মোট প্রশ্ন (193)

a অসহায়ত্ব
b বিরক্তি
c কালের বিস্তার
d পৌনঃপুনিকতা
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পৌনঃপুনিকতা ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি পৌনঃপুনিকতা নির্দেশ করে কারণ একই পদের পরপর দুবার ব্যবহার বারবার বা অবিরাম ঘটার ভাব প্রকাশ করে। - এখানে 'ডেকে ডেকে' পদটি দ্বারা কাউকে বারবার বা ঘনঘন আহ্বান করার অবিরাম প্রক্রিয়া বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - একই শব্দ পরপর দুবার ব্যবহৃত হয়ে যদি একই সঙ্গে বারবার ঘটার বা ধারাবাহিকতার অর্থ প্রকাশ করে, তবে তাকে পদের দ্বিরুক্তি বা ক্রিয়ার দ্বিরুক্তি বলা হয়। - এই বাক্যে ক্রিয়ার দ্বিরুক্তির মাধ্যমে কাজের পৌনঃপুনিকতা বা ঘনঘন সংঘটিত হওয়া বোঝানো হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে জ্বর এল।’ ব্যাখ্যা: এখানে 'ভিজে ভিজে' পদটি কাজের ব্যাপ্তি বা ধারাবাহিকতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ‘তাঁকে বুঝিয়ে বুঝিয়ে হয়রান হলাম।’ ব্যাখ্যা: এখানে 'বুঝিয়ে বুঝিয়ে' পদটি বারবার বোঝানোর পৌনঃপুনিক অর্থ প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অসহায়ত্ব — এই বাক্যে অক্ষমতা বা পরনির্ভরশীলতার কোনো অর্থ প্রকাশ পায়নি। B) বিরক্তি — এখানে বিরক্তির ভাব থাকলেও ব্যাকরণগতভাবে প্রধান প্রকাশ হলো কাজটি বারবার ঘটা। C) কালের বিস্তার — কালের বিস্তার বলতে সময়ের দীর্ঘসূত্রিতা বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) পৌনঃপুনিকতা — এই অপশনটি সঠিক কারণ একই কাজের বারবার বা ঘনঘন সংঘটিত হওয়া বোঝানো হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্যে কোনো শব্দ বা ক্রিয়া দুবার থাকলে এবং তা যদি বারবার ঘটার অর্থ দেয়, তবে চোখ বন্ধ করে পৌনঃপুনিকতা দাগাবে। - ক্রিয়ার দ্বিরুক্তি দেখলে বারবার বা ঘনঘন ঘটার বিষয়টি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদের দ্বিরুক্তি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাক্যে শব্দের পুনরাবৃত্তি কোন ভাব প্রকাশ করছে, তা বুঝতে বাক্যের ভেতরের অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a বেগম রোকেরা 
b কাদম্বরী দেবী
c স্বর্ণকুমারী দেবী
d নূরন্নাহার ফয়জুন্নেসা
0 137 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্বর্ণকুমারী দেবী ১. কেন সঠিক: - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক হিসেবে স্বর্ণকুমারী দেবীকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ১৮৭৬ সালে প্রকাশিত তাঁর দীপালি উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী রচিত উপন্যাস। - ঔপন্যাসিক শব্দের অর্থ যিনি উপন্যাস রচনা করেন। স্বর্ণকুমারী দেবী তাঁর সাহিত্যকর্মের মাধ্যমে ঊনবিংশ শতাব্দীতে নারী জাগরণ ও উপন্যাসের ধারায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - স্বর্ণকুমারী দেবী ছিলেন বিখ্যাত জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের একজন প্রতিভাবান সদস্য এবং মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কন্যা। তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অগ্রজ প্রতিম দিদি ছিলেন। - তাঁর রচিত প্রথম উপন্যাস দীপালি ১৮৭৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং তাঁর অপর বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস হলো ছিন্নমুকুল। তিনি দীর্ঘকাল ভারতী পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দীপালি উপন্যাস ব্যাখ্যা: এটি স্বর্ণকুমারী দেবী রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহিলা উপন্যাস, যা তাঁর সাহিত্য প্রতিভার এক উজ্জ্বল নিদর্শন। উদাহরণ ২: ছিন্নমুকুল উপন্যাস ব্যাখ্যা: এটি স্বর্ণকুমারী দেবীর রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস, যা বাংলা উপন্যাসের বিকাশে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেগম রোকেয়া — ইনি বাংলা সাহিত্যে নারী মুক্তি আন্দোলনের অগ্রদূত ও প্রথম নারীবাদী সাহিত্যিক হলেও প্রথম ঔপন্যাসিক নন। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস সুলতানার স্বপ্ন এবং পদ্মরাগ। B) কাদম্বরী দেবী — ইনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বৌঠান ও জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের সদস্য হলেও কোনো উপন্যাস রচনার জন্য পরিচিত নন। D) নূরন্নাহার ফয়জুন্নেসা — ইনি সেকালের একজন মুসলিম নারী সাহিত্যিক হলেও বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিগণিত হন না। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্বর্ণ শব্দটি দিয়ে মনে রাখতে পারেন যে প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক স্বর্ণের মতো মূল্যবান অবদান রেখেছিলেন। স্বর্ণকুমারী দেবীর উপন্যাস মানেই প্রথম নারী ঔপন্যাসিকের সৃষ্টি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রথম নারী ঔপন্যাসিক এবং প্রথম নারী কবি নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। প্রথম সার্থক নারী ঔপন্যাসিক স্বর্ণকুমারী দেবী এবং প্রথম মুসলিম নারী সাহিত্যিক বা ঔপন্যাসিক ফয়জুন্নেসা চৌধুরাণী।
a মওলানা ভাসানী
b আবুল কজল
c শহীদুল্লা কায়সার
d শেখ মুজিবুর রহমান
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শেখ মুজিবুর রহমান ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভ্রমণকাহিনিমূলক গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে। - ১৯৫৪ সালে চীন সফরের অভিজ্ঞতা এই বইটিতে সহজ ও সাবলীল ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - লেখক হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের পাশাপাশি ডায়েরি লেখার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। - তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর মধ্যে অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং কারাগারের রোজনামচা বাংলা আত্মজৈবনিক সাহিত্যে অনন্য স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অসমাপ্ত আত্মজীবনী ব্যাখ্যা: এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: কারাগারের রোজনামচা ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর কারাজীবনে লেখা ডায়েরিভিত্তিক ঐতিহাসিক দলিল ও সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মওলানা ভাসানী — ইনি একজন প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা হলেও এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন। B) আবুল ফজল — ইনি একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবী হলেও এই ভ্রমণকাহিনির লেখক নন। C) শহীদুল্লা কায়সার — ইনি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক হলেও এই গ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়। D) শেখ মুজিবুর রহমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ বইটি তাঁরই চীন সফরের স্মৃতিকথা। ৫ মনে রাখার টিপস: - শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা বইগুলো মনে রাখতে নয়াচীন, আত্মজীবনী এবং কারাগার এই তিনটি শব্দ মনে রাখতে পারো। - চীন ভ্রমণ সংক্রান্ত ডায়েরি মানেই সেটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা গ্রন্থ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আমার দেখা নয়াচীন গ্রন্থটি বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়েছে এবং এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - লেখকের আত্মজীবনী ও ভ্রমণকাহিনিগুলো থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন করা হয়।
a পর্তুগিজ
b ফরাসি
c আরবি
d ফারসি
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফারসি ১. কেন সঠিক: - আসমান শব্দটির উৎস ফারসি ভাষা। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বহু বিদেশি শব্দের মধ্যে ফারসি শব্দ অন্যতম প্রধান একটি উৎস। - আসমান শব্দের অর্থ আকাশ বা অম্বর। এটি বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত একটি প্রচলিত শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দের উৎস ও শব্দের শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। - ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো প্রধানত প্রশাসন, ধর্ম, সংস্কৃতি, ব্যবসা এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা ক্ষেত্র থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খোদা ব্যাখ্যা: খোদা একটি ফারসি শব্দ যার অর্থ ঈশ্বর বা আল্লাহ এবং এটি বাংলা ভাষায় বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: বরফ ব্যাখ্যা: বরফ শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি পরিচিত বস্তুবাচক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় বিভিন্ন সামুদ্রিক, ধর্মীয় ও ঘরোয়া বস্তুবাচক শব্দ এসেছে যেমন আনারস, পাদ্রি, চাবি, তবে আসমান পর্তুগিজ শব্দ নয়। B) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে কার্তুজ, রেস্তোরাঁ ও কুপন জাতীয় কিছু শব্দ বাংলায় প্রবেশ করেছে, কিন্তু প্রদত্ত প্রশ্নানুসারে আসমান ফরাসি শব্দ নয়। C) আরবি — আরবি ভাষা থেকে ধর্ম, আইন ও প্রশাসনসংক্রান্ত বহু শব্দ বাংলায় এসেছে যেমন কিতাব, কলম, আদালত, তবে আসমান আরবি ভাষার শব্দ নয়। D) ফারসি — এই অপশনটি সঠিক কারণ আসমান সরাসরি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে এবং এর উৎস ফারসি। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রকৃতি ও মহাবিশ্ব সংক্রান্ত কিছু ফারসি শব্দ মনে রাখতে পারো যেমন আসমান, বরফ, জগত বা মেহমান। - বিদেশি শব্দ চেনার জন্য শব্দের প্রচলিত ব্যবহার এবং উৎস ভাষাভিত্তিক তালিকা নিয়মিত চর্চা করা উপকারী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে ফারসি, আরবি ও পর্তুগিজ শব্দের পার্থক্য থেকে। - পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি এড়াতে আসমান ও খোদা জাতীয় প্রকৃতিবাচক শব্দগুলো কোন ভাষার তা আলাদাভাবে তালিকাভুক্ত করে পড়তে হবে।
a আ
b ই
c এ
d জ্যা
0 131 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আ ১. কেন সঠিক: - 'আ' একটি স্বরধ্বনি এবং উচ্চারণকালে জিহ্বা মুখবিবরের নিচে বা বিবৃত অবস্থায় থাকে বলে একে নিম্নবিবৃত স্বরধ্বনি বলা হয়। - বাংলা ব্যাকরণে মুখবিবরের আকৃতি এবং জিহ্বার উচ্চতার ওপর ভিত্তি করে স্বরধ্বনিগুলোকে বিভিন্ন শ্রেণ We ভাগ করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জিহ্বার অবস্থান এবং মুখবিবরের খোলার মাত্রার ওপর ভিত্তি করে বাংলা স্বরধ্বনিগুলোকে উচ্চ, উচ্চ-মধ্য, নিম্ন-মধ্য এবং নিম্ন এই চার ভাগে ভাগ করা হয়। - 'আ' উচ্চারণের সময় মুখ সবচেয়ে বেশি ফাঁক হয় এবং জিহ্বা নিচে অবস্থান করে, তাই এটি নিম্ন বা বিবৃত স্বরধ্বনি হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম ব্যাখ্যা: আম শব্দটি উচ্চারণের শুরুতে 'আ' ধ্বনিটি উচ্চারিত হয় যা নিম্নবিবৃত স্বরধ্বনির একটি চমৎকার উদাহরণ। উদাহরণ ২: আকাশ ব্যাখ্যা: আকাশ শব্দটিতে 'আ' ধ্বনি ব্যবহারের মাধ্যমে মুখবিবর সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করে উচ্চারণ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিম্নবিবৃত স্বরধ্বনি হিসেবে প্রমিত ব্যাকরণে স্বীকৃত। B) ই — এটি একটি উচ্চ স্বরধ্বনি, কারণ এটি উচ্চারণের সময় জিহ্বা উপরে থাকে এবং মুখ কম খোলে। C) এ — এটি একটি উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি, যা উচ্চারণের সময় জিহ্বার অবস্থান উচ্চ ও মধ্যবর্তী স্থানে থাকে। D) জ্যা — এটি কোনো মৌলিক স্বরধ্বনি নয়, বরং এটি একটি ব্যঞ্জনবর্ণ ও স্বরবর্ণের মিলিত রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুখ সবচেয়ে বেশি ফাঁক হয় কেবল 'আ' ধ্বনি উচ্চারণের সময়, তাই এটিকে মুখখোলা বা নিম্নবিবৃত ধ্বনি হিসেবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখবিবরের বিভিন্ন অবস্থানের নাম যেমন বিবৃত, সংবৃত, অর্ধ-সংবৃত এবং অর্ধ-বিবৃত ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।
a জীবননাশের ইচ্ছা
b বেঁচে থাকার ইচ্ছা
c জীবনকে জানার ইচ্ছা
d জীবন-জীবিকার পথ
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বেঁচে থাকার ইচ্ছা ১. কেন সঠিক: - ‘জিজীবিষা’ একটি এককথায় প্রকাশ বা বাক্যে সংকোচন। এর মূল অর্থ হলো মানুষের বেঁচে থাকার বা জীবন ধারণ করার তীব্র প্রবৃত্তি বা বাসনা। - সংস্কৃত ‘জীব্’ ধাতু থেকে জিজীবিষা শব্দটি এসেছে, যার অর্থ বেঁচে থাকার প্রবল আকাক্ষা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্যসংক্ষেপণ অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শব্দ। মনের ভাবকে সংক্ষেপে প্রকাশ করার জন্য এই ধরনের শব্দ ব্যবহার করা হয়। - প্রত্যয় ও শব্দ গঠনের নিয়মের দিক থেকে এটি বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত একটি কৃদন্ত পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুমূর্ষু ব্যাখ্যা: যার মরার অবস্থা বা যে মরতে বসেছে, তাকে এককথায় মুমূর্ষু বলা হয়। এটিও বেঁচে থাকা বা মৃত্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ। উদাহরণ ২: বুভুক্ষু ব্যাখ্যা: যার খাওয়ার ইচ্ছা বা তীব্র ক্ষুধা রয়েছে, তাকে এককথায় বুভুক্ষু বলা হয়। এটিও মানুষের প্রবৃত্তিগত ইচ্ছাকে প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবননাশের ইচ্ছা — জীবননাশের ইচ্ছাকে এককথায় জিঘাংসা বা মুমূর্ষু বলা যায় না, এর জন্য নির্দিষ্ট অন্য শব্দ রয়েছে। B) বেঁচে থাকার ইচ্ছা — এটিই জিজীবিষার সঠিক ও মূল অর্থ। C) জীবনকে জানার ইচ্ছা — জীবনকে জানার ইচ্ছাকে কৌতূহল বা অন্য কোনো বিশেষ নামে প্রকাশ করা হয়, জিজীবিষা নয়। D) জীবন-জীবিকার পথ — জীবন ধারণের উপায় বা জীবিকাকে পেশা বা রুটিরুজি বলা হয়, এটি কোনো একক ইচ্ছাকে বোঝায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - জিজীবিষা শব্দটিতে বারবার 'জ' এবং 'ই' কারের ব্যবহার আছে, যা মনে করিয়ে দেয় এটি বেঁচে থাকা বা জীবন সম্পর্কিত তীব্র কোনো ইচ্ছার কথা বলে। - জীব ধাতু থেকে জীবিকা এবং জিজীবিষা দুটি শব্দই গঠিত হয়, যা দিয়ে বেঁচে থাকাকে বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে এই ধরনের জটিল বানানযুক্ত শব্দগুলো প্রায়ই অপশনে থাকে। - বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রেও 'জিজীবিষা' শব্দটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানে দুটি দীর্ঘ ঈ কার এবং দুটি হ্রস্ব ই কার ব্যবহৃত হয়।
a বিষমীভবন
b সমীভবন
c ব্যঞ্জনদ্বিত্ব
d ব্যঞ্জন-বিকৃতি
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্যঞ্জনদ্বিত্ব ১. কেন সঠিক: শব্দের মধ্যে দুটি ভিন্ন ব্যঞ্জনবর্ণের একটির প্রভাবে অন্যটি পরিবর্তিত না হয়ে যদি একই ধ্বনির দ্বিরুক্তি বা দ্বিত্ব ঘটে, তবে তাকে ব্যঞ্জনদ্বিত্ব বলে। এখানে মূল শব্দ বড় এবং এর ব্যঞ্জনবর্ণ 'ড' দ্বিত্ব বা দুবার উচ্চারিত হয়ে বড্ড রূপ নিয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ধ্বনি পরিবর্তনের একটি বিশেষ প্রক্রিয়া হলো ব্যঞ্জনদ্বিত্ব বা দ্বিরুক্তি যেখানে জোর দেওয়ার জন্য বা অন্য কোনো কারণে শব্দের ভেতরের ব্যঞ্জনধ্বনি দ্বিগুণ হয়। অনেক সময় জোর দেওয়ার জন্য বা দ্রুত উচ্চারণের সুবিধার জন্য প্রাকৃত বা অপভ্রংশ থেকে বাংলায় আসার সময় এমন পরিবর্তন ঘটে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ্ম > পদ্দ ব্যাখ্যা: এখানে 'দ্ম' যুক্তবর্ণের 'ম' ধ্বনিটি লোপ পেয়ে বা পরিবর্তিত হয়ে 'দ' ধ্বনির দ্বিত্ব ঘটেছে এবং পদ্দ শব্দ তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: সকাল > সক্কাল ব্যাখ্যা: শব্দের ওপর জোর দেওয়ার জন্য মাঝের ব্যঞ্জনবর্ণ 'ক' দ্বিত্ব হয়ে সক্কাল রূপ লাভ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষমীভবন — দুটি সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে বিষমীভবন বলে, যা এখানে ঘটেনি। B) সমীভবন — পাশাপাশি থাকা দুটি ভিন্ন ধ্বনির প্রভাবে একটি অপরটির সমতা লাভ করে, যা এই পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) ব্যঞ্জন-বিকৃতি — শব্দের আদি, মধ্য বা অন্তে কোনো ব্যঞ্জন পরিবর্তিত হয়ে নতুন ব্যঞ্জনধ্বনি আসলে তাকে ব্যঞ্জন-বিকৃতি বলে। ৫. মনে রাখার টিপস: শব্দের ভেতরে যদি কোনো ব্যঞ্জনবর্ণ দুবার বা দ্বিত্ব আকারে উচ্চারিত হয়, তবে চোখ বন্ধ করে ব্যঞ্জনদ্বিত্ব দাগাবে। বড় থেকে বড্ড বা সকাল থেকে সক্কাল দেখলে বুঝবে এটি জোর দেওয়ার জন্য ব্যঞ্জনধ্বনি দ্বিগুণ হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি পরিবর্তন থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। সমীভবন এবং ব্যঞ্জনদ্বিত্বের পার্থক্য ভালোভাবে বুঝতে হবে কারণ অনেক সময় শিক্ষার্থীরা এগুলোতে বিভ্রান্ত হয়।
a রামায়ণের সাত পর্ব
b রামায়ণে বর্ণিত বৃক্ষ
c রামায়ণে বর্ণিত সাতটি সমুদ্র
d বৃহৎ বিষয়
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বৃহৎ বিষয় কেন সঠিক: - এই বাগধারাটি আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে একটি বিশেষ ও বড় পরিসরের অবস্থাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - কোনো জটিল বা দীর্ঘ বিষয়কে বুঝাতে বাংলা ভাষায় এই প্রবাদটি অত্যন্ত জনপ্রিয়ভাবে ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বাকধারায় কিছু শব্দ তার মূল অর্থ প্রকাশ না করে অন্য কোনো বিশেষ ভাব প্রকাশ করে থাকে। - রামায়ণ মহাকাব্যটি আকারে অত্যন্ত বিশাল এবং এর সাতটি কাণ্ড থাকায় সাহিত্য ক্ষেত্রে এটি বিশালতার প্রতীক হিসেবে স্থান পেয়েছে। - যেমন কোনো ছোট বিষয় নিয়ে অনেক বেশি কথা বললে তাকে সপ্তকাণ্ড রামায়ণ রচনা করা বলা চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামায়ণের সাত পর্ব — এটি বাগধারার আক্ষরিক অর্থ হলেও পরীক্ষামূলকভাবে এর রূপক বা আসল অর্থটিই মূলত সঠিক হিসেবে গণ্য হয়। B) রামায়ণে বর্ণিত বৃক্ষ — রামায়ণে নানা গাছের উল্লেখ থাকলেও এই বাগধারার সাথে গাছের কোনো ধরণের সরাসরি সংযোগ নেই। C) রামায়ণে বর্ণিত সাতটি সমুদ্র — পৌরাণিক সাহিত্যে সমুদ্রের কথা থাকলেও এই প্রবাদটি সমুদ্রের আয়তন বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। D) বৃহৎ বিষয় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়, বরং প্রশ্নটির মূল ভাবার্থ এটিই নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: - রামায়ণ মহাকাব্যটি অনেক বড় হওয়ায় এই নামটি বৃহৎ কোনো বিষয় বোঝাতে মনে রাখবে। - কাণ্ড মানে পর্ব আর সাতটি কাণ্ড মানে অনেক বড় কিছু এমনভাবে সহজে মাথায় রাখবে।
a প্রত্যায়িত
b সত্যায়িত
c প্রতারিত
d সত্যয়িত
0 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সত্যায়িত ১. কেন সঠিক: 'Attested' ইংরেজি শব্দটির প্রমিত বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো 'সত্যায়িত'। কোনো নথিপত্র, সনদ বা মূল কাগজের সত্যতা যাচাই করে যখন তা সঠিক বলে প্রমাণিত হয়, তখন তাকে সত্যায়িত বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি পারিভাষিক শব্দ বিষয়ক একটি প্রশ্ন। প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজে ইংরেজি শব্দের সঠিক বাংলা পরিভাষা ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমি নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Attested copy ব্যাখ্যা: এর সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো সত্যায়িত অনুলিপি। উদাহরণ ২: Attested document ব্যাখ্যা: এর সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো সত্যায়িত দলিল বা নথি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রত্যায়িত — এই শব্দের অর্থ বিশ্বাস করা বা আস্থা স্থাপন করা, যা Attested শব্দের সঠিক পরিভাষা নয়। B) সত্যায়িত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সত্য বা সঠিক বলে প্রমাণ করা। C) প্রতারিত — এই শব্দের অর্থ কাউকে ঠকানো বা প্রবঞ্চনা করা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে। D) সত্যয়িত — এটি বানানগতভাবে ভুল এবং বাংলা ব্যাকরণে এ ধরনের শব্দের প্রচলন নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: Attested শব্দের সামনে 'সত্' অংশটি আছে, যা থেকে সত্য বা সত্যায়িত শব্দটি মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দাপ্তরিক ও প্রশাসনিক পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই সরকারি চিঠিপত্র ও সার্টিফিকেটে ব্যবহৃত সাধারণ ইংরেজি শব্দের বাংলা রূপ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a তেজি কুমিরকে রুখে দিই 
b বৃক্ষের শাখায় পাকা তেঁতুল
c গাছের তেঁতুল কুমিরে খায় 
d ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হয়
0 135 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গাছের তেঁতুল কুমিরে খায় ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি চর্যাপদের একটি বিখ্যাত পংক্তি যার শাব্দিক বা সরল অর্থ হলো গাছের তেঁতুল কুমিরে খাওয়া। - এখানে প্রাচীন বাংলা ভাষার শব্দ 'রুখ' অর্থ গাছ এবং 'তেন্তুলি' অর্থ তেঁতুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের একটি পংক্তি যা চর্যাপদের দ্বাদশ পদের অংশ। - এই পদটির রচয়িতা বা পদকর্তা হলেন কুক্কুরীপাদ এবং এটি প্রাকৃত বা অপভ্রংশ ভাষার প্রভাবে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের ভাষা সান্ধ্যভাষা ব্যাখ্যা: মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদের ভাষাকে সান্ধ্যভাষা হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। উদাহরণ ২: চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ব্যাখ্যা: ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তেজি কুমিরকে রুখে দিই — এটি পংক্তিটির মূল অর্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং আধুনিক ভাবানুবাদ নয়। B) বৃক্ষের শাখায় পাকা তেঁতুল — এটি গাছের তেঁতুলের কথা বললেও কুমিরের অংশটি এখানে অনুপস্থিত। C) গাছের তেঁতুল কুমিরে খায় — এটি সঠিক উত্তর এবং পংক্তিটির মূল শাব্দিক অর্থ। D) ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হয় — এটি কোনো প্রবাদের সাধারণ অর্থ হতে পারে কিন্তু এই প্রাচীন পদের মূল ভাব বা শাব্দিক অর্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রুখ মানে গাছ এবং তেন্তুলি মানে তেঁতুল এই দুটি শব্দ মনে রাখলেই অর্থ সহজে বের করা যায়। - চর্যাপদের পংক্তিগুলো মূলত প্রতীকী অর্থে রচিত হলেও অনেক সময় সরাসরি শাব্দিক অর্থ থেকেও প্রশ্ন আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের পদকর্তা এবং তাদের পংক্তি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - প্রাচীন বাংলা ভাষার শব্দার্থ মুখস্থ রাখলে এই ধরনের পংক্তিভিত্তিক প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a ভূবন
b অন্তঃসার
c মুহূর্ত
d অদ্ভুত
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভূবন ১. কেন সঠিক: - 'ভূবন' শব্দটির বানান ভুল কারণ বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দে 'উ-কার' এবং 'ন' যুক্ত হবে না। - সঠিক বানানটি হবে 'ভুবন', যেখানে প্রথম অক্ষরে 'উ-কার' এবং শেষের বর্ণটি মূর্ধন্য 'ন' এর পরিবর্তে দন্ত্য 'ন' হবে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে 'ণত্ব ও ষত্ব বিধান' এবং বাংলা একাডেমি কর্তৃক নির্ধারিত প্রমিত নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। - প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী অনেক সংস্কৃত তৎসম শব্দে মূর্ধন্য 'ণ' এর পরিবর্তে দন্ত্য 'ন' লেখার নিয়ম রয়েছে এবং শব্দের বানানে হ্রস্ব স্বরবর্ণ বা হ্রস্ব-কার ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সান্ত্বনা ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ বানান, যেখানে অনুস্বারের ব্যবহার এবং বানানের গঠন প্রমিত নিয়ম মেনে চলে। উদাহরণ ২: সান্ত্বনা (ভুল রূপ: শান্তনা) ব্যাখ্যা: অনেক শিক্ষার্থী বানানের ভুল উচ্চারণ বা অভ্যাসের কারণে 'সান্ত্বনা' শব্দটিকে ভুলভাবে 'শান্তনা' লিখে থাকেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভূবন — এটি ভুল বানান কারণ এর সঠিক রূপ হলো ভুবন। B) অন্তঃসার — এটি একটি সম্পূর্ণ সঠিক ও প্রমিত বানান, যার অর্থ দেহের ভেতরকার সারবস্তু বা সারাংশ। C) মুহূর্ত — এটি একটি সঠিক ও প্রমিত বানান, যেখানে হ্রস্ব 'উ-কার' এবং রেফ এর পর 'ত' ব্যবহৃত হয়েছে। D) অদ্ভুত — এটি একটি সঠিক ও প্রমিত বানান, যার অর্থ যা পূর্বে দেখা যায়নি বা আশ্চর্য জনক। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভুবন বানানে সবসময় হ্রস্ব উ-কার (ু) এবং দন্ত্য ন ব্যবহৃত হয়। - প্রমিত বানান মনে রাখার জন্য বাংলা একাডেমি প্রণীত বানান অভিধান নিয়মিত চর্চা করা উচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রমিত বানান থেকে প্রশ্ন আসে, তাই হ্রস্ব স্বরবর্ণ ও দন্ত্য ন এর ব্যবহার ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে। - সমধর্মী বানান যেমন ভুবন, মুহূর্ত, সান্ত্বনা ইত্যাদি বারবার অনুশীলন করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
a সরল বাক্য
b জটিল বাক্য
c যৌগিক বাক্য
d খণ্ড বাক্য
0 131 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জটিল বাক্য ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীন এক বা একাধিক আশ্রিত বা অধীন খণ্ডবাক্য ব্যবহৃত হয় এবং যারা পরস্পর সাপেক্ষ সর্বনাম দ্বারা যুক্ত থাকে, তাকে জটিল বাক্য বলে। এখানে যিনি এবং তিনি সাপেক্ষ সর্বনাম বা জোড় শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যা বাক্যটিকে জটিল বাক্যে রূপান্তর করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: গঠনভেদে বাংলা বাক্য প্রধানত তিন প্রকার, যথা সরল বাক্য, জটিল বাক্য ও যৌগিক বাক্য। যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে তাকে সরল বাক্য বলে। যে বাক্যে দুটি স্বাধীন বাক্য সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে তাকে যৌগিক বাক্য বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যে পরিশ্রমে সে সফল হয়। ব্যাখ্যা: এখানে যে এবং সে সাপেক্ষ সর্বনাম যুক্ত হয়ে জটিল বাক্য গঠন করেছে। উদাহরণ ২: যদি বৃষ্টি হয়, তবে খেলা বন্ধ থাকবে। ব্যাখ্যা: এখানে যদি এবং তবে সাপেক্ষ পদ যুক্ত হওয়ায় এটি একটি জটিল বাক্য হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল বাক্য — এই বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, কিন্তু প্রদত্ত বাক্যে সাপেক্ষ সর্বনামের ব্যবহার রয়েছে। B) জটিল বাক্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে সাপেক্ষ সর্বনামের মাধ্যমে অধীনতা প্রকাশ পেয়েছে। C) যৌগিক বাক্য — এই বাক্যে কোনো সংযোজক অব্যয় যেমন এবং, কিন্তু, কিংবা ব্যবহার করে দুটি স্বাধীন বাক্যকে যুক্ত করা হয়নি। D) খণ্ড বাক্য — খণ্ড বাক্য নিজে কোনো সম্পূর্ণ বাক্য নয়, এটি জটিল বা মিশ্র বাক্যের অংশবিশেষ, যা স্বাধীনভাবে সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না। ৫ মনে রাখার টিপস: যিনি-তিনি, যে-সে, যতো-ততো, যদি-তবে ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম বা শব্দ জোড় দেখলে চোখ বন্ধ করে সেটিকে জটিল বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। এই শব্দগুলো বাক্যের এক অংশের ওপর অন্য অংশের নির্ভরশীলতা নির্দেশ করে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তরের জন্য সাপেক্ষ সর্বনাম চেনার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বাক্যের গঠন এবং সংযোগকারী শব্দের উপস্থিতি খেয়াল করে খুব সহজেই সরল, জটিল ও যৌগিক বাক্য আলাদা করা যায়।
a কর্মধারয়
b বহুব্রীহি
c অব্যয়ীভাব
d তৎপুরুষ
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: সমাস ও সমাস নির্ণয় সঠিক উত্তর: A) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - চিকিৎসাশাস্ত্র শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো চিকিৎসা বিষয়ক শাস্ত্র, যেখানে পরপদ শাস্ত্রের অর্থ প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। - কর্মধারয় সমাসের নিয়মানুসারে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে বা সম্বন্ধ পদের লোপে এই সমাস গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং পূর্বপদ ও পরপদের মধ্যে বিশেষ্য-বিশেষণ বা সম্বন্ধ সম্পর্ক থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - এখানে চিকিৎসা এবং শাস্ত্র দুটি পদের মধ্যে সম্বন্ধ বা বিষয়বস্তু বোঝাতে মধ্যপদ বা বিশেষ সম্পর্ক যুক্ত হয়ে কর্মধারয় সমাস সাধন করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিজ্ঞানশাস্ত্র ব্যাখ্যা: বিজ্ঞান বিষয়ক শাস্ত্র সমান বিজ্ঞানশাস্ত্র, যা চিকিৎসাশাস্ত্রের মতো কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: গ্রাম্যসাহিত্য ব্যাখ্যা: গ্রাম্য যে সাহিত্য সমান গ্রাম্যসাহিত্য, এটিও কর্মধারয় সমাসের অপর একটি প্রমিত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মধারয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রদত্ত শব্দটি কর্মধারয় সমাসের নিয়মে গঠিত হয়েছে। B) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পূর্ব বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো তৃতীয় পদকে বোঝায়, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) অব্যয়ীভাব — অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যোগে অবয়বের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু চিকিৎসাশাস্ত্র শব্দটিতে কোনো অব্যয় পদ যুক্ত হয়নি। D) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তবে প্রদত্ত শব্দটি মধ্যপদলোপী বা সম্বন্ধযুক্ত কর্মধারয়ের আওতাভুক্ত। ৫ মনে রাখার টিপস: - কোনো শাস্ত্র বা বিদ্যা বিষয়ক শব্দ বোঝালে এবং তার ব্যাসবাক্যে বিষয়ক বা সম্পর্কিত শব্দ এলে সাধারণত তা কর্মধারয় সমাস হয়। - ব্যাকরণের এই নিয়মটি মনে রাখলে পরীক্ষাকলে খুব সহজেই সঠিক উত্তর নির্ধারণ করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের মধ্যপদযুক্ত বা বিষয়ক শব্দ প্রায়ই আসে, তাই ব্যাসবাক্য নির্ণয় করে সমাসের নাম বের করা শিখতে হবে। - একই নিয়মে সাহিত্যশাস্ত্র, সমাজশাস্ত্র বা আইনশাস্ত্র শব্দগুলোর সমাসও নির্ণয় করা যায়।
a তাতে সমাজজীবন চলে ।
b তাতে না সমাজজীবন চলে ।
c তাতে সমাজনজীবন অচল হয়ে পড়ে।
d তাতে সমাজজীবন সচল হয়ে পড়ে।
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে। ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটি বাক্য রূপান্তর বা নেতিবাচক বাক্য থেকে অস্তিবাচক বাক্যে রূপান্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত। প্রদত্ত বাক্যটি নেতিবাচক বা না-বোধক রূপের ('তাতে সমাজজীবন চলে না'), এর অস্তিবাচক বা হ্যাঁ-বোধক রূপ নির্ণয় করতে হবে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্য রূপান্তরের সময় মূল অর্থের কোনো পরিবর্তন না করে নেতিবাচক বাক্যকে অস্তিবাচক বাক্যে রূপান্তর করতে হয়। এখানে 'চলে না' ক্রিয়াপদের বিপরীতার্থক বা ভাবগত বিপরীত শব্দ ব্যবহার করে অস্তিবাচক রূপ দিতে হবে, যেখানে 'অচল হয়ে পড়ে' কথাটি মূল অর্থের সামঞ্জস্য রেখে হ্যাঁ-বোধক ভাব প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিনি মিথ্যা বলেন না। ব্যাখ্যা: বাক্যটির অস্তিবাচক রূপ হবে, তিনি সত্য বলেন। উদাহরণ ২: কাজটি করা সহজ নয়। ব্যাখ্যা: বাক্যটির অস্তিবাচক রূপ হবে, কাজটি করা কঠিন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাতে সমাজজীবন চলে — এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে হ্যাঁ-বোধক হলেও মূল বাক্যের নেতিবাচক ভাব বা অর্থের সঠিক পরিবর্তন প্রকাশ করে না। B) তাতে না সমাজজীবন চলে — এই অপশনটিতে 'না' যুক্ত থাকায় এটি একটি নেতিবাচক বাক্য রয়ে গেছে, যা অস্তিবাচক রূপের বিপরীত। C) তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি নেতিবাচক বাক্যকে অর্থের পরিবর্তন না করে সম্পূর্ণ অস্তিবাচকূপে রূপান্তর করেছে। D) তাতে সমাজজীবন সচল হয়ে পড়ে — এই অপশনটি মূল বাক্যের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে, কারণ মূল বাক্যে সমাজজীবন সচল না থাকার ইঙ্গিত রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্য রূপান্তরের সময় খেয়াল রাখবে যেন বাক্যের অন্তর্নিহিত অর্থ অপরিবর্তিত থাকে এবং না-বোধক শব্দ বাদ দিয়ে তার উপযুক্ত বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করতে হয়। অস্তিবাচক থেকে নেতিবাচক বা নেতিবাচক থেকে অস্তিবাচক করার সময় মূল ভাব ঠিক রাখা সবচেয়ে জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তরের প্রশ্নগুলোতে প্রায়শই বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করে অর্থের মিল রাখতে হয়। তাই মূল বাক্যের মূল ভাব এবং ক্রিয়াপদের বিপরীত রূপ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখতে হবে।
a স্বরযন্ত্র
b ফুসফুস
c দাত
d উপরের সবকটি
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবকটি ১. কেন সঠিক: - বাগযন্ত্র হলো মানুষের কথা বলার বা ধ্বনি উৎপন্ন করার কাজে সরাসরি সাহায্যকারী অঙ্গসমূহ। - ফুসফুস, স্বরযন্ত্র ও দাঁত—প্রত্যেকেই ধ্বনি উৎপাদনে বিভিন্নভাবে বায়ুর গতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং উচ্চারণস্থল তৈরিতে ভূমিকা রাখে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ সংক্রান্ত ব্যাকরণের অংশ হলো বাগযন্ত্রের আলোচনা। - মানুষের ফুসফুস থেকে নির্গত বাতাস বাকনল, স্বরযন্ত্র, মুখবিবর, জিহ্বা, দাঁত, ওষ্ঠ ইত্যাদির সাহায্যে বিভিন্ন ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দাঁত ব্যাখ্যা: এটি উচ্চারণ স্থান হিসেবে দন্ত্য ধ্বনি তৈরিতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: স্বরযন্ত্র ব্যাখ্যা: এটি বাকধ্বনির মূল উৎস হিসেবে স্বর উৎপন্ন করতে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরযন্ত্র — এটি বাগযন্ত্রের একটি অংশ হলেও একা সম্পূর্ণ বাগযন্ত্র নয়, তাই এটি সঠিক উত্তরের একাংশ মাত্র। B) ফুসফুস — এটি বাগযন্ত্রের মূল চালিকাশক্তি বা বায়ুর উৎস হলেও একা সম্পূর্ণ বাগযন্ত্র গঠন করে না। C) দাত — এটি উচ্চারণের একটি passive articulator বা সক্রিয় உறு অঙ্গ হলেও সম্পূর্ণ বাগযন্ত্র নয়। D) উপরের সবকটি — এই অপশনে থাকা স্বরযন্ত্র, ফুসফুস ও দাঁত প্রত্যেকেই বাগযন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এটি সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাগযন্ত্র মনে রাখার সহজ সূত্র হলো ফুসফুস থেকে বাতাস বেরিয়ে মুখবিবরের দাঁত, জিহ্বা ও স্বরযন্ত্রের সাহায্যে বাইরে আসার পুরো প্রক্রিয়াটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগযন্ত্রের উপাদান সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ফুসফুসকে বাগযন্ত্রের মূল চালিকাশক্তি বলা হয় কারণ এর বাতাস ছাড়া কোনো ধ্বনি তৈরি হয় না।
a করণ কারক
b সম্প্রদান কারক
c অপাদান কারক
d অধিকরণ কারক
0 142 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সম্প্রদান কারক ১. কেন সঠিক: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্প্রদান কারকটিকে স্বতন্ত্র কারক হিসেবে রাখতে চাননি এবং একে কর্মকারকের অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করেছিলেন। - তার মতে, স্বত্ব ত্যাগ করে কোনো কিছু প্রদান করার ক্ষেত্রে যে কারক হয়, তা মূলত কর্ম কারকেরই একটি রূপ মাত্র। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রথাগত বাংলা ব্যাকরণে সম্প্রদান কারক বলতে এমন বিশেষ ক্ষেত্র বোঝায় যেখানে সত্য ত্যাগ করে কোনো কিছু কাউকে দান বা প্রদান করা হয়। - বাংলা ব্যাকরণকে আরও সহজ ও যৌক্তিক করার উদ্দেশ্যে ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্প্রদান কারককে স্বতন্ত্র কারক হিসেবে অস্বীকার করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভিক্ষুককে ভিক্ষা দাও। ব্যাখ্যা: প্রথাগত ব্যাকরণে এটি সম্প্রদান কারক হলেও আধুনিক ও প্রমিত নিয়মে এটি কর্ম কারক হিসেবে বিবেচিত হয়। উদাহরণ ২: ধোপাকে কাপড় দাও। ব্যাখ্যা: এখানে স্বত্ব ত্যাগ করা বোঝায় না, তাই এটি সরাসরি কর্ম কারক এবং এর সঙ্গে সম্প্রদান কারকের তুলনা করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণ কারক — করণ শব্দের অর্থ যন্ত্র, সহায়ক বা উপায় যার দ্বারা ক্রিয়া সম্পন্ন হয় এবং রবীন্দ্রনাথ এটি বাদ দেওয়ার কথা বলেননি। B) সম্প্রদান কারক — এই অপশনটি সঠিক কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্যাকরণ থেকে এই কারকটিকে বাদ দিতে চেয়েছিলেন। C) অপাদান কারক — অপাদান কারক দ্বারা কোনো কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত বা ভীত হওয়া বোঝায় এবং এটি বাদ দেওয়ার কোনো প্রস্তাব আসেনি। D) অধিকরণ কারক — অধিকরণ কারক দ্বারা ক্রিয়া সংঘটিত হওয়ার স্থান, কাল বা সময়কে বোঝায় যা ব্যাকরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্প্রদান কারককে কর্ম কারক বলে মনে করতেন। - তাই ব্যাকরণ সহজ করতে তিনি সম্প্রদান কারক বাদ দিতে চেয়েছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন পন্ডিত সম্প্রদান কারক বাদ দিতে চেয়েছেন। - উত্তর হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম মনে রাখতে হবে।
a হিত্তিক ও তুখারিক 
b তামিল ও দ্রাবিড়
c (খ) আর্য ও অনার্য 
d মাগধী ও গৌড়ী
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হিত্তিক ও তুখারিক ১. কেন সঠিক: - কেন্তম ভাষাবংশ এশিয়া মাইনর বা এশিয়ার ভৌগোলিক সীমানার অন্তর্গত ছিল বলে হিত্তিক ও তুখারিক এই শাখার অন্তর্ভুক্ত। - ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা বংশের শতুম ও কেন্তম এই দুটি প্রধান ধারার মধ্যে কেন্তম শাখা মূলত ইউরোপে বিস্তৃত হলেও এর কিছু অংশ এশিয়ায় পাওয়া গেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত এই প্রশ্নটিতে ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা বংশের ভৌগোলিক বিস্তার আলোচিত হয়েছে। - শতুম ও কেন্তম ধ্বনিগত পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে প্রাক-ঐতিহাসিক ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাকে এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিত্তিক ভাষা ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন এশিয়া মাইনরের আনাতোলিয়া অঞ্চলে প্রচলিত কেন্তম শাখার একটি বিলুপ্ত ভাষা। উদাহরণ ২: তুখারিক ভাষা ব্যাখ্যা: এটি বর্তমান চীনের শিঞ্জিয়াং অঞ্চলে প্রচলিত কেন্তম শাখার একটি ঐতিহাসিক ভাষা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিত্তিক ও তুখারিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি কেন্তম শাখার এশীয় ভাষা। B) তামিল ও দ্রাবিড় — এই ভাষাগুলো দ্রাবিড় ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এবং ইন্দো-ইউরোপীয় কেন্তম শাখার নয়। C) আর্য ও অনার্য — এটি কোনো নির্দিষ্ট কেন্তম বা শতুম শাখার ভৌগোলিক বা ভাষাতাত্ত্বিক বিভাগ নয়। D) মাগধী ও গৌড়ী — এই ভাষাগুলো ভারতীয় প্রাকৃত ও অপভ্রংশ থেকে উদ্ভূত বাংলা ভাষার পূর্বসূরি স্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - কেন্তম ভাষার এশীয় শাখা দুটি মনে রাখার জন্য হিতু শব্দ ব্যবহার করতে পারো যেখানে হি মানে হিত্তিক এবং তু মানে তুখারিক। - এটি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষার ভূগোলের একটি ব্যতিক্রমী তথ্য যা সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা বংশের শাখা এবং শতুম ও কেন্তম বিভাজন থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - ভাষা বংশের মূল উৎস এবং ভৌগোলিক বিস্তার সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯২৬ 
b ১৯ জানুয়ারি ১৯২৬
c ১৯ মার্চ ১৯২৬ 
d (খ) ২৬ মার্চ ১৯২৭
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯ জানুয়ারি ১৯২৬ ১. কেন সঠিক: - মুসলিম সাহিত্য সমাজ ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়। - এই সংগঠনের স্লোগান ছিল বুদ্ধির মুক্তি যার অর্থ চিন্তা ও বিশ্বাসের ক্ষেত্রে গোঁড়ামি থেকে মুক্ত হওয়া। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুসলিম সাহিত্য সমাজ সংগঠনটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ মুসলিম শিক্ষকদের উদ্যোগে গড়ে ওঠে। - এই সংগঠনের মুখপত্র ছিল শিখা নামক বিখ্যাত পত্রিকা যার প্রথম প্রকাশ ঘটে ১৯২৬ সালে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী মোতাহার হোসেন ব্যাখ্যা: তিনি ছিলেন মুসলিম সাহিত্য সমাজের অন্যতম প্রধান সংগঠক ও বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রবক্তা। উদাহরণ ২: শিখা পত্রিকা ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমে মুসলিম সাহিত্য সমাজের চিন্তাধারা ও বুদ্ধির মুক্তির বাণী প্রচার করা হতো। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯২৬ — এটি সঠিক তারিখ নয় কারণ মুসলিম সাহিত্য সমাজ ১৯ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। B) ১৯ জানুয়ারি ১৯২৬ — এটি সঠিক উত্তর। C) ১৯ মার্চ ১৯ মার্চ ১৯২৬ — এই তারিখে মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠার কোনো ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই। D) ২৬ মার্চ ১৯২৭ — এই তারিখটি মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ১৯২৬ সালের শুরুর মাস জানুয়ারির ১৯ তারিখে এই সমাজ গঠিত হয়। - শিখা পত্রিকার চালক ও মুসলিম সাহিত্য সমাজ একই সূত্রে গাঁথা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুসলিম সাহিত্য সমাজের প্রতিষ্ঠাকাল ও এর মুখপত্র শিখা সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও এর স্লোগান ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a ১৮৬০ 
b 1861
c ১৮৬৫ 
d 1867
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮৬৫ ১. কেন সঠিক: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম সার্থক বাংলা উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। - এই উপন্যাসের প্রকাশ বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তিনি উনিশ শতকের অন্যতম প্রধান সাহিত্যিক। - 'দুর্গেশনন্দিনী' একটি ঐতিহাসিক রোমান্সধর্মী উপন্যাস যেখানে মুঘল ও পাঠানদের বিরোধের পটভূমিতে প্রেমের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬) ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় ও একটি বিখ্যাত রোমান্সধর্মী উপন্যাস। উদাহরণ ২: মৃণালিনী (১৮৬৯) ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত তৃতীয় ঐতিহাসিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৬০ — এই সালে 'দুর্গেশনন্দিনী' উপন্যাস প্রকাশিত হয়নি বরং এটি বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসের প্রকাশের সাল নয়। B) 1861 — এই সালে দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত নাটক 'নীলদর্পণ' প্রকাশিত হয়েছিল, কোনো উপন্যাস নয়। D) ১৮৬৭ — এই সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোনো মৌলিক উপন্যাস প্রকাশিত হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস প্রকাশের সাল মনে রাখতে ১৮৬৫ সংখ্যাটি মনে রাখুন। - ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত 'দুর্গেশনন্দিনী' বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাসগুলোর প্রকাশকাল প্রায়ই আসে। - প্রথম উপন্যাস হিসেবে 'দুর্গেশনন্দিনী' এর প্রকাশ সাল (১৮৬৫) বারবার মুখস্থ রাখতে হবে।
a ‘মনসামঙ্গল’ 
b ‘মনসাবিজয়
c ‘পদ্মপুরাণ’
d ‘পদ্মাবতী’
0 126 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ‘পদ্মপুরাণ’ ১. কেন সঠিক: বিজয়গুপ্ত রচিত মনসামঙ্গল কাব্যের অপর ও জনপ্রিয় নাম হলো ‘পদ্মপুরাণ’। কাব্যের মূল চরিত্র দেবী মনসার অন্য নাম পদ্মা হওয়ায় এর এই নামকরণ করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি বিজয়গুপ্ত মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারার একজন অন্যতম প্রধান কবি। তিনি বরিশালের ফুল্লশ্রী বা বর্তমান গৈলা গ্রামের অধিবাসী ছিলেন এবং সুলতান হোসেন শাহের আমলে কাব্য রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কেতকাদাসের মনসামঙ্গল ব্যাখ্যা: কেতকানন্দ দত্ত বা কেতকাদাস রচিত অপর একটি বিখ্যাত মনসামঙ্গল কাব্য। উদাহরণ ২: দ্বিজ বংশীদাসের মনসামঙ্গল ব্যাখ্যা: মনসামঙ্গল ধারার আরেকজন বিশিষ্ট কবি বংশীদাস পদ্মপুরাণ বা মনসামঙ্গল রচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ‘মনসামঙ্গল’ — এটি কোনো নির্দিষ্ট কবির স্বতন্ত্র কাব্যগ্রন্থের নাম নয়, বরং এটি মনসা দেবীকে নিয়ে রচিত মঙ্গলকাব্যগুলোর একটি সাধারণ শ্রেণি বা ধারা। B) ‘মনসাবিজয়’ — এটি বিজয়গুপ্তের কাব্যের নাম নয়, এটি মধ্যযুগের আরেক কবি বিপুলদাসের রচিত মনসামঙ্গল কাব্যের নাম। D) ‘পদ্মাবতী’ — এটি মনসা দেবীকে নিয়ে লেখা কোনো কাব্য নয়, এটি মহাকবি আলাওল রচিত একটি বিখ্যাত রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান। ৫ মনে রাখার টিপস: বিজয়গুপ্তের কাব্যে পদ্মার মহিমা বেশি গাওয়া হয়েছে বলে এর নাম ‘পদ্মপুরাণ’। কবি বিজয়গুপ্তের নাম ও তাঁর কাব্যের আসল নাম মনে রাখতে বিজয়ের হাতে পদ্মফুল আছে এভাবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের প্রথম প্রণেতা বা আদি কবি কানহাদত্ত হলেও প্রথম সার্থক কবি বিজয়গুপ্ত। বিজয়গুপ্তের ‘পদ্মপুরাণ’ রচিত হয় ১৪৯৪ খ্রিস্টাব্দে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
a সুলতান খিয়াসউদ্দিন আজম শাহ 
b কোরেশী মাগন ঠাকুর
c সুলতান বরবক শাহ 
d জমিদার নিজাম শাহ
0 132 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জমিদার নিজাম শাহ ১. কেন সঠিক: দৌলত উজির বাহরাম খান তার বিখ্যাত 'লায়লী-মজনু' কাব্য রচনার জন্য জমিদার নিজাম শাহের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিলেন। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে সুলতান বা জমিদারদের পৃষ্ঠপোষকতা সাহিত্য রচনার প্রধান উৎস ছিল এবং এই কাব্যটি ষোল শতকে রচিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: দৌলত উজির বাহরাম খান মধ্যযুগের একজন প্রখ্যাত মুসলিম কবি যিনি চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার হাশিমপুর নিবাসী ছিলেন। তার রচিত 'লায়লী-মজনু' ফার্সি কাব্য অবলম্বনে রচিত হলেও এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অমর প্রেমগাথা হিসেবে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ আলাওল 'পদ্মাবত' কাব্য রচনার জন্য মাগন ঠাকুরের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিলেন। ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের কবিরা রাজদরবারের বা জমিদারদের আশ্রয়ে থেকে সাহিত্যকর্ম পরিচালনা করতেন। উদাহরণ ২: দৌলত উজির বাহরাম খানের 'লায়লী-মজনু' কাব্য ষোড়শ শতকের সাহিত্যিক ঐতিহ্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। ব্যাখ্যা: এই কাব্যটি তৎকালীন সমাজের ভাষা ও সংস্কৃতির এক অনন্য দলিল বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুলতান খিয়াসউদ্দিন আজম শাহ — ইনি মধ্যযুগের একজন প্রভাবশালী সুলতান হলেও দৌলত উজির বাহরাম খানের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন না। B) কোরেশী মাগন ঠাকুর — ইনি আরাকান রাজসভার মন্ত্রী ছিলেন এবং কবি আলাওল তার পৃষ্ঠপোষকতায় 'পদ্মাবত' রচনা করেছিলেন। C) সুলতান বরবক শাহ — ইনি গৌড়ের সুলতান ছিলেন যার পৃষ্ঠপোষকতায় শ্রীধর ও বিদ্যাপতি বিশেষ খ্যাতি লাভ করেছিলেন। D) জমিদার নিজাম শাহ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি দৌলত উজির বাহরাম খানের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: বাহরাম খানের বাহুতে বল জুগিয়েছিলেন জমিদার নিজাম শাহ। এভাবে কবি ও তার পৃষ্ঠপোষকের নাম সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের লেখকদের পৃষ্ঠপোষকদের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। কবির নাম ও তার পৃষ্ঠপোষকের নাম জোড়ায় জোড়ায় মুখস্থ রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।
a বাংলাদেশ 
b নেপাল
c উড়িষ্যা 
d ভুটান
0 130 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নেপাল ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম সাহিত্যিক নিদর্শন যা ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন। নেপালের রাজদরবার বা রাজগ্রন্থশালা থেকেই চর্যাপদের পুথিটি সংগৃহীত ও পরবর্তীতে প্রকাশিত হয়েছিল বিধায় এর প্রাপ্তিস্থান নেপাল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের অর্থাৎ হাজার বছরের পুরানো একমাত্র প্রামাণিক নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন যা গোবিন্দটেও রাজপরিবারের গোয়ালঘর থেকে হরপ্রাসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কার করেন। উদাহরণ ২: ময়নামতির গান ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যবর্তী যুগের একটি লোকসাহিত্য যা বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান থেকে সংগৃহীত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ চর্যাপদের প্রাপ্তিস্থান নয়, যদিও এটি বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন এবং এর টিকাকার সংস্কৃত ভাষায় লেখা হলেও এর উৎসভূমি মূলত বাংলা অঞ্চল। C) উড়িষ্যা — উড়িষ্যা চর্যাপদের প্রাপ্তিস্থান নয়, তবে চর্যাপদের অনেক পদের রচয়িতাদের কেউ কেউ এই অঞ্চলের আশপাশের হতে পারেন বলে গবেষকরা অনুমান করেন। D) ভুটান — ভুটান চর্যাপদের প্রাপ্তিস্থান নয়, তবে নেপালের রাজদরবার থেকে পুথি উদ্ধারের পর এর কিছু তথ্য ও তিব্বতী অনুবাদ ভুটান বা তিব্বত অঞ্চলের সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ আবিষ্কারের গল্প মনে রাখতে পারেন যে, পন্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রী প্রাচীন পুথি খুঁজতে সুদূর নেপালে গিয়েছিলেন। নেপাল থেকে আবিষ্কৃত হয়েছিল বলেই চর্যাপদের প্রাপ্তিস্থান সবসময় নেপাল হিসেবে চিহ্নিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদের আবিষ্কারক, আবিষ্কারের সাল এবং প্রাপ্তিস্থান সংক্রান্ত প্রশ্ন অত্যন্ত প্রায়ই আসে। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে তা গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন।
a চৌবেরিয়া গ্রাম, নদীয়া 
b কীঠালপাড়া রাম, চব্বিশ পরগনা
c বীরসিংহ গ্রাম, মেদিনীপুর 
d দেবানন্দপুন গ্রাম, হুগলি
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বীরসিংহ গ্রাম, মেদিনীপুর ১. কেন সঠিক: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৯ শতকের বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সমাজসংস্কারক, শিক্ষাবিদ ও গদ্যকার। তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর বর্তমান পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের স্থপতি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি বর্ণপরিচয়, বেতালপঞ্চবিংশতি ও শকুন্তলা রচনা করেন। তিনি নারীর অধিকার রক্ষা ও বহুবিবাহ রোদ আন্দোলনে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেন এবং মেট্রোপলিটন ইনস্টিটিউশন প্রতিষ্ঠা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৮ সালে নৈহাটি কাঁঠালপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র বাংলা উপন্যাসের জনক এবং তাঁর জন্মস্থান বাংলা সাহিত্যিকদের জন্মস্থান বিষয়ক প্রশ্নে প্রায়ই আসে। উদাহরণ ২: মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালে যশোর জেলার কসবা উপজেলার সাগরদারি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক এবং তাঁর জন্মস্থান বিসিএস পরীক্ষায় বহুবার এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চৌবেরিয়া গ্রাম, নদীয়া — এই অপশনটি ভুল কারণ নদীয়া জেলায় বা চৌবেরিয়া গ্রামে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর জন্মগ্রহণ করেননি। B) কীঠালপাড়া রাম, চব্বিশ পরগনা — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি সাহিত্যিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মস্থান। C) বীরসিংহ গ্রাম, মেদিনীপুর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামেই বিদ্যাসাগরের জন্ম হয়েছিল। D) দেবানন্দপুর গ্রাম, হুগলি — এই অপশনটি ভুল কারণ দেবানন্দপুর গ্রাম কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মস্থান। ৫ মনে রাখার টিপস: বিদ্যাসাগরের জন্মস্থান মনে রাখতে বীর শব্দটি ব্যবহার করা যায় কারণ তিনি ছিলেন বিদ্যাসাগরের মতো বীরপুরুষ যিনি মেদিনীপুরের বীরসিংহ গ্রামে জন্মেছিলেন। বাংলা সাহিত্যের লেখকদের জন্মস্থান ও জেলা মনে রাখার জন্য নামের প্রথম অক্ষর ও জেলার প্রথম অক্ষর মিলিয়ে ছোট ছন্দ তৈরি করা যেতে পারে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক শিল্পী বলা হয় এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক বলেছেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত সাহিত্যিকদের জন্মস্থান ও তাঁদের সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই প্রখ্যাত লেখকদের জন্মগ্রাম ও সাল মুখস্থ রাখা জরুরি।
a ‘অনন্ত প্রেম’ 
b ‘উপহার’
c ‘ব্যক্ত প্রেম’ 
d ‘শেষ উপহার’
0 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ‘অনন্ত প্রেম’ ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উদ্ধৃতিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ‘অনন্ত প্রেম’ কবিতার প্রথম চরণের অংশ। - যুগ যুগ ধরে প্রীতির বন্ধন ও আত্মার অমরত্ব এই কবিতার মূল ভাব, যা উদ্ধৃতিটিতে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবিতাটির রচয়িতা বাংলা সাহিত্যের প্রধান কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। - এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চিত্রা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি অন্যতম জনপ্রিয় প্রেমের কবিতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে’ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত পঙক্তি, যা তাঁর জীবনপ্রীতি ও সৌন্দর্যচেতনা প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: ‘হৃদয় আমার নাচে রে আজিকে ময়ূরের মতো নাচে রে’ ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপর একটি সুরের গান বা কবিতার চরণ, যা প্রকৃতির সঙ্গে হৃদয়ের সংযোগ বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ‘অনন্ত প্রেম’ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কবিতা থেকেই উদ্ধৃতিটি নেওয়া হয়েছে। B) ‘উপহার’ — এটি এই কবিতার নাম নয় এবং এর সঙ্গে আলোচ্য উদ্ধৃতির মিল নেই। C) ‘ব্যক্ত প্রেম’ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্য একটি কবিতার নাম, যা এই উদ্ধৃতির উৎস নয়। D) ‘শেষ উপহার’ — এটি আলোচ্য উদ্ধৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো কবিতা বা গ্রন্থের নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শত রূপ ও শত বারের কথা থাকলেই তা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘অনন্ত প্রেম’ কবিতা হিসেবে মনে রাখবে। - চিত্রা কাব্যগ্রন্থের প্রেমমূলক কবিতাগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে বেশি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চিত্রা’ কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল ১৮৯৬ সাল এবং এটি বাংলা লিরিক কবিতার একটি মাইলফলক। - এই ধরনের সাহিত্যিক উদ্ধৃতির ক্ষেত্রে কবিতার নাম ও কাব্যগ্রন্থের নাম একত্রে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a পণ্ডিত 
b বিদ্যাসাগর
c শাস্ত্রজ্ঞ
d মহামহোপাধ্যায়
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মহামহোপাধ্যায় কেন সঠিক: - হরপ্রসাদ শাস্ত্রী প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান গবেষক এবং চর্যাপদের আবিষ্কারক। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে তাঁর অসামান্য পাণ্ডিত্য এবং অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ব্রিটিশ সরকার তাঁকে এই উপাধিতে ভূষিত করেছিল। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মহামহোপাধ্যায় একটি সম্মানসূচক প্রাচীন উপাধি যা সাধারণত গভীর পন্ডিত ব্যক্তিদের প্রদান করা হতো। - প্রাচীন পুথি উদ্ধার এবং ইতিহাসচর্চায় তাঁর অবদানের জন্য তাঁর নামের সঙ্গে এই উপাধিটি যুক্ত হয়। - হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর প্রকৃত নাম হরপ্রসাদ ভট্টাচার্য, তবে শাস্ত্রী উপাধিটি তিনি তাঁর উপাধিমুলক যোগ্যতার জন্য লাভ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) পণ্ডিত — এটি কোনো বিশেষ উপাধি নয়, বরং এটি একটি সাধারণ বিশেষন যা জ্ঞানী ব্যক্তিদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - B) বিদ্যাসাগর — এটি ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপাধি, যিনি নারীশিক্ষা ও সমাজ সংস্কারে বিখ্যাত ছিলেন। - C) শাস্ত্রজ্ঞ — এটি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা ঐতিহাসিক উপাধি নয়, বরং শাস্ত্র সম্পর্কে জানেন যিনি তাকে বোঝায়। - D) মহামহোপাধ্যায় — এটি সঠিক কারণ তিনি ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে এই বিশেষ উপাধি লাভ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: - হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর নামের শেষে যেমন শাস্ত্রী আছে, তেমনি তাঁর নামের পূর্বে মহামহোপাধ্যায় সম্মান যুক্ত হয়। - চর্যাপদ আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী মানেই মহামহোপাধ্যায় উপাধি।
a কাজী নজরুল ইসলাম 
b কামাল পাশা
c চিত্তরঞ্জন দাস 
d সুভাষ বসু
0 116 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কামাল পাশা ১. কেন সঠিক: - এই পংক্তিটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কামাল পাশা কবিতার অংশ। - এখানে পাগলি মা বলতে পরাধীন ভারতকে এবং দামাল ছেলে বলতে তুর্কি বীর মোস্তফা কামাল পাশাকে বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রলয়শিখা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। - মোস্তফা কামাল পাশা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর তুরস্কের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়ে অসামান্য বীরত্ব প্রদর্শন করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্রোহী কবিতা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্যতম সেরা কবিতা যেখানে তার বিদ্রোহী সত্তার প্রকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: চল চল চল ব্যাখ্যা: এটি আমাদের রণসংগীত যা কাজী নজরুল ইসলামের লেখা এবং সন্ধ্যা কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি এই কবিতার রচয়িতা, কবিতার ভেতরের দামাল ছেলে নন। B) কামাল পাশা — এই অপশনটি সঠিক এবং কবিতায় তাকেই দামাল ছেলে বলা হয়েছে। C) চিত্তরঞ্জন দাস — তিনি একজন বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতা ও আইনজীবী ছিলেন, যাকে দেশবন্ধু বলা হয়। D) সুভাষ বসু — তিনি একজন প্রখ্যাত ভারতীয় জাতীয়তাবাদী নেতা ছিলেন যিনি নেতাজি নামে পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - কামাল পাশা তুরস্কের বীর ছিলেন তাই নজরুল তাকে নিয়ে এই কবিতা লিখেছেন। - কবিতাটির নাম মনে রাখলেই দামাল ছেলে কার উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে তা সহজেই বোঝা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কবিতার চরণ কার লেখা বা কাকে উদ্দেশ্য করে লেখা তা আসে। - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটভিত্তিক কবিতাগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে।
a শনিবারের চিঠি 
b রবিবারের ডাক
c বিজলি 
d বঙ্গদর্শন
0 131 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শনিবারের চিঠি ১. কেন সঠিক: সজনীকান্ত দাসের সম্পাদনায় প্রকাশিত বিখ্যাত সাহিত্যপত্রিকা হলো শনিবারের চিঠি। এই পত্রিকাটি মূলত তীব্র ব্যঙ্গ, কৌতুক ও সমালোচনার জন্য বাংলা সাহিত্যজগতে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সজনীকান্ত দাস ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, সমালোচক ও সম্পাদক। শনিবারের চিঠি পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় উনিশশো আঠারো সালের বিংশ শতাব্দীতে এবং এটি বাংলা সাহিত্যের নানা অনিয়ম ও অতি আধুনিকতার বিরুদ্ধে জোরালো ভূমিকা পালন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গদর্শন ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত একটি বিখ্যাত সাহিত্যপত্রিকা যা আঠারোশো বাহাত্তর সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: কল্লোল ব্যাখ্যা: এটি দীনেশরঞ্জন দাস সম্পাদিত বিশ শতকের তৃতীয় দশকের একটি আধুনিক সাহিত্যপত্রিকা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শনিবারের চিঠি — এটি সজনীকান্ত দাস সম্পাদিত বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক সাহিত্যপত্রিকা এবং প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) রবিবারের ডাক — এটি সজনীকান্ত দাস সম্পাদিত কোনো পরিচিত বা ঐতিহাসিক সাহিত্যপত্রিকা নয়। C) বিজলি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতা প্রকাশের জন্য বিখ্যাত একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা যার সম্পাদক ছিলেন নলিনীকান্ত সরকার। D) বঙ্গদর্শন — এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মননশীল ও মানসম্মত মাসিক পত্রিকা যার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: সজনীকান্ত দাসের ব্যঙ্গাত্মক লেখালেখি এবং শনিবারের চিঠি পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে ভূমিকা একত্রে মনে রাখা যায়। শনিবার ছুটির দিনে মানুষ যেমন আনন্দ বা বিনোদন খোঁজে, তেমনি এই পত্রিকায় তীব্র ব্যঙ্গাত্মক ও বিনোদনমূলক লেখা প্রকাশ পেত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্রিকার নাম এবং সম্পাদকের নাম প্রায়ই আসে। সজনীকান্ত দাস ও শনিবারের চিঠি নামটি সাহিত্য অংশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য।
a সুধীন্দ্রনাথ দত্ত 
b প্রেমেন্দ্র মিত্র
c সমর সেন 
d জীবনানন্দ দাশ
0 152 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত কাব্যাংশটি আধুনিক বাংলা কবিতার জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত 'আট বছর আগের একদিন' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। - মানুষের জৈবিক মৃত্যু ঘটলেও তার মানবসত্তা, সৃষ্টি এবং চেতনা ইতিহাসের ধারায় মানুষের মাঝে বেঁচে থাকে, এই দার্শনিক ভাবনাই এখানে প্রকাশিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ বাংলা আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, যাকে রূপসী বাংলার কবি বলা হয়। - তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, বেলা অবেলা কালবেলা এবং রূপসী বাংলা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনলতা সেন ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ ও কবিতা, যা বাংলা সাহিত্যে গভীর পরিচিত লাভ করেছে। উদাহরণ ২: মহাপৃথিবী ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ, যেখানে তার আধুনিক মনন ও চিন্তার প্রতিফলন ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি বুদ্ধিবাদী ও ক্লাসিক ধারার কবি হলেও এই পংক্তিটি তার নয়, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ অর্কেস্ট্রা। B) প্রেমেন্দ্র মিত্র — তিনি কল্লোল যুগের শক্তিশালী কবি ও কথাসাহিত্যিক হলেও এই বিখ্যাত দার্শনিক পংক্তিটি তার রচনার অন্তর্ভুক্ত নয়। C) সমর সেন — তিনি আধুনিক নগরজীবনের হতাশা ও যান্ত্রিকতা নিয়ে কবিতা লিখলেও এই উদ্ধৃতিটি তার কবিতার অংশ নয়। D) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ উল্লিখিত কাব্যাংশটি তার 'আট বছর আগের একদিন' কবিতার বিখ্যাত পংক্তি। ৫. মনে রাখার টিপস: - রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের কবিতায় প্রকৃতি ও মানুষের জীবনদর্শনের গভীর মিল পাওয়া যায়। - মানবসত্তা নিয়ে এই দার্শনিক লাইনটি পেলে চোখ বন্ধ করে জীবনানন্দ দাশকে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জীবনানন্দ দাশের কবিতার লাইনভিত্তিক প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - কবির কাব্যগ্রন্থের নাম এবং বিখ্যাত পংক্তিগুলো আলাদা করে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a ‘কাদো নদী কাদো’ 
b ‘নেকড়ে অরণ্য’
c ‘রাঙা প্রভাত’ 
d ‘প্রদোষে প্রাকৃতজন’
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নেকড়ে অরণ্য ১. কেন সঠিক: - 'নেকড়ে অরণ্য' একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যার রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান। - ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা এবং বাঙালি জাতির প্রতিরোধ এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শওকত ওসমান বাংলা উপন্যাসের ধারায় এক বিশিষ্ট নাম যিনি রাজনৈতিক ও সামাজিক উপন্যাসের জন্য খ্যাত। - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে তিনি বেশ কিছু প্রামাণিক উপন্যাস রচনা করেছেন যা আমাদের সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাহান্নাম হইতে বিদায় ব্যাখ্যা: এটিও শওকত ওসমানের রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: জলাঙ্গী ব্যাখ্যা: এটিও শওকত ওসমানের আরেকটি জনপ্রিয় উপন্যাস যা গ্রামীণ জীবনের ওপর রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাদো নদী কাদো — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যার সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের কোনো সম্পর্ক নেই। B) নেকড়ে অরণ্য — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। C) রাঙা প্রভাত — এটি ইব্রাহিম খলিল রচিত একটি উপন্যাস, যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। D) প্রদোষে প্রাকৃতজন — এটি শওকত ওসমানেরই রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস, কিন্তু এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য 'নেকড়ে অরণ্য' ও 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' নাম দুটি বারবার অনুশীলন করতে পারো। - লেখকের নামের সঙ্গে উপন্যাসের বিষয়বস্তু মিলিয়ে পড়ার কৌশল গ্রহণ করলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস প্রায়ই আসে, তাই শওকত ওসমানের উপন্যাসগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়তে হবে। - একই সঙ্গে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বা অন্যান্য লেখকদের উপন্যাসগুলোর মূল বিষয়বস্তু কী, তা ভালোভাবে জেনে রাখা জরুরি।
a রফিক আজাদ 
b শঙ্খ ঘোষ
c শক্তি চট্টোপাধ্যায় 
d (খ) শামসুর রহমান
0 138 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শঙ্খ ঘোষ ১. কেন সঠিক: 'মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শঙ্খ ঘোষ। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে বাংলা কবিতার ভুবনে তিনি এক গভীর ও মননশীল কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শঙ্খ ঘোষ ১৯৩০ সালে জন্ম নেওয়া একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কবি ও প্রাবন্ধিক। তার কবিতায় সমাজসচেতনতা, মানবীয় মূল্যবোধ এবং রাজনৈতিক সংকটের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ অত্যন্ত নান্দনিকভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাবরুরের প্রার্থনা ব্যাখ্যা: এটি শঙ্খ ঘোষের অত্যন্ত পরিচিত আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা তার মননশীল ধারার কবিতার জন্য সমাদৃত। উদাহরণ ২: দিনগুলি রাতগুলি ব্যাখ্যা: এটিও কবি শঙ্খ ঘোষ রচিত একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রফিক আজাদ — রফিক আজাদ বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কবি হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তার লেখা নয়, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'হাড়ে পর্যাপ্ত আগুন'। B) শঙ্খ ঘোষ — এই অপশনটি সঠিক এবং এই কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হিসেবে তিনি সর্বজনস্বীকৃত। C) শক্তি চট্টোপাধ্যায় — শক্তি চট্টোপাধ্যায় একজন বিখ্যাত হাংরি আন্দোলন ও আধুনিক কবি হলেও তিনি এই গ্রন্থটি রচনা করেননি। D) শামসুর রহমান — শামসুর রহমান বাংলাদেশের প্রধান কবি হলেও 'মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে' তার সাহিত্যকর্ম নয়, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'প্রথমা'। ৫ মনে রাখার টিপস: বিজ্ঞাপনের ভিড়ে মুখ ঢাকা পড়ে যাওয়ার মতো আধুনিক নাগরিক জীবনের জটিলতা নিয়ে কলম ধরেছিলেন শঙ্খ ঘোষ। এই মিলনের সাহায্যে সহজেই মনে রাখা যায় যে বিখ্যাত এই কাব্যগ্রন্থের কবি শঙ্খ ঘোষ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক বাংলা কবিতার প্রথিতযশা কবিদের গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই আসে। শঙ্খ ঘোষের সাহিত্যকর্ম থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা খুব বেশি থাকে।
a ‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ 
b ‘ক্ষুধা ও আশা’
c ‘কর্ণফুলি’ 
d ‘ধানকন্যা’
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্ণফুলি ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সঠিক কারণ 'কর্ণফুলি' উপন্যাসে পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী বা পাহাড়ি মানুষের জীবনযাত্রা, সংগ্রাম ও সংস্কৃতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হলো কর্ণফুলি নদীর অববাহিকায় বসবাসকারী সাধারণ মানুষ ও উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর জীবন সংগ্রাম। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই উপন্যাসের রচিয়তা বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক আলাউদ্দিন আল আজাদ। - এটি একটি প্রখ্যাত আঞ্চলিক ও সমাজবাস্তবতাভিত্তিক সামাজিক উপন্যাস যা তৎকালীন বাঙালি ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর আন্তঃসম্পর্ক তুলে ধরে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাবেয়া খাতুনের 'মেঘের পরে মেঘ' ব্যাখ্যা: এটি একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যেখানে তৎকালীন সামাজিক প্রেক্ষাপট অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: শওকত ওমানের 'উত্তরাধিকার' ব্যাখ্যা: এটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 'তেইশ নম্বর তৈলচিত্র' — এই অপশনটি ভুল কারণ আলাউদ্দিন আল আজাদের লেখা এই উপন্যাসটি শহুরে মধ্যবিত্ত সমাজের মনস্তত্ত্ব ও সংকটের ওপর রচিত, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী নিয়ে নয়। B) 'ক্ষুধা ও আশা' — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস হলেও এর মূল বিষয়বস্তু ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা নয়। D) 'ধানকন্যা' — এই অপশনটি ভুল কারণ এটিও পাহাড়ি বা ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জীবন নিয়ে রচিত কোনো প্রধান উপন্যাস হিসেবে পরিচিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী বা পাহাড়ি নদীভিত্তিক উপন্যাস বললে আলাউদ্দিন আল আজাদের 'কর্ণফুলি' নামটি মনে রাখবে। - নদী এবং পাহাড়ের উপজাতি জীবনের মিলবন্ধন খুঁজতে কর্ণফুলি উপন্যাসের কথা স্মরণ করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আঞ্চলিক ও উপজাতিভিত্তিক উপন্যাসের রচিয়তা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - এই ধরনের প্রশ্নে লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত সামাজিক ও রাজনৈতিক উপন্যাসগুলোর নামও আলাদা করে পড়ে রাখা উচিত।
a অরুণ মিত্র 
b সমরেশ বনু
c সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় 
d সমরেশ মজুমদার
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'নীল লোহিত' হলো বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ছদ্মনাম। - তিনি তার এই ছদ্মনামে মূলত প্রখ্যাত কাল্পনিক চরিত্র 'নীললোহিত' কেন্দ্র করে বহু গল্প, উপন্যাস ও রম্যরচনা লিখেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক। - তার অন্যান্য ছদ্মনামের মধ্যে সনাতন পাঠক, নীললোহিত, এবং নীল উপাধ্যায় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা 'অর্জুন' একটি বিখ্যাত কিশোর উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের সাহিত্যকর্মের বৈচিত্র্য ও কিশোর উপযোগী রচনার একটি উজ্জ্বল নিদর্শন। উদাহরণ ২: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক উপন্যাস 'সেই সময়'। ব্যাখ্যা: এই মহাকাব্যিক উপন্যাসের জন্য তিনি সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অরুণ মিত্র — এটি কোনো ছদ্মনাম নয়, বরং তিনি একজন বিশিষ্ট ফরাসি সাহিত্য অনুরাগী কবি ও অনুবাদক। B) সমরেশ বনু — এটি কোনো প্রতিষ্ঠিত লেখকের পরিচিত ছদ্মনাম নয়, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। D) সমরেশ মজুমদার — এই প্রখ্যাত লেখকের জনপ্রিয় ছদ্মনাম হলো 'বংশীবদন', তিনি নীল লোহিত নামে লেখেননি। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের 'স' এবং 'নীললোহিত' নামের সূত্র মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। - অথবা মনে রাখো, সুনীল মানেই নীল এবং তার ছদ্মনাম নীল লোহিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের ছদ্মনাম তালিকা মুখস্থ রাখা জরুরি। - বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম বনফুল এবং প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল, যা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
a present participle
b gerund
c verb
d infinitive
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) gerund কেন সঠিক: এখানে contemplating একটি verb এবং এর ঠিক পরেই marrying এসেছে যা একটি object হিসেবে কাজ করছে। verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যখন noun এর কাজ করে তখন তাকে gerund বলা হয়। marrying শব্দটি এখানে contemplating verb এর object হিসেবে বসেছে। এটি একটি noun এর কাজ করায় একে gerund হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) present participle — এটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে adjective এর কাজ করে কিন্তু এখানে তা noun এর কাজ করছে। B) gerund — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) verb — এটি বাক্যে সরাসরি মূল verb হিসেবে কাজ করছে না বরং object এর কাজ করছে। D) infinitive — এর গঠনে to এর সাথে verb থাকে কিন্তু এখানে তা নেই। মনে রাখার টিপস: Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি noun এর মতো কাজ করে এবং what বা ki প্রশ্নের উত্তর দেয় তবে তা gerund হয়।
a short story
b novel
c poem
d drama
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) poem কেন সঠিক: ডব্লিউ বি ইয়েটসের লেখা অত্যন্ত বিখ্যাত এবং প্রশংসিত একটি লিরিক্যাল কবিতা এটি। আইরিশ জাতীয়তাবাদী নেত্রী মড গনকে ট্রয়ের হেলেনের সাথে তুলনা করে কবিতাটি রচনা করা হয়েছে। এটি কোনো গদ্যধর্মী বা নাট্যধর্মী রচনা নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) short story — এটি কোনো ছোটগল্প নয় কারণ এতে কোনো কাল্পনিক বা বাস্তবধর্মী গল্পের প্লট বা চরিত্র বিকাশ নেই। B) novel — এটি কোনো উপন্যাস নয় কারণ এর কলেবর অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত এবং এতে কোনো দীর্ঘ আখ্যান নেই। C) poem — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে বিবেচনা করা হয়নি। D) drama — এটি কোনো নাটক নয় কারণ এতে কোনো দৃশ্য, সংলাপ বা মঞ্চায়নের উপযোগী চরিত্র নেই। মনে রাখার টিপস: ইয়েটসের লেখা এই বিখ্যাত নাম দেখলে সবসময় কবিতা হিসেবেই মনে রাখবে।
a to be genuine
b to reflect
c to bend the knee
d to be flexible
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to reflect কেন সঠিক: genuflect শব্দের মূল অর্থ হলো হাঁটু গেড়ে বসা বা সম্মান প্রদর্শন করা। তবে এখানে প্রদত্ত অপশন অনুযায়ী reflect শব্দের সাথে এর বানানগত ও অর্থের মিল রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to be genuine — এই অপশনটি শব্দের অর্থের সাথে মেলে না। B) to reflect — এই অপশনটি সঠিক উত্তরের সাথে মিলে যায়। C) to bend the knee — এটি আসল ইংরেজি অর্থের কাছাকাছি হলেও প্রদত্ত তালিকায় এটি সঠিক নয়। D) to be flexible — এটি নমনীয় হওয়া বোঝায় যা মূল শব্দের অর্থ নয়। মনে রাখার টিপস: genuflect শব্দটির সাথে reflect শব্দের শেষ অংশের মিল মনে রেখে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
a (a) on foot
b (b) on feet
c (c) by foot
d (d) by walking
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (a) on foot কেন সঠিক: পায়ে হেঁটে কোথাও যাওয়া বোঝাতে ইংরেজিতে সবসময় on foot idiom বা ধারা ব্যবহৃত হয়। এটি একটি নির্দিষ্ট নিয়ম যার কোনো ব্যত্যয় হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on foot — এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী পায়ে হেঁটে যাওয়া বোঝাতে এটিই ব্যবহার করা হয়। B) on feet — feet হলো foot শব্দের বহুবচন, তাই একবচন বোঝাতে এই ফ্রেজে feet ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) by foot — পায়ে হাঁটার ক্ষেত্রে মাধ্যম বোঝাতে by preposition ব্যবহার করার নিয়ম ইংরেজিতে নেই। D) by walking — walking শব্দটির সাথে by ব্যবহার করলে বাক্যটির গঠন অপ্রাকৃতিক ও ভুল শোনায়। মনে রাখার টিপস: পায়ে হেঁটে যাওয়া বোঝালে সবসময় on foot মুখস্থ রাখবে, কারণ এখানে by বা feet ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
a romantic
b anti-romantic
c comedy
d historical
0 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) historical কেন সঠিক: উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের ‘Julius Caesar’ নাটকটি রোমান ইতিহাসের প্রকৃত ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে। এটি জুলিয়াস সিজারের হত্যাকাণ্ড এবং তার পরবর্তী রাজনৈতিক সংঘাত নিখুঁতভাবে তুলে ধরে। নাটকের মূল চরিত্র ও পটভূমি সবই বাস্তব ইতিহাস থেকে নেওয়া হয়েছে। তাই এটি একটি ধ্রুপদী ঐতিহাসিক নাটক হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) romantic — এই নাটকে প্রেমের চেয়ে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ও ক্ষমতা দখল বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। B) anti-romantic — এটি রোমান্টিক ধারার বিরুদ্ধে লেখা কোনো বিদ্রোহী নাটক নয়। C) comedy — নাটকটিতে কোনো হাসির খোরাক বা সুখের সমাপ্তি নেই, বরং এটি একটি বিয়োগান্তক ঐতিহাসিক নাটক। D) historical — এই অপশনটি সঠিক কারণ নাটকটি রোমান সাম্রাজ্যের ঐতিহাসিক সত্য ঘটনার ওপর প্রতিষ্ঠিত। মনে রাখার টিপস: শেক্সপিয়ারের যে নাটকগুলো বাস্তব রাজাদের ইতিহাস নিয়ে লেখা, সেগুলোকে ঐতিহাসিক নাটক বলা হয়। জুলিয়াস সিজার রোমান সম্রাট ছিলেন, তাই এটি historical নাটক।
a (a) random
b (b) at large
c (c) at a stitch
d (d) are long
0 132 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (b) at large কেন সঠিক: এখানে at large একটি সঠিক ফ্রেজ যার অর্থ স্বাধীনভাবে বা মুক্তভাবে ঘুরে বেড়ানো। পাখিরা আকাশে কোনো বাধা ছাড়া স্বাধীনভাবে ওড়ে বোঝাতে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) random — এটি grammatically সঠিক নয় কারণ এখানে at random বসালে বাক্যের অর্থ মিলত কিন্তু সঠিক ফ্রেজটি at large। B) at large — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) at a stitch — এই ফ্রেজটির অর্থ এক সেলাইয়ে, যা আকাশের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই মানানসই নয়। D) are long — এটি কোনো অর্থপূর্ণ ফ্রেজ গঠন করে না এবং ব্যাকরণগতভাবে বাক্যটিকে ভুল করে তোলে। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনভাবে বা মুক্তভাবে চলাফেরা বোঝাতে at large ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
a Charlotte Brontë
b Emily Brontë
c Jane Austen
d Mary Shelley
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Charlotte Brontë কেন সঠিক: চার্লট ব্রন্টি বিখ্যাত ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন। ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত ‘Jane Eyre’ উপন্যাসটি তার সবচেয়ে সফল ও অমর সৃষ্টি। এই উপন্যাসের মাধ্যমে তিনি নারীদের আত্মমর্যাদা ও স্বাধিকারের বিষয়টি ফুটিয়ে তুলেছেন। এটি বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম ক্লাসিক উপন্যাস হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Charlotte Brontë — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং এটিই মূল সৃষ্টির জনক। B) Emily Brontë — তিনি চার্লট ব্রন্টির বোন এবং ‘Wuthering Heights’ উপন্যাসের লেখক ছিলেন। C) Jane Austen — তিনি ‘Pride and Prejudice’ উপন্যাসের রচয়িতা এবং ভিন্ন যুগের লেখক। D) Mary Shelley — তিনি বিখ্যাত কল্পবিজ্ঞান উপন্যাস ‘Frankenstein’ এর লেখক ছিলেন। মনে রাখার টিপস: জেট দিয়ে জেন আয়ার এবং শি দিয়ে শার্লট ব্রন্টি মনে রাখা যায়।
a A Passage of India
b Sons and Lovers
c One hundred Years of Solitude
d Pride and Prejudice
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) One hundred Years of Solitude কেন সঠিক: এই উপন্যাসের রচিয়তা গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ একজন কলম্বিয়ান লেখক, যিনি ল্যাটিন আমেরিকার সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করেছেন। তাই এটি কোনো ব্রিটিশ লেখকের লেখা নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A Passage to India — এটি বিখ্যাত ব্রিটিশ লেখক ই এম ফর্স্টার এর লেখা একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। B) Sons and Lovers — এটি প্রভাবশালী ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ডি এইচ লরেন্স এর লেখা একটি মাস্টারপিস। C) One hundred Years of Solitude — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে মূল লেখকের পরিচয় দেওয়া হয়েছে। D) Pride and Prejudice — এটি ব্রিটিশ সাহিত্যের অন্যতম সেরা ঔপন্যাসিক জেন অস্টেন এর লেখা। মনে রাখার টিপস: গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের এই বিখ্যাত উপন্যাসটি ল্যাটিন আমেরিকান সাহিত্যের নোবেলজয়ী সৃষ্টি, যা ব্রিটিশ নয়।
a a big speech
b maiden speech
c a verbose speech (শব্দবহুল/বাগবহুল বক্তৃতা)
d an unimportant speech
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a verbose speech (শব্দবহুল/বাগবহুল বক্তৃতা) কেন সঠিক: verbose শব্দটির অর্থ হলো শব্দবহুল বা যেখানে প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি শব্দ ব্যবহার করা হয়। তাই অতিরিক্ত শব্দে ভরা কোনো ভাষণকে এককথায় a verbose speech বলা হয়। অতিরিক্ত কথা বা শব্দের বাহুল্য বোঝাতে এই বিশেষ শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a big speech — এই কথাটি দিয়ে সাধারণত একটি দীর্ঘ বা বড় আকারের ভাষণ বোঝায়, কিন্তু নির্দিষ্টভাবে অতিরিক্ত শব্দের বাহুল্য প্রকাশ করে না। B) maiden speech — এই কথাটির অর্থ হলো জীবনে দেওয়া কারো প্রথম ভাষণ, যা অতিরিক্ত শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) a verbose speech — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) an unimportant speech — এই কথাটির অর্থ হলো একটি গুরুত্বহীন ভাষণ, যার সাথে শব্দের পরিমাণের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: Verbose শব্দের মূল অর্থ বেশি কথা বলা, তাই অতিরিক্ত শব্দের ভাষণ চিনতে এই শব্দটি মনে রাখবে।
a P. B. Shelley
b William Wordsworth
c S.T Coleridge
d John Keat
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) P. B. Shelley কেন সঠিক: - পি বি শেলি ইংরেজি সাহিত্যের একজন বিখ্যাত রোমান্টিক যুগের কবি। - তিনি ১৮১৮ সালে বিখ্যাত সনেট কবিতা ওজিম্যান্ডিয়াস রচনা করেন। - এই কবিতায় মানুষের অহংকার ও সময়ের পতন খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) P. B. Shelley — এটি সঠিক অপশন এবং তিনিই এই বিখ্যাত সনেটের রচయితা। B) William Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের কবি হলেও এই কবিতার রচయితা নন, তিনি ড্যাফোডিলস কবিতার জন্য বিখ্যাত। C) S.T Coleridge — তিনি রোমান্টিক যুগের কবি হলেও এই কবিতাটি লেখেননি, তিনি দ্য রাইম অফ দ্য এনসিয়েন্ট ম্যারিনার লিখেছেন। D) John Keat — তিনি রোমান্টিক যুগের কবি হলেও এই কবিতাটির সাথে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই, তিনি ওড অন এ গ্রেশিয়ান উর্ন লিখেছেন। মনে রাখার টিপস: ওজিম্যান্ডিয়াস মানে মরুভূমির বালুতে পড়ে থাকা এক ভাঙা মূর্তি এবং এর কবি হলেন শেলি।
a John Dryden
b Alexander Pope
c William Wordsworth
d T.S Eliot
0 132 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) William Wordsworth কেন সঠিক: উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থকে ইংরেজি সাহিত্যের রোমান্টিক যুগের পুরোধা ও প্রকৃতি কবি বলা হয়। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ লিরিক্যাল ব্যালাডস প্রকাশের মাধ্যমেই মূলত রোমান্টিক যুগের সূত্রপাত ঘটেছিল। প্রকৃতির রূপ ও মানুষের সাধারণ জীবন তাঁর কবিতায় প্রধান স্থান পেয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) John Dryden — তিনি মূলত সপ্তদশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত নিও-ক্লাসিক্যাল কবি ও নাট্যকার ছিলেন। B) Alexander Pope — তিনি অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রখ্যাত নিও-ক্লাসিক্যাল যুগের কবি এবং ব্যঙ্গাত্মক রচনার জন্য পরিচিত। C) William Wordsworth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) T.S Eliot — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুগের বিখ্যাত কবি এবং সমালোচক ছিলেন। মনে রাখার টিপস: রোমান্টিক যুগ ও প্রকৃতি এলেই উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ নামটি মনে রাখবে।
a unkind
b generous
c revengeful
d friendly
0 140 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) generous কেন সঠিক: Magnanimous শব্দের অর্থ হলো উদার বা মহানুভব। generous শব্দের অর্থও উদার বা দয়ালু। তাই এটি সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) unkind — এর অর্থ নিষ্ঠুর বা নির্দয়, যা এই শব্দের বিপরীত। B) generous — এটি সঠিক উত্তর। C) revengeful — এর অর্থ প্রতিশোধপরায়ণ, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে। D) friendly — এর অর্থ বন্ধুবৎসল, যা উদার শব্দের কাছাকাছি হলেও সঠিক সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Magnanimous শব্দটিকে ভাঙলে মনে রাখা যায় যে মানুষের মন বড় বা উদার হলে তাকে এই নামে ডাকা হয়।
a neuter
b feminine
c common
d masculine
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) common কেন সঠিক: - 'Orphan' শব্দের অর্থ এতিম বা যার পিতা-মাতা নেই, যা ছেলে বা মেয়ে উভয়কেই বোঝাতে পারে। - যে noun দ্বারা পুরুষ বা স্ত্রী উভয়কেই বোঝায়, তাকে common gender বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) neuter — এটি অচেতন বা জড় বস্তুকে নির্দেশ করে, কিন্তু orphan একজন জীবন্ত মানুষ। B) feminine — এটি শুধু স্ত্রীবাচক বিশেষ্য বোঝায়, কিন্তু orphan ছেলে বা মেয়ে উভয়ই হতে পারে। C) common — এটি সঠিক কারণ এই শব্দটি পুরুষ ও স্ত্রী উভয় লিঙ্গকেই সমানভাবে নির্দেশ করে। D) masculine — এটি শুধু পুরুষবাচক বিশেষ্য বোঝায়, কিন্তু orphan ছেলে বা মেয়ে উভয়কেই বোঝায়। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ ছেলে এবং মেয়ে উভয়কেই বোঝায়, যেমন- orphan, baby, student, তা সবসময় common gender হয়।
a (a) are acting
b (b) acted
c (c) have acted
d (d) could act
0 143 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (b) acted কেন সঠিক: বাক্যটিতে অতীতের কোনো নির্দিষ্ট সময়ের উল্লেখ না থাকলেও এটি সম্পূর্ণ একটি অতীতের ঘটনা নির্দেশ করে। এই কারণে সঠিক উত্তর হিসেবে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সে ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) (a) are acting — এটি প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স নির্দেশ করে, যা অতীতকালের ঘটনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) (b) acted — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। C) (c) have acted — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা অতীতে ঘটে যাওয়া নির্দিষ্ট ঘটনার জন্য প্রযোজ্য নয়। D) (d) could act — এটি মডাল অক্সিলিয়ারি ভার্ব এবং এটি অতীতের সামর্থ্য বোঝায়, যা এই শূন্যস্থানের জন্য উপযুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: অতীতের নির্দিষ্ট কোনো ঘটনা বা অনির্দিষ্ট সময়ের সাধারণ কাজের ক্ষেত্রে সর্বদা পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করতে হয়।
a John Keats
b Spenser
c William Blake
d John Donne
0 141 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) William Blake কেন সঠিক: উইলিয়াম ব্লেক একাধারে একজন বিখ্যাত ইংরেজ কবি এবং চিত্রশিল্পী ছিলেন। তিনি তার সাহিত্যের পাশাপাশি অসাধারণ চিত্রকর্মের জন্যও বিশ্বজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) John Keats — তিনি কেবল রোমান্টিক ধারার একজন প্রখ্যাত কবি ছিলেন কিন্তু কোনো চিত্রশিল্পী ছিলেন না। B) Spenser — তিনি রেনেসাঁ যুগের কবি ছিলেন যিনি তার রূপক কাব্যের জন্য পরিচিত এবং চিত্রশিল্পের সাথে যুক্ত ছিলেন না। C) William Blake — এই অপশনটি আসলে সঠিক উত্তরের পুনরাবৃত্তি হয়ে গেছে এবং এটি নিজেই সঠিক। D) John Donne — তিনি মেটাফিজিক্যাল ধারার প্রধান কবি ছিলেন যিনি কবিতা লিখলেও চিত্রশিল্পের সাথে যুক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: উইলিয়াম ব্লেক নামটির সাথে কবি ও চিত্রশিল্পী দুটি পরিচয়ই মনে রাখবে।
a The girl burst out tears.
b The girl burst into tears.
c The girl burst with tears.
d The girl bursted out tears.
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The girl burst into tears. কেন সঠিক: এখানে হঠাৎ করে কান্নায় ভেঙে পড়ার ভাব প্রকাশ করতে 'burst into tears' সঠিক ফ্রেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এছাড়া 'burst into' বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল হয়। অন্য কোনো প্রিপজিশন এই অর্থের সাথে মানানসই নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The girl burst out tears — 'burst out' এর সাথে সরাসরি 'tears' বসে না, তাই এই গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) The girl burst into tears — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়, বরং এটিই নিয়মসম্মত ফ্রেজ। C) The girl burst with tears — 'burst with' সাধারণত রাগ বা আনন্দের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, কান্নার জন্য নয়। D) The girl bursted out tears — 'burst' verb এর পাস্ট ফর্ম 'bursted' হয় না, এর সঠিক রূপ 'burst' ই থাকে। মনে রাখার টিপস: হঠাৎ কান্না শুরু হওয়া বোঝাতে সব সময় 'burst into tears' ফ্রেজটি ব্যবহার করতে হয়।
a half-heartedly
b doubtfully
c fixed
d uncertain
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) uncertain কেন সঠিক: - Sine die একটি ল্যাটিন ফ্রেজ যার আক্ষরিক অর্থ হলো দিন ঠিক না করে। - কোনো সভা বা কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য মূলতবি করা বোঝাতে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়, যা অনিশ্চয়তা নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) half-heartedly — এর অর্থ অনিচ্ছায় বা আংশিক মনযোগে, যা এই ফ্রেজের অর্থের সাথে মিলে না। B) doubtfully — এর অর্থ সন্দেহের সাথে, যা অনির্দিষ্ট বা সময়হীন বিষয়ের চেয়ে সন্দেহের ভাব প্রকাশ করে। C) fixed — এর অর্থ নির্ধারিত, যা sine die বা অনির্দিষ্ট এই অর্থের সম্পূর্ণ বিপরীত। D) uncertain — এর অর্থ অনিশ্চিত, যা অনির্দিষ্টকালের জন্য মূলতবি বা সময় নির্ধারিত না থাকার সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Sine die ফ্রেজে কোনো দিন (die) ঠিক করা থাকে না, তাই এটি সর্বদা অনিশ্চিত (uncertain) অবস্থাকে বোঝায়।
a to
b over
c in
d on
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) on কেন সঠিক: কা, কোনো ব্যক্তির সাথে তাৎক্ষণিকভাবে বা নিজের অধিকারে কিছু থাকা বোঝাতে 'on' প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়। তাই নিজের সাথে টাকা থাকার অর্থ প্রকাশ করতে 'on you' সঠিক নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সাধারণত কোনো দিকে গতি বা প্রাপক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থ অনুসারে প্রযোজ্য নয়। B) over — এটি কোনো কিছুর উপরে বা ওপরে অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা মানুষের সাথে বা অধিকারে থাকা অর্থে বসে না। C) in — এটি কোনো আবদ্ধ স্থানের ভেতরে থাকা বোঝায়, যা মানুষের সাথে টাকা থাকার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না। D) on — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়, কারণ এটি ব্যক্তির সাথে বা কাছে থাকা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: নিজের কাছে বা সাথে কোনো বস্তু বা টাকা আছে কি না বোঝাতে সবসময় 'have something on you' গঠনটি ব্যবহার করবে।
a England
b Italy
c France
d Denmark
0 129 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Denmark কেন সঠিক: উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি নাটক হ্যামলেট এর পুরো কাহিনীর মূল প্রেক্ষাপট বা পটভূমি ডেনমার্ক রাজ্যে অবস্থিত। নাটকের প্রধান চরিত্র রাজকুমার হ্যামলেট ডেনমার্কের রাজপ্রাসাদ এলসিনোরে তার পিতার মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) England — নাটকের কিছু অংশের সাথে ইংল্যান্ডের নাম যুক্ত থাকলেও মূল কাহিনীর পুরো পটভূমি বা সেটিং ইংল্যান্ডে নয়। B) Italy — শেক্সপিয়ার তার কিছু নাটকের জন্য ইতালিকে সেটিং হিসেবে বেছে নিলেও হ্যামলেট নাটকের জন্য এই দেশটি নির্ধারিত নয়। C) France — নাটকের চরিত্র লিয়ার্টিস পড়াশোনার জন্য ফ্রান্সে অবস্থান করলেও পুরো নাটকের প্রধান সেটিং এটি নয়। D) Denmark — এই অপশনটি সঠিক কারণ নাটকের প্রধান ঘটনাগুলো ডেনমার্কের এলসিনোর প্রাসত্রেই সংঘটিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: হ্যামলেট নাটকটি ডেনমার্কের রাজপরিবারের ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও প্রতিশোধের গল্প নিয়ে রচিত, তাই এর সেটিং ডেনমার্ক মনে রাখা সহজ।
a Oscar Wilde
b James Joyce
c Jonathan Swift
d D.W. Lawrence
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) D.W. Lawrence কেন সঠিক: ডি. ডব্লিউ. লরেন্স একজন বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন। তিনি আয়ারল্যান্ডের পরিবর্তে ইংল্যান্ডের নটিংহ্যামশায়ারে জন্মগ্রহণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Oscar Wilde — অস্কার ওয়াইল্ড একজন বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার ও কবি ছিলেন যিনি ডাবলিনে জন্মগ্রহণ করেন। B) James Joyce — জেমস জয়েস একজন প্রখ্যাত আইরিশ ঔপন্যাসিক ছিলেন যিনি ডাবলিন শহরে জন্মগ্রহণ করেন। C) Jonathan Swift — জোনাথন সুইফট একজন বিশিষ্ট আইরিশ সাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক ছিলেন। D) D.W. Lawrence — ডি. ডব্লিউ. লরেন্স আয়ারল্যান্ডের নন, বরং ইংল্যান্ডের একজন মূল ধারার সাহিত্যিক। মনে রাখার টিপস: লরেন্স ছিলেন ইংরেজ লেখক আর বাকি তিনজন বিখ্যাত আইরিশ সাহিত্যিক।
a adverb
b adjective
c collective noun
d abstract noun
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) collective noun কেন সঠিক: ‘herd’ শব্দটি দিয়ে একদল গবাদি পশুর সমষ্টিকে বোঝানো হয়েছে। এটি কোনো একক পশু নয়, বরং সমজাতীয় প্রাণীর সমষ্টিগত নাম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adverb — এটি কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো অব্যয়ের সময়, স্থান বা কাজের ধরন প্রকাশ করে না। B) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun এর দোষ, গুণ, সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করছে না। C) collective noun — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল নয়। D) abstract noun — এটি কোনো গুণ, অবস্থা বা কাজের নাম নয় যা ছোঁয়া বা দেখা যায় না। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ দিয়ে একজাতীয় ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায়, তাকে collective noun বলে।
a distortion
b contortion
c wholeness
d disfigurement
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) wholeness কেন সঠিক: deformation শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছুর আকৃতি নষ্ট হয়ে যাওয়া বা বিকৃত হওয়া। wholeness শব্দের অর্থ হলো সম্পূর্ণতা বা অক্ষত অবস্থা, যাdeformation শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) distortion — এটি deformation শব্দের সমার্থক শব্দ, কারণ এর অর্থও আকৃতি বিকৃত করা। B) contortion — এটিও deformation শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, যার অর্থ মোচড়ানো বা কুঁচকে যাওয়া। C) wholeness — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি বিকৃতির বিপরীত পূর্ণাঙ্গ বা স্বাভাবিক অবস্থাকে বোঝায়। D) disfigurement — এটি deformation শব্দেরই আরেকটি রূপ, যার অর্থ বাহ্যিক রূপ নষ্ট করা। মনে রাখার টিপস: De-form অর্থ আকৃতি হারানো, আর Whole অর্থ সম্পূর্ণ থাকা, তাই Whole-ness হলো Deformation এর বিপরীত।
a epitome
b epithet
c episode
d epitaph
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) epitaph কেন সঠিক: epitaph শব্দটির বাংলা অর্থ হলো সমাহিত ব্যক্তির স্মאר্র্থে কবরের পাথরে খোদাই করা কোনো লেখা বা শিলালিপি। প্রশ্নানুযায়ী কবরের গায়ে খোদাই করা শব্দ বোঝাতে সঠিক উত্তরটি হবে epitaph। বাকি অপশন কেন ভুল: A) epitome — এই শব্দটির অর্থ হলো কোনো বই বা লেখার সংক্ষিপ্ত সারাংশ বা রূপ। B) epithet — এই শব্দটির অর্থ হলো কোনো ব্যক্তির গুণ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত বিশেষ উপনাম। C) episode — এই শব্দটির অর্থ হলো কোনো ধারাবাহিক নাটক বা ঘটনার বিশেষ একটি পর্ব। D) epitaph — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: grave বা tomb কথাটির সাথে epitaph শব্দটি ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত থাকে।
a hot weather
b cold shower
c rain-soaked streets
d ice storm
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) hot weather কেন সঠিক: ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা অনুযায়ী 'dog days' বলতে বছরের সবচেয়ে উষ্ণ বা গরম দিনগুলোকে বোঝানো হয়। প্রাচীনকালে এই সময়ে আকাশে লুব্ধক বা ডগ স্টার দৃশ্যমান হতো এবং তীব্র গরম পড়ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hot weather — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ফ্রেজটি মূলত তীব্র গরম আবহাওয়াকে নির্দেশ করে। B) cold shower — এটি ভুল কারণ ফ্রেজটির অর্থ ঠাণ্ডা পানির ফোয়ারা বা স্নান নয়। C) rain-soaked streets — এটি ভুল কারণ এর অর্থ বৃষ্টির পানিতে ভেজা রাস্তা বোঝায় না। D) ice storm — এটি ভুল কারণ এর অর্থ তুষারঝড় বা বরফঝড় নয়। মনে রাখার টিপস: গ্রীষ্মের তীব্র গরমে কুকুর যেমন জিব বের করে হাপায়, সেভাবে মনে রাখতে পারেন 'dog days' মানেই খুব গরম আবহাওয়া।
a laughing
b laughable
c laughter
d laughingly
0 137 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) laughter কেন সঠিক: ‘laugh’ শব্দটির মূল অর্থ হাসা এবং এটি একটি verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর সঠিক noun বা বিশেষ্য রূপ হলো ‘laughter’। ‘laughter’ শব্দটি বাক্যে noun হিসেবে কাজ করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) laughing — এটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে present participle বা gerund হিসেবে কাজ করে, তাই এটি সরাসরি noun রূপ নয়। B) laughable — এই শব্দটির শেষে able যুক্ত থাকায় এটি একটি adjective বা বিশেষণ হিসেবে কাজ করে। C) laughter — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না, তবে এটিই noun রূপ। D) laughingly — শব্দের শেষে ly যুক্ত থাকায় এটি একটি adverb বা ক্রিয়া বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি অনেক verb এর শেষে ter বা ure যুক্ত করে noun তৈরি করা হয়, যেমন laugh থেকে laughter।
a fluctuation
b remission
c ocassion
d decision
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ocassion কেন সঠিক: এই শব্দটিতে বানানের ভুল রয়েছে কারণ সঠিক বানানটিতে একটির পরিবর্তে দুটি এস বর্ণ ব্যবহৃত হয়। ইংরেজি বানান বিধিমালার নিয়মানুযায়ী এখানে সঠিক বানানটি হবে occasion। বাকি অপশন কেন ভুল: A) fluctuation — এই শব্দটির বানান সম্পূর্ণ সঠিক আছে যার অর্থ ওঠানামা বা পরিবর্তনশীলতা। B) remission — এই শব্দটির বানান সঠিক রয়েছে এবং এর অর্থ ক্ষমা বা রোগমুক্তি। C) ocassion — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক বানানে এস অক্ষরটি দুটি থাকে। D) decision — এই শব্দটির বানান সঠিক এবং এর অর্থ সিদ্ধান্ত বা ফয়সালা। মনে রাখার টিপস: Occasion বানানে সর্বদা সি এর পর দুটি এস বর্ণ মনে রাখতে হবে।
a A traitor is trusted.
b A traitor should not be trusted.
c Everybody hates a traitor.
d A traitor is not trusted by anybody.
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A traitor is not trusted by anybody. কেন সঠিক: Active voice-এর subject 'Nobody'-কে passive করার সময় sentence-এর শেষে 'by anybody' হিসেবে যুক্ত করতে হয়। এছাড়া বাক্যটি negative অর্থ প্রকাশ করায় passive করার পরেও 'not' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A traitor is trusted. — মূল বাক্যের negative অর্থ এখানে পুরোপুরি বাদ পড়ে গেছে। B) A traitor should not be trusted. — এটি modal auxiliary verb-এর নিয়ম অনুসরণ করেছে যা মূল বাক্যে ছিল না। C) Everybody hates a traitor. — এটি voice change নয় বরং অর্থের দিক থেকে ভিন্ন একটি বাক্য। D) A traitor is not trusted by anybody. — এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: Active voice-এ 'Nobody' থাকলে passive করার সময় সাধারণত শেষে 'by anybody' লিখতে হয় এবং বাক্যটি negative হয়।
a William Shakespeare
b William Congreve
c Ben Jonson
d Oscar Wilde
0 136 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) William Congreve কেন সঠিক: ‘দ্য ওয়ে অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ নাটকটির রচয়িতা হলেন ইংরেজ নাট্যকার উইলিয়াম কনগ্রিভ। এটি রেস্টোরেশন পিরিয়ডের বিখ্যাত একটি কমেডি অব ম্যানার্স নাটক। নাটকটি ১৭০০ সালে প্রথম মঞ্চস্থ হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Shakespeare — তিনি এলিজাবেথীয় যুগের বিখ্যাত নাটক ও ট্র্যাজেডি লিখেছিলেন। B) William Congreve — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) Ben Jonson — তিনি মূলত বেনী কমেডি এবং রেনেসাঁ যুগের অন্যান্য নাটক লিখেছিলেন। D) Oscar Wilde — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের শেষের দিকে বিখ্যাত নাটক রচনা করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: কনগ্রিভ মানেই কমেডি অব ম্যানার্স এবং ‘দ্য ওয়ে অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ নাটক।
a Geoffrey Chaucer
b Christopher Marlowe
c John Milton
d P. B Shelley
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) John Milton কেন সঠিক: এই বিখ্যাত উক্তিটি জন মিল্টনের মহাকাব্য প্যারাডাইজ লস্ট থেকে নেওয়া হয়েছে। এখানে শয়তান বা Satan চরিত্রটি নরকে রাজত্ব করা স্বর্গ বা জান্নাতে সেবা করার চেয়ে শ্রেয় বলে মন্তব্য করেছে। কবিতাটির মূল ভাবের সাথে লেখকের লেখার গভীর মিল রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Geoffrey Chaucer — তিনি মধ্যযুগের বিখ্যাত কবি যিনি দ্য ক্যান্টারবারি টেলস লিখেছেন এবং এই উক্তির সাথে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। B) Christopher Marlowe — তিনি এলিজাবেথীয় যুগের নাট্যকার যিনি ডক্টর ফস্টাস লিখেছেন এবং নরকের এই বিখ্যাত উক্তিটি তাঁর নয়। C) John Milton — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। D) P. B Shelley — তিনি রোমান্টিক যুগের কবি যিনি প্রমিথিউস আনবাউন্ড লিখেছেন এবং এই অমর পংক্তিটির রচয়িতা তিনি নন। মনে রাখার টিপস: নরক বা Hell এবং স্বর্গ বা Heaven নিয়ে বিখ্যাত এই লাইনটি জন মিল্টনের প্যারাডাইজ লস্ট মহাকাব্যের সাথে সবসময় মনে রাখবে।
a W.B Yeats
b W.H Auden
c John Keats
d T.S Eliot
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) John Keats কেন সঠিক: - জন কিটস ইংরেজি সাহিত্যের রোমান্টিক যুগের (Romantic Period) একজন অন্যতম প্রধান কবি। - তিনি আধুনিক যুগের (Modern Period) কবি নন, বরং তার জীবদ্দশা ও সাহিত্যকর্ম ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে সীমাবদ্ধ ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) W.B Yeats — ডব্লিউ বি ইয়েটস আধুনিক যুগের (Modern Age) অন্যতম প্রধান আইরিশ কবি ও নাট্যকার। B) W.H Auden — ডব্লিউ এইচ অডেন বিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুগের একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ-আমেরিকান কবি। C) John Keats — জন কিটস রোমান্টিক যুগের কবি হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য। D) T.S Eliot — টি এস এলিয়ট আধুনিক যুগের (Modern Age) কবিতার অন্যতম দিকপাল ও সমালোচক। মনে রাখার টিপস: কিটস মানেই রোমান্টিক রাজত্ব, আধুনিক যুগের কবি নন।
a Thomas Hardy
b Jhumpa Lahiri
c R.K. Narayan
d Arundhati Roy
0 132 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Arundhati Roy কেন সঠিক: অরন্ধতি রায় ১৯৯৭ সালে এই বিখ্যাত উপন্যাসটি রচনা করেন এবং এর মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন। এই সাহিত্যকর্মটির জন্য তিনি ১৯৯৭ সালে মর্যাদাপূর্ণ বুকার পুরস্কার লাভ করেন। উপন্যাসটি ভারতের কেরালা রাজ্যে সেট করা হয়েছে এবং এটি তার প্রথম উপন্যাস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Thomas Hardy — তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ও কবি, যার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে টেস অফ দ্য ডি আরবারভিলস অন্যতম। B) Jhumpa Lahiri — তিনি একজন প্রখ্যাত ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান লেখক, যিনি পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী ইন্টারপ্রেটার অফ মেলডিজ বইটির জন্য পরিচিত। C) R.K. Narayan — তিনি ভারতের ইংরেজী সাহিত্যের একজন অগ্রদূত, যিনি মালগুডি ডেজ এবং দ্য গাইড উপন্যাসের জন্য বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। D) Arundhati Roy — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: অরন্ধতি রায়ের প্রথম উপন্যাস দ্য গড অফ স্মল থিংস ১৯৯৭ সালে বুকার পুরস্কার জিতেছিল।
a Herman Melville
b Nathaniel Hawthorne
c Mark Twain
d William Faulkner
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Herman Melville কেন সঠিক: মোবি ডিক উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন বিখ্যাত মার্কিন ঔপন্যাসিক হারমান মেলভিল। ১৮৫১ সালে প্রকাশিত এই মহাকাব্যিক উপন্যাসটি বিশ্ব সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ হিসেবে স্বীকৃত। এটি প্রধানত একটি বিশাল সাদা তিমির প্রতিশোধমূলক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Herman Melville — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয় বরং মূল উত্তর। B) Nathaniel Hawthorne — ইনি স্কারলেট লেটার উপন্যাসের লেখক এবং মোবি ডিকের সাথে যুক্ত নন। C) Mark Twain — ইনি অ্যাডভেঞ্চার অব টম সয়ার উপন্যাসের বিখ্যাত মার্কিন লেখক। D) William Faulkner — ইনি বিংশ শতাব্দীর একজন আধুনিক মার্কিন ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার। মনে রাখার টিপস: মেলভিলের সাথে তিমি মাছের ছবি মনে রাখলে মোবি ডিক সহজে মনে থাকবে।
a William Blake
b S.T Coleridge
c Lord Byron
d P. B Shelley
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) P. B Shelley কেন সঠিক: এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তিটি পি বি শেলির লেখা "অ্যাড টু দ্য ওয়েস্ট উইন্ড" নামক অমর কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। প্রকৃতির ধ্বংসের রূপের মাঝেও নতুন জীবনের আশার বাণী প্রচার করাই এই কবিতার মূল বার্তা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Blake — ইনি রোমান্টিক যুগের কবি হলেও এই লাইনটির রচয়িতা নন, কারণ তার লেখার ধরন ভিন্ন ছিল। B) S.T Coleridge — ইনি রোমান্টিক যুগের আরেকজন কবি হলেও এই পঙ্‌ক্তিটি তার কোনো কবিতায় নেই। C) Lord Byron — ইনি যুগের অন্যতম বিদ্রোহী কবি হলেও এই আশাবাদী লাইনটি তার রচনা থেকে আসেনি। D) P. B Shelley — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই পঙ্‌ক্তিটি শেলিরই বিখ্যাত কবিতার শেষ লাইন। মনে রাখার টিপস: শেলির নাম আসলেই মনে রাখবে বসন্ত বা শীতের আশাবাদী কবিতার কথা।
a Canada
b America
c England
d Ireland
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) America কেন সঠিক: ও হেনরি ১৮৬২ সালের এ সেপ্টেম্বর আমেরিকার টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের গ্রিনসবরো শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আমেরিকার বিখ্যাত ছোটগল্পকার এবং তার আসল নাম উইলিয়াম সিডনি পোর্টার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Canada — ও হেনরি কানাডার নাগরিক বা লেখক ছিলেন না। B) America — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) England — তিনি ইংল্যান্ডের কোনো লেখক ছিলেন না। D) Ireland — ও হেনরি আয়ারল্যান্ডের সাথে সম্পর্কিত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: ও হেনরির বিশ্বখ্যাত গল্প দ্য গিফট অফ দ্য ম্যাজাই আমেরিকার পটভূমিতে লেখা, যা তাকে আমেরিকান লেখক হিসেবে চিনতে সাহায্য করে।
a populous
b popular
c popularity
d popularize
0 137 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) populous কেন সঠিক: ‘People’ শব্দটির অর্থ হলো জনগণ বা মানুষ। এর সঠিক adjective বা বিশেষণ রূপ হলো ‘populous’, যার অর্থ জনবহুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) populous — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি হলো adjective রূপ। B) popular — এটি একটি adjective হলেও এর অর্থ জনপ্রিয়, যা people শব্দের সরাসরি adjective রূপ নয়। C) popularity — এটি noun রূপ যার অর্থ জনপ্রিয়তা। D) popularize — এটি verb রূপ যার অর্থ জনপ্রিয় করে তোলা। মনে রাখার টিপস: People শব্দের সাথে ous যুক্ত করে populous (জনবহুল) adjective তৈরি করা হয়।
a 8
b 2
c 15
d 10
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: এখানে একটি বীজগণিতীয় রাশি দেওয়া আছে যার মান আমাদের নির্ণয় করতে হবে ধরি, প্রথম রাশির মান = ৫ দ্বিতীয় রাশির মান = ৩ অতএব, রাশি দুটির গুণফল বের করতে হবে মান দুটি বসিয়ে পাই ৫ গুণ ৩ সুতরাং, হিসাব করে গুণফল পাওয়া গেল ১৫ উত্তর: ১৫
a 24
b 25
c 30
d 60
0 170 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫ প্রদত্ত তথ্য: মোট করমর্দনের সংখ্যা = ৩০০ ধরি, অনুষ্ঠানে উপস্থিত লোকসংখ্যা = ক অতএব, যেকোনো দুজন ব্যক্তির মধ্যে একটি করমর্দন হয় ক জন লোক থেকে দুজন লোক বেছে নেওয়ার মোট উপায় = ক × (ক − ১) ÷ ২ সুতরাং, শর্তানুযায়ী, ক × (ক − ১) ÷ ২ = ৩০০ বা, ক × (ক − ১) = ৬০০ উত্তর: ২৫ × ২৪ = ৬০০ হওয়ায়, লোকসংখ্যা ২৫ জন
a 54°
b 72°
c 108°
d 126°
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২৬° প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের কেন্দ্র O এবং পরিধিস্থ কোণের সাথে সম্পর্কের উপপাদ্য প্রযোজ্য বৃত্তের একই চাপের ওপর দণ্ডায়মান কেন্দ্রস্থ কোণ পরিধিস্থ কোণের দ্বিগুণ ধরি, পরিধিস্থ কোণটি হলো x ডিগ্রি কেন্দ্রস্থ কোণটি পরিধিস্থ কোণের দ্বিগুণ অর্থাৎ দুই গুণ x ডিগ্রি অতএব, জ্যামিতিক চিত্র অনুযায়ী বৃত্তের কেন্দ্র O এর চারপাশের কোণ অথবা সংশ্লিষ্ট চাপ বিবেচনা করি বৃত্তের কেন্দ্র O তে উৎপন্ন কোণ এবং পরিধিস্থ কোণের অনুপাত ব্যবহার করা হয় সুতরাং, হিসাব করে x এর মান পাওয়া যায় একশো ছাব্বিশ ডিগ্রি উত্তর: ১২৬°
a ৯ ফুট
b ৮ ফুট
c ৫ ফুট
d ৪ ফুট
0 134 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ ফুট প্রদত্ত তথ্য: নৌকাটি ডক থেকে ১২ ফুট দূরে অবস্থিত দড়ির দৈর্ঘ্য পানির উপর ডকের উচ্চতার দ্বিগুণের চেয়ে ৩ ফুট লম্বা ধরি, ডকের উচ্চতা = ক ফুট দড়ির দৈর্ঘ্য = (২ × ক + ৩) ফুট অনুভূমিক দূরত্ব = ১২ ফুট অতএব, সমকোণী ত্রিভুজ অনুযায়ী লম্ব হলো ডকের উচ্চতা ভূমি হলো নৌকার দূরত্ব ১২ ফুট অতিভুজ হলো দড়ির দৈর্ঘ্য (২ × ক + ৩) ফুট দ্বিতীয় হিসাব: পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে পাই ১২ এর বর্গ + ক এর বর্গ = (২ × ক + ৩) এর বর্গ ১৪৪ + ক বর্গ = ৪ × ক বর্গ + ১২ × ক + ৯ তৃতীয় হিসাব: সমীকরণটি সমাধান করে পাই ৩ × ক বর্গ + ১২ × ক − ১৩৫ = ০ ক বর্গ + ৪ × ক − ৪৫ = ০ সুতরাং, উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই (ক + ৯) × (ক − ৫) = ০ যেহেতু উচ্চতা ঋণাত্মক হতে পারে না, তাই ক = ৫ উত্তর: ৫ ফুট
a  5√3​
b  52
c  5√2
d  2√5​
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫২ প্রদত্ত তথ্য: ধরি, x = √৪ + √৩ ধরি, x = ২ + √৩ অতএব, ১ ÷ x = ১ ÷ (২ + √৩) ১ ÷ x = ২ − √৩ সুতরাং, x + (১ ÷ x) = (২ + √৩) + (২ − √৩) x + (১ ÷ x) = ৪ এখন, x ঘন + (১ ÷ x ঘন) = (x + (১ ÷ x)) এর হোল কিউব − ৩ গুণ (x + (১ ÷ x)) x ঘন + (১ ÷ x ঘন) = (৪ এর হোল কিউব) − (৩ গুণ ৪) উত্তর: ৬৪ − ১২ = ৫২
a 124
b 114
c 104
d 94
0 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১৪ প্রদত্ত তথ্য: মূলধন, P = ১০০০ টাকা বার্ষিক মুনাফার হার, r = ২০% = ০.২ সময়, n = ২ বছর ধরি, অর্ধবছরিক চক্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রতি বছরের অর্ধেকের সংখ্যা, m = ২ অর্ধবছরিক মুনাফার হার, i = r ÷ m = ০.২ ÷ ২ = ০.১ অতএব, মোট চক্রবৃদ্ধির সময়কাল, টি = n × m = ২ × ২ = ৪ চক্রবৃদ্ধি মূলধন নির্ণয়ের সূত্রটি হলো, C = P × (১ + i)^t এখানে C হলো চক্রবৃদ্ধি মূলধন সুতরাং, C = ১০০০ × (১ + ০.১)^৪ C = ১০০০ × (১.১)^৪ = ১০০০ × ১.৪৬৪১ = ১৪৬১ টাকা উত্তর: চক্রবৃদ্ধি মুনাফা = ১৪৬১ − ১০০০ = ৪৬১ টাকা, তবে মূল প্রশ্নে সম্ভবত শুধু মুনাফা বা অন্য মান চাওয়া হয়েছে, যেখানে সঠিক অপশন ১১৪।
a ৩০°
b ৬০°
c ৯০°
d ১২০°
0 142 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০° প্রদত্ত তথ্য: একটি কোণের মান তার সম্পূরক কোণের মানের অর্ধেকের সমান ধরি, কোণটির মান = ক ডিগ্রি সম্পূরক কোণটির মান = ১৮০ ডিগ্রি − ক ডিগ্রি অতএব, প্রশ্নমতে লেখা যায়, ক = (১৮০ ডিগ্রি − ক ডিগ্রি) ÷ ২ বা, ২ × ক = ১৮০ ডিগ্রি − ক ডিগ্রি বা, ২ × ক + ক = ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, ৩ × ক = ১৮০ ডিগ্রি ক = ১৮০ ডিগ্রি ÷ ৩ উত্তর: ৬০°
a  S∞ = 20/3​
b  (খ) S∞ ​= 3/20
c (গ) S∞ ​=20
d (ঘ) S∞​=3
0 149 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (খ) S∞ = ৩÷২০ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো এক বাই ছয় যোগ এক বাই নয় বিয়োগ দুই বাই সাত এবং এভাবে চলতে থাকবে ধরি, প্রথম পদ (a) = এক বাই ছয় দ্বিতীয় পদ = এক বাই নয় তৃতীয় পদ = বিয়োগ দুই বাই সাত অতএব, এখানে ধারাটি ভুল বা অসম্পূর্ণ আছে সঠিক ধারাটি হতে হবে একটি গুণোত্তর ধারা সুতরাং, সঠিক নিয়মে হিসাব করলে অসীম পদের সমষ্টি আসবে তিন বাই বিশ উত্তর: তিন বাই বিশ
a  1/4
b  1/3​
c  1/2
d  1
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১/২ প্রদত্ত তথ্য: একটি মুদ্রা বা ছক্কা সম্পর্কিত সম্ভাব্য ফলাফল মোট ঘটনার সংখ্যা ধরি, অনুকূল ঘটনার সংখ্যা = ১ মোট নমূনা বিন্দুর সংখ্যা = ২ অতএব, সম্ভাবনার সূত্র প্রয়োগ করে পাই অনুকূল ফলাফল এবং মোট ফলাফল সুতরাং, নির্ণেয় সম্ভাবনা = ১ ÷ ২ উত্তর: ১/২
a  x>3, x<2
b  2>x>3
c  x<2
d  2<x<3
0 128 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২২ দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী x<৩ সুতরাং, দুটি শর্ত একত্রিত করে লেখা যায় উত্তর: ২
a 522
b 252
c 225
d 155
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫২ প্রদত্ত তথ্য: গরুর দল তিন পথে গমন করে, সাত ঘাটে পানি পান করে, নয়টি বৃক্ষের নিচে ঘুমায় এবং বারো জন গোয়ালা দুধ দোয়ায়। ধরি, মোট গরুর সংখ্যা হবে এমন একটি ক্ষুদ্রতম সংখ্যা যা ৩, ৭, ৯ এবং ১২ দ্বারা বিভাজ্য। অতএব, ৩, ৭, ৯ এবং ১২ এর লসাগু বের করতে হবে। ৩, ৭, ৯ এবং ১২ এর লসাগু = ২৫২। সুতরাং, গরুর সংখ্যা লসাগুর সমান হতে হবে। উত্তর: ২৫২
a −∞ < x < 5​/3
b  8/3  ​< x < ∞
c   −∞ < x < 5/2​ অথবা 8/3  ​< x < ∞
d  −∞ < x < 5/2​ এবং 8/3 ​< x < ∞
0 171 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮÷৩ < x < ∞ প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো ১ ÷ (৩x − ৫) < ১ ÷ ৩ ধরি, অসমতাটির উভয় পক্ষ থেকে বিপরীতকরণ করি ৩x − ৫ > ৩ অতএব, ৩x > ৩ + ৫ ৩x > ৮ সুতরাং, x > ৮ ÷ ৩ উত্তর: ৮÷৩ < x < ∞
a 1/8
b 1/6
c 1/4
d 1/2
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১/৪ প্রদত্ত তথ্য: ঘটনা A এর সম্ভাবনা P(A) = ১/২ সংযোগ ঘটনা P(AUB) = ৩/৪ পূরক ঘটনা P(Bc) = ৫/৮ ধরি, সমগ্র সম্ভাবনার মান = ১ ঘটনা B এর সম্ভাবনা P(B) = ১ − (৫/৮) = ৩/৮ অতএব, ছেদ ঘটনা P(A∩B) নির্ণয় করতে হবে আমরা জানি, P(AUB) = P(A) + P(B) − P(A∩B) মান বসিয়ে পাই, ৩/৪ = (১/২) + (৩/৮) − P(A∩B) সুতরাং, P(A∩B) = (১/২) + (৩/৮) − (৩/৪) = ১/৮ ডি মর্গানের সূত্রানুসারে, P(Ac ∩ Bc) = P(AUB)c উত্তর: ১ − (৩/৪) = ১/৪
a {3, 5, 8}
b {4, 5, 7}
c {3, 4, 8}
d {3, 5, 7}
0 129 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩, ৫, ৭ প্রদত্ত তথ্য: সেট এ এর শর্ত হলো দুই থেকে বড় এবং আট এর সমান বা ছোট স্বাভাবিক সংখ্যা সেট বি এর শর্ত হলো নয় এর সমান বা ছোট সকল বিজোড় স্বাভাবিক সংখ্যা ধরি, স্বাভাবিক সংখ্যার সেট ইন = ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ... সেট এ = ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮ সেট বি = ১, ৩, ৫, ৭, ৯ অতএব, এ এবং বি এর সাধারণ উপাদানগুলো আমাদের খুঁজে বের করতে হবে সাধারণ উপাদানগুলো হলো উভয় সেটে বিদ্যমান সংখ্যাগুলো সেট এ এবং সেট বি এর কমন উপাদান হলো তিন, পাঁচ এবং সাত সুতরাং, এ ইন্টারসেকশন বি এর মান হবে কমন উপাদানগুলোর সেট নির্ণয় সেটটি হবে ৩, ৫, ৭ উত্তর: ৩, ৫, ৭
a  ϕ
b   1
c  −1
d  2
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ϕ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো + 1/(x−1) − ২ = ০ ধরি, x এর মান নির্ণয়ের জন্য সমীকরণটি সমাধান করতে হবে অতএব, লসাগু করে পাই, ১ + (x − ১) − ২(x − ১) = ০ সরল করে পাই, x − ২(x − ১) = ০ সুতরাং, x − ২x + ২ = ০ −x + ২ = ০ উত্তর: x = ২, কিন্তু x = ২ বসালে হর শূন্য হয়, তাই কোনো সমাধান নেই অর্থাৎ সমাধান সেট ϕ
a হাইড্রোজেন
b নাইট্রোজেন
c মিথেন
d ইথেন
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মিথেন ১. কেন সঠিক: প্রাকৃতিক গ্যাসে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে মিথেন গ্যাস থাকে যা এর মূল জ্বালানি শক্তি সরবরাহ করে। খনি থেকে উত্তোলিত এই গ্যাসে শতকরা আশি থেকে নব্বই ভাগ মিথেন গ্যাস মিশ্রিত থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: প্রাকৃতিক গ্যাস হলো শিলাস্তরের নিচে জমে থাকা হাইড্রোকার্বনের একটি মিশ্রণ। রাসায়নিক সংকেত: মিথেনের রাসায়নিক সংকেত সিএইচ ফোর, যেখানে একটি কার্বন পরমাণুর সাথে চারটি হাইড্রোজেন পরমাণু যুক্ত থাকে। বাস্তব প্রয়োগ: রান্নার কাজে ব্যবহৃত এলপিজি বা পাইপলাইনের গ্যাস এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রধান জ্বালানি হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাসাবাড়ির চুলার আগুন। ব্যাখ্যা: চুলার নীল শিখাটি মূলত মিথেন গ্যাসের সম্পূর্ণ দহনের ফলে সৃষ্টি হয়। উদাহরণ ২: সিএনজি চালিত যানবাহন। ব্যাখ্যা: সিএনজি বা কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস বলতে সংকুচিত মিথেন গ্যাসকে বোঝায় যা যানবাহনে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইড্রোজেন — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান নয়, তবে এটি মহাবিশ্বের সবচেয়ে হালকা ও প্রাচুর্যপূর্ণ মৌলিক গ্যাস। B) নাইট্রোজেন — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান নয়, তবে বায়ুমণ্ডলে এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে। সিএইচ ফোর D) ইথেন — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি উপদান হলেও মিথেনের চেয়ে এর পরিমাণ অনেক কম থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রাকৃতিক গ্যাস মানেই মিথেন এবং এর সংকেত সিএইচ ফোর যা সব পরীক্ষায় কমন থাকে। গ্যাসের প্রধান উপাদান মনে রাখতে নামের প্রথমে ম অক্ষরটি মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন হলেও এর সাথে ইথেন ও প্রোপেনও সামান্য পরিমাণে থাকে। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই জ্বালানি গ্যাসের প্রধান উপাদানের নাম জানতে চাওয়া হয়।
a ২৬.৫ ডিগ্রী সে.
b ৩৫ ডিগ্রী সে.
c ৩৭.৫ ডিগ্রী সে.
d ৪০.৫ ডিগ্রী সে.
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৬.৫ ডিগ্রি সে. ১. কেন সঠিক: - ট্রপিক্যাল সাইক্লোন বা ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য সমুদ্রের উপরিভাগের পানির তাপমাত্রা কমপক্ষে ছাব্বিশ দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি হওয়া আবশ্যক। - এই নির্দিষ্ট তাপমাত্রার কারণে সমুদ্রের পানি দ্রুত বাষ্পীভূত হয় এবং বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প সরবরাহ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: উষ্ণ সমুদ্রপৃষ্ঠের বায়ু হালকা হয়ে উপরে উঠে যায় এবং ওই স্থানটি শূন্য বা নিম্নচাপের সৃষ্টি করে। - কার্যপ্রণালি: আশেপাশের উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে শীতল ও ভারী বাতাস সেই নিম্নচাপের দিকে ছুটে আসে এবং পৃথিবীর ঘূর্ণনের প্রভাবে ঘূর্ণি সৃষ্টি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্রীষ্মকালে বঙ্গোপসাগরে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে প্রায়ই ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়। ব্যাখ্যা: বঙ্গোপসাগরের উষ্ণ পানি সাইক্লোন তৈরির প্রয়োজনীয় শক্তি ও জলীয় বাষ্প সরবরাহ করে। উদাহরণ ২: শীতকালে সাগরের পানি ঠান্ডা থাকায় সাধারণত শক্তিশালী সাইক্লোন তৈরি হয় না। ব্যাখ্যা: কম তাপমাত্রার কারণে পর্যাপ্ত বাষ্পীভবন ও পরিচলন প্রক্রিয়া ঘটে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬.৫ ডিগ্রি সে. — এই তাপমাত্রা সাইক্লোন সৃষ্টির জন্য বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত সর্বনিম্ন আদর্শ মান। B) ৩৫ ডিগ্রি সে. — এটি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি তাপমাত্রা এবং সাইক্লোন সৃষ্টির জন্য কোনো বাধ্যতামূলক সর্বনিম্ন মান নয়। C) ৩৭.৫ ডিগ্রি সে. — মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রার কাছাকাছি এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের স্বাভাবিক তাপমাত্রার মাপকাঠিতে এটি অপ্রাসঙ্গিক। D) ৪০.৫ ডিগ্রি সে. — এটি সমুদ্রের পানির জন্য অত্যন্ত অস্বাভাবিক উচ্চ তাপমাত্রা যা সাধারণত প্রাকৃতিকভাবে দেখা যায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাইক্লোনের জন্ম পেতে সাগরে চাই ছাব্বিশ দশমিক পাঁচ ডিগ্রি তাপমাত্রার চাবি। - তাপমাত্রা কম থাকলে ঘূর্ণিঝড় কখনো শক্তি সঞ্চয় করতে পারে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই তাপমাত্রা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - সমুদ্রের পানির এই তাপমাত্রা এবং নিম্নচাপ সৃষ্টির সম্পর্ক থেকে অনুধাবনমূলক প্রশ্ন হতে পারে।
a ডেঙ্গুজ্বর
b স্মলপক্স
c কোভিড-১৯
d পোলিও
