a ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
b সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
c হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
d স্যার জর্জ গ্রিয়ারসন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - এই গ্রন্থটি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাসের ওপর রচিত সবচেয়ে প্রামাণিক ও ঐতিহাসিক গবেষণাগ্রন্থ। - সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১৯২৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জনের জন্য এই বিখ্যাত গবেষণাগ্রন্থটি প্রকাশ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ছিলেন বিশ শতকের অন্যতম প্রধান ভারতীয় ভাষাতাত্ত্বিক, সাহিত্যিক ও গবেষক। - এই গ্রন্থে তিনি প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার স্তর থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি এবং এর ক্রমবিকাশের ইতিহাস বিস্তারিতভাবে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে তুলে ধরেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর 'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা ভাষার ইতিহাস ও উৎপত্তি নিয়ে রচিত আরেকটি বিখ্যাত এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাগ্রন্থ। উদাহরণ ২: সুকুমার সেনের 'বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস' ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্য গবেষকদের জন্য এটি একটি অপরিহার্য এবং প্রামাণিক গ্রন্থ যা সাহিত্যের কালক্রম নির্ধারণে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি বাংলা ভাষার উৎপত্তি নিয়ে গবেষণা করলেও আলোচ্য 'The Origin and Development of the Bangali Language' গ্রন্থটির রচয়িতা নন, বরং তার বিখ্যাত কাজ 'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত'। B) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর সপক্ষে কোনো ভুল নেই। C) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — তিনি চর্যাপদ আবিষ্কার ও প্রাচীন বাংলা সাহিত্য উদ্ধারের জন্য বিখ্যাত হলেও এই ভাষাতাত্ত্বিক গ্রন্থটি রচনা করেননি। D) স্যার জর্জ গ্রiereson — তিনি 'Linguistic Survey of India' বা ভারতীয় ভাষা সার্ভে পরিচালনার জন্য পরিচিত হলেও এই বিশেষ গ্রন্থটির লেখক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুনীতি মানে নীতি বা নিয়ম, আর ভাষা উন্নয়নের সুনির্দিষ্ট নিয়ম বা ব্যাকরণ নিয়ে কাজ করেছিলেন সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়। - এভাবে মনে রাখতে পারেন যে ভাষার উৎপত্তি বা ডেভেলপমেন্ট নিয়ে প্রথম বড় কাজ করেছেন সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসলে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের এই গ্রন্থটির নাম সবচেয়ে বেশি আসে। - ভাষাতত্ত্ব সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্ন সমাধানের সময় লেখক ও গ্রন্থের নাম আলাদা করে ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a পর্তুগিজ ভাষা হতে
b আরবী ভাষা হতে
c দেশী ভাষা হতে
d ওলন্দাজ ভাষা হতে
0 225 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পর্তুগিজ ভাষা হতে ১. কেন সঠিক: - আনারস ও চাবি শব্দ দুটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। পর্তুগিজরা ব্যবসায়িক ও ধর্মীয় কারণে বাংলায় আসার ফলে তাদের ভাষার বহু শব্দ বাংলা শব্দভাণ্ডারে প্রবেশ করেছে। - বিদেশি শব্দ হিসেবে এই শব্দগুলো বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে এবং দৈনন্দিন জীবনে বহুল ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দের উৎসগত শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোকে বিভিন্ন ভাষা থেকে আগত শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো মূলত সামুদ্রিক বাণিজ্য, প্রশাসন, খাদ্যদ্রব্য ও দৈনন্দিন ব্যবহারের উপকরণের সাথে জড়িত। - পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আসা শব্দগুলোর মধ্যে মূলত খাদ্য, পরিধেয় এবং বিভিন্ন কাজের সামগ্রী বেশি দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাদ্রি ও গির্জা ব্যাখ্যা: এই শব্দ দুটিও পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে যা খ্রিস্টধর্ম ও উপাসনালয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। উদাহরণ ২: বালতি ও সাবান ব্যাখ্যা: এই শব্দ দুটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত যা আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারের পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগিজ ভাষা হতে — এই অপশনটি সঠিক কারণ আনারস ও চাবি পর্তুগিজ শব্দ। B) আরবী ভাষা হতে — আরবী ভাষা থেকে ইসলাম ধর্ম, প্রশাসন ও আইনসংক্রান্ত শব্দ বাংলায় এসেছে, যেমন আদালত, কিতাব। C) দেশী ভাষা হতে — দেশী শব্দ হলো ভারতের আদিবাসীদের ব্যবহৃত ভাষা থেকে আগত শব্দ, যেমন কুলা, গঞ্জ। D) ওলন্দাজ ভাষা হতে — ওলন্দাজ ভাষা থেকে তাস, হর্তন ইত্যাদি খেলাধুলার শব্দ বাংলায় প্রবেশ করেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার কৌশল হিসেবে পির্তুগিজদের আনা খাবার ও ব্যবহারের জিনিস যেমন আনারস, চাবি, বালতি, সাবান একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে পর্তুগিজ ও আরবি শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a শামসুর রহমান
b আলতাফ মাহমুদ
c হাসান হাফিজুর রহমান
d আবদুল গাফফার চৌধুরী
0 230 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আবদুল গাফফার চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটির রচিয়তা বা গীতিকার হলেন আবদুল গাফফার চৌধুরী। - ১৯৫২ সালেরু ২১শে ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে এই ঐতিহাসিক গানটি রচিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আবদুল গাফফার চৌধুরী একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলামিস্ট ও সাহিত্যিক। - এই বিখ্যাত গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আবদুল লতিফ এবং বর্তমান জনপ্রিয় সুরকার ও সংগীত পরিচালক হলেন আলতাফ মাহমুদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রচিত সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক গান। উদাহরণ ২: ‘তোমরা আমাকে খুন করতে পারো, কিন্তু আমার আদর্শকে খুন করতে পারবে না’ ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলনের শহিদ বুদ্ধিজীবী ও সংগ্রামীদের আত্মত্যাগের চেতনাকে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামসুর রহমান — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই গানের রচিয়তা নন। B) আলতাফ মাহমুদ — ইনি এই গানের বিখ্যাত সুরকার, রচিয়তা নন। C) হাসান হাফিজুর রহমান — ইনি প্রথম একুশে সংকলনের সম্পাদক ও সাহিত্যিক, এই গানের রচিয়তা নন। D) আবদুল গাফফার চৌধুরী — ইনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই গানের গীতিকার। ৫ মনে রাখার টিপস: - গান লিখেছেন গাফফার চৌধুরী আর সুর দিয়েছেন আলতাফ মাহমুদ, এই পার্থক্য মনে রাখতে হবে। - পরীক্ষার প্রশ্নে গীতিকার ও সুরকার যেন গুলিয়ে না যায়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক গান ও কবিতা প্রায়ই আসে। - গীতিকার, সুরকার এবং সাহিত্যকর্মের নাম আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 169 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a শহীদুল্লাহ কায়সার
b জহির রায়হান
c মুনীর চৌধুরী
d সত্যেন সেন
0 177 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মুনীর চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - ‘কবর’ নাটকটির রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে একটি যুগান্তকারী সৃষ্টি যা বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত। - কারাগারে বন্দী রাজনৈতিক বন্দীদের মানসিক দ্বন্দ্ব এবং ভাষাসৈনিকদের অবিনাশী চেতনা এই নাটকের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী ছিলেন একাধারে নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক এবং ভাষা আন্দোলনের একজন বিশিষ্ট সংগ্রামী ব্যক্তিত্ব। তিনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী থাকা অবস্থায় ১৯৫৩ সালে এই নাটকটি রচনা করেন। - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই নাটকটি বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলন ও মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসে এক অনন্য দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দণ্ডতীর ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরীর রচিত আরও একটি বিখ্যাত সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক নাটক। উদাহরণ ২: রক্তলাল ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরী অনূদিত একটি বিশ্বখ্যাত নাটকের বাংলা রূপান্তর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শহীদুল্লাহ কায়সার — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক হলেও ‘কবর’ নাটকটির রচয়িতা নন। তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে ‘সংশপ্তক’ অন্যতম। B) জহির রায়হান — তিনি একজন খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক ও চলচ্চিত্রকার ছিলেন যিনি ‘হাজার বছর ধরে’ উপন্যাসের জন্য পরিচিত। C) মুনীর চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী প্রযোজ্য। D) সত্যেন সেন — তিনি একজন প্রখ্যাত বামপন্থী কথাসাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক কর্মী হলেও এই নাটকের সঙ্গে যুক্ত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের শহীদদের নিয়ে রচিত বিখ্যাত নাটক মনে রাখার সহজ উপায় হলো মুনীর চৌধুরীর কারাগারে বসে লেখা প্রথম প্রতিবাদী নাটক হলো কবর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নাটকটি ১৯৫৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে এটি বাংলা নাটকে এক অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এর রচয়িতা এবং পটভূমি সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a রত্মা + কর
b রত্ন + কর
c রত্মা + আকার
d রত্ম + আকর
0 167 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রত্ন + আকর ১. কেন সঠিক: - রত্নাকর শব্দটি স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে যেখানে পূর্বপদের অন্তস্থিত অ এবং পরপদের আদি আ মিলে আ হয়। - এখানে রত্ন শব্দের অন্তে অ ধ্বনি এবং আকর শব্দের আদিতে আ ধ্বনি রয়েছে যা একত্রিত হয়ে দীর্ঘ আ কার গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অ কিংবা আ এর পর অ কিংবা আ থাকলে উভয় মিলে আ হয় এবং এই আ পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। - রত্ন এবং আকর শব্দের সংযোগে রত্নাকর শব্দটি সাধিত হয়েছে যার অর্থ রত্নের আকর বা খনি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয় ব্যাখ্যা: এখানে পূর্বপদের অ এবং পরপদের আ মিলে আ কার গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মহা + আশয় = মহাশয় ব্যাখ্যা: এখানে পূর্বপদের আ এবং পরপদের আ মিলে দীর্ঘ আ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রত্মা + কর — রত্মা বলে কোনো প্রমিত শব্দ বাংলা ভাষায় নেই এবং সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী এটি সঠিক নয়। B) রত্ন + কর — কর অংশের পূর্বে আ না থাকায় এটি রত্নাকর শব্দ গঠন করতে পারে না। C) রত্মা + আকার — রত্মা শব্দটির অস্তিত্ব নেই এবং আকার যোগ করলে অর্থ পরিবর্তিত হয়। D) রত্ন + আকর — এটি সঠিক কারণ রত্ন এবং আকর মিলে রত্নাকর গঠিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সন্ধির ক্ষেত্রে অ এবং আ এর মিলন সবসময় দীর্ঘ আ হয়। - আকর শব্দের অর্থ খনি বা উৎস, যা রত্ন শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে রত্নাকর বা সমুদ্র অর্থ প্রকাশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় এই ধরনের স্বরসন্ধি প্রায়ই আসে। - একই নিয়মে হিমালয় এবং পুণ্যাহ শব্দগুলোর সন্ধি বিচ্ছেদ চর্চা করা যেতে পারে।
a কবিতার নাম
b গল্প সংকলনের নাম
c উপন্যাসের নাম
d কাব্য সংকলনের নাম
0 210 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপন্যাসের নাম ১. কেন সঠিক: - শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিখ্যাত উপন্যাস। - নামের মধ্যে কবিতা শব্দটি থাকলেও এটি মূলত গদ্যে রচিত একটি উপন্যাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের বহুমুখী প্রতিভাধর লেখক। - এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে এবং এর কেন্দ্রীয় চরিত্র অমিত ও লাবণ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোখের পলক ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস। উদাহরণ ২: নৌকাডুবি ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবিতার নাম — শেষের কবিতা নামে কোনো স্বাধীন কবিতা নেই, এটি মূলত একটি উপন্যাস। B) গল্প সংকলনের নাম — এটি কোনো ছোটগল্পের সংকলন নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস। D) কাব্য সংকলনের নাম — এটি কাব্যগ্রন্থ বা কবিতার বই নয়, গদ্যে রচিত উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - নামের শেষে কবিতা শব্দ থাকলেও এটি উপন্যাস, এই বিভ্রান্তি দূর করলেই উত্তর সহজ হবে। - অমিত ও লাবণ্যের প্রেমের গল্প মনে রাখলেই এটি উপন্যাস হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। - বিখ্যাত লেখকদের উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থের নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a কবীর চৌধুরী
b মুনীর চৌধুরী
c সৈয়দ শামসুল হক
d কবি জসীমউদ্দীন
