সঠিক উত্তর: D) মদনমোহন তর্কালঙ্কার
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত চরণ দুটি বাংলা শিশুসাহিত্যের অন্যতম আদি ও বিখ্যাত কবিতা প্রভাতবর্ণনা থেকে নেওয়া হয়েছে।
- নৈতিকতা শিক্ষা ও সৎপথে চলার বার্তা দিতে উনিশ শতকের গোড়ার দিকে এই কবিতাটি রচিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মদনমোহন তর্কালঙ্কার ছিলেন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের প্রখ্যাত বাঙালি শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজসংস্কারক।
- তাঁর রচিত শিশুশিক্ষামূলক গ্রন্থ শিসুশিক্ষা প্রথম ভাগ ও দ্বিতীয় ভাগ বাংলা শিক্ষাজগতে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল
ব্যাখ্যা: এটিও মদনমোহন তর্কালঙ্কারের প্রভাতবর্ণনা কবিতারই অন্য একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় পঙ্ক্তি।
উদাহরণ ২: ঘুম থেকে জেগে উঠে সকালবেলা সৎভাবে চলার শপথ নেওয়া
ব্যাখ্যা: শিশুদের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ ও চরিত্রগঠনের জন্য এই কবিতাটি যুগ যুগ ধরে পড়ানো হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শামসুর রাহমান — ইনি আধুনিক যুগের প্রখ্যাত কবি হলেও এই শিশুতোষ চরণের রচয়িতা নন।
B) জীবনানন্দ দাশ — ইনি আধুনিক যুগের রূপসী বাংলার কবি এবং এই কবিতার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
C) বুদ্ধদেব বসু — ইনি ত্রিশের দশকের আধুনিক কবি, প্রাবন্ধিক ও সাহিত্য সমালোচক যিনি এই পঙ্ক্তি রচনা করেননি।
D) মদনমোহন তর্কালঙ্কার — ইনি সঠিক উত্তর কারণ উনিশ শতকে শিশুদের জন্য লেখা তাঁর কবিতায় এই চরণ দুটি পাওয়া যায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে ভালো হওয়ার কথা বলেছেন শিশুদের প্রথম পাঠ্যবইয়ের লেখক মদনমোহন তর্কালঙ্কার।
শিশুশিক্ষা বইয়ের নাম মনে রাখলেই এই কবিতার রচয়িতাকে সহজে মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মদনমোহন তর্কালঙ্কারের লেখা প্রভাতবর্ণনা কবিতাটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উদ্ধৃতি হিসেবে আসে।
শিশুপাঠ্য ও নৈতিক শিক্ষামূলক রচনার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয়।
সঠিক উত্তর: C) গৃহে স্থিতি যার
১. কেন সঠিক:
- 'গার্হস্থ্য' একটি তদ্ধিতান্ত শব্দ, যা গৃহ শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে এবং এটি অলুক ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানে ব্যাসবাক্য হিসেবে 'গৃহে স্থিতি যার' সঠিক কারণ এটি গৃহস্থ বা গৃহসংক্রান্ত অবস্থাকে বোঝাতে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম অনুসরণ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ।
- ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে পূর্বপদের ষষ্ঠী বিভক্তি (এর, র) লোপ পায়, তবে অলুক সমাসে বিভক্তি লোপ পায় না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বনে বাস যার = বনবাস
ব্যাখ্যা: এটি সাধারণ মধ্যপদলোপী বা সপ্তমী তৎপুরুষ সমাসের নিয়মে সাধিত হয়।
উদাহরণ ২: মনে জন্মে যা = মনোজ
ব্যাখ্যা: এটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের একটি সুন্দর উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গৃহে থাকেন যিনি — এই ব্যাসবাক্যটি উপপদ তৎপুরুষ বা অন্য কোনো পদের জন্য প্রযোজ্য হতে পারে, তবে 'গার্হস্থ্য' শব্দের সঠিক ভাব প্রকাশ করে না।
B) গৃহে স্থিত যে — এখানে 'যে' পদের ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে এই বিশেষ পদের জন্য প্রযোজ্য নয়।
D) গৃহে আশ্রিত যে — এটি আশ্রিত অর্থে ভিন্ন কোনো সমাসের ব্যাসবাক্য হতে পারে, কিন্তু 'গার্হস্থ্য' শব্দের মূল অর্থের সঙ্গে মিলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ চেনার জন্য শব্দের মূল প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের সম্পর্ক ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
- সমাসের ব্যাসবাক্য নির্ণয়ের সময় পদের বিভক্তি ও অর্থের সঙ্গতি রক্ষা করতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ধিত প্রত্যয় ও তৎপুরুষ সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- শব্দের অর্থ ও ব্যাকরণগত কাঠামো বিশ্লেষণ করে সঠিক ব্যাসবাক্য নির্বাচন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) আরবি
১. কেন সঠিক:
- তারিখ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। এটি মূলত আরবি ভাষা থেকে বাংলা শব্দভান্ডারে প্রবেশ করেছে।
- বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস বা আগন্তুক শব্দ থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ।
- বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি, ফারসি, ইংরেজি, তুর্কি, পর্তুগিজ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। প্রশাসন, ধর্ম, সংস্কৃতি এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা ক্ষেত্রে আরবি শব্দ বাংলায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আদালত
ব্যাখ্যা: আদালত শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি বিচারালয় অর্থে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: কলম
ব্যাখ্যা: কলম শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত একটি অতিপরিচিত নিত্যব্যবহার্য শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফারসি — তারিখ ফারসি ভাষার শব্দ নয়, তাই এটি ভুল। ফারসি শব্দের মধ্যে রয়েছে খাতা, চশমা ইত্যাদি।
B) ফরাসি — তারিখ ফরাসি ভাষার শব্দ নয়, তাই এটি ভুল। ফরাসি শব্দের মধ্যে রয়েছে কার্তুজ, রেস্তোরাঁ ইত্যাদি।
C) তুর্কি — তারিখ তুর্কি ভাষার শব্দ নয়, তাই এটি ভুল। তুর্কি শব্দের মধ্যে রয়েছে দারোগা, চাকু ইত্যাদি।
D) আরবি — এটি সঠিক কারণ তারিখ শব্দটি সরাসরি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
আইন, আদালত, মাস, বছর এবং দিন বা তারিখ সংক্রান্ত অনেক শব্দ আরবি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। এই নিয়মটি মনে রাখলে সহজে আরবি শব্দ চেনা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ভাষায় প্রচলিত আরবি শব্দগুলো প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। তাই ধর্ম, প্রশাসন ও আইনসংক্রান্ত বিদেশি শব্দগুলোর উৎস ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) রূপবাচক
১. কেন সঠিক:
বিশেষণের যে শ্রেণিবিভাগ কোনো বস্তু বা ব্যক্তির বাহ্যিক রূপ, আকૃતિ বা রঙের প্রকাশ ঘটায়, তাকে রূপবাচক বিশেষণ বলে।
এখানে 'নীল' শব্দটি আকাশ বিশেষ্যের একটি নির্দিষ্ট রঙ বা রূপ নির্দেশ করছে বলে এটি রূপবাচক বিশেষণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যে পদ বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ বা রূপ প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণ পদ বলে।
রূপবাচক বিশেষণ মূলত কোনো কিছুর বর্ণ বা রঙের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে, যা দৃশ্যমান রূপের পরিচয় দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাঁচা আম
ব্যাখ্যা: এখানে 'কাঁচা' শব্দটি আমের একটি নির্দিষ্ট অবস্থা বা রূপ প্রকাশ করায় এটি অবস্থাবাচক বা রূপবাচক বিশেষণের আওতাভুক্ত হয়।
উদাহরণ ২: লাল গোলাপ
ব্যাখ্যা: এখানে 'লাল' শব্দটি গোলাপের রঙ বা রূপ প্রকাশ করছে, যা রূপবাচক বিশেষণের চমৎকার একটি উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অবস্থাবাচক — এই অপশনটি ভুল কারণ অবস্থাবাচক বিশেষণ কোনো বস্তু বা ব্যক্তির কার্যকাল, অবস্থা বা ভাব বুঝায়, রঙ বুঝায় না।
B) রূপবাচক — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সরাসরি আকাশের রঙ বা রূপ নির্দেশ করেছে।
C) গুণবাচক — এই অপশনটি ভুল কারণ গুণবাচক বিশেষণ কোনো কিছুর ভেতরকার ভালো বা মন্দ গুণ প্রকাশ করে, বাহ্যিক রঙ নয়।
D) পরিমাপবাচক — এই অপশনটি ভুল কারণ পরিমাপবাচক বিশেষণ কোনো কিছুর পরিমাণ, ওজন বা পরিমাপ নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
রঙ বা বর্ণের নাম বোঝালেই তা সাধারণত রূপবাচক বিশেষণ হিসেবে গণ্য হয়।
পরীক্ষায় কোনো বস্তুর রঙ থাকলেই চোখ বন্ধ করে রূপবাচক বিশেষণ নির্বাচন করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ব্যাকরণে পদের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
বিশেষণের প্রকারভেদ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে পারলে এই অধ্যায়ের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর সহজে করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) সবুজপত্র
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যে সাধু ভাষার কৃত্রিমতা দূর করে কথ্যরীতির বা চলিতরীতির সার্থক প্রচলন ও প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ১৯১৪ সালে প্রকাশিত সবুজপত্র পত্রিকার অবদান সবচেয়ে বেশি। প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত এই পত্রিকা বাংলা গদ্যে এক নতুন বিপ্লব ঘটিয়েছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সবুজপত্র বাংলা সাহিত্যর চলিতীতির প্রবর্তক ও বাহক হিসেবে পরিচিত এবং এর মূল চালিকাশক্তি ছিলেন প্রমথ চৌধুরী যিনি বীরবল ছদ্মনামে লিখতেন। এই পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর চলিতীতিতে লেখা বিভিন্ন গল্প ও প্রবন্ধ প্রকাশ করে এই রীতির আন্দোলনকে সফল করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ সংকলন তৈলকথা ও বীরবলের হালখাতা।
ব্যাখ্যা: এই রচনাগুলো চলিত বা কথ্যরীতির সার্থক প্রয়োগের অনন্য নিদর্শন।
উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চলিতরীতির উপন্যাস যোগাযোগ ও শেষের কবিতা।
ব্যাখ্যা: সবুজপত্র পত্রিকার প্রভাবে রবীন্দ্রনাথ তাঁর গদ্য ও উপন্যাসে চলিতরীতির সফল ব্যবহার করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কল্লোল — কল্লোল পত্রিকা ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতা ও রোমান্টিকতার বার্তা নিয়ে এসেছিল কিন্তু কথ্যরীতির প্রচলনের মূল বাহক এটি নয়।
B) সবুজপত্র — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং কথ্যরীতির প্রচলনে এর অবদান সর্বস্বীকৃত।
C) কালিকলম — কালিকলম পত্রিকা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি কল্লোল যুগের সমসাময়িক একটি সাহিত্য পত্রিকা যা বাস্তবধর্মী সাহিত্য চর্চার জন্য পরিচিত।
D) বঙ্গদর্শন — বঙ্গদর্শন ১৮৭২ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় এবং এটি মূলত সাধু ভাষার বিকাশ ও মানোন্নয়নে প্রধান ভূমিকা রেখেছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
সবুজ পাতা বা সবুজপত্র দেখলে চলিত ভাষা বা কথ্যরীতির কথা মনে রাখবে কারণ প্রমথ চৌধুরী সবুজপত্র পত্রিকার মাধ্যমে চলিত রীতির সূচনা করেছিলেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সবুজপত্র পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালে এবং এর সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে চলিত রীতির প্রবর্তক কে অথবা কোন পত্রিকার অবদান বেশি।
সঠিক উত্তর: B) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
- এই গ্রন্থটি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাসের ওপর রচিত সবচেয়ে প্রামাণিক ও ঐতিহাসিক গবেষণাগ্রন্থ।
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১৯২৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জনের জন্য এই বিখ্যাত গবেষণাগ্রন্থটি প্রকাশ করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ছিলেন বিশ শতকের অন্যতম প্রধান ভারতীয় ভাষাতাত্ত্বিক, সাহিত্যিক ও গবেষক।
- এই গ্রন্থে তিনি প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার স্তর থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি এবং এর ক্রমবিকাশের ইতিহাস বিস্তারিতভাবে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে তুলে ধরেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর 'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত'
ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা ভাষার ইতিহাস ও উৎপত্তি নিয়ে রচিত আরেকটি বিখ্যাত এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: সুকুমার সেনের 'বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস'
ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্য গবেষকদের জন্য এটি একটি অপরিহার্য এবং প্রামাণিক গ্রন্থ যা সাহিত্যের কালক্রম নির্ধারণে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি বাংলা ভাষার উৎপত্তি নিয়ে গবেষণা করলেও আলোচ্য 'The Origin and Development of the Bangali Language' গ্রন্থটির রচয়িতা নন, বরং তার বিখ্যাত কাজ 'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত'।
B) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর সপক্ষে কোনো ভুল নেই।
C) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — তিনি চর্যাপদ আবিষ্কার ও প্রাচীন বাংলা সাহিত্য উদ্ধারের জন্য বিখ্যাত হলেও এই ভাষাতাত্ত্বিক গ্রন্থটি রচনা করেননি।
D) স্যার জর্জ গ্রiereson — তিনি 'Linguistic Survey of India' বা ভারতীয় ভাষা সার্ভে পরিচালনার জন্য পরিচিত হলেও এই বিশেষ গ্রন্থটির লেখক নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সুনীতি মানে নীতি বা নিয়ম, আর ভাষা উন্নয়নের সুনির্দিষ্ট নিয়ম বা ব্যাকরণ নিয়ে কাজ করেছিলেন সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।
- এভাবে মনে রাখতে পারেন যে ভাষার উৎপত্তি বা ডেভেলপমেন্ট নিয়ে প্রথম বড় কাজ করেছেন সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসলে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের এই গ্রন্থটির নাম সবচেয়ে বেশি আসে।
- ভাষাতত্ত্ব সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্ন সমাধানের সময় লেখক ও গ্রন্থের নাম আলাদা করে ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) আনন্দময়ীর আগমনে
১. কেন সঠিক:
ব্রিটিশ রাজশক্তি ও উপনিবেশবিরোধী লেখার কারণে কাজী নজরুল ইসলামের 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতাটি প্রথম বাজেয়াপ্ত করা হয়।
এই কবিতার মাধ্যমে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের শোষণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল এবং ভারতবাসীকে জাগিয়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়েছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর লেখনী ব্রিটিশদের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিল।
'আনন্দময়ীর আগমনে' একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক কবিতা যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত 'ধূমকেতু' পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের 'বিষের বাঁশী' কাব্যগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: ব্রিটিশ সরকার এই গ্রন্থটিও বাজেয়াপ্ত করেছিল কারণ এর ভেতরে থাকা কবিতাগুলোতে স্বাধীনতা ও বিপ্লবের বাণী প্রচার করা হয়েছিল।
উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের 'ভাঙার গান' কবিতা।
ব্যাখ্যা: এটিও একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতা যা পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার ডাক দিয়েছিল এবং তরুণ সমাজকে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিদ্রোহী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতা এবং 'অগ্নি-বীণা' কাব্যের অন্তর্গত হলেও এটি সরাসরি বাজেয়াপ্ত হওয়ার ইতিহাস নেই।
B) প্রলয়োল্লাস — এটি 'অগ্নি-বীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা এবং বিপ্লবের বাণী ধারণ করলেও এটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেনি।
C) কাঙালী হুঁশিয়ার — এটি কাজী নজরুল ইসলামের কোনো সর্বাধিক পরিচিত বা বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রধান সাহিত্যকর্ম নয়।
D) আনন্দময়ীর আগমনে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ব্রিটিশ সরকার রাজদ্রোহের অভিযোগে এই কবিতাটি ও এর সংকলন বাজেয়াপ্ত করেছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের যে রচনাগুলো বাজেয়াপ্ত হয়েছিল তা মনে রাখার জন্য 'আনন্দময়ীর আগমনে' একটি প্রধান কবিতা হিসেবে মনে রাখতে হবে।
ব্রিটিশরা দেবীর রূপকের আড়ালে করা এই রাজনৈতিক প্রতিবাদ সহ্য করতে পারেনি বলেই এটি নিষিদ্ধ হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কাজী নজরুল ইসলামের বাজেয়াপ্ত হওয়া গ্রন্থ ও কবিতার নাম জানতে চাওয়া হয়।
নজরুলের 'যুগবাণী', 'বিষের বাঁশী', 'ভাঙপ্রলয়' এবং 'চন্দ্রবিন্দু' বইগুলোও ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল।
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
- এই বিখ্যাত চরণটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি জনপ্রিয় গান থেকে গৃহীত হয়েছে।
- গানটি বাংলা সাহিত্যের গান ধারার অন্তর্ভুক্ত এবং এটি মানুষের সমতা ও আনন্দের বাণী প্রচার করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য প্রতিভা এবং নোবেলজয়ী সাহিত্যিক।
- এই গানটি তাঁর গীতবিতান গ্রন্থের পূজা বা স্বরলিপি পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত একটি অত্যন্ত পরিচিত সৃষ্টি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত যা তাঁর স্বদেশের প্রতি প্রেমের প্রকাশ।
উদাহরণ ২: আজি দখল দুয়ারে খোলে
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপর একটি বিখ্যাত ঋতুভিত্তিক গান যা প্রকৃতির রূপ ফুটিয়ে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — এই চরণটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের কোনো গান বা কবিতার অংশ নয়। দ্বিজেন্দ্রলাল রায় মূলত দেশাত্মবোধক গানের জন্য বিখ্যাত।
B) রজনীকান্ত — এই চরণটি কান্তকবি রজনীকান্ত সেনের লেখা নয়। তাঁর বিখ্যাত গান হলো শেষের সে দিন ভয় কেন তোর।
D) অতুল প্রসাদ সেন — এই চরণটি অতুল প্রসাদ সেনের রচিত কোনো গান নয়। তাঁর বিখ্যাত গান মোদের গরব মোদের আশা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রাজা ও রাজত্ব সম্পর্কিত জনপ্রিয় দার্শনিক গানগুলোর বেশিরভাগই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা।
- রবীন্দ্রনাথের গান চেনার জন্য তাঁর বিশ্বজনীন মানবতাবাদের সুরটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় বিখ্যাত গান ও কবিতার চরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- চরণভিত্তিক প্রশ্ন উত্তরের সময় কবির লেখার মূল সুর ও বিষয়বস্তু খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সংস্কৃত
১. কেন সঠিক:
- ‘ব্যাকরণ’ শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি তৎসম শব্দ।
- শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থ হলো বিশেষভাবে বিশ্লেষণ বা বিশেষভাবে যা গঠিত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে শাস্ত্রে ভাষার বিভিন্ন উপাদানের গঠন, প্রকৃতি ও পারস্পরিক সম্পর্কের নিখুঁত বিশ্লেষণ করা হয় তাকে ব্যাকরণ বলে।
- উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকাশ
ব্যাখ্যা: এটি একটি সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ যা সরাসরি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: চন্দ্র
ব্যাখ্যা: এটিও সংস্কৃত ভাষার শব্দ এবং ব্যাকরণগত দিক থেকে তৎসম শব্দের অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংস্কৃত — এটি সঠিক কারণ ব্যাকরণ শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
B) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে যে শব্দগুলো বাংলায় এসেছে সেগুলোকে হিন্দি বা হিন্দুস্তানি শব্দ বলা হয়, ব্যাকরণ হিন্দি শব্দ নয়।
C) ইংরেজি — ইংরেজি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোকে বিদেশি বা ইংরেজি শব্দ বলা হয়, ব্যাকরণ ইংরেজি শব্দ নয়।
D) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে বিভিন্ন ব্যবহারের বস্তুবাচক শব্দ বাংলায় প্রবেশ করেছে, ব্যাকরণ পর্তুগিজ শব্দ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- যে শব্দগুলোতে ঋ-কার বা যুক্তাক্ষর বেশি থাকে এবং শাস্ত্রীয় বা প্রাতিষ্ঠানিক অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোর বেশিরভাগই সংস্কৃত শব্দ।
- ব্যাকরণ শব্দটি শাস্ত্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক হওয়ায় এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস বা উৎপত্তি প্রায়ই আসে।
- ভাষা, ব্যাকরণ, পুস্তক এই জাতীয় প্রাতিষ্ঠানিক শব্দগুলো সাধারণত সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ হয়ে থাকে।
সঠিক উত্তর: D) বক্র
১. কেন সঠিক:
- ‘ক্ষুজ’ শব্দটির অর্থ কুঁজো বা বাঁকা, যার সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো ‘বক্র’ অর্থাৎ যা সোজাসুজি নয় বা বাঁকানো।
- বাংলা ব্যাকরণে বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থের গভীরতা এবং উৎসের মিল রাখতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিপরীত শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে তাদের উৎস অনুযায়ী বিপরীত শব্দ ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উর্ধব — অধম
ব্যাখ্যা: উর্ধব শব্দের অর্থ যা উপরে অবস্থিত এবং এর বিপরীত শব্দ অধম যা নিচে বোঝায়।
উদাহরণ ২: উন্নত — অবনত
ব্যাখ্যা: উন্নত শব্দের অর্থ উঁচুতে অবস্থিত এবং অবনত শব্দের অর্থ নিচু বা মাথা নিচু করা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধীর — ধীর শব্দের অর্থ শান্ত বা মন্থর, যা ক্ষুজ শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
B) সোজা — সোজা শব্দটি সরল বা ঋজু শব্দের বিপরীত হতে পারে, তবে ব্যাকরণগতভাবে এটি উপযুক্ত নয়।
C) সরল — সরল শব্দের অর্থ সোজা বা জটিলতাহীন, যা বক্র শব্দের বিপরীত হিসেবে বেশি উপযুক্ত।
D) বক্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ক্ষুজ শব্দের বিপরীত অর্থ বহন করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাঁকা জাতীয় শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে বক্র বা ঋজু শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
- বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার সময় মূল শব্দের অর্থ ভালোভাবে জেনে নেওয়া উচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- শব্দের অর্থ পরিষ্কার থাকলে বিপরীত শব্দ নির্ণয় করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) প্রতি+আবর্তন
১. কেন সঠিক:
- প্রতি এবং আবর্তন শব্দ দুটি মিলে প্রত্যাবর্তন গঠিত হয়েছে। এখানে প্রথম শব্দের শেষে থাকা ই কার এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে থাকা আ কার মিলে য ফলা এবং আ কার অর্থাৎ যা হয়েছে।
- স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী ই কারের পর ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে ই কার বা ঈ কারের স্থানে য ফলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ই কার বা ঈ কারের পর ই বা ঈ ভিন্ন অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে ই কার বা ঈ কারের জায়গায় য ফলা হয় এবং পরবর্তী স্বরধ্বনিটি য ফলার সঙ্গে যুক্ত হয়।
- প্র + তি (এখানে তি এর ই) যোগ আবর্তন (আ) মিলে প্র + ত্য + আবর্তন অর্থাৎ প্রত্যাবর্তন হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যদি + আপনি = যদ্যপি
ব্যাখ্যা: ই কারের পর আ স্বরধ্বনি থাকায় ই কারের স্থানে য ফলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: নদী + উদক = নদ্যুদক
ব্যাখ্যা: ঈ কারের পর উ স্বরধ্বনি থাকায় ঈ কারের স্থানে য ফলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রতি+ববর্তন — এখানে দ্বিতীয় অংশ ববর্তন কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ নয় তাই এটি ভুল।
B) প্রত্যা+বর্তন — প্রত্যা কোনো উপসর্গ বা সঠিক শব্দাংশ নয় তাই সন্ধিটি ব্যাকরণসিদ্ধ নয়।
D) প্রতিঃ+আবর্তন — এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়ম নয় কারণ প্রতি একটি অব্যয় পদ এবং এখানে বিসর্গ নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জ ফলাযুক্ত সন্ধির ক্ষেত্রে প্রথম শব্দের শেষে ই কার থাকলে এবং পরের শব্দ আ দিয়ে শুরু হলে প্রতি যোগ আবর্তন নিয়মে ফেলতে হবে।
- প্রতি শব্দের তি এর ই কার এবং আবর্তনের আ মিলে ত্য গঠিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বরসন্ধির এই নিয়মটি প্রায়ই আসে।
- প্রতি যোগে গঠিত অন্যান্য সন্ধি যেমন প্রতি যোগ এক = প্রত্যেক, প্রতি যোগ আশ = প্রত্যাশা ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সুক্ষ্ম
১. কেন সঠিক:
প্রদত্ত প্রশ্নটি বাংলা ব্যাকরণের শুদ্ধ বানান অংশের অন্তর্ভুক্ত। এখানে বানানটি মূলত ভুল রয়েছে কারণ বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সূক্ষ্ম বানানে উ-কার ও মূর্ধন্য-ষ যুক্ত হয়ে থাকে।
বাংলা ভাষার বানান নিয়মে অনেক সময় তৎসম শব্দের মূল বানান অপরিবর্তিত থাকে এবং সঠিক উচ্চারণের জন্য সঠিক বর্ণ নির্বাচন জরুরি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে মূর্ধন্য-ষ ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে যেমন ই-কার বা উ-কারান্ত উপসর্গের পর ক ষ প ব ম থাকলে মূর্ধন্য-ষ হয়।
সূক্ষ্ম শব্দের সঠিক বানান হলো সূক্ষ্ম যেখানে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ-উ কার এবং ষ-এর নিচে ম যুক্ত বর্ণ হিসেবে বসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুহূর্ত
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম শব্দ যার সঠিক বানানে হ-এ দীর্ঘু-কার ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: সান্ত্বনা
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে বানানের সঠিক রূপ বজায় রাখতে খণ্ড ত ও ব-ফলা ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুক্ষ্ম — প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হলেও প্রকৃত প্রমিত বানানে দীর্ঘ-উ কার ব্যবহার করা হয়।
B) সূচি — এই অপশনটি একটি ভিন্ন শব্দ প্রকাশ করে যার অর্থ তালিকা বা সূচিপত্র এবং এটি প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক নয়।
C) স্বাতন্ত্র — এই বানানটি ভুল কারণ এর সঠিক রূপ হলো স্বাতন্ত্র্য যেখানে অন্তস্থ অ-এর সঙ্গে য-ফলা যুক্ত থাকে।
D) মুহূর্ত — এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও এটি মূল প্রশ্নের কাঙ্ক্ষিত উত্তরের বিকল্প হিসেবে নির্ধারিত হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
শুদ্ধ বানান মনে রাখার জন্য বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানের নিয়ম নিয়মিত চর্চা করতে হবে।
নিয়মগুলোর ক্ষেত্রে তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের বানান আলাদা করে খেয়াল রাখা উচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বানানের নিয়মের ব্যতিক্রম থেকে প্রশ্ন আসে।
নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ধরনের বানান সহজেই আয়ত্ত করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) অন্যায়ের ফল অনিবার্য
১. কেন সঠিক:
- সঠিক বাক্যে অনিবার্য শব্দটি যথোপযুক্তভাবে ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ যা এড়ানো যায় না।
- অন্যায়ের পরিণতি যে নিশ্চিত বা অবধারিত, তা বোঝাতে অনিবার্য বিশেষণটি নির্ভুল ও প্রমিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাক্যশুদ্ধি বাংলা ব্যাকরণের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ যেখানে শব্দের অর্থ, প্রয়োগ ও ব্যাকরণগত যোগ্যতা বিচার করা হয়।
- বাক্যের পদগুলোর মধ্যে মিল, অর্থসংগতি ও ভাবগত প্রমিত রূপ রক্ষা করাই বাক্যশুদ্ধির মূল নিয়ম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়।
ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে প্রাকৃতিক সত্য ও শব্দের যথাযথ প্রয়োগ নিখুঁতভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
উদাহরণ ২: সততাই সর্বোত্তম পন্থা।
ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রবচনমূলক শুদ্ধ বাক্য যা চিরন্তন সত্য প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অন্যায়ের ফল আবশ্যক — আবশ্যক শব্দটি সাধারণত কোনো কাজের আবশ্যকতা বোঝাতে বসে, কর্মফলের ক্ষেত্রে অনিবার্য ব্যবহার প্রমিত।
B) বিধি লঙ্ঘন হয়েছে — এখানে বাক্যটিতে বিধির প্রয়োগ বা শব্দের বিন্যাসে সামান্য অসম্পূর্ণতা রয়েছে, প্রমিতরূপে বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে বলা ভালো।
C) অন্যায়ের ফল অনিবার্য — এটি সঠিক বাক্য এবং প্রশ্নের চাহিদাপূর্ণ উত্তর।
D) কোথায় আমরা একত্র হব? — এখানে শব্দের স্বাভাবিক পদক্রম বা অন্বয়গত ত্রুটি রয়েছে, শুদ্ধ রূপ হবে আমরা কোথায় একত্র হব।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যশুদ্ধি নির্ণয়ের সময় শব্দের অর্থ এবং তার প্রায়োগিক ক্ষেত্রটি ভালোভাবে মিলিয়ে দেখতে হবে।
- নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কোন শব্দটি সবচেয়ে মানানসই, তা নির্ধারণ করলেই শুদ্ধ বাক্য চেনা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রায় সমার্থক শব্দের সঠিক প্রয়োগ থেকে প্রশ্ন আসে।
- শব্দের অর্থগত সূক্ষ্ম পার্থক্য বুঝতে পারলে বাক্যশুদ্ধির যেকোনো প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) ধানখেত
১. কেন সঠিক:
- ধানখেত হলো বাংলাদেশের পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
- পল্লী প্রকৃতির রূপ ও গ্রামীণ মানুষের জীবনচিত্র এই রচনার মূল বিষয়বস্তু।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জসীমউদ্দীন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম প্রধান বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক।
- নকশী কাঁথার মাঠ ও সুচয়নী তার অমর সৃষ্টি যা পল্লী সাহিত্যের অনন্য নিদর্শন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নকশী কাঁথার মাঠ
ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত কাহিনী কাব্য যা গ্রামীণ লোকসংস্কৃতির ওপর রচিত।
উদাহরণ ২: সোজন বাঢিয়ার ঘাট
ব্যাখ্যা: এটি তার আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা বাংলার গ্রামীণ জীবন ও প্রেমের প্রতীক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধানখেত — এটি জসীমউদ্দীনের রচনা এবং সঠিক উত্তর।
B) বরাপালক — এটি জসীমউদ্দীনের কোনো পরিচিত সাহিত্যকর্ম বা গ্রন্থ নয়।
C) তাসের দেশ — এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত নাটক ও নৃত্যনাট্য।
D) মায়া কাজল — এটি কবি জসীমউদ্দীনের কোনো মৌলিক কাব্যগ্রন্থ বা নাটক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জসীমউদ্দীনের কাব্যের নামে প্রায়ই গ্রামীণ প্রকৃতি ও কৃষিসংস্কৃতির ছাপ থাকে যেমন ধানখেত।
- রবীন্দ্রনাথের রূপক নাটক মনে রাখতে তাসের দেশ নামটি আলাদা করে পড়তে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত জসীমউদ্দীনের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম এবং প্রকাশকাল ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
- অন্য লেখকদের বিখ্যাত নাটক ও কাব্যগ্রন্থের সঙ্গে জসীমউদ্দীনের রচনা গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: B) সবিতা
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি চাঁদের সমার্থক শব্দ নয় কারণ সবিতা শব্দের অর্থ সূর্য।
- প্রশ্নটিতে চাঁদের সমার্থক শব্দ কোনটি নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে এবং সবিতা শব্দটির অর্থ ভিন্ন হওয়ায় এটি সঠিক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যার অর্থ একই বা কাছাকাছি কিন্তু রূপ ভিন্ন।
- চন্দ্র বা চাঁদের অনেকগুলো সমার্থক শব্দ রয়েছে যেমন শশাঙ্ক, ইন্দু, চন্দ্র, সুধাংশু ইত্যাদি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য শব্দের সমার্থক শব্দ হলো সবিতা, রবি, দিবাকর, ভাস্কর ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো সরাসরি সূর্যের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: চন্দ্র শব্দের সমার্থক শব্দ হলো ইন্দু, শশাঙ্ক, শশী, নিশাকর ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো চাঁদের সমার্থক শব্দ হিসেবে বাংলা ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রজনীকান্ত — এটি চাঁদের একটি সমার্থক শব্দ কারণ রজনীর কান্ত বা পতি হলো চাঁদ।
B) সবিতা — এটি সূর্যের সমার্থক শব্দ, চাঁদের নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
C) শীতকর — এটি চাঁদের সমার্থক শব্দ কারণ চাঁদ শীতল রশ্মি বা কর বিতরণ করে।
D) ইন্দু — এটি চাঁদের অন্যতম একটি প্রাচীন ও পরিচিত সমার্থক শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সবিতা শব্দের সাথে রবি বা সূর্যের নাম মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে এটি সূর্যের সমার্থক।
- কর মানে রশ্মি, তাই শীতকর বা হিমকর হলো চাঁদ আর দিবাকর বা দিনকর হলো সূর্য।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চাঁদ এবং সূর্যের সমার্থক শব্দগুলো মিলিয়ে দিয়ে প্রশ্ন করা হয়।
- এই ধরনের প্রশ্নে শব্দের অংশ বিশেষ যেমন কর বা কান্ত অর্থ বুঝে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সপ্তদশ
১. কেন সঠিক:
মহাকবি আলাওল সপ্তদশ শতকের মধ্যভাগে বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য সর্বাধিক পরিচিত।
তিনি এই শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি এবং তার অমর সৃষ্টি পদ্মাবতী এই শতকেই রচিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
আলাওল আরাকান রাজসভার অন্যতম প্রধান ও খ্যাতিমান বাঙালি কবি ছিলেন।
তিনি সপ্তদশ শতকের মধ্যভাগে রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রতিনিধি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দৌলত কাজী
ব্যাখ্যা: দৌলত কাজীও সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজসভার অপর একজন প্রখ্যাত কবি ছিলেন যিনি সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্য রচনা করেন।
উদাহরণ ২: সৈয়দ আলাওল রচিত পদ্মাবতী
ব্যাখ্যা: সৈয়দ আলাওলের পদ্মাবতী কাব্যটি সপ্তদশ শতকে রচিত বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের একটি অত্যন্ত মূল্যবান সম্পদ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পঞ্চদশ — পঞ্চদশ শতকে মালাধর বসু ও শ্রীকর নন্দী বিখ্যাত ছিলেন, আলাওল নন।
B) ষোড়শ — ষোড়শ শতকে শ্রীচৈতন্যদেব ও কবিকঙ্কন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী আবির্ভূত হয়েছিলেন।
D) অষ্টাদশ — অষ্টাদশ শতকে ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর ও রামপ্রসাদ সেনের মতো কবিরা সাহিত্যচর্চা করেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
সৈয়দ আলাওল ছিলেন মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার কবি এবং তার সময়কাল ছিল সপ্তদশ শতক।
আলাওলের নাম দেখলেই সপ্তদশ শতকের কথা মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
আলাওলের সর্বশ্রেষ্ঠ কাব্য পদ্মাবতী এবং এটি মালিক মোহাম্মদ জায়সির পদুমাবত অবলম্বনে রচিত।
মধ্যযুগের রাজসভার কবিদের শতক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে আরাকান রাজসভার সময়কাল ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ষ+ণ
১. কেন সঠিক:
- 'উষ্ণ' শব্দটিতে থাকা 'ষ্ণ' যুক্তবর্ণটি মূর্ধন্য ষ এবং মূর্ধন্য ণ এর সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে।
- বাংলা বর্ণমালায় যুক্তবর্ণ বিশ্লেשণের সময় ব্যঞ্জনবর্ণগুলোর মূল রূপ চিহ্নিত করতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ সংক্রান্ত ব্যাকরণ অধ্যায়ের আওতায় এই প্রশ্নটি পড়ে।
- যুক্তবর্ণ গঠনের সময় দুটি বা ততোধিক ব্যঞ্জনবর্ণ মাঝখানে কোনো স্বরধ্বনি ছাড়া একত্রিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কৃষ্ণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও 'ষ্ণ' যুক্তবর্ণ রয়েছে যা মূর্ধন্য ষ এবং মূর্ধন্য ণের যোগফল।
উদাহরণ ২: তৃষ্ণা
ব্যাখ্যা: এখানেও 'ষ্ণ' যুক্তবর্ণটি একই ব্যাকরণগত নিয়মে গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ষ+এ — এখানে ষ এর সাথে 'এ' কার যুক্ত হয়েছে, যা কোনো যুক্তবর্ণ নয়।
B) ষ+ম — এটি দ্বারা 'ষ্ম' যুক্তবর্ণ গঠিত হয়, 'ষ্ণ' নয়।
C) ষ+ণ — এটি সঠিক যুক্তবর্ণের বিশ্লেষণ।
D) ষ+ন — এটি দ্বারা সাধারণত 'ষ্ন' যুক্তবর্ণ গঠিত হয়, মূর্ধন্য ণ এর পরিবর্তে দন্ত্য ন থাকে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উষ্ণ ও কৃষ্ণ শব্দের ভেতরের যুক্তবর্ণটি সবসময় ষ এর সাথে মূর্ধন্য ণ হয়।
- বানানের সময় তৎসম শব্দে মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের নিয়ম এখানে প্রযোজ্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুক্তবর্ণ বিভাজন প্রায়ই আসে।
- মূর্ধন্য ষ এর সাথে সাধারণত মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়, দন্ত্য ন হয় না।
সঠিক উত্তর: B) মীর মোশাররফ হোসেন
১. কেন সঠিক:
- ‘এর উপায় কি?’ একটি বিখ্যাত প্রহসন যার রচয়িতা হলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রথিতযশা বাঙালি ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার মীর মোশাররফ হোসেন।
- এই প্রহসনের মাধ্যমে সমাজের তৎকালীন অসঙ্গতি, কুসংস্কার ও নানা ত্রুটি বিচ্যুতি হাস্যরসাত্মক ও ব্যঙ্গাত্মকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মীর মোশাররফ হোসেন বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের জন্য সর্বাধিক পরিচিত হলেও তিনি নাটক, প্রহসন ও প্রবন্ধ রচনাতেও বিশেষ মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন।
- তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য প্রহসনের মধ্যে ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ নাটকের আদলে সমাজের নানা দিক নিয়ে তিনি সাহিত্যকর্ম পরিচালনা করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মীর মোশাররফ হোসেন রচিত ‘বসন্ত কুমারী’ নাটকটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত নাটক।
ব্যাখ্যা: এই নাটকটির মাধ্যমে তিনি সাহিত্য অঙ্গনে নাট্যকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন ধারায় লেখালেখি করেন।
উদাহরণ ২: মীর মোশাররফ হোসেনের বিখ্যাত উপন্যাস ‘বিষাদ সিন্ধু’।
ব্যাখ্যা: এটি কারবালার ট্র্যাজেডি অবলম্বনে রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক উপন্যাস ও কালজয়ী সৃষ্টি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা নাটকে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও প্রহসন ধারার প্রবক্তা হলেও ‘এর উপায় কি?’ প্রহসনটি তাঁর লেখা নয়।
B) মীর মোশাররফ হোসেন — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি এই প্রহসনের রচয়িতা হিসেবে বাংলা সাহিত্যে পরিচিত।
C) কায়কোবাদ — তিনি মূলত মহাকাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত, যেমন মহাশ্মশান, কিন্তু তিনি কোনো প্রহসন রচনা করেননি।
