বিভিন্ন অধিদপ্তর ও পরিদপ্তর

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a নাটক
b ছোটগল্প
c প্রবন্ধ
d গীতিকবিতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গীতিকবিতা ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যে ভাব ও আবেগের প্রকাশে গীতিকবিতা সবচেয়ে বেশি সমৃদ্ধ এবং প্রাচীনতম ধারাগুলোর একটি। বৈষ্ণব পদাবলি থেকে শুরু করে আধুনিক কাল পর্যন্ত গীতিকবিতা বাংলা সাহিত্যকে ঋদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় করে তুলেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন পদাবলি সাহিত্য মূলত গান বা গীতিকবিতা হিসেবে রচিত হয়েছিল। মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য বা নাটকের চেয়ে আধুনিক যুগে এসে গীতিকবিতা ব্যক্তিগত আবেগ ও অনুভূতির প্রকাশে অনন্য উচ্চতা লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বলাকা’ কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা গীতিকবিতার ধারায় গতিশীলতা ও দার্শনিক চেতনার এক অনন্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতা। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও ওজস্বী গীতিকবিতা হিসেবে বিশ্বসাহিত্যে সমাদৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাটক — বাংলা সাহিত্যে নাটকের ধারা অন্যান্য ধারার তুলনায় তুলনামূলক কম সমৃদ্ধ এবং নাট্যকারের দিক থেকেও সীমিত। B) ছোটগল্প — ছোটগল্প বিশ্বমানের হলেও গীতিকবিতার মতো এর বিশাল ঐতিহ্য ও প্রাচীন শেকড় বাংলা সাহিত্যে নেই। C) প্রবন্ধ — প্রবন্ধ বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার অংশ হলেও তা সাহিত্যের আবেগপ্রধান সমৃদ্ধ ধারার আওতাভুক্ত নয়। D) গীতিকবিতা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে প্রাচীন, বেগবান ও সমৃদ্ধ ধারা। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন পদাবলি দিয়ে গীতিকবিতার শুরু, তাই আবেগ ও অনুভূতির এই ধারাটিই সবচেয়ে সমৃদ্ধ। পরীক্ষার হলে সাহিত্য ধারার সমৃদ্ধির কথা বললে প্রথম পছন্দ হবে গীতিকবিতা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন চর্যাপদ হলেও সাহিত্যিক ধারার সমৃদ্ধির বিচারে পদাবলি ও গীতিকাব্য ধারা অনেক বেশি সমৃদ্ধ। এই ধরনের প্রশ্নে সাহিত্যের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গভীরতা বিবেচনা করতে হয়।
a রোজনামচা
b ঝগড়া
c খসড়া
d নিয়তি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রোজনামচা ১. কেন সঠিক: - কড়চা শব্দের অর্থ দিনলিপি বা প্রতিদিনের ঘটনার হিসাব। - রোজনামচা শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে আগত যার অর্থ ডায়েরি বা দৈনিক ঘটনার বিবরণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যা ভিন্ন রূপের হলেও অর্থের দিক থেকে প্রায় একই বা সমার্থক ভাব প্রকাশ করে। - এই ধরনের শব্দভাণ্ডার মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের মূল অর্থ ও উৎস জানা থাকলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সহজে উত্তর করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিনলিপি ব্যাখ্যা: দিনলিপি শব্দের অর্থ প্রতিদিনের ঘাত-প্রতিঘাত ও ঘটনার বিবরণ যা কড়চা বা রোজনামচার সমার্থক। উদাহরণ ২: ডায়েরি ব্যাখ্যা: ডায়েরি হলো ইংরেজি শব্দ যার বাংলা প্রতিশব্দ হিসেবে রোজনামচা বা কড়চা ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোজনামচা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ কড়চা বা দিনলিপি। B) ঝগড়া — এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে যার অর্থ বিবাদ বা কলহ। C) খসড়া — এর অর্থ কোনো লেখার প্রাথমিক রূপ যা চূড়ান্ত বা পাকাপাকি নয়। D) নিয়তি — এর অর্থ ভাগ্য বা অদৃষ্ট যা কড়চা শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কড়চা মানে কাগুজে হিসাব বা প্রতিদিনের ঘটনা লেখা, আর রোজনামচা মানেও দৈনন্দিন কাজের খাতা। - দুটি শব্দই দৈনন্দিন জীবনের হিসাব বা দিনলিপি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ফারসি ও আরবি শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর করা সহজ হয়।
a অব্যয়ীভাব
b মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
c উপপদ তৎপুরুষ
d নিত্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপপদ তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: বাস্তুহারা শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো বাস্তু হারিয়েছে যে। কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয়, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে পদের সঙ্গে কৃদন্ত পদের সমাস হয়, তাকে উপপদ বলে এবং ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত পদকে কৃদন্ত পদ বলে। এখানে হারা হলো কৃদন্ত পদ এবং বাস্তু হলো তার উপপদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পকেটমার ব্যাখ্যা: পকেট মারে যে, এটি একটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: জলেচর ব্যাখ্যা: জলে চরে যে, এটিও উপপদ তৎপুরুষ সমাসের একটি প্রচলিত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অব্যয়ীভাব — অব্যয় পদের পূর্বে বসে অব্যয়ীভাব সমাস হয় কিন্তু এখানে পদের অর্থ প্রাধান্য পেয়েছে। B) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় — ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ লোপ পেলে মধ্যপদলোপী হয় কিন্তু এখানে কৃদন্ত পদের সম্পর্ক রয়েছে। D) নিত্য — যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না বা অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। ৫ মনে রাখার টিপস: ব্যাসবাক্যে যদি যে বা যারা থাকে এবং পরের অংশটি কৃদন্ত পদ হয়, তবে সাধারণত উপপদ তৎপুরুষ সমাস হয়। শব্দের শেষে মার, চর, হারা ইত্যাদি থাকলে এই সমাস হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপপদ তৎপুরুষ সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের শেষে ক্রিয়াবাচক শব্দ থাকলে তা ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a সরল
b জটিল
c যৌগিক
d মিশ্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সরল ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। প্রদত্ত বাক্যে 'সুশিক্ষিত লোক মাত্রই' হলো উদ্দেশ্য বা কর্তা এবং 'স্বশিক্ষিত' পদটি বাক্যের মূল ভাব প্রকাশ করছে যেখানে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়ার অন্তর্নিহিত প্রকাশ রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে এবং বক্তার বক্তব্য একটিমাত্র খণ্ডবাক্যে সম্পূর্ণ প্রকাশ পায়, তাকে সরল বাক্য বলে। এখানে কোনো আশ্রিত খণ্ডবাক্য বা সংযোজক অব্যয় থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে একটিমাত্র কর্তা 'সূর্য' এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া 'উদিত হয়' রয়েছে। উদাহরণ ২: সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা। ব্যাখ্যা: এখানেও একটিমাত্র উদ্দেশ্য এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া বা সংযোগের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে একটিমাত্র কর্তা ও সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে। B) জটিল — এই অপশনটি ভুল কারণ জটিল বাক্যে একটি প্রধান বাক্যের অধীন এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে যা এখানে নেই। C) যৌগিক — এই অপশনটি ভুল কারণ যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য 'এবং', 'কিংবা' ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত। D) মিশ্র — এই অপশনটি ভুল কারণ মিশ্র বাক্য হলো জটিল বাক্যের অপর নাম, যা এই বাক্যের কাঠামোর সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্য চেনার সময় খেয়াল রাখবে যে বাক্যে কোনো সংযোগকারী শব্দ বা অধীন খণ্ডবাক্য থাকে না এবং কেবল একটি মূল ভাব থাকে, সেটিই সরল বাক্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য চিহ্নিতকরণের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই সমাপিকা ক্রিয়া এবং খণ্ডবাক্যের ওপর ভিত্তি করে বাক্য চেনার অভ্যাস রাখতে হবে।
a চিরন্তন সত্য
b অনুজ্ঞাভাব
c আবেগ প্রকাশ
d প্রশ্ন জিজ্ঞাসা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চিরন্তন সত্য ১. কেন সঠিক: উক্তি পরিবর্তনে প্রত্যক্ষ উক্তি থেকে পরোক্ষ উক্তিতে রূপান্তর করার সময় সাধারণত রিপোর্টিং ভার্বের কাল অনুসারে রিপোর্টেড স্পিচের ক্রিয়াকাল পরিবর্তিত হয়। তবে রিপোর্টেড স্পিচ বা বক্তব্যটি যদি চিরন্তন সত্য বা সার্বজনীন সত্য হয়, তবে পরোক্ষ উক্তিতে ক্রিয়াকালের কোনো পরিবর্তন হয় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের বাচ্য ও উক্তি পরিবর্তন অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। প্রত্যক্ষ উক্তিকে পরোক্ষ উক্তিতে রূপান্তর করার সময় রিপোর্টিং ভার্ব অতীতকালের হলেও যদি ভেতরের বক্তব্যটি সর্বকালের জন্য সত্য বোঝায়, তবে তার কাল অপরিবর্তিত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিক্ষক বললেন, পৃথিবী গোল। এর পরোক্ষ উক্তি হবে: শিক্ষক বললেন যে পৃথিবী গোল। ব্যাখ্যা: পৃথিবী গোল একটি চিরন্তন সত্য, তাই এর ক্রিয়াকালের কোনো পরিবর্তন হয়নি। উদাহরণ ২: মিতা বলল, সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে। এর পরোক্ষ উক্তি হবে: মিতা বলল যে সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে। ব্যাখ্যা: সূর্য পূর্ব দিকে ওঠা একটি সার্বজনীন সত্য, তাই এটি অপরিবর্তিত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চিরন্তন সত্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ক্ষেত্রে উক্তি পরিবর্তনে ক্রিয়াকালের কোনো পরিবর্তন হয় না। B) অনুজ্ঞাভাব — এই ক্ষেত্রে পরোক্ষ উক্তিতে রিপোর্টেড স্পিচের ক্রিয়াটি আজ্ঞাসূচক বা অনুজ্ঞাবাচক রূপে পরিবর্তিত হয়। C) আবেগ প্রকাশ — এই ক্ষেত্রে রিপোর্টিং ভার্ব পরিবর্তন করে আবেগসূচক ভাব অনুযায়ী উপযুক্ত শব্দ ব্যবহার করতে হয়। D) প্রশ্ন জিজ্ঞাসা — এই ক্ষেত্রে রিপোর্টেড স্পিচটি প্রশ্নবোধক না রেখে বর্ণনামূলক বাক্যে রূপান্তর করতে হয় এবং ক্রিয়াকাল পরিবর্তিত হতে পারে। ৫. মনে রাখার টিপস: নিয়মটি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সত্য বদলায় না। তাই চিরন্তন সত্যের ক্রিয়াকালও উক্তি পরিবর্তনে কখনো বদলায় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উক্তি পরিবর্তনের ব্যতিক্রমী নিয়মগুলো থেকে বেশি প্রশ্ন আসে। চিরন্তন সত্য, অভ্যাসগত সত্য এবং ঐতিহাসিক সত্যের ক্ষেত্রে ক্রিয়াকালের এই অপরিবর্তনশীলতার নিয়মটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ভবিষ্যত
b ভবিষ্যৎ
c ভবিতব্য
d অভব্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভবিতব্য ১. কেন সঠিক: - 'যা ভবিষ্যতে ঘটবে' এককথায় এর প্রকাশ হলো 'ভবিতব্য'। - ভবিষ্যৎ এবং ভবিতব্য শব্দদুটি দেখতে কাছাকাছি হলেও ব্যাকরণগত অর্থে এদের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। - দীর্ঘ বাক্য বা ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা পূর্বে কখনো ঘটেূতপূর্ব ব্যাখ্যা: অতীতে ঘটেনি এমন ঘটনা বোঝাতে এই বাক্য সংকোচন ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: যা বলার যোগ্য নয় ব্যাখ্যা: অকথ্য বা কথ্য নয় এমন বিষয় বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভবিষ্যত — এটি একটি ভুল বানান, সঠিক প্রমিত রূপ হলো ভবিষ্যৎ। B) ভবিষ্যৎ — এটি কেবল সামনের সময়কে বোঝায়, যা ঘটবে এমন নিশ্চিত ভাব প্রকাশ করে না। C) ভবিতব্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নির্দিষ্টভাবে ঘটার অবস্থাকে নির্দেশ করে। D) অভব্য — এর অর্থ যা ভদ্র বা শালীন নয়, যা প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যা ঘটবে বা অবধারিত, তাকে ভবিতব্য মনে রাখবে। - সময় বুঝাতে ভবিষ্যৎ এবং ঘটার ঘটনা বুঝাতে ভবিতব্য ব্যবহার করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এককথায় প্রকাশ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। - বানান এবং অর্থের সূক্ষ্ম পার্থক্যগুলো ভালোভাবে খেয়াল রাখবে।
a ভাইবোন
b রাজপথ
c বাকলম
d ঐকিক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঐকিক ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি প্রত্যয় সাধিত শব্দ কারণ এটি মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে। - এখানে মূল শব্দ একক এর সঙ্গে ই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ঐকিক শব্দটি তৈরি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দ গঠনের অন্যতম একটি মাধ্যম হলো প্রত্যয় যোগ করা। - প্রকৃতি বা মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করে নতুন শব্দ বা পদ তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাসিক ব্যাখ্যা: মাস যোগ ইক মিলে মাসিক শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ভৌগোলিক ব্যাখ্যা: ভূগোল যোগ ইক মিলে ভৌগোলিক শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাইবোন — এটি একটি সমাস সাধিত শব্দ, যা দ্বন্দ্ব সমাসের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে। B) রাজপথ — এটি একটি সমাস সাধিত শব্দ, যা তৎপুরুষ সমাসের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে। C) বাকলম — এটি একটি মিশ্র শব্দ, যা ভিন্ন ভাষা থেকে এসে গঠিত হয়েছে। D) ঐকিক — এটি সঠিক প্রত্যয় সাধিত শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: - শেষে ইক বা ইকি যুক্ত শব্দ দেখলে সাধারণত তা তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ হিসেবে ধরে নেওয়া যায়। - শব্দ বিশ্লেষণ করে মূল শব্দ ও প্রত্যয় আলাদা করার অভ্যাস করলে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দ গঠনের উৎস বা প্রক্রিয়া থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - প্রত্যয় এবং সমাসের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a সুকুমার রায়
b রমেশচন্দ্র মজুমদার
c শিবনারায়ণ রায়
d হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১. কেন সঠিক: 'তেল' প্রবন্ধটি মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর একটি বিখ্যাত ও ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধ যা সমাজের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরে। এই প্রবন্ধে লেখক তেল দেওয়ার মানসিকতা বা তোষামোদ প্রথার সুন্দর ও কৌতুকপূর্ণ সমালোচনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম উদ্ধারকর্তা এবং একজন প্রখ্যাত বাঙালি ইতিহাসবিদ ও ভাষাতত্ত্ববিদ। তিনি চর্যাপদ আবিষ্কার করেন এবং বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করতে বহুমুখী প্রবন্ধ রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য ব্যাখ্যা: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস উন্মোচন করেছিলেন। উদাহরণ ২: বেনের মেয়ে ব্যাখ্যা: এটি হরপ্রসাদ শাস্ত্রী রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস যা প্রাচীন বাংলার সমাজচিত্র তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুকুমার রায় — তিনি মূলত ননসেন্স রাইম বা শিশুতোষ হাস্যরসাত্মক রচনার জন্য বিখ্যাত, 'তেল' প্রবন্ধের লেখক নন। B) রমেশচন্দ্র মজুমদার — তিনি একজন প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ও গবেষক, যার মূল ক্ষেত্র ছিল ভারতীয় ইতিহাস চর্চা। C) শিবনারায়ণ রায় — তিনি একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক, সাহিত্য সমালোচক ও চিন্তাবিদ ছিলেন, কিন্তু এই প্রবন্ধের রচয়িতা নন। D) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনেই রয়েছে এবং তিনিই এই প্রবন্ধের লেখক। ৫ মনে রাখার টিপস: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী মানেই চর্যাপদের আবিষ্কারক এবং সমাজ সচেতন বিভিন্ন প্রবন্ধের রচয়িতা। তেল দেওয়া বা তোষামোদের সংস্কৃতি নিয়ে লেখা ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধটি হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর কলমে রচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর প্রবন্ধ ও চর্যাপদ আবিষ্কারের তথ্য অত্যন্ত প্রায়শই আসে। সাহিত্যিকের বিখ্যাত প্রবন্ধ ও উপন্যাসের নামগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a পাটোয়ারি
b জলদ
c জলাধার
d জলধি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জলদ ১. কেন সঠিক: - 'যা জল দেয়' এই বাক্যাংশের এক কথায় প্রকাশ হলো জলদ। - এখানে জল শব্দের অর্থ পানি এবং দ ধাতুর অর্থ দানকারী বা প্রদানকারী। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি সংস্কৃত তৎসম শব্দ যা উপপদ তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত। - জল উপপদের সঙ্গে দা ধাতু এবং ক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা পিন্ড দেয় তা পিন্ডদ। ব্যাখ্যা: এটিও জলদের মতো একই নিয়মে গঠিত এককথায় প্রকাশের উদাহরণ। উদাহরণ ২: যা ভূগর্ভ থেকে পানি দেয় তা নলকূপ। ব্যাখ্যা: এটি জল বা পানি সম্পর্কিত আরেকটি সাধারণ এককথায় প্রকাশের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাটোয়ারি — এই শব্দের অর্থ হিসাবরক্ষক বা চতুর ব্যক্তি, যা জল দেওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) জলদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণে ভুল নয়। C) জলাধার — এর অর্থ যেখানে জল ধরে রাখা হয় বা জলাশয়, যা জল দেওয়ার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) জলধি — এর অর্থ সমুদ্র বা যেখানে প্রচুর জল ধারণ করা হয়, এটি জল প্রদানকারী নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত ব্যাকরণে শব্দের শেষে দ থাকলে সাধারণত দানকারী বা প্রদানকারী বোঝায়। - যেমন জলদ মানে জলদাতা বা মেঘ, আর জলধি মানে সমুদ্র বা জল ধারণকারী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জলদ এবং জলধি শব্দ দুটির অর্থ প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে। - দ মানে দাতা বা মেঘ এবং ধি বা নিধি মানে ধারণকারী বা সমুদ্র, এই পার্থক্যটি মনে রাখতে হবে।
a আলগা বসনা
b অসংবৃত
c লজ্জাহীন
d সংবৃক্তহীনতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অসংবৃত ১. কেন সঠিক: - 'অসংবৃত' শব্দটির অর্থ যা সংবরণ করা হয়নি বা যা উন্মুক্ত কিংবা আলগা। - যার বসন বা পোশাক আলগা বা ঠিকমতো পরিধান করা নেই, তাকে এককথায় অসংবৃত বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ। - সমাস বা প্রত্যয়সিদ্ধ পদের মাধ্যমে বাক্যের অর্থকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে বাক্য সংকোচন বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা নিবারণ করা যায় না - অনिवार্য। ব্যাখ্যা: কোনো কিছু যা কোনোভাবেই আটকানো বা এড়ানো সম্ভব নয়, তাকে অনिवार্য বলা হয়। উদাহরণ ২: চোখের নিমেষে যা ঘটে - অনিমিষ। ব্যাখ্যা: চোখের পলক ফেলতে যে সময় লাগে তার চেয়ে কম সময়ে বা দ্রুত ঘটে এমন বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলগা বসনা - এটি সাধিত শব্দ হলেও ব্যাকরণগতভাবে বাক্য সংকোচনের প্রমিত রূপ নয়। B) অসংবৃত - এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ যথাযথ। C) লজ্জাহীন - এই শব্দের অর্থ যার কোনো লজ্জা বা শরম নেই, যা বসন আলগার সমার্থক নয়। D) সংবৃক্তহীনতা - এটি একটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ, যা বাক্যের সংজ্ঞার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বসন বা পোশাক ঢাকা না থাকা বা আলগা বোঝাতে সংবৃত শব্দের বিপরীতার্থক অসংবৃত শব্দটি ব্যবহার করবে। - এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে মূল শব্দের অর্থ ও উপসর্গের ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেশভূষা ও পোশাকসংক্রান্ত বাক্য সংকোচন প্রায়ই আসে। - প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে সঠিক শব্দ নির্বাচন করতে হবে।
a পালানো
b দীর্ঘ বক্তৃতা
c বড় অকৃত্রিম মেঘ
d ঘরে যাওয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পালানো ১. কেন সঠিক: - 'লম্বা দেওয়া' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার অন্তর্নিহিত বা বিশেষ অর্থ হলো দ্রুত স্থান ত্যাগ করা বা পালিয়ে যাওয়া। - প্রাত্যহিক কথ্যভাষায় কোনো বিপদে পড়ে বা সুযোগ বুঝে চটজলদি সরে পড়াকে বোঝাতে এই বাগধারাটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাষাকে অধিক গতিময় ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরগুলো মুহূর্তের মধ্যে লম্বা দিল। ব্যাখ্যা: এখানে 'লম্বা দিল' বা 'লম্বা দেওয়া' বলতে চোরদের দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: ঝামেলা শুরু হতেই সে আর এক মুহূর্তও অপেক্ষা না করে লম্বা দিল। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে দায়িত্ব এড়িয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করার অর্থে বাগধারাটির সার্থক প্রয়োগ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পালানো — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি 'লম্বা দেওয়া' বাগধারাটির মূল ভাবার্থ প্রকাশ করে। B) দীর্ঘ বক্তৃতা — এই অপশনটি ভুল কারণ বক্তৃতার দীর্ঘতার সঙ্গে এই বাগধারার কোনো সম্পর্ক নেই। C) বড় অকৃত্রিম মেঘ — এই অপশনটি ভুল কারণ মেঘের প্রকৃতির সঙ্গে এই বাগধারার কোনো শৈল্পিক বা আক্ষরিক সংযোগ নেই। D) ঘরে যাওয়া — এই অপশনটি ভুল কারণ নিজের বাড়িতে ফিরে যাওয়াকে বোঝাতে এই বাগধারা ব্যবহার করা হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - চোখে ধুলো দিয়ে লম্বা পা ফেলে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়া থেকেই 'লম্বা দেওয়া' বাগধারাটির উৎপত্তি মনে রাখতে পারো। - এভাবে চটজলদি সরে পড়া বা পালানোর সঙ্গে সম্পর্কিত করে পড়লে সহজে মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চলাফেরা বা পলায়নের সমার্থক বিভিন্ন বাগধারা যেমন চম্পট দেওয়া বা হাওয়া হওয়া পরীক্ষণে আসে। - এ ধরনের বাগধারাগুলোর আক্ষরিক অর্থ না ধরে প্রমিত ও রূপক অর্থ মুখস্থ রাখতে হবে।
a স্পর্ধা
b অকৃত্রিম
c নাড়ি নক্ষত্র
d দৃঢ়তা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নাড়ি নক্ষত্র ১. কেন সঠিক: হাড়হদ্দ বাগধারাটির অর্থ হলো কোনো কিছুর আদ্যোপান্ত, সবকিছু বা নাড়ি নক্ষত্র জানা। এর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা বিষয়ের গোপন তথ্যসহ সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয় সম্পূর্ণভাবে অবগত থাকাকে বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত পরিচিত বাগধারা, যা বিশেষ কোনো শব্দার্থের বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ নতুন ও রূপক অর্থ প্রকাশ করে। বাক্যে ব্যবহারের মাধ্যমে বাগধারাটি বক্তার গভীর জ্ঞান বা পরিচিতি ফুটিয়ে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরটিকে পুলিশ ধরার পর তার অপরাধের হাড়হদ্দ সব একে একে বলে দিল। ব্যাখ্যা: এখানে অপরাধীর সমস্ত গোপন ও লুকানো তথ্য প্রকাশ পাওয়ার অর্থে হাড়হদ্দ বা নাড়ি নক্ষত্র ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: নতুন বন্ধু হলেও সে আমার পরিবারের হাড়হদ্দ সব জানে। ব্যাখ্যা: এখানে পরিবারের প্রতিটি খুঁটিনাটি বিষয় সম্পর্কে সম্পূর্ণ জ্ঞান থাকাকে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্পর্ধা — এই অপশনটি ভুল কারণ স্পর্ধা শব্দের অর্থ সাহস বা ঔদ্ধত্য, যা হাড়হদ্দ বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) অকৃত্রিম — এই অপশনটি ভুল কারণ অকৃত্রিম অর্থ খাঁটি বা যা কৃত্রিম নয়, এটি ভিন্ন একটি ধারণা প্রকাশ করে। C) নাড়ি নক্ষত্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সমস্ত তথ্য জানা যা হাড়হদ্দ বাগধারার সমার্থক। D) দৃঢ়তা — এই অপশনটি ভুল কারণ দৃঢ়তা বলতে শক্ত বা অটল থাকাকে বোঝায়, যা আলোচ্য বাগধারার অর্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: হাড়ের ভেতর যেমন শরীরের সব তথ্য ও গঠন লুকিয়ে থাকে, তেমনি হাড়হদ্দ অর্থও কোনো বিষয়ের ভেতরকার সব খবর বা নাড়ি নক্ষত্র জেনেশোনা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার সঠিক অর্থ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ না ধরে এর রূপক বা প্রচলিত ভাবার্থ বুঝতে হবে। একই ভাবার্থের অন্য বাগধারোগুলো যেমন আদ্যোপান্ত বা তন্তুগত বিষয়গুলো ভালোভাবে অধ্যয়ন করতে হবে।
a খরস্রোত
b ধারালো বর্শা
c তীব্র গতি
d তীক্ষ্ণ গতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধারালো বর্শা ১. কেন সঠিক: - খরপরশা শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো ধারালো বর্শা বা তীক্ষ্ণ ফলাযুক্ত অস্ত্র। - এখানে খর শব্দের অর্থ তীক্ষ্ণ বা ধারালো এবং পরশা শব্দের অর্থ বর্শা বা অস্ত্র। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি শব্দার্থ বা এককথায় প্রকাশ সংক্রান্ত প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিভিন্ন প্রাচীন বা কাব্যিক শব্দের সঠিক অর্থ জানা না থাকলে এমন প্রশ্ন ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রথী ও মহারথীরা যুদ্ধের সময় নানা রকম অস্ত্র ব্যবহার করতেন যার মধ্যে খরপরশা অন্যতম। ব্যাখ্যা: প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় বাংলা কাব্যে বা ঐতিহাসিক উপন্যাসে অস্ত্রের নাম হিসেবে এই শব্দের ব্যবহার দেখা যায়। উদাহরণ ২: শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করতে তারা তীক্ষ্ণ অস্ত্র শানিয়ে রাখত। ব্যাখ্যা: শব্দের মূল অর্থ ও ভাবার্থ বোঝার জন্য এ ধরনের বাক্যে প্রয়োগ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খরস্রোত — এই অপশনটি ভুল কারণ খরস্রোত বলতে তীব্র বেগে ধাবিত জলপ্রবাহকে বোঝায়, কোনো অস্ত্রকে নয়। B) ধারালো বর্শা — এটি সঠিক উত্তর কারণ খরপরশা শব্দের আভিধানিক অর্থ ধারালো বর্শা। C) তীব্র গতি — এই অপশনটি ভুল কারণ তীব্র গতি বলতে খুব দ্রুত চলা বা বেগ বোঝায়, যা শব্দের আসল অর্থের সঙ্গে মিলে না। D) তীক্ষ্ণ গতি — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি গতির একটি অবস্থাকে নির্দেশ করে, কোনো বস্তু বা অস্ত্রের নাম বোঝায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - খর অর্থ ধারালো এবং পরশা অর্থ বর্শা, এভাবে দুটি অংশ আলাদা করে অর্থ মনে রাখতে পারো। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রাচীন বা কাব্যিক শব্দের অর্থ আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এ ধরনের শব্দার্থভিত্তিক প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে শব্দের উপাদানগুলোর আলাদা অর্থ জানলে সঠিক উত্তর সহজে অনুমান করা যায়। - পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তিকর অপশন এড়াতে শব্দের মূল উৎস ও প্রচলিত ব্যবহার খেয়াল রাখতে হবে।
a শুদ্ধ
b অশুদ্ধ
c প্রচলিত
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অশুদ্ধ ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটিতে পুরুষ বা বচন সংক্রান্ত বা পদ ও পুরুষ মিলের ত্রুটি রয়েছে। - বাক্যে একাধিক ভিন্ন পুরুষের সর্বনাম যুক্ত থাকলে ক্রিয়াপদ কোন পুরুষের হবে, তা বাংলা ব্যাকরণের পুরুষ প্রকরণ অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী প্রথম পুরুষ, মধ্যম পুরুষ ও উত্তম পুরুষ একত্রে বসলে ক্রিয়াপদ সর্বদা উত্তম পুরুষে হবে না। - তবে উত্তম পুরুষ ও অন্য পুরুষ মিলে যদি একবাচক বা বহুবচন বোঝায়, তবে ক্রিয়াপদ উত্তম পুরুষের বহুবচন হবে। - এই বাক্যে 'আমি' হলো উত্তম পুরুষ এবং 'আমার বাবা' হলো প্রথম পুরুষ। নিয়ম অনুযায়ী ক্রিয়াটি 'গিয়েছিলেন' (প্রথম পুরুষ) না হয়ে 'গিয়েছিলাম' (উত্তম পুরুষ) হওয়া উচিত ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি ও তুমি কাজটি করেছি। ব্যাখ্যা: এখানে উত্তম পুরুষ ও মধ্যম পুরুষ মিলে ক্রিয়াপদ উত্তম পুরুষের বহুবচন হয়েছে। উদাহরণ ২: বাবা ও আমি বাজারে গিয়েছিলাম। ব্যাখ্যা: প্রথম পুরুষ ও উত্তম পুরুষ মিলিয়ে ক্রিয়াপদ উত্তম পুরুষে রূপায়িত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শুদ্ধ — প্রদত্ত বাক্যটিতে পুরুষ সংক্রান্ত ব্যাকরণগত ভুল থাকায় এটি শুদ্ধ হতে পারে না। C) প্রচলিত — কথ্য বা আঞ্চলিক ভাষায় এমন ভুল প্রয়োগ দেখা গেলেও তা প্রমিত বাংলার দৃষ্টিতে অশুদ্ধ। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্যে আমি বা আমরা থাকলে ক্রিয়াপদ সর্বদা উত্তম পুরুষ অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। - প্রথম পুরুষ ও উত্তম পুরুষ একসঙ্গে থাকলে ক্রিয়ার রূপ উত্তম পুরুষ হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যশুদ্ধি থেকে প্রায়ই এই নিয়মটি থেকে প্রশ্ন আসে। - সর্বনাম পদের সঙ্গে ক্রিয়াপদের মিল বা পুরুষ সংক্রান্ত শুদ্ধি পরীক্ষা করার সময় এই নিয়মটি বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে।
a যৌগিক বাক্য
b সরল বাক্য
c মিশ্র বাক্য
d জটিল বাক্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মিশ্র বাক্য ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক আশ্রিত বা অধীন খণ্ডবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হয়, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে। এখানে "যার ভিতরে ভয়" হলো অধীন খণ্ডবাক্য এবং "সেই বাইরে ভয় পায়" হলো প্রধান খণ্ডবাক্য যা আগের অংশের ওপর নির্ভরশীল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: গঠনভেদে বাংলা বাক্য প্রধানত তিন প্রকার যথা সরল বাক্য, জটিল বা মিশ্র বাক্য এবং যৌগিক বাক্য। জটিল বাক্যে সাধারণত যে-সে, যিনি-তিনি, যা-তা, যদি-তবে, যখন-তখন, যেখানে-সেখানে ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যিনি সৎ পথে চলেন, তিনি কখনো বিপদে পড়েন না। ব্যাখ্যা: এখানে 'যিনি' ও 'তিনি' সাপেক্ষ সর্বনাম যুক্ত হয়ে বাক্যটিকে মিশ্র বাক্যে পরিণত করেছে। উদাহরণ ২: যদি তুমি মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা কর, তবে পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করবে। ব্যাখ্যা: এখানে 'যদি' ও 'তবে' সাপেক্ষ অব্যয় ব্যবহার করে একটি খণ্ডবাক্যকে অন্যটির ওপর নির্ভরশীল করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যৌগিক বাক্য — যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্য এবং, কিন্তু, অথবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, যা এই বাক্যে নেই। B) সরল বাক্য — সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, কিন্তু এই বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য রয়েছে। C) মিশ্র বাক্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে সাপেক্ষ সর্বনামের সাহায্যে প্রধান ও অধীন খণ্ডবাক্যের সংযোগ ঘটেছে। D) জটিল বাক্য — জটিল বাক্য এবং মিশ্র বাক্য ব্যাকরণে একই বাক্যের দুটি ভিন্ন নাম, তাই এই অপশনটি প্রদত্ত উত্তরে সি এর সমার্থক হওয়ায় সি এবং ডি মূলত একই অর্থ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যের মধ্যে যদি-তবে, যিনি-তিনি, যা-তা বা যার-সেই জোড়া শব্দ দেখতে পেলে চোখ বন্ধ করে তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য চিহ্নিত করবে। সাপেক্ষ শব্দগুলোই হলো জটিল বা মিশ্র বাক্য চেনার সবচেয়ে সহজ সূত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য চিহ্নিতকরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। খণ্ডিত বাক্যগুলোর পারস্পরিক নির্ভরশীলতা বুঝতে পারলে যেকোনো জটিল বা মিশ্র বাক্য খুব সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।
a যৌগিক ধ্বনি
b দ্বিস্বর ধ্বনি
c মৌলিক স্বরধ্বনি
d ব্যঞ্জন ধ্বনি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মৌলিক স্বরধ্বনি ১. কেন সঠিক: 'আ' একটি মৌলিক স্বরধ্বনি কারণ একে উচ্চারণ করার সময় অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য নিতে হয় না এবং এটি এককভাবে উচ্চারিত হয়। বাংলা ভাষায় মোট মৌলিক স্বরধ্বনি রয়েছে সাতটি, যার মধ্যে 'আ' অন্যতম প্রধান একটি স্বরধ্বনি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব স্বরধ্বনি অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়া স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে, তাদের মৌলিক স্বরধ্বনি বলে। বাংলা ব্যাকরণে ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি যথা অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'ই' একটি মৌলিক স্বরধ্বনি। ব্যাখ্যা: এটি উচ্চারণ করার সময় অন্য কোনো স্বরধ্বনির মিশ্রণ ঘটে না এবং এটি এককভাবে উচ্চারিত হয়। উদাহরণ ২: 'উ' একটি মৌলিক স্বরধ্বনি। ব্যাখ্যা: এটিও স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে এবং এর মধ্যে কোনো দ্বিস্বর বা যৌগিক ধ্বনির উপস্থিতি নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যৌগিক ধ্বনি — যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বরধ্বনি হলো দুটি স্বরের একত্রে উচ্চারণ, কিন্তু 'আ' একটি একক ও মৌলিক স্বরধ্বনি। B) দ্বিস্বর ধ্বনি — দ্বিস্বর ধ্বনি বলতে মূলত বাংলা বর্ণমালার ঔ এবং ঐ-কে বোঝায়, যা 'আ'-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) ব্যঞ্জন ধ্বনি — ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের জন্য স্বরধ্বনির সাহায্যের প্রয়োজন হয়, কিন্তু 'আ' সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মৌলিক স্বরধ্বনি মোট সাতটি তা মনে রাখবে অ আ ই উ এ ও অ্যা এবং এর বাইরে যেসব স্বরবর্ণ রয়েছে তা মূলত যৌগিক স্বরধ্বনির অন্তর্ভুক্ত। পরীক্ষায় মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই সংখ্যাটি ভালোভাবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ এগারোটি হলেও মৌলিক স্বরধ্বনি বা সুরধ্বনি সংখ্যায় সাতটি। একই রকমভাবে যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ বা সান্ধ্যক্ষর হলো দুটি যথা ঐ এবং ঔ।
a স্বরসন্ধি
b ব্যঞ্জন সন্ধি
c বিসর্গ সন্ধি
d নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিসর্গ সন্ধি ১. কেন সঠিক: সন্ধি প্রধানত দুই প্রকার, বাংলা পদ ও তৎসম বা সংস্কৃত পদ। খাঁটি বাংলা শব্দে বিসর্গ সন্ধির কোনো নিয়ম বা প্রয়োগ নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে সন্ধি মূলত তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব এবং দেশি-বিদেশি শব্দে ব্যবহৃত হয়। বিসর্গ সন্ধি সম্পূর্ণভাবে সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে সাধিত হয়। খাঁটি বাংলা শব্দ বা তদ্ভব শব্দে বিসর্গের ব্যবহার না থাকায় সেখানে বিসর্গ সন্ধিও অনুপস্থিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহংকার = অহম + কার ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের সন্ধির উদাহরণ যেখানে বিসর্গ বা ব্যঞ্জনবর্ণের পরিবর্তন ঘটে। উদাহরণ ২: ধূলিকণা = ধূলি + কণা ব্যাখ্যা: এটি খাঁটি বাংলা শব্দের মিলন যেখানে কোনো সংস্কৃত ব্যাকরণ বা বিসর্গ সন্ধির নিয়ম কার্যকর হয়নি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরসন্ধি — বাংলা ভাষায় স্বরসন্ধির প্রচুর ব্যবহার রয়েছে যেমন বিদ্যালয়। তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) ব্যঞ্জন সন্ধি — খাঁটি বাংলা ও তৎসম উভয় শব্দেই ব্যঞ্জন সন্ধি সাধিত হয় যেমন পদ্ধতি। তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। D) নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি — এটিও বাংলা ও সংস্কৃত ব্যাকরণের একটি বিশেষ নিয়ম যা সন্ধির সাধারণ নিয়ম মানে না। তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বিসর্গ মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। তাই যে সন্ধিতে বিসর্গ থাকে তা কখনোই খাঁটি বাংলা সন্ধি হতে পারে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় কোন সন্ধিটি খাঁটি বাংলায় অনুপস্থিত। মনে রাখবে বিসর্গ সন্ধি কেবল তৎসম বা সংস্কৃত শব্দেই পাওয়া যায়।
a দুঃ+উহ
b দুঃ+রুহ
c দূও+উহ
d দূর+ইহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দুঃ+উহ ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুসারে বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম এখানে প্রযোজ্য হয়েছে। বিসর্গের পূর্বে অ বা আ ব্যতিরেকে অন্য কোনো স্বরধ্বনি এবং পরে উ বা ঊ থাকলে বিসর্গ লুপ্ত হয়ে তার আগের স্বরধ্বনি দীর্ঘ হয় এবং বিসর্গ স্থানে রেফ বা র আসে না, বরং বিসর্গের আগের ই বা উ কার দীর্ঘ হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে এটি বিসর্গ সন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যতিক্রমী নিয়ম। বিসর্গ (ঃ) এর পরে যদি স্বরধ্বনি থাকে, তবে অনেক সময় বিসর্গের স্থানে র বা রেফ যুক্ত হয়, যেমন নিঃ+আদার = নিরাদার। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে বিসর্গের পর উ থাকলে বিসর্গ লোপ পেয়ে এই পরিবর্তন সাধিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুঃ+উক = দূক ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির নিয়মে বিসর্গের আগের উ কার দীর্ঘ উ কারে রূপান্তরিত হয়েছে। উদাহরণ ২: নি+উহ = নিূহ ব্যাখ্যা: এটিও একই নিয়মে সাধিত বিসর্গ সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুঃ+উহ — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক এবং ব্যাকরণের নিয়ম মেনে গঠিত সন্ধি বিচ্ছেদ। B) দুঃ+রুহ — এটি সঠিক নয় কারণ এখানে রুহ শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, যা মূল শব্দ উহের সঙ্গে মেলে না। C) দূও+উহ — এটি ভুল কারণ দূও কোনো প্রমিত শব্দ বা উপসর্গ নয়। D) দূর+ইহ — এটি ভুল কারণ এখানে ই কার ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ মূল শব্দে উ কার রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে শব্দের বানান ও উচ্চারণ খেয়াল রাখতে হবে। দীর্ঘ স্বরধ্বনিযুক্ত সন্ধিগুলোর ক্ষেত্রে বিসর্গ তুলে দিয়ে পরবর্তী অংশ যোগ করার সময় প্রমিত নিয়ম মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের জটিল সন্ধি খুব সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
a জলদ
b প্রবীণ
c সহৃদ
d দিগের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রবীণ ১. কেন সঠিক: - প্রবীণ শব্দটি রূঢ়ি শব্দের সঠিক উদাহরণ কারণ এর উৎপত্তিগত বা ব্যুৎপত্তিগত অর্থের চেয়ে প্রচলিত বা বিশেষ অর্থ বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। - প্রবীণ শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ প্রकृष्ट রূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি, কিন্তু বর্তমানে এটি দ্বারা কেবল অভিজ্ঞ বা বয়স্ক ব্যক্তিকে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দকে মূলত যৌগিক, রূঢ় বা রূঢ়ি এবং যোগরূঢ় এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যেসব শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, সেগুলোকে রূঢ়ি শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তৈল ব্যাখ্যা: তৈল শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ তিলের স্নেহজাতীয় পদার্থ হলেও বর্তমানে এটি যেকোনো ধরনের তেল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: হস্তী ব্যাখ্যা: হস্তী শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ যার হস্ত বা হাত আছে, কিন্তু এটি রূঢ় অর্থে কেবল হাতি প্রাণীকে বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জলদ — জলদ একটি যোগরূঢ় শব্দ কারণ এটি সমাসসাধিত হয়ে নির্দিষ্ট অর্থ মেঘকে বোঝায়। C) সহৃদ — সহৃদ কোনো প্রমিত রূঢ়ি শব্দ নয় এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে রূঢ়ির নিয়মে গঠিত শব্দ হিসেবে ধরা হয় না। D) দিগের — দিগের হলো শব্দের বহুবচনান্ত রূপ বা বিভক্তিযুক্ত পদ, যা রূঢ়ি শব্দের শ্রেণিভুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: রূঢ়ি শব্দগুলো মনে রাখার জন্য প্রবীণ, তৈল, হস্তী, বাশী, সন্দেশ এই কয়েকটি বহুল প্রচলিত শব্দ বারবার চর্চা করতে পারো। মনে রাখবে যে শব্দগুলোর উৎপত্তির অর্থ আর ব্যবহারের অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা হয়, সেগুলোই সাধারণত রূঢ়ি শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রূঢ়ি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে প্রবীণ, তৈল এবং হস্তী সবচেয়ে বেশি পরীক্ষণে দেখা যায়। যৌগিক, রূঢ় এবং যোগরূঢ় শব্দের সংজ্ঞা ও উদাহরণগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই অধ্যায়ের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর সহজেই করা সম্ভব।
a তেপান্তর
b লেখালেখি
c জীবমৃত
d দোটানা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দোটানা ১. কেন সঠিক: - যে বহুব্রীহি সমাসের সমস্ত পদে আ, ই ইত্যাদি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পদটিকে বিশেষণে পরিণত করে, তাকে প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাস বলে। - দোটানা শব্দটি দুইটান আছে যাতে এই অর্থে গঠিত হয়েছে এবং এর শেষে আ প্রত্যয় যুক্ত আছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে বহুব্রীহি সমাসের সমস্ত পদের শেষে আ, ই ইত্যাদি প্রত্যয় যুক্ত হয় এবং সমস্ত পদটি বিশেষণ পদ হিসেবে কাজ করে, তাকে প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি বলে। - সমাসবদ্ধ হওয়ার পর শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পদের রূপ পরিবর্তন করে নতুন অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একরোখা ব্যাখ্যা: এক রোখ আছে যার এই অর্থে একরোখা শব্দটি গঠিত হয়েছে এবং এটি প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: হাতাহাতি ব্যাখ্যা: হাতে হাতে যে লড়াই এই অর্থে হাতাহাতি শব্দটি গঠিত হয়েছে এবং এটি প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাসের আরেকটি পরিচিত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তেপান্তর — এটি তিন প্রান্তের সমাহার অর্থে দ্বিগু সমাস। এর সঙ্গে প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাসের কোনো মিল নেই। B) লেখালেখি — এটি পরস্পর লেখা বোঝায় এবং এটি ব্যাতিহার বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। C) জীবমৃত — এটি যে জীব জীবিত থেকেও মৃত অর্থে কর্মধারয় সমাসের অন্তর্গত। D) দোটানা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশনের নিয়মে এটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বহুব্রীহি সমাসের শেষে যদি আ বা ই প্রত্যয় দেখতে পাও এবং শব্দটি কোনো অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য বোঝায়, তবে তা প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি হবে। - সমাসের নাম চেনার সময় শব্দের শেষাংশ ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি থেকে প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে একরোখা, হাতাহাতি এবং দোটানা শব্দগুলো বারবার পরীক্ষণে দেখা যায়।