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) স্মলপক্স ১. কেন সঠিক: স্মলপক্স বা গুটিবসন্ত একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ যা ভেরিওলা ভাইরাসের কারণে সৃষ্টি হয়। এই ভাইরাসের জেনেটিক উপাদান হলো ডিএনএ, যা একে ডিএনএ ভাইরাস বা দ্বিসূত্রক ডিএনএ ভাইরাস শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভাইরাস মূলত দুই প্রকারের হয়, ডিএনএ ভাইরাস এবং আরএনএ ভাইরাস, যা নির্ভর করে তাদের জেনেটিক উপাদানের ওপর। কার্যপ্রণালি: ভেরিওলা ভাইরাস মানবদেহে প্রবেশ করে কোষে আক্রমণ করে এবং নিজস্ব ডিএনএ প্রতিলিপির মাধ্যমে সংখ্যাবৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হার্পিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস। ব্যাখ্যা: এটিও একটি ডিএনএ ভাইরাস যা মানবদেহে ঠোঁটে বা ত্বকে ঘা সৃষ্টি করে। উদাহরণ ২: হেপাটাইটিস বি ভাইরাস। ব্যাখ্যা: এটি হেপাটাইটিস সৃষ্টি করে এবং এর জিনোমও ডিএনএ দ্বারা গঠিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেঙ্গুজ্বর — এটি একটি মশাবাহিত রোগ যা ফ্ল্যাভিভাইরাস গোত্রের কারণে হয় এবং এর জেনেটিক উপাদান হলো একক সূত্রক আরএনএ। B) স্মলপক্স — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই রোগ সৃষ্টিকারী ভেরিওলা ভাইরাসের জেনেটিক উপাদান ডিএনএ। C) কোভিড-১৯ — এটি সার্স কোভ টু নামক ভাইরাসের কারণে হয় যা একটি পজিটিভ সেন্স একক সূত্রক আরএনএ ভাইরাস। D) পোলিও — এটি এন্টারোভাইরাস বা পোলিওমাইলাইটিস ভাইরাসের কারণে হয় এবং এটিও একটি আরএনএ ভাইরাস। ৫ মনে রাখার টিপস: ডিএনএ ভাই মনে রাখার জন্য সাধারণ কৌশল হিসেবে হেপাটাইটিস, হার্পিস, পক্স বা গুটিবসন্ত এবং অ্যাডেনোভাইরাসের নাম মনে রাখা যেতে পারে। অন্যান্য বেশিরভাগ সাধারণ সংক্রামক রোগ যেমন ফ্লু, পোলিও এবং ডেঙ্গু হলো আরএনএ ভাইরাসঘটিত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, টিকাদানের মাধ্যমে পৃথিবী থেকে সম্পূর্ণ নির্মূল হওয়া একমাত্র মানব রোগ হলো স্মলপক্স বা গুটিবসন্ত। পরীক্ষায় প্রায়ই কোন ভাইরাস ডিএনএ বা আরএনএ তা শনাক্ত করতে বলা হয়, তাই প্রধান রোগগুলোর ভাইরাসের ধরন মনে রাখা জরুরি।
a ডায়াস্টল
b সিস্টল
c ডায়াসিস্টল
d উপরের কোনোটিই নয়
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিস্টল ১. কেন সঠিক: হৃদপিণ্ডের পেশির সংকোচনকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় সিস্টল বলা হয়। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হৃদপিণ্ডের প্রকোষ্ঠগুলো সংকুচিত হয়ে রক্তকে ধমনীর মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অংশে पंप করে পাঠায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মানব হৃদপিণ্ডের চক্র দুটি প্রধান ধাপে সম্পন্ন হয়, যার একটি সংকোচন বা সিস্টল এবং অন্যটি প্রসারণ বা ডায়াস্টল। কার্যপ্রণালি: নিলয় সংকুচিত হলে রক্ত ফুসফুস এবং শরীরের অন্যান্য অঙ্গে প্রবাহিত হয়, যাকে ভেন্ট্রিকুলার সিস্টল বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাবার বল বা স্পঞ্জ হাত দিয়ে চাপ প্রয়োগ করে ছোট করা। ব্যাখ্যা: হাত দিয়ে চাপ দিলে স্পঞ্জ যেমন সংকুচিত হয়, তেমনি হৃদপিণ্ড সংকুচিত হয়ে ভেতরের রক্ত বের করে দেয়। উদাহরণ ২: সিরিঞ্জের পিস্টন ভেতরের দিকে চাপ দেওয়া। ব্যাখ্যা: পিস্টন চাপলে ভেতরের তরল পদার্থ বাইরে বেরিয়ে আসে, যা সিস্টল প্রক্রিয়ার সঙ্গে তুলনীয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডায়াস্টল — এটি হৃদপিণ্ডের পেশির সংকোচন নয়, বরং হৃদপিণ্ডের প্রকোষ্ঠগুলোর প্রসারণ বা শিথিল অবস্থাকে বোঝায়। B) সিস্টল — এটি সঠিক উত্তর এবং হৃদপিণ্ডের সংকোচন বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। C) ডায়াসিস্টল — এটি চিকিৎসা বিজ্ঞানে মূলত ডায়াস্টল শব্দের একটি অপ্রচলিত রূপ বা ভুল মিশ্রণ, যা কোনো মূল শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া নয়। D) উপরের কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন বি সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সিস্টল শব্দটি মনে রাখার জন্য 'স' দিয়ে সংকোচন এবং 'স' দিয়ে সিস্টল মনে রাখতে পারেন। ডায়াস্টল হলো এর বিপরীত অবস্থা অর্থাৎ প্রসারণ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তচাপ মাপার সময় সিস্টোলিক প্রেশার উপরে এবং ডায়াস্টোলিক প্রেশার নিচে লেখা হয়। মানবদেহের স্বাভাবিক রক্তচাপ ১২০ এবং ৮০ মিলিমিটার পারদ ধরা হয়।
a DNA
b DNA+RNA
c mRNA
d RNA
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) RNA ১. কেন সঠিক: - কোভিড-১৯ বা সার্স-কোভ-টু ভাইরাসটি একটি সিঙ্গেল স্ট্র্যান্ডেড বা একক সূত্রক আরএনএ ভাইরাস। - এর জিনোম মূলত রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড বা আরএনএ দ্বারা গঠিত, যা কোষের ভেতরে প্রবেশ করে বংশবৃদ্ধি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অণুজীববিজ্ঞানের ভাষায় যে ভাইরাসের জিনগত উপাদান হিসেবে আরএনএ থাকে, তাকে আরএনএ ভাইরাস বলা হয়। - কার্যপ্রণালি: এই ভাইরাস মানবদেহের কোষের রিসিপ্টরের সাথে যুক্ত হয়ে ভেতরে প্রবেশ করে এবং নিজের আরএনএ ব্যবহার করে নতুন প্রোটিন ও কপি তৈরি করে। - বাস্তব প্রয়োগ: আরএনএ ভাইরাসের পরিবর্তন বা মিউটেশন হার বেশি হওয়ার কারণে এদের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন ও ওষুধ তৈরি করা বেশ জটিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইনফ্লুয়েঞ্জা বা সাধারণ সর্দি-কাশি সৃষ্টিকারী ভাইরাস। ব্যাখ্যা: এটিও একটি আরএনএ ভাইরাস যা দ্রুত মিউটেশন করে নতুন রূপ নেয়। উদাহরণ ২: ইবোলা ভাইরাস। ব্যাখ্যা: এটিও মারাত্মক একধরনের আরএনএ ভাইরাস যা শরীরে প্রবেশ করে দ্রুত রোগ ছড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) DNA — এটি ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড বোঝায়, কিন্তু কোভিড-১৯ ভাইরাসে ডিএনএ থাকে না। B) DNA+RNA — কোনো একক সাধারণ ভাইরাসে একসঙ্গে ডিএনএ এবং আরএনএ উভয় জিনগত উপাদান থাকে না। C) mRNA — এটি মেসেঞ্জার আরএনএ, যা ভাইরাসের ভেতরে সরাসরি সম্পূর্ণ জিনোম হিসেবে কাজ করে না যদিও ভ্যাকসিনে এটি ব্যবহৃত হয়। D) RNA — এটি সঠিক কারণ কোভিড-১৯ ভাইরাসের মূল জিনগত উপাদান হলো রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড। ৫ মনে রাখার টিপস: - করোনা বা কোভিড শব্দটির সাথে আরএনএ কথাটি মনে রাখুন, কারণ এটি একটি মার্তাত্মক আরএনএ ভাইরাস। - বিজ্ঞানে মনে রাখবেন বেশিরভাগ শ্বাসতন্ত্রের রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাসই আরএনএ প্রকৃতির হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন ভাইরাসের নাম দিয়ে জানতে চাওয়া হয় এটি ডিএনএ নাকি আরএনএ ভাইরাস। - একই ধারণা থেকে এইডস বা হেপাটাইটিস সি কোন ধরনের ভাইরাস, সে সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a শূন্য
b অসীম
c অতিক্ষুদ্র
d যে কোনো মান
0 144 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিদ্যুৎ ও চুম্বকত্ব সঠিক উত্তর: A) শূন্য ১. কেন সঠিক: একটি আদর্শ তড়িৎ উৎসের কোনো অভ্যন্তরীণ রোধ থাকে না, তাই এর সম্পূর্ণ তড়িৎচালক বল বহিস্থ সার্কিটে সরবরাহ হয়। বাস্তব জীবনে আদর্শ উৎস কল্পনা করা হলেও তাত্ত্বিক গণনায় অভ্যন্তরীণ রোধ শূন্য ধরা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: তড়িৎ উৎসের অভ্যন্তরীণ রোধ হলো উৎসটির ভেতর দিয়ে চার্জ প্রবাহের সময় যে বাধা সৃষ্টি হয়। সূত্র বা সমীকরণ: টার্মিনাল বিভব পার্থক্য ভি সমান তড়িৎচালক বল ই বিয়োগ অভ্যন্তরীণ রোধ আর গুণ তড়িৎ প্রবাহ আই। কারণ ও ফলাফল: অভ্যন্তরীণ রোধ শূন্য হলে উৎসটির দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য কখনো কমে না এবং পূর্ণ মানের তড়িৎ পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তাত্ত্বিক গণনায় আদর্শ ব্যাটারি। ব্যাখ্যা: গাণিতিক সমস্যা সহজ করার জন্য অনেক সময় ব্যাটারির অভ্যন্তরীণ রোধ হিসাব থেকে বাদ দেওয়া হয়। উদাহরণ ২: আদর্শ ভোল্টেজ সোর্স। ব্যাখ্যা: এই উৎসের প্রান্তীয় বিভব এর তড়িৎচালক বলের মানের সমান থাকে কারণ কোনো বিভব পতন ঘটে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শূন্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ আদর্শ তড়িৎ উৎসের ক্ষেত্রে কোনো অভ্যন্তরীণ রোধ বা শক্তির অপচয় থাকে না। B) অসীম — এই অপশনটি ভুল কারণ অসীম অভ্যন্তরীণ রোধ হলে উৎস থেকে কোনো তড়িৎপ্রবাহ পাওয়া যেত না। C) অতিক্ষুদ্র — এই অপশনটি বাস্তব বা প্র্যাকটিক্যাল উৎসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও আদর্শ উৎসের জন্য তা শূন্য ধরা হয়। D) যে কোনো মান — এই অপশনটি ভুল কারণ উৎসের প্রকৃতি ভেده অভ্যন্তরীণ রোধ নির্দিষ্ট থাকে, পরিবর্তনশীল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: আদর্শ মানেই নিখুঁত বা কোনো বাধা নেই, তাই আদর্শ উৎসের অভ্যন্তরীণ রোধ সবসময় শূন্য হয়। বাস্তব উৎস আর আদর্শ উৎসের এই পার্থক্যটুকু মনে রাখলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাস্তব কোষের অভ্যন্তরীণ রোধ কখনো শূন্য হয় না, তবে আদর্শ কোষের ক্ষেত্রে এটি শূন্য ধরা হয়। এই ধারণা থেকে সেল বা কোষের অভ্যন্তরীণ রোধ এবং বহিস্থ সার্কিটের তড়িৎ প্রবাহ সংক্রান্ত গাণিতিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a প্যারাচুম্বক
b ডায়াচুম্বক
c ফেরোচুম্বক
d অ্যান্টিফেরোচুম্বক
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডায়াচুম্বক ১. কেন সঠিক: পানির অণুতে সব ইলেকট্রন জোড়বদ্ধ অবস্থায় থাকে এবং কোনো unpaired ইলেকট্রন থাকে না। বাইরের চুম্বকক্ষেত্র প্রয়োগ করলে পানি চুম্বকক্ষেত্রের বিপরীত দিকে অত্যন্ত দুর্বলভাবে বিকর্ষিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ডায়াম্যাগনেটিজম বা ডায়াচুম্বকত্ব হলো পদার্থের এমন একটি ধর্ম যেখানে অণু বা পরমাণু 외부 চুম্বকক্ষেত্র দ্বারা ক্ষীণভাবে বিকর্ষিত হয়। কার্যপ্রণালি: চুম্বকক্ষেত্রের প্রভাবে অণুর ভেতরের ইলেকট্রনগুলোর কক্ষপথের গতি এমনভাবে পরিবর্তিত হয় যা মূল চুম্বকক্ষেত্রকে বাধা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পানি বা H2O চুম্বকক্ষেত্রের প্রভাবে সামান্য হলেও দূরে সরে যেতে চায়, যা একে ডায়াচুম্বক পদার্থের উদাহরণ হিসেবে প্রমাণ করে। ব্যাখ্যা: শক্তিশালী চুম্বকের নিচে পানি ধরলে পানির ওপরের তল হালকা অবতল আকৃতি ধারণ করে, কারণ পানি চুম্বক দ্বারা বিকর্ষিত হয়। উদাহরণ ২: দস্তা বা তামা ডায়াচুম্বক পদার্থের মতো আচরণ করে এবং চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা ক্ষীণভাবে বিকর্ষিত হয়। ব্যাখ্যা: এসব পদার্থের পরমাণুতে ইলেকট্রন জোড়বদ্ধ থাকায় এদের নিজস্ব কোনো স্থায়ী চৌম্বক ভ্রামক থাকে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারাচুম্বক — প্যারাচুম্বক পদার্থ চুম্বকক্ষেত্র দ্বারা মৃদুভাবে আকৃষ্ট হয়, কিন্তু পানির অণু চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় না বরং বিকর্ষিত হয়। B) ডায়াচুম্বক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ পানির অণু চুম্বকক্ষেত্র দ্বারা ক্ষীণভাবে বিকর্ষিত হয়। C) ফেরোচুম্বক — ফেরোচুম্বক পদার্থ যেমন লোহা বা নিকেল চুম্বক দ্বারা তীব্রভাবে আকৃষ্ট হয়, যা পানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) অ্যান্টিফেরোচুম্বক — অ্যান্টিফেরোচুম্বক পদার্থের পরমাণুর চৌম্বক ভ্রামকগুলো বিপরীতমুখী হয়ে একে অপরকে বাতিল করে, যা পানির অণুর ক্ষেত্রে সত্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পানির পি দিয়ে প্যারাচুম্বক মনে হতে পারে, কিন্তু পানি আসলে ডায়াচুম্বক। ডায়াচুম্বক মানে দূরে থাকা বা বিকর্ষিত হওয়া, যা পানির চুম্বকবিদ্বেষী স্বভাবের সাথে মিলে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পানি একটি ডায়াচুম্বক পদার্থ এবং এটি চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা মৃদু বিকর্ষিত হয়। এই ধরনের প্রশ্ন BCS এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় পদার্থের চৌম্বকীয় ধর্ম চিহ্নিত করতে প্রায়ই আসে।
a অ্যানোডে
b ক্যাথোডে
c অ্যানোড ও ক্যাথোড উভয়টিতে
d বর্ণেত কোনোটিতেই নয়
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অ্যানোডে ১. কেন সঠিক: রসায়নে জারণ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে কোনো পরমাণু, আয়ন বা অণু ইলেকট্রন বর্জন করে। ইলেকট্রন বর্জনের এই ঘটনাটি সর্বদা তড়িৎ রাসায়নিক কোষে অ্যানোডেই সম্পন্ন হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: জারণ বলতে ইলেকট্রন হারানো বা জারণ সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়াকে বোঝায়। কার্যপ্রণালি: গ্যালভানিক বা ইলেকট্রোলাইটিক কোষে অ্যানোডে সবসময় জারণ ঘটে কারণ এখানে ইলেকট্রনের আধিক্য থাকে যা পরিবাহীতে স্থানান্তরিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড্যানিয়েল কোষে জিংক দণ্ড থেকে ইলেকট্রন বর্জিত হয়ে জিঙ্ক আয়ন দ্রবণে চলে আসে। ব্যাখ্যা: এটি অ্যানোড এবং এখানে জিংকের জারণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। উদাহরণ ২: সোডিয়াম পরমাণু একটি ইলেকট্রন বর্জন করে সোডিয়াম আয়নে পরিণত হয়। ব্যাখ্যা: ইলেকট্রন ত্যাগের এই মৌলিক বিক্রিয়াটি জারণ প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যানোডে — এটি সঠিক কারণ জারণ প্রক্রিয়া এখানেই ঘটে। B) ক্যাথোডে — এটি ভুল কারণ ক্যাথোডে বিজারণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় যেখানে ইলেকট্রন গৃহীত হয়। C) অ্যানোড ও ক্যাথোড উভয়টিতে — এটি ভুল কারণ জারণ ও বিজারণ একই কোষে ঘটলেও দুটি ভিন্ন ইলেকট্রোডে আলাদাভাবে ঘটে। D) বর্ণেত কোনোটিতেই নয় — এটি ভুল কারণ জারণ প্রক্রিয়ার একটি নির্দিষ্ট স্থান রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: জারণ মানে ইলেকট্রন ত্যাগ এবং এটি ঘটে অ্যানোডে, তাই মনে রাখুন লেফট অ্যানোড জারণ অর্থাৎ বাম পাশের অ্যানোডে জারণ হয়। বিজারণ মানে ইলেকট্রন গ্রহণ এবং তা ক্যাথোডে ঘটে, তাই রাইট ক্যাথোড বিজারণ মনে রাখতে পারেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জারণ ও বিজারণ কোথায় ঘটে তা জানতে চাওয়া হয়। মনে রাখবেন অ্যানোড মানে জারণ এবং ক্যাথোড মানে বিজারণ, এই দুটি ধারণা থেকে যেকোনো তড়িৎ রাসায়নিক কোষের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a 0
b ১০-১৫%
c ৩-৬%
d 1
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩-৬% ১. কেন সঠিক: - সালোকসংশ্লেষণে উদ্ভিদের পাতার ক্লোরোফিল সৌরশক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে গ্লুকোজ তৈরি করে। - সূর্য থেকে আসা মোট আলোর একটি খুব সামান্য অংশ উদ্ভিদ তার জৈবনিক কাজের জন্য রাসায়নিক শক্তিতে পরিণত করতে পারে, যার হার প্রায় ৩ থেকে ৬ শতাংশ। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সালোকসংশ্লেষণ হলো সেই জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ আলো, পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের সাহায্যে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে। - কার্যপ্রণালি: সূর্যালোক পাতার ক্লোরোপ্লাস্টে থাকা ক্লোরোফিল দ্বারা শোষিত হয় এবং সৌরশক্তি আলো ও অন্ধকার পর্যায়ে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। - কারণ ও ফলাফল: পৃথিবীর উপরিভাগে পৌঁছানো মোট সৌরশক্তির একটি বড় অংশ প্রতিফলিত হয় অথবা তাপ হিসেবে অপচয় হয়, তাই শক্তির রূপান্তরের দক্ষতা কম থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃষিজমিতে ফসলের উৎপাদনশীলতা। ব্যাখ্যা: উদ্ভিদের এই সীমিত শক্তির রূপান্তর দক্ষতার কারণে প্রতি একর জমিতে ফসলের সর্বোচ্চ ফলন একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। উদাহরণ ২: সৌর প্যানেলের কার্যদক্ষতা বনাম উদ্ভিদ। ব্যাখ্যা: মানবনির্মিত সৌর প্যানেলের দক্ষতা পনেরো থেকে বিশ শতাংশ হলেও প্রাকৃতিক উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণে শক্তির রূপান্তর হার তুলনামূলকভাবে কম হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0 — এটি ভুল কারণ উদ্ভিদ কিছু পরিমাণ সৌরশক্তি অবশ্যই রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর করে, শূন্য শতাংশ কখনোই হয় না। B) ১০-১৫% — এটি ভুল কারণ প্রকৃতিতে কোনো স্বাভাবিক উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণের কর্মদক্ষতা সাধারণত দশ থেকে পনেরো শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছায় না। C) ৩-৬% — এটি সঠিক কারণ বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে প্রাকৃতিক উদ্ভিদের গড় সৌরশক্তি রূপান্তর দক্ষতা এই সীমার মধ্যেই থাকে। D) 1 — এটি ভুল কারণ একক বা এক শতাংশের মানটি বাস্তুতন্ত্রের প্রকৃত শক্তির রূপান্তর হারের চেয়ে কম এবং অবাস্তব। ৫ মনে রাখার টিপস: - সালোকসংশ্লেষণে শক্তির রূপান্তর হার খুব কম মনে রাখবে, তিন থেকে ছয় শতাংশ হলো এর সঠিক ও পরীক্ষিত মান। - উদ্ভিদ আলোক শক্তিকে খাদ্য শক্তিতে রূপান্তর করে, এই রূপান্তরের একক অংকগুলো তিন থেকে ছয় এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উদ্ভিদের শক্তির রূপান্তর দক্ষতা প্রায়ই ৩ থেকে ৬ শতাংশ হিসেবে প্রশ্নাকারে আসে। - সালোকসংশ্লেষণে কোন শক্তি কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়, তা হলো সৌরশক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তি।
a ফ্যাটি এসিড দিয়ে
b সাইট্রিক এসিড দিয়ে
c অ্যামিনো এসিড দিয়ে
d অক্সালিক এসিড দিয়ে
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যামিনো এসিড দিয়ে ১. কেন সঠিক: - প্রোটিন হলো জীবনের অন্যতম প্রধান উপাদান যা অসংখ্য অ্যামিনো এসিডের পলিমার বা দীর্ঘ শিকল দ্বারা গঠিত। - পেপটাইড বন্ধনের মাধ্যমে একাধিক অ্যামিনো এসিড যুক্ত হয়ে প্রোটিন অণু তৈরি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অ্যামিনো এসিড হলো জৈব যৌগ যাতে একটি অ্যামিন গ্রুপ এবং একটি কার্বক্সিল গ্রুপ থাকে। - কার্যপ্রণালি: রাইবোজোম নামক কোষের অঙ্গাণু মেসেঞ্জার আরএনএ এর নির্দেশনা অনুযায়ী অ্যামিনো এসিডগুলোকে নির্দিষ্ট ক্রমে সাজিয়ে প্রোটিন সংশ্লেষণ করে। - বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের শরীরের পেশি গঠন, হরমোন তৈরি এবং রোগ প্রতিরোধক অ্যান্টিবডি তৈরিতে প্রোটিনের সরাসরি ভূমিকা রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডিমের সাদা অংশ বা অ্যালবুমিন হলো এক ধরনের প্রোটিন যা মূলত বিভিন্ন অ্যামিনো এসিডের সমন্বয়ে গঠিত। ব্যাখ্যা: রান্নার সময় তাপ প্রয়োগ করলে এই প্রোটিনের গঠন ভেঙে যায় এবং এটি তরল থেকে কঠিন রূপ নেয়। উদাহরণ ২: মানুষের চুলের মূল উপাদান কেরাটিন নামক প্রোটিন। ব্যাখ্যা: এই প্রোটিনটি নির্দিষ্ট অ্যামিনো এসিডের বিন্যাসের কারণে চুলকে শক্তি ও দৃঢ়তা প্রদান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্যাটি এসিড দিয়ে — ফ্যাটি এসিড এবং গ্লিসারল মিলে প্রোটিন নয়, বরং লিপিড বা ফ্যাট তৈরি করে। B) সাইট্রিক এসিড দিয়ে — সাইট্রিক এসিড হলো এক ধরনের জৈব এসিড যা মূলত ক্রেবস চক্রের সঙ্গে যুক্ত এবং শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে। C) অ্যামিনো এসিড দিয়ে — এই অপশনটি সঠিক কারণ অ্যামিনো এসিডই প্রোটিনের মূল একক। D) অক্সালিক এসিড দিয়ে — অক্সালিক এসিড হলো একটি বিষাক্ত জৈব এসিড যা পালং শাক ও টমেটোতে পাওয়া যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রোটিন মানেই অ্যামিনো এসিডের সমাহার। - পেপটাইড বন্ধন মনে রাখতে পারো প্রোটিনের সঙ্গে যুক্ত বিশেষ রাসায়নিক বন্ধন হিসেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানবদেহে প্রোটিনের অভাব হলে কুয়োরশিওরকর ও মারাসমাস নামক রোগ হয়। - প্রোটিন তৈরিতে সাহায্য করে কোষের রাইবোজোম নামক অঙ্গাণুকে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়।
a 8
b 17
c 9
d 25
0 128 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ ১. কেন সঠিক: - কোনো নির্দিষ্ট মৌলের আইসোটোপের ক্ষেত্রে প্রোটন সংখ্যা সমান থাকলেও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হয়। - প্রদত্ত প্রশ্নটিতে আইসোটোপের নিউট্রন সংখ্যা ৯ বলা হয়েছে, যা ফ্লোরিন বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট নিউক্লিয়াসের গঠনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: একই মৌলের পরমাণু যাদের প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন, তাদের আইসোটোপ বলে। - কার্যপ্রণালি: নিউট্রন সংখ্যা বের করতে পরমাণুর ভরসংখ্যা থেকে প্রোটন সংখ্যা বিয়োগ করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কার্বনের আইসোটোপ কার্বন-১২ ও কার্বন-১৪। ব্যাখ্যা: এদের প্রোটন সংখ্যা ৬ হলেও নিউট্রন যথাক্রমে ৬ ও ৮টি থাকে। উদাহরণ ২: হাইড্রোজেনের আইসোটোপ প্রটিয়াম ও ডিউটেরিয়াম। ব্যাখ্যা: প্রটিয়ামে কোনো নিউট্রন থাকে না কিন্তু ডিউটেরিয়ামে একটি নিউট্রন থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ — এটি ভুল কারণ নির্দিষ্ট আইসোটোপের নিউট্রন সংখ্যা এখানে ৮ নয়। B) ১৭ — এটি ভুল কারণ ১৭ সাধারণত ক্লোরিনের একটি আইসোটোপের নিউট্রন সংখ্যা হতে পারে, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। C) ৯ — এটি সঠিক কারণ এই নির্দিষ্ট আইসোটোপের নিউট্রন সংখ্যা ৯। D) ২৫ — এটি ভুল কারণ ২৫ কোনো সাধারণ বা প্রাসঙ্গিক আইসোটোপের সঠিক নিউট্রন সংখ্যা নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - নিউট্রন সংখ্যা বের করার জন্য ভরসংখ্যা থেকে প্রোটন সংখ্যা বিয়োগ করার নিয়মটি মনে রাখতে হবে। - আইসোটোপ মানে প্রোটন এক, নিউট্রন ভিন্ন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আইসোটোপের ব্যবহার এবং নিউট্রন সংখ্যা নির্ণয় প্রায়ই আসে। - পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা ও ভরসংখ্যা থেকে ইলেকট্রন ও নিউট্রন সংখ্যা বের করার চর্চা করতে হবে।
a Simplex
b Duplex
c Half Duplex
d Triplex
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Simplex ১. কেন সঠিক: Keyboard থেকে CPU-তে ডেটা শুধু এক দিকে প্রবাহিত হয়, অর্থাৎ কিবোর্ড থেকে ডেটা সিপিইউতে যায় কিন্তু সিপিইউ থেকে কিবোর্ডে কোনো ডেটা আসে না। এই একমুখী ডেটা কমিউনিকেশন পদ্ধতিকে সিমপ্লেক্স (Simplex) মোড বলা হয়, যা এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণরূপে প্রযোজ্য। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: সিমপ্লেক্স মোড হলো এমন একটি ডেটা কমিউনিকেশন পদ্ধতি যেখানে ডেটা প্রেরক থেকে প্রাপকের দিকে কেবল একমুখী চলাচল করতে পারে। কার্যপদ্ধতি: এই ব্যবস্থায় যোগাযোগের মাধ্যম বা চ্যানেলের কেবল একটি প্রান্ত ডেটা প্রেরণ করতে পারে এবং অন্য প্রান্ত কেবল ডেটা গ্রহণ করতে পারে। ব্যবহার: কম্পিউটার সিস্টেমে কিবোর্ড থেকে সিপিইউ, মাউস থেকে সিপিইউ এবং রেডিও বা টেলিভিশনের সম্প্রচারে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: টেলিভিশন সম্প্রচার। ব্যাখ্যা: টেলিভিশন স্টেশন থেকে দর্শকের টিভিতে সংকেত এক দিকে আসে, দর্শক সেখান থেকে কোনো ডেটা স্টেশনে পাঠাতে পারে না। উদাহরণ ২: রেডিও সম্প্রচার। ব্যাখ্যা: রেডিও টাওয়ার থেকে গান বা বার্তা শ্রোতার রেডিও সেট পর্যন্ত পৌঁছায়, কিন্তু শ্রোতা একই চ্যানেল দিয়ে পাল্টা কথা বলতে পারে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Simplex — এটি সঠিক উত্তর কারণ কিবোর্ড ও সিপিইউর মধ্যকার ডেটা প্রবাহ একমুখী। B) Duplex — এটি ভুল কারণ ডুপ্লেক্স মোডে উভয় দিক থেকে একই সময়ে ডেটা আদান-প্রদান করা যায়, যা কিবোর্ড ও সিপিইউর ক্ষেত্রে হয় না। C) Half Duplex — এটি ভুল কারণ হাফ ডুপ্লেক্স মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা পাঠানো যায় তবে একই সময়ে নয়, যেমন ওয়াকিটকি। D) Triplex — এটি ভুল কারণ কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ট্রিপ্লেক্স নামে কোনো স্ট্যান্ডার্ড ডেটা ট্রান্সমিশন মোড নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: সিমপ্লেক্স শব্দের অর্থ সরল বা একমুখী, যেমন ওয়ান-ওয়ে রোড বা একমুখী রাস্তা। কিবোর্ড শুধু ইনপুট দেয়, তাই এটি সব সময় সিমপ্লেক্স ডিভাইসের উদাহরণ হিসেবে মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কিবোর্ড, মাউস বা প্রিন্টারের ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতি সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। সিমপ্লেক্স, হাফ ডুপ্লেক্স এবং ফুল ডুপ্লেক্সের বাস্তব উদাহরণগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত রাখবে।
a Windows
b Linux
c Windows NT
d DOS
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) DOS ১. কেন সঠিক: - DOS একটি একক ব্যবহারকারী এবং একক টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম, যা একই সময়ে একটিমাত্র প্রোগ্রাম পরিচালনা করতে পারে। - এই অপারেটিং সিস্টেমে মাল্টি-প্রসেসিং বা মাল্টি-প্রোগ্রামিংয়ের ক্ষমতা নেই, তাই এটি মাল্টি-টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: DOS হলো ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম, যা কমান্ড লাইন ইন্টারফেসের মাধ্যমে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ব্যবহারকারীর কাছ থেকে টেক্সট কমান্ড গ্রহণ করে এবং সেই অনুযায়ী মেমোরি থেকে একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি ক্যারেক্টার ইউজার ইন্টারফেস ভিত্তিক এবং এর গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস নেই। - ব্যবহার: মূলত অতীতে পার্সোনাল কম্পিউটারে ফ্লপি ডিস্ক থেকে বুট করতে এবং মৌলিক ফাইল ব্যবস্থাপনার কাজে এটি ব্যবহৃত হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম বা এমএস-ডোস। ব্যাখ্যা: এটি একটি কমান্ডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম যেখানে একসাথে গান শোনা এবং টাইপ করা একসাথে করা সম্ভব নয়। উদাহরণ ২: উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম। ব্যাখ্যা: এটি একটি মাল্টি-টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম যেখানে ব্যবহারকারী একই সাথে ব্রাউজার এবং মিউজিক প্লেয়ার চালাতে পারেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Windows — এটি একটি আধুনিক মাল্টি-টাস্কিং গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম যা একই সময়ে একাধিক অ্যাপ্লিকেশন চালাতে পারে। B) Linux — এটি একটি শক্তিশালী মাল্টি-ইউজার ও মাল্টি-টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম। C) Windows NT — এটি মাইক্রোসফটের তৈরি একটি উন্নত মাল্টি-টাস্কিং নেটওয়ার্ক অপারেটিং সিস্টেম। D) DOS — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একবারে একটিমাত্র কাজ সম্পাদন করতে সক্ষম একক টাস্কিং সিস্টেম। ৫. মনে রাখার টিপস: - ডোস বা DOS মানে ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম যা দেখতে কালো পর্দায় লেখার মতো এবং এতে একসাথে দুটি কাজ করা যায় না। - আধুনিক সকল অপারেটিং সিস্টেম যেমন উইন্ডোজ, লিনাক্স, ম্যাক ওএস হলো মাল্টি-টাস্কিং। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এমএস ডোস প্রথম বাজারে আসে ১৯৮১ সালে আইবিএম পিসির জন্য। - অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক শ্রেণীবিভাগ এবং মাল্টি-টাস্কিং ও সিঙ্গেল টাস্কিংয়ের পার্থক্য সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a IEEE 802.15
b IEEE 802.1
c IEEE 802.3
d IEEE 802.11
0 155 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) IEEE 802.15 ১. কেন সঠিক: Bluetooth প্রযুক্তির জন্য ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার্স বা IEEE নির্ধারিত স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.15। এই স্ট্যান্ডার্ডটি প্রধানত পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা PAN তৈরির জন্য বিভিন্ন তারবিহীন প্রযুক্তির মান নির্ধারণ করে থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: IEEE হলো বিশ্বের বৃহত্তম প্রযুক্তিগত পেশাদার সংস্থা যা প্রযুক্তির নানা আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণ করে থাকে। কার্যপদ্ধতি: রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে স্বল্প দূরত্বের ডিভাইসগুলোর মধ্যে নিরাপদ ও তারহীন উপায়ে ডেটা আদান-প্রদান নিশ্চিত করে। বৈশিষ্ট্য: এটি স্বল্প শক্তি খরচ করে এবং কম দূরত্বের মধ্যে মোবাইল ফোন, কম্পিউটার ও পেরিফেরাল ডিভাইস যুক্ত করতে পারে। ব্যবহার: মোবাইল থেকে কম্পিউটারে ফাইল পাঠানো, হেডফোন বা মাউস তারহীনভাবে সংযুক্ত করতে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্লুটুথ হেডফোন ব্যবহার করে মোবাইল থেকে গান শোনা। ব্যাখ্যা: এখানে মোবাইল ও হেডফোনের মধ্যে তার ছাড়াই সংযোগ স্থাপন করা হয় IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ডের মাধ্যমে। উদাহরণ ২: ল্যাপটপের সঙ্গে ব্লুটুথ মাউস সংযোগ করা। ব্যাখ্যা: তারের ঝামেলা ছাড়াই কম দূরত্বে পেরিফেরাল ডিভাইস পরিচালনার জন্য এই স্ট্যান্ডার্ড কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) IEEE 802.15 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ব্লুটুথ প্রযুক্তির জন্য নির্ধারিত স্ট্যান্ডার্ড। B) IEEE 802.1 — এটি নেটওয়ার্ক আর্কিটেকচার এবং ইন্টারফেসিং সংক্রান্ত স্ট্যান্ডার্ডের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা ব্লুটুথের জন্য নয়। C) IEEE 802.3 — এটি ইথারনেট বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের তারযুক্ত সংযোগের জন্য নির্দিষ্ট করা স্ট্যান্ডার্ড। D) IEEE 802.11 — এটি ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ওয়াই-ফাই প্রযুক্তির জন্য নির্ধারিত স্ট্যান্ডার্ড। ৫. মনে রাখার টিপস: ব্লুটুথ হলো ছোট পরিসরের নেটওয়ার্ক বা PAN, যার স্ট্যান্ডার্ড সংখ্যা পনেরো বা ১৫ দিয়ে শেষ হয়। ওয়াই-ফাই হলো এগারো বা ১১ আর ব্লুটুথ হলো পনেরো বা ১৫। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের বিভিন্ন স্ট্যান্ডার্ড প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ওয়াই-ফাই এবং ব্লুটুথের স্ট্যান্ডার্ডের পার্থক্য মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a A hash pointer to the previous block
b Timestamp
c List of transactions
d উপরের সবগুলো
0 140 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো ১. কেন সঠিক: ব্লকচেইন প্রযুক্তির প্রতিটি ব্লকে পূর্ববর্তী ব্লকের হ্যাশ পয়েন্টার, সঠিক টাইমস্ট্যাম্প এবং লেনদেনের একটি তালিকা বা লিস্ট অব ট্রানজ্যাকশন থাকে। এই তিনটি উপাদানের সমন্বয়ে ব্লকগুলো একে অপরের সঙ্গে সিকিউরভাবে যুক্ত থাকে এবং ডেটা পরিবর্তন প্রতিরোধ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ব্লকচেইন হলো একটি বিকেন্দ্রীকৃত ও বিতরণকৃত ডিজিটাল লেজার যা ডেটা সুরক্ষিতভাবে সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: প্রতিটি নতুন ব্লক পূর্ববর্তী ব্লকের ক্রিপ্টোগ্রাফিক হ্যাশ ধারণ করে চেইন তৈরি করে, ফলে আগের ডেটা বদলানো অসম্ভব হয়। বৈশিষ্ট্য: এটি মূলত অপরিবর্তনীয়, স্বচ্ছ এবং বিকেন্দ্রীকৃত ডেটা সংরخণ ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে। ব্যবহার: ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন, সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট এবং স্মার্ট কন্ট্রাক্টে এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিটকয়েন লেনদেন ব্যবস্থা ব্যাখ্যা: বিটকয়েন নেটওয়ার্কে প্রতিটি ব্লকে হাজার হাজার লেনদেনের তথ্য, তৈরির সময় এবং আগের ব্লকের হাশ যুক্ত থাকে। উদাহরণ ২: সাপ্লাই চেইন ট্র্যাকিং ব্যাখ্যা: পণ্যের উৎপাদক থেকে গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোর প্রতিটি ধাপ ব্লকচেইনে নিরাপদভাবে সংরক্ষিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) A hash pointer to the previous block - এটি সঠিক হলেও শুধু একা ব্লকচেইনের পূর্ণাঙ্গ গঠন প্রকাশ করে না, কারণ এতে লেনদেন ও সময়ও জরুরি। B) Timestamp - এটি ব্লকের তৈরির সময় নির্দেশ করে, কিন্তু একা এটি ব্লকচেইনের সম্পূর্ণ ডেটা কাঠামো তৈরি করতে পারে না। C) List of transactions - এটি ব্লকের মূল ডেটা ধারণ করে, তবে পূর্ববর্তী ব্লকের হাশ ও সময় না থাকলে চেইন নিরাপত্তা নষ্ট হয়। D) উপরের সবগুলো - এই অপশনটি সঠিক কারণ ব্লকচেইনের প্রতিটি ব্লকে এই তিনটি উপাদানই বাধ্যতামূলকভাবে থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: ব্লকচেইনের প্রধান উপাদান মনে রাখার সহজ সূত্র হলো হাশ পয়েন্টার, সময় এবং লেনদেনের তালিকা বা HTL। প্রতিটি ব্লকের সুরক্ষার জন্য আগের ব্লকের হাশ এবং সময়ের নিখুঁত রেকর্ড থাকা অপরিহার্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ব্লকচেইন প্রযুক্তির জনক হিসেবে সাতোশি নাকামোতোকে ধরা হয় এবং এটি প্রথম বিটকয়েনে ব্যবহৃত হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্লকচেইনের অপরিবর্তনীয়তা এবং বিকেন্দ্রীকরণ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a Router
b Switch
c Modem
d HUB
0 175 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Modem ১. কেন সঠিক: - মডেম বা Modem শব্দটির পূর্ণরূপ হলো Modulator-Demodulator, যা ডিজিটাল ও অ্যানালগ সিগন্যালের মধ্যে রূপান্তর করে। - কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইস থেকে পাঠানো ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে রূপান্তরিত করে টেলিফোন বা ইন্টারনেট লাইনে প্রেরণ করা মডেমের মূল কাজ। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: মডেম হলো এমন একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা ডিজিটাল ডেটাকে অ্যানালগ সিগন্যালে এবং অ্যানালগ সিগন্যালে থাকা ডেটাকে ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করে। - কার্যপদ্ধতি: মডুলেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে এবং ডিমডুলেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করা হয়। - ব্যবহার: ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের জন্য কম্পিউটার ও টেলিফোন লাইনের মধ্যে সেতু হিসেবে মডেম বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ ব্যাখ্যা: ঘরের কম্পিউটারে ব্যবহৃত ব্রডব্যান্ড বা টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় ডিজিটাল ডেটা অ্যানালগ সিগন্যালে রূপান্তর করার জন্য মডেম ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: ওয়াইফাই রাউটার ও মডেমের সমন্বয় ব্যাখ্যা: বর্তমানের অনেক মডেমের সাথে রাউটার যুক্ত থাকে, যা ইনকামিং অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করে পুরো বাড়িতে ওয়াইফাই সিগন্যাল সরবরাহ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Router — এটি ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্যাকেট রুট বা পথ নির্ধারণ করে, সিগন্যাল রূপান্তর করে না। B) Switch — এটি একই ল্যানের বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান নিয়ন্ত্রণ করে, সিগন্যাল রূপান্তর এর কাজ নয়। C) Modem — প্রদত্ত সঠিক উত্তর। D) HUB — এটি স্টার টপোলজির সেন্ট্রাল ডিভাইস হিসেবে কেবল সিগন্যাল ব্রডকাস্ট করে, রূপান্তর করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - মডেম শব্দের শুরু অংশের Mod মানে Modulator এবং Demodulator থেকে Dem অংশ মিলে Modem তৈরি হয়েছে। - Modulator মানে ডিজিটাল থেকে অ্যানালগ এবং Demodulator মানে অ্যানালগ থেকে ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মডেমের পূর্ণরূপ এবং এর কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - মডেম ডেটা কমিউনিকেশনে সিগন্যাল রূপান্তরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার ডিভাইস।
a Registers
b SSD
c RAM
d Cache memory
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Registers ১. কেন সঠিক: - কম্পিউটারের মেমোরি হায়ারার্কিতে রেজিস্টার হলো প্রসেসরের সবচেয়ে কাছের এবং দ্রুততম মেমোরি উপাদান। - ডেটা প্রসেস করার সময় সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট অত্যন্ত দ্রুত গতিতে রেজিস্টার থেকে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: রেজিস্টার হলো প্রসেসরের ভেতরে থাকা অত্যন্ত ক্ষুদ্র ও দ্রুতগতির অস্থায়ী ডেটা ধারণকারী মেমোরি ঘর। - কার্যপদ্ধতি: অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট যখন কোনো হিসাব করে, তখন কাজের উপাত্ত বা ফলাফল সাময়িকভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষণ করে। - বৈশিষ্ট্য: এর ধারণক্ষমতা খুবই কম কিন্তু গতি কম্পিউটারের অন্য যেকোনো মেমোরির চেয়ে সর্বাধিক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের মস্তিষ্কের ক্ষণস্থায়ী চিন্তাভাবনা ব্যাখ্যা: মানুষ যখন কোনো তাৎক্ষণিক গণিত সমাধান করে, তখন মনে মনে যে সংখ্যাগুলো খুব দ্রুত প্রক্রিয়া করে, তা রেজিস্টারের কাজের সঙ্গে তুলনীয়। উদাহরণ ২: পিসির এ কোড এক্সিকিউশন ব্যাখ্যা: প্রসেসর যখন একটির পর একটি নির্দেশনা কার্যকর করে, তখন পরবর্তী নির্দেশনাটির ঠিকানা প্রোগাম কাউন্টার রেজিস্টারে সংরক্ষিত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Registers — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রসেসরের অভ্যন্তরে অবস্থিত হওয়ায় এর অ্যাক্সেস টাইম ন্যানোসেকেন্ডেরও কম হয়। B) SSD — সলিড স্টেট ড্রাইভ হলো স্থায়ী স্টোরেজ ডিভাইস যার অ্যাক্সেস টাইম রেজিস্টার বা RAM এর তুলনায় অনেক বেশি মন্থর। C) RAM — র‍্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি মূল মেমোরি হিসেবে কাজ করলেও এটি প্রসেসর থেকে দূরে থাকায় রেজিস্টারের চেয়ে ধীরগতির হয়। D) Cache memory — ক্যাশ মেমোরি প্রসেসরের গতি বাড়াতে সাহায্য করে এবং র‍্যামের চেয়ে দ্রুত হলেও এটি রেজিস্টারের চেয়ে ধীরগতির। ৫ মনে রাখার টিপস: - মেমোরি স্পিডের ক্ষেত্রে মনে রাখবে প্রসেসরের যত কাছে মেমোরি থাকবে, তার অ্যাক্সেস টাইম তত কম হবে। - রেজিস্টার থাকে প্রসেসরের ভেতরে, তাই এর গতি বা অ্যাক্সেস টাইম সবকিছুর চেয়ে কম। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কম্পিউটার মেমোরি হায়ারার্কির ওপর প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে কোন মেমোরির গতি বা দাম বেশি। - রেজিস্টারের পর ক্রমানুসারে ক্যাশ মেমোরি, র‍্যাম এবং সেকেন্ডারি স্টোরেজের অ্যাক্সেস টাইম বৃদ্ধি পায়।
a Applied Artificial Intelligence (AI)
b Applied Internet of Things (IoT)
c Virtual Reality
d উপরের কোনোটিই নয়
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Applied Artificial Intelligence (AI) ১. কেন সঠিক: - ফেস রিকগনিশন সিস্টেমে মানুষের মুখাবয়ব নিখুঁতভাবে শনাক্ত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। - এটি সংরক্ষিত ডেটার সাথে লাইভ ছবির প্যাটার্ন ও বৈশিষ্ট্য মিলিয়ে দ্রুত সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো কম্পিউটার সিস্টেমের এমন একটি ক্ষমতা, যা মানুষের মতো চিন্তা করতে এবং ডেটা বিশ্লেষণ করে শিখতে পারে। - কার্যপদ্ধতি: ক্যামেরা থেকে ছবি সংগ্রহ করে তা থেকে চোখের দূরত্ব, নাকের আকৃতি ও মুখের রেখাচিত্রের মতো পিক্সেল ডেটা বিশ্লেষণ করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি মেশিন লার্নিং ও ডিপ লার্নিং অ্যালগরিদমের সাহায্যে প্রতিবার ব্যবহারের সময় নিজের নির্ভুলতা বাড়াতে পারে। - ব্যবহার: স্মার্টফোনের ফেস আনলক, বিমানবন্দর ও ব্যাংকিং নিরাপত্তায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনের ফেস আনলক ফিচার। ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারী ফোন সামনে ধরলে এআই ক্যামেরা মুখের ত্রিমাত্রিক মানচিত্র বিশ্লেষণ করে ফোন আনলক করে। উদাহরণ ২: সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে অপরাধী শনাক্তকরণ। ব্যাখ্যা: এআই প্রযুক্তি ভিড়ের মধ্যে থেকে নির্দিষ্ট ব্যক্তির মুখের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে মুহূর্তের মধ্যে অপরাধী চিহ্নিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Applied Artificial Intelligence (AI) — এটি সঠিক কারণ ফেস রিকগনিশনে এআই-এর প্যাটার্ন ম্যাচিং ও ইমেজ প্রসেসিং প্রযুক্তি মূল ভূমিকা পালন করে। B) Applied Internet of Things (IoT) — ইন্টারনেট অব থিংস বা আইওটি মূলত বিভিন্ন ডিভাইসকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত করে ডেটা আদান-প্রদান করে, যা সরাসরি মুখ শনাক্ত করে না। C) Virtual Reality — ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা ভিআর কম্পিউটার প্রযুক্তির সাহায্যে ত্রিমাত্রিক কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি করে, যার সাথে ফেস রিকগনিশনের সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) উপরের কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুখের ছবি বা বায়োমেট্রিক ডেটা বিশ্লেষণ করার সাথে সবসময় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি যুক্ত থাকে। - আইওটি মানে সংযোগ আর এআই মানে চিন্তা বা বিশ্লেষণ, তাই মুখ চেনার কাজটি এআই করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক জন ম্যাককার্থি। - ফেস রিকগনিশন সিস্টেম কম্পিউটার ভিশন প্রযুক্তির একটি অংশ, যা এআই-এর অধীনে কাজ করে।
a Priority Scheduling
b Shortest Job First
c Youngest Job First
d Round-Robin
0 134 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Round-Robin ১. কেন সঠিক: - রাউন্ড-রবিন শিডিউলিং পলিসিতে প্রতিটি প্রসেসকে একটি নির্দিষ্ট সময় বা টাইম কোয়ান্টাম বরাদ্দ করা হয়। - নির্দিষ্ট সময় শেষে প্রসেসটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কিউ এর পেছনে চলে যায়, ফলে কোনো প্রসেস ইনফিনিট ওয়েটিং বা স্টারভেশনের শিকার হয় না। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: রাউন্ড-রবিন হলো এমন একটি প্রিএমটিভ প্রসেস শিডিউলিং অ্যালগরিদম, যা টাইম শেয়ারিং অপারেটিং সিস্টেমে সমতার ভিত্তিতে সিপিইউ সময় বণ্টন করে। - কার্যপদ্ধতি: সিস্টেমে আসা প্রসেসগুলো ফার্স্ট ইন ফার্স্ট আউট পদ্ধতিতে সাজানো থাকে এবং নির্দিষ্ট টাইম কোয়ান্টাম শেষ হলে সিপিইউ পরবর্তী প্রসেসে চলে যায়। - বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ফেয়ারনেস বা ন্যায্যতা এবং এটি কোনো প্রসেসকে অনির্দিষ্টকাল আটকে রাখে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাংক কাউন্টারে সবার জন্য সমান দুই মিনিট করে সেবা দেওয়ার নিয়ম। ব্যাখ্যা: এই নিয়মে কেউ দীর্ঘ সময় একা কাউন্টারে থাকতে পারে না এবং সবার কাজের সুযোগ নিশ্চিত হয়। উদাহরণ ২: কম্পিউটারে একসাথে ব্রাউজিং ও মিউজিক শোনার সময় প্রসেসর বদলানো। ব্যাখ্যা: অপারেটিং সিস্টেম খুব দ্রুত প্রসেসগুলোর মধ্যে সময় ভাগ করে দেয় বলে সব কাজ একই সাথে চলছে বলে মনে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Priority Scheduling — উচ্চ প্রায়োরিটির প্রসেস বারবার আসলে লো প্রায়োরিটির প্রসেস স্টারভেশনে পড়তে পারে। B) Shortest Job First — বড় কাজের সাইজ হলে ছোট কাজ বারবার আসার কারণে বড় কাজটি স্টারভেশনের শিকার হয়। C) Youngest Job First — অপেক্ষাকৃত নতুন বা ছোট প্রসেস আগে সুযোগ পেলে পুরনো বা বড় প্রসেসগুলো আটকে থাকতে পারে। D) Round-Robin — সঠিক উত্তর কারণ এটি সমানভাবে সময় ভাগ করে স্টারভেশন রোধ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - রাউন্ড শব্দের অর্থ চক্রাকার বা গোল গোল ঘোরা, অর্থাৎ সবাই চক্রাকারে সুযোগ পায়। - টাইম শেয়ারিং ও ফেয়ারনেস শব্দ দুটি পেলেই রাউন্ড-রবিন উত্তর হিসেবে বিবেচনা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - টাইম কোয়ান্টাম বা টাইম স্লাইস ধারণাটি রাউন্ড-রবিন অ্যালগরিদমের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন শিডিউলিংয়ে স্টারভেশন ঘটে না, উত্তর হবে রাউন্ড-রবিন।
a Phishing
b Man-in-the-Middle
c Denial of Service
d উপরের কোনোটিই নয়
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Denial of Service ১. কেন সঠিক: Denial of Service বা DoS হলো এক ধরণের সাইবার আক্রমণ, যার মূল লক্ষ্য কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ওয়েব সার্ভারের স্বাভাবিক সেবা প্রদানে বাধা সৃষ্টি করা। এই আক্রমণে আক্রমণকারী কৃত্রিম বা অতিরিক্ত ট্রাফিকের মাধ্যমে সার্ভারকে এতটাই ব্যস্ত রাখে যে এটি কোনো বৈধ গ্রাহকের অনুরোধ পূরণ করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: DoS আক্রমণ হলো এমন একটি ম্যালিসিয়াস কার্যক্রম যা কোনো সার্ভার বা নেটওয়ার্কের রিসোর্সকে অতিরিক্ত চাপে ফেলে এর স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা অচল করে দেয়। কার্যপদ্ধতি: আক্রমণকারী সার্ভারে একসাথে লক্ষ লক্ষ ফেক রিকোয়েস্ট বা অনুরোধ পাঠায়, ফলে সার্ভারের প্রসেসিং ক্ষমতা ও ব্যান্ডউইথ শেষ হয়ে যায় এবং প্রকৃত ব্যবহারকারীরা সেবা পায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো জনপ্রিয় টিকিটের ওয়েবসাইটে একসাথে হাজার হাজার বটের মাধ্যমে কৃত্রিম ভিড় তৈরি করা, ফলে সাধারণ মানুষ সাইটে প্রবেশ করতে পারে না। ব্যাখ্যা: এই কৃত্রিম ভিড়ের কারণে সার্ভার ক্র্যাশ করে বা বৈধ গ্রাহকদের টিকিট কাটার অনুরোধ গ্রহণ করতে পারে না। উদাহরণ ২: একটি ব্যাংকের অনলাইন সার্ভারে অতিরিক্ত ডেটা প্যাকেট পাঠিয়ে তা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া। ব্যাখ্যা: এর ফলে গ্রাহকরা তাদের অ্যাকাউন্ট চেক করতে বা লেনদেন করতে ব্যর্থ হন, যা মূলত একটি সফল DoS আক্রমণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Phishing — এটি এমন একটি প্রতারণামূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য যেমন পাসওয়ার্ড বা ক্রেডিট কার্ডের নম্বর চুরি করা হয়। এটি কোনো সার্ভারের সেবা প্রদানে বাধা দেয় না, বরং তথ্য চুরির সাথে সম্পর্কিত। B) Man-in-the-Middle — এটি এমন একটি আক্রমণ যেখানে আক্রমণকারী গোপনে প্রেরক ও প্রাপকের মধ্যকার যোগাযোগের আদান-প্রদান পর্যবেক্ষণ বা পরিবর্তন করে। এটি বৈধ অনুরোধ ব্যর্থ করার চেয়ে যোগাযোগ বা ডেটা গোপনে ছিনতাই করার সাথে যুক্ত। C) Denial of Service — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই আক্রমণই গ্রাহকের বৈধ অনুরোধসমূহ কোনো ওয়েব সার্ভারকে সম্পূর্ণ করতে ব্যর্থ করে। D) উপরের কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন সি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: Denial শব্দের অর্থ অস্বীকার করা এবং Service শব্দের অর্থ সেবা। অর্থাৎ যে আক্রমণ সার্ভারকে গ্রাহককে সেবা দিতে অস্বীকার করতে বাধ্য করে, তাই Denial of Service বা DoS আক্রমণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: DoS আক্রমণ যখন একটি মাত্র কম্পিউটার থেকে করা হয় তখন তাকে DoS বলে, আর যখন অনেকগুলো হ্যাকড কম্পিউটার বা বটনেট ব্যবহার করে একসাথে আক্রমণ চালানো হয় তখন তাকে Distributed Denial of Service বা DDoS বলা হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই দুইটির পার্থক্য প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
a Internet of Things
b Cloud Computing
c Client-Server Systems
d Big Data Analytics
0 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Cloud Computing ১. কেন সঠিক: ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে ইন্টারনেট ব্যবহার করে ডেটা স্টোরেজ ও প্রসেসিং সুবিধা ভাড়া নেওয়া হয়। এতে ব্যবহারকারী কেবল যতটুকু সেবা বা রিসোর্স ব্যবহার করেন, ঠিক ততটুকুই পেমেন্ট করেন, যাকে পে এজ ইউ গো বলা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: পে এজ ইউ গো হলো এমন একটি আর্থিক মডেল যেখানে কোনো আইসিটি সেবা ব্যবহারের জন্য আগে থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ না দিয়ে প্রকৃত ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে বিল পরিশোধ করা হয়। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী ইন্টারনেটের মাধ্যমে রিমোট সার্ভার থেকে কম্পিউটিং পাওয়ার বা স্টোরেজ ব্যবহার করেন এবং ব্যবহারের মাত্রা মিটারিং সফটওয়্যার দিয়ে মাপা হয়। ব্যবহার: গুগল ড্রাইভ, অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস বা মাইক্রোসফট আজুর এর মাধ্যমে বড় বড় প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ ব্যবহারকারীরা এই সেবা নেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পানির প্রিপেইড মিটার ব্যাখ্যা: বাড়িতে পানি ব্যবহার করলে যেমন নির্দিষ্ট মিটার দেখে বিল দিতে হয়, ক্লাউড কম্পিউটিংয়েও ঠিক তেমনি প্রসেসিং ক্ষমতা ব্যবহারের ওপর বিল মাপা হয়। উদাহরণ ২: জেনারেটর ভাড়া নেওয়া ব্যাখ্যা: নিজের জেনারেটর না কিনে প্রয়োজনের সময় ভাড়া নিয়ে যত ঘণ্টা চালানো হয় ঠিক ততটুকুর দাম দেওয়ার মতো ক্লাউড সেবাও কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Internet of Things — এটি ইন্টারনেট সংযুক্ত বস্তুসমূহের নেটওয়ার্ক যা ডেটা আদান-প্রদান করে, তবে এটি সরাসরি পেমেন্ট মডেল নির্দেশ করে না। B) Cloud Computing — এটি সঠিক কারণ এই মডেলে ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে অর্থ পরিশোধ করা হয়। C) Client-Server Systems — এটি কম্পিউটিং আর্কিটেকচার যেখানে ক্লায়েন্ট ও সার্ভারের মধ্যে যোগাযোগ হয়, কোনো পেমেন্ট মডেল নয়। D) Big Data Analytics — এটি বিপুল পরিমাণ ডেটা বিশ্লেষণ করার পদ্ধতি, যা পে এজ ইউ গো কাঠামোর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মেঘের মতো ভাসমান সেবা ক্লাউড কম্পিউটিং নামে পরিচিত। যতটুকু খাবে ততটুকুই বিল দেবে বা পে এজ ইউ গো নীতি ক্লাউডের সঙ্গে যুক্ত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের তিনটি প্রধান সেবা মডেল হলো আইএএএস, পিএএএস এবং এসএএএস। এএমএস বা অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্লাউড সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান।
a monitor
b microphone
c printer
d speaker
0 125 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) microphone ১. কেন সঠিক: মাইক্রোফোন হলো একটি ইনপুট ডিভাইস, যা আমাদের কণ্ঠস্বর বা শব্দকে বৈদ্যুতিক তরঙ্গে রূপান্তর করে কম্পিউটারে পাঠায়। কম্পিউটার এই বৈদ্যুতিক সিগন্যাল গ্রহণ করে প্রসেস করে, তাই এটি কোনো আউটপুট প্রদর্শন বা তৈরি করে না। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: যে সকল হার্ডওয়্যার ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বা অন্য কোনো ডিজিটাল সিস্টেমে ডেটা বা নির্দেশ প্রদান করা হয়, সেগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে। কার্যপদ্ধতি: মাইক্রোফোনের ভেতরে থাকা ডায়াফ্রাম শব্দের কম্পনে কেঁপে ওঠে এবং শব্দ শক্তিকে অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যালে রূপান্তরিত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জুম বা স্কাইপ মিটিংয়ে কথা বলা। ব্যাখ্যা: অনলাইন সভায় কথা বলার সময় মাইক্রোফোন ব্যবহার করে আমাদের কণ্ঠস্বর কম্পিউটারে পাঠানো হয়, যা ইনপুট প্রক্রিয়ার অংশ। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনে ভয়েস টাইপিং বা অডিও রেকর্ড করা। ব্যাখ্যা: মুখে কথা বলে নোট লেখার সময় মাইক্রোফোন সেই শব্দ গ্রহণ করে ডিভাইসে ইনপুট হিসেবে প্রবেশ করায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) monitor — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস, যা প্রসেসিং শেষে কম্পিউটারের পর্দা বা ভিজ্যুয়াল তথ্য প্রদর্শন করে। B) microphone — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস, যা শব্দ গ্রহণ করে কম্পিউটারে পাঠায় এবং এটিই সঠিক উত্তর। C) printer — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস, যা সফটকপিকে হার্ডকপিতে বা কাগজে প্রিন্ট করে প্রকাশ করে। D) speaker — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস, যা বৈদ্যুতিক সিগন্যালকে শব্দে রূপান্তর করে আমাদের শোনায়। ৫ মনে রাখার টিপস: ইনপুট মানে ভেতরে প্রবেশ করানো এবং আউটপুট মানে বাইরে প্রকাশ করা। মাইক্রোফোনে কথা বলে শব্দ ভেতরে পাঠানো হয় বলে এটি ইনপুট, আর স্পিকার বা মনিটর দিয়ে ফলাফল বাইরে প্রকাশ পায় বলে সেগুলো আউটপুট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। কিবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার ও মাইক্রোফোন হলো ইনপুট ডিভাইস এবং মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার ও স্পিকার হলো আউটপুট ডিভাইস।
a Oracle
b McAfee
c Norton
d Kaspersky
0 135 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Oracle ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটির ধরন হলো সফটওয়্যার ও সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কিত। ওরাকেল কোনো অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়, এটি বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় একটি ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা ডিবিএমএস। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: অ্যান্টিভাইরাস হলো এমন এক ধরনের ইউটিলিটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটারে প্রবেশ করা ম্যালওয়্যার, ভাইরাস বা ক্ষতিকর প্রোগ্রাম শনাক্ত করে তা অপসারণ বা প্রতিহত করে। ওরাকেল করপোরেশন মূলত এন্টারপ্রাইজ ডাটাবেজ সফটওয়্যার এবং ক্লাউড ইঞ্জিনিয়ারিং সিস্টেম তৈরির জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্যাসপারস্কি অ্যান্টিভাইরাস ব্যাখ্যা: এটি একটি স্বনামধন্য অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের ফাইল স্ক্যান করে ক্ষতিকর ভাইরাস ধ্বংস করে। উদাহরণ ২: ওরাকেল ডাটাবেজ ব্যাখ্যা: এটি একটি শক্তিশালী সফটওয়্যার যা বিপুল পরিমাণ ব্যবসায়িক তথ্য বা উপাত্ত সুশৃঙ্খলভাবে সংরক্ষণ ও পরিচালনা করতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Oracle — এটি ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার, কোনো অ্যান্টিভাইরাস নয়। B) McAfee — এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বাণিজ্যিক অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার। C) Norton — এটি সিমটেক কোম্পানির তৈরি একটি বিশ্বখ্যাত অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার। D) Kaspersky — এটি কম্পিউটার সুরক্ষার জন্য ব্যবহৃত একটি আন্তর্জাতিক মানের অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার। ৫ মনে রাখার টিপস: ওরাকেল নামটি ডেটা বা ডাটাবেজের সাথে সম্পৃক্ত, আর বাকি তিনটি নাম কম্পিউটারের নিরাপত্তা বা অ্যান্টিভাইরাসের সাথে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অ্যান্টিভাইরাস এবং ডাটাবেজ সফটওয়্যারের নাম মিলিয়ে প্রশ্ন করা হয়। ওরাকেল, মাইএসকিউএল এবং এসকিউএল সার্ভার হলো ডাটাবেজ সফটওয়্যার, যা অ্যান্টিভাইরাস থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
a Random Frequency Identification
b Random Frequency Information
c Radio Frequency Information
d Radio Frequency Identification
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Radio Frequency Identification ১. কেন সঠিক: - RFID এর পূর্ণরূপ হলো Radio Frequency Identification, যার বাংলা অর্থ হলো রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন। - এটি একটি অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন প্রযুক্তি, যা রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে বস্তু শনাক্ত করতে এবং ডেটা আদান-প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: RFID হলো এমন একটি ওয়্যারলেস প্রযুক্তি যা ট্যাগ এবং রিডারের মাধ্যমে কোনো ডেটা দূর থেকে শনাক্ত ও সংগ্রহ করতে পারে। - কার্যপদ্ধতি: RFID ট্যাগে থাকা মাইক্রোচিপে সংরক্ষিত তথ্য রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে রিডারে প্রেরণ করে, যেখানে কোনো সরাসরি দৃষ্টিরেখার প্রয়োজন হয় না। - বৈশিষ্ট্য: এতে একই সাথে একাধিক ট্যাগ খুব দ্রুত স্ক্যান করা যায় এবং এর তথ্য পরিবর্তন বা আপডেট করা সম্ভব। - ব্যবহার: এটি শপ লিফটিং প্রতিরোধ, এয়ারপোর্টের ব্যাগেজ ট্র্যাক এবং টোল প্লাজায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল আদায়ের জন্য বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা মেট্রোলের বাসে বা এমআরটি পাস ব্যবহারের ব্যবস্থা। ব্যাখ্যা: কার্ডটি মেশিনের খুব কাছে ধরলেই রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অ্যাকাউন্ট থেকে ভাড়া কেটে নেওয়া হয়। উদাহরণ ২: সুপারশপের বারকোড বা স্মার্ট ট্যাগ সিস্টেম। ব্যাখ্যা: পণ্যের গায়ে লাগানো ট্যাগ স্ক্যান করে তাৎক্ষণিকভাবে পণ্যের দাম ও বিবরণ কম্পিউটারে চলে আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Random Frequency Identification — এই নামে কোনো স্ট্যান্ডার্ড প্রযুক্তি বা পরিভাষা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে নেই। B) Random Frequency Information — এটি একটি ভুল শব্দগুচ্ছ এবং তথ্য প্রযুক্তির সংজ্ঞার সাথে এর কোনো মিল নেই। C) Radio Frequency Information — রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির সাথে ইনফরমেশন শব্দটি যুক্ত থাকলেও এটি সঠিক প্রযুক্তিগত পরিভাষা নয়। D) Radio Frequency Identification — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রযুক্তিগত নাম। ৫. মনে রাখার টিপস: - RFID শব্দটিতে সবসময় Radio Frequency শব্দটি আগে আসে, যা মনে রাখলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়। - বারকোডের ক্ষেত্রে চোখের দেখায় স্ক্যান করতে হয়, কিন্তু RFID-এর ক্ষেত্রে রেডিও তরঙ্গ কাজ করায় দূর থেকেও ডেটা পড়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন ও ট্র্যাকিং প্রযুক্তির ক্ষেত্রে RFID এবং বারকোড থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এটি যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ওয়্যারলেস ডেটা ট্রান্সমিশনের একটি চমৎকার উদাহরণ।
a তামার তার
b কো-এক্সিয়কল ক্যাবল
c অপটিক্যাল ফাইবার
d ওয়্যারলেস মিডিয়া
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অপটিক্যাল ফাইবার ১. কেন সঠিক: - অপটিক্যাল ফাইবার বা আলোক তন্তু ডেটা পরিবহনের জন্য তড়িৎ সংকেতের পরিবর্তে আলোর পালস বা আলোক সংকেত ব্যবহার করে। - কাচ বা প্লাস্টিকের তৈরি এই অত্যন্ত সরু মাধ্যমে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন নীতি ব্যবহার করে আলোর গতিতে ডেটা পাঠানো হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: অপটিক্যাল ফাইবার হলো কাচ বা প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি অত্যন্ত সরু নমনীয় তন্তু যা আলোর মাধ্যমে ডেটা বা তথ্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করে। - কার্যপদ্ধতি: প্রেরক যন্ত্র বৈদ্যুতিক ডেটাকে আলোতে রূপান্তর করে এবং ফাইবার অপটিকের ভেতর দিয়ে আলোর পালস বা সংকেত হিসেবে তা দ্রুতগতিতে চালনা করে। - বৈশিষ্ট্য: আলোর গতিতে ডেটা স্থানান্তর করায় এর ব্যান্ডউইথ ও ডেটা ট্রান্সফার রেট অনেক বেশি এবং এতে তড়িৎ চৌম্বকীয় আবেশের কোনো প্রভাব পড়ে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাবমেরিন ক্যাবল ব্যাখ্যা: সাগর বা মহাসাগরের তলদেশ দিয়ে এক মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশে ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ সংযোগ স্থাপনে অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: ফাইবার টু দ্য হোম বা এফটিটিএইচ ব্যাখ্যা: আধুনিক ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগে গ্রাহকের বাড়িতে সরাসরি আলোক তন্তু সংযোগ দেওয়া হয় যার ফলে অতি দ্রুতগতির ইন্টারনেট পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামার তার — এটি তড়িৎ সংকেত বা ইলেকট্রিক্যাল পালস ব্যবহার করে ডেটা আদান-প্রদান করে, আলোর পালস ব্যবহার করে না। B) কো-এক্সিয়কল ক্যাবল — এটি পরিবাহী তামার তারের মাধ্যমে তড়িৎ চৌম্বকীয় সংকেত বা ইলেকট্রনিক সিগন্যাল বহন করে। D) ওয়্যারলেস মিডিয়া — এটি বায়ু বা শূন্যস্থানের মধ্য দিয়ে রেডিও তরঙ্গ, মাইক্রোওয়েভ বা ইনফ্রারেড ব্যবহার করে ডেটা পাঠায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - অপটিক্যাল ফাইবার মানেই আলো বা লাইট সিগন্যাল। - তামার তারে বিদ্যুৎ আর ফাইবারে চলে আলোর গতি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বা টোটাল ইন্টারনাল রিফ্লেকশন নীতি কাজ করে। - ডেটা যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে বর্তমানে সবচেয়ে দ্রুততম মাধ্যম হলো অপটিক্যাল ফাইবার।
a http
b www
c URL
d HTML
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) URL ১. কেন সঠিক: - URL হলো ইউনিফর্ম রিসোর্স লোকেটর, যা ইন্টারনেটে যেকোনো ফাইল, পেজ বা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের সুনির্দিষ্ট ঠিকানা নির্দেশ করে। - এই ঠিকানার মাধ্যমেই ব্রাউজার বুঝতে পারে ইন্টারনেট বা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে কাঙ্ক্ষিত তথ্যটি ঠিক কোথায় সংরক্ষিত আছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: URL-এর পূর্ণরূপ Uniform Resource Locator। এটি ইন্টারনেটে কোনো রিসোর্স বা ওয়েব ঠিকানার বৈশ্বিক রূপ। - কার্যপদ্ধতি: এর মধ্যে প্রোটোকল, ডোমেইন নেম এবং ফাইলের পাথ বা লোকেশন যুক্ত থাকে যা সার্ভার থেকে তথ্য খুঁজে আনে। - ব্যবহার: ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বারে কোনো সাইটে প্রবেশ করার জন্য এই ঠিকানা টাইপ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: https://www.bangladesh.gov.bd ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশ সরকারের একটি পোর্টালের পূর্ণাঙ্গ URL, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটটিতে প্রবেশ করা যায়। উদাহরণ ২: https://www.google.com ব্যাখ্যা: এটি গুগলের একটি পরিচিত URL, যা ব্যবহারকারীকে সার্চ ইঞ্জিনের মূল পাতায় নিয়ে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) http — এটি কোনো প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা নয়, বরং এটি একটি প্রোটোকল বা নিয়ম যার সাহায্যে ইন্টারনেট ডেটা আদান-প্রদান করে। B) www — এটি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সংক্ষিপ্ত রূপ, যা ইন্টারনেটের একটি অংশ মাত্র কিন্তু নিজে কোনো পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা বা URL নয়। D) HTML — এটি হাইপারটেক্সট মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ, যা ওয়েব পেজ তৈরি করার একটি কোডিং ভাষা বা মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে, ঠিকানা বোঝাতে URL ব্যবহার করা হয় এবং প্রোটোকল বোঝাতে HTTP ব্যবহৃত হয়। - URL-এর পূর্ণরূপ হলো Uniform Resource Locator। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই URL, HTTP এবং WWW-এর কাজের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। - মনে রাখবে, ডোমেইন নেম হলো একটি ওয়েবসাইটের নাম আর URL হলো সেই ওয়েবসাইটের সম্পূর্ণ ঠিকানা।
a $
b #
c &
d @
0 131 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) @ ১. কেন সঠিক: - ই-মেইল ঠিকানায় ব্যবহারকারীর নাম এবং ডোমেইন নাম আলাদা করার জন্য `@` চিহ্নটি বাধ্যতামূলকভাবে ব্যবহার করা হয়। - এটি অ্যাট সাইট (At Sign) নামে পরিচিত এবং এটি ছাড়া কোনো বৈধ ই-মেইল ঠিকানা গঠন করা সম্ভব নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: `@` হলো ই-মেইল ঠিকানার একটি অপরিহার্য প্রতীক যা ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট এবং মেইল সার্ভারকে সংযুক্ত করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ই-মেইল ঠিকানার মাঝখানে বসে নির্দেশ করে যে ব্যবহারকারী নির্দিষ্ট কোনো ডোমেইনের অধীনে ই-মেইল সেবা গ্রহণ করছেন। - ব্যবহার: ইন্টারনেটে ই-মেইল আদান-প্রদান এবং বিভিন্ন অনলাইন সেবায় অ্যাকাউন্ট খোলার সময় এই ঠিকানা ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: rahim@gmail.com ব্যাখ্যা: এখানে `rahim` হলো ব্যবহারকারীর নাম এবং `gmail.com` হলো মেইল সার্ভারের ঠিকানা, যা `@` চিহ্ন দ্বারা যুক্ত। উদাহরণ ২: info@bd.gov.bd ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রাতিষ্ঠানিক ই-মেইল ঠিকানা যেখানে `@` চিহ্নটি ব্যবহারকারীর নাম ও সরকারি ডোমেইনকে পৃথক করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) — এটি স্প্রেডশিট বা প্রোগ্রামিংয়ে বিশেষ কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়, ই-মেইল ঠিকানায় এর কোনো কাজ নেই। B) # — এটি সাধারণত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হ্যাশট্যাগ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, ই-মেইল ঠিকানায় এটি অবৈধ। C) & — এটি যৌক্তিক বা সংযোগকারী প্রতীক হিসেবে কোডিং বা টেক্সটে ব্যবহৃত হয়, ই-মেইল ঠিকানায় এটি বসে না। D) @ — এটি সঠিক কারণ ই-মেইল ঠিকানার গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এটি ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবেন ই-মেইল ঠিকানায় সবসময় অ্যাট সাইট বা `@` চিহ্নটি থাকে। - এটি ছাড়া ই-মেইল অ্যাড্রেস অসম্পূর্ণ ও ভুল বলে গণ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ই-মেইল ঠিকানায় কোনো ফাঁকা স্থান (Space) বা `@` ছাড়া একাধিক চিহ্ন ব্যবহার করা যায় না। - পরীক্ষাসমূহে প্রায়ই ই-মেইলের সঠিক গঠন বা সিনট্যাক্স সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a 46
b 16
c 24
d 54
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৬ ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে একটি বাইনারি সংখ্যা (Binary Number) দেওয়া হয়েছে এবং এর সমতুল্য ডেসিমাল সংখ্যা (Decimal Number) বের করতে বলা হয়েছে। বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হলো দুই এবং ডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হলো দশ, যা পজিশনাল নোটেশন নিয়মের মাধ্যমে রূপান্তরিত করতে হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: বাইনারি হলো শূন্য ও এক ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি এবং ডেসিমাল হলো দশ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি যা দৈনন্দিন গণনায় ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে ডানদিক থেকে শুরু করে দুই এর ঘাত বা পাওয়ার হিসেবে গুণ করে ডেসিমাল মান বের করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১ ও ০ বাইনারি মান ব্যাখ্যা: কম্পিউটারের ডিজিটাল circuitos বা লজিক গেটগুলো মূলত এই বাইনারি সিগন্যাল অন ও অফ হিসেবে ডেটা প্রসেস করে। উদাহরণ ২: ডেসিমাল সংখ্যা ১০ ব্যাখ্যা: মানব সমাজে আমরা যে ১০ ভিত্তিক সংখ্যা ব্যবহার করি, কম্পিউটার তাকে ইন্টারনাল প্রসেসিংয়ের জন্য বাইনারিতে রূপান্তর করে নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪৬ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ১ × ১৬ + ০ × ৮ + ১ × ৪ + ১ × ২ + ০ × ১ এর সঠিক হিসাব এবং অন্যান্য পজিশনাল মানের যোগফল ৪৬ হয়। B) ১৬ — এটি ভুল উত্তর, কারণ ১৬ হলো দুই এর চতুর্থ ঘাত এবং প্রদত্ত বাইনারি মানের সাথে এই ডেসিমাল মানের কোনো মিল নেই। C) ২৪ — এটি ভুল উত্তর, কারণ ২৪ ডেসিমাল সংখ্যার বাইনারি রূপ ভিন্ন এবং এই উত্তরের সাপেক্ষে হিসাব করলে তা মিলে না। D) ৫৪ — এটি ভুল উত্তর, কারণ ৫৪ ডেসিমাল সংখ্যার সমতুল্য বাইনারি মান ১০১১০ নয় বরং অন্য একটি ভিন্ন মান হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ডানদিক থেকে দুই এর পাওয়ার শূন্য থেকে শুরু করে প্রতিটি বাইনারি অঙ্কের সাথে গুণ করে সব মান যোগ করতে হয়। সঠিক নিয়মে হিসাব করলে খুব সহজেই বাইনারি থেকে ডেসিমাল মান বের করা সম্ভব হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংখ্যা পদ্ধতির রূপান্তর অত্যন্ত কমন একটি বিষয়। বাইনারি, অকট্যাল ও হেক্সাডেসিমাল থেকে ডেসিমাল এবং ডেসিমাল থেকে অন্যান্য সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তরের নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a Email, DNS
b MAC Address, IP
c Domain Name, IP
d Email, IP
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Domain Name, IP ১. কেন সঠিক: - DNS-এর পূর্ণরূপ হলো Domain Name System। এটি মানুষের বোধগম্য ডোমেন নামকে কম্পিউটারের বোধগম্য আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করে। - ইন্টারনেটে প্রতিটি ডিভাইসের একটি অনন্য আইপি ঠিকানা থাকে, যা মনে রাখা কঠিন হওয়ায় মানুষ ডোমেন নাম ব্যবহার করে এবং DNS তা অনুবাদ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: DNS হলো এমন একটি ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ সিস্টেম যা ডোমেন নামকে আইপি ঠিকানায় অনুবাদ করে। - কার্যপদ্ধতি: ব্রাউজারে ডোমেন নাম লিখলে DNS সার্ভার তার ডাটাবেজ থেকে সংশ্লিষ্ট আইপি ঠিকানা খুঁজে এনে ব্রাউজারকে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: google.com ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারী ব্রাউজারে google.com লিখলে DNS সার্ভার একে সংশ্লিষ্ট আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করে সার্ভার থেকে সাইটটি প্রদর্শন করে। উদাহরণ ২: facebook.com ব্যাখ্যা: ফেসবুকের নাম লিখে সার্চ করলে DNS সিস্টেম সেই নামের পেছনের সংখ্যাভিত্তিক আইপি অ্যাড্রেস খুঁজে বের করে সংযোগ নিশ্চিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Email, DNS — ইমেইল হলো ইলেকট্রনিক মেইল যোগাযোগের মাধ্যম এবং এটি DNS-এর রূপান্তরযোগ্য কাজ নয়। B) MAC Address, IP — ম্যাক অ্যাড্রেস হলো হার্ডওয়্যারের নিজস্ব শারীরিক ঠিকানা যা নেটওয়ার্ক ইন্টারফেসে স্থায়ীভাবে থাকে। D) Email, IP — ইমেইল সরাসরি আইপি ঠিকানায় পরিবর্তিত হয় না, বরং এটি মেইল সার্ভারের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ঠিকানায় আদান-প্রদান হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - DNS-কে ইন্টারনেটের ফোনবুক বলা যায়, যা নামের বিপরীতে সঠিক নম্বর বা আইপি ঠিকানা খুঁজে দেয়। - মনে রাখবে, Domain Name থেকে IP ঠিকানায় রূপান্তর করাই DNS-এর মূল কাজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - DNS প্রোটোকল সাধারণত ৫৩ নম্বর পোর্ট ব্যবহার করে কাজ করে। - বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইন্টারনেট প্রোটোকল ও ডোমেন নেমিং সিস্টেম সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a MySQL
b Microsoft SQL Server
c Microsoft Access
d Oracle
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) MySQL ১. কেন সঠিক: উত্তরটি সঠিক হওয়ার মূল কারণ হলো MySQL একটি ওপেন সোর্স ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যার সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত এবং বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়। প্রাসঙ্গিক প্রযুক্তিগত ধারণা বা নিয়ম তুলে ধরে এটি ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করার পূর্ণ স্বাধীনতা প্রদান করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: DBMS-এর পূর্ণরূপ Database Management System বা ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা, যা ডেটা সংরক্ষণ, পরিচালনা ও পুনরুদ্ধার করতে ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: এটি ক্লায়েন্ট সার্ভার আর্কিটেকচারের মাধ্যমে কাজ করে যেখানে ব্যবহারকারী কুয়েরি পাঠিয়ে ডেটাবেজ থেকে তথ্য সংগ্রহ বা পরিবর্তন করে। বৈশিষ্ট্য: এটি অত্যন্ত দ্রুতগতির, নির্ভরযোগ্য, সহজে ব্যবহারযোগ্য এবং রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেল সমর্থন করে। ব্যবহার: বিশ্বজুড়ে ওয়েবসাইট, বিশেষ করে ওয়ার্ডপ্রেস ভিত্তিক সাইট এবং ডায়নামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফেসবুক বা ইউটিউবের মতো বড় প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারীর কোটি কোটি অ্যাকাউন্ট ও তথ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যাকএন্ডে রিলেশনাল ডেটাবেজ ব্যবহার করে। ব্যাখ্যা: এই ডেটাবেজগুলো বিপুল পরিমাণ ডেটা খুব দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে সাজিয়ে রাখতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট যেমন দারাজ পণ্যের তালিকা, মূল্য এবং গ্রাহকের অর্ডার ডেটাবেজে সংরক্ষণ করে। ব্যাখ্যা: গ্রাহক যখন কোনো পণ্য সার্চ করেন, তখন ডেটাবেজ সিস্টেম মুহূর্তের মধ্যে সঠিক তথ্য স্ক্রিনে প্রদর্শন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) MySQL — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ওপেন সোর্স ও বিনামূল্যে ব্যবহারের সুবিধা দেয়। B) Microsoft SQL Server — এটি মাইক্রোসফট কোম্পানির একটি প্রোপ্রিয়েটরি বা পেটেন্টযুক্ত ডেটাবেজ, যার ব্যবহারের জন্য লাইসেন্স ফি দিতে হয়। C) Microsoft Access — এটি ডেস্কটপ ভিত্তিক একটি রিলেশনাল ডেটাবেজ, যা মাইক্রোসফট অফিসের অংশ এবং বড় বা ওপেন সোর্স ক্যাটাগরির নয়। D) Oracle — এটি ওরাকল কর্পোরেশনের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী কিন্তু ব্যয়বহুল প্রোপ্রিয়েটরি এন্টারপ্রাইজ ডেটাবেজ সিস্টেম। ৫ মনে রাখার টিপস: ওপেন সোর্স ডেটাবেজ মনে রাখতে এমওয়াইএসকিউএল (MySQL) এবং পোস্টগ্রেসএসকিউএল (PostgreSQL) নাম দুটি মাথায় রাখবে। মাইক্রোসফট ও ওরাকলের ডেটাবেজগুলো সবসময় লাইসেন্স বা অর্থের বিনিময়ে কিনতে হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরীক্ষায় প্রায়ই ওপেন সোর্স এবং প্রোপাইটারি সফটওয়্যারের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। মাইএসকিউএল প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৯৫ সালে এবং বর্তমানে এটি ওরাকল কর্পোরেশনের মালিকানাধীন হলেও এর ওপেন সোর্স সংস্করণ বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়।
a প্লেটো
b রুশো
c বার্ট্রান্ড রাসেল
d জন স্টুয়ার্ট মিল
0 136 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বার্ট্রান্ড রাসেল ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করার কারণ হলো বার্ট্রান্ড রাসেল তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ Human Society in Ethics and Politics-এ সমাজ, রাজনীতি এবং নৈতিকতার গভীর সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেছেন। - এই গ্রন্থটিতে মানবসমাজ গঠনে নৈতিক অনুশাসন এবং রাজনৈতিক দর্শনের পারস্পরিক প্রভাব স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: নৈতিকতা ও রাজনীতি একে অপরের পরিপূরক, যা সমাজকে সুশৃঙ্খল রাখতে সহায়তা করে। - গুরুত্ব: রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নৈতিক মূল্যবোধের প্রয়োগ সুশাসন নিশ্চিত করতে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন জনপ্রতিনিধি যখন ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনগণের কল্যাণে নীতিমালা প্রণয়ন করেন। ব্যাখ্যা: এটি রাজনৈতিক দর্শনে নৈতিকতার সঠিক প্রয়োগের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের সময় নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং সততার সঙ্গে সেবা প্রদান করা। ব্যাখ্যা: এটি সমাজ গঠনে নৈতিক মূল্যবোধ ও জনসেবার দায়িত্ববোধ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্লেটো — প্লেটোর বিখ্যাত গ্রন্থ হলো দ্য রিপাবলিক, যা রাজনৈতিক দর্শন ও ন্যায়বিচার নিয়ে রচিত। B) রুশো — জঁ জাক রুশোর বিখ্যাত গ্রন্থ হলো দ্য সোশ্যাল কন্ট্রাক্ট, যা সামাজিক চুক্তি মতবাদের ওপর প্রতিষ্ঠিত। C) বার্ট্রান্ড রাসেল — এই অপশনটি সঠিক এবং এই গ্রন্থের মাধ্যমে তিনি নৈতিকতা ও রাজনীতির সম্পর্ক ব্যাখ্যা করেছেন। D) জন স্টুয়ার্ট মিল — মিলের বিখ্যাত গ্রন্থ হলো অন লিবার্টি, যা মূলত উপযোগিতাবাদ ও ব্যক্তিস্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিখ্যাত দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেল সমাজ এবং রাজনীতি উভয় ক্ষেত্রেই নৈতিকতার কথা জোরালোভাবে বলেছেন। - গ্রন্থটির নামে পলিটিক্স বা রাজনীতি শব্দ থাকায় এটি দার্শনিক রাসেলের চিন্তাধারার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রাজনৈতিক দর্শন এবং নৈতিকতার সম্পর্ক বুঝতে বার্ট্রান্ড রাসেলের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের প্রশ্ন থেকে বিভিন্ন দার্শনিকের বিখ্যাত গ্রন্থ ও তাদের মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট করা যায়।
a ল্যাটিন
b গ্রিক
c হিব্রু
d ফারসি
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গ্রিক ১. কেন সঠিক: Governance শব্দটি মূলত গ্রিক শব্দ কিবেরনাও (Kubernao) থেকে উদ্ভূত হয়েছে, যার অর্থ হলো চালনা করা বা পরিচালনা করা। সময়ের বিবর্তনে এই শব্দটি রাষ্ট্র বা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার নীতিমালা ও সুশাসনের ধারণার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: সুশাসন ও জবাবদিহি: সুশাসন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোনো রাষ্ট্র বা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম স্বচ্ছ, ন্যায়সংগত এবং জনকল্যাণমুখীভাবে পরিচালিত হয়। সঠিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় নৈতিক নেতৃত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহির গুরুত্ব অপরিসীম। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা যখন কোনো পক্ষপাতিত্ব না করে নিয়মের মধ্যে থেকে নাগরিকদের সেবা প্রদান করেন। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের মূল নীতি আইনের শাসন ও নিরপেক্ষতার সঠিক প্রয়োগ নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: কোনো প্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনুদান বা জনসম্পদ ব্যবহারের ক্ষেত্রে যখন পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের অন্যতম স্তম্ভ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার বাস্তব প্রতিফলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ল্যাটিন — ল্যাটিন ভাষা থেকে অনেক ইংরেজি শব্দ এলেও Governance শব্দটি সরাসরি ল্যাটিন থেকে আসেনি। B) গ্রিক — এটি সঠিক বিকল্প কারণ শব্দটি গ্রিক শব্দ থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। C) হিব্রু — হিব্রু ভাষা থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বা শাসনের এই পরিভাষাটি আসেনি। D) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে প্রশাসনিক কিছু শব্দ বাংলায় এলেও Governance শব্দটির উৎস ফারসি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: Governance শব্দের উৎপত্তি মনে রাখতে গ্রিক নাবিক বা জাহাজের চালক সংক্রান্ত ধারণাকে মনে রাখতে পারো, কারণ কিবেরনাও শব্দের অর্থ চালনা করা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সুশাসনের মূল উপাদান যেমন স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং আইনের শাসন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক। একই নীতি থেকে সুশাসনের বৈশিষ্ট্য বা সূচক সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a ইমানুয়েল কান্ট
b টমাস হবস্
c জন স্টুয়ার্ট মিল
d জেরেমি বেন্থাম
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জন স্টুয়ার্ট মিল ১. কেন সঠিক: - জন স্টুয়ার্ট মিল ১৮৫৯ সালে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত অন লিবার্টি গ্রন্থে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও সমাজের কর্তৃত্বের সীমানা নির্ধারণ করেছেন। - এটি নাগরিক অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং উদারনৈতিক মূল্যবোধের অন্যতম প্রধান তাত্ত্বিক দলিল হিসেবে স্বীকৃত। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এমন একটি নৈতিক অধিকার, যেখানে প্রতিটি মানুষ সমাজ বা রাষ্ট্রের অযাচিত হস্তক্ষেপ ছাড়া নিজের চিন্তা ও পছন্দমতো জীবনযাপন করতে পারে। - প্রয়োগ: রাষ্ট্রে বসবাসকারী প্রতিটি নাগরিকের স্বাধীনভাবে কথা বলার, মতামত প্রকাশ করার এবং বিশ্বাসের চর্চা করার অধিকার রক্ষা করা। - সম্ভাব্য প্রভাব: নাগরিক স্বাধীনতার চর্চা সমাজে মুক্তচিন্তার বিকাশ ঘটায়, মানুষের সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করে এবং গণতান্ত্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠা সহজ করে তোলে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে কোনো সহকর্মী ভুল নীতি বা অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে তাঁর মতামতের প্রতি সম্মান দেখানো। ব্যাখ্যা: এটি জন স্টুয়ার্ট মিলের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা বৈচিত্র্যময় চিন্তার মূল্যায়ন করে। উদাহরণ ২: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের গঠনমূলক সমালোচনা ও নতুন আইডিয়া উপস্থাপনের সুযোগ সৃষ্টি করা। ব্যাখ্যা: এটি মুক্তবুদ্ধির চর্চা নিশ্চিত করে এবং শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল ও সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইমানুয়েল কান্ট — তিনি জার্মান দার্শনিক যিনি মূলত deontological ethics বা কর্ত্তব্যমূলক নৈতিকতা এবং Categorical Imperative তত্ত্বের প্রবক্তা। B) টমাস হবস্ — তিনি লেভিয়াথান গ্রন্থের লেখক এবং সামাজিক চুক্তি তত্ত্বের মাধ্যমে নিরঙ্কুশ রাজতন্ত্রের পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন। C) জন স্টুয়ার্ট মিল — তিনি উপযোগবাদের অন্যতম প্রধান প্রবক্তা এবং অন লিবার্টি গ্রন্থের লেখক হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। D) জেরেমি বেন্থাম — তিনি আধুনিক উপযোগবাদের জনক এবং প্রিন্সিপলস অব মোরালস অ্যান্ড লেজিসলেশন গ্রন্থের প্রণেতা। ৫. মনে রাখার টিপস: - জন স্টুয়ার্ট মিলের নাম এবং অন লিবার্টি গ্রন্থটি মনে রাখতে মিল এবং লিবার্টি শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখা যেতে পারে। - স্বাধীনতার কথা এলেই উদারনীতিবাদের প্রবক্তা হিসেবে জন স্টুয়ার্ট মিলের নাম সবার আগে আসবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্ন থেকে নাগরিক স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার মূল প্রবক্তা সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট হয়। - একই নীতি থেকে উপযোগবাদ বা মুক্তচিন্তার প্রবক্তা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a সমাজ
b নৈতিক চেতনা
c রাষ্ট্র
d ধর্ম
0 142 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমাজ ১. কেন সঠিক: নৈতিক মূল্যবোধের মূল ভিত্তি হলো মানবসমাজ এবং সামাজিক মিথস্ক্রিয়া। মানুষ সমাজবদ্ধ জীব হিসেবে বসবাসের সময় পারস্পরিক বোঝাপড়া, ন্যায়-অন্যায় বিচার এবং কল্যাণের ধারণা থেকে মূল্যবোধ গড়ে ওঠে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: সমাজ হলো এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে মানুষ যৌথভাবে বসবাস করে এবং কিছু সাধারণ নিয়ম ও আচার-আচরণ অনুসরণ করে। গুরুত্ব: সামাজিক মূল্যবোধ মানুষকে শৃঙ্খলিত করে এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সহায়তা করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাজবদ্ধভাবে চলার সময় একে অপরের বিপদে এগিয়ে আসা সামাজিক মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ। ব্যাখ্যা: এটি মানুষের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতার নীতিকে প্রতিফলিত করে। উদাহরণ ২: এলাকার সাধারণ সম্প্রীতি রক্ষায় মুরুব্বিদের সম্মান করা এবং ছোটদের স্নেহ করা। ব্যাখ্যা: এটি সমাজের প্রচলিত নৈতিক নিয়ম ও শিষ্টাচারের সঠিক প্রয়োগ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাজ — এটি সঠিক কারণ মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতেই মূল্যবোধের সৃষ্টি হয়। B) নৈতিক চেতনা — এটি মূল্যবোধের বিকাশ ঘটায় কিন্তু উৎস হিসেবে সমাজ মুখ্য ভূমিকা পালন করে। C) রাষ্ট্র — রাষ্ট্র আইন তৈরি করে, তবে আইন প্রণয়নের আগে সামাজিক মূল্যবোধ গঠিত হয়। D) ধর্ম — ধর্ম নৈতিকতাকে শক্তিশালী করে, তবে ধর্মীয় প্রবর্তনের আগেই আদি সমাজে মূল্যবোধের সূচনা হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: মানুষ যেখানে প্রথম বসবাস শুরু করে অর্থাৎ সমাজ, সেখান থেকেই নৈতিক মূল্যবোধের উৎপত্তি ঘটে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সামাজিক সম্পর্ক এবং মানব কল্যাণই হলো নৈতিকতার মূল ভিত্তি। একই নীতি থেকে নৈতিকতার উৎস বা উপাদান সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a মূল্যবোধ
b আইনের শাসন
c গণতন্ত্র
d আমলাতন্ত্র
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গণতন্ত্র ১. কেন সঠিক: - সুশাসনের মূল ভিত্তি হলো গণতন্ত্র কারণ এটি জনগণের অংশগ্রহণ, অধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। - সুশাসন ও জবাবদিহি ধারণার সঙ্গে গণতন্ত্র সরাসরি সম্পর্কিত, যেখানে রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষমতা জনগণের হাতে ন্যস্ত থাকে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: গণতন্ত্র হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে জনগণের সরাসরি বা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়। - গুরুত্ব: এটি সমাজে সমতা, ন্যায়বিচার এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। - প্রয়োগ: সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণে জনগণের মতামত নেওয়া এবং জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া। - সম্ভাব্য প্রভাব: গণতান্ত্রিক চর্চার মাধ্যমে সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্থানীয় সরকারের উন্নয়নমূলক কাজে এলাকাবাসীর উন্মুক্ত সভা ডেকে মতামত নেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি গণতন্ত্রের মূল নীতি অংশগ্রহণমূলক শাসনব্যবস্থাকে বাস্তবায়ন করে এবং সুশাসন নিশ্চিত করে। উদাহরণ ২: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, নেতৃত্ব এবং দায়িত্ববোধ তৈরি করতে সহায়তা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মূল্যবোধ — এটি সুশাসনের অন্যতম অনুষঙ্গ ও নৈতিক ভিত্তি হলেও এককভাবে প্রাতিষ্ঠানিক শাসনব্যবস্থার ভিত্তি নির্দেশ করে না। B) আইনের শাসন — এটি সুশাসনের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হলেও গণতান্ত্রিক কাঠامোর অনুপস্থিতিতে আইনের শাসন পূর্ণতা পায় না। C) গণতন্ত্র — এটি সুশাসনের মূল ভিত্তি হিসেবে সর্বজনীনভাবে স্বীকৃত এবং প্রদত্ত সঠিক উত্তর। D) আমলাতন্ত্র — এটি রাষ্ট্র পরিচালনার একটি প্রশাসনিক যন্ত্র মাত্র, সুশাসনের মূল ভিত্তি বা চালিকাশক্তি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুশাসনের চাবিকাঠি হলো জনগণ এবং জনগণের শাসনই হলো গণতন্ত্র। - সুশাসন মানেই জনগণের অংশগ্রহণ, জবাবদিহি এবং আইনের শাসন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - গণতন্ত্র ও সুশাসন একে অপরের পরিপূরক এবং একটি ছাড়া অন্যটি টেকসই হতে পারে না। - এই নীতি থেকে সুশাসনের মূল স্তম্ভ কয়টি বা কী কী, তা নিয়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে।
a সক্রেটিস
b প্লেটো
c অ্যারিস্টটল
d বেনথাম
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্লেটো ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক প্লেটো তার রিপাবলিক গ্রন্থে সুশাসক বা ফিলোসফার কিং ধারণার ওপর সর্বাধিক জোর দিয়েছেন। - সংশ্লিষ্ট নৈতিক নীতি হলো নেতৃত্ব, নৈতিক চরিত্র এবং সুশাসন, যা বাহ্যিক আইনের চেয়ে শাসকের ভেতরের নৈতিকতাকে বেশি প্রাধান্য দেয়। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: নৈতিক নেতৃত্ব বলতে এমন এক গুণাবলিকে বোঝায় যেখানে শাসক বা দায়িত্বশীল ব্যক্তি ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সততা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেন। - গুরুত্ব: সমাজে আইনের কঠোর প্রয়োগের চেয়ে নৈতিকতার চর্চা অপরাধ প্রবণতা কমায় এবং দীর্ঘস্থায়ী সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে একজন কর্মকর্তা দুর্নীতিমুক্ত থেকে স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করছেন। ব্যাখ্যা: এটি ব্যক্তিগত সততা ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহির প্রকাশ যা আলাদা কোনো শাস্তিমূলক আইনের ভয়ে নয়, বরং নিজের নৈতিক দায়বদ্ধতা থেকে আসে। উদাহরণ ২: ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলা শুধু পুলিশি ভয়ে নয়, বরং সড়ক নিরাপত্তার দায়িত্ববোধ থেকে করা। ব্যাখ্যা: এটি নাগরিক কর্তব্য এবং স্বপ্রণোদিত নৈতিক আচরণের চমৎকার উদাহরণ যা সমাজকে শৃঙ্খলাপূর্ণ করে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সক্রেটিস — সক্রেটিস নৈতিক জ্ঞান ও গুণের কথা বললেও উল্লিখিত সুনির্দিষ্ট উক্তিটি তার নয়, বরং তার শিষ্য প্লেটোর রাজনৈতিক দর্শনের অংশ। B) প্লেটো — প্লেটো তার রাষ্ট্রচিন্তায় আদর্শ শাসকের নৈতিক গুণাবলিকে আইনের ওপর স্থান দিয়েছেন, যা এই উক্তির সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। C) অ্যারিস্টটল — অ্যারিস্টটল আইনভিত্তিক সংবিধান ও সাংবিধানিক সরকারের ওপর বেশি জোর দিয়েছেন, তাই এই উক্তিটি তার মতের সঙ্গে মেলে না। D) বেনথাম — জেরেমি বেনথাম উপযোগবাদের প্রবক্তা এবং আইন প্রণয়নের মাধ্যমে সমাজের সর্বোচ্চ কল্যাণ সাধনের কথা বলেছেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্লেটোর আদর্শ রাষ্ট্রে রাজা হবেন দার্শনিক বা মহৎ গুণসম্পন্ন, তাই মহৎ গুণ ও আইন সম্পর্কিত উক্তিটি দেখলে প্লেটোকে নির্বাচন করবে। - আইন নিষ্প্রয়োজন কথাটি শাসকের নৈতিকতার উৎকর্ষ বোঝাতে প্লেটো ব্যবহার করেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নৈতিক নেতৃত্ব এবং সুশাসনের মূল ভিত্তি হলো নেতার সততা ও চারিত্রিক দৃঢ়তা। - এই প্রশ্ন থেকে প্রায়ই ফিলোসফার কিং বা দার্শনিক রাজা সম্পর্কিত নৈতিক ও রাজনৈতিক প্রশ্ন পরীক্ষায় আসে।
a ৩টি
b ৫টি
c ৪টি
d ৬টি
0 143 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪টি ১. কেন সঠিক: বিশ্বব্যাংকের মতে সুশাসনের মূল উপাদান ৪টি। এই উপাদানগুলো হলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনি কাঠামো বা আইনের শাসন এবং জনঅংশগ্রহণ। সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে রাষ্ট্রে দুর্নীতি হ্রাস পায় এবং নাগরিক অধিকার নিশ্চিত হয়। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে জনকল্যাণকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক উপায়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করা হয়। গুরুত্ব: সুশাসন নিশ্চিত হলে সমাজের প্রতিটি স্তরে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং নাগরিকরা তাদের মৌলিক অধিকার ভোগ করতে পারে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরকারি কোনো দপ্তরে কাজের জন্য নির্ধারিত ফি এবং সময়সীমা টাঙিয়ে দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের স্বচ্ছতা নীতির সঙ্গে সম্পর্কিত যা সাধারণ মানুষকে হয়রানি থেকে রক্ষা করে। উদাহরণ ২: স্থানীয় উন্নয়নমূলক কাজে জনগণের মতামত গ্রহণ করা। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের জনঅংশগ্রহণ নীতির বাস্তব প্রয়োগ যা কাজের গুণগত মান বৃদ্ধি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩টি — বিশ্বব্যাংকের সুশাসনের উপাদান ৩টি নয়, কারণ আন্তর্জাতিকভাবে সুশাসনের মূল ভিত্তি হিসেবে ৪টি সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্রকে চিহ্নিত করা হয়েছে। B) ৫টি — ৫টি উপাদান জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপির সুশাসন ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত, বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে নয়। D) ৬টি — ৬টি উপাদান বিশ্বব্যাংকের সূচকের ক্ষেত্রে ভিন্ন হতে পারে, তবে সুশাসনের মূল উপাদান হিসেবে ৪টিকেই সর্বজনীনভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: বিশ্বব্যাংকের ৪টি স্তম্ভ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সা-জবা-আই-অ (স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইন, অংশগ্রহণ)। ইউএনডিপির উপাদান ৫টি এবং বিশ্বব্যাংকের ৪টি, এই সংখ্যাগত পার্থক্য পরীক্ষার জন্য ভালোভাবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সুশাসনের উপাদান থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। একই নীতি থেকে বিশ্বব্যাংক কত সালে সুশাসন ধারণার প্রকাশ করে কিংবা সুশাসনের মূল ভিত্তি কী, এ ধরনের প্রশ্নও আসতে পারে।
a 2010
b 2011
c 2012
d 2013
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০১২ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে ২০১২ সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়ন করা হয়। - এটি রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার একটি সুনির্দিষ্ট নৈতিক দলিল। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - সুশাসন ও জবাবদিহি: রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও ক্ষমতার সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করাই সুশাসনের মূল লক্ষ্য। - প্রয়োগ: সরকারি ও বেসরকারি প্রতিটি স্তরে নিয়ম মেনে চলা এবং সেবামূলক মানসিকতা বজায় রাখা। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরকারি অফিসে সেবা নিতে গেলে নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত অর্থ প্রদান থেকে বিরত থাকা। ব্যাখ্যা: এটি স্বচ্ছতা ও দুর্নীতি প্রতিরোধের নৈতিক দায়িত্বের বহিঃপ্রকাশ। উদাহরণ ২: নিজের দায়িত্বের কাজ সময়মতো ও সঠিকভাবে সম্পন্ন করা। ব্যাখ্যা: এটি পেশাগত সততা ও কর্তব্যপরায়ণতার বাস্তব প্রয়োগ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১০ — এই সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণীত হয়নি, এটি সঠিক সময়ের আগের বছর। B) ২০১১ — এই সালটি শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়নের ঠিক আগের বছর, তাই এটি সঠিক নয়। C) ২০১২ — এটি সঠিক বছর যখন বাংলাদেশে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবর্তন করা হয়। D) ২০১৩ — এই সালটি শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়নের পরের বছর, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সালটি মনে রাখতে এভাবে মনে করতে পারো, বাংলাদেশ সরকারের সুশাসন যাত্রায় ২০১২ সালটি শুদ্ধাচার কৌশল চালুর বছর হিসেবে বিশেষভাবে স্মরণীয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল মূলত সুশাসন, স্বচ্ছতা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে নৈতিক প্রতিরোধ গড়ার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। - এই টপিক থেকে শুদ্ধাচার কৌশলের মূল লক্ষ্য বা এর আওতাধীন বিষয়গুলো নিয়েও প্রশ্ন আসতে পারে।
a আত্মস্বার্থবাদ
b পরার্থবাদ
c পূর্ণতাবাদ
d উপযোগবাদ
0 138 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপযোগবাদ ১. কেন সঠিক: - এই তত্ত্বে সর্বাধিক মানুষের সর্বোচ্চ কল্যাণ বা সুখ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়। - এটি মূলত ফলাফলের নৈতিকতা হিসেবে পরিচিত, যেখানে কর্মের ফলাফল নির্ধারণ করে কাজটি কতটুকু নৈতিক। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: উপযোগবাদ হলো এমন একটি নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি যা সমাজে সর্বাধিক মানুষের সুখ বা কল্যাণ বৃদ্ধি করার পক্ষে মত দেয়। - গুরুত্ব: এটি নীতিনির্ধারণ ও সামাজিক কল্যাণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে সামগ্রিক কল্যাণকে স্থান দেয়। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি সরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্পে সীমিত বাজেট থেকে সবচেয়ে বেশি মানুষকে টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া। ব্যাখ্যা: এখানে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষের জীবন রক্ষা করার উপযোগবাদী নীতির বাস্তব প্রয়োগ ঘটেছে। উদাহরণ ২: রাস্তা তৈরির সময় অল্প কিছু মানুষের জমির ক্ষতি হলেও শহরের লক্ষ লক্ষ মানুষের যাতায়াত সহজ করার ব্যবস্থা করা। ব্যাখ্যা: এটি বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কল্যাণের জন্য উপযোগবাদের একটি ধ্রুপদী প্রয়োগ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আত্মস্বার্থবাদ — এই তত্ত্বে কেবল নিজের স্বার্থ ও সুখের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, যা সর্বোচ্চ সুখের সর্বজনীন ধারণার পরিপন্থী। B) পরার্থবাদ — এই তত্ত্বে নিজের সুখ ত্যাগ করে অন্যের কল্যাণের কথা বলা হয়, যা সর্বোচ্চ সুখের সামগ্রিক হিসাবের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। C) পূর্ণতাবাদ — এটি মানুষের নৈতিক চরিত্র ও উৎকর্ষ সাধনের ওপর জোর দেয়, সরাসরি সুখ বা আনন্দের পরিমাণ বাড়ানোর ওপর নয়। D) উপযোগবাদ — এটি সর্বাধিক মানুষের সর্বোচ্চ সুখ নিশ্চিত করার মানদণ্ডকে সমর্থন করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - উপযোগবাদ মানে হলো উপযোগ বা কল্যাণ বাড়ানো, অর্থাৎ সবার জন্য সুখ নিশ্চিত করা। - পরীক্ষার প্রশ্নে সর্বোচ্চ সুখ বা সর্বাধিক কল্যাণ দেখলেই উপযোগবাদ উত্তর হিসেবে নির্বাচন করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উপযোগবাদের প্রবক্তা হিসেবে জেরেমি বেন্থাম ও জন স্টুয়ার্ট মিলের নাম মনে রাখবে। - এই নীতি থেকে প্রায়শই ফলাফলভিত্তিক নৈতিকতা বা সর্বাধিক কল্যাণের ধারণা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a ইমামুয়েল কান্ট
b হার্বাট স্পেন্সার
c বার্ট্রান্ড রাসেল
d অ্যারিস্টটল
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইমামুয়েল কান্ট ১. কেন সঠিক: নৈতিক দর্শনে কর্তვ্যের খাতিরে কর্তব্য করাকেই সর্বশ্রেষ্ঠ নৈতিক কাজ বলে মনে করেন জার্মান দার্শনিক ইমামুয়েল কান্ট। কোনো ধরনের প্রলোভন, ভয় বা ব্যক্তিগত লাভের আশায় নয়, কেবল নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকেই সঠিক কাজটি করা উচিত। ২. দার্শনিক প্রেক্ষাপট: জার্মান দার্শনিক ইমামুয়েল কান্ট অষ্টাদশ শতকের প্রখ্যাত একজন চিন্তাবিদ ও নীতিশাস্ত্রবিদ। তাঁর এই মতবাদটি কান্টের ডিওন্টোলজিক্যাল বা কর্তব্যমূলক নীতিশাস্ত্র নামে পরিচিত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা ঘুষ না নিয়ে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। ব্যাখ্যা: এটি ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়, বরং নিজের পেশাগত ও নৈতিক দায়িত্ব পালনের জন্যই করা হয়। উদাহরণ ২: একজন নাগরিক কোনো পুরস্কারের আশায় নয়, বরং দেশের আইন ও সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধা থেকেই তা মেনে চলেন। ব্যাখ্যা: এটি নাগরিক দায়িত্ববোধের বহিঃপ্রকাশ যা কর্তব্যের জন্য কর্তব্য ধারণার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইমামুয়েল কান্ট — নৈতিক দর্শনে কর্তব্যের জন্য কর্তব্য ধারণার প্রধান প্রবর্তক হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। B) হার্বাট স্পেন্সার — তিনি একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ সমাজবিজ্ঞানী ও দার্শনিক যিনি সামাজিক বিবর্তনবাদ প্রচার করেছিলেন। C) বার্ট্রান্ড রাসেল — তিনি বিংশ শতাব্দীর প্রখ্যাত ব্রিটিশ দার্শনিক, গণিতবিদ ও শান্তিবাদী চিন্তাবিদ ছিলেন। D) অ্যারিস্টটল — প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল তাঁর নীতিশাস্ত্রে সদ্‌গুণ বা ভার্চু তত্ত্বের ওপর জোর দিয়েছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: কান্ট শব্দটির সঙ্গে কর্তব্য শব্দটির মিল খুঁজে নিতে পারো। কান্ট মানেই নীতিশাস্ত্রের কর্তব্যের দর্শন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের দার্শনিক মতবাদ এবং তাদের প্রবর্তকদের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। একই বিষয় থেকে দার্শনিক মতবাদ এবং সংশ্লিষ্ট প্রবর্তকদের নাম মিলিয়ে প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
a ক্যাবিনেট
b বিরোধী দল
c সুশীল সমাজ
d লোকপ্রশাসন
0 243 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিরোধী দল ১. কেন সঠিক: প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় সরকার পরিচালনার পাশাপাশি সংসদে ও বাইরে সরকারের কাজের সমালোচনা এবং সংশোধনের জন্য একটি বিকল্প শক্তি থাকে, যাকে বিকল্প সরকার বলা হয়। সংসদীয় গণতন্ত্রে বিরোধী দল সবসময় সরকারের নীতিনির্ধারণী ত্রুটি তুলে ধরে এবং নিজেদের প্রস্তুত রাখে যাতে প্রয়োজনে তারা সরকারের স্থলাভিষিক্ত হতে পারে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: সরকারব্যবস্থা ও সংসদ: বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রে বিরোধী দল সরকারব্যবস্থার একটি অপরিহার্য অঙ্গ হিসেবে স্বীকৃত। তাৎপর্য ও ফলাফল: বিরোধী দল সরকারের একদলীয় শাসন বা স্বেচ্ছাচারিতা রোধ করতে ভারসাম্য বজায় রাখার ভূমিকা পালন করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দল সরকারের বিভিন্ন বিল ও নীতির সমালোচনা করে বিকল্প প্রস্তাব পেশ করে। ব্যাখ্যা: এটি সরকারকে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক রাখতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: সংসদীয় গণতন্ত্রের ওয়েস্টমিনস্টার মডেলে বিরোধী দলকে শ্যাডো ক্যাবিনেট বা ছায়া সরকার বলা হয়। ব্যাখ্যা: এটি থেকে পরীক্ষার্থীরা বুঝতে পারে যে বিরোধী দল কেবল সমালোচক নয়, বরং ভবিষ্যৎ সরকার পরিচালনার জন্য বিকল্প প্রস্তুত দল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্যাবিনেট — এটি ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রিপরিষদকে বোঝায়, যা দেশ পরিচালনা করে এবং বিকল্প সরকার নয়। B) বিরোধী দল — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংসদীয় ব্যবস্থায় এরা বিকল্প সরকার হিসেবে গণ্য হয়। C) সুশীল সমাজ — এটি নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, যারা সরকারের বাইরে থেকে মতামত দিলেও সরাসরি বিকল্প সরকার বা রাজনৈতিক দল নয়। D) লোকপ্রশাসন — এটি রাষ্ট্রের প্রশাসনিক ও আমলাতান্ত্রিক কাঠামো পরিচালনা করে, যা রাজনৈতিক বিকল্প সরকার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সরকার যখন ব্যর্থ হয়, তখন যে দল দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে, সেই বিরোধী দলকেই বিকল্প সরকার বলা হয়। মনে রাখবে, ক্যাবিনেট হলো বর্তমান সরকার আর বিরোধী দল হলো ছায়া বা বিকল্প সরকার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রাণকেন্দ্র হলো সক্রিয় বিরোধী দল। একই বিষয় থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যে ছায়া সরকার বা শ্যাডো ক্যাবিনেট বলতে কোনটিকে বোঝানো হয়।
a আনিসুল হক
b সাঈদ খোকন
c সাদেক হোসেন খোকা
d মোহাম্মদ হানিফ
0 159 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মোহাম্মদ হানিফ ১. কেন সঠিক: মোহাম্মদ হানিফ ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৪ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম মেয়র নির্বাচিত হন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৯৪ সালে দেশের চারটি প্রধান শহর ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনায় প্রথমবারের মতো সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: মোহাম্মদ হানিফ ছিলেন একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ এবং ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই নির্বাচনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় গণতান্ত্রিক ধারা ও জনগণের সরাসরি ভোটে মেয়র নির্বাচনের প্রথা শুরু হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দন কুমার নাগ ব্যাখ্যা: তিনি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম প্রশাসক ছিলেন, কিন্তু তিনি নির্বাচিত মেয়র ছিলেন না। উদাহরণ ২: এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী ব্যাখ্যা: তিনি ১৯৯৪ সালে একই সঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনিসুল হক — তিনি ২০১৫ সালে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন, প্রথম নির্বাচিত মেয়র নন। B) সাঈদ খোকন — তিনি ২০১৫ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হন, পুরো ঢাকা সিটির প্রথম নন। C) সাদেক হোসেন খোকা — তিনি ২০০২ সালে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন, যা মোহাম্মদ হানিফের পর। D) মোহাম্মদ হানিফ — তিনি ১৯৯৪ সালে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হন। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৯৯৪ সালে প্রথম ঢাকার মেয়র হন হানিফ। নামটি মনে রাখলে পরীক্ষাতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র কে ছিলেন, এই প্রশ্নটি স্থানীয় সরকার প্রশাসন সম্পর্কিত পরীক্ষায় বারবার আসে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রথম মেয়রের নামও জেনে রাখা ভালো।
a হাসেম খান
b এ কে এম আব্দুর রউফ
c আবুল বারক আলভী
d সমরজিৎ রায় চৌধুরী
0 154 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এ কে এম আব্দুর রউফ ১. কেন সঠিক: - এ কে এম আব্দুর রউফ বাংলাদেশের মূল সংবিধানের হস্তলিপিকারক ছিলেন যিনি পুরো সংবিধানের বাংলা পাঠ নিজ হাতে লিখেছিলেন। - সংবিধান প্রণয়ন কমিটির তত্ত্বাবধানে এই ঐতিহাসিক কাজটি সম্পন্ন হয়েছিল যা আমাদের আইনগত ও রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়েছিল এবং হস্তলিপির মূল দায়িত্বে ছিলেন এ কে এম আব্দুর রউফ। - তাৎপর্য ও ফলাফল: হাতে লেখা এই সংবিধানটি ছিল বিশ্বের অন্যতম সুন্দর ক্যালিগ্রাফি করা সংবিধান যার চারপাশ নকশা করেছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্যালিগ্রাফি ও অলংকরণ শিল্পী হাশেম খান। ব্যাখ্যা: তিনি সংবিধানের বিভিন্ন পৃষ্ঠার অলংকরণ ও নকশা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন কিন্তু হস্তলিপির দায়িত্বে ছিলেন না। উদাহরণ ২: ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর কার্যকর হওয়া বাংলাদেশের সংবিধান। ব্যাখ্যা: এটি বাঙালি জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার সুনির্দিষ্ট দলিল হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাশেম খান — ইনি মূল সংবিধানের হস্তলিপিকারক ছিলেন না বরং তিনি সংবিধানের ভেতরের পাতার বিভিন্ন শিল্পকর্ম ও অলংকরণের কাজে যুক্ত ছিলেন। B) এ কে এম আব্দুর রউফ — ইনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি সম্পূর্ণ মূল বাংলা সংবিধান নিজ হাতে সুন্দর ক্যালিগ্রাফিতে লিখেছিলেন। C) আবুল বারক আলভী — ইনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও চারুকলা বিশেষজ্ঞ যিনি সংবিধান লেখার কাজে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। D) সমরজিৎ রায় চৌধুরী — ইনিও বাংলাদেশের একজন খ্যাতনামা চিত্রশিল্পী যিনি সংবিধানের অলংকরণ শিল্পীদের দলের একজন সদস্য ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - লেখা ও রউফ শব্দ দুটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে সংবিধান হাতে লেখার কাজ করেছিলেন আব্দুর রউফ। - নকশা ও অলংকরণের সঙ্গে হাশেম খান ও সমরজিৎ রায় চৌধুরীর নাম জড়িয়ে আছে, তাই হস্তলিপির সঙ্গে তাদের গুলিয়ে ফেলবেন না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংবিধানের হস্তলিপিকারক এবং অলংকরণ শিল্পীদের নাম প্রায়ই আলাদাভাবে জানতে চাওয়া হয়। - মূল সংবিধানের ইংরেজি অনুবাদের হস্তলিপিকারক কে ছিলেন, সেই তথ্যটিও পরীক্ষার জন্য জেনে রাখা ভালো।
a ২৯(২)
b ২৮(২)
c ৩৯(১)
d ৩৯(২)
0 156 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৮(২) ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের সংবিধানের ২৮(২) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র ও গণজীবনের সব স্তরে নারী পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত একটি মৌলিক অধিকার, যা নাগরিকদের সমতা বিধানের মূলনীতিকে দৃঢ় করে। ২. সংবিধান ও আইন: সংবিধান ও আইন: সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদে ধর্মের কারণে বৈষম্যের নিষিদ্ধকরণের কথা বলা হয়েছে এবং এর দ্বিতীয় দফায় নারীর সমতা নিশ্চিত করা হয়েছে। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই বিধানের ফলে নারীরা রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পুরুষের সমান সুযোগ পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার লাভ করেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন। ব্যাখ্যা: রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় নারীদের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সংবিধানের এই নীতির আলোকেই সংরক্ষিত আসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সরকারি চাকরিতে নারীর সমান প্রবেশাধিকার। ব্যাখ্যা: প্রশাসন ও অন্যান্য পেশায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে ২৮(২) অনুচ্ছেদ শক্তিশালী আইনি ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৯(২) — এই অনুচ্ছেদে সরকারি নিয়োগ লাভে নাগরিকদের জন্য সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে, যা সরাসরি কেবল নারী-পুরুষের সমতা নির্দেশ করে না। B) ২৮(২) — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে স্পষ্টভাবে রাষ্ট্র ও গণজীবনের সব স্তরে নারী ও পুরুষের সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে। C) ৩৯(১) — এই অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেکের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে। D) ৩৯(২) — এই অনুচ্ছেদে বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার এবং প্রেসের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: সংবিধানের ২৮ নম্বর অনুচ্ছেদটি মূলত বৈষম্য ও সমতা সংক্রান্ত, যেখানে দ্বিতীয় দফায় (২) নারীদের সম অধিকারের কথা বলা হয়েছে। মনে রাখার সহজ উপায় হলো মৌলিক অধিকারের ক্ষেত্রে ২৮ মানেই নারী পুরুষের সমান অধিকার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক অধিকার ও নারী অধিকার সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারগুলোর অনুচ্ছেদগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a বেক্সিমকো
b স্কয়ার
c ইনসেপ্টা
d একমি
0 175 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইনসেপ্টা ১. কেন সঠিক: কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ইনসেপ্টা ভ্যাকসিন লিমিটেড চীনের সিনোফার্মের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে চীনের তৈরি সিনোফার্মের কোভিড-১৯ টিকা উৎপাদনের পথ সুগম হয় এবং স্বাস্থ্যখাতে দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: প্রতিষ্ঠান: ইনসেপ্টা ভ্যাকসিন লিমিটেড বাংলাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। স্বাস্থ্য উন্নয়ন: এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশ টিকা আমদানির ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে নিজস্ব চাহিদা পূরণে সক্ষম হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্যাভি এবং কোভ্যাক্স সুবিধা ব্যাখ্যা: আন্তর্জাতিক এই উদ্যোগগুলোর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিনামূল্যে ও সাশ্রয়ী মূল্যে বিভিন্ন দেশ থেকে টিকা সংগ্রহ করে। উদাহরণ ২: এস কে ফার্মাসিউটিক্যালস ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের আরেকটি শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান যা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে ওষুধ রপ্তানি করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেক্সিমকো — এটি বাংলাদেশের একটি বৃহৎ ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি হলেও চীনের সাথে এই নির্দিষ্ট টিকা উৎপাদনের চুক্তি করেনি, তবে তারা ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সাথে কোভিশিল্ড টিকা আমদানির চুক্তি করেছিল। B) স্কয়ার — এটি দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হলেও কোভিড-১৯ টিকা উৎপাদনের জন্য চীনের সাথে এই চুক্তি স্বাক্ষর করেনি। C) ইনসেপ্টা — এই অপশনটি সঠিক কারণ চীনের সাথে টিকা উৎপাদনের চুক্তিটি এই প্রতিষ্ঠানটিই করেছিল। D) একমি — এটি একটি প্রাচীন ও নামকরা ওষুধ কোম্পানি হলেও চীনের সাথে এই টিকা উৎপাদনের চুক্তির সাথে যুক্ত ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: করোনা টিকা উৎপাদনের জন্য চীনের সাথে চুক্তি করেছিল 'ইনসেপ্টা'। ইনসেপ্টা নামের শুরু 'ই' দিয়ে, আর উৎপাদন বা ইনোভেশন শব্দটির সাথে মিল রেখে এটি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কোভিড-১৯ মহামারি কালীন টিকা কূটনীতি ও দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা অর্জন সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে টিকা সরবরাহকারী দেশ এবং সংশ্লিষ্ট দেশীয় কোম্পানির নাম সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a (ক) ১৯৭৩
b (খ) ১৯৭৪
c (গ) ১৯৭৫
d (ঘ) ১৯৭৬
0 132 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (খ) ১৯৭৪ ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৭৪ সালে ওআইসি (OIC) এর সদস্যপদ লাভ করে। ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি এর দ্বিতীয় ইসলামিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ এই সংস্থার সদস্য হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভূমিকা: ১৯৭২ সালে পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার পর মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের পথ উন্মুক্ত হয়। ১৯৭৪ সালের লাহোর সম্মেলনে বাংলাদেশের যোগদানের মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যসহ মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সুদৃঢ় বন্ধুত্বের ভিত্তি স্থাপিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করে। ব্যাখ্যা: এই সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের কূটনৈতিক স্বীকৃতি বিশ্ব দরবারে আরও সুদৃঢ় হয়। উদাহরণ ২: ওআইসি এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত। ব্যাখ্যা: মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তম এই আন্তর্জাতিক সংস্থার কার্যক্রমে বাংলাদেশ শুরু থেকেই সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) (ক) ১৯৭৩ — এই সালে বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করেনি কারণ তখনো পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। B) (খ) ১৯৭৪ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে লাহোর সম্মেলনে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ওআইসি এর সদস্য হয়। C) (গ) ১৯৭৫ — এই সালে ওআইসি এর সদস্যপদ লাভের কোনো ঘটনা ঘটে নি, এটি ভুল সাল। D) (ঘ) ১৯৭৬ — এটি ভুল সাল কারণ এর আগেই বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করেছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৭৪ সালে ওআইসি এর সদস্য হয়। লাহোর সম্মেলনের সালটি মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশ ওআইসি এর কততম সদস্য এবং ওআইসি এর বর্তমান মহাসচিব কোন দেশের নাগরিক, এই ধরনের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a আইনমন্ত্রী
b আইন সচিব
c এ্যাটর্নি জেনারেল
d প্রধান বিচারপতি
0 205 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এ্যাটর্নি জেনারেল ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন এ্যাটর্নি জেনারেল। - রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্য কোনো ব্যক্তিকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং তিনি সরকারের আইনগত বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করেন। ২. সংবিধান ও আইন: সংবিধান ও আইন: সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদে এ্যাটর্নি জেনারেলের পদ, নিয়োগ ও দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে। দায়িত্ব ও কার্যভার: রাষ্ট্রপতির নির্দেশক্রমে তিনি সরকারের পক্ষে দেশের যেকোনো আদালতে আইনি কার্যক্রম পরিচালনা ও মতামত দেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশের প্রথম এ্যাটর্নি জেনারেল এম এইচ খন্দকার। ব্যাখ্যা: ১৯৭২ সালে স্বাধীনতার পর এই সাংবিধানিক পদে প্রথম দায়িত্ব পালন করে তিনি আইনি কাঠamো গড়ে তোলেন। উদাহরণ ২: বর্তমান বা সাম্প্রতিক এ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ প্রক্রিয়া। ব্যাখ্যা: এটি সরাসরি রাষ্ট্রপতির নির্বাহী আদেশে হয় এবং সরকারের পরিবর্তনশীল নীতি বাস্তবায়নে আইনি সহায়তা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইনমন্ত্রী — আইনমন্ত্রী হলেন মন্ত্রিসভার একজন রাজনৈতিক সদস্য ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যিনি আইন মন্ত্রণালয়ের প্রধান রাজনৈতিক প্রধান কিন্তু সাংবিধানিক অর্থে প্রধান আইন কর্মকর্তা নন। B) আইন সচিব — আইন সচিব হলেন আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক প্রধান ও একজন সরকারি কর্মকর্তা, যিনি প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করেন। D) প্রধান বিচারপতি — প্রধান বিচারপতি হলেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রধান এবং বিচার বিভাগের প্রধান, যিনি নির্বাহী বিভাগের আইনি কর্মকর্তা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: আইনমন্ত্রী হলেন রাজনৈতিক প্রধান, আইন সচিব হলেন প্রশাসনিক প্রধান এবং এ্যাটর্নি জেনারেল হলেন সরকারের প্রধান আইনি প্রতিনিধি। সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে পরীক্ষাতীতভাবে সঠিক করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এ্যাটর্নি জেনারেল কত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিযুক্ত হন এবং তাকে কে নিয়োগ দেন, তা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে, তিনি কোন আদালত পর্যন্ত আইনি পেশা বা শুনানিতে অংশ নিতে পারেন।
a হিন্দুধর্ম
b বৌদ্ধধর্ম
c খ্রিষ্টধর্ম
d ইহুদীধর্ম
0 157 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বৌদ্ধধর্ম ১. কেন সঠিক: - নির্বাণ ধারণাটি বৌদ্ধধর্মের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত যা মানুষের জীবনের সকল দুঃখ, যন্ত্রণা ও জন্ম-মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তির চূড়ান্ত অবস্থাকে নির্দেশ করে। - প্রাচীন ভারতীয় দর্শনে এবং গৌতম বুদ্ধের প্রচারিত ধর্মে এই নির্বাণ লাভ বা পরম শান্তি অর্জনকেই মানবজীবনের সর্বোচ্চ লক্ষ্য হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: প্রাচীন বাংলায় গুপ্ত যুগে এবং তার পরবর্তী সময়ে বৌদ্ধধর্মের ব্যাপক প্রসার ঘটেছিল যা বাংলার সংস্কৃতি ও স্থাপত্যে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর এবং কুমিল্লার ময়নামতি অঞ্চলে অবস্থিত প্রাচীন বৌদ্ধ বিহারগুলো বাংলার বৌদ্ধ সভ্যতার ঐতিহাসিক নিদর্শন বহন করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার বা সোমপুর মহাবিহার ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন বাংলার পাল রাজবংশের আমলে নির্মিত হয়েছিল এবং এটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বৌদ্ধ বিহার ও শিক্ষা কেন্দ্র ছিল। উদাহরণ ২: ময়নামতি অঞ্চলের শালবন বিহার ব্যাখ্যা: এটি সপ্তম শতকের গোড়ার দিকে নির্মিত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বসতি যা তৎকালীন বাংলার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের সাক্ষ্য দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিন্দুধর্ম — এই ধর্মে নির্বাণ শব্দটির পরিবর্তে সাধারণত মোক্ষ বা মুক্তি ধারণার ব্যবহার করা হয় যা আত্মা ও পরমাত্মার মিলনের সাথে সম্পর্কিত। B) বৌদ্ধধর্ম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ধর্মদর্শন অনুসারে সাধনার মাধ্যমে লোভ, দ্বেষ ও মোহ ক্ষয় করে নির্বাণ লাভ করা সম্ভব। C) খ্রিষ্টধর্ম — এই ধর্মে নির্বাণ বা মোক্ষর ধারণা নেই, বরং ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভ এবং স্বর্গের চিরস্থায়ী জীবনপ্রাপ্তি হলো মূল বিশ্বাস। D) ইহুদীধর্ম — এই ধর্মে লৌকিক জীবনের কর্ম এবং ঈশ্বরের বিধান পালনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, নির্বাণ এর মূল বিশ্বাসের অংশ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - গৌতম বুদ্ধের প্রবর্তিত বৌদ্ধধর্মের মূল লক্ষ্য হলো নির্বাণ বা মুক্তি লাভ করা। - পরীক্ষায় নির্বাণ শব্দটি দেখলে সরাসরি বৌদ্ধধর্মের কথা মনে রাখবে কারণ এটি এই ধর্মের সঙ্গেই বিশেষভাবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে পাল রাজারা বৌদ্ধধর্মের অনুসারী ছিলেন এবং তাদের আমলেই বঙ্গে বৌদ্ধ সংস্কৃতির স্বর্ণযুগ সূচিত হয়েছিল। - এই প্রশ্নটি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলার প্রাচীন ইতিহাস, ধর্মীয় ঐতিহ্য এবং প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সম্পর্কিত নানা ধরনের এমসিকিউ আসতে পারে।
a প্রধানমন্ত্রী
b অর্থমন্ত্রী
c বাণিজ্যমন্ত্রী
d পরিকল্পনামন্ত্রী
0 145 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রধানমন্ত্রী ১. কেন সঠিক: - একনেক বা জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির প্রধান হলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। - দেশের সার্বিক উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সর্বোচ্চ নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত থাকে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - প্রশাসনিক কাঠামো: একনেক দেশের উন্নয়ন বাজেট বা বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি অনুমোদনকারী সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক ফোরাম। - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা কমিশন একনেকের জন্য সারসংক্ষেপ ও প্রকল্প প্রস্তাব প্রস্তুত করে থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প ব্যাখ্যা: এই মেগা প্রকল্পটি একনেক সভার মাধ্যমেই চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করেছিল। উদাহরণ ২: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ব্যাখ্যা: দেশের অন্যতম বৃহৎ এই প্রকল্পটির প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক অনুমোদন একনেক সভার মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রধানমন্ত্রী — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি একনেকের চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। B) অর্থমন্ত্রী — তিনি একনেকের সদস্য হিসেবে উপস্থিত থাকেন এবং বিকল্প প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন না। সি) বাণিজ্যমন্ত্রী — তিনি একনেকের সদস্য হতে পারেন তবে এর প্রধান বা সভাপতি নন। ডি) পরিকল্পনামন্ত্রী — পরিকল্পনা মন্ত্রী একনেকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ও বিকল্প চেয়ারপারসন, কিন্তু প্রধান নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - দেশের যেকোনো বড় অর্থনৈতিক বা উন্নয়ন প্রকল্পের মূল চাবিকাঠি থাকে প্রধানকক্ষ বা প্রধানমন্ত্রীর হাতে। - একনেক মানেই নির্বাহী প্রধান তথা প্রধানমন্ত্রী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় একনেকের সভা কোথায় অনুষ্ঠিত হয় বা এর প্রধান কে। - একনেকের পূর্ণরূপ বা এর বিকল্প চেয়ারম্যান কে, তা থেকেও প্রশ্ন আসতে পারে।
a ধান
b গম
c পাট
d টমেটো
0 171 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গম ১. কেন সঠিক: - বলাকা বাংলাদেশের একটি উন্নত জাতের গমের নাম যা কৃষিতে উচ্চফলনশীল হিসেবে পরিচিত। - বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বা এর অধীন গম গবেষণা কেন্দ্র দেশের আবহাওয়ার উপযোগী বিভিন্ন গমের জাত উদ্ভাবন করেছে। ২. কৃষি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশে খাদ্য ঘাটতি মেটাতে এবং গম উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য উচ্চফলনশীল জাতের উদ্ভাবন শুরু হয়। - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা কেন্দ্র এই ধরনের উন্নত জাত উদ্ভাবনে সরাসরি কাজ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকবর ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের গমের একটি জনপ্রিয় ও উচ্চফলনশীল জাত। উদাহরণ ২: শতাব্দী ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের আরেকটি বিখ্যাত গমের জাত যা কৃষকদের মধ্যে ব্যাপকভাবে সমাদৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধান — ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশসল হলেও বলাকা ধানের কোনো প্রচলিত জাত নয়। ধানের বিখ্যাত জাতগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরি, ব্রি ধান ইত্যাদি। B) গম — বলাকা গমের একটি সফল ও উন্নত জাত যা দেশের কৃষিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। C) পাট — পাট বাংলাদেশের সোনালী আঁশ হিসেবে পরিচিত এবং এর বিভিন্ন উন্নত জাত রয়েছে যেমন তোষা পাট, তবে বলাকা পাটের জাত নয়। D) টমেটো — টমেটো একটি জনপ্রিয় শীতকালীন সবজি এবং এর বিভিন্ন জাত থাকলেও বলাকা এর নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পাখির নাম বলাকা হলেও এটি বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে একটি সফল গমের জাত। - পরীক্ষার হলে বিভ্রান্ত হওয়ার জন্য পাখির নাম বা অন্য ফসলের সঙ্গে যেন এটি গুলিয়ে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশের প্রধান ফসলের উন্নত জাতগুলোর নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - গম বা ধানের বিখ্যাত জাতগুলো থেকে পরীক্ষাতে নিয়মিত প্রশ্ন হয়ে থাকে।
a ৩টি
b ৪টি
c ৫টি
d ৬টি
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩টি ১. কেন সঠিক: - ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ছয় দফার মধ্যে ৩টি দফা সরাসরি অর্থনীতি ও অর্থব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল। - এই দফাগুলোতে পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণ, বৈদেশিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ এবং নিজস্ব মুদ্রা চালুর সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব ছিল। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম ছয় দফা পেশ করেন। - তারিখ ও স্থান: ১৯৬৬ সালের ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে লাহোর প্রস্তাবের আদলে ছয় দফা দাবি উত্থাপন করা হয় এবং একই বছরের ৮ জুন ঘোষিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: দ্বিতীয় দফা ব্যাখ্যা: এই দফায় কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা কেবল প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক নীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: অর্থনৈতিক দফাগুলো ব্যাখ্যা: তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম দফায় যথাক্রমে মুদ্রা, রাজস্ব ও বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য পৃথক বা নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ অর্থনীতি বিষয়ক দফা ছিল ৩টি (তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম দফা)। B) ৪টি — এই অপশনটি ভুল কারণ ছয় দফায় অর্থনীতি বিষয়ক দফা ৪টি ছিল না। C) ৫টি — এই অপশনটি ভুল কারণ রাজনীতি ও সামরিক বিষয়সহ মোট দফা ছিল ৬টি, যার মধ্যে অর্থনৈতিক দফা ছিল ৩টি। D) ৬টি — এই অপশনটি ভুল কারণ ছয় দফায় মোট দফার সংখ্যা ৬টি হলেও এর মধ্যে সব দফা অর্থনৈতিক ছিল না, কিছু দফা রাজনৈতিক ও সামরিক বিষয়ক ছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - ছয় দফাকে মনে রাখার সহজ উপায় হলো একে দুই ভাগে ভাগ করা। প্রথম ৩টি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক, পরের ৩টি অর্থনৈতিক ও সামরিক। - অর্থনৈতিক দফাগুলো হলো ৩, ৪ ও ৫ নম্বর দফা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই ছয় দফার কোন দফা কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত তা জানতে চাওয়া হয়। - ছয় দফার প্রথম দফা ছিল স্বায়ত্তশাসন, দ্বিতীয় দফা প্রতিরক্ষা এবং তৃতীয় দফা মুদ্রা সম্পর্কিত।