0 160 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুনীর চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত প্রথম এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাটক হলো 'কবর'। - কারাগারে বন্দি ভাষা সংগ্রামীদের ওপর পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর নির্যাতন ও তাদের প্রতিবাদী মানসিকতা এই নাটকে অসাধারণভাবে ফুটে উঠেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী বাংলা নাট্যসাহিত্যে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যিনি ১৯৫৩ সালে কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় এই একাঙ্ক নাটকটি রচনা করেন। - ঐতিহাসিক এই নাটকটি বাংলা নাট্যজগতে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিল এবং ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য তুলে ধরেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর রক্তলাল ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরীর অপর একটি বিখ্যাত নাটক যা তার সাহিত্যকর্মের পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: মুনীর চৌধুরীর নষ্ট প্রদীপের আলো ব্যাখ্যা: এটিও তার একটি উল্লেখযোগ্য নাটক যা নাট্যসাহিত্যে বিশেষ অবদান রেখেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবীর চৌধুরী — কবীর চৌধুরী একজন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক হলেও তিনি 'কবর' নাটকের রচয়িতা নন। B) মুনীর চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর। C) সৈয়দ শামসুল হক — সৈয়দ শামসুল হক বিখ্যাত নাট্যকার হলেও 'কবর' নাটকটি তার লেখা নয়। D) কবি জসীমউদ্দীন — কবি জসীমউদ্দীন একই নামে 'কবর' নামক বিখ্যাত কবিতা লিখেছেন, যা ১৯৫২ সালের নাটকের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - একুশে ফেব্রুয়ারির কবিতা লিখেছেন জসীমউদ্দীন, আর একই নামের নাটক লিখেছেন মুনীর চৌধুরী। - এই বিভ্রান্তি এড়াতে মনে রাখবে নাটকের কারারুদ্ধ পরিবেশ মুনীর চৌধুরীর কারাজীবনের অভিজ্ঞতার ফল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই একই নামের কবিতা ও নাটকের রচয়িতা নিয়ে প্রশ্ন আসে। - জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতাটি তার রাখালী কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত এবং মুনীর চৌধুরীর 'কবর' একটি ঐতিহাসিক নাটক।
a ধূমকেতু
b বিদ্রোহী
c প্রলয়োল্লাস
d অগ্রপথিক
0 163 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রলয়োল্লাস ১. কেন সঠিক: - 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের প্রথম বা সূচনা কবিতা হলো 'প্রলয়োল্লাস'। - এই কবিতার মাধ্যমে মূলত ধ্বংসের ভেতর দিয়েই নতুন সৃষ্টির বার্তা দেওয়া হয়েছে এবং ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের চেতনা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো 'অগ্নিবীণা', যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। - এই কাব্যে মোট ১২টি বিখ্যাত কবিতা রয়েছে এবং এর প্রচ্ছদ এঁকেছেন অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'বিদ্রোহী' কবিতা ব্যাখ্যা: এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের অন্যতম প্রধান ও বিখ্যাত কবিতা, যা কবিকে বিশ্বজোড়া খ্যাতি এনে দিয়েছে। উদাহরণ ২: 'কামাল পাশা' কবিতা ব্যাখ্যা: এটিও 'অগ্নিবীণা' কাব্যের একটি সাড়া জাগানো ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক চেতনার কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধূমকেতু — এটি কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক প্রকাশিত একটি অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা, কোনো কবিতা নয়। B) বিদ্রোহী — এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের অন্তর্ভুক্ত একটি কবিতা হলেও প্রথম কবিতা নয়, এটি চতুর্থ কবিতা। C) প্রলয়োল্লাস — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা হিসেবে স্থান পেয়েছে। D) অগ্রপথিক — এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের কোনো কবিতা বা রচনার নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - অগ্নিবীণা কাব্যের প্রথম কবিতা মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প্রলয় দিয়েই ধ্বংস ও নতুন সৃষ্টির সূচনা হয়, তাই 'প্রলয়োল্লাস' প্রথম কবিতা। - কাব্যগ্রন্থটির প্রকাশসাল ১৯২২ এবং মোট কবিতার সংখ্যা বারোটি, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই 'অগ্নিবীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা অথবা প্রকাশের সন জানতে চাওয়া হয়। - কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বা কাব্যগ্রন্থের নাম এবং এর সাল ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a পাকা পাকা আম
b ছি ছি কী করছে ?