D) মোতাহের হোসেন চৌধুরী — তিনি একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও শিক্ষক ছিলেন, যিনি মননশীল প্রবন্ধ রচনার জন্য পরিচিত হলেও প্রহসন লেখেননি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মীর মোশাররফ হোসেনের নাম মনে রাখার জন্য তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস বিষাদ সিন্ধু এবং প্রহসন ‘এর উপায় কি?’ একসাথে মিলিয়ে পড়া যেতে পারে।
- প্রহসন মানেই সমাজের ত্রুটি তুলে ধরা, আর সমাজের নানা দিক নিয়ে মীর মোশাররফ হোসেন কলম ধরেছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন লেখকের প্রথম নাটক বা প্রহসন সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- মীর মোশাররফ হোসেনের নাটক ও প্রহসনগুলোর নাম আলাদা করে নোট করে পড়া পরীক্ষার জন্য খুবই ফলদায়ক।
সঠিক উত্তর: A) লালসালু
১. কেন সঠিক:
- ‘Tree Without Roots’ হলো সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস ‘লালসালু’-র ইংরেজি অনুবাদ।
- লেখক নিজেই এই উপন্যাসটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন এবং ১৯৬১ সালে এটি প্রকাশিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত আধুনিক কথাশিল্পী ও ঔপন্যাসিক।
- ‘লালসালু’ উপন্যাসটি ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতার উপন্যাস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাটক ‘বহিপীর’।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদী ও উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি।
উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস ‘কাঁদো নদী কাঁদো’।
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা নদীকেন্দ্রিক মানুষের জীবন ও নিয়তি নিয়ে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লালসালু — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর ইংরেজি অনুবাদই হলো ‘Tree Without Roots’।
B) বিষবৃক্ষ — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, যার ইংরেজি অনুবাদ ভিন্ন নামে পরিচিত।
C) বিষাদ-সিন্ধু — এটি মীর মশাররফ হোসেনের ঐতিহাসিক শাহাদাতনামাভিত্তিক উপন্যাস, এর ইংরেজি অনুবাদ এই নামে নয়।
D) নীলদর্পণ — এটি দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত নাটক, যার ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং এর নাম ছিল ‘The Indigo Planting Mirror’।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ওয়ালীউল্লাহর রুট বা শিকড় নেই, তাই তার উপন্যাসের অনুবাদে রুট (Tree Without Roots) শব্দটি আছে। এভাবে সহজেই মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুবাদের নাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- মূল উপন্যাসের নাম এবং তার ইংরেজি অনুবাদের নাম আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো।
সঠিক উত্তর: D) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
১. কেন সঠিক:
চর্যাপদের ভাষা তৎকালীন সময়ে পুরোপুরি বোধগম্য ছিল না বলে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী একে 'আলো-আঁধারি' বা সন্ধ্যা ভাষা বলে অভিহিত করেছেন।
এই ভাষার রূপ এমন ছিল যার আংশিক অর্থ বোঝা যায় এবং আংশিক অর্থ অস্পষ্ট থাকে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন।
১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে তিনি চর্যাপদ গ্রন্থটি প্রকাশ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদের ভাষা সম্পর্কে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বলেছেন এটি প্রাচীন বাংলা।
ব্যাখ্যা: তিনি বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেন চর্যাপদের ভাষা মূলত প্রাচীন বাংলা ভাষার রূপ।
উদাহরণ ২: ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের ভাষা বঙ্গকামরূপী।
ব্যাখ্যা: তিনি মনে করেন চর্যাপদের ভাষা বাংলা, অসমিয়া ও ওড়িয়া ভাষার কাছাকাছি কোনো প্রাচীন রূপ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এনামুল হক — তিনি চর্যাপদের ভাষা আবিষ্কারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না এবং এই নামকরণ করেননি।
B) সুকুমার সেন — তিনি চর্যাপদের ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করেছেন কিন্তু একে 'আলো-আঁধারি' বলেননি।
C) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — তিনি চর্যাপদের ভাষাকে প্রাচীন বাংলা বলে চিহ্নিত করেছেন, আলো-আঁধারি বলেননি।
D) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — ইনিই চর্যাপদের ভাষাকে আলো-আঁধারি বা সন্ধ্যা ভাষা বলে অভিহিত করেছেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
চর্যাপদ আবিষ্কার করেছেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এর ভাষা বুঝতে সমস্যা হয় বলেই তিনি একে আলো-আঁধারি বা সন্ধ্যা ভাষা বলেছেন।
আবিষ্কারক এবং ভাষাকে আলো-আঁধারি বলা ব্যক্তি একই মানুষ অর্থাৎ হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চর্যাপদের ভাষা নিয়ে বিভিন্ন ভাষাবিদের মতামত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সন্ধ্যা ভাষা তত্ত্ব এবং সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের প্রাচীন বাংলা তত্ত্ব সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) উইলিয়াম কেরি
১. কেন সঠিক:
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এর বাংলা বিভাগ চালুর জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই বিভাগের প্রথম প্রধান অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন ব্রিটিশ পণ্ডিত উইলিয়াম কেরি।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১৮০০ সালের ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার পর বাংলা ভাষা চর্চার সূচনা ঘটে। উইলিয়াম কেরির নেতৃত্বে এই বিভাগে পন্ডিতদের সহায়তায় বহু গ্রন্থ রচিত ও অনূদিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উইলিয়াম কেরির রচিত গ্রন্থ কথোপকথন।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা গদ্যের বিকাশে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ যা কথ্য ভাষারীতিতে রচিত।
উদাহরণ ২: উইলিয়াম কেরির রচিত গ্রন্থ ইতিহাসমালা।
ব্যাখ্যা: এটি ১৮১২ সালে প্রকাশিত শিক্ষণীয় গল্পের একটি সংকলন যা বাংলা সাহিত্যের গদ্যরীতির একটি নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ছিলেন না, তবে তিনি উক্ত কলেজের একজন বিশিষ্ট প্রধান পণ্ডিত ছিলেন।
B) উইলিয়াম কেরি — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় তা প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক।
C) রামরায় বসু — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন পন্ডিত ও অনুবাদক ছিলেন, তবে বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ছিলেন না।
D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের সঙ্গে পরবর্তীতে যুক্ত ছিলেন এবং সংস্কৃত প্রেস ডিপার্টমেন্টের প্রধান ছিলেন, বাংলা বিভাগের প্রথম প্রধান নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রধান অধ্যাপক ও পন্ডিতদের মধ্যে গুলিয়ে ফেললে মনে রাখবে কেরিয় সাহেব ছিলেন বিভাগীয় প্রধান। আর মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার ছিলেন মূল প্রধান পণ্ডিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৮০০ সাল এবং এটি কলকাতার চালুবাজারে অবস্থিত ছিল।
সঠিক উত্তর: D) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
১. কেন সঠিক:
- 'নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?' এটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের বিখ্যাত অন্নদামঙ্গল কাব্যের একটি বহুল ব্যবহৃত প্রবাদপ্রতিম চরণ।
- এর অর্থ হলো বড় কোনো বিপদ বা দুর্যোগ ঘটলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি প্রভাবশালী বা পবিত্র স্থানও রক্ষা পায় না।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর অষ্টাদশ শতকের মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং নদীয়া জেলার পেকুরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভার কবি ছিলেন এবং তাকে রাজসভা থেকে রায়গুণাকর উপাধি দেওয়া হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অপরে বিপদে পড়লে নিজে নিরাপদ থাকা যায় না।
ব্যাখ্যা: এই ভাবটি বোঝাতেই নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায় প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: বড়র পিরীতি বালির বাঁধ।
ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের সাহিত্যে ব্যবহৃত একটি জনপ্রিয় প্রবাদ যা অস্হায়ী সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রূপরাম চক্রবর্তী — তিনি ধর্মমঙ্গল কাব্যের একজন বিখ্যাত কবি, তবে এই চরণটি তার নয়।
B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — তিনি আধুনিক যুগের কবি ও সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক, কিন্তু এই চরণটি তার রচিত নয়।
C) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — তিনি ষোড়শ শতকের চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের বিখ্যাত কবি, তবে এই পংক্তিটি তার চণ্ডীমঙ্গলের অংশ নয়।
D) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর — এই অপশনটি সঠিক কারণ চরণটি তার রচিত অন্নদামঙ্গল কাব্য থেকে সংগৃহীত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দেবালয় এবং অন্নদামঙ্গল কাব্যের কবি ভারতচন্দ্র রায় এভাবে মনে রাখতে পারো যে দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচারে তিনি ছিলেন অনন্য।
- অষ্টাদশ শতকের এই কবির কাব্যের লাইনগুলো প্রবাদের মতো সমাজে প্রচলিত আছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কবিদের বিখ্যাত পংক্তি প্রায়ই আসে।
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের অন্নদামঙ্গল কাব্য এবং তার অন্যান্য বিখ্যাত পংক্তি যেমন আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।
সঠিক উত্তর: A) ১টি
১. কেন সঠিক:
বাংলা বর্ণমালায় অর্ধ-মাত্রার মোট বর্ণ আটটি। এর মধ্যে স্বরবর্ণে অর্ধ-মাত্রার বর্ণ মাত্র একটি এবং ব্যঞ্জনবর্ণে অর্ধ-মাত্রার বর্ণ সাতটি।
স্বরবর্ণে যে বর্ণটির উপরে সম্পূর্ণ মাত্রা না থেকে শুধু আংশিক বা অর্ধমাত্রা থাকে, তা হলো ঋ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালার স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণগুলোকে মাত্রার ওপর ভিত্তি করে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো পূর্ণমাত্রার বর্ণ, অর্ধমাত্রার বর্ণ এবং মাত্রাহীন বর্ণ।
মাত্রা বলতে বর্ণের ওপরের রেখাংশকে বোঝায়, যা লেখার সময় কাগজের টানের ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঋ
ব্যাখ্যা: ঋ স্বরবর্ণের একমাত্র অর্ধ-মাত্রাযুক্ত বর্ণ, যার ওপরে সম্পূর্ণ মাত্রা না থেকে আংশিক মাত্রা থাকে।
উদাহরণ ২: খ
ব্যাখ্যা: খ ব্যঞ্জনবর্ণের একটি অর্ধ-মাত্রাযুক্ত বর্ণ, যা ব্যঞ্জনবর্ণের সাতটি অর্ধ-মাত্রার একটি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১টি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলা স্বরবর্ণে অর্ধ-মাত্রাযুক্ত বর্ণ কেবল একটি রয়েছে এবং তা হলো ঋ।
B) ২টি — এই অপশনটি ভুল কারণ স্বরবর্ণে দুটি অর্ধ-মাত্রাযুক্ত বর্ণ নেই, মোট বর্ণ একটি।
C) ৩টি — এই অপশনটি ভুল কারণ স্বরবর্ণে তিনটি অর্ধ-মাত্রাযুক্ত বর্ণ থাকার কোনো তথ্য ব্যাকরণে নেই।
D) ৪টি — এই অপশনটি ভুল কারণ স্বরবর্ণে চারটি অর্ধ-মাত্রাযুক্ত বর্ণ নেই, সংখ্যাটি ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
স্বরবর্ণে অর্ধ-মাত্রার বর্ণ মনে রাখার সহজ উপায় হলো শুধু একটিমাত্র স্বরবর্ণ মনে রাখা, আর তা হলো ঋ।
পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা এবং মাত্রাহীন বর্ণের মোট সংখ্যা যথাক্রমে ৩২টি, ৮টি এবং ১০টি মনে রাখতে পারেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা এবং মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
বর্ণের এই সংখ্যাগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে ধ্বনি ও বর্ণ সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর সহজে করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) বড় চণ্ডীদাস
১. কেন সঠিক:
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন চর্যাপদ হলেও, মধ্যযুগের মধ্যবিত্ত সমাজের মনন ও রাধা-কৃষ্ণের প্রেমভিত্তিক পদাবলীর সূচনা করেছিলেন বড় চণ্ডীদাস।
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস অনুযায়ী, মধ্যযুগের প্রথম কবি হিসেবে বড় চণ্ডীদাসকে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম ও সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য ধারার প্রবক্তা ধরা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বড় চণ্ডীদাস মধ্যযুগের অন্ধকার যুগের পরবর্তী সময়ের একজন অন্যতম প্রধান কবি এবং বৈষ্ণব পদাবলীর আদি কবি হিসেবে পরিচিত।
তার রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের এক যুগান্তকারী ও অমূল্য দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি বড় চণ্ডীদাসের ভনিতায় রচিত একটি প্রামাণ্য কাব্য।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যটি আবিষ্কৃত হওয়ার পর মধ্যযুগের ভাষার রূপ ও কাব্যের ধারা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেছে।
উদাহরণ ২: বড় চণ্ডীদাসের রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা বিষয়ক পদ বাংলা সাহিত্যে বৈষ্ণব পদাবলীর সূচনা করে।
ব্যাখ্যা: এই ধারাটি পরবর্তীতে শ্রীচৈতন্যদেব ও অন্যান্য বৈষ্ণব কবিদের ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিদ্যাপতি — বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষার কবি হলেও বাংলা পদাবলীতে তার বিশাল অবদান রয়েছে, তবে তিনি মধ্যযুগের প্রথম কবি নন।
B) বড় চণ্ডীদাস — প্রদত্ত সঠিক উত্তর।
C) দ্বিজ রামদেব — দ্বিজ রামদেব মধ্যযুগের একজন পরবর্তী সময়ের কবি, তিনি মধ্যযুগের সূচনা পর্বের কবি নন।
D) মালাধর বসু — মালাধর বসু শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্যের রচয়িতা এবং তিনি গুণরাজ খান উপাধি পেয়েছিলেন, তবে তিনি মধ্যযুগের প্রথম কবি নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
মধ্যযুগের প্রথম কবি মনে রাখতে চণ্ডীদাসের নাম মনে রাখবে কারণ তিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের মাধ্যমে যুগের সূচনা করেছিলেন।
আদি নিদর্শন চর্যাপদ হলেও মধ্যযুগের সাহিত্যিক কবি হিসেবে বড় চণ্ডীদাসের নাম সবার আগে আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের প্রথম নির্দশন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন এবং এর রচয়িতা বড় চণ্ডীদাস সম্পর্কিত প্রশ্ন বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
চর্যাপদ প্রাচীন যুগের এবং শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ও বড় চণ্ডীদাস মধ্যযুগের প্রথম পর্বের অংশ, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- 'সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত' উক্তিটি প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত 'শিক্ষার ফল' প্রবন্ধ থেকে নেওয়া হয়েছে।
- প্রবন্ধকার এই উক্তির মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছেন যে প্রকৃত শিক্ষা লাভের জন্য মানুষের নিজের প্রচেষ্টা ও আগ্রহই সবচেয়ে বড় মাধ্যম।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবক্তা এবং বীরবল ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন।
- তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'বীরবলের হালখাতা', 'তেল তেলোচক', 'সোনাইর দেশ' ইত্যাদি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ 'বইপড়া'।
ব্যাখ্যা: এই প্রবন্ধে তিনি মানুষের জীবনে বই পড়ার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন।
উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদিত পত্রিকা 'সবুজপত্র'।
ব্যাখ্যা: ১৯১৪ সালে প্রকাশিত এই পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতি চালুর ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী আব্দুল ওদুদ — তিনি বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের একজন বিশিষ্ট লেখক হলেও এই বিখ্যাত উক্তিটি তাঁর নয়।
B) প্রমথ চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক এবং উক্তিটি তাঁর 'শিক্ষার ফল' প্রবন্ধের অন্তর্গত।
C) কামিনী রায় — তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক, যাঁর বিখ্যাত কবিতার লাইন হলো 'সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে'।
D) আবুল ফজল — তিনি সমকালীন একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবী হলেও এই উক্তিটির রচয়িতা নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শিক্ষা ও স্বশিক্ষার কথা এলেই প্রমথ চৌধুরীর বীরবল রূপটি মনে রাখতে পারো।
- চলিত রীতির প্রবক্তা প্রমথ চৌধুরী শিক্ষা নিয়ে নানা প্রাবন্ধিক ভাবনা প্রকাশ করেছেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ এবং বিখ্যাত উদ্ধৃতি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- তাঁর ছদ্মনাম 'বীরবল' এবং সম্পাদিত পত্রিকা 'সবুজপত্র' অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
সঠিক উত্তর: B) The Second Coming
কেন সঠিক:
- উদ্ধৃতিটি আইরিশ কবি ডব্লিউ বি ইয়েটসের বিখ্যাত কবিতা দ্য সেকেন্ড কামিং থেকে নেওয়া হয়েছে।
- কবিতার এই লাইনগুলো আধুনিক বিশ্বের চরম বিশৃঙ্খলা এবং নৈতিক অবক্ষয়কে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The Hollow Men — এটি টি এস এলিয়টের একটি কবিতা, যার মূল থিম প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী যুগের মানুষের আধ্যাত্মিক শূন্যতা।
B) The Second Coming — এটিই সঠিক উত্তর, যা আধুনিক যুগের ভাঙন ও নৈরাজ্যের থিম প্রকাশ করে।
C) Sailing to Byzantium — এটিও ডব্লিউ বি ইয়েটসের কবিতা, তবে এর মূল বিষয় বার্ধক্য এবং শিল্পকলার মাধ্যমে অমরত্ব লাভ।
D) The love song of J. Alfred Prufrock — এটি টি এস এলিয়টের বিখ্যাত আধুনিকতাবাদী কবিতা, যা শহুরে মানুষের একাকীত্ব ও দ্বিধাদ্বন্দ্ব প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Things fall apart বা ভেঙে পড়ার ভয় থাকলে বুঝবেন এটি ইয়েটসের দ্য সেকেন্ড কামিং কবিতার বিখ্যাত বাণী।
সঠিক উত্তর: A) Petty
কেন সঠিক:
- 'Magnanimous' শব্দটির অর্থ হলো মহৎপ্রাণ, উদার বা দয়ালু।
- এর সঠিক বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম হলো 'Petty', যার অর্থ ক্ষুদ্রমনা, সংকীর্ণমনা বা তুচ্ছ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Petty — সঠিক উত্তর, কারণ এটি মহৎ বা উদার স্বভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত সংকীর্ণ মানসিকতা প্রকাশ করে।
B) Generous — এটি 'Magnanimous' শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ উদার বা দাতা, তাই এটি বিপরীত শব্দ নয়।
C) Benevolent — এটিও 'Magnanimous' শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ পরোপকারী বা দয়ালু, তাই এটি ভুল।
D) Altruistic — এটিও সমার্থক শব্দ, যার অর্থ নিঃস্বার্থ বা পরার্থপর, তাই এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
Magnanimous শব্দটিতে মহান (Maha) ব্যাপার আছে যার অর্থ উদার, আর Petty মানে পেটি বা ছোট মনের মানুষ।
সঠিক উত্তর: B) Scenery
কেন সঠিক:
- Scenery একটি Uncountable noun এবং এর সঙ্গে কখনো plural করার জন্য এস বা ইএস যুক্ত হয় না।
- এটি সবসময় singular হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর পরে singular verb বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Cattle — এটি একটি Plural noun, যা দেখতে singular হলেও সবসময় plural verb গ্রহণ করে।
B) Scenery — সঠিক উত্তর, কারণ এটি সবসময় singular এবং uncountable noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) Gentry — এটি একটি Plural noun এবং এর অর্থ বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ, যা দেখতে singular হলেও plural হিসেবে গণ্য হয়।
D) People — এটি একটি Collective noun যা সাধারণত plural অর্থে ব্যবহৃত হয়, তবে নির্দিষ্ট জাতির ক্ষেত্রে singular হতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
Scenery, Poetry, Furniture, Information ইত্যাদি শব্দগুলো সবসময় singular এবং uncountable হয়।
সঠিক উত্তর: A) to stay up late working
কেন সঠিক:
- 'Burn the midnight oil' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা।
- এর আক্ষরিক অর্থ রাতের বেলা প্রদীপের তেল পুড়িয়ে পড়াশোনা বা কাজ করা হলেও ভাবার্থ হলো গভীর রাত পর্যন্ত পরিশ্রম করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to stay up late working — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বাগধারাটি রাত জেগে কাজ করা বা পড়াশোনা করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) to waste fuel during power outage — এটি ভুল কারণ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় জ্বালানি অপচয় করা এর মূল ভাবার্থ নয়।
C) to light a fireplace before going to bed — এটি ভুল কারণ ঘুমানোর আগে অগ্নিকুণ্ড জ্বালানোর সঙ্গে এই বাগধারার কোনো সম্পর্ক নেই।
D) to cook a late night meal for guests — এটি ভুল কারণ অতিথিদের জন্য রাতের খাবার রান্না করা এই ইডিয়ামের অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
মধ্যরাতে প্রদীপের তেল (oil) পুড়িয়ে কাজ করা বা পড়ার কথা মনে রাখলে খুব সহজেই রাত জেগে কাজ করার অর্থটি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) runs
কেন সঠিক:
- কোনো রাস্তা, নদী বা রেললাইন কোনো নির্দিষ্ট দিক থেকে অন্য দিকে প্রসারিত বা চলে গেছে বোঝাতে ইংরেজিতে run ভার্বটির বিশেষ ব্যবহার করা হয়।
- এই বাক্যে রাস্তাটি সুড়ঙ্গের মধ্য দিয়ে চলে গেছে বা প্রসারিত হয়েছে বোঝাতে runs শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) is — এটি নিছক একটি সাহায্যকারী বা সংযোজক ভার্ব, যা রাস্তার সুড়ঙ্গের মধ্য দিয়ে যাওয়ার গতিপথ বা প্রসারণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না।
B) gets — এর অর্থ কোনো কিছু পাওয়া বা অর্জন করা, যা রাস্তার ভৌগোলিক অবস্থান বা বিস্তৃতির ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অর্থহীন।
C) walks — এটি হেঁটে চলা বোঝায়, যা মানুষ বা প্রাণীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কিন্তু জড় পদার্থ রাস্তার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অসম্ভব।
D) runs — এটি এই বাক্যের জন্য সঠিক এবং পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে, কারণ run ভার্বের একটি অর্থ হলো কোনো স্থান দিয়ে প্রসারিত হওয়া।
মনে রাখার টিপস:
রাস্তা বা নদীর গতিপথ বোঝাতে সবসময় run ভার্ব ব্যবহার করবে, হাঁটা বা পাওয়ার অর্থবোধক শব্দ নয়।
সঠিক উত্তর: C) An act of speaking one’s thought aloud
কেন সঠিক:
- সোলিলোকুই বা স্বগতোক্তি হলো নাটকের এমন একটি কৌশল যেখানে চরিত্র একা মঞ্চে দাঁড়িয়ে নিজের মনের কথা উচ্চস্বরে প্রকাশ করে।
- এর মাধ্যমে দর্শক চরিত্রের ভেতরের চিন্তা, অনুভূতি ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে সরাসরি জানতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A dialogue between two characters — এটি ডায়ালগ বা সংলাপ, কারণ সোলিলোকুইতে কেবল একজন চরিত্র একা কথা বলে।
B) A concluding speech stating the moral lesson — এটি এপিলগ বা নাটকের শেষ বক্তব্য, যা নৈতিক শিক্ষা প্রদান করে।
C) An act of speaking one’s thought aloud — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
D) A brief remark by a character that is unheard by other character — এটি অ্যাসাইড বা আত্মগত উক্তি, যা সোলিলোকুই থেকে আয়তনে অনেক ছোট হয়।
মনে রাখার টিপস:
সোলিলোকুই শব্দের শুরুতেই সোলো (Solo) আছে, যার অর্থ একা। তাই নাটকে একা একা নিজের চিন্তা উচ্চস্বরে বলাকেই সোলিলোকুই বলে।
সঠিক উত্তর: B) To modify or describe a noun or a pronoun
কেন সঠিক:
- Adjective এমন একটি Parts of Speech যা কোনো Noun বা Pronoun-এর দোষ, গুণ, সংখ্যা, পরিমাণ বা অবস্থা প্রকাশ করে।
- এটি Noun বা Pronoun-এর ঠিক পূর্বে বসে বা বাক্যে Complement হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে সেটির অর্থ আরও স্পষ্ট ও নির্দিষ্ট করে তোলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) To show an action or state of being — এটি Adjective-এর কাজ নয়, এটি হলো Verb-এর প্রধান কাজ।
B) To modify or describe a noun or a pronoun — এটি সঠিক উত্তর কারণ Adjective সর্বদা Noun বা Pronoun-কে বিশেষায়িত করে।
C) To join two clauses together — দুটি Clause বা বাক্যাংশ যুক্ত করার কাজ করে Conjunction.
D) To express sudden emotion — মনের হঠাৎ আবেগ প্রকাশের কাজটি করে Interjection.
মনে রাখার টিপস:
Adjective শব্দটির কাজ মনে রাখতে শুধু মনে রাখুন Noun বা Pronoun-এর ঠিক দশ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা বোঝাতে Adjective ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) This must be a joke, sort of.
কেন সঠিক:
- বাক্যের শেষে 'sort of' বা 'kind of' ব্যবহার করা কথ্য ইংরেজিতে अनौपचारिक বা informal ভাব প্রকাশ করে।
- বাক্যের মূল বক্তব্য আগে প্রকাশ করে শেষে সংশয় বা শিথিলতা বোঝাতে 'sort of' যুক্ত করা অত্যন্ত অনौपचारिक স্টাইল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) This must be a sort of joke. — এটি তুলনামূলকভাবে গুছানো এবং আদর্শ ব্যাকরণগত রূপ হওয়ায় এটি বেশ আনুষ্ঠানিক বা formal।
B) This must be sort of a joke. — এখানে 'sort of' মাঝখানে থাকায় এটি অপশন ডি এর মতো অতটা কথ্য বা চরম informal নয়।
C) This must be a sort of a joke. — ব্যাকরণগতভাবে একাধিক অনির্দিষ্ট আর্টিকেল ব্যবহারের কারণে বাক্যটি ভুল ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ।
D) This must be a joke, sort of. — বাক্যের শেষে 'sort of' যুক্ত থাকায় এটি সবচেয়ে বেশি informal বা কথ্য রূপ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি বাক্যের শেষে 'sort of' বা 'kind of' ব্যবহার করলে তা সবচেয়ে বেশি informal বা কথ্য রূপ বোঝায়।
সঠিক উত্তর: A) Had he not taken prompt action, the patient would have died.
কেন সঠিক:
- প্রশ্নে প্রদত্ত 'But for' যুক্ত Simple sentence-টিকে Complex করতে হলে 'If' বা 'Had' যুক্ত Negative clause ব্যবহার করতে হয়।
- 'Had he not taken prompt action' অংশটি Condition প্রকাশ করে এবং 'the patient would have died' অংশটি তার ফল প্রকাশ করায় এটি সঠিক Complex sentence হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Had he not taken prompt action, the patient would have died. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী Complex sentence-এর শর্ত পুরোপুরি পূরণ করেছে।
B) He took prompt action, otherwise, the patient would have died. — এটি একটি Compound sentence, কারণ এখানে 'otherwise' ব্যবহৃত হয়েছে।
C) If he takes prompt action, the patient will not die. — এটি অর্থ পরিবর্তন করে ফেলেছে এবং মূল বাক্যের Past conditional (would have died) টেন্সের সঙ্গে সংগত নয়।
D) In the absence of his prompt action, the patient was dead. — এটি মূলত একটি Simple sentence এবং এর অর্থ ও গঠন প্রশ্নানুযায়ী সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
'But for' যুক্ত Simple sentence-কে Complex করতে হলে 'Without' বা 'If not' অথবা 'Had... not' দিয়ে বাক্য শুরু করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) The strict supervisor made the staff work over time without pay.
কেন সঠিক:
- বাক্যে causative verb হিসেবে make ব্যবহার করা হয়েছে এবং এর পরে থাকা object-এর পর verb-এর base form বা bare infinitive বসে।
- এই নিয়মানুযায়ী object the staff-এর পর সরাসরি work বসেছে, যা সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The strict supervisor made the staff to work over time without pay. — এখানে make-এর পর to work ব্যবহার করা হয়েছে, যা causative verb-এর নিয়মের বরখেলাপ।
B) The strict supervisor made the staff working over time without pay. — এখানে verb-এর সাথে ing যুক্ত করা হয়েছে, যা make-এর পরের নিয়মের সাথে মিলে না।
C) The strict supervisor made the staff worked over time without pay. — এখানে verb-এর past form ব্যবহার করা হয়েছে, যা causative verb-এর ক্ষেত্রে ভুল।
D) The strict supervisor made the staff work over time without pay. — এটি সঠিক কারণ causative verb make-এর পর verb-এর base form বসেছে।
মনে রাখার টিপস:
causative verb হিসেবে make বা let থাকলে পরবর্তী verb-এর সাথে to বা ing যুক্ত হয় না, সরাসরি base form বসে।
সঠিক উত্তর: A) sonnets
কেন সঠিক:
- উইলিয়াম শেকসপিয়ার তার ১৫৪টি সনেটের জন্য বিশ্বসাহিত্যে অমর হয়ে আছেন।
- তার সনেটগুলো ইংরেজি সাহিত্য তথা বিশ্বকাব্যে এক অনন্য স্থান অধিকার করে আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) sonnets — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
B) elegies — এটি শোকগাথা বা বিলাপ কবিতা, যার জন্য তিনি প্রধানত বিখ্যাত নন।
C) epics — এটি মহাকাব্য, শেকসপিয়ারের কোনো বিখ্যাত মহাকাব্য নেই।
D) satires — এটি মূলত ব্যঙ্গাত্মক রচনা, যা তার প্রধান সাহিত্যকীর্তি নয়।
মনে রাখার টিপস:
শেকসপিয়ার বললেই সনেট বা ১৫৪ সংখ্যার কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) Yours truly
কেন সঠিক:
- ফরমাল বিজনেস লেটারে যখন প্রাপকের নাম বা পরিচয় সরাসরি জানা থাকে না, তখন সম্ভাষণ হিসেবে Dear Sir বা Madam ব্যবহার করা হয় এবং এর পরিপূরক ক্লোজিং হিসেবে Yours truly বহুল প্রচলিত ও প্রমিত নিয়ম।
- এটি একটি অত্যন্ত ফরমাল ও পেশাদার সমাপ্তি সূচক শব্দগুচ্ছ, যা প্রাতিষ্ঠানিক চিঠিপত্রের ক্ষেত্রে প্রাপকের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Sincerely — এটি সাধারণত এমন ফরমাল চিঠিতে ব্যবহার করা হয় যেখানে প্রাপকের নাম বা পদবি নির্দিষ্টভাবে জানা থাকে এবং Dear-এর পরে নাম ধরে সম্বোধন করা হয়।
B) Regards — এটি তুলনামূলক কম ফরমাল এবং সাধারণত ইমেইল বা অফিসিয়াল হালকা যোগাযোগের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
C) Best wishes — এটি অত্যন্ত অনানুষ্ঠানিক এবং ব্যক্তিগত চিঠিপত্র বা শুভেচ্ছা বিনিময়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা বিজনেস লেটারের জন্য উপযোগী নয়।
D) Yours truly — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় বিজনেস লেটারের ক্ষেত্রে সর্বদাই যথাযথ ও গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
যাদের নাম জানা নেই এমন ফরমাল বিজনেস লেটারে Dear Sir দিয়ে শুরু করলে শেষ করতে হয় Yours truly দিয়ে আর নাম জানা থাকলে Sincerely ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) The grocery store checkout aisle is reserved for customers with ten items or fewer.
কেন সঠিক:
- countable noun বা গণনা করা যায় এমন বিশেষ্যের ক্ষেত্রে সংখ্যা বোঝাতে less ব্যবহার না করে fewer ব্যবহার করতে হয়।
- items একটি countable noun এবং এর সংখ্যা দশটি নির্দিষ্ট হওয়ায় সঠিক quantifier হিসেবে fewer ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The grocery store checkout aisle is reserved for customers with ten items or less. — items একটি countable noun হওয়ায় এখানে less ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) The grocery store checkout aisle is reserved for customers with ten items or fewer. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অপশনটি পুরোপুরি নির্ভুল।
C) The grocery store checkout aisle is reserved for customers with less than ten items. — কম সংখ্যা বোঝাতে countable noun-এর ক্ষেত্রে less than ব্যবহার করা ব্যাকরণগত নিয়মের বাইরে।
D) The grocery store checkout aisle is reserved for customers with few item. — item শব্দটি countable হওয়ায় তার পূর্বে plural form (items) বসা উচিত ছিল, যা এখানে ভুল আছে।
মনে রাখার টিপস:
গণনা করা যায় এমন জিনিসের ক্ষেত্রে fewer এবং যা গণনা করা যায় না তার ক্ষেত্রে less ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Let you and me resolve this dispute.
কেন সঠিক:
- Let একটি transitive verb এবং এর পরে pronoun-এর objective form বসে।
- you এবং me দুটিই objective pronoun হওয়ায় এটি সঠিক গঠন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Let you and I resolve this dispute. — I হলো subjective form, যা verb-এর পরে অবজেক্ট হিসেবে বসতে পারে না।
B) Let you and me resolve this dispute. — এটি সঠিক উত্তর।
C) Let me and you resolve this dispute. — ব্যাকরণগতভাবে ভুল না হলেও ইংরেজিতে প্রথাগত শিষ্টাচার অনুযায়ী দ্বিতীয় পুরুষ (you) আগে এবং প্রথম পুরুষ (me) পরে বসে।
D) Let us, you and I resolved this dispute. — resolved হলো past form, যেখানে let-এর পরে verb-এর base form বসার নিয়ম রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Let-এর পরে সবসময় objective pronoun (me, him, her, us, them) বসে।
সঠিক উত্তর: C) dignified
কেন সঠিক:
- 'August' শব্দটির অর্থ মহিমান্বিত, গম্ভীর বা মর্যাদাপূর্ণ।
- 'dignified' শব্দটির অর্থও মর্যাদাপূর্ণ বা সম্ভ্রান্ত, যা মূল শব্দের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) common — এর অর্থ সাধারণ বা প্রচলিত, যা আগস্ট শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) ridiculous — এর অর্থ হাস্যকর বা অর্থহীন, যা মর্যাদাপূর্ণ শব্দের সাথে মেলে না।
C) dignified — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) petty — এর অর্থ তুচ্ছ বা ক্ষুদ্র, যা মহিমান্বিত শব্দের সমার্থক হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
আগস্ট মাসে জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়, যা আমাদের ইতিহাসের একটি গম্ভীর ও মর্যাদাপূর্ণ দিন। এভাবে 'August' বললেই গম্ভীর বা 'dignified' বিষয়টি মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: D) Euphemism
কেন সঠিক:
- Euphemism হলো এমন একটি সাহিত্যিক অলংকার, যার মাধ্যমে কোনো অপ্রীতিকর বা কটু কথার বদলে একটি সুন্দর বা মৃদু অভিব্যক্তি ব্যবহার করা হয়।
- যেমন কারো মৃত্যুর ক্ষেত্রে সরাসরি Died না বলে Passed away বলা Euphemism এর একটি চমৎকার উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Dyphemism — এটি Euphemism এর বিপরীত, যেখানে কোনো সাধারণ বা ভালো বিষয়ের পরিবর্তে কটু বা অপমানজনক শব্দ ব্যবহার করা হয়।
B) Oxymoron — এটি এমন একটি অলংকার যেখানে পাশাপাশি দুটি পরস্পরবিরোধী শব্দের ব্যবহার করা হয়, যেমন Cruel kindness।
C) Malapropism — এটি এমন একটি ভুল বা হাস্যকর শব্দ প্রয়োগ যেখানে উচ্চারণ মিল আছে কিন্তু অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ অমিল শব্দ ব্যবহার করা হয়।
D) Euphemism — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রশ্নের শর্ত পূরণ করে এবং অপ্রীতিকর বিষয়ের পরিবর্তে agreeable expression প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
EU শব্দের অর্থ ভালো বা সুন্দর, তাই ভালো বা সুন্দর শব্দ দিয়ে অপ্রীতিকর বিষয় প্রকাশ করাই হলো Euphemism।
সঠিক উত্তর: C) with
কেন সঠিক:
- কোনো ব্যক্তি বা প্রাণীর কাছ থেকে বিদায় নেওয়া অর্থে part with ব্যবহৃত হয়।
- পৈত্রিক সম্পত্তি বা কোনো বস্তুর মায়া ত্যাগ করা বা তা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বোঝাতে part with সঠিক প্রিপজিশন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) from — স্থান বা ব্যক্তি থেকে পৃথক হওয়া অর্থে part from বসে, যা সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) to — reluctant শব্দের পরে সাধারণভবে to বসে, তবে part-এর সাথে এই বাক্যে এটি সঠিক নয়।
C) with — এই অপশনটি সঠিক, কারণ বস্তু বা সম্পত্তির ক্ষেত্রে part with ব্যবহৃত হয়।
D) at — কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা ঘটনার দিকে ইঙ্গিত করতে at বসে, যা এখানে অর্থহীন।
মনে রাখার টিপস:
ব্যক্তির ক্ষেত্রে part from এবং বস্তু বা সম্পত্তির ক্ষেত্রে part with ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Small
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণে 'let' একটি প্রত্যয় বা suffix যা কোনো শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে মূল শব্দের ক্ষুদ্র রূপ বা ছোট আকার বোঝায়।
- 'Book' শব্দের অর্থ বই এবং এর সাথে 'let' যুক্ত হয়ে 'Booklet' গঠিত হয়েছে যার অর্থ ছোট বই বা পুস্তিকা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Chief — এই শব্দের অর্থ প্রধান বা মুখিয়া, যা 'let' প্রত্যয়ের ক্ষুদ্র অর্থ প্রকাশের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
B) Small — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'let' প্রত্যয়টি ক্ষুদ্রতা বা ছোট আকার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) Square — এই শব্দের অর্থ বর্গাকার বা চৌকো, যা কোনো শব্দের ক্ষুদ্র রূপ প্রকাশ করার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) Half — এই শব্দের অর্থ অর্ধেক, যা কোনো বস্তুর ছোট রূপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে 'let' দেখলে মনে রাখবে এটি ছোট কিছু বোঝাচ্ছে, যেমন Booklet মানে ছোট বই।
সঠিক উত্তর: A) topic sentence
কেন সঠিক:
- অনুচ্ছেদের শুরুতে যে বাক্যটি মূল বিষয়বস্তু বা প্রধান ধারণা প্রকাশ করে, তাকে টপিক সেন্টেন্স বলা হয়।
- এই বাক্যটি পুরো অনুচ্ছেদকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং পরবর্তী বাক্যগুলো এটিকে সমর্থন ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) topic sentence — এটি সঠিক কারণ এই বাক্যটিই অনুচ্ছেদের মূল বিষয়বস্তু বা ভাব ফুটিয়ে তোলে।
B) thesis statement — এটি সাধারণত বড় প্রবন্ধের মূল দাবি বা প্রতিপাদ্য বিষয়, একক কোনো অনুচ্ছেদের জন্য নয়।
C) title — এটি পুরো লেখার নাম বা শিরোনাম, কোনো নির্দিষ্ট অনুচ্ছেদের প্রারম্ভিক বাক্য বা বিষয়সূচক বাক্য নয়।
D) terminator — এটি শেষ করার বা সমাপ্তি নির্দেশক অংশ, যা অনুচ্ছেদের শুরুর বিষয়ের সম্পূর্ণ বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
টপিক (Topic) মানে বিষয়, তাই যে বাক্যটি অনুচ্ছেদের মূল বিষয় পরিচয় করিয়ে দেয় সেটিই topic sentence.