a রাজশাহী-দিনাজপুর
b বরগুনা-পটুয়াখালী
c রাঙামাটি-বান্দরবন
d সিলেট-হবিগঞ্জ
0 128 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাজশাহী-দিনাজপুর ১. কেন সঠিক: - ওরাও জনগোষ্ঠী প্রধানত উত্তরবঙ্গের রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া অঞ্চলে বসবাস করে। - এই অঞ্চলের বরেন্দ্রভূমি তাদের দীর্ঘকাল ধরে বসতি স্থাপনের প্রধান ভৌগোলিক এলাকা হিসেবে পরিচিত। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ওরাওরা দ্রাবিড় ভাষাভাষী জনগোষ্ঠী যারা প্রাচীনকাল থেকেই কৃষি কাজের সঙ্গে যুক্ত। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: তারা নিজেদের কুড়ুখ বলে পরিচয় দেয় এবং তাদের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতির স্বকীয়তা রয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাঁওতাল জনগোষ্ঠী ব্যাখ্যা: ওরাওদের মতো সাঁওতালরাও উত্তরবঙ্গের রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চলে বসবাস করে। উদাহরণ ২: রাজবংশী জনগোষ্ঠী ব্যাখ্যা: উত্তরবঙ্গের জনমিতি ও সংস্কৃতিতে এই জনগোষ্ঠীর বড় ভূমিকা রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজশাহী-দিনাজপুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ ওরাও জনগোষ্ঠী প্রধানত উত্তরবঙ্গের এই অঞ্চলেই বসবাস করে। B) বরগুনা-পটুয়াখালী — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলীয় এলাকা যেখানে মারমা বা রাখাইনরা বাস করে। C) রাঙামাটি-বান্দরবন — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি পার্বত্য চট্টগ্রাম যেখানে চাকমা, মারমা ও তঞ্চঙ্গ্যারা বাস করে। D) সিলেট-হবিগঞ্জ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি উত্তর-পূর্বাঞ্চল যেখানে খাসিয়া ও মণিপুরী জনগোষ্ঠী বাস করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ওরাওদের ও দিয়ে উত্তরবঙ্গের রাজশাহী-দিনাজপুর মনে রাখা সহজ। - উত্তরবঙ্গের প্রধান আদিবাসী বলতে ওরাও ও সাঁওতালদের বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভৌগোলিক অবস্থান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কোন জনগোষ্ঠী কোন অঞ্চলে বাস করে তা ছক আকারে পড়লে মনে রাখা সহজ হয়।
a 2002
b 2006
c 2009
d 2011
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০৯ ১. কেন সঠিক: তথ্য অধিকার আইন নাগরিকদের তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করার জন্য প্রণীত একটি যুগান্তকারী আইন। ২০০৯ সালে এই আইনটি পাস ও কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে সরকারি ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: আইন ও প্রশাসন: তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ সালের ২৯ মার্চ রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ হিসেবে জারি এবং পরবর্তীতে একই বছরের ৫ এপ্রিল জাতীয় সংসদে পাস হয়। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই আইনের অধীনে তথ্য কমিশন গঠিত হয় যা নাগরিকদের তথ্য প্রাপ্তির আবেদন নিষ্পত্তি ও আপিল শুনানির কাজ পরিচালনা করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: তথ্য কমিশন ব্যাখ্যা: তথ্য অধিকার আইনের বলে ২০০৯ সালের জুলাই মাসে স্বাধীন তথ্য কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়, যা প্রধান তথ্য কমিশনার ও অন্য দুই কমিশনার দ্বারা পরিচালিত হয়। উদাহরণ ২: সরকারি দপ্তরে আবেদন ব্যাখ্যা: এই আইনের মাধ্যমে যেকোনো বাংলাদেশি নাগরিক নির্দিষ্ট ফরম ও ফি জমা দিয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানের তথ্য বা নথিপত্রের অনুলিপি পেতে পারেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০২ — এই সালে তথ্য অধিকার আইন বা তথ্য কমিশন গঠনের কোনো আইন প্রণয়ন করা হয়নি। B) ২০০৬ — এই সালটি তথ্য অধিকার আইনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, তবে এটি শ্রম আইন প্রণয়নের জন্য পরিচিত। D) ২০১১ — এই সালটি পঞ্চদশ সংবিধান সংশোধনীর জন্য পরিচিত, তথ্য অধিকার আইন চালুর সাল এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: তথ্য অধিকার আইন চালুর সাল মনে রাখতে দুই হাজার নয় সালটি মাথায় রাখুন। ২০০৯ সাল বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনগত সংস্কারের বছর হিসেবে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে কারণ এটি সুশাসন ও জবাবদিহিতার সঙ্গে জড়িত। একই বিষয় থেকে তথ্য কমিশন কত সালে গঠিত হয় বা প্রথম প্রধান তথ্য কমিশনার কে ছিলেন, সে সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
a তাজউদ্দিন আহমেদ
b সৈয়দ নজরুল ইসলাম
c এম. মনসুর আলী
d এ. এইচ. এম. কামরুজ্জামান
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তাজউদ্দিন আহমেদ ১. কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দিন আহমেদ প্রশাসন পরিচালনা ও যুদ্ধ পরিচালনার পাশাপাশি অর্থনীতি ও পরিকল্পনা বিভাগের সরাসরি দায়িত্ব পালন করেন। - সরকারের সামগ্রিক আয়-ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক সাহায্য সংগ্রহ এবং যুদ্ধকালীন অর্থনীতি সচল রাখার ক্ষেত্রে তিনি এই মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও সংশ্লিষ্ট তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বৈদ্যনাথতলা বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর আমবাগানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করে এবং এই সরকার যুদ্ধ পরিচালনার জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ ভাগ করে নেয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: তাজউদ্দিন আহমেদ ছিলেন এই সরকারের মূল চালিকাশক্তি যিনি অত্যন্ত দূরদর্শিতা ও দক্ষতার সাথে যুদ্ধকালীন অর্থনীতি এবং প্রশাসনিক কাঠামোগুলো পরিচালনা করেছিলেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট বা অর্থনৈতিক রূপরেখা প্রণয়নের প্রাথমিক পরিকল্পনা মুজিবনগর সরকারের এই অর্থনৈতিক বিভাগ থেকেই শুরু হয়েছিল। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বুঝতে পারে যে যুদ্ধ চলাকালেই একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো তৈরির কাজ কতটা সুচারুভাবে শুরু হয়েছিল। উদাহরণ ২: ড. খন্দকার মোশতাক আহমেদের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন এবং তা তাজউদ্দিন আহমেদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হওয়া। ব্যাখ্যা: এটি নির্দেশ করে যে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দিন আহমেদ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমও অত্যন্ত সতর্কতার সাথে পর্যবেক্ষণ করতেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাজউদ্দিন আহমেদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি সরকারের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পাশাপাশি অর্থ, পরিকল্পনা ও সংস্থাপন বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন। B) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি মুজিবনগর সরকারের উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুপস্থিত থাকলে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করতেন। C) এম. মনসুর আলী — তিনি মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, তবে সরাসরি পরিকল্পনা ও সার্বিক অর্থনৈতিক বিভাগের প্রধান ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ। D) এ. এইচ. এম. কামরুজ্জামান — তিনি মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন, অর্থনীতি বা পরিকল্পনা বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদের নামের সাথে 'প' অক্ষরটি যুক্ত করে মনে রাখতে পারো যে তিনি প্রধানমন্ত্রী পদের পাশাপাশি পরিকল্পনা ও পোর্টফোলিও হিসেবে অর্থনীতির দায়িত্বে ছিলেন। - অর্থমন্ত্রী হিসেবে এম. মনসুর আলী থাকলেও সরকারের প্রধান নীতিনির্ধারক ও পরিকল্পনা বিভাগের মূল দায়িত্ব তাজউদ্দিন আহমেদের হাতেই ছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুজিবনগর সরকারের কে কোন দপ্তરે দায়িত্ব পালন করেছিলেন তা বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর নাম মনে রাখা জরুরি। - একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন অথবা প্রথম সরকারের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন।
a জেরেমি চুয়া
b আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ
c রাজীব মহাজন
d আজমেরী হক বাঁধন
0 125 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আব্দুল মোহাম্মদ সাদ ১. কেন সঠিক: - ‘রেহেনা মরিয়ম নূর’ চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন আব্দুল মোহাম্মদ সাদ, যিনি বাংলাদেশের স্বাধীন ধারার চলচ্চিত্রের একজন গুণী নির্মাতা। - এটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম একটি মাইলফলক যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের চলচ্চিত্রের সুনাম বৃদ্ধি করেছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্প তথা সমসাময়িক সমাজের একটি বাস্তবসম্মত ও মনস্তাত্ত্বিক চিত্র তুলে ধরেছে। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: চলচ্চিত্রটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই চলচ্চিত্রটি কান চলচ্চিত্র উৎসবের ‘আ সার্তে রিগার্দ’ বিভাগে অফিসিয়ালি নির্বাচিত হওয়া প্রথম বাংলাদেশি চলচ্চিত্র হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: চলচ্চিত্রটির কান চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহণ। ব্যাখ্যা: এটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র অঙ্গনে বাংলাদেশের নির্মাতাদের কাজের মান ও গ্রহণযোগ্যতা বিশ্ববাসীর সামনে প্রমাণ করেছে। উদাহরণ ২: অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের অভিনয়। ব্যাখ্যা: এই চলচ্চিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের মাধ্যমে বাঁধন দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রশংসিত হন এবং পরীক্ষার্থীদের জন্য এটি নারী ক্ষমতায়ন ও প্রতিভার একটি বড় উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেরেমি চুয়া — তিনি এই চলচ্চিত্রের একজন প্রযোজক ছিলেন, পরিচালক নন। B) আব্দুল মোহাম্মদ সাদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি চলচ্চিত্রটির মূল পরিচালক। C) রাজীব মহাজন — তিনি এই চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত কোনো প্রধান পরিচালক নন। D) আজমেরী হক বাঁধন — তিনি এই চলচ্চিত্রের প্রধান চরিত্রে অভিনয়কারী অভিনেত্রী, পরিচালক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - ‘রেহেনা মরিয়ম নূর’ মানেই পরিচালক সাদ এবং অভিনেত্রী বাঁধন। - কান উৎসবে যাওয়া প্রথম বাংলাদেশি ছবি হিসেবে সাল ও পরিচালকের নাম মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কান চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের কোনো চলচ্চিত্র প্রথম মনোনীত হওয়ার গৌরব অর্জন করে তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। - একই বিষয় থেকে চলচ্চিত্রের নাম, পরিচালক এবং প্রধান অভিনেত্রীর নাম নিয়ে আলাদা প্রশ্ন হতে পারে।
a পুণ্ড্র
b তাম্রলিপ্ত
c গৌড়
d হরিকেল
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পুণ্ড্র ১. কেন সঠিক: - প্রাচীন বাংলার অন্যতম প্রধান ও প্রাচীনতম জনপদ হলো পুণ্ড্র। - মহাভারত ও পৌরাণিক সূত্রে পুণ্ড্র জাতির উল্লেখ পাওয়া যায়, যা বর্তমানের উত্তরবঙ্গ এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: মৌর্য ও গুপ্ত যুগে পুণ্ড্রবর্ধন ছিল প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র। - তারিখ ও স্থান: বর্তমান রাজশাহী, বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল নিয়ে পুণ্ড্র জনপদ গঠিত ছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাস্থানগড় ব্যাখ্যা: পুণ্ড্র জনপদের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা বর্তমান বগুড়ার মহাস্থানগড়, যা বাংলার প্রাচীনতম নগরী হিসেবে পরিচিত। উদাহরণ ২: মৌর্য শাসন ব্যাখ্যা: মহাস্থানগড় থেকে প্রাপ্ত ব্রাহ্মী লিপি থেকে প্রাচীন পুণ্ড্র জনপদে মৌর্য শাসনের প্রশাসনিক উপস্থিতি প্রমাণিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুণ্ড্র — এটি প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ এবং উত্তরবঙ্গ জুড়ে এর বিস্তৃতি ছিল। B) তাম্রলিপ্ত — এটি বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলায় অবস্থিত প্রাচীন বাংলার একটি বিখ্যাত বন্দর ও জনপদ ছিল। C) গৌড় — এটি পরবর্তীকালের একটি স্বাধীন রাজ্য ও জনপদ ছিল যা চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও এর আশেপাশের অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল। D) হরিকেল — এটি প্রাচীন বাংলার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি জনপদ ছিল, যার অন্তর্ভুক্ত ছিল বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ মনে রাখতে পুণ্ড্র নামটি সবার আগে আসে। - উত্তরবঙ্গের বগুড়ার মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী ছিল এটি মনে রাখলে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন বাংলার জনপদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কোন জনপদ বর্তমান কোন অঞ্চলে অবস্থিত তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a 81
b 85
c 87
d 88
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮৭ ১. কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৭ অনুচ্ছেদে বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি বা বাজেট পেশ করার বিধান স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। - এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারের প্রতি অর্থ বছরের আনুমানিক প্রাপ্তি ও ব্যয়ের বিবরণী রাষ্ট্রপতির সুপারিশক্রমে সংসদে পেশ করতে হয়। ২. সংবিধান ও আইন: - সংবিধানের এই অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী অর্থমন্ত্রী প্রতি বছর জাতীয় সংসদে পরবর্তী অর্থবছরের জন্য সরকারের আয় ও ব্যয়ের হিসাব বা বাজেট পেশ করেন। - সরকারের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা এবং দেশের অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে বার্ষিক আর্থিক বিবৃতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাতীয় বাজেট পেশ ব্যাখ্যা: সংবিধানের ৮৭ অনুচ্ছেদের ক্ষমতা বলে বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রী প্রতি বছর জুনের শুরুতে জাতীয় সংসদে আগামী অর্থবছরের জন্য বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি বা বাজেট উপস্থাপন করেন। উদাহরণ ২: সংসদীয় অনুমোদন ব্যাখ্যা: বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে উল্লিখিত ব্যয় প্রস্তাবগুলো সংসদে সাধারণ আলোচনা ও দাবির মাধ্যমে অনুমোদিত হওয়ার পরই সরকার তহবিল খরচ করার আইনি বৈধতা লাভ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮১ — এই অনুচ্ছেদে আর্থিক বিল বা মানি বিল সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে যা বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি থেকে আলাদা। B) ৮৫ — এই অনুচ্ছেদে সরকারি তহবিলে অর্থ জমা এবং তা উত্তোলনের নিয়মকানুন সম্পর্কে বলা হয়েছে। D) ৮৮ — এই অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদের ওপর চার্জকৃত বা দায়যুক্ত ব্যয়সমূহ সম্পর্কে বিবরণ প্রদান করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সংবিধানের আর্থিক বিষয়াদি মনে রাখার জন্য অনুচ্ছেদ ৮১ থেকে ৮৯ পর্যন্ত একসঙ্গে পড়া উচিত। - আশি বা আশির পরের অনুচ্ছেদগুলো সাধারণত সরকারি অর্থ, বাজেট ও কর ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংবিধানের অর্থ সংক্রান্ত অনুচ্ছেদগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাজেট পাস না হলে সরকার সংকটে পড়ে, তাই অনুচ্ছেদ ৮৭ এর গুরুত্ব প্রশ্নকর্তাদের খুব প্রিয়।
a জনসংখ্যা গবেষণা
b নদী গবেষণা
c মিঠাপানি গবেষণা
d বন্দর গবেষণা
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জনসংখ্যা গবেষণা ১. কেন সঠিক: - নিপোর্ট (NIPORT) মূলত জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট হিসেবে পরিচিত। - এটি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, পরিবার পরিকল্পনা এবং প্রজনন স্বাস্থ্য সংক্রান্ত গবেষণার মূল জাতীয় প্রতিষ্ঠান। ২. প্রশাসন ও প্রতিষ্ঠান বিষয়ক তথ্য: - প্রতিষ্ঠান ও কাজ: এটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সরকারি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। - প্রতিষ্ঠা ও ভূমিকা: ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি জনসংখ্যা খাতের নীতিনির্ধারক ও মাঠপর্যায়ের কর্মীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর। ব্যাখ্যা: এটি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেবা দানে কাজ করলেও নিপোর্ট প্রধানত গবেষণা ও প্রশিক্ষণ নিয়ে কাজ করে। উদাহরণ ২: আইসিডিডিআরবি। ব্যাখ্যা: এটি আন্তর্জাতিক মানের স্বাস্থ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান হলেও নিপোর্ট সরাসরি সরকারি জনসংখ্যা নীতি নিয়ে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জনসংখ্যা গবেষণা — নিপোর্টের পূর্ণরূপ হলো ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব পপুলেশন রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং যা জনসংখ্যা নিয়ে কাজ করে। B) নদী গবেষণা — নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত এবং এটি পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ আলাদা প্রতিষ্ঠান। C) মিঠাপানি গবেষণা — বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের একটি কেন্দ্র মিঠাপানি নিয়ে গবেষণা করে যা নিপোর্টের কাজ নয়। D) বন্দর গবেষণা — সমুদ্রবন্দর বা নদীবন্দর সংক্রান্ত গবেষণার জন্য দেশে মেরিটাইম বা বন্দর কর্তৃপক্ষ রয়েছে, নিপোর্ট নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নিপোর্ট শব্দের প্রথম অংশ এনআই (NI) মানে ন্যাশনাল এবং পি (P) মানে পপুলেশন বা জনসংখ্যা। - এভাবে সংক্ষেপ রূপ থেকেই সহজে মনে রাখা যায় এটি জনসংখ্যা গবেষণা প্রতিষ্ঠান। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন গবেষণা ইনস্টিটিউটের পূর্ণরূপ ও কাজ জানতে চাওয়া হয়। - নিপোর্টের সদর দপ্তর কোথায় এবং এটি কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন, তা ভালোভাবে জেনে রাখা আবশ্যক।
a মহাভারত
b রামায়ণ
c গীতা
d বেদ
0 145 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বেদ ১. কেন সঠিক: - বেদ আর্য সভ্যতার সবচেয়ে প্রাচীন ও মৌলিক ধর্মগ্রন্থ যা মূলত স্ত্রোত্র ও প্রার্থনার সংকলন। - বৈদিক যুগে রচিত এই গ্রন্থগুলোই পরবর্তীতে ভারতীয় উপমহাদেশে সনাতন ধর্মের মূল ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - প্রাচীন বাংলার ইতিহাস ও উপমহাদেশের প্রারম্ভিক সভ্যতার আলোচনায় আর্যদের আগমন এবং তাদের সাহিত্য ও ধর্ম সম্পর্কে প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে মধ্য এশিয়া থেকে আর্যরা ভারতীয় উপমহাদেশে প্রবেশ করে এবং বৈদিক সভ্যতা গড়ে তোলে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: উপনিষদ ব্যাখ্যা: বেদভিত্তিক দার্শনিক আলোচনা ও চিন্তাধারার পরবর্তী রূপ হলো উপনিষদ, যা বৈদিক সাহিত্যের অংশ। উদাহরণ ২: রামায়ণ ও মহাভারত ব্যাখ্যা: এগুলো বৈদিক যুগের পরবর্তীকালের ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় মহাকাব্য, যা বেদ থেকে আলাদা যুগের সৃষ্টি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাভারত — এটি একটি প্রাচীন ভারতীয় মহাকাব্য এবং এর রচয়িতা ব্যাসদেব, যা বেদ নয়। B) রামায়ণ — এটি মহর্ষি বাল্মীকি কর্তৃক রচিত রামের জীবন নিয়ে একটি প্রাচীন মহাকাব্য। C) গীতা — এটি মহাগ্রন্থ মহাভারতের ভীষ্ম পর্বের অংশ বিশেষ যেখানে কৃষ্ণ অর্জুনকে উপদেশ দিয়েছেন। D) বেদ — এটি আর্যদের মূল ও সবচেয়ে প্রাচীন ধর্মগ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - আর্য মানে শ্রেষ্ঠ এবং তাদের আদি সাহিত্য হলো বেদ। মনে রাখার জন্য মনে রাখবে আর্যদের আগমন মানেই বেদের সূচনা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বেদ কয়টি ও কী কী এই প্রশ্নটি প্রাচীন ইতিহাস অংশে প্রায়ই পরীক্ষাতে আসে। বেদের সংখ্যা চারটি যথা ঋগবেদ, সামবেদ, যজুর্বেদ ও অথর্ববেদ।
a ঢাকা ও কুমিল্লা
b ময়মনসিংহ ও নেত্রকজোনা
c কুমিল্লা ও নোয়াখালী
d ময়মনসিংহ ও জামালপুর
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কুমিল্লা ও নোয়াখালী ১. কেন সঠিক: প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে সমতট ছিল অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল যা বর্তমানের কুমিল্লা ও নোয়াখালী এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল। ঐতিহাসিক সূত্র ও প্রাচীন লিপি থেকে জানা যায় যে মেঘনা নদীর পূর্ব তীরবর্তী এবং ত্রিপুরার পাহাড়ি অঞ্চলের পাদদেশীয় নিচু ভূভাগ নিয়ে এই জনপদ গড়ে উঠেছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: প্রাচীন বাংলায় কোনো একক ও অখণ্ড রাজ্য ছিল না, বরং দেশ ছোট ছোট অঞ্চলে বিভক্ত ছিল যেগুলোকে জনপদ বলা হতো। সংশ্লিষ্ট তথ্য: চীনা পরিব্রাজক হুয়েন সাং সপ্তম শতাব্দীতে সমতট অঞ্চল ভ্রমণ করেছিলেন এবং তাঁর বিবরণীতে এই জনপদের সমৃদ্ধ বৌদ্ধ সংস্কৃতির উল্লেখ রয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ময়মনসিংহ অঞ্চল ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন বাংলার আরেকটি বিখ্যাত জনপদ পুণ্ড্র বা ভাওয়ালের কাছাকাছি এলাকার অংশ ছিল, যা সমতট নয়। উদাহরণ ২: বরেন্দ্র অঞ্চল ব্যাখ্যা: এটি উত্তরবঙ্গের রাজশাহী ও বগুড়া এলাকা নিয়ে গঠিত প্রাচীন জনপদ, যা সমতটের ভৌগোলিক সীমার বাইরে অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা ও কুমিল্লা — ঢাকা অঞ্চল প্রাচীন সমতটের অন্তর্ভুক্ত ছিল না বরং এটি বঙ্গ জনপদের একটি অংশ হিসেবে পরিচিত ছিল। B) ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা — এই অঞ্চলগুলো প্রাচীন বাংলার পুণ্ড্র বা প্রাগজ্যোতিষ্পুরের প্রভাবে গঠিত জনপদের অংশ ছিল। C) কুমিল্লা ও নোয়াখালী — এটি প্রাচীন সমতট জনপদের সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান নির্দেশ করে। D) ময়মনসিংহ ও জামালপুর — এই উত্তরাঞ্চলীয় এলাকাগুলো প্রাচীনকালে সমতটের পরিবর্তে অন্যান্য জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: সমতট মানে সমান তট বা নদীমাতৃক নিচু ভূমি। কুমিল্লা ও নোয়াখালী এলাকার প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার যেমন ময়নামতি এই সমতট জনপদেরই ঐতিহাসিক নিদর্শন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সমতট জনপদের প্রধান কেন্দ্র ছিল বর্তমান কুমিল্লার ময়নামতি ও লালমাই পাহাড় এলাকা।
a ২ টাকা
b ১০ টাকা
c ৫০ টাকা
d ১০০ টাকা
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ টাকা ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের মুদ্রা ব্যবস্থায় ১ টাকা, ২ টাকা এবং ৫ টাকার নোট ও কয়েনকে সরকারি নোট বলা হয়, যা অর্থ মন্ত্রণালয় বা সরকার জারি করে। এগুলো ব্যাংক নোট নয় বরং সরকারি নোট, কারণ এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে না, বরং অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে। ২. মুদ্রা ও ব্যাংক নোট সম্পর্কিত তথ্য: বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার ১৯৭২ অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের একমাত্র ব্যাংক নোট ও মুদ্রা প্রচলনের একক কর্তৃপক্ষ। ১০ টাকা থেকে শুরু করে উপরের সব নোট ব্যাংক নোট এবং এগুলোতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ৫ টাকা মূল্যমানের নোট। ব্যাখ্যা: ৫ টাকার নোটেও অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে এবং এটিও একটি সরকারি নোট, কোনো ব্যাংক নোট নয়। উদাহরণ ২: ১০০০ টাকা মূল্যমানের নোট। ব্যাখ্যা: এটি দেশের সর্বোচ্চ মানের ব্যাংক নোট এবং এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ টাকা — এটি সরকারি নোট এবং এতে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে, তাই এটি ব্যাংক নোট নয়। B) ১০ টাকা — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত একটি ব্যাংক নোট এবং এতে গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে। C) ৫০ টাকা — এটিও বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রচলিত ব্যাংক নোট যা বাজারে লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হয়। D) ১০০ টাকা — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক জারিকৃত একটি বৈধ ব্যাংক নোট এবং এতে গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: ছোট নোট যেমন এক, দুই ও পাঁচ টাকার নোটে সচিব স্বাক্ষর করেন তাই এগুলো সরকারি নোট। বড় নোট যেমন দশ থেকে শুরু করে হাজার টাকার নোটে গভর্নর স্বাক্ষর করেন তাই এগুলো ব্যাংক নোট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশ ব্যাংকের লোগো এবং গভর্নর ও অর্থ সচিবের স্বাক্ষর সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষায় আসে। কোন নোটটি সরকারি আর কোনটি ব্যাংক নোট, এই পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a 1995
b 1996
c 1997
d 1998
0 134 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৯৮ ১. কেন সঠিক: - ১৯৯৮ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে বয়স্কদের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদানের এই যুগান্তকারী কর্মসূচিটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করে। - রাষ্ট্রীয় দায়িত্ববোধ থেকে এবং দেশের প্রবীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তৎকালীন সরকার এই ভাতা প্রবর্তন করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো গ্রামীণ দরিদ্র, অসহায় ও বয়স্ক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে এবং তাদের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আনতে এই বিশেষ ভাতা কার্যক্রম শুরু হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর সারাদেশে মাঠপর্যায়ে জরিপ ও বাছাইয়ের মাধ্যমে এই ভাতা প্রকৃত مستحق বা উপযুক্ত বয়স্ক ব্যক্তিদের মাঝে সফলভাবে বিতরণ করে থাকে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রবীণ নাগরিকরা সামাজিক ও পারিবারিক মর্যাদার পাশাপাশি ন্যূনতম চিকিৎসা ও খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে সরাসরি সরকারি সহায়তা লাভ করতে শুরু করে। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে এই সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির জন্য প্রথম আর্থিক বরাদ্দ ঘোষণা করা হয় এবং পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালে এর কার্যক্রম মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা নারী ভাতা ব্যাখ্যা: বয়স্কভাতার পাশাপাশি সরকার সমাজের আরেকটি vulnerable বা ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিতে ১৯৯৮ সালেই বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা নারী ভাতা কর্মসূচি চালু করে। উদাহরণ ২: অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা ব্যাখ্যা: সমাজের পিছিয়ে থাকা ও বিশেষ চাহিদাসসম্পন্ন জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করার জন্য পরবর্তীতে সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশব্যাপী প্রতিবন্ধী ভাতা কর্মসূচি চালু করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1995 — এই সালে বয়স্কভাতা চালু করা হয়নি, কারণ এটি তখন সামাজিক নিরাপত্তা বাজেটের নীতিগত ভাবনার প্রাথমিক পর্যায়ে ছিল। B) 1996 — এই বছর বর্তমান রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় এসে বয়স্কভাতা প্রবর্তনের রূপরেখা ও পরিকল্পনা তৈরি করলেও তা চালু হয় ১৯৯৮ সালে। C) 1997 — এই অর্থবছরে প্রথম বাজেটে বয়স্কভাতার জন্য আর্থিক বরাদ্দ রাখা হলেও এই কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় ১৯৯৮ সালে। D) 1998 — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই প্রথম বয়স্কদের হাতে ভাতার অর্থ আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া শুরু হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার সহজ কৌশল হলো আওয়ামী লীগ সরকারের প্রথম মেয়াদকাল ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত ছিল, যার ঠিক মধ্যবর্তী বছর অর্থাৎ ১৯৯৮ সালে বয়স্কভাতা চালু হয়। - ১৯৯৮ সালটি দেশের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ইতিহাসে প্রবীণ কল্যাণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি স্মরণীয় বছর হিসেবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সূচনা সাল হিসেবে প্রায়ই ১৯৯৮ সালটি জানতে চাওয়া হয়। - একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে, বয়স্কভাতা কর্মসূচিটি কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাস্তবায়িত হয়, যার সঠিক উত্তর সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়।
a ৬ নম্বর
b ৭ নম্বর
c ৮ নম্বর
d ৯ নম্বর
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ নম্বর ১. কেন সঠিক: - ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ৮ নম্বর সেক্টরের অধীনে সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং বীরত্ব প্রদর্শন করেন। - এই সেক্টরের অধীনে কুষ্টিয়া, যশোর, ঝিনাইদহ, খুলনা এবং সাতক্ষীরা অঞ্চলের কিছু অংশ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং ৮ নম্বর সেক্টরের প্রথম কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস বা ইপিআরের সদস্য ছিলেন এবং তিনি ৮ নম্বর সেক্টরের গোয়ালহাটি সাব-সেক্টরে যুদ্ধ করেন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: দেশমাতৃকার টানে জীবন উৎসর্গকারী বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ ১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার গোয়ালহাটি গ্রামে শহীদ হন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ব্যাখ্যা: তিনি ৭ নম্বর সেক্টরের অধীনে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে শহীদ হন এবং তাকে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে বিশেষ অবদানের জন্য স্মরণ করা হয়। উদাহরণ ২: বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ব্যাখ্যা: তিনি বিমান বাহিনীর সদস্য হলেও মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি কোনো সেক্টরের স্থলযুদ্ধে অংশ নিতে পারেননি, তবে তার বিমান ছিনতাইয়ের প্রচেষ্টা দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে অনন্য দৃষ্টান্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ নম্বর — এই সেক্টরের অধীনে রংপুর এবং দিনাজপুর জেলা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছিল এবং এই সেক্টরের আওতায় নূর মোহাম্মদ শেখ যুদ্ধ করেননি। B) ৭ নম্বর — এই সেক্টরটি রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং নাটোর জেলা নিয়ে গঠিত ছিল এবং এখানে অন্য বীরশ্রেষ্ঠরা দায়িত্ব পালন করেছিলেন। D) ৯ নম্বর — এই সেক্টরটি সুন্দরবন, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী এবং ঝালকাঠি নিয়ে গঠিত ছিল, যেখানে ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ যুদ্ধ করেননি। ৫. মনে রাখার টিপস: - নূর মোহাম্মদ শেখের নামের সাথে আট সংখ্যাটি মনে রাখার জন্য তার সেক্টর নম্বর ৮-এর সাথে গোয়ালহাটি যুদ্ধের স্থানটি মিলিয়ে নিতে পারো। - বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে কে কোন সেক্টরে ছিলেন, তা মনে রাখতে সেক্টরভিত্তিক বীরদের নামের তালিকা আলাদা করে ছক আকারে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বীরশ্রেষ্ঠদের সেক্টর এবং সাব-সেক্টর সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - একই বিষয় থেকে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের জন্মস্থান, শহীদ হওয়ার তারিখ এবং তার পদবী সংক্রান্ত প্রশ্নও আসতে পারে।
a আনিসুর রহমান
b রেহমান সোবহান
c নুরুল ইসলাম
d রওনক জাহান
0 125 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রেহমান সোবহান ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি রেহমান সোবহান রচিত একটি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ এবং বাংলাদেশের অর্থনীতি ও মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসের অন্যতম প্রামাণ্য দলিল। - এই বইটিতে বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহানের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বছরগুলো এবং বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের পটভূমি বিস্তারিতভাবে উঠে এসেছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: রেহমান সোবহান বাংলাদেশের প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ এবং সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ বা সিপিডি এর প্রতিষ্ঠাতা। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ষাটের দশকে পাকিস্তানের বৈষম্যমূলক অর্থনীতির বিরুদ্ধে বাঙালির পক্ষে যে কটি মেধাবী মন কাজ করেছিল রেহমান সোবহান তাদের অন্যতম। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রেহমান সোবহান রচিত বাংলাদেশ ফ্রম এ সেমি কলোনি টু এন ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্টেট। ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ইতিহাস এবং পাকিস্তানের ভেতরের বৈষম্য বোঝার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ। উদাহরণ ২: ডক্টর নুরুল ইসলাম রচিত মেকিং অব এ নেশন বাংলাদেশ। ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রথম পরিকল্পনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যানের লেখা আরেকটি ঐতিহাসিক আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনিসুর রহমান — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি অর্থনীতিবিদ ও গবেষক হলেও আলোচ্য গ্রন্থটি তাঁর রচিত নয়। B) রেহমান সোবহান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি স্বয়ং Untranquil Recollections দ্য ইয়ার্স অব ফুলফিলমেন্ট গ্রন্থটির লেখক। C) নুরুল ইসলাম — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি মেকিং অব এ নেশন বাংলাদেশ গ্রন্থটি রচনা করেছেন। D) রওনক জাহান — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি মূলত নারী আন্দোলন এবং রাজনৈতিক বিষয়ে পাকিস্তান ফেইলড ইন পাকিস্তান কুয়েস্ট স্টেট বিল্ডিং গ্রন্থটি লিখেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: রেহমান সোবহানের নামের সঙ্গে সোবহান শব্দটি মনে রাখলে তার রচিত Untranquil Recollections বইটি সহজে মনে রাখা যায়। অর্থনীতিবিদদের আত্মজীবনীমূলক বইগুলো প্রায়ই ব্যাংক নিয়োগ ও বিসিএস পরীক্ষায় আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের অর্থনীতি ও স্বাধীনতার ইতিহাস সম্পর্কিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ যেমন রেহমান সোবহান এবং নুরুল ইসলামের বইগুলোর নাম পরীক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে রেহমান সোবহান কোন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা কিংবা তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় কোন অর্থনৈতিক তত্ত্বের পক্ষে ছিলেন।
a 1977
b 2008
c 2015
d 2019
0 132 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 2015 ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশে এ পর্যন্ত যতগুলো কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে, তার মধ্যে ২০১৫ সালে কোনো কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো নির্ধারিত সময় পরপর কৃষিশুমারি পরিচালনা করে থাকে, কিন্তু ২০১৫ সালটি সেই শুমারি বছরগুলোর অন্তর্ভুক্ত নয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: কৃষি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: কৃষিশুমারি হলো দেশের কৃষিখাতের সার্বিক চিত্র তুলে ধরার একটি প্রাতিষ্ঠানিক পরিসংখ্যানগত প্রক্রিয়া। পরিসংখ্যান ও শুমারি: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএস দেশের কৃষি ও জনশুমারির মূল দায়িত্ব পালনকারী একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭৭ সালের কৃষিশুমারি ব্যাখ্যা: স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালে প্রথম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়, যা যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশের কৃষি কাঠামো বুঝতে সাহায্য করেছিল। উদাহরণ ২: ২০১৯ সালের কৃষিশুমারি ব্যাখ্যা: এটি ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের ষষ্ঠ কৃষিশুমারি, যা ডিজিটাল পদ্ধতিতে কৃষিজমির ব্যবহার ও ফসলের তথ্য সংগ্রহ করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1977 - এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ ১৯৭৭ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম কৃষিশুমারি সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। B) 2008 - এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ ২০০৮ সালে বাংলাদেশের চতুর্থ কৃষিশুমারি পরিচালিত হয়েছিল। C) 2015 - এই অপশনটি সঠিক কারণ এই বছর বাংলাদেশে কোনো কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি। D) 2019 - এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ ২০১৯ সালে দেশের ষষ্ঠ কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পর কৃষিশুমারিগুলো সাধারণত ১৯৭৭, ১৯৮৩, ১৯৯৬, ২০০৮ এবং ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাঝের বেজোড় সালগুলোতে সাধারণত কৃষিশুমারি না হয়ে জনশুমারি বা অর্থনৈতিক শুমারি হয়ে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কৃশিসুমারি কোন প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে এবং প্রথম কৃষিশুমারি কত সালে হয়, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে পরবর্তীতে শুমারির ক্রমিক নম্বর বা সর্বশেষ শুমারির সাল নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
a প্রধান নির্বাচন কমিশনার
b চেয়ারম্যান, পাবলিক সার্ভিস কমিশন
c চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন
d কনট্রোলার ও অডিটর জেনারেল
0 177 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ভুল। প্রশ্নকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত সঠিক উত্তর ছিল বি, কিন্তু বাস্তবে সঠিক উত্তর সি। বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন বা পিএসসি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, তাই এর চেয়ারম্যান একটি সাংবিধানিক পদ। পক্ষান্তরে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন একটি আইন দ্বারা গঠিত স্বাধীন কমিশন, তাই এর চেয়ারম্যান সাংবিধানিক পদ নন। - বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান রয়েছে। অন্যদিকে, ২০০৯ সালের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন অনুযায়ী মানবাধিকার কমিশন গঠিত হয়। ২. সংবিধান ও আইন: - সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ: বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদের ক্ষমতাববলে পিএসসি গঠিত হয়। - সংবিধানির্ভর পদ: যে পদসমূহ সরাসরি সংবিধানের বিধান অনুযায়ী সৃষ্টি হয় এবং যাদের অপসারণ বা নিয়োগের প্রক্রিয়া সংবিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, সেগুলো সাংবিধানিক পদ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রধান নির্বাচন কমিশনার ব্যাখ্যা: সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়, তাই প্রধান নির্বাচন কমিশনার একটি সাংবিধানিক পদ। উদাহরণ ২: কনট্রোলার ও অডিটর জেনারেল ব্যাখ্যা: সংবিধানের ১২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সিএজি পদটি সৃষ্টি হয়েছে, যা দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক হিসাব পরীক্ষক পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রধান নির্বাচন কমিশনার — এটি সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত নির্বাচন কমিশনের প্রধান পদ হওয়ায় এটি একটি সাংবিধানিক পদ। B) চেয়ারম্যান, পাবলিক সার্ভিস কমিশন — এটি সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত সরকারি কর্ম কমিশনের প্রধান পদ হওয়ায় এটি একটি সাংবিধানিক পদ। C) চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন — এটি ২০০৯ সালের সাধারণ আইনের মাধ্যমে গঠিত একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, তাই এর চেয়ারম্যান সাংবিধানিক পদ নন। D) কনট্রোলার ও অডিটর জেনারেল — এটি সংবিধানের ১২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সৃষ্টি হওয়া বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদ। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে সকল পদের সুনির্দিষ্ট অনুচ্ছেদ সংবিধানের ভেতর সরাসরি উল্লেখ থাকে, সেগুলোকে সাংবিধানিক পদ বলে। - পিএসসি, নির্বাচন কমিশন, সিএজি এবং অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবিধানিক পদ হলেও দুর্নীতি দমন কমিশন বা মানবাধিকার কমিশন সাধারণ আইনে গঠিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের পার্থক্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্তFrequently আসে। - পিএসসি এবং নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক অনুচ্ছেদ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a তুলা
b তামাক
c পেয়ারা
d তরমুজ
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তামাক ১. কেন সঠিক: - ম্যানিলা হলো বাংলাদেশে চাষ করা তামাকের একটি অত্যন্ত উন্নত ও জনপ্রিয় জাত। - কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন ফসলের উচ্চ ফলনশীল ও মানসম্মত জাতের নামকরণের ক্ষেত্রে উৎপত্তিস্থল বা বিশেষ বৈচিত্র্য বিবেচনা করা হয়। ২. কৃষি, শিল্প ও অর্থনীতি: - কৃষি গবেষণা: বাংলাদেশের আবহাওয়া ও মাটিতে চাষ উপযোগী বিভিন্ন বিদেশি ফসলের জাত অভিযোজন করিয়ে উন্নত করা হয়। - অর্থনৈতিক গুরুত্ব: তামাক একটি অর্থকরী ফসল হওয়া সত্ত্বেও এর চাষাবাদ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রত্না ও ধান্দি ব্যাখ্যা: এগুলো বাংলাদেশের কৃষিতে পরিচিত ধানের উচ্চ ফলনশীল জাত, যা খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ভূমিকা রাখে। উদাহরণ ২: বারি পেয়ারা ১ ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত ফলের উন্নত জাত, যা ফল উৎপাদনে দেশের স্বাবলম্বিতা নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুলা — তুলা ফসলের ক্ষেত্রে সিবিএস বা ডેલાফিনের মতো উন্নত জাত ব্যবহৃত হয়, ম্যানিলা তুলা নয়। C) পেয়ারা — পেয়ারার জনপ্রিয় জাতগুলোর মধ্যে কাজলা ও থাই পেয়ারা উল্লেখযোগ্য, ম্যানিলা পেয়ারার জাত নয়। D) তরমুজ — তরমুজের উন্নত জাতগুলোর মধ্যে ড্রাগনকিং বা অ্যাস্কো বেশ পরিচিত, ম্যানিলা তরমুজের নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ম্যানিলা নাম শুনলেই ফিলিপাইনের রাজধানী হিসেবে মনে পড়ে, আর কৃষিতে এটি তামাকের একটি উন্নত জাত হিসেবে পরীক্ষাগারে বা মাঠে ব্যবহৃত হয়। - ফসলের জাত মনে রাখতে উৎপত্তিস্থল বা নামের সঙ্গে মিল রেখে তালিকা তৈরি করে পড়লে সহজে মুখস্থ থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নির্দিষ্ট ফসলের উন্নত জাতের নাম জানতে চাওয়া হয়। - কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি থেকে এমন প্রশ্ন ব্যাংক ও বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে।
a শ্রম বাজার
b চাকুরি বাজার
c স্টক মার্কেট
d কৃষি বাজার
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্টক মার্কেট ১. কেন সঠিক: - সেকেন্ডারি মার্কেট হলো এমন একটি আর্থিক বাজার যেখানে পূর্বে ইস্যু করা শেয়ার, বন্ড ও অন্যান্য সিকিউরিটিজ বাও বা কেনাবেচা করা হয়। প্রাথমিক বাজার থেকে কোম্পানি শেয়ার বিক্রির পর সেই শেয়ারগুলো সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হাতবদল হয় এই সেকেন্ডারি মার্কেটের মাধ্যমে। - বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ হলো এই সেকেন্ডারি মার্কেটের প্রধান দুটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়। ২. অর্থনীতি ও বাজার ব্যবস্থার প্রেক্ষাপট: - আর্থিক প্রতিষ্ঠান: পুঁজিবাজার বা স্টক মার্কেট দেশের দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়নের মূল উৎস হিসেবে কাজ করে। - নিয়ন্ত্রক সংস্থা: বাংলাদেশের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি করে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রধান পুঁজিবাজার এবং এর কার্যক্রম মূলত সেকেন্ডারি মার্কেটের মাধ্যমেই পরিচালিত হয়। উদাহরণ ২: শেয়ার কেনাবেচা ব্যাখ্যা: সাধারণ নাগরিক বা বিনিয়োগকারী যখন ব্রোকার হাউজের মাধ্যমে ইতিমধ্যে তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানির শেয়ার কেনে বা বিক্রি করে, সেটি সেকেন্ডারি মার্কেটের লেনদেন হিসেবে গণ্য হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রম বাজার — শ্রম বাজার বলতে দেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী এবং কর্মসংস্থানের সুযোগের চাহিদাকে বোঝায়, যার সাথে শেয়ার বা সিকিউরিটিজের কোনো সম্পর্ক নেই। B) চাকুরি বাজার — চাকুরি বাজার হলো কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র যেখানে চাকরিপ্রার্থীরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজের সুযোগ সন্ধান করেন। D) কৃষি বাজার — কৃষি বাজার হলো কৃষিপণ্য উৎপাদন, বিপণন এবং কেনাবেচার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক খাত। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাইমারি মার্কেট মানে প্রথমবার শেয়ার ইস্যু করা এবং সেকেন্ডারি মার্কেট মানে সেই শেয়ারের পরবর্তী কেনাবেচা বা হাতবদল হওয়া। স্টক মার্কেট শব্দটির সঙ্গে সেকেন্ডারি মার্কেট শব্দটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা ব্যাংক পরীক্ষায় পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, যার সঠিক উত্তর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। সেকেন্ডারি মার্কেট ও প্রাইমারি মার্কেটের পার্থক্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে পুঁজিবাজার সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব।
a ভারত-নেপাল
b ভারত-পাকিস্তান
c ভারত –চীন
d ভারত-ভুটান
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভারত –চীন ১. কেন সঠিক: - নাথু লা পাস ভারত ও চীনের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী একটি ঐতিহাসিক ও কৌশলগত পাহাড়ি পথ। - এটি প্রাচীন রেশম পথের একটি শাখা এবং এটি ১৯০৬ সালে ব্রিটিশ ভারত ও তিব্বতের মধ্যে বাণিজ্য পথ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ২. ভূরাজনীতি ও বাণিজ্য পটভূমি: - দেশ: ভারত ও চীন, এশিয়ার দুটি প্রধান প্রতিবেশী ও উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তি। - অবস্থান: ভারতের সিকিম রাজ্য ও চীনের তিব্বত অঞ্চলের মধ্যবর্তী হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত। - প্রেক্ষাপট: ১৯৬২ সালের ভারত-চীন যুদ্ধের সময় এই পাসটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল এবং দীর্ঘ ৪৪ বছর পর ২০০৬ সালে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের জন্য এটি পুনরায় খুলে দেওয়া হয়। - গুরুত্ব: কৈলাস ও মানসসরোবর তীর্থযাত্রীদের জন্য এবং ভারত-চীন সীমান্ত বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এই পাসটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: লিপুলেখ পাস ব্যাখ্যা: এটি ভারত, চীন ও নেপালের সীমান্তবর্তী একটি পাস, যা তীর্থযাত্রা ও বাণিজ্যের জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: জোজিয়া পাস ব্যাখ্যা: এটি ভারতের কাশ্মীরে অবস্থিত এবং শ্রীনগরকে লেহ শহরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত-নেপাল — এই অপশনটি ভুল কারণ ভারত ও নেপালের মধ্যে লিপুলেখ, নাথুলা নয়, এবং এই দেশগুলোর মধ্যে প্রধান পাসগুলো অন্য অঞ্চলে অবস্থিত। B) ভারত-পাকিস্তান — এই অপশনটি ভুল কারণ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংযোগকারী বিখ্যাত পাসগুলোর মধ্যে রয়েছে বানিহাল পাস এবং খাইবার পাস পাকিস্তানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। D) ভারত-ভুটান — এই অপশনটি ভুল কারণ ভারত ও ভুটানের মধ্যে সংযোগ রক্ষাকারী পাস হলো নাথু লা নয়, বরং অন্যান্য পাহাড়ি পথ যেমন জেলেপ লা। ৫ মনে রাখার টিপস: - নাথু লা পাস সিকিমে অবস্থিত যা চীনকে যুক্ত করেছে। - সিকিম রাজ্যটি চীনের তিব্বতের সীমানা ঘেঁষা বলে নাথু লা ভারত ও চীনকে সংযুক্ত করেছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় সীমান্ত পাস বা ভূকৌশলগত স্থান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে নাথু লা পাস কোন ভারতীয় রাজ্যে অবস্থিত, যার উত্তর হবে সিকিম।
a তুর্কমেন
b উইঘুর
c তাজিক
d কাজাখ
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উইঘুর ১. কেন সঠিক: - উইঘুর হলো চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জিনজিয়াং প্রদেশের প্রধান মুসলিম জনগোষ্ঠী। - এরা মূলত তুর্কি ভাষাভাষী এবং সুন্নি ইসলাম ধর্মের অনুসারী। ২. ভূরাজনীতি ও মানব অধিকার: - অঞ্চল: জিনজিয়াং হলো চীনের বৃহত্তম স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল। - ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব: মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় অঞ্চলটি চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিব্বত ব্যাখ্যা: এটি চীনের আরেকটি স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল যেখানে ভিন্ন জাতিগোষ্ঠী ও সংস্কৃতির মানুষ বসবাস করে। উদাহরণ ২: চেচনিয়া ব্যাখ্যা: এটি রাশিয়ার একটি মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চল যা জিনজিয়াংয়ের মতো ভূরাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুর্কমেন — এরা মূলত তুর্কমেনিস্তানের প্রধান জাতিগোষ্ঠী এবং মধ্য এশিয়ার অন্যান্য দেশেও বসবাস করে। B) উইঘুর — সঠিক উত্তর। C) তাজিক — এরা প্রধানত তাজিকিস্তানের নাগরিক এবং জিনজিয়াংয়ের পাহাড়ি অঞ্চলেও ক্ষুদ্র সংখ্যায় বাস করে। D) কাজাখ — এরা মূলত কাজাখস্তানের প্রধান জাতিগোষ্ঠী এবং চীনের জিনজিয়াংয়েও উল্লেখযোগ্য কাজাখ সংখ্যালঘু সম্প্রদায় রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - জিনজিয়াং প্রদেশের প্রথম অক্ষর জ এবং উইঘুরের প্রথম অক্ষর ও মিলিয়ে মনে রাখা যায়। - চীন শব্দের সাথে উইঘুর মুসলিম জনগোষ্ঠীর নাম পরীক্ষার জন্য খুব জনপ্রিয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চীনের সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায় সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - জিনজিয়াং অঞ্চলের প্রাচীন নাম ছিল পূর্ব তুর্কিস্তান।
a 11
b 15
c 17
d 21
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭ ১. কেন সঠিক: জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়নের জন্য মোট ১৭টি লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, যা এসডিজি নামে পরিচিত। ২০১৫ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা নিবারণ, দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং পরিবেশ সুরক্ষার জন্য এগুলো গ্রহণ করা হয়। ২. জাতিসংঘ সম্পর্কিত তথ্য: সংস্থা: জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপি এই লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নে প্রধান ভূমিকা পালন করে। প্রতিষ্ঠা: ২০১৫ সালের ২৫ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ঐতিহাসিক শীর্ষ সম্মেলনে এই এজেন্ডা গৃহীত হয়। প্রেক্ষাপট: সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এই দীর্ঘমেয়াদী ও সার্বিক উন্নয়নের পরিকল্পনা করা হয়। উদ্দেশ্য: ২০৩০ সালের মধ্যে সামাজিক সমতা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং পরিবেশগত ভারসাম্য নিশ্চিত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারিদ্র্য বিমোচন ব্যাখ্যা: ১৭টি লক্ষ্যের মধ্যে প্রথম লক্ষ্যটি হলো সব ধরনের চরম দারিদ্র্য দূর করা। উদাহরণ ২: জলবায়ু রক্ষা ব্যাখ্যা: ত্রয়োদশ লক্ষ্যটি জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবেলায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১ — এটি সঠিক নয় কারণ টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য ১১টি নয়, বরং ১৭টি নির্ধারিত হয়েছে। B) ১৫ — এটি ভুল সংখ্যা কারণ ১৫টি লক্ষ্য নির্ধারিত হয়নি, যা মূল এজেন্ডার সঙ্গে মেলে না। C) ১৭ — এটি সঠিক উত্তর যা এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার মোট সংখ্যা নির্দেশ করে। D) ২১ — এটি ভুল কারণ ২১টি কোনো স্বীকৃত আন্তর্জাতিক টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের সংখ্যা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বা এসডিজির মোট সংখ্যা ১৭, যা মনে রাখতে ২০৩০ সালের আগের শেষ দশক এবং তার আগের বছরগুলোকে মিলিয়ে দেখতে পারো। সহস্রাব্দ লক্ষ্য ছিল ৮টি আর এসডিজিতে তার দ্বিগুণ বা ১৭টি লক্ষ্য এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় এসডিজির মেয়াদকাল এবং এর প্রধান লক্ষ্যগুলো থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। লক্ষ্যগুলোর ইংরেজি রূপ এসডিজি এবং এর ইংরেজি পূর্ণরূপ হলো সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলস।
a উত্তর আমেরিকায়
b দক্ষিণ আমেরিকায়
c মধ্য আফ্রিকায়
d মধ্য আমেরিকায়
0 128 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মধ্য আমেরিকায় ১. কেন সঠিক: - মায়া সভ্যতা একটি প্রাচীন ও উন্নত প্রাক-কলম্বিয়ান সভ্যতা, যা মূলত মধ্য আমেরিকার ক্রান্তীয় অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল। - বর্তমান মেক্সিকোর দক্ষিণাংশ, বেলিজ, গুয়াতেমালা, হন্ডুরাস ও এল সালভাদর নিয়ে গঠিত ভৌগোলিক অঞ্চলটি মধ্য আমেরিকা হিসেবে পরিচিত। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - অঞ্চল: মেসোআমেরিকা বা মধ্য আমেরিকা অঞ্চলটি মায়া সভ্যতার মূল কেন্দ্র ছিল, যেখানে তাদের বিখ্যাত পিরামিড ও নগররাষ্ট্র গড়ে ওঠে। - সময়কাল: এই সভ্যতা খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ২০০০ অব্দ থেকে শুরু হয়ে ষোড়শ শতাব্দীতে স্পেনীয়দের আগমনের আগ পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আজটেক সভ্যতা ব্যাখ্যা: এটিও মধ্য আমেরিকার মেক্সিকো অঞ্চলে গড়ে ওঠা আরেকটি প্রাচীন ও শক্তিশালী সভ্যতা ছিল, যা মায়া সভ্যতার সমসাময়িক বা পরবর্তী সময়ে বিকাশ লাভ করেছিল। উদাহরণ ২: ইনকা সভ্যতা ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বতমালা অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল, যা প্রায়শই মায়া বা আজটেক সভ্যতার সঙ্গে পরীক্ষার প্রশ্নে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উত্তর আমেরিকায় — উত্তর আমেরিকার মূল ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা অবস্থিত, যেখানে মায়া সভ্যতার মূল কেন্দ্র গড়ে ওঠেনি। B) দক্ষিণ আমেরিকায় — দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে ইনকা সভ্যতা গড়ে উঠেছিল, মায়া সভ্যতা নয়। C) মধ্য আফ্রিকায় — মধ্য আফ্রিকা সাহারা মরুভূমির দক্ষিণে অবস্থিত একটি ভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চল, যার সঙ্গে মায়া সভ্যতার কোনো সম্পর্ক নেই। D) মধ্য আমেরিকায় — এই অঞ্চলটি মায়া সভ্যতার মূল জন্মস্থান এবং এখানেই তাদের নগর ও লিপি বিকশিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - মায়া সভ্যতা মানেই মধ্য আমেরিকা বা মেসোআমেরিকা অঞ্চল। - দক্ষিণ আমেরিকার সঙ্গে ইনকা সভ্যতা এবং মধ্য আমেরিকার সঙ্গে মায়া সভ্যতা মিলিয়ে ফেলার প্রবণতা এড়াতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মায়া সভ্যতা তাদের উন্নত জ্যোতির্ববিদ্যা, গণিত এবং হায়ারোগ্লিফিক লিপির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। - এই টপিক থেকে প্রাচীন সভ্যতার ভৌগোলিক অবস্থান ও তাদের অবদান সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a UNIMOG
b UNIIMOG
c UNGOMAP
d UNICEF
0 158 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) UNIIMOG ১. কেন সঠিক: - ইরান ও ইরাকের মধ্যে ১৯৮০ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত চলা দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের অবসান ঘটাতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব অনুসারে এই শান্তিরক্ষী মিশন গঠিত হয়। - যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলো কি না এবং দুই দেশের সীমান্ত থেকে সৈন্য প্রত্যাহার হচ্ছে কি না, তা তদারকি করাই ছিল এই বাহিনীর মূল দায়িত্ব। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: জাতিসংঘ ইরান-ইরাক সামরিক অবজার্ভার গ্রুপ। - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ১৯৮৮ সালের আগস্ট মাসে এই মিশন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। - সদর দপ্তর: ইরান ও ইরাকের সীমান্ত এলাকা তথা তেহরান ও বাগদাদ। - প্রেক্ষাপট: দীর্ঘ আট বছর ধরে চলা ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের পর জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি অর্জিত হলে শান্তিরক্ষার প্রয়োজন দেখা দেয়। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: মধ্যপ্রাচ্যের একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে জাতিসংঘ এই প্রথম সরাসরি সামরিক পর্যবেক্ষণ পরিচালনা করে। - ফলাফল/প্রভাব: সফলভাবে যুদ্ধবিরতি তদারকি শেষে ১৯৮৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এই মিশন তাদের কার্যক্রম সমাপ্ত করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: UNGOMAP ব্যাখ্যা: সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তান ত্যাগ করার সময় জেনেভা চুক্তি তদারকির জন্য এই মিশন গঠিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: UNIMOG ব্যাখ্যা: এমন কোনো স্বীকৃত জাতিসংঘের প্রধান শান্তিরক্ষী বাহিনী নেই, এটি কেবল বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি একটি অপশন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNIMOG — এই নামে জাতিসংঘের কোনো আনুষ্ঠানিক শান্তিরক্ষী মিশন বা সংস্থা অতীতে বা বর্তমানে অস্তিত্বশীল ছিল না। B) UNIIMOG — এটি জাতিসংঘ ইরান-ইরাক সামরিক অবজার্ভার গ্রুপের সঠিক সংক্ষিপ্ত রূপ যা সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত। C) UNGOMAP — এটি মূলত আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত সৈন্য প্রত্যাহার তদারক করার জন্য গঠিত জাতিসংঘের অন্য একটি মিশন। D) UNICEF — এটি শিশুদের অধিকার ও কল্যাণ নিয়ে কাজ করা জাতিসংঘের একটি দীর্ঘস্থায়ী বিশেষায়িত সংস্থা, কোনো যুদ্ধবিরতি মিশন নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইরান ও ইরাকের যুদ্ধবিরতি মনে রাখতে হলে নামের শেষের IIMOG অংশটি খেয়াল রাখতে হবে যা Iran-Iraq Military Observer Group বোঝায়। - UNICEF বা অন্য কোনো সাধারণ সংস্থার সঙ্গে এই সামরিক পর্যবেক্ষণ মিশনকে গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুদ্ধবিরতি তদারককারী জাতিসংঘের মিশনগুলোর নাম প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - একই ধরনের প্রশ্ন থেকে সংক্ষেপে জানতে চাওয়া হতে পারে কোন সালে এই মিশন গঠিত হয়েছিল বা এর পূর্ণরূপ কী।
a ১৫ সেপ্টেম্বর
b ১৫ অক্টোবর
c ১৫ নভেম্বর
d ১৫ ডিসেম্বর
0 141 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৫ সেপ্টেম্বর ১. কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্রের নীতি প্রচার এবং এর অবস্থা মূল্যায়নের জন্য নির্ধারিত একটি বিশেষ দিন। - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০০৭ সাল থেকে প্রতি বছর ১৫ সেপ্টেম্বর এই দিবসটি আনুষ্ঠানিকভাবে পালন করা হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ২০০৭ সালের ৮ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রস্তাবের মাধ্যমে এটি গৃহীত হয় এবং প্রথম পালিত হয় ২০০৮ সালে। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষা করা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোতে অংশগ্রহণমূলক শাসনব্যবস্থা শক্তিশালী করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইন্টারপার্লামেন্টারি ইউনিয়ন ব্যাখ্যা: এই সংস্থাটি গণতন্ত্রের প্রসারে বিশ্বব্যাপী কাজ করে এবং আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস ঘোষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। উদাহরণ ২: মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র ব্যাখ্যা: গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো জনগণের অধিকার, যা এই ঘোষণাপত্রের নীতিগুলোর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ সেপ্টেম্বর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনটিতেই আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস পালন করা হয়। B) ১৫ অক্টোবর — এটি সঠিক উত্তর নয়, কারণ এই তারিখে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস পালিত হয়। C) ১৫ নভেম্বর — এটি সঠিক উত্তর নয়, কারণ এই তারিখে কোনো প্রধান আন্তর্জাতিক দিবস নির্ধারিত নেই। D) ১৫ ডিসেম্বর — এটি সঠিক উত্তর নয়, কারণ এই তারিখে আন্তর্জাতিক চা দিবস পালিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - গণতন্ত্রের প্রথম অক্ষর দ (দশ এর মতো) এবং সেপ্টেম্বর মাসের মাঝের একটি বিশেষ তারিখ মনে রাখতে পারো যে এটি মাসের মাঝামাঝি সময়ে ১৫ তারিখে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দিবস সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, বিশেষ করে জাতিসংঘের ঘোষণাকৃত দিবসগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ।
a ফ্রান্স
b জার্মানি
c নেদারল্যান্ড
d হাঙ্গেরি
0 150 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জার্মানি ১. কেন সঠিক: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বা টিআই হলো দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করা বিশ্বখ্যাত একটি বেসরকারি আন্তর্জাতিক সংস্থা। এই সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় জার্মানির রাজধানী বার্লিন শহরে অবস্থিত এবং এখান থেকেই বিশ্বব্যাপী তাদের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচিতি: সংস্থা: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বা টিআই প্রতিষ্ঠা: ১৯৯৩ সাল সদর দপ্তর: বার্লিন, জার্মানি মূল কাজ: প্রতি বছর দুর্নীতির ধারণা সূচক বা করাপশন পারसेप्शन ইনডেক্স প্রকাশ করা গুরুত্ব: বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের সরকারি খাতের দুর্নীতির মাত্রা মূল্যায়ন করা এর প্রধান কাজ ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বার্লিন শহর ব্যাখ্যা: জার্মানির রাজধানী ও বৃহত্তম শহর বার্লিন কেবল রাজনৈতিক কেন্দ্রই নয়, বরং ট্রান্সপারেন্সির মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর হিসেবেও পরিচিত। উদাহরণ ২: দুর্নীতি ধারণা সূচক ব্যাখ্যা: এই সূচকের মাধ্যমে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দুর্নীতি পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স — এটি ইউরোপের একটি দেশ, যার রাজধানী প্যারিস এবং এখানে ইউনেস্কোর সদর দপ্তর অবস্থিত, তবে ট্রান্সপারেন্সির কার্যালয় এখানে নেই। B) জার্মানি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের প্রধান কার্যালয় জার্মানির বার্লিনে অবস্থিত। C) নেদারল্যান্ড — এটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালত বা আইসিজের মতো সংস্থার জন্য পরিচিত, তবে ট্রান্সপারেন্সির সদর দপ্তর এখানে নয়। D) হাঙ্গেরি — এটি মধ্য ইউরোপের একটি দেশ, যার রাজধানী বুদাপেস্ট এবং এর সঙ্গে ট্রান্সপারেন্সির প্রধান কার্যালয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল শব্দটির প্রথম অক্ষর টি এবং জার্মানির রাজধানী বার্লিনের সঙ্গে মিলিয়ে এভাবে মনে রাখা যায় যে টিআই এর ঠিকানা জার্মানিতে। অন্যান্য অনেক সংস্থার সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্র বা সুইজারল্যান্ডে হলেও টিআই একটু ব্যতিক্রম হিসেবে জার্মানিতে অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক সংস্থা ও তাদের সদর দপ্তর সম্পর্কিত অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় অথবা তাদের প্রকাশিত প্রধান প্রতিবেদনের নাম কী।
a কিলো ক্লাস
b মিং ক্লাস
c ডলফন ক্লাস
d শ্যাং-ক্লাস
0 163 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মিং ক্লাস ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জন্য চীন থেকে সংগৃহীত দুটি প্রচলিত ডিজেল-ইলেকট্রিক ডুবোজাহাজ টাইপ ০৩৫ বা মিং ক্লাস শ্রেণীর অন্তর্গত। ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে চীন থেকে এই সাবমেরিন দুটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হয়, যা বাংলাদেশের সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। ২. সামরিক ও কৌশলগত প্রেক্ষাপট: দেশ: বাংলাদেশ ও চীন প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ২০১৬ সালের ১৪ নভেম্বর বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাবমেরিন উইং গঠিত হয় এবং সাবমেরিন দুটি হস্তান্তর করা হয়। প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশ ফোর্সেস গোল ২০৩০ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সাবমেরিন সংগ্রহ করা হয়। উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: এর মাধ্যমে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ত্রিমাত্রিক বাহিনীতে রূপান্তর লাভ করে এবং গভীর সমুদ্রে নিজেদের জলসীমা রক্ষা ও সার্বভৌমত্ব বজায় রাখা সহজ হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফ্রিগেট ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ চীন থেকে যুদ্ধজাহাজ ও ফ্রিগেট সংগ্রহ করে থাকে, যা নৌবাহিনীর আধুনিকায়নে ভূমিকা রাখছে। উদাহরণ ২: ভারত মহাসাগরীয় ভূরাজনীতি ব্যাখ্যা: সাবমেরিন অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরে কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিলো ক্লাস — এটি রুশ প্রযুক্তির ডিজেল-ইলেকট্রিক ডুবোজাহাজ শ্রেণী, যা ভারত ও মিয়ানমারসহ কয়েকটি দেশের নৌবাহিনী ব্যবহার করে। B) মিং ক্লাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ নৌবাহিনী চীন থেকে এই শ্রেণীর দুটি ডুবোজাহাজ ক্রয় করেছে। C) ডলফন ক্লাস — এটি মূলত ইসরায়েলি নৌবাহিনীর ব্যবহৃত জার্মানি নির্মিত ডুবোজাহাজ শ্রেণী, যা অত্যন্ত উন্নতমানের। D) শ্যাং-ক্লাস — এটি চীনের পারমাণবিক শক্তিচালিত আক্রমণাত্মক ডুবোজাহাজ শ্রেণী, যা প্রচলিত ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রথম সাবমেরিনের নাম ও শ্রেণী মনে রাখতে 'মিং' শব্দটি মনে রাখুন। চীন থেকে সংগৃহীত হওয়ায় এটি চীনা ডিজাইনের মিং ক্লাস হিসেবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশ নৌবাহিনী কবে ত্রিমাত্রিক বাহিনীতে রূপান্তর লাভ করে তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সাবমেরিন দুটির নাম ছিল নবযাত্রা এবং জয়যাত্রা।
a এডেন উপসাগরের পাশে
b প্রশান্ত মহাসাগরে
c দক্ষিণ আমেরিকায়
d দক্ষিণ চীন সাগরে
0 154 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এডেন উপসাগরের পাশে ১. কেন সঠিক: জিবুতি আফ্রিকার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলে অবস্থিত একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছোট দেশ। এই দেশটি লোহিত সাগর এবং এডেন উপসাগরের সংযোগস্থলে বাব-এল-মান্দেব প্রণালীর পাশে অবস্থিত হওয়ায় এর ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: জিবুতি প্রজাতন্ত্র (Republic of Djibouti) অবস্থান: পূর্ব আফ্রিকা, এডেন উপসাগর ও লোহিত সাগরের সংযোগস্থল রাজধানী: জিবুতি শহর প্রেক্ষাপট: বিশ্বের প্রধান সামুদ্রিক বাণিজ্য রুট এই অঞ্চলের ওপর দিয়ে পরিচালিত হয় এবং এখানে বেশ কয়েকটি দেশের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। গুরুত্ব: মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যের প্রধান গেটওয়ে হিসেবে কাজ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুয়েজ খাল ব্যাখ্যা: জিবুতির মতো সুয়েজ খালও আন্তর্জাতিক সমুদ্র বাণিজ্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পথ। উদাহরণ ২: বাব-এল-মান্দেব প্রণালী ব্যাখ্যা: এটি এডেন উপসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে, যার পাশেই জিবুতি অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এডেন উপসাগরের পাশে — এই অপশনটি সঠিক কারণ জিবুতি এডেন উপসাগর ও লোহিত সাগরের সংযোগস্থলে অবস্থিত। B) প্রশান্ত মহাসাগরে — প্রশান্ত মহাসাগরে জিবুতি অবস্থিত নয়, এটি পূর্ব আফ্রিকার লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরের তীরবর্তী দেশ। C) দক্ষিণ আমেরিকায় — জিবুতি দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত নয়, এটি আফ্রিকা মহাদেশের হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলে অবস্থিত। D) দক্ষিণ চীন সাগরে — দক্ষিণ চীন সাগর এশিয়ায় অবস্থিত, যা জিবুতির ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জিবুতি নামটি শুনলেই মাথায় রাখতে হবে এটি হর্ন অব আফ্রিকার একটি দেশ যা লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরের মিলনস্থলে অবস্থিত। এডেন উপসাগর এবং লোহিত সাগরের প্রবেশদ্বারে জিবুতির অবস্থান একে বৈশ্বিক বাণিজ্যে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হর্ন অব আফ্রিকার দেশগুলো এবং তাদের ভৌগোলিক অবস্থান প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। এই প্রশ্নটি থেকে ভৌগোলিক কৌশলগত প্রণালী এবং সমুদ্র বন্দরের অবস্থান সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট হয়।
a আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (ARF)
b আঞ্চলিক শ্রম সংস্থা (ILO)
c আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (IFAD)
d খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)
0 128 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (ARF) ১. কেন সঠিক: - আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম বা এআরএফ সরাসরি জাতিসংঘের কোনো বিশেষায়িত বা অঙ্গসংস্থা নয়। এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ানের একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংলাপ মঞ্চ। - এটি মূলত এশিয়া-পাসফিক অঞ্চলের নিরাপত্তা ও ভূরাজনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে গঠিত হয়েছিল, যার সঙ্গে জাতিসংঘ কাঠামোর কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক নেই। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম বা এআরএফ হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সহযোগিতা সংস্থা আসিয়ান এর একটি বহুপাক্ষিক নিরাপত্তা সংলাপ ফোরাম। - প্রতিষ্ঠা: এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালে এবং এর মূল লক্ষ্য হলো এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। - সদর দপ্তর: এর কোনো স্থায়ী আলাদা সদর দপ্তর নেই, বরং আসিয়ান সচিবালয় জাকার্তায় অবস্থিত এবং আসিয়ান চেয়ার এই ফোরামের নেতৃত্ব দেয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ ব্যাখ্যা: এটি ইউরোপের দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট, যা জাতিসংঘের কোনো সংস্থা নয় বরং একটি স্বাধীন আঞ্চলিক সংস্থা। উদাহরণ ২: সার্ক বা এসএআরসি ব্যাখ্যা: দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সার্কও জাতিসংঘের কোনো অঙ্গসংস্থা নয়, এটি একটি স্বাধীন আঞ্চলিক জোট। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (ARF) — এটি জাতিসংঘের কোনো সংস্থা নয়, বরং আসিয়ান জোটের একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংলাপ ফোরাম। B) আঞ্চলিক শ্রম সংস্থা (ILO) — আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা বা আইএলও হলো জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করে। C) আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (IFAD) — এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা গ্রামীণ এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর খাদ্য উৎপাদন ও পুষ্টির উন্নয়নে কাজ করে। D) খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) — এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা ক্ষুধা দূরীকরণ এবং কৃষি খাতের উন্নয়নে বিশ্বব্যাপী কাজ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থাগুলোর নামের শুরুতে সাধারণত আন্তর্জাতিক বা বিশ্ব কথাটি থাকে এবং এগুলো বিশ্বব্যাপী কাজ করে। - আঞ্চলিক বা নির্দিষ্ট মহাদেশভিত্তিক রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা মঞ্চ যেমন আসিয়ান বা ন্যাটো জাতিসংঘের সরাসরি সংস্থা নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা এবং আঞ্চলিক সংস্থার মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। - কোন কোন সংস্থা জাতিসংঘের অধীনে পরিচালিত হয় এবং কোনটি স্বাধীন আঞ্চলিক জোট, তা ভালোভাবে তালিকাভুক্ত করে পড়া উচিত।
a জীবাশ্ম জ্বালানীর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ
b গ্রিন হাউস গ্যাসের নি:সরণ ও প্রশমন
c সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি
d বৈশ্বিক মরুকরণ প্রক্রিয়া এবং বনায়ন
0 141 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গ্রিন হাউস গ্যাসের নি:সরণ ও প্রশমন ১. কেন সঠিক: ইউনাইটেড নেশনস ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ বা ইউএনএফসিসিসি হলো বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধে জাতিসংঘের মূল জলবায়ু চুক্তি। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের ঘনত্ব এমন একটি স্তরে স্থিতিশীল রাখা, যাতে জলবায়ুতন্ত্রের ওপর মানুষের বিপজ্জনক হস্তক্ষেপ রোধ করা যায়। ২. আন্তর্জাতিক চুক্তি ও পরিবেশ কনভেনশন: চুক্তি বা সম্মেলনের নাম: ইউনাইটেড নেশনস ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ বা ইউএনএফসিসিসি। তারিখ ও স্থান: ১৯৯২ সালের ৯ মে নিউইয়র্কে চুক্তিটি গৃহীত হয় এবং ১৯৯২ সালের রিও ডি জেনেইরো ধরিত্রী সম্মেলনে স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। সংশ্লিষ্ট সংস্থা: এটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধীন একটি প্রধান আন্তর্জাতিক পরিবেশগত চুক্তি। প্রধান উদ্দেশ্য ও সিদ্ধান্ত: বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধে গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় বৈশ্বিক সহযোগিতা বাড়ানো। আন্তর্জাতিক প্রভাব বা গুরুত্ব: এটি পরবর্তীকালে কিওটো প্রটোকল এবং প্যারিস চুক্তির মতো ঐতিহাসিক জলবায়ু চুক্তিগুলো গঠনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিওটো প্রটোকল ব্যাখ্যা: এটি ইউএনএফসিসিসি চুক্তির অধীন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা উন্নত দেশগুলোর জন্য গ্রিনহাউস গ্যাস হ্রাসের আইনি বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করেছিল। উদাহরণ ২: প্যারিস চুক্তি ব্যাখ্যা: এটি ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত ইউএনএফসিসিসি এর আরেকটি মাইলফলক চুক্তি যার লক্ষ্য ছিল বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবাশ্ম জ্বালানীর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ — এটি ইউএনএফসিসিসি এর একটি পরোক্ষ কৌশল হতে পারে, তবে এটি চুক্তির সরাসরি ও মূল আলোচ্য বিষয় নয়। B) গ্রিন হাউস গ্যাসের নি:সরণ ও প্রশমন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই চুক্তিটি মূলত বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন কমানো ও এর ক্ষতিকর প্রভাব প্রশমিত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। C) সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি — এটি জলবায়ু পরিবর্তনের একটি মারাত্মক পরিণতি বা ফলাফল, কিন্তু সরাসরি এই চুক্তির প্রধান কাঠামোগত আলোচ্য বিষয় নয়। D) বৈশ্বিক মরুকরণ প্রক্রিয়া এবং বনায়ন — মরুকরণ রোধ এবং বনায়নের জন্য জাতিসংঘের আরেকটি পৃথক চুক্তি রয়েছে যার নাম কনভেনশন টু কম্ব্যাট ডেজার্টিফিকেশন। ৫ মনে রাখার টিপস: ইউএনএফসিসিসি হলো জলবায়ু পরিবর্তনের মূল ছাতা চুক্তি, যার ইংরেজি নামের শেষ শব্দ ক্লাইমেট চেঞ্জ বা জলবায়ু পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি হলো গ্রিনহাউস গ্যাস। মনে রাখবেন রিও কনভেনশন নামে পরিচিত এই সম্মেলন থেকেই মূলত বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরিবেশ ও জলবায়ু সম্পর্কিত অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে কনভেনশনটি কবে এবং কোথায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল কিংবা এর অঙ্গীভূত কিওটো প্রটোকল সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
a UNDP
b World Bank
c IMF
d BRICS
0 140 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) World Bank ১. কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদনের নাম হলো ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট। - এই প্রতিবেদনটিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি, দারিদ্র্য বিমোচন এবং উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচিতি: - সংস্থা: বিশ্বব্যাংক বা আন্তর্জাতিক পুনর্গঠন ও উন্নয়ন ব্যাংক। - প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। - সদর দপ্তর: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি। - উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোকে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টস ব্যাখ্যা: এটিও বিশ্বব্যাংকের আরেকটি বিখ্যাত বার্ষিক প্রকাশনা যা বিশ্ব অর্থনীতির পূর্বাভাস দেয়। উদাহরণ ২: ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট ইন্ডিকেটরস ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বব্যাংকের আরেকটি ডেটাসেটভিত্তিক প্রকাশনা যা দেশের উন্নয়নের তুলনামূলক চিত্র প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNDP — এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি যার বার্ষিক প্রকাশনা হলো মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন। C) IMF — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল যার প্রধান প্রকাশনা হলো ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক। D) BRICS — এটি উদীয়মান অর্থনীতির পাঁচটি দেশের জোট এবং এদের নিজস্ব ব্যাংক হলো নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক। ৫ মনে রাখার টিপস: - ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট প্রকাশ করে বিশ্বব্যাংক এবং হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট প্রকাশ করে ইউএনডিপি। - এই দুটি সংস্থা ও তাদের প্রতিবেদনের নাম প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করে, তাই আলাদা করে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্বব্যাংকের বর্তমান সদস্য দেশ সংখ্যা ১৮৯টি এবং এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান মোট পাঁচটি। - একই বিষয় থেকে অন্য এমসিকিউ আসতে পারে যেমন বিশ্বব্যাংকের বর্তমান প্রেসিডেন্টের নাম কী।
a হেলেন কেলার
b ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল
c মাদার তেরেসা
d সরোজিনী নাইডু
0 140 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ১. কেন সঠিক: - ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ক্রিমিয়ার যুদ্ধের সময় রাতে লণ্ঠন হাতে আহত সৈনিকদের সেবা করতেন বলে তাকে দ্য লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প বলা হয়। - আধুনিক নার্সিং পেশার প্রবর্তক হিসেবে তার অবদান আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও সম্মানীত। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - পেশা ও অবদান: তিনি আধুনিক নার্সিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা এবং স্বাস্থ্যসেবা সংস্কারের অগ্রদূত হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। - যুদ্ধ ও সেবা: ১৮৫৪ থেকে ১৮৫৬ সালের ক্রিমিয়ার যুদ্ধে ব্রিটিশ সৈনিকদের সেবায় তার ভূমিকা ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা আছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রেড ক্রস আন্দোলন ব্যাখ্যা: যুদ্ধাহত ও বিপন্ন মানুষের সেবায় হেনরি ডুনান্টের রেড ক্রস প্রতিষ্ঠার পেছনে ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের কাজের অনুপ্রেরণা ছিল। উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক নার্স দিবস ব্যাখ্যা: ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের জন্মবার্ষিকী ১২ মে তারিখটিকে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হেলেন কেলার — তিনি একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মার্কিন লেখক ও সমাজকর্মী ছিলেন যিনি বধির ও অন্ধদের অধিকার নিয়ে কাজ করেছেন। B) ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল — তিনি ক্রিমিয়ার যুদ্ধে লণ্ঠন হাতে আহত সৈনিকদের সেবা করার জন্য দ্য লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প উপাধি পান। C) মাদার তেরেসা — তিনি কলকাতার মিশনারিজ অব চ্যারিটির প্রতিষ্ঠাতা এবং গরিব ও অসহায় মানুষের সেবার জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। D) সরোজিনী নাইডু — তিনি ভারতের কোকিলকণ্ঠী বা নাইটিঙ্গেল অব ইন্ডিয়া নামে পরিচিত একজন প্রখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী ও রাজনীতিবিদ। ৫ মনে রাখার টিপস: - নাইটিঙ্গেল শব্দের সঙ্গে ল্যাম্প বা লণ্ঠন শব্দটি মিলিয়ে পড়লে পরীক্ষা সহজে মনে রাখা যায়। - নার্সিং পেশার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আন্তর্জাতিক নার্স দিবস কবে পালিত হয় এবং আধুনিক নার্সিংয়ের জনক কে, এই প্রশ্নগুলো বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a এনএলডি
b ন্যাশনাল ইউনিটি সরকার
c বার্মিজ গভর্নমেন্ট ইন এক্সাইল
d অং সান সুচি সরকার
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ন্যাশনাল ইউনিটি সরকার ১. কেন সঠিক: মিয়ানমারে ২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সুচির নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে সামরিক জান্তা ক্ষমতা দখল করে। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং গণতান্ত্রিক শাসন পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে মিয়ানমারের অবসারপ্রাপ্ত আইনপ্রণেতা ও বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের নিয়ে ২০২১ সালের ১৬ এপ্রিল ন্যাশনাল ইউনিটি সরকার গঠিত হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: মিয়ানমার, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র যার রাজধানী নেপিডো এবং মুদ্রা কিয়াত। প্রেক্ষাপট: ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে বৈধ সরকার হিসেবে নিজেদের দাবি করে এই সমান্তরাল সরকার গঠিত হয়। উদ্দেশ্য: মিয়ানমারে সামরিক শাসন অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং সকল জাতিগোষ্ঠীকে নিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ ও ফেডারেল রাষ্ট্র গঠন করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতা দখলের পর সাবেক সরকারের কিছু কর্মকর্তা ও নেতারাই মূলত প্রবাসী বা প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলেছেন। ব্যাখ্যা: গণতান্ত্রিক বা বৈধ সরকার উৎখাত হলে অনেক সময় দেশত্যাগ করে বা গোপনে থেকে নির্বাসিত সরকার গঠিত হয়, যা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে একটি পরিচিত ঘটনা। উদাহরণ ২: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি জার্মানি ফ্রান্স দখল করলে শার্ল ডি গলের নেতৃত্বে ফ্রি ফ্রান্স বা নির্বাসিত সরকার গঠিত হয়েছিল। ব্যাখ্যা: এটি পরীক্ষার্থীদের বোঝাতে সাহায্য করে যে নিজ দেশে ক্ষমতা হারিয়েও আইনি বৈধতা ধরে রাখতে নির্বাসিত সরকারের ভূমিকা কতটা ঐতিহাসিক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এনএলডি — এটি অং সান সুচির রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি, যা কোনো নির্বাসিত সরকার নয়। B) ন্যাশনাল ইউনিটি সরকার — এটি সঠিক উত্তর, যা মিয়ানমারের বর্তমান প্রধান নির্বাসিত বা সমান্তরাল সরকার। C) বার্মিজ গভর্নমেন্ট ইন এক্সাইল — এটি কোনো আনুষ্ঠানিক বা বর্তমান সরকার নয়, বরং মিয়ানমারের নির্বাসিত সরকারের ক্ষেত্রে প্রচলিত কোনো নাম নয়। D) অং সান সুচি সরকার — এটি অং সান সুচির নেতৃত্বাধীন তৎকালীন মূল গণতান্ত্রিক সরকার ছিল, নির্বাসিত সরকার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মিয়ানমারের নির্বাসিত সরকারের নামের ক্ষেত্রে ন্যাশনাল শব্দটি মনে রাখলেই ন্যাশনাল ইউনিটি সরকার বা এনইউজি সহজে শনাক্ত করা সম্ভব। সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্য বা ইউনিটি নিশ্চিত করতে এই সমান্তরাল সরকার গঠিত হয়েছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মিয়ানমারের সামরিক অভ্যুত্থান ঘটেছিল ২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি এবং এর বর্তমান সামরিক সরকারের প্রধান মিন অং হ্লাইং। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে মিয়ানমারের বর্তমান সামরিক সরকারের প্রধান কে অথবা দেশটির সংসদের নাম কী।
a মালয়শিয়া
b ফিলিপাইন
c ভিয়েতনাম
d কম্বোডিয়া
0 145 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কম্বোডিয়া ১. কেন সঠিক: দক্ষিণ চীন সাগর বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত ও ভূরাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ, যার মালিকানা বা জলসীমা নিয়ে একাধিক দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। কম্বোডিয়া এই দক্ষিণ চীন সাগরের প্রত্যক্ষ তীরবর্তী বা উপকূলীয় দেশ নয় এবং এই জলসীমার ওপর তাদের কোনো সার্বভৌম দাবি বা অংশীদারত্ব নেই। ২. ভূরাজনীতি ও আঞ্চলিক প্রেক্ষাপট: দেশ বা সংস্থা: দক্ষিণ চীন সাগর মূলত পূর্ব এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থল। প্রেক্ষাপট: চীনের একতরফা নাইন-ড্যাশ লাইন বা দশ-ড্যাশ লাইন দাবির কারণে এই অঞ্চলের জলসীমা নিয়ে তীব্র ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্ব চলছে। উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: এই জলপথ দিয়ে বিশ্ব বাণিজ্যের বিশাল অংশ পরিচালিত হয় এবং এর তলদেশে প্রচুর খনিজ সম্পদ রয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফিলিপাইন ব্যাখ্যা: ফিলিপাইন দক্ষিণ চীন সাগরের জলসীমা দাবিদার এবং চীনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করে সাফল্য পেয়েছে। উদাহরণ ২: ভিয়েতনাম ব্যাখ্যা: ভিয়েতনাম দক্ষিণ চীন সাগরের পারাসল ও স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জের ওপর নিজেদের ঐতিহাসিক মালিকানা দাবি করে আসছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালয়শিয়া — এটি দক্ষিণ চীন সাগরের অন্যতম দাবিদার দেশ এবং তাদের উপকূলের কাছাকাছি জলসীমায় চীনের কোস্টগার্ডের সঙ্গে প্রায়ই উত্তেজনা তৈরি হয়। B) ফিলিপাইন — এটি এই জলসীমার স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জের একটি অংশের প্রধান দাবিদার এবং সমুদ্র আইন সংক্রান্ত জাতিসংঘ কনভেনশন মেনে চলে। C) ভিয়েতনাম — এটি দক্ষিণ চীন সাগরের জলসীমা ও দ্বীপগুলোর ওপর জোরালো ঐতিহাসিক ও আইনগত দাবি পেশ করে থাকে। D) কম্বোডিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর ভৌগোলিক অবস্থান থাইল্যান্ড উপসাগরের দিকে এবং দক্ষিণ চীন সাগরে এর কোনো প্রত্যক্ষ দাবি বা জলসীমা নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: দক্ষিণ চীন সাগরের বিরোধে আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, মালয়শিয়া ও ব্রুনাই সরাসরি জড়িত। কম্বোডিয়া আসিয়ানভুক্ত দেশ হলেও এটি দক্ষিণ চীন সাগরের প্রত্যক্ষ উপকূলীয় দাবিদার নয়, বরং চীনের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: দক্ষিণ চীন সাগর বিরোধে আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর অবস্থান এবং সমুদ্র আইন সংক্রান্ত জাতিসংঘ কনভেনশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন দেশগুলোর মধ্যে সামুদ্রিক সীমানা নিয়ে বিরোধ রয়েছে।
a BCIM-EC
b OAS
c OIC
d BIMSTEC
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) OAS ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ আমেরিকা মহাদেশের আঞ্চলিক সংস্থা OAS এর সদস্য নয় কারণ বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের একটি দেশ। - ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ এশিয়াভিত্তিক বা বৈশ্বিক সংস্থাসমূহের সদস্য হলেও আমেরিকা মহাদেশের এই আঞ্চলিক জোটের অন্তর্ভুক্ত নয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: OAS এর পূর্ণরূপ Organization of American States বা আমেরিকান রাষ্ট্রগুলোর সংস্থা। - প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৮ সালের ৩০ এপ্রিল এই সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। - সদর দপ্তর: যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি সি তে এই সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত। - উদ্দেশ্য: আমেরিকা মহাদেশের দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, গণতন্ত্র রক্ষা এবং শান্তি বজায় রাখা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সার্ক বা SAARC ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা, যার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য বাংলাদেশ। উদাহরণ ২: আসিয়ান বা ASEAN ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট, ভৌগোলিক সীমানার বাইরে থাকায় বাংলাদেশ এর সদস্য নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) BCIM-EC — এটি বাংলাদেশ, চীন, ভারত ও মিয়ানমার নিয়ে গঠিত অর্থনৈতিক করিডোর, যার সদস্য বাংলাদেশ। B) OAS — এটি আমেরিকা মহাদেশের আঞ্চলিক সংস্থা হওয়ায় ভৌগোলিক কারণে বাংলাদেশ এর সদস্য নয়। C) OIC — এটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর আন্তর্জাতিক সংস্থা, যার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য বাংলাদেশ। D) BIMSTEC — এটি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক সংস্থা, যার বাংলাদেশ অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - আমেরিকা মহাদেশের সংস্থা OAS এবং লাতিন আমেরিকার জোটগুলোতে সাধারণত এশিয়ার দেশগুলো সদস্য হয় না। - বাংলাদেশ শুধু এশীয় আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সংস্থাসমূহের সদস্য পদ লাভ করেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলাদেশ কোন সংস্থার সদস্য বা সদস্য নয়, তা প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - আঞ্চলিক সংস্থার ভৌগোলিক পরিধি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a সমুদ্র বন্দর
b বিমান বন্দর
c স্থল বন্দর
d নদী বন্দর
0 131 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমুদ্র বন্দর ১. কেন সঠিক: আকাবা হলো জর্ডানের একমাত্র সমুদ্র বন্দর এবং দেশটির একমাত্র উপকূলীয় শহর। এই বন্দরটি লোহিত সাগরের আকাবা উপসাগরের উত্তর তীরে অবস্থিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এর গুরুত্ব অপরিসীম। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: জর্ডান অবস্থান: লোহিত সাগরের আকাবা উপসাগর প্রেক্ষাপট: জর্ডানের ভূখণ্ডের বেশিরভাগ অংশ স্থলবেষ্টিত হলেও এই একটিমাত্র বন্দরের মাধ্যমে দেশটি সমুদ্র বাণিজ্যের সুযোগ পায়। গুরুত্ব: মধ্যপ্রাচ্যের বাণিজ্যে জর্ডান, ইরাক ও অন্যান্য দেশের জন্য এটি একটি ট্রানজিট রুট হিসেবে কাজ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইলাত বন্দর ব্যাখ্যা: এটি ইসরায়েলের একমাত্র লোহিত সাগরীয় বন্দর, যা আকাবা বন্দরের খুব কাছাকাছি অবস্থিত এবং ভূরাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণ ২: কুয়েত বন্দর ব্যাখ্যা: এটি পারস্য উপসাগরে অবস্থিত মধ্যপ্রাচ্যের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র বন্দর, যা আঞ্চলিক বাণিজ্যে ভূমিকা রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমুদ্র বন্দর — আকাবা লোহিত সাগরের তীরে অবস্থিত জর্ডানের একমাত্র সমুদ্র বন্দর হওয়ায় এই উত্তরটি সঠিক। B) বিমান বন্দর — আকাবা একটি বিমান বন্দর নয়, এটি জলপথের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের জন্য ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র বন্দর। C) স্থল বন্দর — স্থল বন্দর বলতে স্থলসীমান্তবর্তী বাণিজ্য কেন্দ্রকে বোঝায়, কিন্তু আকাবা সরাসরি সমুদ্রের তীরে অবস্থিত। D) নদী বন্দর — আকাবা কোনো নদীর তীরে অবস্থিত নয়, এটি সরাসরি লোহিত সাগরের সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত। ৫ মনে রাখার টিপস: জর্ডানের সমুদ্র দেখার একমাত্র ঠিকানা হলো আকাবা। মনে রাখবেন আকাবা মানেই লোহিত সাগরের জলরাশি এবং সমুদ্র বন্দর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যপ্রাচ্যের ভূগোল থেকে প্রায়ই স্থলবেষ্টিত দেশ এবং একমাত্র বন্দরের প্রশ্ন আসে। জর্ডানের সমুদ্র বন্দর কোনটি এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় বেশ কয়েকবার এসেছে।
a রাশিয়ায়
b ইংল্যান্ডে
c ফ্রান্সে
d চীনে
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইংল্যান্ডে ১. কেন সঠিক: ট্রাফালগার স্কয়ার হলো ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি বিখ্যাত উন্মুক্ত ঐতিহাসিক চত্বর বা স্কয়ার। ১৮০৫ সালের ট্রাফালগার যুদ্ধে ফরাসি ও স্প্যানিশ নৌবাহিনীর বিরুদ্ধে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর ঐতিহাসিক বিজয়ের স্মরণে এই চত্বরটির নামকরণ করা হয়েছে। ২. ঐতিহাসিক পটভূমি: দেশ বা স্থান: যুক্তরাজ্য তথা ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডন শহরের কেন্দ্রস্থলে ট্রাফালগার স্কয়ার অবস্থিত। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৮০৫ সালে ট্রাফালগার যুদ্ধে অ্যাডমিরাল হোরেস নেলসনের নেতৃত্বে ব্রিটিশ নৌবাহিনী জয়লাভ করে। গুরুত্ব: এই বিজয়ের স্মরণে চত্বরের মাঝখানে নেলসনস কলাম স্থাপন করা হয়েছে যা একে বিশ্বজুড়ে পরিচিত করেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাইড পার্ক ব্যাখ্যা: এটি লন্ডনে অবস্থিত একটি বিখ্যাত রাজকীয় উদ্যান যা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন জনসভা ও ঐতিহাসিক ঘটনার জন্য পরিচিত। উদাহরণ ২: আইফেল টাওয়ার ব্যাখ্যা: এটি ফ্রান্সে অবস্থিত একটি বিশ্বখ্যাত স্থাপনা যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দেশভিত্তিক প্রশ্ন হিসেবে আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়ায় — রাশিয়ায় ট্রাফালগার স্কয়ার অবস্থিত নয়। রাশিয়ার বিখ্যাত চত্বরের নাম রেড স্কয়ার যা মস্কোয় অবস্থিত। B) ইংল্যান্ডে — এটি সঠিক উত্তর। কারণ ট্রাফালগার স্কয়ার ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনে অবস্থিত। C) ফ্রান্সে — ফ্রান্সে ট্রাফালগার স্কয়ার অবস্থিত নয়। ফ্রান্সের বিখ্যাত চত্বর হলো প্লেস দ্য লা কনকর্ড। D) চীনে — চীনে ট্রাফালগার স্কয়ার অবস্থিত নয়। চীনের সবচেয়ে বিখ্যাত চত্বরের নাম তিয়েনআনমেন স্কয়ার। ৫ মনে রাখার টিপস: ট্রাফালগার যুদ্ধ জয় করেছিল ব্রিটিশরা। তাই ট্রাফালগার স্কয়ার ইংল্যান্ড বা লন্ডনেই অবস্থিত। রাশিয়া বা চীনের সঙ্গে এই ব্রিটিশ নৌবিজয়ের কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্বের বিখ্যাত চত্বর এবং তাদের শহর বা দেশ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে রেড স্কয়ার বা তিয়েনআনমেন স্কয়ার কোন দেশে অবস্থিত, এমন প্রশ্নও হতে পারে।
a ৮ ডিসেম্বর
b ১০ ডিসেম্বর
c ১১ ডিসেম্বর
d ১৩ ডিসেম্বর
0 137 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ ডিসেম্বর ১. কেন সঠিক: ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা অনুমোদিত হয়। এই ঐতিহাসিক দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং বিশ্বব্যাপী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন করা হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ মানবাধিকার সুরক্ষার জন্য এই আন্তর্জাতিক দিনটির গোড়াপত্তন করে। তারিখ: ১৯৪৮ সালের এই দিনে জাতিসংঘ প্যারিসে ঐতিহাসিক মানবাধিকার সর্বজনীন ঘোষণা গ্রহণ করে। প্রেক্ষাপট: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধ করার জন্য এই সনদ প্রণীত হয়। উদ্দেশ্য: বিশ্বে প্রতিটি মানুষের জন্মগত অধিকার, স্বাধীনতা এবং সমতা নিশ্চিত করার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা বা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকে এবং এই দিবসে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে। উদাহরণ ২: জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন ব্যাখ্যা: এই সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে এবং এই দিবসের তাৎপর্য প্রচারে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ ডিসেম্বর — এই তারিখে কোনো আন্তর্জাতিক বা জাতীয় মানবাধিকার দিবস পালিত হয় না। B) ১০ ডিসেম্বর — এটি সঠিক উত্তর যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস হিসেবে বিশ্বজুড়ে পালিত হয়। C) ১১ ডিসেম্বর — এই তারিখটি আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা মানবাধিকার দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১৩ ডিসেম্বর — এই তারিখে অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা থাকলেও মানবাধিকার দিবসের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: ডিসেম্বর মাসের প্রথম ভাগে ১০ তারিখটি মানবাধিকার দিবসের জন্য মনে রাখতে পারেন। মানবাধিকার রক্ষার সংগ্রাম সব সময় ১০ নম্বর অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত এভাবেও মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতি বছর মানবাধিকার দিবসে একটি নির্দিষ্ট প্রতিপাদ্য বা থিম নির্ধারণ করা হয় যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। জাতিসংঘের এই সর্বজনীন ঘোষণাটি মানবাধিকারের সর্বমোট ত্রিশটি ধারা নিয়ে গঠিত যা প্রায়শই পরীক্ষায় আসে।
a মালয়শিয়া
b ইন্দোনেশিয়া
c চীন
d ইংল্যান্ড
0 164 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইন্দোনেশিয়া ১. কেন সঠিক: ব্যাডমিন্টন ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় খেলা হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত এবং দেশটিতে এই খেলাটির অত্যন্ত ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার জনগণ এবং ক্রীড়াবিদরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাডমিন্টনে অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে আসছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: ইন্দোনেশিয়া রাজধানী: জাকার্তা মুদ্রা: রুপিয়াহ প্রেক্ষাপট: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দ্বীপরাষ্ট্রটিতে ব্যাডমিন্টন কেবল একটি খেলা নয়, বরং এটি জাতীয় সংস্কৃতির একটি অংশ। গুরুত্ব: অলিম্পিক এবং বিশ্ব ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে ইন্দোনেশিয়ার খেলোয়াড়রা বহুবার স্বর্ণপদক অর্জন করেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: চীন ব্যাখ্যা: চীন ব্যাডমিন্টন খেলায় বিশ্ব পরাশক্তি হলেও এটি তাদের জাতীয় খেলা নয়, বরং চীনের জাতীয় খেলা হলো টেবিল টেনিস। উদাহরণ ২: ইংল্যান্ড ব্যাখ্যা: আধুনিক ব্যাডমিন্টন খেলার জন্ম ইংল্যান্ডে হলেও এটি তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত কোনো জাতীয় খেলা নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালয়শিয়া — মালয়েশিয়ার জনপ্রিয় একটি খেলা ব্যাডমিন্টন হলেও এটি তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত জাতীয় খেলা নয়। B) ইন্দোনেশিয়া — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি এই দেশের জাতীয় খেলা হিসেবে স্বীকৃত। C) চীন — চীনের জাতীয় খেলা টেবিল টেনিস, যদিও তাদের ব্যাডমিন্টন দল অত্যন্ত শক্তিশালী। D) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক জাতীয় খেলা ক্রিকেট এবং ফুটবল, ব্যাডমিন্টন নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ইন্দোনেশিয়ার মানুষের কাছে ব্যাডমিন্টন হলো সবচেয়ে আবেগের খেলা। এভাবে মনে রাখতে পারো যে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপ দেশ ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় খেলা ব্যাডমিন্টন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন দেশের জাতীয় খেলা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। এই প্রশ্নটি থেকে শিক্ষার্থী অন্য দেশের জাতীয় খেলা যেমন চীনের টেবিল টেনিস সম্পর্কেও ধারণা লাভ করতে পারে।
a সিলেট
b কুমিল্লা
c রাজশাহী
d দিনাজপুর
0 153 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দিনাজপুর কেন সঠিক: ১. বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও প্রধান কয়লখনিগুলো যেমন বড়পুকুরিয়া ও ফুলবাড়ী এই জেলায় অবস্থিত। ২. এই অঞ্চলের ভূগর্ভে প্রচুর পরিমাণে উন্নত মানের বিটুমিনাস কয়লার মজুদ পাওয়া গেছে। ভৌগোলিক তথ্য: ১. এটি বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের রংপুর বিভাগে অবস্থিত একটি সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ জেলা। ২. এই জেলাটি তিস্তা ও আত্রাই নদীর অববাহিকায় গঠিত সমতল ভূমি এবং উর্বর কৃষি অঞ্চলের জন্য পরিচিত। ৩. এখানে এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ মধ্যপাড়ায় কঠিন শিলা খনি এবং বড়পুকুরিয়ায় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেট — এই জেলাটি খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের জন্য বিখ্যাত হলেও কয়লার জন্য প্রধান নয়। B) কুমিল্লা — এই জেলাটি মূলত লালমাই পাহাড়ি এলাকা এবং কৃষি উৎপাদনের জন্য পরিচিত, কয়লা সমৃদ্ধ নয়। C) রাজশাহী — এই জেলাটি প্রধানত সিল্ক বা রেশম এবং আম উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত, কয়লা খনি নেই। D) দিনাজপুর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, এটি একমাত্র প্রধান কয়লা সমৃদ্ধ জেলা। মনে রাখার টিপস: উত্তরটি মনে রাখতে ড দিয়ে দিনাজপুর এবং ড দিয়ে কয়লা সমৃদ্ধ বড়পুকুরিয়া খনির কথা একসাথে মনে রাখবে।
a নিঝুমদ্বীপ
b সেন্ট মার্টিনস
c হাতিয়া
d কুতুবদিয়া
0 143 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সেন্ট মার্টিনস কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ যা প্রবাল প্যাথ দিয়ে গঠিত। - এই দ্বীপের ভূপ্রকৃতি এবং জীববৈচিত্র্য সামুদ্রিক প্রবালের উপর নির্ভরশীল। ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: এটি বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশে টেকনাফ থেকে প্রায় নয় কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। - বিশেষত্ব: এখানে সামুদ্রিক কচ্ছপ এবং বৈচিত্র্যময় প্রবাল ও শামুক ঝিনুক পাওয়া যায়। - তথ্য: এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষিণাংশের ভূখণ্ড হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিঝুমদ্বীপ — এটি নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার অন্তর্ভুক্ত একটি পলিগঠিত চর এলাকা। B) সেন্ট মার্টিনস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) হাতিয়া — এটি মেঘনা নদীর মোহনায় পলি জমে গঠিত একটি বৃহৎ নদীদ্বীপ। D) কুতুবদিয়া — এটি কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত একটি উপকূলীয় দ্বীপ যা ভাঙনপ্রবণ। মনে রাখার টিপস: সেন্ট মার্টিনস নামের প্রবাল দ্বীপটি বঙ্গোপসাগরের বুকে এক টুকরো প্রবালের রাজ্য হিসেবে মনে রাখবে।
a পার্বত্য বন
b শালবন
c মধুপুর বন
d ম্যানগ্রোভ বন
0 145 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ম্যানগ্রোভ বন কেন সঠিক: - এই বনাঞ্চল উপকূলীয় অঞ্চলে সমুদ্রের লবণাক্ত জোয়ারের পানির নিচে প্রায় প্রতিদিন তলিয়ে যায়। - এখানকার গাছপালা অতিরিক্ত লবণাক্ত পরিবেশ সহ্য করে বেঁচে থাকার বিশেষ শারীরিক ক্ষমতা রাখে। ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান/আয়তন: এই বন সাধারণত নদী ও সমুদ্রের সংযোগস্থলে পলিথমাযুক্ত উপকূলীয় এলাকায় জন্ম নেয়। - বিশেষত্ব: গাছের শেকড় মাটির উপরে উঠে আসে যাকে শ্বাসমূল বা নিউমাটোপোর বলে। - তথ্য/উদাহরণ: বাংলাদেশের সুন্দরবন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাহাড়ী বন — এই বন উচ্চভূমি ও পাহাড়ি এলাকায় গড়ে ওঠে যেখানে লবণাক্ত পানির কোনো যোগাযোগ থাকে না। B) শালবন — এটি মূলত উচ্চভূমির শুষ্ক পর্ণমোচী বন যেখানে মাটি ও পানি সম্পূর্ণ মিষ্টি প্রকৃতির হয়। C) মধুপুর বন — এটি দেশের মধ্য অঞ্চলে অবস্থিত এক ধরনের ঐতিহাসিক শালবন যা সাধু পানির ওপর নির্ভরশীল। D) ম্যানগ্রোভ বন — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় ভুল হিসেবে গণ্য হবে না কারণ এটি লবণাক্ত পানির বন। মনে রাখার টিপস: - লবণাক্ত পানি বা জোয়ার ভাটার উপকূলীয় বন মানেই চোখ বন্ধ করে ম্যানগ্রোভ বন নির্বাচন করবে।
a বোয়ালমারী
b নড়িয়া
c আলমডাঙ্গা
d নিকলি
0 144 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নড়িয়া কেন সঠিক: পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙনের কারণে এই উপজেলাটি অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ। নদীর গতিপথ পরিবর্তন এবং পানির স্রোতের প্রবল চাপের কারণে এখানে প্রতি বছর প্রচুর বসতি নদীগর্ভে বিলীন হয়। ভৌগোলিক তথ্য: শরীয়তপুর জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা হলো নড়িয়া। পদ্মা নদীর ডান তীরের ভাঙনপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে এটি জাতীয়ভাবে পরিচিত। গত কয়েক দশকে এই উপজেলার বহু ঐতিহাসিক হাটবাজার ও জনপদ নদীগর্ভে হারিয়ে গেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বোয়ালমারী — এটি ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত এবং এখানে নদীভাঙ্গনের মাত্রা নড়িয়ার মতো তীব্র নয়। C) আলমডাঙ্গা — এটি চুয়াডাঙ্গা জেলায় অবস্থিত এবং এটি মূলত খরস্রোতা নদী বা তীব্র ভাঙনের আওতাধীন নয়। D) নিকলি — এটি কিশোরগঞ্জ জেলায় অবস্থিত এবং এটি হাওড় অধ্যুষিত এলাকা হওয়ায় এখানে নদীভাঙ্গন তুলনামূলক কম। মনে রাখার টিপস: পদ্মা নদীর পাড়ে অবস্থিত নড়িয়া মানেই নদীভাঙ্গনের সবচেয়ে বড় শিকার। ন দিয়ে নড়িয়া এবং ন দিয়েই নদীভাঙ্গনের সবচেয়ে ভয়াবহ চিত্র মনে রাখা যায়।
a একটি দেশের নাম
b ম্যানগ্রোভ বন
c একটি দ্বীপ
d সাবমেরিন ক্যানিয়ন
0 156 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সাবমেরিন ক্যানিয়ন কেন সঠিক: এটি বঙ্গোপসাগরের তলদেশে অবস্থিত একটি বিশাল ও গভীর খাদ বা গিরিখাত। এটি মূলত নদী দ্বারা সৃষ্ট জলের নিচের উপত্যকা যা সমুদ্রের তলদেশের ভূমিরূপ গঠন করে। ভৌগোলিক তথ্য: এটি সুন্দরবনের দক্ষিণ-পূর্বে বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে অবস্থিত। এর গভীরতা অনেক বেশি এবং এটি সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি দেশের নাম — সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড কোনো স্বাধীন বা সার্বভৌম দেশ নয়। B) ম্যানগ্রোভ বন — এটি সুন্দরবনের মতো উপকূলীয় উদ্ভিদ বা বনভূমি নয় বরং সমুদ্রের তলদেশের খাদ। C) একটি দ্বীপ — এটি সমুদ্রের উপরে জেগে থাকা কোনো ভূখণ্ড বা দ্বীপ নয়। D) সাবমেরিন ক্যানিয়ন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সমুদ্রের তলদেশের একটি গভীর গিরিখাত। মনে রাখার টিপস: সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড শুনলেই মনে রাখবে এটি সমুদ্রের নিচের এক ধরণের গভীর খাদ বা ক্যানিয়ন।
a দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
b পশ্চিমাঞ্চল
c উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
d উত্তর-পূর্বাঞ্চল
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উত্তর-পূর্বাঞ্চল কেন সঠিক: - এই অঞ্চলে মেঘালয় ও আসামের পাহাড়ি ঢাল থেকে নেমে আসা পাহাড়ি নদীর তীব্র স্রোতের কারণে দ্রুত পানি বৃদ্ধি পায়। - ভারতের চেরাপুঞ্জির মতো অতিবৃষ্টির অঞ্চল কাছাকাছি থাকায় আকস্মিক ও দ্রুত পানি জমে প্লাবনের সৃষ্টি হয়। ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর অববাহিকা পরিবেষ্টিত হাওড় অঞ্চল। - বিশেষত্ব: এই অঞ্চলের ভূমি থালার মতো নিচু এবং নদীর তলদেশ ভরাট হওয়ায় পানি ধারণক্ষমতা খুবই কম। - তথ্য/উদাহরণ: সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও নেত্রকোনা জেলায় প্রায় প্রতি বছরই বর্ষাকালে এমন আকস্মিক বন্যা দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল — এই অঞ্চলে জোয়ার-ভাটা এবং ঘূর্ণিঝড় প্রভাবিত উপকূলীয় প্লাবন ঘটে কিন্তু পাহাড়ি ঢলের আকস্মিক বন্যা হয় না। B) পশ্চিমাঞ্চল — এই অঞ্চল গঙ্গা অববাহিকায় অবস্থিত হওয়ায় এখানে সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী নদী বন্যা দেখা যায়। C) উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল — তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বাড়ার কারণে এখানে মৌসুমি বন্যা হয় তবে তা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মতো আকস্মিক নয়। মনে রাখার টিপস: পাহাড়ের ঢাল আর হাওড়ের দেশ উত্তর-পূর্বাঞ্চল, যেখানে বৃষ্টি নামলেই হঠাৎ জল আসে পলকহীন।
a চীন
b পাকিস্তান
c থাইল্যান্ড
d মিয়ানমার
0 189 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মিয়ানমার কেন সঠিক: ১. মিয়ানমার দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র যা বাংলাদেশের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব সীমানা জুড়ে অবস্থান করছে। ২. বাংলাদেশের সাথে কেবল ভারত এবং মিয়ানমার এই দুটি দেশের সরাসরি আন্তর্জাতিক স্থল সীমান্ত রয়েছে। ভৌগোলিক তথ্য: ১. মিয়ানমার বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশে বান্দরবান, রাঙামাটি ও কক্সবাজার জেলার সীমান্তবর্তী একটি প্রতিবেশী রাষ্ট্র। ২. এই দেশটির সাথে বাংলাদেশের প্রায় ২৭১ কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক স্থল ও নদী সীমান্ত রয়েছে। ৩. বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমানার মধ্য দিয়ে নাফ নদী প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — চীন এশিয়ার একটি বিশাল দেশ হলেও ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে এর সাথে বাংলাদেশের কোনো সরাসরি সীমানা নেই। B) পাকিস্তান — পাকিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার দেশ হলেও ১৯৭১ সালের পর এর সাথে বাংলাদেশের কোনো ভৌগোলিক সীমানা বা সংযোগ নেই। C) থাইল্যান্ড — থাইল্যান্ড দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ যা বাংলাদেশ থেকে ভৌগোলিক ও দূরত্বের দিক থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। D) মিয়ানমার — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বাংলাদেশের সাথে সরাসরি আন্তর্জাতিক সীমানা ভাগ করে নেওয়া অন্যতম একটি দেশ। মনে রাখার টিপস: ১. মনে রাখবে বাংলাদেশ তার মানচিত্রের তিন দিক ভারত এবং এক দিক মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত। ২. মিয়ানমার হলো একমাত্র দেশ যার সাথে ভারত ছাড়া বাংলাদেশের স্থল ও সমুদ্র সীমানা উভয়ই যুক্ত আছে।
a বান্দরবন
b কুষ্টিয়া
c কুমিল্লা
d বরিশাল
0 150 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কুমিল্লা কেন সঠিক: কুমিল্লার ময়নামতি ও লালমাই পাহাড় এলাকা প্লাইস্টোসিন কালের সোপান বা উঁচু ভূমির অন্তর্ভুক্ত। ভূমিতাত্ত্বিক বিচারে প্লাইস্টোসিন যুগে গঠিত হওয়ার কারণে এই অঞ্চলের মাটি সাধারণত লালচে ও পলিযুক্ত হয়ে থাকে। ভৌগোলিক তথ্য: কুমিল্লার ময়নামতি ও লালমাই পাহাড় অঞ্চল প্লাইস্টোসিন চত্বর বা সোপান হিসেবে পরিচিত। এই অঞ্চলগুলো প্লাবনভূমির চেয়ে কিছুটা উঁচু এবং এটি বরেন্দ্রভূমি ও মধুপুর গড়ের সমসাময়িক। বাংলাদেশের মোট ভূভাগের প্রায় আট শতাংশ এলাকা জুড়েই মূলত এই প্লাইস্টোসিন সোপানগুলো বিস্তৃত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বান্দরবন — এটি মূলত পাহাড়ি অঞ্চল এবং বাংলাদেশের পাহাড়ি সমভূমি বা টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ের অন্তর্ভুক্ত। B) কুষ্টিয়া — এটি প্লাইস্টোসিন সোপান নয়, বরং বর্তমানকালের নদী দ্বারা গঠিত সাম্প্রতিক প্লাবনভূমির অন্তর্গত। C) কুমিল্লা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয় এবং এখানে প্লাইস্টোসিন কালের সোপান অবস্থিত। D) বরিশাল — এটি প্লাইস্টোসিন সোপান নয়, বরং নদী ও জোয়ারভাটার পলি দ্বারা গঠিত প্লাবনভূমি অঞ্চলের অংশ। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিন সোপান মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর গড় এবং ময়নামতি পাহাড় বা লালমাই পাহাড়।
a বন্যা
b খরা
c ঘূর্ণিঝড়
d ভূমিধস
0 179 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বন্যা কেন সঠিক: - বন্যা মূলত অতিবৃষ্টি, নদী ভাঙন এবং আবহাওয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন জলবায়ুগত প্রক্রিয়ার কারণে ঘটে থাকে যা জলবায়ু বিজ্ঞানের আওতাভুক্ত। - হাইড্রোমেটিওরোলজিক্যাল বা বারি-বায়ুমণ্ডলীয় দুর্যোগ বলতে পানি এবং আবহাওয়ার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত প্রাকৃতিক বিপযয়কে বোঝানো হয়। ভৌগোলিক তথ্য: - ভৌগোলিক অবস্থান ও আয়তন বলতে নদীমাতৃক দেশ এবং নিচু প্লাবনভূমি অঞ্চলকে বোঝায় যেখানে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের সমস্যা বেশি থাকে। - এর বিশেষত্ব হলো এটি নদী অববাহিকা এবং উপকূলীয় অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে এবং জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করে তোলে। - উদাহরণস্বরূপ, প্রতি বছর বর্ষাকালে বাংলাদেশের বদ্বীপ অঞ্চলে মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে মারাত্মক বন্যা দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বন্যা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটি জলবায়ু ও পানির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। - B) খরা — এটি জলবায়ু সংক্রান্ত হলেও পানি সংকট জনিত দুর্যোগ হিসেবে আলাদাভাবে আবহাওয়া বিজ্ঞান ও জলবায়ু বিজ্ঞানের আওতায় পঠিত হয়। - C) ঘূর্ণিঝড় — এটি আবহাওয়া সংক্রান্ত বা মেটিওরোলজিক্যাল দুর্যোগ হিসেবে গণ্য হয় তবে তা শুধুমাত্র বায়ুমণ্ডলের ওপর বেশি নির্ভরশীল। - D) ভূমিধস — এটি মূলত ভূতাত্ত্বিক বা জিওলজিক্যাল এবং মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে পাহাড়ি অঞ্চলে সংঘটিত একটি দুর্যোগ। মনে রাখার টিপস: - হাইড্রো শব্দের অর্থ পানি এবং মেটিওরোলজি শব্দের অর্থ আবহাওয়া। - তাই পানি এবং আবহাওয়া মিলে যে দুর্যোগ সৃষ্টি হয়, তার প্রধান উদাহরণ হলো বন্যা।
a ভূমিকম্প
b ভূমিধম
c টর্নেডো
d খড়া
0 155 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভূমিকম্প কেন সঠিক: বাংলাদেশ ভূকম্পনপ্রবণ অঞ্চলের ওপর অবস্থিত হওয়ায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি অত্যন্ত বিপজ্জনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের প্রধান প্রধান ফল্ট লাইন বা চ্যুতিগুলোতে ভূগর্ভস্থ শক্তির সঞ্চয় এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে এই ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে গেছে। ভৌগোলিক তথ্য: বাংলাদেশ ভারতীয় ইউরেশিয়ান এবং বার্মিজ এই তিনটি সক্রিয় টেকটনিক প্লেটের সংযোগস্থলের কাছাকাছি অবস্থিত। এই ভূখণ্ডটি প্রধানত নরম পলিগঠিত বদ্বীপ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এখানে ভূকম্পনের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা খুব বেশি থাকে। সাম্প্রতিক ভূতাত্ত্বিক গবেষণায় মধুপুর ও ডাউকি ফল্টসহ দেশের বেশ কিছু অঞ্চলে শক্তিশালী বিচ্যুতির সক্রিয়তা লক্ষ করা গেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভূমিকম্প — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) ভূমিধম — পাহাড়ি অঞ্চলে এটি ঘটে থাকে এবং এর ঝুঁকি মূলত নির্দিষ্ট কিছু এলাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। C) টর্নেডো — এটি একটি স্থানীয় ক্ষণস্থায়ী ঝড় এবং এর ঝুঁকি সাম্প্রতিককালে উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পায়নি। D) খরা — বরেন্দ্র অঞ্চলে এর প্রভাব কিছুটা থাকলেও এর সার্বিক ঝুঁকি ভূমিকম্পের মতো এভাবে বাড়েনি। মনে রাখার টিপস: বদ্বীপ অঞ্চলে পলিমাটি বেশি থাকায় এবং প্লেটের নড়াচড়ার কারণে বর্তমানে সবচেয়ে বড় আতঙ্ক হলো ভূমিকম্প।
a ভাই
b চাচা
c ছেলে
d কোনো সম্পর্ক নেই
0 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভাই প্রদত্ত তথ্য: তিন্নী একটি ছবির দিকে নির্দেশ করে একটি সম্পর্ক বলছে সম্পর্কটি হলো তিন্নীর দাদার একমাত্র ছেলের ছেলে ধরি, তিন্নীর দাদা মানে তিন্নীর বাবার বাবা অতএব, তিন্নীর দাদার একমাত্র ছেলে হলো তিন্নীর নিজের বাবা সুতরাং, তিন্নীর বাবার ছেলে হলো তিন্নীর নিজের ভাই উত্তর: ভাই
a চাঁদ
b প্লুটো
c মঙ্গল
d পৃথিবী
0 141 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চাঁদ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে রয়েছে চাঁদ, প্লুটো, মঙ্গল এবং পৃথিবী ধরি, প্লুটো, মঙ্গল এবং পৃথিবী হলো সৌরজগতের বিভিন্ন গ্রহ অতএব, চাঁদ কোনো গ্রহ নয়, এটি পৃথিবীর একটি প্রাকৃতিক উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট সুতরাং, অন্যান্য অপশনগুলো গ্রহ হওয়ায় চাঁদ এদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা উত্তর: চাঁদ
a Conventional
b Peculier
c Conservative
d Traditional
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Peculier প্রদত্ত তথ্য: শব্দগুলোর ইংরেজি অর্থ এবং তাদের ভাবার্থ বিশ্লেষণ করতে হবে ধরি, Conventional মানে গতানুগতিক বা প্রচলিত Conservative মানে রক্ষণশীল বা পুরনো নীতিতে বিশ্বাসী Traditional মানে ঐতিহ্যগত বা প্রথাগত অতএব, অপশন এ, সি এবং ডি এর সবগুলো শব্দের অর্থ প্রায় একই রকম এবং তারা সমগোত্রীয় সুতরাং, অপশন বি তে থাকা Peculiar শব্দটি কিছুটা আলাদা কারণ এর অর্থ অদ্ভুত বা অস্বাভাবিক উত্তর: B) Peculier
a ৮ মাইল
b 15
c 12
d উপরের কোনোটিই নয়
0 137 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের কোনোটিই নয় প্রদত্ত তথ্য: ব্যক্তি প্রথমে ৫ মাইল পশ্চিমে গেল এরপর ২ মাইল দক্ষিণে গেল সবশেষে আবার ৫ মাইল পশ্চিমে গেল ধরি, যাত্রাবিন্দুটি মূলবিন্দু শূন্য কমা শূন্য অতএব, পশ্চিম দিকের মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৫ + ৫ = ১০ মাইল দক্ষিণ দিকের মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ২ মাইল সুতরাং, সরাসরি দূরত্বের জন্য পিথাগোরাসের সূত্র ব্যবহার করতে হবে সরাসরি দূরত্ব = √((১০ বর্গ) + (২ বর্গ)) = √(১০০ + ৪) = √১০৪ মাইল উত্তর: √১০৪ মাইল যা প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে নেই
a ৩০ পাউন্ড
b ২৫ পাউন্ড
c ৪০ পাউন্ড
d ৩৫ পাউন্ড
0 141 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৫ পাউন্ড প্রদত্ত তথ্য: ফালক্রাম থেকে প্রথম ওজনের দূরত্ব = ৮ ফুট প্রথম ওজনের পরিমাণ = ২০ পাউন্ড ধরি, ফালক্রাম থেকে দ্বিতীয় ওজনের দূরত্ব = ৪ ফুট প্রশ্নবোধক স্থানে প্রয়োজনীয় ওজন = ক পাউন্ড অতএব, লিভারের ভারসাম্য নীতির সূত্র অনুযায়ী বাম পাশের বল ও দূরত্বের গুণফল = ডান পাশের বল ও দূরত্বের গুণফল ২০ পাউন্ড × ৭ ফুট = ক পাউন্ড × ৪ ফুট সুতরাং, ১৪০ = ক × ৪ ক = ১৪০ ÷ ৪ উত্তর: ৩৫ পাউন্ড
a topic
b examination
c party
d participant
0 128 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) participant প্রদত্ত তথ্য: প্রতিযোগীতা একটি সামাজিক ও কর্মমুখী কার্যক্রম যেখানে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে একাধিক পক্ষ অংশ নেয় ধরি, প্রতিযোগীতার মূল আয়োজন হলো খেলা বা পরীক্ষা একক বা দলগতভাবে এতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা হয় অতএব, প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য প্রতিযোগী প্রয়োজন প্রতিযোগী ছাড়া কোনো প্রতিযোগীতা হতে পারে না সুতরাং, প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বা প্রতিযোগী থাকতেই হবে উত্তর: D) participant
a DE
b ED
c FG
d GF
0 158 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) FG প্রদত্ত তথ্য: সিরিজের পদগুলো হলো DC, DE, FE, ??, HG, HI ধরি, প্রতিটি পদে ইংরেজি বর্ণমালার দুটি করে বর্ণ আছে অতএব, প্রথম পদ DC এর শেষ বর্ণ D দিয়ে দ্বিতীয় পদ DE শুরু হয়েছে তৃতীয় পদ FE এর শেষ বর্ণ E দিয়ে চতুর্থ পদ শুরু হবে সুতরাং, বর্ণ দুটির ক্রম বিশ্লেষণ করে পাই চতুর্থ পদটি হবে FG উত্তর: C) FG
a 20
b 26
c 30
d 25
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৬ প্রদত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো পর্যায়ক্রমে সাজানো আছে প্রথম সংখ্যা দুই এবং দ্বিতীয় সংখ্যা পাঁচ ধরি, প্রথম পদের সাথে যোগ করতে হবে তিন দ্বিতীয় পদের সাথে যোগ করতে হবে পাঁচ অতএব, তৃতীয় পদের সাথে যোগ করতে হবে সাত চতুর্থ পদের সাথে যোগ করতে হবে নয় সুতরাং, পঞ্চম পদের সাথে যোগ করতে হবে এগারো উত্তর: ২৬
a 246173
b 214673
c 214763
d 216473
0 137 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২১৪৬৭৩ প্রদত্ত তথ্য: ROSE এর কোড = ৬৮২১ CHAIR এর কোড = ৭৩৪৫৬ PREACH এর কোড = ৯৬১৪৭৩ ধরি, প্রতিটি অক্ষরের নিজস্ব নির্দিষ্ট কোড সংখ্যা রয়েছে অতএব, R অক্ষরটির কোড = ৬ O অক্ষরটির কোড = ৮ S অক্ষরটির কোড = ২ E অক্ষরটির কোড = ১ সুতরাং, C অক্ষরটির কোড = ৭, H অক্ষরটির কোড = ৩, A অক্ষরটির কোড = ৪, I অক্ষরটির কোড = ৫, P অক্ষরটির কোড = ৯ উত্তর: ২১৪৬৭৩
a 180
b 240
c 300
d 360
0 200 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮০ প্রদত্ত তথ্য: আন্ডারগ্রাজুয়েড কর্মচারী ৪০% অবশিষ্ট কর্মচারীদের ৫০% গ্রাজুয়েট ধরি, মোট কর্মচারীর সংখ্যা = ১০০ জন আন্ডারগ্রাজুয়েড কর্মচারী = ৪০ জন অতএব, অবশিষ্ট কর্মচারী = ১০০ জন − ৪০ জন = ৬০ জন গ্রাজুয়েট কর্মচারী = ৬০ জনের ৫০% = ৩০ জন সুতরাং, পোস্ট গ্রাজুয়েট কর্মচারী = ৬০ জন − ৩০ জন = ৩০ জন ৩০ জন পোস্ট গ্রাজুয়েট হলে মোট কর্মচারী = ১৮০ × ১০০ ÷ ৩০ = ৬০০ জন উত্তর: ১৮০ জন
a OXYGEN
b ATMOSPHERE
c WINDPIPE
d INHALE
0 145 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) OXYGEN প্রদত্ত তথ্য: গাড়ি চালাতে যেমন লাইসেন্স বা অনুমতিপত্র আবশ্যক জীবনের জন্য শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় ধরি, প্রথম সম্পর্কটি হলো আইনি বা বাধ্যতামূলক চালিকাশক্তি দ্বিতীয় সম্পর্কটি হলো শারীরিক বা জৈবিক অস্তিত্বের চালিকাশক্তি অতএব, ড্রাইভ করার অপরিহার্য দলিল হলো লাইসেন্স শ্বাস নেওয়ার মূল উপাদান হলো অক্সিজেন সুতরাং, শূন্যস্থানে সঠিক বিকল্পটি বসবে অক্সিজেন উত্তর: A) OXYGEN
a ১২ দিনে
b ২৪ দিনে
c ২১ দিনে
d ১৫ দিনে
0 168 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২১ দিনে প্রদত্ত তথ্য: A এর চেয়ে B দ্বিগুণ কাজ করতে পারে তারা দুজন একত্রে একটি কাজ চৌদ্দ দিনে শেষ করতে পারে ধরি, A এক দিনে করতে পারে ১ অংশ কাজ B এক দিনে করতে পারে ২ অংশ কাজ অতএব, দুজনে একত্রে এক দিনে করতে পারে ১ + ২ = ৩ অংশ কাজ সম্পূর্ণ কাজটি শেষ করতে তাদের দুজনের মোট কাজের পরিমাণ = ৩ × ১৪ = ৪২ অংশ সুতরাং, A একা কাজটি শেষ করতে সময় নেবে = ৪২ ÷ ১ = ৪২ দিন উত্তর: ২১ দিনে
a ঠ
b ম
c ন
d র
0 139 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ন প্রদত্ত তথ্য: বর্ণমালাভিত্তিক একটি ধারা বা সিরিজ দেওয়া হয়েছে। ধারার পদগুলো হলো ঙ, ঞ, ণ এবং পরবর্তী পদ নির্ণয় করতে হবে। ধরি, বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের ক্রম অনুসারে বর্ণগুলোর অবস্থান বিবেচনা করি। ঙ হলো কবর্গীয় ধ্বনির পঞ্চম বর্ণ। অতএব, ঞ হলো চবর্গীয় ধ্বনির পঞ্চম বর্ণ। ণ হলো টবর্গীয় ধ্বনির পঞ্চম বর্ণ। সুতরাং, প্রতিটি ধাপে বর্গের পঞ্চম বর্ণগুলো ক্রমানুসারে আসছে। পরবর্তী তবর্গীয় ধ্বনির পঞ্চম বর্ণটি হবে ন। উত্তর: ন