a কুড়ি
b তেরই
c দ্বাদশ
d তেসরা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কুড়ি ১. কেন সঠিক: - কুড়ি শব্দটি সংখ্যাবাচক শব্দের একটি বিশেষ শ্রেণি অর্থাৎ গণনাবাচক বা মূল সংখ্যাবাচক শব্দের অন্তর্ভুক্ত। - বাংলা ভাষায় নির্দিষ্ট কোনো বস্তুকে গণনা করার জন্য যে মূল সংখ্যা ব্যবহার করা হয়, তাকে গণনাবাচক শব্দ বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা সংখ্যাবাচক শব্দ মূলত চার প্রকার, যথা: গণনাবাচক, ক্রমবাচক, তারিখবাচক ও অংশবাচক। - কুড়ি হলো বিশ বা ২০ এর মূল গণনাবাচক রূপ, যা দিয়ে সরাসরি গণনা বোঝানো হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এক, দুই, তিন, চার ব্যাখ্যা: এগুলো হলো মৌলিক গণনাবাচক শব্দ, যা দিয়ে সরাসরি সংখ্যা গণনা করা হয়। উদাহরণ ২: দশ, পঞ্চাশ, একশত ব্যাখ্যা: এগুলোও গণনাবাচক শব্দের উদাহরণ, যা নির্দিষ্ট পরিমাণ বা সংখ্যা নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুড়ি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সরাসরি গণনাবাচক শব্দ। B) তেরই — এটি তারিখবাচক শব্দ, যা মাসের তেইশ তারিখ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) দ্বাদশ — এটি ক্রমবাচক বা পুরণবাচক শব্দ, যা দ্বাদশ বা বারোতম অবস্থান বোঝায়। D) তেসরা — এটি তারিখবাচক শব্দ, যা মাসের তিন তারিখ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মূল সংখ্যা বা গণনার নাম বুঝালে তা গণনাবাচক শব্দ হবে। - তারিখ বা ক্রম বুঝালে তা যথাক্রমে তারিখবাচক বা ক্রমবাচক শব্দ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সংখ্যাবাচক শব্দের প্রকারভেদ থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কোন শব্দ কোন শ্রেণির সংখ্যাবাচক, তা ভালোভাবে চেনার জন্য শব্দগুলোর অর্থ খেয়াল রাখতে হবে।
a সরোবরে
b চশমা
c সরোজ
d চম্পক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সরোবরে ১. কেন সঠিক: বিভক্তি হলো এমন বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে পদ গঠন করে এবং বাক্যে শব্দের পারস্পরিক সম্পর্ক বোঝায়। সরোবরে শব্দটিতে সরোবর মূল শব্দের সাথে সপ্তমী বিভক্তির এ যুক্ত হয়ে সরোবরে পদটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দ বা প্রাতিপদিকের সাথে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে পদ গঠন করে তাকে বিভক্তি বলে। কারক বোঝাতে এবং বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করতে শব্দের সাথে বিভক্তি যুক্ত হয়। সপ্তমী বিভক্তির চিহ্ন হলো এ, য়, তে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে। ব্যাখ্যা: বন মূল শব্দের সাথে এ সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়ে বনে পদটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: গাছে ফল ধরেছে। ব্যাখ্যা: গাছ মূল শব্দের সাথে এ সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়ে গাছে পদটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরোবরে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে এ বিভক্তি যুক্ত আছে। B) চশমা — এটি একটি ফারসি শব্দ যা মৌলিক শব্দ, এর সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই। C) সরোজ — এটি একটি পদ যার অর্থ পদ্মফুল, এটি একটি মৌলিক শব্দ এবং এতে কোনো বিভক্তি নেই। D) চম্পক — এটি একটি তৎসম শব্দ বা ফুলের নাম, এর সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত করা হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে এ, য় বা তে দেখলে বুঝতে হবে সেখানে সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। সরোবর যোগ এ সমান সরোবরে, যা বিভক্তিযুক্ত শব্দের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক ও বিভক্তি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের সাথে অতিরিক্ত বর্ণ বা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যখন তা বাক্যে ব্যবহারের উপযোগী হয়, তখন তাকে বিভক্তিযুক্ত শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করতে হয়।
a অধিকরণ
b করণ
c অপাদান
d সম্বন্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সম্বন্ধ ১. কেন সঠিক: - বাক্যে কোনো পদের সঙ্গে অন্য পদের সম্পর্ক বা মালিকানা বোঝালে তাকে সম্বন্ধ পদ বলে। - এখানে 'ফুলের' পদের সঙ্গে 'গন্ধে' পদের সরাসরি সম্পর্ক বা উৎস বোঝানো হয়েছে, তাই এটি সম্বন্ধ পদ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়াপদের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক না থেকে অন্য পদের সঙ্গে যুক্ত হলে তাকে কারক বলা যায় না, তাই সম্বন্ধ পদ কারক নয়। - বিভক্তির ক্ষেত্রে শব্দের সঙ্গে র বা এর যুক্ত হয়ে সম্বন্ধ পদ গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজার আদেশ মান্য কর। ব্যাখ্যা: এখানে রাজার পদের সঙ্গে আদেশের সম্বন্ধ বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: আমার সোনার বাংলা। ব্যাখ্যা: এখানে আমার পদটি বাংলার সঙ্গে সম্বন্ধ স্থাপন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অধিকরণ — অধিকরণ কারক স্থান বা সময় নির্দেশ করে, যা এখানে নেই। B) করণ — করণ কারক দ্বারা বা মাধ্যম বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) অপাদান — অপাদান কারক থেকে, হতে বা ভয় বোঝায়, যা এখানে অনুপস্থিত। D) সম্বন্ধ — সঠিক উত্তর কারণ এটি দুটি পদের মধ্যে সম্পর্ক নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যে র বা এর বিভক্তিযুক্ত পদ দেখলে এবং তা যদি ক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত না হয়, তবে তা সাধারণত সম্বন্ধ পদ হয়। - কারক চেনার সময় দেখতে হবে ক্রিয়ার সঙ্গে পদের সরাসরি সম্পর্ক আছে কি না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সম্বন্ধ পদ বাক্যের ক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি অন্বিত হয় না বলে এটি ব্যাকরণে সরাসরি কারক হিসেবে গণ্য হয় না। - পরীক্ষার হলে কারক ও সম্বন্ধ পদের পার্থক্য বুঝতে ক্রিয়ার সঙ্গে পদের প্রশ্ন করার কৌশল প্রয়োগ করতে হবে।
a বাগধারায় দোষ
b গুরুচণ্ডালী দোষ
c উপমার ভুল প্রয়োগ
d বাহুল্য দোষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপমার ভুল প্রয়োগ ১. কেন সঠিক: বাক্যে উপমা বা রূপকের প্রয়োগে সংগতি না থাকলে তাকে উপমার ভুল প্রয়োগ বা অলংকার দোষ বলা হয়। এখানে হৃদয়কে 'মন্দির' বলা হয়েছে, কিন্তু মন্দিরে বীজ 'উপ্ত হলো' অর্থাৎ বোনা হলো বলা সংগতিপূর্ণ নয়, কারণ বীজ বপন করা হয় জমিতে বা ক্ষেত্রে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যে শব্দের অর্থগত ও ভাবগত মিল থাকা আবশ্যক, অন্যথায় বাক্যে অলংকার বা প্রয়োগগত ত্রুটি ঘটে। উপমা বা রূপক অলংকার ব্যবহারের সময় তুলনার উপযুক্ততা রক্ষা না করলে বাক্যের সৌন্দর্য নষ্ট হয় এবং অর্থ অসংগত হয়ে দাঁড়ায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার মন জমিনে আশার বীজ বুনেছি। ব্যাখ্যা: মনকে জমি হিসেবে কল্পনা করায় বীজ বপন করা বা বোনা শব্দটি এখানে সম্পূর্ণ সংগত ও সঠিক হয়েছে। উদাহরণ ২: তার কণ্ঠের গান যেন ঝরনার ধারা। ব্যাখ্যা: কণ্ঠের গানকে ঝਰনার ধারার সঙ্গে তুলনা করায় উপমাটি সঠিক ও সুন্দর হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাগধারায় দোষ — এই বাক্যে কোনো নির্দিষ্ট বাগধারার ভুল প্রয়োগ ঘটেনি বরং সামগ্রিক পদের মিলের সমস্যা রয়েছে। B) গুরুচণ্ডালী দোষ — তৎসম ও তদ্ভব শব্দের একত্রে ব্যবহারের ফলে গুরুচণ্ডালী দোষ হয়, যা এখানে ঘটেনি। D) বাহুল্য দোষ — বাক্যে অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় শব্দের ব্যবহারকে বাহুল্য দোষ বলে, এখানে তা অনুপস্থিত। ৫ মনে রাখার টিপস: মন্দিরের সঙ্গে বীজ বপনের কোনো মিল নেই, জমি ও বীজের মিল আছে। তাই মন্দিরের জায়গায় জমি বা ক্ষেত্র না থাকলে উপমার ভুল প্রয়োগ ঘটে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যশুদ্ধি ও অলংকার প্রয়োগ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। শব্দের উপযুক্ততা ও ভাবগত সংগতি বিচার করে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
a শ্বাশত
b শ্বাশ্বত
c শাশত
d শাশ্বত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শাশ্বত ১. কেন সঠিক: - শাশ্বত বানানটিতে তালব্য শ-এর নিচে ব-ফলা এবং মূর্ধন্য ষ-এর সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত হয়েছে। - এই শব্দের মূল গঠন হলো শাশ্বত, যার অর্থ যা সর্বদা ছিল, আছে এবং থাকবে কিংবা নিত্য ও চিরন্তন। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী সংস্কৃত শব্দে ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব এবং ব-ফলার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হয়। - এই শব্দটিতে প্রথম বর্ণে তালব্য শ এবং দ্বিতীয় অংশে মূর্ধন্য ষ-এর সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এটি একটি শাশ্বত সত্য। ব্যাখ্যা: এখানে শাশ্বত শব্দটি চিরন্তন বা অবিনশ্বর সত্য বোঝাতে বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: মানুষের মনে ভালোবাসার টান শাশ্বত। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে মানুষের চিরন্তন অনুভূতির স্থায়ী রূপ প্রকাশ করতে শাশ্বত শব্দটির প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্বাশত — এই বানানে প্রথম বর্ণে শ-এর সঙ্গে ব-ফলা দেওয়া হয়েছে এবং দ্বিতীয় অংশে ব-ফলা বাদ দেওয়া হয়েছে, যা বানানটিকে ভুল করে তোলে। B) শ্বাশ্বত — এই বানানে প্রথম বর্ণে শ-এর সঙ্গে ভুলবশত ব-ফলা যুক্ত করা হয়েছে, অথচ প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী প্রথম বর্ণে কোনো ব-ফলা থাকে না। C) শাশত — এই বানানে দ্বিতীয় বর্ণে মূর্ধন্য ষ-এর সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব-ফলাটি ব্যবহার করা হয়নি, তাই এটি অশুদ্ধ। D) শাশ্বত — এটি শতভাগ প্রমিত ও সঠিক বানান কারণ এতে প্রথম বর্ণ শ এবং দ্বিতীয় বর্ণ ষ-এর সঙ্গে সঠিক নিয়মে ব-ফলা যুক্ত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার সহজ উপায় হলো প্রথম শ একা থাকবে এবং পরের ষ-এর সঙ্গে ব-ফলা বসবে। - অর্থাৎ শাশ্বত বানানে শেষের ষ-এ ব-ফলা থাকা আবশ্যক। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এমন শব্দ আসে যেখানে ব-ফলার অবস্থান নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়। - তাই সংস্কৃত থেকে আসা নিত্যবাচক শব্দগুলোর ক্ষেত্রে যুক্তবর্ণের সঠিক অবস্থান ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a traveler
b pedestrian
c rider
d omnipotent
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) pedestrian কেন সঠিক: - One who walks on foot বা পদচারী বোঝাতে pedestrian শব্দটি ব্যবহার করা হয়। - এটি এককথায় প্রকাশ বা Substitution সংক্রান্ত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি ভোকাবুলারি প্রশ্ন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) traveler — এই শব্দের অর্থ ভ্রমণকারী, যা যেকোনো মাধ্যমে ভ্রমণকারী ব্যক্তিকে বোঝায়। B) pedestrian — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ পায়ে হেঁটে চলা পথচারী। C) rider — এই শব্দের অর্থ আরোহী, যিনি সাধারণত ঘোড়া, সাইকেল বা মোটরসাইকেল চালান। D) omnipotent — এই শব্দের অর্থ সর্বশক্তিমান, যার সাথে পায়ে হাঁটার কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: Pedestrian শব্দের শুরুতে থাকা ped মূল শব্দটির অর্থ পা, যা দিয়ে পায়ে হাঁটা ব্যক্তিকে সহজে মনে রাখা যায়।
a J.S. Mill
b Charles Dickens
c Francis Bacon
d W.H. Newman
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Francis Bacon কেন সঠিক: - ফ্রান্সিস বেকন ইংরেজি সাহিত্যে প্রাবন্ধিক হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত এবং তাকে ইংরেজি প্রাবন্ধের জনক বলা হয়। - তার বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ 'Essays' ইংরেজি সাহিত্যের গদ্য শাখায় অনন্য এক মাইলফলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) J.S. Mill — তিনি মূলত একজন বিখ্যাত দার্শনিক ও অর্থনীতিবিদ ছিলেন, প্রাবন্ধিক হিসেবে পরিচিত নন। B) Charles Dickens — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিশ্বখ্যাত ঔপন্যাসিক ও গল্পকার ছিলেন। D) W.H. Newman — এই নামে ইংরেজি সাহিত্যে কোনো প্রখ্যাত লেখক বা প্রাবন্ধিক নেই। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি প্রবন্ধের জনক মনে রাখতে বেকনের নাম সবার আগে স্মরণ রাখবে।
a hostile
b friendly
c indifferent
d angry
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) friendly কেন সঠিক: - 'Inimical' শব্দটির অর্থ হলো শত্রুভাবাপন্ন, প্রতিকূল বা ক্ষতিকর। - এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'friendly', যার অর্থ বন্ধুত্বপূর্ণ বা সুহৃদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hostile — এটি 'inimical' শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ শত্রুভাবাপন্ন। B) friendly — এটি সঠিক উত্তর, যার অর্থ বন্ধুত্বপূর্ণ বা শত্রুতার বিপরীত। C) indifferent — এর অর্থ উদাসীন, যা শত্রুতার সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ নয়। D) angry — এর অর্থ রাগান্বিত, যা ভিন্ন একটি ভাব প্রকাশ করে এবং সঠিক বিপরীতার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: 'Inimical' শব্দের শুরুতে enemy শব্দের মতো শত্রুতার ভাব আছে, তাই এর বিপরীত হবে friendly বা বন্ধুত্বপূর্ণ।
a Incumbent
b Incumvent
c Incummbent
d Incummvent
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Incumbent কেন সঠিক: - বানানটির সঠিক রূপ হলো ইনকাম্বেন্ট বা Incumbent, যার অর্থ পদাধিকারী বা বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি। - ইংরেজি বানান নিয়মে এন অক্ষরের পর সি অক্ষর ব্যবহার করা হয় এবং শেষে এম ই এন টি যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Incumbent — এটি সঠিক বানান এবং প্রদত্ত উত্তর সঠিক। B) Incumvent — এই বানানে বি অক্ষরের পরিবর্তে ভি অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। C) Incummbent — এই বানানে অতিরিক্ত একটি এম অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে। D) Incummvent — এই বানানে অতিরিক্ত এম এবং ভুল ভি অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ইনকাম শব্দটির সাথে বেন্ট যুক্ত করে ইনকাম্বেন্ট বা Incumbent বানানটি সহজে মনে রাখা যায়।
a adjective
b verb
c adverb
d noun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) noun কেন সঠিক: - Adverb মূলত Verb, Adjective এবং অন্য কোনো Adverb-কে modify বা বিশেষিত করে। - Noun বা Pronoun-কে কেবল Adjective বিশেষিত করে, তাই Adverb কখনো Noun-কে modify করে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adjective — এটি ভুল কারণ Adverb কোনো Adjective-এর দোষ, গুণ বা পরিমাণ প্রকাশ করতে পারে। B) verb — এটি ভুল কারণ Adverb কোনো Verb-এর কাজের সময়, স্থান বা ধরণ নির্দেশ করতে পারে। C) adverb — এটি ভুল কারণ একটি Adverb অন্য একটি Adverb-এর তীব্রতা বা মাত্রা বাড়াতে বা কমাতে পারে। D) noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ Noun-কে কেবল Adjective বিশেষিত করে, Adverb কখনোই করে না। মনে রাখার টিপস: Adverb কেবল Noun ও Pronoun বাদে বাকি সব Parts of Speech-কে modify করতে পারে।
a adjective phrase
b verb phrase
c adverbial phrase
d preposition phrase
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) adverbial phrase কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'fast enough' অংশটি মূল verb 'moving'-কে নির্দেশ করছে এবং ক্রিয়াটি কীভাবে সম্পন্ন হচ্ছে তার মাত্রা বা অবস্থা বোঝাচ্ছে। - কোনো phrase বা শব্দগুচ্ছ যদি verb-কে বিশেষভাবে মডিফাই করে বা সময়, স্থান, কারণ কিংবা মাত্রা প্রকাশ করে, তবে তা adverbial phrase হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adjective phrase — এটি কোনো noun বা pronoun-কে মডিফাই করছে না, তাই এটি adjective phrase নয়। B) verb phrase — এখানে একাধিক verb বা auxiliary verb মিলে কোনো একটি একক verb-এর কাজ করছে না, তাই এটি verb phrase নয়। C) adverbial phrase — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি verb-এর কাজ করার ধরণ বা মাত্রা প্রকাশ করছে। D) preposition phrase — এই শব্দগুচ্ছটি কোনো preposition দিয়ে শুরু হয়ে noun বা pronoun-এর সঙ্গে শেষ হয়নি, তাই এটি preposition phrase নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের verb-কে কীভাবে, কোথায় বা কখন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় এবং তা যদি একাধিক শব্দের সমষ্টি হয়, তবে তা adverbial phrase হবে।
a cease
b exasperate
c soothe
d enthral
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) soothe কেন সঠিক: - 'Pacify' শব্দটির অর্থ শান্ত করা, প্রশমিত করা বা নিবৃত্ত করা। - 'Soothe' শব্দটির অর্থও শান্ত করা বা কাউকে আরাম দেওয়া, যা pacify শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) cease — এর অর্থ বন্ধ করা বা থামা, যা সরাসরি সমার্থক নয়। B) exasperate — এর অর্থ বিরক্ত করা বা ক্ষিপ্ত করা, যা pacify শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) soothe — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) enthral — এর অর্থ বিমোহিত করা বা মুগ্ধ করা, যা শান্ত করার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: PACIFY এবং SOOTHE দুটি শব্দই মন বা পরিস্থিতি ঠান্ডা করার অর্থে ব্যবহৃত হয়।
a He came in the colour of a friend.
b He came in the guise of a friend.
c He came in the form of a friend.
d He came in the view of a friend.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) He came in the guise of a friend. কেন সঠিক: - বাংলায় কোনো বিশেষ ছদ্মবেশ বা কৃত্রিম রূপ ধারণ করে আসার ক্ষেত্রে ইংরেজি idioms হিসেবে in the guise of ব্যবহৃত হয়। - বন্ধুর বেশ বা ছদ্মবেশে আসার ভাব প্রকাশ করতে সঠিক preposition ও noun এর ব্যবহারে এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He came in the colour of a friend. — colour শব্দটি এখানে প্রেক্ষাপটের সঙ্গে মেলে না কারণ বেশ বা ছদ্মবেশ বোঝাতে colour ব্যবহার করা হয় না। B) He came in the guise of a friend. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর ব্যবহার ব্যাকরণগত ও ভাবগতভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল। C) He came in the form of a friend. — form হলো সাধারণ রূপ বা আকৃতি, যা মানুষের ছদ্মবেশ বা বেশ ধারণ করা বোঝাতে উপযুক্ত নয়। D) He came in the view of a friend. — view অর্থ দৃষ্টি বা মতামত, যা বন্ধুর বেশে আসার অর্থ প্রকাশ করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: ছদ্মবেশ বা রূপ ধারণ করে আসার ক্ষেত্রে সবসময় guise শব্দটি ব্যবহার করবে।
a Victorian
b Elizabethan
c Romantic
d Modern
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Victorian কেন সঠিক: - উপন্যাসটি বিখ্যাত ভিক্টোরিয়ান যুগের ঔপন্যাসিক চার্লস ডিকেন্সের লেখা এবং এটি ১৮৪৯ থেকে ১৮৫০ সালের মধ্যে প্রকাশিত হয়। - এই উপন্যাসের মাধ্যমে সেসময়ের সমাজব্যবস্থা, শিল্প বিপ্লবের প্রভাব এবং শিশুশ্রমের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Victorian — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ উপন্যাসটির রচয়িতা এবং লেখার সময়কাল ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্তর্ভুক্ত। B) Elizabethan — এটি ষোড়শ শতাব্দীর শেষভাগ ও সপ্তদশ শতাব্দীর শুরুর সময়কাল, যা এই উপন্যাসের রচনার অনেক আগের সময়। C) Romantic — এটি সাধারণত ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুর সময়কে বোঝায়, কিন্তু এই উপন্যাসটি রোমান্টিক যুগের আদর্শের পরিবর্তে ভিক্টোরিয়ান বাস্তবতাবাদের প্রতিনিধিত্ব করে। D) Modern — এটি বিংশ শতাব্দীর ঘটনা, যা চার্লস ডিকেন্সের এই বিখ্যাত উপন্যাস রচনার সময়কালের অনেক পরের কালপর্ব। মনে রাখার টিপস: চার্লস ডিকেন্স ভিক্টোরিয়ান যুগের সবচেয়ে জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক, তাই তাঁর বিখ্যাত রচনাগুলো যেমন ডেভিড কপারফিল্ড সাধারণত ভিক্টোরিয়ান যুগের উপন্যাস হয়।
a 1000 years ago
b 1500 years ago
c 2000 years ago
d 3000 years ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 2000 years ago কেন সঠিক: - জুলিয়াস সিজার রোমের একজন বিখ্যাত সেনাপতি ও শাসক ছিলেন, যিনি খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দীতে অর্থাৎ প্রায় দুই হাজার বছর আগে জীবিত ছিলেন। - বর্তমান সময় থেকে হিসাব করলে তাঁর জন্মকাল ও শাসনকাল প্রায় দুই হাজার বছর আগের ইতিহাস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1000 years ago — এই সময়ে জুলিয়াস সিজারের রোম শাসন করার অনেক পরে মধ্যযুগের ইতিহাস শুরু হয়েছিল। B) 1500 years ago — এই সময়কালটি সিজারের মৃত্যুর বহু শতাব্দী পরের ইতিহাসকে নির্দেশ করে। C) 2000 years ago — এটি সঠিক উত্তর কারণ জুলিয়াস সিজার প্রায় দুই হাজার বছর আগে রোমের শাসক ছিলেন। D) 3000 years ago — এই সময়টি জুলিয়াস সিজারের জন্মের অনেক আগের প্রাচীন রোমান সভ্যতার সূচনা পর্বের কাছাকাছি। মনে রাখার টিপস: জুলিয়াস সিজারের সময়কাল মনে রাখতে সিজারের প্রাচীন ইতিহাস এবং খ্রিস্টপূর্ব অব্দ মাথায় রেখে প্রায় দুই হাজার বছর হিসাবটি মনে রাখতে হবে।
a two things of nature
b two similar things
c two dissimilar things
d two criteria
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) two dissimilar things কেন সঠিক: - মেটাফোর বা রূপক হলো এমন একটি অলংকার, যেখানে দুটি ভিন্নধর্মী বা সাদৃশ্যহীন বস্তুর মধ্যে তুলনা করা হয়। - এটি সরাসরি তুলনা না করে একটি বস্তুকে অন্য আরেকটি ভিন্ন বস্তুর সঙ্গে তুলনা বা রূপক অর্থ প্রদান করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) two things of nature — প্রকৃতির দুটি জিনিসের তুলনা সবসময় মেটাফোর হয় না, এটি উপমার ক্ষেত্রে হতে পারে। B) two similar things — দুটি সাদৃশ্যপূর্ণ বা একই জাতীয় জিনিসের মধ্যে তুলনা হলে তাকে সিমিলি বা সাধারণ তুলনা বলা হয়, মেটাফোর নয়। C) two dissimilar things — এটি সঠিক কারণ মেটাফোর সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির দুটি জিনিসের মধ্যে তুলনা করে। D) two criteria — ক্রাইটেরিয়া বা দুটি মাপকাঠির মধ্যে তুলনা মেটাফোরের সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে না। মনে রাখার টিপস: মেটাফোর মানে ভিন্ন দুটি জিনিসের তুলনা, যেমন বলা যায় তিনি একজন সিংহ।
a Rhythem
b Rhythm
c Rythem
d Rhethm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Rhythm কেন সঠিক: - ইংরেজি বানান রীতি অনুযায়ী শব্দটিতে প্রথমে Rhy এবং পরে thm যুক্ত হয়। - এটি এমন একটি শব্দ যাতে প্রচলিত কোনো স্বরবর্ণ যেমন a, e, i, o, u সরাসরি ব্যবহৃত হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rhythem — এখানে শেষে em ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে। B) Rhythm — এটি সঠিক বানান যার অর্থ ছন্দ বা তাল। C) Rythem — এর শুরুতে h বর্ণটি অনুপস্থিত রয়েছে। D) Rhethm — এখানে h এর পরে ভুল করে e ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: শব্দটির বানান মনে রাখতে Rhym এর সঙ্গে th যুক্ত করে Rhythm মনে রাখতে পারো।
a had finished
b finished
c would finish
d would have finished
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) had finished কেন সঠিক: - অতীতের দুটি ঘটনার মধ্যে যেটি তুলনামূলকভাবে আগে ঘটেছিল, তার ক্ষেত্রে Past Perfect Tense (had + V3) ব্যবহৃত হয়। - এখানে মাধ্যমিক পাস করার কাজটি আগে সম্পন্ন হয়েছে, তাই প্রধান clauses-এর আগে Past Perfect Tense বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had finished — প্রদত্ত বাক্যের সঠিক উত্তর কারণ এটি অতীতের আগের ঘটনা প্রকাশ করে। B) finished — সাধারণ Past Tense হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ দুটি কাজের ধারাবাহিকতা বোঝাতে আলাদা Tense দরকার। C) would finish — Future in the Past বা Conditional বাক্যে বসে, যা এই সাধারণ কালানুক্রমিক ঘটনার জন্য বেমানান। D) would have finished — Third Conditional-এর নিয়মে বসে, যা এই বাক্যের কাঠামোর সঙ্গে মিলছে না। মনে রাখার টিপস: অতীতকালের দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটে, তার সঙ্গে 'had + V3' এবং যেটি পরে ঘটে, তার সঙ্গে Simple Past Tense ব্যবহার করবে।
a Eradicate : get rid of
b Joy : sorrow
c Joy : slim
d Conservative : tradition
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Analogy / সমার্থক ও বিপরীতার্থক সম্পর্ক) সঠিক উত্তর: B) Joy : sorrow কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে 'Beautiful' এবং 'ugly' শব্দ দুটি একে অপরের বিপরীতার্থক বা Antonym হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। - প্রদত্ত সঠিক উত্তরের 'Joy' (আনন্দ) এবং 'sorrow' (দুঃখ) শব্দ দুটিও পরস্পর বিপরীতার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Eradicate : get rid of — এখানে দুটি শব্দই সমার্থক, কারণ দুটির অর্থ নির্মূল করা বা দূর করা। B) Joy : sorrow — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি বিপরীতার্থক শব্দ জোড়। C) Joy : slim — এখানে আনন্দের সাথে স্লিম বা চিকন হওয়ার কোনো যৌক্তিক বা অর্থপূর্ণ সম্পর্ক নেই। D) Conservative : tradition — কনজারভেটিভ মানুষ ঐতিহ্য মেনে চলে, এটি বিপরীতার্থক সম্পর্ক নয়। মনে রাখার টিপস: অ্যানালজি বা সাদৃশ্য নির্ণয়ের সময় মূল শব্দের সম্পর্কের ধরন (বিপরীতার্থক নাকি সমার্থক) আগে খেয়াল করবে।
a Kingship
b King
c Kinghood
d Kingly
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Kingship কেন সঠিক: - King একটি Common Noun, যার সঙ্গে ship প্রত্যয় যুক্ত করে Abstract Noun গঠন করা হয়েছে। - Kingship শব্দটি রাজার পদ, রাজত্ব বা রাজকীয় অধিকারের মতো গুণ বা অবস্থাকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Kingship — সঠিক উত্তর কারণ এটি King শব্দের সঠিক Abstract Noun রূপ। B) King — এটি নিজেই একটি Common Noun, তাই এটি Abstract Noun হতে পারে না। C) Kinghood — এই শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে আদর্শ বা প্রমিত ইংরেজি ব্যাকরণে সাধারণত ব্যবহৃত হয় না। D) Kingly — এটি একটি Adjective, কারণ এর শেষে ly যুক্ত হয়ে গুণের বা বৈশিষ্ট্যের বিশেষণ বুঝায়। মনে রাখার টিপস: noun বা adjective-এর সঙ্গে ship প্রত্যয় যুক্ত করে abstract noun তৈরি করা হয়, যেমন friend থেকে friendship এবং king থেকে kingship।
a Nucleuses
b Nucleausy
c Nuclei
d Nucleis
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Nuclei কেন সঠিক: - ল্যাটিন ভাষার যেসকল শব্দের শেষে us থাকে, তাদের বহুবচন করতে সাধারণত us উঠিয়ে দিয়ে i যোগ করা হয়। - Nucleus শব্দটির শেষে us থাকায় এর বহুবচন রূপ হিসেবে Nuclei সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Nucleuses — এটি ইংরেজি নিয়মে গঠিত বহুবচন যা ল্যাটিন উৎসের শব্দের ক্ষেত্রে সাধারণত ব্যাকরণগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। B) Nucleausy — এটি একটি বানানগতভাবে ভুল শব্দ এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। C) Nuclei — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ল্যাটিন নিয়মে গঠিত সঠিক বহুবচন রূপ। D) Nucleis — এটি ভুল বানান এবং এমন কোনো নিয়মে ইংরেজি বা ল্যাটিন বহুবচন গঠিত হয় না। মনে রাখার টিপস: ল্যাটিন শব্দে us থাকলে তা পরিবর্তন করে i বসালে সঠিক বহুবচন পাওয়া যায়, যেমন Nucleus থেকে Nuclei।
a I presented her a flower.
b I presented a flower for her.
c She was presented a flower by me.
d I presented her with a flower.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I presented her with a flower. কেন সঠিক: - Present verb-এর পর ব্যক্তিবাচক অবজেক্ট থাকলে সাধারণত with preposition ব্যবহৃত হয়। - বস্তুবাচক অবজেক্টের পূর্বে to বা with বসে, যার মধ্যে present somebody with something গঠনটি সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I presented her a flower. — সরাসরি দুটি অবজেক্ট পাশাপাশি বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) I presented a flower for her. — অর্থ ঠিক থাকলেও এটি সঠিক ইংরেজি idioms বা ব্যবহার নয়। C) She was presented a flower by me. — passive voice-এর এই গঠনে flower-এর আগে with preposition থাকা উচিত ছিল। D) I presented her with a flower. — এটি সঠিক কারণ present verb-এর সাথে with preposition বসে। মনে রাখার টিপস: Present কাউকে কোনো কিছু করার সময় Present somebody with something এই নিয়মটি মনে রাখবে।
a a three-day
b a three-days
c three-days
d the three-days
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a three-day কেন সঠিক: - সংখ্যা ও noun মিলে Compound Adjective গঠিত হলে noun-টি সবসময় singular হয়। - visit একটি noun, যার পূর্বে Adjective হিসেবে three-day ব্যবহার করা সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a three-day — এটি সঠিক উত্তর। B) a three-days — Compound Adjective-এ noun-এর সাথে s বা es যুক্ত হয় না। C) three-days — এখানে আর্টিকেল 'a' অনুপস্থিত এবং days ভুলভাবে plural করা হয়েছে। D) the three-days — নির্দিষ্ট আর্টিকেল ব্যবহারের নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয় এবং days plural করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সংখ্যা ও noun (যেমন: three + day) মিলে যখন একটিমাত্র Adjective-এর কাজ করে, তখন মাঝের noun-টি সর্বদা একবচন বা singular হয়।
a China
b Indonesia
c Malaysia
d Philippines
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Philippines কেন সঠিক: - যেসব দেশের নামের আগে একাধিক দ্বীপপুঞ্জের সমষ্টি বা বহুবচন বোঝায়, তাদের নামের পূর্বে definite article 'The' বসে। - ফিলিপাইন একটি দ্বীপরাষ্ট্র এবং এর নামের শেষে 's' যুক্ত থাকায় এর পূর্বে 'The' ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) China — এটি একক ও অবিভক্ত একটি দেশ, তাই এর পূর্বে কোনো article বসে না। B) Indonesia — এটি দ্বীপরাষ্ট্র হলেও এর নামের শেষে বহুবচনসূচক 's' নেই, তাই এর পূর্বে 'The' বসে না। C) Malaysia — এটি একক ও অবিভক্ত একটি দেশ, তাই এর নামের পূর্বে কোনো article বসে না। D) Philippines — এটি একাধিক দ্বীপের সমষ্টি এবং বহুবচন হওয়ায় এর পূর্বে সঠিক নিয়মে 'The' বসে। মনে রাখার টিপস: যেসব দেশের নামের শেষে 's' বা 'es' থাকে এবং দ্বীপপুঞ্জ বোঝায়, সাধারণত তাদের নামের পূর্বে 'The' বসে যেমন The Philippines, The Maldives।
a a noun
b a verb
c an adjective
d an adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a noun কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে will শব্দটি একটি প্রবাদের অংশ এবং এর পূর্বে definite article the বসেছে। - ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী article-এর পরে একটি মাত্র শব্দ থাকলে তা সাধারণত noun হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ the article-এর পরে বসে এটি এখানে একটি abstract noun হিসেবে ইচ্ছা বা সংকল্প বোঝাচ্ছে। B) a verb — verb হওয়ার জন্য বাক্যটিতে এটি কোনো কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিত, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) an adjective — adjective হতে হলে এটি কোনো noun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করত, যা এখানে করছে না। D) an adverb — adverb হতে হলে এটি কোনো verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-কে Modify করত, যা এখানে সত্য নয়। মনে রাখার টিপস: Article (a, an, the) কিংবা possessive pronoun-এর ঠিক পরেই যদি কোনো স্বাধীন শব্দ বসে, তবে সেটি চোখ বন্ধ করে noun হবে।
a in, on
b of, by
c by, with
d at, with
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) by, with কেন সঠিক: - আগুন বা কোনো উৎসের কাছাকাছি বসা বোঝাতে প্রিপ্রোজিশন হিসেবে by বসে। - কোনো ব্যক্তির সাথে বা কারও উপস্থিতিতে বোঝাতে with প্রিপোজিশন ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in, on — আগুন বা ব্যক্তির আগের শূন্যস্থানে এই প্রিপোজিশনগুলো বসে না, কারণ এগুলো যথাক্রমে ভেতরে এবং উপরে বোঝায়। B) of, by — প্রথম শূন্যস্থানে of বসে মালিকানা বা উৎস বোঝায়, যা এখানে বাক্যের অর্থের সাথে মানানসই নয়। C) by, with — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাক্যের অর্থ ও ব্যাকরণের সাথে সম্পূর্ণভাবে সঙ্গতিপূর্ণ। D) at, with — প্রথম শূন্যস্থানে at বসালে সুনির্দিষ্ট স্থান বোঝাত, যা আগুন বা উৎসের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: কাছে বোঝাতে by এবং সঙ্গী বোঝাতে with ব্যবহার করতে হয়।
a for
b of
c with
d to
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) of কেন সঠিক: - 'In the interest of' একটি স্থির প্রবাদ বা ফ্রেজ, যার অর্থ কোনো কিছুর স্বার্থে বা খাতিরে। - এখানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে বোঝাতে interest শব্দের পর preposition হিসেবে of ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — 'In the interest for' ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় কারণ interest শব্দের পর সাধারণত of বসে। B) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য এবং এটি নির্দিষ্ট ফ্রেজ গঠন করে। C) with — 'In the interest with' কোনো আদর্শ ইংরেজি ফ্রেজ নয় এবং এর অর্থ অসংগত। D) to — 'In the interest to' সঠিক প্রিপোজিশনাল ব্যবহার নয়, তাই এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো বিশেষ স্বার্থ বা ভালোর জন্য বোঝাতে 'In the interest of' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়, যেখানে interest-এর পরে সবসময় of বসে।
a proprietriy
b proprietress
c proprietory
d proprietorship
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) proprietress কেন সঠিক: - proprietor শব্দটির অর্থ সম্পত্তির মালিক বা স্বত্বাধিকারী, যার স্ত্রীবাচক রূপ তৈরিতে শেষে ess প্রত্যয় যুক্ত হয়। - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী পুরুষবাচক noun-এর শেষে ess যোগ করে feminine gender গঠন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) proprietriy — এটি কোনো ব্যাকরণগতভাবে স্বীকৃত ইংরেজি শব্দ নয় এবং সঠিক feminine রূপ নয়। B) proprietress — এটি proprietor শব্দটির সঠিক feminine gender বা স্ত্রীবাচক রূপ। C) proprietory — এটি একটি বানানগত ত্রুটিযুক্ত শব্দ, যা মূলত proprietary শব্দের কাছাকাছি হলেও সঠিক নয়। D) proprietorship — এটি কোনো gender নয়, বরং এর অর্থ স্বত্বাধিকার বা মালিকানা ব্যবসায়ের রূপ। মনে রাখার টিপস: noun-এর শেষে ess যোগ করে feminine করার নিয়ম মনে রাখলে proprietor থেকে proprietress সহজে লেখা যায়।
a reserved
b selfish
c thoughtful
d rude
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) thoughtful কেন সঠিক: - Introspective শব্দের অর্থ অন্তর্মুখী বা আত্মবিশ্লেষণকারী, যা নিজের চিন্তা ও অনুভূতির গভীরে প্রবেশ করা বোঝায়। - Thoughtful শব্দের অর্থ চিন্তাশীল, যা একজন মানুষের আত্মমগ্ন ও গভীর মানসিক অবস্থাকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) reserved — এর অর্থ সংরক্ষিত বা স্বল্পভাষী, যা মানুষের অন্তর্মুখী স্বভাবের একটি দিক হলেও সরাসরি আত্মবিশ্লেষণ বা চিন্তাশীলতাকে বোঝায় না। B) selfish — এর অর্থ স্বার্থপর, যার সঙ্গে অন্যের কল্যাণ বা নিজের ভেতরের চিন্তা বা আত্মবিশ্লেষণের কোনো সম্পর্ক নেই। C) thoughtful — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) rude — এর অর্থ রুক্ষ বা ভদ্রতাহীন, যা মানুষের চিন্তাশীল বা আত্মবিশ্লেষণকারী স্বভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি আচরণ। মনে রাখার টিপস: Introspect শব্দটিতে Intro অর্থ ভেতরে এবং Spect অর্থ দেখা অর্থাৎ নিজের ভেতরে দেখা বা ভাবা, তাই এর সমার্থক শব্দ thoughtful বা চিন্তাশীল হবে।
a of
b with
c to
d for
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to কেন সঠিক: - Adhere শব্দের পরে সঠিক preposition হিসেবে সবসময় to বসে, যার অর্থ লেগে থাকা বা মেনে চলা। - এখানে নীতি মেনে চলার ক্ষেত্রে adhere-এর সঙ্গে to যুক্ত হয়ে সঠিক অর্থ প্রকাশ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — Adhere শব্দের সঙ্গে of বসে না, তাই এটি ভুল। B) with — Adhere-এর সঙ্গে with বসে না, এটি অপ্রাসঙ্গিক। C) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) for — Adhere-এর পরে for ব্যবহার করলে ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী অর্থ অসম্পূর্ণ হয়। মনে রাখার টিপস: Adhere শব্দের আক্ষরিক ও অর্থগত মিলের জন্য সবসময় fix করে নিন যে এর পরে সবসময় to বসে।
a সরল কোণ
b প্রবৃদ্ধ কোণ
c সূক্ষ্মকোণ
d সমকোণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সমকোণ প্রদত্ত তথ্য: একই রেখার উপর দুটি সন্নিহিত কোণ অবস্থিত কোণ দুটি পরস্পরের সমান ধরি, প্রথম সন্নিহিত কোণটি = ক ডিগ্রি দ্বিতীয় সন্নিহিত কোণটি = ক ডিগ্রি অতএব, কোণ দুটি একই রেখার উপর অবস্থিত হওয়ায় তাদের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি শর্তানুসারে, ক + ক = ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, ২ × ক = ১৮০ ডিগ্রি ক = ১৮০ ডিগ্রি ÷ ২ = ৯০ ডিগ্রি উত্তর: ৯০ ডিগ্রি বা সমকোণ
a ১৪
b ৪২
c ১২০
d ১১০
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪২ প্রদত্ত তথ্য: প্রতি কেজি মিষ্টির দাম = ৩৫০ টাকা মিষ্টির পরিমাণ = ৩ কেজি ভ্যাটের হার = ৪ শতাংশ ধরি, মিষ্টির মোট ক্রয়মূল্য = ৩৫০ × ৩ = ১০৫০ টাকা অতএব, ১০০ টাকায় ভ্যাট দিতে হয় = ৪ টাকা ১ টাকায় ভ্যাট দিতে হয় = ৪ ÷ ১০০ টাকা সুতরাং, ১০৫০ টাকায় ভ্যাট দিতে হয় = (৪ × ১০৫০) ÷ ১০০ = ৪২ টাকা উত্তর: ৪২ টাকা
a ১২০০০
b ২৪০০০
c ৪৮০০০
d ২১৬০০০
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪০০০ প্রদত্ত তথ্য: শেডের পরিমাপ = ৫০ × ৪৮ বর্গফুট শেডের ক্ষেত্রফল = ৫০ × ৪৮ = ২৪০০ বর্গফুট ধরি, আয়তাকার জমির মোট ক্ষেত্রফল = ক বর্গফুট জমির ১০% জায়গা ঢাকা আছে শেড দ্বারা অতএব, জমির মোট ক্ষেত্রফলের ১০% = শেডের ক্ষেত্রফল ক এর ১০% = ২৪০০ সুতরাং, ক × (১০ ÷ ১০০) = ২৪০০ ক = ২৪০০ × (১০০ ÷ ১০) = ২৪০০০ উত্তর: ২৪০০০ বর্গফুট
a অমূলদ
b মূলদ
c জটিল
d পূর্ণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অমূলদ প্রدত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো রুট তিন ধরি, সংখ্যাটি একটি সাধারণ ভগ্নাংশ পি বাই কিউ আকারে প্রকাশ করা সম্ভব অতএব, উভয় পক্ষকে বর্গ করলে পূর্ণবর্গ সংখ্যা পাওয়া যায় না সুতরাং, এটি একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা নয় এবং এর দশমিক বিস্তার অসীম ও অনাবৃত্ত উত্তর: অমূলদ সংখ্যা
a ৪৭/১০০০
b ৪৭/১০
c ৪০/৯৯
d ৪৭/১০০
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪৭/১০০ প্রدত্ত তথ্য: দশমিক সংখ্যা = ০.৪৭ সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করতে হবে ধরি, সংখ্যাটি = ০.৪৭ অতএব, দশমিক বিন্দুর জন্য হরে একটি ১ এবং দুটি অঙ্কের জন্য দুটি ০ হবে সংখ্যাটি লেখা যায় ৪৭ ÷ ১০০ রূপে সুতরাং, ভগ্নাংশটি লঘুিষ্ঠ আকারে প্রকাশ করা যায় না উত্তর: ৪৭/১০০
a {1,2,6}
b {∅}
c {1,2,6,∅}
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১,২,৬ প্রদত্ত তথ্য: সেট এ এর উপাদান = ১,২,৬ সেট বি এর উপাদান = শূন্য সেট বা ফাঁকা সেট ধরি, এ সেট = ১,২,৬ বি সেট = ফাঁকা সেট অতএব, সংযোগ সেট নির্ণয় করতে হবে এ এবং বি এর সকল উপাদান একত্রিত করতে হবে সুতরাং, ১,২,৬ এর সাথে ফাঁকা সেট যোগ করলে ১,২,৬ ই পাওয়া যায় উত্তর: ১,২,৬
a 75
b 25
c 625
d 3125
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬২৫ প্রদত্ত তথ্য: অনুক্রমটি হলো ১, ৫, ২৫, ... ধরি, প্রথম পদ = ১ দ্বিতীয় পদ = ৫ তৃতীয় পদ = ২৫ অতএব, দ্বিতীয় পদকে প্রথম পদ দ্বারা ভাগ করে পাই, ৫ ÷ ১ = ৫ তৃতীয় পদকে দ্বিতীয় পদ দ্বারা ভাগ করে পাই, ২৫ ÷ ৫ = ৫ প্রতিটি পদ তার পূর্ববর্তী পদের পাঁচ গুণ সুতরাং, চতুর্থ পদ হবে ২৫ × ৫ = ১২৫ পঞ্চম পদ হবে ১২৫ × ৫ = ৬২৫ উত্তর: ৬২৫
a ৫/২৬
b ২১/২৬
c ২৬/৫
d ২৬/২১
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২১/২৬ প্রদত্ত তথ্য: ইংরেজি বর্ণমালায় মোট অক্ষর আছে ২৬টি স্বরবর্ণের সংখ্যা ৫টি ধরি, মোট অক্ষরের সেট = ২৬ স্বরবর্ণের সেট = ৫ অতএব, ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা = ২৬ − ৫ = ২১ সুতরাং, ব্যঞ্জনবর্ণ পাওয়ার অনুকূল ফলাফল = ২১ মোট সম্ভাব্য ফলাফল = ২৬ উত্তর: ২১ ÷ ২৬
a (2x - 3)(x + 1)
b (2x - 3)(x - 1)
c (2x + 3)(x + 1)
d (2x + 3)(x - 1)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (২x − ৩)(x + ১) প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ২x² − x − ৩ ধরি, রাশিটির মধ্যপদ ভেঙে উৎপাদক করতে হবে এখানে প্রথম পদ ও ধ্রুবকের গুণফল = ২ × (−৩) = −৬ এবং মাঝের পদটি হলো −১x অতএব, মধ্যপদ −x কে এমন দুটি অংশে ভাগ করতে হবে যেন তাদের গুণফল −৬x² হয় আর যোগফল −x হয় সেই অংশ দুটি হলো −৩x এবং +২x সুতরাং, রাশিটি হয় ২x² − ৩x + ২x − ৩ কমন নিলে পাই x(২x − ৩) + ১(২x − ৩) উত্তর: (২x − ৩)(x + ১)
a ৯
b ৬
c ১২
d ১৮
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ প্রদত্ত তথ্য: বর্ণ তিনটি হলো এক্স, ওয়াই এবং জেড বর্ণগুলোর মোট সংখ্যা ৩ টি ধরি, প্রথম স্থানে বসানোর জন্য বর্ণ আছে ৩ টি দ্বিতীয় স্থানে বসানোর জন্য বর্ণ আছে ২ টি তৃতীয় স্থানে বসানোর জন্য বর্ণ আছে ১ টি অতএব, প্রথম স্থান পূরণের উপায় = ৩ দ্বিতীয় স্থান পূরণের উপায় = ২ তৃতীয় স্থান পূরণের উপায় = ১ সুতরাং, মোট বিন্যাস সংখ্যা = ৩ × ২ × ১ = ৬ উত্তর: ৬
