a ভুটান
b সোমালিয়া
c কঙ্গো
d দক্ষিণ-সুদান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দক্ষিণ-সুদান ১. কেন সঠিক: টেকসই উন্নয়ন প্রতিবেদন জাতিসংঘের এসডিজি বাস্তবায়নের অগ্রগতি মূল্যায়ন করে। দক্ষিণ-সুদান সংঘাত, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে এই সূচকে সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: দক্ষিণ-সুদান হলো বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ স্বাধীন রাষ্ট্র। প্রতিষ্ঠা: ২০১১ সালের ৯ জুলাই সুদান থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। রাজधानी ও মুদ্রা: জুবা এবং দক্ষিণ সুদান পাউন্ড। প্রেক্ষাপট: দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের কারণে দেশটির অবকাঠামো ও অর্থনীতি ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: টেকসই উন্নয়ন সূচকে তলানিতে থাকা দেশগুলো আন্তর্জাতিক মানবিক ও আর্থিক সহায়তার প্রধান লক্ষ্য হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আফগানিস্তান ব্যাখ্যা: রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির টেকসই উন্নয়ন সূচক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: ইয়েমেন ব্যাখ্যা: দীর্ঘস্থায়ী সামরিক সংঘাত ও মানবিক সংকটের ফলে দেশটি টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন থেকে বহু দূরে রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভুটান — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ যা স্থূল জাতীয় সুখ ধারণার জন্য বিখ্যাত এবং পরিবেশ সুরক্ষায় এগিয়ে আছে। B) সোমালিয়া — এটি পূর্ব আফ্রিকার দেশ হলেও টেকসই উন্নয়ন প্রতিবেদনের একেবারে সর্বনিম্ন অবস্থানে দক্ষিণ-সুদান রয়েছে। C) কঙ্গো — গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র মধ্য আফ্রিকার একটি দেশ এবং এটি খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ হলেও সূচকে সর্বনিম্ন অবস্থানে নেই। D) দক্ষিণ-সুদান — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রতিবেদনের সার্বিক মূল্যায়নে দেশটি সবার নিচে অবস্থান করছে। ৫ মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে নবীন রাষ্ট্র হিসেবে নানা সংকটে জর্জরিত দক্ষিণ-সুদান টেকসই উন্নয়নেও সবার পেছনে রয়েছে। নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারো উন্নয়ন সূচকের তলানির দক্ষিণ বিন্দু হলো দক্ষিণ-সুদান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এসডিজি বাস্তবায়ন সূচকে শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে সাধারণত স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলো থাকে। এই প্রশ্নটি থেকে ভবিষ্যতে শীর্ষ দেশ বা বাংলাদেশের অবস্থান সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a UNIMOG
b UNIIMOG
c UNGOMAP
d UNICEF
0 157 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) UNIIMOG ১. কেন সঠিক: - ইরান ও ইরাকের মধ্যে ১৯৮০ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত চলা দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের অবসান ঘটাতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব অনুসারে এই শান্তিরক্ষী মিশন গঠিত হয়। - যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলো কি না এবং দুই দেশের সীমান্ত থেকে সৈন্য প্রত্যাহার হচ্ছে কি না, তা তদারকি করাই ছিল এই বাহিনীর মূল দায়িত্ব। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: জাতিসংঘ ইরান-ইরাক সামরিক অবজার্ভার গ্রুপ। - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ১৯৮৮ সালের আগস্ট মাসে এই মিশন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। - সদর দপ্তর: ইরান ও ইরাকের সীমান্ত এলাকা তথা তেহরান ও বাগদাদ। - প্রেক্ষাপট: দীর্ঘ আট বছর ধরে চলা ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের পর জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি অর্জিত হলে শান্তিরক্ষার প্রয়োজন দেখা দেয়। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: মধ্যপ্রাচ্যের একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে জাতিসংঘ এই প্রথম সরাসরি সামরিক পর্যবেক্ষণ পরিচালনা করে। - ফলাফল/প্রভাব: সফলভাবে যুদ্ধবিরতি তদারকি শেষে ১৯৮৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এই মিশন তাদের কার্যক্রম সমাপ্ত করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: UNGOMAP ব্যাখ্যা: সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তান ত্যাগ করার সময় জেনেভা চুক্তি তদারকির জন্য এই মিশন গঠিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: UNIMOG ব্যাখ্যা: এমন কোনো স্বীকৃত জাতিসংঘের প্রধান শান্তিরক্ষী বাহিনী নেই, এটি কেবল বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি একটি অপশন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNIMOG — এই নামে জাতিসংঘের কোনো আনুষ্ঠানিক শান্তিরক্ষী মিশন বা সংস্থা অতীতে বা বর্তমানে অস্তিত্বশীল ছিল না। B) UNIIMOG — এটি জাতিসংঘ ইরান-ইরাক সামরিক অবজার্ভার গ্রুপের সঠিক সংক্ষিপ্ত রূপ যা সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত। C) UNGOMAP — এটি মূলত আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত সৈন্য প্রত্যাহার তদারক করার জন্য গঠিত জাতিসংঘের অন্য একটি মিশন। D) UNICEF — এটি শিশুদের অধিকার ও কল্যাণ নিয়ে কাজ করা জাতিসংঘের একটি দীর্ঘস্থায়ী বিশেষায়িত সংস্থা, কোনো যুদ্ধবিরতি মিশন নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইরান ও ইরাকের যুদ্ধবিরতি মনে রাখতে হলে নামের শেষের IIMOG অংশটি খেয়াল রাখতে হবে যা Iran-Iraq Military Observer Group বোঝায়। - UNICEF বা অন্য কোনো সাধারণ সংস্থার সঙ্গে এই সামরিক পর্যবেক্ষণ মিশনকে গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুদ্ধবিরতি তদারককারী জাতিসংঘের মিশনগুলোর নাম প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - একই ধরনের প্রশ্ন থেকে সংক্ষেপে জানতে চাওয়া হতে পারে কোন সালে এই মিশন গঠিত হয়েছিল বা এর পূর্ণরূপ কী।
a ১৫ সেপ্টেম্বর
b ১৫ অক্টোবর
c ১৫ নভেম্বর
d ১৫ ডিসেম্বর
0 140 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৫ সেপ্টেম্বর ১. কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্রের নীতি প্রচার এবং এর অবস্থা মূল্যায়নের জন্য নির্ধারিত একটি বিশেষ দিন। - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০০৭ সাল থেকে প্রতি বছর ১৫ সেপ্টেম্বর এই দিবসটি আনুষ্ঠানিকভাবে পালন করা হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ২০০৭ সালের ৮ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রস্তাবের মাধ্যমে এটি গৃহীত হয় এবং প্রথম পালিত হয় ২০০৮ সালে। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষা করা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোতে অংশগ্রহণমূলক শাসনব্যবস্থা শক্তিশালী করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইন্টারপার্লামেন্টারি ইউনিয়ন ব্যাখ্যা: এই সংস্থাটি গণতন্ত্রের প্রসারে বিশ্বব্যাপী কাজ করে এবং আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস ঘোষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। উদাহরণ ২: মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র ব্যাখ্যা: গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো জনগণের অধিকার, যা এই ঘোষণাপত্রের নীতিগুলোর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ সেপ্টেম্বর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনটিতেই আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস পালন করা হয়। B) ১৫ অক্টোবর — এটি সঠিক উত্তর নয়, কারণ এই তারিখে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস পালিত হয়। C) ১৫ নভেম্বর — এটি সঠিক উত্তর নয়, কারণ এই তারিখে কোনো প্রধান আন্তর্জাতিক দিবস নির্ধারিত নেই। D) ১৫ ডিসেম্বর — এটি সঠিক উত্তর নয়, কারণ এই তারিখে আন্তর্জাতিক চা দিবস পালিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - গণতন্ত্রের প্রথম অক্ষর দ (দশ এর মতো) এবং সেপ্টেম্বর মাসের মাঝের একটি বিশেষ তারিখ মনে রাখতে পারো যে এটি মাসের মাঝামাঝি সময়ে ১৫ তারিখে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দিবস সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, বিশেষ করে জাতিসংঘের ঘোষণাকৃত দিবসগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ।
a ফ্রান্স
b জার্মানি
c নেদারল্যান্ড
d হাঙ্গেরি