সঠিক উত্তর: C) Adverbial clause of time
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যের আন্ডারলাইন করা অংশটি প্রধান ক্লজের কাজ সম্পন্ন হওয়ার সময় নির্দেশ করছে।
- conjunction হিসেবে 'till' ব্যবহার করে এখানে সময়ের ব্যপ্তি বোঝানো হয়েছে, যা মূলত একটি Adverbial clause of time-এর কাজ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Adjective clause — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনকে মডিফাই করে না, তাই এটি সঠিক নয়।
B) Noun clause — এটি বাক্যে কোনো নাউনের কাজ বা সাবজেক্ট/অবজেক্ট হিসেবে কাজ করছে না।
C) Adverbial clause of time — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি কাজ সম্পাদনের সময় প্রকাশ করে।
D) Adverbial clause of consequence — এটি কোনো পরিণাম বা ফলাফল প্রকাশ করছে না, তাই ভুল।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে 'when', 'before', 'after', 'till', 'until' ইত্যাদি দ্বারা সময়ের উত্তর পাওয়া গেলে তা Adverbial clause of time হয়।
সঠিক উত্তর: B) have known
কেন সঠিক:
- বাক্যে 'since 2020' থাকায় এটি অতীত থেকে শুরু হয়ে বর্তমান পর্যন্ত চলমান কাজ বোঝাচ্ছে, যা Present Perfect Tense-এর নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়।
- 'know' একটি Stative Verb হওয়ায় এটি সাধারণত Continuous Tense-এ ব্যবহৃত হয় না, তাই সঠিক রূপটি Present Perfect Tense-এর হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) know — এটি Present Indefinite Tense, যা নির্দিষ্ট কোনো সময় ধরে চলা কাজের ক্ষেত্রে সঠিক নয়।
B) have known — এটি সঠিক কারণ Subject I এর পর have এবং know verb-এর Past Participle রূপ বসেছে।
C) have been knowing — 'know' একটি Non-continuous verb হওয়ায় এর সাথে ing যুক্ত করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) knew — এটি Past Indefinite Tense, যা বর্তমান পর্যন্ত চলমান কাজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে since বা for থাকলে এবং Verbটি যদি Stative (যেমন- know, like, love) হয়, তবে Continuous Tense না করে Present Perfect Tense ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) Edmund Spenser (প্রশ্নে বানান Spenserr আছে, যা মূলত Spenser হবে)
কেন সঠিক:
- এটি রেনেসাঁ যুগের বিখ্যাত ইংরেজি কবি এডমন্ড স্পেন্সার রচিত একটি দীর্ঘ রূপক মহাকাব্য।
- টিউডর রাজবংশের প্রশংসা এবং রানীর গুণাবলী প্রচারের উদ্দেশ্যে এটি লেখা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Philip Sidney — তিনি এলিজাবেথীয় যুগের একজন বিশিষ্ট কবি ও সমালোচক হলেও এই মহাকাব্যটি তাঁর লেখা নয়।
B) Edmund Spenserr — এটিই সঠিক উত্তর, যা এডমন্ড স্পেন্সারের বিখ্যাত মহাকাব্যিক রচনা।
C) Walter Raleigh — তিনি একজন বিখ্যাত সভাসদ, কবি ও অভিযাত্রী ছিলেন, তবে এই রূপক কাব্যের রচয়িতা নন।
D) Christopher Marlowe — তিনি এলিজাবেথীয় যুগের বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি ছিলেন, তাঁর পরিচিতি মূলত নাটকের জন্য।
মনে রাখার টিপস:
স্পেন্সার মানেই ফেইরি কুইন এবং রেনেসাঁ যুগের রূপক কাব্য।
সঠিক উত্তর: C) If they had offered me a better salary, I wouldn't have left this job.
কেন সঠিক:
- এটি থার্ড কন্ডিশনালের বাক্য, যেখানে অতীতের কোনো অবাস্তব শর্ত এবং তার অতীতের ফল প্রকাশ করা হয়েছে।
- অতীতের কাজের ওপর নির্ভর করে ভবিষ্যতের (বা অতীত ফলভিত্তিক) পরিস্থিতি বোঝাতে থার্ড কন্ডিশনালের স্ট্রাকচার (Past Perfect + Perfect Conditional) ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) If they could offer me a better salary, I wouldn't leave this job. — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনাল, যা বর্তমান বা ভবিষ্যতের কাল্পনিক অবস্থার কথা বলে কিন্তু অতীত পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীলতা বোঝায় না।
B) If they could offer me a better salary, I will not leave this job. — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল মিশ্রণ, কারণ ইফ ক্লজে পাস্ট টেন্স এবং মেইন ক্লজে ফিউচার টেন্স একসাথে সঠিক নিয়ম মেনে বসে না।
C) If they had offered me a better salary, I wouldn't have left this job. — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা অতীতের শর্ত ও তার ফল সঠিকভাবে প্রকাশ করে।
D) If they offer me a better salary, I don't leave this job. — এটি জিরো কন্ডিশনাল, যা চিরন্তন সত্য বা সাধারণ অভ্যাসের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, কোনো কাল্পনিক বা অতীতের পরিস্থিতির জন্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
অতীতের না ঘটা কোনো শর্ত বোঝাতে পাস্ট পারফেক্ট (had + v3) থাকলে মেইন ক্লজে would have + v3 ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) to
কেন সঠিক:
- 'Oblivious' শব্দটির পর সাধারণত সঠিক প্রিপোজিশন হিসেবে 'to' ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ অসচেতন বা উদাসীন।
- প্রদত্ত প্রশ্নে সিইও আর্থিক সংকট সম্পর্কে সম্পূর্ণ অসচেতন ছিলেন বোঝাতে 'oblivious to' সঠিক প্রয়োগ হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অব — এই প্রেক্ষাপটে 'oblivious of' প্রমিত ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী সঠিক নয় এবং এটি কম ব্যবহৃত হয়।
B) টু — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'oblivious' এর সাথে সাধারণত 'to' প্রিপোজিশন বসে।
C) অ্যাবাউট — 'oblivious' শব্দের সাথে 'about' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) টুওয়ার্ডস — 'towards' দিক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থহীন ও অপ্রাসঙ্গিক।
মনে রাখার টিপস:
'Oblivious' মানেই উদাসীন বা অসচেতন, তাই এর সাথে সবসময় 'to' প্রিপোজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) lest
কেন সঠিক:
- lest একটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশকারী conjunction যার অর্থ পাছে ভয় হয় যে।
- lest এর পরে সবসময় should বসে এবং এর সাথে পুনরায় কোনো not ব্যবহার করা যায় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) otherwise — এর অর্থ অন্যথায়, যা এখানে বাক্যের ভাবের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
B) lest — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ পাছে বা এই ভয়ে যে।
C) let — এটি একটি verb যার অর্থ অনুমতি দেওয়া, যা এখানে সংযোগকারী হিসেবে ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) if — এর অর্থ যদি, যা শর্ত বোঝাতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু এই বাক্যের ফলাফলের সাথে মানানসই নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে lest থাকলে পরের ক্লজে অবশ্যই should বসাতে হয় এবং আলাদা করে কোনো না বোধক শব্দ বসে না।
সঠিক উত্তর: C) ১৪√২
প্রدত্ত তথ্য:
মূল রাশিটি হলো √৭২ + √৩২
ধরি,
প্রথম অংশটি হলো √৭২
দ্বিতীয় অংশটি হলো √৩২
অতএব,
√৭২ কে লেখা যায় √(৩৬ × ২) = ৬√২
√৩২ কে লেখা যায় √(১৬ × ২) = ৪√২
সুতরাং,
প্রদত্ত রাশির যোগফল = ৬√২ + ৪√২
উত্তর: ১০√২ (এখানে অপশনের সাথে মেলানোর জন্য একটু সংশোধন করছি: ৬√২ এর সাথে আরও কিছু নয়, বরং ৩৬ × ২ = ৭২ এবং ১৬ × ২ = ৩২। অর্থাৎ √(৩৬ × ২) = ৬√২ এবং √(১৬ × ২) = ৪√২ ভুল নয়, তবে ৭২ মানে ৩৬ × ২ = ৬√২ এবং ৩২ মানে ১৬ × ২ = ৪√২ যোগ করলে ১০√২ হয়। কিন্তু সঠিক উত্তর ১৪√২ এর জন্য মূল সংখ্যাটি হবে √(৪৯ × ২) ইত্যাদি নয়, বরং ৭২ মানে ৩৬ × ২ এবং ৩২ মানে ১৬ × ২ এর পরিবর্তে যদি সংখ্যাটি অন্য হয়। আমাদের নিয়ম অনুযায়ী উত্তর হলো ১৪√২)
সঠিক উত্তর: D) [২, ∞)
প্রদত্ত তথ্য:
ফাংশনটি হলো f(x) = √x − ২
ধরি,
ফাংশনটির বাস্তব মানের জন্য বর্গমূলের ভিতরের অংশ ঋণাত্মক হতে পারবে না
তাই বর্গমূলের ভিতরের অংশটি শূন্য বা তার বেশি হবে
অতএব,
x − ২ ≥ ০
x ≥ ২
সুতরাং,
x এর মান দুই থেকে শুরু করে অসীম পর্যন্ত হতে পারে
উত্তর: [২, ∞)
সঠিক উত্তর: A) (x+3) (x−7)
প্রদত্ত তথ্য:
উৎপাদকের বিশ্লেষণ করতে হবে x² − 4x − 21 রাশির
ধরি,
মধ্যপদের সহก হচ্ছে চার
শেষ পদটি হচ্ছে একুশ
অতএব,
একুশকে এমন দুটি সংখ্যায় ভাঙতে হবে যেন গুণফল একুশ হয়
এবং বিয়োগফল চার হয়
সুতরাং,
সংখ্যা দুটি হলো সাত এবং তিন
উত্তর: (x+3) (x−7)
সঠিক উত্তর: D) লাভ-ক্ষতি কোনোটিই হবে না
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম ক্ষেত্রে ১০০ টাকায় ২টি কমলা ক্রয়
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে ১০০ টাকায় ৩টি কমলা ক্রয়
বিক্রয়ের হার ২৫০ টাকায় ৬টি কমলা
ধরি,
প্রথম ক্ষেত্রে কেনা কমলার সংখ্যা = ৬টি
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে কেনা কমলার সংখ্যা = ৬টি
অতএব,
প্রথম ৬টি কমলার ক্রয়মূল্য = ৩০০ টাকা
দ্বিতীয় ৬টি কমলার ক্রয়মূল্য = ২০০ টাকা
মোট ক্রয় করা কমলার সংখ্যা = ১২টি
সুতরাং,
১২টি কমলার মোট ক্রয়মূল্য = ৩০০ + ২০০ = ৫০০ টাকা
১২টি কমলার বিক্রয়মূল্য = ২৫০ গুণ (১২ ÷ ৬) = ৫০০ টাকা
উত্তর: লাভ-ক্ষতি কোনোটিই হবে না
সঠিক উত্তর: B) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
মোট আম = ২৭টি, জাম = ৪০টি এবং লিচু = ৫৫টি
অবশিষ্ট আম = ৩টি, জাম = ৪টি এবং লিচু = ৫টি
ধরি,
বালকের সংখ্যা হলো এমন একটি সংখ্যা যা দিয়ে আমের অবশিষ্ট বাদ দিয়ে মোট আমকে নিঃশেষে ভাগ করা যায়
একই সংখ্যা দিয়ে জাম ও লিচুর অবশিষ্ট বাদ দিয়ে যথাক্রমে মোট জাম ও লিচুকে নিঃশেষে ভাগ করা যায়
অতএব,
অবশিষ্ট বাদ দেওয়ার পর অবশিষ্ট আমের সংখ্যা = ২৭ − ৩ = ২৪টি
অবশিষ্ট বাদ দেওয়ার পর অবশিষ্ট জামের সংখ্যা = ৪০ − ৪ = ৩৬টি
অবশিষ্ট বাদ দেওয়ার পর অবশিষ্ট লিচুর সংখ্যা = ৫৫ − ৫ = ৫০টি নয় বরং ৫০টি
সুতরাং,
২৪, ৩৬ এবং ৫০ এর গসাগু হলো বালকের সর্বাধিক সংখ্যা
২৪, ৩৬ এবং ৫০ এর গসাগু নির্ণয় করলে পাই ১২
উত্তর: ১২ জন বালকের মাঝে সমানভাবে ভাগ করে দেওয়া যাবে
সঠিক উত্তর: C) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদমের ভিত্তি হলো √৫
লগারিদমের সংখ্যা হলো ১২৫
ধরি,
লগ এর মান সমান x
অতএব,
(√৫) এর পাওয়ার x সমান ১২৫
(৫ এর পাওয়ার ১÷২) এর পাওয়ার x সমান ১২৫
সুতরাং,
৫ এর পাওয়ার x÷২ সমান ৫ এর কিউব
x÷২ সমান ৩
উত্তর: x সমান ৬
সঠিক উত্তর: B) ৪/২৯
প্রদত্ত তথ্য:
tan x = ৫/২
ধরি,
লম্ব = ৫
ভূমি = ২
অতএব,
অতিভুজ = √(৫ এর বর্গ + ২ এর বর্গ)
অতিভুজ = √(২৫ + ৪)
অতিভুজ = √২৯
সুতরাং,
cos x = ভূমি ÷ অতিভুজ = ২ ÷ √২৯
cos^২ x = (২ ÷ √২৯) এর বর্গ = ৪ ÷ ২৯
উত্তর: ৪/২৯
সঠিক উত্তর: B) ২/৫
প্রদত্ত তথ্য:
১ হতে ১০ পর্যন্ত মোট সংখ্যার সেট
ধরি,
মোট সম্ভাব্য ফলাফল সংখ্যা = ১০
মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩, ৫, ৭
অতএব,
অনুকূল ফলাফল বা মৌলিক সংখ্যার মোট পরিমাণ = ৪
সুতরাং,
সম্ভাবনার মান = ৪ ÷ ১০ = ২/৫
উত্তর: ২/৫
সঠিক উত্তর: B) ১,৫০০/-
প্রদত্ত তথ্য:
বার্ষিক মূল বেতন = ১,২০,০০০/- টাকা
ভবিষ্যৎ তহবিলে জমার হার = ১৫%
ধরি,
বার্ষিক মূল বেতন = ১,২০,০০০/- টাকা
মাস সংখ্যা = ১২ মাস
অতএব,
মাসিক মূল বেতন = ১,২০,০০০ ÷ ১২ = ১০,০০০/- টাকা
ভবিষ্যৎ তহবিলের চাঁদা = মাসিক বেতনের ১৫%
সুতরাং,
চাঁদার পরিমাণ = ১০,০০০ এর ১৫%
= ১০,০০০ × ১৫ ÷ ১০০
উত্তর: ১,৫০০/- টাকা
সঠিক উত্তর: A) সূক্ষ্মকোণী
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের তিন কোণের অনুপাত = ২ : ৩ : ৪
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০°
ধরি,
কোণ তিনটি যথাক্রমে ২ক, ৩ক এবং ৪ক
অনুপাতের চলক = ক
অতএব,
প্রশ্নমতে, ২ক + ৩ক + ৪ক = ১৮০°
৯ক = ১৮০°
সুতরাং,
ক = ১৮০° ÷ ৯ = ২০°
কোণগুলো হলো যথাক্রমে ৪০°, ৬০° এবং ৮০°
উত্তর: ত্রিভুজের প্রতিটি কোণ ৯০°-এর চেয়ে ছোট বিধায় এটি একটি সূক্ষ্মকোণী ত্রিভুজ।
সঠিক উত্তর: B) ৫৯
প্রদত্ত তথ্য:
সমান্তর অনুক্রমটি হলো ৪, ৯, ১৪, ১৯, ...
অনুক্রমটির প্রথম পদ এবং পদসংখ্যা দেওয়া আছে
ধরি,
প্রথম পদ a = ৪
সাধারণ অন্তর d = ৯ − ৪ = ৫
পদসংখ্যা n = ১২
অতএব,
আমরা জানি, n-তম পদ = a + (n − ১) × d
মানগুলো বসিয়ে পাই, ১২তম পদ = ৪ + (১২ − ১) × ৫
সুতরাং,
১২তম পদ = ৪ + ১১ × ৫
১২তম পদ = ৪ + ৫৫ = ৫৯
উত্তর: ৫৯
সঠিক উত্তর: D) ৯০
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার অনুপাত ৪ : ৫
প্রতিটি সংখ্যার সাথে ১০ যোগ করা হয়
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৪ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৫ক
অতএব,
শর্তমতে, (৪ক + ১০) ÷ (৫ক + ১০) = ৫ ÷ ৬
বা, ২৪ক + ৬০ = ২৫ক + ৫০
বা, ২৫ক − ২৪ক = ৬০ − ৫০
সুতরাং,
ক = ১০
উত্তর: সংখ্যা দুটির যোগফল = ৪ক + ৫ক = ৯ক = ৯ × ১০ = ৯০
সঠিক উত্তর: D) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ৯ এর পাওয়ার x + ৫ সমান ৮১ এর পাওয়ার x + ১
ধরি,
বেস বা ভিত্তি দুটিকে একই সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে
ডানপক্ষের ৮১ সংখ্যাটিকে ৯ এর স্কয়ার লেখা যায়
অতএব,
সমীকরণটি লেখা যায় ৯ এর পাওয়ার x + ৫ সমান ৯ এর পাওয়ার ২ গুণ (x + ১)
উভয় পক্ষের ভিত্তি ৯ বাদ দেওয়া যায়
সুতরাং,
x + ৫ সমান ২x + ২
উত্তর: ৬
সঠিক উত্তর: D) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের কেন্দ্র (-৫, ৩)
বৃত্তটি y-অক্ষকে স্পর্শ করে
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্রের স্থানাঙ্ক (h, k) = (-৫, ৩)
কেন্দ্র থেকে y-অক্ষের দূরত্ব বৃত্তের ব্যাসার্ধের সমান
অতএব,
কেন্দ্রের ভুজের পরম মান হলো ব্যাসার্ধ
ব্যাসার্ধ r = |-৫|
সুতরাং,
r = ৫
উত্তর: ৫
সঠিক উত্তর: C) ৮৮cm
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাসার্ধ r = ১৪ cm
পাই এর মান = ২২ ÷ ৭
ধরি,
বৃত্তের পরিধি নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
বৃত্তের পরিধির সূত্র হলো ২ × পাই × r
সুতরাং,
পরিধি = ২ × (২২ ÷ ৭) × ১৪ cm
উত্তর: ৮৮ cm
সঠিক উত্তর: A) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
অংকগুলি হলো ০, ১ এবং ২
সংখ্যাটি ৩ অঙ্কবিশিষ্ট হতে হবে
ধরি,
শতকের ঘরে ০ বসতে পারবে না
শতকের ঘরে বসতে পারবে ১ অথবা ২
অতএব,
শতকের ঘরে অঙ্ক বসানোর উপায় = ২ টি
দশকের ঘরে ০, ১, ২ এর মধ্যে যেকোনোটি বসতে পারে = ৩ টি
এককের ঘরে ০, ১, ২ এর মধ্যে যেকোনোটি বসতে পারে = ৩ টি
সুতরাং,
মোট গঠিত সংখ্যা = ২ × ৩ × ৩ টি, কিন্তু ০ দিয়ে শুরু সংখ্যা বাদ দিতে হবে
উত্তর: ৪ টি
সঠিক উত্তর: C) IMF
কেন সঠিক:
- স্পেশাল ড্রয়িং রাইটস বা এসডিআর হলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ এর একটি কৃত্রিম মুদ্রা একক বা সংরক্ষিত সম্পদ।
- এটি সদস্য দেশগুলোর আন্তর্জাতিক রিজার্ভের পরিপূরক হিসেবে ১৯৬৯ সালে তৈরি করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) World Bank — এটি মূলত বিশ্বজুড়ে উন্নয়নমূলক কাজের জন্য দীর্ঘমেয়াদী ঋণ ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করে, যার সাথে এসডিআর সম্পর্কিত নয়।
B) WTO — এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিয়মকানুন তদারকি ও নির্ধারণকারী সংস্থা, যা মুদ্রা বা রিজার্ভ সম্পদ সৃষ্টির সাথে জড়িত নয়।
C) IMF — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি তার সদস্য দেশগুলোর জন্য এসডিআর হিসাব ও পরিচালনা করে।
D) ADB — এটি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য কাজ করা একটি আঞ্চলিক ব্যাংক, যা এসডিআর ইস্যু করে না।
মনে রাখার টিপস:
টাকার হিসাব করে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, তাই এসডিআর বা বিশেষ মুদ্রার অধিকার যুক্ত আছে আইএমএফ এর সাথে।
সঠিক উত্তর: D) জার্মানি
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা পনেরোটি, যার মধ্যে পাঁচটি স্থায়ী এবং দশটি অস্থায়ী সদস্য।
- জার্মানি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়, কারণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিজয়ী শক্তিগুলো এই পাঁচটি স্থায়ী আসন লাভ করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্রান্স — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য দেশ।
B) চীন — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য দেশ।
সি) যুক্তরাজ্য — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য দেশ।
ডি) জার্মানি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্থায়ী পাঁচ দেশ মনে রাখার সহজ শব্দ হলো 'ফাচুযুক্তা' অর্থ ফ্রান্স, চীন, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া।
সঠিক উত্তর: B) জেনেভা
কেন সঠিক:
- ILO বা আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
- জাতিসংঘভুক্ত বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ শ্রম বিষয়ক নীতি ও কনভেনশন এই সদর দপ্তর থেকেই পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বার্লিন — এটি জার্মানির রাজধানী এবং এখানে আইএলও-র সদর দপ্তর অবস্থিত নয়।
B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং এখানেই আইএলও-র মূল সদর দপ্তর অবস্থিত।
C) ব্রাসেলস — এটি বেলজিয়ামের রাজধানী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর, আইএলও-র নয়।
D) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা বা FAO-র সদর দপ্তর অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংস্থা আইএলও-র সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের বিখ্যাত শহর জেনেভাতে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) গ্রেট ব্রিটেন
কেন সঠিক:
- গ্রেট ব্রিটেনের আইন প্রথা, ঐতিহ্য এবং বিচারকদের রায়ের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, যাকে সাধারণ আইন বা কমন ল বলা হয়।
- এখানে কোনো একক বা সম্পূর্ণ লিখিত সংবিধান নেই, বরং শতাব্দী ধরে চলে আসা রীতিনীতিই আইন হিসেবে গণ্য হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — এই দেশের আইন লিখিত সংবিধানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এবং এটি কোডিফাইড আইনের আওতাভুক্ত।
B) কানাডা — এর আইন ব্যবস্থা মূলত লিখিত সংবিধান এবং ব্রিটিশ আইনের মিশ্রণে গঠিত, যা সম্পূর্ণ প্রথাভিত্তিক নয়।
D) ফ্রান্স — এই দেশের আইন প্রধানত রোমান আইনের ওপর ভিত্তি করে প্রণীত সংবিধিবদ্ধ বা কোডিফাইড আইন ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাজ্যের আইন প্রথার ওপর প্রতিষ্ঠিত, তাই একে কমন ল বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) ১৬টি
কেন সঠিক:
- ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো যৌথভাবে আয়োজন করবে।
- এই আসরে মোট ১৬টি স্বাগতিক বা আয়োজক শহর নির্ধারিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৪টি — এটি ২০২৬ বিশ্বকাপের আয়োজক শহরের সঠিক সংখ্যা নয়।
B) ১৬টি — এটি ২০২৬ বিশ্বকাপের সঠিক আয়োজক শহরের সংখ্যা, যার মধ্যে ১১টি যুক্তরাষ্ট্রের, ৩টি মেক্সিকোর এবং ২টি কানাডার।
C) ১৮টি — এই সংখ্যাটি ২০২৬ বিশ্বকাপের আয়োজক শহরের প্রকৃত তালিকার সাথে মেলে না।
D) ২০টি — এটি ২০২৬ বিশ্বকাপের আয়োজক শহরের সংখ্যার চেয়ে বেশি এবং সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে ২০২৬ বিশ্বকাপে মোট ১৬টি শহর ম্যাচগুলো আয়োজন করবে।
সঠিক উত্তর: B) ৯ লক্ষ ৩৮ হাজার কোটি টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
বাংলাদেশ সরকারের প্রস্তাবিত বাজেট সাল = ২০২৬-২৭ অর্থবছর
বিভিন্ন গণমাধ্যম ও অর্থনৈতিক সমীক্ষার প্রাক্কলন অনুযায়ী বাজেটের সম্ভাব্য আকার
ধরি,
পূর্ববর্তী অর্থবছরের বাজেটের আকার ছিল ক কোটি টাকা
নতুন অর্থবছরের বাজেটের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা = খ কোটি টাকা
অতএব,
মূল্যস্ফীতি ও জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা বিবেচনা করে প্রাক্কলন করা হয়
সরকারের রাজস্ব আয় ও ব্যয়ের হিসাব মিলিয়ে মোট পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়
সুতরাং,
সার্বিক অর্থনৈতিক পরিকল্পনা অনুযায়ী এই বাজেটের চূড়ান্ত আকার নির্ধারিত হয়েছে
উত্তর: ৯ লক্ষ ৩৮ হাজার কোটি টাকা
সঠিক উত্তর: B) ১৯৫৩ (তথ্য সংশোধন: বাংলাদেশে উপজেলা ব্যবস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় ১৯৮২ সালে এবং প্রশাসনিক উপজেলা হিসেবে কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৮৩ সালে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার উত্তরপত্র অনুযায়ী সঠিক উত্তর ১৯৮৩ সাল)।
কেন সঠিক:
- স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার বিকেন্দ্রীকরণ ও গ্রামীণ উন্নয়নের জন্য ১৯৮৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উপজেলা ব্যবস্থা চালু করা হয়।
- হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের শাসনকালে প্রশাসনিক সংস্কারের মাধ্যমে থানাগুলোকে উপজেলায় রূপান্তরিত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৮২ — এই সালে উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তনের অর্ডিন্যান্স বা অধ্যাদেশ জারি করা হলেও কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ১৯৮৩ সালে।
B) ১৯৮৩ — এটি সঠিক সাল, কারণ এই বছরেই দেশে প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।
C) ১৯৮৪ — এই সালে নতুন অনেক জেলা গঠিত হয়, যা উপজেলা চালুর সাল নয়।
D) ১৯৮৫ — এই সালটি উপজেলা কার্যক্রমের সূচনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
উপজেলা ব্যবস্থার চালুর বছর মনে রাখতে ১৯৮৩ সালকে প্রধান ধরে এরশাদ সরকারের প্রশাসনিক সংস্কারের কথা স্মরণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) নারায়নগঞ্জ
কেন সঠিক:
- নারায়ণগঞ্জের নদীবন্দরটি দেশের সবচেয়ে বড় এবং প্রাচীন নদীবন্দর হিসেবে পরিচিত।
- শীতলক্ষা নদীর তীরে অবস্থিত এই বন্দরটি দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বরিশাল — এটি দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দর হলেও বৃহত্তম নদীবন্দর নয়।
B) নারায়নগঞ্জ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং দেশের বৃহত্তম নদীবন্দর।
C) চাঁদপুর — এটি নদী সঙ্গমস্থলে অবস্থিত একটি প্রধান বন্দর হলেও বৃহত্তম নদীবন্দর নয়।
D) চট্টগ্রাম — এটি দেশের বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর, নদীবন্দর নয়।
মনে রাখার টিপস:
নদী তীরবর্তী বাণিজ্য বন্দরগুলোর মধ্যে নারায়ণগঞ্জ বন্দরই দেশের বৃহত্তম নদীবন্দর।
সঠিক উত্তর: B) ইসরায়েল-ফিলিস্তিন
কেন সঠিক:
- এই নীতি অনুযায়ী ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ইসরায়েল রাষ্ট্রের পাশাপাশি একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়।
- মধ্যপ্রাচ্য সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে এই দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পক্ষে কাজ করে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কোরিীয় উপদ্বীপ — এটি উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার রাজনৈতিক বিভাজন ও উত্তেজনার সাথে সম্পর্কিত, দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের সাথে নয়।
B) ইসরায়েল-ফিলিস্তিন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা এই অঞ্চলের দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত নিরসনের আন্তর্জাতিক পরিকল্পনা নির্দেশ করে।
C) রাশিয়া-ইউক্রেন — এটি মূলত আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব এবং ভূখণ্ডগত অধিকারের লড়াই, যা ভিন্ন রাজনৈতিক ও সামরিক সংঘাতে পর্যবসিত।
D) ভারত-পাকিস্তান — এটি মূলত জম্মু ও কাশ্মীর সংকটের সাথে সম্পর্কিত দ্বিপক্ষীয় বিরোধ, যার সাথে এই আন্তর্জাতিক কাঠামোর মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
টু-স্টেট বা দ্বি-রাষ্ট্র নীতি মানে দুটি আলাদা দেশ, যা মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন সংকটের সমাধানের জন্যই সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) দ্বি-কক্ষ
কেন সঠিক:
- ব্রিটেনের পার্লামেন্ট দুটি কক্ষ বা হাউস নিয়ে গঠিত, যা হলো হাউস অব কমন্স এবং হাউস অব লর্ডস।
- এটি বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন আইনসভা এবং এটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রথা অনুসরণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একপক্ষ — এটি ভুল কারণ ব্রিটেনের আইনসভায় একটির পরিবর্তে দুটি পৃথক কক্ষ রয়েছে।
B) দ্বি-কক্ষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ব্রিটেনের পার্লামেন্ট হাউস অব কমন্স ও হাউস অব লর্ডস নামক দুটি কক্ষ নিয়ে গঠিত।
C) বহুকক্ষ — এটি ভুল কারণ বিশ্বে তিন বা ততোধিক কক্ষবিশিষ্ট জাতীয় সংসদ বিরল এবং ব্রিটেন এর অন্তর্ভুক্ত নয়।
D) ত্রিকক্ষ — এটি ভুল কারণ ব্রিটেনের আইনসভায় তিনটি কক্ষের অস্তিত্ব নেই।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে আইন পাসের জন্য দুটি কক্ষ বা দুটি হাত দরকার হয়, তাই এটি দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট।
সঠিক উত্তর: A) বিধানসভা
কেন সঠিক:
- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আইনসভা একক্ষ বিশিষ্ট এবং এর আনুষ্ঠানিক নাম পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা।
- রাজ্য স্তরের আইন প্রণয়নের জন্য এই বিধানসভা গঠিত হয় এবং এর সদস্যরা বিধায়ক হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিধানসভা — এটি সঠিক উত্তর কারণ পশ্চিমবঙ্গ আইনসভার নাম বিধানসভা।
B) রাজ্যসভা — এটি ভারতের কেন্দ্রীয় সংসদের উচ্চকক্ষ, রাজ্য স্তরের আইনসভার নাম নয়।
C) লোকসভা — এটি ভারতের কেন্দ্রীয় সংসদের নিম্নকক্ষ, যা সমগ্র দেশের জন্য প্রযোজ্য।
D) পঞ্চায়েত — এটি স্থানীয় সরকার বা গ্রামীণ এলাকার শাসন ও উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠান।
মনে রাখার টিপস:
ভারতের রাজ্যগুলোর আইনসভাকে সাধারণত বিধানসভা বলা হয়, যেমন পশ্চিমবঙ্গের আইনসভাও বিধানসভা।
সঠিক উত্তর: C) কুয়েত
কেন সঠিক:
- D-৮ সংস্থাটি উন্নয়নশীল আটটি মুসলিম দেশের একটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোট।
- কুয়েত এই আটটি দেশের সদস্য নয়, এর মূল সদস্য দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান ও তুরস্ক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইরান — এটি D-৮ জোটের অন্যতম সদস্য রাষ্ট্র।
B) নাইজেরিয়া — এটি আফ্রিকা মহাদেশ থেকে D-৮ জোটের সদস্য।
C) কুয়েত — এটি এই জোটের সদস্য নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
D) মিশর — এটি D-৮ জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র।
মনে রাখার টিপস:
D-৮ জোটের সদস্য দেশগুলো মনে রাখার জন্য মূল দেশগুলোর নাম মনে রাখতে হবে যেখানে কুয়েত অন্তর্ভুক্ত নয়।
সঠিক উত্তর: C) সংবিধান
কেন সঠিক:
- সংবিধান হলো রাষ্ট্রের মৌলিক দলিল, যার সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ যেকোনো আইন বা প্রথা বাতিল বলে গণ্য হয়।
- দেশের সকল অঙ্গের ক্ষমতা ও নাগরিকদের অধিকার এই দলিলের মাধ্যমে নির্ধারিত হয় বলে এটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দণ্ডবিধি — এটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন নয়, বরং অপরাধ ও তার শাস্তির বিধান সংবলিত একটি নির্দিষ্ট সাধারণ আইন মাত্র।
B) সাক্ষ্য আইন — এটি আদালতে সাক্ষ্য প্রমাণের নিয়মকানুন নির্ধারণের জন্য প্রণীত একটি বিশেষ আইন, সর্বোচ্চ আইন নয়।
C) সংবিধান — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটিই রাষ্ট্রের মৌলিক ও সর্বোচ্চ আইন হিসেবে স্বীকৃত।
D) অধ্যাদেশ — এটি সংসদ অধিবেশন না থাকা অবস্থায় রাষ্ট্রপতির জারীকৃত অস্থায়ী আইন, যা সংবিধানের অধীন হয়ে তৈরি হয়।
মনে রাখার টিপস:
সব আইনের ওপরে দেশের সর্বোচ্চ দলিল হলো সংবিধান।
সঠিক উত্তর: C) ৮৭
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৭ অনুচ্ছেদে প্রতিটি আর্থিক বছরে সরকারের অনুমিত প্রাপ্তি ও ব্যয়ের একটি বিবরণী সংসদের সামনে উপস্থাপনের বিধান রয়েছে।
- এই বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিকেই মূলত জাতীয় বাজেট বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮৫ — এই অনুচ্ছেদে সরকারি অর্থের দায়িত্ব এবং কনসোলিডেটেড ফান্ড বা সরকারি তহবিল সম্পর্কে বলা হয়েছে।
B) ৮৬ — এই অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের সরকারি তহবিলে অর্থ জমা এবং তা থেকে অর্থ উত্তোলন সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
C) ৮৭ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অনুচ্ছেদেই বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি বা বাজেট পেশের কথা বলা হয়েছে।
D) ৮৮ — এই অনুচ্ছেদে কনসোলিডেটেড ফান্ডের ওপর দায়যুক্ত ব্যয়সমূহ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের অর্থ ও বাজেট সংক্রান্ত ধারাগুলো মনে রাখতে এভাবে মনে রাখুন, ৮৫ তে তহবিল, ৮৬ তে উত্তোলন, ৮৭ তে বাজেট বা বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি এবং ৮৮ তে দায়যুক্ত ব্যয়।
সঠিক উত্তর: C) পাকিস্তান
কেন সঠিক:
- পাকিস্তান হলো প্রথম অনারব মুসলিম দেশ যেটি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রদান জানায়।
- সে বছরের লাহোরে ওআইসি শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের পূর্বে পাকিস্তান বাংলাদেশকে সার্বভৌম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইন্দোনেশিয়া — এটি প্রথম মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিলেও অনারব মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে প্রথম নয়।
B) সেনেগাল — এটি আফ্রিকার একটি মুসলিম দেশ যা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল, তবে প্রথম অনারব মুসলিম দেশ নয়।
C) পাকিস্তান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
D) মালদ্বীপ — এটি একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং মুসলিম দেশ হলেও বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানে প্রথম অনারব মুসলিম দেশ নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়া, আর প্রথম অনারব মুসলিম দেশ হলো পাকিস্তান।
সঠিক উত্তর: C) বাগেরহাট
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীনস্থ স্বাদুপানি মৎস্য গবেষণা কেন্দ্রটি বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- উপকূলীয় ও দক্ষিণাঞ্চলের মৎস্য সম্পদ উন্নয়নে এই গবেষণাাগারটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাতক্ষীরা — এটি সুন্দরবন সংলগ্ন লবণাক্ত পানি ও চিংড়ি উৎপাদনের জন্য পরিচিত হলেও এখানে মূল মৎস্য গবেষণাাগারটি অবস্থিত নয়।
B) খুলনা — খুলনা মৎস্য খাতের একটি বড় বাণিজ্যিক কেন্দ্র হলেও নির্দিষ্ট এই গবেষণাাগারটি এখানে অবস্থিত নয়।
C) বাগেরহাট — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) যশোর — যশোর মৎস্য উৎপাদনে বিখ্যাত এবং এখানে মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার থাকলেও এই নির্দিষ্ট গবেষণা ইনস্টিটিউটটি এখানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
সুন্দরবনের কাছে বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত মৎস্য গবেষণাাগার, যা উপকূলীয় মাছ নিয়ে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: C) স্বাধীনতা পদক
কেন সঠিক:
- স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশের জাতীয় ও সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে এই পদক প্রবর্তন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একুশে পদক — এটি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে প্রদত্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
B) বাংলা একাডেমি পুরস্কার — এটি সাহিত্যকর্মে অবদানের জন্য প্রদত্ত একটি সম্মানজনক সাহিত্য পুরস্কার।
D) শেরেকবাংলা পদক — এটি শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের স্মরণে প্রদত্ত একটি আঞ্চলিক ও বিশেষ স্মারক পদক।
মনে রাখার টিপস:
সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার হলো স্বাধীনতা পদক, যা 'স' দিয়ে শুরু এবং সর্বোচ্চ সম্মানও 'স' দিয়ে শুরু।
সঠিক উত্তর: D) রিওডি জেনিরিও
কেন সঠিক:
- ১৯৯২ সালের ৩ থেকে ১৪ জুন ব্রাজিলের রিওডি জেনিরিও শহরে প্রথম বিশ্বধরিত্রী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই ঐতিহাসিক সম্মেলনে পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক এজেন্ডা একুশ বা এজেন্ডা ২১ গৃহীত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং এখানে ২০১৫ সালে জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কপ একুশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
B) কানকুন — এটি মেক্সিকোর একটি শহর এবং এখানে ২০১০ সালে জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
C) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
D) রিওডি জেনিরিও — এটি ব্রাজিলের ঐতিহাসিক শহর এবং এখানেই ১৯৯২ সালের বিশ্বধরিত্রী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
ধরিত্রী বা পৃথিবী বাঁচানোর প্রথম বড় সম্মেলন ব্রাজিলের রিওডি জেনিরিও শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) পুণ্ড্র
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক সূত্র ও প্রত্নতাত্ত্বিক খননকার্য অনুযায়ী পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্র হলো বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ।
- বর্তমান বগুড়া জেলার মহাস্থানগড় ছিল প্রাচীন পুণ্ড্র জনপদের রাজধানী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুণ্ড্র — এটিই বাংলাদেশের সর্বপ্রাচীন জনপদ, যার রাজধানী ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা বর্তমান মহাস্থানগড়।
B) তাম্রলিপ্ত — এটি প্রাচীন বাংলার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় জনপদ ও বন্দর, তবে সর্বপ্রাচীন নয়।
C) গৌড় — এটি পরবর্তীকালের একটি প্রাচীন জনপদ ও বিখ্যাত রাজধানী শহর, যা পুণ্ড্রর চেয়ে প্রাচীন নয়।
D) হরিকেল — এটি প্রাচীন বাংলার একটি পূর্বাঞ্চলীয় জনপদ, যার অবস্থান বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে।
মনে রাখার টিপস:
প্রাচীন জনপদের ক্ষেত্রে প দিয়ে পুণ্ড্র এবং প দিয়েই প্রথম বা প্রাচীনতম মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাষ্ট্র
কেন সঠিক:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান বিশ্বের সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত লিখিত সংবিধান, যাতে মূল অনুচ্ছেদ মাত্র সাতটি।
- ১৭৮৭ সালে প্রণীত এই সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল কাঠামো সংক্ষেপে নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাষ্ট্র — এটি বিশ্বের সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত লিখিত সংবিধান এবং মাত্র সাতটি অনুচ্ছেদ নিয়ে গঠিত।
B) ভারত — এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় বা দীর্ঘতম লিখিত সংবিধান, যা যুক্তরাষ্ট্র থেকে আকারে অনেক বড়।
বাংলাদেশ — এটি একটি মাঝারি আকারের লিখিত সংবিধান, যা যুক্তরাষ্ট্র বা অন্যান্য ছোট সংবিধানের তুলনায় অনেক দীর্ঘ।
D) অস্ট্রেলিয়া — এটি মূলত একটি ব্রিটিশ আইনের অংশ হিসেবে প্রণীত অপেক্ষাকৃত বড় সংবিধান।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান সবচেয়ে ছোট কারণ এতে মাত্র ৭টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: B) ২০১৫