a ৩৩৮
b ৫০৭
c ২৮৫৬১
d ২১৯৭
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২১৯৭ প্রদত্ত তথ্য: মূল সংখ্যাটি হলো (√১৬৯) এর ওপর ঘন বা কিউব ধরি, প্রথমে ভেতরের বর্গমূলের কাজটি করতে হবে অতএব, ১৬৯ এর বর্গমূল হলো ১৩ সুতরাং, এখন ১৩ এর কিউব বা ঘন নির্ণয় করতে হবে উত্তর: ১৩ × ১৩ × ১৩ = ২১৯৭
a ০.০১
b ০.০০০১
c ০.০০১
d ০.০০০০১
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.০০০১ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি = ০.০০২ নির্ণয় করতে হবে = ০.০০২ এর ৫% ধরি, ৫% কে সাধারণ ভগ্নাংশ বা দশমিকে রূপান্তর করতে হবে ৫% = ৫ ÷ ১০০ = ০.০৫ অতএব, ০.০০২ এবং ০.০৫ গুণ করতে হবে ০.০০২ × ০.০৫ সুতরাং, দশমিকের পর মোট পাঁচটি ঘর হবে ০.০০২ × ০.০৫ = ০.০০০০১ উত্তর: ০.০০০১
a ১ : ৩
b ৩ : ১
c ১ : ৪
d ৪ : ১
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ : ৩ প্রদত্ত তথ্য: ভাইয়ের বয়স ৮ মাস বোনের বয়স ২ বছর ধরি, বোনের বয়সকে মাসে রূপান্তর করতে হবে আমরা জানি, ১ বছর = ১২ মাস অতএব, বোনের বয়স = ২ × ১২ মাস = ২৪ মাস ভাইয়ের বয়স = ৮ মাস ভাই ও বোনের বয়সের অনুপাত = ৮ : ২৪ সুতরাং, উভয় সংখ্যাকে ৮ দ্বারা ভাগ করে পাই ৮ ÷ ৮ : ২৪ ÷ ৮ = ১ : ৩ উত্তর: ১ : ৩
a আয়ত
b রম্বস
c ট্রাপিজিয়াম
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আয়ত প্রদত্ত তথ্য: সামান্তরিকের একটি কোণ সমকোণ ধরি, সামান্তরিকের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল সামান্তরিকের একটি কোণ নব্বই ডিগ্রি অতএব, সামান্তরিকের অপর কোণগুলোও এক সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রি হয় প্রতিটি কোণ সমকোণ হওয়ায় এটি বিশেষ আকৃতি ধারণ করে সুতরাং, যে সামান্তরিকের প্রতিটি কোণ সমকোণ তাকে আয়ত বলে উত্তর: আয়ত
a পরিধি/ব্যাসার্ধ
b ব্যাস/ব্যাসার্ধ
c পরিধি/জ্যা
d পরিধি/ব্যাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পরিধি/ব্যাস প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের সম্পর্ক পাই একটি ধ্রুবক সংখ্যা ধরি, বৃত্তের পরিধি = পরিধি বৃত্তের ব্যাস = ব্যাস অতএব, পাই এর সংজ্ঞা অনুযায়ী পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত লেখা যায় সুতরাং, π = পরিধি ÷ ব্যা্যাস উত্তর: পরিধি/ব্যাস
a মজুরি তত্ত্ব
b বাণিজ্য তত্ত্ব
c কল্যাণ অর্থনীতি
d উন্নয়ন অর্থনীতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কল্যাণ অর্থনীতি কেন সঠিক: - অমর্ত্য সেন বাজার অর্থনীতির কুফল ও দারিদ্র্যের মানবিক মুখ উন্মোচন করে মানুষের কল্যাণের ওপর জোর দিয়েছেন। - দারিদ্র্য ও দুর্ভিক্ষের কারণ বিশ্লেষণ এবং সামাজিক পছন্দের তত্ত্বের জন্য তাকে ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মজুরি তত্ত্ব — এটি শ্রমবাজার ও মজুরি নির্ধারণের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও সেনের নোবেল প্রাপ্তির মূল ক্ষেত্র এটি ছিল না। B) বাণিজ্য তত্ত্ব — আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও শুল্ক নীতি নিয়ে কাজ করলেও এটি তার নোবেল বিজয়ের প্রধান স্বীকৃতি নয়। C) কল্যাণ অর্থনীতি — এই ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্যই তিনি সুইডিশ রয়্যাল একাডেমি থেকে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। D) উন্নয়ন অর্থনীতি — তিনি উন্নয়ন অর্থনীতি নিয়ে কাজ করলেও তার নোবেল প্রাপ্তির আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ছিল কল্যাণ অর্থনীতির শাখা। মনে রাখার টিপস: সেন মানেই মানবকল্যাণ, মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করতে তিনি অর্থনীতিতে নোবেল পেয়েছেন।
a ফিল্ড মার্শাল টিটো
b লেনিন
c আলেকজান্ডার দি গ্রেট
d ফিল্ড মার্শাল রোমেল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফিল্ড মার্শাল রোমেল কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় উত্তর আফ্রিকায় জার্মান বাহিনীর অসাধারণ নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য জার্মান সেনাপতি এরউইন রোমেলকে মরুভূমির শিয়াল বা ডেজার্ট ফক্স উপাধিতে ভূষিত করা হয়। - তাঁর ক্ষিপ্র গতি ও রণকৌশল মরুযুদ্ধের ইতিহাসে বিখ্যাত হয়ে আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিল্ড মার্শাল টিটো — তিনি যুগোস্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট ও সামরিক নেতা ছিলেন, মরুযুদ্ধের সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। B) লেনিন — তিনি রুশ বিপ্লবের মহান নেতা ও সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন, কোনো সামরিক উপাধিধারী সেনাপতি ছিলেন না। C) আলেকজান্ডার দি গ্রেট — তিনি ম্যাসিডনের বিখ্যাত গ্রিক বীর ও বিশ্বজয়ী রাজা ছিলেন, তাঁকে ডেজার্ট ফক্স বলা হয় না। D) ফিল্ড মার্শাল রোমেল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: রোমান্টিক বা রোমেল নামের সঙ্গে মরুভূমি বা ফক্স শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে রোমেল মানেই ডেজার্ট ফক্স।
a লিখন পদ্ধতি
b সামরিক পোশাক
c সৈন্য সমাবেশ
d জ্যামিতিক নকশা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লিখন পদ্ধতি কেন সঠিক: - কিউনিফর্ম হলো প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার সুমেরীয়দের উদ্ভাবিত বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন লিখন পদ্ধতি। - ভেজা মাটির ফলকের ওপর নলখাগড়ার قلم বা স্টাইলাস দিয়ে কীলকাকৃতি বা পেরেক সদৃশ দাগ কেটে এই লিপি লেখা হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিখন পদ্ধতি — এটি সঠিক কারণ কিউনিফর্ম প্রাচীনকালে মেসোপটেমিয়ায় ব্যবহৃত একটি বিখ্যাত কীলকাকার লিপি বা লেখার মাধ্যম। B) সামরিক পোশাক — এটি ভুল কারণ কিউনিফর্ম কোনো পোশাক বা পরিধেয় নয়, এটি লেখার কাজে ব্যবহৃত প্রাচীন পদ্ধতি। C) সৈন্য সমাবেশ — এটি ভুল কারণ এই শব্দ দ্বারা কোনো সামরিক বাহিনী বা সৈন্যের জমায়েত বোঝায় না। D) জ্যামিতিক নকশা — এটি ভুল কারণ কিউনিফর্ম কোনো আলংকারিক বা জ্যামিতিক শিল্পকর্ম নয়, এটি ভাব প্রকাশের লিপি। মনে রাখার টিপস: কিউনিফর্ম মানে কীলকাকার লিপি, যা মাটির ফলকে লিখে মেসোপটেমিয়ার সভ্যতায় যোগাযোগ রক্ষা করা হতো।
a সিন্ধু সভ্যতা
b মিশরীয় সভ্যতা
c মেসোপটেমিয় সভ্যতা
d ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেসোপটেমিয় সভ্যতা কেন সঠিক: - দজলা (টাইগ্রিস) ও ফোরাত (ইউফ্রেটিস) নদীর মধ্যবর্তী উর্বর উপত্যকায় প্রাচীন মেসোপটেমিয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। - বর্তমান ইরাক ও কুয়েত অঞ্চল জুড়েই মূলত এই প্রাচীন সভ্যতা বিকশিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিন্ধু সভ্যতা — এটি সিন্ধু নদের অববাহিকায় বর্তমান পাকিস্তান ও ভারতের পশ্চিমাঞ্চলে গড়ে উঠেছিল। B) মিশরীয় সভ্যতা — এটি নীল নদের অববাহিকায় প্রাচীন মিশরে গড়ে উঠেছিল, দজলা ও ফোরাত নদীর অববাহিকায় নয়। C) মেসোপটেমিয় সভ্যতা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। D) ব্যাবিলনীয় সভ্যতা — এটি মেসোপটেমিয় সভ্যতার একটি অংশ বা পরবর্তী ধাপ, যা সামগ্রিকভাবে দজলা ও ফোরাত অববাহিকার সভ্যতা হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: মেসো অর্থ মধ্য এবং পটেমিয়া অর্থ নদী, অর্থাৎ দুই নদীর (দজলা ও ফোরাত) মধ্যবর্তী উর্বর ভূমিই মেসোপটেমিয়া।
a রেড জায়ান্ট
b হোয়াইট ডোয়ার্ফ
c ব্ল্যাক হোল
d ইনফিনিটি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হোয়াইট ডোয়ার্ফ ১. কেন সঠিক: তারার জীবনচক্রের বিভিন্ন ধাপের মধ্যে তৃতীয় অবস্থা হলো হোয়াইট ডোয়ার্ফ বা শ্বেত বামন। নক্ষত্রের জ্বালানি শেষ হয়ে গেলে মাধ্যাকর্ষণ ও অভ্যন্তরীণ চাপের ভারসাম্যে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: নক্ষত্রের জীবন প্রবাহ মূলত প্রোটোস্টার, মূল ধারা, রেড জায়ান্ট এবং হোয়াইট ডোয়ার্ফ এই ধাপগুলোর মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়। কার্যপ্রণালি: নক্ষত্রের কেন্দ্রভাগে হাইড্রোজেন ফুরিয়ে হিলিয়াম জমা হলে তা প্রসারিত হয়ে রেড জায়ান্ট হয় এবং পরে বাইরের অংশ হারিয়ে শ্বেত বামনে পরিণত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমাদের সূর্য তার জীবনের শেষ পর্যায়ে রেড জায়ান্ট হবে এবং অবশেষে হোয়াইট ডোয়ার্ফ বা শ্বেত বামনে পরিণত হবে। ব্যাখ্যা: মাঝারি আকারের নক্ষত্রের জীবনচক্রের এটি একটি স্বাভাবিক পরিণতি যা কোটি কোটি বছর ধরে ঘটে। উদাহরণ ২: সাইরাস বি নক্ষত্রটি একটি সুপরিচিত হোয়াইট ডোয়ার্ফ বা শ্বেত বামনের উদাহরণ। ব্যাখ্যা: এর উচ্চ ঘনত্ব এবং ক্ষুদ্র আয়তন তারার এই অবস্থার অনন্য বৈজ্ঞানিক বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রেড জায়ান্ট — এটি নক্ষত্রের জীবনের দ্বিতীয় বা প্রসারিত অবস্থা, তৃতীয় অবস্থা নয়। B) হোয়াইট ডোয়ার্ফ — এটি তারার জীবন প্রবাহের তৃতীয় অবস্থা হিসেবে সঠিকভাবে চিহ্নিত। C) ব্ল্যাক হোল — এটি অত্যন্ত ভারী নক্ষত্রের জীবনের একদম শেষের ধ্বংসাত্মক বা চরম অবস্থা। D) ইনফিনিটি — এটি কোনো বৈজ্ঞানিক বা জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক তারার জীবনচক্রের অবস্থা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নক্ষত্রের জীবনের ধাপগুলো মনে রাখতে প্রোটোস্টার থেকে শুরু করে মূল ধারা, রেড জায়ান্ট এবং হোয়াইট ডোয়ার্ফ ক্রমটি মনে রাখুন। ছোট ও মাঝারি তারার ক্ষেত্রে শ্বেত বামন বা হোয়াইট ডোয়ার্ফ হলো বার্ধক্যের একটি নিশ্চিত ও শান্ত রূপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নক্ষত্রের জীবনচক্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সূর্যের মতো নক্ষত্রের শেষ পরিণতি কী হবে, এই প্রশ্নটি বিভিন্ন পরীক্ষায় বারবার ঘুরে আসে।
a মিশ্রণ দ্রবণ
b ক্ষারীয় দ্রবণ
c অম্লীয় দ্রবণ
d বাফার দ্রবণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাফার দ্রবণ ১. কেন সঠিক: যে দ্রবণ সামান্য পরিমাণ অ্যাসিড বা ক্ষার যোগ করার পরেও তার pH এর মান অপরিবর্তিত বা প্রায় স্থির রাখে, তাকে বাফার দ্রবণ বলে। এটি দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়ন বা হাইড্রোক্সাইড আয়নের অতিরিক্ত পরিবর্তন রোধ করে রাসায়নিক ভারসাম্য বজায় রাখে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বাফার দ্রবণ সাধারণত দুর্বল অ্যাসিড ও তার সবল ক্ষারীয় লবণের মিশ্রণ অথবা দুর্বল ক্ষার ও তার সবল অ্যাসিডীয় লবণের মিশ্রণ দ্বারা প্রস্তুত করা হয়। কার্যপ্রণালি: এই দ্রবণে কোনো বাইরে থেকে অ্যাসিড বা ক্ষার যোগ করলে বাফারের উপাদানগুলো সেই অতিরিক্ত আয়নগুলোকে প্রশমিত করে ফেলে, ফলে pH এর মানে কোনো পরিবর্তন হয় না। বাস্তব প্রয়োগ: মানবদেহের রক্ত একটি প্রাকৃতিক বাফার দ্রবণ, যা রক্তের pH সাত দশমিক চার এ স্থির রাখতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানবদেহের রক্ত ব্যাখ্যা: আমাদের রক্তের পিএইচ মান সবসময় সাত দশমিক চার এর কাছাকাছি থাকে কারণ এতে কার্বনিক অ্যাসিড এবং বাইকার্বনেট আয়নের একটি প্রাকৃতিক বাফার ব্যবস্থা কাজ করে। উদাহরণ ২: ইথানয়িক অ্যাসিড ও সোডিয়াম ইথানয়েডের মিশ্রণ ব্যাখ্যা: এটি একটি পরীক্ষাগারে প্রস্তুত অ্যাসিডীয় বাফার দ্রবণ যা শিল্প কারখানায় পিএইচ নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশ্রণ দ্রবণ — একাধিক পদার্থ একত্রিত হলে মিশ্রণ তৈরি হয়, তবে তা নির্দিষ্টভাবে পিএইচ স্থির রাখার ক্ষমতা রাখে না। B) ক্ষারীয় দ্রবণ — যে দ্রবণে হাইড্রোক্সাইড আয়নের মাত্রা বেশি থাকে এবং পিএইচ এর মান সাতের বেশি হয়, তাকে ক্ষারীয় দ্রবণ বলে। C) অম্লীয় দ্রবণ — যে দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়নের মাত্রা বেশি থাকে এবং পিএইচ এর মান সাতের কম হয়, তাকে অম্লীয় দ্রবণ বলে। D) বাফার দ্রবণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বিশেষ দ্রবণটিই সামান্য অ্যাসিড বা ক্ষার যোগ করার পরেও পিএইচ এর মান স্থির রাখতে সক্ষম। ৫. মনে রাখার টিপস: বাফার শব্দের অর্থ হলো আঘাত শোষণকারী। ঠিক যেমন শকের হাত থেকে বাঁচতে শক absorber কাজ করে, তেমনি পিএইচ এর পরিবর্তনের হাত থেকে বাঁচতে বাফার দ্রবণ কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তের পিএইচ মান সাত দশমিক চার রক্ষা করার জন্য বাইকার্বনেট বাফার সিস্টেম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই টপিক থেকে বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে মানুষের রক্তের পিএইচ কত বা বাফার দ্রবণ কী দ্বারা গঠিত।
a পানি
b মধু
c তেল
d পারদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পারদ ১. কেন সঠিক: - পারদ একটি ব্যতিক্রমী ধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে এবং এর ঘনত্ব অন্যান্য সাধারণ তরলের তুলনায় অনেক বেশি। - এর উচ্চ পারমাণবিক ভর এবং পরমাণুগুলোর অত্যন্ত ঘন সন্নিবেশের কারণে এর ঘনত্ব প্রায় ১৩ দশমিক ৬ গ্রাম প্রতি ঘনসেন্টিমিটার হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ঘনত্ব হলো একক আয়তনে কোনো পদার্থের ভরের পরিমাণ, যা পদার্থ কতটুকু ভারী তা নির্দেশ করে। - কার্যপ্রণালি: পারদের পরমাণুর নিউক্লিয়াস অত্যন্ত ভারী এবং ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসকে শক্তভাবে আটকে রাখে বলে এটি অত্যন্ত ঘন হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: উচ্চ ঘনত্বের কারণে পারদ থার্মোমিটার, ব্যোমামিটার এবং রক্তচাপ মাপার যন্ত্রে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পারদে লোহা ভাসানো ব্যাখ্যা: লোহার ঘনত্ব প্রায় ৭ দশমিক ৮ গ্রাম প্রতি ঘনসেন্টিমিটার হওয়ায় এবং পারদের ঘনত্ব তার চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় লোহার টুকরো পারদের ওপর ভেসে থাকে। উদাহরণ ২: থার্মোমিটারে পারদের ব্যবহার ব্যাখ্যা: পারদ কাঁচের গায়ে লেগে থাকে না এবং তাপ পেলে দ্রুত সমভাবে প্রসারিত হয় বলে তাপমাত্রা নির্ভুলভাবে মাপা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পানি — পানির ঘনত্ব এক গ্রাম প্রতি ঘনসেন্টিমিটার, যা পারদের তুলনায় অনেক কম। B) মধু — মধুর ঘনত্ব পানির চেয়ে কিছুটা বেশি হলেও তা পারদের ঘনত্বের কাছাকাছিও নয়। C) তেল — তেলের ঘনত্ব পানির চেয়েও কম, তাই তেল পানির ওপর ভাসে এবং পারদের তুলনায় এটি অত্যন্ত হালকা। D) পারদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর ঘনত্ব সব তরলের মধ্যে সর্বাপেক্ষা বেশি। ৫. মনে রাখার টিপস: - পারদের প্রতীক এইচজি এবং এটি একমাত্র তরল ধাতু যার ঘনত্ব লোহার চেয়েও বেশি। - ঘনত্ব বেশি মানে প্রতি একক আয়তনে ভর বেশি, তাই একই আয়তনের পাত্রে পারদ সবচেয়ে ভারী হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাধারণ তাপমাত্রায় তরল ধাতু হলো পারদ এবং তরল অধাতু হলো ব্রোমিন। - পারদের ঘনত্ব পানির তুলনায় প্রায় তেরো দশমিক ছয় গুণ বেশি।
a জড়তা
b মহাকর্ষ
c অভিকর্ষ
d স্থিতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জড়তা ১. কেন সঠিক: জড়তার কারণে পদার্থ যে অবস্থায় আছে ঠিক সেই অবস্থাতেই চিরকাল থাকতে চায়। বাইরে থেকে কোনো বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু স্থির থাকে এবং গতিশীল বস্তু সমবেততিতে চলতে থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পদার্থ তার নিজের অবস্থার পরিবর্তন করতে না চাওয়ার যে প্রাকৃতিক ধর্ম প্রদর্শন করে তাকে জড়তা বলে। কার্যপ্রণালি: বস্তুর ভর যত বেশি হয়, তার জড়তার পরিমাণও তত বেশি বৃদ্ধি পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চলন্ত বাস হঠাৎ থেমে গেলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে। ব্যাখ্যা: বাসের সাথে যাত্রীদের শরীর গতিশীল থাকলেও হঠাৎ থামার কারণে জড়তার ফলে শরীর সামনে ঝুঁকে যায়। উদাহরণ ২: স্থির বাস হঠাৎ চলতে শুরু করলে যাত্রীরা পিছনের দিকে হেলে পড়ে। ব্যাখ্যা: বাস স্থির থাকার কারণে যাত্রীদের শরীর স্থির থাকতে চায় এবং গতির জড়তার অভাবে পিছনের দিকে হেলে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জড়তা — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এটি পদার্থের অবস্থার পরিবর্তনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ধর্ম। B) মহাকর্ষ — এটি মহাবিশ্বের যে কোনো দুটি বস্তুর মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণ বলকে বোঝায়। C) অভিকর্ষ — এটি পৃথিবী এবং অন্য কোনো বস্তুর মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণ বলকে নির্দেশ করে। D) স্থিতি — এটি বস্তুর গতির বিপরীত অবস্থা বা স্থির থাকার অবস্থাকে বোঝায় কিন্তু প্রবণতাকে নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জড়তা মানেই হলো যেমন আছে তেমন থাকতে চাওয়ার জেদ বা প্রবণতা। ভর বেশি হলে জড়তা বেশি হয়, তাই ভারী বস্তুর অবস্থান পরিবর্তন করা কঠিন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: গ্যালিলিও প্রথম জড়তার ধারণা দেন এবং পরবর্তীতে নিউটন তাঁর গতির প্রথম সূত্রে এটি স্পষ্টভাবে প্রকাশ করেন। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই জড়তা সম্পর্কিত দৈনন্দিন জীবনের ঘটনা থেকে প্রশ্ন আসে।
a নদী
b সমুদ্র
c বিল
d সুইমিংপুল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সমুদ্র ১. কেন সঠিক: - সমুদ্রের পানিতে লবণের পরিমাণ বেশি থাকায় এর ঘনত্ব নদীর পানির চেয়ে বেশি হয়। - তরলের ঘনত্ব বেশি হলে প্লবতা বা ঊর্ধ্বমুখী ধাক্কা বৃদ্ধি পায়, যা বস্তুকে সহজে ভাসাতে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: প্লবতা হলো কোনো বস্তুকে তরলে ডোবালে তরল কর্তৃক প্রযুক্ত ঊর্ধ্বমুখী বল। - সূত্র বা তত্ত্ব: আর্কিমিডিসের সূত্র অনুযায়ী, নিমজ্জিত বস্তু তার সমায়তন তরলের ওজনের সমান ও সমপরিমাণ ঊর্ধ্বমুখী বল অনুভব করে। - কার্যপ্রণালি: সমুদ্রের লবণাক্ত পানির ঘনত্ব বেশি হওয়ায় নির্দিষ্ট আয়তনের পানির ওজন বেশি হয়, ফলে বেশি প্লবতা বল পাওয়া যায়। - বাস্তব প্রয়োগ: অতিরিক্ত ঘনত্বের কারণে মৃত সাগরে মানুষ না ভেসে থাকতে পারে এবং সহজে সাঁতার কাটতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডিম সাধারণ পানিতে ডুবে যায় কিন্তু ঘন লবণ পানিতে ভেসে থাকে। ব্যাখ্যা: লবণ যোগ করলে পানির ঘনত্ব ও প্লবতা বাড়ে, যা ডিমের ওজন এবং প্লবতা বলের ভারসাম্য রক্ষা করে। উদাহরণ ২: সামুদ্রিক জাহাজ নদী থেকে সমুদ্রে প্রবেশ করলে কিছুটা উঁচুতে ভেসে ওঠে। ব্যাখ্যা: সমুদ্রের পানির ঘনত্ব বেশি থাকায় কম অংশ ডুবলেই জাহাজের ওজনের সমান প্লবতা অর্জিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নদী — নদীর পানিতে লবণ না থাকায় ঘনত্ব কম হয় এবং প্লবতা কম পাওয়ায় সাঁতার কাটা তুলনামূলক কঠিন। B) সমুদ্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ লবণাক্ততার কারণে সমুদ্রের পানির ঘনত্ব এবং প্লবতা উভয়ই বেশি থাকে। C) বিল — বিলের পানি মিষ্টি পানি হওয়ায় এর ঘনত্ব কম এবং এর প্লবতাও সমুদ্রের তুলনায় কম। D) সুইমিংপুল — সুইমিংপুলের পরিশোধিত মিষ্টি পানিতে খনিজ বা লবণের ঘনত্ব কম থাকায় প্লবতা কম অনুভূত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমুদ্রের পানি লোনা, লোনা পানির ঘনত্ব বেশি, আর বেশি ঘনত্ব মানেই বেশি প্লবতা ও সহজ সাঁতার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আর্কিমিডিসের সূত্র এবং প্লবতা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় আসে। - তরলের ঘনত্ব বাড়লে প্লবতা বাড়ে—এই মূলনীতিটি মনে রাখলে যেকোনো মাধ্যমভিত্তিক প্রশ্নের উত্তর করা সহজ হবে।
a মিথান্যাল
b ক্লোরোফর্ম
c মিথেন
d ক্লোরোপিক্রিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্লোরোফর্ম ১. কেন সঠিক: ক্লোরোফর্ম একটি জৈব রাসায়নিক পদার্থ যা অতীতে অস্ত্রোপচারের সময় রোগীকে অজ্ঞান করতে চেতনানাশক বা অ্যানাস্থেটিক হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো। এর বাষ্প মানুষের স্নায়ুতন্ত্রের ওপর প্রভাব ফেলে সাময়িক অচেতা বা সংজ্ঞাহীনতা তৈরি করে, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে এক বিপ্লব ঘটিয়েছিল। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: চেতনানাশক বা অ্যানাস্থেটিক এমন এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ যা নির্দিষ্ট মাত্রায় প্রয়োগ করলে সাময়িকভাবে সংবেদনশীলতা বা চেতনা লোপ করে। রাসায়নিক গঠন: ক্লোরোফর্মের রাসায়নিক সংকেত ট্রাইক্লোরোমিথেন এবং এর অণুতে একটি কার্বন পরমাণুর সঙ্গে তিনটি ক্লোরিন ও একটি হাইড্রোজেন যুক্ত থাকে। কার্যপ্রণালি: ক্লোরোফর্ম বাষ্প আকারে ফুসফুসের মাধ্যমে রক্তে প্রবেশ করে এবং মস্তিষ্কের কোষে পৌঁছে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে সাময়িকভাবে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। বাস্তব প্রয়োগ: বর্তমানে বিষাক্ততা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে সার্জারিতে এর ব্যবহার বন্ধ থাকলেও জৈব রসায়নে দ্রাবক হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জেমস সিম্পসন ১৮৪৭ সালে প্রসূতিবিদ্যায় প্রসব বেদনা উপশমে প্রথম ক্লোরোফর্ম ব্যবহার করেছিলেন। ব্যাখ্যা: এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানে চেতনানাশক হিসেবে ক্লোরোফর্মের কার্যকারিতা ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব প্রমাণ করে। উদাহরণ ২: গবেষণাগারে ফ্যাট, তেল বা মোমের মতো জৈব পদার্থ দ্রবীভূত করতে ক্লোরোফর্ম ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি চেতনানাশক ছাড়াও একটি চমৎকার রাসায়নিক দ্রাবক হিসেবে এর বহুমুখী ব্যবহার বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিথান্যাল — এটি ফরমালডিহাইডের জলীয় দ্রবণ বা ফরমালিন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, যা জৈব নমুনা সংরক্ষণে কাজে লাগে। B) ক্লোরোফর্ম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অতীতে অস্ত্রোপচারের সময় চেতনানাশক হিসেবে ব্যবহৃত হতো। C) মিথেন — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান এবং জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কোনো চেতনানাশক নয়। D) ক্লোরোপিক্রিন — এটি একটি তীব্র বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধে কীটনাশক বা যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: ক্লোরোফর্মের সংকেত ট্রাইক্লোরোমিথেন মনে রাখলে এর রাসায়নিক প্রকৃতি বোঝা সহজ হয়। অতীতের অস্ত্রোপচারে অজ্ঞান করার কাজে ক্লোরোফর্মের নাম চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে অত্যন্ত বিখ্যাত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ক্লোরোফর্মের রাসায়নিক সংকেত এবং এর আণবিক ভর সম্পর্কিত প্রশ্ন বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় আসে। বাতাসের সংস্পর্শে এবং সূর্যের আলোতে ক্লোরোফর্ম জারিত হয়ে অত্যন্ত বিষাক্ত ফসজিন গ্যাস উৎপন্ন করে, যা পরীক্ষাগারে সতর্কতার সঙ্গে সংরক্ষণ করতে হয়।
a মেরু
b নিরক্ষীয়
c ভূ-পৃষ্ঠ
d ভূ-কেন্দ্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিরক্ষীয় ১. কেন সঠিক: পৃথিবীর আকৃতির বৈচিত্র্য এবং আবর্তনের গতির কারণে অভিকর্ষজ ত্বরণ সব জায়গায় সমান হয় না। নিরক্ষীয় অঞ্চলে পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব বেশি এবং কেন্দ্রমুখী বল বেশি থাকায় ওজনের মান সবচেয়ে কম হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ওজন হলো কোনো বস্তুর ওপর পৃথিবীর আকর্ষণ বল, যার মান ডব্লিউ সমান এম গুণ জি। কারণ ও ফলাফল: পৃথিবীর মেরু অঞ্চল কিছুটা চাপা হওয়ায় সেখানকার ব্যাসার্ধ কম এবং জি এর মান বেশি, পক্ষান্তরে নিরক্ষীয় অঞ্চল স্ফীত হওয়ায় ব্যাসার্ধ বেশি এবং জি এর মান কম হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেরু অঞ্চলে একটি বস্তুর ওজন যদি ১০০ নিউটন হয়, তবে নিরক্ষীয় অঞ্চলে তা সামান্য কমে প্রায় ৯৯.৫ নিউটনের মতো হবে। ব্যাখ্যা: এর কারণ হলো নিরক্ষীয় অঞ্চলে ব্যাসার্ধ বেশি থাকায় অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কমে যায়। উদাহরণ ২: বিষুবীয় অঞ্চলে মহাশূন্যযান উৎক্ষেপণ করা সহজ হয় কারণ সেখানে পৃথিবীর ঘূর্ণন গতির সুবিধা পাওয়া যায়। ব্যাখ্যা: ঘূর্ণন গতির ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রমুখী বল অভিকর্ষ বলের বিপরীতে কাজ করায় বস্তুর কার্যকর ওজন হ্রাস পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেরু - এই অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কম এবং অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সর্বোচ্চ হওয়ায় বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি হয়। B) নিরক্ষীয় - এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অঞ্চলে ব্যাসার্ধ বেশি এবং কেন্দ্রমুখী বলের প্রভাবের কারণে ওজন সর্বনিম্ন হয়। C) ভূ-পৃষ্ঠ - ভূ-পৃষ্ঠের সব স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ সমান নয়, তাই এটি নির্দিষ্ট করে ওজন কম হওয়ার সঠিক অঞ্চল নয়। D) ভূ-কেন্দ্র - ভূ-কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণ শূন্য হয়, তাই তাত্ত্বিকভাবে সেখানে ওজন শূন্য হয়ে যায়, যা সর্বনিম্নর চেয়েও কম। ৫. মনে রাখার টিপস: নিরক্ষীয় অঞ্চলে পৃথিবী একটু চওড়া বা মোটা, তাই সেখানে দূরত্ব বেশি এবং ওজন কম। মেরুতে পৃথিবী চাপা, তাই সেখানে দূরত্ব কম এবং ওজন বেশি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জি এর মানের তারতম্য থেকে প্রশ্ন আসে। মনে রাখবে, অক্ষাংশ বাড়লে জি এর মান বাড়ে এবং ওজনেও তার প্রভাব পড়ে।
a উত্তল
b অবতল
c বাইফোকাল
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উত্তল ১. কেন সঠিক: উত্তল লেন্স আলোর রশ্মিগুলোকে অভিসারী করে বা একটি বিন্দুতে একত্রিত করে। দূরের বস্তু দেখার জন্য চোখের লেন্সের ক্ষমতা সামঞ্জস্য করতে বা বিবর্ধিত প্রতিবিম্ব তৈরিতে এই লেন্স ব্যবহৃত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: লেন্স হলো দুটি গোলীয় পৃষ্ঠ দ্বারা সীমাবদ্ধ স্বচ্ছ প্রতিসারক মাধ্যম। কার্যপ্রণালি: উত্তল লেন্সের মাঝখানটা মোটা এবং প্রান্তগুলো সরু হয়, যা আলোর সমান্তরাল রশ্মি গুচ্ছকে অভিসারী করে একটি ফোকাস বিন্দুতে মিলিত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অণুবীক্ষণ যন্ত্র ও টেলিস্কোপে উত্তল লেন্স ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি দূরের বা ক্ষুদ্র বস্তুর স্পষ্ট ও বিবর্ধিত প্রতিবিম্ব তৈরি করে। উদাহরণ ২: বিবর্ধক কাঁচ বা ম্যাগনিফাইং গ্লাস। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে ছোট লেখা বড় দেখা যায় কারণ এটি বস্তুর একটি অসদ ও সোজা প্রতিবিম্ব গঠন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উত্তল — এটি সঠিক কারণ এই লেন্স আলোর রশ্মি একত্রিত করে দূরের বা ছোট বস্তু স্পষ্টভাবে দেখাতে সাহায্য করে। B) অবতল — এটি অপসারী লেন্স, যা দূরের বস্তুর জন্য নয় বরং স্বল্পদৃষ্টি বা মায়োপিয়া দূর করতে ব্যবহৃত হয়। C) বাইফোকাল — এটি এমন এক ধরনের চশমা যাতে উত্তল ও অবতল উভয় লেন্স একত্রে থাকে এবং এটি মূলত প্রেসবায়োপিয়া বা বয়সের কারণে চোখের দূর ও কাছের দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের জন্য ব্যবহৃত হয়। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: উত্তল লেন্স মানে উ তে উন্নতি অর্থাৎ কোনো কিছু বড় বা কাছে দেখা। দূরের বস্তু দেখার ক্ষেত্রে অপসারী লেন্স নয় বরং অভিসারী বা উত্তল লেন্সের বৈজ্ঞানিক প্রয়োগ ঘটে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি আলো, শব্দ ও তরঙ্গ অধ্যায় এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার পদার্থবিজ্ঞান অংশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। লেন্সের প্রকারভেদ এবং তাদের ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a HDL
b LDL
c Red Meat
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) HDL ১. কেন সঠিক: - HDL হলো হাই ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন, যা হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী কারণ এটি রক্তনালীতে জমে থাকা অতিরিক্ত কোলেস্টেরল যকৃতে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। - এটি রক্তনালীর ভেতর প্লাক বা চর্বি জমতে বাধা দেয়, ফলে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: লাইপোপ্রোটিন হলো প্রোটিন ও চর্বির সমন্বয়ে গঠিত কণা, যা রক্তের মাধ্যমে লিপিড বা চর্বি বহন করে। - কার্যপ্রণালি: ভালো কোলেস্টেরল হিসেবে পরিচিত HDL শরীরের টিস্যু থেকে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল সংগ্রহ করে যকৃতে পৌঁছে দেয় এবং শরীর থেকে তা নিষ্কাশনে সাহায্য করে। - বাস্তব প্রয়োগ: সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং নিয়মিত ব্যায়াম করলে রক্তের এইচডিএল বা ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিয়মিত দৌড়ানো বা সাইকেল চালানো। ব্যাখ্যা: অ্যারোবিক ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রমের ফলে শরীরের ভালো কোলেস্টেরল বা এইচডিএলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। উদাহরণ ২: জলপাই তেল বা সামুদ্রিক মাছ খাওয়া। ব্যাখ্যা: এসব খাবারে থাকা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ক্ষতিকর চর্বি কমিয়ে হৃদযন্ত্রের সুরক্ষায় এইচডিএল বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) HDL — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ক্ষতিকর কোলেস্টেরল দূর করে হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে। B) LDL — এটি লো ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন বা খারাপ কোলেস্টেরল, যা রক্তনালীতে জমে ব্লক সৃষ্টি করে। C) Red Meat — লাল মাংসে প্রচুর চর্বি ও কোলেস্টেরল থাকে, যা নিয়মিত খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: - এইচডিএল নামের শুরুতে এইচ আছে, তাই একে গুড কোলেস্টেরল বা হিরো কোলেস্টেরল হিসেবে মনে রাখতে পারেন। - অন্যদিকে এলডিএল নামের শুরুতে এল আছে, তাই একে লো বা ক্ষতিকর কোলেস্টেরল হিসেবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো কোলেস্টেরল ও খারাপ কোলেস্টেরলের সংক্ষিপ্ত রূপ প্রায়ই আসে। - রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা পরিমাপের একক হলো মিলিগ্রাম প্রতি ডেসিলিটার।
a ডিজাইনিং
b কোডিং
c টেস্টিং
d ডিবাগিং
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ডিবাগিং ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার প্রোগ্রামে কোড লেখার সময় বা লেখার পরে যে ভুলত্রুটি বা সমস্যা দেখা দেয়, তাকে সাধারণভাবে বাগ বলা হয়। এই ভুলত্রুটিগুলো খুঁজে বের করে তা সংশোধন করার প্রক্রিয়াকেই ডিবাগিং বলা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: ডিবাগিং হলো সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট প্রক্রিয়ার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। প্রোগ্রাম রান করার পর যখন কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যায় না, তখন কোডের ভেতরের লজিক বা সিনট্যাক্স ত্রুটি দূর করতে ডিবাগিং করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি যোগ করার প্রোগ্রামে যদি দুইয়ের সাথে তিন যোগ করলে ছয় ফলাফল আসে, তবে বুঝতে হবে প্রোগ্রামে ভুল আছে। ব্যাখ্যা: এই ভুলটি চিহ্নিত করে কোড সংশোধন করা হলো ডিবাগিং। উদাহরণ ২: কোডিংয়ের সময় সেমিকোলন বা ব্র্যাকেট ভুল দেওয়া হলে প্রোগ্রাম রান করতে চায় না। ব্যাখ্যা: এই ত্রুটিগুলো খুঁজে ঠিক করার প্রক্রিয়াটিই ডিবাগিং। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডিজাইনিং — এটি সফটওয়্যার বা সিস্টেম তৈরির প্রাথমিক পরিকল্পনা ও নকশা তৈরির ধাপ, ভুলত্রুটি পরীক্ষার কাজ নয়। B) কোডিং — এটি কম্পিউটারে বোধগম্য ভাষায় প্রোগ্রাম লেখার প্রক্রিয়া, ভুল সংশোধনের কাজ নয়। C) টেস্টিং — এটি প্রোগ্রামে কোনো ভুল আছে কি না তা পরীক্ষা করে দেখার প্রক্রিয়া, কিন্তু সরাসরি ভুল সংশোধন বা ডিবাগিংয়ের কাজ এর অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পোশাকের ময়লা বা পোকা যেমন পরিষ্কার করা হয়, তেমনি কোডের ময়লা বা বাগ দূর করার নামই ডিবাগিং। বাগ অর্থ পোকা, আর ডিবাগ অর্থ পোকা বা ভুল দূর করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার প্রোগ্রামের ভুলকে বাগ বলা হয় এবং এই বাগ দূর করার পদ্ধতিকে ডিবাগিং বলা হয়। বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি সফটওয়্যার উন্নয়ন ও প্রোগ্রামিং অংশ থেকে প্রায়ই আসে।
a 1101
b 0011
c 0111
d 1111
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 1111 ১. কেন সঠিক: হিসাবের নিয়ম অনুযায়ী হেক্সাডেসিমেল এফ এর সমকূল দশমিক মান পনেরো। এই পনেরো সংখ্যাটিকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর করলে মান পাওয়া যায় এক হাজার একশো এগারো। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংখ্যা পদ্ধতি হলো কোনো সংখ্যা লেখা বা প্রকাশের পদ্ধতি। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে শূন্য থেকে নয় এবং এ থেকে এফ পর্যন্ত মোট ষোলটি প্রতীক ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হেক্সাডেসিমেল এ এর বাইনারি মান এক শূন্য এক শূন্য। ব্যাখ্যা: হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতিতে এ এর দশমিক মান দশ, যাকে বাইনারিতে রূপান্তর করলে এই মান পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: হেক্সাডেসিমেল সি এর বাইনারি মান এক এক শূন্য শূন্য। ব্যাখ্যা: হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতিতে সি এর দশমিক মান বারো, যা চার বিটের বাইনারিতে রূপান্তরিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1101 — এই বাইনারি মানটি হেক্সাডেসিমেল তেরো বা ডি এর সমকূল, এফ এর জন্য নয়। B) 0011 — এই বাইনারি মানটি হেক্সাডেসিমেল তিন এর সমকূল, যা এফ এর মান প্রকাশ করে না। C) 0111 — এই বাইনারি মানটি হেক্সাডেসিমেল সাত এর সমকূল, যা এফ এর সঠিক মান নয়। D) 1111 — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি হেক্সাডেসিমেল পনেরো বা এফ এর পূর্ণাঙ্গ চার বিট বাইনারি রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: হেক্সাডেসিমেলের প্রতিটি অঙ্ক বাইনারির চার বিট দ্বারা প্রকাশিত হয়। সবচেয়ে বড় হেক্সাডেসিমেল অঙ্ক এফ এর মান পনেরো, যার চার বিট বাইনারি মানে চারটি এক বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হেক্সাডেসিমেল থেকে বাইনারি রূপান্তর প্রায়ই আসে। শূন্য থেকে নয় এবং এ থেকে এফ পর্যন্ত হেক্সাডেসিমেল মানের চার বিট বাইনারি রূপ মুখস্থ রাখা পরীক্ষার সময় বাঁচায়।
a কুষ্টিয়ার তিলের খাজা
b মানিকগঞ্জের হাজারী গুড়
c কুমিল্লার রসমালাই
d রাজশাহীর সিল্ক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মানিকগঞ্জের হাজারী গুড় ১. কেন সঠিক: - হাজারী গুড় মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার বিখ্যাত এক ঐতিহ্যবাহী ও সুস্বাদু গুড় যা তৈরির বিশেষ কারিগরি পদ্ধতির জন্য ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্যের স্বীকৃতি লাভ করেছে। - শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর বা ডিপিডিটি বাংলাদেশের নিজস্ব পণ্যের আন্তর্জাতিক ও জাতীয় স্বীকৃতি এবং মেধাস্বত্ব সুরক্ষার জন্য জিআই পণ্যের স্বীকৃতি প্রদান করে থাকে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: মানিকগঞ্জের হরিরামপুর ও সাটুরিয়া অঞ্চলে দীর্ঘকাল ধরে ঐতিহ্যগতভাবে খেজুরের রস থেকে অত্যন্ত যত্নের সাথে এই বিশেষ গুড় তৈরি করা হয়ে আসছে। তাৎপর্য ও ফলাফল: জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার ফলে এই ঐতিহ্যবাহী গুড়ের বৈশ্বিক বাজার সৃষ্টি এবং এর উৎপাদক ও কারিগরদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জামদানি শাড়ি ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে যা আমাদের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পের প্রতীক। উদাহরণ ২: রাজশাহী সিল্ক ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী পণ্য যা ভৌগোলিক নির্দেশক হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছে এবং এর ভৌগোলিক স্বাতন্ত্র্য রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুষ্টিয়ার তিলের খাজা — এটি কুষ্টিয়ার একটি বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি খাবার হলেও এটি ৬৪তম জিআই পণ্য নয়। B) মানিকগঞ্জের হাজারী গুড় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গুড়টি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া ও মানের জন্য ৬৪তম জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে। C) কুমিল্লার রসমালাই — এটি কুমিল্লার অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি মিষ্টান্ন যা জিআই পণ্যের তালিকায় থাকলেও ৬৪তম নয়। D) রাজশাহীর সিল্ক — এটি রাজশাহীর একটি ঐতিহ্যবাহী ও বিশ্বখ্যাত বস্ত্রশিল্প যা এই প্রশ্নের নির্ধারিত ক্রমের সঠিক উত্তর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - হাজারী গুড় মনে রাখার সহজ উপায় হলো মানিকগঞ্জের সাথে গুড়ের ঐতিহ্যকে মেলানো। - জিআই পণ্যের ক্রমিক নম্বর মনে রাখতে সম্প্রতি নিবন্ধিত পণ্যগুলোর তালিকা চোখ বুলিয়ে নেওয়া ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য এবং সাম্প্রতিক জিআই পণ্যগুলো থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - কোন প্রতিষ্ঠান জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দেয়, এই প্রশ্নটি পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a কুষ্টিয়া
b রাজবাড়ী
c নাটোর
d মাদারীপুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাজবাড়ী ১. কেন সঠিক: নতুন পদ্মা ব্যারেজ রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার সেনগ্রাম এলাকায় নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। গঙ্গা নদীর পানিসম্পদ সুষম বন্টন এবং সেচ সুবিধা সম্প্রসারণের জন্য এই মেগা প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ভৌগোলিক অবস্থান ও নদী ব্যবস্থাপনা: রাজবাড়ী জেলা পদ্মা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত এবং এর ওপর ব্যারেজ নির্মিত হলে কৃষি ও পানিসম্পদ খাতে দীর্ঘমেয়াদী সুফল পাওয়া যাবে। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই ব্যারেজ নির্মিত হলে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সেচ সংকট দূর হবে এবং নদী শাসন ও ভাঙন রোধে এটি সহায়ক হবে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিস্তা ব্যারেজ ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রথম ও বৃহত্তম সেচ প্রকল্প যা লালমনিরহাট জেলায় অবস্থিত। উদাহরণ ২: গঙ্গা ব্যারেজ প্রকল্প ব্যাখ্যা: এটি দেশের পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার অন্যতম আলোচিত ও বৃহৎ প্রকল্প যার সঙ্গে পদ্মা ব্যারেজের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অনেকাংশেই মিল রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুষ্টিয়া — কুষ্টিয়া জেলায় গঙ্গা-কপোতাক্ষ জিকে সেচ প্রকল্প অবস্থিত হলেও নতুন পদ্মা ব্যারেজ এখানে নির্মাণের পরিকল্পনা নেই। B) রাজবাড়ী — এটি সঠিক উত্তর কারণ নতুন পদ্মা ব্যারেজ রাজবাড়ী জেলায় নির্মাণের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। C) নাটোর — নাটোর জেলায় কোনো প্রধান নদী ব্যারেজ প্রকল্প নেই এবং এটি উত্তরবঙ্গের একটি ভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত। D) মাদারীপুর — মাদারীপুর জেলা পদ্মা নদীর অপর তীরে অবস্থিত হলেও নতুন ব্যারেজ নির্মাণের জন্য এই স্থানটি নির্বাচিত হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: পদ্মা নদীর ওপর নতুন ব্যারেজ নির্মাণের স্থান মনে রাখতে রাজবাড়ী জেলার কথা মনে রাখুন। পদ্মা সেতু যেমন মুন্সিগঞ্জ ও শরীয়তপুরকে যুক্ত করেছে, তেমনি পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের মূল কেন্দ্র ধরা হয়েছে রাজবাড়ী জেলাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলোর ওপর নির্মিতব্য মেগা প্রকল্পগুলোর নাম ও অবস্থান থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন প্রায়ই আসে। নদী ব্যবস্থাপনা এবং সেচ প্রকল্প সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নগুলোর জন্য এই তথ্যটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
a পিআইবি
b প্রেস কাউন্সিল
c চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর
d তথ্য মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর ১. কেন সঠিক: - চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর বাংলাদেশে প্রকাশিত সংবাদপত্র ও সাময়িকীর নিবন্ধন বা ডিক্লারেশন প্রদান এবং এর কার্যক্রম তদারকি করে থাকে। - প্রিন্টিং প্রেসে প্রকাশিত প্রকাশনাগুলোর আইনি বৈধতা ও সরকারি নীতিমালার সাথে সংগতি রাখতে এই প্রতিষ্ঠানটি সরাসরি ভূমিকা পালন করে। ২. প্রশাসন ও প্রতিষ্ঠান: - প্রতিষ্ঠান ও দায়িত্ব: চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর যা গণমাধ্যমের নথিপত্র সংরক্ষণ করে। - আইনি প্রক্রিয়া: জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয় থেকে প্রাথমিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর এই দপ্তরের মাধ্যমে পত্রিকার নিবন্ধন চূড়ান্ত করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: দৈনিক প্রথম আলো বা ডেইলি স্টার ব্যাখ্যা: এই জাতীয় সংবাদপত্রগুলোর প্রকাশনা চালু রাখতে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে নির্দিষ্ট নীতিমালা মেনে নিবন্ধন ও ডিক্লারেশন নিতে হয়। উদাহরণ ২: ডিক্লারেশন বা ঘোষণাপত্র ব্যাখ্যা: নতুন কোনো পত্রিকা প্রকাশের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে এই অধিদপ্তর থেকে পত্রিকার নিবন্ধন নম্বর প্রদান করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিআইবি — পিআইবি বা প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ মূলত সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ ও গবেষণার কাজ করে থাকে, পত্রিকার নিবন্ধন প্রদান করে না। B) প্রেস কাউন্সিল — বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নৈতিকতা ও মান নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। D) তথ্য মন্ত্রণালয় — তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সামগ্রিক নীতিনির্ধারণী ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করলেও সরাসরি পত্রিকার নিবন্ধন প্রদান করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - পত্রিকার নিবন্ধন বা ডিক্লারেশনের বিষয়টি চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের সাথে গভীরভাবে জড়িত। - প্রশিক্ষণ দিলে পিআইবি, নৈতিকতা দেখলে প্রেস কাউন্সিল আর নিবন্ধন দিলে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গণমাধ্যম সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সুনির্দিষ্ট কাজ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - প্রেস কাউন্সিল ও পিআইবির প্রতিষ্ঠাতা এবং বর্তমান কাজ সম্পর্কিত তথ্য আলাদা করে পড়ে রাখা ভালো।