0 149 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জার্মানি ১. কেন সঠিক: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বা টিআই হলো দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করা বিশ্বখ্যাত একটি বেসরকারি আন্তর্জাতিক সংস্থা। এই সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় জার্মানির রাজধানী বার্লিন শহরে অবস্থিত এবং এখান থেকেই বিশ্বব্যাপী তাদের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচিতি: সংস্থা: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বা টিআই প্রতিষ্ঠা: ১৯৯৩ সাল সদর দপ্তর: বার্লিন, জার্মানি মূল কাজ: প্রতি বছর দুর্নীতির ধারণা সূচক বা করাপশন পারसेप्शन ইনডেক্স প্রকাশ করা গুরুত্ব: বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের সরকারি খাতের দুর্নীতির মাত্রা মূল্যায়ন করা এর প্রধান কাজ ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বার্লিন শহর ব্যাখ্যা: জার্মানির রাজধানী ও বৃহত্তম শহর বার্লিন কেবল রাজনৈতিক কেন্দ্রই নয়, বরং ট্রান্সপারেন্সির মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর হিসেবেও পরিচিত। উদাহরণ ২: দুর্নীতি ধারণা সূচক ব্যাখ্যা: এই সূচকের মাধ্যমে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দুর্নীতি পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স — এটি ইউরোপের একটি দেশ, যার রাজধানী প্যারিস এবং এখানে ইউনেস্কোর সদর দপ্তর অবস্থিত, তবে ট্রান্সপারেন্সির কার্যালয় এখানে নেই। B) জার্মানি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের প্রধান কার্যালয় জার্মানির বার্লিনে অবস্থিত। C) নেদারল্যান্ড — এটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালত বা আইসিজের মতো সংস্থার জন্য পরিচিত, তবে ট্রান্সপারেন্সির সদর দপ্তর এখানে নয়। D) হাঙ্গেরি — এটি মধ্য ইউরোপের একটি দেশ, যার রাজধানী বুদাপেস্ট এবং এর সঙ্গে ট্রান্সপারেন্সির প্রধান কার্যালয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল শব্দটির প্রথম অক্ষর টি এবং জার্মানির রাজধানী বার্লিনের সঙ্গে মিলিয়ে এভাবে মনে রাখা যায় যে টিআই এর ঠিকানা জার্মানিতে। অন্যান্য অনেক সংস্থার সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্র বা সুইজারল্যান্ডে হলেও টিআই একটু ব্যতিক্রম হিসেবে জার্মানিতে অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক সংস্থা ও তাদের সদর দপ্তর সম্পর্কিত অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় অথবা তাদের প্রকাশিত প্রধান প্রতিবেদনের নাম কী।
a কিলো ক্লাস
b মিং ক্লাস
c ডলফন ক্লাস
d শ্যাং-ক্লাস
0 160 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মিং ক্লাস ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জন্য চীন থেকে সংগৃহীত দুটি প্রচলিত ডিজেল-ইলেকট্রিক ডুবোজাহাজ টাইপ ০৩৫ বা মিং ক্লাস শ্রেণীর অন্তর্গত। ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে চীন থেকে এই সাবমেরিন দুটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হয়, যা বাংলাদেশের সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। ২. সামরিক ও কৌশলগত প্রেক্ষাপট: দেশ: বাংলাদেশ ও চীন প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ২০১৬ সালের ১৪ নভেম্বর বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাবমেরিন উইং গঠিত হয় এবং সাবমেরিন দুটি হস্তান্তর করা হয়। প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশ ফোর্সেস গোল ২০৩০ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সাবমেরিন সংগ্রহ করা হয়। উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: এর মাধ্যমে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ত্রিমাত্রিক বাহিনীতে রূপান্তর লাভ করে এবং গভীর সমুদ্রে নিজেদের জলসীমা রক্ষা ও সার্বভৌমত্ব বজায় রাখা সহজ হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফ্রিগেট ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ চীন থেকে যুদ্ধজাহাজ ও ফ্রিগেট সংগ্রহ করে থাকে, যা নৌবাহিনীর আধুনিকায়নে ভূমিকা রাখছে। উদাহরণ ২: ভারত মহাসাগরীয় ভূরাজনীতি ব্যাখ্যা: সাবমেরিন অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরে কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিলো ক্লাস — এটি রুশ প্রযুক্তির ডিজেল-ইলেকট্রিক ডুবোজাহাজ শ্রেণী, যা ভারত ও মিয়ানমারসহ কয়েকটি দেশের নৌবাহিনী ব্যবহার করে। B) মিং ক্লাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ নৌবাহিনী চীন থেকে এই শ্রেণীর দুটি ডুবোজাহাজ ক্রয় করেছে। C) ডলফন ক্লাস — এটি মূলত ইসরায়েলি নৌবাহিনীর ব্যবহৃত জার্মানি নির্মিত ডুবোজাহাজ শ্রেণী, যা অত্যন্ত উন্নতমানের। D) শ্যাং-ক্লাস — এটি চীনের পারমাণবিক শক্তিচালিত আক্রমণাত্মক ডুবোজাহাজ শ্রেণী, যা প্রচলিত ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রথম সাবমেরিনের নাম ও শ্রেণী মনে রাখতে 'মিং' শব্দটি মনে রাখুন। চীন থেকে সংগৃহীত হওয়ায় এটি চীনা ডিজাইনের মিং ক্লাস হিসেবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশ নৌবাহিনী কবে ত্রিমাত্রিক বাহিনীতে রূপান্তর লাভ করে তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সাবমেরিন দুটির নাম ছিল নবযাত্রা এবং জয়যাত্রা।