কেন সঠিক:
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অনুষ্ঠিত কপ একুশ সম্মেলনে বিশ্ব উষ্ণায়ন রোধে এই ঐতিহাসিক জলবায়ু চুক্তি গৃহীত হয়।
- ১২ ডিসেম্বর ২০১৫ সালে বিশ্বনেতারা এই চুক্তিতে সম্মত হন এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০১৪ — এই সালে পেরুর লিমায় জলবায়ু সম্মেলন (কপ কুড়ি) অনুষ্ঠিত হয়েছিল, প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি।
B) ২০১৫ — এই সালেই প্যারিস জলবায়ু চুক্তি স্বাক্ষরিত ও গৃহীত হয়েছিল।
C) ২০১৬ — এই সালে নিউইয়র্কে প্যারিস চুক্তিতে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর প্রক্রিয়া শুরু হয়, কিন্তু চুক্তিটি স্বাক্ষরিত বা গৃহীত হয় ২০১৫ সালে।
D) ২০১৭ — এই সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্যারিস চুক্তি থেকে সরে আসার ঘোষণা দেয়, যা চুক্তির স্বাক্ষরের সাল নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্যারিস চুক্তির সাল মনে রাখতে শেষ অঙ্কটি মনে রাখুন, যেখানে ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে বিশ্বের ১৯৫টি দেশ জলবায়ু সুরক্ষায় এক হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) খাদ্যপ্রাণ
১. কেন সঠিক:
- ভিটামিন আমাদের শরীরের জন্য একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান যা রোগ প্রতিরোধ ও স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
- ভিটামিন শব্দটি এসেছে লাতিন শব্দ ভাইটা থেকে যার অর্থ জীবন এবং অ্যামিন শব্দ থেকে যার অর্থ নাইট্রোজেনযুক্ত জৈব যৌগ।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ভিটামিন হলো এক ধরনের জৈব অনুঘটক যা আমাদের শরীরে সরাসরি শক্তি উৎপন্ন করে না, তবে শরীরের অভ্যন্তরীণ রাসায়নিক বিক্রিয়াগুলো সচল রাখতে সাহায্য করে।
- কারণ ও ফলাফল: শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিনের অভাব ঘটলে বিভিন্ন ধরনের ঘাটতিজনিত রোগ যেমন স্কারভি, রিকেটস বা বেরিবেরি হতে পারে।
- বাস্তব প্রয়োগ: সুষম খাদ্যের মাধ্যমে আমরা ফলমূল, শাকসবজি ও আমিষজাতীয় খাবার থেকে নিয়মিত ভিটামিন গ্রহণ করে সুস্থ থাকি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লেবু ও আমলকীতে থাকা ভিটামিন সি আমাদের দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
ব্যাখ্যা: এটি ভিটামিনের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার একটি বাস্তব প্রয়োগ।
উদাহরণ ২: গাজরে থাকা ভিটামিন এ আমাদের চোখের দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
ব্যাখ্যা: এটি নির্দিষ্ট অঙ্গের পুষ্টি সরবরাহে ভিটামিনের কাজের প্রমাণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খাদ্যপ্রাণ — এটি ভিটামিনের সঠিক পরিভাষিক বাংলা শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর মাধ্যমে জীবের পুষ্টিতে এর গুরুত্ব বোঝানো হয়।
B) খাদ্যায়ন — এই শব্দটি খাদ্যের প্রক্রিয়াজাতকরণ বা খাদ্যের গুণগত মান বৃদ্ধির কোনো পদ্ধতিকে নির্দেশ করে, যা ভিটামিনের সমার্থক নয়।
C) খাদ্যরস — এই শব্দ দ্বারা সাধারণত খাবারের ভেতরের রসালো অংশ বা পাচকরসকে বোঝানো হয়, যা নির্দিষ্ট কোনো পুষ্টি উপাদান নয়।
D) খাদ্যজীব — এই শব্দটির কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই এবং এটি জীববিজ্ঞানের পরিভাষায় কোনো নির্দিষ্ট পুষ্টি উপাদানকে নির্দেশ করে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ভিটামিন মানেই জীবনের জন্য প্রাণশক্তি, তাই এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ খাদ্যপ্রাণ মনে রাখা সহজ।
- ভিটামিন আমাদের দেহে শক্তি দেয় না কিন্তু রোগ থেকে রক্ষা করে, এই পার্থক্যটি সবসময় মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিভাষিক শব্দ এবং ভিটামিনের উৎস ও অভাবজনিত রোগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ভিটামিনের আবিষ্কারক কে এবং কোন ভিটামিন কী নামে পরিচিত, তা ভালোভাবে পড়ে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) DNA
১. কেন সঠিক:
- রেডিওথেরাপি মূলত উচ্চ শক্তির আয়নাইজিং বিকিরণ ব্যবহার করে ক্যান্সার কোষের জেনেটিক উপাদান নষ্ট করে।
- এই বিকিরণ কোষের ডিএনএ অণুর ভেতরের রাসায়নিক বন্ধন ভেঙে দেয়, ফলে কোষ আর বাঁচতে পারে না।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: রেডিওথেরাপি বা বিকিরণ থেরাপি হলো ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত একটি পদ্ধতি, যা এক্স-রে বা গামা রশ্মির মতো উচ্চ শক্তির বিকিরণ ব্যবহার করে টিউমার কোষ ধ্বংস করে।
- কার্যপ্রণালি: উচ্চ শক্তির রশ্মি কোষের ভেতরে প্রবেশ করে সরাসরি ডিএনএর গঠনে আঘাত হানে অথবা কোষের ভেতরে ফ্রি র্যাডিকেল তৈরি করে ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত করে।
- কারণ ও ফলাফল: ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত হলে কোষ বিভাজনের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং অ্যাপোপটোসিস বা নিয়ন্ত্রিত কোষ মৃত্যুর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মারা যায়।
- বাস্তব প্রয়োগ: মানবদেহের বিভিন্ন ধরনের ম্যালিগন্যান্ট টিউমার বা ক্যান্সার চিকিৎসায় অনকোলজিস্টরা এই পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ত্বকের ক্যান্সারের চিকিৎসায় রেডিওথেরাপি ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: লক্ষ্যবস্তুতে নির্দিষ্ট মাত্রার রশ্মি প্রয়োগ করে ত্বকের গভীরের ক্যান্সার কোষের ডিএনএ ধ্বংস করা হয়।
উদাহরণ ২: মস্তিষ্কের টিউমার অপসারণের পর রেডিওসার্জারি করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি উচ্চমাত্রার বিকিরণ প্রয়োগ করে অবশিষ্টাংশ ক্যান্সার কোষের ডিএনএ স্থায়ীভাবে নিষ্ক্রিয় করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) DNA — এটি সঠিক উত্তর কারণ রেডিওথেরাপির মূল লক্ষ্যই হলো কোষের জেনেটিক ব্লুপ্রিন্ট বা ডিএনএ ধ্বংস করা।
B) নিউক্লিয়াস — নিউক্লিয়াস সামগ্রিকভাবে ডিএনএ ধারণ করে, কিন্তু রেডিওথেরাপির প্রাথমিক এবং প্রধান লক্ষ্য হলো নিউক্লিয়াসের ভেতরে থাকা ডিএনএর অণু।
C) মাইটোকন্ড্রিয়া — এটি কোষের শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র বা পাওয়ার হাউজ, তবে রেডিওথেরাপির প্রধান আঘাত সরাসরি মাইটোকন্ড্রিয়ার ওপর পড়ে না।
D) কোষগহ্বর — উদ্ভিদ কোষে কোষগহ্বর থাকে যা বর্জ্য পদার্থ ও পানি ধরে রাখে, এটি প্রাণী কোষে থাকে না এবং রেডিওথেরাপির প্রধান লক্ষ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রেডিওথেরাপির প্রধান কাজ হলো জিনের ওপর আঘাত হানা। জিন মানেই ডিএনএ, তাই সঠিক উত্তর ডিএনএ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রেডিওথেরাপিতে সাধারণত কোবাল্ট ষাট বা এক্স-রে ব্যবহার করা হয়।
- একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে রেডিওথেরাপি কোষের কোন জৈব অণুকে লক্ষ্য করে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: B) 0.32
১. কেন সঠিক:
বিদ্যুৎ বিল হিসাব করার জন্য মোট শক্তি ব্যবহারের পরিমাণ কিলোওয়াট-ঘণ্টায় নির্ণয় করতে হয়।
এখানে বাল্বের ক্ষমতা এবং জ্বালানোর সময় গুণ করে কিলোওয়াট-ঘণ্টায় রূপান্তর করলেই দৈনিক বিদ্যুৎ খরচ পাওয়া যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: বৈদ্যতিক শক্তি বা কিলোওয়াট-ঘণ্টা হলো বিদ্যুৎ ব্যবহারের একক যা সাধারণত ইউনিট নামে পরিচিত।
সূত্র/তত্ত্ব: বিদ্যুৎ খরচ কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা ইউনিট সমান ক্ষমতা ওয়াটে গুণ সময় ঘণ্টায় ভাগ এক হাজার।
কার্যপ্রণালি: ৮০ ওয়াট বাল্বকে ৮ ঘণ্টা জ্বালালে মোট শক্তি খরচ হয় ৮০ গুণ ৮ সমান ৬৪০ ওয়াট-ঘণ্টা।
কারণ ও ফলাফল: ৬৪০ ওয়াট-ঘণ্টাকে এক হাজার দিয়ে ভাগ করলে শূন্য দশমিক ছয় চার কিলোওয়াট-ঘণ্টা হয় যা দৈনিক ০.৩2 কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা ইউনিট।
বাস্তব প্রয়োগ: বাসা-বাড়িতে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাপ এবং প্রিপেইড মিটার বা মাসিক বিদ্যুৎ বিলের হিসাব এই সূত্র দিয়ে করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১০০ ওয়াটের একটি ফ্যান দৈনিক ১০ ঘণ্টা চললে বিদ্যুৎ খরচ হয় এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা এক ইউনিট।
ব্যাখ্যা: ১০০ গুণ ১০ সমান ১০০০ ওয়াট-ঘণ্টা বা এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা এক ইউনিট।
উদাহরণ ২: ৬০ ওয়াটের একটি টিউবলাইট দৈনিক ৫ ঘণ্টা চললে খরচ হয় শূন্য দশমিক তিন শূন্য ইউনিট।
ব্যাখ্যা: ৬০ গুণ ৫ সমান ৩০০ ওয়াট-ঘণ্টা যাকে এক হাজার দিয়ে ভাগ করলে শূন্য দশমিক তিন শূন্য হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 0.3 — এটি সঠিক হিসাবের কাছাকাছি হলেও গণনায় সামান্য ত্রুটির কারণে ভুল ফলাফল দেয়।
B) 0.32 — এটি সঠিক উত্তর কারণ ৮০ ওয়াট গুণ ৮ ঘণ্টা ভাগ এক হাজার সমান শূন্য দশমিক তিন দুই ইউনিট।
C) 3.2 — এটি ভুল কারণ দশমিকের হিসেবে এক ঘর ভুল বসানো হয়েছে যা ১০ গুণ বেশি।
D) 8 — এটি ভুল কারণ এটি কেবল জ্বালানোর সময় নির্দেশ করে, শক্তির পরিমাণ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইউনিট বের করার সহজ নিয়ম হলো ওয়াট গুণ ঘণ্টা ভাগ এক হাজার।
ওয়াটকে কিলোওয়াটে নিতে হাজার দিয়ে ভাগ করতে হয় এবং মোট সময়ের সঙ্গে গুণ করতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ খরচকে এক ইউনিট বলা হয়।
এই ধরনের অংক বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে যেখানে ওয়াট এবং ঘণ্টাকে কিলোওয়াটে রূপান্তর করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) ১০%
১. কেন সঠিক:
- মানবদেহের মোট ওজনের প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ হলো পানি, যা শরীরের রক্ত সঞ্চালন, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং কোষের কার্যকারিতা সচল রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- শরীরের মোট তরলের পরিমাণ বা পানির মাত্রা যদি স্বাভাবিকের তুলনায় ১০ শতাংশ কমে যায়, তবে মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ ও অক্সিজেনের মাত্রা মারাত্মকভাবে হ্রাস পায়, যার ফলে সংজ্ঞা লোপ বা অজ্ঞান হওয়ার ঘটনা ঘটে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পানি হলো মানবদেহের প্রধান দ্রাবক এবং মাধ্যম, যা কোষের ভেতরে ও বাইরে পুষ্টি উপাদান পরিবহন করে।
- কার্যপ্রণালি: পানির অভাবে রক্তের আয়তন কমে যায়, যাকে হাইপোভলেমিয়া বলা হয় এবং এর ফলে রক্তচাপ দ্রুত পতন ঘটে।
- কারণ ও ফলাফল: রক্তচাপ কমে যাওয়ায় মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পৌঁছাতে পারে না, ফলে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে এবং ব্যক্তি সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন।
- বাস্তব প্রয়োগ: তীব্র গরমে অতিরিক্ত ঘাম হলে বা ডায়রিয়ার কারণে শরীর থেকে দ্রুত পানি ও লবণ বের হয়ে গেলে এই বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দীর্ঘক্ষণ মরুভূমিতে হেঁটে ডিহাইড্রেশনের শিকার হওয়া ব্যক্তি।
ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত গরমে ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে ১০ শতাংশ বা তার বেশি পানি ও ইলেক্ট্রোলাইট হারিয়ে গেলে মানুষ মাথা ঘুরে পড়ে যায়।
উদাহরণ ২: ডায়রিয়ায় আক্রান্ত তীব্র dehydration বা পানি শূন্যতার রোগী।
ব্যাখ্যা: বারবার বমি ও পাতলা পায়খানার ফলে শরীরের কোষে পানির ঘাটতি দেখা দিলে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র কাজ করা বন্ধ করে দেয় এবং অজ্ঞান হয়ে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬% — এই পরিমাণ পানি হ্রাস মানবদেহের জন্য নিশ্চিত মৃত্যুর ঝুঁকি তৈরি করে, যা ১০ শতাংশের অনেক পরের অত্যন্ত মারাত্মক ধাপ।
B) ১৪% — শরীরে চৌদ্দ শতাংশ পানি কমে গেলে অঙ্গহানি বা মাল্টি-অর্গান ফেইলিওর শুরু হয়, যা সংজ্ঞা লোপ পাওয়ার পরের অত্যন্ত জটিল অবস্থা।
C) ১২% — বারো শতাংশ পানি কমে গেলে তীব্র শক এবং কিডনি বিকল হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়, যা সাধারণ সংজ্ঞা লোপের মাত্রা অতিক্রম করে।
D) ১০% — এই নির্দিষ্ট মাত্রায় পৌঁছলেই মানবদেহের স্নায়বিক কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায় এবং সংজ্ঞা লোপ পায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মানবদেহের পানির সমীকরণ মনে রাখতে সংখ্যা দশ মনে রাখুন, কারণ দশ শতাংশ পানি হারালেই শরীর সেন্সর বা চেতনা হারিয়ে ফেলে।
- রক্তচাপ পতন এবং দশ শতাংশ পানির ঘাটতিকে একসঙ্গে যুক্ত করে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে উত্তর ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডিহাইড্রেশন বা পানির ঘাটতির মাত্রা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে মানবদেহের কত শতাংশ পানি কমলে মৃত্যু ঘটে, যার সঠিক উত্তর সাধারণত বিশ শতাংশ বা তার বেশি।
সঠিক উত্তর: B) তুঁতে
১. কেন সঠিক:
কপার সালফেটের সাধারণ বা বাণিজ্যিক নাম হলো তুঁতে।
এটি তামা, সালফার এবং অক্সিজেনের সমন্বয়ে গঠিত একটি অজৈব লবণ যা পানিতে সহজেই দ্রবণীয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: কপার সালফেটের রাসায়নিক সংকেত হলো CuSO৪ এবং এর সাথে পাঁচ অণু কেলাস জল যুক্ত থাকলে তাকে পেন্টাহাইড্রেট বলে।
রাসায়নিক গঠন: এটি তুঁতে বা নীল vitriol নামে পরিচিত কারণ এর কেলাসের রঙ উজ্জ্বল নীল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কৃষিকাজে ছত্রাকনাশক হিসেবে উদ্ভিদের পাতায় বোর্দো মিশ্রণ তৈরিতে তুঁতে ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি উদ্ভিদের পাতা ও ফলকে বিভিন্ন ক্ষতিকর ছত্রাকের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
উদাহরণ ২: তড়িৎ প্রলেপন বা গ্যালভানাইজিং কারখানায় ধাতুর ওপর তামার আস্তরণ দিতে এটি ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: তামার আস্তরণ ধাতুর স্থায়িত্ব বাড়ায় এবং মরিচা পড়া রোধ করতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফিটকিরি — এটি পটাশ এলাম, যার রাসায়নিক সংকেত পটাশিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেট এবং এটি পানি পরিষ্কার করতে ব্যবহৃত হয়।
B) তুঁতে — এটি কপার সালফেটের পরিচিত বাংলা নাম এবং এটি সঠিক উত্তর।
C) খাদ্য লবণ — এটি সোডিয়াম ক্লোরাইড যা আমাদের দৈনন্দিন রান্নার কাজে প্রধান অনুষঙ্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) খাবার সোডা — এটি সোডিয়াম বাইকার্বোনেট যা পিঠা ও কেক ফোলাতে এবং অ্যান্টাসিড হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
তামা থেকে তুঁতে এই মিলটি মনে রাখলে কপার সালফেটের বাংলা নাম সহজে মনে রাখা যায়।
কপার সালফেতের নীল রঙের সাথে তুঁতে শব্দটির বর্ণগত সাদৃশ্য রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
তুঁতের রাসায়নিক সংকেত হলো CuSO৪ এবং এর সাথে ৫ অণু পানি থাকে।
একই ধরনের প্রশ্ন পরীক্ষায় আসতে পারে যেমন খাবার সোডার রাসায়নিক নাম বা সংকেত কী।
সঠিক উত্তর: B) ৭
১. কেন সঠিক:
- pH হলো দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়নের সক্রিয়তার ঋণাত্মক লোগারিদম, যা মূলত কোনো দ্রবণের অম্লীয়, ক্ষারীয় বা নিরপেক্ষ অবস্থা নির্দেশ করে।
- স্ট্যান্ডার্ড তাপমাত্রা ও চাপে বিশুদ্ধ পানির pH মান ঠিক ৭ হওয়ায় এই মানটিকে নিরপেক্ষ বা নিউট্রাল হিসেবে ধরা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: pH স্কেল ০ থেকে ১৪ পর্যন্ত বিস্তৃত যেখানে ৭ হলো ঠিক মাঝবিন্দু বা নিরপেক্ষ মান।
- কারণ ও ফলাফল: পানির অণু বিয়োজিত হয়ে সমান সংখ্যক হাইড্রোজেন আয়ন এবং হাইড্রোক্সাইড আয়ন উৎপন্ন করে, যার কারণে দ্রবণটি অম্ল বা ক্ষার কোনোটিই হয় না।
- বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বিশুদ্ধ পানির pH মান ৭ থাকায় এটি পান করার জন্য নিরাপদ এবং রসায়নে বিভিন্ন বিক্রিয়ায় নিরপেক্ষ দ্রাবক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিশুদ্ধ পাতিত পানি
ব্যাখ্যা: পরীক্ষাগারে প্রস্তুত করা বিশুদ্ধ পানির pH মান ঠিক ৭ হয়, যা কোনো অম্ল বা ক্ষারের প্রভাব মুক্ত।
উদাহরণ ২: মানুষের রক্তের স্বাভাবিক pH
ব্যাখ্যা: মানুষের রক্তের pH মান প্রায় ৭ দশমিক চার, যা নিরপেক্ষ মানের খুব কাছাকাছি কিন্তু সামান্য ক্ষারীয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬ — এই মানটি নির্দেশ করে দ্রবণটি সামান্য অম্লীয়, যা নিরপেক্ষ মানের চেয়ে কম।
B) ৭ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মানে হাইড্রোজেন আয়ন ও হাইড্রোক্সাইড আয়নের মাত্রা সমান থাকে।
C) ৮ — এই মানটি নির্দেশ করে দ্রবণটি মৃদু ক্ষারীয়, যা নিরপেক্ষ মানের চেয়ে বেশি।
D) ৯ — এই মানটি নির্দেশ করে দ্রবণটি মাঝারি ক্ষারীয়, যা নিরপেক্ষ অবস্থা থেকে দূরে অবস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- pH স্কেলের মাঝের সংখ্যা অর্থাৎ ৭ হলো নিরপেক্ষ, এর নিচে অম্ল এবং এর উপরে ক্ষার অবস্থান করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- BCS ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পানি, রক্ত বা লেবুর রসের pH মান কত তা জানতে চাওয়া হয়।
- pH এর মান ৭ এর কম হলে অম্লীয় এবং ৭ এর বেশি হলে ক্ষারীয় বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়।
সঠিক উত্তর: C) ১২০ দিন
১. কেন সঠিক:
- মানবদেহে লোহিত রক্তকণিকার গড় আয়ু প্রায় চার মাস বা ১২০ দিন।
- এই নির্দিষ্ট সময় পর প্লীহা লোহিত কণিকাগুলোকে ভেঙে ফেলে এবং নতুন কণিকা উৎপাদিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: লোহিত রক্তকণিকা বা এরিথ্রেসাইট হলো মেরুদণ্ডী প্রাণীর রক্তে অক্সিজেন পরিবহনের প্রধান বাহক।
- কার্যপ্রণালি: অস্থিমজ্জায় তৈরি হওয়ার পর এই কোষগুলো রক্তরসে মিশে সারা দেহে অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং বয়স বাড়লে প্লীহায় ধ্বংস হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানবদেহের রক্ত সঞ্চালন ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা: সুস্থ মানুষের রক্তে প্রতিদিন নতুন লোহিত কণিকা যুক্ত হয় এবং পুরনো কণিকা অপসারিত হয়।
উদাহরণ ২: পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের দেহ
ব্যাখ্যা: কম অক্সিজেনের কারণে তাদের দেহে লোহিত কণিকার সংখ্যা ও আয়ুষ্কালে পরিবর্তন দেখা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১১০ দিন — এটি লোহিত রক্তকণিকার সঠিক গড় আয়ুষ্কাল নয়।
B) ১১৫ দিন — এটি বিজ্ঞানসম্মতভাবে লোহিত রক্তকণিকার জীবনকাল হিসেবে স্বীকৃত নয়।
C) ১২০ দিন — এটি লোহিত রক্তকণিকার সঠিক ও প্রমিত আয়ুষ্কাল।
D) ১২৫ দিন — এই সময়সীমা লোহিত রক্তকণিকার স্বাভাবিক জীবনচক্রের চেয়ে বেশি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- লোহিত কণিকার আয়ু মনে রাখতে ১২০ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা চার মাসের সমান।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি মানবদেহ ও শারীরবৃত্ত অংশ থেকে প্রায়ই আসে।
- শ্বেত রক্তকণিকা ও অনুচক্রিকার আয়ু কত দিন, তা থেকেও প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) মেলাটোনিন
১. কেন সঠিক:
স্মার্টফোন বা ডিজিটাল স্ক্রিন থেকে নির্গত নীল আলো মস্তিষ্কের পিনিয়াল গ্রন্থিকে সংকেত দেয় যে এখনো দিন আছে, যার ফলে ঘুম নিয়ন্ত্রক হরমোনের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।
এই হরমোনের মাত্রা কমে যাওয়ার কারণে শরীরের স্বাভাবিক জৈবিক ঘড়ি বা সার্কাডিয়ান রিদম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় এবং ঘুম আসতে দেরি হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: মেলাটোনিন হলো মানুষের মস্তিষ্কের পিনিয়াল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত এমন একটি হরমোন যা অন্ধকার বা রাতের বেলা বেশি উৎপন্ন হয়ে ঘুম induce করে।
কার্যপ্রণালি: স্মার্টফোনের স্ক্রিনের High Energy Visible Blue light চোখের রেটিনার বিশেষ আলোকগ্রাহী কোষকে উদ্দীপিত করে এবং পিনিয়াল গ্রন্থিকে মেলাটোনিন তৈরি করতে বাধা দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঘুমানোর ঠিক আগ মুহূর্তে দীর্ঘক্ষণ মোবাইল স্ক্রিন ব্যবহার করলে চোখে ঝিমুনি ভাব আসতে দেরি হয় এবং গভীর ঘুম ব্যাহত হয়।
ব্যাখ্যা: নীল আলোর প্রভাবে মেলাটোনিন নিঃসরণ বন্ধ থাকায় মস্তিষ্ক তখনো জাগ্রত থাকার ভুল সংকেত পেতে থাকে।
উদাহরণ ২: সন্ধ্যার পর ঘরের হলুদ আলোর পরিবর্তে উজ্জ্বল নীল রঙের এলইডি বা স্ক্রিন ব্যবহার করলে পরবর্তীতে অনিদ্রা দেখা দেয়।
ব্যাখ্যা: নীল বর্ণালীর আলো মেলাটোনিন হরমোনের স্বাভাবিক উৎপাদন প্রক্রিয়াকে সাময়িকভাবে সম্পূর্ণ থামিয়ে দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডোপামিন — এটি মস্তিষ্কের এমন একটি নিউরোট্রান্সমিটার যা আনন্দ, প্রেরণা এবং পুরস্কারের অনুভূতির সঙ্গে বিশেষভাবে সম্পর্কিত।
B) ইনসুলিন — এটি অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত একটি হরমোন যা শরীরের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
C) কটিসল — এটি অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত স্ট্রেস হরমোন যা চাপ ও বিপাকীয় কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
D) মেলাটোনিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রাতের অন্ধকারে বা ঘুমের সময় নিঃসৃত হয়ে মানুষের ঘুমের চক্র নিয়ন্ত্রণ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
ঘুমানোর আগে মোবাইল স্ক্রিনের নীল আলো দেখলে মেলাটোনিন হরমোন মেলাতে পারে না অর্থাৎ ঘুম আসে না।
নীল আলোর প্রভাবে মেলাটোনিন উৎপাদন কমে যায়, এই সহজ সম্পর্কটি মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর ভুল হবে না।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মেলাটোনিন হরমোন উৎপন্ন হয় মস্তিষ্কের পিনিয়াল গ্রন্থি থেকে এবং এটি মানবদেহের জৈবিক ঘড়ি বা সার্কাডিয়ান রিদম নিয়ন্ত্রণ করে।
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে কোন হরমোনের অভাবে বা বাধায় মানুষের ঘুমের চক্র ব্যাহত হয়।
সঠিক উত্তর: C) মঙ্গোলিয়া
১. কেন সঠিক:
দূরপ্রাচ্য বা ফার ইস্ট বলতে এশিয়া মহাদেশের পূর্ব প্রান্তের দেশগুলোকে বোঝানো হয়।
মঙ্গোলিয়া পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত দেশ হওয়ায় এটি দূরপ্রাচ্যের অন্তর্ভুক্ত।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: মঙ্গোলিয়া পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত এবং এর উত্তরে রাশিয়া ও দক্ষিণে চীন রয়েছে।
বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের অন্যতম জনবিরল স্বাধীন দেশ এবং এর বেশিরভাগ অংশ উচ্চ মালভূমি ও তৃণভূমি দ্বারা গঠিত।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: জাপান
ব্যাখ্যা: জাপান এশিয়ার সর্বপূর্বের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এটিও দূরপ্রাচ্যের অন্যতম প্রধান দেশ।
উদাহরণ ২: চীন
ব্যাখ্যা: চীন পূর্ব এশিয়ার একটি বিশাল দেশ এবং ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে দূরপ্রাচ্যের ভূরাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়া মহাদেশে অবস্থিত এবং এটি দক্ষিণ গোলার্ধের একটি স্বাধীন রাষ্ট্র ও মহাদেশ।
B) নিউজিল্যান্ড — নিউজিল্যান্ড প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিমে ওশেনিয়া অঞ্চলে অবস্থিত একটি দ্বীপ দেশ।
C) মঙ্গোলিয়া — এটি সঠিক উত্তর।
D) আইসল্যান্ড — আইসল্যান্ড উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে ইউরোপের উত্তর প্রান্তে অবস্থিত একটি দ্বীপ দেশ।
৫ মনে রাখার টিপস:
মঙ্গোলিয়া মধ্য ও পূর্ব এশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ হলেও রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক শ্রেণিবিভাগে একে দূরপ্রাচ্যের দেশ হিসেবে গণ্য করা হয়।
এশিয়ার পূর্ব দিকের দেশগুলো যেমন চীন, জাপান, কোরিয়া এবং মঙ্গোলিয়ার নাম একসঙ্গে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আঞ্চলিক ভূগোলের দেশ বা মহাদেশ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
এই প্রশ্নটি থেকে দূরপ্রাচ্য অঞ্চলের দেশগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট হয়।
প্রশ্নের ধরন: বিশ্বের ভূগোল
সঠিক উত্তর: C) ইউরেনাস
১. কেন সঠিক:
- ইউরেনাস গ্রহের বায়ুমণ্ডলে মিথেন গ্যাসের আধিক্য থাকার কারণে এটি দূরবীন দিয়ে দেখলে সবুজ বা নীলচে-সবুজ রঙের দেখায়।
- মিথেন গ্যাস লাল আলো শোষণ করে এবং সবুজ ও নীল আলো প্রতিফলিত করে, যা এই অনন্য রঙের কারণ।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- বৈশিষ্ট্য: ইউরেনাস সৌরজগতের সপ্তম গ্রহ এবং এটি অন্যান্য গ্রহের মতো সোজাভাবে না থেকে সম্পূর্ণ পাশ ফিরে বা শুয়ে আবর্তিত হয়।
- সংশ্লিষ্ট তথ্য: ১৭৮১ সালে উইলিয়াম হারশেল টেলিস্কোপের মাধ্যমে এই গ্রহ আবিষ্কার করেন এবং এটি সৌরজগতের সবচেয়ে ঠান্ডা গ্রহগুলোর একটি।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: পৃথিবীর মহাসাগর
ব্যাখ্যা: মহাসাগরের জলরাশি ওপর থেকে নীল দেখায় কারণ জল মিথেন বা অন্যান্য উপাদানের পরিবর্তে সূর্যালোকের অন্য রঙ শোষণ করে নীল রঙ প্রতিফলিত করে।
উদাহরণ ২: নেপচুনের বায়ুমণ্ডল
ব্যাখ্যা: নেপচুনেও মিথেন গ্যাস রয়েছে, তবে এর বায়ুমণ্ডলীয় গঠন ও ঘনত্বের কারণে এটি গভীর নীল রঙের দেখায়, সবুজ নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেপচুন — এটি সৌরজগতের অষ্টম গ্রহ এবং মিথেন গ্যাসের কারণে এটি গাঢ় নীল রঙের দেখায়, তাই এটি সবুজ গ্রহ নয়।
B) প্লুটো — এটি একটি বামন গ্রহ এবং এর উপরিভাগ নাইট্রোজেন ও বরফে ঢাকা, যা ধূসর বা হালকা বাদামী রঙের।
D) বৃহস্পতি — এটি সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ এবং এর বায়ুমণ্ডলে অ্যামোনিয়া ও হাইড্রোজেন গ্যাসের মেঘের কারণে এটি কমলা ও সাদা ডোরাকাটা দেখায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইউরেনের নামের সঙ্গে ইউরেনিয়াম বা সবুজ পাতার মিল ধরে মনে রাখতে পারো যে মিথেনের রঙে ইউরেনাস হলো সবুজ গ্রহ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কোন গ্রহের বায়ুমণ্ডলে মিথেন গ্যাসের কারণে সবুজ দেখায় তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
একই ধারণা থেকে গ্রহের রঙ ও বায়ুমণ্ডলের উপাদান সম্পর্কিত অন্যান্য প্রশ্নও পরীক্ষাতে আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) ২৩ সেপ্টেম্বর
১. কেন সঠিক:
- এই দিনে সূর্য বিষুবরেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়।
- ফলে পৃথিবীর উভয় গোলার্ধে দিন ও রাত সমান অর্থাৎ বারো ঘণ্টা করে হয়।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখা অঞ্চল।
- বৈশিষ্ট্য: একে জলবিষুব বলা হয় কারণ এরপর উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে বসন্তকাল শুরু হয়।
- সংশ্লিষ্ট তথ্য: বছরের দু-বার দিন ও রাত সমান হয়, যার একটি ২১ মার্চ এবং অন্যটি ২৩ সেপ্টেম্বর।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
- উদাহরণ ১: ২১ মার্চ বসন্ত বিষুব।
- ব্যাখ্যা: এই দিনেও উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে দিন ও রাত সমান থাকে।
- উদাহরণ ২: ২৩ সেপ্টেম্বর জলবিষুব।
- ব্যাখ্যা: এই দিন থেকে উত্তর গোলার্ধে সূর্য দক্ষিণ দিকে হেলে পড়তে শুরু করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) ২২ সেপ্টেম্বর — এটি সঠিক তারিখ নয়।
- B) ২৩ সেপ্টেম্বর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
- C) ২১ সেপ্টেম্বর — এই তারিখে দিন ও রাত সমান হয় না।
- D) ২৪ সেপ্টেম্বর — এটি বিষুব বা দিন-রাত সমান হওয়ার তারিখ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মার্চ ও সেপ্টেম্বর মাসের একুশ বা তেইশ তারিখে দিন ও রাত সমান হয়।
- মনে রাখার সহজ উপায় হলো বিষুব মানে সমান দিন ও রাত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর এই দুটি দিনকে বিষুব বা ইকুইনক্স বলা হয়।
- বার্ষিক গতির ফলে পৃথিবীতে দিন ও রাত সমান হওয়ার ঘটনা ঘটে।
সঠিক উত্তর: D) আরবি
১. কেন সঠিক:
- তারিখ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। এটি মূলত আরবি ভাষা থেকে বাংলা শব্দভান্ডারে প্রবেশ করেছে।
- বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস বা আগন্তুক শব্দ থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ।
- বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি, ফারসি, ইংরেজি, তুর্কি, পর্তুগিজ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। প্রশাসন, ধর্ম, সংস্কৃতি এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা ক্ষেত্রে আরবি শব্দ বাংলায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আদালত
ব্যাখ্যা: আদালত শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি বিচারালয় অর্থে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: কলম
ব্যাখ্যা: কলম শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত একটি অতিপরিচিত নিত্যব্যবহার্য শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফারসি — তারিখ ফারসি ভাষার শব্দ নয়, তাই এটি ভুল। ফারসি শব্দের মধ্যে রয়েছে খাতা, চশমা ইত্যাদি।
B) ফরাসি — তারিখ ফরাসি ভাষার শব্দ নয়, তাই এটি ভুল। ফরাসি শব্দের মধ্যে রয়েছে কার্তুজ, রেস্তোরাঁ ইত্যাদি।
C) তুর্কি — তারিখ তুর্কি ভাষার শব্দ নয়, তাই এটি ভুল। তুর্কি শব্দের মধ্যে রয়েছে দারোগা, চাকু ইত্যাদি।
D) আরবি — এটি সঠিক কারণ তারিখ শব্দটি সরাসরি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
আইন, আদালত, মাস, বছর এবং দিন বা তারিখ সংক্রান্ত অনেক শব্দ আরবি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। এই নিয়মটি মনে রাখলে সহজে আরবি শব্দ চেনা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ভাষায় প্রচলিত আরবি শব্দগুলো প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। তাই ধর্ম, প্রশাসন ও আইনসংক্রান্ত বিদেশি শব্দগুলোর উৎস ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) মদনমোহন তর্কালঙ্কার
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত চরণ দুটি বাংলা শিশুসাহিত্যের অন্যতম আদি ও বিখ্যাত কবিতা প্রভাতবর্ণনা থেকে নেওয়া হয়েছে।
- নৈতিকতা শিক্ষা ও সৎপথে চলার বার্তা দিতে উনিশ শতকের গোড়ার দিকে এই কবিতাটি রচিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মদনমোহন তর্কালঙ্কার ছিলেন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের প্রখ্যাত বাঙালি শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজসংস্কারক।
- তাঁর রচিত শিশুশিক্ষামূলক গ্রন্থ শিসুশিক্ষা প্রথম ভাগ ও দ্বিতীয় ভাগ বাংলা শিক্ষাজগতে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল
ব্যাখ্যা: এটিও মদনমোহন তর্কালঙ্কারের প্রভাতবর্ণনা কবিতারই অন্য একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় পঙ্ক্তি।
উদাহরণ ২: ঘুম থেকে জেগে উঠে সকালবেলা সৎভাবে চলার শপথ নেওয়া
ব্যাখ্যা: শিশুদের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ ও চরিত্রগঠনের জন্য এই কবিতাটি যুগ যুগ ধরে পড়ানো হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শামসুর রাহমান — ইনি আধুনিক যুগের প্রখ্যাত কবি হলেও এই শিশুতোষ চরণের রচয়িতা নন।
B) জীবনানন্দ দাশ — ইনি আধুনিক যুগের রূপসী বাংলার কবি এবং এই কবিতার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
C) বুদ্ধদেব বসু — ইনি ত্রিশের দশকের আধুনিক কবি, প্রাবন্ধিক ও সাহিত্য সমালোচক যিনি এই পঙ্ক্তি রচনা করেননি।
D) মদনমোহন তর্কালঙ্কার — ইনি সঠিক উত্তর কারণ উনিশ শতকে শিশুদের জন্য লেখা তাঁর কবিতায় এই চরণ দুটি পাওয়া যায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে ভালো হওয়ার কথা বলেছেন শিশুদের প্রথম পাঠ্যবইয়ের লেখক মদনমোহন তর্কালঙ্কার।
শিশুশিক্ষা বইয়ের নাম মনে রাখলেই এই কবিতার রচয়িতাকে সহজে মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মদনমোহন তর্কালঙ্কারের লেখা প্রভাতবর্ণনা কবিতাটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উদ্ধৃতি হিসেবে আসে।
শিশুপাঠ্য ও নৈতিক শিক্ষামূলক রচনার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয়।
সঠিক উত্তর: B) উইলিয়াম কেরি
১. কেন সঠিক:
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এর বাংলা বিভাগ চালুর জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই বিভাগের প্রথম প্রধান অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন ব্রিটিশ পণ্ডিত উইলিয়াম কেরি।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১৮০০ সালের ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার পর বাংলা ভাষা চর্চার সূচনা ঘটে। উইলিয়াম কেরির নেতৃত্বে এই বিভাগে পন্ডিতদের সহায়তায় বহু গ্রন্থ রচিত ও অনূদিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উইলিয়াম কেরির রচিত গ্রন্থ কথোপকথন।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা গদ্যের বিকাশে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ যা কথ্য ভাষারীতিতে রচিত।
উদাহরণ ২: উইলিয়াম কেরির রচিত গ্রন্থ ইতিহাসমালা।
ব্যাখ্যা: এটি ১৮১২ সালে প্রকাশিত শিক্ষণীয় গল্পের একটি সংকলন যা বাংলা সাহিত্যের গদ্যরীতির একটি নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ছিলেন না, তবে তিনি উক্ত কলেজের একজন বিশিষ্ট প্রধান পণ্ডিত ছিলেন।
B) উইলিয়াম কেরি — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় তা প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক।
C) রামরায় বসু — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন পন্ডিত ও অনুবাদক ছিলেন, তবে বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ছিলেন না।
D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের সঙ্গে পরবর্তীতে যুক্ত ছিলেন এবং সংস্কৃত প্রেস ডিপার্টমেন্টের প্রধান ছিলেন, বাংলা বিভাগের প্রথম প্রধান নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রধান অধ্যাপক ও পন্ডিতদের মধ্যে গুলিয়ে ফেললে মনে রাখবে কেরিয় সাহেব ছিলেন বিভাগীয় প্রধান। আর মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার ছিলেন মূল প্রধান পণ্ডিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৮০০ সাল এবং এটি কলকাতার চালুবাজারে অবস্থিত ছিল।
সঠিক উত্তর: C) অন্যায়ের ফল অনিবার্য
১. কেন সঠিক:
- সঠিক বাক্যে অনিবার্য শব্দটি যথোপযুক্তভাবে ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ যা এড়ানো যায় না।
- অন্যায়ের পরিণতি যে নিশ্চিত বা অবধারিত, তা বোঝাতে অনিবার্য বিশেষণটি নির্ভুল ও প্রমিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাক্যশুদ্ধি বাংলা ব্যাকরণের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ যেখানে শব্দের অর্থ, প্রয়োগ ও ব্যাকরণগত যোগ্যতা বিচার করা হয়।
- বাক্যের পদগুলোর মধ্যে মিল, অর্থসংগতি ও ভাবগত প্রমিত রূপ রক্ষা করাই বাক্যশুদ্ধির মূল নিয়ম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়।
ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে প্রাকৃতিক সত্য ও শব্দের যথাযথ প্রয়োগ নিখুঁতভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
