বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

পিএসসির অধীনে বিভিন্ন পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২।

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (70)

a সেলিম আল দীন
b মমতাজউদ্দীন আহমদ
c সৈয়দ শামসুল হক
d মামুনুর রশীদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ শামসুল হক ১. কেন সঠিক: - 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' হলো বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত কাব্যনাটক। - প্রখ্যাত সাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হক ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে অত্যন্ত রূপক ও কাব্যিক ঢঙে এই নাটকটি রচনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের একজন বহুমুখী প্রতিভাধর লেখক যিনি কবিতা, নাটক, উপন্যাস ও ছোটগল্পে মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন। - তাঁর এই কাব্যনাটকটিতে গ্রামীণ সমাজের মনস্তত্ত্ব এবং মুক্তিযুদ্ধের সময়কার অবরুদ্ধ জনপদের বাস্তবচিত্র চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নূরলদীনের সারাজীবন ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি ঐতিহাসিক ও অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যনাটক। উদাহরণ ২: ঈর্ষা ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত বাংলা নাট্যসাহিত্যের আরেকটি উল্লেখযোগ্য কাব্যনাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেলিম আল দীন — তিনি বাংলা নাট্যসাহিত্যে লোকনাট্য আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব হলেও এই নাটকটি তাঁর নয়। B) মমতাজউদ্দীন আহমদ — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও নির্দেশক হলেও এই কাব্যনাটকটির রচয়িতা নন। C) সৈয়দ শামসুল হক — এই অপশনটি সঠিক এবং এর সপক্ষে বিস্তারিত ব্যাখ্যা উপরে প্রদান করা হয়েছে। D) মামুনুর রশীদ — তিনি বিশিষ্ট নাট্যকার ও অভিনেতা হলেও 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' নাটকের লেখক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ শামসুল হকের দুটি বিখ্যাত কাব্যনাটক মনে রাখার সহজ উপায় হলো পায়ে হেঁটে তিনি নূরলদীনের কাছে গিয়েছিলেন। - এখানে পা দিয়ে 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' এবং নূরলদীন দিয়ে 'নূরলদীনের সারাজীবন' কাব্যনাটক দুটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কাব্যনাটক চেনার উপায় হলো এটি ছন্দে বা পদ্যে রচিত হলেও নাটকের মতো সংলাপ ও চরিত্রের উপস্থিতি থাকে।
a phenomenon
b phanonmanon
c phenomemnon
d phnomena
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) phenomenon ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো phenomenon যার অর্থ কোনো ঘটনা বা পরিদৃশ্য। এটি একটি গ্রিক মূলের শব্দ যা ইংরেজিতে বহুল ব্যবহৃত হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বানান শুদ্ধিকরণের জন্য বিদেশি শব্দের সঠিক বানান মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ইংরেজি ভাষা থেকে আগত বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে উৎস ভাষার বানানরীতি অনুসরণ করা হয়। - phenomenon শব্দটির বহুবচন হলো phenomena, যা প্রায়শই শিক্ষার্থীরা ভুল করে একবচন হিসেবে ব্যবহার করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: The northern lights are a rare natural phenomenon. ব্যাখ্যা: এখানে প্রাকৃতিকভাবে ঘটা একটি বিশেষ ঘটনা বোঝাতে phenomenon শব্দটি একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: Social media has created a new cultural phenomenon. ব্যাখ্যা: সমাজ সংস্কৃতিতে নতুন কোনো পরিবর্তন বা ঘটনা বোঝাতে এই বানানটি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) phenomenon — এটি সঠিক বানান যার অর্থ পরিদৃশ্য বা ঘটনা। B) phanonmanon — এটি একটি ভুল বানান কারণ এতে ভুল স্বরবর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। C) phenomemnon — এটি ভুল বানান কারণ মাঝখানে অতিরিক্ত অক্ষর যুক্ত হয়েছে। D) phnomena — এটি ভুল বানান কারণ এটি আসলে phenomenon শব্দের বহুবচন রূপ phenomena শব্দের ভুল বানানরূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: - বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো একে ভাগে ভাগ করে পড়া যেমন phe-nom-e-non। - শেষে on আছে মানে এটি একবচন এবং শেষ যদি a থাকে তবে তা বহুবচন phenomena হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গ্রিক ও ল্যাটিন উৎসের একবচন ও বহুবচন সংক্রান্ত বানান প্রায়ই আসে। - phenomenon একবচন এবং phenomena বহুবচন, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a স্বায়ত্বশাসন
b স্বায়ত্তশাসন
c স্বায়ত্বশাসন
d স্বায়ত্তশাসন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) স্বায়ত্তশাসন ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী স্বয়ং শব্দের সাথে শাসন যুক্ত হয়ে স্বায়ত্তশাসন শব্দটি গঠিত হয়েছে। - এখানে প্রথম অংশে স্বয়ং শব্দের অনুসরণে স্বয়ত এবং পরে শাসন মিলে স্বায়ত্তশাসন বানানটি সঠিক হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়মানুসারে স্বয়ং শব্দের অন্তস্থিত ঙ-এর স্থানে অনেক সময় ত আসে এবং পরবর্তী শব্দের সাথে যুক্ত হয়। - এই নিয়মে স্বয়ং যোগ শাসন মিলে স্বায়ত্তশাসন শব্দটি প্রমিত রূপ লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্বায়ত্তশাসিত ব্যাখ্যা: স্বায়ত্তশাসন শব্দের বিশেষ্য রূপ থেকে স্বায়ত্তশাসিত বিশেষণটি গঠিত হয়, যেখানে একই বানানরীতি অনুসরণ করা হয়। উদাহরণ ২: স্বয়ংসম্পূর্ণ ব্যাখ্যা: এটি আরেকটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ যেখানে স্বয়ং শব্দের সঠিক প্রয়োগ এবং বানানের প্রমিত রূপ বজায় রাখা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বায়ত্বশাসন — এই অপশনে স্বায়ের ওপর চন্দ্রবিন্দু ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানরীতি অনুযায়ী ভুল। B) স্বায়ত্তশাসন — এটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত রূপ। C) স্বায়ত্বশাসন — এই অপশনে আয়-এর ওপর চন্দ্রবিন্দু দেওয়া হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) স্বায়ত্তশাসন — এই অপশনটি সঠিক উত্তরের পুনরাবৃত্তি এবং প্রশ্নে এটিই সঠিক হিসেবে চিহ্নিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্বায়ত্তশাসন বানানটি মনে রাখতে স্বয়ং শব্দটিকে মনে রাখতে হবে এবং ত-এর নিচে হসন্ত বা যুক্তবর্ণের সঠিক ব্যবহার খেয়াল রাখতে হবে। - পরীক্ষার হলে চন্দ্রবিন্দুর সঠিক অবস্থান লক্ষ করে উত্তর নির্বাচন করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বয়ং সম্পর্কিত বানানগুলো প্রায়ই আসে। - বাংলা একাডেমির আধুনিক বানান নিয়ম অনুসরণ করে এই ধরনের সন্ধিজাত বা সমাসবদ্ধ শব্দের বানান চর্চা করতে হবে।
a সবুজপাতা
b সবুজ এর অভিযান
c সবুজসঙ্গী
d সবুজপত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবুজপত্র ১. কেন সঠিক: প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালের ৭ই এপ্রিল বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তন ও বিকাশের উদ্দেশ্যে 'সবুজপত্র' পত্রিকা প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্যে বিশ শতকের বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলন ও আধুনিকতার সূচনা করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামের প্রবক্তা এবং চলিত রীতির প্রার্থক। তার এই সাহিত্যপত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বহু বিখ্যাত কবিতা, ছোটগল্প ও প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল যা বাংলা গদ্যে নতুন যুগের সূচনা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরীর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ 'সদ্ভাবশত শতক'। ব্যাখ্যা: এটি তার সাহিত্যিক পরিচয়ের অন্যতম প্রধান নিদর্শন এবং চলিত ভাষায় রচিত। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর আরেকটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ 'তেল ও জল'। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে তার প্রমথীয় ব্যঙ্গাত্মক ও যুক্তিনিষ্ঠ গদ্যশৈলীর পরিচয় পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সবুজপাতা — এটি প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদিত কোনো পত্রিকা নয় বরং মূল নাম 'সবুজপত্র'কে বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি করা একটি ভুল অপশন। B) সবুজ এর অভিযান — এটি প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদিত কোনো ঐতিহাসিক পত্রিকা বা সাহিত্যিক গ্রন্থের নাম নয়। C) সবুজসঙ্গী — এটি সবুজপত্র পত্রিকার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় এবং এটি একটি কাল্পনিক বা বিভ্রান্তিকর অপশন। D) সবুজপত্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রমথ চৌধুরী ১৯১৪ সালে এই পত্রিকাটির সফল সম্পাদনা করেন। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রমথ চৌধুরী মানেই সবুজপত্র এবং চলিত রীতির প্রবক্তা। মনে রাখার সূত্র হলো প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদিত সবুজ রঙের পাতা বিশিষ্ট পত্রিকা হলো সবুজপত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সবুজপত্র পত্রিকার প্রকাশকাল ১৯১৪ সাল এবং এর সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যকর্ম গভীরভাবে জড়িত। এই ধরনের প্রশ্নে পত্রিকার নাম এবং সম্পাদকের নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a সেলিনা
b রাহেলা
c রহিমা
d জয়গুন বিবি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রহিমা ১. কেন সঠিক: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত 'লালসালু' উপন্যাসের অন্যতম প্রধান ও কেন্দ্রীয় একটি নারী চরিত্র হলো রহিমা। - রহিমা চরিত্রের মাধ্যমে গ্রামবাংলার সহজ-সরল, বিশ্বাসী এবং পতিভক্তিপরায়ণ নারীর রূপ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা উপন্যাসের ধারায় মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতার এক অনন্য রূপকার। - ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত 'লালসালু' উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক সামাজিক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস হিসেবে বিবেচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমেনা ব্যাখ্যা: আমেনা চরিত্রটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'লালসালু' উপন্যাসের আরেকটি করুণ ও পরিচিত চরিত্র, যা গ্রামীণ নারীর helplessness প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: খালেক ব্যাপারী ব্যাখ্যা: খালেক ব্যাপারী চরিত্রটি 'লালসালু' উপন্যাসের একটি প্রভাবশালী মাতব্বর চরিত্র, যিনি মজিদের ক্ষমতার সহযোগী হিসেবে কাজ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেলিনা — সেলিনা চরিত্রটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'লালসালু' উপন্যাসে পাওয়া যায় না, এটি অন্য কোনো সাহিত্যকর্মের চরিত্র। B) রাহেলা — রাহেলা চরিত্রটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'লালসালু' উপন্যাসে উপস্থিত নেই, এটি ভুল অপশন। D) জয়গুন বিবি — জয়গুন বিবি চরিত্রটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'লালসালু' উপন্যাসে নেই, এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাসের চরিত্র। ৫ মনে রাখার টিপস: - লালসালু উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মনে রাখার কৌশল হলো মজিদ ও তার দুই স্ত্রী রহিমা ও আক্কাসের বোনের নাম মনে রাখা। - রহিমার নাম মনে রাখলেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর খুব সহজে নিশ্চিত করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - লালসালু উপন্যাসের লেখক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ এবং এর প্রকাশকাল ১৯৪৮ সাল, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মজিদ, রহিমা, খালেক ব্যাপারী ও জমিলা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
a দুঃ + খ
b দুঃ + থ
c দুঃ + ছ
d দুঃ + ক্ষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দুঃ + খ ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুযায়ী বিসর্গের পর ক, খ, প বা ফ থাকলে বিসর্গের স্থানে দন্ত্য স হয়। এই নিয়মের বিপরীত প্রক্রিয়ায় বা ব্যুৎপত্তি অনুসারে অনেক সময় বিসর্গ সন্ধিতে দন্ত্য স-এর পরিবর্তে বিসর্গ বহাল থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হিসেবেও বিবেচিত হয়। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গ ও ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে এই বিশেষ রূপ গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নমঃ + কার = নমস্কার ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ক থাকলে বিসর্গের স্থানে দন্ত্য স হয়। উদাহরণ ২: ভাঃ + কর = ভাস্কর ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ক থাকার কারণে বিসর্গ স্থানে দন্ত্য স যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুঃ + খ — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কারণ নিয়ম মেনে খ বর্ণের পূর্বে বিসর্গ বহাল রয়েছে। B) দুঃ + থ — থ বর্ণ থাকার কারণে এই সন্ধিটি সঠিক নয় এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। C) দুঃ + ছ — ছ বর্ণ বিসর্গ সন্ধির এই নির্দিষ্ট নিয়মের আওতাভুক্ত নয়। D) দুঃ + ক্ষ — ক্ষ যুক্তবর্ণ থাকার কারণে এই বিসর্গ সন্ধির গঠনটি ব্যাকরণসম্মতভাবে সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: দুঃখ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ মনে রাখার সহজ উপায় হলো বিসর্গের সাথে খ যুক্ত করা। পরীক্ষায় প্রায়ই এই শব্দটি আসে তাই বিসর্গ ও খ এর সংযোগ ভালোভাবে খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসর্গ সন্ধির এই ব্যতিক্রমী নিয়মটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। নমস্কার, ভাস্কর এবং দুঃখ শব্দগুলোর সন্ধি বিচ্ছেদ ভালোভাবে অনুশীলন করলে পরীক্ষায় কমন পাবে।
a চর্যাপদ
b মঙ্গলকাব্য
c বৈষ্ণব পদাবলি
d জীবনী সাহিত্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: - 'সন্ধ্যাভাষা' বা আলো-আঁধারি ভাষা হলো এমন একটি বিশেষ সাংকেতিক ভাষা, যা বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদে ব্যবহার করা হয়েছে। - চর্যাপদের কবিরা তাদের গূঢ় তান্ত্রিক সাধনার কথা সাধারণ মানুষের দৃষ্টি থেকে আড়াল করার জন্য রূপক ও ধোঁয়াশাময় এই ভাষা ব্যবহার করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন, যা হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল এশিয়াটিক সোসাইটি থেকে আবিষ্কার করেন। - মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী একে 'সন্ধ্যাভাষা' নাম দেন, পরবর্তীতে সুনীতি চট্টোপাধ্যায় ও প্রবোধচন্দ্র বাগচী প্রমাণ করেন যে এটি আসলে 'সন্ধ্যাভাষা' নয়, বরং 'সন্ধাভাষা' বা আলো-আঁধারি সাংকেতিক অর্থবোধক ভাষা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের ভাষা ব্যাখ্যা: চর্যাপদের ভাষা তৎকালীন বাংলা ভাষার আদি রূপ ধারণ করার পাশাপাশি তান্ত্রিক বৌদ্ধ ধর্মের গূঢ় অর্থ বহন করে। উদাহরণ ২: টীকাকারের ব্যাখ্যা ব্যাখ্যা: চর্যাপদের তিব্বতী অনুবাদ ও টীকাকার মুনীদত্ত এই ভাষাগুলোর রূপক অর্থ ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চর্যাপদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় এর বিশদ আলোচনা করা হয়েছে। B) মঙ্গলকাব্য — মধ্যযুগের এই কাব্যধারায় দেবদেবীর মহিমা প্রচার করা হয়েছে এবং এর ভাষা সহজ ও স্পষ্ট, কোনো সন্ধ্যাভাষা নেই। C) বৈষ্ণব পদাবলি — রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে রচিত এই কাব্যের ভাষা ব্রজবুলি ও মিষ্টি বাংলায় লিখিত, সাংকেতিক সন্ধ্যাভাষা নয়। D) জীবনী সাহিত্য — চৈতন্যদেব বা অন্যান্য সাধকদের জীবন নিয়ে রচিত এই ধারাগুলোর ভাষা সহজ ও ইতিহাসনির্ভর, সন্ধ্যাভাষার ব্যবহার এখানে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - সন্ধ্যাভাষা শুনলেই মনে রাখবে এটি চর্যাপদের সঙ্গে যুক্ত। চর্যাপদের কবিরা রহস্যময় ও সাংকেতিক ভাষায় তাদের পদগুলো রচনা করতেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এটি প্রকাশিত হয় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে। - এই ধরনের সাহিত্যিক পরিভাষার উৎস প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a অবজ্ঞা
b লাপাত্তা
c বরখাস্ত
d অকেজো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অকেজো ১. কেন সঠিক: অকেজো শব্দটি খাঁটি বাংলা উপসর্গযোগে গঠিত। অ উপসর্গটি এখানে কাজের যোগ্য নয় বা অর্থে যুক্ত হয়ে নতুন বিশেষণ পদ গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় উপসর্গ মূলত তিন প্রকার যথা খাঁটি বাংলা উপসর্গ সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি যথা অ অঘ অজ অনা ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনাদর ব্যাখ্যা: অনা উপসর্গ যোগে গঠিত খাঁটি বাংলা শব্দের একটি চমৎকার উদাহরণ। উদাহরণ ২: অকেজো ব্যাখ্যা: অ উপসর্গ যোগে গঠিত এমন একটি শব্দ যা কোনো কাজের নয় অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অবজ্ঞা — এই শব্দটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ অব যোগে গঠিত হয়েছে। B) লাপাত্তা — এই শব্দটি ফার্সি উপসর্গ লা যোগে গঠিত একটি বিদেশি শব্দ। C) বরখাস্ত — এই শব্দটি ফার্সি উপসর্গ বর যোগে গঠিত হয়েছে যা খাঁটি বাংলা উপসর্গ নয়। D) অকেজো — এটি সঠিক কারণ অ খাঁটি বাংলা উপসর্গ যোগে গঠিত। ৫ মনে রাখার টিপস: খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি মুখস্থ রাখার জন্য একটি ছন্দ বা তালিকা মনে রাখতে পারো। অ অঘ অজ অনা হলো খাঁটি বাংলা উপসর্গ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ থেকে প্রশ্ন আসে তাই খাঁটি বাংলা ও সংস্কৃত উপসর্গগুলো আলাদা করতে পারা জরুরি।
a উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান
b রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
c দেশবিভাগ
d পলাশির যুদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন ১. কেন সঠিক: - মুনীর চৌধুরীর 'কবর' নাটকটি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত প্রথম সার্থক নাটক। - কারাগারে বন্দি রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর সংঘটিত নির্যাতন এবং ভাষা আন্দোলনের চেতনা এই নাটকের মূল প্রতিবাদী বিষয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় এই নাটকটি রচনা করেন। - নাটকটি প্রথম ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী রূপকধর্মী একাঙ্ক নাটক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাস ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটিও বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: শওকত ওমানের 'স্মরণ' গল্প ব্যাখ্যা: এটিও ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি উল্লেখযোগ্য ছোটগল্প। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান — এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে মুনীর চৌধুরীর 'কবর' নাটকটি রচিত হয়নি কারণ নাটকটির প্রকাশকাল ১৯৫৩ সাল। B) রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন — এই অপশনটি সঠিক এবং নাটকের মূল ঐতিহাসিক পটভূমি নির্দেশ করে। C) দেশবিভাগ — ১৯৪৭ সালের দেশবিভাগের প্রেক্ষাপটে এই নাটকটি রচিত হয়নি, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। D) পলাশির যুদ্ধ — ১৭৫৭ সালের পলাশির যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই নাটকটি রচিত হয়নি, তাই এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুনীর চৌধুরীর কারাগারে বসে লেখা ভাষা আন্দোলনের নাটক মানেই 'কবর'। - লেখকের নাম ও আন্দোলনের সাল মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় ভাষা আন্দোলনের প্রথম নাটক কোনটি। - এই ধরনের সাহিত্যকর্মের রচয়িতা এবং প্রেক্ষাপট একসঙ্গে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি।
a নেই আঁকড়া
b পালের গোদা
c বুদ্ধির ঢেঁকি
d সাক্ষী গোপাল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বুদ্ধির ঢেঁকি ১. কেন সঠিক: বুদ্ধির ঢেঁকি একটি অতিপরিচিত বাংলা বাগধারা, যার অন্তর্নিহিত অর্থ হলো নিরেট মূর্খ বা হদ্দ বোকা। ঢেঁকি যেমন শুধু ওপর-নিচ করে কিন্তু কাজের কাজ কিছু করতে পারে না, তেমনি নির্বোধ ব্যক্তিও কোনো বুদ্ধিমানের কাজ করতে পারে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অংকে ফেল করায় শিক্ষক সাহেব তাকে একটা বুদ্ধির ঢেঁকি বলে গালমন্দ করলেন। ব্যাখ্যা: এখানে অংকে অকৃতকার্য হওয়ার কারণে নির্বোধ বোঝাতে বুদ্ধির ঢেঁকি বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ওই ছেলের সাথে তর্কে যেও না, সে আস্ত এক বুদ্ধির ঢেঁকি। ব্যাখ্যা: নির্বোধ বা বোকামি আচরণ বোঝাতে এখানে এই বাগধারাটি সার্থকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেই আঁকড়া — এই বাগধারাটির অর্থ একগুঁয়ে বা নাছোড়বান্দা, যা নিরেট মূর্খ অর্থ প্রকাশ করে না। B) পালের গোদা — এই বাগধারাটির অর্থ দলপতি বা সর্দার, যা নিরেট মূর্খ অর্থে ব্যবহৃত হয় না। C) বুদ্ধির ঢেঁকি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ নিরেট মূর্খ। D) সাক্ষী গোপাল — এই বাগধারাটির অর্থ নিষ্ক্রিয় দর্শক বা নীরব দর্শক, যা নিরেট মূর্খ বোঝায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: ঢেঁকি যেমন শুধু ওঠানামা করে কাজের কিছু বোঝে না, তেমনি যার বুদ্ধিও এমন ভোঁতা তাকে বুদ্ধির ঢেঁকি বা নিরেট মূর্খ বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মানুষ ও বুদ্ধিমত্তা সংক্রান্ত বাগধারা যেমন পালের গোদা, সাক্ষী গোপাল এবং বুদ্ধির ঢেঁকি থেকে প্রশ্ন আসে। তাই এগুলোর আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে ভাবার্থ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a আমি বই পড়ি।
b তোমার মঙ্গল হোক।
c তুমি কি বাড়ি যাবে?