a ৪র্থ
b ৬ষ্ঠ
c ৮ম
d ৭ম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭ম ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ৭ম আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করে। - এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ দল স্কটল্যান্ডকে পরাজিত করার পাশাপাশি শক্তিশালী পাকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের আগমনী বার্তা দেয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৯৭ আইসিসি ট্রফি জয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রথম বدر বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। - তারিখ ও স্থান: ১৯৯৯ সালের ১৭ মে থেকে ২০ জুন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে এই বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে ২০০০ সালে বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৯৯ সালের ৩১ মে নর্দাম্পটনে পাকিস্তান দলের বিপক্ষে বাংলাদেশের ৬২ রানের ঐতিহাসিক জয়। ব্যাখ্যা: এই জয় বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশকে নিশ্চিত করে এবং টেস্ট মর্যাদা অর্জনের পথ প্রশস্ত করে। উদাহরণ ২: ১৯৯৭ সালে কেনিয়ায় অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফি ফাইনালে কেনিয়াকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়া। ব্যাখ্যা: এই জয়ের ফলেই বাংলাদেশ প্রথমবার বিশ্বকাপ ক্রিকেটে খেলার সুযোগ পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪র্থ — ৪র্থ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৭ সালে, যখন বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এতদূর বিকশিত হয়নি। B) ৬ষ্ঠ — ৬ষ্ঠ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৫ বা ১৯৯৬ সালে, যা বাংলাদেশের অভিষেকের আগের বিশ্বকাপ ছিল। C) ৮ম — ৮ম বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় ২০০৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায়, যা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ছিল। D) ৭ম — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ প্রথম ১৯৯৯ সালের সপ্তম বিশ্বকাপে অংশ নেয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাংলাদেশ ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জিতে ১৯৯৯ সালের সপ্তম বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। - সাত সংখ্যাটি মনে রাখলে সপ্তম বিশ্বকাপ এবং ১৯৯৯ সালের অভিষেক সালটি মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশ কোন সালে প্রথম ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলে, তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - একই বিষয় থেকে ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ বা প্রথম জয়ের প্রতিপক্ষ সম্পর্কেও প্রশ্ন আসতে পারে।
a জীবন তরী
b অগ্রদূত
c গৃহসুখ
d উর্বশী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জীবন তরী ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের ইতিহাসে জীবন তরী হলো দেশের প্রথম ভাসমান বা মোবাইল হাসপাতাল, যা মূলত নৌকায় প্রতিষ্ঠিত বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র। এটি প্রত্যন্ত ও নদীবহুল অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসা ও চোখের অপারেশন সেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে চালু করা হয়েছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: সামাজিক উন্নয়ন ও স্বাস্থ্যসেবা: [প্রযোজ্য ক্ষেত্রে] প্রতিষ্ঠান ও কার্যক্রম: ইমপ্যাক্ট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ নামক বেসরকারি সংস্থা জীবন তরী পরিচালনা করে। তাৎপর্য ও ফলাফল: নদীমাতৃক বাংলাদেশের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চল ও উপকূলীয় এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্যাটালিন চিকিৎসাকেন্দ্র ব্যাখ্যা: জীবন তরীর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের চোখের ছানি অপারেশনসহ বিভিন্ন জটিল চিকিৎসা নৌকায় বসেই সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়। উদাহরণ ২: রেলওয়ে ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসালয় ব্যাখ্যা: রেল যোগাযোগের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার আরেকটি ঐতিহাসিক উদ্যোগ এটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবন তরী — এটি বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল হাসপাতাল বা ভাসমান চিকিৎসাকেন্দ্র। B) অগ্রদূত — এটি কোনো মোবাইল হাসপাতাল নয়, বরং বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি সাধারণ নাম বা প্রকাশনা। C) গৃহসুখ — এটি এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠান বা প্রকল্পের নাম নয়। D) উর্বশী — এটি কোনো চিকিৎসা প্রকল্প বা হাসপাতালের নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নদীমাতৃক বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল হাসপাতালের কথা মনে রাখতে হলে মনে রাখতে হবে পানির ওপর ভাসমান জীবন বাঁচানোর নৌকার কথা, যার নাম জীবন তরী। এটি কোনো সড়কপথের বাস নয়, বরং নৌকায় অবস্থিত হাসপাতাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বাস্থ্য ও সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রথম উদ্যোগগুলো থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে জীবন তরী কোন সংস্থা পরিচালনা করে বা এটি কী ধরনের সেবা দেয়।
a ভোলা
b চাঁদপুর
c বরিশাল
d ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ময়মনসিংহ ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগার ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত। ময়মনসিংহ অঞ্চলকে দেশের মৎস্য শিক্ষার ও গবেষণার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা: ময়মনসিংহে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট দেশের মৎস্য সম্পদ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই গবেষণাগার থেকে দেশীয় প্রজাতির মাছের কৃত্রিম প্রজনন এবং বিলুপ্তপ্রায় মাছ সংরক্ষণের ওপর নানা ধরনের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি উদ্ভাবন করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ব্যাখ্যা: এটি ময়মনসিংহে অবস্থিত এবং দেশের জলজ সম্পদ ও মৎস্য উন্নয়নে প্রধান গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ব্যাখ্যা: ময়মনসিংহে অবস্থিত এই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মৎস্যবিজ্ঞান বিষয়ে উচ্চতর গবেষণা ও পঠনপাঠন পরিচালিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভোলা — এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ জেলা এবং ইলিশ উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত হলেও প্রধান মৎস্য গবেষণাগার এখানে অবস্থিত নয়। B) চাঁদপুর — এটি নদী বন্দর এবং মৎস্য গবেষণা কেন্দ্রের একটি আঞ্চলিক স্টেশন অবস্থিত হলেও মূল প্রজাতি গবেষণাগার এখানে নয়। C) বরিশাল — এটি দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান নদীবন্দর ও প্রশাসনিক বিভাগ হলেও এটি মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগারের মূল অবস্থান নয়। D) ময়মনসিংহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই দেশের প্রধান মৎস্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও প্রজাতি গবেষণাগার অবস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: মৎস্য শিক্ষা ও গবেষণার রাজধানী বলা হয় ময়মনসিংহকে। তাই মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগার বললে ময়মনসিংহ উত্তর হিসেবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কৃষি ও মৎস্য খাতের গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর সদর দপ্তর কোন জেলায় অবস্থিত, বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a রাঙ্গামাটি
b বান্দরবান
c চট্টগ্রাম
d খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাঙ্গামাটি ১. কেন সঠিক: তঞ্চঙ্গ্যা নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের প্রধান বসবাসস্থল রাঙ্গামাটি জেলায়। বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে তঞ্চঙ্গ্যারা অন্যতম এবং তাদের সংস্কৃতি ও জনমিতির মূল কেন্দ্র রাঙ্গামাটি। ২. জনমিতি ও সংস্কৃতি: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: তঞ্চঙ্গ্যা নৃ-গোষ্ঠী মূলত চাকমা জাতির একটি শাখা বলে অনেক গবেষক মত প্রকাশ করেন। সাংস্কৃতিক পরিচয়: তাদের নিজস্ব ভাষা, ঐতিহ্যবাহী পোশাক এবং বিষু উৎসব পাহাড়ি সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মারমা নৃ-গোষ্ঠী ব্যাখ্যা: মারমা জনগোষ্ঠীর মানুষ বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় সবচেয়ে বেশি বসবাস করে। উদাহরণ ২: গারো নৃ-গোষ্ঠী ব্যাখ্যা: গারো জনগোষ্ঠীর মানুষ ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলায় বেশি বসবাস করে, যা আঞ্চলিক জনমিতি বুঝতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাঙ্গামাটি — এই অপশনটি সঠিক কারণ তঞ্চঙ্গ্যা জনগোষ্ঠীর সর্বাধিক ঘনত্ব রাঙ্গামাটি জেলায় রয়েছে। B) বান্দরবান — এই অপশনটি ভুল কারণ বান্দরবানে মারমা ও ম্রো জনগোষ্ঠীর আধিক্য বেশি। C) চট্টগ্রাম — এই অপশনটি ভুল কারণ চট্টগ্রাম মূল ভূখণ্ডের জেলা এবং সেখানে সমতল অঞ্চলের মানুষের সংখ্যা বেশি। D) খাগড়াছড়ি — এই অপশনটি ভুল কারণ খাগড়াছড়িতে চাকমা ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর বসবাস বেশি। ৫ মনে রাখার টিপস: তঞ্চঙ্গ্যাদের রা রাঙ্গামাটি এভাবে মনে রাখতে পারো। পাহাড়ি জেলাগুলোর কোনটিতে কোন নৃ-গোষ্ঠী বেশি, তা জনমিতি পড়ার সময় ছক করে পড়লে সহজে মনে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভৌগোলিক অবস্থান বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে তঞ্চঙ্গ্যাদের প্রধান উৎসব বা তাদের ভাষার উৎস কী।
a মানবিক আবেগ ও জীবন
b আধ্যাত্মিক প্রেম ও অনুসন্ধান
c পল্লীর সুখ-দুঃখ
d ভক্তিমূলক ও বীরত্ব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আধ্যাত্মিক প্রেম ও অনুসন্ধান ১. কেন সঠিক: - বাউল গান মূলত মানবদেহের ভেতরে পরম সত্তার বা ঈশ্বরের সন্ধান এবং গুরুবাদী দর্শনের ওপর প্রতিষ্ঠিত। - এই ধারার গানে পার্থিব প্রেমের আবডালে মূলত পরমাত্মার সঙ্গে মিলনের আকুতি এবং আধ্যাত্মিক সাধনা প্রকাশ পায়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বাংলা লোকসংস্কৃতির এক অনন্য ধারা বাউল দর্শন, যা মূলত সুফি বাদ ও বৈষ্ণব সহজিয়া দর্শনের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: লালন সাঁই বাংলার বাউল সাধনার সবচেয়ে বড় পুরুষ এবং তাঁর গানই এই ধারার মূল ভিত্তি। - তাৎপর্য ও ফলাফল: ইউনেস্কো ২০০৫ সালে বাংলাদেশের বাউল গানকে মানবতার অমৌখিক ও দৃশ্যমান সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের শ্রেষ্ঠ সম্পদ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়। ব্যাখ্যা: লালন সাঁইয়ের এই গানে মানবদেহকে খাঁচা এবং আত্মাকে অচিন পাখি হিসেবে বুঝিয়ে গভীর আধ্যাত্মিক দর্শন তুলে ধরা হয়েছে। উদাহরণ ২: সব লোকে কয় লালন কী জাত সংসারে। ব্যাখ্যা: এই গানে জাতপাত ও ধর্মীয় গোঁড়ামির ঊর্ধ্বে গিয়ে মানবপ্রেম এবং আত্মিক পরিচয়কে বড় করে দেখা হয়েছে, যা বাউল দর্শনের মূল কথা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানবিক আবেগ ও জীবন — এটি সাধারণ আধুনিক বাংলা গান বা লোকগীতির বৈশিষ্ট্য হতে পারে, যা সরাসরি আধ্যাত্মিক সাধনাকে নির্দেশ করে না। C) পল্লীর সুখ-দুঃখ — এটি মূলত পল্লিগীতির প্রধান বিষয়বস্তু, যেখানে গ্রামীণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও যন্ত্রণার চিত্র ফুটে ওঠে। D) ভক্তিমূলক ও বীরত্ব — ভক্তিমূলক গান ভক্তি আন্দোলনের অংশ হতে পারে এবং বীরত্বমূলক গান মূলত যুদ্ধ বা লড়াইয়ের প্রেক্ষাপটে গাওয়া হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাউল গান মানেই লালন সাঁই এবং লালন সাঁই মানেই আধ্যাত্মিক প্রেম ও খোদা বা ঈশ্বর অনুসন্ধান। - পল্লিগীতি বললেই পল্লীর সুখ-দুঃখ মনে রাখবে, আর বাউল গান বললে আধ্যাত্মিকতা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাউল গানকে কবে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দেয় এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিয়োগে প্রায়ই আসে। - লোকসাহিত্য থেকে বাউল সাধক এবং তাদের গান সম্পর্কিত প্রশ্ন বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত দেখা যায়।
a ইতালি
b যুক্তরাষ্ট্র
c যুক্তরাজ্য
d ভারত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাজ্য ১. কেন সঠিক: বিদেশে বাংলাদেশের বাইরে প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয় যুক্তরাজ্যের লন্ডনের আলতাব আলী পার্কে। ১৯৫2 সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে প্রবাসী বাংলাদেশিরা যুক্তরাজ্যে এই শহীদ মিনার স্থাপন করেন। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির মাতৃভাষা রক্ষার সংগ্রামের ঐতিহাসিক দিন। প্রবাসে বাঙালি সংস্কৃতি ও ভাষা আন্দোলনের চেতনা ছড়িয়ে দিতে এই শহীদ মিনার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাপানের টোকিওতে অবস্থিত শহীদ মিনার। ব্যাখ্যা: এটিও বিদেশে ভাষা আন্দোলনের চেতনা প্রসারে নির্মিত অন্যতম একটি স্মৃতিসৌধ। উদাহরণ ২: অমর একুশে উদযাপনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। ব্যাখ্যা: ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃতি পাওয়ার পর বিদেশে শহীদ মিনারের গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইতালি — এটি ইউরোপের একটি দেশ হলেও বিদেশে প্রথম শহীদ মিনার এখানে স্থাপিত হয়নি। B) যুক্তরাষ্ট্র — এখানে প্রবাসী বাংলাদেশিরা শহীদ মিনার নির্মাণ করলেও তা বিশ্বে প্রথম নয়। C) যুক্তরাজ্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই প্রথম বিদেশের মাটিতে শহীদ মিনার স্থাপিত হয়। D) ভারত — ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্র হওয়া সত্ত্বেও ভারতের মাটিতে প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: যুক্তরাজ্যের লন্ডনে প্রথম শহীদ মিনার স্থাপিত হয়, এটি মনে রাখতে রাজা বা রানির দেশের কথা মনে রাখতে পারেন। অন্য দেশের তুলনায় যুক্তরাজ্যে প্রবাসী বাঙালির সংখ্যা ও ভাষা আন্দোলনের চেতনা প্রথমে রূপ লাভ করেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিদেশে প্রথম শহীদ মিনার কোন দেশে এবং কোথায় স্থাপিত হয়েছে তা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে শহীদ মিনারের স্থপতি বা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সংক্রান্ত প্রশ্নও হতে পারে।
a ৩১ (২)
b ৩৯ (২)
c ২৯ (১)
d ২৮ (২)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৮ (২) ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের সংবিধানের ২৮ নম্বর অনুচ্ছেদের শিরোনাম হলো ধর্ম ইত্যাদির কারণে বৈষম্য। এই অনুচ্ছেদের দ্বিতীয় দফায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে রাষ্ট্র ও সাধারণ জীবনের সকল স্তরে নারী ও পুরুষের সমান অধিকার থাকিবে। ২. সংবিধান ও আইন: সংবিধানের তৃতীয় ভাগে বর্ণিত মৌলিক অধিকারসমূহের মধ্যে নাগরিকদের সমতার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। অনুচ্ছেদ ২৮ এর ১ দফায় বলা হয়েছে কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষ ভেদে বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবে না। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭। ব্যাখ্যা: এই অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সকলের সমতা নিশ্চিত করা হয়েছে যা নারীর সমতার অধিকারের পরিপূরক। উদাহরণ ২: সরকারি চাকুরিতে নারী কোটা এবং সংরক্ষিত আসন। ব্যাখ্যা: অনুচ্ছেদ ২৮ এর ৪ দফায় বলা হয়েছে নারী বা শিশুদের অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান প্রণয়ন হইতে রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩১ (২) — এই অপশনটি ভুল কারণ ৩১ অনুচ্ছেদে আইনের আশ্রয় লাভের অধিকারের কথা বলা হয়েছে এবং এর কোনো দ্বিতীয় দফা নেই। B) ৩৯ (২) — এই অপশনটি ভুল কারণ ৩৯ অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও বাকস্বাধীনতার অধিকারের কথা বলা হয়েছে। C) ২৯ (১) — এই অপশনটি ভুল কারণ ২৯ অনুচ্ছেদে সরকারি নিয়োগলাভে সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে, যা কর্মসংস্থানের সাথে সম্পর্কিত। D) ২৮ (২) — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি সরাসরি নারী ও পুরুষের সমতা নিশ্চিতকরণের বিধান। ৫ মনে রাখার টিপস: আট وع (২৮) নম্বর অনুচ্ছেদের জোড় সংখ্যা বা দুই নম্বর দফা নারীদের সমান অধিকারের কথা বলে। এভাবে মনে রাখতে পারেন যে নারী ও পুরুষের যুগল অধিকারের কথা বলা হয়েছে ২৮ এর ২ দফায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক অধিকার সম্পর্কিত অধ্যায় থেকে প্রায়ই আসে। অনুচ্ছেদ ২৮ এর ১, ২, ৩ এবং ৪ দফার মূল বিষয়বস্তু আলাদা করে ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ৮০
b ৯৩
c ১৪২
d ১৫০
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৪২ ১. কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগে সংবিধান সংশোধনের সুনির্দিষ্ট বিধান যুক্ত করা হয়েছে। - সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে এই বিধান অনুযায়ী সংসদ কর্তৃক আইন প্রণয়নের মাধ্যমে সংবিধানের যেকোনো বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, পরিবর্ধন বা বাতিল করার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। ২. সংবিধান ও আইন: - সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদের মোট সদস্যসংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশের ভোটে বিল পাস হতে হয়। - রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের মাধ্যমে এই সংশোধনী কার্যকর হয় এবং এটি সংবিধানের মৌলিক কাঠامোর পরিপন্থী হতে পারে না। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঞ্চদশ সংশোধনী ব্যাখ্যা: ২০১১ সালে সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনী আনা হয় যা ১৪২ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলেই পাশ করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল ব্যাখ্যা: সংবিধানের এই অনুচ্ছেদের বিধান প্রয়োগ করেই ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮০ — এই অনুচ্ছেদে আইন প্রণয়নের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে যা সংবিধান সংশোধনের বিধান নয়। B) ৯৩ — এই অনুচ্ছেদে অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারির ক্ষমতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। D) ১৫০ — এই অনুচ্ছেদে অন্তর্বর্তীকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলির কথা বলা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সংবিধানের শেষভাগের কাছাকাছি অনুচ্ছেদ ১৪২ এ সংশোধনের নিয়ম রয়েছে। - ১৪২ সংখ্যাটি মনে রাখলে সংবিধান সংশোধনের অনুচ্ছেদ সহজে চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। - সংবিধান সংশোধনের জন্য সংসদের কত ভোট প্রয়োজন, এই সংক্রান্ত প্রশ্নও পরীক্ষাতে আসে।
a ইরান
b সৌদি আরব
c ওমান
d ভারত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৌদি আরব ১. কেন সঠিক: - আরামকো হলো বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী এবং লাভজনক প্রতিষ্ঠান, যার মালিকানা সৌদি আরব সরকারের হাতে। - মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি কূটনীতি এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে এই কোম্পানির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. কোম্পানির তথ্য: - দেশ/সংস্থা: সৌদি আরামকো হলো সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি। - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ১৯৩৩ সালে মার্কিন তেল কোম্পানি শেভরন ও সৌদি সরকারের চুক্তির মাধ্যমে এর ভিত্তি স্থাপিত হয়। - স্থান/সদর দপ্তর: এর প্রধান কার্যালয় সৌদি আরবের ধাহরান শহরে অবস্থিত। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: সৌদি আরবের অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক তেল বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এর প্রধান লক্ষ্য। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পেপেক্স বা ওপেক ব্যাখ্যা: এটি তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংস্থা, যা বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ও মূল্য নিয়ন্ত্রণ করে এবং এর নেতৃত্বে রয়েছে সৌদি আরব। উদাহরণ ২: কুয়েত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন ব্যাখ্যা: এটি কুয়েতের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি, যা আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের জ্বালানি সম্পদ ও স্বার্থ রক্ষা করে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরান — ভুল কারণ ইরানের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানির নাম ন্যাশনাল ইরানিয়ান অয়েল কোম্পানি। B) সৌদি আরব — সঠিক কারণ এটি আরামকোর মূল দেশ এবং মালিকানা নিয়ন্ত্রণ করে। C) ওমান — ভুল কারণ ওমানের প্রধান রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানির নাম ওমান শেল বা ওকিও গ্রুপ। D) ভারত — ভুল কারণ ভারতের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানির মধ্যে ওএনজিসি এবং ইন্ডিয়ান অয়েল উল্লেখযোগ্য। ৫. মনে রাখার টিপস: - আরামকো শব্দটির সঙ্গে সৌদি আরব নামটি মনে রাখতে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি বাজার ও রাজকীয় তেল কোম্পানির কথা স্মরণ করতে পারো। - সৌদি মানেই তেল জায়ান্ট আরামকো, যা বিশ্বের শীর্ষ ধনী কোম্পানিগুলোর একটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশ্নে এই ধরনের কোম্পানির নাম প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংকিং পরীক্ষায় আসে। - শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির দিক থেকেও এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।
a ব্রিটেন
b ফ্রান্স
c তুরস্ক
d স্পেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্রান্স ১. কেন সঠিক: - লেবানন প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর উসমানীয় সাম্রাজ্যের পতনের প্রেক্ষাপটে ফ্রান্সের ঔপনিবেশিক নিয়ন্ত্রণে বা ম্যান্ডেটভুক্ত অঞ্চলে পরিণত হয়েছিল। - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪৩ সালের ২২ নভেম্বর লেবানন ফ্রান্সের নিকট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা লাভ করে এবং ১৯৪৬ সালে ফরাসি সেনা সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - দেশ বা অঞ্চল: লেবানন, মধ্যপ্রাচ্যের ভূমধ্যসাগরীয়তীরের একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র। - প্রেক্ষাপট: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর লিগ অব নেশনস কতৃক মধ্যপ্রাচ্যের ফরাসি ম্যান্ডেট ব্যবস্থার অধীনে লেবানন ও সিরিয়া ফরাসি শাসনের অধীন আসে। - ফলাফল বা প্রভাব: দীর্ঘ ঔপনিবেশিক প্রভাবের অবসান ঘটিয়ে লেবানন একটি স্বাধীন প্রজাতন্ত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং আরব লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিরিয়া ব্যাখ্যা: সিরিয়াও লেবাননের মতো প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ফ্রান্সের ম্যান্ডেটভুক্ত ছিল এবং ১৯৪৬ সালে স্বাধীনতা অর্জন করে। উদাহরণ ২: জর্ডান ব্যাখ্যা: জর্ডান ব্রিটিশ ম্যান্ডেটের অধীনে ছিল এবং ১৯৪৬ সালে ব্রিটেন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে, যা মধ্যপ্রাচ্যে ঔপনিবেশিক শাসনের সমাপ্তির আরেকটি উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রিটেন — ব্রিটেন মধ্যপ্রাচ্যের ফিলিস্তিন, ট্রান্সজর্ডান ও ইরাক শাসন করলেও লেবানন তার উপনিবেশ ছিল না। B) ফ্রান্স — এটি সঠিক উত্তর কারণ লেবানন ফ্রান্সের ম্যান্ডেট থেকে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল। C) তুরস্ক — উসমানীয় সাম্রাজ্যের অংশ হিসেবে তুরস্ক লেবানন শাসন করলেও তারা স্বাধীনতা লাভ করে ফ্রান্সের নিকট থেকে। D) স্পেন — স্পেন লাতিন আমেরিকা ও উত্তর আফ্রিকার কিছু অংশ শাসন করলেও লেবাননের সঙ্গে তাদের কোনো ঔপনিবেশিক সম্পর্ক ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: - মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর স্বাধীনতা অর্জনের ইতিহাস মনে রাখতে ম্যান্ডেট ব্যবস্থা খেয়াল রাখবে। - লেবানন ও সিরিয়ার ওপর ফরাসি প্রভাব ছিল, আর জর্ডান ও ইরাকের ওপর ব্রিটিশ প্রভাব ছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - লেবাননের স্বাধীনতা দিবস হলো ২২ নভেম্বর। - একই বিষয় থেকে লেবাননের রাজধানী বৈরুত এবং এর মুদ্রা লিবানিজ পাউন্ড সংক্রান্ত প্রশ্নও পরীক্ষায় আসতে পারে।
a জেনেভা
b ওয়াশিংটন
c ব্রাসেলস
d নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জেনেভা ১. কেন সঠিক: UNHCR হলো জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা। বিশ্বব্যাপী শরণার্থী, বাস্তুচ্যুত মানুষ এবং রাষ্ট্রহীন ব্যক্তিদের অধিকার রক্ষা এবং তাদের পুনর্বাসনের কাজ এই সংস্থাটি পরিচালনা করে থাকে। সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে এই সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় অবস্থিত হওয়ায় সঠিক উত্তর জেনেভা নির্বাচিত হয়েছে। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা: সংস্থা: UNHCR (United Nations High Commissioner for Refugees) প্রতিষ্ঠা: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৫০ সাল সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড উদ্দেশ্য: বিশ্বজুড়ে শরণার্থী ও বাস্তুচ্যুত মানুষের সুরক্ষা প্রদান এবং তাদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি (ICRC) ব্যাখ্যা: এই সংস্থাও সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত এবং যুদ্ধাহত ও সংকটে থাকা মানুষের সাহায্য করে। উদাহরণ ২: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ব্যাখ্যা: জেনেভায় অবস্থিত জাতিসংঘের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিশেষায়িত সংস্থা যা বিশ্ব স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনেভা — এটি সঠিক উত্তর কারণ UNHCR এর সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত। B) ওয়াশিংটন — এটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী এবং বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের সদর দপ্তর, তাই এটি ভুল। C) ব্রাসেলস — এটি বেলজিয়ামের রাজধানী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটো এর সদর দপ্তর, তাই এটি ভুল। D) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর হলেও UNHCR এর সদর দপ্তর এখানে নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মানবিক সাহায্য প্রদানকারী বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত। শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা UNHCR এর সদর দপ্তরও জেনেভায় মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইউএনএইচসিআর কত সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সংস্থাটি ১৯৫৪ এবং ১৯৮১ সালে দুইবার নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেছে।
a ভুটান
b সোমালিয়া
c কঙ্গো
d দক্ষিণ-সুদান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দক্ষিণ-সুদান ১. কেন সঠিক: টেকসই উন্নয়ন প্রতিবেদন জাতিসংঘের এসডিজি বাস্তবায়নের অগ্রগতি মূল্যায়ন করে। দক্ষিণ-সুদান সংঘাত, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে এই সূচকে সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: দক্ষিণ-সুদান হলো বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ স্বাধীন রাষ্ট্র। প্রতিষ্ঠা: ২০১১ সালের ৯ জুলাই সুদান থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। রাজधानी ও মুদ্রা: জুবা এবং দক্ষিণ সুদান পাউন্ড। প্রেক্ষাপট: দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের কারণে দেশটির অবকাঠামো ও অর্থনীতি ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: টেকসই উন্নয়ন সূচকে তলানিতে থাকা দেশগুলো আন্তর্জাতিক মানবিক ও আর্থিক সহায়তার প্রধান লক্ষ্য হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আফগানিস্তান ব্যাখ্যা: রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির টেকসই উন্নয়ন সূচক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: ইয়েমেন ব্যাখ্যা: দীর্ঘস্থায়ী সামরিক সংঘাত ও মানবিক সংকটের ফলে দেশটি টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন থেকে বহু দূরে রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভুটান — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ যা স্থূল জাতীয় সুখ ধারণার জন্য বিখ্যাত এবং পরিবেশ সুরক্ষায় এগিয়ে আছে। B) সোমালিয়া — এটি পূর্ব আফ্রিকার দেশ হলেও টেকসই উন্নয়ন প্রতিবেদনের একেবারে সর্বনিম্ন অবস্থানে দক্ষিণ-সুদান রয়েছে। C) কঙ্গো — গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র মধ্য আফ্রিকার একটি দেশ এবং এটি খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ হলেও সূচকে সর্বনিম্ন অবস্থানে নেই। D) দক্ষিণ-সুদান — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রতিবেদনের সার্বিক মূল্যায়নে দেশটি সবার নিচে অবস্থান করছে। ৫ মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে নবীন রাষ্ট্র হিসেবে নানা সংকটে জর্জরিত দক্ষিণ-সুদান টেকসই উন্নয়নেও সবার পেছনে রয়েছে। নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারো উন্নয়ন সূচকের তলানির দক্ষিণ বিন্দু হলো দক্ষিণ-সুদান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এসডিজি বাস্তবায়ন সূচকে শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে সাধারণত স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলো থাকে। এই প্রশ্নটি থেকে ভবিষ্যতে শীর্ষ দেশ বা বাংলাদেশের অবস্থান সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a নরওয়ে
b ফিনল্যান্ড
c আইসল্যান্ড
d গ্রিস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আইসল্যান্ড ১. কেন সঠিক: আইসল্যান্ড দেশকে আগুন ও বরফের ভূমি বলা হয় কারণ এর ভূপ্রকৃতিতে তীব্র বিপরীতমুখী দুটি উপাদানের সহাবস্থান দেখা যায়। এখানে যেমন রয়েছে বিশাল বরফাবৃত হিমবাহ, তেমনি রয়েছে সক্রিয় আগ্নেয়গিরি ও উষ্ণ প্রস্রবণ। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে ইউরোপের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। বৈশিষ্ট্য: এটি মিড আটলান্টিক রিজের ওপর অবস্থিত হওয়ায় এখানে ভূতাত্ত্বিক ভূকম্পন ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত খুব বেশি ঘটে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ভ্যাটনাজোকুল হিমবাহ। ব্যাখ্যা: এটি আইসল্যান্ডের এবং ইউরোপের অন্যতম বৃহত্তম বরফের আস্তরণ বা হিমবাহ। উদাহরণ ২: হেক্লা আগ্নেয়গিরি। ব্যাখ্যা: এটি আইসল্যান্ডের সবচেয়ে সক্রিয় আগ্নেয়গিরিগুলোর একটি যা বরফের নিচে বা পাশেই অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নরওয়ে — এটি ফিয়র্ড বা খাড়ির দেশ নামে পরিচিত এবং এর ভূপ্রকৃতিতে আগুন ও বরফের এমন বিশেষ ভৌগোলিক বৈপরীত্য নেই। B) ফিনল্যান্ড — এটি হাজার হ্রদের দেশ নামে পরিচিত এবং এর প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য বরফাবৃত হলেও প্রধানত হ্রদের জন্য বিখ্যাত। D) গ্রিস — এটি ভূমধ্যসাগরীয় উপদ্বীপীয় দেশ এবং এর ভূপ্রকৃতি প্রাচীন ইতিহাস ও ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর জন্য পরিচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: আইসল্যান্ড নামের মধ্যেই আইস বা বরফ আছে, আর এর নিচেই আগুন বা আগ্নেয়গিরি আছে। এভাবে বরফ ও আগুনের মিল-বন্ধনের কথা মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আইসল্যান্ড কোন মহাসাগরে অবস্থিত এবং একে কেন আগুনের ভূমি বলা হয় তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। একই ধারণা থেকে জিওথার্মাল এনার্জি বা আগ্নেয়গিরি সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
a ভারত মহাসাগর
b আটলান্টিক মহাসাগর
c বঙ্গোপসাগর
d দক্ষিণ চীন সাগর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গোপসাগর ১. কেন সঠিক: পোর্ট ব্লেয়ার ভারতের আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী এবং এটি বঙ্গোপসাগরের পূর্ব দিকে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ শহর। বঙ্গোপসাগর ভারত মহাসাগরের উত্তর-পূর্বাংশ গঠন করে এবং এর পূর্ব দিকে মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড এবং পশ্চিম দিকে ভারত অবস্থিত। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: পোর্ট ব্লেয়ার বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অবস্থিত আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের দক্ষিণ আন্দামান দ্বীপে অবস্থিত। বৈশিষ্ট্য: এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত ও সামুদ্রিক বন্দর যা বঙ্গোপসাগরের প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং সামুদ্রিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ব্যাখ্যা: এটিও বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত বাংলাদেশের একটি প্রখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র। উদাহরণ ২: সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ যা দক্ষিণ এশীয় সামুদ্রিক ভূগোলের অংশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত মহাসাগর — পোর্ট ব্লেয়ার বৃহত্তর ভারত মহাসাগরের অংশ হলেও সরাসরি বঙ্গোপসাগরের জলসীমার অন্তর্ভুক্ত। B) আটলান্টিক মহাসাগর — এটি আমেরিকা, আফ্রিকা ও ইউরোপের মাঝে অবস্থিত, তাই এর সঙ্গে পোর্ট ব্লেয়ারের কোনো সম্পর্ক নেই। C) বঙ্গোপসাগর — সঠিক উত্তর। D) দক্ষিণ চীন সাগর — এটি প্রশান্ত মহাসাগরের একটি প্রান্তিক সাগর যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত এবং পোর্ট ব্লেয়ার থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী পোর্ট ব্লেয়ার মানেই মনে রাখতে হবে এটি ভারতের মূল ভূখণ্ডের পূর্বে বঙ্গোপসাগরের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারে। ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী বা এর চারপাশের সাগর সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
a আফ্রিকা
b এশিয়া
c ইউরোপ
d দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আফ্রিকা ১. কেন সঠিক: - আফ্রিকা মহাদেশে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক স্বাধীন রাষ্ট্র বা দেশ রয়েছে, যার সংখ্যা ৫৪টি। - বিশাল ভূখণ্ড এবং ঔপনিবেশিক ইতিহাসের সীমানা বিভাজনের কারণে এই মহাদেশে ক্ষুদ্র ও বৃহৎ দেশের সংখ্যা সর্বাধিক। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: আফ্রিকা মহাদেশটি পৃথিবীর পূর্ব গোলার্ধের ক্রান্তীয় অঞ্চলে এবং উভয় গোলার্ধ জুড়ে বিস্তৃত। - বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ এবং এর মধ্য দিয়ে বিষুবরেখা অতিক্রম করেছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: নাইজেরিয়া ব্যাখ্যা: এটি আফ্রিকা মহাদেশের অন্যতম জনবহুল এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি দেশ। উদাহরণ ২: সেশেলস ব্যাখ্যা: এটি আফ্রিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত ভারত মহাসাগরের একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ রাষ্ট্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফ্রিকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মহাদেশে ৫৪টি স্বাধীন দেশ রয়েছে। B) এশিয়া — এটি বিশ্বের বৃহত্তম মহাদেশ হলেও এখানে দেশের সংখ্যা আফ্রিকার চেয়ে কম, প্রায় ৪৮টি। C) ইউরোপ — ইউরোপ মহাদেশে প্রায় ৪৪টি দেশ রয়েছে, যা আফ্রিকার তুলনায় কম। D) দক্ষিণ আমেরিকা — এই মহাদেশে স্বাধীন দেশের সংখ্যা মাত্র ১২টি, যা আফ্রিকা থেকে অনেক কম। ৫. মনে রাখার টিপস: - সবচেয়ে বেশি দেশ মনে রাখতে আফ্রিকা শব্দের সাথে বাহান্ন বা চুয়ান্ন সংখ্যাটি মিলিয়ে নিতে পারো। - এভাবে মনে রাখা যায় যে বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও বেশি দেশের মহাদেশ হলো আফ্রিকা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মহাদেশভিত্তিক দেশ বা আয়তনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - একই ধারণা থেকে বিশ্বের বৃহত্তম মহাদেশ বা ক্ষুদ্রতম দেশের নাম সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
a তেঁতুলিয়া
b টেকনাফ
c পঞ্চগড়
d বাংলাবান্ধা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাংলাবান্ধা ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের সর্বউত্তরের ভূখণ্ড হলো পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন। এটি মূলত দেশের ভৌগোলিক সীমানার একদম শেষ উত্তর প্রান্ত নির্দেশ করে যা আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: বাংলাবান্ধা ইউনিয়নটি পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলায় অবস্থিত এবং এটি হিমালয় পর্বতমালার কাছাকাছি এলাকায় পড়ে। বৈশিষ্ট্য: এটি মহানন্দা নদীর তীরে অবস্থিত এবং এখান থেকে কাঞ্চনজংঘা পর্বতশৃঙ্গ স্পষ্টভাবে দেখা যায়। সংশ্লিষ্ট তথ্য: বাংলাবান্ধা বাংলাদেশের সর্বউত্তরের ভূমি হলেও এর সীমান্তেই রয়েছে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার জিরো পয়েন্ট। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: টেকনাফ ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত স্থান যা চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত। উদাহরণ ২: সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের প্রবাল দ্বীপ যা মূল ভূখণ্ডের বাইরে সমুদ্রের মাঝে অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তেঁতুলিয়া — এটি বাংলাদেশের সর্বউত্তরের উপজেলা, তবে নির্দিষ্ট স্থান হিসেবে এর ভেতর অবস্থিত বাংলাবান্ধা হলো সর্বউত্তরের প্রান্ত। B) টেকনাফ — এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত স্থান বা উপজেলা যা কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত। C) পঞ্চগড় — এটি বাংলাদেশের সর্বউত্তরের জেলা, তবে এর একটি নির্দিষ্ট ইউনিয়ন হলো সর্বউত্তরের সঠিক বিন্দু। D) বাংলাবান্ধা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি তেঁতুলিয়া উপজেলার সর্বউত্তরের নির্দিষ্ট গ্রাম ও সীমান্ত এলাকা। ৫. মনে রাখার টিপস: উত্তর মনে রাখার সহজ কৌশল হলো উত্তর মানে বাংলাবান্ধা আর দক্ষিণ মানে টেকনাফ। বাংলাদেশের মানচিত্রের ওপরের দিকে তাকালে উত্তর দিক নির্দেশ করে যেখানে বাংলাবান্ধা অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বহুবার এসেছে। পরীক্ষায় প্রায়ই সর্বদক্ষিণ, সর্বপূর্ব বা সর্বপশ্চিমের স্থান সম্পর্কেও প্রশ্ন আসতে পারে।
a সুগন্ধী ফুল
b কালনিশি
c তীব্র ঝড়
d উত্তাল ঢেউ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সুগন্ধী ফুল ১. কেন সঠিক: - বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সৃষ্ট ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করা হয়। 'মোন্থা' নামটি এই অঞ্চলের একটি দেশ কর্তৃক প্রস্তাবিত হয়েছে যার শাব্দিক অর্থ হলো এক ধরণের সুগন্ধী ফুল। - এই নামকরণ পদ্ধতি আবহাওয়াবিদদের জন্য একই সাথে একাধিক ঘূর্ণিঝড় শনাক্ত করা এবং গণমাধ্যমে সংবাদ পরিবেশন সহজতর করে তোলে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগর নিয়ে গঠিত উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল। - বৈশিষ্ট্য: ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় সাধারণত সমুদ্রপৃষ্ঠের উষ্ণতা বৃদ্ধি এবং বায়ুমণ্ডলের নিম্নচাপের ফলে সৃষ্টি হয়। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার প্যানেল অন ট্রপিক্যাল সাইক্লোন সদস্য দেশগুলোর প্রস্তাবিত নামের তালিকা থেকে ক্রমানুসারে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করে থাকে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ঘূর্ণিঝড় 'নিসর্গ' ব্যাখ্যা: আরব সাগরে সৃষ্ট এই ঘূর্ণিঝড়টির নাম প্রকৃতি বা পরিবেশ সংক্রান্ত একটি শব্দের নামানুসারে রাখা হয়েছিল। উদাহরণ ২: ঘূর্ণিঝড় 'বুলবুল' ব্যাখ্যা: বঙ্গোপসাগরে আঘাত হানা এই ঘূর্ণিঝড়টির নাম একটি পরিচিত পাখির নামানুসারে করা হয়েছিল যা নামকরণের বৈচিত্র্য প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুগন্ধী ফুল — এটি সঠিক উত্তর কারণ মোন্থা নামের অর্থ এই বিশেষ ফুলকে নির্দেশ করে। B) কালনিশি — এটি ভুল কারণ কোনো ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণে এই শব্দ বা অর্থ ব্যবহার করা হয় না। C) তীব্র ঝড় — এটি ভুল কারণ ঝড় বা সাইক্লোন বোঝাতে সরাসরি এই সাধারণ শব্দ ব্যবহার করে ঘূর্ণিঝড়ের নাম রাখা হয় না। D) উত্তাল ঢেউ — এটি ভুল কারণ এটি ঝড়ের একটি প্রাকৃতিক ফলাফল হলেও কোনো নির্দিষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের নামের শাব্দিক অর্থ এটি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঘূর্ণিঝড়ের নাম এবং তার অর্থ মনে রাখার জন্য নামটির উৎস দেশের সংস্কৃতি ও প্রকৃতির সাথে মিলিয়ে পড়তে হবে। মোন্থা মানে সুগন্ধী ফুল এটি মনে রাখতে ফুলের সুবাসের কথা মাথায় রাখা যেতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাম্প্রতিক সময়ে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড়ের নাম এবং তার অর্থ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - একই ধারণা থেকে কোনো নির্দিষ্ট ঘূর্ণিঝড় কোন দেশ নামকরণ করেছে বা বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার প্যানেলের সদস্য সংখ্যা কত, সে সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।

