a মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি
b ব্যতিহার বহুব্রীহি
c ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি
d দ্বিগু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি ১. কেন সঠিক: - যে বহুব্রীহি সমাসের প্রথম পদটি এবং দ্বিতীয় পদটি কোনোটিই যদি বিশেষ্য পদ না হয়ে ভিন্ন ভিন্ন কারক বোঝায়, তাকে ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস বলে। - এখানে গোঁফে খেজুরা যার, অর্থাৎ গোঁফ ও খেজুরা দুটি ভিন্ন পদ যুক্ত হয়ে এমন এক অবস্থা বুঝিয়েছে যা অন্য কোনো বিশেষ্য পদকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বহুব্রীহি সমাসে সমস্যমান পদের কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝানো হয়। - ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়েই ভিন্ন ভিন্ন বিভক্তি বা কারকযুক্ত হয়, যেমন গোঁফ (সপ্তমী বিভক্তি) এবং খেজুরা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শীতে মরে যে - শীতমুরে ব্যাখ্যা: এটিও ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের একটি প্রচলিত উদাহরণ যেখানে বিভক্তির ভিন্নতা রয়েছে। উদাহরণ ২: কথায় পটু যে - কথপটু ব্যাখ্যা: এখানেও পূর্বপদে ও পরপদে ভিন্ন কারক ও বিভক্তি যুক্ত হয়ে ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি — এই সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ বা পদগুলো সম্পূর্ণ লোপ পায়, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) ব্যতিহার বহুব্রীহি — এই সমাসে একই শব্দের পারস্পরিক ক্রিয়ার বিনিময় বোঝায়, যা গোঁফ খেজুরে শব্দের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। C) ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে পূর্বপদ ও পরপদ ভিন্ন ভিন্ন কারক বা বিভক্তিযুক্ত। D) দ্বিগু — এই সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে সমাহার বোঝায়, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বহুব্রীহি সমাসের ব্যাসবাক্যের শেষে 'যাহার' বা 'যার' থাকে এবং পূর্বপদ ও পরপদ যদি ভিন্ন কারকের হয়, তবে চোখ বন্ধ করে ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি দাগাবে। - গোঁফে খেজুরা যার, এই গঠনে বিভক্তির ভিন্নতা লক্ষ্য করলেই উত্তর সহজ হয়ে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - গোঁফ খেজুরে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বারবার আসা বাগধারাভিত্তিক সমাস।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0