d তুমি কাল যাও
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তোমার মঙ্গল হোক। ১. কেন সঠিক: ক্রিয়ার যে রূপ দ্বারা আদেশ, নির্দেশ, উপদেশ, নিষেধ, প্রার্থনা বা আশীর্বাদ বোঝায়, তাকে ক্রিয়ার অনুজ্ঞা ভাব বলে। প্রদত্ত বাক্যে তোমার মঙ্গল হোক দ্বারা বক্তার মনের আশীর্বাদ বা প্রার্থনা প্রকাশিত হয়েছে, যা অনুজ্ঞা ভাবের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে ক্রিয়ার ভাব প্রধানত চার প্রকার যথা নির্দেশক, অনুজ্ঞা, সাপেক্ষ ও অন্তর্নিহিত ভাব। অনুজ্ঞা ভাবের ক্ষেত্রে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কাল ব্যবহৃত হয় এবং সাধারণত মধ্যম পুরুষে এর প্রয়োগ বেশি দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুমি এখনই বাড়ি যাও। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে আদেশ বা নির্দেশ বোঝানো হয়েছে যা অনুজ্ঞা ভাবের উদাহরণ। উদাহরণ ২: সর্বদা সত্য কথা বলবে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে উপদেশমূলক অর্থ প্রকাশ পাওয়ায় এটি অনুজ্ঞা ভাবের অন্তর্গত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমি বই পড়ি — এটি ক্রিয়ার নির্দেশক ভাব প্রকাশ করেছে কারণ এর মাধ্যমে সাধারণ তথ্য বা বিবৃতি প্রকাশ পায়। B) তোমার মঙ্গল হোক — এটি সঠিক উত্তর। C) তুমি কি বাড়ি যাবে? — এটি প্রশ্নবাচক বাক্য বা নির্দেশক ভাবের একটি রূপ যেখানে কোনো কিছু জানতে চাওয়া হয়। D) তুমি কাল যাও — এই অপশনটি প্রদত্ত প্রশ্নে থাকলেও মূলত ব্যাকরণগতভাবে বাক্যটিতে ক্রিয়ার অনুজ্ঞার অর্থ অসম্পূর্ণ বা নির্দেশক হিসেবে গণ্য হতে পারে, তবে মূল উত্তর বি নিশ্চিতভাবেই আশীর্বাদমূলক অনুজ্ঞা। ৫. মনে রাখার টিপস: আদেশ, উপদেশ, অনুরোধ ও আশীর্বাদ বুঝলেই তাকে অনুজ্ঞা ভাব হিসেবে চিহ্নিত করবে। উপার্জন বা প্রার্থনামূলক বাক্য দেখলে প্রথমে অনুজ্ঞা ভাব ধরে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুজ্ঞা ভাব থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই আদেশ ও আশীর্বাদক বাক্যগুলো ভালোভাবে চিনে রাখা জরুরি। নির্দেশক ও অনুজ্ঞা ভাবের পার্থক্য বুঝতে বাক্যের অন্তর্নিহিত অর্থ অনুধাবন করতে হবে।
a দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
b ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
c রামপ্রসাদ সেন
d দীনেশচন্দ্র সেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দীনেশচন্দ্র সেন ১. কেন সঠিক: - 'ময়মনসিংহ গীতিকা' বাংলা লোকসাহিত্যের একটি অমূল্য সম্পদ এবং এর সংগ্রাহক ও সম্পাদক হলেন ড. দীনেশচন্দ্র সেন। - কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৩ সালে এটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় এবং এর ইংরেজি অনুবাদও বেশ সমাদৃত হয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. দীনেশচন্দ্র সেন ছিলেন বিশিষ্ট গবেষক ও বাংলা সাহিত্য ইতিহাসের অন্যতম পথপ্রদর্শক। - ময়মনসিংহ ও তৎসংলগ্ন অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মুখে মুখে ফেরা পালাগান বা গীতিকাগুলো সংগ্রহ করে তিনি বাংলা সাহিত্যে লোকসাহিত্যের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহুয়ার পালা ব্যাখ্যা: এটি ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম বিখ্যাত ও জনপ্রিয় একটি পালা যা দীনেশচন্দ্র সেন কর্তৃক সংকলিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মলুয়ার পালা ব্যাখ্যা: ময়মনসিংহ গীতিকার আরেকটি উল্লেখযোগ্য করুণ রসাত্মক পালা যার মাধ্যমে তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের চিত্র ফুটে ওঠে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার — ইনি বাংলার রূপকথা সংগ্রহ ও রচনার জন্য বিখ্যাত, বিশেষ করে 'ঠাকুরমার ঝুলি' তাঁর অমর সৃষ্টি। B) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর — ইনি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের শেষ কবি এবং অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা। C) রামপ্রসাদ সেন — ইনি অষ্টাদশ শতকের বিশিষ্ট শাক্ত পদকর্তা এবং কালিকা মঙ্গল ধারার অন্যতম কবি। D) দীনেশচন্দ্র সেন — ইনি ময়মনসিংহ গীতিকার সংগ্রাহক ও সম্পাদক হিসেবে সঠিকভাবে পরিচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: লোকসাহিত্য বা গীতিকা মানেই দীনেশচন্দ্র সেনের নাম মনে রাখতে হবে, কারণ তিনি লোকসাহিত্য সংগ্রহে পথিকৃৎ ছিলেন। ময়মনসিংহ গীতিকার সংগ্রাহক হিসেবে দীনেশচন্দ্র সেন নামটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত কমন একটি প্রশ্ন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ময়মনসিংহ গীতিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবং এর ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশ করেন রামতনু লাহিড়ী অধ্যাপক চন্দ্রকুমার দে। এই ধরনের সাহিত্যিক তথ্যভিত্তিক প্রশ্নে সংগ্রাহক, সম্পাদক এবং প্রকাশকাল ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a কর্মধারয়
b দ্বিগু
c বহুব্রীহি
d অব্যয়ীভাব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বহুব্রীহি ১. কেন সঠিক: বেকার শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো বে (নাই) কার (কর্ম বা চাকরি) যার। যে সমসেসম্যমান পদ দুটির কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন বা তৃতীয় কোনো অর্থ প্রকাশ করে, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে সমাসে পদ দুটির অর্থ প্রধান না হয়ে অন্য কোনো পদ বা অর্থ প্রধান হয়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। এই সমাসে সাধারণত যার, যাতে, যাতীয় ইত্যাদি শব্দ দিয়ে ব্যাসবাক্য গঠন করা হয় এবং এটি মূলত বিশেষ্য পদের কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: بی‌তার (বীণা তারে যার = বেতার) ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুব্রীহি সমাস, যেখানে বীণা ও তার পদ দুটির অর্থ না বুঝিয়ে একটি বিশেষ যন্ত্রকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: হতশ্রী (হত হয়েছে শ্রী বা সৌন্দর্য যার = হতশ্রী) ব্যাখ্যা: এখানে হত ও শ্রী পদের অর্থের বাইরে গিয়ে সৌন্দর্যহীন অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে, যা বহুব্রীহি সমাসের নিয়ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং এখানে পদের অর্থের মিল থাকে না। B) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের সমাস হয় এবং সমাহার বোঝায়, যা এখানে নেই। C) বহুব্রীহি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে নতুন অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। D) অব্যয়ীভাব — অব্যয় পদের অর্থে যে সমাস হয় তাকে অব্যয়ীভাব বলে, যা বেকারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দ দিয়ে কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা অবস্থাকে বুঝাতে যার বা যা শব্দ ব্যবহার করে ব্যাসবাক্য করা হয়, সেগুলো সাধারণত বহুব্রীহি সমাস হয়। নিয়ম মনে রাখার জন্য মাথায় রাখবে যে সমাস পদের বাইরে নতুন অর্থ প্রকাশ করলেই তা বহুব্রীহি হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে বে বা না বোধক উপসর্গ যোগে গঠিত অনেক শব্দ বহুব্রীহি সমাস হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযুক্ত শব্দের সমাস নির্ণয়ের সময় পদের অর্থ পরিবর্তন লক্ষ করতে হয়।
a ৪টি
b ৩টি
c ৫টি
d ৬টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ মোট ১১টি। মাত্রার ওপর ভিত্তি করে স্বরবর্ণগুলোকে পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা এবং মাত্রাহীন—এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে মাত্রাহীন স্বরবর্ণের সংখ্যা ঠিক ৪টি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মোট মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ৪টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি। স্বরবর্ণের ক্ষেত্রে যে বর্ণগুলোতে লেখার সময় ওপরে কোনো রেখা বা মাত্রা থাকে না, সেগুলোকে মাত্রাহীন স্বরবর্ণ বলা হয়। এই ৪টি বর্ণ হলো এ, ঐ, ও এবং ঔ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এ ব্যাখ্যা: এটি একটি মাত্রাহীন স্বরবর্ণ, যা লেখার সময় বর্ণের মাথার ওপর কোনো রেখা টানা হয় না। উদাহরণ ২: ও ব্যাখ্যা: এটিও একটি মাত্রাহীন স্বরবর্ণ এবং বাংলা বর্ণমালার অন্যতম বহুল ব্যবহৃত বর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪টি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলা বর্ণমালায় মোট মাত্রাহীন স্বরবর্ণের সংখ্যা ঠিক চারটি। B) ৩টি — এই অপশনটি ভুল কারণ মাত্রাহীন স্বরবর্ণের সংখ্যা ৩টি নয়, বরং ৪টি। C) ৫টি — এই অপশনটি ভুল কারণ ৫টি মাত্রাহীন বর্ণ নেই, স্বরবর্ণের ক্ষেত্রে সংখ্যাটি ৪টি। D) ৬টি — এই অপশনটি ভুল কারণ ৬টি হলো মাত্রাহীন ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা, স্বরবর্ণের সংখ্যা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: স্বরবর্ণে মাত্রা নেই কয়টি ভাই, এ ঐ ও ঔ এই চারটি পাই। এই ছন্দের মাধ্যমে খুব সহজেই সংখ্যাটি মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রা স্বরবর্ণের সংখ্যা ৬টি এবং অর্ধমাত্রার স্বরবর্ণ ১টি। এই তথ্যগুলো ভালোভাবে মনে রাখলে মাত্রা সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর সহজে দেওয়া যাবে।
a আদিত্য
b অরণি
c অর্ক
d জলধী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অরণি ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করার কারণ হলো 'অরণি' শব্দটি সূর্য বা সমার্থক শব্দ নয়, বরং এটি আগুন বা অগ্নি উৎপাদনের প্রাচীন কাঠবিশেষ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে কোনটি 'সূর্য' শব্দের সমার্থক শব্দ নয়, তাই যে অপশনটি সূর্যের সমার্থক হবে না সেটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হবে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলো যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয় এবং একটি শব্দের পরিবর্তে অন্যটি ব্যবহার করা যায়। - 'সূর্য' একটি প্রাকৃতিক জ্যোতিষ্ক, যার বহু সংস্কৃত ও তৎসম সমার্থক শব্দ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয় যেমন আদিত্য, অর্ক, রবি, ভাস্কর ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবিতা ব্যাখ্যা: এটি সূর্য শব্দের একটি পরিচিত সমার্থক শব্দ যার অর্থ জগৎ সৃষ্টি করেন যিনি বা সূর্য। উদাহরণ ২: দিবাকর ব্যাখ্যা: দিবাকরের অর্থ দিন করেন যিনি, অর্থাৎ এটিও সূর্যের একটি সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আদিত্য — এটি সূর্য শব্দের একটি অন্যতম প্রধান সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তরের শর্ত পূরণ করে না। B) অরণি — এটি কাঠ ঘষে আগুন জ্বালানোর প্রাচীন যন্ত্র বা উপকরণ বোঝায়, যা সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়। C) অর্ক — এটি সূর্য শব্দের একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ, তাই এটি এখানে ভুল অপশন। D) জলধী — জলধী শব্দের অর্থ সমুদ্র, যা এখানে সূর্যের সমার্থক হিসেবে বিবেচিত হয় না তবে এটি প্রশ্নের নেতিবাচক চাহিদার কারণে অপশন হিসেবে এসেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সূর্য সম্পর্কিত সমার্থক শব্দ মনে রাখতে রবি, ভাস্কর, আদিত্য, অর্ক এই নামগুলো একসাথে চর্চা করতে পারো। - অরণি শব্দ দেখলে মনে রাখবে এটি আগুন তৈরির কাঠি, সূর্যের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই নেতিবাচক প্রশ্ন বা কোনটি নয় ধরনের প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য মূল শব্দের অর্থ ভালোভাবে জানার পাশাপাশি বিপরীত বা ভিন্নার্থক শব্দগুলো আলাদা করে চিনে রাখা জরুরি।
a উপন্যাস
b স্মৃতিকথা
c দিনলিপি
d প্রবন্ধ সংকলন
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: লেখক ও সাহিত্যকর্ম (বাংলা সাহিত্য) সঠিক উত্তর: C) দিনলিপি ১. কেন সঠিক: - শহীদজায়া জাহানারা ইমামের লেখা 'একাত্তরের দিনগুলি' মূলত একটি দিনলিপি বা ডায়েরিভিত্তিক গ্রন্থ। - ১৯৭১ সালের ১লা মার্চ থেকে ১৭ই ডিসেম্বর পর্যন্ত নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোর সত্য ঘটনা ও ব্যক্তিগত অনুভূতির প্রামাণ্য দলিল এটি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শহীদ জননীখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ জাহানারা ইমামের সবচেয়ে পরিচিত ও আলোচিত আত্মজৈবনিক গ্রন্থ এটি। - এই গ্রন্থে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা এবং সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের এক জীবন্ত ও হৃদয়বিদারক চিত্র ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকবর হোসেনের 'যে নদী মরুপথে' ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা সাহিত্যের অন্য ধারার প্রতিনিধিত্ব করে। উদাহরণ ২: আনিসুজ্জামানের 'আমার একাত্তর' ব্যাখ্যা: এটি লেখকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতিকথা বা আত্মজীবনীমূলক রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — উপন্যাস হলো কাল্পনিক কাহিনীর গদ্যরূপ, কিন্তু একাত্তরের দিনগুলি কোনো কাল্পনিক গল্প নয়, বরং বাস্তব ঘটনার দিনলিপি। B) স্মৃতিকথা — যদিও এটি স্মৃতির ওপর ভিত্তি করে লেখা, তবে সরাসরি তারিখ অনুযায়ী ডায়েরি বা দিনলিপির আকারে লিখিত হওয়ায় এটি দিনলিপি হিসেবেই সর্বাধিক পরিচিত। D) প্রবন্ধ সংকলন — প্রবন্ধ সংকলন হলো কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে চিন্তাশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক রচনার সমষ্টি, যা এই গ্রন্থের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডায়েরির পাতা উল্টে দিন গুনে গুনে ১৯৭১ সালের ঘটনা লেখা হয়েছে, তাই এটি দিনলিপি। - জাহানারা ইমামের দিনলিপি মানেই 'একাত্তরের দিনগুলি'। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে 'একাত্তরের দিনগুলি' কার লেখা বা কোন ধরনের রচনা। - এই গ্রন্থটি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানার জন্য একটি প্রামাণ্য ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে গণ্য করা হয়।
a কর্মকারক
b করণ কারক
c অপাদান কারক
d অধিকরণ কারক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) করণ কারক ১. কেন সঠিক: ক্রিয়া সম্পন্ন করার মাধ্যম, উপায় বা উপকরণকে করণ কারক বলে। এখানে 'মেঘে' হলো আকাশ ঢাকা পড়ার মাধ্যম বা উপকরণ, তাই এটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যে ক্রিয়াপদের সঙ্গে কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তার সম্পর্ককে করণ কারক বলে। করণ শব্দের অর্থ যন্ত্র, সাহায্য, উপায় বা মাধ্যম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলমে লেখা ভালো হয়। ব্যাখ্যা: লেখার মাধ্যম হলো কলম, তাই কলমে শব্দটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। উদাহরণ ২: মা ব্লেড দিয়ে ফল কাটছেন। ব্যাখ্যা: ফল কাটার উপকরণ বা যন্ত্র হলো ব্লেড, তাই ব্লেড দিয়ে করণ কারক বুঝিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মকারক — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্মকারক, কিন্তু এখানে কোনো কর্ম বা প্রাপ্ত বস্তু নেই। B) করণ কারক — সঠিক উত্তর কারণ মেঘ এখানে আকাশ ঢাকার মাধ্যম বা উপকরণ হিসেবে কাজ করেছে। C) অপাদান কারক — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, রক্ষিত বা ভীত হয় তা অপাদান কারক, এখানে তা বোঝাচ্ছে না। D) অধিকরণ কারক — ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা বিষয়কে অধিকরণ কারক বলে, কিন্তু মেঘ স্থান বা কাল নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যের ক্রিয়াকে কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা-ই করণ কারক। আকাশ কী দ্বারা ঢাকা? উত্তর হলো মেঘে ঢাকা, তাই এটি করণ কারক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: করণ কারকে সাধারণত ৩য়া (দ্বারা, দিয়া, কর্তিক) এবং ৭মী (এ, য়, তে) বিভক্তির ব্যবহার বেশি হয়। উপকরণ বা মাধ্যম বোঝালে চোখ বন্ধ করে করণ কারক দাগাতে হবে।
a বিষের বাঁশি
b অগ্নিবীণা
c প্রলয় শিখা
d সর্বহারা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অগ্নিবীণা ১. কেন সঠিক: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো অগ্নিবীণা। - ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে এই কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং বাংলা কবিতার ধারাকে চিরতরে বদলে দেয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের যুগপ্রবর্তক কবি ও সংগীতজ্ঞ whose works span both rebellion and romance. - অগ্নিবীণা কাব্যে মোট ১২টি বিখ্যাত কবিতা রয়েছে যার মধ্যে প্রলয়োল্লাস, বিদ্রোহী ও কামাল পাশা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রলয়োল্লাস কবিতাটি অগ্নিবীণা কাব্যের প্রথম কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে নবজাগরণ ও বিপ্লবের বাণী প্রচার করে। উদাহরণ ২: বিদ্রোহী কবিতাটি অগ্নিবীণা কাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। ব্যাখ্যা: এই কবিতাটি প্রকাশের পর থেকেই কবি বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষের বাঁশি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিদ্রোহী ভাবাপন্ন কাব্যগ্রন্থ হলেও তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ নয়। B) অগ্নিবীণা — এটি সঠিক উত্তর যা কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। C) প্রলয় শিখা — এটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের কারণে বাজোপ্ত হওয়া নজরুলের একটি বিখ্যাত অগ্নিগর্ভ কাব্যগ্রন্থ। D) সর্বহারা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি প্রগতিশীল ও সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থ যা শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের পক্ষে রচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - নজরুলের প্রথম কাব্যের নাম মনে রাখতে অগ্নি শব্দের সঙ্গে প্রথম শব্দটি মিলিয়ে পড়তে পারো। - প্রথম প্রকাশিত কাব্য মানেই অগ্নিবীণা যা বাংলা কাব্যাঙ্গনে আগুন জ্বেলেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রচ্ছদ এঁকেছিলে অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ বা প্রথম কবিতার নাম জানতে চাওয়া হয়।
a উপন্যাস
b নাটক
c গল্প-সংকলন
d কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কাব্যগ্রন্থ ১. কেন সঠিক: - 'শেষ লেখা' বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়। - প্রশ্নে থাকা 'শেষ প্রশ্ন' একটি উপন্যাস এবং 'শেষ লেখা' একটি কাব্যগ্রন্থ হওয়ায় সঠিক উত্তর কাব্যগ্রন্থ হবে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'শেষ লেখা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্তিম জীবনের কবিতাগুলোর সংকলন যা ১৯৪০ সালে রচিত এবং ১৯৪১ সালে প্রকাশিত হয়। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের যুগপুরুষ যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক হিসেবে বিশ্বমঞ্চে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'শেষের কবিতা' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর নামের সঙ্গে শেষ শব্দটি যুক্ত থাকায় প্রায়ই বিভ্রান্তি ঘটে। উদাহরণ ২: 'শেষ প্রান্তর' ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা তার সাহিত্যকর্মের বৈচিত্র্যকে প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — শেষ প্রশ্ন একটি উপন্যাস হলেও শেষ লেখা একটি কাব্যগ্রন্থ, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। B) নাটক — শেষ লেখা কোনো নাট্যসাহিত্য নয়, এটি মূলত কবির অন্তিম কাব্যের কবিতা সংকলন। C) গল্প-সংকলন — এটি কোনো ছোটগল্পের বই বা গল্প-সংকলন নয়, এটি পদ্য বা কবিতার বই। D) কাব্যগ্রন্থ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ শেষ লেখা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অমর কাব্যগ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: শেষ প্রশ্ন উপন্যাস এবং শেষ লেখা কাব্যগ্রন্থ এটি মনে রাখতে নামের শেষ অংশ খেয়াল করতে হবে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ লেখা এবং জন্মদিনের কবিতা তার জীবনের শেষ পর্যায়ে রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ কাব্যগ্রন্থ ও মৃত্যুর পর প্রকাশিত গ্রন্থের তালিকা বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের প্রশ্নে নামের আংশিক মিল দেখে বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না, বরং সাহিত্যকর্মের ধরণ ভালোভাবে পড়তে হবে।
a এক
b একত্রিত
c একাকিত্ব
d একত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) একত্রিত ১. কেন সঠিক: - 'একত্রিত' শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে একটি অপপ্রয়োগ কারণ 'একত্র' শব্দের সাথে অতিরিক্ত 'ইত' প্রত্যয় যুক্ত করে দ্বিরুক্তি দোষ বা বাহুল্য দোষ ঘটানো হয়েছে। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী একই অর্থে দুটি প্রত্যয় বা উপসর্গ একসাথে ব্যবহার করা অসিদ্ধ এবং এটি অশুদ্ধ শব্দ গঠনের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাহুল্য দোষ বা অযথা শব্দের দীর্ঘায়নজনিত ভুলকে অপপ্রয়োগ বলা হয়, যা শব্দ গঠনে প্রায়ই ঘটে থাকে। - 'একত্র' মানেই একত্রিত বা একত্রে মিলিত, তাই এর সাথে 'ইত' প্রত্যয় যোগ করা সম্পূর্ণ অতিরিক্ত ও ব্যাকরণসম্মত নয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সব সহাস্য বদনে বল্ল ব্যাখ্যা: 'সহাস্য' মানেই হাসিযুক্ত মুখ, তাই এর সাথে 'বদন' শব্দ যুক্ত করা বাহুল্য দোষ। উদাহরণ ২: স্বীয় স্বাক্ষর প্রদান করুন ব্যাখ্যা: 'স্বীয়' মানেই নিজের, তাই এখানে 'স্বাক্ষর' শব্দের আগে 'স্বীয়' ব্যবহার করা একটি অপপ্রয়োগ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক — এটি একটি সঠিক মৌলিক সংখ্যাবাচক শব্দ এবং এর কোনো অপপ্রয়োগ নেই। B) একত্রিত — এটি ভুল হলেও প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে এটিই অপপ্রয়োগের দৃষ্টান্ত। C) একাকিত্ব — এটি সঠিক শব্দ যা একা শব্দ থেকে ত্ত প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে এবং এর অর্থ নিঃসঙ্গতা। D) একত্র — এটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ শব্দ যার অর্থ একসাথে বা একত্রে। ৫ মনে রাখার টিপস: - একই অর্থে দুটি প্রত্যয় একসাথে ব্যবহার করা যাবে না। - একত্র এবং একত্রিত একই অর্থ প্রকাশ করায় একত্রিত শব্দটি বাহুল্য দোষে দুষ্ট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাহুল্য জনিত অপপ্রয়োগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এই ধরনের প্রশ্নে মূলত শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করে অতিরিক্ত প্রত্যয়যুক্ত শব্দ চিহ্নিত করতে হয়।
a তুর্কি
b সংস্কৃতি
c গুজরাটি
d নেপালি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তুর্কি ১. কেন সঠিক: - 'বাবা' শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক শব্দ। - বাংলা ভাষায় বহু বিদেশি ভাষার শব্দ মিশে আছে, যার মধ্যে তুর্কি শব্দ অন্যতম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। - এর মধ্যে বিদেশ থেকে আগত শব্দগুলোকে বিদেশি শব্দ বলা হয় এবং বাবা একটি তুর্কি শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারোগা ব্যাখ্যা: দারোগা একটি তুর্কি শব্দ যা বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: তোপ ব্যাখ্যা: তোপ শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুর্কি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাবা শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে এসেছে। B) সংস্কৃতি — সংস্কৃতি কোনো ভাষার নাম নয় এবং এই অপশনটি সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না। C) গুজরাটি — গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় খদ্দর বা হরতালের মতো কিছু শব্দ এলেও বাবা আসেনি। D) নেপালি — নেপালি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় সরাসরি বাবা শব্দটি আসেনি। ৫ মনে রাখার টিপস: - তুর্কি শব্দ মনে রাখার জন্য পরিবার সম্পর্কিত কিছু শব্দ যেমন বাবা, বেগম, লাশ মনে রাখতে পারো। - বিদেশি শব্দের উৎস মনে রাখতে শব্দগুলোর উৎস অনুযায়ী ছোট তালিকা তৈরি করা যেতে পারে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - তুর্কি, পর্তুগিজ ও আরবি-ফার্সি শব্দের তালিকা ভালো করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a বন্দী শিবির থেকে
b খরা পালক
c শোকার্ত তরবারী
d প্রসন্ন প্রহর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বন্দী শিবির থেকে ১. কেন সঠিক: - 'বন্দী শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থটি সরাসরি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বাঙালি জাতির সশস্ত্র সংগ্রামের পটভূমিতে রচিত। - কবি শামসুর রাহমান ১৯৭১ সালের অবরুদ্ধ ঢাকায় বসে পাকিস্তানি শোষকদের নির্যাতন এবং মুক্তিকামী মানুষের প্রতিবাদের দৃশ্য প্রত্যক্ষ করে এই কবিতাগুলো রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমান যিনি ১৯২৯ সালে জন্ম গ্রহণ করেন এবং ২০০৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন। - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম ও অবরুদ্ধ ঢাকার বাস্তব চিত্র এই কাব্যগ্রন্থের প্রতিটি কবিতায় অত্যন্ত শিল্পমণ্ডিত ও আবেগঘন ভাষায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শামসুর রাহমানের স্বাধীনতা তুমি কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতাটিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গ্রামীণ বাংলার নিসর্গ এবং বাঙালির বিজয়ের আনন্দ অসাধারণ রূপ লাভ করেছে। উদাহরণ ২: শামসুর রাহমানের তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা কবিতা। ব্যাখ্যা: স্বাধীনতা অর্জনের জন্য সাধারণ মানুষের ত্যাগের চিত্র এই কবিতায় মূর্ত হয়ে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বন্দী শিবির থেকে — এটি মুক্তিযুদ্ধ কেন্দ্রিক কাব্যগ্রন্থ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। B) খরা পালক — এটি কবি আল মাহমুদের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলেও সরাসরি মুক্তিযুদ্ধ কেন্দ্রিক নয়। C) শোকার্ত তরবারী — এটি কবি দাউদ হায়দারের একটি কাব্যগ্রন্থ যার বিষয়বস্তু ভিন্ন। D) প্রসন্ন প্রহর — এটি কবি আহসান হাবীবের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শামসুর রাহমান অবরুদ্ধ ঢাকায় বন্দী অবস্থায় ছিলেন, তাই তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যের নাম 'বন্দী শিবির থেকে' মনে রাখা সহজ। - যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে রচিত অন্যান্য সাহিত্যকর্মের সঙ্গে এটি মিলিয়ে পড়লে বিভ্রান্তি এড়ানো যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ এবং রচয়িতার নাম প্রায়ই আসে। - শামসুর রাহমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্যান্য সাহিত্যকর্ম যেমন 'উল্টো রথে কি কম কম' বা সংশ্লিষ্ট কবিতাগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a raise
b rise
c risen
d rose
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) raise কেন সঠিক: - raise একটি transitive verb যার অর্থ কাউকে বা কিছুকে ওপরে তোলা, এর পরে object বা কর্ম থাকতে হয়। - এখানে reflexive pronoun himself অবজেক্ট হিসেবে থাকায় সঠিক উত্তর হবে raise। বাকি অপশন কেন ভুল: A) raise — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর পরে অবজেক্ট বা reflexive pronoun ব্যবহার করা যায়। B) rise — এটি একটি intransitive verb, এর কোনো অবজেক্ট বা কর্ম থাকে না। C) risen — এটি rise verb-এর past participle রূপ, যা এখানে অর্থের দিক থেকে অসংগত। D) rose — এটি rise verb-এর past form, যা intransitive হওয়ায় নিজে নিজে ওপরে ওঠার ক্ষেত্রে বসে কিন্তু এখানে অবজেক্ট আছে। মনে রাখার টিপস: Raise-এর মধ্যে 'a' আছে যার অর্থ কোনো কিছু ওপরে তোলা (Action), আর Rise-এর মধ্যে 'i' আছে যার অর্থ নিজে নিজে ওপরে ওঠা (Intransitive)।
a Something that causes dispute
b One kind of fruit
c Something that brings harmony
d A person of whom one is extremely fond and proud.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Something that causes dispute কেন সঠিক: - "Apple of discord" একটি প্রবাদ বা ইডিয়ম, যার আক্ষরিক অর্থ বিবাদের আপেল এবং ভাবার্থ বিরোধ বা ঝগড়ার মূল কারণ। - গ্রিক পৌরাণিক কাহিনীর গোল্ডেন অ্যাপল বা বিবাদের আপেল থেকে এই ইডিয়মটির উৎপত্তি হয়েছে, যা দেবীদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Something that causes dispute — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ইডিয়মটি মূলত কোনো বিবাদ বা ঝগড়ার মূল কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) One kind of fruit — এটি ভুল কারণ ইডিয়মটির অর্থ আক্ষরিক অর্থে কোনো সাধারণ ফল বোঝায় না, বরং এর একটি রূপক বা বিশেষ অর্থ রয়েছে। C) Something that brings harmony — এটি ভুল কারণ এই অপশনটি বিরোধ বোঝানোর ঠিক বিপরীত অর্থাৎ শান্তি বা ঐক্যের কথা বলে। D) A person of whom one is extremely fond and proud — এটি ভুল কারণ এই অর্থটি "apple of one's eye" ইডিয়মের জন্য প্রযোজ্য, "apple of discord" এর জন্য নয়। মনে রাখার টিপস: ডিসকর্ড বা Discord শব্দের অর্থ বিরোধ বা অশান্তি, তাই যে আপেল বা বস্তু অশান্তি সৃষ্টি করে সেটাই "apple of discord"।
a Restriction
b Consciousness
c Relaxation
d Extension
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Restriction কেন সঠিক: - ইংরেজি শব্দ 'constraint'-এর বাংলা অর্থ হলো বাধা, সীমাবদ্ধতা বা নিয়ন্ত্রণ। - প্রদত্ত বাক্যে 'time constraint' বলতে বোঝানো হয়েছে সময় সংক্রান্ত সীমাবদ্ধতা বা বাধ্যবাধকতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Restriction — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ সীমাবদ্ধতা বা বাধা যা প্রশ্নের শব্দের সমার্থক। B) Consciousness — এর অর্থ সচেতনতা বা চেতনা, যা সময়ের সীমাবদ্ধতা বোঝানোর জন্য প্রাসঙ্গিক নয়। C) Relaxation — এর অর্থ শিথিলতা বা বিশ্রাম, যা constraint বা সীমাবদ্ধতার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) Extension — এর অর্থ প্রসার বা বৃদ্ধি, যা সময়ের পরিধি বাড়ানো বোঝায় কিন্তু সীমাবদ্ধতা বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: Constraint শব্দটির সাথে Restriction শব্দটির শেষাংশের মিল আছে, যা মনে রাখতে সাহায্য করে যে উভয় শব্দই সীমাবদ্ধতা বা বাধাকে নির্দেশ করে।
a into
b in
c by
d with
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) into কেন সঠিক: - কোনো ভাষা থেকে অন্য কোনো ভাষায় অনুবাদ করা বা রূপান্তর বোঝাতে translate ভার্বের পর preposition হিসেবে into বসে। - রূপান্তর বা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে into ব্যবহার করা হয়, যা এখানে ইংরেজি ভাষায় রূপান্তর বোঝাতে সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) into - এটি সঠিক উত্তর কারণ কোনো ভাষা বা রূপে পরিবর্তনের ক্ষেত্রে into বসে। B) in - ভাষা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে in preposition ব্যবহার করা হয় না, এটি সাধারণত অবস্থান বোঝাতে বসে। C) by - মাধ্যম বোঝালেও ভাষার ক্ষেত্রে অনুবাদ করতে by বস, এটি এখানে সঠিক নয়। D) with - সাধারণত কোনো বস্তু বা হাতিয়ারের সাথে যুক্ত থাকা বোঝাতে with বসে। মনে রাখার টিপস: ভাষা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে translate-এর পরে সবসময় into বসবে, যেমন translate into English.
a the audiences
b the audience
c audiences
d an audiences
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) the audience কেন সঠিক: - Audience একটি Collective Noun যা এখানে একটি একক দল হিসেবে কাজ করছে। - Collective Noun সাধারণত Singular Verb এবং Singular Pronoun গ্রহণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the audiences — Audience একটি Collective Noun হওয়ায় এর সাথে সাধারণত s বা es যুক্ত করে Plural করা যায় না। B) the audience — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) audiences — সঠিক নিয়মে Audience শব্দটিকে সরাসরি Plural করা ভুল। D) an audiences — an এর পরে Plural Noun বা S যুক্ত শব্দ বসতে পারে না। মনে রাখার টিপস: Audience বা Jury এর মতো Collective Noun যখন একত্রে একটি দল বোঝায়, তখন তা Singular হয় এবং পূর্বে The বসে।
a How beautiful a bird it is!
b How a beautiful bird it is!
c How is it beautiful bird!
d How a beautiful bird is it!
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) How beautiful a bird it is! কেন সঠিক: - Exclamatory sentence-এ How-এর পর Adjective (beautiful) এবং Article (a) সহ Noun (bird) বসে। - সবশেষে Subject (it) এবং Verb (is) বসে সঠিক গঠন তৈরি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) How beautiful a bird it is! — এটি সঠিক গঠন অনুসরণ করে তৈরি করা হয়েছে। B) How a beautiful bird it is! — Article (a) এর অবস্থান ভুল জায়গায় থাকায় এটিincorrect। C) How is it beautiful bird! — Verb আগে চলে আসায় এবং Article না থাকায় এটি ভুল। D) How a beautiful bird is it! — Verb শেষে না বসে মাঝে বসায় বাক্যটির গঠন ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: How-এর পর Adjective এবং Noun বসলে গঠনটি হয়: How + Adjective + a/an + Noun + Subject + Verb।
a noun
b pronoun
c adjective
d adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) adjective কেন সঠিক: - Shakespearean শব্দটি William Shakespeare নামক লেখকের নামের সঙ্গে an যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে এবং নাটকের নামকে বিশেষায়িত করেছে। - noun (play)-এর পূর্বে বসে তার দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করায় এটি Adjective বা নাম-বিশেষণ হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — Shakespearean কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু বা জায়গার নাম নয়, তাই এটি Noun নয়। B) pronoun — এটি কোনো Noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়নি, তাই এটি Pronoun নয়। C) adjective — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি Noun-কে मॉडिफाई বা বিশেষায়িত করেছে। D) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-কে বিশেষায়িত করেনি, তাই এটি Adverb নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো Proper Noun-এর শেষে an বা ian যুক্ত হয়ে যদি অন্য কোনো Noun-এর দোষ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে, তবে তা সাধারণত Adjective হয়।
a would have arrested
b would arrest
c would be arrested
d had arrested
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) would have arrested কেন সঠিক: - এটি থার্ড কন্ডিশনালের নিয়ম, যেখানে অতীতকালের অবাস্তব শর্ত বোঝাতে If-যুক্ত অংশে Past Perfect Tense এবং অপর অংশে Subject-এর পর would have/could have/might have বসে এবং মূল verb-এর Past Participle হয়। - প্রশ্নে If-এর পর 'had come' (Past Perfect) থাকায় পরের অংশে 'would have' এবং মূল verb 'arrest'-এর Past Participle 'arrested' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would have arrested — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিয়মানুযায়ী এখানে would have এবং verb-এর Past Participle ব্যবহৃত হয়েছে। B) would arrest — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের কাঠামো (Past Indefinite-এর সাথে would+verb), যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) would be arrested — এটি প্যাসিভ স্ট্রাকচার, কিন্তু বাক্যটি সক্রিয় (Active voice) অর্থে ব্যবহৃত হবে কারণ পুলিশ চোরকে গ্রেপ্তার করেছিল। D) had arrested — এটি থার্ড কন্ডিশনালের নিয়মের বাইরে, কারণ মূল ক্লজে শুধু Past Perfect Tense বসতে পারে না। মনে রাখার টিপস: থার্ড কন্ডিশনালের সূত্রটি হলো: If + Past Perfect (had + V3) হলে পরের অংশে would have + V3 বসে।
a Mother
b sister
c Daughter-in-law
d Daughter
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Daughter-in-law কেন সঠিক: - এই প্রশ্নে প্রদত্ত শব্দগুলোর মধ্যে রক্তের সম্পর্ক বা জন্মগত আত্মীয়তার ভিত্তিতে মিল খোঁজা হয়েছে। - অপশন সি এর শব্দটি বৈবাহিক সম্পর্কের মাধ্যমে পরিবারে যুক্ত হয়, যা জন্মসূত্রের রক্তের সম্পর্কের বাইরের। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mother — এটি সরাসরি জন্মসূত্রের রক্তের আত্মীয়তার একটি সম্পর্কের শব্দ। B) sister — এটিও একই পরিবারের জন্মসূত্রের রক্তের সম্পর্কের একটি শব্দ। C) Daughter-in-law — এটি রক্ত সম্পর্কিত নয় বরং বিয়ের মাধ্যমে তৈরি হওয়া আত্মীয়তার শব্দ। D) Daughter — এটিও সরাসরি জন্মসূত্রের রক্তের সম্পর্কের একটি পারিবারিক শব্দ। মনে রাখার টিপস: রক্তের সম্পর্কহীন আত্মীয় যেমন পুত্রবধূ বা জামাই খুঁজে বের করতে হবে, কারণ বাকিরা সবাই জন্মসূত্রের রক্তের আত্মীয়।
a She said to me thank you.
b She said thank you to me.
c She thanked me.
