নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ
c বগুড়া, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম
d চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাসমূহ
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাসমূহ কেন সঠিক: - জুম চাষ হলো পাহাড়ি অঞ্চলে ভূমির ঢাল অনুসরণ করে এক প্রকার স্থানান্তর বা জিংগ্যাগ পদ্ধতিতে কৃষি কাজ। - বাংলাদেশের রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান এবং চট্টগ্রাম জেলার পাহাড়ি এলাকায় উপজাতি সম্প্রদায়ের মানুষেরা এই পদ্ধতিতে চাষাবাদ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাতক্ষীরা, যশাের, কুষ্টিয়া — এই জেলাগুলো দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত এবং এখানে সমতল ভূমিতে সাধারণ পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা হয়, পাহাড়ি জুম চাষের প্রচলন নেই। B) নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ — এই জেলাগুলো চলনবিল ও বরেন্দ্র অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং এখানকার ভূপ্রকৃতি সমতল হওয়ায় জুম চাষ করা সম্ভব নয়। C) বগুড়া, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম — এই জেলাগুলো মূলত তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার সমতল প্লাবনভূমিতে অবস্থিত, যেখানে পাহাড়ি কৃষির সুযোগ নেই। D) চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাসমূহ — এই অপশনটি সঠিক কারণ পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি জুম চাষের জন্য উপযোগী এবং ঐতিহ্যগতভাবেই এই অঞ্চলে জুম চাষ করা হয়। মনে রাখার টিপস: পাহাড় মানেই জুম চাষ, আর বাংলাদেশের পাহাড় রয়েছে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামে।
a 0.758
b 0.792
c 0.781
d প্রায় ৮০%
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) C) ০.৭৮১ কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের প্রকৃত পরিমাণ প্রায় আটাত্তর শতাংশ বা দশভিত্তিক ভগ্নাংশে ০.৭৮১। - বৈজ্ঞানিক পরিমাপে বায়ুর উপাদানের সঠিক অনুপাত প্রকাশ করতে এই দশমিক মান ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.৭৫৮ — এই সংখ্যাটি বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেনের পরিমাণের সঙ্গে মেলে না এবং এটি একটি ভুল মান। B) ০.৭৯২ — এটি বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেনের প্রকৃত পরিমাণের চেয়ে বেশি এবং সঠিক তথ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। C) C) ০.৭৮১ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। D) প্রায় ৮০% — এটি একটি সাধারণ ধারণা বা পূর্ণসংখ্যা প্রকাশের রূপ, তবে সঠিক সুনির্দিষ্ট মান হলো ০.৭৮১। মনে রাখার টিপস: বায়ুমণ্ডলের প্রায় ৭৮ শতাংশ নাইট্রোজেন, যা দশমিকে লিখলে ০.৭৮১ হয়।
a পার্শ্ব গ্রাবরেখা
b ভি-আকৃতির উপত্যকা
c শৈলশিরা
d ইউ-আকৃতির উপত্যকা
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: D) ইউ-আকৃতির উপত্যকা কেন সঠিক: - হিমবাহ যখন পাহাড়ি উপত্যকা দিয়ে নিচের দিকে নামে, তখন এর বিশাল ভার ও গতির কারণে উপত্যকার তলদেশ ও উভয় পার্শ্ব সমানভাবে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। - এই ব্যাপক ক্ষয়ের ফলে সাধারণ নদী উপত্যকার মতো সংকীর্ণ না হয়ে ইংরেজি অক্ষর ইউ এর আকৃতির একটি প্রশস্ত ও গভীর উপত্যকার সৃষ্টি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পার্শ্ব গ্রাবরেখা — এটি হিমবাহের ক্ষয় নয়, বরং হিমবাহের উভয় পার্শ্বে পলি ও পাথর জমে গঠিত সঞ্চয়জাত ভূমিরূপ। B) ভি-আকৃতির উপত্যকা — এটি হিমবাহের ক্ষয় দ্বারা নয়, বরং নদীর ক্ষয়কার্যের ফলে পাহাড়ি অঞ্চলে ইংরেজি অক্ষর ভি এর আকৃতিতে গঠিত হয়। C) শৈলশিরা — এটি দুটি হিমবাহ উপত্যকার মাঝখানে অবস্থিত অনুচ্চ পাহাড় বা ridges, যা হিমবাহের পার্শ্বক্ষয়ের ফলে গঠিত হয়। D) ইউ-আকৃতির উপত্যকা — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট প্রধান ভূমিরূপ। মনে রাখার টিপস: নদী তৈরি করে সংকীর্ণ ভি আকৃতির উপত্যকা এবং বরফ বা হিমবাহ তৈরি করে প্রশস্ত ইউ আকৃতির উপত্যকা।
a ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভােগী
b স্বয়ংভােগী মিশ্র
c ধান-প্রধান বাণিজ্যিক
d স্বয়ংভােগী শষ্য চাষ ও পশুপালন
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: অর্থনীতি ও কৃষিব্যবস্থা (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) সঠিক উত্তর: C) ধান-প্রধান বাণিজ্যিক কেন সঠিক: - বাংলাদেশের কৃষিতে প্রধান খাদ্যশস্য হিসেবে ধানের চাষ সর্বাধিক এবং উৎপাদিত ধান ও অন্যান্য ফসল বর্তমানে কেবল অভ্যন্তরীণ চাহিদাই মেটায় না, বরং বাজারে বিক্রি করে কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। - আধুনিক বাণিজ্যিক কৃষির প্রভাবে কৃষিপণ্য এখন দেশীয় বাজারের গণ্ডি পেরিয়ে বাণিজ্যিকভাবে বাজারজাত ও প্রক্রিয়াজাত করা হচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী — ঐতিহ্যগতভাবে আমাদের কৃষি স্বয়ংভোগী বা জীবনধারণভিত্তিক হলেও আধুনিক ও পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে এটি এখন বাণিজ্যিক রূপ লাভ করেছে। B) স্বয়ংভোগী মিশ্র — মিশ্র কৃষি হলেও বর্তমান কৃষিব্যবস্থার মূল বৈশিষ্ট্য কেবল জীবনধারণে সীমাবদ্ধ নেই, এর সঙ্গে শক্তিশালী বাণিজ্যিকীকরণ যুক্ত হয়েছে। D) স্বয়ংভোগী শস্য চাষ ও পশুপালন — পশুপালন ও শস্য চাষের উপস্থিতি থাকলেও কৃষির মূল প্রবণতা এখন শুধু স্বয়ংভোগ বা পারিবারিক চাহিদা মেটানো নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের প্রধান ফসল ধান হলেও বর্তমান কৃষিনীতি ও বাজারব্যবস্থা বাণিজ্যিক কৃষির দিকে ধাবিত হওয়ায় উত্তর হবে বাণিজ্যিক।
a অর্থনৈতিক
b পরিবেশগত
c সামাজিক
d অবকাঠামােগত
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: B) পরিবেশগত কেন সঠিক: - আপদ বা হ্যাজার্ড সংঘটিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য ও প্রতিবেশ ব্যবস্থার ওপর সরাসরি ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। - পরিবেশগত ক্ষতি হলো আপদের তাৎক্ষণিক ও প্রত্যক্ষ পরিণতি, যা পরবর্তীতে অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থনৈতিক — এটি আপদের প্রত্যক্ষ প্রভাব নয়, বরং পরোক্ষ বা দীর্ঘমেয়াদী পরিণতি যা অবকাঠামো ধ্বংসের পর সৃষ্টি হয়। C) সামাজিক — এটি আপদের সরাসরি আঘাতের ফলে ঘটে না, বরং পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক ক্ষতির পর সমাজের ওপর এর পরোক্ষ প্রভাব পড়ে। D) অবকাঠামোগত — ভূমিকম্প বা ঘূর্ণিঝড়ের মতো কিছু ক্ষেত্রে এটি প্রত্যক্ষ মনে হলেও সামগ্রিকভাবে আপদের সবচেয়ে মৌলিক ও প্রাথমিক প্রভাব হলো পরিবেশগত। মনে রাখার টিপস: আপদ মূলত প্রকৃতির ওপর আঘাত হানে, তাই এর প্রত্যক্ষ প্রভাব সব সময় পরিবেশগত হয়।
a পুনর্বাসন
b দুর্যোগ প্রস্তুতি
c ঝুঁকি (Risk) চিহ্নিতকরণ
d দুর্যোগ প্রশমণ কর্মকাণ্ড
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুর্যোগ প্রস্তুতি কেন সঠিক: - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রের প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সক্রিয় পদক্ষেপ হলো দুর্যোগ প্রস্তুতি, যা দুর্যোগ আঘাত হানার পূর্বেই গ্রহণ করতে হয়। - সঠিক প্রস্তুতি গ্রহণ করলে জীবন ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুনর্বাসন — এটি দুর্যোগ পরবর্তী পর্যায়ের কাজ, যা ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ ও ত্রাণ বিতরণের পর বাস্তবায়িত হয়। B) দুর্যোগ প্রস্তুতি — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ঝুঁকি (Risk) চিহ্নিতকরণ — এটি প্রস্তুতি গ্রহণের পূর্ববর্তী একটি বিশ্লেষণমূলক কাজ, যা সার্বিক ব্যবস্থাপনার অংশ হলেও মূল ব্যবস্থাপনার চক্রে প্রস্তুতিকেই প্রথম ধাপ ধরা হয়। D) দুর্যোগ প্রশমণ কর্মকাণ্ড — এটি মূলত দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা এবং ঝুঁকি হ্রাসের সঙ্গে যুক্ত, যা ব্যবস্থাপনার শুরুর দিকের সরাসরি কর্মপরিকল্পনা নয়। মনে রাখার টিপস: দুর্যোগ আসার আগেই নিজেকে প্রস্তুত রাখতে হয়, তাই ব্যবস্থাপনার শুরুতেই 'প্রস্তুতি' কথাটি আসে।
a কমিউনিটি পর্যায়ে
b উপজেলা পর্যায়ে
c জাতীয় পর্যায়ে
d আঞ্চলিক পর্যায়ে
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কমিউনিটি পর্যায়ে কেন সঠিক: - প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় আক্রান্ত এলাকায় সবার আগে স্থানীয় জনগণ বা কমিউনিটি নিজেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তাৎক্ষণিক উদ্ধারকাজ পরিচালনা করে। - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালায় বলা হয় যে, তৃণমূল বা কমিউনিটি স্তরের প্রস্তুতি ও সক্ষমতা বৃদ্ধিই হলো যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কমিউনিটি পর্যায়ে — এটি সঠিক উত্তর কারণ দুর্যোগের প্রথম আঘাত এই স্তরেই আসে এবং স্থানীয় মানুষ সবচেয়ে দ্রুত সাড়া দিতে পারে। B) উপজেলা পর্যায়ে — উপজেলা প্রশাসন প্রশাসনিক সহায়তা দিলেও দুর্যোগের মুহূর্তেই তারা সরাসরি মাঠে পৌঁছাতে সময় নেয়, তাই এটি প্রথম ফলপ্রসূ স্তর নয়। C) জাতীয় পর্যায়ে — জাতীয় পর্যায় থেকে নীতিনির্ধারণ ও ত্রাণ বরাদ্দ করা হয়, যা সময়সাপেক্ষ এবং তৃণমূলের তাৎক্ষণিক চাহিদার তুলনায় দেরিতে পৌঁছায়। D) আঞ্চলিক পর্যায়ে — আঞ্চলিক পর্যায় বৃহত্তর এলাকার সমন্বয় করে, যা স্থানীয় বা কমিউনিটি স্তরের মতো সরাসরি ও তাৎক্ষণিক সুফল দিতে পারে না। মনে রাখার টিপস: দুর্যোগে সবার আগে পাশে থাকে পাড়া-প্রতিবেশী, তাই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মূল ভিত্তি হলো কমিউনিটি পর্যায়।

মোট প্রশ্ন (9)

a স্যাংগার ও পলিং
b লুই পাস্তুর ও ওয়াটসন
c ওয়াটসন ও ক্রিক
d পলিং ও ক্রিক
0 140 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ওয়াটসন ও ক্রিক ১. কেন সঠিক: জেমস ওয়াটসন এবং ফ্রান্সিস ক্রিক ১৯৫৩ সালে ডি এন এ অণুর ত্রিমাত্রিক দ্বি-হেলিক্স বা পেঁচানো সিঁড়ির মতো গঠন আবিষ্কার করেন। এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের ফলে জীববিজ্ঞানে বংশগতির ধারা এবং জিনের কার্যপ্রণালি স্পষ্টভাবে বোঝা সম্ভব হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ডি এন এ হলো ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড, যা সমস্ত জীবদেহের জিনগত তথ্য বহন করে এবং বংশপরম্পরায় বৈশিষ্ট্য রক্ষা করে। কার্যপ্রণালি: ডি এন এ অণু দুটি পলিনুক্লিওটাইড চেইন নিয়ে গঠিত, যা একে অপরের বিপরীত দিকে পেঁচিয়ে দ্বৈত সর্পিল বা দ্বি-হেলিক্স গঠন তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাতা-পিতার শারীরিক বা মানসিক বৈশিষ্ট্য সন্তানের মধ্যে স্থানান্তরিত হওয়া। ব্যাখ্যা: ডি এন এ অণুর মধ্যে থাকা জিনগত কোড বা নির্দেশাবলি বংশপরম্পরায় বৈশিষ্ট্যগুলো সঠিকভাবে ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: অপরাধী শনাক্তকরণ বা ফরেনসিক ডি এন এ টেস্ট। ব্যাখ্যা: প্রতিটি মানুষের ডি এন এ গঠন অনন্য হওয়ায় এই প্রযুক্তির মাধ্যমে অপরাধী বা নিখোঁজ ব্যক্তিকে নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্যাংগার ও পলিং — ফ্রেডরিক স্যাংগার ইনসুলিনের গঠন এবং পলিনাস পলিং প্রোটিনের আলফা হ্যালিক্স গঠন আবিষ্কার করেন। B) লুই পাস্তুর ও ওয়াটসন — লুই পাস্তুর জলাতঙ্কের টিকা এবং পাস্তুরাইজেশন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন, যা ডি এন এর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ওয়াটসন ও ক্রিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ তারা যৌথভাবে ডি এন এ অণুর দ্বি-হেলিক্স কাঠামো আবিষ্কারের জন্য নোবেল পুরস্কার পান। D) পলিং ও ক্রিক — পলিনাস পলিং ডি এন এ কাঠামোর কাছাকাছি পৌঁছালেও শেষ পর্যন্ত ওয়াটসন ও ক্রিক সঠিক মডেল উপস্থাপন করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: ডি এন এ কাঠামোর জনক মনে রাখার সহজ উপায় হলো ওয়াটার ক্রিস্টাল বা সংক্ষেপে ওয়াটসন ও ক্রিক নাম দুটি একসাথে মনে রাখা। জীববিজ্ঞানের এই মৌলিক আবিষ্কারটি ১৯৫৩ সালে হয়েছিল এবং এর জন্য তারা ১৯৬২ সালে নোবেল পুরস্কার পান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ডি এন এ অণুতে অ্যাডিনিন সবসময় থাইমিনের সঙ্গে এবং গুয়ানিন সাইটোসিনের সঙ্গে জোড়া বাঁধে। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীববিজ্ঞানের জিন ও বংশগতি অধ্যায় থেকে বারবার আসে।
a লৌহ
b আমিষ
c আয়ােডিন
d কোনটি না
0 138 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আমিষ ১. কেন সঠিক: - হিমোগ্লোবিন হলো রক্তে অক্সিজেন পরিবহনে সাহায্যকারী একটি বিশেষ জটিল আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় পদার্থ। - এটি মূলত গ্লোবিন নামক প্রোটিন এবং হিম নামক লৌহঘটিত রঞ্জক পদার্থ নিয়ে গঠিত। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: হিমোগ্লোবিন হলো মেরুদণ্ডী প্রাণীর লোহিত রক্তকণিকায় অবস্থিত একটি লৌহঘটিত প্রোটিন যা ফুসফুস থেকে শরীরের সব কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করে। - কার্যপ্রণালি: এটি ফুসফুসে অক্সিজেনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন গঠন করে এবং শরীরের টিস্যুতে পৌঁছে অক্সিজেন ছেড়ে দেয়। - বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের শরীরে হিমোগ্লোবিনের সঠিক মাত্রা বজায় থাকলে কোষে পর্যাপ্ত শক্তি উৎপাদিত হয় এবং ক্লান্তি দূর হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুস্থ মানুষের রক্তে হিমোগ্লোবিন ব্যাখ্যা: একজন সুস্থ পূর্ণবয়স্ক পুরুষের রক্তে হিমোগ্লোবিনের স্বাভাবিক পরিমাণ প্রতি ডেসিলিটারে ১৩ থেকে ১৮ গ্রাম এবং নারীদের ক্ষেত্রে ১২ থেকে ১৬ গ্রাম। উদাহরণ ২: রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া ব্যাখ্যা: খাদ্যে আমিষ বা আয়রনের ঘাটতি হলে হিমোগ্লোবিনের উৎপাদন কমে যায়, ফলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয় এবং শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লৌহ — হিমোগ্লোবিনে লৌহ বা আয়রন একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে উপস্থিত থাকে, তবে সম্পূর্ণ হিমোগ্লোবিন পদার্থটি শুধুমাত্র লৌহ নয়, বরং এটি একটি আমিষজাতীয় যৌগ। B) আমিষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ হিমোগ্লোবিন মূলত একটি প্রোটিন বা আমিষ জাতীয় পদার্থ। C) আয়ােডিন — এটি থাইরয়েড হরমোন তৈরির জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি খনিজ উপাদান, যা হিমোগ্লোবিনের গঠনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) কোনটি না — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি অপশন বি তে স্পষ্টভাবে বিদ্যমান রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: হিমোগ্লোবিন শব্দের শেষে প্রোটিনের অংশ 'গ্লোবিন' যুক্ত আছে যা থেকে সহজে মনে রাখা যায় এটি আমিষ জাতীয় পদার্থ। তবে এর মধ্যে আয়রন বা লৌহও একটি বিশেষ অংশ হিসেবে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে মানবদেহের কোন উপাদান অক্সিজেন বহন করে বা হিমোগ্লোবিন কোন জাতীয় পদার্থ। হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজ অক্সিজেন পরিবহন করা এবং এর অভাবে অ্যানিমিয়া রোগ হয়।
a ঘোড়া
b বলগা হরিণ
c উট
d খেচর
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উট ১. কেন সঠিক: মরুভূমির চরম আবহাওয়া ও বালুকাময় মাটিতে সহজে চলাচল এবং বেঁচে থাকার ক্ষমতার জন্য উটকে মরুভূমির জাহাজ বলা হয়। এর শারীরবৃত্তীয় বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি দীর্ঘ সময় জল ও খাদ্য ছাড়াই মরুভূমিতে টিকে থাকতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: এটি প্রাণিবিজ্ঞানের একটি অভিযোজন প্রক্রিয়া, যেখানে জীব পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে শারীরিক পরিবর্তন ঘটায়। কার্যপ্রণালি: উটের পিঠের কুঁজে চর্বি জমা থাকে, যা বিপাক ক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং প্রয়োজনে জল সরবরাহ করে। কারণ ও ফলাফল: উটের চওড়া ও নরম পায়ের পাতা বালিতে ডুবে যাওয়া রোধ করে এবং নাসারন্ধ্র বালুঝড় থেকে রক্ষা করতে বন্ধ করা যায়। বাস্তব প্রয়োগ: মরুভূমির যাযাবর সম্প্রদায় পণ্য ও মানুষ পরিবহনের জন্য উটকে প্রধান বাহন হিসেবে ব্যবহার করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উটের চোখের দীর্ঘ ও ঘন দুটি পলক এবং বিশেষ পর্দা থাকে। ব্যাখ্যা: এটি প্রচণ্ড বালুঝড়ের সময় বালুকণা থেকে চোখকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রাখে। উদাহরণ ২: উটের রক্তকণিকা ডিম্বাকৃতির এবং এরা শরীরের জলশূন্যতা সহ্য করতে পারে। ব্যাখ্যা: এর ফলে শরীরের জলের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলেও রক্ত ঘন হয়ে চলাচলে কোনো বাধা সৃষ্টি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঘোড়া — এটি প্রধানত তৃণভূমি বা নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের দ্রুতগামী প্রাণী, যার পায়ের খুর মরুভূমির বালির জন্য উপযোগী নয়। B) বলগা হরিণ — এটি সুমেরু অঞ্চলের তীব্র ঠান্ডা ও বরফাবৃত এলাকার প্রাণী, যা মরুভূমির গরম ও শুষ্ক আবহাওয়ায় বাঁচতে পারে না। C) উট — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা মরুভূমির চরম পরিবেশের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে অভিযোজিত একটি প্রাণী। D) খেচর — এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রাণীর নাম নয়, বরং এটি আকাশচারী বা ওড়ার ক্ষমতা সম্পন্ন প্রাণীদের সাধারণ শ্রেণিবাচক শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: মরুভূমির বালুকাময় মহাসমুদ্রে একমাত্র উটই নির্বিঘ্নে জাহাজ বা নৌকার মতো চলতে পারে। তাই বালির জাহাজের সঙ্গে উটের পিঠের কুঁজ এবং পায়ের পাতার রূপ মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মরুভূমির প্রাণীদের অতিরিক্ত জল সংরক্ষণের জন্য ঘাম কম হয় এবং মলমূত্র অত্যন্ত ঘন হয়। এই প্রশ্নটি থেকে বিবর্তন ও অভিযোজন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে।
a এসিড নির্দেশক
b ক্ষার নির্দেশক রাকাত
c এসিড ও ক্ষার নির্দেশক
d এসিড, ক্ষার ও নিরপেক্ষতা নির্দেশক
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) এসিড, ক্ষার ও নিরপেক্ষতা নির্দেশক ১. কেন সঠিক: - pH স্কেল মূলত কোনো দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়নের সক্রিয়তার ঋণাত্মক লোগারিদম। এটি কোনো দ্রবণ এসিডীয়, ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ তা নিখুঁতভাবে পরিমাপ করে। - শূন্য থেকে চৌদ্দ পর্যন্ত বিস্তৃত এই স্কেলে সাত হলো নিরপেক্ষ বিন্দু, যার নিচে এসিড এবং ওপরে ক্ষার নির্দেশিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: pH হলো পোটেনশিয়াল অব হাইড্রোজেন, যা দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন ঘনমাত্রা নির্দেশ করে। - সূত্র বা তত্ত্ব: পিএইচ নির্ণয়ের সূত্রটি হলো পিএইচ সমান মাইনাস লগারিদম হাইড্রোজেন আয়ন ঘনমাত্রা। - কার্যপ্রণালি: দ্রবণে এসিডের পরিমাণ বাড়লে পিএইচ কমে যায় এবং ক্ষারের পরিমাণ বাড়লে পিএইচ বেড়ে যায়। - বাস্তব প্রয়োগ: কৃষিকাজে মাটির উর্বরতা রক্ষা এবং মানবদেহের রক্ত ও পাকস্থলীর এসিডের ভারসাম্য রক্ষায় পিএইচ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিশুদ্ধ পানির পিএইচ ঠিক সাত। ব্যাখ্যা: এটি নির্দেশ করে যে বিশুদ্ধ পানি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ এবং এতে এসিড বা ক্ষার কোনোটিরই আধিক্য নেই। উদাহরণ ২: লেবুর রসের পিএইচ দুই থেকে তিনের মধ্যে থাকে। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে লেবুর রস একটি শক্তিশালী এসিডীয় পদার্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এসিড নির্দেশক — এটি শুধু এসিড নির্দেশ করে না, বরং ক্ষার ও নিরপেক্ষ অবস্থাও পরিমাপ করে। B) ক্ষার নির্দেশক রাকাত — এটি শুধুমাত্র ক্ষার নির্দেশ করে না, বরং এসিড ও নিরপেক্ষতার পরিমাপও এর অন্তর্ভুক্ত। C) এসিড ও ক্ষার নির্দেশক — এই অপশনে নিরপেক্ষতার বিষয়টি বাদ পড়েছে, যা পিএইচ স্কেলের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। D) এসিড, ক্ষার ও নিরপেক্ষতা নির্দেশক — এই অপশনটি সম্পূর্ণ এবং সঠিক কারণ এটি সবকটি অবস্থা একসঙ্গে প্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - পিএইচ স্কেলের মান শূন্য থেকে চৌদ্দ পর্যন্ত হয়। - সাত হলো নিরপেক্ষ, সাতের নিচে এসিড এবং সাতের ওপরে ক্ষার মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানবদেহের রক্তের স্বাভাবিক পিএইচ মান হলো সাত দশমিক চার। - এই টপিক থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মাটির পিএইচ বা রাসায়নিক পদার্থের প্রকৃতি সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
a বেকেরেল রশ্মি
b X – রশ্মির
c গামা রশ্মি
d বিটা-রশ্মি
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) X – রশ্মির ১. কেন সঠিক: - গোয়েন্দা বিভাগে চোরাচালান ধরতে বা গোপন বস্তু শনাক্ত করতে এক্স-রশ্মি বা এক্স-রে ব্যবহার করা হয়। - এই রশ্মি মানবদেহ বা ভারী পদার্থের ভেতর ভেদ করে যেতে পারলেও বিভিন্ন পদার্থের ঘনত্বের ওপর ভিত্তি করে ভিন্ন চিত্র তৈরি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: এক্স-রশ্মি হলো এক প্রকার উচ্চ শক্তির তড়িচ্চুম্বকীয় বিকিরণ যা দৃশ্যমান আলোর চেয়ে অনেক কম তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিশিষ্ট। - কার্যপ্রণালি: এক্স-রশ্মি কোনো বস্তুর মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় ঘন বস্তুতে বেশি বাধা পায় এবং হালকা বস্তুতে কম বাধা পায়, ফলে একটি পরিষ্কার প্রতিচ্ছবি পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিমানবন্দরে লাগেজ স্ক্যানিং ব্যাখ্যা: বিমানবন্দরের নিরাপত্তা তল্লাশীতে এক্স-রশ্মি ব্যবহার করে ব্যাগের ভেতরের ধাতব বা নিষিদ্ধ বস্তু সহজে শনাক্ত করা হয়। উদাহরণ ২: মানুষের শরীরের ভাঙা হাড় নির্ণয় ব্যাখ্যা: চিকিৎসাবিজ্ঞানে মানবদেহের ভেতরের ভাঙা হাড় বা ফাটল দেখতে এক্স-রশ্মি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেকেরেল রশ্মি — বেকেরেল রশ্মি মূলত তেজস্ক্রিয় বিকিরণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা গোয়েন্দা কাজে লাগেজ স্ক্যানে ব্যবহৃত হয় না। B) X – রশ্মির — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর ভেদন ক্ষমতা লাগেজ ও গোপন বস্তু পরীক্ষার জন্য উপযুক্ত। C) গামা রশ্মি — গামা রশ্মি অত্যন্ত শক্তিশালী তেজস্ক্রিয় রশ্মি যা মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এবং গোয়েন্দা বিভাগে ব্যবহৃত হয় না। D) বিটা-রশ্মি — বিটা রশ্মি হলো ইলেকট্রন কণার স্রোত যার ভেদন ক্ষমতা কম এবং এটি গোয়েন্দা বিভাগে ব্যবহৃত হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: চোখ দিয়ে যা দেখা যায় না, ব্যাগের ভেতর তা দেখতে এক্স-রে বা এক্স-রশ্মি ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এক্স-রশ্মি আবিষ্কার করেন উইলহেলম কনরাড রন্টজেন, যা পদার্থবিজ্ঞানে প্রথম নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
a যুক্ত অবস্থার চাইতে কম
b যুক্ত অবস্থার চাইতে অধিক
c যুক্ত অবস্থার সমান
d কোনটিই সঠিক নয়
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যুক্ত অবস্থার চাইতে অধিক ১. কেন সঠিক: বিচ্ছিন্ন অবস্থায় একটি পরমাণু স্বাধীন এবং এককভাবে থাকে বলে এর অভ্যন্তরীণ শক্তি বেশি থাকে। পরমাণু যখন অন্য পরমাণুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে অণু বা যৌগ গঠন করে, তখন শক্তি নির্গত হয় এবং স্থিতিশীলতা অর্জন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: প্রকৃতিতে প্রতিটি সিস্টেম সর্বনিম্ন শক্তি এবং সর্বোচ্চ স্থিতিশীলতা অর্জন করতে চায়। পরমাণু যখন বিচ্ছিন্ন থাকে, তখন তাদের মধ্যে আকর্ষণ বা স্থিতিশীলতা না থাকায় তাদের বিভব শক্তি বেশি থাকে। কার্যপ্রণালি: রাসায়নিক বন্ধন গঠনের সময় পরমাণুগুলো শক্তি বিকিরণ করে এবং কম শক্তির স্তরে নেমে আসে। ফলে যুক্ত বা আবদ্ধ অবস্থার মোট শক্তি বিচ্ছিন্ন অবস্থার চেয়ে কমে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাইড্রোজেন পরমাণু ব্যাখ্যা: দুটি বিচ্ছিন্ন হাইড্রোজেন পরমাণুর মোট শক্তির চেয়ে একটি হাইড্রোজেন অণু গঠনের পর মোট শক্তি কম হয়, কারণ বন্ধন গঠনের সময় অতিরিক্ত শক্তি মুক্ত হয়। উদাহরণ ২: সোডিয়াম ও ক্লোরিন বিক্রিয়া ব্যাখ্যা: বিচ্ছিন্ন সোডিয়াম ও ক্লোরিন পরমাণুর শক্তির মাত্রা বেশি থাকে, কিন্তু যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ক্লোরাইড লবণ তৈরির সময় তারা শক্তি ছেড়ে দিয়ে কম শক্তির স্থিতিশীল অবস্থা অর্জন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্ত অবস্থার চাইতে কম — এই উত্তরটি ভুল কারণ বিচ্ছিন্ন পরমাণু অধিক শক্তিসম্পন্ন হয় এবং যুক্ত হলে শক্তি কমে যায়। B) যুক্ত অবস্থার চাইতে অধিক — এই উত্তরটি সঠিক কারণ মুক্ত বা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পরমাণুর শক্তি বেশি থাকে। C) যুক্ত অবস্থার সমান — এই উত্তরটি ভুল কারণ বন্ধন গঠনের সময় শক্তি নির্গত বা শোষিত হয়, ফলে শক্তি সমান থাকতে পারে না। D) কোনটিই সঠিক নয় — এই উত্তরটি ভুল কারণ অপশন বি সঠিক উত্তর হিসেবে উপস্থিত রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বাধীন বা একা থাকলে মানুষের যেমন তেজ বা শক্তি বেশি থাকে, তেমনি বিচ্ছিন্ন পরমাণুও বেশি শক্তি ধারণ করে। যুক্ত বা মিলে গেলে শক্তি কমে শান্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রাসায়নিক বন্ধন গঠনের মূল চালিকাশক্তি হলো শক্তি কমানো এবং স্থিতিশীলতা অর্জন করা। এই ধারণা থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বন্ধন শক্তি এবং স্থিতিশীলতা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a 𝐶𝑎𝐶𝑂3CaCO3​
b 𝑁𝐻4𝐻𝐶𝑂3NH4​HCO3​
c 𝑁𝑎𝐻𝐶𝑂3NaHCO3​
d (𝑁𝐻4)2𝐶𝑂3(NH4​)2​CO3​
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) NaHCO3 ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সোডিয়াম বাইকার্বোনেট বা বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত নির্দেশ করে যা বেকিং পাউডারের মূল উপাদান। - এটি একটি মৃদু ক্ষারকীয় পদার্থ যা এসিডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বেকিং পাউডার হলো সোডিয়াম বাইকার্বোনেট এবং একটি কঠিন ভোজ্য এসিডের মিশ্রণ যা রান্নার সময় ফুলে উঠতে সাহায্য করে। - রাসায়নিক বিক্রিয়া: শুষ্ক অবস্থায় এদের মধ্যে কোনো বিক্রিয়া হয় না কিন্তু পানি যোগ করলে সোডিয়াম বাইকার্বোনেট এসিডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কেক বা রুটি তৈরিতে বেকিং পাউডার ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: উৎপাদিত কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস আটার ভেতরে বুদ্বুদ তৈরি করে এবং কেক বা রুটি নরম ও ফোলা হতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: পেটে এসিডিটি হলে অ্যান্টাসিড হিসেবে সোডিয়াম বাইকার্বোনেট খাওয়া হয়। ব্যাখ্যা: এটি পাকস্থলীর অতিরিক্ত হাইড্রোক্লোরিক এসিডকে প্রশমিত করে দ্রুত স্বস্তি দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) CaCO3 - এটি ক্যালসিয়াম কার্বোনেট বা চুনাপাথরের রাসায়নিক সংকেত যা বেকিং পাউডার নয়। B) NH4HCO3 - এটি অ্যামোনিয়াম বাইকার্বোনেটের সংকেত যা বেকিং পাউডার তৈরিতে ব্যবহৃত হয় না। C) NaHCO3 - এটি সঠিক উত্তর এবং সোডিয়াম বাইকার্বোনেটের রাসায়নিক সংকেত। D) (NH4)2CO3 - এটি অ্যামোনিয়াম কার্বোনেটের রাসায়নিক সংকেত যা বেকিং পাউডার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বেকিং পাউডারের মূল উপাদান হলো সোডিয়াম বাইকার্বোনেট এবং এর সংকেতে সোডিয়াম, হাইড্রোজেন, কার্বন ও অক্সিজেন থাকে। - সং মনে রাখার জন্য সোডিয়াম মানে Na এবং বাইকার্বোনেট মানে HCO3 একত্রে NaHCO3 এভাবে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেকিং পাউডার ও বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত প্রায়ই আসে। - সোডিয়াম বাইকার্বোনেটের বাণিজ্যিক নাম বেকিং সোডা এবং এর সঙ্গে মৃদু এসিড মেশালে তাকে বেকিং পাউডার বলা হয়।