c নরম নরম হাত
d উড়ু উড়ু মন
0 152 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পাকা পাকা আম ১. কেন সঠিক: দ্বিরুক্ত শব্দ কোনো বিশেষ অর্থে পরপর দুবার ব্যবহৃত হলে তা বহুত্ব বা বহুবচন প্রকাশ করে। এখানে পাকা পাকা আম বলতে একাধিক পাকা আমকে বোঝানো হয়েছে, যা বহুবচনের সংকেত দেয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে পদের দ্বিরুক্তি বহুবচন গঠনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। বিশেষ্য পদের দ্বিরুক্তি বহুত্ব বা বহুবচন বোঝাতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছোট ছোট মাছ ব্যাখ্যা: ছোট ছোট মাছ দ্বারা একাধিক ছোট মাছ বা বহু মাছকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: ভালো ভালো বই ব্যাখ্যা: ভালো ভালো বই দ্বারা অনেকগুলো ভালো বইকে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাকা পাকা আম — এটি সঠিক উত্তর। B) ছি ছি কী করছে — এটি দ্বারা ঘৃণা বা বিরক্তি প্রকাশ পেয়েছে, বহুবচন নয়। C) নরম নরম হাত — এটি দ্বারা বিশেষ গুণের বা ভাবের তীব্রতা প্রকাশ পেয়েছে। D) উড়ু উড়ু মন — এটি দ্বারা মনের এক ধরণের চঞ্চলতা বা অস্থিরতা প্রকাশ পেয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বিশেষ্য পদের দ্বিরুক্তি সাধারণত বহুবচন বোঝায়। যেমনটি পাকা পাকা আম বা ছোট ছোট মাছে দেখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশেষ্য পদের দ্বিরুক্তি বহুবচন বোঝাতে এবং অব্যয় পদের দ্বিরুক্তি ভাব বা তীব্রতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 191 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট ১. কেন সঠিক: - প্রবাদটির অন্তর্নিহিত অর্থ হলো বেশি মানুষের সমাগম বা অধিক কর্তার উপস্থিতিতে কোনো ভালো কাজ পণ্ড বা নষ্ট হয়ে যায়। - প্রবচনের ক্ষেত্রে লোকমুখে প্রচলিত শব্দরূপ এবং প্রমিত প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যা এখানে সঠিক রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি জনপ্রিয় প্রবাদ বা প্রবচন যা মানবজীবনের সাধারণ অভিজ্ঞতা ও সত্যকে প্রকাশ করে। - বাংলা ব্যাকরণের বাগধারা ও প্রবাদ অংশের অন্তর্ভুক্ত এই বাক্যটি সমাজের বিভিন্ন ঘটনার রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চরের ধানের চেয়ে গায়ের কুকুর বেশি ব্যাখ্যা: এটি আরেকটি গ্রামীণ প্রবাদ যা অতিরিক্ত রক্ষণাবেক্ষণ বা জটিলতার কারণে কাজের ক্ষতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ঝোপ বুঝে কোপ মারা ব্যাখ্যা: উপযুক্ত সুযোগ বুঝে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে এই প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না — এটি একটি প্রবাদ হলেও এর লোকায়ত সঠিক প্রমিত রূপ হলো যত গর্জে তত বর্ষে না। B) অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট — এই অপশনটি সঠিক এবং এর ব্যবহারিক রূপ শতভাগ নির্ভুল। C) নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা — এটি লোকমুখে প্রচলিত হলেও এর প্রমিত এবং বহুল স্বীকৃত রূপ হলো নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা নয়, বরং না নাচতে জানলে উঠান বাঁকা। D) যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয় — এটি বহুল প্রচলিত হলেও প্রবাদের সঠিক ও প্রচলিত রূপ হলো যেখানে বাঘের ভয় সেখানেই সন্ধ্যা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রবাদ ও প্রবচন পড়ার সময় লোকমুখে প্রচলিত সঠিক ও প্রমিত শব্দরূপের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। - পরীক্ষার হলে অপশনগুলোর মধ্যে সামান্য শব্দগত পরিবর্তন বা ভুল রূপ খেয়াল করলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রবাদ বাক্যের প্রচলিত ও সঠিক রূপ থেকে প্রশ্ন আসে। - প্রবাদের ক্ষেত্রে সাধারণ ব্যাকরণের নিয়মের চেয়ে লোকায়ত ও প্রমিত শব্দের প্রয়োগ বেশি গুরুত্ব পায়।