d She said that thank you.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) She thanked me. কেন সঠিক: - বাক্যে "thank you" একটি কৃতজ্ঞতা প্রকাশমূলক উক্তি, তাই একে indirect speech এ রূপান্তর করার সময় 'thank' ভার্বের প passado form 'thanked' ব্যবহার করতে হয়। - এখানে 'she' হলো সাবজেক্ট এবং যাকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে ('me') তা অবজেক্ট হিসেবে বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She said to me thank you. — এটি সরাসরি Direct speech এর গঠনকে অবিকল রেখে দিয়েছে, যা Indirect speech এর ব্যাকরণগত নিয়মের বাইরে। B) She said thank you to me. — এটি ব্যাকরণগতভাবে কিছুটা ঠিক মনে হলেও, কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ক্ষেত্রে সরাসরি 'thank' ভার্ব ব্যবহার করে 'She thanked me' লেখাটি সবচেয়ে আদর্শ ও সঠিক নিয়ম। D) She said that thank you. — Indirect speech এ 'that' conjunction এর পর সরাসরি 'thank you' বসানো ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: Direct speech এ 'thank you' থাকলে Indirect speech এ সাধারণত Subject + thanked + object এই কাঠামোগুলো অনুসরণ করতে হয়।
a Abraham Lincoln
b Abul Kalam Azad
c Nelson Mandela
d John Milton
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Nelson Mandela কেন সঠিক: - এটি দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের মহান নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার একটি বিশ্বখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। - বইটিতে তার দীর্ঘ কারাবাস, সংগ্রাম এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠার ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Abraham Lincoln — তিনি আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রের ষোড়শ প্রেসিডেন্ট ছিলেন, এই আত্মজীবনীর লেখক নন। B) Abul Kalam Azad — তিনি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিশিষ্ট নেতা ও প্রথম শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন, এই গ্রন্থ তার নয়। C) Nelson Mandela — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই বিশ্বখ্যাত আত্মজীবনীর লেখক তিনিই। D) John Milton — তিনি সপ্তদশ শতকের বিখ্যাত ইংরেজি কবি ও প্রাবন্ধিক ছিলেন, এই ঐতিহাসিক রাজনৈতিক গ্রন্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: ম্যান্ডেলা মানেই মুক্তি, তাই ফ্রিডম বা মুক্তির লড়াইয়ের বইটির লেখক নেলসন ম্যান্ডেলা।
a a
b an
c the
d none
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) the কেন সঠিক: - নির্দিষ্ট কোনো হাসপাতাল বোঝাতে নির্দিষ্ট আর্টিকেল হিসেবে দ্য বসে। - এই বাক্যে বক্তা ও শ্রোতা উভয়েই নির্দিষ্ট হাসপাতালটিকে বুঝছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — এটি অনির্দিষ্ট একক countable noun এর পূর্বে বসে, কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট হাসপাতাল বোঝানো হয়েছে। B) an — এটি ভাওয়েল সাউন্ড দিয়ে শুরু শব্দের পূর্বে বসে, কিন্তু hospital শব্দটি কনসোনেন্ট সাউন্ড দিয়ে শুরু। C) the — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি নির্দিষ্ট স্থান বা ভবন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) none — এটি ভুল কারণ শূন্যস্থানে নির্দিষ্ট আর্টিকেল দ্য বসানো ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। মনে রাখার টিপস: কোনো নির্দিষ্ট পরিচিত স্থান, ভবন বা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার কথা বোঝালে তার পূর্বে দ্য বসে।
a Aren't we
b Have not we
c Shall we
d Shouldn't we
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Shall we কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী Let us বা Let's দিয়ে বাক্য শুরু হলে তার ট্যাগ কোশ্চেন সবসময় Shall we হয়। - এটি বক্তা ও শ্রোতার যৌথ প্রস্তাব বা আহ্বান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Aren't we — Let's বা Let us যুক্ত ইম্পারেটিভ বাক্যের ক্ষেত্রে ট্যাগ কোশ্চেনে Are ব্যবহার করার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই। B) Have not we — Have auxiliary verb দিয়ে Let's যুক্ত বাক্যের ট্যাগ কোশ্চেন গঠন করা যায় না কারণ এটি প্রস্তাব বোঝায়। C) Shall we — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল। D) Shouldn't we — উচিত অর্থে Should ব্যবহার হলেও Let's যুক্ত প্রস্তাবমূলক বাক্যে ট্যাগ কোশ্চেন হিসেবে Shall we ব্যবহার করার সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যটি যদি Let's দিয়ে শুরু হয়, তবে চোখ বন্ধ করে ট্যাগ কোশ্চেন হিসেবে Shall we বসিয়ে দেবে।
a She studied bad
b She was a badly student
c She took it regularly
d She failed to study properly
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) She failed to study properly কেন সঠিক: - বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করতে এবং কারণ বোঝাতে সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করেছে। - পরীক্ষার ফলাফল খারাপ হওয়ার যৌক্তিক কারণ হিসেবে ভালোভাবে পড়াশোনা না করাকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She studied bad — 'bad' একটি adjective, কিন্তু verb-কে modify করতে adverb (badly) ব্যবহার করতে হয়। B) She was a badly student — 'badly' এখানে adverb হিসেবে ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, সঠিক হতো bad student। C) She took it regularly — নিয়মিত পরীক্ষা নেওয়া বা অংশ নেওয়ার অর্থ দেয়, যা পরীক্ষার খারাপ ফলাফলের কারণ হতে পারে না। D) She failed to study properly — সঠিকভাবে পড়াশোনা করতে ব্যর্থ হওয়া পরীক্ষার খারাপ ফলাফলের সঠিক কারণ নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: verb-কে modify করতে adverb বসে এবং noun-কে modify করতে adjective বসে, তাই সঠিক ব্যাকরণ ও অর্থ বুঝে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
a gazed
b sighed
c glared
d stared
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) glared কেন সঠিক: - Glare শব্দের অর্থ রাগ বা হিংস্রভাবে তাকানো, যা খাঁচার পেছনের বাঘের আচরণের সঙ্গে পুরোপুরি মানানসই। - হিংস্র প্রাণী বা বাঘের ক্ষেত্রে সাধারণত রাগী দৃষ্টি বোঝাতে at preposition সহ glare ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) gazed — Gazed অর্থ মুগ্ধ হয়ে বা অবাক হয়ে দীর্ঘক্ষণ তাকিয়ে থাকা, যা বাঘের হিংস্র ভাবের সাথে যায় না। B) sighed — Sighed অর্থ দীর্ঘশ্বাস ফেলা, যা বাক্যের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। C) glared — এটি এই বাক্যের জন্য সঠিক উত্তর, কারণ বাঘের রাগী দৃষ্টি প্রকাশ করতে এটি ব্যবহৃত হয়। D) stared — Stared অর্থ অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা, তবে রাগী বা হিংস্র দৃষ্টি বোঝাতে glare বেশি উপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: হিংস্র প্রাণী বা বাঘের রাগী ও হিংস্র দৃষ্টি বোঝাতে glare ব্যবহার করা হয়।
a decay
b increase
c reduce
d impediment
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) increase কেন সঠিক: - 'Enhancement' শব্দটির অর্থ কোনো কিছুর মান, মাত্রা বা পরিমাণ বৃদ্ধি করা বা উন্নত করা। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'increase' শব্দটির অর্থও বৃদ্ধি করা, যা মূল শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) decay — এর অর্থ ক্ষয় হওয়া বা পচন ধরা, যা enhancement শব্দের বিপরীত। B) increase — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বৃদ্ধি করা বা বাড়ানো। C) reduce — এর অর্থ কমানো বা হ্রাস করা, যা enhancement শব্দের বিপরীত। D) impediment — এর অর্থ বাধা বা প্রতিবন্ধকতা, যা enhancement শব্দের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: Enhance শব্দের অর্থ উন্নত করা বা বাড়ানো, তাই এর সমার্থক শব্দ হিসেবে increase মনে রাখতে হবে।
a annoying
b having annoyed
c being annoying
d annoyed
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) annoying কেন সঠিক: - এখানে শব্দ (sound) বিশেষ্যটিকে বিশেষায়িত করতে বর্তমান কৃদন্ত পদ বা Present Participle প্রয়োজন। - শব্দ নিজেই বিরক্তিকর কাজটি করছে, তাই এখানে Active অর্থে Present Participle (annoying) ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) annoying — এটি সঠিক Present Participle, যা নাউনের পূর্বে বসে Active অর্থ প্রকাশ করে। B) having annoyed — এটি Perfect Participle, যা এখানে বাক্যের অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। C) being annoying — এটি Passive Continuous Participle, যা নাউনের পূর্বে সরাসরি বসে এভাবে অর্থ প্রকাশ করে না। D) annoyed — এটি Past Participle, যা সাধারণত Passive অর্থ প্রকাশ করে এবং এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: noun যদি নিজে কাজটি করে তবে Present Participle (ing যুক্ত) হয় এবং কাজটি অন্যের দ্বারা প্রভাবিত হলে Past Participle হয়।
a to go
b going
c gone
d go
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) go কেন সঠিক: - would rather একটি মডাল ভার্বের মতো কাজ করে এবং এর পরে সবসময় মূল ভার্বের বেজ ফর্ম (v1) বসে। - এই বাক্যে to বা ing যুক্ত করার কোনো সুযোগ নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to go — would rather এর পরে ইনফিনিটিভ (to + v1) বসে না। B) going — would rather এর পরে জিরান্ড বা ভার্ব প্লাস ing যুক্ত রূপ বসে না। C) gone — would rather এর পরে ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল (v3) বসে না। D) go — এটি সঠিক কারণ would rather এর পরে মূল ভার্বের বেজ ফর্ম বসে। মনে রাখার টিপস: would rather দেখলেই মনে রাখবে এরপরে সবসময় ভার্বের বেজ ফর্ম বসে।
a I will be oblige to go
b I will have obliged to go
c I shall be obliged to go
d I am obliged to go
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I shall be obliged to go কেন সঠিক: - Active Voice-এর Object (me) Passive-এ Subject (I) হয় এবং Person ও Tense অনুযায়ী Auxiliary Verb 'shall be' বসে। - Principal Verb (oblige)-এর Past Participle (obliged) হয় এবং বাকר অংশ (to go) অপরিবর্তিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I will be oblige to go — 'oblige' শব্দটির Past Participle রূপ 'obliged' না লিখে প্রেজেন্ট ফর্ম ব্যবহার করায় এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) I will have obliged to go — Future Perfect Tense-এর গঠন ব্যবহার করায় এটি প্রদত্ত Active Voice-এর সঠিক Passive রূপ নয়। C) I shall be obliged to go — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা সব নিয়ম সঠিক রেখে তৈরি করা হয়েছে। D) I am obliged to go — Present Tense ব্যবহার করায় এটি মূল বাক্যের Future Indefinite Tense-এর অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Future Tense-এর Active Voice-কে Passive করার সময় Subject-এর পর shall be বা will be বসে এবং মূল Verb-এর Past Participle হয়।
a জাপান
b ব্রাজিল
c শ্রীলঙ্কা
d অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অস্ট্রেলিয়া কেন সঠিক: - আদিবাসীদের ইতিহাস ও অবদানকে সম্মান জানাতে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে অস্ট্রেলিয়া তাদের জাতীয় সঙ্গীতের কথা পরিবর্তন করে। - সঙ্গীতের দ্বিতীয় লাইনে থাকা ইয়াং অ্যান্ড ফ্রি কথাটি বদলে ওয়ান অ্যান্ড ফ্রি করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — জাপানের জাতীয় সঙ্গীত কিমিগায়ো বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন এবং সাম্প্রতিক সময়ে এর কথায় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। B) ব্রাজিল — ব্রাজিলের জাতীয় সঙ্গীতের কথা ও সুরে দীর্ঘকাল ধরে কোনো পরিবর্তন করা হয়নি। C) শ্রীলঙ্কা — শ্রীলঙ্কার জাতীয় সঙ্গীত শ্রী লঙ্কা মাতা নামে পরিচিত এবং এটি সাম্প্রতিক সময়ে পরিবর্তিত হয়নি। D) অস্ট্রেলিয়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ দেশটি তাদের জাতীয় সঙ্গীতের কথা সংশোধন করেছে। মনে রাখার টিপস: অস্ট্রেলিয়া হলো সেই দেশ যারা আদিবাসীদের অধিকার রক্ষার্থে জাতীয় সঙ্গীতের শব্দ পরিবর্তন করে সবাইকে এক করেছে।
a ৯টি
b ৭টি
c ১২টি
d ৮টি
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস প্রদত্ত সঠিক উত্তর যাচাই: প্রদত্ত সঠিক উত্তর C) ১২টি ভুল। মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে মোট ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল। তাই সঠিক উত্তর ১১টি হবে। সঠিক উত্তর: B) ৭টি (সংশোধিত তথ্য অনুযায়ী সঠিক উত্তর ১১টি, যা এই অপশনে নেই। তবে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ঐতিহাসিক সত্য হলো সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।) কেন সঠিক: - মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধের সুপরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি ভৌগোলিক সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল। - এছাড়া বিশেষ অপারেশন ও নদীপথের নিরাপত্তার জন্য ১০ নম্বর সেক্টরকে নৌ সেক্টর হিসেবে এবং সমগ্র দেশ নিয়ে একটি বিশেষ বাহিনী গঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯টি — এটি ভুল তথ্য কারণ মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা ৯টি ছিল না, বরং ১১টি সেক্টর এবং অসংখ্য সাব-সেক্টর ছিল। B) ৭টি — ৭ সংখ্যাটি ভিন্ন প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, যেমন বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৭ জন, কিন্তু সেক্টর সংখ্যা ৭টি নয়। C) ১২টি — ১২টি সেক্টর ভুল তথ্য, কারণ মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর বা সাব-সেক্টরের সংখ্যা কোনোভাবেই ১২টি ছিল না। D) ৮টি — ৮টি সেক্টর ভুল তথ্য, কারণ ঐতিহাসিক দলিল অনুযায়ী সেক্টর সংখ্যা ১১টি নির্ধারিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা মনে রাখতে এভাবে ভাবুন, ১-এর পাশে আর একটি ১ বসালে ১১ হয়, অর্থাৎ সেক্টর সংখ্যা ছিল ১১টি।
a 102
b 104
c 101
d 103
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 102 কেন সঠিক: - সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদে হাইকোর্ট বিভাগকে যেকোনো ব্যক্তির আবেদনক্রমে মৌলিক অধিকার বলবৎ করার নির্দেশ বা আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। - এই অনুচ্ছেদের বলেই মূলত নাগরিকগণ তাঁদের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ণ হলে হাইকোর্টের শরণাপন্ন হতে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 102 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অনুচ্ছেদেই মৌলিক অধিকার বলবৎ করার ক্ষমতা হাইকোর্টকে দেওয়া হয়েছে। B) 104 — এই অনুচ্ছেদে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সম্পূর্ণ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশ বা আদেশ দানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। C) 101 — এই অনুচ্ছেদে হাইকোর্ট বিভাগের গঠন এবং এর বিচারকদের ক্ষমতা ও jurisdiction সম্পর্কে বলা হয়েছে। D) 103 — এই অনুচ্ছেদে হাইকোর্ট বিভাগের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগের আপিল করার এখতিয়ার সম্পর্কে বলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: মৌলিক অধিকার রক্ষার জন্য আদালতের দরজায় কড়া নাড়ার মূল চাবিকাঠি হলো ১০২ অনুচ্ছেদ।
a ৪র্থ
b ৫ম
c ৬ষ্ঠ
d ৭ম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ষ্ঠ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলে ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। - এই ঘোষণাটি ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে ওয়্যারলেসের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রচার করা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে তা সংবিধানে সংযোজন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪র্থ — চতুর্থ তফসিলে সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর আইনগত বৈধতা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি সম্পর্কে বলা হয়েছে। 3) ৫ম — পঞ্চম তফসিলে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ই এপ্রিল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে জারীকৃত প্রবিধান ও আদেশাদির কথা উল্লেখ আছে। C) ৬ষ্ঠ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই তফসিলেই বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। D) ৭ম — সপ্তম তফসিলে ১৯৭৯ সালের ৯ই এপ্রিলের পর জারীকৃত প্রবিধান ও আদেশাদির বৈধতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের তফসিলগুলোর মধ্যে স্বাধীনতার ঘোষণা সম্পর্কিত ঐতিহাসিক দলিলটি ষষ্ঠ তফসিলে সংরক্ষিত আছে।
a গ্যাস
b কয়লা
c এলএনজি
d নিউক্লিয়ার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কয়লা কেন সঠিক: - বর্তমানে বাংলাদেশের বৃহত্তম বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলো পটুয়াখালীর পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, যা কয়লার মাধ্যমে চালিত হয়। - এই কেন্দ্রটি অতি supercritical প্রযুক্তির মাধ্যমে কয়লা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্যাস — বাংলাদেশের অনেক বিদ্যুৎ কেন্দ্র গ্যাসে চললেও বর্তমানে বৃহত্তম বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি গ্যাস দ্বারা চালিত নয়। C) এলএনজি — এলএনজি বা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস দেশের বৃহত্তম বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান জ্বালানি নয়। D) নিউক্লিয়ার — রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এখনো পুরোপুরি চালু হয়নি, তাই এটি বর্তমানে দেশের বৃহত্তম বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বিদ্যুৎ উৎপাদনের মূল জ্বালানি হলো কয়লা।
a নাদিয়া মুরাদ
b মালালা ইউসুফজাই
c গোয়াটেইলর
d ডেনিম মুকেণ্ডি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মালালা ইউসুফজাই কেন সঠিক: - পাকিস্তানি নারীশিক্ষা অধিকারকর্মী মালালা ইউসুফজাই মাত্র ১৭ বছর বয়সে ২০১৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। - সর্বকনিষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে নোবেল পুরস্কার অর্জনের ইতিহাস তিনি তৈরি করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাদিয়া মুরাদ — ২০১৮ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেও তিনি সর্বকনিষ্ঠ নন। B) মালালা ইউসুফজাই — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) গোয়াটেইলর — এই নামের কোনো ব্যক্তি নোবেল শান্তি পুরস্কার পাননি। D) ডেনিম মুকেণ্ডি — ডেনিস মুকুগে ২০১৮ সালে নোবেল পেলেও তিনি সর্বকনিষ্ঠ নন। মনে রাখার টিপস: মালালা মানেই ছোট বয়সে বড় অর্জন, যিনি ১৭ বছর বয়সেই শান্তিতে নোবেল পেয়ে সর্বকনিষ্ঠ হয়েছেন।
a RNPP
b BAEC
c RAEC
d RPPN
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) RNPP কেন সঠিক: - রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইংরেজি নামের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো RNPP। - এর পূর্ণরূপ হলো Rooppur Nuclear Power Plant। বাকি অপশন কেন ভুল: A) RNPP — এটি রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সঠিক সংক্ষিপ্ত রূপ। B) BAEC — এটি বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সংক্ষিপ্ত রূপ, যার পূর্ণরূপ Bangladesh Atomic Energy Commission। C) RAEC — এটি কোনো নির্দিষ্ট বা প্রচলিত সংস্থার সঠিক সংক্ষিপ্ত রূপ নয়। D) RPPN — এটি উল্টো বিন্যাসে লেখা ভুল সংক্ষিপ্ত রূপ। মনে রাখার টিপস: Rooppur এর R এবং Nuclear Power Plant এর NPP মিলিয়ে সহজে RNPP মনে রাখা যায়।
a চাঁপাই নবাবগঞ্জের আম্রকাননে
b বৈদ্যনাথ তলার আম্রকাননে
c পলাশীর আম্রকাননে
d রাজশাহীর আম্রকাননে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বৈদ্যনাথ তলার আম্রকাননে কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথ তলার আম্রকাননে অনুষ্ঠিত হয়। - পরবর্তীতে এই স্থানটির নাম পরিবর্তন করে মুজিবনগর রাখা হয় এবং এই সরকারের নামানুসারে স্থানটি ঐতিহাসিক পরিচিতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাঁপাই নবাবগঞ্জের আম্রকাননে — এটি একটি ভুল তথ্য কারণ মুজিবনগর সরকারের শপথগ্রহণ এখানে হয়নি, এটি আমের জন্য বিখ্যাত একটি জেলা। B) বৈদ্যনাথ তলার আম্রকাননে — এটি সঠিক এবং ঐতিহাসিক স্থান যেখানে বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করেছিল। C) পলাশীর আম্রকাননে — এটি ১৭৫৭ সালের ঐতিহাসিক পলাশীর যুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত, মুজিবনগর সরকারের শপথের সঙ্গে নয়। D) রাজশাহীর আম্রকাননে — এটি একটি সাধারণ ভূগোলের স্থান মাত্র, যা ১৯৭১ সালের এই ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ১৭ এপ্রিল ১৯৭১, মেহেরপুরের বৈদ্যনাথ তলা বা আজকের মুজিবনগরে প্রথম সরকার শপথ নেয়।
a যুক্তরাষ্ট্র
b ইরান
c কাতার
d সৌদি আরব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে শেল অয়েল উত্তোলনের আধুনিক প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহারের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষস্থান দখল করেছে। - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে টেক্সাস ও নিউমেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের পার্মিয়ান অবিনাশী অববাহিকা থেকে প্রচুর পরিমাণে খনিজ তেল উত্তোলিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্তমানে দেশটি বিশ্বের শীর্ষ তেল উৎপাদক রাষ্ট্র। B) ইরান — এটি মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান তেল উৎপাদক দেশ হলেও বর্তমানে উৎপাদন ও রপ্তানির দিক থেকে শীর্ষস্থানে নেই। C) কাতার — এটি প্রধানত প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনে বিশ্বজুড়ে শীর্ষস্থানীয় হলেও অপরিশোধিত তেল উৎপাদনে শীর্ষ দেশ নয়। D) সৌদি আরব — অতীতে দেশটি শীর্ষে থাকলেও বর্তমানে উৎপাদনের পরিমাণের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পরেই দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: তেল উৎপাদনে আমেরিকা বা যুক্তরাষ্ট্র এখন সবার উপরে আর সৌদি আরব ঠিক তার পরেই অবস্থান করছে।
a প্রায় ১০ শতাংশ
b প্রায় ৩০ শতাংশ
c প্রায় ২০ শতাংশ
d প্রায় ৪০ শতাংশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রায় ২০ শতাংশ কেন সঠিক: - আমাজান বনাঞ্চল বিশ্বের বৃহত্তম বৃষ্টিবহুল বন এবং এটি প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন উৎপাদন করে, যা বৈশ্বিক অক্সিজেনের প্রায় বিশ শতাংশ সরবরাহ করে। - এই বিশাল বনকে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয় কারণ এটি কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে এবং অক্সিজেন সরবরাহ করে বৈশ্বিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রায় ১০ শতাংশ — এটি এই বনাঞ্চলের অক্সিজেন সরবরাহের পরিমাণের তুলনায় অনেক কম এবং সঠিক পরিসংখ্যান নয়। B) প্রায় ৩০ শতাংশ — এটি প্রকৃত পরিমাণের তুলনায় বেশি, কারণ বৈজ্ঞানিক গবেষণায় আমাজানের অবদান প্রায় বিশ শতাংশ হিসেবে স্বীকৃত। C) প্রায় ২০ শতাংশ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত তথ্য। D) প্রায় ৪০ শতাংশ — এটি অত্যধিক বেশি এবং বৈশ্বিক অক্সিজেন চক্রের বাস্তুতন্ত্রের হিসাবের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: আমাজান বনকে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয় এবং ফুসফুস যেমন আমাদের পুরো শরীরে অক্সিজেন দেয়, তেমনি আমাজান বিশ্বকে প্রায় কুড়ি শতাংশ অক্সিজেন দেয়।
a ভারত
b বাংলাদেশ
c নেপাল
d পাকিস্তান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পাকিস্তান কেন সঠিক: - পাকিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার দেশ হলেও দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা বিমসটেকের সদস্য নয়। - বিমসটেকের সদস্য দেশ মোট সাতটি এবং পাকিস্তান এর ভৌগোলিক বা রাজনৈতিক কাঠামোর আওতাভুক্ত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারত বিমসটেকের প্রতিষ্ঠাতা এবং বর্তমান সক্রিয় সদস্য দেশ। B) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ বিমসটেকের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং এর সচিবালয় ঢাকায় অবস্থিত। C) নেপাল — নেপাল বিমসটেকের অন্যতম পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে যুক্ত রয়েছে। D) পাকিস্তান — পাকিস্তান বিমসটেকের সদস্য নয় কারণ এটি সার্কের অন্তর্ভুক্ত হলেও এই আঞ্চলিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেনি। মনে রাখার টিপস: বিমসটেক সংস্থায় বাংলাদেশ, ভারত, নেপালসহ ৭টি দেশ আছে, যার মধ্যে পাকিস্তান নেই।
a রাজনৈতিক জোট
b অর্থনৈতিক জোট
c সাংস্কৃতিক জোট
d সামরিক জোট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্থনৈতিক জোট কেন সঠিক: - জি-২০ হলো বিশ্বের প্রধান উন্নত ও উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর একটি আন্তর্জাতিক ফোরাম। - এর মূল উদ্দেশ্য আন্তর্জাতিক আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতি নিয়ে আলোচনা ও নীতি নির্ধারণ করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজনৈতিক জোট — জি-২০ কোনো আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক বা সামরিক জোট নয়, বরং এটি অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য গঠিত। B) অর্থনৈতিক জোট — এটি বিশ্বের প্রধান অর্থনৈতিক শক্তিগুলোর সমন্বয়ে গঠিত একটি অর্থনৈতিক জোট বিধায় এটি সঠিক। C) সাংস্কৃতিক জোট — এর কাজ সাংস্কৃতিক বিনিময় বা প্রচার করা নয়, তাই এটি ভুল। D) সামরিক জোট — এটি কোনো প্রতিরক্ষা বা সামরিক চুক্তি নয়, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: জি-২০ নামের অক্ষরটি মনে রাখুন অর্থনীতি বা ইকোনমি শব্দটির সঙ্গে যুক্ত, যা বিশ্বের বড় অর্থনীতির দেশগুলোর ফোরাম।
a যুক্তরাষ্ট্র
b যুক্তরাজ্য
c পোল্যান্ড
d ইতালী
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: সাহিত্য, লেখক ও সাহিত্যকর্ম সঠিক উত্তর: B) যুক্তরাজ্য কেন সঠিক: - জে কে রাউলিং বিশ্বখ্যাত ফ্যান্টাসি উপন্যাস সিরিজ হ্যারিপটারের ব্রিটিশ লেখক। - তিনি যুক্তরাজ্যের ইংল্যান্ডের ইয়েট নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন এবং ব্রিটিশ নাগরিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — জে কে রাউলিং মার্কিন নাগরিক নন, কারণ তিনি যুক্তরাজ্যে জন্মগ্রহণ করেছেন। B) যুক্তরাজ্য — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং তিনি এই দেশেরই নাগরিক। C) পোল্যান্ড — জে কে রাউলিংয়ের জন্ম বা নাগরিকত্ব পোল্যান্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ইতালী — ইতালির সঙ্গে তার কোনো নাগরিকত্বের সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: হ্যারিপটার সিরিজের জাদুবিদ্যার পটভূমি যুক্তরাজ্যের হওয়ায় এর লেখক জে কে রাউলিংও যুক্তরাজ্য বা ব্রিটিশ নাগরিক।
a Dhaka Electric Standard Company Ltd.
b Dhaka Electric and Stock Exchange Company.
c Dhaka Electricity Supply Company Ltd.
