a গ্যাস
b কয়লা
c এলএনজি
d নিউক্লিয়ার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কয়লা কেন সঠিক: - বর্তমানে বাংলাদেশের বৃহত্তম বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলো পটুয়াখালীর পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, যা কয়লার মাধ্যমে চালিত হয়। - এই কেন্দ্রটি অতি supercritical প্রযুক্তির মাধ্যমে কয়লা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্যাস — বাংলাদেশের অনেক বিদ্যুৎ কেন্দ্র গ্যাসে চললেও বর্তমানে বৃহত্তম বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি গ্যাস দ্বারা চালিত নয়। C) এলএনজি — এলএনজি বা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস দেশের বৃহত্তম বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান জ্বালানি নয়। D) নিউক্লিয়ার — রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এখনো পুরোপুরি চালু হয়নি, তাই এটি বর্তমানে দেশের বৃহত্তম বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বিদ্যুৎ উৎপাদনের মূল জ্বালানি হলো কয়লা।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a পেয়ারা
b কলা
c পেঁপে
d জামরুল
0 214 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কলা কেন সঠিক: - অগ্নিশ্বর, কানাইবাসী, মোহনবাঁসী ও বীটজব বাংলাদেশের জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী কলার জাত। - এসব জাতের কলা তাদের সুস্বাদু স্বাদ এবং পুষ্টিগুণের জন্য কৃষকদের মাঝে ব্যাপকভাবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পেয়ারা — পেয়ারার জনপ্রিয় জাতগুলোর মধ্যে কাঞ্চন, পিয়ারা ও মুক্তা উল্লেখযোগ্য, যা কলার জাত নয়। B) কলা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। C) পেঁপে — পেঁপের পরিচিত জাতগুলোর মধ্যে রাজশাহী ও শাহী উল্লেখযোগ্য, যা কলার জাত নয়। D) জামরুল — জামরুলের পরিচিত জাতগুলোর মধ্যে থাই ও কাটিমন উল্লেখযোগ্য, যা কলার জাত নয়। মনে রাখার টিপস: অগ্নিশ্বর, কানাইবাসী ও মোহনবাঁসী নামগুলো শুনলেই বুঝবেন এগুলো ঐতিহ্যবাহী কলার জাত।
a ইরান
b ইরাক
c মিশর
d সিরিয়া
0 167 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইরাক কেন সঠিক: - প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার ব্যাবিলন নগরীতে এটি নির্মিত হয়েছিল, যার বর্তমান ভৌগোলিক অবস্থান ইরাকে। - এটি প্রাচীন বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের একটি এবং রাজা দ্বিতীয় নবূগদনিস্বারের শাসনামলে এটি নির্মিত হয় বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরান — এটি প্রাচীন পারস্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল, যেখানে ব্যাবিলন সভ্যতা গড়ে ওঠেনি। B) ইরাক — এটি সঠিক উত্তর। C) মিশর — এটি প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার জন্মস্থান এবং পিরামিডের জন্য পরিচিত, ব্যাবিলনের উদ্যান এখানে ছিল না। D) সিরিয়া — এটি প্রাচীন লেভান্ট অঞ্চলের অংশ এবং এর ইতিহাস ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ইরাকের প্রাচীন নাম মেসোপটেমিয়া, আর মেসোপটেমিয়ার বিখ্যাত নিদর্শন হলো ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান।
a শামীম সিকদার
b সৈয়দ আব্দুল্লাহ খান
c হামিদুজ্জামান খান
d আব্দুস সুলতান
0 162 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হামিদুজ্জামান খান কেন সঠিক: - প্রখ্যাত ভাস্কর হামিদুজ্জামান খানের শিল্পকর্ম ১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিক গেমসের আন্তর্জাতিক ভাস্কর্য প্রদর্শনীতে স্থান পায়। - তার এই শিল্পকর্ম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের শিল্পকলার প্রতিনিধিত্ব করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শামীম সিকদার — তিনি দেশের একজন প্রখ্যাত ভাস্কর হলেও সিউল অলিম্পিকের এই প্রদর্শনীতে তার শিল্পকর্ম স্থান পায়নি। B) সৈয়দ আব্দুল্লাহ খান — তিনি এই নির্দিষ্ট অলিম্পিক প্রদর্শনীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। C) হামিদুজ্জামান খান — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) আব্দুস সুলতান — তিনি এই আন্তর্জাতিক ভাস্কর্য প্রদর্শনীতে অংশ নেননি। মনে রাখার টিপস: সিউল অলিম্পিকে ভাস্কর্য প্রদর্শনের ক্ষেত্রে হামিদুজ্জামান খানের নাম মনে রাখবে।