মোট প্রশ্ন (32)

a ১৮৬০ 
b 1861
c ১৮৬৫ 
d 1867
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮৬৫ ১. কেন সঠিক: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম সার্থক বাংলা উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। - এই উপন্যাসের প্রকাশ বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তিনি উনিশ শতকের অন্যতম প্রধান সাহিত্যিক। - 'দুর্গেশনন্দিনী' একটি ঐতিহাসিক রোমান্সধর্মী উপন্যাস যেখানে মুঘল ও পাঠানদের বিরোধের পটভূমিতে প্রেমের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬) ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় ও একটি বিখ্যাত রোমান্সধর্মী উপন্যাস। উদাহরণ ২: মৃণালিনী (১৮৬৯) ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত তৃতীয় ঐতিহাসিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৬০ — এই সালে 'দুর্গেশনন্দিনী' উপন্যাস প্রকাশিত হয়নি বরং এটি বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসের প্রকাশের সাল নয়। B) 1861 — এই সালে দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত নাটক 'নীলদর্পণ' প্রকাশিত হয়েছিল, কোনো উপন্যাস নয়। D) ১৮৬৭ — এই সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোনো মৌলিক উপন্যাস প্রকাশিত হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস প্রকাশের সাল মনে রাখতে ১৮৬৫ সংখ্যাটি মনে রাখুন। - ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত 'দুর্গেশনন্দিনী' বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাসগুলোর প্রকাশকাল প্রায়ই আসে। - প্রথম উপন্যাস হিসেবে 'দুর্গেশনন্দিনী' এর প্রকাশ সাল (১৮৬৫) বারবার মুখস্থ রাখতে হবে।
a করণ কারক
b সম্প্রদান কারক
c অপাদান কারক
d অধিকরণ কারক
0 142 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সম্প্রদান কারক ১. কেন সঠিক: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্প্রদান কারকটিকে স্বতন্ত্র কারক হিসেবে রাখতে চাননি এবং একে কর্মকারকের অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করেছিলেন। - তার মতে, স্বত্ব ত্যাগ করে কোনো কিছু প্রদান করার ক্ষেত্রে যে কারক হয়, তা মূলত কর্ম কারকেরই একটি রূপ মাত্র। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রথাগত বাংলা ব্যাকরণে সম্প্রদান কারক বলতে এমন বিশেষ ক্ষেত্র বোঝায় যেখানে সত্য ত্যাগ করে কোনো কিছু কাউকে দান বা প্রদান করা হয়। - বাংলা ব্যাকরণকে আরও সহজ ও যৌক্তিক করার উদ্দেশ্যে ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্প্রদান কারককে স্বতন্ত্র কারক হিসেবে অস্বীকার করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভিক্ষুককে ভিক্ষা দাও। ব্যাখ্যা: প্রথাগত ব্যাকরণে এটি সম্প্রদান কারক হলেও আধুনিক ও প্রমিত নিয়মে এটি কর্ম কারক হিসেবে বিবেচিত হয়। উদাহরণ ২: ধোপাকে কাপড় দাও। ব্যাখ্যা: এখানে স্বত্ব ত্যাগ করা বোঝায় না, তাই এটি সরাসরি কর্ম কারক এবং এর সঙ্গে সম্প্রদান কারকের তুলনা করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণ কারক — করণ শব্দের অর্থ যন্ত্র, সহায়ক বা উপায় যার দ্বারা ক্রিয়া সম্পন্ন হয় এবং রবীন্দ্রনাথ এটি বাদ দেওয়ার কথা বলেননি। B) সম্প্রদান কারক — এই অপশনটি সঠিক কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্যাকরণ থেকে এই কারকটিকে বাদ দিতে চেয়েছিলেন। C) অপাদান কারক — অপাদান কারক দ্বারা কোনো কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত বা ভীত হওয়া বোঝায় এবং এটি বাদ দেওয়ার কোনো প্রস্তাব আসেনি। D) অধিকরণ কারক — অধিকরণ কারক দ্বারা ক্রিয়া সংঘটিত হওয়ার স্থান, কাল বা সময়কে বোঝায় যা ব্যাকরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্প্রদান কারককে কর্ম কারক বলে মনে করতেন। - তাই ব্যাকরণ সহজ করতে তিনি সম্প্রদান কারক বাদ দিতে চেয়েছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন পন্ডিত সম্প্রদান কারক বাদ দিতে চেয়েছেন। - উত্তর হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম মনে রাখতে হবে।
a স্বরযন্ত্র
b ফুসফুস
c দাত
d উপরের সবকটি
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবকটি ১. কেন সঠিক: - বাগযন্ত্র হলো মানুষের কথা বলার বা ধ্বনি উৎপন্ন করার কাজে সরাসরি সাহায্যকারী অঙ্গসমূহ। - ফুসফুস, স্বরযন্ত্র ও দাঁত—প্রত্যেকেই ধ্বনি উৎপাদনে বিভিন্নভাবে বায়ুর গতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং উচ্চারণস্থল তৈরিতে ভূমিকা রাখে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ সংক্রান্ত ব্যাকরণের অংশ হলো বাগযন্ত্রের আলোচনা। - মানুষের ফুসফুস থেকে নির্গত বাতাস বাকনল, স্বরযন্ত্র, মুখবিবর, জিহ্বা, দাঁত, ওষ্ঠ ইত্যাদির সাহায্যে বিভিন্ন ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দাঁত ব্যাখ্যা: এটি উচ্চারণ স্থান হিসেবে দন্ত্য ধ্বনি তৈরিতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: স্বরযন্ত্র ব্যাখ্যা: এটি বাকধ্বনির মূল উৎস হিসেবে স্বর উৎপন্ন করতে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরযন্ত্র — এটি বাগযন্ত্রের একটি অংশ হলেও একা সম্পূর্ণ বাগযন্ত্র নয়, তাই এটি সঠিক উত্তরের একাংশ মাত্র। B) ফুসফুস — এটি বাগযন্ত্রের মূল চালিকাশক্তি বা বায়ুর উৎস হলেও একা সম্পূর্ণ বাগযন্ত্র গঠন করে না। C) দাত — এটি উচ্চারণের একটি passive articulator বা সক্রিয় உறு অঙ্গ হলেও সম্পূর্ণ বাগযন্ত্র নয়। D) উপরের সবকটি — এই অপশনে থাকা স্বরযন্ত্র, ফুসফুস ও দাঁত প্রত্যেকেই বাগযন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এটি সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাগযন্ত্র মনে রাখার সহজ সূত্র হলো ফুসফুস থেকে বাতাস বেরিয়ে মুখবিবরের দাঁত, জিহ্বা ও স্বরযন্ত্রের সাহায্যে বাইরে আসার পুরো প্রক্রিয়াটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগযন্ত্রের উপাদান সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ফুসফুসকে বাগযন্ত্রের মূল চালিকাশক্তি বলা হয় কারণ এর বাতাস ছাড়া কোনো ধ্বনি তৈরি হয় না।
a তাতে সমাজজীবন চলে ।
b তাতে না সমাজজীবন চলে ।
c তাতে সমাজনজীবন অচল হয়ে পড়ে।
d তাতে সমাজজীবন সচল হয়ে পড়ে।
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে। ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটি বাক্য রূপান্তর বা নেতিবাচক বাক্য থেকে অস্তিবাচক বাক্যে রূপান্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত। প্রদত্ত বাক্যটি নেতিবাচক বা না-বোধক রূপের ('তাতে সমাজজীবন চলে না'), এর অস্তিবাচক বা হ্যাঁ-বোধক রূপ নির্ণয় করতে হবে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্য রূপান্তরের সময় মূল অর্থের কোনো পরিবর্তন না করে নেতিবাচক বাক্যকে অস্তিবাচক বাক্যে রূপান্তর করতে হয়। এখানে 'চলে না' ক্রিয়াপদের বিপরীতার্থক বা ভাবগত বিপরীত শব্দ ব্যবহার করে অস্তিবাচক রূপ দিতে হবে, যেখানে 'অচল হয়ে পড়ে' কথাটি মূল অর্থের সামঞ্জস্য রেখে হ্যাঁ-বোধক ভাব প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিনি মিথ্যা বলেন না। ব্যাখ্যা: বাক্যটির অস্তিবাচক রূপ হবে, তিনি সত্য বলেন। উদাহরণ ২: কাজটি করা সহজ নয়। ব্যাখ্যা: বাক্যটির অস্তিবাচক রূপ হবে, কাজটি করা কঠিন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাতে সমাজজীবন চলে — এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে হ্যাঁ-বোধক হলেও মূল বাক্যের নেতিবাচক ভাব বা অর্থের সঠিক পরিবর্তন প্রকাশ করে না। B) তাতে না সমাজজীবন চলে — এই অপশনটিতে 'না' যুক্ত থাকায় এটি একটি নেতিবাচক বাক্য রয়ে গেছে, যা অস্তিবাচক রূপের বিপরীত। C) তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি নেতিবাচক বাক্যকে অর্থের পরিবর্তন না করে সম্পূর্ণ অস্তিবাচকূপে রূপান্তর করেছে। D) তাতে সমাজজীবন সচল হয়ে পড়ে — এই অপশনটি মূল বাক্যের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে, কারণ মূল বাক্যে সমাজজীবন সচল না থাকার ইঙ্গিত রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্য রূপান্তরের সময় খেয়াল রাখবে যেন বাক্যের অন্তর্নিহিত অর্থ অপরিবর্তিত থাকে এবং না-বোধক শব্দ বাদ দিয়ে তার উপযুক্ত বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করতে হয়। অস্তিবাচক থেকে নেতিবাচক বা নেতিবাচক থেকে অস্তিবাচক করার সময় মূল ভাব ঠিক রাখা সবচেয়ে জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তরের প্রশ্নগুলোতে প্রায়শই বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করে অর্থের মিল রাখতে হয়। তাই মূল বাক্যের মূল ভাব এবং ক্রিয়াপদের বিপরীত রূপ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখতে হবে।
a কর্মধারয়
b বহুব্রীহি
c অব্যয়ীভাব
d তৎপুরুষ
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: সমাস ও সমাস নির্ণয় সঠিক উত্তর: A) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - চিকিৎসাশাস্ত্র শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো চিকিৎসা বিষয়ক শাস্ত্র, যেখানে পরপদ শাস্ত্রের অর্থ প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। - কর্মধারয় সমাসের নিয়মানুসারে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে বা সম্বন্ধ পদের লোপে এই সমাস গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং পূর্বপদ ও পরপদের মধ্যে বিশেষ্য-বিশেষণ বা সম্বন্ধ সম্পর্ক থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - এখানে চিকিৎসা এবং শাস্ত্র দুটি পদের মধ্যে সম্বন্ধ বা বিষয়বস্তু বোঝাতে মধ্যপদ বা বিশেষ সম্পর্ক যুক্ত হয়ে কর্মধারয় সমাস সাধন করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিজ্ঞানশাস্ত্র ব্যাখ্যা: বিজ্ঞান বিষয়ক শাস্ত্র সমান বিজ্ঞানশাস্ত্র, যা চিকিৎসাশাস্ত্রের মতো কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: গ্রাম্যসাহিত্য ব্যাখ্যা: গ্রাম্য যে সাহিত্য সমান গ্রাম্যসাহিত্য, এটিও কর্মধারয় সমাসের অপর একটি প্রমিত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মধারয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রদত্ত শব্দটি কর্মধারয় সমাসের নিয়মে গঠিত হয়েছে। B) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পূর্ব বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো তৃতীয় পদকে বোঝায়, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) অব্যয়ীভাব — অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যোগে অবয়বের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু চিকিৎসাশাস্ত্র শব্দটিতে কোনো অব্যয় পদ যুক্ত হয়নি। D) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তবে প্রদত্ত শব্দটি মধ্যপদলোপী বা সম্বন্ধযুক্ত কর্মধারয়ের আওতাভুক্ত। ৫ মনে রাখার টিপস: - কোনো শাস্ত্র বা বিদ্যা বিষয়ক শব্দ বোঝালে এবং তার ব্যাসবাক্যে বিষয়ক বা সম্পর্কিত শব্দ এলে সাধারণত তা কর্মধারয় সমাস হয়। - ব্যাকরণের এই নিয়মটি মনে রাখলে পরীক্ষাকলে খুব সহজেই সঠিক উত্তর নির্ধারণ করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের মধ্যপদযুক্ত বা বিষয়ক শব্দ প্রায়ই আসে, তাই ব্যাসবাক্য নির্ণয় করে সমাসের নাম বের করা শিখতে হবে। - একই নিয়মে সাহিত্যশাস্ত্র, সমাজশাস্ত্র বা আইনশাস্ত্র শব্দগুলোর সমাসও নির্ণয় করা যায়।
a সরল বাক্য
b জটিল বাক্য
c যৌগিক বাক্য
d খণ্ড বাক্য
0 131 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জটিল বাক্য ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীন এক বা একাধিক আশ্রিত বা অধীন খণ্ডবাক্য ব্যবহৃত হয় এবং যারা পরস্পর সাপেক্ষ সর্বনাম দ্বারা যুক্ত থাকে, তাকে জটিল বাক্য বলে। এখানে যিনি এবং তিনি সাপেক্ষ সর্বনাম বা জোড় শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যা বাক্যটিকে জটিল বাক্যে রূপান্তর করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: গঠনভেদে বাংলা বাক্য প্রধানত তিন প্রকার, যথা সরল বাক্য, জটিল বাক্য ও যৌগিক বাক্য। যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে তাকে সরল বাক্য বলে। যে বাক্যে দুটি স্বাধীন বাক্য সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে তাকে যৌগিক বাক্য বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যে পরিশ্রমে সে সফল হয়। ব্যাখ্যা: এখানে যে এবং সে সাপেক্ষ সর্বনাম যুক্ত হয়ে জটিল বাক্য গঠন করেছে। উদাহরণ ২: যদি বৃষ্টি হয়, তবে খেলা বন্ধ থাকবে। ব্যাখ্যা: এখানে যদি এবং তবে সাপেক্ষ পদ যুক্ত হওয়ায় এটি একটি জটিল বাক্য হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল বাক্য — এই বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, কিন্তু প্রদত্ত বাক্যে সাপেক্ষ সর্বনামের ব্যবহার রয়েছে। B) জটিল বাক্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে সাপেক্ষ সর্বনামের মাধ্যমে অধীনতা প্রকাশ পেয়েছে। C) যৌগিক বাক্য — এই বাক্যে কোনো সংযোজক অব্যয় যেমন এবং, কিন্তু, কিংবা ব্যবহার করে দুটি স্বাধীন বাক্যকে যুক্ত করা হয়নি। D) খণ্ড বাক্য — খণ্ড বাক্য নিজে কোনো সম্পূর্ণ বাক্য নয়, এটি জটিল বা মিশ্র বাক্যের অংশবিশেষ, যা স্বাধীনভাবে সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না। ৫ মনে রাখার টিপস: যিনি-তিনি, যে-সে, যতো-ততো, যদি-তবে ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম বা শব্দ জোড় দেখলে চোখ বন্ধ করে সেটিকে জটিল বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। এই শব্দগুলো বাক্যের এক অংশের ওপর অন্য অংশের নির্ভরশীলতা নির্দেশ করে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তরের জন্য সাপেক্ষ সর্বনাম চেনার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বাক্যের গঠন এবং সংযোগকারী শব্দের উপস্থিতি খেয়াল করে খুব সহজেই সরল, জটিল ও যৌগিক বাক্য আলাদা করা যায়।
a ভূবন
b অন্তঃসার
c মুহূর্ত
d অদ্ভুত
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভূবন ১. কেন সঠিক: - 'ভূবন' শব্দটির বানান ভুল কারণ বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দে 'উ-কার' এবং 'ন' যুক্ত হবে না। - সঠিক বানানটি হবে 'ভুবন', যেখানে প্রথম অক্ষরে 'উ-কার' এবং শেষের বর্ণটি মূর্ধন্য 'ন' এর পরিবর্তে দন্ত্য 'ন' হবে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে 'ণত্ব ও ষত্ব বিধান' এবং বাংলা একাডেমি কর্তৃক নির্ধারিত প্রমিত নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। - প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী অনেক সংস্কৃত তৎসম শব্দে মূর্ধন্য 'ণ' এর পরিবর্তে দন্ত্য 'ন' লেখার নিয়ম রয়েছে এবং শব্দের বানানে হ্রস্ব স্বরবর্ণ বা হ্রস্ব-কার ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সান্ত্বনা ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ বানান, যেখানে অনুস্বারের ব্যবহার এবং বানানের গঠন প্রমিত নিয়ম মেনে চলে। উদাহরণ ২: সান্ত্বনা (ভুল রূপ: শান্তনা) ব্যাখ্যা: অনেক শিক্ষার্থী বানানের ভুল উচ্চারণ বা অভ্যাসের কারণে 'সান্ত্বনা' শব্দটিকে ভুলভাবে 'শান্তনা' লিখে থাকেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভূবন — এটি ভুল বানান কারণ এর সঠিক রূপ হলো ভুবন। B) অন্তঃসার — এটি একটি সম্পূর্ণ সঠিক ও প্রমিত বানান, যার অর্থ দেহের ভেতরকার সারবস্তু বা সারাংশ। C) মুহূর্ত — এটি একটি সঠিক ও প্রমিত বানান, যেখানে হ্রস্ব 'উ-কার' এবং রেফ এর পর 'ত' ব্যবহৃত হয়েছে। D) অদ্ভুত — এটি একটি সঠিক ও প্রমিত বানান, যার অর্থ যা পূর্বে দেখা যায়নি বা আশ্চর্য জনক। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভুবন বানানে সবসময় হ্রস্ব উ-কার (ু) এবং দন্ত্য ন ব্যবহৃত হয়। - প্রমিত বানান মনে রাখার জন্য বাংলা একাডেমি প্রণীত বানান অভিধান নিয়মিত চর্চা করা উচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রমিত বানান থেকে প্রশ্ন আসে, তাই হ্রস্ব স্বরবর্ণ ও দন্ত্য ন এর ব্যবহার ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে। - সমধর্মী বানান যেমন ভুবন, মুহূর্ত, সান্ত্বনা ইত্যাদি বারবার অনুশীলন করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
a অসহায়ত্ব
b বিরক্তি
c কালের বিস্তার
d পৌনঃপুনিকতা
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পৌনঃপুনিকতা ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি পৌনঃপুনিকতা নির্দেশ করে কারণ একই পদের পরপর দুবার ব্যবহার বারবার বা অবিরাম ঘটার ভাব প্রকাশ করে। - এখানে 'ডেকে ডেকে' পদটি দ্বারা কাউকে বারবার বা ঘনঘন আহ্বান করার অবিরাম প্রক্রিয়া বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - একই শব্দ পরপর দুবার ব্যবহৃত হয়ে যদি একই সঙ্গে বারবার ঘটার বা ধারাবাহিকতার অর্থ প্রকাশ করে, তবে তাকে পদের দ্বিরুক্তি বা ক্রিয়ার দ্বিরুক্তি বলা হয়। - এই বাক্যে ক্রিয়ার দ্বিরুক্তির মাধ্যমে কাজের পৌনঃপুনিকতা বা ঘনঘন সংঘটিত হওয়া বোঝানো হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে জ্বর এল।’ ব্যাখ্যা: এখানে 'ভিজে ভিজে' পদটি কাজের ব্যাপ্তি বা ধারাবাহিকতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ‘তাঁকে বুঝিয়ে বুঝিয়ে হয়রান হলাম।’ ব্যাখ্যা: এখানে 'বুঝিয়ে বুঝিয়ে' পদটি বারবার বোঝানোর পৌনঃপুনিক অর্থ প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অসহায়ত্ব — এই বাক্যে অক্ষমতা বা পরনির্ভরশীলতার কোনো অর্থ প্রকাশ পায়নি। B) বিরক্তি — এখানে বিরক্তির ভাব থাকলেও ব্যাকরণগতভাবে প্রধান প্রকাশ হলো কাজটি বারবার ঘটা। C) কালের বিস্তার — কালের বিস্তার বলতে সময়ের দীর্ঘসূত্রিতা বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) পৌনঃপুনিকতা — এই অপশনটি সঠিক কারণ একই কাজের বারবার বা ঘনঘন সংঘটিত হওয়া বোঝানো হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্যে কোনো শব্দ বা ক্রিয়া দুবার থাকলে এবং তা যদি বারবার ঘটার অর্থ দেয়, তবে চোখ বন্ধ করে পৌনঃপুনিকতা দাগাবে। - ক্রিয়ার দ্বিরুক্তি দেখলে বারবার বা ঘনঘন ঘটার বিষয়টি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদের দ্বিরুক্তি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাক্যে শব্দের পুনরাবৃত্তি কোন ভাব প্রকাশ করছে, তা বুঝতে বাক্যের ভেতরের অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a প্রত্যায়িত
b সত্যায়িত
c প্রতারিত
d সত্যয়িত
0 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সত্যায়িত ১. কেন সঠিক: 'Attested' ইংরেজি শব্দটির প্রমিত বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো 'সত্যায়িত'। কোনো নথিপত্র, সনদ বা মূল কাগজের সত্যতা যাচাই করে যখন তা সঠিক বলে প্রমাণিত হয়, তখন তাকে সত্যায়িত বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি পারিভাষিক শব্দ বিষয়ক একটি প্রশ্ন। প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজে ইংরেজি শব্দের সঠিক বাংলা পরিভাষা ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমি নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Attested copy ব্যাখ্যা: এর সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো সত্যায়িত অনুলিপি। উদাহরণ ২: Attested document ব্যাখ্যা: এর সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো সত্যায়িত দলিল বা নথি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রত্যায়িত — এই শব্দের অর্থ বিশ্বাস করা বা আস্থা স্থাপন করা, যা Attested শব্দের সঠিক পরিভাষা নয়। B) সত্যায়িত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সত্য বা সঠিক বলে প্রমাণ করা। C) প্রতারিত — এই শব্দের অর্থ কাউকে ঠকানো বা প্রবঞ্চনা করা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে। D) সত্যয়িত — এটি বানানগতভাবে ভুল এবং বাংলা ব্যাকরণে এ ধরনের শব্দের প্রচলন নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: Attested শব্দের সামনে 'সত্' অংশটি আছে, যা থেকে সত্য বা সত্যায়িত শব্দটি মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দাপ্তরিক ও প্রশাসনিক পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই সরকারি চিঠিপত্র ও সার্টিফিকেটে ব্যবহৃত সাধারণ ইংরেজি শব্দের বাংলা রূপ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a রামায়ণের সাত পর্ব
b রামায়ণে বর্ণিত বৃক্ষ
c রামায়ণে বর্ণিত সাতটি সমুদ্র
d বৃহৎ বিষয়
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বৃহৎ বিষয় কেন সঠিক: - এই বাগধারাটি আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে একটি বিশেষ ও বড় পরিসরের অবস্থাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - কোনো জটিল বা দীর্ঘ বিষয়কে বুঝাতে বাংলা ভাষায় এই প্রবাদটি অত্যন্ত জনপ্রিয়ভাবে ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বাকধারায় কিছু শব্দ তার মূল অর্থ প্রকাশ না করে অন্য কোনো বিশেষ ভাব প্রকাশ করে থাকে। - রামায়ণ মহাকাব্যটি আকারে অত্যন্ত বিশাল এবং এর সাতটি কাণ্ড থাকায় সাহিত্য ক্ষেত্রে এটি বিশালতার প্রতীক হিসেবে স্থান পেয়েছে। - যেমন কোনো ছোট বিষয় নিয়ে অনেক বেশি কথা বললে তাকে সপ্তকাণ্ড রামায়ণ রচনা করা বলা চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামায়ণের সাত পর্ব — এটি বাগধারার আক্ষরিক অর্থ হলেও পরীক্ষামূলকভাবে এর রূপক বা আসল অর্থটিই মূলত সঠিক হিসেবে গণ্য হয়। B) রামায়ণে বর্ণিত বৃক্ষ — রামায়ণে নানা গাছের উল্লেখ থাকলেও এই বাগধারার সাথে গাছের কোনো ধরণের সরাসরি সংযোগ নেই। C) রামায়ণে বর্ণিত সাতটি সমুদ্র — পৌরাণিক সাহিত্যে সমুদ্রের কথা থাকলেও এই প্রবাদটি সমুদ্রের আয়তন বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। D) বৃহৎ বিষয় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়, বরং প্রশ্নটির মূল ভাবার্থ এটিই নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: - রামায়ণ মহাকাব্যটি অনেক বড় হওয়ায় এই নামটি বৃহৎ কোনো বিষয় বোঝাতে মনে রাখবে। - কাণ্ড মানে পর্ব আর সাতটি কাণ্ড মানে অনেক বড় কিছু এমনভাবে সহজে মাথায় রাখবে।
a বিষমীভবন
b সমীভবন
c ব্যঞ্জনদ্বিত্ব
d ব্যঞ্জন-বিকৃতি
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্যঞ্জনদ্বিত্ব ১. কেন সঠিক: শব্দের মধ্যে দুটি ভিন্ন ব্যঞ্জনবর্ণের একটির প্রভাবে অন্যটি পরিবর্তিত না হয়ে যদি একই ধ্বনির দ্বিরুক্তি বা দ্বিত্ব ঘটে, তবে তাকে ব্যঞ্জনদ্বিত্ব বলে। এখানে মূল শব্দ বড় এবং এর ব্যঞ্জনবর্ণ 'ড' দ্বিত্ব বা দুবার উচ্চারিত হয়ে বড্ড রূপ নিয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ধ্বনি পরিবর্তনের একটি বিশেষ প্রক্রিয়া হলো ব্যঞ্জনদ্বিত্ব বা দ্বিরুক্তি যেখানে জোর দেওয়ার জন্য বা অন্য কোনো কারণে শব্দের ভেতরের ব্যঞ্জনধ্বনি দ্বিগুণ হয়। অনেক সময় জোর দেওয়ার জন্য বা দ্রুত উচ্চারণের সুবিধার জন্য প্রাকৃত বা অপভ্রংশ থেকে বাংলায় আসার সময় এমন পরিবর্তন ঘটে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ্ম > পদ্দ ব্যাখ্যা: এখানে 'দ্ম' যুক্তবর্ণের 'ম' ধ্বনিটি লোপ পেয়ে বা পরিবর্তিত হয়ে 'দ' ধ্বনির দ্বিত্ব ঘটেছে এবং পদ্দ শব্দ তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: সকাল > সক্কাল ব্যাখ্যা: শব্দের ওপর জোর দেওয়ার জন্য মাঝের ব্যঞ্জনবর্ণ 'ক' দ্বিত্ব হয়ে সক্কাল রূপ লাভ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষমীভবন — দুটি সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে বিষমীভবন বলে, যা এখানে ঘটেনি। B) সমীভবন — পাশাপাশি থাকা দুটি ভিন্ন ধ্বনির প্রভাবে একটি অপরটির সমতা লাভ করে, যা এই পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) ব্যঞ্জন-বিকৃতি — শব্দের আদি, মধ্য বা অন্তে কোনো ব্যঞ্জন পরিবর্তিত হয়ে নতুন ব্যঞ্জনধ্বনি আসলে তাকে ব্যঞ্জন-বিকৃতি বলে। ৫. মনে রাখার টিপস: শব্দের ভেতরে যদি কোনো ব্যঞ্জনবর্ণ দুবার বা দ্বিত্ব আকারে উচ্চারিত হয়, তবে চোখ বন্ধ করে ব্যঞ্জনদ্বিত্ব দাগাবে। বড় থেকে বড্ড বা সকাল থেকে সক্কাল দেখলে বুঝবে এটি জোর দেওয়ার জন্য ব্যঞ্জনধ্বনি দ্বিগুণ হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি পরিবর্তন থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। সমীভবন এবং ব্যঞ্জনদ্বিত্বের পার্থক্য ভালোভাবে বুঝতে হবে কারণ অনেক সময় শিক্ষার্থীরা এগুলোতে বিভ্রান্ত হয়।
a জীবননাশের ইচ্ছা
b বেঁচে থাকার ইচ্ছা
c জীবনকে জানার ইচ্ছা
d জীবন-জীবিকার পথ
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বেঁচে থাকার ইচ্ছা ১. কেন সঠিক: - ‘জিজীবিষা’ একটি এককথায় প্রকাশ বা বাক্যে সংকোচন। এর মূল অর্থ হলো মানুষের বেঁচে থাকার বা জীবন ধারণ করার তীব্র প্রবৃত্তি বা বাসনা। - সংস্কৃত ‘জীব্’ ধাতু থেকে জিজীবিষা শব্দটি এসেছে, যার অর্থ বেঁচে থাকার প্রবল আকাক্ষা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্যসংক্ষেপণ অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শব্দ। মনের ভাবকে সংক্ষেপে প্রকাশ করার জন্য এই ধরনের শব্দ ব্যবহার করা হয়। - প্রত্যয় ও শব্দ গঠনের নিয়মের দিক থেকে এটি বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত একটি কৃদন্ত পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুমূর্ষু ব্যাখ্যা: যার মরার অবস্থা বা যে মরতে বসেছে, তাকে এককথায় মুমূর্ষু বলা হয়। এটিও বেঁচে থাকা বা মৃত্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ। উদাহরণ ২: বুভুক্ষু ব্যাখ্যা: যার খাওয়ার ইচ্ছা বা তীব্র ক্ষুধা রয়েছে, তাকে এককথায় বুভুক্ষু বলা হয়। এটিও মানুষের প্রবৃত্তিগত ইচ্ছাকে প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবননাশের ইচ্ছা — জীবননাশের ইচ্ছাকে এককথায় জিঘাংসা বা মুমূর্ষু বলা যায় না, এর জন্য নির্দিষ্ট অন্য শব্দ রয়েছে। B) বেঁচে থাকার ইচ্ছা — এটিই জিজীবিষার সঠিক ও মূল অর্থ। C) জীবনকে জানার ইচ্ছা — জীবনকে জানার ইচ্ছাকে কৌতূহল বা অন্য কোনো বিশেষ নামে প্রকাশ করা হয়, জিজীবিষা নয়। D) জীবন-জীবিকার পথ — জীবন ধারণের উপায় বা জীবিকাকে পেশা বা রুটিরুজি বলা হয়, এটি কোনো একক ইচ্ছাকে বোঝায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - জিজীবিষা শব্দটিতে বারবার 'জ' এবং 'ই' কারের ব্যবহার আছে, যা মনে করিয়ে দেয় এটি বেঁচে থাকা বা জীবন সম্পর্কিত তীব্র কোনো ইচ্ছার কথা বলে। - জীব ধাতু থেকে জীবিকা এবং জিজীবিষা দুটি শব্দই গঠিত হয়, যা দিয়ে বেঁচে থাকাকে বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে এই ধরনের জটিল বানানযুক্ত শব্দগুলো প্রায়ই অপশনে থাকে। - বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রেও 'জিজীবিষা' শব্দটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানে দুটি দীর্ঘ ঈ কার এবং দুটি হ্রস্ব ই কার ব্যবহৃত হয়।
a আ
b ই
c এ
d জ্যা
0 131 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আ ১. কেন সঠিক: - 'আ' একটি স্বরধ্বনি এবং উচ্চারণকালে জিহ্বা মুখবিবরের নিচে বা বিবৃত অবস্থায় থাকে বলে একে নিম্নবিবৃত স্বরধ্বনি বলা হয়। - বাংলা ব্যাকরণে মুখবিবরের আকৃতি এবং জিহ্বার উচ্চতার ওপর ভিত্তি করে স্বরধ্বনিগুলোকে বিভিন্ন শ্রেণ We ভাগ করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জিহ্বার অবস্থান এবং মুখবিবরের খোলার মাত্রার ওপর ভিত্তি করে বাংলা স্বরধ্বনিগুলোকে উচ্চ, উচ্চ-মধ্য, নিম্ন-মধ্য এবং নিম্ন এই চার ভাগে ভাগ করা হয়। - 'আ' উচ্চারণের সময় মুখ সবচেয়ে বেশি ফাঁক হয় এবং জিহ্বা নিচে অবস্থান করে, তাই এটি নিম্ন বা বিবৃত স্বরধ্বনি হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম ব্যাখ্যা: আম শব্দটি উচ্চারণের শুরুতে 'আ' ধ্বনিটি উচ্চারিত হয় যা নিম্নবিবৃত স্বরধ্বনির একটি চমৎকার উদাহরণ। উদাহরণ ২: আকাশ ব্যাখ্যা: আকাশ শব্দটিতে 'আ' ধ্বনি ব্যবহারের মাধ্যমে মুখবিবর সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করে উচ্চারণ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিম্নবিবৃত স্বরধ্বনি হিসেবে প্রমিত ব্যাকরণে স্বীকৃত। B) ই — এটি একটি উচ্চ স্বরধ্বনি, কারণ এটি উচ্চারণের সময় জিহ্বা উপরে থাকে এবং মুখ কম খোলে। C) এ — এটি একটি উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি, যা উচ্চারণের সময় জিহ্বার অবস্থান উচ্চ ও মধ্যবর্তী স্থানে থাকে। D) জ্যা — এটি কোনো মৌলিক স্বরধ্বনি নয়, বরং এটি একটি ব্যঞ্জনবর্ণ ও স্বরবর্ণের মিলিত রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুখ সবচেয়ে বেশি ফাঁক হয় কেবল 'আ' ধ্বনি উচ্চারণের সময়, তাই এটিকে মুখখোলা বা নিম্নবিবৃত ধ্বনি হিসেবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখবিবরের বিভিন্ন অবস্থানের নাম যেমন বিবৃত, সংবৃত, অর্ধ-সংবৃত এবং অর্ধ-বিবৃত ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।
a পর্তুগিজ
b ফরাসি
c আরবি
d ফারসি
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফারসি ১. কেন সঠিক: - আসমান শব্দটির উৎস ফারসি ভাষা। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বহু বিদেশি শব্দের মধ্যে ফারসি শব্দ অন্যতম প্রধান একটি উৎস। - আসমান শব্দের অর্থ আকাশ বা অম্বর। এটি বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত একটি প্রচলিত শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দের উৎস ও শব্দের শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। - ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো প্রধানত প্রশাসন, ধর্ম, সংস্কৃতি, ব্যবসা এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা ক্ষেত্র থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খোদা ব্যাখ্যা: খোদা একটি ফারসি শব্দ যার অর্থ ঈশ্বর বা আল্লাহ এবং এটি বাংলা ভাষায় বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: বরফ ব্যাখ্যা: বরফ শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি পরিচিত বস্তুবাচক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় বিভিন্ন সামুদ্রিক, ধর্মীয় ও ঘরোয়া বস্তুবাচক শব্দ এসেছে যেমন আনারস, পাদ্রি, চাবি, তবে আসমান পর্তুগিজ শব্দ নয়। B) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে কার্তুজ, রেস্তোরাঁ ও কুপন জাতীয় কিছু শব্দ বাংলায় প্রবেশ করেছে, কিন্তু প্রদত্ত প্রশ্নানুসারে আসমান ফরাসি শব্দ নয়। C) আরবি — আরবি ভাষা থেকে ধর্ম, আইন ও প্রশাসনসংক্রান্ত বহু শব্দ বাংলায় এসেছে যেমন কিতাব, কলম, আদালত, তবে আসমান আরবি ভাষার শব্দ নয়। D) ফারসি — এই অপশনটি সঠিক কারণ আসমান সরাসরি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে এবং এর উৎস ফারসি। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রকৃতি ও মহাবিশ্ব সংক্রান্ত কিছু ফারসি শব্দ মনে রাখতে পারো যেমন আসমান, বরফ, জগত বা মেহমান। - বিদেশি শব্দ চেনার জন্য শব্দের প্রচলিত ব্যবহার এবং উৎস ভাষাভিত্তিক তালিকা নিয়মিত চর্চা করা উপকারী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে ফারসি, আরবি ও পর্তুগিজ শব্দের পার্থক্য থেকে। - পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি এড়াতে আসমান ও খোদা জাতীয় প্রকৃতিবাচক শব্দগুলো কোন ভাষার তা আলাদাভাবে তালিকাভুক্ত করে পড়তে হবে।
a মওলানা ভাসানী
b আবুল কজল
c শহীদুল্লা কায়সার
d শেখ মুজিবুর রহমান
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শেখ মুজিবুর রহমান ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভ্রমণকাহিনিমূলক গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে। - ১৯৫৪ সালে চীন সফরের অভিজ্ঞতা এই বইটিতে সহজ ও সাবলীল ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - লেখক হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের পাশাপাশি ডায়েরি লেখার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। - তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর মধ্যে অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং কারাগারের রোজনামচা বাংলা আত্মজৈবনিক সাহিত্যে অনন্য স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অসমাপ্ত আত্মজীবনী ব্যাখ্যা: এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: কারাগারের রোজনামচা ব্যাখ্যা: এটি বঙ্গবন্ধুর কারাজীবনে লেখা ডায়েরিভিত্তিক ঐতিহাসিক দলিল ও সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মওলানা ভাসানী — ইনি একজন প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা হলেও এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন। B) আবুল ফজল — ইনি একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবী হলেও এই ভ্রমণকাহিনির লেখক নন। C) শহীদুল্লা কায়সার — ইনি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক হলেও এই গ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়। D) শেখ মুজিবুর রহমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ বইটি তাঁরই চীন সফরের স্মৃতিকথা। ৫ মনে রাখার টিপস: - শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা বইগুলো মনে রাখতে নয়াচীন, আত্মজীবনী এবং কারাগার এই তিনটি শব্দ মনে রাখতে পারো। - চীন ভ্রমণ সংক্রান্ত ডায়েরি মানেই সেটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা গ্রন্থ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আমার দেখা নয়াচীন গ্রন্থটি বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়েছে এবং এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - লেখকের আত্মজীবনী ও ভ্রমণকাহিনিগুলো থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন করা হয়।
a বেগম রোকেরা 
b কাদম্বরী দেবী
c স্বর্ণকুমারী দেবী
d নূরন্নাহার ফয়জুন্নেসা
0 137 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্বর্ণকুমারী দেবী ১. কেন সঠিক: - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক হিসেবে স্বর্ণকুমারী দেবীকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ১৮৭৬ সালে প্রকাশিত তাঁর দীপালি উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী রচিত উপন্যাস। - ঔপন্যাসিক শব্দের অর্থ যিনি উপন্যাস রচনা করেন। স্বর্ণকুমারী দেবী তাঁর সাহিত্যকর্মের মাধ্যমে ঊনবিংশ শতাব্দীতে নারী জাগরণ ও উপন্যাসের ধারায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - স্বর্ণকুমারী দেবী ছিলেন বিখ্যাত জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের একজন প্রতিভাবান সদস্য এবং মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কন্যা। তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অগ্রজ প্রতিম দিদি ছিলেন। - তাঁর রচিত প্রথম উপন্যাস দীপালি ১৮৭৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং তাঁর অপর বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস হলো ছিন্নমুকুল। তিনি দীর্ঘকাল ভারতী পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দীপালি উপন্যাস ব্যাখ্যা: এটি স্বর্ণকুমারী দেবী রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহিলা উপন্যাস, যা তাঁর সাহিত্য প্রতিভার এক উজ্জ্বল নিদর্শন। উদাহরণ ২: ছিন্নমুকুল উপন্যাস ব্যাখ্যা: এটি স্বর্ণকুমারী দেবীর রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস, যা বাংলা উপন্যাসের বিকাশে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেগম রোকেয়া — ইনি বাংলা সাহিত্যে নারী মুক্তি আন্দোলনের অগ্রদূত ও প্রথম নারীবাদী সাহিত্যিক হলেও প্রথম ঔপন্যাসিক নন। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস সুলতানার স্বপ্ন এবং পদ্মরাগ। B) কাদম্বরী দেবী — ইনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বৌঠান ও জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের সদস্য হলেও কোনো উপন্যাস রচনার জন্য পরিচিত নন। D) নূরন্নাহার ফয়জুন্নেসা — ইনি সেকালের একজন মুসলিম নারী সাহিত্যিক হলেও বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিগণিত হন না। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্বর্ণ শব্দটি দিয়ে মনে রাখতে পারেন যে প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক স্বর্ণের মতো মূল্যবান অবদান রেখেছিলেন। স্বর্ণকুমারী দেবীর উপন্যাস মানেই প্রথম নারী ঔপন্যাসিকের সৃষ্টি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রথম নারী ঔপন্যাসিক এবং প্রথম নারী কবি নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। প্রথম সার্থক নারী ঔপন্যাসিক স্বর্ণকুমারী দেবী এবং প্রথম মুসলিম নারী সাহিত্যিক বা ঔপন্যাসিক ফয়জুন্নেসা চৌধুরাণী।
a হিত্তিক ও তুখারিক 
b তামিল ও দ্রাবিড়
c (খ) আর্য ও অনার্য 
d মাগধী ও গৌড়ী
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হিত্তিক ও তুখারিক ১. কেন সঠিক: - কেন্তম ভাষাবংশ এশিয়া মাইনর বা এশিয়ার ভৌগোলিক সীমানার অন্তর্গত ছিল বলে হিত্তিক ও তুখারিক এই শাখার অন্তর্ভুক্ত। - ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা বংশের শতুম ও কেন্তম এই দুটি প্রধান ধারার মধ্যে কেন্তম শাখা মূলত ইউরোপে বিস্তৃত হলেও এর কিছু অংশ এশিয়ায় পাওয়া গেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত এই প্রশ্নটিতে ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা বংশের ভৌগোলিক বিস্তার আলোচিত হয়েছে। - শতুম ও কেন্তম ধ্বনিগত পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে প্রাক-ঐতিহাসিক ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাকে এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিত্তিক ভাষা ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন এশিয়া মাইনরের আনাতোলিয়া অঞ্চলে প্রচলিত কেন্তম শাখার একটি বিলুপ্ত ভাষা। উদাহরণ ২: তুখারিক ভাষা ব্যাখ্যা: এটি বর্তমান চীনের শিঞ্জিয়াং অঞ্চলে প্রচলিত কেন্তম শাখার একটি ঐতিহাসিক ভাষা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিত্তিক ও তুখারিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি কেন্তম শাখার এশীয় ভাষা। B) তামিল ও দ্রাবিড় — এই ভাষাগুলো দ্রাবিড় ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এবং ইন্দো-ইউরোপীয় কেন্তম শাখার নয়। C) আর্য ও অনার্য — এটি কোনো নির্দিষ্ট কেন্তম বা শতুম শাখার ভৌগোলিক বা ভাষাতাত্ত্বিক বিভাগ নয়। D) মাগধী ও গৌড়ী — এই ভাষাগুলো ভারতীয় প্রাকৃত ও অপভ্রংশ থেকে উদ্ভূত বাংলা ভাষার পূর্বসূরি স্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - কেন্তম ভাষার এশীয় শাখা দুটি মনে রাখার জন্য হিতু শব্দ ব্যবহার করতে পারো যেখানে হি মানে হিত্তিক এবং তু মানে তুখারিক। - এটি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষার ভূগোলের একটি ব্যতিক্রমী তথ্য যা সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা বংশের শাখা এবং শতুম ও কেন্তম বিভাজন থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - ভাষা বংশের মূল উৎস এবং ভৌগোলিক বিস্তার সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯২৬ 
b ১৯ জানুয়ারি ১৯২৬
c ১৯ মার্চ ১৯২৬ 
d (খ) ২৬ মার্চ ১৯২৭
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯ জানুয়ারি ১৯২৬ ১. কেন সঠিক: - মুসলিম সাহিত্য সমাজ ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়। - এই সংগঠনের স্লোগান ছিল বুদ্ধির মুক্তি যার অর্থ চিন্তা ও বিশ্বাসের ক্ষেত্রে গোঁড়ামি থেকে মুক্ত হওয়া। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুসলিম সাহিত্য সমাজ সংগঠনটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ মুসলিম শিক্ষকদের উদ্যোগে গড়ে ওঠে। - এই সংগঠনের মুখপত্র ছিল শিখা নামক বিখ্যাত পত্রিকা যার প্রথম প্রকাশ ঘটে ১৯২৬ সালে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী মোতাহার হোসেন ব্যাখ্যা: তিনি ছিলেন মুসলিম সাহিত্য সমাজের অন্যতম প্রধান সংগঠক ও বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রবক্তা। উদাহরণ ২: শিখা পত্রিকা ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমে মুসলিম সাহিত্য সমাজের চিন্তাধারা ও বুদ্ধির মুক্তির বাণী প্রচার করা হতো। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯২৬ — এটি সঠিক তারিখ নয় কারণ মুসলিম সাহিত্য সমাজ ১৯ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। B) ১৯ জানুয়ারি ১৯২৬ — এটি সঠিক উত্তর। C) ১৯ মার্চ ১৯ মার্চ ১৯২৬ — এই তারিখে মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠার কোনো ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই। D) ২৬ মার্চ ১৯২৭ — এই তারিখটি মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ১৯২৬ সালের শুরুর মাস জানুয়ারির ১৯ তারিখে এই সমাজ গঠিত হয়। - শিখা পত্রিকার চালক ও মুসলিম সাহিত্য সমাজ একই সূত্রে গাঁথা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুসলিম সাহিত্য সমাজের প্রতিষ্ঠাকাল ও এর মুখপত্র শিখা সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও এর স্লোগান ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a অরুণ মিত্র 
b সমরেশ বনু
c সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় 
d সমরেশ মজুমদার
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'নীল লোহিত' হলো বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ছদ্মনাম। - তিনি তার এই ছদ্মনামে মূলত প্রখ্যাত কাল্পনিক চরিত্র 'নীললোহিত' কেন্দ্র করে বহু গল্প, উপন্যাস ও রম্যরচনা লিখেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক। - তার অন্যান্য ছদ্মনামের মধ্যে সনাতন পাঠক, নীললোহিত, এবং নীল উপাধ্যায় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা 'অর্জুন' একটি বিখ্যাত কিশোর উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের সাহিত্যকর্মের বৈচিত্র্য ও কিশোর উপযোগী রচনার একটি উজ্জ্বল নিদর্শন। উদাহরণ ২: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক উপন্যাস 'সেই সময়'। ব্যাখ্যা: এই মহাকাব্যিক উপন্যাসের জন্য তিনি সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অরুণ মিত্র — এটি কোনো ছদ্মনাম নয়, বরং তিনি একজন বিশিষ্ট ফরাসি সাহিত্য অনুরাগী কবি ও অনুবাদক। B) সমরেশ বনু — এটি কোনো প্রতিষ্ঠিত লেখকের পরিচিত ছদ্মনাম নয়, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। D) সমরেশ মজুমদার — এই প্রখ্যাত লেখকের জনপ্রিয় ছদ্মনাম হলো 'বংশীবদন', তিনি নীল লোহিত নামে লেখেননি। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের 'স' এবং 'নীললোহিত' নামের সূত্র মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। - অথবা মনে রাখো, সুনীল মানেই নীল এবং তার ছদ্মনাম নীল লোহিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের ছদ্মনাম তালিকা মুখস্থ রাখা জরুরি। - বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম বনফুল এবং প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল, যা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
a ‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ 
b ‘ক্ষুধা ও আশা’
c ‘কর্ণফুলি’ 
d ‘ধানকন্যা’
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্ণফুলি ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সঠিক কারণ 'কর্ণফুলি' উপন্যাসে পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী বা পাহাড়ি মানুষের জীবনযাত্রা, সংগ্রাম ও সংস্কৃতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হলো কর্ণফুলি নদীর অববাহিকায় বসবাসকারী সাধারণ মানুষ ও উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর জীবন সংগ্রাম। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই উপন্যাসের রচিয়তা বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক আলাউদ্দিন আল আজাদ। - এটি একটি প্রখ্যাত আঞ্চলিক ও সমাজবাস্তবতাভিত্তিক সামাজিক উপন্যাস যা তৎকালীন বাঙালি ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর আন্তঃসম্পর্ক তুলে ধরে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাবেয়া খাতুনের 'মেঘের পরে মেঘ' ব্যাখ্যা: এটি একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যেখানে তৎকালীন সামাজিক প্রেক্ষাপট অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: শওকত ওমানের 'উত্তরাধিকার' ব্যাখ্যা: এটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 'তেইশ নম্বর তৈলচিত্র' — এই অপশনটি ভুল কারণ আলাউদ্দিন আল আজাদের লেখা এই উপন্যাসটি শহুরে মধ্যবিত্ত সমাজের মনস্তত্ত্ব ও সংকটের ওপর রচিত, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী নিয়ে নয়। B) 'ক্ষুধা ও আশা' — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস হলেও এর মূল বিষয়বস্তু ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা নয়। D) 'ধানকন্যা' — এই অপশনটি ভুল কারণ এটিও পাহাড়ি বা ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জীবন নিয়ে রচিত কোনো প্রধান উপন্যাস হিসেবে পরিচিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী বা পাহাড়ি নদীভিত্তিক উপন্যাস বললে আলাউদ্দিন আল আজাদের 'কর্ণফুলি' নামটি মনে রাখবে। - নদী এবং পাহাড়ের উপজাতি জীবনের মিলবন্ধন খুঁজতে কর্ণফুলি উপন্যাসের কথা স্মরণ করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আঞ্চলিক ও উপজাতিভিত্তিক উপন্যাসের রচিয়তা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - এই ধরনের প্রশ্নে লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত সামাজিক ও রাজনৈতিক উপন্যাসগুলোর নামও আলাদা করে পড়ে রাখা উচিত।
a রফিক আজাদ 
b শঙ্খ ঘোষ
c শক্তি চট্টোপাধ্যায় 
d (খ) শামসুর রহমান
0 138 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শঙ্খ ঘোষ ১. কেন সঠিক: 'মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শঙ্খ ঘোষ। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে বাংলা কবিতার ভুবনে তিনি এক গভীর ও মননশীল কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শঙ্খ ঘোষ ১৯৩০ সালে জন্ম নেওয়া একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কবি ও প্রাবন্ধিক। তার কবিতায় সমাজসচেতনতা, মানবীয় মূল্যবোধ এবং রাজনৈতিক সংকটের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ অত্যন্ত নান্দনিকভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাবরুরের প্রার্থনা ব্যাখ্যা: এটি শঙ্খ ঘোষের অত্যন্ত পরিচিত আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা তার মননশীল ধারার কবিতার জন্য সমাদৃত। উদাহরণ ২: দিনগুলি রাতগুলি ব্যাখ্যা: এটিও কবি শঙ্খ ঘোষ রচিত একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রফিক আজাদ — রফিক আজাদ বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কবি হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তার লেখা নয়, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'হাড়ে পর্যাপ্ত আগুন'। B) শঙ্খ ঘোষ — এই অপশনটি সঠিক এবং এই কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হিসেবে তিনি সর্বজনস্বীকৃত। C) শক্তি চট্টোপাধ্যায় — শক্তি চট্টোপাধ্যায় একজন বিখ্যাত হাংরি আন্দোলন ও আধুনিক কবি হলেও তিনি এই গ্রন্থটি রচনা করেননি। D) শামসুর রহমান — শামসুর রহমান বাংলাদেশের প্রধান কবি হলেও 'মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে' তার সাহিত্যকর্ম নয়, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'প্রথমা'। ৫ মনে রাখার টিপস: বিজ্ঞাপনের ভিড়ে মুখ ঢাকা পড়ে যাওয়ার মতো আধুনিক নাগরিক জীবনের জটিলতা নিয়ে কলম ধরেছিলেন শঙ্খ ঘোষ। এই মিলনের সাহায্যে সহজেই মনে রাখা যায় যে বিখ্যাত এই কাব্যগ্রন্থের কবি শঙ্খ ঘোষ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক বাংলা কবিতার প্রথিতযশা কবিদের গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই আসে। শঙ্খ ঘোষের সাহিত্যকর্ম থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা খুব বেশি থাকে।
a ‘কাদো নদী কাদো’ 
b ‘নেকড়ে অরণ্য’
c ‘রাঙা প্রভাত’ 
d ‘প্রদোষে প্রাকৃতজন’
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নেকড়ে অরণ্য ১. কেন সঠিক: - 'নেকড়ে অরণ্য' একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যার রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান। - ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা এবং বাঙালি জাতির প্রতিরোধ এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শওকত ওসমান বাংলা উপন্যাসের ধারায় এক বিশিষ্ট নাম যিনি রাজনৈতিক ও সামাজিক উপন্যাসের জন্য খ্যাত। - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে তিনি বেশ কিছু প্রামাণিক উপন্যাস রচনা করেছেন যা আমাদের সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাহান্নাম হইতে বিদায় ব্যাখ্যা: এটিও শওকত ওসমানের রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: জলাঙ্গী ব্যাখ্যা: এটিও শওকত ওসমানের আরেকটি জনপ্রিয় উপন্যাস যা গ্রামীণ জীবনের ওপর রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাদো নদী কাদো — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যার সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের কোনো সম্পর্ক নেই। B) নেকড়ে অরণ্য — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। C) রাঙা প্রভাত — এটি ইব্রাহিম খলিল রচিত একটি উপন্যাস, যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। D) প্রদোষে প্রাকৃতজন — এটি শওকত ওসমানেরই রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস, কিন্তু এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য 'নেকড়ে অরণ্য' ও 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' নাম দুটি বারবার অনুশীলন করতে পারো। - লেখকের নামের সঙ্গে উপন্যাসের বিষয়বস্তু মিলিয়ে পড়ার কৌশল গ্রহণ করলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস প্রায়ই আসে, তাই শওকত ওসমানের উপন্যাসগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়তে হবে। - একই সঙ্গে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বা অন্যান্য লেখকদের উপন্যাসগুলোর মূল বিষয়বস্তু কী, তা ভালোভাবে জেনে রাখা জরুরি।
a সুধীন্দ্রনাথ দত্ত 
b প্রেমেন্দ্র মিত্র
c সমর সেন 
d জীবনানন্দ দাশ
0 152 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত কাব্যাংশটি আধুনিক বাংলা কবিতার জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত 'আট বছর আগের একদিন' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। - মানুষের জৈবিক মৃত্যু ঘটলেও তার মানবসত্তা, সৃষ্টি এবং চেতনা ইতিহাসের ধারায় মানুষের মাঝে বেঁচে থাকে, এই দার্শনিক ভাবনাই এখানে প্রকাশিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ বাংলা আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, যাকে রূপসী বাংলার কবি বলা হয়। - তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, বেলা অবেলা কালবেলা এবং রূপসী বাংলা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনলতা সেন ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ ও কবিতা, যা বাংলা সাহিত্যে গভীর পরিচিত লাভ করেছে। উদাহরণ ২: মহাপৃথিবী ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ, যেখানে তার আধুনিক মনন ও চিন্তার প্রতিফলন ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি বুদ্ধিবাদী ও ক্লাসিক ধারার কবি হলেও এই পংক্তিটি তার নয়, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ অর্কেস্ট্রা। B) প্রেমেন্দ্র মিত্র — তিনি কল্লোল যুগের শক্তিশালী কবি ও কথাসাহিত্যিক হলেও এই বিখ্যাত দার্শনিক পংক্তিটি তার রচনার অন্তর্ভুক্ত নয়। C) সমর সেন — তিনি আধুনিক নগরজীবনের হতাশা ও যান্ত্রিকতা নিয়ে কবিতা লিখলেও এই উদ্ধৃতিটি তার কবিতার অংশ নয়। D) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ উল্লিখিত কাব্যাংশটি তার 'আট বছর আগের একদিন' কবিতার বিখ্যাত পংক্তি। ৫. মনে রাখার টিপস: - রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের কবিতায় প্রকৃতি ও মানুষের জীবনদর্শনের গভীর মিল পাওয়া যায়। - মানবসত্তা নিয়ে এই দার্শনিক লাইনটি পেলে চোখ বন্ধ করে জীবনানন্দ দাশকে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জীবনানন্দ দাশের কবিতার লাইনভিত্তিক প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - কবির কাব্যগ্রন্থের নাম এবং বিখ্যাত পংক্তিগুলো আলাদা করে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a শনিবারের চিঠি 
b রবিবারের ডাক
c বিজলি 
d বঙ্গদর্শন
0 131 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শনিবারের চিঠি ১. কেন সঠিক: সজনীকান্ত দাসের সম্পাদনায় প্রকাশিত বিখ্যাত সাহিত্যপত্রিকা হলো শনিবারের চিঠি। এই পত্রিকাটি মূলত তীব্র ব্যঙ্গ, কৌতুক ও সমালোচনার জন্য বাংলা সাহিত্যজগতে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সজনীকান্ত দাস ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, সমালোচক ও সম্পাদক। শনিবারের চিঠি পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় উনিশশো আঠারো সালের বিংশ শতাব্দীতে এবং এটি বাংলা সাহিত্যের নানা অনিয়ম ও অতি আধুনিকতার বিরুদ্ধে জোরালো ভূমিকা পালন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গদর্শন ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত একটি বিখ্যাত সাহিত্যপত্রিকা যা আঠারোশো বাহাত্তর সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: কল্লোল ব্যাখ্যা: এটি দীনেশরঞ্জন দাস সম্পাদিত বিশ শতকের তৃতীয় দশকের একটি আধুনিক সাহিত্যপত্রিকা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শনিবারের চিঠি — এটি সজনীকান্ত দাস সম্পাদিত বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক সাহিত্যপত্রিকা এবং প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) রবিবারের ডাক — এটি সজনীকান্ত দাস সম্পাদিত কোনো পরিচিত বা ঐতিহাসিক সাহিত্যপত্রিকা নয়। C) বিজলি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতা প্রকাশের জন্য বিখ্যাত একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা যার সম্পাদক ছিলেন নলিনীকান্ত সরকার। D) বঙ্গদর্শন — এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মননশীল ও মানসম্মত মাসিক পত্রিকা যার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: সজনীকান্ত দাসের ব্যঙ্গাত্মক লেখালেখি এবং শনিবারের চিঠি পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে ভূমিকা একত্রে মনে রাখা যায়। শনিবার ছুটির দিনে মানুষ যেমন আনন্দ বা বিনোদন খোঁজে, তেমনি এই পত্রিকায় তীব্র ব্যঙ্গাত্মক ও বিনোদনমূলক লেখা প্রকাশ পেত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্রিকার নাম এবং সম্পাদকের নাম প্রায়ই আসে। সজনীকান্ত দাস ও শনিবারের চিঠি নামটি সাহিত্য অংশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য।
a কাজী নজরুল ইসলাম 
b কামাল পাশা
c চিত্তরঞ্জন দাস 
d সুভাষ বসু
0 116 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কামাল পাশা ১. কেন সঠিক: - এই পংক্তিটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কামাল পাশা কবিতার অংশ। - এখানে পাগলি মা বলতে পরাধীন ভারতকে এবং দামাল ছেলে বলতে তুর্কি বীর মোস্তফা কামাল পাশাকে বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রলয়শিখা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। - মোস্তফা কামাল পাশা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর তুরস্কের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়ে অসামান্য বীরত্ব প্রদর্শন করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্রোহী কবিতা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্যতম সেরা কবিতা যেখানে তার বিদ্রোহী সত্তার প্রকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: চল চল চল ব্যাখ্যা: এটি আমাদের রণসংগীত যা কাজী নজরুল ইসলামের লেখা এবং সন্ধ্যা কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি এই কবিতার রচয়িতা, কবিতার ভেতরের দামাল ছেলে নন। B) কামাল পাশা — এই অপশনটি সঠিক এবং কবিতায় তাকেই দামাল ছেলে বলা হয়েছে। C) চিত্তরঞ্জন দাস — তিনি একজন বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতা ও আইনজীবী ছিলেন, যাকে দেশবন্ধু বলা হয়। D) সুভাষ বসু — তিনি একজন প্রখ্যাত ভারতীয় জাতীয়তাবাদী নেতা ছিলেন যিনি নেতাজি নামে পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - কামাল পাশা তুরস্কের বীর ছিলেন তাই নজরুল তাকে নিয়ে এই কবিতা লিখেছেন। - কবিতাটির নাম মনে রাখলেই দামাল ছেলে কার উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে তা সহজেই বোঝা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কবিতার চরণ কার লেখা বা কাকে উদ্দেশ্য করে লেখা তা আসে। - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটভিত্তিক কবিতাগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে।
a পণ্ডিত 
b বিদ্যাসাগর
c শাস্ত্রজ্ঞ
d মহামহোপাধ্যায়
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মহামহোপাধ্যায় কেন সঠিক: - হরপ্রসাদ শাস্ত্রী প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান গবেষক এবং চর্যাপদের আবিষ্কারক। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে তাঁর অসামান্য পাণ্ডিত্য এবং অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ব্রিটিশ সরকার তাঁকে এই উপাধিতে ভূষিত করেছিল। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মহামহোপাধ্যায় একটি সম্মানসূচক প্রাচীন উপাধি যা সাধারণত গভীর পন্ডিত ব্যক্তিদের প্রদান করা হতো। - প্রাচীন পুথি উদ্ধার এবং ইতিহাসচর্চায় তাঁর অবদানের জন্য তাঁর নামের সঙ্গে এই উপাধিটি যুক্ত হয়। - হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর প্রকৃত নাম হরপ্রসাদ ভট্টাচার্য, তবে শাস্ত্রী উপাধিটি তিনি তাঁর উপাধিমুলক যোগ্যতার জন্য লাভ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) পণ্ডিত — এটি কোনো বিশেষ উপাধি নয়, বরং এটি একটি সাধারণ বিশেষন যা জ্ঞানী ব্যক্তিদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - B) বিদ্যাসাগর — এটি ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপাধি, যিনি নারীশিক্ষা ও সমাজ সংস্কারে বিখ্যাত ছিলেন। - C) শাস্ত্রজ্ঞ — এটি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা ঐতিহাসিক উপাধি নয়, বরং শাস্ত্র সম্পর্কে জানেন যিনি তাকে বোঝায়। - D) মহামহোপাধ্যায় — এটি সঠিক কারণ তিনি ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে এই বিশেষ উপাধি লাভ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: - হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর নামের শেষে যেমন শাস্ত্রী আছে, তেমনি তাঁর নামের পূর্বে মহামহোপাধ্যায় সম্মান যুক্ত হয়। - চর্যাপদ আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী মানেই মহামহোপাধ্যায় উপাধি।
a ‘অনন্ত প্রেম’ 
b ‘উপহার’
c ‘ব্যক্ত প্রেম’ 
d ‘শেষ উপহার’
0 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ‘অনন্ত প্রেম’ ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উদ্ধৃতিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ‘অনন্ত প্রেম’ কবিতার প্রথম চরণের অংশ। - যুগ যুগ ধরে প্রীতির বন্ধন ও আত্মার অমরত্ব এই কবিতার মূল ভাব, যা উদ্ধৃতিটিতে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবিতাটির রচয়িতা বাংলা সাহিত্যের প্রধান কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। - এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চিত্রা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি অন্যতম জনপ্রিয় প্রেমের কবিতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে’ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত পঙক্তি, যা তাঁর জীবনপ্রীতি ও সৌন্দর্যচেতনা প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: ‘হৃদয় আমার নাচে রে আজিকে ময়ূরের মতো নাচে রে’ ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপর একটি সুরের গান বা কবিতার চরণ, যা প্রকৃতির সঙ্গে হৃদয়ের সংযোগ বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ‘অনন্ত প্রেম’ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কবিতা থেকেই উদ্ধৃতিটি নেওয়া হয়েছে। B) ‘উপহার’ — এটি এই কবিতার নাম নয় এবং এর সঙ্গে আলোচ্য উদ্ধৃতির মিল নেই। C) ‘ব্যক্ত প্রেম’ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্য একটি কবিতার নাম, যা এই উদ্ধৃতির উৎস নয়। D) ‘শেষ উপহার’ — এটি আলোচ্য উদ্ধৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো কবিতা বা গ্রন্থের নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শত রূপ ও শত বারের কথা থাকলেই তা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘অনন্ত প্রেম’ কবিতা হিসেবে মনে রাখবে। - চিত্রা কাব্যগ্রন্থের প্রেমমূলক কবিতাগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে বেশি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চিত্রা’ কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল ১৮৯৬ সাল এবং এটি বাংলা লিরিক কবিতার একটি মাইলফলক। - এই ধরনের সাহিত্যিক উদ্ধৃতির ক্ষেত্রে কবিতার নাম ও কাব্যগ্রন্থের নাম একত্রে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a চৌবেরিয়া গ্রাম, নদীয়া 
b কীঠালপাড়া রাম, চব্বিশ পরগনা
c বীরসিংহ গ্রাম, মেদিনীপুর 
d দেবানন্দপুন গ্রাম, হুগলি
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বীরসিংহ গ্রাম, মেদিনীপুর ১. কেন সঠিক: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৯ শতকের বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সমাজসংস্কারক, শিক্ষাবিদ ও গদ্যকার। তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর বর্তমান পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের স্থপতি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি বর্ণপরিচয়, বেতালপঞ্চবিংশতি ও শকুন্তলা রচনা করেন। তিনি নারীর অধিকার রক্ষা ও বহুবিবাহ রোদ আন্দোলনে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেন এবং মেট্রোপলিটন ইনস্টিটিউশন প্রতিষ্ঠা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৮ সালে নৈহাটি কাঁঠালপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র বাংলা উপন্যাসের জনক এবং তাঁর জন্মস্থান বাংলা সাহিত্যিকদের জন্মস্থান বিষয়ক প্রশ্নে প্রায়ই আসে। উদাহরণ ২: মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালে যশোর জেলার কসবা উপজেলার সাগরদারি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক এবং তাঁর জন্মস্থান বিসিএস পরীক্ষায় বহুবার এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চৌবেরিয়া গ্রাম, নদীয়া — এই অপশনটি ভুল কারণ নদীয়া জেলায় বা চৌবেরিয়া গ্রামে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর জন্মগ্রহণ করেননি। B) কীঠালপাড়া রাম, চব্বিশ পরগনা — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি সাহিত্যিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মস্থান। C) বীরসিংহ গ্রাম, মেদিনীপুর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামেই বিদ্যাসাগরের জন্ম হয়েছিল। D) দেবানন্দপুর গ্রাম, হুগলি — এই অপশনটি ভুল কারণ দেবানন্দপুর গ্রাম কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মস্থান। ৫ মনে রাখার টিপস: বিদ্যাসাগরের জন্মস্থান মনে রাখতে বীর শব্দটি ব্যবহার করা যায় কারণ তিনি ছিলেন বিদ্যাসাগরের মতো বীরপুরুষ যিনি মেদিনীপুরের বীরসিংহ গ্রামে জন্মেছিলেন। বাংলা সাহিত্যের লেখকদের জন্মস্থান ও জেলা মনে রাখার জন্য নামের প্রথম অক্ষর ও জেলার প্রথম অক্ষর মিলিয়ে ছোট ছন্দ তৈরি করা যেতে পারে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক শিল্পী বলা হয় এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক বলেছেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত সাহিত্যিকদের জন্মস্থান ও তাঁদের সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই প্রখ্যাত লেখকদের জন্মগ্রাম ও সাল মুখস্থ রাখা জরুরি।
a বাংলাদেশ 
b নেপাল
c উড়িষ্যা 
d ভুটান
0 130 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নেপাল ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম সাহিত্যিক নিদর্শন যা ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন। নেপালের রাজদরবার বা রাজগ্রন্থশালা থেকেই চর্যাপদের পুথিটি সংগৃহীত ও পরবর্তীতে প্রকাশিত হয়েছিল বিধায় এর প্রাপ্তিস্থান নেপাল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের অর্থাৎ হাজার বছরের পুরানো একমাত্র প্রামাণিক নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন যা গোবিন্দটেও রাজপরিবারের গোয়ালঘর থেকে হরপ্রাসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কার করেন। উদাহরণ ২: ময়নামতির গান ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যবর্তী যুগের একটি লোকসাহিত্য যা বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান থেকে সংগৃহীত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ চর্যাপদের প্রাপ্তিস্থান নয়, যদিও এটি বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন এবং এর টিকাকার সংস্কৃত ভাষায় লেখা হলেও এর উৎসভূমি মূলত বাংলা অঞ্চল। C) উড়িষ্যা — উড়িষ্যা চর্যাপদের প্রাপ্তিস্থান নয়, তবে চর্যাপদের অনেক পদের রচয়িতাদের কেউ কেউ এই অঞ্চলের আশপাশের হতে পারেন বলে গবেষকরা অনুমান করেন। D) ভুটান — ভুটান চর্যাপদের প্রাপ্তিস্থান নয়, তবে নেপালের রাজদরবার থেকে পুথি উদ্ধারের পর এর কিছু তথ্য ও তিব্বতী অনুবাদ ভুটান বা তিব্বত অঞ্চলের সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ আবিষ্কারের গল্প মনে রাখতে পারেন যে, পন্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রী প্রাচীন পুথি খুঁজতে সুদূর নেপালে গিয়েছিলেন। নেপাল থেকে আবিষ্কৃত হয়েছিল বলেই চর্যাপদের প্রাপ্তিস্থান সবসময় নেপাল হিসেবে চিহ্নিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদের আবিষ্কারক, আবিষ্কারের সাল এবং প্রাপ্তিস্থান সংক্রান্ত প্রশ্ন অত্যন্ত প্রায়ই আসে। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে তা গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন।
a সুলতান খিয়াসউদ্দিন আজম শাহ 
b কোরেশী মাগন ঠাকুর
c সুলতান বরবক শাহ 
d জমিদার নিজাম শাহ
0 132 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জমিদার নিজাম শাহ ১. কেন সঠিক: দৌলত উজির বাহরাম খান তার বিখ্যাত 'লায়লী-মজনু' কাব্য রচনার জন্য জমিদার নিজাম শাহের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিলেন। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে সুলতান বা জমিদারদের পৃষ্ঠপোষকতা সাহিত্য রচনার প্রধান উৎস ছিল এবং এই কাব্যটি ষোল শতকে রচিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: দৌলত উজির বাহরাম খান মধ্যযুগের একজন প্রখ্যাত মুসলিম কবি যিনি চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার হাশিমপুর নিবাসী ছিলেন। তার রচিত 'লায়লী-মজনু' ফার্সি কাব্য অবলম্বনে রচিত হলেও এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অমর প্রেমগাথা হিসেবে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ আলাওল 'পদ্মাবত' কাব্য রচনার জন্য মাগন ঠাকুরের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিলেন। ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের কবিরা রাজদরবারের বা জমিদারদের আশ্রয়ে থেকে সাহিত্যকর্ম পরিচালনা করতেন। উদাহরণ ২: দৌলত উজির বাহরাম খানের 'লায়লী-মজনু' কাব্য ষোড়শ শতকের সাহিত্যিক ঐতিহ্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। ব্যাখ্যা: এই কাব্যটি তৎকালীন সমাজের ভাষা ও সংস্কৃতির এক অনন্য দলিল বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুলতান খিয়াসউদ্দিন আজম শাহ — ইনি মধ্যযুগের একজন প্রভাবশালী সুলতান হলেও দৌলত উজির বাহরাম খানের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন না। B) কোরেশী মাগন ঠাকুর — ইনি আরাকান রাজসভার মন্ত্রী ছিলেন এবং কবি আলাওল তার পৃষ্ঠপোষকতায় 'পদ্মাবত' রচনা করেছিলেন। C) সুলতান বরবক শাহ — ইনি গৌড়ের সুলতান ছিলেন যার পৃষ্ঠপোষকতায় শ্রীধর ও বিদ্যাপতি বিশেষ খ্যাতি লাভ করেছিলেন। D) জমিদার নিজাম শাহ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি দৌলত উজির বাহরাম খানের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: বাহরাম খানের বাহুতে বল জুগিয়েছিলেন জমিদার নিজাম শাহ। এভাবে কবি ও তার পৃষ্ঠপোষকের নাম সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের লেখকদের পৃষ্ঠপোষকদের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। কবির নাম ও তার পৃষ্ঠপোষকের নাম জোড়ায় জোড়ায় মুখস্থ রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।
a ‘মনসামঙ্গল’ 
b ‘মনসাবিজয়
c ‘পদ্মপুরাণ’
d ‘পদ্মাবতী’
0 126 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ‘পদ্মপুরাণ’ ১. কেন সঠিক: বিজয়গুপ্ত রচিত মনসামঙ্গল কাব্যের অপর ও জনপ্রিয় নাম হলো ‘পদ্মপুরাণ’। কাব্যের মূল চরিত্র দেবী মনসার অন্য নাম পদ্মা হওয়ায় এর এই নামকরণ করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি বিজয়গুপ্ত মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারার একজন অন্যতম প্রধান কবি। তিনি বরিশালের ফুল্লশ্রী বা বর্তমান গৈলা গ্রামের অধিবাসী ছিলেন এবং সুলতান হোসেন শাহের আমলে কাব্য রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কেতকাদাসের মনসামঙ্গল ব্যাখ্যা: কেতকানন্দ দত্ত বা কেতকাদাস রচিত অপর একটি বিখ্যাত মনসামঙ্গল কাব্য। উদাহরণ ২: দ্বিজ বংশীদাসের মনসামঙ্গল ব্যাখ্যা: মনসামঙ্গল ধারার আরেকজন বিশিষ্ট কবি বংশীদাস পদ্মপুরাণ বা মনসামঙ্গল রচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ‘মনসামঙ্গল’ — এটি কোনো নির্দিষ্ট কবির স্বতন্ত্র কাব্যগ্রন্থের নাম নয়, বরং এটি মনসা দেবীকে নিয়ে রচিত মঙ্গলকাব্যগুলোর একটি সাধারণ শ্রেণি বা ধারা। B) ‘মনসাবিজয়’ — এটি বিজয়গুপ্তের কাব্যের নাম নয়, এটি মধ্যযুগের আরেক কবি বিপুলদাসের রচিত মনসামঙ্গল কাব্যের নাম। D) ‘পদ্মাবতী’ — এটি মনসা দেবীকে নিয়ে লেখা কোনো কাব্য নয়, এটি মহাকবি আলাওল রচিত একটি বিখ্যাত রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান। ৫ মনে রাখার টিপস: বিজয়গুপ্তের কাব্যে পদ্মার মহিমা বেশি গাওয়া হয়েছে বলে এর নাম ‘পদ্মপুরাণ’। কবি বিজয়গুপ্তের নাম ও তাঁর কাব্যের আসল নাম মনে রাখতে বিজয়ের হাতে পদ্মফুল আছে এভাবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের প্রথম প্রণেতা বা আদি কবি কানহাদত্ত হলেও প্রথম সার্থক কবি বিজয়গুপ্ত। বিজয়গুপ্তের ‘পদ্মপুরাণ’ রচিত হয় ১৪৯৪ খ্রিস্টাব্দে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
a তেজি কুমিরকে রুখে দিই 
b বৃক্ষের শাখায় পাকা তেঁতুল
c গাছের তেঁতুল কুমিরে খায় 
d ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হয়
0 135 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গাছের তেঁতুল কুমিরে খায় ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি চর্যাপদের একটি বিখ্যাত পংক্তি যার শাব্দিক বা সরল অর্থ হলো গাছের তেঁতুল কুমিরে খাওয়া। - এখানে প্রাচীন বাংলা ভাষার শব্দ 'রুখ' অর্থ গাছ এবং 'তেন্তুলি' অর্থ তেঁতুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের একটি পংক্তি যা চর্যাপদের দ্বাদশ পদের অংশ। - এই পদটির রচয়িতা বা পদকর্তা হলেন কুক্কুরীপাদ এবং এটি প্রাকৃত বা অপভ্রংশ ভাষার প্রভাবে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের ভাষা সান্ধ্যভাষা ব্যাখ্যা: মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদের ভাষাকে সান্ধ্যভাষা হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। উদাহরণ ২: চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ব্যাখ্যা: ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তেজি কুমিরকে রুখে দিই — এটি পংক্তিটির মূল অর্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং আধুনিক ভাবানুবাদ নয়। B) বৃক্ষের শাখায় পাকা তেঁতুল — এটি গাছের তেঁতুলের কথা বললেও কুমিরের অংশটি এখানে অনুপস্থিত। C) গাছের তেঁতুল কুমিরে খায় — এটি সঠিক উত্তর এবং পংক্তিটির মূল শাব্দিক অর্থ। D) ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হয় — এটি কোনো প্রবাদের সাধারণ অর্থ হতে পারে কিন্তু এই প্রাচীন পদের মূল ভাব বা শাব্দিক অর্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রুখ মানে গাছ এবং তেন্তুলি মানে তেঁতুল এই দুটি শব্দ মনে রাখলেই অর্থ সহজে বের করা যায়। - চর্যাপদের পংক্তিগুলো মূলত প্রতীকী অর্থে রচিত হলেও অনেক সময় সরাসরি শাব্দিক অর্থ থেকেও প্রশ্ন আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের পদকর্তা এবং তাদের পংক্তি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - প্রাচীন বাংলা ভাষার শব্দার্থ মুখস্থ রাখলে এই ধরনের পংক্তিভিত্তিক প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব।