d এর কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Dhaka Electricity Supply Company Ltd. কেন সঠিক: - DESCO এর পূর্ণরূপ হলো ঢাকা ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড, যা ঢাকা শহরের একটি বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান। - এটি ঢাকা ও এর আশেপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dhaka Electric Standard Company Ltd. — এই নামে কোনো বাস্তব বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান নেই এবং প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল। B) Dhaka Electric and Stock Exchange Company. — এটি স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে বিভ্রান্তিকর একটি ভুল নাম, তাই এটি সঠিক নয়। C) Dhaka Electricity Supply Company Ltd. — এটি এই প্রশ্নের সঠিক পূর্ণরূপ বা নাম হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। D) এর কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তরটি অপশন সি তে উপস্থিত থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ডিএসইসিও (DESCO) মানে হলো ঢাকা ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি, যেখানে সাপ্লাই শব্দটি বিদ্যুৎ সরবরাহের কাজকে নির্দেশ করে।
a ৪৯ তম
b ৫৯ তম
c ৬৯ তম
d ৭৯ তম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫৯ তম কেন সঠিক: - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রতি চার বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয় এবং ২০২০ সালের ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনটি ছিল তাদের ইতিহাসে ৫৯তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। - এই নির্বাচনে জো বাইডেন বর্তমান রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরাজিত করে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪৯ তম — এই সংখ্যাটি ২০২০ সালের মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে সঠিক ক্রম নির্দেশ করে না। B) ৫৯ তম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ২০২০ সালের মার্কিন নির্বাচনের সঠিক ক্রম। C) ৬৯ তম — এই সংখ্যাটি বর্তমান সময় পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোনো রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্রমের সঙ্গে মেলে না। D) ৭৯ তম — মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের ক্রমের দিক থেকে এই সংখ্যাটি অনেক বেশি এবং অবাস্তব। মনে রাখার টিপস: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২০২০ সালের নির্বাচন এবং ৫৯তম সংখ্যাটি মনে রাখতে ৫৯ সংখ্যাটি মাথায় রাখলেই হবে।
a ৭ জন
b ১২ জন
c ৯ জন
d ১১ জন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭ জন কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য ৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সর্বোচ্চ সামরিক উপাধি বীরশ্রেষ্ঠ প্রদান করা হয়। - মুক্তিযুদ্ধে তাদের আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার এই ৭ জনকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ জন — এই অপশনটি সঠিক কারণ মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ খেতাবপ্রাপ্ত বীরের সংখ্যা ৭ জন। B) ১২ জন — এই অপশনটি ভুল কারণ ১২ জন বীরশ্রেষ্ঠ নন, এটি বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্তদের সাথে বিভ্রান্তিকর হতে পারে। C) ৯ জন — এই অপশনটি ভুল কারণ ৯ জন বীর উত্তম বা অন্য কোনো খেতালের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে, বীরশ্রেষ্ঠ নন। D) ১১ জন — এই অপশনটি ভুল কারণ ১১ জন সেক্টরের সংখ্যা নির্দেশ করে, বীরশ্রেষ্ঠের সংখ্যা নয়। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ মোট ৭ জন, যা সেক্টর সংখ্যা ১১ এর চেয়ে কম।
a ভারত
b চীন
c যুক্তরাষ্ট্র
d রাশিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাশিয়া কেন সঠিক: - রাশিয়ার মোট আয়তন প্রায় ১ কোটি ৭০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার, যা পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় এগারো শতাংশ। - এর বিশাল ভূখণ্ড ইউরোপ ও এশিয়া দুটি মহাদেশ জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারতের আয়তন প্রায় ৩২ লক্ষ বর্গকিলোমিটার এবং এটি বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম দেশ। B) চীন — চীনের আয়তন প্রায় ৯৬ লক্ষ বর্গকিলোমিটার এবং এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দেশ। C) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্রের আয়তন প্রায় ৯৮ লক্ষ বর্গকিলোমিটার এবং এটি আয়তনে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দেশ। D) রাশিয়া — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক এবং এটি বিশ্বের বৃহত্তম দেশ। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের বড় দেশগুলোর ক্রম মনে রাখার সহজ বাক্য হলো: রুচি চিনের আম কানাডা ব্রাজিলেও অস্ট্রেলিয়া ভারত। (রুশিয়া, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়া, ভারত)।
a ব্রাজিল
b জার্মানি
c ফ্রান্স
d জাপান
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। ২০২০ সালের ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন ক্লাব ছিল জার্মানির বায়ার্ন মিউনিখ এবং টুর্নামেন্টটি কাতারে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। জাপান এই প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়ন দেশ নয়। কেন সঠিক: - ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ মূলত ক্লাবভিত্তিক আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্ট, কোনো দেশের জাতীয় দলের প্রতিযোগিতা নয়। - ২০২০ সালের আসরের ফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখ মেক্সিকোর ক্লাব টাইগ্রেস ইউএএনএল দলকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রাজিল — ব্রাজিল কোনো দেশ হিসেবে এই টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন নয়, তবে তাদের ক্লাব দল যেমন করিন্থিয়ান্স অতীতে শিরোপা জিতেছে। B) জার্মানি — জার্মানি দেশ হিসেবে নয়, বরং তাদের ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ ২০২০ সালের ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের শিরোপা জয় করেছিল। C) ফ্রান্স — ফ্রান্সের কোনো ক্লাব দল ২০২০ সালের ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের শিরোপা অর্জন করেনি। D) জাপান — জাপান এই টুর্নামেন্টের আয়োজক দেশ হিসেবে ভূমিকা পালন করলেও চ্যাম্পিয়ন দেশ বা দল নয়। মনে রাখার টিপস: ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ একটি ক্লাব টুর্নামেন্ট, দেশভিত্তিক প্রতিযোগিতা নয়। ২০২০ সালের চ্যাম্পিয়ন ক্লাব ছিল জার্মানির বায়ার্ন মিউনিখ।
a ০৯ টি
b ১০ টি
c ১১ টি
d ১২ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১ টি কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১১ টি ভাগ বা অধ্যায় রয়েছে যা রাষ্ট্র পরিচালনার মূল ভিত্তি। - ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয় এবং একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে এটি কার্যকর হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০৯ টি — বাংলাদেশের সংবিধানে ভাগের সংখ্যা ৯ টি নয়, বরং সংবিধানে মোট ১১ টি ভাগ রয়েছে। B) ১০ টি — বাংলাদেশের সংবিধানের মূল ভাগের সংখ্যা ১০ টি নয়, সঠিক সংখ্যাটি ১১ টি। C) ১১ টি — এটি সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের সংবিধানে ঠিক ১১ টি ভাগ রয়েছে। D) ১২ টি — বাংলাদেশের সংবিধানে ১২ টি ভাগ নেই, সংবিধানের মোট ভাগ সংখ্যা ১১ টি। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের ১১ টি ভাগ মনে রাখতে মনে রাখুন বাংলাদেশের ক্রিকেটে মাঠে খেলোয়াড় থাকেন ১১ জন।
a GEO
b LEO
c MEO
d কোনটি নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) GEO ১. কেন সঠিক: - বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ একটি ভূস্থির কৃত্রিম উপগ্রহ যা ভূৃপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৬০০০ কিলোমিটার উঁচুতে অবস্থিত। - এটি পৃথিবীর আবর্তনের গতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একই গতিতে প্রদক্ষিণ করে বিধায় নির্দিষ্ট স্থান থেকে এটিকে স্থির দেখায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: জিওস্টেশনারি বা ভূস্থির উপগ্রহ এমন একটি কৃত্রিম উপগ্রহ যা বিষুবরেখার ঠিক ওপরে থেকে পৃথিবীর ঘূর্ণন গতির সমান গতিতে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। - কার্যপ্রণালি: এই উপগ্রহটি ২৪ ঘণ্টায় একবার পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে ফলে এটি নির্দিষ্ট একটি ভূখণ্ডের ওপর সর্বদা স্থির থাকে এবং নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ বা সম্প্রচার নিশ্চিত করে। - বাস্তব প্রয়োগ: আবহাওয়ার পূর্বাভাস প্রদান, টেলিভিশন সম্প্রচার এবং টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে এই স্যাটেলাইট ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: - উদাহরণ ১: স্যাটেলাইট টেলিভিশন সম্প্রচার। ব্যাখ্যা: ঘরের ওপরের ডিশ অ্যান্টেনা সবসময় একই দিকে স্থির থাকে কারণ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ ভূস্থির কক্ষপথে থেকে নির্দিষ্ট স্থানে সংকেত পাঠায়। - উদাহরণ ২: আবহাওয়ার মানচিত্র তৈরি। ব্যাখ্যা: ভূস্থির উপগ্রহগুলো একই এলাকার ওপর স্থির থেকে অবিরাম মেঘ ও বায়ুমণ্ডলের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: - A) GEO — এটি সঠিক কারণ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ একটি ভূস্থির কক্ষপথে স্থাপিত যোগাযোগ উপগ্রহ। - B) LEO — এটি লো আর্থ অরবিট বা নিম্ন ভূ-কক্ষপথ বোঝায় যা ভূপৃষ্ঠ থেকে খুব কাছাকাছি থাকে এবং দ্রুত পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে, তাই এটি সঠিক নয়। - C) MEO — এটি মিডিয়াম আর্থ অরবিট বা মধ্য ভূ-কক্ষপথ বোঝায় যা জিপিএস বা বৈশ্বিক অবস্থান নির্ণয় ব্যবস্থার জন্য ব্যবহৃত হয়, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। - D) কোনটি নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্গবন্ধু মানে যোগাযোগ ও সম্প্রচার, আর যোগাযোগ স্যাটেলাইট মানেই ভূস্থির বা জিওস্টেশনারি কক্ষপথ। - GEO শব্দের অর্থ হলো পৃথিবী সম্পর্কিত, যা স্থির কক্ষপথ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করা হয় ১১ মে ২০১৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে। - এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় মহাকাশ প্রযুক্তি ও সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞান অংশে প্রায়ই আসে।
a বায়ু
b স্রোত
c সৌর
d নিউক্লিয়ার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিউক্লিয়ার ১. কেন সঠিক: নিউক্লিয়ার শক্তি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস নয় কারণ এটি ইউরেনিয়াম বা থোরিয়ামের মতো সীমিত খনিজ সম্পদের ওপর নির্ভরশীল। এই খনিজগুলো একবার ব্যবহার করলে নিঃশেষ হয়ে যায় এবং তা সহজে প্রাকৃতিকভাবে পুনরায় তৈরি হয় না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: যে শক্তির উৎস সীমিত এবং একবার ব্যবহার করলে ফুরিয়ে যায় তাকে অনবায়নযোগ্য শক্তি বলে। কার্যপ্রণালি: নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্টে পরমাণুর নিউক্লিয়াস ভেঙে বা যুক্ত করে বিপুল তাপশক্তি উৎপন্ন করা হয়। বাস্তব প্রয়োগ: পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এই শক্তি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউরেনিয়াম খনিজ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন। ব্যাখ্যা: ইউরেনিয়াম একটি সীমিত প্রাকৃতিক সম্পদ যা একসময় শেষ হয়ে যাবে। উদাহরণ ২: কয়লা ও তেল পুড়িয়ে শক্তি উৎপাদন। ব্যাখ্যা: এগুলো জীবাশ্ম জ্বালানি এবং নিউক্লিয়ার শক্তির মতো অনবায়নযোগ্য শক্তির অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বায়ু — এটি একটি অফুরন্ত ও নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস যা বাতাস থেকে টারবাইন ঘুরিয়ে উৎপন্ন করা হয়। B) স্রোত — নদীর জলের স্রোত বা জোয়ারভাটা সবসময় সচল থাকে বলে এটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। C) সৌর — সূর্য থেকে প্রাপ্ত আলো ও তাপ কখনো ফুরিয়ে যাওয়ার নয়, তাই এটি নবায়নযোগ্য শক্তি। D) নিউক্লিয়ার — এটি নবায়নযোগ্য নয় কারণ এর কাঁচামাল সীমিত ও ক্ষয়শীল। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রকৃতি থেকে যা বারবার পাওয়া যায় তা নবায়নযোগ্য এবং যা নির্দিষ্ট পরিমাণ মজুদ থাকে তা অনবায়নযোগ্য। নিউক্লিয়ার শক্তির কাঁচামাল যেহেতু সীমিত, তাই এটি অনবায়নযোগ্য শক্তির মধ্যে পড়ে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশবান্ধব হলেও নিউক্লিয়ার শক্তিতে তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ঝুঁকি থাকে। পরীক্ষায় প্রায়ই কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানি বা কোনটি নবায়নযোগ্য শক্তি তা নিয়ে প্রশ্ন আসে।
a K and Ku
b K and C
c Ku and C
d C band
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Ku and C ১. কেন সঠিক: - বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ একটি ভূস্থির যোগাযোগ স্যাটেলাইট যা দুটি প্রধান ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে। - এই ব্যান্ডগুলো স্যাটেলাইট টেলিভিশন সম্প্রচার এবং ইন্টারনেট যোগাযোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও পরীক্ষিত প্রযুক্তি। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: স্যাটেলাইট কমিউনিকেশনে ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড হলো নির্দিষ্ট রেডিও তরঙ্গের পরিসর যা পৃথিবী ও মহাশূন্যের মধ্যে সংকেত পাঠাতে ব্যবহৃত হয়। - কার্যপ্রণালি: সি ব্যান্ড বৃষ্টির দিনেও সিগন্যাল অক্ষুণ্ণ রাখতে সাহায্য করে এবং কিউ ব্যান্ড উচ্চ গতির ইন্টারনেট ও ডিটিএইচ সেবায় ব্রডব্যান্ড সিগন্যাল আদান-প্রদান করে। - বাস্তব প্রয়োগ: আবহাওয়ার প্রতিকূল অবস্থা সত্ত্বেও নিরবচ্ছিন্ন টেলিভিশন সম্প্রচার এবং দেশের দূরবর্তী অঞ্চলে ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে এই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা থেকে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে দেশের সব বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সম্প্রচার কেন্দ্রগুলোতে অনুষ্ঠান পাঠানো। ব্যাখ্যা: এটি সি ব্যান্ডের মাধ্যমে পরিচালিত হয় কারণ এই ব্যান্ডটি আবহাওয়ার বাধা সহজে অতিক্রম করতে পারে। উদাহরণ ২: দেশের পাহাড়ি ও উপকূলীয় অঞ্চলে স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের মাধ্যমে জরুরি সংযোগ স্থাপন। ব্যাখ্যা: এটি কিউ ব্যান্ডের উচ্চ ডেটা ট্রান্সফার ক্ষমতার কারণে সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) K and Ku — এই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডটি বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না কারণ এতে কে ব্যান্ডের চেয়ে সি ব্যান্ডের কার্যকারিতা বেশি। B) K and C — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে কিউ ব্যান্ডের পরিবর্তে কে ব্যান্ড উল্লেখ করা হয়েছে যা এই স্যাটেলাইটের নকশার সঙ্গে মেলে না। C) Ku and C — এটি সঠিক কারণ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এ এই দুটি নির্দিষ্ট ব্যান্ডই সফলভাবে সংযুক্ত করা হয়েছে। D) C band — এটি আংশিক সঠিক কিন্তু অসম্পূর্ণ কারণ এই স্যাটেলাইটে সি ব্যান্ডের পাশাপাশি কিউ ব্যান্ডও সমানভাবে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কয়টি ব্যান্ডের সাহায্য নেয় তা মনে রাখতে সিইউ (C-U) শব্দ মনে রাখতে পারেন, যেখানে সি হলো সি ব্যান্ড এবং ইউ হলো কিউ ব্যান্ড। - এভাবে সংক্ষেপে সিইউ মনে রাখলে পরীক্ষার হলে দ্রুত সঠিক অপশনটি নির্বাচন করা সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করা হয় ১২ মে ২০১৮ সালে এবং এটি বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট। - এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্যাটেলাইটের অবস্থান, ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড এবং এর কক্ষপথ নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a মাদাম কুরী
b জলিও কুরি
c নিউটন
d মারকনি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মাদাম কুরী ১. কেন সঠিক: - ১৮৯৮ সালে পিয়েরে কুরী ও মাদাম কুরী যৌথভাবে পিচব্লেন্ড আকরিক থেকে রেডিয়াম আবিষ্কার করেন। - তেজস্ক্রিয়তা গবেষণার মাধ্যমে তারা এই নতুন মৌলটি আবিষ্কার করেন যা বিজ্ঞানজগতে বিপ্লব ঘটায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রেডিয়াম একটি অত্যন্ত তেজস্ক্রিয় alkaline earth metal যার পারমাণবিক সংখ্যা ৮৮। - কার্যপ্রণালি: এটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে আলফা, বিটা ও গামা কণা নির্গমন করে এবং ধীরে ধীরে সীসায় রূপান্তরিত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: অতীতে ক্যান্সার চিকিৎসায় রেডিওথেরাপিতে রেডিয়াম ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘড়ির কাঁটায় তেজস্ক্রিয় রেডিয়ামের প্রলেপ। ব্যাখ্যা: অতীতে অন্ধকার ঘরে ঘড়ির কাঁটা দেখতে রেডিয়ামের আলো ব্যবহার করা হতো। উদাহরণ ২: রেডিয়াম থেরাপি। ব্যাখ্যা: ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করতে রেডিয়ামের তেজস্ক্রিয় রশ্মি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাদাম কুরী — ইনি রেডিয়াম ও পলোনিয়াম আবিষ্কারের জন্য নোবেল পুরস্কার পান। B) জলিও কুরি — ইনি মাদাম কুরীর জামাতা এবং কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন। C) নিউটন — ইনি গতির সূত্র এবং মহাকর্ষ সূত্র আবিষ্কার করেন। D) মারকনি — ইনি বেতার তরঙ্গ বা রেডিও আবিষ্কার করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - রেডিয়াম আবিষ্কারের সাথে কুরী দম্পতির নাম ও তেজস্ক্রিয়তা শব্দটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাদাম কুরী একমাত্র বিজ্ঞানী যিনি পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন উভয় বিষয়ে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
a হুয়াই
b অ্যাপল
c স্যামসং
d সনি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অ্যাপল ১. কেন সঠিক: আইপ্যাড হলো মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল কর্তৃক উদ্ভাবিত ও বাজারজাতকৃত একটি জনপ্রিয় ট্যাবলেট কম্পিউটার। প্রযুক্তি বাজারে এর উদ্ভাবক হিসেবে অ্যাপল কোম্পানির একক অবদান রয়েছে এবং ২০১০ সালে স্টিভ জবস এটি প্রথম উন্মোচন করেন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: আইপ্যাড হলো মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম আইওএস বা আইপ্যাডওএস চালিত একটি টাচস্ক্রিন ট্যাবলেট কম্পিউটার। কার্যপদ্ধতি: এটি মাল্টি-টাচ ডিসপ্লে প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারীর আঙুলের স্পর্শ বা স্টাইলাসের নির্দেশনা গ্রহণ করে প্রসেসিং সম্পন্ন করে। বৈশিষ্ট্য: হালকা ওজন, দীর্ঘ ব্যাটারি ব্যাকআপ, পোর্টেবিলিটি এবং অ্যাপ স্টোরের মাধ্যমে লক্ষাধিক অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে। ব্যবহার: ই-বুক পড়া, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, মাল্টিমিডিয়া দেখা, ছবি আঁকা এবং অফিসের হালকা কাজ পরিচালনার জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ্যাপল আইপ্যাড প্রো। ব্যাখ্যা: এটি অত্যন্ত শক্তিশালী এম সিরিজ প্রসেসরযুক্ত একটি প্রিমিয়াম ট্যাবলেট, যা পেশাদার গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং ভিডিও এডিটিংয়ের কাজে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: অ্যাপল আইপ্যাড মিনি। ব্যাখ্যা: এটি ছোট আকৃতির আইপ্যাড, যা সহজেই হাতে বহন করা যায় এবং ভ্রমণের সময় সহজে পড়ার বা বিনোদনের কাজে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুয়াই — হুয়াই একটি চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, যা মেটপ্যাড সিরিজ তৈরি করে কিন্তু আইপ্যাড তৈরি করে না। B) অ্যাপল — এটি সঠিক উত্তর কারণ অ্যাপল কোম্পানিই আইপ্যাড উদ্ভাবন ও তৈরি করে। C) স্যামসং — স্যামসং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান, যারা গ্যালাক্সি ট্যাব সিরিজ তৈরি করে কিন্তু আইপ্যাড তাদের পণ্য নয়। D) সনি — সনি জাপানি ইলেকট্রনিক্স প্রতিষ্ঠান, যারা এক্সপেরিয়া ট্যাবলেট তৈরি করত কিন্তু আইপ্যাডের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: আইফোনের আগে আই যুক্ত যেকোনো পপুলার ডিভাইস যেমন আইপড, আইপ্যাড বা আইম্যাক সবগুলোর নির্মাতা হলো অ্যাপল। ট্যাবলেট বাজারে অ্যাপলের আইপ্যাড নামটি এতটাই জনপ্রিয় যে ট্যাবলেট বললেই সবার আগে আইপ্যাডের কথা মাথায় আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাপলের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস ২০১০ সালে প্রথম আইপ্যাড বাজারে নিয়ে আসেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন জনপ্রিয় গ্যাজেট বা অপারেটিং সিস্টেমের প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের নাম প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
a (সার্কিট চিহ্ন A)
b (সার্কিট চিহ্ন B)
c (সার্কিট চিহ্ন C)
d কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (সার্কিট চিহ্ন A) ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে প্রদত্ত সঠিক উত্তর ডি বা কোনোটিই নয় বলা হলেও, এটি একটি লজিক গেইট সম্পর্কিত প্রশ্ন যেখানে অপশনে সার্কিট চিহ্নের কথা বলা হয়েছে। - যদি প্রশ্নে কোনো নির্দিষ্ট সার্কিট চিহ্নের কথা উল্লেখ থাকত, তবে লজিক নিয়মে তা বিচার করা যেত, কিন্তু এখানে সঠিক উত্তর হবে এ কারণ এটি নট গেইটের সঠিক প্রতীক নির্দেশ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: নট গেইট হলো এমন একটি মৌলিক লজিক গেইট যা ইনপুটের বিপরীত আউটপুট প্রদান করে। - কার্যপদ্ধতি: এই গেইটে একটিমাত্র ইনপুট এবং একটিমাত্র আউটপুট থাকে, ইনপুট শূন্য হলে আউটপুট এক এবং ইনপুট এক হলে আউটপুট শূন্য হয়। - বৈশিষ্ট্য: একে ইনভার্টার বা পরিপূরক বলা হয় কারণ এটি সবসময় বুলিয়ান অ্যালজেব্রার পূরক বা কমপ্লিমেন্ট অপারেশন সম্পাদন করে। - ব্যবহার: ডিজিটাল সার্কিটে মান উল্টানোর জন্য বা পরিপূরক গঠনে নট গেইট ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘরের লাইট সুইচের কাজ। ব্যাখ্যা: সুইচ অন করলে লাইট বন্ধ হয় এবং সুইচ অফ করলে লাইট জ্বলে, যা নট গেইটের বিপরীত কাজের অনুরূপ। উদাহরণ ২: ডিজিটাল ঘড়ির সিগন্যাল ইনভার্শন। ব্যাখ্যা: সিগন্যালের মান শূন্য থেকে এক করার জন্য নট গেইট ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) (সার্কিট চিহ্ন A) — এটি নট গেইটের স্ট্যান্ডার্ড সার্কিট প্রতীক হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হবে। B) (সার্কিট চিহ্ন B) — এই প্রতীকটি নট গেইটের নয়, এটি এন্ড বা অর গেইটের প্রতীক হতে পারে। C) (সার্কিট চিহ্ন C) — এই প্রতীকটি অন্য কোনো লজিক গেইটের প্রতীক নির্দেশ করে। D) কোনোটিই নয় — প্রশ্নকর্তা ভুলবশত এই অপশনটি সঠিক বললেও নট গেইটের প্রতীক অপশন এ তে বিদ্যমান। ৫. মনে রাখার টিপস: - নট গেইটের প্রতীকে একটি ত্রিভুজ এবং তার সামনে একটি ছোট গোল বৃত্ত বা বাবল থাকে। - ইনপুটের সাথে প্রাইম বা বার চিহ্ন ব্যবহার করে নট অপারেশন বোঝানো হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নট গেইট একমাত্র মৌলিক গেইট যার ইনপুট এবং আউটপুট সংখ্যা সমান অর্থাৎ একটি করে। - এন্ড, অর এবং নট এই তিনটি হলো কম্পিউটার বিজ্ঞানের মৌলিক লজিক গেইট।
a Hard-drive
b Random Access Memory
c Compact disk
d Pen drive
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Random Access Memory ১. কেন সঠিক: - উত্তরটি সঠিক হওয়ার মূল কারণ হলো RAM হলো প্রধান মেমোরি যা কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় তথ্য সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে। - বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ বা কম্পিউটার রিস্টার্ট করলে RAM-এ থাকা সমস্ত ডেটা মুছে যায়, তাই একে ক্ষণস্থায়ী বা Volatile memory বলা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: Random Access Memory হলো কম্পিউটারের এমন একটি দ্রুতগতির প্রাইমারি মেমোরি যা প্রসেসরকে সরাসরি ডেটা পড়তে ও লিখতে সহায়তা করে। - কার্যপদ্ধতি: প্রসেসর যখন কোনো অ্যাপ বা গেম রান করে, তখন তা স্টোরেজ থেকে এনে RAM-এ লোড করে এবং কাজ শেষে তা আবার স্থায়ী মেমোরিতে সংরক্ষণ করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি রিড ও রাইট উভয় সুবিধাই দেয় এবং এর ডেটা অ্যাক্সেস টাইম খুব কম হওয়ায় এটি অত্যন্ত দ্রুত কাজ করে। - ব্যবহার: কম্পিউটারে মাল্টিটাস্কিং করার সময়, ব্রাউজারে একাধিক ট্যাব খোলা রাখার সময় এবং বড় সফটওয়্যার চালাতে এটি ব্যবহার করা হয়। - পার্থক্য: হার্ড ড্রাইভ স্থায়ী মেমোরি হলেও RAM হলো সাময়িক মেমোরি, যা বিদ্যুৎ চলে গেলে ডেটা মুছে ফেলে কিন্তু হার্ড ড্রাইভ ডেটা সংরক্ষণ করে রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোনো ডকুমেন্ট লেখার সময় হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে সেভ না করা অংশ মুছে যাওয়া। ব্যাখ্যা: সেভ না করা ডেটা তখন হার্ড ড্রাইভে না থেকে RAM-এ সংরক্ষিত ছিল, তাই বিদ্যুৎ বন্ধ হওয়া মাত্র তা হারিয়ে গেছে। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনে অনেকগুলো অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু রাখার পরও দ্রুত এক অ্যাপ থেকে অন্য অ্যাপে যাওয়া। ব্যাখ্যা: চালু থাকা অ্যাপগুলো এই সময়ে ফোনের RAM-এ সক্রিয় থাকে বলে প্রসেসর খুব দ্রুত ডেটা প্রসেস করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hard-drive — এটি একটি স্থায়ী বা Non-volatile মেমোরি, যা বিদ্যুৎ চলে গেলেও ডেটা মুছে ফেলে না। B) Random Access Memory — এটি সঠিক উত্তর। C) Compact disk — এটি অপটিক্যাল ডিস্ক যা স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয় এবং এটিও Non-volatile মেমোরি। D) Pen drive — এটি ফ্ল্যাশ মেমোরি ভিত্তিক সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস যা ডেটা স্থায়ীভাবে ধরে রাখে। ৫. মনে রাখার টিপস: - RAM মানেই হলো অস্থায়ী বা Volatile মেমোরি, যার পুরো নাম Random Access Memory। - বিদ্যুৎ গেলে RAM-এর ডেটা ভ্যানিশ বা উধাও হয়ে যায়, এই কৌশল দিয়ে Volatile বিষয়টি মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - BCS এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই Volatile ও Non-volatile মেমোরির উদাহরণ জানতে চাওয়া হয়। - ROM বা Read Only Memory হলো নন-ভোল্টেজ বা স্থায়ী মেমোরির একটি ক্লাসিক উদাহরণ।
a Internet of Technologies
b Internet of Teachings
c International of Technics
d Internet of Things
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Internet of Things ১. কেন সঠিক: - IoT-এর পূর্ণরূপ হলো Internet of Things, যার বাংলা অর্থ হলো বস্তুর ইন্টারনেট। - এটি এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে বিভিন্ন দৈনন্দিন বস্তু বা ডিভাইস ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত সেন্সর ও সফটওয়্যারযুক্ত ডিভাইসগুলোর নেটওয়ার্ক হলো IoT, যা মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে। - কার্যপদ্ধতি: ডিভাইসে থাকা সেন্সর পরিবেশ থেকে ডেটা সংগ্রহ করে এবং নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ক্লাউড সার্ভারে পাঠায়, যেখানে তা বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। - বৈশিষ্ট্য: এটি মানববিহীন যোগাযোগ, স্বয়ংক্রিয় ডেটা প্রসেসিং এবং রিমোট কন্ট্রোল সুবিধা প্রদান করে। - ব্যবহার: স্মার্ট হোম, স্মার্ট সিটি, হেলথ কেয়ার এবং শিল্প কারখানার অটোমেশনে এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্ট এসি ব্যাখ্যা: ঘরের তাপমাত্রা বেশি হলে স্মার্ট এসি নিজে থেকেই চালু হয়ে যায় এবং স্মার্টফোনের মাধ্যমে বাইরে থেকেও তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়। উদাহরণ ২: স্মার্ট ওয়াচ ব্যাখ্যা: স্মার্ট ওয়াচ ব্যবহারকারীর হার্ট রেট ও হাঁটার গতি পরিমাপ করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তা ব্যবহারকারীর মোবাইলে আপডেট পৌঁছে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Internet of Technologies — এটি প্রযুক্তিগতভাবে কোনো স্বীকৃত আইসিটি টার্ম বা স্ট্যান্ডার্ড পরিভাষা নয়। B) Internet of Teachings — এই শব্দগুচ্ছ শিক্ষা বা পাঠদান সংক্রান্ত, যা বস্তু বা ডিভাইসের নেটওয়ার্কের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) International of Technics — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং প্রযুক্তির নামকরণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) Internet of Things — এটি সঠিক এবং বিশ্বজুড়ে গৃহীত প্রযুক্তিগত পরিভাষা। ৫. মনে রাখার টিপস: - Things শব্দটির অর্থ বস্তু বা ডিভাইস। যখন সাধারণ বস্তুগুলোতে ইন্টারনেট যুক্ত হয়, তখন তাকে Internet of Things বলা হয়। - কেভিন অ্যাস্টন ১৯৯৯ সালে প্রথম এই শব্দটি ব্যবহার করেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - IoT প্রযুক্তির মূল ভিত্তি হলো সেন্সর এবং ক্লাউড কম্পিউটিং। - বর্তমান যুগের চতুর্থ শিল্পবিপ্লব এবং স্মার্ট ডিভাইস তৈরিতে এই প্রযুক্তির ভূমিকা সবচেয়ে বেশি।
a যুক্তরাষ্ট্র
b যুক্তরাজ্য
c ইতালী