উদাহরণ ২: সততাই সর্বোত্তম পন্থা।
ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রবচনমূলক শুদ্ধ বাক্য যা চিরন্তন সত্য প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অন্যায়ের ফল আবশ্যক — আবশ্যক শব্দটি সাধারণত কোনো কাজের আবশ্যকতা বোঝাতে বসে, কর্মফলের ক্ষেত্রে অনিবার্য ব্যবহার প্রমিত।
B) বিধি লঙ্ঘন হয়েছে — এখানে বাক্যটিতে বিধির প্রয়োগ বা শব্দের বিন্যাসে সামান্য অসম্পূর্ণতা রয়েছে, প্রমিতরূপে বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে বলা ভালো।
C) অন্যায়ের ফল অনিবার্য — এটি সঠিক বাক্য এবং প্রশ্নের চাহিদাপূর্ণ উত্তর।
D) কোথায় আমরা একত্র হব? — এখানে শব্দের স্বাভাবিক পদক্রম বা অন্বয়গত ত্রুটি রয়েছে, শুদ্ধ রূপ হবে আমরা কোথায় একত্র হব।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যশুদ্ধি নির্ণয়ের সময় শব্দের অর্থ এবং তার প্রায়োগিক ক্ষেত্রটি ভালোভাবে মিলিয়ে দেখতে হবে।
- নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কোন শব্দটি সবচেয়ে মানানসই, তা নির্ধারণ করলেই শুদ্ধ বাক্য চেনা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রায় সমার্থক শব্দের সঠিক প্রয়োগ থেকে প্রশ্ন আসে।
- শব্দের অর্থগত সূক্ষ্ম পার্থক্য বুঝতে পারলে বাক্যশুদ্ধির যেকোনো প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
- এই গ্রন্থটি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাসের ওপর রচিত সবচেয়ে প্রামাণিক ও ঐতিহাসিক গবেষণাগ্রন্থ।
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১৯২৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জনের জন্য এই বিখ্যাত গবেষণাগ্রন্থটি প্রকাশ করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ছিলেন বিশ শতকের অন্যতম প্রধান ভারতীয় ভাষাতাত্ত্বিক, সাহিত্যিক ও গবেষক।
- এই গ্রন্থে তিনি প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার স্তর থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি এবং এর ক্রমবিকাশের ইতিহাস বিস্তারিতভাবে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে তুলে ধরেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর 'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত'
ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা ভাষার ইতিহাস ও উৎপত্তি নিয়ে রচিত আরেকটি বিখ্যাত এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: সুকুমার সেনের 'বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস'
ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্য গবেষকদের জন্য এটি একটি অপরিহার্য এবং প্রামাণিক গ্রন্থ যা সাহিত্যের কালক্রম নির্ধারণে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি বাংলা ভাষার উৎপত্তি নিয়ে গবেষণা করলেও আলোচ্য 'The Origin and Development of the Bangali Language' গ্রন্থটির রচয়িতা নন, বরং তার বিখ্যাত কাজ 'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত'।
B) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর সপক্ষে কোনো ভুল নেই।
C) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — তিনি চর্যাপদ আবিষ্কার ও প্রাচীন বাংলা সাহিত্য উদ্ধারের জন্য বিখ্যাত হলেও এই ভাষাতাত্ত্বিক গ্রন্থটি রচনা করেননি।
D) স্যার জর্জ গ্রiereson — তিনি 'Linguistic Survey of India' বা ভারতীয় ভাষা সার্ভে পরিচালনার জন্য পরিচিত হলেও এই বিশেষ গ্রন্থটির লেখক নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সুনীতি মানে নীতি বা নিয়ম, আর ভাষা উন্নয়নের সুনির্দিষ্ট নিয়ম বা ব্যাকরণ নিয়ে কাজ করেছিলেন সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।
- এভাবে মনে রাখতে পারেন যে ভাষার উৎপত্তি বা ডেভেলপমেন্ট নিয়ে প্রথম বড় কাজ করেছেন সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসলে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের এই গ্রন্থটির নাম সবচেয়ে বেশি আসে।
- ভাষাতত্ত্ব সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্ন সমাধানের সময় লেখক ও গ্রন্থের নাম আলাদা করে ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) আনন্দময়ীর আগমনে
১. কেন সঠিক:
ব্রিটিশ রাজশক্তি ও উপনিবেশবিরোধী লেখার কারণে কাজী নজরুল ইসলামের 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতাটি প্রথম বাজেয়াপ্ত করা হয়।
এই কবিতার মাধ্যমে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের শোষণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল এবং ভারতবাসীকে জাগিয়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়েছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর লেখনী ব্রিটিশদের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিল।
'আনন্দময়ীর আগমনে' একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক কবিতা যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত 'ধূমকেতু' পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের 'বিষের বাঁশী' কাব্যগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: ব্রিটিশ সরকার এই গ্রন্থটিও বাজেয়াপ্ত করেছিল কারণ এর ভেতরে থাকা কবিতাগুলোতে স্বাধীনতা ও বিপ্লবের বাণী প্রচার করা হয়েছিল।
উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের 'ভাঙার গান' কবিতা।
ব্যাখ্যা: এটিও একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতা যা পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার ডাক দিয়েছিল এবং তরুণ সমাজকে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিদ্রোহী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতা এবং 'অগ্নি-বীণা' কাব্যের অন্তর্গত হলেও এটি সরাসরি বাজেয়াপ্ত হওয়ার ইতিহাস নেই।
B) প্রলয়োল্লাস — এটি 'অগ্নি-বীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা এবং বিপ্লবের বাণী ধারণ করলেও এটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেনি।
C) কাঙালী হুঁশিয়ার — এটি কাজী নজরুল ইসলামের কোনো সর্বাধিক পরিচিত বা বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রধান সাহিত্যকর্ম নয়।
D) আনন্দময়ীর আগমনে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ব্রিটিশ সরকার রাজদ্রোহের অভিযোগে এই কবিতাটি ও এর সংকলন বাজেয়াপ্ত করেছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের যে রচনাগুলো বাজেয়াপ্ত হয়েছিল তা মনে রাখার জন্য 'আনন্দময়ীর আগমনে' একটি প্রধান কবিতা হিসেবে মনে রাখতে হবে।
ব্রিটিশরা দেবীর রূপকের আড়ালে করা এই রাজনৈতিক প্রতিবাদ সহ্য করতে পারেনি বলেই এটি নিষিদ্ধ হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কাজী নজরুল ইসলামের বাজেয়াপ্ত হওয়া গ্রন্থ ও কবিতার নাম জানতে চাওয়া হয়।
নজরুলের 'যুগবাণী', 'বিষের বাঁশী', 'ভাঙপ্রলয়' এবং 'চন্দ্রবিন্দু' বইগুলোও ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল।
সঠিক উত্তর: B) সবিতা
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি চাঁদের সমার্থক শব্দ নয় কারণ সবিতা শব্দের অর্থ সূর্য।
- প্রশ্নটিতে চাঁদের সমার্থক শব্দ কোনটি নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে এবং সবিতা শব্দটির অর্থ ভিন্ন হওয়ায় এটি সঠিক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যার অর্থ একই বা কাছাকাছি কিন্তু রূপ ভিন্ন।
- চন্দ্র বা চাঁদের অনেকগুলো সমার্থক শব্দ রয়েছে যেমন শশাঙ্ক, ইন্দু, চন্দ্র, সুধাংশু ইত্যাদি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য শব্দের সমার্থক শব্দ হলো সবিতা, রবি, দিবাকর, ভাস্কর ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো সরাসরি সূর্যের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: চন্দ্র শব্দের সমার্থক শব্দ হলো ইন্দু, শশাঙ্ক, শশী, নিশাকর ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো চাঁদের সমার্থক শব্দ হিসেবে বাংলা ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রজনীকান্ত — এটি চাঁদের একটি সমার্থক শব্দ কারণ রজনীর কান্ত বা পতি হলো চাঁদ।
B) সবিতা — এটি সূর্যের সমার্থক শব্দ, চাঁদের নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
C) শীতকর — এটি চাঁদের সমার্থক শব্দ কারণ চাঁদ শীতল রশ্মি বা কর বিতরণ করে।
D) ইন্দু — এটি চাঁদের অন্যতম একটি প্রাচীন ও পরিচিত সমার্থক শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সবিতা শব্দের সাথে রবি বা সূর্যের নাম মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে এটি সূর্যের সমার্থক।
- কর মানে রশ্মি, তাই শীতকর বা হিমকর হলো চাঁদ আর দিবাকর বা দিনকর হলো সূর্য।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চাঁদ এবং সূর্যের সমার্থক শব্দগুলো মিলিয়ে দিয়ে প্রশ্ন করা হয়।
- এই ধরনের প্রশ্নে শব্দের অংশ বিশেষ যেমন কর বা কান্ত অর্থ বুঝে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) লালসালু
১. কেন সঠিক:
- ‘Tree Without Roots’ হলো সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস ‘লালসালু’-র ইংরেজি অনুবাদ।
- লেখক নিজেই এই উপন্যাসটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন এবং ১৯৬১ সালে এটি প্রকাশিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত আধুনিক কথাশিল্পী ও ঔপন্যাসিক।
- ‘লালসালু’ উপন্যাসটি ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতার উপন্যাস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাটক ‘বহিপীর’।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদী ও উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি।
উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস ‘কাঁদো নদী কাঁদো’।
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা নদীকেন্দ্রিক মানুষের জীবন ও নিয়তি নিয়ে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লালসালু — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর ইংরেজি অনুবাদই হলো ‘Tree Without Roots’।
B) বিষবৃক্ষ — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, যার ইংরেজি অনুবাদ ভিন্ন নামে পরিচিত।
C) বিষাদ-সিন্ধু — এটি মীর মশাররফ হোসেনের ঐতিহাসিক শাহাদাতনামাভিত্তিক উপন্যাস, এর ইংরেজি অনুবাদ এই নামে নয়।
D) নীলদর্পণ — এটি দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত নাটক, যার ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং এর নাম ছিল ‘The Indigo Planting Mirror’।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ওয়ালীউল্লাহর রুট বা শিকড় নেই, তাই তার উপন্যাসের অনুবাদে রুট (Tree Without Roots) শব্দটি আছে। এভাবে সহজেই মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুবাদের নাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- মূল উপন্যাসের নাম এবং তার ইংরেজি অনুবাদের নাম আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো।
সঠিক উত্তর: B) মীর মোশাররফ হোসেন
১. কেন সঠিক:
- ‘এর উপায় কি?’ একটি বিখ্যাত প্রহসন যার রচয়িতা হলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রথিতযশা বাঙালি ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার মীর মোশাররফ হোসেন।
- এই প্রহসনের মাধ্যমে সমাজের তৎকালীন অসঙ্গতি, কুসংস্কার ও নানা ত্রুটি বিচ্যুতি হাস্যরসাত্মক ও ব্যঙ্গাত্মকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মীর মোশাররফ হোসেন বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের জন্য সর্বাধিক পরিচিত হলেও তিনি নাটক, প্রহসন ও প্রবন্ধ রচনাতেও বিশেষ মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন।
- তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য প্রহসনের মধ্যে ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ নাটকের আদলে সমাজের নানা দিক নিয়ে তিনি সাহিত্যকর্ম পরিচালনা করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মীর মোশাররফ হোসেন রচিত ‘বসন্ত কুমারী’ নাটকটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত নাটক।
ব্যাখ্যা: এই নাটকটির মাধ্যমে তিনি সাহিত্য অঙ্গনে নাট্যকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন ধারায় লেখালেখি করেন।
উদাহরণ ২: মীর মোশাররফ হোসেনের বিখ্যাত উপন্যাস ‘বিষাদ সিন্ধু’।
ব্যাখ্যা: এটি কারবালার ট্র্যাজেডি অবলম্বনে রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক উপন্যাস ও কালজয়ী সৃষ্টি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা নাটকে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও প্রহসন ধারার প্রবক্তা হলেও ‘এর উপায় কি?’ প্রহসনটি তাঁর লেখা নয়।
B) মীর মোশাররফ হোসেন — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি এই প্রহসনের রচয়িতা হিসেবে বাংলা সাহিত্যে পরিচিত।
C) কায়কোবাদ — তিনি মূলত মহাকাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত, যেমন মহাশ্মশান, কিন্তু তিনি কোনো প্রহসন রচনা করেননি।
D) মোতাহের হোসেন চৌধুরী — তিনি একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও শিক্ষক ছিলেন, যিনি মননশীল প্রবন্ধ রচনার জন্য পরিচিত হলেও প্রহসন লেখেননি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মীর মোশাররফ হোসেনের নাম মনে রাখার জন্য তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস বিষাদ সিন্ধু এবং প্রহসন ‘এর উপায় কি?’ একসাথে মিলিয়ে পড়া যেতে পারে।
- প্রহসন মানেই সমাজের ত্রুটি তুলে ধরা, আর সমাজের নানা দিক নিয়ে মীর মোশাররফ হোসেন কলম ধরেছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন লেখকের প্রথম নাটক বা প্রহসন সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- মীর মোশাররফ হোসেনের নাটক ও প্রহসনগুলোর নাম আলাদা করে নোট করে পড়া পরীক্ষার জন্য খুবই ফলদায়ক।
সঠিক উত্তর: B) বড় চণ্ডীদাস
১. কেন সঠিক:
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন চর্যাপদ হলেও, মধ্যযুগের মধ্যবিত্ত সমাজের মনন ও রাধা-কৃষ্ণের প্রেমভিত্তিক পদাবলীর সূচনা করেছিলেন বড় চণ্ডীদাস।
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস অনুযায়ী, মধ্যযুগের প্রথম কবি হিসেবে বড় চণ্ডীদাসকে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম ও সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য ধারার প্রবক্তা ধরা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বড় চণ্ডীদাস মধ্যযুগের অন্ধকার যুগের পরবর্তী সময়ের একজন অন্যতম প্রধান কবি এবং বৈষ্ণব পদাবলীর আদি কবি হিসেবে পরিচিত।
তার রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের এক যুগান্তকারী ও অমূল্য দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি বড় চণ্ডীদাসের ভনিতায় রচিত একটি প্রামাণ্য কাব্য।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যটি আবিষ্কৃত হওয়ার পর মধ্যযুগের ভাষার রূপ ও কাব্যের ধারা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেছে।
উদাহরণ ২: বড় চণ্ডীদাসের রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা বিষয়ক পদ বাংলা সাহিত্যে বৈষ্ণব পদাবলীর সূচনা করে।
ব্যাখ্যা: এই ধারাটি পরবর্তীতে শ্রীচৈতন্যদেব ও অন্যান্য বৈষ্ণব কবিদের ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিদ্যাপতি — বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষার কবি হলেও বাংলা পদাবলীতে তার বিশাল অবদান রয়েছে, তবে তিনি মধ্যযুগের প্রথম কবি নন।
B) বড় চণ্ডীদাস — প্রদত্ত সঠিক উত্তর।
C) দ্বিজ রামদেব — দ্বিজ রামদেব মধ্যযুগের একজন পরবর্তী সময়ের কবি, তিনি মধ্যযুগের সূচনা পর্বের কবি নন।
D) মালাধর বসু — মালাধর বসু শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্যের রচয়িতা এবং তিনি গুণরাজ খান উপাধি পেয়েছিলেন, তবে তিনি মধ্যযুগের প্রথম কবি নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
মধ্যযুগের প্রথম কবি মনে রাখতে চণ্ডীদাসের নাম মনে রাখবে কারণ তিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের মাধ্যমে যুগের সূচনা করেছিলেন।
আদি নিদর্শন চর্যাপদ হলেও মধ্যযুগের সাহিত্যিক কবি হিসেবে বড় চণ্ডীদাসের নাম সবার আগে আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের প্রথম নির্দশন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন এবং এর রচয়িতা বড় চণ্ডীদাস সম্পর্কিত প্রশ্ন বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
চর্যাপদ প্রাচীন যুগের এবং শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ও বড় চণ্ডীদাস মধ্যযুগের প্রথম পর্বের অংশ, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সুক্ষ্ম
১. কেন সঠিক:
প্রদত্ত প্রশ্নটি বাংলা ব্যাকরণের শুদ্ধ বানান অংশের অন্তর্ভুক্ত। এখানে বানানটি মূলত ভুল রয়েছে কারণ বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সূক্ষ্ম বানানে উ-কার ও মূর্ধন্য-ষ যুক্ত হয়ে থাকে।
বাংলা ভাষার বানান নিয়মে অনেক সময় তৎসম শব্দের মূল বানান অপরিবর্তিত থাকে এবং সঠিক উচ্চারণের জন্য সঠিক বর্ণ নির্বাচন জরুরি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে মূর্ধন্য-ষ ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে যেমন ই-কার বা উ-কারান্ত উপসর্গের পর ক ষ প ব ম থাকলে মূর্ধন্য-ষ হয়।
সূক্ষ্ম শব্দের সঠিক বানান হলো সূক্ষ্ম যেখানে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ-উ কার এবং ষ-এর নিচে ম যুক্ত বর্ণ হিসেবে বসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুহূর্ত
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম শব্দ যার সঠিক বানানে হ-এ দীর্ঘু-কার ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: সান্ত্বনা
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে বানানের সঠিক রূপ বজায় রাখতে খণ্ড ত ও ব-ফলা ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুক্ষ্ম — প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হলেও প্রকৃত প্রমিত বানানে দীর্ঘ-উ কার ব্যবহার করা হয়।
B) সূচি — এই অপশনটি একটি ভিন্ন শব্দ প্রকাশ করে যার অর্থ তালিকা বা সূচিপত্র এবং এটি প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক নয়।
C) স্বাতন্ত্র — এই বানানটি ভুল কারণ এর সঠিক রূপ হলো স্বাতন্ত্র্য যেখানে অন্তস্থ অ-এর সঙ্গে য-ফলা যুক্ত থাকে।
D) মুহূর্ত — এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও এটি মূল প্রশ্নের কাঙ্ক্ষিত উত্তরের বিকল্প হিসেবে নির্ধারিত হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
শুদ্ধ বানান মনে রাখার জন্য বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানের নিয়ম নিয়মিত চর্চা করতে হবে।
নিয়মগুলোর ক্ষেত্রে তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের বানান আলাদা করে খেয়াল রাখা উচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বানানের নিয়মের ব্যতিক্রম থেকে প্রশ্ন আসে।
নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ধরনের বানান সহজেই আয়ত্ত করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) বক্র
১. কেন সঠিক:
- ‘ক্ষুজ’ শব্দটির অর্থ কুঁজো বা বাঁকা, যার সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো ‘বক্র’ অর্থাৎ যা সোজাসুজি নয় বা বাঁকানো।
- বাংলা ব্যাকরণে বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থের গভীরতা এবং উৎসের মিল রাখতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিপরীত শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে তাদের উৎস অনুযায়ী বিপরীত শব্দ ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উর্ধব — অধম
ব্যাখ্যা: উর্ধব শব্দের অর্থ যা উপরে অবস্থিত এবং এর বিপরীত শব্দ অধম যা নিচে বোঝায়।
উদাহরণ ২: উন্নত — অবনত
ব্যাখ্যা: উন্নত শব্দের অর্থ উঁচুতে অবস্থিত এবং অবনত শব্দের অর্থ নিচু বা মাথা নিচু করা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধীর — ধীর শব্দের অর্থ শান্ত বা মন্থর, যা ক্ষুজ শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
B) সোজা — সোজা শব্দটি সরল বা ঋজু শব্দের বিপরীত হতে পারে, তবে ব্যাকরণগতভাবে এটি উপযুক্ত নয়।
C) সরল — সরল শব্দের অর্থ সোজা বা জটিলতাহীন, যা বক্র শব্দের বিপরীত হিসেবে বেশি উপযুক্ত।
D) বক্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ক্ষুজ শব্দের বিপরীত অর্থ বহন করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাঁকা জাতীয় শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে বক্র বা ঋজু শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
- বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার সময় মূল শব্দের অর্থ ভালোভাবে জেনে নেওয়া উচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- শব্দের অর্থ পরিষ্কার থাকলে বিপরীত শব্দ নির্ণয় করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) সবুজপত্র
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যে সাধু ভাষার কৃত্রিমতা দূর করে কথ্যরীতির বা চলিতরীতির সার্থক প্রচলন ও প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ১৯১৪ সালে প্রকাশিত সবুজপত্র পত্রিকার অবদান সবচেয়ে বেশি। প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত এই পত্রিকা বাংলা গদ্যে এক নতুন বিপ্লব ঘটিয়েছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সবুজপত্র বাংলা সাহিত্যর চলিতীতির প্রবর্তক ও বাহক হিসেবে পরিচিত এবং এর মূল চালিকাশক্তি ছিলেন প্রমথ চৌধুরী যিনি বীরবল ছদ্মনামে লিখতেন। এই পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর চলিতীতিতে লেখা বিভিন্ন গল্প ও প্রবন্ধ প্রকাশ করে এই রীতির আন্দোলনকে সফল করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ সংকলন তৈলকথা ও বীরবলের হালখাতা।
ব্যাখ্যা: এই রচনাগুলো চলিত বা কথ্যরীতির সার্থক প্রয়োগের অনন্য নিদর্শন।
উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চলিতরীতির উপন্যাস যোগাযোগ ও শেষের কবিতা।
ব্যাখ্যা: সবুজপত্র পত্রিকার প্রভাবে রবীন্দ্রনাথ তাঁর গদ্য ও উপন্যাসে চলিতরীতির সফল ব্যবহার করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কল্লোল — কল্লোল পত্রিকা ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতা ও রোমান্টিকতার বার্তা নিয়ে এসেছিল কিন্তু কথ্যরীতির প্রচলনের মূল বাহক এটি নয়।
B) সবুজপত্র — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং কথ্যরীতির প্রচলনে এর অবদান সর্বস্বীকৃত।
C) কালিকলম — কালিকলম পত্রিকা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি কল্লোল যুগের সমসাময়িক একটি সাহিত্য পত্রিকা যা বাস্তবধর্মী সাহিত্য চর্চার জন্য পরিচিত।
D) বঙ্গদর্শন — বঙ্গদর্শন ১৮৭২ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় এবং এটি মূলত সাধু ভাষার বিকাশ ও মানোন্নয়নে প্রধান ভূমিকা রেখেছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
সবুজ পাতা বা সবুজপত্র দেখলে চলিত ভাষা বা কথ্যরীতির কথা মনে রাখবে কারণ প্রমথ চৌধুরী সবুজপত্র পত্রিকার মাধ্যমে চলিত রীতির সূচনা করেছিলেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সবুজপত্র পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালে এবং এর সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে চলিত রীতির প্রবর্তক কে অথবা কোন পত্রিকার অবদান বেশি।
সঠিক উত্তর: C) সপ্তদশ
১. কেন সঠিক:
মহাকবি আলাওল সপ্তদশ শতকের মধ্যভাগে বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য সর্বাধিক পরিচিত।
তিনি এই শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি এবং তার অমর সৃষ্টি পদ্মাবতী এই শতকেই রচিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
আলাওল আরাকান রাজসভার অন্যতম প্রধান ও খ্যাতিমান বাঙালি কবি ছিলেন।
তিনি সপ্তদশ শতকের মধ্যভাগে রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রতিনিধি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দৌলত কাজী
ব্যাখ্যা: দৌলত কাজীও সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজসভার অপর একজন প্রখ্যাত কবি ছিলেন যিনি সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্য রচনা করেন।
উদাহরণ ২: সৈয়দ আলাওল রচিত পদ্মাবতী
ব্যাখ্যা: সৈয়দ আলাওলের পদ্মাবতী কাব্যটি সপ্তদশ শতকে রচিত বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের একটি অত্যন্ত মূল্যবান সম্পদ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পঞ্চদশ — পঞ্চদশ শতকে মালাধর বসু ও শ্রীকর নন্দী বিখ্যাত ছিলেন, আলাওল নন।
B) ষোড়শ — ষোড়শ শতকে শ্রীচৈতন্যদেব ও কবিকঙ্কন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী আবির্ভূত হয়েছিলেন।
D) অষ্টাদশ — অষ্টাদশ শতকে ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর ও রামপ্রসাদ সেনের মতো কবিরা সাহিত্যচর্চা করেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
সৈয়দ আলাওল ছিলেন মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার কবি এবং তার সময়কাল ছিল সপ্তদশ শতক।
আলাওলের নাম দেখলেই সপ্তদশ শতকের কথা মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
আলাওলের সর্বশ্রেষ্ঠ কাব্য পদ্মাবতী এবং এটি মালিক মোহাম্মদ জায়সির পদুমাবত অবলম্বনে রচিত।
মধ্যযুগের রাজসভার কবিদের শতক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে আরাকান রাজসভার সময়কাল ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) রূপবাচক
১. কেন সঠিক:
বিশেষণের যে শ্রেণিবিভাগ কোনো বস্তু বা ব্যক্তির বাহ্যিক রূপ, আকૃતિ বা রঙের প্রকাশ ঘটায়, তাকে রূপবাচক বিশেষণ বলে।
এখানে 'নীল' শব্দটি আকাশ বিশেষ্যের একটি নির্দিষ্ট রঙ বা রূপ নির্দেশ করছে বলে এটি রূপবাচক বিশেষণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যে পদ বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ বা রূপ প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণ পদ বলে।
রূপবাচক বিশেষণ মূলত কোনো কিছুর বর্ণ বা রঙের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে, যা দৃশ্যমান রূপের পরিচয় দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাঁচা আম
ব্যাখ্যা: এখানে 'কাঁচা' শব্দটি আমের একটি নির্দিষ্ট অবস্থা বা রূপ প্রকাশ করায় এটি অবস্থাবাচক বা রূপবাচক বিশেষণের আওতাভুক্ত হয়।
উদাহরণ ২: লাল গোলাপ
ব্যাখ্যা: এখানে 'লাল' শব্দটি গোলাপের রঙ বা রূপ প্রকাশ করছে, যা রূপবাচক বিশেষণের চমৎকার একটি উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অবস্থাবাচক — এই অপশনটি ভুল কারণ অবস্থাবাচক বিশেষণ কোনো বস্তু বা ব্যক্তির কার্যকাল, অবস্থা বা ভাব বুঝায়, রঙ বুঝায় না।
B) রূপবাচক — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সরাসরি আকাশের রঙ বা রূপ নির্দেশ করেছে।
C) গুণবাচক — এই অপশনটি ভুল কারণ গুণবাচক বিশেষণ কোনো কিছুর ভেতরকার ভালো বা মন্দ গুণ প্রকাশ করে, বাহ্যিক রঙ নয়।
D) পরিমাপবাচক — এই অপশনটি ভুল কারণ পরিমাপবাচক বিশেষণ কোনো কিছুর পরিমাণ, ওজন বা পরিমাপ নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
রঙ বা বর্ণের নাম বোঝালেই তা সাধারণত রূপবাচক বিশেষণ হিসেবে গণ্য হয়।
পরীক্ষায় কোনো বস্তুর রঙ থাকলেই চোখ বন্ধ করে রূপবাচক বিশেষণ নির্বাচন করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ব্যাকরণে পদের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
বিশেষণের প্রকারভেদ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে পারলে এই অধ্যায়ের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর সহজে করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
- এই বিখ্যাত চরণটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি জনপ্রিয় গান থেকে গৃহীত হয়েছে।
- গানটি বাংলা সাহিত্যের গান ধারার অন্তর্ভুক্ত এবং এটি মানুষের সমতা ও আনন্দের বাণী প্রচার করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য প্রতিভা এবং নোবেলজয়ী সাহিত্যিক।
- এই গানটি তাঁর গীতবিতান গ্রন্থের পূজা বা স্বরলিপি পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত একটি অত্যন্ত পরিচিত সৃষ্টি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত যা তাঁর স্বদেশের প্রতি প্রেমের প্রকাশ।
উদাহরণ ২: আজি দখল দুয়ারে খোলে
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপর একটি বিখ্যাত ঋতুভিত্তিক গান যা প্রকৃতির রূপ ফুটিয়ে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — এই চরণটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের কোনো গান বা কবিতার অংশ নয়। দ্বিজেন্দ্রলাল রায় মূলত দেশাত্মবোধক গানের জন্য বিখ্যাত।
B) রজনীকান্ত — এই চরণটি কান্তকবি রজনীকান্ত সেনের লেখা নয়। তাঁর বিখ্যাত গান হলো শেষের সে দিন ভয় কেন তোর।
D) অতুল প্রসাদ সেন — এই চরণটি অতুল প্রসাদ সেনের রচিত কোনো গান নয়। তাঁর বিখ্যাত গান মোদের গরব মোদের আশা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রাজা ও রাজত্ব সম্পর্কিত জনপ্রিয় দার্শনিক গানগুলোর বেশিরভাগই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা।
- রবীন্দ্রনাথের গান চেনার জন্য তাঁর বিশ্বজনীন মানবতাবাদের সুরটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় বিখ্যাত গান ও কবিতার চরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- চরণভিত্তিক প্রশ্ন উত্তরের সময় কবির লেখার মূল সুর ও বিষয়বস্তু খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সংস্কৃত
১. কেন সঠিক:
- ‘ব্যাকরণ’ শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি তৎসম শব্দ।
- শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থ হলো বিশেষভাবে বিশ্লেষণ বা বিশেষভাবে যা গঠিত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে শাস্ত্রে ভাষার বিভিন্ন উপাদানের গঠন, প্রকৃতি ও পারস্পরিক সম্পর্কের নিখুঁত বিশ্লেষণ করা হয় তাকে ব্যাকরণ বলে।
- উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকাশ
ব্যাখ্যা: এটি একটি সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ যা সরাসরি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: চন্দ্র
ব্যাখ্যা: এটিও সংস্কৃত ভাষার শব্দ এবং ব্যাকরণগত দিক থেকে তৎসম শব্দের অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংস্কৃত — এটি সঠিক কারণ ব্যাকরণ শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
B) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে যে শব্দগুলো বাংলায় এসেছে সেগুলোকে হিন্দি বা হিন্দুস্তানি শব্দ বলা হয়, ব্যাকরণ হিন্দি শব্দ নয়।
C) ইংরেজি — ইংরেজি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোকে বিদেশি বা ইংরেজি শব্দ বলা হয়, ব্যাকরণ ইংরেজি শব্দ নয়।
D) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে বিভিন্ন ব্যবহারের বস্তুবাচক শব্দ বাংলায় প্রবেশ করেছে, ব্যাকরণ পর্তুগিজ শব্দ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- যে শব্দগুলোতে ঋ-কার বা যুক্তাক্ষর বেশি থাকে এবং শাস্ত্রীয় বা প্রাতিষ্ঠানিক অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোর বেশিরভাগই সংস্কৃত শব্দ।
- ব্যাকরণ শব্দটি শাস্ত্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক হওয়ায় এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস বা উৎপত্তি প্রায়ই আসে।
- ভাষা, ব্যাকরণ, পুস্তক এই জাতীয় প্রাতিষ্ঠানিক শব্দগুলো সাধারণত সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ হয়ে থাকে।
সঠিক উত্তর: C) প্রতি+আবর্তন
১. কেন সঠিক:
- প্রতি এবং আবর্তন শব্দ দুটি মিলে প্রত্যাবর্তন গঠিত হয়েছে। এখানে প্রথম শব্দের শেষে থাকা ই কার এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে থাকা আ কার মিলে য ফলা এবং আ কার অর্থাৎ যা হয়েছে।
- স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী ই কারের পর ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে ই কার বা ঈ কারের স্থানে য ফলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ই কার বা ঈ কারের পর ই বা ঈ ভিন্ন অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে ই কার বা ঈ কারের জায়গায় য ফলা হয় এবং পরবর্তী স্বরধ্বনিটি য ফলার সঙ্গে যুক্ত হয়।
- প্র + তি (এখানে তি এর ই) যোগ আবর্তন (আ) মিলে প্র + ত্য + আবর্তন অর্থাৎ প্রত্যাবর্তন হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যদি + আপনি = যদ্যপি
ব্যাখ্যা: ই কারের পর আ স্বরধ্বনি থাকায় ই কারের স্থানে য ফলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: নদী + উদক = নদ্যুদক
ব্যাখ্যা: ঈ কারের পর উ স্বরধ্বনি থাকায় ঈ কারের স্থানে য ফলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রতি+ববর্তন — এখানে দ্বিতীয় অংশ ববর্তন কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ নয় তাই এটি ভুল।
B) প্রত্যা+বর্তন — প্রত্যা কোনো উপসর্গ বা সঠিক শব্দাংশ নয় তাই সন্ধিটি ব্যাকরণসিদ্ধ নয়।
D) প্রতিঃ+আবর্তন — এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়ম নয় কারণ প্রতি একটি অব্যয় পদ এবং এখানে বিসর্গ নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জ ফলাযুক্ত সন্ধির ক্ষেত্রে প্রথম শব্দের শেষে ই কার থাকলে এবং পরের শব্দ আ দিয়ে শুরু হলে প্রতি যোগ আবর্তন নিয়মে ফেলতে হবে।
- প্রতি শব্দের তি এর ই কার এবং আবর্তনের আ মিলে ত্য গঠিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বরসন্ধির এই নিয়মটি প্রায়ই আসে।
- প্রতি যোগে গঠিত অন্যান্য সন্ধি যেমন প্রতি যোগ এক = প্রত্যেক, প্রতি যোগ আশ = প্রত্যাশা ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) গৃহে স্থিতি যার
১. কেন সঠিক:
- 'গার্হস্থ্য' একটি তদ্ধিতান্ত শব্দ, যা গৃহ শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে এবং এটি অলুক ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানে ব্যাসবাক্য হিসেবে 'গৃহে স্থিতি যার' সঠিক কারণ এটি গৃহস্থ বা গৃহসংক্রান্ত অবস্থাকে বোঝাতে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম অনুসরণ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ।
- ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে পূর্বপদের ষষ্ঠী বিভক্তি (এর, র) লোপ পায়, তবে অলুক সমাসে বিভক্তি লোপ পায় না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বনে বাস যার = বনবাস
ব্যাখ্যা: এটি সাধারণ মধ্যপদলোপী বা সপ্তমী তৎপুরুষ সমাসের নিয়মে সাধিত হয়।
উদাহরণ ২: মনে জন্মে যা = মনোজ
ব্যাখ্যা: এটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের একটি সুন্দর উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গৃহে থাকেন যিনি — এই ব্যাসবাক্যটি উপপদ তৎপুরুষ বা অন্য কোনো পদের জন্য প্রযোজ্য হতে পারে, তবে 'গার্হস্থ্য' শব্দের সঠিক ভাব প্রকাশ করে না।
B) গৃহে স্থিত যে — এখানে 'যে' পদের ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে এই বিশেষ পদের জন্য প্রযোজ্য নয়।