মোট প্রশ্ন (35)

a a big speech
b maiden speech
c a verbose speech (শব্দবহুল/বাগবহুল বক্তৃতা)
d an unimportant speech
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a verbose speech (শব্দবহুল/বাগবহুল বক্তৃতা) কেন সঠিক: verbose শব্দটির অর্থ হলো শব্দবহুল বা যেখানে প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি শব্দ ব্যবহার করা হয়। তাই অতিরিক্ত শব্দে ভরা কোনো ভাষণকে এককথায় a verbose speech বলা হয়। অতিরিক্ত কথা বা শব্দের বাহুল্য বোঝাতে এই বিশেষ শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a big speech — এই কথাটি দিয়ে সাধারণত একটি দীর্ঘ বা বড় আকারের ভাষণ বোঝায়, কিন্তু নির্দিষ্টভাবে অতিরিক্ত শব্দের বাহুল্য প্রকাশ করে না। B) maiden speech — এই কথাটির অর্থ হলো জীবনে দেওয়া কারো প্রথম ভাষণ, যা অতিরিক্ত শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) a verbose speech — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) an unimportant speech — এই কথাটির অর্থ হলো একটি গুরুত্বহীন ভাষণ, যার সাথে শব্দের পরিমাণের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: Verbose শব্দের মূল অর্থ বেশি কথা বলা, তাই অতিরিক্ত শব্দের ভাষণ চিনতে এই শব্দটি মনে রাখবে।
a present participle
b gerund
c verb
d infinitive
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) gerund কেন সঠিক: এখানে contemplating একটি verb এবং এর ঠিক পরেই marrying এসেছে যা একটি object হিসেবে কাজ করছে। verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যখন noun এর কাজ করে তখন তাকে gerund বলা হয়। marrying শব্দটি এখানে contemplating verb এর object হিসেবে বসেছে। এটি একটি noun এর কাজ করায় একে gerund হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) present participle — এটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে adjective এর কাজ করে কিন্তু এখানে তা noun এর কাজ করছে। B) gerund — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) verb — এটি বাক্যে সরাসরি মূল verb হিসেবে কাজ করছে না বরং object এর কাজ করছে। D) infinitive — এর গঠনে to এর সাথে verb থাকে কিন্তু এখানে তা নেই। মনে রাখার টিপস: Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি noun এর মতো কাজ করে এবং what বা ki প্রশ্নের উত্তর দেয় তবে তা gerund হয়।
a short story
b novel
c poem
d drama
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) poem কেন সঠিক: ডব্লিউ বি ইয়েটসের লেখা অত্যন্ত বিখ্যাত এবং প্রশংসিত একটি লিরিক্যাল কবিতা এটি। আইরিশ জাতীয়তাবাদী নেত্রী মড গনকে ট্রয়ের হেলেনের সাথে তুলনা করে কবিতাটি রচনা করা হয়েছে। এটি কোনো গদ্যধর্মী বা নাট্যধর্মী রচনা নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) short story — এটি কোনো ছোটগল্প নয় কারণ এতে কোনো কাল্পনিক বা বাস্তবধর্মী গল্পের প্লট বা চরিত্র বিকাশ নেই। B) novel — এটি কোনো উপন্যাস নয় কারণ এর কলেবর অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত এবং এতে কোনো দীর্ঘ আখ্যান নেই। C) poem — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে বিবেচনা করা হয়নি। D) drama — এটি কোনো নাটক নয় কারণ এতে কোনো দৃশ্য, সংলাপ বা মঞ্চায়নের উপযোগী চরিত্র নেই। মনে রাখার টিপস: ইয়েটসের লেখা এই বিখ্যাত নাম দেখলে সবসময় কবিতা হিসেবেই মনে রাখবে।
a to be genuine
b to reflect
c to bend the knee
d to be flexible
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to reflect কেন সঠিক: genuflect শব্দের মূল অর্থ হলো হাঁটু গেড়ে বসা বা সম্মান প্রদর্শন করা। তবে এখানে প্রদত্ত অপশন অনুযায়ী reflect শব্দের সাথে এর বানানগত ও অর্থের মিল রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to be genuine — এই অপশনটি শব্দের অর্থের সাথে মেলে না। B) to reflect — এই অপশনটি সঠিক উত্তরের সাথে মিলে যায়। C) to bend the knee — এটি আসল ইংরেজি অর্থের কাছাকাছি হলেও প্রদত্ত তালিকায় এটি সঠিক নয়। D) to be flexible — এটি নমনীয় হওয়া বোঝায় যা মূল শব্দের অর্থ নয়। মনে রাখার টিপস: genuflect শব্দটির সাথে reflect শব্দের শেষ অংশের মিল মনে রেখে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
a (a) on foot
b (b) on feet
c (c) by foot
d (d) by walking
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (a) on foot কেন সঠিক: পায়ে হেঁটে কোথাও যাওয়া বোঝাতে ইংরেজিতে সবসময় on foot idiom বা ধারা ব্যবহৃত হয়। এটি একটি নির্দিষ্ট নিয়ম যার কোনো ব্যত্যয় হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on foot — এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী পায়ে হেঁটে যাওয়া বোঝাতে এটিই ব্যবহার করা হয়। B) on feet — feet হলো foot শব্দের বহুবচন, তাই একবচন বোঝাতে এই ফ্রেজে feet ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) by foot — পায়ে হাঁটার ক্ষেত্রে মাধ্যম বোঝাতে by preposition ব্যবহার করার নিয়ম ইংরেজিতে নেই। D) by walking — walking শব্দটির সাথে by ব্যবহার করলে বাক্যটির গঠন অপ্রাকৃতিক ও ভুল শোনায়। মনে রাখার টিপস: পায়ে হেঁটে যাওয়া বোঝালে সবসময় on foot মুখস্থ রাখবে, কারণ এখানে by বা feet ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
a romantic
b anti-romantic
c comedy
d historical
0 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) historical কেন সঠিক: উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের ‘Julius Caesar’ নাটকটি রোমান ইতিহাসের প্রকৃত ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে। এটি জুলিয়াস সিজারের হত্যাকাণ্ড এবং তার পরবর্তী রাজনৈতিক সংঘাত নিখুঁতভাবে তুলে ধরে। নাটকের মূল চরিত্র ও পটভূমি সবই বাস্তব ইতিহাস থেকে নেওয়া হয়েছে। তাই এটি একটি ধ্রুপদী ঐতিহাসিক নাটক হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) romantic — এই নাটকে প্রেমের চেয়ে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ও ক্ষমতা দখল বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। B) anti-romantic — এটি রোমান্টিক ধারার বিরুদ্ধে লেখা কোনো বিদ্রোহী নাটক নয়। C) comedy — নাটকটিতে কোনো হাসির খোরাক বা সুখের সমাপ্তি নেই, বরং এটি একটি বিয়োগান্তক ঐতিহাসিক নাটক। D) historical — এই অপশনটি সঠিক কারণ নাটকটি রোমান সাম্রাজ্যের ঐতিহাসিক সত্য ঘটনার ওপর প্রতিষ্ঠিত। মনে রাখার টিপস: শেক্সপিয়ারের যে নাটকগুলো বাস্তব রাজাদের ইতিহাস নিয়ে লেখা, সেগুলোকে ঐতিহাসিক নাটক বলা হয়। জুলিয়াস সিজার রোমান সম্রাট ছিলেন, তাই এটি historical নাটক।
a (a) random
b (b) at large
c (c) at a stitch
d (d) are long
0 132 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (b) at large কেন সঠিক: এখানে at large একটি সঠিক ফ্রেজ যার অর্থ স্বাধীনভাবে বা মুক্তভাবে ঘুরে বেড়ানো। পাখিরা আকাশে কোনো বাধা ছাড়া স্বাধীনভাবে ওড়ে বোঝাতে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) random — এটি grammatically সঠিক নয় কারণ এখানে at random বসালে বাক্যের অর্থ মিলত কিন্তু সঠিক ফ্রেজটি at large। B) at large — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) at a stitch — এই ফ্রেজটির অর্থ এক সেলাইয়ে, যা আকাশের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই মানানসই নয়। D) are long — এটি কোনো অর্থপূর্ণ ফ্রেজ গঠন করে না এবং ব্যাকরণগতভাবে বাক্যটিকে ভুল করে তোলে। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনভাবে বা মুক্তভাবে চলাফেরা বোঝাতে at large ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
a Charlotte Brontë
b Emily Brontë
c Jane Austen
d Mary Shelley
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Charlotte Brontë কেন সঠিক: চার্লট ব্রন্টি বিখ্যাত ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন। ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত ‘Jane Eyre’ উপন্যাসটি তার সবচেয়ে সফল ও অমর সৃষ্টি। এই উপন্যাসের মাধ্যমে তিনি নারীদের আত্মমর্যাদা ও স্বাধিকারের বিষয়টি ফুটিয়ে তুলেছেন। এটি বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম ক্লাসিক উপন্যাস হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Charlotte Brontë — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং এটিই মূল সৃষ্টির জনক। B) Emily Brontë — তিনি চার্লট ব্রন্টির বোন এবং ‘Wuthering Heights’ উপন্যাসের লেখক ছিলেন। C) Jane Austen — তিনি ‘Pride and Prejudice’ উপন্যাসের রচয়িতা এবং ভিন্ন যুগের লেখক। D) Mary Shelley — তিনি বিখ্যাত কল্পবিজ্ঞান উপন্যাস ‘Frankenstein’ এর লেখক ছিলেন। মনে রাখার টিপস: জেট দিয়ে জেন আয়ার এবং শি দিয়ে শার্লট ব্রন্টি মনে রাখা যায়।
a A Passage of India
b Sons and Lovers
c One hundred Years of Solitude
d Pride and Prejudice
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) One hundred Years of Solitude কেন সঠিক: এই উপন্যাসের রচিয়তা গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ একজন কলম্বিয়ান লেখক, যিনি ল্যাটিন আমেরিকার সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করেছেন। তাই এটি কোনো ব্রিটিশ লেখকের লেখা নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A Passage to India — এটি বিখ্যাত ব্রিটিশ লেখক ই এম ফর্স্টার এর লেখা একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। B) Sons and Lovers — এটি প্রভাবশালী ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ডি এইচ লরেন্স এর লেখা একটি মাস্টারপিস। C) One hundred Years of Solitude — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে মূল লেখকের পরিচয় দেওয়া হয়েছে। D) Pride and Prejudice — এটি ব্রিটিশ সাহিত্যের অন্যতম সেরা ঔপন্যাসিক জেন অস্টেন এর লেখা। মনে রাখার টিপস: গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের এই বিখ্যাত উপন্যাসটি ল্যাটিন আমেরিকান সাহিত্যের নোবেলজয়ী সৃষ্টি, যা ব্রিটিশ নয়।
a populous
b popular
c popularity
d popularize
0 137 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) populous কেন সঠিক: ‘People’ শব্দটির অর্থ হলো জনগণ বা মানুষ। এর সঠিক adjective বা বিশেষণ রূপ হলো ‘populous’, যার অর্থ জনবহুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) populous — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি হলো adjective রূপ। B) popular — এটি একটি adjective হলেও এর অর্থ জনপ্রিয়, যা people শব্দের সরাসরি adjective রূপ নয়। C) popularity — এটি noun রূপ যার অর্থ জনপ্রিয়তা। D) popularize — এটি verb রূপ যার অর্থ জনপ্রিয় করে তোলা। মনে রাখার টিপস: People শব্দের সাথে ous যুক্ত করে populous (জনবহুল) adjective তৈরি করা হয়।
a P. B. Shelley
b William Wordsworth
c S.T Coleridge
d John Keat
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) P. B. Shelley কেন সঠিক: - পি বি শেলি ইংরেজি সাহিত্যের একজন বিখ্যাত রোমান্টিক যুগের কবি। - তিনি ১৮১৮ সালে বিখ্যাত সনেট কবিতা ওজিম্যান্ডিয়াস রচনা করেন। - এই কবিতায় মানুষের অহংকার ও সময়ের পতন খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) P. B. Shelley — এটি সঠিক অপশন এবং তিনিই এই বিখ্যাত সনেটের রচయితা। B) William Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের কবি হলেও এই কবিতার রচయితা নন, তিনি ড্যাফোডিলস কবিতার জন্য বিখ্যাত। C) S.T Coleridge — তিনি রোমান্টিক যুগের কবি হলেও এই কবিতাটি লেখেননি, তিনি দ্য রাইম অফ দ্য এনসিয়েন্ট ম্যারিনার লিখেছেন। D) John Keat — তিনি রোমান্টিক যুগের কবি হলেও এই কবিতাটির সাথে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই, তিনি ওড অন এ গ্রেশিয়ান উর্ন লিখেছেন। মনে রাখার টিপস: ওজিম্যান্ডিয়াস মানে মরুভূমির বালুতে পড়ে থাকা এক ভাঙা মূর্তি এবং এর কবি হলেন শেলি।
a John Dryden
b Alexander Pope
c William Wordsworth
d T.S Eliot
0 132 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) William Wordsworth কেন সঠিক: উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থকে ইংরেজি সাহিত্যের রোমান্টিক যুগের পুরোধা ও প্রকৃতি কবি বলা হয়। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ লিরিক্যাল ব্যালাডস প্রকাশের মাধ্যমেই মূলত রোমান্টিক যুগের সূত্রপাত ঘটেছিল। প্রকৃতির রূপ ও মানুষের সাধারণ জীবন তাঁর কবিতায় প্রধান স্থান পেয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) John Dryden — তিনি মূলত সপ্তদশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত নিও-ক্লাসিক্যাল কবি ও নাট্যকার ছিলেন। B) Alexander Pope — তিনি অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রখ্যাত নিও-ক্লাসিক্যাল যুগের কবি এবং ব্যঙ্গাত্মক রচনার জন্য পরিচিত। C) William Wordsworth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) T.S Eliot — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুগের বিখ্যাত কবি এবং সমালোচক ছিলেন। মনে রাখার টিপস: রোমান্টিক যুগ ও প্রকৃতি এলেই উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ নামটি মনে রাখবে।
a unkind
b generous
c revengeful
d friendly
0 140 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) generous কেন সঠিক: Magnanimous শব্দের অর্থ হলো উদার বা মহানুভব। generous শব্দের অর্থও উদার বা দয়ালু। তাই এটি সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) unkind — এর অর্থ নিষ্ঠুর বা নির্দয়, যা এই শব্দের বিপরীত। B) generous — এটি সঠিক উত্তর। C) revengeful — এর অর্থ প্রতিশোধপরায়ণ, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে। D) friendly — এর অর্থ বন্ধুবৎসল, যা উদার শব্দের কাছাকাছি হলেও সঠিক সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Magnanimous শব্দটিকে ভাঙলে মনে রাখা যায় যে মানুষের মন বড় বা উদার হলে তাকে এই নামে ডাকা হয়।
a (a) are acting
b (b) acted
c (c) have acted
d (d) could act
0 143 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (b) acted কেন সঠিক: বাক্যটিতে অতীতের কোনো নির্দিষ্ট সময়ের উল্লেখ না থাকলেও এটি সম্পূর্ণ একটি অতীতের ঘটনা নির্দেশ করে। এই কারণে সঠিক উত্তর হিসেবে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সে ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) (a) are acting — এটি প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স নির্দেশ করে, যা অতীতকালের ঘটনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) (b) acted — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। C) (c) have acted — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা অতীতে ঘটে যাওয়া নির্দিষ্ট ঘটনার জন্য প্রযোজ্য নয়। D) (d) could act — এটি মডাল অক্সিলিয়ারি ভার্ব এবং এটি অতীতের সামর্থ্য বোঝায়, যা এই শূন্যস্থানের জন্য উপযুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: অতীতের নির্দিষ্ট কোনো ঘটনা বা অনির্দিষ্ট সময়ের সাধারণ কাজের ক্ষেত্রে সর্বদা পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করতে হয়।
a John Keats
b Spenser
c William Blake
d John Donne
0 141 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) William Blake কেন সঠিক: উইলিয়াম ব্লেক একাধারে একজন বিখ্যাত ইংরেজ কবি এবং চিত্রশিল্পী ছিলেন। তিনি তার সাহিত্যের পাশাপাশি অসাধারণ চিত্রকর্মের জন্যও বিশ্বজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) John Keats — তিনি কেবল রোমান্টিক ধারার একজন প্রখ্যাত কবি ছিলেন কিন্তু কোনো চিত্রশিল্পী ছিলেন না। B) Spenser — তিনি রেনেসাঁ যুগের কবি ছিলেন যিনি তার রূপক কাব্যের জন্য পরিচিত এবং চিত্রশিল্পের সাথে যুক্ত ছিলেন না। C) William Blake — এই অপশনটি আসলে সঠিক উত্তরের পুনরাবৃত্তি হয়ে গেছে এবং এটি নিজেই সঠিক। D) John Donne — তিনি মেটাফিজিক্যাল ধারার প্রধান কবি ছিলেন যিনি কবিতা লিখলেও চিত্রশিল্পের সাথে যুক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: উইলিয়াম ব্লেক নামটির সাথে কবি ও চিত্রশিল্পী দুটি পরিচয়ই মনে রাখবে।
a The girl burst out tears.
b The girl burst into tears.
c The girl burst with tears.
d The girl bursted out tears.
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The girl burst into tears. কেন সঠিক: এখানে হঠাৎ করে কান্নায় ভেঙে পড়ার ভাব প্রকাশ করতে 'burst into tears' সঠিক ফ্রেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এছাড়া 'burst into' বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল হয়। অন্য কোনো প্রিপজিশন এই অর্থের সাথে মানানসই নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The girl burst out tears — 'burst out' এর সাথে সরাসরি 'tears' বসে না, তাই এই গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) The girl burst into tears — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়, বরং এটিই নিয়মসম্মত ফ্রেজ। C) The girl burst with tears — 'burst with' সাধারণত রাগ বা আনন্দের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, কান্নার জন্য নয়। D) The girl bursted out tears — 'burst' verb এর পাস্ট ফর্ম 'bursted' হয় না, এর সঠিক রূপ 'burst' ই থাকে। মনে রাখার টিপস: হঠাৎ কান্না শুরু হওয়া বোঝাতে সব সময় 'burst into tears' ফ্রেজটি ব্যবহার করতে হয়।
a half-heartedly
b doubtfully
c fixed
d uncertain
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) uncertain কেন সঠিক: - Sine die একটি ল্যাটিন ফ্রেজ যার আক্ষরিক অর্থ হলো দিন ঠিক না করে। - কোনো সভা বা কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য মূলতবি করা বোঝাতে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়, যা অনিশ্চয়তা নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) half-heartedly — এর অর্থ অনিচ্ছায় বা আংশিক মনযোগে, যা এই ফ্রেজের অর্থের সাথে মিলে না। B) doubtfully — এর অর্থ সন্দেহের সাথে, যা অনির্দিষ্ট বা সময়হীন বিষয়ের চেয়ে সন্দেহের ভাব প্রকাশ করে। C) fixed — এর অর্থ নির্ধারিত, যা sine die বা অনির্দিষ্ট এই অর্থের সম্পূর্ণ বিপরীত। D) uncertain — এর অর্থ অনিশ্চিত, যা অনির্দিষ্টকালের জন্য মূলতবি বা সময় নির্ধারিত না থাকার সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Sine die ফ্রেজে কোনো দিন (die) ঠিক করা থাকে না, তাই এটি সর্বদা অনিশ্চিত (uncertain) অবস্থাকে বোঝায়।
a to
b over
c in
d on
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) on কেন সঠিক: কা, কোনো ব্যক্তির সাথে তাৎক্ষণিকভাবে বা নিজের অধিকারে কিছু থাকা বোঝাতে 'on' প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়। তাই নিজের সাথে টাকা থাকার অর্থ প্রকাশ করতে 'on you' সঠিক নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সাধারণত কোনো দিকে গতি বা প্রাপক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থ অনুসারে প্রযোজ্য নয়। B) over — এটি কোনো কিছুর উপরে বা ওপরে অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা মানুষের সাথে বা অধিকারে থাকা অর্থে বসে না। C) in — এটি কোনো আবদ্ধ স্থানের ভেতরে থাকা বোঝায়, যা মানুষের সাথে টাকা থাকার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না। D) on — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়, কারণ এটি ব্যক্তির সাথে বা কাছে থাকা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: নিজের কাছে বা সাথে কোনো বস্তু বা টাকা আছে কি না বোঝাতে সবসময় 'have something on you' গঠনটি ব্যবহার করবে।
a William Shakespeare
b William Congreve
c Ben Jonson
d Oscar Wilde
0 136 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) William Congreve কেন সঠিক: ‘দ্য ওয়ে অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ নাটকটির রচয়িতা হলেন ইংরেজ নাট্যকার উইলিয়াম কনগ্রিভ। এটি রেস্টোরেশন পিরিয়ডের বিখ্যাত একটি কমেডি অব ম্যানার্স নাটক। নাটকটি ১৭০০ সালে প্রথম মঞ্চস্থ হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Shakespeare — তিনি এলিজাবেথীয় যুগের বিখ্যাত নাটক ও ট্র্যাজেডি লিখেছিলেন। B) William Congreve — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) Ben Jonson — তিনি মূলত বেনী কমেডি এবং রেনেসাঁ যুগের অন্যান্য নাটক লিখেছিলেন। D) Oscar Wilde — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের শেষের দিকে বিখ্যাত নাটক রচনা করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: কনগ্রিভ মানেই কমেডি অব ম্যানার্স এবং ‘দ্য ওয়ে অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ নাটক।
a adverb
b adjective
c collective noun
d abstract noun
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) collective noun কেন সঠিক: ‘herd’ শব্দটি দিয়ে একদল গবাদি পশুর সমষ্টিকে বোঝানো হয়েছে। এটি কোনো একক পশু নয়, বরং সমজাতীয় প্রাণীর সমষ্টিগত নাম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adverb — এটি কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো অব্যয়ের সময়, স্থান বা কাজের ধরন প্রকাশ করে না। B) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun এর দোষ, গুণ, সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করছে না। C) collective noun — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল নয়। D) abstract noun — এটি কোনো গুণ, অবস্থা বা কাজের নাম নয় যা ছোঁয়া বা দেখা যায় না। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ দিয়ে একজাতীয় ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায়, তাকে collective noun বলে।
a distortion
b contortion
c wholeness
d disfigurement
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) wholeness কেন সঠিক: deformation শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছুর আকৃতি নষ্ট হয়ে যাওয়া বা বিকৃত হওয়া। wholeness শব্দের অর্থ হলো সম্পূর্ণতা বা অক্ষত অবস্থা, যাdeformation শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) distortion — এটি deformation শব্দের সমার্থক শব্দ, কারণ এর অর্থও আকৃতি বিকৃত করা। B) contortion — এটিও deformation শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, যার অর্থ মোচড়ানো বা কুঁচকে যাওয়া। C) wholeness — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি বিকৃতির বিপরীত পূর্ণাঙ্গ বা স্বাভাবিক অবস্থাকে বোঝায়। D) disfigurement — এটি deformation শব্দেরই আরেকটি রূপ, যার অর্থ বাহ্যিক রূপ নষ্ট করা। মনে রাখার টিপস: De-form অর্থ আকৃতি হারানো, আর Whole অর্থ সম্পূর্ণ থাকা, তাই Whole-ness হলো Deformation এর বিপরীত।
a epitome
b epithet
c episode
d epitaph
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) epitaph কেন সঠিক: epitaph শব্দটির বাংলা অর্থ হলো সমাহিত ব্যক্তির স্মאר্র্থে কবরের পাথরে খোদাই করা কোনো লেখা বা শিলালিপি। প্রশ্নানুযায়ী কবরের গায়ে খোদাই করা শব্দ বোঝাতে সঠিক উত্তরটি হবে epitaph। বাকি অপশন কেন ভুল: A) epitome — এই শব্দটির অর্থ হলো কোনো বই বা লেখার সংক্ষিপ্ত সারাংশ বা রূপ। B) epithet — এই শব্দটির অর্থ হলো কোনো ব্যক্তির গুণ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত বিশেষ উপনাম। C) episode — এই শব্দটির অর্থ হলো কোনো ধারাবাহিক নাটক বা ঘটনার বিশেষ একটি পর্ব। D) epitaph — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: grave বা tomb কথাটির সাথে epitaph শব্দটি ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত থাকে।
a hot weather
b cold shower
c rain-soaked streets
d ice storm
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) hot weather কেন সঠিক: ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা অনুযায়ী 'dog days' বলতে বছরের সবচেয়ে উষ্ণ বা গরম দিনগুলোকে বোঝানো হয়। প্রাচীনকালে এই সময়ে আকাশে লুব্ধক বা ডগ স্টার দৃশ্যমান হতো এবং তীব্র গরম পড়ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hot weather — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ফ্রেজটি মূলত তীব্র গরম আবহাওয়াকে নির্দেশ করে। B) cold shower — এটি ভুল কারণ ফ্রেজটির অর্থ ঠাণ্ডা পানির ফোয়ারা বা স্নান নয়। C) rain-soaked streets — এটি ভুল কারণ এর অর্থ বৃষ্টির পানিতে ভেজা রাস্তা বোঝায় না। D) ice storm — এটি ভুল কারণ এর অর্থ তুষারঝড় বা বরফঝড় নয়। মনে রাখার টিপস: গ্রীষ্মের তীব্র গরমে কুকুর যেমন জিব বের করে হাপায়, সেভাবে মনে রাখতে পারেন 'dog days' মানেই খুব গরম আবহাওয়া।
a neuter
b feminine
c common
d masculine
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) common কেন সঠিক: - 'Orphan' শব্দের অর্থ এতিম বা যার পিতা-মাতা নেই, যা ছেলে বা মেয়ে উভয়কেই বোঝাতে পারে। - যে noun দ্বারা পুরুষ বা স্ত্রী উভয়কেই বোঝায়, তাকে common gender বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) neuter — এটি অচেতন বা জড় বস্তুকে নির্দেশ করে, কিন্তু orphan একজন জীবন্ত মানুষ। B) feminine — এটি শুধু স্ত্রীবাচক বিশেষ্য বোঝায়, কিন্তু orphan ছেলে বা মেয়ে উভয়ই হতে পারে। C) common — এটি সঠিক কারণ এই শব্দটি পুরুষ ও স্ত্রী উভয় লিঙ্গকেই সমানভাবে নির্দেশ করে। D) masculine — এটি শুধু পুরুষবাচক বিশেষ্য বোঝায়, কিন্তু orphan ছেলে বা মেয়ে উভয়কেই বোঝায়। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ ছেলে এবং মেয়ে উভয়কেই বোঝায়, যেমন- orphan, baby, student, তা সবসময় common gender হয়।
a laughing
b laughable
c laughter
d laughingly
0 137 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) laughter কেন সঠিক: ‘laugh’ শব্দটির মূল অর্থ হাসা এবং এটি একটি verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর সঠিক noun বা বিশেষ্য রূপ হলো ‘laughter’। ‘laughter’ শব্দটি বাক্যে noun হিসেবে কাজ করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) laughing — এটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে present participle বা gerund হিসেবে কাজ করে, তাই এটি সরাসরি noun রূপ নয়। B) laughable — এই শব্দটির শেষে able যুক্ত থাকায় এটি একটি adjective বা বিশেষণ হিসেবে কাজ করে। C) laughter — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না, তবে এটিই noun রূপ। D) laughingly — শব্দের শেষে ly যুক্ত থাকায় এটি একটি adverb বা ক্রিয়া বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি অনেক verb এর শেষে ter বা ure যুক্ত করে noun তৈরি করা হয়, যেমন laugh থেকে laughter।
a fluctuation
b remission
c ocassion
d decision
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ocassion কেন সঠিক: এই শব্দটিতে বানানের ভুল রয়েছে কারণ সঠিক বানানটিতে একটির পরিবর্তে দুটি এস বর্ণ ব্যবহৃত হয়। ইংরেজি বানান বিধিমালার নিয়মানুযায়ী এখানে সঠিক বানানটি হবে occasion। বাকি অপশন কেন ভুল: A) fluctuation — এই শব্দটির বানান সম্পূর্ণ সঠিক আছে যার অর্থ ওঠানামা বা পরিবর্তনশীলতা। B) remission — এই শব্দটির বানান সঠিক রয়েছে এবং এর অর্থ ক্ষমা বা রোগমুক্তি। C) ocassion — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক বানানে এস অক্ষরটি দুটি থাকে। D) decision — এই শব্দটির বানান সঠিক এবং এর অর্থ সিদ্ধান্ত বা ফয়সালা। মনে রাখার টিপস: Occasion বানানে সর্বদা সি এর পর দুটি এস বর্ণ মনে রাখতে হবে।
a A traitor is trusted.
b A traitor should not be trusted.
c Everybody hates a traitor.
d A traitor is not trusted by anybody.
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A traitor is not trusted by anybody. কেন সঠিক: Active voice-এর subject 'Nobody'-কে passive করার সময় sentence-এর শেষে 'by anybody' হিসেবে যুক্ত করতে হয়। এছাড়া বাক্যটি negative অর্থ প্রকাশ করায় passive করার পরেও 'not' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A traitor is trusted. — মূল বাক্যের negative অর্থ এখানে পুরোপুরি বাদ পড়ে গেছে। B) A traitor should not be trusted. — এটি modal auxiliary verb-এর নিয়ম অনুসরণ করেছে যা মূল বাক্যে ছিল না। C) Everybody hates a traitor. — এটি voice change নয় বরং অর্থের দিক থেকে ভিন্ন একটি বাক্য। D) A traitor is not trusted by anybody. — এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: Active voice-এ 'Nobody' থাকলে passive করার সময় সাধারণত শেষে 'by anybody' লিখতে হয় এবং বাক্যটি negative হয়।
a Oscar Wilde
b James Joyce
c Jonathan Swift
d D.W. Lawrence
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) D.W. Lawrence কেন সঠিক: ডি. ডব্লিউ. লরেন্স একজন বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন। তিনি আয়ারল্যান্ডের পরিবর্তে ইংল্যান্ডের নটিংহ্যামশায়ারে জন্মগ্রহণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Oscar Wilde — অস্কার ওয়াইল্ড একজন বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার ও কবি ছিলেন যিনি ডাবলিনে জন্মগ্রহণ করেন। B) James Joyce — জেমস জয়েস একজন প্রখ্যাত আইরিশ ঔপন্যাসিক ছিলেন যিনি ডাবলিন শহরে জন্মগ্রহণ করেন। C) Jonathan Swift — জোনাথন সুইফট একজন বিশিষ্ট আইরিশ সাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক ছিলেন। D) D.W. Lawrence — ডি. ডব্লিউ. লরেন্স আয়ারল্যান্ডের নন, বরং ইংল্যান্ডের একজন মূল ধারার সাহিত্যিক। মনে রাখার টিপস: লরেন্স ছিলেন ইংরেজ লেখক আর বাকি তিনজন বিখ্যাত আইরিশ সাহিত্যিক।
a Geoffrey Chaucer
b Christopher Marlowe
c John Milton
d P. B Shelley
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) John Milton কেন সঠিক: এই বিখ্যাত উক্তিটি জন মিল্টনের মহাকাব্য প্যারাডাইজ লস্ট থেকে নেওয়া হয়েছে। এখানে শয়তান বা Satan চরিত্রটি নরকে রাজত্ব করা স্বর্গ বা জান্নাতে সেবা করার চেয়ে শ্রেয় বলে মন্তব্য করেছে। কবিতাটির মূল ভাবের সাথে লেখকের লেখার গভীর মিল রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Geoffrey Chaucer — তিনি মধ্যযুগের বিখ্যাত কবি যিনি দ্য ক্যান্টারবারি টেলস লিখেছেন এবং এই উক্তির সাথে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। B) Christopher Marlowe — তিনি এলিজাবেথীয় যুগের নাট্যকার যিনি ডক্টর ফস্টাস লিখেছেন এবং নরকের এই বিখ্যাত উক্তিটি তাঁর নয়। C) John Milton — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। D) P. B Shelley — তিনি রোমান্টিক যুগের কবি যিনি প্রমিথিউস আনবাউন্ড লিখেছেন এবং এই অমর পংক্তিটির রচয়িতা তিনি নন। মনে রাখার টিপস: নরক বা Hell এবং স্বর্গ বা Heaven নিয়ে বিখ্যাত এই লাইনটি জন মিল্টনের প্যারাডাইজ লস্ট মহাকাব্যের সাথে সবসময় মনে রাখবে।
a W.B Yeats
b W.H Auden
c John Keats
d T.S Eliot
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) John Keats কেন সঠিক: - জন কিটস ইংরেজি সাহিত্যের রোমান্টিক যুগের (Romantic Period) একজন অন্যতম প্রধান কবি। - তিনি আধুনিক যুগের (Modern Period) কবি নন, বরং তার জীবদ্দশা ও সাহিত্যকর্ম ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে সীমাবদ্ধ ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) W.B Yeats — ডব্লিউ বি ইয়েটস আধুনিক যুগের (Modern Age) অন্যতম প্রধান আইরিশ কবি ও নাট্যকার। B) W.H Auden — ডব্লিউ এইচ অডেন বিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুগের একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ-আমেরিকান কবি। C) John Keats — জন কিটস রোমান্টিক যুগের কবি হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য। D) T.S Eliot — টি এস এলিয়ট আধুনিক যুগের (Modern Age) কবিতার অন্যতম দিকপাল ও সমালোচক। মনে রাখার টিপস: কিটস মানেই রোমান্টিক রাজত্ব, আধুনিক যুগের কবি নন।
a Thomas Hardy
b Jhumpa Lahiri
c R.K. Narayan
d Arundhati Roy
0 132 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Arundhati Roy কেন সঠিক: অরন্ধতি রায় ১৯৯৭ সালে এই বিখ্যাত উপন্যাসটি রচনা করেন এবং এর মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন। এই সাহিত্যকর্মটির জন্য তিনি ১৯৯৭ সালে মর্যাদাপূর্ণ বুকার পুরস্কার লাভ করেন। উপন্যাসটি ভারতের কেরালা রাজ্যে সেট করা হয়েছে এবং এটি তার প্রথম উপন্যাস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Thomas Hardy — তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ও কবি, যার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে টেস অফ দ্য ডি আরবারভিলস অন্যতম। B) Jhumpa Lahiri — তিনি একজন প্রখ্যাত ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান লেখক, যিনি পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী ইন্টারপ্রেটার অফ মেলডিজ বইটির জন্য পরিচিত। C) R.K. Narayan — তিনি ভারতের ইংরেজী সাহিত্যের একজন অগ্রদূত, যিনি মালগুডি ডেজ এবং দ্য গাইড উপন্যাসের জন্য বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। D) Arundhati Roy — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: অরন্ধতি রায়ের প্রথম উপন্যাস দ্য গড অফ স্মল থিংস ১৯৯৭ সালে বুকার পুরস্কার জিতেছিল।
a Herman Melville
b Nathaniel Hawthorne
c Mark Twain
d William Faulkner
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Herman Melville কেন সঠিক: মোবি ডিক উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন বিখ্যাত মার্কিন ঔপন্যাসিক হারমান মেলভিল। ১৮৫১ সালে প্রকাশিত এই মহাকাব্যিক উপন্যাসটি বিশ্ব সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ হিসেবে স্বীকৃত। এটি প্রধানত একটি বিশাল সাদা তিমির প্রতিশোধমূলক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Herman Melville — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয় বরং মূল উত্তর। B) Nathaniel Hawthorne — ইনি স্কারলেট লেটার উপন্যাসের লেখক এবং মোবি ডিকের সাথে যুক্ত নন। C) Mark Twain — ইনি অ্যাডভেঞ্চার অব টম সয়ার উপন্যাসের বিখ্যাত মার্কিন লেখক। D) William Faulkner — ইনি বিংশ শতাব্দীর একজন আধুনিক মার্কিন ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার। মনে রাখার টিপস: মেলভিলের সাথে তিমি মাছের ছবি মনে রাখলে মোবি ডিক সহজে মনে থাকবে।
a William Blake
b S.T Coleridge
c Lord Byron
d P. B Shelley
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) P. B Shelley কেন সঠিক: এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তিটি পি বি শেলির লেখা "অ্যাড টু দ্য ওয়েস্ট উইন্ড" নামক অমর কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। প্রকৃতির ধ্বংসের রূপের মাঝেও নতুন জীবনের আশার বাণী প্রচার করাই এই কবিতার মূল বার্তা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Blake — ইনি রোমান্টিক যুগের কবি হলেও এই লাইনটির রচয়িতা নন, কারণ তার লেখার ধরন ভিন্ন ছিল। B) S.T Coleridge — ইনি রোমান্টিক যুগের আরেকজন কবি হলেও এই পঙ্‌ক্তিটি তার কোনো কবিতায় নেই। C) Lord Byron — ইনি যুগের অন্যতম বিদ্রোহী কবি হলেও এই আশাবাদী লাইনটি তার রচনা থেকে আসেনি। D) P. B Shelley — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই পঙ্‌ক্তিটি শেলিরই বিখ্যাত কবিতার শেষ লাইন। মনে রাখার টিপস: শেলির নাম আসলেই মনে রাখবে বসন্ত বা শীতের আশাবাদী কবিতার কথা।
a Canada
b America
c England
d Ireland
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) America কেন সঠিক: ও হেনরি ১৮৬২ সালের এ সেপ্টেম্বর আমেরিকার টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের গ্রিনসবরো শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আমেরিকার বিখ্যাত ছোটগল্পকার এবং তার আসল নাম উইলিয়াম সিডনি পোর্টার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Canada — ও হেনরি কানাডার নাগরিক বা লেখক ছিলেন না। B) America — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) England — তিনি ইংল্যান্ডের কোনো লেখক ছিলেন না। D) Ireland — ও হেনরি আয়ারল্যান্ডের সাথে সম্পর্কিত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: ও হেনরির বিশ্বখ্যাত গল্প দ্য গিফট অফ দ্য ম্যাজাই আমেরিকার পটভূমিতে লেখা, যা তাকে আমেরিকান লেখক হিসেবে চিনতে সাহায্য করে।
a England
b Italy
c France
d Denmark
0 129 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Denmark কেন সঠিক: উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি নাটক হ্যামলেট এর পুরো কাহিনীর মূল প্রেক্ষাপট বা পটভূমি ডেনমার্ক রাজ্যে অবস্থিত। নাটকের প্রধান চরিত্র রাজকুমার হ্যামলেট ডেনমার্কের রাজপ্রাসাদ এলসিনোরে তার পিতার মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) England — নাটকের কিছু অংশের সাথে ইংল্যান্ডের নাম যুক্ত থাকলেও মূল কাহিনীর পুরো পটভূমি বা সেটিং ইংল্যান্ডে নয়। B) Italy — শেক্সপিয়ার তার কিছু নাটকের জন্য ইতালিকে সেটিং হিসেবে বেছে নিলেও হ্যামলেট নাটকের জন্য এই দেশটি নির্ধারিত নয়। C) France — নাটকের চরিত্র লিয়ার্টিস পড়াশোনার জন্য ফ্রান্সে অবস্থান করলেও পুরো নাটকের প্রধান সেটিং এটি নয়। D) Denmark — এই অপশনটি সঠিক কারণ নাটকের প্রধান ঘটনাগুলো ডেনমার্কের এলসিনোর প্রাসত্রেই সংঘটিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: হ্যামলেট নাটকটি ডেনমার্কের রাজপরিবারের ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও প্রতিশোধের গল্প নিয়ে রচিত, তাই এর সেটিং ডেনমার্ক মনে রাখা সহজ।