a 2
b 4
c 3
d 5
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ ১. কেন সঠিক: আবরণী টিস্যু বা এপিথেলিয়াল টিস্যু মূলত কোষের আকৃতি, অবস্থান এবং কাজের প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত। এই টিস্যুগুলো দেহের বিভিন্ন অঙ্গের বাইরে আবরণ তৈরি করে এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোকে সুরক্ষা প্রদান করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: আবরণী টিস্যু হলো সেই টিস্যু যা দেহের মুক্ত পৃষ্ঠতল ঢেকে রাখে বা অভ্যন্তরীণ অঙ্গের গহ্বরকে আস্তরণ দিয়ে সুরক্ষা দেয়। কার্যপ্রণালি: কোষগুলোর বিন্যাস ও গঠনের ভিন্নতার কারণে এগুলো বিভিন্ন স্থানে শোষণ, ক্ষরণ এবং সুরক্ষার কাজ ভিন্নভাবে পরিচালনা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ত্বকের বাইরের স্তর ব্যাখ্যা: এটি স্কোয়ামাস বা আইসাকার আবরণী টিস্যু দ্বারা গঠিত যা আমাদের দেহকে জীবাণু ও আঘাত থেকে রক্ষা করে। উদাহরণ ২: অন্ত্রের অভ্যন্তরীণ আস্তরণ ব্যাখ্যা: এটি কলামনার বা স্তম্ভাকার আবরণী টিস্যু দ্বারা গঠিত যা খাদ্য থেকে পুষ্টি উপাদান শোষণ করতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ আবরণী টিস্যুর ধরন দুটি নয়, কাজের প্রকৃতি ও আকৃতিভেদে এরা মূলত তিন ধরনের হয়। B) ৪ — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ জীববিজ্ঞানের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী মূল আবরণী টিস্যু চারটি নয়, প্রধান প্রকারভেদ তিনটি। C) ৩ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি কোষের আকৃতি ও কাজের ভিত্তিতে স্কোয়ামাস, কিউবায়ডাল ও কলামনার টিস্যুকে নির্দেশ করে। D) ৫ — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ আবরণী টিস্যুর প্রধান গঠনগত ধরন পাঁচটি নয়, বরং মূল প্রকারভেদ তিনটি। ৫ মনে রাখার টিপস: আবরণী টিস্যুর প্রধান প্রকারভেদ মনে রাখার জন্য স্কোয়ামাস, কিউবায়ডাল ও কলামনার এই তিনটি নাম ছন্দে মনে রাখতে পারো। কোষের আকৃতি আইসাকার, ঘনাকার ও স্তম্ভাকার হওয়ায় এদের প্রধান তিনটি রূপ সহজে চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় কোষ ও টিস্যু অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই ধারণা থেকে টিস্যুর কাজ বা কোন অঙ্গে কোন ধরনের টিস্যু থাকে সে সম্পর্কিত প্রশ্নও পরীক্ষায় আসতে পারে।
a ঐচ্ছিক
b বিশেষ ধরনের চিক
c অনৈচ্ছিক
d বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক ১. কেন সঠিক: - হৃৎপিণ্ডের পেশি বা কার্ডিয়াক পেশি হলো একধরনের বিশেষ পেশি যা মানুষের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে কাজ করে না। - এটি দেখতে অনেকটা ঐচ্ছিক পেশির মতো ডোরাকাটা হলেও এর কার্যপদ্ধতি অনৈচ্ছিক পেশির মতো সারাজীবন নিজে নিজেই চলতে থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: মানবদেহের পেশি প্রধানত তিন প্রকার, যথা ঐচ্ছিক পেশি, অনৈচ্ছিক পেশি এবং কার্ডিয়াক বা হৃদপেশি। - কার্যপ্রণালি: হৃৎপিণ্ডের পেশিগুলো বিশেষ ধরনের বৈদ্যুতিক সিগন্যালের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংকুচিত ও প্রসারিত হয়। - কারণ ও ফলাফল: এই বিশেষ গঠনের কারণে হৃৎপিণ্ড জন্মের পর থেকে মৃত্যু পর্যন্ত কখনো ক্লান্ত না হয়ে নিয়মিত রক্ত পাম্প করতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সুস্থ মানুষের হৃৎপিণ্ড দিনে প্রায় এক লক্ষ বার নিজে থেকেই স্পন্দিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে এই পেশি মানুষের ইচ্ছার অধীন নয় এবং এটি সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে। উদাহরণ ২: ঘুমানোর সময় বা অজ্ঞান অবস্থায়ও আমাদের হৃৎপিণ্ড সচল থাকে। ব্যাখ্যা: এই বিশেষ অনৈচ্ছিক বৈশিষ্ট্যের কারণেই মস্তিষ্ক ও দেহের অন্যান্য অঙ্গে রক্ত ও অক্সিজেন সরবরাহ অবাহত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঐচ্ছিক — কারণ এই পেশি আমাদের ইচ্ছামতো চালনা করা যায় না, যেমন হাত বা পায়ের পেশি। B) বিশেষ ধরনের চিকন — কারণ হৃৎপিণ্ডের পেশি তন্তু সম্পূর্ণ চিকন বা মসৃণ পেশির মতো নয়, বরং এর গঠন বেশ জটিল। C) অনৈচ্ছিক — কারণ সাধারণ অনৈচ্ছিক পেশি মসৃণ হয়, কিন্তু হৃৎপিণ্ড বিশেষ গঠনে তৈরি হওয়ায় এটিকে কেবল অনৈচ্ছিক বলা যথেষ্ট নয়। D) বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক — কারণ এটি গঠনগতভাবে ডোরাকাটা হলেও কাজের দিক থেকে অনৈচ্ছিক এবং ক্লান্তহীনভাবে কাজ করার বিশেষ ক্ষমতা রাখে। ৫. মনে রাখার টিপস: - হৃৎপিণ্ড হলো শরীরের একমাত্র পাম্প মেশিন যা কখনো বিশ্রাম নেয় না। - মনে রাখবে, হৃৎপিণ্ডের পেশি দেখতে ঐচ্ছিক পেশির মতো হলেও কাজ করে অনৈচ্ছিক পেশির নিয়মে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কার্ডিয়াক পেশি কোন অঙ্গ গঠন করে। - এই প্রশ্নটি থেকে হৃৎপিণ্ডের গঠন, পেশির প্রকারভেদ এবং মানবদেহের সংবহনতন্ত্র সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য জেনে রাখা জরুরি।

মোট প্রশ্ন (16)

a Input
b Output
c উভয়েই
d কোনটিই নয়
0 152 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Input ১. কেন সঠিক: স্ক্যানার হলো একটি ইনপুট ডিভাইস কারণ এটি কোনো কাগজের ওপর থাকা ছবি বা টেক্সটকে কম্পিউটারের বোধগম্য ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে। এই যন্ত্রটি বহিরাগত শারীরিক বা অ্যানালগ তথ্য গ্রহণ করে তা প্রসেসিংয়ের জন্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: স্ক্যানার হলো এমন একটি ইলেকট্রনিক পেরিফেরাল ডিভাইস যা আলোক রশ্মির সাহায্যে কোনো দৃশ্যমান বস্তু বা দলিল স্ক্যান করে কম্পিউটারে পাঠায়। কার্যপদ্ধতি: এটি কাগজের ডকুমেন্টের ওপর আলো ফেলে প্রতিফলিত আলোর তীব্রতা পরিমাপ করে একটি ডিজিটাল ইমেজ বা ফাইল তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছবি বা ডকুমেন্ট স্ক্যান করে কম্পিউটারে সংরক্ষণ করা। ব্যাখ্যা: পাসপোর্টের ছবি বা কোনো পুরোনো কাগজ স্ক্যানারে রেখে ডিজিটাল কপি বা পিডিএফ ফাইলে রূপান্তর করা হয়। উদাহরণ ২: ব্যাংকে চেক প্রসেসিং বা ওএমআর শিট মূল্যায়ন। ব্যাখ্যা: স্ক্যানারের প্রযুক্তি ব্যবহার করে খুব দ্রুত পরীক্ষার খাতা বা ব্যাংকের চেক রিড করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Input — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্ক্যানার তথ্য কম্পিউটারের ভেতরে প্রবেশ করায়। B) Output — এই অপশন ভুল কারণ স্ক্যানার কোনো ফলাফল প্রদর্শন বা মুদ্রণ করে না, যেমনটি মনিটর বা প্রিন্টার করে। C) উভয়েই — এই অপশন ভুল কারণ স্ক্যানার কখনো আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে না, এটি সম্পূর্ণভাবে ইনপুট ডিভাইস। D) কোনটিই নয় — এই অপশন ভুল কারণ সঠিক উত্তর প্রথম অপশনেই বিদ্যমান রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: যেসব যন্ত্র দিয়ে কম্পিউটারে তথ্য প্রবেশ করানো হয়, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস। স্ক্যানার কাগজ থেকে তথ্য নিয়ে কম্পিউটারে দেয়, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই একটি ইনপুট ডিভাইস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার পরীক্ষায় প্রায়ই ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। প্রিন্টার হলো আউটপুট ডিভাইস, আর স্ক্যানার হলো ইনপুট ডিভাইস।
a প্রাতিপদিক
b অপিনিহিতি
c অভিশ্রুতি
d ধ্বনি- বিপর্যয়
0 163 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রাতিপদিক ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে বাংলা ব্যাকরণের একটি রূপতাত্ত্বিক বিষয় আসা সত্ত্বেও, এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞান এবং আইসিটি বা কম্পিউটার বিজ্ঞানের বাংলা ভাষা প্রক্রিয়াকরণ অংশের সঙ্গে সম্পর্কিত। - প্রাতিপদিক হলো বিভক্তিহীন শব্দমূল বা নামশব্দ, যা ধ্বনি-পরিবর্তনের কোনো প্রক্রিয়া বা উদাহরণ নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ধ্বনি-পরিবর্তন হলো শব্দের উচ্চারণের সুবিধার জন্য বা অন্য কোনো কারণে শব্দের আদি, মধ্য বা অন্ত্য ধ্বনির পরিবর্তন ঘটার প্রক্রিয়া। - কার্যপদ্ধতি: মানুষের মুখে ভাষা ব্যবহারের সময় উচ্চারণের ত্রুটি বা সহজকরণের জন্য ধ্বনি পরিবর্তিত হয়, যা প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপিনিহিতির উদাহরণ ব্যাখ্যা: আজি থেকে আইজ, যেখানে ই-কার উচ্চারণের আগেই চলে এসেছে। উদাহরণ ২: অভিশ্রুতির উদাহরণ ব্যাখ্যা: শুনিয়া থেকে শুনে, যা অপিনিহিতির পরবর্তী রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাতিপদিক — এটি ধ্বনি-পরিবর্তনের কোনো প্রক্রিয়া বা উদাহরণ নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর। B) অপিনিহিতি — এটি একটি সুপরিচিত ধ্বনি-পরিবর্তনের প্রক্রিয়া, যেখানে পরের ই-কার বা উ-কার আগে উচ্চারিত হয়। C) অভিশ্রুতি — এটি ধ্বনি-পরিবর্তনের একটি মাধ্যম, যেখানে অপিনিহিতির পরবর্তী পরিবর্তিত রূপ প্রকাশ পায়। D) ধ্বনি- বিপর্যয় — এটি শব্দের ভেতর দুটি ধ্বনির পরস্পর স্থান পরিবর্তন করার একটি ধ্বনি-পরিবর্তনের প্রক্রিয়া। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধ্বনি পরিবর্তনের প্রধান রূপগুলো হলো অপিনিহিতি, অভিশ্রুতি ও ধ্বনি-বিপর্যয়। - প্রাতিপদিক হলো শব্দের মূল রূপ, তাই এটি ধ্বনি পরিবর্তনের ভেতর পড়ে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি পরিবর্তন এবং রূপতত্ত্ব অংশ থেকে আইসিটি ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণে এই ব্যাকরণগত নিয়মগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a আলুমিনিইয়াম
b প্লাসটিক
c সিলিকন
d কোনটিই নয়
0 147 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সিলিকন ১. কেন সঠিক: কম্পিউটারের মূল মেমরী বা প্রসেসর তৈরিতে সিলিকন সেমিকন্ডাক্টর উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়। সিলিকন অর্ধপরিবাহী হওয়ায় এটি প্রয়োজনমতো বিদ্যুৎ প্রবাহিত করতে বা রোধ করতে পারে যা কম্পিউটারের লজিক গেট তৈরিতে অপরিহার্য। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: সিলিকন হলো একটি অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর উপাদান যা আধুনিক ইলেকট্রনিক্স শিল্পে মাইক্রোচিপ তৈরিতে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: সিলিকনের সাথে বিভিন্ন ভেজাল মিশিয়ে পি টাইপ ও এন টাইপ সেমিকন্ডাক্টর তৈরি করে ট্রানজিস্টর ও ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট গঠন করা হয়। বৈশিষ্ট্য: সিলিকন খুব সহজে চিপ আকারে কাটা যায় এবং এটি উচ্চ তাপমাত্রায়ও 안정ভাবে কাজ করতে সক্ষম। ব্যবহার: র‍্যাম, রম, মাইক্রোপ্রসেসর এবং বিভিন্ন মাদারবোর্ডের আইসি তৈরিতে সিলিকন ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুঠোফোনের প্রসেসর ব্যাখ্যা: আমাদের স্মার্টফোনের ভেতরে থাকা স্ন্যাপড্রাগন বা অ্যাপল বায়োনিক চিপ সিলিকন দিয়েই তৈরি করা হয়। উদাহরণ ২: কম্পিউটার মাদারবোর্ড ব্যাখ্যা: কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে থাকা র‍্যাম এবং প্রসেসরের মূল চিপগুলো সিলিকন ওয়েফারের ওপর তৈরি করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলুমিনিইয়াম — অ্যালুমিনিয়াম একটি ভালো পরিবাহী ধাতু যা ফয়েল বা তার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি সেমিকন্ডাক্টর বা কম্পিউটারের মূল মেমরী তৈরির উপাদান নয়। B) প্লাসটিক — প্লাস্টিক একটি কুপরিবাহী পদার্থ যা মূলত বৈদ্যুতিক তারের আবরণ বা কেসিং তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, মেমরী চিপ তৈরিতে নয়। D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর সিলিকন অপশনে উপস্থিত রয়েছে, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: কম্পিউটারের চিপ মানেই সিলিকন এবং এই কারণেই যুক্তরাষ্ট্রর বিখ্যাত প্রযুক্তি অঞ্চলের নাম রাখা হয়েছে সিলিকন ভ্যালি। অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টরের রাজা বলা হয় সিলিকনকে, যা মেমরী ও প্রসেসরের মূল ভিত্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত প্রথম সেমিকন্ডাক্টর উপাদান ছিল জার্মেনিয়াম, তবে বর্তমানে সিলিকন সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা আইসি তৈরিতে প্রধানত কী ব্যবহৃত হয়, যার উত্তর সিলিকন।
a নির্ধারিত ফাইল কপি করা
b আগের প্রােগ্রামে ফিরে যাওয়া
c সর্বশেষ পরিবর্তন Undo করা
d কোনটিই নয়