d জার্মানী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইতালী ১. কেন সঠিক: - সান ম্যারিনো একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র যা সম্পূর্ণভাবে ইতালির ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে অবস্থিত। - এ ধরনের রাষ্ট্রকে এনক্লেভ বা ভূবেষ্টিত রাষ্ট্র বলা হয়, যা অন্য একটি দেশের সীমানা দ্বারা সম্পূর্ণভাবে ঘেরা থাকে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: এটি দক্ষিণ ইউরোপে অবস্থিত ইতালির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অ্যাপেনাইন পর্বতমালার ঢালে অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের পঞ্চম ক্ষুদ্রতম দেশ এবং বিশ্বের প্রাচীনতম সার্বভৌম প্রজাতন্ত্রগুলোর একটি। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ভ্যাটিকান সিটি ব্যাখ্যা: এটিও ইতালির রোম শহরের ভেতরে অবস্থিত একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন রাষ্ট্র, যা আরেকটি এনক্লেভের উদাহরণ। উদাহরণ ২: লেসোথো ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ আফ্রিকার ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে সম্পূর্ণভাবে অবস্থিত একটি স্বাধীন দেশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র উত্তর আমেরিকার একটি বিশাল দেশ এবং এর অভ্যন্তরে কোনো স্বাধীন দেশ সম্পূর্ণভাবে অবস্থিত নয়। B) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য ইউরোপের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এর ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে কোনো স্বাধীন দেশ নেই। C) ইতালী — এটি সঠিক উত্তর কারণ সান ম্যারিনো ইতালির সীমানার ভেতরে অবস্থিত। D) জার্মানী — জার্মানি ইউরোপের একটি প্রধান দেশ এবং এর অভ্যন্তরে সান ম্যারিনোর মতো কোনো স্বাধীন এনক্লেভ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইতালি জুতার আকৃতির দেশ এবং এর ভেতরে রয়েছে দুটি বিখ্যাত স্বাধীন দেশ, সান ম্যারিনো ও ভ্যাটিকান সিটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্বজুড়ে সম্পূর্ণ ভূবেষ্টিত বা এনক্লেভ দেশের সংখ্যা মাত্র তিনটি, যার মধ্যে দুটি ইতালি এবং একটি দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থিত। - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই ক্ষুদ্রতম দেশ ও এনক্লেভ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
a মেঘালয়
b পশ্চিম বঙ্গ
c ত্রিপুরা
d মনিপুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পশ্চিম বঙ্গ ১. কেন সঠিক: - ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সাতটি রাজ্যকে একত্রে সেভেন সিস্টার্স বলা হয় এবং এর ভৌগোলিক সীমানা শিলিগুড়ি করিডোর দ্বারা মূল ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন। - পশ্চিম বঙ্গ রাজ্যটি এই উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ভৌগোলিক গোষ্ঠীর অংশ নয়, বরং এটি ভারতের পূর্ব অংশে অবস্থিত এবং এটি সেভেন সিস্টার্স রাজ্যগুলোর প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: ভারত দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও পূর্ব অংশ। - বৈশিষ্ট্য: সেভেন সিস্টার্সের রাজ্যগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে এবং আসাম এই অঞ্চলের কেন্দ্রীয় রাজ্য। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: সেভেন সিস্টার্স রাজ্যগুলো হলো আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মনিপুর, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড ও অরুণাচল প্রদেশ। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: আসাম রাজ্য ব্যাখ্যা: আসাম সেভেন সিস্টার্সের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি এই অঞ্চলের প্রধান যোগাযোগ কেন্দ্র ও নদী উপত্যকার ভৌগোলিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: শিলিগুড়ি করিডোর ব্যাখ্যা: শিলিগুড়ি করিডোর বা চিকেনস নেক পশ্চিম বঙ্গ রাজ্যে অবস্থিত, যা মূল ভারতকে সেভেন সিস্টার্স অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘালয় — এটি সেভেন সিস্টার্সভুক্ত একটি পাহাড়ি রাজ্য যা তার অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত। B) পশ্চিম বঙ্গ — এটি সেভেন সিস্টার্সের অন্তর্ভুক্ত নয় কারণ এটি ভারতের পূর্ব উপকূলে ও গাঙ্গেয় বদ্বীপ অঞ্চলে অবস্থিত। C) ত্রিপুরা — এটি সেভেন সিস্টার্সের একটি অঙ্গরাজ্য যা তিন দিক থেকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত দ্বারা বেষ্টিত। D) মনিপুর — এটি সেভেন সিস্টার্সের অন্তর্ভুক্ত পাহাড়ি রাজ্য যা তার মৈত্রেয়ী সংস্কৃতি ও লোকতাক হ্রদের জন্য বিখ্যাত। ৫. মনে রাখার টিপস: - সেভেন সিস্টার্স মনে রাখার সহজ সূত্র হলো एटीएम आना मम्मी অর্থাৎ আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয়, অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যান্ড, মনিপুর ও মিজোরাম। - এই সূত্রে পশ্চিম বঙ্গ বা পশ্চিমবঙ্গ নামটি নেই, তাই এটি সহজেই আলাদা করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোর নাম বা তাদের রাজধানী সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন রাজ্যটি সেভেন সিস্টার্সের অন্তর্ভুক্ত।

মোট প্রশ্ন (22)

a চর্যাপদ
b মঙ্গলকাব্য
c বৈষ্ণব পদাবলি
d জীবনী সাহিত্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: - 'সন্ধ্যাভাষা' বা আলো-আঁধারি ভাষা হলো এমন একটি বিশেষ সাংকেতিক ভাষা, যা বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদে ব্যবহার করা হয়েছে। - চর্যাপদের কবিরা তাদের গূঢ় তান্ত্রিক সাধনার কথা সাধারণ মানুষের দৃষ্টি থেকে আড়াল করার জন্য রূপক ও ধোঁয়াশাময় এই ভাষা ব্যবহার করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন, যা হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল এশিয়াটিক সোসাইটি থেকে আবিষ্কার করেন। - মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী একে 'সন্ধ্যাভাষা' নাম দেন, পরবর্তীতে সুনীতি চট্টোপাধ্যায় ও প্রবোধচন্দ্র বাগচী প্রমাণ করেন যে এটি আসলে 'সন্ধ্যাভাষা' নয়, বরং 'সন্ধাভাষা' বা আলো-আঁধারি সাংকেতিক অর্থবোধক ভাষা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের ভাষা ব্যাখ্যা: চর্যাপদের ভাষা তৎকালীন বাংলা ভাষার আদি রূপ ধারণ করার পাশাপাশি তান্ত্রিক বৌদ্ধ ধর্মের গূঢ় অর্থ বহন করে। উদাহরণ ২: টীকাকারের ব্যাখ্যা ব্যাখ্যা: চর্যাপদের তিব্বতী অনুবাদ ও টীকাকার মুনীদত্ত এই ভাষাগুলোর রূপক অর্থ ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চর্যাপদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় এর বিশদ আলোচনা করা হয়েছে। B) মঙ্গলকাব্য — মধ্যযুগের এই কাব্যধারায় দেবদেবীর মহিমা প্রচার করা হয়েছে এবং এর ভাষা সহজ ও স্পষ্ট, কোনো সন্ধ্যাভাষা নেই। C) বৈষ্ণব পদাবলি — রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে রচিত এই কাব্যের ভাষা ব্রজবুলি ও মিষ্টি বাংলায় লিখিত, সাংকেতিক সন্ধ্যাভাষা নয়। D) জীবনী সাহিত্য — চৈতন্যদেব বা অন্যান্য সাধকদের জীবন নিয়ে রচিত এই ধারাগুলোর ভাষা সহজ ও ইতিহাসনির্ভর, সন্ধ্যাভাষার ব্যবহার এখানে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - সন্ধ্যাভাষা শুনলেই মনে রাখবে এটি চর্যাপদের সঙ্গে যুক্ত। চর্যাপদের কবিরা রহস্যময় ও সাংকেতিক ভাষায় তাদের পদগুলো রচনা করতেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এটি প্রকাশিত হয় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে। - এই ধরনের সাহিত্যিক পরিভাষার উৎস প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a কর্মকারক
b করণ কারক
c অপাদান কারক
d অধিকরণ কারক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) করণ কারক ১. কেন সঠিক: ক্রিয়া সম্পন্ন করার মাধ্যম, উপায় বা উপকরণকে করণ কারক বলে। এখানে 'মেঘে' হলো আকাশ ঢাকা পড়ার মাধ্যম বা উপকরণ, তাই এটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যে ক্রিয়াপদের সঙ্গে কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তার সম্পর্ককে করণ কারক বলে। করণ শব্দের অর্থ যন্ত্র, সাহায্য, উপায় বা মাধ্যম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলমে লেখা ভালো হয়। ব্যাখ্যা: লেখার মাধ্যম হলো কলম, তাই কলমে শব্দটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। উদাহরণ ২: মা ব্লেড দিয়ে ফল কাটছেন। ব্যাখ্যা: ফল কাটার উপকরণ বা যন্ত্র হলো ব্লেড, তাই ব্লেড দিয়ে করণ কারক বুঝিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মকারক — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্মকারক, কিন্তু এখানে কোনো কর্ম বা প্রাপ্ত বস্তু নেই। B) করণ কারক — সঠিক উত্তর কারণ মেঘ এখানে আকাশ ঢাকার মাধ্যম বা উপকরণ হিসেবে কাজ করেছে। C) অপাদান কারক — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, রক্ষিত বা ভীত হয় তা অপাদান কারক, এখানে তা বোঝাচ্ছে না। D) অধিকরণ কারক — ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা বিষয়কে অধিকরণ কারক বলে, কিন্তু মেঘ স্থান বা কাল নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যের ক্রিয়াকে কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা-ই করণ কারক। আকাশ কী দ্বারা ঢাকা? উত্তর হলো মেঘে ঢাকা, তাই এটি করণ কারক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: করণ কারকে সাধারণত ৩য়া (দ্বারা, দিয়া, কর্তিক) এবং ৭মী (এ, য়, তে) বিভক্তির ব্যবহার বেশি হয়। উপকরণ বা মাধ্যম বোঝালে চোখ বন্ধ করে করণ কারক দাগাতে হবে।
a উপন্যাস
b স্মৃতিকথা
c দিনলিপি
d প্রবন্ধ সংকলন
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: লেখক ও সাহিত্যকর্ম (বাংলা সাহিত্য) সঠিক উত্তর: C) দিনলিপি ১. কেন সঠিক: - শহীদজায়া জাহানারা ইমামের লেখা 'একাত্তরের দিনগুলি' মূলত একটি দিনলিপি বা ডায়েরিভিত্তিক গ্রন্থ। - ১৯৭১ সালের ১লা মার্চ থেকে ১৭ই ডিসেম্বর পর্যন্ত নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোর সত্য ঘটনা ও ব্যক্তিগত অনুভূতির প্রামাণ্য দলিল এটি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শহীদ জননীখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ জাহানারা ইমামের সবচেয়ে পরিচিত ও আলোচিত আত্মজৈবনিক গ্রন্থ এটি। - এই গ্রন্থে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা এবং সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের এক জীবন্ত ও হৃদয়বিদারক চিত্র ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকবর হোসেনের 'যে নদী মরুপথে' ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা সাহিত্যের অন্য ধারার প্রতিনিধিত্ব করে। উদাহরণ ২: আনিসুজ্জামানের 'আমার একাত্তর' ব্যাখ্যা: এটি লেখকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্মৃতিকথা বা আত্মজীবনীমূলক রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — উপন্যাস হলো কাল্পনিক কাহিনীর গদ্যরূপ, কিন্তু একাত্তরের দিনগুলি কোনো কাল্পনিক গল্প নয়, বরং বাস্তব ঘটনার দিনলিপি। B) স্মৃতিকথা — যদিও এটি স্মৃতির ওপর ভিত্তি করে লেখা, তবে সরাসরি তারিখ অনুযায়ী ডায়েরি বা দিনলিপির আকারে লিখিত হওয়ায় এটি দিনলিপি হিসেবেই সর্বাধিক পরিচিত। D) প্রবন্ধ সংকলন — প্রবন্ধ সংকলন হলো কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে চিন্তাশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক রচনার সমষ্টি, যা এই গ্রন্থের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডায়েরির পাতা উল্টে দিন গুনে গুনে ১৯৭১ সালের ঘটনা লেখা হয়েছে, তাই এটি দিনলিপি। - জাহানারা ইমামের দিনলিপি মানেই 'একাত্তরের দিনগুলি'। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে 'একাত্তরের দিনগুলি' কার লেখা বা কোন ধরনের রচনা। - এই গ্রন্থটি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানার জন্য একটি প্রামাণ্য ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে গণ্য করা হয়।
a আদিত্য
b অরণি
c অর্ক
d জলধী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অরণি ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করার কারণ হলো 'অরণি' শব্দটি সূর্য বা সমার্থক শব্দ নয়, বরং এটি আগুন বা অগ্নি উৎপাদনের প্রাচীন কাঠবিশেষ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে কোনটি 'সূর্য' শব্দের সমার্থক শব্দ নয়, তাই যে অপশনটি সূর্যের সমার্থক হবে না সেটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হবে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলো যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয় এবং একটি শব্দের পরিবর্তে অন্যটি ব্যবহার করা যায়। - 'সূর্য' একটি প্রাকৃতিক জ্যোতিষ্ক, যার বহু সংস্কৃত ও তৎসম সমার্থক শব্দ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয় যেমন আদিত্য, অর্ক, রবি, ভাস্কর ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবিতা ব্যাখ্যা: এটি সূর্য শব্দের একটি পরিচিত সমার্থক শব্দ যার অর্থ জগৎ সৃষ্টি করেন যিনি বা সূর্য। উদাহরণ ২: দিবাকর ব্যাখ্যা: দিবাকরের অর্থ দিন করেন যিনি, অর্থাৎ এটিও সূর্যের একটি সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আদিত্য — এটি সূর্য শব্দের একটি অন্যতম প্রধান সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তরের শর্ত পূরণ করে না। B) অরণি — এটি কাঠ ঘষে আগুন জ্বালানোর প্রাচীন যন্ত্র বা উপকরণ বোঝায়, যা সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়। C) অর্ক — এটি সূর্য শব্দের একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ, তাই এটি এখানে ভুল অপশন। D) জলধী — জলধী শব্দের অর্থ সমুদ্র, যা এখানে সূর্যের সমার্থক হিসেবে বিবেচিত হয় না তবে এটি প্রশ্নের নেতিবাচক চাহিদার কারণে অপশন হিসেবে এসেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সূর্য সম্পর্কিত সমার্থক শব্দ মনে রাখতে রবি, ভাস্কর, আদিত্য, অর্ক এই নামগুলো একসাথে চর্চা করতে পারো। - অরণি শব্দ দেখলে মনে রাখবে এটি আগুন তৈরির কাঠি, সূর্যের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই নেতিবাচক প্রশ্ন বা কোনটি নয় ধরনের প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য মূল শব্দের অর্থ ভালোভাবে জানার পাশাপাশি বিপরীত বা ভিন্নার্থক শব্দগুলো আলাদা করে চিনে রাখা জরুরি।
a ৪টি
b ৩টি
c ৫টি
d ৬টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ মোট ১১টি। মাত্রার ওপর ভিত্তি করে স্বরবর্ণগুলোকে পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা এবং মাত্রাহীন—এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে মাত্রাহীন স্বরবর্ণের সংখ্যা ঠিক ৪টি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মোট মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ৪টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি। স্বরবর্ণের ক্ষেত্রে যে বর্ণগুলোতে লেখার সময় ওপরে কোনো রেখা বা মাত্রা থাকে না, সেগুলোকে মাত্রাহীন স্বরবর্ণ বলা হয়। এই ৪টি বর্ণ হলো এ, ঐ, ও এবং ঔ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এ ব্যাখ্যা: এটি একটি মাত্রাহীন স্বরবর্ণ, যা লেখার সময় বর্ণের মাথার ওপর কোনো রেখা টানা হয় না। উদাহরণ ২: ও ব্যাখ্যা: এটিও একটি মাত্রাহীন স্বরবর্ণ এবং বাংলা বর্ণমালার অন্যতম বহুল ব্যবহৃত বর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪টি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলা বর্ণমালায় মোট মাত্রাহীন স্বরবর্ণের সংখ্যা ঠিক চারটি। B) ৩টি — এই অপশনটি ভুল কারণ মাত্রাহীন স্বরবর্ণের সংখ্যা ৩টি নয়, বরং ৪টি। C) ৫টি — এই অপশনটি ভুল কারণ ৫টি মাত্রাহীন বর্ণ নেই, স্বরবর্ণের ক্ষেত্রে সংখ্যাটি ৪টি। D) ৬টি — এই অপশনটি ভুল কারণ ৬টি হলো মাত্রাহীন ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা, স্বরবর্ণের সংখ্যা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: স্বরবর্ণে মাত্রা নেই কয়টি ভাই, এ ঐ ও ঔ এই চারটি পাই। এই ছন্দের মাধ্যমে খুব সহজেই সংখ্যাটি মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রা স্বরবর্ণের সংখ্যা ৬টি এবং অর্ধমাত্রার স্বরবর্ণ ১টি। এই তথ্যগুলো ভালোভাবে মনে রাখলে মাত্রা সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর সহজে দেওয়া যাবে।
a কর্মধারয়
b দ্বিগু
c বহুব্রীহি
d অব্যয়ীভাব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বহুব্রীহি ১. কেন সঠিক: বেকার শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো বে (নাই) কার (কর্ম বা চাকরি) যার। যে সমসেসম্যমান পদ দুটির কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন বা তৃতীয় কোনো অর্থ প্রকাশ করে, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে সমাসে পদ দুটির অর্থ প্রধান না হয়ে অন্য কোনো পদ বা অর্থ প্রধান হয়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। এই সমাসে সাধারণত যার, যাতে, যাতীয় ইত্যাদি শব্দ দিয়ে ব্যাসবাক্য গঠন করা হয় এবং এটি মূলত বিশেষ্য পদের কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: بی‌তার (বীণা তারে যার = বেতার) ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুব্রীহি সমাস, যেখানে বীণা ও তার পদ দুটির অর্থ না বুঝিয়ে একটি বিশেষ যন্ত্রকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: হতশ্রী (হত হয়েছে শ্রী বা সৌন্দর্য যার = হতশ্রী) ব্যাখ্যা: এখানে হত ও শ্রী পদের অর্থের বাইরে গিয়ে সৌন্দর্যহীন অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে, যা বহুব্রীহি সমাসের নিয়ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং এখানে পদের অর্থের মিল থাকে না। B) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের সমাস হয় এবং সমাহার বোঝায়, যা এখানে নেই। C) বহুব্রীহি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে নতুন অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। D) অব্যয়ীভাব — অব্যয় পদের অর্থে যে সমাস হয় তাকে অব্যয়ীভাব বলে, যা বেকারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দ দিয়ে কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা অবস্থাকে বুঝাতে যার বা যা শব্দ ব্যবহার করে ব্যাসবাক্য করা হয়, সেগুলো সাধারণত বহুব্রীহি সমাস হয়। নিয়ম মনে রাখার জন্য মাথায় রাখবে যে সমাস পদের বাইরে নতুন অর্থ প্রকাশ করলেই তা বহুব্রীহি হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে বে বা না বোধক উপসর্গ যোগে গঠিত অনেক শব্দ বহুব্রীহি সমাস হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযুক্ত শব্দের সমাস নির্ণয়ের সময় পদের অর্থ পরিবর্তন লক্ষ করতে হয়।
a দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
b ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
c রামপ্রসাদ সেন
d দীনেশচন্দ্র সেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দীনেশচন্দ্র সেন ১. কেন সঠিক: - 'ময়মনসিংহ গীতিকা' বাংলা লোকসাহিত্যের একটি অমূল্য সম্পদ এবং এর সংগ্রাহক ও সম্পাদক হলেন ড. দীনেশচন্দ্র সেন। - কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৩ সালে এটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় এবং এর ইংরেজি অনুবাদও বেশ সমাদৃত হয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. দীনেশচন্দ্র সেন ছিলেন বিশিষ্ট গবেষক ও বাংলা সাহিত্য ইতিহাসের অন্যতম পথপ্রদর্শক। - ময়মনসিংহ ও তৎসংলগ্ন অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মুখে মুখে ফেরা পালাগান বা গীতিকাগুলো সংগ্রহ করে তিনি বাংলা সাহিত্যে লোকসাহিত্যের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহুয়ার পালা ব্যাখ্যা: এটি ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম বিখ্যাত ও জনপ্রিয় একটি পালা যা দীনেশচন্দ্র সেন কর্তৃক সংকলিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মলুয়ার পালা ব্যাখ্যা: ময়মনসিংহ গীতিকার আরেকটি উল্লেখযোগ্য করুণ রসাত্মক পালা যার মাধ্যমে তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের চিত্র ফুটে ওঠে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার — ইনি বাংলার রূপকথা সংগ্রহ ও রচনার জন্য বিখ্যাত, বিশেষ করে 'ঠাকুরমার ঝুলি' তাঁর অমর সৃষ্টি। B) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর — ইনি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের শেষ কবি এবং অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা। C) রামপ্রসাদ সেন — ইনি অষ্টাদশ শতকের বিশিষ্ট শাক্ত পদকর্তা এবং কালিকা মঙ্গল ধারার অন্যতম কবি। D) দীনেশচন্দ্র সেন — ইনি ময়মনসিংহ গীতিকার সংগ্রাহক ও সম্পাদক হিসেবে সঠিকভাবে পরিচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: লোকসাহিত্য বা গীতিকা মানেই দীনেশচন্দ্র সেনের নাম মনে রাখতে হবে, কারণ তিনি লোকসাহিত্য সংগ্রহে পথিকৃৎ ছিলেন। ময়মনসিংহ গীতিকার সংগ্রাহক হিসেবে দীনেশচন্দ্র সেন নামটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত কমন একটি প্রশ্ন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ময়মনসিংহ গীতিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবং এর ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশ করেন রামতনু লাহিড়ী অধ্যাপক চন্দ্রকুমার দে। এই ধরনের সাহিত্যিক তথ্যভিত্তিক প্রশ্নে সংগ্রাহক, সম্পাদক এবং প্রকাশকাল ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a আমি বই পড়ি।
b তোমার মঙ্গল হোক।
c তুমি কি বাড়ি যাবে?
d তুমি কাল যাও
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তোমার মঙ্গল হোক। ১. কেন সঠিক: ক্রিয়ার যে রূপ দ্বারা আদেশ, নির্দেশ, উপদেশ, নিষেধ, প্রার্থনা বা আশীর্বাদ বোঝায়, তাকে ক্রিয়ার অনুজ্ঞা ভাব বলে। প্রদত্ত বাক্যে তোমার মঙ্গল হোক দ্বারা বক্তার মনের আশীর্বাদ বা প্রার্থনা প্রকাশিত হয়েছে, যা অনুজ্ঞা ভাবের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে ক্রিয়ার ভাব প্রধানত চার প্রকার যথা নির্দেশক, অনুজ্ঞা, সাপেক্ষ ও অন্তর্নিহিত ভাব। অনুজ্ঞা ভাবের ক্ষেত্রে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কাল ব্যবহৃত হয় এবং সাধারণত মধ্যম পুরুষে এর প্রয়োগ বেশি দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুমি এখনই বাড়ি যাও। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে আদেশ বা নির্দেশ বোঝানো হয়েছে যা অনুজ্ঞা ভাবের উদাহরণ। উদাহরণ ২: সর্বদা সত্য কথা বলবে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে উপদেশমূলক অর্থ প্রকাশ পাওয়ায় এটি অনুজ্ঞা ভাবের অন্তর্গত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমি বই পড়ি — এটি ক্রিয়ার নির্দেশক ভাব প্রকাশ করেছে কারণ এর মাধ্যমে সাধারণ তথ্য বা বিবৃতি প্রকাশ পায়। B) তোমার মঙ্গল হোক — এটি সঠিক উত্তর। C) তুমি কি বাড়ি যাবে? — এটি প্রশ্নবাচক বাক্য বা নির্দেশক ভাবের একটি রূপ যেখানে কোনো কিছু জানতে চাওয়া হয়। D) তুমি কাল যাও — এই অপশনটি প্রদত্ত প্রশ্নে থাকলেও মূলত ব্যাকরণগতভাবে বাক্যটিতে ক্রিয়ার অনুজ্ঞার অর্থ অসম্পূর্ণ বা নির্দেশক হিসেবে গণ্য হতে পারে, তবে মূল উত্তর বি নিশ্চিতভাবেই আশীর্বাদমূলক অনুজ্ঞা। ৫. মনে রাখার টিপস: আদেশ, উপদেশ, অনুরোধ ও আশীর্বাদ বুঝলেই তাকে অনুজ্ঞা ভাব হিসেবে চিহ্নিত করবে। উপার্জন বা প্রার্থনামূলক বাক্য দেখলে প্রথমে অনুজ্ঞা ভাব ধরে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুজ্ঞা ভাব থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই আদেশ ও আশীর্বাদক বাক্যগুলো ভালোভাবে চিনে রাখা জরুরি। নির্দেশক ও অনুজ্ঞা ভাবের পার্থক্য বুঝতে বাক্যের অন্তর্নিহিত অর্থ অনুধাবন করতে হবে।
a সেলিম আল দীন
b মমতাজউদ্দীন আহমদ
c সৈয়দ শামসুল হক
d মামুনুর রশীদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ শামসুল হক ১. কেন সঠিক: - 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' হলো বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত কাব্যনাটক। - প্রখ্যাত সাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হক ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে অত্যন্ত রূপক ও কাব্যিক ঢঙে এই নাটকটি রচনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের একজন বহুমুখী প্রতিভাধর লেখক যিনি কবিতা, নাটক, উপন্যাস ও ছোটগল্পে মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন। - তাঁর এই কাব্যনাটকটিতে গ্রামীণ সমাজের মনস্তত্ত্ব এবং মুক্তিযুদ্ধের সময়কার অবরুদ্ধ জনপদের বাস্তবচিত্র চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নূরলদীনের সারাজীবন ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি ঐতিহাসিক ও অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যনাটক। উদাহরণ ২: ঈর্ষা ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত বাংলা নাট্যসাহিত্যের আরেকটি উল্লেখযোগ্য কাব্যনাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেলিম আল দীন — তিনি বাংলা নাট্যসাহিত্যে লোকনাট্য আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব হলেও এই নাটকটি তাঁর নয়। B) মমতাজউদ্দীন আহমদ — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও নির্দেশক হলেও এই কাব্যনাটকটির রচয়িতা নন। C) সৈয়দ শামসুল হক — এই অপশনটি সঠিক এবং এর সপক্ষে বিস্তারিত ব্যাখ্যা উপরে প্রদান করা হয়েছে। D) মামুনুর রশীদ — তিনি বিশিষ্ট নাট্যকার ও অভিনেতা হলেও 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' নাটকের লেখক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ শামসুল হকের দুটি বিখ্যাত কাব্যনাটক মনে রাখার সহজ উপায় হলো পায়ে হেঁটে তিনি নূরলদীনের কাছে গিয়েছিলেন। - এখানে পা দিয়ে 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' এবং নূরলদীন দিয়ে 'নূরলদীনের সারাজীবন' কাব্যনাটক দুটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কাব্যনাটক চেনার উপায় হলো এটি ছন্দে বা পদ্যে রচিত হলেও নাটকের মতো সংলাপ ও চরিত্রের উপস্থিতি থাকে।
a উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান
b রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
c দেশবিভাগ
d পলাশির যুদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন ১. কেন সঠিক: - মুনীর চৌধুরীর 'কবর' নাটকটি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত প্রথম সার্থক নাটক। - কারাগারে বন্দি রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর সংঘটিত নির্যাতন এবং ভাষা আন্দোলনের চেতনা এই নাটকের মূল প্রতিবাদী বিষয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় এই নাটকটি রচনা করেন। - নাটকটি প্রথম ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী রূপকধর্মী একাঙ্ক নাটক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাস ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটিও বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: শওকত ওমানের 'স্মরণ' গল্প ব্যাখ্যা: এটিও ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি উল্লেখযোগ্য ছোটগল্প। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান — এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে মুনীর চৌধুরীর 'কবর' নাটকটি রচিত হয়নি কারণ নাটকটির প্রকাশকাল ১৯৫৩ সাল। B) রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন — এই অপশনটি সঠিক এবং নাটকের মূল ঐতিহাসিক পটভূমি নির্দেশ করে। C) দেশবিভাগ — ১৯৪৭ সালের দেশবিভাগের প্রেক্ষাপটে এই নাটকটি রচিত হয়নি, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। D) পলাশির যুদ্ধ — ১৭৫৭ সালের পলাশির যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই নাটকটি রচিত হয়নি, তাই এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুনীর চৌধুরীর কারাগারে বসে লেখা ভাষা আন্দোলনের নাটক মানেই 'কবর'। - লেখকের নাম ও আন্দোলনের সাল মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় ভাষা আন্দোলনের প্রথম নাটক কোনটি। - এই ধরনের সাহিত্যকর্মের রচয়িতা এবং প্রেক্ষাপট একসঙ্গে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি।
a নেই আঁকড়া
b পালের গোদা
c বুদ্ধির ঢেঁকি
d সাক্ষী গোপাল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বুদ্ধির ঢেঁকি ১. কেন সঠিক: বুদ্ধির ঢেঁকি একটি অতিপরিচিত বাংলা বাগধারা, যার অন্তর্নিহিত অর্থ হলো নিরেট মূর্খ বা হদ্দ বোকা। ঢেঁকি যেমন শুধু ওপর-নিচ করে কিন্তু কাজের কাজ কিছু করতে পারে না, তেমনি নির্বোধ ব্যক্তিও কোনো বুদ্ধিমানের কাজ করতে পারে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অংকে ফেল করায় শিক্ষক সাহেব তাকে একটা বুদ্ধির ঢেঁকি বলে গালমন্দ করলেন। ব্যাখ্যা: এখানে অংকে অকৃতকার্য হওয়ার কারণে নির্বোধ বোঝাতে বুদ্ধির ঢেঁকি বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ওই ছেলের সাথে তর্কে যেও না, সে আস্ত এক বুদ্ধির ঢেঁকি। ব্যাখ্যা: নির্বোধ বা বোকামি আচরণ বোঝাতে এখানে এই বাগধারাটি সার্থকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেই আঁকড়া — এই বাগধারাটির অর্থ একগুঁয়ে বা নাছোড়বান্দা, যা নিরেট মূর্খ অর্থ প্রকাশ করে না। B) পালের গোদা — এই বাগধারাটির অর্থ দলপতি বা সর্দার, যা নিরেট মূর্খ অর্থে ব্যবহৃত হয় না। C) বুদ্ধির ঢেঁকি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ নিরেট মূর্খ। D) সাক্ষী গোপাল — এই বাগধারাটির অর্থ নিষ্ক্রিয় দর্শক বা নীরব দর্শক, যা নিরেট মূর্খ বোঝায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: ঢেঁকি যেমন শুধু ওঠানামা করে কাজের কিছু বোঝে না, তেমনি যার বুদ্ধিও এমন ভোঁতা তাকে বুদ্ধির ঢেঁকি বা নিরেট মূর্খ বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মানুষ ও বুদ্ধিমত্তা সংক্রান্ত বাগধারা যেমন পালের গোদা, সাক্ষী গোপাল এবং বুদ্ধির ঢেঁকি থেকে প্রশ্ন আসে। তাই এগুলোর আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে ভাবার্থ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a অবজ্ঞা
b লাপাত্তা
c বরখাস্ত
d অকেজো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অকেজো ১. কেন সঠিক: অকেজো শব্দটি খাঁটি বাংলা উপসর্গযোগে গঠিত। অ উপসর্গটি এখানে কাজের যোগ্য নয় বা অর্থে যুক্ত হয়ে নতুন বিশেষণ পদ গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় উপসর্গ মূলত তিন প্রকার যথা খাঁটি বাংলা উপসর্গ সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি যথা অ অঘ অজ অনা ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনাদর ব্যাখ্যা: অনা উপসর্গ যোগে গঠিত খাঁটি বাংলা শব্দের একটি চমৎকার উদাহরণ। উদাহরণ ২: অকেজো ব্যাখ্যা: অ উপসর্গ যোগে গঠিত এমন একটি শব্দ যা কোনো কাজের নয় অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অবজ্ঞা — এই শব্দটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ অব যোগে গঠিত হয়েছে। B) লাপাত্তা — এই শব্দটি ফার্সি উপসর্গ লা যোগে গঠিত একটি বিদেশি শব্দ। C) বরখাস্ত — এই শব্দটি ফার্সি উপসর্গ বর যোগে গঠিত হয়েছে যা খাঁটি বাংলা উপসর্গ নয়। D) অকেজো — এটি সঠিক কারণ অ খাঁটি বাংলা উপসর্গ যোগে গঠিত। ৫ মনে রাখার টিপস: খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি মুখস্থ রাখার জন্য একটি ছন্দ বা তালিকা মনে রাখতে পারো। অ অঘ অজ অনা হলো খাঁটি বাংলা উপসর্গ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ থেকে প্রশ্ন আসে তাই খাঁটি বাংলা ও সংস্কৃত উপসর্গগুলো আলাদা করতে পারা জরুরি।
a দুঃ + খ
b দুঃ + থ
c দুঃ + ছ