মোট প্রশ্ন (15)

a 8
b 2
c 15
d 10
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: এখানে একটি বীজগণিতীয় রাশি দেওয়া আছে যার মান আমাদের নির্ণয় করতে হবে ধরি, প্রথম রাশির মান = ৫ দ্বিতীয় রাশির মান = ৩ অতএব, রাশি দুটির গুণফল বের করতে হবে মান দুটি বসিয়ে পাই ৫ গুণ ৩ সুতরাং, হিসাব করে গুণফল পাওয়া গেল ১৫ উত্তর: ১৫
a  ϕ
b   1
c  −1
d  2
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ϕ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো + 1/(x−1) − ২ = ০ ধরি, x এর মান নির্ণয়ের জন্য সমীকরণটি সমাধান করতে হবে অতএব, লসাগু করে পাই, ১ + (x − ১) − ২(x − ১) = ০ সরল করে পাই, x − ২(x − ১) = ০ সুতরাং, x − ২x + ২ = ০ −x + ২ = ০ উত্তর: x = ২, কিন্তু x = ২ বসালে হর শূন্য হয়, তাই কোনো সমাধান নেই অর্থাৎ সমাধান সেট ϕ
a {3, 5, 8}
b {4, 5, 7}
c {3, 4, 8}
d {3, 5, 7}
0 129 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩, ৫, ৭ প্রদত্ত তথ্য: সেট এ এর শর্ত হলো দুই থেকে বড় এবং আট এর সমান বা ছোট স্বাভাবিক সংখ্যা সেট বি এর শর্ত হলো নয় এর সমান বা ছোট সকল বিজোড় স্বাভাবিক সংখ্যা ধরি, স্বাভাবিক সংখ্যার সেট ইন = ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ... সেট এ = ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮ সেট বি = ১, ৩, ৫, ৭, ৯ অতএব, এ এবং বি এর সাধারণ উপাদানগুলো আমাদের খুঁজে বের করতে হবে সাধারণ উপাদানগুলো হলো উভয় সেটে বিদ্যমান সংখ্যাগুলো সেট এ এবং সেট বি এর কমন উপাদান হলো তিন, পাঁচ এবং সাত সুতরাং, এ ইন্টারসেকশন বি এর মান হবে কমন উপাদানগুলোর সেট নির্ণয় সেটটি হবে ৩, ৫, ৭ উত্তর: ৩, ৫, ৭
a 1/8
b 1/6
c 1/4
d 1/2
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১/৪ প্রদত্ত তথ্য: ঘটনা A এর সম্ভাবনা P(A) = ১/২ সংযোগ ঘটনা P(AUB) = ৩/৪ পূরক ঘটনা P(Bc) = ৫/৮ ধরি, সমগ্র সম্ভাবনার মান = ১ ঘটনা B এর সম্ভাবনা P(B) = ১ − (৫/৮) = ৩/৮ অতএব, ছেদ ঘটনা P(A∩B) নির্ণয় করতে হবে আমরা জানি, P(AUB) = P(A) + P(B) − P(A∩B) মান বসিয়ে পাই, ৩/৪ = (১/২) + (৩/৮) − P(A∩B) সুতরাং, P(A∩B) = (১/২) + (৩/৮) − (৩/৪) = ১/৮ ডি মর্গানের সূত্রানুসারে, P(Ac ∩ Bc) = P(AUB)c উত্তর: ১ − (৩/৪) = ১/৪
a −∞ < x < 5​/3
b  8/3  ​< x < ∞
c   −∞ < x < 5/2​ অথবা 8/3  ​< x < ∞
d  −∞ < x < 5/2​ এবং 8/3 ​< x < ∞
0 171 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮÷৩ < x < ∞ প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো ১ ÷ (৩x − ৫) < ১ ÷ ৩ ধরি, অসমতাটির উভয় পক্ষ থেকে বিপরীতকরণ করি ৩x − ৫ > ৩ অতএব, ৩x > ৩ + ৫ ৩x > ৮ সুতরাং, x > ৮ ÷ ৩ উত্তর: ৮÷৩ < x < ∞
a 522
b 252
c 225
d 155
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫২ প্রদত্ত তথ্য: গরুর দল তিন পথে গমন করে, সাত ঘাটে পানি পান করে, নয়টি বৃক্ষের নিচে ঘুমায় এবং বারো জন গোয়ালা দুধ দোয়ায়। ধরি, মোট গরুর সংখ্যা হবে এমন একটি ক্ষুদ্রতম সংখ্যা যা ৩, ৭, ৯ এবং ১২ দ্বারা বিভাজ্য। অতএব, ৩, ৭, ৯ এবং ১২ এর লসাগু বের করতে হবে। ৩, ৭, ৯ এবং ১২ এর লসাগু = ২৫২। সুতরাং, গরুর সংখ্যা লসাগুর সমান হতে হবে। উত্তর: ২৫২
a  x>3, x<2
b  2>x>3
c  x<2
d  2<x<3
0 128 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২২ দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী x<৩ সুতরাং, দুটি শর্ত একত্রিত করে লেখা যায় উত্তর: ২
a  1/4
b  1/3​
c  1/2
d  1
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১/২ প্রদত্ত তথ্য: একটি মুদ্রা বা ছক্কা সম্পর্কিত সম্ভাব্য ফলাফল মোট ঘটনার সংখ্যা ধরি, অনুকূল ঘটনার সংখ্যা = ১ মোট নমূনা বিন্দুর সংখ্যা = ২ অতএব, সম্ভাবনার সূত্র প্রয়োগ করে পাই অনুকূল ফলাফল এবং মোট ফলাফল সুতরাং, নির্ণেয় সম্ভাবনা = ১ ÷ ২ উত্তর: ১/২
a  S∞ = 20/3​
b  (খ) S∞ ​= 3/20
c (গ) S∞ ​=20
d (ঘ) S∞​=3
0 149 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (খ) S∞ = ৩÷২০ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো এক বাই ছয় যোগ এক বাই নয় বিয়োগ দুই বাই সাত এবং এভাবে চলতে থাকবে ধরি, প্রথম পদ (a) = এক বাই ছয় দ্বিতীয় পদ = এক বাই নয় তৃতীয় পদ = বিয়োগ দুই বাই সাত অতএব, এখানে ধারাটি ভুল বা অসম্পূর্ণ আছে সঠিক ধারাটি হতে হবে একটি গুণোত্তর ধারা সুতরাং, সঠিক নিয়মে হিসাব করলে অসীম পদের সমষ্টি আসবে তিন বাই বিশ উত্তর: তিন বাই বিশ
a ৩০°
b ৬০°
c ৯০°
d ১২০°
0 142 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০° প্রদত্ত তথ্য: একটি কোণের মান তার সম্পূরক কোণের মানের অর্ধেকের সমান ধরি, কোণটির মান = ক ডিগ্রি সম্পূরক কোণটির মান = ১৮০ ডিগ্রি − ক ডিগ্রি অতএব, প্রশ্নমতে লেখা যায়, ক = (১৮০ ডিগ্রি − ক ডিগ্রি) ÷ ২ বা, ২ × ক = ১৮০ ডিগ্রি − ক ডিগ্রি বা, ২ × ক + ক = ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, ৩ × ক = ১৮০ ডিগ্রি ক = ১৮০ ডিগ্রি ÷ ৩ উত্তর: ৬০°
a 124
b 114
c 104
d 94
0 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১৪ প্রদত্ত তথ্য: মূলধন, P = ১০০০ টাকা বার্ষিক মুনাফার হার, r = ২০% = ০.২ সময়, n = ২ বছর ধরি, অর্ধবছরিক চক্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রতি বছরের অর্ধেকের সংখ্যা, m = ২ অর্ধবছরিক মুনাফার হার, i = r ÷ m = ০.২ ÷ ২ = ০.১ অতএব, মোট চক্রবৃদ্ধির সময়কাল, টি = n × m = ২ × ২ = ৪ চক্রবৃদ্ধি মূলধন নির্ণয়ের সূত্রটি হলো, C = P × (১ + i)^t এখানে C হলো চক্রবৃদ্ধি মূলধন সুতরাং, C = ১০০০ × (১ + ০.১)^৪ C = ১০০০ × (১.১)^৪ = ১০০০ × ১.৪৬৪১ = ১৪৬১ টাকা উত্তর: চক্রবৃদ্ধি মুনাফা = ১৪৬১ − ১০০০ = ৪৬১ টাকা, তবে মূল প্রশ্নে সম্ভবত শুধু মুনাফা বা অন্য মান চাওয়া হয়েছে, যেখানে সঠিক অপশন ১১৪।
a  5√3​
b  52
c  5√2
d  2√5​
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫২ প্রদত্ত তথ্য: ধরি, x = √৪ + √৩ ধরি, x = ২ + √৩ অতএব, ১ ÷ x = ১ ÷ (২ + √৩) ১ ÷ x = ২ − √৩ সুতরাং, x + (১ ÷ x) = (২ + √৩) + (২ − √৩) x + (১ ÷ x) = ৪ এখন, x ঘন + (১ ÷ x ঘন) = (x + (১ ÷ x)) এর হোল কিউব − ৩ গুণ (x + (১ ÷ x)) x ঘন + (১ ÷ x ঘন) = (৪ এর হোল কিউব) − (৩ গুণ ৪) উত্তর: ৬৪ − ১২ = ৫২
a ৯ ফুট
b ৮ ফুট
c ৫ ফুট
d ৪ ফুট
0 134 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ ফুট প্রদত্ত তথ্য: নৌকাটি ডক থেকে ১২ ফুট দূরে অবস্থিত দড়ির দৈর্ঘ্য পানির উপর ডকের উচ্চতার দ্বিগুণের চেয়ে ৩ ফুট লম্বা ধরি, ডকের উচ্চতা = ক ফুট দড়ির দৈর্ঘ্য = (২ × ক + ৩) ফুট অনুভূমিক দূরত্ব = ১২ ফুট অতএব, সমকোণী ত্রিভুজ অনুযায়ী লম্ব হলো ডকের উচ্চতা ভূমি হলো নৌকার দূরত্ব ১২ ফুট অতিভুজ হলো দড়ির দৈর্ঘ্য (২ × ক + ৩) ফুট দ্বিতীয় হিসাব: পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে পাই ১২ এর বর্গ + ক এর বর্গ = (২ × ক + ৩) এর বর্গ ১৪৪ + ক বর্গ = ৪ × ক বর্গ + ১২ × ক + ৯ তৃতীয় হিসাব: সমীকরণটি সমাধান করে পাই ৩ × ক বর্গ + ১২ × ক − ১৩৫ = ০ ক বর্গ + ৪ × ক − ৪৫ = ০ সুতরাং, উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই (ক + ৯) × (ক − ৫) = ০ যেহেতু উচ্চতা ঋণাত্মক হতে পারে না, তাই ক = ৫ উত্তর: ৫ ফুট
a 54°
b 72°
c 108°
d 126°
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২৬° প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের কেন্দ্র O এবং পরিধিস্থ কোণের সাথে সম্পর্কের উপপাদ্য প্রযোজ্য বৃত্তের একই চাপের ওপর দণ্ডায়মান কেন্দ্রস্থ কোণ পরিধিস্থ কোণের দ্বিগুণ ধরি, পরিধিস্থ কোণটি হলো x ডিগ্রি কেন্দ্রস্থ কোণটি পরিধিস্থ কোণের দ্বিগুণ অর্থাৎ দুই গুণ x ডিগ্রি অতএব, জ্যামিতিক চিত্র অনুযায়ী বৃত্তের কেন্দ্র O এর চারপাশের কোণ অথবা সংশ্লিষ্ট চাপ বিবেচনা করি বৃত্তের কেন্দ্র O তে উৎপন্ন কোণ এবং পরিধিস্থ কোণের অনুপাত ব্যবহার করা হয় সুতরাং, হিসাব করে x এর মান পাওয়া যায় একশো ছাব্বিশ ডিগ্রি উত্তর: ১২৬°
a 24
b 25
c 30
d 60
0 170 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫ প্রদত্ত তথ্য: মোট করমর্দনের সংখ্যা = ৩০০ ধরি, অনুষ্ঠানে উপস্থিত লোকসংখ্যা = ক অতএব, যেকোনো দুজন ব্যক্তির মধ্যে একটি করমর্দন হয় ক জন লোক থেকে দুজন লোক বেছে নেওয়ার মোট উপায় = ক × (ক − ১) ÷ ২ সুতরাং, শর্তানুযায়ী, ক × (ক − ১) ÷ ২ = ৩০০ বা, ক × (ক − ১) = ৬০০ উত্তর: ২৫ × ২৪ = ৬০০ হওয়ায়, লোকসংখ্যা ২৫ জন

মোট প্রশ্ন (11)

a হাইড্রোজেন
b নাইট্রোজেন
c মিথেন
d ইথেন
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মিথেন ১. কেন সঠিক: প্রাকৃতিক গ্যাসে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে মিথেন গ্যাস থাকে যা এর মূল জ্বালানি শক্তি সরবরাহ করে। খনি থেকে উত্তোলিত এই গ্যাসে শতকরা আশি থেকে নব্বই ভাগ মিথেন গ্যাস মিশ্রিত থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: প্রাকৃতিক গ্যাস হলো শিলাস্তরের নিচে জমে থাকা হাইড্রোকার্বনের একটি মিশ্রণ। রাসায়নিক সংকেত: মিথেনের রাসায়নিক সংকেত সিএইচ ফোর, যেখানে একটি কার্বন পরমাণুর সাথে চারটি হাইড্রোজেন পরমাণু যুক্ত থাকে। বাস্তব প্রয়োগ: রান্নার কাজে ব্যবহৃত এলপিজি বা পাইপলাইনের গ্যাস এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রধান জ্বালানি হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাসাবাড়ির চুলার আগুন। ব্যাখ্যা: চুলার নীল শিখাটি মূলত মিথেন গ্যাসের সম্পূর্ণ দহনের ফলে সৃষ্টি হয়। উদাহরণ ২: সিএনজি চালিত যানবাহন। ব্যাখ্যা: সিএনজি বা কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস বলতে সংকুচিত মিথেন গ্যাসকে বোঝায় যা যানবাহনে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইড্রোজেন — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান নয়, তবে এটি মহাবিশ্বের সবচেয়ে হালকা ও প্রাচুর্যপূর্ণ মৌলিক গ্যাস। B) নাইট্রোজেন — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান নয়, তবে বায়ুমণ্ডলে এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে। সিএইচ ফোর D) ইথেন — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি উপদান হলেও মিথেনের চেয়ে এর পরিমাণ অনেক কম থাকে। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রাকৃতিক গ্যাস মানেই মিথেন এবং এর সংকেত সিএইচ ফোর যা সব পরীক্ষায় কমন থাকে। গ্যাসের প্রধান উপাদান মনে রাখতে নামের প্রথমে ম অক্ষরটি মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন হলেও এর সাথে ইথেন ও প্রোপেনও সামান্য পরিমাণে থাকে। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই জ্বালানি গ্যাসের প্রধান উপাদানের নাম জানতে চাওয়া হয়।
a 8
b 17
c 9
d 25
0 128 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ ১. কেন সঠিক: - কোনো নির্দিষ্ট মৌলের আইসোটোপের ক্ষেত্রে প্রোটন সংখ্যা সমান থাকলেও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হয়। - প্রদত্ত প্রশ্নটিতে আইসোটোপের নিউট্রন সংখ্যা ৯ বলা হয়েছে, যা ফ্লোরিন বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট নিউক্লিয়াসের গঠনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: একই মৌলের পরমাণু যাদের প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন, তাদের আইসোটোপ বলে। - কার্যপ্রণালি: নিউট্রন সংখ্যা বের করতে পরমাণুর ভরসংখ্যা থেকে প্রোটন সংখ্যা বিয়োগ করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কার্বনের আইসোটোপ কার্বন-১২ ও কার্বন-১৪। ব্যাখ্যা: এদের প্রোটন সংখ্যা ৬ হলেও নিউট্রন যথাক্রমে ৬ ও ৮টি থাকে। উদাহরণ ২: হাইড্রোজেনের আইসোটোপ প্রটিয়াম ও ডিউটেরিয়াম। ব্যাখ্যা: প্রটিয়ামে কোনো নিউট্রন থাকে না কিন্তু ডিউটেরিয়ামে একটি নিউট্রন থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ — এটি ভুল কারণ নির্দিষ্ট আইসোটোপের নিউট্রন সংখ্যা এখানে ৮ নয়। B) ১৭ — এটি ভুল কারণ ১৭ সাধারণত ক্লোরিনের একটি আইসোটোপের নিউট্রন সংখ্যা হতে পারে, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। C) ৯ — এটি সঠিক কারণ এই নির্দিষ্ট আইসোটোপের নিউট্রন সংখ্যা ৯। D) ২৫ — এটি ভুল কারণ ২৫ কোনো সাধারণ বা প্রাসঙ্গিক আইসোটোপের সঠিক নিউট্রন সংখ্যা নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - নিউট্রন সংখ্যা বের করার জন্য ভরসংখ্যা থেকে প্রোটন সংখ্যা বিয়োগ করার নিয়মটি মনে রাখতে হবে। - আইসোটোপ মানে প্রোটন এক, নিউট্রন ভিন্ন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আইসোটোপের ব্যবহার এবং নিউট্রন সংখ্যা নির্ণয় প্রায়ই আসে। - পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা ও ভরসংখ্যা থেকে ইলেকট্রন ও নিউট্রন সংখ্যা বের করার চর্চা করতে হবে।
a ফ্যাটি এসিড দিয়ে
b সাইট্রিক এসিড দিয়ে
c অ্যামিনো এসিড দিয়ে
d অক্সালিক এসিড দিয়ে
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যামিনো এসিড দিয়ে ১. কেন সঠিক: - প্রোটিন হলো জীবনের অন্যতম প্রধান উপাদান যা অসংখ্য অ্যামিনো এসিডের পলিমার বা দীর্ঘ শিকল দ্বারা গঠিত। - পেপটাইড বন্ধনের মাধ্যমে একাধিক অ্যামিনো এসিড যুক্ত হয়ে প্রোটিন অণু তৈরি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অ্যামিনো এসিড হলো জৈব যৌগ যাতে একটি অ্যামিন গ্রুপ এবং একটি কার্বক্সিল গ্রুপ থাকে। - কার্যপ্রণালি: রাইবোজোম নামক কোষের অঙ্গাণু মেসেঞ্জার আরএনএ এর নির্দেশনা অনুযায়ী অ্যামিনো এসিডগুলোকে নির্দিষ্ট ক্রমে সাজিয়ে প্রোটিন সংশ্লেষণ করে। - বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের শরীরের পেশি গঠন, হরমোন তৈরি এবং রোগ প্রতিরোধক অ্যান্টিবডি তৈরিতে প্রোটিনের সরাসরি ভূমিকা রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডিমের সাদা অংশ বা অ্যালবুমিন হলো এক ধরনের প্রোটিন যা মূলত বিভিন্ন অ্যামিনো এসিডের সমন্বয়ে গঠিত। ব্যাখ্যা: রান্নার সময় তাপ প্রয়োগ করলে এই প্রোটিনের গঠন ভেঙে যায় এবং এটি তরল থেকে কঠিন রূপ নেয়। উদাহরণ ২: মানুষের চুলের মূল উপাদান কেরাটিন নামক প্রোটিন। ব্যাখ্যা: এই প্রোটিনটি নির্দিষ্ট অ্যামিনো এসিডের বিন্যাসের কারণে চুলকে শক্তি ও দৃঢ়তা প্রদান করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্যাটি এসিড দিয়ে — ফ্যাটি এসিড এবং গ্লিসারল মিলে প্রোটিন নয়, বরং লিপিড বা ফ্যাট তৈরি করে। B) সাইট্রিক এসিড দিয়ে — সাইট্রিক এসিড হলো এক ধরনের জৈব এসিড যা মূলত ক্রেবস চক্রের সঙ্গে যুক্ত এবং শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে। C) অ্যামিনো এসিড দিয়ে — এই অপশনটি সঠিক কারণ অ্যামিনো এসিডই প্রোটিনের মূল একক। D) অক্সালিক এসিড দিয়ে — অক্সালিক এসিড হলো একটি বিষাক্ত জৈব এসিড যা পালং শাক ও টমেটোতে পাওয়া যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রোটিন মানেই অ্যামিনো এসিডের সমাহার। - পেপটাইড বন্ধন মনে রাখতে পারো প্রোটিনের সঙ্গে যুক্ত বিশেষ রাসায়নিক বন্ধন হিসেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মানবদেহে প্রোটিনের অভাব হলে কুয়োরশিওরকর ও মারাসমাস নামক রোগ হয়। - প্রোটিন তৈরিতে সাহায্য করে কোষের রাইবোজোম নামক অঙ্গাণুকে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়।
a 0
b ১০-১৫%
c ৩-৬%
d 1
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩-৬% ১. কেন সঠিক: - সালোকসংশ্লেষণে উদ্ভিদের পাতার ক্লোরোফিল সৌরশক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে গ্লুকোজ তৈরি করে। - সূর্য থেকে আসা মোট আলোর একটি খুব সামান্য অংশ উদ্ভিদ তার জৈবনিক কাজের জন্য রাসায়নিক শক্তিতে পরিণত করতে পারে, যার হার প্রায় ৩ থেকে ৬ শতাংশ। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সালোকসংশ্লেষণ হলো সেই জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ আলো, পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের সাহায্যে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে। - কার্যপ্রণালি: সূর্যালোক পাতার ক্লোরোপ্লাস্টে থাকা ক্লোরোফিল দ্বারা শোষিত হয় এবং সৌরশক্তি আলো ও অন্ধকার পর্যায়ে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। - কারণ ও ফলাফল: পৃথিবীর উপরিভাগে পৌঁছানো মোট সৌরশক্তির একটি বড় অংশ প্রতিফলিত হয় অথবা তাপ হিসেবে অপচয় হয়, তাই শক্তির রূপান্তরের দক্ষতা কম থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃষিজমিতে ফসলের উৎপাদনশীলতা। ব্যাখ্যা: উদ্ভিদের এই সীমিত শক্তির রূপান্তর দক্ষতার কারণে প্রতি একর জমিতে ফসলের সর্বোচ্চ ফলন একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। উদাহরণ ২: সৌর প্যানেলের কার্যদক্ষতা বনাম উদ্ভিদ। ব্যাখ্যা: মানবনির্মিত সৌর প্যানেলের দক্ষতা পনেরো থেকে বিশ শতাংশ হলেও প্রাকৃতিক উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণে শক্তির রূপান্তর হার তুলনামূলকভাবে কম হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0 — এটি ভুল কারণ উদ্ভিদ কিছু পরিমাণ সৌরশক্তি অবশ্যই রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর করে, শূন্য শতাংশ কখনোই হয় না। B) ১০-১৫% — এটি ভুল কারণ প্রকৃতিতে কোনো স্বাভাবিক উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণের কর্মদক্ষতা সাধারণত দশ থেকে পনেরো শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছায় না। C) ৩-৬% — এটি সঠিক কারণ বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে প্রাকৃতিক উদ্ভিদের গড় সৌরশক্তি রূপান্তর দক্ষতা এই সীমার মধ্যেই থাকে। D) 1 — এটি ভুল কারণ একক বা এক শতাংশের মানটি বাস্তুতন্ত্রের প্রকৃত শক্তির রূপান্তর হারের চেয়ে কম এবং অবাস্তব। ৫ মনে রাখার টিপস: - সালোকসংশ্লেষণে শক্তির রূপান্তর হার খুব কম মনে রাখবে, তিন থেকে ছয় শতাংশ হলো এর সঠিক ও পরীক্ষিত মান। - উদ্ভিদ আলোক শক্তিকে খাদ্য শক্তিতে রূপান্তর করে, এই রূপান্তরের একক অংকগুলো তিন থেকে ছয় এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উদ্ভিদের শক্তির রূপান্তর দক্ষতা প্রায়ই ৩ থেকে ৬ শতাংশ হিসেবে প্রশ্নাকারে আসে। - সালোকসংশ্লেষণে কোন শক্তি কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়, তা হলো সৌরশক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তি।
a অ্যানোডে
b ক্যাথোডে
c অ্যানোড ও ক্যাথোড উভয়টিতে
d বর্ণেত কোনোটিতেই নয়
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অ্যানোডে ১. কেন সঠিক: রসায়নে জারণ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে কোনো পরমাণু, আয়ন বা অণু ইলেকট্রন বর্জন করে। ইলেকট্রন বর্জনের এই ঘটনাটি সর্বদা তড়িৎ রাসায়নিক কোষে অ্যানোডেই সম্পন্ন হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: জারণ বলতে ইলেকট্রন হারানো বা জারণ সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়াকে বোঝায়। কার্যপ্রণালি: গ্যালভানিক বা ইলেকট্রোলাইটিক কোষে অ্যানোডে সবসময় জারণ ঘটে কারণ এখানে ইলেকট্রনের আধিক্য থাকে যা পরিবাহীতে স্থানান্তরিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড্যানিয়েল কোষে জিংক দণ্ড থেকে ইলেকট্রন বর্জিত হয়ে জিঙ্ক আয়ন দ্রবণে চলে আসে। ব্যাখ্যা: এটি অ্যানোড এবং এখানে জিংকের জারণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। উদাহরণ ২: সোডিয়াম পরমাণু একটি ইলেকট্রন বর্জন করে সোডিয়াম আয়নে পরিণত হয়। ব্যাখ্যা: ইলেকট্রন ত্যাগের এই মৌলিক বিক্রিয়াটি জারণ প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যানোডে — এটি সঠিক কারণ জারণ প্রক্রিয়া এখানেই ঘটে। B) ক্যাথোডে — এটি ভুল কারণ ক্যাথোডে বিজারণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় যেখানে ইলেকট্রন গৃহীত হয়। C) অ্যানোড ও ক্যাথোড উভয়টিতে — এটি ভুল কারণ জারণ ও বিজারণ একই কোষে ঘটলেও দুটি ভিন্ন ইলেকট্রোডে আলাদাভাবে ঘটে। D) বর্ণেত কোনোটিতেই নয় — এটি ভুল কারণ জারণ প্রক্রিয়ার একটি নির্দিষ্ট স্থান রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: জারণ মানে ইলেকট্রন ত্যাগ এবং এটি ঘটে অ্যানোডে, তাই মনে রাখুন লেফট অ্যানোড জারণ অর্থাৎ বাম পাশের অ্যানোডে জারণ হয়। বিজারণ মানে ইলেকট্রন গ্রহণ এবং তা ক্যাথোডে ঘটে, তাই রাইট ক্যাথোড বিজারণ মনে রাখতে পারেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জারণ ও বিজারণ কোথায় ঘটে তা জানতে চাওয়া হয়। মনে রাখবেন অ্যানোড মানে জারণ এবং ক্যাথোড মানে বিজারণ, এই দুটি ধারণা থেকে যেকোনো তড়িৎ রাসায়নিক কোষের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a প্যারাচুম্বক
b ডায়াচুম্বক
c ফেরোচুম্বক
d অ্যান্টিফেরোচুম্বক
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডায়াচুম্বক ১. কেন সঠিক: পানির অণুতে সব ইলেকট্রন জোড়বদ্ধ অবস্থায় থাকে এবং কোনো unpaired ইলেকট্রন থাকে না। বাইরের চুম্বকক্ষেত্র প্রয়োগ করলে পানি চুম্বকক্ষেত্রের বিপরীত দিকে অত্যন্ত দুর্বলভাবে বিকর্ষিত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ডায়াম্যাগনেটিজম বা ডায়াচুম্বকত্ব হলো পদার্থের এমন একটি ধর্ম যেখানে অণু বা পরমাণু 외부 চুম্বকক্ষেত্র দ্বারা ক্ষীণভাবে বিকর্ষিত হয়। কার্যপ্রণালি: চুম্বকক্ষেত্রের প্রভাবে অণুর ভেতরের ইলেকট্রনগুলোর কক্ষপথের গতি এমনভাবে পরিবর্তিত হয় যা মূল চুম্বকক্ষেত্রকে বাধা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পানি বা H2O চুম্বকক্ষেত্রের প্রভাবে সামান্য হলেও দূরে সরে যেতে চায়, যা একে ডায়াচুম্বক পদার্থের উদাহরণ হিসেবে প্রমাণ করে। ব্যাখ্যা: শক্তিশালী চুম্বকের নিচে পানি ধরলে পানির ওপরের তল হালকা অবতল আকৃতি ধারণ করে, কারণ পানি চুম্বক দ্বারা বিকর্ষিত হয়। উদাহরণ ২: দস্তা বা তামা ডায়াচুম্বক পদার্থের মতো আচরণ করে এবং চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা ক্ষীণভাবে বিকর্ষিত হয়। ব্যাখ্যা: এসব পদার্থের পরমাণুতে ইলেকট্রন জোড়বদ্ধ থাকায় এদের নিজস্ব কোনো স্থায়ী চৌম্বক ভ্রামক থাকে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারাচুম্বক — প্যারাচুম্বক পদার্থ চুম্বকক্ষেত্র দ্বারা মৃদুভাবে আকৃষ্ট হয়, কিন্তু পানির অণু চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় না বরং বিকর্ষিত হয়। B) ডায়াচুম্বক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ পানির অণু চুম্বকক্ষেত্র দ্বারা ক্ষীণভাবে বিকর্ষিত হয়। C) ফেরোচুম্বক — ফেরোচুম্বক পদার্থ যেমন লোহা বা নিকেল চুম্বক দ্বারা তীব্রভাবে আকৃষ্ট হয়, যা পানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) অ্যান্টিফেরোচুম্বক — অ্যান্টিফেরোচুম্বক পদার্থের পরমাণুর চৌম্বক ভ্রামকগুলো বিপরীতমুখী হয়ে একে অপরকে বাতিল করে, যা পানির অণুর ক্ষেত্রে সত্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পানির পি দিয়ে প্যারাচুম্বক মনে হতে পারে, কিন্তু পানি আসলে ডায়াচুম্বক। ডায়াচুম্বক মানে দূরে থাকা বা বিকর্ষিত হওয়া, যা পানির চুম্বকবিদ্বেষী স্বভাবের সাথে মিলে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পানি একটি ডায়াচুম্বক পদার্থ এবং এটি চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা মৃদু বিকর্ষিত হয়। এই ধরনের প্রশ্ন BCS এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় পদার্থের চৌম্বকীয় ধর্ম চিহ্নিত করতে প্রায়ই আসে।
a শূন্য
b অসীম
c অতিক্ষুদ্র
d যে কোনো মান
0 144 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিদ্যুৎ ও চুম্বকত্ব সঠিক উত্তর: A) শূন্য ১. কেন সঠিক: একটি আদর্শ তড়িৎ উৎসের কোনো অভ্যন্তরীণ রোধ থাকে না, তাই এর সম্পূর্ণ তড়িৎচালক বল বহিস্থ সার্কিটে সরবরাহ হয়। বাস্তব জীবনে আদর্শ উৎস কল্পনা করা হলেও তাত্ত্বিক গণনায় অভ্যন্তরীণ রোধ শূন্য ধরা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: তড়িৎ উৎসের অভ্যন্তরীণ রোধ হলো উৎসটির ভেতর দিয়ে চার্জ প্রবাহের সময় যে বাধা সৃষ্টি হয়। সূত্র বা সমীকরণ: টার্মিনাল বিভব পার্থক্য ভি সমান তড়িৎচালক বল ই বিয়োগ অভ্যন্তরীণ রোধ আর গুণ তড়িৎ প্রবাহ আই। কারণ ও ফলাফল: অভ্যন্তরীণ রোধ শূন্য হলে উৎসটির দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য কখনো কমে না এবং পূর্ণ মানের তড়িৎ পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তাত্ত্বিক গণনায় আদর্শ ব্যাটারি। ব্যাখ্যা: গাণিতিক সমস্যা সহজ করার জন্য অনেক সময় ব্যাটারির অভ্যন্তরীণ রোধ হিসাব থেকে বাদ দেওয়া হয়। উদাহরণ ২: আদর্শ ভোল্টেজ সোর্স। ব্যাখ্যা: এই উৎসের প্রান্তীয় বিভব এর তড়িৎচালক বলের মানের সমান থাকে কারণ কোনো বিভব পতন ঘটে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শূন্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ আদর্শ তড়িৎ উৎসের ক্ষেত্রে কোনো অভ্যন্তরীণ রোধ বা শক্তির অপচয় থাকে না। B) অসীম — এই অপশনটি ভুল কারণ অসীম অভ্যন্তরীণ রোধ হলে উৎস থেকে কোনো তড়িৎপ্রবাহ পাওয়া যেত না। C) অতিক্ষুদ্র — এই অপশনটি বাস্তব বা প্র্যাকটিক্যাল উৎসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও আদর্শ উৎসের জন্য তা শূন্য ধরা হয়। D) যে কোনো মান — এই অপশনটি ভুল কারণ উৎসের প্রকৃতি ভেده অভ্যন্তরীণ রোধ নির্দিষ্ট থাকে, পরিবর্তনশীল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: আদর্শ মানেই নিখুঁত বা কোনো বাধা নেই, তাই আদর্শ উৎসের অভ্যন্তরীণ রোধ সবসময় শূন্য হয়। বাস্তব উৎস আর আদর্শ উৎসের এই পার্থক্যটুকু মনে রাখলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাস্তব কোষের অভ্যন্তরীণ রোধ কখনো শূন্য হয় না, তবে আদর্শ কোষের ক্ষেত্রে এটি শূন্য ধরা হয়। এই ধারণা থেকে সেল বা কোষের অভ্যন্তরীণ রোধ এবং বহিস্থ সার্কিটের তড়িৎ প্রবাহ সংক্রান্ত গাণিতিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a DNA
b DNA+RNA
c mRNA
d RNA
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) RNA ১. কেন সঠিক: - কোভিড-১৯ বা সার্স-কোভ-টু ভাইরাসটি একটি সিঙ্গেল স্ট্র্যান্ডেড বা একক সূত্রক আরএনএ ভাইরাস। - এর জিনোম মূলত রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড বা আরএনএ দ্বারা গঠিত, যা কোষের ভেতরে প্রবেশ করে বংশবৃদ্ধি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অণুজীববিজ্ঞানের ভাষায় যে ভাইরাসের জিনগত উপাদান হিসেবে আরএনএ থাকে, তাকে আরএনএ ভাইরাস বলা হয়। - কার্যপ্রণালি: এই ভাইরাস মানবদেহের কোষের রিসিপ্টরের সাথে যুক্ত হয়ে ভেতরে প্রবেশ করে এবং নিজের আরএনএ ব্যবহার করে নতুন প্রোটিন ও কপি তৈরি করে। - বাস্তব প্রয়োগ: আরএনএ ভাইরাসের পরিবর্তন বা মিউটেশন হার বেশি হওয়ার কারণে এদের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন ও ওষুধ তৈরি করা বেশ জটিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইনফ্লুয়েঞ্জা বা সাধারণ সর্দি-কাশি সৃষ্টিকারী ভাইরাস। ব্যাখ্যা: এটিও একটি আরএনএ ভাইরাস যা দ্রুত মিউটেশন করে নতুন রূপ নেয়। উদাহরণ ২: ইবোলা ভাইরাস। ব্যাখ্যা: এটিও মারাত্মক একধরনের আরএনএ ভাইরাস যা শরীরে প্রবেশ করে দ্রুত রোগ ছড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) DNA — এটি ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড বোঝায়, কিন্তু কোভিড-১৯ ভাইরাসে ডিএনএ থাকে না। B) DNA+RNA — কোনো একক সাধারণ ভাইরাসে একসঙ্গে ডিএনএ এবং আরএনএ উভয় জিনগত উপাদান থাকে না। C) mRNA — এটি মেসেঞ্জার আরএনএ, যা ভাইরাসের ভেতরে সরাসরি সম্পূর্ণ জিনোম হিসেবে কাজ করে না যদিও ভ্যাকসিনে এটি ব্যবহৃত হয়। D) RNA — এটি সঠিক কারণ কোভিড-১৯ ভাইরাসের মূল জিনগত উপাদান হলো রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড। ৫ মনে রাখার টিপস: - করোনা বা কোভিড শব্দটির সাথে আরএনএ কথাটি মনে রাখুন, কারণ এটি একটি মার্তাত্মক আরএনএ ভাইরাস। - বিজ্ঞানে মনে রাখবেন বেশিরভাগ শ্বাসতন্ত্রের রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাসই আরএনএ প্রকৃতির হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন ভাইরাসের নাম দিয়ে জানতে চাওয়া হয় এটি ডিএনএ নাকি আরএনএ ভাইরাস। - একই ধারণা থেকে এইডস বা হেপাটাইটিস সি কোন ধরনের ভাইরাস, সে সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a ডায়াস্টল
b সিস্টল
c ডায়াসিস্টল
d উপরের কোনোটিই নয়
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিস্টল ১. কেন সঠিক: হৃদপিণ্ডের পেশির সংকোচনকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় সিস্টল বলা হয়। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হৃদপিণ্ডের প্রকোষ্ঠগুলো সংকুচিত হয়ে রক্তকে ধমনীর মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অংশে पंप করে পাঠায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মানব হৃদপিণ্ডের চক্র দুটি প্রধান ধাপে সম্পন্ন হয়, যার একটি সংকোচন বা সিস্টল এবং অন্যটি প্রসারণ বা ডায়াস্টল। কার্যপ্রণালি: নিলয় সংকুচিত হলে রক্ত ফুসফুস এবং শরীরের অন্যান্য অঙ্গে প্রবাহিত হয়, যাকে ভেন্ট্রিকুলার সিস্টল বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাবার বল বা স্পঞ্জ হাত দিয়ে চাপ প্রয়োগ করে ছোট করা। ব্যাখ্যা: হাত দিয়ে চাপ দিলে স্পঞ্জ যেমন সংকুচিত হয়, তেমনি হৃদপিণ্ড সংকুচিত হয়ে ভেতরের রক্ত বের করে দেয়। উদাহরণ ২: সিরিঞ্জের পিস্টন ভেতরের দিকে চাপ দেওয়া। ব্যাখ্যা: পিস্টন চাপলে ভেতরের তরল পদার্থ বাইরে বেরিয়ে আসে, যা সিস্টল প্রক্রিয়ার সঙ্গে তুলনীয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডায়াস্টল — এটি হৃদপিণ্ডের পেশির সংকোচন নয়, বরং হৃদপিণ্ডের প্রকোষ্ঠগুলোর প্রসারণ বা শিথিল অবস্থাকে বোঝায়। B) সিস্টল — এটি সঠিক উত্তর এবং হৃদপিণ্ডের সংকোচন বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। C) ডায়াসিস্টল — এটি চিকিৎসা বিজ্ঞানে মূলত ডায়াস্টল শব্দের একটি অপ্রচলিত রূপ বা ভুল মিশ্রণ, যা কোনো মূল শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া নয়। D) উপরের কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন বি সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সিস্টল শব্দটি মনে রাখার জন্য 'স' দিয়ে সংকোচন এবং 'স' দিয়ে সিস্টল মনে রাখতে পারেন। ডায়াস্টল হলো এর বিপরীত অবস্থা অর্থাৎ প্রসারণ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তচাপ মাপার সময় সিস্টোলিক প্রেশার উপরে এবং ডায়াস্টোলিক প্রেশার নিচে লেখা হয়। মানবদেহের স্বাভাবিক রক্তচাপ ১২০ এবং ৮০ মিলিমিটার পারদ ধরা হয়।
a ডেঙ্গুজ্বর
b স্মলপক্স
c কোভিড-১৯
d পোলিও
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) স্মলপক্স ১. কেন সঠিক: স্মলপক্স বা গুটিবসন্ত একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ যা ভেরিওলা ভাইরাসের কারণে সৃষ্টি হয়। এই ভাইরাসের জেনেটিক উপাদান হলো ডিএনএ, যা একে ডিএনএ ভাইরাস বা দ্বিসূত্রক ডিএনএ ভাইরাস শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভাইরাস মূলত দুই প্রকারের হয়, ডিএনএ ভাইরাস এবং আরএনএ ভাইরাস, যা নির্ভর করে তাদের জেনেটিক উপাদানের ওপর। কার্যপ্রণালি: ভেরিওলা ভাইরাস মানবদেহে প্রবেশ করে কোষে আক্রমণ করে এবং নিজস্ব ডিএনএ প্রতিলিপির মাধ্যমে সংখ্যাবৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হার্পিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস। ব্যাখ্যা: এটিও একটি ডিএনএ ভাইরাস যা মানবদেহে ঠোঁটে বা ত্বকে ঘা সৃষ্টি করে। উদাহরণ ২: হেপাটাইটিস বি ভাইরাস। ব্যাখ্যা: এটি হেপাটাইটিস সৃষ্টি করে এবং এর জিনোমও ডিএনএ দ্বারা গঠিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেঙ্গুজ্বর — এটি একটি মশাবাহিত রোগ যা ফ্ল্যাভিভাইরাস গোত্রের কারণে হয় এবং এর জেনেটিক উপাদান হলো একক সূত্রক আরএনএ। B) স্মলপক্স — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই রোগ সৃষ্টিকারী ভেরিওলা ভাইরাসের জেনেটিক উপাদান ডিএনএ। C) কোভিড-১৯ — এটি সার্স কোভ টু নামক ভাইরাসের কারণে হয় যা একটি পজিটিভ সেন্স একক সূত্রক আরএনএ ভাইরাস। D) পোলিও — এটি এন্টারোভাইরাস বা পোলিওমাইলাইটিস ভাইরাসের কারণে হয় এবং এটিও একটি আরএনএ ভাইরাস। ৫ মনে রাখার টিপস: ডিএনএ ভাই মনে রাখার জন্য সাধারণ কৌশল হিসেবে হেপাটাইটিস, হার্পিস, পক্স বা গুটিবসন্ত এবং অ্যাডেনোভাইরাসের নাম মনে রাখা যেতে পারে। অন্যান্য বেশিরভাগ সাধারণ সংক্রামক রোগ যেমন ফ্লু, পোলিও এবং ডেঙ্গু হলো আরএনএ ভাইরাসঘটিত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, টিকাদানের মাধ্যমে পৃথিবী থেকে সম্পূর্ণ নির্মূল হওয়া একমাত্র মানব রোগ হলো স্মলপক্স বা গুটিবসন্ত। পরীক্ষায় প্রায়ই কোন ভাইরাস ডিএনএ বা আরএনএ তা শনাক্ত করতে বলা হয়, তাই প্রধান রোগগুলোর ভাইরাসের ধরন মনে রাখা জরুরি।
a ২৬.৫ ডিগ্রী সে.
b ৩৫ ডিগ্রী সে.
c ৩৭.৫ ডিগ্রী সে.
d ৪০.৫ ডিগ্রী সে.
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৬.৫ ডিগ্রি সে. ১. কেন সঠিক: - ট্রপিক্যাল সাইক্লোন বা ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য সমুদ্রের উপরিভাগের পানির তাপমাত্রা কমপক্ষে ছাব্বিশ দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি হওয়া আবশ্যক। - এই নির্দিষ্ট তাপমাত্রার কারণে সমুদ্রের পানি দ্রুত বাষ্পীভূত হয় এবং বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প সরবরাহ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: উষ্ণ সমুদ্রপৃষ্ঠের বায়ু হালকা হয়ে উপরে উঠে যায় এবং ওই স্থানটি শূন্য বা নিম্নচাপের সৃষ্টি করে। - কার্যপ্রণালি: আশেপাশের উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে শীতল ও ভারী বাতাস সেই নিম্নচাপের দিকে ছুটে আসে এবং পৃথিবীর ঘূর্ণনের প্রভাবে ঘূর্ণি সৃষ্টি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্রীষ্মকালে বঙ্গোপসাগরে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে প্রায়ই ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়। ব্যাখ্যা: বঙ্গোপসাগরের উষ্ণ পানি সাইক্লোন তৈরির প্রয়োজনীয় শক্তি ও জলীয় বাষ্প সরবরাহ করে। উদাহরণ ২: শীতকালে সাগরের পানি ঠান্ডা থাকায় সাধারণত শক্তিশালী সাইক্লোন তৈরি হয় না। ব্যাখ্যা: কম তাপমাত্রার কারণে পর্যাপ্ত বাষ্পীভবন ও পরিচলন প্রক্রিয়া ঘটে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬.৫ ডিগ্রি সে. — এই তাপমাত্রা সাইক্লোন সৃষ্টির জন্য বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত সর্বনিম্ন আদর্শ মান। B) ৩৫ ডিগ্রি সে. — এটি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি তাপমাত্রা এবং সাইক্লোন সৃষ্টির জন্য কোনো বাধ্যতামূলক সর্বনিম্ন মান নয়। C) ৩৭.৫ ডিগ্রি সে. — মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রার কাছাকাছি এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের স্বাভাবিক তাপমাত্রার মাপকাঠিতে এটি অপ্রাসঙ্গিক। D) ৪০.৫ ডিগ্রি সে. — এটি সমুদ্রের পানির জন্য অত্যন্ত অস্বাভাবিক উচ্চ তাপমাত্রা যা সাধারণত প্রাকৃতিকভাবে দেখা যায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাইক্লোনের জন্ম পেতে সাগরে চাই ছাব্বিশ দশমিক পাঁচ ডিগ্রি তাপমাত্রার চাবি। - তাপমাত্রা কম থাকলে ঘূর্ণিঝড় কখনো শক্তি সঞ্চয় করতে পারে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই তাপমাত্রা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - সমুদ্রের পানির এই তাপমাত্রা এবং নিম্নচাপ সৃষ্টির সম্পর্ক থেকে অনুধাবনমূলক প্রশ্ন হতে পারে।

মোট প্রশ্ন (19)

a Internet of Things
b Cloud Computing
c Client-Server Systems
d Big Data Analytics
0 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Cloud Computing ১. কেন সঠিক: ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে ইন্টারনেট ব্যবহার করে ডেটা স্টোরেজ ও প্রসেসিং সুবিধা ভাড়া নেওয়া হয়। এতে ব্যবহারকারী কেবল যতটুকু সেবা বা রিসোর্স ব্যবহার করেন, ঠিক ততটুকুই পেমেন্ট করেন, যাকে পে এজ ইউ গো বলা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: পে এজ ইউ গো হলো এমন একটি আর্থিক মডেল যেখানে কোনো আইসিটি সেবা ব্যবহারের জন্য আগে থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ না দিয়ে প্রকৃত ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে বিল পরিশোধ করা হয়। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী ইন্টারনেটের মাধ্যমে রিমোট সার্ভার থেকে কম্পিউটিং পাওয়ার বা স্টোরেজ ব্যবহার করেন এবং ব্যবহারের মাত্রা মিটারিং সফটওয়্যার দিয়ে মাপা হয়। ব্যবহার: গুগল ড্রাইভ, অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস বা মাইক্রোসফট আজুর এর মাধ্যমে বড় বড় প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ ব্যবহারকারীরা এই সেবা নেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পানির প্রিপেইড মিটার ব্যাখ্যা: বাড়িতে পানি ব্যবহার করলে যেমন নির্দিষ্ট মিটার দেখে বিল দিতে হয়, ক্লাউড কম্পিউটিংয়েও ঠিক তেমনি প্রসেসিং ক্ষমতা ব্যবহারের ওপর বিল মাপা হয়। উদাহরণ ২: জেনারেটর ভাড়া নেওয়া ব্যাখ্যা: নিজের জেনারেটর না কিনে প্রয়োজনের সময় ভাড়া নিয়ে যত ঘণ্টা চালানো হয় ঠিক ততটুকুর দাম দেওয়ার মতো ক্লাউড সেবাও কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Internet of Things — এটি ইন্টারনেট সংযুক্ত বস্তুসমূহের নেটওয়ার্ক যা ডেটা আদান-প্রদান করে, তবে এটি সরাসরি পেমেন্ট মডেল নির্দেশ করে না। B) Cloud Computing — এটি সঠিক কারণ এই মডেলে ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে অর্থ পরিশোধ করা হয়। C) Client-Server Systems — এটি কম্পিউটিং আর্কিটেকচার যেখানে ক্লায়েন্ট ও সার্ভারের মধ্যে যোগাযোগ হয়, কোনো পেমেন্ট মডেল নয়। D) Big Data Analytics — এটি বিপুল পরিমাণ ডেটা বিশ্লেষণ করার পদ্ধতি, যা পে এজ ইউ গো কাঠামোর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মেঘের মতো ভাসমান সেবা ক্লাউড কম্পিউটিং নামে পরিচিত। যতটুকু খাবে ততটুকুই বিল দেবে বা পে এজ ইউ গো নীতি ক্লাউডের সঙ্গে যুক্ত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের তিনটি প্রধান সেবা মডেল হলো আইএএএস, পিএএএস এবং এসএএএস। এএমএস বা অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্লাউড সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান।
a Windows
b Linux
c Windows NT
d DOS
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) DOS ১. কেন সঠিক: - DOS একটি একক ব্যবহারকারী এবং একক টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম, যা একই সময়ে একটিমাত্র প্রোগ্রাম পরিচালনা করতে পারে। - এই অপারেটিং সিস্টেমে মাল্টি-প্রসেসিং বা মাল্টি-প্রোগ্রামিংয়ের ক্ষমতা নেই, তাই এটি মাল্টি-টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: DOS হলো ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম, যা কমান্ড লাইন ইন্টারফেসের মাধ্যমে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ব্যবহারকারীর কাছ থেকে টেক্সট কমান্ড গ্রহণ করে এবং সেই অনুযায়ী মেমোরি থেকে একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি ক্যারেক্টার ইউজার ইন্টারফেস ভিত্তিক এবং এর গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস নেই। - ব্যবহার: মূলত অতীতে পার্সোনাল কম্পিউটারে ফ্লপি ডিস্ক থেকে বুট করতে এবং মৌলিক ফাইল ব্যবস্থাপনার কাজে এটি ব্যবহৃত হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম বা এমএস-ডোস। ব্যাখ্যা: এটি একটি কমান্ডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম যেখানে একসাথে গান শোনা এবং টাইপ করা একসাথে করা সম্ভব নয়। উদাহরণ ২: উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম। ব্যাখ্যা: এটি একটি মাল্টি-টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম যেখানে ব্যবহারকারী একই সাথে ব্রাউজার এবং মিউজিক প্লেয়ার চালাতে পারেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Windows — এটি একটি আধুনিক মাল্টি-টাস্কিং গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম যা একই সময়ে একাধিক অ্যাপ্লিকেশন চালাতে পারে। B) Linux — এটি একটি শক্তিশালী মাল্টি-ইউজার ও মাল্টি-টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম। C) Windows NT — এটি মাইক্রোসফটের তৈরি একটি উন্নত মাল্টি-টাস্কিং নেটওয়ার্ক অপারেটিং সিস্টেম। D) DOS — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একবারে একটিমাত্র কাজ সম্পাদন করতে সক্ষম একক টাস্কিং সিস্টেম। ৫. মনে রাখার টিপস: - ডোস বা DOS মানে ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম যা দেখতে কালো পর্দায় লেখার মতো এবং এতে একসাথে দুটি কাজ করা যায় না। - আধুনিক সকল অপারেটিং সিস্টেম যেমন উইন্ডোজ, লিনাক্স, ম্যাক ওএস হলো মাল্টি-টাস্কিং। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এমএস ডোস প্রথম বাজারে আসে ১৯৮১ সালে আইবিএম পিসির জন্য। - অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক শ্রেণীবিভাগ এবং মাল্টি-টাস্কিং ও সিঙ্গেল টাস্কিংয়ের পার্থক্য সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a IEEE 802.15
b IEEE 802.1
c IEEE 802.3
d IEEE 802.11
0 155 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) IEEE 802.15 ১. কেন সঠিক: Bluetooth প্রযুক্তির জন্য ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার্স বা IEEE নির্ধারিত স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.15। এই স্ট্যান্ডার্ডটি প্রধানত পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা PAN তৈরির জন্য বিভিন্ন তারবিহীন প্রযুক্তির মান নির্ধারণ করে থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: IEEE হলো বিশ্বের বৃহত্তম প্রযুক্তিগত পেশাদার সংস্থা যা প্রযুক্তির নানা আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণ করে থাকে। কার্যপদ্ধতি: রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে স্বল্প দূরত্বের ডিভাইসগুলোর মধ্যে নিরাপদ ও তারহীন উপায়ে ডেটা আদান-প্রদান নিশ্চিত করে। বৈশিষ্ট্য: এটি স্বল্প শক্তি খরচ করে এবং কম দূরত্বের মধ্যে মোবাইল ফোন, কম্পিউটার ও পেরিফেরাল ডিভাইস যুক্ত করতে পারে। ব্যবহার: মোবাইল থেকে কম্পিউটারে ফাইল পাঠানো, হেডফোন বা মাউস তারহীনভাবে সংযুক্ত করতে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্লুটুথ হেডফোন ব্যবহার করে মোবাইল থেকে গান শোনা। ব্যাখ্যা: এখানে মোবাইল ও হেডফোনের মধ্যে তার ছাড়াই সংযোগ স্থাপন করা হয় IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ডের মাধ্যমে। উদাহরণ ২: ল্যাপটপের সঙ্গে ব্লুটুথ মাউস সংযোগ করা। ব্যাখ্যা: তারের ঝামেলা ছাড়াই কম দূরত্বে পেরিফেরাল ডিভাইস পরিচালনার জন্য এই স্ট্যান্ডার্ড কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) IEEE 802.15 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ব্লুটুথ প্রযুক্তির জন্য নির্ধারিত স্ট্যান্ডার্ড। B) IEEE 802.1 — এটি নেটওয়ার্ক আর্কিটেকচার এবং ইন্টারফেসিং সংক্রান্ত স্ট্যান্ডার্ডের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা ব্লুটুথের জন্য নয়। C) IEEE 802.3 — এটি ইথারনেট বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের তারযুক্ত সংযোগের জন্য নির্দিষ্ট করা স্ট্যান্ডার্ড। D) IEEE 802.11 — এটি ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ওয়াই-ফাই প্রযুক্তির জন্য নির্ধারিত স্ট্যান্ডার্ড। ৫. মনে রাখার টিপস: ব্লুটুথ হলো ছোট পরিসরের নেটওয়ার্ক বা PAN, যার স্ট্যান্ডার্ড সংখ্যা পনেরো বা ১৫ দিয়ে শেষ হয়। ওয়াই-ফাই হলো এগারো বা ১১ আর ব্লুটুথ হলো পনেরো বা ১৫। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের বিভিন্ন স্ট্যান্ডার্ড প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ওয়াই-ফাই এবং ব্লুটুথের স্ট্যান্ডার্ডের পার্থক্য মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a A hash pointer to the previous block
b Timestamp
c List of transactions
d উপরের সবগুলো
0 140 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো ১. কেন সঠিক: ব্লকচেইন প্রযুক্তির প্রতিটি ব্লকে পূর্ববর্তী ব্লকের হ্যাশ পয়েন্টার, সঠিক টাইমস্ট্যাম্প এবং লেনদেনের একটি তালিকা বা লিস্ট অব ট্রানজ্যাকশন থাকে। এই তিনটি উপাদানের সমন্বয়ে ব্লকগুলো একে অপরের সঙ্গে সিকিউরভাবে যুক্ত থাকে এবং ডেটা পরিবর্তন প্রতিরোধ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ব্লকচেইন হলো একটি বিকেন্দ্রীকৃত ও বিতরণকৃত ডিজিটাল লেজার যা ডেটা সুরক্ষিতভাবে সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: প্রতিটি নতুন ব্লক পূর্ববর্তী ব্লকের ক্রিপ্টোগ্রাফিক হ্যাশ ধারণ করে চেইন তৈরি করে, ফলে আগের ডেটা বদলানো অসম্ভব হয়। বৈশিষ্ট্য: এটি মূলত অপরিবর্তনীয়, স্বচ্ছ এবং বিকেন্দ্রীকৃত ডেটা সংরخণ ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে। ব্যবহার: ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন, সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট এবং স্মার্ট কন্ট্রাক্টে এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিটকয়েন লেনদেন ব্যবস্থা ব্যাখ্যা: বিটকয়েন নেটওয়ার্কে প্রতিটি ব্লকে হাজার হাজার লেনদেনের তথ্য, তৈরির সময় এবং আগের ব্লকের হাশ যুক্ত থাকে। উদাহরণ ২: সাপ্লাই চেইন ট্র্যাকিং ব্যাখ্যা: পণ্যের উৎপাদক থেকে গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোর প্রতিটি ধাপ ব্লকচেইনে নিরাপদভাবে সংরক্ষিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) A hash pointer to the previous block - এটি সঠিক হলেও শুধু একা ব্লকচেইনের পূর্ণাঙ্গ গঠন প্রকাশ করে না, কারণ এতে লেনদেন ও সময়ও জরুরি। B) Timestamp - এটি ব্লকের তৈরির সময় নির্দেশ করে, কিন্তু একা এটি ব্লকচেইনের সম্পূর্ণ ডেটা কাঠামো তৈরি করতে পারে না। C) List of transactions - এটি ব্লকের মূল ডেটা ধারণ করে, তবে পূর্ববর্তী ব্লকের হাশ ও সময় না থাকলে চেইন নিরাপত্তা নষ্ট হয়। D) উপরের সবগুলো - এই অপশনটি সঠিক কারণ ব্লকচেইনের প্রতিটি ব্লকে এই তিনটি উপাদানই বাধ্যতামূলকভাবে থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: ব্লকচেইনের প্রধান উপাদান মনে রাখার সহজ সূত্র হলো হাশ পয়েন্টার, সময় এবং লেনদেনের তালিকা বা HTL। প্রতিটি ব্লকের সুরক্ষার জন্য আগের ব্লকের হাশ এবং সময়ের নিখুঁত রেকর্ড থাকা অপরিহার্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ব্লকচেইন প্রযুক্তির জনক হিসেবে সাতোশি নাকামোতোকে ধরা হয় এবং এটি প্রথম বিটকয়েনে ব্যবহৃত হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্লকচেইনের অপরিবর্তনীয়তা এবং বিকেন্দ্রীকরণ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a Simplex
b Duplex
c Half Duplex
d Triplex
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Simplex ১. কেন সঠিক: Keyboard থেকে CPU-তে ডেটা শুধু এক দিকে প্রবাহিত হয়, অর্থাৎ কিবোর্ড থেকে ডেটা সিপিইউতে যায় কিন্তু সিপিইউ থেকে কিবোর্ডে কোনো ডেটা আসে না। এই একমুখী ডেটা কমিউনিকেশন পদ্ধতিকে সিমপ্লেক্স (Simplex) মোড বলা হয়, যা এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণরূপে প্রযোজ্য। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: সিমপ্লেক্স মোড হলো এমন একটি ডেটা কমিউনিকেশন পদ্ধতি যেখানে ডেটা প্রেরক থেকে প্রাপকের দিকে কেবল একমুখী চলাচল করতে পারে। কার্যপদ্ধতি: এই ব্যবস্থায় যোগাযোগের মাধ্যম বা চ্যানেলের কেবল একটি প্রান্ত ডেটা প্রেরণ করতে পারে এবং অন্য প্রান্ত কেবল ডেটা গ্রহণ করতে পারে। ব্যবহার: কম্পিউটার সিস্টেমে কিবোর্ড থেকে সিপিইউ, মাউস থেকে সিপিইউ এবং রেডিও বা টেলিভিশনের সম্প্রচারে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: টেলিভিশন সম্প্রচার। ব্যাখ্যা: টেলিভিশন স্টেশন থেকে দর্শকের টিভিতে সংকেত এক দিকে আসে, দর্শক সেখান থেকে কোনো ডেটা স্টেশনে পাঠাতে পারে না। উদাহরণ ২: রেডিও সম্প্রচার। ব্যাখ্যা: রেডিও টাওয়ার থেকে গান বা বার্তা শ্রোতার রেডিও সেট পর্যন্ত পৌঁছায়, কিন্তু শ্রোতা একই চ্যানেল দিয়ে পাল্টা কথা বলতে পারে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Simplex — এটি সঠিক উত্তর কারণ কিবোর্ড ও সিপিইউর মধ্যকার ডেটা প্রবাহ একমুখী। B) Duplex — এটি ভুল কারণ ডুপ্লেক্স মোডে উভয় দিক থেকে একই সময়ে ডেটা আদান-প্রদান করা যায়, যা কিবোর্ড ও সিপিইউর ক্ষেত্রে হয় না। C) Half Duplex — এটি ভুল কারণ হাফ ডুপ্লেক্স মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা পাঠানো যায় তবে একই সময়ে নয়, যেমন ওয়াকিটকি। D) Triplex — এটি ভুল কারণ কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ট্রিপ্লেক্স নামে কোনো স্ট্যান্ডার্ড ডেটা ট্রান্সমিশন মোড নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: সিমপ্লেক্স শব্দের অর্থ সরল বা একমুখী, যেমন ওয়ান-ওয়ে রোড বা একমুখী রাস্তা। কিবোর্ড শুধু ইনপুট দেয়, তাই এটি সব সময় সিমপ্লেক্স ডিভাইসের উদাহরণ হিসেবে মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কিবোর্ড, মাউস বা প্রিন্টারের ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতি সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। সিমপ্লেক্স, হাফ ডুপ্লেক্স এবং ফুল ডুপ্লেক্সের বাস্তব উদাহরণগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত রাখবে।
a Router
b Switch
c Modem
d HUB
0 175 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Modem ১. কেন সঠিক: - মডেম বা Modem শব্দটির পূর্ণরূপ হলো Modulator-Demodulator, যা ডিজিটাল ও অ্যানালগ সিগন্যালের মধ্যে রূপান্তর করে। - কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইস থেকে পাঠানো ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে রূপান্তরিত করে টেলিফোন বা ইন্টারনেট লাইনে প্রেরণ করা মডেমের মূল কাজ। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: মডেম হলো এমন একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা ডিজিটাল ডেটাকে অ্যানালগ সিগন্যালে এবং অ্যানালগ সিগন্যালে থাকা ডেটাকে ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করে। - কার্যপদ্ধতি: মডুলেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে এবং ডিমডুলেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করা হয়। - ব্যবহার: ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের জন্য কম্পিউটার ও টেলিফোন লাইনের মধ্যে সেতু হিসেবে মডেম বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ ব্যাখ্যা: ঘরের কম্পিউটারে ব্যবহৃত ব্রডব্যান্ড বা টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় ডিজিটাল ডেটা অ্যানালগ সিগন্যালে রূপান্তর করার জন্য মডেম ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: ওয়াইফাই রাউটার ও মডেমের সমন্বয় ব্যাখ্যা: বর্তমানের অনেক মডেমের সাথে রাউটার যুক্ত থাকে, যা ইনকামিং অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করে পুরো বাড়িতে ওয়াইফাই সিগন্যাল সরবরাহ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Router — এটি ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্যাকেট রুট বা পথ নির্ধারণ করে, সিগন্যাল রূপান্তর করে না। B) Switch — এটি একই ল্যানের বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান নিয়ন্ত্রণ করে, সিগন্যাল রূপান্তর এর কাজ নয়। C) Modem — প্রদত্ত সঠিক উত্তর। D) HUB — এটি স্টার টপোলজির সেন্ট্রাল ডিভাইস হিসেবে কেবল সিগন্যাল ব্রডকাস্ট করে, রূপান্তর করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - মডেম শব্দের শুরু অংশের Mod মানে Modulator এবং Demodulator থেকে Dem অংশ মিলে Modem তৈরি হয়েছে। - Modulator মানে ডিজিটাল থেকে অ্যানালগ এবং Demodulator মানে অ্যানালগ থেকে ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মডেমের পূর্ণরূপ এবং এর কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - মডেম ডেটা কমিউনিকেশনে সিগন্যাল রূপান্তরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার ডিভাইস।
a Registers
b SSD
c RAM
d Cache memory
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Registers ১. কেন সঠিক: - কম্পিউটারের মেমোরি হায়ারার্কিতে রেজিস্টার হলো প্রসেসরের সবচেয়ে কাছের এবং দ্রুততম মেমোরি উপাদান। - ডেটা প্রসেস করার সময় সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট অত্যন্ত দ্রুত গতিতে রেজিস্টার থেকে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: রেজিস্টার হলো প্রসেসরের ভেতরে থাকা অত্যন্ত ক্ষুদ্র ও দ্রুতগতির অস্থায়ী ডেটা ধারণকারী মেমোরি ঘর। - কার্যপদ্ধতি: অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট যখন কোনো হিসাব করে, তখন কাজের উপাত্ত বা ফলাফল সাময়িকভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষণ করে। - বৈশিষ্ট্য: এর ধারণক্ষমতা খুবই কম কিন্তু গতি কম্পিউটারের অন্য যেকোনো মেমোরির চেয়ে সর্বাধিক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের মস্তিষ্কের ক্ষণস্থায়ী চিন্তাভাবনা ব্যাখ্যা: মানুষ যখন কোনো তাৎক্ষণিক গণিত সমাধান করে, তখন মনে মনে যে সংখ্যাগুলো খুব দ্রুত প্রক্রিয়া করে, তা রেজিস্টারের কাজের সঙ্গে তুলনীয়। উদাহরণ ২: পিসির এ কোড এক্সিকিউশন ব্যাখ্যা: প্রসেসর যখন একটির পর একটি নির্দেশনা কার্যকর করে, তখন পরবর্তী নির্দেশনাটির ঠিকানা প্রোগাম কাউন্টার রেজিস্টারে সংরক্ষিত থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Registers — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রসেসরের অভ্যন্তরে অবস্থিত হওয়ায় এর অ্যাক্সেস টাইম ন্যানোসেকেন্ডেরও কম হয়। B) SSD — সলিড স্টেট ড্রাইভ হলো স্থায়ী স্টোরেজ ডিভাইস যার অ্যাক্সেস টাইম রেজিস্টার বা RAM এর তুলনায় অনেক বেশি মন্থর। C) RAM — র‍্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি মূল মেমোরি হিসেবে কাজ করলেও এটি প্রসেসর থেকে দূরে থাকায় রেজিস্টারের চেয়ে ধীরগতির হয়। D) Cache memory — ক্যাশ মেমোরি প্রসেসরের গতি বাড়াতে সাহায্য করে এবং র‍্যামের চেয়ে দ্রুত হলেও এটি রেজিস্টারের চেয়ে ধীরগতির। ৫ মনে রাখার টিপস: - মেমোরি স্পিডের ক্ষেত্রে মনে রাখবে প্রসেসরের যত কাছে মেমোরি থাকবে, তার অ্যাক্সেস টাইম তত কম হবে। - রেজিস্টার থাকে প্রসেসরের ভেতরে, তাই এর গতি বা অ্যাক্সেস টাইম সবকিছুর চেয়ে কম। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কম্পিউটার মেমোরি হায়ারার্কির ওপর প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে কোন মেমোরির গতি বা দাম বেশি। - রেজিস্টারের পর ক্রমানুসারে ক্যাশ মেমোরি, র‍্যাম এবং সেকেন্ডারি স্টোরেজের অ্যাক্সেস টাইম বৃদ্ধি পায়।
a Applied Artificial Intelligence (AI)
b Applied Internet of Things (IoT)
c Virtual Reality
d উপরের কোনোটিই নয়
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Applied Artificial Intelligence (AI) ১. কেন সঠিক: - ফেস রিকগনিশন সিস্টেমে মানুষের মুখাবয়ব নিখুঁতভাবে শনাক্ত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। - এটি সংরক্ষিত ডেটার সাথে লাইভ ছবির প্যাটার্ন ও বৈশিষ্ট্য মিলিয়ে দ্রুত সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো কম্পিউটার সিস্টেমের এমন একটি ক্ষমতা, যা মানুষের মতো চিন্তা করতে এবং ডেটা বিশ্লেষণ করে শিখতে পারে। - কার্যপদ্ধতি: ক্যামেরা থেকে ছবি সংগ্রহ করে তা থেকে চোখের দূরত্ব, নাকের আকৃতি ও মুখের রেখাচিত্রের মতো পিক্সেল ডেটা বিশ্লেষণ করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি মেশিন লার্নিং ও ডিপ লার্নিং অ্যালগরিদমের সাহায্যে প্রতিবার ব্যবহারের সময় নিজের নির্ভুলতা বাড়াতে পারে। - ব্যবহার: স্মার্টফোনের ফেস আনলক, বিমানবন্দর ও ব্যাংকিং নিরাপত্তায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনের ফেস আনলক ফিচার। ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারী ফোন সামনে ধরলে এআই ক্যামেরা মুখের ত্রিমাত্রিক মানচিত্র বিশ্লেষণ করে ফোন আনলক করে। উদাহরণ ২: সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে অপরাধী শনাক্তকরণ। ব্যাখ্যা: এআই প্রযুক্তি ভিড়ের মধ্যে থেকে নির্দিষ্ট ব্যক্তির মুখের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে মুহূর্তের মধ্যে অপরাধী চিহ্নিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Applied Artificial Intelligence (AI) — এটি সঠিক কারণ ফেস রিকগনিশনে এআই-এর প্যাটার্ন ম্যাচিং ও ইমেজ প্রসেসিং প্রযুক্তি মূল ভূমিকা পালন করে। B) Applied Internet of Things (IoT) — ইন্টারনেট অব থিংস বা আইওটি মূলত বিভিন্ন ডিভাইসকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত করে ডেটা আদান-প্রদান করে, যা সরাসরি মুখ শনাক্ত করে না। C) Virtual Reality — ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা ভিআর কম্পিউটার প্রযুক্তির সাহায্যে ত্রিমাত্রিক কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি করে, যার সাথে ফেস রিকগনিশনের সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) উপরের কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুখের ছবি বা বায়োমেট্রিক ডেটা বিশ্লেষণ করার সাথে সবসময় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি যুক্ত থাকে। - আইওটি মানে সংযোগ আর এআই মানে চিন্তা বা বিশ্লেষণ, তাই মুখ চেনার কাজটি এআই করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক জন ম্যাককার্থি। - ফেস রিকগনিশন সিস্টেম কম্পিউটার ভিশন প্রযুক্তির একটি অংশ, যা এআই-এর অধীনে কাজ করে।
a Priority Scheduling
b Shortest Job First
c Youngest Job First
d Round-Robin
0 134 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Round-Robin ১. কেন সঠিক: - রাউন্ড-রবিন শিডিউলিং পলিসিতে প্রতিটি প্রসেসকে একটি নির্দিষ্ট সময় বা টাইম কোয়ান্টাম বরাদ্দ করা হয়। - নির্দিষ্ট সময় শেষে প্রসেসটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কিউ এর পেছনে চলে যায়, ফলে কোনো প্রসেস ইনফিনিট ওয়েটিং বা স্টারভেশনের শিকার হয় না। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: রাউন্ড-রবিন হলো এমন একটি প্রিএমটিভ প্রসেস শিডিউলিং অ্যালগরিদম, যা টাইম শেয়ারিং অপারেটিং সিস্টেমে সমতার ভিত্তিতে সিপিইউ সময় বণ্টন করে। - কার্যপদ্ধতি: সিস্টেমে আসা প্রসেসগুলো ফার্স্ট ইন ফার্স্ট আউট পদ্ধতিতে সাজানো থাকে এবং নির্দিষ্ট টাইম কোয়ান্টাম শেষ হলে সিপিইউ পরবর্তী প্রসেসে চলে যায়। - বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ফেয়ারনেস বা ন্যায্যতা এবং এটি কোনো প্রসেসকে অনির্দিষ্টকাল আটকে রাখে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাংক কাউন্টারে সবার জন্য সমান দুই মিনিট করে সেবা দেওয়ার নিয়ম। ব্যাখ্যা: এই নিয়মে কেউ দীর্ঘ সময় একা কাউন্টারে থাকতে পারে না এবং সবার কাজের সুযোগ নিশ্চিত হয়। উদাহরণ ২: কম্পিউটারে একসাথে ব্রাউজিং ও মিউজিক শোনার সময় প্রসেসর বদলানো। ব্যাখ্যা: অপারেটিং সিস্টেম খুব দ্রুত প্রসেসগুলোর মধ্যে সময় ভাগ করে দেয় বলে সব কাজ একই সাথে চলছে বলে মনে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Priority Scheduling — উচ্চ প্রায়োরিটির প্রসেস বারবার আসলে লো প্রায়োরিটির প্রসেস স্টারভেশনে পড়তে পারে। B) Shortest Job First — বড় কাজের সাইজ হলে ছোট কাজ বারবার আসার কারণে বড় কাজটি স্টারভেশনের শিকার হয়। C) Youngest Job First — অপেক্ষাকৃত নতুন বা ছোট প্রসেস আগে সুযোগ পেলে পুরনো বা বড় প্রসেসগুলো আটকে থাকতে পারে। D) Round-Robin — সঠিক উত্তর কারণ এটি সমানভাবে সময় ভাগ করে স্টারভেশন রোধ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - রাউন্ড শব্দের অর্থ চক্রাকার বা গোল গোল ঘোরা, অর্থাৎ সবাই চক্রাকারে সুযোগ পায়। - টাইম শেয়ারিং ও ফেয়ারনেস শব্দ দুটি পেলেই রাউন্ড-রবিন উত্তর হিসেবে বিবেচনা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - টাইম কোয়ান্টাম বা টাইম স্লাইস ধারণাটি রাউন্ড-রবিন অ্যালগরিদমের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন শিডিউলিংয়ে স্টারভেশন ঘটে না, উত্তর হবে রাউন্ড-রবিন।
a Phishing
b Man-in-the-Middle
c Denial of Service
d উপরের কোনোটিই নয়
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Denial of Service ১. কেন সঠিক: Denial of Service বা DoS হলো এক ধরণের সাইবার আক্রমণ, যার মূল লক্ষ্য কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ওয়েব সার্ভারের স্বাভাবিক সেবা প্রদানে বাধা সৃষ্টি করা। এই আক্রমণে আক্রমণকারী কৃত্রিম বা অতিরিক্ত ট্রাফিকের মাধ্যমে সার্ভারকে এতটাই ব্যস্ত রাখে যে এটি কোনো বৈধ গ্রাহকের অনুরোধ পূরণ করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: DoS আক্রমণ হলো এমন একটি ম্যালিসিয়াস কার্যক্রম যা কোনো সার্ভার বা নেটওয়ার্কের রিসোর্সকে অতিরিক্ত চাপে ফেলে এর স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা অচল করে দেয়। কার্যপদ্ধতি: আক্রমণকারী সার্ভারে একসাথে লক্ষ লক্ষ ফেক রিকোয়েস্ট বা অনুরোধ পাঠায়, ফলে সার্ভারের প্রসেসিং ক্ষমতা ও ব্যান্ডউইথ শেষ হয়ে যায় এবং প্রকৃত ব্যবহারকারীরা সেবা পায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কোনো জনপ্রিয় টিকিটের ওয়েবসাইটে একসাথে হাজার হাজার বটের মাধ্যমে কৃত্রিম ভিড় তৈরি করা, ফলে সাধারণ মানুষ সাইটে প্রবেশ করতে পারে না। ব্যাখ্যা: এই কৃত্রিম ভিড়ের কারণে সার্ভার ক্র্যাশ করে বা বৈধ গ্রাহকদের টিকিট কাটার অনুরোধ গ্রহণ করতে পারে না। উদাহরণ ২: একটি ব্যাংকের অনলাইন সার্ভারে অতিরিক্ত ডেটা প্যাকেট পাঠিয়ে তা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া। ব্যাখ্যা: এর ফলে গ্রাহকরা তাদের অ্যাকাউন্ট চেক করতে বা লেনদেন করতে ব্যর্থ হন, যা মূলত একটি সফল DoS আক্রমণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Phishing — এটি এমন একটি প্রতারণামূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য যেমন পাসওয়ার্ড বা ক্রেডিট কার্ডের নম্বর চুরি করা হয়। এটি কোনো সার্ভারের সেবা প্রদানে বাধা দেয় না, বরং তথ্য চুরির সাথে সম্পর্কিত। B) Man-in-the-Middle — এটি এমন একটি আক্রমণ যেখানে আক্রমণকারী গোপনে প্রেরক ও প্রাপকের মধ্যকার যোগাযোগের আদান-প্রদান পর্যবেক্ষণ বা পরিবর্তন করে। এটি বৈধ অনুরোধ ব্যর্থ করার চেয়ে যোগাযোগ বা ডেটা গোপনে ছিনতাই করার সাথে যুক্ত। C) Denial of Service — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই আক্রমণই গ্রাহকের বৈধ অনুরোধসমূহ কোনো ওয়েব সার্ভারকে সম্পূর্ণ করতে ব্যর্থ করে। D) উপরের কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন সি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: Denial শব্দের অর্থ অস্বীকার করা এবং Service শব্দের অর্থ সেবা। অর্থাৎ যে আক্রমণ সার্ভারকে গ্রাহককে সেবা দিতে অস্বীকার করতে বাধ্য করে, তাই Denial of Service বা DoS আক্রমণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: DoS আক্রমণ যখন একটি মাত্র কম্পিউটার থেকে করা হয় তখন তাকে DoS বলে, আর যখন অনেকগুলো হ্যাকড কম্পিউটার বা বটনেট ব্যবহার করে একসাথে আক্রমণ চালানো হয় তখন তাকে Distributed Denial of Service বা DDoS বলা হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই দুইটির পার্থক্য প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
a Oracle
b McAfee
c Norton
d Kaspersky
0 135 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Oracle ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটির ধরন হলো সফটওয়্যার ও সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কিত। ওরাকেল কোনো অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়, এটি বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় একটি ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা ডিবিএমএস। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: অ্যান্টিভাইরাস হলো এমন এক ধরনের ইউটিলিটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটারে প্রবেশ করা ম্যালওয়্যার, ভাইরাস বা ক্ষতিকর প্রোগ্রাম শনাক্ত করে তা অপসারণ বা প্রতিহত করে। ওরাকেল করপোরেশন মূলত এন্টারপ্রাইজ ডাটাবেজ সফটওয়্যার এবং ক্লাউড ইঞ্জিনিয়ারিং সিস্টেম তৈরির জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্যাসপারস্কি অ্যান্টিভাইরাস ব্যাখ্যা: এটি একটি স্বনামধন্য অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের ফাইল স্ক্যান করে ক্ষতিকর ভাইরাস ধ্বংস করে। উদাহরণ ২: ওরাকেল ডাটাবেজ ব্যাখ্যা: এটি একটি শক্তিশালী সফটওয়্যার যা বিপুল পরিমাণ ব্যবসায়িক তথ্য বা উপাত্ত সুশৃঙ্খলভাবে সংরক্ষণ ও পরিচালনা করতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Oracle — এটি ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার, কোনো অ্যান্টিভাইরাস নয়। B) McAfee — এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বাণিজ্যিক অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার। C) Norton — এটি সিমটেক কোম্পানির তৈরি একটি বিশ্বখ্যাত অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার। D) Kaspersky — এটি কম্পিউটার সুরক্ষার জন্য ব্যবহৃত একটি আন্তর্জাতিক মানের অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার। ৫ মনে রাখার টিপস: ওরাকেল নামটি ডেটা বা ডাটাবেজের সাথে সম্পৃক্ত, আর বাকি তিনটি নাম কম্পিউটারের নিরাপত্তা বা অ্যান্টিভাইরাসের সাথে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অ্যান্টিভাইরাস এবং ডাটাবেজ সফটওয়্যারের নাম মিলিয়ে প্রশ্ন করা হয়। ওরাকেল, মাইএসকিউএল এবং এসকিউএল সার্ভার হলো ডাটাবেজ সফটওয়্যার, যা অ্যান্টিভাইরাস থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
a http
b www
c URL
d HTML
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) URL ১. কেন সঠিক: - URL হলো ইউনিফর্ম রিসোর্স লোকেটর, যা ইন্টারনেটে যেকোনো ফাইল, পেজ বা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের সুনির্দিষ্ট ঠিকানা নির্দেশ করে। - এই ঠিকানার মাধ্যমেই ব্রাউজার বুঝতে পারে ইন্টারনেট বা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে কাঙ্ক্ষিত তথ্যটি ঠিক কোথায় সংরক্ষিত আছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: URL-এর পূর্ণরূপ Uniform Resource Locator। এটি ইন্টারনেটে কোনো রিসোর্স বা ওয়েব ঠিকানার বৈশ্বিক রূপ। - কার্যপদ্ধতি: এর মধ্যে প্রোটোকল, ডোমেইন নেম এবং ফাইলের পাথ বা লোকেশন যুক্ত থাকে যা সার্ভার থেকে তথ্য খুঁজে আনে। - ব্যবহার: ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বারে কোনো সাইটে প্রবেশ করার জন্য এই ঠিকানা টাইপ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: https://www.bangladesh.gov.bd ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশ সরকারের একটি পোর্টালের পূর্ণাঙ্গ URL, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটটিতে প্রবেশ করা যায়। উদাহরণ ২: https://www.google.com ব্যাখ্যা: এটি গুগলের একটি পরিচিত URL, যা ব্যবহারকারীকে সার্চ ইঞ্জিনের মূল পাতায় নিয়ে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) http — এটি কোনো প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা নয়, বরং এটি একটি প্রোটোকল বা নিয়ম যার সাহায্যে ইন্টারনেট ডেটা আদান-প্রদান করে। B) www — এটি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সংক্ষিপ্ত রূপ, যা ইন্টারনেটের একটি অংশ মাত্র কিন্তু নিজে কোনো পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা বা URL নয়। D) HTML — এটি হাইপারটেক্সট মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ, যা ওয়েব পেজ তৈরি করার একটি কোডিং ভাষা বা মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে, ঠিকানা বোঝাতে URL ব্যবহার করা হয় এবং প্রোটোকল বোঝাতে HTTP ব্যবহৃত হয়। - URL-এর পূর্ণরূপ হলো Uniform Resource Locator। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই URL, HTTP এবং WWW-এর কাজের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। - মনে রাখবে, ডোমেইন নেম হলো একটি ওয়েবসাইটের নাম আর URL হলো সেই ওয়েবসাইটের সম্পূর্ণ ঠিকানা।
a monitor
b microphone
c printer
d speaker
0 125 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) microphone ১. কেন সঠিক: মাইক্রোফোন হলো একটি ইনপুট ডিভাইস, যা আমাদের কণ্ঠস্বর বা শব্দকে বৈদ্যুতিক তরঙ্গে রূপান্তর করে কম্পিউটারে পাঠায়। কম্পিউটার এই বৈদ্যুতিক সিগন্যাল গ্রহণ করে প্রসেস করে, তাই এটি কোনো আউটপুট প্রদর্শন বা তৈরি করে না। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: যে সকল হার্ডওয়্যার ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বা অন্য কোনো ডিজিটাল সিস্টেমে ডেটা বা নির্দেশ প্রদান করা হয়, সেগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে। কার্যপদ্ধতি: মাইক্রোফোনের ভেতরে থাকা ডায়াফ্রাম শব্দের কম্পনে কেঁপে ওঠে এবং শব্দ শক্তিকে অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যালে রূপান্তরিত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জুম বা স্কাইপ মিটিংয়ে কথা বলা। ব্যাখ্যা: অনলাইন সভায় কথা বলার সময় মাইক্রোফোন ব্যবহার করে আমাদের কণ্ঠস্বর কম্পিউটারে পাঠানো হয়, যা ইনপুট প্রক্রিয়ার অংশ। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনে ভয়েস টাইপিং বা অডিও রেকর্ড করা। ব্যাখ্যা: মুখে কথা বলে নোট লেখার সময় মাইক্রোফোন সেই শব্দ গ্রহণ করে ডিভাইসে ইনপুট হিসেবে প্রবেশ করায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) monitor — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস, যা প্রসেসিং শেষে কম্পিউটারের পর্দা বা ভিজ্যুয়াল তথ্য প্রদর্শন করে। B) microphone — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস, যা শব্দ গ্রহণ করে কম্পিউটারে পাঠায় এবং এটিই সঠিক উত্তর। C) printer — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস, যা সফটকপিকে হার্ডকপিতে বা কাগজে প্রিন্ট করে প্রকাশ করে। D) speaker — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস, যা বৈদ্যুতিক সিগন্যালকে শব্দে রূপান্তর করে আমাদের শোনায়। ৫ মনে রাখার টিপস: ইনপুট মানে ভেতরে প্রবেশ করানো এবং আউটপুট মানে বাইরে প্রকাশ করা। মাইক্রোফোনে কথা বলে শব্দ ভেতরে পাঠানো হয় বলে এটি ইনপুট, আর স্পিকার বা মনিটর দিয়ে ফলাফল বাইরে প্রকাশ পায় বলে সেগুলো আউটপুট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। কিবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার ও মাইক্রোফোন হলো ইনপুট ডিভাইস এবং মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার ও স্পিকার হলো আউটপুট ডিভাইস।
a MySQL
b Microsoft SQL Server
c Microsoft Access
d Oracle
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) MySQL ১. কেন সঠিক: উত্তরটি সঠিক হওয়ার মূল কারণ হলো MySQL একটি ওপেন সোর্স ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যার সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত এবং বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়। প্রাসঙ্গিক প্রযুক্তিগত ধারণা বা নিয়ম তুলে ধরে এটি ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করার পূর্ণ স্বাধীনতা প্রদান করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: DBMS-এর পূর্ণরূপ Database Management System বা ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা, যা ডেটা সংরক্ষণ, পরিচালনা ও পুনরুদ্ধার করতে ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: এটি ক্লায়েন্ট সার্ভার আর্কিটেকচারের মাধ্যমে কাজ করে যেখানে ব্যবহারকারী কুয়েরি পাঠিয়ে ডেটাবেজ থেকে তথ্য সংগ্রহ বা পরিবর্তন করে। বৈশিষ্ট্য: এটি অত্যন্ত দ্রুতগতির, নির্ভরযোগ্য, সহজে ব্যবহারযোগ্য এবং রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেল সমর্থন করে। ব্যবহার: বিশ্বজুড়ে ওয়েবসাইট, বিশেষ করে ওয়ার্ডপ্রেস ভিত্তিক সাইট এবং ডায়নামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফেসবুক বা ইউটিউবের মতো বড় প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারীর কোটি কোটি অ্যাকাউন্ট ও তথ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যাকএন্ডে রিলেশনাল ডেটাবেজ ব্যবহার করে। ব্যাখ্যা: এই ডেটাবেজগুলো বিপুল পরিমাণ ডেটা খুব দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে সাজিয়ে রাখতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট যেমন দারাজ পণ্যের তালিকা, মূল্য এবং গ্রাহকের অর্ডার ডেটাবেজে সংরক্ষণ করে। ব্যাখ্যা: গ্রাহক যখন কোনো পণ্য সার্চ করেন, তখন ডেটাবেজ সিস্টেম মুহূর্তের মধ্যে সঠিক তথ্য স্ক্রিনে প্রদর্শন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) MySQL — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ওপেন সোর্স ও বিনামূল্যে ব্যবহারের সুবিধা দেয়। B) Microsoft SQL Server — এটি মাইক্রোসফট কোম্পানির একটি প্রোপ্রিয়েটরি বা পেটেন্টযুক্ত ডেটাবেজ, যার ব্যবহারের জন্য লাইসেন্স ফি দিতে হয়। C) Microsoft Access — এটি ডেস্কটপ ভিত্তিক একটি রিলেশনাল ডেটাবেজ, যা মাইক্রোসফট অফিসের অংশ এবং বড় বা ওপেন সোর্স ক্যাটাগরির নয়। D) Oracle — এটি ওরাকল কর্পোরেশনের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী কিন্তু ব্যয়বহুল প্রোপ্রিয়েটরি এন্টারপ্রাইজ ডেটাবেজ সিস্টেম। ৫ মনে রাখার টিপস: ওপেন সোর্স ডেটাবেজ মনে রাখতে এমওয়াইএসকিউএল (MySQL) এবং পোস্টগ্রেসএসকিউএল (PostgreSQL) নাম দুটি মাথায় রাখবে। মাইক্রোসফট ও ওরাকলের ডেটাবেজগুলো সবসময় লাইসেন্স বা অর্থের বিনিময়ে কিনতে হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরীক্ষায় প্রায়ই ওপেন সোর্স এবং প্রোপাইটারি সফটওয়্যারের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। মাইএসকিউএল প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৯৫ সালে এবং বর্তমানে এটি ওরাকল কর্পোরেশনের মালিকানাধীন হলেও এর ওপেন সোর্স সংস্করণ বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়।
a Email, DNS
b MAC Address, IP
c Domain Name, IP
d Email, IP
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Domain Name, IP ১. কেন সঠিক: - DNS-এর পূর্ণরূপ হলো Domain Name System। এটি মানুষের বোধগম্য ডোমেন নামকে কম্পিউটারের বোধগম্য আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করে। - ইন্টারনেটে প্রতিটি ডিভাইসের একটি অনন্য আইপি ঠিকানা থাকে, যা মনে রাখা কঠিন হওয়ায় মানুষ ডোমেন নাম ব্যবহার করে এবং DNS তা অনুবাদ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: DNS হলো এমন একটি ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ সিস্টেম যা ডোমেন নামকে আইপি ঠিকানায় অনুবাদ করে। - কার্যপদ্ধতি: ব্রাউজারে ডোমেন নাম লিখলে DNS সার্ভার তার ডাটাবেজ থেকে সংশ্লিষ্ট আইপি ঠিকানা খুঁজে এনে ব্রাউজারকে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: google.com ব্যাখ্যা: ব্যবহারকারী ব্রাউজারে google.com লিখলে DNS সার্ভার একে সংশ্লিষ্ট আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করে সার্ভার থেকে সাইটটি প্রদর্শন করে। উদাহরণ ২: facebook.com ব্যাখ্যা: ফেসবুকের নাম লিখে সার্চ করলে DNS সিস্টেম সেই নামের পেছনের সংখ্যাভিত্তিক আইপি অ্যাড্রেস খুঁজে বের করে সংযোগ নিশ্চিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Email, DNS — ইমেইল হলো ইলেকট্রনিক মেইল যোগাযোগের মাধ্যম এবং এটি DNS-এর রূপান্তরযোগ্য কাজ নয়। B) MAC Address, IP — ম্যাক অ্যাড্রেস হলো হার্ডওয়্যারের নিজস্ব শারীরিক ঠিকানা যা নেটওয়ার্ক ইন্টারফেসে স্থায়ীভাবে থাকে। D) Email, IP — ইমেইল সরাসরি আইপি ঠিকানায় পরিবর্তিত হয় না, বরং এটি মেইল সার্ভারের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ঠিকানায় আদান-প্রদান হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - DNS-কে ইন্টারনেটের ফোনবুক বলা যায়, যা নামের বিপরীতে সঠিক নম্বর বা আইপি ঠিকানা খুঁজে দেয়। - মনে রাখবে, Domain Name থেকে IP ঠিকানায় রূপান্তর করাই DNS-এর মূল কাজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - DNS প্রোটোকল সাধারণত ৫৩ নম্বর পোর্ট ব্যবহার করে কাজ করে। - বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইন্টারনেট প্রোটোকল ও ডোমেন নেমিং সিস্টেম সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a 46
b 16
c 24
d 54
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৬ ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে একটি বাইনারি সংখ্যা (Binary Number) দেওয়া হয়েছে এবং এর সমতুল্য ডেসিমাল সংখ্যা (Decimal Number) বের করতে বলা হয়েছে। বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হলো দুই এবং ডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হলো দশ, যা পজিশনাল নোটেশন নিয়মের মাধ্যমে রূপান্তরিত করতে হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: বাইনারি হলো শূন্য ও এক ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি এবং ডেসিমাল হলো দশ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি যা দৈনন্দিন গণনায় ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে ডানদিক থেকে শুরু করে দুই এর ঘাত বা পাওয়ার হিসেবে গুণ করে ডেসিমাল মান বের করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১ ও ০ বাইনারি মান ব্যাখ্যা: কম্পিউটারের ডিজিটাল circuitos বা লজিক গেটগুলো মূলত এই বাইনারি সিগন্যাল অন ও অফ হিসেবে ডেটা প্রসেস করে। উদাহরণ ২: ডেসিমাল সংখ্যা ১০ ব্যাখ্যা: মানব সমাজে আমরা যে ১০ ভিত্তিক সংখ্যা ব্যবহার করি, কম্পিউটার তাকে ইন্টারনাল প্রসেসিংয়ের জন্য বাইনারিতে রূপান্তর করে নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪৬ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ১ × ১৬ + ০ × ৮ + ১ × ৪ + ১ × ২ + ০ × ১ এর সঠিক হিসাব এবং অন্যান্য পজিশনাল মানের যোগফল ৪৬ হয়। B) ১৬ — এটি ভুল উত্তর, কারণ ১৬ হলো দুই এর চতুর্থ ঘাত এবং প্রদত্ত বাইনারি মানের সাথে এই ডেসিমাল মানের কোনো মিল নেই। C) ২৪ — এটি ভুল উত্তর, কারণ ২৪ ডেসিমাল সংখ্যার বাইনারি রূপ ভিন্ন এবং এই উত্তরের সাপেক্ষে হিসাব করলে তা মিলে না। D) ৫৪ — এটি ভুল উত্তর, কারণ ৫৪ ডেসিমাল সংখ্যার সমতুল্য বাইনারি মান ১০১১০ নয় বরং অন্য একটি ভিন্ন মান হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ডানদিক থেকে দুই এর পাওয়ার শূন্য থেকে শুরু করে প্রতিটি বাইনারি অঙ্কের সাথে গুণ করে সব মান যোগ করতে হয়। সঠিক নিয়মে হিসাব করলে খুব সহজেই বাইনারি থেকে ডেসিমাল মান বের করা সম্ভব হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংখ্যা পদ্ধতির রূপান্তর অত্যন্ত কমন একটি বিষয়। বাইনারি, অকট্যাল ও হেক্সাডেসিমাল থেকে ডেসিমাল এবং ডেসিমাল থেকে অন্যান্য সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তরের নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a $
b #
c &
d @
0 131 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) @ ১. কেন সঠিক: - ই-মেইল ঠিকানায় ব্যবহারকারীর নাম এবং ডোমেইন নাম আলাদা করার জন্য `@` চিহ্নটি বাধ্যতামূলকভাবে ব্যবহার করা হয়। - এটি অ্যাট সাইট (At Sign) নামে পরিচিত এবং এটি ছাড়া কোনো বৈধ ই-মেইল ঠিকানা গঠন করা সম্ভব নয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: `@` হলো ই-মেইল ঠিকানার একটি অপরিহার্য প্রতীক যা ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট এবং মেইল সার্ভারকে সংযুক্ত করে। - কার্যপদ্ধতি: এটি ই-মেইল ঠিকানার মাঝখানে বসে নির্দেশ করে যে ব্যবহারকারী নির্দিষ্ট কোনো ডোমেইনের অধীনে ই-মেইল সেবা গ্রহণ করছেন। - ব্যবহার: ইন্টারনেটে ই-মেইল আদান-প্রদান এবং বিভিন্ন অনলাইন সেবায় অ্যাকাউন্ট খোলার সময় এই ঠিকানা ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: rahim@gmail.com ব্যাখ্যা: এখানে `rahim` হলো ব্যবহারকারীর নাম এবং `gmail.com` হলো মেইল সার্ভারের ঠিকানা, যা `@` চিহ্ন দ্বারা যুক্ত। উদাহরণ ২: info@bd.gov.bd ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রাতিষ্ঠানিক ই-মেইল ঠিকানা যেখানে `@` চিহ্নটি ব্যবহারকারীর নাম ও সরকারি ডোমেইনকে পৃথক করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) — এটি স্প্রেডশিট বা প্রোগ্রামিংয়ে বিশেষ কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়, ই-মেইল ঠিকানায় এর কোনো কাজ নেই। B) # — এটি সাধারণত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হ্যাশট্যাগ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, ই-মেইল ঠিকানায় এটি অবৈধ। C) & — এটি যৌক্তিক বা সংযোগকারী প্রতীক হিসেবে কোডিং বা টেক্সটে ব্যবহৃত হয়, ই-মেইল ঠিকানায় এটি বসে না। D) @ — এটি সঠিক কারণ ই-মেইল ঠিকানার গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এটি ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবেন ই-মেইল ঠিকানায় সবসময় অ্যাট সাইট বা `@` চিহ্নটি থাকে। - এটি ছাড়া ই-মেইল অ্যাড্রেস অসম্পূর্ণ ও ভুল বলে গণ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ই-মেইল ঠিকানায় কোনো ফাঁকা স্থান (Space) বা `@` ছাড়া একাধিক চিহ্ন ব্যবহার করা যায় না। - পরীক্ষাসমূহে প্রায়ই ই-মেইলের সঠিক গঠন বা সিনট্যাক্স সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a তামার তার
b কো-এক্সিয়কল ক্যাবল
c অপটিক্যাল ফাইবার
d ওয়্যারলেস মিডিয়া
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অপটিক্যাল ফাইবার ১. কেন সঠিক: - অপটিক্যাল ফাইবার বা আলোক তন্তু ডেটা পরিবহনের জন্য তড়িৎ সংকেতের পরিবর্তে আলোর পালস বা আলোক সংকেত ব্যবহার করে। - কাচ বা প্লাস্টিকের তৈরি এই অত্যন্ত সরু মাধ্যমে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন নীতি ব্যবহার করে আলোর গতিতে ডেটা পাঠানো হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: অপটিক্যাল ফাইবার হলো কাচ বা প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি অত্যন্ত সরু নমনীয় তন্তু যা আলোর মাধ্যমে ডেটা বা তথ্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করে। - কার্যপদ্ধতি: প্রেরক যন্ত্র বৈদ্যুতিক ডেটাকে আলোতে রূপান্তর করে এবং ফাইবার অপটিকের ভেতর দিয়ে আলোর পালস বা সংকেত হিসেবে তা দ্রুতগতিতে চালনা করে। - বৈশিষ্ট্য: আলোর গতিতে ডেটা স্থানান্তর করায় এর ব্যান্ডউইথ ও ডেটা ট্রান্সফার রেট অনেক বেশি এবং এতে তড়িৎ চৌম্বকীয় আবেশের কোনো প্রভাব পড়ে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাবমেরিন ক্যাবল ব্যাখ্যা: সাগর বা মহাসাগরের তলদেশ দিয়ে এক মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশে ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ সংযোগ স্থাপনে অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: ফাইবার টু দ্য হোম বা এফটিটিএইচ ব্যাখ্যা: আধুনিক ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগে গ্রাহকের বাড়িতে সরাসরি আলোক তন্তু সংযোগ দেওয়া হয় যার ফলে অতি দ্রুতগতির ইন্টারনেট পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামার তার — এটি তড়িৎ সংকেত বা ইলেকট্রিক্যাল পালস ব্যবহার করে ডেটা আদান-প্রদান করে, আলোর পালস ব্যবহার করে না। B) কো-এক্সিয়কল ক্যাবল — এটি পরিবাহী তামার তারের মাধ্যমে তড়িৎ চৌম্বকীয় সংকেত বা ইলেকট্রনিক সিগন্যাল বহন করে। D) ওয়্যারলেস মিডিয়া — এটি বায়ু বা শূন্যস্থানের মধ্য দিয়ে রেডিও তরঙ্গ, মাইক্রোওয়েভ বা ইনফ্রারেড ব্যবহার করে ডেটা পাঠায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - অপটিক্যাল ফাইবার মানেই আলো বা লাইট সিগন্যাল। - তামার তারে বিদ্যুৎ আর ফাইবারে চলে আলোর গতি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বা টোটাল ইন্টারনাল রিফ্লেকশন নীতি কাজ করে। - ডেটা যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে বর্তমানে সবচেয়ে দ্রুততম মাধ্যম হলো অপটিক্যাল ফাইবার।
a Random Frequency Identification
b Random Frequency Information
c Radio Frequency Information
d Radio Frequency Identification
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Radio Frequency Identification ১. কেন সঠিক: - RFID এর পূর্ণরূপ হলো Radio Frequency Identification, যার বাংলা অর্থ হলো রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন। - এটি একটি অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন প্রযুক্তি, যা রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে বস্তু শনাক্ত করতে এবং ডেটা আদান-প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: RFID হলো এমন একটি ওয়্যারলেস প্রযুক্তি যা ট্যাগ এবং রিডারের মাধ্যমে কোনো ডেটা দূর থেকে শনাক্ত ও সংগ্রহ করতে পারে। - কার্যপদ্ধতি: RFID ট্যাগে থাকা মাইক্রোচিপে সংরক্ষিত তথ্য রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে রিডারে প্রেরণ করে, যেখানে কোনো সরাসরি দৃষ্টিরেখার প্রয়োজন হয় না। - বৈশিষ্ট্য: এতে একই সাথে একাধিক ট্যাগ খুব দ্রুত স্ক্যান করা যায় এবং এর তথ্য পরিবর্তন বা আপডেট করা সম্ভব। - ব্যবহার: এটি শপ লিফটিং প্রতিরোধ, এয়ারপোর্টের ব্যাগেজ ট্র্যাক এবং টোল প্লাজায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল আদায়ের জন্য বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা মেট্রোলের বাসে বা এমআরটি পাস ব্যবহারের ব্যবস্থা। ব্যাখ্যা: কার্ডটি মেশিনের খুব কাছে ধরলেই রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অ্যাকাউন্ট থেকে ভাড়া কেটে নেওয়া হয়। উদাহরণ ২: সুপারশপের বারকোড বা স্মার্ট ট্যাগ সিস্টেম। ব্যাখ্যা: পণ্যের গায়ে লাগানো ট্যাগ স্ক্যান করে তাৎক্ষণিকভাবে পণ্যের দাম ও বিবরণ কম্পিউটারে চলে আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Random Frequency Identification — এই নামে কোনো স্ট্যান্ডার্ড প্রযুক্তি বা পরিভাষা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে নেই। B) Random Frequency Information — এটি একটি ভুল শব্দগুচ্ছ এবং তথ্য প্রযুক্তির সংজ্ঞার সাথে এর কোনো মিল নেই। C) Radio Frequency Information — রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির সাথে ইনফরমেশন শব্দটি যুক্ত থাকলেও এটি সঠিক প্রযুক্তিগত পরিভাষা নয়। D) Radio Frequency Identification — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রযুক্তিগত নাম। ৫. মনে রাখার টিপস: - RFID শব্দটিতে সবসময় Radio Frequency শব্দটি আগে আসে, যা মনে রাখলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়। - বারকোডের ক্ষেত্রে চোখের দেখায় স্ক্যান করতে হয়, কিন্তু RFID-এর ক্ষেত্রে রেডিও তরঙ্গ কাজ করায় দূর থেকেও ডেটা পড়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন ও ট্র্যাকিং প্রযুক্তির ক্ষেত্রে RFID এবং বারকোড থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এটি যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ওয়্যারলেস ডেটা ট্রান্সমিশনের একটি চমৎকার উদাহরণ।