মোট প্রশ্ন (25)

a শুদ্ধ
b অশুদ্ধ
c প্রচলিত
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অশুদ্ধ ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটিতে পুরুষ বা বচন সংক্রান্ত বা পদ ও পুরুষ মিলের ত্রুটি রয়েছে। - বাক্যে একাধিক ভিন্ন পুরুষের সর্বনাম যুক্ত থাকলে ক্রিয়াপদ কোন পুরুষের হবে, তা বাংলা ব্যাকরণের পুরুষ প্রকরণ অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী প্রথম পুরুষ, মধ্যম পুরুষ ও উত্তম পুরুষ একত্রে বসলে ক্রিয়াপদ সর্বদা উত্তম পুরুষে হবে না। - তবে উত্তম পুরুষ ও অন্য পুরুষ মিলে যদি একবাচক বা বহুবচন বোঝায়, তবে ক্রিয়াপদ উত্তম পুরুষের বহুবচন হবে। - এই বাক্যে 'আমি' হলো উত্তম পুরুষ এবং 'আমার বাবা' হলো প্রথম পুরুষ। নিয়ম অনুযায়ী ক্রিয়াটি 'গিয়েছিলেন' (প্রথম পুরুষ) না হয়ে 'গিয়েছিলাম' (উত্তম পুরুষ) হওয়া উচিত ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি ও তুমি কাজটি করেছি। ব্যাখ্যা: এখানে উত্তম পুরুষ ও মধ্যম পুরুষ মিলে ক্রিয়াপদ উত্তম পুরুষের বহুবচন হয়েছে। উদাহরণ ২: বাবা ও আমি বাজারে গিয়েছিলাম। ব্যাখ্যা: প্রথম পুরুষ ও উত্তম পুরুষ মিলিয়ে ক্রিয়াপদ উত্তম পুরুষে রূপায়িত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শুদ্ধ — প্রদত্ত বাক্যটিতে পুরুষ সংক্রান্ত ব্যাকরণগত ভুল থাকায় এটি শুদ্ধ হতে পারে না। C) প্রচলিত — কথ্য বা আঞ্চলিক ভাষায় এমন ভুল প্রয়োগ দেখা গেলেও তা প্রমিত বাংলার দৃষ্টিতে অশুদ্ধ। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্যে আমি বা আমরা থাকলে ক্রিয়াপদ সর্বদা উত্তম পুরুষ অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। - প্রথম পুরুষ ও উত্তম পুরুষ একসঙ্গে থাকলে ক্রিয়ার রূপ উত্তম পুরুষ হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যশুদ্ধি থেকে প্রায়ই এই নিয়মটি থেকে প্রশ্ন আসে। - সর্বনাম পদের সঙ্গে ক্রিয়াপদের মিল বা পুরুষ সংক্রান্ত শুদ্ধি পরীক্ষা করার সময় এই নিয়মটি বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে।
a অব্যয়ীভাব
b মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
c উপপদ তৎপুরুষ
d নিত্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপপদ তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: বাস্তুহারা শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো বাস্তু হারিয়েছে যে। কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয়, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে পদের সঙ্গে কৃদন্ত পদের সমাস হয়, তাকে উপপদ বলে এবং ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত পদকে কৃদন্ত পদ বলে। এখানে হারা হলো কৃদন্ত পদ এবং বাস্তু হলো তার উপপদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পকেটমার ব্যাখ্যা: পকেট মারে যে, এটি একটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: জলেচর ব্যাখ্যা: জলে চরে যে, এটিও উপপদ তৎপুরুষ সমাসের একটি প্রচলিত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অব্যয়ীভাব — অব্যয় পদের পূর্বে বসে অব্যয়ীভাব সমাস হয় কিন্তু এখানে পদের অর্থ প্রাধান্য পেয়েছে। B) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় — ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ লোপ পেলে মধ্যপদলোপী হয় কিন্তু এখানে কৃদন্ত পদের সম্পর্ক রয়েছে। D) নিত্য — যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না বা অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। ৫ মনে রাখার টিপস: ব্যাসবাক্যে যদি যে বা যারা থাকে এবং পরের অংশটি কৃদন্ত পদ হয়, তবে সাধারণত উপপদ তৎপুরুষ সমাস হয়। শব্দের শেষে মার, চর, হারা ইত্যাদি থাকলে এই সমাস হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপপদ তৎপুরুষ সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের শেষে ক্রিয়াবাচক শব্দ থাকলে তা ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a সরল
b জটিল
c যৌগিক
d মিশ্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সরল ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। প্রদত্ত বাক্যে 'সুশিক্ষিত লোক মাত্রই' হলো উদ্দেশ্য বা কর্তা এবং 'স্বশিক্ষিত' পদটি বাক্যের মূল ভাব প্রকাশ করছে যেখানে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়ার অন্তর্নিহিত প্রকাশ রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে এবং বক্তার বক্তব্য একটিমাত্র খণ্ডবাক্যে সম্পূর্ণ প্রকাশ পায়, তাকে সরল বাক্য বলে। এখানে কোনো আশ্রিত খণ্ডবাক্য বা সংযোজক অব্যয় থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে একটিমাত্র কর্তা 'সূর্য' এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া 'উদিত হয়' রয়েছে। উদাহরণ ২: সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা। ব্যাখ্যা: এখানেও একটিমাত্র উদ্দেশ্য এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া বা সংযোগের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে একটিমাত্র কর্তা ও সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে। B) জটিল — এই অপশনটি ভুল কারণ জটিল বাক্যে একটি প্রধান বাক্যের অধীন এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে যা এখানে নেই। C) যৌগিক — এই অপশনটি ভুল কারণ যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য 'এবং', 'কিংবা' ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত। D) মিশ্র — এই অপশনটি ভুল কারণ মিশ্র বাক্য হলো জটিল বাক্যের অপর নাম, যা এই বাক্যের কাঠামোর সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্য চেনার সময় খেয়াল রাখবে যে বাক্যে কোনো সংযোগকারী শব্দ বা অধীন খণ্ডবাক্য থাকে না এবং কেবল একটি মূল ভাব থাকে, সেটিই সরল বাক্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য চিহ্নিতকরণের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই সমাপিকা ক্রিয়া এবং খণ্ডবাক্যের ওপর ভিত্তি করে বাক্য চেনার অভ্যাস রাখতে হবে।
a চিরন্তন সত্য
b অনুজ্ঞাভাব
c আবেগ প্রকাশ
d প্রশ্ন জিজ্ঞাসা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চিরন্তন সত্য ১. কেন সঠিক: উক্তি পরিবর্তনে প্রত্যক্ষ উক্তি থেকে পরোক্ষ উক্তিতে রূপান্তর করার সময় সাধারণত রিপোর্টিং ভার্বের কাল অনুসারে রিপোর্টেড স্পিচের ক্রিয়াকাল পরিবর্তিত হয়। তবে রিপোর্টেড স্পিচ বা বক্তব্যটি যদি চিরন্তন সত্য বা সার্বজনীন সত্য হয়, তবে পরোক্ষ উক্তিতে ক্রিয়াকালের কোনো পরিবর্তন হয় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের বাচ্য ও উক্তি পরিবর্তন অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। প্রত্যক্ষ উক্তিকে পরোক্ষ উক্তিতে রূপান্তর করার সময় রিপোর্টিং ভার্ব অতীতকালের হলেও যদি ভেতরের বক্তব্যটি সর্বকালের জন্য সত্য বোঝায়, তবে তার কাল অপরিবর্তিত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিক্ষক বললেন, পৃথিবী গোল। এর পরোক্ষ উক্তি হবে: শিক্ষক বললেন যে পৃথিবী গোল। ব্যাখ্যা: পৃথিবী গোল একটি চিরন্তন সত্য, তাই এর ক্রিয়াকালের কোনো পরিবর্তন হয়নি। উদাহরণ ২: মিতা বলল, সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে। এর পরোক্ষ উক্তি হবে: মিতা বলল যে সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে। ব্যাখ্যা: সূর্য পূর্ব দিকে ওঠা একটি সার্বজনীন সত্য, তাই এটি অপরিবর্তিত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চিরন্তন সত্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ক্ষেত্রে উক্তি পরিবর্তনে ক্রিয়াকালের কোনো পরিবর্তন হয় না। B) অনুজ্ঞাভাব — এই ক্ষেত্রে পরোক্ষ উক্তিতে রিপোর্টেড স্পিচের ক্রিয়াটি আজ্ঞাসূচক বা অনুজ্ঞাবাচক রূপে পরিবর্তিত হয়। C) আবেগ প্রকাশ — এই ক্ষেত্রে রিপোর্টিং ভার্ব পরিবর্তন করে আবেগসূচক ভাব অনুযায়ী উপযুক্ত শব্দ ব্যবহার করতে হয়। D) প্রশ্ন জিজ্ঞাসা — এই ক্ষেত্রে রিপোর্টেড স্পিচটি প্রশ্নবোধক না রেখে বর্ণনামূলক বাক্যে রূপান্তর করতে হয় এবং ক্রিয়াকাল পরিবর্তিত হতে পারে। ৫. মনে রাখার টিপস: নিয়মটি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সত্য বদলায় না। তাই চিরন্তন সত্যের ক্রিয়াকালও উক্তি পরিবর্তনে কখনো বদলায় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উক্তি পরিবর্তনের ব্যতিক্রমী নিয়মগুলো থেকে বেশি প্রশ্ন আসে। চিরন্তন সত্য, অভ্যাসগত সত্য এবং ঐতিহাসিক সত্যের ক্ষেত্রে ক্রিয়াকালের এই অপরিবর্তনশীলতার নিয়মটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ভবিষ্যত
b ভবিষ্যৎ
c ভবিতব্য
d অভব্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভবিতব্য ১. কেন সঠিক: - 'যা ভবিষ্যতে ঘটবে' এককথায় এর প্রকাশ হলো 'ভবিতব্য'। - ভবিষ্যৎ এবং ভবিতব্য শব্দদুটি দেখতে কাছাকাছি হলেও ব্যাকরণগত অর্থে এদের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। - দীর্ঘ বাক্য বা ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা পূর্বে কখনো ঘটেূতপূর্ব ব্যাখ্যা: অতীতে ঘটেনি এমন ঘটনা বোঝাতে এই বাক্য সংকোচন ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: যা বলার যোগ্য নয় ব্যাখ্যা: অকথ্য বা কথ্য নয় এমন বিষয় বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভবিষ্যত — এটি একটি ভুল বানান, সঠিক প্রমিত রূপ হলো ভবিষ্যৎ। B) ভবিষ্যৎ — এটি কেবল সামনের সময়কে বোঝায়, যা ঘটবে এমন নিশ্চিত ভাব প্রকাশ করে না। C) ভবিতব্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নির্দিষ্টভাবে ঘটার অবস্থাকে নির্দেশ করে। D) অভব্য — এর অর্থ যা ভদ্র বা শালীন নয়, যা প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যা ঘটবে বা অবধারিত, তাকে ভবিতব্য মনে রাখবে। - সময় বুঝাতে ভবিষ্যৎ এবং ঘটার ঘটনা বুঝাতে ভবিতব্য ব্যবহার করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এককথায় প্রকাশ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। - বানান এবং অর্থের সূক্ষ্ম পার্থক্যগুলো ভালোভাবে খেয়াল রাখবে।
a ভাইবোন
b রাজপথ
c বাকলম
d ঐকিক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঐকিক ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি প্রত্যয় সাধিত শব্দ কারণ এটি মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে। - এখানে মূল শব্দ একক এর সঙ্গে ই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ঐকিক শব্দটি তৈরি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দ গঠনের অন্যতম একটি মাধ্যম হলো প্রত্যয় যোগ করা। - প্রকৃতি বা মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করে নতুন শব্দ বা পদ তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাসিক ব্যাখ্যা: মাস যোগ ইক মিলে মাসিক শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ভৌগোলিক ব্যাখ্যা: ভূগোল যোগ ইক মিলে ভৌগোলিক শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাইবোন — এটি একটি সমাস সাধিত শব্দ, যা দ্বন্দ্ব সমাসের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে। B) রাজপথ — এটি একটি সমাস সাধিত শব্দ, যা তৎপুরুষ সমাসের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে। C) বাকলম — এটি একটি মিশ্র শব্দ, যা ভিন্ন ভাষা থেকে এসে গঠিত হয়েছে। D) ঐকিক — এটি সঠিক প্রত্যয় সাধিত শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: - শেষে ইক বা ইকি যুক্ত শব্দ দেখলে সাধারণত তা তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ হিসেবে ধরে নেওয়া যায়। - শব্দ বিশ্লেষণ করে মূল শব্দ ও প্রত্যয় আলাদা করার অভ্যাস করলে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দ গঠনের উৎস বা প্রক্রিয়া থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - প্রত্যয় এবং সমাসের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a সুকুমার রায়
b রমেশচন্দ্র মজুমদার
c শিবনারায়ণ রায়
d হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১. কেন সঠিক: 'তেল' প্রবন্ধটি মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর একটি বিখ্যাত ও ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধ যা সমাজের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরে। এই প্রবন্ধে লেখক তেল দেওয়ার মানসিকতা বা তোষামোদ প্রথার সুন্দর ও কৌতুকপূর্ণ সমালোচনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম উদ্ধারকর্তা এবং একজন প্রখ্যাত বাঙালি ইতিহাসবিদ ও ভাষাতত্ত্ববিদ। তিনি চর্যাপদ আবিষ্কার করেন এবং বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করতে বহুমুখী প্রবন্ধ রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য ব্যাখ্যা: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস উন্মোচন করেছিলেন। উদাহরণ ২: বেনের মেয়ে ব্যাখ্যা: এটি হরপ্রসাদ শাস্ত্রী রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস যা প্রাচীন বাংলার সমাজচিত্র তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুকুমার রায় — তিনি মূলত ননসেন্স রাইম বা শিশুতোষ হাস্যরসাত্মক রচনার জন্য বিখ্যাত, 'তেল' প্রবন্ধের লেখক নন। B) রমেশচন্দ্র মজুমদার — তিনি একজন প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ও গবেষক, যার মূল ক্ষেত্র ছিল ভারতীয় ইতিহাস চর্চা। C) শিবনারায়ণ রায় — তিনি একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক, সাহিত্য সমালোচক ও চিন্তাবিদ ছিলেন, কিন্তু এই প্রবন্ধের রচয়িতা নন। D) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনেই রয়েছে এবং তিনিই এই প্রবন্ধের লেখক। ৫ মনে রাখার টিপস: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী মানেই চর্যাপদের আবিষ্কারক এবং সমাজ সচেতন বিভিন্ন প্রবন্ধের রচয়িতা। তেল দেওয়া বা তোষামোদের সংস্কৃতি নিয়ে লেখা ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধটি হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর কলমে রচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর প্রবন্ধ ও চর্যাপদ আবিষ্কারের তথ্য অত্যন্ত প্রায়শই আসে। সাহিত্যিকের বিখ্যাত প্রবন্ধ ও উপন্যাসের নামগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a পাটোয়ারি
b জলদ
c জলাধার
d জলধি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জলদ ১. কেন সঠিক: - 'যা জল দেয়' এই বাক্যাংশের এক কথায় প্রকাশ হলো জলদ। - এখানে জল শব্দের অর্থ পানি এবং দ ধাতুর অর্থ দানকারী বা প্রদানকারী। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি সংস্কৃত তৎসম শব্দ যা উপপদ তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত। - জল উপপদের সঙ্গে দা ধাতু এবং ক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা পিন্ড দেয় তা পিন্ডদ। ব্যাখ্যা: এটিও জলদের মতো একই নিয়মে গঠিত এককথায় প্রকাশের উদাহরণ। উদাহরণ ২: যা ভূগর্ভ থেকে পানি দেয় তা নলকূপ। ব্যাখ্যা: এটি জল বা পানি সম্পর্কিত আরেকটি সাধারণ এককথায় প্রকাশের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাটোয়ারি — এই শব্দের অর্থ হিসাবরক্ষক বা চতুর ব্যক্তি, যা জল দেওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) জলদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণে ভুল নয়। C) জলাধার — এর অর্থ যেখানে জল ধরে রাখা হয় বা জলাশয়, যা জল দেওয়ার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) জলধি — এর অর্থ সমুদ্র বা যেখানে প্রচুর জল ধারণ করা হয়, এটি জল প্রদানকারী নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত ব্যাকরণে শব্দের শেষে দ থাকলে সাধারণত দানকারী বা প্রদানকারী বোঝায়। - যেমন জলদ মানে জলদাতা বা মেঘ, আর জলধি মানে সমুদ্র বা জল ধারণকারী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জলদ এবং জলধি শব্দ দুটির অর্থ প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে। - দ মানে দাতা বা মেঘ এবং ধি বা নিধি মানে ধারণকারী বা সমুদ্র, এই পার্থক্যটি মনে রাখতে হবে।
a আলগা বসনা
b অসংবৃত
c লজ্জাহীন
d সংবৃক্তহীনতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অসংবৃত ১. কেন সঠিক: - 'অসংবৃত' শব্দটির অর্থ যা সংবরণ করা হয়নি বা যা উন্মুক্ত কিংবা আলগা। - যার বসন বা পোশাক আলগা বা ঠিকমতো পরিধান করা নেই, তাকে এককথায় অসংবৃত বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ। - সমাস বা প্রত্যয়সিদ্ধ পদের মাধ্যমে বাক্যের অর্থকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে বাক্য সংকোচন বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা নিবারণ করা যায় না - অনिवार্য। ব্যাখ্যা: কোনো কিছু যা কোনোভাবেই আটকানো বা এড়ানো সম্ভব নয়, তাকে অনिवार্য বলা হয়। উদাহরণ ২: চোখের নিমেষে যা ঘটে - অনিমিষ। ব্যাখ্যা: চোখের পলক ফেলতে যে সময় লাগে তার চেয়ে কম সময়ে বা দ্রুত ঘটে এমন বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলগা বসনা - এটি সাধিত শব্দ হলেও ব্যাকরণগতভাবে বাক্য সংকোচনের প্রমিত রূপ নয়। B) অসংবৃত - এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ যথাযথ। C) লজ্জাহীন - এই শব্দের অর্থ যার কোনো লজ্জা বা শরম নেই, যা বসন আলগার সমার্থক নয়। D) সংবৃক্তহীনতা - এটি একটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ, যা বাক্যের সংজ্ঞার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বসন বা পোশাক ঢাকা না থাকা বা আলগা বোঝাতে সংবৃত শব্দের বিপরীতার্থক অসংবৃত শব্দটি ব্যবহার করবে। - এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে মূল শব্দের অর্থ ও উপসর্গের ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেশভূষা ও পোশাকসংক্রান্ত বাক্য সংকোচন প্রায়ই আসে। - প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে সঠিক শব্দ নির্বাচন করতে হবে।
a পালানো
b দীর্ঘ বক্তৃতা
c বড় অকৃত্রিম মেঘ
d ঘরে যাওয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পালানো ১. কেন সঠিক: - 'লম্বা দেওয়া' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার অন্তর্নিহিত বা বিশেষ অর্থ হলো দ্রুত স্থান ত্যাগ করা বা পালিয়ে যাওয়া। - প্রাত্যহিক কথ্যভাষায় কোনো বিপদে পড়ে বা সুযোগ বুঝে চটজলদি সরে পড়াকে বোঝাতে এই বাগধারাটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাষাকে অধিক গতিময় ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরগুলো মুহূর্তের মধ্যে লম্বা দিল। ব্যাখ্যা: এখানে 'লম্বা দিল' বা 'লম্বা দেওয়া' বলতে চোরদের দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: ঝামেলা শুরু হতেই সে আর এক মুহূর্তও অপেক্ষা না করে লম্বা দিল। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে দায়িত্ব এড়িয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করার অর্থে বাগধারাটির সার্থক প্রয়োগ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পালানো — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি 'লম্বা দেওয়া' বাগধারাটির মূল ভাবার্থ প্রকাশ করে। B) দীর্ঘ বক্তৃতা — এই অপশনটি ভুল কারণ বক্তৃতার দীর্ঘতার সঙ্গে এই বাগধারার কোনো সম্পর্ক নেই। C) বড় অকৃত্রিম মেঘ — এই অপশনটি ভুল কারণ মেঘের প্রকৃতির সঙ্গে এই বাগধারার কোনো শৈল্পিক বা আক্ষরিক সংযোগ নেই। D) ঘরে যাওয়া — এই অপশনটি ভুল কারণ নিজের বাড়িতে ফিরে যাওয়াকে বোঝাতে এই বাগধারা ব্যবহার করা হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - চোখে ধুলো দিয়ে লম্বা পা ফেলে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়া থেকেই 'লম্বা দেওয়া' বাগধারাটির উৎপত্তি মনে রাখতে পারো। - এভাবে চটজলদি সরে পড়া বা পালানোর সঙ্গে সম্পর্কিত করে পড়লে সহজে মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চলাফেরা বা পলায়নের সমার্থক বিভিন্ন বাগধারা যেমন চম্পট দেওয়া বা হাওয়া হওয়া পরীক্ষণে আসে। - এ ধরনের বাগধারাগুলোর আক্ষরিক অর্থ না ধরে প্রমিত ও রূপক অর্থ মুখস্থ রাখতে হবে।
a স্পর্ধা
b অকৃত্রিম
c নাড়ি নক্ষত্র
d দৃঢ়তা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নাড়ি নক্ষত্র ১. কেন সঠিক: হাড়হদ্দ বাগধারাটির অর্থ হলো কোনো কিছুর আদ্যোপান্ত, সবকিছু বা নাড়ি নক্ষত্র জানা। এর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা বিষয়ের গোপন তথ্যসহ সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয় সম্পূর্ণভাবে অবগত থাকাকে বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত পরিচিত বাগধারা, যা বিশেষ কোনো শব্দার্থের বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ নতুন ও রূপক অর্থ প্রকাশ করে। বাক্যে ব্যবহারের মাধ্যমে বাগধারাটি বক্তার গভীর জ্ঞান বা পরিচিতি ফুটিয়ে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরটিকে পুলিশ ধরার পর তার অপরাধের হাড়হদ্দ সব একে একে বলে দিল। ব্যাখ্যা: এখানে অপরাধীর সমস্ত গোপন ও লুকানো তথ্য প্রকাশ পাওয়ার অর্থে হাড়হদ্দ বা নাড়ি নক্ষত্র ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: নতুন বন্ধু হলেও সে আমার পরিবারের হাড়হদ্দ সব জানে। ব্যাখ্যা: এখানে পরিবারের প্রতিটি খুঁটিনাটি বিষয় সম্পর্কে সম্পূর্ণ জ্ঞান থাকাকে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্পর্ধা — এই অপশনটি ভুল কারণ স্পর্ধা শব্দের অর্থ সাহস বা ঔদ্ধত্য, যা হাড়হদ্দ বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) অকৃত্রিম — এই অপশনটি ভুল কারণ অকৃত্রিম অর্থ খাঁটি বা যা কৃত্রিম নয়, এটি ভিন্ন একটি ধারণা প্রকাশ করে। C) নাড়ি নক্ষত্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সমস্ত তথ্য জানা যা হাড়হদ্দ বাগধারার সমার্থক। D) দৃঢ়তা — এই অপশনটি ভুল কারণ দৃঢ়তা বলতে শক্ত বা অটল থাকাকে বোঝায়, যা আলোচ্য বাগধারার অর্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: হাড়ের ভেতর যেমন শরীরের সব তথ্য ও গঠন লুকিয়ে থাকে, তেমনি হাড়হদ্দ অর্থও কোনো বিষয়ের ভেতরকার সব খবর বা নাড়ি নক্ষত্র জেনেশোনা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার সঠিক অর্থ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ না ধরে এর রূপক বা প্রচলিত ভাবার্থ বুঝতে হবে। একই ভাবার্থের অন্য বাগধারোগুলো যেমন আদ্যোপান্ত বা তন্তুগত বিষয়গুলো ভালোভাবে অধ্যয়ন করতে হবে।
a খরস্রোত
b ধারালো বর্শা
c তীব্র গতি
d তীক্ষ্ণ গতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধারালো বর্শা ১. কেন সঠিক: - খরপরশা শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো ধারালো বর্শা বা তীক্ষ্ণ ফলাযুক্ত অস্ত্র। - এখানে খর শব্দের অর্থ তীক্ষ্ণ বা ধারালো এবং পরশা শব্দের অর্থ বর্শা বা অস্ত্র। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি শব্দার্থ বা এককথায় প্রকাশ সংক্রান্ত প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিভিন্ন প্রাচীন বা কাব্যিক শব্দের সঠিক অর্থ জানা না থাকলে এমন প্রশ্ন ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রথী ও মহারথীরা যুদ্ধের সময় নানা রকম অস্ত্র ব্যবহার করতেন যার মধ্যে খরপরশা অন্যতম। ব্যাখ্যা: প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় বাংলা কাব্যে বা ঐতিহাসিক উপন্যাসে অস্ত্রের নাম হিসেবে এই শব্দের ব্যবহার দেখা যায়। উদাহরণ ২: শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করতে তারা তীক্ষ্ণ অস্ত্র শানিয়ে রাখত। ব্যাখ্যা: শব্দের মূল অর্থ ও ভাবার্থ বোঝার জন্য এ ধরনের বাক্যে প্রয়োগ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খরস্রোত — এই অপশনটি ভুল কারণ খরস্রোত বলতে তীব্র বেগে ধাবিত জলপ্রবাহকে বোঝায়, কোনো অস্ত্রকে নয়। B) ধারালো বর্শা — এটি সঠিক উত্তর কারণ খরপরশা শব্দের আভিধানিক অর্থ ধারালো বর্শা। C) তীব্র গতি — এই অপশনটি ভুল কারণ তীব্র গতি বলতে খুব দ্রুত চলা বা বেগ বোঝায়, যা শব্দের আসল অর্থের সঙ্গে মিলে না। D) তীক্ষ্ণ গতি — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি গতির একটি অবস্থাকে নির্দেশ করে, কোনো বস্তু বা অস্ত্রের নাম বোঝায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - খর অর্থ ধারালো এবং পরশা অর্থ বর্শা, এভাবে দুটি অংশ আলাদা করে অর্থ মনে রাখতে পারো। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রাচীন বা কাব্যিক শব্দের অর্থ আলাদা করে নোট করে রাখা ভালো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এ ধরনের শব্দার্থভিত্তিক প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে শব্দের উপাদানগুলোর আলাদা অর্থ জানলে সঠিক উত্তর সহজে অনুমান করা যায়। - পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তিকর অপশন এড়াতে শব্দের মূল উৎস ও প্রচলিত ব্যবহার খেয়াল রাখতে হবে।
a যৌগিক বাক্য
b সরল বাক্য
c মিশ্র বাক্য
d জটিল বাক্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মিশ্র বাক্য ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক আশ্রিত বা অধীন খণ্ডবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হয়, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে। এখানে "যার ভিতরে ভয়" হলো অধীন খণ্ডবাক্য এবং "সেই বাইরে ভয় পায়" হলো প্রধান খণ্ডবাক্য যা আগের অংশের ওপর নির্ভরশীল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: গঠনভেদে বাংলা বাক্য প্রধানত তিন প্রকার যথা সরল বাক্য, জটিল বা মিশ্র বাক্য এবং যৌগিক বাক্য। জটিল বাক্যে সাধারণত যে-সে, যিনি-তিনি, যা-তা, যদি-তবে, যখন-তখন, যেখানে-সেখানে ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যিনি সৎ পথে চলেন, তিনি কখনো বিপদে পড়েন না। ব্যাখ্যা: এখানে 'যিনি' ও 'তিনি' সাপেক্ষ সর্বনাম যুক্ত হয়ে বাক্যটিকে মিশ্র বাক্যে পরিণত করেছে। উদাহরণ ২: যদি তুমি মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা কর, তবে পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করবে। ব্যাখ্যা: এখানে 'যদি' ও 'তবে' সাপেক্ষ অব্যয় ব্যবহার করে একটি খণ্ডবাক্যকে অন্যটির ওপর নির্ভরশীল করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যৌগিক বাক্য — যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্য এবং, কিন্তু, অথবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, যা এই বাক্যে নেই। B) সরল বাক্য — সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, কিন্তু এই বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য রয়েছে। C) মিশ্র বাক্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে সাপেক্ষ সর্বনামের সাহায্যে প্রধান ও অধীন খণ্ডবাক্যের সংযোগ ঘটেছে। D) জটিল বাক্য — জটিল বাক্য এবং মিশ্র বাক্য ব্যাকরণে একই বাক্যের দুটি ভিন্ন নাম, তাই এই অপশনটি প্রদত্ত উত্তরে সি এর সমার্থক হওয়ায় সি এবং ডি মূলত একই অর্থ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যের মধ্যে যদি-তবে, যিনি-তিনি, যা-তা বা যার-সেই জোড়া শব্দ দেখতে পেলে চোখ বন্ধ করে তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য চিহ্নিত করবে। সাপেক্ষ শব্দগুলোই হলো জটিল বা মিশ্র বাক্য চেনার সবচেয়ে সহজ সূত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য চিহ্নিতকরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। খণ্ডিত বাক্যগুলোর পারস্পরিক নির্ভরশীলতা বুঝতে পারলে যেকোনো জটিল বা মিশ্র বাক্য খুব সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।
a রোজনামচা
b ঝগড়া
c খসড়া
d নিয়তি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রোজনামচা ১. কেন সঠিক: - কড়চা শব্দের অর্থ দিনলিপি বা প্রতিদিনের ঘটনার হিসাব। - রোজনামচা শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে আগত যার অর্থ ডায়েরি বা দৈনিক ঘটনার বিবরণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যা ভিন্ন রূপের হলেও অর্থের দিক থেকে প্রায় একই বা সমার্থক ভাব প্রকাশ করে। - এই ধরনের শব্দভাণ্ডার মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের মূল অর্থ ও উৎস জানা থাকলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সহজে উত্তর করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিনলিপি ব্যাখ্যা: দিনলিপি শব্দের অর্থ প্রতিদিনের ঘাত-প্রতিঘাত ও ঘটনার বিবরণ যা কড়চা বা রোজনামচার সমার্থক। উদাহরণ ২: ডায়েরি ব্যাখ্যা: ডায়েরি হলো ইংরেজি শব্দ যার বাংলা প্রতিশব্দ হিসেবে রোজনামচা বা কড়চা ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোজনামচা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ কড়চা বা দিনলিপি। B) ঝগড়া — এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে যার অর্থ বিবাদ বা কলহ। C) খসড়া — এর অর্থ কোনো লেখার প্রাথমিক রূপ যা চূড়ান্ত বা পাকাপাকি নয়। D) নিয়তি — এর অর্থ ভাগ্য বা অদৃষ্ট যা কড়চা শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কড়চা মানে কাগুজে হিসাব বা প্রতিদিনের ঘটনা লেখা, আর রোজনামচা মানেও দৈনন্দিন কাজের খাতা। - দুটি শব্দই দৈনন্দিন জীবনের হিসাব বা দিনলিপি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ফারসি ও আরবি শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর করা সহজ হয়।
a শ্বাশত
b শ্বাশ্বত
c শাশত
d শাশ্বত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শাশ্বত ১. কেন সঠিক: - শাশ্বত বানানটিতে তালব্য শ-এর নিচে ব-ফলা এবং মূর্ধন্য ষ-এর সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত হয়েছে। - এই শব্দের মূল গঠন হলো শাশ্বত, যার অর্থ যা সর্বদা ছিল, আছে এবং থাকবে কিংবা নিত্য ও চিরন্তন। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী সংস্কৃত শব্দে ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব এবং ব-ফলার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হয়। - এই শব্দটিতে প্রথম বর্ণে তালব্য শ এবং দ্বিতীয় অংশে মূর্ধন্য ষ-এর সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এটি একটি শাশ্বত সত্য। ব্যাখ্যা: এখানে শাশ্বত শব্দটি চিরন্তন বা অবিনশ্বর সত্য বোঝাতে বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: মানুষের মনে ভালোবাসার টান শাশ্বত। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে মানুষের চিরন্তন অনুভূতির স্থায়ী রূপ প্রকাশ করতে শাশ্বত শব্দটির প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্বাশত — এই বানানে প্রথম বর্ণে শ-এর সঙ্গে ব-ফলা দেওয়া হয়েছে এবং দ্বিতীয় অংশে ব-ফলা বাদ দেওয়া হয়েছে, যা বানানটিকে ভুল করে তোলে। B) শ্বাশ্বত — এই বানানে প্রথম বর্ণে শ-এর সঙ্গে ভুলবশত ব-ফলা যুক্ত করা হয়েছে, অথচ প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী প্রথম বর্ণে কোনো ব-ফলা থাকে না। C) শাশত — এই বানানে দ্বিতীয় বর্ণে মূর্ধন্য ষ-এর সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব-ফলাটি ব্যবহার করা হয়নি, তাই এটি অশুদ্ধ। D) শাশ্বত — এটি শতভাগ প্রমিত ও সঠিক বানান কারণ এতে প্রথম বর্ণ শ এবং দ্বিতীয় বর্ণ ষ-এর সঙ্গে সঠিক নিয়মে ব-ফলা যুক্ত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার সহজ উপায় হলো প্রথম শ একা থাকবে এবং পরের ষ-এর সঙ্গে ব-ফলা বসবে। - অর্থাৎ শাশ্বত বানানে শেষের ষ-এ ব-ফলা থাকা আবশ্যক। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এমন শব্দ আসে যেখানে ব-ফলার অবস্থান নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়। - তাই সংস্কৃত থেকে আসা নিত্যবাচক শব্দগুলোর ক্ষেত্রে যুক্তবর্ণের সঠিক অবস্থান ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a বাগধারায় দোষ
b গুরুচণ্ডালী দোষ
c উপমার ভুল প্রয়োগ
d বাহুল্য দোষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপমার ভুল প্রয়োগ ১. কেন সঠিক: বাক্যে উপমা বা রূপকের প্রয়োগে সংগতি না থাকলে তাকে উপমার ভুল প্রয়োগ বা অলংকার দোষ বলা হয়। এখানে হৃদয়কে 'মন্দির' বলা হয়েছে, কিন্তু মন্দিরে বীজ 'উপ্ত হলো' অর্থাৎ বোনা হলো বলা সংগতিপূর্ণ নয়, কারণ বীজ বপন করা হয় জমিতে বা ক্ষেত্রে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যে শব্দের অর্থগত ও ভাবগত মিল থাকা আবশ্যক, অন্যথায় বাক্যে অলংকার বা প্রয়োগগত ত্রুটি ঘটে। উপমা বা রূপক অলংকার ব্যবহারের সময় তুলনার উপযুক্ততা রক্ষা না করলে বাক্যের সৌন্দর্য নষ্ট হয় এবং অর্থ অসংগত হয়ে দাঁড়ায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার মন জমিনে আশার বীজ বুনেছি। ব্যাখ্যা: মনকে জমি হিসেবে কল্পনা করায় বীজ বপন করা বা বোনা শব্দটি এখানে সম্পূর্ণ সংগত ও সঠিক হয়েছে। উদাহরণ ২: তার কণ্ঠের গান যেন ঝরনার ধারা। ব্যাখ্যা: কণ্ঠের গানকে ঝਰনার ধারার সঙ্গে তুলনা করায় উপমাটি সঠিক ও সুন্দর হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাগধারায় দোষ — এই বাক্যে কোনো নির্দিষ্ট বাগধারার ভুল প্রয়োগ ঘটেনি বরং সামগ্রিক পদের মিলের সমস্যা রয়েছে। B) গুরুচণ্ডালী দোষ — তৎসম ও তদ্ভব শব্দের একত্রে ব্যবহারের ফলে গুরুচণ্ডালী দোষ হয়, যা এখানে ঘটেনি। D) বাহুল্য দোষ — বাক্যে অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় শব্দের ব্যবহারকে বাহুল্য দোষ বলে, এখানে তা অনুপস্থিত। ৫ মনে রাখার টিপস: মন্দিরের সঙ্গে বীজ বপনের কোনো মিল নেই, জমি ও বীজের মিল আছে। তাই মন্দিরের জায়গায় জমি বা ক্ষেত্র না থাকলে উপমার ভুল প্রয়োগ ঘটে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যশুদ্ধি ও অলংকার প্রয়োগ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। শব্দের উপযুক্ততা ও ভাবগত সংগতি বিচার করে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
a অধিকরণ
b করণ
c অপাদান
d সম্বন্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সম্বন্ধ ১. কেন সঠিক: - বাক্যে কোনো পদের সঙ্গে অন্য পদের সম্পর্ক বা মালিকানা বোঝালে তাকে সম্বন্ধ পদ বলে। - এখানে 'ফুলের' পদের সঙ্গে 'গন্ধে' পদের সরাসরি সম্পর্ক বা উৎস বোঝানো হয়েছে, তাই এটি সম্বন্ধ পদ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়াপদের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক না থেকে অন্য পদের সঙ্গে যুক্ত হলে তাকে কারক বলা যায় না, তাই সম্বন্ধ পদ কারক নয়। - বিভক্তির ক্ষেত্রে শব্দের সঙ্গে র বা এর যুক্ত হয়ে সম্বন্ধ পদ গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজার আদেশ মান্য কর। ব্যাখ্যা: এখানে রাজার পদের সঙ্গে আদেশের সম্বন্ধ বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: আমার সোনার বাংলা। ব্যাখ্যা: এখানে আমার পদটি বাংলার সঙ্গে সম্বন্ধ স্থাপন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অধিকরণ — অধিকরণ কারক স্থান বা সময় নির্দেশ করে, যা এখানে নেই। B) করণ — করণ কারক দ্বারা বা মাধ্যম বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) অপাদান — অপাদান কারক থেকে, হতে বা ভয় বোঝায়, যা এখানে অনুপস্থিত। D) সম্বন্ধ — সঠিক উত্তর কারণ এটি দুটি পদের মধ্যে সম্পর্ক নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যে র বা এর বিভক্তিযুক্ত পদ দেখলে এবং তা যদি ক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত না হয়, তবে তা সাধারণত সম্বন্ধ পদ হয়। - কারক চেনার সময় দেখতে হবে ক্রিয়ার সঙ্গে পদের সরাসরি সম্পর্ক আছে কি না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সম্বন্ধ পদ বাক্যের ক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি অন্বিত হয় না বলে এটি ব্যাকরণে সরাসরি কারক হিসেবে গণ্য হয় না। - পরীক্ষার হলে কারক ও সম্বন্ধ পদের পার্থক্য বুঝতে ক্রিয়ার সঙ্গে পদের প্রশ্ন করার কৌশল প্রয়োগ করতে হবে।
a সরোবরে
b চশমা
c সরোজ
d চম্পক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সরোবরে ১. কেন সঠিক: বিভক্তি হলো এমন বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে পদ গঠন করে এবং বাক্যে শব্দের পারস্পরিক সম্পর্ক বোঝায়। সরোবরে শব্দটিতে সরোবর মূল শব্দের সাথে সপ্তমী বিভক্তির এ যুক্ত হয়ে সরোবরে পদটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দ বা প্রাতিপদিকের সাথে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে পদ গঠন করে তাকে বিভক্তি বলে। কারক বোঝাতে এবং বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করতে শব্দের সাথে বিভক্তি যুক্ত হয়। সপ্তমী বিভক্তির চিহ্ন হলো এ, য়, তে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে। ব্যাখ্যা: বন মূল শব্দের সাথে এ সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়ে বনে পদটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: গাছে ফল ধরেছে। ব্যাখ্যা: গাছ মূল শব্দের সাথে এ সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়ে গাছে পদটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরোবরে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে এ বিভক্তি যুক্ত আছে। B) চশমা — এটি একটি ফারসি শব্দ যা মৌলিক শব্দ, এর সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই। C) সরোজ — এটি একটি পদ যার অর্থ পদ্মফুল, এটি একটি মৌলিক শব্দ এবং এতে কোনো বিভক্তি নেই। D) চম্পক — এটি একটি তৎসম শব্দ বা ফুলের নাম, এর সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত করা হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে এ, য় বা তে দেখলে বুঝতে হবে সেখানে সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। সরোবর যোগ এ সমান সরোবরে, যা বিভক্তিযুক্ত শব্দের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক ও বিভক্তি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের সাথে অতিরিক্ত বর্ণ বা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যখন তা বাক্যে ব্যবহারের উপযোগী হয়, তখন তাকে বিভক্তিযুক্ত শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করতে হয়।
a কুড়ি
b তেরই
c দ্বাদশ
d তেসরা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কুড়ি ১. কেন সঠিক: - কুড়ি শব্দটি সংখ্যাবাচক শব্দের একটি বিশেষ শ্রেণি অর্থাৎ গণনাবাচক বা মূল সংখ্যাবাচক শব্দের অন্তর্ভুক্ত। - বাংলা ভাষায় নির্দিষ্ট কোনো বস্তুকে গণনা করার জন্য যে মূল সংখ্যা ব্যবহার করা হয়, তাকে গণনাবাচক শব্দ বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা সংখ্যাবাচক শব্দ মূলত চার প্রকার, যথা: গণনাবাচক, ক্রমবাচক, তারিখবাচক ও অংশবাচক। - কুড়ি হলো বিশ বা ২০ এর মূল গণনাবাচক রূপ, যা দিয়ে সরাসরি গণনা বোঝানো হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এক, দুই, তিন, চার ব্যাখ্যা: এগুলো হলো মৌলিক গণনাবাচক শব্দ, যা দিয়ে সরাসরি সংখ্যা গণনা করা হয়। উদাহরণ ২: দশ, পঞ্চাশ, একশত ব্যাখ্যা: এগুলোও গণনাবাচক শব্দের উদাহরণ, যা নির্দিষ্ট পরিমাণ বা সংখ্যা নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুড়ি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সরাসরি গণনাবাচক শব্দ। B) তেরই — এটি তারিখবাচক শব্দ, যা মাসের তেইশ তারিখ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) দ্বাদশ — এটি ক্রমবাচক বা পুরণবাচক শব্দ, যা দ্বাদশ বা বারোতম অবস্থান বোঝায়। D) তেসরা — এটি তারিখবাচক শব্দ, যা মাসের তিন তারিখ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মূল সংখ্যা বা গণনার নাম বুঝালে তা গণনাবাচক শব্দ হবে। - তারিখ বা ক্রম বুঝালে তা যথাক্রমে তারিখবাচক বা ক্রমবাচক শব্দ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সংখ্যাবাচক শব্দের প্রকারভেদ থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কোন শব্দ কোন শ্রেণির সংখ্যাবাচক, তা ভালোভাবে চেনার জন্য শব্দগুলোর অর্থ খেয়াল রাখতে হবে।
a তেপান্তর
b লেখালেখি
c জীবমৃত
d দোটানা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দোটানা ১. কেন সঠিক: - যে বহুব্রীহি সমাসের সমস্ত পদে আ, ই ইত্যাদি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পদটিকে বিশেষণে পরিণত করে, তাকে প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাস বলে। - দোটানা শব্দটি দুইটান আছে যাতে এই অর্থে গঠিত হয়েছে এবং এর শেষে আ প্রত্যয় যুক্ত আছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে বহুব্রীহি সমাসের সমস্ত পদের শেষে আ, ই ইত্যাদি প্রত্যয় যুক্ত হয় এবং সমস্ত পদটি বিশেষণ পদ হিসেবে কাজ করে, তাকে প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি বলে। - সমাসবদ্ধ হওয়ার পর শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পদের রূপ পরিবর্তন করে নতুন অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একরোখা ব্যাখ্যা: এক রোখ আছে যার এই অর্থে একরোখা শব্দটি গঠিত হয়েছে এবং এটি প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: হাতাহাতি ব্যাখ্যা: হাতে হাতে যে লড়াই এই অর্থে হাতাহাতি শব্দটি গঠিত হয়েছে এবং এটি প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাসের আরেকটি পরিচিত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তেপান্তর — এটি তিন প্রান্তের সমাহার অর্থে দ্বিগু সমাস। এর সঙ্গে প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাসের কোনো মিল নেই। B) লেখালেখি — এটি পরস্পর লেখা বোঝায় এবং এটি ব্যাতিহার বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। C) জীবমৃত — এটি যে জীব জীবিত থেকেও মৃত অর্থে কর্মধারয় সমাসের অন্তর্গত। D) দোটানা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশনের নিয়মে এটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বহুব্রীহি সমাসের শেষে যদি আ বা ই প্রত্যয় দেখতে পাও এবং শব্দটি কোনো অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য বোঝায়, তবে তা প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি হবে। - সমাসের নাম চেনার সময় শব্দের শেষাংশ ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি থেকে প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে একরোখা, হাতাহাতি এবং দোটানা শব্দগুলো বারবার পরীক্ষণে দেখা যায়।
a জলদ
b প্রবীণ
c সহৃদ
d দিগের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রবীণ ১. কেন সঠিক: - প্রবীণ শব্দটি রূঢ়ি শব্দের সঠিক উদাহরণ কারণ এর উৎপত্তিগত বা ব্যুৎপত্তিগত অর্থের চেয়ে প্রচলিত বা বিশেষ অর্থ বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। - প্রবীণ শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ প্রकृष्ट রূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি, কিন্তু বর্তমানে এটি দ্বারা কেবল অভিজ্ঞ বা বয়স্ক ব্যক্তিকে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দকে মূলত যৌগিক, রূঢ় বা রূঢ়ি এবং যোগরূঢ় এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যেসব শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, সেগুলোকে রূঢ়ি শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তৈল ব্যাখ্যা: তৈল শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ তিলের স্নেহজাতীয় পদার্থ হলেও বর্তমানে এটি যেকোনো ধরনের তেল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: হস্তী ব্যাখ্যা: হস্তী শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ যার হস্ত বা হাত আছে, কিন্তু এটি রূঢ় অর্থে কেবল হাতি প্রাণীকে বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জলদ — জলদ একটি যোগরূঢ় শব্দ কারণ এটি সমাসসাধিত হয়ে নির্দিষ্ট অর্থ মেঘকে বোঝায়। C) সহৃদ — সহৃদ কোনো প্রমিত রূঢ়ি শব্দ নয় এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে রূঢ়ির নিয়মে গঠিত শব্দ হিসেবে ধরা হয় না। D) দিগের — দিগের হলো শব্দের বহুবচনান্ত রূপ বা বিভক্তিযুক্ত পদ, যা রূঢ়ি শব্দের শ্রেণিভুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: রূঢ়ি শব্দগুলো মনে রাখার জন্য প্রবীণ, তৈল, হস্তী, বাশী, সন্দেশ এই কয়েকটি বহুল প্রচলিত শব্দ বারবার চর্চা করতে পারো। মনে রাখবে যে শব্দগুলোর উৎপত্তির অর্থ আর ব্যবহারের অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা হয়, সেগুলোই সাধারণত রূঢ়ি শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রূঢ়ি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে প্রবীণ, তৈল এবং হস্তী সবচেয়ে বেশি পরীক্ষণে দেখা যায়। যৌগিক, রূঢ় এবং যোগরূঢ় শব্দের সংজ্ঞা ও উদাহরণগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই অধ্যায়ের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর সহজেই করা সম্ভব।
a দুঃ+উহ
b দুঃ+রুহ
c দূও+উহ
d দূর+ইহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দুঃ+উহ ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুসারে বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম এখানে প্রযোজ্য হয়েছে। বিসর্গের পূর্বে অ বা আ ব্যতিরেকে অন্য কোনো স্বরধ্বনি এবং পরে উ বা ঊ থাকলে বিসর্গ লুপ্ত হয়ে তার আগের স্বরধ্বনি দীর্ঘ হয় এবং বিসর্গ স্থানে রেফ বা র আসে না, বরং বিসর্গের আগের ই বা উ কার দীর্ঘ হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে এটি বিসর্গ সন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যতিক্রমী নিয়ম। বিসর্গ (ঃ) এর পরে যদি স্বরধ্বনি থাকে, তবে অনেক সময় বিসর্গের স্থানে র বা রেফ যুক্ত হয়, যেমন নিঃ+আদার = নিরাদার। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে বিসর্গের পর উ থাকলে বিসর্গ লোপ পেয়ে এই পরিবর্তন সাধিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুঃ+উক = দূক ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির নিয়মে বিসর্গের আগের উ কার দীর্ঘ উ কারে রূপান্তরিত হয়েছে। উদাহরণ ২: নি+উহ = নিূহ ব্যাখ্যা: এটিও একই নিয়মে সাধিত বিসর্গ সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুঃ+উহ — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক এবং ব্যাকরণের নিয়ম মেনে গঠিত সন্ধি বিচ্ছেদ। B) দুঃ+রুহ — এটি সঠিক নয় কারণ এখানে রুহ শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, যা মূল শব্দ উহের সঙ্গে মেলে না। C) দূও+উহ — এটি ভুল কারণ দূও কোনো প্রমিত শব্দ বা উপসর্গ নয়। D) দূর+ইহ — এটি ভুল কারণ এখানে ই কার ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ মূল শব্দে উ কার রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে শব্দের বানান ও উচ্চারণ খেয়াল রাখতে হবে। দীর্ঘ স্বরধ্বনিযুক্ত সন্ধিগুলোর ক্ষেত্রে বিসর্গ তুলে দিয়ে পরবর্তী অংশ যোগ করার সময় প্রমিত নিয়ম মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের জটিল সন্ধি খুব সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
a স্বরসন্ধি
b ব্যঞ্জন সন্ধি
c বিসর্গ সন্ধি
d নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিসর্গ সন্ধি ১. কেন সঠিক: সন্ধি প্রধানত দুই প্রকার, বাংলা পদ ও তৎসম বা সংস্কৃত পদ। খাঁটি বাংলা শব্দে বিসর্গ সন্ধির কোনো নিয়ম বা প্রয়োগ নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে সন্ধি মূলত তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব এবং দেশি-বিদেশি শব্দে ব্যবহৃত হয়। বিসর্গ সন্ধি সম্পূর্ণভাবে সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে সাধিত হয়। খাঁটি বাংলা শব্দ বা তদ্ভব শব্দে বিসর্গের ব্যবহার না থাকায় সেখানে বিসর্গ সন্ধিও অনুপস্থিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহংকার = অহম + কার ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের সন্ধির উদাহরণ যেখানে বিসর্গ বা ব্যঞ্জনবর্ণের পরিবর্তন ঘটে। উদাহরণ ২: ধূলিকণা = ধূলি + কণা ব্যাখ্যা: এটি খাঁটি বাংলা শব্দের মিলন যেখানে কোনো সংস্কৃত ব্যাকরণ বা বিসর্গ সন্ধির নিয়ম কার্যকর হয়নি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরসন্ধি — বাংলা ভাষায় স্বরসন্ধির প্রচুর ব্যবহার রয়েছে যেমন বিদ্যালয়। তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) ব্যঞ্জন সন্ধি — খাঁটি বাংলা ও তৎসম উভয় শব্দেই ব্যঞ্জন সন্ধি সাধিত হয় যেমন পদ্ধতি। তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। D) নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি — এটিও বাংলা ও সংস্কৃত ব্যাকরণের একটি বিশেষ নিয়ম যা সন্ধির সাধারণ নিয়ম মানে না। তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বিসর্গ মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। তাই যে সন্ধিতে বিসর্গ থাকে তা কখনোই খাঁটি বাংলা সন্ধি হতে পারে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় কোন সন্ধিটি খাঁটি বাংলায় অনুপস্থিত। মনে রাখবে বিসর্গ সন্ধি কেবল তৎসম বা সংস্কৃত শব্দেই পাওয়া যায়।
a যৌগিক ধ্বনি
b দ্বিস্বর ধ্বনি
c মৌলিক স্বরধ্বনি
d ব্যঞ্জন ধ্বনি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মৌলিক স্বরধ্বনি ১. কেন সঠিক: 'আ' একটি মৌলিক স্বরধ্বনি কারণ একে উচ্চারণ করার সময় অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য নিতে হয় না এবং এটি এককভাবে উচ্চারিত হয়। বাংলা ভাষায় মোট মৌলিক স্বরধ্বনি রয়েছে সাতটি, যার মধ্যে 'আ' অন্যতম প্রধান একটি স্বরধ্বনি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব স্বরধ্বনি অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়া স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে, তাদের মৌলিক স্বরধ্বনি বলে। বাংলা ব্যাকরণে ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি যথা অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'ই' একটি মৌলিক স্বরধ্বনি। ব্যাখ্যা: এটি উচ্চারণ করার সময় অন্য কোনো স্বরধ্বনির মিশ্রণ ঘটে না এবং এটি এককভাবে উচ্চারিত হয়। উদাহরণ ২: 'উ' একটি মৌলিক স্বরধ্বনি। ব্যাখ্যা: এটিও স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে এবং এর মধ্যে কোনো দ্বিস্বর বা যৌগিক ধ্বনির উপস্থিতি নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যৌগিক ধ্বনি — যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বরধ্বনি হলো দুটি স্বরের একত্রে উচ্চারণ, কিন্তু 'আ' একটি একক ও মৌলিক স্বরধ্বনি। B) দ্বিস্বর ধ্বনি — দ্বিস্বর ধ্বনি বলতে মূলত বাংলা বর্ণমালার ঔ এবং ঐ-কে বোঝায়, যা 'আ'-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) ব্যঞ্জন ধ্বনি — ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের জন্য স্বরধ্বনির সাহায্যের প্রয়োজন হয়, কিন্তু 'আ' সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মৌলিক স্বরধ্বনি মোট সাতটি তা মনে রাখবে অ আ ই উ এ ও অ্যা এবং এর বাইরে যেসব স্বরবর্ণ রয়েছে তা মূলত যৌগিক স্বরধ্বনির অন্তর্ভুক্ত। পরীক্ষায় মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই সংখ্যাটি ভালোভাবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ এগারোটি হলেও মৌলিক স্বরধ্বনি বা সুরধ্বনি সংখ্যায় সাতটি। একই রকমভাবে যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ বা সান্ধ্যক্ষর হলো দুটি যথা ঐ এবং ঔ।
a নাটক
b ছোটগল্প
c প্রবন্ধ
d গীতিকবিতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গীতিকবিতা ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যে ভাব ও আবেগের প্রকাশে গীতিকবিতা সবচেয়ে বেশি সমৃদ্ধ এবং প্রাচীনতম ধারাগুলোর একটি। বৈষ্ণব পদাবলি থেকে শুরু করে আধুনিক কাল পর্যন্ত গীতিকবিতা বাংলা সাহিত্যকে ঋদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় করে তুলেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন পদাবলি সাহিত্য মূলত গান বা গীতিকবিতা হিসেবে রচিত হয়েছিল। মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য বা নাটকের চেয়ে আধুনিক যুগে এসে গীতিকবিতা ব্যক্তিগত আবেগ ও অনুভূতির প্রকাশে অনন্য উচ্চতা লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বলাকা’ কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা গীতিকবিতার ধারায় গতিশীলতা ও দার্শনিক চেতনার এক অনন্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতা। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও ওজস্বী গীতিকবিতা হিসেবে বিশ্বসাহিত্যে সমাদৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাটক — বাংলা সাহিত্যে নাটকের ধারা অন্যান্য ধারার তুলনায় তুলনামূলক কম সমৃদ্ধ এবং নাট্যকারের দিক থেকেও সীমিত। B) ছোটগল্প — ছোটগল্প বিশ্বমানের হলেও গীতিকবিতার মতো এর বিশাল ঐতিহ্য ও প্রাচীন শেকড় বাংলা সাহিত্যে নেই। C) প্রবন্ধ — প্রবন্ধ বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার অংশ হলেও তা সাহিত্যের আবেগপ্রধান সমৃদ্ধ ধারার আওতাভুক্ত নয়। D) গীতিকবিতা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে প্রাচীন, বেগবান ও সমৃদ্ধ ধারা। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন পদাবলি দিয়ে গীতিকবিতার শুরু, তাই আবেগ ও অনুভূতির এই ধারাটিই সবচেয়ে সমৃদ্ধ। পরীক্ষার হলে সাহিত্য ধারার সমৃদ্ধির কথা বললে প্রথম পছন্দ হবে গীতিকবিতা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন চর্যাপদ হলেও সাহিত্যিক ধারার সমৃদ্ধির বিচারে পদাবলি ও গীতিকাব্য ধারা অনেক বেশি সমৃদ্ধ। এই ধরনের প্রশ্নে সাহিত্যের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গভীরতা বিবেচনা করতে হয়।