a নিউইয়র্ক
b ওয়াশিংটন ডিসি
c জেনেভা
d হেগ
0 158 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ওয়াশিংটন ডিসি কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি বিশ্বসংস্থা এবং এর মূল সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি শহরে অবস্থিত। - বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সদর দপ্তর একই শহরে অবস্থিত হওয়ায় এটি অর্থনীতি বিষয়ক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের সদর দপ্তর, আইএমএফের নয়। B) ওয়াশিংটন ডিসি — এটি আইএমএফের সঠিক সদর দপ্তর। C) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং ডব্লিউটিও (WTO)-এর সদর দপ্তর। D) হেগ — এটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ)-এর সদর দপ্তর। মনে রাখার টিপস: টাকা-পয়সা ও মুদ্রার হিসাব রাখার বড় সংস্থাগুলোর (বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ) সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
a ইংরেজ
b পর্তুগিজ
c ফরাসি
d ডাচ
0 177 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পর্তুগিজ কেন সঠিক: - ১৫০০ শতকের শেষভাগে পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো দা গামা সমুদ্রপথ আবিষ্কারের পর ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে তারাই প্রথম বাংলায় বাণিজ্য করতে আসে। - ১৫১৮ সালে পর্তুগিজরা চট্টগ্রাম বন্দরে বাণিজ্যকভাবে প্রথম আগমন করে এবং বাংলায় তাদের বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংরেজ — ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠনের মাধ্যমে ইংরেজরা পর্তুগিজদের অনেক পরে ১৬০০ শতকের শুরুতে বাংলায় আসে। B) পর্তুগিজ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) ফরাসি — ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সপ্তদশ শতাব্দীর শেষভাগে বাংলায় বাণিজ্য করতে আসে, যা পর্তুগিজদের অনেক পরে। D) ডাচ — নেদারল্যান্ডসের ডাচ বণিকরা সপ্তদশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বাংলায় বাণিজ্য বিস্তার করে, যা পর্তুগিজদের পরে ঘটেছিল। মনে রাখার টিপস: ইউরোপীয়দের মধ্যে বাংলায় আসার ক্রম মনে রাখার সহজ ছন্দ হলো প-ও-ই-ড-ফ অর্থাৎ প্রথমে পর্তুগিজ, ওলন্দাজ বা ডাচ, ইংরেজ এবং সবশেষে ফরাসি।
a ইতালি
b স্পেন
c তুরস্ক
d গ্রীস
0 165 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তুরস্ক কেন সঠিক: - প্রাচীন ঐতিহাসিক ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কের আনাতুলিয়া অঞ্চলের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত ছিল। - হোমারের ইলিয়াড মহাকাব্যে বর্ণিত ট্রোজান যুদ্ধের ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে এটি বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইতালি — এটি দক্ষিণ ইউরোপের একটি দেশ, যার সঙ্গে ট্রয় নগরীর ঐতিহাসিক ভৌগোলিক অবস্থান মিলে না। B) স্পেন — এটি দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের দেশ, যা প্রাচীন ট্রয় নগরীর অবস্থান থেকে সম্পূর্ণ দূরে অবস্থিত। C) তুরস্ক — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। D) গ্রীস — গ্রিকরা ট্রয় আক্রমণ করলেও ট্রয় নগরী নিজে গ্রিসে নয়, বর্তমান তুরস্কের মাটিতে অবস্থিত ছিল। মনে রাখার টিপস: ট্রয় নগরী নিয়ে বিখ্যাত যুদ্ধ হয়েছিল, যার নায়ক ছিলেন আকিলিস; আর এই ট্রয় বর্তমানে তুরস্কে অবস্থিত।
a রিয়াদ
b জেদ্দা
c দামেস্ক
d মক্কা
0 152 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জেদ্দা কেন সঠিক: - ইসলামী সম্মেলন সংস্থার (OIC) বর্তমান সচিবালয় সৌদি আরবের জেদ্দা শহরে অবস্থিত। - ১৯৬৯ সালে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই জেদ্দায় এর প্রধান সচিবালয় পরিচালিত হয়ে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিয়াদ — এটি সৌদি আরবের রাজধানী হলেও ওআইসি সচিবালয়ের অবস্থান এখানে নয়। B) জেদ্দা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ওআইসি সচিবালয় এই শহরে অবস্থিত। C) দামেস্ক — এটি সিরিয়ার রাজধানী এবং এর সঙ্গে ওআইসি সচিবালয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। D) মক্কা — এটি পবিত্র নগরী হলেও ওআইসি সচিবালয় এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: ওআইসি সচিবালয় সৌদি আরবের বন্দর নগরী জেদ্দায় অবস্থিত, রাজধানী রিয়াদে নয়।