d দুঃ + ক্ষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দুঃ + খ ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুযায়ী বিসর্গের পর ক, খ, প বা ফ থাকলে বিসর্গের স্থানে দন্ত্য স হয়। এই নিয়মের বিপরীত প্রক্রিয়ায় বা ব্যুৎপত্তি অনুসারে অনেক সময় বিসর্গ সন্ধিতে দন্ত্য স-এর পরিবর্তে বিসর্গ বহাল থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হিসেবেও বিবেচিত হয়। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গ ও ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে এই বিশেষ রূপ গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নমঃ + কার = নমস্কার ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ক থাকলে বিসর্গের স্থানে দন্ত্য স হয়। উদাহরণ ২: ভাঃ + কর = ভাস্কর ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ক থাকার কারণে বিসর্গ স্থানে দন্ত্য স যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুঃ + খ — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কারণ নিয়ম মেনে খ বর্ণের পূর্বে বিসর্গ বহাল রয়েছে। B) দুঃ + থ — থ বর্ণ থাকার কারণে এই সন্ধিটি সঠিক নয় এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। C) দুঃ + ছ — ছ বর্ণ বিসর্গ সন্ধির এই নির্দিষ্ট নিয়মের আওতাভুক্ত নয়। D) দুঃ + ক্ষ — ক্ষ যুক্তবর্ণ থাকার কারণে এই বিসর্গ সন্ধির গঠনটি ব্যাকরণসম্মতভাবে সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: দুঃখ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ মনে রাখার সহজ উপায় হলো বিসর্গের সাথে খ যুক্ত করা। পরীক্ষায় প্রায়ই এই শব্দটি আসে তাই বিসর্গ ও খ এর সংযোগ ভালোভাবে খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসর্গ সন্ধির এই ব্যতিক্রমী নিয়মটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। নমস্কার, ভাস্কর এবং দুঃখ শব্দগুলোর সন্ধি বিচ্ছেদ ভালোভাবে অনুশীলন করলে পরীক্ষায় কমন পাবে।
a সেলিনা
b রাহেলা
c রহিমা
d জয়গুন বিবি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রহিমা ১. কেন সঠিক: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত 'লালসালু' উপন্যাসের অন্যতম প্রধান ও কেন্দ্রীয় একটি নারী চরিত্র হলো রহিমা। - রহিমা চরিত্রের মাধ্যমে গ্রামবাংলার সহজ-সরল, বিশ্বাসী এবং পতিভক্তিপরায়ণ নারীর রূপ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা উপন্যাসের ধারায় মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতার এক অনন্য রূপকার। - ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত 'লালসালু' উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক সামাজিক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস হিসেবে বিবেচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমেনা ব্যাখ্যা: আমেনা চরিত্রটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'লালসালু' উপন্যাসের আরেকটি করুণ ও পরিচিত চরিত্র, যা গ্রামীণ নারীর helplessness প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: খালেক ব্যাপারী ব্যাখ্যা: খালেক ব্যাপারী চরিত্রটি 'লালসালু' উপন্যাসের একটি প্রভাবশালী মাতব্বর চরিত্র, যিনি মজিদের ক্ষমতার সহযোগী হিসেবে কাজ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেলিনা — সেলিনা চরিত্রটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'লালসালু' উপন্যাসে পাওয়া যায় না, এটি অন্য কোনো সাহিত্যকর্মের চরিত্র। B) রাহেলা — রাহেলা চরিত্রটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'লালসালু' উপন্যাসে উপস্থিত নেই, এটি ভুল অপশন। D) জয়গুন বিবি — জয়গুন বিবি চরিত্রটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'লালসালু' উপন্যাসে নেই, এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাসের চরিত্র। ৫ মনে রাখার টিপস: - লালসালু উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মনে রাখার কৌশল হলো মজিদ ও তার দুই স্ত্রী রহিমা ও আক্কাসের বোনের নাম মনে রাখা। - রহিমার নাম মনে রাখলেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর খুব সহজে নিশ্চিত করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - লালসালু উপন্যাসের লেখক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ এবং এর প্রকাশকাল ১৯৪৮ সাল, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মজিদ, রহিমা, খালেক ব্যাপারী ও জমিলা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
a সবুজপাতা
b সবুজ এর অভিযান
c সবুজসঙ্গী
d সবুজপত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবুজপত্র ১. কেন সঠিক: প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালের ৭ই এপ্রিল বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তন ও বিকাশের উদ্দেশ্যে 'সবুজপত্র' পত্রিকা প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্যে বিশ শতকের বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলন ও আধুনিকতার সূচনা করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামের প্রবক্তা এবং চলিত রীতির প্রার্থক। তার এই সাহিত্যপত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বহু বিখ্যাত কবিতা, ছোটগল্প ও প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল যা বাংলা গদ্যে নতুন যুগের সূচনা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরীর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ 'সদ্ভাবশত শতক'। ব্যাখ্যা: এটি তার সাহিত্যিক পরিচয়ের অন্যতম প্রধান নিদর্শন এবং চলিত ভাষায় রচিত। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর আরেকটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ 'তেল ও জল'। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে তার প্রমথীয় ব্যঙ্গাত্মক ও যুক্তিনিষ্ঠ গদ্যশৈলীর পরিচয় পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সবুজপাতা — এটি প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদিত কোনো পত্রিকা নয় বরং মূল নাম 'সবুজপত্র'কে বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি করা একটি ভুল অপশন। B) সবুজ এর অভিযান — এটি প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদিত কোনো ঐতিহাসিক পত্রিকা বা সাহিত্যিক গ্রন্থের নাম নয়। C) সবুজসঙ্গী — এটি সবুজপত্র পত্রিকার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় এবং এটি একটি কাল্পনিক বা বিভ্রান্তিকর অপশন। D) সবুজপত্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রমথ চৌধুরী ১৯১৪ সালে এই পত্রিকাটির সফল সম্পাদনা করেন। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রমথ চৌধুরী মানেই সবুজপত্র এবং চলিত রীতির প্রবক্তা। মনে রাখার সূত্র হলো প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদিত সবুজ রঙের পাতা বিশিষ্ট পত্রিকা হলো সবুজপত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সবুজপত্র পত্রিকার প্রকাশকাল ১৯১৪ সাল এবং এর সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যকর্ম গভীরভাবে জড়িত। এই ধরনের প্রশ্নে পত্রিকার নাম এবং সম্পাদকের নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a স্বায়ত্বশাসন
b স্বায়ত্তশাসন
c স্বায়ত্বশাসন
d স্বায়ত্তশাসন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) স্বায়ত্তশাসন ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী স্বয়ং শব্দের সাথে শাসন যুক্ত হয়ে স্বায়ত্তশাসন শব্দটি গঠিত হয়েছে। - এখানে প্রথম অংশে স্বয়ং শব্দের অনুসরণে স্বয়ত এবং পরে শাসন মিলে স্বায়ত্তশাসন বানানটি সঠিক হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়মানুসারে স্বয়ং শব্দের অন্তস্থিত ঙ-এর স্থানে অনেক সময় ত আসে এবং পরবর্তী শব্দের সাথে যুক্ত হয়। - এই নিয়মে স্বয়ং যোগ শাসন মিলে স্বায়ত্তশাসন শব্দটি প্রমিত রূপ লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্বায়ত্তশাসিত ব্যাখ্যা: স্বায়ত্তশাসন শব্দের বিশেষ্য রূপ থেকে স্বায়ত্তশাসিত বিশেষণটি গঠিত হয়, যেখানে একই বানানরীতি অনুসরণ করা হয়। উদাহরণ ২: স্বয়ংসম্পূর্ণ ব্যাখ্যা: এটি আরেকটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ যেখানে স্বয়ং শব্দের সঠিক প্রয়োগ এবং বানানের প্রমিত রূপ বজায় রাখা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বায়ত্বশাসন — এই অপশনে স্বায়ের ওপর চন্দ্রবিন্দু ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানরীতি অনুযায়ী ভুল। B) স্বায়ত্তশাসন — এটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত রূপ। C) স্বায়ত্বশাসন — এই অপশনে আয়-এর ওপর চন্দ্রবিন্দু দেওয়া হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) স্বায়ত্তশাসন — এই অপশনটি সঠিক উত্তরের পুনরাবৃত্তি এবং প্রশ্নে এটিই সঠিক হিসেবে চিহ্নিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্বায়ত্তশাসন বানানটি মনে রাখতে স্বয়ং শব্দটিকে মনে রাখতে হবে এবং ত-এর নিচে হসন্ত বা যুক্তবর্ণের সঠিক ব্যবহার খেয়াল রাখতে হবে। - পরীক্ষার হলে চন্দ্রবিন্দুর সঠিক অবস্থান লক্ষ করে উত্তর নির্বাচন করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বয়ং সম্পর্কিত বানানগুলো প্রায়ই আসে। - বাংলা একাডেমির আধুনিক বানান নিয়ম অনুসরণ করে এই ধরনের সন্ধিজাত বা সমাসবদ্ধ শব্দের বানান চর্চা করতে হবে।
a phenomenon
b phanonmanon
c phenomemnon
d phnomena
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) phenomenon ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো phenomenon যার অর্থ কোনো ঘটনা বা পরিদৃশ্য। এটি একটি গ্রিক মূলের শব্দ যা ইংরেজিতে বহুল ব্যবহৃত হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বানান শুদ্ধিকরণের জন্য বিদেশি শব্দের সঠিক বানান মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ইংরেজি ভাষা থেকে আগত বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে উৎস ভাষার বানানরীতি অনুসরণ করা হয়। - phenomenon শব্দটির বহুবচন হলো phenomena, যা প্রায়শই শিক্ষার্থীরা ভুল করে একবচন হিসেবে ব্যবহার করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: The northern lights are a rare natural phenomenon. ব্যাখ্যা: এখানে প্রাকৃতিকভাবে ঘটা একটি বিশেষ ঘটনা বোঝাতে phenomenon শব্দটি একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: Social media has created a new cultural phenomenon. ব্যাখ্যা: সমাজ সংস্কৃতিতে নতুন কোনো পরিবর্তন বা ঘটনা বোঝাতে এই বানানটি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) phenomenon — এটি সঠিক বানান যার অর্থ পরিদৃশ্য বা ঘটনা। B) phanonmanon — এটি একটি ভুল বানান কারণ এতে ভুল স্বরবর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। C) phenomemnon — এটি ভুল বানান কারণ মাঝখানে অতিরিক্ত অক্ষর যুক্ত হয়েছে। D) phnomena — এটি ভুল বানান কারণ এটি আসলে phenomenon শব্দের বহুবচন রূপ phenomena শব্দের ভুল বানানরূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: - বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো একে ভাগে ভাগ করে পড়া যেমন phe-nom-e-non। - শেষে on আছে মানে এটি একবচন এবং শেষ যদি a থাকে তবে তা বহুবচন phenomena হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গ্রিক ও ল্যাটিন উৎসের একবচন ও বহুবচন সংক্রান্ত বানান প্রায়ই আসে। - phenomenon একবচন এবং phenomena বহুবচন, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a বিষের বাঁশি
b অগ্নিবীণা
c প্রলয় শিখা
d সর্বহারা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অগ্নিবীণা ১. কেন সঠিক: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো অগ্নিবীণা। - ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে এই কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং বাংলা কবিতার ধারাকে চিরতরে বদলে দেয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের যুগপ্রবর্তক কবি ও সংগীতজ্ঞ whose works span both rebellion and romance. - অগ্নিবীণা কাব্যে মোট ১২টি বিখ্যাত কবিতা রয়েছে যার মধ্যে প্রলয়োল্লাস, বিদ্রোহী ও কামাল পাশা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রলয়োল্লাস কবিতাটি অগ্নিবীণা কাব্যের প্রথম কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে নবজাগরণ ও বিপ্লবের বাণী প্রচার করে। উদাহরণ ২: বিদ্রোহী কবিতাটি অগ্নিবীণা কাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। ব্যাখ্যা: এই কবিতাটি প্রকাশের পর থেকেই কবি বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষের বাঁশি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিদ্রোহী ভাবাপন্ন কাব্যগ্রন্থ হলেও তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ নয়। B) অগ্নিবীণা — এটি সঠিক উত্তর যা কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। C) প্রলয় শিখা — এটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের কারণে বাজোপ্ত হওয়া নজরুলের একটি বিখ্যাত অগ্নিগর্ভ কাব্যগ্রন্থ। D) সর্বহারা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি প্রগতিশীল ও সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থ যা শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের পক্ষে রচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - নজরুলের প্রথম কাব্যের নাম মনে রাখতে অগ্নি শব্দের সঙ্গে প্রথম শব্দটি মিলিয়ে পড়তে পারো। - প্রথম প্রকাশিত কাব্য মানেই অগ্নিবীণা যা বাংলা কাব্যাঙ্গনে আগুন জ্বেলেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রচ্ছদ এঁকেছিলে অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ বা প্রথম কবিতার নাম জানতে চাওয়া হয়।
a উপন্যাস
b নাটক
c গল্প-সংকলন
d কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কাব্যগ্রন্থ ১. কেন সঠিক: - 'শেষ লেখা' বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়। - প্রশ্নে থাকা 'শেষ প্রশ্ন' একটি উপন্যাস এবং 'শেষ লেখা' একটি কাব্যগ্রন্থ হওয়ায় সঠিক উত্তর কাব্যগ্রন্থ হবে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'শেষ লেখা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্তিম জীবনের কবিতাগুলোর সংকলন যা ১৯৪০ সালে রচিত এবং ১৯৪১ সালে প্রকাশিত হয়। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের যুগপুরুষ যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক হিসেবে বিশ্বমঞ্চে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'শেষের কবিতা' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর নামের সঙ্গে শেষ শব্দটি যুক্ত থাকায় প্রায়ই বিভ্রান্তি ঘটে। উদাহরণ ২: 'শেষ প্রান্তর' ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা তার সাহিত্যকর্মের বৈচিত্র্যকে প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — শেষ প্রশ্ন একটি উপন্যাস হলেও শেষ লেখা একটি কাব্যগ্রন্থ, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। B) নাটক — শেষ লেখা কোনো নাট্যসাহিত্য নয়, এটি মূলত কবির অন্তিম কাব্যের কবিতা সংকলন। C) গল্প-সংকলন — এটি কোনো ছোটগল্পের বই বা গল্প-সংকলন নয়, এটি পদ্য বা কবিতার বই। D) কাব্যগ্রন্থ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ শেষ লেখা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অমর কাব্যগ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: শেষ প্রশ্ন উপন্যাস এবং শেষ লেখা কাব্যগ্রন্থ এটি মনে রাখতে নামের শেষ অংশ খেয়াল করতে হবে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ লেখা এবং জন্মদিনের কবিতা তার জীবনের শেষ পর্যায়ে রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ কাব্যগ্রন্থ ও মৃত্যুর পর প্রকাশিত গ্রন্থের তালিকা বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের প্রশ্নে নামের আংশিক মিল দেখে বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না, বরং সাহিত্যকর্মের ধরণ ভালোভাবে পড়তে হবে।
a তুর্কি
b সংস্কৃতি
c গুজরাটি
d নেপালি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তুর্কি ১. কেন সঠিক: - 'বাবা' শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক শব্দ। - বাংলা ভাষায় বহু বিদেশি ভাষার শব্দ মিশে আছে, যার মধ্যে তুর্কি শব্দ অন্যতম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। - এর মধ্যে বিদেশ থেকে আগত শব্দগুলোকে বিদেশি শব্দ বলা হয় এবং বাবা একটি তুর্কি শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারোগা ব্যাখ্যা: দারোগা একটি তুর্কি শব্দ যা বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: তোপ ব্যাখ্যা: তোপ শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুর্কি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাবা শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে এসেছে। B) সংস্কৃতি — সংস্কৃতি কোনো ভাষার নাম নয় এবং এই অপশনটি সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না। C) গুজরাটি — গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় খদ্দর বা হরতালের মতো কিছু শব্দ এলেও বাবা আসেনি। D) নেপালি — নেপালি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় সরাসরি বাবা শব্দটি আসেনি। ৫ মনে রাখার টিপস: - তুর্কি শব্দ মনে রাখার জন্য পরিবার সম্পর্কিত কিছু শব্দ যেমন বাবা, বেগম, লাশ মনে রাখতে পারো। - বিদেশি শব্দের উৎস মনে রাখতে শব্দগুলোর উৎস অনুযায়ী ছোট তালিকা তৈরি করা যেতে পারে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - তুর্কি, পর্তুগিজ ও আরবি-ফার্সি শব্দের তালিকা ভালো করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a বন্দী শিবির থেকে
b খরা পালক
c শোকার্ত তরবারী
d প্রসন্ন প্রহর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বন্দী শিবির থেকে ১. কেন সঠিক: - 'বন্দী শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থটি সরাসরি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বাঙালি জাতির সশস্ত্র সংগ্রামের পটভূমিতে রচিত। - কবি শামসুর রাহমান ১৯৭১ সালের অবরুদ্ধ ঢাকায় বসে পাকিস্তানি শোষকদের নির্যাতন এবং মুক্তিকামী মানুষের প্রতিবাদের দৃশ্য প্রত্যক্ষ করে এই কবিতাগুলো রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমান যিনি ১৯২৯ সালে জন্ম গ্রহণ করেন এবং ২০০৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন। - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম ও অবরুদ্ধ ঢাকার বাস্তব চিত্র এই কাব্যগ্রন্থের প্রতিটি কবিতায় অত্যন্ত শিল্পমণ্ডিত ও আবেগঘন ভাষায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শামসুর রাহমানের স্বাধীনতা তুমি কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতাটিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গ্রামীণ বাংলার নিসর্গ এবং বাঙালির বিজয়ের আনন্দ অসাধারণ রূপ লাভ করেছে। উদাহরণ ২: শামসুর রাহমানের তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা কবিতা। ব্যাখ্যা: স্বাধীনতা অর্জনের জন্য সাধারণ মানুষের ত্যাগের চিত্র এই কবিতায় মূর্ত হয়ে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বন্দী শিবির থেকে — এটি মুক্তিযুদ্ধ কেন্দ্রিক কাব্যগ্রন্থ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। B) খরা পালক — এটি কবি আল মাহমুদের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলেও সরাসরি মুক্তিযুদ্ধ কেন্দ্রিক নয়। C) শোকার্ত তরবারী — এটি কবি দাউদ হায়দারের একটি কাব্যগ্রন্থ যার বিষয়বস্তু ভিন্ন। D) প্রসন্ন প্রহর — এটি কবি আহসান হাবীবের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শামসুর রাহমান অবরুদ্ধ ঢাকায় বন্দী অবস্থায় ছিলেন, তাই তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যের নাম 'বন্দী শিবির থেকে' মনে রাখা সহজ। - যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে রচিত অন্যান্য সাহিত্যকর্মের সঙ্গে এটি মিলিয়ে পড়লে বিভ্রান্তি এড়ানো যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ এবং রচয়িতার নাম প্রায়ই আসে। - শামসুর রাহমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্যান্য সাহিত্যকর্ম যেমন 'উল্টো রথে কি কম কম' বা সংশ্লিষ্ট কবিতাগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a এক
b একত্রিত
c একাকিত্ব
d একত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) একত্রিত ১. কেন সঠিক: - 'একত্রিত' শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে একটি অপপ্রয়োগ কারণ 'একত্র' শব্দের সাথে অতিরিক্ত 'ইত' প্রত্যয় যুক্ত করে দ্বিরুক্তি দোষ বা বাহুল্য দোষ ঘটানো হয়েছে। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী একই অর্থে দুটি প্রত্যয় বা উপসর্গ একসাথে ব্যবহার করা অসিদ্ধ এবং এটি অশুদ্ধ শব্দ গঠনের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাহুল্য দোষ বা অযথা শব্দের দীর্ঘায়নজনিত ভুলকে অপপ্রয়োগ বলা হয়, যা শব্দ গঠনে প্রায়ই ঘটে থাকে। - 'একত্র' মানেই একত্রিত বা একত্রে মিলিত, তাই এর সাথে 'ইত' প্রত্যয় যোগ করা সম্পূর্ণ অতিরিক্ত ও ব্যাকরণসম্মত নয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সব সহাস্য বদনে বল্ল ব্যাখ্যা: 'সহাস্য' মানেই হাসিযুক্ত মুখ, তাই এর সাথে 'বদন' শব্দ যুক্ত করা বাহুল্য দোষ। উদাহরণ ২: স্বীয় স্বাক্ষর প্রদান করুন ব্যাখ্যা: 'স্বীয়' মানেই নিজের, তাই এখানে 'স্বাক্ষর' শব্দের আগে 'স্বীয়' ব্যবহার করা একটি অপপ্রয়োগ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক — এটি একটি সঠিক মৌলিক সংখ্যাবাচক শব্দ এবং এর কোনো অপপ্রয়োগ নেই। B) একত্রিত — এটি ভুল হলেও প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে এটিই অপপ্রয়োগের দৃষ্টান্ত। C) একাকিত্ব — এটি সঠিক শব্দ যা একা শব্দ থেকে ত্ত প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে এবং এর অর্থ নিঃসঙ্গতা। D) একত্র — এটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ শব্দ যার অর্থ একসাথে বা একত্রে। ৫ মনে রাখার টিপস: - একই অর্থে দুটি প্রত্যয় একসাথে ব্যবহার করা যাবে না। - একত্র এবং একত্রিত একই অর্থ প্রকাশ করায় একত্রিত শব্দটি বাহুল্য দোষে দুষ্ট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাহুল্য জনিত অপপ্রয়োগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এই ধরনের প্রশ্নে মূলত শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করে অতিরিক্ত প্রত্যয়যুক্ত শব্দ চিহ্নিত করতে হয়।

মোট প্রশ্ন (19)

a into
b in
c by
d with
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) into কেন সঠিক: - কোনো ভাষা থেকে অন্য কোনো ভাষায় অনুবাদ করা বা রূপান্তর বোঝাতে translate ভার্বের পর preposition হিসেবে into বসে। - রূপান্তর বা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে into ব্যবহার করা হয়, যা এখানে ইংরেজি ভাষায় রূপান্তর বোঝাতে সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) into - এটি সঠিক উত্তর কারণ কোনো ভাষা বা রূপে পরিবর্তনের ক্ষেত্রে into বসে। B) in - ভাষা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে in preposition ব্যবহার করা হয় না, এটি সাধারণত অবস্থান বোঝাতে বসে। C) by - মাধ্যম বোঝালেও ভাষার ক্ষেত্রে অনুবাদ করতে by বস, এটি এখানে সঠিক নয়। D) with - সাধারণত কোনো বস্তু বা হাতিয়ারের সাথে যুক্ত থাকা বোঝাতে with বসে। মনে রাখার টিপস: ভাষা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে translate-এর পরে সবসময় into বসবে, যেমন translate into English.
a to go
b going
c gone
d go
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) go কেন সঠিক: - would rather একটি মডাল ভার্বের মতো কাজ করে এবং এর পরে সবসময় মূল ভার্বের বেজ ফর্ম (v1) বসে। - এই বাক্যে to বা ing যুক্ত করার কোনো সুযোগ নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to go — would rather এর পরে ইনফিনিটিভ (to + v1) বসে না। B) going — would rather এর পরে জিরান্ড বা ভার্ব প্লাস ing যুক্ত রূপ বসে না। C) gone — would rather এর পরে ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল (v3) বসে না। D) go — এটি সঠিক কারণ would rather এর পরে মূল ভার্বের বেজ ফর্ম বসে। মনে রাখার টিপস: would rather দেখলেই মনে রাখবে এরপরে সবসময় ভার্বের বেজ ফর্ম বসে।
a would have arrested
b would arrest
c would be arrested
d had arrested
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) would have arrested কেন সঠিক: - এটি থার্ড কন্ডিশনালের নিয়ম, যেখানে অতীতকালের অবাস্তব শর্ত বোঝাতে If-যুক্ত অংশে Past Perfect Tense এবং অপর অংশে Subject-এর পর would have/could have/might have বসে এবং মূল verb-এর Past Participle হয়। - প্রশ্নে If-এর পর 'had come' (Past Perfect) থাকায় পরের অংশে 'would have' এবং মূল verb 'arrest'-এর Past Participle 'arrested' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would have arrested — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিয়মানুযায়ী এখানে would have এবং verb-এর Past Participle ব্যবহৃত হয়েছে। B) would arrest — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের কাঠামো (Past Indefinite-এর সাথে would+verb), যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) would be arrested — এটি প্যাসিভ স্ট্রাকচার, কিন্তু বাক্যটি সক্রিয় (Active voice) অর্থে ব্যবহৃত হবে কারণ পুলিশ চোরকে গ্রেপ্তার করেছিল। D) had arrested — এটি থার্ড কন্ডিশনালের নিয়মের বাইরে, কারণ মূল ক্লজে শুধু Past Perfect Tense বসতে পারে না। মনে রাখার টিপস: থার্ড কন্ডিশনালের সূত্রটি হলো: If + Past Perfect (had + V3) হলে পরের অংশে would have + V3 বসে।
a a
b an
c the
d none
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) the কেন সঠিক: - নির্দিষ্ট কোনো হাসপাতাল বোঝাতে নির্দিষ্ট আর্টিকেল হিসেবে দ্য বসে। - এই বাক্যে বক্তা ও শ্রোতা উভয়েই নির্দিষ্ট হাসপাতালটিকে বুঝছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — এটি অনির্দিষ্ট একক countable noun এর পূর্বে বসে, কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট হাসপাতাল বোঝানো হয়েছে। B) an — এটি ভাওয়েল সাউন্ড দিয়ে শুরু শব্দের পূর্বে বসে, কিন্তু hospital শব্দটি কনসোনেন্ট সাউন্ড দিয়ে শুরু। C) the — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি নির্দিষ্ট স্থান বা ভবন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) none — এটি ভুল কারণ শূন্যস্থানে নির্দিষ্ট আর্টিকেল দ্য বসানো ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। মনে রাখার টিপস: কোনো নির্দিষ্ট পরিচিত স্থান, ভবন বা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার কথা বোঝালে তার পূর্বে দ্য বসে।
a She said to me thank you.
b She said thank you to me.
c She thanked me.
d She said that thank you.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) She thanked me. কেন সঠিক: - বাক্যে "thank you" একটি কৃতজ্ঞতা প্রকাশমূলক উক্তি, তাই একে indirect speech এ রূপান্তর করার সময় 'thank' ভার্বের প passado form 'thanked' ব্যবহার করতে হয়। - এখানে 'she' হলো সাবজেক্ট এবং যাকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে ('me') তা অবজেক্ট হিসেবে বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She said to me thank you. — এটি সরাসরি Direct speech এর গঠনকে অবিকল রেখে দিয়েছে, যা Indirect speech এর ব্যাকরণগত নিয়মের বাইরে। B) She said thank you to me. — এটি ব্যাকরণগতভাবে কিছুটা ঠিক মনে হলেও, কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ক্ষেত্রে সরাসরি 'thank' ভার্ব ব্যবহার করে 'She thanked me' লেখাটি সবচেয়ে আদর্শ ও সঠিক নিয়ম। D) She said that thank you. — Indirect speech এ 'that' conjunction এর পর সরাসরি 'thank you' বসানো ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: Direct speech এ 'thank you' থাকলে Indirect speech এ সাধারণত Subject + thanked + object এই কাঠামোগুলো অনুসরণ করতে হয়।
a Mother
b sister
c Daughter-in-law
d Daughter
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Daughter-in-law কেন সঠিক: - এই প্রশ্নে প্রদত্ত শব্দগুলোর মধ্যে রক্তের সম্পর্ক বা জন্মগত আত্মীয়তার ভিত্তিতে মিল খোঁজা হয়েছে। - অপশন সি এর শব্দটি বৈবাহিক সম্পর্কের মাধ্যমে পরিবারে যুক্ত হয়, যা জন্মসূত্রের রক্তের সম্পর্কের বাইরের। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mother — এটি সরাসরি জন্মসূত্রের রক্তের আত্মীয়তার একটি সম্পর্কের শব্দ। B) sister — এটিও একই পরিবারের জন্মসূত্রের রক্তের সম্পর্কের একটি শব্দ। C) Daughter-in-law — এটি রক্ত সম্পর্কিত নয় বরং বিয়ের মাধ্যমে তৈরি হওয়া আত্মীয়তার শব্দ। D) Daughter — এটিও সরাসরি জন্মসূত্রের রক্তের সম্পর্কের একটি পারিবারিক শব্দ। মনে রাখার টিপস: রক্তের সম্পর্কহীন আত্মীয় যেমন পুত্রবধূ বা জামাই খুঁজে বের করতে হবে, কারণ বাকিরা সবাই জন্মসূত্রের রক্তের আত্মীয়।
a noun
b pronoun
c adjective
d adverb
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) adjective কেন সঠিক: - Shakespearean শব্দটি William Shakespeare নামক লেখকের নামের সঙ্গে an যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে এবং নাটকের নামকে বিশেষায়িত করেছে। - noun (play)-এর পূর্বে বসে তার দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করায় এটি Adjective বা নাম-বিশেষণ হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — Shakespearean কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু বা জায়গার নাম নয়, তাই এটি Noun নয়। B) pronoun — এটি কোনো Noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়নি, তাই এটি Pronoun নয়। C) adjective — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি Noun-কে मॉडिफाई বা বিশেষায়িত করেছে। D) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-কে বিশেষায়িত করেনি, তাই এটি Adverb নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো Proper Noun-এর শেষে an বা ian যুক্ত হয়ে যদি অন্য কোনো Noun-এর দোষ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে, তবে তা সাধারণত Adjective হয়।
a How beautiful a bird it is!
b How a beautiful bird it is!
c How is it beautiful bird!
d How a beautiful bird is it!