a এডেন উপসাগরের পাশে
b প্রশান্ত মহাসাগরে
c দক্ষিণ আমেরিকায়
d দক্ষিণ চীন সাগরে
0 153 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এডেন উপসাগরের পাশে ১. কেন সঠিক: জিবুতি আফ্রিকার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলে অবস্থিত একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছোট দেশ। এই দেশটি লোহিত সাগর এবং এডেন উপসাগরের সংযোগস্থলে বাব-এল-মান্দেব প্রণালীর পাশে অবস্থিত হওয়ায় এর ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: জিবুতি প্রজাতন্ত্র (Republic of Djibouti) অবস্থান: পূর্ব আফ্রিকা, এডেন উপসাগর ও লোহিত সাগরের সংযোগস্থল রাজধানী: জিবুতি শহর প্রেক্ষাপট: বিশ্বের প্রধান সামুদ্রিক বাণিজ্য রুট এই অঞ্চলের ওপর দিয়ে পরিচালিত হয় এবং এখানে বেশ কয়েকটি দেশের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। গুরুত্ব: মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যের প্রধান গেটওয়ে হিসেবে কাজ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুয়েজ খাল ব্যাখ্যা: জিবুতির মতো সুয়েজ খালও আন্তর্জাতিক সমুদ্র বাণিজ্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পথ। উদাহরণ ২: বাব-এল-মান্দেব প্রণালী ব্যাখ্যা: এটি এডেন উপসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে, যার পাশেই জিবুতি অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এডেন উপসাগরের পাশে — এই অপশনটি সঠিক কারণ জিবুতি এডেন উপসাগর ও লোহিত সাগরের সংযোগস্থলে অবস্থিত। B) প্রশান্ত মহাসাগরে — প্রশান্ত মহাসাগরে জিবুতি অবস্থিত নয়, এটি পূর্ব আফ্রিকার লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরের তীরবর্তী দেশ। C) দক্ষিণ আমেরিকায় — জিবুতি দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত নয়, এটি আফ্রিকা মহাদেশের হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলে অবস্থিত। D) দক্ষিণ চীন সাগরে — দক্ষিণ চীন সাগর এশিয়ায় অবস্থিত, যা জিবুতির ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জিবুতি নামটি শুনলেই মাথায় রাখতে হবে এটি হর্ন অব আফ্রিকার একটি দেশ যা লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরের মিলনস্থলে অবস্থিত। এডেন উপসাগর এবং লোহিত সাগরের প্রবেশদ্বারে জিবুতির অবস্থান একে বৈশ্বিক বাণিজ্যে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হর্ন অব আফ্রিকার দেশগুলো এবং তাদের ভৌগোলিক অবস্থান প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। এই প্রশ্নটি থেকে ভৌগোলিক কৌশলগত প্রণালী এবং সমুদ্র বন্দরের অবস্থান সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট হয়।
a আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (ARF)
b আঞ্চলিক শ্রম সংস্থা (ILO)
c আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (IFAD)
d খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (ARF) ১. কেন সঠিক: - আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম বা এআরএফ সরাসরি জাতিসংঘের কোনো বিশেষায়িত বা অঙ্গসংস্থা নয়। এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ানের একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংলাপ মঞ্চ। - এটি মূলত এশিয়া-পাসফিক অঞ্চলের নিরাপত্তা ও ভূরাজনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে গঠিত হয়েছিল, যার সঙ্গে জাতিসংঘ কাঠামোর কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক নেই। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম বা এআরএফ হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সহযোগিতা সংস্থা আসিয়ান এর একটি বহুপাক্ষিক নিরাপত্তা সংলাপ ফোরাম। - প্রতিষ্ঠা: এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালে এবং এর মূল লক্ষ্য হলো এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। - সদর দপ্তর: এর কোনো স্থায়ী আলাদা সদর দপ্তর নেই, বরং আসিয়ান সচিবালয় জাকার্তায় অবস্থিত এবং আসিয়ান চেয়ার এই ফোরামের নেতৃত্ব দেয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ ব্যাখ্যা: এটি ইউরোপের দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট, যা জাতিসংঘের কোনো সংস্থা নয় বরং একটি স্বাধীন আঞ্চলিক সংস্থা। উদাহরণ ২: সার্ক বা এসএআরসি ব্যাখ্যা: দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সার্কও জাতিসংঘের কোনো অঙ্গসংস্থা নয়, এটি একটি স্বাধীন আঞ্চলিক জোট। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (ARF) — এটি জাতিসংঘের কোনো সংস্থা নয়, বরং আসিয়ান জোটের একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংলাপ ফোরাম। B) আঞ্চলিক শ্রম সংস্থা (ILO) — আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা বা আইএলও হলো জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করে। C) আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (IFAD) — এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা গ্রামীণ এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর খাদ্য উৎপাদন ও পুষ্টির উন্নয়নে কাজ করে। D) খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) — এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা ক্ষুধা দূরীকরণ এবং কৃষি খাতের উন্নয়নে বিশ্বব্যাপী কাজ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থাগুলোর নামের শুরুতে সাধারণত আন্তর্জাতিক বা বিশ্ব কথাটি থাকে এবং এগুলো বিশ্বব্যাপী কাজ করে। - আঞ্চলিক বা নির্দিষ্ট মহাদেশভিত্তিক রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা মঞ্চ যেমন আসিয়ান বা ন্যাটো জাতিসংঘের সরাসরি সংস্থা নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা এবং আঞ্চলিক সংস্থার মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। - কোন কোন সংস্থা জাতিসংঘের অধীনে পরিচালিত হয় এবং কোনটি স্বাধীন আঞ্চলিক জোট, তা ভালোভাবে তালিকাভুক্ত করে পড়া উচিত।
a জীবাশ্ম জ্বালানীর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ
b গ্রিন হাউস গ্যাসের নি:সরণ ও প্রশমন
c সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি
d বৈশ্বিক মরুকরণ প্রক্রিয়া এবং বনায়ন
0 140 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গ্রিন হাউস গ্যাসের নি:সরণ ও প্রশমন ১. কেন সঠিক: ইউনাইটেড নেশনস ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ বা ইউএনএফসিসিসি হলো বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধে জাতিসংঘের মূল জলবায়ু চুক্তি। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের ঘনত্ব এমন একটি স্তরে স্থিতিশীল রাখা, যাতে জলবায়ুতন্ত্রের ওপর মানুষের বিপজ্জনক হস্তক্ষেপ রোধ করা যায়। ২. আন্তর্জাতিক চুক্তি ও পরিবেশ কনভেনশন: চুক্তি বা সম্মেলনের নাম: ইউনাইটেড নেশনস ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ বা ইউএনএফসিসিসি। তারিখ ও স্থান: ১৯৯২ সালের ৯ মে নিউইয়র্কে চুক্তিটি গৃহীত হয় এবং ১৯৯২ সালের রিও ডি জেনেইরো ধরিত্রী সম্মেলনে স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। সংশ্লিষ্ট সংস্থা: এটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধীন একটি প্রধান আন্তর্জাতিক পরিবেশগত চুক্তি। প্রধান উদ্দেশ্য ও সিদ্ধান্ত: বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধে গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় বৈশ্বিক সহযোগিতা বাড়ানো। আন্তর্জাতিক প্রভাব বা গুরুত্ব: এটি পরবর্তীকালে কিওটো প্রটোকল এবং প্যারিস চুক্তির মতো ঐতিহাসিক জলবায়ু চুক্তিগুলো গঠনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিওটো প্রটোকল ব্যাখ্যা: এটি ইউএনএফসিসিসি চুক্তির অধীন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা উন্নত দেশগুলোর জন্য গ্রিনহাউস গ্যাস হ্রাসের আইনি বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করেছিল। উদাহরণ ২: প্যারিস চুক্তি ব্যাখ্যা: এটি ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত ইউএনএফসিসিসি এর আরেকটি মাইলফলক চুক্তি যার লক্ষ্য ছিল বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবাশ্ম জ্বালানীর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ — এটি ইউএনএফসিসিসি এর একটি পরোক্ষ কৌশল হতে পারে, তবে এটি চুক্তির সরাসরি ও মূল আলোচ্য বিষয় নয়। B) গ্রিন হাউস গ্যাসের নি:সরণ ও প্রশমন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই চুক্তিটি