a ড.রমেশচনদ্র মজুমদার
b ড.মাহমুদ হাসান
c ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন
d স্যার এ এফ রহমান
0 285 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) স্যার এ এফ রহমান কেন সঠিক: - স্যার এ এফ রহমান হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙালি ও উপমহাদেশীয় উপাচার্য। - তিনি ১৯৩৪ সাল থেকে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন, তবে প্রথম বাঙালি বা উপমহাদেশীয় নন। B) ড. মাহমুদ হাসান — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন উপাচার্য ছিলেন, তবে প্রথম উপমহাদেশের নাগরিক নন। C) ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তবে প্রথম নন। D) স্যার এ এফ রহমান — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: উপমহাদেশের মানুষ হিসেবে প্রথম রহমান সাহেব (স্যার এ এফ রহমান) ঢাবির উপাচার্য হন।
a কাশাভুবু
b প্যাট্রিক লুমুম্বা
c শোম্বে
d মবুতু
0 222 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্যাট্রিক লুমুম্বা কেন সঠিক: - প্যাট্রিক লুমুম্বা বেলজিয়ামের ঔপনিবেশিক শাসন থেকে কঙ্গোর স্বাধীনতা অর্জনে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং দেশটির প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। - সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রামের কারণে তাকে কঙ্গোর স্বাধীনতা ও মুক্তির আন্দোলনের চিরস্মরণীয় প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাশাভুবু — জোসেফ কাশাভুবু কঙ্গোর প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন, তবে তিনি সরাসরি মুক্তির লড়াইয়ের প্রধান সংগ্রামী বা বিপ্লবী নেতা ছিলেন না। B) প্যাট্রিক লুমুম্বা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ তিনি কঙ্গোকে বিদেশি শাসন থেকে মুক্ত করার লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। C) শোম্বে — মোইসে শোম্বে কঙ্গোর কাটঙ্গা প্রদেশের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ছিলেন এবং সাম্রাজ্যবাদী শক্তির সঙ্গে যুক্ত থেকে লুমুম্বার বিরুদ্ধে ভূমিকা রেখেছিলেন। D) মবুতু — মবুতু সিসে সেকো দীর্ঘকাল কঙ্গো শাসন করলেও তিনি লুমুম্বাকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিলেন এবং ঔপনিবেশিক শক্তির মিত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন। মনে রাখার টিপস: কঙ্গোর মুক্তির লড়াই মানেই প্যাট্রিক লুমুম্বা, যিনি দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতীক।
a আয়োডিন
b লৌহ
c ভিটামিন
d ক্যালসিয়াম
0 159 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লৌহ কেন সঠিক: - কচু শাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন বা লৌহ থাকে যা মানবদেহে রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সহায়তা করে। - এটি রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া রোগ প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকরী একটি পুষ্টিকর শাক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়োডিন — আয়োডিন প্রধানত সামুদ্রিক মাছ, আয়োডিনযুক্ত লবণ ও শৈবালে বেশি থাকে, কচু শাকে এর পরিমাণ খুব কম। B) লৌহ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ কচু শাকে অন্য যেকোনো উপাদানের চেয়ে লোহা বা আয়রনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে। C) ভিটামিন — কচু শাকে ভিটামিন এ, বি ও সি থাকলেও এই শাকটি মূলত লৌহের শ্রেষ্ঠ উৎস হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। D) ক্যালসিয়াম — ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁতের জন্য প্রয়োজনীয় হলেও কচু শাকে ক্যালসিয়ামের চেয়ে লোহা বা আয়রনের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি থাকে। মনে রাখার টিপস: রক্ত শূন্যতা দূর করতে শাকসবজির মধ্যে কচু শাকের জুড়ি নেই কারণ এতে সবচেয়ে বেশি লৌহ থাকে।