মোট প্রশ্ন (25)

a Eradicate : get rid of
b Joy : sorrow
c Joy : slim
d Conservative : tradition
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Analogy / সমার্থক ও বিপরীতার্থক সম্পর্ক) সঠিক উত্তর: B) Joy : sorrow কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে 'Beautiful' এবং 'ugly' শব্দ দুটি একে অপরের বিপরীতার্থক বা Antonym হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। - প্রদত্ত সঠিক উত্তরের 'Joy' (আনন্দ) এবং 'sorrow' (দুঃখ) শব্দ দুটিও পরস্পর বিপরীতার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Eradicate : get rid of — এখানে দুটি শব্দই সমার্থক, কারণ দুটির অর্থ নির্মূল করা বা দূর করা। B) Joy : sorrow — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি বিপরীতার্থক শব্দ জোড়। C) Joy : slim — এখানে আনন্দের সাথে স্লিম বা চিকন হওয়ার কোনো যৌক্তিক বা অর্থপূর্ণ সম্পর্ক নেই। D) Conservative : tradition — কনজারভেটিভ মানুষ ঐতিহ্য মেনে চলে, এটি বিপরীতার্থক সম্পর্ক নয়। মনে রাখার টিপস: অ্যানালজি বা সাদৃশ্য নির্ণয়ের সময় মূল শব্দের সম্পর্কের ধরন (বিপরীতার্থক নাকি সমার্থক) আগে খেয়াল করবে।
a Rhythem
b Rhythm
c Rythem
d Rhethm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Rhythm কেন সঠিক: - ইংরেজি বানান রীতি অনুযায়ী শব্দটিতে প্রথমে Rhy এবং পরে thm যুক্ত হয়। - এটি এমন একটি শব্দ যাতে প্রচলিত কোনো স্বরবর্ণ যেমন a, e, i, o, u সরাসরি ব্যবহৃত হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rhythem — এখানে শেষে em ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে। B) Rhythm — এটি সঠিক বানান যার অর্থ ছন্দ বা তাল। C) Rythem — এর শুরুতে h বর্ণটি অনুপস্থিত রয়েছে। D) Rhethm — এখানে h এর পরে ভুল করে e ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: শব্দটির বানান মনে রাখতে Rhym এর সঙ্গে th যুক্ত করে Rhythm মনে রাখতে পারো।
a two things of nature
b two similar things
c two dissimilar things
d two criteria
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) two dissimilar things কেন সঠিক: - মেটাফোর বা রূপক হলো এমন একটি অলংকার, যেখানে দুটি ভিন্নধর্মী বা সাদৃশ্যহীন বস্তুর মধ্যে তুলনা করা হয়। - এটি সরাসরি তুলনা না করে একটি বস্তুকে অন্য আরেকটি ভিন্ন বস্তুর সঙ্গে তুলনা বা রূপক অর্থ প্রদান করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) two things of nature — প্রকৃতির দুটি জিনিসের তুলনা সবসময় মেটাফোর হয় না, এটি উপমার ক্ষেত্রে হতে পারে। B) two similar things — দুটি সাদৃশ্যপূর্ণ বা একই জাতীয় জিনিসের মধ্যে তুলনা হলে তাকে সিমিলি বা সাধারণ তুলনা বলা হয়, মেটাফোর নয়। C) two dissimilar things — এটি সঠিক কারণ মেটাফোর সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির দুটি জিনিসের মধ্যে তুলনা করে। D) two criteria — ক্রাইটেরিয়া বা দুটি মাপকাঠির মধ্যে তুলনা মেটাফোরের সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে না। মনে রাখার টিপস: মেটাফোর মানে ভিন্ন দুটি জিনিসের তুলনা, যেমন বলা যায় তিনি একজন সিংহ।
a 1000 years ago
b 1500 years ago
c 2000 years ago
d 3000 years ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 2000 years ago কেন সঠিক: - জুলিয়াস সিজার রোমের একজন বিখ্যাত সেনাপতি ও শাসক ছিলেন, যিনি খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দীতে অর্থাৎ প্রায় দুই হাজার বছর আগে জীবিত ছিলেন। - বর্তমান সময় থেকে হিসাব করলে তাঁর জন্মকাল ও শাসনকাল প্রায় দুই হাজার বছর আগের ইতিহাস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1000 years ago — এই সময়ে জুলিয়াস সিজারের রোম শাসন করার অনেক পরে মধ্যযুগের ইতিহাস শুরু হয়েছিল। B) 1500 years ago — এই সময়কালটি সিজারের মৃত্যুর বহু শতাব্দী পরের ইতিহাসকে নির্দেশ করে। C) 2000 years ago — এটি সঠিক উত্তর কারণ জুলিয়াস সিজার প্রায় দুই হাজার বছর আগে রোমের শাসক ছিলেন। D) 3000 years ago — এই সময়টি জুলিয়াস সিজারের জন্মের অনেক আগের প্রাচীন রোমান সভ্যতার সূচনা পর্বের কাছাকাছি। মনে রাখার টিপস: জুলিয়াস সিজারের সময়কাল মনে রাখতে সিজারের প্রাচীন ইতিহাস এবং খ্রিস্টপূর্ব অব্দ মাথায় রেখে প্রায় দুই হাজার বছর হিসাবটি মনে রাখতে হবে।
a Victorian
b Elizabethan
c Romantic
d Modern
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Victorian কেন সঠিক: - উপন্যাসটি বিখ্যাত ভিক্টোরিয়ান যুগের ঔপন্যাসিক চার্লস ডিকেন্সের লেখা এবং এটি ১৮৪৯ থেকে ১৮৫০ সালের মধ্যে প্রকাশিত হয়। - এই উপন্যাসের মাধ্যমে সেসময়ের সমাজব্যবস্থা, শিল্প বিপ্লবের প্রভাব এবং শিশুশ্রমের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Victorian — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ উপন্যাসটির রচয়িতা এবং লেখার সময়কাল ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্তর্ভুক্ত। B) Elizabethan — এটি ষোড়শ শতাব্দীর শেষভাগ ও সপ্তদশ শতাব্দীর শুরুর সময়কাল, যা এই উপন্যাসের রচনার অনেক আগের সময়। C) Romantic — এটি সাধারণত ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুর সময়কে বোঝায়, কিন্তু এই উপন্যাসটি রোমান্টিক যুগের আদর্শের পরিবর্তে ভিক্টোরিয়ান বাস্তবতাবাদের প্রতিনিধিত্ব করে। D) Modern — এটি বিংশ শতাব্দীর ঘটনা, যা চার্লস ডিকেন্সের এই বিখ্যাত উপন্যাস রচনার সময়কালের অনেক পরের কালপর্ব। মনে রাখার টিপস: চার্লস ডিকেন্স ভিক্টোরিয়ান যুগের সবচেয়ে জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক, তাই তাঁর বিখ্যাত রচনাগুলো যেমন ডেভিড কপারফিল্ড সাধারণত ভিক্টোরিয়ান যুগের উপন্যাস হয়।
a He came in the colour of a friend.
b He came in the guise of a friend.
c He came in the form of a friend.
d He came in the view of a friend.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) He came in the guise of a friend. কেন সঠিক: - বাংলায় কোনো বিশেষ ছদ্মবেশ বা কৃত্রিম রূপ ধারণ করে আসার ক্ষেত্রে ইংরেজি idioms হিসেবে in the guise of ব্যবহৃত হয়। - বন্ধুর বেশ বা ছদ্মবেশে আসার ভাব প্রকাশ করতে সঠিক preposition ও noun এর ব্যবহারে এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He came in the colour of a friend. — colour শব্দটি এখানে প্রেক্ষাপটের সঙ্গে মেলে না কারণ বেশ বা ছদ্মবেশ বোঝাতে colour ব্যবহার করা হয় না। B) He came in the guise of a friend. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর ব্যবহার ব্যাকরণগত ও ভাবগতভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল। C) He came in the form of a friend. — form হলো সাধারণ রূপ বা আকৃতি, যা মানুষের ছদ্মবেশ বা বেশ ধারণ করা বোঝাতে উপযুক্ত নয়। D) He came in the view of a friend. — view অর্থ দৃষ্টি বা মতামত, যা বন্ধুর বেশে আসার অর্থ প্রকাশ করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: ছদ্মবেশ বা রূপ ধারণ করে আসার ক্ষেত্রে সবসময় guise শব্দটি ব্যবহার করবে।
a cease
b exasperate
c soothe
d enthral
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) soothe কেন সঠিক: - 'Pacify' শব্দটির অর্থ শান্ত করা, প্রশমিত করা বা নিবৃত্ত করা। - 'Soothe' শব্দটির অর্থও শান্ত করা বা কাউকে আরাম দেওয়া, যা pacify শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) cease — এর অর্থ বন্ধ করা বা থামা, যা সরাসরি সমার্থক নয়। B) exasperate — এর অর্থ বিরক্ত করা বা ক্ষিপ্ত করা, যা pacify শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) soothe — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) enthral — এর অর্থ বিমোহিত করা বা মুগ্ধ করা, যা শান্ত করার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: PACIFY এবং SOOTHE দুটি শব্দই মন বা পরিস্থিতি ঠান্ডা করার অর্থে ব্যবহৃত হয়।
a adjective phrase
b verb phrase
c adverbial phrase
d preposition phrase
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) adverbial phrase কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'fast enough' অংশটি মূল verb 'moving'-কে নির্দেশ করছে এবং ক্রিয়াটি কীভাবে সম্পন্ন হচ্ছে তার মাত্রা বা অবস্থা বোঝাচ্ছে। - কোনো phrase বা শব্দগুচ্ছ যদি verb-কে বিশেষভাবে মডিফাই করে বা সময়, স্থান, কারণ কিংবা মাত্রা প্রকাশ করে, তবে তা adverbial phrase হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adjective phrase — এটি কোনো noun বা pronoun-কে মডিফাই করছে না, তাই এটি adjective phrase নয়। B) verb phrase — এখানে একাধিক verb বা auxiliary verb মিলে কোনো একটি একক verb-এর কাজ করছে না, তাই এটি verb phrase নয়। C) adverbial phrase — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি verb-এর কাজ করার ধরণ বা মাত্রা প্রকাশ করছে। D) preposition phrase — এই শব্দগুচ্ছটি কোনো preposition দিয়ে শুরু হয়ে noun বা pronoun-এর সঙ্গে শেষ হয়নি, তাই এটি preposition phrase নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের verb-কে কীভাবে, কোথায় বা কখন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় এবং তা যদি একাধিক শব্দের সমষ্টি হয়, তবে তা adverbial phrase হবে।
a adjective
b verb
c adverb
d noun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) noun কেন সঠিক: - Adverb মূলত Verb, Adjective এবং অন্য কোনো Adverb-কে modify বা বিশেষিত করে। - Noun বা Pronoun-কে কেবল Adjective বিশেষিত করে, তাই Adverb কখনো Noun-কে modify করে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adjective — এটি ভুল কারণ Adverb কোনো Adjective-এর দোষ, গুণ বা পরিমাণ প্রকাশ করতে পারে। B) verb — এটি ভুল কারণ Adverb কোনো Verb-এর কাজের সময়, স্থান বা ধরণ নির্দেশ করতে পারে। C) adverb — এটি ভুল কারণ একটি Adverb অন্য একটি Adverb-এর তীব্রতা বা মাত্রা বাড়াতে বা কমাতে পারে। D) noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ Noun-কে কেবল Adjective বিশেষিত করে, Adverb কখনোই করে না। মনে রাখার টিপস: Adverb কেবল Noun ও Pronoun বাদে বাকি সব Parts of Speech-কে modify করতে পারে।
a Incumbent
b Incumvent
c Incummbent
d Incummvent
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Incumbent কেন সঠিক: - বানানটির সঠিক রূপ হলো ইনকাম্বেন্ট বা Incumbent, যার অর্থ পদাধিকারী বা বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি। - ইংরেজি বানান নিয়মে এন অক্ষরের পর সি অক্ষর ব্যবহার করা হয় এবং শেষে এম ই এন টি যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Incumbent — এটি সঠিক বানান এবং প্রদত্ত উত্তর সঠিক। B) Incumvent — এই বানানে বি অক্ষরের পরিবর্তে ভি অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। C) Incummbent — এই বানানে অতিরিক্ত একটি এম অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে। D) Incummvent — এই বানানে অতিরিক্ত এম এবং ভুল ভি অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ইনকাম শব্দটির সাথে বেন্ট যুক্ত করে ইনকাম্বেন্ট বা Incumbent বানানটি সহজে মনে রাখা যায়।
a hostile
b friendly
c indifferent
d angry
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) friendly কেন সঠিক: - 'Inimical' শব্দটির অর্থ হলো শত্রুভাবাপন্ন, প্রতিকূল বা ক্ষতিকর। - এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'friendly', যার অর্থ বন্ধুত্বপূর্ণ বা সুহৃদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hostile — এটি 'inimical' শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ শত্রুভাবাপন্ন। B) friendly — এটি সঠিক উত্তর, যার অর্থ বন্ধুত্বপূর্ণ বা শত্রুতার বিপরীত। C) indifferent — এর অর্থ উদাসীন, যা শত্রুতার সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ নয়। D) angry — এর অর্থ রাগান্বিত, যা ভিন্ন একটি ভাব প্রকাশ করে এবং সঠিক বিপরীতার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: 'Inimical' শব্দের শুরুতে enemy শব্দের মতো শত্রুতার ভাব আছে, তাই এর বিপরীত হবে friendly বা বন্ধুত্বপূর্ণ।
a J.S. Mill
b Charles Dickens
c Francis Bacon
d W.H. Newman
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Francis Bacon কেন সঠিক: - ফ্রান্সিস বেকন ইংরেজি সাহিত্যে প্রাবন্ধিক হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত এবং তাকে ইংরেজি প্রাবন্ধের জনক বলা হয়। - তার বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ 'Essays' ইংরেজি সাহিত্যের গদ্য শাখায় অনন্য এক মাইলফলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) J.S. Mill — তিনি মূলত একজন বিখ্যাত দার্শনিক ও অর্থনীতিবিদ ছিলেন, প্রাবন্ধিক হিসেবে পরিচিত নন। B) Charles Dickens — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিশ্বখ্যাত ঔপন্যাসিক ও গল্পকার ছিলেন। D) W.H. Newman — এই নামে ইংরেজি সাহিত্যে কোনো প্রখ্যাত লেখক বা প্রাবন্ধিক নেই। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি প্রবন্ধের জনক মনে রাখতে বেকনের নাম সবার আগে স্মরণ রাখবে।
a traveler
b pedestrian
c rider
d omnipotent
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) pedestrian কেন সঠিক: - One who walks on foot বা পদচারী বোঝাতে pedestrian শব্দটি ব্যবহার করা হয়। - এটি এককথায় প্রকাশ বা Substitution সংক্রান্ত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি ভোকাবুলারি প্রশ্ন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) traveler — এই শব্দের অর্থ ভ্রমণকারী, যা যেকোনো মাধ্যমে ভ্রমণকারী ব্যক্তিকে বোঝায়। B) pedestrian — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ পায়ে হেঁটে চলা পথচারী। C) rider — এই শব্দের অর্থ আরোহী, যিনি সাধারণত ঘোড়া, সাইকেল বা মোটরসাইকেল চালান। D) omnipotent — এই শব্দের অর্থ সর্বশক্তিমান, যার সাথে পায়ে হাঁটার কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: Pedestrian শব্দের শুরুতে থাকা ped মূল শব্দটির অর্থ পা, যা দিয়ে পায়ে হাঁটা ব্যক্তিকে সহজে মনে রাখা যায়।
a Kingship
b King
c Kinghood
d Kingly
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Kingship কেন সঠিক: - King একটি Common Noun, যার সঙ্গে ship প্রত্যয় যুক্ত করে Abstract Noun গঠন করা হয়েছে। - Kingship শব্দটি রাজার পদ, রাজত্ব বা রাজকীয় অধিকারের মতো গুণ বা অবস্থাকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Kingship — সঠিক উত্তর কারণ এটি King শব্দের সঠিক Abstract Noun রূপ। B) King — এটি নিজেই একটি Common Noun, তাই এটি Abstract Noun হতে পারে না। C) Kinghood — এই শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে আদর্শ বা প্রমিত ইংরেজি ব্যাকরণে সাধারণত ব্যবহৃত হয় না। D) Kingly — এটি একটি Adjective, কারণ এর শেষে ly যুক্ত হয়ে গুণের বা বৈশিষ্ট্যের বিশেষণ বুঝায়। মনে রাখার টিপস: noun বা adjective-এর সঙ্গে ship প্রত্যয় যুক্ত করে abstract noun তৈরি করা হয়, যেমন friend থেকে friendship এবং king থেকে kingship।
a had finished
b finished
c would finish
d would have finished
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) had finished কেন সঠিক: - অতীতের দুটি ঘটনার মধ্যে যেটি তুলনামূলকভাবে আগে ঘটেছিল, তার ক্ষেত্রে Past Perfect Tense (had + V3) ব্যবহৃত হয়। - এখানে মাধ্যমিক পাস করার কাজটি আগে সম্পন্ন হয়েছে, তাই প্রধান clauses-এর আগে Past Perfect Tense বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had finished — প্রদত্ত বাক্যের সঠিক উত্তর কারণ এটি অতীতের আগের ঘটনা প্রকাশ করে। B) finished — সাধারণ Past Tense হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ দুটি কাজের ধারাবাহিকতা বোঝাতে আলাদা Tense দরকার। C) would finish — Future in the Past বা Conditional বাক্যে বসে, যা এই সাধারণ কালানুক্রমিক ঘটনার জন্য বেমানান। D) would have finished — Third Conditional-এর নিয়মে বসে, যা এই বাক্যের কাঠামোর সঙ্গে মিলছে না। মনে রাখার টিপস: অতীতকালের দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটে, তার সঙ্গে 'had + V3' এবং যেটি পরে ঘটে, তার সঙ্গে Simple Past Tense ব্যবহার করবে।
a of
b with
c to
d for
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to কেন সঠিক: - Adhere শব্দের পরে সঠিক preposition হিসেবে সবসময় to বসে, যার অর্থ লেগে থাকা বা মেনে চলা। - এখানে নীতি মেনে চলার ক্ষেত্রে adhere-এর সঙ্গে to যুক্ত হয়ে সঠিক অর্থ প্রকাশ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — Adhere শব্দের সঙ্গে of বসে না, তাই এটি ভুল। B) with — Adhere-এর সঙ্গে with বসে না, এটি অপ্রাসঙ্গিক। C) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) for — Adhere-এর পরে for ব্যবহার করলে ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী অর্থ অসম্পূর্ণ হয়। মনে রাখার টিপস: Adhere শব্দের আক্ষরিক ও অর্থগত মিলের জন্য সবসময় fix করে নিন যে এর পরে সবসময় to বসে।
a reserved
b selfish
c thoughtful
d rude
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) thoughtful কেন সঠিক: - Introspective শব্দের অর্থ অন্তর্মুখী বা আত্মবিশ্লেষণকারী, যা নিজের চিন্তা ও অনুভূতির গভীরে প্রবেশ করা বোঝায়। - Thoughtful শব্দের অর্থ চিন্তাশীল, যা একজন মানুষের আত্মমগ্ন ও গভীর মানসিক অবস্থাকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) reserved — এর অর্থ সংরক্ষিত বা স্বল্পভাষী, যা মানুষের অন্তর্মুখী স্বভাবের একটি দিক হলেও সরাসরি আত্মবিশ্লেষণ বা চিন্তাশীলতাকে বোঝায় না। B) selfish — এর অর্থ স্বার্থপর, যার সঙ্গে অন্যের কল্যাণ বা নিজের ভেতরের চিন্তা বা আত্মবিশ্লেষণের কোনো সম্পর্ক নেই। C) thoughtful — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) rude — এর অর্থ রুক্ষ বা ভদ্রতাহীন, যা মানুষের চিন্তাশীল বা আত্মবিশ্লেষণকারী স্বভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি আচরণ। মনে রাখার টিপস: Introspect শব্দটিতে Intro অর্থ ভেতরে এবং Spect অর্থ দেখা অর্থাৎ নিজের ভেতরে দেখা বা ভাবা, তাই এর সমার্থক শব্দ thoughtful বা চিন্তাশীল হবে।
a proprietriy
b proprietress
c proprietory
d proprietorship
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) proprietress কেন সঠিক: - proprietor শব্দটির অর্থ সম্পত্তির মালিক বা স্বত্বাধিকারী, যার স্ত্রীবাচক রূপ তৈরিতে শেষে ess প্রত্যয় যুক্ত হয়। - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী পুরুষবাচক noun-এর শেষে ess যোগ করে feminine gender গঠন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) proprietriy — এটি কোনো ব্যাকরণগতভাবে স্বীকৃত ইংরেজি শব্দ নয় এবং সঠিক feminine রূপ নয়। B) proprietress — এটি proprietor শব্দটির সঠিক feminine gender বা স্ত্রীবাচক রূপ। C) proprietory — এটি একটি বানানগত ত্রুটিযুক্ত শব্দ, যা মূলত proprietary শব্দের কাছাকাছি হলেও সঠিক নয়। D) proprietorship — এটি কোনো gender নয়, বরং এর অর্থ স্বত্বাধিকার বা মালিকানা ব্যবসায়ের রূপ। মনে রাখার টিপস: noun-এর শেষে ess যোগ করে feminine করার নিয়ম মনে রাখলে proprietor থেকে proprietress সহজে লেখা যায়।
a for
b of
c with
d to
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) of কেন সঠিক: - 'In the interest of' একটি স্থির প্রবাদ বা ফ্রেজ, যার অর্থ কোনো কিছুর স্বার্থে বা খাতিরে। - এখানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে বোঝাতে interest শব্দের পর preposition হিসেবে of ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — 'In the interest for' ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় কারণ interest শব্দের পর সাধারণত of বসে। B) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য এবং এটি নির্দিষ্ট ফ্রেজ গঠন করে। C) with — 'In the interest with' কোনো আদর্শ ইংরেজি ফ্রেজ নয় এবং এর অর্থ অসংগত। D) to — 'In the interest to' সঠিক প্রিপোজিশনাল ব্যবহার নয়, তাই এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো বিশেষ স্বার্থ বা ভালোর জন্য বোঝাতে 'In the interest of' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়, যেখানে interest-এর পরে সবসময় of বসে।
a in, on
b of, by
c by, with
d at, with
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) by, with কেন সঠিক: - আগুন বা কোনো উৎসের কাছাকাছি বসা বোঝাতে প্রিপ্রোজিশন হিসেবে by বসে। - কোনো ব্যক্তির সাথে বা কারও উপস্থিতিতে বোঝাতে with প্রিপোজিশন ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in, on — আগুন বা ব্যক্তির আগের শূন্যস্থানে এই প্রিপোজিশনগুলো বসে না, কারণ এগুলো যথাক্রমে ভেতরে এবং উপরে বোঝায়। B) of, by — প্রথম শূন্যস্থানে of বসে মালিকানা বা উৎস বোঝায়, যা এখানে বাক্যের অর্থের সাথে মানানসই নয়। C) by, with — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাক্যের অর্থ ও ব্যাকরণের সাথে সম্পূর্ণভাবে সঙ্গতিপূর্ণ। D) at, with — প্রথম শূন্যস্থানে at বসালে সুনির্দিষ্ট স্থান বোঝাত, যা আগুন বা উৎসের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: কাছে বোঝাতে by এবং সঙ্গী বোঝাতে with ব্যবহার করতে হয়।
a a noun
b a verb
c an adjective
d an adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a noun কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে will শব্দটি একটি প্রবাদের অংশ এবং এর পূর্বে definite article the বসেছে। - ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী article-এর পরে একটি মাত্র শব্দ থাকলে তা সাধারণত noun হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ the article-এর পরে বসে এটি এখানে একটি abstract noun হিসেবে ইচ্ছা বা সংকল্প বোঝাচ্ছে। B) a verb — verb হওয়ার জন্য বাক্যটিতে এটি কোনো কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিত, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) an adjective — adjective হতে হলে এটি কোনো noun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করত, যা এখানে করছে না। D) an adverb — adverb হতে হলে এটি কোনো verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-কে Modify করত, যা এখানে সত্য নয়। মনে রাখার টিপস: Article (a, an, the) কিংবা possessive pronoun-এর ঠিক পরেই যদি কোনো স্বাধীন শব্দ বসে, তবে সেটি চোখ বন্ধ করে noun হবে।
a China
b Indonesia
c Malaysia
d Philippines
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Philippines কেন সঠিক: - যেসব দেশের নামের আগে একাধিক দ্বীপপুঞ্জের সমষ্টি বা বহুবচন বোঝায়, তাদের নামের পূর্বে definite article 'The' বসে। - ফিলিপাইন একটি দ্বীপরাষ্ট্র এবং এর নামের শেষে 's' যুক্ত থাকায় এর পূর্বে 'The' ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) China — এটি একক ও অবিভক্ত একটি দেশ, তাই এর পূর্বে কোনো article বসে না। B) Indonesia — এটি দ্বীপরাষ্ট্র হলেও এর নামের শেষে বহুবচনসূচক 's' নেই, তাই এর পূর্বে 'The' বসে না। C) Malaysia — এটি একক ও অবিভক্ত একটি দেশ, তাই এর নামের পূর্বে কোনো article বসে না। D) Philippines — এটি একাধিক দ্বীপের সমষ্টি এবং বহুবচন হওয়ায় এর পূর্বে সঠিক নিয়মে 'The' বসে। মনে রাখার টিপস: যেসব দেশের নামের শেষে 's' বা 'es' থাকে এবং দ্বীপপুঞ্জ বোঝায়, সাধারণত তাদের নামের পূর্বে 'The' বসে যেমন The Philippines, The Maldives।
a a three-day
b a three-days
c three-days
d the three-days
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a three-day কেন সঠিক: - সংখ্যা ও noun মিলে Compound Adjective গঠিত হলে noun-টি সবসময় singular হয়। - visit একটি noun, যার পূর্বে Adjective হিসেবে three-day ব্যবহার করা সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a three-day — এটি সঠিক উত্তর। B) a three-days — Compound Adjective-এ noun-এর সাথে s বা es যুক্ত হয় না। C) three-days — এখানে আর্টিকেল 'a' অনুপস্থিত এবং days ভুলভাবে plural করা হয়েছে। D) the three-days — নির্দিষ্ট আর্টিকেল ব্যবহারের নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয় এবং days plural করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সংখ্যা ও noun (যেমন: three + day) মিলে যখন একটিমাত্র Adjective-এর কাজ করে, তখন মাঝের noun-টি সর্বদা একবচন বা singular হয়।
a I presented her a flower.
b I presented a flower for her.
c She was presented a flower by me.
d I presented her with a flower.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I presented her with a flower. কেন সঠিক: - Present verb-এর পর ব্যক্তিবাচক অবজেক্ট থাকলে সাধারণত with preposition ব্যবহৃত হয়। - বস্তুবাচক অবজেক্টের পূর্বে to বা with বসে, যার মধ্যে present somebody with something গঠনটি সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I presented her a flower. — সরাসরি দুটি অবজেক্ট পাশাপাশি বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) I presented a flower for her. — অর্থ ঠিক থাকলেও এটি সঠিক ইংরেজি idioms বা ব্যবহার নয়। C) She was presented a flower by me. — passive voice-এর এই গঠনে flower-এর আগে with preposition থাকা উচিত ছিল। D) I presented her with a flower. — এটি সঠিক কারণ present verb-এর সাথে with preposition বসে। মনে রাখার টিপস: Present কাউকে কোনো কিছু করার সময় Present somebody with something এই নিয়মটি মনে রাখবে।
a Nucleuses
b Nucleausy
c Nuclei
d Nucleis
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Nuclei কেন সঠিক: - ল্যাটিন ভাষার যেসকল শব্দের শেষে us থাকে, তাদের বহুবচন করতে সাধারণত us উঠিয়ে দিয়ে i যোগ করা হয়। - Nucleus শব্দটির শেষে us থাকায় এর বহুবচন রূপ হিসেবে Nuclei সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Nucleuses — এটি ইংরেজি নিয়মে গঠিত বহুবচন যা ল্যাটিন উৎসের শব্দের ক্ষেত্রে সাধারণত ব্যাকরণগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। B) Nucleausy — এটি একটি বানানগতভাবে ভুল শব্দ এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। C) Nuclei — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ল্যাটিন নিয়মে গঠিত সঠিক বহুবচন রূপ। D) Nucleis — এটি ভুল বানান এবং এমন কোনো নিয়মে ইংরেজি বা ল্যাটিন বহুবচন গঠিত হয় না। মনে রাখার টিপস: ল্যাটিন শব্দে us থাকলে তা পরিবর্তন করে i বসালে সঠিক বহুবচন পাওয়া যায়, যেমন Nucleus থেকে Nuclei।

মোট প্রশ্ন (15)

a সরল কোণ
b প্রবৃদ্ধ কোণ
c সূক্ষ্মকোণ
d সমকোণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সমকোণ প্রদত্ত তথ্য: একই রেখার উপর দুটি সন্নিহিত কোণ অবস্থিত কোণ দুটি পরস্পরের সমান ধরি, প্রথম সন্নিহিত কোণটি = ক ডিগ্রি দ্বিতীয় সন্নিহিত কোণটি = ক ডিগ্রি অতএব, কোণ দুটি একই রেখার উপর অবস্থিত হওয়ায় তাদের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি শর্তানুসারে, ক + ক = ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, ২ × ক = ১৮০ ডিগ্রি ক = ১৮০ ডিগ্রি ÷ ২ = ৯০ ডিগ্রি উত্তর: ৯০ ডিগ্রি বা সমকোণ
a আয়ত
b রম্বস
c ট্রাপিজিয়াম
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আয়ত প্রদত্ত তথ্য: সামান্তরিকের একটি কোণ সমকোণ ধরি, সামান্তরিকের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল সামান্তরিকের একটি কোণ নব্বই ডিগ্রি অতএব, সামান্তরিকের অপর কোণগুলোও এক সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রি হয় প্রতিটি কোণ সমকোণ হওয়ায় এটি বিশেষ আকৃতি ধারণ করে সুতরাং, যে সামান্তরিকের প্রতিটি কোণ সমকোণ তাকে আয়ত বলে উত্তর: আয়ত
a পরিধি/ব্যাসার্ধ
b ব্যাস/ব্যাসার্ধ
c পরিধি/জ্যা
d পরিধি/ব্যাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পরিধি/ব্যাস প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের সম্পর্ক পাই একটি ধ্রুবক সংখ্যা ধরি, বৃত্তের পরিধি = পরিধি বৃত্তের ব্যাস = ব্যাস অতএব, পাই এর সংজ্ঞা অনুযায়ী পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত লেখা যায় সুতরাং, π = পরিধি ÷ ব্যা্যাস উত্তর: পরিধি/ব্যাস
a ১২০০০
b ২৪০০০
c ৪৮০০০
d ২১৬০০০
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪০০০ প্রদত্ত তথ্য: শেডের পরিমাপ = ৫০ × ৪৮ বর্গফুট শেডের ক্ষেত্রফল = ৫০ × ৪৮ = ২৪০০ বর্গফুট ধরি, আয়তাকার জমির মোট ক্ষেত্রফল = ক বর্গফুট জমির ১০% জায়গা ঢাকা আছে শেড দ্বারা অতএব, জমির মোট ক্ষেত্রফলের ১০% = শেডের ক্ষেত্রফল ক এর ১০% = ২৪০০ সুতরাং, ক × (১০ ÷ ১০০) = ২৪০০ ক = ২৪০০ × (১০০ ÷ ১০) = ২৪০০০ উত্তর: ২৪০০০ বর্গফুট
a ১৪
b ৪২
c ১২০
d ১১০
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪২ প্রদত্ত তথ্য: প্রতি কেজি মিষ্টির দাম = ৩৫০ টাকা মিষ্টির পরিমাণ = ৩ কেজি ভ্যাটের হার = ৪ শতাংশ ধরি, মিষ্টির মোট ক্রয়মূল্য = ৩৫০ × ৩ = ১০৫০ টাকা অতএব, ১০০ টাকায় ভ্যাট দিতে হয় = ৪ টাকা ১ টাকায় ভ্যাট দিতে হয় = ৪ ÷ ১০০ টাকা সুতরাং, ১০৫০ টাকায় ভ্যাট দিতে হয় = (৪ × ১০৫০) ÷ ১০০ = ৪২ টাকা উত্তর: ৪২ টাকা
a অমূলদ
b মূলদ
c জটিল
d পূর্ণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অমূলদ প্রدত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো রুট তিন ধরি, সংখ্যাটি একটি সাধারণ ভগ্নাংশ পি বাই কিউ আকারে প্রকাশ করা সম্ভব অতএব, উভয় পক্ষকে বর্গ করলে পূর্ণবর্গ সংখ্যা পাওয়া যায় না সুতরাং, এটি একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা নয় এবং এর দশমিক বিস্তার অসীম ও অনাবৃত্ত উত্তর: অমূলদ সংখ্যা
a ৪৭/১০০০
b ৪৭/১০
c ৪০/৯৯
d ৪৭/১০০
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪৭/১০০ প্রدত্ত তথ্য: দশমিক সংখ্যা = ০.৪৭ সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করতে হবে ধরি, সংখ্যাটি = ০.৪৭ অতএব, দশমিক বিন্দুর জন্য হরে একটি ১ এবং দুটি অঙ্কের জন্য দুটি ০ হবে সংখ্যাটি লেখা যায় ৪৭ ÷ ১০০ রূপে সুতরাং, ভগ্নাংশটি লঘুিষ্ঠ আকারে প্রকাশ করা যায় না উত্তর: ৪৭/১০০
a {1,2,6}
b {∅}
c {1,2,6,∅}
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১,২,৬ প্রদত্ত তথ্য: সেট এ এর উপাদান = ১,২,৬ সেট বি এর উপাদান = শূন্য সেট বা ফাঁকা সেট ধরি, এ সেট = ১,২,৬ বি সেট = ফাঁকা সেট অতএব, সংযোগ সেট নির্ণয় করতে হবে এ এবং বি এর সকল উপাদান একত্রিত করতে হবে সুতরাং, ১,২,৬ এর সাথে ফাঁকা সেট যোগ করলে ১,২,৬ ই পাওয়া যায় উত্তর: ১,২,৬
a 75
b 25
c 625
d 3125
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬২৫ প্রদত্ত তথ্য: অনুক্রমটি হলো ১, ৫, ২৫, ... ধরি, প্রথম পদ = ১ দ্বিতীয় পদ = ৫ তৃতীয় পদ = ২৫ অতএব, দ্বিতীয় পদকে প্রথম পদ দ্বারা ভাগ করে পাই, ৫ ÷ ১ = ৫ তৃতীয় পদকে দ্বিতীয় পদ দ্বারা ভাগ করে পাই, ২৫ ÷ ৫ = ৫ প্রতিটি পদ তার পূর্ববর্তী পদের পাঁচ গুণ সুতরাং, চতুর্থ পদ হবে ২৫ × ৫ = ১২৫ পঞ্চম পদ হবে ১২৫ × ৫ = ৬২৫ উত্তর: ৬২৫
a ৫/২৬
b ২১/২৬
c ২৬/৫
d ২৬/২১
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২১/২৬ প্রদত্ত তথ্য: ইংরেজি বর্ণমালায় মোট অক্ষর আছে ২৬টি স্বরবর্ণের সংখ্যা ৫টি ধরি, মোট অক্ষরের সেট = ২৬ স্বরবর্ণের সেট = ৫ অতএব, ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা = ২৬ − ৫ = ২১ সুতরাং, ব্যঞ্জনবর্ণ পাওয়ার অনুকূল ফলাফল = ২১ মোট সম্ভাব্য ফলাফল = ২৬ উত্তর: ২১ ÷ ২৬
a (2x - 3)(x + 1)
b (2x - 3)(x - 1)
c (2x + 3)(x + 1)
d (2x + 3)(x - 1)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (২x − ৩)(x + ১) প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ২x² − x − ৩ ধরি, রাশিটির মধ্যপদ ভেঙে উৎপাদক করতে হবে এখানে প্রথম পদ ও ধ্রুবকের গুণফল = ২ × (−৩) = −৬ এবং মাঝের পদটি হলো −১x অতএব, মধ্যপদ −x কে এমন দুটি অংশে ভাগ করতে হবে যেন তাদের গুণফল −৬x² হয় আর যোগফল −x হয় সেই অংশ দুটি হলো −৩x এবং +২x সুতরাং, রাশিটি হয় ২x² − ৩x + ২x − ৩ কমন নিলে পাই x(২x − ৩) + ১(২x − ৩) উত্তর: (২x − ৩)(x + ১)
a ৯
b ৬
c ১২
d ১৮
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ প্রদত্ত তথ্য: বর্ণ তিনটি হলো এক্স, ওয়াই এবং জেড বর্ণগুলোর মোট সংখ্যা ৩ টি ধরি, প্রথম স্থানে বসানোর জন্য বর্ণ আছে ৩ টি দ্বিতীয় স্থানে বসানোর জন্য বর্ণ আছে ২ টি তৃতীয় স্থানে বসানোর জন্য বর্ণ আছে ১ টি অতএব, প্রথম স্থান পূরণের উপায় = ৩ দ্বিতীয় স্থান পূরণের উপায় = ২ তৃতীয় স্থান পূরণের উপায় = ১ সুতরাং, মোট বিন্যাস সংখ্যা = ৩ × ২ × ১ = ৬ উত্তর: ৬
a ৩৩৮
b ৫০৭
c ২৮৫৬১
d ২১৯৭
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২১৯৭ প্রদত্ত তথ্য: মূল সংখ্যাটি হলো (√১৬৯) এর ওপর ঘন বা কিউব ধরি, প্রথমে ভেতরের বর্গমূলের কাজটি করতে হবে অতএব, ১৬৯ এর বর্গমূল হলো ১৩ সুতরাং, এখন ১৩ এর কিউব বা ঘন নির্ণয় করতে হবে উত্তর: ১৩ × ১৩ × ১৩ = ২১৯৭
a ০.০১
b ০.০০০১
c ০.০০১
d ০.০০০০১
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.০০০১ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি = ০.০০২ নির্ণয় করতে হবে = ০.০০২ এর ৫% ধরি, ৫% কে সাধারণ ভগ্নাংশ বা দশমিকে রূপান্তর করতে হবে ৫% = ৫ ÷ ১০০ = ০.০৫ অতএব, ০.০০২ এবং ০.০৫ গুণ করতে হবে ০.০০২ × ০.০৫ সুতরাং, দশমিকের পর মোট পাঁচটি ঘর হবে ০.০০২ × ০.০৫ = ০.০০০০১ উত্তর: ০.০০০১
a ১ : ৩
b ৩ : ১
c ১ : ৪
d ৪ : ১
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ : ৩ প্রদত্ত তথ্য: ভাইয়ের বয়স ৮ মাস বোনের বয়স ২ বছর ধরি, বোনের বয়সকে মাসে রূপান্তর করতে হবে আমরা জানি, ১ বছর = ১২ মাস অতএব, বোনের বয়স = ২ × ১২ মাস = ২৪ মাস ভাইয়ের বয়স = ৮ মাস ভাই ও বোনের বয়সের অনুপাত = ৮ : ২৪ সুতরাং, উভয় সংখ্যাকে ৮ দ্বারা ভাগ করে পাই ৮ ÷ ৮ : ২৪ ÷ ৮ = ১ : ৩ উত্তর: ১ : ৩