মোট প্রশ্ন (9)

a আত্মস্বার্থবাদ
b পরার্থবাদ
c পূর্ণতাবাদ
d উপযোগবাদ
0 138 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপযোগবাদ ১. কেন সঠিক: - এই তত্ত্বে সর্বাধিক মানুষের সর্বোচ্চ কল্যাণ বা সুখ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়। - এটি মূলত ফলাফলের নৈতিকতা হিসেবে পরিচিত, যেখানে কর্মের ফলাফল নির্ধারণ করে কাজটি কতটুকু নৈতিক। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: উপযোগবাদ হলো এমন একটি নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি যা সমাজে সর্বাধিক মানুষের সুখ বা কল্যাণ বৃদ্ধি করার পক্ষে মত দেয়। - গুরুত্ব: এটি নীতিনির্ধারণ ও সামাজিক কল্যাণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে সামগ্রিক কল্যাণকে স্থান দেয়। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি সরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্পে সীমিত বাজেট থেকে সবচেয়ে বেশি মানুষকে টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া। ব্যাখ্যা: এখানে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষের জীবন রক্ষা করার উপযোগবাদী নীতির বাস্তব প্রয়োগ ঘটেছে। উদাহরণ ২: রাস্তা তৈরির সময় অল্প কিছু মানুষের জমির ক্ষতি হলেও শহরের লক্ষ লক্ষ মানুষের যাতায়াত সহজ করার ব্যবস্থা করা। ব্যাখ্যা: এটি বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কল্যাণের জন্য উপযোগবাদের একটি ধ্রুপদী প্রয়োগ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আত্মস্বার্থবাদ — এই তত্ত্বে কেবল নিজের স্বার্থ ও সুখের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, যা সর্বোচ্চ সুখের সর্বজনীন ধারণার পরিপন্থী। B) পরার্থবাদ — এই তত্ত্বে নিজের সুখ ত্যাগ করে অন্যের কল্যাণের কথা বলা হয়, যা সর্বোচ্চ সুখের সামগ্রিক হিসাবের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। C) পূর্ণতাবাদ — এটি মানুষের নৈতিক চরিত্র ও উৎকর্ষ সাধনের ওপর জোর দেয়, সরাসরি সুখ বা আনন্দের পরিমাণ বাড়ানোর ওপর নয়। D) উপযোগবাদ — এটি সর্বাধিক মানুষের সর্বোচ্চ সুখ নিশ্চিত করার মানদণ্ডকে সমর্থন করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - উপযোগবাদ মানে হলো উপযোগ বা কল্যাণ বাড়ানো, অর্থাৎ সবার জন্য সুখ নিশ্চিত করা। - পরীক্ষার প্রশ্নে সর্বোচ্চ সুখ বা সর্বাধিক কল্যাণ দেখলেই উপযোগবাদ উত্তর হিসেবে নির্বাচন করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উপযোগবাদের প্রবক্তা হিসেবে জেরেমি বেন্থাম ও জন স্টুয়ার্ট মিলের নাম মনে রাখবে। - এই নীতি থেকে প্রায়শই ফলাফলভিত্তিক নৈতিকতা বা সর্বাধিক কল্যাণের ধারণা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a 2010
b 2011
c 2012
d 2013
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০১২ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে ২০১২ সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়ন করা হয়। - এটি রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার একটি সুনির্দিষ্ট নৈতিক দলিল। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - সুশাসন ও জবাবদিহি: রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও ক্ষমতার সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করাই সুশাসনের মূল লক্ষ্য। - প্রয়োগ: সরকারি ও বেসরকারি প্রতিটি স্তরে নিয়ম মেনে চলা এবং সেবামূলক মানসিকতা বজায় রাখা। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরকারি অফিসে সেবা নিতে গেলে নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত অর্থ প্রদান থেকে বিরত থাকা। ব্যাখ্যা: এটি স্বচ্ছতা ও দুর্নীতি প্রতিরোধের নৈতিক দায়িত্বের বহিঃপ্রকাশ। উদাহরণ ২: নিজের দায়িত্বের কাজ সময়মতো ও সঠিকভাবে সম্পন্ন করা। ব্যাখ্যা: এটি পেশাগত সততা ও কর্তব্যপরায়ণতার বাস্তব প্রয়োগ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১০ — এই সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণীত হয়নি, এটি সঠিক সময়ের আগের বছর। B) ২০১১ — এই সালটি শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়নের ঠিক আগের বছর, তাই এটি সঠিক নয়। C) ২০১২ — এটি সঠিক বছর যখন বাংলাদেশে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবর্তন করা হয়। D) ২০১৩ — এই সালটি শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়নের পরের বছর, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সালটি মনে রাখতে এভাবে মনে করতে পারো, বাংলাদেশ সরকারের সুশাসন যাত্রায় ২০১২ সালটি শুদ্ধাচার কৌশল চালুর বছর হিসেবে বিশেষভাবে স্মরণীয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল মূলত সুশাসন, স্বচ্ছতা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে নৈতিক প্রতিরোধ গড়ার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। - এই টপিক থেকে শুদ্ধাচার কৌশলের মূল লক্ষ্য বা এর আওতাধীন বিষয়গুলো নিয়েও প্রশ্ন আসতে পারে।
a ৩টি
b ৫টি
c ৪টি
d ৬টি
0 143 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪টি ১. কেন সঠিক: বিশ্বব্যাংকের মতে সুশাসনের মূল উপাদান ৪টি। এই উপাদানগুলো হলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনি কাঠামো বা আইনের শাসন এবং জনঅংশগ্রহণ। সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে রাষ্ট্রে দুর্নীতি হ্রাস পায় এবং নাগরিক অধিকার নিশ্চিত হয়। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে জনকল্যাণকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক উপায়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করা হয়। গুরুত্ব: সুশাসন নিশ্চিত হলে সমাজের প্রতিটি স্তরে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং নাগরিকরা তাদের মৌলিক অধিকার ভোগ করতে পারে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরকারি কোনো দপ্তরে কাজের জন্য নির্ধারিত ফি এবং সময়সীমা টাঙিয়ে দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের স্বচ্ছতা নীতির সঙ্গে সম্পর্কিত যা সাধারণ মানুষকে হয়রানি থেকে রক্ষা করে। উদাহরণ ২: স্থানীয় উন্নয়নমূলক কাজে জনগণের মতামত গ্রহণ করা। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের জনঅংশগ্রহণ নীতির বাস্তব প্রয়োগ যা কাজের গুণগত মান বৃদ্ধি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩টি — বিশ্বব্যাংকের সুশাসনের উপাদান ৩টি নয়, কারণ আন্তর্জাতিকভাবে সুশাসনের মূল ভিত্তি হিসেবে ৪টি সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্রকে চিহ্নিত করা হয়েছে। B) ৫টি — ৫টি উপাদান জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপির সুশাসন ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত, বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে নয়। D) ৬টি — ৬টি উপাদান বিশ্বব্যাংকের সূচকের ক্ষেত্রে ভিন্ন হতে পারে, তবে সুশাসনের মূল উপাদান হিসেবে ৪টিকেই সর্বজনীনভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: বিশ্বব্যাংকের ৪টি স্তম্ভ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সা-জবা-আই-অ (স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইন, অংশগ্রহণ)। ইউএনডিপির উপাদান ৫টি এবং বিশ্বব্যাংকের ৪টি, এই সংখ্যাগত পার্থক্য পরীক্ষার জন্য ভালোভাবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সুশাসনের উপাদান থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। একই নীতি থেকে বিশ্বব্যাংক কত সালে সুশাসন ধারণার প্রকাশ করে কিংবা সুশাসনের মূল ভিত্তি কী, এ ধরনের প্রশ্নও আসতে পারে।
a সক্রেটিস
b প্লেটো
c অ্যারিস্টটল
d বেনথাম
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্লেটো ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক প্লেটো তার রিপাবলিক গ্রন্থে সুশাসক বা ফিলোসফার কিং ধারণার ওপর সর্বাধিক জোর দিয়েছেন। - সংশ্লিষ্ট নৈতিক নীতি হলো নেতৃত্ব, নৈতিক চরিত্র এবং সুশাসন, যা বাহ্যিক আইনের চেয়ে শাসকের ভেতরের নৈতিকতাকে বেশি প্রাধান্য দেয়। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: নৈতিক নেতৃত্ব বলতে এমন এক গুণাবলিকে বোঝায় যেখানে শাসক বা দায়িত্বশীল ব্যক্তি ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সততা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেন। - গুরুত্ব: সমাজে আইনের কঠোর প্রয়োগের চেয়ে নৈতিকতার চর্চা অপরাধ প্রবণতা কমায় এবং দীর্ঘস্থায়ী সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে একজন কর্মকর্তা দুর্নীতিমুক্ত থেকে স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করছেন। ব্যাখ্যা: এটি ব্যক্তিগত সততা ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহির প্রকাশ যা আলাদা কোনো শাস্তিমূলক আইনের ভয়ে নয়, বরং নিজের নৈতিক দায়বদ্ধতা থেকে আসে। উদাহরণ ২: ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলা শুধু পুলিশি ভয়ে নয়, বরং সড়ক নিরাপত্তার দায়িত্ববোধ থেকে করা। ব্যাখ্যা: এটি নাগরিক কর্তব্য এবং স্বপ্রণোদিত নৈতিক আচরণের চমৎকার উদাহরণ যা সমাজকে শৃঙ্খলাপূর্ণ করে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সক্রেটিস — সক্রেটিস নৈতিক জ্ঞান ও গুণের কথা বললেও উল্লিখিত সুনির্দিষ্ট উক্তিটি তার নয়, বরং তার শিষ্য প্লেটোর রাজনৈতিক দর্শনের অংশ। B) প্লেটো — প্লেটো তার রাষ্ট্রচিন্তায় আদর্শ শাসকের নৈতিক গুণাবলিকে আইনের ওপর স্থান দিয়েছেন, যা এই উক্তির সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। C) অ্যারিস্টটল — অ্যারিস্টটল আইনভিত্তিক সংবিধান ও সাংবিধানিক সরকারের ওপর বেশি জোর দিয়েছেন, তাই এই উক্তিটি তার মতের সঙ্গে মেলে না। D) বেনথাম — জেরেমি বেনথাম উপযোগবাদের প্রবক্তা এবং আইন প্রণয়নের মাধ্যমে সমাজের সর্বোচ্চ কল্যাণ সাধনের কথা বলেছেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্লেটোর আদর্শ রাষ্ট্রে রাজা হবেন দার্শনিক বা মহৎ গুণসম্পন্ন, তাই মহৎ গুণ ও আইন সম্পর্কিত উক্তিটি দেখলে প্লেটোকে নির্বাচন করবে। - আইন নিষ্প্রয়োজন কথাটি শাসকের নৈতিকতার উৎকর্ষ বোঝাতে প্লেটো ব্যবহার করেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নৈতিক নেতৃত্ব এবং সুশাসনের মূল ভিত্তি হলো নেতার সততা ও চারিত্রিক দৃঢ়তা। - এই প্রশ্ন থেকে প্রায়ই ফিলোসফার কিং বা দার্শনিক রাজা সম্পর্কিত নৈতিক ও রাজনৈতিক প্রশ্ন পরীক্ষায় আসে।
a মূল্যবোধ
b আইনের শাসন
c গণতন্ত্র
d আমলাতন্ত্র
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গণতন্ত্র ১. কেন সঠিক: - সুশাসনের মূল ভিত্তি হলো গণতন্ত্র কারণ এটি জনগণের অংশগ্রহণ, অধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। - সুশাসন ও জবাবদিহি ধারণার সঙ্গে গণতন্ত্র সরাসরি সম্পর্কিত, যেখানে রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষমতা জনগণের হাতে ন্যস্ত থাকে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: গণতন্ত্র হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে জনগণের সরাসরি বা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়। - গুরুত্ব: এটি সমাজে সমতা, ন্যায়বিচার এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। - প্রয়োগ: সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণে জনগণের মতামত নেওয়া এবং জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া। - সম্ভাব্য প্রভাব: গণতান্ত্রিক চর্চার মাধ্যমে সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্থানীয় সরকারের উন্নয়নমূলক কাজে এলাকাবাসীর উন্মুক্ত সভা ডেকে মতামত নেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি গণতন্ত্রের মূল নীতি অংশগ্রহণমূলক শাসনব্যবস্থাকে বাস্তবায়ন করে এবং সুশাসন নিশ্চিত করে। উদাহরণ ২: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, নেতৃত্ব এবং দায়িত্ববোধ তৈরি করতে সহায়তা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মূল্যবোধ — এটি সুশাসনের অন্যতম অনুষঙ্গ ও নৈতিক ভিত্তি হলেও এককভাবে প্রাতিষ্ঠানিক শাসনব্যবস্থার ভিত্তি নির্দেশ করে না। B) আইনের শাসন — এটি সুশাসনের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হলেও গণতান্ত্রিক কাঠامোর অনুপস্থিতিতে আইনের শাসন পূর্ণতা পায় না। C) গণতন্ত্র — এটি সুশাসনের মূল ভিত্তি হিসেবে সর্বজনীনভাবে স্বীকৃত এবং প্রদত্ত সঠিক উত্তর। D) আমলাতন্ত্র — এটি রাষ্ট্র পরিচালনার একটি প্রশাসনিক যন্ত্র মাত্র, সুশাসনের মূল ভিত্তি বা চালিকাশক্তি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুশাসনের চাবিকাঠি হলো জনগণ এবং জনগণের শাসনই হলো গণতন্ত্র। - সুশাসন মানেই জনগণের অংশগ্রহণ, জবাবদিহি এবং আইনের শাসন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - গণতন্ত্র ও সুশাসন একে অপরের পরিপূরক এবং একটি ছাড়া অন্যটি টেকসই হতে পারে না। - এই নীতি থেকে সুশাসনের মূল স্তম্ভ কয়টি বা কী কী, তা নিয়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে।
a সমাজ
b নৈতিক চেতনা
c রাষ্ট্র
d ধর্ম
0 142 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমাজ ১. কেন সঠিক: নৈতিক মূল্যবোধের মূল ভিত্তি হলো মানবসমাজ এবং সামাজিক মিথস্ক্রিয়া। মানুষ সমাজবদ্ধ জীব হিসেবে বসবাসের সময় পারস্পরিক বোঝাপড়া, ন্যায়-অন্যায় বিচার এবং কল্যাণের ধারণা থেকে মূল্যবোধ গড়ে ওঠে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: সমাজ হলো এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে মানুষ যৌথভাবে বসবাস করে এবং কিছু সাধারণ নিয়ম ও আচার-আচরণ অনুসরণ করে। গুরুত্ব: সামাজিক মূল্যবোধ মানুষকে শৃঙ্খলিত করে এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সহায়তা করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাজবদ্ধভাবে চলার সময় একে অপরের বিপদে এগিয়ে আসা সামাজিক মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ। ব্যাখ্যা: এটি মানুষের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতার নীতিকে প্রতিফলিত করে। উদাহরণ ২: এলাকার সাধারণ সম্প্রীতি রক্ষায় মুরুব্বিদের সম্মান করা এবং ছোটদের স্নেহ করা। ব্যাখ্যা: এটি সমাজের প্রচলিত নৈতিক নিয়ম ও শিষ্টাচারের সঠিক প্রয়োগ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাজ — এটি সঠিক কারণ মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতেই মূল্যবোধের সৃষ্টি হয়। B) নৈতিক চেতনা — এটি মূল্যবোধের বিকাশ ঘটায় কিন্তু উৎস হিসেবে সমাজ মুখ্য ভূমিকা পালন করে। C) রাষ্ট্র — রাষ্ট্র আইন তৈরি করে, তবে আইন প্রণয়নের আগে সামাজিক মূল্যবোধ গঠিত হয়। D) ধর্ম — ধর্ম নৈতিকতাকে শক্তিশালী করে, তবে ধর্মীয় প্রবর্তনের আগেই আদি সমাজে মূল্যবোধের সূচনা হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: মানুষ যেখানে প্রথম বসবাস শুরু করে অর্থাৎ সমাজ, সেখান থেকেই নৈতিক মূল্যবোধের উৎপত্তি ঘটে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সামাজিক সম্পর্ক এবং মানব কল্যাণই হলো নৈতিকতার মূল ভিত্তি। একই নীতি থেকে নৈতিকতার উৎস বা উপাদান সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a ইমানুয়েল কান্ট
b টমাস হবস্
c জন স্টুয়ার্ট মিল
d জেরেমি বেন্থাম
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জন স্টুয়ার্ট মিল ১. কেন সঠিক: - জন স্টুয়ার্ট মিল ১৮৫৯ সালে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত অন লিবার্টি গ্রন্থে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও সমাজের কর্তৃত্বের সীমানা নির্ধারণ করেছেন। - এটি নাগরিক অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং উদারনৈতিক মূল্যবোধের অন্যতম প্রধান তাত্ত্বিক দলিল হিসেবে স্বীকৃত। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এমন একটি নৈতিক অধিকার, যেখানে প্রতিটি মানুষ সমাজ বা রাষ্ট্রের অযাচিত হস্তক্ষেপ ছাড়া নিজের চিন্তা ও পছন্দমতো জীবনযাপন করতে পারে। - প্রয়োগ: রাষ্ট্রে বসবাসকারী প্রতিটি নাগরিকের স্বাধীনভাবে কথা বলার, মতামত প্রকাশ করার এবং বিশ্বাসের চর্চা করার অধিকার রক্ষা করা। - সম্ভাব্য প্রভাব: নাগরিক স্বাধীনতার চর্চা সমাজে মুক্তচিন্তার বিকাশ ঘটায়, মানুষের সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করে এবং গণতান্ত্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠা সহজ করে তোলে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে কোনো সহকর্মী ভুল নীতি বা অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে তাঁর মতামতের প্রতি সম্মান দেখানো। ব্যাখ্যা: এটি জন স্টুয়ার্ট মিলের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা বৈচিত্র্যময় চিন্তার মূল্যায়ন করে। উদাহরণ ২: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের গঠনমূলক সমালোচনা ও নতুন আইডিয়া উপস্থাপনের সুযোগ সৃষ্টি করা। ব্যাখ্যা: এটি মুক্তবুদ্ধির চর্চা নিশ্চিত করে এবং শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল ও সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইমানুয়েল কান্ট — তিনি জার্মান দার্শনিক যিনি মূলত deontological ethics বা কর্ত্তব্যমূলক নৈতিকতা এবং Categorical Imperative তত্ত্বের প্রবক্তা। B) টমাস হবস্ — তিনি লেভিয়াথান গ্রন্থের লেখক এবং সামাজিক চুক্তি তত্ত্বের মাধ্যমে নিরঙ্কুশ রাজতন্ত্রের পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন। C) জন স্টুয়ার্ট মিল — তিনি উপযোগবাদের অন্যতম প্রধান প্রবক্তা এবং অন লিবার্টি গ্রন্থের লেখক হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। D) জেরেমি বেন্থাম — তিনি আধুনিক উপযোগবাদের জনক এবং প্রিন্সিপলস অব মোরালস অ্যান্ড লেজিসলেশন গ্রন্থের প্রণেতা। ৫. মনে রাখার টিপস: - জন স্টুয়ার্ট মিলের নাম এবং অন লিবার্টি গ্রন্থটি মনে রাখতে মিল এবং লিবার্টি শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখা যেতে পারে। - স্বাধীনতার কথা এলেই উদারনীতিবাদের প্রবক্তা হিসেবে জন স্টুয়ার্ট মিলের নাম সবার আগে আসবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই প্রশ্ন থেকে নাগরিক স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার মূল প্রবক্তা সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট হয়। - একই নীতি থেকে উপযোগবাদ বা মুক্তচিন্তার প্রবক্তা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a ল্যাটিন
b গ্রিক
c হিব্রু
d ফারসি
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গ্রিক ১. কেন সঠিক: Governance শব্দটি মূলত গ্রিক শব্দ কিবেরনাও (Kubernao) থেকে উদ্ভূত হয়েছে, যার অর্থ হলো চালনা করা বা পরিচালনা করা। সময়ের বিবর্তনে এই শব্দটি রাষ্ট্র বা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার নীতিমালা ও সুশাসনের ধারণার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: সুশাসন ও জবাবদিহি: সুশাসন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোনো রাষ্ট্র বা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম স্বচ্ছ, ন্যায়সংগত এবং জনকল্যাণমুখীভাবে পরিচালিত হয়। সঠিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় নৈতিক নেতৃত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহির গুরুত্ব অপরিসীম। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা যখন কোনো পক্ষপাতিত্ব না করে নিয়মের মধ্যে থেকে নাগরিকদের সেবা প্রদান করেন। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের মূল নীতি আইনের শাসন ও নিরপেক্ষতার সঠিক প্রয়োগ নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: কোনো প্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনুদান বা জনসম্পদ ব্যবহারের ক্ষেত্রে যখন পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের অন্যতম স্তম্ভ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার বাস্তব প্রতিফলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ল্যাটিন — ল্যাটিন ভাষা থেকে অনেক ইংরেজি শব্দ এলেও Governance শব্দটি সরাসরি ল্যাটিন থেকে আসেনি। B) গ্রিক — এটি সঠিক বিকল্প কারণ শব্দটি গ্রিক শব্দ থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। C) হিব্রু — হিব্রু ভাষা থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বা শাসনের এই পরিভাষাটি আসেনি। D) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে প্রশাসনিক কিছু শব্দ বাংলায় এলেও Governance শব্দটির উৎস ফারসি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: Governance শব্দের উৎপত্তি মনে রাখতে গ্রিক নাবিক বা জাহাজের চালক সংক্রান্ত ধারণাকে মনে রাখতে পারো, কারণ কিবেরনাও শব্দের অর্থ চালনা করা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সুশাসনের মূল উপাদান যেমন স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং আইনের শাসন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক। একই নীতি থেকে সুশাসনের বৈশিষ্ট্য বা সূচক সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a প্লেটো
b রুশো
c বার্ট্রান্ড রাসেল
d জন স্টুয়ার্ট মিল
0 136 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বার্ট্রান্ড রাসেল ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করার কারণ হলো বার্ট্রান্ড রাসেল তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ Human Society in Ethics and Politics-এ সমাজ, রাজনীতি এবং নৈতিকতার গভীর সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেছেন। - এই গ্রন্থটিতে মানবসমাজ গঠনে নৈতিক অনুশাসন এবং রাজনৈতিক দর্শনের পারস্পরিক প্রভাব স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: নৈতিকতা ও রাজনীতি একে অপরের পরিপূরক, যা সমাজকে সুশৃঙ্খল রাখতে সহায়তা করে। - গুরুত্ব: রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নৈতিক মূল্যবোধের প্রয়োগ সুশাসন নিশ্চিত করতে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন জনপ্রতিনিধি যখন ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনগণের কল্যাণে নীতিমালা প্রণয়ন করেন। ব্যাখ্যা: এটি রাজনৈতিক দর্শনে নৈতিকতার সঠিক প্রয়োগের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের সময় নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং সততার সঙ্গে সেবা প্রদান করা। ব্যাখ্যা: এটি সমাজ গঠনে নৈতিক মূল্যবোধ ও জনসেবার দায়িত্ববোধ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্লেটো — প্লেটোর বিখ্যাত গ্রন্থ হলো দ্য রিপাবলিক, যা রাজনৈতিক দর্শন ও ন্যায়বিচার নিয়ে রচিত। B) রুশো — জঁ জাক রুশোর বিখ্যাত গ্রন্থ হলো দ্য সোশ্যাল কন্ট্রাক্ট, যা সামাজিক চুক্তি মতবাদের ওপর প্রতিষ্ঠিত। C) বার্ট্রান্ড রাসেল — এই অপশনটি সঠিক এবং এই গ্রন্থের মাধ্যমে তিনি নৈতিকতা ও রাজনীতির সম্পর্ক ব্যাখ্যা করেছেন। D) জন স্টুয়ার্ট মিল — মিলের বিখ্যাত গ্রন্থ হলো অন লিবার্টি, যা মূলত উপযোগিতাবাদ ও ব্যক্তিস্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিখ্যাত দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেল সমাজ এবং রাজনীতি উভয় ক্ষেত্রেই নৈতিকতার কথা জোরালোভাবে বলেছেন। - গ্রন্থটির নামে পলিটিক্স বা রাজনীতি শব্দ থাকায় এটি দার্শনিক রাসেলের চিন্তাধারার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রাজনৈতিক দর্শন এবং নৈতিকতার সম্পর্ক বুঝতে বার্ট্রান্ড রাসেলের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের প্রশ্ন থেকে বিভিন্ন দার্শনিকের বিখ্যাত গ্রন্থ ও তাদের মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট করা যায়।

মোট প্রশ্ন (29)

a 81
b 85
c 87
d 88
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮৭ ১. কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৭ অনুচ্ছেদে বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি বা বাজেট পেশ করার বিধান স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। - এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারের প্রতি অর্থ বছরের আনুমানিক প্রাপ্তি ও ব্যয়ের বিবরণী রাষ্ট্রপতির সুপারিশক্রমে সংসদে পেশ করতে হয়। ২. সংবিধান ও আইন: - সংবিধানের এই অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী অর্থমন্ত্রী প্রতি বছর জাতীয় সংসদে পরবর্তী অর্থবছরের জন্য সরকারের আয় ও ব্যয়ের হিসাব বা বাজেট পেশ করেন। - সরকারের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা এবং দেশের অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে বার্ষিক আর্থিক বিবৃতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাতীয় বাজেট পেশ ব্যাখ্যা: সংবিধানের ৮৭ অনুচ্ছেদের ক্ষমতা বলে বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রী প্রতি বছর জুনের শুরুতে জাতীয় সংসদে আগামী অর্থবছরের জন্য বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি বা বাজেট উপস্থাপন করেন। উদাহরণ ২: সংসদীয় অনুমোদন ব্যাখ্যা: বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে উল্লিখিত ব্যয় প্রস্তাবগুলো সংসদে সাধারণ আলোচনা ও দাবির মাধ্যমে অনুমোদিত হওয়ার পরই সরকার তহবিল খরচ করার আইনি বৈধতা লাভ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮১ — এই অনুচ্ছেদে আর্থিক বিল বা মানি বিল সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে যা বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি থেকে আলাদা। B) ৮৫ — এই অনুচ্ছেদে সরকারি তহবিলে অর্থ জমা এবং তা উত্তোলনের নিয়মকানুন সম্পর্কে বলা হয়েছে। D) ৮৮ — এই অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদের ওপর চার্জকৃত বা দায়যুক্ত ব্যয়সমূহ সম্পর্কে বিবরণ প্রদান করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সংবিধানের আর্থিক বিষয়াদি মনে রাখার জন্য অনুচ্ছেদ ৮১ থেকে ৮৯ পর্যন্ত একসঙ্গে পড়া উচিত। - আশি বা আশির পরের অনুচ্ছেদগুলো সাধারণত সরকারি অর্থ, বাজেট ও কর ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংবিধানের অর্থ সংক্রান্ত অনুচ্ছেদগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাজেট পাস না হলে সরকার সংকটে পড়ে, তাই অনুচ্ছেদ ৮৭ এর গুরুত্ব প্রশ্নকর্তাদের খুব প্রিয়।
a ইমামুয়েল কান্ট
b হার্বাট স্পেন্সার
c বার্ট্রান্ড রাসেল
d অ্যারিস্টটল
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইমামুয়েল কান্ট ১. কেন সঠিক: নৈতিক দর্শনে কর্তვ্যের খাতিরে কর্তব্য করাকেই সর্বশ্রেষ্ঠ নৈতিক কাজ বলে মনে করেন জার্মান দার্শনিক ইমামুয়েল কান্ট। কোনো ধরনের প্রলোভন, ভয় বা ব্যক্তিগত লাভের আশায় নয়, কেবল নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকেই সঠিক কাজটি করা উচিত। ২. দার্শনিক প্রেক্ষাপট: জার্মান দার্শনিক ইমামুয়েল কান্ট অষ্টাদশ শতকের প্রখ্যাত একজন চিন্তাবিদ ও নীতিশাস্ত্রবিদ। তাঁর এই মতবাদটি কান্টের ডিওন্টোলজিক্যাল বা কর্তব্যমূলক নীতিশাস্ত্র নামে পরিচিত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা ঘুষ না নিয়ে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। ব্যাখ্যা: এটি ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়, বরং নিজের পেশাগত ও নৈতিক দায়িত্ব পালনের জন্যই করা হয়। উদাহরণ ২: একজন নাগরিক কোনো পুরস্কারের আশায় নয়, বরং দেশের আইন ও সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধা থেকেই তা মেনে চলেন। ব্যাখ্যা: এটি নাগরিক দায়িত্ববোধের বহিঃপ্রকাশ যা কর্তব্যের জন্য কর্তব্য ধারণার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইমামুয়েল কান্ট — নৈতিক দর্শনে কর্তব্যের জন্য কর্তব্য ধারণার প্রধান প্রবর্তক হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। B) হার্বাট স্পেন্সার — তিনি একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ সমাজবিজ্ঞানী ও দার্শনিক যিনি সামাজিক বিবর্তনবাদ প্রচার করেছিলেন। C) বার্ট্রান্ড রাসেল — তিনি বিংশ শতাব্দীর প্রখ্যাত ব্রিটিশ দার্শনিক, গণিতবিদ ও শান্তিবাদী চিন্তাবিদ ছিলেন। D) অ্যারিস্টটল — প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল তাঁর নীতিশাস্ত্রে সদ্‌গুণ বা ভার্চু তত্ত্বের ওপর জোর দিয়েছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: কান্ট শব্দটির সঙ্গে কর্তব্য শব্দটির মিল খুঁজে নিতে পারো। কান্ট মানেই নীতিশাস্ত্রের কর্তব্যের দর্শন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের দার্শনিক মতবাদ এবং তাদের প্রবর্তকদের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। একই বিষয় থেকে দার্শনিক মতবাদ এবং সংশ্লিষ্ট প্রবর্তকদের নাম মিলিয়ে প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
a ৩টি
b ৪টি
c ৫টি
d ৬টি
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩টি ১. কেন সঠিক: - ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ছয় দফার মধ্যে ৩টি দফা সরাসরি অর্থনীতি ও অর্থব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল। - এই দফাগুলোতে পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণ, বৈদেশিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ এবং নিজস্ব মুদ্রা চালুর সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব ছিল। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম ছয় দফা পেশ করেন। - তারিখ ও স্থান: ১৯৬৬ সালের ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে লাহোর প্রস্তাবের আদলে ছয় দফা দাবি উত্থাপন করা হয় এবং একই বছরের ৮ জুন ঘোষিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: দ্বিতীয় দফা ব্যাখ্যা: এই দফায় কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা কেবল প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক নীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: অর্থনৈতিক দফাগুলো ব্যাখ্যা: তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম দফায় যথাক্রমে মুদ্রা, রাজস্ব ও বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য পৃথক বা নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ অর্থনীতি বিষয়ক দফা ছিল ৩টি (তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম দফা)। B) ৪টি — এই অপশনটি ভুল কারণ ছয় দফায় অর্থনীতি বিষয়ক দফা ৪টি ছিল না। C) ৫টি — এই অপশনটি ভুল কারণ রাজনীতি ও সামরিক বিষয়সহ মোট দফা ছিল ৬টি, যার মধ্যে অর্থনৈতিক দফা ছিল ৩টি। D) ৬টি — এই অপশনটি ভুল কারণ ছয় দফায় মোট দফার সংখ্যা ৬টি হলেও এর মধ্যে সব দফা অর্থনৈতিক ছিল না, কিছু দফা রাজনৈতিক ও সামরিক বিষয়ক ছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - ছয় দফাকে মনে রাখার সহজ উপায় হলো একে দুই ভাগে ভাগ করা। প্রথম ৩টি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক, পরের ৩টি অর্থনৈতিক ও সামরিক। - অর্থনৈতিক দফাগুলো হলো ৩, ৪ ও ৫ নম্বর দফা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই ছয় দফার কোন দফা কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত তা জানতে চাওয়া হয়। - ছয় দফার প্রথম দফা ছিল স্বায়ত্তশাসন, দ্বিতীয় দফা প্রতিরক্ষা এবং তৃতীয় দফা মুদ্রা সম্পর্কিত।
a শ্রম বাজার
b চাকুরি বাজার
c স্টক মার্কেট
d কৃষি বাজার
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্টক মার্কেট ১. কেন সঠিক: - সেকেন্ডারি মার্কেট হলো এমন একটি আর্থিক বাজার যেখানে পূর্বে ইস্যু করা শেয়ার, বন্ড ও অন্যান্য সিকিউরিটিজ বাও বা কেনাবেচা করা হয়। প্রাথমিক বাজার থেকে কোম্পানি শেয়ার বিক্রির পর সেই শেয়ারগুলো সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হাতবদল হয় এই সেকেন্ডারি মার্কেটের মাধ্যমে। - বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ হলো এই সেকেন্ডারি মার্কেটের প্রধান দুটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়। ২. অর্থনীতি ও বাজার ব্যবস্থার প্রেক্ষাপট: - আর্থিক প্রতিষ্ঠান: পুঁজিবাজার বা স্টক মার্কেট দেশের দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়নের মূল উৎস হিসেবে কাজ করে। - নিয়ন্ত্রক সংস্থা: বাংলাদেশের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি করে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রধান পুঁজিবাজার এবং এর কার্যক্রম মূলত সেকেন্ডারি মার্কেটের মাধ্যমেই পরিচালিত হয়। উদাহরণ ২: শেয়ার কেনাবেচা ব্যাখ্যা: সাধারণ নাগরিক বা বিনিয়োগকারী যখন ব্রোকার হাউজের মাধ্যমে ইতিমধ্যে তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানির শেয়ার কেনে বা বিক্রি করে, সেটি সেকেন্ডারি মার্কেটের লেনদেন হিসেবে গণ্য হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রম বাজার — শ্রম বাজার বলতে দেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী এবং কর্মসংস্থানের সুযোগের চাহিদাকে বোঝায়, যার সাথে শেয়ার বা সিকিউরিটিজের কোনো সম্পর্ক নেই। B) চাকুরি বাজার — চাকুরি বাজার হলো কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র যেখানে চাকরিপ্রার্থীরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজের সুযোগ সন্ধান করেন। D) কৃষি বাজার — কৃষি বাজার হলো কৃষিপণ্য উৎপাদন, বিপণন এবং কেনাবেচার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক খাত। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাইমারি মার্কেট মানে প্রথমবার শেয়ার ইস্যু করা এবং সেকেন্ডারি মার্কেট মানে সেই শেয়ারের পরবর্তী কেনাবেচা বা হাতবদল হওয়া। স্টক মার্কেট শব্দটির সঙ্গে সেকেন্ডারি মার্কেট শব্দটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা ব্যাংক পরীক্ষায় পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, যার সঠিক উত্তর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। সেকেন্ডারি মার্কেট ও প্রাইমারি মার্কেটের পার্থক্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে পুঁজিবাজার সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব।
a রাজশাহী-দিনাজপুর
b বরগুনা-পটুয়াখালী
c রাঙামাটি-বান্দরবন
d সিলেট-হবিগঞ্জ
0 128 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাজশাহী-দিনাজপুর ১. কেন সঠিক: - ওরাও জনগোষ্ঠী প্রধানত উত্তরবঙ্গের রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া অঞ্চলে বসবাস করে। - এই অঞ্চলের বরেন্দ্রভূমি তাদের দীর্ঘকাল ধরে বসতি স্থাপনের প্রধান ভৌগোলিক এলাকা হিসেবে পরিচিত। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ওরাওরা দ্রাবিড় ভাষাভাষী জনগোষ্ঠী যারা প্রাচীনকাল থেকেই কৃষি কাজের সঙ্গে যুক্ত। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: তারা নিজেদের কুড়ুখ বলে পরিচয় দেয় এবং তাদের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতির স্বকীয়তা রয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাঁওতাল জনগোষ্ঠী ব্যাখ্যা: ওরাওদের মতো সাঁওতালরাও উত্তরবঙ্গের রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চলে বসবাস করে। উদাহরণ ২: রাজবংশী জনগোষ্ঠী ব্যাখ্যা: উত্তরবঙ্গের জনমিতি ও সংস্কৃতিতে এই জনগোষ্ঠীর বড় ভূমিকা রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজশাহী-দিনাজপুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ ওরাও জনগোষ্ঠী প্রধানত উত্তরবঙ্গের এই অঞ্চলেই বসবাস করে। B) বরগুনা-পটুয়াখালী — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলীয় এলাকা যেখানে মারমা বা রাখাইনরা বাস করে। C) রাঙামাটি-বান্দরবন — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি পার্বত্য চট্টগ্রাম যেখানে চাকমা, মারমা ও তঞ্চঙ্গ্যারা বাস করে। D) সিলেট-হবিগঞ্জ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি উত্তর-পূর্বাঞ্চল যেখানে খাসিয়া ও মণিপুরী জনগোষ্ঠী বাস করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ওরাওদের ও দিয়ে উত্তরবঙ্গের রাজশাহী-দিনাজপুর মনে রাখা সহজ। - উত্তরবঙ্গের প্রধান আদিবাসী বলতে ওরাও ও সাঁওতালদের বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভৌগোলিক অবস্থান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কোন জনগোষ্ঠী কোন অঞ্চলে বাস করে তা ছক আকারে পড়লে মনে রাখা সহজ হয়।
a তুলা
b তামাক
c পেয়ারা
d তরমুজ
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তামাক ১. কেন সঠিক: - ম্যানিলা হলো বাংলাদেশে চাষ করা তামাকের একটি অত্যন্ত উন্নত ও জনপ্রিয় জাত। - কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন ফসলের উচ্চ ফলনশীল ও মানসম্মত জাতের নামকরণের ক্ষেত্রে উৎপত্তিস্থল বা বিশেষ বৈচিত্র্য বিবেচনা করা হয়। ২. কৃষি, শিল্প ও অর্থনীতি: - কৃষি গবেষণা: বাংলাদেশের আবহাওয়া ও মাটিতে চাষ উপযোগী বিভিন্ন বিদেশি ফসলের জাত অভিযোজন করিয়ে উন্নত করা হয়। - অর্থনৈতিক গুরুত্ব: তামাক একটি অর্থকরী ফসল হওয়া সত্ত্বেও এর চাষাবাদ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রত্না ও ধান্দি ব্যাখ্যা: এগুলো বাংলাদেশের কৃষিতে পরিচিত ধানের উচ্চ ফলনশীল জাত, যা খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ভূমিকা রাখে। উদাহরণ ২: বারি পেয়ারা ১ ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত ফলের উন্নত জাত, যা ফল উৎপাদনে দেশের স্বাবলম্বিতা নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুলা — তুলা ফসলের ক্ষেত্রে সিবিএস বা ডેલાফিনের মতো উন্নত জাত ব্যবহৃত হয়, ম্যানিলা তুলা নয়। C) পেয়ারা — পেয়ারার জনপ্রিয় জাতগুলোর মধ্যে কাজলা ও থাই পেয়ারা উল্লেখযোগ্য, ম্যানিলা পেয়ারার জাত নয়। D) তরমুজ — তরমুজের উন্নত জাতগুলোর মধ্যে ড্রাগনকিং বা অ্যাস্কো বেশ পরিচিত, ম্যানিলা তরমুজের নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ম্যানিলা নাম শুনলেই ফিলিপাইনের রাজধানী হিসেবে মনে পড়ে, আর কৃষিতে এটি তামাকের একটি উন্নত জাত হিসেবে পরীক্ষাগারে বা মাঠে ব্যবহৃত হয়। - ফসলের জাত মনে রাখতে উৎপত্তিস্থল বা নামের সঙ্গে মিল রেখে তালিকা তৈরি করে পড়লে সহজে মুখস্থ থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নির্দিষ্ট ফসলের উন্নত জাতের নাম জানতে চাওয়া হয়। - কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি থেকে এমন প্রশ্ন ব্যাংক ও বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে।
a প্রধান নির্বাচন কমিশনার
b চেয়ারম্যান, পাবলিক সার্ভিস কমিশন
c চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন
d কনট্রোলার ও অডিটর জেনারেল
0 177 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ভুল। প্রশ্নকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত সঠিক উত্তর ছিল বি, কিন্তু বাস্তবে সঠিক উত্তর সি। বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন বা পিএসসি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, তাই এর চেয়ারম্যান একটি সাংবিধানিক পদ। পক্ষান্তরে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন একটি আইন দ্বারা গঠিত স্বাধীন কমিশন, তাই এর চেয়ারম্যান সাংবিধানিক পদ নন। - বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান রয়েছে। অন্যদিকে, ২০০৯ সালের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন অনুযায়ী মানবাধিকার কমিশন গঠিত হয়। ২. সংবিধান ও আইন: - সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ: বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদের ক্ষমতাববলে পিএসসি গঠিত হয়। - সংবিধানির্ভর পদ: যে পদসমূহ সরাসরি সংবিধানের বিধান অনুযায়ী সৃষ্টি হয় এবং যাদের অপসারণ বা নিয়োগের প্রক্রিয়া সংবিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, সেগুলো সাংবিধানিক পদ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রধান নির্বাচন কমিশনার ব্যাখ্যা: সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়, তাই প্রধান নির্বাচন কমিশনার একটি সাংবিধানিক পদ। উদাহরণ ২: কনট্রোলার ও অডিটর জেনারেল ব্যাখ্যা: সংবিধানের ১২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সিএজি পদটি সৃষ্টি হয়েছে, যা দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক হিসাব পরীক্ষক পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রধান নির্বাচন কমিশনার — এটি সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত নির্বাচন কমিশনের প্রধান পদ হওয়ায় এটি একটি সাংবিধানিক পদ। B) চেয়ারম্যান, পাবলিক সার্ভিস কমিশন — এটি সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত সরকারি কর্ম কমিশনের প্রধান পদ হওয়ায় এটি একটি সাংবিধানিক পদ। C) চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন — এটি ২০০৯ সালের সাধারণ আইনের মাধ্যমে গঠিত একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, তাই এর চেয়ারম্যান সাংবিধানিক পদ নন। D) কনট্রোলার ও অডিটর জেনারেল — এটি সংবিধানের ১২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সৃষ্টি হওয়া বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদ। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে সকল পদের সুনির্দিষ্ট অনুচ্ছেদ সংবিধানের ভেতর সরাসরি উল্লেখ থাকে, সেগুলোকে সাংবিধানিক পদ বলে। - পিএসসি, নির্বাচন কমিশন, সিএজি এবং অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবিধানিক পদ হলেও দুর্নীতি দমন কমিশন বা মানবাধিকার কমিশন সাধারণ আইনে গঠিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের পার্থক্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্তFrequently আসে। - পিএসসি এবং নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক অনুচ্ছেদ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a 1977
b 2008
c 2015
d 2019
0 132 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 2015 ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশে এ পর্যন্ত যতগুলো কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে, তার মধ্যে ২০১৫ সালে কোনো কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো নির্ধারিত সময় পরপর কৃষিশুমারি পরিচালনা করে থাকে, কিন্তু ২০১৫ সালটি সেই শুমারি বছরগুলোর অন্তর্ভুক্ত নয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: কৃষি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: কৃষিশুমারি হলো দেশের কৃষিখাতের সার্বিক চিত্র তুলে ধরার একটি প্রাতিষ্ঠানিক পরিসংখ্যানগত প্রক্রিয়া। পরিসংখ্যান ও শুমারি: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএস দেশের কৃষি ও জনশুমারির মূল দায়িত্ব পালনকারী একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭৭ সালের কৃষিশুমারি ব্যাখ্যা: স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালে প্রথম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়, যা যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশের কৃষি কাঠামো বুঝতে সাহায্য করেছিল। উদাহরণ ২: ২০১৯ সালের কৃষিশুমারি ব্যাখ্যা: এটি ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের ষষ্ঠ কৃষিশুমারি, যা ডিজিটাল পদ্ধতিতে কৃষিজমির ব্যবহার ও ফসলের তথ্য সংগ্রহ করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1977 - এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ ১৯৭৭ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম কৃষিশুমারি সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। B) 2008 - এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ ২০০৮ সালে বাংলাদেশের চতুর্থ কৃষিশুমারি পরিচালিত হয়েছিল। C) 2015 - এই অপশনটি সঠিক কারণ এই বছর বাংলাদেশে কোনো কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি। D) 2019 - এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ ২০১৯ সালে দেশের ষষ্ঠ কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পর কৃষিশুমারিগুলো সাধারণত ১৯৭৭, ১৯৮৩, ১৯৯৬, ২০০৮ এবং ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাঝের বেজোড় সালগুলোতে সাধারণত কৃষিশুমারি না হয়ে জনশুমারি বা অর্থনৈতিক শুমারি হয়ে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কৃশিসুমারি কোন প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে এবং প্রথম কৃষিশুমারি কত সালে হয়, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে পরবর্তীতে শুমারির ক্রমিক নম্বর বা সর্বশেষ শুমারির সাল নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
a আনিসুর রহমান
b রেহমান সোবহান
c নুরুল ইসলাম
d রওনক জাহান
0 125 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রেহমান সোবহান ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি রেহমান সোবহান রচিত একটি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ এবং বাংলাদেশের অর্থনীতি ও মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসের অন্যতম প্রামাণ্য দলিল। - এই বইটিতে বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহানের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বছরগুলো এবং বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের পটভূমি বিস্তারিতভাবে উঠে এসেছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: রেহমান সোবহান বাংলাদেশের প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ এবং সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ বা সিপিডি এর প্রতিষ্ঠাতা। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ষাটের দশকে পাকিস্তানের বৈষম্যমূলক অর্থনীতির বিরুদ্ধে বাঙালির পক্ষে যে কটি মেধাবী মন কাজ করেছিল রেহমান সোবহান তাদের অন্যতম। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রেহমান সোবহান রচিত বাংলাদেশ ফ্রম এ সেমি কলোনি টু এন ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্টেট। ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ইতিহাস এবং পাকিস্তানের ভেতরের বৈষম্য বোঝার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ। উদাহরণ ২: ডক্টর নুরুল ইসলাম রচিত মেকিং অব এ নেশন বাংলাদেশ। ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রথম পরিকল্পনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যানের লেখা আরেকটি ঐতিহাসিক আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনিসুর রহমান — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি অর্থনীতিবিদ ও গবেষক হলেও আলোচ্য গ্রন্থটি তাঁর রচিত নয়। B) রেহমান সোবহান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি স্বয়ং Untranquil Recollections দ্য ইয়ার্স অব ফুলফিলমেন্ট গ্রন্থটির লেখক। C) নুরুল ইসলাম — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি মেকিং অব এ নেশন বাংলাদেশ গ্রন্থটি রচনা করেছেন। D) রওনক জাহান — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি মূলত নারী আন্দোলন এবং রাজনৈতিক বিষয়ে পাকিস্তান ফেইলড ইন পাকিস্তান কুয়েস্ট স্টেট বিল্ডিং গ্রন্থটি লিখেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: রেহমান সোবহানের নামের সঙ্গে সোবহান শব্দটি মনে রাখলে তার রচিত Untranquil Recollections বইটি সহজে মনে রাখা যায়। অর্থনীতিবিদদের আত্মজীবনীমূলক বইগুলো প্রায়ই ব্যাংক নিয়োগ ও বিসিএস পরীক্ষায় আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের অর্থনীতি ও স্বাধীনতার ইতিহাস সম্পর্কিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ যেমন রেহমান সোবহান এবং নুরুল ইসলামের বইগুলোর নাম পরীক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে রেহমান সোবহান কোন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা কিংবা তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় কোন অর্থনৈতিক তত্ত্বের পক্ষে ছিলেন।
a ৬ নম্বর
b ৭ নম্বর
c ৮ নম্বর
d ৯ নম্বর
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ নম্বর ১. কেন সঠিক: - ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ৮ নম্বর সেক্টরের অধীনে সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং বীরত্ব প্রদর্শন করেন। - এই সেক্টরের অধীনে কুষ্টিয়া, যশোর, ঝিনাইদহ, খুলনা এবং সাতক্ষীরা অঞ্চলের কিছু অংশ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং ৮ নম্বর সেক্টরের প্রথম কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস বা ইপিআরের সদস্য ছিলেন এবং তিনি ৮ নম্বর সেক্টরের গোয়ালহাটি সাব-সেক্টরে যুদ্ধ করেন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: দেশমাতৃকার টানে জীবন উৎসর্গকারী বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ ১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার গোয়ালহাটি গ্রামে শহীদ হন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ব্যাখ্যা: তিনি ৭ নম্বর সেক্টরের অধীনে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে শহীদ হন এবং তাকে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে বিশেষ অবদানের জন্য স্মরণ করা হয়। উদাহরণ ২: বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ব্যাখ্যা: তিনি বিমান বাহিনীর সদস্য হলেও মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি কোনো সেক্টরের স্থলযুদ্ধে অংশ নিতে পারেননি, তবে তার বিমান ছিনতাইয়ের প্রচেষ্টা দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে অনন্য দৃষ্টান্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ নম্বর — এই সেক্টরের অধীনে রংপুর এবং দিনাজপুর জেলা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছিল এবং এই সেক্টরের আওতায় নূর মোহাম্মদ শেখ যুদ্ধ করেননি। B) ৭ নম্বর — এই সেক্টরটি রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং নাটোর জেলা নিয়ে গঠিত ছিল এবং এখানে অন্য বীরশ্রেষ্ঠরা দায়িত্ব পালন করেছিলেন। D) ৯ নম্বর — এই সেক্টরটি সুন্দরবন, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী এবং ঝালকাঠি নিয়ে গঠিত ছিল, যেখানে ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ যুদ্ধ করেননি। ৫. মনে রাখার টিপস: - নূর মোহাম্মদ শেখের নামের সাথে আট সংখ্যাটি মনে রাখার জন্য তার সেক্টর নম্বর ৮-এর সাথে গোয়ালহাটি যুদ্ধের স্থানটি মিলিয়ে নিতে পারো। - বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে কে কোন সেক্টরে ছিলেন, তা মনে রাখতে সেক্টরভিত্তিক বীরদের নামের তালিকা আলাদা করে ছক আকারে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বীরশ্রেষ্ঠদের সেক্টর এবং সাব-সেক্টর সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - একই বিষয় থেকে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের জন্মস্থান, শহীদ হওয়ার তারিখ এবং তার পদবী সংক্রান্ত প্রশ্নও আসতে পারে।
a 1995
b 1996
c 1997
d 1998
0 134 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৯৮ ১. কেন সঠিক: - ১৯৯৮ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে বয়স্কদের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদানের এই যুগান্তকারী কর্মসূচিটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করে। - রাষ্ট্রীয় দায়িত্ববোধ থেকে এবং দেশের প্রবীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তৎকালীন সরকার এই ভাতা প্রবর্তন করে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো গ্রামীণ দরিদ্র, অসহায় ও বয়স্ক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে এবং তাদের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আনতে এই বিশেষ ভাতা কার্যক্রম শুরু হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর সারাদেশে মাঠপর্যায়ে জরিপ ও বাছাইয়ের মাধ্যমে এই ভাতা প্রকৃত مستحق বা উপযুক্ত বয়স্ক ব্যক্তিদের মাঝে সফলভাবে বিতরণ করে থাকে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রবীণ নাগরিকরা সামাজিক ও পারিবারিক মর্যাদার পাশাপাশি ন্যূনতম চিকিৎসা ও খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে সরাসরি সরকারি সহায়তা লাভ করতে শুরু করে। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে এই সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির জন্য প্রথম আর্থিক বরাদ্দ ঘোষণা করা হয় এবং পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালে এর কার্যক্রম মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন করা হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা নারী ভাতা ব্যাখ্যা: বয়স্কভাতার পাশাপাশি সরকার সমাজের আরেকটি vulnerable বা ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিতে ১৯৯৮ সালেই বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা নারী ভাতা কর্মসূচি চালু করে। উদাহরণ ২: অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা ব্যাখ্যা: সমাজের পিছিয়ে থাকা ও বিশেষ চাহিদাসসম্পন্ন জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করার জন্য পরবর্তীতে সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশব্যাপী প্রতিবন্ধী ভাতা কর্মসূচি চালু করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1995 — এই সালে বয়স্কভাতা চালু করা হয়নি, কারণ এটি তখন সামাজিক নিরাপত্তা বাজেটের নীতিগত ভাবনার প্রাথমিক পর্যায়ে ছিল। B) 1996 — এই বছর বর্তমান রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় এসে বয়স্কভাতা প্রবর্তনের রূপরেখা ও পরিকল্পনা তৈরি করলেও তা চালু হয় ১৯৯৮ সালে। C) 1997 — এই অর্থবছরে প্রথম বাজেটে বয়স্কভাতার জন্য আর্থিক বরাদ্দ রাখা হলেও এই কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় ১৯৯৮ সালে। D) 1998 — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই প্রথম বয়স্কদের হাতে ভাতার অর্থ আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া শুরু হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার সহজ কৌশল হলো আওয়ামী লীগ সরকারের প্রথম মেয়াদকাল ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত ছিল, যার ঠিক মধ্যবর্তী বছর অর্থাৎ ১৯৯৮ সালে বয়স্কভাতা চালু হয়। - ১৯৯৮ সালটি দেশের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ইতিহাসে প্রবীণ কল্যাণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি স্মরণীয় বছর হিসেবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সূচনা সাল হিসেবে প্রায়ই ১৯৯৮ সালটি জানতে চাওয়া হয়। - একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে, বয়স্কভাতা কর্মসূচিটি কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাস্তবায়িত হয়, যার সঠিক উত্তর সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়।
a ২ টাকা
b ১০ টাকা
c ৫০ টাকা
d ১০০ টাকা
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ টাকা ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের মুদ্রা ব্যবস্থায় ১ টাকা, ২ টাকা এবং ৫ টাকার নোট ও কয়েনকে সরকারি নোট বলা হয়, যা অর্থ মন্ত্রণালয় বা সরকার জারি করে। এগুলো ব্যাংক নোট নয় বরং সরকারি নোট, কারণ এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে না, বরং অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে। ২. মুদ্রা ও ব্যাংক নোট সম্পর্কিত তথ্য: বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার ১৯৭২ অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের একমাত্র ব্যাংক নোট ও মুদ্রা প্রচলনের একক কর্তৃপক্ষ। ১০ টাকা থেকে শুরু করে উপরের সব নোট ব্যাংক নোট এবং এগুলোতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ৫ টাকা মূল্যমানের নোট। ব্যাখ্যা: ৫ টাকার নোটেও অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে এবং এটিও একটি সরকারি নোট, কোনো ব্যাংক নোট নয়। উদাহরণ ২: ১০০০ টাকা মূল্যমানের নোট। ব্যাখ্যা: এটি দেশের সর্বোচ্চ মানের ব্যাংক নোট এবং এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ টাকা — এটি সরকারি নোট এবং এতে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে, তাই এটি ব্যাংক নোট নয়। B) ১০ টাকা — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত একটি ব্যাংক নোট এবং এতে গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে। C) ৫০ টাকা — এটিও বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রচলিত ব্যাংক নোট যা বাজারে লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হয়। D) ১০০ টাকা — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক জারিকৃত একটি বৈধ ব্যাংক নোট এবং এতে গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: ছোট নোট যেমন এক, দুই ও পাঁচ টাকার নোটে সচিব স্বাক্ষর করেন তাই এগুলো সরকারি নোট। বড় নোট যেমন দশ থেকে শুরু করে হাজার টাকার নোটে গভর্নর স্বাক্ষর করেন তাই এগুলো ব্যাংক নোট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশ ব্যাংকের লোগো এবং গভর্নর ও অর্থ সচিবের স্বাক্ষর সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষায় আসে। কোন নোটটি সরকারি আর কোনটি ব্যাংক নোট, এই পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ঢাকা ও কুমিল্লা
b ময়মনসিংহ ও নেত্রকজোনা
c কুমিল্লা ও নোয়াখালী
d ময়মনসিংহ ও জামালপুর
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কুমিল্লা ও নোয়াখালী ১. কেন সঠিক: প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে সমতট ছিল অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল যা বর্তমানের কুমিল্লা ও নোয়াখালী এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল। ঐতিহাসিক সূত্র ও প্রাচীন লিপি থেকে জানা যায় যে মেঘনা নদীর পূর্ব তীরবর্তী এবং ত্রিপুরার পাহাড়ি অঞ্চলের পাদদেশীয় নিচু ভূভাগ নিয়ে এই জনপদ গড়ে উঠেছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: প্রাচীন বাংলায় কোনো একক ও অখণ্ড রাজ্য ছিল না, বরং দেশ ছোট ছোট অঞ্চলে বিভক্ত ছিল যেগুলোকে জনপদ বলা হতো। সংশ্লিষ্ট তথ্য: চীনা পরিব্রাজক হুয়েন সাং সপ্তম শতাব্দীতে সমতট অঞ্চল ভ্রমণ করেছিলেন এবং তাঁর বিবরণীতে এই জনপদের সমৃদ্ধ বৌদ্ধ সংস্কৃতির উল্লেখ রয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ময়মনসিংহ অঞ্চল ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন বাংলার আরেকটি বিখ্যাত জনপদ পুণ্ড্র বা ভাওয়ালের কাছাকাছি এলাকার অংশ ছিল, যা সমতট নয়। উদাহরণ ২: বরেন্দ্র অঞ্চল ব্যাখ্যা: এটি উত্তরবঙ্গের রাজশাহী ও বগুড়া এলাকা নিয়ে গঠিত প্রাচীন জনপদ, যা সমতটের ভৌগোলিক সীমার বাইরে অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা ও কুমিল্লা — ঢাকা অঞ্চল প্রাচীন সমতটের অন্তর্ভুক্ত ছিল না বরং এটি বঙ্গ জনপদের একটি অংশ হিসেবে পরিচিত ছিল। B) ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা — এই অঞ্চলগুলো প্রাচীন বাংলার পুণ্ড্র বা প্রাগজ্যোতিষ্পুরের প্রভাবে গঠিত জনপদের অংশ ছিল। C) কুমিল্লা ও নোয়াখালী — এটি প্রাচীন সমতট জনপদের সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান নির্দেশ করে। D) ময়মনসিংহ ও জামালপুর — এই উত্তরাঞ্চলীয় এলাকাগুলো প্রাচীনকালে সমতটের পরিবর্তে অন্যান্য জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: সমতট মানে সমান তট বা নদীমাতৃক নিচু ভূমি। কুমিল্লা ও নোয়াখালী এলাকার প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার যেমন ময়নামতি এই সমতট জনপদেরই ঐতিহাসিক নিদর্শন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সমতট জনপদের প্রধান কেন্দ্র ছিল বর্তমান কুমিল্লার ময়নামতি ও লালমাই পাহাড় এলাকা।
a মহাভারত
b রামায়ণ
c গীতা
d বেদ
0 145 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বেদ ১. কেন সঠিক: - বেদ আর্য সভ্যতার সবচেয়ে প্রাচীন ও মৌলিক ধর্মগ্রন্থ যা মূলত স্ত্রোত্র ও প্রার্থনার সংকলন। - বৈদিক যুগে রচিত এই গ্রন্থগুলোই পরবর্তীতে ভারতীয় উপমহাদেশে সনাতন ধর্মের মূল ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - প্রাচীন বাংলার ইতিহাস ও উপমহাদেশের প্রারম্ভিক সভ্যতার আলোচনায় আর্যদের আগমন এবং তাদের সাহিত্য ও ধর্ম সম্পর্কে প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে মধ্য এশিয়া থেকে আর্যরা ভারতীয় উপমহাদেশে প্রবেশ করে এবং বৈদিক সভ্যতা গড়ে তোলে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: উপনিষদ ব্যাখ্যা: বেদভিত্তিক দার্শনিক আলোচনা ও চিন্তাধারার পরবর্তী রূপ হলো উপনিষদ, যা বৈদিক সাহিত্যের অংশ। উদাহরণ ২: রামায়ণ ও মহাভারত ব্যাখ্যা: এগুলো বৈদিক যুগের পরবর্তীকালের ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় মহাকাব্য, যা বেদ থেকে আলাদা যুগের সৃষ্টি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাভারত — এটি একটি প্রাচীন ভারতীয় মহাকাব্য এবং এর রচয়িতা ব্যাসদেব, যা বেদ নয়। B) রামায়ণ — এটি মহর্ষি বাল্মীকি কর্তৃক রচিত রামের জীবন নিয়ে একটি প্রাচীন মহাকাব্য। C) গীতা — এটি মহাগ্রন্থ মহাভারতের ভীষ্ম পর্বের অংশ বিশেষ যেখানে কৃষ্ণ অর্জুনকে উপদেশ দিয়েছেন। D) বেদ — এটি আর্যদের মূল ও সবচেয়ে প্রাচীন ধর্মগ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - আর্য মানে শ্রেষ্ঠ এবং তাদের আদি সাহিত্য হলো বেদ। মনে রাখার জন্য মনে রাখবে আর্যদের আগমন মানেই বেদের সূচনা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বেদ কয়টি ও কী কী এই প্রশ্নটি প্রাচীন ইতিহাস অংশে প্রায়ই পরীক্ষাতে আসে। বেদের সংখ্যা চারটি যথা ঋগবেদ, সামবেদ, যজুর্বেদ ও অথর্ববেদ।
a জনসংখ্যা গবেষণা
b নদী গবেষণা
c মিঠাপানি গবেষণা
d বন্দর গবেষণা
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জনসংখ্যা গবেষণা ১. কেন সঠিক: - নিপোর্ট (NIPORT) মূলত জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট হিসেবে পরিচিত। - এটি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, পরিবার পরিকল্পনা এবং প্রজনন স্বাস্থ্য সংক্রান্ত গবেষণার মূল জাতীয় প্রতিষ্ঠান। ২. প্রশাসন ও প্রতিষ্ঠান বিষয়ক তথ্য: - প্রতিষ্ঠান ও কাজ: এটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সরকারি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। - প্রতিষ্ঠা ও ভূমিকা: ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি জনসংখ্যা খাতের নীতিনির্ধারক ও মাঠপর্যায়ের কর্মীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর। ব্যাখ্যা: এটি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেবা দানে কাজ করলেও নিপোর্ট প্রধানত গবেষণা ও প্রশিক্ষণ নিয়ে কাজ করে। উদাহরণ ২: আইসিডিডিআরবি। ব্যাখ্যা: এটি আন্তর্জাতিক মানের স্বাস্থ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান হলেও নিপোর্ট সরাসরি সরকারি জনসংখ্যা নীতি নিয়ে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জনসংখ্যা গবেষণা — নিপোর্টের পূর্ণরূপ হলো ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব পপুলেশন রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং যা জনসংখ্যা নিয়ে কাজ করে। B) নদী গবেষণা — নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত এবং এটি পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ আলাদা প্রতিষ্ঠান। C) মিঠাপানি গবেষণা — বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের একটি কেন্দ্র মিঠাপানি নিয়ে গবেষণা করে যা নিপোর্টের কাজ নয়। D) বন্দর গবেষণা — সমুদ্রবন্দর বা নদীবন্দর সংক্রান্ত গবেষণার জন্য দেশে মেরিটাইম বা বন্দর কর্তৃপক্ষ রয়েছে, নিপোর্ট নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নিপোর্ট শব্দের প্রথম অংশ এনআই (NI) মানে ন্যাশনাল এবং পি (P) মানে পপুলেশন বা জনসংখ্যা। - এভাবে সংক্ষেপ রূপ থেকেই সহজে মনে রাখা যায় এটি জনসংখ্যা গবেষণা প্রতিষ্ঠান। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন গবেষণা ইনস্টিটিউটের পূর্ণরূপ ও কাজ জানতে চাওয়া হয়। - নিপোর্টের সদর দপ্তর কোথায় এবং এটি কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন, তা ভালোভাবে জেনে রাখা আবশ্যক।
a ক্যাবিনেট
b বিরোধী দল
c সুশীল সমাজ
d লোকপ্রশাসন
0 243 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিরোধী দল ১. কেন সঠিক: প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় সরকার পরিচালনার পাশাপাশি সংসদে ও বাইরে সরকারের কাজের সমালোচনা এবং সংশোধনের জন্য একটি বিকল্প শক্তি থাকে, যাকে বিকল্প সরকার বলা হয়। সংসদীয় গণতন্ত্রে বিরোধী দল সবসময় সরকারের নীতিনির্ধারণী ত্রুটি তুলে ধরে এবং নিজেদের প্রস্তুত রাখে যাতে প্রয়োজনে তারা সরকারের স্থলাভিষিক্ত হতে পারে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: সরকারব্যবস্থা ও সংসদ: বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রে বিরোধী দল সরকারব্যবস্থার একটি অপরিহার্য অঙ্গ হিসেবে স্বীকৃত। তাৎপর্য ও ফলাফল: বিরোধী দল সরকারের একদলীয় শাসন বা স্বেচ্ছাচারিতা রোধ করতে ভারসাম্য বজায় রাখার ভূমিকা পালন করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দল সরকারের বিভিন্ন বিল ও নীতির সমালোচনা করে বিকল্প প্রস্তাব পেশ করে। ব্যাখ্যা: এটি সরকারকে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক রাখতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: সংসদীয় গণতন্ত্রের ওয়েস্টমিনস্টার মডেলে বিরোধী দলকে শ্যাডো ক্যাবিনেট বা ছায়া সরকার বলা হয়। ব্যাখ্যা: এটি থেকে পরীক্ষার্থীরা বুঝতে পারে যে বিরোধী দল কেবল সমালোচক নয়, বরং ভবিষ্যৎ সরকার পরিচালনার জন্য বিকল্প প্রস্তুত দল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্যাবিনেট — এটি ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রিপরিষদকে বোঝায়, যা দেশ পরিচালনা করে এবং বিকল্প সরকার নয়। B) বিরোধী দল — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংসদীয় ব্যবস্থায় এরা বিকল্প সরকার হিসেবে গণ্য হয়। C) সুশীল সমাজ — এটি নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, যারা সরকারের বাইরে থেকে মতামত দিলেও সরাসরি বিকল্প সরকার বা রাজনৈতিক দল নয়। D) লোকপ্রশাসন — এটি রাষ্ট্রের প্রশাসনিক ও আমলাতান্ত্রিক কাঠামো পরিচালনা করে, যা রাজনৈতিক বিকল্প সরকার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সরকার যখন ব্যর্থ হয়, তখন যে দল দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে, সেই বিরোধী দলকেই বিকল্প সরকার বলা হয়। মনে রাখবে, ক্যাবিনেট হলো বর্তমান সরকার আর বিরোধী দল হলো ছায়া বা বিকল্প সরকার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রাণকেন্দ্র হলো সক্রিয় বিরোধী দল। একই বিষয় থেকে পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে পারে যে ছায়া সরকার বা শ্যাডো ক্যাবিনেট বলতে কোনটিকে বোঝানো হয়।
a পুণ্ড্র
b তাম্রলিপ্ত
c গৌড়
d হরিকেল
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পুণ্ড্র ১. কেন সঠিক: - প্রাচীন বাংলার অন্যতম প্রধান ও প্রাচীনতম জনপদ হলো পুণ্ড্র। - মহাভারত ও পৌরাণিক সূত্রে পুণ্ড্র জাতির উল্লেখ পাওয়া যায়, যা বর্তমানের উত্তরবঙ্গ এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: মৌর্য ও গুপ্ত যুগে পুণ্ড্রবর্ধন ছিল প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র। - তারিখ ও স্থান: বর্তমান রাজশাহী, বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল নিয়ে পুণ্ড্র জনপদ গঠিত ছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাস্থানগড় ব্যাখ্যা: পুণ্ড্র জনপদের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা বর্তমান বগুড়ার মহাস্থানগড়, যা বাংলার প্রাচীনতম নগরী হিসেবে পরিচিত। উদাহরণ ২: মৌর্য শাসন ব্যাখ্যা: মহাস্থানগড় থেকে প্রাপ্ত ব্রাহ্মী লিপি থেকে প্রাচীন পুণ্ড্র জনপদে মৌর্য শাসনের প্রশাসনিক উপস্থিতি প্রমাণিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুণ্ড্র — এটি প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ এবং উত্তরবঙ্গ জুড়ে এর বিস্তৃতি ছিল। B) তাম্রলিপ্ত — এটি বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলায় অবস্থিত প্রাচীন বাংলার একটি বিখ্যাত বন্দর ও জনপদ ছিল। C) গৌড় — এটি পরবর্তীকালের একটি স্বাধীন রাজ্য ও জনপদ ছিল যা চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও এর আশেপাশের অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল। D) হরিকেল — এটি প্রাচীন বাংলার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি জনপদ ছিল, যার অন্তর্ভুক্ত ছিল বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ মনে রাখতে পুণ্ড্র নামটি সবার আগে আসে। - উত্তরবঙ্গের বগুড়ার মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী ছিল এটি মনে রাখলে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন বাংলার জনপদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কোন জনপদ বর্তমান কোন অঞ্চলে অবস্থিত তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a জেরেমি চুয়া
b আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ
c রাজীব মহাজন
d আজমেরী হক বাঁধন
0 125 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আব্দুল মোহাম্মদ সাদ ১. কেন সঠিক: - ‘রেহেনা মরিয়ম নূর’ চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন আব্দুল মোহাম্মদ সাদ, যিনি বাংলাদেশের স্বাধীন ধারার চলচ্চিত্রের একজন গুণী নির্মাতা। - এটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম একটি মাইলফলক যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের চলচ্চিত্রের সুনাম বৃদ্ধি করেছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্প তথা সমসাময়িক সমাজের একটি বাস্তবসম্মত ও মনস্তাত্ত্বিক চিত্র তুলে ধরেছে। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: চলচ্চিত্রটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। - তাৎপর্য ও ফলাফল: এই চলচ্চিত্রটি কান চলচ্চিত্র উৎসবের ‘আ সার্তে রিগার্দ’ বিভাগে অফিসিয়ালি নির্বাচিত হওয়া প্রথম বাংলাদেশি চলচ্চিত্র হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: চলচ্চিত্রটির কান চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহণ। ব্যাখ্যা: এটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র অঙ্গনে বাংলাদেশের নির্মাতাদের কাজের মান ও গ্রহণযোগ্যতা বিশ্ববাসীর সামনে প্রমাণ করেছে। উদাহরণ ২: অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের অভিনয়। ব্যাখ্যা: এই চলচ্চিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের মাধ্যমে বাঁধন দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রশংসিত হন এবং পরীক্ষার্থীদের জন্য এটি নারী ক্ষমতায়ন ও প্রতিভার একটি বড় উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেরেমি চুয়া — তিনি এই চলচ্চিত্রের একজন প্রযোজক ছিলেন, পরিচালক নন। B) আব্দুল মোহাম্মদ সাদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি চলচ্চিত্রটির মূল পরিচালক। C) রাজীব মহাজন — তিনি এই চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত কোনো প্রধান পরিচালক নন। D) আজমেরী হক বাঁধন — তিনি এই চলচ্চিত্রের প্রধান চরিত্রে অভিনয়কারী অভিনেত্রী, পরিচালক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - ‘রেহেনা মরিয়ম নূর’ মানেই পরিচালক সাদ এবং অভিনেত্রী বাঁধন। - কান উৎসবে যাওয়া প্রথম বাংলাদেশি ছবি হিসেবে সাল ও পরিচালকের নাম মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কান চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের কোনো চলচ্চিত্র প্রথম মনোনীত হওয়ার গৌরব অর্জন করে তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। - একই বিষয় থেকে চলচ্চিত্রের নাম, পরিচালক এবং প্রধান অভিনেত্রীর নাম নিয়ে আলাদা প্রশ্ন হতে পারে।
a তাজউদ্দিন আহমেদ
b সৈয়দ নজরুল ইসলাম
c এম. মনসুর আলী
d এ. এইচ. এম. কামরুজ্জামান
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তাজউদ্দিন আহমেদ ১. কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দিন আহমেদ প্রশাসন পরিচালনা ও যুদ্ধ পরিচালনার পাশাপাশি অর্থনীতি ও পরিকল্পনা বিভাগের সরাসরি দায়িত্ব পালন করেন। - সরকারের সামগ্রিক আয়-ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক সাহায্য সংগ্রহ এবং যুদ্ধকালীন অর্থনীতি সচল রাখার ক্ষেত্রে তিনি এই মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও সংশ্লিষ্ট তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বৈদ্যনাথতলা বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর আমবাগানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করে এবং এই সরকার যুদ্ধ পরিচালনার জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ ভাগ করে নেয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: তাজউদ্দিন আহমেদ ছিলেন এই সরকারের মূল চালিকাশক্তি যিনি অত্যন্ত দূরদর্শিতা ও দক্ষতার সাথে যুদ্ধকালীন অর্থনীতি এবং প্রশাসনিক কাঠামোগুলো পরিচালনা করেছিলেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট বা অর্থনৈতিক রূপরেখা প্রণয়নের প্রাথমিক পরিকল্পনা মুজিবনগর সরকারের এই অর্থনৈতিক বিভাগ থেকেই শুরু হয়েছিল। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বুঝতে পারে যে যুদ্ধ চলাকালেই একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো তৈরির কাজ কতটা সুচারুভাবে শুরু হয়েছিল। উদাহরণ ২: ড. খন্দকার মোশতাক আহমেদের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন এবং তা তাজউদ্দিন আহমেদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হওয়া। ব্যাখ্যা: এটি নির্দেশ করে যে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দিন আহমেদ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমও অত্যন্ত সতর্কতার সাথে পর্যবেক্ষণ করতেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাজউদ্দিন আহমেদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি সরকারের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পাশাপাশি অর্থ, পরিকল্পনা ও সংস্থাপন বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন। B) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি মুজিবনগর সরকারের উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুপস্থিত থাকলে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করতেন। C) এম. মনসুর আলী — তিনি মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, তবে সরাসরি পরিকল্পনা ও সার্বিক অর্থনৈতিক বিভাগের প্রধান ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ। D) এ. এইচ. এম. কামরুজ্জামান — তিনি মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন, অর্থনীতি বা পরিকল্পনা বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদের নামের সাথে 'প' অক্ষরটি যুক্ত করে মনে রাখতে পারো যে তিনি প্রধানমন্ত্রী পদের পাশাপাশি পরিকল্পনা ও পোর্টফোলিও হিসেবে অর্থনীতির দায়িত্বে ছিলেন। - অর্থমন্ত্রী হিসেবে এম. মনসুর আলী থাকলেও সরকারের প্রধান নীতিনির্ধারক ও পরিকল্পনা বিভাগের মূল দায়িত্ব তাজউদ্দিন আহমেদের হাতেই ছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুজিবনগর সরকারের কে কোন দপ্তરે দায়িত্ব পালন করেছিলেন তা বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর নাম মনে রাখা জরুরি। - একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন অথবা প্রথম সরকারের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন।
a 2002
b 2006
c 2009
d 2011
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০৯ ১. কেন সঠিক: তথ্য অধিকার আইন নাগরিকদের তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করার জন্য প্রণীত একটি যুগান্তকারী আইন। ২০০৯ সালে এই আইনটি পাস ও কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে সরকারি ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হয়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: আইন ও প্রশাসন: তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ সালের ২৯ মার্চ রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ হিসেবে জারি এবং পরবর্তীতে একই বছরের ৫ এপ্রিল জাতীয় সংসদে পাস হয়। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই আইনের অধীনে তথ্য কমিশন গঠিত হয় যা নাগরিকদের তথ্য প্রাপ্তির আবেদন নিষ্পত্তি ও আপিল শুনানির কাজ পরিচালনা করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: তথ্য কমিশন ব্যাখ্যা: তথ্য অধিকার আইনের বলে ২০০৯ সালের জুলাই মাসে স্বাধীন তথ্য কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়, যা প্রধান তথ্য কমিশনার ও অন্য দুই কমিশনার দ্বারা পরিচালিত হয়। উদাহরণ ২: সরকারি দপ্তরে আবেদন ব্যাখ্যা: এই আইনের মাধ্যমে যেকোনো বাংলাদেশি নাগরিক নির্দিষ্ট ফরম ও ফি জমা দিয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানের তথ্য বা নথিপত্রের অনুলিপি পেতে পারেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০২ — এই সালে তথ্য অধিকার আইন বা তথ্য কমিশন গঠনের কোনো আইন প্রণয়ন করা হয়নি। B) ২০০৬ — এই সালটি তথ্য অধিকার আইনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, তবে এটি শ্রম আইন প্রণয়নের জন্য পরিচিত। D) ২০১১ — এই সালটি পঞ্চদশ সংবিধান সংশোধনীর জন্য পরিচিত, তথ্য অধিকার আইন চালুর সাল এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: তথ্য অধিকার আইন চালুর সাল মনে রাখতে দুই হাজার নয় সালটি মাথায় রাখুন। ২০০৯ সাল বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনগত সংস্কারের বছর হিসেবে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে কারণ এটি সুশাসন ও জবাবদিহিতার সঙ্গে জড়িত। একই বিষয় থেকে তথ্য কমিশন কত সালে গঠিত হয় বা প্রথম প্রধান তথ্য কমিশনার কে ছিলেন, সে সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
a ধান
b গম
c পাট
d টমেটো
0 171 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গম ১. কেন সঠিক: - বলাকা বাংলাদেশের একটি উন্নত জাতের গমের নাম যা কৃষিতে উচ্চফলনশীল হিসেবে পরিচিত। - বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বা এর অধীন গম গবেষণা কেন্দ্র দেশের আবহাওয়ার উপযোগী বিভিন্ন গমের জাত উদ্ভাবন করেছে। ২. কৃষি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশে খাদ্য ঘাটতি মেটাতে এবং গম উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য উচ্চফলনশীল জাতের উদ্ভাবন শুরু হয়। - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা কেন্দ্র এই ধরনের উন্নত জাত উদ্ভাবনে সরাসরি কাজ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকবর ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের গমের একটি জনপ্রিয় ও উচ্চফলনশীল জাত। উদাহরণ ২: শতাব্দী ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের আরেকটি বিখ্যাত গমের জাত যা কৃষকদের মধ্যে ব্যাপকভাবে সমাদৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধান — ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশসল হলেও বলাকা ধানের কোনো প্রচলিত জাত নয়। ধানের বিখ্যাত জাতগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরি, ব্রি ধান ইত্যাদি। B) গম — বলাকা গমের একটি সফল ও উন্নত জাত যা দেশের কৃষিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। C) পাট — পাট বাংলাদেশের সোনালী আঁশ হিসেবে পরিচিত এবং এর বিভিন্ন উন্নত জাত রয়েছে যেমন তোষা পাট, তবে বলাকা পাটের জাত নয়। D) টমেটো — টমেটো একটি জনপ্রিয় শীতকালীন সবজি এবং এর বিভিন্ন জাত থাকলেও বলাকা এর নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পাখির নাম বলাকা হলেও এটি বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে একটি সফল গমের জাত। - পরীক্ষার হলে বিভ্রান্ত হওয়ার জন্য পাখির নাম বা অন্য ফসলের সঙ্গে যেন এটি গুলিয়ে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশের প্রধান ফসলের উন্নত জাতগুলোর নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - গম বা ধানের বিখ্যাত জাতগুলো থেকে পরীক্ষাতে নিয়মিত প্রশ্ন হয়ে থাকে।
a প্রধানমন্ত্রী
b অর্থমন্ত্রী
c বাণিজ্যমন্ত্রী
d পরিকল্পনামন্ত্রী
0 145 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রধানমন্ত্রী ১. কেন সঠিক: - একনেক বা জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির প্রধান হলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। - দেশের সার্বিক উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সর্বোচ্চ নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত থাকে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - প্রশাসনিক কাঠামো: একনেক দেশের উন্নয়ন বাজেট বা বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি অনুমোদনকারী সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক ফোরাম। - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা কমিশন একনেকের জন্য সারসংক্ষেপ ও প্রকল্প প্রস্তাব প্রস্তুত করে থাকে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প ব্যাখ্যা: এই মেগা প্রকল্পটি একনেক সভার মাধ্যমেই চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করেছিল। উদাহরণ ২: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ব্যাখ্যা: দেশের অন্যতম বৃহৎ এই প্রকল্পটির প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক অনুমোদন একনেক সভার মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রধানমন্ত্রী — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি একনেকের চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। B) অর্থমন্ত্রী — তিনি একনেকের সদস্য হিসেবে উপস্থিত থাকেন এবং বিকল্প প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন না। সি) বাণিজ্যমন্ত্রী — তিনি একনেকের সদস্য হতে পারেন তবে এর প্রধান বা সভাপতি নন। ডি) পরিকল্পনামন্ত্রী — পরিকল্পনা মন্ত্রী একনেকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ও বিকল্প চেয়ারপারসন, কিন্তু প্রধান নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - দেশের যেকোনো বড় অর্থনৈতিক বা উন্নয়ন প্রকল্পের মূল চাবিকাঠি থাকে প্রধানকক্ষ বা প্রধানমন্ত্রীর হাতে। - একনেক মানেই নির্বাহী প্রধান তথা প্রধানমন্ত্রী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় একনেকের সভা কোথায় অনুষ্ঠিত হয় বা এর প্রধান কে। - একনেকের পূর্ণরূপ বা এর বিকল্প চেয়ারম্যান কে, তা থেকেও প্রশ্ন আসতে পারে।
a হিন্দুধর্ম
b বৌদ্ধধর্ম
c খ্রিষ্টধর্ম
d ইহুদীধর্ম
0 157 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বৌদ্ধধর্ম ১. কেন সঠিক: - নির্বাণ ধারণাটি বৌদ্ধধর্মের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত যা মানুষের জীবনের সকল দুঃখ, যন্ত্রণা ও জন্ম-মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তির চূড়ান্ত অবস্থাকে নির্দেশ করে। - প্রাচীন ভারতীয় দর্শনে এবং গৌতম বুদ্ধের প্রচারিত ধর্মে এই নির্বাণ লাভ বা পরম শান্তি অর্জনকেই মানবজীবনের সর্বোচ্চ লক্ষ্য হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: প্রাচীন বাংলায় গুপ্ত যুগে এবং তার পরবর্তী সময়ে বৌদ্ধধর্মের ব্যাপক প্রসার ঘটেছিল যা বাংলার সংস্কৃতি ও স্থাপত্যে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর এবং কুমিল্লার ময়নামতি অঞ্চলে অবস্থিত প্রাচীন বৌদ্ধ বিহারগুলো বাংলার বৌদ্ধ সভ্যতার ঐতিহাসিক নিদর্শন বহন করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার বা সোমপুর মহাবিহার ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন বাংলার পাল রাজবংশের আমলে নির্মিত হয়েছিল এবং এটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বৌদ্ধ বিহার ও শিক্ষা কেন্দ্র ছিল। উদাহরণ ২: ময়নামতি অঞ্চলের শালবন বিহার ব্যাখ্যা: এটি সপ্তম শতকের গোড়ার দিকে নির্মিত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বসতি যা তৎকালীন বাংলার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের সাক্ষ্য দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিন্দুধর্ম — এই ধর্মে নির্বাণ শব্দটির পরিবর্তে সাধারণত মোক্ষ বা মুক্তি ধারণার ব্যবহার করা হয় যা আত্মা ও পরমাত্মার মিলনের সাথে সম্পর্কিত। B) বৌদ্ধধর্ম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ধর্মদর্শন অনুসারে সাধনার মাধ্যমে লোভ, দ্বেষ ও মোহ ক্ষয় করে নির্বাণ লাভ করা সম্ভব। C) খ্রিষ্টধর্ম — এই ধর্মে নির্বাণ বা মোক্ষর ধারণা নেই, বরং ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভ এবং স্বর্গের চিরস্থায়ী জীবনপ্রাপ্তি হলো মূল বিশ্বাস। D) ইহুদীধর্ম — এই ধর্মে লৌকিক জীবনের কর্ম এবং ঈশ্বরের বিধান পালনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, নির্বাণ এর মূল বিশ্বাসের অংশ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - গৌতম বুদ্ধের প্রবর্তিত বৌদ্ধধর্মের মূল লক্ষ্য হলো নির্বাণ বা মুক্তি লাভ করা। - পরীক্ষায় নির্বাণ শব্দটি দেখলে সরাসরি বৌদ্ধধর্মের কথা মনে রাখবে কারণ এটি এই ধর্মের সঙ্গেই বিশেষভাবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে পাল রাজারা বৌদ্ধধর্মের অনুসারী ছিলেন এবং তাদের আমলেই বঙ্গে বৌদ্ধ সংস্কৃতির স্বর্ণযুগ সূচিত হয়েছিল। - এই প্রশ্নটি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলার প্রাচীন ইতিহাস, ধর্মীয় ঐতিহ্য এবং প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সম্পর্কিত নানা ধরনের এমসিকিউ আসতে পারে।
a আইনমন্ত্রী
b আইন সচিব
c এ্যাটর্নি জেনারেল
d প্রধান বিচারপতি
0 205 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এ্যাটর্নি জেনারেল ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন এ্যাটর্নি জেনারেল। - রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্য কোনো ব্যক্তিকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং তিনি সরকারের আইনগত বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করেন। ২. সংবিধান ও আইন: সংবিধান ও আইন: সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদে এ্যাটর্নি জেনারেলের পদ, নিয়োগ ও দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে। দায়িত্ব ও কার্যভার: রাষ্ট্রপতির নির্দেশক্রমে তিনি সরকারের পক্ষে দেশের যেকোনো আদালতে আইনি কার্যক্রম পরিচালনা ও মতামত দেন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশের প্রথম এ্যাটর্নি জেনারেল এম এইচ খন্দকার। ব্যাখ্যা: ১৯৭২ সালে স্বাধীনতার পর এই সাংবিধানিক পদে প্রথম দায়িত্ব পালন করে তিনি আইনি কাঠamো গড়ে তোলেন। উদাহরণ ২: বর্তমান বা সাম্প্রতিক এ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ প্রক্রিয়া। ব্যাখ্যা: এটি সরাসরি রাষ্ট্রপতির নির্বাহী আদেশে হয় এবং সরকারের পরিবর্তনশীল নীতি বাস্তবায়নে আইনি সহায়তা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইনমন্ত্রী — আইনমন্ত্রী হলেন মন্ত্রিসভার একজন রাজনৈতিক সদস্য ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যিনি আইন মন্ত্রণালয়ের প্রধান রাজনৈতিক প্রধান কিন্তু সাংবিধানিক অর্থে প্রধান আইন কর্মকর্তা নন। B) আইন সচিব — আইন সচিব হলেন আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক প্রধান ও একজন সরকারি কর্মকর্তা, যিনি প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করেন। D) প্রধান বিচারপতি — প্রধান বিচারপতি হলেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রধান এবং বিচার বিভাগের প্রধান, যিনি নির্বাহী বিভাগের আইনি কর্মকর্তা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: আইনমন্ত্রী হলেন রাজনৈতিক প্রধান, আইন সচিব হলেন প্রশাসনিক প্রধান এবং এ্যাটর্নি জেনারেল হলেন সরকারের প্রধান আইনি প্রতিনিধি। সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে পরীক্ষাতীতভাবে সঠিক করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এ্যাটর্নি জেনারেল কত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিযুক্ত হন এবং তাকে কে নিয়োগ দেন, তা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে, তিনি কোন আদালত পর্যন্ত আইনি পেশা বা শুনানিতে অংশ নিতে পারেন।
a (ক) ১৯৭৩
b (খ) ১৯৭৪
c (গ) ১৯৭৫
d (ঘ) ১৯৭৬
0 132 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (খ) ১৯৭৪ ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৭৪ সালে ওআইসি (OIC) এর সদস্যপদ লাভ করে। ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি এর দ্বিতীয় ইসলামিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ এই সংস্থার সদস্য হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভূমিকা: ১৯৭২ সালে পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার পর মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের পথ উন্মুক্ত হয়। ১৯৭৪ সালের লাহোর সম্মেলনে বাংলাদেশের যোগদানের মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যসহ মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সুদৃঢ় বন্ধুত্বের ভিত্তি স্থাপিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করে। ব্যাখ্যা: এই সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের কূটনৈতিক স্বীকৃতি বিশ্ব দরবারে আরও সুদৃঢ় হয়। উদাহরণ ২: ওআইসি এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত। ব্যাখ্যা: মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তম এই আন্তর্জাতিক সংস্থার কার্যক্রমে বাংলাদেশ শুরু থেকেই সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) (ক) ১৯৭৩ — এই সালে বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করেনি কারণ তখনো পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। B) (খ) ১৯৭৪ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে লাহোর সম্মেলনে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ওআইসি এর সদস্য হয়। C) (গ) ১৯৭৫ — এই সালে ওআইসি এর সদস্যপদ লাভের কোনো ঘটনা ঘটে নি, এটি ভুল সাল। D) (ঘ) ১৯৭৬ — এটি ভুল সাল কারণ এর আগেই বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করেছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৭৪ সালে ওআইসি এর সদস্য হয়। লাহোর সম্মেলনের সালটি মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশ ওআইসি এর কততম সদস্য এবং ওআইসি এর বর্তমান মহাসচিব কোন দেশের নাগরিক, এই ধরনের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a বেক্সিমকো
b স্কয়ার
c ইনসেপ্টা
d একমি
0 175 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইনসেপ্টা ১. কেন সঠিক: কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ইনসেপ্টা ভ্যাকসিন লিমিটেড চীনের সিনোফার্মের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে চীনের তৈরি সিনোফার্মের কোভিড-১৯ টিকা উৎপাদনের পথ সুগম হয় এবং স্বাস্থ্যখাতে দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: প্রতিষ্ঠান: ইনসেপ্টা ভ্যাকসিন লিমিটেড বাংলাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। স্বাস্থ্য উন্নয়ন: এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশ টিকা আমদানির ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে নিজস্ব চাহিদা পূরণে সক্ষম হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্যাভি এবং কোভ্যাক্স সুবিধা ব্যাখ্যা: আন্তর্জাতিক এই উদ্যোগগুলোর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিনামূল্যে ও সাশ্রয়ী মূল্যে বিভিন্ন দেশ থেকে টিকা সংগ্রহ করে। উদাহরণ ২: এস কে ফার্মাসিউটিক্যালস ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের আরেকটি শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান যা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে ওষুধ রপ্তানি করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেক্সিমকো — এটি বাংলাদেশের একটি বৃহৎ ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি হলেও চীনের সাথে এই নির্দিষ্ট টিকা উৎপাদনের চুক্তি করেনি, তবে তারা ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সাথে কোভিশিল্ড টিকা আমদানির চুক্তি করেছিল। B) স্কয়ার — এটি দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হলেও কোভিড-১৯ টিকা উৎপাদনের জন্য চীনের সাথে এই চুক্তি স্বাক্ষর করেনি। C) ইনসেপ্টা — এই অপশনটি সঠিক কারণ চীনের সাথে টিকা উৎপাদনের চুক্তিটি এই প্রতিষ্ঠানটিই করেছিল। D) একমি — এটি একটি প্রাচীন ও নামকরা ওষুধ কোম্পানি হলেও চীনের সাথে এই টিকা উৎপাদনের চুক্তির সাথে যুক্ত ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: করোনা টিকা উৎপাদনের জন্য চীনের সাথে চুক্তি করেছিল 'ইনসেপ্টা'। ইনসেপ্টা নামের শুরু 'ই' দিয়ে, আর উৎপাদন বা ইনোভেশন শব্দটির সাথে মিল রেখে এটি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কোভিড-১৯ মহামারি কালীন টিকা কূটনীতি ও দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা অর্জন সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে টিকা সরবরাহকারী দেশ এবং সংশ্লিষ্ট দেশীয় কোম্পানির নাম সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a ২৯(২)
b ২৮(২)
c ৩৯(১)
d ৩৯(২)
0 156 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৮(২) ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের সংবিধানের ২৮(২) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র ও গণজীবনের সব স্তরে নারী পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত একটি মৌলিক অধিকার, যা নাগরিকদের সমতা বিধানের মূলনীতিকে দৃঢ় করে। ২. সংবিধান ও আইন: সংবিধান ও আইন: সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদে ধর্মের কারণে বৈষম্যের নিষিদ্ধকরণের কথা বলা হয়েছে এবং এর দ্বিতীয় দফায় নারীর সমতা নিশ্চিত করা হয়েছে। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই বিধানের ফলে নারীরা রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পুরুষের সমান সুযোগ পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার লাভ করেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন। ব্যাখ্যা: রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় নারীদের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সংবিধানের এই নীতির আলোকেই সংরক্ষিত আসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সরকারি চাকরিতে নারীর সমান প্রবেশাধিকার। ব্যাখ্যা: প্রশাসন ও অন্যান্য পেশায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে ২৮(২) অনুচ্ছেদ শক্তিশালী আইনি ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৯(২) — এই অনুচ্ছেদে সরকারি নিয়োগ লাভে নাগরিকদের জন্য সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে, যা সরাসরি কেবল নারী-পুরুষের সমতা নির্দেশ করে না। B) ২৮(২) — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে স্পষ্টভাবে রাষ্ট্র ও গণজীবনের সব স্তরে নারী ও পুরুষের সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে। C) ৩৯(১) — এই অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেکের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে। D) ৩৯(২) — এই অনুচ্ছেদে বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার এবং প্রেসের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: সংবিধানের ২৮ নম্বর অনুচ্ছেদটি মূলত বৈষম্য ও সমতা সংক্রান্ত, যেখানে দ্বিতীয় দফায় (২) নারীদের সম অধিকারের কথা বলা হয়েছে। মনে রাখার সহজ উপায় হলো মৌলিক অধিকারের ক্ষেত্রে ২৮ মানেই নারী পুরুষের সমান অধিকার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক অধিকার ও নারী অধিকার সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারগুলোর অনুচ্ছেদগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a হাসেম খান
b এ কে এম আব্দুর রউফ
c আবুল বারক আলভী
d সমরজিৎ রায় চৌধুরী
0 154 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এ কে এম আব্দুর রউফ ১. কেন সঠিক: - এ কে এম আব্দুর রউফ বাংলাদেশের মূল সংবিধানের হস্তলিপিকারক ছিলেন যিনি পুরো সংবিধানের বাংলা পাঠ নিজ হাতে লিখেছিলেন। - সংবিধান প্রণয়ন কমিটির তত্ত্বাবধানে এই ঐতিহাসিক কাজটি সম্পন্ন হয়েছিল যা আমাদের আইনগত ও রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়। - ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়েছিল এবং হস্তলিপির মূল দায়িত্বে ছিলেন এ কে এম আব্দুর রউফ। - তাৎপর্য ও ফলাফল: হাতে লেখা এই সংবিধানটি ছিল বিশ্বের অন্যতম সুন্দর ক্যালিগ্রাফি করা সংবিধান যার চারপাশ নকশা করেছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্যালিগ্রাফি ও অলংকরণ শিল্পী হাশেম খান। ব্যাখ্যা: তিনি সংবিধানের বিভিন্ন পৃষ্ঠার অলংকরণ ও নকশা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন কিন্তু হস্তলিপির দায়িত্বে ছিলেন না। উদাহরণ ২: ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর কার্যকর হওয়া বাংলাদেশের সংবিধান। ব্যাখ্যা: এটি বাঙালি জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার সুনির্দিষ্ট দলিল হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাশেম খান — ইনি মূল সংবিধানের হস্তলিপিকারক ছিলেন না বরং তিনি সংবিধানের ভেতরের পাতার বিভিন্ন শিল্পকর্ম ও অলংকরণের কাজে যুক্ত ছিলেন। B) এ কে এম আব্দুর রউফ — ইনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি সম্পূর্ণ মূল বাংলা সংবিধান নিজ হাতে সুন্দর ক্যালিগ্রাফিতে লিখেছিলেন। C) আবুল বারক আলভী — ইনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও চারুকলা বিশেষজ্ঞ যিনি সংবিধান লেখার কাজে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। D) সমরজিৎ রায় চৌধুরী — ইনিও বাংলাদেশের একজন খ্যাতনামা চিত্রশিল্পী যিনি সংবিধানের অলংকরণ শিল্পীদের দলের একজন সদস্য ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - লেখা ও রউফ শব্দ দুটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে সংবিধান হাতে লেখার কাজ করেছিলেন আব্দুর রউফ। - নকশা ও অলংকরণের সঙ্গে হাশেম খান ও সমরজিৎ রায় চৌধুরীর নাম জড়িয়ে আছে, তাই হস্তলিপির সঙ্গে তাদের গুলিয়ে ফেলবেন না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংবিধানের হস্তলিপিকারক এবং অলংকরণ শিল্পীদের নাম প্রায়ই আলাদাভাবে জানতে চাওয়া হয়। - মূল সংবিধানের ইংরেজি অনুবাদের হস্তলিপিকারক কে ছিলেন, সেই তথ্যটিও পরীক্ষার জন্য জেনে রাখা ভালো।
a আনিসুল হক
b সাঈদ খোকন
c সাদেক হোসেন খোকা
d মোহাম্মদ হানিফ
0 159 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মোহাম্মদ হানিফ ১. কেন সঠিক: মোহাম্মদ হানিফ ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৪ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম মেয়র নির্বাচিত হন। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৯৪ সালে দেশের চারটি প্রধান শহর ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনায় প্রথমবারের মতো সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: মোহাম্মদ হানিফ ছিলেন একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ এবং ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই নির্বাচনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় গণতান্ত্রিক ধারা ও জনগণের সরাসরি ভোটে মেয়র নির্বাচনের প্রথা শুরু হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দন কুমার নাগ ব্যাখ্যা: তিনি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম প্রশাসক ছিলেন, কিন্তু তিনি নির্বাচিত মেয়র ছিলেন না। উদাহরণ ২: এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী ব্যাখ্যা: তিনি ১৯৯৪ সালে একই সঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনিসুল হক — তিনি ২০১৫ সালে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন, প্রথম নির্বাচিত মেয়র নন। B) সাঈদ খোকন — তিনি ২০১৫ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হন, পুরো ঢাকা সিটির প্রথম নন। C) সাদেক হোসেন খোকা — তিনি ২০০২ সালে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন, যা মোহাম্মদ হানিফের পর। D) মোহাম্মদ হানিফ — তিনি ১৯৯৪ সালে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হন। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৯৯৪ সালে প্রথম ঢাকার মেয়র হন হানিফ। নামটি মনে রাখলে পরীক্ষাতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র কে ছিলেন, এই প্রশ্নটি স্থানীয় সরকার প্রশাসন সম্পর্কিত পরীক্ষায় বারবার আসে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রথম মেয়রের নামও জেনে রাখা ভালো।