0 148 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনটিই নয় (প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এখানে সঠিক, কারণ আসল ব্যাকআপ প্রোগ্রাম হলো ফাইল বা ডাটা নিরাপদে সংরক্ষণ করা) ১. কেন সঠিক: - ব্যাকআপ প্রোগ্রাম বলতে কোনো নির্দিষ্ট ফাইল কপি করা, আগের প্রোগ্রামে ফিরে যাওয়া বা সর্বশেষ পরিবর্তন আনডু করা বোঝায় না। - ব্যাকআপ হলো কম্পিউটার সিস্টেমের মূল ডাটা বা ফাইলের একটি অতিরিক্ত অনুলিপি বা কপি অন্য কোনো নিরাপদ স্থানে সংরক্ষণ করা, যেন মূল ডাটা নষ্ট হলে তা পুনরুদ্ধার করা যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ব্যাকআপ সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম হলো এমন একটি বিশেষ অ্যাপ্লিকেশন যা কম্পিউটারের ফাইল, ফোল্ডার বা ডাটাবেজের অনুলিপি তৈরি করে ভিন্ন কোনো ড্রাইভ, এক্সটার্নাল হার্ডডিস্ক বা ক্লাউডে সংরক্ষণ করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি নির্ধারিত ডাটা স্ক্যান করে এবং ব্যবহারকারীর নিদের্শ অনুযায়ী সেগুলোর একটি জিপ বা নিরাপদ ফাইল কপি তৈরি করে অন্য স্থানে পাঠায়। - ব্যবহার: হার্ডওয়্যার নষ্ট হওয়া, ভাইরাস আক্রমণ বা ফাইল মুছে যাওয়ার মতো দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ব্যাকআপ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুগলের ক্লাউড ড্রাইভে ফোনের ছবি ও কন্টাক্ট সেভ করে রাখা। ব্যাখ্যা: ফোনের ডাটা হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হলে গুগল ড্রাইভ থেকে ব্যাকআপ ফাইলের মাধ্যমে সেই ডাটা আবার ফিরিয়ে আনা যায়। উদাহরণ ২: কম্পিউটারের গুরুত্বপূর্ণ অফিশিয়াল ফাইল একটি এক্সটার্নাল পেনড্রাইভে কপি করে রাখা। ব্যাখ্যা: কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক নষ্ট হলেও পেনড্রাইভের ব্যাকআপ থেকে ফাইলগুলো নিরাপদ থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নির্ধারিত ফাইল কপি করা — এটি ব্যাকআপের একটি অংশ মাত্র, কিন্তু ব্যাকআপ প্রক্রিয়ায় শুধু কপি করা ছাড়াও ডাটা জিপ করা, রিস্টোর করার ব্যবস্থা এবং সময় নির্ধারণের কাজ থাকে। B) আগের প্রোগ্রামে ফিরে যাওয়া — এটি সিস্টেম রিস্টোর বা সফটওয়্যার ডাউনগ্রেড করার কাজ, ব্যাকআপ প্রোগ্রাম সরাসরি আগের প্রোগ্রামে ফিরিয়ে নেয় না। C) সর্বশেষ পরিবর্তন Undo করা — এটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা অন্যান্য এডিটিং সফটওয়্যারের একটি কমান্ড, যা ব্যাকআপ প্রোগ্রামের মূল কাজ নয়। D) কোনটিই নয় — ব্যাকআপ প্রোগ্রামের আসল কাজ হলো ডাটার নিরাপদ অনুলিপি সংরক্ষণ করা, যা উপরের অপশনগুলোর কোনোটির সঙ্গেই পুরোপুরি মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাকআপ মানে হলো নিরপত্তার জন্য মূল ফাইলের অতিরিক্ত কপি তৈরি করে রাখা। - পরীক্ষার হলে কোনো নির্দিষ্ট কমান্ড যেমন আন্ডু বা রিডু-কে ব্যাকআপের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ডাটা সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে নিয়মিত ব্যাকআপ রাখা অত্যন্ত জরুরি। - রিমোট সার্ভার বা ক্লাউডে ডাটা ব্যাকআপ রাখাকে ক্লাউড ব্যাকআপ বলা হয়।
a অর্থ সাশ্রয়
b স্থানের সাশ্রয়
c সময় সাশ্রয়
d উপরের সবকটি
0 164 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবকটি ১. কেন সঠিক: - কম্পিউটার নেটওয়ার্কে রিসোর্স বা ডিভাইস শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের খরচ, স্থান এবং সময় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। - সেন্ট্রাল প্রিন্টার বা স্টোরেজ ব্যবহারের ফলে প্রতিটি ইউজারের জন্য আলাদা ডিভাইস ক্রয়ের প্রয়োজন হয় না। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: কম্পিউটার নেটওয়ার্ক হলো এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে একাধিক কম্পিউটার ও পেরিফেরাল ডিভাইস পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত থাকে। - কার্যপদ্ধতি: কেন্দ্রীয় একটি সার্ভার বা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত ডিভাইসগুলো নিজেদের মধ্যে ডেটা ও হার্ডওয়্যার রিসোর্স আদান-প্রদান করে। - ব্যবহার: অফিস আদালতে একটি মাত্র প্রিন্টার পুরো নেটওয়ার্কের সব কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত করে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অফিস নেটওয়ার্কে একটি মাত্র লেজার প্রিন্টার সংযুক্ত করা। ব্যাখ্যা: প্রতিষ্ঠানের দশটি কম্পিউটারের জন্য আলাদা দশটি প্রিন্টার না কিনে একটি প্রিন্টার নেটওয়ার্কে শেয়ার করলে আর্থিক সাশ্রয় হয়। উদাহরণ ২: নেটওয়ার্ক স্টোরেজ বা ফাইল সার্ভার ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: সবার কম্পিউটারে আলাদা হার্ডডিস্কের পরিবর্তে একটি সেন্ট্রাল ড্রাইভ ব্যবহার করলে স্থানের সাশ্রয় ঘটে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থ সাশ্রয় — এটি সঠিক হলেও অন্য অপশনগুলোও সঠিক হওয়ায় এটি এককভাবে সম্পূর্ণ উত্তর নয়। B) স্থানের সাশ্রয় — একাধিক ডিভাইস না রেখে একটিমাত্র ডিভাইস শেয়ার করার ফলে অফিস কক্ষে অনেক স্থান বেঁচে যায়। C) সময় সাশ্রয় — একই কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব হওয়ায় এটিও সঠিক, তবে অন্যান্য সুবিধাও এর সঙ্গে যুক্ত। D) উপরের সবকটি — নেটওয়ার্কে ডিভাইস শেয়ার করার ফলে অর্থ, স্থান এবং সময় তিনটিরই সাশ্রয় ঘটে, তাই এটি সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - নেটওয়ার্কের মূল লক্ষ্য হলো রিসোর্স শেয়ারিং, যার প্রধান সুবিধাগুলো হলো অর্থ, স্থান এবং সময়ের সাশ্রয়। - একে একসাথে বলা যায় খরছ কমাও, জায়গা বাঁচাও এবং সময় বাঁচাও নীতি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নেটওয়ার্কের সুবিধা ও পেরিফেরাল শেয়ারিং সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - হার্ডওয়্যার শেয়ারিং বলতে মূলত প্রিন্টার, স্ক্যানার ও এক্সটার্নাল ড্রাইভ শেয়ার করাকে বোঝায়।
a ekanei.com
b google.com
c Olx.com
d Amazon.com
0 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) google.com ১. কেন সঠিক: - google.com একটি বিশ্বখ্যাত সার্চ ইঞ্জিন ওয়েবসাইট, যা তথ্য খোঁজার জন্য ব্যবহৃত হয়। - এটি কোনো পণ্য কেনা-বেচার ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: সার্চ ইঞ্জিন এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে নির্দিষ্ট তথ্য খুঁজে বের করতে সাহায্য করে। - ব্যবহার: ইন্টারনেটে কোনো তথ্য, ছবি বা ভিডিও খুঁজতে গুগল ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: amazon.com ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুজাতিক ই-কমার্স সাইট যার মাধ্যমে সরাসরি পণ্য কেনা-বেচা করা যায়। উদাহরণ ২: olx.com ব্যাখ্যা: এটি একটি অনলাইন ক্লাসিফাইড মার্কেটপ্লেস যেখানে ব্যবহারকারীরা নিজেদের মধ্যে পুরনো বা নতুন পণ্য কেনা-বেচা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ekanei.com — এটি বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ই-কমার্স ও কেনা-বেচার ক্লাসিফাইড সাইট ছিল, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) google.com — এটি একটি সার্চ ইঞ্জিন এবং তথ্য খোঁজার মাধ্যম, কেনা-বেচার সাইট নয়। C) Olx.com — এটি একটি আন্তর্জাতিক কেনা-বেচার প্ল্যাটফর্ম, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। D) Amazon.com — এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ই-কমার্স ও কেনা-বেচার সাইট, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - গুগল হলো তথ্যের সমুদ্র (সার্চ ইঞ্জিন), আর আমাজন বা ওএলএক্স হলো বাজারের দোকান (কেনা-বেচা)। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সার্চ ইঞ্জিন এবং ই-কমার্স সাইটের মধ্যে পার্থক্য প্রায়ই নিয়োগ পরীক্ষায় আসে।
a Taskbar
b Menu bar
c Notification area
d Web browser
0 134 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Web browser ১. কেন সঠিক: ইন্টারনেট বা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে প্রবেশ করে বিভিন্ন ওয়েবসাইট দেখার জন্য ওয়েব ব্রাউজার একটি অপরিহার্য সফটওয়্যার। এটি ইন্টারনেটের ডেটা ব্যবহারকারী উপযোগী গ্রাফিক্যাল পেজে রূপান্তর করে, যা ব্রাউজার ছাড়া সহজে সম্ভব নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ওয়েব ব্রাউজার হলো এমন একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, যা ব্যবহারকারীকে ইন্টারনেটের ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের বিভিন্ন পাতা বা ওয়েবপেজ দেখতে সাহায্য করে। কার্যপদ্ধতি: এটি ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কমান্ড নিয়ে রিমোট সার্ভার থেকে এইচটিটিপি প্রোটোকলের মাধ্যমে তথ্য এনে স্ক্রিনে প্রদর্শন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুগল ক্রোম বা মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহার করে ইউটিউব বা ফেসবুক ব্রাউজ করা। ব্যাখ্যা: এই সফটওয়্যারগুলো না থাকলে সরাসরি ওয়েবসাইটের ঠিকানা লিখে ইন্টারনেটে প্রবেশ করা অত্যন্ত জটিল হতো। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনে সাফাডী ব্রাউজার ব্যবহার করে সংবাদ পড়া। ব্যাখ্যা: ব্রাউজার ইন্টারনেটের অদৃশ্য ডেটাকে আমাদের পড়ার উপযোগী দৃশ্যমান রূপ দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Taskbar — এটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি উপাদান, যা চলমান অ্যাপগুলো পরিচালনা করতে সাহায্য করে কিন্তু ইন্টারনেটে প্রবেশের প্রধান মাধ্যম নয়। B) Menu bar — এটি যেকোনো সফটওয়্যারের ইন্টারফেসের অংশ বিশেষ, যা বিভিন্ন কমান্ডের তালিকা দেখায় কিন্তু নিজে ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারে না। C) Notification area — এটি অপারেটিং সিস্টেমের টাস্কবারের একটি অংশ, যা সিস্টেমের সময় ও বিভিন্ন বার্তার নোটিফিকেশন দেখায়। ৫. মনে রাখার টিপস: ইন্টারনেটে প্রবেশ করতে গেলে দরজার মতো একটি মাধ্যম দরকার, আর সেটি হলো ব্রাউজার। ব্রাউজার হলো উইন্ডো বা জানালার মতো, যা দিয়ে ইন্টারনেটের বিশাল দুনিয়া দেখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জনপ্রিয় কয়েকটি ওয়েব ব্রাউজারের নাম হলো গুগল ক্রোম, মজিলা ফায়ারফক্স, মাইক্রোসফট এজ এবং সাফারি। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোনটি সিস্টেম সফটওয়্যার এবং কোনটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, সেক্ষেত্রে ব্রাউজার সবসময় অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
a Read-out
b Read from
c Read
d উপরের সবগুলােই
0 126 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Read from ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার মেমোরি বা স্টোরেজ ডিভাইস থেকে সংরক্ষিত উপাত্ত বা ডাটা খুঁজে বের করে তা প্রসেসর বা অন্য কোনো অংশে স্থানান্তরের প্রক্রিয়াকে মেমোরি অপারেশন বলা হয়। এই প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট ঠিকানা বা অ্যাড্রেস ব্যবহার করে ডাটা সংগ্রহ করা হয়, যাকে কম্পিউটার আর্কিটেকচারের ভাষায় Read from বা মেমোরি থেকে ডাটা রিড করা বোঝায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: মেমোরি বা স্টোরেজ ডিভাইস থেকে সংরক্ষিত তথ্য পুনরুদ্ধার করার প্রক্রিয়াকে রিড অপারেশন বা মেমোরি থেকে ডাটা সংগ্রহ বলা হয়। কার্যপদ্ধতি: প্রসেসর মেমোরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেস বাস ব্যবহার করে লোকেশন নির্ধারণ করে এবং কন্ট্রোল সিগন্যালের মাধ্যমে ডাটা রিড বা পাঠ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হার্ড ডিস্ক বা এসএসডি থেকে কোনো গান বা ভিডিও ফাইল ওপেন করা। ব্যাখ্যা: ফাইলটি যখন চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়, তখন সিস্টেম স্টোরেজ ডিভাইস থেকে ডাটা রিড করে মেমোরিতে নিয়ে আসে। উদাহরণ ২: র‍্যাম থেকে ক্যাশ মেমোরিতে ডাটা স্থানান্তর করা। ব্যাখ্যা: প্রসেসরের দ্রুত কাজ করার জন্য র‍্যামে থাকা সংরক্ষিত নির্দেশনাগুলো রিড করে প্রসেসরের কাছাকাছি আনা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Read-out — এটি সাধারণত কোনো যন্ত্রের ডিসপ্লে বা আউটপুট ডিভাইস থেকে ফলাফল প্রদর্শনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি মেমোরি রিড করার প্রথাগত নাম এটি নয়। B) Read from — এটি সঠিক উত্তর কারণ মেমোরি বা উৎস থেকে ডাটা উত্তোলনের ক্ষেত্রে ফ্রম বা উৎস নির্দেশ করার জন্য এই পরিভাষাটি ব্যবহৃত হয়। C) Read — এটি একটি সাধারণ ক্রিয়া যা ডাটা পড়ার কাজ বোঝায়, তবে মেমোরি থেকে উত্তোলনের সুনির্দিষ্ট পদ্ধতিগত নাম হিসেবে রিড ফ্রম বা রিড অপারেশন বেশি উপযোগী। D) উপরের সবগুলাই — যেহেতু সব অপশন প্রযুক্তিগতভাবে মেমোরি উত্তোলনের সঠিক পরিভাষা নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: মেমোরি থেকে ডাটা আনতে হলে উৎস থেকে আনতে হয়, তাই উৎস বোঝাতে From শব্দটি যুক্ত থাকে। রিড মানে পড়া বা দেখা, আর রিড ফ্রম মানে কোনো নির্দিষ্ট উৎস বা মেমোরি থেকে পড়ে নেওয়া। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার মেমোরিতে মূলত দুটি প্রধান অপারেশন পরিচালিত হয়, একটি হলো রিড বা ডাটা পড়া এবং অন্যটি হলো রাইট বা ডাটা লেখা। নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নে মেমোরি অপারেশন সম্পর্কিত বিভিন্ন কাজের সঠিক ইংরেজি পরিভাষা প্রায়ই পরীক্ষণে আসে।
a Magnetic Ink Character Reader
b Magnetic Ink Case Reader
c Magnetic Ink Code Reader
d কোনটিই নয়
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Magnetic Ink Character Recognition ১. কেন সঠিক: MICR হলো একটি বিশেষ ইনপুট ডিভাইস প্রযুক্তি যার পূর্ণরূপ Magnetic Ink Character Recognition। এটি চৌম্বকীয় কালি দিয়ে মুদ্রিত বিশেষ অক্ষর বা কোড অত্যন্ত দ্রুত ও নির্ভুলভাবে পড়তে সক্ষম। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: চৌম্বকীয় কালি দিয়ে লেখা অক্ষর শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত ইনপুট প্রযুক্তিকে MICR বলা হয়। কার্যপদ্ধতি: এই প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত বিশেষ কালিতে আয়রন অক্সাইড থাকে, যা চুম্বকায়িত করে অক্ষরের আকৃতি রিডারের মাধ্যমে স্ক্যান করা হয়। ব্যবহার: ব্যাংক খাতের চেক প্রসেসিং এবং লেনদেনের নথিপত্র দ্রুত ও নিরাপদভাবে যাচাই করতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাংকের চেক বই। ব্যাখ্যা: চেকের নিচের অংশে এমআইসিআর প্রযুক্তির সাহায্যে ব্যাংকের রাউটিং নম্বর ও অ্যাকাউন্ট নম্বর প্রিন্ট করা থাকে, যা দ্রুত স্ক্যান করা যায়। উদাহরণ ২: আর্থিক লেনদেনের দলিল। ব্যাখ্যা: জালিয়াতি রোধ এবং দ্রুত কোটি কোটি চেক স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রসেস করতে এই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Magnetic Ink Character Reader — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্ট্যান্ডার্ড পরিভাষা হিসেবে একে অনেক সময় রিডারও বলা হয়। B) Magnetic Ink Case Reader — কেস বা কেস রিডার বলে কোনো তথ্যপ্রযুক্তি শব্দ বা মানসম্মত পূর্ণরূপ নেই। C) Magnetic Ink Code Reader — কোড রিডার বলতে বারকিড বা কিউআর কোড রিডার বোঝায়, এটি এমআইসিআর-এর সঠিক নাম নয়। D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: MICR-এর ক্ষেত্রে মনে রাখবে এটি কালির চুম্বকত্ব নিয়ে কাজ করে। শব্দটি মনে রাখার সহজ সূত্র হলো এম-এ-জি-এন-ই-টি-আই-সি আই-এন-কে সি-এইচ-এ-আর-অ্যান্ড-সি-টি-ই-আর। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাংকিং খাতে ব্যবহৃত প্রযুক্তি হিসেবে MICR প্রায়ই আসে। কাগজের নথিপত্র ও চেক স্বয়ংক্রিয়করণের ক্ষেত্রে ওএমআর বা বারকোডের পাশাপাশি এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