মোট প্রশ্ন (4)

a সিন্ধু সভ্যতা
b মিশরীয় সভ্যতা
c মেসোপটেমিয় সভ্যতা
d ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেসোপটেমিয় সভ্যতা কেন সঠিক: - দজলা (টাইগ্রিস) ও ফোরাত (ইউফ্রেটিস) নদীর মধ্যবর্তী উর্বর উপত্যকায় প্রাচীন মেসোপটেমিয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। - বর্তমান ইরাক ও কুয়েত অঞ্চল জুড়েই মূলত এই প্রাচীন সভ্যতা বিকশিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিন্ধু সভ্যতা — এটি সিন্ধু নদের অববাহিকায় বর্তমান পাকিস্তান ও ভারতের পশ্চিমাঞ্চলে গড়ে উঠেছিল। B) মিশরীয় সভ্যতা — এটি নীল নদের অববাহিকায় প্রাচীন মিশরে গড়ে উঠেছিল, দজলা ও ফোরাত নদীর অববাহিকায় নয়। C) মেসোপটেমিয় সভ্যতা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। D) ব্যাবিলনীয় সভ্যতা — এটি মেসোপটেমিয় সভ্যতার একটি অংশ বা পরবর্তী ধাপ, যা সামগ্রিকভাবে দজলা ও ফোরাত অববাহিকার সভ্যতা হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: মেসো অর্থ মধ্য এবং পটেমিয়া অর্থ নদী, অর্থাৎ দুই নদীর (দজলা ও ফোরাত) মধ্যবর্তী উর্বর ভূমিই মেসোপটেমিয়া।
a লিখন পদ্ধতি
b সামরিক পোশাক
c সৈন্য সমাবেশ
d জ্যামিতিক নকশা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লিখন পদ্ধতি কেন সঠিক: - কিউনিফর্ম হলো প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার সুমেরীয়দের উদ্ভাবিত বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন লিখন পদ্ধতি। - ভেজা মাটির ফলকের ওপর নলখাগড়ার قلم বা স্টাইলাস দিয়ে কীলকাকৃতি বা পেরেক সদৃশ দাগ কেটে এই লিপি লেখা হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিখন পদ্ধতি — এটি সঠিক কারণ কিউনিফর্ম প্রাচীনকালে মেসোপটেমিয়ায় ব্যবহৃত একটি বিখ্যাত কীলকাকার লিপি বা লেখার মাধ্যম। B) সামরিক পোশাক — এটি ভুল কারণ কিউনিফর্ম কোনো পোশাক বা পরিধেয় নয়, এটি লেখার কাজে ব্যবহৃত প্রাচীন পদ্ধতি। C) সৈন্য সমাবেশ — এটি ভুল কারণ এই শব্দ দ্বারা কোনো সামরিক বাহিনী বা সৈন্যের জমায়েত বোঝায় না। D) জ্যামিতিক নকশা — এটি ভুল কারণ কিউনিফর্ম কোনো আলংকারিক বা জ্যামিতিক শিল্পকর্ম নয়, এটি ভাব প্রকাশের লিপি। মনে রাখার টিপস: কিউনিফর্ম মানে কীলকাকার লিপি, যা মাটির ফলকে লিখে মেসোপটেমিয়ার সভ্যতায় যোগাযোগ রক্ষা করা হতো।
a ফিল্ড মার্শাল টিটো
b লেনিন
c আলেকজান্ডার দি গ্রেট
d ফিল্ড মার্শাল রোমেল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফিল্ড মার্শাল রোমেল কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় উত্তর আফ্রিকায় জার্মান বাহিনীর অসাধারণ নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য জার্মান সেনাপতি এরউইন রোমেলকে মরুভূমির শিয়াল বা ডেজার্ট ফক্স উপাধিতে ভূষিত করা হয়। - তাঁর ক্ষিপ্র গতি ও রণকৌশল মরুযুদ্ধের ইতিহাসে বিখ্যাত হয়ে আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফিল্ড মার্শাল টিটো — তিনি যুগোস্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট ও সামরিক নেতা ছিলেন, মরুযুদ্ধের সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। B) লেনিন — তিনি রুশ বিপ্লবের মহান নেতা ও সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন, কোনো সামরিক উপাধিধারী সেনাপতি ছিলেন না। C) আলেকজান্ডার দি গ্রেট — তিনি ম্যাসিডনের বিখ্যাত গ্রিক বীর ও বিশ্বজয়ী রাজা ছিলেন, তাঁকে ডেজার্ট ফক্স বলা হয় না। D) ফিল্ড মার্শাল রোমেল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: রোমান্টিক বা রোমেল নামের সঙ্গে মরুভূমি বা ফক্স শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে রোমেল মানেই ডেজার্ট ফক্স।
a মজুরি তত্ত্ব
b বাণিজ্য তত্ত্ব
c কল্যাণ অর্থনীতি
d উন্নয়ন অর্থনীতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কল্যাণ অর্থনীতি কেন সঠিক: - অমর্ত্য সেন বাজার অর্থনীতির কুফল ও দারিদ্র্যের মানবিক মুখ উন্মোচন করে মানুষের কল্যাণের ওপর জোর দিয়েছেন। - দারিদ্র্য ও দুর্ভিক্ষের কারণ বিশ্লেষণ এবং সামাজিক পছন্দের তত্ত্বের জন্য তাকে ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মজুরি তত্ত্ব — এটি শ্রমবাজার ও মজুরি নির্ধারণের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও সেনের নোবেল প্রাপ্তির মূল ক্ষেত্র এটি ছিল না। B) বাণিজ্য তত্ত্ব — আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও শুল্ক নীতি নিয়ে কাজ করলেও এটি তার নোবেল বিজয়ের প্রধান স্বীকৃতি নয়। C) কল্যাণ অর্থনীতি — এই ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্যই তিনি সুইডিশ রয়্যাল একাডেমি থেকে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। D) উন্নয়ন অর্থনীতি — তিনি উন্নয়ন অর্থনীতি নিয়ে কাজ করলেও তার নোবেল প্রাপ্তির আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ছিল কল্যাণ অর্থনীতির শাখা। মনে রাখার টিপস: সেন মানেই মানবকল্যাণ, মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করতে তিনি অর্থনীতিতে নোবেল পেয়েছেন।

মোট প্রশ্ন (9)

a পানি
b মধু
c তেল
d পারদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পারদ ১. কেন সঠিক: - পারদ একটি ব্যতিক্রমী ধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে এবং এর ঘনত্ব অন্যান্য সাধারণ তরলের তুলনায় অনেক বেশি। - এর উচ্চ পারমাণবিক ভর এবং পরমাণুগুলোর অত্যন্ত ঘন সন্নিবেশের কারণে এর ঘনত্ব প্রায় ১৩ দশমিক ৬ গ্রাম প্রতি ঘনসেন্টিমিটার হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ঘনত্ব হলো একক আয়তনে কোনো পদার্থের ভরের পরিমাণ, যা পদার্থ কতটুকু ভারী তা নির্দেশ করে। - কার্যপ্রণালি: পারদের পরমাণুর নিউক্লিয়াস অত্যন্ত ভারী এবং ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসকে শক্তভাবে আটকে রাখে বলে এটি অত্যন্ত ঘন হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: উচ্চ ঘনত্বের কারণে পারদ থার্মোমিটার, ব্যোমামিটার এবং রক্তচাপ মাপার যন্ত্রে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পারদে লোহা ভাসানো ব্যাখ্যা: লোহার ঘনত্ব প্রায় ৭ দশমিক ৮ গ্রাম প্রতি ঘনসেন্টিমিটার হওয়ায় এবং পারদের ঘনত্ব তার চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় লোহার টুকরো পারদের ওপর ভেসে থাকে। উদাহরণ ২: থার্মোমিটারে পারদের ব্যবহার ব্যাখ্যা: পারদ কাঁচের গায়ে লেগে থাকে না এবং তাপ পেলে দ্রুত সমভাবে প্রসারিত হয় বলে তাপমাত্রা নির্ভুলভাবে মাপা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পানি — পানির ঘনত্ব এক গ্রাম প্রতি ঘনসেন্টিমিটার, যা পারদের তুলনায় অনেক কম। B) মধু — মধুর ঘনত্ব পানির চেয়ে কিছুটা বেশি হলেও তা পারদের ঘনত্বের কাছাকাছিও নয়। C) তেল — তেলের ঘনত্ব পানির চেয়েও কম, তাই তেল পানির ওপর ভাসে এবং পারদের তুলনায় এটি অত্যন্ত হালকা। D) পারদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর ঘনত্ব সব তরলের মধ্যে সর্বাপেক্ষা বেশি। ৫. মনে রাখার টিপস: - পারদের প্রতীক এইচজি এবং এটি একমাত্র তরল ধাতু যার ঘনত্ব লোহার চেয়েও বেশি। - ঘনত্ব বেশি মানে প্রতি একক আয়তনে ভর বেশি, তাই একই আয়তনের পাত্রে পারদ সবচেয়ে ভারী হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাধারণ তাপমাত্রায় তরল ধাতু হলো পারদ এবং তরল অধাতু হলো ব্রোমিন। - পারদের ঘনত্ব পানির তুলনায় প্রায় তেরো দশমিক ছয় গুণ বেশি।
a মিশ্রণ দ্রবণ
b ক্ষারীয় দ্রবণ
c অম্লীয় দ্রবণ
d বাফার দ্রবণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাফার দ্রবণ ১. কেন সঠিক: যে দ্রবণ সামান্য পরিমাণ অ্যাসিড বা ক্ষার যোগ করার পরেও তার pH এর মান অপরিবর্তিত বা প্রায় স্থির রাখে, তাকে বাফার দ্রবণ বলে। এটি দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়ন বা হাইড্রোক্সাইড আয়নের অতিরিক্ত পরিবর্তন রোধ করে রাসায়নিক ভারসাম্য বজায় রাখে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বাফার দ্রবণ সাধারণত দুর্বল অ্যাসিড ও তার সবল ক্ষারীয় লবণের মিশ্রণ অথবা দুর্বল ক্ষার ও তার সবল অ্যাসিডীয় লবণের মিশ্রণ দ্বারা প্রস্তুত করা হয়। কার্যপ্রণালি: এই দ্রবণে কোনো বাইরে থেকে অ্যাসিড বা ক্ষার যোগ করলে বাফারের উপাদানগুলো সেই অতিরিক্ত আয়নগুলোকে প্রশমিত করে ফেলে, ফলে pH এর মানে কোনো পরিবর্তন হয় না। বাস্তব প্রয়োগ: মানবদেহের রক্ত একটি প্রাকৃতিক বাফার দ্রবণ, যা রক্তের pH সাত দশমিক চার এ স্থির রাখতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানবদেহের রক্ত ব্যাখ্যা: আমাদের রক্তের পিএইচ মান সবসময় সাত দশমিক চার এর কাছাকাছি থাকে কারণ এতে কার্বনিক অ্যাসিড এবং বাইকার্বনেট আয়নের একটি প্রাকৃতিক বাফার ব্যবস্থা কাজ করে। উদাহরণ ২: ইথানয়িক অ্যাসিড ও সোডিয়াম ইথানয়েডের মিশ্রণ ব্যাখ্যা: এটি একটি পরীক্ষাগারে প্রস্তুত অ্যাসিডীয় বাফার দ্রবণ যা শিল্প কারখানায় পিএইচ নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশ্রণ দ্রবণ — একাধিক পদার্থ একত্রিত হলে মিশ্রণ তৈরি হয়, তবে তা নির্দিষ্টভাবে পিএইচ স্থির রাখার ক্ষমতা রাখে না। B) ক্ষারীয় দ্রবণ — যে দ্রবণে হাইড্রোক্সাইড আয়নের মাত্রা বেশি থাকে এবং পিএইচ এর মান সাতের বেশি হয়, তাকে ক্ষারীয় দ্রবণ বলে। C) অম্লীয় দ্রবণ — যে দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়নের মাত্রা বেশি থাকে এবং পিএইচ এর মান সাতের কম হয়, তাকে অম্লীয় দ্রবণ বলে। D) বাফার দ্রবণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বিশেষ দ্রবণটিই সামান্য অ্যাসিড বা ক্ষার যোগ করার পরেও পিএইচ এর মান স্থির রাখতে সক্ষম। ৫. মনে রাখার টিপস: বাফার শব্দের অর্থ হলো আঘাত শোষণকারী। ঠিক যেমন শকের হাত থেকে বাঁচতে শক absorber কাজ করে, তেমনি পিএইচ এর পরিবর্তনের হাত থেকে বাঁচতে বাফার দ্রবণ কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তের পিএইচ মান সাত দশমিক চার রক্ষা করার জন্য বাইকার্বনেট বাফার সিস্টেম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই টপিক থেকে বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে মানুষের রক্তের পিএইচ কত বা বাফার দ্রবণ কী দ্বারা গঠিত।
a জড়তা
b মহাকর্ষ
c অভিকর্ষ
d স্থিতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জড়তা ১. কেন সঠিক: জড়তার কারণে পদার্থ যে অবস্থায় আছে ঠিক সেই অবস্থাতেই চিরকাল থাকতে চায়। বাইরে থেকে কোনো বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু স্থির থাকে এবং গতিশীল বস্তু সমবেততিতে চলতে থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: পদার্থ তার নিজের অবস্থার পরিবর্তন করতে না চাওয়ার যে প্রাকৃতিক ধর্ম প্রদর্শন করে তাকে জড়তা বলে। কার্যপ্রণালি: বস্তুর ভর যত বেশি হয়, তার জড়তার পরিমাণও তত বেশি বৃদ্ধি পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চলন্ত বাস হঠাৎ থেমে গেলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে। ব্যাখ্যা: বাসের সাথে যাত্রীদের শরীর গতিশীল থাকলেও হঠাৎ থামার কারণে জড়তার ফলে শরীর সামনে ঝুঁকে যায়। উদাহরণ ২: স্থির বাস হঠাৎ চলতে শুরু করলে যাত্রীরা পিছনের দিকে হেলে পড়ে। ব্যাখ্যা: বাস স্থির থাকার কারণে যাত্রীদের শরীর স্থির থাকতে চায় এবং গতির জড়তার অভাবে পিছনের দিকে হেলে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জড়তা — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এটি পদার্থের অবস্থার পরিবর্তনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ধর্ম। B) মহাকর্ষ — এটি মহাবিশ্বের যে কোনো দুটি বস্তুর মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণ বলকে বোঝায়। C) অভিকর্ষ — এটি পৃথিবী এবং অন্য কোনো বস্তুর মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণ বলকে নির্দেশ করে। D) স্থিতি — এটি বস্তুর গতির বিপরীত অবস্থা বা স্থির থাকার অবস্থাকে বোঝায় কিন্তু প্রবণতাকে নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জড়তা মানেই হলো যেমন আছে তেমন থাকতে চাওয়ার জেদ বা প্রবণতা। ভর বেশি হলে জড়তা বেশি হয়, তাই ভারী বস্তুর অবস্থান পরিবর্তন করা কঠিন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: গ্যালিলিও প্রথম জড়তার ধারণা দেন এবং পরবর্তীতে নিউটন তাঁর গতির প্রথম সূত্রে এটি স্পষ্টভাবে প্রকাশ করেন। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই জড়তা সম্পর্কিত দৈনন্দিন জীবনের ঘটনা থেকে প্রশ্ন আসে।
a নদী
b সমুদ্র
c বিল
d সুইমিংপুল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সমুদ্র ১. কেন সঠিক: - সমুদ্রের পানিতে লবণের পরিমাণ বেশি থাকায় এর ঘনত্ব নদীর পানির চেয়ে বেশি হয়। - তরলের ঘনত্ব বেশি হলে প্লবতা বা ঊর্ধ্বমুখী ধাক্কা বৃদ্ধি পায়, যা বস্তুকে সহজে ভাসাতে সাহায্য করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: প্লবতা হলো কোনো বস্তুকে তরলে ডোবালে তরল কর্তৃক প্রযুক্ত ঊর্ধ্বমুখী বল। - সূত্র বা তত্ত্ব: আর্কিমিডিসের সূত্র অনুযায়ী, নিমজ্জিত বস্তু তার সমায়তন তরলের ওজনের সমান ও সমপরিমাণ ঊর্ধ্বমুখী বল অনুভব করে। - কার্যপ্রণালি: সমুদ্রের লবণাক্ত পানির ঘনত্ব বেশি হওয়ায় নির্দিষ্ট আয়তনের পানির ওজন বেশি হয়, ফলে বেশি প্লবতা বল পাওয়া যায়। - বাস্তব প্রয়োগ: অতিরিক্ত ঘনত্বের কারণে মৃত সাগরে মানুষ না ভেসে থাকতে পারে এবং সহজে সাঁতার কাটতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডিম সাধারণ পানিতে ডুবে যায় কিন্তু ঘন লবণ পানিতে ভেসে থাকে। ব্যাখ্যা: লবণ যোগ করলে পানির ঘনত্ব ও প্লবতা বাড়ে, যা ডিমের ওজন এবং প্লবতা বলের ভারসাম্য রক্ষা করে। উদাহরণ ২: সামুদ্রিক জাহাজ নদী থেকে সমুদ্রে প্রবেশ করলে কিছুটা উঁচুতে ভেসে ওঠে। ব্যাখ্যা: সমুদ্রের পানির ঘনত্ব বেশি থাকায় কম অংশ ডুবলেই জাহাজের ওজনের সমান প্লবতা অর্জিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নদী — নদীর পানিতে লবণ না থাকায় ঘনত্ব কম হয় এবং প্লবতা কম পাওয়ায় সাঁতার কাটা তুলনামূলক কঠিন। B) সমুদ্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ লবণাক্ততার কারণে সমুদ্রের পানির ঘনত্ব এবং প্লবতা উভয়ই বেশি থাকে। C) বিল — বিলের পানি মিষ্টি পানি হওয়ায় এর ঘনত্ব কম এবং এর প্লবতাও সমুদ্রের তুলনায় কম। D) সুইমিংপুল — সুইমিংপুলের পরিশোধিত মিষ্টি পানিতে খনিজ বা লবণের ঘনত্ব কম থাকায় প্লবতা কম অনুভূত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমুদ্রের পানি লোনা, লোনা পানির ঘনত্ব বেশি, আর বেশি ঘনত্ব মানেই বেশি প্লবতা ও সহজ সাঁতার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আর্কিমিডিসের সূত্র এবং প্লবতা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় আসে। - তরলের ঘনত্ব বাড়লে প্লবতা বাড়ে—এই মূলনীতিটি মনে রাখলে যেকোনো মাধ্যমভিত্তিক প্রশ্নের উত্তর করা সহজ হবে।
a মিথান্যাল
b ক্লোরোফর্ম
c মিথেন
d ক্লোরোপিক্রিন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্লোরোফর্ম ১. কেন সঠিক: ক্লোরোফর্ম একটি জৈব রাসায়নিক পদার্থ যা অতীতে অস্ত্রোপচারের সময় রোগীকে অজ্ঞান করতে চেতনানাশক বা অ্যানাস্থেটিক হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো। এর বাষ্প মানুষের স্নায়ুতন্ত্রের ওপর প্রভাব ফেলে সাময়িক অচেতা বা সংজ্ঞাহীনতা তৈরি করে, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে এক বিপ্লব ঘটিয়েছিল। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: চেতনানাশক বা অ্যানাস্থেটিক এমন এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ যা নির্দিষ্ট মাত্রায় প্রয়োগ করলে সাময়িকভাবে সংবেদনশীলতা বা চেতনা লোপ করে। রাসায়নিক গঠন: ক্লোরোফর্মের রাসায়নিক সংকেত ট্রাইক্লোরোমিথেন এবং এর অণুতে একটি কার্বন পরমাণুর সঙ্গে তিনটি ক্লোরিন ও একটি হাইড্রোজেন যুক্ত থাকে। কার্যপ্রণালি: ক্লোরোফর্ম বাষ্প আকারে ফুসফুসের মাধ্যমে রক্তে প্রবেশ করে এবং মস্তিষ্কের কোষে পৌঁছে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে সাময়িকভাবে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। বাস্তব প্রয়োগ: বর্তমানে বিষাক্ততা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে সার্জারিতে এর ব্যবহার বন্ধ থাকলেও জৈব রসায়নে দ্রাবক হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জেমস সিম্পসন ১৮৪৭ সালে প্রসূতিবিদ্যায় প্রসব বেদনা উপশমে প্রথম ক্লোরোফর্ম ব্যবহার করেছিলেন। ব্যাখ্যা: এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানে চেতনানাশক হিসেবে ক্লোরোফর্মের কার্যকারিতা ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব প্রমাণ করে। উদাহরণ ২: গবেষণাগারে ফ্যাট, তেল বা মোমের মতো জৈব পদার্থ দ্রবীভূত করতে ক্লোরোফর্ম ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি চেতনানাশক ছাড়াও একটি চমৎকার রাসায়নিক দ্রাবক হিসেবে এর বহুমুখী ব্যবহার বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিথান্যাল — এটি ফরমালডিহাইডের জলীয় দ্রবণ বা ফরমালিন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, যা জৈব নমুনা সংরক্ষণে কাজে লাগে। B) ক্লোরোফর্ম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অতীতে অস্ত্রোপচারের সময় চেতনানাশক হিসেবে ব্যবহৃত হতো। C) মিথেন — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান এবং জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কোনো চেতনানাশক নয়। D) ক্লোরোপিক্রিন — এটি একটি তীব্র বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধে কীটনাশক বা যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: ক্লোরোফর্মের সংকেত ট্রাইক্লোরোমিথেন মনে রাখলে এর রাসায়নিক প্রকৃতি বোঝা সহজ হয়। অতীতের অস্ত্রোপচারে অজ্ঞান করার কাজে ক্লোরোফর্মের নাম চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে অত্যন্ত বিখ্যাত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ক্লোরোফর্মের রাসায়নিক সংকেত এবং এর আণবিক ভর সম্পর্কিত প্রশ্ন বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় আসে। বাতাসের সংস্পর্শে এবং সূর্যের আলোতে ক্লোরোফর্ম জারিত হয়ে অত্যন্ত বিষাক্ত ফসজিন গ্যাস উৎপন্ন করে, যা পরীক্ষাগারে সতর্কতার সঙ্গে সংরক্ষণ করতে হয়।
a মেরু
b নিরক্ষীয়
c ভূ-পৃষ্ঠ
d ভূ-কেন্দ্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিরক্ষীয় ১. কেন সঠিক: পৃথিবীর আকৃতির বৈচিত্র্য এবং আবর্তনের গতির কারণে অভিকর্ষজ ত্বরণ সব জায়গায় সমান হয় না। নিরক্ষীয় অঞ্চলে পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব বেশি এবং কেন্দ্রমুখী বল বেশি থাকায় ওজনের মান সবচেয়ে কম হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ওজন হলো কোনো বস্তুর ওপর পৃথিবীর আকর্ষণ বল, যার মান ডব্লিউ সমান এম গুণ জি। কারণ ও ফলাফল: পৃথিবীর মেরু অঞ্চল কিছুটা চাপা হওয়ায় সেখানকার ব্যাসার্ধ কম এবং জি এর মান বেশি, পক্ষান্তরে নিরক্ষীয় অঞ্চল স্ফীত হওয়ায় ব্যাসার্ধ বেশি এবং জি এর মান কম হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেরু অঞ্চলে একটি বস্তুর ওজন যদি ১০০ নিউটন হয়, তবে নিরক্ষীয় অঞ্চলে তা সামান্য কমে প্রায় ৯৯.৫ নিউটনের মতো হবে। ব্যাখ্যা: এর কারণ হলো নিরক্ষীয় অঞ্চলে ব্যাসার্ধ বেশি থাকায় অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কমে যায়। উদাহরণ ২: বিষুবীয় অঞ্চলে মহাশূন্যযান উৎক্ষেপণ করা সহজ হয় কারণ সেখানে পৃথিবীর ঘূর্ণন গতির সুবিধা পাওয়া যায়। ব্যাখ্যা: ঘূর্ণন গতির ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রমুখী বল অভিকর্ষ বলের বিপরীতে কাজ করায় বস্তুর কার্যকর ওজন হ্রাস পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেরু - এই অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কম এবং অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সর্বোচ্চ হওয়ায় বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি হয়। B) নিরক্ষীয় - এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অঞ্চলে ব্যাসার্ধ বেশি এবং কেন্দ্রমুখী বলের প্রভাবের কারণে ওজন সর্বনিম্ন হয়। C) ভূ-পৃষ্ঠ - ভূ-পৃষ্ঠের সব স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ সমান নয়, তাই এটি নির্দিষ্ট করে ওজন কম হওয়ার সঠিক অঞ্চল নয়। D) ভূ-কেন্দ্র - ভূ-কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণ শূন্য হয়, তাই তাত্ত্বিকভাবে সেখানে ওজন শূন্য হয়ে যায়, যা সর্বনিম্নর চেয়েও কম। ৫. মনে রাখার টিপস: নিরক্ষীয় অঞ্চলে পৃথিবী একটু চওড়া বা মোটা, তাই সেখানে দূরত্ব বেশি এবং ওজন কম। মেরুতে পৃথিবী চাপা, তাই সেখানে দূরত্ব কম এবং ওজন বেশি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জি এর মানের তারতম্য থেকে প্রশ্ন আসে। মনে রাখবে, অক্ষাংশ বাড়লে জি এর মান বাড়ে এবং ওজনেও তার প্রভাব পড়ে।
a উত্তল
b অবতল
c বাইফোকাল
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উত্তল ১. কেন সঠিক: উত্তল লেন্স আলোর রশ্মিগুলোকে অভিসারী করে বা একটি বিন্দুতে একত্রিত করে। দূরের বস্তু দেখার জন্য চোখের লেন্সের ক্ষমতা সামঞ্জস্য করতে বা বিবর্ধিত প্রতিবিম্ব তৈরিতে এই লেন্স ব্যবহৃত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: লেন্স হলো দুটি গোলীয় পৃষ্ঠ দ্বারা সীমাবদ্ধ স্বচ্ছ প্রতিসারক মাধ্যম। কার্যপ্রণালি: উত্তল লেন্সের মাঝখানটা মোটা এবং প্রান্তগুলো সরু হয়, যা আলোর সমান্তরাল রশ্মি গুচ্ছকে অভিসারী করে একটি ফোকাস বিন্দুতে মিলিত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অণুবীক্ষণ যন্ত্র ও টেলিস্কোপে উত্তল লেন্স ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: এটি দূরের বা ক্ষুদ্র বস্তুর স্পষ্ট ও বিবর্ধিত প্রতিবিম্ব তৈরি করে। উদাহরণ ২: বিবর্ধক কাঁচ বা ম্যাগনিফাইং গ্লাস। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে ছোট লেখা বড় দেখা যায় কারণ এটি বস্তুর একটি অসদ ও সোজা প্রতিবিম্ব গঠন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উত্তল — এটি সঠিক কারণ এই লেন্স আলোর রশ্মি একত্রিত করে দূরের বা ছোট বস্তু স্পষ্টভাবে দেখাতে সাহায্য করে। B) অবতল — এটি অপসারী লেন্স, যা দূরের বস্তুর জন্য নয় বরং স্বল্পদৃষ্টি বা মায়োপিয়া দূর করতে ব্যবহৃত হয়। C) বাইফোকাল — এটি এমন এক ধরনের চশমা যাতে উত্তল ও অবতল উভয় লেন্স একত্রে থাকে এবং এটি মূলত প্রেসবায়োপিয়া বা বয়সের কারণে চোখের দূর ও কাছের দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের জন্য ব্যবহৃত হয়। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: উত্তল লেন্স মানে উ তে উন্নতি অর্থাৎ কোনো কিছু বড় বা কাছে দেখা। দূরের বস্তু দেখার ক্ষেত্রে অপসারী লেন্স নয় বরং অভিসারী বা উত্তল লেন্সের বৈজ্ঞানিক প্রয়োগ ঘটে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি আলো, শব্দ ও তরঙ্গ অধ্যায় এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার পদার্থবিজ্ঞান অংশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। লেন্সের প্রকারভেদ এবং তাদের ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a HDL
b LDL
c Red Meat
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) HDL ১. কেন সঠিক: - HDL হলো হাই ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন, যা হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী কারণ এটি রক্তনালীতে জমে থাকা অতিরিক্ত কোলেস্টেরল যকৃতে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। - এটি রক্তনালীর ভেতর প্লাক বা চর্বি জমতে বাধা দেয়, ফলে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: লাইপোপ্রোটিন হলো প্রোটিন ও চর্বির সমন্বয়ে গঠিত কণা, যা রক্তের মাধ্যমে লিপিড বা চর্বি বহন করে। - কার্যপ্রণালি: ভালো কোলেস্টেরল হিসেবে পরিচিত HDL শরীরের টিস্যু থেকে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল সংগ্রহ করে যকৃতে পৌঁছে দেয় এবং শরীর থেকে তা নিষ্কাশনে সাহায্য করে। - বাস্তব প্রয়োগ: সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং নিয়মিত ব্যায়াম করলে রক্তের এইচডিএল বা ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিয়মিত দৌড়ানো বা সাইকেল চালানো। ব্যাখ্যা: অ্যারোবিক ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রমের ফলে শরীরের ভালো কোলেস্টেরল বা এইচডিএলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। উদাহরণ ২: জলপাই তেল বা সামুদ্রিক মাছ খাওয়া। ব্যাখ্যা: এসব খাবারে থাকা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ক্ষতিকর চর্বি কমিয়ে হৃদযন্ত্রের সুরক্ষায় এইচডিএল বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) HDL — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ক্ষতিকর কোলেস্টেরল দূর করে হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে। B) LDL — এটি লো ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন বা খারাপ কোলেস্টেরল, যা রক্তনালীতে জমে ব্লক সৃষ্টি করে। C) Red Meat — লাল মাংসে প্রচুর চর্বি ও কোলেস্টেরল থাকে, যা নিয়মিত খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: - এইচডিএল নামের শুরুতে এইচ আছে, তাই একে গুড কোলেস্টেরল বা হিরো কোলেস্টেরল হিসেবে মনে রাখতে পারেন। - অন্যদিকে এলডিএল নামের শুরুতে এল আছে, তাই একে লো বা ক্ষতিকর কোলেস্টেরল হিসেবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো কোলেস্টেরল ও খারাপ কোলেস্টেরলের সংক্ষিপ্ত রূপ প্রায়ই আসে। - রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা পরিমাপের একক হলো মিলিগ্রাম প্রতি ডেসিলিটার।
a রেড জায়ান্ট
b হোয়াইট ডোয়ার্ফ
c ব্ল্যাক হোল
d ইনফিনিটি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হোয়াইট ডোয়ার্ফ ১. কেন সঠিক: তারার জীবনচক্রের বিভিন্ন ধাপের মধ্যে তৃতীয় অবস্থা হলো হোয়াইট ডোয়ার্ফ বা শ্বেত বামন। নক্ষত্রের জ্বালানি শেষ হয়ে গেলে মাধ্যাকর্ষণ ও অভ্যন্তরীণ চাপের ভারসাম্যে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: নক্ষত্রের জীবন প্রবাহ মূলত প্রোটোস্টার, মূল ধারা, রেড জায়ান্ট এবং হোয়াইট ডোয়ার্ফ এই ধাপগুলোর মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়। কার্যপ্রণালি: নক্ষত্রের কেন্দ্রভাগে হাইড্রোজেন ফুরিয়ে হিলিয়াম জমা হলে তা প্রসারিত হয়ে রেড জায়ান্ট হয় এবং পরে বাইরের অংশ হারিয়ে শ্বেত বামনে পরিণত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমাদের সূর্য তার জীবনের শেষ পর্যায়ে রেড জায়ান্ট হবে এবং অবশেষে হোয়াইট ডোয়ার্ফ বা শ্বেত বামনে পরিণত হবে। ব্যাখ্যা: মাঝারি আকারের নক্ষত্রের জীবনচক্রের এটি একটি স্বাভাবিক পরিণতি যা কোটি কোটি বছর ধরে ঘটে। উদাহরণ ২: সাইরাস বি নক্ষত্রটি একটি সুপরিচিত হোয়াইট ডোয়ার্ফ বা শ্বেত বামনের উদাহরণ। ব্যাখ্যা: এর উচ্চ ঘনত্ব এবং ক্ষুদ্র আয়তন তারার এই অবস্থার অনন্য বৈজ্ঞানিক বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রেড জায়ান্ট — এটি নক্ষত্রের জীবনের দ্বিতীয় বা প্রসারিত অবস্থা, তৃতীয় অবস্থা নয়। B) হোয়াইট ডোয়ার্ফ — এটি তারার জীবন প্রবাহের তৃতীয় অবস্থা হিসেবে সঠিকভাবে চিহ্নিত। C) ব্ল্যাক হোল — এটি অত্যন্ত ভারী নক্ষত্রের জীবনের একদম শেষের ধ্বংসাত্মক বা চরম অবস্থা। D) ইনফিনিটি — এটি কোনো বৈজ্ঞানিক বা জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক তারার জীবনচক্রের অবস্থা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নক্ষত্রের জীবনের ধাপগুলো মনে রাখতে প্রোটোস্টার থেকে শুরু করে মূল ধারা, রেড জায়ান্ট এবং হোয়াইট ডোয়ার্ফ ক্রমটি মনে রাখুন। ছোট ও মাঝারি তারার ক্ষেত্রে শ্বেত বামন বা হোয়াইট ডোয়ার্ফ হলো বার্ধক্যের একটি নিশ্চিত ও শান্ত রূপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নক্ষত্রের জীবনচক্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সূর্যের মতো নক্ষত্রের শেষ পরিণতি কী হবে, এই প্রশ্নটি বিভিন্ন পরীক্ষায় বারবার ঘুরে আসে।

মোট প্রশ্ন (2)

a ডিজাইনিং
b কোডিং
c টেস্টিং
d ডিবাগিং
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ডিবাগিং ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার প্রোগ্রামে কোড লেখার সময় বা লেখার পরে যে ভুলত্রুটি বা সমস্যা দেখা দেয়, তাকে সাধারণভাবে বাগ বলা হয়। এই ভুলত্রুটিগুলো খুঁজে বের করে তা সংশোধন করার প্রক্রিয়াকেই ডিবাগিং বলা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: ডিবাগিং হলো সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট প্রক্রিয়ার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। প্রোগ্রাম রান করার পর যখন কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যায় না, তখন কোডের ভেতরের লজিক বা সিনট্যাক্স ত্রুটি দূর করতে ডিবাগিং করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি যোগ করার প্রোগ্রামে যদি দুইয়ের সাথে তিন যোগ করলে ছয় ফলাফল আসে, তবে বুঝতে হবে প্রোগ্রামে ভুল আছে। ব্যাখ্যা: এই ভুলটি চিহ্নিত করে কোড সংশোধন করা হলো ডিবাগিং। উদাহরণ ২: কোডিংয়ের সময় সেমিকোলন বা ব্র্যাকেট ভুল দেওয়া হলে প্রোগ্রাম রান করতে চায় না। ব্যাখ্যা: এই ত্রুটিগুলো খুঁজে ঠিক করার প্রক্রিয়াটিই ডিবাগিং। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডিজাইনিং — এটি সফটওয়্যার বা সিস্টেম তৈরির প্রাথমিক পরিকল্পনা ও নকশা তৈরির ধাপ, ভুলত্রুটি পরীক্ষার কাজ নয়। B) কোডিং — এটি কম্পিউটারে বোধগম্য ভাষায় প্রোগ্রাম লেখার প্রক্রিয়া, ভুল সংশোধনের কাজ নয়। C) টেস্টিং — এটি প্রোগ্রামে কোনো ভুল আছে কি না তা পরীক্ষা করে দেখার প্রক্রিয়া, কিন্তু সরাসরি ভুল সংশোধন বা ডিবাগিংয়ের কাজ এর অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পোশাকের ময়লা বা পোকা যেমন পরিষ্কার করা হয়, তেমনি কোডের ময়লা বা বাগ দূর করার নামই ডিবাগিং। বাগ অর্থ পোকা, আর ডিবাগ অর্থ পোকা বা ভুল দূর করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার প্রোগ্রামের ভুলকে বাগ বলা হয় এবং এই বাগ দূর করার পদ্ধতিকে ডিবাগিং বলা হয়। বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি সফটওয়্যার উন্নয়ন ও প্রোগ্রামিং অংশ থেকে প্রায়ই আসে।
a 1101
b 0011
c 0111
d 1111
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 1111 ১. কেন সঠিক: হিসাবের নিয়ম অনুযায়ী হেক্সাডেসিমেল এফ এর সমকূল দশমিক মান পনেরো। এই পনেরো সংখ্যাটিকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর করলে মান পাওয়া যায় এক হাজার একশো এগারো। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংখ্যা পদ্ধতি হলো কোনো সংখ্যা লেখা বা প্রকাশের পদ্ধতি। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে শূন্য থেকে নয় এবং এ থেকে এফ পর্যন্ত মোট ষোলটি প্রতীক ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হেক্সাডেসিমেল এ এর বাইনারি মান এক শূন্য এক শূন্য। ব্যাখ্যা: হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতিতে এ এর দশমিক মান দশ, যাকে বাইনারিতে রূপান্তর করলে এই মান পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: হেক্সাডেসিমেল সি এর বাইনারি মান এক এক শূন্য শূন্য। ব্যাখ্যা: হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতিতে সি এর দশমিক মান বারো, যা চার বিটের বাইনারিতে রূপান্তরিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1101 — এই বাইনারি মানটি হেক্সাডেসিমেল তেরো বা ডি এর সমকূল, এফ এর জন্য নয়। B) 0011 — এই বাইনারি মানটি হেক্সাডেসিমেল তিন এর সমকূল, যা এফ এর মান প্রকাশ করে না। C) 0111 — এই বাইনারি মানটি হেক্সাডেসিমেল সাত এর সমকূল, যা এফ এর সঠিক মান নয়। D) 1111 — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি হেক্সাডেসিমেল পনেরো বা এফ এর পূর্ণাঙ্গ চার বিট বাইনারি রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: হেক্সাডেসিমেলের প্রতিটি অঙ্ক বাইনারির চার বিট দ্বারা প্রকাশিত হয়। সবচেয়ে বড় হেক্সাডেসিমেল অঙ্ক এফ এর মান পনেরো, যার চার বিট বাইনারি মানে চারটি এক বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হেক্সাডেসিমেল থেকে বাইনারি রূপান্তর প্রায়ই আসে। শূন্য থেকে নয় এবং এ থেকে এফ পর্যন্ত হেক্সাডেসিমেল মানের চার বিট বাইনারি রূপ মুখস্থ রাখা পরীক্ষার সময় বাঁচায়।