D) গৃহে আশ্রিত যে — এটি আশ্রিত অর্থে ভিন্ন কোনো সমাসের ব্যাসবাক্য হতে পারে, কিন্তু 'গার্হস্থ্য' শব্দের মূল অর্থের সঙ্গে মিলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ চেনার জন্য শব্দের মূল প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের সম্পর্ক ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
- সমাসের ব্যাসবাক্য নির্ণয়ের সময় পদের বিভক্তি ও অর্থের সঙ্গতি রক্ষা করতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ধিত প্রত্যয় ও তৎপুরুষ সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- শব্দের অর্থ ও ব্যাকরণগত কাঠামো বিশ্লেষণ করে সঠিক ব্যাসবাক্য নির্বাচন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) ধানখেত
১. কেন সঠিক:
- ধানখেত হলো বাংলাদেশের পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
- পল্লী প্রকৃতির রূপ ও গ্রামীণ মানুষের জীবনচিত্র এই রচনার মূল বিষয়বস্তু।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জসীমউদ্দীন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম প্রধান বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক।
- নকশী কাঁথার মাঠ ও সুচয়নী তার অমর সৃষ্টি যা পল্লী সাহিত্যের অনন্য নিদর্শন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নকশী কাঁথার মাঠ
ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত কাহিনী কাব্য যা গ্রামীণ লোকসংস্কৃতির ওপর রচিত।
উদাহরণ ২: সোজন বাঢিয়ার ঘাট
ব্যাখ্যা: এটি তার আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা বাংলার গ্রামীণ জীবন ও প্রেমের প্রতীক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধানখেত — এটি জসীমউদ্দীনের রচনা এবং সঠিক উত্তর।
B) বরাপালক — এটি জসীমউদ্দীনের কোনো পরিচিত সাহিত্যকর্ম বা গ্রন্থ নয়।
C) তাসের দেশ — এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত নাটক ও নৃত্যনাট্য।
D) মায়া কাজল — এটি কবি জসীমউদ্দীনের কোনো মৌলিক কাব্যগ্রন্থ বা নাটক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জসীমউদ্দীনের কাব্যের নামে প্রায়ই গ্রামীণ প্রকৃতি ও কৃষিসংস্কৃতির ছাপ থাকে যেমন ধানখেত।
- রবীন্দ্রনাথের রূপক নাটক মনে রাখতে তাসের দেশ নামটি আলাদা করে পড়তে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত জসীমউদ্দীনের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম এবং প্রকাশকাল ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
- অন্য লেখকদের বিখ্যাত নাটক ও কাব্যগ্রন্থের সঙ্গে জসীমউদ্দীনের রচনা গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- 'সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত' উক্তিটি প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত 'শিক্ষার ফল' প্রবন্ধ থেকে নেওয়া হয়েছে।
- প্রবন্ধকার এই উক্তির মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছেন যে প্রকৃত শিক্ষা লাভের জন্য মানুষের নিজের প্রচেষ্টা ও আগ্রহই সবচেয়ে বড় মাধ্যম।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবক্তা এবং বীরবল ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন।
- তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'বীরবলের হালখাতা', 'তেল তেলোচক', 'সোনাইর দেশ' ইত্যাদি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ 'বইপড়া'।
ব্যাখ্যা: এই প্রবন্ধে তিনি মানুষের জীবনে বই পড়ার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন।
উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদিত পত্রিকা 'সবুজপত্র'।
ব্যাখ্যা: ১৯১৪ সালে প্রকাশিত এই পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতি চালুর ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী আব্দুল ওদুদ — তিনি বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের একজন বিশিষ্ট লেখক হলেও এই বিখ্যাত উক্তিটি তাঁর নয়।
B) প্রমথ চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক এবং উক্তিটি তাঁর 'শিক্ষার ফল' প্রবন্ধের অন্তর্গত।
C) কামিনী রায় — তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক, যাঁর বিখ্যাত কবিতার লাইন হলো 'সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে'।
D) আবুল ফজল — তিনি সমকালীন একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবী হলেও এই উক্তিটির রচয়িতা নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শিক্ষা ও স্বশিক্ষার কথা এলেই প্রমথ চৌধুরীর বীরবল রূপটি মনে রাখতে পারো।
- চলিত রীতির প্রবক্তা প্রমথ চৌধুরী শিক্ষা নিয়ে নানা প্রাবন্ধিক ভাবনা প্রকাশ করেছেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ এবং বিখ্যাত উদ্ধৃতি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- তাঁর ছদ্মনাম 'বীরবল' এবং সম্পাদিত পত্রিকা 'সবুজপত্র' অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
সঠিক উত্তর: A) ১টি
১. কেন সঠিক:
বাংলা বর্ণমালায় অর্ধ-মাত্রার মোট বর্ণ আটটি। এর মধ্যে স্বরবর্ণে অর্ধ-মাত্রার বর্ণ মাত্র একটি এবং ব্যঞ্জনবর্ণে অর্ধ-মাত্রার বর্ণ সাতটি।
স্বরবর্ণে যে বর্ণটির উপরে সম্পূর্ণ মাত্রা না থেকে শুধু আংশিক বা অর্ধমাত্রা থাকে, তা হলো ঋ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালার স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণগুলোকে মাত্রার ওপর ভিত্তি করে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো পূর্ণমাত্রার বর্ণ, অর্ধমাত্রার বর্ণ এবং মাত্রাহীন বর্ণ।
মাত্রা বলতে বর্ণের ওপরের রেখাংশকে বোঝায়, যা লেখার সময় কাগজের টানের ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঋ
ব্যাখ্যা: ঋ স্বরবর্ণের একমাত্র অর্ধ-মাত্রাযুক্ত বর্ণ, যার ওপরে সম্পূর্ণ মাত্রা না থেকে আংশিক মাত্রা থাকে।
উদাহরণ ২: খ
ব্যাখ্যা: খ ব্যঞ্জনবর্ণের একটি অর্ধ-মাত্রাযুক্ত বর্ণ, যা ব্যঞ্জনবর্ণের সাতটি অর্ধ-মাত্রার একটি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১টি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলা স্বরবর্ণে অর্ধ-মাত্রাযুক্ত বর্ণ কেবল একটি রয়েছে এবং তা হলো ঋ।
B) ২টি — এই অপশনটি ভুল কারণ স্বরবর্ণে দুটি অর্ধ-মাত্রাযুক্ত বর্ণ নেই, মোট বর্ণ একটি।
C) ৩টি — এই অপশনটি ভুল কারণ স্বরবর্ণে তিনটি অর্ধ-মাত্রাযুক্ত বর্ণ থাকার কোনো তথ্য ব্যাকরণে নেই।
D) ৪টি — এই অপশনটি ভুল কারণ স্বরবর্ণে চারটি অর্ধ-মাত্রাযুক্ত বর্ণ নেই, সংখ্যাটি ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
স্বরবর্ণে অর্ধ-মাত্রার বর্ণ মনে রাখার সহজ উপায় হলো শুধু একটিমাত্র স্বরবর্ণ মনে রাখা, আর তা হলো ঋ।
পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা এবং মাত্রাহীন বর্ণের মোট সংখ্যা যথাক্রমে ৩২টি, ৮টি এবং ১০টি মনে রাখতে পারেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা এবং মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
বর্ণের এই সংখ্যাগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে ধ্বনি ও বর্ণ সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর সহজে করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
১. কেন সঠিক:
- 'নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?' এটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের বিখ্যাত অন্নদামঙ্গল কাব্যের একটি বহুল ব্যবহৃত প্রবাদপ্রতিম চরণ।
- এর অর্থ হলো বড় কোনো বিপদ বা দুর্যোগ ঘটলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি প্রভাবশালী বা পবিত্র স্থানও রক্ষা পায় না।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর অষ্টাদশ শতকের মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং নদীয়া জেলার পেকুরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভার কবি ছিলেন এবং তাকে রাজসভা থেকে রায়গুণাকর উপাধি দেওয়া হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অপরে বিপদে পড়লে নিজে নিরাপদ থাকা যায় না।
ব্যাখ্যা: এই ভাবটি বোঝাতেই নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায় প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: বড়র পিরীতি বালির বাঁধ।
ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের সাহিত্যে ব্যবহৃত একটি জনপ্রিয় প্রবাদ যা অস্হায়ী সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রূপরাম চক্রবর্তী — তিনি ধর্মমঙ্গল কাব্যের একজন বিখ্যাত কবি, তবে এই চরণটি তার নয়।
B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — তিনি আধুনিক যুগের কবি ও সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক, কিন্তু এই চরণটি তার রচিত নয়।
C) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — তিনি ষোড়শ শতকের চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের বিখ্যাত কবি, তবে এই পংক্তিটি তার চণ্ডীমঙ্গলের অংশ নয়।
D) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর — এই অপশনটি সঠিক কারণ চরণটি তার রচিত অন্নদামঙ্গল কাব্য থেকে সংগৃহীত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দেবালয় এবং অন্নদামঙ্গল কাব্যের কবি ভারতচন্দ্র রায় এভাবে মনে রাখতে পারো যে দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচারে তিনি ছিলেন অনন্য।
- অষ্টাদশ শতকের এই কবির কাব্যের লাইনগুলো প্রবাদের মতো সমাজে প্রচলিত আছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কবিদের বিখ্যাত পংক্তি প্রায়ই আসে।
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের অন্নদামঙ্গল কাব্য এবং তার অন্যান্য বিখ্যাত পংক্তি যেমন আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।
সঠিক উত্তর: D) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
১. কেন সঠিক:
চর্যাপদের ভাষা তৎকালীন সময়ে পুরোপুরি বোধগম্য ছিল না বলে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী একে 'আলো-আঁধারি' বা সন্ধ্যা ভাষা বলে অভিহিত করেছেন।
এই ভাষার রূপ এমন ছিল যার আংশিক অর্থ বোঝা যায় এবং আংশিক অর্থ অস্পষ্ট থাকে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন।
১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে তিনি চর্যাপদ গ্রন্থটি প্রকাশ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদের ভাষা সম্পর্কে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বলেছেন এটি প্রাচীন বাংলা।
ব্যাখ্যা: তিনি বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেন চর্যাপদের ভাষা মূলত প্রাচীন বাংলা ভাষার রূপ।
উদাহরণ ২: ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের ভাষা বঙ্গকামরূপী।
ব্যাখ্যা: তিনি মনে করেন চর্যাপদের ভাষা বাংলা, অসমিয়া ও ওড়িয়া ভাষার কাছাকাছি কোনো প্রাচীন রূপ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এনামুল হক — তিনি চর্যাপদের ভাষা আবিষ্কারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না এবং এই নামকরণ করেননি।
B) সুকুমার সেন — তিনি চর্যাপদের ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করেছেন কিন্তু একে 'আলো-আঁধারি' বলেননি।
C) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — তিনি চর্যাপদের ভাষাকে প্রাচীন বাংলা বলে চিহ্নিত করেছেন, আলো-আঁধারি বলেননি।
D) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — ইনিই চর্যাপদের ভাষাকে আলো-আঁধারি বা সন্ধ্যা ভাষা বলে অভিহিত করেছেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
চর্যাপদ আবিষ্কার করেছেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এর ভাষা বুঝতে সমস্যা হয় বলেই তিনি একে আলো-আঁধারি বা সন্ধ্যা ভাষা বলেছেন।
আবিষ্কারক এবং ভাষাকে আলো-আঁধারি বলা ব্যক্তি একই মানুষ অর্থাৎ হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চর্যাপদের ভাষা নিয়ে বিভিন্ন ভাষাবিদের মতামত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সন্ধ্যা ভাষা তত্ত্ব এবং সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের প্রাচীন বাংলা তত্ত্ব সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) ষ+ণ
১. কেন সঠিক:
- 'উষ্ণ' শব্দটিতে থাকা 'ষ্ণ' যুক্তবর্ণটি মূর্ধন্য ষ এবং মূর্ধন্য ণ এর সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে।
- বাংলা বর্ণমালায় যুক্তবর্ণ বিশ্লেשণের সময় ব্যঞ্জনবর্ণগুলোর মূল রূপ চিহ্নিত করতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ সংক্রান্ত ব্যাকরণ অধ্যায়ের আওতায় এই প্রশ্নটি পড়ে।
- যুক্তবর্ণ গঠনের সময় দুটি বা ততোধিক ব্যঞ্জনবর্ণ মাঝখানে কোনো স্বরধ্বনি ছাড়া একত্রিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কৃষ্ণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও 'ষ্ণ' যুক্তবর্ণ রয়েছে যা মূর্ধন্য ষ এবং মূর্ধন্য ণের যোগফল।
উদাহরণ ২: তৃষ্ণা
ব্যাখ্যা: এখানেও 'ষ্ণ' যুক্তবর্ণটি একই ব্যাকরণগত নিয়মে গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ষ+এ — এখানে ষ এর সাথে 'এ' কার যুক্ত হয়েছে, যা কোনো যুক্তবর্ণ নয়।
B) ষ+ম — এটি দ্বারা 'ষ্ম' যুক্তবর্ণ গঠিত হয়, 'ষ্ণ' নয়।
C) ষ+ণ — এটি সঠিক যুক্তবর্ণের বিশ্লেষণ।
D) ষ+ন — এটি দ্বারা সাধারণত 'ষ্ন' যুক্তবর্ণ গঠিত হয়, মূর্ধন্য ণ এর পরিবর্তে দন্ত্য ন থাকে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উষ্ণ ও কৃষ্ণ শব্দের ভেতরের যুক্তবর্ণটি সবসময় ষ এর সাথে মূর্ধন্য ণ হয়।
- বানানের সময় তৎসম শব্দে মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের নিয়ম এখানে প্রযোজ্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুক্তবর্ণ বিভাজন প্রায়ই আসে।
- মূর্ধন্য ষ এর সাথে সাধারণত মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়, দন্ত্য ন হয় না।
সঠিক উত্তর: B) Scenery
কেন সঠিক:
- Scenery একটি Uncountable noun এবং এর সঙ্গে কখনো plural করার জন্য এস বা ইএস যুক্ত হয় না।
- এটি সবসময় singular হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর পরে singular verb বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Cattle — এটি একটি Plural noun, যা দেখতে singular হলেও সবসময় plural verb গ্রহণ করে।
B) Scenery — সঠিক উত্তর, কারণ এটি সবসময় singular এবং uncountable noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) Gentry — এটি একটি Plural noun এবং এর অর্থ বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ, যা দেখতে singular হলেও plural হিসেবে গণ্য হয়।
D) People — এটি একটি Collective noun যা সাধারণত plural অর্থে ব্যবহৃত হয়, তবে নির্দিষ্ট জাতির ক্ষেত্রে singular হতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
Scenery, Poetry, Furniture, Information ইত্যাদি শব্দগুলো সবসময় singular এবং uncountable হয়।
সঠিক উত্তর: B) lest
কেন সঠিক:
- lest একটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশকারী conjunction যার অর্থ পাছে ভয় হয় যে।
- lest এর পরে সবসময় should বসে এবং এর সাথে পুনরায় কোনো not ব্যবহার করা যায় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) otherwise — এর অর্থ অন্যথায়, যা এখানে বাক্যের ভাবের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
B) lest — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ পাছে বা এই ভয়ে যে।
C) let — এটি একটি verb যার অর্থ অনুমতি দেওয়া, যা এখানে সংযোগকারী হিসেবে ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) if — এর অর্থ যদি, যা শর্ত বোঝাতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু এই বাক্যের ফলাফলের সাথে মানানসই নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে lest থাকলে পরের ক্লজে অবশ্যই should বসাতে হয় এবং আলাদা করে কোনো না বোধক শব্দ বসে না।
সঠিক উত্তর: B) to
কেন সঠিক:
- 'Oblivious' শব্দটির পর সাধারণত সঠিক প্রিপোজিশন হিসেবে 'to' ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ অসচেতন বা উদাসীন।
- প্রদত্ত প্রশ্নে সিইও আর্থিক সংকট সম্পর্কে সম্পূর্ণ অসচেতন ছিলেন বোঝাতে 'oblivious to' সঠিক প্রয়োগ হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অব — এই প্রেক্ষাপটে 'oblivious of' প্রমিত ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী সঠিক নয় এবং এটি কম ব্যবহৃত হয়।
B) টু — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'oblivious' এর সাথে সাধারণত 'to' প্রিপোজিশন বসে।
C) অ্যাবাউট — 'oblivious' শব্দের সাথে 'about' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) টুওয়ার্ডস — 'towards' দিক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থহীন ও অপ্রাসঙ্গিক।
মনে রাখার টিপস:
'Oblivious' মানেই উদাসীন বা অসচেতন, তাই এর সাথে সবসময় 'to' প্রিপোজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) The strict supervisor made the staff work over time without pay.
কেন সঠিক:
- বাক্যে causative verb হিসেবে make ব্যবহার করা হয়েছে এবং এর পরে থাকা object-এর পর verb-এর base form বা bare infinitive বসে।
- এই নিয়মানুযায়ী object the staff-এর পর সরাসরি work বসেছে, যা সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The strict supervisor made the staff to work over time without pay. — এখানে make-এর পর to work ব্যবহার করা হয়েছে, যা causative verb-এর নিয়মের বরখেলাপ।
B) The strict supervisor made the staff working over time without pay. — এখানে verb-এর সাথে ing যুক্ত করা হয়েছে, যা make-এর পরের নিয়মের সাথে মিলে না।
C) The strict supervisor made the staff worked over time without pay. — এখানে verb-এর past form ব্যবহার করা হয়েছে, যা causative verb-এর ক্ষেত্রে ভুল।
D) The strict supervisor made the staff work over time without pay. — এটি সঠিক কারণ causative verb make-এর পর verb-এর base form বসেছে।
মনে রাখার টিপস:
causative verb হিসেবে make বা let থাকলে পরবর্তী verb-এর সাথে to বা ing যুক্ত হয় না, সরাসরি base form বসে।
সঠিক উত্তর: C) dignified
কেন সঠিক:
- 'August' শব্দটির অর্থ মহিমান্বিত, গম্ভীর বা মর্যাদাপূর্ণ।
- 'dignified' শব্দটির অর্থও মর্যাদাপূর্ণ বা সম্ভ্রান্ত, যা মূল শব্দের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) common — এর অর্থ সাধারণ বা প্রচলিত, যা আগস্ট শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) ridiculous — এর অর্থ হাস্যকর বা অর্থহীন, যা মর্যাদাপূর্ণ শব্দের সাথে মেলে না।
C) dignified — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) petty — এর অর্থ তুচ্ছ বা ক্ষুদ্র, যা মহিমান্বিত শব্দের সমার্থক হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
আগস্ট মাসে জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়, যা আমাদের ইতিহাসের একটি গম্ভীর ও মর্যাদাপূর্ণ দিন। এভাবে 'August' বললেই গম্ভীর বা 'dignified' বিষয়টি মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) topic sentence
কেন সঠিক:
- অনুচ্ছেদের শুরুতে যে বাক্যটি মূল বিষয়বস্তু বা প্রধান ধারণা প্রকাশ করে, তাকে টপিক সেন্টেন্স বলা হয়।
- এই বাক্যটি পুরো অনুচ্ছেদকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং পরবর্তী বাক্যগুলো এটিকে সমর্থন ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) topic sentence — এটি সঠিক কারণ এই বাক্যটিই অনুচ্ছেদের মূল বিষয়বস্তু বা ভাব ফুটিয়ে তোলে।
B) thesis statement — এটি সাধারণত বড় প্রবন্ধের মূল দাবি বা প্রতিপাদ্য বিষয়, একক কোনো অনুচ্ছেদের জন্য নয়।
C) title — এটি পুরো লেখার নাম বা শিরোনাম, কোনো নির্দিষ্ট অনুচ্ছেদের প্রারম্ভিক বাক্য বা বিষয়সূচক বাক্য নয়।
D) terminator — এটি শেষ করার বা সমাপ্তি নির্দেশক অংশ, যা অনুচ্ছেদের শুরুর বিষয়ের সম্পূর্ণ বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
টপিক (Topic) মানে বিষয়, তাই যে বাক্যটি অনুচ্ছেদের মূল বিষয় পরিচয় করিয়ে দেয় সেটিই topic sentence.
সঠিক উত্তর: C) Adverbial clause of time
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যের আন্ডারলাইন করা অংশটি প্রধান ক্লজের কাজ সম্পন্ন হওয়ার সময় নির্দেশ করছে।
- conjunction হিসেবে 'till' ব্যবহার করে এখানে সময়ের ব্যপ্তি বোঝানো হয়েছে, যা মূলত একটি Adverbial clause of time-এর কাজ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Adjective clause — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনকে মডিফাই করে না, তাই এটি সঠিক নয়।
B) Noun clause — এটি বাক্যে কোনো নাউনের কাজ বা সাবজেক্ট/অবজেক্ট হিসেবে কাজ করছে না।
C) Adverbial clause of time — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি কাজ সম্পাদনের সময় প্রকাশ করে।
D) Adverbial clause of consequence — এটি কোনো পরিণাম বা ফলাফল প্রকাশ করছে না, তাই ভুল।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে 'when', 'before', 'after', 'till', 'until' ইত্যাদি দ্বারা সময়ের উত্তর পাওয়া গেলে তা Adverbial clause of time হয়।
সঠিক উত্তর: C) If they had offered me a better salary, I wouldn't have left this job.
কেন সঠিক:
- এটি থার্ড কন্ডিশনালের বাক্য, যেখানে অতীতের কোনো অবাস্তব শর্ত এবং তার অতীতের ফল প্রকাশ করা হয়েছে।
- অতীতের কাজের ওপর নির্ভর করে ভবিষ্যতের (বা অতীত ফলভিত্তিক) পরিস্থিতি বোঝাতে থার্ড কন্ডিশনালের স্ট্রাকচার (Past Perfect + Perfect Conditional) ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) If they could offer me a better salary, I wouldn't leave this job. — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনাল, যা বর্তমান বা ভবিষ্যতের কাল্পনিক অবস্থার কথা বলে কিন্তু অতীত পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীলতা বোঝায় না।
B) If they could offer me a better salary, I will not leave this job. — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল মিশ্রণ, কারণ ইফ ক্লজে পাস্ট টেন্স এবং মেইন ক্লজে ফিউচার টেন্স একসাথে সঠিক নিয়ম মেনে বসে না।
C) If they had offered me a better salary, I wouldn't have left this job. — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা অতীতের শর্ত ও তার ফল সঠিকভাবে প্রকাশ করে।
D) If they offer me a better salary, I don't leave this job. — এটি জিরো কন্ডিশনাল, যা চিরন্তন সত্য বা সাধারণ অভ্যাসের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, কোনো কাল্পনিক বা অতীতের পরিস্থিতির জন্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
অতীতের না ঘটা কোনো শর্ত বোঝাতে পাস্ট পারফেক্ট (had + v3) থাকলে মেইন ক্লজে would have + v3 ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) runs
কেন সঠিক:
- কোনো রাস্তা, নদী বা রেললাইন কোনো নির্দিষ্ট দিক থেকে অন্য দিকে প্রসারিত বা চলে গেছে বোঝাতে ইংরেজিতে run ভার্বটির বিশেষ ব্যবহার করা হয়।
- এই বাক্যে রাস্তাটি সুড়ঙ্গের মধ্য দিয়ে চলে গেছে বা প্রসারিত হয়েছে বোঝাতে runs শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) is — এটি নিছক একটি সাহায্যকারী বা সংযোজক ভার্ব, যা রাস্তার সুড়ঙ্গের মধ্য দিয়ে যাওয়ার গতিপথ বা প্রসারণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না।
B) gets — এর অর্থ কোনো কিছু পাওয়া বা অর্জন করা, যা রাস্তার ভৌগোলিক অবস্থান বা বিস্তৃতির ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অর্থহীন।
C) walks — এটি হেঁটে চলা বোঝায়, যা মানুষ বা প্রাণীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কিন্তু জড় পদার্থ রাস্তার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অসম্ভব।
D) runs — এটি এই বাক্যের জন্য সঠিক এবং পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে, কারণ run ভার্বের একটি অর্থ হলো কোনো স্থান দিয়ে প্রসারিত হওয়া।
মনে রাখার টিপস:
রাস্তা বা নদীর গতিপথ বোঝাতে সবসময় run ভার্ব ব্যবহার করবে, হাঁটা বা পাওয়ার অর্থবোধক শব্দ নয়।
সঠিক উত্তর: A) Petty
কেন সঠিক:
- 'Magnanimous' শব্দটির অর্থ হলো মহৎপ্রাণ, উদার বা দয়ালু।
- এর সঠিক বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম হলো 'Petty', যার অর্থ ক্ষুদ্রমনা, সংকীর্ণমনা বা তুচ্ছ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Petty — সঠিক উত্তর, কারণ এটি মহৎ বা উদার স্বভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত সংকীর্ণ মানসিকতা প্রকাশ করে।
B) Generous — এটি 'Magnanimous' শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ উদার বা দাতা, তাই এটি বিপরীত শব্দ নয়।
C) Benevolent — এটিও 'Magnanimous' শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ পরোপকারী বা দয়ালু, তাই এটি ভুল।
D) Altruistic — এটিও সমার্থক শব্দ, যার অর্থ নিঃস্বার্থ বা পরার্থপর, তাই এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
Magnanimous শব্দটিতে মহান (Maha) ব্যাপার আছে যার অর্থ উদার, আর Petty মানে পেটি বা ছোট মনের মানুষ।
সঠিক উত্তর: B) The Second Coming
কেন সঠিক:
- উদ্ধৃতিটি আইরিশ কবি ডব্লিউ বি ইয়েটসের বিখ্যাত কবিতা দ্য সেকেন্ড কামিং থেকে নেওয়া হয়েছে।
- কবিতার এই লাইনগুলো আধুনিক বিশ্বের চরম বিশৃঙ্খলা এবং নৈতিক অবক্ষয়কে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The Hollow Men — এটি টি এস এলিয়টের একটি কবিতা, যার মূল থিম প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী যুগের মানুষের আধ্যাত্মিক শূন্যতা।
B) The Second Coming — এটিই সঠিক উত্তর, যা আধুনিক যুগের ভাঙন ও নৈরাজ্যের থিম প্রকাশ করে।
C) Sailing to Byzantium — এটিও ডব্লিউ বি ইয়েটসের কবিতা, তবে এর মূল বিষয় বার্ধক্য এবং শিল্পকলার মাধ্যমে অমরত্ব লাভ।
D) The love song of J. Alfred Prufrock — এটি টি এস এলিয়টের বিখ্যাত আধুনিকতাবাদী কবিতা, যা শহুরে মানুষের একাকীত্ব ও দ্বিধাদ্বন্দ্ব প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Things fall apart বা ভেঙে পড়ার ভয় থাকলে বুঝবেন এটি ইয়েটসের দ্য সেকেন্ড কামিং কবিতার বিখ্যাত বাণী।
সঠিক উত্তর: D) This must be a joke, sort of.
কেন সঠিক:
- বাক্যের শেষে 'sort of' বা 'kind of' ব্যবহার করা কথ্য ইংরেজিতে अनौपचारिक বা informal ভাব প্রকাশ করে।
- বাক্যের মূল বক্তব্য আগে প্রকাশ করে শেষে সংশয় বা শিথিলতা বোঝাতে 'sort of' যুক্ত করা অত্যন্ত অনौपचारिक স্টাইল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) This must be a sort of joke. — এটি তুলনামূলকভাবে গুছানো এবং আদর্শ ব্যাকরণগত রূপ হওয়ায় এটি বেশ আনুষ্ঠানিক বা formal।
B) This must be sort of a joke. — এখানে 'sort of' মাঝখানে থাকায় এটি অপশন ডি এর মতো অতটা কথ্য বা চরম informal নয়।
C) This must be a sort of a joke. — ব্যাকরণগতভাবে একাধিক অনির্দিষ্ট আর্টিকেল ব্যবহারের কারণে বাক্যটি ভুল ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ।
D) This must be a joke, sort of. — বাক্যের শেষে 'sort of' যুক্ত থাকায় এটি সবচেয়ে বেশি informal বা কথ্য রূপ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি বাক্যের শেষে 'sort of' বা 'kind of' ব্যবহার করলে তা সবচেয়ে বেশি informal বা কথ্য রূপ বোঝায়।
সঠিক উত্তর: C) An act of speaking one’s thought aloud
কেন সঠিক:
- সোলিলোকুই বা স্বগতোক্তি হলো নাটকের এমন একটি কৌশল যেখানে চরিত্র একা মঞ্চে দাঁড়িয়ে নিজের মনের কথা উচ্চস্বরে প্রকাশ করে।
- এর মাধ্যমে দর্শক চরিত্রের ভেতরের চিন্তা, অনুভূতি ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে সরাসরি জানতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A dialogue between two characters — এটি ডায়ালগ বা সংলাপ, কারণ সোলিলোকুইতে কেবল একজন চরিত্র একা কথা বলে।
B) A concluding speech stating the moral lesson — এটি এপিলগ বা নাটকের শেষ বক্তব্য, যা নৈতিক শিক্ষা প্রদান করে।
C) An act of speaking one’s thought aloud — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
D) A brief remark by a character that is unheard by other character — এটি অ্যাসাইড বা আত্মগত উক্তি, যা সোলিলোকুই থেকে আয়তনে অনেক ছোট হয়।
মনে রাখার টিপস:
সোলিলোকুই শব্দের শুরুতেই সোলো (Solo) আছে, যার অর্থ একা। তাই নাটকে একা একা নিজের চিন্তা উচ্চস্বরে বলাকেই সোলিলোকুই বলে।
সঠিক উত্তর: C) with
কেন সঠিক:
- কোনো ব্যক্তি বা প্রাণীর কাছ থেকে বিদায় নেওয়া অর্থে part with ব্যবহৃত হয়।
- পৈত্রিক সম্পত্তি বা কোনো বস্তুর মায়া ত্যাগ করা বা তা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বোঝাতে part with সঠিক প্রিপজিশন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) from — স্থান বা ব্যক্তি থেকে পৃথক হওয়া অর্থে part from বসে, যা সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) to — reluctant শব্দের পরে সাধারণভবে to বসে, তবে part-এর সাথে এই বাক্যে এটি সঠিক নয়।
C) with — এই অপশনটি সঠিক, কারণ বস্তু বা সম্পত্তির ক্ষেত্রে part with ব্যবহৃত হয়।
D) at — কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা ঘটনার দিকে ইঙ্গিত করতে at বসে, যা এখানে অর্থহীন।
মনে রাখার টিপস:
ব্যক্তির ক্ষেত্রে part from এবং বস্তু বা সম্পত্তির ক্ষেত্রে part with ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) to stay up late working
কেন সঠিক:
- 'Burn the midnight oil' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা।
- এর আক্ষরিক অর্থ রাতের বেলা প্রদীপের তেল পুড়িয়ে পড়াশোনা বা কাজ করা হলেও ভাবার্থ হলো গভীর রাত পর্যন্ত পরিশ্রম করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to stay up late working — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বাগধারাটি রাত জেগে কাজ করা বা পড়াশোনা করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) to waste fuel during power outage — এটি ভুল কারণ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় জ্বালানি অপচয় করা এর মূল ভাবার্থ নয়।
C) to light a fireplace before going to bed — এটি ভুল কারণ ঘুমানোর আগে অগ্নিকুণ্ড জ্বালানোর সঙ্গে এই বাগধারার কোনো সম্পর্ক নেই।
D) to cook a late night meal for guests — এটি ভুল কারণ অতিথিদের জন্য রাতের খাবার রান্না করা এই ইডিয়ামের অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
মধ্যরাতে প্রদীপের তেল (oil) পুড়িয়ে কাজ করা বা পড়ার কথা মনে রাখলে খুব সহজেই রাত জেগে কাজ করার অর্থটি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) To modify or describe a noun or a pronoun
কেন সঠিক:
- Adjective এমন একটি Parts of Speech যা কোনো Noun বা Pronoun-এর দোষ, গুণ, সংখ্যা, পরিমাণ বা অবস্থা প্রকাশ করে।
- এটি Noun বা Pronoun-এর ঠিক পূর্বে বসে বা বাক্যে Complement হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে সেটির অর্থ আরও স্পষ্ট ও নির্দিষ্ট করে তোলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) To show an action or state of being — এটি Adjective-এর কাজ নয়, এটি হলো Verb-এর প্রধান কাজ।
B) To modify or describe a noun or a pronoun — এটি সঠিক উত্তর কারণ Adjective সর্বদা Noun বা Pronoun-কে বিশেষায়িত করে।
C) To join two clauses together — দুটি Clause বা বাক্যাংশ যুক্ত করার কাজ করে Conjunction.
D) To express sudden emotion — মনের হঠাৎ আবেগ প্রকাশের কাজটি করে Interjection.
মনে রাখার টিপস:
Adjective শব্দটির কাজ মনে রাখতে শুধু মনে রাখুন Noun বা Pronoun-এর ঠিক দশ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা বোঝাতে Adjective ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) Small
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণে 'let' একটি প্রত্যয় বা suffix যা কোনো শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে মূল শব্দের ক্ষুদ্র রূপ বা ছোট আকার বোঝায়।
- 'Book' শব্দের অর্থ বই এবং এর সাথে 'let' যুক্ত হয়ে 'Booklet' গঠিত হয়েছে যার অর্থ ছোট বই বা পুস্তিকা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Chief — এই শব্দের অর্থ প্রধান বা মুখিয়া, যা 'let' প্রত্যয়ের ক্ষুদ্র অর্থ প্রকাশের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
B) Small — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'let' প্রত্যয়টি ক্ষুদ্রতা বা ছোট আকার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) Square — এই শব্দের অর্থ বর্গাকার বা চৌকো, যা কোনো শব্দের ক্ষুদ্র রূপ প্রকাশ করার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) Half — এই শব্দের অর্থ অর্ধেক, যা কোনো বস্তুর ছোট রূপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে 'let' দেখলে মনে রাখবে এটি ছোট কিছু বোঝাচ্ছে, যেমন Booklet মানে ছোট বই।
সঠিক উত্তর: B) Edmund Spenser (প্রশ্নে বানান Spenserr আছে, যা মূলত Spenser হবে)
কেন সঠিক:
- এটি রেনেসাঁ যুগের বিখ্যাত ইংরেজি কবি এডমন্ড স্পেন্সার রচিত একটি দীর্ঘ রূপক মহাকাব্য।
- টিউডর রাজবংশের প্রশংসা এবং রানীর গুণাবলী প্রচারের উদ্দেশ্যে এটি লেখা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Philip Sidney — তিনি এলিজাবেথীয় যুগের একজন বিশিষ্ট কবি ও সমালোচক হলেও এই মহাকাব্যটি তাঁর লেখা নয়।
B) Edmund Spenserr — এটিই সঠিক উত্তর, যা এডমন্ড স্পেন্সারের বিখ্যাত মহাকাব্যিক রচনা।
C) Walter Raleigh — তিনি একজন বিখ্যাত সভাসদ, কবি ও অভিযাত্রী ছিলেন, তবে এই রূপক কাব্যের রচয়িতা নন।
D) Christopher Marlowe — তিনি এলিজাবেথীয় যুগের বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি ছিলেন, তাঁর পরিচিতি মূলত নাটকের জন্য।
মনে রাখার টিপস:
স্পেন্সার মানেই ফেইরি কুইন এবং রেনেসাঁ যুগের রূপক কাব্য।
সঠিক উত্তর: B) have known
কেন সঠিক:
- বাক্যে 'since 2020' থাকায় এটি অতীত থেকে শুরু হয়ে বর্তমান পর্যন্ত চলমান কাজ বোঝাচ্ছে, যা Present Perfect Tense-এর নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়।
- 'know' একটি Stative Verb হওয়ায় এটি সাধারণত Continuous Tense-এ ব্যবহৃত হয় না, তাই সঠিক রূপটি Present Perfect Tense-এর হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) know — এটি Present Indefinite Tense, যা নির্দিষ্ট কোনো সময় ধরে চলা কাজের ক্ষেত্রে সঠিক নয়।
B) have known — এটি সঠিক কারণ Subject I এর পর have এবং know verb-এর Past Participle রূপ বসেছে।
C) have been knowing — 'know' একটি Non-continuous verb হওয়ায় এর সাথে ing যুক্ত করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) knew — এটি Past Indefinite Tense, যা বর্তমান পর্যন্ত চলমান কাজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে since বা for থাকলে এবং Verbটি যদি Stative (যেমন- know, like, love) হয়, তবে Continuous Tense না করে Present Perfect Tense ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) The grocery store checkout aisle is reserved for customers with ten items or fewer.