a Data Definition Language
b Query Language
c Data Manipulation Language
d উপরের সবগুলােই
0 149 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলােই ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উত্তর হিসেবে C কে চিহ্নিত করা হলেও, এটি একটি ভুল উত্তর। সঠিক উত্তর হবে D কারণ ডেটাবেজ ল্যাংগুয়েজ বা ডাটাবেজ ভাষা মূলত তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত। - এই তিনটি ভাগ হলো ডেটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ, কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ এবং ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ, যা ডেটাবেজ পরিচালনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার ভাষা যা ডেটাবেজে ডেটা তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন এবং পুনরুদ্ধার করার জন্য ব্যবহৃত হয়। - কার্যপদ্ধতি: এই ভাষা ব্যবহার করে ডেটাবেজ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বা ব্যবহারকারী ডেটাবেজের সাথে যোগাযোগ করেন এবং বিভিন্ন কমান্ডের মাধ্যমে ডেটা প্রসেস করেন। - ব্যবহার: এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, এবং ই-কমার্স সিস্টেমে বিশাল পরিমাণ ডেটা নিরাপদে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডেটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বা DDL ব্যাখ্যা: এটি ব্যবহার করে ডেটাবেজের স্ট্রাকচার বা কাঠামো তৈরি করা হয়, যেমন নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য CREATE কমান্ড ব্যবহার করা। উদাহরণ ২: ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বা DML ব্যাখ্যা: এটি দিয়ে ডেটাবেজের টেবিলের ভেতরের ডেটা নিয়ে কাজ করা হয়, যেমন নতুন ডেটা যোগ করার জন্য INSERT কমান্ড ব্যবহার করা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Data Definition Language — এটি সঠিক হলেও ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের একমাত্র অংশ নয়, কারণ এর সাথে কুয়েরি এবং ম্যানিপুলেশন ভাষাও ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের অন্তর্ভুক্ত। B) Query Language — এটিও সঠিক ডেটাবেজ ভাষা যা দিয়ে ডেটাবেজ থেকে তথ্য খোঁজা হয়, তবে এটি একা সমগ্র ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ নির্দেশ করে না। C) Data Manipulation Language — প্রদত্ত উত্তরে এটিকে সঠিক বলা হলেও এটি ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের একটি সাব-সেট বা অংশ মাত্র, সম্পূর্ণ ডেটাবেজ ভাষা নয়। D) উপরের সবগুলােই — এটিই প্রকৃত সঠিক উত্তর কারণ DDL, QL এবং DML সবগুলো মিলেই ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ গঠিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তিন ডি এর সমাহার মনে রাখা, যেখানে ডিডিএল, ডিকিউএল এবং ডিএমএল অন্তর্ভুক্ত। - পূর্ণরূপগুলো ভালো করে মনে রাখবে যেমন DDL মানে ডেটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এবং DML মানে ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের প্রকারভেদ বা এসকিউএল কমান্ড সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। - এসকিউএল বা স্ট্রাকচার্ড কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ এই সবগুলো ল্যাঙ্গুয়েজের সমন্বয়ে গঠিত একটি পূর্ণাঙ্গ ডেটাবেজ ভাষা।
a 2004
b 2003
c 2006
d 2008
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 2006 ১. কেন সঠিক: টুইটার আনুষ্ঠানিকভাবে ২১ মার্চ ২০০৬ সালে যাত্রা শুরু করে। এটি একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং এবং মাইক্রোব্লগিং সাইট যেখানে ব্যবহারকারীরা ছোট বার্তা বা পোস্ট আদান প্রদান করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: টুইটার হলো একটি অনলাইন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম যা মাইক্রোব্লগিং সার্ভিস প্রদান করে। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারীরা টেক্সট, ছবি ও ভিডিও সম্বলিত ছোট বার্তা পোস্ট করে যা টুইট নামে পরিচিত এবং অন্যের পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানায়। বৈশিষ্ট্য: পোস্টের দৈর্ঘ্য সীমিত থাকে এবং হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে নির্দিষ্ট বিষয়ে আলোচনা খুঁজে পাওয়া যায়। ব্যবহার: বিশ্বজুড়ে সংবাদ প্রচার, মত প্রকাশ এবং বিপণনের কাজে এই মাধ্যমটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রেকিং নিউজ ব্যাখ্যা: বিশ্বজুড়ে কোনো জরুরি বা সাম্প্রতিক খবর গণমাধ্যমের আগে টুইটারে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। উদাহরণ ২: ট্রেন্ডিং টপিক ব্যাখ্যা: নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে ব্যবহারকারীদের ব্যাপক আলোচনার মাধ্যমে তা টুইটারে ট্রেন্ড হিসেবে তালিকার শীর্ষে চলে আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 2004 — এই সালে ফেসবুক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যা টুইটারের প্রতিষ্ঠার বছর নয়। B) 2003 — এই সালে লিঙ্কডইন প্রতিষ্ঠিত হয়, যা পেশাজীবীদের জন্য একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। D) 2008 — এই সালে অনেক সামাজিক মাধ্যম জনপ্রিয় হলেও টুইটার এর দুই বছর আগেই চালু হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: ফেসবুক চালুর দুই বছর পর অর্থাৎ ২০০৬ সালে টুইটার যাত্রা শুরু করে। টুইটারের লোগোতে নীল রঙের পাখি ব্যবহার করা হয় এবং এর প্রথম নাম ছিল টুইটার ডটকম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: টুইটারের প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক ডরসি, ইভান উইলিয়ামস, বিজ স্টোন এবং নোয়া গ্লাস। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রতিষ্ঠার সালগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
a IOS
b Android
c Windows phone
d Symbian
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Android ১. কেন সঠিক: অ্যান্ড্রয়েড একটি ওপেন সোর্স প্ল্যাটফর্ম যার সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত। ডেভেলপাররা এই কোড নিজের প্রয়োজনমতো পরিবর্তন ও কাস্টমাইজ করতে পারেন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন সফটওয়্যার যার সোর্স কোড জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে এবং বিনামূল্যে পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করা যায়। বৈশিষ্ট্য: এটি লিনাক্স কার্নেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এবং এতে থার্ড পার্টি অ্যাপ ইনস্টল করার সম্পূর্ণ স্বাধীনতা থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্যামসাং গ্যালাক্সি স্মার্টফোন। ব্যাখ্যা: স্যামসাং তাদের নিজেদের ইউজার ইন্টারফেস ব্যবহারের জন্য অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম কাস্টমাইজ করে থাকে। উদাহরণ ২: শাওমি রেডমি স্মার্টফোন। ব্যাখ্যা: শাওমি অ্যান্ড্রয়েড কোড পরিবর্তন করে তাদের নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে বাজারে সরবরাহ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) IOS — এটি অ্যাপল কোম্পানির একটি ক্লোজড সোর্স বা প্রোপ্রিটারি অপারেটিং সিস্টেম যা শুধু তাদের ডিভাইসেই ব্যবহার করা যায়। B) Android — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সম্পূর্ণ ওপেন সোর্স প্ল্যাটফর্ম। C) Windows phone — এটি মাইক্রোসফটের একটি বন্ধ বা ক্লোজড সোর্স মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম ছিল যা বর্তমানে অপ্রচলিত। D) Symbian — এটি নোকিয়ার একটি ঐতিহাসিক ক্লোজড সোর্স মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম যা এখন আর ব্যবহৃত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: অ্যান্ড্রয়েড মানেই উন্মুক্ত বা ওপেন সোর্স। অ্যাপল আইওএস মানেই বন্ধ বা ক্লোজড সোর্স সিস্টেম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের মূল কার্নেল হলো লিনাক্স। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ওপেন সোর্স ও ক্লোজড সোর্স অপারেটিং সিস্টেমের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
a ভয়েস টেলিফোনি
b মােবাইল টিভি
c ভিডিও কল
d ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা ১. কেন সঠিক: - মোবাইল কমিউনিকেশনে চতুর্থ প্রজন্ম বা ফোরজি প্রযুক্তির মূল বিপ্লব হলো উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা বা মোবাইল ব্রডব্যান্ড নিশ্চিত করা। - আগের প্রজন্মের তুলনায় এতে ডেটা ট্রান্সফার রেট বা গতি বহুগুণ বেশি পাওয়া যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ফোরজি বা চতুর্থ প্রজন্ম হলো মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থার এমন একটি প্রযুক্তি যা প্যাকেট সুইচিং নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ওএফডিএমএ এবং মাল্টি-ইনপুট মাল্টি-আউটপুট প্রযুক্তির সাহায্যে একই সময়ে অনেক ব্যবহারকারীকে একসাথে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে। - বৈশিষ্ট্য: এর সর্বনিম্ন গতি সাধারণত প্রতি সেকেন্ডে কয়েক মেগাবাইট থেকে শুরু করে গিগাবাইট পর্যন্ত হতে পারে এবং এতে আইপি ভিত্তিক ভয়েস কল সমর্থন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনে ইউটিউব বা নেটফ্লিক্স থেকে কোনো ধরনের বাফারিং বা থেমে যাওয়া ছাড়াই ফুল এইচডি বা ফোরকে ভিডিও স্ট্রিমিং করা। ব্যাখ্যা: এই কাজের জন্য ফোরজির উচ্চ ব্যান্ডউইথ ও দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা সরাসরি ভূমিকা পালন করে। উদাহরণ ২: জুম বা গুগল মিট অ্যাপ ব্যবহার করে ল্যাগ বা দেরি ছাড়াই হাই ডেফিনেশন গ্রুপ ভিডিও কনফারেন্সিং সম্পন্ন করা। ব্যাখ্যা: ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা থাকার কারণে বিপুল পরিমাণ ডেটা খুব কম সময়ে আপলোড ও ডাউনলোড করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভয়েস টেলিফোনি — ভয়েস টেলিফোনি বা কথা বলার সুবিধা টুজি বা সেকেন্ড জেনারেশন প্রযুক্তিতেই প্রথম প্রবর্তিত হয়েছিল। B) মোবাইল টিভি — মোবাইল টিভি বা ভিডিও স্ট্রিমিং সুবিধা থ্রিজি প্রযুক্তির সময় থেকেই ব্যাপকভাবে চালু হয়েছিল। C) ভিডিও কল — ভিডিও কল করার সুবিধাটি থ্রিজি বা থার্ড জেনারেশন প্রযুক্তির একটি প্রধান ও মৌলিক বৈশিষ্ট্য ছিল। D) ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা — এটি থ্রিজির তুলনায় ফোরজি প্রযুক্তির সবচেয়ে অতিরিক্ত ও স্বতন্ত্র বড় বৈশিষ্ট্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - টুজি মানে হলো টেক্সট বা এসএমএস, থ্রিজি মানে হলো ইন্টারনেট ব্রাউজিং ও ভিডিও কল, আর ফোরজি মানে হলো হাই-স্পিড ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা। - ফোরজির ক্ষেত্রে এলটিই বা লং টার্ম ইভলিউশন শব্দটি ব্রডব্যান্ড গতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ফোরজি প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আইপি বা ইন্টারনেট প্রোটোকল ভিত্তিক নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়। - ফোরজি প্রযুক্তির বাণিজ্যিক ব্যবহার প্রথম দক্ষিণ কোরিয়ায় শুরু হয়েছিল।
a Bill Gates
b Andrew S Grove
c Tim Cook
d Lawrence J. Ellison
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Lawrence J. Ellison ১. কেন সঠিক: - লরেন্স জোসেফ এলিসন বা ল্যারি এলিসন ১৯৭৭ সালে ওরাসেল কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা করেন। - এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম সফটওয়্যার কোম্পানি যা মূলত ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের জন্য বিখ্যাত। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ওরাসেল কর্পোরেশন হলো আমেরিকার একটি বহুজাতিক কম্পিউটার প্রযুক্তি কর্পোরেশন। - কার্যপদ্ধতি: এটি এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার, ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম এবং ডেটাবেজ সিস্টেম তৈরি ও সরবরাহ করে থাকে। - ব্যবহার: বড় বড় প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক এবং সরকারি সংস্থায় বিশাল পরিমাণ উপাত্ত বা ডেটা নিরাপদে সংরক্ষণের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাংক ব্যবস্থার ডেটা সংরক্ষণ। ব্যাখ্যা: দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের কোটি কোটি লেনদেনের হিসাব নির্ভুলভাবে ধরে রাখতে ওরাসেল ডেটাবেজ ব্যবহার করে। উদাহরণ ২: ইআরপি সফটওয়্যার। ব্যাখ্যা: বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের মানবসম্পদ, হিসাববিজ্ঞান এবং উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ওরাসেলের অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bill Gates — বিল গেটস ওরাসেল কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা নন, তিনি মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা। B) Andrew S Grove — অ্যান্ড্রু এস গ্রোভ ওরাসেলের প্রতিষ্ঠাতা নন, তিনি ইন্টেল কর্পোরেশনের দীর্ঘকালীন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ছিলেন। C) Tim Cook — টিম কুক ওরাসেলের প্রতিষ্ঠাতা নন, তিনি বর্তমানে অ্যাপল ইনকরপোরেটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। D) Lawrence J. Ellison — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৯৭৭ সালে এই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - ওরাসেল মানেই ল্যারি এলিসন। মনে রাখার জন্য এলিসন নামের প্রথম অক্ষর এল এবং ওরাসেলের ও অক্ষর মিলিয়ে নিতে পারেন। - মাইক্রোসফট হলো বিল গেটস, আর ওরাসেল হলো ল্যারি এলিসন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ওরাসেল কর্পোরেশন ডেটাবেজ প্রযুক্তির জন্য বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহীদের নাম প্রায়ই আসে।