মূলত বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন কমানো ও এর ক্ষতিকর প্রভাব প্রশমিত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। C) সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি — এটি জলবায়ু পরিবর্তনের একটি মারাত্মক পরিণতি বা ফলাফল, কিন্তু সরাসরি এই চুক্তির প্রধান কাঠামোগত আলোচ্য বিষয় নয়। D) বৈশ্বিক মরুকরণ প্রক্রিয়া এবং বনায়ন — মরুকরণ রোধ এবং বনায়নের জন্য জাতিসংঘের আরেকটি পৃথক চুক্তি রয়েছে যার নাম কনভেনশন টু কম্ব্যাট ডেজার্টিফিকেশন। ৫ মনে রাখার টিপস: ইউএনএফসিসিসি হলো জলবায়ু পরিবর্তনের মূল ছাতা চুক্তি, যার ইংরেজি নামের শেষ শব্দ ক্লাইমেট চেঞ্জ বা জলবায়ু পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি হলো গ্রিনহাউস গ্যাস। মনে রাখবেন রিও কনভেনশন নামে পরিচিত এই সম্মেলন থেকেই মূলত বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরিবেশ ও জলবায়ু সম্পর্কিত অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে কনভেনশনটি কবে এবং কোথায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল কিংবা এর অঙ্গীভূত কিওটো প্রটোকল সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
a UNDP
b World Bank
c IMF
d BRICS
0 139 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) World Bank ১. কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদনের নাম হলো ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট। - এই প্রতিবেদনটিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি, দারিদ্র্য বিমোচন এবং উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচিতি: - সংস্থা: বিশ্বব্যাংক বা আন্তর্জাতিক পুনর্গঠন ও উন্নয়ন ব্যাংক। - প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। - সদর দপ্তর: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি। - উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোকে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টস ব্যাখ্যা: এটিও বিশ্বব্যাংকের আরেকটি বিখ্যাত বার্ষিক প্রকাশনা যা বিশ্ব অর্থনীতির পূর্বাভাস দেয়। উদাহরণ ২: ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট ইন্ডিকেটরস ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বব্যাংকের আরেকটি ডেটাসেটভিত্তিক প্রকাশনা যা দেশের উন্নয়নের তুলনামূলক চিত্র প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNDP — এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি যার বার্ষিক প্রকাশনা হলো মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন। C) IMF — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল যার প্রধান প্রকাশনা হলো ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক। D) BRICS — এটি উদীয়মান অর্থনীতির পাঁচটি দেশের জোট এবং এদের নিজস্ব ব্যাংক হলো নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক। ৫ মনে রাখার টিপস: - ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট প্রকাশ করে বিশ্বব্যাংক এবং হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট প্রকাশ করে ইউএনডিপি। - এই দুটি সংস্থা ও তাদের প্রতিবেদনের নাম প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করে, তাই আলাদা করে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্বব্যাংকের বর্তমান সদস্য দেশ সংখ্যা ১৮৯টি এবং এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান মোট পাঁচটি। - একই বিষয় থেকে অন্য এমসিকিউ আসতে পারে যেমন বিশ্বব্যাংকের বর্তমান প্রেসিডেন্টের নাম কী।
a মালয়শিয়া
b ইন্দোনেশিয়া
c চীন
d ইংল্যান্ড
0 163 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইন্দোনেশিয়া ১. কেন সঠিক: ব্যাডমিন্টন ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় খেলা হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত এবং দেশটিতে এই খেলাটির অত্যন্ত ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার জনগণ এবং ক্রীড়াবিদরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাডমিন্টনে অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে আসছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: ইন্দোনেশিয়া রাজধানী: জাকার্তা মুদ্রা: রুপিয়াহ প্রেক্ষাপট: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দ্বীপরাষ্ট্রটিতে ব্যাডমিন্টন কেবল একটি খেলা নয়, বরং এটি