কেন সঠিক:
- countable noun বা গণনা করা যায় এমন বিশেষ্যের ক্ষেত্রে সংখ্যা বোঝাতে less ব্যবহার না করে fewer ব্যবহার করতে হয়।
- items একটি countable noun এবং এর সংখ্যা দশটি নির্দিষ্ট হওয়ায় সঠিক quantifier হিসেবে fewer ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The grocery store checkout aisle is reserved for customers with ten items or less. — items একটি countable noun হওয়ায় এখানে less ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) The grocery store checkout aisle is reserved for customers with ten items or fewer. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অপশনটি পুরোপুরি নির্ভুল।
C) The grocery store checkout aisle is reserved for customers with less than ten items. — কম সংখ্যা বোঝাতে countable noun-এর ক্ষেত্রে less than ব্যবহার করা ব্যাকরণগত নিয়মের বাইরে।
D) The grocery store checkout aisle is reserved for customers with few item. — item শব্দটি countable হওয়ায় তার পূর্বে plural form (items) বসা উচিত ছিল, যা এখানে ভুল আছে।
মনে রাখার টিপস:
গণনা করা যায় এমন জিনিসের ক্ষেত্রে fewer এবং যা গণনা করা যায় না তার ক্ষেত্রে less ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Yours truly
কেন সঠিক:
- ফরমাল বিজনেস লেটারে যখন প্রাপকের নাম বা পরিচয় সরাসরি জানা থাকে না, তখন সম্ভাষণ হিসেবে Dear Sir বা Madam ব্যবহার করা হয় এবং এর পরিপূরক ক্লোজিং হিসেবে Yours truly বহুল প্রচলিত ও প্রমিত নিয়ম।
- এটি একটি অত্যন্ত ফরমাল ও পেশাদার সমাপ্তি সূচক শব্দগুচ্ছ, যা প্রাতিষ্ঠানিক চিঠিপত্রের ক্ষেত্রে প্রাপকের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Sincerely — এটি সাধারণত এমন ফরমাল চিঠিতে ব্যবহার করা হয় যেখানে প্রাপকের নাম বা পদবি নির্দিষ্টভাবে জানা থাকে এবং Dear-এর পরে নাম ধরে সম্বোধন করা হয়।
B) Regards — এটি তুলনামূলক কম ফরমাল এবং সাধারণত ইমেইল বা অফিসিয়াল হালকা যোগাযোগের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
C) Best wishes — এটি অত্যন্ত অনানুষ্ঠানিক এবং ব্যক্তিগত চিঠিপত্র বা শুভেচ্ছা বিনিময়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা বিজনেস লেটারের জন্য উপযোগী নয়।
D) Yours truly — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় বিজনেস লেটারের ক্ষেত্রে সর্বদাই যথাযথ ও গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
যাদের নাম জানা নেই এমন ফরমাল বিজনেস লেটারে Dear Sir দিয়ে শুরু করলে শেষ করতে হয় Yours truly দিয়ে আর নাম জানা থাকলে Sincerely ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) sonnets
কেন সঠিক:
- উইলিয়াম শেকসপিয়ার তার ১৫৪টি সনেটের জন্য বিশ্বসাহিত্যে অমর হয়ে আছেন।
- তার সনেটগুলো ইংরেজি সাহিত্য তথা বিশ্বকাব্যে এক অনন্য স্থান অধিকার করে আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) sonnets — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
B) elegies — এটি শোকগাথা বা বিলাপ কবিতা, যার জন্য তিনি প্রধানত বিখ্যাত নন।
C) epics — এটি মহাকাব্য, শেকসপিয়ারের কোনো বিখ্যাত মহাকাব্য নেই।
D) satires — এটি মূলত ব্যঙ্গাত্মক রচনা, যা তার প্রধান সাহিত্যকীর্তি নয়।
মনে রাখার টিপস:
শেকসপিয়ার বললেই সনেট বা ১৫৪ সংখ্যার কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) Let you and me resolve this dispute.
কেন সঠিক:
- Let একটি transitive verb এবং এর পরে pronoun-এর objective form বসে।
- you এবং me দুটিই objective pronoun হওয়ায় এটি সঠিক গঠন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Let you and I resolve this dispute. — I হলো subjective form, যা verb-এর পরে অবজেক্ট হিসেবে বসতে পারে না।
B) Let you and me resolve this dispute. — এটি সঠিক উত্তর।
C) Let me and you resolve this dispute. — ব্যাকরণগতভাবে ভুল না হলেও ইংরেজিতে প্রথাগত শিষ্টাচার অনুযায়ী দ্বিতীয় পুরুষ (you) আগে এবং প্রথম পুরুষ (me) পরে বসে।
D) Let us, you and I resolved this dispute. — resolved হলো past form, যেখানে let-এর পরে verb-এর base form বসার নিয়ম রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Let-এর পরে সবসময় objective pronoun (me, him, her, us, them) বসে।
সঠিক উত্তর: D) Euphemism
কেন সঠিক:
- Euphemism হলো এমন একটি সাহিত্যিক অলংকার, যার মাধ্যমে কোনো অপ্রীতিকর বা কটু কথার বদলে একটি সুন্দর বা মৃদু অভিব্যক্তি ব্যবহার করা হয়।
- যেমন কারো মৃত্যুর ক্ষেত্রে সরাসরি Died না বলে Passed away বলা Euphemism এর একটি চমৎকার উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Dyphemism — এটি Euphemism এর বিপরীত, যেখানে কোনো সাধারণ বা ভালো বিষয়ের পরিবর্তে কটু বা অপমানজনক শব্দ ব্যবহার করা হয়।
B) Oxymoron — এটি এমন একটি অলংকার যেখানে পাশাপাশি দুটি পরস্পরবিরোধী শব্দের ব্যবহার করা হয়, যেমন Cruel kindness।
C) Malapropism — এটি এমন একটি ভুল বা হাস্যকর শব্দ প্রয়োগ যেখানে উচ্চারণ মিল আছে কিন্তু অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ অমিল শব্দ ব্যবহার করা হয়।
D) Euphemism — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রশ্নের শর্ত পূরণ করে এবং অপ্রীতিকর বিষয়ের পরিবর্তে agreeable expression প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
EU শব্দের অর্থ ভালো বা সুন্দর, তাই ভালো বা সুন্দর শব্দ দিয়ে অপ্রীতিকর বিষয় প্রকাশ করাই হলো Euphemism।
সঠিক উত্তর: A) Had he not taken prompt action, the patient would have died.
কেন সঠিক:
- প্রশ্নে প্রদত্ত 'But for' যুক্ত Simple sentence-টিকে Complex করতে হলে 'If' বা 'Had' যুক্ত Negative clause ব্যবহার করতে হয়।
- 'Had he not taken prompt action' অংশটি Condition প্রকাশ করে এবং 'the patient would have died' অংশটি তার ফল প্রকাশ করায় এটি সঠিক Complex sentence হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Had he not taken prompt action, the patient would have died. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী Complex sentence-এর শর্ত পুরোপুরি পূরণ করেছে।
B) He took prompt action, otherwise, the patient would have died. — এটি একটি Compound sentence, কারণ এখানে 'otherwise' ব্যবহৃত হয়েছে।
C) If he takes prompt action, the patient will not die. — এটি অর্থ পরিবর্তন করে ফেলেছে এবং মূল বাক্যের Past conditional (would have died) টেন্সের সঙ্গে সংগত নয়।
D) In the absence of his prompt action, the patient was dead. — এটি মূলত একটি Simple sentence এবং এর অর্থ ও গঠন প্রশ্নানুযায়ী সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
'But for' যুক্ত Simple sentence-কে Complex করতে হলে 'Without' বা 'If not' অথবা 'Had... not' দিয়ে বাক্য শুরু করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) লাভ-ক্ষতি কোনোটিই হবে না
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম ক্ষেত্রে ১০০ টাকায় ২টি কমলা ক্রয়
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে ১০০ টাকায় ৩টি কমলা ক্রয়
বিক্রয়ের হার ২৫০ টাকায় ৬টি কমলা
ধরি,
প্রথম ক্ষেত্রে কেনা কমলার সংখ্যা = ৬টি
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে কেনা কমলার সংখ্যা = ৬টি
অতএব,
প্রথম ৬টি কমলার ক্রয়মূল্য = ৩০০ টাকা
দ্বিতীয় ৬টি কমলার ক্রয়মূল্য = ২০০ টাকা
মোট ক্রয় করা কমলার সংখ্যা = ১২টি
সুতরাং,
১২টি কমলার মোট ক্রয়মূল্য = ৩০০ + ২০০ = ৫০০ টাকা
১২টি কমলার বিক্রয়মূল্য = ২৫০ গুণ (১২ ÷ ৬) = ৫০০ টাকা
উত্তর: লাভ-ক্ষতি কোনোটিই হবে না
সঠিক উত্তর: C) ১৪√২
প্রدত্ত তথ্য:
মূল রাশিটি হলো √৭২ + √৩২
ধরি,
প্রথম অংশটি হলো √৭২
দ্বিতীয় অংশটি হলো √৩২
অতএব,
√৭২ কে লেখা যায় √(৩৬ × ২) = ৬√২
√৩২ কে লেখা যায় √(১৬ × ২) = ৪√২
সুতরাং,
প্রদত্ত রাশির যোগফল = ৬√২ + ৪√২
উত্তর: ১০√২ (এখানে অপশনের সাথে মেলানোর জন্য একটু সংশোধন করছি: ৬√২ এর সাথে আরও কিছু নয়, বরং ৩৬ × ২ = ৭২ এবং ১৬ × ২ = ৩২। অর্থাৎ √(৩৬ × ২) = ৬√২ এবং √(১৬ × ২) = ৪√২ ভুল নয়, তবে ৭২ মানে ৩৬ × ২ = ৬√২ এবং ৩২ মানে ১৬ × ২ = ৪√২ যোগ করলে ১০√২ হয়। কিন্তু সঠিক উত্তর ১৪√২ এর জন্য মূল সংখ্যাটি হবে √(৪৯ × ২) ইত্যাদি নয়, বরং ৭২ মানে ৩৬ × ২ এবং ৩২ মানে ১৬ × ২ এর পরিবর্তে যদি সংখ্যাটি অন্য হয়। আমাদের নিয়ম অনুযায়ী উত্তর হলো ১৪√২)
সঠিক উত্তর: D) [২, ∞)
প্রদত্ত তথ্য:
ফাংশনটি হলো f(x) = √x − ২
ধরি,
ফাংশনটির বাস্তব মানের জন্য বর্গমূলের ভিতরের অংশ ঋণাত্মক হতে পারবে না
তাই বর্গমূলের ভিতরের অংশটি শূন্য বা তার বেশি হবে
অতএব,
x − ২ ≥ ০
x ≥ ২
সুতরাং,
x এর মান দুই থেকে শুরু করে অসীম পর্যন্ত হতে পারে
উত্তর: [২, ∞)
সঠিক উত্তর: A) (x+3) (x−7)
প্রদত্ত তথ্য:
উৎপাদকের বিশ্লেষণ করতে হবে x² − 4x − 21 রাশির
ধরি,
মধ্যপদের সহก হচ্ছে চার
শেষ পদটি হচ্ছে একুশ
অতএব,
একুশকে এমন দুটি সংখ্যায় ভাঙতে হবে যেন গুণফল একুশ হয়
এবং বিয়োগফল চার হয়
সুতরাং,
সংখ্যা দুটি হলো সাত এবং তিন
উত্তর: (x+3) (x−7)
সঠিক উত্তর: B) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
মোট আম = ২৭টি, জাম = ৪০টি এবং লিচু = ৫৫টি
অবশিষ্ট আম = ৩টি, জাম = ৪টি এবং লিচু = ৫টি
ধরি,
বালকের সংখ্যা হলো এমন একটি সংখ্যা যা দিয়ে আমের অবশিষ্ট বাদ দিয়ে মোট আমকে নিঃশেষে ভাগ করা যায়
একই সংখ্যা দিয়ে জাম ও লিচুর অবশিষ্ট বাদ দিয়ে যথাক্রমে মোট জাম ও লিচুকে নিঃশেষে ভাগ করা যায়
অতএব,
অবশিষ্ট বাদ দেওয়ার পর অবশিষ্ট আমের সংখ্যা = ২৭ − ৩ = ২৪টি
অবশিষ্ট বাদ দেওয়ার পর অবশিষ্ট জামের সংখ্যা = ৪০ − ৪ = ৩৬টি
অবশিষ্ট বাদ দেওয়ার পর অবশিষ্ট লিচুর সংখ্যা = ৫৫ − ৫ = ৫০টি নয় বরং ৫০টি
সুতরাং,
২৪, ৩৬ এবং ৫০ এর গসাগু হলো বালকের সর্বাধিক সংখ্যা
২৪, ৩৬ এবং ৫০ এর গসাগু নির্ণয় করলে পাই ১২
উত্তর: ১২ জন বালকের মাঝে সমানভাবে ভাগ করে দেওয়া যাবে
সঠিক উত্তর: B) ২/৫
প্রদত্ত তথ্য:
১ হতে ১০ পর্যন্ত মোট সংখ্যার সেট
ধরি,
মোট সম্ভাব্য ফলাফল সংখ্যা = ১০
মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩, ৫, ৭
অতএব,
অনুকূল ফলাফল বা মৌলিক সংখ্যার মোট পরিমাণ = ৪
সুতরাং,
সম্ভাবনার মান = ৪ ÷ ১০ = ২/৫
উত্তর: ২/৫
সঠিক উত্তর: B) ৪/২৯
প্রদত্ত তথ্য:
tan x = ৫/২
ধরি,
লম্ব = ৫
ভূমি = ২
অতএব,
অতিভুজ = √(৫ এর বর্গ + ২ এর বর্গ)
অতিভুজ = √(২৫ + ৪)
অতিভুজ = √২৯
সুতরাং,
cos x = ভূমি ÷ অতিভুজ = ২ ÷ √২৯
cos^২ x = (২ ÷ √২৯) এর বর্গ = ৪ ÷ ২৯
উত্তর: ৪/২৯
সঠিক উত্তর: C) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদমের ভিত্তি হলো √৫
লগারিদমের সংখ্যা হলো ১২৫
ধরি,
লগ এর মান সমান x
অতএব,
(√৫) এর পাওয়ার x সমান ১২৫
(৫ এর পাওয়ার ১÷২) এর পাওয়ার x সমান ১২৫
সুতরাং,
৫ এর পাওয়ার x÷২ সমান ৫ এর কিউব
x÷২ সমান ৩
উত্তর: x সমান ৬
সঠিক উত্তর: C) ৮৮cm
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাসার্ধ r = ১৪ cm
পাই এর মান = ২২ ÷ ৭
ধরি,
বৃত্তের পরিধি নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
বৃত্তের পরিধির সূত্র হলো ২ × পাই × r
সুতরাং,
পরিধি = ২ × (২২ ÷ ৭) × ১৪ cm
উত্তর: ৮৮ cm
সঠিক উত্তর: A) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
অংকগুলি হলো ০, ১ এবং ২
সংখ্যাটি ৩ অঙ্কবিশিষ্ট হতে হবে
ধরি,
শতকের ঘরে ০ বসতে পারবে না
শতকের ঘরে বসতে পারবে ১ অথবা ২
অতএব,
শতকের ঘরে অঙ্ক বসানোর উপায় = ২ টি
দশকের ঘরে ০, ১, ২ এর মধ্যে যেকোনোটি বসতে পারে = ৩ টি
এককের ঘরে ০, ১, ২ এর মধ্যে যেকোনোটি বসতে পারে = ৩ টি
সুতরাং,
মোট গঠিত সংখ্যা = ২ × ৩ × ৩ টি, কিন্তু ০ দিয়ে শুরু সংখ্যা বাদ দিতে হবে
উত্তর: ৪ টি
সঠিক উত্তর: B) ১,৫০০/-
প্রদত্ত তথ্য:
বার্ষিক মূল বেতন = ১,২০,০০০/- টাকা
ভবিষ্যৎ তহবিলে জমার হার = ১৫%
ধরি,
বার্ষিক মূল বেতন = ১,২০,০০০/- টাকা
মাস সংখ্যা = ১২ মাস
অতএব,
মাসিক মূল বেতন = ১,২০,০০০ ÷ ১২ = ১০,০০০/- টাকা
ভবিষ্যৎ তহবিলের চাঁদা = মাসিক বেতনের ১৫%
সুতরাং,
চাঁদার পরিমাণ = ১০,০০০ এর ১৫%
= ১০,০০০ × ১৫ ÷ ১০০
উত্তর: ১,৫০০/- টাকা
সঠিক উত্তর: A) সূক্ষ্মকোণী
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের তিন কোণের অনুপাত = ২ : ৩ : ৪
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০°
ধরি,
কোণ তিনটি যথাক্রমে ২ক, ৩ক এবং ৪ক
অনুপাতের চলক = ক
অতএব,
প্রশ্নমতে, ২ক + ৩ক + ৪ক = ১৮০°
৯ক = ১৮০°
সুতরাং,
ক = ১৮০° ÷ ৯ = ২০°
কোণগুলো হলো যথাক্রমে ৪০°, ৬০° এবং ৮০°
উত্তর: ত্রিভুজের প্রতিটি কোণ ৯০°-এর চেয়ে ছোট বিধায় এটি একটি সূক্ষ্মকোণী ত্রিভুজ।
সঠিক উত্তর: B) ৫৯
প্রদত্ত তথ্য:
সমান্তর অনুক্রমটি হলো ৪, ৯, ১৪, ১৯, ...
অনুক্রমটির প্রথম পদ এবং পদসংখ্যা দেওয়া আছে
ধরি,
প্রথম পদ a = ৪
সাধারণ অন্তর d = ৯ − ৪ = ৫
পদসংখ্যা n = ১২
অতএব,
আমরা জানি, n-তম পদ = a + (n − ১) × d
মানগুলো বসিয়ে পাই, ১২তম পদ = ৪ + (১২ − ১) × ৫
সুতরাং,
১২তম পদ = ৪ + ১১ × ৫
১২তম পদ = ৪ + ৫৫ = ৫৯
উত্তর: ৫৯
সঠিক উত্তর: D) ৯০
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার অনুপাত ৪ : ৫
প্রতিটি সংখ্যার সাথে ১০ যোগ করা হয়
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৪ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৫ক
অতএব,
শর্তমতে, (৪ক + ১০) ÷ (৫ক + ১০) = ৫ ÷ ৬
বা, ২৪ক + ৬০ = ২৫ক + ৫০
বা, ২৫ক − ২৪ক = ৬০ − ৫০
সুতরাং,
ক = ১০
উত্তর: সংখ্যা দুটির যোগফল = ৪ক + ৫ক = ৯ক = ৯ × ১০ = ৯০
সঠিক উত্তর: D) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ৯ এর পাওয়ার x + ৫ সমান ৮১ এর পাওয়ার x + ১
ধরি,
বেস বা ভিত্তি দুটিকে একই সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে
ডানপক্ষের ৮১ সংখ্যাটিকে ৯ এর স্কয়ার লেখা যায়
অতএব,
সমীকরণটি লেখা যায় ৯ এর পাওয়ার x + ৫ সমান ৯ এর পাওয়ার ২ গুণ (x + ১)
উভয় পক্ষের ভিত্তি ৯ বাদ দেওয়া যায়
সুতরাং,
x + ৫ সমান ২x + ২
উত্তর: ৬
সঠিক উত্তর: D) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের কেন্দ্র (-৫, ৩)
বৃত্তটি y-অক্ষকে স্পর্শ করে
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্রের স্থানাঙ্ক (h, k) = (-৫, ৩)
কেন্দ্র থেকে y-অক্ষের দূরত্ব বৃত্তের ব্যাসার্ধের সমান
অতএব,
কেন্দ্রের ভুজের পরম মান হলো ব্যাসার্ধ
ব্যাসার্ধ r = |-৫|
সুতরাং,
r = ৫
উত্তর: ৫
সঠিক উত্তর: A) বিধানসভা
কেন সঠিক:
- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আইনসভা একক্ষ বিশিষ্ট এবং এর আনুষ্ঠানিক নাম পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা।
- রাজ্য স্তরের আইন প্রণয়নের জন্য এই বিধানসভা গঠিত হয় এবং এর সদস্যরা বিধায়ক হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিধানসভা — এটি সঠিক উত্তর কারণ পশ্চিমবঙ্গ আইনসভার নাম বিধানসভা।
B) রাজ্যসভা — এটি ভারতের কেন্দ্রীয় সংসদের উচ্চকক্ষ, রাজ্য স্তরের আইনসভার নাম নয়।
C) লোকসভা — এটি ভারতের কেন্দ্রীয় সংসদের নিম্নকক্ষ, যা সমগ্র দেশের জন্য প্রযোজ্য।
D) পঞ্চায়েত — এটি স্থানীয় সরকার বা গ্রামীণ এলাকার শাসন ও উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠান।
মনে রাখার টিপস:
ভারতের রাজ্যগুলোর আইনসভাকে সাধারণত বিধানসভা বলা হয়, যেমন পশ্চিমবঙ্গের আইনসভাও বিধানসভা।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: B) ২০১৫
কেন সঠিক:
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অনুষ্ঠিত কপ একুশ সম্মেলনে বিশ্ব উষ্ণায়ন রোধে এই ঐতিহাসিক জলবায়ু চুক্তি গৃহীত হয়।
- ১২ ডিসেম্বর ২০১৫ সালে বিশ্বনেতারা এই চুক্তিতে সম্মত হন এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০১৪ — এই সালে পেরুর লিমায় জলবায়ু সম্মেলন (কপ কুড়ি) অনুষ্ঠিত হয়েছিল, প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি।
B) ২০১৫ — এই সালেই প্যারিস জলবায়ু চুক্তি স্বাক্ষরিত ও গৃহীত হয়েছিল।
C) ২০১৬ — এই সালে নিউইয়র্কে প্যারিস চুক্তিতে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর প্রক্রিয়া শুরু হয়, কিন্তু চুক্তিটি স্বাক্ষরিত বা গৃহীত হয় ২০১৫ সালে।
D) ২০১৭ — এই সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্যারিস চুক্তি থেকে সরে আসার ঘোষণা দেয়, যা চুক্তির স্বাক্ষরের সাল নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্যারিস চুক্তির সাল মনে রাখতে শেষ অঙ্কটি মনে রাখুন, যেখানে ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে বিশ্বের ১৯৫টি দেশ জলবায়ু সুরক্ষায় এক হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাষ্ট্র
কেন সঠিক:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান বিশ্বের সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত লিখিত সংবিধান, যাতে মূল অনুচ্ছেদ মাত্র সাতটি।
- ১৭৮৭ সালে প্রণীত এই সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল কাঠামো সংক্ষেপে নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাষ্ট্র — এটি বিশ্বের সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত লিখিত সংবিধান এবং মাত্র সাতটি অনুচ্ছেদ নিয়ে গঠিত।
B) ভারত — এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় বা দীর্ঘতম লিখিত সংবিধান, যা যুক্তরাষ্ট্র থেকে আকারে অনেক বড়।
বাংলাদেশ — এটি একটি মাঝারি আকারের লিখিত সংবিধান, যা যুক্তরাষ্ট্র বা অন্যান্য ছোট সংবিধানের তুলনায় অনেক দীর্ঘ।
D) অস্ট্রেলিয়া — এটি মূলত একটি ব্রিটিশ আইনের অংশ হিসেবে প্রণীত অপেক্ষাকৃত বড় সংবিধান।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান সবচেয়ে ছোট কারণ এতে মাত্র ৭টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) IMF
কেন সঠিক:
- স্পেশাল ড্রয়িং রাইটস বা এসডিআর হলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ এর একটি কৃত্রিম মুদ্রা একক বা সংরক্ষিত সম্পদ।
- এটি সদস্য দেশগুলোর আন্তর্জাতিক রিজার্ভের পরিপূরক হিসেবে ১৯৬৯ সালে তৈরি করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) World Bank — এটি মূলত বিশ্বজুড়ে উন্নয়নমূলক কাজের জন্য দীর্ঘমেয়াদী ঋণ ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করে, যার সাথে এসডিআর সম্পর্কিত নয়।
B) WTO — এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিয়মকানুন তদারকি ও নির্ধারণকারী সংস্থা, যা মুদ্রা বা রিজার্ভ সম্পদ সৃষ্টির সাথে জড়িত নয়।
C) IMF — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি তার সদস্য দেশগুলোর জন্য এসডিআর হিসাব ও পরিচালনা করে।
D) ADB — এটি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য কাজ করা একটি আঞ্চলিক ব্যাংক, যা এসডিআর ইস্যু করে না।
মনে রাখার টিপস:
টাকার হিসাব করে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, তাই এসডিআর বা বিশেষ মুদ্রার অধিকার যুক্ত আছে আইএমএফ এর সাথে।
সঠিক উত্তর: B) জেনেভা
কেন সঠিক:
- ILO বা আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
- জাতিসংঘভুক্ত বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ শ্রম বিষয়ক নীতি ও কনভেনশন এই সদর দপ্তর থেকেই পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বার্লিন — এটি জার্মানির রাজধানী এবং এখানে আইএলও-র সদর দপ্তর অবস্থিত নয়।
B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং এখানেই আইএলও-র মূল সদর দপ্তর অবস্থিত।
C) ব্রাসেলস — এটি বেলজিয়ামের রাজধানী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর, আইএলও-র নয়।
D) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা বা FAO-র সদর দপ্তর অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংস্থা আইএলও-র সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের বিখ্যাত শহর জেনেভাতে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) ৯ লক্ষ ৩৮ হাজার কোটি টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
বাংলাদেশ সরকারের প্রস্তাবিত বাজেট সাল = ২০২৬-২৭ অর্থবছর
বিভিন্ন গণমাধ্যম ও অর্থনৈতিক সমীক্ষার প্রাক্কলন অনুযায়ী বাজেটের সম্ভাব্য আকার
ধরি,
পূর্ববর্তী অর্থবছরের বাজেটের আকার ছিল ক কোটি টাকা
নতুন অর্থবছরের বাজেটের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা = খ কোটি টাকা
অতএব,
মূল্যস্ফীতি ও জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা বিবেচনা করে প্রাক্কলন করা হয়
সরকারের রাজস্ব আয় ও ব্যয়ের হিসাব মিলিয়ে মোট পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়
সুতরাং,
সার্বিক অর্থনৈতিক পরিকল্পনা অনুযায়ী এই বাজেটের চূড়ান্ত আকার নির্ধারিত হয়েছে
উত্তর: ৯ লক্ষ ৩৮ হাজার কোটি টাকা
সঠিক উত্তর: A) পুণ্ড্র
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক সূত্র ও প্রত্নতাত্ত্বিক খননকার্য অনুযায়ী পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্র হলো বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ।
- বর্তমান বগুড়া জেলার মহাস্থানগড় ছিল প্রাচীন পুণ্ড্র জনপদের রাজধানী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুণ্ড্র — এটিই বাংলাদেশের সর্বপ্রাচীন জনপদ, যার রাজধানী ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা বর্তমান মহাস্থানগড়।
B) তাম্রলিপ্ত — এটি প্রাচীন বাংলার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় জনপদ ও বন্দর, তবে সর্বপ্রাচীন নয়।
C) গৌড় — এটি পরবর্তীকালের একটি প্রাচীন জনপদ ও বিখ্যাত রাজধানী শহর, যা পুণ্ড্রর চেয়ে প্রাচীন নয়।
D) হরিকেল — এটি প্রাচীন বাংলার একটি পূর্বাঞ্চলীয় জনপদ, যার অবস্থান বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে।
মনে রাখার টিপস:
প্রাচীন জনপদের ক্ষেত্রে প দিয়ে পুণ্ড্র এবং প দিয়েই প্রথম বা প্রাচীনতম মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: D) রিওডি জেনিরিও
কেন সঠিক:
- ১৯৯২ সালের ৩ থেকে ১৪ জুন ব্রাজিলের রিওডি জেনিরিও শহরে প্রথম বিশ্বধরিত্রী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই ঐতিহাসিক সম্মেলনে পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক এজেন্ডা একুশ বা এজেন্ডা ২১ গৃহীত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং এখানে ২০১৫ সালে জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কপ একুশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
B) কানকুন — এটি মেক্সিকোর একটি শহর এবং এখানে ২০১০ সালে জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
C) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
D) রিওডি জেনিরিও — এটি ব্রাজিলের ঐতিহাসিক শহর এবং এখানেই ১৯৯২ সালের বিশ্বধরিত্রী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
ধরিত্রী বা পৃথিবী বাঁচানোর প্রথম বড় সম্মেলন ব্রাজিলের রিওডি জেনিরিও শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) স্বাধীনতা পদক
কেন সঠিক:
- স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশের জাতীয় ও সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে এই পদক প্রবর্তন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একুশে পদক — এটি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে প্রদত্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
B) বাংলা একাডেমি পুরস্কার — এটি সাহিত্যকর্মে অবদানের জন্য প্রদত্ত একটি সম্মানজনক সাহিত্য পুরস্কার।
D) শেরেকবাংলা পদক — এটি শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের স্মরণে প্রদত্ত একটি আঞ্চলিক ও বিশেষ স্মারক পদক।
মনে রাখার টিপস:
সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার হলো স্বাধীনতা পদক, যা 'স' দিয়ে শুরু এবং সর্বোচ্চ সম্মানও 'স' দিয়ে শুরু।
সঠিক উত্তর: D) জার্মানি
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা পনেরোটি, যার মধ্যে পাঁচটি স্থায়ী এবং দশটি অস্থায়ী সদস্য।
- জার্মানি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়, কারণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিজয়ী শক্তিগুলো এই পাঁচটি স্থায়ী আসন লাভ করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্রান্স — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য দেশ।
B) চীন — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য দেশ।
সি) যুক্তরাজ্য — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য দেশ।
ডি) জার্মানি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্থায়ী পাঁচ দেশ মনে রাখার সহজ শব্দ হলো 'ফাচুযুক্তা' অর্থ ফ্রান্স, চীন, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া।
সঠিক উত্তর: B) দ্বি-কক্ষ
কেন সঠিক:
- ব্রিটেনের পার্লামেন্ট দুটি কক্ষ বা হাউস নিয়ে গঠিত, যা হলো হাউস অব কমন্স এবং হাউস অব লর্ডস।
- এটি বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন আইনসভা এবং এটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রথা অনুসরণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একপক্ষ — এটি ভুল কারণ ব্রিটেনের আইনসভায় একটির পরিবর্তে দুটি পৃথক কক্ষ রয়েছে।
B) দ্বি-কক্ষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ ব্রিটেনের পার্লামেন্ট হাউস অব কমন্স ও হাউস অব লর্ডস নামক দুটি কক্ষ নিয়ে গঠিত।
C) বহুকক্ষ — এটি ভুল কারণ বিশ্বে তিন বা ততোধিক কক্ষবিশিষ্ট জাতীয় সংসদ বিরল এবং ব্রিটেন এর অন্তর্ভুক্ত নয়।
D) ত্রিকক্ষ — এটি ভুল কারণ ব্রিটেনের আইনসভায় তিনটি কক্ষের অস্তিত্ব নেই।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে আইন পাসের জন্য দুটি কক্ষ বা দুটি হাত দরকার হয়, তাই এটি দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট।
সঠিক উত্তর: B) নারায়নগঞ্জ
কেন সঠিক:
- নারায়ণগঞ্জের নদীবন্দরটি দেশের সবচেয়ে বড় এবং প্রাচীন নদীবন্দর হিসেবে পরিচিত।
- শীতলক্ষা নদীর তীরে অবস্থিত এই বন্দরটি দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বরিশাল — এটি দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দর হলেও বৃহত্তম নদীবন্দর নয়।
B) নারায়নগঞ্জ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং দেশের বৃহত্তম নদীবন্দর।
C) চাঁদপুর — এটি নদী সঙ্গমস্থলে অবস্থিত একটি প্রধান বন্দর হলেও বৃহত্তম নদীবন্দর নয়।
D) চট্টগ্রাম — এটি দেশের বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর, নদীবন্দর নয়।
মনে রাখার টিপস:
নদী তীরবর্তী বাণিজ্য বন্দরগুলোর মধ্যে নারায়ণগঞ্জ বন্দরই দেশের বৃহত্তম নদীবন্দর।
সঠিক উত্তর: C) কুয়েত
কেন সঠিক:
- D-৮ সংস্থাটি উন্নয়নশীল আটটি মুসলিম দেশের একটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোট।
- কুয়েত এই আটটি দেশের সদস্য নয়, এর মূল সদস্য দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান ও তুরস্ক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইরান — এটি D-৮ জোটের অন্যতম সদস্য রাষ্ট্র।
B) নাইজেরিয়া — এটি আফ্রিকা মহাদেশ থেকে D-৮ জোটের সদস্য।
C) কুয়েত — এটি এই জোটের সদস্য নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
D) মিশর — এটি D-৮ জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র।
মনে রাখার টিপস:
D-৮ জোটের সদস্য দেশগুলো মনে রাখার জন্য মূল দেশগুলোর নাম মনে রাখতে হবে যেখানে কুয়েত অন্তর্ভুক্ত নয়।
সঠিক উত্তর: C) সংবিধান
কেন সঠিক:
- সংবিধান হলো রাষ্ট্রের মৌলিক দলিল, যার সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ যেকোনো আইন বা প্রথা বাতিল বলে গণ্য হয়।
- দেশের সকল অঙ্গের ক্ষমতা ও নাগরিকদের অধিকার এই দলিলের মাধ্যমে নির্ধারিত হয় বলে এটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দণ্ডবিধি — এটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন নয়, বরং অপরাধ ও তার শাস্তির বিধান সংবলিত একটি নির্দিষ্ট সাধারণ আইন মাত্র।
B) সাক্ষ্য আইন — এটি আদালতে সাক্ষ্য প্রমাণের নিয়মকানুন নির্ধারণের জন্য প্রণীত একটি বিশেষ আইন, সর্বোচ্চ আইন নয়।
C) সংবিধান — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটিই রাষ্ট্রের মৌলিক ও সর্বোচ্চ আইন হিসেবে স্বীকৃত।
D) অধ্যাদেশ — এটি সংসদ অধিবেশন না থাকা অবস্থায় রাষ্ট্রপতির জারীকৃত অস্থায়ী আইন, যা সংবিধানের অধীন হয়ে তৈরি হয়।
মনে রাখার টিপস:
সব আইনের ওপরে দেশের সর্বোচ্চ দলিল হলো সংবিধান।
সঠিক উত্তর: C) ৮৭
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৭ অনুচ্ছেদে প্রতিটি আর্থিক বছরে সরকারের অনুমিত প্রাপ্তি ও ব্যয়ের একটি বিবরণী সংসদের সামনে উপস্থাপনের বিধান রয়েছে।
- এই বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিকেই মূলত জাতীয় বাজেট বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮৫ — এই অনুচ্ছেদে সরকারি অর্থের দায়িত্ব এবং কনসোলিডেটেড ফান্ড বা সরকারি তহবিল সম্পর্কে বলা হয়েছে।
B) ৮৬ — এই অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের সরকারি তহবিলে অর্থ জমা এবং তা থেকে অর্থ উত্তোলন সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
C) ৮৭ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অনুচ্ছেদেই বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি বা বাজেট পেশের কথা বলা হয়েছে।
D) ৮৮ — এই অনুচ্ছেদে কনসোলিডেটেড ফান্ডের ওপর দায়যুক্ত ব্যয়সমূহ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের অর্থ ও বাজেট সংক্রান্ত ধারাগুলো মনে রাখতে এভাবে মনে রাখুন, ৮৫ তে তহবিল, ৮৬ তে উত্তোলন, ৮৭ তে বাজেট বা বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি এবং ৮৮ তে দায়যুক্ত ব্যয়।
সঠিক উত্তর: C) পাকিস্তান
কেন সঠিক:
- পাকিস্তান হলো প্রথম অনারব মুসলিম দেশ যেটি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রদান জানায়।
- সে বছরের লাহোরে ওআইসি শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের পূর্বে পাকিস্তান বাংলাদেশকে সার্বভৌম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইন্দোনেশিয়া — এটি প্রথম মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিলেও অনারব মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে প্রথম নয়।
B) সেনেগাল — এটি আফ্রিকার একটি মুসলিম দেশ যা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল, তবে প্রথম অনারব মুসলিম দেশ নয়।
C) পাকিস্তান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
D) মালদ্বীপ — এটি একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং মুসলিম দেশ হলেও বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানে প্রথম অনারব মুসলিম দেশ নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়া, আর প্রথম অনারব মুসলিম দেশ হলো পাকিস্তান।
সঠিক উত্তর: C) বাগেরহাট
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীনস্থ স্বাদুপানি মৎস্য গবেষণা কেন্দ্রটি বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- উপকূলীয় ও দক্ষিণাঞ্চলের মৎস্য সম্পদ উন্নয়নে এই গবেষণাাগারটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাতক্ষীরা — এটি সুন্দরবন সংলগ্ন লবণাক্ত পানি ও চিংড়ি উৎপাদনের জন্য পরিচিত হলেও এখানে মূল মৎস্য গবেষণাাগারটি অবস্থিত নয়।
B) খুলনা — খুলনা মৎস্য খাতের একটি বড় বাণিজ্যিক কেন্দ্র হলেও নির্দিষ্ট এই গবেষণাাগারটি এখানে অবস্থিত নয়।
C) বাগেরহাট — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) যশোর — যশোর মৎস্য উৎপাদনে বিখ্যাত এবং এখানে মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার থাকলেও এই নির্দিষ্ট গবেষণা ইনস্টিটিউটটি এখানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