a RAM
b Terminal
c Clipboard
d Hard Disk
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Clipboard ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসে কোনো টেক্সট, ছবি বা ফাইল কপি (Copy) বা কাট (Cut) করার পর তা সাময়িকভাবে যে স্থানে জমা থাকে তাকে ক্লিপবোর্ড বলে। এটি অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ মেমোরি এলাকা, যা পরবর্তী পেস্ট (Paste) কমান্ড না দেওয়া পর্যন্ত ডেটা সংরক্ষণ করে রাখে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ক্লিপবোর্ড হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি অস্থায়ী স্টোরেজ এলাকা, যা কাট বা কপি করা ডেটা ধরে রাখে। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী যখন কোনো ডেটা নির্বাচন করে কপি বা কাট করেন, তখন সিস্টেম সেই ডেটা ক্লিপবোর্ডে স্থানান্তরিত করে এবং পেস্ট করার সময় তা গন্তব্য স্থানে যুক্ত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে একটি প্যারাগ্রাফ সিলেক্ট করে কন্ট্রোল এবং সি চেপে কপি করার পর অন্য একটি ডকুমেন্টে কন্ট্রোল এবং ভি চেপে তা বসানো। ব্যাখ্যা: কপি করার পর প্যারাগ্রাফটি ক্লিপবোর্ডে জমা থাকে এবং পেস্ট করার মাধ্যমে ক্লিপবোর্ড থেকে তা নতুন ডকুমেন্টে স্থানান্তরিত হয়। উদাহরণ ২: কোনো ওয়েবপেজ থেকে একটি ছবি কপি করে ফটোশপে নিয়ে আসা। ব্যাখ্যা: ওয়েবপেজ থেকে কপি করা ছবিটি ক্লিপবোর্ডে সংরক্ষিত হয়, যা পরে ফটোশপে পেস্ট করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) RAM — এটি রেন্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি, যা কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় সমস্ত চলমান প্রোগ্রাম ও ডেটা নিয়ে কাজ করে, কিন্তু ক্লিপবোর্ড হলো এর ভেতরের একটি নির্দিষ্ট অস্থায়ী অংশ। B) Terminal — এটি কমান্ড লাইন ইন্টারফেস, যার মাধ্যমে টেক্সটভিত্তিক কমান্ড লিখে অপারেটিং সিস্টেমের সাথে যোগাযোগ করা হয় এবং ডেটা সংরক্ষণের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) Hard Disk — এটি স্থায়ী ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত প্রধান মেমোরি বা স্টোরেজ ডিভাইস, যেখানে ক্লিপবোর্ডের মতো অস্থায়ী বা ক্ষণস্থায়ী ডেটা রাখা হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: ক্লিপবোর্ডকে একটি কাগজের ক্লিপবোর্ডের সাথে তুলনা করা যায়, যেখানে যেকোনো কাগজ সাময়িকভাবে আটকে রাখা হয়। কাট বা কপি করলেই ডেটা প্রথমে ক্লিপবোর্ডে জমা হয় এবং পেস্ট কমান্ডের মাধ্যমে তা নির্দিষ্ট স্থানে বসে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার বা স্মার্টফোনে একাধিক আইটেম ক্লিপবোর্ডে ধরে রাখার জন্য উইন্ডোজ ভি লোগো কি এবং ভি একসাথে চাপতে হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে কাট বা কপি করা ডেটা কোথায় থাকে, যার উত্তর সবসময় ক্লিপবোর্ড হবে।
a Super Computer
b Server
c Network
d Enterprise
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Network ১. কেন সঠিক: একাধিক পারসনাল কম্পিউটার বা পিসি (Personal Computer) পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তথ্য, ডেটা এবং রিসোর্স বা সম্পদ শেয়ার করার যে ব্যবস্থা গড়ে তোলে, তাকে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলা হয়। একটি কম্পিউটারকে অন্য কম্পিউটারের সঙ্গে ক্যাবল বা ওয়্যারলেস মাধ্যমে সংযুক্ত করার মাধ্যমেই নেটওয়ার্কের মূল অবকাঠামো তৈরি হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: দুই বা ততোধিক কম্পিউটার বা ডিভাইস একসঙ্গে যুক্ত হয়ে নিজেদের মধ্যে ডেটা ও পেরিফেরাল ডিভাইস আদান-প্রদান করার ব্যবস্থাকে নেটওয়ার্ক বলে। কার্যপদ্ধতি: নেটওয়ার্কের মাধ্যমে একটি কম্পিউটার অন্য কম্পিউটারের ফাইল ব্যবহার করতে পারে এবং প্রিন্টার বা ইন্টারনেট সংযোগের মতো ডিভাইসগুলো একসঙ্গে শেয়ার করতে পারে। বৈশিষ্ট্য: ডেটা শেয়ারিং, রিসোর্স শেয়ারিং, কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ এবং দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা এর প্রধান বৈশিষ্ট্য। ব্যবহার: অফিস আদালত, ব্যাংক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বাসা বাড়িতে কম্পিউটারগুলো যুক্ত করে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ল্যান (LAN) তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি অফিসে থাকা দশটি কম্পিউটার ও একটি প্রিন্টারকে ক্যাবলের মাধ্যমে যুক্ত করা। ব্যাখ্যা: এই সংযোগের ফলে যেকোনো কম্পিউটার থেকে প্রিন্সিপাল প্রিন্ট কমান্ড দেওয়া যায় এবং সবাই মিলে প্রিন্টারটি ব্যবহার করতে পারে। উদাহরণ ২: ঘরের দুটি ল্যাপটপ এবং একটি স্মার্টফোন একই ওয়াইফাই রাউটারের সঙ্গে যুক্ত করা। ব্যাখ্যা: এই সংযোগের মাধ্যমে ডিভাইসগুলোর মধ্যে ফাইল আদান-প্রদান করা এবং ইন্টারনেট ব্রাউজ করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Super Computer — সুপার কম্পিউটার হলো অত্যন্ত শক্তিশালী ও দ্রুতগতির বিশেষায়িত কম্পিউটার, যা পারসনাল কম্পিউটার যুক্ত করে তৈরি করা যায় না। B) Server — সার্ভার হলো একটি শক্তিশালী কম্পিউটার যা নেটওয়ার্কের অন্যান্য ক্লায়েন্ট কম্পিউটারকে সেবা প্রদান করে, তাই এটি পিসি যুক্ত করার ফল নয় বরং নেটওয়ার্কের একটি অংশ। D) Enterprise — এন্টারপ্রাইজ বলতে একটি বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়, যা কোনো নির্দিষ্ট কম্পিউটার ডিভাইস বা নেটওয়ার্কের প্রযুক্তিগত নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: দুই বা ততোধিক ডিভাইস বা পিসি একসঙ্গে কানেক্ট করলেই নেটওয়ার্ক গঠিত হয়। নেটওয়ার্কের প্রধান কাজ হলো ইনফরমেশন বা তথ্য শেয়ার করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার নেটওয়ার্কের ভৌগোলিক বিস্তৃতির ওপর ভিত্তি করে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন ল্যান (LAN), ম্যান (MAN), ওয়ান (WAN) এবং প্যান (PAN)। বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নেটওয়ার্ক ডিভাইস ও টপোলজি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।

মোট প্রশ্ন (11)

a মানুষের আচরণের মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা প্রদান
b মানুষের জীবনের সফলতার দিকগুলাে আলােচনা
c সমাজে বসবাসকারী মানুষের আচরণ ব্যাখ্যা
d সমাজে বসবাসকারী মানুষের আচরণের আলােচনা ও মূল্যায়ন
0 125 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সমাজে বসবাসকারী মানুষের আচরণের আলােচনা ও মূল্যায়ন ১. কেন সঠিক: - নীতিবিদ্যা মূলত মানুষের আচরণের ভালো-মন্দ, উচিত-অনুচিত এবং ন্যায়-অন্যায় দিকগুলো নিয়ে আলোচনা ও মূল্যায়ন করে। এটি কেবল মানুষের কাজ কেমন তা দেখে ক্ষান্ত হয় না, বরং তা নৈতিক মাপকাঠিতে কতটা গ্রহণযোগ্য তার বিচার করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: নীতিবিদ্যা হলো দর্শনের একটি শাখা যা মানুষের নৈতিক আচরণ ও মূল্যবোধের মানদণ্ড নির্ধারণ করে। - গুরুত্ব: এটি সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং মানুষকে সঠিক ও ভুলের মধ্যে পার্থক্য করতে সহায়তা করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে কোনো সহকর্মীকে অন্যায়ভাবে সুবিধা না দিয়ে নিয়মের মধ্যে থেকে সেবা প্রদান করা। ব্যাখ্যা: এটি নীতিবিদ্যার মূল্যায়নের অংশ, যেখানে সততা ও কর্তব্যের যথাযথ প্রয়োগ ঘটে। উদাহরণ ২: রাস্তা কুড়িয়ে পাওয়া টাকা প্রকৃত মালিকের কাছে ফেরত দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি মানুষের আচরণকে নৈতিকভাবে মূল্যায়ন করার একটি বাস্তব বহিঃপ্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানুষের আচরণের মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা প্রদান — এটি মনোবিজ্ঞানের কাজ, নীতিবিদ্যার নয় কারণ নীতিবিদ্যা মূল্যায়ন করে আর মনোবিজ্ঞান প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করে। B) মানুষের জীবনের সফলতার দিকগুলাে আলােচনা — এটি ক্যারিয়ার বিষয়ক আলোচনা, যা নৈতিকতার পরিমাপক বা মূল আলোচ্য বিষয় নয়। C) সমাজে বসবাসকারী মানুষের আচরণ ব্যাখ্যা — এটি সমাজবিজ্ঞানের আলোচ্য বিষয়, যা কেবল ঘটনা বর্ণনা করে কিন্তু নৈতিক মূল্যায়ন করে না। D) সমাজে বসবাসকারী মানুষের আচরণের আলােচনা ও মূল্যায়ন — এটি নীতিবিদ্যার সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ পরিধি নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নীতিবিদ্যা মানেই হলো আচরণ নিয়ে আলোচনা এবং তা ভালো কি মন্দ তার মূল্যায়ন করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নীতিবিদ্যার মূল কাজ হলো আচরণের নৈতিক মূল্যায়ন করা। এই ধারণা থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a ঐচ্ছিক ক্রিয়া
b অনৈচ্ছিক ক্রিয়া
c ইচ্ছা নিরপেক্ষ ক্রিয়া
d ক ও গ নামক ক্রিয়া
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঐচ্ছিক ক্রিয়া ১. কেন সঠিক: - নীতিবিদ্যা মূলত মানুষের নৈতিক আচরণ, ভালো-মন্দের বিচার এবং কর্তব্যের মানদণ্ড নিয়ে আলোচনা করে। - মানুষের যে কাজের পেছনে নিজস্ব ইচ্ছা, বিবেক, স্বাধীনতা এবং নৈতিক দায়বদ্ধতা থাকে, তাকেই নীতিবিদ্যা আলোচনার বিষয়বস্তু হিসেবে গ্রহণ করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: ঐচ্ছিক ক্রিয়া হলো সেই কাজ যা মানুষ সজ্ঞান মনে, জেনেবুঝে এবং স্বাধীন ইচ্ছার ভিত্তিতে সম্পাদন করে। - গুরুত্ব: নৈতিকতার মূল ভিত্তি হলো মানুষের বিবেক ও স্বাধীন ইচ্ছা, যার মাধ্যমে সে ভালো ও মন্দের পার্থক্য বুঝতে পারে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন চাকরিজীবী ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ঘুষ গ্রহণ না করে সততার সঙ্গে নিজের দায়িত্ব পালন করলেন। ব্যাখ্যা: এটি একটি সচেতন ও ঐচ্ছিক নৈতিক ক্রিয়া, যা সততা ও কর্তব্যপরায়ণতার বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। উদাহরণ ২: পরীক্ষার হলে একজন শিক্ষার্থী সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অসদুপায় অবলম্বন থেকে বিরত থাকল। ব্যাখ্যা: এই সিদ্ধান্তটি তার নিজস্ব নৈতিক ইচ্ছা ও মূলবোধের পরিচায়ক, যা নীতিবিদ্যার আওতাভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঐচ্ছিক ক্রিয়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ নীতিবিদ্যা মানুষের বিবেকপ্রসূত ও স্বাধীন কাজের মূল্যায়ন করে। B) অনৈচ্ছিক ক্রিয়া — এই অপশনটি ভুল কারণ শ্বাসপ্রশ্বাস বা চোখের পলক ফেলার মতো অনৈচ্ছিক কাজের সঙ্গে কোনো নৈতিক দায়িত্ব বা বিচার জড়িত থাকে না। C) ইচ্ছা নিরপেক্ষ ক্রিয়া — এই অপশনটি ভুল কারণ যে কাজের পেছনে মানুষের নিজস্ব ইচ্ছা বা নিয়ন্ত্রণ থাকে না, তার জন্য তাকে নৈতিকভাবে দায়ী করা যায় না। D) ক ও গ নামক ক্রিয়া — এই অপশনটি ভুল কারণ ইচ্ছা নিরপেক্ষ ক্রিয়া নীতিবিদ্যার আলোচ্য বিষয় হতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - নীতিবিদ্যার আলোচ্য বিষয় মনে রাখতে কেবল একটি কথা মাথায় রাখবে, যেখানে ইচ্ছা ও বিবেক আছে, সেখানেই নৈতিকতা আছে। - অনৈচ্ছিক বা জৈবিক কাজের কোনো নৈতিক মূল্য নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নীতিবিদ্যার মূল পরিধি হলো মানুষের বুদ্ধিদীপ্ত ও স্বাধীন কর্ম। - পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি ঘুরিয়ে আসে যে কোন কাজের জন্য মানুষকে নৈতিকভাবে দায়ী করা যায়।
a মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড
b শুধুমাত্র মানুষের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যাদি নির্ধারণের দিক নির্দেশনা
c সমাজ জীবনে মানুষের সুখী হওয়ার প্রয়ােজনীয় মনােভাব
d মানুষের সঙ্গে মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণ
0 166 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড ১. কেন সঠিক: সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো মূল্যবোধ মানুষের ভেতরের নৈতিক চেতনাকে জাগায় এবং তার দৈনন্দিন বাহ্যিক আচরণকে সঠিক পথে পরিচালনা করে। সংশ্লিষ্ট নৈতিক নীতি বা মূল্যবোধের পরিচয় হলো এটি সমাজের এমন কিছু আদর্শ বা মানদণ্ড, যা মানুষকে ভালো ও মন্দের পার্থক্য বুঝতে সাহায্য করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: মূল্যবোধ হলো সমাজের মানুষের দ্বারা গৃহীত কিছু বিশ্বাস, আদর্শ ও মানদণ্ড, যা মানুষের আচরণ ও জীবনযাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করে। গুরুত্ব: এটি সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে, পারস্পরিক আস্থা তৈরি করতে এবং মানুষের নৈতিক চরিত্র গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রয়োগ: বাস্তব জীবনে সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও দায়িত্ববোধের চর্চার মাধ্যমে ব্যক্তিগত ও সামাজিক মূল্যবোধের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা সম্ভব। সম্ভাব্য প্রভাব: সঠিক মূল্যবোধের চর্চা সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমায় এবং একটি শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও মানবিক সমাজ গঠনে সহায়তা করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া মানি ব্যাগ প্রকৃত মালিকের কাছে ফেরত দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি সততা ও নৈতিক মূল্যবোধের প্রয়োগ, যা মানুষকে লোভ সংবরণ করে সঠিক ও ন্যায়সংগত আচরণ করতে শেখায়। উদাহরণ ২: চাকরির ইন্টারভিউতে স্বজনপ্রীতি না করে যোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচিত করা। ব্যাখ্যা: এটি নিরপেক্ষতা ও ন্যায়বিচারের মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ, যা প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড — এটি সঠিক কারণ মূল্যবোধ মানুষের সামগ্রিক আচরণকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালিত করে। B) শুধুমাত্র মানুষের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যাদি নির্ধারণের দিক নির্দেশনা — এই অপশনটি ভুল কারণ মূল্যবোধ কেবল প্রাতিষ্ঠানিক কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনের সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। C) সমাজ জীবনে মানুষের সুখী হওয়ার প্রয়ােজনীয় মনােভাব — এটি ভুল কারণ মূল্যবোধ কেবল সুখের মানসিকতা নয়, এটি মানুষের কর্তব্য, দায়িত্ব ও নৈতিক আদর্শের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। D) মানুষের সঙ্গে মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণ — এটি আংশিক সত্য হলেও সংকীর্ণ, কারণ মূল্যবোধ শুধু সম্পর্কের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ না থেকে মানুষের সার্বিক জীবনদর্শন ও আচরণকে নির্ধারণ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: মূল্যবোধ মানেই হলো মানুষের ভেতরের ভালো নীতি যা তার বাহ্যিক আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে। পরীক্ষায় মূল্যবোধসংক্রান্ত প্রশ্ন আসলে খেয়াল করবে কোনটি মানুষের সামগ্রিক আচরণ ও আদর্শের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সম্পর্কিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মূল্যবোধ ব্যক্তির আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং সমাজকে সুসংহত রাখে। একই নীতি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সামাজিক মূল্যবোধ এবং আইনগত মূল্যবোধের পার্থক্যের ওপর প্রশ্ন আসতে পারে।
a আইনের শাসন
b নৈতিকতা
c সাম্য
d উপরের সবগুলাে
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলাে ১. কেন সঠিক: সামাজিক মূল্যবোধ হলো সমাজের মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক, আচার-আচরণ এবং জীবনযাত্রাকে পরিচালিত করার নৈতিক মানদণ্ড। একটি সুস্থ ও সুশৃঙ্খল সমাজ গঠনে একক কোনো উপাদানের ওপর নির্ভর করা যায় না, বরং একাধিক মৌলিক স্তম্ভ সম্মিলিতভাবে সামাজিক মূল্যবোধকে ভিত্তি প্রদান করে। এখানে আইনের শাসন, নৈতিকতা এবং সাম্য - এই তিনটি উপাদানই পরস্পরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে। এই সম্মিলিত উপাদানগুলোই সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে এবং মানুষের পারস্পরিক বিশ্বাস ও শৃঙ্খলার ভিত মজবুত করে তোলে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: সামাজিক মূল্যবোধ হলো সমাজের দীর্ঘকাল ধরে গড়ে ওঠা আদর্শ, বিশ্বাস এবং আচরণের সমষ্টি যা মানুষকে ভালো-মন্দের তফাত বুঝতে শেখায়। গুরুত্ব: এটি সমাজে বিশৃঙ্খলা রোধ করে, পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখে এবং নাগরিকদের দায়িত্বশীল ও সংবেদনশীল হতে উদ্বুদ্ধ করে। প্রয়োগ: সমাজে সবার অধিকার সমানভাবে রক্ষা করা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে নৈতিক অবস্থান নেওয়ার মাধ্যমে এর প্রয়োগ ঘটে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাস্তায় ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং লাইনে দাঁড়িয়ে সেবা গ্রহণ করা। ব্যাখ্যা: এটি আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং অন্য নাগরিকের অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের উৎকৃষ্ট উদাহরণ, যা সামাজিক মূল্যবোধের অংশ। উদাহরণ ২: কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর ধর্ম, বর্ণ বা লিঙ্গ বিবেচনা না করে সমান সুযোগ প্রদান করা। ব্যাখ্যা: এটি সাম্য এবং নৈতিকতার বাস্তব প্রয়োগ, যা সমাজে পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ তৈরি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইনের শাসন — এটি সামাজিক মূল্যবোধের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হলেও কেবল এককভাবে তা সম্পূর্ণ সামাজিক মূল্যবোধ গঠন করতে পারে না। B) নৈতিকতা — নৈতিকতা ব্যক্তিগত ও সামাজিক মূল্যবোধের প্রাণকেন্দ্র হলেও একা এটি সমাজের কাঠামোগত সমতা বা আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারে না। C) সাম্য — সমাজে বৈষম্য দূর করতে সাম্য অপরিহার্য, তবে আইনের শাসন ও নৈতিকতা ছাড়া একা সাম্য সমাজকে শৃঙ্খলিত রাখতে পারে না। D) উপরের সবগুলাে — আইনের শাসন, নৈতিকতা এবং সাম্য - এই তিনটি উপাদান মিলে সামাজিক মূল্যবোধের পূর্ণাঙ্গ ভিত্তি তৈরি করে, তাই এটি সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: সামাজিক মূল্যবোধ একটি বহুস্তর বিশিষ্ট ধারণা যেখানে একক কোনো নীতি কাজ করে না। তাই প্রশ্নটিতে যখন আইনের শাসন, নৈতিকতা এবং সাম্য পৃথকভাবে অপশনে থাকে, তখন সেগুলোর সম্মিলিত রূপটিই সঠিক উত্তর হিসেবে বেছে নিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সামাজিক মূল্যবোধের ভিত্তি সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোতে প্রায়ই একাধিক সঠিক উপাদান একসঙ্গে থাকে। তাই একক কোনো অপশন না বেছে সামগ্রিক উপাদানগুলো বিবেচনা করার দক্ষতা অর্জন করতে হবে। একই নীতি থেকে সুশাসন ও নাগরিক দায়িত্ব সম্পর্কিত প্রশ্নও পরীক্ষায় আসতে পারে।
a মত প্রকাশের স্বাধীনতা
b প্রশাসনের নিরপেক্ষতা
c নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা
d নিরপেক্ষ আইন ব্যবস্থা
0 129 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মত প্রকাশের স্বাধীনতা ১. কেন সঠিক: - সুশাসনের অন্যতম মূল ভিত্তি হলো নাগরিকদের মতামত প্রকাশের অবাধ সুযোগ, যা সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করে। - এটি এমন একটি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, যা সাধারণ মানুষকে নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে এবং সরকারের ভুলত্রুটি ধরিয়ে দিতে উদ্বুদ্ধ করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: মত প্রকাশের স্বাধীনতা হলো প্রতিটি নাগরিকের এমন একটি মৌলিক অধিকার, যার মাধ্যমে তারা ভয়হীনভাবে নিজেদের চিন্তা ও মতামত প্রকাশ করতে পারে। - গুরুত্ব: এটি সমাজে স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা করে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে জনমত গঠনে জোরালো ভূমিকা রাখে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: - উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির লক্ষণ দেখলে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো বা সহকর্মীদের সাথে আলোচনা করা। - ব্যাখ্যা: এটি মত প্রকাশের স্বাধীনতার সঠিক প্রয়োগ, যা প্রতিষ্ঠানের ভেতরে সুশাসন বজায় রাখতে সাহায্য করে। - উদাহরণ ২: স্থানীয় উন্নয়নে কোনো জনবিরোধী প্রকল্প হাতে নেওয়া হলে এলাকাবাসী হিসেবে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানানো ও মতামত তুলে ধরা। - ব্যাখ্যা: নাগরিক অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে জনস্বার্থ রক্ষা করা এবং প্রশাসনকে সঠিক পথে পরিচালিত করার এটি একটি নৈতিক দায়িত্ব। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মত প্রকাশের স্বাধীনতা — এটি সুশাসনের অন্যতম প্রধান পূর্বশর্ত যা নাগরিকদের অধিকার নিশ্চিত করে। B) প্রশাসনের নিরপেক্ষতা — এটি সুশাসনের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলেও মত প্রকাশের স্বাধীনতা ছাড়া এককভাবে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। C) নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা — এটি আইনের শাসন নিশ্চিত করার শর্ত, তবে এটি সুশাসনের সামগ্রিক প্রক্রিয়ার একটি অংশ মাত্র। D) নিরপেক্ষ আইন ব্যবস্থা — এটি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যম, কিন্তু সুশাসনের পূর্বশর্ত হিসেবে জনগণের অংশগ্রহণের স্বাধীনতা বেশি মৌলিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুশাসন মানে জনগণের অংশগ্রহণ এবং জবাবদিহি। জনগণের অংশগ্রহণের প্রধান মাধ্যম হলো মত প্রকাশের স্বাধীনতা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুশাসনের পূর্বশর্ত আসলে নাগরিকের অংশগ্রহণের দিকটিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের মূল স্তম্ভ কয়টি এবং কী কী, তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - একই নীতি থেকে প্রশাসন কীভাবে জবাবদিহিমূলক হতে পারে, সে সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a শাসনের সামাজিক দিক
b সুশাসনের অর্থনৈতিক দিক
c সুশাসনের মূল্যবােধের দিক
d সুশাসনের গণতান্ত্রিক দিক
0 130 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুশাসনের অর্থনৈতিক দিক ১. কেন সঠিক: সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাসমূহ মূলত দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা বিস্তার, স্বাস্থ্য উন্নতকরণ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। এই লক্ষ্যগুলো অর্জনের জন্য সুশাসনের অর্থনৈতিক দিক অর্থাৎ সম্পদের সঠিক বন্টন, অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা ও কার্যকর নীতি নির্ধারণের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: সুশাসনের অর্থনৈতিক দিক বলতে সরকারি সম্পদের সুষম বন্টন, দুর্নীতি দমন এবং জনকল্যাণে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনাকে বোঝায়। প্রয়োগ: রাষ্ট্রীয় তহবিল ব্যবহারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সততা বজায় রাখা এবং উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এর মূল প্রয়োগ। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরকারি উন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহার করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রাস্তাঘাট নির্মাণ করা। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের অর্থনৈতিক দিকের প্রয়োগ, যেখানে সম্পদের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা পায়। উদাহরণ ২: সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভাতা বিতরণে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা দুর্নীতি না করে প্রকৃত গরিব মানুষের কাছে টাকা পৌঁছে দেওয়া। ব্যাখ্যা: এই আচরণটি অর্থনৈতিক সুশাসন ও নৈতিক দায়িত্ববোধের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাসনের সামাজিক দিক — এই দিকটি মূলত সামাজিক সাম্য ও অধিকারের কথা বলে, যা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যের মূল অর্থনৈতিক ভিত্তির সঙ্গে সরাসরি মেলে না। B) সুশাসনের অর্থনৈতিক দিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। C) সুশাসনের মূল্যবোধের দিক — এটি সার্বিক নৈতিকতার অংশ হলেও নির্দিষ্টভাবে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যের অর্থনৈতিক অর্জনের সঙ্গে খাপ খায় না। D) সুশাসনের গণতান্ত্রিক দিক — গণতন্ত্র রাজনৈতিক অধিকারের সঙ্গে যুক্ত, কিন্তু সহস্রাব্দ লক্ষ্যমাত্রা মূলত অর্থনৈতিক উন্নয়নের ওপর প্রতিষ্ঠিত। ৫ মনে রাখার টিপস: সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বা এমডিজি মূলত দারিদ্র্য ও ক্ষুধার মতো অর্থনৈতিক সমস্যা দূর করার সঙ্গে যুক্ত। তাই এই লক্ষ্য অর্জনে সুশাসনের অর্থনৈতিক দিকটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সুশাসনের অর্থনৈতিক দিক এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার পারস্পরিক সম্পর্ক সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা আবশ্যক। একই নীতি থেকে সুশাসনের উপাদান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ নিয়ে অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে।
a ধারা ৭
b ধারা ৩৭
c ধারা ২৭
d ধারা ৪৭
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধারা ২৭ ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতা এবং সমাসীনতার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। - সংশ্লিষ্ট নৈতিক নীতি বা মূল্যবোধ হলো ন্যায়বিচার, সাম্য এবং মানবাধিকার, যা গণতন্ত্র ও সুশাসনের ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে কাজ করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: আইনের চোখে সব নাগরিক সমান বলতে বোঝায় ধনী-গরিব, ক্ষমতাশালী বা সাধারণ নাগরিক নির্বিশেষে আইনের প্রয়োগ সবার জন্য সমান হবে। - গুরুত্ব: এটি সমাজে বৈষম্য দূর করে, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে এবং নাগরিকদের মধ্যে আস্থার পরিবেশ তৈরি করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরকারি অফিসে সেবা নেওয়ার সময় কোনো সুপারিশ বা ঘুষ না দিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে স্বাভাবিক নিয়মে সেবা গ্রহণ করা। ব্যাখ্যা: এটি আইনের শাসন এবং সবার জন্য সমান সুযোগ বা সাম্যের নীতির বাস্তব প্রয়োগ। উদাহরণ ২: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বা কর্মক্ষেত্রে মেধার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা এবং আত্মীয়করণের ঊর্ধ্বে থেকে সবার প্রতি সমান আচরণ করা। ব্যাখ্যা: এটি পক্ষপাতহীন মনোভাব এবং নৈতিক মূল্যবোধের সঠিক চর্চা নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধারা ৭ — এটি সংবিধানের প্রাধান্য এবং প্রজাতন্ত্রের মালিকানা জনগণের মর্মে ঘোষণা করে, যা আইনের সমতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। B) ধারা ৩৭ — এটি জনসমাবেশ ও শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণের স্বাধীনতার অধিকার নিশ্চিত করে, যা সমতার অধিকারের আওতাভুক্ত নয়। D) ধারা ৪৭ — এটি নির্দিষ্ট কিছু আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে সংবিধানের কিছু বিধানের প্রয়োগের ক্ষেত্রে সংরক্ষণ সম্পর্কিত, যা সমতা নির্দেশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংবিধানে মৌলিক অধিকার শুরু হয় ছাব্বিশ ধারা থেকে এবং ২৭ ধারায় বলা হয়েছে আইনের চোখে সবাই সমান, তাই ২৭ মানে সবার জন্য সমান সুযোগ। - সাম্য এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মূল চাবিকাঠি হলো সংবিধানের এই ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আইনের শাসন এবং সমতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সংবিধানের এই ধারাটি বারবার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - একই নীতি থেকে সংবিধানে প্রদত্ত অন্যান্য মৌলিক অধিকার যেমন বাকস্বাধীনতা বা চলাচলের স্বাধীনতার ধারা সংক্রান্ত প্রশ্নও আসতে পারে।