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) How beautiful a bird it is! কেন সঠিক: - Exclamatory sentence-এ How-এর পর Adjective (beautiful) এবং Article (a) সহ Noun (bird) বসে। - সবশেষে Subject (it) এবং Verb (is) বসে সঠিক গঠন তৈরি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) How beautiful a bird it is! — এটি সঠিক গঠন অনুসরণ করে তৈরি করা হয়েছে। B) How a beautiful bird it is! — Article (a) এর অবস্থান ভুল জায়গায় থাকায় এটিincorrect। C) How is it beautiful bird! — Verb আগে চলে আসায় এবং Article না থাকায় এটি ভুল। D) How a beautiful bird is it! — Verb শেষে না বসে মাঝে বসায় বাক্যটির গঠন ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: How-এর পর Adjective এবং Noun বসলে গঠনটি হয়: How + Adjective + a/an + Noun + Subject + Verb।
a Something that causes dispute
b One kind of fruit
c Something that brings harmony
d A person of whom one is extremely fond and proud.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Something that causes dispute কেন সঠিক: - "Apple of discord" একটি প্রবাদ বা ইডিয়ম, যার আক্ষরিক অর্থ বিবাদের আপেল এবং ভাবার্থ বিরোধ বা ঝগড়ার মূল কারণ। - গ্রিক পৌরাণিক কাহিনীর গোল্ডেন অ্যাপল বা বিবাদের আপেল থেকে এই ইডিয়মটির উৎপত্তি হয়েছে, যা দেবীদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Something that causes dispute — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ইডিয়মটি মূলত কোনো বিবাদ বা ঝগড়ার মূল কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) One kind of fruit — এটি ভুল কারণ ইডিয়মটির অর্থ আক্ষরিক অর্থে কোনো সাধারণ ফল বোঝায় না, বরং এর একটি রূপক বা বিশেষ অর্থ রয়েছে। C) Something that brings harmony — এটি ভুল কারণ এই অপশনটি বিরোধ বোঝানোর ঠিক বিপরীত অর্থাৎ শান্তি বা ঐক্যের কথা বলে। D) A person of whom one is extremely fond and proud — এটি ভুল কারণ এই অর্থটি "apple of one's eye" ইডিয়মের জন্য প্রযোজ্য, "apple of discord" এর জন্য নয়। মনে রাখার টিপস: ডিসকর্ড বা Discord শব্দের অর্থ বিরোধ বা অশান্তি, তাই যে আপেল বা বস্তু অশান্তি সৃষ্টি করে সেটাই "apple of discord"।
a Restriction
b Consciousness
c Relaxation
d Extension
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Restriction কেন সঠিক: - ইংরেজি শব্দ 'constraint'-এর বাংলা অর্থ হলো বাধা, সীমাবদ্ধতা বা নিয়ন্ত্রণ। - প্রদত্ত বাক্যে 'time constraint' বলতে বোঝানো হয়েছে সময় সংক্রান্ত সীমাবদ্ধতা বা বাধ্যবাধকতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Restriction — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ সীমাবদ্ধতা বা বাধা যা প্রশ্নের শব্দের সমার্থক। B) Consciousness — এর অর্থ সচেতনতা বা চেতনা, যা সময়ের সীমাবদ্ধতা বোঝানোর জন্য প্রাসঙ্গিক নয়। C) Relaxation — এর অর্থ শিথিলতা বা বিশ্রাম, যা constraint বা সীমাবদ্ধতার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) Extension — এর অর্থ প্রসার বা বৃদ্ধি, যা সময়ের পরিধি বাড়ানো বোঝায় কিন্তু সীমাবদ্ধতা বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: Constraint শব্দটির সাথে Restriction শব্দটির শেষাংশের মিল আছে, যা মনে রাখতে সাহায্য করে যে উভয় শব্দই সীমাবদ্ধতা বা বাধাকে নির্দেশ করে।
a I will be oblige to go
b I will have obliged to go
c I shall be obliged to go
d I am obliged to go
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I shall be obliged to go কেন সঠিক: - Active Voice-এর Object (me) Passive-এ Subject (I) হয় এবং Person ও Tense অনুযায়ী Auxiliary Verb 'shall be' বসে। - Principal Verb (oblige)-এর Past Participle (obliged) হয় এবং বাকר অংশ (to go) অপরিবর্তিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I will be oblige to go — 'oblige' শব্দটির Past Participle রূপ 'obliged' না লিখে প্রেজেন্ট ফর্ম ব্যবহার করায় এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) I will have obliged to go — Future Perfect Tense-এর গঠন ব্যবহার করায় এটি প্রদত্ত Active Voice-এর সঠিক Passive রূপ নয়। C) I shall be obliged to go — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা সব নিয়ম সঠিক রেখে তৈরি করা হয়েছে। D) I am obliged to go — Present Tense ব্যবহার করায় এটি মূল বাক্যের Future Indefinite Tense-এর অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Future Tense-এর Active Voice-কে Passive করার সময় Subject-এর পর shall be বা will be বসে এবং মূল Verb-এর Past Participle হয়।
a the audiences
b the audience
c audiences
d an audiences
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) the audience কেন সঠিক: - Audience একটি Collective Noun যা এখানে একটি একক দল হিসেবে কাজ করছে। - Collective Noun সাধারণত Singular Verb এবং Singular Pronoun গ্রহণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the audiences — Audience একটি Collective Noun হওয়ায় এর সাথে সাধারণত s বা es যুক্ত করে Plural করা যায় না। B) the audience — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) audiences — সঠিক নিয়মে Audience শব্দটিকে সরাসরি Plural করা ভুল। D) an audiences — an এর পরে Plural Noun বা S যুক্ত শব্দ বসতে পারে না। মনে রাখার টিপস: Audience বা Jury এর মতো Collective Noun যখন একত্রে একটি দল বোঝায়, তখন তা Singular হয় এবং পূর্বে The বসে।
a Abraham Lincoln
b Abul Kalam Azad
c Nelson Mandela
d John Milton
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Nelson Mandela কেন সঠিক: - এটি দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের মহান নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার একটি বিশ্বখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। - বইটিতে তার দীর্ঘ কারাবাস, সংগ্রাম এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠার ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Abraham Lincoln — তিনি আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রের ষোড়শ প্রেসিডেন্ট ছিলেন, এই আত্মজীবনীর লেখক নন। B) Abul Kalam Azad — তিনি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিশিষ্ট নেতা ও প্রথম শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন, এই গ্রন্থ তার নয়। C) Nelson Mandela — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই বিশ্বখ্যাত আত্মজীবনীর লেখক তিনিই। D) John Milton — তিনি সপ্তদশ শতকের বিখ্যাত ইংরেজি কবি ও প্রাবন্ধিক ছিলেন, এই ঐতিহাসিক রাজনৈতিক গ্রন্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: ম্যান্ডেলা মানেই মুক্তি, তাই ফ্রিডম বা মুক্তির লড়াইয়ের বইটির লেখক নেলসন ম্যান্ডেলা।
a gazed
b sighed
c glared
d stared
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) glared কেন সঠিক: - Glare শব্দের অর্থ রাগ বা হিংস্রভাবে তাকানো, যা খাঁচার পেছনের বাঘের আচরণের সঙ্গে পুরোপুরি মানানসই। - হিংস্র প্রাণী বা বাঘের ক্ষেত্রে সাধারণত রাগী দৃষ্টি বোঝাতে at preposition সহ glare ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) gazed — Gazed অর্থ মুগ্ধ হয়ে বা অবাক হয়ে দীর্ঘক্ষণ তাকিয়ে থাকা, যা বাঘের হিংস্র ভাবের সাথে যায় না। B) sighed — Sighed অর্থ দীর্ঘশ্বাস ফেলা, যা বাক্যের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। C) glared — এটি এই বাক্যের জন্য সঠিক উত্তর, কারণ বাঘের রাগী দৃষ্টি প্রকাশ করতে এটি ব্যবহৃত হয়। D) stared — Stared অর্থ অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা, তবে রাগী বা হিংস্র দৃষ্টি বোঝাতে glare বেশি উপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: হিংস্র প্রাণী বা বাঘের রাগী ও হিংস্র দৃষ্টি বোঝাতে glare ব্যবহার করা হয়।
a annoying
b having annoyed
c being annoying
d annoyed
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) annoying কেন সঠিক: - এখানে শব্দ (sound) বিশেষ্যটিকে বিশেষায়িত করতে বর্তমান কৃদন্ত পদ বা Present Participle প্রয়োজন। - শব্দ নিজেই বিরক্তিকর কাজটি করছে, তাই এখানে Active অর্থে Present Participle (annoying) ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) annoying — এটি সঠিক Present Participle, যা নাউনের পূর্বে বসে Active অর্থ প্রকাশ করে। B) having annoyed — এটি Perfect Participle, যা এখানে বাক্যের অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। C) being annoying — এটি Passive Continuous Participle, যা নাউনের পূর্বে সরাসরি বসে এভাবে অর্থ প্রকাশ করে না। D) annoyed — এটি Past Participle, যা সাধারণত Passive অর্থ প্রকাশ করে এবং এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: noun যদি নিজে কাজটি করে তবে Present Participle (ing যুক্ত) হয় এবং কাজটি অন্যের দ্বারা প্রভাবিত হলে Past Participle হয়।
a decay
b increase
c reduce
d impediment
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) increase কেন সঠিক: - 'Enhancement' শব্দটির অর্থ কোনো কিছুর মান, মাত্রা বা পরিমাণ বৃদ্ধি করা বা উন্নত করা। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'increase' শব্দটির অর্থও বৃদ্ধি করা, যা মূল শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) decay — এর অর্থ ক্ষয় হওয়া বা পচন ধরা, যা enhancement শব্দের বিপরীত। B) increase — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বৃদ্ধি করা বা বাড়ানো। C) reduce — এর অর্থ কমানো বা হ্রাস করা, যা enhancement শব্দের বিপরীত। D) impediment — এর অর্থ বাধা বা প্রতিবন্ধকতা, যা enhancement শব্দের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: Enhance শব্দের অর্থ উন্নত করা বা বাড়ানো, তাই এর সমার্থক শব্দ হিসেবে increase মনে রাখতে হবে।
a raise
b rise
c risen
d rose
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) raise কেন সঠিক: - raise একটি transitive verb যার অর্থ কাউকে বা কিছুকে ওপরে তোলা, এর পরে object বা কর্ম থাকতে হয়। - এখানে reflexive pronoun himself অবজেক্ট হিসেবে থাকায় সঠিক উত্তর হবে raise। বাকি অপশন কেন ভুল: A) raise — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর পরে অবজেক্ট বা reflexive pronoun ব্যবহার করা যায়। B) rise — এটি একটি intransitive verb, এর কোনো অবজেক্ট বা কর্ম থাকে না। C) risen — এটি rise verb-এর past participle রূপ, যা এখানে অর্থের দিক থেকে অসংগত। D) rose — এটি rise verb-এর past form, যা intransitive হওয়ায় নিজে নিজে ওপরে ওঠার ক্ষেত্রে বসে কিন্তু এখানে অবজেক্ট আছে। মনে রাখার টিপস: Raise-এর মধ্যে 'a' আছে যার অর্থ কোনো কিছু ওপরে তোলা (Action), আর Rise-এর মধ্যে 'i' আছে যার অর্থ নিজে নিজে ওপরে ওঠা (Intransitive)।
a Aren't we
b Have not we
c Shall we
d Shouldn't we
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Shall we কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী Let us বা Let's দিয়ে বাক্য শুরু হলে তার ট্যাগ কোশ্চেন সবসময় Shall we হয়। - এটি বক্তা ও শ্রোতার যৌথ প্রস্তাব বা আহ্বান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Aren't we — Let's বা Let us যুক্ত ইম্পারেটিভ বাক্যের ক্ষেত্রে ট্যাগ কোশ্চেনে Are ব্যবহার করার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই। B) Have not we — Have auxiliary verb দিয়ে Let's যুক্ত বাক্যের ট্যাগ কোশ্চেন গঠন করা যায় না কারণ এটি প্রস্তাব বোঝায়। C) Shall we — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল। D) Shouldn't we — উচিত অর্থে Should ব্যবহার হলেও Let's যুক্ত প্রস্তাবমূলক বাক্যে ট্যাগ কোশ্চেন হিসেবে Shall we ব্যবহার করার সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যটি যদি Let's দিয়ে শুরু হয়, তবে চোখ বন্ধ করে ট্যাগ কোশ্চেন হিসেবে Shall we বসিয়ে দেবে।
a She studied bad
b She was a badly student
c She took it regularly
d She failed to study properly
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) She failed to study properly কেন সঠিক: - বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করতে এবং কারণ বোঝাতে সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করেছে। - পরীক্ষার ফলাফল খারাপ হওয়ার যৌক্তিক কারণ হিসেবে ভালোভাবে পড়াশোনা না করাকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She studied bad — 'bad' একটি adjective, কিন্তু verb-কে modify করতে adverb (badly) ব্যবহার করতে হয়। B) She was a badly student — 'badly' এখানে adverb হিসেবে ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, সঠিক হতো bad student। C) She took it regularly — নিয়মিত পরীক্ষা নেওয়া বা অংশ নেওয়ার অর্থ দেয়, যা পরীক্ষার খারাপ ফলাফলের কারণ হতে পারে না। D) She failed to study properly — সঠিকভাবে পড়াশোনা করতে ব্যর্থ হওয়া পরীক্ষার খারাপ ফলাফলের সঠিক কারণ নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: verb-কে modify করতে adverb বসে এবং noun-কে modify করতে adjective বসে, তাই সঠিক ব্যাকরণ ও অর্থ বুঝে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (19)

a ভারত
b বাংলাদেশ
c নেপাল
d পাকিস্তান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পাকিস্তান কেন সঠিক: - পাকিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার দেশ হলেও দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা বিমসটেকের সদস্য নয়। - বিমসটেকের সদস্য দেশ মোট সাতটি এবং পাকিস্তান এর ভৌগোলিক বা রাজনৈতিক কাঠামোর আওতাভুক্ত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারত বিমসটেকের প্রতিষ্ঠাতা এবং বর্তমান সক্রিয় সদস্য দেশ। B) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ বিমসটেকের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং এর সচিবালয় ঢাকায় অবস্থিত। C) নেপাল — নেপাল বিমসটেকের অন্যতম পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে যুক্ত রয়েছে। D) পাকিস্তান — পাকিস্তান বিমসটেকের সদস্য নয় কারণ এটি সার্কের অন্তর্ভুক্ত হলেও এই আঞ্চলিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেনি। মনে রাখার টিপস: বিমসটেক সংস্থায় বাংলাদেশ, ভারত, নেপালসহ ৭টি দেশ আছে, যার মধ্যে পাকিস্তান নেই।
a গ্যাস
b কয়লা
c এলএনজি
d নিউক্লিয়ার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কয়লা কেন সঠিক: - বর্তমানে বাংলাদেশের বৃহত্তম বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলো পটুয়াখালীর পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, যা কয়লার মাধ্যমে চালিত হয়। - এই কেন্দ্রটি অতি supercritical প্রযুক্তির মাধ্যমে কয়লা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্যাস — বাংলাদেশের অনেক বিদ্যুৎ কেন্দ্র গ্যাসে চললেও বর্তমানে বৃহত্তম বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি গ্যাস দ্বারা চালিত নয়। C) এলএনজি — এলএনজি বা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস দেশের বৃহত্তম বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান জ্বালানি নয়। D) নিউক্লিয়ার — রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এখনো পুরোপুরি চালু হয়নি, তাই এটি বর্তমানে দেশের বৃহত্তম বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বিদ্যুৎ উৎপাদনের মূল জ্বালানি হলো কয়লা।
a জাপান
b ব্রাজিল
c শ্রীলঙ্কা
d অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অস্ট্রেলিয়া কেন সঠিক: - আদিবাসীদের ইতিহাস ও অবদানকে সম্মান জানাতে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে অস্ট্রেলিয়া তাদের জাতীয় সঙ্গীতের কথা পরিবর্তন করে। - সঙ্গীতের দ্বিতীয় লাইনে থাকা ইয়াং অ্যান্ড ফ্রি কথাটি বদলে ওয়ান অ্যান্ড ফ্রি করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — জাপানের জাতীয় সঙ্গীত কিমিগায়ো বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন এবং সাম্প্রতিক সময়ে এর কথায় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। B) ব্রাজিল — ব্রাজিলের জাতীয় সঙ্গীতের কথা ও সুরে দীর্ঘকাল ধরে কোনো পরিবর্তন করা হয়নি। C) শ্রীলঙ্কা — শ্রীলঙ্কার জাতীয় সঙ্গীত শ্রী লঙ্কা মাতা নামে পরিচিত এবং এটি সাম্প্রতিক সময়ে পরিবর্তিত হয়নি। D) অস্ট্রেলিয়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ দেশটি তাদের জাতীয় সঙ্গীতের কথা সংশোধন করেছে। মনে রাখার টিপস: অস্ট্রেলিয়া হলো সেই দেশ যারা আদিবাসীদের অধিকার রক্ষার্থে জাতীয় সঙ্গীতের শব্দ পরিবর্তন করে সবাইকে এক করেছে।
a RNPP
b BAEC
c RAEC
d RPPN
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) RNPP কেন সঠিক: - রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইংরেজি নামের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো RNPP। - এর পূর্ণরূপ হলো Rooppur Nuclear Power Plant। বাকি অপশন কেন ভুল: A) RNPP — এটি রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সঠিক সংক্ষিপ্ত রূপ। B) BAEC — এটি বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সংক্ষিপ্ত রূপ, যার পূর্ণরূপ Bangladesh Atomic Energy Commission। C) RAEC — এটি কোনো নির্দিষ্ট বা প্রচলিত সংস্থার সঠিক সংক্ষিপ্ত রূপ নয়। D) RPPN — এটি উল্টো বিন্যাসে লেখা ভুল সংক্ষিপ্ত রূপ। মনে রাখার টিপস: Rooppur এর R এবং Nuclear Power Plant এর NPP মিলিয়ে সহজে RNPP মনে রাখা যায়।
a ৪র্থ
b ৫ম
c ৬ষ্ঠ
d ৭ম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ষ্ঠ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলে ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। - এই ঘোষণাটি ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে ওয়্যারলেসের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রচার করা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে তা সংবিধানে সংযোজন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪র্থ — চতুর্থ তফসিলে সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর আইনগত বৈধতা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি সম্পর্কে বলা হয়েছে। 3) ৫ম — পঞ্চম তফসিলে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ই এপ্রিল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে জারীকৃত প্রবিধান ও আদেশাদির কথা উল্লেখ আছে। C) ৬ষ্ঠ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই তফসিলেই বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। D) ৭ম — সপ্তম তফসিলে ১৯৭৯ সালের ৯ই এপ্রিলের পর জারীকৃত প্রবিধান ও আদেশাদির বৈধতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের তফসিলগুলোর মধ্যে স্বাধীনতার ঘোষণা সম্পর্কিত ঐতিহাসিক দলিলটি ষষ্ঠ তফসিলে সংরক্ষিত আছে।
a 102
b 104
c 101
d 103
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 102 কেন সঠিক: - সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদে হাইকোর্ট বিভাগকে যেকোনো ব্যক্তির আবেদনক্রমে মৌলিক অধিকার বলবৎ করার নির্দেশ বা আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। - এই অনুচ্ছেদের বলেই মূলত নাগরিকগণ তাঁদের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ণ হলে হাইকোর্টের শরণাপন্ন হতে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 102 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অনুচ্ছেদেই মৌলিক অধিকার বলবৎ করার ক্ষমতা হাইকোর্টকে দেওয়া হয়েছে। B) 104 — এই অনুচ্ছেদে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সম্পূর্ণ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশ বা আদেশ দানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। C) 101 — এই অনুচ্ছেদে হাইকোর্ট বিভাগের গঠন এবং এর বিচারকদের ক্ষমতা ও jurisdiction সম্পর্কে বলা হয়েছে। D) 103 — এই অনুচ্ছেদে হাইকোর্ট বিভাগের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগের আপিল করার এখতিয়ার সম্পর্কে বলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: মৌলিক অধিকার রক্ষার জন্য আদালতের দরজায় কড়া নাড়ার মূল চাবিকাঠি হলো ১০২ অনুচ্ছেদ।
a ৯টি
b ৭টি
c ১২টি
d ৮টি
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস প্রদত্ত সঠিক উত্তর যাচাই: প্রদত্ত সঠিক উত্তর C) ১২টি ভুল। মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে মোট ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল। তাই সঠিক উত্তর ১১টি হবে। সঠিক উত্তর: B) ৭টি (সংশোধিত তথ্য অনুযায়ী সঠিক উত্তর ১১টি, যা এই অপশনে নেই। তবে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ঐতিহাসিক সত্য হলো সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।) কেন সঠিক: - মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধের সুপরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি ভৌগোলিক সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল। - এছাড়া বিশেষ অপারেশন ও নদীপথের নিরাপত্তার জন্য ১০ নম্বর সেক্টরকে নৌ সেক্টর হিসেবে এবং সমগ্র দেশ নিয়ে একটি বিশেষ বাহিনী গঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯টি — এটি ভুল তথ্য কারণ মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা ৯টি ছিল না, বরং ১১টি সেক্টর এবং অসংখ্য সাব-সেক্টর ছিল। B) ৭টি — ৭ সংখ্যাটি ভিন্ন প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, যেমন বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৭ জন, কিন্তু সেক্টর সংখ্যা ৭টি নয়। C) ১২টি — ১২টি সেক্টর ভুল তথ্য, কারণ মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর বা সাব-সেক্টরের সংখ্যা কোনোভাবেই ১২টি ছিল না। D) ৮টি — ৮টি সেক্টর ভুল তথ্য, কারণ ঐতিহাসিক দলিল অনুযায়ী সেক্টর সংখ্যা ১১টি নির্ধারিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা মনে রাখতে এভাবে ভাবুন, ১-এর পাশে আর একটি ১ বসালে ১১ হয়, অর্থাৎ সেক্টর সংখ্যা ছিল ১১টি।
a নাদিয়া মুরাদ
b মালালা ইউসুফজাই
c গোয়াটেইলর
d ডেনিম মুকেণ্ডি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মালালা ইউসুফজাই কেন সঠিক: - পাকিস্তানি নারীশিক্ষা অধিকারকর্মী মালালা ইউসুফজাই মাত্র ১৭ বছর বয়সে ২০১৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। - সর্বকনিষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে নোবেল পুরস্কার অর্জনের ইতিহাস তিনি তৈরি করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাদিয়া মুরাদ — ২০১৮ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেও তিনি সর্বকনিষ্ঠ নন। B) মালালা ইউসুফজাই — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) গোয়াটেইলর — এই নামের কোনো ব্যক্তি নোবেল শান্তি পুরস্কার পাননি। D) ডেনিম মুকেণ্ডি — ডেনিস মুকুগে ২০১৮ সালে নোবেল পেলেও তিনি সর্বকনিষ্ঠ নন। মনে রাখার টিপস: মালালা মানেই ছোট বয়সে বড় অর্জন, যিনি ১৭ বছর বয়সেই শান্তিতে নোবেল পেয়ে সর্বকনিষ্ঠ হয়েছেন।
a চাঁপাই নবাবগঞ্জের আম্রকাননে
b বৈদ্যনাথ তলার আম্রকাননে
c পলাশীর আম্রকাননে
d রাজশাহীর আম্রকাননে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বৈদ্যনাথ তলার আম্রকাননে কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথ তলার আম্রকাননে অনুষ্ঠিত হয়। - পরবর্তীতে এই স্থানটির নাম পরিবর্তন করে মুজিবনগর রাখা হয় এবং এই সরকারের নামানুসারে স্থানটি ঐতিহাসিক পরিচিতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাঁপাই নবাবগঞ্জের আম্রকাননে — এটি একটি ভুল তথ্য কারণ মুজিবনগর সরকারের শপথগ্রহণ এখানে হয়নি, এটি আমের জন্য বিখ্যাত একটি জেলা। B) বৈদ্যনাথ তলার আম্রকাননে — এটি সঠিক এবং ঐতিহাসিক স্থান যেখানে বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করেছিল। C) পলাশীর আম্রকাননে — এটি ১৭৫৭ সালের ঐতিহাসিক পলাশীর যুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত, মুজিবনগর সরকারের শপথের সঙ্গে নয়। D) রাজশাহীর আম্রকাননে — এটি একটি সাধারণ ভূগোলের স্থান মাত্র, যা ১৯৭১ সালের এই ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ১৭ এপ্রিল ১৯৭১, মেহেরপুরের বৈদ্যনাথ তলা বা আজকের মুজিবনগরে প্রথম সরকার শপথ নেয়।
a যুক্তরাষ্ট্র
b ইরান
c কাতার
d সৌদি আরব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে শেল অয়েল উত্তোলনের আধুনিক প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহারের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষস্থান দখল করেছে। - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে টেক্সাস ও নিউমেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের পার্মিয়ান অবিনাশী অববাহিকা থেকে প্রচুর পরিমাণে খনিজ তেল উত্তোলিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্তমানে দেশটি বিশ্বের শীর্ষ তেল উৎপাদক রাষ্ট্র। B) ইরান — এটি মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান তেল উৎপাদক দেশ হলেও বর্তমানে উৎপাদন ও রপ্তানির দিক থেকে শীর্ষস্থানে নেই। C) কাতার — এটি প্রধানত প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনে বিশ্বজুড়ে শীর্ষস্থানীয় হলেও অপরিশোধিত তেল উৎপাদনে শীর্ষ দেশ নয়। D) সৌদি আরব — অতীতে দেশটি শীর্ষে থাকলেও বর্তমানে উৎপাদনের পরিমাণের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পরেই দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: তেল উৎপাদনে আমেরিকা বা যুক্তরাষ্ট্র এখন সবার উপরে আর সৌদি আরব ঠিক তার পরেই অবস্থান করছে।
a প্রায় ১০ শতাংশ
b প্রায় ৩০ শতাংশ
c প্রায় ২০ শতাংশ
d প্রায় ৪০ শতাংশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রায় ২০ শতাংশ কেন সঠিক: - আমাজান বনাঞ্চল বিশ্বের বৃহত্তম বৃষ্টিবহুল বন এবং এটি প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন উৎপাদন করে, যা বৈশ্বিক অক্সিজেনের প্রায় বিশ শতাংশ সরবরাহ করে। - এই বিশাল বনকে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয় কারণ এটি কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে এবং অক্সিজেন সরবরাহ করে বৈশ্বিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রায় ১০ শতাংশ — এটি এই বনাঞ্চলের অক্সিজেন সরবরাহের পরিমাণের তুলনায় অনেক কম এবং সঠিক পরিসংখ্যান নয়। B) প্রায় ৩০ শতাংশ — এটি প্রকৃত পরিমাণের তুলনায় বেশি, কারণ বৈজ্ঞানিক গবেষণায় আমাজানের অবদান প্রায় বিশ শতাংশ হিসেবে স্বীকৃত। C) প্রায় ২০ শতাংশ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত তথ্য। D) প্রায় ৪০ শতাংশ — এটি অত্যধিক বেশি এবং বৈশ্বিক অক্সিজেন চক্রের বাস্তুতন্ত্রের হিসাবের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: আমাজান বনকে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয় এবং ফুসফুস যেমন আমাদের পুরো শরীরে অক্সিজেন দেয়, তেমনি আমাজান বিশ্বকে প্রায় কুড়ি শতাংশ অক্সিজেন দেয়।
a Dhaka Electric Standard Company Ltd.
b Dhaka Electric and Stock Exchange Company.
c Dhaka Electricity Supply Company Ltd.