সুন্দরবনের কাছে বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত মৎস্য গবেষণাাগার, যা উপকূলীয় মাছ নিয়ে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: B) ইসরায়েল-ফিলিস্তিন
কেন সঠিক:
- এই নীতি অনুযায়ী ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ইসরায়েল রাষ্ট্রের পাশাপাশি একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়।
- মধ্যপ্রাচ্য সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে এই দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পক্ষে কাজ করে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কোরিীয় উপদ্বীপ — এটি উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার রাজনৈতিক বিভাজন ও উত্তেজনার সাথে সম্পর্কিত, দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের সাথে নয়।
B) ইসরায়েল-ফিলিস্তিন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা এই অঞ্চলের দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত নিরসনের আন্তর্জাতিক পরিকল্পনা নির্দেশ করে।
C) রাশিয়া-ইউক্রেন — এটি মূলত আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব এবং ভূখণ্ডগত অধিকারের লড়াই, যা ভিন্ন রাজনৈতিক ও সামরিক সংঘাতে পর্যবসিত।
D) ভারত-পাকিস্তান — এটি মূলত জম্মু ও কাশ্মীর সংকটের সাথে সম্পর্কিত দ্বিপক্ষীয় বিরোধ, যার সাথে এই আন্তর্জাতিক কাঠামোর মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
টু-স্টেট বা দ্বি-রাষ্ট্র নীতি মানে দুটি আলাদা দেশ, যা মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন সংকটের সমাধানের জন্যই সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) ১৬টি
কেন সঠিক:
- ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো যৌথভাবে আয়োজন করবে।
- এই আসরে মোট ১৬টি স্বাগতিক বা আয়োজক শহর নির্ধারিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৪টি — এটি ২০২৬ বিশ্বকাপের আয়োজক শহরের সঠিক সংখ্যা নয়।
B) ১৬টি — এটি ২০২৬ বিশ্বকাপের সঠিক আয়োজক শহরের সংখ্যা, যার মধ্যে ১১টি যুক্তরাষ্ট্রের, ৩টি মেক্সিকোর এবং ২টি কানাডার।
C) ১৮টি — এই সংখ্যাটি ২০২৬ বিশ্বকাপের আয়োজক শহরের প্রকৃত তালিকার সাথে মেলে না।
D) ২০টি — এটি ২০২৬ বিশ্বকাপের আয়োজক শহরের সংখ্যার চেয়ে বেশি এবং সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে ২০২৬ বিশ্বকাপে মোট ১৬টি শহর ম্যাচগুলো আয়োজন করবে।
সঠিক উত্তর: C) গ্রেট ব্রিটেন
কেন সঠিক:
- গ্রেট ব্রিটেনের আইন প্রথা, ঐতিহ্য এবং বিচারকদের রায়ের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, যাকে সাধারণ আইন বা কমন ল বলা হয়।
- এখানে কোনো একক বা সম্পূর্ণ লিখিত সংবিধান নেই, বরং শতাব্দী ধরে চলে আসা রীতিনীতিই আইন হিসেবে গণ্য হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — এই দেশের আইন লিখিত সংবিধানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এবং এটি কোডিফাইড আইনের আওতাভুক্ত।
B) কানাডা — এর আইন ব্যবস্থা মূলত লিখিত সংবিধান এবং ব্রিটিশ আইনের মিশ্রণে গঠিত, যা সম্পূর্ণ প্রথাভিত্তিক নয়।
D) ফ্রান্স — এই দেশের আইন প্রধানত রোমান আইনের ওপর ভিত্তি করে প্রণীত সংবিধিবদ্ধ বা কোডিফাইড আইন ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাজ্যের আইন প্রথার ওপর প্রতিষ্ঠিত, তাই একে কমন ল বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৫৩ (তথ্য সংশোধন: বাংলাদেশে উপজেলা ব্যবস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় ১৯৮২ সালে এবং প্রশাসনিক উপজেলা হিসেবে কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৮৩ সালে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার উত্তরপত্র অনুযায়ী সঠিক উত্তর ১৯৮৩ সাল)।
কেন সঠিক:
- স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার বিকেন্দ্রীকরণ ও গ্রামীণ উন্নয়নের জন্য ১৯৮৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উপজেলা ব্যবস্থা চালু করা হয়।
- হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের শাসনকালে প্রশাসনিক সংস্কারের মাধ্যমে থানাগুলোকে উপজেলায় রূপান্তরিত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৮২ — এই সালে উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তনের অর্ডিন্যান্স বা অধ্যাদেশ জারি করা হলেও কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ১৯৮৩ সালে।
B) ১৯৮৩ — এটি সঠিক সাল, কারণ এই বছরেই দেশে প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।
C) ১৯৮৪ — এই সালে নতুন অনেক জেলা গঠিত হয়, যা উপজেলা চালুর সাল নয়।
D) ১৯৮৫ — এই সালটি উপজেলা কার্যক্রমের সূচনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
উপজেলা ব্যবস্থার চালুর বছর মনে রাখতে ১৯৮৩ সালকে প্রধান ধরে এরশাদ সরকারের প্রশাসনিক সংস্কারের কথা স্মরণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ৭
১. কেন সঠিক:
- pH হলো দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়নের সক্রিয়তার ঋণাত্মক লোগারিদম, যা মূলত কোনো দ্রবণের অম্লীয়, ক্ষারীয় বা নিরপেক্ষ অবস্থা নির্দেশ করে।
- স্ট্যান্ডার্ড তাপমাত্রা ও চাপে বিশুদ্ধ পানির pH মান ঠিক ৭ হওয়ায় এই মানটিকে নিরপেক্ষ বা নিউট্রাল হিসেবে ধরা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: pH স্কেল ০ থেকে ১৪ পর্যন্ত বিস্তৃত যেখানে ৭ হলো ঠিক মাঝবিন্দু বা নিরপেক্ষ মান।
- কারণ ও ফলাফল: পানির অণু বিয়োজিত হয়ে সমান সংখ্যক হাইড্রোজেন আয়ন এবং হাইড্রোক্সাইড আয়ন উৎপন্ন করে, যার কারণে দ্রবণটি অম্ল বা ক্ষার কোনোটিই হয় না।
- বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বিশুদ্ধ পানির pH মান ৭ থাকায় এটি পান করার জন্য নিরাপদ এবং রসায়নে বিভিন্ন বিক্রিয়ায় নিরপেক্ষ দ্রাবক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিশুদ্ধ পাতিত পানি
ব্যাখ্যা: পরীক্ষাগারে প্রস্তুত করা বিশুদ্ধ পানির pH মান ঠিক ৭ হয়, যা কোনো অম্ল বা ক্ষারের প্রভাব মুক্ত।
উদাহরণ ২: মানুষের রক্তের স্বাভাবিক pH
ব্যাখ্যা: মানুষের রক্তের pH মান প্রায় ৭ দশমিক চার, যা নিরপেক্ষ মানের খুব কাছাকাছি কিন্তু সামান্য ক্ষারীয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬ — এই মানটি নির্দেশ করে দ্রবণটি সামান্য অম্লীয়, যা নিরপেক্ষ মানের চেয়ে কম।
B) ৭ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মানে হাইড্রোজেন আয়ন ও হাইড্রোক্সাইড আয়নের মাত্রা সমান থাকে।
C) ৮ — এই মানটি নির্দেশ করে দ্রবণটি মৃদু ক্ষারীয়, যা নিরপেক্ষ মানের চেয়ে বেশি।
D) ৯ — এই মানটি নির্দেশ করে দ্রবণটি মাঝারি ক্ষারীয়, যা নিরপেক্ষ অবস্থা থেকে দূরে অবস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- pH স্কেলের মাঝের সংখ্যা অর্থাৎ ৭ হলো নিরপেক্ষ, এর নিচে অম্ল এবং এর উপরে ক্ষার অবস্থান করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- BCS ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পানি, রক্ত বা লেবুর রসের pH মান কত তা জানতে চাওয়া হয়।
- pH এর মান ৭ এর কম হলে অম্লীয় এবং ৭ এর বেশি হলে ক্ষারীয় বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়।
সঠিক উত্তর: D) ১০%
১. কেন সঠিক:
- মানবদেহের মোট ওজনের প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ হলো পানি, যা শরীরের রক্ত সঞ্চালন, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং কোষের কার্যকারিতা সচল রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- শরীরের মোট তরলের পরিমাণ বা পানির মাত্রা যদি স্বাভাবিকের তুলনায় ১০ শতাংশ কমে যায়, তবে মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ ও অক্সিজেনের মাত্রা মারাত্মকভাবে হ্রাস পায়, যার ফলে সংজ্ঞা লোপ বা অজ্ঞান হওয়ার ঘটনা ঘটে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পানি হলো মানবদেহের প্রধান দ্রাবক এবং মাধ্যম, যা কোষের ভেতরে ও বাইরে পুষ্টি উপাদান পরিবহন করে।
- কার্যপ্রণালি: পানির অভাবে রক্তের আয়তন কমে যায়, যাকে হাইপোভলেমিয়া বলা হয় এবং এর ফলে রক্তচাপ দ্রুত পতন ঘটে।
- কারণ ও ফলাফল: রক্তচাপ কমে যাওয়ায় মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পৌঁছাতে পারে না, ফলে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে এবং ব্যক্তি সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন।
- বাস্তব প্রয়োগ: তীব্র গরমে অতিরিক্ত ঘাম হলে বা ডায়রিয়ার কারণে শরীর থেকে দ্রুত পানি ও লবণ বের হয়ে গেলে এই বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দীর্ঘক্ষণ মরুভূমিতে হেঁটে ডিহাইড্রেশনের শিকার হওয়া ব্যক্তি।
ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত গরমে ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে ১০ শতাংশ বা তার বেশি পানি ও ইলেক্ট্রোলাইট হারিয়ে গেলে মানুষ মাথা ঘুরে পড়ে যায়।
উদাহরণ ২: ডায়রিয়ায় আক্রান্ত তীব্র dehydration বা পানি শূন্যতার রোগী।
ব্যাখ্যা: বারবার বমি ও পাতলা পায়খানার ফলে শরীরের কোষে পানির ঘাটতি দেখা দিলে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র কাজ করা বন্ধ করে দেয় এবং অজ্ঞান হয়ে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬% — এই পরিমাণ পানি হ্রাস মানবদেহের জন্য নিশ্চিত মৃত্যুর ঝুঁকি তৈরি করে, যা ১০ শতাংশের অনেক পরের অত্যন্ত মারাত্মক ধাপ।
B) ১৪% — শরীরে চৌদ্দ শতাংশ পানি কমে গেলে অঙ্গহানি বা মাল্টি-অর্গান ফেইলিওর শুরু হয়, যা সংজ্ঞা লোপ পাওয়ার পরের অত্যন্ত জটিল অবস্থা।
C) ১২% — বারো শতাংশ পানি কমে গেলে তীব্র শক এবং কিডনি বিকল হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়, যা সাধারণ সংজ্ঞা লোপের মাত্রা অতিক্রম করে।
D) ১০% — এই নির্দিষ্ট মাত্রায় পৌঁছলেই মানবদেহের স্নায়বিক কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায় এবং সংজ্ঞা লোপ পায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মানবদেহের পানির সমীকরণ মনে রাখতে সংখ্যা দশ মনে রাখুন, কারণ দশ শতাংশ পানি হারালেই শরীর সেন্সর বা চেতনা হারিয়ে ফেলে।
- রক্তচাপ পতন এবং দশ শতাংশ পানির ঘাটতিকে একসঙ্গে যুক্ত করে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে উত্তর ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডিহাইড্রেশন বা পানির ঘাটতির মাত্রা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে মানবদেহের কত শতাংশ পানি কমলে মৃত্যু ঘটে, যার সঠিক উত্তর সাধারণত বিশ শতাংশ বা তার বেশি।
সঠিক উত্তর: B) তুঁতে
১. কেন সঠিক:
কপার সালফেটের সাধারণ বা বাণিজ্যিক নাম হলো তুঁতে।
এটি তামা, সালফার এবং অক্সিজেনের সমন্বয়ে গঠিত একটি অজৈব লবণ যা পানিতে সহজেই দ্রবণীয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: কপার সালফেটের রাসায়নিক সংকেত হলো CuSO৪ এবং এর সাথে পাঁচ অণু কেলাস জল যুক্ত থাকলে তাকে পেন্টাহাইড্রেট বলে।
রাসায়নিক গঠন: এটি তুঁতে বা নীল vitriol নামে পরিচিত কারণ এর কেলাসের রঙ উজ্জ্বল নীল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কৃষিকাজে ছত্রাকনাশক হিসেবে উদ্ভিদের পাতায় বোর্দো মিশ্রণ তৈরিতে তুঁতে ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি উদ্ভিদের পাতা ও ফলকে বিভিন্ন ক্ষতিকর ছত্রাকের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
উদাহরণ ২: তড়িৎ প্রলেপন বা গ্যালভানাইজিং কারখানায় ধাতুর ওপর তামার আস্তরণ দিতে এটি ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: তামার আস্তরণ ধাতুর স্থায়িত্ব বাড়ায় এবং মরিচা পড়া রোধ করতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফিটকিরি — এটি পটাশ এলাম, যার রাসায়নিক সংকেত পটাশিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেট এবং এটি পানি পরিষ্কার করতে ব্যবহৃত হয়।
B) তুঁতে — এটি কপার সালফেটের পরিচিত বাংলা নাম এবং এটি সঠিক উত্তর।
C) খাদ্য লবণ — এটি সোডিয়াম ক্লোরাইড যা আমাদের দৈনন্দিন রান্নার কাজে প্রধান অনুষঙ্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) খাবার সোডা — এটি সোডিয়াম বাইকার্বোনেট যা পিঠা ও কেক ফোলাতে এবং অ্যান্টাসিড হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
তামা থেকে তুঁতে এই মিলটি মনে রাখলে কপার সালফেটের বাংলা নাম সহজে মনে রাখা যায়।
কপার সালফেতের নীল রঙের সাথে তুঁতে শব্দটির বর্ণগত সাদৃশ্য রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
তুঁতের রাসায়নিক সংকেত হলো CuSO৪ এবং এর সাথে ৫ অণু পানি থাকে।
একই ধরনের প্রশ্ন পরীক্ষায় আসতে পারে যেমন খাবার সোডার রাসায়নিক নাম বা সংকেত কী।
সঠিক উত্তর: B) 0.32
১. কেন সঠিক:
বিদ্যুৎ বিল হিসাব করার জন্য মোট শক্তি ব্যবহারের পরিমাণ কিলোওয়াট-ঘণ্টায় নির্ণয় করতে হয়।
এখানে বাল্বের ক্ষমতা এবং জ্বালানোর সময় গুণ করে কিলোওয়াট-ঘণ্টায় রূপান্তর করলেই দৈনিক বিদ্যুৎ খরচ পাওয়া যায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: বৈদ্যতিক শক্তি বা কিলোওয়াট-ঘণ্টা হলো বিদ্যুৎ ব্যবহারের একক যা সাধারণত ইউনিট নামে পরিচিত।
সূত্র/তত্ত্ব: বিদ্যুৎ খরচ কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা ইউনিট সমান ক্ষমতা ওয়াটে গুণ সময় ঘণ্টায় ভাগ এক হাজার।
কার্যপ্রণালি: ৮০ ওয়াট বাল্বকে ৮ ঘণ্টা জ্বালালে মোট শক্তি খরচ হয় ৮০ গুণ ৮ সমান ৬৪০ ওয়াট-ঘণ্টা।
কারণ ও ফলাফল: ৬৪০ ওয়াট-ঘণ্টাকে এক হাজার দিয়ে ভাগ করলে শূন্য দশমিক ছয় চার কিলোওয়াট-ঘণ্টা হয় যা দৈনিক ০.৩2 কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা ইউনিট।
বাস্তব প্রয়োগ: বাসা-বাড়িতে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাপ এবং প্রিপেইড মিটার বা মাসিক বিদ্যুৎ বিলের হিসাব এই সূত্র দিয়ে করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১০০ ওয়াটের একটি ফ্যান দৈনিক ১০ ঘণ্টা চললে বিদ্যুৎ খরচ হয় এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা এক ইউনিট।
ব্যাখ্যা: ১০০ গুণ ১০ সমান ১০০০ ওয়াট-ঘণ্টা বা এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা এক ইউনিট।
উদাহরণ ২: ৬০ ওয়াটের একটি টিউবলাইট দৈনিক ৫ ঘণ্টা চললে খরচ হয় শূন্য দশমিক তিন শূন্য ইউনিট।
ব্যাখ্যা: ৬০ গুণ ৫ সমান ৩০০ ওয়াট-ঘণ্টা যাকে এক হাজার দিয়ে ভাগ করলে শূন্য দশমিক তিন শূন্য হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 0.3 — এটি সঠিক হিসাবের কাছাকাছি হলেও গণনায় সামান্য ত্রুটির কারণে ভুল ফলাফল দেয়।
B) 0.32 — এটি সঠিক উত্তর কারণ ৮০ ওয়াট গুণ ৮ ঘণ্টা ভাগ এক হাজার সমান শূন্য দশমিক তিন দুই ইউনিট।
C) 3.2 — এটি ভুল কারণ দশমিকের হিসেবে এক ঘর ভুল বসানো হয়েছে যা ১০ গুণ বেশি।
D) 8 — এটি ভুল কারণ এটি কেবল জ্বালানোর সময় নির্দেশ করে, শক্তির পরিমাণ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইউনিট বের করার সহজ নিয়ম হলো ওয়াট গুণ ঘণ্টা ভাগ এক হাজার।
ওয়াটকে কিলোওয়াটে নিতে হাজার দিয়ে ভাগ করতে হয় এবং মোট সময়ের সঙ্গে গুণ করতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ খরচকে এক ইউনিট বলা হয়।
এই ধরনের অংক বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে যেখানে ওয়াট এবং ঘণ্টাকে কিলোওয়াটে রূপান্তর করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) ১২০ দিন
১. কেন সঠিক:
- মানবদেহে লোহিত রক্তকণিকার গড় আয়ু প্রায় চার মাস বা ১২০ দিন।
- এই নির্দিষ্ট সময় পর প্লীহা লোহিত কণিকাগুলোকে ভেঙে ফেলে এবং নতুন কণিকা উৎপাদিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: লোহিত রক্তকণিকা বা এরিথ্রেসাইট হলো মেরুদণ্ডী প্রাণীর রক্তে অক্সিজেন পরিবহনের প্রধান বাহক।
- কার্যপ্রণালি: অস্থিমজ্জায় তৈরি হওয়ার পর এই কোষগুলো রক্তরসে মিশে সারা দেহে অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং বয়স বাড়লে প্লীহায় ধ্বংস হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানবদেহের রক্ত সঞ্চালন ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা: সুস্থ মানুষের রক্তে প্রতিদিন নতুন লোহিত কণিকা যুক্ত হয় এবং পুরনো কণিকা অপসারিত হয়।
উদাহরণ ২: পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের দেহ
ব্যাখ্যা: কম অক্সিজেনের কারণে তাদের দেহে লোহিত কণিকার সংখ্যা ও আয়ুষ্কালে পরিবর্তন দেখা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১১০ দিন — এটি লোহিত রক্তকণিকার সঠিক গড় আয়ুষ্কাল নয়।
B) ১১৫ দিন — এটি বিজ্ঞানসম্মতভাবে লোহিত রক্তকণিকার জীবনকাল হিসেবে স্বীকৃত নয়।
C) ১২০ দিন — এটি লোহিত রক্তকণিকার সঠিক ও প্রমিত আয়ুষ্কাল।
D) ১২৫ দিন — এই সময়সীমা লোহিত রক্তকণিকার স্বাভাবিক জীবনচক্রের চেয়ে বেশি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- লোহিত কণিকার আয়ু মনে রাখতে ১২০ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা চার মাসের সমান।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি মানবদেহ ও শারীরবৃত্ত অংশ থেকে প্রায়ই আসে।
- শ্বেত রক্তকণিকা ও অনুচক্রিকার আয়ু কত দিন, তা থেকেও প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) মেলাটোনিন
১. কেন সঠিক:
স্মার্টফোন বা ডিজিটাল স্ক্রিন থেকে নির্গত নীল আলো মস্তিষ্কের পিনিয়াল গ্রন্থিকে সংকেত দেয় যে এখনো দিন আছে, যার ফলে ঘুম নিয়ন্ত্রক হরমোনের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।
এই হরমোনের মাত্রা কমে যাওয়ার কারণে শরীরের স্বাভাবিক জৈবিক ঘড়ি বা সার্কাডিয়ান রিদম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় এবং ঘুম আসতে দেরি হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: মেলাটোনিন হলো মানুষের মস্তিষ্কের পিনিয়াল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত এমন একটি হরমোন যা অন্ধকার বা রাতের বেলা বেশি উৎপন্ন হয়ে ঘুম induce করে।
কার্যপ্রণালি: স্মার্টফোনের স্ক্রিনের High Energy Visible Blue light চোখের রেটিনার বিশেষ আলোকগ্রাহী কোষকে উদ্দীপিত করে এবং পিনিয়াল গ্রন্থিকে মেলাটোনিন তৈরি করতে বাধা দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঘুমানোর ঠিক আগ মুহূর্তে দীর্ঘক্ষণ মোবাইল স্ক্রিন ব্যবহার করলে চোখে ঝিমুনি ভাব আসতে দেরি হয় এবং গভীর ঘুম ব্যাহত হয়।
ব্যাখ্যা: নীল আলোর প্রভাবে মেলাটোনিন নিঃসরণ বন্ধ থাকায় মস্তিষ্ক তখনো জাগ্রত থাকার ভুল সংকেত পেতে থাকে।
উদাহরণ ২: সন্ধ্যার পর ঘরের হলুদ আলোর পরিবর্তে উজ্জ্বল নীল রঙের এলইডি বা স্ক্রিন ব্যবহার করলে পরবর্তীতে অনিদ্রা দেখা দেয়।
ব্যাখ্যা: নীল বর্ণালীর আলো মেলাটোনিন হরমোনের স্বাভাবিক উৎপাদন প্রক্রিয়াকে সাময়িকভাবে সম্পূর্ণ থামিয়ে দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডোপামিন — এটি মস্তিষ্কের এমন একটি নিউরোট্রান্সমিটার যা আনন্দ, প্রেরণা এবং পুরস্কারের অনুভূতির সঙ্গে বিশেষভাবে সম্পর্কিত।
B) ইনসুলিন — এটি অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত একটি হরমোন যা শরীরের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
C) কটিসল — এটি অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত স্ট্রেস হরমোন যা চাপ ও বিপাকীয় কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
D) মেলাটোনিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রাতের অন্ধকারে বা ঘুমের সময় নিঃসৃত হয়ে মানুষের ঘুমের চক্র নিয়ন্ত্রণ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
ঘুমানোর আগে মোবাইল স্ক্রিনের নীল আলো দেখলে মেলাটোনিন হরমোন মেলাতে পারে না অর্থাৎ ঘুম আসে না।
নীল আলোর প্রভাবে মেলাটোনিন উৎপাদন কমে যায়, এই সহজ সম্পর্কটি মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর ভুল হবে না।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মেলাটোনিন হরমোন উৎপন্ন হয় মস্তিষ্কের পিনিয়াল গ্রন্থি থেকে এবং এটি মানবদেহের জৈবিক ঘড়ি বা সার্কাডিয়ান রিদম নিয়ন্ত্রণ করে।
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে কোন হরমোনের অভাবে বা বাধায় মানুষের ঘুমের চক্র ব্যাহত হয়।
সঠিক উত্তর: A) খাদ্যপ্রাণ
১. কেন সঠিক:
- ভিটামিন আমাদের শরীরের জন্য একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান যা রোগ প্রতিরোধ ও স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
- ভিটামিন শব্দটি এসেছে লাতিন শব্দ ভাইটা থেকে যার অর্থ জীবন এবং অ্যামিন শব্দ থেকে যার অর্থ নাইট্রোজেনযুক্ত জৈব যৌগ।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ভিটামিন হলো এক ধরনের জৈব অনুঘটক যা আমাদের শরীরে সরাসরি শক্তি উৎপন্ন করে না, তবে শরীরের অভ্যন্তরীণ রাসায়নিক বিক্রিয়াগুলো সচল রাখতে সাহায্য করে।
- কারণ ও ফলাফল: শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিনের অভাব ঘটলে বিভিন্ন ধরনের ঘাটতিজনিত রোগ যেমন স্কারভি, রিকেটস বা বেরিবেরি হতে পারে।
- বাস্তব প্রয়োগ: সুষম খাদ্যের মাধ্যমে আমরা ফলমূল, শাকসবজি ও আমিষজাতীয় খাবার থেকে নিয়মিত ভিটামিন গ্রহণ করে সুস্থ থাকি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লেবু ও আমলকীতে থাকা ভিটামিন সি আমাদের দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
ব্যাখ্যা: এটি ভিটামিনের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার একটি বাস্তব প্রয়োগ।
উদাহরণ ২: গাজরে থাকা ভিটামিন এ আমাদের চোখের দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
ব্যাখ্যা: এটি নির্দিষ্ট অঙ্গের পুষ্টি সরবরাহে ভিটামিনের কাজের প্রমাণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খাদ্যপ্রাণ — এটি ভিটামিনের সঠিক পরিভাষিক বাংলা শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর মাধ্যমে জীবের পুষ্টিতে এর গুরুত্ব বোঝানো হয়।
B) খাদ্যায়ন — এই শব্দটি খাদ্যের প্রক্রিয়াজাতকরণ বা খাদ্যের গুণগত মান বৃদ্ধির কোনো পদ্ধতিকে নির্দেশ করে, যা ভিটামিনের সমার্থক নয়।
C) খাদ্যরস — এই শব্দ দ্বারা সাধারণত খাবারের ভেতরের রসালো অংশ বা পাচকরসকে বোঝানো হয়, যা নির্দিষ্ট কোনো পুষ্টি উপাদান নয়।
D) খাদ্যজীব — এই শব্দটির কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই এবং এটি জীববিজ্ঞানের পরিভাষায় কোনো নির্দিষ্ট পুষ্টি উপাদানকে নির্দেশ করে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ভিটামিন মানেই জীবনের জন্য প্রাণশক্তি, তাই এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ খাদ্যপ্রাণ মনে রাখা সহজ।
- ভিটামিন আমাদের দেহে শক্তি দেয় না কিন্তু রোগ থেকে রক্ষা করে, এই পার্থক্যটি সবসময় মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিভাষিক শব্দ এবং ভিটামিনের উৎস ও অভাবজনিত রোগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ভিটামিনের আবিষ্কারক কে এবং কোন ভিটামিন কী নামে পরিচিত, তা ভালোভাবে পড়ে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) DNA
১. কেন সঠিক:
- রেডিওথেরাপি মূলত উচ্চ শক্তির আয়নাইজিং বিকিরণ ব্যবহার করে ক্যান্সার কোষের জেনেটিক উপাদান নষ্ট করে।
- এই বিকিরণ কোষের ডিএনএ অণুর ভেতরের রাসায়নিক বন্ধন ভেঙে দেয়, ফলে কোষ আর বাঁচতে পারে না।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: রেডিওথেরাপি বা বিকিরণ থেরাপি হলো ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত একটি পদ্ধতি, যা এক্স-রে বা গামা রশ্মির মতো উচ্চ শক্তির বিকিরণ ব্যবহার করে টিউমার কোষ ধ্বংস করে।
- কার্যপ্রণালি: উচ্চ শক্তির রশ্মি কোষের ভেতরে প্রবেশ করে সরাসরি ডিএনএর গঠনে আঘাত হানে অথবা কোষের ভেতরে ফ্রি র্যাডিকেল তৈরি করে ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত করে।
- কারণ ও ফলাফল: ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত হলে কোষ বিভাজনের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং অ্যাপোপটোসিস বা নিয়ন্ত্রিত কোষ মৃত্যুর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মারা যায়।
- বাস্তব প্রয়োগ: মানবদেহের বিভিন্ন ধরনের ম্যালিগন্যান্ট টিউমার বা ক্যান্সার চিকিৎসায় অনকোলজিস্টরা এই পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ত্বকের ক্যান্সারের চিকিৎসায় রেডিওথেরাপি ব্যবহার করা হয়।
ব্যাখ্যা: লক্ষ্যবস্তুতে নির্দিষ্ট মাত্রার রশ্মি প্রয়োগ করে ত্বকের গভীরের ক্যান্সার কোষের ডিএনএ ধ্বংস করা হয়।
উদাহরণ ২: মস্তিষ্কের টিউমার অপসারণের পর রেডিওসার্জারি করা হয়।
ব্যাখ্যা: এটি উচ্চমাত্রার বিকিরণ প্রয়োগ করে অবশিষ্টাংশ ক্যান্সার কোষের ডিএনএ স্থায়ীভাবে নিষ্ক্রিয় করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) DNA — এটি সঠিক উত্তর কারণ রেডিওথেরাপির মূল লক্ষ্যই হলো কোষের জেনেটিক ব্লুপ্রিন্ট বা ডিএনএ ধ্বংস করা।
B) নিউক্লিয়াস — নিউক্লিয়াস সামগ্রিকভাবে ডিএনএ ধারণ করে, কিন্তু রেডিওথেরাপির প্রাথমিক এবং প্রধান লক্ষ্য হলো নিউক্লিয়াসের ভেতরে থাকা ডিএনএর অণু।
C) মাইটোকন্ড্রিয়া — এটি কোষের শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র বা পাওয়ার হাউজ, তবে রেডিওথেরাপির প্রধান আঘাত সরাসরি মাইটোকন্ড্রিয়ার ওপর পড়ে না।
D) কোষগহ্বর — উদ্ভিদ কোষে কোষগহ্বর থাকে যা বর্জ্য পদার্থ ও পানি ধরে রাখে, এটি প্রাণী কোষে থাকে না এবং রেডিওথেরাপির প্রধান লক্ষ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রেডিওথেরাপির প্রধান কাজ হলো জিনের ওপর আঘাত হানা। জিন মানেই ডিএনএ, তাই সঠিক উত্তর ডিএনএ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রেডিওথেরাপিতে সাধারণত কোবাল্ট ষাট বা এক্স-রে ব্যবহার করা হয়।
- একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে রেডিওথেরাপি কোষের কোন জৈব অণুকে লক্ষ্য করে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: B) ২৩ সেপ্টেম্বর
১. কেন সঠিক:
- এই দিনে সূর্য বিষুবরেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়।
- ফলে পৃথিবীর উভয় গোলার্ধে দিন ও রাত সমান অর্থাৎ বারো ঘণ্টা করে হয়।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- অবস্থান: বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখা অঞ্চল।
- বৈশিষ্ট্য: একে জলবিষুব বলা হয় কারণ এরপর উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে বসন্তকাল শুরু হয়।
- সংশ্লিষ্ট তথ্য: বছরের দু-বার দিন ও রাত সমান হয়, যার একটি ২১ মার্চ এবং অন্যটি ২৩ সেপ্টেম্বর।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
- উদাহরণ ১: ২১ মার্চ বসন্ত বিষুব।
- ব্যাখ্যা: এই দিনেও উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে দিন ও রাত সমান থাকে।
- উদাহরণ ২: ২৩ সেপ্টেম্বর জলবিষুব।
- ব্যাখ্যা: এই দিন থেকে উত্তর গোলার্ধে সূর্য দক্ষিণ দিকে হেলে পড়তে শুরু করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) ২২ সেপ্টেম্বর — এটি সঠিক তারিখ নয়।
- B) ২৩ সেপ্টেম্বর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
- C) ২১ সেপ্টেম্বর — এই তারিখে দিন ও রাত সমান হয় না।
- D) ২৪ সেপ্টেম্বর — এটি বিষুব বা দিন-রাত সমান হওয়ার তারিখ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মার্চ ও সেপ্টেম্বর মাসের একুশ বা তেইশ তারিখে দিন ও রাত সমান হয়।
- মনে রাখার সহজ উপায় হলো বিষুব মানে সমান দিন ও রাত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর এই দুটি দিনকে বিষুব বা ইকুইনক্স বলা হয়।
- বার্ষিক গতির ফলে পৃথিবীতে দিন ও রাত সমান হওয়ার ঘটনা ঘটে।
প্রশ্নের ধরন: বিশ্বের ভূগোল
সঠিক উত্তর: C) ইউরেনাস
১. কেন সঠিক:
- ইউরেনাস গ্রহের বায়ুমণ্ডলে মিথেন গ্যাসের আধিক্য থাকার কারণে এটি দূরবীন দিয়ে দেখলে সবুজ বা নীলচে-সবুজ রঙের দেখায়।
- মিথেন গ্যাস লাল আলো শোষণ করে এবং সবুজ ও নীল আলো প্রতিফলিত করে, যা এই অনন্য রঙের কারণ।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
- বৈশিষ্ট্য: ইউরেনাস সৌরজগতের সপ্তম গ্রহ এবং এটি অন্যান্য গ্রহের মতো সোজাভাবে না থেকে সম্পূর্ণ পাশ ফিরে বা শুয়ে আবর্তিত হয়।
- সংশ্লিষ্ট তথ্য: ১৭৮১ সালে উইলিয়াম হারশেল টেলিস্কোপের মাধ্যমে এই গ্রহ আবিষ্কার করেন এবং এটি সৌরজগতের সবচেয়ে ঠান্ডা গ্রহগুলোর একটি।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: পৃথিবীর মহাসাগর
ব্যাখ্যা: মহাসাগরের জলরাশি ওপর থেকে নীল দেখায় কারণ জল মিথেন বা অন্যান্য উপাদানের পরিবর্তে সূর্যালোকের অন্য রঙ শোষণ করে নীল রঙ প্রতিফলিত করে।
উদাহরণ ২: নেপচুনের বায়ুমণ্ডল
ব্যাখ্যা: নেপচুনেও মিথেন গ্যাস রয়েছে, তবে এর বায়ুমণ্ডলীয় গঠন ও ঘনত্বের কারণে এটি গভীর নীল রঙের দেখায়, সবুজ নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেপচুন — এটি সৌরজগতের অষ্টম গ্রহ এবং মিথেন গ্যাসের কারণে এটি গাঢ় নীল রঙের দেখায়, তাই এটি সবুজ গ্রহ নয়।
B) প্লুটো — এটি একটি বামন গ্রহ এবং এর উপরিভাগ নাইট্রোজেন ও বরফে ঢাকা, যা ধূসর বা হালকা বাদামী রঙের।
D) বৃহস্পতি — এটি সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ এবং এর বায়ুমণ্ডলে অ্যামোনিয়া ও হাইড্রোজেন গ্যাসের মেঘের কারণে এটি কমলা ও সাদা ডোরাকাটা দেখায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইউরেনের নামের সঙ্গে ইউরেনিয়াম বা সবুজ পাতার মিল ধরে মনে রাখতে পারো যে মিথেনের রঙে ইউরেনাস হলো সবুজ গ্রহ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কোন গ্রহের বায়ুমণ্ডলে মিথেন গ্যাসের কারণে সবুজ দেখায় তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
একই ধারণা থেকে গ্রহের রঙ ও বায়ুমণ্ডলের উপাদান সম্পর্কিত অন্যান্য প্রশ্নও পরীক্ষাতে আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) মঙ্গোলিয়া
১. কেন সঠিক:
দূরপ্রাচ্য বা ফার ইস্ট বলতে এশিয়া মহাদেশের পূর্ব প্রান্তের দেশগুলোকে বোঝানো হয়।
মঙ্গোলিয়া পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত দেশ হওয়ায় এটি দূরপ্রাচ্যের অন্তর্ভুক্ত।
২. ভৌগোলিক তথ্য:
অবস্থান: মঙ্গোলিয়া পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত এবং এর উত্তরে রাশিয়া ও দক্ষিণে চীন রয়েছে।
বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের অন্যতম জনবিরল স্বাধীন দেশ এবং এর বেশিরভাগ অংশ উচ্চ মালভূমি ও তৃণভূমি দ্বারা গঠিত।
৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা:
উদাহরণ ১: জাপান
ব্যাখ্যা: জাপান এশিয়ার সর্বপূর্বের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এটিও দূরপ্রাচ্যের অন্যতম প্রধান দেশ।
উদাহরণ ২: চীন
ব্যাখ্যা: চীন পূর্ব এশিয়ার একটি বিশাল দেশ এবং ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে দূরপ্রাচ্যের ভূরাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়া মহাদেশে অবস্থিত এবং এটি দক্ষিণ গোলার্ধের একটি স্বাধীন রাষ্ট্র ও মহাদেশ।
B) নিউজিল্যান্ড — নিউজিল্যান্ড প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিমে ওশেনিয়া অঞ্চলে অবস্থিত একটি দ্বীপ দেশ।
C) মঙ্গোলিয়া — এটি সঠিক উত্তর।
D) আইসল্যান্ড — আইসল্যান্ড উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে ইউরোপের উত্তর প্রান্তে অবস্থিত একটি দ্বীপ দেশ।
৫ মনে রাখার টিপস:
মঙ্গোলিয়া মধ্য ও পূর্ব এশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ হলেও রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক শ্রেণিবিভাগে একে দূরপ্রাচ্যের দেশ হিসেবে গণ্য করা হয়।
এশিয়ার পূর্ব দিকের দেশগুলো যেমন চীন, জাপান, কোরিয়া এবং মঙ্গোলিয়ার নাম একসঙ্গে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আঞ্চলিক ভূগোলের দেশ বা মহাদেশ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
এই প্রশ্নটি থেকে দূরপ্রাচ্য অঞ্চলের দেশগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট হয়।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)