a টেকসই উন্নয়ন
b ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন
c সাংস্কৃতিক উন্নয়ন
d উপরের কোনটিই নয়
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) টেকসই উন্নয়ন ১. কেন সঠিক: - জোহানেসবার্গ প্ল্যান অব ইমপ্লিমেন্টেশন মূলত পরিবেশগত সুরক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব আরোপ করে। - সুশাসনের সঙ্গে পরিবেশগত দায়িত্ব এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকার রক্ষা ওতপ্রোতভাবে জড়িত, যা টেকসই উন্নয়নের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: পরিবেশগত দায়িত্ব হলো বর্তমান প্রজন্মের এমন এক নৈতিক কর্তব্য, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ নিশ্চিত করে। - গুরুত্ব: সুশাসন কেবল মানুষের অধিকার রক্ষা করে না, বরং প্রকৃতি ও পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে নীতিনির্ধারকদের বাধ্য করে। - প্রয়োগ: সরকারি ও বেসরকারি নীতি প্রণয়নে পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব বিশ্লেষণ করে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা উচিত। - সম্ভাব্য প্রভাব: এর ফলে প্রাকৃতিক সম্পদের অপচয় রোধ হয় এবং সমাজ দীর্ঘমেয়াদে একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ লাভ করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো কারখানা স্থাপনের সময় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিক পদ্ধতি গ্রহণ করা এবং পরিবেশ আইন কঠোরভাবে মেনে চলা। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের স্বচ্ছতা ও পরিবেশগত দায়িত্বের সঠিক প্রয়োগ নির্দেশ করে, যা সমাজের সবার কল্যাণ নিশ্চিত করে। উদাহরণ ২: দৈনন্দিন জীবনে প্লাস্টিক ও অপচয়যোগ্য দ্রব্যের ব্যবহার কমানো এবং বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত হওয়া। ব্যাখ্যা: এটি নাগরিক দায়িত্ব ও টেকসই উন্নয়নের প্রতি ব্যক্তিগত অঙ্গীকারের বাস্তব প্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টেকসই উন্নয়ন — এই বিকল্পটি সঠিক কারণ জোহানেসবার্গ ঘোষণাপত্র মানবকল্যাণ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় টেকসই উন্নয়নকে সুশাসনের মূল শর্ত হিসেবে ধরেছে। B) ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন — এটি একটি নির্দিষ্ট খাতের উন্নয়ন নির্দেশ করে, যা সার্বজনীন সুশাসন ও আন্তর্জাতিক নীতিমালার মূল লক্ষ্য নয়। C) সাংস্কৃতিক উন্নয়ন — সংস্কৃতির বিকাশ গুরুত্বপূর্ণ হলেও আন্তর্জাতিক নীতমালায় সুশাসনের সঙ্গে সরাসরি পরিবেশ ও উন্নয়নের প্রশ্নটি অধিক গুরুত্ব পায়। D) উপরের কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর প্রথম অপশনে বিদ্যমান, তাই এই বিকল্পটি অপ্রাসঙ্গিক ও ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - জোহানেসবার্গ সম্মেলন মানেই মাথায় রাখতে হবে পরিবেশ এবং টেকসই উন্নয়নের কথা। - সুশাসন ও পরিবেশ একে অপরের পরিপূরক, যেখানে ভবিষ্যতের সুদিন নিশ্চিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আন্তর্জাতিক দলিলে সুশাসনের সঙ্গে পরিবেশ ও উন্নয়নের সম্পর্ক প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। - টেকসই উন্নয়ন ও সুশাসন সম্পর্কিত অন্যান্য আন্তর্জাতিক সম্মেলনগুলোর মূল প্রতিপাদ্য ভালো করে পড়তে হবে।
a জাতিসংঘ
b বিশ্বব্যাংক
c এউ এন.ডি.পি
d আই.এম.এফ
0 209 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিশ্বব্যাংক ১. কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক ১৯৮৯ সালে তাদের একটি প্রতিবেদনে আফ্রিকাস ডেভেলপমেন্ট ক্রাইসিস ইন এ ক্রিটিক্যাল পার্সপেক্টিভ শীর্ষক দলিলে প্রথম সুশাসন বা গুড গভর্ন্যান্স শব্দটি ব্যবহার করে এবং এর সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে। - সুশাসন বলতে এমন একটি শাসনব্যবস্থাকে বোঝায় যা জনগণের উন্নয়ন, আইনের শাসন এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি নিশ্চিত করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন হলো রাষ্ট্র পরিচালনার এমন একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রক্রিয়া যেখানে জনগণের অধিকার ও আইনের শাসন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায়। - গুরুত্ব: সুশাসন প্রতিষ্ঠা ছাড়া দুর্নীতি রোধ, সম্পদের সঠিক ব্যবহার এবং সমাজের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। - প্রয়োগ: সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানি দায়িত্ব পালনের সময় স্বজনপ্রীতি পরিহার করে মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন করতে হবে। - সম্ভাব্য প্রভাব: সুশাসন নিশ্চিত হলে জনসেবায় স্বচ্ছতা বাড়ে এবং সাধারণ মানুষ রাষ্ট্রের প্রতি আস্থাশীল হয়। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কোনো প্রভাব না খাটিয়ে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে যোগ্য প্রতিষ্ঠানকে কাজ দিলেন। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের মূলনীতি স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার বাস্তব প্রয়োগ, যা প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনগণের আস্থা বাড়ায়। উদাহরণ ২: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো অনুদান আসার পর কর্তৃপক্ষ যদি নির্দিষ্ট বোর্ডে তার হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করে। ব্যাখ্যা: এটি জবাবদিহি ও সততার উৎকৃষ্ট উদাহরণ, যা অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতিসংঘ — জাতিসংঘ মানবাধিকার ও সার্বিক উন্নয়নে কাজ করলেও সুশাসন শব্দটি প্রথম সংজ্ঞায়িত ও প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক। B) বিশ্বব্যাংক — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১৯৮৯ সালের প্রতিবেদনে তারা সর্বপ্রথম সুশাসনের ধারণাটি আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাখ্যা করে। C) এউ এন.ডি.পি — জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপি পরবর্তীতে সুশাসনের উপাদান যেমন অংশগ্রহণ ও জবাবদিহি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছে, তবে সূচনাকারী সংস্থা বিশ্বব্যাংক। D) আই.এম.এফ — আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল মূলত বৈশ্বিক আর্থিক স্থিতিশীলতা ও ঋণ প্রদান নিয়ে কাজ করে, সুশাসনের প্রথম ব্যাখ্যাদাতা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিশ্বব্যাংক হলো অর্থনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক উন্নয়নের রূপকার, তাই সুশাসনের ধারণাটি প্রথম তারাই দিয়েছে এটি মনে রাখতে হবে। - সুশাসনের মূল স্তম্ভগুলো হলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আইনের শাসন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসন প্রতিষ্ঠার মূল শর্ত হলো দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং জনগণের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো। - একই নীতি থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে সুশাসনের প্রধান উপাদান কয়টি বা কোন সংস্থা সুশাসনের উপাদান নির্ধারণ করেছে।
a সামাজিক অবক্ষয়ের
b মূল্যবোধ অবক্ষয়ের
c সুশাসনের
d শিক্ষার গুণগতমানের
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুশাসনের ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো সংবাদমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে কাজ করে এবং সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে। - সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান শর্ত হলো তথ্য অধিকার, স্বচ্ছতা এবং সরকারের কাজের জবাবদিহি, যা একটি নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী গণমাধ্যম ছাড়া অর্জন করা সম্ভব নয়। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যা অংশগ্রহণমূলক, consensus-oriented বা ঐকমত্যভিত্তিক, জবাবদিহিমূলক, স্বচ্ছ, দায়িত্বশীল, কার্যকর এবং আইনের শাসন দ্বারা পরিচালিত। - গুরুত্ব: সুশাসন দুর্নীতি হ্রাস করে, নাগরিক অধিকার সুরক্ষা করে এবং দেশের টেকসই উন্নয়নে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: - উদাহরণ ১: কোনো সরকারি সংস্থায় দুর্নীতির সংবাদ সাহসিকতার সঙ্গে প্রকাশ করা এবং এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে শাস্তির আওতায় আনতে বাধ্য করা। - ব্যাখ্যা: এটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সুশাসনের জবাবদিহি নীতির বাস্তব প্রয়োগ, যা রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনে। - উদাহরণ ২: নীতি নির্ধারণী প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের মতামত ও সমস্যা গণমাধ্যমে তুলে ধরা যাতে নীতিনির্ধারকরা জনকল্যাণমূলক সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন। - ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের অংশগ্রহণমূলক এবং স্বচ্ছতা নীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সামাজিক অবক্ষয়ের — সামাজিক অবক্ষয় মূলত নৈতিক মূল্যবোধের পতন, পারিবারিক শিক্ষার অভাব এবং সংস্কৃতির সংকটের সঙ্গে যুক্ত, যা সুশাসনের মতো সরাসরি প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) মূল্যবোধ অবক্ষয়ের — মূল্যবোধ অবক্ষয় হলো মানুষের নৈতিক বিচারবুদ্ধি ও সততার হ্রাস পাওয়ার ফল, যা মূলত সামাজিকীকরণ ও পারিবারিক শিক্ষার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়। D) শিক্ষার গুণগতমানের — শিক্ষার গুণগতমান নির্ভর করে উপযুক্ত শিক্ষক নিয়োগ, আধুনিক পাঠ্যক্রম এবং প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামোর ওপর, যা সরাসরি গণমাধ্যমের কাঠামোর অধীন নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - গণমাধ্যম শব্দটির সঙ্গে সুশাসনের জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা কথাটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। - পরীক্ষার প্রশ্নে গণমাধ্যম দেখলেই সুশাসন বা গণতন্ত্রের কার্যকারিতা বিকল্প হিসেবে খোঁজা উচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের মূল উপাদানগুলো যেমন স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আইনের শাসন ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - এই নীতি থেকে ব্যাংক বা বিসিএস পরীক্ষায় বিভিন্ন পরিস্থিতিভিত্তিক প্রশ্ন আসতে পারে।
a ছেড়া অংশটুকু ধরে রাখার চেষ্টা করবেন
b বিয়ে বাড়ী ছেড়ে চলে যাবেন
c পােশাকের ঘেঁড়া অংশটুকু যেভাবে আছে সেভাবে রাখবেন
d আপনার কাছাকাছি যারা আছেন তাদের পরামর্শ নেবেন
0 159 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ছেড়া অংশটুকু ধরে রাখার চেষ্টা করবেন ১. কেন সঠিক: - সামাজিক অনুষ্ঠানে হঠাৎ পোশাক ছিঁড়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা বুদ্ধিমানের কাজ। - এটি তাৎক্ষণিক সমস্যা সমাধান এবং আত্মমর্যাদা রক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি মার্জিত আচরণ। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: পরিস্থিতিভিত্তিক বুদ্ধিমত্তা এবং আত্মসংযম হলো এমন একটি গুণ, যা যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে শান্ত থেকে সম্মানজনক সমাধান খুঁজতে সাহায্য করে। - প্রয়োগ: অপ্রত্যাশিত কোনো সমস্যা তৈরি হলে ঘাবড়ে না গিয়ে ঠান্ডা মাথায় তার তাৎক্ষণিক ও শালীন সমাধান বের করতে হবে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ আপনার শার্টের বোতাম খুলে গেল এবং সেলাই আলগা হয়ে গেল। ব্যাখ্যা: তাৎক্ষণিকভাবে সেফটিপিন ব্যবহার করে বা অন্য কোনো উপায়ে তা ঠিক করে মিটিংয়ে যোগ দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। উদাহরণ ২: পরীক্ষার হলে হঠাৎ কলম কাজ করা বন্ধ করে দিল এবং আপনার কাছে অতিরিক্ত কলম নেই। ব্যাখ্যা: আতঙ্কিত না হয়ে তাৎক্ষণিকভাবে শিক্ষকের সহায়তা নেওয়া বা পাশের বন্ধুর সাহায্য চাওয়া উচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছেড়া অংশটুকু ধরে রাখার চেষ্টা করবেন — এটি সঠিক কারণ এটি তাৎক্ষণিক লজ্জাকর পরিস্থিতি থেকে বাঁচার সবচেয়ে দ্রুত ও মার্জিত উপায়। B) বিয়ে বাড়ী ছেড়ে চলে যাবেন — এটি চরম মাত্রাতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া যা হীনম্মন্যতা এবং সামাজিক মেলামেশার অভাব নির্দেশ করে। C) পােশাকের ঘেঁড়া অংশটুকু যেভাবে আছে সেভাবে রাখবেন — এটি অসচেতনতা এবং নিজের বাহ্যিক রূপ ও শালীনতার প্রতি চরম উদাসীনতা প্রকাশ করে। D) আপনার কাছাকাছি যারা আছেন তাদের পরামর্শ নেবেন — পোশাক ছেড়ার মতো ব্যক্তিগত সমস্যায় অন্যের পরামর্শ নেওয়ার চেয়ে নিজের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া বেশি জরুরি। ৫. মনে রাখার টিপস: - অপ্রত্যাশিত সামাজিক বা ব্যক্তিগত সংকট তৈরি হলে ভেঙে না পড়ে তাৎক্ষণিকভাবে মার্জিত ও শালীন উপায়ে তা সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নৈতিকতা ও মূল্যবোধের প্রশ্নে যেকোনো বিপদে আত্মসংযম এবং পরিস্থিতি মোকাবিলার মানসিকতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।