জাতীয় সংস্কৃতির একটি অংশ। গুরুত্ব: অলিম্পিক এবং বিশ্ব ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে ইন্দোনেশিয়ার খেলোয়াড়রা বহুবার স্বর্ণপদক অর্জন করেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: চীন ব্যাখ্যা: চীন ব্যাডমিন্টন খেলায় বিশ্ব পরাশক্তি হলেও এটি তাদের জাতীয় খেলা নয়, বরং চীনের জাতীয় খেলা হলো টেবিল টেনিস। উদাহরণ ২: ইংল্যান্ড ব্যাখ্যা: আধুনিক ব্যাডমিন্টন খেলার জন্ম ইংল্যান্ডে হলেও এটি তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত কোনো জাতীয় খেলা নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালয়শিয়া — মালয়েশিয়ার জনপ্রিয় একটি খেলা ব্যাডমিন্টন হলেও এটি তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত জাতীয় খেলা নয়। B) ইন্দোনেশিয়া — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি এই দেশের জাতীয় খেলা হিসেবে স্বীকৃত। C) চীন — চীনের জাতীয় খেলা টেবিল টেনিস, যদিও তাদের ব্যাডমিন্টন দল অত্যন্ত শক্তিশালী। D) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক জাতীয় খেলা ক্রিকেট এবং ফুটবল, ব্যাডমিন্টন নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ইন্দোনেশিয়ার মানুষের কাছে ব্যাডমিন্টন হলো সবচেয়ে আবেগের খেলা। এভাবে মনে রাখতে পারো যে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপ দেশ ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় খেলা ব্যাডমিন্টন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন দেশের জাতীয় খেলা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। এই প্রশ্নটি থেকে শিক্ষার্থী অন্য দেশের জাতীয় খেলা যেমন চীনের টেবিল টেনিস সম্পর্কেও ধারণা লাভ করতে পারে।
a হেলেন কেলার
b ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল
c মাদার তেরেসা
d সরোজিনী নাইডু
0 139 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ১. কেন সঠিক: - ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ক্রিমিয়ার যুদ্ধের সময় রাতে লণ্ঠন হাতে আহত সৈনিকদের সেবা করতেন বলে তাকে দ্য লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প বলা হয়। - আধুনিক নার্সিং পেশার প্রবর্তক হিসেবে তার অবদান আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও সম্মানীত। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - পেশা ও অবদান: তিনি আধুনিক নার্সিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা এবং স্বাস্থ্যসেবা সংস্কারের অগ্রদূত হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। - যুদ্ধ ও সেবা: ১৮৫৪ থেকে ১৮৫৬ সালের ক্রিমিয়ার যুদ্ধে ব্রিটিশ সৈনিকদের সেবায় তার ভূমিকা ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা আছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রেড ক্রস আন্দোলন ব্যাখ্যা: যুদ্ধাহত ও বিপন্ন মানুষের সেবায় হেনরি ডুনান্টের রেড ক্রস প্রতিষ্ঠার পেছনে ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের কাজের অনুপ্রেরণা ছিল। উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক নার্স দিবস ব্যাখ্যা: ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের জন্মবার্ষিকী ১২ মে তারিখটিকে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হেলেন কেলার — তিনি একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মার্কিন লেখক ও সমাজকর্মী ছিলেন যিনি বধির ও অন্ধদের অধিকার নিয়ে কাজ করেছেন। B) ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল — তিনি ক্রিমিয়ার যুদ্ধে লণ্ঠন হাতে আহত সৈনিকদের সেবা করার জন্য দ্য লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প উপাধি পান। C) মাদার তেরেসা — তিনি কলকাতার মিশনারিজ অব চ্যারিটির প্রতিষ্ঠাতা এবং গরিব ও অসহায় মানুষের সেবার জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। D) সরোজিনী নাইডু — তিনি ভারতের কোকিলকণ্ঠী বা নাইটিঙ্গেল অব ইন্ডিয়া নামে পরিচিত একজন প্রখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী ও রাজনীতিবিদ। ৫ মনে রাখার টিপস: - নাইটিঙ্গেল শব্দের সঙ্গে ল্যাম্প বা লণ্ঠন শব্দটি মিলিয়ে পড়লে পরীক্ষা সহজে মনে রাখা যায়। - নার্সিং পেশার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আন্তর্জাতিক নার্স দিবস কবে পালিত হয় এবং আধুনিক নার্সিংয়ের জনক কে, এই প্রশ্নগুলো বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।