মোট প্রশ্ন (11)

a কুষ্টিয়ার তিলের খাজা
b মানিকগঞ্জের হাজারী গুড়
c কুমিল্লার রসমালাই
d রাজশাহীর সিল্ক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মানিকগঞ্জের হাজারী গুড় ১. কেন সঠিক: - হাজারী গুড় মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার বিখ্যাত এক ঐতিহ্যবাহী ও সুস্বাদু গুড় যা তৈরির বিশেষ কারিগরি পদ্ধতির জন্য ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্যের স্বীকৃতি লাভ করেছে। - শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর বা ডিপিডিটি বাংলাদেশের নিজস্ব পণ্যের আন্তর্জাতিক ও জাতীয় স্বীকৃতি এবং মেধাস্বত্ব সুরক্ষার জন্য জিআই পণ্যের স্বীকৃতি প্রদান করে থাকে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: মানিকগঞ্জের হরিরামপুর ও সাটুরিয়া অঞ্চলে দীর্ঘকাল ধরে ঐতিহ্যগতভাবে খেজুরের রস থেকে অত্যন্ত যত্নের সাথে এই বিশেষ গুড় তৈরি করা হয়ে আসছে। তাৎপর্য ও ফলাফল: জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার ফলে এই ঐতিহ্যবাহী গুড়ের বৈশ্বিক বাজার সৃষ্টি এবং এর উৎপাদক ও কারিগরদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জামদানি শাড়ি ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে যা আমাদের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পের প্রতীক। উদাহরণ ২: রাজশাহী সিল্ক ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী পণ্য যা ভৌগোলিক নির্দেশক হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছে এবং এর ভৌগোলিক স্বাতন্ত্র্য রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুষ্টিয়ার তিলের খাজা — এটি কুষ্টিয়ার একটি বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি খাবার হলেও এটি ৬৪তম জিআই পণ্য নয়। B) মানিকগঞ্জের হাজারী গুড় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গুড়টি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া ও মানের জন্য ৬৪তম জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে। C) কুমিল্লার রসমালাই — এটি কুমিল্লার অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি মিষ্টান্ন যা জিআই পণ্যের তালিকায় থাকলেও ৬৪তম নয়। D) রাজশাহীর সিল্ক — এটি রাজশাহীর একটি ঐতিহ্যবাহী ও বিশ্বখ্যাত বস্ত্রশিল্প যা এই প্রশ্নের নির্ধারিত ক্রমের সঠিক উত্তর নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - হাজারী গুড় মনে রাখার সহজ উপায় হলো মানিকগঞ্জের সাথে গুড়ের ঐতিহ্যকে মেলানো। - জিআই পণ্যের ক্রমিক নম্বর মনে রাখতে সম্প্রতি নিবন্ধিত পণ্যগুলোর তালিকা চোখ বুলিয়ে নেওয়া ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য এবং সাম্প্রতিক জিআই পণ্যগুলো থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - কোন প্রতিষ্ঠান জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দেয়, এই প্রশ্নটি পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a কুষ্টিয়া
b রাজবাড়ী
c নাটোর
d মাদারীপুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাজবাড়ী ১. কেন সঠিক: নতুন পদ্মা ব্যারেজ রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার সেনগ্রাম এলাকায় নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। গঙ্গা নদীর পানিসম্পদ সুষম বন্টন এবং সেচ সুবিধা সম্প্রসারণের জন্য এই মেগা প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ভৌগোলিক অবস্থান ও নদী ব্যবস্থাপনা: রাজবাড়ী জেলা পদ্মা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত এবং এর ওপর ব্যারেজ নির্মিত হলে কৃষি ও পানিসম্পদ খাতে দীর্ঘমেয়াদী সুফল পাওয়া যাবে। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই ব্যারেজ নির্মিত হলে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সেচ সংকট দূর হবে এবং নদী শাসন ও ভাঙন রোধে এটি সহায়ক হবে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিস্তা ব্যারেজ ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রথম ও বৃহত্তম সেচ প্রকল্প যা লালমনিরহাট জেলায় অবস্থিত। উদাহরণ ২: গঙ্গা ব্যারেজ প্রকল্প ব্যাখ্যা: এটি দেশের পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার অন্যতম আলোচিত ও বৃহৎ প্রকল্প যার সঙ্গে পদ্মা ব্যারেজের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অনেকাংশেই মিল রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুষ্টিয়া — কুষ্টিয়া জেলায় গঙ্গা-কপোতাক্ষ জিকে সেচ প্রকল্প অবস্থিত হলেও নতুন পদ্মা ব্যারেজ এখানে নির্মাণের পরিকল্পনা নেই। B) রাজবাড়ী — এটি সঠিক উত্তর কারণ নতুন পদ্মা ব্যারেজ রাজবাড়ী জেলায় নির্মাণের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। C) নাটোর — নাটোর জেলায় কোনো প্রধান নদী ব্যারেজ প্রকল্প নেই এবং এটি উত্তরবঙ্গের একটি ভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত। D) মাদারীপুর — মাদারীপুর জেলা পদ্মা নদীর অপর তীরে অবস্থিত হলেও নতুন ব্যারেজ নির্মাণের জন্য এই স্থানটি নির্বাচিত হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: পদ্মা নদীর ওপর নতুন ব্যারেজ নির্মাণের স্থান মনে রাখতে রাজবাড়ী জেলার কথা মনে রাখুন। পদ্মা সেতু যেমন মুন্সিগঞ্জ ও শরীয়তপুরকে যুক্ত করেছে, তেমনি পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের মূল কেন্দ্র ধরা হয়েছে রাজবাড়ী জেলাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলোর ওপর নির্মিতব্য মেগা প্রকল্পগুলোর নাম ও অবস্থান থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন প্রায়ই আসে। নদী ব্যবস্থাপনা এবং সেচ প্রকল্প সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নগুলোর জন্য এই তথ্যটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
a পিআইবি
b প্রেস কাউন্সিল
c চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর
d তথ্য মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর ১. কেন সঠিক: - চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর বাংলাদেশে প্রকাশিত সংবাদপত্র ও সাময়িকীর নিবন্ধন বা ডিক্লারেশন প্রদান এবং এর কার্যক্রম তদারকি করে থাকে। - প্রিন্টিং প্রেসে প্রকাশিত প্রকাশনাগুলোর আইনি বৈধতা ও সরকারি নীতিমালার সাথে সংগতি রাখতে এই প্রতিষ্ঠানটি সরাসরি ভূমিকা পালন করে। ২. প্রশাসন ও প্রতিষ্ঠান: - প্রতিষ্ঠান ও দায়িত্ব: চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর যা গণমাধ্যমের নথিপত্র সংরক্ষণ করে। - আইনি প্রক্রিয়া: জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয় থেকে প্রাথমিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর এই দপ্তরের মাধ্যমে পত্রিকার নিবন্ধন চূড়ান্ত করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: দৈনিক প্রথম আলো বা ডেইলি স্টার ব্যাখ্যা: এই জাতীয় সংবাদপত্রগুলোর প্রকাশনা চালু রাখতে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে নির্দিষ্ট নীতিমালা মেনে নিবন্ধন ও ডিক্লারেশন নিতে হয়। উদাহরণ ২: ডিক্লারেশন বা ঘোষণাপত্র ব্যাখ্যা: নতুন কোনো পত্রিকা প্রকাশের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে এই অধিদপ্তর থেকে পত্রিকার নিবন্ধন নম্বর প্রদান করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিআইবি — পিআইবি বা প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ মূলত সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ ও গবেষণার কাজ করে থাকে, পত্রিকার নিবন্ধন প্রদান করে না। B) প্রেস কাউন্সিল — বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নৈতিকতা ও মান নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। D) তথ্য মন্ত্রণালয় — তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সামগ্রিক নীতিনির্ধারণী ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করলেও সরাসরি পত্রিকার নিবন্ধন প্রদান করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - পত্রিকার নিবন্ধন বা ডিক্লারেশনের বিষয়টি চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের সাথে গভীরভাবে জড়িত। - প্রশিক্ষণ দিলে পিআইবি, নৈতিকতা দেখলে প্রেস কাউন্সিল আর নিবন্ধন দিলে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গণমাধ্যম সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সুনির্দিষ্ট কাজ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - প্রেস কাউন্সিল ও পিআইবির প্রতিষ্ঠাতা এবং বর্তমান কাজ সম্পর্কিত তথ্য আলাদা করে পড়ে রাখা ভালো।
a ৪র্থ
b ৬ষ্ঠ
c ৮ম
d ৭ম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭ম ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ৭ম আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করে। - এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ দল স্কটল্যান্ডকে পরাজিত করার পাশাপাশি শক্তিশালী পাকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের আগমনী বার্তা দেয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৯৭ আইসিসি ট্রফি জয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রথম বدر বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। - তারিখ ও স্থান: ১৯৯৯ সালের ১৭ মে থেকে ২০ জুন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে এই বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে ২০০০ সালে বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৯৯ সালের ৩১ মে নর্দাম্পটনে পাকিস্তান দলের বিপক্ষে বাংলাদেশের ৬২ রানের ঐতিহাসিক জয়। ব্যাখ্যা: এই জয় বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশকে নিশ্চিত করে এবং টেস্ট মর্যাদা অর্জনের পথ প্রশস্ত করে। উদাহরণ ২: ১৯৯৭ সালে কেনিয়ায় অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফি ফাইনালে কেনিয়াকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়া। ব্যাখ্যা: এই জয়ের ফলেই বাংলাদেশ প্রথমবার বিশ্বকাপ ক্রিকেটে খেলার সুযোগ পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪র্থ — ৪র্থ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৭ সালে, যখন বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এতদূর বিকশিত হয়নি। B) ৬ষ্ঠ — ৬ষ্ঠ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৫ বা ১৯৯৬ সালে, যা বাংলাদেশের অভিষেকের আগের বিশ্বকাপ ছিল। C) ৮ম — ৮ম বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় ২০০৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায়, যা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ছিল। D) ৭ম — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ প্রথম ১৯৯৯ সালের সপ্তম বিশ্বকাপে অংশ নেয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাংলাদেশ ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জিতে ১৯৯৯ সালের সপ্তম বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। - সাত সংখ্যাটি মনে রাখলে সপ্তম বিশ্বকাপ এবং ১৯৯৯ সালের অভিষেক সালটি মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশ কোন সালে প্রথম ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলে, তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - একই বিষয় থেকে ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ বা প্রথম জয়ের প্রতিপক্ষ সম্পর্কেও প্রশ্ন আসতে পারে।
a জীবন তরী
b অগ্রদূত
c গৃহসুখ
d উর্বশী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জীবন তরী ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের ইতিহাসে জীবন তরী হলো দেশের প্রথম ভাসমান বা মোবাইল হাসপাতাল, যা মূলত নৌকায় প্রতিষ্ঠিত বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র। এটি প্রত্যন্ত ও নদীবহুল অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসা ও চোখের অপারেশন সেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে চালু করা হয়েছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: সামাজিক উন্নয়ন ও স্বাস্থ্যসেবা: [প্রযোজ্য ক্ষেত্রে] প্রতিষ্ঠান ও কার্যক্রম: ইমপ্যাক্ট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ নামক বেসরকারি সংস্থা জীবন তরী পরিচালনা করে। তাৎপর্য ও ফলাফল: নদীমাতৃক বাংলাদেশের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চল ও উপকূলীয় এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্যাটালিন চিকিৎসাকেন্দ্র ব্যাখ্যা: জীবন তরীর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের চোখের ছানি অপারেশনসহ বিভিন্ন জটিল চিকিৎসা নৌকায় বসেই সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়। উদাহরণ ২: রেলওয়ে ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসালয় ব্যাখ্যা: রেল যোগাযোগের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার আরেকটি ঐতিহাসিক উদ্যোগ এটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবন তরী — এটি বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল হাসপাতাল বা ভাসমান চিকিৎসাকেন্দ্র। B) অগ্রদূত — এটি কোনো মোবাইল হাসপাতাল নয়, বরং বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি সাধারণ নাম বা প্রকাশনা। C) গৃহসুখ — এটি এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠান বা প্রকল্পের নাম নয়। D) উর্বশী — এটি কোনো চিকিৎসা প্রকল্প বা হাসপাতালের নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নদীমাতৃক বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল হাসপাতালের কথা মনে রাখতে হলে মনে রাখতে হবে পানির ওপর ভাসমান জীবন বাঁচানোর নৌকার কথা, যার নাম জীবন তরী। এটি কোনো সড়কপথের বাস নয়, বরং নৌকায় অবস্থিত হাসপাতাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বাস্থ্য ও সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রথম উদ্যোগগুলো থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে জীবন তরী কোন সংস্থা পরিচালনা করে বা এটি কী ধরনের সেবা দেয়।
a ভোলা
b চাঁদপুর
c বরিশাল
d ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ময়মনসিংহ ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগার ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত। ময়মনসিংহ অঞ্চলকে দেশের মৎস্য শিক্ষার ও গবেষণার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা: ময়মনসিংহে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট দেশের মৎস্য সম্পদ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই গবেষণাগার থেকে দেশীয় প্রজাতির মাছের কৃত্রিম প্রজনন এবং বিলুপ্তপ্রায় মাছ সংরক্ষণের ওপর নানা ধরনের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি উদ্ভাবন করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ব্যাখ্যা: এটি ময়মনসিংহে অবস্থিত এবং দেশের জলজ সম্পদ ও মৎস্য উন্নয়নে প্রধান গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ব্যাখ্যা: ময়মনসিংহে অবস্থিত এই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মৎস্যবিজ্ঞান বিষয়ে উচ্চতর গবেষণা ও পঠনপাঠন পরিচালিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভোলা — এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ জেলা এবং ইলিশ উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত হলেও প্রধান মৎস্য গবেষণাগার এখানে অবস্থিত নয়। B) চাঁদপুর — এটি নদী বন্দর এবং মৎস্য গবেষণা কেন্দ্রের একটি আঞ্চলিক স্টেশন অবস্থিত হলেও মূল প্রজাতি গবেষণাগার এখানে নয়। C) বরিশাল — এটি দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান নদীবন্দর ও প্রশাসনিক বিভাগ হলেও এটি মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগারের মূল অবস্থান নয়। D) ময়মনসিংহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই দেশের প্রধান মৎস্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও প্রজাতি গবেষণাগার অবস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: মৎস্য শিক্ষা ও গবেষণার রাজধানী বলা হয় ময়মনসিংহকে। তাই মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগার বললে ময়মনসিংহ উত্তর হিসেবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কৃষি ও মৎস্য খাতের গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর সদর দপ্তর কোন জেলায় অবস্থিত, বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a রাঙ্গামাটি
b বান্দরবান
c চট্টগ্রাম
d খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাঙ্গামাটি ১. কেন সঠিক: তঞ্চঙ্গ্যা নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের প্রধান বসবাসস্থল রাঙ্গামাটি জেলায়। বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে তঞ্চঙ্গ্যারা অন্যতম এবং তাদের সংস্কৃতি ও জনমিতির মূল কেন্দ্র রাঙ্গামাটি। ২. জনমিতি ও সংস্কৃতি: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: তঞ্চঙ্গ্যা নৃ-গোষ্ঠী মূলত চাকমা জাতির একটি শাখা বলে অনেক গবেষক মত প্রকাশ করেন। সাংস্কৃতিক পরিচয়: তাদের নিজস্ব ভাষা, ঐতিহ্যবাহী পোশাক এবং বিষু উৎসব পাহাড়ি সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মারমা নৃ-গোষ্ঠী ব্যাখ্যা: মারমা জনগোষ্ঠীর মানুষ বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় সবচেয়ে বেশি বসবাস করে। উদাহরণ ২: গারো নৃ-গোষ্ঠী ব্যাখ্যা: গারো জনগোষ্ঠীর মানুষ ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলায় বেশি বসবাস করে, যা আঞ্চলিক জনমিতি বুঝতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাঙ্গামাটি — এই অপশনটি সঠিক কারণ তঞ্চঙ্গ্যা জনগোষ্ঠীর সর্বাধিক ঘনত্ব রাঙ্গামাটি জেলায় রয়েছে। B) বান্দরবান — এই অপশনটি ভুল কারণ বান্দরবানে মারমা ও ম্রো জনগোষ্ঠীর আধিক্য বেশি। C) চট্টগ্রাম — এই অপশনটি ভুল কারণ চট্টগ্রাম মূল ভূখণ্ডের জেলা এবং সেখানে সমতল অঞ্চলের মানুষের সংখ্যা বেশি। D) খাগড়াছড়ি — এই অপশনটি ভুল কারণ খাগড়াছড়িতে চাকমা ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর বসবাস বেশি। ৫ মনে রাখার টিপস: তঞ্চঙ্গ্যাদের রা রাঙ্গামাটি এভাবে মনে রাখতে পারো। পাহাড়ি জেলাগুলোর কোনটিতে কোন নৃ-গোষ্ঠী বেশি, তা জনমিতি পড়ার সময় ছক করে পড়লে সহজে মনে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভৌগোলিক অবস্থান বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে তঞ্চঙ্গ্যাদের প্রধান উৎসব বা তাদের ভাষার উৎস কী।
a ৩১ (২)
b ৩৯ (২)
c ২৯ (১)
d ২৮ (২)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৮ (২) ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের সংবিধানের ২৮ নম্বর অনুচ্ছেদের শিরোনাম হলো ধর্ম ইত্যাদির কারণে বৈষম্য। এই অনুচ্ছেদের দ্বিতীয় দফায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে রাষ্ট্র ও সাধারণ জীবনের সকল স্তরে নারী ও পুরুষের সমান অধিকার থাকিবে। ২. সংবিধান ও আইন: সংবিধানের তৃতীয় ভাগে বর্ণিত মৌলিক অধিকারসমূহের মধ্যে নাগরিকদের সমতার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। অনুচ্ছেদ ২৮ এর ১ দফায় বলা হয়েছে কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষ ভেদে বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবে না। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭। ব্যাখ্যা: এই অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সকলের সমতা নিশ্চিত করা হয়েছে যা নারীর সমতার অধিকারের পরিপূরক। উদাহরণ ২: সরকারি চাকুরিতে নারী কোটা এবং সংরক্ষিত আসন। ব্যাখ্যা: অনুচ্ছেদ ২৮ এর ৪ দফায় বলা হয়েছে নারী বা শিশুদের অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান প্রণয়ন হইতে রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩১ (২) — এই অপশনটি ভুল কারণ ৩১ অনুচ্ছেদে আইনের আশ্রয় লাভের অধিকারের কথা বলা হয়েছে এবং এর কোনো দ্বিতীয় দফা নেই। B) ৩৯ (২) — এই অপশনটি ভুল কারণ ৩৯ অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও বাকস্বাধীনতার অধিকারের কথা বলা হয়েছে। C) ২৯ (১) — এই অপশনটি ভুল কারণ ২৯ অনুচ্ছেদে সরকারি নিয়োগলাভে সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে, যা কর্মসংস্থানের সাথে সম্পর্কিত। D) ২৮ (২) — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি সরাসরি নারী ও পুরুষের সমতা নিশ্চিতকরণের বিধান। ৫ মনে রাখার টিপস: আট وع (২৮) নম্বর অনুচ্ছেদের জোড় সংখ্যা বা দুই নম্বর দফা নারীদের সমান অধিকারের কথা বলে। এভাবে মনে রাখতে পারেন যে নারী ও পুরুষের যুগল অধিকারের কথা বলা হয়েছে ২৮ এর ২ দফায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক অধিকার সম্পর্কিত অধ্যায় থেকে প্রায়ই আসে। অনুচ্ছেদ ২৮ এর ১, ২, ৩ এবং ৪ দফার মূল বিষয়বস্তু আলাদা করে ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a মানবিক আবেগ ও জীবন
b আধ্যাত্মিক প্রেম ও অনুসন্ধান
c পল্লীর সুখ-দুঃখ
d ভক্তিমূলক ও বীরত্ব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আধ্যাত্মিক প্রেম ও অনুসন্ধান ১. কেন সঠিক: - বাউল গান মূলত মানবদেহের ভেতরে পরম সত্তার বা ঈশ্বরের সন্ধান এবং গুরুবাদী দর্শনের ওপর প্রতিষ্ঠিত। - এই ধারার গানে পার্থিব প্রেমের আবডালে মূলত পরমাত্মার সঙ্গে মিলনের আকুতি এবং আধ্যাত্মিক সাধনা প্রকাশ পায়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বাংলা লোকসংস্কৃতির এক অনন্য ধারা বাউল দর্শন, যা মূলত সুফি বাদ ও বৈষ্ণব সহজিয়া দর্শনের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: লালন সাঁই বাংলার বাউল সাধনার সবচেয়ে বড় পুরুষ এবং তাঁর গানই এই ধারার মূল ভিত্তি। - তাৎপর্য ও ফলাফল: ইউনেস্কো ২০০৫ সালে বাংলাদেশের বাউল গানকে মানবতার অমৌখিক ও দৃশ্যমান সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের শ্রেষ্ঠ সম্পদ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়। ব্যাখ্যা: লালন সাঁইয়ের এই গানে মানবদেহকে খাঁচা এবং আত্মাকে অচিন পাখি হিসেবে বুঝিয়ে গভীর আধ্যাত্মিক দর্শন তুলে ধরা হয়েছে। উদাহরণ ২: সব লোকে কয় লালন কী জাত সংসারে। ব্যাখ্যা: এই গানে জাতপাত ও ধর্মীয় গোঁড়ামির ঊর্ধ্বে গিয়ে মানবপ্রেম এবং আত্মিক পরিচয়কে বড় করে দেখা হয়েছে, যা বাউল দর্শনের মূল কথা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানবিক আবেগ ও জীবন — এটি সাধারণ আধুনিক বাংলা গান বা লোকগীতির বৈশিষ্ট্য হতে পারে, যা সরাসরি আধ্যাত্মিক সাধনাকে নির্দেশ করে না। C) পল্লীর সুখ-দুঃখ — এটি মূলত পল্লিগীতির প্রধান বিষয়বস্তু, যেখানে গ্রামীণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও যন্ত্রণার চিত্র ফুটে ওঠে। D) ভক্তিমূলক ও বীরত্ব — ভক্তিমূলক গান ভক্তি আন্দোলনের অংশ হতে পারে এবং বীরত্বমূলক গান মূলত যুদ্ধ বা লড়াইয়ের প্রেক্ষাপটে গাওয়া হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাউল গান মানেই লালন সাঁই এবং লালন সাঁই মানেই আধ্যাত্মিক প্রেম ও খোদা বা ঈশ্বর অনুসন্ধান। - পল্লিগীতি বললেই পল্লীর সুখ-দুঃখ মনে রাখবে, আর বাউল গান বললে আধ্যাত্মিকতা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাউল গানকে কবে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দেয় এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিয়োগে প্রায়ই আসে। - লোকসাহিত্য থেকে বাউল সাধক এবং তাদের গান সম্পর্কিত প্রশ্ন বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত দেখা যায়।
a ইতালি
b যুক্তরাষ্ট্র
c যুক্তরাজ্য
d ভারত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাজ্য ১. কেন সঠিক: বিদেশে বাংলাদেশের বাইরে প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয় যুক্তরাজ্যের লন্ডনের আলতাব আলী পার্কে। ১৯৫2 সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে প্রবাসী বাংলাদেশিরা যুক্তরাজ্যে এই শহীদ মিনার স্থাপন করেন। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির মাতৃভাষা রক্ষার সংগ্রামের ঐতিহাসিক দিন। প্রবাসে বাঙালি সংস্কৃতি ও ভাষা আন্দোলনের চেতনা ছড়িয়ে দিতে এই শহীদ মিনার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাপানের টোকিওতে অবস্থিত শহীদ মিনার। ব্যাখ্যা: এটিও বিদেশে ভাষা আন্দোলনের চেতনা প্রসারে নির্মিত অন্যতম একটি স্মৃতিসৌধ। উদাহরণ ২: অমর একুশে উদযাপনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। ব্যাখ্যা: ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃতি পাওয়ার পর বিদেশে শহীদ মিনারের গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইতালি — এটি ইউরোপের একটি দেশ হলেও বিদেশে প্রথম শহীদ মিনার এখানে স্থাপিত হয়নি। B) যুক্তরাষ্ট্র — এখানে প্রবাসী বাংলাদেশিরা শহীদ মিনার নির্মাণ করলেও তা বিশ্বে প্রথম নয়। C) যুক্তরাজ্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই প্রথম বিদেশের মাটিতে শহীদ মিনার স্থাপিত হয়। D) ভারত — ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্র হওয়া সত্ত্বেও ভারতের মাটিতে প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: যুক্তরাজ্যের লন্ডনে প্রথম শহীদ মিনার স্থাপিত হয়, এটি মনে রাখতে রাজা বা রানির দেশের কথা মনে রাখতে পারেন। অন্য দেশের তুলনায় যুক্তরাজ্যে প্রবাসী বাঙালির সংখ্যা ও ভাষা আন্দোলনের চেতনা প্রথমে রূপ লাভ করেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিদেশে প্রথম শহীদ মিনার কোন দেশে এবং কোথায় স্থাপিত হয়েছে তা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে শহীদ মিনারের স্থপতি বা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সংক্রান্ত প্রশ্নও হতে পারে।
a ৮০
b ৯৩
c ১৪২
d ১৫০
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৪২ ১. কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগে সংবিধান সংশোধনের সুনির্দিষ্ট বিধান যুক্ত করা হয়েছে। - সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে এই বিধান অনুযায়ী সংসদ কর্তৃক আইন প্রণয়নের মাধ্যমে সংবিধানের যেকোনো বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, পরিবর্ধন বা বাতিল করার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। ২. সংবিধান ও আইন: - সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদের মোট সদস্যসংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশের ভোটে বিল পাস হতে হয়। - রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের মাধ্যমে এই সংশোধনী কার্যকর হয় এবং এটি সংবিধানের মৌলিক কাঠامোর পরিপন্থী হতে পারে না। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঞ্চদশ সংশোধনী ব্যাখ্যা: ২০১১ সালে সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনী আনা হয় যা ১৪২ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলেই পাশ করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল ব্যাখ্যা: সংবিধানের এই অনুচ্ছেদের বিধান প্রয়োগ করেই ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮০ — এই অনুচ্ছেদে আইন প্রণয়নের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে যা সংবিধান সংশোধনের বিধান নয়। B) ৯৩ — এই অনুচ্ছেদে অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারির ক্ষমতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। D) ১৫০ — এই অনুচ্ছেদে অন্তর্বর্তীকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলির কথা বলা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সংবিধানের শেষভাগের কাছাকাছি অনুচ্ছেদ ১৪২ এ সংশোধনের নিয়ম রয়েছে। - ১৪২ সংখ্যাটি মনে রাখলে সংবিধান সংশোধনের অনুচ্ছেদ সহজে চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। - সংবিধান সংশোধনের জন্য সংসদের কত ভোট প্রয়োজন, এই সংক্রান্ত প্রশ্নও পরীক্ষাতে আসে।

মোট প্রশ্ন (4)

a ভুটান
b সোমালিয়া
c কঙ্গো
d দক্ষিণ-সুদান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দক্ষিণ-সুদান ১. কেন সঠিক: টেকসই উন্নয়ন প্রতিবেদন জাতিসংঘের এসডিজি বাস্তবায়নের অগ্রগতি মূল্যায়ন করে। দক্ষিণ-সুদান সংঘাত, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে এই সূচকে সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: দক্ষিণ-সুদান হলো বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ স্বাধীন রাষ্ট্র। প্রতিষ্ঠা: ২০১১ সালের ৯ জুলাই সুদান থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। রাজधानी ও মুদ্রা: জুবা এবং দক্ষিণ সুদান পাউন্ড। প্রেক্ষাপট: দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের কারণে দেশটির অবকাঠামো ও অর্থনীতি ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: টেকসই উন্নয়ন সূচকে তলানিতে থাকা দেশগুলো আন্তর্জাতিক মানবিক ও আর্থিক সহায়তার প্রধান লক্ষ্য হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আফগানিস্তান ব্যাখ্যা: রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির টেকসই উন্নয়ন সূচক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: ইয়েমেন ব্যাখ্যা: দীর্ঘস্থায়ী সামরিক সংঘাত ও মানবিক সংকটের ফলে দেশটি টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন থেকে বহু দূরে রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভুটান — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ যা স্থূল জাতীয় সুখ ধারণার জন্য বিখ্যাত এবং পরিবেশ সুরক্ষায় এগিয়ে আছে। B) সোমালিয়া — এটি পূর্ব আফ্রিকার দেশ হলেও টেকসই উন্নয়ন প্রতিবেদনের একেবারে সর্বনিম্ন অবস্থানে দক্ষিণ-সুদান রয়েছে। C) কঙ্গো — গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র মধ্য আফ্রিকার একটি দেশ এবং এটি খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ হলেও সূচকে সর্বনিম্ন অবস্থানে নেই। D) দক্ষিণ-সুদান — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রতিবেদনের সার্বিক মূল্যায়নে দেশটি সবার নিচে অবস্থান করছে। ৫ মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে নবীন রাষ্ট্র হিসেবে নানা সংকটে জর্জরিত দক্ষিণ-সুদান টেকসই উন্নয়নেও সবার পেছনে রয়েছে। নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারো উন্নয়ন সূচকের তলানির দক্ষিণ বিন্দু হলো দক্ষিণ-সুদান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এসডিজি বাস্তবায়ন সূচকে শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে সাধারণত স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলো থাকে। এই প্রশ্নটি থেকে ভবিষ্যতে শীর্ষ দেশ বা বাংলাদেশের অবস্থান সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a জেনেভা
b ওয়াশিংটন
c ব্রাসেলস
d নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জেনেভা ১. কেন সঠিক: UNHCR হলো জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা। বিশ্বব্যাপী শরণার্থী, বাস্তুচ্যুত মানুষ এবং রাষ্ট্রহীন ব্যক্তিদের অধিকার রক্ষা এবং তাদের পুনর্বাসনের কাজ এই সংস্থাটি পরিচালনা করে থাকে। সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে এই সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় অবস্থিত হওয়ায় সঠিক উত্তর জেনেভা নির্বাচিত হয়েছে। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা: সংস্থা: UNHCR (United Nations High Commissioner for Refugees) প্রতিষ্ঠা: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৫০ সাল সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড উদ্দেশ্য: বিশ্বজুড়ে শরণার্থী ও বাস্তুচ্যুত মানুষের সুরক্ষা প্রদান এবং তাদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি (ICRC) ব্যাখ্যা: এই সংস্থাও সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত এবং যুদ্ধাহত ও সংকটে থাকা মানুষের সাহায্য করে। উদাহরণ ২: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ব্যাখ্যা: জেনেভায় অবস্থিত জাতিসংঘের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিশেষায়িত সংস্থা যা বিশ্ব স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনেভা — এটি সঠিক উত্তর কারণ UNHCR এর সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত। B) ওয়াশিংটন — এটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী এবং বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের সদর দপ্তর, তাই এটি ভুল। C) ব্রাসেলস — এটি বেলজিয়ামের রাজধানী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটো এর সদর দপ্তর, তাই এটি ভুল। D) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর হলেও UNHCR এর সদর দপ্তর এখানে নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মানবিক সাহায্য প্রদানকারী বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত। শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা UNHCR এর সদর দপ্তরও জেনেভায় মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইউএনএইচসিআর কত সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সংস্থাটি ১৯৫৪ এবং ১৯৮১ সালে দুইবার নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেছে।
a ব্রিটেন
b ফ্রান্স
c তুরস্ক
d স্পেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্রান্স ১. কেন সঠিক: - লেবানন প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর উসমানীয় সাম্রাজ্যের পতনের প্রেক্ষাপটে ফ্রান্সের ঔপনিবেশিক নিয়ন্ত্রণে বা ম্যান্ডেটভুক্ত অঞ্চলে পরিণত হয়েছিল। - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪৩ সালের ২২ নভেম্বর লেবানন ফ্রান্সের নিকট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা লাভ করে এবং ১৯৪৬ সালে ফরাসি সেনা সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - দেশ বা অঞ্চল: লেবানন, মধ্যপ্রাচ্যের ভূমধ্যসাগরীয়তীরের একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র। - প্রেক্ষাপট: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর লিগ অব নেশনস কতৃক মধ্যপ্রাচ্যের ফরাসি ম্যান্ডেট ব্যবস্থার অধীনে লেবানন ও সিরিয়া ফরাসি শাসনের অধীন আসে। - ফলাফল বা প্রভাব: দীর্ঘ ঔপনিবেশিক প্রভাবের অবসান ঘটিয়ে লেবানন একটি স্বাধীন প্রজাতন্ত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং আরব লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিরিয়া ব্যাখ্যা: সিরিয়াও লেবাননের মতো প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ফ্রান্সের ম্যান্ডেটভুক্ত ছিল এবং ১৯৪৬ সালে স্বাধীনতা অর্জন করে। উদাহরণ ২: জর্ডান ব্যাখ্যা: জর্ডান ব্রিটিশ ম্যান্ডেটের অধীনে ছিল এবং ১৯৪৬ সালে ব্রিটেন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে, যা মধ্যপ্রাচ্যে ঔপনিবেশিক শাসনের সমাপ্তির আরেকটি উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রিটেন — ব্রিটেন মধ্যপ্রাচ্যের ফিলিস্তিন, ট্রান্সজর্ডান ও ইরাক শাসন করলেও লেবানন তার উপনিবেশ ছিল না। B) ফ্রান্স — এটি সঠিক উত্তর কারণ লেবানন ফ্রান্সের ম্যান্ডেট থেকে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল। C) তুরস্ক — উসমানীয় সাম্রাজ্যের অংশ হিসেবে তুরস্ক লেবানন শাসন করলেও তারা স্বাধীনতা লাভ করে ফ্রান্সের নিকট থেকে। D) স্পেন — স্পেন লাতিন আমেরিকা ও উত্তর আফ্রিকার কিছু অংশ শাসন করলেও লেবাননের সঙ্গে তাদের কোনো ঔপনিবেশিক সম্পর্ক ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: - মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর স্বাধীনতা অর্জনের ইতিহাস মনে রাখতে ম্যান্ডেট ব্যবস্থা খেয়াল রাখবে। - লেবানন ও সিরিয়ার ওপর ফরাসি প্রভাব ছিল, আর জর্ডান ও ইরাকের ওপর ব্রিটিশ প্রভাব ছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - লেবাননের স্বাধীনতা দিবস হলো ২২ নভেম্বর। - একই বিষয় থেকে লেবাননের রাজধানী বৈরুত এবং এর মুদ্রা লিবানিজ পাউন্ড সংক্রান্ত প্রশ্নও পরীক্ষায় আসতে পারে।
a ইরান
b সৌদি আরব
c ওমান
d ভারত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৌদি আরব ১. কেন সঠিক: - আরামকো হলো বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী এবং লাভজনক প্রতিষ্ঠান, যার মালিকানা সৌদি আরব সরকারের হাতে। - মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি কূটনীতি এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে এই কোম্পানির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. কোম্পানির তথ্য: - দেশ/সংস্থা: সৌদি আরামকো হলো সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি। - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ১৯৩৩ সালে মার্কিন তেল কোম্পানি শেভরন ও সৌদি সরকারের চুক্তির মাধ্যমে এর ভিত্তি স্থাপিত হয়। - স্থান/সদর দপ্তর: এর প্রধান কার্যালয় সৌদি আরবের ধাহরান শহরে অবস্থিত। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: সৌদি আরবের অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক তেল বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এর প্রধান লক্ষ্য। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পেপেক্স বা ওপেক ব্যাখ্যা: এটি তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংস্থা, যা বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ও মূল্য নিয়ন্ত্রণ করে এবং এর নেতৃত্বে রয়েছে সৌদি আরব। উদাহরণ ২: কুয়েত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন ব্যাখ্যা: এটি কুয়েতের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি, যা আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের জ্বালানি সম্পদ ও স্বার্থ রক্ষা করে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরান — ভুল কারণ ইরানের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানির নাম ন্যাশনাল ইরানিয়ান অয়েল কোম্পানি। B) সৌদি আরব — সঠিক কারণ এটি আরামকোর মূল দেশ এবং মালিকানা নিয়ন্ত্রণ করে। C) ওমান — ভুল কারণ ওমানের প্রধান রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানির নাম ওমান শেল বা ওকিও গ্রুপ। D) ভারত — ভুল কারণ ভারতের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানির মধ্যে ওএনজিসি এবং ইন্ডিয়ান অয়েল উল্লেখযোগ্য। ৫. মনে রাখার টিপস: - আরামকো শব্দটির সঙ্গে সৌদি আরব নামটি মনে রাখতে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি বাজার ও রাজকীয় তেল কোম্পানির কথা স্মরণ করতে পারো। - সৌদি মানেই তেল জায়ান্ট আরামকো, যা বিশ্বের শীর্ষ ধনী কোম্পানিগুলোর একটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশ্নে এই ধরনের কোম্পানির নাম প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংকিং পরীক্ষায় আসে। - শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির দিক থেকেও এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।

মোট প্রশ্ন (5)

a সুগন্ধী ফুল
b কালনিশি
c তীব্র ঝড়
d উত্তাল ঢেউ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সুগন্ধী ফুল ১. কেন সঠিক: - বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সৃষ্ট ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করা হয়। 'মোন্থা' নামটি এই অঞ্চলের একটি দেশ কর্তৃক প্রস্তাবিত হয়েছে যার শাব্দিক অর্থ হলো এক ধরণের সুগন্ধী ফুল। - এই নামকরণ পদ্ধতি আবহাওয়াবিদদের জন্য একই সাথে একাধিক ঘূর্ণিঝড় শনাক্ত করা এবং গণমাধ্যমে সংবাদ পরিবেশন সহজতর করে তোলে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগর নিয়ে গঠিত উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল। - বৈশিষ্ট্য: ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় সাধারণত সমুদ্রপৃষ্ঠের উষ্ণতা বৃদ্ধি এবং বায়ুমণ্ডলের নিম্নচাপের ফলে সৃষ্টি হয়। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার প্যানেল অন ট্রপিক্যাল সাইক্লোন সদস্য দেশগুলোর প্রস্তাবিত নামের তালিকা থেকে ক্রমানুসারে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করে থাকে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ঘূর্ণিঝড় 'নিসর্গ' ব্যাখ্যা: আরব সাগরে সৃষ্ট এই ঘূর্ণিঝড়টির নাম প্রকৃতি বা পরিবেশ সংক্রান্ত একটি শব্দের নামানুসারে রাখা হয়েছিল। উদাহরণ ২: ঘূর্ণিঝড় 'বুলবুল' ব্যাখ্যা: বঙ্গোপসাগরে আঘাত হানা এই ঘূর্ণিঝড়টির নাম একটি পরিচিত পাখির নামানুসারে করা হয়েছিল যা নামকরণের বৈচিত্র্য প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুগন্ধী ফুল — এটি সঠিক উত্তর কারণ মোন্থা নামের অর্থ এই বিশেষ ফুলকে নির্দেশ করে। B) কালনিশি — এটি ভুল কারণ কোনো ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণে এই শব্দ বা অর্থ ব্যবহার করা হয় না। C) তীব্র ঝড় — এটি ভুল কারণ ঝড় বা সাইক্লোন বোঝাতে সরাসরি এই সাধারণ শব্দ ব্যবহার করে ঘূর্ণিঝড়ের নাম রাখা হয় না। D) উত্তাল ঢেউ — এটি ভুল কারণ এটি ঝড়ের একটি প্রাকৃতিক ফলাফল হলেও কোনো নির্দিষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের নামের শাব্দিক অর্থ এটি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঘূর্ণিঝড়ের নাম এবং তার অর্থ মনে রাখার জন্য নামটির উৎস দেশের সংস্কৃতি ও প্রকৃতির সাথে মিলিয়ে পড়তে হবে। মোন্থা মানে সুগন্ধী ফুল এটি মনে রাখতে ফুলের সুবাসের কথা মাথায় রাখা যেতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাম্প্রতিক সময়ে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড়ের নাম এবং তার অর্থ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - একই ধারণা থেকে কোনো নির্দিষ্ট ঘূর্ণিঝড় কোন দেশ নামকরণ করেছে বা বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার প্যানেলের সদস্য সংখ্যা কত, সে সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a তেঁতুলিয়া
b টেকনাফ
c পঞ্চগড়
d বাংলাবান্ধা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাংলাবান্ধা ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের সর্বউত্তরের ভূখণ্ড হলো পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন। এটি মূলত দেশের ভৌগোলিক সীমানার একদম শেষ উত্তর প্রান্ত নির্দেশ করে যা আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: বাংলাবান্ধা ইউনিয়নটি পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলায় অবস্থিত এবং এটি হিমালয় পর্বতমালার কাছাকাছি এলাকায় পড়ে। বৈশিষ্ট্য: এটি মহানন্দা নদীর তীরে অবস্থিত এবং এখান থেকে কাঞ্চনজংঘা পর্বতশৃঙ্গ স্পষ্টভাবে দেখা যায়। সংশ্লিষ্ট তথ্য: বাংলাবান্ধা বাংলাদেশের সর্বউত্তরের ভূমি হলেও এর সীমান্তেই রয়েছে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার জিরো পয়েন্ট। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: টেকনাফ ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত স্থান যা চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত। উদাহরণ ২: সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের প্রবাল দ্বীপ যা মূল ভূখণ্ডের বাইরে সমুদ্রের মাঝে অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তেঁতুলিয়া — এটি বাংলাদেশের সর্বউত্তরের উপজেলা, তবে নির্দিষ্ট স্থান হিসেবে এর ভেতর অবস্থিত বাংলাবান্ধা হলো সর্বউত্তরের প্রান্ত। B) টেকনাফ — এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত স্থান বা উপজেলা যা কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত। C) পঞ্চগড় — এটি বাংলাদেশের সর্বউত্তরের জেলা, তবে এর একটি নির্দিষ্ট ইউনিয়ন হলো সর্বউত্তরের সঠিক বিন্দু। D) বাংলাবান্ধা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি তেঁতুলিয়া উপজেলার সর্বউত্তরের নির্দিষ্ট গ্রাম ও সীমান্ত এলাকা। ৫. মনে রাখার টিপস: উত্তর মনে রাখার সহজ কৌশল হলো উত্তর মানে বাংলাবান্ধা আর দক্ষিণ মানে টেকনাফ। বাংলাদেশের মানচিত্রের ওপরের দিকে তাকালে উত্তর দিক নির্দেশ করে যেখানে বাংলাবান্ধা অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বহুবার এসেছে। পরীক্ষায় প্রায়ই সর্বদক্ষিণ, সর্বপূর্ব বা সর্বপশ্চিমের স্থান সম্পর্কেও প্রশ্ন আসতে পারে।
a আফ্রিকা
b এশিয়া
c ইউরোপ
d দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আফ্রিকা ১. কেন সঠিক: - আফ্রিকা মহাদেশে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক স্বাধীন রাষ্ট্র বা দেশ রয়েছে, যার সংখ্যা ৫৪টি। - বিশাল ভূখণ্ড এবং ঔপনিবেশিক ইতিহাসের সীমানা বিভাজনের কারণে এই মহাদেশে ক্ষুদ্র ও বৃহৎ দেশের সংখ্যা সর্বাধিক। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: আফ্রিকা মহাদেশটি পৃথিবীর পূর্ব গোলার্ধের ক্রান্তীয় অঞ্চলে এবং উভয় গোলার্ধ জুড়ে বিস্তৃত। - বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ এবং এর মধ্য দিয়ে বিষুবরেখা অতিক্রম করেছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: নাইজেরিয়া ব্যাখ্যা: এটি আফ্রিকা মহাদেশের অন্যতম জনবহুল এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি দেশ। উদাহরণ ২: সেশেলস ব্যাখ্যা: এটি আফ্রিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত ভারত মহাসাগরের একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ রাষ্ট্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফ্রিকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মহাদেশে ৫৪টি স্বাধীন দেশ রয়েছে। B) এশিয়া — এটি বিশ্বের বৃহত্তম মহাদেশ হলেও এখানে দেশের সংখ্যা আফ্রিকার চেয়ে কম, প্রায় ৪৮টি। C) ইউরোপ — ইউরোপ মহাদেশে প্রায় ৪৪টি দেশ রয়েছে, যা আফ্রিকার তুলনায় কম। D) দক্ষিণ আমেরিকা — এই মহাদেশে স্বাধীন দেশের সংখ্যা মাত্র ১২টি, যা আফ্রিকা থেকে অনেক কম। ৫. মনে রাখার টিপস: - সবচেয়ে বেশি দেশ মনে রাখতে আফ্রিকা শব্দের সাথে বাহান্ন বা চুয়ান্ন সংখ্যাটি মিলিয়ে নিতে পারো। - এভাবে মনে রাখা যায় যে বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও বেশি দেশের মহাদেশ হলো আফ্রিকা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মহাদেশভিত্তিক দেশ বা আয়তনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - একই ধারণা থেকে বিশ্বের বৃহত্তম মহাদেশ বা ক্ষুদ্রতম দেশের নাম সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
a ভারত মহাসাগর
b আটলান্টিক মহাসাগর
c বঙ্গোপসাগর
d দক্ষিণ চীন সাগর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গোপসাগর ১. কেন সঠিক: পোর্ট ব্লেয়ার ভারতের আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী এবং এটি বঙ্গোপসাগরের পূর্ব দিকে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ শহর। বঙ্গোপসাগর ভারত মহাসাগরের উত্তর-পূর্বাংশ গঠন করে এবং এর পূর্ব দিকে মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড এবং পশ্চিম দিকে ভারত অবস্থিত। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: পোর্ট ব্লেয়ার বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অবস্থিত আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের দক্ষিণ আন্দামান দ্বীপে অবস্থিত। বৈশিষ্ট্য: এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত ও সামুদ্রিক বন্দর যা বঙ্গোপসাগরের প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং সামুদ্রিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ব্যাখ্যা: এটিও বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত বাংলাদেশের একটি প্রখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র। উদাহরণ ২: সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ যা দক্ষিণ এশীয় সামুদ্রিক ভূগোলের অংশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত মহাসাগর — পোর্ট ব্লেয়ার বৃহত্তর ভারত মহাসাগরের অংশ হলেও সরাসরি বঙ্গোপসাগরের জলসীমার অন্তর্ভুক্ত। B) আটলান্টিক মহাসাগর — এটি আমেরিকা, আফ্রিকা ও ইউরোপের মাঝে অবস্থিত, তাই এর সঙ্গে পোর্ট ব্লেয়ারের কোনো সম্পর্ক নেই। C) বঙ্গোপসাগর — সঠিক উত্তর। D) দক্ষিণ চীন সাগর — এটি প্রশান্ত মহাসাগরের একটি প্রান্তিক সাগর যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত এবং পোর্ট ব্লেয়ার থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী পোর্ট ব্লেয়ার মানেই মনে রাখতে হবে এটি ভারতের মূল ভূখণ্ডের পূর্বে বঙ্গোপসাগরের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারে। ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী বা এর চারপাশের সাগর সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
a নরওয়ে
b ফিনল্যান্ড
c আইসল্যান্ড
d গ্রিস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আইসল্যান্ড ১. কেন সঠিক: আইসল্যান্ড দেশকে আগুন ও বরফের ভূমি বলা হয় কারণ এর ভূপ্রকৃতিতে তীব্র বিপরীতমুখী দুটি উপাদানের সহাবস্থান দেখা যায়। এখানে যেমন রয়েছে বিশাল বরফাবৃত হিমবাহ, তেমনি রয়েছে সক্রিয় আগ্নেয়গিরি ও উষ্ণ প্রস্রবণ। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে ইউরোপের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। বৈশিষ্ট্য: এটি মিড আটলান্টিক রিজের ওপর অবস্থিত হওয়ায় এখানে ভূতাত্ত্বিক ভূকম্পন ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত খুব বেশি ঘটে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ভ্যাটনাজোকুল হিমবাহ। ব্যাখ্যা: এটি আইসল্যান্ডের এবং ইউরোপের অন্যতম বৃহত্তম বরফের আস্তরণ বা হিমবাহ। উদাহরণ ২: হেক্লা আগ্নেয়গিরি। ব্যাখ্যা: এটি আইসল্যান্ডের সবচেয়ে সক্রিয় আগ্নেয়গিরিগুলোর একটি যা বরফের নিচে বা পাশেই অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নরওয়ে — এটি ফিয়র্ড বা খাড়ির দেশ নামে পরিচিত এবং এর ভূপ্রকৃতিতে আগুন ও বরফের এমন বিশেষ ভৌগোলিক বৈপরীত্য নেই। B) ফিনল্যান্ড — এটি হাজার হ্রদের দেশ নামে পরিচিত এবং এর প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য বরফাবৃত হলেও প্রধানত হ্রদের জন্য বিখ্যাত। D) গ্রিস — এটি ভূমধ্যসাগরীয় উপদ্বীপীয় দেশ এবং এর ভূপ্রকৃতি প্রাচীন ইতিহাস ও ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর জন্য পরিচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: আইসল্যান্ড নামের মধ্যেই আইস বা বরফ আছে, আর এর নিচেই আগুন বা আগ্নেয়গিরি আছে। এভাবে বরফ ও আগুনের মিল-বন্ধনের কথা মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আইসল্যান্ড কোন মহাসাগরে অবস্থিত এবং একে কেন আগুনের ভূমি বলা হয় তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। একই ধারণা থেকে জিওথার্মাল এনার্জি বা আগ্নেয়গিরি সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।