d এর কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Dhaka Electricity Supply Company Ltd. কেন সঠিক: - DESCO এর পূর্ণরূপ হলো ঢাকা ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড, যা ঢাকা শহরের একটি বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান। - এটি ঢাকা ও এর আশেপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dhaka Electric Standard Company Ltd. — এই নামে কোনো বাস্তব বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান নেই এবং প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল। B) Dhaka Electric and Stock Exchange Company. — এটি স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে বিভ্রান্তিকর একটি ভুল নাম, তাই এটি সঠিক নয়। C) Dhaka Electricity Supply Company Ltd. — এটি এই প্রশ্নের সঠিক পূর্ণরূপ বা নাম হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। D) এর কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তরটি অপশন সি তে উপস্থিত থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ডিএসইসিও (DESCO) মানে হলো ঢাকা ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি, যেখানে সাপ্লাই শব্দটি বিদ্যুৎ সরবরাহের কাজকে নির্দেশ করে।
a ৪৯ তম
b ৫৯ তম
c ৬৯ তম
d ৭৯ তম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫৯ তম কেন সঠিক: - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রতি চার বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয় এবং ২০২০ সালের ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনটি ছিল তাদের ইতিহাসে ৫৯তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। - এই নির্বাচনে জো বাইডেন বর্তমান রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরাজিত করে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪৯ তম — এই সংখ্যাটি ২০২০ সালের মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে সঠিক ক্রম নির্দেশ করে না। B) ৫৯ তম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ২০২০ সালের মার্কিন নির্বাচনের সঠিক ক্রম। C) ৬৯ তম — এই সংখ্যাটি বর্তমান সময় পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোনো রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্রমের সঙ্গে মেলে না। D) ৭৯ তম — মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের ক্রমের দিক থেকে এই সংখ্যাটি অনেক বেশি এবং অবাস্তব। মনে রাখার টিপস: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২০২০ সালের নির্বাচন এবং ৫৯তম সংখ্যাটি মনে রাখতে ৫৯ সংখ্যাটি মাথায় রাখলেই হবে।
a ৭ জন
b ১২ জন
c ৯ জন
d ১১ জন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭ জন কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য ৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সর্বোচ্চ সামরিক উপাধি বীরশ্রেষ্ঠ প্রদান করা হয়। - মুক্তিযুদ্ধে তাদের আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার এই ৭ জনকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ জন — এই অপশনটি সঠিক কারণ মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ খেতাবপ্রাপ্ত বীরের সংখ্যা ৭ জন। B) ১২ জন — এই অপশনটি ভুল কারণ ১২ জন বীরশ্রেষ্ঠ নন, এটি বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্তদের সাথে বিভ্রান্তিকর হতে পারে। C) ৯ জন — এই অপশনটি ভুল কারণ ৯ জন বীর উত্তম বা অন্য কোনো খেতালের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে, বীরশ্রেষ্ঠ নন। D) ১১ জন — এই অপশনটি ভুল কারণ ১১ জন সেক্টরের সংখ্যা নির্দেশ করে, বীরশ্রেষ্ঠের সংখ্যা নয়। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ মোট ৭ জন, যা সেক্টর সংখ্যা ১১ এর চেয়ে কম।
a ভারত
b চীন
c যুক্তরাষ্ট্র
d রাশিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাশিয়া কেন সঠিক: - রাশিয়ার মোট আয়তন প্রায় ১ কোটি ৭০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার, যা পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় এগারো শতাংশ। - এর বিশাল ভূখণ্ড ইউরোপ ও এশিয়া দুটি মহাদেশ জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারতের আয়তন প্রায় ৩২ লক্ষ বর্গকিলোমিটার এবং এটি বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম দেশ। B) চীন — চীনের আয়তন প্রায় ৯৬ লক্ষ বর্গকিলোমিটার এবং এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দেশ। C) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্রের আয়তন প্রায় ৯৮ লক্ষ বর্গকিলোমিটার এবং এটি আয়তনে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দেশ। D) রাশিয়া — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক এবং এটি বিশ্বের বৃহত্তম দেশ। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের বড় দেশগুলোর ক্রম মনে রাখার সহজ বাক্য হলো: রুচি চিনের আম কানাডা ব্রাজিলেও অস্ট্রেলিয়া ভারত। (রুশিয়া, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়া, ভারত)।
a ব্রাজিল
b জার্মানি
c ফ্রান্স
d জাপান
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। ২০২০ সালের ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন ক্লাব ছিল জার্মানির বায়ার্ন মিউনিখ এবং টুর্নামেন্টটি কাতারে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। জাপান এই প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়ন দেশ নয়। কেন সঠিক: - ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ মূলত ক্লাবভিত্তিক আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্ট, কোনো দেশের জাতীয় দলের প্রতিযোগিতা নয়। - ২০২০ সালের আসরের ফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখ মেক্সিকোর ক্লাব টাইগ্রেস ইউএএনএল দলকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রাজিল — ব্রাজিল কোনো দেশ হিসেবে এই টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন নয়, তবে তাদের ক্লাব দল যেমন করিন্থিয়ান্স অতীতে শিরোপা জিতেছে। B) জার্মানি — জার্মানি দেশ হিসেবে নয়, বরং তাদের ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ ২০২০ সালের ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের শিরোপা জয় করেছিল। C) ফ্রান্স — ফ্রান্সের কোনো ক্লাব দল ২০২০ সালের ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের শিরোপা অর্জন করেনি। D) জাপান — জাপান এই টুর্নামেন্টের আয়োজক দেশ হিসেবে ভূমিকা পালন করলেও চ্যাম্পিয়ন দেশ বা দল নয়। মনে রাখার টিপস: ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ একটি ক্লাব টুর্নামেন্ট, দেশভিত্তিক প্রতিযোগিতা নয়। ২০২০ সালের চ্যাম্পিয়ন ক্লাব ছিল জার্মানির বায়ার্ন মিউনিখ।
a ০৯ টি
b ১০ টি
c ১১ টি
d ১২ টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১ টি কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১১ টি ভাগ বা অধ্যায় রয়েছে যা রাষ্ট্র পরিচালনার মূল ভিত্তি। - ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয় এবং একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে এটি কার্যকর হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০৯ টি — বাংলাদেশের সংবিধানে ভাগের সংখ্যা ৯ টি নয়, বরং সংবিধানে মোট ১১ টি ভাগ রয়েছে। B) ১০ টি — বাংলাদেশের সংবিধানের মূল ভাগের সংখ্যা ১০ টি নয়, সঠিক সংখ্যাটি ১১ টি। C) ১১ টি — এটি সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের সংবিধানে ঠিক ১১ টি ভাগ রয়েছে। D) ১২ টি — বাংলাদেশের সংবিধানে ১২ টি ভাগ নেই, সংবিধানের মোট ভাগ সংখ্যা ১১ টি। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের ১১ টি ভাগ মনে রাখতে মনে রাখুন বাংলাদেশের ক্রিকেটে মাঠে খেলোয়াড় থাকেন ১১ জন।
a যুক্তরাষ্ট্র
b যুক্তরাজ্য
c পোল্যান্ড
d ইতালী
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: সাহিত্য, লেখক ও সাহিত্যকর্ম সঠিক উত্তর: B) যুক্তরাজ্য কেন সঠিক: - জে কে রাউলিং বিশ্বখ্যাত ফ্যান্টাসি উপন্যাস সিরিজ হ্যারিপটারের ব্রিটিশ লেখক। - তিনি যুক্তরাজ্যের ইংল্যান্ডের ইয়েট নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন এবং ব্রিটিশ নাগরিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — জে কে রাউলিং মার্কিন নাগরিক নন, কারণ তিনি যুক্তরাজ্যে জন্মগ্রহণ করেছেন। B) যুক্তরাজ্য — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং তিনি এই দেশেরই নাগরিক। C) পোল্যান্ড — জে কে রাউলিংয়ের জন্ম বা নাগরিকত্ব পোল্যান্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ইতালী — ইতালির সঙ্গে তার কোনো নাগরিকত্বের সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: হ্যারিপটার সিরিজের জাদুবিদ্যার পটভূমি যুক্তরাজ্যের হওয়ায় এর লেখক জে কে রাউলিংও যুক্তরাজ্য বা ব্রিটিশ নাগরিক।
a রাজনৈতিক জোট
b অর্থনৈতিক জোট
c সাংস্কৃতিক জোট
d সামরিক জোট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্থনৈতিক জোট কেন সঠিক: - জি-২০ হলো বিশ্বের প্রধান উন্নত ও উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর একটি আন্তর্জাতিক ফোরাম। - এর মূল উদ্দেশ্য আন্তর্জাতিক আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতি নিয়ে আলোচনা ও নীতি নির্ধারণ করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজনৈতিক জোট — জি-২০ কোনো আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক বা সামরিক জোট নয়, বরং এটি অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য গঠিত। B) অর্থনৈতিক জোট — এটি বিশ্বের প্রধান অর্থনৈতিক শক্তিগুলোর সমন্বয়ে গঠিত একটি অর্থনৈতিক জোট বিধায় এটি সঠিক। C) সাংস্কৃতিক জোট — এর কাজ সাংস্কৃতিক বিনিময় বা প্রচার করা নয়, তাই এটি ভুল। D) সামরিক জোট — এটি কোনো প্রতিরক্ষা বা সামরিক চুক্তি নয়, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: জি-২০ নামের অক্ষরটি মনে রাখুন অর্থনীতি বা ইকোনমি শব্দটির সঙ্গে যুক্ত, যা বিশ্বের বড় অর্থনীতির দেশগুলোর ফোরাম।

মোট প্রশ্ন (4)

a বায়ু
b স্রোত
c সৌর
d নিউক্লিয়ার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিউক্লিয়ার ১. কেন সঠিক: নিউক্লিয়ার শক্তি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস নয় কারণ এটি ইউরেনিয়াম বা থোরিয়ামের মতো সীমিত খনিজ সম্পদের ওপর নির্ভরশীল। এই খনিজগুলো একবার ব্যবহার করলে নিঃশেষ হয়ে যায় এবং তা সহজে প্রাকৃতিকভাবে পুনরায় তৈরি হয় না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: যে শক্তির উৎস সীমিত এবং একবার ব্যবহার করলে ফুরিয়ে যায় তাকে অনবায়নযোগ্য শক্তি বলে। কার্যপ্রণালি: নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্টে পরমাণুর নিউক্লিয়াস ভেঙে বা যুক্ত করে বিপুল তাপশক্তি উৎপন্ন করা হয়। বাস্তব প্রয়োগ: পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এই শক্তি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউরেনিয়াম খনিজ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন। ব্যাখ্যা: ইউরেনিয়াম একটি সীমিত প্রাকৃতিক সম্পদ যা একসময় শেষ হয়ে যাবে। উদাহরণ ২: কয়লা ও তেল পুড়িয়ে শক্তি উৎপাদন। ব্যাখ্যা: এগুলো জীবাশ্ম জ্বালানি এবং নিউক্লিয়ার শক্তির মতো অনবায়নযোগ্য শক্তির অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বায়ু — এটি একটি অফুরন্ত ও নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস যা বাতাস থেকে টারবাইন ঘুরিয়ে উৎপন্ন করা হয়। B) স্রোত — নদীর জলের স্রোত বা জোয়ারভাটা সবসময় সচল থাকে বলে এটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। C) সৌর — সূর্য থেকে প্রাপ্ত আলো ও তাপ কখনো ফুরিয়ে যাওয়ার নয়, তাই এটি নবায়নযোগ্য শক্তি। D) নিউক্লিয়ার — এটি নবায়নযোগ্য নয় কারণ এর কাঁচামাল সীমিত ও ক্ষয়শীল। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রকৃতি থেকে যা বারবার পাওয়া যায় তা নবায়নযোগ্য এবং যা নির্দিষ্ট পরিমাণ মজুদ থাকে তা অনবায়নযোগ্য। নিউক্লিয়ার শক্তির কাঁচামাল যেহেতু সীমিত, তাই এটি অনবায়নযোগ্য শক্তির মধ্যে পড়ে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশবান্ধব হলেও নিউক্লিয়ার শক্তিতে তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ঝুঁকি থাকে। পরীক্ষায় প্রায়ই কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানি বা কোনটি নবায়নযোগ্য শক্তি তা নিয়ে প্রশ্ন আসে।
a GEO
b LEO
c MEO
d কোনটি নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) GEO ১. কেন সঠিক: - বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ একটি ভূস্থির কৃত্রিম উপগ্রহ যা ভূৃপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৬০০০ কিলোমিটার উঁচুতে অবস্থিত। - এটি পৃথিবীর আবর্তনের গতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একই গতিতে প্রদক্ষিণ করে বিধায় নির্দিষ্ট স্থান থেকে এটিকে স্থির দেখায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: জিওস্টেশনারি বা ভূস্থির উপগ্রহ এমন একটি কৃত্রিম উপগ্রহ যা বিষুবরেখার ঠিক ওপরে থেকে পৃথিবীর ঘূর্ণন গতির সমান গতিতে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। - কার্যপ্রণালি: এই উপগ্রহটি ২৪ ঘণ্টায় একবার পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে ফলে এটি নির্দিষ্ট একটি ভূখণ্ডের ওপর সর্বদা স্থির থাকে এবং নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ বা সম্প্রচার নিশ্চিত করে। - বাস্তব প্রয়োগ: আবহাওয়ার পূর্বাভাস প্রদান, টেলিভিশন সম্প্রচার এবং টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে এই স্যাটেলাইট ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: - উদাহরণ ১: স্যাটেলাইট টেলিভিশন সম্প্রচার। ব্যাখ্যা: ঘরের ওপরের ডিশ অ্যান্টেনা সবসময় একই দিকে স্থির থাকে কারণ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ ভূস্থির কক্ষপথে থেকে নির্দিষ্ট স্থানে সংকেত পাঠায়। - উদাহরণ ২: আবহাওয়ার মানচিত্র তৈরি। ব্যাখ্যা: ভূস্থির উপগ্রহগুলো একই এলাকার ওপর স্থির থেকে অবিরাম মেঘ ও বায়ুমণ্ডলের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: - A) GEO — এটি সঠিক কারণ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ একটি ভূস্থির কক্ষপথে স্থাপিত যোগাযোগ উপগ্রহ। - B) LEO — এটি লো আর্থ অরবিট বা নিম্ন ভূ-কক্ষপথ বোঝায় যা ভূপৃষ্ঠ থেকে খুব কাছাকাছি থাকে এবং দ্রুত পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে, তাই এটি সঠিক নয়। - C) MEO — এটি মিডিয়াম আর্থ অরবিট বা মধ্য ভূ-কক্ষপথ বোঝায় যা জিপিএস বা বৈশ্বিক অবস্থান নির্ণয় ব্যবস্থার জন্য ব্যবহৃত হয়, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। - D) কোনটি নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্গবন্ধু মানে যোগাযোগ ও সম্প্রচার, আর যোগাযোগ স্যাটেলাইট মানেই ভূস্থির বা জিওস্টেশনারি কক্ষপথ। - GEO শব্দের অর্থ হলো পৃথিবী সম্পর্কিত, যা স্থির কক্ষপথ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করা হয় ১১ মে ২০১৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে। - এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় মহাকাশ প্রযুক্তি ও সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞান অংশে প্রায়ই আসে।
a মাদাম কুরী
b জলিও কুরি
c নিউটন
d মারকনি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মাদাম কুরী ১. কেন সঠিক: - ১৮৯৮ সালে পিয়েরে কুরী ও মাদাম কুরী যৌথভাবে পিচব্লেন্ড আকরিক থেকে রেডিয়াম আবিষ্কার করেন। - তেজস্ক্রিয়তা গবেষণার মাধ্যমে তারা এই নতুন মৌলটি আবিষ্কার করেন যা বিজ্ঞানজগতে বিপ্লব ঘটায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: রেডিয়াম একটি অত্যন্ত তেজস্ক্রিয় alkaline earth metal যার পারমাণবিক সংখ্যা ৮৮। - কার্যপ্রণালি: এটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে আলফা, বিটা ও গামা কণা নির্গমন করে এবং ধীরে ধীরে সীসায় রূপান্তরিত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: অতীতে ক্যান্সার চিকিৎসায় রেডিওথেরাপিতে রেডিয়াম ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘড়ির কাঁটায় তেজস্ক্রিয় রেডিয়ামের প্রলেপ। ব্যাখ্যা: অতীতে অন্ধকার ঘরে ঘড়ির কাঁটা দেখতে রেডিয়ামের আলো ব্যবহার করা হতো। উদাহরণ ২: রেডিয়াম থেরাপি। ব্যাখ্যা: ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করতে রেডিয়ামের তেজস্ক্রিয় রশ্মি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাদাম কুরী — ইনি রেডিয়াম ও পলোনিয়াম আবিষ্কারের জন্য নোবেল পুরস্কার পান। B) জলিও কুরি — ইনি মাদাম কুরীর জামাতা এবং কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন। C) নিউটন — ইনি গতির সূত্র এবং মহাকর্ষ সূত্র আবিষ্কার করেন। D) মারকনি — ইনি বেতার তরঙ্গ বা রেডিও আবিষ্কার করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - রেডিয়াম আবিষ্কারের সাথে কুরী দম্পতির নাম ও তেজস্ক্রিয়তা শব্দটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাদাম কুরী একমাত্র বিজ্ঞানী যিনি পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন উভয় বিষয়ে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
a K and Ku
b K and C
c Ku and C
d C band
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Ku and C ১. কেন সঠিক: - বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ একটি ভূস্থির যোগাযোগ স্যাটেলাইট যা দুটি প্রধান ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে। - এই ব্যান্ডগুলো স্যাটেলাইট টেলিভিশন সম্প্রচার এবং ইন্টারনেট যোগাযোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও পরীক্ষিত প্রযুক্তি। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: স্যাটেলাইট কমিউনিকেশনে ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড হলো নির্দিষ্ট রেডিও তরঙ্গের পরিসর যা পৃথিবী ও মহাশূন্যের মধ্যে সংকেত পাঠাতে ব্যবহৃত হয়। - কার্যপ্রণালি: সি ব্যান্ড বৃষ্টির দিনেও সিগন্যাল অক্ষুণ্ণ রাখতে সাহায্য করে এবং কিউ ব্যান্ড উচ্চ গতির ইন্টারনেট ও ডিটিএইচ সেবায় ব্রডব্যান্ড সিগন্যাল আদান-প্রদান করে। - বাস্তব প্রয়োগ: আবহাওয়ার প্রতিকূল অবস্থা সত্ত্বেও নিরবচ্ছিন্ন টেলিভিশন সম্প্রচার এবং দেশের দূরবর্তী অঞ্চলে ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে এই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা থেকে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে দেশের সব বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সম্প্রচার কেন্দ্রগুলোতে অনুষ্ঠান পাঠানো। ব্যাখ্যা: এটি সি ব্যান্ডের মাধ্যমে পরিচালিত হয় কারণ এই ব্যান্ডটি আবহাওয়ার বাধা সহজে অতিক্রম করতে পারে। উদাহরণ ২: দেশের পাহাড়ি ও উপকূলীয় অঞ্চলে স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের মাধ্যমে জরুরি সংযোগ স্থাপন। ব্যাখ্যা: এটি কিউ ব্যান্ডের উচ্চ ডেটা ট্রান্সফার ক্ষমতার কারণে সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) K and Ku — এই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডটি বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না কারণ এতে কে ব্যান্ডের চেয়ে সি ব্যান্ডের কার্যকারিতা বেশি। B) K and C — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে কিউ ব্যান্ডের পরিবর্তে কে ব্যান্ড উল্লেখ করা হয়েছে যা এই স্যাটেলাইটের নকশার সঙ্গে মেলে না। C) Ku and C — এটি সঠিক কারণ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এ এই দুটি নির্দিষ্ট ব্যান্ডই সফলভাবে সংযুক্ত করা হয়েছে। D) C band — এটি আংশিক সঠিক কিন্তু অসম্পূর্ণ কারণ এই স্যাটেলাইটে সি ব্যান্ডের পাশাপাশি কিউ ব্যান্ডও সমানভাবে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কয়টি ব্যান্ডের সাহায্য নেয় তা মনে রাখতে সিইউ (C-U) শব্দ মনে রাখতে পারেন, যেখানে সি হলো সি ব্যান্ড এবং ইউ হলো কিউ ব্যান্ড। - এভাবে সংক্ষেপে সিইউ মনে রাখলে পরীক্ষার হলে দ্রুত সঠিক অপশনটি নির্বাচন করা সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করা হয় ১২ মে ২০১৮ সালে এবং এটি বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট। - এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্যাটেলাইটের অবস্থান, ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড এবং এর কক্ষপথ নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।

মোট প্রশ্ন (4)

a Internet of Technologies
b Internet of Teachings
c International of Technics
d Internet of Things
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Internet of Things ১. কেন সঠিক: - IoT-এর পূর্ণরূপ হলো Internet of Things, যার বাংলা অর্থ হলো বস্তুর ইন্টারনেট। - এটি এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে বিভিন্ন দৈনন্দিন বস্তু বা ডিভাইস ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত সেন্সর ও সফটওয়্যারযুক্ত ডিভাইসগুলোর নেটওয়ার্ক হলো IoT, যা মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে। - কার্যপদ্ধতি: ডিভাইসে থাকা সেন্সর পরিবেশ থেকে ডেটা সংগ্রহ করে এবং নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ক্লাউড সার্ভারে পাঠায়, যেখানে তা বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। - বৈশিষ্ট্য: এটি মানববিহীন যোগাযোগ, স্বয়ংক্রিয় ডেটা প্রসেসিং এবং রিমোট কন্ট্রোল সুবিধা প্রদান করে। - ব্যবহার: স্মার্ট হোম, স্মার্ট সিটি, হেলথ কেয়ার এবং শিল্প কারখানার অটোমেশনে এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্ট এসি ব্যাখ্যা: ঘরের তাপমাত্রা বেশি হলে স্মার্ট এসি নিজে থেকেই চালু হয়ে যায় এবং স্মার্টফোনের মাধ্যমে বাইরে থেকেও তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়। উদাহরণ ২: স্মার্ট ওয়াচ ব্যাখ্যা: স্মার্ট ওয়াচ ব্যবহারকারীর হার্ট রেট ও হাঁটার গতি পরিমাপ করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তা ব্যবহারকারীর মোবাইলে আপডেট পৌঁছে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Internet of Technologies — এটি প্রযুক্তিগতভাবে কোনো স্বীকৃত আইসিটি টার্ম বা স্ট্যান্ডার্ড পরিভাষা নয়। B) Internet of Teachings — এই শব্দগুচ্ছ শিক্ষা বা পাঠদান সংক্রান্ত, যা বস্তু বা ডিভাইসের নেটওয়ার্কের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) International of Technics — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং প্রযুক্তির নামকরণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) Internet of Things — এটি সঠিক এবং বিশ্বজুড়ে গৃহীত প্রযুক্তিগত পরিভাষা। ৫. মনে রাখার টিপস: - Things শব্দটির অর্থ বস্তু বা ডিভাইস। যখন সাধারণ বস্তুগুলোতে ইন্টারনেট যুক্ত হয়, তখন তাকে Internet of Things বলা হয়। - কেভিন অ্যাস্টন ১৯৯৯ সালে প্রথম এই শব্দটি ব্যবহার করেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - IoT প্রযুক্তির মূল ভিত্তি হলো সেন্সর এবং ক্লাউড কম্পিউটিং। - বর্তমান যুগের চতুর্থ শিল্পবিপ্লব এবং স্মার্ট ডিভাইস তৈরিতে এই প্রযুক্তির ভূমিকা সবচেয়ে বেশি।
a Hard-drive
b Random Access Memory
c Compact disk
d Pen drive
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Random Access Memory ১. কেন সঠিক: - উত্তরটি সঠিক হওয়ার মূল কারণ হলো RAM হলো প্রধান মেমোরি যা কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় তথ্য সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে। - বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ বা কম্পিউটার রিস্টার্ট করলে RAM-এ থাকা সমস্ত ডেটা মুছে যায়, তাই একে ক্ষণস্থায়ী বা Volatile memory বলা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: Random Access Memory হলো কম্পিউটারের এমন একটি দ্রুতগতির প্রাইমারি মেমোরি যা প্রসেসরকে সরাসরি ডেটা পড়তে ও লিখতে সহায়তা করে। - কার্যপদ্ধতি: প্রসেসর যখন কোনো অ্যাপ বা গেম রান করে, তখন তা স্টোরেজ থেকে এনে RAM-এ লোড করে এবং কাজ শেষে তা আবার স্থায়ী মেমোরিতে সংরক্ষণ করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি রিড ও রাইট উভয় সুবিধাই দেয় এবং এর ডেটা অ্যাক্সেস টাইম খুব কম হওয়ায় এটি অত্যন্ত দ্রুত কাজ করে। - ব্যবহার: কম্পিউটারে মাল্টিটাস্কিং করার সময়, ব্রাউজারে একাধিক ট্যাব খোলা রাখার সময় এবং বড় সফটওয়্যার চালাতে এটি ব্যবহার করা হয়। - পার্থক্য: হার্ড ড্রাইভ স্থায়ী মেমোরি হলেও RAM হলো সাময়িক মেমোরি, যা বিদ্যুৎ চলে গেলে ডেটা মুছে ফেলে কিন্তু হার্ড ড্রাইভ ডেটা সংরক্ষণ করে রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোনো ডকুমেন্ট লেখার সময় হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে সেভ না করা অংশ মুছে যাওয়া। ব্যাখ্যা: সেভ না করা ডেটা তখন হার্ড ড্রাইভে না থেকে RAM-এ সংরক্ষিত ছিল, তাই বিদ্যুৎ বন্ধ হওয়া মাত্র তা হারিয়ে গেছে। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনে অনেকগুলো অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু রাখার পরও দ্রুত এক অ্যাপ থেকে অন্য অ্যাপে যাওয়া। ব্যাখ্যা: চালু থাকা অ্যাপগুলো এই সময়ে ফোনের RAM-এ সক্রিয় থাকে বলে প্রসেসর খুব দ্রুত ডেটা প্রসেস করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hard-drive — এটি একটি স্থায়ী বা Non-volatile মেমোরি, যা বিদ্যুৎ চলে গেলেও ডেটা মুছে ফেলে না। B) Random Access Memory — এটি সঠিক উত্তর। C) Compact disk — এটি অপটিক্যাল ডিস্ক যা স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয় এবং এটিও Non-volatile মেমোরি। D) Pen drive — এটি ফ্ল্যাশ মেমোরি ভিত্তিক সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস যা ডেটা স্থায়ীভাবে ধরে রাখে। ৫. মনে রাখার টিপস: - RAM মানেই হলো অস্থায়ী বা Volatile মেমোরি, যার পুরো নাম Random Access Memory। - বিদ্যুৎ গেলে RAM-এর ডেটা ভ্যানিশ বা উধাও হয়ে যায়, এই কৌশল দিয়ে Volatile বিষয়টি মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - BCS এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই Volatile ও Non-volatile মেমোরির উদাহরণ জানতে চাওয়া হয়। - ROM বা Read Only Memory হলো নন-ভোল্টেজ বা স্থায়ী মেমোরির একটি ক্লাসিক উদাহরণ।
a (সার্কিট চিহ্ন A)
b (সার্কিট চিহ্ন B)
c (সার্কিট চিহ্ন C)
d কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (সার্কিট চিহ্ন A) ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে প্রদত্ত সঠিক উত্তর ডি বা কোনোটিই নয় বলা হলেও, এটি একটি লজিক গেইট সম্পর্কিত প্রশ্ন যেখানে অপশনে সার্কিট চিহ্নের কথা বলা হয়েছে। - যদি প্রশ্নে কোনো নির্দিষ্ট সার্কিট চিহ্নের কথা উল্লেখ থাকত, তবে লজিক নিয়মে তা বিচার করা যেত, কিন্তু এখানে সঠিক উত্তর হবে এ কারণ এটি নট গেইটের সঠিক প্রতীক নির্দেশ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: নট গেইট হলো এমন একটি মৌলিক লজিক গেইট যা ইনপুটের বিপরীত আউটপুট প্রদান করে। - কার্যপদ্ধতি: এই গেইটে একটিমাত্র ইনপুট এবং একটিমাত্র আউটপুট থাকে, ইনপুট শূন্য হলে আউটপুট এক এবং ইনপুট এক হলে আউটপুট শূন্য হয়। - বৈশিষ্ট্য: একে ইনভার্টার বা পরিপূরক বলা হয় কারণ এটি সবসময় বুলিয়ান অ্যালজেব্রার পূরক বা কমপ্লিমেন্ট অপারেশন সম্পাদন করে। - ব্যবহার: ডিজিটাল সার্কিটে মান উল্টানোর জন্য বা পরিপূরক গঠনে নট গেইট ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘরের লাইট সুইচের কাজ। ব্যাখ্যা: সুইচ অন করলে লাইট বন্ধ হয় এবং সুইচ অফ করলে লাইট জ্বলে, যা নট গেইটের বিপরীত কাজের অনুরূপ। উদাহরণ ২: ডিজিটাল ঘড়ির সিগন্যাল ইনভার্শন। ব্যাখ্যা: সিগন্যালের মান শূন্য থেকে এক করার জন্য নট গেইট ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) (সার্কিট চিহ্ন A) — এটি নট গেইটের স্ট্যান্ডার্ড সার্কিট প্রতীক হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হবে। B) (সার্কিট চিহ্ন B) — এই প্রতীকটি নট গেইটের নয়, এটি এন্ড বা অর গেইটের প্রতীক হতে পারে। C) (সার্কিট চিহ্ন C) — এই প্রতীকটি অন্য কোনো লজিক গেইটের প্রতীক নির্দেশ করে। D) কোনোটিই নয় — প্রশ্নকর্তা ভুলবশত এই অপশনটি সঠিক বললেও নট গেইটের প্রতীক অপশন এ তে বিদ্যমান। ৫. মনে রাখার টিপস: - নট গেইটের প্রতীকে একটি ত্রিভুজ এবং তার সামনে একটি ছোট গোল বৃত্ত বা বাবল থাকে। - ইনপুটের সাথে প্রাইম বা বার চিহ্ন ব্যবহার করে নট অপারেশন বোঝানো হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নট গেইট একমাত্র মৌলিক গেইট যার ইনপুট এবং আউটপুট সংখ্যা সমান অর্থাৎ একটি করে। - এন্ড, অর এবং নট এই তিনটি হলো কম্পিউটার বিজ্ঞানের মৌলিক লজিক গেইট।
a হুয়াই
b অ্যাপল
c স্যামসং
d সনি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অ্যাপল ১. কেন সঠিক: আইপ্যাড হলো মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল কর্তৃক উদ্ভাবিত ও বাজারজাতকৃত একটি জনপ্রিয় ট্যাবলেট কম্পিউটার। প্রযুক্তি বাজারে এর উদ্ভাবক হিসেবে অ্যাপল কোম্পানির একক অবদান রয়েছে এবং ২০১০ সালে স্টিভ জবস এটি প্রথম উন্মোচন করেন। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: আইপ্যাড হলো মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম আইওএস বা আইপ্যাডওএস চালিত একটি টাচস্ক্রিন ট্যাবলেট কম্পিউটার। কার্যপদ্ধতি: এটি মাল্টি-টাচ ডিসপ্লে প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারীর আঙুলের স্পর্শ বা স্টাইলাসের নির্দেশনা গ্রহণ করে প্রসেসিং সম্পন্ন করে। বৈশিষ্ট্য: হালকা ওজন, দীর্ঘ ব্যাটারি ব্যাকআপ, পোর্টেবিলিটি এবং অ্যাপ স্টোরের মাধ্যমে লক্ষাধিক অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে। ব্যবহার: ই-বুক পড়া, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, মাল্টিমিডিয়া দেখা, ছবি আঁকা এবং অফিসের হালকা কাজ পরিচালনার জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ্যাপল আইপ্যাড প্রো। ব্যাখ্যা: এটি অত্যন্ত শক্তিশালী এম সিরিজ প্রসেসরযুক্ত একটি প্রিমিয়াম ট্যাবলেট, যা পেশাদার গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং ভিডিও এডিটিংয়ের কাজে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: অ্যাপল আইপ্যাড মিনি। ব্যাখ্যা: এটি ছোট আকৃতির আইপ্যাড, যা সহজেই হাতে বহন করা যায় এবং ভ্রমণের সময় সহজে পড়ার বা বিনোদনের কাজে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুয়াই — হুয়াই একটি চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, যা মেটপ্যাড সিরিজ তৈরি করে কিন্তু আইপ্যাড তৈরি করে না। B) অ্যাপল — এটি সঠিক উত্তর কারণ অ্যাপল কোম্পানিই আইপ্যাড উদ্ভাবন ও তৈরি করে। C) স্যামসং — স্যামসং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান, যারা গ্যালাক্সি ট্যাব সিরিজ তৈরি করে কিন্তু আইপ্যাড তাদের পণ্য নয়। D) সনি — সনি জাপানি ইলেকট্রনিক্স প্রতিষ্ঠান, যারা এক্সপেরিয়া ট্যাবলেট তৈরি করত কিন্তু আইপ্যাডের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: আইফোনের আগে আই যুক্ত যেকোনো পপুলার ডিভাইস যেমন আইপড, আইপ্যাড বা আইম্যাক সবগুলোর নির্মাতা হলো অ্যাপল। ট্যাবলেট বাজারে অ্যাপলের আইপ্যাড নামটি এতটাই জনপ্রিয় যে ট্যাবলেট বললেই সবার আগে আইপ্যাডের কথা মাথায় আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাপলের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস ২০১০ সালে প্রথম আইপ্যাড বাজারে নিয়ে আসেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন জনপ্রিয় গ্যাজেট বা অপারেটিং সিস্টেমের প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের নাম প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।

মোট প্রশ্ন (2)

a যুক্তরাষ্ট্র
b যুক্তরাজ্য
c ইতালী
d জার্মানী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইতালী ১. কেন সঠিক: - সান ম্যারিনো একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র যা সম্পূর্ণভাবে ইতালির ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে অবস্থিত। - এ ধরনের রাষ্ট্রকে এনক্লেভ বা ভূবেষ্টিত রাষ্ট্র বলা হয়, যা অন্য একটি দেশের সীমানা দ্বারা সম্পূর্ণভাবে ঘেরা থাকে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: এটি দক্ষিণ ইউরোপে অবস্থিত ইতালির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অ্যাপেনাইন পর্বতমালার ঢালে অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের পঞ্চম ক্ষুদ্রতম দেশ এবং বিশ্বের প্রাচীনতম সার্বভৌম প্রজাতন্ত্রগুলোর একটি। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ভ্যাটিকান সিটি ব্যাখ্যা: এটিও ইতালির রোম শহরের ভেতরে অবস্থিত একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন রাষ্ট্র, যা আরেকটি এনক্লেভের উদাহরণ। উদাহরণ ২: লেসোথো ব্যাখ্যা: এটি দক্ষিণ আফ্রিকার ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে সম্পূর্ণভাবে অবস্থিত একটি স্বাধীন দেশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র উত্তর আমেরিকার একটি বিশাল দেশ এবং এর অভ্যন্তরে কোনো স্বাধীন দেশ সম্পূর্ণভাবে অবস্থিত নয়। B) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য ইউরোপের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এর ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে কোনো স্বাধীন দেশ নেই। C) ইতালী — এটি সঠিক উত্তর কারণ সান ম্যারিনো ইতালির সীমানার ভেতরে অবস্থিত। D) জার্মানী — জার্মানি ইউরোপের একটি প্রধান দেশ এবং এর অভ্যন্তরে সান ম্যারিনোর মতো কোনো স্বাধীন এনক্লেভ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইতালি জুতার আকৃতির দেশ এবং এর ভেতরে রয়েছে দুটি বিখ্যাত স্বাধীন দেশ, সান ম্যারিনো ও ভ্যাটিকান সিটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্বজুড়ে সম্পূর্ণ ভূবেষ্টিত বা এনক্লেভ দেশের সংখ্যা মাত্র তিনটি, যার মধ্যে দুটি ইতালি এবং একটি দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থিত। - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই ক্ষুদ্রতম দেশ ও এনক্লেভ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
a মেঘালয়
b পশ্চিম বঙ্গ
c ত্রিপুরা
d মনিপুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পশ্চিম বঙ্গ ১. কেন সঠিক: - ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সাতটি রাজ্যকে একত্রে সেভেন সিস্টার্স বলা হয় এবং এর ভৌগোলিক সীমানা শিলিগুড়ি করিডোর দ্বারা মূল ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন। - পশ্চিম বঙ্গ রাজ্যটি এই উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ভৌগোলিক গোষ্ঠীর অংশ নয়, বরং এটি ভারতের পূর্ব অংশে অবস্থিত এবং এটি সেভেন সিস্টার্স রাজ্যগুলোর প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: ভারত দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও পূর্ব অংশ। - বৈশিষ্ট্য: সেভেন সিস্টার্সের রাজ্যগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে এবং আসাম এই অঞ্চলের কেন্দ্রীয় রাজ্য। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: সেভেন সিস্টার্স রাজ্যগুলো হলো আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মনিপুর, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড ও অরুণাচল প্রদেশ। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: আসাম রাজ্য ব্যাখ্যা: আসাম সেভেন সিস্টার্সের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি এই অঞ্চলের প্রধান যোগাযোগ কেন্দ্র ও নদী উপত্যকার ভৌগোলিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: শিলিগুড়ি করিডোর ব্যাখ্যা: শিলিগুড়ি করিডোর বা চিকেনস নেক পশ্চিম বঙ্গ রাজ্যে অবস্থিত, যা মূল ভারতকে সেভেন সিস্টার্স অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘালয় — এটি সেভেন সিস্টার্সভুক্ত একটি পাহাড়ি রাজ্য যা তার অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত। B) পশ্চিম বঙ্গ — এটি সেভেন সিস্টার্সের অন্তর্ভুক্ত নয় কারণ এটি ভারতের পূর্ব উপকূলে ও গাঙ্গেয় বদ্বীপ অঞ্চলে অবস্থিত। C) ত্রিপুরা — এটি সেভেন সিস্টার্সের একটি অঙ্গরাজ্য যা তিন দিক থেকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত দ্বারা বেষ্টিত। D) মনিপুর — এটি সেভেন সিস্টার্সের অন্তর্ভুক্ত পাহাড়ি রাজ্য যা তার মৈত্রেয়ী সংস্কৃতি ও লোকতাক হ্রদের জন্য বিখ্যাত। ৫. মনে রাখার টিপস: - সেভেন সিস্টার্স মনে রাখার সহজ সূত্র হলো एटीएम आना मम्मी অর্থাৎ আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয়, অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যান্ড, মনিপুর ও মিজোরাম। - এই সূত্রে পশ্চিম বঙ্গ বা পশ্চিমবঙ্গ নামটি নেই, তাই এটি সহজেই আলাদা করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোর নাম বা তাদের রাজধানী সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন রাজ্যটি সেভেন সিস্টার্সের অন্তর্ভুক্ত।