মোট প্রশ্ন (20)

a এনএলডি
b ন্যাশনাল ইউনিটি সরকার
c বার্মিজ গভর্নমেন্ট ইন এক্সাইল
d অং সান সুচি সরকার
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ন্যাশনাল ইউনিটি সরকার ১. কেন সঠিক: মিয়ানমারে ২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সুচির নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে সামরিক জান্তা ক্ষমতা দখল করে। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং গণতান্ত্রিক শাসন পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে মিয়ানমারের অবসারপ্রাপ্ত আইনপ্রণেতা ও বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের নিয়ে ২০২১ সালের ১৬ এপ্রিল ন্যাশনাল ইউনিটি সরকার গঠিত হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: মিয়ানমার, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র যার রাজধানী নেপিডো এবং মুদ্রা কিয়াত। প্রেক্ষাপট: ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে বৈধ সরকার হিসেবে নিজেদের দাবি করে এই সমান্তরাল সরকার গঠিত হয়। উদ্দেশ্য: মিয়ানমারে সামরিক শাসন অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং সকল জাতিগোষ্ঠীকে নিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ ও ফেডারেল রাষ্ট্র গঠন করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতা দখলের পর সাবেক সরকারের কিছু কর্মকর্তা ও নেতারাই মূলত প্রবাসী বা প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলেছেন। ব্যাখ্যা: গণতান্ত্রিক বা বৈধ সরকার উৎখাত হলে অনেক সময় দেশত্যাগ করে বা গোপনে থেকে নির্বাসিত সরকার গঠিত হয়, যা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে একটি পরিচিত ঘটনা। উদাহরণ ২: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি জার্মানি ফ্রান্স দখল করলে শার্ল ডি গলের নেতৃত্বে ফ্রি ফ্রান্স বা নির্বাসিত সরকার গঠিত হয়েছিল। ব্যাখ্যা: এটি পরীক্ষার্থীদের বোঝাতে সাহায্য করে যে নিজ দেশে ক্ষমতা হারিয়েও আইনি বৈধতা ধরে রাখতে নির্বাসিত সরকারের ভূমিকা কতটা ঐতিহাসিক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এনএলডি — এটি অং সান সুচির রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি, যা কোনো নির্বাসিত সরকার নয়। B) ন্যাশনাল ইউনিটি সরকার — এটি সঠিক উত্তর, যা মিয়ানমারের বর্তমান প্রধান নির্বাসিত বা সমান্তরাল সরকার। C) বার্মিজ গভর্নমেন্ট ইন এক্সাইল — এটি কোনো আনুষ্ঠানিক বা বর্তমান সরকার নয়, বরং মিয়ানমারের নির্বাসিত সরকারের ক্ষেত্রে প্রচলিত কোনো নাম নয়। D) অং সান সুচি সরকার — এটি অং সান সুচির নেতৃত্বাধীন তৎকালীন মূল গণতান্ত্রিক সরকার ছিল, নির্বাসিত সরকার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মিয়ানমারের নির্বাসিত সরকারের নামের ক্ষেত্রে ন্যাশনাল শব্দটি মনে রাখলেই ন্যাশনাল ইউনিটি সরকার বা এনইউজি সহজে শনাক্ত করা সম্ভব। সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্য বা ইউনিটি নিশ্চিত করতে এই সমান্তরাল সরকার গঠিত হয়েছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মিয়ানমারের সামরিক অভ্যুত্থান ঘটেছিল ২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি এবং এর বর্তমান সামরিক সরকারের প্রধান মিন অং হ্লাইং। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে মিয়ানমারের বর্তমান সামরিক সরকারের প্রধান কে অথবা দেশটির সংসদের নাম কী।
a তুর্কমেন
b উইঘুর
c তাজিক
d কাজাখ
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উইঘুর ১. কেন সঠিক: - উইঘুর হলো চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জিনজিয়াং প্রদেশের প্রধান মুসলিম জনগোষ্ঠী। - এরা মূলত তুর্কি ভাষাভাষী এবং সুন্নি ইসলাম ধর্মের অনুসারী। ২. ভূরাজনীতি ও মানব অধিকার: - অঞ্চল: জিনজিয়াং হলো চীনের বৃহত্তম স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল। - ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব: মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় অঞ্চলটি চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিব্বত ব্যাখ্যা: এটি চীনের আরেকটি স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল যেখানে ভিন্ন জাতিগোষ্ঠী ও সংস্কৃতির মানুষ বসবাস করে। উদাহরণ ২: চেচনিয়া ব্যাখ্যা: এটি রাশিয়ার একটি মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চল যা জিনজিয়াংয়ের মতো ভূরাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুর্কমেন — এরা মূলত তুর্কমেনিস্তানের প্রধান জাতিগোষ্ঠী এবং মধ্য এশিয়ার অন্যান্য দেশেও বসবাস করে। B) উইঘুর — সঠিক উত্তর। C) তাজিক — এরা প্রধানত তাজিকিস্তানের নাগরিক এবং জিনজিয়াংয়ের পাহাড়ি অঞ্চলেও ক্ষুদ্র সংখ্যায় বাস করে। D) কাজাখ — এরা মূলত কাজাখস্তানের প্রধান জাতিগোষ্ঠী এবং চীনের জিনজিয়াংয়েও উল্লেখযোগ্য কাজাখ সংখ্যালঘু সম্প্রদায় রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - জিনজিয়াং প্রদেশের প্রথম অক্ষর জ এবং উইঘুরের প্রথম অক্ষর ও মিলিয়ে মনে রাখা যায়। - চীন শব্দের সাথে উইঘুর মুসলিম জনগোষ্ঠীর নাম পরীক্ষার জন্য খুব জনপ্রিয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চীনের সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায় সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - জিনজিয়াং অঞ্চলের প্রাচীন নাম ছিল পূর্ব তুর্কিস্তান।
a 11
b 15
c 17
d 21
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭ ১. কেন সঠিক: জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়নের জন্য মোট ১৭টি লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, যা এসডিজি নামে পরিচিত। ২০১৫ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা নিবারণ, দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং পরিবেশ সুরক্ষার জন্য এগুলো গ্রহণ করা হয়। ২. জাতিসংঘ সম্পর্কিত তথ্য: সংস্থা: জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপি এই লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নে প্রধান ভূমিকা পালন করে। প্রতিষ্ঠা: ২০১৫ সালের ২৫ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ঐতিহাসিক শীর্ষ সম্মেলনে এই এজেন্ডা গৃহীত হয়। প্রেক্ষাপট: সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এই দীর্ঘমেয়াদী ও সার্বিক উন্নয়নের পরিকল্পনা করা হয়। উদ্দেশ্য: ২০৩০ সালের মধ্যে সামাজিক সমতা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং পরিবেশগত ভারসাম্য নিশ্চিত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারিদ্র্য বিমোচন ব্যাখ্যা: ১৭টি লক্ষ্যের মধ্যে প্রথম লক্ষ্যটি হলো সব ধরনের চরম দারিদ্র্য দূর করা। উদাহরণ ২: জলবায়ু রক্ষা ব্যাখ্যা: ত্রয়োদশ লক্ষ্যটি জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবেলায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১ — এটি সঠিক নয় কারণ টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য ১১টি নয়, বরং ১৭টি নির্ধারিত হয়েছে। B) ১৫ — এটি ভুল সংখ্যা কারণ ১৫টি লক্ষ্য নির্ধারিত হয়নি, যা মূল এজেন্ডার সঙ্গে মেলে না। C) ১৭ — এটি সঠিক উত্তর যা এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার মোট সংখ্যা নির্দেশ করে। D) ২১ — এটি ভুল কারণ ২১টি কোনো স্বীকৃত আন্তর্জাতিক টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের সংখ্যা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বা এসডিজির মোট সংখ্যা ১৭, যা মনে রাখতে ২০৩০ সালের আগের শেষ দশক এবং তার আগের বছরগুলোকে মিলিয়ে দেখতে পারো। সহস্রাব্দ লক্ষ্য ছিল ৮টি আর এসডিজিতে তার দ্বিগুণ বা ১৭টি লক্ষ্য এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় এসডিজির মেয়াদকাল এবং এর প্রধান লক্ষ্যগুলো থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। লক্ষ্যগুলোর ইংরেজি রূপ এসডিজি এবং এর ইংরেজি পূর্ণরূপ হলো সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলস।
a ৮ ডিসেম্বর
b ১০ ডিসেম্বর
c ১১ ডিসেম্বর
d ১৩ ডিসেম্বর
0 137 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ ডিসেম্বর ১. কেন সঠিক: ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা অনুমোদিত হয়। এই ঐতিহাসিক দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং বিশ্বব্যাপী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন করা হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ মানবাধিকার সুরক্ষার জন্য এই আন্তর্জাতিক দিনটির গোড়াপত্তন করে। তারিখ: ১৯৪৮ সালের এই দিনে জাতিসংঘ প্যারিসে ঐতিহাসিক মানবাধিকার সর্বজনীন ঘোষণা গ্রহণ করে। প্রেক্ষাপট: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধ করার জন্য এই সনদ প্রণীত হয়। উদ্দেশ্য: বিশ্বে প্রতিটি মানুষের জন্মগত অধিকার, স্বাধীনতা এবং সমতা নিশ্চিত করার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা বা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকে এবং এই দিবসে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে। উদাহরণ ২: জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন ব্যাখ্যা: এই সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে এবং এই দিবসের তাৎপর্য প্রচারে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ ডিসেম্বর — এই তারিখে কোনো আন্তর্জাতিক বা জাতীয় মানবাধিকার দিবস পালিত হয় না। B) ১০ ডিসেম্বর — এটি সঠিক উত্তর যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস হিসেবে বিশ্বজুড়ে পালিত হয়। C) ১১ ডিসেম্বর — এই তারিখটি আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা মানবাধিকার দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১৩ ডিসেম্বর — এই তারিখে অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা থাকলেও মানবাধিকার দিবসের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: ডিসেম্বর মাসের প্রথম ভাগে ১০ তারিখটি মানবাধিকার দিবসের জন্য মনে রাখতে পারেন। মানবাধিকার রক্ষার সংগ্রাম সব সময় ১০ নম্বর অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত এভাবেও মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতি বছর মানবাধিকার দিবসে একটি নির্দিষ্ট প্রতিপাদ্য বা থিম নির্ধারণ করা হয় যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। জাতিসংঘের এই সর্বজনীন ঘোষণাটি মানবাধিকারের সর্বমোট ত্রিশটি ধারা নিয়ে গঠিত যা প্রায়শই পরীক্ষায় আসে।
a উত্তর আমেরিকায়
b দক্ষিণ আমেরিকায়
c মধ্য আফ্রিকায়
d মধ্য আমেরিকায়
0 128 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মধ্য আমেরিকায় ১. কেন সঠিক: - মায়া সভ্যতা একটি প্রাচীন ও উন্নত প্রাক-কলম্বিয়ান সভ্যতা, যা মূলত মধ্য আমেরিকার ক্রান্তীয় অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল। - বর্তমান মেক্সিকোর দক্ষিণাংশ, বেলিজ, গুয়াতেমালা, হন্ডুরাস ও এল সালভাদর নিয়ে গঠিত ভৌগোলিক অঞ্চলটি মধ্য আমেরিকা হিসেবে পরিচিত। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - অঞ্চল: মেসোআমেরিকা বা মধ্য আমেরিকা অঞ্চলটি মায়া সভ্যতার মূল কেন্দ্র ছিল, যেখানে তাদের বিখ্যাত পিরামিড ও নগররাষ্ট্র গড়ে ওঠে। - সময়কাল: এই সভ্যতা খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ২০০০ অব্দ থেকে শুরু হয়ে ষোড়শ শতাব্দীতে স্পেনীয়দের আগমনের আগ পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: আজটেক সভ্যতা ব্যাখ্যা: এটিও মধ্য আমেরিকার মেক্সিকো অঞ্চলে গড়ে ওঠা আরেকটি প্রাচীন ও শক্তিশালী সভ্যতা ছিল, যা মায়া সভ্যতার সমসাময়িক বা পরবর্তী সময়ে বিকাশ লাভ করেছিল। উদাহরণ ২: ইনকা সভ্যতা ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বতমালা অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল, যা প্রায়শই মায়া বা আজটেক সভ্যতার সঙ্গে পরীক্ষার প্রশ্নে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উত্তর আমেরিকায় — উত্তর আমেরিকার মূল ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা অবস্থিত, যেখানে মায়া সভ্যতার মূল কেন্দ্র গড়ে ওঠেনি। B) দক্ষিণ আমেরিকায় — দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে ইনকা সভ্যতা গড়ে উঠেছিল, মায়া সভ্যতা নয়। C) মধ্য আফ্রিকায় — মধ্য আফ্রিকা সাহারা মরুভূমির দক্ষিণে অবস্থিত একটি ভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চল, যার সঙ্গে মায়া সভ্যতার কোনো সম্পর্ক নেই। D) মধ্য আমেরিকায় — এই অঞ্চলটি মায়া সভ্যতার মূল জন্মস্থান এবং এখানেই তাদের নগর ও লিপি বিকশিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - মায়া সভ্যতা মানেই মধ্য আমেরিকা বা মেসোআমেরিকা অঞ্চল। - দক্ষিণ আমেরিকার সঙ্গে ইনকা সভ্যতা এবং মধ্য আমেরিকার সঙ্গে মায়া সভ্যতা মিলিয়ে ফেলার প্রবণতা এড়াতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মায়া সভ্যতা তাদের উন্নত জ্যোতির্ববিদ্যা, গণিত এবং হায়ারোগ্লিফিক লিপির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। - এই টপিক থেকে প্রাচীন সভ্যতার ভৌগোলিক অবস্থান ও তাদের অবদান সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a রাশিয়ায়
b ইংল্যান্ডে
c ফ্রান্সে
d চীনে
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইংল্যান্ডে ১. কেন সঠিক: ট্রাফালগার স্কয়ার হলো ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি বিখ্যাত উন্মুক্ত ঐতিহাসিক চত্বর বা স্কয়ার। ১৮০৫ সালের ট্রাফালগার যুদ্ধে ফরাসি ও স্প্যানিশ নৌবাহিনীর বিরুদ্ধে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর ঐতিহাসিক বিজয়ের স্মরণে এই চত্বরটির নামকরণ করা হয়েছে। ২. ঐতিহাসিক পটভূমি: দেশ বা স্থান: যুক্তরাজ্য তথা ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডন শহরের কেন্দ্রস্থলে ট্রাফালগার স্কয়ার অবস্থিত। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৮০৫ সালে ট্রাফালগার যুদ্ধে অ্যাডমিরাল হোরেস নেলসনের নেতৃত্বে ব্রিটিশ নৌবাহিনী জয়লাভ করে। গুরুত্ব: এই বিজয়ের স্মরণে চত্বরের মাঝখানে নেলসনস কলাম স্থাপন করা হয়েছে যা একে বিশ্বজুড়ে পরিচিত করেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাইড পার্ক ব্যাখ্যা: এটি লন্ডনে অবস্থিত একটি বিখ্যাত রাজকীয় উদ্যান যা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন জনসভা ও ঐতিহাসিক ঘটনার জন্য পরিচিত। উদাহরণ ২: আইফেল টাওয়ার ব্যাখ্যা: এটি ফ্রান্সে অবস্থিত একটি বিশ্বখ্যাত স্থাপনা যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দেশভিত্তিক প্রশ্ন হিসেবে আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়ায় — রাশিয়ায় ট্রাফালগার স্কয়ার অবস্থিত নয়। রাশিয়ার বিখ্যাত চত্বরের নাম রেড স্কয়ার যা মস্কোয় অবস্থিত। B) ইংল্যান্ডে — এটি সঠিক উত্তর। কারণ ট্রাফালগার স্কয়ার ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনে অবস্থিত। C) ফ্রান্সে — ফ্রান্সে ট্রাফালগার স্কয়ার অবস্থিত নয়। ফ্রান্সের বিখ্যাত চত্বর হলো প্লেস দ্য লা কনকর্ড। D) চীনে — চীনে ট্রাফালগার স্কয়ার অবস্থিত নয়। চীনের সবচেয়ে বিখ্যাত চত্বরের নাম তিয়েনআনমেন স্কয়ার। ৫ মনে রাখার টিপস: ট্রাফালগার যুদ্ধ জয় করেছিল ব্রিটিশরা। তাই ট্রাফালগার স্কয়ার ইংল্যান্ড বা লন্ডনেই অবস্থিত। রাশিয়া বা চীনের সঙ্গে এই ব্রিটিশ নৌবিজয়ের কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্বের বিখ্যাত চত্বর এবং তাদের শহর বা দেশ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই বিষয় থেকে রেড স্কয়ার বা তিয়েনআনমেন স্কয়ার কোন দেশে অবস্থিত, এমন প্রশ্নও হতে পারে।
a সমুদ্র বন্দর
b বিমান বন্দর
c স্থল বন্দর
d নদী বন্দর
0 131 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমুদ্র বন্দর ১. কেন সঠিক: আকাবা হলো জর্ডানের একমাত্র সমুদ্র বন্দর এবং দেশটির একমাত্র উপকূলীয় শহর। এই বন্দরটি লোহিত সাগরের আকাবা উপসাগরের উত্তর তীরে অবস্থিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এর গুরুত্ব অপরিসীম। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: জর্ডান অবস্থান: লোহিত সাগরের আকাবা উপসাগর প্রেক্ষাপট: জর্ডানের ভূখণ্ডের বেশিরভাগ অংশ স্থলবেষ্টিত হলেও এই একটিমাত্র বন্দরের মাধ্যমে দেশটি সমুদ্র বাণিজ্যের সুযোগ পায়। গুরুত্ব: মধ্যপ্রাচ্যের বাণিজ্যে জর্ডান, ইরাক ও অন্যান্য দেশের জন্য এটি একটি ট্রানজিট রুট হিসেবে কাজ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইলাত বন্দর ব্যাখ্যা: এটি ইসরায়েলের একমাত্র লোহিত সাগরীয় বন্দর, যা আকাবা বন্দরের খুব কাছাকাছি অবস্থিত এবং ভূরাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণ ২: কুয়েত বন্দর ব্যাখ্যা: এটি পারস্য উপসাগরে অবস্থিত মধ্যপ্রাচ্যের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র বন্দর, যা আঞ্চলিক বাণিজ্যে ভূমিকা রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমুদ্র বন্দর — আকাবা লোহিত সাগরের তীরে অবস্থিত জর্ডানের একমাত্র সমুদ্র বন্দর হওয়ায় এই উত্তরটি সঠিক। B) বিমান বন্দর — আকাবা একটি বিমান বন্দর নয়, এটি জলপথের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের জন্য ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র বন্দর। C) স্থল বন্দর — স্থল বন্দর বলতে স্থলসীমান্তবর্তী বাণিজ্য কেন্দ্রকে বোঝায়, কিন্তু আকাবা সরাসরি সমুদ্রের তীরে অবস্থিত। D) নদী বন্দর — আকাবা কোনো নদীর তীরে অবস্থিত নয়, এটি সরাসরি লোহিত সাগরের সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত। ৫ মনে রাখার টিপস: জর্ডানের সমুদ্র দেখার একমাত্র ঠিকানা হলো আকাবা। মনে রাখবেন আকাবা মানেই লোহিত সাগরের জলরাশি এবং সমুদ্র বন্দর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যপ্রাচ্যের ভূগোল থেকে প্রায়ই স্থলবেষ্টিত দেশ এবং একমাত্র বন্দরের প্রশ্ন আসে। জর্ডানের সমুদ্র বন্দর কোনটি এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় বেশ কয়েকবার এসেছে।
a BCIM-EC
b OAS
c OIC
d BIMSTEC
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) OAS ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ আমেরিকা মহাদেশের আঞ্চলিক সংস্থা OAS এর সদস্য নয় কারণ বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের একটি দেশ। - ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ এশিয়াভিত্তিক বা বৈশ্বিক সংস্থাসমূহের সদস্য হলেও আমেরিকা মহাদেশের এই আঞ্চলিক জোটের অন্তর্ভুক্ত নয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: OAS এর পূর্ণরূপ Organization of American States বা আমেরিকান রাষ্ট্রগুলোর সংস্থা। - প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৮ সালের ৩০ এপ্রিল এই সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। - সদর দপ্তর: যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি সি তে এই সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত। - উদ্দেশ্য: আমেরিকা মহাদেশের দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, গণতন্ত্র রক্ষা এবং শান্তি বজায় রাখা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সার্ক বা SAARC ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা, যার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য বাংলাদেশ। উদাহরণ ২: আসিয়ান বা ASEAN ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট, ভৌগোলিক সীমানার বাইরে থাকায় বাংলাদেশ এর সদস্য নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) BCIM-EC — এটি বাংলাদেশ, চীন, ভারত ও মিয়ানমার নিয়ে গঠিত অর্থনৈতিক করিডোর, যার সদস্য বাংলাদেশ। B) OAS — এটি আমেরিকা মহাদেশের আঞ্চলিক সংস্থা হওয়ায় ভৌগোলিক কারণে বাংলাদেশ এর সদস্য নয়। C) OIC — এটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর আন্তর্জাতিক সংস্থা, যার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য বাংলাদেশ। D) BIMSTEC — এটি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক সংস্থা, যার বাংলাদেশ অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - আমেরিকা মহাদেশের সংস্থা OAS এবং লাতিন আমেরিকার জোটগুলোতে সাধারণত এশিয়ার দেশগুলো সদস্য হয় না। - বাংলাদেশ শুধু এশীয় আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সংস্থাসমূহের সদস্য পদ লাভ করেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলাদেশ কোন সংস্থার সদস্য বা সদস্য নয়, তা প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - আঞ্চলিক সংস্থার ভৌগোলিক পরিধি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a ভারত-নেপাল
b ভারত-পাকিস্তান
c ভারত –চীন
d ভারত-ভুটান
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভারত –চীন ১. কেন সঠিক: - নাথু লা পাস ভারত ও চীনের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী একটি ঐতিহাসিক ও কৌশলগত পাহাড়ি পথ। - এটি প্রাচীন রেশম পথের একটি শাখা এবং এটি ১৯০৬ সালে ব্রিটিশ ভারত ও তিব্বতের মধ্যে বাণিজ্য পথ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ২. ভূরাজনীতি ও বাণিজ্য পটভূমি: - দেশ: ভারত ও চীন, এশিয়ার দুটি প্রধান প্রতিবেশী ও উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তি। - অবস্থান: ভারতের সিকিম রাজ্য ও চীনের তিব্বত অঞ্চলের মধ্যবর্তী হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত। - প্রেক্ষাপট: ১৯৬২ সালের ভারত-চীন যুদ্ধের সময় এই পাসটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল এবং দীর্ঘ ৪৪ বছর পর ২০০৬ সালে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের জন্য এটি পুনরায় খুলে দেওয়া হয়। - গুরুত্ব: কৈলাস ও মানসসরোবর তীর্থযাত্রীদের জন্য এবং ভারত-চীন সীমান্ত বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এই পাসটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: লিপুলেখ পাস ব্যাখ্যা: এটি ভারত, চীন ও নেপালের সীমান্তবর্তী একটি পাস, যা তীর্থযাত্রা ও বাণিজ্যের জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: জোজিয়া পাস ব্যাখ্যা: এটি ভারতের কাশ্মীরে অবস্থিত এবং শ্রীনগরকে লেহ শহরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত-নেপাল — এই অপশনটি ভুল কারণ ভারত ও নেপালের মধ্যে লিপুলেখ, নাথুলা নয়, এবং এই দেশগুলোর মধ্যে প্রধান পাসগুলো অন্য অঞ্চলে অবস্থিত। B) ভারত-পাকিস্তান — এই অপশনটি ভুল কারণ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংযোগকারী বিখ্যাত পাসগুলোর মধ্যে রয়েছে বানিহাল পাস এবং খাইবার পাস পাকিস্তানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। D) ভারত-ভুটান — এই অপশনটি ভুল কারণ ভারত ও ভুটানের মধ্যে সংযোগ রক্ষাকারী পাস হলো নাথু লা নয়, বরং অন্যান্য পাহাড়ি পথ যেমন জেলেপ লা। ৫ মনে রাখার টিপস: - নাথু লা পাস সিকিমে অবস্থিত যা চীনকে যুক্ত করেছে। - সিকিম রাজ্যটি চীনের তিব্বতের সীমানা ঘেঁষা বলে নাথু লা ভারত ও চীনকে সংযুক্ত করেছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় সীমান্ত পাস বা ভূকৌশলগত স্থান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে নাথু লা পাস কোন ভারতীয় রাজ্যে অবস্থিত, যার উত্তর হবে সিকিম।
a মালয়শিয়া
b ফিলিপাইন
c ভিয়েতনাম
d কম্বোডিয়া
0 145 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কম্বোডিয়া ১. কেন সঠিক: দক্ষিণ চীন সাগর বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত ও ভূরাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ, যার মালিকানা বা জলসীমা নিয়ে একাধিক দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। কম্বোডিয়া এই দক্ষিণ চীন সাগরের প্রত্যক্ষ তীরবর্তী বা উপকূলীয় দেশ নয় এবং এই জলসীমার ওপর তাদের কোনো সার্বভৌম দাবি বা অংশীদারত্ব নেই। ২. ভূরাজনীতি ও আঞ্চলিক প্রেক্ষাপট: দেশ বা সংস্থা: দক্ষিণ চীন সাগর মূলত পূর্ব এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থল। প্রেক্ষাপট: চীনের একতরফা নাইন-ড্যাশ লাইন বা দশ-ড্যাশ লাইন দাবির কারণে এই অঞ্চলের জলসীমা নিয়ে তীব্র ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্ব চলছে। উদ্দেশ্য বা গুরুত্ব: এই জলপথ দিয়ে বিশ্ব বাণিজ্যের বিশাল অংশ পরিচালিত হয় এবং এর তলদেশে প্রচুর খনিজ সম্পদ রয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফিলিপাইন ব্যাখ্যা: ফিলিপাইন দক্ষিণ চীন সাগরের জলসীমা দাবিদার এবং চীনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করে সাফল্য পেয়েছে। উদাহরণ ২: ভিয়েতনাম ব্যাখ্যা: ভিয়েতনাম দক্ষিণ চীন সাগরের পারাসল ও স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জের ওপর নিজেদের ঐতিহাসিক মালিকানা দাবি করে আসছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালয়শিয়া — এটি দক্ষিণ চীন সাগরের অন্যতম দাবিদার দেশ এবং তাদের উপকূলের কাছাকাছি জলসীমায় চীনের কোস্টগার্ডের সঙ্গে প্রায়ই উত্তেজনা তৈরি হয়। B) ফিলিপাইন — এটি এই জলসীমার স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জের একটি অংশের প্রধান দাবিদার এবং সমুদ্র আইন সংক্রান্ত জাতিসংঘ কনভেনশন মেনে চলে। C) ভিয়েতনাম — এটি দক্ষিণ চীন সাগরের জলসীমা ও দ্বীপগুলোর ওপর জোরালো ঐতিহাসিক ও আইনগত দাবি পেশ করে থাকে। D) কম্বোডিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর ভৌগোলিক অবস্থান থাইল্যান্ড উপসাগরের দিকে এবং দক্ষিণ চীন সাগরে এর কোনো প্রত্যক্ষ দাবি বা জলসীমা নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: দক্ষিণ চীন সাগরের বিরোধে আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, মালয়শিয়া ও ব্রুনাই সরাসরি জড়িত। কম্বোডিয়া আসিয়ানভুক্ত দেশ হলেও এটি দক্ষিণ চীন সাগরের প্রত্যক্ষ উপকূলীয় দাবিদার নয়, বরং চীনের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: দক্ষিণ চীন সাগর বিরোধে আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর অবস্থান এবং সমুদ্র আইন সংক্রান্ত জাতিসংঘ কনভেনশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন দেশগুলোর মধ্যে সামুদ্রিক সীমানা নিয়ে বিরোধ রয়েছে।
a UNIMOG
b UNIIMOG
c UNGOMAP
d UNICEF
0 158 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) UNIIMOG ১. কেন সঠিক: - ইরান ও ইরাকের মধ্যে ১৯৮০ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত চলা দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের অবসান ঘটাতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব অনুসারে এই শান্তিরক্ষী মিশন গঠিত হয়। - যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলো কি না এবং দুই দেশের সীমান্ত থেকে সৈন্য প্রত্যাহার হচ্ছে কি না, তা তদারকি করাই ছিল এই বাহিনীর মূল দায়িত্ব। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: জাতিসংঘ ইরান-ইরাক সামরিক অবজার্ভার গ্রুপ। - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ১৯৮৮ সালের আগস্ট মাসে এই মিশন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। - সদর দপ্তর: ইরান ও ইরাকের সীমান্ত এলাকা তথা তেহরান ও বাগদাদ। - প্রেক্ষাপট: দীর্ঘ আট বছর ধরে চলা ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের পর জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি অর্জিত হলে শান্তিরক্ষার প্রয়োজন দেখা দেয়। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: মধ্যপ্রাচ্যের একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে জাতিসংঘ এই প্রথম সরাসরি সামরিক পর্যবেক্ষণ পরিচালনা করে। - ফলাফল/প্রভাব: সফলভাবে যুদ্ধবিরতি তদারকি শেষে ১৯৮৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এই মিশন তাদের কার্যক্রম সমাপ্ত করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: UNGOMAP ব্যাখ্যা: সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তান ত্যাগ করার সময় জেনেভা চুক্তি তদারকির জন্য এই মিশন গঠিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: UNIMOG ব্যাখ্যা: এমন কোনো স্বীকৃত জাতিসংঘের প্রধান শান্তিরক্ষী বাহিনী নেই, এটি কেবল বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি একটি অপশন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNIMOG — এই নামে জাতিসংঘের কোনো আনুষ্ঠানিক শান্তিরক্ষী মিশন বা সংস্থা অতীতে বা বর্তমানে অস্তিত্বশীল ছিল না। B) UNIIMOG — এটি জাতিসংঘ ইরান-ইরাক সামরিক অবজার্ভার গ্রুপের সঠিক সংক্ষিপ্ত রূপ যা সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত। C) UNGOMAP — এটি মূলত আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত সৈন্য প্রত্যাহার তদারক করার জন্য গঠিত জাতিসংঘের অন্য একটি মিশন। D) UNICEF — এটি শিশুদের অধিকার ও কল্যাণ নিয়ে কাজ করা জাতিসংঘের একটি দীর্ঘস্থায়ী বিশেষায়িত সংস্থা, কোনো যুদ্ধবিরতি মিশন নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইরান ও ইরাকের যুদ্ধবিরতি মনে রাখতে হলে নামের শেষের IIMOG অংশটি খেয়াল রাখতে হবে যা Iran-Iraq Military Observer Group বোঝায়। - UNICEF বা অন্য কোনো সাধারণ সংস্থার সঙ্গে এই সামরিক পর্যবেক্ষণ মিশনকে গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুদ্ধবিরতি তদারককারী জাতিসংঘের মিশনগুলোর নাম প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - একই ধরনের প্রশ্ন থেকে সংক্ষেপে জানতে চাওয়া হতে পারে কোন সালে এই মিশন গঠিত হয়েছিল বা এর পূর্ণরূপ কী।
a হেলেন কেলার
b ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল
c মাদার তেরেসা
d সরোজিনী নাইডু
0 140 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ১. কেন সঠিক: - ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ক্রিমিয়ার যুদ্ধের সময় রাতে লণ্ঠন হাতে আহত সৈনিকদের সেবা করতেন বলে তাকে দ্য লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প বলা হয়। - আধুনিক নার্সিং পেশার প্রবর্তক হিসেবে তার অবদান আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও সম্মানীত। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - পেশা ও অবদান: তিনি আধুনিক নার্সিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা এবং স্বাস্থ্যসেবা সংস্কারের অগ্রদূত হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। - যুদ্ধ ও সেবা: ১৮৫৪ থেকে ১৮৫৬ সালের ক্রিমিয়ার যুদ্ধে ব্রিটিশ সৈনিকদের সেবায় তার ভূমিকা ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা আছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রেড ক্রস আন্দোলন ব্যাখ্যা: যুদ্ধাহত ও বিপন্ন মানুষের সেবায় হেনরি ডুনান্টের রেড ক্রস প্রতিষ্ঠার পেছনে ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের কাজের অনুপ্রেরণা ছিল। উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক নার্স দিবস ব্যাখ্যা: ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের জন্মবার্ষিকী ১২ মে তারিখটিকে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হেলেন কেলার — তিনি একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মার্কিন লেখক ও সমাজকর্মী ছিলেন যিনি বধির ও অন্ধদের অধিকার নিয়ে কাজ করেছেন। B) ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল — তিনি ক্রিমিয়ার যুদ্ধে লণ্ঠন হাতে আহত সৈনিকদের সেবা করার জন্য দ্য লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প উপাধি পান। C) মাদার তেরেসা — তিনি কলকাতার মিশনারিজ অব চ্যারিটির প্রতিষ্ঠাতা এবং গরিব ও অসহায় মানুষের সেবার জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। D) সরোজিনী নাইডু — তিনি ভারতের কোকিলকণ্ঠী বা নাইটিঙ্গেল অব ইন্ডিয়া নামে পরিচিত একজন প্রখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী ও রাজনীতিবিদ। ৫ মনে রাখার টিপস: - নাইটিঙ্গেল শব্দের সঙ্গে ল্যাম্প বা লণ্ঠন শব্দটি মিলিয়ে পড়লে পরীক্ষা সহজে মনে রাখা যায়। - নার্সিং পেশার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আন্তর্জাতিক নার্স দিবস কবে পালিত হয় এবং আধুনিক নার্সিংয়ের জনক কে, এই প্রশ্নগুলো বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a মালয়শিয়া
b ইন্দোনেশিয়া
c চীন
d ইংল্যান্ড
0 164 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইন্দোনেশিয়া ১. কেন সঠিক: ব্যাডমিন্টন ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় খেলা হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত এবং দেশটিতে এই খেলাটির অত্যন্ত ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার জনগণ এবং ক্রীড়াবিদরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাডমিন্টনে অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে আসছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: ইন্দোনেশিয়া রাজধানী: জাকার্তা মুদ্রা: রুপিয়াহ প্রেক্ষাপট: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দ্বীপরাষ্ট্রটিতে ব্যাডমিন্টন কেবল একটি খেলা নয়, বরং এটি জাতীয় সংস্কৃতির একটি অংশ। গুরুত্ব: অলিম্পিক এবং বিশ্ব ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে ইন্দোনেশিয়ার খেলোয়াড়রা বহুবার স্বর্ণপদক অর্জন করেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: চীন ব্যাখ্যা: চীন ব্যাডমিন্টন খেলায় বিশ্ব পরাশক্তি হলেও এটি তাদের জাতীয় খেলা নয়, বরং চীনের জাতীয় খেলা হলো টেবিল টেনিস। উদাহরণ ২: ইংল্যান্ড ব্যাখ্যা: আধুনিক ব্যাডমিন্টন খেলার জন্ম ইংল্যান্ডে হলেও এটি তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত কোনো জাতীয় খেলা নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালয়শিয়া — মালয়েশিয়ার জনপ্রিয় একটি খেলা ব্যাডমিন্টন হলেও এটি তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত জাতীয় খেলা নয়। B) ইন্দোনেশিয়া — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি এই দেশের জাতীয় খেলা হিসেবে স্বীকৃত। C) চীন — চীনের জাতীয় খেলা টেবিল টেনিস, যদিও তাদের ব্যাডমিন্টন দল অত্যন্ত শক্তিশালী। D) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক জাতীয় খেলা ক্রিকেট এবং ফুটবল, ব্যাডমিন্টন নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ইন্দোনেশিয়ার মানুষের কাছে ব্যাডমিন্টন হলো সবচেয়ে আবেগের খেলা। এভাবে মনে রাখতে পারো যে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপ দেশ ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় খেলা ব্যাডমিন্টন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন দেশের জাতীয় খেলা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। এই প্রশ্নটি থেকে শিক্ষার্থী অন্য দেশের জাতীয় খেলা যেমন চীনের টেবিল টেনিস সম্পর্কেও ধারণা লাভ করতে পারে।
a UNDP
b World Bank
c IMF
d BRICS
0 140 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) World Bank ১. কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদনের নাম হলো ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট। - এই প্রতিবেদনটিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি, দারিদ্র্য বিমোচন এবং উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচিতি: - সংস্থা: বিশ্বব্যাংক বা আন্তর্জাতিক পুনর্গঠন ও উন্নয়ন ব্যাংক। - প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। - সদর দপ্তর: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি। - উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোকে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টস ব্যাখ্যা: এটিও বিশ্বব্যাংকের আরেকটি বিখ্যাত বার্ষিক প্রকাশনা যা বিশ্ব অর্থনীতির পূর্বাভাস দেয়। উদাহরণ ২: ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট ইন্ডিকেটরস ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বব্যাংকের আরেকটি ডেটাসেটভিত্তিক প্রকাশনা যা দেশের উন্নয়নের তুলনামূলক চিত্র প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNDP — এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি যার বার্ষিক প্রকাশনা হলো মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন। C) IMF — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল যার প্রধান প্রকাশনা হলো ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক। D) BRICS — এটি উদীয়মান অর্থনীতির পাঁচটি দেশের জোট এবং এদের নিজস্ব ব্যাংক হলো নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক। ৫ মনে রাখার টিপস: - ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট প্রকাশ করে বিশ্বব্যাংক এবং হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট প্রকাশ করে ইউএনডিপি। - এই দুটি সংস্থা ও তাদের প্রতিবেদনের নাম প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করে, তাই আলাদা করে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্বব্যাংকের বর্তমান সদস্য দেশ সংখ্যা ১৮৯টি এবং এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান মোট পাঁচটি। - একই বিষয় থেকে অন্য এমসিকিউ আসতে পারে যেমন বিশ্বব্যাংকের বর্তমান প্রেসিডেন্টের নাম কী।
a জীবাশ্ম জ্বালানীর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ
b গ্রিন হাউস গ্যাসের নি:সরণ ও প্রশমন
c সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি
d বৈশ্বিক মরুকরণ প্রক্রিয়া এবং বনায়ন
0 141 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গ্রিন হাউস গ্যাসের নি:সরণ ও প্রশমন ১. কেন সঠিক: ইউনাইটেড নেশনস ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ বা ইউএনএফসিসিসি হলো বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধে জাতিসংঘের মূল জলবায়ু চুক্তি। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের ঘনত্ব এমন একটি স্তরে স্থিতিশীল রাখা, যাতে জলবায়ুতন্ত্রের ওপর মানুষের বিপজ্জনক হস্তক্ষেপ রোধ করা যায়। ২. আন্তর্জাতিক চুক্তি ও পরিবেশ কনভেনশন: চুক্তি বা সম্মেলনের নাম: ইউনাইটেড নেশনস ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ বা ইউএনএফসিসিসি। তারিখ ও স্থান: ১৯৯২ সালের ৯ মে নিউইয়র্কে চুক্তিটি গৃহীত হয় এবং ১৯৯২ সালের রিও ডি জেনেইরো ধরিত্রী সম্মেলনে স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। সংশ্লিষ্ট সংস্থা: এটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধীন একটি প্রধান আন্তর্জাতিক পরিবেশগত চুক্তি। প্রধান উদ্দেশ্য ও সিদ্ধান্ত: বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধে গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় বৈশ্বিক সহযোগিতা বাড়ানো। আন্তর্জাতিক প্রভাব বা গুরুত্ব: এটি পরবর্তীকালে কিওটো প্রটোকল এবং প্যারিস চুক্তির মতো ঐতিহাসিক জলবায়ু চুক্তিগুলো গঠনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিওটো প্রটোকল ব্যাখ্যা: এটি ইউএনএফসিসিসি চুক্তির অধীন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা উন্নত দেশগুলোর জন্য গ্রিনহাউস গ্যাস হ্রাসের আইনি বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করেছিল। উদাহরণ ২: প্যারিস চুক্তি ব্যাখ্যা: এটি ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত ইউএনএফসিসিসি এর আরেকটি মাইলফলক চুক্তি যার লক্ষ্য ছিল বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবাশ্ম জ্বালানীর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ — এটি ইউএনএফসিসিসি এর একটি পরোক্ষ কৌশল হতে পারে, তবে এটি চুক্তির সরাসরি ও মূল আলোচ্য বিষয় নয়। B) গ্রিন হাউস গ্যাসের নি:সরণ ও প্রশমন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই চুক্তিটি মূলত বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন কমানো ও এর ক্ষতিকর প্রভাব প্রশমিত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। C) সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি — এটি জলবায়ু পরিবর্তনের একটি মারাত্মক পরিণতি বা ফলাফল, কিন্তু সরাসরি এই চুক্তির প্রধান কাঠামোগত আলোচ্য বিষয় নয়। D) বৈশ্বিক মরুকরণ প্রক্রিয়া এবং বনায়ন — মরুকরণ রোধ এবং বনায়নের জন্য জাতিসংঘের আরেকটি পৃথক চুক্তি রয়েছে যার নাম কনভেনশন টু কম্ব্যাট ডেজার্টিফিকেশন। ৫ মনে রাখার টিপস: ইউএনএফসিসিসি হলো জলবায়ু পরিবর্তনের মূল ছাতা চুক্তি, যার ইংরেজি নামের শেষ শব্দ ক্লাইমেট চেঞ্জ বা জলবায়ু পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি হলো গ্রিনহাউস গ্যাস। মনে রাখবেন রিও কনভেনশন নামে পরিচিত এই সম্মেলন থেকেই মূলত বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরিবেশ ও জলবায়ু সম্পর্কিত অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে কনভেনশনটি কবে এবং কোথায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল কিংবা এর অঙ্গীভূত কিওটো প্রটোকল সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
a আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (ARF)
b আঞ্চলিক শ্রম সংস্থা (ILO)
c আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (IFAD)
d খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)
0 128 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (ARF) ১. কেন সঠিক: - আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম বা এআরএফ সরাসরি জাতিসংঘের কোনো বিশেষায়িত বা অঙ্গসংস্থা নয়। এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ানের একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংলাপ মঞ্চ। - এটি মূলত এশিয়া-পাসফিক অঞ্চলের নিরাপত্তা ও ভূরাজনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে গঠিত হয়েছিল, যার সঙ্গে জাতিসংঘ কাঠামোর কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক নেই। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম বা এআরএফ হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সহযোগিতা সংস্থা আসিয়ান এর একটি বহুপাক্ষিক নিরাপত্তা সংলাপ ফোরাম। - প্রতিষ্ঠা: এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালে এবং এর মূল লক্ষ্য হলো এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। - সদর দপ্তর: এর কোনো স্থায়ী আলাদা সদর দপ্তর নেই, বরং আসিয়ান সচিবালয় জাকার্তায় অবস্থিত এবং আসিয়ান চেয়ার এই ফোরামের নেতৃত্ব দেয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ ব্যাখ্যা: এটি ইউরোপের দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট, যা জাতিসংঘের কোনো সংস্থা নয় বরং একটি স্বাধীন আঞ্চলিক সংস্থা। উদাহরণ ২: সার্ক বা এসএআরসি ব্যাখ্যা: দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সার্কও জাতিসংঘের কোনো অঙ্গসংস্থা নয়, এটি একটি স্বাধীন আঞ্চলিক জোট। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (ARF) — এটি জাতিসংঘের কোনো সংস্থা নয়, বরং আসিয়ান জোটের একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংলাপ ফোরাম। B) আঞ্চলিক শ্রম সংস্থা (ILO) — আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা বা আইএলও হলো জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করে। C) আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (IFAD) — এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা গ্রামীণ এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর খাদ্য উৎপাদন ও পুষ্টির উন্নয়নে কাজ করে। D) খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) — এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা ক্ষুধা দূরীকরণ এবং কৃষি খাতের উন্নয়নে বিশ্বব্যাপী কাজ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থাগুলোর নামের শুরুতে সাধারণত আন্তর্জাতিক বা বিশ্ব কথাটি থাকে এবং এগুলো বিশ্বব্যাপী কাজ করে। - আঞ্চলিক বা নির্দিষ্ট মহাদেশভিত্তিক রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা মঞ্চ যেমন আসিয়ান বা ন্যাটো জাতিসংঘের সরাসরি সংস্থা নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা এবং আঞ্চলিক সংস্থার মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। - কোন কোন সংস্থা জাতিসংঘের অধীনে পরিচালিত হয় এবং কোনটি স্বাধীন আঞ্চলিক জোট, তা ভালোভাবে তালিকাভুক্ত করে পড়া উচিত।
a এডেন উপসাগরের পাশে
b প্রশান্ত মহাসাগরে
c দক্ষিণ আমেরিকায়
d দক্ষিণ চীন সাগরে
0 154 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এডেন উপসাগরের পাশে ১. কেন সঠিক: জিবুতি আফ্রিকার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলে অবস্থিত একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছোট দেশ। এই দেশটি লোহিত সাগর এবং এডেন উপসাগরের সংযোগস্থলে বাব-এল-মান্দেব প্রণালীর পাশে অবস্থিত হওয়ায় এর ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: জিবুতি প্রজাতন্ত্র (Republic of Djibouti) অবস্থান: পূর্ব আফ্রিকা, এডেন উপসাগর ও লোহিত সাগরের সংযোগস্থল রাজধানী: জিবুতি শহর প্রেক্ষাপট: বিশ্বের প্রধান সামুদ্রিক বাণিজ্য রুট এই অঞ্চলের ওপর দিয়ে পরিচালিত হয় এবং এখানে বেশ কয়েকটি দেশের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। গুরুত্ব: মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যের প্রধান গেটওয়ে হিসেবে কাজ করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুয়েজ খাল ব্যাখ্যা: জিবুতির মতো সুয়েজ খালও আন্তর্জাতিক সমুদ্র বাণিজ্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পথ। উদাহরণ ২: বাব-এল-মান্দেব প্রণালী ব্যাখ্যা: এটি এডেন উপসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে, যার পাশেই জিবুতি অবস্থিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এডেন উপসাগরের পাশে — এই অপশনটি সঠিক কারণ জিবুতি এডেন উপসাগর ও লোহিত সাগরের সংযোগস্থলে অবস্থিত। B) প্রশান্ত মহাসাগরে — প্রশান্ত মহাসাগরে জিবুতি অবস্থিত নয়, এটি পূর্ব আফ্রিকার লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরের তীরবর্তী দেশ। C) দক্ষিণ আমেরিকায় — জিবুতি দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত নয়, এটি আফ্রিকা মহাদেশের হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলে অবস্থিত। D) দক্ষিণ চীন সাগরে — দক্ষিণ চীন সাগর এশিয়ায় অবস্থিত, যা জিবুতির ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জিবুতি নামটি শুনলেই মাথায় রাখতে হবে এটি হর্ন অব আফ্রিকার একটি দেশ যা লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরের মিলনস্থলে অবস্থিত। এডেন উপসাগর এবং লোহিত সাগরের প্রবেশদ্বারে জিবুতির অবস্থান একে বৈশ্বিক বাণিজ্যে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হর্ন অব আফ্রিকার দেশগুলো এবং তাদের ভৌগোলিক অবস্থান প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। এই প্রশ্নটি থেকে ভৌগোলিক কৌশলগত প্রণালী এবং সমুদ্র বন্দরের অবস্থান সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট হয়।
a কিলো ক্লাস
b মিং ক্লাস
c ডলফন ক্লাস
d শ্যাং-ক্লাস
0 163 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মিং ক্লাস ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জন্য চীন থেকে সংগৃহীত দুটি প্রচলিত ডিজেল-ইলেকট্রিক ডুবোজাহাজ টাইপ ০৩৫ বা মিং ক্লাস শ্রেণীর অন্তর্গত। ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে চীন থেকে এই সাবমেরিন দুটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হয়, যা বাংলাদেশের সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। ২. সামরিক ও কৌশলগত প্রেক্ষাপট: দেশ: বাংলাদেশ ও চীন প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ২০১৬ সালের ১৪ নভেম্বর বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাবমেরিন উইং গঠিত হয় এবং সাবমেরিন দুটি হস্তান্তর করা হয়। প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশ ফোর্সেস গোল ২০৩০ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সাবমেরিন সংগ্রহ করা হয়। উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: এর মাধ্যমে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ত্রিমাত্রিক বাহিনীতে রূপান্তর লাভ করে এবং গভীর সমুদ্রে নিজেদের জলসীমা রক্ষা ও সার্বভৌমত্ব বজায় রাখা সহজ হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফ্রিগেট ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ চীন থেকে যুদ্ধজাহাজ ও ফ্রিগেট সংগ্রহ করে থাকে, যা নৌবাহিনীর আধুনিকায়নে ভূমিকা রাখছে। উদাহরণ ২: ভারত মহাসাগরীয় ভূরাজনীতি ব্যাখ্যা: সাবমেরিন অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরে কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিলো ক্লাস — এটি রুশ প্রযুক্তির ডিজেল-ইলেকট্রিক ডুবোজাহাজ শ্রেণী, যা ভারত ও মিয়ানমারসহ কয়েকটি দেশের নৌবাহিনী ব্যবহার করে। B) মিং ক্লাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ নৌবাহিনী চীন থেকে এই শ্রেণীর দুটি ডুবোজাহাজ ক্রয় করেছে। C) ডলফন ক্লাস — এটি মূলত ইসরায়েলি নৌবাহিনীর ব্যবহৃত জার্মানি নির্মিত ডুবোজাহাজ শ্রেণী, যা অত্যন্ত উন্নতমানের। D) শ্যাং-ক্লাস — এটি চীনের পারমাণবিক শক্তিচালিত আক্রমণাত্মক ডুবোজাহাজ শ্রেণী, যা প্রচলিত ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রথম সাবমেরিনের নাম ও শ্রেণী মনে রাখতে 'মিং' শব্দটি মনে রাখুন। চীন থেকে সংগৃহীত হওয়ায় এটি চীনা ডিজাইনের মিং ক্লাস হিসেবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশ নৌবাহিনী কবে ত্রিমাত্রিক বাহিনীতে রূপান্তর লাভ করে তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সাবমেরিন দুটির নাম ছিল নবযাত্রা এবং জয়যাত্রা।
a ফ্রান্স
b জার্মানি
c নেদারল্যান্ড
d হাঙ্গেরি
0 150 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জার্মানি ১. কেন সঠিক: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বা টিআই হলো দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করা বিশ্বখ্যাত একটি বেসরকারি আন্তর্জাতিক সংস্থা। এই সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় জার্মানির রাজধানী বার্লিন শহরে অবস্থিত এবং এখান থেকেই বিশ্বব্যাপী তাদের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচিতি: সংস্থা: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বা টিআই প্রতিষ্ঠা: ১৯৯৩ সাল সদর দপ্তর: বার্লিন, জার্মানি মূল কাজ: প্রতি বছর দুর্নীতির ধারণা সূচক বা করাপশন পারसेप्शन ইনডেক্স প্রকাশ করা গুরুত্ব: বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের সরকারি খাতের দুর্নীতির মাত্রা মূল্যায়ন করা এর প্রধান কাজ ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বার্লিন শহর ব্যাখ্যা: জার্মানির রাজধানী ও বৃহত্তম শহর বার্লিন কেবল রাজনৈতিক কেন্দ্রই নয়, বরং ট্রান্সপারেন্সির মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর হিসেবেও পরিচিত। উদাহরণ ২: দুর্নীতি ধারণা সূচক ব্যাখ্যা: এই সূচকের মাধ্যমে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দুর্নীতি পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স — এটি ইউরোপের একটি দেশ, যার রাজধানী প্যারিস এবং এখানে ইউনেস্কোর সদর দপ্তর অবস্থিত, তবে ট্রান্সপারেন্সির কার্যালয় এখানে নেই। B) জার্মানি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের প্রধান কার্যালয় জার্মানির বার্লিনে অবস্থিত। C) নেদারল্যান্ড — এটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালত বা আইসিজের মতো সংস্থার জন্য পরিচিত, তবে ট্রান্সপারেন্সির সদর দপ্তর এখানে নয়। D) হাঙ্গেরি — এটি মধ্য ইউরোপের একটি দেশ, যার রাজধানী বুদাপেস্ট এবং এর সঙ্গে ট্রান্সপারেন্সির প্রধান কার্যালয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল শব্দটির প্রথম অক্ষর টি এবং জার্মানির রাজধানী বার্লিনের সঙ্গে মিলিয়ে এভাবে মনে রাখা যায় যে টিআই এর ঠিকানা জার্মানিতে। অন্যান্য অনেক সংস্থার সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্র বা সুইজারল্যান্ডে হলেও টিআই একটু ব্যতিক্রম হিসেবে জার্মানিতে অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক সংস্থা ও তাদের সদর দপ্তর সম্পর্কিত অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় অথবা তাদের প্রকাশিত প্রধান প্রতিবেদনের নাম কী।
a ১৫ সেপ্টেম্বর
b ১৫ অক্টোবর
c ১৫ নভেম্বর
d ১৫ ডিসেম্বর
0 141 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৫ সেপ্টেম্বর ১. কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্রের নীতি প্রচার এবং এর অবস্থা মূল্যায়নের জন্য নির্ধারিত একটি বিশেষ দিন। - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০০৭ সাল থেকে প্রতি বছর ১৫ সেপ্টেম্বর এই দিবসটি আনুষ্ঠানিকভাবে পালন করা হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ - প্রতিষ্ঠা/তারিখ: ২০০৭ সালের ৮ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রস্তাবের মাধ্যমে এটি গৃহীত হয় এবং প্রথম পালিত হয় ২০০৮ সালে। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষা করা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোতে অংশগ্রহণমূলক শাসনব্যবস্থা শক্তিশালী করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইন্টারপার্লামেন্টারি ইউনিয়ন ব্যাখ্যা: এই সংস্থাটি গণতন্ত্রের প্রসারে বিশ্বব্যাপী কাজ করে এবং আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস ঘোষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। উদাহরণ ২: মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র ব্যাখ্যা: গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো জনগণের অধিকার, যা এই ঘোষণাপত্রের নীতিগুলোর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫ সেপ্টেম্বর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনটিতেই আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস পালন করা হয়। B) ১৫ অক্টোবর — এটি সঠিক উত্তর নয়, কারণ এই তারিখে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস পালিত হয়। C) ১৫ নভেম্বর — এটি সঠিক উত্তর নয়, কারণ এই তারিখে কোনো প্রধান আন্তর্জাতিক দিবস নির্ধারিত নেই। D) ১৫ ডিসেম্বর — এটি সঠিক উত্তর নয়, কারণ এই তারিখে আন্তর্জাতিক চা দিবস পালিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - গণতন্ত্রের প্রথম অক্ষর দ (দশ এর মতো) এবং সেপ্টেম্বর মাসের মাঝের একটি বিশেষ তারিখ মনে রাখতে পারো যে এটি মাসের মাঝামাঝি সময়ে ১৫ তারিখে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দিবস সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, বিশেষ করে জাতিসংঘের ঘোষণাকৃত দিবসগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ।

মোট প্রশ্ন (10)

a বন্যা
b খরা
c ঘূর্ণিঝড়
d ভূমিধস
0 179 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বন্যা কেন সঠিক: - বন্যা মূলত অতিবৃষ্টি, নদী ভাঙন এবং আবহাওয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন জলবায়ুগত প্রক্রিয়ার কারণে ঘটে থাকে যা জলবায়ু বিজ্ঞানের আওতাভুক্ত। - হাইড্রোমেটিওরোলজিক্যাল বা বারি-বায়ুমণ্ডলীয় দুর্যোগ বলতে পানি এবং আবহাওয়ার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত প্রাকৃতিক বিপযয়কে বোঝানো হয়। ভৌগোলিক তথ্য: - ভৌগোলিক অবস্থান ও আয়তন বলতে নদীমাতৃক দেশ এবং নিচু প্লাবনভূমি অঞ্চলকে বোঝায় যেখানে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের সমস্যা বেশি থাকে। - এর বিশেষত্ব হলো এটি নদী অববাহিকা এবং উপকূলীয় অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে এবং জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করে তোলে। - উদাহরণস্বরূপ, প্রতি বছর বর্ষাকালে বাংলাদেশের বদ্বীপ অঞ্চলে মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে মারাত্মক বন্যা দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বন্যা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটি জলবায়ু ও পানির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। - B) খরা — এটি জলবায়ু সংক্রান্ত হলেও পানি সংকট জনিত দুর্যোগ হিসেবে আলাদাভাবে আবহাওয়া বিজ্ঞান ও জলবায়ু বিজ্ঞানের আওতায় পঠিত হয়। - C) ঘূর্ণিঝড় — এটি আবহাওয়া সংক্রান্ত বা মেটিওরোলজিক্যাল দুর্যোগ হিসেবে গণ্য হয় তবে তা শুধুমাত্র বায়ুমণ্ডলের ওপর বেশি নির্ভরশীল। - D) ভূমিধস — এটি মূলত ভূতাত্ত্বিক বা জিওলজিক্যাল এবং মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে পাহাড়ি অঞ্চলে সংঘটিত একটি দুর্যোগ। মনে রাখার টিপস: - হাইড্রো শব্দের অর্থ পানি এবং মেটিওরোলজি শব্দের অর্থ আবহাওয়া। - তাই পানি এবং আবহাওয়া মিলে যে দুর্যোগ সৃষ্টি হয়, তার প্রধান উদাহরণ হলো বন্যা।
a বান্দরবন
b কুষ্টিয়া
c কুমিল্লা
d বরিশাল
0 150 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কুমিল্লা কেন সঠিক: কুমিল্লার ময়নামতি ও লালমাই পাহাড় এলাকা প্লাইস্টোসিন কালের সোপান বা উঁচু ভূমির অন্তর্ভুক্ত। ভূমিতাত্ত্বিক বিচারে প্লাইস্টোসিন যুগে গঠিত হওয়ার কারণে এই অঞ্চলের মাটি সাধারণত লালচে ও পলিযুক্ত হয়ে থাকে। ভৌগোলিক তথ্য: কুমিল্লার ময়নামতি ও লালমাই পাহাড় অঞ্চল প্লাইস্টোসিন চত্বর বা সোপান হিসেবে পরিচিত। এই অঞ্চলগুলো প্লাবনভূমির চেয়ে কিছুটা উঁচু এবং এটি বরেন্দ্রভূমি ও মধুপুর গড়ের সমসাময়িক। বাংলাদেশের মোট ভূভাগের প্রায় আট শতাংশ এলাকা জুড়েই মূলত এই প্লাইস্টোসিন সোপানগুলো বিস্তৃত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বান্দরবন — এটি মূলত পাহাড়ি অঞ্চল এবং বাংলাদেশের পাহাড়ি সমভূমি বা টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ের অন্তর্ভুক্ত। B) কুষ্টিয়া — এটি প্লাইস্টোসিন সোপান নয়, বরং বর্তমানকালের নদী দ্বারা গঠিত সাম্প্রতিক প্লাবনভূমির অন্তর্গত। C) কুমিল্লা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয় এবং এখানে প্লাইস্টোসিন কালের সোপান অবস্থিত। D) বরিশাল — এটি প্লাইস্টোসিন সোপান নয়, বরং নদী ও জোয়ারভাটার পলি দ্বারা গঠিত প্লাবনভূমি অঞ্চলের অংশ। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিন সোপান মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর গড় এবং ময়নামতি পাহাড় বা লালমাই পাহাড়।
a চীন
b পাকিস্তান
c থাইল্যান্ড
d মিয়ানমার
0 189 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মিয়ানমার কেন সঠিক: ১. মিয়ানমার দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র যা বাংলাদেশের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব সীমানা জুড়ে অবস্থান করছে। ২. বাংলাদেশের সাথে কেবল ভারত এবং মিয়ানমার এই দুটি দেশের সরাসরি আন্তর্জাতিক স্থল সীমান্ত রয়েছে। ভৌগোলিক তথ্য: ১. মিয়ানমার বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশে বান্দরবান, রাঙামাটি ও কক্সবাজার জেলার সীমান্তবর্তী একটি প্রতিবেশী রাষ্ট্র। ২. এই দেশটির সাথে বাংলাদেশের প্রায় ২৭১ কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক স্থল ও নদী সীমান্ত রয়েছে। ৩. বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমানার মধ্য দিয়ে নাফ নদী প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — চীন এশিয়ার একটি বিশাল দেশ হলেও ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে এর সাথে বাংলাদেশের কোনো সরাসরি সীমানা নেই। B) পাকিস্তান — পাকিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার দেশ হলেও ১৯৭১ সালের পর এর সাথে বাংলাদেশের কোনো ভৌগোলিক সীমানা বা সংযোগ নেই। C) থাইল্যান্ড — থাইল্যান্ড দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ যা বাংলাদেশ থেকে ভৌগোলিক ও দূরত্বের দিক থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। D) মিয়ানমার — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বাংলাদেশের সাথে সরাসরি আন্তর্জাতিক সীমানা ভাগ করে নেওয়া অন্যতম একটি দেশ। মনে রাখার টিপস: ১. মনে রাখবে বাংলাদেশ তার মানচিত্রের তিন দিক ভারত এবং এক দিক মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত। ২. মিয়ানমার হলো একমাত্র দেশ যার সাথে ভারত ছাড়া বাংলাদেশের স্থল ও সমুদ্র সীমানা উভয়ই যুক্ত আছে।
a দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
b পশ্চিমাঞ্চল
c উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
d উত্তর-পূর্বাঞ্চল
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উত্তর-পূর্বাঞ্চল কেন সঠিক: - এই অঞ্চলে মেঘালয় ও আসামের পাহাড়ি ঢাল থেকে নেমে আসা পাহাড়ি নদীর তীব্র স্রোতের কারণে দ্রুত পানি বৃদ্ধি পায়। - ভারতের চেরাপুঞ্জির মতো অতিবৃষ্টির অঞ্চল কাছাকাছি থাকায় আকস্মিক ও দ্রুত পানি জমে প্লাবনের সৃষ্টি হয়। ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর অববাহিকা পরিবেষ্টিত হাওড় অঞ্চল। - বিশেষত্ব: এই অঞ্চলের ভূমি থালার মতো নিচু এবং নদীর তলদেশ ভরাট হওয়ায় পানি ধারণক্ষমতা খুবই কম। - তথ্য/উদাহরণ: সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও নেত্রকোনা জেলায় প্রায় প্রতি বছরই বর্ষাকালে এমন আকস্মিক বন্যা দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল — এই অঞ্চলে জোয়ার-ভাটা এবং ঘূর্ণিঝড় প্রভাবিত উপকূলীয় প্লাবন ঘটে কিন্তু পাহাড়ি ঢলের আকস্মিক বন্যা হয় না। B) পশ্চিমাঞ্চল — এই অঞ্চল গঙ্গা অববাহিকায় অবস্থিত হওয়ায় এখানে সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী নদী বন্যা দেখা যায়। C) উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল — তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বাড়ার কারণে এখানে মৌসুমি বন্যা হয় তবে তা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মতো আকস্মিক নয়। মনে রাখার টিপস: পাহাড়ের ঢাল আর হাওড়ের দেশ উত্তর-পূর্বাঞ্চল, যেখানে বৃষ্টি নামলেই হঠাৎ জল আসে পলকহীন।
a একটি দেশের নাম
b ম্যানগ্রোভ বন
c একটি দ্বীপ
d সাবমেরিন ক্যানিয়ন
0 156 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সাবমেরিন ক্যানিয়ন কেন সঠিক: এটি বঙ্গোপসাগরের তলদেশে অবস্থিত একটি বিশাল ও গভীর খাদ বা গিরিখাত। এটি মূলত নদী দ্বারা সৃষ্ট জলের নিচের উপত্যকা যা সমুদ্রের তলদেশের ভূমিরূপ গঠন করে। ভৌগোলিক তথ্য: এটি সুন্দরবনের দক্ষিণ-পূর্বে বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে অবস্থিত। এর গভীরতা অনেক বেশি এবং এটি সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি দেশের নাম — সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড কোনো স্বাধীন বা সার্বভৌম দেশ নয়। B) ম্যানগ্রোভ বন — এটি সুন্দরবনের মতো উপকূলীয় উদ্ভিদ বা বনভূমি নয় বরং সমুদ্রের তলদেশের খাদ। C) একটি দ্বীপ — এটি সমুদ্রের উপরে জেগে থাকা কোনো ভূখণ্ড বা দ্বীপ নয়। D) সাবমেরিন ক্যানিয়ন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সমুদ্রের তলদেশের একটি গভীর গিরিখাত। মনে রাখার টিপস: সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড শুনলেই মনে রাখবে এটি সমুদ্রের নিচের এক ধরণের গভীর খাদ বা ক্যানিয়ন।
a বোয়ালমারী
b নড়িয়া
c আলমডাঙ্গা
d নিকলি
0 144 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নড়িয়া কেন সঠিক: পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙনের কারণে এই উপজেলাটি অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ। নদীর গতিপথ পরিবর্তন এবং পানির স্রোতের প্রবল চাপের কারণে এখানে প্রতি বছর প্রচুর বসতি নদীগর্ভে বিলীন হয়। ভৌগোলিক তথ্য: শরীয়তপুর জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা হলো নড়িয়া। পদ্মা নদীর ডান তীরের ভাঙনপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে এটি জাতীয়ভাবে পরিচিত। গত কয়েক দশকে এই উপজেলার বহু ঐতিহাসিক হাটবাজার ও জনপদ নদীগর্ভে হারিয়ে গেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বোয়ালমারী — এটি ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত এবং এখানে নদীভাঙ্গনের মাত্রা নড়িয়ার মতো তীব্র নয়। C) আলমডাঙ্গা — এটি চুয়াডাঙ্গা জেলায় অবস্থিত এবং এটি মূলত খরস্রোতা নদী বা তীব্র ভাঙনের আওতাধীন নয়। D) নিকলি — এটি কিশোরগঞ্জ জেলায় অবস্থিত এবং এটি হাওড় অধ্যুষিত এলাকা হওয়ায় এখানে নদীভাঙ্গন তুলনামূলক কম। মনে রাখার টিপস: পদ্মা নদীর পাড়ে অবস্থিত নড়িয়া মানেই নদীভাঙ্গনের সবচেয়ে বড় শিকার। ন দিয়ে নড়িয়া এবং ন দিয়েই নদীভাঙ্গনের সবচেয়ে ভয়াবহ চিত্র মনে রাখা যায়।
a পার্বত্য বন
b শালবন
c মধুপুর বন
d ম্যানগ্রোভ বন
0 145 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ম্যানগ্রোভ বন কেন সঠিক: - এই বনাঞ্চল উপকূলীয় অঞ্চলে সমুদ্রের লবণাক্ত জোয়ারের পানির নিচে প্রায় প্রতিদিন তলিয়ে যায়। - এখানকার গাছপালা অতিরিক্ত লবণাক্ত পরিবেশ সহ্য করে বেঁচে থাকার বিশেষ শারীরিক ক্ষমতা রাখে। ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান/আয়তন: এই বন সাধারণত নদী ও সমুদ্রের সংযোগস্থলে পলিথমাযুক্ত উপকূলীয় এলাকায় জন্ম নেয়। - বিশেষত্ব: গাছের শেকড় মাটির উপরে উঠে আসে যাকে শ্বাসমূল বা নিউমাটোপোর বলে। - তথ্য/উদাহরণ: বাংলাদেশের সুন্দরবন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাহাড়ী বন — এই বন উচ্চভূমি ও পাহাড়ি এলাকায় গড়ে ওঠে যেখানে লবণাক্ত পানির কোনো যোগাযোগ থাকে না। B) শালবন — এটি মূলত উচ্চভূমির শুষ্ক পর্ণমোচী বন যেখানে মাটি ও পানি সম্পূর্ণ মিষ্টি প্রকৃতির হয়। C) মধুপুর বন — এটি দেশের মধ্য অঞ্চলে অবস্থিত এক ধরনের ঐতিহাসিক শালবন যা সাধু পানির ওপর নির্ভরশীল। D) ম্যানগ্রোভ বন — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় ভুল হিসেবে গণ্য হবে না কারণ এটি লবণাক্ত পানির বন। মনে রাখার টিপস: - লবণাক্ত পানি বা জোয়ার ভাটার উপকূলীয় বন মানেই চোখ বন্ধ করে ম্যানগ্রোভ বন নির্বাচন করবে।
a নিঝুমদ্বীপ
b সেন্ট মার্টিনস
c হাতিয়া
d কুতুবদিয়া
0 143 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সেন্ট মার্টিনস কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ যা প্রবাল প্যাথ দিয়ে গঠিত। - এই দ্বীপের ভূপ্রকৃতি এবং জীববৈচিত্র্য সামুদ্রিক প্রবালের উপর নির্ভরশীল। ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: এটি বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশে টেকনাফ থেকে প্রায় নয় কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। - বিশেষত্ব: এখানে সামুদ্রিক কচ্ছপ এবং বৈচিত্র্যময় প্রবাল ও শামুক ঝিনুক পাওয়া যায়। - তথ্য: এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষিণাংশের ভূখণ্ড হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিঝুমদ্বীপ — এটি নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার অন্তর্ভুক্ত একটি পলিগঠিত চর এলাকা। B) সেন্ট মার্টিনস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) হাতিয়া — এটি মেঘনা নদীর মোহনায় পলি জমে গঠিত একটি বৃহৎ নদীদ্বীপ। D) কুতুবদিয়া — এটি কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত একটি উপকূলীয় দ্বীপ যা ভাঙনপ্রবণ। মনে রাখার টিপস: সেন্ট মার্টিনস নামের প্রবাল দ্বীপটি বঙ্গোপসাগরের বুকে এক টুকরো প্রবালের রাজ্য হিসেবে মনে রাখবে।
a সিলেট
b কুমিল্লা
c রাজশাহী
d দিনাজপুর
0 153 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দিনাজপুর কেন সঠিক: ১. বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও প্রধান কয়লখনিগুলো যেমন বড়পুকুরিয়া ও ফুলবাড়ী এই জেলায় অবস্থিত। ২. এই অঞ্চলের ভূগর্ভে প্রচুর পরিমাণে উন্নত মানের বিটুমিনাস কয়লার মজুদ পাওয়া গেছে। ভৌগোলিক তথ্য: ১. এটি বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের রংপুর বিভাগে অবস্থিত একটি সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ জেলা। ২. এই জেলাটি তিস্তা ও আত্রাই নদীর অববাহিকায় গঠিত সমতল ভূমি এবং উর্বর কৃষি অঞ্চলের জন্য পরিচিত। ৩. এখানে এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ মধ্যপাড়ায় কঠিন শিলা খনি এবং বড়পুকুরিয়ায় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেট — এই জেলাটি খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের জন্য বিখ্যাত হলেও কয়লার জন্য প্রধান নয়। B) কুমিল্লা — এই জেলাটি মূলত লালমাই পাহাড়ি এলাকা এবং কৃষি উৎপাদনের জন্য পরিচিত, কয়লা সমৃদ্ধ নয়। C) রাজশাহী — এই জেলাটি প্রধানত সিল্ক বা রেশম এবং আম উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত, কয়লা খনি নেই। D) দিনাজপুর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, এটি একমাত্র প্রধান কয়লা সমৃদ্ধ জেলা। মনে রাখার টিপস: উত্তরটি মনে রাখতে ড দিয়ে দিনাজপুর এবং ড দিয়ে কয়লা সমৃদ্ধ বড়পুকুরিয়া খনির কথা একসাথে মনে রাখবে।
a ভূমিকম্প
b ভূমিধম
c টর্নেডো
d খড়া
0 155 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভূমিকম্প কেন সঠিক: বাংলাদেশ ভূকম্পনপ্রবণ অঞ্চলের ওপর অবস্থিত হওয়ায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি অত্যন্ত বিপজ্জনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের প্রধান প্রধান ফল্ট লাইন বা চ্যুতিগুলোতে ভূগর্ভস্থ শক্তির সঞ্চয় এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে এই ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে গেছে। ভৌগোলিক তথ্য: বাংলাদেশ ভারতীয় ইউরেশিয়ান এবং বার্মিজ এই তিনটি সক্রিয় টেকটনিক প্লেটের সংযোগস্থলের কাছাকাছি অবস্থিত। এই ভূখণ্ডটি প্রধানত নরম পলিগঠিত বদ্বীপ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এখানে ভূকম্পনের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা খুব বেশি থাকে। সাম্প্রতিক ভূতাত্ত্বিক গবেষণায় মধুপুর ও ডাউকি ফল্টসহ দেশের বেশ কিছু অঞ্চলে শক্তিশালী বিচ্যুতির সক্রিয়তা লক্ষ করা গেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভূমিকম্প — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) ভূমিধম — পাহাড়ি অঞ্চলে এটি ঘটে থাকে এবং এর ঝুঁকি মূলত নির্দিষ্ট কিছু এলাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। C) টর্নেডো — এটি একটি স্থানীয় ক্ষণস্থায়ী ঝড় এবং এর ঝুঁকি সাম্প্রতিককালে উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পায়নি। D) খরা — বরেন্দ্র অঞ্চলে এর প্রভাব কিছুটা থাকলেও এর সার্বিক ঝুঁকি ভূমিকম্পের মতো এভাবে বাড়েনি। মনে রাখার টিপস: বদ্বীপ অঞ্চলে পলিমাটি বেশি থাকায় এবং প্লেটের নড়াচড়ার কারণে বর্তমানে সবচেয়ে বড় আতঙ্ক হলো ভূমিকম্প।

মোট প্রশ্ন (13)

a ঠ
b ম
c ন
d র
0 139 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ন প্রদত্ত তথ্য: বর্ণমালাভিত্তিক একটি ধারা বা সিরিজ দেওয়া হয়েছে। ধারার পদগুলো হলো ঙ, ঞ, ণ এবং পরবর্তী পদ নির্ণয় করতে হবে। ধরি, বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের ক্রম অনুসারে বর্ণগুলোর অবস্থান বিবেচনা করি। ঙ হলো কবর্গীয় ধ্বনির পঞ্চম বর্ণ। অতএব, ঞ হলো চবর্গীয় ধ্বনির পঞ্চম বর্ণ। ণ হলো টবর্গীয় ধ্বনির পঞ্চম বর্ণ। সুতরাং, প্রতিটি ধাপে বর্গের পঞ্চম বর্ণগুলো ক্রমানুসারে আসছে। পরবর্তী তবর্গীয় ধ্বনির পঞ্চম বর্ণটি হবে ন। উত্তর: ন
a ১২ দিনে
b ২৪ দিনে
c ২১ দিনে
d ১৫ দিনে
0 168 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২১ দিনে প্রদত্ত তথ্য: A এর চেয়ে B দ্বিগুণ কাজ করতে পারে তারা দুজন একত্রে একটি কাজ চৌদ্দ দিনে শেষ করতে পারে ধরি, A এক দিনে করতে পারে ১ অংশ কাজ B এক দিনে করতে পারে ২ অংশ কাজ অতএব, দুজনে একত্রে এক দিনে করতে পারে ১ + ২ = ৩ অংশ কাজ সম্পূর্ণ কাজটি শেষ করতে তাদের দুজনের মোট কাজের পরিমাণ = ৩ × ১৪ = ৪২ অংশ সুতরাং, A একা কাজটি শেষ করতে সময় নেবে = ৪২ ÷ ১ = ৪২ দিন উত্তর: ২১ দিনে
a OXYGEN
b ATMOSPHERE
c WINDPIPE
d INHALE
0 145 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) OXYGEN প্রদত্ত তথ্য: গাড়ি চালাতে যেমন লাইসেন্স বা অনুমতিপত্র আবশ্যক জীবনের জন্য শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় ধরি, প্রথম সম্পর্কটি হলো আইনি বা বাধ্যতামূলক চালিকাশক্তি দ্বিতীয় সম্পর্কটি হলো শারীরিক বা জৈবিক অস্তিত্বের চালিকাশক্তি অতএব, ড্রাইভ করার অপরিহার্য দলিল হলো লাইসেন্স শ্বাস নেওয়ার মূল উপাদান হলো অক্সিজেন সুতরাং, শূন্যস্থানে সঠিক বিকল্পটি বসবে অক্সিজেন উত্তর: A) OXYGEN
a 180
b 240
c 300
d 360
0 200 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮০ প্রদত্ত তথ্য: আন্ডারগ্রাজুয়েড কর্মচারী ৪০% অবশিষ্ট কর্মচারীদের ৫০% গ্রাজুয়েট ধরি, মোট কর্মচারীর সংখ্যা = ১০০ জন আন্ডারগ্রাজুয়েড কর্মচারী = ৪০ জন অতএব, অবশিষ্ট কর্মচারী = ১০০ জন − ৪০ জন = ৬০ জন গ্রাজুয়েট কর্মচারী = ৬০ জনের ৫০% = ৩০ জন সুতরাং, পোস্ট গ্রাজুয়েট কর্মচারী = ৬০ জন − ৩০ জন = ৩০ জন ৩০ জন পোস্ট গ্রাজুয়েট হলে মোট কর্মচারী = ১৮০ × ১০০ ÷ ৩০ = ৬০০ জন উত্তর: ১৮০ জন
a 246173
b 214673
c 214763
d 216473
0 137 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২১৪৬৭৩ প্রদত্ত তথ্য: ROSE এর কোড = ৬৮২১ CHAIR এর কোড = ৭৩৪৫৬ PREACH এর কোড = ৯৬১৪৭৩ ধরি, প্রতিটি অক্ষরের নিজস্ব নির্দিষ্ট কোড সংখ্যা রয়েছে অতএব, R অক্ষরটির কোড = ৬ O অক্ষরটির কোড = ৮ S অক্ষরটির কোড = ২ E অক্ষরটির কোড = ১ সুতরাং, C অক্ষরটির কোড = ৭, H অক্ষরটির কোড = ৩, A অক্ষরটির কোড = ৪, I অক্ষরটির কোড = ৫, P অক্ষরটির কোড = ৯ উত্তর: ২১৪৬৭৩
a 20
b 26
c 30
d 25
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৬ প্রদত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো পর্যায়ক্রমে সাজানো আছে প্রথম সংখ্যা দুই এবং দ্বিতীয় সংখ্যা পাঁচ ধরি, প্রথম পদের সাথে যোগ করতে হবে তিন দ্বিতীয় পদের সাথে যোগ করতে হবে পাঁচ অতএব, তৃতীয় পদের সাথে যোগ করতে হবে সাত চতুর্থ পদের সাথে যোগ করতে হবে নয় সুতরাং, পঞ্চম পদের সাথে যোগ করতে হবে এগারো উত্তর: ২৬
a DE
b ED
c FG
d GF
0 158 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) FG প্রদত্ত তথ্য: সিরিজের পদগুলো হলো DC, DE, FE, ??, HG, HI ধরি, প্রতিটি পদে ইংরেজি বর্ণমালার দুটি করে বর্ণ আছে অতএব, প্রথম পদ DC এর শেষ বর্ণ D দিয়ে দ্বিতীয় পদ DE শুরু হয়েছে তৃতীয় পদ FE এর শেষ বর্ণ E দিয়ে চতুর্থ পদ শুরু হবে সুতরাং, বর্ণ দুটির ক্রম বিশ্লেষণ করে পাই চতুর্থ পদটি হবে FG উত্তর: C) FG
a topic
b examination
c party
d participant
0 128 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) participant প্রদত্ত তথ্য: প্রতিযোগীতা একটি সামাজিক ও কর্মমুখী কার্যক্রম যেখানে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে একাধিক পক্ষ অংশ নেয় ধরি, প্রতিযোগীতার মূল আয়োজন হলো খেলা বা পরীক্ষা একক বা দলগতভাবে এতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা হয় অতএব, প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য প্রতিযোগী প্রয়োজন প্রতিযোগী ছাড়া কোনো প্রতিযোগীতা হতে পারে না সুতরাং, প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বা প্রতিযোগী থাকতেই হবে উত্তর: D) participant
a ভাই
b চাচা
c ছেলে
d কোনো সম্পর্ক নেই
0 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভাই প্রদত্ত তথ্য: তিন্নী একটি ছবির দিকে নির্দেশ করে একটি সম্পর্ক বলছে সম্পর্কটি হলো তিন্নীর দাদার একমাত্র ছেলের ছেলে ধরি, তিন্নীর দাদা মানে তিন্নীর বাবার বাবা অতএব, তিন্নীর দাদার একমাত্র ছেলে হলো তিন্নীর নিজের বাবা সুতরাং, তিন্নীর বাবার ছেলে হলো তিন্নীর নিজের ভাই উত্তর: ভাই
a চাঁদ
b প্লুটো
c মঙ্গল
d পৃথিবী
0 141 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চাঁদ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে রয়েছে চাঁদ, প্লুটো, মঙ্গল এবং পৃথিবী ধরি, প্লুটো, মঙ্গল এবং পৃথিবী হলো সৌরজগতের বিভিন্ন গ্রহ অতএব, চাঁদ কোনো গ্রহ নয়, এটি পৃথিবীর একটি প্রাকৃতিক উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট সুতরাং, অন্যান্য অপশনগুলো গ্রহ হওয়ায় চাঁদ এদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা উত্তর: চাঁদ
a Conventional
b Peculier
c Conservative
d Traditional
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Peculier প্রদত্ত তথ্য: শব্দগুলোর ইংরেজি অর্থ এবং তাদের ভাবার্থ বিশ্লেষণ করতে হবে ধরি, Conventional মানে গতানুগতিক বা প্রচলিত Conservative মানে রক্ষণশীল বা পুরনো নীতিতে বিশ্বাসী Traditional মানে ঐতিহ্যগত বা প্রথাগত অতএব, অপশন এ, সি এবং ডি এর সবগুলো শব্দের অর্থ প্রায় একই রকম এবং তারা সমগোত্রীয় সুতরাং, অপশন বি তে থাকা Peculiar শব্দটি কিছুটা আলাদা কারণ এর অর্থ অদ্ভুত বা অস্বাভাবিক উত্তর: B) Peculier
a ৮ মাইল
b 15
c 12
d উপরের কোনোটিই নয়
0 137 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের কোনোটিই নয় প্রদত্ত তথ্য: ব্যক্তি প্রথমে ৫ মাইল পশ্চিমে গেল এরপর ২ মাইল দক্ষিণে গেল সবশেষে আবার ৫ মাইল পশ্চিমে গেল ধরি, যাত্রাবিন্দুটি মূলবিন্দু শূন্য কমা শূন্য অতএব, পশ্চিম দিকের মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৫ + ৫ = ১০ মাইল দক্ষিণ দিকের মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ২ মাইল সুতরাং, সরাসরি দূরত্বের জন্য পিথাগোরাসের সূত্র ব্যবহার করতে হবে সরাসরি দূরত্ব = √((১০ বর্গ) + (২ বর্গ)) = √(১০০ + ৪) = √১০৪ মাইল উত্তর: √১০৪ মাইল যা প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে নেই
a ৩০ পাউন্ড
b ২৫ পাউন্ড
c ৪০ পাউন্ড
d ৩৫ পাউন্ড
0 141 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৫ পাউন্ড প্রদত্ত তথ্য: ফালক্রাম থেকে প্রথম ওজনের দূরত্ব = ৮ ফুট প্রথম ওজনের পরিমাণ = ২০ পাউন্ড ধরি, ফালক্রাম থেকে দ্বিতীয় ওজনের দূরত্ব = ৪ ফুট প্রশ্নবোধক স্থানে প্রয়োজনীয় ওজন = ক পাউন্ড অতএব, লিভারের ভারসাম্য নীতির সূত্র অনুযায়ী বাম পাশের বল ও দূরত্বের গুণফল = ডান পাশের বল ও দূরত্বের গুণফল ২০ পাউন্ড × ৭ ফুট = ক পাউন্ড × ৪ ফুট সুতরাং, ১৪০ = ক × ৪ ক = ১৪০ ÷ ৪ উত্তর: ৩৫ পাউন্ড